Friday, January 24th, 2020

Astro Research Centre

মকর রাশিফল 2020বিস্তারিত ফল

মকর রাশিফল 2020বিস্তারিত ফল

মকর রাশিফল 2020বিস্তারিত ফল নিচে দিলাম

প্রারম্ভিক বিষয়

আমি আপনাদের জন্য রাশিফল ২০২০ (Bengali Rashifal) নিয়ে এসেছি যেখানে আপনি আপনার অর্থ, ব্যবসা, ক্যারিয়ার, শিক্ষা এবং পারিবারিক জীবনের সাথে সম্পর্কিত আপনার ভবিষ্যতের ঘটনাগুলি জানতে পারবেন।

এই সময়কালে গ্রহগুলির প্রধানগোচর শনি এবং বৃহস্পতির জন্য ঘটে কারণ উভয়ই খুব ধীর গতিময় গ্রহ এবং আমাদের জীবনের প্রতিটি ঘটনাকে প্রভাবিত করে।
এই দুটি গ্রহের প্রভাব ব্যতীত আপনার জীবনে কোনও বড় ঘটনা ঘটবে না। ২০২০ সালের 24 জানুয়ারি বা এই বছরের শুরুতে শনি ধনু থেকে মকর রাশিতে গোচর করবে মকর । পরবর্তীতে, এটি 11 মে, ২০২০ থেকে 29শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ এর মধ্যে বিপরীতমুখী গমন করবে।
22শে মার্চ, 2020 সালে বৃহস্পতিটি প্রত্যাবর্তন গতিতে মকর রাশিতে চলে যাবে এবং তারপরে আবারও এর গোচর ধনু রাশিতে 30 শে জুন, ২০২০ হবে। মে 14, 2020 থেকে 13 সেপ্টেম্বর, 2020 এটি প্রত্যাবর্তন করবে।

সতর্কতা

মকর রাশির প্রেমিক প্রেমিকাদের সাথে সিংহ কন্যা কর্কট মীন কিংবা মিথুনের প্রেম থাকলে মানসিক দ্বন্দ্ব আর অশান্তি বাড়বে অতিমাত্রায়। জানুয়ারী ফেব্রুয়ারী আর মার্চ – এই তিনটে মাসে মনোমালিন্য এমন কি অনেকের প্রেমে বিচ্ছেদও আসতে পারে। নতুন প্রেমে যেমন বাধা, তেমনই কোন প্রেম হলেও ধোপে টিকিবে না।

বিবাহিত প্রেমিক প্রেমিকারা ভুগবেন নিদারুণ পারিবারিক অশান্তিতে।

মকর লগ্নের প্রেমিক প্রেমিকাদের পারিবারিক চাপ বা অশান্তি, সামাজিক বদনাম কিংবা একে অপরকে বিয়ে করা বা না করা নিয়ে দ্বন্দ্ব অথবা প্রায় দিনের প্রোগ্রামে মনোমালিন্য – এক কথায় কোন না কোন কারণে মানসিক শান্তি তো নষ্ট হবেই- দুশ্চিন্তা বাড়বে, ভাঙবে স্বাস্থ্য।

মকর রাশি 2020 অনুসারে, এই বছরের 24 শে জানুয়ারি শনি দেব আপনার রাশিতে প্রবেশ করবে এবং আপনার শক্তি বাড়িয়ে দেবে, কারণ শনি দেব স্বক্ষেত্রে অবস্হান করবে আপনার ব্যবসায়কে নতুন দিকে নির্দেশ দেবে এবং আপনাকে আপনার ক্ষেত্রে কাজ করতে বাধ্য করবে। অন্যদিকে, গুরু দেব বৃহস্পতি 30 শে মার্চ আপনার রাশিতে প্রবেশ করবেন এবং আপনার পঞ্চম, সপ্তম এবং নবম ঘরটি দেখবেন, যা আপনার পড়াশুনা, প্রেমের সম্পর্ক, সন্তান, বিবাহিত জীবন, ব্যবসা, উচ্চশিক্ষা, সম্মান এবং ভাগ্য বৃদ্ধি করবে.একই বৃহস্পতি দেব 14 ই মে প্রতিক্রিয়াশীল হবে এবং আবার 30 শে জুন ধনু রাশির দ্বাদশ ঘরে চলে যাবে, এটি আপনার ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে এবং কিছু স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। এর পরে, 13 ই সেপ্টেম্বর, আপনি 20 নভেম্বর আপনার নিজের রাশিতে যাবেন এবং আপনাকে অনুকূল প্রভাব দেবেন।রাহু সেপ্টেম্বর অবধি আপনার ষষ্ঠ ঘরে থাকবেন এবং আপনাকে আপনার বিরোধীদের বিরুদ্ধে জয় দেবেন। শত্রু দমন করবে এর পরে পঞ্চম ঘরে তাদের ট্রানজিট সন্তান এবং শিক্ষার জন্য সমস্যায় পূর্ণ হতে পারে। এই বছর আপনি অনেক ট্রিপ করবেন এবং সারা বছর ব্যস্ত থাকবেন। যাঁরা বিদেশ ভ্রমণের ইচ্ছা রেখেছেন, তাঁদের আকাঙ্ক্ষা এই বছর পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাশিচক্রের দশম রাশি হল মকর। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ হল শনি। এ রাশির জাতক জাতিকার ক্ষেত্রে এই বছর অনেকাংশে শুভ ফল দেবে। তবে এই বছরে মাঝে মধ্যেই কিছু শারীরিক ক্লেশ ও অভ্যন্তরীণ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২০২০ সাল এই রাশির জাতকদের পেশা, ক্যারিয়ার এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে ভালো ফলাফল আশা করতে পারেন। এই বছরটি অর্থনৈতিক দিকগুলির জন্য ভাগ্যবান হতে পারে না কারণ আপনার লগ্নের স্বামী এবং দ্বিতীয় ঘরের প্রভু শনি শনিবার আপনার আবাসে স্থাপন করা হবে 12 তম বাড়িতে, যা ব্যয়ের ঘর হিসেবে পরিচিত। আপনার পারিবারে মধ্যে একটি বিবাহ অনুষ্ঠান হতে পারে। আপনি ধর্মীয় কাজে অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন। যে কোনও ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগে আপনার অর্থ বিনিয়োগের আগে দুবার চিন্তা করা উচিত। বছরের শুরুতে, আপনার লগ্ন ঘরে একটি সমস্যা তৈরি হতে পারে এর ফলে আপনাকে আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার জন্য ইঙ্গিত দেয়। একাদশ ঘরের স্বামী মঙ্গল মঙ্গলও একাদশ ঘরে উপস্থিত থাকবে এবং ষষ্ঠ ঘরে রাহুর আরও একটি ভাল সংমিশ্রণ আপনাকে ক্যারিয়ারে অনুকূল ফল দেবে।
রাশিফল ২০২০ অনুসারে বৈদেশিক বাণিজ্য ও সম্পর্কের জন্য এই বছরটি অত্যন্ত শুভ। মার্চ থেকে মে মাসে আপনার কেরিয়ার উন্নতি হবে। আপনি এই সময়ের মধ্যে পদোন্নতি পেতে পারেন। মকর রাশিফল ২০২০ অনুসারে, এই রাশির শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল পেতে পারে। আপনি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করতে পারেন এবং নিয়োগ পেতে পারেন। আপনি আপনার পরিবারের জন্য জানুয়ারী মাসে এবং বছরের মাঝামাঝি সময়ে কিছু বিলাসবহুল পণ্য কিনতে পারেন। রাহু একবার সেপ্টেম্বর মাসে মিথুন থেকে বৃষ রাশিতে অবস্থান পরিবর্তন করলে তা আপনার জন্য বিশেষ লাভ দায়ক হবে, আপনি যথেষ্ট সম্পদ অর্জন করতে পারবেন। আপনি যদি বিবাহিত না হন এবং বিবাহ করতে ইচ্ছুক হন, তবে এই বছর আপনি বিবাহ সম্পন্ন করতে পারেন। আপনি যদি কাউকে প্রেম প্রস্তাব দিতে চান তবে তা করার জন্য এটি আদর্শ সময়।

আর্থিক দিক দিয়ে এ বছরটা আপনার খুব একটা ভালো যাবে না। চাকুরিজীবীরা প্রোমোশন পেতে পারেন। প্রেমের সম্পর্কে খুব একটা কিছু উন্নতি দেখা দেবে না। উদরবীড়ায় কষ্ট পেতে পারেন। সাদা, সবুজ ও হলুদ রঙ আপনার জন্য শুভ।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200124171227

Thursday, January 23rd, 2020

Astro Research Centre

সরস্বতী পূজা-পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, স্তব ও প্রার্থনা মন্ত্র

সরস্বতী পূজা-পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, স্তব ও প্রার্থনা মন্ত্র

সরস্বতী পূজা-পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, স্তব ও প্রার্থনা মন্ত্র

সরস্বতী পূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি অন্যতম প্রচলিত পূজা। সরস্বতী দেবীকে শিক্ষা, সংগীত ও শিল্পকলার দেবী ও আশীর্বাদাত্রী মনে করা হয়। বাংলা মাঘ মাসের ৫মী তিথিতে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা, সংগীত ও শিল্পকলায় সফলতার আশায় শিক্ষার্থীরা দেবীর পূজা করে থাকে।

বাকদেবী, বিরাজ, সারদা, ব্রাহ্মী, শতরূপা, মহাশ্বেতা, পৃথুধর, বকেশ্বরী সহ আরো অনেক নামেই দেবী ভক্তের হৃদয়ে বিরাক করে।
পুরাণ অনুযায়ী দেবী সরস্বতী ব্রহ্মের মুখ থেকে উথ্থান। দেবীর সকল সৌন্দর্য্য ও দীপ্তির উৎস মূলত ব্রহ্মা। পঞ্চ মস্তকধারী দেবী ব্রহ্মা এক স্বকীয় নিদর্শন।

পূজার জন্য দেবী সরস্বতীর মূর্তি শ্বেত বস্র পরিধান করে থাকে যা পবিত্রতার নিদর্শন। দেবীর আসন কে পুষ্পশোভামন্ডিত করে রাখা হয়। পরিবারের সকল সদস্য খুব ভোরে স্নান শেষে পরিস্কার বস্র পরিধান করে দেবীর সামনে অবস্থান করে থাকে। পুরোহিত পূজা শুরু করবার আগ পর্যন্ত দেবীর মুখমন্ডল ঢাকা থাকে। পূজার অর্ঘ্যর পাশাপাশি দেবীর পূজার অারেকটি প্রধান অংশ ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তক। সরস্বতী পূজার একটি বিশেষ অর্য্য হল পলাশ ফুল। দেবীর অঞ্জলীর জন্য এটি একটি অত্যবশ্যকীয় উপাদান।

পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্র
=================
ওঁ জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।
নমঃভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈ নমো নমঃ।
বেদ-বেদাঙ্গ-বেদান্ত-বিদ্যা-স্থানেভ্য এব চ।।
এস স-চন্দন পুষ্পবিল্ব পত্রাঞ্জলি সরস্বতৈ নমঃ।।

প্রনাম মন্ত্র
=======
নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।।
জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।

সরস্বতীর স্তব
=======
শ্বেতপদ্মাসনা দেবী শ্বেত পুষ্পোপশোভিতা।
শ্বেতাম্ভরধরা নিত্যা শ্বেতাগন্ধানুলেপনা।।
শ্বেতাক্ষসূত্রহস্তা চ শ্বেতচন্দনচর্চ্চিতা।
শ্বেতবীণাধরা শুভ্রা শ্বেতালঙ্কারব‌ভূষিতা
বন্দিতা সিদ্ধগন্ধর্ব্বৈর্চ্চিতা দেবদানবৈঃ।
পূঝিতা মুনিভি: সর্ব্বৈঋষিভিঃ স্তূয়তে সদা।।
স্তোত্রেণানেন তাং দেবীং জগদ্ধাত্রীং সরস্বতীম্।
যে স্মরতি ত্রিসন্ধ্যায়ং সর্ব্বাং বিদ্যাং লভন্তি তে।।

সরস্বতী ও নীল সরস্বতী পূজার মন্ত্র ও জপ কবচম্

মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথি। এই শুভ দিনে আমরা বিদ্যার অধিষ্টাত্রী দেবী সরস্বতীর বন্দনা করি। তিনি আমাদের বিদ্যা ও জ্ঞাণ প্রদান করেন।
যাদের বিদ্যায় বার বার বাধা আসছে অথবা যারা বিশেষ স্থানাধীকার করতে আগ্রহী তারা এই শুভ দিনে সরস্বতীপূজার সাথে সাথে "নীল সরস্বতী"র আরাধনা করতে পারেন। "নীল সরস্বতীর কবচ" এবং চারমুখী রুদ্রাক্ষ ও ধারণ করতে পারেন। অথবা "সরস্বতী যন্ত্র" বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।
সকালে স্নান সেরে সাদা বস্ত্র পরে এইভাবে ক্রম অনুযায়ী আরাধনা করতে হবে।

সরস্বতীর বন্দনাঃ
যা কুন্দেনু তুষার হার ধবলা যা শুভ্রবস্ত্রাবৃতা
যা বীণা বরদণ্ডমণ্ডিত করা যা শ্বেত পদ্মাসনা।
যা ব্রহ্মাচ্যুতশংকর প্রভৃতির্দেবৈঃ সদাবন্দিতা
সা মাং পাতুসরস্বতী ভগবতী নিঃশেষ জাড্যাপহাম্॥১॥

শুক্লাং ব্রহ্ম বিচার সার পরমাদ্যাং জগদ্ব্যাপিনীম্
বীণা পুষ্পক ধারিণীমভয়দাম্ জাড্যান্ধকারাপহাম।
হস্তে স্ফটিক মালিকাম্ বিদধতীম্ পদ্মাসনে সংস্থিতাম্
বন্দে ত্বাং পরমেশ্বরীম্ ভগবতীম্ বুদ্ধিপ্রদাম্ সারদাম্॥২॥

সরস্বতীর ধ্যানঃ
ওঁ সরস্বতী ময়া দৃষ্টবা, বীণা পুস্তক ধারণীম্।
হংস বাহিনী সমাযুক্তা মা বিদ্যা দান করেতু মে ওঁ।।

প্রকারান্তর

সরস্বতীর ধ্যান
…………………………
তরুণশকলমিন্দোর্বিভ্রতী শুভ্রকান্তিঃ
কুচভরনমিতাঙ্গী সন্নিষন্না সিতাব্জে ।
নিজকরকমলোদ্যল্লেখনীপুস্তকশ্রীঃ
সকলবিভবসিন্ধ্যৈ পাতু বাগদেবতা নঃ ।।

এর অর্থ- চন্দ্রের তরুণ অংশের ন্যায় যাঁর কান্তি শুভ্র, যিনি কুচভরে অবনতাঙ্গী, যিনি শ্বেত পদ্মাস্থনা , যাঁর নিজ কর কমলে উদ্যত লেখনী ও পুস্তক শোভিত , সকল ঐশ্বর্য সিদ্ধির নিমিত্ত সেই বাগদেবী আমাদিগকে রক্ষা করুন ।

সরস্বতীর জপ মন্ত্রঃ
ওঁ বদ্ বদ্ বাগ্বাদিনি স্বাহা।

সরস্বতীর প্রনাম
……………………………

সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।।

অঞ্জলিঃ
ভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈ নমো নমঃ ।
বেদ –বেদাঙ্গ বেদান্তবিদ্যাস্থানেভ্য এব চ ।।

জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।

এর অর্থ- সরস্বতী দেবী মহাভাগ, কমলের ন্যায় লোচনা দেবী , বিশালাক্ষী বিদ্যা দায়িনী দেবীকে নমস্কার । ভদ্রকালিকে ( মঙ্গলময়ী ভগবতী ) কে নিত্য নমস্কার , দেবী সরস্বতীকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার এবং বেদ বেদাঙ্গ বিদ্যা স্থানকে নমস্কার । কুচ যুগ শোভিতা মুক্তাহার পরিহিতা যিনি বীনা পুস্তক ধারন করে থাকেন সেই ভগবতী ভারতী কে নমস্কার ।

বেদে সরস্বতী নদী জ্যোতিরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। সরস্বতী নদীর তীরে বসে যে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারিত হোতো- সেটা লেখা আছে । বেদের সরস্বতীর ত্রয়ী মূর্তি। ভূঃ বা ভূলোকে ইলা, ভুবঃ বা অন্তরীক্ষে লোক সরস্বতী, এবং স্বর্ বা স্বর্গলোকে ভারতী। ভূ র্ভুবঃ স্বঃ – এই তিনে মিলে সামগ্রিক জগত । ভূলোকে অগ্নি, অন্তরীক্ষ লোকে হিরণ্য দ্যুতি ইন্দ্র এবং স্ব- লোকে সূর্য – এই তিনের যে জ্যোতি রাশি – তাঁহা সরস্বতীর জ্যোতি। জ্ঞানময়ী বা চিন্ময়ী রূপে তিনি সর্বত্র , সর্ব ব্যাপিনী। তাঁর জ্যোতি সর্বত্র পরিব্যাপ্ত । শুধু এই ত্রিলোক নয় ঊর্ধ্ব সপ্ত লোক নিম্ন সপ্ত লোক পর্যন্ত চতুর্দশ ভুবনে স্তরে স্তরে সেই জ্যোতি বিরাজিতা। সেই জ্যোতি অজ্ঞান রূপী তমসা কে নিবারন করে। যোগী হৃদয়ে যখন সেই আলো জ্বলে – তখন সকল প্রকার অন্ধকার নাশ হয়

সরস্বতীর প্রণাম মন্ত্রঃ (বিদ্যারম্ভে প্রণাম মন্ত্র)
ওঁ সরস্বতী নমস্তুভ্যং বরদে কামরূপিণি।
বিদ্যারম্ভং করিষ্যামি সিদ্ধির্ভবন্তু মে সদা।।

সরস্বতী যন্ত্র -
এই যন্ত্র স্থাপন করলে বিদ্যায় অত্যন্ত শুভ ফল লাভ সম্ভব। নিদানপক্ষে যন্ত্রটি লাল কালিতে কাগজে লিখে বা প্রিন্ট করে পড়ার টেবিলে রাখলে বা বই-এর উপরে লাগিয়ে রাখলেও খানিক শুভ ফল পাওয়া যায়।


সরস্বতী কবচ - ধারণেও অত্যন্ত শুভ ফল লাভ হয়। তবে এক্ষেত্রে সাধকের সাহায্য নেওয়া উচিৎ।

এর পর নীল সরস্বতীর মন্ত্র জপ করতে হবে। দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী তাঁরা কে নীল সরস্বতী রূপে বন্দনা করা হয়।


নীল সরস্বতীর মূল মন্ত্রঃ
ঐং ওং হ্রীং স্ত্রীং হূং ফট্।

নীল সরস্বতীর মহামন্ত্রঃ
ওং হ্রীং শ্রীং হ্রীং ঐং হূং নীল সরস্বতী ফট্ স্বাহা।
বা ঐং হ্রীং ঐং হ্রীং সরস্বতৈ নমঃ।১১৮বার।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200123093639

Tuesday, January 21st, 2020

Astro Research Centre

জ্যোতিষ শাস্ত্র কোনো বিজ্ঞান নয়

জ্যোতিষ শাস্ত্র কোনো বিজ্ঞান নয়

জ্যোতিষ শাস্ত্র কোনো বিজ্ঞান নয়

কোষ্ঠী হল জন্মপত্রিকা। এতে নবজাতকের জন্মসময়ে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ও সঞ্চরণ অনুযায়ী তার সমগ্র জীবনের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। খ্রিস্টপূর্বকালে ভারতবর্ষে কোষ্ঠী গণনার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের পরে শাকদ্বীপ (পারস্য-কান্দাহার-সাইথিয়া-কাশ্মীরের উত্তরের দেশ) থেকে আগত জনগোষ্ঠী এ দেশে কোষ্ঠী গণনা পদ্ধতি প্রবর্তন করে বলে মনে করা হয়।

খ্রিস্টীয় ছয় শতকের ভারতীয় জ্যোতিষী বরাহমিহিরের গ্রন্থে কোষ্ঠীপদ্ধতির প্রথম পরিচয় পাওয়া যায়। তাই অনুমান করা হয়, এর দু-তিনশ বছর পূর্বে ভারতবর্ষে কোষ্ঠী গণনা শুরু হয়। কোষ্ঠী গণনা পাশ্চাত্যের অনেক দেশেও প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত আছে। কোষ্ঠী গণনার ক্ষেত্রে রাশি, গ্রহ ও লগ্ন তিনটি প্রধান বিষয়।

মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন – এই বারোটি রাশি

এবং রবি, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি, রাহু ও কেতু – এই নয়টি গ্রহকে একটি চক্র বা ছকে বারোটি প্রকোষ্ঠে এ রাশিগুলি দেখানো হয়। পরে পঞ্জিকা অনুযায়ী জাতকের জন্মকালে গ্রহগুলির রাশিভিত্তিক অবস্থান নির্ণয়পূর্বক উক্ত চক্র বা ছকে রাশি অনুযায়ী গ্রহগুলির নামের আদ্যক্ষর লেখা হয়। এরপর লগ্ন নির্ণয় করে লগ্নবোধক রাশিটিকে ‘লং’ শব্দ দ্বারা নির্দেশ করলেই জন্মপত্রিকা তৈরি হয়ে যায়।

কোষ্ঠী গণনার এই চক্র বা ছকের অঙ্কনপদ্ধতি সর্বত্র একরকম নয়। ভারতবর্ষেই তিন রকম এবং পাশ্চাত্যে অন্যরকম। দক্ষিণ ভারত ব্যতীত অন্য সব স্থানের চক্রের গতি বামাবর্তী। বঙ্গদেশ ও দক্ষিণ ভারতের রাশিচক্র স্থির -- মেষ রাশি থাকে সর্বদা শীর্ষদেশে এবং লগ্ন পরিবর্তনশীল। কিন্তু উত্তর ভারত ও পাশ্চাত্যে রাশিচক্র স্থির নয়, যে-কোনো স্থানে রাশি অবস্থান করতে পারে, তবে লগ্ন সর্বদাই একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। উত্তর ভারতের ছকে লগ্ন থাকে শীর্ষদেশে এবং পাশ্চাত্যে থাকে বাম পাশে।

