Friday, April 10th, 2020

Astro Research Centre

শুক্রবারে জন্মগ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

শুক্রবারে জন্মগ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

শুক্রবারে জন্মগ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

প্রত্যেকটি মানুষেরই আলাদা আলাদা রকমের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। পাশাপাশি এও বলা হয় যে, একজন মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থানের ওপর। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, জন্মবার অনুসারে একজন মানুষেকর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন হবে তা বোঝা যায়। দেখে নিন শুক্রবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা কেমন ব্যক্তিত্বের অধিকারী হন।
শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তিরা বুদ্ধিমান, সহনশীল , ভাবুক ও মিষ্টি স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা যে কোনও পরিস্থিতিকে খুব সহজেই মোকাবিলা করতে পারে ও সর্বদা অন্যের উপকারে নিয়োজিত থাকে এদের প্রাণ। এরা চারিত্রিক দিক থেকে খুই রোমান্টিক প্রকৃতির হয়ে থাকেন। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে এরা অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হয়ে থাকেন। পাশাপাশি এরা সাজগোজের ক্ষেত্রেও বিশেষ পারদর্শী হয়ে থাকেন এবং সাজগোজ নিয়ে এদের আগ্রহ অন্যান্যদের থেকে খুবই বেশি।
নিজেদের গুছিয়ে রাখা খুবই পছন্দ করেন। এরা আদতে খুবই শৌখিন প্রকৃতির হয়ে থাকেন। আর নিজের এই শৌখিন স্বভাবের জন্য় এরা অনেকসময়ে অতিরিক্ত ব্যয়প্রবণ হয়ে ওঠেন। এরা অত্যন্ত মিষ্ট স্বভাবের হওয়ার জন্য এরা খুব সহজেই মানুষের মন জয় করে নিতে পারেন।

যাঁদের জন্ম শুক্রবারে তাঁরা স্বভাবগতভাবে রোম্যান্টিক। এঁরা অনেক কিছুই আগাম বুঝতে পারেন। স্মৃতিশক্তিও প্রখর। অন্যদের কষ্টে এঁরা যন্ত্রণা পান। তবে একটু অলস হওয়ায় লোকের সমালোচনা শুনতে হয়।

তাঁরা অল্প বয়সেই দায়িত্বপূর্ণ কাজ করতে পারেন। সেই কারণে, একটু বয়স বাড়ার পরে অনেকসময়ে একাকীত্ব ভোগ করেন। এরা জীবনে লক্ষ্য নিয়ে চলেন এবং লক্ষ্যপূরণের জন্য একক লড়াই চালাতে ভালবাসেন।

এরা বন্ধু বানাতে খুব ভালবাসেন। কারণ একাকীত্ব এরা একেবারেই ভালবাসে না। তবে এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিরা জীবনের বিশেষ কিছু সময়ে একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগে থাকেন। পাশাপাশি এইদিনে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা সকলের নিজের কাজের দ্বারা সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকে। আর সেই কারণেই কোনও কাজের প্রতি এরা বিশেষ মনোযোগী হয়ে থাকে। এছাড়াও এই দিনে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা প্রেমেরক্ষেত্রেও অত্যন্ত রোমান্টিক প্রকৃতির হয় বা কিছু কিছু সমস্যার জন্য এদের প্রেমে একাধিক সমস্যার সৃষ্টি হয়।

মানুষ জীবনে যতোই বৃহৎ হোক বা ধনী হোকনা কেনো গ্রহ দের ওপরে সে সর্বদাই নির্ভরশীল। আজ কাল কার মানুষেরা যতোই আধুনিকতার হাত ধরে হাঁটুক না কেনো তাদের গ্রহের ওপর বিশ্বাসী হতে হয়। মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহদের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়। তাই আজকে আমরা জানবো শুক্রবার জন্মানো জাতকের ব্যক্তিত্ব, জীবন- যাপন ইত্যাদি বিষয়ে।

শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তিদের জীবন ওই দিনের গ্রহের অবস্থানের ওপর নির্ভরশীল। এটা মানা হয় যে শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তি ওপর দেবী লক্ষ্মী ও শুক্র গ্রহ বিশেষ প্রভাব শালী হয়। এই দিনের স্বামী হলেন শুক্র ও দেবী হলেন মা লক্ষ্মী তাই এদের ওপর এক ভৌমিক সুখ স্বাচ্ছন্দ লক্ষ করা যায়। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি বুদ্ধিমান, মিষ্টি স্বভাবী, সহনশীল ও ভাবুক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা যে কোনও পরিস্থিতি কে খুব সহজে মোকাবিলা করতে পারে ও সর্বদা পরোপকারি হয়ে থাকে। এদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য খুব রোমান্টিক ও চতুরধর্মী হয়ে থাকে। এরা সঙ্গীতের প্রতি বিশেষ অনুরাগী হয়ে থাকে।

এই দিনে জন্মানো ব্যক্তি খুব ফর্সা ও আকর্ষণীয় মুখশ্রী হয়ে থাকে। এরা নিজেদের খুব সাজ শয্যায় আবৃত করে রাখে ও সাজ গোজের প্রতি বিশেষ আকৃষ্ট হয় এবং এটা খুব পছন্দ করে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি নিজেদেরকে খুব গুছিয়ে রাখতে ভালো পরে। কোথাও বেরোনোর আগে পরিপাটি করে নিজেদের গোছয় ও বাড়ির চারপাশ ও গুছিয়ে রাখার এক প্রবল প্রবনতা এদের মধ্যে বর্তমান। এই পরিপাটিতার জন্য অধিক ব্যয় ধর্মী হয়ে থাকে। এরা খুব মিষ্টি কথায় মানুষের মন জয় করে ও তাদের গোপন কথা জানে কিন্তু নিজের মনের কথা কাউকে বুঝতে দেয় না। এরা খুব চতুর প্রকৃতির ও চালাকশীল মানুষ হয়ে থাকে।

এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি একাকীত্ব একদম পছন্দ করে না, এরা খুব বন্ধু পিয়াসী হয়ে থাকে। তাই এদের বন্ধু সংখ্যা ও অধিক থেকে অধিকতর হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি শারীরিক দিকে একটু দুর্বল হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে সুগার, জন্ডিস, চোখের সমস্যা, গলার সমস্যা, ও জ্বর এই সব রোগের সমস্যা হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি খুব নিজের প্রশংসা আকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকে। তাই কোনো কাজ খুব মনোযোগের সহিত সম্পন্ন করে। এরা অনেক ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করে ও সকলের খুব প্রিয় পাত্র ও হয়। এদের পরিচ্ছন্ন মানসিকতা নিজের কাজের ক্ষেত্রে ও ব্যবহার করে থাকে।

এরা ফ্যশান্যেবল কাজের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে এছাড়াও বিভিন্ন সফটওয়্যার কাজেও সাফল্য লাভ করে থাকে। শুক্রবারে জন্মানো জাতক অধিক চঞ্চলতার কারণে এরা অধিক প্রেম পিয়াসী হয়। এরা নিজেদের কিছু অভ্যাস বসত কারণে সম্প্রতি সম্পর্কে বিপত্তি ঘটে থাকে আবার তা শীঘ্রই সমাধান ও করে ফেলে। এরা নিজের জীবন সঙ্গীনির প্রতি খুব সৎ ও নিষ্ঠাবান হয়ে থাকে। এদের শুভ দিন শুক্রবার ও বুধবার। শুভ সংখ্যা 7 ও শুভ রং লাল, গোলাপী, কমলা।

মন্দিরে বা কোনো ধর্ম স্থানে যাবার প্রয়োজন নাই ঈশ্বরকে একান্ত মনে বাড়িতে বসে প্রাথর্না করুন ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করুন জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/TP-DvWobtrg

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200410101401

Wednesday, April 8th, 2020

Astro Research Centre

গুরুচন্ডাল দোষ

গুরুচন্ডাল দোষ

কোনও কুন্ডলীতে রাহু বৃহস্পতি ও কেতু বৃহস্পতি যদি এক রাশিতে বা এক ভাবে অবস্থান করে, তখন সেই কুন্ডলীতে গুরুচন্ডালী যোগ রয়েছে বলা যাবে। প্রখ্যাত জ্যোতিষী ডঃ বি, ভি, রমন বলেছেন যে বৃহস্পতি যদি রাহুর নক্ষত্রে অবস্থা করে তাহলেও গুরু-চন্ডালী যোগ বলা যাবে। গুরু-চন্ডালী যোগ অনেকটা দুধে চোনা মেশানোর মত।

রাহু + বৃহস্পতি = গুরুচন্ডাল দোষ
বৃহস্পতি = গুরু
রাহু= চন্ডাল

নাড়ি জ্যোতিষের মতে জন্মছকে রাহু বৃহস্পতি যুক্ত হলে বা রাহু বৃহস্পতির থেকে ৫মে বা ৯মে থাকলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। একে গুরুচন্ডাল দোষ বলে।
নাম শুনেই বোঝা যায় যে এই যোগ ততটা শুভ নয়, কিন্তু এর কুপ্রভাবের সাথে সাথে কিছু সুপ্রভাব ও আছে। দেখা যাক, মহর্ষি ভৃগু এ ব্যাপারে কি বলেছেন!

কুপ্রভাব গুলি হল... অশুভত্ব
~~~~~~~~~~~~~
১) এই যোগে জাতকের আয়ু কমে যায়। তাই হাঁপিয়ে পড়তে হয় যে সব কাজে সেইসকল কাজ (যেমন দৌড়ানো) কে avoid করাই ভাল। হাঁ করে ঘুমানো এ যোগের কুপ্রভাব কে আরো বাড়িয়ে দেয়। (প্রতিকার, বিধর্মী বা আউট কাস্টের ঘরে বসে খাদ্য গ্রহণ করা।)

২) কুসঙ্গে এরা পড়বেই। বিশেষত ১৪ থেকে ২৪ বছর ,এই সময় এদের জীবনের turning point.

৩) ব্যাক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ কেউ করুক তা এরা কখনোই মেনে নেবে না। অনেকেই আমায় জিজ্ঞাসা করেন যে আমার সন্তান বড়দের কথা শোনেনা কেন? তার কারনগুলির মধ্যে একটি হল এই যোগ।

৪) জন্ডিস, ফ্যাটি লিভার, অর্শ ,গ্যাসট্রিক সমস্যা।
সুপ্রভাব :-
~~~~~~~~
যতই কুপ্রভাব থাকুক, এর সুপ্রভাব এর কথা শুনলে মন আপনিই ভাল হয়ে যাবে। এইসব জাতক বা জাতিকার ক্যারিআর ভাল হয়। শুধু দরকার হয় একটু প্রপার guidance এর। Proper guidance পেলে-যে রাহু বাল্য জীবনে জাতক জাতিকাকে গোল্লায় নিয়ে গিয়েছিল সেই রাহুই ভবিষ্যৎ জীবনে এদের কে উন্নতির উচ্চ শিখরে নিয়ে যাবেই, এতে কোন সন্দেহ নেই!


সাধারণত এই যোগ যদি লগ্নে থাকে মানুষ নানা রকম অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। কেউ কেউ ভয়ঙ্কর স্বার্থপর ও মিথ্যা অহঙ্কার সর্বস্ব হয়ে থাকে। দ্বিতীয়ে গুরু-চন্ডালী যোগ থাকলে, এরা মিথ্যাভাবে বা প্রতারণা করে, লোককে ঠকিয়ে অন্যের অর্থ তছরূপ করে থাকে। পঞ্চমে ও নবমে এই যোগ থাকলে, জাতক প্রতারক ও ভণ্ড হয়। গুরুচণ্ডালী নিয়ে উপরের মতটা হয়তো অনেকটাই সত্য।

আবার গুরু-চণ্ডালী নিয়ে বিপরীত মত যথেষ্ট শক্তিশালী, “সর্বাথচিন্তা” তে বলা হয়েছে যে, বৃহস্পতি যদি রাহু বা কেতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে, বুধ বা শুক্র দ্বারা দৃষ্ট হয়, তাহলে নীচু শ্রেণীতে জন্ম হলেও সর্বজ্ঞ পন্ডিত বা জ্ঞানী হবে এবং শাস্ত্রজ্ঞ হবে।

গুরু-চন্ডালী যোগে বৃহস্পতি ও রাহু যদি খুব কাছাকাছি মানে ১০০ডিগ্রীর মধ্যে থাকে, তাহলে এর প্রভাব যতটা থাকে, কিছুটা দূরে মানে ১৮০ডিগ্রী তফাতে থাকলে অতটা থাকে না। ০ডিগ্রী দূরে থাকলে এর পাপভাব প্রায় থাকে না। বাস্তবে দেবগুরু বৃহস্পতি রাহু বা কেতুর সঙ্গে থাকলে বৃহস্পতির শুভত্ব অনেকটা কমে যায়।

আমরা জ্যোতিষেরা গুরুচন্ডালী যোগে যে যে ফল পর্যবেক্ষণ করি

এই যোগে অনেক সময় জাতক জাতিকা নাস্তিক হয়। উগ্র স্বভাব, ক্রোধী হয়

অনেক সময় জাতক ধর্মান্ধ হয় গোড়া ও মৌলবাদী হয়, নিজের মতকে প্রাধান্য দেয়

জাতক জাতিকা ধর্ম পথে সেই সব জিনিসে আকৃষ্ট হয় যার দ্বারা, টাকা-পয়সা কামানো যাবে। যার জন্য তুকতাক, ঝাড়ফুঁক ও ষটকর্ম, কালাযাদু ও নানা রকম তান্ত্রিক ক্রিয়া কলাপ। অনেক সময় মঠ মিশনের অধিকর্তা হয়।

এই যোগের মানুষেরা অনেক সময় ভাল বেদজ্ঞ বা শাত্রজ্ঞ জ্ঞান অর্জন করেন। অন্য গুরু মত বা পথ কে প্রবল ভাবে অবজ্ঞার চোখে দেখে থাকে। আড়ালে বা প্রকাশ্যে মদ্যপান করেন, ধূমপান করেন, গাজা-চরস আসক্তি হয়ে পড়েন, উগ্র তান্ত্রিক সহযোগে দিন কাটান।

এই যোগের মানুষেরা সব সময় ধর্ম কথা বলতে ভালবাসেন না , অনেক সময় মঠ মিশনে দীক্ষা নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ব্রহ্মচারী হওয়ার ভান করেন এবং আরও তাড়াতাড়ি গেরুয়া হাতাবার ধান্দা করে থাকেন। তবে অনেক ভালো গুন থাকে
খুব উপকারী হয়

এদের অনেকে ধার্মিক হয় আবার ভালভাবে প্রাচীন বেদ-বেদান্ত, পুরান, পুরাতাত্বি্‌ক, ও দর্শন চর্চা করেন, বাইরের দিকের অনুশাসণ ভাল ভাবে মেনে চলেন।

নিঃসন্দেহে বলা চলে একটা কয়েন বা মুদ্রা দুটো দিক থাকে, গুরুচণ্ডালী যোগে কেউ কেউ গঠনমূলক পথে চলে সত্যিকার জীবন চর্চা করে থাকেন বিশেষ করে তাদের জন্মছকে প্রবলভাবে বৃহস্পতি বলবান ও শক্তিশালী থাকে। তাদের নবম ভাবও নবম পতি শুভ ভাবে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে তাদের জন্মছকে কেতু দ্বাদশে বা মোক্ষ কারক স্থানে থাকে। তাদের দশম স্থান ও লগ্ন শুভ গ্রহদ্বারা দৃষ্ট হ

গুরুচন্ডালী যোগ
different houses this combination gives different results as follows :

Guru Chandal Yog
• প্রথম ভাবে বা লগ্ন ভাবে গুরুচন্ডালী বা রাহু বৃহস্পতি থাকলে জাতক জাতিকা বড় হৃদয়বান হন না এবং উদার মনের মানুষ হন না ।

Guru Chandala yoga is found in First house then the native will be very ambitious and self centred. This postion will give the native a desire to succeed in the material world.
এখানে কেতু বৃহস্পতি জাতক জাতিকাকে সুখী জীবন দেয় না

• দ্বিতীয় ভাবে গুরুচন্ডালী যোগ বা রাহু বৃহস্পতি থাকলে জাতক জাতিকা সদ ব্যায় করে অপরকে সহায়তা দেয়। বিপদে সাহায্য করে থাকে। গরিব দুঃখীকে অন্ন-বস্ত্র দান করে থাকে।

এখানে কেতু-বৃহস্পতি সহানুভূতি সম্পন্ন করে তোলে।

• তৃতীয় ভাবে গুরু-চন্ডালী যোগ বা রাহু-বৃহস্পতি অবস্থান করলে ভাতৃ ভাব অশুভ জাতক জাতিকা সাহসী ও চালাকী পূর্ণ কথাবার্তা বলে থাকে। কথার মধ্যে ছলনা থাকে।

এখানে কেতু-বৃহস্পতি মাঝে মধ্যে বিশ্বস্থ বন্ধু করে তোলে কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে জাতক জাতিকা নিষ্ঠুরতাপূর্ন আচরণ করে থাকে।

• চতুর্থ ভাবে গুরুচণ্ডালী যোগ রাহু বৃহস্পতি থাকলে খুব ভাল ফল দিয়ে থাকে

If Jupiter and Rahu are conjunct in the fourth house and there is a benefic aspect on them, the person is very religious wealthy and may be a lawyer.

এখানে কেতু বৃহস্পতি জাতক জাতিকা বিদ্বান, জ্ঞানী ও পণ্ডিত হয়।

• পঞ্চম ভাবে গুরু-চন্ডালী বা রাহু-বৃহস্পতি থাকলে জাতক জাতিকা শিক্ষা ভালো নেতা বা ভাল প্রশাসক হয়ে থাকে না

এখানে কেতু বৃহস্পতি জাতক জাতিকাকে শাস্ত্রবেত্তা ও জ্ঞানী করে তোলে। এদের সন্তান মনের মত আচরণ করে না।

the combination is in the 5th house then the native is very unfortunate in matters regarding religion, progeny. There will be trouble in having children. Enemity with children, even death of children is indicated.


• ষষ্ঠ ভাবে গুরুচন্ডালী বা রাহু-বৃহস্পতি জাতক জাতিকা ভাব খাও, দাও ও ফুর্তি কর।শত্রু বিজয়ী

এখানে কেতু-বৃহস্পতি থাকলে জাতক ভাল, সুখী জীবন-যাপন করে থাকে।

• সপ্তম ভাবে গুরু-চন্ডালী যোগ বা রাহু বৃহস্পতি যৌবন কালে সুখী জীবন-যাপন করে থাকে। তার বাবা অথবা শ্বশুর মহাশয় যে কেউ একজন বেঁচে থাকবেন। যদি দুজনেই বেচে থাকেন তবে একজন অবশ্যই হাঁপানি রোগে ভুগবেন। সংসার জীবন অশুভ

এখানে কেতু- বৃহস্পতি অবস্থান করলে জাতক জাতিকা কৃচ্ছসাধণ পূর্বক কপর্দকহীন সাধু হয়ে থাকেন।

• অষ্টম ভাবে গুরু-চণ্ডালী বা রাহু-বৃহস্পতি থাকলে জাতক অতি সাধারণ জীবনযাপন করে থাকেন। অন্য দিকে কেতু-বৃহস্পতি থাকলে জাতক অলস ও কর্মবিমুখ হয়ে দারিদ্রভাবে দিন কাটায় না ।

It gives wealth and riches to the native. This position also gives knowledge and makes the native learned and respected.

• নবম ভাবে গুরুচন্ডালী বা রাহু-বৃহস্পতি থাকলে জাতক জাতিকা মানসিক শক্তি বেশী থাকে। এরা অসৎ প্রকৃতির হয়ে থাকে। ব্যবসায়ে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় না

But this position will give a suspicious nature and many vices to the native like lack of gratitude, selfishness, to portray others in the negative light.


• দশমে গুরুচন্ডালী যোগ বা রাহু- বৃহস্পতি থাকলে জাতক কিছুটা নাস্তিক গোছের জীবন যাপন করে থাকে।

এখানে কেতু-বৃহস্পতি থাকলে জাতক পিতামাতার কাছ থেকে বিশেষ কিছুই পায় না।

• একাদশে গুরুচণ্ডালী বা রাহু বৃহস্পতি থাকলে জাতক আর্থিক ভাবে লাভবান হয়ে থাকলেও, সে অনেককে প্রতারণা করে থাকে।

If Jupiter is malefic then the native spreads a lot of hatred around him. These individuals are very courageous and are successful in the fields where courage is required.If this combination is in the 4th house then th


এখানে কেতু বৃহস্পতি ওই একই ফল দেয়।

• দ্বাদশে গুরুচন্ডালী বা রাহু বৃহস্পতি থাকলে জাতক ভোগী, কর্মদক্ষ ও বুদ্ধিমান হয়। এখানে কেতু বৃহস্পতি জাতককে ধ্যানী করে তোলে এবং আধ্যাত্মিক জীবনের প্রতি আকৃষ্ট হয়।


What is Guru Chandal yoga?

Yoga formed, when Jupiter is in conjunction with or is aspected by Rahu or Ketu. The qualities of Jupiter and Rahu get mixed together and create an impact in the life of the individual. It makes the individual depraved and inclined to immoral and unethical behavior. The good or bad results will depend on whether Jupiter is a benefic / malefic in the birth chart. It will give results based on which house the yoga occurs. Planets associated with or aspecting this combination also modify the results.

The native is prone to act immorally and perform many misdeeds. However the results are not as frightening as they are made out to be. Different results are obtained for the combination in different houses however if benefic planets are present with this combination or this combination is aspected by benefic planets the results are auspicious as the inauspiciousness decreases.



There will be a desire to live in solitude.If Guru Chandala yoga is found in the Second house and Jupiter is a benefic planet then the native will amass a lot of wealth. He will be very extravagant and will be successful. If Jupiter is malefic then this position gives distress, mental stress and suffer losses. The native will become a pauper.If this combination occurs in the 3rd house then the native is poisonous in his speech. He will be very peculiar in his thoughts. He will never think twice to betray others and climb the ladder of opportunity. e native will be deceitful and cunning. He will have good ability in convincing others. There will be chaos in the domestic life. The native may own more than one house. However the native is successful in the field of education and earns wealth.

If But if Jupiter is benefic and Mercury is with this combination then the native is very learned.This combination in the 6th house will give success to the native. He will amass a lot of wealth. However the health of the native will always be dicey. The native is likely to suffer from diseases of the intestine and also diseases which are not easily detected. These natives are very critical of their religion and may change their religious beliefs during their life time.This combination in the 7th house will bring chaos in the married life of the individual. Many secret clandestine affairs by the partner is indicated due to these combination. The native may not get a pious partner. However if Jupiter is benefic and receives benefic aspects then the life of the native is inclined to spirituality and religious activities.This combination in the 8th house will bring destruction and an unexpected end to the life of the native. The native is likely to suffer from accidents. Benefics aspecting this combination gives mysterious and occult knowledge. If Rahu and Jupiter combine in 8th house, the native suffers from colic pains or he may suffer from the injuries near the naval. These injuries are likely to give life long scars.This combination is worst if it occurs in the 9th house. The native may be an illegitimate child. The native is averse at the very thought of religion and principles. The native would derive satisfaction from breaking all norms and religious beliefs. Such natives spread wrong beliefs and principles about religion. The means and methods adopted to achieve success is questionable.

But if Jupiter is in own house as benefics aspect this combination then the native is learned, pious and respected for his knowledge. If Rahu and Jupiter combine in 9th house and Saturn is in the 3rd house (with Ketu), the native may be an illegitimate child. In Capricorn ascendant, if Jupiter and Rahu combine in the 9th house the native is a very rich person. He is much respected and has all the facilities at his disposal.

This combination in the 10th house makes the native successful in achieving whatever he desires. However the means and methods adopted to achieve success is questionable.In the 11th house the native becomes very wealthy and Rich. However this is not good for begetting children.This combination in the 12th house makes the native very unfortunate. He will be foolish and disrespected by others. He is likely to be punished for wrong doings. A secluded life is indicated. However if Jupiter is benefic and benefic planets aspect this combination then the native can be very active in religious matters. He may work in temples and religious ashrams.

If there is a benefic aspect on the conjunction of Jupiter and Rahu (or Ketu), the native is inclined towards religion and respects religious people. If there is an auspicious sign i.e of benefic planet in the ascendant and the moon is also posited in an auspicious sign and the conjunction of Jupiter and Rahu takes place in 5th or 9th house, the native is very learned, wealthy, progressive and respected person.

Jupiter Rahu combination in the 3rd house makes the person very courageous and if this combination is aspected by Mars, the courage knows no bounds. Jupiter Rahu (or Ketu) combination in the 6th house and aspect of Mars on it, makes the person extremely critical of his own religion. In fact he criticizes the wrong in his religion.

Remedies for Guru Chandal Yoga in Horoscope:


1. Wearing Eight Mukhi, Nine Mukhi and Eleven mukhi Rudraksha along with Silver Jupiter Yantra Pendant.
2. Guru Chandal Yoga Shanti Puja.
3. Wearing energized Natural Yellow Sapphire Gemstone.
4. Keeping Lucky Gajraj in pocket.
5. On rising moon Thursday, Put 1.25 kg Jau under wet soil near Ganga River.
6. Donate 3 Bananas in Vishnu Temple for 43 days, starting from any rising moon Thursday.
7. Worshipping lord Maha Vishnu.
8. Chant Vishnu Sahasranamam.
9. Donate yellow items like cloth, turmeric, yellow gems, yellow sweets, honey etc to Brahmins / teachers
10. Chanting Brihaspati mantra " Om Braam Breem Broom Sah Gurve Namah"


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200408090047

Sunday, April 5th, 2020

Astro Research Centre

চাণক্য শ্লোক সমগ্র

চাণক্য শ্লোক সমগ্র

চাণক্য শ্লোক সমগ্র (Chanokko Slok Collection)


চাণক্য শ্লোক
বাংলায় প্রচলিত কিছু চাণক্য শ্লোক নিচে উল্লেখ করা হলো
অতি পরিচয়ে দোষ আর ঢাকা থাকে না।
অধমেরা ধন চায়, মধ্যমেরা ধন ও মান চায়। উত্তমেরা শুধু মান চায়। মানই মহতের ধন।
অনেকে চারটি বেদ এবং ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করলেও আত্মাকে জানে না, হাতা যেমন রন্ধন-রস জানে না।
অন্তঃসার শূন্যদের উপদেশ দিয়ে কিছু ফল হয় না, মলয়-পর্বতের সংসর্গে বাঁশ চন্দনে পরিণত হয় না।
অবহেলায় কর্মনাশ হয়, যথেচ্ছ ভোজনে কুলনাশ হয়, যাচ্ঞায় সম্মান-নাশ হয়, দারিদ্র্যে বুদ্ধিনাশ হয়।
অভ্যাসহীন বিদ্যা, অজীর্ণে ভোজন, দরিদ্রের সভায় বা মজলিশে কালক্ষেপ এবং বৃদ্ধের তরুণী ভার্যা বিষতুল্য।
অহংকারের মত শত্রু নেই।
আকাশে উড়ন্ত পাখির গতিও জানা যায়, কিন্তু প্রচ্ছন্নপ্রকৃতি-কর্মীর গতিবিধি জানা সম্ভব নয়।
আদর দেওয়ার অনেক দোষ, শাসন করার অনেক গুণ, তাই পুত্র ও শিষ্যকে শাসন করাই দরকার, আদর দেওয়া নয়।
আপদের নিশ্চিত পথ হল ইন্দ্রিয়গুলির অসংযম, তাদের জয় করা হল সম্পদের পথ, যার যেটি ঈপ্সিত সে সেই পথেই যায়।
আড়ালে কাজের বিঘ্ন ঘটায়, কিন্তু সামনে ভাল কথা বলে, যার উপরে মধু কিন্তু অন্তরে বিষ, তাকে পরিত্যাগ করা উচিত।
ইন্দ্রিয়ের যে অধীন তার চতুরঙ্গ সেনা থাকলেও সে বিনষ্ট হয়।
উপায়জ্ঞ মানুষের কাছে দুঃসাধ্য কাজও সহজসাধ্য।
উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষে, শত্রুর সঙ্গে সংগ্রামকালে, রাজদ্বারে এবং শ্মশানে যে সঙ্গে থাকে, সে-ই প্রকৃত বন্ধু।
ঋণ, অগ্নি ও ব্যাধির শেষ রাখতে নেই, কারণ তারা আবার বেড়ে যেতে পারে।
একটি দোষ বহু গুণকেও গ্রাস করে।
একটি কুবৃক্ষের কোটরের আগুন থেকে যেমন সমস্ত বন ভস্মীভূত হয়, তেমনি একটি কুপুত্রের দ্বারাও বংশ দগ্ধ হয়।
একটিমাত্র পুষ্পিত সুগন্ধ বৃক্ষে যেমন সমস্ত বন সুবাসিত হয়, তেমনি একটি সুপুত্রের দ্বারা সমস্ত কুল ধন্য হয়।
একশত মূর্খ পুত্রের চেয়ে একটি গুণী পুত্র বরং ভাল। একটি চন্দ্রই অন্ধকার দূর করে, সকল তারা মিলেও তা পারে না।
কর্কশ কথা অগ্নিদাহের চেয়েও ভয়ঙ্কর।
খেয়ে যার হজম হয়, ব্যাধি তার দূরে রয়।
গুণবানকে আশ্রয় দিলে নির্গুণও গুণী হয়।
গুণহীন মানুষ যদি উচ্চ বংশেও জন্মায় তাতে কিছু আসে যায় না। নীচকুলে জন্মেও যদি কেউ শাস্ত্রজ্ঞ হয়, তবে দেবতারাও তাঁকে সম্মান করেন।
গুরু শিষ্যকে যদি একটি অক্ষরও শিক্ষা দেন, তবে পৃথিবীতে এমন কোনও জিনিস নেই, যা দিয়ে সেই শিষ্য গুরুর ঋণ শোধ করতে পারে।
গৃহে যার মা নেই, স্ত্রী যার দুর্মুখ তার বনে যাওয়াই ভাল, কারণ তার কাছে বন আর গৃহে কোনও তফাৎ নেই।
চন্দন তরুকে ছেদন করলেও সে সুগন্ধ ত্যাগ করে না, যন্ত্রে ইক্ষু নিপিষ্ট হলেও মধুরতা ত্যাগ করে না, যে সদ্বংশজাত অবস্থা বিপর্যয়েও সে চরিত্রগুণ ত্যাগ করে না।
তিনটি বিষয়ে সন্তোষ বিধেয়: নিজের পত্নীতে, ভোজনে এবং ধনে। কিন্তু অধ্যয়ন, জপ, আর দান এই তিন বিষয়ে যেন কোনও সন্তোষ না থাকে।
দারিদ্র্য, রোগ, দুঃখ, বন্ধন এবং বিপদ- সব কিছুই মানুষের নিজেরই অপরাধরূপ বৃক্ষের ফল।
দুর্জনের সংসর্গ ত্যাগ করে সজ্জনের সঙ্গ করবে। অহোরাত্র পুণ্য করবে, সর্বদা নশ্বরতার কথা মনে রাখবে।
দুর্বলের বল রাজা, শিশুর বল কান্না, মূর্খের বল নীরবতা, চোরের মিথ্যাই বল।
দুষ্টা স্ত্রী, প্রবঞ্চক বন্ধু, দুর্মুখ ভৃত্য এবং সসর্প-গৃহে বাস মৃত্যুর দ্বার, এ-বিষয়ে সংশয় নেই।
ধর্মের চেয়ে ব্যবহারই বড়।
নানাভাবে শিক্ষা পেলেও দুর্জন সাধু হয় না, নিমগাছ যেমন আমূল জলসিক্ত করে কিংবা দুধে ভিজিয়ে রাখলেও কখনও মধুর হয় না।
পরস্ত্রীকে যে মায়ের মত দেখে, অন্যের জিনিসকে যে মূল্যহীন মনে করে এবং সকল জীবকে যে নিজের মত মনে করে, সে-ই যথার্থ জ্ঞানী।
পাপীরা বিক্ষোভের ভয় করে না।
পাঁচ বছর বয়স অবধি পুত্রদের লালন করবে, দশ বছর অবধি তাদের চালনা করবে, ষোল বছরে পড়লে তাদের সঙ্গে বন্ধুর মত আচরণ করবে।
পুত্র যদি হয় গুণবান, পিতামাতার কাছে তা স্বর্গ সমান।
পুত্রকে যারা পড়ান না, সেই পিতামাতা তার শত্রু। হাঁসদের মধ্যে বক যেমন শোভা পায় না, সভার মধ্যে সেই মূর্খও তেমনি শোভা পায় না।
বইয়ে থাকা বিদ্যা, পরের হাতে থাকা ধন একইরকম। প্রয়োজনকালে তা বিদ্যাই নয়, ধনই নয়।
বিদ্বান সকল গুণের আধার, অজ্ঞ সকল দোষের আকর। তাই হাজার মূর্খের চেয়ে একজন বিদ্বান অনেক কাম্য।
বিদ্যাবত্তা ও রাজপদ এ-দুটি কখনও সমান হয় না। রাজা কেবল নিজদেশেই সমাদৃত, বিদ্বান সর্বত্র সমাদৃত।
বিদ্যা ব্যতীত জীবন ব্যর্থ, কুকুরের লেজ যেমন ব্যর্থ, তা দিয়ে সে গুহ্য-অঙ্গও গোপন করতে পারে না, মশাও তাড়াতে পারে না।
বিদ্যাভূষিত হলেও দুর্জনকে ত্যাগ করবে, মণিভূষিত হলেও সাপ কি ভয়ঙ্কর নয়?
বিদ্যার চেয়ে বন্ধু নাই, ব্যাধির চেয়ে শত্রু নাই। সন্তানের চেয়ে স্নেহপাত্র নাই, দৈবের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বল নাই।
বিনয়ই সকলের ভূষণ।
বিষ থেকেও অমৃত আহরণ করা চলে, মলাদি থেকেও স্বর্ণ আহরণ করা যায়, নীচজাতি থেকেও বিদ্যা আহরণ করা যায়, নীচকুল থেকেও স্ত্রীরত্ন গ্রহণ করা যায়।
ভোগবাসনায় বুদ্ধি আচ্ছন্ন হয়।
মিত ভোজনেই স্বাস্থ্যলাভ হয়।
যশবানের বিনাশ নেই।
যারা রূপযৌবনসম্পন্ন এবং উচ্চকুলজাত হয়েও বিদ্যাহীন, তাঁরা সুবাসহীন পলাশ ফুলের মত বেমানান।
যে অলস, অলব্ধ-লাভ তার হয় না।
যে গাভী দুধ দেয় না, গর্ভ ধারণও করে না, সে গাভী দিয়ে কী হবে! যে বিদ্বান ও ভক্তিমান নয়, সে পুত্র দিয়ে কী হবে!
রাতের ভূষণ চাঁদ, নারীর ভূষণ পতি, পৃথিবীর ভূষণ রাজা, কিন্তু বিদ্যা সবার ভূষণ।
শাস্ত্র অনন্ত, বিদ্যাও প্রচুর। সময় অল্প অথচ বিঘ্ন অনেক। তাই যা সারভূত তারই চর্চা করা উচিত। হাঁস যেমন জল-মিশ্রিত দুধ থেকে শুধু দুধটুকুই তুলে নেয়, তেমনি।
সত্যনিষ্ঠ লোকের অপ্রাপ্য কিছুই নাই।
সত্যবাক্য দুর্লভ, হিতকারী-পুত্র দুর্লভ, সমমনস্কা-পত্নী দুর্লভ, প্রিয়স্বজনও তেমনি দুর্লভ।
সাপ নিষ্ঠুর খলও নিষ্ঠুর, কিন্তু সাপের চেয়ে খল বেশি নিষ্ঠুর। সাপকে মন্ত্র বা ওষধি দিয়ে বশ করা যায়, কিন্তু খলকে কে বশ করতে পারে?
সুবেশভূষিত মূর্খকে দূর থেকেই দেখতে ভাল, যতক্ষণ সে কথা না বলে ততক্ষণই তার শোভা, কথা বললেই মূর্খতা প্রকাশ পায়।
হাতি থেকে একহাজার হাত দূরে, ঘোড়া থেকে একশ হাত দূরে, শৃঙ্গধারী প্রাণী থেকে দশহাত দূরে থাকবে। অনুরূপ দুর্জনের কাছ থেকেও যথাসম্ভব দূরে থাকবে।

আপাতত চাণক্যের পাঁচটি শ্লোক দিলাম:

১। বিদ্বান ও রাজা কখনই সমান নহেন। রাজা নিজ দেশেই পূজা পাইয়া থাকেন, কিন্তু বিদ্বান সকল স্থানেই পূজা পান। রাজা অপেক্ষা বিদ্বানই বড়।

২। উচ্চকূলে জন্মিয়াও নির্গুণ হইলে কোন লাভ হয় না, অর্থাৎ কোথাও সে আদর পায় না, কিন্তু নীচবংশে জন্মিয়া শাস্ত্রজ্ঞান লাভ করিলে দেবতারাও সম্মান করিয়া থাকেন। লোকসমাজে তো অবশ্যই আদরণীয় হইয়া থাকে।

৩। শিমুল ফুল গন্ধবিহীন বলিয়া সুন্দর হইলেও তাহাকে কেহই আদর করে না, সেইরূপ উচ্চবংশজাত সুন্দর পুরুষ জ্ঞানহীন হইলে তাহাকেও কেহ যত্ন করে না।

৪। বিদ্যাহীনের জীবনে কোন ফল নাই, মিত্রহীনের পক্ষে সকল দিক শূন্যময়, পুত্রহীনের গৃহই শূন্য, দরিদ্রের পক্ষে জগৎই শূন্য।

৫। বিদ্যা কামধেনুর ন্যায়, অর্থাৎ সব সময় ঈপ্সিত ফল প্রদান করিয়া থাকে। বিদ্যা মাতার ন্যায় বিদেশে পালন করে। বিদ্যা অতি গুপ্তধন, তাহাকে কেহই চক্ষে দেখিতে পায় না।
৬। জ্ঞাতিরা ইহা ভাগ করিয়া লইতে সমর্থ হয় না; চোরও চুরি করিয়া নিতে পারে না। বিদ্যা দানে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না বরং বর্দ্ধিতই হয়, অতএব বিদ্যাই শ্রেষ্ঠ ধন।

৭। পণ্ডিতের সকলই গুণ, মুর্খের সকলই দোষ। সেইহেতু হাজার হাজার মুর্খ অপেক্ষা একজন পণ্ডিত ভাল।

৮। ফলযুক্ত বৃক্ষ ফলভারে নত হয়; গুণিগণও নিজগুণে নত হইয়া থাকেন, কিন্তু শুষ্ক কাষ্ঠ ও মুর্খ ভাঙ্গিয়া যাইবে, নত হইবে না।

৯। যিনি পরস্ত্রীকে নিজের মায়ের মত জ্ঞান করেন এবং পরের জিনিসকে ঢিলের মত তুচ্ছজ্ঞান করেন ও সকল প্রাণীকেই নিজের মত মনে করেন, তিনিই প্রকৃত পণ্ডিত।

১০। শত মুর্খ পুত্র অপেক্ষা একটি গুণবান পুত্রও বরং ভাল অগণিত তারাগণ অন্ধকার দূর করিতে সমর্থ হয় না, কিন্তু এক চন্দ্র জগতের অন্ধকার দূর করে।

১. অকর্মারা সদাই ক্ষুধার্ত।
২. অকৃতজ্ঞের নরক বাস হয়।
৩. অখণ্ডিত রত্ন মেলে না।
৪. অতিদর্পে লঙ্কার পতন ঘটেছে, অতিমানে কৌরবদের পতন ঘটেছে,
অতিদানে বালির পাতাল বাস ঘটেছে, অতিরিক্ত সব কিছুই খারাপ।
৫. অতি পরিচয়ে দোষ আর ঢাকা থাকে না।
৬. অতিরিক্ত ভার পুরুষকে অবসন্ন করে দেয়।
৭. অধমেরা ধন চায়, মধ্যমেরা ধন ও মান চায়। উত্তমেরা শুধু মান চায়।
মানই মহতে ধন।
৮. অনেকে চারটি বেদ এবং ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করলেও আত্মাকে জানে
না, হাতা যেমন রন্ধন-রস জানে না।
৯. অন্তঃসার শূন্যদের উপদেশ দিয়ে কিছু ফল হয় না, মলয়-পর্বতের
সংসর্গে বাঁশ চন্দনে পরিণত হয় না।
১০. অন্যে যার গুণগান করে সে নির্গুণ হলেও গুণী। নিজের গুণগান নিজে
করলে ইন্দ্রও ছোট হয়ে যান।
১১. অবহেলায় কর্মনাশ হয়, যথেচ্ছ ভোজনে কুলনাশ হয়, যাচ্ঞায় সম্মান
নাশ হয়, দারিদ্র্যে হয় বুদ্ধি নাশ।
১২. অবিশ্বস্তকে বিশ্বাস করবে না, বন্ধুকেও বিশ্বাস করবে না, বন্ধু যদি
কখনও ক্রুদ্ধ হয়, সমস্ত গুপ্তকথা প্রকাশ করে দিতে পারে।
১৩. অভ্যাসহীন বিদ্যা, অজীর্ণে ভোজন, দরিদ্রের সভায় বা মজলিশে
কালক্ষেপ, এবং বৃদ্ধের তরুণী ভার্যা বিষতুল্য।
১৪. অমৃত ও বিষ উভয়েরই আকর হল জিভ।
১৫. অর্থলাভ জীবন ধারণের জন্য।
১৬. অর্থলাভের বাসনা কুকাজে সিদ্ধ হয় না।
১৭. অর্থ যার আছে সে মিত্র, স্বজন, সংসারে পুরুষ, সে-ই পণ্ডিত।
১৮. অসতর্ক লোকের প্রায় সকল কাজই সমুদ্রে বিদীর্ণ জলযানের মতো
নিশ্চিত বিনষ্ট হয়।
১৯. অহংকারের মতো শত্রু নেই।

২০. আকাশে উড়ন্ত পাখির গতিও জানা যায়, কিন্তু প্রচ্ছন্নপ্রকৃতির কর্মীর গতিবিধি জানা সম্ভব নয়।
২১. আদর দেওয়ার অনেক দোষ, শাসন করার অনেক গুণ, তাই পুত্রকে ও শিষ্যকে শাসন করাই দরকার, আদর দেওয়া নয়।
২২. আপদের নিশ্চিত পথ হল ইন্দ্রয়গুলির অসংযম, তাদের জয় করা হল সম্পদের পথ- যার যেটি ঈপ্সিত সে সেই পথেই যাক।
২৩. আপন চরিত্র কখনও দূষিত করবে না।
২৪. আহারের সংস্থান ও আহারের শক্তি, রমণীয় পত্নী ও রতিশক্তি, ঐশ্বর্য ও দানশক্তি- এসব অল্প তপস্যার ফল নয়।
২৫. আড়ালে কাজের বিঘ্ন ঘটায়, কিন্তু সামনে ভালো কথা বলে, উপরে দুধ আর ভিতরে বিষ কলসির মতো, তাকে পরিত্যাগ করা উচিত।
২৬. আয়ু, কর্ম, ধন, বিদ্যা ও মৃত্যু- মানুষ মাতৃগর্ভে থাকাকালে এই পাঁচটি তাদের জন্য নির্ধারিত হয়ে যায়।


২৭. ইন্দ্রিয়ের যে অধীন তার চতুরঙ্গ সেনা থাকলেও সে বিনষ্ট হয়।
২৮. ইন্দ্রের মন্ত্রিপরিষদ হল সহস্র ঋষি, ওই সহস্র ঋষিই তাঁর চোখ। তাই দুটিমাত্র চোখ থাকলেও তাঁকে সহস্রা বলা হয়।


২৯. উপায়জ্ঞ মানুষের কাছে দুঃসাধ্য কাজও সহজসাধ্য।
৩০. উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষে, শত্রুর সঙ্গে সংগ্রামকালে, রাজদ্বারে এবং শ্মশানে যে সঙ্গে থাকে সে-ই বন্ধু।

৩১. ঋণ, অগ্নি ও ব্যাধির শেষ রাখতে নেই, কারণ তারা আবার বেড়ে যেতে পারে।
৩২. ঋণকারী পিতা, দুঃশীলা মা, রূপবতী স্ত্রী, মূর্খ পুত্র- এরা সকলেই শত্রু।


৩৩. একই জিনিস কিন্তু, শব কামিনী ও মাংস- এই তিনটি জিনিসকে যোগী, কামী ও কুকুর তিনভাবে দেখে।
৩৪. একটা কাজ শেষ করে পরবর্তী কাজ ধরতে বেশি দেরি করা উচিত নয়।
৩৫. একটি দোষ বহু গুণকেও গ্রাস করে।
৩৬. একটি কুবৃক্ষের কোটরের আগুন থেকে যেমন সমস্ত বন ভস্মীভূত হয়, তেমনি একটি কুপুত্রের দ্বারাও বংশ দগ্ধ হয়।
৩৭. একটি গাছে ছিল নানা রঙের পাখিরা, ভোরের বেলায় তারা দশ দিকে উড়ে গেল এতে দুঃখের কি আছে?
৩৮. একটিমাত্র পুষ্পিত সুগন্ধ বৃক্ষে যেমন সমস্ত বন সুবাসিত হয়, তেমনি একটি সুপুত্রের দ্বারা সমস্ত কূল ধন্য হয়।
৩৯. একবার বললেই যিনি বুঝে নিতে পারেন, যাঁর তাড়াতাড়ি হাত চলে, যাঁর হস্তাক্ষর সুন্দর এবং সর্বশাস্ত্রে যিনি সমদৃষ্টি তিনিই যথার্থ লেখক হতে পারেন।
৪০. একশত মূর্খ পুত্রের চেয়ে একটি গুণী পুত্র বরং ভালো। একটি চন্দ্রই অন্ধকার দূর করে, সকল তারা মিলেও তা পারে না।
৪১. একা একা তপস্যা, দুইয়ে মিলে পাঠ, তিনে মিলে গান, চারে মিলে ভ্রমণ, আর পাঁচে মিলে (করলে) ক্ষেতের কাজ। বহুতে মিলে করা চলে যুদ্ধ।
৪২. একা চাকা চলে না।
৪৩. এমনিতে কেউ কারও বন্ধু নয়, কেউ কারও শত্রু নয়, কারণেই শত্রু-মিত্র হয়ে থাকে।

১. খন্তা দিয়ে খুঁড়ে খুঁড়ে মাটি থেকে জল পাওয়া যায়, সেই রকম যে শুশ্রূষু সে গুরুগত বিদ্যাকে লাভ করে।
২. খারাপ সময় যতণ যাচ্ছে ততোণ শত্রুকে কাঁধে করে রাখবে, সুসময় এলেই পাথরের আঘাতে ঘটের মতো সে সখ্য ভেঙে ফেলবে।
৩. খুব বেশি কাছে আসায় হানির সম্ভাবনা, খুব দূরে থাকলেও ফল নেই। রাজা, আগুন, আর স্ত্রী এদের মধ্যপন্থায় সেবা করা উচিত।
৪. খেয়ে যার হজম হয়, ব্যাধি তার দূরে রয়।


৫. গাছের ভয় বাতাসে, পদ্মের ভয় শিশিরে, পর্বতের ভয় বর্জ্রে, সজ্জনের ভয় দুর্জনে।
৬. গুণবানকে আশ্রয় দিয়ে নির্গুণও গুণী হয়।
৭. গুণহীন মানুষ যদি উচ্চ বংশেও জন্মায় তাতে কিছু আসে যায় না। নীচকূলে জন্মেও যদি কেউ শাস্ত্রজ্ঞ হয়, তবে দেবতারাও তাঁকে সম্মান করেন।
৮. গুরু শিষ্যকে যদি একটি অক্ষরও শিক্ষা দেন, তবে পৃথিবীতে এমন কোনও জিনিস নেই যা দিয়ে সেই শিষ্য গুরুর ঋণ শোধ করতে পারে।
৯. গৃহে যার মা নেই, স্ত্রী যার দুর্মুখ তার বনে যাওয়াই ভালো, কারণ তার কাছে বন আর গৃহে কোনও তফাৎ নেই।


১০. ঘরকুণোর বিদ্যা হয় না, মাংসখোরের দয়া হয় না, লোলুপের সত্যবোধ নেই, যে স্ত্রৈণ তার তেমনি পবিত্রতা নেই।

৭৩. চন্দন তরুকে ছেদন করলেও সে সুগন্ধ ত্যাগ করে না। গজরাজ বৃদ্ধ হলেও বপ্রক্রীড়া ত্যাগ করে না, যন্ত্রে ইক্ষু নিপিষ্ট হলেও মধুরতা ত্যাগ করে না, যে সদ্বংশজাত অবস্থা বিপর্যয়েও সে চরিত্র গুণ ত্যাগ করে না।
৭৪. চিন্তাই মানুষের জ্বর, বস্ত্রদের জ্বর হল রোদ, স্ত্রীলোকের জ্বর হল পতির অপ্রিয়তা, ঘোড়াদের জ্বর হল মৈথুন।


৭৫. ছয় কানে (অর্থাৎ তিন জনের কানে) গেলে গুপ্তকথা প্রকাশ হয়ে যায়।
৭৬. ছেলের প্রশংসা করবে না।


৭৭. জগতে ত্রুটিহীন কাজ দুর্লভ।
৭৮. জন্মান্ধ দেখতে পায় না, কামান্ধও দেখতে পায় না, গর্বোদ্ধতও দেখতে পায় না, ধনবানও এদের মতো নিজের দোষ দেখতে পায় না।
৭৯. জরুরি কাজ মন দিয়ে তখুনি করে ফেলা উচিত, সময় মতো না করলে তা কষ্টসাধ্য হয়, অথবা একান্ত অসাধ্য হয়।
৮০. জলে তেল, খলে গোপন কথা, সৎপাত্রে সামান্য দান, প্রাজ্ঞে শাস্ত্র আপনা থেকেই বিস্তার লাভ করে। বস্তুর স্বভাবধর্ম অনুযায়ীই তা হয়ে থাকে।



১৪৮. ফল ও ছায়াযুক্ত বড়ো গাছকে আশ্রয় করতে হয়। ফল যদি দৈবাৎ না-ও পাওয়া যায়, ছায়া তো আর কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।


১৪৯. বইয়ে থাকা বিদ্যা, পরের হাতে থাকা ধন একইরকম। প্রয়োজনকালে তা বিদ্যাই নয়, ধনই নয়।
১৫০. বলবানের সঙ্গে যুদ্ধ হল হাতির পায়ের সঙ্গে যুদ্ধের মতো অর্থাৎ দলিত মথিত হয়ে যেতে হবে।
১৫১. বস্ত্রহীন অলংকার, ঘৃতহীন ভোজন, স্তনহীন নারী এবং বিদ্যাহীন জীবন ব্যর্থ।
১৫২. বাঘ আর হাতিতে পূর্ণ বন বরং ভালো, তেমনি ভালো বনের মধ্যে ঘর, সেখানে পাকা ফল আর জল তো খাওয়া চলে, তৃণ শয্যায় শতচ্ছিন্ন কম্বল থাকলেও ক্ষতি নেই, কিন্তু স্বজনদের মধ্যে ধনহীন জীবন বৃথা।
১৫৩. বার্ধক্যে পত্নী বিয়োগ, জ্ঞাতির হাতে ধন, এবং পরাধীন ভোজন- পুরুষের এই তিন বিড়ম্বনা।
১৫৪. বালকও যদি যুক্তিপূর্ণ কিছু বলে তবে তা মন দিয়ে শুনবে।
১৫৫. বিবেকবান ব্যক্তিকে আশ্রয় করে গুণেরা আরও মনোজ্ঞ হয়ে ওঠে, যেমন স্বর্ণখচিত হয়ে রত্ন আরও শোভা পায়।
১৫৬. বিক্রমই রাজাদের সম্পদ।
১৫৭. বিচক্ষণ ব্যক্তি বর্জন করবে- কুদেশ, কুবৃত্তি, কুভার্যা, কুনদী, কুদ্রব্য ও কুভোজন।
১৫৮. বিদ্বান সকল গুণের আধার, আর অজ্ঞজনের কেবলই দোষ। তাই হাজার মূর্খের চেয়ে একজন বিদ্বান অনেক কাম্য।
১৫৯. বিদ্যাকে ধরে থাকে অভ্যাস, কুলকে ধরে থাকে চরিত্র। গুণেই শিষ্টের পরিচয়। ক্রোধের প্রকাশ দৃষ্টিতে।
১৬০. বিদ্যাবত্তা ও রাজপদ এ-দুটি কখনও সমান হয় না। রাজা কেবল নিজদেশেই সমাদৃত, বিদ্বান সর্বত্র সমাদৃত।
১৬১. বিদ্যা ব্যতীত জীবন ব্যর্থ, কুকুরের লেজ যেমন ব্যর্থ- তা দিয়ে সে গুহ্য অঙ্গও গোপন করতে পারে না, মশাও তাড়াতে পারে না।
১৬২. বিদ্যাভূষিত হলেও দুর্জনকে ত্যাগ করবে, মণিভূষিত হলেও সাপ কি ভয়ঙ্কর নয়?
১৬৩. বিদ্যার মতো বন্ধু নাই, ব্যাধির মতো শত্রু নাই। সন্তানের মতো স্নেহপাত্র নাই, দৈবের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বল নাই।
১৬৪. বিদ্যার্থী, সেবক, পথিক, ক্ষুধার্ত, ভয়ার্ত, ভাণ্ডারী ও দ্বারপাল- এই সাতজন ঘুমিয়ে থাকলে তাদের জাগিয়ে দেবে।

১৪৮. ফল ও ছায়াযুক্ত বড়ো গাছকে আশ্রয় করতে হয়। ফল যদি দৈবাৎ না-ও পাওয়া যায়, ছায়া তো আর কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।


১৪৯. বইয়ে থাকা বিদ্যা, পরের হাতে থাকা ধন একইরকম। প্রয়োজনকালে তা বিদ্যাই নয়, ধনই নয়।
১৫০. বলবানের সঙ্গে যুদ্ধ হল হাতির পায়ের সঙ্গে যুদ্ধের মতো অর্থাৎ দলিত মথিত হয়ে যেতে হবে।
১৫১. বস্ত্রহীন অলংকার, ঘৃতহীন ভোজন, স্তনহীন নারী এবং বিদ্যাহীন জীবন ব্যর্থ।
১৫২. বাঘ আর হাতিতে পূর্ণ বন বরং ভালো, তেমনি ভালো বনের মধ্যে ঘর, সেখানে পাকা ফল আর জল তো খাওয়া চলে, তৃণ শয্যায় শতচ্ছিন্ন কম্বল থাকলেও ক্ষতি নেই, কিন্তু স্বজনদের মধ্যে ধনহীন জীবন বৃথা।
১৫৩. বার্ধক্যে পত্নী বিয়োগ, জ্ঞাতির হাতে ধন, এবং পরাধীন ভোজন- পুরুষের এই তিন বিড়ম্বনা।
১৫৪. বালকও যদি যুক্তিপূর্ণ কিছু বলে তবে তা মন দিয়ে শুনবে।
১৫৫. বিবেকবান ব্যক্তিকে আশ্রয় করে গুণেরা আরও মনোজ্ঞ হয়ে ওঠে, যেমন স্বর্ণখচিত হয়ে রত্ন আরও শোভা পায়।
১৫৬. বিক্রমই রাজাদের সম্পদ।
১৫৭. বিচক্ষণ ব্যক্তি বর্জন করবে- কুদেশ, কুবৃত্তি, কুভার্যা, কুনদী, কুদ্রব্য ও কুভোজন।
১৫৮. বিদ্বান সকল গুণের আধার, আর অজ্ঞজনের কেবলই দোষ। তাই হাজার মূর্খের চেয়ে একজন বিদ্বান অনেক কাম্য।
১৫৯. বিদ্যাকে ধরে থাকে অভ্যাস, কুলকে ধরে থাকে চরিত্র। গুণেই শিষ্টের পরিচয়। ক্রোধের প্রকাশ দৃষ্টিতে।
১৬০. বিদ্যাবত্তা ও রাজপদ এ-দুটি কখনও সমান হয় না। রাজা কেবল নিজদেশেই সমাদৃত, বিদ্বান সর্বত্র সমাদৃত।
১৬১. বিদ্যা ব্যতীত জীবন ব্যর্থ, কুকুরের লেজ যেমন ব্যর্থ- তা দিয়ে সে গুহ্য অঙ্গও গোপন করতে পারে না, মশাও তাড়াতে পারে না।
১৬২. বিদ্যাভূষিত হলেও দুর্জনকে ত্যাগ করবে, মণিভূষিত হলেও সাপ কি ভয়ঙ্কর নয়?
১৬৩. বিদ্যার মতো বন্ধু নাই, ব্যাধির মতো শত্রু নাই। সন্তানের মতো স্নেহপাত্র নাই, দৈবের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বল নাই।
১৬৪. বিদ্যার্থী, সেবক, পথিক, ক্ষুধার্ত, ভয়ার্ত, ভাণ্ডারী ও দ্বারপাল- এই সাতজন ঘুমিয়ে থাকলে তাদের জাগিয়ে দেবে।

১৮৪. ভবিতব্যতা যেমন বুদ্ধিও ঠিক তেমনি হয়, কর্মধারাও তেমনি, সহায়তাও তেমনি।
১৮৫. ভাতের চেয়ে দশগুণ পিঠে, পিঠের চেয়ে দশগুণ দুধ, দুধের চেয়ে দশগুণ মাংস, মাংসের চেয়ে দশগুণ ঘি (পুষ্টি দেয়)।
১৮৬. ভৃত্যকে পরীক্ষা করবে কাজে নিযুক্ত করে, কোনও অঘটন ঘটলে চিনবে স্বজনকে, বিপদে চিনবে বন্ধুকে, পত্নীকে চিনবে ধনক্ষয় হলে।
১৮৭. ভেবেচিন্তে যে কাজ করে, তার শ্রী চিরস্থায়ী।
১৮৮. ভোগবাসনায় বুদ্ধি আচ্ছন্ন হয়।
১৮৯. ভ্রমণে রাজা, ব্রাহ্মণ, যোগীর সম্মান, কিন্তু এই ভ্রমণেই নারীর বিনাশ।


১৯০. মনের বাসনা কার সবটা পূর্ণ হয়? সমস্তই দৈবের অধীন, তাই সন্তোষকে আশ্রয় করাই শ্রেয়।
১৯১. মনের সংকল্প প্রকাশ করবে না, সংকল্পিত কাজের কথা অন্যে জানতে পারলে সে কাজ সফল হয় না।
১৯২. মাংসাশী, মদ্যপায়ী এবং অরজ্ঞানহীন মূর্খ- এই সব পুরুষাকার পশুর দ্বারা এই পৃথিবী ভারাক্রান্ত।
১৯৩. মিত ভোজনেই স্বাস্থ্যলাভ হয়।
১৯৪. মূর্খ শিষ্যের উপদেশে, দুষ্ট স্ত্রীকে পালনে এবং শত্রুদের কূটচক্রে পণ্ডিত বিনষ্ট হয়।
১৯৫. মূর্খত্ব কষ্টকর, যৌবন কষ্টকর সন্দেহ নেই, কিন্তু পরগৃহে বাস সব চেয়ে কষ্টকর।
১৯৬. মূর্খের কাজ অবাঞ্ছিত হবে, তা নিয়ে বেশি ভেবে লাভ নেই।
১৯৭. মৃগয়ায় যে আসক্ত তার ধর্ম ও অর্থ দুই-ই নষ্ট হয়।
১৯৮. মেঘের মতো জল নাই, আত্মার মতো বল নাই, চোখের মতো তেজ নাই, অন্নের মতো প্রিয় নাই।
১৯৯. মেধাবী এবং বাকপটু, প্রাজ্ঞ, পরের মন বোঝায় যিনি দক্ষ, যিনি ধীর এবং ঠিক যা বলা হয়েছে তা-ই বলেন, তিনিই দূত হবার যোগ্য।


চাণক্য শ্লোক !
'চাণক্য' প্রাচীন ভারতের রাজনীতির ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নাম। পাঞ্জাব প্রদেশের অন্তর্গত তক্ষশীলায় চণক-ঋষির ঔরসে মহামতি চাণক্য তিন হাজার বছর আগে জন্মগ্রহণ করেন। চণক-ঋষির পুত্র বলেই তাঁর নাম হয় 'চাণক্য', তাঁর জন্মগ্রাম 'চানকা' থেকে 'চাণক্য' নাম হয়েছে বলেও অনুমান করা হয়। এছাড়া 'বিষ্ণুগুপ্ত' নামেও তিনি পরিচিত। চাণক্যের বিখ্যাত ছদ্মনাম 'কৌটিল্য'।

সেকালে মগধে 'নন্দবংশ' নামে রাজবংশের শেষ রাজা ছিলেন ধনানন্দ। ধনানন্দের সৎভাই ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত। পিতার মৃত্যুর পর তিনি দাসীমাতা মুরা ও সৎভাই চন্দ্রগুপ্তকে রাজ্য থেকে তাড়িয়ে দেন। চন্দ্রগুপ্ত তার ভাই ধনানন্দকে পরাজিত করে মগধের সিংহাসন দখলের চেষ্টা করেন। কিন্তু সে চেষ্টায় তিনি ব্যর্থ হন এবং জীবন বাঁচাতে জঙ্গলে গিয়ে নির্বাসিত জীবন-যাপন করতে থাকেন।

এদিকে ধনানন্দের পিতৃশ্রাদ্ধে পৌরহিত্য করার জন্য একজন ব্রাহ্মণের প্রয়োজন হয়। ব্রাহ্মণ সংগ্রহের দায়িত্ব পড়ে মন্ত্রী শকটার উপর। তিনি চাণক্যকে মহারাজ ধনানন্দের পিতৃশ্রাদ্ধে পৌরহিত্য করার অনুরোধ জানান। সে অনুরোধ অনুযায়ী চাণক্য যথাসময়ে রাজপ্রাসাদে উপস্থিত হয়ে পুরোহিতের আসন গ্রহণ করেন। চাণক্যের চেহারা খুব ভাল ছিল না। পুরোহিতের আসনে কদাকার ব্রাহ্মণ চাণক্যকে দেখে মহারাজ ধনানন্দ ভীষণ ক্রুদ্ধ হন এবং তাকে তিরস্কার করে সেখান থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। পণ্ডিত চাণক্য মহারাজাকে হিতবাক্যে বুঝাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু রাজা ধনানন্দ কোন প্রবোধ না মেনে চাণক্যকে অপমান করে প্রাসদ থেকে বের করে দেন।

চন্দ্রগুপ্ত যখন জঙ্গলে পলাতক ও নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন, তখন ঘটনাচক্রে চাণক্যের সাথে তার সাক্ষাত হয়। চন্দ্রগুপ্ত তার সমস্ত কথা চাণক্যের কাছে খুলে বলেন এবং ধনানন্দকে পরাজিত করে মগধের সিংহাসন দখলে চাণক্যের পরামর্শ ও সাহায্য কামনা করেন। চাণক্য ছিলেন প্রখর প্রতিভাধর পণ্ডিত। চন্দ্রগুপ্ত চাণক্যকে তার উপদেষ্টা ও মন্ত্রণাদাতা নিয়োগ দেন। চাণক্যের সক্রিয় সহযোগিতায় চন্দ্রগুপ্ত ক্রমে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন এবং গুরু চাণক্যের সুনিপুণ পরিকল্পনা অনুসারে ধনানন্দকে পরাজিত করে মগধের সিংহাসন দখল করেন। এবং পণ্ডিত চাণক্যকে করেন তার রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাণক্য অবলীলায় বিলাসবহুল জীবন কাটাতে পারতেন জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদে। কিন্তু তিনি তা না করে একটি শ্মশানে কুড়েঘরে সন্ন্যাসীর মত জীবন-যাপন করতেন। গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের চেহারা যেমন সুন্দর ছিল না, চাণক্যের চেহারাও তেমনি সুন্দর বা আকর্ষণীয় ছিল না। তাছাড়া স্বাস্থ্যেও তিনি ছিলেন দুর্বল। তিনি বিশ্বাস করতেন 'দেহের সৌন্দর্যের চাইতে চিন্তার সৌন্দর্য অধিকতর মোহময় ও এর প্রভাব যাদুতুল্য।' ক্ষমতার দৃশ্যপট থেকে দূরে থেকেও তিনি সর্ববিধ পরামর্শ দিয়ে রাজা চন্দ্রগুপ্তকে পরিচালনা করতেন। রাজা চন্দ্রগুপ্তের জীবনে চাণক্য ছিলেন সত্যিকার বন্ধু, দার্শনিক, গুরু এবং স্বর্গীয় দূততুল্য অভিভাবক। শ্মশানে থেকে (রাজ্য পরিচালনার পরামর্শদানের পাশাপাশি) অসংখ্য ভক্তদেরকে নৈতিক ও আর্থ-সামাজিক বিষয়েও তিনি জ্ঞানদান করতেন।

চাণক্যের অর্থবিষয়ক জ্ঞানের সংকলন হচ্ছে অর্থশাস্ত্র, যা ‌'চাণক্যের অর্থশাস্ত্র' নামে পরিচিত একটি কালোত্তীর্ণ গ্রন্থ। তিনিই অর্থশাস্ত্রের প্রথম প্রবক্তা বলে অভিহিত। চাণক্যের অর্থশাস্ত্র উপবেদের অন্তর্ভুক্ত। এ শাস্ত্রে আছে শাসকের উদ্দেশ্যে পরামর্শ, প্রজাদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও জীবনমান উন্নতকরার কৌশল। চাণক্য তার অর্থশাস্ত্রে রাজাকে এভাবে পরামর্শ দিয়েছেন-
>'যে রাজা শত্রুর গতিবিধি সম্পর্কে ধারণা করতে পারে না এবং শুধু অভিযোগ করে যে তার পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে, তাকে সিংহাসনচ্যুত করা উচিত।'
> 'সকল উদ্যোগ নির্ভর করে অর্থের উপর। সে জন্য সবচেয়ে অধিক মনোযোগ দেওয়া উচিত খাজাঞ্চিখানার দিকে।
>তহবিল তসরুপ বা অর্থ আত্মসাতের চল্লিশটি পদ্ধতি আছে।
>জিহ্বার ডগায় বিষ রেখে যেমন মধুর আস্বাদন করা সম্ভব নয়, তেমনি কোন রাজকর্মচারীর পক্ষে রাজার রাজস্বের সামান্য পরিমাণ না-খেয়ে ফেলার ঘটনা অসম্ভব ব্যাপার।
>পানির নিচের মাছের গতিবিধি বোঝা যেমন অসম্ভব, রাজকর্মচারীর তহবিল তসরুপ বোঝাও তেমনি অসম্ভব।
>আকাশের অতি উঁচুতেও পাখির উড্ডয়ন দেখা সম্ভব, কিন্তু রাজকর্মচারীর গোপন কার্যকলাপ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অসম্ভব।'

এই বিজ্ঞ ও বাস্তবজ্ঞান-সম্পন্ন পণ্ডিতের সমাজ, সংসার, ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি ইত্যাদি সম্পর্কিত নীতিকথাগুলি (আজ ৩ হাজার বছর পরেও) গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেনি। আজও তা 'চাণক্য-শ্লোক' নামে ছড়িয়ে আছে সর্বত্র। কথাগুলি যে চাণক্যের তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না, অথচ কথাগুলি আমাদের খুবই পরিচিত। চাণক্যের এমন কিছু শ্লোক নিচে উল্লেখ করা হল-

২. অধমেরা ধন চায়, মধ্যমেরা ধন ও মান চায়। উত্তমেরা শুধু মান চায়। মানই মহতের ধন।
৩. অনেকে চারটি বেদ এবং ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করলেও আত্মাকে জানে না, হাতা যেমন রন্ধন-রস জানে না।
৪. অন্তঃসার শূন্যদের উপদেশ দিয়ে কিছু ফল হয় না, মলয়-পর্বতের সংসর্গে বাঁশ চন্দনে পরিণত হয় না।
৫. অবহেলায় কর্মনাশ হয়, যথেচ্ছ ভোজনে কুলনাশ হয়, যাচ্ঞায় সম্মান-নাশ হয়, দারিদ্র্যে বুদ্ধিনাশ হয়।
৬. অভ্যাস হীন বিদ্যা, অজীর্ণে ভোজন, দরিদ্রের সভায় বা মজলিশে কালক্ষেপ এবং বৃদ্ধের তরুণী ভার্যা বিষতুল্য।
৮. আকাশে উড়ন্ত পাখির গতিও জানা যায়, কিন্তু প্রচ্ছন্ন প্রকৃতি-কর্মীর গতিবিধি জানা সম্ভব নয়।
১৫. ঋণ, অগ্নি ও ব্যাধির শেষ রাখতে নেই, কারণ তারা আবার বেড়ে যেতে পারে।
১৯. একশত মূর্খ পুত্রের চেয়ে একটি গুণী পুত্র বরং ভাল। একটি চন্দ্রই অন্ধকার দূর করে, সকল তারা মিলেও তা পারে না।
২১. খেয়ে যার হজম হয়, ব্যাধি তার দূরে রয়।
২৩. গুণহীন মানুষ যদি উচ্চ বংশেও জন্মায় তাতে কিছু আসে যায় না। নীচকুলে জন্মেও যদি কেউ শাস্ত্রজ্ঞ হয়, তবে দেবতারাও তাঁকে সম্মান করেন।
২৫. গৃহে যার মা নেই, স্ত্রী যার দুর্মুখ তার বনে যাওয়াই ভাল, কারণ তার কাছে বন আর গৃহে কোনও তফাৎ নেই।
২৬. চন্দন তরুকে ছেদন করলেও সে সুগন্ধ ত্যাগ করে না, যন্ত্রে ইক্ষু নিষ্পিষ্ট হলেও মধুরতা ত্যাগ করে না, যে সদ্বংশজাত অবস্থা বিপর্যয়েও সে চরিত্রগুণ ত্যাগ করে না।
২৮. দারিদ্র্য, রোগ, দুঃখ, বন্ধন এবং বিপদ- সব কিছুই মানুষের নিজেরই অপরাধরূপ বৃক্ষের ফল।
৩০.দুর্বলের বল রাজা, শিশুর বল কান্না, মূর্খের বল নীরবতা, চোরের মিথ্যাই বল।
৩৩. নানাভাবে শিক্ষা পেলেও দুর্জন সাধু হয় না, নিমগাছ যেমন আমূল জলসিক্ত করে কিংবা দুধে ভিজিয়ে রাখলেও কখনও মধুর হয় না।
৩৬. পাঁচ বছর বয়স অবধি পুত্রদের লালন করবে, দশ বছর অবধি তাদের চালনা করবে, ষোল বছরে পড়লে তাদের সঙ্গে বন্ধুর মত আচরণ করবে।
৪২. বিদ্যা ব্যতীত জীবন ব্যর্থ, কুকুরের লেজ যেমন ব্যর্থ, তা দিয়ে সে গুহ্য-অঙ্গও গোপন করতে পারে না, মশাও তাড়াতে পারে না।
৪৩. বিদ্যাভূষিত হলেও দুর্জনকে ত্যাগ করবে, মণিভূষিত হলেও সাপ কি ভয়ঙ্কর নয়?
৪৬. বিষ থেকেও অমৃত আহরণ করা চলে, মলাদি থেকেও স্বর্ণ আহরণ করা যায়, নীচজাতি থেকেও বিদ্যা আহরণ করা যায়, নীচকুল থেকেও স্ত্রীরত্ন গ্রহণ করা যায়।
৪৭. ভোগবাসনায় বুদ্ধি আচ্ছন্ন হয়।
৫০. যাঁরা রূপযৌবনসম্পন্ন এবং উচ্চকুলজাত হয়েও বিদ্যাহীন, তাঁরা সুবাসহীন পলাশ ফুলের মত বেমানান।
৫২. যে গাভি দুধ দেয় না, গর্ভ ধারণও করে না, সে গাভি দিয়ে কী হবে! যে বিদ্বান ও ভক্তিমান নয়, সে পুত্র দিয়ে কী হবে!
৫৩. রাতের ভূষণ চাঁদ, নারীর ভূষণ পতি, পৃথিবীর ভূষণ রাজা, কিন্তু বিদ্যা সবার ভূষণ।
৫৬. সত্যবাক্য দুর্লভ, হিতকারী-পুত্র দুর্লভ, সমমনস্কা-পত্নী দুর্লভ, প্রিয়স্বজনও তেমনি দুর্লভ।
৫৭. সাপ নিষ্ঠুর খলও নিষ্ঠুর, কিন্তু সাপের চেয়ে খল বেশি নিষ্ঠুর। সাপকে মন্ত্র বা ওষধি দিয়ে বশ করা যায়, কিন্তু খলকে কে বশ করতে পারে?
৫৮. সুবেশভূষিত মূর্খকে দূর থেকেই দেখতে ভাল, যতক্ষণ সে কথা না বলে ততক্ষণই তার শোভা, কথা বললেই মূর্খতা প্রকাশ পায়।
৫৯. হাতি থেকে একহাজার হাত দূরে, ঘোড়া থেকে একশ হাত দূরে, শৃঙ্গধারী প্রাণী থেকে দশহাত দূরে থাকবে। অনুরূপ দুর্জনের কাছ থেকেও যথাসম্ভব দূরে থাকবে।

এই বিজ্ঞ ও বাস্তবজ্ঞান-সম্পন্ন পণ্ডিতের সমাজ, সংসার, ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি ইত্যাদি সম্পর্কিত নীতিকথাগুলি (আজ আড়াই হাজার বছর পড়েও) গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেনি। আজও তা 'চাণক্য-শ্লোক' নামে ছড়িয়ে আছে সর্বত্র। কথাগুলি যে চাণক্যের তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না, অথচ কথাগুলি আমাদের খুবই পরিচিত।
উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষে, শত্রুর সঙ্গে সংগ্রামকালে, রাজদ্বারে এবং শ্মশানে যে সঙ্গে থাকে, সে-ই প্রকৃত বন্ধু।
ঋণ, অগ্নি ও ব্যাধির শেষ রাখতে নেই, কারণ তারা আবার বেড়ে যেতে পারে।
একটি দোষ বহু গুণকেও গ্রাস করে।
একটিমাত্র পুষ্পিত সুগন্ধ বৃক্ষে যেমন সমস্ত বন সুবাসিত হয়, তেমনি একটি সুপুত্রের দ্বারা সমস্ত কুল ধন্য হয়।
কর্কশ কথা অগ্নিদাহের চেয়েও ভয়ঙ্কর।
গুণহীন মানুষ যদি উচ্চ বংশেও জন্মায় তাতে কিছু আসে যায় না
গৃহে যার মা নেই, স্ত্রী যার দুর্মুখ তার বনে যাওয়াই ভাল, কারণ তার কাছে বন আর গৃহে কোনও তফাৎ নেই।
চন্দন তরুকে ছেদন করলেও সে সুগন্ধ ত্যাগ করে না, যন্ত্রে ইক্ষু নিপিষ্ট হলেও মধুরতা ত্যাগ করে না, যে সদ্বংশজাত অবস্থা বিপর্যয়েও সে চরিত্রগুণ ত্যাগ করে না।
তিনটি বিষয়ে সন্তোষ বিধেয়: নিজের পত্নীতে, ভোজনে এবং ধনে। কিন্তু অধ্যয়ন, জপ, আর দান এই তিন বিষয়ে যেন কোনও সন্তোষ না থাকে।
দুর্বলের বল রাজা, শিশুর বল কান্না, মূর্খের বল নীরবতা, চোরের মিথ্যাই বল।
দুষ্টা স্ত্রী, প্রবঞ্চক বন্ধু, দুর্মুখ ভৃত্য এবং সসর্প-গৃহে বাস মৃত্যুর দ্বার, এ-বিষয়ে সংশয় নেই।
নানাভাবে শিক্ষা পেলেও দুর্জন সাধু হয় না, নিমগাছ যেমন আমূল জলসিক্ত করে কিংবা দুধে ভিজিয়ে রাখলেও কখনও মধুর হয় না।
পাঁচ বছর বয়স অবধি পুত্রদের লালন করবে, দশ বছর অবধি তাদের চালনা করবে, ষোল বছরে পড়লে তাদের সঙ্গে বন্ধুর মত আচরণ করবে।
পুত্রকে যাঁরা পড়ান না, সেই পিতামাতা তার শত্রু। হাঁসদের মধ্যে বক যেমন শোভা পায় না, সভার মধ্যে সেই মূর্খও তেমনি শোভা পায় না।
বইয়ে থাকা বিদ্যা, পরের হাতে থাকা ধন একইরকম। প্রয়োজনকালে তা বিদ্যাই নয়, ধনই নয়।
বিদ্যা ব্যতীত জীবন ব্যর্থ, কুকুরের লেজ যেমন ব্যর্থ, তা দিয়ে সে গুহ্য-অঙ্গও গোপন করতে পারে না, মশাও তাড়াতে পারে না।
বিদ্যাভূষিত হলেও দুর্জনকে ত্যাগ করবে, মণিভূষিত হলেও সাপ কি ভয়ঙ্কর নয়?
বিদ্যার চেয়ে বন্ধু নাই, ব্যাধির চেয়ে শত্রু নাই। সন্তানের চেয়ে স্নেহপাত্র নাই, দৈবের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বল নাই।
বিষ থেকেও অমৃত আহরণ করা চলে, মলাদি থেকেও স্বর্ণ আহরণ করা যায়, নীচজাতি থেকেও বিদ্যা আহরণ করা যায়, নীচকুল থেকেও স্ত্রীরত্ন গ্রহণ করা যায়।
অকর্মারা সদাই ক্ষুধার্ত।
অনেকে চারটি বেদ এবং ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করলেও আত্মাকে জানে না, হাতা যেমন রন্ধন-রস জানে না।
অভ্যাসহীন বিদ্যা, অজীর্ণে ভোজন, দরিদ্রের সভায় বা মজলিশে কালক্ষেপ, এবং বৃদ্ধের তরুণী ভার্যা বিষতুল্য।
ইন্দ্রিয়ের যে অধীন তার চতুরঙ্গ সেনা থাকলেও সে বিনষ্ট হয় (চাচার বিষয়ে কিছু বলেছেন নাকি?? )
একা একা তপস্যা, দুইয়ে মিলে পাঠ, তিনে মিলে গান, চারে মিলে ভ্রমণ, আর পাঁচে মিলে (করলে) ক্ষেতের কাজ। বহুতে মিলে করা চলে যুদ্ধ।
এমনিতে কেউ কারও বন্ধু নয়, কেউ কারও শত্রু নয়, কারণেই শত্রু-মিত্র হয়ে থাকে।
কবিরা কি না দেখে, স্ত্রীলোকেরা কি না করে, মদ্যপেরা কি না কল্পনা করে, কাকেরা কি না খায়?
কুয়োর জল, বটের ছায়া, যৌবনবতী স্ত্রী এবং ইটের তৈরি বাড়ি শীতকালে উষ্ণ এবং গ্রীষ্মকালে শীতল।
কূলের স্বার্থে একজনকে ত্যাগ করবে, গ্রামের স্বার্থে কূলকে ত্যাগ করবে, জনপদের স্বার্থে গ্রামকেও ত্যাগ করবে, আর নিজের স্বার্থে পৃথিবীকেও ত্যাগ করবে।

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকা, সাইট, ব্লগ থেকে সংগ্রহ করে একত্র করা হয়েছে বলে এর সোর্স দেয়া গেল না।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোকঃ-
জ্ঞান-ই শক্তি ! নিজের ধর্ম সম্পর্কে আগে ভালোভাবে জানুন এবং অন্যকেও জানতে উৎসাহিত করুন।
আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে পারেন। মানসম্মত লেখা নামসহ সাইটে স্থায়ীভাবে পাবলিশ করা হয়।













চাণক্য পণ্ডিত এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
শ্লোক: 1

মাতা যস্য গৃহে নাস্তি ভার্যা চাপ্রিয়বাদিনী।
অরণ্যং তেন গন্তব্যং যথারণ্যং তথা গৃহম্ ।।
( চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ-- কোনও ব্যক্তির গৃহে যদি স্নেহশীলা মা না থাকেন, কিংবা তার স্ত্রী যদি প্রিয়ভাষিণী না হয়, তা হলে বনে গমন করাই (সন্ন্যাস গ্রহণ) তার কর্তব্য, কেন না তার গৃহটিও ইতিমধ্যেই অরণ্যতুল্য একটি স্থান মাত্র।

শ্লোক: 2

ঋণকর্তা পিতা শত্রুর্মাতা চ ব্যভিচারিণী।
ভার্যা রূপবতী শত্রুঃ পুত্রঃ শত্রুরপণ্ডিতঃ ।।
( চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ-পরিবার জীবনে চার রকমের শত্রু রয়েছে- ঋণী পিতা, পতির প্রতি অবিশ্বাসী মাতা, খুব সুন্দরী স্ত্রী এবং অজ্ঞ ও বোকা পুত্র।

শ্লোক: 3

মাতৃবৎ পরদারেষু পরদ্রব্যেষু লোষ্ট্রবৎ।
আত্মবৎ সর্বভুতেষু যঃ পশ্যতি স পণ্ডিতঃ ।।
( চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ--যিনি পরস্ত্রীকে মায়ের মতো দেখেন, পরের দ্রব্যকে মাটির ঢেলার মতো তুচ্ছ বলে মনে করেন এবং সমস্ত জীবকে নিজের মতো দর্শন করেন- তিনিই হচ্ছেন পণ্ডিত।

শ্লোক: 4

একনাপি সুবৃক্ষেণ পুষ্পিতেন সুগন্ধিনা।
বাস্যতে তদ্বনং সর্বং সুপুত্রেণ কুলং যথা।।
( চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- একটি সুগন্ধিযুক্ত বৃক্ষ যেমন সমগ্র বনকে সুবাসিত করে, ঠিক তেমনই একটি মাত্র সুপুত্র সমস্ত কুলকে মহিমান্বিত করতে পারে।

শ্লোক: 5

একনাপি কুবৃক্ষেণ কোটরস্থেন বহ্নিনা।
দহ্যতে তদ্বনং সর্বং কুপুত্রেণ কুলং যথা।।
( চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- একটি মাত্র মন্দ বৃক্ষের কোটরস্থ বহ্নি যেমন সমগ্র বনকে ভস্মীভূত করতে পারে, ঠিক তেমনই একটি মাত্র মন্দ পুত্র সমগ্র কুলকে ধ্বংস করতে পারে।

শ্লোক: 6

দুষ্টা ভার্যা শঠং মিত্রং ভৃত্যশ্চোত্তরদায়কঃ ।
সসর্পে চ গৃহে বাসো মৃত্যুরেব ন সংশয়।।
( চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- যার স্ত্রী দুষ্টা, বন্ধু প্রতারক, যার ভৃত্যরা মুখের উপর উত্তর দেয়, তিনি সর্পময় গৃহে বাস করছেন। তার মৃত্যু অবধারিত ।

শ্লোক: 7

শঠে শাঠ্যমাচরেৎ ( চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- প্রতারকের সঙ্গে প্রতারণামূলক আচরণ করাই উচিত।

শ্লোক: 8

দুর্জনঃ পরিহর্তব্যো বিদ্যয়ালঙ্কৃতোহপি সন।
মণিনা ভূষিতঃ সর্পঃ কিমসৌ ন ভয়ঙ্করঃ ।।
( চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- বিদ্যার দ্বারা অলঙ্কৃত হলেও দুর্জন ব্যক্তিকে পরিহার করা কর্তব্য। সে ঠিক একটি মণিভূষিত বিষাক্ত সর্পের মতো। সেই রকম সাপ কি ভয়ঙ্কর নয়?