প্রতিটি রাশির নির্দিষ্ট অধিপতি গ্রহ থাকে, যেমন মকর ও কুম্ভ রাশির অধিপতি শনি,

মীন ও ধনু রাশির বৃহস্পতি,

মেষ ও বৃশ্চিক রাশির মঙ্গল,

বৃষ ও তুলা রাশির শুক্র,

মিথুন ও কন্যা রাশির বুধ,

কর্কট রাশির চন্দ্র এবং সিংহ রাশির রবি।

লগ্ন হল সূর্য কর্তৃক মেষাদি রাশি সংক্রমণের মুহূর্ত, অর্থাৎ সূর্য যখন যে রাশিতে অবস্থান করে তখন লগ্নও হয় সে রাশির নামানুসারে। যেমন সূর্যের মেষ রাশিতে অবস্থানকালে যদি কারও জন্ম হয় তাহলে তার লগ্ন হবে মেষলগ্ন। লগ্নের মেয়াদ হল দুই ঘণ্টা, অর্থাৎ দুই ঘণ্টা পরপর লগ্ন পরিবর্তিত হয়

জ্যোতিষ শাস্ত্রে যে 9টি গ্রহের কথা উল্লেখ আছে তাদের সব কয়টি গ্রহ নয় যেমন
রবি, চন্দ্র, রাহু ও কেতু (ক্ৰমশঃ )

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 1500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200121104047

Friday, January 17th, 2020

Astro Research Centre

কর্কট রাশির 2020কেমন যাবে, ধন, স্বাস্থ্য, কর্ম, বিবাহ, বাণিজ্য, আয়, ব্যায়, কেরিয়ার,

কর্কট রাশির 2020কেমন যাবে, ধন, স্বাস্থ্য, কর্ম, বিবাহ, বাণিজ্য,  আয়, ব্যায়, কেরিয়ার,

কর্কট রাশির 2020কেমন যাবে, ধন, স্বাস্থ্য, কর্ম, বিবাহ, বাণিজ্য, আয়, ব্যায়, কেরিয়ার,

রাশিফল ২০২০ অনুসারে সালের সূচনা আপনার জন্য ভালো নাও হতে পারে কারণ ষষ্ঠ ঘরে সূর্যের প্রভাব, যেটি কিনা দ্বিতীয় ঘরটির স্বামী এবং এর সাথে দুটি ক্ষতিকারক গ্রহ ও সংলগ্ণিত থাকব। তবে এর ফলে আপনার আর্থিক জীবনে বিশেষ কোনো পরিবর্তন হবে না।

এই সময় আপনার হঠাৎ উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং আপনার অর্থের প্রবাহও ভাল হবে।
জুলাই-আগস্টের সময়, আপনি বিদেশী উত্স থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন তবে অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে অর্থ হারাতে পারেন।

অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত হিসাবে বছরের শেষার্ধটি ভাল।

ষষ্ঠ ঘরে কেতুর বাসস্থান আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
মার্চ-জুলাই মাসে অর্থের প্রবণতা সন্তোষজনক হবে। আপনার প্রচারের কারণে আপনার আয় বাড়তে পারে। আপনি যদি ব্যবসা করেন তবে বছরের দ্বিতীয়ার্ধটি অনুকূল হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে জুলাই-আগস্ট মাসগুলি অনুকূল হবে না। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, আপনি পছন্দসই ফলাফল পেতে পারেন। মার্চ মাসে আপনি কোনও গাড়ি বা জমি কিনতে পারেন।

বছরের শুরুতে আপনার আয় ভাল হবে। লর্ড ভেনাস, যিনি আপনার একাদশ বাড়ির শাসন করেন সপ্তম বাড়িতে অবস্থান করবে।

আপনার পরিবারে সন্তানের জন্মের সম্ভাবনাও রয়েছে। যেসকল কর্কট রাশির জাতক বিবাহের পরিকল্পনা করছেন তারা এই বছরের শেষের দিকে ইচ্ছা পূরণ করতে পারেন।

কর্কট রাশিফল 2020 এর অনুসারে ক্যারিয়ার

কর্কট রাশিফল 2020 এর অনুসারে কর্কট রাশির জাতকদের ক্যারিয়ার সামান্য শুভ হতে পারে। এই বছর, আপনি কোন নতুন চাকরীর সন্ধান করবেন এবং আপনি নিজের দক্ষতার শক্তিতে একটি বৃহত উদ্যোগের সাথে সংযুক্ত হতে পারেন, যার কারণে আপনি ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে ভাল সাফল্য পাবেন। বৃহস্পতিটি এপ্রিল থেকে জুলাই মধ্যে আপনার সপ্তম ঘরে শনির সাথে গোচর করবে, যা আপনার কাজ এবং ব্যবসায়ের জন্য মজবুত সময় হবে। এই সময়ে আপনি আপনার কাজ থেকে ভাল সুবিধা পাবেন এবং আপনার কর্মজীবনে আপনার অবস্থান শক্তিশালী হবে। আপনি যদি কোনও বন্ধুর সাথে ব্যবসা করে থাকেন তবে আপনি এই সময়ের মধ্যে আরও বেশি লাভ অর্জন করতে পারেন। এবং এই সময়টি ব্যাবসায়িক ভ্রমণের জন্য স্বাভাবিক। জানুয়ারী থেকে এপ্রিল এবং জুলাই থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে আপনি আপনার ব্যবসায়ের জন্য বিদেশে অনেক ভ্রমণ করতে পারেন যা আপনাকে ইতিবাচক ফলাফল দেয়। আপনি যদি কোনও চাকরীর সাথে যুক্ত থাকেন তবে এই সময়ে আপনি নিজের ইচ্ছানুযায়ী স্থানান্তরও করতে পারেন। সব মিলিয়ে বছরটি স্বাভাবিক হবে তবে আপনার অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণে আপনি খুশি হবেন।

কর্কট রাশি ঃ- ২০২০ সাল আপনার জন্য খুব ভালো কাটবে। গ্রহদের অবস্থান খুব ভালো জায়গায় থাকায় এই বছর আপনার ভাগ্যে অনেক অর্থ উপার্জনের যোগ রয়েছে। তাছাড়া আপনার সমস্ত আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে। আপনার জীবনে এমন কিছু সুযোগ আসতে চলেছে যার জন্য আপনি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যারা অবিবাহিত তাদের জীবনে মনের মানুষের আগমন ঘটবে। সব মিলিয়ে আপনার এই বছর এত ভালো যাবে যে বছরটি আপনার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রেম বিবাহ

প্রেম ও বিয়ে বলতে এঁদের কাছে শান্তির অন্য এক নাম। নিজের সঙ্গীর জন্য় আপনি সমস্ত কিছু করতে পারেন। সঙ্গী দুঃখ পেলেই আপনি অবসাদগ্রস্ত হয়ে যান। সঙ্গীকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবতেও পারবেন না আপনি।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200117155221

Thursday, January 16th, 2020

Astro Research Centre

বৃষ রাশি২০২০কেমন যাবে, শরীর, অর্থ, আয়, ব্যায়, বাণিজ্য, কর্ম, বিবাহ, শত্রু, রোগ, আঘাত

বৃষ রাশি২০২০কেমন যাবে, শরীর, অর্থ, আয়, ব্যায়, বাণিজ্য, কর্ম, বিবাহ, শত্রু, রোগ, আঘাত

বৃষ রাশি২০২০কেমন যাবে, শরীর, অর্থ, আয়, ব্যায়, বাণিজ্য, কর্ম, বিবাহ, শত্রু, রোগ, আঘাত

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

আপনার স্বাস্থ্য কিছুটা খারাপ হতে পারে। শারীরিক অসুস্থতা এড়ানোর জন্য আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আপনি পেশী এবং স্নায়ু সম্পর্কিত সমস্যা ভোগ করতে পারেন।

আপনার প্রেমের জীবন ভাল হবে এবং আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে ভাল বন্ধন বজায় রাখবেন। আপনি যদি বিয়ে করেন, তাহলে আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে আপনার ভাল সাদৃশ্য বা মিলমিশ বজায় থাকবে না।

সময় আপনার সন্তানদের জন্য খুবই সাধারণ মানের হবে। বছরের প্রথমার্ধ আপনার পারিবারিক জীবনের জন্য খুব বেশি অনুকূল নয় এবং এই সময়ের মধ্যে, আপনার বাবা-মায়েদের স্বাস্থ্য কিছুটা খারাপ হতে পারে।

সেপ্টেম্বর মাসের পর নক্ষত্ররা আপনাকে সাহায্য করতে শুরু করবে।

ছাত্র বা ছাত্রীদের জন্য এই বছরের ভালো হবে। তারা পছন্দসই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেতে পারেন।

সম্পদ লাভের ক্ষেত্রে আপনি কিছু বাধার সম্মুখীন হতে পারেন তাই আপনাকে এই সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, না হলে এটি আপনাকে আর্থিক সমস্যার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

যদিও, আপনি কর্ম ক্ষেত্রে পদোন্নতি লাভ করতে পারেন। বছরের পরবর্তী অংশে পরিস্থিতি আপনার পক্ষে থাকবে।

রাশিফল ২০২০ অনুসারে এই রাশির জাতকদের জন্য খুবই ভালো হবে। ভাগ্য আপনাকে অনুগ্রহ করবে আপনার নবম বাড়ির প্রভু শনি তার নিজের চিহ্নে মকর রাশিতে থাকবে। লাভ অপ্রত্যাশিত বা প্রত্যাশিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, উত্তরাধিকার বা কোনও হঠাৎ লাভ বা অবরুদ্ধ অর্থ মুক্তি পেতে পারে। এরপর সেপ্টেম্বরে রাহু মিথুন থেকে বৃষে পরিবর্তিত হলে অর্থের ক্ষেত্রে আপনাকে ভাল ফল দেওয়া শুরু করবে। আপনার স্বাস্থ্যের শুরুতে এবং এই বছর শেষের দিকে যত্ন নিন। কাঙ্ক্ষিত চাকরি পেতে আপনি কিছুটা অসুবিধার মুখোমুখি হতে পারেন বা কর্মক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি অসুবিধা দেখা দিতে পারে।
আপনার প্রত্যাশিত আয়ের বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বা আপনি ফেব্রুয়ারি মাসে পদোন্নতি পেতে পারেন। আপনি যদি নিজে ব্যবসা রে থাকেন তবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় অন্যথায় এক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। পরিশ্রম করে যারা কোনো পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এই বছরটি দুর্দান্ত হবে। ২০২০ সালের বেশিরভাগ মাসই শিক্ষার্থীদের পক্ষে উপযোগী। মার্চ-জুলাই মাসে বিবাহ অনুষ্ঠান আপনার পরিবারে কোনো বিবাহ অনুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বছরটি প্রেমের ক্ষেত্রে আপনার পক্ষে খুব ভাল হবে না বলে মনে হয়।

কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির যোগ রয়েছে। নতুন বছরে পরিস্থিতি আফনার পক্ষেই থাকবে। শিক্ষার্থীদের জন্য এই বছর অত্যন্ত শুভ। পেশী ও স্নায়ুর সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। নতুন বছরে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালোই থাকবে। বছরের প্রথম দিকে বাবা-মায়ের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে। আপনার নিজের স্বাস্থ্যের বিষয়েও যত্নবান হতে হবে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। নতুন বছরে সম্পদ লাভের সম্ভবনাও রয়েছে। তবে সম্পদ লাভের ক্ষেত্রে কিছু বাধার সৃষ্টি হতে পারে। নতুন বছরে আর্থিক সমস্যার দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি লাভের যোগও রয়েছে। বছরের প্রথমার্ধে সমস্যা দেখা দিলেও পরবর্তী ভাগে সমস্ত সমস্যা কেটে যাবে

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200116084427

Friday, January 3rd, 2020

Astro Research Centre

১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন রাশি রয়েছে। একইরকম ভাবে 27টি নক্ষত্রও রয়েছে,9টি গ্রহ যার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে। YEARLY RASHI FOL, মাস ফল, বর্ষ ফল, দৈনিক রাশি ফল

১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন রাশি রয়েছে। একইরকম ভাবে 27টি নক্ষত্রও রয়েছে,9টি গ্রহ  যার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে।   YEARLY RASHI FOL, মাস ফল, বর্ষ ফল,  দৈনিক রাশি ফল

YEARLY RASHI FOL 2020

Horoscope Astrology 2020, marriage, job, business, love, karma, ect

নতুন বছর জ্যোতিষে ১২টি রাশি-মেষ, বৃষভ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন রাশি রয়েছে। একইরকম ভাবে 27টি নক্ষত্রও রয়েছে,9টি গ্রহ যার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়ে থাকে।

YEARLY RASHI FOL, মাস ফল, বর্ষ ফল, দৈনিক রাশি ফল

Rashifal in Bengali, Horoscope for all Rashi 2020 Aries, Taurus, Gemini, Cancer, Leo, Virgo, Libra, Scorpio, Sagittarius, Capricorn, Aquarius, Pisces:

মেষ রাশি- Mesh রাশি 2020, Arise, আয়, ব্যায়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শরীর, রোগ, প্রেম বিবাহ, বাণিজ্য, কর্ম, ভ্রমণ, প্রতিকার, নিয়ে আলোচনা করলাম

আসন্ন বছরটি এই রাশির জন্য খুব শুভ। যারা ঋণ শোধ করতে চান তাদের প্রচেষ্টা সফল হবে।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, ২০২০ সালের প্রথমার্ধে নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে এই রাশির জাতকদের। তবে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে স্বাস্থ্য সমস্যা কাটিয়ে উঠবেন।

পাশাপাশি সম্পদ বৃদ্ধি বা সম্পদের প্রাপ্তির যোগও রয়েছে। তবে বছরের মাঝামাঝি সময়ে আপনাকে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। ব্যবসায়ের সঙ্গে যুক্তদের সমস্ত অর্থ-সম্পর্কিত লেন দেনে যাওয়ার আগে চিন্তা করা দরকার।

মেষ রাশির জাতকদের পিতা-মাতার স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা বাড়াবে। বাসস্থান পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। আত্মীয়দের সঙ্গে মনোমালিন্যের যোগ রয়েছে। এই বছর পরিবারে কোনও শুভ অনুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে

বিদেশ যাত্রার জন্য ইচ্ছুক লোকেদের ইচ্ছা এই বছর পূরণ হতে পারে আর উনি নিজের ঘর বানানোর সুযোগও পেতে পারেন। অর্থের ব্যাপারে চিন্তা করার দরকার এই বছর একদম নেই কেননা আপনার একাধিক উৎস থেকে উপার্জনের সম্ভবনা রয়েছে।

অফিস অথবা কর্মক্ষেত্রে জুনিয়ারের ওপরে অতিরিক্ত ভরসা করবেন না কারণ যদি আপনি এটা করেন তাহলে সে আপনার ভরসার অপব্যাবহার করে লুকিয়ে-লুকিয়ে আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে যার কারণে অফিসে আপনার মানসম্মানের ক্ষতি সহ্য করতে হতে পারে। সুতরাং আপনার কাজ অন্য কারও কাছে স্থগিত করবেন না এবং নিজের কাজ করার অভ্যাস তৈরি করবেন না।

বছর শুরু হওয়ার সাথে সাথে আপনি অর্থনৈতিক সুবিধা উপভোগ করবেন। ২০২০ সালের প্রথম মাসে প্রচুর অর্থের প্রবাহ হতে পারে আপনার জীবনে, ভাগ্য আপনার পক্ষে হবে এবং আপনি এর দুর্দান্ত আর্থিক দিকটি লালন করবেন।

আপনি আপনার চাকরী পরিবর্তন করতে পারেন এবং আরও ভাল একটি চাকুরী পেতে পারেন। আপনার আয় বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক লাভের আশা করতে পারেন। আপনি প্রাথমিকভাবে ধর্মীয় কাজে জড়িত থাকবেন এবং বছরের শুরুতে আপনার মন রহস্যময় এবং গুপ্ত বিজ্ঞানের দিকে ঝুঁকবে। আপনার বাবার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া দরকার। আপনার শিক্ষার ক্ষেত্রে আপনার দূরপাল্লার ভ্রমণ করতে হতে পারে। শিক্ষার উদ্দেশ্যে আপনি এই বছর বিদেশ যেতে পারেন।

এরপরে মেষ রাশিফল ২০২০ অনুসারে শনি মকর রাশিতে তার রাশি পরিবর্তন করে। আপনার ক্যারিয়ার ভাল এবং স্থিতিশীল হবে। আপনি সমাজের পাশাপাশি আপনার কর্মক্ষেত্রে উচ্চ মর্যাদা উপভোগ করবেন। তবে এই বছর আপনার বাবার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া দরকার। যারা সরকারী চাকরীর জন্য বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা এই বছর সাফল্য পেতে পারেন।

নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে আপনার বাড়িতে মঙ্গলিক কোনো কার্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভালবাসা এবং রোম্যান্সের জন্য এই বছরটি ভাল।

যদিও এই বছর মেষ রাশিদের কোনও উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তবুও অনেক সময় অতিরিক্ত ব্যয়, আপনার স্ট্রেসের কারণ হয়ে উঠতে পারে। আপনি আয়ের জন্য বেশ কয়েকটি নতুন উৎস খুঁজে আসতে পারে। মেষ রাশির জাতক-জাতিকারা তাদের চাকরি পরিবর্তন করলে তবেই আর্থিক প্রতিপত্তি বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন। আগস্ট থেকে অক্টোবরের সম্পত্তি প্রাপ্তি বা সম্পদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200103132722

Thursday, January 2nd, 2020

Astro Research Centre

ধনু রাশিফল ধনুরাশি Dhanu Rashi, sagittarius rashi sing 2020, 2021 in bengali transit সালের effect, fol, job, 2021 সালে ধনুরাশি, কর্ম, ব্যবসা, আয়, ভ্রমণ শুভ শত্রু, ব্যায়, বিবাহ, অশুভ

ধনু রাশিফল  ধনুরাশি  Dhanu Rashi, sagittarius rashi sing  2020, 2021  in bengali  transit সালের effect, fol, job,       2021 সালে ধনুরাশি, কর্ম, ব্যবসা, আয়, ভ্রমণ শুভ  শত্রু, ব্যায়, বিবাহ, অশুভ

ধনু রাশিফল ২০২০, 2020, 2021 সালের

ধনু চন্দ্র স্বাস্থ্য, ব্যবসা, শিক্ষা ও ভালোবাসার দিক ভালো ফলাফল আশা করতে পারে। আপনি অর্থনৈতিক লাভও উপভোগ করবেন।

শনি একবার আপনার দ্বিতীয় ঘরে অর্থাৎ মকর রাশিতে স্থানান্তরিত হলে, আপনার মনোযোগ আপনার অর্থ সাশ্রয়ের দিকে থাকবে। আপনি এই সময়ের মধ্যে আপনার বাড়ির সংস্কারও করতে পারেন। আপনি এই সময়কালে আপনার সম্পত্তি ক্রয় বা বিক্রয় করতে পারেন।

এপ্রিল-মে এবং আগস্ট মাসে সাবধানতা অবলম্বন করুন। ক্যারিয়ারের দিক থেকে দুর্দান্ত ফলাফলগুলি আপনি লাভ করতে পারবেন। এই সময়কালে আপনার আয় ভাল হবে।

রাশিফল ২০২০ অনুসারে জানুয়ারী মাসের পরবর্তী সময়ে আপনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য আপনাকে আরও প্রচেষ্টা করতে হবে। জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারি মাসে হঠাৎ অপ্রত্যাশিত চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আপনার বেতন বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে, আপনি আপনার কেরিয়ারে আরো এগিয়ে যাবে বৃহস্পতির ইতিবাচক দিকের কারণে ভাগ্য সর্বদা আপনার পক্ষে থাকবে।

আপনি আধ্যাত্মিকতা, সেবা ও শুশ্রূষা ইত্যাদি সম্পর্কিত ক্ষেত্রে আপনার ক্যারিয়ারকে একটি নতুন দিক নির্দেশনাও দিতে পারেন।

এই রাশির শিক্ষার্থীরা এই বছর দুর্দান্ত ফলাফল পাবেন। সময় আপনার বাচ্চাদের, স্ত্রী এবং বাবার পক্ষে ভাল। বৃহস্পতি - সুখ এবং সমৃদ্ধির জন্য ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা আপনি একসাথে সময় উপভোগ করবেন।

ধনু রাশির জাতক জাতিকারা 2020সালে সৌভাগ্যের চরমে যাবে। আগামী বছর যেভাবে ভাবনা চিন্তা করবেন আপনারা যেই পথেই মিলবে সাফল্য। চলার পথে ২০২০ সালে বাধা বিপত্তি থাকলেও তা কাটিয়ে দিতে পারবেন এঁরা।

ধনু রাশিফল 2020 এর অনুসারে ক্যারিয়ার

ধনু রাশিফল 2020 এর অনুসারে এই বছর আপনার ক্যারিয়ার অথবা পেশা জীবনের জন্যে বেশ ভালো থাকবে আর আপনি অনেক প্রকারের সফলতাও পাবেন। একের থেকে অধিক রাস্তা জোগাড় করতে পারবেন আমদানির জন্যে। যদি কোনো নতুন কাজ শুরু করতে চান তাহলে আপনি এই বছর করতে পারেন। বিদেশী সোর্স এবং বিদেশী কোম্পানির সাথে ব্যাবসাতে লাভের বেশ ভালো সংকেত পাওয়া যাচ্ছে যদিও আপনাকে ভেবেচিন্তে কাজ করার জন্য সাবধান থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যদি আপনি চাকরি করেন তাহলে এটা মেনে চলুন যে আপনার কাজের সুনাম হবে আর আপনি কর্মস্থলে মান-সম্মান পাবেন

ধনু রাশিফল 2020 এর অনুসারে ক্যারিয়ার

ধনু রাশিফল 2020 এর অনুসারে এই বছর আপনার ক্যারিয়ার অথবা পেশা জীবনের জন্যে বেশ ভালো থাকবে আর আপনি অনেক প্রকারের সফলতাও পাবেন। একের থেকে অধিক রাস্তা জোগাড় করতে পারবেন আমদানির জন্যে। যদি কোনো নতুন কাজ শুরু করতে চান তাহলে আপনি এই বছর করতে পারেন। বিদেশী সোর্স এবং বিদেশী কোম্পানির সাথে ব্যাবসাতে লাভের বেশ ভালো সংকেত পাওয়া যাচ্ছে যদিও আপনাকে ভেবেচিন্তে কাজ করার জন্য সাবধান থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যদি আপনি চাকরি করেন তাহলে এটা মেনে চলুন যে আপনার কাজের সুনাম হবে আর আপনি কর্মস্থলে মান-সম্মান পাবেন

2021 সালে ধনুরাশি, কর্ম, ব্যবসা, আয়, ভ্রমণ শুভ
শত্রু, ব্যায়, বিবাহ, অশুভ

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200102110602

Monday, December 30th, 2019

Astro Research Centre

শিব পূজা Shib puja mangal, Mahadev debadidev puja , আরতি, ধ্যান, মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, আহ্বান, সংকল্প, শিবের 108 nam, নাম, নন্দী অবতার , হনুমান, মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র, নবগ্রহ শান্তি, পুষ্পাঞ্জলি, হোম প্রার্থনা, কামদেব, পার্বতী, শিব সতী

শিব পূজা Shib  puja  mangal, Mahadev debadidev puja , আরতি, ধ্যান, মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, আহ্বান, সংকল্প, শিবের 108 nam, নাম, নন্দী অবতার , হনুমান, মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র, নবগ্রহ শান্তি, পুষ্পাঞ্জলি, হোম প্রার্থনা,  কামদেব, পার্বতী, শিব সতী

শিবপূজার সাধারণ পদ্ধতি এখানে বর্ণিত হল। এই পদ্ধতি অনুসারে প্রতিদিন বা প্রতি সোমবার প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ বা বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে শিবের পূজা করতে পারেন। যাঁরা ‘সোমবার ব্রত’ করেন, তাঁরাও এই পদ্ধতি অনুসারে শিবপূজা করে ব্রতকথা পাঠ করতে পারেন। মনে রাখবেন, সাধারণ শিবলিঙ্গ ও বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে পূজার মন্ত্র আলাদা। যাঁদের বাড়িতে বাণেশ্বর আছেন, তাঁরাই বাণেশ্বর মন্ত্রে শিবের পূজা করবেন। অন্যান্য ক্ষেত্রে সাধারণ শিবপূজার মন্ত্রেই পূজা করবেন। শিবরাত্রির দিন বিশেষভাবে পূজা করার নিয়ম আছে। সেই পদ্ধতি পরে দেওয়া হবে।
সকালে সূর্যোদয়ের তিন ঘণ্টার মধ্যে পূজা সেরে নেওয়াই উচিত। একান্ত অসমর্থ হলে খেয়াল রাখতে হবে যেন বেলা বারোটার মধ্যেই পূজা সেরে ফেলা যায়। তার পর সকালের পূজা করা উচিত নয়। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তি ছাড়া অন্যেরা কিছু না খেয়েই পূজা করবেন। সকালে স্নান ও আহ্নিক উপাসনা সেরে শিবপূজায় বসবেন। প্রথমে পূজার সামগ্রীগুলি একত্রিত করে গুছিয়ে নিন। প্রতিদিন শিবপূজা করলে অনেক সময় ফুল-বেলপাতা ইত্যাদি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সেক্ষেত্রে ওই সব উপাচারের নাম ও মন্ত্র উচ্চারণ করে সামান্যার্ঘ্য (জলশুদ্ধি) জল দিয়ে পূজা করলেই চলে। ধূপ ও প্রদীপ জ্বেলে নিন। শিব, শ্রীগুরু ও ইষ্টদেবতাকে প্রণাম করে তিন জনকে অভিন্ন চিন্তা করতে করতে যথাশক্তি দীক্ষামন্ত্র জপ করবেন। তারপর করজোড়ে এই মন্ত্রটি পাঠ করবেন—
ওঁ সর্বমঙ্গলমাঙ্গল্যং বরেণ্যং বরদং শুভম্।
নারায়ণং নমস্কৃত্য সর্বকর্মাণি কারয়েৎ।।
আচমন
ডান হাতের তালু গোকর্ণাকৃতি করে মাষকলাই ডুবতে পারে এই পরিমাণ জল নিয়ে ‘ওঁ বিষ্ণু’ মন্ত্রটি পাঠ করে পান করুন। এইভাবে মোট তিন বার জলপান করে আচমন করার পর হাত জোড় করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ তদ্বিষ্ণোঃ পরমং পদং সদা পশ্যন্তি সূরয়ঃ
দিবীব চক্ষুরাততম্।
ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্বাবস্থাং গতোঽপি বা।
যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।
জলশুদ্ধি
তাম্রপাত্রে বা কোশায় গঙ্গাজল বা পরিষ্কার জল নিয়ে মধ্যমা দ্বারা সেই জল স্পর্শ করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি।
নর্মদে সিন্ধু-কাবেরি জলেঽস্মিন সন্নিধিং কুরু।
সূর্যমণ্ডল থেকে সকল তীর্থ সেই পার্শ্বস্থ জলে এসে উপস্থিত হয়েছেন এই চিন্তা করতে করতে সেই জলে একটি ফুল দিয়ে তীর্থপূজা করুন। তীর্থপূজার মন্ত্রটি হল—
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে তীর্থেভ্যো নমঃ।
এরপর এই জল সামান্য কুশীতে নিয়ে পূজাদ্রব্যের উপর ও নিজের মাথায় ছিটিয়ে দিন।
আসনশুদ্ধি
যে আসনে বসেছেন, সেই আসনটিতে একটি ফুল দিয়ে হাত জোড় করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ পৃথ্বি ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবি ত্বং বিষ্ণুনা ধৃতা।
ত্বঞ্চ ধারায় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরু চাসনম্।।
পুষ্পশুদ্ধি
পুষ্প স্পর্শ করে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন—
ওঁ পুষ্পে পুষ্পে মহাপুষ্পে সুপুষ্পে পুষ্পসম্ভবে। পুষ্পাচয়াবকীর্ণে চ হুঁ ফট্ স্বাহা।
ভূতশুদ্ধি
হাত জোড় করে মনে মনে এই চারটি মন্ত্র পাঠ করুন—
ওঁ ভূতশৃঙ্গাটাচ্ছিরঃ সুষুম্নাপথেন জীবশিবং
পরমশিবপদে যোজয়ামি স্বাহা ।। ১ ।।
ওঁ যং লিঙ্গশরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা ।। ২ ।।
ওঁ রং সংকোচশরীরং দহ দহ স্বাহা ।। ৩ ।।
ওঁ পরমশিব সুষুম্নাপথেন মূলশৃঙ্গাটমুল্লসোল্লস
জ্বল জ্বল প্রজ্জ্বল প্রজ্জ্বল সোঽহং হংসঃ স্বাহা ।। ৪ ।।
প্রাণায়ম
‘ওঁ’ বা গুরুপ্রদত্ত বীজমন্ত্রে (বাণেশ্বর শিবের ক্ষেত্রে ‘ঐঁ’ মন্ত্রে) চার বার ৪/১৬/৮ ক্রমে পূরক, কুম্ভক ও রেচক করে প্রাণায়ম করুন।
শ্রীগুর্বাদিপূজা
এরপর একটি একটি করে গন্ধপুষ্পদ্বারা শ্রীগুরু ও অন্যান্য দেবতাদের পূজা করুন। মন্ত্রগুলি হল—
ঐঁ এতে গন্ধপুষ্পে শ্রীগুরবে নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে গণেশাদিপঞ্চদেবতাভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে আদিত্যাদিনবগ্রহেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ইন্দ্রাদিদশদিকপালেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে কাল্যাদিদশমহাবিদ্যাভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে মৎস্যাদিদশাবতারেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে মৎস্যাদিদশাবতারেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে সর্বেভ্যো দেবেভ্যো নমঃ।
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে সর্বাভ্যো দেবীভ্যো নমঃ।
ধ্যান
এরপর একটি ফুল নিয়ে (সম্ভব হলে কূর্মমুদ্রায় ফুলটি নেবেন) শিবের ধ্যান করবেন। শিবের সাধারণ ধ্যানমন্ত্র ও বাণেশ্বর ধ্যানমন্ত্র দুটি নিচে দেওয়া হল—
(সাধারণ ধ্যানমন্ত্র)—
ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরিনিভং চারুচন্দ্রাবতংসং রত্নাকল্পোজ্জ্বলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্রসন্নম্।
পদ্মাসীনং সমন্তাৎ স্তুতমমরগণৈর্ব্যাঘ্রকৃত্তিং বসানং বিশ্বাদ্যং বিশ্ববীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চবক্ত্রং ত্রিনেত্রম্।।
(বাণেশ্বর শিবের ধ্যান)—
ঐঁ প্রমত্তং শক্তিসংযুক্তং বাণাখ্যঞ্চ মহাপ্রভাং।
কামবাণান্বিতং দেবং সংসারদহনক্ষমম্।।
শৃঙ্গারাদি-রসোল্লাসং বাণাখ্যং পরমেশ্বরম্।
এবং ধ্যাত্বা বাণলিঙ্গং যজেত্তং পরমং শিবম্।।
স্নান
এরপর শিবকে স্নান করাবেন। গঙ্গাজলে শুদ্ধজলে চন্দন মিশ্রিত করে ঘণ্টা বাজাতে বাজাতে শিবকে স্নান করাবেন এই মন্ত্রে শিবকে স্নান করাবেন—
ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্।
উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মাঽমৃতাৎ।।
ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহি
তন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ।
বিঃ দ্রঃ সাধারণ শিবলিঙ্গ ও বাণেশ্বর—উভয়ক্ষেত্রেই স্নান মন্ত্র এক।
প্রধান পূজা
স্নানের পর আরেকবার আগের ধ্যানমন্ত্রটি পাঠ করে শিবের ধ্যান করবেন। তারপর মনে মনে উপচারগুলি শিবকে উৎসর্গ করে মানসপূজা করবেন। মানসপূজার পর একে একে উপচারগুলি বাহ্যিকভাবে শিবকে সমর্পণ করবেন।
(সাধারণ শিবলিঙ্গে দশোপচার পূজার মন্ত্র)—
ওঁ নমো শিবায় এতৎ পাদ্যং শিবায় নমঃ। (সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষঃ অর্ঘ্যঃ শিবায় নমঃ। (আতপচাল ও দূর্বা একটি সচন্দন বেলপাতায় করে ফুল সহ দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদমাচমনীয়ং শিবায় নমঃ। (সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং স্নানীয়ং শিবায় নমঃ। (সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষ গন্ধঃ শিবায় নমঃ। (চন্দনের ফোঁটা দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সচন্দনপুষ্পং শিবায় নমঃ। (একটি চন্দনমাখানো ফুল দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সচন্দনবিল্বপত্রং শিবায় নমঃ। (একটি চন্দনমাখানো বেলপাতা দিন)
ওঁ নমো শিবায় এষ ধূপঃ শিবায় নমঃ। (ধূপটি শিবের সামনে তিনবার ঘুরিয়ে দেবতার বাঁদিকে, অর্থাৎ নিজের ডানদিকে রাখুন)
ওঁ নমো শিবায় এষ দীপঃ শিবায় নমঃ। (প্রদীপটি শিবের সামনে তিনবার ঘুরিয়ে দেবতার ডানদিকে, অর্থাৎ নিজের বাঁদিকে রাখুন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং সোপকরণনৈবেদ্যং শিবায় নিবেদয়ামি।
(নৈবেদ্যের উপর অল্প সামান্যার্ঘ্য জল ছিটিয়ে দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং পানার্থোদকং শিবায় নমঃ।
(পানীয় জলের উপর অল্প সামান্যার্ঘ্য জল ছিটিয়ে দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং পুনরাচমনীয়ং শিবায় নমঃ।
(সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন)
ওঁ নমো শিবায় ইদং তাম্বুলং শিবায় নমঃ। (একটি পান দিন, অভাবে সামান্যার্ঘ্য জল একটু দিন।)
ওঁ নমো শিবায় ইদং মাল্যং শিবায় নমঃ। (মালা থাকলে মালাটি পরিয়ে দিন)
(বাণেশ্বর শিবলিঙ্গে দশোপচার পূজার মন্ত্র)—
বিঃ দ্রঃ উপচার দেওয়ার নিয়ম সাধারণ শিবলিঙ্গে পূজার অনুরূপ।
ঐঁ এতৎ পাদ্যং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষঃ অর্ঘ্যঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদমাচমনীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং স্নানীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষ গন্ধঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সচন্দনপুষ্পং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সচন্দনবিল্বপত্রং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষ ধূপঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ এষ দীপঃ বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং সোপকরণনৈবেদ্যং বাণেশ্বরশিবায় নিবেদয়ামি।
ঐঁ ইদং পানার্থোদকং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং পুনরাচমনীয়ং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং তাম্বুলং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
ঐঁ ইদং মাল্যং বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
পুষ্পাঞ্জলি
সচন্দন পুষ্প ও বেলপাতা নিয়ে এই মন্ত্রে এক, তিন অথবা পাঁচ বার অঞ্জলি দেবেন—
(সাধারণ পুষ্পাঞ্জলি)—
ওঁ নমো শিবায় এষ সচন্দনপুষ্পবিল্বপত্রাঞ্জলি নমো শিবায় নমঃ।
(বাণেশ্বর শিবের পুষ্পাঞ্জলি)—
ঐঁ এষ সচন্দনপুষ্পবিল্বপত্রাঞ্জলি বাণেশ্বরশিবায় নমঃ।
গৌরীপূজা
এইভাবে শিবপূজা শেষ করে শিবলিঙ্গের গৌরীপীঠ বা পিনেটে একটি ফুল দিয়ে এই মন্ত্রে গৌরীর পূজা করুন—
ওঁ হ্রীঁ এতে গন্ধপুষ্পে গৌর্যৈ নমঃ।
অষ্টমূর্তি পূজা
বাণেশ্বর শিবে অষ্টমূর্তির পূজা করতে হয় না। কিন্তু অন্যান্য শিবলিঙ্গের ক্ষেত্রে করতে হয়। একটি ফুল দিয়ে এই মন্ত্রে অষ্টমূর্তির পূজা করুন—
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে অষ্টমূর্তিভ্যো নমঃ।
জপ ও জপসমর্পণ
এরপর ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ বা দীক্ষামন্ত্র ১০৮ বার জপ করে এই মন্ত্রে এক গণ্ডুষ জল শিবের নিচের দিকের ডান হাতের উদ্দেশ্যে প্রদান করুন—
ওঁ গুহ্যাতিগুহ্যগোপ্তা ত্বং গৃহাণাস্মৎকৃতং জপম্।
সিদ্ধির্ভবতু মে দেব ত্বৎপ্রসাদান্মহেশ্বর।।
প্রণাম
এইবার এই মন্ত্রটি পড়ে সাষ্টাঙ্গে শিবকে প্রণাম করে পূজা সমাপ্ত করুন—
(সাধারণ শিবলিঙ্গের ক্ষেত্রে)—
ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং গতিস্তং পরমেশ্বরম্।।
(বাণেশ্বর শিবের ক্ষেত্রে)—
ওঁ বাণেশ্বরং নরকার্ণবতারণায়
জ্ঞানপ্রদায় করুণাময়সাগরায়।
কর্পূরকুন্দধবলেন্দুজটাধরায়
দারিদ্র্যদুঃখদহনায় নমঃ শিবায়।।



শিবের অষ্টোত্তর শতনাম
কৈলাস শিখরে বসি দেব ত্রিলোচন ।
গৌরির সহিত করে কথোপকথোন ।।
সুন্দর জোছনারাশি মধুর যামিনী ।
চন্দ্রের কিরণ ছটা বিকাশে অবণী ।।
মহানন্দে হৈমবতী কহে পঞ্চাননে ।
কহ প্রভু কৃপা করে দাসীরে এক্ষণে ।।
পার্বতি কহেন শিবে ওহে গুণধাম ।
শুনিতে বাসনা বড় তব শতনাম ।।
তোমার নামের সংখ্য শুনি বিশ্বপতি ।
আশুতোষ পরিতোষ হয়ে মোর প্রতি ।।
ভবাণী বচনে তবে কৈলাসঈশ্বর ।
আনন্দ অন্তরে দেন তার সদুত্তর ।।
উত্তরে দেবীর বাণী কহে মহেশ্বর ।
কি ইচ্ছা হয়েছে বল আমার গোচর ।।
মহাপূর্ণ প্রদায়ক অতি গোপনীয় ।
কি আছে আমার প্রিয়ে তোমায় অদেয় ।।
স্মরণে সংসার মুক্ত হবে নরগণ ।
অবহিতে শতনাম করহ শ্রবণ ।।
অনাদির আদি নাম রাখিল বিধাতা ।১
মহাবিষ্ণু নাম রাখে দেবের দেবতা ।।২
জগদগুরু নাম রাখিল মুরারি ।৩
দেবগণ মোর নাম রাখে ত্রিপুরারি ।।৪
মহাদেব বলি নাম রাখে শচীদেবী ।৫
গঙ্গাধর বলি নাম রাখিল জাহ্নবী ।।৬
ভাগীরথী নাম রাখি দেব শূলপানি ।৭
ভোলানাথ বলি নাম রাখিল শিবানী ।।৮
জলেশ্বর নাম মোর রাখিল বরুণ ।৯
রাজ রাজেশ্বর নাম রাখে রুদ্রগণ ।।১০
নন্দী রাখিল নাম দেবকৃপাসিন্ধু ।১১
ভৃঙ্গী মোর নাম রাখে দেব দীনবন্ধু ।।১২
তিনটি নয়ন বলি নাম ত্রিলোচন ।১৩
পঞ্চমুখ বলি মোর নাম পঞ্চানন ।।১৪
রজত বরণ বলি নাম গিরিবর ।১৫
নীলকণ্ঠ নাম মোর রাখে পরাশর ।।১৬
যক্ষরাজ নাম রাখে জগতের পতি ।১৭
বৃষভবাহন বলি নাম রাখে পশুপতি ।।১৮
সূর্য্য দেব নাম রাখে দেব বিশ্বেশ্বর ।১৯
চন্দ্রলোকে রাখে নাম শশাংকশেখর ।।২০
মঙ্গল রাখিল নাম সর্বসিদ্ধিদাতা ।২১
বুধগণ নাম রাখে সর্বজীবত্রাতা ।।২২
বৃহষ্পতি নাম রাখে পতিতপাবণ ।২৩
শুক্রাচার্য্য নাম রাখে ভক্ত প্রাণধন ।।২৪
শনৈশ্বর নাম রাখে দয়ার আধার ।২৫
রাহুকেতু নাম রাখে সর্ববিধুহরি ।।২৬
মৃত্যুঞ্জয় নাম মোর মৃত্যুকে জয় করি ।২৭
ব্রক্ষলোকে নাম মোর রাখে জটাধারী ।।২৮
কাশীতীর্থ ধামে নাম মোর বিশ্বনাথ ।২৯
বদরিকাননে নাম হয় কেদারনাথ ।।৩০
শমন রাখিল নাম সত্য সনাতন ।৩১
ইন্দ্রদেব নাম রাখে বিপদতারণ ।।৩২
পবন রাখিল নাম মহা তেজোময় ।৩৩
ভৃগুমণি নাম রাখে বাসনা বিজয় ।।৩৪
ঈশান আমার নাম রাখে জ্যোতিগণ ।৩৫
ভক্তগণ নাম রাখে বিঘ্ন বিনাশন ।।৩৬
মহেশ বলিয়া নাম রাখে দশানন ।৩৭
বিরূপাক্ষ বলি নাম রাখে বিভীষণ ।।৩৮
শম্ভুনাথ বলি নাম রাখেন ব্যাসদেব ।৩৯
বাঞ্ছাপূর্ণকারী নাম রাখে শুকদেব ।।৪০
জয়াবতী নাম রাখে দেব বিশ্বপতি ।৪১
বিজয়া রাখিল নাম অনাথের পতি।।৪২
তালবেতাল নাম রাখে সর্ববিঘ্নহর ।৪৩
মাকর্ণ্ড রাখিল নাম মহা যোগেশ্বর ।।৪৪
শ্রীকৃষ্ণ রাখিল নাম ভুবনঈশ্বর ।৪৫
ধ্রুবলোকে নাম রাখে ব্রহ্মপরাৎপর ।।৪৬
প্রহ্লাদ রাখিল নাম নিখিলতারণ ।৪৭
চিতাভষ্ম মাখি গায় বিভুতিভূষণ ।।৪৮
সদাশিব নাম রাখে যমুনা পুণ্যবতী ।৪৯
আশুতোষ নাম রাখে দেব সেনাপতি ।।৫০
বাণেশ্বর নাম রাখে সনৎকুমার ।৫১
রাঢ়দেশবাসী নাম রাখে তারকেশ্বর ।।৫২
ব্যাধিবিনাশন হেতু নাম বৈদ্যনাথ ।৫৩
দীনের শরণ নাম রাখিল নারদ ।।৫৪
বীরভদ্র নাম মোর রাখে হলধর ।৫৫
গন্ধর্ব্ব রাখিল নাম গন্ধর্ব্ব ঈশ্বর ।।৫৬
অজিরা রাখিল নাম পাপতাশহারী ।৫৭
দর্পচূর্ণকারী নাম রাখিল কাবেরী ।।৫৮
ব্যাঘ্রার্ণ পরিধান নাম বাঘাম্বর ।৫৯
বিষ্ণুলোকে রাখে নাম দেব দিগম্বর ।।৬০
কৃত্তিবাস নাম রাখে দেবী ক্যাত্যায়নী ।৬১
ভূতনাথ নাম রাখে ঋষ্যশৃঙ্গ মুণি ।।৬২
সদানন্দ নাম রাখে দেব জনার্দন ।৬৩
আনন্দময় নাম রাখে শ্রীমধুসূদন ।।৬৪
রতিপতি নাম রাখে মদন-দহন ।৬৫
দক্ষরাজ নাম রাখে যজ্ঞ বিনাশন ।।৬৬
জগদগ্নি নাম মোর রাখিল গঙ্গেশ ।৬৭
বশিষ্ঠ আমার নাম রাখে গুড়াকেশ ।।৬৮
পৌলস্ত রাখিল নাম ভবভয়হারী ।৬৯
গৌতম রাখিল নাম জনমনে হারী ।।৭০
ভৈরবেতে নাম রাখে শ্মশান ঈশ্বর ।৭১
বটুক ভৈরব নাম রাখে ঘন্টেশ্বর ।।৭২
মর্তলোকে নাম রাখে সর্বপাপহর ।৭৩
জরৎকারু মোর নাম রাখে যোগেশ্বর ।।৭৪
কুরুক্ষেত্রে রণস্থলে পামবরদ্বারী ।৭৫
ঋষীগণ নাম রাখে মুণি মনোহারী ।।৭৬
ফণিভূষণ নাম মোর রাখিল বাসুকী ।৭৭
ত্রিপুরে বধিয়া নাম হইল ধানুকী ।।৭৮
উদ্দীলক নাম রাখে বিশ্বরূপ মোর ।৭৯
অগস্ত্য আমার নাম রাখিল শংকর ।।৮০
দক্ষিণ দেশেতে নাম হয় বালেশ্বর ।৮১
সেতু বন্ধে নাম মোর হয় রামেশ্বর ।।৮২
হস্তিনা নগরে নাম দেব যোগেশ্বর ।৮৩
ভরত রাখল নাম উমা মহেশ্বর ।।৮৪
জলস্বর নাম রাখে করুণা সাগর ।৮৫
মম ভক্তগণ বলে সংসারের সার ।।৮৬
ভদ্রেশ্বর নাম মোর রাখে বামদেব ।৮৭
চাঁদ সদাগর রাখে নাম হয়গ্রীব ।।৮৮
জৈমিনি রাখিল নাম মোর ত্র্যম্বকেশ ।৮৯
ধন্বন্তরি মোর নাম রাখিল উমেশ ।।৯০
দিকপাল গণে নাম রাখিল গিরীশ ।৯১
দশদিক পতি নাম রাখে ব্যোমকেশ ।।৯২
দীননাথ নাম মোর কশ্যপ রাখিল ।৯৩
বৈকুণ্ঠের পতি নাম নকুল রাখিল ।।৯৪
কালীঘাটে সিদ্ধপাটে নকুল ঈশ্বর ।৯৫
পুরীতীর্থ ধামে নাম ভুবন ঈশ্বর ।।৯৬
গোকুলেতে নাম মোর হয় শৈলেশ্বর ।৯৭
মহাযোগী নাম মোর রাখে বিশ্বম্ভর ।।৯৮
কৃপানিধি নাম রাখে রাধাবিনোদিনী ।৯৯
ওঁকার আমার নাম রাখে সান্দীপানি ।।১০০
ভক্তের জীবন নাম রাখেন শ্রীরাম ।১০১
শ্বেত ভুধর নাম রাখেন ঘনশ্যাম ।।১০২
বাঞ্ছাকল্পতরু নাম রাখে বসুগণ ।১০৩
মহালক্ষী রাখে নাম অশিব নাশন ।।১০৪
অল্পেতে সন্তোষ বলি নাম যে সন্তোষ ।১০৫
গঙ্গজল বিল্বদলে হই পরিতোষ ।।১০৬
ভাঙ্গরভোলা নাম বলি ডাকে ভক্তগণ ।১০৭
বুড়োশিব বলি খ্যাত এই ত্রিভুবন ।।১০৮
অসংখ্য আমার নাম না হয় বর্ণন ।
অষ্টোত্তর শতনাম করিনু কীর্তন ।।