শ্লোক: 9

শর্বরীভূষণং চন্দ্রো নারীণাং ভূষণং পতিঃ ।
পৃথিবীভূষণং রাজা বিদ্যা সর্বস্য ভূষণম্ ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- রাত্রির ভূষণ হচ্ছে চাঁদ। রমনীর ভূষণ হচ্ছে ভাল স্বামী। পৃথিবীর ভূষণ রাজা। আর বিদ্যা সকলেরই ভূষণ ।

শ্লোক: 10

বিশ্বাসো নৈব কর্তব্যঃ স্ত্রীষু রাজকুলেষু চ ।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- রাজনীতিবিদ এবং স্ত্রীলোককে কখনও বিশ্বাস করতে নেই।

শ্লোক: 11

কোহর্থঃ পুত্রেণ জাতেন যো ন বিদ্বান্ ন ধার্মিকঃ ।
কাণেন চক্ষুষা কিংবা চক্ষুঃ পীড়ৈব কেবলম্ ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- যে পুত্র ধার্মিকও নয়, বিদ্বানও নয়, সে পুত্রের কি মূল্য? সেই রকম পুত্রকে শুধু একটি কাণা চোখের সঙ্গেই তুলনা করা যায়, যা কেবল যন্ত্রণাই দান করে।

শ্লোক: 12

মূর্খাঃ যত্র ন পূজ্যন্তে ধান্যং যত্র সুসঞ্চিতম্ ।
দম্পত্যোঃ কলহো নাস্তি তত্র শ্রীঃ স্বয়মাগতাঃ ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- যেখানে মূর্খগণ পূজিত হয় না, ধান্যাদি শস্য যেখানে সুসঞ্চিত থাকে, যেখানে দাম্পত্য কলহ নেই, সেখানে লক্ষ্মীদেবী স্বয়ং সমাগত হন।

শ্লোক: 13

বিষাদপ্যমৃতং গ্রাহ্যং অমেধ্যদপি কাঞ্চনম্ ।
নীচাদপ্যুত্তমং জ্ঞানং স্ত্রীরত্নং দুষ্কুলাদপি ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- বিষ থেকেও অমৃত গ্রহণ করা কর্তব্য, অপবিত্র স্থান থেকেও স্বর্ণ গ্রহণ করা কর্তব্য, নীচ কুলোদ্ভূত ব্যক্তির কাছ থেকেও শ্রেষ্ঠ জ্ঞান আহরণ করতে হবে এবং নীচ বংশোদ্ভূত হলেও গুণবতী পত্নী গ্রহণীয় ।

শ্লোক: 14

আত্মমাতা গুরোঃ পত্নী ব্রাহ্মণী রাজপত্নিকা ।
ধেনুর্ধাত্রী তথা পৃথ্বী সপ্তৈতা মাতরঃ স্মৃতাঃ ।।

(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- নিজের মা, গুরুপত্নী, ব্রাহ্মণী, রানী মা, গাভী, ধাত্রী ও পৃথিবী—এই সাত জন মাতা বলে পরিচিত ।

শ্লোক: 15

ঋষি শ্রাদ্ধে অজা যুদ্ধে প্রভাতে মেঘ গর্জনে ।
দাম্পত্য কলহে চৈব বহ্বারম্ভে লঘুক্রিয়া ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- বনে দেহত্যাগকারী ঋষির শ্রাদ্ধে, দুটো ছাগলের যুদ্ধে, প্রভাতে মেঘের গর্জনে, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ায় শুরুতে খুবই আড়ম্বর হয়, কিন্তু তার ফল খুবই নগণ্য ।

শ্লোক: 16

অবিদ্যং জীবনং শূন্যং দিক্ শূন্যাশ্চ অবান্ধবাঃ ।
পুত্রহীনং গৃহং শূন্যং সর্বশূন্যা দরিদ্রতা ।।

(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- জ্ঞানহীন জীবন শূন্য, বন্ধুবান্ধবহীন ব্যক্তির সব দিক শূন্য, পুত্রহীন গৃহ শূন্য, আর দরিদ্র ব্যক্তির সমগ্র জগৎটাই শূন্য।

শ্লোক: 17

ত্যজ দুর্জনসংসর্গং ভজ সাধুসমাগমম্ ।
কুরু পুণ্যমহোরাত্রং স্মর নিত্যং অনিত্যতাম্ ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- দুর্জনসঙ্গ ত্যগ কর। সাধুসঙ্গে ভজনা কর। দিন-রাত ধরে শুধু পুণ্য অনুষ্ঠান কর। সব সময় স্মরণে রাখ যে, এই জড় জগৎ ক্ষণস্থায়ী।

শ্লোক: 18

আয়ুষঃ ক্ষণ একোহপি ন লভ্য স্বর্ণকোটিভিঃ ।
ন চেন্নিরর্থকং নীতিঃ কা চ হানিস্ততোহধিকা ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- জীবনের একটি মাত্র ক্ষণও যদি বৃথা ব্যয় করা হয়, তা হলে কোটি কোটি স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়েও তা আর ফেরৎ পাওয়া যায় না। সুতরাং বৃথা সময় নষ্ট করা থেকে অধিকতর হানি আর কি হতে পারে?

শ্লোক: 19

রূপযৌবনসম্পন্ন বিশালকুলসম্ভবাঃ ।
বিদ্যাহীনা ন শোভন্তে নির্গন্ধা ইব কিংশুকাঃ ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- রূপযৌবন-সম্পন্ন ব্যক্তি এবং উচ্চকুলে জাত ব্যক্তিও যদি বিদ্যাহীন হন, তা হলে তার কোন শোভা নেই, ঠিক যেমন কিংশুক ফুল অত্যন্ত সুন্দর দেখালেও গন্ধহীন বলে তার কোন চমৎকারিত্ব বা মূল্য নেই।

শ্লোক: 26

লালয়েৎ পঞ্চবর্ষাণি দশবর্ষাণি তাড়য়েৎ ।
প্রাপ্তে তু ষোড়শে বর্ষে পুত্রং মিত্রবদাচরেৎ ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত পুত্রকে লালন করবে। পরবর্তী দশ বছর তাকে শাসন করবে। কিন্তু কারও পুত্র যখন ষোল বছর বয়সে উপনীত হয়, তখন তার সঙ্গে বন্ধুর মতো আচরণ করা উচিত।

শ্লোক: 27

লালনে বহবো দোষাস্তাড়নে বহবো গুণাঃ ।
তস্মাৎ পুত্রং চ শিষ্যং চ তাড়য়েন্ন তু লালয়েৎ ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- প্রশ্রয় বা লালন শিষ্য বা পুত্রের আচরণে বহু বদ্ গুণাবলীকে উৎসাহিত করে এবং কঠোরতা সদ্ গুণাবলী অর্জনে সহায়তা করে। অতএব শিক্ষক বা পিতা-মাতার কর্তব্য শিশুকে প্রশ্রয় না দেওয়া, বরং মন্দ আচরণের জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া উচিত।

শ্লোক: 13

শর্বরীভূষণং চন্দ্রো নারীণাং ভূষণং পতিঃ ।
পৃথিবীভূষণং রাজা বিদ্যা সর্বস্য ভূষণম্ ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- রাত্রির ভূষণ হচ্ছে চাঁদ। রমনীর ভূষণ হচ্ছে ভাল স্বামী। পৃথিবীর ভূষণ রাজা। আর বিদ্যা সকলেরই ভূষণ।

শ্লোক: 28

সর্পঃ ক্রূরঃ খলঃ ক্রূরঃ সর্পাৎ ক্রূরতরঃ খলঃ ।
মন্ত্রৌষধিবশঃ সর্পঃ খলঃ কেন নিবার্যতে ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- সাপ ভয়ঙ্কর, দুষ্টলোকও ভয়ঙ্কর, তবে এই দুয়ের মধ্যে খল বা দুষ্ট ব্যক্তি বিষধর সাপের থেকেও ভয়ঙ্কর। মন্ত্র ও ওষুধের দ্বারা সাপকে বশীভূত করা যায়। কিন্তু খল ব্যক্তিকে কিভাবে নিবারণ করা যায়?

শ্লোক: 30

পয়ঃপানং ভুজঙ্গানাং কেবলং বিষবর্ধনম্ ।
উপদেশো হি মূর্খানাং প্রকোপায় না শান্তয়ে ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- সাপ যখন দুধ পান করে, সে শুধু তার বিষই বর্ধন করে। তেমনই মূর্খকে সদুপদেশ দান করলে তা শুধু তার ক্রোধই উৎপন্ন করে। উপদেশে তাদের মন শান্ত হয় না।

শ্লোক: 31

ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ যাবজ্জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ ।
ভস্মীভূতস্য দেহস্য কুতঃ পুনরাগমনো ভবেৎ ।।
(চার্বাক মুনি)
অনুবাদঃ- যতদিন বাঁচবে সুখে বাঁচবে, তার জন্য প্রয়োজন হলে ঋণ করেও যত খুশি ঘি খাবে। মৃত্যুর পরে দেহ যখন ভস্মীভূত হয়ে যায়, তখন তার পুনর্জন্ম আর কি করে সম্ভব?

শ্লোক: 31

বরং একো গুণী পুত্রো ন চ মূর্খশতৈরপি ।
একশ্চন্দ্রস্তমো হন্তি ন চ তারা গণৈরপি ।।
(চাণক্য পণ্ডিত)
অনুবাদঃ- শত শত মূর্খ সন্তান লাভ করার থেকে এক জন গুণী পুত্র লাভ করা ভাল। কারণ অসংখ্য তারা অন্ধকার দূর করতে পারে না, কিন্তু একটি মাত্র চাঁদ ব্রহ্মাণ্ডের অন্ধকার দূর করে।



বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকা, সাইট, ব্লগ থেকে সংগ্রহ করে একত্র করা হয়েছে বলে এর সোর্স দেয়া গেল না।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন





Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200405120546

Saturday, April 4th, 2020

Astro Research Centre

কৃষ্ণ কথা

কৃষ্ণ কথা

হরে কৃষ্ণ” মহামন্ত্রের তাৎপর্যঃ ভাবের মাঝে কৃষ্ণ কথা হবে যে আলাপন। কৃষ্ণ বিনে কি আছে এ ভবে-সবই কৃষ্ণময় জেনে রেখো ভবে। উচ্চ স্তরে করেছে যাকে প্রতিষ্ঠা তিনি আর কেহ নন কৃষ্ণ বিনে।

তাই মনুষ্য লোকের উচিত “হরে কৃষ্ণ” মহামন্ত্রের তাৎপর্য সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে পারমার্থিক জীবনে উন্নয়ণ ঘটানো।

নিম্নে “হরে কৃষ্ণ” মহামন্ত্রের তাৎপর্য কি তা বর্ণিত হলঃ
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

ষোল সখা ষোল সখী বত্রিশ অক্ষর ।
হরিনাম তত্ত্ব ধর্ম অতি গূঢ়তর।।
মাধুর্য মহিমা তত্ত্ব যে জন জানয়।
রাধাকৃষ্ণ নিত্যধামে গমন করয়।।
‘হরে কৃষ্ণ’ ‘হরে রাম’ এই মন্ত্র ষড়ক্ষর।
এই তিন নাম তন্ত্রে সূত্র কৈল হর।।
তিন নামে ষোল নাম বত্রিশ অক্ষর।
বৃত্তি করি কৈলা গৌর জগত গোচর।।
নাম রূপে প্রেম দিলা আপনি যাচিয়া।
নামে মত্ত ভক্ত চিত্ত বেড়ায় নাচিয়া।।
করুণার কল্পতরু এই হরিনাম।
কামনায় হবে মুক্তি প্রেম ব্রজধাম।।
সংক্ষেপে কহিনু এই হরিনাম তত্ত্ব।
জীবের দুর্লভ এই প্রেমের মহত্ত্ব।।
অষ্ট ‘হরে’ নামের তাৎপর্য
প্রথমত, ‘হরে’- চন্দ্রাবলী
দ্বিতীয়ত, ‘হরে’- প্রেমময়ী শ্রীরাধা
তৃতীয়ত, ‘হরে’- সুভাষিণী
চতুর্থত, ‘হরে’- সিংহাসন
পঞ্চমত, ‘হরে’- সুদর্শন
ষষ্ঠত, ‘হরে’- শেষ দেব
সপ্তমত, ‘হরে’- সাবিত্রী
অষ্টমত, ‘হরে’- রেবতী
চারি ‘কৃষ্ণ’ নামের তাৎপর্য
প্রথমত, ‘কৃষ্ণ’- পরম ব্রহ্ম শ্রীগোবিন্দ
দ্বিতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- বাসুদেব
তৃতীয়ত, ‘কৃষ্ণ’- জগন্নাথ
চতুর্থত, ‘কৃষ্ণ’- বলভদ্র
চারি ‘রাম’ নামের তাৎপর্য
প্রথমত, ‘রাম’- শ্রীরাধিকা
দ্বিতীয়ত, ‘রাম’- লক্ষ্মী
তৃতীয়ত, ‘রাম’- সরস্বতী
চতুর্থত, ‘রাম’- সুভদ্রা
হরিনাম মহামন্ত্রের বত্রিশ অক্ষরের তাৎপর্য
‘হ’- অক্ষরে শ্রীললিতা সখী মস্তকেতে।
‘রে’- অক্ষরে শ্রীবিশাখা দক্ষিণ বাহুতে।।
‘কৃ’-অক্ষরে চম্পকলতা সখীকন্ঠে রয়।
‘ষ্ণ’- অক্ষরেচিত্রা সখী বাহুতে শোভয়।।
‘হ’- অক্ষরে রঙ্গদেবী সখী থাকে হাতে।
‘রে’- অক্ষরে সুদেবী যে থাকয়ে পৃষ্ঠেতে।।
‘কৃ’- অক্ষরে তুঙ্গবিদ্যা বদন উপরে।
‘ষ্ণ’- অক্ষরে ইন্দুরেখা শ্রবণ বিবরে।।
‘কৃ’- অক্ষরে শশীরেখা রহে ভুরুযুগে।
‘ষ্ণ’- অক্ষরে বিমলা সখী ভ্রুর ডান ভাগে।।
‘কৃ’- অক্ষরে পালিকা সখী ভ্রুর বামে রয়।
‘ষ্ণ’- অক্ষরে লবঙ্গমঞ্জরী থাকয়ে হৃদয়।।
‘হ’- অক্ষরে শ্যামলা সখী নাভীতে থাকয়।
‘রে’- অক্ষরে মধুমতী নাভি মধ্যে রয়।।
‘হ’- অক্ষরে ধন্যা সখী করাঙ্গুলি রয়।
‘রে’- অক্ষরে মঙ্গলা কর অধোমুখী হয়।।
‘হ’- অক্ষরে শ্রীদাম সখা জঙ্ঘায় থাকয়।
‘রে’- অক্ষরে সুদাম সখা জানু নিবসয়।।
‘রা’- অক্ষরে বসুদাম সাখা থাকে ভুরু অঙ্গে।
‘ম’- অক্ষরে অর্জুন সখা সদা থাকে লিঙ্গে।।
‘হ’- অক্ষরে সুবল সখা দক্ষিণ পদেতে।
‘রে’- অক্ষরে কিঙ্কিণী সখা আছয়ে বামেতে।।
‘রা’- অক্ষরে চাতক সখা পূর্বে নিবসয়।
‘ম’- অক্ষরে মধুমঙ্গল অগ্নিকোণে রয়।।
‘রা’- অক্ষরে শুক সখা থাকয়ে দক্ষিণে।।
‘ম’-অক্ষরে বিশাল সখা রয় নৈঋর্ত কোণে।
‘রা’- অক্ষরে মহাবল সখা পশ্চিমে থাকয়।।
‘ম’- অক্ষরে বৃষভ সখা বায়ুকোণে রয়।
‘হ’- অক্ষরে দেবপ্রস্থ সখা উত্তরেতে।।
‘রে’- অক্ষরে উদ্ভব সখা আছে ঈশানেতে।।
‘হ’- অক্ষরে মহাবাহু ঊর্ধ্বে রয় সুখে।
‘রে’- অক্ষরে ঈশান সখা আছে অধোমুখে।।
এই ত কহিনু ষোল নাম বত্রিশ অক্ষর তাৎপর্য ।
যেই জন জানে ইহা ভব ত্রাণ হয়।

বাড়িতে বসে আদ্যা স্তোত্র পাঠ ও শ্রবণ করুন হে মা বিপত্তারিনী তারা রক্ষা করো তুমি জগতের সবাইকে এই মহামারী হাত থেকে ।
সবার মঙ্গল করো মা, এই ধরিত্রী কে রক্ষা করো মা
ভিডিও টা ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করুন

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

সংগৃহীত



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200404170520

Saturday, April 4th, 2020

Astro Research Centre

নারদ ও পর্বত ঋষির কাহিনী।।

নারদ ও পর্বত ঋষির কাহিনী।।

।।নারদ ও পর্বত ঋষির কাহিনী।।

✍️নারদ বিষ্ণুর পরম ভক্ত। যাত্রার অভিনয়ে নারদের মূর্তি দেখে অনেকের ধারণা হয়েছে নারদ বুঝি চিরদিনই বুড়ো, তাঁর মুখে লম্বা লম্বা পাকা দাড়ি, মাথায় লম্বা চুল। নারদ যে একদিন তরুণ যুবক ছিলেন, তা কেউই ভেবে দেখে না। এই নারদের একদিন বিয়ে করবার ইচ্ছাও হয়েছিল। বৈকুণ্ঠে বিষ্ণুর কাছে গিয়ে নারদ বিয়ের অনুমতি চাইলেন এবং একটি সুন্দরী পাত্রীর সন্ধানও জানতে চাইলেন। বিষ্ণু বললেন –‘অযোধ্যার রাজা অম্বরীষের একটি সুন্দরী কন্যা আছে। নারদ, তুমি গিয়ে সেই রাজার কাছে কন্যা প্রার্থনা কর।’

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

✍️পর্বত নামে আর একজন তরুণ ঋষিও বিষ্ণুর ভক্ত ছিলেন। তাঁরও বিয়ের ইচ্ছা হলে বিষ্ণুর কাছে তিনি একটি সুপাত্রীর সন্ধান জানতে চাইলেন। বিষ্ণু তাঁকেও অম্বরীষ রাজার কন্যার কথা বললেন।

✍️নারদ অম্বরীষের গৃহে গিয়ে তাঁর কন্যাকে বিবাহ করবার প্রস্তাব জানালেন। অম্বরীষ ছিলেন বিষ্ণুর পরম ভক্ত। তিনি নারদকে খুবই আদর করে বললেন – “ঋষিবর, আপনি দুইদিন পরে আসবেন। আমি মহিষী ও কন্যা শ্রীমতীর সঙ্গে এ বিষয়ে একটু আলোচনা করি।” নারদ দুইদিন পরে আসবেন বলে বিদায় নিলেন।

✍️তারপর এলেন পর্বত ঋষি। বিষ্ণুভক্ত অম্বরীষের গৃহে তাঁরও খুব সমাদর হল। পর্বত ঋষি কন্যা প্রার্থনা করলে রাজা বললেন – “কিছুক্ষণ আগে নারদ এসে কন্যা প্রার্থনা করে গেছেন। তাঁকে দুইদিন পরে আসতে বলেছি। আপনিও দুইদিন পরে আসবেন। দুইজনই আপনারা সমান রূপবান যুবক। কন্যা আপনাদের দুইজনের মধ্যে যাঁকে পছন্দ করবেন, তাঁরই গলায় কন্যা মালা দেবে।”

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

✍️নারদকে জানান হল – পর্বত ঋষিও কন্যাকে বিবাহ করতে চান। দুইজনই যোগ্য পাত্র। কন্যা দুইজনের মধ্যে যাঁকে পছন্দ করবেন তিনিই হবেন রাজার জামাতা।

✍️এই সংবাদ পেয়ে নারদ বিষ্ণুর কাছে গিয়ে প্রার্থনা জানালেন – “প্রভু, পর্বত ঋষি গিয়েও যে রাজার কাছে কন্যা প্রার্থনা করেছেন। অম্বরীষের কন্যা দুজনের মধ্যে যাঁকে পছন্দ করবেন, তাঁরই গলায় মালা দেবেন। আপনি মায়াজাল বিস্তার করে একটা উপকার করুন। পর্বতের মুখখানা শ্রীমতীর চোখে যেন বানরের মুখ বলে মনে হয়।”

✍️বিষ্ণু হেসে বললেন – “তাই হবে নারদ, তাই হবে।”

✍️পর্বত ঋষিও এসে বিষ্ণুর কাছে ওইরূপ প্রার্থনাই জানালেন। বিষ্ণু তাঁকেও বললেন – “তাই হবে পর্বত, তাই হবে।” পর্বত নিশ্চিন্ত হয়ে চলে গেলেন।

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

✍️এদিকে অম্বরীষ বড় বিপদে পড়লেন। শ্রীমতী যাঁর গলায় মালা দেবেন না – তিনিই রাগ করে অভিশাপ দেবেন। এখন উপায় কি? তখন অম্বরীষ ও শ্রীমতী দুই পিতা-পুত্রীতে প্রাণপণে নারায়ণকে ডাকতে লাগলেন – “প্রভু, এ সঙ্কটে রক্ষা করুন।”

✍️নির্দিষ্ট দিনে দুই ঋষি এসে উপস্থিত হলেন। দুইজনে দুই সিংহাসনে বসলেন। দুই ঋষির হাঁকডাকে কন্যাকে মালা হাতে কাঁপতে কাঁপতে সভায় আসতে হল। কন্যা চোখ বুজে নারায়ণকে স্মরণ করতে লাগল। কন্যা দেখলেন দুই সিংহাসনে দুইটি বানর বসে আছে। কন্যা বানর দুটির গলায় মালা দিতে পারলেন না। কী করবেন ভাবছেন – এমন সময় দুইজনের মাঝখানে দেখলেন – একজন অসামান্য রূপবান তরুণ যুবক। তাঁর গায়ের রঙ নবদূর্বাদলের মত, তাঁর হাতে ধনুর্বান। শ্রীমতী এই পুরুষের গলায় মালা দিলেন। সঙ্গে সঙ্গেই শ্রীমতীকে আর দেখতে পাওয়া গেল না। পর্বত ও নারদ দুজনেই অবাক হয়ে চেয়ে দেখেন – কন্যা নেই।

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

✍️তাঁরা প্রথমে অম্বরীষকে খুব গালাগালি করলেন – বললেন, “কন্যা কোথায় সরালে, বল।” অম্বরীষ বললেন – “কন্যা আপনাদের চোখের সামনে থেকে কোথায় গেল আমি তো বুঝতে পারছি না। বোধহয় এটা বিষ্ণুমায়া। আপনারা সন্ধান করুন।”

✍️ঋষি দুইজনে দেখলেন – “সত্যই তো! কই, কন্যা তো তাঁদের সামনে থেকে কোথাও যায়নি!” তাঁরা বৈকুন্ঠে গিয়ে বিষ্ণুকে সব কথা বললেন। বিষ্ণু মৃদু মৃদু হাসতে লাগলেন। তাঁরা বললেন – “প্রভু, নিশ্চয় এটা তোমার মায়া! তুমি কন্যা হরণ করেছ।”

✍️বিষ্ণু বললেন – “নারদ! পর্বত! তোমরা ভুল করছ। আমি তোমাদের সন্ধান দিয়েছিলাম শ্রীমতীর। আমি নিজে যদি কন্যা হরণ করতাম – তাহলে তোমাদের সন্ধান দেব কেন? তুমি অম্বরীষের কাছে গিয়ে খোঁজ নাও কন্যা মনে মনে কাউকে বরণ করেছে কিনা – সে হয়ত মায়াবী পুরুষ। আর তাছাড়া, তোমাদের মুখটি তো মাল্যলাভের সময় বানরের মুখের মত দেখতে হয়েছিল।”

✍️নারদ বললেন – “সেকি! পর্বতের মুখখানি তো বানরের মুখের মত দেখবার কথা।”

✍️বিষ্ণু বললেন – “হ্যাঁ, তোমার প্রার্থনাতে তাই হয়েছিল। কিন্তু পর্বতও আমার পরম ভক্ত। তারও প্রার্থনা ছিল। কাজেই তোমার মুখখানাও বানরের মত দেখতে হয়েছিল যে। শ্রীমতীর অপরাধ কী? সে তো বানরের গলায় মালা দিতে পারে না। যাও, তোমরা অম্বরীষের কাছে খোঁজ নাওগে, কন্যা মনে মনে কাউকে বরণ করেছিল কিনা।”

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

✍️পর্বত বললেন – “আমি তপস্যায় চললাম। আমার বিয়ের সাধ মিটে গেছে। যাও নারদ তুমি খোঁজ কর গে।”

✍️নারদ অম্বরীষের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন যে – “রাজন তোমার কন্যা কাকে মনে মনে বরণ করছিল বল। নতুবা তোমার রক্ষা নেই।”

✍️অম্বরীষ বললেন – “দেবর্ষি, কন্যা কাকে মনে মনে বরণ করেছিল, তা আমি কী করে জানব? আপনি প্রসন্ন হন। আমার গৃহে আরও সুন্দরী কন্যা অনেক আছে। আপনি যতগুলি কন্যা ইচ্ছে বিয়ে করতে পারেন। আপনার জন্য আমি আমার কন্যাটিকে হারালাম। তার প্রতিকার কী বলুন।”

✍️নারদ কুপিত হয়ে বললেন – “তুমিই সব জান। আমি অভিশাপ দিচ্ছি – তোমাকে মোহের অন্ধকার আচ্ছন্ন করুক – তোমার জ্ঞানবুদ্ধি সব লোপ পাক।”

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

✍️নারদ এই অভিশাপ দেওয়া মাত্র একটা অন্ধকারের আবর্ত রাজাকে আচ্ছন্ন করবার জন্য ছুটে এল। “হে নারায়ণ, রক্ষা কর” – বলে রাজা মুর্চ্ছিত হয়ে পড়লেন। এমন সময় বিষ্ণুর চক্র এসে সেই অন্ধকারের আবর্তের পথ রোধ করল। তখন সেই আবর্ত বিষ্ণুর চক্রের দ্বারা ত্ব্বারিত হয়ে নারদের দিকে ছুটে গেল।

✍️নারদ তখন প্রাণপণে ছুটতে লাগলেন – অন্ধকারের আবর্ত নারদের পিছু পিছু ছুটতে লাগল। নারদ ত্রিভূবনময় ছোটাছুটি করতে লাগলেন। ব্রহ্মলোকে, ইন্দ্রলোকে, শিবলোকে – নারদ কোথাও আশ্রয় পেলেন না। তখন শেষে বৈকুন্ঠে গিয়ে বিষ্ণুর চরণতলে পড়লেন।

✍️তখন মোহের আবর্ত ও বিষ্ণুচক্র দুইই অন্তর্হিত হল। নারদ কাঁদতে লাগলেন। বিষ্ণু তখন বললেন – “নারদ, শোন। শ্রীমতী মনে মনে আমাকেই পতিত্বে বরণ করেছিল। তুমি ও পর্বত যখন শ্রীমতীর মাল্যলাভের আশায় বসেছিলে – তখন আমি দ্বিভুজরূপে ধনুর্বান হাতে তরুণ যুবার রূপধরে তোমাদের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলাম – তোমরা আমাকে দেখতে পাওনি। কিন্তু শ্রীমতী দেখতে পেয়েছিল। শ্রীমতী আমার গলাতেই মালা দিয়েছে। আমি তখনই শ্রীমতীকে হরণ করে নিয়ে এসেছি।”

✍️নারদ বললেন – “প্রভু, তাই যদি তোমার অভিপ্রায় ছিল, তবে আমাকে এত ভোগালে কেন?”

✍️বিষ্ণু বললেন – “তুমি জগতের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরীকে বিয়ে করতে চেয়েছিলে – তোমার নিজের বুদ্ধিশুদ্ধি লোপ পেয়েছিল। তুমি পর্বতকে শ্রীমতীর চোখে বানর বানাতে চেয়েছিলে, তারই শাস্তি ভোগ করলে। যাও, এখন অম্বরীষের গৃহে ফিরে গিয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। আর তাঁর রাজপুরীর অন্য কোনও কন্যাকে বিয়ে করগে।”

✍️নারদ বললেন – “প্রভু, আমার বিয়ের সখ মিটে গেছে। আমি আর বিয়ের নামও করব না। চিরকুমার হয়ে থাকব। কিন্তু আমি তোমাকে অভিশাপ দিচ্ছি – যে মূর্তিতে তুমি আমাকে ছলনা করলে, সেই মূর্তিতে অম্বরীষের বংশে তোমাকে জন্মগ্রহণ করতে হবে। তোমার শ্রীমতীকেও নারীজন্ম লাভ করতে হবে। তোমার শ্রীমতীকে রাক্ষসে হরণ করে নিয়ে যাবে, তোমাকে বনে বনে তার জন্য কেঁদে বেড়াতে হবে। আর আমাকে তুমি বানর বানিয়েছিলে, সেই বানরের সাহায্য নিয়েই শ্রীমতীকে উদ্ধার করতে হবে। মোহের অন্ধকার তোমাকে আচ্ছন্ন করবে – তুমি ভুলে যাবে যে তুমি নারায়ণ। আমি চললাম।” সংগৃহিত

বাড়িতে বসে আদ্যা স্তোত্র পাঠ ও শ্রবণ করুন হে মা বিপত্তারিনী তারা রক্ষা করো তুমি জগতের সবাইকে এই মহামারী হাত থেকে ।
সবার মঙ্গল করো মা, এই ধরিত্রী কে রক্ষা করো মা
ভিডিও টা ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করুন

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200404115211

Wednesday, April 1st, 2020

Astro Research Centre

হিতোপদেশ ও পঞ্চতন্ত্র

হিতোপদেশ ও পঞ্চতন্ত্র

প্রায় দেড় হাজার বছর আগের কথা। সে সময় ‘মহিলারোপ্য’ নামে দক্ষিণ ভারতে একটি রাজ্য ছিল, যে রাজ্যের রাজা অমরশক্তি ছিলেন খুব বিদ্বান, বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ। কিন্তু রাজার মনে কোনো শান্তি ছিল না। কেননা, তাঁর তিনটি ছেলেই ছিল অকাট মূর্খ ও অপোগণ্ড। পণ্ডিতেরা বলে গেছেন, অপুত্রক, ভূমিষ্ঠ হয়ে মারা যায় এমন পুত্রও ভালো। কারণ, এরা স্বল্প দুঃখের কারণ হয়; কিন্তু মূর্খ পুত্র কখনো ভালো নয়। কারণ, তারা যত দিন জীবিত থাকবে তত দিন শুধুই কষ্ট দেয়। যা হোক রাজ্যের প্রধান সচিবের পরামর্শে রাজা তাঁর অপোগণ্ড পুত্রদের পড়ানোর জন্য বিষ্ণুকর্মা নামের এই নীতিশাস্ত্রবিদ পণ্ডিতকে নিয়োগ করেন। বিষ্ণুকর্মা সেই রাজপুত্রদের লেখাপড়াকে সহজ করার উদ্দেশ্যে মিত্রভেদ, মিত্রপ্রাপ্তি, কাকোলুকীয়, লব্ধ-প্রণাশ ও অপরীক্ষিতকারক নামে পাঁচটি উপদেশমূলক পুস্তক রচনা করেছিলেন, যেগুলোর সম্মিলিত নাম পঞ্চতন্ত্র। আর এগুলোর সাহায্যে বিষ্ণুকর্মা অতি অল্পকালের মধ্যেই অমরশক্তির তিন পুত্রকে নীতিশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে সমর্থ হয়েছিলেন।
তা শিশুমনের উপযোগী এ কাহিনি ভারতবর্ষে তো বটেই, সারা পৃথিবীতেই সমাদৃত হয়েছে। মধ্যযুগ পঞ্চতন্ত্রের কাহিনি পারস্য হয়ে আরব দেশে পৌঁছায় এবং ওখানে ওটার নামকরণ করা হয় কালিলা ওয়া দামনা। পঞ্চতন্ত্রে বিবৃত কাহিনির অন্যতম কুশীলব হচ্ছে দমনক ও করটক নামের দুটো বুদ্ধিমান শিয়াল এবং বলাই বাহুল্য, কালিলা ও দামনা হচ্ছে যথাক্রমে করটক ও দমনকের আরব্য সংস্করণ। প্রফেসর হিট্টি তাঁর হিস্ট্রি অব দ্য সারাসেনস (History of the Saracens) গ্রন্থে এ সম্পর্কে বিস্তৃত বিবরণ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, গুটি কয়েক গীতিগল্পও উদ্ধৃত করেছেন;
সে যাকগে। এস্থলে আমি পঞ্চতন্ত্রের বিভিন্ন তন্ত্রে বিবৃত কাহিনিগুলোর অন্তর্নিহিত কতিপয় হিতোপদেশ পরিবেশন করছি—
(১) বিষমিশ্রিত অন্ন, শিথিল দন্ত এবং দুষ্টু মন্ত্রীকে পরিত্যাগ করাই উচিত।
(২) প্রভুর সামনে ভৃত্য নীরব থাকলে সে মূর্খ, বেশি কথা বললে বাতুলতা, সহনশীল হলে ভীরু, অসহিষ্ণু হলে সদ্বংশজাত নয়, সব সময় কাছে থাকলে ধৃষ্ট আর দূরে থাকলে অযোগ্য।
(৩) দুশ্চরিত্রা ভার্যা, মুখের ওপর জবাব দেওয়া ভৃত্য আর ঘরে সাপ নিয়ে বাস মৃত্যুতুল্য।
(৪) ধর্মে আটটি পথ আছে। তা হচ্ছে যজ্ঞ, তপস্যা, দান, অধ্যয়ন, সত্য বাক্য, সন্তোষ, ক্ষমা ও লোভশূন্যতা। প্রথম চারটির জন্য মানুষ গর্ব করে আর শেষের চারটি থাকে ধার্মিকদের জন্য।
(৫) উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষের সময়ে, রাষ্ট্রবিপ্লব উপস্থিত হলে এবং শ্মশানে (গোরস্থানে) যে উপস্থিত থাকে, সেই তো প্রকৃত বন্ধু।
(৬) যে দেশে সম্মান নেই, জীবিকা নির্বাহের উপায় নেই, বন্ধু নেই, বিদ্যাশিক্ষার কোনো উপায় নেই, সে দেশ ত্যাগ করাই ভালো।
(৭) পরশ্রীকাতর (এবং পরস্ত্রীকাতরও বটে), অত্যন্ত দয়ালু, অসন্তুষ্ট, ক্রোধী, অন্যের অন্নে জীবনধারণকারী ও সর্বদা শঙ্কামুক্ত—এরা সব সময়ই দুঃখ ভোগ করে থাকে।
(৮) অর্থনাশ, মনস্তাপ, গৃহ কলঙ্ক, বঞ্চনা ও অপমান বুদ্ধিমান মানুষ কখনো প্রকাশ করে না।
(৯) যুদ্ধের সময় বীরকে, ঋণ পরিশোধের সময় সজ্জনকে, ধর্মকর্মের সময় স্ত্রীকে আর বিপদের সময় বন্ধুবান্ধবদের ব্যবহারেই প্রকৃত স্বরূপ জানতে পারা যায়।
(১০) কাম, ক্রোধ, লোভ, মদ, মোহ ও মাৎসর্য—এই ছয় রিপু ত্যাগ করলে মানুষ সুখী হয়।
(১১) প্রণয় দ্বারা স্ত্রীকে, সম্ভ্রমের দ্বারা আত্মীয়-জ্ঞাতিবর্গকে, স্ত্রী এবং ভৃত্যদের অর্থ ও সরল ব্যবহার দ্বারা বশীভূত করবে।
(১২) যে স্ত্রী গৃহকর্মে নিপুণা, পুত্রবতী, পতিপ্রাণা এবং পতিব্রতা, সেই হচ্ছে প্রকৃত স্ত্রী।
পরিশেষে পরিবেশন করছি পঞ্চতন্ত্রের অন্তর্গত হরিণ ও কাকের বন্ধুত্ব-সংক্রান্ত সরস নীতি গল্পটি:
মগধ দেশে চম্পকবতী নামক বনে একটি হরিণ ও একটি কাক বন্ধুভাবে বাস করত। এক দিন হরিণকে দেখে এক শিয়ালের মনে খুব লোভ হলো। সে হরিণের মাংস খাওয়ার জন্য মনে মনে ফন্দি-ফিকির করতে লাগল। হরিণের বিশ্বাস অর্জন করতে সে হরিণের কাছে গিয়ে তার কুশল-সংবাদ জিজ্ঞেস করতেই হরিণ জিজ্ঞাসুনেত্রে তাকানোয় বলে উঠল, ‘আমি হচ্ছি শিয়াল। আমি বন্ধুহীন হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি, সারা বনে একজনও প্রকৃত বন্ধু খুঁজে পেলাম না। তোমাকে দেখে আমার মনে হলো, তুমি বুঝি আমার প্রকৃত বন্ধু।’ শিয়ালের কথায় হরিণের মন গলে গেল। বলল, ‘ঠিক আছে, আজ থেকে আমরা দুজনে বন্ধু হলাম।’ শিয়াল মনে মনে খুব খুশি। অতঃপর ওরা দুজনে মিলে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে লাগল। সন্ধ্যা হয়ে এলে হরিণ শিয়ালকে তার নিজের বাসায় নিয়ে গেল, সেখানে তার বন্ধু কাকও চম্পকগাছে থাকত। তো শিয়ালকে দেখে ও বৃত্তান্ত শুনে কাক হরিণকে বলল, অজ্ঞাত কুলশীলের সঙ্গে বন্ধুত্ব! না-না, এ কাজটা তুমি মোটেই ভালো করোনি বন্ধু। অজ্ঞাতকুলশীলদের কখনো বাসস্থান দেওয়া ঠিক নয়। বৃদ্ধ শকুনও তো বিড়ালকে বাসস্থান দিয়েই নিহত হয়েছিল। বলেই সে শকুন ও বিড়ালের কাহিনি শোনাল।
ভাগীরথী নদীর তীরে পাহাড়ের চূড়ায় একটা পাকুড়গাছে অনেক পাখি একসঙ্গে বাস করত এবং তাদের সঙ্গে একটা বুড়ো শকুনিও ছিল। শকুনি বয়সের কারণে নিজে খাবার জোগাড় করতে পারত না বিধায় অন্যান্য পাখি খাবারের খোঁজে বেরিয়ে গেলে সে তাদের বাচ্চাগুলো পাহারা দিত আর পাখিগুলো ওর খাবার জোগাত। এভাবেই ওদের সুখের দিনগুলো যাচ্ছিল। কিন্তু একদিন অশনিসংকেতস্বরূপ এক বিড়ালের আগমন ঘটল। বিড়ালের ইচ্ছা পাখির বাচ্চাদের ধরে খাবে; কিন্তু তাকে দেখেই শকুনি তেড়ে এল। বিড়াল তখন বলল, ‘আমি নিরামিষভোজী। পাখিদের কাছে আপনার প্রশংসা শুনে আপনার কাছে ধর্মকথা জানতে এসেছি, আর আপনি অতিথি সৎকার না করে আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন?’ তার কথায় বিশ্বাস করে শকুনি বিড়ালকে থাকতে দিল; আর বিড়াল রোজই একটা করে পাখির বাচ্চা ধরে আহার করতে লাগল। কিন্তু এক দিন ব্যাপারটা ধরা পড়তেই বিড়াল বিপদ বুঝে পালিয়ে গেল এবং পাখিরা শকুনিকে ভুল বুঝে তাকে মেরে ফেলল।
কিন্তু শিয়াল তর্কাতর্কিতে ওস্তাদ। সে কাকের সঙ্গে তর্ক করে হরিণকে আশ্বস্ত করে ফেলল এবং অতঃপর তিনজনে মিলে বন্ধুর মতো বাস করতে লাগল। একদিন শিয়াল বুদ্ধি করে হরিণকে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকিয়ে দিল। ওর ধারণা, শিকারিরা যখন হরিণকে কাটবে তখন ওর ভাগ্যে দু-একটা হাড় অবশ্যই জুটবে। হরিণ ফাঁদে আটকা পড়ে শিয়ালকে ডেকে বলল, ‘উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষের সময়ে এবং শ্মশানে যে উপস্থিত থাকে, সে-ই তো প্রকৃত বন্ধু। তুমি বুদ্ধি করে আমাকে বাঁচাও।’ কিন্তু ধূর্ত শিয়াল হরিণের কথায় কর্ণপাত না করে গাছের আড়ালে লুকিয়ে গেল।
শেষাবধি কাক বিষয়টা জানতে পেরে অনেক বুদ্ধি করে বন্ধুর প্রাণ বাঁচিয়েছিল, আর শিকারির ছুড়ে মারা লাঠির আঘাতে লুকিয়ে থাকা শিয়ালকে প্রাণ দিতে হলো। ওর উচিত শিক্ষাই হয়ে গেল।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


হিতোপদেশ গল্প
--------------------------
একজন গুরুদেব এক শিষ্যকে নিয়ে দেশ ভ্রমণ করতে করতে এমন এক রাজ্যে এসে পৌছিয়েছেন, যেখানে সমস্ত জিনিসের এক দাম। লবনের যাই দাম সন্দেশেরও এই দাম। দেখে শুনে শিষ্য তো আনন্দে আত্মহারা। গুরুদেব বললেন-“যে দেশের রাজার ভাল-মন্দ, উচু-নীচু জ্ঞান নেই, সে দেশে থাকতে নেই। চলো! এখনই এদেশ ছেড়ে চলে যাই।” শিষ্য বলল-“না গুরুদেব। আমি যাব না। দুধ, দৈ, মাখন, ছানা, ফল-মূল, মিষ্টি-মিঠাই খাব, আর আনন্দে থাকব। আমি এমন দেশ ছেড়ে কখনই যাব না।”গুরুদেব চলে যাওয়ার সময় বলে গেলেন, যদি কোন দিন বিপদে পড়, তাহলে আমাকে জানাবে। শিষ্য লোভের বশবর্তী হয়ে খেয়ে খেয়ে মোটা হয়েছে।

এদিকে এক বাড়ী ডাকাতি হয়েছে। অনেক অনুসন্ধান করে তারা এই লোভী শিষ্যটিকে ডাকাত বলে সনাক্ত করল। আসলে এ কিন্তু ডাকাত নয়। তারা মনে করল এই অপরিচিত লোকটি বেশ কিছুদিন যাবৎ এই অঞ্চলে আছে। এই লোকটি ছাড়া আর কারও কাজ নয়। তাকে রাজ দরবারে নিয়ে যাওয়া হল। রাজা বললেন- একে ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদন্ড দাও।” লোভী শিষ্যকে জিজ্ঞাসা করা হল, তার কোন অভিলাষ আছে কিনা। সে বলল-“আমার গুরুদেবের সঙ্গে একবার দেখা করার ইচ্ছা।” রাজার আদেশে লোভী শিষ্যটিকে তার গুরুদেবের কাছে নিয়ে যাওয়া হল।
শিষ্যটি গুরুদেবের চরণ জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল- গুরুদেব! এই বিপদ থেকে আপনি আমাকে উদ্ধার করুন। গুরুদেব তার সমস্ত কথা শুনে বললেন, “এখন তোমাকে বাঁচাবার কোন উপায় দেখছি না। কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন- “হ্যাঁ! একটি পথ আছে। তোমাকে যখন ফাঁসি দিতে নিয়ে যাবে, আমিও তখন সেখানে যাব। আমি বলব আমাকে ফাঁসি দিন। তুমিও বলবে আমায় ফাঁসি দিন। রাজা জিজ্ঞাসা করলে বলব, এই মুহুর্তে যদি কারও রাজদন্ড হয়, সে বৈকুন্ঠে গমণ করবে। তা পঞ্জিকায় দেখে আপনার কাছে আসতে বাধ্য হলাম। তুমি বলবে, আমি মরব। আমি বলব, না, আমি মরব।” এই কথা শুনে শিষ্য চলে এল। রাজার লোক নির্দিষ্ট দিনে ফাঁসি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন। এমন সময় গুরুদেব বগলে একটি পঞ্জিকা নিয়ে হন্ হন্ করতে করতে এসে উপস্থিত হলেন। এসেই বলতে শুরু করলেন,-“হে মহারাজ। আমার একটি নিবেদন শুনুন। আমি পঞ্জিকাতে দেখলাম এই শুভ লগ্নে যদি কাহারও রাজদন্ড হয়, সে বৈকুন্ঠ গমন করবে সুতরাং উহাকে ছেড়ে দিয়ে আমাকে ফাঁসি দিন। শিষ্য বলে উঠল-“মহারাজ! এই শুভ লগ্নে আমায় মৃত্যুদন্ড দিন।” এইভাবে উভয়ে মৃত্যুর জন্য বায়না ধরলে মহারাজ ভেবে চিন্তা করে বললেন-“এমন শুভ লগ্ন ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। আমার পিতা বৃদ্ধ হয়েছেন। তিনি অসুস্থ অবস্থায় বহুদিন বিছানায় পড়ে আছেন। তাঁর জন্য রাজবাড়ীর সকলে বিরক্তি বোধ করছে। এই শুভলগ্নে পিতৃদেবকে ফাঁসি দিয়ে বৈকুন্ঠ পাঠানোই আমার পক্ষে শ্রেয়ঃস্কর।” মহারাজ উভয়কে ছেড়ে দিলেন এবং মহানন্দে তাঁর পিতৃদেবকে ফাঁসি দিয়ে চিরতরে বৈকুন্ঠে পাঠালেন।

। হিতোপদেশ।
গুরুদেবের আনুগত্য ত্যাগ করে বা অবাধ্য হয়ে স্বতন্ত্র জীবন কখনও মঙ্গল হয় না। শুধুই বিপদ, দুঃখ ও মৃত্যুই সার করতে হয়। শ্রীগুরুদেব পরম করুনাময়। তিনি কোনও দিন শিষ্যের অমঙ্গল কামনা করেন না। আমরা যদি শ্রীগুরুদেবের শ্রীচরণে নিষ্কপটে শরণ গ্রহণ করি এবং তাহার আদেশ নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করি তাহলে অনায়াসে আমাদের ভগবৎ প্রাপ্তি হবে।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200401110937

Thursday, March 26th, 2020

Astro Research Centre

হরিনাম এর মাহাত্ম্য, হরিদাস ঠাকুরের জীবন কাহিনী

হরিনাম এর মাহাত্ম্য, হরিদাস ঠাকুরের জীবন কাহিনী

হরিনাম এর মাহাত্ম্য

হরিনাম করলে কি ফল লাভ হয়- একবার নারদ ঋষি তার আরাধ্য নারায়ণকে জিজ্ঞাসা করলেন প্রভূ হরিনাম করলে কি ফল হয়? নারায়ণ একটু হেসে নারদকে বললেন নারদ তুমি পৃথিবীতে গিয়ে যাকে সবার প্রথম দেখবে তাকে এই প্রশ্নটি করবে।
নারদ মর্তে গিয়ে কিছুদুর যেতেই দেখতে পেলেন একটি গরু বিষ্ঠা ত্যাগ করেছে তার মধ্যে একটি কৃমি লাফাচ্ছে,নারদ সেই কৃমির কাছে জিজ্ঞাসা করলেন হরিনাম করলে কি ফল হয়?সঙ্গে সঙ্গে কৃমিটি মারা গেল।নারদ ভাবল আমার কারনে হয়তো কৃমিটি মারা গেল।তিনি আবার বৈকুন্ঠে ফিরে গেলেন ফিরে গিয়ে সব জানালেন। নারায়ণ সব শুনে বলল তুমি পূর্ব দিক বরাবর চলে যাও দেখবে একটা গরুর বাছুর হয়েছে তাকে এই প্রশ্নটি করবে।নারদ তখন নারায়ণের কথা মত পূর্বদিকে গিয়ে দেখলেন সত্যিই সেখানে একটি গরুর বাছুর হয়েছে তাকে গিয়ে বললেন হরিনাম করলে কি ফল হয়? বাছুরটি সাথে সাথে মারা গেল।নারদ এবার ভয় পেয়ে গেলেন তিনি মনে করলেন আমি গোহত্যার অপরাধে অপরাধি হলাম। তিনি তাড়াতাড়ি করে বৈকুন্ঠে উপস্হিত হলেন আর নারায়ণকে সব খুলে বললেন। নারায়ন বললেন তাহলে তুমি দক্ষিন দিকে বরাবর যাও দেখবে রাজার একটি সন্তান হয়েছে তাকে তুমি এই প্রশ্নটি করবে। নারদ বলল প্রভূ এবার যে আমি নর হত্যার অপরাধে অপরাধি হব!নারায়ন বললেন এবার তুমি তোমার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবে।নারদ গিয়ে রাজার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করল হরিনাম করলে কি ফল হয়?ছেলেটি বলে উঠল ঋষিবর আমি তো কোনদিন হরিনাম করিনি কিন্তু হরিনাম শুনে আমি কৃমি যোনি থেকে মুক্তি পেয়ে গোবৎস রুপে জন্ম গ্রহণ করলাম। গোবৎস রুপে যখন হরিনাম শুনলাম তখনমানব জনম পেলাম আর মানব হিসাবে এখন হরিনাম শুনে আমার জন্ম জন্মান্তরের মায়ার বন্ধন ছিন্ন হয়েছে।এখন আমি মুক্তি লাভ করেছি তাহলে আপনিই ভাবুন হরিনাম শুনে যদি আমি মুক্তি লাভ করতে পারি
তবে অপরাধ শুন্য হয়ে হরিনাম করলে কি লাভ হতে পারে। নারদ বুঝতে পারলেন হরিনাম করলে কি ফল লাভ করা যায় তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

কৃষ্ণভক্তই শ্রেষ্ঠ,


কৃষ্ণভক্ত সমস্ত প্রতিকুলকে জয় করে, মৃত্যুকে হাতে নিয়ে রাজপথে নামেন শ্রীকৃষ্ণের অনুষ্ঠান ও কৃষ্ণকথা প্রচার করার জন্য, কারন কৃষ্ণভক্ত জানেন কলিযুগে মানুষের জীবন কৃষ্ণভজন করবার জন্য অবধারিত।
গতজনমের আমরা পশুরা মুনষ্যজীবন লাভ করি হরিভজন করার জন্য । শুধু পশুই কেন , দেবতারাও হরিভজন করবার জন্য মানুষজন্ম আকাংখা করে থাকেন । স্বয়ং ব্ৰহ্মা হরিদাস রুপে পৃথিবীতে হরিভজনের জন্য মানুষ হয়ে জন্ম গ্ৰহণ করেছেন । কিন্তু যে মানুষের জীবনে হরিভজন হল না , কেবল আহার, বিহার ও নিদ্ৰাদি কৰ্মেই জীবন অতিবাহিত করল — তা হলে সে জীবন পশুর জীবনেই রয়ে গেল। । হরিভজনহীন জীবন বৃথা বলে শাস্ত্ৰে নির্দিষ্ট করা আছে।
শাস্ত্রে উল্লেখ আছে যে , কোনও মৃত্যুপথযাত্ৰী ব্যাক্তি হরিনামের আশ্রয় গ্রহণ করে, ভগবদগীতা পাঠ করে কিংবা কৃষ্ণনাম স্মরণ করে তাতে সেই ব্যক্তি মৃত্যুসময় কোন কষ্ট অনুভব না করে তাড়াতাড়ি সদগতি হয় অর্থাৎ ভগব্দ্বাম প্রাপ্ত হয়। যেমন, পরীক্ষিৎ মহারাজ করেছিলেন।
তাই হিন্দু সমাজে কারও মৃত্যুবরন কালে তার নিকটজন মৃত্যুপথযাত্রী ব্যাক্তির সামনে হরিনাম ও গীতা-ভাগবত পাঠ করে, যদি তিনি ভগবদগীতার কথাগুলি শুনতে পারে , কিংবা কৃষ্ণ – নাম শুনে কৃষ্ণচিন্তা করতে পারে তা হলে সেই মৃত্যুপথযাত্ৰী স্বচ্ছন্দে সদগতি লাভ করতে পারবে ।
কিন্তু গীতাপাঠ কিংবা কৃষ্ণনাম কীৰ্ত্তন হলেও যদি সেই ব্যক্তির মন অন্যচিন্তা এবং অনাকিছু চাহিদা অনুভব করে , তবে সহজে সদগতি হয় না । আবার দেখা যায় , শয্যাশায়ী ব্যক্তি বুঝতেই পারে না যে , কৃষ্ণনাম কিংবা গীতাপাঠ কিনা , অন্য কিছু হচ্ছে ।
অবশ্য এত কিছু বিচার থাকা সত্ত্বেও কৃষ্ণনাম বা গীতাপাঠের অবশ্যই মাহাত্ম্য রয়েছে । যার মঙ্গল উদ্দেশ্যে কৃষ্ণনাম বা গীতাপাঠ হচ্ছে তার অবশ্যই অজ্ঞাতভাবে সুকৃতি লাভ হয়ে যাতে সে পরবতীতে সদগতি লাভের সুযোগ পেতে পারবে।
আমরা প্ৰত্যেকেই মৃত্যুপথযাত্ৰী । জন্মের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মৃত্যুরও জন্ম হয়েছে এবং সেই মৃত্যুর সঙ্গেই আমরা যাত্ৰী । যে কোনও সময়ে সেই মৃত্যুর চরম প্ৰকাশ হবেই তাই এখন থেকেই কৃষ্ণভক্তি অনুশীলন করলে, গীতাপাঠ আলোচনা করলে, হরেকৃষ্ণ – নাম কীৰ্ত্তন করার অভ্যাস করলে অন্তিম দিনে কৃষ্ণচিন্তাটি হৃদয়ে থাকবে এবং পরমাতি লাভ করার সুযোগটিও সহজসাধ্য হবে।
হরিনাম করোরে ভাই আর সব মিছে,
পালাইবার পথ নাই যম আছে পিছে”।। চৈতন্যচরিতামৃত
তাই এই বিশেষ কল্পের কলিযুগে চৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপায় পৃথিবীর প্রতিটি শহরে ও গ্রামে ভগবানের দিব্য নামের কীর্ত্তনের প্রভাবে সমগ্ৰ ব্ৰহ্মান্ড আনন্দে পূৰ্ণ হয়ে ওঠে । যখন সমগ্ৰ ব্ৰহ্মান্ড আনন্দে মগ্ন হয় , তখন জীবের সমস্ত বাসনা পূৰ্ণ হয়।
কলিযুগে হরিনাম পরম্পরা ধারায় নেমে এসে সারা পৃথিবীকে শান্তির আশ্রয় গড়ে তুলে। ব্ৰহ্মা হচ্ছেন নারদ মুনির শুরুদেব । নারদ মুনি শ্ৰীল ব্যাসদেবের গুরুদেব এবং বাসদেব মধ্বাচাৰ্যের গুরুদেব । এইভাবে গৌড়ীয়-মধ্ব্য – সম্প্ৰদায়ভুক্ত হয়ে যারা হরিনাম করেন তারা ভাগ্যবান।
কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনের সদস্যরা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আদেশে নিত্যানন্দ প্রভু ও হরিদাস ঠাকুরের পথ অনুসরণ করেন।
”হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে”।।
তারা সারা পৃথিবীতে এই হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্ৰ কীৰ্ত্তন ও প্রচার করেন এবং ভগবদগীতা, ভাগবত ও চৈতন্যচরিতামৃতের শিক্ষা প্ৰদান করে বন্ধ জীবদের উদ্ধার করেন।
গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, ”এরাই আমার শ্রেষ্ঠ ভক্ত, এর চেয়ে প্রিয়কারী আমার কেউ নেই ও হবেও না এবং তারা নিঃসংশয়ে আমার কাছে ফিরে আসেন।
এবং মৃত্যুকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, কৃষ্ণভক্ত অনায়াসে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা প্রচার করে ভগবদ্বাম লাভ করেন। ।।


হরিদাস ঠাকুরের জীবন কাহিনী
ও হরিনামের মাহাত্য

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার অন্তর্গত কেড়াগাছি গ্রামে ১৩৭২ বঙ্গাব্দে, ১৪৪৯ খ্রীষ্টাব্দে অগ্রাহয়ন মাসে শ্রী হরিদাস ঠাকুর জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সুমতি মিশ্র এবং মাতার নাম গৌরীদেবী। হরিদাসের বয়স যখন দু'মাস সেই সময় সুমতি মিশ্র পরলোক গমন করেন। সতীসাধ্বী গৌরীদেবী স্বামীর চিতায় সহমরন বরণ করেন এবং ঠাকুর হরিদাস সম্পূর্ণ অনাথ হয়ে পরেন। শিশু হরিদাস ঠাকুরের লালন পালনে কেউ এগিয়ে না এলে সুমতি মিশ্রের বন্ধু চাষী হাবিবুল্লা কাজী দয়া পরবশ হয়ে এই অনাথ শিশুটির দায়িত্ব গ্রহন করেন। হাবিবুল্লা কাজীর স্ত্রীর আদর যত্নে হরিদাস প্রতিপালন হয়ে থাকেন। এই ভাবে যবনের অন্নে যবনের ঘরে প্রতিপালন হবার জন্যই তাঁকে যবন হরিদাস বলা হয়। বাল্য থেকে কৈশরে পদার্পন করার পর পালন কর্তা তাঁকে গরু চরানোর কর্মে নিয়োগ করেন। হরিদাসের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি তাঁর অন্তরে যেন কিসের একটা প্রবল আকর্ষণ অনুভব করতে থাকেন। যার ফলে যেখানেই হরিনাম সংকীর্ত্তণ হতো সেখানেই ছুটে যেতেন হরিদাস।
অন্তরে ঈশ্বর ভক্তি ও হরিনামে প্রবল অনুরাগ দেখা দিল, এবার তিনি সব সময় উচ্চস্বরে হরিনাম জব করতে লাগলেন। এমনি ভাবে চলতে থাকাবস্হায় কাজীর দরবারে তাঁর বিরুদ্ধে নালিশ গেল, কাজীর হুকুমে জল্লাদ হরিদাসের পায়ে রশি বেঁধে টানতে টানতে বাইশ বাজারে বেত্রাঘাত করে ঘুরালেও তাঁর হরিনাম বন্ধ করতে পারলো না। হরিনামের প্রতি একনিষ্ঠ অবিচল ভক্তি দেখে সকলেই বিস্মিত ও স্হম্ভিত হলো। বিচারক কাজী সাহেব তার অন্যায় বিচারের অনুতাপ প্রকাশ করে ঠাকুর হরিদাসকে অন্যত্র চলে যাবার জন্য অনুরোধ করলেন। নিজ গ্রামের পারিপার্শ্বিক প্রতিকুলাবস্হা অনুধাবন করে কোন এক নির্জন নিশিথে ঠাকুর হরিদাস অজানার উদ্দেশ্যে পথে বেরিয়ে পরলেন। ঘুরতে ঘুরতে ঠাকুর হরিদাস তৎকালীন সময়ের প্রতাপশালী রাজা রামচন্দ্র খাঁর অধীনে গহীনে জঙ্গলে আশ্রয় নিলেন। সেই জঙ্গলাকীর্ণ স্হানটি আজকের বেনাপোল নামাচার্য্য শ্রী শ্রী ব্রক্ষ হরিদাস ঠাকুরের পাটবাড়ী আশ্রম। এহেন জঙ্গলাকীর্ণ আশ্রমে ঠাকুর হরিদাস যখন হরিনাম জপ সাধনে নিমগ্ন তখন হরিদাস ঠাকুরের প্রতিদিন তিন লক্ষ বার হরিনাম জপের কথা চারিদিকে ছড়িয়ে পরতে থাকে। তার সুধাময় কন্ঠের মধুর হরিনামাকর্ষনে দলে দলে ভক্ত ছুটে এল পর্ণ কুঠিরে। পর্ণকুঠির হলো প্রেম কানন। ভক্তের আগমনে সেই জঙ্গলাকীর্ণ আশ্রম পরিনত হলো মহাতীর্থ স্হানে। অত্যাচারী রাজা রামচন্দ্র খাঁ ঠাকুর হরিদাসের গুনগান সহ্য করতে না পেরে তাঁকে জ্যান্ত পুরিয়ে মারার অভিপ্রায় বিফল হলে তৎকালীন হীরানামক এক বার- বনিতাকে দিয়ে তার সাধন, ভজন, যশ, খ্যাতি, ধর্ম নাশ করার চক্রান্ত করতে থাকে। সমস্ত চক্রান্তে ব্যর্থ হয়ে বার-বনিতা হীরা হরিনাম মহামন্ত্রে দিক্ষিত হয়ে হরিদাস ঠাকুরের পরম বৈষ্ণবী হয়ে যান। নামাচার্য্য শ্রী শ্রী ব্রক্ষ হরিদাস ঠাকুর ছিলেন প্রকৃত বৈষ্ণবের জলন্ত নিদর্শন এবং দৈন্যের অবতার তিনি প্রতিদিন তিন লক্ষ বার হরিনাম জপ করে নামাচার্য্য নামে খ্যাত হন এবং ব্রক্ষত্ব অর্জন করেন। তিনি হরিনাম করতে করতে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর কোলে অন্তিম নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এবং মহাপ্রভু নিজ হস্তে পরিষদ বর্গকে সঙ্গে করে পুরীধামে তাঁর সমাধী স্হাপন করেন। রাজা রাম চন্দ্রের অত্যাচারের সময় গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু পরিষদ বর্গকে সঙ্গে করে এই বেনাপোল আশ্রমে আসেন। কথিত আছে অদ্বৈত মহাপ্রভুর হাতের স্মৃতিচিহ্ন হিসাবে রেখে যান যা আজ অবনত মস্তকে দন্ডায়মান সু-বৃহৎ তমাল বৃক্ষ। এই সেই মাধবী লতা যেখানে বসে ঠাকুর হরিদাস বদ্ধ জীবগনের মুক্তির লক্ষ্যে দিন রাত তিন লক্ষ বার নাম যব করতেন। আজ ও বিদ্যমান সাড়ে পাঁচশত বছরের মাধবীলতা যা আজ বৃক্ষে পরিনত। এই সেই সিদ্ধপীঠ তীর্থভূমি। নামাচার্য্য শ্রী শ্রী ব্রক্ষ হরিদাস ঠাকুরের পাটবাড়ী আশ্রম। নামাচার্য্য শ্রী শ্রী ব্রক্ষ হরিদাস ঠাকুরের জীবনীর উপর বাংলাদেশ ও ভারতে বহু গ্রন্থ রচিত ও প্রকাশিত আছে এছাড়া চৈতন্য চরিতামৃত গ্রন্থে হরিদাস ঠাকুরের জীবনীর বিষদ আলোচনা রয়েছে যা থেকে আপনারা হরিদাসকে জানতে ও তার সাধনলীলা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারবেন।
ভগবানের নাম যখন ভগবানকে লক্ষ করে উচ্চারিত না হয়ে, অন্য কাউকে লক্ষ করে উচ্চারিত হয় তাহাই ''নামাভাস''। এই নামাভাসেও জীব উদ্ধার হয়। ''নামাভাসে মুক্তি হয় সর্বশাস্ত্রে দেখি,শ্রীভাগবতে তার অজামিল সাক্ষী''।। চৈতন্যচরিতামৃত -অজামিল ছিলেন কান্যকুব্জের (বর্তমান ভারতের কনৌজের) অধিবাসী। তার পিতা-মাতা তাকে সদাচার ব্রাহ্মনে পরিনত হওয়ার শিক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু বিগত জন্মের কর্মফলে এক প্রভাতে নির্জন বনের মধ্যে এক অপ্সরা সম সুন্দরী ষোড়শী কন্যার সহিত তার পরিচয় হয়। আসলে সেই কন্যাটি ছিল এক বেশ্যা। সেই বেশ্যার প্রতি আসক্তিপুর্বক অজামিলের সদাচার ভ্রষ্ট ও অধঃপতিত হয়ে সেই বেশ্যাকে বিয়ে করে আর গৃহে ফিরে যায়নি। বনের পাশে এক বসতবাড়ি গড়ে পাপিষ্ঠ ভোগের জীবন শুরু করেন। সেই বেশ্যার গর্ভে অজামিলের দশটি পুত্র হয়, এবং তার মধ্যে কনিষ্ঠ পুত্রের নাম ছিল নারায়ন। অজামিলের মৃত্যুর সময় যমদুতেরা যখন নরকে নিয়ে যেতে আসে, তখন যমদুতের বিকৃত চেহেরার ভয়ে উচ্চস্বরে তার প্রিয়পুত্র নারায়নকে ডাকতে থাকে। তারফলে তার ভগবান নারায়নের স্মৃতি উদয় হয়। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে চারজন বিষ্ণুদুত এসে হাজির হয়ে যমদুতের হাত থেকে অজামিলকে মুক্ত করেন। এবং অজামিল বৈকূণ্ঠলোক প্রাপ্ত হন। যমদূতেরা নিরাশ ও আশ্চর্য হয়ে যমরাজের কাছে গেলে , যমরাজ তাদের বিস্তারিতভাবে ভাগবত - ধৰ্ম সম্বন্ধে উপদেশ দেন । যমরাজ এইভাবে ভগ্নমনোরথ যমদূতদের সান্তনা দিয়েছিলেন ।
যমরাজ বলেছিলেন , “ অজামিল যদিও তার নারায়ন পুত্ৰকে ডেকেছিলেন , তবুও তিনি নারায়ণের পবিত্ৰ নাম উচ্চারণ করেছিলেন এবং সেই নামাভাসের ফলেই তিনি বিষ্ণুদূতদের সঙ্গ লাভ করেছিলেন , যাঁরা তোমাদের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করেছিলেন । তা যথাৰ্থই হয়েছে , কারণ মহাপাতকীও যদি ভগবানের নাম গ্ৰহণ করে , সেই নাম সম্পূৰ্ণরুপে অপরাধশূন্য না হলেও তাকে আর জড় জগতে জন্মগ্ৰহণ করতে হয় না। ভগবানের পবিত্ৰ নাম গ্ৰহণের ফলে , চারজন বিষ্ণুদূতের সঙ্গে অজামিলের সাক্ষাৎ হয়েছিল ।তাঁরা ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর এবং তাকে উদ্ধার করতে অতি দ্ৰুতগতিতে তারা এসেছিলেন''। হরিদাস ঠাকুরের মহিমা:.শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যখন গৃহস্থ ও লীলা করছিলেন তখন সমস্ত দেশ আধ্যাত্মিক বিষয়ে শূন্য ছিল। যদিও কেউ, গীতা-ভাগবতাদি শাস্র সমূহের ব্যাখ্যা করত। কিন্ত তাদের সেই ব্যাখ্যায়-'ভগবান শ্রীকৃষ্ণে ভক্তি করাই জীবনের উদ্দেশ্য' তা শোনা যেত না। অতি অল্পসংখ্যক শুদ্ধভক্ত সম্মিলিত ভাবে নির্জনে পরস্পর হরিনাম সংকীর্তন করতেন। তা দেখে সকলেই তাঁদের পরিহাস ও নির্যাতন করত। ভক্তগণ তাঁদের মনের বেদনা কাকে বলবেন? এমন সময় নদীয়ায় হরিদাস ঠাকুর এসে উপস্থিত হন। হরিদাস ঠাকুর বর্তমান বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার কেঁড়াগাছি (বুঢ়ন) গ্রামে আবির্ভূত হন। তাঁর কৃপার প্রভাবে সেই স্থানে হরিনাম সংকীর্তনের ব্যাপক প্রচার হয়। তিনি গঙ্গাতীরে বাস করার অছিলায় প্রথমে নদীয়া জেলার ফুলিয়ায় এবং তারপর শান্তিপুরে শ্রীঅদ্বৈতাচর্যের সঙ্গে মিলিত হন। হরিদাস ঠাকুর সর্বদা হরিনাম সংকীর্তনে মগ্ন ছিলেন তা দর্শন করে ফুলিয়ার ব্রাহ্মণ সমাজ তাঁর প্রতি বিশেষভাবে শ্রদ্ধাশীল হলেন। এমন সময় হরিদাস বিরুদ্ধে মুলুক-অধিপতির নিকটে মহাপাপী কাজী অভিযোগ করলেন যে, হরিদাস যবন কূলে লালিত পালিত হয়েও হিন্দুর ভগবানের নাম কীর্তন ও প্রচার করছেন। মুলুকপতি হরিদাস ঠাকুরকে ধরে আনার জন্য সৈনিক পাঠালে তিনি নির্ভয়ে কৃষ্ণনাম করতে করতে যবনাধিপতিকে দর্শন দিলেন। কারাগারে বন্দি কয়েদীরা ঠাকুর হরিদাসকে দর্শন করার জন্য কারা রক্ষকের কাছে বিশেষভাবে অনুনয় বিনয় করলে হরিদাস ঠাকুর কারাগারে এসে কয়েদীর বিষয় ভুলে সর্বদা হরিনাম কীর্তন করার উপদেশ দিলেন।
মুসলমান অধিপতি হরিদাস ঠাকুরকে হিন্দুধর্ম গ্রহণের কারণ জিজ্ঞাসা করলে হরিদাস ঠাকুর উত্তরে জানালেন যে, সকলেরই ঈশ্বর এক অদ্বয়জ্ঞানতত্ত্ব। তিনি পরমাত্মারূপে সকলের হৃদয়ে অবস্থান করেন এবং যাকে যেভাবে পরিচালিত করেন সে সেইভাবেই কাজ করে মুলুকপতি হরিদাস ঠাকুরকে শাস্তি ভয় দেখিয়ে নিজের মুসলমান ধর্ম পালন করতে নির্দেশ দিল। হরিদাস ঠাকুর বললেন যে, তাঁর শরীর যদি খণ্ড খণ্ড হয়ে যায়, শরীর থেকে প্রাণ যদি বেরও হয়ে যায় তবুও তিনি হরিনাম সংকীর্তন ছাড়বেন না, কারণ এটিই
জীবের প্রকৃত ধর্ম। কাজীর আদেশ অনুসারে বাইশ বাজারে দুষ্টগণ অতি নিষ্ঠুরভাবে ঠাকুরকে বেত্রাঘাত করতে লাগলেন। তবুও ঠাকুরের শ্রীঅঙ্গে কোন প্রকার দুঃখের চিহ্ন প্রকাশিত হল না বা প্রাণত্যাগও করলেন না। তা দেখে মুলুকপতির অনুচরেরা বিস্মিত হল। হরিনাম সংকীর্তনের আনন্দে হরিদাস ঠাকুর সর্বক্ষণ মগ্ন থাকয় প্রহ্লাদ মহারাজের ন্যায় এত কঠোর বেত্রাঘাতেও তাঁর কোন কষ্ট হল না, বরং তিনি অত্যাচারীদের মহাবৈষ্ণব অপরাধ থেকে মুক্ত করার জন্য ভগবানের নিকট প্রাথনা করছিলেন।
হরিদাস ঠাকুর যখন জানতে পারলেন তিনি দেহত্যাগ না করলে এই সৈনিকদের প্রাণদণ্ড হবে তখন তিনি সমাধিস্থ হলেন। তখন তাঁর শরীরে বিশ্বম্ভরের অধিষ্ঠান হওয়ায় শত চেষ্টা করেও সৈনিকেরা হরিদাস ঠাকুরকে নাড়াতে পারল না। পাষণ্ডী কাজী হরিদাস ঠাকুরের অসৎগতি হওয়ার জন্য তাঁকে কবর না দিয়ে গঙ্গায় নিক্ষেপ করতে নির্দেশ দিলেন। এইভাবে হরিদাস ঠাকুর গঙ্গায় ভাসতে ভাসতে যখন বাহ্যদশা ফিরে পেলেন তখন পুনরায় হরিনাম সংকীর্তন করতে করতে ফুলিয়া গ্রামে এলেন। যবনগণ হরিদাস ঠাকুরের ঐশ্বর্য দর্শন করে সকলেই অভিভূত হয়ে পীর জ্ঞান করতে লাগলেন। মুলুকপতি এসে জোড় হাতে তাঁর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন এবং রাজ্যে হরিনাম সংকীর্তন করার জন্য অনুমতি দিলেন। ফুলিয়ার ব্রাহ্মণ সমাজ পুনরায় হরিদাস ঠাকুরকে পেয়ে বিশেষভাবে আনন্দিত হলেন।
হরিদাস ঠাকুর দৈন্যভাবে বললেন যে, বিষ্ণুনিন্দা শ্রবণ করার ফলে তাঁর মহা অপরাধ হয়েছিল কিন্ত সৌভাগ্যবতঃ এই অল্প শাস্তি পেতে হল। গঙ্গাতীরে এক গুহায় যেখানে এক ভয়ঙ্কর সাপ থাকত সেখানে হরিদাস ঠাকুর তিনলক্ষ হরিনাম করতে লাগলেন। সেই সাপ হরিদাস ঠাকুরের ইচ্ছাক্রমে সেইথান ত্যাগ করে চলে যায়। একদিন কোন এক ধনীব্যক্তির বাড়িতে এক সাপুড়িয়া কালীয়দহে শ্রীকৃষ্ণেরলীলার মাহাত্ম্য কীর্তন করছিলেন। হরিদাস ঠাকুর তা শ্রবণ করে কৃষ্ণপ্রেমে অষ্টসাত্বিক বিকার প্রকাশ করলেন, মাটিতে গড়াগড়ি দিতে লাগলেন। তাঁর শ্রীচরণের ধূলি সকলেই অঙ্গে লেপন করতে লাগল। এই ভাব দর্শন করে এক কপট ব্রাহ্মণ আরো বেশি প্রতিষ্ঠা লাভের আশায় কীর্তনের মাঝে আছাড় খেয়ে পড়লেন। তৎক্ষণাৎ সেই সাপুড়ে তাকে বেত্রাঘাতে জর্জরিত করলে সে সেই স্থান ত্যাগ করল। তারপর সেই সাপুড়ে হরিদাস ঠাকুরের মহিমা কীর্তন শুরু করলেন। "হরিদাস ঠাকুরের নৃত্যে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ নৃত্য করেন, এই নৃত্য দর্শন করে ব্রহ্মাণ্ড পবিত্র হয়। তাঁর হৃদয়ে সর্বদা শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র বিরাজ করেন। ব্রহ্মা, শিবও তাঁর সঙ্গ লাভের প্রার্থনা করেন। বেদের সত্যতা রক্ষার জন্য তিনি যবন কূলে লালিত পালিত হয়েছিলেন, তাঁকে দর্শন করলেই জীবের কর্মবন্ধন নাশ হয়, তাঁর নাম উচ্চারণ করলে শ্রীকৃষ্ণধাম প্রাপ্তি হয়"।
সাপুড়ের মুখে হরিদাস ঠাকুরের মহিমা শ্রনণ করে সকলেই অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। সেই সময় পাষণ্ডীরা উচ্চঃস্বরে হরিনামের বিরোধিতা করতেন। উচ্চঃস্বরে হরিনাম করলে তাদের শান্তি ভঙ্গ হয় ও দুর্ভিক্ষ হয় এই ভাবে বিচার করত। হরিনদী গ্রামের এক ব্রাহ্মণ হরিদাস ঠাকুরকে উচ্চঃস্বরে হরিনাম করতে নিষধ করেন এবং জাতি বুদ্ধি দোষে দুষ্ট হয়ে হরিদাস ঠাকুরের নাক কান কাটতে চাইলেন। হরিদাস ঠাকুর উচ্চঃস্বরে হরিনামের মাহাত্ম্য শাস্রসম্মত ভাবে প্রতিষ্ঠা করলেন। কিছুদিনের মধ্যেই সেই ব্রাহ্মণের বসন্ত রোগে নাক কান খসে যায়। তারপর তিনি শ্রীঅদ্বৈতাদি শুদ্ধভক্তগণের সঙ্গ লালসায় নবদ্বীপে গমন করলেন।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200326164330

Saturday, March 21st, 2020

Astro Research Centre

বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব।

বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব।

গ্রহ দের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়। আজকে জানবো বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব।

ব্যক্তিত্ব – সাপ্তাহিক পঞ্চম দিন হলো বৃহস্পতি। এই দিনের স্বামী গ্রহ দেবগুরু বৃহস্পতিকে মানা হয়ে থাকে। এই দিন জন্মানো ব্যাক্তি কে বিচক্ষন ও সাহসী বলে মনে করা হয়ে থাকে। যে কোনও কাজে এরা পিছিয়ে থাকে না। অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করে থাকে এরা। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি খুব তাড়াতাড়ি অন্য ব্যাক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয় ও ব্যবহাররীক চরিত্র খুব ভালো হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি রা সর্বদা জাতকের সঙ্গ দিয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তিরা লম্বা, ফর্সা, ও সুন্দর হয়ে থাকে।

এদের স্বভাব কেমন হয়? কথাতেই বলে বৃহস্পতির দশা মানেই অর্থ, সম্পত্তি। বৃহস্পতিবারে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন, তাঁদের জীবনে সম্পত্তি ও অর্থের প্রাচুর্য থাকা অসম্ভব নয়! এঁরা জীবনে যেকোনও কিছুই বড়সড় আকারে করতে ভালোবাসেন। এঁরা খুবই ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগোতে ভালোবাসেন। এঁরা জন্ম থেকেই কিছু শেখাতে পড়াতে ভালোবাসেন। নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা এঁদের মধ্যে অনেক বেশি


এই দিন জন্মানো জাতকের 7, 12, 13, 16 ও 30 বছর বয়সে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি এরা সেটাকে অতিক্রম করে বেরিয়ে আসে, এরা জীবনকে খুব উৎসাহের সাথে উপভোগ করে থাকে। এই ব্যাক্তি রা ভবিষ্যতের কথা খুব কম ভাবে কিন্তু বর্তমান কে নিয়ে এরা খুব বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে।




বৃহস্পতিবার জন্মানো নারীরা একটু ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসী ও আস্থাশীল হয়ে থাকে। এরা পুজো-অর্চনার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হয়ে থাকে। এরা হয় খুব আধুনিক চিন্তাশীল না হলেও খুব পুরাণধার্মী হয়ে থাকে না। এরা খুব পরোপকারী হয়ে থাকে। সবাইকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। এরা সবার প্রতি খুব দয়াশীল হয়ে থাকে। এই বারে জন্মানো জাতক ধনী, ও সমৃদ্ধিময় হয় কিন্তু কিছু সময় এরা একটু লালসাধর্মী হয়ে পড়ে। সময়ে এরা খুব বুদ্ধিশীল হয়ে থাকে।

স্বাস্থ্য – বৃহস্পতিবার জন্মানো ব্যাক্তি লিভার এর রোগে আক্রান্ত হন। এদের হৃদরোগ ও আকস্মিক স্থুলতার লক্ষণ দেখা যায়। তাই এই ব্যাক্তির শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়া, যোগা করা উচিত।

ক্যারিয়ার – বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক অধিক চিন্তা শীল ও খুব বুদ্ধিমান হয়ে থাকে। এরা সাধারণত ধার্মিক, দার্শনিক, পত্রিকার, রাজনীতিবিদ ও লেখক প্রভৃতি তে সফলতা লাভ করে থাকে। এরা যাকে জীবনসঙ্গীনী হিসাবে নির্বাচন করে থাকেন সর্বদা তার সাথ দিয়ে থাকেন। এদের বৈবাহিক বন্ধন খুব সুখের হয়ে থাকে। খুব সভ্য ও সালীন জীবনযাপন করে থাকে। নারীরা খুব নম্র প্রাকৃতির হয়।এদের শুভ রং হলুদ হয়। শুভ সংখ্যা 4 ও শুভ দিন বৃহস্পতিবার ও মঙ্গলবার হয়। এই গ্রহে জন্মানো ব্যাক্তি বিশেষ গুনধর্মী চরিত্রের হয়।

যাঁরা বৃহস্পতিবার জন্মান তাঁদের মধ্যে সকলকে তুষ্ট করে চলবার ব্যাপক ক্ষমতা থাকে। ফলে যেকোনও বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে এঁরা অনেক বেশি পটু হয়ে ওঠেন। ফলে যেকোনও উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে এঁরা বেশি উপযুক্ত


জ্যোতিষ শাস্ত্রের মতে যে সমস্ত ব্যক্তির জন্ম বৃহস্পতিবারে তারা শাস্ত্রজ্ঞ আচার, সত্যনিষ্ঠ, ধার্মিক, পরোপকারী, সুবিচারক ও ধীরস্থির প্রকৃতির হয়। এরা একদিকে যেমন কর্মঠ হয়, অন্যদিকে রাগী ও স্বেচ্ছা-চারি হয়। এদের সাহিত্য, সাংবাদিকতা, চিকিৎসা, অধ্যপনা প্রভৃতি বিষয়ে যোগ্যতা থাকবে।
বৃহস্পতিবার জন্ম হলে সেই জাতক-জাতিকারা সাধারণত বুদ্ধিজীবি জগতের অন্তর্গত হয়ে থাকেন।


এই দিনে জন্মানো জাতক-জাতিকারা বই পড়তে খুবই ভালোবাসেন, এদের প্রিয় বন্ধু হল বই।
এই দিনে জন্ম হলে এরা যেমন ভালো শ্রোতা, একইসঙ্গে এরা খুব ভালো বক্তাও।
এরা অল্পতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন, আবার নিজেদের সংযতও করে নেন।
বৃহস্পতিবার জন্ম এই জাতক-জাতিকারা অতিরিক্ত কথা বলার জন্য প্রচুর সমস্যার সম্মুখীণও হন।
এই দিনে জন্ম হলে যে কোনও বিতর্কমূলক আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে এরা খুব ভালোবাসেন।
বৃহস্পতিবারের জন্ম হলে এরা যে কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে কাজে সাফল্য লাভ করে থাকেন।




এরা যে কাজ সুরু করবে সেই কাজ যতই দুঃসাধ্য ও কঠিন হোকনা কেন, তাতে অফুরন্ত জস লাভ করবে। শিক্ষার ক্ষেত্রে বাধা, এদের দাম্পত্য জীবন সুখের হবে, এরা দীর্ঘায়ু হবে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, একজন মানুষ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা করা যায় সে সপ্তাহের কোন বারে জন্মগ্রহণ করেছে তার ওপর। জেনে নেওয়া যাক ,বৃহস্পতিবার যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন তাঁদের চরিত্র কেমন হয়।


প্রেম
এরা খুবই স্পষ্টবাদী হয়ে থাকেন। এদের ভেতরে যা রয়েছে তাই তারা বাইরে প্রকাশ করেন। ফলে প্রেমের ক্ষেত্রে কোনও লুকোচুরি করেন না এরা। এরা সঙ্গীকে খুশি রাখতে যাবতীয় স্বার্থ ত্যাগ করতেও প্রস্তুত হন। প্রেমে এদের অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ, সঙ্গী তাতে সায় না দিলেই হয়ে যায় মুশকিল!