 অপরাপর নাম : অ, অকুল, অক্ষত, অক্ষমালী, অক্ষোভ্য, অগ্নিশেখর, অঘোর, অতিদেব, অদ্ভুতস্বন, অদ্রিনাথ, অদ্রিপতি, অদ্রিশ, অদ্রীশ, অনঙ্গারি, অনীশ, অন্ধকঘাতী, অন্ধকরিপু অন্ধকান্তক, অন্ধকারি, অবিমুক্তেশ্বর, অব্জবাহন, অব্যক্ত, অব্যয়, অভিরূপ, অমরাধিপ, অমর্রে, অমূর্ত, অমোঘ, অম্বরীষ, অম্বিকনাথ, অম্বিকাপতি, অযুগনয়ন, অযুগনেত্র, অযোনিজ, অযুগ্মনয়ন, অযুগ্মনেত্র, অযুগ্মলোচন, অযোনি, অর্ধনারীশ, অর্ধনারীশ্বর, অর্ধমৌলি, অর্ধেন্দুমৌলি, অর্ধেন্দুশেখর, অষ্টমূর্তিধর, অসমনয়ন, অসমনেত্র, অসমলোচন, অস্থিধন্না, অস্থিমালী, অহিভূষণ, আদিদেব, আশুতোষ, ইন্দুভূষণ, ইন্দুভৃৎ, ইন্দুমৌলি, ঈশান, উমাপতি, উমাসহায়, উমেশ, উরগভূষণ, একনাথ, কঙ্কালমালী, কণ্ঠনীলক, কণ্ঠেকাল, কন্দর্পজয়ী, কন্দর্পমথন, কন্দুকেশ্বর, কপর্দী, কপালভৃৎ, কপালমালী, কপালী, কপিশাঞ্জন, কপোতেশ্বর, কলাধর, কলাভৃৎ, কাপালী, কামারি, কালকণ্ঠ, কালনাথ, কালনিধি, কালঞ্জর, কালরুদ্র,  কাশীনাথ, কাশীশ, কাশীশ্বর, কাশীপতি, কুলেশ্বর, কৃতজ্বর, কৃত্তিবাস, কৃশানুরেতাঃ, কেদার, কেদারনাথ, কেদারেশ্বর, কৈলাসনাথ, কৈলাসপতি, কৈলাসেশ্বর, খকুন্তল, খণ্ডপরশু, গঙ্গাধর, গজারি, গণনাথ, গণভর্তা, গিরিজানাথ, গিরিজাপতি, গিরিশ, গিরীশ, গুড়াকেশ, চন্দ্রচূড়, চন্দ্রপীড়, চন্দ্রবর, চন্দ্রমৌলি, চন্দ্রশেখর, চন্দ্রিল, চন্দ্রেশ্বর, চেকিতান, জটাটঙ্ক, জটাধর, জটাধারী, জয়ন্ত, জ্বালী, গৌরীকান্ত, গৌরীনাথ, তারকনাথ, তারকেশ্বর, ত্রিনয়ন, ত্রিনাথ, ত্রিনেত্র, ত্রিপুরঘ্ন, ত্রিপুরান্তক, ত্রিপুরারি, ত্রিলোকেশ, ত্রিলোচন, ত্রিশূলধারী, ত্রিশূলী, ত্র্যক্ষ, ত্র্যম্বক, দিগম্বর, দিগ্বসন, দিগ্বস্ত্র, দিগ্বাস, দুর্গাধীশ, দুর্গাপতি, দুর্গেশ, দেবাদিদেব, দেবেশ, ধূর্জটি, নটরাজ, নটশেখর, নটেশ্বর, নিরঞ্জন, নীলকণ্ঠ, নীলগ্রীব, নীললোহিত, পঞ্চমুখ, পঞ্চানন, পরমেষ্ঠী, পরান্তক, পশুপতি, পিঙ্গজট, পিনাকপাণি, পিনাকী, পিনাকেশ, পুরঞ্জিৎ, পুরভিদ, পুরমথন, পুরারি, পুরহর, প্রমথেশ, বভ্রূ, বহ্নিরেতাঃ, বিভূ, বিভূতিভূষণ, বিরূপাক্ষ, বিশালাক্ষ, বিশ্বনাথ, বিশ্বেশ্বর, বিষকণ্ঠ, বিষমাক্ষ, বীরেশ্বর, বৃষধ্বজ, বৃষবাহন, ব্যোমকেশ, ভগালী, ভবানীপতি, ভবেশ, ভর্গ, ভালচন্দ্র, ভূতনাথ, ভূতপতি, ভূতভাবন, ভূতেশ, ভৈরব, ভোলা, ভোলানাথ, বহ্নিরেতাঃ, বাণদেব, বাণেশ্বর, বামদেব, বিরূপাক্ষ, বীরেশ্বর, মহাকাল, মহাদেব, মহানট, মহারুদ্র, মহেশ, মহেশান, মহেশ্বর, মারজিৎ, মৃগাঙ্গমৌলি, মৃগাঙ্গশেখর, মৃত্যুঞ্জয়, যজ্ঞেশ্বর, যজ্ঞারি, যমান্তক, যোগধারী, যোগীন্দ্র, যোগীশ, যোগীশ্বর, যোগেশ, যোগেশ্বর, রুদ্র, লোকনাথ, শঙ্কর, শম্ভু, শশীভূষণ, শশীভৃৎ, শশীশেখর, শিব, শূলপাণি, শূলী, শ্যামাধর, শ্রীকণ্ঠ, সতীন্দ্র, সতীপতি, সতীশ, সদাশিব, সনাতন, সর্বেশ্বর, সিতিকণ্ঠ, সিদ্ধদেব, সুরেশ্বর, সোমনাথ, সোমেশ্বর, স্মরজিৎ, স্মরারি, হ, হর, হিরণ্যরেতাঃ।
 
হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে-তিন প্রধান দেবতার (ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বা মহাদেব) অন্যতম। ইনি স্বয়ম্ভূ। ইনি ধ্বংসের অধিকর্তা। এঁর প্রধান অস্ত্র ত্রিশূল। ধনুকের নাম পিনাক। ইনি বিশ্ব ধ্বংসকারী পাশুপাত অস্ত্রের অধিকারী। মহাপ্রলয়কালে ইনি বিষাণ ও ডমরু বাজিয়ে ধ্বংসের সূচনা করেন। ইনি মহাযোগী, সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী, নির্গুণ ধ্যানের প্রতীক। ইনি রক্তমাখা বাঘছাল নিম্নাঙ্গে ধারণ করেন, কিন্তু উর্ধ্বাঙ্গ নগ্ন। তবে কখনো কখনো কৃষ্ণসার হরিণের চামড়া উত্তরীয় হিসাবে উর্ধ্বাঙ্গে পরিধান করেন। এঁর শরীর ভস্ম দ্বারা আবৃত। মাথায় বিশাল জটা। কপালের নিম্নাংশে তৃতীয় নেত্র, উধ্বাংশে অর্ধচন্দ্র ও কণ্ঠে সাপ ও কঙ্কাল মালা।
ইনি কঠোর তপস্যার দ্বারা অসীম ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন। হিমালয়ের কৈলাসে ইনি সিদ্ধ, চারণ, কিন্নর, যক্ষ, রাক্ষস, অপ্সরা, গন্ধর্ব এবং প্রমথগণ পরিবেষ্ঠিত অবস্থায় বাস করেন। কুবের এঁর সম্পদ রক্ষা করেন। এঁর স্ত্রী সতী [দুর্গা] । গঙ্গাও তাঁর স্ত্রী ছিলেন বলে অন্যত্র জানা যায়। তাঁর দুই পুত্রের নাম কার্তিক, গণেশ এবং দুই কন্যার নাম লক্ষ্মী ও সরস্বতী। এঁর বাহন বৃষ ও সহচর নন্দী ও ভৃঙ্গী।
ব্রহ্মা একবার মহাদেবকে তাচ্ছিল্য করায়, ইনি নখ দিয়ে ব্রহ্মার একটি মাথা বিচ্ছিন্ন করেন। সেই থেকে ব্রহ্মার পাঁচ মাথার পরিবর্তে চারটি মাথা দাঁড়ায়। ইনি সকল দেবতা দ্বারা পূজিত হন। মহাভারতের মতে ব্রহ্মা থেকে পিশাচ পর্যন্ত সবাই তাঁর পূজা করেন।
পৌরাণিক কাহিনীতে ইনি বিবিধ নামে পরিচিত। এঁর আদি নাম রুদ্র। বেদে রুদ্রের রূপ বর্ণনায় দেখা যায়- ইনি ধ্বংসকারী শক্তি, মর্তে ভয়ঙ্কর বৃষের মতো আর আকাশে লোহিত বরাহের মতো। ইনি বিদ্বান, দেবতাদের কর্মস্রষ্টা ও স্বাক্ষী। ইনি মানুষের রোগ-শোকের কারণ। একই সাথে ইনি যখন ভয়ানক তখন রুদ্র, আর যখন কল্যাণকর তখন শিব। মহাকালরূপী রুদ্র সংহারকারক। প্রলয় শেষে ধ্বংসের মধ্য থেকেই তাঁর উৎপত্তি ঘটে। সে কারণে ইনি শিব, শঙ্কর বা ভৈরব নামে চিহ্নিত। জনন শক্তির পরিচায়ক হিসাবে শিবলিঙ্গ। এর সাথে যোনি প্রতীক যুক্ত হয়ে প্রজনন বা সৃষ্টিশক্তিরূপে হিন্দু ধর্মে পূজিত হয়। ধ্বংস ও সৃষ্টি উভয়েরই কারণ বলে ইনি ঈশ্বর। ইনি অল্পে সন্তুষ্ট হন বলে- এঁর নাম আশুতোষ। পশুদের অধিপতি বলে ইনি পশুপতি নামে খ্যাত।
সমুদ্র মন্থন করার পর, উত্থিত অমৃত দেবতারা গ্রহণ করার পর, অসুররা পুনরায় তা মন্থন করে। এই অতিরিক্ত সমুদ্র মন্থনজনীত কারণে হলাহল নামক বিষ উত্থিত হয়। এর ফলে সমগ্র চরাচরের প্রাণীকূল বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়। এই বিষ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দেবতারা মহাদেবের শরণাপন্ন হলে, মহাদেব উক্ত বিষ শোষণ করেন। বিষের প্রভাবে তাঁর কণ্ঠ নীল বর্ণ ধারণ করেছিল বলে ইনি নীলকণ্ঠ নামে পরিচিত হন।
দক্ষের কন্যা সতী’র সাথে তাঁর বিবাহ হয়। মহাদেব দক্ষকে যথোচিত সম্মান প্রদর্শন করে নি বিবেচনা করে ইনি ক্রমে ক্রমে মহাদেবের প্রতি বিরূপ হয়ে উঠেন। সতীর বিবাহের এক বৎসর পর, দক্ষ এক মহাযজ্ঞের আয়োজন করেন। এই যজ্ঞে দক্ষ মহাদেব ও সতী কাউকেই নিমন্ত্রণ করলেন না। সতী নারদের মুখে এই যজ্ঞের কথা জানতে পেরে অযাচিতভাবে যজ্ঞে যাবার উদ্যোগ নেন। মহাদেব এই যাত্রায় সতীকে বাধা দেন। এতে সতী ক্রুদ্ধ হয়ে- তাঁর মহামায়ার দশটি রূপ প্রদর্শন করে মহাদেবকে বিভ্রান্ত করেন। এই রূপ দশটি ছিল- কালী, তারা, রাজ-রাজেশ্বরী, ভুবনেশ্বরী, ভৈরবী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, বগলামূখী, মাতঙ্গী ও মহালক্ষ্মী। মহাদেব শেষ পর্যন্ত সতীকে দক্ষের যজ্ঞানুষ্ঠানে যাবার অনুমতি প্রদান করেন। কিন্তু যজ্ঞস্থলে দক্ষ মহাদেবের নিন্দা করলে- সতী পতি নিন্দা সহ্য করতে না পেরে দেহত্যাগ করেন। সতীর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ক্রুদ্ধ মহাদেব নিজের জটা ছিন্ন করলে, সেই জটা থেকে বীরভদ্র নামক এক শক্তিশালী পুরুষের আবির্ভাব ঘটে। এরপর এই বীরভদ্র মহাদেবের অন্যান্য অনুচরসহ দক্ষের যজ্ঞানুষ্ঠানে উপস্থিত হন। মহাদেবের আদেশে তাঁর অনুচরেরা যজ্ঞানুষ্ঠান পণ্ড করে দেন এবং দক্ষের মুণ্ডুচ্ছেদ করেন। এরপর দক্ষের মৃত্যুতে আকুল হয়ে দক্ষপত্নী বীরিণী ব্রহ্মার শরণাপন্ন হন। এরপর ব্রহ্মার অনুরোধে মহাদেব দক্ষের ঘাড়ে একটি ছাগলের মুণ্ডু স্থাপন করেন।
কালিকা পুরাণের মতে- সতীর দেহত্যাগের পর, মহাদেব তীব্র রোদন করতে থাকলে, তাঁর চোখ থেকে বিপুল পরিমাণ জলরাশি নির্গত হতে থাকে। এই জলরাশি পৃথিবীতে পতিত হলে- ভূমণ্ডল দগ্ধ হবে। এই কারণে দেবতাদের অনুরোধে শনি এই জল গ্রহণ করেন। কিন্তু শনি এই জল ধারণে অসমর্থ হয়ে- ইনি তা জলধার নামক পর্বতে নিক্ষেপ করেন। উক্ত জলের তেজে, ওই পর্বত বিদীর্ণ হয়ে যায় এবং এই জল পূর্ব-সাগরের পতিত হয়। কিন্তু সাগর এই জল ধারণে অসমর্থ হলে- তা সাগরের মধ্যভাগ ভেদ করে সাগরের পূর্বকূলে উপনীত হয়। এরপর এই জলরাশি পুষ্করদ্বীপের মধ্যভাগ দিয়ে প্রবাহিত হয়। জলাধার পর্বত ভেদ এবং সাগরের সংস্পর্শে আসার কারণে- এই জলের তেজ অনেকাংশে প্রশমিত হয়। ফলে এই জল পৃথিবী ভেদ করতে পারে নাই। এই জলরাশি বৈতরণী নামে যমপুরীর প্রবেশদ্বারে সম্মুখ দিয়ে প্রবাহিত। এর বিস্তার দুই যোজন। [ ৯-৩৭। অষ্টাদশোহধ্যায়। কালিকা পুরাণ]
এরপর মহাদেব সতীর শোকে তাঁর মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে তাণ্ডবনৃত্য শুরু করেন। এর ফলে সৃষ্টি ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হলে, বিষ্ণু তাঁর চক্র দ্বারা সতীদেহকে একান্নভাগে বিভক্ত করে দেন। এই একান্নটি খণ্ড ভারতের বিভিন্নস্থানে পতিত হয়। ফলে পতিত প্রতিটি খণ্ড থেকে এক একটি মহাপীঠ উৎপন্ন হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিটি মহাপীঠকে পবিত্র তীর্থস্থান হিসাবে বিবেচনা করে থাকেন।
সতীর দেহাংশ যে সকল স্থানে পতিত হয়েছিল, মহাদেব সেখানে লিঙ্গরূপে অধিষ্ঠিত হলেন। বিশেষ করে সতীর মস্তিষ্ক পতিতস্থানে মহাদেব শোকাহত অবস্থায় উপবেশন করেন। এই সময় দেবতারা সেখানে উপস্থিত হলে- মহাদেব লজ্জায় প্রস্তর-লিঙ্গে  পরিণত হন। পরে দেবতারা এই লিঙ্গরূপী মহাদেবকে পূজা করতে থাকেন। হিন্দু পুরাণে মহাদেবের এই লিঙ্গপ্রতীক শিবলিঙ্গ নামে পরিচিত।
কথিত আছে- দেবতাদের জয় করার জন্য তারকাসুর এক হাজার বৎসর তপস্যা করেন। কিন্তু তিনি এর ফলে কোন বর লাভে ব্যর্থ হলেও- তাঁর মাথা থেকে এক ধরণের তেজ নিসৃত হতে থাকে। এই তেজ দেবতাদের দগ্ধ করতে থাকলে- দেবতারা ব্রহ্মার শরাণাপন্ন হন। তখন ব্রহ্মা তারকাসুরের কাছে এসে বর প্রার্থনা করতে অনুরোধ করেন। তারকাসুর ব্রহ্মার কাছে দুটি বর প্রার্থনা করেন। বর দুটি হলো- তাঁর চেয়ে শক্তিশালী আর কেউ জন্মগ্রহণ করবে না এবং মহাদেবের ঔরসজাত পুত্রের হাতেই তাঁর মৃত্যু হবে। পরে মহাদেবের পুত্র কার্তিকেয় এই অসুরকে হত্যা করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এরপর তারকাসুরের তিন পুত্র- তারকাক্ষ, কমলাক্ষ ও বিদ্যুন্মালীকে হত্যা করে ত্রিপুরারি নামে পরিচিত হন।
কার্তিকেয়-এর জন্মবৃত্তান্তের সাথে মহাদেবের সাথে পার্বতীর বিবাহঘটিত একটি উপখ্যান আছে। শ্রীমদ্ভাগবত ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণের মতে- সতী দেহত্যাগের পর হিমালয়ের কন্যা পার্বতীরূপে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। ইনি মহাদেবকে পতিরূপে পাওয়ার জন্য তপস্যা শুরু করেন। এই সময় মহাদেব গভীর তপস্যায় মগ্ন ছিলেন। পার্বতী সে কথা জানতে পেরে প্রতিদিন তাঁর পূজা করতে থাকেন। এদিকে তারকাসুর নামক এক অসুর ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে, দেবতাদের উপর পীড়ন শুরু করলে— দেবতারা ব্রহ্মার শরণাপন্ন হন। ব্রহ্মা দেবতাদের জানান যে, শুধু মাত্র মহাদেবের ঔরসজাত সন্তানই এই অসুরকে হত্যা করতে পারবেন। মহাদেবের ধ্যানভঙ্গের জন্য, অন্যান্য দেবতাদের অনুরোধে কামদেব হিমালয়ে গিয়ে তাঁর কন্দর্প বাণ নিক্ষেপ করেন। ফলে মহাদেবের ধ্যান ভঙ্গ হয়। এতে মহাদেব ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁর তৃতীয় নয়ন উন্মোচিত করে কামকে ভস্মীভূত করেন। এরপরে মহাদেব অনুতপ্ত হয়ে— কামদেবকে প্রদ্যুম্নরূপে জন্মগ্রহণ করতে বলেন। মহাদেবের তৃতীয় নেত্রে ভস্মীভূত হয়ে ইনি অঙ্গহীন হয়েছিলেন বলে- এর অপর নাম অনঙ্গ।   
তারকাসুরকে হত্যা করার জন্য একটি পুত্র উৎপাদনের লক্ষ্যে, মহাদেব পার্বতীর সাথে মিলিত হন। কিন্তু মহাদেবের বীর্য গ্রহণে পার্বতী অসমর্থা দেখে তিনি তা, অগ্নিতে নিক্ষেপ করেছিলেন। অগ্নিও উক্ত বীর্য গ্রহণে অক্ষম ছিলেন বিধায় তা গঙ্গায় নিক্ষেপ করেছিলেন। গঙ্গা আবার তা শরবনে নিক্ষেপ করলে একটি সুদর্শন বালকের সৃষ্টি হয়। মহাদেব তাঁর বীর্য অগ্নিতে নিক্ষেপ করেছিলেন বলে- এই বালকের নাম অগ্নিভু রাখা হয়। কৃত্তিকারা এই বালককে স্তন্যদানে প্রতিপালন করেন। কৃত্তিকাদের স্তনদানের কারণে ইনি তাঁদের পুত্র হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন এবং সেই সূত্রে ইনি কার্তিকেয় নামে অভিহিত হয়ে থাকেন। পরে পার্বতী বিষয়টি অবগত হয়ে কার্তিকেয়কে তাঁর কাছে নিয়ে যান।    
তাঁর তৃতীয় নয়নের উৎপত্তি নিয়ে একটি গল্প আছে। পার্বতী একবার পরিহাসছলে শিবের দুই চোখ হাত দিয়ে আবৃত করলে- সমগ্র চরাচর অন্ধকার হয়ে যায়। জগতকে আলোকিত করার জন্য তাঁর তৃতীয় নয়নের উদ্ভব ঘটে। এই তৃতীয় নয়নের জ্যোতিতে হিমালয় ধ্বংস হয়ে গেলে- পার্বতীর অনুরোধে তা আবার পুনস্থাপিত হয়। তবে এটি প্রক্ষিপ্ত কাহিনী বলেই মনে হয়। কারণ- পার্বতীর সাথে শিবের বিবাহের পূর্বেই তাঁর তৃতীয় নয়নের তেজে কামদেব ভস্মীভূত হন।
ইনি তাঁর স্ত্রী পার্বতী সহযোগে উত্তেজক নৃত্য পরিবেশন করলে তাকে তাণ্ডবনৃত্য বলা হয়। অন্য মতে-বিশ্ব ধ্বংসের সময় ইনি যে নৃত্য করে থাকেন তাই তাণ্ডবনৃত্য। ইনি গজাসুর ও কালাসুরকে হত্যা করার পর তাণ্ডবনৃত্য করেছিলেন। ইনি নৃত্যকলার আদি কারণ বলে- নটরাজ নামে খ্যাত।
অন্ধক নামক দৈত্যকে নারদ কৌশলে মন্দর পর্বতে নিয়ে যান। সেখানে মহাদেব পার্বতীর সাথে আমোদ-প্রমোদে রত ছিলেন। অন্ধক সেখানে উপস্থিত হলে, মহাদেব শূলের আঘাতে অন্ধককে হত্যা করেন। এই কারণে ইনি যে সকল নাম প্রাপ্ত হন, তা হলো- অন্ধকান্তক (অন্ধকের অন্তক), অন্ধকরিপু (অন্ধকের রিপু), অন্ধকারি (অন্ধকের অরি), অন্ধকাসুহৃদ (অন্ধকের অসুহৃদ)।
কালিকা পুরাণ মতে- দুন্দুভি নামক জনৈক দৈতরাজ, ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে- দেবতাদের পরাজিত করেছিলেন। কৈলাসে মহাদেব ও পার্বতীকে [দুর্গা] একত্রে ভ্রমণ করার সময় পার্বতীকে দেখে মোহিত হন, এবং তাঁকে অধিকার করার চেষ্টা করলে- মহাদেবের অগ্নিদৃষ্টিতে ইনি ভস্মীভূত করেন। [চতুর্থোহধ্যায়, কালিকাপুরাণ]
পুরাণ মতে- ঘটনাক্রমে দেবর্ষি নারদ শুদ্ধ সংগীত শোনানোর জন্য মহাদেবকে অনুরোধ করলে, মহাদেব জানান যে, প্রকৃষ্ঠ শ্রোতা ছাড়া তিনি গান শোনাবেন না। পরে নারদ মহাদেবের পরামর্শ অনুসারে ব্রহ্মা ও বিষ্ণু-কে অনুরোধ করে আসরে নিয়ে আসেন। এই সঙ্গীতের মর্ম ব্রহ্মা বুঝতে অক্ষম হন। কিন্তু বিষ্ণু কিছুটা বুঝতে পেরেছিলেন। ফলে ইনি আংশিক দ্রবীভূত হন। বিষ্ণুর এই দ্রবীভূত অংশ ব্রহ্মা তাঁর কমণ্ডলুতে ধারণ করেন। বিষ্ণুর এই দ্রবীভূত অংশই গঙ্গা নামে খ্যাত হয়।  দেখুন : নারদ, গঙ্গা 
পরবর্তী সময়ে সগর রাজার পুত্রদের উদ্ধারের জন্য, ভগীরথ কঠোর তপস্যার দ্বারা ব্রহ্মাকে সন্তুষ্ট করে গঙ্গাকে পৃথিবীতে আনার অনুমতি পান। কিন্তু গঙ্গার অবতরণকালে পৃথিবী ধ্বংস হতে পারে, -এই আশংকায় গঙ্গা ভগীরথের কাছে একটি অবলম্বন প্রার্থনা করেন। ভগীরথ উপযুক্ত অবলম্বনের জন্য মহাদেবকে তপস্যার দ্বারা সন্তুষ্ট করেন। মহাদেব গঙ্গার স্রোতধারাকে ধারণ করার জন্য তাঁর জটা বিছিয়ে দেন। এরপর গঙ্গা ব্রহ্মার আদেশে মহাদেবের জটা অবলম্বন করে নেমে আসেন। মহাদেব গঙ্গাকে বিন্দু সরোবরে ত্যাগ করলে গঙ্গা- পশ্চিমে হ্লাদিনী, পাবনী, নলিনী- পূর্বে সুচক্ষু, সীতা, সিন্ধু ও ভগীরথের পশ্চাতে এক স্রোত হিসাবে প্রবাহিত হন।
এঁর বরে শক্তিশালী হয়ে বৃত্র, বাণ প্রভৃতি অসুর ক্ষমতাবান হয়ে অত্যাচারী হয়ে উঠলে ইন্দ্র, কৃষ্ণের হাতে এঁরা নিহত হন। পরশুরাম এঁর কাছে অস্ত্র শিক্ষা করে অজেয় হন। তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুনের তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে ইনি কিরাত বেশে তাঁর সাথে কৃত্রিম যুদ্ধ করেন। যুদ্ধে অর্জুনের বিক্রম দেখে মহাদেব সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে পাশুপাত অস্ত্র প্রদান করেন।
একবার কৈলাসের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রাবণের রথের গতি রুদ্ধ হয়। এই সময় মহাদেবের অনুচর নন্দী রাবণকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, এখানে হর-পার্বতী আছেন। নন্দীর বানর মুখ দেখে রাবণ অবজ্ঞায় হাস্য করলে, নন্দী অভিশাপ দেন যে, তার মতো বানরদের হাতেই রাবণ বংশ ধ্বংস হবে। রাবণ এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে কৈলাস উত্তোলন করতে থাকলে, পার্বতী চঞ্চল হয়ে উঠেন। তখন মহাদেব পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়ে রাবণকে চেপে ধরেন। রাবণ সে চাপ সহ্য করতে না পেরে প্রচণ্ড চিৎকার করতে থাকেন। পরে মহাদেবের স্তব করে মুক্তি পান। মহাদেব স্তবে সন্তুষ্ট হয়ে রাবণকে চন্দ্রহাস নামে একটি দীপ্ত খড়্গ উপহার দেন।
ইনি মহর্ষি অত্রির কাছে যোগশিক্ষা গ্রহণ করেন। বিষ্ণুর সহায়তায় ইনি জলন্ধরকে হত্যা করেন। তাঁর পরম ভক্ত অসুর বাণকে রক্ষা করা সত্তেও কৃষ্ণের হাতে বাণ পরাজিত হন। কিন্তু কৃষ্ণের দয়ায় বাণ মহাকাল নামে মহাদেবের অনুচরদের অন্তর্ভূক্ত হন।


হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী মতে-তিন প্রধান দেবতার (ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর বা মহাদেব) অন্যতম। ইনি স্বয়ম্ভূ। ইনি ধ্বংসের অধিকর্তা। এঁর প্রধান অস্ত্র ত্রিশূল। ধনুকের নাম পিনাক।

ইনি বিশ্ব ধ্বংসকারী পাশুপাত অস্ত্রের অধিকারী। মহাপ্রলয়কালে ইনি বিষাণ ও ডমরু বাজিয়ে ধ্বংসের সূচনা করেন। ইনি মহাযোগী, সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী, নির্গুণ ধ্যানের প্রতীক। ইনি রক্তমাখা বাঘছাল নিম্নাঙ্গে ধারণ করেন, কিন্তু উর্ধ্বাঙ্গ নগ্ন। তবে কখনো কখনো কৃষ্ণসার হরিণের চামড়া উত্তরীয় হিসাবে উর্ধ্বাঙ্গে পরিধান করেন। এঁর শরীর ভস্ম দ্বারা আবৃত। মাথায় বিশাল জটা। কপালের নিম্নাংশে তৃতীয় নেত্র, উধ্বাংশে অর্ধচন্দ্র ও কণ্ঠে সাপ ও কঙ্কাল মালা।

ইনি কঠোর তপস্যার দ্বারা অসীম ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন। হিমালয়ের কৈলাসে ইনি সিদ্ধ, চারণ, কিন্নর, যক্ষ, রাক্ষস, অপ্সরা, গন্ধর্ব এবং প্রমথগণ পরিবেষ্ঠিত অবস্থায় বাস করেন। কুবের এঁর সম্পদ রক্ষা করেন। এঁর স্ত্রী সতী [দুর্গা] । গঙ্গাও তাঁর স্ত্রী ছিলেন বলে অন্যত্র জানা যায়। তাঁর দুই পুত্রের নাম কার্তিক, গণেশ এবং দুই কন্যার নাম লক্ষ্মী ও সরস্বতী। এঁর বাহন বৃষ ও সহচর নন্দী ও ভৃঙ্গী।

অসীম রহস্য নিয়ে রয়েছেন শিব। তার মধ্যে সাতটি রহস্য হলোঃ

১) সাপ : সর্প হচ্ছে সদা জাগ্রত থাকার প্রতীক। যদি আপনার গলায় একটি সাপ প্যাঁচানো থাকে, তাহলে আপনি কিছুতেই ঘুমাতে পারবেন না।

২) ভষ্ম : এটা জীবনের অনিত্যতাকে স্মরন করিয়ে দেয়। এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমাদেরও একদিন ভষ্মে পরিণত হতে হবে।

৩) চন্দ্র : চন্দ্র সর্বদাই মনের সাথে সম্পর্কিত। এটি জীবনের সকল পরিস্থিতিতে সুখী থাকা এবং মনের উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার প্রতীক।

৪) ডমরু : এটা দেখতে ইনফিনিটি চিহ্নের মত। যা শিবের অসীম তথা উন্মুক্ত চিন্তাচেতনার প্রতীক।

৫) ত্রিশুল : শিব প্রকৃতির তিনগুন নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন, এটি তারই প্রতীক। তিনি এটির মাধ্যমে সকলকে নিজ নিজ ধর্ম পালনে উৎসাহিত করে থাকেন।

৬) নীলাভ শরীর : আকাশ অন্তহীন, শিবও তেমনি অন্তহীন। নীলাভ শরীর অন্তহীন আকাশের মতই শিবের অন্তহীনতা তথা অসীমতার প্রতীক।

৭) গঙ্গা : গঙ্গা নিষ্কলুষ জ্ঞানের প্রতিনিধিত্ব করে। যখন শিবের মতই আমাদের হৃদয় স্থির হয়, তখনই তাতে নিষ্কলুষ জ্ঞান প্রবাহিত হয়।


উগ্রমূর্তি শিব আরও অনেক নামে পরিচিত। রুদ্র, ভৈরব, কঙ্কাল ও সংহারমূর্তি-জাতীয় নামে শিব বার বার পৃথিবীকে কলুষমুক্ত করেছেন। এখানে রইল মহাদেবের বিভিন্ন উগ্রমূর্তির বিবরণ। এর যে কোনও একটিকে স্মরণ করলেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব দানবরূপ প্রতিবন্ধকতা থেকে।


• কঙ্কাল-ভৈরব: এই রূপ ধরে শিব ব্রহ্মার পঞ্চম মস্তক ছেদন করেন।

• গজাসুর বধ মূর্তি: নামেই বোঝা যায়, এই মূর্তিতে তিনি গজাসুর নামক ভয়ানক অসুরকে বধ করেছিলেন।

• ত্রিপুরান্তকমূর্তি: অন্ধকাসুরের পুত্রদের স্বর্ণমণ্ডিত রাজধানী ধ্বংস করেন।

• শরভেশমূর্তি: বিষ্ণুর নৃসিংহাবতারকে ধ্বংস করেন শিব এই মূর্তি ধারণ করেন।

• কালারিমূর্তি: এই উগ্রমূর্তিতে শিব তাঁর একান্ত ভক্ত মার্কণ্ডেয়কে রক্ষা করতে যমকে পরাস্ত করেন।


এই ৫টি গোপন সত্য শিব জানিয়েছিলেন পার্বতীকে!

শিব কেন ভস্ম মাখেন, কী বলছে সনাতন ভারতীয় চিন্তা
• কামান্তকমূর্তি: এই রূপে মহাদেব কামদেব মদনকে ভস্ম করেছিলেন।

• অন্ধকাসুর-বধ মূর্তি: অন্ধকাসুর বধের কালে তিনি এই সংহারমূর্তি ধারণ করেন। পরে অন্ধকাসুর শিবের অনুচর ভৃঙ্গীতে পরিণতি লাভ করেন।

• ভৈরবমূর্তি: তন্ত্রের উপাস্য শিবরূপ। এই রূপ শ্মশানচারী শিবের


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191230101746

Saturday, December 28th, 2019

Astro Research Centre

অরিষ্ঠ যোগ কি, ফাঁড়া, দুর্ঘটনা, আকস্মিক বিপদ, রিষ্টি কি, কখন কিভাবে হবে, মৃত্যু যোগ, পতাকা রিষ্টি, রোগগ্রস্থ যোগ, দেহ কষ্ট যোগ, ফল, প্রভাব জানুন

অরিষ্ঠ যোগ কি, ফাঁড়া, দুর্ঘটনা, আকস্মিক বিপদ, রিষ্টি কি, কখন কিভাবে হবে, মৃত্যু যোগ, পতাকা রিষ্টি, রোগগ্রস্থ যোগ, দেহ কষ্ট যোগ, ফল, প্রভাব জানুন

অরিষ্ঠ যোগ কি, ফাঁড়া, দুর্ঘটনা, আকস্মিক বিপদ, রিষ্টি কি, কখন কিভাবে হবে, মৃত্যু যোগ, পতাকা রিষ্টি, রোগগ্রস্থ যোগ, দেহ কষ্ট যোগ, ফল, প্রভাব জানুন

বিবাহে নিষিদ্ধ যোগ বিশেষ। বর এবং কন্ত উভয়ের রাশি গণনাতে ষষ্ঠ ও অষ্টম হইলে তাহাকে যড়ষ্টক কহে । এই মেলকে বিবাহ করিলে দম্পতীর মৃত্যু কিম্বা কলহ হয়। জ্যোতিষে ষড়ষ্টক দুই প্রকারে বিভক্ত করা হইয়াছে ; অরিষড়ষ্টক ও মিত্রষড়ষ্টক । তাহার মধ্যে সিংহ মকর, কষ্ঠ মেষ, মীন তুলা, কর্কট কুম্ভ, বৃষ ধন্থ, মিথুন বৃশ্চিক, ইহাদের ষড়ষ্টককে অরিষড়ষ্টক কহে। যেমন, বরের রাশি সিংহ ও কস্তার রাশি মকর হইলে তাহাকে অরিযড়ষ্টক বলে। কারণ সিংহ হইতে গণনা করিলে মকর ষষ্ঠ স্থানে পড়ে; আবার মকর হইতে গণনা করিলে সিংহ অষ্টম স্থানে হয় । 


রিষ্টি বা ফাঁড়া এর বাংলা অর্থ

  ফাঁড়া এর বাংলা অর্থ হলো -

(জ্যোতিষ গণনানুসারে) বিপদের সম্ভাবনা, ঘোর বিপদ, রিষ্টি।
সাম্ভাব্য বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া।


ফাঁড়া Bengali definition [ফাঁড়া](বিশেষ্য) ১ রিষ্টি বা গ্রহদোষ, জ্যোতিষ গণনানুযায়ী মৃত্যুযোগ বা কঠিন বিপদের সম্ভাবনা (অমনি করে ফাঁড়া কাটিয়ে কোন রকমে বেঁচে আছি-ওই)। ফাঁড়া উতড়ানো, ফাঁড়া কাটানো (ক্রিয়া) বিপদ উত্তীর্ণ হওয়া; প্রাণসংকট মুহুর্ত কেটে যাওয়া। ফাঁরা (বিশেষ্য) বিপদ-আপদ (নানাবিধ {(তৎসম বা সংস্কৃত) পীড়া>}


জ্যোতিষে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সূত্র---
১. বুধ জ্যোতিষ কারক গ্রহ।
২. দ্বিতীয় বা দ্বা্দশে ( শনি+কেতু) থাকলে ঋন হবেই।
৩.শুক্র খারাপ থাকলে অভিনেতা বা অভিনেত্রি হওয়ার স্বপ্ন না দেখাই ভাল।
৪.বুধ + শুক্র জন্মছকে এক সঙ্গে থাকলে জীবনে কোন না কোন সময় দারিদ্র আসবেই।
৫. রবি+কেতু, রবি+রাহু, রবি+শনি, মঙ্গল+শুক্র, বুধ+শুক্র, শুক্র+কেতু, শুক্র+রাহু, বৃৃহস্পতি+রাহু, বৃৃহস্পতি+কেতু, বুধ+কেতু, বুধ+রাহু, শনি+মঙ্গল+শুক্র+রাহু, রবি+বুধ+কেতু, শনি+মঙ্গল+রাহু, এই অশুভ যোগ গুলির সার্থক প্রতিকার না করলে জীবনে একটির পর একটি সমস্যা লেগেই থাকবে।দুর্ঘটনা ঘটায়
৬. জন্মছকে সব গ্রহগুলি নীচস্থ হলে অধিক মন্দ হেতু রাজ যোগের সৃষ্টি হয়, রবির বা মঙ্গলের উপর শনি রাহুর দৃষ্টি থাকলে অপঘাত বা দুর্ঘটনা যোগ সৃষ্টি হয়
৭. জন্মছকে সব গ্রহগুলি উচ্চস্থ হলে সন্ন্যাস হয়।
৮. জন্মছকে কোন কিছু হওয়ার connection না থাকলে, প্রতিকারের মাধ্যমে সেই যোগ এনে দেওয়া যায় না। বিবাহ, চাকরি, প্রেম ইত্যাদি সব জন্মের সময় নিজের ভাগ্যে নিয়েই জন্মায়। গ্রহের অশুভ যোগ, অশুভ অবস্থানে যখন সময় খারাপ চলে তার থেকে মুক্তি পেতেই প্রতিকার প্রয়োজন হয়।
৯.জ্যোতিষের সব থেকে বড় বিভাগ হল সার্থক প্রতিকার নির্বাচন করা।
১০. রাহু+মঙ্গল জাতক/জাতিকার এনর্জি নষ্ট করে। সুগার হয়। বাত হয়
১১. রবি+রাহু জাতক জাতিকাকে আত্মবিশ্বাসের অভাব আনে। চোখ এর রোগ হয়। আত্ম বিশ্বাস কম হয়


আপনার রাশিচক্রে দুর্ঘটনার যোগ আছে কি না জেনে নিন


দুর্ঘটনার সঙ্গে সুপ্রভাবে জড়িয়ে আছে আকস্মিকতা। জ্যোতিষ শাস্ত্র দুর্ঘটনার জন্য মূলত অষ্টম ভাবকে দায়ী করেছে। আবার গ্রহগত দিক থেকে দেখা গেলে মুখ্য কারক মঙ্গল,শনি, রাহু, কেতু ও চন্দ্র। দুর্ঘটনার বিচারে চন্দ্র খুব দুর্বল নির্দেশক। কারণ একমাত্র ভ্রমণে বা জলে দুর্ঘটনা চন্দ্র নির্দেশ করে। প্রধানত মঙ্গলই দুর্ঘটনার কারক গ্রহ। 
এবার দেখা যাক দুর্ঘটনা কেন বা কখন হতে পরে - 
১) অষ্টমে শনি এবং চতুর্থ-পতি ষষ্ঠে অবস্থান করলে ভ্রমণরত অবস্থায় দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
২) শনি মঙ্গলের সহাবস্থান অথবা দৃষ্টি বিনিময় ঘটলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকবে বিশেষ ভাবে ওই গ্রহ দুটির মধ্যে যদি কোনও গ্রহ অষ্টম-পতি হয় অথবা অষ্টম-ভাবে অবস্থিত হয়। 
৩) দুঃস্থানে অথবা নীচ-ক্ষেত্রে মঙ্গল পাপগ্রহ দ্বারা দৃষ্ট বা যুক্ত হলে শারীরিক আঘাত প্রাপ্তির সম্ভাবনা থাকবে।
৪) অষ্টম-ভাব, অষ্টম-পতি এবং মঙ্গল পাপগ্রহের মধ্যগত বা পাপযুক্ত ও দৃষ্ট হলে দুর্ঘটনার প্রবল সম্ভাবনা থাকবে। 
৫) রাশিচক্রে রাহু-মঙ্গল যোগ অশুভ সূচক।    রাহু ও মঙ্গলের সহাবস্থান বা দৃষ্টি বিনিময় ঘটলে আকস্মিক আঘাতে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে। এর সঙ্গে কোনও ভাবে অষ্টম-ভাব বা অষ্টম-পতির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করলে দুর্ঘটনার প্রাবল্য বৃদ্ধি পাবে। 
রাশিচক্রে দুর্ঘটনার বিচারের সময় দেখতে হবে প্রাণহানির সম্ভাবনা আছে কিনা। লগ্ন-পতি, লগ্ন-ভাব বলবান ও শুভ হলে প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকবে না। দুর্ঘটনার কারক গ্রহ যদি বৃহস্পতি দ্বারা দৃষ্ট হয় তবে প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকবে না। সধারনত রাশিচক্রে যে সব গ্রহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, ওই গ্রহের দশান্তদশায় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা প্রবল থাকে। 

ত্রিপাপ চক্র দোষ:

প্রতিটি মানবেরই জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসার কেতু পতাকি, কেতু কুন্ডলী এবং গুরু কুন্ডলী গ্রহগনকে নক্ষত্রনুসার একত্রে স্থাপনা করে ত্রিপাপ চক্র ধরা হয়ে থাকে , জন্ম নক্ষত্র অনুযায়ী প্রতি জাতকের ত্রিপাপ দশা ভিন্ন ভিন্ন বয়সে হয়ে থাকে।
ত্রিপাপ বর্ষ দশাতে শুভ কর্ম, বিবাহ , নতুন গৃহ নির্মাণ প্রভৃতি না করাটাই মঙ্গল, কারণ তাতে শুভ কর্মে ব্যাঘাত ঘটে থাকে। তাছাড়া ত্রিপাপ বর্ষের অশুভ দশাতে চোট আঘাত আকস্মিক বিপদ, জ্বরাদি রোগ প্রভৃতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে ।
এই জন্য ত্রিপাপ দশা বর্ষে তৎ সম্বন্ধিৎ গ্রহের প্রতিকার ও পূজা পাঠ করানো উচিত তাতে ত্রিপাপ দোষের শান্তি হয়।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191228150037

Tuesday, December 24th, 2019

Astro Research Centre

অষ্টম মহাবিদ্যা, শত্রু বিনাশিনী মা বগলামুখি দেবির স্তব , পুজা ও তন্ত্র সাধনা, ধ্যান, অঞ্জলী, হোম, যজ্ঞ করলে সাধকের সমস্ত মনোকামনা পূর্ণ করে । জয় মা পিতাম্বরি, জয়প্রদা

অষ্টম মহাবিদ্যা, শত্রু বিনাশিনী মা বগলামুখি দেবির স্তব , পুজা ও তন্ত্র সাধনা, ধ্যান, অঞ্জলী, হোম, যজ্ঞ করলে সাধকের সমস্ত মনোকামনা পূর্ণ করে । জয় মা পিতাম্বরি, জয়প্রদা

অষ্টম মহাবিদ্যা, শত্রু বিনাশিনী মা বগলামুখি দেবির স্তব , পুজা ও তন্ত্র সাধনা, ধ্যান, অঞ্জলী, হোম, যজ্ঞ করলে সাধকের সমস্ত মনোকামনা পূর্ণ করে । জয় মা পিতাম্বরি, জয়প্রদা

আমাদের মুনি ঋষি দের মতে এই তন্ত্র শক্তির সাধনা করলে সংসারের সমস্ত শক্তি কে জয় করা যায় । বগলামুখী দেবী শ্ত্রু নাশের জন্য প্রসিদ্ধ । প্রাচীনকালে সত্যযুগে একবার প্রচণ্ড ঝড়ঝঞ্জা উৎপন্ন হয়েছিল । এর ক্ষতির কথা চিন্তা করে ভগবান বিষ্ণু অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়েন তারপর তিনি সৌরাষ্ট্র নামক প্রান্তে হরিদ্রা নামক সরোবরে ভবানী প্রসন্নতার জন্য গভীর তপস্যা করেন । তার পরিণাম স্বরুপ দেবি বগলা আবির্ভূত হন । যিনি ক্ষণকালে সেই ঝঞ্ঝা কে শান্ত করে দেন । এই তন্ত্র সাধনাতে লৌকিক ও অলৌকিক ফল প্রাপ্তি হয় । জ্যোতিষী শ্ত্রু বাধা নিবারণের জন্য এই দেবীর পুজা অর্চনা করার বিধান দেন ।

এই মন্ত্র নিয়মিত জপ ও পুজা অর্চনা শ্ত্রু বাধা দূর হয় এটা পরিক্ষিত সত্য ।

মূর্তিতত্ত্ব

“বগলামুখী” শব্দটি “বগলা” (অর্থাৎ, ধরা) এবং “মুখ” শব্দদুটি থেকে উৎপন্ন। এই শব্দটির অর্থ যিনি যাঁর মুখ কোনো কিছুর নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিতে সমর্থ।[১] অন্য একটি অর্থে, যিনি মুখ তুলে ধরেছেন।
বগলামুখীর গায়ের রং সোনালি এবং তাঁর কাপড়ের রং হলুদ। তিনি হলুদ পদ্মের ভরা অমৃতের সমুদ্রের মাঝে একটি হলুদ সিংহাসনে বসে থাকেন। তাঁর মাথায় অর্ধচন্দ্র শোভা পায়। দুটি পৃথক বর্ণনার একটিতে তাঁকে দ্বিভূজা ও অপরটিতে তাঁকে চতুর্ভূজা বলা হয়েছে।
বগলামুখীর দ্বিভূজা মূর্তি পূজার প্রচলনই বেশি। এই মূর্তিটিকে সৌম্য মূর্তি ধরা হয়। এই মূর্তিতে তাঁর ডান হাতে থাকে গদা। এই গদা দিয়ে তিনি শত্রুকে প্রহার করেন। অন্যদিকে বাঁহাতে শত্রুর জিভটি টেনে ধরে থাকেন। এই মূর্তিটিকে অনেক সময় “সম্ভন” (শত্রুকে নিস্তব্ধ করে দিয়ে তাকে শক্তিহীন করা) প্রদর্শন হিসেবে ধরা হয়। এই বর লাভের জন্য ভক্তেরা তাঁর পূজা করে থাকে। অন্যান্য মহাবিদ্যাদেরও এই শক্তি আছে বলে ধরা হয়।
বগলামুখীকে” “পীতাম্বরা দেবী” বা “ব্রহ্মাস্ত্র-রূপিণী”ও বলা হয়। তিনি একটি গুণকে বিপরীত গুণে পরিবর্তন করে পারেন বলে হিন্দুরা বিশ্বাস করেন। যেমন, তিনি বাক্যকে নিঃস্তব্ধতায়, জ্ঞানকে অজ্ঞানে, শক্তিকে শক্তিহীনতায়, পরাজয়কে জয়ে পরিবর্তন করেন।

মা বগলামুখী ধ্যান ও শোস্ত্রমঃ
=============
মধ্যে সুধাব্ধিমণিমণ্ডপরত্নবেদী সিংহাসনোপরিগতাং পরিপীতবর্ণাম্।
পীতাম্বরং কণকমাল্যবিভূষিতাঙ্গীং দেবীং স্মরামি ধৃতমুদ্গর বৈরিজিহ্বাম্।।
জিহ্ববাগ্রমাদায় করেণ দেবীং,বামেন শত্রুন্ পরিপীড়য়ন্তীম্।
গদাভিঘাতেন চ দক্ষিণে ন পীতাম্বরাঢ্যাং দ্বিভুজাং নমামি।

--- মুণ্ডমালা তন্ত্র অনুসারে দশমহাবিদ্যা হলেন কালী, তারা, ষোড়শী, ভৈরবী, ভুবনেশ্বরী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, বগলা, মাতঙ্গী ও কমলাকামিনী। মা বগলামুখী। ইনি অষ্টম মহাবিদ্যা। ইনি হলুদ পুস্প খুব ভালোবাসেন। এঁনার পূজোয় হলুদ পুস্প, হলুদ সিঁদুর দেওয়া হয়। মা বগলা কে শত্রু নাশের জন্য পূজো করা হয়। আমাদের অন্তরে যে রিপু, স্বার্থপরতা, হিংসা, অহংকার রুপী যে শত্রু আছে – আমরা তার বিনাশের জন্য মায়ের চরণে প্রার্থনা জানাবো। মা যেন সেই শত্রু গুলিকে নিপাত করেন।

মা বগলামুখী জপমন্ত্র ----
ওঁ হ্লীং বগলামুখি
সর্বদুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তম্ভয়
জিহ্বাং কীলয়
বুদ্ধিং বিনাশয় হ্লীং ওঁ স্বাহা

দেবী বগলামুখী হলেন মঙ্গলগ্রহের ইষ্টদেবী এবং দশমহাবিদ্যার শক্তিশালী এবং সহায়ক শক্তি ৷ এক (দশমহাবিদ্যা মানে দশটি মহাক্ষমতা, দেবী দশমহাবিদ্যার মধ্যে নিহিত আছে দুর্গার দশশক্তির বিভিন্ন পরিসংখ্যান) ভারতীয় আধ্যাত্মিক ধর্মীয় দর্শনের সর্বোচ্চ শক্তি হলেন দেবী ৷ আপনি যদি দেবী বগলামুখীর ছবি সংগ্রহ না করতে পারেন, তাহলে আপনি দেবী দুর্গার কোন ছবি নিতে পারেন।

আপনি এই মন্ত্রকে ৫১বা১০৮বার জপ, যে সংখ্যায় আপনি দৈনন্দিন ভজন করতে চাইবেন , আপনি করবেন।আপনার আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, আস্থা বৃদ্ধি করবে এবং আপনার সাফল্যের হারও বাড়বে। এছাড়াও আপনি এমন একটি উচ্চ সন্তুষ্টি পাবেন যা আপনার মনোকামনা পূরণ করবে।

মন্ত্রটি হল :

"ওঁ হ্লীং বগলামুখী সর্ব দুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তম্ভন,
জিহ্বাং কীলয় কীলয় বুদ্ধি বিনাশায় হ্লীং ওঁ স্বাহা" |

চলত্কনককুণ্ডলোল্লসিতচারুগণ্ডস্থলীং
লসত্কনকচম্পকদ্যুতিমদিন্দুবিম্বাননাম্ ।
গদাহতবিপক্ষকাং কলিতলোলজিহ্বাংচলাং
স্মরামি বগলামুখীং বিমুখবাঙ্মনস্স্তম্ভিনীম্ ॥ ১॥

পীয়ূষোদধিমধ্যচারুবিলদ্রক্তোত্পলে মণ্ডপে
সত্সিংহাসনমৌলিপাতিতরিপুং প্রেতাসনাধ্যাসিনীম্ ।
স্বর্ণাভাং করপীডিতারিরসনাং ভ্রাম্যদ্গদাং বিভ্রতীমিত্থং
ধ্যায়তি য়ান্তি তস্য সহসা সদ্যোঽথ সর্বাপদঃ ॥ ২॥

দেবি ত্বচ্চরণাম্বুজার্চনকৃতে য়ঃ পীতপুষ্পাঞ্জলীন্ভক্ত্যা
বামকরে নিধায় চ মনুং মন্ত্রী মনোজ্ঞাক্ষরম্ ।
পীঠধ্যানপরোঽথ কুম্ভকবশাদ্বীজং স্মরেত্পার্থিবং
তস্যামিত্রমুখস্য বাচি হৃদয়ে জাড্যং ভবেত্তত্ক্ষণাত্ ॥ ৩॥

বাদী মূকতি রঙ্কতি ক্ষিতিপতির্বৈশ্বানরঃ শীততি ক্রোধী
শাম্যতি দুর্জনঃ সুজনতি ক্ষিপ্রানুগঃ খঞ্জতি ।
গর্বী খর্বতি সর্ববিচ্চ জডতি ত্বন্মন্ত্রিণা য়ন্ত্রিতঃ
শ্রীর্নিত্যে বগলামুখি প্রতিদিনং কল্যাণি তুভ্যং নমঃ ॥ ৪॥

মন্ত্রস্তাবদলং বিপক্ষদলনে স্তোত্রং পবিত্রং চ তে
য়ন্ত্রং বাদিনিয়ন্ত্রণং ত্রিজগতাং জৈত্রং চ চিত্রং চ তে ।
মাতঃ শ্রীবগলেতি নাম ললিতং য়স্যাস্তি জন্তোর্মুখে
ত্বন্নামগ্রহণেন সংসদি মুখে স্তম্ভো ভবেদ্বাদিনাম্ ॥ ৫॥

দুষ্টস্তম্ভনমুগ্রবিঘ্নশমনং দারিদ্র্যবিদ্রাবণং
ভূভৃত্সন্দমনং চলন্মৃগদৃশাং চেতঃসমাকর্ষণম্ ।
সৌভাগ্যৈকনিকেতনং সমদৃশঃ কারুণ্যপূর্ণেক্ষণম্
মৃত্যোর্মারণমাবিরস্তু পুরতো মাতস্ত্বদীয়ং বপুঃ ॥ ৬॥

মাতর্ভঞ্জয় মদ্বিপক্ষবদনং জিহ্বাং চ সঙ্কীলয়
ব্রাহ্মীং মুদ্রয় দৈত্যদেবধিষণামুগ্রাং গতিং স্তংভয় ।
শত্রূংশ্চূর্ণয় দেবি তীক্ষ্ণগদয়া গৌরাঙ্গি পীতাম্বরে
বিঘ্নৌঘং বগলে হর প্রণমতাং কারুণ্যপূর্ণেক্ষণে ॥ ৭॥

মাতর্ভৈরবি ভদ্রকালি বিজয়ে বারাহি বিশ্বাশ্রয়ে
শ্রীবিদ্যে সময়ে মহেশি বগলে কামেশি বামে রমে ।
মাতঙ্গি ত্রিপুরে পরাত্পরতরে স্বর্গাপবর্গপ্রদে
দাসোঽহং শরণাগতঃ করুণয়া বিশ্বেশ্বরি ত্রাহি মাম্ ॥ ৮॥

সংরম্ভে চৌরসঙ্ঘে প্রহরণসময়ে বন্ধনে ব্যাধিমধ্যে
বিদ্যাবাদে বিবাদে প্রকুপিতনৃপতৌ দিব্যকালে নিশায়াম্ ।
বশ্যে বা স্তম্ভনে বা রিপুবধসময়ে নির্জনে বা বনে বা
গচ্ছংস্তিষ্ঠংস্ত্রিকালং য়দি পঠতি শিবং প্রাপ্নুয়াদাশু ধীরঃ ॥ ৯॥

ত্বং বিদ্যা পরমা ত্রিলোকজননী বিঘ্নৌঘসংছেদিনী
য়োষিত্কর্ষণকারিণী জনমনঃসম্মোহসন্দায়িনী ।
স্তম্ভোত্সারণকারিণী পশুমনঃসম্মোহসন্দায়িনী
জিহ্বাকীলনভৈরবী বিজয়তে ব্রহ্মাদিমন্ত্রো য়থা ॥ ১০॥

বিদ্যা লক্ষ্মীর্নিত্যসৌভাগ্যমায়ুঃ পুত্রৈঃ পৌত্রৈঃ সর্বসাম্রাজ্যসিদ্ধিঃ ।
মানো ভোগো বশ্যমারোগ্যসৌখ্যং প্রাপ্তং তত্তদ্ভূতলেঽস্মিন্নরেণ ॥ ১১॥

ত্বত্কৃতে জপসন্নাহং গদিতং পরমেশ্বরি ।
দুষ্টানাং নিগ্রহার্থায় তদ্গৃহাণ নমোঽস্তু তে ॥ ১২॥

পীতাম্বরাং চ দ্বিভুজাং ত্রিনেত্রাং গাত্রকোমলাম্ ।
শিলামুদ্গরহস্তাং চ স্মরে তাং বগলামুখীম্ ॥ ১৩॥

ব্রহ্মাস্ত্রমিতি বিখ্যাতং ত্রিষু লোকেষু বিশ্রুতম্ ।
গুরুভক্তায় দাতব্যং ন দেয়ং য়স্য কস্যচিত্ ॥ ১৪॥

নিত্যং স্তোত্রমিদং পবিত্রমিহ য়ো দেব্যাঃ পঠত্যাদরাদ্ধৃত্বা
য়ন্ত্রমিদং তথৈব সমরে বাহৌ করে বা গলে ।
রাজানোঽপ্যরয়ো মদান্ধকরিণঃ সর্পা মৃগেন্দ্রাদিকাস্তে
বৈ য়ান্তি বিমোহিতা রিপুগণা লক্ষ্মীঃ স্থিরা সিদ্ধয়ঃ ॥ ১৫॥

॥ ইতি শ্রীরুদ্রয়ামলে তন্ত্রে শ্রীবগলামুখীস্তোত্রং সমাপ্তম্ ॥

আমার নতুন ইউটিউব চ্যানেল ভিডিও গুলি ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করুন শেয়ার করুন জয় মা

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/U91kXCxre_o

https://youtu.be/JrU0SUjCofs

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/F3Q-5FRI83w

Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191224100705

Saturday, December 14th, 2019

Astro Research Centre

আদ্যাস্ত্রোত্রং অর্থ সহ, ফল, সার্থকতা, নিয়ম, কখন করবেন, নবগ্রহের কুফল থেকে রক্ষা পাবেন, বিস্তারিত ফল

আদ্যাস্ত্রোত্রং অর্থ সহ, ফল, সার্থকতা, নিয়ম, কখন করবেন, নবগ্রহের কুফল থেকে রক্ষা পাবেন, বিস্তারিত ফল

আদ্যাস্ত্রোত্রং অর্থ সহ নিচে দিলাম



ওঁ শৃণু বৎস প্রবক্ষ্যামি আদ্যাস্ত্রোত্রং মহাফলং ।
যঃ পঠেৎ সততং ভক্ত্যা স এব বিষ্ণুবল্লভঃ ।।

অর্থ: হে বৎস্য । মহাফলপ্রদ আদ্যা স্ত্রোত্র বলিব- শ্রবন করো, যে সর্বদা ভক্তি পূর্বক ইহা পাঠ করে, সে বিষ্ণুর প্রিয় হয় ।

মৃত্যুব্যাধিভয়ং তস্য নাস্তি কিঞ্চিৎ কলৌ যুগে ।
অপুত্রো লভতে পুত্রং ত্রিপক্ষং শ্রবণং যদি ।।

অর্থ: এই কলিযুগে তাহার মৃত্যু ও ব্যাধিভয় থাকে না, অপুত্রা তিনপক্ষ কাল ইহা শ্রবন করিলে পুত্র লাভ করে ।

দ্বৌ মাসৌ বন্ধনাম্মুক্তি র্বিপ্রবক্ত্রাৎ শ্রুতং যদি ।
মৃতবৎসা জীববৎসা ষম্মাসাঞ্ শ্রবনং যদি ।।

অর্থ: ব্রাহ্মণের মুখ হইতে দুই মাস শ্রবন করিলে বন্ধন মুক্তি হয়, ছয় মাস কাল শ্রবন করিলে মৃতবৎসা নারী জীববৎসা হয় ।

নৌকায়াং সঙ্কটে যুদ্ধে পঠনাজ্জয়মাপ্নুয়াৎ ।
লিখিত্বা স্থাপনাদ্ গেহে নাগ্নিচৌরভয়ং ক্কচিৎ ।।

অর্থ: ইহা পাঠ করিলে নৌকায়, সঙ্কটে , যুদ্ধে জয়লাভ হয়, লিখিয়া গৃহে রাখিলে অগ্নি বা চোরের ভয় থাকে না ।

রাজস্থানে জয়ী নিত্যং প্রসন্নাঃ সর্বদেবতাঃ ।
ওঁ হ্রীঁ ব্রাহ্মণী ব্রহ্মলোকে চ বৈকুণ্ঠে সর্বমঙ্গলা ।।

অর্থ: রাজস্থানে নিত্য জয়ী হয় এবং সর্ব দেবতা সন্তুষ্ট হন, হে মাতঃ, তুমি ব্রহ্মলোকে ব্রহ্মাণী, বৈকুন্ঠে সর্বমঙ্গলা ।
ইন্দ্রানী অমরাবত্যামম্বিকা বরুণালয়ে ।
যমালয়ে কালরূপা কুবেরভবনে শুভা ।।

অর্থ: অমরাবতীতে ইন্দ্রানী, বরুণালয়ে অম্বিকা, যমালয়ে কালরূপা, কুবের ভবনে শুভা ।
মহানন্দাগ্নিকোনে চ বায়ব্যাং মৃগবাহিনী ।
নৈর্ঝত্যাং রক্তদন্তা চ ঐশান্যাং শূলধারিণী ।।

অর্থ: অগ্নিকোনে মহানন্দা, বায়ুকোনে মৃগবাহিনী, নৈর্ঝত কোনে রক্তদন্তা, ঈশান কোনে শুলধারিনী ।
পাতালে বৈষ্ণবীরূপা, সিংহলে দেবমোহিনী ।
সুরসা চ মনিদ্বীপে লঙ্কায়াং ভদ্রকালিকা ।।

অর্থ: পাতালে বৈষ্ণবীরূপা, সিংহলে দেবমোহিনী, মণিদ্বীপে সূরসা, লঙ্কায় ভদ্রকালিকা ।
রামেশ্বরী সেতুবন্ধে বিমলা পুরুষোত্তমে ।
বিরজা ঔড্রদেশে চ কামাখ্যা নীলপর্বতে ।।

অর্থ: সেতুবন্ধে রামেশ্বরী, পুরুষোত্তমে বিমলা, উৎকলে বিরজা, নীলপর্বতে কামাখ্যা ।
কালিকা বঙ্গদেশে চ অযোধ্যায়াং মহেশ্বরী ।
বারাণস্যমন্নপূর্ণা গয়াক্ষেত্রে গয়েশ্বরী ।।

অর্থ: বঙ্গদেশে কালিকা, অযোধ্যায় মহেশ্বরী, বারানসিতে অন্নপূর্ণা , গয়া ক্ষেত্রে গয়েশ্বরী ।
কুরুক্ষেত্রে ভদ্রকালী ব্রজে কাত্যায়নী পরা ।
দ্বারকায়াং মহামায়া মথুরায় মাহেশ্বরী ।।

অর্থ: কুরুক্ষেত্রে ভদ্রকালী, ব্রজে শ্রেষ্ঠা কাত্যায়নী, দ্বারকায় মহামায়া , মথুরায় মাহেশ্বরী ।
ক্ষুধা ত্বং সর্বভূতানাং বেলা ত্বং সাগরস্য চ ।
নবমী কৃষ্ণপক্ষস্য শুক্লাস্যৈকাদশী পরা ।।