বিয়ে
এদের দাম্পত্য জীবনের ভাগ্য খুবই স্বস্তিকর হয়। সঙ্গীকে এরা সুখে রাখতে সর্বোতভাবে চেষ্টা করেন। তবে বিয়ের পর আর্থিক দিকে নজর দেওয়া এদের বেশি প্রয়োজন।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200321140335

Friday, March 20th, 2020

Astro Research Centre

সোমবারে জন্ম গ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

সোমবারে জন্ম গ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

সোমবারে জন্ম গ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

শাস্ত্র মতে, সোমবার মানে শিব পূজার দিন। এমন দিনে ভূমিষ্ঠ শিশুর ওপর স্বয়ং দেবাদিদেবের কৃপা থাকে বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু জ্যোতিষ শাস্ত্রও কি একই কথা মনে করে? জন্ম তারিখ যেমন বলে দিতে পারে , একজন ব্যক্তি কেমন স্বভাবের হতে পারেন, তেমনই জন্মবার ও জন্ম মাসও বলে দিতে পারে ব্যক্তির স্বভাব। শুধু তাই নয় ব্যক্তির চরিত্র, আচার, ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে ব্যক্তির জন্মবার। দেখে নেওয়া যাক যাঁরা সোমবার জন্মগ্রহণ করেছেন ,তাঁদের চারিত্রিক কী কী গুণ রয়েছে


কেমন স্বভাবের হন এঁরা?
সোমবার জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি বা মানুষরা সাধারণত মায়ের ঘনিষ্ঠ বেশি হন। মহিলারাই আপনার জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করবে। এঁরা যেকোনও ঘটনার আঁচ আগে থেকেই করতে পারেন। নিজের মনের বিশ্বাসকে এঁরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন।

সোমবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা স্বভাবতই সদা হাস্যমুখ হয়ে থাকেন। এরা সর্বদাই যেকোনও ধরণের কাজ করার মানসিকতা রাখেন। কর্মক্ষেত্র হোক বা সাংসারিকজীবন, এরা যেকোনও ধরণের সমস্যা সামলে নেওয়ার মতো মানসিকতা রাখে। পাশাপাশি কঠিন পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করার মতো মনের জোর থাকে এদের। পাশাপাশি, সোমবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা বুদ্ধিমান, সাহসী এবং সৃজনশীল প্রকৃতির হয়ে থাকেন।সোমবারে জন্ম যাঁদের, তাঁদের ব্যবহারও খুব সুন্দর হয়ে থাকে। 




কেরিয়ার কেমন?
নিজের হাতে ধরে যেকোনও কাজ না করা পর্যন্ত এঁরা শান্তি পান না। যেখানে পরিশ্রম তথা দক্ষতা প্রমাণের কাজ থাকে, সেই সংক্রান্ত পেশা এঁদের পছন্দ। ব্যবসায় এঁরা সাফল্য পান। সাধরণত সোমবারে জন্মগ্রহণকারীরা কেরিয়ারের দিক থেকে সাফল্য পেয়ে থাকেন । সহজেই কার্যক্ষেত্রে সম্মান অর্জন করে ফেলেন এঁরা।

সোমবার জন্মান জাতক জাতিকাদের সমুদ্র বিজ্ঞানে দক্ষতা দেখাযায়।এছাড়া মাছের ব্যবসা, পাথরের ব্যবসা, জামা কাপড়ের ব্যবসা অধিক লাভবান হতে দেখা যায়। সাদা রঙ এদের জন্য খুব শুভ তাই কোন কাজে বেরানোর আগে সাদা রুমাল সঙ্গে রাখুন তাহলে শুভ ফল পাবেন। স্বাস্থ্য – সোমবার জন্মান জাতক জাতিকারা সবসময় সর্দি ও কাশির সমস্যায় ভুগেন। তাই ঠান্ডা যাতে না লাগে তার দিকে লক্ষ্য রাখুন

ব্যক্তিত্ব – এদের মন কোমল ও সর্বদা হাসি মুখে থাকতে পছন্দ করে। সব কাজের জন্য এরা সর্বদা প্রস্তুত। সহজেই সমস্ত কঠিন পরিস্থিতি এরা মোকাবিলা করতে পারে। সমস্ত ঝামেলা এরা সহজ ভাবেই সামলাতে পারেন। সোমবার জন্মান ব্যক্তিরা বুদ্ধি মান, সাহসী, কলা কুশলী হয়ে থাকেন। সোমবার চন্দ্র দেবতার দিন হিসেবে মানা হয়। তাই এই দিন জন্মান ব্যক্তি দেখতে একটু ছোট কিন্তু চোখগুলো বড়ো বড়ো হয়। 9,12,27 বছর বয়সে এদের জীবনে সামান্য ঝামেলা দেখা যায়। কিন্তু এদের জীবন সবসময় প্রেম ও আরামের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। সোমবার জন্মান মহিলাদের ব্যবহার সালিন ও সুন্দর হয়।





প্রেম – সোমবার জন্মান জাতক জাতিকাদের প্রেমের জীবন খুব মাহাত্ম্য পূর্ণ হয়। এরা প্রেমের বিষয়ে খুব সতর্ক থাকেন। এরা কাউকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। দাম্পত্য জীবন মোটামুটি সুখকর হয়। এরা প্রথম প্রেম কোন দিন ভুলতে পারেন না। এদের জীবন সঙ্গী বা সঙ্গীনীর মনের মধ্যে অহংকার দেখা যায়। ভাগ্যবান সংখ্যা – সোমবার জন্মান জাতক জাতিকা দের ভাগ্যবান সংখ্যা হল ২। শুভ রঙ – এদের শুভ রঙ হল সাদা। শুভ দিন – সোমবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের শুভ দিন হল সোমবার, শুক্রবার ও রবিবার।



সোমবার জন্মগ্রহণকারীরে খুবই যত্নশীল হন। অন্যের কথা সহজে বিশ্বাস করেন। আর প্রেমেও সহজে পড়ে যান!নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে প্রেমকে বাঁচাতে এঁরা চেষ্টা করেন। সঙ্গী হিসাবে এঁরা খুবই ভালো।


বিয়ে
এঁরা খুবই সংবেদনশীল ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি সমস্যা হয়ে ওঠে সোমবার জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে। আর এজন্য নিজেকেই নিজের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে। দাম্পত্য জীবনে এঁরা সঙ্গীর বিষয়ে ব্যাপক 'পজেসিভ' হন।



এইদিনে জন্ম যাঁদের তাঁরা ব্যবসায়ে খুবই উন্নতি করে থাকেন। তবে জ্যোতিষ বলে, শরীরের দিকেও এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিদের বেশি করে নজর দেওয়া উচিৎ। বলা হয়, এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিদের সাদা রং খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। তাই কোনও শুভ অনুষ্ঠানে সাদা রং-এর পোশাক বা সাদা রং-এর জামা পড়লে সৌভাগ্য সর্বদাই তাঁর সঙ্গে থাকবে। সোমবার জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা প্রেমের বিষয়ে খুব সচেতন থাকেন। এরা কাউকে ভালোবাসলে কোনওদিনও তাঁর সঙ্গ ছাড়েন না। দাম্পত্য জীবনও ভাল মন্দ মিশিয়ে কেটে যায়। 

লাভ লাইফ : আপনারা বেজায় কেয়ারিং মানসিকতার হন। তাই তো একবার যাকে ভালবেসে ফেলেন তার হাত কোনও পরিস্থিতিতেই ছাড়েন না। এমনকি নিজের থেকে বেশি অন্যের কথা ভাবতে আপনারা ভালোবাসেন। শুধু তাই নয়, প্রিয় মানুষদের সঙ্গে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটাতে আপনাদের বেশ লাগে। তবে একটাই চিন্তার বিষয়। তা হল আপনারা আগে-পিছু না ভেবে-চিন্তেই কাউকে মন দিয়ে বসেন। ফলে ভালোবাসায় দুঃখ পাওয়ার সম্ভাবনা আপনাদের মতো মানুষদের বেশি থাকে।
প্রসঙ্গত, আরেকটি বিষযের উপর আপনাদের নজর দেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। কী বিষয়? আপনারা আপনাদের ভালোবাসার মানুষদের থেকে নানা বিষয়ে একটু বেশি মাত্রায় আশা করে থাকেন। এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ এক্সপেক্টেশন ভাল। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে অশান্তি বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে কিন্তু! তাই এই বিষয়টির দিকে নজর রাখতে ভুলবেন না যেন! বৈবাহিক জীবন: সোমবার যারা জন্ম গ্রহণ করেছেন, তারা মন থেকে খুব ভাল হন।
একটা বিষয় আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে। তা হল চাঁদের প্রভাব বেশি থাকার কারণে আপনারা খুব অল্পতেই কষ্ট পয়ে যান। কি তাই তো? কিন্তু এমনটা হলে কিন্তু চিন্তার বিষয়। কারণ বৈবাহিক জীবন যে সব সময় আনন্দে কাটবে এমন নয়। কোনও কোনও সময় খারাপ সময়ও আসতে পারে। তাই অল্পতেই দুঃখ পেতে শুরু করলে কঠিন পরিস্থিতি সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখাটা কিন্তু কঠিন হয়ে যাবে বন্ধু! প্রসঙ্গত, আরেকটি বিষয়ও মাথায় রাখতে হবে আপনাদের। তা হল খেয়াল করে দেখলে বুঝবেন আপনি আপনার ভাসোবাসার মানুষটির প্রতি বেজায় পজেসিভ। এননটা হওয়াও কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। চাঁদকে শক্তিশালী করতে: কোনও কারণে কোনও দিন যদি আপনার জন্ম কুষ্টিতে চাঁদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পরে বা চাঁদের প্রভাবে খারাপ সব ঘটনা ঘটতে শুরু করে, তাহলে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে ভুলবেন না যেন! যেমন ধরুন, চাঁদের খারাপ প্রভাব যখন রয়েছে, তখন নানাবিধ বিপদ এড়াতে ঠান্ডা খাবার একেবারে খাবেন না। এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন প্যাকেটজাত খাবারও। পরিবর্তে রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বেশি করে ফল এবং সবজিকে।



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200320163020

Friday, March 20th, 2020

Astro Research Centre

রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব কেমন,

রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব কেমন,

সপ্তাহের প্রথম দিন হল রবিবার। এই দিনটি ছুটির দিন সারা সপ্তাহের কাজের পর আজ বিশ্রাম। এই দিন অনেকের অনেক পরিকল্পনা থাকে তাই আজকে জানবো রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব কেমন, তারা কেমন ধরনের বা তাদের ভাগ্য কেমন। আসুন জেনে নিই..

ব্যক্তিত্ব – রবিবার ভগবান সূর্য দেবতার পূজা করা হয়। এই দিন জন্মানো জাতক জাতিকারা সামান্য তেজস্বী,ভাগ্যশালী, দীর্ঘ আয়ুর অধিকার বা অধিকারীনী হন। এনারা খুব বুদ্ধিমান হন এবং কম কথা বলা পছন্দ করেন। সুবক্তা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এনারা খুব দৃঢ় চেতা এবং আত্মবিশ্বাসী স্বভাবের মানুষ হন। এই দিন জন্মানো ব্যক্তিগন ভগবান বিশ্বাসী। পরিবারের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় থাকে। এনারা রূপে ও গুনে খুব সুন্দর। আর এরা হল খুব সংবেদনশীল মানুষ তাই কোন ব্যাপার খারাপ লাগলে দীর্ঘ দিন ধরে ভাবতে থাকেন। সব কাজে তাড়াহুড়ো করে এর ফলে অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়। এই দিন জন্মানো জাতক জাতিকাদের কোনো দিন অর্থের অভাব হয় না। এরা খুব তাড়াতাড়ি রেগে যান এবং খুব তাড়াতাড়ি শান্ত হয়ে যান। কারোর অধীনতা এরা পছন্দ করেন না। ব্যক্তি স্বাধীনতা প্রবল।




স্বাস্থ্য – রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের রোগ ভোগ কম হলেও এরা সাধারণত হৃদপিন্ডের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, চোখের সমস্যায় ভোগেন। তাই একটু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিৎ। ক্যরিয়ার – রবিবার জন্মানো ব্যক্তিরা খুব পরিশ্রমী হন। ইনারা তাঁর পরিশ্রমের ফল সরূপ উচ্চ পদের অধিকারী হন। বিজ্ঞান, টেকনিক্যাল, IT ফিল্ড, অভিনয় ক্ষেত্রে, ইঞ্জিনিয়ার প্রভৃতি ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন। এই দিন জন্মানো ব্যক্তিগন হলেন ফিল্ম স্টার অমিতাভ বচ্চন ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ক্রিকেটের ভগবান শচীন তেন্ডুলকর। এনারা যে নিজের নিজের ফিল্ডে খুব সুনাম অর্জন করেছেন, তা বলাই বাহুল্য।



প্রেম – রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের দাম্পত্য জীবন সুখকর হয়। এদের অনেক বন্ধু থাকলেও বন্ধুত্ব বেশিদিন টিকে না। এরা মনের মত জীবন সঙ্গী ও সঙ্গীনী পান। এদের বাইরে থেকে কঠোর মনে হলেও অল্পতে ভেঙে পড়েন। প্রেমের সম্পর্কে খুব ঘনিষ্ঠ হন। শুভ রঙ : এই দিন জন্মান ব্যক্তিগণের প্রিয় রঙ লাল। শুভ দিন : শুভ দিন হল রবিবার, সোমবার, শুক্রবার। ভাগ্যবান সংখ্যা – এই দিন জন্মানো জাতক জাতিকাদের ভাগ্যবান সংখ্যা ৭


রোগ
রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের রোগ ভোগ কম হলেও এদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, চোখের সমস্যায় ভোগেন। তাই একটু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত্‍।

কেরিয়ার - রবিবার জন্মানো ব্যক্তিরা খুব পরিশ্রমী হন। তাঁরা পরিশ্রমের ফল সরূপ উচ্চ পদের অধিকারী হন। বিজ্ঞান, টেকনিক্যাল, IT ফিল্ড, অভিনয় ক্ষেত্রে, ইঞ্জিনিয়ার প্রভৃতি ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন। অমিতাভ বচ্চন, নরেন্দ্র মোদী, শচীন তেন্ডুলকর। এঁদেরও জন্মবার রবিবার।

প্রেম - রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের দাম্পত্য জীবন সুখকর হয়। এদের অনেক বন্ধু থাকলেও বন্ধুত্ব বেশিদিন টিকে না। মনের মত জীবন সঙ্গী ও সঙ্গীনী পান। এদের বাইরে থেকে কঠোর মনে হলেও অল্পতে ভেঙে পড়েন। প্রেমের সম্পর্কে খুব ঘনিষ্ঠ হন।

শুভ রঙ - এই দিন জন্মান ব্যক্তিগণের প্রিয় রঙ লাল।

শুভ দিন - শুভ দিন হল রবিবার, সোমবার, মঙ্গল বার।

রবিবার যাঁদের জন্ম তারা অত্যন্ত পরিশ্রমী প্রকৃতির হয়ে থাকেন। কেরিয়ারে সাফল্য অর্জনের জন্য এরা যা যা প্রয়োজনীয় তাই করতে রাজি থাকেন। আর এই পরিশ্রমের জোরেই এরা কেরিয়ারে অনেক উন্নতি করেন। তবে এরা বন্ধু পাতানোর ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। কারণ এদের বন্ধুর সংখ্যা অনেক হলেও এদের বন্ধুত্ব বেশিদিন টেকে না। রবিবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তির দাম্পত্য জীবন সুখকর হয়। এরা নিজের সঙ্গীকে খুবই ভাল রাখেন।

ভাগ্য

রবিবারে জন্মানো ব্যক্তিরা সাধারণত ধনী হন। অর্থের খুব একটা অভাব এঁদের হয় না বললেই চলে। এঁরা নিজের রুচিমতো কাজ করতে পছন্দ করেন এবং নিজের রোজগারের পয়সায় উন্নতি করাতে এঁরা বেশি বিশ্বাসী।

নিজের কাজ নিজে করা ও দ্রুত কাজ করার প্রবণতা বেশি থাকে। তবে খুব দ্রুত কাজ করতে গিয়ে মাঝেমধ্যে কাজ পণ্ড করে ফেলেন।

কারও অধীনস্থ হয়ে কাজ করা এঁদের মতের বিরোধী। যত ভাল কাজই হোক না কেন, কারও অধীনে কাজ করতে এঁরা একদম চায় না। এঁরা খুব ভাগ্যশালী হয়।


আপনার যদি রবিবারে জন্ম হয়ে থাকে, তবে আপনি অত্যন্ত বর্ণময় চরিত্রসম্পন্ন মানুষ। তবে অল্পেই অধৈর্য হয়ে পড়া ও কোনও কাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় রেখে দেওয়ার প্রবণতা আপনার মধ্যে মাঝে মাঝে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। আপনি সংবেদনশীল, এবং অন্যদের কথাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া আপনার স্বভাব। তবে জীবন সম্পর্কে আপনি অত্যন্ত আশাবাদী।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200320090716

Sunday, March 15th, 2020

Astro Research Centre

বারো রাশির এপ্রিল মাস কেমন যাবে

বারো রাশির এপ্রিল মাস কেমন যাবে

বারো রাশির এপ্রিল মাস কেমন যাবে
০১-৩০ এপ্রিল পযর্ন্ত
মেষ রাশি- = ০১-০৭ আইনজীবীদের আয় বাড়বে। আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা আছে। কারো দ্বারা অপমানিত হতে পারেন। নিজেকে সংযত রাখুন। বিদ্যার্থীদের জন্য সময়টা অনুকূল থাকবে। পড়ালেখায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। পারিবারিক ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা। তবে সঞ্চয়ে ব্যাঘাত ঘটবে না।

০৮-১৫ প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হতে পারেন। খুব একটা সমস্যা হবে না। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সহযোগিতা পাবেন। বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠান হতে পারে। আত্মীয়ের আগমন ঘটবে। পারিবারিক পরিবেশ অনুকূল থাকবে। আর্থিক দিক ভালো যাবে। স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

১৬-২২ কর্মক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। ব্যবসায়ের নতুন কোন সুযোগ পেতে পারেন। আর্থিক দিক ভালো থাকতে পারে। কোন সন্তানের জন্য চিন্তিত হতে পারেন। নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকুন। কোন ভাই বা বোনের ভাগ্যোন্নতি হতে পারে। কাছেই কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন।

২৩-৩০ মামলায় জয় লাভের সম্ভাবনা। পারিবারিক বিরোধের অবসান ঘটতে পারে। যোগ্যতা অনুযায়ী পদোন্নতির সম্ভাবনা। বিভিন্ন দিক থেকে অর্থ পেতে পারেন। শত্রুদের পরাজিত করার সুযোগ পাবেন। পারিবারিক কারনে ব্যস্ততা বাড়বে। ধর্মীয় ব্যপারে আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।



বৃষ রাশি- = ০১-০৭ ব্যবসায়ে উন্নতির যোগ আছে। আইনগত ঝামেলার আশংকা আছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহে রাখুন। ঔষধ ব্যবসায় লাভ যোগ আছে। উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে। কাউকে ঋণ দেয়া থেকে বিরত থাকুন। ঋণ দিলে আর্থ পেতে দেরি হতে পারে।

০৮-১৫ আর্থিক দিক থেকে উন্নতির সম্ভাবনা। শেয়ার ব্যবসায় দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে। কর্মব্যস্ততা বৃদ্ধি পেতে পারে। কোন কারনে হতাশা বোধ করবেন। খুব শীঘ্রই আপনার সময়ের পরিবর্তন হতে পারে। সচিব পর্যায়ের ব্যক্তিদের সমস্যা হতে পারে। আইনজ্ঞের পরামর্শের প্রয়োজন হতে পারে।

১৬-২২ কর্ম প্রচেষ্টা সফল হতে পারে। তবে আর্থিক ব্যপারে ঝুঁকি নেয়া ঠিক হবে না। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যপারে ভালো ভাবে ভেবে নিন। পারিবারিক অশান্তি দেখা দিতে পারে। পাওনা টাঁকা পেতে দেরি হবে। পাওনা আদায়ের চেষ্টা জোরদার করুন। অহেতুক কাউকে দোষারোপ করবেন না।

২৩-৩০ আর্থিক ব্যপারে কারো উপর নির্ভর করা ঠিক হবে না। নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করুন। স্বামী বা স্ত্রীর সহযোগিতা পাবেন। ঝোঁকের মাথায় কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। আর্থিক ক্ষতির আশংকা আছে। পেনশনের টাঁকা প্রাপ্তিতে ঝামেলা হতে পারে। ধৈর্য হারানো ঠিক হবে না।


মিথুন রাশি- = ০১-০৭ বীমা ব্যবসায়িদের সাফল্য লাভের সম্ভাবনা। সঞ্চয়ের চেষ্টা জোরদার করুন। সাহিত্যিকদের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। আর্থিক উন্নতির যোগ আছে। সরল ভাবে কাউকে বিশ্বাস করা ঠিক হবে না। প্রতারিত হতে পারেন। পারিবারিক পরিবেশ অনুকূল থাকবে।

০৮-১৫ একাকি বিয়ের ব্যপারে চিন্তা করতে পারেন। সাফল্য লাভের সম্ভাবনা। ব্যবসায়ে কোন দ্রব্যর ক্ষতির আশংকা আছে। প্রকাসকদের ন্যায্য প্রাপ্তিতে বাঁধা আসতে পারে। সংবাদ কর্মীদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পেতে পারে। ক্ষেত্র বিশেষ সম্মানিত হতে পারেন। স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

১৬-২২ পরিবারের কেউ অসুস্থ হতে পারে। কেউ অসুস্থ হলে অবহেলা করবেন না। সরকার বিরোধী আন্দোলন থেকে বিরত থাকুন। বেকারদের কর্ম প্রাপ্তির সম্ভাবনা। ব্যবসায় এখনি ঝুঁকি নেয়া ঠিক হবে না। নতুন করে অর্থ বিনিয়োগ না করাই ভালো। বিদ্যার্থীদের জন্য সপ্তাহটি অনুকূল।

২৩-৩০ কৃষিজীবীদের ফসলি জমি নিয়ে ঝামেলা হতে পারে। আইনি পরামর্শের প্রয়োজন হতে পারে। প্রাপ্ত তথ্য ভালো করে যাচাই করে নিন। সরকারী চাকুরীর সুযোগ পেতে পারেন। বিদেশের প্রচেষ্টা সফল হতে পারে। কেউ আপনার বদনাম করতে পারে। অর্থ প্রাপ্তির যোগ আছে।


কর্কট রাশি- = ০১-০৭ ব্যবসায় প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হবেন। রাজনৈতিক ক্ষত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন। কোন কারনে মনের উপর চাপ পড়বে। পরিবারের কারো চিকিৎসায় ভুল হতে পারে। আইনি ঝামেলা এড়িয়ে চলুন। নিজের ভুল ত্রুটি সম্পর্কে সচেতন থাকুন। উপার্জনের ক্ষেত্রে অযথা ঝুঁকি নেয়া উচিত হবে না।

০৮-১৫ নতুন কোন দায়িত্ব পেতে পারেন। পারিবারিক চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। ব্যয় বৃদ্ধির আশংকা আছে। আর্থিক দুশ্চিন্তা বাড়বে। কাঁচা মালের অভাবে উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। নিজের ভুলে কোন সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। বুদ্ধি খাঁটিয়ে কাজ করুন।

১৬-২২ যৌথ ব্যবসার উদ্যোগ নিতে পারেন। কর্ম পরিবর্তনের যোগ আছে। মনের কথা কারো কাছে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। নিজের উপর আস্থা রাখলে ভালো করবেন। পারিবারিক বিবাদ এড়িয়ে চলুন। সমস্যা সমাধানে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। নতুন কোন কাজের সুযোগ পেতে পারেন।

২৩-৩০ আইনি ঝামেলায় জড়ানোর আশংকা প্রবল। সংবাদ কর্মীদের কাজে বিঘ্ন ঘটতে পারে। পরিবহন ব্যবসায় লাভ যোগ আছে। পারিবারিক ক্ষেত্রে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। বয়োজোস্থো কারো মদ্ধস্থতায় সমঝোতা হতে পারে। অভিনয় শিল্পীদের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। কোন ভাই বা বোনের বিয়ের কথা হতে পারে।


সিংহ রাশি- = ০১-০৭ কর্মক্ষেত্রে কিছু ঝামেলা হতে পারে। কর্ম পরিবর্তনের যোগও প্রবল। রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন। প্রতিবেশীর সাথে বিবাদ হতে পারে। বিবাদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। অযথা কোন কাজে ঝুঁকি নেয়া ঠিক হবে না। পারিবারিক পরিবেশ অনুকূল থাকবে।

০৮-১৫ ব্যবসায় সাময়িক সমস্যা হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে সুনাম বৃদ্ধি পাবে। জমি নিয়ে বাবার সাথে বিরোধের সম্ভাবনা। কোন আত্মীয় বিয়োগের খবর পেতে পারেন। মন বিষাদগ্রস্ত থাকবে। ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হবার সম্ভাবনা। ধৈর্য ধারনে সুফল পেতে পারেন।

১৬-২২ বাড়িতে অতিথি আগমন ঘটবে। সাংসারিক ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা। বিপরিত লিঙ্গের কারো দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। স্বামী বা স্ত্রীর সহযোগিতা পাবেন। কর্মক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হতে পারে। নতুন ভাবে আয়ের চেষ্টা করতে পারেন। দেহে আঘাত পাওয়ার আশংকা আছে।

২৩-৩০ রাজনৈতিক কোন্দলে দেহে আঘাত পেতে পারেন। সতর্কতার সাথে পরিস্তিতি মোকাবিলা করুন। সরকারী চাকুরীতে বদলীর সম্ভাবনা আছে। সেবামূলক কাজে অংশ নিতে পারেন। প্রভাবশালী কারো সাথে পরিচয় হতে পারে। বিদ্যার্থীদের কোন সমস্যা হতে পারে। দাম্পত্য শান্তি বজায় থাকবে।


কন্যা রাশি- = ০১-০৭ কর্মক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সাথে সমস্যা হতে পারে। ব্যবসায় লাভ কম হবে। বিদ্যার্থীদের কোন সমস্যা হতে পারে। মায়ের স্বাস্থ্য খুব একটা ভালো যাবে না। চিকিৎসার জন্য অর্থ ব্যয় হবে। গোপনে কেউ শত্রুতা করতে পারে। পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। ০৮-১৫ প্রাত্যহিক কাজে সফলতা আসবে। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সহযোগিতা পাবেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন। আইনজীবীদের সুনাম বৃদ্ধি পাবে। পাওনা টাঁকা আদায় হতে পারে। তবে সঞ্চয় হবে না। পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে। ১৬-২২ পারিবারিক সম্পত্তি উদ্ধারের চেষ্টা জোরদার করুন। সম্পত্তি হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা আছে। অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ আসতে পারে। নিজেকে সংযত রাখার চেষ্টা করুন। প্রভাবশালী কারো সহযোগিতা পাবেন। মানসিক উদ্বেগ বাড়বে। ধৈর্য ধারনে সুফল পেতে পারেন। ২৩-৩০ সরকারী চাকুরীতে ভালো কোন সংবাদ পেতে পারেন। একাগ্র চিত্তে কাজ করুন। যৌথ ব্যবসায় ঝামেলা হতে পারে। ব্যবসায় নতুন বিনিয়োগ করা ঠিক হবে না। আর্থিক ক্ষতির আশংকা আছে। আইনি সাহায্যর প্রয়োজন হতে পারে। সময়টা আপনার অনুকূল থাকবে না।
তুলা রাশি- ২৩ সেপ্টেম্বর ২২ অক্টোবর = ০১-০৭ কর্মক্ষেত্রে ভালো কোন সংবাদ পেতে পারেন। আগের কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে পারে। কাজের প্রয়োজনে দূরে কোথাও যেতে পারেন। সম্মিলিত কোন প্রচেষ্টা সফল হতে পারে। বন্ধু মহলের পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। অন্যরা সহজেই আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবে। নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবেন। ০৮-১৫ ব্যবসায় কারো বিরোধিতার সম্মুখীন হবেন। প্রভাবশালী কারো সহযোগিতা পাবেন। ধৈর্য ধারনে সুফল পেতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সহযোগিতা পাবেন না। আপনার প্রতিভার স্বীকৃতি পেতে পারেন। বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহ বাড়বে। চেষ্টা করলে সফল হতে পারবেন। ১৬-২২ কাজে ক্ষতি হওয়ার কারনে কাউকে দোষারোপ করতে পারেন। মানসিক অবস্থা ভালো যাবে না। গোপন কোন কথা প্রকাশ পেতে পারে। ঠাণ্ডাজনিত কারনে কষ্ট পাবেন। আর্থিক কোন সুযোগ হাত ছাড়া হতে পারে। নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন। সফল হওয়ার সুযোগ আসবে। ২৩-৩০ কর্মক্ষেত্রে কারো আচরনে কষ্ট পেতে পারেন। কাজে অবসাদ দেখা দিবে। ন্যায্য প্রাপ্তিতে বাঁধা আসবে। কাউকে অতিরিক্ত বিশ্বাস করবেন না। পারিবারিক কোন সমস্যা হতে পারে। মন চঞ্চল হয়ে উঠতে পারে। উচ্চ-রক্তচাপে কষ্ট পেতে পারেন।
বৃশ্চিক রাশি- ২৩ অক্টো বর থেকে ২১ নভেম্বর = ০১-০৭ কর্ম পরিবেশ অনুকূল থাকবে। পারিবারিক পরিবেশ অনুকূল থাকবে না। মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। আর্থিক দিক ভালো থাকবে। তবে ব্যয় বৃদ্ধির আশংকা আছে। সমাজ সেবামূলক কাজে অংশ নিতে পারেন। প্রভাবশালী কারো সাথে পরিচয় হতে পারে। ০৮-১৫ আপনার কাজের জন্য সম্মানিত হবেন। যৌথ ব্যবসায় লাভ যোগ আছে। রাজনীতিতে জনসংযোগ বৃদ্ধি পাবে। আয়কর সংক্রান্ত ঝামেলায় জড়াতে পারেন। নিজের বুদ্ধি মত্তাকে কাজে লাগান। স্বাস্থ্য ভালো যাবে না। হৃদরোগিদের সতর্ক থাকতে হবে। ১৬-২২ কর্মক্ষেত্রে আপনার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। পদোন্নতি বা বদলীর সম্ভাবনা আছে। পারিবারিক কোন ঝামেলা মিটে যেতে পারে। দাম্পত্য শান্তি বজায় থাকবে। অবিবাহিতদের বিয়ের কথা-বার্তা হতে পারে। অবৈধ সম্পর্কে জড়ানোর আশংকা আছে। নিজেকে সংযত রাখুন। ২৩-৩০ ব্যবসায় লাভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রে কেউ সেচ্ছায় সাহায্য করতে চাইতে পারেন। কৌশলে প্রত্যাখ্যান করলে ভালো করবেন। কারো অসুস্থতার সংবাদ পেতে পারেন। গবেষণামূলক কাজে সফলতা আসবে। আপনার মনের কোন আশা পূরণ হতে পারে। পারিবারিক দায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে।
ধনু রাশি- ২২ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর = ০১-০৭ পারিবারিক কোন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। সিদ্ধান্ত দেয়ার ব্যাপারে ভালভাবে চিন্তা করে নিন। নতুন কোন প্রকল্প নিয়ে ঝামেলা হতে পারে। কর্মক্ষেত্র অনুকূল থাকবে না। আপনার কোন গোপন কথা প্রকাশ পেতে পারে। বিরম্বনায় পরার সম্ভাবনা। মানসিক উৎকণ্ঠা দেখা দিতে পারে। ০৮-১৫ সরকারের কাছ থেকে কোন অনুদান আসতে পারে। ব্যবসায়িক অর্থ পেতে বিলম্ব হবে। অহেতুক চিন্তা কাজের ক্ষতি করতে পারে। রাজনীতির ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। বুদ্ধি বিবেচনা করে অগ্রসর হন। ক্ষতির আশংকা আছে। অন্যর কথায় বিচলিত হতে পারেন। ১৬-২২ সম্পত্তি রক্ষায় আইনি পরামর্শের প্রয়োজন হতে পারে। করমোন্নতির সম্ভাবনা আছে। পরিশ্রম বৃদ্ধি পেতে পারে। শারীরিক অবসাদে কষ্ট পেতে পারেন। অনৈতিক কাজে নিজেকে জড়াবেন না। বিপদের আশংকা আছে। স্বামী বা স্ত্রীর সহযোগিতা পেতে পারেন। ২৩-৩০ ব্যবসায়িদের সময়টি অনুকূল থাকবে। নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকুন। পেশাজীবীদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। জাদের উপকার করেছেন তাদের আচরনে কষ্ট পেতে পারেন। সেবামূলক কাজে সময় ব্যয় হতে পারে। পুরনো বন্ধুর সাক্ষাৎ পেতে পারেন। মনে আনন্দ পাবেন।
মকর রাশি- ২১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ জানুয়ারী = ০১-০৭ অন্যর প্রয়োজনে সময় ব্যয় হতে পারে। পরবর্তীতে আক্ষেপ করবেন। পরিস্রমের দ্বারা কর্মে সফলতা আসবে। যৌথ ব্যবসায় নতুন বিনিয়োগের কথা চিন্তা করতে পারেন। কোন সন্তানের বিয়ের কথা হতে পারে। ব্যয় বৃদ্ধির আশংকা আছে। দাম্পত্য শান্তি বজায় থাকবে। ০৮-১৫ আগের কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সু-নজরে পড়তে পারেন। আপনার পরিস্রমের স্বীকৃতি পাবেন। ব্যবসায় কিছু অর্থ অনাদায়ী থাকতে পারে। অহেতুক চিন্তা কাজের ক্ষতি করবে। ধৈর্য ধারনে সুফল পাবেন। সাংগঠনিক কাজে প্রশংসিত হবেন। ১৬-২২ পরীক্ষার্থীদের পড়ালেখায় মনোযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজন আছে। কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ বৃদ্ধি পাবে। সরকারী চিকিৎসকরা কোন সুযোগ পেতে পারেন। পদোন্নতির কোন আভাস পেতে পারেন। আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন। অবিবাহিতদের বিয়ের ব্যাপারে যোগাযোগ হতে পারে। ভ্রমন আনন্দদায়ক হতে পারে। ২৩-৩০ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন। গবেষণামূলক কাজে সাফল্য আসবে। লেখকদের কোন লেখা প্রশংসিত হবে। সামাজিক কাজে অংশ নিয়ে প্রশংসিত হতে পারেন। আইনি ঝামেলায় জড়ানোর সম্ভাবনা আছে। বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিন। কথাবার্তায় সংযত থকুন।
কুম্ভ রাশি- ২০ জানুয়ারী থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারী = ০১-০৭ কর্মক্ষেত্রে কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে। রাজনীতিবিদদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। নতুন কোন উদ্যোগ নিতে হতে পারে। ভাই বা বোনের বিয়ের কথা চিন্তা করতে পারেন। পারিবারিক সমস্যার সমাধান হবে। ধর্মীয় ব্যাপারে আগ্রহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা। ধর্মীয় স্থানে ভ্রমনের সুযোগ পেতে পারেন। ০৮-১৫ অবসরপ্রাপ্তরা কোন সুযোগ পেতে পারেন। কারো বিষয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। শত্রুতার সম্মুখীন হতে পারেন। গাড়ী চালনায় সতর্ক থাকুন। চলাফেরায়ও সতর্ক থাকতে হবে। দুর্ঘটনার যোগ প্রবল। অভিনয় শিল্পীদের আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা। ১৬-২২ পারিবারিক সমস্যা বাড়তে পারে। কর্মক্ষেত্রে বদলীর সম্ভাবনা আছে। আপনার উদারতার কারনে ক্ষতি হতে পারে। ব্যবসায় নতুন বিনিয়োগে সুফল পেতে পারেন। বিপরিত লিঙ্গের কারো দ্বারা আর্থিক উন্নতি হবে। কর্মব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। ভ্রমন আনন্দদায়ক হতে পারে। ২৩-৩০ ভ্রমন ব্যবসায় আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা। ব্যবসায় প্রভাবশালী কারো সহযোগিতা পাবেন। সম্পত্তির কারনে অশান্তির সৃষ্টি হতে পারে। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য পেতে পারেন। আপনার কোন যোগ্যতার স্বীকৃতি পেতে পারেন। অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে পারেন। প্রিয় সান্নিধ্য আনন্দদায়ক হবে।
মীন রাশি- ১৯ ফেব্রুয়ারী থেকে ২০ মার্চ = ০১-০৭ স্বামী বা স্ত্রীর স্বাস্থ্যর অবনতি হতে পারে। বুদ্ধি দিয়ে কাজ করলে সুফল পাবেন। কর্মচারীদের কারনে কোন সমস্যা হতে পারে। রাজনীতিতে দলীয় কোন্দল দেখা দিতে পারে। বিবাদ এড়িয়ে চলুন।অপমানিত হওয়ার আশংকা আছে। প্রত্যাশা পূরণে বাঁধা আসতে পারে। ০৮-১৫ ব্যবসায় কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে। খুদ্র ব্যবসায়ীদের পণ্য সমস্যা হতে পারে। ব্যবসায়িক কারনে ঋণ প্রয়োজন হতে পারে। কর্ম ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। ব্যয় বৃদ্ধির কারনে আর্থিক চিন্তা বাড়তে পারে। মনের কোন আশা অপূর্ণ থাকতে পারে। রাজনৈতিক ঝামেলায় জড়াতে পারেন। ১৬-২২ অবসরপ্রাপ্তরা ভালো কোন সুযোগ পাবেন। অসুস্থতা কাজের ক্ষতি করবে। সরকারের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পেতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সম্ভাবনা আছে। কোন সন্তানের জন্য অর্থ ব্যয় হবে। আপনজন কারো অসুস্থতার সংবাদ পেতে পারেন। নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কেও সচেতন থাকুন। ২৩-৩০ পড়ালেখায় অমনোযোগ দেখা দিতে পারে। পরিক্ষায় আশানুরূপ ফল আসবে না। ঝোঁকের মাথায় কাজ করা থকে বিরত থাকুন। ক্ষতির আশংকা আছে। শত্রু তৎপরতা বৃদ্ধি পাবে। কোন আত্মীয় আপনার বিরোধিতা করতে পারে। সতর্ক ও শান্ত থাকার চেষ্টা করুন।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200315203139

Friday, March 13th, 2020

Astro Research Centre

শনিবারে জন্মগ্রহণ জাত ব্যক্তির ভাগ্য কেমন

শনিবারে জন্মগ্রহণ জাত ব্যক্তির ভাগ্য কেমন

শনিবারে জন্মগ্রহণ জাত ব্যক্তির ভাগ্য কেমন

মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহ দের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়।আজকে জানবো শনিবারে জন্মান মানুষের ব্যক্তিত্ব কেমন হয়ে থাকে।

ব্যক্তিত্ব – শনিবারের অধিপতি সূর্য পুত্র শনিদেব। এই বারে জন্ম গ্রহণ কারী ব্যক্তিরা নিজের উপর খুব বিশ্বাসী হন। এনেরা কাউকে কথা দিলে ওই কথার খেলাপ করেন না। অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত এরা সফলতা পায়। এরা একটু অলস স্বভাবের হন।

এই সমস্ত ব্যক্তির বন্ধুর সংখ্যা কম হয়। কিন্তু বন্ধুদের প্রতি খুব বিশ্বাসী হন। হঠাৎ করে রেগে যান এবং পরে এই রাগের জন্য অনুশোচনা করতে হয়। এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিরা দেখতে খুব আকর্ষণীয় ও সুন্দর হন। বন্ধু সুলভ মনের অধিকারী ও অধিকারিণী হন এবং সহজেই সবার মন জয় করতে পারেন। এরা গরিবের সেবা করতে ভালোবাসেন। এদের মন শান্ত হয় কিন্তু পরিস্থিতি কখনও খারাপ হতে বাধ্য করে। শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক বাধা বিপত্তির মধ্যে পড়তে হয় কিন্তু কঠোর পরিশ্রম শেষ পর্যন্ত সফলতা এনে দেয়।

ব্যাক্তিত্ব
শনিবার জন্মগ্রহণকারীরা স্বভাব-চরিত্রে একটি ধীর-স্থির হয়। তবে এরা খুব স্টেডি এবং পরিশ্রমী চরিত্রের মানুষ। এঁদের বুদ্ধিমত্তাও তারিফ করার মতো। সবচেয়ে বড় কথা এরা খুবই বাস্তববাদী হন। নিয়মানুবর্তিতায় একদম কড়া ধাচের ও স্পষ্ট বক্তা যাকে বলে। তবে, এরা যে খুবই সাধু গোছরের হয়-এমনটা ভাবার কারণ নেই। কারণ, এরা যদি কোনও একটা জিনিসের পিছনে পড়ে যায় তাহলে তাকে হাসিল করার জন্য যে-তেন প্রকারের কাজ করতেও পিছপা হয় না।

প্রবল দায়িত্বশীল
জ্যোতিষ শাস্ত্র-এ শেষ গ্রহ হল শনি। এই দিনে জন্মগ্রহণকারী মানসিকভাবে প্রচণ্ডরকমের পরিণত হয়। এরা নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ভালরকমের ওয়াকিবহাল থাকে। দায়িত্ব ও কর্তব্যকে এরা অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। অপরিচিতদের কাছে এমনভাব করে যেন প্রচণ্ডরকমের সিরিয়াস। কিন্তু, এরা যদি সমমনোভাবাপন্ন মানুষ খুঁজে পেলে তাদের সঙ্গে এমন আন্তরিকতায় মাতে যে সিরিয়াসনেস উধাও হয়ে যায়। ম্য়ানেজমেন্ট সেক্টরে দেখা গিয়েছে এরা প্রবল প্রতিভাশালী। এরা সবসময় চায় ভুল করতে এবং সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজে নিজে কিছু খাড়া করতে।

স্বাস্থ্য – এই দিন জন্মগ্রহণ করেন যে সব ব্যক্তিরা তাদের হাড় ও হাঁটুর সমস্যা দেখা যায়। এনাদের কোমরে ও পিঠে ব্যথা কানের সমস্যা দেখা যায়। নিজের স্বাস্থের প্রতি খেয়াল রাখা খুবই দরকার। কেরিয়ার – এই দিন জন্মানো ব্যক্তিরা সব ক্ষেত্রে সমান পারদর্শীতা দদেখায়।ববিজ্ঞান, টেকনিক্যাল, কৃষি, ডাক্তার, সিআইডি, আইন বিভাগ, ইঞ্জিনিয়ার প্রভৃতি ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন। সমস্ত কাজ দায়িত্বের সঙ্গে সুন্দর ভাবে করে থাকেন।অফিসে বসের খুব প্রিয় হন

ভালবাসা
এরা চারিত্রিকগতভাবে খুব 'সাই' টাইপের মানুষ। তবে, এদের মধ্যে ভালবাসা প্রচণ্ডভাবে থাকে। এদের হৃদয় বিশালরকমের ভালবাসায় ভরা। কিন্তু, এরা মুখ ফুটে তা বলতে পারে না বা এমনকিছু করতে পারে না যা থেকে তাদের ভিতরের পরিপূর্ণ ভালবাসার সন্ধানটা সহজে মেলে। এরা লাইফ-পার্টনার খোঁজার ব্যাপারে অত্যন্ত কেয়ারফুল এবং সিলেক্টিভ গোছরের মানুষ। এরা লাভ-লাইফ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার সম্পর্কে ভালো-করে জেনে নিয়ে তবে সিদ্ধান্ত নেয়। এরা একটু স্বাধীনচেতা টাইপের মানুষও বটে। ফলে, এরা চায় তাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনী যেন তার পছন্দ ও চাওয়া-পাওয়াকেই বেশি করে অগ্রাধিকার দেয়।

প্রেম – শনিবারে জন্মানো ব্যক্তিরা কখনো কাউকে প্রেমে ধোঁকা দেয়না এবং কাউকে ঠকায় না। এরা কোন দিন দেখিয়ে প্রেম করেন না। এরা কাউকে মন প্রান দিয়ে ভালোবাসে এবং তার জন্য সবকিছু করতে পারে। রাগের কারনে এদের সম্পর্কের মধ্যে ছোট ছোট বিবাদ সৃষ্টি হতে পারে। পরে নিজেরা তা ঠিক করে নেয়। দাম্পত্য জীবন সুখকর হয়

বিবাহ
শনিবারে জন্মগ্রহণকারীরা এতটাই পারফেকশনিস্ট যে তারা ঘরোয়া জিনিসেও একটা প্রফেশনাল অ্যাপ্রোচের আশা করে থাকে। যদিও, পরিবারঅন্ত প্রাণ এরা। তথাপি এরা পরিবারের মধ্যে সুখ ও সমৃদ্ধি দেখার জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম করতেও দ্বিধা করে না। এতে পরিবারের মানুষের সঙ্গে আত্মিকতার বন্ধন আরও তীব্র হয় বলে এদের ধারনা। এরা খুব একটা ঘ্যানঘ্যান- করা টাইপের মানুষ হয় না। কারোর সম্পর্কে সহজে কোনও অভিযোগও করে না। এমনকী এরা জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে কখনই সন্দেহ করে না। উল্টে তাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে কতটা ব্যক্তি-পরিসর দিলে ভালো হয় সে বিষয়টাও ভাবে।



কেরিয়ার
শনিবারে জন্মগ্রহণকারীরা অঙ্ক কষে খুব সুন্দর করে জীবনে এগোনোর ক্ষমতা রাখে। যে কোনও জিনিস করার আগে তাতে এত সুন্দর একটা নকসা তৈরি করে যে সাফল্য পাওয়াটা খুব সহজ হয়ে যায়। যার ফলে দেখা যায় শনিবারে জন্মনেওয়াদের মধ্যে ব্যাবসায়িক বোধ-বুদ্ধি প্রবলভাবে থাকে। এরা চারিত্রিকগতভাবে প্রচণ্ড পারফেকশনিস্ট বা নিখুত হওয়ার চেষ্টা করে।

শুভ দিন :এদের শুভ দিন হল শনিবার ও মঙ্গলবার। শুভ রং :শুভ রং হল কালো ও লাল। শুভ সংখ্যা : ৩, ৬, ৯।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200313164511

Wednesday, March 11th, 2020

Astro Research Centre

শুক্রবারে জন্মগ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

শুক্রবারে জন্মগ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

শুক্রবারে জন্মগ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

প্রত্যেকটি মানুষেরই আলাদা আলাদা রকমের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। পাশাপাশি এও বলা হয় যে, একজন মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থানের ওপর। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, জন্মবার অনুসারে একজন মানুষেকর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন হবে তা বোঝা যায়। দেখে নিন শুক্রবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা কেমন ব্যক্তিত্বের অধিকারী হন।
শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তিরা বুদ্ধিমান, সহনশীল , ভাবুক ও মিষ্টি স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা যে কোনও পরিস্থিতিকে খুব সহজেই মোকাবিলা করতে পারে ও সর্বদা অন্যের উপকারে নিয়োজিত থাকে এদের প্রাণ। এরা চারিত্রিক দিক থেকে খুই রোমান্টিক প্রকৃতির হয়ে থাকেন। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে এরা অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হয়ে থাকেন। পাশাপাশি এরা সাজগোজের ক্ষেত্রেও বিশেষ পারদর্শী হয়ে থাকেন এবং সাজগোজ নিয়ে এদের আগ্রহ অন্যান্যদের থেকে খুবই বেশি।
নিজেদের গুছিয়ে রাখা খুবই পছন্দ করেন। এরা আদতে খুবই শৌখিন প্রকৃতির হয়ে থাকেন। আর নিজের এই শৌখিন স্বভাবের জন্য় এরা অনেকসময়ে অতিরিক্ত ব্যয়প্রবণ হয়ে ওঠেন। এরা অত্যন্ত মিষ্ট স্বভাবের হওয়ার জন্য এরা খুব সহজেই মানুষের মন জয় করে নিতে পারেন।

যাঁদের জন্ম শুক্রবারে তাঁরা স্বভাবগতভাবে রোম্যান্টিক। এঁরা অনেক কিছুই আগাম বুঝতে পারেন। স্মৃতিশক্তিও প্রখর। অন্যদের কষ্টে এঁরা যন্ত্রণা পান। তবে একটু অলস হওয়ায় লোকের সমালোচনা শুনতে হয়।

তাঁরা অল্প বয়সেই দায়িত্বপূর্ণ কাজ করতে পারেন। সেই কারণে, একটু বয়স বাড়ার পরে অনেকসময়ে একাকীত্ব ভোগ করেন। এরা জীবনে লক্ষ্য নিয়ে চলেন এবং লক্ষ্যপূরণের জন্য একক লড়াই চালাতে ভালবাসেন।

এরা বন্ধু বানাতে খুব ভালবাসেন। কারণ একাকীত্ব এরা একেবারেই ভালবাসে না। তবে এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিরা জীবনের বিশেষ কিছু সময়ে একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগে থাকেন। পাশাপাশি এইদিনে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা সকলের নিজের কাজের দ্বারা সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকে। আর সেই কারণেই কোনও কাজের প্রতি এরা বিশেষ মনোযোগী হয়ে থাকে। এছাড়াও এই দিনে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা প্রেমেরক্ষেত্রেও অত্যন্ত রোমান্টিক প্রকৃতির হয় বা কিছু কিছু সমস্যার জন্য এদের প্রেমে একাধিক সমস্যার সৃষ্টি হয়।

মানুষ জীবনে যতোই বৃহৎ হোক বা ধনী হোকনা কেনো গ্রহ দের ওপরে সে সর্বদাই নির্ভরশীল। আজ কাল কার মানুষেরা যতোই আধুনিকতার হাত ধরে হাঁটুক না কেনো তাদের গ্রহের ওপর বিশ্বাসী হতে হয়। মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহদের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়। তাই আজকে আমরা জানবো শুক্রবার জন্মানো জাতকের ব্যক্তিত্ব, জীবন- যাপন ইত্যাদি বিষয়ে।

শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তিদের জীবন ওই দিনের গ্রহের অবস্থানের ওপর নির্ভরশীল। এটা মানা হয় যে শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তি ওপর দেবী লক্ষ্মী ও শুক্র গ্রহ বিশেষ প্রভাব শালী হয়। এই দিনের স্বামী হলেন শুক্র ও দেবী হলেন মা লক্ষ্মী তাই এদের ওপর এক ভৌমিক সুখ স্বাচ্ছন্দ লক্ষ করা যায়। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি বুদ্ধিমান, মিষ্টি স্বভাবী, সহনশীল ও ভাবুক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা যে কোনও পরিস্থিতি কে খুব সহজে মোকাবিলা করতে পারে ও সর্বদা পরোপকারি হয়ে থাকে। এদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য খুব রোমান্টিক ও চতুরধর্মী হয়ে থাকে। এরা সঙ্গীতের প্রতি বিশেষ অনুরাগী হয়ে থাকে।

এই দিনে জন্মানো ব্যক্তি খুব ফর্সা ও আকর্ষণীয় মুখশ্রী হয়ে থাকে। এরা নিজেদের খুব সাজ শয্যায় আবৃত করে রাখে ও সাজ গোজের প্রতি বিশেষ আকৃষ্ট হয় এবং এটা খুব পছন্দ করে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি নিজেদেরকে খুব গুছিয়ে রাখতে ভালো পরে। কোথাও বেরোনোর আগে পরিপাটি করে নিজেদের গোছয় ও বাড়ির চারপাশ ও গুছিয়ে রাখার এক প্রবল প্রবনতা এদের মধ্যে বর্তমান। এই পরিপাটিতার জন্য অধিক ব্যয় ধর্মী হয়ে থাকে। এরা খুব মিষ্টি কথায় মানুষের মন জয় করে ও তাদের গোপন কথা জানে কিন্তু নিজের মনের কথা কাউকে বুঝতে দেয় না। এরা খুব চতুর প্রকৃতির ও চালাকশীল মানুষ হয়ে থাকে।

এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি একাকীত্ব একদম পছন্দ করে না, এরা খুব বন্ধু পিয়াসী হয়ে থাকে। তাই এদের বন্ধু সংখ্যা ও অধিক থেকে অধিকতর হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি শারীরিক দিকে একটু দুর্বল হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে সুগার, জন্ডিস, চোখের সমস্যা, গলার সমস্যা, ও জ্বর এই সব রোগের সমস্যা হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি খুব নিজের প্রশংসা আকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকে। তাই কোনো কাজ খুব মনোযোগের সহিত সম্পন্ন করে। এরা অনেক ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করে ও সকলের খুব প্রিয় পাত্র ও হয়। এদের পরিচ্ছন্ন মানসিকতা নিজের কাজের ক্ষেত্রে ও ব্যবহার করে থাকে।

এরা ফ্যশান্যেবল কাজের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে এছাড়াও বিভিন্ন সফটওয়্যার কাজেও সাফল্য লাভ করে থাকে। শুক্রবারে জন্মানো জাতক অধিক চঞ্চলতার কারণে এরা অধিক প্রেম পিয়াসী হয়। এরা নিজেদের কিছু অভ্যাস বসত কারণে সম্প্রতি সম্পর্কে বিপত্তি ঘটে থাকে আবার তা শীঘ্রই সমাধান ও করে ফেলে। এরা নিজের জীবন সঙ্গীনির প্রতি খুব সৎ ও নিষ্ঠাবান হয়ে থাকে। এদের শুভ দিন শুক্রবার ও বুধবার। শুভ সংখ্যা 7 ও শুভ রং লাল, গোলাপী, কমলা।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200311104455

Tuesday, March 10th, 2020

Astro Research Centre

মঙ্গল, বুধবার বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার, রবিবার, সোমবার বারে জাত ব্যক্তির ভাগ্য

মঙ্গল, বুধবার বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার, রবিবার, সোমবার বারে জাত ব্যক্তির ভাগ্য

সপ্তাহের প্রথম দিন হল রবিবার। এই দিনটি ছুটির দিন সারা সপ্তাহের কাজের পর আজ বিশ্রাম। এই দিন অনেকের অনেক পরিকল্পনা থাকে তাই আজকে জানবো রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব কেমন, তারা কেমন ধরনের বা তাদের ভাগ্য কেমন। আসুন জেনে নিই..

ব্যক্তিত্ব – রবিবার ভগবান সূর্য দেবতার পূজা করা হয়। এই দিন জন্মানো জাতক জাতিকারা সামান্য তেজস্বী,ভাগ্যশালী, দীর্ঘ আয়ুর অধিকার বা অধিকারীনী হন। এনারা খুব বুদ্ধিমান হন এবং কম কথা বলা পছন্দ করেন। সুবক্তা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এনারা খুব দৃঢ় চেতা এবং আত্মবিশ্বাসী স্বভাবের মানুষ হন। এই দিন জন্মানো ব্যক্তিগন ভগবান বিশ্বাসী। পরিবারের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় থাকে। এনারা রূপে ও গুনে খুব সুন্দর। আর এরা হল খুব সংবেদনশীল মানুষ তাই কোন ব্যাপার খারাপ লাগলে দীর্ঘ দিন ধরে ভাবতে থাকেন। সব কাজে তাড়াহুড়ো করে এর ফলে অনেক সময় বিপদে পড়তে হয়। এই দিন জন্মানো জাতক জাতিকাদের কোনো দিন অর্থের অভাব হয় না। এরা খুব তাড়াতাড়ি রেগে যান এবং খুব তাড়াতাড়ি শান্ত হয়ে যান। কারোর অধীনতা এরা পছন্দ করেন না। ব্যক্তি স্বাধীনতা প্রবল।




স্বাস্থ্য – রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের রোগ ভোগ কম হলেও এরা সাধারণত হৃদপিন্ডের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, চোখের সমস্যায় ভোগেন। তাই একটু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিৎ। ক্যরিয়ার – রবিবার জন্মানো ব্যক্তিরা খুব পরিশ্রমী হন। ইনারা তাঁর পরিশ্রমের ফল সরূপ উচ্চ পদের অধিকারী হন। বিজ্ঞান, টেকনিক্যাল, IT ফিল্ড, অভিনয় ক্ষেত্রে, ইঞ্জিনিয়ার প্রভৃতি ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন। এই দিন জন্মানো ব্যক্তিগন হলেন ফিল্ম স্টার অমিতাভ বচ্চন ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ক্রিকেটের ভগবান শচীন তেন্ডুলকর। এনারা যে নিজের নিজের ফিল্ডে খুব সুনাম অর্জন করেছেন, তা বলাই বাহুল্য।



প্রেম – রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের দাম্পত্য জীবন সুখকর হয়। এদের অনেক বন্ধু থাকলেও বন্ধুত্ব বেশিদিন টিকে না। এরা মনের মত জীবন সঙ্গী ও সঙ্গীনী পান। এদের বাইরে থেকে কঠোর মনে হলেও অল্পতে ভেঙে পড়েন। প্রেমের সম্পর্কে খুব ঘনিষ্ঠ হন। শুভ রঙ : এই দিন জন্মান ব্যক্তিগণের প্রিয় রঙ লাল। শুভ দিন : শুভ দিন হল রবিবার, সোমবার, শুক্রবার। ভাগ্যবান সংখ্যা – এই দিন জন্মানো জাতক জাতিকাদের ভাগ্যবান সংখ্যা ৭


রোগ
রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের রোগ ভোগ কম হলেও এদের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, চোখের সমস্যায় ভোগেন। তাই একটু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত্‍।

কেরিয়ার - রবিবার জন্মানো ব্যক্তিরা খুব পরিশ্রমী হন। তাঁরা পরিশ্রমের ফল সরূপ উচ্চ পদের অধিকারী হন। বিজ্ঞান, টেকনিক্যাল, IT ফিল্ড, অভিনয় ক্ষেত্রে, ইঞ্জিনিয়ার প্রভৃতি ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন। অমিতাভ বচ্চন, নরেন্দ্র মোদী, শচীন তেন্ডুলকর। এঁদেরও জন্মবার রবিবার।

প্রেম - রবিবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের দাম্পত্য জীবন সুখকর হয়। এদের অনেক বন্ধু থাকলেও বন্ধুত্ব বেশিদিন টিকে না। মনের মত জীবন সঙ্গী ও সঙ্গীনী পান। এদের বাইরে থেকে কঠোর মনে হলেও অল্পতে ভেঙে পড়েন। প্রেমের সম্পর্কে খুব ঘনিষ্ঠ হন।

শুভ রঙ - এই দিন জন্মান ব্যক্তিগণের প্রিয় রঙ লাল।

শুভ দিন - শুভ দিন হল রবিবার, সোমবার, মঙ্গল বার।

রবিবার যাঁদের জন্ম তারা অত্যন্ত পরিশ্রমী প্রকৃতির হয়ে থাকেন। কেরিয়ারে সাফল্য অর্জনের জন্য এরা যা যা প্রয়োজনীয় তাই করতে রাজি থাকেন। আর এই পরিশ্রমের জোরেই এরা কেরিয়ারে অনেক উন্নতি করেন। তবে এরা বন্ধু পাতানোর ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। কারণ এদের বন্ধুর সংখ্যা অনেক হলেও এদের বন্ধুত্ব বেশিদিন টেকে না। রবিবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তির দাম্পত্য জীবন সুখকর হয়। এরা নিজের সঙ্গীকে খুবই ভাল রাখেন।

ভাগ্য

রবিবারে জন্মানো ব্যক্তিরা সাধারণত ধনী হন। অর্থের খুব একটা অভাব এঁদের হয় না বললেই চলে। এঁরা নিজের রুচিমতো কাজ করতে পছন্দ করেন এবং নিজের রোজগারের পয়সায় উন্নতি করাতে এঁরা বেশি বিশ্বাসী।

নিজের কাজ নিজে করা ও দ্রুত কাজ করার প্রবণতা বেশি থাকে। তবে খুব দ্রুত কাজ করতে গিয়ে মাঝেমধ্যে কাজ পণ্ড করে ফেলেন।

কারও অধীনস্থ হয়ে কাজ করা এঁদের মতের বিরোধী। যত ভাল কাজই হোক না কেন, কারও অধীনে কাজ করতে এঁরা একদম চায় না। এঁরা খুব ভাগ্যশালী হয়।


আপনার যদি রবিবারে জন্ম হয়ে থাকে, তবে আপনি অত্যন্ত বর্ণময় চরিত্রসম্পন্ন মানুষ। তবে অল্পেই অধৈর্য হয়ে পড়া ও কোনও কাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় রেখে দেওয়ার প্রবণতা আপনার মধ্যে মাঝে মাঝে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। আপনি সংবেদনশীল, এবং অন্যদের কথাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া আপনার স্বভাব। তবে জীবন সম্পর্কে আপনি অত্যন্ত আশাবাদী।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


সোমবারে জন্ম গ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

শাস্ত্র মতে, সোমবার মানে শিব পূজার দিন। এমন দিনে ভূমিষ্ঠ শিশুর ওপর স্বয়ং দেবাদিদেবের কৃপা থাকে বলে মনে করেন অনেকে। কিন্তু জ্যোতিষ শাস্ত্রও কি একই কথা মনে করে? জন্ম তারিখ যেমন বলে দিতে পারে , একজন ব্যক্তি কেমন স্বভাবের হতে পারেন, তেমনই জন্মবার ও জন্ম মাসও বলে দিতে পারে ব্যক্তির স্বভাব। শুধু তাই নয় ব্যক্তির চরিত্র, আচার, ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে ব্যক্তির জন্মবার। দেখে নেওয়া যাক যাঁরা সোমবার জন্মগ্রহণ করেছেন ,তাঁদের চারিত্রিক কী কী গুণ রয়েছে


কেমন স্বভাবের হন এঁরা?
সোমবার জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি বা মানুষরা সাধারণত মায়ের ঘনিষ্ঠ বেশি হন। মহিলারাই আপনার জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করবে। এঁরা যেকোনও ঘটনার আঁচ আগে থেকেই করতে পারেন। নিজের মনের বিশ্বাসকে এঁরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন।

সোমবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা স্বভাবতই সদা হাস্যমুখ হয়ে থাকেন। এরা সর্বদাই যেকোনও ধরণের কাজ করার মানসিকতা রাখেন। কর্মক্ষেত্র হোক বা সাংসারিকজীবন, এরা যেকোনও ধরণের সমস্যা সামলে নেওয়ার মতো মানসিকতা রাখে। পাশাপাশি কঠিন পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করার মতো মনের জোর থাকে এদের। পাশাপাশি, সোমবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা বুদ্ধিমান, সাহসী এবং সৃজনশীল প্রকৃতির হয়ে থাকেন।সোমবারে জন্ম যাঁদের, তাঁদের ব্যবহারও খুব সুন্দর হয়ে থাকে। 




কেরিয়ার কেমন?
নিজের হাতে ধরে যেকোনও কাজ না করা পর্যন্ত এঁরা শান্তি পান না। যেখানে পরিশ্রম তথা দক্ষতা প্রমাণের কাজ থাকে, সেই সংক্রান্ত পেশা এঁদের পছন্দ। ব্যবসায় এঁরা সাফল্য পান। সাধরণত সোমবারে জন্মগ্রহণকারীরা কেরিয়ারের দিক থেকে সাফল্য পেয়ে থাকেন । সহজেই কার্যক্ষেত্রে সম্মান অর্জন করে ফেলেন এঁরা।

সোমবার জন্মান জাতক জাতিকাদের সমুদ্র বিজ্ঞানে দক্ষতা দেখাযায়।এছাড়া মাছের ব্যবসা, পাথরের ব্যবসা, জামা কাপড়ের ব্যবসা অধিক লাভবান হতে দেখা যায়। সাদা রঙ এদের জন্য খুব শুভ তাই কোন কাজে বেরানোর আগে সাদা রুমাল সঙ্গে রাখুন তাহলে শুভ ফল পাবেন। স্বাস্থ্য – সোমবার জন্মান জাতক জাতিকারা সবসময় সর্দি ও কাশির সমস্যায় ভুগেন। তাই ঠান্ডা যাতে না লাগে তার দিকে লক্ষ্য রাখুন

ব্যক্তিত্ব – এদের মন কোমল ও সর্বদা হাসি মুখে থাকতে পছন্দ করে। সব কাজের জন্য এরা সর্বদা প্রস্তুত। সহজেই সমস্ত কঠিন পরিস্থিতি এরা মোকাবিলা করতে পারে। সমস্ত ঝামেলা এরা সহজ ভাবেই সামলাতে পারেন। সোমবার জন্মান ব্যক্তিরা বুদ্ধি মান, সাহসী, কলা কুশলী হয়ে থাকেন। সোমবার চন্দ্র দেবতার দিন হিসেবে মানা হয়। তাই এই দিন জন্মান ব্যক্তি দেখতে একটু ছোট কিন্তু চোখগুলো বড়ো বড়ো হয়। 9,12,27 বছর বয়সে এদের জীবনে সামান্য ঝামেলা দেখা যায়। কিন্তু এদের জীবন সবসময় প্রেম ও আরামের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। সোমবার জন্মান মহিলাদের ব্যবহার সালিন ও সুন্দর হয়।





প্রেম – সোমবার জন্মান জাতক জাতিকাদের প্রেমের জীবন খুব মাহাত্ম্য পূর্ণ হয়। এরা প্রেমের বিষয়ে খুব সতর্ক থাকেন। এরা কাউকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। দাম্পত্য জীবন মোটামুটি সুখকর হয়। এরা প্রথম প্রেম কোন দিন ভুলতে পারেন না। এদের জীবন সঙ্গী বা সঙ্গীনীর মনের মধ্যে অহংকার দেখা যায়। ভাগ্যবান সংখ্যা – সোমবার জন্মান জাতক জাতিকা দের ভাগ্যবান সংখ্যা হল ২। শুভ রঙ – এদের শুভ রঙ হল সাদা। শুভ দিন – সোমবার জন্মানো জাতক জাতিকাদের শুভ দিন হল সোমবার, শুক্রবার ও রবিবার।



সোমবার জন্মগ্রহণকারীরে খুবই যত্নশীল হন। অন্যের কথা সহজে বিশ্বাস করেন। আর প্রেমেও সহজে পড়ে যান!নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে প্রেমকে বাঁচাতে এঁরা চেষ্টা করেন। সঙ্গী হিসাবে এঁরা খুবই ভালো।


বিয়ে
এঁরা খুবই সংবেদনশীল ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি সমস্যা হয়ে ওঠে সোমবার জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে। আর এজন্য নিজেকেই নিজের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে। দাম্পত্য জীবনে এঁরা সঙ্গীর বিষয়ে ব্যাপক 'পজেসিভ' হন।



এইদিনে জন্ম যাঁদের তাঁরা ব্যবসায়ে খুবই উন্নতি করে থাকেন। তবে জ্যোতিষ বলে, শরীরের দিকেও এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিদের বেশি করে নজর দেওয়া উচিৎ। বলা হয়, এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিদের সাদা রং খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। তাই কোনও শুভ অনুষ্ঠানে সাদা রং-এর পোশাক বা সাদা রং-এর জামা পড়লে সৌভাগ্য সর্বদাই তাঁর সঙ্গে থাকবে। সোমবার জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা প্রেমের বিষয়ে খুব সচেতন থাকেন। এরা কাউকে ভালোবাসলে কোনওদিনও তাঁর সঙ্গ ছাড়েন না। দাম্পত্য জীবনও ভাল মন্দ মিশিয়ে কেটে যায়। 

লাভ লাইফ : আপনারা বেজায় কেয়ারিং মানসিকতার হন। তাই তো একবার যাকে ভালবেসে ফেলেন তার হাত কোনও পরিস্থিতিতেই ছাড়েন না। এমনকি নিজের থেকে বেশি অন্যের কথা ভাবতে আপনারা ভালোবাসেন। শুধু তাই নয়, প্রিয় মানুষদের সঙ্গে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটাতে আপনাদের বেশ লাগে। তবে একটাই চিন্তার বিষয়। তা হল আপনারা আগে-পিছু না ভেবে-চিন্তেই কাউকে মন দিয়ে বসেন। ফলে ভালোবাসায় দুঃখ পাওয়ার সম্ভাবনা আপনাদের মতো মানুষদের বেশি থাকে।
প্রসঙ্গত, আরেকটি বিষযের উপর আপনাদের নজর দেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। কী বিষয়? আপনারা আপনাদের ভালোবাসার মানুষদের থেকে নানা বিষয়ে একটু বেশি মাত্রায় আশা করে থাকেন। এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ এক্সপেক্টেশন ভাল। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে অশান্তি বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে কিন্তু! তাই এই বিষয়টির দিকে নজর রাখতে ভুলবেন না যেন! বৈবাহিক জীবন: সোমবার যারা জন্ম গ্রহণ করেছেন, তারা মন থেকে খুব ভাল হন।
একটা বিষয় আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে। তা হল চাঁদের প্রভাব বেশি থাকার কারণে আপনারা খুব অল্পতেই কষ্ট পয়ে যান। কি তাই তো? কিন্তু এমনটা হলে কিন্তু চিন্তার বিষয়। কারণ বৈবাহিক জীবন যে সব সময় আনন্দে কাটবে এমন নয়। কোনও কোনও সময় খারাপ সময়ও আসতে পারে। তাই অল্পতেই দুঃখ পেতে শুরু করলে কঠিন পরিস্থিতি সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখাটা কিন্তু কঠিন হয়ে যাবে বন্ধু! প্রসঙ্গত, আরেকটি বিষয়ও মাথায় রাখতে হবে আপনাদের। তা হল খেয়াল করে দেখলে বুঝবেন আপনি আপনার ভাসোবাসার মানুষটির প্রতি বেজায় পজেসিভ। এননটা হওয়াও কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। চাঁদকে শক্তিশালী করতে: কোনও কারণে কোনও দিন যদি আপনার জন্ম কুষ্টিতে চাঁদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পরে বা চাঁদের প্রভাবে খারাপ সব ঘটনা ঘটতে শুরু করে, তাহলে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে ভুলবেন না যেন! যেমন ধরুন, চাঁদের খারাপ প্রভাব যখন রয়েছে, তখন নানাবিধ বিপদ এড়াতে ঠান্ডা খাবার একেবারে খাবেন না। এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন প্যাকেটজাত খাবারও। পরিবর্তে রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বেশি করে ফল এবং সবজিকে।



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন




মঙ্গল বারে জাত ব্যক্তির ভাগ্য

ব্যাক্তি জীবন যা কিছু হয়ে থাকুক না কেনো, সে বড়ো হোক বা ছোট্ট ধনী হোক বা গরীবহোক গ্রহ দের ওপর তারা সর্বদাই নির্ভরশীল। সব ব্যাক্তির ভাগ্য নির্ভরশীল হয় তার জন্মানো কুণ্ডলির ওপর। এছাড়াও তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নির্বাচন হয় গ্রহের ওপর। মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহ দের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়। আজকে আমরা জানবো যে মঙ্গলবার জন্মানো ব্যাক্তি এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন হবে।

শরীরের কোনো অংশের ক্ষত যেমন পুরো শরীর টাকে দুর্বল করে রাখে তেমনি যদি আপনার ভাগ্যে কোনো দোষ বা ত্রুটি থেকে থাকে তাহলে তাকে সারিয়ে তোলা নিজের দায়িত্ব হয়। প্রতিকার মানেই গ্রহ রত্ন নয় অধিক আর্থিক খরচ নয়। নিজের সচেতনতা এই সমস্যার এক সমাধান হতে পারে। মঙ্গলবার জন্মানো ব্যাক্তি ধর্ম ও কর্ম শালী হয়ে থাকে। এই দিন কে হনুমানজীর বার বলা হয়ে থাকে। তাই এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি হনুমানজীর প্রতি খুব আস্থাশীল হয়। এই দিনে জন্মানো জাতকের খুব আকর্ষণীয় দেখতে হয়। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তিরা খুব উগ্র ও চঞ্চল স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা খুব পরপকারী হয়ে থাকে।

কোনো ব্যাক্তির কথা যেমন ইয়ার্কি সহ্য করতে পারে না। কিন্তু এদের মন খুব সচ্ছ ও ভালো হয়। এরা খুব ত্বকের সমস্যায় ভুগে। এরা লাক্সারি ভাবে থাকতে খুব ভালোবাসে। এরা দামী বাড়ি, গাড়ি খুব পছন্দ করে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তিরা অল্পতেই খুব রেগে যায়। এছাড়াও এরা খুব স্পষ্টবাদী হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি লিভার সম্বন্ধিয় সমস্যা হয়ে থাকে, এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি সকল পরিবেশ কে মানিয়ে নিতে পারে। এই ব্যাক্তি রা নিজের প্রতি খুব আত্ম নির্ভরশীল হয়ে থাকে। এরা খুব অল্প পরিশ্রম করেই সাফল্য লাভ করে থাকে। এরা খুব দ্রুত সাফল্য লাভ করে। এই দিনে জন্মানো জাতক নেতা, পুলিশ, খেলোয়াড় প্রভৃতি কাজে এরা অধিক সফলতা লাভ করে থাকে।

কথায় আছে -মঙ্গলে উষা বুধে পা যথা ইচ্ছা তথা যা। মঙ্গলবার যাদের জন্ম, তারাও কিন্তু ঠিক তেমনই হয়ে থাকেন। সদা স্বতঃস্ফুর্ত ও মনে প্রাণে তাদের সব সময় নতুন করার ইচ্ছে থাকে। মঙ্গলে জন্মানো ব্যক্তি ধার্মিক প্রকৃতির হয়ে থাকেন। এই দিনের জন্মানো জাতকদের উচিত বজরংবলীর পুজো করা। মঙ্গলের জাতকের অন্যের বিপদে সাহায্য করতে এগিয়ে আসার একটা প্রবণতা থাকে। কিন্তু এদের স্বল্প ধৈর্য্য তাদের জীবনের শত্রু হয়ে দাঁড়ায়। একটুতেই উত্তেজিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহন করে ফেলে অনেক সময়।
স্বাস্থ্যের দিক থেকে মঙ্গলের জাতকদের ভাগ্য ভালো। রোগ-ব্যাধির তেমন প্রকোপ এদের জীবনে থাকে না। তবে নির্দিষ্ট বয়সে ফাঁড়া বা বড়ো বিপদে পড়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। তবে সেই বিপদ থেকে বজরংবলীর আশির্বাদ তাদের রক্ষাও করে থাকে। তবে অতিরিক্ত অসাবধানতা তাদের প্রাণের জন্যও হুমকি তৈরি করতে পারে। মঙ্গলের জাতক-জাতিকা খুব ধার্মিক ও দেবতুল্য হয়ে থাকে। ফলে এদের ব্যবহার সাধারণত সদয় প্রকৃতির হয়ে থাকে। তবে মঙ্গলের জাতক-জাতিকা প্রতিশোধ প্রবণ হয়। যা তাদের চরিত্রের একটি দোষ।
পাশাপাশি মেজাজ হারানো বা অল্পেতেই উত্তেজিত হওয়া আবার একটুতেই শান্ত হয়ে যাওয়া মঙ্গলের জাতক জাতিকার সহজাত প্রকৃতি। মঙ্গলবার যাদের জন্ম তাঁদের মঙ্গলবারেই জন্মানো কোনও জাতক বা জাতিকার সঙ্গে বিবাহ করা উচিত হয়। এর ফলে সংসারে অশান্তি নেমে আসতে পারে। এই দিনে যাঁদের জন্ম তাঁরা লাল ও মেরুন পোশাক পড়লে তাদের সব কাজ সফল হতে পারে। বিদেশ যাত্রার শুভদিন হলো শুক্র ও মঙ্গলবার। তবে মঙ্গলবারের জাতকদের কখনই শনিবার বিদেশ যাত্রা উচিত নয়। বলা হয় এতে নাকি প্রাণনাশের সম্ভবনা পর্যন্ত থাকে।

এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি খুব সুখী হয়, জীবনে অনেক ছোটো ছোটো ঝগড়া হয়ে থাকে কিন্তু তা ক্ষণ স্থায়ী। এরা যাকে ভালোবাসে তাকেই জীবন সঙ্গীনী হিসাবে বেছে থাকে, ও বিবাহিত জীবন খুব সুখ লাভী হয়ে থাকে। এরা খুব বুদ্ধিমান সঙ্গীর আসা করে থাকেন ও তা পেয়ে ও থাকেন। এদের আত্মবিশ্বাসটি খুব রাখা উচিত। এদের শুভ সংখ্যা – 3,6,9। শুভ রং – লাল ও মেরুন। শুভ দিন – মঙ্গলবার আর শুক্রবার।


বুধবার জন্ম হলে

মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহ দের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়।আজকে জানবো বুধবারে জন্মানো মানুষের ব্যক্তিত্ব কেমন হয়ে থাকে। মানুষের পরিচয় হল তার সুস্থ ব্যবহার। আর এই ব্যবহারটা নির্ভর করে তার সঠিক চরিত্রের ওপর। মানুষের শরীরে যেমন কেটে গেলে সেই অঙ্গটা ক্ষত থাকে তেমনি কোনো মানুষের কুণ্ডলিতে যদি কোনো বাঁধা বা কোনো গ্রহ দোষ থেকে থাকে তাহলে ভাগ্য ও তখন সঙ্গহীন হয়ে যায়। তাই শরীরের ক্ষত কে যেমন ঠিক করা এক দায়িত্ব তেমনি গ্রহ দোষের ও প্রতিকার করা উচিত। প্রতিকার মানেই যে কেবল মাত্র আংটি ধারণ, রত্ন ব্যবহার, অর্থব্যয় তা নয়।

ভগবান সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন সবাই কে দিয়েছে এটা যে যার নিজের অধিকার। তাই আজকে জানার বুধবারের মানুষ এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে। বুধবারে জন্ম নেওয়া ব্যক্তি ধর্ম ও কর্ম সহিষ্ণু হয়ে থাকে। এই দিনকে গনেশের দিন হিসেবে মাননীয়। এই দিনে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিগণ বুদ্ধি পটিয়সী হয়ে থাকে। এদের ব্যবহারে খুব নম্রতার ছোয়া পাওয়া যায়। তাই এই ব্যক্তিরা মানুষের কাছে খুব প্রিয় হয়ে থাকে। সাধারণ দৃষ্টিতে এরা একটু শ্যাম বর্ণের হয়ে থাকে। এরা আত্মীয় স্বজনদের খুব ভালোবেসে থাকে।

এই দিনে জন্মগ্রহণকারী মানুষরা সাধারনত খেতে খুব ভালোবাসেন, ক্রোধী, লোভী, ধনী, অভিমানী, আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকেন।
এরা খুব সহজেই অন্যদের বিশ্বাস করেন এবং তাদের কাছের মানুষ মনে করেন।
একইসঙ্গে এই দিনের জাতকেরা নানান বিষয় পারদর্শী, ভোগী, উচ্চাভিলাষী, আশাবাদী ও চরিত্রবান হয়ে থাকেন
এরা সব সময় অপরকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে যান।

8-12 বছরের মধ্যে এদের একটি সমস্যা এর সম্মুখীন হতে হয় আবার তা দ্রুত সমাধানও হয়ে যায়। বুধবারে জন্মানো ব্যাক্তিরা অল্পেতে খুব রাগান্নিত হয় ও এরা খুব স্পষ্টবাদী হয়। এই বারে জন্মানো ব্যাক্তিদের লিবারেল সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এই বারে জন্মানো ব্যাক্তি আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে উৎপন্ন রোগবাহী হয়ে থাকে। তবে এরা যে কোনও পরিবেশকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এরা অল্প পরিশ্রমেই সাফল্য লাভ করে। বুধবার জন্মানো জাতক কলা, খেলাধুলা, গায়ক, শিক্ষক, ব্যঙ্কঅধিকারী, ক্লার্ক, নৃত্য, ও কম্পিউটার অপারেটর এবং ইনসোরেন্স সম্বন্ধিয় কাজে এরা অল্প সময়ে সফলতা লাভ করে থাকে।

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, জন্মবারের মাধ্যমেই কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব সহ তার চারিত্রিক দোষ-ক্রটিগুলি সম্বন্ধে ধারণা করা যায়। কোনও মানুষের ব্যক্তিত্ব, চারিত্রিক গুণাবলী সম্বন্ধে ধারণা করা যায় সেই ব্যক্তির জন্মবার থেকে। কারন, কোনও মানুষের ব্যক্তিত্ব বা চরিত্রের উপর জন্মবার বিশেষভাবে প্রভাব সৃষ্টি করে। মানুষের ব্যক্তিত্ব বা চারিত্রিক গুণাবলী নির্ধারিত থাকে তার জন্ম বার অনুযায়ী। তবে জেনে নেওয়া, আপনার জন্মবার কী বলছে আপনার চরিত্র সম্বন্ধে। কোনও ব্যক্তির জন্মবার যদি বুধবার হয় তবে, জেনে নিন কেমন মানুষ সেই ব্যক্তি-

এরা সাধারণত ধনবান, নাস্তিক ও ধর্ম শাস্ত্রে অবিশ্বাসী, ভোগী, স্বাধীনচেতা, অনুতাপহীন হয়ে থাকেন।
নিজেদের উপর এদের দৃঢ় আস্থা থাকে একইসঙ্গে এরা খুব সাহসী হন
বুধবারের যাদের জন্ম তারা দয়ালু, দাতা, শাস্ত্র বিষয়ে অভিজ্ঞ, পণ্ডিত ও ভোগী হয়ে থাকেন।

নিজের ভাগ্য সম্পর্কে জানবার আগ্রহ অনেকেরই থাকে। একজন ব্যক্তি কেমন স্বভাবের হতে পারেন, তা জ্য়োতিষ শাস্ত্রের বিভিন্ন গণনা বলে দিতে পারে। ব্যাক্তির জন্ম তারিখ, জন্ম মাস যেমন তাঁর সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারে, তেমনই ব্যক্তির জন্মবার থেকেও তাঁর সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়। দেখে নেওয়া যাক যাঁরা বুধবার জন্মগ্রহণ করেন, তাঁদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট কেমন হয়।

বুধবার যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন তাঁদের মধ্যে কোনও বিষয়কে নিয়ে গভীরভাবে ভাবনা চিন্তা করবার ক্ষমতা থাকে। ভাইবোনেদের সঙ্গে এঁদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ হয়। যে কারোর সঙ্গে কথা বলে , তাঁদের আকৃষ্ট করে নেওয়ার ক্ষমতা এঁদের খুবই প্রবল।

বুধবার জন্মগ্রহণকারীরে খুবই যুক্তিতে চলেন। এঁদের মধ্যে যুক্তিবোধ প্রবল। কোনও বিজ্ঞান ভিত্তিক বা অঙ্ক ভিত্তিক পেশার সঙ্গে যুক্ত হলে এঁরা ব্যাপক সাফল্য পাবেন। এছাড়া সফর সংক্রান্ত কাজেও এঁদের বেশ আকর্ষণ থাকে। যে কাজে বুদ্ধি প্রবল ভাবে ব্যবহৃত হয়, সেই কাজেই এগিয়ে যাওয়া উচিত ব্য়ক্তিদে

অনেক সময় অন্যকে খুব সহজেই বিশ্বাস করে মনের সকল কথা বলে দিয়ে সমস্যায় পড়েন।
এরা একা থাকতে একদম পছন্দ করেন না। সব সময়ে অনন্দে থাকতে পছন্দ করেন।
এরা সবসময় নেতা হিসেবে থাকতে পছন্দ করেন। সকলেই এদের কথা শুনে চলবে, সম্মান করবে এমনটাই এদের কাম্য।
এরা খুব সহজেই রেগে যান, চিৎকার চেঁচামেচি করে ফেলেন।

এই বারে জন্মানো জাতক অধিক প্রেমাসক্ত থাকতে পারে কিন্তু যাকে প্রকৃত ভালোবাসে তাকে কখনো ধোকা দেয় না। এদের আত্মবিশ্বাসটি সুখের প্রবল কারণ হয়ে থাকে। এদের শুভ রং – সবুজ, শুভ সংখ্যা – 3,6, শুভ দিন – বুধবার ও শুক্রবার হয়ে থাকে। এই হলো বুধবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিগণের ব্যক্তিত্ব। অন্য দিনে জন্মানো ব্যাক্তিদের বিষয়ে জানতে নজর রাখুন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন




গ্রহ দের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়। আজকে জানবো বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব।

ব্যক্তিত্ব – সাপ্তাহিক পঞ্চম দিন হলো বৃহস্পতি। এই দিনের স্বামী গ্রহ দেবগুরু বৃহস্পতিকে মানা হয়ে থাকে। এই দিন জন্মানো ব্যাক্তি কে বিচক্ষন ও সাহসী বলে মনে করা হয়ে থাকে। যে কোনও কাজে এরা পিছিয়ে থাকে না। অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করে থাকে এরা। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি খুব তাড়াতাড়ি অন্য ব্যাক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয় ও ব্যবহাররীক চরিত্র খুব ভালো হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি রা সর্বদা জাতকের সঙ্গ দিয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তিরা লম্বা, ফর্সা, ও সুন্দর হয়ে থাকে।

এদের স্বভাব কেমন হয়? কথাতেই বলে বৃহস্পতির দশা মানেই অর্থ, সম্পত্তি। বৃহস্পতিবারে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন, তাঁদের জীবনে সম্পত্তি ও অর্থের প্রাচুর্য থাকা অসম্ভব নয়! এঁরা জীবনে যেকোনও কিছুই বড়সড় আকারে করতে ভালোবাসেন। এঁরা খুবই ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগোতে ভালোবাসেন। এঁরা জন্ম থেকেই কিছু শেখাতে পড়াতে ভালোবাসেন। নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা এঁদের মধ্যে অনেক বেশি


এই দিন জন্মানো জাতকের 7, 12, 13, 16 ও 30 বছর বয়সে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি এরা সেটাকে অতিক্রম করে বেরিয়ে আসে, এরা জীবনকে খুব উৎসাহের সাথে উপভোগ করে থাকে। এই ব্যাক্তি রা ভবিষ্যতের কথা খুব কম ভাবে কিন্তু বর্তমান কে নিয়ে এরা খুব বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে।




বৃহস্পতিবার জন্মানো নারীরা একটু ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসী ও আস্থাশীল হয়ে থাকে। এরা পুজো-অর্চনার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হয়ে থাকে। এরা হয় খুব আধুনিক চিন্তাশীল না হলেও খুব পুরাণধার্মী হয়ে থাকে না। এরা খুব পরোপকারী হয়ে থাকে। সবাইকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। এরা সবার প্রতি খুব দয়াশীল হয়ে থাকে। এই বারে জন্মানো জাতক ধনী, ও সমৃদ্ধিময় হয় কিন্তু কিছু সময় এরা একটু লালসাধর্মী হয়ে পড়ে। সময়ে এরা খুব বুদ্ধিশীল হয়ে থাকে।

স্বাস্থ্য – বৃহস্পতিবার জন্মানো ব্যাক্তি লিভার এর রোগে আক্রান্ত হন। এদের হৃদরোগ ও আকস্মিক স্থুলতার লক্ষণ দেখা যায়। তাই এই ব্যাক্তির শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়া, যোগা করা উচিত।

ক্যারিয়ার – বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক অধিক চিন্তা শীল ও খুব বুদ্ধিমান হয়ে থাকে। এরা সাধারণত ধার্মিক, দার্শনিক, পত্রিকার, রাজনীতিবিদ ও লেখক প্রভৃতি তে সফলতা লাভ করে থাকে। এরা যাকে জীবনসঙ্গীনী হিসাবে নির্বাচন করে থাকেন সর্বদা তার সাথ দিয়ে থাকেন। এদের বৈবাহিক বন্ধন খুব সুখের হয়ে থাকে। খুব সভ্য ও সালীন জীবনযাপন করে থাকে। নারীরা খুব নম্র প্রাকৃতির হয়।এদের শুভ রং হলুদ হয়। শুভ সংখ্যা 4 ও শুভ দিন বৃহস্পতিবার ও মঙ্গলবার হয়। এই গ্রহে জন্মানো ব্যাক্তি বিশেষ গুনধর্মী চরিত্রের হয়।

যাঁরা বৃহস্পতিবার জন্মান তাঁদের মধ্যে সকলকে তুষ্ট করে চলবার ব্যাপক ক্ষমতা থাকে। ফলে যেকোনও বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে এঁরা অনেক বেশি পটু হয়ে ওঠেন। ফলে যেকোনও উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে এঁরা বেশি উপযুক্ত


জ্যোতিষ শাস্ত্রের মতে যে সমস্ত ব্যক্তির জন্ম বৃহস্পতিবারে তারা শাস্ত্রজ্ঞ আচার, সত্যনিষ্ঠ, ধার্মিক, পরোপকারী, সুবিচারক ও ধীরস্থির প্রকৃতির হয়। এরা একদিকে যেমন কর্মঠ হয়, অন্যদিকে রাগী ও স্বেচ্ছা-চারি হয়। এদের সাহিত্য, সাংবাদিকতা, চিকিৎসা, অধ্যপনা প্রভৃতি বিষয়ে যোগ্যতা থাকবে।
বৃহস্পতিবার জন্ম হলে সেই জাতক-জাতিকারা সাধারণত বুদ্ধিজীবি জগতের অন্তর্গত হয়ে থাকেন।


এই দিনে জন্মানো জাতক-জাতিকারা বই পড়তে খুবই ভালোবাসেন, এদের প্রিয় বন্ধু হল বই।
এই দিনে জন্ম হলে এরা যেমন ভালো শ্রোতা, একইসঙ্গে এরা খুব ভালো বক্তাও।
এরা অল্পতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন, আবার নিজেদের সংযতও করে নেন।
বৃহস্পতিবার জন্ম এই জাতক-জাতিকারা অতিরিক্ত কথা বলার জন্য প্রচুর সমস্যার সম্মুখীণও হন।
এই দিনে জন্ম হলে যে কোনও বিতর্কমূলক আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে এরা খুব ভালোবাসেন।
বৃহস্পতিবারের জন্ম হলে এরা যে কোনও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে কাজে সাফল্য লাভ করে থাকেন।




এরা যে কাজ সুরু করবে সেই কাজ যতই দুঃসাধ্য ও কঠিন হোকনা কেন, তাতে অফুরন্ত জস লাভ করবে। শিক্ষার ক্ষেত্রে বাধা, এদের দাম্পত্য জীবন সুখের হবে, এরা দীর্ঘায়ু হবে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, একজন মানুষ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা করা যায় সে সপ্তাহের কোন বারে জন্মগ্রহণ করেছে তার ওপর। জেনে নেওয়া যাক ,বৃহস্পতিবার যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন তাঁদের চরিত্র কেমন হয়।


প্রেম
এরা খুবই স্পষ্টবাদী হয়ে থাকেন। এদের ভেতরে যা রয়েছে তাই তারা বাইরে প্রকাশ করেন। ফলে প্রেমের ক্ষেত্রে কোনও লুকোচুরি করেন না এরা। এরা সঙ্গীকে খুশি রাখতে যাবতীয় স্বার্থ ত্যাগ করতেও প্রস্তুত হন। প্রেমে এদের অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ, সঙ্গী তাতে সায় না দিলেই হয়ে যায় মুশকিল!

বিয়ে
এদের দাম্পত্য জীবনের ভাগ্য খুবই স্বস্তিকর হয়। সঙ্গীকে এরা সুখে রাখতে সর্বোতভাবে চেষ্টা করেন। তবে বিয়ের পর আর্থিক দিকে নজর দেওয়া এদের বেশি প্রয়োজন।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন




শুক্রবারে জন্মগ্রহন করা জাত ব্যক্তির ভাগ্য

প্রত্যেকটি মানুষেরই আলাদা আলাদা রকমের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। পাশাপাশি এও বলা হয় যে, একজন মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থানের ওপর। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, জন্মবার অনুসারে একজন মানুষেকর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কেমন হবে তা বোঝা যায়। দেখে নিন শুক্রবারে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা কেমন ব্যক্তিত্বের অধিকারী হন।
শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তিরা বুদ্ধিমান, সহনশীল , ভাবুক ও মিষ্টি স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা যে কোনও পরিস্থিতিকে খুব সহজেই মোকাবিলা করতে পারে ও সর্বদা অন্যের উপকারে নিয়োজিত থাকে এদের প্রাণ। এরা চারিত্রিক দিক থেকে খুই রোমান্টিক প্রকৃতির হয়ে থাকেন। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে এরা অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হয়ে থাকেন। পাশাপাশি এরা সাজগোজের ক্ষেত্রেও বিশেষ পারদর্শী হয়ে থাকেন এবং সাজগোজ নিয়ে এদের আগ্রহ অন্যান্যদের থেকে খুবই বেশি।
নিজেদের গুছিয়ে রাখা খুবই পছন্দ করেন। এরা আদতে খুবই শৌখিন প্রকৃতির হয়ে থাকেন। আর নিজের এই শৌখিন স্বভাবের জন্য় এরা অনেকসময়ে অতিরিক্ত ব্যয়প্রবণ হয়ে ওঠেন। এরা অত্যন্ত মিষ্ট স্বভাবের হওয়ার জন্য এরা খুব সহজেই মানুষের মন জয় করে নিতে পারেন।

যাঁদের জন্ম শুক্রবারে তাঁরা স্বভাবগতভাবে রোম্যান্টিক। এঁরা অনেক কিছুই আগাম বুঝতে পারেন। স্মৃতিশক্তিও প্রখর। অন্যদের কষ্টে এঁরা যন্ত্রণা পান। তবে একটু অলস হওয়ায় লোকের সমালোচনা শুনতে হয়।

তাঁরা অল্প বয়সেই দায়িত্বপূর্ণ কাজ করতে পারেন। সেই কারণে, একটু বয়স বাড়ার পরে অনেকসময়ে একাকীত্ব ভোগ করেন। এরা জীবনে লক্ষ্য নিয়ে চলেন এবং লক্ষ্যপূরণের জন্য একক লড়াই চালাতে ভালবাসেন।

এরা বন্ধু বানাতে খুব ভালবাসেন। কারণ একাকীত্ব এরা একেবারেই ভালবাসে না। তবে এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিরা জীবনের বিশেষ কিছু সময়ে একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগে থাকেন। পাশাপাশি এইদিনে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা সকলের নিজের কাজের দ্বারা সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকে। আর সেই কারণেই কোনও কাজের প্রতি এরা বিশেষ মনোযোগী হয়ে থাকে। এছাড়াও এই দিনে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা প্রেমেরক্ষেত্রেও অত্যন্ত রোমান্টিক প্রকৃতির হয় বা কিছু কিছু সমস্যার জন্য এদের প্রেমে একাধিক সমস্যার সৃষ্টি হয়।

মানুষ জীবনে যতোই বৃহৎ হোক বা ধনী হোকনা কেনো গ্রহ দের ওপরে সে সর্বদাই নির্ভরশীল। আজ কাল কার মানুষেরা যতোই আধুনিকতার হাত ধরে হাঁটুক না কেনো তাদের গ্রহের ওপর বিশ্বাসী হতে হয়। মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহদের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়। তাই আজকে আমরা জানবো শুক্রবার জন্মানো জাতকের ব্যক্তিত্ব, জীবন- যাপন ইত্যাদি বিষয়ে।

শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তিদের জীবন ওই দিনের গ্রহের অবস্থানের ওপর নির্ভরশীল। এটা মানা হয় যে শুক্রবারে জন্মানো ব্যাক্তি ওপর দেবী লক্ষ্মী ও শুক্র গ্রহ বিশেষ প্রভাব শালী হয়। এই দিনের স্বামী হলেন শুক্র ও দেবী হলেন মা লক্ষ্মী তাই এদের ওপর এক ভৌমিক সুখ স্বাচ্ছন্দ লক্ষ করা যায়। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি বুদ্ধিমান, মিষ্টি স্বভাবী, সহনশীল ও ভাবুক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা যে কোনও পরিস্থিতি কে খুব সহজে মোকাবিলা করতে পারে ও সর্বদা পরোপকারি হয়ে থাকে। এদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য খুব রোমান্টিক ও চতুরধর্মী হয়ে থাকে। এরা সঙ্গীতের প্রতি বিশেষ অনুরাগী হয়ে থাকে।

এই দিনে জন্মানো ব্যক্তি খুব ফর্সা ও আকর্ষণীয় মুখশ্রী হয়ে থাকে। এরা নিজেদের খুব সাজ শয্যায় আবৃত করে রাখে ও সাজ গোজের প্রতি বিশেষ আকৃষ্ট হয় এবং এটা খুব পছন্দ করে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি নিজেদেরকে খুব গুছিয়ে রাখতে ভালো পরে। কোথাও বেরোনোর আগে পরিপাটি করে নিজেদের গোছয় ও বাড়ির চারপাশ ও গুছিয়ে রাখার এক প্রবল প্রবনতা এদের মধ্যে বর্তমান। এই পরিপাটিতার জন্য অধিক ব্যয় ধর্মী হয়ে থাকে। এরা খুব মিষ্টি কথায় মানুষের মন জয় করে ও তাদের গোপন কথা জানে কিন্তু নিজের মনের কথা কাউকে বুঝতে দেয় না। এরা খুব চতুর প্রকৃতির ও চালাকশীল মানুষ হয়ে থাকে।

এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি একাকীত্ব একদম পছন্দ করে না, এরা খুব বন্ধু পিয়াসী হয়ে থাকে। তাই এদের বন্ধু সংখ্যা ও অধিক থেকে অধিকতর হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি শারীরিক দিকে একটু দুর্বল হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে সুগার, জন্ডিস, চোখের সমস্যা, গলার সমস্যা, ও জ্বর এই সব রোগের সমস্যা হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি খুব নিজের প্রশংসা আকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকে। তাই কোনো কাজ খুব মনোযোগের সহিত সম্পন্ন করে। এরা অনেক ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করে ও সকলের খুব প্রিয় পাত্র ও হয়। এদের পরিচ্ছন্ন মানসিকতা নিজের কাজের ক্ষেত্রে ও ব্যবহার করে থাকে।

এরা ফ্যশান্যেবল কাজের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে এছাড়াও বিভিন্ন সফটওয়্যার কাজেও সাফল্য লাভ করে থাকে। শুক্রবারে জন্মানো জাতক অধিক চঞ্চলতার কারণে এরা অধিক প্রেম পিয়াসী হয়। এরা নিজেদের কিছু অভ্যাস বসত কারণে সম্প্রতি সম্পর্কে বিপত্তি ঘটে থাকে আবার তা শীঘ্রই সমাধান ও করে ফেলে। এরা নিজের জীবন সঙ্গীনির প্রতি খুব সৎ ও নিষ্ঠাবান হয়ে থাকে। এদের শুভ দিন শুক্রবার ও বুধবার। শুভ সংখ্যা 7 ও শুভ রং লাল, গোলাপী, কমলা।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে




শনিবারে জন্মগ্রহণ জাত ব্যক্তির ভাগ্য কেমন

মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহ দের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়।আজকে জানবো শনিবারে জন্মান মানুষের ব্যক্তিত্ব কেমন হয়ে থাকে।

ব্যক্তিত্ব – শনিবারের অধিপতি সূর্য পুত্র শনিদেব। এই বারে জন্ম গ্রহণ কারী ব্যক্তিরা নিজের উপর খুব বিশ্বাসী হন। এনেরা কাউকে কথা দিলে ওই কথার খেলাপ করেন না। অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত এরা সফলতা পায়। এরা একটু অলস স্বভাবের হন।

এই সমস্ত ব্যক্তির বন্ধুর সংখ্যা কম হয়। কিন্তু বন্ধুদের প্রতি খুব বিশ্বাসী হন। হঠাৎ করে রেগে যান এবং পরে এই রাগের জন্য অনুশোচনা করতে হয়। এই দিনে জন্মানো ব্যক্তিরা দেখতে খুব আকর্ষণীয় ও সুন্দর হন। বন্ধু সুলভ মনের অধিকারী ও অধিকারিণী হন এবং সহজেই সবার মন জয় করতে পারেন। এরা গরিবের সেবা করতে ভালোবাসেন। এদের মন শান্ত হয় কিন্তু পরিস্থিতি কখনও খারাপ হতে বাধ্য করে। শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক বাধা বিপত্তির মধ্যে পড়তে হয় কিন্তু কঠোর পরিশ্রম শেষ পর্যন্ত সফলতা এনে দেয়।

ব্যাক্তিত্ব
শনিবার জন্মগ্রহণকারীরা স্বভাব-চরিত্রে একটি ধীর-স্থির হয়। তবে এরা খুব স্টেডি এবং পরিশ্রমী চরিত্রের মানুষ। এঁদের বুদ্ধিমত্তাও তারিফ করার মতো। সবচেয়ে বড় কথা এরা খুবই বাস্তববাদী হন। নিয়মানুবর্তিতায় একদম কড়া ধাচের ও স্পষ্ট বক্তা যাকে বলে। তবে, এরা যে খুবই সাধু গোছরের হয়-এমনটা ভাবার কারণ নেই। কারণ, এরা যদি কোনও একটা জিনিসের পিছনে পড়ে যায় তাহলে তাকে হাসিল করার জন্য যে-তেন প্রকারের কাজ করতেও পিছপা হয় না।

প্রবল দায়িত্বশীল
জ্যোতিষ শাস্ত্র-এ শেষ গ্রহ হল শনি। এই দিনে জন্মগ্রহণকারী মানসিকভাবে প্রচণ্ডরকমের পরিণত হয়। এরা নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ভালরকমের ওয়াকিবহাল থাকে। দায়িত্ব ও কর্তব্যকে এরা অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। অপরিচিতদের কাছে এমনভাব করে যেন প্রচণ্ডরকমের সিরিয়াস। কিন্তু, এরা যদি সমমনোভাবাপন্ন মানুষ খুঁজে পেলে তাদের সঙ্গে এমন আন্তরিকতায় মাতে যে সিরিয়াসনেস উধাও হয়ে যায়। ম্য়ানেজমেন্ট সেক্টরে দেখা গিয়েছে এরা প্রবল প্রতিভাশালী। এরা সবসময় চায় ভুল করতে এবং সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজে নিজে কিছু খাড়া করতে।

স্বাস্থ্য – এই দিন জন্মগ্রহণ করেন যে সব ব্যক্তিরা তাদের হাড় ও হাঁটুর সমস্যা দেখা যায়। এনাদের কোমরে ও পিঠে ব্যথা কানের সমস্যা দেখা যায়। নিজের স্বাস্থের প্রতি খেয়াল রাখা খুবই দরকার। কেরিয়ার – এই দিন জন্মানো ব্যক্তিরা সব ক্ষেত্রে সমান পারদর্শীতা দদেখায়।ববিজ্ঞান, টেকনিক্যাল, কৃষি, ডাক্তার, সিআইডি, আইন বিভাগ, ইঞ্জিনিয়ার প্রভৃতি ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন। সমস্ত কাজ দায়িত্বের সঙ্গে সুন্দর ভাবে করে থাকেন।অফিসে বসের খুব প্রিয় হন

ভালবাসা
এরা চারিত্রিকগতভাবে খুব 'সাই' টাইপের মানুষ। তবে, এদের মধ্যে ভালবাসা প্রচণ্ডভাবে থাকে। এদের হৃদয় বিশালরকমের ভালবাসায় ভরা। কিন্তু, এরা মুখ ফুটে তা বলতে পারে না বা এমনকিছু করতে পারে না যা থেকে তাদের ভিতরের পরিপূর্ণ ভালবাসার সন্ধানটা সহজে মেলে। এরা লাইফ-পার্টনার খোঁজার ব্যাপারে অত্যন্ত কেয়ারফুল এবং সিলেক্টিভ গোছরের মানুষ। এরা লাভ-লাইফ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার সম্পর্কে ভালো-করে জেনে নিয়ে তবে সিদ্ধান্ত নেয়। এরা একটু স্বাধীনচেতা টাইপের মানুষও বটে। ফলে, এরা চায় তাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনী যেন তার পছন্দ ও চাওয়া-পাওয়াকেই বেশি করে অগ্রাধিকার দেয়।

প্রেম – শনিবারে জন্মানো ব্যক্তিরা কখনো কাউকে প্রেমে ধোঁকা দেয়না এবং কাউকে ঠকায় না। এরা কোন দিন দেখিয়ে প্রেম করেন না। এরা কাউকে মন প্রান দিয়ে ভালোবাসে এবং তার জন্য সবকিছু করতে পারে। রাগের কারনে এদের সম্পর্কের মধ্যে ছোট ছোট বিবাদ সৃষ্টি হতে পারে। পরে নিজেরা তা ঠিক করে নেয়। দাম্পত্য জীবন সুখকর হয়

বিবাহ
শনিবারে জন্মগ্রহণকারীরা এতটাই পারফেকশনিস্ট যে তারা ঘরোয়া জিনিসেও একটা প্রফেশনাল অ্যাপ্রোচের আশা করে থাকে। যদিও, পরিবারঅন্ত প্রাণ এরা। তথাপি এরা পরিবারের মধ্যে সুখ ও সমৃদ্ধি দেখার জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম করতেও দ্বিধা করে না। এতে পরিবারের মানুষের সঙ্গে আত্মিকতার বন্ধন আরও তীব্র হয় বলে এদের ধারনা। এরা খুব একটা ঘ্যানঘ্যান- করা টাইপের মানুষ হয় না। কারোর সম্পর্কে সহজে কোনও অভিযোগও করে না। এমনকী এরা জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে কখনই সন্দেহ করে না। উল্টে তাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে কতটা ব্যক্তি-পরিসর দিলে ভালো হয় সে বিষয়টাও ভাবে।



কেরিয়ার
শনিবারে জন্মগ্রহণকারীরা অঙ্ক কষে খুব সুন্দর করে জীবনে এগোনোর ক্ষমতা রাখে। যে কোনও জিনিস করার আগে তাতে এত সুন্দর একটা নকসা তৈরি করে যে সাফল্য পাওয়াটা খুব সহজ হয়ে যায়। যার ফলে দেখা যায় শনিবারে জন্মনেওয়াদের মধ্যে ব্যাবসায়িক বোধ-বুদ্ধি প্রবলভাবে থাকে। এরা চারিত্রিকগতভাবে প্রচণ্ড পারফেকশনিস্ট বা নিখুত হওয়ার চেষ্টা করে।

শুভ দিন :এদের শুভ দিন হল শনিবার ও মঙ্গলবার। শুভ রং :শুভ রং হল কালো ও লাল। শুভ সংখ্যা : ৩, ৬, ৯।





Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200310102121

Sunday, February 23rd, 2020

Astro Research Centre

কৃষ্ণ কথা, কৃষ্ণ লীলা, রাধা কে, কৃষ্ণ কে

কৃষ্ণ কথা, কৃষ্ণ লীলা, রাধা কে, কৃষ্ণ কে

ফল বিক্রেতা ও কৃষ্ণ

বাল্যকালে একদিন শ্রী কৃষ্ণ তার সখাদের সাথে খেলছিলেন ।সেসময় প্রভুর ক্ষুধা পেল ।মাখন চুরি করায় যশোদা মা মাখন একটি ঘরে রেখে তালাবদ্ধ করে রেখেছেন । ঠিক সসময় এক দরিদ্র ফল বিক্রেতা মহিলা এলেন । শ্রী কৃষ্ণ ফল
বিক্রেতার কাছে ফল চাইলেন ।ফল বিক্রতা উত্তর দিল বাবা আমি আর আমার ছেলেমেয়েরা তিন দিন থেকে অনাহারে আছি । এই ফল বেচে তাদের জন্য খাবার কিনতে হবে । যদি তুমি আমাকে কিছু অন্ন অথবা অর্থ দাও তবে এসব ফল তোমাকে দিয়ে দিব ।এই কথা শুনে লীলাধারী প্রভু ঘরে অন্ন অনতে গেল ।


এদিকে ঘরে গিয়ে শ্রী কৃষ্ণ দুহাতের অন্জলিতে করে চাল অর্থাত্‍ অন্ন নিয়ে আসলেন কিন্তু ছোট কৃষ্ণের হাতের অন্জলির মাঝ থেকে সব অন্ন পড়ে গেল ।এমন করে বেশ কয়েকবার গেল কিন্তু বারবারই সব অন্ন নিচে পড়ে যেতে লাগল ।অবশেষে প্রভু কান্না শুরু করল ।সেই কান্নার শব্দে সৃষ্টি বিচলিত হয়ে পড়ল ।কান্না দেখে ফলবিক্রেতা মহিলার মন গলে গেল ।বলল আমারো দুটো ছেলে আছে তাদের ক্ষিধার জন্য কান্না তিনদিন থেকে দেখছি । বাবা তোর এই কান্না দেখতে পারব না ।এই নে আমার ঝুড়ির সব ফল নে । তখন কৃষ্ণ কান্না বাদ দিয়ে একটা মধুর হাসি দিলেন ।



এদিকে সব ফল দান করে রিক্ত ঝুড়ি নিয়ে ঘরে ফিরে আসে ঐ ফল বিক্রেতা মহিলা । মাকে ফিরতে দেখে তার ছেলেরা দৌড়ে মায়ের কাছে যায় । তার কাছে খাদ্য চায় । কিন্তু ঐ ফল বিক্রেতা তো সব ফল কৃষ্ণকে দিয়ে দিছেন ।তার কাছে অর্থ অথবা খাদ্য কিছুই নেই । তাই সে তার পুত্রদের আজও অনাহারে থাকতে বলে ।তখন একটা ছেলে সেই ঝুড়ির দিকে এগিয়ে যায় ।ভাবে যদি ফল পায় । কিন্তু গিয়ে দেখে একি সেই ঝুড়ি তো স্বর্নালংকারে ভর্তি ।ফলবিক্রেতা এই লীলা দেখে বুঝতে পারে শ্রী কৃষ্ণ সাধারন মানব না । দেবতা ।



ভক্ত সুরদাসের কাহিনী

আমরা সকলেই জানি ভক্তদের সঙ্গে ভগবানের এক গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়। এর উদাহরণ আমরা পুরাণ কাহিনী সূত্রে জেনেছি যেমন রাধা ও কৃষ্ণ লীলা। আজকে জানবো কি ভাবে ভগবানকে ভক্তি ভরে ডাকলে ভগবানের সাক্ষাত পাওয়া যায়। ভক্ত সুরদাস জন্ম থেকেই অন্ধ। তার দেখা শোনার জন্য কোনো লোক থাকত না। লাঠি হাতে কৃষ্ণ নাম জপ করতে করতে ভ্রমণ করে বেড়ায়। সংসারে একা দরিদ্র ভিক্ষুক। কোনো দিন খাবার জোটে আবার কোনো কোনো দিন জোটে না। কিন্তু তার দারিদ্রতা তার মনের আনন্দকে হরণ করতে পারে নি। কিন্তু তার মনের আত্মা পড়ে থাকে কৃষ্ণ নামে। মুখে দারিদ্র ভাব থাকলেও মনে আছে গম্ভীর আনন্দ এর সুখ। সে ঠিক করে যে করে হোক কৃষ্ণ দেখা পেতেই হবে। সে মনে করে কৃষ্ণ দেখা না পেলে তার জীবন বৃথা।

তাই সে রওনা হয় মথুরা পথে। অন্ধ হওয়া সত্বেও সে কেবল মাত্র লাঠি কে অবলম্বন করে মথুরা পথে গমন করে আর মুখে কৃষ্ণ নাম। রাস্তা তে কোনো বাঁধা বিপত্তি তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। সে কৃষ্ণ নাম জপ করতে করতে গভীর অরন্যে প্রবেশ করে। আর রাস্তায় কোনও লোকের দেখা পেলে জিজ্ঞেস করে ভাই মথুরা কতো দূর। কেউ কেউ তার প্রশ্নের উত্তর দেয় আবার কেউ কেউ দেয় না। বন্য পশুর পদধ্বনি শুনলেও জিজ্ঞাস করে মথুরা কত দূর। পথে মাঝে মাঝে কেউ জল দেয়, রুটি দেয়, পথে কেউ কেউ বলে মথুরা তো অনেক দূর তাতেও সে বলে প্রভুর দেখা পেতেই হবে। কঠিন পথ পার হতে গিয়ে অনেক বাধা বিপত্তি পার হতে গিয়ে অনেক আঘাত পেয়েছে কিন্তু তাতেও মুখে কৃষ্ণ নাম নিয়ে এগিয়ে চলে।




তার মনে আনন্দের জোয়ার মথুরাতে প্রভু কে দর্শন করবে। সব দুঃখ কষ্ট মুছে যায়। গভীর আনন্দ তাকে এত টাই দুর্বল হয়ে যায় যে চলতে চলতে মানুষহীন এক অরন্যে এসে পৌঁছায়। আর লক্ষহীন ভাবে এক কুঁয়োতে পড়ে যায়। কিন্তু সে আনন্দে গান গেয়ে যায় আর মুখে কৃষ্ণ নাম। কিন্তু কয়েক দিন পর ক্ষুধায় তার জীবন অনাড়ম্বর হয়ে গেছে। হঠাৎ একদিন সে এক বালক কে দেখতে পেলো, এক ঘটি দুধ নিয়ে বনের মধ্যে যাচ্ছিলো। গো গো শব্দ শুনে আসে। আর একটি লতা দিয়ে তাকে ওপরে তুলে আনে। আর বলে আমার জীবন দাতা তুমি কে, তারপর বালক টি বলে সুর দাস তুমি তিন দিন কিছু খাওনি এই নাও দুধ টুকু খাও।


তারপর দুধ পান করে বালকটির হাত ধরতেই তার সারা শরীর রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে এবং নয়ন ভোরে জল পড়তে শুরু করে। সুর দাস বললো বন্ধু এবার পরিচয় দাও এবার। বালকটি বললো আমি গোয়ালার ছেলে। এই পথে মথুরার উদ্দেশে যে সব যাত্রী যায় তাদের তৃষ্ণা দূর করে থাকি। সুর দাস তার গলা জড়িয়ে ধরে বললো আমি তো সেই গোয়ালার ছেলে কেই করে খুঁজছি। যদি তুমি এসে থাকো তো একবার তোমার শ্রী মুখ খানি দেখাও। বালকটি বললো তুমি তো অন্ধ কি করে দেখবে আমাকে। আচ্ছা আমি তোমাকে দৃষ্টি দান করলাম। চোখে হাত বলাতেই সুর দাসের দৃষ্টি ফিরে আসে, আর সে দেখতে পায় সামনে এক শ্যাম রুপি বালক মাথায় এক ময়ূর পালক, গলাতে বনমালা, কোমরে বাঁশি।




সুর দাস মোহিত হয়ে তার পদ চরণে লুটিয়ে পড়ল। বলল দেখা পেয়েছি প্রভু। আমার চোখ আজ ধন্য। আমার প্রথম দেওয়া দৃষ্টি দিয়ে আমি তোমাকেই দর্শন করলাম প্রভু। আজ আমি ধন্য। আর কার রূপ আমি দেখতে চাই না। এই ভাবে সুর দাস শ্রী কৃষ্ণের দর্শন পেয়ে ছিলেন। অর্থাৎ পবিত্র হৃদয়ে লক্ষ্য স্থির রেখে, যত বাধাই আসুক না কেন তা সত্ত্বেও ভগবানকে ডেকে গেলে নিশ্চয় ভগবান সদয় হবেন, তাঁর দেখা পাবেন।


রাধা কে ?

রাধা নামের অারেকটি অর্থ হল --- #রা --- শব্দটা রমন শব্দ থেকে এসেছে। রমন শব্দের অর্থ হচ্ছে অানন্দ বর্ধনকারী। #ধা --- শব্দটা ধারন থেকে। #রাধার অর্থ অানন্দকে ধারন করা। যিনি অানন্দকে ধারন করে থাকেন তিনিই "রাধা"।

#এখানে_অানন্দ_টা_কে??? এখানে অানন্দ টা হল শ্রীকৃষ্ণ। শ্রীকৃষ্ণের অারেক নাম #সচ্চিদানন্দ। সৎ, চিৎ, অানন্দ।অানন্দ স্বরূপ শ্রীকৃষ্ণকে যিনি মনের মধ্যে ধারন করে অাছেন তিনিই "রাধা"।

#রাধাকে_বৃষভানু_নন্দিনী_বলা_হয়_কেন??? #বৃষভানু_কে??? "বৃষ" অর্থ বিষাদ কে বুঝানো হয়েছে। "ভানু" অর্থ ভঙ্গ কে বুঝানো হয়েছে। সুতরাং "বৃষভানু" অর্থ যার মন থেকে বিষাদ ভঙ্গ হয়েছে। মানুষের মধ্যে মনের বিষাদ ভঙ্গ হওয়ার পরেই ত মনে অানন্দের সৃষ্টি হয়, তার সেই অানন্দটাকে মনে ধারন করাটাই হচ্ছে "রাধা"। অর্থাৎ বিষাদ ভঙ্গ হওয়ার পরে সে বিষাদের জায়গায় মনে যে অানন্দের অাগমন হয় সে অানন্দটাকে ধারন করাটাই হচ্ছে "রাধা"।

#শ্রীকৃষ্ণকে_সচ্চিদানন্দ_কেন_বলা_হয়??? তার মনে কোন বিষাদ নেই, সুখ দুঃখের অবকাশ নেই। তিনি এক অবস্তায় অানন্দের মধ্যে স্থির থাকেন। তিনি কেবল অানন্দেই বিহার করেন তাই তার নাম "সশ্চিদানন্দ"।সে অানন্দটাই হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় স্থান। যার মনে অানন্দকে ধারন (রাধা) করেছেন সেখানেই শ্রীকৃষ্ণ বিরাজ করেন। সে অানন্দই হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণ পরমাত্মার নিবাস স্থান।

"মানুষের দেহে ৫ টি স্তর অাছে"। এই ৫ টি স্তরের মধ্যে কোন স্তরে শ্রীকৃষ্ণ পরমাত্মার অংশ স্বরূপ অাত্মার নিবাস স্থান সেটা দেখে নিই।

১) অন্নময় কোষ --- যাহা অন্ন দ্বারা গঠিত হয়েছে। অর্থাৎ এই স্থুল শরীর।

২) প্রানময় কোষ --- এই স্থুল শরীরের ভেতর সূক্ষ্মশরীর অবস্থিত।

৩) মনময় কোষ --- এটা প্রানময় কোষের ভেতর অারো সূক্ষ্মভাবে অবস্থিত।

৪) বিজ্ঞানময় কোষ --- এটা মনময় কোষের ভেতর অারো সূক্ষ্মভাবে অবস্থিত।

৫) অানন্দময় কোষ --- এটা বিজ্ঞানময় কোষের ভেতর অারো সূক্ষ্মভাবে অবস্থিত।

এই অানন্দময় কোষের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ পরমাত্মার অংশ স্বরূপ অাত্মার অবস্থান। অর্থাৎ যেখানে অানন্দ সেখানে সশ্চিদানন্দ। যেখানে রাধা (অানন্দ ধারন) সেখানে শ্রীকৃষ্ণ। আর যেখানে রাধা নেই সেখানে শ্রীকৃষ্ণও নেই। এখানে রাধা কোন নারী নয়, অানন্দের যেহেতু কোন রূপরেখা নাই। এখানে মানুষকে সহজে বুঝানোর জন্য নারী রূপ দেওয়া হয়েছে। -





Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200223200944

Sunday, February 23rd, 2020

Astro Research Centre

শ্রীমদ্ভাগবত গীতা শ্লোক- ১২, অধ্যায়- ৪র্থ

 শ্রীমদ্ভাগবত গীতা শ্লোক- ১২, অধ্যায়- ৪র্থ


শ্রীমদ্ভাগবত গীতা
শ্লোক- ১২, অধ্যায়- ৪র্থ

কাঙ্ক্ষন্তঃ কর্মণাং সিদ্ধি যজন্ত ইহ দেবতাঃ।
ক্ষিপ্রং হি মানুষে লোকে সিদ্ধির্ভবতি কর্মজা।।

অনুবাদ- এই জগতে মানুষেরা সকাম কর্মের সিদ্ধি কামনা করে এবং তাই তারা বিভিন্ন দেবদেবীর উপাসনা করে। সকাম কর্মের ফল অবশ্যই অতি শীঘ্রই লাভ হয়।


যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত ।
অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্ ।।৭।।

যদা, যদা, হি, ধর্মস্য, গ্লানিঃ, ভবতি, ভারত,
অভ্যুত্থানম্, অধর্মস্য, তদা, আত্মানম্, সৃজামি, অহম্ ।।৭।।

অনুবাদঃ হে ভারত ! যখনই ধর্মের অধঃপতন হয় এবং অধর্মের অভ্যূত্থান হয়, তখন আমি নিজেকে প্রকাশ করে অবতীর্ণ হই।


শ্লোক: 8:
পরিত্রাণায় সাধূনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।।৮।।

পরিত্রাণায়, সাধূনাম্, বিনাশায়, চ, দুষ্কৃতাম্,
ধর্ম-সংস্থাপনার্থায়, সম্ভবামি, যুগে, যুগে।।৮।।

অনুবাদঃ সাধুদের পরিত্রাণ করার জন্য এবং দুষ্কৃতকারীদের বিনাশ করার জন্য এবং ধর্ম সংস্থাপনের জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হই।

শ্লোক: 9:
জন্ম কর্ম চ মে দিব্যমেবং যো বেত্তি তত্ত্বতঃ ।
ত্যক্ত্বা দেহং পুনর্জন্ম নৈতি মামেতি সোহর্জুন ।।৯।।

জন্ম, কর্ম, চ, মে, দিব্যম, এবম্, যঃ, বেত্তি, তত্ত্বতঃ,
ত্যক্ত্বা, দেহম্, পুনঃ, জন্ম, ন, এতি, মাম্, এতি, সঃ, অর্জুন ।।৯।।

অনুবাদঃ হে অর্জুন ! যিনি আমার এই প্রকার দিব্য জন্ম ও কর্ম যথাযথভাবে জানেন, তাঁকে আর দেহত্যাগ করার পর পুনরায় জন্মগ্রহণ করতে হয় না, তিনি আমার নিত্য ধাম লাভ করেন।


তাৎপর্য-
এই জড় জগতে দেব দেবীদের সম্বন্ধে বিষয়াসক্ত লোকেদের একটি ভ্রান্ত ধারণা আছে।অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন বেশ কিছু লোক,যারা নিজেদের মহাপণ্ডিত বলে লোক ঠকায় তারা এই সমস্ত দেবদেবীকে ভগবানের বিভিন্ন রুপ বলে মনে করে এবং তাদের ভ্রান্ত প্রচারের ফলে জনসাধারণও সেই কথা সত্য বলে মনে করে। প্রকৃতপক্ষে এই সমস্ত দেবদেবী ভগবানের বিভিন্ন রুপ নন তারা হচ্ছেন ভগবানের বিভিন্ন অংশবিশেষ।
ভগবান হচ্ছেন এক আর অবিচ্ছেদ্য অংশেরা হচ্ছে বহু।
বেদে বলা হয়েছে, নিত্যো নিত্যানাম্- ভগবান হচ্ছেন এক ও অদ্বিতীয়।
ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণঃ---"ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন পরমেশ্বর"
বিভিন্ন দেব দেবী হচ্ছেন শক্তিপ্রাপ্ত যাতে তারা এই জড় জগৎকে পরিচালনা করতে পারেন।
এই সমস্ত দেব-দেবী হচ্ছেন জড় জগতের বিভিন্ন শক্তি সম্পন্ন জীব (নিত্যনাম্)।
তায় তারা কোন অবস্থাতে ভগবানের সমকক্ষ হতে পারে না।
যে মনে করে যে শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীবিষ্ণু,শ্রীনারায়ণ ও বিভিন্ন দেব-দেবী একই পর্যায়ভুক্ত,তার কোন রকম শাস্ত্র জ্ঞান নেই,তাকে বলা হয় নাস্তিক বা পাষণ্ডী। এমনকি দেবাদিদেব মহাদেব এবং আদি পিতামহ ব্রহ্মাকেও ভগবানের সঙ্গে তুলনা করা চলে না।
প্রকৃতপক্ষে শিব,ব্রহ্মা, আদি দেবতারা নিরন্তর ভগবানের সেবা করেন (শিববিরিঞ্চিনুতম)।
কিন্তু তা সত্ত্বেও মানব সমাজে অনেক নেতা আছে যাদের কে মুর্খ লোকেরা "ভগবানে নরত্ব আরোপ" এই ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে অবতার জ্ঞানে পুজা করে। ইহ দেবতাঃ বলতে এই জড় জগতের কোন শক্তিশালী মানুষকে অথবা দেবতাকে বোঝায়। কিন্তু ভগবান শ্রীনারায়ন, শ্রীবিষ্ণু বা শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন পরমেশ্বর, তিনি এই জড় জগতের তত্ত্ব নন।
তিনি জড় জগতের অতীত চিন্ময় জগতে অবস্থান করেন।
এমনকি মায়াবাদ দর্শনের প্রনেতা শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য বলে গেছেন, নারায়ণ অথবা শ্রীকৃষ্ণ এই জড় জগতের অতীত।
কিন্তু মুর্খ লোকেরা (হৃতজ্ঞান) তা সত্ত্বেও তাৎকালিক ফল লাভ করার আশায় বিভিন্ন জড় দেব-দেবীর পুজা করে চলে।
এই সমস্ত মুর্খ লোকগুলি বুঝতে পারেনা,বিভিন্ন দেব-দেবীকে পুজা করার ফলে যে ফল লাভ হয় তা অনিত্য।
যিনি প্রকৃত বুদ্ধিমান, তিনি ভগবানেরই সেবা করেন।
তুচ্ছ ও অনিত্য লাভের জন্যে দেব-দেবীদের পুজা করা নিস্প্রয়োজন।
জড়া প্রকৃতির বিনাশের সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্ত দেব-দেবী এবং তাদের উপাসকেরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। দেব দেবীদের দেওয়া বরও হচ্ছে জড় এবং অনিত্য।
জড় জগৎ, জড় জগতের বাসিন্দা এমনকি বিভিন্ন দেব দেবী এবং তাদের উপাসকেরা সকলেই হচ্ছে মহাজাগতিক সমুদ্রের বুদবুদ।
তা সত্ত্বেও এই জগতের মানব সমাজ ভুসম্পত্তি, পরিবার পরিজন, ভোগের সামগ্রী আদি অনিত্য জড় ঐশ্বর্য লাভের আশায় উন্মাদ।এই প্রকার অনিত্য বস্তু লাভের জন্যে মানুষেরা মানব সমাজে বিভিন্ন দেব-দেবীর অথবা শক্তিশালী কোন ব্যাক্তির পুজা করে। কোন রাজনৈতিক নেতাকে পুজা করে যদি ক্ষমতা লাভ করা যায় সেটাকে তারা পরম প্রাপ্তি বলে মনে করে।
তাই তারা সকলেই তথাকথিত নেতাদের দণ্ডবৎ প্রনাম করছে এবং তার ফলে তাদের কাছে থেকে ছোট খাটো কিছু আশীর্বাদ ও লাভ করছে।
এই সমস্ত মুর্খ লোকেরা জড় জগতের দুঃখ কষ্ট থেকে চিরকালের জন্যে মুক্ত হবার জন্যে ভগবানের শরনাগত হতে আগ্রহী নয়।
পক্ষান্তরে সকলেই তাদের ইন্দ্রিয়তৃপ্তি সাধন করার জন্যে ব্যস্ত এবং তুচ্ছ একটু ইন্দ্রিয় সুখ ভোগ করার জন্যে এরা দেব দেবী নামক বিশেষ ক্ষমতা প্রাপ্ত জীব দের আরাধনার প্রতি আকর্ষিত হয়।
এই শ্লোক থেকেই বোঝা যায় খুব কম মানুষই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচরণের শরনাগত হয়।
অধিকাংশ মানুষ সর্বক্ষন চিন্তা করছে কিভাবে আরও একটু বেশি ইন্দ্রিয় সুখ ভোগ করা যায়।
আর এই সমস্ত ভোগবাসনা চরিতার্থ করবার জন্য তারা বিভিন্ন দেব-দেবীর দুয়ারে ধর্না দিয়ে 'এটি দাও','ওটি দাও' বলে কাঙ্গালপনা করে তাদের মুল্যবান সময় নষ্ট করছে।

হরেকৃষ্ণ


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে। অনলাইন ছাড়া 500টাকা সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷ হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে, হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে https://youtu.be/0FC2NeuQb1I Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in My website- arcsm.in Please visit here For Registration check in here. All kind of Gems Stone are Testing here All Kind of Certified Gems and Stone available here পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায় রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন Lob Mukherjee SBI A/c no.30677336540 IFS Code:SBIN0000165 Branch:Rampurhat SBI Axis Bank A/C No 917010026448091 Branch - Rampurhat Branch Code --1131 IFSC Code -UTIB0001131 এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200223120239

Saturday, February 22nd, 2020

Astro Research Centre

শিবরাত্রি ব্রত পালনের বিধি নিয়ম

শিবরাত্রি ব্রত পালনের বিধি নিয়ম

শিবরাত্রি ব্রত পালনের বিধি নিয়ম


ফাল্গুন মাসে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীর রাত্রি এই দেশের মানুষের বকাছে পরম পবিত্র। ফাল্গুনের এই তিথিটিই সবচেয়ে পবিত্র বলে গণ্য হয়। অনেকে বলেন, এই দিনটিতেই শিব লিঙ্গরূপে প্রথম প্রকাশ পেয়েছিলেন। পুরাণে আছে, এই দিন শিব ও পার্বতীয় বিয়ে হয়েছিল। যদিও এই দিনটিতে বৈজ্ঞানিক ব্যাখা রয়েছে। বলা হয় যে, উত্তর গোলার্ধের আকাশে গ্রহ-নক্ষত্রের সংস্থান এমন হয়, যাতে মানুষ তার আধ্যাত্মিক এবং অন্যান্য শক্তি বিশেষ ভাবে জাগ্রত করে তুলতে পারে। অনেকের বিশ্বাস, শিবরাত্রিতে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র ইত্যাদি পাঠ করলে সত্যি সত্যিই শক্তি বাড়ে। জেনে নিন পঞ্জিকা মতে শিব পুজোর মহেন্দ্রক্ষণ ও সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে:বাংলা তারিখ: ৮ ফাল্গুন ১৪২৬, শুক্রবার।

ইংরেজি তারিখ: ২১/০২/২০২০।
চতুর্দশী আরম্ভ: সময়: বিকাল ৫টা ২২ মিনিট থেকে।
নিশীথ রাত্রি শ্রীশ্রীশিব পূজা: মধ্যরাত্রি ১১টা ২৬ মিনিটের পরে ১২টা ১৪ মিনিটের মধ্যে।

চতুর্দশী শেষ
বাংলা তারিখ: ৯ ফাল্গুন ১৪২৬, শনিবার।
ইংরেজি তারিখ: ২২/০২/২০২০।
শেষ: সময়: রাত্রি ৭টা ৩ মিনিট পর্যন্ত।

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে
বাংলা তারিখ: ৮ ফাল্গুন ১৪২৬, শুক্রবার।
ইংরেজি তারিখ: ২১/০২/২০২০।
চতুর্দশী আরম্ভ: সময়: বিকাল ৫টা ৪০ মিনিট ৪ সেকেন্ড থেকে।
নিশীথ রাত্রি শ্রীশ্রীশিব পূজা: মধ্যরাত্রি ১১টা ২৬ মিনিট থেকে ১২টা ১৪ মিনিটের মধ্যে।
চতুর্দশী শেষ
বাংলা তারিখ: ৯ ফাল্গুন ১৪২৬, শনিবার।
ইংরেজি তারিখ: ২২/০২/২০২০।
সময়: রাত্রি ৬টা ৩৭ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড পর্যন্ত।

শিবরাত্রির পূজায় চার প্রহরে। চার রকম জিনিস দিয়ে স্নান করিয়ে চার রকম অর্ঘ্য প্রদান করে আলাদা আলাদা মন্ত্র উচ্চারণ করে চার বার শিব পূজা করা বিধি।

পারণের সময়সূচী
তারিখ-২২.০২.২০২০
সময়- সকাল ৯ টা ৫৬ মিনিট
যারা শিবরাত্রি ব্রত করেন তারা অবশ্যই এই পারণ করে থাকেন। এইদিন মহাদেবকে অন্ন নিবেদন করে পারণ মন্ত্র উচ্চারণ করে উপোস ভঙ্গ করতে হয়।

ওঁ নমঃ শিবায়
শিবের ধ্যান
---------------
ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরিনিভং চারুচন্দ্রাবতসং
রত্নাকল্লোজ্বলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্রসন্নম্ ।
পদ্মাসীনং সমস্তাৎ স্ততমমরগণৈ – র্ব্যাঘ্রকৃত্তিং বসানং ,
বিশ্বাদ্যং বিশ্ববীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চাবক্ত্রং ত্রিনেত্রম্ ।।

মন্ত্রঃ- ওঁ নমঃ শিবায়

শিবের প্রনাম মন্ত্র
----------------------
ওঁ নমস্তভ্যঃ বিরূপাক্ষ নমস্তে দিব্যচক্ষুসে নমঃ ।
পিণাকহস্তায় বজ্রহস্তায় বৈ নমঃ ।।
নমত্রিশূলহস্তায় দন্ড পাশাংসিপাণয়ে ।
নমঃ স্ত্রৈলোক্যনাথায় ভূতানাং পতয়ে নমঃ ।।
ওঁ বানেশ্বরায় নরকার্ণবতারনায় , জ্ঞানপ্রদায় করুণাময়সাগরায় ।
কর্পূরকুন্ডবলেন্দুজটাধরায় , দারিদ্রদুঃখদহনায় নমঃ শিবায় ।।
ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে ।
নিবেদয়ানি চাত্মানংত্তৃংগতিপরমেশ্বরঃ ।।

শিবরাত্রির পারণ মন্ত্র

'সংসার ক্লেশদগ্ধস্য ব্রতেনানেন শঙ্কর।
প্রসীদ সুমুখনাথ জ্ঞানদৃষ্টি প্রদোভব।।'



শিবরাত্রি পুজোর জন্য কী কী প্রয়োজন

অনেকেই আছেন যারা এই শিবরাত্রির দিন বাড়িতে পুজো করেন থাকেন। তারা বিশেষ করে এটি জেনে রাখুন। শিবরাত্রি পুজোর জন্য একটি শিবলিঙ্গ, ছোট ঘটি, জল, দুধ, থালা, কোশাকুশি, গ্লাস, সাদা চন্দন, আতপ চাল, ফুল, বেলপাতা, ফল, ধূপকাঠি, প্রদীপ, নৈবেদ্য , জল, প্রণামী। এটা কটি জিনিস থাকলে মহাশিবরাত্রির পুজো আপনি বাড়িতে বসেই করতে পারবেন।

শিবরাত্রির উপবাসের সময় কী করা উচিত
উপবাসের দিন নির্জলা ব্রত করবেন।
উপোস না ভাঙা পর্যন্ত জল না খাওয়াই ভাল।
যারা নির্জলা উপোস করতে পারেন না তারা যে কোনও সরবত খেতে পারেন ব্রাহ্মণের অনুমতি নিয়ে।
পুজোর শেষে ফলাহার করুন। রাতে নিরামিষ হালকা খাবার খান।
পারণের দিন দুবার খাওয়ার, ভারী কাজ, পরের অন্ন ভোজন, দূরে যাত্রা না করাই ভাল।
ব্রাহ্মণ ভোজন অবশ্যই করাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200222115043

Monday, February 17th, 2020

Astro Research Centre

তুলসীর পাতার উপকারিতা-

তুলসীর পাতার উপকারিতা-

তুলসীর পাতার উপকারিতা-

১. ঠাণ্ডা-কাশি থেকে রক্ষা পেতে তুলসী পাতা ও আদার রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে ঠাণ্ডা-কাশি ভালো হবে।

২. সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে মুখের রুচি বাড়বে।

৩. তুলসী পাতার রস খেলে দ্রুত জ্বর ভাল হয়।

৪. তুলসী পাতা গরম পানিতে সেদ্ধ করে সে পানিতে গড়গড়া করলে মুখ ও গলার রোগজীবাণু মরে, শ্লেষ্মা দূর হয় ও মুখের দুর্গন্ধও দূর হয়।

৫. তুলসী চা শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দূর করে এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ায়।

৬. মাথা ব্যথা ও শরীর ব্যথা কমাতে তুলসী খুবই উপকারী।

৭. চোখের সমস্যা দূর করতে রাতে কয়েকটি তুলসী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ওই পানি দিয়ে সকালবেলা চোখ ধুয়ে ফেলুন।



উপকারিতা।

শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা
ঠান্ডা লাগলে তুলসী পাতার ব্যবহার আশীর্বাদের মতো কাজ করে। গলার সব রকম সমস্যায় তুলসী পাতা ব্যবহৃত হয়।

হার্টের অসুখ
তুলসী পাতায় আছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদানগুলো হার্টকে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্ত রাখে সহায়তা করে। তুলসী পাতা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায় ও এর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

মানসিক চাপ
তুলসীর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। এই উপাদানগুলো নার্ভকে শান্ত করে। এ ছাড়াও তুলসী পাতার রস শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

মাথা ব্যথা
মাথা ব্যথা ও শরীর ব্যথা কমাতে তুলসী খুবই উপকারী। এর বিশেষ উপাদান মাংশপেশীর খিঁচুনি রোধ করতে সহায়তা করে।

বয়স রোধ করা
ভিটামিন সি, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও এসেন্সিয়াল অয়েলগুলো চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের হিসেবে কাজ করে যা বয়সজনিত সমস্যাগুলো কমায়। তুলসী পাতাকে যৌবন চিরকাল ধরে রাখার টনিক ও মনে করেন কেউ কেউ।

রোগ নিরাময় ক্ষমতা
তুলসী গাছের ঔষধি-গুণাবলি সমৃদ্ধ গাছ। তুলসীকে নার্ভের টনিক বলা হয় এবং এটা স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য বেশ উপকারী। এটি শ্বাসনালী থেকে শ্লেষ্মাঘটিত সমস্যা দূর করে। তুলসী পাতা পাকস্থলীর ও কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

পোকার কামড়
তুলসী পাতা হল প্রোফাইল্যাক্টিভ যা পোকামাকড় কামড়ে দিলে উপসম করতে সক্ষম। পোকার কামড়ে আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার তাজা রস লাগিয়ে রাখলে পোকার কামড়ের ব্যথা ও জ্বলা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়।




ত্বকের সমস্যা
তুলসী পাতার রস ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। তুলসী পাতা বেঁটে সারা মুখে লাগিয়ে রাখলে ত্বক সুন্দর ও মসৃণ হয়। এ ছাড়াও তিল তেলের মধ্যে তুলসী পাতা ফেলে হালকা গরম করে ত্বকে লাগালে ত্বকের যে কোনও সমস্যায় বেশ উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়াও ত্বকের কোনও অংশ পুড়ে গেলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগালে জ্বালা কমবে এবং সেখানে কোনও দাগ থাকবে না।


তুলসী পাতা প্রাচীনকাল হতে বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তুলসী প্রচুর অক্সিজেন উৎপন্ন করে এবং এ গাছের চারপাশে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সৃষ্টি করে। অনেক গুণে সমৃদ্ধ তুলসী রুচিকারক, বাতনাশক এবং পুরনো জ্বরে মহৌষধির কাজ করে। তুলসী গাছ বিশুদ্ধ বায়ু যোগানে সাহায্য করে ও মশার উপদ্রব হতে মুক্ত রাখে।

শক্তিহীনতা : তুলসী পাতা বেঁটে ১০ গ্রামের বড়ি বানিয়ে দৈনিক ১/২ বার খেলে দুর্বল ব্যক্তি শরীরে শক্তি ফিরে পাবেন।

আমবাত বা এলার্জী : তুলসী পাতার রসের সঙ্গে সমপরিমাণের কাঁচা হলুদের রস এবং দুর্বাঘাসের রস মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

দাদ : কালো তুলসী পাতা বেঁটে অল্প সেবন দিয়ে ঘা জায়গায় ভালো করে চুলকিয়ে দিনে ২/৩ বার লাগালে দাদ কমে যায়।

কাশি : এক চামচ আদার রস সমপরিমাণ তুলসীর রস এবং মধু খেলে দীর্ঘস্থায়ী কাশি কমে যায়।

বহুমুত্র : তুলসী, বেলপাতা এবং নিমপাতা সমপরিমাণে বেঁটে লাড্ডু বানিয়ে শুকিয়ে রেখে দিতে হয়। দিনে ২/৩ বার এ বড়ি খেলে বহুমুত্র রোগ ধীরে ধীরে উপশম হয়।

অজীর্ণ : বদহজম বা অজীর্ণ রোগে তুলসী পাতা অপরিহার্য। কয়েকটি তুলসী পাতা বেঁটে ৩/৪টি গোলমরিচ গুঁড়ো করে খেলে বদহজম দূর হয়।

সাদা দাগ : তুলসী পাতার রস কাঁচা হলুদের রসের সঙ্গে সামান্য দুধ মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার লাগালে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাদা দাগ দূর হয়।

খাদ্যে বিষক্রিয়া : খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে কিংবা বিষ খেয়ে ফেললে রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তুলসীর রস খাওয়ালে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করা যায়।

অন্ডকোষ টনটন করলে : তুলসী পাতার রস ছোট চামচের ৫ চামচের সাথে চামচ মিছরি মিশিয়ে রোজ ৩/৪ বার খেলে ব্যথা কমে যায়।

মুখে কালো দাগ : কালো তুলসীর রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে ৭/৮ দিন ২/৩ বার লাগালে কালো দাগ উঠে যায়।

কান পাকা : তুলসী পাতার রস সামান্য গরম করে কানে দিলে কানপাকা ভালো হয়।

চুল পড়া : তুলসী পাতার রস এবং আমলকী বেঁটে আধা ঘণ্টা মাথায় রাখলে চুলপড়া বন্ধ হয়।

অতিরিক্ত বমি হলে : ঘন ঘন বমি হলে তুলসীর রস এবং মধু সমপরিমাণে মিশিয়ে খেলে শীঘ্রই বমি বন্ধ হয়ে যায়।

চোখ উঠলে : তুলসী পাতার রস দিনে ৩/৪ বার ব্যবহার করলে চোখের যন্ত্রণা কমে যায়।

হাঁপানি : আদার রসের সঙ্গে সমপরিমাণে মধু এবং কালো তুলসীর রস সকাল-বিকাল ২/৩ চামক করে খেলে কিছুদিনের মধ্যে এ রোগ ভালো হয়।

ম্যালেরিয়া : নিয়মিতভাবে প্রতিদিন সকালে ৫ গ্রাম তুলসীর রস খেলে ধীরে ধীরে ম্যালেরিয়া কমতে সাহায্য করে।

গুটি বসন্ত : এ রোগ আরম্ভ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিন সকালবেলা খালি পেটে তুলসীর রস খেলে উপকার পাওয়া যায়।

যকৃতের রোগ : যকৃত বৃদ্ধি বা যকৃতে কোনো রোগ হলে তুলসীর পাতা সিদ্ধ করে ঐ পানি ঠান্ডা করে খেলে উপকার হয়


নাম তুলসি হলেও সংস্কৃত নাম তুলসী চবা সুরমা। ইংরেজরা তুলসীকে চেনেন Basil Plant নামে। আমরা যারা গ্রামে কিংবা শহরে বসবাস করি সকলেই খুব ভালভাবে এই তুলসী গাছ চেনেন। কোন কোন মুসলমান মনে করেন এই গাছ শুধুমাত্র হিন্দুদের উপাসনার বস্তু। তা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। এ গাছ থেকে আমরা অনায়াসে কিছু উপকরণ তৈরি করতে পারি যা কঠিন রোগের ঔষধ। অত্যন্ত সুগন্ধি তুলসি, সাদা পাতার বাবুই, কালো রঙের কৃষ্ণ তুলসি, বড় পাতার রাম তুলসি; এই চার ধরণের তুলসি হয়। তুলসির গাছ তিন থেকে চার ফুট লম্বা হয়। এই গাছের পাতা কিংবা গাছটি কিভাবে উপকারে আসবে তা বনোষধির মধ্যে তুলসি পাতা সর্বোকৃষ্ট বলে স্বীকার করা হয়েছে। মেটেরিয়া মিডিকাতে এ গাছকে সর্বোচ্চ স্থান দেয়া হয়েছে।
দৈনন্দিন জীবনে তুলসীর প্রয়োগ :
* সর্দি ও দীর্ঘদিনের খুসখুসে কাশিতে কিছু তুলসি পাতা গরম পানিতে জ্বাল দিয়ে নির্যাস বের করে নিয়ে সামান্য আদা ও মধু দিয়ে খেলে সর্দি-কাশি ও জ্বর ভালো হয়। তুলসির এই নির্যাস খেতে হবে পাঁচ থেকে সাত দিন তিন বেলা করে। শিশু সর্দি কাশিতে চার থেকে দশ ফোঁটা তুলসি পাতার রসের সঙ্গে তিন থেকে পাঁঁচ ফোটা মধু মিশিয়ে তিন বেলা খাওয়ালে সর্দি কাশি দুই তিন দিনের মধ্যে ভালো হয়।
* ব্রংকাইটিস ও ডাইরিয়াতে ভালো ফল দেয় তুলসি। গরমে কেউ না ঘামলে ঘাম ঝরাতে ভূমিকা রাখে তুলসি। এসব ক্ষেত্রে তুলসির পাতা প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি খেতে হবে কয়েক সপ্তাহ ধরে। তুলসির কাঁচা পাতার রস বা বিচির থেতলানের পর রস কিছুটা গরম করে চুলকানি সহ বিভিন্ন চর্ম রোগে লাগালে ভালো হয়।
* বছরের প্রতিদিন খেলে কোন প্রকারের-রোগ হবে না
* গোসল করার আগে তুলসীর কিছু পাতা পানিতে দিয়ে সেই পানি দ্বারা গোসল করলে কোন প্রকার চর্মরোগ হয় না
* তুলসী পাতা চিবালে দাঁতে পোকা লাগে না। দাঁত মজবুত ও উজ্জ্বল হয় ও দাঁতের আয়ু বৃদ্ধি পায়।
* সাবান, তেল, ক্রিম প্রভৃতির স্থলে তুলসীর রস ব্যবহার করলে নানা প্রকার দৈহিক সুস্থ্যতা লাভ হয়।
* চোখ উঠা একটি সংক্রামক রোগ । ঠান্ডা ও গরমে ঘোরাফেরার ফলে এ রোগ হয়ে থাকে। এ অবস্থায় তুলসী পাতার রস চোখে কাজলের মতো করে লাগালে বা তুলসী পাতার রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে চোখে দিলে চোখ উঠা রোগ বা পানি পড়া রোগের আরোগ্য লাভ হয়। কুষ্ঠ রোগ হলে তুলসী পাতার রস সেবন করলে আরোগ্য লাভ হয়। শ্বেত রোগে কিছু পরিমাণ তুলসী পাতা সকাল, দুপুর ও বিকেলে চিবিয়ে খেলে এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ হয়। তুলসী গাছের মূলের রস দাগের উপর প্রলোপ দিলে দাগ সেরে যায় ।
* গর্ভরক্ষা: গর্ভাশয়ের সমস্যায় গর্ভপাত হলে তুলসীর বীজ ২৫ গ্রাম পেষন করে খেলে উপকার হয়।
* জন্ডিস একটি পরিচিত রোগের নাম। এ রোগে তুলসীর রস ১০ গ্রাম এবং ৫০ গ্রাম তুলসী গাছের মূলের রস একত্রে মিশিয়ে খেলে আরোগ্য লাভ হয়। একমাস পর্যন্ত সেবন করতে হবে। দিনে ৩ বার । এতে দেহে রক্তস্বল্পতা ও হলদে বর্ণ দূর হয়।
* অন্ডকোষ টনটন করলে চার তোলা পরিমান তুলসি পাতার রসের সাথে একই পরিমান মিছরির গুড়ো মিশিয়ে খেলে যন্ত্রণা কমে। ঘনঘন প্রস্রাব হলে আধা ইঞ্চি লম্বা তুলসির শিকড় কেটে পানের সাথে খেলে ক’দিনেই সুফল পাওয়া যায়। শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে কিংবা পোড়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তুলসি পাতার রস দিয়ে লেপে দিলে সাথে সাথে জ্বালা যন্ত্রণা কমে।




হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন




Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200217213034

Sunday, February 16th, 2020

Astro Research Centre

শিবরাত্রি ব্রত পালনের বিধি নিয়ম

শিবরাত্রি ব্রত পালনের বিধি নিয়ম

ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথীর রাত্রিকে শিবরাত্রি বলা হয়। এ রাত্রিতে উপবাস করলে আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট হই। স্নান, বস্ত্র, ধূপ, পুষ্প ও অর্চনায় আমি যতটুকু সন্তুষ্ট হই তার চেয়ে বেশি সন্তুষ্ট হই শিবরাত্রির উপবাসে।

তিনি আরও বলেন, ব্রতপালনকারী ত্রয়োদশীতে স্নান করে সংযম পালন করবে। স্বপক্ব নিরামিষ বা হবিষ্যান্ন ভোজন করবে। স্থণ্ডিল ( ভূমি বা বালু বিছানো যজ্ঞবেদী) অথবা কুশ বিছিয়ে শয়ন করে আমার (অর্থাৎ শিবের) নাম স্মরণ করতে থাকবে। রাত্রি শেষ হলে শয্যা ত্যাগ করে প্রাতঃ ক্রিয়াদি করবে অন্যান্য আবশ্যক কার্যাদি করবে। সন্ধ্যায় যথাবিধি পূজাদি করে বিল্বপত্র সংগ্রহ করবে। তারপর নিত্যক্রিয়াদি করবে। অতঃপর স্থণ্ডিলে (যজ্ঞবেদীতে), সরোবরে, প্রতীকে বা প্রতিমায় বিল্বপত্র দিয়ে আমার পূজা করবে। একটি বিল্বপত্র দ্বারা পূজা করলে আমার যে প্রীতি জন্মে, সকল প্রকার পুষ্প একত্র করে কিংবা মণি, মুক্তা, প্রবাল বা স্বর্ণনির্মিত পুষ্প দিয়ে আমার পূজা করলেও, আমার তার সমান প্রীতি জন্মে না।

প্রহরে প্রহরে বিশেষভাবে স্নান করিয়ে আমার পূজা করবে। পুষ্প, গন্ধ, ধূপাদি দ্বার যথোচিত অর্চনা করবে। প্রথম প্রহরে দুগ্ধ, দ্বিতীয় প্রহরে দধি, তৃতীয় প্রহরে ঘৃত এবং চতুর্থ প্রহরে মধু দিয়ে আমাকে স্নান করাবে এবং পূজা করবে। এছাড়া যথাশক্তি নৃত্যগীতাদি দ্বারা আমার প্রীতি সম্পাদন করবে।

হে দেবী, এই হল আমার প্রীতিকর ব্রত। এ ব্রত করলে অপস্যা ও যজ্ঞের পুণ্য লাভ হয় এবং ষোল কলায় দক্ষতা জন্মে। এ ব্রতের প্রভাবে সিদ্ধি লাভ হয়। অভিলাষী ব্যক্তি সপ্তদীপা পৃথিবীর অধীশ্বর হয়।

শিব পার্বতীকে আরও বলেন, এবার শিবচতুদর্শী তিথির মাহাত্ম বলছি, শোন।

একদা সর্বগুণযুক্ত বারাণসী পুরীতে ভয়ঙ্কর এক ব্যাধ বাস করত। বেঁটে-খাটো ছিল তার চেহারা, আর তার গায়ের রং ছিল কালো। চোখ আর চুলের রং ছিল কটা। নিষ্ঠুর ছিল তার আচরণ। ফাঁদ জাল, দড়ির ফাঁস এবং প্রাণী হত্যার নানা রকম হাতিয়ারে পরিপূর্ণ ছিল তার বাড়ি।

একদিন সে বনে গিয়ে অনেক পশু হত্যা করল। তারপর নিহত পশুদের মাংসভার নিয়ে নিজের বাড়ির দিকে রওনা হল। পথে শ্রান্ত হয়ে সে বনের মধ্যে বিশ্রামের জন্য একটি বৃক্ষমূলে শয়ন করলে এবং একটু পরেই নিদ্রিত হল।

সূর্য অস্ত গেল। এল ভয়ঙ্কর রাত্রি। ব্যাধ জেগে উঠল। ঘোর অন্ধকারে কোন কিছুই কারও দৃষ্টিগোচর হল না। অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে সে একটি শ্রীফলবৃক্ষ অর্থাৎ বিল্ববৃক্ষ পেল। সেই বিল্ববৃক্ষে সে লতা দিয়ে তার মাংসভার বেঁধে রাখল। বৃক্ষতলে হিংস্র জন্তুর ভয় আছে। এই ভেবে সে নিজেও ঐ বিল্ববৃক্ষে উঠে পড়ল। শীতে ও ক্ষুধায় তার শরীর কাপঁতে লাগল। এভাবে সে শিশিরে ভিজেই জেগে কাটাল সারা রাত।

দৈববশত সেই বিল্ববৃক্ষমূলে ছিল আমার (অর্থাৎ শিবের) এতটি প্রতীক। তিথিটি ছিল শিবচতুর্দশী। আর ব্যাধও সেই রাত্রি কাটিয়েছিল উপবাসে। তার শরীর থেকে আমার প্রতীকের ওপর হিম বা শিশির ঝরে পড়েছিল। তার শরীরের ঝাঁকুনিতে বিল্বপত্র পড়েছিল আমার প্রতীকের ওপর। এভাবে উপবাসে বিল্বপত্র প্রদানে এবং শিশিরস্নানে নিজের অজান্তেই ব্যাধ শিবরাত্রিব্রত করে ফেলল।

দেবী, তিথিমাহাত্মে কেবল বিল্বপত্রে আমার যে প্রীতি হয়েছিল, স্নান, পূজা বা নৈবেদ্যদি দিয়েও সে প্রীতি সম্পাদন সম্ভব নয়। তিথি মাহাত্মে ব্যাধ মহাপূণ্য লাভ করেছিল। পরদিন উজ্জল প্রভাতে ব্যাধ নিজের বাড়িতে চলে গেল।

কালক্রমে ব্যাধের আয়ু শেষ হল। যমদূত তার আত্মাকে নিতে এসে তাকে যথারীতি যমপাশে বেঁধে ফেলতে উদ্যত হল। অন্যদিকে আমার প্রেরিত দূত ব্যাধকে শিবলোকে নিয়ে এল। আর আমার দূতের দ্বারা আহত হয়ে যমদূত যমরাজকে নিয়ে আমার পুরদ্বারে উপস্থিত হল। দ্বারে শিবের অনুচর নন্দীকে দেখে যম তাকে সব ঘটনা বললেন।

এই ব্যাধ সারা জীবন ধরে কুকর্ম করেছে। জানালেন যম।

তার কথা শুনে নন্দী বললেন,

ধর্মরাজ, এতে কোন সন্দেহই নেই যে ঐ ব্যাধ দুরাত্মা। সে সারা জীবন অবশ্যই পাপ করেছে। কিন্তু শিবরাত্রি ব্রতের মাহাত্মে সে পাপমুক্ত হয়েছে এবং সর্বেশ্বর শিবের কৃপা লাভ করে শিবলোকে এসেছে।

নন্দীর কথা শুনে বিস্মিত হলেন ধর্মরাজ। তিনি শিবের মাহাত্মর কথা ভাবতে ভাবতে যমপুরীতে চলে গেল।

শিব পার্বতীকে আরও বলেলেন, এই হল শিবরাত্রিব্রতের মাহাত্ম।

শিবের কথা শুনে শিবজায়া হিমালয় কন্যা পার্বতী বিস্মিত হলেন। তিথি শিবরাত্রিব্রতের মাহাত্ম্য নিকটজনের কাছে বর্ণনা করলেন। তাঁরা আবার তা ভক্তি ভরে জানালেন পৃথিবীর বিভিন্ন রাজাকে। এ ভাবে শিবরাত্রিব্রত পৃথিবীতে প্রচলিত হল।




শিবরাত্রির উৎসব দেখলে অবশ্য এমন সন্দেহ মনে রাখার কোনও কারণ নেই। বাংলার গ্রামে-শহরে ছড়ানো হাজার হাজার শিবমন্দির যেন ফাল্গুন মাসে জেগে ওঠে শিবরাত্রি উপলক্ষে।






গবেষণাপত্রের বাইরে আজ আর মেয়েলি ব্রত, ব্রতকথা এ সবের অস্তিত্ব আছে না কি? শিবরাত্রির উৎসব দেখলে অবশ্য এমন সন্দেহ মনে রাখার কোনও কারণ নেই। বাংলার গ্রামে-শহরে ছড়ানো হাজার হাজার শিবমন্দির যেন ফাল্গুন মাসে জেগে ওঠে শিবরাত্রি উপলক্ষে। শহরের অলিতে গলিতে অজস্র শিবমন্দিরের অস্তিত্ব হঠাৎ টের পাওয়া যায় তারস্বরে বাজানো চটুল গানের দৌলতে। হবে না-ই বা কেন, সব ব্রতের মধ্যে শিবরাত্রিকেই তো শ্রেষ্ঠ ব্রত বলে ধরা হয়। এই ব্রত পালন করলে নাকি নারীর সব কামনা পূর্ণ হয়ে যায়— পতিকামনা, পুত্রকামনা, বৈধব্য খণ্ডন ও সাংসারিক মঙ্গল। মধ্যযুগের যে সমাজে এই ব্রতের প্রচলন হয়, সেখানে মেয়েদের— তা সে কুমারী সধবা বা বিধবা যাই হোক না কেন— পরিবারের বাইরে অন্য কিছু চাইবার মতো কোনও ফাঁকই রাখা হয়নি। আজ পরদা সরেছে, কিন্তু সংস্কার কাটেনি, কিংবা সংস্কার— আরও অনেক সংস্কারের মতোই— হয়ে উঠেছে নিছক বাৎসরিক উৎসব।

ব্রতকথা অনুযায়ী, শিবরাত্রি ব্রতের ব্যাখ্যা করেন মহাদেব স্বয়ং। পার্বতী মহাদেবকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, প্রভু, এমন এক সহজ ব্রত বলে দিন, যা সকলেই পালন করে পাপমুক্ত হতে পারে। মহাদেব বললেন, ‘ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে যে ভয়ানক অন্ধকার রাত্রি হয়, তা-ই শিবরাত্রি। শিবরাত্রিতে যে উপবাস করে, আমি তার উপর খুব সন্তুষ্ট হই।... শিবরাত্রিতে চার প্রহরে চারটি গঙ্গামাটির শিব গড়ে পূজা করবে।... ওই দিন রাত্রি জাগবে...’ পুজোর উপকরণ সরল, বেলপাতা আর গঙ্গাজলই যথেষ্ট। জটিল মন্ত্রতন্ত্র কিছু নেই, দীর্ঘ প্রস্তুতিরও প্রয়োজন নেই। সাধে কি আর সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রত, সহজে পাপমুক্তি আর সপরিবার মঙ্গলের ব্যবস্থা!