অর্থ: তুমি সমস্ত জীবের ক্ষুধা স্বরূপা, সমুদ্রের বেলা, তুমি শুক্ল পক্ষের নবমী এবং কৃষ্ণ পক্ষের একাদশী ।
দক্ষস্য দুহিতা দেবী দক্ষযক্ষবিনাশিনী ।
রামস্য জানকী ত্বং হি রাবণধ্বংসকারিণী ।।

অর্থ: হে দেবী তুমি দক্ষের কন্যা দক্ষযজ্ঞবিনাশিণী , তুমি রামের রাবন ধ্বংসকারিনী জানকী ।
চণ্ডমুণ্ডবধে দেবী রক্তবীজবিনাশিনী ।
নিশুম্ভশুম্ভমথনী মধুকৈটভঘাতিনী ।।

অর্থ: তুমি চণ্ড মুণ্ড বধকারিনী দেবী , রক্তবীজবিনাশিনী , নিশুম্ভ শুম্ভ মথনী , মধু- কৈটভ ঘাতিনী ।
বিষ্ণুভক্তিপ্রদা দুর্গা সুখদা মোক্ষদা সদা ।
ইমং আদ্যাস্তবং পুণ্যং যঃ পঠেৎ সততং নরঃ ।।

অর্থ: তুমি বিষ্ণুভক্তিপ্রদা, দুর্গা, সর্বদা সুখ ও মোক্ষদায়িনী, এই আদ্যাস্তব সর্বদা পাঠ করলে নরগন পুন্য লাভ করে ।
সর্বজ্বরভয়ং নস্যাৎ সর্বব্যাধিবিনাশনম্ ।
কোটিতীর্থফলঞ্চাসৌ লভতে নাত্র সংশয়ঃ ।।

অর্থ: জ্বরা ভয় থাকবে না সর্ব ব্যাধি বিনাশ হবে, কোটি তীর্থ ভ্রমনের ফল লাভ হয় ইহাতে কোন সংশয় নেই।
জয়া মে চাগ্রতঃ পাতু বিজয়া পাতু পৃষ্ঠতঃ ।
নারায়নী শীর্ষদেশে সর্বাঙ্গে সিংহবাহিনী ।।

অর্থ: জয়া আমাকে অগ্রভাগে রক্ষা করুন, বিজয়া পৃষ্ঠদেশে রক্ষা করুন, নারায়নী মস্তকে রক্ষা করুন, সিংহবাহিনী সর্বাঙ্গে রক্ষা করুন।
শিবদূতী উগ্রচণ্ডা প্রত্যঙ্গে পরমেশ্বরী ।
বিশালাক্ষী মহামায়া কৌমারী শঙ্খিনী শিবা।।

অর্থ: শিবদূতী, উগ্রচণ্ডা, পরমেশ্বরী , বিশালাক্ষী, মহামায়া, কৌমারী, শঙ্খিনী, শিবা ।
চক্রিণী জয়দাত্রী চ রণমত্তা রনপ্রিয়া ।
দুর্গা জয়ন্তী কালী চ ভদ্রকালী মহোদরী ।।

অর্থ: চক্রিনী, জয়দাত্রী , রণমত্তা, রনপ্রিয়া, দুর্গা, জয়ন্তী, কালী ভদ্রকালী, মহোদরী ।
নারসিংহী চ বারাহী সিদ্ধিদাত্রী সুখপ্রদা ।
ভয়ঙ্করী মহারৌদ্রী মহাভয়বিনাশিনী ।।

অর্থ: নারসিংহী, বারাহী, সিদ্ধিদাত্রী, সুখপ্রদা, ভয়ঙ্করী , মহারৌদ্রী, মহাভয়বিনাশিনী আমার প্রতি অঙ্গ রক্ষা করুন ।
ইতি ব্রহ্মযামল- ব্রহ্ম -নারদ- সংবাদে আদ্যা স্ত্রোত্রং সমাপ্তম ।

অর্থ: ব্রহ্মযামলে ব্রহ্ম- নারদ সংবাদে আদ্যা স্ত্রোত্র সমাপ্ত ।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191214131614

Thursday, December 12th, 2019

Astro Research Centre

নবগ্রহ, রবি সূর্য, চন্দ্র সোম, মঙ্গল ভৌম, বুধ, বৃহস্পতি গুরু, শুক্র কুব্জ, শনি, রাহু, কেতু, প্রভাব, প্রতিকার, রোগ, মন্ত্র, তন্ত্র, যন্ত্র, অবস্হান

নবগ্রহ, রবি সূর্য, চন্দ্র সোম, মঙ্গল ভৌম, বুধ, বৃহস্পতি গুরু, শুক্র কুব্জ, শনি, রাহু, কেতু, প্রভাব, প্রতিকার, রোগ, মন্ত্র, তন্ত্র, যন্ত্র, অবস্হান

নবগ্রহ, রবি সূর্য, চন্দ্র সোম, মঙ্গল ভৌম, বুধ mercury, বৃহস্পতি jupiter গুরু, শুক্র কুব্জ venus শনি saturn, রাহু, কেতু, প্রভাব, প্রতিকার, রোগ, মন্ত্র, তন্ত্র, যন্ত্র, অবস্হান

বিভিন্ন গ্রহের প্রতিকার মূল, রত্ন -পাথর, ও ধাতু দ্বারা :---

১)রবি -:-
•মূল দ্বারা-
সূর্যদেবের জন্য আফলা বেলের মূল বা বিল্ব মূল।
•ধাতু- তামা।
•রত্ন ও পাথর -
i)চুনী (Ruby) , ii) Star Ruby , iii)সারডনিক্স
IV) স্পাইনাল , v) গার্নেট।

২) চন্দ্র -:-
•মূল - ক্ষিরিকা মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন ও পাথর -i) মুক্তা, ii)মুনস্টোন, iii)এগেট।

৩) মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - প্রবাল।

৪)বুধ -:-
•মূল - বৃদ্ধদ্দারককের মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন - পান্না।

৫) বৃহস্পতি -:-
•মূল - বামনহাটির মূল/ ব্রহ্মজৈষ্ঠীর মূল।
•ধাতু - সোনা।
রত্ন ও পাথর - I) পোখরাজ, ii) হলুদ টোপাজ।


বৃহস্পতি গ্রহের প্রতিকার >

বৃহস্পতি দেবে পুজা অর্চনা ও উপাসনা থেকে বৃহস্পতির দেওয়া পীড়া যন্ত্রণা নিবারন করা যায় , কর্মকাণ্ডী ব্রাহ্মণ দ্বারা এই কাজ করা যেতে পারে । এই জন্য শুক্লপক্ষের বৃহস্পতিবার যখন আপনার রাশি চন্দ্র থাকলে এই উপায় করা যায় । এই দিন প্রাতেঃ স্বচ্ছ পীত বস্ত্র পড়ে , পীত আসনে বসে তারপর পীত বস্ত্রের আসনে বৃহস্পতি দেব বা ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি রেখে । সর্ব প্রথম বৃহস্পতি দেব কে আহ্বান করে এই মন্ত্র বলুন ।

ধ্যান মন্ত্র ঃ

পীতাম্বরঃ পীতবপুঃ কিরিটী চতুর্ভুজ দেবগুরু প্রশান্তঃ । যথা অক্ষসুত্রং চ কমনডুলং চ দণ্ড চ বিভদ্বরদো অস্তু ।

ওঁ ব্রিং বৃহস্পতিয়ে নমঃ

আসন সমর্পণয়ামি , পাদ্যাং সমর্পণয়ামি ,অর্ঘ সমর্পণয়ামি , আচমনীয়ং সমর্পণয়ামি , স্নানং সমর্পণয়ামি , গন্ধং সমর্পণয়ামি , দীপং দর্শনয়ামি , ধুপং দর্শনয়ামি , নৈবেদ্য সমর্পণয়ামি , আচমনয়ায়ং সমর্পনয়ামি , দক্ষিনাং সমর্পণয়ামি , নমস্কারভি ।

তান্ত্রিক মন্ত্র ঃ

ওঁ গ্রাং গ্রীং গ্রৌং স গুরুবে নমঃ

গায়ত্রী মন্ত্র ঃ

ওঁ আংগিরসায় বিদ্মহে দিব্যদেহায় ধীমহি তন্ন জীব প্রচদয়াত ।

প্রার্থনা মন্ত্র ঃ

দেবমন্ত্রী বিশালাক্ষঃ সদা লোকহিতেরতঃ ,অনেক শিষৈঃ সমপ্রনঃ পীড়াং দহতু মে গুরু ।

নমস্কার মন্ত্র ঃ

দেবানাং চ ঋষিনাং চ গুরুকাঞ্চন সন্নিভাম । বুদ্ধিভুতং ত্রিলকেশং তং নমামি বৃহস্পতিম ।

৬) শুক্র -:-
•মূল - রামবাসকের মূল।
•ধাতু - প্লাটিনাম।
•রত্ন ও পাথর - I) হীরা, ii) জারকোন্, iii) ওপাল।

৭)শনিদেব -:-
•মূল - শ্বেতবেড়ালার মূল।
•ধাতু - লোহা।
•রত্ন ও পাথর - I) নীলা, ii) এমিথিস্ট, iii) নীল টোপাজ, IV) তানজানাইট।

৮) রাহু -:-
•মূল - শ্বেত চন্দনের মূল।
•ধাতু - i) লোহা , ii) স্টীল।
•রত্ন - গোমেদ।

৯)কেতু -:-
•মূল - অশ্ব গন্ধার মূল।
•ধাতু - স্টীল।
•রত্ন - I) ক‍্যাটস্ আই, ii) টাইগার আই।



রবিবার হল নবগ্রহের প্রধান গ্রহ রবির জন্য নির্দিষ্ট দিন। এইদিন তো বটেই, অন্যান্য দিনেও সূর্যের উপাসনা করলে জীবনে প্রভূত উন্নতির সম্ভাবনা।
নবগ্রহের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল রবি অথবা সূর্য। ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী রবি-র অবস্থান যদি ঠিক না হয়, তবে হাজার পরিশ্রমেও জাতকের জীবনে উন্নতি করা কঠিন হয়ে পড়ে। যশ, খ্যাতি ইত্যাদি কোনও কিছুই আসে না। রবি সু-অবস্থানে থাকলে পেশাগত জীবনে প্রভূত উন্নতির সম্ভাবনা থাকে, তাই যাঁদের কুণ্ডলীতে রবি ভাল অবস্থানে থাকে না তাঁরা নানা ধরনের মানসিক অশান্তি এবং নেতিবাচক মনোভাবের শিকার হন। এছাড়া জীবনে তাঁদের অন্যদের হাতে বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত হতে হয়।

হিন্দুশাস্ত্র মতে, এই ৬টি আচার পালন করলে অত্যন্ত প্রসন্ন হন সূর্যদেব—

১. প্রতিদিন সকালে সূর্যোদয়ের আগে স্নান করে শুদ্ধ হয়ে সূর্যপ্রণাম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সূর্যপ্রণাম যোগাভ্যাস করা সকলের পক্ষে সম্ভব নয়। তা সম্ভব না হলেও সূর্যমন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে গঙ্গাজল বা পরিস্রুত জল সূর্যদেবতাকে নিবেদন করলে তা মঙ্গল।
২. গুড় সূর্যদেবতার প্রিয় তাই প্রতিদিন সকালে সূর্য উপাসনার সময় গুড় প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করলে এবং ক্ষুধার্ত বা দরিদ্র মানুষকে রবিবার দিন গুড় ও ছোলাভাজা দান করলে প্রসন্ন হন সূর্যদেব।

৩. এছাড়া মহাদেবের উপাসনার সময়েও লাল ফুল (জবা নয়) দিয়ে তাঁর পুজো করলে ভাল।
৪. রবিবার দিন উপোস করলেও সন্তুষ্ট হন সূর্যদেব।

৫. যে কোনও একটি রবিবার দরিদ্রকে লাল কাপড় দান করলে জীবনে রবির সুপ্রভাব বৃদ্ধি পায় ও কুপ্রভাব কাটতে থাকে। লাল হল সূর্যের পছন্দের রং।

৬. সূর্যদেব দান-ধ্যান পছন্দ করেন। তাই যে কোনও রবিবার সাধ্যের মধ্যে তামা অথবা স্বর্ণ দান করলে অত্যন্ত প্রসন্ন হন সূর্য।
৭)সূর্যের বীজ মন্ত্র : ঔঁ হ্রীং হ্রীং সূর্যায়
১০০বার সকাল ৬.০৪ মিঃ এ পূর্ব দিকে মুখ করে সূর্য দেব কে দেখে জপ করবে‌

জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, পারিবারিক ও আর্থিক বিষয় ছাড়াও শারীরিক ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে ৯টি গ্রহ৷ রবি থেকে কেতু, এই ৯টি গ্রহ শরীরের বিশেষ বিশেষ অংশে প্রভাব ফেলে৷

আসুন জেনে নেওয়া যাক শরীরের কোন অঙ্গে কোন গ্রহ প্রভাব ফেলে৷১. রবি: এই গ্রহের স্থান মাথা ও মুখ৷ রবি বিরুদ্ধ হলে মাথা ও মুখের কোনও অংশে অসুখ হতে পারে৷ মুখে বা মাথায় আঘাত লাগতে পারে৷ যদি রবি অনুকূলে থাকে তাহলে মাথা বা মুখের কোনও অংশে অসুখ হলে বা আঘাত লাগলে, তা তাড়াতাড়ি সেড়ে যায়৷

২. চন্দ্র: এই গ্রহের স্থান গলা ও বুক৷ চন্দ্র বিরুদ্ধ হলে সবসময় সর্দিকাশি, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের কোনও অসুখ,হৃদরোগ এমনকি যক্ষাও হতে পারে৷ চন্দ্র অনুকূলে থাকলে শ্লেষ্মাজাতীয় অসুখ বা হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই৷

৩. মঙ্গল: এই গ্রহের স্থান পেট ও পিঠ৷তাই মঙ্গল বিরুদ্ধ থাকলে পেটের ও পিঠের কোনও স্থানে অসুখ হতে পারে৷শিরদাঁড়ায় আঘাত লাগা, হাড় ভাঙা, শিরা ছিঁড়ে যাওয়া, অযথা অতিরিক্ত রক্তপাত, রক্তদূষন, রক্তশূন্যতা, আগুনে পুড়ে যাওয়া, যে কোনও ধরনের অস্ত্রপ্রচার হতে পারে৷মঙ্গল শুভ ফলদায়ক হলে এই ধরনের আঘাত লাগা বা দুর্ঘটনা থেকে দূরে থাকা যায়৷

৪. শনি: এই গ্রহের স্থান পা৷তাই শনি বিরুদ্ধ  থাকলে পায়ে আঘাত লাগা, ব্যাথা বেদনা, রক্তপাত, দুর্ঘটনায় পা পর্যন্ত বাদ যেতে পারে৷এছাড়া শিরা-উপশিরা সংক্রান্ত সমস্যাও দেখা দিতে পারে৷

৫. রাহু : রাহুর বিরুদ্ধতায় রবি, চন্দ্র, মঙ্গল, শনি প্রভৃতির মতো সবরকম কষ্টভোগ করতে মানুষ বাধ্য হন৷

৬. কেতু: এই গ্রহের স্থান ত্বক৷তাই কেতু বিরুদ্ধ থাকলে নানারকম চর্মরোগ হতে পারে৷

৭.  বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র মানুষের মন, কানন, চিত্ত, বুদ্ধিতে আধিপত্য করে থাকে৷তাই এইসব গ্রহ বিরুদ্ধ হলে মনের অস্থিরতা, চিত্ত চাঞ্চল্য, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে৷এইসব গ্রহ শুভ ফলদায়ক হলে মানসিক শক্তি, বুদ্ধি, ধৈর্য্য,সহ্য বৃদ্ধি পায়৷

৮. অশুভ কেতু ও মঙ্গলের যোগ হলে দুরারোগ্য ব্যাধি, দুষ্টক্ষত এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে৷

৯. অশুভ কেতু ও মঙ্গল যোগে পিত্তঘটিত রোগের আশঙ্কা থাকে৷




Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191212214205

Thursday, December 12th, 2019

Astro Research Centre

কণ্টক শনি, অষ্টম শনি, শনির ঢাইয়া, শনির সাড়েসাতি, শনির গোচর, শনির মহাদশা, অন্তরদশা, কালচক্র ও যোগিনী দশা

কণ্টক শনি, অষ্টম শনি, শনির ঢাইয়া, শনির সাড়েসাতি, শনির গোচর, শনির মহাদশা, অন্তরদশা, কালচক্র ও যোগিনী দশা

কণ্টক শনি, অষ্টম শনি, শনির ঢাইয়া, শনির সাড়েসাতি, শনির গোচর, শনির মহাদশা, অন্তরদশা, কালচক্র ও যোগিনী দশা

দয়া করে কেউ কপি করবেন না

মিথুন ও তুলা রাশির শনির ঢাইয়া শুরু হবে
শনির ঢাইয়াঃ-

জন্মরাশি থেকে গোচরকালীন শনি যখন চতুর্থে বা অষ্টমে এসে উপস্তিত হয় তখন এই আড়াই বছর শনির উক্ত রাশিতে অবস্থানকে ঢাইয়া বলা হয়।

কণ্টক শনি: জন্ম কালীন চন্দ্রের চতুথ 4 স্হানকে বলা হয়

অষ্টম শনি : জন্ম কালীন চন্দ্রের অষ্টম স্হানকে বলা হয়

শনি যদি জন্মছকে পিড়ীত হয় তবেই অশুভ ফল দেখা দিয়ে থাকে। পিড়ীত না হলে শুভফল দিয়ে থাকেন।
এই সময়কালে নতূন কোনো কাজ আরম্ভ করা উচিত নয়।এই সময় পারিবারিক, আর্থিক,মানষিক,শিক্ষাক্ষেএে ও স্বাস্থ্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।
এই সময় মানুষকে সৎ থেকে এবং ভাবনা চিন্তা করে ডিশিশান নেওয়া উচিত এবং কোনোরকম আলস্য না করে নিজের কর্ম করে যাওয়া দরকার।

***প্রতিকার ***

মাষকলাইয়ের ডাল দান

দরিদ্র মানুষকে কালো মাষকলাইয়ের ডাল দান করুন এবং প্রবাহিত নদীতে কিছু ভাসিয়ে দিন|

সরিষা তেল

একটি বাটিতে সরিষার তেলে আপনার ছায়া দেখুন এবং শনিবারে তেলটি দান করে শনি দেবতার অনুগ্রহ পান|

খিচুড়ি

শনি দেবতার অনুগ্রহ পেতে শনিবারে, চাল এবং কালো মাষকলাই ডালের খিচুড়ি খান এবং ওই দিন আমিষ খাবার এড়িয়ে চলুন|

উপবাস

যেসব লোকেরা সাড়েসাতি , শনি ধাইয়া, মহাদশা বা অন্তর্দশার প্রভাবে পড়েন তাদের শনিবারে উপবাস করা প্রয়োজন| শনিবার উপবাস পালনে মানুষের বাত, পৃষ্ঠবেদনা, পেশির সমস্যা দূর হয়| এছাড়াও এই উপবাস একজন ব্যক্তিকে আশাবাদী করে তোলে এবং মানসিক চাপ থেকে রেহাই দেয়|

তেল

প্রতি শনিবার, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীর ও নখের উপর তেল প্রয়োগ করুন| মাদক বা কোনো ধরনের আসক্তির ব্যবহার এড়িয়ে চলুন|

কালোও নীল রং পরুন

কালোও নীল শনি দেবের পছন্দের রং| সুতরাং, শনিবার কালো পরুন যদি আপনি শনি গ্রহর দ্বারা বিচলিত থাকেন এবং তাঁর অনুগ্রহ চান|

শনি ট্রানজিট 2020

According to Saturn Transit 2020, the planet of justice, Saturn will transit from Sagittarius to its own Zodiac Sign Capricorn on 24th January 2020 at 12:05 PM


মিথুন ও তুলা রাশির জাতক ও জাতিকার ঢাইয়া শুরু হবে

তুলার রাশির জাতকের সুফল প্রাপ্ত হবে

ক্রমশঃ চলবে

জয় মা তারা কিছু বাস্তু নিয়ম মেনে চলুন ভাগ্য বদলে যেতে পারে ভিডিও টা দেখুন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191212210525

Friday, October 4th, 2019

Astro Research Centre

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন  বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

নবরাত্রি ও দূর্গা পূজা উৎসব আমরা পর পর পালন করে থাকি|দুর্গাপূজা নবরাত্রির ষষ্ঠ দিনে শুরু হয়|এবং এই দিনটিকে দুর্গা ষষ্ঠী বা মহাষষ্ঠী বলা হয়| এই দিনে দেবী দুর্গা কৈলাশের যাত্রা শেষ করে মর্তে আগমন করেন|ষষ্ঠী পূজার কিছু আকর্ষণীয় ধর্মীয় আচার রয়েছে|অনেক নারী দুর্গা ষষ্ঠীর দিনে একটি বিশেষ পূজা করে থাকেন|

দুর্গাপূজার ধর্মানুষ্ঠান
ষষ্ঠী হল কোনো চান্দ্র মাসের ষষ্ঠ দিন|এই দিন বংশধরদের কল্যাণে কামনায় নিবেদিত করা হয়|মায়েরা দুর্গা পূজার সময় তাদের সন্তানদের জন্য ষষ্ঠী পুজো করে থাকেন| যদিও ষষ্ঠী প্রতি মাসে একবার আসে, তবুও কোনো কোনো ষষ্ঠী বেশ গুরুত্বপূর্ণ| উদাহরণস্বরূপ, নীল ষষ্ঠীর দিনে সন্তানের কল্যাণের জন্য শিব ঠাকুর কে পুজো করা হয়ে থাকে| জামাই ষষ্ঠী জামাতার কল্যাণে নিবেদিত|