শুধু কি তাই? শিবরাত্রি মোটেই শুধু মেয়েদের পালনীয় ব্রত নয়। ছেলেরাও শিবরাত্রি করতে পারে। করেও। আসলে প্রথম শিবরাত্রি তো করেছিল এক জন পুরুষই! সে গল্পও শুনিয়েছেন শিব। বারাণসীর এক ব্যাধ— ধর্মকর্মের বালাই নেই, পশুহত্যাই তার জীবিকা। পাপের ভারা তাই কানায় কানায় পূর্ণ। সারা দিন শিকারের পর ক্লান্তিতে গাছতলায় ঘুমিয়ে পড়েছিল, সন্ধে হয়ে যাওয়ায় বাড়ি যেতে পারবে না ভেবে সে গাছের ডালেই রাতটা কাটিয়ে দেয়। গাছটা ছিল বেলগাছ, আর তলায় ছিল একটা শিবলিঙ্গ। ব্যাধের গায়ে লেগে একটা বেলপাতা শিশিরের জলের সঙ্গে মিশে শিবের মাথায় পড়ল। সেটা ছিল শিবরাত্রি, আর ব্যাধও ছিল উপবাসী। পর দিন বাড়ি ফিরে স্নান করে সে দেখে, এক অতিথি উপস্থিত। তাঁকে খাইয়ে তার পরেই ব্যাধ নিজে খেয়েছিল। ফলে তার ব্রত পালন ঠিকমতই সম্পন্ন হল। ব্যাধ মারা যাওয়ার পর শিবদূত আর যমদূতদের মধ্যে মারামারি লেগে গেল তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। শেষে শিবের দূতেরাই জয়ী হল, আর যমরাজও স্বীকার করলেন, শিবচতুর্দশী করলে তার উপর আর যমের অধিকার থাকবে না। মানুষকে পাপ থেকে উদ্ধারের এটাই একমাত্র উপায়, পার্বতীকে জানালেন শিব।


সত্যি, শিব তো আশুতোষ, খুব সহজেই তাঁর মন পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলায় তাঁর এত প্রভাব-প্রতিপত্তির উৎস কী? বাংলা এমনিতেই বৈদিক-ব্রাহ্মণ্য পরিমণ্ডলের বাইরের দেশ ছিল। পালযুগের বাংলায় বৌদ্ধদের রমরমা, এমনকী বৌদ্ধ তন্ত্রেরও পীঠস্থান এই পূর্ব ভারত। তবে এরই মধ্যে পাল আমলের শেষ দিক থেকে সেন আমল জুড়ে ব্রাহ্মণ্য দেবদেবীদের জন্য রাজা এবং অভিজাতদের বিপুল পৃষ্ঠপোষণাও নজরে পড়ে। পরে সুলতানি শাসনের ধাক্কায় অনেক দিনের নিস্তব্ধতা। মধ্যযুগের শেষ পর্ব থেকে এক দিকে চৈতন্য-প্রবর্তিত বৈষ্ণবধর্ম, অন্য দিকে আধা-ব্রাহ্মণ্য আধা-লৌকিক শৈবধর্ম যে ভাবে ব্যাপ্ত হয় বাংলা জুড়ে, তাতে স্পষ্টই বোঝা যায়, এ জমি ‘অন্য’ মতবাদের জন্য কতটা উর্বর ছিল! অন্য সব দেবদেবীকে এ ব্যাপারে টেক্কা দিয়েছেন শিব। তিনি তো বৈদিক দেবতা নন, ঋগ্বেদে ‘রুদ্র’ ভয়ংকর দেবতা, কিন্তু শিবের কোনও উল্লেখ নেই, বরং সেখানে ‘লিঙ্গপূজক’ বিরোধী মনোভাবই নজরে পড়ে। ক্রমে শ্মশানবাসী শিব হিন্দু ধর্মের তিন প্রধানের অন্যতম হয়ে উঠলেন। ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বরকে সৃষ্টি স্থিতি প্রলয়ের দেবতা বলে সাধারণ ভাবে চিহ্নিত করা হলেও, শিবভক্তরা শিবকেই সব কিছুর স্রষ্টা ও সংহারকর্তা বলে মানেন। পৌরাণিক নানা কাহিনিতে ব্রহ্মা ও বিষ্ণুর থেকে শিবের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা হয়েছে। সব থেকে পরিচিত বোধহয় সেই স্তম্ভরূপী শিবের গল্প, যেখানে হংসের রূপ নিয়ে ব্রহ্মা স্তম্ভের শীর্ষ আর বরাহের রূপ নিয়ে বিষ্ণু তার তলদেশ নির্ণয়ের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন, ব্রহ্মা আবার মিথ্যে করে বলেন, তিনি শীর্ষদেশ দেখতে পেয়েছেন, তাতে শিব অভিশাপ দেন— ভারতে আর ব্রহ্মার পূজা হবে না। শেষে ব্রহ্মা বিষ্ণু দুজনেই শিবকে স্রষ্টা হিসেবে মেনে নেন। শিবের লিঙ্গপূজা প্রচলনের গল্প আছে ‘কূর্মপুরাণ’-এ। দেবদারু বনে তপস্যারত মুনিঋষিরা ছদ্মবেশী শিব আর বিষ্ণুকে চিনতে পারেননি, নানা ঘটনার পর প্রকৃত রূপ দেখে তাঁর বন্দনা করেন এবং লিঙ্গপূজা প্রচলিত হয়। ব্রাহ্মণ্য পরিমণ্ডলে নিজের জায়গা করে নিতে ভূতপ্রেত নিয়ে দক্ষযজ্ঞ পণ্ড করতে হয়েছিল শিবকে, নাচতে হয়েছিল প্রলয়নাচন। কিন্তু সব কিছু সত্ত্বেও শিবের মধ্যে সেই দ্বৈত সত্তাই থেকে গিয়েছে— এক দিকে তিনি শ্মশানের দেবতা, ভূতপ্রেত তাঁর অনুচর, কাপালিকরা তাঁর সাধক; অন্য দিকে তিনি কৈলাসে পার্বতী কার্তিক গণেশকে নিয়ে ঘোর সংসারী। আর এই সংসারী, সহজে সন্তুষ্ট, আলাভোলা শিবকে কাছের করে নিতে মধ্যযুগের বাঙালির কোনও অসুবিধেই হয়নি।

শিবকে ঘরের লোকে পরিণত করার কালিক প্রয়োজন ছিল, জমিও তৈরি ছিল। শেষ দিকের পালরাজাদের লিপি থেকে বেশ কিছু শিবমন্দির তৈরির কথা জানা যায়। প্রাচীন পাশুপত সম্প্রদায়ের শৈবদের জন্য রাজানুগ্রহের কথাও আছে সেখানে। সুন্দরবনে জটার দেউল, বর্ধমানের রাঢ়েশ্বর, বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর ষাঁড়েশ্বর শৈলেশ্বর-এর মতো আটশো-হাজার বছরের শিবমন্দির টিকে আছে এখনও। পাল-সেন যুগের বাংলায় শিবের যে সব মূর্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, তার মধ্যে লিঙ্গমূর্তি বাদ দিলে শিব-পার্বতীর মূর্তি, বিশেষত উমা-মহেশ্বরের সংখ্যা খুবই বেশি। অর্থাৎ বাঙালি মননে একক শিব নয়, হরগৌরীর কল্পনাই প্রাধান্য পেয়েছে। শিব ও শক্তির এই সব যুগ্মমূর্তির পিছনে সে কালের তন্ত্রচর্চার প্রভাব দেখেছেন কেউ কেউ। সে যাই হোক, শিব ও পার্বতীর পারিবারিক রূপ যে ভাবে পরে বাঙালির সমাজ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠল, তার সূত্র কিছুটা হলেও যে এর মধ্যে থেকে গিয়েছে, সন্দেহ নেই।

তেরো শতক থেকে পরিস্থিতি আমূল বদলে গেল। মুসলিম শাসন কায়েম হওয়ার পর প্রথম কয়েক শতক বিশাল মন্দির তৈরি দূরের কথা, বড় আকারের পাথরের মূর্তি তৈরির পৃষ্ঠপোষকও রইল না। আক্রমণের ভয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হল দেবদেবীর মূর্তি, পুঁতে ফেলা হল মাটির নীচে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে সমাজকে আবার ব্রাহ্মণ্য ভাবধারায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা শুরু হল। দেখা গেল, দিনকাল বদলে গিয়েছে। যে বিষ্ণু বা সূর্যের মূর্তি এর আগে বাংলার সর্বত্র পাওয়া গিয়েছে, সেই দেবতাদের পূজা আর ফিরল না। মুঘল আমলে এক দিকে চৈতন্যের বৈষ্ণবধর্ম যেমন বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের আনুকূল্য নিয়ে সবাইকে টানল, তেমনই শিবের মাহাত্ম্য সবার মন জয় করে নিল। বাংলার প্রতি গ্রামে গড়ে উঠল ছোটবড় শিবমন্দির, পূজার চল হল লিঙ্গমূর্তিতে। দ্বাদশ শিব, ১০৮ শিবমন্দির তৈরি করে অভিজাতরাও পুণ্যের ভাগ নিতে এগিয়ে এলেন।

অন্দরমহলের দরজাও কি আর বন্ধ থাকে! ব্রতকথার মাধ্যমে শিব চলে এলেন ঘরের ভিতরে। কৃষিজীবী সমাজের প্রাত্যহিক যাপনেও মিশে গেল শিবের উৎসব— সারা বাংলা জুড়ে আজও চৈত্র-বৈশাখে ‘গাজন’ হয়, যে নাম নাকি এসেছে শিববিবাহের এই লৌকিক উৎসবে সমবেত মানুষের গর্জন থেকে।
রাঢ়ের সব থেকে বড় লোক-উৎসব গাজন, উত্তরবঙ্গে আবার তারই নাম গম্ভীরা। গাজনের গানে লৌকিক শিবের কত না কীর্তিকলাপ— চাষবাস শুরুর গল্প বোধহয় সব থেকে আগ্রহ জাগায়। ‘শিবায়ন’ কাব্যেও আছে এমন গল্প। পার্বতীর পরামর্শে শিব চাষে মন দিলেন। জমি কই? ইন্দ্রের কাছে শিব জমি চাইলেন। ইন্দ্র আদিগন্ত পতিত জমি দিলেন চাষের জন্য। যম দিলেন তাঁর মহিষ, শিবের ষাঁড় আর যমের মহিষ হাল চষবে। বিশ্বকর্মা চাষের যন্ত্রপাতি বানালেন, বীজ দিলেন কুবের। হাল চষার জন্য এলেন ভীম, দশমনি কাস্তে দিয়ে ফসলও কাটলেন। ধান হল মাত্র দু’হাল। শিব বললেন, ধান পুড়িয়ে দাও। ভীম ধানে আগুন দিয়ে ফুঁ দিলেন— ধান পুড়তে লাগল, পুড়তেই লাগল। এ থেকেই তৈরি হল নানা রঙের ধান। এ গল্পের নানা মাত্রা কল্পনা করা কঠিন নয়।

অর্থাৎ শুধু শিবরাত্রিতে শিবের মাথায় জল ঢেলে ভাল বর চাওয়া নয়, শিবের মহিমা মধ্যযুগ থেকে আজ পর্যন্ত অনেকটাই ব্যাপক। গবেষকদের মতে, বাংলায় এর উৎস আরও দূর অতীতে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক রজত সান্যাল দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন চন্দ্রকেতুগড় তিলপি তমলুক তিলদা মঙ্গলকোট— বাংলার বিভিন্ন প্রাচীন প্রত্নস্থলে পাওয়া লিঙ্গবেষ্টনকারী বিচিত্র নারীমূর্তির ভাস্কর্যের দিকে। তাঁর কথায়, এখনও এগুলির উপযুক্ত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, কিন্তু শৈব কাল্ট-এর সঙ্গে এর যোগ অস্বীকার করার উপায় নেই। আর তা হলে অবশ্যই এ বিষয়ে নতুন করে ভাবার অবকাশ আছে।

কি করবেন শিবরাত্রি দিন



প্রথমত, সারাদিন উপোস করে থাকতে হবে।

• ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে পড়ুন। গরম জল আর তিল দিয়ে স্নান করে নিজেকে শুদ্ধ করুন।

• পুজো শুরুর প্রথমে শিবলিঙ্গটিকে দুধ, জল এবং মধু দিয়ে স্নান করান। পুজোর জন্য বেলপাতা, আকন্দ ফুল, কুমকুম এবং চন্দন আবশ্যিক।

• বলা হয়, শিবকে দুধ কিংবা ক্ষীরই অর্পণ করা উচিৎ। তবে ভাঙ দিলেও ভগবান শিব খুশি হন।

• পুজোর সময় পূজারীকে ‘ঔঁ নমঃ শিবায়ঃ’ মন্ত্রটি জপ করতে হবে।

• শিবরাত্রির দিন সকাল থেকে উপোস শুরু হয় এবং উপোস শেষ হয় পরের দিন সকালে। যিনি উপোস করছেন, তিনি দুধ, ফল ইত্যাদি খেতে পারেন। তবে সূর্যাস্তের পরে কোনওকিছু খাওয়া চলবে না।

• যিনি উপোস করছেন, তাঁকে সারা রাত জেগে থাকতে হবে, এবং ভক্তিগীতি গাইতে হবে। পরের দিন ভোরবেলা উপোস ভাঙতে হবে পুজোর প্রসাদ খেয়ে।

• শিবের তিলক তৈরি করতে হবে দুধ, গোলাপ জল, চন্দন, দই, মধু, ঘি, চিনি, এবং জল দিয়ে।

• কথিত রয়েছে, শিবরাত্রির দিন গঙ্গায় ডুব দিলে সমস্ত পাপ ধুয়ে যায়।

• চার প্রহর ধরে শিব লিঙ্গের পুজো হয়। প্রথম প্রহরে জল দিয়ে, দ্বিতীয় প্রহরে দই দিয়ে, তৃতীয় প্রহরে ঘি দিয়ে এবং চতুর্থ প্রহরে মধু দিয়ে শিব লিঙ্গের অভিষেক করতে হবে।

• পুজো শেষের পরে আরতির সময়ে শিবের একশো আটটি নাম জপ করতে হবে।




শিবরাত্রি ব্রত পালনের বিধি নিয়ম


: ফাল্গুন মাসে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীর রাত্রি এই দেশের মানুষের বকাছে পরম পবিত্র। ফাল্গুনের এই তিথিটিই সবচেয়ে পবিত্র বলে গণ্য হয়। অনেকে বলেন, এই দিনটিতেই শিব লিঙ্গরূপে প্রথম প্রকাশ পেয়েছিলেন। পুরাণে আছে, এই দিন শিব ও পার্বতীয় বিয়ে হয়েছিল। যদিও এই দিনটিতে বৈজ্ঞানিক ব্যাখা রয়েছে। বলা হয় যে, উত্তর গোলার্ধের আকাশে গ্রহ-নক্ষত্রের সংস্থান এমন হয়, যাতে মানুষ তার আধ্যাত্মিক এবং অন্যান্য শক্তি বিশেষ ভাবে জাগ্রত করে তুলতে পারে। অনেকের বিশ্বাস, শিবরাত্রিতে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র ইত্যাদি পাঠ করলে সত্যি সত্যিই শক্তি বাড়ে। জেনে নিন পঞ্জিকা মতে শিব পুজোর মহেন্দ্রক্ষণ ও সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে:বাংলা তারিখ: ৮ ফাল্গুন ১৪২৬, শুক্রবার।

ইংরেজি তারিখ: ২১/০২/২০২০।
চতুর্দশী আরম্ভ: সময়: বিকাল ৫টা ২২ মিনিট থেকে।
নিশীথ রাত্রি শ্রীশ্রীশিব পূজা: মধ্যরাত্রি ১১টা ২৬ মিনিটের পরে ১২টা ১৪ মিনিটের মধ্যে।

চতুর্দশী শেষ
বাংলা তারিখ: ৯ ফাল্গুন ১৪২৬, শনিবার।
ইংরেজি তারিখ: ২২/০২/২০২০।
শেষ: সময়: রাত্রি ৭টা ৩ মিনিট পর্যন্ত।

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে
বাংলা তারিখ: ৮ ফাল্গুন ১৪২৬, শুক্রবার।
ইংরেজি তারিখ: ২১/০২/২০২০।
চতুর্দশী আরম্ভ: সময়: বিকাল ৫টা ৪০ মিনিট ৪ সেকেন্ড থেকে।
নিশীথ রাত্রি শ্রীশ্রীশিব পূজা: মধ্যরাত্রি ১১টা ২৬ মিনিট থেকে ১২টা ১৪ মিনিটের মধ্যে।
চতুর্দশী শেষ
বাংলা তারিখ: ৯ ফাল্গুন ১৪২৬, শনিবার।
ইংরেজি তারিখ: ২২/০২/২০২০।
সময়: রাত্রি ৬টা ৩৭ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড পর্যন্ত।

শিবরাত্রির পূজায় চার প্রহরে। চার রকম জিনিস দিয়ে স্নান করিয়ে চার রকম অর্ঘ্য প্রদান করে আলাদা আলাদা মন্ত্র উচ্চারণ করে চার বার শিব পূজা করা বিধি।



পারণের সময়সূচী
তারিখ-২২.০২.২০২০
সময়- সকাল ৯ টা ৫৬ মিনিট
যারা শিবরাত্রি ব্রত করেন  তারা অবশ্যই এই পারণ করে থাকেন। এইদিন মহাদেবকে অন্ন নিবেদন করে পারণ মন্ত্র উচ্চারণ করে উপোস ভঙ্গ করতে হয়।

ওঁ নমঃ শিবায়
শিবের ধ্যান
---------------
ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরিনিভং চারুচন্দ্রাবতসং
রত্নাকল্লোজ্বলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্রসন্নম্ ।
পদ্মাসীনং সমস্তাৎ স্ততমমরগণৈ – র্ব্যাঘ্রকৃত্তিং বসানং ,
বিশ্বাদ্যং বিশ্ববীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চাবক্ত্রং ত্রিনেত্রম্ ।।

মন্ত্রঃ- ওঁ নমঃ শিবায়

শিবের প্রনাম মন্ত্র
----------------------
ওঁ নমস্তভ্যঃ বিরূপাক্ষ নমস্তে দিব্যচক্ষুসে নমঃ ।
পিণাকহস্তায় বজ্রহস্তায় বৈ নমঃ ।।
নমত্রিশূলহস্তায় দন্ড পাশাংসিপাণয়ে ।
নমঃ স্ত্রৈলোক্যনাথায় ভূতানাং পতয়ে নমঃ ।।
ওঁ বানেশ্বরায় নরকার্ণবতারনায় , জ্ঞানপ্রদায় করুণাময়সাগরায় ।
কর্পূরকুন্ডবলেন্দুজটাধরায় , দারিদ্রদুঃখদহনায় নমঃ শিবায় ।।
ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে ।
নিবেদয়ানি চাত্মানংত্তৃংগতিপরমেশ্বরঃ ।।




শিবরাত্রির পারণ মন্ত্র

'সংসার ক্লেশদগ্ধস্য ব্রতেনানেন শঙ্কর।
প্রসীদ সুমুখনাথ জ্ঞানদৃষ্টি প্রদোভব।।'
 

 
শিবরাত্রি পুজোর জন্য কী কী প্রয়োজন

অনেকেই আছেন যারা এই শিবরাত্রির দিন বাড়িতে পুজো করেন থাকেন। তারা বিশেষ করে এটি জেনে রাখুন। শিবরাত্রি পুজোর জন্য একটি শিবলিঙ্গ, ছোট ঘটি, জল, দুধ, থালা, কোশাকুশি, গ্লাস, সাদা চন্দন, আতপ চাল, ফুল, বেলপাতা, ফল, ধূপকাঠি, প্রদীপ, নৈবেদ্য , জল, প্রণামী। এটা কটি জিনিস থাকলে মহাশিবরাত্রির পুজো আপনি বাড়িতে বসেই করতে পারবেন।


শিবরাত্রির উপবাসের সময় কী করা উচিত
উপবাসের দিন নির্জলা ব্রত করবেন।
উপোস না ভাঙা পর্যন্ত জল না খাওয়াই ভাল।
যারা নির্জলা উপোস করতে পারেন না তারা যে কোনও সরবত খেতে পারেন ব্রাহ্মণের অনুমতি নিয়ে।
পুজোর শেষে ফলাহার করুন। রাতে নিরামিষ হালকা খাবার খান।
পারণের দিন দুবার খাওয়ার, ভারী কাজ, পরের অন্ন ভোজন, দূরে যাত্রা না করাই ভাল।
ব্রাহ্মণ ভোজন অবশ্যই করাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200216185614

Tuesday, February 11th, 2020

Astro Research Centre

জ্যোতিষ শাস্ত্রে কতক গুলি গুরুত্ব পূর্ণ যোগ

জ্যোতিষ শাস্ত্রে কতক গুলি গুরুত্ব পূর্ণ  যোগ

জ্যোতিষ শাস্ত্রে কতক গুলি গুরুত্ব পূর্ণ যোগ

কর্ম প্রাপ্তি বলতে এর ব্যাপ্তি অনেক টা, রাশিচক্রে দশম ভাব ও ভাবপতির ভাবগত অবস্থান ও আনুসাঙ্গিক কিছু ভাব ও ভাবপতির স্থিতি গত অবস্থানের মাধ্যমে কোন জাতকের কোন পেশা তে যুক্ত হবেন , পেশার স্বরূপ ও প্রকৃতি , সময়কাল ইত্যাদি পূর্ণাঙ্গ বিচারের আয়ত্বে আসবে তা বিচারের নাম ই কর্ম প্রাপ্তির যোগ বিচার ।

বৃহস্পতি ও রবির অবস্হান
আপনার নিজের সাহসিকতা ও প্রচেষ্টা আপনার জীবনে এনে দেবে নাম, যশ, ক্ষ্যতি। আপনার অসিম প্রচেষ্টায় আপনি কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করবেন ও প্রচুর পরিমাণ অর্থলাভ করবেন। ব্যবসা বানিজ্যতে নতুন নতুন সোর্স বা সুযোগ সুবিধা আসবে যা আপনার ব্যবসাকে আরও উন্নত করবে। বন্ধুরা আপনার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে। প্রেমের জন্যও খুব ভালো যোগ আছে। তবে মা লক্ষ্মীর কৃপায় পাওয়া অর্থ সেভিংস করাই ভালো। কারন এই অর্থ কোন সেয়ারে বা লটারিতে লাগালে তা লাভের থেকে বেশী ক্ষতি করবে।

আধ্যাত্মিক সাধনা পদ্ধতিঃ
শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে আধ্যাত্মিক ভূমিতে। শিব সাধনা বিজ্ঞান প্রবর্তন করলেন। শ্রীকৃষ্ণ সেই সাধনা বিজ্ঞানকে আরও পল্লবিত করলেন- কর্মযোগ, জ্ঞানযোগ, অভ্যাসযোগ ও ভক্তিযোগের মাধ্যমে। শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী এই সাধনা বিজ্ঞানকে আরও গভীরভাবে সুবিন্যস্ত ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম করে ছয়টি স্তরে তাকে সাজালেন,-*নাম মন্ত্র, *প্রারম্ভিক যোগ, *সাধারণ যোগ, *সহজ যোগ, *বিশেষ যোগ ও *তান্ত্রিক শ্মশান সাধনা। নিরক্ষর মানুষ থেকে উচ্চ শিক্ষার ব্রহ্ম সাধক সবার প্রয়োজন মেটাতেই তিনি সাধনার এই স্তর বিন্যাস করে দিলেন। সাধনা জগতে চরিতার্থতা অর্জনের জন্য তিনি কর্ম, জ্ঞান ও যোগ অভ্যাসের সঙ্গে সঙ্গে মোহন বিজ্ঞান তথা ‘বাবানাম কেবলম্‌’ মহামন্ত্র কীর্তনের মাধ্যমে ভক্তি জাগিয়ে তুলবার প্রয়াসকে সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য দিলেন। কর্ম-জ্ঞান-যোগ-ভক্তির মণিকাঞ্চনযোগ ঘটিয়ে আত্মিক মুক্তির পথ নির্দেশনা দিলেন। জ্ঞান, কর্ম, অভ্যাস যোগের দ্বারা বহির্মুখী মন অন্তর্মুখী হবে, জড়মুখী মন হরিমুখী হবে, হৃদয়ে জেগে উঠবে পরাভক্তি।
তাঁর নির্দেশিত আনন্দমার্গ জীবন দর্শন ও সাধনার মূল কথা হ’লঃ
• এই বিশ্ব চরাচরে সবকিছুই গতিময়। জড়, দেহ, মন সব কিছুই অনন্ত চৈতন্য সত্তার আপেক্ষিক প্রকাশ। সব কিছুই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে।
• দেহ, মন ও আত্মার সমন্বয়মূলক বিকাশই সাধনার মূল কথা। সাধনা কর্ম, জ্ঞান, অভ্যাস যোগ ও ভক্তির সমন্বয়।
• মানুষকে নীতিবাদে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, আচরণ বিধি মেনে চলতে হবে।
• উপধর্ম বা মজহব বা Religion এর পথে নয়, বিশ্বজনীন ধর্ম বা মানব ধর্মের অনুশীলনই মুক্তি পথের সোপান।
• বহির্মুখী আচার-অনুষ্ঠান নয়, অন্তর্মুখী মানস-আধ্যাত্মিক সাধনা করতে হবে।
• মূর্তিপূজা, শিখা, সূত্র, বাহ্যিক যাগ-যজ্ঞ, প্রার্থনা, জাতপাত ভেদ, স্বর্গ-নরকের ভয়, মোল্লা-পুরোহিত-পাদ্রীদের ধর্মের নামে ব্যবসা, কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস বা ডগমা ইত্যাদি শোষণের হাতিয়ার ও স্বভাবতঃই মানব ধর্ম বিরোধী।
• প্রেয় নয়, শ্রেয়ের সাধনা করতে হবে। জীবনের সর্বস্তরে মুক্তির আকাঙ্খাই মানুষের চলার পথে মূল প্রেরণা। একমাত্র আত্মোপলব্ধি করাই সাধনার লক্ষ্য।
• বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য সমাজ অস্তিত্বের ভিত্তি।
• বিশ্লেষণের পথে নয়, সংশ্লেষণের পথে চলতে হবে। প্রতিটি জীবের মধ্যেই আত্মারূপে পরমাত্মা রয়েছেন। এখানে সবাই, সবকিছু একই ব্রহ্মের বিভিন্ন প্রকার অভিব্যক্তি মাত্র।
• বস্তু জগতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরমা গতির পথে এগিয়ে চলতে হবে।
• ধর্মভীরু নয়, ধর্মবীর হতে হবে।

সুনাফা যোগ।

রবি ব্যতীত অন্য কোন গ্রহ চন্দ্র অবস্থিত রাশির (অর্থাৎ জন্মরাশির)
দ্বিতীয় থাকলে সুনাফা যোগ হয়ে থাকে।

ফলঃ স্বোপার্জিত সম্পত্তির অধিকারী তথা এরূপ জাতক রাজতুল্য ক্ষমতা সম্পদ এবং খ্যাতির অধিকারী হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা এবং মন্তব্য . চন্দ্রের দ্বিতীয়ে মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র বা শনি
এককভাবে বা একত্রে অবস্থান করলেও এই যােগ হবে।

১. লগ্নপতি বুধ লগ্নের সপ্তম থেকে বৃহস্পতির সঙ্গে দৃষ্টি বিনিময় করলে সংবাদপত্র বা বই প্রকাশনার ব্যাবসায় জাতক লাভবান হতে পারে।

২. পঞ্চমে বুধ এবং সপ্তমে মঙ্গল ও শুক্র থাকলে চিকিৎসা, ওষুধ, বা রাসায়নিক দ্রব্যাদির ব্যবসা সূচিত করে। সপ্তমস্থান জলরাশি হলে জাতক তরল পদার্থের ব্যবসা করবে এবং শুক্র, চন্দ্র, ও মঙ্গলের মধ্যে যে গ্রহের প্রভাব বেশি পড়বে সেই অনুযায়ী ব্যবসা হতে পারে।

৩. বুধ শুভ হলে এবং সপ্তমে রবি, মঙ্গল, ও শুক্রের সন্মন্ধে যন্ত্রাদি সম্পর্কিত ব্যাবসায়ে বিশেষ কার্যকরী হবে।

৪. বস্ত্র ব্যবসা বা লোকরঞ্জন সম্পর্কিত ব্যাবসায় সপ্তমে চন্দ্র, মঙ্গল ও শুক্রের শুভ যোগ বিশেষ কার্যকরী হয়।

৫. বুধ পঞ্চমপতি হলে বা পঞ্চমপতির সঙ্গে অথবা পঞ্চমভাবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হলে এবং রবি ও মঙ্গল বিশেষ বলবান হয়ে বুধ, পঞ্চম্ভাব ও সপ্তমভাবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হলে জাতব্যক্তি বিজ্ঞানী, আবিস্কারক, বা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের ব্যাবসায় বিশেষ উন্নতি সাধন করতে পারে।

স্ত্রীর মাধমে ধনপ্রাপ্তি যোগ:-

বলবান দ্বিতীয়পতি সপ্তমপতির সঙ্গে থাকলে অথবা সপ্তমপতিকে শুক্র দৃষ্টি প্রদান করলে এবং লগ্নপতি বলবান হলে তবে এই যোগ সূচিত হয়। এই যোগে জাতব্যক্তি তার স্ত্রীর সাহায্যে অর্থ উপার্জন করে থাকে।

বিবাহে ভাগ্যোন্নতি যোগ - দ্বিতীয়পতি এবং সপ্তমপতির মধ্যে ক্ষেত্র বিনিময় হলে এই যোগের সূচনা হয়। এই যোগে জাতব্যাক্তির বিবাহের পর ভাগ্যোন্নতি হবে।

ভার্যাসহ ব্যাভিচার যোগ :- সপ্তমে চন্দ্র, মঙ্গল, শুক্র এবং শনি এক জোট হলে এই যোগ সূচিত হয়। এই যোগে স্বামী স্ত্রী উভয়ই ব্যাভিচারে লিপ্ত হবে।

সতীস্বাধী পত্নী যোগ :- শুক্র অথবা সপ্তমপতি বুধ বা বৃহস্পতি দ্বারা যুক্ত বা দৃশ্য হলে এই যোগ সূচিত হয়। এই যোগে জাতকের পত্নী, পতিব্রতা, পুণ্যবতী এবং মহান চরিত্রের অধিকারিণী হবেন।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200211140219

Tuesday, February 11th, 2020

Astro Research Centre

ভ্রমণ যোগ, সদসঞ্চার যোগ, বিদেশ যাত্রা যোগ, নবগ্রহ প্রভাব, রাহু, ketu, shni, মঙ্গল, বৃহস্পতি, প্রভাব

ভ্রমণ যোগ, সদসঞ্চার যোগ, বিদেশ যাত্রা যোগ, নবগ্রহ প্রভাব, রাহু, ketu, shni, মঙ্গল, বৃহস্পতি, প্রভাব

লগ্নের একাদশে রাহু হঠাৎ প্রচুর ধনপ্রাপ্তির সুযোগ এনে দেয়। এদের প্রচুর ভ্রমণ হয়। এদের ভ্রমণ সূত্রে লাভ হয়।

লগ্নের দ্বাদশে রাহু শয্যাসুখে সুখী করে। এরা অর্থলগ্নি সূত্রে বহু আয় করে। বিবাহ সংক্রান্ত মামলা থেকে আয় বেশি(আইনজীবী) করে। বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আয়ু ও ভ্রমণ ভাল হয়।

লগ্ন, তৃতীয়, একাদশ, দ্বাদশ-ভাব বা অধিপতিদের সংযোগী ভাব গঠনের সঙ্গে শনি বা রাহু বা কেতু বা বৃহস্পতির যোগ অতি অবশ্যই থাকতে হবে।
• শনি যুক্ত হলে বিলম্বে বিদেশ যাত্রা, রাহু যুক্ত হলে ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট, কেতু যুক্ত হলে উদ্বেগ-অনিশ্চয়তার সঙ্গে বিদেশ যাত্রা ঘটবে।
• তৃতীয়, একাদশ, দ্বাদশ-ভাব বা অধিপতিদের সংযোগী ভাবের সঙ্গে দশম ভাব বা অধিপতি যুক্ত হলে ব্যবসার বা বিবাহের জন্য বিদেশ যাত্রা হবে।
• লন্ডন, তৃতীয়, একাদশ, দ্বাদশ-ভাব বা অধিপতিদের সংযোগী ভাবের সঙ্গে দশম ভাব বা অধিপতি যুক্ত হলে চাকুরী বা কর্মসূত্রে বিদেশ যাত্রা করবে।
• এছাড়াও, রবি অষ্টম-ভাবে স্থিত হলে বিদেশ যাত্রার পক্ষে আদর্শ।
• নবম, দ্বাদশ ও তৃতীয় ভাবের মধ্যে যদি গভীর সম্পর্ক থাকে তবে বিদেশ যাত্রার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
• ষষ্ঠ-ভাবে স্থিত বৃহস্পতি জাতক-জাতিকাকে প্রবাসী করে।
• লগ্ন-পতি ভাগ্য-স্থানে অবস্থান করলে এবং চতুর্থ ভাব-পতি ষষ্ঠ, অষ্টম বা দ্বাদশ ভাবে অবস্থিত হলে বিদেশ যাত্রার সুযোগ আসে।
• জাতচক্রে রাহু যদি লগ্ন, দশম বা দ্বাদশে অবস্থান করে তবে বিদেশ যাত্রার যোগ তৈরি হয়।

অনুমান করা যায় যে, তার বিদেশে যাওয়ার কোন রকম সম্ভবনা আছে কিনা বা বিদেশ যাওয়ার সম্ভব্য সময়। এই বিদেশ যাত্রা তার সাময়িক না স্থায়ী তারও হদিশ মেলে রাশিচক্র থেকে।

বিদেশে যাওয়ার সময়ঃ-
১) নবমপতির দশা বা অর্ন্তদশায়।
২) নবমস্থানে অবস্থিত গ্রহের দশা বা অর্ন্তদশায়।
৩) নবমস্থানে দৃষ্ট গ্রহের দশা বা অর্ন্তদশায়।
৪) নবমপতির সাথে যুক্ত গ্রহের দশা বা অর্ন্তদশায়।
৫) নবমপতি যে স্থানে বসেছে তার লর্ডের দশা বা অর্ন্তদশায়।
৬) দ্বাদশস্থানে অবস্থিত গ্রহের দশা বা অর্ন্তদশায়।
৭) রাহু বা কেতুর দশা বা অর্ন্তদশায়।

জীবিকা, শিক্ষা বা ব্যাবসার প্রয়োজনে মানুষ দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ায়। করতে হয় বিভিন্ন অনুকূল ওও প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা। নতুন পরিবেশে নতুন মুখ, নতুন সংস্কৃতি তাদের জীবনে এক নতুন অভিজ্ঞতা সংযোজন করে। কিছু মানুষ সফল ভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতিকে অনুকূলে নিয়ে আসে, আবার অনেকে তা না পেরে নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলে। বিদেশ গমন মানে নিজের দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন দেশের সঙ্গে নতুন সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়া।

রাশিচক্রের চতুর্থ স্থান হল জাতকের জন্মস্থান এবং নবম স্থান নির্দেশ করে বিদেশকে। চতুর্থ স্থান যদি বলবান হয় অর্থাৎ নিজগৃহ বা তুঙ্গী হয় বা কোন শুভ গ্রহ দৃষ্ট হয় বা চতুর্থপতি ১,৪,৫ ও ৯ অবস্থান করে তাহলে জাতক নিজ দেশেই উন্মতি করে। আবার যদি নিচস্থ বা শত্রু গৃহগত হয় বা ৬,৮ ও ১২ স্থানে অবস্থান করে তবে জাতক জন্মস্থান থেকে দূরে গেলেই উন্নতি করে। ঠিক তেমনি নবম স্থান যদি বলবান হয় অর্থাৎ নিজগৃহ বা তুঙ্গী হয় বা কোন শুভ গ্রহ দৃষ্ট হয় বা চতুর্থপতি ১,৪,৫ ও ৯ অবস্থান করে তাহলে জাতক বিদেশের মাটিতেই উন্নতি করে। কিন্তু যদি নিচস্থ বা শত্রু গৃহগত হয় বা নবমপতি যদি ৬,৮ ও ১২ স্থানে অবস্থান করে তবে জাতক বিদেশে বিভিন্ন সমস্যার সন্মুখীন হতে পারে।

চতুর্থ ও নবমস্থান ছাড়া দ্বাদশস্থানও বিদেশ যাত্রার জন্য বিচার্য বিষয়। দ্বাদশস্থান থেকে আমরা ব্যয় বা লোকসান বুঝি। লগ্নপতি যদি দ্বাদশস্থানে অবস্থান করে তবে বুঝতে হবে জাতক নিজেকে হারাবে। নিজেকে হারাবে মানে নিজ দেশ ছেড়ে বিদেশে যাবে। অন্যভাবে বললে এই দ্বাদশস্থান হল জন্মস্থান বা চতুর্থ স্থানের নবমস্থান। অর্থাৎ চতুর্থ স্থানের বিচারে বিদেশ যাত্রারস্থান।

বৃহস্পতি ফলদায়ী গ্রহ এবং এই বৃহস্পতিই বিদেশ যাত্রার কারক গ্রহ। বৃহস্পতি প্রকৃতপক্ষে রাশিচক্রের নবম ও দ্বাদশপতি হওয়ায় বিদেশ ভ্রমণ বা বিদেশে স্থায়ী ভাবে বসবাসের জন্য এর গুরুত্ব অপরিসীম। বিদেশ ভ্রমণ ও প্রতিষ্ঠা লাভে রাহু কেতুরও যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। রাহুর প্রভাবে খ্রীষ্টান দেশে এবং কেতুর প্রভাবে মুসলিম দেশে যাওয়ার সুযোগ হয়।

বিদেশে যাওয়ার অন্য কয়েকটি বিশেষ যোগঃ-
১) যখন লগ্নপতি নবমে ও নবমপতি লগ্নে অবস্থান করে।
২) যখন লগ্নপতি দ্বাদশে ও দ্বাদশপতি লগ্নে অবস্থান করে।
৩) যখন চতুর্থস্থান বা চতুর্থপতি অশুভ গ্রহ দ্বারা দৃষ্ট হয়।
৪) যখন চতুর্থপতি ৬,৮ ও ১২ স্থানে অবস্থান করে।
৫) যখন চতুর্থস্থান বা চতুর্থপতি রাহু বা কেতু দ্বারা প্রভাবিত হয় তখন নিশ্চিৎ ভাবে বলা যায় জাতক স্থায়ীভাবে বিদেশে বসবাস করবে।
৬) চতুর্থপতি দ্বাদশে অবস্থান করলে এবং নবমপতি বলবান হলেও জাতক স্থায়ীভাবে বিদেশে বসবাস করবে।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200211131405

Sunday, February 9th, 2020

Astro Research Centre

The way to Venus Remedies, pratikar

The way to Venus Remedies,  pratikar

The way to Venus Remedies

  One should worship Maha Lakshmi. Lakshmi mantra to do open lessons.

  Vaibhav Lakshmi will have to perform on Friday.

  Wear white and transparent clothes

  Aromatic substances and silver ornaments.

  Ghee yogurt camphor and pearl must be donated.

 
  You have to donate and donate white tide.

  The diamond and zircon silver / gold ring should be inserted into a ring or medium.

  Venus -: -
  • Origin - The origin of the Rambasak.
  • Metals - Platinum.
  • Gems and stones - I) Diamonds, ii) Zircon, iii) Opal.


  Goddess - Bhubaneshwari.
  Contains - diamonds,
bar - friday, spacious time - in the evening. Until 3-5pm


Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

 



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200209184455

Thursday, February 6th, 2020

Astro Research Centre

হাতে অনেক চিহ্ন থাকে তার মধ্যে (১) তারা চিহ্ন (২)চর্তুভূজ চিহ্ন (৩) বৃত্ত চিহ্ন (৪) ত্রিভূজ চিহ্ন (৫) জাল চিহ্ন (৬)কুম্ভ

হাতে অনেক চিহ্ন থাকে  তার মধ্যে (১) তারা চিহ্ন (২)চর্তুভূজ চিহ্ন (৩) বৃত্ত চিহ্ন (৪) ত্রিভূজ চিহ্ন (৫) জাল চিহ্ন (৬)কুম্ভ

হাতে অনেক চিহ্ন থাকে
তার মধ্যে (১) তারা চিহ্ন (২)চর্তুভূজ চিহ্ন (৩) বৃত্ত চিহ্ন (৪) ত্রিভূজ চিহ্ন (৫) জাল চিহ্ন (৬)কুম্ভ চিহ্ন (৭) যব চিহ্ন (৮) শঙ্খ চিহ্ন (৯) অংকুশ চিহ্ন (১০) ক্রচ চিহ্ন (১১)পদ্ম কলি বা পদ্ম চিহ্ন (১২) হস্তী চিহ্ন (১৩) ছত্র চিহ্ন (১৪) স্বস্তিক চিহ্ন (১৫) পতাকা চিহ্ন (১৬) মৎস্যপুচ্ছ চিহ্ন (১৭) পরশু চিহ্ন (১৮) দ্বীপ চিহ্ন (১৯) ধ্বজা, গদা এবং অন্য বহু রেখা ও চিহ্ন অবস্থিত স্থান হিসাবে ভাগ্য ফলের আশ্বাস দেয়।


যারা হাতের রেখা দেখে ভাগ্য গণনা বিশ্বাস করেন তারা এবং হস্তরেখাবিদদের অনেকেই মনে করেন  হাতের রেখায় চতুর্ভুজ চিহ্ন স্পষ্টভাবে থাকলে সেটি রক্ষা কবচের মত কাজ করে। হৃদয়রেখা ও শিরোরেখার মাঝখানে তৈরি হওয়া চতুষ্কোণ ক্ষেত্রকে বলা হয় বৃহৎ চতুর্ভুজ। এই রেখাটি হৃদয়রেখা ও শিরোরেখার সঙ্গে ভাগ্যরেখা ও স্বাস্থ্যরেখার মিলে তৈরি হয়। মনে করা হয় এই চিহ্ন সমস্ত রকম অশুভ যোগ থেকে রক্ষা করে। 
যদি হাতের রেখায় এই চতুর্ভুজ হালকা অর্থাৎ অস্পষ্ট ভাবে থাকে তাহলে জাতক বা জাতিকা ভীতু ও চঞ্চল স্বভাবের হয়।
আবার যদি এই চতুষ্কোণের সঙ্গে হাতে শুক্র-বন্ধনী থাকে, তাহলে নাম যশের পাশিপাশি যে কোনও শিল্পের সঙ্গে যুক্ত থেকে প্রচুর আয় করে বিখ্যাত ও ধনী হয়। 
যদি এই চিহ্ন শনির দিকে বেশি চওড়া হয় তবে আধ্যাত্মিক জগৎ-এৎ সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
আর যদি রবির ক্ষেত্রের দিকে বেশি চওড়া হয় তাহলে নিজের খ্যাতি ও প্রতিপত্তির দিকে বেশি নজর থাকে সেই সঙ্গে রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত হয়।
হাতের রেখায় চতুষ্কোণ সমান এবং স্পষ্টভাবে চওড়া হলে সেই জাতক বা জাতিকা জীবনে শুভ ফল পায়। 


রবির ক্ষেত্রে ত্রিভূজ থাকা ব্যক্তি শিল্পী ও রাজনীতির সুযোগ পান।

*চন্দ্রর ক্ষেত্রে ত্রিভূজ থাকা ব্যক্তির বিবাহের সময় হইতে উন্নতি হয় অর্থলাভ হয় এবং স্ত্রীর পিতৃগৃহ ধনবান হয়।

*মঙ্গলের ক্ষেত্রে ত্রিভূজ থাকলে ব্যক্তির পরিশ্রম ও দূঃখ হয়। কিন্তু এই সব ব্যক্তি সৈনিক বিদ্যায় পারদর্শী এবং এই বিভাগে খ্যাতি ও অর্থ লাভ করেন।

*বুধের ক্ষেত্রে ত্রিভূজ থাকলে ব্যক্তি সর্বদায় সর্তক, কূটনীতি পরায়ণ হন, জাতকের রবি বুধ বৃহস্পতি শুক্র ও শনিক্ষেত্র শুভ থাকিলে বিখ্যাত রাজ নীতিজ্ঞ হন।

*বৃহস্পতির ক্ষেত্রে ত্রিভূজ থাকিলে জাতকের সর্বক্ষেত্রে সাফল্য দেখা যায়। এইসব ব্যক্তি নেতৃত্ব মন্ত্রিত্ব বা রাজদূত রূপে খ্যাতি লাভ করেন।

*শুক্রর ক্ষেত্রে ত্রিভূজ থাকলে জাতক প্রেমিক হন এবং এরা শিল্পী হিসাবেও খ্যাতি লাভ করেন।

*শনির ক্ষেত্রে ত্রিভূজ থাকলে জাতক জ্ঞানী,দার্শনিক, সাধক ও যোগী হন।

*রাহুর ক্ষেত্রে ত্রিভূজ থাকলে জাতক বিপদে পড়লেও মুক্ত হওয়ার যোগ থাকে। এবং জাতক জুয়া-লটারিতেও অর্থলাভ করে থাকেন।

*তর্জু ও বজ্র চিহ্ন হাতের করতলে থাকলে ব্যবসায়ে লাভবান হন।

*বৃহত্‍ ত্রিভূজ চর্তুভূজ আর ঊর্ধ্বমুখী স্পষ্টরেখা করতলে ধনসম্পত্তি বৃদ্ধি করে

*পদ্ম ও পদ্মকলি- চিহ্ন করতলে থাকলে জাতক সুখী ও ধনী হন।

*করতলের শিরোরেখা হইতে শনিক্ষেত্র পর্যন্ত এবং আর একটা রেখা বৃহস্পতি ক্ষেত্র পর্যন্ত থাকলে জাতক অতি ধনবান হন।

* ক্রশ-চিহ্ন তর্জনী আঙ্গুলিতে থাকা জাতক পিতৃধনে ঐশ্বর্য্যশালী থাকেন।

*শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্ম-ধ্বজা চিহ্ন করতলে জাতক ভগবান মহাপ্রভুর শ্রেষ্ঠ পরম ভক্ত রাজজ্ঞানী ও ঐশ্বর্য্যশালী এবং পরম দয়ালু হন।

*মনিবন্ধন, ত্রিভূজ, করতলে হস্তী, মৎস্য, মৎস্যপুচ্ছ, মকর চিহ্ন জাতক প্রভুত্ব ও সম্পদশালী হয়।

*মৎস্য-চিহ্ন করতলে জাতককে পুত্রবানের আশ্বাস দেয়।

*চর্তুভূজ-গদা, ছত্র, অংকুশ, পর্বত, ঘট প্রভৃতি চিহ্ন জাতকের বিপদ নাশ করে ও উন্নতির আলো দেখায়।

*যোনি-চিহ্ন করতল থাকা জাতকের সম্পদ বৃদ্ধি করায় ও শুভ হয়।

*চন্দ্র-চিহ্ন করতল থাকা জাতক সদগুণী মানী মধুরভাষী ও ধনবান হন।

*সূর্য্য-চিহ্ন করতল ব্যক্তি দৃঢ় মন, সুকর্মী, সাহসী ও অতি প্রভাবশালী এবং সুখী ও ভোগী হয়।

*চক্ষু-চিহ্ন করতলে জাতক সুখী ও ভোগী হন।

*ধনুক-চিহ্ন করতল জাতক দৃঢ়তা সম্পন্ন কর্মী হন।

*যব-চিহ্ন বৃদ্ধ বা মধ্যমা আঙুলিতে থাকলে পরধন প্রাপ্তি বুঝায়।

*ক্রশ-চিহ্ন শিরোরেখা থাকলে জাতক ধনবান ও ধর্মপরায়ন হয়।

*ত্রিশুল-ডম্বুরু ও চর্তুভূজ ভাগ্য রেখার শেষ প্রান্তে বা বৃহস্পতির ক্ষেত্রে থাকলে জাতক বিদ্বান, বিজ্ঞানী, দার্শনিক শাস্ত্রজ্ঞ ও ধর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত এবং খ্যাতি অর্জন করেন।

* ক্রশ-চিহ্ন অনামিকা আঙুলে থাকলে জাতক বন্ধুর সাহায্য লাভ করেন ও ধনবান হন।

*মন্দির-পতাকা, চিহ্ন করতলে থাকলে জাতক পরোপকারী রাজ পুজিত, ধার্মিক, জ্ঞানী ও দয়ালু হন।

*চক্র-চিহ্ন জাতক রাজসম্মানী ও ধনী হন।

*খড়ম-চিহ্ন করতল জ্ঞানী, শাস্ত্রজ্ঞ এবং পন্ডিত হওযার সঙ্কেত দেয়।

* শঙ্খ-চিহ্নর করতল ভূসম্পতির মালিক করে।

* খড়্গ-চিহ্নর করতল সাহসী শক্তিশালী এবং সুখী করে।

তারা চিহ্ন করতলের শুভ ফলাফলের বিবরণ

* রবির-ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে জাতক শিল্প, অভিনয়, কাব্য, সাহিত্য, রাজনীতিতে, খ্যাতিনামা হন ও দক্ষতা বাড়ে।

* চন্দ্রর-ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে জাতক কল্পনা প্রিয় হন এবং ভ্রমণের মাধ্যমে প্রচুর ধন আহরণ করিতে পারেন।

* মঙ্গলের-ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে জাতকের সামরিক বিভাগে চাকরি লাভ ও প্রচুর পরিশ্রমী হয় এবং যথেষ্ট উন্নতি লাভ করিতে পারেন।

* বুধের ক্ষেত্রে করতলে তারা চিহ্ন থাকলে জাতক ব্যবসায় প্রচুর উন্নতি করেন। এদের মধ্য অধ্যয়নে মেধা ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা দেখা যায়।

*বৃহস্পতির ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে জাতক সৌভাগ্যবান হয় এবং এরা ধন-সম্পদ, সুখশান্তি ও খ্যাতিলাভ করেন।

* শুক্রর ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে জাতক নারীর প্রতি দুর্বল হয়। এরা প্রেমে পরলে দুঃখ ও প্রতারিত হয়ে থাকেন।

* শনির ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকলে জাতকের চিরকাল দুঃখ হয়। এবং সর্প দংশন হওয়ার ভয় থাকে।

* রাহুর ক্ষেত্রে তারা চিহ্ন থাকিলে জাতক সেনাবাহিনীতে যোগদান করে এবং এদের যুদ্ধ ক্ষেত্রে প্রাণনাশের ভয় থাকে।



এক্স’ চিহ্ন? আসলে হাতের বিভিন্ন রেখার মধ্যে এক একটি রেখার এক একটি নাম রয়েছে। নিজের হাতের তালুর দিকে তাকান। দেখবেন, আড়াআড়ি তিনটি রেখা অত্যন্ত স্পষ্ট এবং প্রকট হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে আঙুলের দিক থেকে প্রথম রেখাটির নাম হৃদয় রেখা, দ্বিতীয় রেখাটির নাম মস্তিস্ক রেখা, তৃতীয় রেখাটির নাম জীবন রেখা। আর উপরে-নীচে বিস্তৃত যে রেখাটি এই তিনটি (কিংবা দু’টি) রেখাকে ছেদ করছে, সেটির নাম ভাগ্য রেখা (ছবি দেখুন)।
এ বার ভাল করে তাকান নিজের হাতের তালুর দিকে। বিশেষ মনোযোগ দিন উপর থেকে দ্বিতীয় রেখা অর্থাৎ মস্তিস্ক রেখার দিকে। দেখুন তো, ভাগ্য রেখা (লম্বালম্বি রেখাটি) কি এমন ভাবে ছেদ করছে হৃদয় রেখাকে, যাতে এই দুই রেখার সংযোগ স্থলে ইংরেজি এক্স (X)-এর মতো একটি চিহ্ন তৈরি হয়? হয়েছে? বেশ। এ বার তাকান, অন্য হাতের তালুর দিকে। সেখানেও কি একই ভাবে মস্তিস্ক রেখা এবং ভাগ্য রেখার সংযোগস্থলে একটি ‘এক্স’ চিহ্ন রয়েছে? যদি থাকে, তা হলেই কেল্লাফতে।
জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দু’ হাতেই এই জাতীয় চিহ্নের উপস্থিতি বিশেষ সৌভাগ্যকে সূচিত করে। যাঁদের হাতে এই ধরনের চিহ্ন থাকে, তাঁরা শুধু যে শারীরিক ভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং নিরোগ দেহের অধিকারী হন, তা-ই নয়, পাশাপাশি তাঁদের মানসিক দৃঢ়তাও হয় অতুলনীয়। তাঁদের ভাগ্য তাঁদের ক্ষমতা অনুযায়ী আকার ধারণ করে। ফলে সর্ব ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করেন তাঁরা। এতটাই খ্যাতি এবং যশ তাঁরা অর্জন করেন যে, তাঁদের মৃত্যুর পরেও বিশ্ববাসী তাঁদের মনে রাখে।
মস্কোর এসটিআই ইউনিভার্সিটি-র গবেষকদের প্রকাশিত ‘এক্স পাম মিস্ট্রি অ্যান্ড স্পিরিট সায়েন্স ফর্মুলা’ নামের গবেষণাপত্র জানাচ্ছে, পৃথিবীর মাত্র ৩ শতাংশ মানুষের দুই হাতেই এই চিহ্ন থাকে। গবেষণার মাধ্যমে তাঁরা দেখিয়েছেন, সম্রাট আলেকজান্দার, আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ভ্লাদিমির পুতিন-এর মতো মানুষের হাতে এই চিহ্ন ছিল কিংবা রয়েছে। এঁরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে অত্যন্ত সফল। কাজেই আপনিও যদি এই ৩ শতাংশ মানুষের অন্তর্ভুক্ত হন, তা হলে আপনিও নিজের ভাগ্য নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।
এ ছাড়াও জ্যোতিষ শাস্ত্র মনে করে,
১. যাঁদের হাতের তর্জনীর নীচে ‘এক্স’ চিহ্ন থাকে, তাঁদের মাথায় আঘাত লাগার সম্ভাবনা থাকে, পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ি থেকে অর্থলাভের যোগও তাঁদের রয়েছে।
২. যাঁদের মধ্যমার নীচে ‘এক্স’ চিহ্ন রয়েছে, দুর্ভাগ্য এবং অসুস্থতা তাঁদের তাড়া করে বেড়াবে সারা জীবন।
৩. যাঁদের হাতে ‘এক্স’ চিহ্নের অবস্থান অনামিকার নীচে, বিভিন্ন প্রচেষ্টায় ব্যর্থতা, অর্থহানি, এবং অবসাদের মতো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাঁদের।
৪. আবার কড়ে আঙুলের নীচে অবস্থিত ‘এক্স’, সেই ব্যক্তির চারিত্রিক অসততার লক্ষণ।



১. ত্রিভুজ: এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে হাতের তালুর ঠিক মাঝামাঝি যদি একটা ত্রিভুজের মতো চিহ্ন সৃষ্টি হয়, তাহলে বুঝতে হবে দেবাদিদেব এবং বিষ্ণুর আশীর্বাদ রয়েছে আপনার উপর। শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞদের মতে এমন চিহ্ন থাকার অর্থ হল সেই ব্যক্তি অল্প সময়েই কর্মক্ষেত্রে দারুন উন্নতি লাভ করবেন। সেই সঙ্গে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠার কারণে জীবনে কখনও খারাপ সময়ের সম্মুখিন হতে হবে না। 

২. ত্রিশূল: তালুর উপরের দিকে যদি তিনটি রেখা মিলে অনেকটা শিবের ত্রিশূলের মতো চিহ্ন তৈরি করে, তাহলে জানবেন দেবাদিদেবের আশীর্বাদে কোনও খারাপ শক্তি আপনাকে ছুঁতে পারবে না, সেই সঙ্গে যে সমস্য়াই মাথা চাড়া দিয়ে উঠুক না কেন, তা মিটে যেতে দেখবেন সময় লাগবে না।
৩. তারা বা স্টারের মতো চিহ্ন: হস্তরেখা বিশেষজ্ঞদের মতে কারও ডান হাতের তালুতে যদি তারার মতো কোনও চিহ্ন থাকে, তাহলে তাকে কাজকর্ম নিয়ে কখনই চিন্তায় থাকতে হবে না। কারণ সর্বশক্তিমানের আশীর্বাদে এমন ব্যক্তিরা অনেক কম সময়েই কেরিয়ারের একেবারে উপরের দিকে উঠে যাওয়ার সুযোগ পান। শুধু তাই নয়, নানা কারণে সফলতা এদের রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। তাই তো জীবন অনন্দে ভরে ওঠে চোখের পলকে।
৪. হিরে: আপনার হাতের তালুতে কি হিরের মতো কোনও চিহ্ন রয়েছে? উত্তর যদি হ্যাঁ হয় বন্ধু, তাহলে চটজলদি ব্যাগ গুছিয়ে নিতে দেরি করবেন না যেন! কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এমন চিহ্নের অধিকারীরা দেবের আশীর্বাদে এ জীবনে নানা জায়গা ঘোরার সুযোগ পান। শুধু তাই নয়, এরা এতটাই বুদ্ধিমান হন যে সফলতার স্বাদ পেতে বেশি দিন অপেক্ষাও করতে হয় না।
৫. চাঁদের মতো চিহ্ন: এমন রেখা যাদের হাতে থাকে, তারা মূলত কেনাও সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেন না। শুধু তাই নয়, দেবাদিদেব এবং ভগবান বিষ্ণুর আশীর্বাদ থাকার কারণে এমন মানুষেরা যে কাজই করুক না কেন তাতে সফল আসেই আসে! 

৬. চৌকো বক্স: এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এমন চিহ্ন রয়েছে যাদের হাতে, তারা কখনও কোনও বিপদে পরেন না। কারণ শিব পূরণ অনুসারে যাদের উপর দেবাদিদেবের আশীর্বাদ থাকে, তাদের যে কোনও পরিস্থিতিতেই কোনও বিপদ পরার কোনও আশঙ্কা থাকে না বললেই চলে। তাই এমন হস্ত রেখার অধিকারীরা যে বেজায় “লাকি”, তা তো বলাই বাহুল্য! 

৭. গ্রিল: চৌকো বক্সের মাঝে জালি-জালি, এমন চিহ্ন সৃষ্টি হলে জানবেন ভগবান শিব এবং বিষ্ণুর নেক দৃষ্টি রয়েছে আপনাদের উপরে। তাই তো আপনার জীবনে যে সমস্যাই মাথা চাড়া দিয়ে উঠুক না কেন, তা থেকে আপনি যে ঠিক বেরিয়ে আসবেনই, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

৮. কাটাকুটি বা ক্রস: হস্তরেখা বিশেষজ্ঞদের মতে যাদের ডান হাতে এমন চিহ্ন সৃষ্টি হয়, তাদের উপর সারা জীবন ভঘবান বিষ্ণু এবং নীলকষ্টের নেক দৃষ্টি থাকে, যে কারণে সমস্ত বাঁধার পাহাড় পেরিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে এদের কেউ আটকাতে পারে না। শুধু তাই নয়, সর্বশক্তিমানেদের আশীর্বাদে এদের পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগে। সেই সঙ্গে কোনও ধরনের বিবাদ বা কলহ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও যায়া কমে। ফলে এদের জীবন বেশ আনন্দেই কেটে যায়


সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200206204419

Thursday, February 6th, 2020

Astro Research Centre

বৃহস্পতি(গুরু), রাহু ও শনির ট্রানজিটের গুরুত্ব ও ফল

বৃহস্পতি(গুরু), রাহু ও শনির  ট্রানজিটের গুরুত্ব ও ফল


আজকের গ্রহ সারণি, গ্রহদের অবস্হান, গ্রহ স্ফুটনাঙ্ক, রাশিতে অবস্হান, নক্ষত্র, পাদ,

গ্রহ ট্রানজিট তারিখ 09 /04 /2020

পর্যন্ত।
গ্রহস্ফুট:
রবি: ২৪ মীন ২৮:৫৮:৪৯, রেবতী নক্ষত্র ৩ পদ
চন্দ্র: ২২ কন্যা ৫৩:২২:৪৫, হস্তা নক্ষত্র ৪ পদ
মঙ্গল: ১১ মকর ৩২:৪৮:২২, শ্রাবনা নক্ষত্র ১ পদ
বুধ: ০০ মীন ৫৫:৫৪:৩৫, পূর্বভদ্রা নক্ষত্র ৪ পদ
বৃহস্পতি: ০১ মকর ০৪:১৮:৩৭, উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ২ পদ
শুক্র: ০৯ বৃষ ৩৭:২৬:২৭, কৃত্তিকা নক্ষত্র ৪ পদ
শনি: ০৬ মকর ৫৬:২১:৪৬, উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র ৪ পদ
রাহু: ০৮ মিথুন ৫৪:৫১:১৭, আর্দ্রা নক্ষত্র ১ পদ
কেতু: ০৮ ধনু ৫৪:৫১:১৭, মূলা নক্ষত্র ৩ পদ
লগ্ন:মীন রাশিতে সকাল ঘ ০৫:৪৩:১০ দং ০/৪৭/৫৭.৫ পর্যন্ত। মেষ রাশিতে সকাল ঘ ০৭:২৩:৪২ দং ৪/৫৯/১৭.৫ পর্যন্ত। বৃষ রাশিতে সকাল ঘ ০৯:২২:০২ দং ৯/৫৫/৭.৫ পর্যন্ত। মিথুন রাশিতে সকাল ঘ ১১:৩৫:২০ দং ১৫/২৮/২২.৫ পর্যন্ত। কর্কট রাশিতে দুপুর ঘ ০১:৫১:০২ দং ২১/৭/৩৭.৫ পর্যন্ত। সিংহ রাশিতে বিকাল ঘ ০৪:০২:২৪ দং ২৬/৩৬/২.৫ পর্যন্ত। কন্যা রাশিতে বিকাল ঘ ০৬:১২:৩৪ দং ৩২/১/২৭.৫ পর্যন্ত। তুলা রাশিতে সন্ধ্যা ঘ ০৮:২৬:৪৪ দং ৩৭/৩৬/৫২.৫ পর্যন্ত। বৃশ্চিক রাশিতে রাত ঘ ১০:৪২:২৯ দং ৪৩/১৬/১৫ পর্যন্ত। ধনু রাশিতে শেষ রাত্রি ঘ ০০:৪৭:৪৯ দং ৪৮/৩১/৫০ পর্যন্ত। মকর রাশিতে শেষ রাত্রি ঘ ০২:৩৪:৪৫ দং ৫২/৫৯/১০ পর্যন্ত। কুম্ভ রাশিতে শেষ রাত্রি ঘ ০৪:০৮:১১ দং ৫৬/৫২/৪৫ পর্যন্ত।
বৃহস্পতি(গুরু)ও শনির ট্রানজিটের গুরুত্ব ও ফল

বৃহস্পতি হল রাশিচক্রের সমস্ত গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে লাভদায়ক গ্রহ। বৃহস্পতির নিজস্ব ভাব হল ধনু এবং মীনরাশি। এটি কর্কটরাশিতে উচ্চস্থ হয়। বৃহস্পতি গ্রহ হল জ্ঞান, বোধ, ধনসম্পদ ও ভাগ্যের প্রতীক। বৃহস্পতি আমাদের অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর করে। এই গ্রহ একটি রাশিতে প্রায় ১ বছর অবস্থান করে। তারপর এটি পরবর্তী রাশিতে প্রবেশ করে। এইভাবে এটি সম্পূর্ণ রাশিচক্রটিকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ১২ বছর সময় নেয়। ঘটনাগুলির সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে বৃহস্পতি, শনি, রাহু প্রভৃতি ধীর গতির গ্রহগুলির ট্রানজিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ট্রানজিট গোচর নামেও পরিচিত। যখন গ্রহেরা রাশিচক্রের বিভিন্ন রাশির মধ্যে দিয়ে যায় তখন মানুষ তার জন্মরাশি এবং লগ্ন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকার প্রভাব অনুভব করে। সুতরাং, বৃহস্পতির বৃশ্চিকরাশি থেকে ধনুরাশিতে এই ট্রানজিট মানুষের জীবনে কিছু বড় মাপের পরিউবরতন আনবে।
জন্মরাশি থেকে ট্রানজিট বা গোচরই হল প্রাথমিক কাজ, কিন্তু আমরা এটিকে লগ্ন, অরুধা লগ্ন এবং গ্রহের জন্মগত অবস্থান থেকেও দেখার পরামর্শ দেব।

২০১৯-২০২০ বৃহস্পতি ট্রানজিট তারিখ

৫ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৬টা বেজে ৪২ মিনিটে বৃহস্পতি ধনুরাশিতে প্রবেশ করবে। ৩০শে মার্চ, ২০২০ থেকে বৃহস্পতি মকররাশিতে প্রবেশ করবে। এটি পশ্চাৎগামী হবে এবং ৩০শে জুন, ২০২০ থেকে পশ্চাতে গমন করতে করতে বৃহস্পতি আবার ধনুরাশিতে প্রবেশ করবে। ২০শে নভেম্বর, ২০২০ তে এটি পাকাপাকিভাবে ধনুরাশিকে ত্যাগ করবে।

আমার নতুন ইউটিউব চ্যানেল আপনাদের ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করুন জয় মা তারা

https://youtu.be/RUcGxY1_oak

এই নিবন্ধটিতে আমরা আপনাদের জন্য Rashifal) নিয়ে এসেছি যেখানে আপনি আপনার অর্থ, ব্যবসা, ক্যারিয়ার, শিক্ষা এবং পারিবারিক জীবনের সাথে সম্পর্কিত আপনার ভবিষ্যতের ঘটনাগুলি জানতে পারবেন। এই সময়কালে গ্রহগুলির প্রধানগোচর শনি এবং বৃহস্পতির জন্য ঘটে কারণ উভয়ই খুব ধীর গতিময় গ্রহ এবং আমাদের জীবনের প্রতিটি ঘটনাকে প্রভাবিত করে। এই দুটি গ্রহের প্রভাব ব্যতীত আপনার জীবনে কোনও বড় ঘটনা ঘটবে না। ২০২০ সালের 24 জানুয়ারি বা এই বছরের শুরুতে শনি ধনু থেকে মকর রাশিতে গোচর করবে মকর । পরবর্তীতে, এটি 11 মে, ২০২০ থেকে 29শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ এর মধ্যে বিপরীতমুখী গমন করবে।
22শে মার্চ, 2020 সালে বৃহস্পতিটি প্রত্যাবর্তন গতিতে মকর রাশিতে চলে যাবে এবং তারপরে আবারও এর গোচর ধনু রাশিতে 30 শে জুন, ২০২০ হবে। মে 14, 2020 থেকে 13 সেপ্টেম্বর, 2020 এটি প্রত্যাবর্তন করবে। এই বড় গ্রহগুলি ছাড়াও, রাহু এবং কেতু তাদের রাশি যথাক্রমেমিথুন থেকে বৃষ এবং ধনু রাশি থেকে বৃশ্চিক রাশিতে পরিবর্তন করবেন। ২০২০ সালের জন্য এগুলি প্রধান গ্রহের গোচর হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও এই গোচর এবং গ্রহগুলি আপনার জীবনের ঘটনা সম্পর্কে সবকিছু ব্যক্ত করতে যথেষ্ট নয়। তবে, আপনার চন্দ্র রাশির উপর ভিত্তি করে, এই বছরটি আপনার জন্য কী নিয়ে আস্তে চলেছে আমরা আপনাকে এখানে তা জানানোর চেষ্টা করেছি। নীচে 12 টি রাশির আগত বছরের পূর্বাভাস আপনি জানতে পারবেন।

রাশি অনুযায়ী ২০২০ সালের শনির গোচর ফল

আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার ন্যায়কারী গ্রহ শনির গোচর ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করবে এবং আগামী ১১ মে থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শনি মকর রাশিতে বক্রী অবস্থায় গোচর হতে চলেছে। আবার বছরের শেষে, ডিসেম্বর মাসে শনি অস্তমিত হবে, যার প্রভাব সব রাশিতে কমবেশি পড়বে। মেষ, সিংহ, বৃশ্চিক ও মীন রাশির গোচরে শুভ ফল। অন্যান্য রাশির গোচর শুদ্ধি না থাকায় সাধারণত অশুভ ফল।
শনির সঞ্চার: ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটের পরে শনি ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করবে।
আসুন দেখে নেওয়া যাক আপনার রাশি অনুসারে আপনার উপর কী রূপ প্রভাব বিস্তার করতে চলেছে—

মেষ রাশি:
শনি আপনার দশম আর একাদশ ভাবের কর্তা।
২০২০ সালে শনি আপনার দশম ভাবে বিরাজমান হবেন।
দশম ভাব বিশেষে রূপে কর্মের ভাব আর কর্মের কর্তাও শনি।
এই সময় সাফল্য পাওয়ার জন্য আপনাকে কঠোর পরিশ্রম আর সংঘর্ষ করতে হবে।
যদি আপনি কোনও নতুন কাজ শুরু করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন, তা হলে ১১ মে-এর আগে করে নিন। কেননা তারপরে শনির বক্রী হওয়ার কারণে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
স্বাস্থ্যের দিক থেকে এই বছর আপনার জন্য মধ্যম। ত্বকের সঙ্গে জড়িত কোনও রোগ সমস্যায় ফেলতে পারে।
বাবা মায়ের সঙ্গে তীর্থ যাত্রায় যেতে পারেন।
শনির গোচরে সঞ্চারের ফলে নিজের নতুন বাড়ি তৈরির স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।
আরও পড়ুন: আগামী চার বছর এই সাতটি রাশির ওপর বিষ্ণু দেবের বিশেষ কৃপা থাকবে

বৃষ রাশি:
শনি আপনার নবম আর দশম ভাবের কর্তা।
গোচর চলাকালীন শনি আপনার নবম আর দশম ঘরে বিরাজমান হবেন।
নবম ঘর ভাগ্যের জন্য দোষী প্রমাণিত হবে। এই জন্য এই মুহূর্তে বাবার সঙ্গে বিবাদের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
শনির গোচর চলাকালীন নিজের কথাবার্তা নিয়ন্ত্রণ রাখুন আর কারও সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করবেন না।
কাউকে এ রকম কোনও কথা দেবেন না, যেটা আপনি পূরণ করতে পারবেন না।
আলস্য ত্যাগ করুন, না হলে সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাত থেকে বেরিয়ে যাবে।
নতুন কাজের খোঁজে থাকলে তা বছরের শুরুতেই পূর্ণ করে ফেলুন।

মিথুন রাশি:
শনি আপনার অষ্টম আর নবম ভাবের কর্তা।
গোচর চলাকালীন শনি আপনার অষ্টম ঘরে প্রবেশ করবেন।
অষ্টম ভাব বিশেষ রূপে হঠাৎ করে হওয়া কোনও কাজের জন্য দায়ী। এই জন্য আপনার জীবনে এর প্রভাব বিভিন্ন ক্ষেত্রে পড়তে পারে।
পরিণাম স্বরূপ হঠাৎ করে কোনও কাজে বাধা আর ঝামেলার সম্মুখীন হতে পারেন।
শনির প্রভাবে আর্থিক স্থিতি বিপন্ন হতে পারে। অর্থের লেনদেনের ব্যাপারে সাবধান থাকুন।
বিদেশযাত্রা হতে পারে।
বহু দিনের জমি মামলার সমাধান হবে।
বড়দের পরামর্শ নেওয়ার পরে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিন।

২০২০ সালে কোন রাশির শনির সাড়ে সাতি শেষ হতে চলেছে এবং কোন রাশির শুরু হতে চলেছে, জেনে নিন
কর্কট রাশি:
শনি আপনার সপ্তম আর অষ্টম ঘরের কর্তা।
২০২০ সালে শনি আপনার সপ্তম ঘরে বিরাজমান হবেন।
শনির গোচর পরিবর্তনের সময়ে আলস্য সরিয়ে ফেলুন, কারণ এটি আপনার পক্ষে ভাল হবে না।
ব্যবসার সঙ্গে জড়িত লোকজন বছরের শুরুতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
কাজের উদ্দেশে কোনও বিদেশি সংস্থায় যুক্ত হতে পারেন।
শনির সঞ্চারকালে সন্তানের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখবেন।
বাহন চালানোর সময় সাবধান থাকবেন।
সাজ-সজ্জার জিনিসের প্রতি খরচ করা থেকে বিরত থাকুন।
নিজের স্বাস্থ্যের দিকেও খেয়াল রাখুন। কোনও পুরনো রোগ সমস্যায় ফেলতে পারে।
অযথা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়বেন না, আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
সিংহ রাশি:
শনি আপনার ষষ্ঠ আর সপ্তম ঘরের কর্তা।
২০২০ সালে শনি আপনার ষষ্ঠ ঘরে বিরাজমান হবেন।
শনির গোচরে সঞ্চার এই বছর আপনার জন্য বেশ লাভদায়ক বলে প্রমাণিত হবে।
এই বছর আপনি আপনার পরিশ্রমের পূর্ণ ফল পাবেন। মানে সাফল্য প্রাপ্তির জন্য প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে।
জমিতে বিনিয়োগ করার আগে ভাল করে চিন্তা ভাবনা করে নিতে হবে।
স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত সমস্যা সামনে আসতে পারে। কোনও দীর্ঘস্থায়ী রোগের জন্য মানসিক চাপে পড়ে যেতে পারেন।
বছরের মাঝখানে চাকরির পরিবর্তনের কথা একদমই ভাববেন না।
কয়েক বছরের পুরনো বন্ধুর সঙ্গে এই সময় দেখা হতে পারে।
আরও পড়ুন: ২০২০ সালে এই পাঁচ রাশির উন্নতি কেউ আটকাতে পারবে না

কন্যা রাশি:

শনি আপনার পঞ্চম আর ষষ্ঠ ঘরের কর্তা।
২০২০ সালে শনি আপনার পঞ্চম ঘরে বাস করবেন।
শনির গোচর পরিবর্তনের সময় এই বছর কোনও থেমে থাকা শিক্ষা পূরণ করতে পারেন।
এই বছর শনির সঞ্চারের সময় আপনি বিশেষ কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
কোনও নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে ভাল করে বিচার-বিবেচনা অবশ্যই করবেন।
কর্মক্ষেত্রে কাছের সহকর্মীর সঙ্গে মতভেদ হতে পারে।
মা-বাবার সঙ্গ পাবেন।
কোনও দামি জিনিস কিনতে পারেন।
বছরের মাঝখানে বাড়ি অথবা গাড়ি কিনতে পারেন।


তুলা রাশিফল ২০২০
তুলা রাশিফল ২০২০
২০২০ সালে তুলা রাশির জাতকদের জন্য দুর্দান্ত হয়ে উঠবে। আপনি আপনার ক্যারিয়ার, ব্যবসা, শিক্ষা এবং বিবাহের ক্ষেত্রে ভাল ফলাফল আশা করতে পারেন। প্রথম দিকে মঙ্গল আপনার দ্বিতীয় ঘরে অবস্থানের দরুন , আপনি খুব ব্যয়বহুল হয়ে উঠবেন। অর্থ প্রবাহ সর্বদা অটুট থাকবে। আপনার পরিবারের জন্য যে কোনও ধরণের বিনিয়োগের জন্য সময় ভাল। বছরের শুরুতে আপনি ভাল স্বাস্থ্য উপভোগ করবেন। আপনি ফেব্রুয়ারী মাসে কিছু খারাপ জিনিস অনুভব করতে পারেন। সামগ্রিকভাবে, এই বছরটি আপনার স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণে ভাল থাকবে। আপনি আপনার বর্তমান অবস্থান থেকে পদোন্নতি পেতে পারেন। আপনি আপনার সিনিয়র এবং অধস্তনদের সমর্থন পেতে পারেন বা একটি অনুমোদিত কাজের শিরোনাম পেতে পারেন। আপনার ভাগ্য সারা বছর আপনার পক্ষে হবে।

আপনার ষষ্ঠ ঘরে স্বামীর স্থান নির্ধারণের কারণে শিক্ষার্থীরা এই বছরটি বিশেষত জানুয়ারী মাসে পছন্দসই ফলাফল পাবে যা সারা বছর ধরে শনির বিশেষ প্রভাব দ্বারা প্রত্যাশিত হবে। বছরটি শিক্ষার্থীদের জন্য অনুকূল। আপনার পারিবারিক জীবন ভাল না যেতে পারে। বছরের মাঝামাঝি সময়কালে, আপনার পরিবারে মঙ্গলিক কার্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই বছরের রাশিফল ২০২০ অনুসারে প্রাথমিক মাসগুলি প্রেম এবং রোম্যান্সের পক্ষে অনুকূল। আপনি এবং আপনার স্ত্রী একে অপরের প্রতি আবেগ প্রদর্শন করবেন এবং সদ্য বিবাহিত দম্পতিরা সন্তানের জন্ম বা গর্ভাবস্থা আশা করতে পারেন। যারা সিঙ্গেল রয়েছেন ও যারা জীবনসঙ্গীর সাহচর্য খুঁজছেন, এই বছর তাদের সঙ্গী খুঁজে পেতে পারেন। আপনি অনেক সময় নিজেকে নিরাপত্তাহীন বোধ করতে পারেন তবে বেশিরভাগ সময় আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে একটি সুন্দর বন্ধন উপভোগ করবেন।



শনি গোচর 2020 এর ফলস্বরূপ সকল 12 টি রাশির জীবনে কেমন প্রভাব পরবে এই ব্যাপারে আজকে আপনাকে বিস্তারিত জানাতে চলেছি। যেমন কি আপনারা জানেনি যে 24 জানুয়ারি 2020 তে ন্যায়কারী শনির গোচর ধনু রাশি থেকে মকর রাশি হতে চলেছে। তারপর : 11 মে থেকে 29 সেপ্টেম্বর এর মধ্যে শনি মকর রাশিতে বকরী অবস্থাতে গোচর হতে চলেছে।বছরের শেষে ডিসেম্বর মাসে শনি অস্ত হবে যার ফলে এর প্রভাব সব রাশিতে কম পড়বে।এই বছর ধনু আর মকর রাশির সাথে কুম্ভ রাশির উপরেউ শনির দেড়-দেড়টি শীর্ষ শুরু হয়ে যাবে। শনিকে প্রধানত মকর আর কুম্ভ রাশির কর্তা বলা হয়। লোকেরা সাধারণত শনিকে অন্যায় এর গ্রহ হিসেবে মেনে এসেছে কিন্তু সত্যি এটা যে শনি একটি ন্যায়কারী গ্রহ যে ভালোর সাথে ভালো আর খারাপের সাথে খারাপ করে। এটা বলার মানে এই যে যেমন কর্ম করবেন শনি আপনাকে সেই হিসেবেই ফল দেবে। কেবল শনি পরিবহনের সময় আপনি আপনার নতুন ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে সক্ষম হবেন যা আপনার ভিত্তি শক্তিশালী করেবে। আসুন আমরা জানি শনি গোচর 2020 তে সকল 12 টি রাশির জীবনে ইতিবাচক আর নেতিবাচক এর কেমন প্রভাব পরবে।

মেষ রাশি (শনি গোচর ২০২০)
শনি আপনার দশম আর একাদশ ভাব এর কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার দশম ভাবে বিরাজমান হবে।
দশম ভাব বিশেষে রূপে কর্মের ভাব আর কর্মের কর্তাও শনি।
এই সময় সফলতা প্রাপ্ত করার জন্য আপনাকে কঠোর পরিশ্রম আর সংঘর্ষ করতে হবে।
যদি আপনি কোনো নতুন কাজ শুরু করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন তাহলে 11 মে এর আগে করে নিন কেননা তারপরে শনির বকরি হওয়ার কারণে সমস্যার সম্মুখীন করতে হতে পারে।
সাস্থের দিক থেকে এই এবছর আপনার জন্য মধ্যম পরিণামে প্রমাণিত হবে। ত্বকের সাথে জড়িত কোনো রোগ সমস্যায় ফেলতে পারে।
বাবা মায়ের সাথে কোনো তীর্থ যাত্রায় যেতে পারেন।
শনি গোচরের ফলে নিজের কোন নতুন ঘর নেওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।
উপায়: আপনার মহারাজ দশরথ কৃত নীল শনি স্রোতের পাঠ করা উচিত আর শনিবারের দিন সন্ধ্যাবেলায় বট গাছের নিচে সরষের তেলে প্রদীপ জ্বালানো উচিত।

বৃষভ রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার নবম আর দশম ভাবের কর্তা।
গোচর চলাকালীন শনি আপনার নবম আর দশম ঘরে বিরাজমান হবে।
ঝুঁকি নবম ঘরে ভাগ্যের জন্যে দোষী প্রমাণিত হয় এইজন্যে এই মুহূর্তে পিতার সাথে বাদ -বিবাদ এর পরিস্থিতি উৎপন্ন হতে পারে।
শনি গোচর চলকালীন নিজের বাণীতে নিয়ন্ত্রণ রাখুন আর কারুর সাথে খারাপ ব্যাবহার করবেন না।
কাউকে এরকম কোনো কথা দিবেন না যেটা আপনি পূরণ না করতে পারেন।
অলসতা ত্যাগ করুন নাহলে সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ হাত থেকে বেরিয়ে যাবে।
নতুন কাজের খোঁজে থাকলে তা বছরের শুরুতেই পূর্ণ করে ফেলুন।
উপায়: আপনাকে বিশেষ রূপে উত্তম গুণাবলী নীলম রত্ন শনিবারের দিন মধ্যমা আঙুলে পঞ্চধাতু অথবা অষ্টধাতুর আংটিতে ধারণ করা উচিত আর শনি মন্ত্রের জপ করা উচিত।

মিথুন রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার অষ্টম আর নবম ভাবের কর্তা।
গোচর চলাকালীন শনি আপনার অষ্টম ঘরে প্রবেশ করবে।
অষ্টম ভাব বিশেষ রূপে হঠাৎ করে হওয়া কোন কর্মের জন্য দায়ী এইজন্য আপনার জীবনে এর প্রভাব বিভিন্ন ক্ষেত্র তে পড়তে পারে।
পরিনাম স্বরূপ হঠাৎ করে কোন কাজে বাধা আর ঝামেলার সম্মুখীন করতে হতে পারে।
শনির প্রভাবে আর্থিক স্থিতি বিষন্ন হতে পারে,পয়সার লেন-দেন এর ব্যাপারে সাবধান থাকুন।
বিদেশ যাত্রায় যেতে হতে পারে।
লম্বা সময় থেকে চলে আসা জমি জায়গার মামলার বন্দোবস্ত হবে।
বড়োদের পরামর্শ নেওয়ার পরে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নির্ণয় নিন।
উপায়: আপনার শনিবারের ব্রত রাখা দরকার অথবা আপনি শনি পরদোষের ব্রতও আপনি রাখতে পারেন। এছাড়াও শনিবারের দিন কালো বস্ত্র পরা থেকে বাঁচুন।

কর্কট রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার সময় আর অষ্টম ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার সপ্তম ঘরে বিরাজমান হবে।
শনি পরিবহনের সময়কালে নিজের থেকে অলসতা সরিয়ে ফেলুন কারণ এটি আপনার পক্ষে হবে না।
ব্যাবসার সাথে জড়িত লোকজন বছরের শুরুতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্ণয় নিতে পারেন।
কাজের সংযোগে কোন বিদেশি উৎসে জড়িত হতে পারেন।
শনি পরিবহনের সময়কালে সন্তানের স্বাস্থ্যের ধ্যান রাখবেন।
বাহন চালানোর সময় সাবধান থাকবেন।
সাজ-সজ্জার জিনিসের প্রতি পয়সা খরচা করা থেকে বাঁচুন।
নিজের স্বাস্থ্যের বিশেষ ধ্যান রাখুন,কোনো পুরোনো রোগ সমস্যায় ফেলতে পারে।
অযথা ঝামেলার সাথে জড়িত হবেন না,অর্থের ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে।
উপায়: আপনার প্রত্যেক শনিবারে সর্ষের তেল কোন লোহা অথবা মাটির পাত্রে ভরে নিজের মুখ দেখে ছায়া পাত্র দান করা উচিত এবং গরিবদের যথাসম্ভব সহায়তা করা উচিত।

সিংহ রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার ষষ্টম আর সপ্তম ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার ষষ্টম ঘরে বিরাজমান হবে।
শনি গোচর এই বছর আপনারে জন্য বেশ লাভদায়ক প্রমাণিত হবে।
এই বছর আপনি আপনার পরিশ্রমের সম্পূর্ণ ফল পাবেন, মানে সফলতা প্রাপ্তি করার জন্য ভরপুর পরিশ্রমের দরকার হবে।
জায়গা জমিতে নিবেশ করার আগে ভালো করে চিন্তা ভাবনা করে নিবেন।
স্বাস্থ্যের সাথে জড়িত সমস্যা সামনে আস্তে পারে, কোন দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণে মানসিক চাপে ঘিরে থাকতে পারেন।
বছরের মাঝখানে নিজের চাকরির পরিবর্তন একদমি ভাববেন না।
কয়েক বছর পুরনো বন্ধুর সাথে এই সময় দেখা হতে পারে।
উপায়: আপনার শনিবারে গোটা কালো উড়াতের দান করা উচিত আর সম্ভব হলে বট গাছের নিচে তিলের তেলে প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধাবেলায় বট গাছের সাত পাক খাওয়া উচিত।

কন্যা রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার পঞ্চম আর ষষ্টম ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার পঞ্চম ঘরে স্থাপিত হবে।
শনি পরিবহনের সময় এই বছর কোন থেমে থাকা শিক্ষা পূরণ করতে পারেন।
এই বছর শনি পরিবহনের সময় আপনি কোন নির্ণয় নিতে পারেন।
কোনো নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে ভালো করে বিচার-বিবেচনা অবশ্যই করবেন।
কর্মক্ষেত্রে কোন কাছের সহকর্মীর সাথে মতভেদ এর স্থিতি উৎপন্ন হতে পারে।
মা-বাবার সাথ পাবেন।
জহরত বা কোনো দামি জিনিস কিনতে পারেন।
বছরের মাঝখানে বাড়ি অথবা গাড়ি কিনতে পারেন।
উপায়: আপনার সনি পরদোষের ব্রত রাখা উচিত আর শনিবারের দিন সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালানো উচিত তথা তাতে পাঁচটি গোটা সাবুর দানা রাখা দরকার।

তুলা রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার চতুর্থ আর পঞ্চম ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার ঘরে উপস্থিত হবে।
যারা কোন প্রকারের ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন তারা এই বছরে ভালো ফল পেতে পারেন।
সব রকমের অহংকার থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখুন।
অর্থ নিবেশএর ব্যাপারে ভালো করে চিন্তা ভাবনা করে নিন, কারোর কথায় আসবেন না।
বছরের মাঝামাঝিতে শনি বকরি হওয়ার কারণে মায়ের সাথে মত ভেদাভেদ হতে পারে।
মানসিক চাপের পরিস্থিতি থেকে যতটা হয় নিজেকে বাঁচিয়ে রাখুন।
সেপ্টেম্বর মাসের পরে বিদেশযাত্রার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাদ-বিবাদ এর পরিস্থিতি উৎপন্ন হলে দূরত্ব বজায় রাখুন।
উপায়: আপনাকে উত্তম গুণাবলী নীল রত্ন ধারণ করা উচিত। এই রত্ন পঞ্চধাতুর আংটিতে শনিবারের দিন মধ্যমা আঙুলে ধারণ করা উত্তম হবে। এছাড়াও আপনি জামুনিয়া রত্ন ধারণ করতে পারেন।

বৃশ্চিক রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার তৃতীয় আর চতুর্থ ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার তৃতীয় ঘরে উপস্থিত থাকবে।
শনি পরিবহনের পরে লম্বা সময় ধরে চলে আসা শনির সাড়ে -সাতি শেষ হয়ে যাবে।
কোন কাজ পরিপূর্ণ করার জন্য অলসতা ত্যাগ করা অত্যন্ত জরুরি এটার ধ্যান রাখবেন।
নতুন কাজ বা ব্যবসা শুরু করার জন্য এই সময়টি আপনার জন্য খুব ভালো থাকবে।
শনি পরিবহনের সময় অর্থের বৃদ্ধি হবে।
কোন থেমে থাকা শিক্ষা এই বছর পুরো করতে পারবেন।
উপায়: আপনার শনিবারের দিন পিঁপড়েদের আটা দেওয়া উচিত আর কোন ধার্মিক জাগা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ নিয়মিত রূপে করা উচিত।

ধনু রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার দ্বিতীয় আর তৃতীয় ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার দ্বিতীয় ঘরে বিরাজমান হবেন।
শনির সাড়ে সাতির এটা শেষ সময় যা আপনাকে আপনার পরিশ্রমের ফল অবশ্যই দেবে।
শনি পরিবহনের সময় অর্থের সাথে জড়িত কোন সমস্যা আসতে পারে কিন্তু আপনার কোন কাজ এই কারণে থেমে থাকবে না।
জমি জায়গার সাথে জড়িত মামলাতে লাভ প্রাপ্তি হবে।
অর্থের ক্ষেত্রে পিতার সাথ পাবেন।
বিদেশ যাওয়ার কথা ভাবছেন তাহলে এই বছরে আপনি বাধা বিঘ্নের মুখোমুখি হতে পারেন।
উপায়: আপনার শনিবারে কোনো কালো কাপড় অথবা কোন কালো ধাগাতে ধুতুরার শিকড় ধারণ করা উচিত। এই শিকড় টি আপনি আপনার গলাতে অথবা বাহতে পড়তে পারেন। তার সাথেই হনুমানের উপাসনা করা পরম লাভকারী হবে।

মকর রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার প্রথম আর দ্বিতীয় ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার দ্বিতীয় ঘরে অবস্থিত হবেন।
শনি পরিবহনের পরে শনির সাড়ে সাতির দ্বিতীয় চরণ শুরু হবে যার কারণে মানসিক চাপের সম্মুখীন করতে হতে পারে।
এই সময় আত্মবিশ্বাসের বৃদ্ধি হবে আর আপনি গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সাহায্য পাবেন।
ব্যবসার দিক থেকে আয়ের নতুন রাস্তা হবে আর আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।
বিদেশ ভ্রমণের সুবিধা নিতে পারেন।
নতুন ঘর নেওয়ার স্বপ্ন এই বছর পূরণ হতে পারে।
জীবনসঙ্গীর সাথে মদ ভেদাভেদের পরিস্থিতি উৎপন্ন হতে পারে, ভেবে-চিন্তে কাজ করুন।
নিজের শরীরের বিশেষ খেয়াল রাখুন আর চলার সময় সাবধানতা বজায় রাখুন।
উপায়: আপনার শনিবারে বিচুটির শিকড় ধারণ করা সর্বাধিক উত্তম থাকবে আর এই শিকড়টি আপনি কোনো কালো কাপড়ে জড়িয়ে অথবা সেলাই করে নিজের বাহুতে অথবা গলাতে ধারণ করতে পারেন , এছাড়াও শনিদেবের আরাধনা করাও মঙ্গলময় হবে।

কুম্ভ রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার দ্বাদশ আর প্রথম ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার দ্বাদশ ঘরে অবস্থিত হবেন।
এই সময় এই রাশির জাতকদের জন্য শনির সাড়ে সাতির প্রথম চরণ শুরু হবে।
এইজন্য এই সময় আপনাকে জীবনের সব ক্ষেত্রে সফলতা প্রাপ্ত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম অবশ্যই করতে হবে।
কোন নতুন কাজ শুরু করার আগে একবার অবশ্যই দ্বিতীয় কারোর কাছ থেকে পরামর্শ নিন।
জীবনসঙ্গীর সাথে মত ভেদাভেদের পরিস্থিতি উৎপন্ন হতে পারে এই সময়ে সময় নিয়ে কাজ করুন।
ঘরের সাজ-সজ্জার জিনিসপত্র আর নতুন গাড়ি কেনার জন্য অর্থের ব্যয় হতে পারে।
উপায়: আপনার শনিবার থেকে শুরু করে নিয়মিত রূপে শনি দেবের মধ্যে মন্ত্র ওঁ পরাং পরিং পুর্নাং সঃ শোনেশ্চারাই নমঃ এর জপ করা উচিত আর শনিবারের দিন পঙ্গুদের ভোজন করানো উচিত।

মীন রাশি (শনি গোচর 2020)
শনি আপনার একাদশ ও দ্বাদশ ঘরের কর্তা।
2020 সালে শনি আপনার একাদশ ঘরে বিরাজমান হবেন।
এই সময়ে অলসতা একদম নিজের উপর হাবি হতে দেবেন না।
এই বছরের সমাজে নতুন পরিচয় মিলবে আর কর্ম ক্ষেত্রে নতুন স্থান প্রাপ্ত হবে।
বিবাহিত জীবন সুখের হবে, জীবনসঙ্গীর সাথে ভালো সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।
স্বাস্থ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে শনি গোচর আপনার জন্য বেশ লাভ দায়ক প্রমাণিত হবে।
সব কাজে মাতা-পিতার ভরপুর সাহায্য পাবেন।
উপায়: আপনাকে শনিবারের দিন শুভ শনি যন্ত্রের পুজো করা উচিত আর শনিবারের দিনই গরিব বাচ্চাদের বিনামূল্যে ঔষুধ বিতরণ করা উচিত।



হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200206134312

Tuesday, February 4th, 2020

Astro Research Centre

মঙ্গল বারে জন্ম হলে কি করবেন

মঙ্গল বারে জন্ম হলে কি করবেন

মঙ্গল বারে জন্ম হলে কি করবেন

মঙ্গলের প্রতিকার
১ হনুমান জীর উপাসনা করতে হবে ।
২ গায়ত্রী মন্ত্র রোজ যতবার সম্ভব জপ করতে হবে
৩ চোখে সাদা সুরমা লাগাতে হবে ।
৪ তন্দুরে তৈরি মিষ্টি রুটি বিতরণ করতে হবে ।
৫ মসুর মিঠাই বা মিষ্টি দ্রব্য দান করতে হবে ।
৬ মঙ্গলবার ব্রত রাখতে হবে । হনুমানজি কে চলা দান করতে হবে ।
৭ মঙ্গল বার তামার আংটি অনামিকায় ধারন করতে হবে

৮) মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - প্রবাল।

মঙ্গল
----------
মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ৮০০০ বার।

গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।

প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - বগলামুখী।
ধারণরত্ন - প্রবাল, ধূপ - দেবদারু, বার - মঙ্গলবার, প্রশস্ত সময় - সকাল ৯-১২ টা পর্যন্ত।

এই ভিডিও টা দেখুন শুভ ফল নিশ্চিত পাবেন
ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব ও শেয়ার করুন

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200204211909

Sunday, February 2nd, 2020

Astro Research Centre

দ্বাদশ লগ্নের প্রতিকার ধাতু, মূল, মন্ত্র, রত্ন, উপরত্ন, যন্ত্র, কবজ মেষ লগ্ন, বৃষ লগ্ন, মিথুন লগ্ন,

দ্বাদশ লগ্নের প্রতিকার ধাতু, মূল, মন্ত্র, রত্ন, উপরত্ন, যন্ত্র, কবজ  মেষ লগ্ন, বৃষ লগ্ন, মিথুন লগ্ন,

মেষ লগ্নের প্রতিকার মূল, রত্ন -পাথর, ধাতুও মন্ত্র দ্বারা কিভাবে করবেন

সূর্য গ্রহের প্রতিকার
১ বিষ্ণুর উপাসনা করতে হবে এবং হরি বংশ পুরান পাঠ করতে হবে ।

২ প্রতিটি কাজ মিষ্টি খেয়ে ও জলপান করে শুরু করতে হবে ।

৩ রবিবার ব্রত পালন করতে হবে । চরিত্র ঠিক রাখতে হবে এবং কু কর্ম করা বন্ধ রাখতে হবে

৪ বহমান জলে গুর বা তামার পয়সা ফেলতে হবে

৫ তামা ও গম দান করতে হবে ।

৬ ঘরের সদর দরজার মুখ পূর্ব দিকে রাখতে হবে

৭ মানিক্য রত্ন সোনা বা তামার আংটি তে লাগিয়ে দান হাতের অনামিকায় ধারন করতে হবে


১)রবি -:-
•মূল দ্বারা-
সূর্যদেবের জন্য আফলা বেলের মূল বা বিল্ব মূল।
•ধাতু- তামা।
•রত্ন ও পাথর -
i)চুনী (Ruby) , ii) Star Ruby , iii)সারডনিক্স
IV) স্পাইনাল , v) গার্নেট



সূর্য্য
---------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়। জপ সংখ্যা - ৬০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ভাস্করায় বিদ্মহে মহাতেজায় ধীমহিঃ তন্নঃ সূর্যঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্। ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোঽস্মি দিবাকরম্॥
ইষ্টদেবতা - মাতঙ্গী।
ধারণরত্ন - চুনী, ধূপ - গুগগুল, বার - রবিবার, প্রশস্ত সময় - সকাল৬.০৪- ১০ টা পর্যন্ত।

মঙ্গলের প্রতিকার ঃ
১ হনুমান জী র উপাসনা করতে হবে ।
২ গায়ত্রী মন্ত্র রোজ যতবার সম্ভব জপ করতে হবে
৩ চোখে সাদা সুরমা লাগাতে হবে ।
৪ তন্দুরে তৈরি মিষ্টি রুটি বিতরণ করতে হবে ।
৫ মসুর মিঠাই বা মিষ্টি দ্রব্য দান করতে হবে ।
৬ মঙ্গলবার ব্রত রাখতে হবে । হনুমানজি কে চলা দান করতে হবে ।
৭ মঙ্গল বার তামার আংটি অনামিকায় ধারন করতে হবে


২)মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - প্রবাল

মঙ্গল
----------
মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ৮০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - বগলামুখী।
ধারণরত্ন - প্রবাল, ধূপ - দেবদারু, বার - মঙ্গলবার, প্রশস্ত সময় - সকাল ৯-১২ টা পর্যন্ত।


বৃহস্পতি র উপায় ঃ
১ ব্রহ্মার উপাসনা করতে হবে । গরুড় পুরাণ পাঠ করতে হবে ।
২ গুরুবারে ব্রত পালন করতে হবে । সাধুদের আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৩ মাথায় কেশরের তিলক লাগাতে হবে ।
৪ কেশর খেতে অথবা নাভিতে লাগাতে হবে ।
৫ কোন কাজ শুরু করার আগে নাক ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
৬ অশ্বথের শিকরে জল ঢালতে হবে ।
৭ ছোলার ডাল দান করতে হবে ।সোনার মাকড়ি পরতে হবে ।
৮ হ্লুদ পোখরাজ সোনার আংটিতে লাগিয়ে ধারন তর্জনী তে পরতে হবে ।


৩)বৃহস্পতি -:-
•মূল - বামনহাটির মূল/ ব্রহ্মজৈষ্ঠীর মূল।
•ধাতু - সোনা।
রত্ন ও পাথর - I) পোখরাজ, ii) হলুদ টোপাজ।


বৃহস্পতি
----------------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে। জপ সংখ্যা -১০৮ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ আঙ্গিরসায় বিদ্মহে দণ্ডায়ুধায় ধীমহিঃ তন্নঃ জীবঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ দেবতানাং ঋষিণাঞ্চ গুরুং কনকসন্নিভম্। বন্দ্যভূতং ত্রিলোকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম্॥
ইষ্টদেবতা - তারা।
ধারণরত্ন - পোখরাজ, ধূপ - দশাঙ্গ, বার - বৃহস্পতিবার, প্রশস্ত সময় - বেলা ১২ পর্যন্ত।

বৃষ লগ্নের প্রতিকার মূল, রত্ন -পাথর, ধাতু ও মন্ত্র দ্বারা কিভাবে করবেন ।

বুধের উপায় ঃ
১ দুর্গা মাতার উপাসনা করতে হবে । দুর্গা সপ্ত দশী পাঠ করতে হবে ।
২ বুধবারের ব্রত রাখতে হবে । ঘরে সাদা গরু পুষতে হবে ।
৩হিজরে কে সবুজ কাপড় ও সবুজ চুরি দান করতে হবে ।
৪ দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং নাক ছেঁদা করতে হবে ।
৫ খোসা সহ সবুজ মুগ দান করতে হবে ।
৬ কন্যা বোন পিসি মাসি ও শালির আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৭ পান্না সোনার আংটিতে লাগিয়ে কনিষ্ঠ আঙ্গুলে পরতে হবে ।

9)বুধ -:-
•মূল - বৃদ্ধদ্দারককের মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন - পান্না।


বুধ
-------
মন্ত্র - ওঁ ঐং শ্রীং শ্রীং বুধায়ঃ। জপ সংখ্যা - ১০০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ সৌম্যরূপায় বিদ্মহে বাণেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ বুধঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যামং রূপেণাপ্রতিমং বুধম। সৌম্যং সর্বগুণোপেতং তং বুধং প্রণাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ত্রিপুরাসুন্দরী
ধারণরত্ন - পান্না, ধূপ - সঘৃত দেবদারু, বার - বুধবার, প্রশস্ত সময় - বেলা৭-১১ টা পর্যন্ত।



শুক্র গ্রহের উপায়
১ মহা লক্ষ্মী র উপাসনা করতে হবে । লক্ষ্মী সুক্ত পাঠ করতে হবে ।
২ শুক্রবার বৈভব লক্ষ্মীর ব্রত করতে হবে ।
৩ সাদা ও স্বচ্ছ কাপড় পরতে হবে
৪ সুগন্ধি পদার্থ এবং রুপার অলংকার ধারন করতে হবে ।
৫ ঘি দই কর্পূর ও মোতি দান করতে হবে ।
৬ নিজের খাদ্য বস্তু থেকে কিছুটা গাইকে খাওয়াতে হবে ।
৭ গোদান করতে হবে এবং সাদা জোয়ার দান করতে হবে ।
৮ হীরা ও জারকান রুপার আংটি তে লাগিয়ে অনামিকা বা মধ্যমা তে ধারন করতে হবে ।

9) শুক্র -:-
•মূল - রামবাসকের মূল।
•ধাতু - প্লাটিনাম।
•রত্ন ও পাথর - I) হীরা, ii) জারকোন্, iii) ওপাল।



শুক্র
---------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং শ্রীং শুক্রায়। জপ সংখ্যা - ২১০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ভৃগুসুতায় বিদ্মহে দিব্যদেহায় ধীমহিঃ তন্নঃ শুত্রঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্। সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ভুবনেশ্বরী।
ধারণরত্ন - হীরা, ধূপ - গুগুল, বার - শুক্রবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যাবেলা। ৬-৮ টা পর্যন্ত


শনি র গ্রহের উপায় -
১ ভৈরব উপাসনা করতে হবে ।
২ শনিবারের ব্রত রাখতে হবে । সাপকে দুধ খাওয়াতে হবে ।
৩ তেল এবং মদ গাছের শেকড়ে ঢালতে হবে ।
৪ লোহা কলাই কালো কম্বল ইত্যাদি দান করতে হবে ।
৫ রুটি কুকুর কে বা কাঁককে খাওয়াতে হবে ।
৬ কিকর এর দাঁতন করতে হবে ।শনিবার তেল দান করতে হবে ।
৭ নীলা রুপার আংটি তে লাগিয়ে মধ্যমা আঙ্গুলে পরতে হবে ।
৮ আসল কালো ঘোড়ার নালের টুকরো মধ্যম আঙ্গুলে সর্বদা ধারন করে রাখতে হবে ।


৯)শনিদেব -:-
•মূল - শ্বেতবেড়ালার মূল।
•ধাতু - লোহা।
•রত্ন ও পাথর - I) নীলা, ii) এমিথিস্ট, iii) নীল টোপাজ, IV) তানজানাইট।


শনি
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়। জপ সংখ্যা - ১০০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ সূর্যপুত্রায় বিদ্মহে মৃত্যুরূপায় ধীমহিঃ তন্নঃ সৌরিঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ নীলাঞ্জনসমাভাসং রবিপুত্রং যমাগ্রজম্। ছায়ায়া গর্ভসম্ভূতং তং নমামি শনৈশ্চরম্॥
ইষ্টদেবতা - দক্ষিণকালিকা।
ধারণরত্ন - নীলা, ধূপ - কৃষ্ণাগুরু, বার - শনিবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যাবেলা।





Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in




মিথুন লগ্নের প্রতিকার মূল, রত্ন -পাথর, ধাতু ও মন্ত্র দ্বারা কিভাবে করবেন ।

বুধের উপায় -
১ দুর্গা মাতার উcপাসনা করতে হবে । দুর্গা সপ্ত দশী পাঠ করতে হবে ।
২ বুধবারের ব্রত রাখতে হবে । ঘরে সাদা গরু পুষতে হবে ।
৩হিজরে কে সবুজ কাপড় ও সবুজ চুরি দান করতে হবে ।
৪ দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং নাক ছেঁদা করতে হবে ।
৫ খোসা সহ সবুজ মুগ দান করতে হবে ।
৬ মাসি ও শালির আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৭ পান্না সোনার আংটিতে লাগিয়ে কনিষ্ঠ আঙ্গুলে পরতে হবে ।

9)বুধ -:-
•মূল - বৃদ্ধদ্দারককের মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন - পান্না।


বুধ
-------
মন্ত্র - ওঁ ঐং শ্রীং শ্রীং বুধায়ঃ নমঃ । জপ সংখ্যা - ১০০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ সৌম্যরূপায় বিদ্মহে বাণেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ বুধঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যামং রূপেণাপ্রতিমং বুধম। সৌম্যং সর্বগুণোপেতং তং বুধং প্রণাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ত্রিপুরাসুন্দরী
ধারণরত্ন - পান্না, ধূপ - সঘৃত দেবদারু, বার - বুধবার, প্রশস্ত সময় - বেলা৭-১১ টা পর্যন্ত।



শুক্র গ্রহের উপায়
১ মহা লক্ষ্মী র উপাসনা করতে হবে । লক্ষ্মী সুক্ত পাঠ করতে হবে ।
২ শুক্রবার বৈভব লক্ষ্মীর ব্রত করতে হবে ।
৩ সাদা ও স্বচ্ছ কাপড় পরতে হবে
৪ সুগন্ধি পদার্থ এবং রুপার অলংকার ধারন করতে হবে ।
৫ ঘি দই কর্পূর ও মোতি দান করতে হবে ।
৬ নিজের খাদ্য বস্তু থেকে কিছুটা গাইকে খাওয়াতে হবে ।
৭ গোদান করতে হবে এবং সাদা জোয়ার দান করতে হবে ।
৮ হীরা ও জারকান রুপার /সোনার আংটি তে লাগিয়ে অনামিকা বা মধ্যমা তে ধারন করতে হবে ।

9) শুক্র -:-
•মূল - রামবাসকের মূল।
•ধাতু - প্লাটিনাম।
•রত্ন ও পাথর - I) হীরা, ii) জারকোন্, iii) ওপাল।



শুক্র
---------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং শ্রীং শুক্রায় নমঃ । জপ সংখ্যা - ২১০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ভৃগুসুতায় বিদ্মহে দিব্যদেহায় ধীমহিঃ তন্নঃ শুক্র প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্। সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ভুবনেশ্বরী।
ধারণরত্ন - হীরা, ধূপ - গুগুল, বার - শুক্রবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যাবেলা। ৬-৮ টা পর্যন্ত


শনি র গ্রহের উপায় -
১ ভৈরব উপাসনা করতে হবে ।
২ শনিবারের ব্রত রাখতে হবে । সাপকে দুধ খাওয়াতে হবে ।
৩ তেল গাছের শেকড়ে ঢালতে হবে ।
৪ লোহা কলাই কালো কম্বল ইত্যাদি দান করতে হবে ।
৫ রুটি কুকুর কে বা কাঁককে খাওয়াতে হবে ।
৬ কিকর এর দাঁতন করতে হবে ।শনিবার তেল দান করতে হবে ।
৭ নীলা রুপার আংটি তে লাগিয়ে মধ্যমা আঙ্গুলে পরতে হবে ।
৮ আসল কালো ঘোড়ার নালের টুকরো মধ্যম আঙ্গুলে সর্বদা ধারন করে রাখতে হবে ।


৯)শনিদেব -:-
•মূল - শ্বেতবেড়ালার মূল।
•ধাতু - লোহা।
•রত্ন ও পাথর - I) নীলা, ii) এমিথিস্ট, iii) নীল টোপাজ, IV) তানজানাইট।


শনি

মন্ত্র - ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায় নমঃ
জপ সংখ্যা - ১০০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ সূর্যপুত্রায় বিদ্মহে মৃত্যুরূপায় ধীমহিঃ তন্নঃ সৌরিঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ নীলাঞ্জনসমাভাসং রবিপুত্রং যমাগ্রজম্। ছায়ায়া গর্ভসম্ভূতং তং নমামি শনৈশ্চরম্॥
ইষ্টদেবতা - দক্ষিণকালিকা।
ধারণরত্ন - নীলা, ধূপ - কৃষ্ণাগুরু, বার - শনিবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যাবেলা।



রাহুর উপায় ঃ
১ সরস্বতী উপাসনা করতে হবে ।
২ সর্ষে দান করতে হবে । মাথায় কাপড় রাখতে হবে ।
৩ তামাক সেবন নিষেধ ।
৪ মুলো দান করতে হবে ।বহমান জলে কয়লা ফেলতে হবে ।
৫ একান্ন বর্তি পরিবারে থাকতে হবে ।
৬ পকেটে সর্বদা রুপার একটি গুলি রাখতে হবে ।
৭ গোমেধ কে পঞ্চ ধাতুর আংটি তে লাগিয়ে অনামিকায় ধারন করতে হবে ।

রাহু -:-
•মূল - শ্বেত চন্দনের মূল।
•ধাতু - i) লোহা , ii) স্টীল।
•রত্ন - গোমেদ।



রাহু
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে নমঃ । জপ সংখ্যা - ১২০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ শিরোরূপায় বিদ্মহে অমৃতেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ রাহুঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ অর্দ্ধকায়ং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম্। সিংহিকায়াঃ সুতং রৌদ্রং তং রাহুং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ছিন্নমস্তা।
ধারণরত্ন - গোমেদ, ধূপ - দারুচিনি, বার - শনি/মঙ্গল বার, প্রশস্ত সময় - সকাল ১১-১.৩০দুপুর পর্যন্ত।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in





কর্কট লগ্নের প্রতিকার মূল, রত্ন -পাথর, ধাতু ও মন্ত্র দ্বারা কিভাবে করবেন ।


চন্দ্রের প্রতিকার ঃ
১ শিবের উপাসনা করতে হবে ।
২ সোমবার ব্রত পালন করতে হবে । পূর্ণিমায় গঙ্গা স্নান করতে হবে ।
৩ চাল দুধ ও রুপা দান করতে হবে ।
৪ মা, শাশুড়ি , মাসি ও দিদিমার আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৫ পালঙ্কের চারটি পায়ায় চার কোনে একটি করে রুপার পেরেক ঠুকতে হবে ।
৬ অপরের পদ স্পর্শ করে আশীর্বাদ চাইতে হবে ।
৭ রুপার আংটি তে মীতি লাগিয়ে কনিষ্ঠ আঙুলে ধারন করতে হবে ।
৮ রুপার দুটি টুকরো নিয়ে একটি খণ্ড বহমান জলে ফেলতে হবে এবং দ্বিতীয় টুকরো টি আজীবন নিজের কাছে রাখতে হবে ।


৯) চন্দ্র -:-
•মূল - ক্ষিরিকা মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন ও পাথর -i) মুক্তা, ii)মুনস্টোন, iii)এগেট।



চন্দ্র
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ। জপ সংখ্যা - ১৫০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ক্ষীরপুত্রায় বিদ্মহে অমৃতত্বায় ধীমহিঃ তন্নঃ চন্দ্রঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ দধিশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্ণবসম্ভবম্। নমামি শশিনং ভক্ত্যা শম্ভোর্মুকুটভূষণম্॥
ইষ্টদেবতা - কমলা।
ধারণরত্ন - মুক্তা, ধূপ - সরলকাষ্ঠ, বার - সোমবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যা ৬-৭ পর্যন্ত।



মঙ্গলের প্রতিকার
১ হনুমান জীর উপাসনা করতে হবে ।
২ গায়ত্রী মন্ত্র রোজ যতবার সম্ভব জপ করতে হবে
৩ চোখে সাদা সুরমা লাগাতে হবে ।
৪ তন্দুরে তৈরি মিষ্টি রুটি বিতরণ করতে হবে ।
৫ মসুর মিঠাই বা মিষ্টি দ্রব্য দান করতে হবে ।
৬ মঙ্গলবার ব্রত রাখতে হবে । হনুমানজি কে চলা দান করতে হবে ।
৭ মঙ্গল বার তামার আংটি অনামিকায় ধারন করতে হবে 


৮) মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - প্রবাল।

মঙ্গল
----------
মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ৮০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - বগলামুখী।
ধারণরত্ন - প্রবাল, ধূপ - দেবদারু, বার - মঙ্গলবার, প্রশস্ত সময় - সকাল ৯-১২ টা পর্যন্ত।


বৃহস্পতি র উপায় ঃ
১ ব্রহ্ম উপাসনা করতে হবে । গরুড় পুরাণ পাঠ করতে হবে ।
২ গুরুবারে ব্রত পালন করতে হবে । সাধুদের আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৩ মাথায় কেশরের তিলক লাগাতে হবে ।
৪ কেশর খেতে অথবা নাভিতে লাগাতে হবে ।
৫ কোন কাজ শুরু করার আগে নাক ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
৬ অশ্বথের শিকরে জল ঢালতে হবে ।
৭ ছোলার ডাল দান করতে হবে ।সোনার মাকড়ি পরতে হবে ।
৮ হ্লুদ পোখরাজ সোনার আংটিতে লাগিয়ে ধারন তর্জনী তে পরতে হবে ।



৯) বৃহস্পতি -:-
•মূল - বামনহাটির মূল/ ব্রহ্মজৈষ্ঠীর মূল।
•ধাতু - সোনা।
রত্ন ও পাথর - I) পোখরাজ, ii) হলুদ টোপাজ।


বৃহস্পতি
----------------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে। জপ সংখ্যা -১৯০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ আঙ্গিরসায় বিদ্মহে দণ্ডায়ুধায় ধীমহিঃ তন্নঃ জীবঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ দেবতানাং ঋষিণাঞ্চ গুরুং কনকসন্নিভম্। বন্দ্যভূতং ত্রিলোকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম্॥
ইষ্টদেবতা - তারা।
ধারণরত্ন - পোখরাজ, ধূপ - দশাঙ্গ, বার - বৃহস্পতিবার, প্রশস্ত সময় - বেলা ১২ পর্যন্ত।





Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in



সিংহ লগ্নের প্রতিকার মূল, রত্ন -পাথর, ধাতু ও মন্ত্র দ্বারা কিভাবে করবেন



সূর্য গ্রহের প্রতিকার
১ বিষ্ণুর উপাসনা করতে হবে এবং হরি বংশ পুরান পাঠ করতে হবে ।

২ প্রতিটি কাজ মিষ্টি খেয়ে ও জলপান করে শুরু করতে হবে ।

৩ রবিবার ব্রত পালন করতে হবে । চরিত্র ঠিক রাখতে হবে এবং কু কর্ম করা বন্ধ রাখতে হবে

৪ বহমান জলে গুর বা তামার পয়সা ফেলতে হবে

৫ তামা ও গম দান করতে হবে ।

৬ ঘরের সদর দরজার মুখ পূর্ব দিকে রাখতে হবে

৭ মানিক্য রত্ন সোনা বা তামার আংটি তে লাগিয়ে দান হাতের অনামিকায় ধারন করতে হবে


১)রবি -:-
•মূল দ্বারা-
সূর্যদেবের জন্য আফলা বেলের মূল বা বিল্ব মূল।
•ধাতু- তামা।
•রত্ন ও পাথর -
i)চুনী (Ruby) , ii) Star Ruby , iii)সারডনিক্স
IV) স্পাইনাল , v) গার্নেট



সূর্য্য
---------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়। জপ সংখ্যা - ৬০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ভাস্করায় বিদ্মহে মহাতেজায় ধীমহিঃ তন্নঃ সূর্যঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্। ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোঽস্মি দিবাকরম্॥
ইষ্টদেবতা - মাতঙ্গী।
ধারণরত্ন - চুনী, ধূপ - গুগগুল, বার - রবিবার, প্রশস্ত সময় - সকাল৬.০৪- ১০ টা পর্যন্ত।

মঙ্গলের প্রতিকার ঃ
১ হনুমান জী র উপাসনা করতে হবে ।
২ গায়ত্রী মন্ত্র রোজ যতবার সম্ভব জপ করতে হবে
৩ চোখে সাদা সুরমা লাগাতে হবে ।
৪ তন্দুরে তৈরি মিষ্টি রুটি বিতরণ করতে হবে ।
৫ মসুর মিঠাই বা মিষ্টি দ্রব্য দান করতে হবে ।
৬ মঙ্গলবার ব্রত রাখতে হবে । হনুমানজি কে চলা দান করতে হবে ।
৭ মঙ্গল বার তামার আংটি অনামিকায় ধারন করতে হবে


২)মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - প্রবাল

মঙ্গল
----------
মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ৮০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - বগলামুখী।
ধারণরত্ন - প্রবাল, ধূপ - দেবদারু, বার - মঙ্গলবার, প্রশস্ত সময় - সকাল ৯-১২ টা পর্যন্ত।


বৃহস্পতি র উপায় ঃ
১ ব্রহ্মার উপাসনা করতে হবে । গরুড় পুরাণ পাঠ করতে হবে ।
২ গুরুবারে ব্রত পালন করতে হবে । সাধুদের আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৩ মাথায় কেশরের তিলক লাগাতে হবে ।
৪ কেশর খেতে অথবা নাভিতে লাগাতে হবে ।
৫ কোন কাজ শুরু করার আগে নাক ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
৬ অশ্বথের শিকরে জল ঢালতে হবে ।
৭ ছোলার ডাল দান করতে হবে ।সোনার মাকড়ি পরতে হবে ।
৮ হ্লুদ পোখরাজ সোনার আংটিতে লাগিয়ে ধারন তর্জনী তে পরতে হবে ।


৩)বৃহস্পতি -:-
•মূল - বামনহাটির মূল/ ব্রহ্মজৈষ্ঠীর মূল।
•ধাতু - সোনা।
রত্ন ও পাথর - I) পোখরাজ, ii) হলুদ টোপাজ।


বৃহস্পতি
----------------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে। জপ সংখ্যা -১০৮ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ আঙ্গিরসায় বিদ্মহে দণ্ডায়ুধায় ধীমহিঃ তন্নঃ জীবঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ দেবতানাং ঋষিণাঞ্চ গুরুং কনকসন্নিভম্। বন্দ্যভূতং ত্রিলোকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম্॥
ইষ্টদেবতা - তারা।
ধারণরত্ন - পোখরাজ, ধূপ - দশাঙ্গ, বার - বৃহস্পতিবার, প্রশস্ত সময় - বেলা ১২ পর্যন্ত।


রাহুর উপায়

১ সরস্বতী উপাসনা করতে হবে ।
২ সর্ষে দান করতে হবে । মাথায় কাপড় রাখতে হবে ।
৩ তামাক সেবন নিষেধ ।
৪ মুলো দান করতে হবে ।বহমান জলে কয়লা ফেলতে হবে ।
৫ একান্ন বর্তি পরিবারে থাকতে হবে ।
৬ পকেটে সর্বদা রুপার একটি গুলি রাখতে হবে ।
৭ গোমেধ কে পঞ্চ ধাতুর আংটি তে লাগিয়ে অনামিকায় ধারন করতে হবে ।

রাহু -:-
•মূল - শ্বেত চন্দনের মূল।
•ধাতু - i) লোহা , ii) স্টীল।
•রত্ন - গোমেদ।



রাহু
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে নমঃ । জপ সংখ্যা - ১২০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ শিরোরূপায় বিদ্মহে অমৃতেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ রাহুঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ অর্দ্ধকায়ং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম্। সিংহিকায়াঃ সুতং রৌদ্রং তং রাহুং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ছিন্নমস্তা।
ধারণরত্ন - গোমেদ, ধূপ - দারুচিনি, বার - শনি/মঙ্গল বার, প্রশস্ত সময় - সকাল ১১-১.৩০দুপুর পর্যন্ত।



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in


বৃশ্চিক লগ্নের প্রতিকার মূল, রত্ন -পাথর, ধাতু ও মন্ত্র দ্বারা কিভাবে করবেন ।


চন্দ্রের প্রতিকার ঃ
১ শিবের উপাসনা করতে হবে ।
২ সোমবার ব্রত পালন করতে হবে । পূর্ণিমায় গঙ্গা স্নান করতে হবে ।
৩ চাল দুধ ও রুপা দান করতে হবে ।
৪ মা, শাশুড়ি , মাসি ও দিদিমার আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৫ পালঙ্কের চারটি পায়ায় চার কোনে একটি করে রুপার পেরেক ঠুকতে হবে ।
৬ অপরের পদ স্পর্শ করে আশীর্বাদ চাইতে হবে ।
৭ রুপার আংটি তে মীতি লাগিয়ে কনিষ্ঠ আঙুলে ধারন করতে হবে ।
৮ রুপার দুটি টুকরো নিয়ে একটি খণ্ড বহমান জলে ফেলতে হবে এবং দ্বিতীয় টুকরো টি আজীবন নিজের কাছে রাখতে হবে ।


৯) চন্দ্র -:-
•মূল - ক্ষিরিকা মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন ও পাথর -i) মুক্তা, ii)মুনস্টোন, iii)এগেট।



চন্দ্র
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ। জপ সংখ্যা - ১৫০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ক্ষীরপুত্রায় বিদ্মহে অমৃতত্বায় ধীমহিঃ তন্নঃ চন্দ্রঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ দধিশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্ণবসম্ভবম্। নমামি শশিনং ভক্ত্যা শম্ভোর্মুকুটভূষণম্॥
ইষ্টদেবতা - কমলা।
ধারণরত্ন - মুক্তা, ধূপ - সরলকাষ্ঠ, বার - সোমবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যা ৬-৭ পর্যন্ত।



মঙ্গলের প্রতিকার
১ হনুমান জীর উপাসনা করতে হবে ।
২ গায়ত্রী মন্ত্র রোজ যতবার সম্ভব জপ করতে হবে
৩ চোখে সাদা সুরমা লাগাতে হবে ।
৪ তন্দুরে তৈরি মিষ্টি রুটি বিতরণ করতে হবে ।
৫ মসুর মিঠাই বা মিষ্টি দ্রব্য দান করতে হবে ।
৬ মঙ্গলবার ব্রত রাখতে হবে । হনুমানজি কে চলা দান করতে হবে ।
৭ মঙ্গল বার তামার আংটি অনামিকায় ধারন করতে হবে 


৮) মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - প্রবাল।

মঙ্গল
----------
মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ৮০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - বগলামুখী।
ধারণরত্ন - প্রবাল, ধূপ - দেবদারু, বার - মঙ্গলবার, প্রশস্ত সময় - সকাল ৯-১২ টা পর্যন্ত।


বৃহস্পতি র উপায় ঃ
১ ব্রহ্ম উপাসনা করতে হবে । গরুড় পুরাণ পাঠ করতে হবে ।
২ গুরুবারে ব্রত পালন করতে হবে । সাধুদের আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৩ মাথায় কেশরের তিলক লাগাতে হবে ।
৪ কেশর খেতে অথবা নাভিতে লাগাতে হবে ।
৫ কোন কাজ শুরু করার আগে নাক ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
৬ অশ্বথের শিকরে জল ঢালতে হবে ।
৭ ছোলার ডাল দান করতে হবে ।সোনার মাকড়ি পরতে হবে ।
৮ হ্লুদ পোখরাজ সোনার আংটিতে লাগিয়ে ধারন তর্জনী তে পরতে হবে ।



৯) বৃহস্পতি -:-
•মূল - বামনহাটির মূল/ ব্রহ্মজৈষ্ঠীর মূল।
•ধাতু - সোনা।
রত্ন ও পাথর - I) পোখরাজ, ii) হলুদ টোপাজ।


বৃহস্পতি
----------------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে। জপ সংখ্যা -১৯০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ আঙ্গিরসায় বিদ্মহে দণ্ডায়ুধায় ধীমহিঃ তন্নঃ জীবঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ দেবতানাং ঋষিণাঞ্চ গুরুং কনকসন্নিভম্। বন্দ্যভূতং ত্রিলোকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম্॥
ইষ্টদেবতা - তারা।
ধারণরত্ন - পোখরাজ, ধূপ - দশাঙ্গ, বার - বৃহস্পতিবার, প্রশস্ত সময় - বেলা ১২ পর্যন্ত।


রাহুর উপায় ঃ
১ সরস্বতী উপাসনা করতে হবে ।
২ সর্ষে দান করতে হবে । মাথায় কাপড় রাখতে হবে ।
৩ তামাক সেবন নিষেধ ।
৪ মুলো দান করতে হবে ।বহমান জলে কয়লা ফেলতে হবে ।
৫ একান্ন বর্তি পরিবারে থাকতে হবে ।
৬ পকেটে সর্বদা রুপার একটি গুলি রাখতে হবে ।
৭ গোমেধ কে পঞ্চ ধাতুর আংটি তে লাগিয়ে অনামিকায় ধারন করতে হবে ।

রাহু -:-
•মূল - শ্বেত চন্দনের মূল।
•ধাতু - i) লোহা , ii) স্টীল।
•রত্ন - গোমেদ।



রাহু
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে নমঃ । জপ সংখ্যা - ১২০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ শিরোরূপায় বিদ্মহে অমৃতেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ রাহুঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ অর্দ্ধকায়ং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম্। সিংহিকায়াঃ সুতং রৌদ্রং তং রাহুং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ছিন্নমস্তা।
ধারণরত্ন - গোমেদ, ধূপ - দারুচিনি, বার - শনি/মঙ্গল বার, প্রশস্ত সময় - সকাল ১১-১.৩০দুপুর পর্যন্ত।



গ্রহ দোষ নিবারণের উপায়
গ্রহদোষ নিবারণের জন্য নিচের প্রয়োগ গুলি যদি নিষ্ঠা পূর্বক বিধি মেনে অন্ততঃ পক্ষে ৪৩ দিন ধরে নিয়মিত করা যায় তবে সুফল লাভ করা যায় ।
এখানে সেই রকম কিছু প্রয়োগ দেওয়া হল ।
সূর্য গ্রহের প্রতিকার ঃ
১ বিষ্ণুর উপাসনা করতে হবে এবং হরি বংশ পুরান পাঠ করতে হবে ।
২ প্রতিটি কাজ মিষ্টি খেয়ে ও জলপান করে শুরু করতে হবে ।
৩ রবিবার ব্রত পালন করতে হবে । চরিত্র ঠিক রাখতে হবে এবং কু কর্ম করা বন্ধ রাখতে হবে
৪ বহমান জলে গুর বা তামার পয়সা ফেলতে হবে
৫ তামা ও গম দান করতে হবে ।
৬ ঘরের সদর দরজার মুখ পূর্ব দিকে রাখতে হবে
৭ মানিক্য রত্ন সোনা বা তামার আংটি তে লাগিয়ে দান হাতের অনামিকায় ধারন করতে হবে

চন্দ্রের প্রতিকার ঃ
১ শিবের উপাসনা করতে হবে ।
২ সোমবার ব্রত পালন করতে হবে । পূর্ণিমায় গঙ্গা স্নান করতে হবে ।
৩ চাল দুধ ও রুপা দান করতে হবে ।
৪ মা, শাশুড়ি , মাসি ও দিদিমার আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৫ পালঙ্কের চারটি পায়ায় চার কোনে একটি করে রুপার পেরেক ঠুকতে হবে ।
৬ অপরের পদ স্পর্শ করে আশীর্বাদ চাইতে হবে ।
৭ রুপার আংটি তে মীতি লাগিয়ে কনিষ্ঠ আঙুলে ধারন করতে হবে ।
৮ রুপার দুটি টুকরো নিয়ে একটি খণ্ড বহমান জলে ফেলতে হবে এবং দ্বিতীয় টুকরো টি আজীবন নিজের কাছে রাখতে হবে ।

মঙ্গলের প্রতিকার ঃ
১ হনুমান জী র উপাসনা করতে হবে ।
২ গায়ত্রী মন্ত্র রোজ যতবার সম্ভব জপ করতে হবে
৩ চোখে সাদা সুরমা লাগাতে হবে ।
৪ তন্দুরে তৈরি মিষ্টি রুটি বিতরণ করতে হবে ।
৫ মসুর মিঠাই বা মিষ্টি দ্রব্য দান করতে হবে ।
৬ মঙ্গলবার ব্রত রাখতে হবে । হনুমানজি কে চলা দান করতে হবে ।
৭ বুধবার তামার আংটি অনামিকায় ধারন করতে হবে ।

বুধের উপায় ঃ
১ দুর্গা মাতার উপাসনা করতে হবে । দুর্গা সপ্ত দশী পাঠ করতে হবে ।
২ বুধবারের ব্রত রাখতে হবে । ঘরে সাদা গরু পুষতে হবে ।
৩হিজরে কে সবুজ কাপড় ও সবুজ চুরি দান করতে হবে ।
৪ দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং নাক ছেঁদা করতে হবে ।
৫ খোসা সহ সবুজ মুগ দান করতে হবে ।
৬ কন্যা বোন পিসি মাসি ও শালির আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৭ পান্না সোনার আংটিতে লাগিয়ে কনিষ্ঠ আঙ্গুলে পরতে হবে ।

বৃহস্পতি র উপায় ঃ
১ ব্রমহার উপাসনা করতে হবে । গরুড় পুরাণ পাঠ করতে হবে ।
২ গুরুবারে ব্রত পালন করতে হবে । সাধুদের আশীর্বাদ নিতে হবে ।
৩ মাথায় কেশরের তিলক লাগাতে হবে ।
৪ কেশর খেতে অথবা নাভিতে লাগাতে হবে ।
৫ কোন কাজ শুরু করার আগে নাক ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
৬ অশ্বথের শিকরে জল ঢালতে হবে ।
৭ ছোলার ডাল দান করতে হবে ।সোনার মাকড়ি পরতে হবে ।
৮ হ্লুদ পোখরাজ সোনার আংটিতে লাগিয়ে ধারন তর্জনী তে পরতে হবে ।

শুক্র গ্রহের উপায় ঃ
১ মহা লক্ষ্মী র উপাসনা করতে হবে । লক্ষ্মী সুক্ত পাঠ করতে হবে ।
২ শুক্রবার বৈভব লক্ষ্মীর ব্রত করতে হবে ।
৩ সাদা ও স্বচ্ছ কাপড় পরতে হবে ।
৪ সুগন্ধি পদার্থ এবং রুপার অলংকার ধারন করতে হবে ।
৫ ঘি দই কর্পূর ও মোতি দান করতে হবে ।
৬ নিজের খাদ্য বস্তু থেকে কিছুটা গাইকে খাওয়াতে হবে ।
৭ গোদান করতে হবে এবং সাদা জোয়ার দান করতে হবে ।
৮ হীরা ও জারকান রুপার আংটি তে লাগিয়ে অনামিকা বা মধ্যমা তে ধারন করতে হবে ।

শনি র উপায় ঃ
১ ভৈরব উপাসনা করতে হবে ।
২ শনিবারের ব্রত রাখতে হবে । সাপকে দুধ খাওয়াতে হবে ।
৩ তেল এবং মদ গাছের শেকড়ে ঢালতে হবে ।
৪ লোহা কলাই কালো কম্বল ইত্যাদি দান করতে হবে ।
৫ তেলে ভাজা রুটি কুকুর কে বা কাঁককে খাওয়াতে হবে ।
৬ কিকর এর দাঁতন করতে হবে ।শনিবার তেল দান করতে হবে ।
৭ নীলা রুপার আংটি তে লাগিয়ে মধ্যমা আঙ্গুলে পরতে হবে ।
৮ আসল কালো ঘোড়ার নালের টুকরো মধ্যম আঙ্গুলে সর্বদা ধারন করে রাখতে হবে ।

রাহুর উপায় ঃ
১ সরস্বতী উপাসনা করতে হবে ।
২ সর্ষে দান করতে হবে । মাথায় কাপড় রাখতে হবে ।
৩ তামাক সেবন নিষেধ ।
৪ মুলো দান করতে হবে ।বহমান জলে কয়লা ফেলতে হবে ।
৫ একান্ন বর্তি পরিবারে থাকতে হবে ।
৬ পকেটে সর্বদা রুপার একটি গুলি রাখতে হবে ।
৭ গোমেধ কে পঞ্চ ধাতুর আংটি তে লাগিয়ে অনামিকায় ধারন করতে হবে ।

কেতুর উপায় ঃ
১ গণেশ উপাসনা করতে হবে ।
২ গণেশ চতুর্থী ব্রত রাখতে হবে কপিলা গাই দান করতে হবে ।
৩ কান ছিদ্র করতে হবে , ঘরে কুকুর পুষতে হবে ।
৪ কালো ও সাদা তিল বহমান জলে বইয়ে দিতে হবে ।
৫ তিল লেবু কলা দান করতে হবে । চরিত্র ঠিক রাখতে হবে ।
৬ কুকুরকে রুটি টুকরো দিতে হবে । পাপ কর্ম থেকে দূরে থাকতে হবে ।
৭ ক্যাতস আইকে পঞ্চ ধাতুর আংটিতে লাগিয়ে কনিষ্ঠ আঙ্গুলে ধারন করতে হবে ।

এই উপায় গুলি আপনাকে নব গ্রহের হাত থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে আর আপনার জীবন সুখে শান্তি তে ভরে উঠুক ।

এছাড়া আরো বিস্তারিত ভাবে গ্ৰহশান্তি বা নবগ্ৰহ উপাসনা করতে পারেন।

নবগ্রহ স্তব ও গায়ত্রী মন্ত্র ও নবগ্ৰহ উপাসনা দ্বারা শান্তি লাভঃ-

যারা অশুভ শক্তিকে পরাহিত করে শান্তি আনায়ন করতে চান সেই সাধকের জন্য নবগ্রহ স্তব ও গায়ত্রী মন্ত্র জপ করা অপরিহার্য। নিম্নে সাধকের জন্য বিষ্ণুধর্মোত্তরে উল্লেখিত-

গোচরে বা বিলগ্নে বা সে গ্রহারিষ্টসূচকাঃ।
পূজয়ে তান্‌ প্রযন্তেন পূজিতাঃ স্যুঃ শুভপ্রদাঃ।।

(গোচরে বা জন্মকুণ্ডলীতে যে গ্রহ অনিষ্টকারক, তার শান্তি করিয়ে প্রসন্নতা লাভ করানো প্রয়োজন। প্রসন্ন হয়ে সেই গ্রহ শুভ ফল প্রদান করেন। নবগ্রহ স্তব ও গায়ত্রী মন্ত্র জপের দ্বারা গ্রহগণের শান্তি অতি শীঘ্রই হয়ে থাকে অর্থাৎ নবগ্রহের শান্তি মানে আমাদের শান্তি)।

নবগ্রহ স্তব বিধি

নব গ্রহস্তোত্রম্‌
জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্‌।
ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্‌।।

দিব্যশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্ণব সম্ভবম্‌।
নমামি শশিনং ভক্ত্যা শম্ভোর্মুকুট ভূষণম।।

ধরণীগর্ভসম্ভুতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম।
কুমারং শক্তিহস্তষ্ণ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম।।

প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যামং রূপেণাপ্রতিমং বুধম্‌।
সৌম্যং সর্বগুণোপেতং নমামি শশিনঃ সুতম্‌।।

দেবতানামৃষীণাঞ্চ গুরুং কনকসন্নিভম্‌।
বন্দ্যভূতং ত্রিলোকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম্‌।।

হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্‌।
সর্বশাস্ত্র প্রবক্তারং ভার্গবং প্রণমাম্যহম্‌।।

নীলাঞ্জনচয়প্রখ্যং রবিসুনুং মহাগ্রহম্‌।
ছায়ায়া গর্ভসম্ভুতং বন্দে ভক্ত্যা শনৈশ্চরম্‌।।

অর্দ্ধকায়ং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দ্দকম্‌।
সিংহিকায়াঃ সূতং রৌদ্রং ত্বং রাহুং প্রণমাম্যহম্‌।।

পলালধুমসঙ্কাশং তারাগ্রহবিমর্দ্দকম্‌।
রৌদ্রং রুদ্রাত্মকং ক্রুরং তং কেতুং প্রণমাম্যহম্‌।।

নবগ্রহের গায়ত্রী মন্ত্র

(১) রবি (সূর্য) গ্রহ- ওঁ ভাস্করায় বিদ্মহে মহাতেজায় ধীমহিঃ তন্নঃ সূর্যঃ প্রচোদয়াৎ।
(২) সোম (চন্দ্র) গ্রহ- ওঁ ক্ষীরপুত্রায় বিদ্মহে অমৃতত্বায় ধীমহিঃ তন্নঃ চন্দ্রঃ প্রচোদয়াৎ।
(৩) মঙ্গল গ্রহ- ওঁ অঙ্গরকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।
(৪) বুধ গ্রহ- ওঁ সৌম্যরূপায় বিদ্মহে বাণেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ বুধঃ প্রচোদয়াৎ।
(৫) বৃহস্পতি গ্রহ- ওঁ আঙ্গিরসায় বিদ্মহে দণ্ডায়ুধায় ধীমহিঃ তন্নঃ জীবঃ প্রচোদয়াৎ।
(৬) শুক্র গ্রহ- ওঁ ভৃগুসুতায় বিদ্মহে দিব্যদেহায় ধীমহিঃ তন্নঃ শুত্রঃ প্রচোদয়াৎ।
(৭) শনি গ্রহ- ওঁ সূর্যপুত্রায় বিদ্মহে মৃত্যুরূপায় ধীমহিঃ তন্নঃ সৌরিঃ প্রচোদয়াৎ।
(৮) রাহু গ্রহ- ওঁ শিরোরূপায় বিদ্মহে অমৃতেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ রাহুঃ প্রচোদয়াৎ।
(৯) কেতু গ্রহ- ওঁ গদাহস্তায় বিদ্মহে
অমৃতেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ কেতুঃ প্রচোদয়াৎ।
নবগ্রহ উপাসনা
============
যারা নবগ্রহের অশুভ শক্তিকে পরাভূত করে শান্তি আনয়ন করতে চান সেই সাধকের জন্য নবগ্রহ মন্ত্র ও নবগ্রহ গায়ত্রী মন্ত্র জপ করা অপরিহার্য। বিষ্ণুধর্মোত্তরে উল্লেখিত হয়েছে-----
"গোচরে বা বিলগ্নে বা সে গ্রহারিষ্টসূচকাঃ। পূজয়ে তান্‌ প্রযন্তেন পূজিতাঃ স্যুঃ শুভপ্রদাঃ।।"
অর্থাৎ--- গোচরে বা জন্মকুণ্ডলীতে যে গ্রহ অনিষ্টকারক, তার শান্তি করিয়ে প্রসন্নতা লাভ করানো প্রয়োজন। প্রসন্ন হয়ে সেই গ্রহ শুভ ফল প্রদান করেন। নবগ্রহ পূজা ও নবগ্রহের গায়ত্রী মন্ত্র জপের দ্বারা গ্রহগণের শান্তি অতি শীঘ্রই হয়ে থাকে।

সূর্য্য
---------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়। জপ সংখ্যা - ৬০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ভাস্করায় বিদ্মহে মহাতেজায় ধীমহিঃ তন্নঃ সূর্যঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্। ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোঽস্মি দিবাকরম্॥
ইষ্টদেবতা - মাতঙ্গী।
ধারণরত্ন - চুনী, ধূপ - গুগগুল, বার - রবিবার, প্রশস্ত সময় - সকাল৬.০৪- ১০ টা পর্যন্ত।

চন্দ্র
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ। জপ সংখ্যা - ১৫০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ক্ষীরপুত্রায় বিদ্মহে অমৃতত্বায় ধীমহিঃ তন্নঃ চন্দ্রঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ দধিশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্ণবসম্ভবম্। নমামি শশিনং ভক্ত্যা শম্ভোর্মুকুটভূষণম্॥
ইষ্টদেবতা - কমলা।
ধারণরত্ন - মুক্তা, ধূপ - সরলকাষ্ঠ, বার - সোমবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যা ৬-৭ পর্যন্ত।

মঙ্গল
----------
মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ৮০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - বগলামুখী।
ধারণরত্ন - প্রবাল, ধূপ - দেবদারু, বার - মঙ্গলবার, প্রশস্ত সময় - সকাল ৯-১২ টা পর্যন্ত।

বুধ
-------
মন্ত্র - ওঁ ঐং শ্রীং শ্রীং বুধায়ঃ। জপ সংখ্যা - ১০০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ সৌম্যরূপায় বিদ্মহে বাণেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ বুধঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যামং রূপেণাপ্রতিমং বুধম। সৌম্যং সর্বগুণোপেতং তং বুধং প্রণাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ষোড়োশী অথবা ত্রিপুরভৈরবী।
ধারণরত্ন - পান্না, ধূপ - সঘৃত দেবদারু, বার - বুধবার, প্রশস্ত সময় - বেলা৭-১১ টা পর্যন্ত।

বৃহস্পতি
----------------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে। জপ সংখ্যা -১৯০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ আঙ্গিরসায় বিদ্মহে দণ্ডায়ুধায় ধীমহিঃ তন্নঃ জীবঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ দেবতানাং ঋষিণাঞ্চ গুরুং কনকসন্নিভম্। বন্দ্যভূতং ত্রিলোকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম্॥
ইষ্টদেবতা - তারা।
ধারণরত্ন - পোখরাজ, ধূপ - দশাঙ্গ, বার - বৃহস্পতিবার, প্রশস্ত সময় - বেলা ১২ পর্যন্ত।

শুক্র
---------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং শ্রীং শুক্রায়। জপ সংখ্যা - ২১০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ ভৃগুসুতায় বিদ্মহে দিব্যদেহায় ধীমহিঃ তন্নঃ শুত্রঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্। সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ভুবনেশ্বরী।
ধারণরত্ন - হীরা, ধূপ - গুগুল, বার - শুক্রবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যাবেলা। ৬-৮ টা পর্যন্ত

শনি
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়। জপ সংখ্যা - ১০০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ সূর্যপুত্রায় বিদ্মহে মৃত্যুরূপায় ধীমহিঃ তন্নঃ সৌরিঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ নীলাঞ্জনসমাভাসং রবিপুত্রং যমাগ্রজম্। ছায়ায়া গর্ভসম্ভূতং তং নমামি শনৈশ্চরম্॥
ইষ্টদেবতা - দক্ষিণকালিকা।
ধারণরত্ন - নীলা, ধূপ - কৃষ্ণাগুরু, বার - শনিবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যাবেলা।

রাহু
---------
মন্ত্র - ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে। জপ সংখ্যা - ১২০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ শিরোরূপায় বিদ্মহে অমৃতেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ রাহুঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ অর্দ্ধকায়ং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম্। সিংহিকায়াঃ সুতং রৌদ্রং তং রাহুং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ছিন্নমস্তা।
ধারণরত্ন - গোমেদ, ধূপ - দারুচিনি, বার - শনি/মঙ্গল বার, প্রশস্ত সময় - সকাল ১১-১.৩০দুপুর পর্যন্ত।

কেতু
---------
মন্ত্র - ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে। জপ সংখ্যা - ২২০০০ বার।
গায়ত্রী-- ওঁ গদাহস্তায় বিদ্মহে অমৃতেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ কেতুঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ পলালধূমসঙ্কাশং তারাগ্রহবির্মদকম্। রৌদ্রং রৌদ্রাত্মকং ক্রূরং তং কেতুং প্রণমাম্যহং॥
ইষ্টদেবতা - ধূমাবতী।
ধারণরত্ন - ক্যাটস্ আই, ধূপ - মধুযুক্ত দারুচিনি, বার - শনি/মঙ্গল বার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যাবেলা



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200202214254

Friday, January 24th, 2020

Astro Research Centre

মকর রাশিফল 2020বিস্তারিত ফল

মকর রাশিফল 2020বিস্তারিত ফল

মকর রাশিফল 2020বিস্তারিত ফল নিচে দিলাম

প্রারম্ভিক বিষয়

আমি আপনাদের জন্য রাশিফল ২০২০ (Bengali Rashifal) নিয়ে এসেছি যেখানে আপনি আপনার অর্থ, ব্যবসা, ক্যারিয়ার, শিক্ষা এবং পারিবারিক জীবনের সাথে সম্পর্কিত আপনার ভবিষ্যতের ঘটনাগুলি জানতে পারবেন।

এই সময়কালে গ্রহগুলির প্রধানগোচর শনি এবং বৃহস্পতির জন্য ঘটে কারণ উভয়ই খুব ধীর গতিময় গ্রহ এবং আমাদের জীবনের প্রতিটি ঘটনাকে প্রভাবিত করে।
এই দুটি গ্রহের প্রভাব ব্যতীত আপনার জীবনে কোনও বড় ঘটনা ঘটবে না। ২০২০ সালের 24 জানুয়ারি বা এই বছরের শুরুতে শনি ধনু থেকে মকর রাশিতে গোচর করবে মকর । পরবর্তীতে, এটি 11 মে, ২০২০ থেকে 29শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ এর মধ্যে বিপরীতমুখী গমন করবে।
22শে মার্চ, 2020 সালে বৃহস্পতিটি প্রত্যাবর্তন গতিতে মকর রাশিতে চলে যাবে এবং তারপরে আবারও এর গোচর ধনু রাশিতে 30 শে জুন, ২০২০ হবে। মে 14, 2020 থেকে 13 সেপ্টেম্বর, 2020 এটি প্রত্যাবর্তন করবে।

সতর্কতা

মকর রাশির প্রেমিক প্রেমিকাদের সাথে সিংহ কন্যা কর্কট মীন কিংবা মিথুনের প্রেম থাকলে মানসিক দ্বন্দ্ব আর অশান্তি বাড়বে অতিমাত্রায়। জানুয়ারী ফেব্রুয়ারী আর মার্চ – এই তিনটে মাসে মনোমালিন্য এমন কি অনেকের প্রেমে বিচ্ছেদও আসতে পারে। নতুন প্রেমে যেমন বাধা, তেমনই কোন প্রেম হলেও ধোপে টিকিবে না।

বিবাহিত প্রেমিক প্রেমিকারা ভুগবেন নিদারুণ পারিবারিক অশান্তিতে।

মকর লগ্নের প্রেমিক প্রেমিকাদের পারিবারিক চাপ বা অশান্তি, সামাজিক বদনাম কিংবা একে অপরকে বিয়ে করা বা না করা নিয়ে দ্বন্দ্ব অথবা প্রায় দিনের প্রোগ্রামে মনোমালিন্য – এক কথায় কোন না কোন কারণে মানসিক শান্তি তো নষ্ট হবেই- দুশ্চিন্তা বাড়বে, ভাঙবে স্বাস্থ্য।

মকর রাশি 2020 অনুসারে, এই বছরের 24 শে জানুয়ারি শনি দেব আপনার রাশিতে প্রবেশ করবে এবং আপনার শক্তি বাড়িয়ে দেবে, কারণ শনি দেব স্বক্ষেত্রে অবস্হান করবে আপনার ব্যবসায়কে নতুন দিকে নির্দেশ দেবে এবং আপনাকে আপনার ক্ষেত্রে কাজ করতে বাধ্য করবে। অন্যদিকে, গুরু দেব বৃহস্পতি 30 শে মার্চ আপনার রাশিতে প্রবেশ করবেন এবং আপনার পঞ্চম, সপ্তম এবং নবম ঘরটি দেখবেন, যা আপনার পড়াশুনা, প্রেমের সম্পর্ক, সন্তান, বিবাহিত জীবন, ব্যবসা, উচ্চশিক্ষা, সম্মান এবং ভাগ্য বৃদ্ধি করবে.একই বৃহস্পতি দেব 14 ই মে প্রতিক্রিয়াশীল হবে এবং আবার 30 শে জুন ধনু রাশির দ্বাদশ ঘরে চলে যাবে, এটি আপনার ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে এবং কিছু স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। এর পরে, 13 ই সেপ্টেম্বর, আপনি 20 নভেম্বর আপনার নিজের রাশিতে যাবেন এবং আপনাকে অনুকূল প্রভাব দেবেন।রাহু সেপ্টেম্বর অবধি আপনার ষষ্ঠ ঘরে থাকবেন এবং আপনাকে আপনার বিরোধীদের বিরুদ্ধে জয় দেবেন। শত্রু দমন করবে এর পরে পঞ্চম ঘরে তাদের ট্রানজিট সন্তান এবং শিক্ষার জন্য সমস্যায় পূর্ণ হতে পারে। এই বছর আপনি অনেক ট্রিপ করবেন এবং সারা বছর ব্যস্ত থাকবেন। যাঁরা বিদেশ ভ্রমণের ইচ্ছা রেখেছেন, তাঁদের আকাঙ্ক্ষা এই বছর পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাশিচক্রের দশম রাশি হল মকর। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ হল শনি। এ রাশির জাতক জাতিকার ক্ষেত্রে এই বছর অনেকাংশে শুভ ফল দেবে। তবে এই বছরে মাঝে মধ্যেই কিছু শারীরিক ক্লেশ ও অভ্যন্তরীণ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২০২০ সাল এই রাশির জাতকদের পেশা, ক্যারিয়ার এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে ভালো ফলাফল আশা করতে পারেন। এই বছরটি অর্থনৈতিক দিকগুলির জন্য ভাগ্যবান হতে পারে না কারণ আপনার লগ্নের স্বামী এবং দ্বিতীয় ঘরের প্রভু শনি শনিবার আপনার আবাসে স্থাপন করা হবে 12 তম বাড়িতে, যা ব্যয়ের ঘর হিসেবে পরিচিত। আপনার পারিবারে মধ্যে একটি বিবাহ অনুষ্ঠান হতে পারে। আপনি ধর্মীয় কাজে অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন। যে কোনও ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগে আপনার অর্থ বিনিয়োগের আগে দুবার চিন্তা করা উচিত। বছরের শুরুতে, আপনার লগ্ন ঘরে একটি সমস্যা তৈরি হতে পারে এর ফলে আপনাকে আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার জন্য ইঙ্গিত দেয়। একাদশ ঘরের স্বামী মঙ্গল মঙ্গলও একাদশ ঘরে উপস্থিত থাকবে এবং ষষ্ঠ ঘরে রাহুর আরও একটি ভাল সংমিশ্রণ আপনাকে ক্যারিয়ারে অনুকূল ফল দেবে।
রাশিফল ২০২০ অনুসারে বৈদেশিক বাণিজ্য ও সম্পর্কের জন্য এই বছরটি অত্যন্ত শুভ। মার্চ থেকে মে মাসে আপনার কেরিয়ার উন্নতি হবে। আপনি এই সময়ের মধ্যে পদোন্নতি পেতে পারেন। মকর রাশিফল ২০২০ অনুসারে, এই রাশির শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল পেতে পারে। আপনি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করতে পারেন এবং নিয়োগ পেতে পারেন। আপনি আপনার পরিবারের জন্য জানুয়ারী মাসে এবং বছরের মাঝামাঝি সময়ে কিছু বিলাসবহুল পণ্য কিনতে পারেন। রাহু একবার সেপ্টেম্বর মাসে মিথুন থেকে বৃষ রাশিতে অবস্থান পরিবর্তন করলে তা আপনার জন্য বিশেষ লাভ দায়ক হবে, আপনি যথেষ্ট সম্পদ অর্জন করতে পারবেন। আপনি যদি বিবাহিত না হন এবং বিবাহ করতে ইচ্ছুক হন, তবে এই বছর আপনি বিবাহ সম্পন্ন করতে পারেন। আপনি যদি কাউকে প্রেম প্রস্তাব দিতে চান তবে তা করার জন্য এটি আদর্শ সময়।

আর্থিক দিক দিয়ে এ বছরটা আপনার খুব একটা ভালো যাবে না। চাকুরিজীবীরা প্রোমোশন পেতে পারেন। প্রেমের সম্পর্কে খুব একটা কিছু উন্নতি দেখা দেবে না। উদরবীড়ায় কষ্ট পেতে পারেন। সাদা, সবুজ ও হলুদ রঙ আপনার জন্য শুভ।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200124171227

Thursday, January 23rd, 2020

Astro Research Centre

সরস্বতী পূজা-পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, স্তব ও প্রার্থনা মন্ত্র

সরস্বতী পূজা-পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, স্তব ও প্রার্থনা মন্ত্র

সরস্বতী পূজা-পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, স্তব ও প্রার্থনা মন্ত্র

সরস্বতী পূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি অন্যতম প্রচলিত পূজা। সরস্বতী দেবীকে শিক্ষা, সংগীত ও শিল্পকলার দেবী ও আশীর্বাদাত্রী মনে করা হয়। বাংলা মাঘ মাসের ৫মী তিথিতে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা, সংগীত ও শিল্পকলায় সফলতার আশায় শিক্ষার্থীরা দেবীর পূজা করে থাকে।

বাকদেবী, বিরাজ, সারদা, ব্রাহ্মী, শতরূপা, মহাশ্বেতা, পৃথুধর, বকেশ্বরী সহ আরো অনেক নামেই দেবী ভক্তের হৃদয়ে বিরাক করে।
পুরাণ অনুযায়ী দেবী সরস্বতী ব্রহ্মের মুখ থেকে উথ্থান। দেবীর সকল সৌন্দর্য্য ও দীপ্তির উৎস মূলত ব্রহ্মা। পঞ্চ মস্তকধারী দেবী ব্রহ্মা এক স্বকীয় নিদর্শন।

পূজার জন্য দেবী সরস্বতীর মূর্তি শ্বেত বস্র পরিধান করে থাকে যা পবিত্রতার নিদর্শন। দেবীর আসন কে পুষ্পশোভামন্ডিত করে রাখা হয়। পরিবারের সকল সদস্য খুব ভোরে স্নান শেষে পরিস্কার বস্র পরিধান করে দেবীর সামনে অবস্থান করে থাকে। পুরোহিত পূজা শুরু করবার আগ পর্যন্ত দেবীর মুখমন্ডল ঢাকা থাকে। পূজার অর্ঘ্যর পাশাপাশি দেবীর পূজার অারেকটি প্রধান অংশ ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তক। সরস্বতী পূজার একটি বিশেষ অর্য্য হল পলাশ ফুল। দেবীর অঞ্জলীর জন্য এটি একটি অত্যবশ্যকীয় উপাদান।







পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র
=================
ওঁ জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।
নমঃভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈ নমো নমঃ।
বেদ-বেদাঙ্গ-বেদান্ত-বিদ্যা-স্থানেভ্য এব চ।।
এস স-চন্দন পুষ্পবিল্ব পত্রাঞ্জলি সরস্বতৈ নমঃ।।

প্রনাম মন্ত্র
=======
নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।।
জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।

সরস্বতীর স্তব
=======
শ্বেতপদ্মাসনা দেবী শ্বেত পুষ্পোপশোভিতা।
শ্বেতাম্ভরধরা নিত্যা শ্বেতাগন্ধানুলেপনা।।
শ্বেতাক্ষসূত্রহস্তা চ শ্বেতচন্দনচর্চ্চিতা।
শ্বেতবীণাধরা শুভ্রা শ্বেতালঙ্কারব‌ভূষিতা
বন্দিতা সিদ্ধগন্ধর্ব্বৈর্চ্চিতা দেবদানবৈঃ।
পূঝিতা মুনিভি: সর্ব্বৈঋষিভিঃ স্তূয়তে সদা।।
স্তোত্রেণানেন তাং দেবীং জগদ্ধাত্রীং সরস্বতীম্।
যে স্মরতি ত্রিসন্ধ্যায়ং সর্ব্বাং বিদ্যাং লভন্তি তে।।

সরস্বতী ও নীল সরস্বতী পূজার মন্ত্র ও জপ কবচম্

মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথি। এই শুভ দিনে আমরা বিদ্যার অধিষ্টাত্রী দেবী সরস্বতীর বন্দনা করি। তিনি আমাদের বিদ্যা ও জ্ঞাণ প্রদান করেন।
যাদের বিদ্যায় বার বার বাধা আসছে অথবা যারা বিশেষ স্থানাধীকার করতে আগ্রহী তারা এই শুভ দিনে সরস্বতীপূজার সাথে সাথে "নীল সরস্বতী"র আরাধনা করতে পারেন। "নীল সরস্বতীর কবচ" এবং চারমুখী রুদ্রাক্ষ ও ধারণ করতে পারেন। অথবা "সরস্বতী যন্ত্র" বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।
সকালে স্নান সেরে সাদা বস্ত্র পরে এইভাবে ক্রম অনুযায়ী আরাধনা করতে হবে।

সরস্বতীর বন্দনাঃ
যা কুন্দেনু তুষার হার ধবলা যা শুভ্রবস্ত্রাবৃতা
যা বীণা বরদণ্ডমণ্ডিত করা যা শ্বেত পদ্মাসনা।
যা ব্রহ্মাচ্যুতশংকর প্রভৃতির্দেবৈঃ সদাবন্দিতা
সা মাং পাতুসরস্বতী ভগবতী নিঃশেষ জাড্যাপহাম্॥১॥

শুক্লাং ব্রহ্ম বিচার সার পরমাদ্যাং জগদ্ব্যাপিনীম্
বীণা পুষ্পক ধারিণীমভয়দাম্ জাড্যান্ধকারাপহাম।
হস্তে স্ফটিক মালিকাম্ বিদধতীম্ পদ্মাসনে সংস্থিতাম্
বন্দে ত্বাং পরমেশ্বরীম্ ভগবতীম্ বুদ্ধিপ্রদাম্ সারদাম্॥২॥

সরস্বতীর ধ্যানঃ
ওঁ সরস্বতী ময়া দৃষ্টবা, বীণা পুস্তক ধারণীম্।
হংস বাহিনী সমাযুক্তা মা বিদ্যা দান করেতু মে ওঁ।।

প্রকারান্তর

সরস্বতীর ধ্যান
…………………………
তরুণশকলমিন্দোর্বিভ্রতী শুভ্রকান্তিঃ
কুচভরনমিতাঙ্গী সন্নিষন্না সিতাব্জে ।
নিজকরকমলোদ্যল্লেখনীপুস্তকশ্রীঃ
সকলবিভবসিন্ধ্যৈ পাতু বাগদেবতা নঃ ।।

এর অর্থ- চন্দ্রের তরুণ অংশের ন্যায় যাঁর কান্তি শুভ্র, যিনি কুচভরে অবনতাঙ্গী, যিনি শ্বেত পদ্মাস্থনা , যাঁর নিজ কর কমলে উদ্যত লেখনী ও পুস্তক শোভিত , সকল ঐশ্বর্য সিদ্ধির নিমিত্ত সেই বাগদেবী আমাদিগকে রক্ষা করুন ।

সরস্বতীর জপ মন্ত্রঃ
ওঁ বদ্ বদ্ বাগ্বাদিনি স্বাহা।

সরস্বতীর প্রনাম
……………………………

সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।।

অঞ্জলিঃ
ভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈ নমো নমঃ ।
বেদ –বেদাঙ্গ বেদান্তবিদ্যাস্থানেভ্য এব চ ।।

জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।

এর অর্থ- সরস্বতী দেবী মহাভাগ, কমলের ন্যায় লোচনা দেবী , বিশালাক্ষী বিদ্যা দায়িনী দেবীকে নমস্কার । ভদ্রকালিকে ( মঙ্গলময়ী ভগবতী ) কে নিত্য নমস্কার , দেবী সরস্বতীকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার এবং বেদ বেদাঙ্গ বিদ্যা স্থানকে নমস্কার । কুচ যুগ শোভিতা মুক্তাহার পরিহিতা যিনি বীনা পুস্তক ধারন করে থাকেন সেই ভগবতী ভারতী কে নমস্কার ।

বেদে সরস্বতী নদী জ্যোতিরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। সরস্বতী নদীর তীরে বসে যে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারিত হোতো- সেটা লেখা আছে । বেদের সরস্বতীর ত্রয়ী মূর্তি। ভূঃ বা ভূলোকে ইলা, ভুবঃ বা অন্তরীক্ষে লোক সরস্বতী, এবং স্বর্ বা স্বর্গলোকে ভারতী। ভূ র্ভুবঃ স্বঃ – এই তিনে মিলে সামগ্রিক জগত । ভূলোকে অগ্নি, অন্তরীক্ষ লোকে হিরণ্য দ্যুতি ইন্দ্র এবং স্ব- লোকে সূর্য – এই তিনের যে জ্যোতি রাশি – তাঁহা সরস্বতীর জ্যোতি। জ্ঞানময়ী বা চিন্ময়ী রূপে তিনি সর্বত্র , সর্ব ব্যাপিনী। তাঁর জ্যোতি সর্বত্র পরিব্যাপ্ত । শুধু এই ত্রিলোক নয় ঊর্ধ্ব সপ্ত লোক নিম্ন সপ্ত লোক পর্যন্ত চতুর্দশ ভুবনে স্তরে স্তরে সেই জ্যোতি বিরাজিতা। সেই জ্যোতি অজ্ঞান রূপী তমসা কে নিবারন করে। যোগী হৃদয়ে যখন সেই আলো জ্বলে – তখন সকল প্রকার অন্ধকার নাশ হয়

সরস্বতীর প্রণাম মন্ত্রঃ (বিদ্যারম্ভে প্রণাম মন্ত্র)
ওঁ সরস্বতী নমস্তুভ্যং বরদে কামরূপিণি।
বিদ্যারম্ভং করিষ্যামি সিদ্ধির্ভবন্তু মে সদা।।

সরস্বতী যন্ত্র -
এই যন্ত্র স্থাপন করলে বিদ্যায় অত্যন্ত শুভ ফল লাভ সম্ভব। নিদানপক্ষে যন্ত্রটি লাল কালিতে কাগজে লিখে বা প্রিন্ট করে পড়ার টেবিলে রাখলে বা বই-এর উপরে লাগিয়ে রাখলেও খানিক শুভ ফল পাওয়া যায়।


সরস্বতী কবচ - ধারণেও অত্যন্ত শুভ ফল লাভ হয়। তবে এক্ষেত্রে সাধকের সাহায্য নেওয়া উচিৎ।

এর পর নীল সরস্বতীর মন্ত্র জপ করতে হবে। দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী তাঁরা কে নীল সরস্বতী রূপে বন্দনা করা হয়।


নীল সরস্বতীর মূল মন্ত্রঃ
ঐং ওং হ্রীং স্ত্রীং হূং ফট্।

নীল সরস্বতীর মহামন্ত্রঃ
ওং হ্রীং শ্রীং হ্রীং ঐং হূং নীল সরস্বতী ফট্ স্বাহা।
বা ঐং হ্রীং ঐং হ্রীং সরস্বতৈ নমঃ।১১৮বার।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200123093639

Tuesday, January 21st, 2020

Astro Research Centre

জ্যোতিষ শাস্ত্র কোনো বিজ্ঞান নয়

জ্যোতিষ শাস্ত্র কোনো বিজ্ঞান নয়

জ্যোতিষ শাস্ত্র কোনো বিজ্ঞান নয়

কোষ্ঠী হল জন্মপত্রিকা। এতে নবজাতকের জন্মসময়ে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ও সঞ্চরণ অনুযায়ী তার সমগ্র জীবনের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। খ্রিস্টপূর্বকালে ভারতবর্ষে কোষ্ঠী গণনার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের পরে শাকদ্বীপ (পারস্য-কান্দাহার-সাইথিয়া-কাশ্মীরের উত্তরের দেশ) থেকে আগত জনগোষ্ঠী এ দেশে কোষ্ঠী গণনা পদ্ধতি প্রবর্তন করে বলে মনে করা হয়।

খ্রিস্টীয় ছয় শতকের ভারতীয় জ্যোতিষী বরাহমিহিরের গ্রন্থে কোষ্ঠীপদ্ধতির প্রথম পরিচয় পাওয়া যায়। তাই অনুমান করা হয়, এর দু-তিনশ বছর পূর্বে ভারতবর্ষে কোষ্ঠী গণনা শুরু হয়। কোষ্ঠী গণনা পাশ্চাত্যের অনেক দেশেও প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত আছে। কোষ্ঠী গণনার ক্ষেত্রে রাশি, গ্রহ ও লগ্ন তিনটি প্রধান বিষয়।

মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন – এই বারোটি রাশি

এবং রবি, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি, রাহু ও কেতু – এই নয়টি গ্রহকে একটি চক্র বা ছকে বারোটি প্রকোষ্ঠে এ রাশিগুলি দেখানো হয়। পরে পঞ্জিকা অনুযায়ী জাতকের জন্মকালে গ্রহগুলির রাশিভিত্তিক অবস্থান নির্ণয়পূর্বক উক্ত চক্র বা ছকে রাশি অনুযায়ী গ্রহগুলির নামের আদ্যক্ষর লেখা হয়। এরপর লগ্ন নির্ণয় করে লগ্নবোধক রাশিটিকে ‘লং’ শব্দ দ্বারা নির্দেশ করলেই জন্মপত্রিকা তৈরি হয়ে যায়।

কোষ্ঠী গণনার এই চক্র বা ছকের অঙ্কনপদ্ধতি সর্বত্র একরকম নয়। ভারতবর্ষেই তিন রকম এবং পাশ্চাত্যে অন্যরকম। দক্ষিণ ভারত ব্যতীত অন্য সব স্থানের চক্রের গতি বামাবর্তী। বঙ্গদেশ ও দক্ষিণ ভারতের রাশিচক্র স্থির -- মেষ রাশি থাকে সর্বদা শীর্ষদেশে এবং লগ্ন পরিবর্তনশীল। কিন্তু উত্তর ভারত ও পাশ্চাত্যে রাশিচক্র স্থির নয়, যে-কোনো স্থানে রাশি অবস্থান করতে পারে, তবে লগ্ন সর্বদাই একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। উত্তর ভারতের ছকে লগ্ন থাকে শীর্ষদেশে এবং পাশ্চাত্যে থাকে বাম পাশে।

প্রতিটি রাশির নির্দিষ্ট অধিপতি গ্রহ থাকে, যেমন মকর ও কুম্ভ রাশির অধিপতি শনি,

মীন ও ধনু রাশির বৃহস্পতি,

মেষ ও বৃশ্চিক রাশির মঙ্গল,

বৃষ ও তুলা রাশির শুক্র,

মিথুন ও কন্যা রাশির বুধ,

কর্কট রাশির চন্দ্র এবং সিংহ রাশির রবি।

লগ্ন হল সূর্য কর্তৃক মেষাদি রাশি সংক্রমণের মুহূর্ত, অর্থাৎ সূর্য যখন যে রাশিতে অবস্থান করে তখন লগ্নও হয় সে রাশির নামানুসারে। যেমন সূর্যের মেষ রাশিতে অবস্থানকালে যদি কারও জন্ম হয় তাহলে তার লগ্ন হবে মেষলগ্ন। লগ্নের মেয়াদ হল দুই ঘণ্টা, অর্থাৎ দুই ঘণ্টা পরপর লগ্ন পরিবর্তিত হয়

জ্যোতিষ শাস্ত্রে যে 9টি গ্রহের কথা উল্লেখ আছে তাদের সব কয়টি গ্রহ নয় যেমন
রবি, চন্দ্র, রাহু ও কেতু (ক্ৰমশঃ )

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 1500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200121104047

Friday, January 17th, 2020

Astro Research Centre

কর্কট রাশির 2020কেমন যাবে, ধন, স্বাস্থ্য, কর্ম, বিবাহ, বাণিজ্য, আয়, ব্যায়, কেরিয়ার,

কর্কট রাশির 2020কেমন যাবে, ধন, স্বাস্থ্য, কর্ম, বিবাহ, বাণিজ্য,  আয়, ব্যায়, কেরিয়ার,

কর্কট রাশির 2020কেমন যাবে, ধন, স্বাস্থ্য, কর্ম, বিবাহ, বাণিজ্য, আয়, ব্যায়, কেরিয়ার,

রাশিফল ২০২০ অনুসারে সালের সূচনা আপনার জন্য ভালো নাও হতে পারে কারণ ষষ্ঠ ঘরে সূর্যের প্রভাব, যেটি কিনা দ্বিতীয় ঘরটির স্বামী এবং এর সাথে দুটি ক্ষতিকারক গ্রহ ও সংলগ্ণিত থাকব। তবে এর ফলে আপনার আর্থিক জীবনে বিশেষ কোনো পরিবর্তন হবে না।

এই সময় আপনার হঠাৎ উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং আপনার অর্থের প্রবাহও ভাল হবে।
জুলাই-আগস্টের সময়, আপনি বিদেশী উত্স থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন তবে অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে অর্থ হারাতে পারেন।

অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত হিসাবে বছরের শেষার্ধটি ভাল।

ষষ্ঠ ঘরে কেতুর বাসস্থান আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
মার্চ-জুলাই মাসে অর্থের প্রবণতা সন্তোষজনক হবে। আপনার প্রচারের কারণে আপনার আয় বাড়তে পারে। আপনি যদি ব্যবসা করেন তবে বছরের দ্বিতীয়ার্ধটি অনুকূল হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে জুলাই-আগস্ট মাসগুলি অনুকূল হবে না। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, আপনি পছন্দসই ফলাফল পেতে পারেন। মার্চ মাসে আপনি কোনও গাড়ি বা জমি কিনতে পারেন।

বছরের শুরুতে আপনার আয় ভাল হবে। লর্ড ভেনাস, যিনি আপনার একাদশ বাড়ির শাসন করেন সপ্তম বাড়িতে অবস্থান করবে।

আপনার পরিবারে সন্তানের জন্মের সম্ভাবনাও রয়েছে। যেসকল কর্কট রাশির জাতক বিবাহের পরিকল্পনা করছেন তারা এই বছরের শেষের দিকে ইচ্ছা পূরণ করতে পারেন।

কর্কট রাশিফল 2020 এর অনুসারে ক্যারিয়ার

কর্কট রাশিফল 2020 এর অনুসারে কর্কট রাশির জাতকদের ক্যারিয়ার সামান্য শুভ হতে পারে। এই বছর, আপনি কোন নতুন চাকরীর সন্ধান করবেন এবং আপনি নিজের দক্ষতার শক্তিতে একটি বৃহত উদ্যোগের সাথে সংযুক্ত হতে পারেন, যার কারণে আপনি ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে ভাল সাফল্য পাবেন। বৃহস্পতিটি এপ্রিল থেকে জুলাই মধ্যে আপনার সপ্তম ঘরে শনির সাথে গোচর করবে, যা আপনার কাজ এবং ব্যবসায়ের জন্য মজবুত সময় হবে। এই সময়ে আপনি আপনার কাজ থেকে ভাল সুবিধা পাবেন এবং আপনার কর্মজীবনে আপনার অবস্থান শক্তিশালী হবে। আপনি যদি কোনও বন্ধুর সাথে ব্যবসা করে থাকেন তবে আপনি এই সময়ের মধ্যে আরও বেশি লাভ অর্জন করতে পারেন। এবং এই সময়টি ব্যাবসায়িক ভ্রমণের জন্য স্বাভাবিক। জানুয়ারী থেকে এপ্রিল এবং জুলাই থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে আপনি আপনার ব্যবসায়ের জন্য বিদেশে অনেক ভ্রমণ করতে পারেন যা আপনাকে ইতিবাচক ফলাফল দেয়। আপনি যদি কোনও চাকরীর সাথে যুক্ত থাকেন তবে এই সময়ে আপনি নিজের ইচ্ছানুযায়ী স্থানান্তরও করতে পারেন। সব মিলিয়ে বছরটি স্বাভাবিক হবে তবে আপনার অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণে আপনি খুশি হবেন।

কর্কট রাশি ঃ- ২০২০ সাল আপনার জন্য খুব ভালো কাটবে। গ্রহদের অবস্থান খুব ভালো জায়গায় থাকায় এই বছর আপনার ভাগ্যে অনেক অর্থ উপার্জনের যোগ রয়েছে। তাছাড়া আপনার সমস্ত আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে। আপনার জীবনে এমন কিছু সুযোগ আসতে চলেছে যার জন্য আপনি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যারা অবিবাহিত তাদের জীবনে মনের মানুষের আগমন ঘটবে। সব মিলিয়ে আপনার এই বছর এত ভালো যাবে যে বছরটি আপনার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রেম বিবাহ

প্রেম ও বিয়ে বলতে এঁদের কাছে শান্তির অন্য এক নাম। নিজের সঙ্গীর জন্য় আপনি সমস্ত কিছু করতে পারেন। সঙ্গী দুঃখ পেলেই আপনি অবসাদগ্রস্ত হয়ে যান। সঙ্গীকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবতেও পারবেন না আপনি।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200117155221

Thursday, January 16th, 2020

Astro Research Centre

বৃষ রাশি২০২০কেমন যাবে, শরীর, অর্থ, আয়, ব্যায়, বাণিজ্য, কর্ম, বিবাহ, শত্রু, রোগ, আঘাত

বৃষ রাশি২০২০কেমন যাবে, শরীর, অর্থ, আয়, ব্যায়, বাণিজ্য, কর্ম, বিবাহ, শত্রু, রোগ, আঘাত

বৃষ রাশি২০২০কেমন যাবে, শরীর, অর্থ, আয়, ব্যায়, বাণিজ্য, কর্ম, বিবাহ, শত্রু, রোগ, আঘাত

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

আপনার স্বাস্থ্য কিছুটা খারাপ হতে পারে। শারীরিক অসুস্থতা এড়ানোর জন্য আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আপনি পেশী এবং স্নায়ু সম্পর্কিত সমস্যা ভোগ করতে পারেন।

আপনার প্রেমের জীবন ভাল হবে এবং আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে ভাল বন্ধন বজায় রাখবেন। আপনি যদি বিয়ে করেন, তাহলে আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে আপনার ভাল সাদৃশ্য বা মিলমিশ বজায় থাকবে না।

সময় আপনার সন্তানদের জন্য খুবই সাধারণ মানের হবে। বছরের প্রথমার্ধ আপনার পারিবারিক জীবনের জন্য খুব বেশি অনুকূল নয় এবং এই সময়ের মধ্যে, আপনার বাবা-মায়েদের স্বাস্থ্য কিছুটা খারাপ হতে পারে।

সেপ্টেম্বর মাসের পর নক্ষত্ররা আপনাকে সাহায্য করতে শুরু করবে।

ছাত্র বা ছাত্রীদের জন্য এই বছরের ভালো হবে। তারা পছন্দসই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেতে পারেন।

সম্পদ লাভের ক্ষেত্রে আপনি কিছু বাধার সম্মুখীন হতে পারেন তাই আপনাকে এই সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, না হলে এটি আপনাকে আর্থিক সমস্যার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

যদিও, আপনি কর্ম ক্ষেত্রে পদোন্নতি লাভ করতে পারেন। বছরের পরবর্তী অংশে পরিস্থিতি আপনার পক্ষে থাকবে।

রাশিফল ২০২০ অনুসারে এই রাশির জাতকদের জন্য খুবই ভালো হবে। ভাগ্য আপনাকে অনুগ্রহ করবে আপনার নবম বাড়ির প্রভু শনি তার নিজের চিহ্নে মকর রাশিতে থাকবে। লাভ অপ্রত্যাশিত বা প্রত্যাশিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, উত্তরাধিকার বা কোনও হঠাৎ লাভ বা অবরুদ্ধ অর্থ মুক্তি পেতে পারে। এরপর সেপ্টেম্বরে রাহু মিথুন থেকে বৃষে পরিবর্তিত হলে অর্থের ক্ষেত্রে আপনাকে ভাল ফল দেওয়া শুরু করবে। আপনার স্বাস্থ্যের শুরুতে এবং এই বছর শেষের দিকে যত্ন নিন। কাঙ্ক্ষিত চাকরি পেতে আপনি কিছুটা অসুবিধার মুখোমুখি হতে পারেন বা কর্মক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি অসুবিধা দেখা দিতে পারে।
আপনার প্রত্যাশিত আয়ের বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বা আপনি ফেব্রুয়ারি মাসে পদোন্নতি পেতে পারেন। আপনি যদি নিজে ব্যবসা রে থাকেন তবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় অন্যথায় এক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। পরিশ্রম করে যারা কোনো পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এই বছরটি দুর্দান্ত হবে। ২০২০ সালের বেশিরভাগ মাসই শিক্ষার্থীদের পক্ষে উপযোগী। মার্চ-জুলাই মাসে বিবাহ অনুষ্ঠান আপনার পরিবারে কোনো বিবাহ অনুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বছরটি প্রেমের ক্ষেত্রে আপনার পক্ষে খুব ভাল হবে না বলে মনে হয়।

কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির যোগ রয়েছে। নতুন বছরে পরিস্থিতি আফনার পক্ষেই থাকবে। শিক্ষার্থীদের জন্য এই বছর অত্যন্ত শুভ। পেশী ও স্নায়ুর সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। নতুন বছরে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালোই থাকবে। বছরের প্রথম দিকে বাবা-মায়ের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে। আপনার নিজের স্বাস্থ্যের বিষয়েও যত্নবান হতে হবে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। নতুন বছরে সম্পদ লাভের সম্ভবনাও রয়েছে। তবে সম্পদ লাভের ক্ষেত্রে কিছু বাধার সৃষ্টি হতে পারে। নতুন বছরে আর্থিক সমস্যার দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি লাভের যোগও রয়েছে। বছরের প্রথমার্ধে সমস্যা দেখা দিলেও পরবর্তী ভাগে সমস্ত সমস্যা কেটে যাবে

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200116084427

Friday, January 3rd, 2020

Astro Research Centre

১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন রাশি রয়েছে। একইরকম ভাবে 27টি নক্ষত্রও রয়েছে,9টি গ্রহ যার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। YEARLY RASHI FOL, মাস ফল, বর্ষ ফল, দৈনিক রাশি ফল

১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন রাশি রয়েছে। একইরকম ভাবে 27টি নক্ষত্রও রয়েছে,9টি গ্রহ  যার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে।   YEARLY RASHI FOL, মাস ফল, বর্ষ ফল,  দৈনিক রাশি ফল

YEARLY RASHI FOL 2020

Horoscope Astrology 2020, marriage, job, business, love, karma, ect

নতুন বছর জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন রাশি রয়েছে। একইরকম ভাবে 27টি নক্ষত্রও রয়েছে,9টি গ্রহ যার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে।

YEARLY RASHI FOL, মাস ফল, বর্ষ ফল, দৈনিক রাশি ফল

Rashifal in Bengali, Horoscope for all Rashi 2020 Aries, Taurus, Gemini, Cancer, Leo, Virgo, Libra, Scorpio, Sagittarius, Capricorn, Aquarius, Pisces:

মেষ রাশি- Mesh রাশি 2020, Arise, আয়, ব্যায়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শরীর, রোগ, প্রেম বিবাহ, বাণিজ্য, কর্ম, ভ্রমণ, প্রতিকার, নিয়ে আলোচনা করলাম

আসন্ন বছরটি এই রাশির জন্য খুব শুভ। যারা ঋণ শোধ করতে চান তাদের প্রচেষ্টা সফল হবে।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, ২০২০ সালের প্রথমার্ধে নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে এই রাশির জাতকদের। তবে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে স্বাস্থ্য সমস্যা কাটিয়ে উঠবেন।

পাশাপাশি সম্পদ বৃদ্ধি বা সম্পদের প্রাপ্তির যোগও রয়েছে। তবে বছরের মাঝামাঝি সময়ে আপনাকে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্তদের সমস্ত অর্থ-সম্পর্কিত লেন দেনে যাওয়ার আগে চিন্তা করা দরকার।

মেষ রাশির জাতকদের পিতা-মাতার স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা বাড়াবে। বাসস্থান পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। আত্মীয়দের সঙ্গে মনোমালিন্যের যোগ রয়েছে। এই বছর পরিবারে কোনও শুভ অনুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে

বিদেশ যাত্রার জন্য ইচ্ছুক লোকেদের ইচ্ছা এই বছর পূরণ হতে পারে আর উনি নিজের ঘর বানানোর সুযোগও পেতে পারেন। অর্থের ব্যাপারে চিন্তা করার দরকার এই বছর একদম নেই কেননা আপনার একাধিক উৎস থেকে উপার্জনের সম্ভবনা রয়েছে।

অফিস অথবা কর্মক্ষেত্রে জুনিয়ারের ওপরে অতিরিক্ত ভরসা করবেন না কারণ যদি আপনি এটা করেন তাহলে সে আপনার ভরসার অপব্যাবহার করে লুকিয়ে-লুকিয়ে আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে যার কারণে অফিসে আপনার মানসম্মানের ক্ষতি সহ্য করতে হতে পারে। সুতরাং আপনার কাজ অন্য কারও কাছে স্থগিত করবেন না এবং নিজের কাজ করার অভ্যাস তৈরি করবেন না।

বছর শুরু হওয়ার সাথে সাথে আপনি অর্থনৈতিক সুবিধা উপভোগ করবেন। ২০২০ সালের প্রথম মাসে প্রচুর অর্থের প্রবাহ হতে পারে আপনার জীবনে, ভাগ্য আপনার পক্ষে হবে এবং আপনি এর দুর্দান্ত আর্থিক দিকটি লালন করবেন।

আপনি আপনার চাকরী পরিবর্তন করতে পারেন এবং আরও ভাল একটি চাকুরী পেতে পারেন। আপনার আয় বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক লাভের আশা করতে পারেন। আপনি প্রাথমিকভাবে ধর্মীয় কাজে জড়িত থাকবেন এবং বছরের শুরুতে আপনার মন রহস্যময় এবং গুপ্ত বিজ্ঞানের দিকে ঝুঁকবে। আপনার বাবার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া দরকার। আপনার শিক্ষার ক্ষেত্রে আপনার দূরপাল্লার ভ্রমণ করতে হতে পারে। শিক্ষার উদ্দেশ্যে আপনি এই বছর বিদেশ যেতে পারেন।

এরপরে মেষ রাশিফল ২০২০ অনুসারে শনি মকর রাশিতে তার রাশি পরিবর্তন করে। আপনার ক্যারিয়ার ভাল এবং স্থিতিশীল হবে। আপনি সমাজের পাশাপাশি আপনার কর্মক্ষেত্রে উচ্চ মর্যাদা উপভোগ করবেন। তবে এই বছর আপনার বাবার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া দরকার। যারা সরকারী চাকরীর জন্য বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা এই বছর সাফল্য পেতে পারেন।

নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে আপনার বাড়িতে মঙ্গলিক কোনো কার্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভালবাসা এবং রোম্যান্সের জন্য এই বছরটি ভাল।

যদিও এই বছর মেষ রাশিদের কোনও উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তবুও অনেক সময় অতিরিক্ত ব্যয়, আপনার স্ট্রেসের কারণ হয়ে উঠতে পারে। আপনি আয়ের জন্য বেশ কয়েকটি নতুন উৎস খুঁজে আসতে পারে। মেষ রাশির জাতক-জাতিকারা তাদের চাকরি পরিবর্তন করলে তবেই আর্থিক প্রতিপত্তি বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন। আগস্ট থেকে অক্টোবরের সম্পত্তি প্রাপ্তি বা সম্পদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200103132722

Thursday, January 2nd, 2020

Astro Research Centre

ধনু রাশিফল ধনুরাশি Dhanu Rashi, sagittarius rashi sing 2020, 2021 in bengali transit সালের effect, fol, job, 2021 সালে ধনুরাশি, কর্ম, ব্যবসা, আয়, ভ্রমণ শুভ শত্রু, ব্যায়, বিবাহ, অশুভ

ধনু রাশিফল  ধনুরাশি  Dhanu Rashi, sagittarius rashi sing  2020, 2021  in bengali  transit সালের effect, fol, job,       2021 সালে ধনুরাশি, কর্ম, ব্যবসা, আয়, ভ্রমণ শুভ  শত্রু, ব্যায়, বিবাহ, অশুভ

ধনু রাশিফল ২০২০, 2020, 2021 সালের

ধনু চন্দ্র স্বাস্থ্য, ব্যবসা, শিক্ষা ও ভালোবাসার দিক ভালো ফলাফল আশা করতে পারে। আপনি অর্থনৈতিক লাভও উপভোগ করবেন।

শনি একবার আপনার দ্বিতীয় ঘরে অর্থাৎ মকর রাশিতে স্থানান্তরিত হলে, আপনার মনোযোগ আপনার অর্থ সাশ্রয়ের দিকে থাকবে। আপনি এই সময়ের মধ্যে আপনার বাড়ির সংস্কারও করতে পারেন। আপনি এই সময়কালে আপনার সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয় করতে পারেন।

এপ্রিল-মে এবং আগস্ট মাসে সাবধানতা অবলম্বন করুন। ক্যারিয়ারের দিক থেকে দুর্দান্ত ফলাফলগুলি আপনি লাভ করতে পারবেন। এই সময়কালে আপনার আয় ভাল হবে।

রাশিফল ২০২০ অনুসারে জানুয়ারী মাসের পরবর্তী সময়ে আপনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য আপনাকে আরও প্রচেষ্টা করতে হবে। জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারি মাসে হঠাৎ অপ্রত্যাশিত চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আপনার বেতন বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে, আপনি আপনার কেরিয়ারে আরো এগিয়ে যাবে বৃহস্পতির ইতিবাচক দিকের কারণে ভাগ্য সর্বদা আপনার পক্ষে থাকবে।

আপনি আধ্যাত্মিকতা, সেবা ও শুশ্রূষা ইত্যাদি সম্পর্কিত ক্ষেত্রে আপনার ক্যারিয়ারকে একটি নতুন দিক নির্দেশনাও দিতে পারেন।

এই রাশির শিক্ষার্থীরা এই বছর দুর্দান্ত ফলাফল পাবেন। সময় আপনার বাচ্চাদের, স্ত্রী এবং বাবার পক্ষে ভাল। বৃহস্পতি - সুখ এবং সমৃদ্ধির জন্য ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা আপনি একসাথে সময় উপভোগ করবেন।

ধনু রাশির জাতক জাতিকারা 2020সালে সৌভাগ্যের চরমে যাবে। আগামী বছর যেভাবে ভাবনা চিন্তা করবেন আপনারা যেই পথেই মিলবে সাফল্য। চলার পথে ২০২০ সালে বাধা বিপত্তি থাকলেও তা কাটিয়ে দিতে পারবেন এঁরা।

ধনু রাশিফল 2020 এর অনুসারে ক্যারিয়ার

ধনু রাশিফল 2020 এর অনুসারে এই বছর আপনার ক্যারিয়ার অথবা পেশা জীবনের জন্যে বেশ ভালো থাকবে আর আপনি অনেক প্রকারের সফলতাও পাবেন। একের থেকে অধিক রাস্তা জোগাড় করতে পারবেন আমদানির জন্যে। যদি কোনো নতুন কাজ শুরু করতে চান তাহলে আপনি এই বছর করতে পারেন। বিদেশী সোর্স এবং বিদেশী কোম্পানির সাথে ব্যাবসাতে লাভের বেশ ভালো সংকেত পাওয়া যাচ্ছে যদিও আপনাকে ভেবেচিন্তে কাজ করার জন্য সাবধান থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যদি আপনি চাকরি করেন তাহলে এটা মেনে চলুন যে আপনার কাজের সুনাম হবে আর আপনি কর্মস্থলে মান-সম্মান পাবেন

ধনু রাশিফল 2020 এর অনুসারে ক্যারিয়ার

ধনু রাশিফল 2020 এর অনুসারে এই বছর আপনার ক্যারিয়ার অথবা পেশা জীবনের জন্যে বেশ ভালো থাকবে আর আপনি অনেক প্রকারের সফলতাও পাবেন। একের থেকে অধিক রাস্তা জোগাড় করতে পারবেন আমদানির জন্যে। যদি কোনো নতুন কাজ শুরু করতে চান তাহলে আপনি এই বছর করতে পারেন। বিদেশী সোর্স এবং বিদেশী কোম্পানির সাথে ব্যাবসাতে লাভের বেশ ভালো সংকেত পাওয়া যাচ্ছে যদিও আপনাকে ভেবেচিন্তে কাজ করার জন্য সাবধান থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যদি আপনি চাকরি করেন তাহলে এটা মেনে চলুন যে আপনার কাজের সুনাম হবে আর আপনি কর্মস্থলে মান-সম্মান পাবেন

2021 সালে ধনুরাশি, কর্ম, ব্যবসা, আয়, ভ্রমণ শুভ
শত্রু, ব্যায়, বিবাহ, অশুভ

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200102110602

Monday, December 30th, 2019

Astro Research Centre

শিব পূজা Shib puja mangal, Mahadev debadidev puja , আরতি, ধ্যান, মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, আহ্বান, সংকল্প, শিবের 108 nam, নাম, নন্দী অবতার , হনুমান, মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র, নবগ্রহ শান্তি, পুষ্পাঞ্জলি, হোম প্রার্থনা, কামদেব, পার্বতী, শিব সতী

শিব পূজা Shib  puja  mangal, Mahadev debadidev puja , আরতি, ধ্যান, মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, আহ্বান, সংকল্প, শিবের 108 nam, নাম, নন্দী অবতার , হনুমান, মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র, নবগ্রহ শান্তি, পুষ্পাঞ্জলি, হোম প্রার্থনা,  কামদেব, পার্বতী, শিব সতী

শিবপূজার সাধারণ পদ্ধতি এখানে বর্ণিত হল। এই পদ্ধতি অনুসারে প্রতিদিন বা প্রতি সোমবার প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ বা বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে শিবের পূজা করতে পারেন। যাঁরা ‘সোমবার ব্রত’ করেন, তাঁরাও এই পদ্ধতি অনুসারে শিবপূজা করে ব্রতকথা পাঠ করতে পারেন। মনে রাখবেন, সাধারণ শিবলিঙ্গ ও বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে পূজার মন্ত্র আলাদা। যাঁদের বাড়িতে বাণেশ্বর আছেন, তাঁরাই বাণেশ্বর মন্ত্রে শিবের পূজা করবেন। অন্যান্য ক্ষেত্রে সাধারণ শিবপূজার মন্ত্রেই পূজা করবেন। শিবরাত্রির দিন বিশেষভাবে পূজা করার নিয়ম আছে। সেই পদ্ধতি পরে দেওয়া হবে।
সকালে সূর্যোদয়ের তিন ঘণ্টার মধ্যে পূজা সেরে নেওয়াই উচিত। একান্ত অসমর্থ হলে খেয়াল রাখতে হবে যেন বেলা বারোটার মধ্যেই পূজা সেরে ফেলা যায়। তার পর সকালের পূজা করা উচিত নয়। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তি ছাড়া অন্যেরা কিছু না খেয়েই পূজা করবেন। সকালে স্নান ও আহ্নিক উপাসনা সেরে শিবপূজায় বসবেন। প্রথমে পূজার সামগ্রীগুলি একত্রিত করে গুছিয়ে নিন। প্রতিদিন শিবপূজা করলে অনেক সময় ফুল-বেলপাতা ইত্যাদি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সেক্ষেত্রে ওই সব উপাচারের নাম ও মন্ত্র উচ্চারণ করে সামান্যার্ঘ্য (জলশুদ্ধি) জল দিয়ে পূজা করলেই চলে। ধূপ ও প্রদীপ জ্বেলে নিন। শিব, শ্রীগুরু ও ইষ্টদেবতাকে প্রণাম করে তিন জনকে অভিন্ন চিন্তা করতে করতে যথাশক্তি দীক্ষামন্ত্র জপ করবেন। তারপর করজোড়ে এই মন্ত্রটি পাঠ করবেন—
ওঁ সর্বমঙ্গলমাঙ্গল্যং বরেণ্যং বরদং শুভম্।
নারায়ণং নমস্কৃত্য সর্বকর্মাণি কারয়েৎ।।
আচমন
ডান হাতের তালু গোকর্ণাকৃতি করে মাষকলাই ডুবতে পারে এই পরিমাণ জল নিয়ে ‘ওঁ বিষ্ণু’ মন্ত্রটি পাঠ করে পান করুন। এইভাবে মোট তিন বার জলপান করে আচমন করার পর হাত জোড় করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ তদ্বিষ্ণোঃ পরমং পদং সদা পশ্যন্তি সূরয়ঃ
দিবীব চক্ষুরাততম্।
ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্বাবস্থাং গতোঽপি বা।
যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।
জলশুদ্ধি
তাম্রপাত্রে বা কোশায় গঙ্গাজল বা পরিষ্কার জল নিয়ে মধ্যমা দ্বারা সেই জল স্পর্শ করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি।
নর্মদে সিন্ধু-কাবেরি জলেঽস্মিন সন্নিধিং কুরু।
সূর্যমণ্ডল থেকে সকল তীর্থ সেই পার্শ্বস্থ জলে এসে উপস্থিত হয়েছেন এই চিন্তা করতে করতে সেই জলে একটি ফুল দিয়ে তীর্থপূজা করুন। তীর্থপূজার মন্ত্রটি হল—
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে তীর্থেভ্যো নমঃ।
এরপর এই জল সামান্য কুশীতে নিয়ে পূজাদ্রব্যের উপর ও নিজের মাথায় ছিটিয়ে দিন।
আসনশুদ্ধি
যে আসনে বসেছেন, সেই আসনটিতে একটি ফুল দিয়ে হাত জোড় করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ পৃথ্বি ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবি ত্বং বিষ্ণুনা ধৃতা।
ত্বঞ্চ ধারায় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরু চাসনম্।।
পুষ্পশুদ্ধি
পুষ্প স্পর্শ করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ পুষ্পে পুষ্পে মহাপুষ্পে সুপুষ্পে পুষ্পসম্ভবে। পুষ্পাচয়াবকীর্ণে চ হুঁ ফট্ স্বাহা।
ভূতশুদ্ধি
হাত জোড় করে মনে মনে এই চারটি মন্ত্র পাঠ করুন—
ওঁ ভূতশৃঙ্গাটাচ্ছিরঃ সুষুম্নাপথেন জীবশিবং
পরমশিবপদে যোজয়ামি স্বাহা ।। ১ ।।
ওঁ যং লিঙ্গশরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা ।। ২ ।।
ওঁ রং সংকোচশরীরং দহ দহ স্বাহা ।। ৩ ।।
ওঁ পরমশিব সুষুম্নাপথেন মূলশৃঙ্গাটমুল্লসোল্লস
জ্বল জ্বল প্রজ্জ্বল প্রজ্জ্বল সোঽহং হংসঃ স্বাহা ।। ৪ ।।
প্রাণায়ম
‘ওঁ’ বা গুরুপ্রদত্ত বীজমন্ত্রে (বাণেশ্বর শিবের ক্ষেত্রে ‘ঐঁ’ মন্ত্রে) চার বার ৪/১৬/৮ ক্রমে পূরক, কুম্ভক ও রেচক করে প্রাণায়ম করুন।
শ্রীগুর্বাদিপূজা
এরপর একটি একটি করে গন্ধপুষ্পদ্বারা শ্রীগুরু ও অন্যান্য দেবতাদের পূজা করুন। মন্ত্রগুলি হল—
ঐঁ এতে গন্ধপুষ্পে শ্রীগুরবে নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে গণেশাদিপঞ্চদেবতাভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে আদিত্যাদিনবগ্রহেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ইন্দ্রাদিদশদিকপালেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে কাল্যাদিদশমহাবিদ্যাভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে মৎস্যাদিদশাবতারেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে মৎস্যাদিদশাবতারেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে সর্বেভ্যো দেবেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে সর্বাভ্যো দেবীভ্যো নমঃ।
ধ্যান
এরপর একটি ফুল নিয়ে (সম্ভব হলে কূর্মমুদ্রায় ফুলটি নেবেন) শিবের ধ্যান করবেন। শিবের সাধারণ ধ্যানমন্ত্র ও বাণেশ্বর ধ্যানমন্ত্র দুটি নিচে দেওয়া হল—
(সাধারণ ধ্যানমন্ত্র)—
ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরিনিভং চারুচন্দ্রাবতংসং রত্নাকল্পোজ্জ্বলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্রসন্নম্।
পদ্মাসীনং সমন্তাৎ স্তুতমমরগণৈর্ব্যাঘ্রকৃত্তিং বসানং বিশ্বাদ্যং বিশ্ববীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চবক্ত্রং ত্রিনেত্রম্।।
(বাণেশ্বর শিবের ধ্যান)—
ঐঁ প্রমত্তং শক্তিসংযুক্তং বাণাখ্যঞ্চ মহাপ্রভাং।
কামবাণান্বিতং দেবং সংসারদহনক্ষমম্।।
শৃঙ্গারাদি-রসোল্লাসং বাণাখ্যং পরমেশ্বরম্।
এবং ধ্যাত্বা বাণলিঙ্গং যজেত্তং পরমং শিবম্।।
স্নান
এরপর শিবকে স্নান করাবেন। গঙ্গাজলে শুদ্ধজলে চন্দন মিশ্রিত করে ঘণ্টা বাজাতে বাজাতে শিবকে স্নান করাবেন এই মন্ত্রে শিবকে স্নান করাবেন—
ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্।
উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মাঽমৃতাৎ।।
ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহি
তন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ।
বিঃ দ্রঃ সাধারণ শিবলিঙ্গ ও বাণেশ্বর—উভয়ক্ষেত্রেই স্নান মন্ত্র এক।
প্রধান পূজা
স্নানের পর আরেকবার আগের ধ্যানমন্ত্রটি পাঠ করে শিবের ধ্যান করবেন। তারপর মনে মনে উপচারগুলি শিবকে উৎসর্গ করে মানসপূজা করবেন। মানসপূজার পর একে একে উপচারগুলি বাহ্যিকভাবে শিবকে সমর্পণ করবেন।
(সাধারণ শিবলিঙ্গে দশোপচার পূজার মন্ত্র)—
ওঁ নমো শিবায় এতৎ পাদ্যং শিবায় নমঃ। (সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষঃ অর্ঘ্যঃ শিবায় নমঃ। (আতপচাল ও দূর্বা একটি সচন্দন বেলপাতায় করে ফুল সহ দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদমাচমনীয়ং শিবায় নমঃ। (সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং স্নানীয়ং শিবায় নমঃ। (সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষ গন্ধঃ শিবায় নমঃ। (চন্দনের ফোঁটা দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সচন্দনপুষ্পং শিবায় নমঃ। (একটি চন্দনমাখানো ফুল দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সচন্দনবিল্বপত্রং শিবায় নমঃ। (একটি চন্দনমাখানো বেলপাতা দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষ ধূপঃ শিবায় নমঃ। (ধূপটি শিবের সামনে তিনবার ঘুরিয়ে দেবতার বাঁদিকে, অর্থাৎ নিজের ডানদিকে রাখুন)
ওঁ নমো শিবায় এষ দীপঃ শিবায় নমঃ। (প্রদীপটি শিবের সামনে তিনবার ঘুরিয়ে দেবতার ডানদিকে, অর্থাৎ নিজের বাঁদিকে রাখুন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সোপকরণনৈবেদ্যং শিবায় নিবেদয়ামি।
(নৈবেদ্যের উপর অল্প সামান্যার্ঘ্য জল ছিটিয়ে দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং পানার্থোদকং শিবায় নমঃ।
(পানীয় জলের উপর অল্প সামান্যার্ঘ্য জল ছিটিয়ে দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং পুনরাচমনীয়ং শিবায় নমঃ।
(সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং তাম্বুলং শিবায় নমঃ। (একটি পান দিন, অভাবে সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন।)
ওঁ নমো শিবায় ইদং মাল্যং শিবায় নমঃ। (মালা থাকলে মালাটি পরিয়ে দিন)
(বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে দশোপচার পূজার মন্ত্র)—
বিঃ দ্রঃ উপচার দেওয়ার নিয়ম সাধারণ শিবলিঙ্গে পূজার অনুরূপ।
ঐঁ এতৎ পাদ্যং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষঃ অর্ঘ্যঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদমাচমনীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং স্নানীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষ গন্ধঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সচন্দনপুষ্পং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সচন্দনবিল্বপত্রং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষ ধূপঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষ দীপঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সোপকরণনৈবেদ্যং বাণেশ্বরশিবায় নিবেদয়ামি।
ঐঁ ইদং পানার্থোদকং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং পুনরাচমনীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং তাম্বুলং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং মাল্যং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
পুষ্পাঞ্জলি
সচন্দন পুষ্প ও বেলপাতা নিয়ে এই মন্ত্রে এক, তিন অথবা পাঁচ বার অঞ্জলি দেবেন—
(সাধারণ পুষ্পাঞ্জলি)—
ওঁ নমো শিবায় এষ সচন্দনপুষ্পবিল্বপত্রাঞ্জলি নমো শিবায় নমঃ।
(বাণেশ্বর শিবের পুষ্পাঞ্জলি)—
ঐঁ এষ সচন্দনপুষ্পবিল্বপত্রাঞ্জলি বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
গৌরীপূজা
এইভাবে শিবপূজা শেষ করে শিবলিঙ্গের গৌরীপীঠ বা পিনেটে একটি ফুল দিয়ে এই মন্ত্রে গৌরীর পূজা করুন—
ওঁ হ্রীঁ এতে গন্ধপুষ্পে গৌর্যৈ নমঃ।
অষ্টমূর্তি পূজা
বাণেশ্বর শিবে অষ্টমূর্তির পূজা করতে হয় না। কিন্তু অন্যান্য শিবলিঙ্গের ক্ষেত্রে করতে হয়। একটি ফুল দিয়ে এই মন্ত্রে অষ্টমূর্তির পূজা করুন—
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে অষ্টমূর্তিভ্যো নমঃ।
জপ ও জপসমর্পণ
এরপর ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ বা দীক্ষামন্ত্র ১০৮ বার জপ করে এই মন্ত্রে এক গণ্ডুষ জল শিবের নিচের দিকের ডান হাতের উদ্দেশ্যে প্রদান করুন—
ওঁ গুহ্যাতিগুহ্যগোপ্তা ত্বং গৃহাণাস্মৎকৃতং জপম্।
সিদ্ধির্ভবতু মে দেব ত্বৎপ্রসাদান্মহেশ্বর।।
প্রণাম
এইবার এই মন্ত্রটি পড়ে সাষ্টাঙ্গে শিবকে প্রণাম করে পূজা সমাপ্ত করুন—
(সাধারণ শিবলিঙ্গের ক্ষেত্রে)—
ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং গতিস্তং পরমেশ্বরম্।।
(বাণেশ্বর শিবের ক্ষেত্রে)—
ওঁ বাণেশ্বরং নরকার্ণবতারণায়
জ্ঞানপ্রদায় করুণাময়সাগরায়।
কর্পূরকুন্দধবলেন্দুজটাধরায়
দারিদ্র্যদুঃখদহনায় নমঃ শিবায়।।



শিবের অষ্টোত্তর শতনাম
কৈলাস শিখরে বসি দেব ত্রিলোচন ।
গৌরির সহিত করে কথোপকথোন ।।
সুন্দর জোছনারাশি মধুর যামিনী ।
চন্দ্রের কিরণ ছটা বিকাশে অবণী ।।
মহানন্দে হৈমবতী কহে পঞ্চাননে ।
কহ প্রভু কৃপা করে দাসীরে এক্ষণে ।।
পার্বতি কহেন শিবে ওহে গুণধাম ।
শুনিতে বাসনা বড় তব শতনাম ।।
তোমার নামের সংখ্য শুনি বিশ্বপতি ।
আশুতোষ পরিতোষ হয়ে মোর প্রতি ।।
ভবাণী বচনে তবে কৈলাসঈশ্বর ।
আনন্দ অন্তরে দেন তার সদুত্তর ।।
উত্তরে দেবীর বাণী কহে মহেশ্বর ।
কি ইচ্ছা হয়েছে বল আমার গোচর ।।
মহাপূর্ণ প্রদায়ক অতি গোপনীয় ।
কি আছে আমার প্রিয়ে তোমায় অদেয় ।।
স্মরণে সংসার মুক্ত হবে নরগণ ।
অবহিতে শতনাম করহ শ্রবণ ।।
অনাদির আদি নাম রাখিল বিধাতা ।১
মহাবিষ্ণু নাম রাখে দেবের দেবতা ।।২
জগদগুরু নাম রাখিল মুরারি ।৩
দেবগণ মোর নাম রাখে ত্রিপুরারি ।।৪
মহাদেব বলি নাম রাখে শচীদেবী ।৫
গঙ্গাধর বলি নাম রাখিল জাহ্নবী ।।৬
ভাগীরথী নাম রাখি দেব শূলপানি ।৭
ভোলানাথ বলি নাম রাখিল শিবানী ।।৮
জলেশ্বর নাম মোর রাখিল বরুণ ।৯
রাজ রাজেশ্বর নাম রাখে রুদ্রগণ ।।১০
নন্দী রাখিল নাম দেবকৃপাসিন্ধু ।১১
ভৃঙ্গী মোর নাম রাখে দেব দীনবন্ধু ।।১২
তিনটি নয়ন বলি নাম ত্রিলোচন ।১৩
পঞ্চমুখ বলি মোর নাম পঞ্চানন ।।১৪
রজত বরণ বলি নাম গিরিবর ।১৫
নীলকণ্ঠ নাম মোর রাখে পরাশর ।।১৬
যক্ষরাজ নাম রাখে জগতের পতি ।১৭
বৃষভবাহন বলি নাম রাখে পশুপতি ।।১৮
সূর্য্য দেব নাম রাখে দেব বিশ্বেশ্বর ।১৯
চন্দ্রলোকে রাখে নাম শশাংকশেখর ।।২০
মঙ্গল রাখিল নাম সর্বসিদ্ধিদাতা ।২১
বুধগণ নাম রাখে সর্বজীবত্রাতা ।।২২
বৃহষ্পতি নাম রাখে পতিতপাবণ ।২৩
শুক্রাচার্য্য নাম রাখে ভক্ত প্রাণধন ।।২৪
শনৈশ্বর নাম রাখে দয়ার আধার ।২৫
রাহুকেতু নাম রাখে সর্ববিধুহরি ।।২৬
মৃত্যুঞ্জয় নাম মোর মৃত্যুকে জয় করি ।২৭
ব্রক্ষলোকে নাম মোর রাখে জটাধারী ।।২৮
কাশীতীর্থ ধামে নাম মোর বিশ্বনাথ ।২৯
বদরিকাননে নাম হয় কেদারনাথ ।।৩০
শমন রাখিল নাম সত্য সনাতন ।৩১
ইন্দ্রদেব নাম রাখে বিপদতারণ ।।৩২
পবন রাখিল নাম মহা তেজোময় ।৩৩
ভৃগুমণি নাম রাখে বাসনা বিজয় ।।৩৪
ঈশান আমার নাম রাখে জ্যোতিগণ ।৩৫
ভক্তগণ নাম রাখে বিঘ্ন বিনাশন ।।৩৬
মহেশ বলিয়া নাম রাখে দশানন ।৩৭
বিরূপাক্ষ বলি নাম রাখে বিভীষণ ।।৩৮
শম্ভুনাথ বলি নাম রাখেন ব্যাসদেব ।৩৯
বাঞ্ছাপূর্ণকারী নাম রাখে শুকদেব ।।৪০
জয়াবতী নাম রাখে দেব বিশ্বপতি ।৪১
বিজয়া রাখিল নাম অনাথের পতি।।৪২
তালবেতাল নাম রাখে সর্ববিঘ্নহর ।৪৩
মাকর্ণ্ড রাখিল নাম মহা যোগেশ্বর ।।৪৪
শ্রীকৃষ্ণ রাখিল নাম ভুবনঈশ্বর ।৪৫
ধ্রুবলোকে নাম রাখে ব্রহ্মপরাৎপর ।।৪৬
প্রহ্লাদ রাখিল নাম নিখিলতারণ ।৪৭
চিতাভষ্ম মাখি গায় বিভুতিভূষণ ।।৪৮
সদাশিব নাম রাখে যমুনা পুণ্যবতী ।৪৯
আশুতোষ নাম রাখে দেব সেনাপতি ।।৫০
বাণেশ্বর নাম রাখে সনৎকুমার ।৫১
রাঢ়দেশবাসী নাম রাখে তারকেশ্বর ।।৫২
ব্যাধিবিনাশন হেতু নাম বৈদ্যনাথ ।৫৩
দীনের শরণ নাম রাখিল নারদ ।।৫৪
বীরভদ্র নাম মোর রাখে হলধর ।৫৫
গন্ধর্ব্ব রাখিল নাম গন্ধর্ব্ব ঈশ্বর ।।৫৬
অজিরা রাখিল নাম পাপতাশহারী ।৫৭
দর্পচূর্ণকারী নাম রাখিল কাবেরী ।।৫৮
ব্যাঘ্রার্ণ পরিধান নাম বাঘাম্বর ।৫৯
বিষ্ণুলোকে রাখে নাম দেব দিগম্বর ।।৬০
কৃত্তিবাস নাম রাখে দেবী ক্যাত্যায়নী ।৬১
ভূতনাথ নাম রাখে ঋষ্যশৃঙ্গ মুণি ।।৬২
সদানন্দ নাম রাখে দেব জনার্দন ।৬৩
আনন্দময় নাম রাখে শ্রীমধুসূদন ।।৬৪
রতিপতি নাম রাখে মদন-দহন ।৬৫
দক্ষরাজ নাম রাখে যজ্ঞ বিনাশন ।।৬৬
জগদগ্নি নাম মোর রাখিল গঙ্গেশ ।৬৭
বশিষ্ঠ আমার নাম রাখে গুড়াকেশ ।।৬৮
পৌলস্ত রাখিল নাম ভবভয়হারী ।৬৯
গৌতম রাখিল নাম জনমনে হারী ।।৭০
ভৈরবেতে নাম রাখে শ্মশান ঈশ্বর ।৭১
বটুক ভৈরব নাম রাখে ঘন্টেশ্বর ।।৭২
মর্তলোকে নাম রাখে সর্বপাপহর ।৭৩
জরৎকারু মোর নাম রাখে যোগেশ্বর ।।৭৪
কুরুক্ষেত্রে রণস্থলে পামবরদ্বারী ।৭৫
ঋষীগণ নাম রাখে মুণি মনোহারী ।।৭৬
ফণিভূষণ নাম মোর রাখিল বাসুকী ।৭৭
ত্রিপুরে বধিয়া নাম হইল ধানুকী ।।৭৮
উদ্দীলক নাম রাখে বিশ্বরূপ মোর ।৭৯
অগস্ত্য আমার নাম রাখিল শংকর ।।৮০
দক্ষিণ দেশেতে নাম হয় বালেশ্বর ।৮১
সেতু বন্ধে নাম মোর হয় রামেশ্বর ।।৮২
হস্তিনা নগরে নাম দেব যোগেশ্বর ।৮৩
ভরত রাখল নাম উমা মহেশ্বর ।।৮৪
জলস্বর নাম রাখে করুণা সাগর ।৮৫
মম ভক্তগণ বলে সংসারের সার ।।৮৬
ভদ্রেশ্বর নাম মোর রাখে বামদেব ।৮৭
চাঁদ সদাগর রাখে নাম হয়গ্রীব ।।৮৮
জৈমিনি রাখিল নাম মোর ত্র্যম্বকেশ ।৮৯
ধন্বন্তরি মোর নাম রাখিল উমেশ ।।৯০
দিকপাল গণে নাম রাখিল গিরীশ ।৯১
দশদিক পতি নাম রাখে ব্যোমকেশ ।।৯২
দীননাথ নাম মোর কশ্যপ রাখিল ।৯৩
বৈকুণ্ঠের পতি নাম নকুল রাখিল ।।৯৪
কালীঘাটে সিদ্ধপাটে নকুল ঈশ্বর ।৯৫
পুরীতীর্থ ধামে নাম ভুবন ঈশ্বর ।।৯৬
গোকুলেতে নাম মোর হয় শৈলেশ্বর ।৯৭
মহাযোগী নাম মোর রাখে বিশ্বম্ভর ।।৯৮
কৃপানিধি নাম রাখে রাধাবিনোদিনী ।৯৯
ওঁকার আমার নাম রাখে সান্দীপানি ।।১০০
ভক্তের জীবন নাম রাখেন শ্রীরাম ।১০১
শ্বেত ভুধর নাম রাখেন ঘনশ্যাম ।।১০২
বাঞ্ছাকল্পতরু নাম রাখে বসুগণ ।১০৩
মহালক্ষী রাখে নাম অশিব নাশন ।।১০৪
অল্পেতে সন্তোষ বলি নাম যে সন্তোষ ।১০৫
গঙ্গজল বিল্বদলে হই পরিতোষ ।।১০৬
ভাঙ্গরভোলা নাম বলি ডাকে ভক্তগণ ।১০৭
বুড়োশিব বলি খ্যাত এই ত্রিভুবন ।।১০৮
অসংখ্য আমার নাম না হয় বর্ণন ।
অষ্টোত্তর শতনাম করিনু কীর্তন ।।




 অপরাপর নাম : অ, অকুল, অক্ষত, অক্ষমালী, অক্ষোভ্য, অগ্নিশেখর, অঘোর, অতিদেব, অদ্ভুতস্বন, অদ্রিনাথ, অদ্রিপতি, অদ্রিশ, অদ্রীশ, অনঙ্গারি, অনীশ, অন্ধকঘাতী, অন্ধকরিপু অন্ধকান্তক, অন্ধকারি, অবিমুক্তেশ্বর, অব্জবাহন, অব্যক্ত, অব্যয়, অভিরূপ, অমরাধিপ, অমর্রে, অমূর্ত, অমোঘ, অম্বরীষ, অম্বিকনাথ, অম্বিকাপতি, অযুগনয়ন, অযুগনেত্র, অযোনিজ, অযুগ্মনয়ন, অযুগ্মনেত্র, অযুগ্মলোচন, অযোনি, অর্ধনারীশ, অর্ধনারীশ্বর, অর্ধমৌলি, অর্ধেন্দুমৌলি, অর্ধেন্দুশেখর, অষ্টমূর্তিধর, অসমনয়ন, অসমনেত্র, অসমলোচন, অস্থিধন্না, অস্থিমালী, অহিভূষণ, আদিদেব, আশুতোষ, ইন্দুভূষণ, ইন্দুভৃৎ, ইন্দুমৌলি, ঈশান, উমাপতি, উমাসহায়, উমেশ, উরগভূষণ, একনাথ, কঙ্কালমালী, কণ্ঠনীলক, কণ্ঠেকাল, কন্দর্পজয়ী, কন্দর্পমথন, কন্দুকেশ্বর, কপর্দী, কপালভৃৎ, কপালমালী, কপালী, কপিশাঞ্জন, কপোতেশ্বর, কলাধর, কলাভৃৎ, কাপালী, কামারি, কালকণ্ঠ, কালনাথ, কালনিধি, কালঞ্জর, কালরুদ্র,  কাশীনাথ, কাশীশ, কাশীশ্বর, কাশীপতি, কুলেশ্বর, কৃতজ্বর, কৃত্তিবাস, কৃশানুরেতাঃ, কেদার, কেদারনাথ, কেদারেশ্বর, কৈলাসনাথ, কৈলাসপতি, কৈলাসেশ্বর, খকুন্তল, খণ্ডপরশু, গঙ্গাধর, গজারি, গণনাথ, গণভর্তা, গিরিজানাথ, গিরিজাপতি, গিরিশ, গিরীশ, গুড়াকেশ, চন্দ্রচূড়, চন্দ্রপীড়, চন্দ্রবর, চন্দ্রমৌলি, চন্দ্রশেখর, চন্দ্রিল, চন্দ্রেশ্বর, চেকিতান, জটাটঙ্ক, জটাধর, জটাধারী, জয়ন্ত, জ্বালী, গৌরীকান্ত, গৌরীনাথ, তারকনাথ, তারকেশ্বর, ত্রিনয়ন, ত্রিনাথ, ত্রিনেত্র, ত্রিপুরঘ্ন, ত্রিপুরান্তক, ত্রিপুরারি, ত্রিলোকেশ, ত্রিলোচন, ত্রিশূলধারী, ত্রিশূলী, ত্র্যক্ষ, ত্র্যম্বক, দিগম্বর, দিগ্বসন, দিগ্বস্ত্র, দিগ্বাস, দুর্গাধীশ, দুর্গাপতি, দুর্গেশ, দেবাদিদেব, দেবেশ, ধূর্জটি, নটরাজ, নটশেখর, নটেশ্বর, নিরঞ্জন, নীলকণ্ঠ, নীলগ্রীব, নীললোহিত, পঞ্চমুখ, পঞ্চানন, পরমেষ্ঠী, পরান্তক, পশুপতি, পিঙ্গজট, পিনাকপাণি, পিনাকী, পিনাকেশ, পুরঞ্জিৎ, পুরভিদ, পুরমথন, পুরারি, পুরহর, প্রমথেশ, বভ্রূ, বহ্নিরেতাঃ, বিভূ, বিভূতিভূষণ, বিরূপাক্ষ, বিশালাক্ষ, বিশ্বনাথ, বিশ্বেশ্বর, বিষকণ্ঠ, বিষমাক্ষ, বীরেশ্বর, বৃষধ্বজ, বৃষবাহন, ব্যোমকেশ, ভগালী, ভবানীপতি, ভবেশ, ভর্গ, ভালচন্দ্র, ভূতনাথ, ভূতপতি, ভূতভাবন, ভূতেশ, ভৈরব, ভোলা, ভোলানাথ, বহ্নিরেতাঃ, বাণদেব, বাণেশ্বর, বামদেব, বিরূপাক্ষ, বীরেশ্বর, মহাকাল, মহাদেব, মহানট, মহারুদ্র, মহেশ, মহেশান, মহেশ্বর, মারজিৎ, মৃগাঙ্গমৌলি, মৃগাঙ্গশেখর, মৃত্যুঞ্জয়, যজ্ঞেশ্বর, যজ্ঞারি, যমান্তক, যোগধারী, যোগীন্দ্র, যোগীশ, যোগীশ্বর, যোগেশ, যোগেশ্বর, রুদ্র, লোকনাথ, শঙ্কর, শম্ভু, শশীভূষণ, শশীভৃৎ, শশীশেখর, শিব, শূলপাণি, শূলী, শ্যামাধর, শ্রীকণ্ঠ, সতীন্দ্র, সতীপতি, সতীশ, সদাশিব, সনাতন, সর্বেশ্বর, সিতিকণ্ঠ, সিদ্ধদেব, সুরেশ্বর, সোমনাথ, সোমেশ্বর, স্মরজিৎ, স্মরারি, হ, হর, হিরণ্যরেতাঃ।
 
হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে-তিন প্রধান দেবতার (ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বা মহাদেব) অন্যতম। ইনি স্বয়ম্ভূ। ইনি ধ্বংসের অধিকর্তা। এঁর প্রধান অস্ত্র ত্রিশূল। ধনুকের নাম পিনাক। ইনি বিশ্ব ধ্বংসকারী পাশুপাত অস্ত্রের অধিকারী। মহাপ্রলয়কালে ইনি বিষাণ ও ডমরু বাজিয়ে ধ্বংসের সূচনা করেন। ইনি মহাযোগী, সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী, নির্গুণ ধ্যানের প্রতীক। ইনি রক্তমাখা বাঘছাল নিম্নাঙ্গে ধারণ করেন, কিন্তু উর্ধ্বাঙ্গ নগ্ন। তবে কখনো কখনো কৃষ্ণসার হরিণের চামড়া উত্তরীয় হিসাবে উর্ধ্বাঙ্গে পরিধান করেন। এঁর শরীর ভস্ম দ্বারা আবৃত। মাথায় বিশাল জটা। কপালের নিম্নাংশে তৃতীয় নেত্র, উধ্বাংশে অর্ধচন্দ্র ও কণ্ঠে সাপ ও কঙ্কাল মালা।
ইনি কঠোর তপস্যার দ্বারা অসীম ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন। হিমালয়ের কৈলাসে ইনি সিদ্ধ, চারণ, কিন্নর, যক্ষ, রাক্ষস, অপ্সরা, গন্ধর্ব এবং প্রমথগণ পরিবেষ্ঠিত অবস্থায় বাস করেন। কুবের এঁর সম্পদ রক্ষা করেন। এঁর স্ত্রী সতী [দুর্গা] । গঙ্গাও তাঁর স্ত্রী ছিলেন বলে অন্যত্র জানা যায়। তাঁর দুই পুত্রের নাম কার্তিক, গণেশ এবং দুই কন্যার নাম লক্ষ্মী ও সরস্বতী। এঁর বাহন বৃষ ও সহচর নন্দী ও ভৃঙ্গী।
ব্রহ্মা একবার মহাদেবকে তাচ্ছিল্য করায়, ইনি নখ দিয়ে ব্রহ্মার একটি মাথা বিচ্ছিন্ন করেন। সেই থেকে ব্রহ্মার পাঁচ মাথার পরিবর্তে চারটি মাথা দাঁড়ায়। ইনি সকল দেবতা দ্বারা পূজিত হন। মহাভারতের মতে ব্রহ্মা থেকে পিশাচ পর্যন্ত সবাই তাঁর পূজা করেন।
পৌরাণিক কাহিনীতে ইনি বিবিধ নামে পরিচিত। এঁর আদি নাম রুদ্র। বেদে রুদ্রের রূপ বর্ণনায় দেখা যায়- ইনি ধ্বংসকারী শক্তি, মর্তে ভয়ঙ্কর বৃষের মতো আর আকাশে লোহিত বরাহের মতো। ইনি বিদ্বান, দেবতাদের কর্মস্রষ্টা ও স্বাক্ষী। ইনি মানুষের রোগ-শোকের কারণ। একই সাথে ইনি যখন ভয়ানক তখন রুদ্র, আর যখন কল্যাণকর তখন শিব। মহাকালরূপী রুদ্র সংহারকারক। প্রলয় শেষে ধ্বংসের মধ্য থেকেই তাঁর উৎপত্তি ঘটে। সে কারণে ইনি শিব, শঙ্কর বা ভৈরব নামে চিহ্নিত। জনন শক্তির পরিচায়ক হিসাবে শিবলিঙ্গ। এর সাথে যোনি প্রতীক যুক্ত হয়ে প্রজনন বা সৃষ্টিশক্তিরূপে হিন্দু ধর্মে পূজিত হয়। ধ্বংস ও সৃষ্টি উভয়েরই কারণ বলে ইনি ঈশ্বর। ইনি অল্পে সন্তুষ্ট হন বলে- এঁর নাম আশুতোষ। পশুদের অধিপতি বলে ইনি পশুপতি নামে খ্যাত।
সমুদ্র মন্থন করার পর, উত্থিত অমৃত দেবতারা গ্রহণ করার পর, অসুররা পুনরায় তা মন্থন করে। এই অতিরিক্ত সমুদ্র মন্থনজনীত কারণে হলাহল নামক বিষ উত্থিত হয়। এর ফলে সমগ্র চরাচরের প্রাণীকূল বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়। এই বিষ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দেবতারা মহাদেবের শরণাপন্ন হলে, মহাদেব উক্ত বিষ শোষণ করেন। বিষের প্রভাবে তাঁর কণ্ঠ নীল বর্ণ ধারণ করেছিল বলে ইনি নীলকণ্ঠ নামে পরিচিত হন।
দক্ষের কন্যা সতী’র সাথে তাঁর বিবাহ হয়। মহাদেব দক্ষকে যথোচিত সম্মান প্রদর্শন করে নি বিবেচনা করে ইনি ক্রমে ক্রমে মহাদেবের প্রতি বিরূপ হয়ে উঠেন। সতীর বিবাহের এক বৎসর পর, দক্ষ এক মহাযজ্ঞের আয়োজন করেন। এই যজ্ঞে দক্ষ মহাদেব ও সতী কাউকেই নিমন্ত্রণ করলেন না। সতী নারদের মুখে এই যজ্ঞের কথা জানতে পেরে অযাচিতভাবে যজ্ঞে যাবার উদ্যোগ নেন। মহাদেব এই যাত্রায় সতীকে বাধা দেন। এতে সতী ক্রুদ্ধ হয়ে- তাঁর মহামায়ার দশটি রূপ প্রদর্শন করে মহাদেবকে বিভ্রান্ত করেন। এই রূপ দশটি ছিল- কালী, তারা, রাজ-রাজেশ্বরী, ভুবনেশ্বরী, ভৈরবী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, বগলামূখী, মাতঙ্গী ও মহালক্ষ্মী। মহাদেব শেষ পর্যন্ত সতীকে দক্ষের যজ্ঞানুষ্ঠানে যাবার অনুমতি প্রদান করেন। কিন্তু যজ্ঞস্থলে দক্ষ মহাদেবের নিন্দা করলে- সতী পতি নিন্দা সহ্য করতে না পেরে দেহত্যাগ করেন। সতীর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ক্রুদ্ধ মহাদেব নিজের জটা ছিন্ন করলে, সেই জটা থেকে বীরভদ্র নামক এক শক্তিশালী পুরুষের আবির্ভাব ঘটে। এরপর এই বীরভদ্র মহাদেবের অন্যান্য অনুচরসহ দক্ষের যজ্ঞানুষ্ঠানে উপস্থিত হন। মহাদেবের আদেশে তাঁর অনুচরেরা যজ্ঞানুষ্ঠান পণ্ড করে দেন এবং দক্ষের মুণ্ডুচ্ছেদ করেন। এরপর দক্ষের মৃত্যুতে আকুল হয়ে দক্ষপত্নী বীরিণী ব্রহ্মার শরণাপন্ন হন। এরপর ব্রহ্মার অনুরোধে মহাদেব দক্ষের ঘাড়ে একটি ছাগলের মুণ্ডু স্থাপন করেন।
কালিকা পুরাণের মতে- সতীর দেহত্যাগের পর, মহাদেব তীব্র রোদন করতে থাকলে, তাঁর চোখ থেকে বিপুল পরিমাণ জলরাশি নির্গত হতে থাকে। এই জলরাশি পৃথিবীতে পতিত হলে- ভূমণ্ডল দগ্ধ হবে। এই কারণে দেবতাদের অনুরোধে শনি এই জল গ্রহণ করেন। কিন্তু শনি এই জল ধারণে অসমর্থ হয়ে- ইনি তা জলধার নামক পর্বতে নিক্ষেপ করেন। উক্ত জলের তেজে, ওই পর্বত বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং এই জল পূর্ব-সাগরের পতিত হয়। কিন্তু সাগর এই জল ধারণে অসমর্থ হলে- তা সাগরের মধ্যভাগ ভেদ করে সাগরের পূর্বকূলে উপনীত হয়। এরপর এই জলরাশি পুষ্করদ্বীপের মধ্যভাগ দিয়ে প্রবাহিত হয়। জলাধার পর্বত ভেদ এবং সাগরের সংস্পর্শে আসার কারণে- এই জলের তেজ অনেকাংশে প্রশমিত হয়। ফলে এই জল পৃথিবী ভেদ করতে পারে নাই। এই জলরাশি বৈতরণী নামে যমপুরীর প্রবেশদ্বারে সম্মুখ দিয়ে প্রবাহিত। এর বিস্তার দুই যোজন। [ ৯-৩৭। অষ্টাদশোহধ্যায়। কালিকা পুরাণ]
এরপর মহাদেব সতীর শোকে তাঁর মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে তাণ্ডবনৃত্য শুরু করেন। এর ফলে সৃষ্টি ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হলে, বিষ্ণু তাঁর চক্র দ্বারা সতীদেহকে একান্নভাগে বিভক্ত করে দেন। এই একান্নটি খণ্ড ভারতের বিভিন্নস্থানে পতিত হয়। ফলে পতিত প্রতিটি খণ্ড থেকে এক একটি মহাপীঠ উৎপন্ন হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিটি মহাপীঠকে পবিত্র তীর্থস্থান হিসাবে বিবেচনা করে থাকেন।
সতীর দেহাংশ যে সকল স্থানে পতিত হয়েছিল, মহাদেব সেখানে লিঙ্গরূপে অধিষ্ঠিত হলেন। বিশেষ করে সতীর মস্তিষ্ক পতিতস্থানে মহাদেব শোকাহত অবস্থায় উপবেশন করেন। এই সময় দেবতারা সেখানে উপস্থিত হলে- মহাদেব লজ্জায় প্রস্তর-লিঙ্গে  পরিণত হন। পরে দেবতারা এই লিঙ্গরূপী মহাদেবকে পূজা করতে থাকেন। হিন্দু পুরাণে মহাদেবের এই লিঙ্গপ্রতীক শিবলিঙ্গ নামে পরিচিত।
কথিত আছে- দেবতাদের জয় করার জন্য তারকাসুর এক হাজার বৎসর তপস্যা করেন। কিন্তু তিনি এর ফলে কোন বর লাভে ব্যর্থ হলেও- তাঁর মাথা থেকে এক ধরণের তেজ নিসৃত হতে থাকে। এই তেজ দেবতাদের দগ্ধ করতে থাকলে- দেবতারা ব্রহ্মার শরাণাপন্ন হন। তখন ব্রহ্মা তারকাসুরের কাছে এসে বর প্রার্থনা করতে অনুরোধ করেন। তারকাসুর ব্রহ্মার কাছে দুটি বর প্রার্থনা করেন। বর দুটি হলো- তাঁর চেয়ে শক্তিশালী আর কেউ জন্মগ্রহণ করবে না এবং মহাদেবের ঔরসজাত পুত্রের হাতেই তাঁর মৃত্যু হবে। পরে মহাদেবের পুত্র কার্তিকেয় এই অসুরকে হত্যা করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এরপর তারকাসুরের তিন পুত্র- তারকাক্ষ, কমলাক্ষ ও বিদ্যুন্মালীকে হত্যা করে ত্রিপুরারি নামে পরিচিত হন।
কার্তিকেয়-এর জন্মবৃত্তান্তের সাথে মহাদেবের সাথে পার্বতীর বিবাহঘটিত একটি উপখ্যান আছে। শ্রীমদ্ভাগবত ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের মতে- সতী দেহত্যাগের পর হিমালয়ের কন্যা পার্বতীরূপে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। ইনি মহাদেবকে পতিরূপে পাওয়ার জন্য তপস্যা শুরু করেন। এই সময় মহাদেব গভীর তপস্যায় মগ্ন ছিলেন। পার্বতী সে কথা জানতে পেরে প্রতিদিন তাঁর পূজা করতে থাকেন। এদিকে তারকাসুর নামক এক অসুর ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে, দেবতাদের উপর পীড়ন শুরু করলে— দেবতারা ব্রহ্মার শরণাপন্ন হন। ব্রহ্মা দেবতাদের জানান যে, শুধু মাত্র মহাদেবের ঔরসজাত সন্তানই এই অসুরকে হত্যা করতে পারবেন। মহাদেবের ধ্যানভঙ্গের জন্য, অন্যান্য দেবতাদের অনুরোধে কামদেব হিমালয়ে গিয়ে তাঁর কন্দর্প বাণ নিক্ষেপ করেন। ফলে মহাদেবের ধ্যান ভঙ্গ হয়। এতে মহাদেব ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁর তৃতীয় নয়ন উন্মোচিত করে কামকে ভস্মীভূত করেন। এরপরে মহাদেব অনুতপ্ত হয়ে— কামদেবকে প্রদ্যুম্নরূপে জন্মগ্রহণ করতে বলেন। মহাদেবের তৃতীয় নেত্রে ভস্মীভূত হয়ে ইনি অঙ্গহীন হয়েছিলেন বলে- এর অপর নাম অনঙ্গ।   
তারকাসুরকে হত্যা করার জন্য একটি পুত্র উৎপাদনের লক্ষ্যে, মহাদেব পার্বতীর সাথে মিলিত হন। কিন্তু মহাদেবের বীর্য গ্রহণে পার্বতী অসমর্থা দেখে তিনি তা, অগ্নিতে নিক্ষেপ করেছিলেন। অগ্নিও উক্ত বীর্য গ্রহণে অক্ষম ছিলেন বিধায় তা গঙ্গায় নিক্ষেপ করেছিলেন। গঙ্গা আবার তা শরবনে নিক্ষেপ করলে একটি সুদর্শন বালকের সৃষ্টি হয়। মহাদেব তাঁর বীর্য অগ্নিতে নিক্ষেপ করেছিলেন বলে- এই বালকের নাম অগ্নিভু রাখা হয়। কৃত্তিকারা এই বালককে স্তন্যদানে প্রতিপালন করেন। কৃত্তিকাদের স্তনদানের কারণে ইনি তাঁদের পুত্র হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন এবং সেই সূত্রে ইনি কার্তিকেয় নামে অভিহিত হয়ে থাকেন। পরে পার্বতী বিষয়টি অবগত হয়ে কার্তিকেয়কে তাঁর কাছে নিয়ে যান।    
তাঁর তৃতীয় নয়নের উৎপত্তি নিয়ে একটি গল্প আছে। পার্বতী একবার পরিহাসছলে শিবের দুই চোখ হাত দিয়ে আবৃত করলে- সমগ্র চরাচর অন্ধকার হয়ে যায়। জগতকে আলোকিত করার জন্য তাঁর তৃতীয় নয়নের উদ্ভব ঘটে। এই তৃতীয় নয়নের জ্যোতিতে হিমালয় ধ্বংস হয়ে গেলে- পার্বতীর অনুরোধে তা আবার পুনস্থাপিত হয়। তবে এটি প্রক্ষিপ্ত কাহিনী বলেই মনে হয়। কারণ- পার্বতীর সাথে শিবের বিবাহের পূর্বেই তাঁর তৃতীয় নয়নের তেজে কামদেব ভস্মীভূত হন।
ইনি তাঁর স্ত্রী পার্বতী সহযোগে উত্তেজক নৃত্য পরিবেশন করলে তাকে তাণ্ডবনৃত্য বলা হয়। অন্য মতে-বিশ্ব ধ্বংসের সময় ইনি যে নৃত্য করে থাকেন তাই তাণ্ডবনৃত্য। ইনি গজাসুর ও কালাসুরকে হত্যা করার পর তাণ্ডবনৃত্য করেছিলেন। ইনি নৃত্যকলার আদি কারণ বলে- নটরাজ নামে খ্যাত।
অন্ধক নামক দৈত্যকে নারদ কৌশলে মন্দর পর্বতে নিয়ে যান। সেখানে মহাদেব পার্বতীর সাথে আমোদ-প্রমোদে রত ছিলেন। অন্ধক সেখানে উপস্থিত হলে, মহাদেব শূলের আঘাতে অন্ধককে হত্যা করেন। এই কারণে ইনি যে সকল নাম প্রাপ্ত হন, তা হলো- অন্ধকান্তক (অন্ধকের অন্তক), অন্ধকরিপু (অন্ধকের রিপু), অন্ধকারি (অন্ধকের অরি), অন্ধকাসুহৃদ (অন্ধকের অসুহৃদ)।
কালিকা পুরাণ মতে- দুন্দুভি নামক জনৈক দৈতরাজ, ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে- দেবতাদের পরাজিত করেছিলেন। কৈলাসে মহাদেব ও পার্বতীকে [দুর্গা] একত্রে ভ্রমণ করার সময় পার্বতীকে দেখে মোহিত হন, এবং তাঁকে অধিকার করার চেষ্টা করলে- মহাদেবের অগ্নিদৃষ্টিতে ইনি ভস্মীভূত করেন। [চতুর্থোহধ্যায়, কালিকাপুরাণ]
পুরাণ মতে- ঘটনাক্রমে দেবর্ষি নারদ শুদ্ধ সংগীত শোনানোর জন্য মহাদেবকে অনুরোধ করলে, মহাদেব জানান যে, প্রকৃষ্ঠ শ্রোতা ছাড়া তিনি গান শোনাবেন না। পরে নারদ মহাদেবের পরামর্শ অনুসারে ব্রহ্মা ও বিষ্ণু-কে অনুরোধ করে আসরে নিয়ে আসেন। এই সঙ্গীতের মর্ম ব্রহ্মা বুঝতে অক্ষম হন। কিন্তু বিষ্ণু কিছুটা বুঝতে পেরেছিলেন। ফলে ইনি আংশিক দ্রবীভূত হন। বিষ্ণুর এই দ্রবীভূত অংশ ব্রহ্মা তাঁর কমণ্ডলুতে ধারণ করেন। বিষ্ণুর এই দ্রবীভূত অংশই গঙ্গা নামে খ্যাত হয়।  দেখুন : নারদ, গঙ্গা 
পরবর্তী সময়ে সগর রাজার পুত্রদের উদ্ধারের জন্য, ভগীরথ কঠোর তপস্যার দ্বারা ব্রহ্মাকে সন্তুষ্ট করে গঙ্গাকে পৃথিবীতে আনার অনুমতি পান। কিন্তু গঙ্গার অবতরণকালে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে, -এই আশংকায় গঙ্গা ভগীরথের কাছে একটি অবলম্বন প্রার্থনা করেন। ভগীরথ উপযুক্ত অবলম্বনের জন্য মহাদেবকে তপস্যার দ্বারা সন্তুষ্ট করেন। মহাদেব গঙ্গার স্রোতধারাকে ধারণ করার জন্য তাঁর জটা বিছিয়ে দেন। এরপর গঙ্গা ব্রহ্মার আদেশে মহাদেবের জটা অবলম্বন করে নেমে আসেন। মহাদেব গঙ্গাকে বিন্দু সরোবরে ত্যাগ করলে গঙ্গা- পশ্চিমে হ্লাদিনী, পাবনী, নলিনী- পূর্বে সুচক্ষু, সীতা, সিন্ধু ও ভগীরথের পশ্চাতে এক স্রোত হিসাবে প্রবাহিত হন।
এঁর বরে শক্তিশালী হয়ে বৃত্র, বাণ প্রভৃতি অসুর ক্ষমতাবান হয়ে অত্যাচারী হয়ে উঠলে ইন্দ্র, কৃষ্ণের হাতে এঁরা নিহত হন। পরশুরাম এঁর কাছে অস্ত্র শিক্ষা করে অজেয় হন। তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুনের তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে ইনি কিরাত বেশে তাঁর সাথে কৃত্রিম যুদ্ধ করেন। যুদ্ধে অর্জুনের বিক্রম দেখে মহাদেব সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে পাশুপাত অস্ত্র প্রদান করেন।
একবার কৈলাসের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রাবণের রথের গতি রুদ্ধ হয়। এই সময় মহাদেবের অনুচর নন্দী রাবণকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, এখানে হর-পার্বতী আছেন। নন্দীর বানর মুখ দেখে রাবণ অবজ্ঞায় হাস্য করলে, নন্দী অভিশাপ দেন যে, তার মতো বানরদের হাতেই রাবণ বংশ ধ্বংস হবে। রাবণ এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে কৈলাস উত্তোলন করতে থাকলে, পার্বতী চঞ্চল হয়ে উঠেন। তখন মহাদেব পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে রাবণকে চেপে ধরেন। রাবণ সে চাপ সহ্য করতে না পেরে প্রচণ্ড চিৎকার করতে থাকেন। পরে মহাদেবের স্তব করে মুক্তি পান। মহাদেব স্তবে সন্তুষ্ট হয়ে রাবণকে চন্দ্রহাস নামে একটি দীপ্ত খড়্গ উপহার দেন।
ইনি মহর্ষি অত্রির কাছে যোগশিক্ষা গ্রহণ করেন। বিষ্ণুর সহায়তায় ইনি জলন্ধরকে হত্যা করেন। তাঁর পরম ভক্ত অসুর বাণকে রক্ষা করা সত্তেও কৃষ্ণের হাতে বাণ পরাজিত হন। কিন্তু কৃষ্ণের দয়ায় বাণ মহাকাল নামে মহাদেবের অনুচরদের অন্তর্ভূক্ত হন।


হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে-তিন প্রধান দেবতার (ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বা মহাদেব) অন্যতম। ইনি স্বয়ম্ভূ। ইনি ধ্বংসের অধিকর্তা। এঁর প্রধান অস্ত্র ত্রিশূল। ধনুকের নাম পিনাক।

ইনি বিশ্ব ধ্বংসকারী পাশুপাত অস্ত্রের অধিকারী। মহাপ্রলয়কালে ইনি বিষাণ ও ডমরু বাজিয়ে ধ্বংসের সূচনা করেন। ইনি মহাযোগী, সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী, নির্গুণ ধ্যানের প্রতীক। ইনি রক্তমাখা বাঘছাল নিম্নাঙ্গে ধারণ করেন, কিন্তু উর্ধ্বাঙ্গ নগ্ন। তবে কখনো কখনো কৃষ্ণসার হরিণের চামড়া উত্তরীয় হিসাবে উর্ধ্বাঙ্গে পরিধান করেন। এঁর শরীর ভস্ম দ্বারা আবৃত। মাথায় বিশাল জটা। কপালের নিম্নাংশে তৃতীয় নেত্র, উধ্বাংশে অর্ধচন্দ্র ও কণ্ঠে সাপ ও কঙ্কাল মালা।

ইনি কঠোর তপস্যার দ্বারা অসীম ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন। হিমালয়ের কৈলাসে ইনি সিদ্ধ, চারণ, কিন্নর, যক্ষ, রাক্ষস, অপ্সরা, গন্ধর্ব এবং প্রমথগণ পরিবেষ্ঠিত অবস্থায় বাস করেন। কুবের এঁর সম্পদ রক্ষা করেন। এঁর স্ত্রী সতী [দুর্গা] । গঙ্গাও তাঁর স্ত্রী ছিলেন বলে অন্যত্র জানা যায়। তাঁর দুই পুত্রের নাম কার্তিক, গণেশ এবং দুই কন্যার নাম লক্ষ্মী ও সরস্বতী। এঁর বাহন বৃষ ও সহচর নন্দী ও ভৃঙ্গী।

অসীম রহস্য নিয়ে রয়েছেন শিব। তার মধ্যে সাতটি রহস্য হলোঃ

১) সাপ : সর্প হচ্ছে সদা জাগ্রত থাকার প্রতীক। যদি আপনার গলায় একটি সাপ প্যাঁচানো থাকে, তাহলে আপনি কিছুতেই ঘুমাতে পারবেন না।

২) ভষ্ম : এটা জীবনের অনিত্যতাকে স্মরন করিয়ে দেয়। এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমাদেরও একদিন ভষ্মে পরিণত হতে হবে।

৩) চন্দ্র : চন্দ্র সর্বদাই মনের সাথে সম্পর্কিত। এটি জীবনের সকল পরিস্থিতিতে সুখী থাকা এবং মনের উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার প্রতীক।

৪) ডমরু : এটা দেখতে ইনফিনিটি চিহ্নের মত। যা শিবের অসীম তথা উন্মুক্ত চিন্তাচেতনার প্রতীক।

৫) ত্রিশুল : শিব প্রকৃতির তিনগুন নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন, এটি তারই প্রতীক। তিনি এটির মাধ্যমে সকলকে নিজ নিজ ধর্ম পালনে উৎসাহিত করে থাকেন।

৬) নীলাভ শরীর : আকাশ অন্তহীন, শিবও তেমনি অন্তহীন। নীলাভ শরীর অন্তহীন আকাশের মতই শিবের অন্তহীনতা তথা অসীমতার প্রতীক।

৭) গঙ্গা : গঙ্গা নিষ্কলুষ জ্ঞানের প্রতিনিধিত্ব করে। যখন শিবের মতই আমাদের হৃদয় স্থির হয়, তখনই তাতে নিষ্কলুষ জ্ঞান প্রবাহিত হয়।


উগ্রমূর্তি শিব আরও অনেক নামে পরিচিত। রুদ্র, ভৈরব, কঙ্কাল ও সংহারমূর্তি-জাতীয় নামে শিব বার বার পৃথিবীকে কলুষমুক্ত করেছেন। এখানে রইল মহাদেবের বিভিন্ন উগ্রমূর্তির বিবরণ। এর যে কোনও একটিকে স্মরণ করলেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব দানবরূপ প্রতিবন্ধকতা থেকে।


• কঙ্কাল-ভৈরব: এই রূপ ধরে শিব ব্রহ্মার পঞ্চম মস্তক ছেদন করেন।

• গজাসুর বধ মূর্তি: নামেই বোঝা যায়, এই মূর্তিতে তিনি গজাসুর নামক ভয়ানক অসুরকে বধ করেছিলেন।

• ত্রিপুরান্তকমূর্তি: অন্ধকাসুরের পুত্রদের স্বর্ণমণ্ডিত রাজধানী ধ্বংস করেন।

• শরভেশমূর্তি: বিষ্ণুর নৃসিংহাবতারকে ধ্বংস করেন শিব এই মূর্তি ধারণ করেন।

• কালারিমূর্তি: এই উগ্রমূর্তিতে শিব তাঁর একান্ত ভক্ত মার্কণ্ডেয়কে রক্ষা করতে যমকে পরাস্ত করেন।


এই ৫টি গোপন সত্য শিব জানিয়েছিলেন পার্বতীকে!

শিব কেন ভস্ম মাখেন, কী বলছে সনাতন ভারতীয় চিন্তা
• কামান্তকমূর্তি: এই রূপে মহাদেব কামদেব মদনকে ভস্ম করেছিলেন।

• অন্ধকাসুর-বধ মূর্তি: অন্ধকাসুর বধের কালে তিনি এই সংহারমূর্তি ধারণ করেন। পরে অন্ধকাসুর শিবের অনুচর ভৃঙ্গীতে পরিণতি লাভ করেন।

• ভৈরবমূর্তি: তন্ত্রের উপাস্য শিবরূপ। এই রূপ শ্মশানচারী শিবের


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191230101746

Saturday, December 28th, 2019

Astro Research Centre

অরিষ্ঠ যোগ কি, ফাঁড়া, দুর্ঘটনা, আকস্মিক বিপদ, রিষ্টি কি, কখন কিভাবে হবে, মৃত্যু যোগ, পতাকা রিষ্টি, রোগগ্রস্থ যোগ, দেহ কষ্ট যোগ, ফল, প্রভাব জানুন

অরিষ্ঠ যোগ কি, ফাঁড়া, দুর্ঘটনা, আকস্মিক বিপদ, রিষ্টি কি, কখন কিভাবে হবে, মৃত্যু যোগ, পতাকা রিষ্টি, রোগগ্রস্থ যোগ, দেহ কষ্ট যোগ, ফল, প্রভাব জানুন

অরিষ্ঠ যোগ কি, ফাঁড়া, দুর্ঘটনা, আকস্মিক বিপদ, রিষ্টি কি, কখন কিভাবে হবে, মৃত্যু যোগ, পতাকা রিষ্টি, রোগগ্রস্থ যোগ, দেহ কষ্ট যোগ, ফল, প্রভাব জানুন

বিবাহে নিষিদ্ধ যোগ বিশেষ। বর এবং কন্ত উভয়ের রাশি গণনাতে ষষ্ঠ ও অষ্টম হইলে তাহাকে যড়ষ্টক কহে । এই মেলকে বিবাহ করিলে দম্পতীর মৃত্যু কিম্বা কলহ হয়। জ্যোতিষে ষড়ষ্টক দুই প্রকারে বিভক্ত করা হইয়াছে ; অরিষড়ষ্টক ও মিত্রষড়ষ্টক । তাহার মধ্যে সিংহ মকর, কষ্ঠ মেষ, মীন তুলা, কর্কট কুম্ভ, বৃষ ধন্থ, মিথুন বৃশ্চিক, ইহাদের ষড়ষ্টককে অরিষড়ষ্টক কহে। যেমন, বরের রাশি সিংহ ও কস্তার রাশি মকর হইলে তাহাকে অরিযড়ষ্টক বলে। কারণ সিংহ হইতে গণনা করিলে মকর ষষ্ঠ স্থানে পড়ে; আবার মকর হইতে গণনা করিলে সিংহ অষ্টম স্থানে হয় । 


রিষ্টি বা ফাঁড়া এর বাংলা অর্থ

  ফাঁড়া এর বাংলা অর্থ হলো -

(জ্যোতিষ গণনানুসারে) বিপদের সম্ভাবনা, ঘোর বিপদ, রিষ্টি।
সাম্ভাব্য বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া।


ফাঁড়া Bengali definition [ফাঁড়া](বিশেষ্য) ১ রিষ্টি বা গ্রহদোষ, জ্যোতিষ গণনানুযায়ী মৃত্যুযোগ বা কঠিন বিপদের সম্ভাবনা (অমনি করে ফাঁড়া কাটিয়ে কোন রকমে বেঁচে আছি-ওই)। ফাঁড়া উতড়ানো, ফাঁড়া কাটানো (ক্রিয়া) বিপদ উত্তীর্ণ হওয়া; প্রাণসংকট মুহুর্ত কেটে যাওয়া। ফাঁরা (বিশেষ্য) বিপদ-আপদ (নানাবিধ {(তৎসম বা সংস্কৃত) পীড়া>}


জ্যোতিষে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সূত্র---
১. বুধ জ্যোতিষ কারক গ্রহ।
২. দ্বিতীয় বা দ্বা্দশে ( শনি+কেতু) থাকলে ঋন হবেই।
৩.শুক্র খারাপ থাকলে অভিনেতা বা অভিনেত্রি হওয়ার স্বপ্ন না দেখাই ভাল।
৪.বুধ + শুক্র জন্মছকে এক সঙ্গে থাকলে জীবনে কোন না কোন সময় দারিদ্র আসবেই।
৫. রবি+কেতু, রবি+রাহু, রবি+শনি, মঙ্গল+শুক্র, বুধ+শুক্র, শুক্র+কেতু, শুক্র+রাহু, বৃৃহস্পতি+রাহু, বৃৃহস্পতি+কেতু, বুধ+কেতু, বুধ+রাহু, শনি+মঙ্গল+শুক্র+রাহু, রবি+বুধ+কেতু, শনি+মঙ্গল+রাহু, এই অশুভ যোগ গুলির সার্থক প্রতিকার না করলে জীবনে একটির পর একটি সমস্যা লেগেই থাকবে।দুর্ঘটনা ঘটায়
৬. জন্মছকে সব গ্রহগুলি নীচস্থ হলে অধিক মন্দ হেতু রাজ যোগের সৃষ্টি হয়, রবির বা মঙ্গলের উপর শনি রাহুর দৃষ্টি থাকলে অপঘাত বা দুর্ঘটনা যোগ সৃষ্টি হয়
৭. জন্মছকে সব গ্রহগুলি উচ্চস্থ হলে সন্ন্যাস হয়।
৮. জন্মছকে কোন কিছু হওয়ার connection না থাকলে, প্রতিকারের মাধ্যমে সেই যোগ এনে দেওয়া যায় না। বিবাহ, চাকরি, প্রেম ইত্যাদি সব জন্মের সময় নিজের ভাগ্যে নিয়েই জন্মায়। গ্রহের অশুভ যোগ, অশুভ অবস্থানে যখন সময় খারাপ চলে তার থেকে মুক্তি পেতেই প্রতিকার প্রয়োজন হয়।
৯.জ্যোতিষের সব থেকে বড় বিভাগ হল সার্থক প্রতিকার নির্বাচন করা।
১০. রাহু+মঙ্গল জাতক/জাতিকার এনর্জি নষ্ট করে। সুগার হয়। বাত হয়
১১. রবি+রাহু জাতক জাতিকাকে আত্মবিশ্বাসের অভাব আনে। চোখ এর রোগ হয়। আত্ম বিশ্বাস কম হয়


আপনার রাশিচক্রে দুর্ঘটনার যোগ আছে কি না জেনে নিন


দুর্ঘটনার সঙ্গে সুপ্রভাবে জড়িয়ে আছে আকস্মিকতা। জ্যোতিষ শাস্ত্র দুর্ঘটনার জন্য মূলত অষ্টম ভাবকে দায়ী করেছে। আবার গ্রহগত দিক থেকে দেখা গেলে মুখ্য কারক মঙ্গল,শনি, রাহু, কেতু ও চন্দ্র। দুর্ঘটনার বিচারে চন্দ্র খুব দুর্বল নির্দেশক। কারণ একমাত্র ভ্রমণে বা জলে দুর্ঘটনা চন্দ্র নির্দেশ করে। প্রধানত মঙ্গলই দুর্ঘটনার কারক গ্রহ। 
এবার দেখা যাক দুর্ঘটনা কেন বা কখন হতে পরে - 
১) অষ্টমে শনি এবং চতুর্থ-পতি ষষ্ঠে অবস্থান করলে ভ্রমণরত অবস্থায় দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
২) শনি মঙ্গলের সহাবস্থান অথবা দৃষ্টি বিনিময় ঘটলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকবে বিশেষ ভাবে ওই গ্রহ দুটির মধ্যে যদি কোনও গ্রহ অষ্টম-পতি হয় অথবা অষ্টম-ভাবে অবস্থিত হয়। 
৩) দুঃস্থানে অথবা নীচ-ক্ষেত্রে মঙ্গল পাপগ্রহ দ্বারা দৃষ্ট বা যুক্ত হলে শারীরিক আঘাত প্রাপ্তির সম্ভাবনা থাকবে।
৪) অষ্টম-ভাব, অষ্টম-পতি এবং মঙ্গল পাপগ্রহের মধ্যগত বা পাপযুক্ত ও দৃষ্ট হলে দুর্ঘটনার প্রবল সম্ভাবনা থাকবে। 
৫) রাশিচক্রে রাহু-মঙ্গল যোগ অশুভ সূচক।    রাহু ও মঙ্গলের সহাবস্থান বা দৃষ্টি বিনিময় ঘটলে আকস্মিক আঘাতে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে। এর সঙ্গে কোনও ভাবে অষ্টম-ভাব বা অষ্টম-পতির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করলে দুর্ঘটনার প্রাবল্য বৃদ্ধি পাবে। 
রাশিচক্রে দুর্ঘটনার বিচারের সময় দেখতে হবে প্রাণহানির সম্ভাবনা আছে কিনা। লগ্ন-পতি, লগ্ন-ভাব বলবান ও শুভ হলে প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকবে না। দুর্ঘটনার কারক গ্রহ যদি বৃহস্পতি দ্বারা দৃষ্ট হয় তবে প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকবে না। সধারনত রাশিচক্রে যে সব গ্রহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, ওই গ্রহের দশান্তদশায় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা প্রবল থাকে। 


জ্যোতিষে ১২টি ভাবের মধ্যে ষষ্ঠ ভাব থেকে শত্রুর বিচার করা হয়। শত্রু, গুপ্ত শত্রু, বিচার পদ্ধতি
(১) মকর ও কুম্ভ যাদের ষষ্ঠ ভাব হয়, সেখানে যদি কোনও গ্রহ না থাকে, তা হলে জাতকের সে ভাবে শত্রু হয় না। আর যাদের ষষ্ঠে শনি থাকে, তারা বার বার শত্রুকে পরাজিত করলেও, শত্রুও বার বার তার সঙ্গে শত্রুতা করে চলে। চোর, ঠগ, বাটপার দ্বারা জীবনে অনেক বার ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয়।

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

(২) ষষ্ঠে রাহু থাকলে জ্যোতিষ শাস্ত্র বলে শত্রু নাশ হয়। ষষ্ঠে রাহু যেমন যেমন রাশিতে থাকে শত্রুর চরিত্রও তেমন হয়। রাহু থাকার জন্য ভয়ঙ্কর ভাবে নীচ শ্রেণির লোকেরা শত্রু হয়।

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

(৩) ষষ্ঠে কেতু মানে গুপ্ত শত্রু। সব শ্রেণির লোকেরাই গুপ্ত শত্রুতা করতে পারে। ষষ্ঠ ভাব কোন রাশিতে পড়েছে তার উপর নির্ভর করে শত্রু কেমন চরিত্রের হবে।

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

মন্দিরে বা কোনো ধর্ম স্থানে যাবার প্রয়োজন নাই ঈশ্বরকে একান্ত মনে বাড়িতে বসে প্রাথর্না করুন ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করুন জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/TP-DvWobtrg

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


ত্রিপাপ চক্র দোষ:

প্রতিটি মানবেরই জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসার কেতু পতাকি, কেতু কুন্ডলী এবং গুরু কুন্ডলী গ্রহগনকে নক্ষত্রনুসার একত্রে স্থাপনা করে ত্রিপাপ চক্র ধরা হয়ে থাকে , জন্ম নক্ষত্র অনুযায়ী প্রতি জাতকের ত্রিপাপ দশা ভিন্ন ভিন্ন বয়সে হয়ে থাকে।
ত্রিপাপ বর্ষ দশাতে শুভ কর্ম, বিবাহ , নতুন গৃহ নির্মাণ প্রভৃতি না করাটাই মঙ্গল, কারণ তাতে শুভ কর্মে ব্যাঘাত ঘটে থাকে। তাছাড়া ত্রিপাপ বর্ষের অশুভ দশাতে চোট আঘাত আকস্মিক বিপদ, জ্বরাদি রোগ প্রভৃতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে ।
এই জন্য ত্রিপাপ দশা বর্ষে তৎ সম্বন্ধিৎ গ্রহের প্রতিকার ও পূজা পাঠ করানো উচিত তাতে ত্রিপাপ দোষের শান্তি হয়।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191228150037

Tuesday, December 24th, 2019

Astro Research Centre

অষ্টম মহাবিদ্যা, শত্রু বিনাশিনী মা বগলামুখি দেবির স্তব , পুজা ও তন্ত্র সাধনা, ধ্যান, অঞ্জলী, হোম, যজ্ঞ করলে সাধকের সমস্ত মনোকামনা পূর্ণ করে । জয় মা পিতাম্বরি, জয়প্রদা

অষ্টম মহাবিদ্যা, শত্রু বিনাশিনী মা বগলামুখি দেবির স্তব , পুজা ও তন্ত্র সাধনা, ধ্যান, অঞ্জলী, হোম, যজ্ঞ করলে সাধকের সমস্ত মনোকামনা পূর্ণ করে । জয় মা পিতাম্বরি, জয়প্রদা

অষ্টম মহাবিদ্যা, শত্রু বিনাশিনী মা বগলামুখি দেবির স্তব , পুজা ও তন্ত্র সাধনা, ধ্যান, অঞ্জলী, হোম, যজ্ঞ করলে সাধকের সমস্ত মনোকামনা পূর্ণ করে । জয় মা পিতাম্বরি, জয়প্রদা

আমাদের মুনি ঋষি দের মতে এই তন্ত্র শক্তির সাধনা করলে সংসারের সমস্ত শক্তি কে জয় করা যায় । বগলামুখী দেবী শ্ত্রু নাশের জন্য প্রসিদ্ধ । প্রাচীনকালে সত্যযুগে একবার প্রচণ্ড ঝড়ঝঞ্জা উৎপন্ন হয়েছিল । এর ক্ষতির কথা চিন্তা করে ভগবান বিষ্ণু অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়েন তারপর তিনি সৌরাষ্ট্র নামক প্রান্তে হরিদ্রা নামক সরোবরে ভবানী প্রসন্নতার জন্য গভীর তপস্যা করেন । তার পরিণাম স্বরুপ দেবি বগলা আবির্ভূত হন । যিনি ক্ষণকালে সেই ঝঞ্ঝা কে শান্ত করে দেন । এই তন্ত্র সাধনাতে লৌকিক ও অলৌকিক ফল প্রাপ্তি হয় । জ্যোতিষী শ্ত্রু বাধা নিবারণের জন্য এই দেবীর পুজা অর্চনা করার বিধান দেন ।

এই মন্ত্র নিয়মিত জপ ও পুজা অর্চনা শ্ত্রু বাধা দূর হয় এটা পরিক্ষিত সত্য ।

মূর্তিতত্ত্ব

“বগলামুখী” শব্দটি “বগলা” (অর্থাৎ, ধরা) এবং “মুখ” শব্দদুটি থেকে উৎপন্ন। এই শব্দটির অর্থ যিনি যাঁর মুখ কোনো কিছুর নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিতে সমর্থ।[১] অন্য একটি অর্থে, যিনি মুখ তুলে ধরেছেন।
বগলামুখীর গায়ের রং সোনালি এবং তাঁর কাপড়ের রং হলুদ। তিনি হলুদ পদ্মের ভরা অমৃতের সমুদ্রের মাঝে একটি হলুদ সিংহাসনে বসে থাকেন। তাঁর মাথায় অর্ধচন্দ্র শোভা পায়। দুটি পৃথক বর্ণনার একটিতে তাঁকে দ্বিভূজা ও অপরটিতে তাঁকে চতুর্ভূজা বলা হয়েছে।
বগলামুখীর দ্বিভূজা মূর্তি পূজার প্রচলনই বেশি। এই মূর্তিটিকে সৌম্য মূর্তি ধরা হয়। এই মূর্তিতে তাঁর ডান হাতে থাকে গদা। এই গদা দিয়ে তিনি শত্রুকে প্রহার করেন। অন্যদিকে বাঁহাতে শত্রুর জিভটি টেনে ধরে থাকেন। এই মূর্তিটিকে অনেক সময় “সম্ভন” (শত্রুকে নিস্তব্ধ করে দিয়ে তাকে শক্তিহীন করা) প্রদর্শন হিসেবে ধরা হয়। এই বর লাভের জন্য ভক্তেরা তাঁর পূজা করে থাকে। অন্যান্য মহাবিদ্যাদেরও এই শক্তি আছে বলে ধরা হয়।
বগলামুখীকে” “পীতাম্বরা দেবী” বা “ব্রহ্মাস্ত্র-রূপিণী”ও বলা হয়। তিনি একটি গুণকে বিপরীত গুণে পরিবর্তন করে পারেন বলে হিন্দুরা বিশ্বাস করেন। যেমন, তিনি বাক্যকে নিঃস্তব্ধতায়, জ্ঞানকে অজ্ঞানে, শক্তিকে শক্তিহীনতায়, পরাজয়কে জয়ে পরিবর্তন করেন।

মা বগলামুখী ধ্যান ও শোস্ত্রমঃ
=============
মধ্যে সুধাব্ধিমণিমণ্ডপরত্নবেদী সিংহাসনোপরিগতাং পরিপীতবর্ণাম্।
পীতাম্বরং কণকমাল্যবিভূষিতাঙ্গীং দেবীং স্মরামি ধৃতমুদ্গর বৈরিজিহ্বাম্।।
জিহ্ববাগ্রমাদায় করেণ দেবীং,বামেন শত্রুন্ পরিপীড়য়ন্তীম্।
গদাভিঘাতেন চ দক্ষিণে ন পীতাম্বরাঢ্যাং দ্বিভুজাং নমামি।

--- মুণ্ডমালা তন্ত্র অনুসারে দশমহাবিদ্যা হলেন কালী, তারা, ষোড়শী, ভৈরবী, ভুবনেশ্বরী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, বগলা, মাতঙ্গী ও কমলাকামিনী। মা বগলামুখী। ইনি অষ্টম মহাবিদ্যা। ইনি হলুদ পুস্প খুব ভালোবাসেন। এঁনার পূজোয় হলুদ পুস্প, হলুদ সিঁদুর দেওয়া হয়। মা বগলা কে শত্রু নাশের জন্য পূজো করা হয়। আমাদের অন্তরে যে রিপু, স্বার্থপরতা, হিংসা, অহংকার রুপী যে শত্রু আছে – আমরা তার বিনাশের জন্য মায়ের চরণে প্রার্থনা জানাবো। মা যেন সেই শত্রু গুলিকে নিপাত করেন।

মা বগলামুখী জপমন্ত্র ----
ওঁ হ্লীং বগলামুখি
সর্বদুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তম্ভয়
জিহ্বাং কীলয়
বুদ্ধিং বিনাশয় হ্লীং ওঁ স্বাহা

দেবী বগলামুখী হলেন মঙ্গলগ্রহের ইষ্টদেবী এবং দশমহাবিদ্যার শক্তিশালী এবং সহায়ক শক্তি ৷ এক (দশমহাবিদ্যা মানে দশটি মহাক্ষমতা, দেবী দশমহাবিদ্যার মধ্যে নিহিত আছে দুর্গার দশশক্তির বিভিন্ন পরিসংখ্যান) ভারতীয় আধ্যাত্মিক ধর্মীয় দর্শনের সর্বোচ্চ শক্তি হলেন দেবী ৷ আপনি যদি দেবী বগলামুখীর ছবি সংগ্রহ না করতে পারেন, তাহলে আপনি দেবী দুর্গার কোন ছবি নিতে পারেন।

আপনি এই মন্ত্রকে ৫১বা১০৮বার জপ, যে সংখ্যায় আপনি দৈনন্দিন ভজন করতে চাইবেন , আপনি করবেন।আপনার আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং আপনার সাফল্যের হারও বাড়বে। এছাড়াও আপনি এমন একটি উচ্চ সন্তুষ্টি পাবেন যা আপনার মনোকামনা পূরণ করবে।

মন্ত্রটি হল :

"ওঁ হ্লীং বগলামুখী সর্ব দুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তম্ভন,
জিহ্বাং কীলয় কীলয় বুদ্ধি বিনাশায় হ্লীং ওঁ স্বাহা" |

চলত্কনককুণ্ডলোল্লসিতচারুগণ্ডস্থলীং
লসত্কনকচম্পকদ্যুতিমদিন্দুবিম্বাননাম্ ।
গদাহতবিপক্ষকাং কলিতলোলজিহ্বাংচলাং
স্মরামি বগলামুখীং বিমুখবাঙ্মনস্স্তম্ভিনীম্ ॥ ১॥

পীয়ূষোদধিমধ্যচারুবিলদ্রক্তোত্পলে মণ্ডপে
সত্সিংহাসনমৌলিপাতিতরিপুং প্রেতাসনাধ্যাসিনীম্ ।
স্বর্ণাভাং করপীডিতারিরসনাং ভ্রাম্যদ্গদাং বিভ্রতীমিত্থং
ধ্যায়তি য়ান্তি তস্য সহসা সদ্যোঽথ সর্বাপদঃ ॥ ২॥

দেবি ত্বচ্চরণাম্বুজার্চনকৃতে য়ঃ পীতপুষ্পাঞ্জলীন্ভক্ত্যা
বামকরে নিধায় চ মনুং মন্ত্রী মনোজ্ঞাক্ষরম্ ।
পীঠধ্যানপরোঽথ কুম্ভকবশাদ্বীজং স্মরেত্পার্থিবং
তস্যামিত্রমুখস্য বাচি হৃদয়ে জাড্যং ভবেত্তত্ক্ষণাত্ ॥ ৩॥

বাদী মূকতি রঙ্কতি ক্ষিতিপতির্বৈশ্বানরঃ শীততি ক্রোধী
শাম্যতি দুর্জনঃ সুজনতি ক্ষিপ্রানুগঃ খঞ্জতি ।
গর্বী খর্বতি সর্ববিচ্চ জডতি ত্বন্মন্ত্রিণা য়ন্ত্রিতঃ
শ্রীর্নিত্যে বগলামুখি প্রতিদিনং কল্যাণি তুভ্যং নমঃ ॥ ৪॥

মন্ত্রস্তাবদলং বিপক্ষদলনে স্তোত্রং পবিত্রং চ তে
য়ন্ত্রং বাদিনিয়ন্ত্রণং ত্রিজগতাং জৈত্রং চ চিত্রং চ তে ।
মাতঃ শ্রীবগলেতি নাম ললিতং য়স্যাস্তি জন্তোর্মুখে
ত্বন্নামগ্রহণেন সংসদি মুখে স্তম্ভো ভবেদ্বাদিনাম্ ॥ ৫॥

দুষ্টস্তম্ভনমুগ্রবিঘ্নশমনং দারিদ্র্যবিদ্রাবণং
ভূভৃত্সন্দমনং চলন্মৃগদৃশাং চেতঃসমাকর্ষণম্ ।
সৌভাগ্যৈকনিকেতনং সমদৃশঃ কারুণ্যপূর্ণেক্ষণম্
মৃত্যোর্মারণমাবিরস্তু পুরতো মাতস্ত্বদীয়ং বপুঃ ॥ ৬॥

মাতর্ভঞ্জয় মদ্বিপক্ষবদনং জিহ্বাং চ সঙ্কীলয়
ব্রাহ্মীং মুদ্রয় দৈত্যদেবধিষণামুগ্রাং গতিং স্তংভয় ।
শত্রূংশ্চূর্ণয় দেবি তীক্ষ্ণগদয়া গৌরাঙ্গি পীতাম্বরে
বিঘ্নৌঘং বগলে হর প্রণমতাং কারুণ্যপূর্ণেক্ষণে ॥ ৭॥

মাতর্ভৈরবি ভদ্রকালি বিজয়ে বারাহি বিশ্বাশ্রয়ে
শ্রীবিদ্যে সময়ে মহেশি বগলে কামেশি বামে রমে ।
মাতঙ্গি ত্রিপুরে পরাত্পরতরে স্বর্গাপবর্গপ্রদে
দাসোঽহং শরণাগতঃ করুণয়া বিশ্বেশ্বরি ত্রাহি মাম্ ॥ ৮॥

সংরম্ভে চৌরসঙ্ঘে প্রহরণসময়ে বন্ধনে ব্যাধিমধ্যে
বিদ্যাবাদে বিবাদে প্রকুপিতনৃপতৌ দিব্যকালে নিশায়াম্ ।
বশ্যে বা স্তম্ভনে বা রিপুবধসময়ে নির্জনে বা বনে বা
গচ্ছংস্তিষ্ঠংস্ত্রিকালং য়দি পঠতি শিবং প্রাপ্নুয়াদাশু ধীরঃ ॥ ৯॥

ত্বং বিদ্যা পরমা ত্রিলোকজননী বিঘ্নৌঘসংছেদিনী
য়োষিত্কর্ষণকারিণী জনমনঃসম্মোহসন্দায়িনী ।
স্তম্ভোত্সারণকারিণী পশুমনঃসম্মোহসন্দায়িনী
জিহ্বাকীলনভৈরবী বিজয়তে ব্রহ্মাদিমন্ত্রো য়থা ॥ ১০॥

বিদ্যা লক্ষ্মীর্নিত্যসৌভাগ্যমায়ুঃ পুত্রৈঃ পৌত্রৈঃ সর্বসাম্রাজ্যসিদ্ধিঃ ।
মানো ভোগো বশ্যমারোগ্যসৌখ্যং প্রাপ্তং তত্তদ্ভূতলেঽস্মিন্নরেণ ॥ ১১॥

ত্বত্কৃতে জপসন্নাহং গদিতং পরমেশ্বরি ।
দুষ্টানাং নিগ্রহার্থায় তদ্গৃহাণ নমোঽস্তু তে ॥ ১২॥

পীতাম্বরাং চ দ্বিভুজাং ত্রিনেত্রাং গাত্রকোমলাম্ ।
শিলামুদ্গরহস্তাং চ স্মরে তাং বগলামুখীম্ ॥ ১৩॥

ব্রহ্মাস্ত্রমিতি বিখ্যাতং ত্রিষু লোকেষু বিশ্রুতম্ ।
গুরুভক্তায় দাতব্যং ন দেয়ং য়স্য কস্যচিত্ ॥ ১৪॥

নিত্যং স্তোত্রমিদং পবিত্রমিহ য়ো দেব্যাঃ পঠত্যাদরাদ্ধৃত্বা
য়ন্ত্রমিদং তথৈব সমরে বাহৌ করে বা গলে ।
রাজানোঽপ্যরয়ো মদান্ধকরিণঃ সর্পা মৃগেন্দ্রাদিকাস্তে
বৈ য়ান্তি বিমোহিতা রিপুগণা লক্ষ্মীঃ স্থিরা সিদ্ধয়ঃ ॥ ১৫॥

॥ ইতি শ্রীরুদ্রয়ামলে তন্ত্রে শ্রীবগলামুখীস্তোত্রং সমাপ্তম্ ॥

আমার নতুন ইউটিউব চ্যানেল ভিডিও গুলি ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করুন শেয়ার করুন জয় মা

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/U91kXCxre_o

https://youtu.be/JrU0SUjCofs

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/F3Q-5FRI83w

Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191224100705

Saturday, December 14th, 2019

Astro Research Centre

আদ্যাস্ত্রোত্রং অর্থ সহ, ফল, সার্থকতা, নিয়ম, কখন করবেন, নবগ্রহের কুফল থেকে রক্ষা পাবেন, বিস্তারিত ফল

আদ্যাস্ত্রোত্রং অর্থ সহ, ফল, সার্থকতা, নিয়ম, কখন করবেন, নবগ্রহের কুফল থেকে রক্ষা পাবেন, বিস্তারিত ফল

আদ্যাস্ত্রোত্রং অর্থ সহ নিচে দিলাম



ওঁ শৃণু বৎস প্রবক্ষ্যামি আদ্যাস্ত্রোত্রং মহাফলং ।
যঃ পঠেৎ সততং ভক্ত্যা স এব বিষ্ণুবল্লভঃ ।।

অর্থ: হে বৎস্য । মহাফলপ্রদ আদ্যা স্ত্রোত্র বলিব- শ্রবন করো, যে সর্বদা ভক্তি পূর্বক ইহা পাঠ করে, সে বিষ্ণুর প্রিয় হয় ।

মৃত্যুব্যাধিভয়ং তস্য নাস্তি কিঞ্চিৎ কলৌ যুগে ।
অপুত্রো লভতে পুত্রং ত্রিপক্ষং শ্রবণং যদি ।।

অর্থ: এই কলিযুগে তাহার মৃত্যু ও ব্যাধিভয় থাকে না, অপুত্রা তিনপক্ষ কাল ইহা শ্রবন করিলে পুত্র লাভ করে ।

দ্বৌ মাসৌ বন্ধনাম্মুক্তি র্বিপ্রবক্ত্রাৎ শ্রুতং যদি ।
মৃতবৎসা জীববৎসা ষম্মাসাঞ্ শ্রবনং যদি ।।

অর্থ: ব্রাহ্মণের মুখ হইতে দুই মাস শ্রবন করিলে বন্ধন মুক্তি হয়, ছয় মাস কাল শ্রবন করিলে মৃতবৎসা নারী জীববৎসা হয় ।

নৌকায়াং সঙ্কটে যুদ্ধে পঠনাজ্জয়মাপ্নুয়াৎ ।
লিখিত্বা স্থাপনাদ্ গেহে নাগ্নিচৌরভয়ং ক্কচিৎ ।।

অর্থ: ইহা পাঠ করিলে নৌকায়, সঙ্কটে , যুদ্ধে জয়লাভ হয়, লিখিয়া গৃহে রাখিলে অগ্নি বা চোরের ভয় থাকে না ।

রাজস্থানে জয়ী নিত্যং প্রসন্নাঃ সর্বদেবতাঃ ।
ওঁ হ্রীঁ ব্রাহ্মণী ব্রহ্মলোকে চ বৈকুণ্ঠে সর্বমঙ্গলা ।।

অর্থ: রাজস্থানে নিত্য জয়ী হয় এবং সর্ব দেবতা সন্তুষ্ট হন, হে মাতঃ, তুমি ব্রহ্মলোকে ব্রহ্মাণী, বৈকুন্ঠে সর্বমঙ্গলা ।
ইন্দ্রানী অমরাবত্যামম্বিকা বরুণালয়ে ।
যমালয়ে কালরূপা কুবেরভবনে শুভা ।।

অর্থ: অমরাবতীতে ইন্দ্রানী, বরুণালয়ে অম্বিকা, যমালয়ে কালরূপা, কুবের ভবনে শুভা ।
মহানন্দাগ্নিকোনে চ বায়ব্যাং মৃগবাহিনী ।
নৈর্ঝত্যাং রক্তদন্তা চ ঐশান্যাং শূলধারিণী ।।

অর্থ: অগ্নিকোনে মহানন্দা, বায়ুকোনে মৃগবাহিনী, নৈর্ঝত কোনে রক্তদন্তা, ঈশান কোনে শুলধারিনী ।
পাতালে বৈষ্ণবীরূপা, সিংহলে দেবমোহিনী ।
সুরসা চ মনিদ্বীপে লঙ্কায়াং ভদ্রকালিকা ।।

অর্থ: পাতালে বৈষ্ণবীরূপা, সিংহলে দেবমোহিনী, মণিদ্বীপে সূরসা, লঙ্কায় ভদ্রকালিকা ।
রামেশ্বরী সেতুবন্ধে বিমলা পুরুষোত্তমে ।
বিরজা ঔড্রদেশে চ কামাখ্যা নীলপর্বতে ।।

অর্থ: সেতুবন্ধে রামেশ্বরী, পুরুষোত্তমে বিমলা, উৎকলে বিরজা, নীলপর্বতে কামাখ্যা ।
কালিকা বঙ্গদেশে চ অযোধ্যায়াং মহেশ্বরী ।
বারাণস্যমন্নপূর্ণা গয়াক্ষেত্রে গয়েশ্বরী ।।

অর্থ: বঙ্গদেশে কালিকা, অযোধ্যায় মহেশ্বরী, বারানসিতে অন্নপূর্ণা , গয়া ক্ষেত্রে গয়েশ্বরী ।
কুরুক্ষেত্রে ভদ্রকালী ব্রজে কাত্যায়নী পরা ।
দ্বারকায়াং মহামায়া মথুরায় মাহেশ্বরী ।।

অর্থ: কুরুক্ষেত্রে ভদ্রকালী, ব্রজে শ্রেষ্ঠা কাত্যায়নী, দ্বারকায় মহামায়া , মথুরায় মাহেশ্বরী ।
ক্ষুধা ত্বং সর্বভূতানাং বেলা ত্বং সাগরস্য চ ।
নবমী কৃষ্ণপক্ষস্য শুক্লাস্যৈকাদশী পরা ।।

অর্থ: তুমি সমস্ত জীবের ক্ষুধা স্বরূপা, সমুদ্রের বেলা, তুমি শুক্ল পক্ষের নবমী এবং কৃষ্ণ পক্ষের একাদশী ।
দক্ষস্য দুহিতা দেবী দক্ষযক্ষবিনাশিনী ।
রামস্য জানকী ত্বং হি রাবণধ্বংসকারিণী ।।

অর্থ: হে দেবী তুমি দক্ষের কন্যা দক্ষযজ্ঞবিনাশিণী , তুমি রামের রাবন ধ্বংসকারিনী জানকী ।
চণ্ডমুণ্ডবধে দেবী রক্তবীজবিনাশিনী ।
নিশুম্ভশুম্ভমথনী মধুকৈটভঘাতিনী ।।

অর্থ: তুমি চণ্ড মুণ্ড বধকারিনী দেবী , রক্তবীজবিনাশিনী , নিশুম্ভ শুম্ভ মথনী , মধু- কৈটভ ঘাতিনী ।
বিষ্ণুভক্তিপ্রদা দুর্গা সুখদা মোক্ষদা সদা ।
ইমং আদ্যাস্তবং পুণ্যং যঃ পঠেৎ সততং নরঃ ।।

অর্থ: তুমি বিষ্ণুভক্তিপ্রদা, দুর্গা, সর্বদা সুখ ও মোক্ষদায়িনী, এই আদ্যাস্তব সর্বদা পাঠ করলে নরগন পুন্য লাভ করে ।
সর্বজ্বরভয়ং নস্যাৎ সর্বব্যাধিবিনাশনম্ ।
কোটিতীর্থফলঞ্চাসৌ লভতে নাত্র সংশয়ঃ ।।

অর্থ: জ্বরা ভয় থাকবে না সর্ব ব্যাধি বিনাশ হবে, কোটি তীর্থ ভ্রমনের ফল লাভ হয় ইহাতে কোন সংশয় নেই।
জয়া মে চাগ্রতঃ পাতু বিজয়া পাতু পৃষ্ঠতঃ ।
নারায়নী শীর্ষদেশে সর্বাঙ্গে সিংহবাহিনী ।।

অর্থ: জয়া আমাকে অগ্রভাগে রক্ষা করুন, বিজয়া পৃষ্ঠদেশে রক্ষা করুন, নারায়নী মস্তকে রক্ষা করুন, সিংহবাহিনী সর্বাঙ্গে রক্ষা করুন।
শিবদূতী উগ্রচণ্ডা প্রত্যঙ্গে পরমেশ্বরী ।
বিশালাক্ষী মহামায়া কৌমারী শঙ্খিনী শিবা।।

অর্থ: শিবদূতী, উগ্রচণ্ডা, পরমেশ্বরী , বিশালাক্ষী, মহামায়া, কৌমারী, শঙ্খিনী, শিবা ।
চক্রিণী জয়দাত্রী চ রণমত্তা রনপ্রিয়া ।
দুর্গা জয়ন্তী কালী চ ভদ্রকালী মহোদরী ।।

অর্থ: চক্রিনী, জয়দাত্রী , রণমত্তা, রনপ্রিয়া, দুর্গা, জয়ন্তী, কালী ভদ্রকালী, মহোদরী ।
নারসিংহী চ বারাহী সিদ্ধিদাত্রী সুখপ্রদা ।
ভয়ঙ্করী মহারৌদ্রী মহাভয়বিনাশিনী ।।

অর্থ: নারসিংহী, বারাহী, সিদ্ধিদাত্রী, সুখপ্রদা, ভয়ঙ্করী , মহারৌদ্রী, মহাভয়বিনাশিনী আমার প্রতি অঙ্গ রক্ষা করুন ।
ইতি ব্রহ্মযামল- ব্রহ্ম -নারদ- সংবাদে আদ্যা স্ত্রোত্রং সমাপ্তম ।

অর্থ: ব্রহ্মযামলে ব্রহ্ম- নারদ সংবাদে আদ্যা স্ত্রোত্র সমাপ্ত ।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191214131614

Thursday, December 12th, 2019

Astro Research Centre

নবগ্রহ, রবি সূর্য, চন্দ্র সোম, মঙ্গল ভৌম, বুধ, বৃহস্পতি গুরু, শুক্র কুব্জ, শনি, রাহু, কেতু, প্রভাব, প্রতিকার, রোগ, মন্ত্র, তন্ত্র, যন্ত্র, অবস্হান

নবগ্রহ, রবি সূর্য, চন্দ্র সোম, মঙ্গল ভৌম, বুধ, বৃহস্পতি গুরু, শুক্র কুব্জ, শনি, রাহু, কেতু, প্রভাব, প্রতিকার, রোগ, মন্ত্র, তন্ত্র, যন্ত্র, অবস্হান

নবগ্রহ, রবি সূর্য, চন্দ্র সোম, মঙ্গল ভৌম, বুধ mercury, বৃহস্পতি jupiter গুরু, শুক্র কুব্জ venus শনি saturn, রাহু, কেতু, প্রভাব, প্রতিকার, রোগ, মন্ত্র, তন্ত্র, যন্ত্র, অবস্হান

বিভিন্ন গ্রহের প্রতিকার মূল, রত্ন -পাথর, ও ধাতু দ্বারা :---

১)রবি -:-
•মূল দ্বারা-
সূর্যদেবের জন্য আফলা বেলের মূল বা বিল্ব মূল।
•ধাতু- তামা।
•রত্ন ও পাথর -
i)চুনী (Ruby) , ii) Star Ruby , iii)সারডনিক্স
IV) স্পাইনাল , v) গার্নেট।

২) চন্দ্র -:-
•মূল - ক্ষিরিকা মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন ও পাথর -i) মুক্তা, ii)মুনস্টোন, iii)এগেট।

৩) মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - প্রবাল।

৪)বুধ -:-
•মূল - বৃদ্ধদ্দারককের মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন - পান্না।

৫) বৃহস্পতি -:-
•মূল - বামনহাটির মূল/ ব্রহ্মজৈষ্ঠীর মূল।
•ধাতু - সোনা।
রত্ন ও পাথর - I) পোখরাজ, ii) হলুদ টোপাজ।


বৃহস্পতি গ্রহের প্রতিকার >

বৃহস্পতি দেবে পুজা অর্চনা ও উপাসনা থেকে বৃহস্পতির দেওয়া পীড়া যন্ত্রণা নিবারন করা যায় , কর্মকাণ্ডী ব্রাহ্মণ দ্বারা এই কাজ করা যেতে পারে । এই জন্য শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবার যখন আপনার রাশি চন্দ্র থাকলে এই উপায় করা যায় । এই দিন প্রাতেঃ স্বচ্ছ পীত বস্ত্র পড়ে , পীত আসনে বসে তারপর পীত বস্ত্রের আসনে বৃহস্পতি দেব বা ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি রেখে । সর্ব প্রথম বৃহস্পতি দেব কে আহ্বান করে এই মন্ত্র বলুন ।

ধ্যান মন্ত্র ঃ

পীতাম্বরঃ পীতবপুঃ কিরিটী চতুর্ভুজ দেবগুরু প্রশান্তঃ । যথা অক্ষসুত্রং চ কমনডুলং চ দণ্ড চ বিভদ্বরদো অস্তু ।

ওঁ ব্রিং বৃহস্পতিয়ে নমঃ

আসন সমর্পণয়ামি , পাদ্যাং সমর্পণয়ামি ,অর্ঘ সমর্পণয়ামি , আচমনীয়ং সমর্পণয়ামি , স্নানং সমর্পণয়ামি , গন্ধং সমর্পণয়ামি , দীপং দর্শনয়ামি , ধুপং দর্শনয়ামি , নৈবেদ্য সমর্পণয়ামি , আচমনয়ায়ং সমর্পনয়ামি , দক্ষিনাং সমর্পণয়ামি , নমস্কারভি ।

তান্ত্রিক মন্ত্র ঃ

ওঁ গ্রাং গ্রীং গ্রৌং স গুরুবে নমঃ

গায়ত্রী মন্ত্র ঃ

ওঁ আংগিরসায় বিদ্মহে দিব্যদেহায় ধীমহি তন্ন জীব প্রচদয়াত ।

প্রার্থনা মন্ত্র ঃ

দেবমন্ত্রী বিশালাক্ষঃ সদা লোকহিতেরতঃ ,অনেক শিষৈঃ সমপ্রনঃ পীড়াং দহতু মে গুরু ।

নমস্কার মন্ত্র ঃ

দেবানাং চ ঋষিনাং চ গুরুকাঞ্চন সন্নিভাম । বুদ্ধিভুতং ত্রিলকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম ।

৬) শুক্র -:-
•মূল - রামবাসকের মূল।
•ধাতু - প্লাটিনাম।
•রত্ন ও পাথর - I) হীরা, ii) জারকোন্, iii) ওপাল।

৭)শনিদেব -:-
•মূল - শ্বেতবেড়ালার মূল।
•ধাতু - লোহা।
•রত্ন ও পাথর - I) নীলা, ii) এমিথিস্ট, iii) নীল টোপাজ, IV) তানজানাইট।

৮) রাহু -:-
•মূল - শ্বেত চন্দনের মূল।
•ধাতু - i) লোহা , ii) স্টীল।
•রত্ন - গোমেদ।

৯)কেতু -:-
•মূল - অশ্ব গন্ধার মূল।
•ধাতু - স্টীল।
•রত্ন - I) ক‍্যাটস্ আই, ii) টাইগার আই।



রবিবার হল নবগ্রহের প্রধান গ্রহ রবির জন্য নির্দিষ্ট দিন। এইদিন তো বটেই, অন্যান্য দিনেও সূর্যের উপাসনা করলে জীবনে প্রভূত উন্নতির সম্ভাবনা।
নবগ্রহের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল রবি অথবা সূর্য। ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী রবি-র অবস্থান যদি ঠিক না হয়, তবে হাজার পরিশ্রমেও জাতকের জীবনে উন্নতি করা কঠিন হয়ে পড়ে। যশ, খ্যাতি ইত্যাদি কোনও কিছুই আসে না। রবি সু-অবস্থানে থাকলে পেশাগত জীবনে প্রভূত উন্নতির সম্ভাবনা থাকে, তাই যাঁদের কুণ্ডলীতে রবি ভাল অবস্থানে থাকে না তাঁরা নানা ধরনের মানসিক অশান্তি এবং নেতিবাচক মনোভাবের শিকার হন। এছাড়া জীবনে তাঁদের অন্যদের হাতে বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত হতে হয়।

হিন্দুশাস্ত্র মতে, এই ৬টি আচার পালন করলে অত্যন্ত প্রসন্ন হন সূর্যদেব—

১. প্রতিদিন সকালে সূর্যোদয়ের আগে স্নান করে শুদ্ধ হয়ে সূর্যপ্রণাম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সূর্যপ্রণাম যোগাভ্যাস করা সকলের পক্ষে সম্ভব নয়। তা সম্ভব না হলেও সূর্যমন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে গঙ্গাজল বা পরিস্রুত জল সূর্যদেবতাকে নিবেদন করলে তা মঙ্গল।
২. গুড় সূর্যদেবতার প্রিয় তাই প্রতিদিন সকালে সূর্য উপাসনার সময় গুড় প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করলে এবং ক্ষুধার্ত বা দরিদ্র মানুষকে রবিবার দিন গুড় ও ছোলাভাজা দান করলে প্রসন্ন হন সূর্যদেব।

৩. এছাড়া মহাদেবের উপাসনার সময়েও লাল ফুল (জবা নয়) দিয়ে তাঁর পুজো করলে ভাল।
৪. রবিবার দিন উপোস করলেও সন্তুষ্ট হন সূর্যদেব।

৫. যে কোনও একটি রবিবার দরিদ্রকে লাল কাপড় দান করলে জীবনে রবির সুপ্রভাব বৃদ্ধি পায় ও কুপ্রভাব কাটতে থাকে। লাল হল সূর্যের পছন্দের রং।

৬. সূর্যদেব দান-ধ্যান পছন্দ করেন। তাই যে কোনও রবিবার সাধ্যের মধ্যে তামা অথবা স্বর্ণ দান করলে অত্যন্ত প্রসন্ন হন সূর্য।
৭)সূর্যের বীজ মন্ত্র : ঔঁ হ্রীং হ্রীং সূর্যায়
১০০বার সকাল ৬.০৪ মিঃ এ পূর্ব দিকে মুখ করে সূর্য দেব কে দেখে জপ করবে‌

জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, পারিবারিক ও আর্থিক বিষয় ছাড়াও শারীরিক ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে ৯টি গ্রহ৷ রবি থেকে কেতু, এই ৯টি গ্রহ শরীরের বিশেষ বিশেষ অংশে প্রভাব ফেলে৷

আসুন জেনে নেওয়া যাক শরীরের কোন অঙ্গে কোন গ্রহ প্রভাব ফেলে৷১. রবি: এই গ্রহের স্থান মাথা ও মুখ৷ রবি বিরুদ্ধ হলে মাথা ও মুখের কোনও অংশে অসুখ হতে পারে৷ মুখে বা মাথায় আঘাত লাগতে পারে৷ যদি রবি অনুকূলে থাকে তাহলে মাথা বা মুখের কোনও অংশে অসুখ হলে বা আঘাত লাগলে, তা তাড়াতাড়ি সেড়ে যায়৷

২. চন্দ্র: এই গ্রহের স্থান গলা ও বুক৷ চন্দ্র বিরুদ্ধ হলে সবসময় সর্দিকাশি, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের কোনও অসুখ,হৃদরোগ এমনকি যক্ষাও হতে পারে৷ চন্দ্র অনুকূলে থাকলে শ্লেষ্মাজাতীয় অসুখ বা হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই৷

৩. মঙ্গল: এই গ্রহের স্থান পেট ও পিঠ৷তাই মঙ্গল বিরুদ্ধ থাকলে পেটের ও পিঠের কোনও স্থানে অসুখ হতে পারে৷শিরদাঁড়ায় আঘাত লাগা, হাড় ভাঙা, শিরা ছিঁড়ে যাওয়া, অযথা অতিরিক্ত রক্তপাত, রক্তদূষন, রক্তশূন্যতা, আগুনে পুড়ে যাওয়া, যে কোনও ধরনের অস্ত্রপ্রচার হতে পারে৷মঙ্গল শুভ ফলদায়ক হলে এই ধরনের আঘাত লাগা বা দুর্ঘটনা থেকে দূরে থাকা যায়৷

৪. শনি: এই গ্রহের স্থান পা৷তাই শনি বিরুদ্ধ  থাকলে পায়ে আঘাত লাগা, ব্যাথা বেদনা, রক্তপাত, দুর্ঘটনায় পা পর্যন্ত বাদ যেতে পারে৷এছাড়া শিরা-উপশিরা সংক্রান্ত সমস্যাও দেখা দিতে পারে৷

৫. রাহু : রাহুর বিরুদ্ধতায় রবি, চন্দ্র, মঙ্গল, শনি প্রভৃতির মতো সবরকম কষ্টভোগ করতে মানুষ বাধ্য হন৷

৬. কেতু: এই গ্রহের স্থান ত্বক৷তাই কেতু বিরুদ্ধ থাকলে নানারকম চর্মরোগ হতে পারে৷

৭.  বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র মানুষের মন, কানন, চিত্ত, বুদ্ধিতে আধিপত্য করে থাকে৷তাই এইসব গ্রহ বিরুদ্ধ হলে মনের অস্থিরতা, চিত্ত চাঞ্চল্য, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে৷এইসব গ্রহ শুভ ফলদায়ক হলে মানসিক শক্তি, বুদ্ধি, ধৈর্য্য,সহ্য বৃদ্ধি পায়৷

৮. অশুভ কেতু ও মঙ্গলের যোগ হলে দুরারোগ্য ব্যাধি, দুষ্টক্ষত এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে৷

৯. অশুভ কেতু ও মঙ্গল যোগে পিত্তঘটিত রোগের আশঙ্কা থাকে৷




Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191212214205

Thursday, December 12th, 2019

Astro Research Centre

কণ্টক শনি, অষ্টম শনি, শনির ঢাইয়া, শনির সাড়েসাতি, শনির গোচর, শনির মহাদশা, অন্তরদশা, কালচক্র ও যোগিনী দশা

কণ্টক শনি, অষ্টম শনি, শনির ঢাইয়া, শনির সাড়েসাতি, শনির গোচর, শনির মহাদশা, অন্তরদশা, কালচক্র ও যোগিনী দশা

কণ্টক শনি, অষ্টম শনি, শনির ঢাইয়া, শনির সাড়েসাতি, শনির গোচর, শনির মহাদশা, অন্তরদশা, কালচক্র ও যোগিনী দশা

দয়া করে কেউ কপি করবেন না

মিথুন ও তুলা রাশির শনির ঢাইয়া শুরু হবে
শনির ঢাইয়াঃ-

জন্মরাশি থেকে গোচরকালীন শনি যখন চতুর্থে বা অষ্টমে এসে উপস্তিত হয় তখন এই আড়াই বছর শনির উক্ত রাশিতে অবস্থানকে ঢাইয়া বলা হয়।

কণ্টক শনি: জন্ম কালীন চন্দ্রের চতুথ 4 স্হানকে বলা হয়

অষ্টম শনি : জন্ম কালীন চন্দ্রের অষ্টম স্হানকে বলা হয়

শনি যদি জন্মছকে পিড়ীত হয় তবেই অশুভ ফল দেখা দিয়ে থাকে। পিড়ীত না হলে শুভফল দিয়ে থাকেন।
এই সময়কালে নতূন কোনো কাজ আরম্ভ করা উচিত নয়।এই সময় পারিবারিক, আর্থিক,মানষিক,শিক্ষাক্ষেএে ও স্বাস্থ্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।
এই সময় মানুষকে সৎ থেকে এবং ভাবনা চিন্তা করে ডিশিশান নেওয়া উচিত এবং কোনোরকম আলস্য না করে নিজের কর্ম করে যাওয়া দরকার।

***প্রতিকার ***

মাষকলাইয়ের ডাল দান

দরিদ্র মানুষকে কালো মাষকলাইয়ের ডাল দান করুন এবং প্রবাহিত নদীতে কিছু ভাসিয়ে দিন|

সরিষা তেল

একটি বাটিতে সরিষার তেলে আপনার ছায়া দেখুন এবং শনিবারে তেলটি দান করে শনি দেবতার অনুগ্রহ পান|

খিচুড়ি

শনি দেবতার অনুগ্রহ পেতে শনিবারে, চাল এবং কালো মাষকলাই ডালের খিচুড়ি খান এবং ওই দিন আমিষ খাবার এড়িয়ে চলুন|

উপবাস

যেসব লোকেরা সাড়েসাতি , শনি ধাইয়া, মহাদশা বা অন্তর্দশার প্রভাবে পড়েন তাদের শনিবারে উপবাস করা প্রয়োজন| শনিবার উপবাস পালনে মানুষের বাত, পৃষ্ঠবেদনা, পেশির সমস্যা দূর হয়| এছাড়াও এই উপবাস একজন ব্যক্তিকে আশাবাদী করে তোলে এবং মানসিক চাপ থেকে রেহাই দেয়|

তেল

প্রতি শনিবার, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীর ও নখের উপর তেল প্রয়োগ করুন| মাদক বা কোনো ধরনের আসক্তির ব্যবহার এড়িয়ে চলুন|

কালোও নীল রং পরুন

কালোও নীল শনি দেবের পছন্দের রং| সুতরাং, শনিবার কালো পরুন যদি আপনি শনি গ্রহর দ্বারা বিচলিত থাকেন এবং তাঁর অনুগ্রহ চান|

শনি ট্রানজিট 2020

According to Saturn Transit 2020, the planet of justice, Saturn will transit from Sagittarius to its own Zodiac Sign Capricorn on 24th January 2020 at 12:05 PM


মিথুন ও তুলা রাশির জাতক ও জাতিকার ঢাইয়া শুরু হবে

তুলার রাশির জাতকের সুফল প্রাপ্ত হবে

ক্রমশঃ চলবে

জয় মা তারা কিছু বাস্তু নিয়ম মেনে চলুন ভাগ্য বদলে যেতে পারে ভিডিও টা দেখুন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191212210525

Friday, October 4th, 2019

Astro Research Centre

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন  বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

নবরাত্রি ও দূর্গা পূজা উৎসব আমরা পর পর পালন করে থাকি|দুর্গাপূজা নবরাত্রির ষষ্ঠ দিনে শুরু হয়|এবং এই দিনটিকে দুর্গা ষষ্ঠী বা মহাষষ্ঠী বলা হয়| এই দিনে দেবী দুর্গা কৈলাশের যাত্রা শেষ করে মর্তে আগমন করেন|ষষ্ঠী পূজার কিছু আকর্ষণীয় ধর্মীয় আচার রয়েছে|অনেক নারী দুর্গা ষষ্ঠীর দিনে একটি বিশেষ পূজা করে থাকেন|

দুর্গাপূজার ধর্মানুষ্ঠান
ষষ্ঠী হল কোনো চান্দ্র মাসের ষষ্ঠ দিন|এই দিন বংশধরদের কল্যাণে কামনায় নিবেদিত করা হয়|মায়েরা দুর্গা পূজার সময় তাদের সন্তানদের জন্য ষষ্ঠী পুজো করে থাকেন| যদিও ষষ্ঠী প্রতি মাসে একবার আসে, তবুও কোনো কোনো ষষ্ঠী বেশ গুরুত্বপূর্ণ| উদাহরণস্বরূপ, নীল ষষ্ঠীর দিনে সন্তানের কল্যাণের জন্য শিব ঠাকুর কে পুজো করা হয়ে থাকে| জামাই ষষ্ঠী জামাতার কল্যাণে নিবেদিত|

একইভাবে,দূর্গা ষষ্ঠী মায়েদের কাছে একটি বিশেষ দিন যেদিন তারা সন্তানের কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করে থাকেন| দেবী দুর্গাকে যেহেতু মহাবিশ্বের মাতা বলে ধারণা করা হয়, তাই দূর্গা ষষ্ঠী মায়েদের জন্য একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে|এই দিনে, মায়েরা উপোষ করেন বা নির্দিষ্ট সীমিত খাবার খেয়ে থাকেন| তারা 'অঞ্জলি' দিয়ে থাকেন এবং তাদের সন্তানের সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করে থাকেন|
দিন শুরু হয় দেবীর মুখ উন্মোচন করে|তারপর দুর্গাপূজার বোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়|এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে দুর্গাপূজা পূর্ণ আড়ম্বর ও জাঁকজমকের সঙ্গে শুরু হয়| মহিলারা যাদের সন্তান আছে উপোষ করে থাকেন এবং পরে নতুন শাড়ী পরে 'অঞ্জলি' দিয়ে থাকেন|এই বিশেষ দিনে আমিষ খাদ্য ও চাল খাওয়া থেকে তারা বিরত থাকেন|

দশ হাতে দশটি অস্ত্র এর অর্থ

ত্রিশূল: মহামায়ার হাতে ত্রিশূল তুলে দিয়েছিলেন মহাদেব৷ শোনা যায়, ত্রিশূলের তিনটি ফলার আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। মানুষ তিনটি গুণ, তমঃ, রজঃ ও সত্যকে ব্যাখ্যা করে এই তিন ফলা৷

গদা: যমরাজ দিয়েছিলেন দিলেন কালদণ্ড বা গদা৷ যা আনুগত্য, ভালবাসা এবং ভক্তির প্রতীক।

বজ্রাস্ত্র: দেবরাজ ইন্দ্র দিয়েছিলেন বজ্রাস্ত্র৷ মায়ের হাতের এই অস্ত্র দৃঢ়তা এবং সংহতির প্রতীক।

সাপ: শেষ নাগ দিয়েছিলেন নাগহার৷ বিশুদ্ধ চেতনার প্রতীক হল এই সাপ।

অগ্নি: অগ্নিদেব দিয়েছিলেন এই অস্ত্র৷ জ্ঞান এবং বিদ্যার প্রতীক এই অগ্নি।

শঙ্খ: বরুণ দিয়েছিলেন শঙ্খ৷ যা জীব জগতে প্রাণের সৃষ্টি করে।

চক্র: মায়ের হাতে চক্র তুলে দিয়েছিলেন বিষ্ণু৷ যার অর্থ হল সমস্ত সৃষ্টি ও জগতের কেন্দ্রে অধিষ্ঠান রয়েছেন দেবী দুর্গা।

[সিংহ নয়, পুরাণ মতে মা দুর্গার বাহন এরাই]

তির-ধনুক: বায়ু দিয়েছিলেন ধনুক ও তির৷ উভয়ই ইতিবাচক শক্তির প্রতিক৷

পদ্ম: দেবীর হাতে ব্রহ্মা তুলে দেন পদ্ম৷ পাঁকে জন্মায় পদ্ম। কিন্তু তবু সে কত সুন্দর। তেমনই মায়ের আশীর্বাদে যেন অন্ধকারের মধ্যেও আলোর আবির্ভাব হয় সেই বার্তাই দেয় পদ্ম ফুল।

দেবী দুর্গার দশ হাতের দশটি অস্ত্র
(বামদিকের পাঁচ হাতের অস্ত্র:-)
১. ত্রিশূল,
২. খড়গ,
৩. চক্র,
৪. বাণ,
৫. শক্তি নামক অস্ত্র।
(ডানদিকের পাঁচ হাতের অস্ত্র:-)
৬. শঙ্খ,
৭. খেটক (ঢাল),
৮. ঘন্টা,
৯. অঙ্কুশ,
১০. পাশ।

দুর্গা আগমনীর পথে। বছর ঘুরে আবার নিজের বাপের বাড়ি ফিরছে মা। তাই আনন্দে মাতোহারা সকলেই। কাশ ও শিউলি ফুলে সেজে উঠেছে চারিদিক। উঠবে ঢাক ও কাঁসর ধ্বনির রব। প্রান প্রতিষ্ঠা হবে মা দুর্গার দেহে, মৃন্ময়ী মা ধীরে ধীরে চিন্ময়ী রূপ ধারন করবেন। আর মায়ের দশ হাত শোভা পাবে দশটি অস্ত্র। শঙ্খ, সাপ তীর-ধনুক, ত্রিশূলে সজ্জিত মা দুর্গার হাত। শোনা যায় এই সবকটি অস্ত্রের সাহায্যেই নাকি অসুর নিধন করেছিলেন মা দুর্গা। তবে শুধু তাই নয়, মায়ের দশ হাতের দশটি অস্ত্রই আলাদা আলাদা অর্থ বহন করে। জানেন কোন অস্ত্র ঠিক কি অর্থ বহন করে? কেনই বা এই অস্ত্রগুলি থাকে মায়ের হাতে? তবে আসুন তা জেনে নেওয়া যাক।
শঙ্খ-
শঙ্খ হল সৃষ্টির প্রতীক। পুরাণ মতে শঙ্খ থেকে উৎপন্ন শব্দেই প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে আমাদের এই জীব জগতে। আর দেবী তো মা। তাই তিনিই সমস্ত পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। সেজন্যই মা দুর্গার হাতে শঙ্খ থাকে।
চক্র-
চক্র অর্থাৎ আবর্তন। দেবী দুর্গার হাতে চক্র থাকার অর্থ হল সমস্ত সৃষ্টির কেন্দ্রে রয়েছেন মা। তাই তাঁকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়ে চলেছে সমস্ত বিশ্ব।
পদ্ম-
দেবীর হাতের পদ্ম অসাধারন বার্তা দেয় সমাজকে। পাঁকের মধ্যে জন্মানো সত্ত্বেও পদ্মের রূপ মুগ্ধ করে সকলকে। তাই মায়ের হাতে পদ্ম থাকার অর্থ হল, মায়ের আশীর্বাদে যেন অসুরকূলও তাঁদের ভিতরের অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়।
তলোয়ার বা খড়্গ -
খড়্গ বা তলোয়ারের ধার আসলে মানুষের মগজাস্ত্রের বুদ্ধির ধার। আর এই ধার দিয়েই যাতে সমাজের সমস্ত বৈষম্য ও অশুভকে মানুষ জয় করতে পারে। সেই বার্তাই বহন করেন মা দুর্গার হাতের খড়্গ বা তলোয়ার।
তীর-ধনুক-
মনুষ্য শরীরের ভিতরে যে অন্তর্নিহিত শক্তি রয়েছে তারই প্রকাশ ঘটে ধনুর টঙ্কারে। আর এই ধনু টঙ্কারের সঙ্গে জুড়ে থাকে তীর যা এই ধনুর টঙ্কারে প্রকাশিত শক্তির ভারকে বহন করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানে। মানব দেহে সেই শক্তির সঞ্চার করতেই মা দুর্গা নিজের হাতে তীর-ধনুক বহন করেন।
ত্রিশূল-
ত্রিশূলের তিনটি তীক্ষ্ণ ফলার তিনটি ফলার তিনটি আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। মানুষ তিনটি গুনের সমন্বয়ে তৈরি। যেগুলি হল- তমঃ, রজঃ, এবং সত্ত্ব। এই তিনটি গুণকেই নির্দেশ করে ত্রিশূলের তিনটি ফলা।
দণ্ড বা গদা-
দণ্ড হল আনুগত্য, ভালোবাসা, এবং ভক্তির প্রতীক।
বজ্র বা অশনি-
মা দুর্গার হাতের অশনি দৃঢ়তা এবং সংহতির প্রতীক। এই দুই গুণের মাধ্যমেই জীবনে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হন মানুষ।
সাপ- চেতনার নিম্ন স্তর থেকে উচ্চ স্তরে প্রবেশ এবং বিশুদ্ধ চেতনার চিহ্ন এই সাপ।

অগ্নি- দেবীর এক হাতে থাকে অগ্নি। এই অগ্নি জ্ঞান এবং বিদ্যার প্রতীক।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি ক