একইভাবে,দূর্গা ষষ্ঠী মায়েদের কাছে একটি বিশেষ দিন যেদিন তারা সন্তানের কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করে থাকেন| দেবী দুর্গাকে যেহেতু মহাবিশ্বের মাতা বলে ধারণা করা হয়, তাই দূর্গা ষষ্ঠী মায়েদের জন্য একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে|এই দিনে, মায়েরা উপোষ করেন বা নির্দিষ্ট সীমিত খাবার খেয়ে থাকেন| তারা 'অঞ্জলি' দিয়ে থাকেন এবং তাদের সন্তানের সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করে থাকেন|
দিন শুরু হয় দেবীর মুখ উন্মোচন করে|তারপর দুর্গাপূজার বোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়|এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে দুর্গাপূজা পূর্ণ আড়ম্বর ও জাঁকজমকের সঙ্গে শুরু হয়| মহিলারা যাদের সন্তান আছে উপোষ করে থাকেন এবং পরে নতুন শাড়ী পরে 'অঞ্জলি' দিয়ে থাকেন|এই বিশেষ দিনে আমিষ খাদ্য ও চাল খাওয়া থেকে তারা বিরত থাকেন|

দশ হাতে দশটি অস্ত্র এর অর্থ

ত্রিশূল: মহামায়ার হাতে ত্রিশূল তুলে দিয়েছিলেন মহাদেব৷ শোনা যায়, ত্রিশূলের তিনটি ফলার আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। মানুষ তিনটি গুণ, তমঃ, রজঃ ও সত্যকে ব্যাখ্যা করে এই তিন ফলা৷

গদা: যমরাজ দিয়েছিলেন দিলেন কালদণ্ড বা গদা৷ যা আনুগত্য, ভালবাসা এবং ভক্তির প্রতীক।

বজ্রাস্ত্র: দেবরাজ ইন্দ্র দিয়েছিলেন বজ্রাস্ত্র৷ মায়ের হাতের এই অস্ত্র দৃঢ়তা এবং সংহতির প্রতীক।

সাপ: শেষ নাগ দিয়েছিলেন নাগহার৷ বিশুদ্ধ চেতনার প্রতীক হল এই সাপ।

অগ্নি: অগ্নিদেব দিয়েছিলেন এই অস্ত্র৷ জ্ঞান এবং বিদ্যার প্রতীক এই অগ্নি।

শঙ্খ: বরুণ দিয়েছিলেন শঙ্খ৷ যা জীব জগতে প্রাণের সৃষ্টি করে।

চক্র: মায়ের হাতে চক্র তুলে দিয়েছিলেন বিষ্ণু৷ যার অর্থ হল সমস্ত সৃষ্টি ও জগতের কেন্দ্রে অধিষ্ঠান রয়েছেন দেবী দুর্গা।

[সিংহ নয়, পুরাণ মতে মা দুর্গার বাহন এরাই]

তির-ধনুক: বায়ু দিয়েছিলেন ধনুক ও তির৷ উভয়ই ইতিবাচক শক্তির প্রতিক৷

পদ্ম: দেবীর হাতে ব্রহ্মা তুলে দেন পদ্ম৷ পাঁকে জন্মায় পদ্ম। কিন্তু তবু সে কত সুন্দর। তেমনই মায়ের আশীর্বাদে যেন অন্ধকারের মধ্যেও আলোর আবির্ভাব হয় সেই বার্তাই দেয় পদ্ম ফুল।

দেবী দুর্গার দশ হাতের দশটি অস্ত্র
(বামদিকের পাঁচ হাতের অস্ত্র:-)
১. ত্রিশূল,
২. খড়গ,
৩. চক্র,
৪. বাণ,
৫. শক্তি নামক অস্ত্র।
(ডানদিকের পাঁচ হাতের অস্ত্র:-)
৬. শঙ্খ,
৭. খেটক (ঢাল),
৮. ঘন্টা,
৯. অঙ্কুশ,
১০. পাশ।

দুর্গা আগমনীর পথে। বছর ঘুরে আবার নিজের বাপের বাড়ি ফিরছে মা। তাই আনন্দে মাতোহারা সকলেই। কাশ ও শিউলি ফুলে সেজে উঠেছে চারিদিক। উঠবে ঢাক ও কাঁসর ধ্বনির রব। প্রান প্রতিষ্ঠা হবে মা দুর্গার দেহে, মৃন্ময়ী মা ধীরে ধীরে চিন্ময়ী রূপ ধারন করবেন। আর মায়ের দশ হাত শোভা পাবে দশটি অস্ত্র। শঙ্খ, সাপ তীর-ধনুক, ত্রিশূলে সজ্জিত মা দুর্গার হাত। শোনা যায় এই সবকটি অস্ত্রের সাহায্যেই নাকি অসুর নিধন করেছিলেন মা দুর্গা। তবে শুধু তাই নয়, মায়ের দশ হাতের দশটি অস্ত্রই আলাদা আলাদা অর্থ বহন করে। জানেন কোন অস্ত্র ঠিক কি অর্থ বহন করে? কেনই বা এই অস্ত্রগুলি থাকে মায়ের হাতে? তবে আসুন তা জেনে নেওয়া যাক।
শঙ্খ-
শঙ্খ হল সৃষ্টির প্রতীক। পুরাণ মতে শঙ্খ থেকে উৎপন্ন শব্দেই প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে আমাদের এই জীব জগতে। আর দেবী তো মা। তাই তিনিই সমস্ত পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। সেজন্যই মা দুর্গার হাতে শঙ্খ থাকে।
চক্র-
চক্র অর্থাৎ আবর্তন। দেবী দুর্গার হাতে চক্র থাকার অর্থ হল সমস্ত সৃষ্টির কেন্দ্রে রয়েছেন মা। তাই তাঁকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়ে চলেছে সমস্ত বিশ্ব।
পদ্ম-
দেবীর হাতের পদ্ম অসাধারন বার্তা দেয় সমাজকে। পাঁকের মধ্যে জন্মানো সত্ত্বেও পদ্মের রূপ মুগ্ধ করে সকলকে। তাই মায়ের হাতে পদ্ম থাকার অর্থ হল, মায়ের আশীর্বাদে যেন অসুরকূলও তাঁদের ভিতরের অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়।
তলোয়ার বা খড়্গ -
খড়্গ বা তলোয়ারের ধার আসলে মানুষের মগজাস্ত্রের বুদ্ধির ধার। আর এই ধার দিয়েই যাতে সমাজের সমস্ত বৈষম্য ও অশুভকে মানুষ জয় করতে পারে। সেই বার্তাই বহন করেন মা দুর্গার হাতের খড়্গ বা তলোয়ার।
তীর-ধনুক-
মনুষ্য শরীরের ভিতরে যে অন্তর্নিহিত শক্তি রয়েছে তারই প্রকাশ ঘটে ধনুর টঙ্কারে। আর এই ধনু টঙ্কারের সঙ্গে জুড়ে থাকে তীর যা এই ধনুর টঙ্কারে প্রকাশিত শক্তির ভারকে বহন করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানে। মানব দেহে সেই শক্তির সঞ্চার করতেই মা দুর্গা নিজের হাতে তীর-ধনুক বহন করেন।
ত্রিশূল-
ত্রিশূলের তিনটি তীক্ষ্ণ ফলার তিনটি ফলার তিনটি আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। মানুষ তিনটি গুনের সমন্বয়ে তৈরি। যেগুলি হল- তমঃ, রজঃ, এবং সত্ত্ব। এই তিনটি গুণকেই নির্দেশ করে ত্রিশূলের তিনটি ফলা।
দণ্ড বা গদা-
দণ্ড হল আনুগত্য, ভালোবাসা, এবং ভক্তির প্রতীক।
বজ্র বা অশনি-
মা দুর্গার হাতের অশনি দৃঢ়তা এবং সংহতির প্রতীক। এই দুই গুণের মাধ্যমেই জীবনে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হন মানুষ।
সাপ- চেতনার নিম্ন স্তর থেকে উচ্চ স্তরে প্রবেশ এবং বিশুদ্ধ চেতনার চিহ্ন এই সাপ।

অগ্নি- দেবীর এক হাতে থাকে অগ্নি। এই অগ্নি জ্ঞান এবং বিদ্যার প্রতীক।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191004135538

Sunday, September 29th, 2019

Astro Research Centre

পেটে, বুকে বা চোখে নাকে জন্মচিহ্ন থাকলে কী হয় আঁচিল, তিল, জড়ুল, কাটা চিহ্ন

পেটে, বুকে বা চোখে নাকে জন্মচিহ্ন থাকলে কী হয়       আঁচিল, তিল, জড়ুল, কাটা চিহ্ন

পেটে, বুকে বা চোখে জন্মচিহ্ন থাকলে কী হয়

জন্মচিহ্ন দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করার রেওয়াজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। আঁচিল, তিল, জড়ুল, কাটা চিহ্ন, ঝলসানো চিহ, ইত্যাদি সব কিছু থেকেই ভবিষ্যৎ বলা যায়। আঁচিল বা জড়ুল যত বড় হয়, ততই থাকে ক্যানসারের মতো রোগের চিন্তা। শরীরের গোপন অঙ্গে জন্মচিহ্ন যতই গোপন থাকে ততই ভাল, কারণ যে শুভফলগুলি ঘটে তা ভাল ভাবে ঘটে। একই ভাবে খারাপটা তত খারাপ হয় না যদি কেউ না জানে।

কিন্তু যাঁদের শরীরে সে রকম কোনও জন্মচিহ্ন থাকে না, সে সব ক্ষেত্রে? এই বিষয়ে নানা মতবাদ আছে। কেউ বলেন, তাঁরা হয় শিশু আত্মা, না হলে অতি বৃদ্ধআত্মা বা ওল্ড সোল।

ভবিষ্যৎ জানতে জন্মদাগ খুবই কার্যকর। বিভিন্ন অঙ্গে জন্মচিহ্ন থাকার পরীক্ষিত ফলগুলি নীচে আলোচনা করা হল:

(১) পায়ের পাতায় জন্মচিহ্ন: যদি কোনও পুরুষের পায়ের পাতায় জন্মচিহ্ন থাকে, তাতে বোঝায় জাতকের এক জায়গায় দীর্ঘকাল বাস কখনওই হবে না। সে হবে অভিযাত্রী প্রকৃতির। সে হবে ভ্রমণপ্রিয়। আর মেয়ের হলে সে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।

(২) পায়ের আঙ্গুলে জন্মচিহ্ন: এরাও ভ্রমণপ্রিয় হয়। তবে বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়।

(৩) পেটে বা তলপেটে জন্মচিহ্ন: এদের মতো খেয়ে সুখ কেউ পায় না। এরা পেটুক এবং ভীষণ স্বার্থপর বা আত্মকেন্দ্রিক হয়।

(৪) থাইয়ে জন্মচিহ্ন: ডান বা বাম যে থাইয়ে জন্মচিহ্ন থাকুক না কেন, তারা জন্ম থেকেই সুখী, উন্নতিশীল, প্রচুর ধন সম্পদের মালিক হয়ে থাকে। এরা খুব আনন্দপ্রিয় হয়।

(৫) বুকে জন্মচিহ্ন: বুকের ডান বা বাম, যে দিকেই জন্মচিহ্ন থাক, এরা কোনও দিনই ভাগ্যবান নয়। পদে পদে বাধা পায়।আজীবন মানসিক অসুখী হয়। এক কথায় ‘মিজারেবল লাইফ’।

(৬) ডান চোখের নীচে জন্মচিহ্ন: যার এ রকম আছে, সে সহজেই টাকা রোজগার করে। এদের রোজগারের জন্য তেমন পরিশ্রম কোনও দিনই করতে হয় না।

(৭) বাম চোখের নীচে জন্মচিহ্ন: পুরুষের বাম চোখের নীচের জন্মচিহ্ন থাকা মানেই সে মহিলাবাজ পুরুষ। সে সহজেই যে মহিলাকে বশ করে ফেলতে পারে। সে এক জীবনে অনেক মহিলা সংসর্গে জড়িয়ে পড়ে বদনাম কেনে।

(৮) মাথায় জন্মচিহ্ন: কোনও মহিলার যদি মাথার পিছনে জন্মচিহ্ন থাকে, সে সর্বদা দুর্বলতা অনুভব করে থাকে।

(৯) মাথার ডানদিকে জন্মচিহ্ন থাকার মানে: যার আছে সে যদি রাজনীতি করতে নামে, তা হলে বিশেষ কৃতকার্য হবে।

(১০) আর মাথার বামদিকে যদি জন্মচিহ্ন থাকে: সে হবে ভীষণ গরিব, তার পক্ষে হয়তো এই জীবনে বিয়ে করা সম্ভব হবে না।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190929204256

Sunday, September 29th, 2019

Astro Research Centre

নব রাত্রি ব্রত পালন করে অশুভ গ্রহ থেকে মুক্ত কিভাবে হবেন নব রাত্রির গুরুত্ব সারমর্ম শুভত্ব নবগ্রহের কুপ্রভাব থেকে মুক্ত হবেন নব রাত্রি পালনের নিয়ম

নব রাত্রি ব্রত পালন করে অশুভ গ্রহ থেকে মুক্ত কিভাবে  হবেন  নব রাত্রির গুরুত্ব সারমর্ম শুভত্ব নবগ্রহের কুপ্রভাব থেকে মুক্ত হবেন নব রাত্রি পালনের নিয়ম

নব রাত্রি ব্রত পালন করে অশুভ গ্রহ থেকে মুক্ত কিভাবে হবেন নব রাত্রির গুরুত্ব সারমর্ম শুভত্ব

ওঁ প্রথমং শৈলপুত্রীতি দ্বিতিয়াং ব্রহ্মচারিণী , তৃতীয়ং চন্দ্রঘণ্টেতি কূষ্মাণ্ডে চতুর্থকম ।
পঞ্চমং স্কন্দমাতেতি ষষ্ঠম কাত্যায়নী তথা , সপ্তমং কালরাত্রিতি মহাগৌরি তিচাষটমাম ,
নবমং সিদ্ধিদাত্রীতি নবদুর্গা প্রকীর্তিতা ।
শৈলপুত্রী

বন্দে বাঞ্ছিতলাভায় চন্দ্রারধকৃত শেখরাম ,বৃষারুঢ়াং শলধরাং শৈলপুত্রীং যশ্বস্বিনীম ।।
ওঁ শ শৈলপুত্রয়ে নমঃ

ব্রহ্মচারিনী


দধনা করপদ্মাভ্যামক্ষালাকমনডং , দেবী প্রসীদতু ময়ি ব্রহ্মচারিন্যনুত্তমা ।
ঔং ব্রহ্মচারিন্যে নমঃ
চন্দ্রঘণ্টা

পিণ্ডজপ্রবরারুঢ়া চণ্ড কোপাস্ত্রকৈযুতা , প্রাসাদং তনুতে মহ্যং চন্দ্র ঘণ্টেতি বিশ্রুতি ।
ঔং চং চং চং চন্দ্র ঘণ্টায়ৈ দুং

কুষ্মাণ্ডা

সুরা সম্পূর্ণ কলশং রুধিরাপ্লূতমেব চ , দধনা হস্তপদ্মাভ্যাং কুস্মুনডা শুভদাস্তু মে ।
ঔং ক্রীং কূষ্মাণ্ডয়ৈ ঔং
স্কন্ধমাতা

সিংহাসনগতা নিত্যংপদমাশ্রিতকরদ্বয়া , শুভদাস্ত সদা দেবী স্কন্দমাতা যশস্বিনী ।
ঔং ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ৈ বিচ্চে ঔং স্কন্দমাতেতি নমঃ
কাত্যায়নী


চন্দ্রহাস্যোজ্জ্বলকরা শার্দূল বর বাহনা, কাত্যায়নী শুভ দধাত দেবী দানব ঘাতিনী ।
ঔং ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ৈ বিচ্চে ঐং কাত্যায়নী দেবৈ নমঃ
কালরাত্রি


করালরুপা কালাব্জা সমানাকৃতি বিগ্রহা , কালরাত্রি শুভ দধাদ দেবী চণ্ডাটহাসিনী ।
লীং ক্রীং হুং
মহাগৌরী

শ্বেত বৃষ সমারূঢ়া শ্বেতাম্বর ধরা শুচি ঃ ,মহাগৌরী শুভং দধান্মহোদৈ ব প্রমোদ্দা ।

সিদ্ধ গন্ধর্ব যক্ষাদ্যৈঃ অসুরৈরমবৈরনি ,সেবামানা সদা ভুয়াৎ সিদ্ধিদা সিদ্ধিদায়িনী ।।
ঔং ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ৈ বিচ্চে ঔং সিদ্ধিদাত্রি দেব্যৈ নমঃ

এক বেণী জপা বার্ন পুরা নগ্ন খরাস্থিতা
লম্ব শঠই কনিকা কর্নি তৈল ভ্যক্ত শারিরিনি
বাম পাদল্ল সল্লহ্লতা কণ্টক ভূষণা
বর্ধন মুরধ ধ্বজা কৃষ্ণা কাল রাত্রি ভয়ঙ্করী

দেবী দুর্গার সপ্তম রুপ কাল রাত্রি । কাল রাত্রির গায়ের রঙ অন্ধকারের মত কালো ,মাথার চুল এলোমেলো , গলায় বিদ্যুতের মালা । দেবী ত্রি নয়না । নাসিকার শ্বাস প্রশ্বাসে ভয়ংকর অগ্নি শিখা নির্গত হয় । মায়ের বাহন গদ্রভ । এক হাতে অভয় মুদ্রা অন্যহাতে লোহার কাঁটা । মা কাল রাত্রির ভয়ানক হলেও সর্বদা ইনি শুভ ফল দান করেন ।ইনি গ্রহ বাধা দূর করেন । ভক্ত রা এর কৃপায় ভয় মুক্ত হয়

নব রাত্রি কি ভাবে পালন করে, কোন গ্রহের
অশুভ দোষ কাটে এবং কেন নব রাত্রি ব্রত

হিন্দু সনাতন ধর্মে শুভ শক্তির সূচনা এবং অশুভ শক্তির বিনাশের জন্যই
নবরাত্রি পূজা করা হয়. এই ব্রতের মাধ্যমে মঙ্গলময়ী মাকে প্রসন্ন করা হয়. শাস্ত্র মতে মা দুর্গার নয়টি রূপ.এই নয় রূপের নয়টি নাম-------
শয়িলপুত্রী, ব্রমহচারিনী , চন্দ্রঘন্টা , কুষ্মান্ড ,স্কন্দমাতা , কাত্যায়নি,কালরাত্রি, মহাগৌরী , সিদ্ধিদায়িনি. নবরাত্রির দিন মায়ের
নয়টি রূপের পূজা হয়.
শইলপুত্রী রূপের পুজো করলে মূলাধার চক্র শুভ হয়.
ব্রমহচারিনী রূপের পুজো করলে সাধিস্থান চক্র শুভ হয়.
চন্দ্র ঘন্টা রূপের পুজো করলে সমস্ত পাপ ও বাধাবিঘ্ন বিনিষ্ট হয়
কুশমানডআ রূপের পূজা করলে কর্মক্ষেত্রে জটিলতা , যশ ,আয়ু , বল
বৃদ্ধি হয় . ----- কুমড়োকে সংস্কৃত ভাষায় কুশমানড বলা হয়. মায়ের
পুজোয় কুমড়ো বলি তার প্রিয় নৈবদ্য. রবি গ্রহ পীড়িত এই পুজো শুভ হয়.
স্কন্দ মাতার রূপের পুজো করলে পরম শান্তি ও সুখ অনুভব হয়.
কাত্যায়নী রূপের পুজো করলে ধর্ম সম্পদ ও জাগতিক সুখ পায়.
কালরাত্রি রূপের পূজা করলে সমস্ত কু- প্রভাব বিনাশ হয়.
মহাগৌরী রূপের পুজো করলে ভালো বিবাহ হয়.
সিদ্ধিদাত্রী রূপের পুজো করলে সকল প্রকার সিদ্ধি প্রাপ্ত হয় আমাদের পরিপূর্ণতা আসে. সব কিছু থেকে মুক্তি লাভ হয়.

নবরাত্রি তিথির পালন------১. সংযমী হওয়া , মিষ্টি , টক , ঝাল
না খাওয়া. অর্থাৎ আহারে শুচিতা রাখা
২. মাটিতে কম্বল পেতে বালিশ ছাড়া শোয়া
৩. ৩০ মিনিট মৌনতা পালন. চিত্তকে ঠিক রাখা
৪. সাজগোজ না করা--- ৫ ভুল চিন্তা না করা অর্থাৎ ব্রমূহচর্য পালন.
সব দিন পালন করতে না পারলেও তৃতীয়া , পঞ্চমী , অষ্টমী তিথি
বা পঞ্চমী ও অষ্টমী তিথি অবশ্যই পালনীয়
মন্ত্র------- রূপং দেহি , জয়ং দেহি , যশো দেহি , দ্বিষো জহি .

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190929095500

Wednesday, September 25th, 2019

Astro Research Centre

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন রাশি দায়ী লগ্ন, গণ, রাশি, নক্ষত্র, বর্ণ, যোনি, মাতপাথক্য ডিভোর্স, মাঙ্গলিক

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন রাশি দায়ী লগ্ন, গণ, রাশি, নক্ষত্র, বর্ণ, যোনি, মাতপাথক্য ডিভোর্স, মাঙ্গলিক

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন রাশি দায়ী
লগ্ন, গণ, রাশি, নক্ষত্র, বর্ণ, যোনি, মাতপাথক্য

সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য দায়ী হল বুধ ও রবি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শনি, মঙ্গল, রাহু ও কেতু এর জন্য দায়ী হয়। জ্যোতিষ মতে জাতক-জাতিকার ভাগ্যেই বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ থাকে। জেনে নিন রাশির অবস্থান কেমন থাকলে বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে।

১) লগ্ন ভাবে শনি ও রাহুর একত্রে অবস্থান এবং লগ্নে যদি কেতু থাকে, তা হলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা প্রবল।

২) দ্বিতীয়, সপ্তম ও একাদশ ভাবের সম্পর্ক আর্থিক কারণে বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়।

৩) দ্বিতীয়, সপ্তম বা অষ্টমে রবি ও মঙ্গল একত্রে অবস্থান করলে বিচ্ছেদ হবেই বলা যায়।

৪) দ্বিতীয়, সপ্তম ও একাদশ ভাবের সম্পর্ক পণ ও পারিবারিক কোনও কারণে বিচ্ছেদ ঘটায়।

৫) সপ্তম ভাবে দ্বাদশ পতি মঙ্গল, শনি, রাহু অবস্থিত হলে বিচ্ছেদ হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

৬) অষ্টম ভাবে মঙ্গল অবস্থিত হলে এবং ওই স্থানে শনি ও রাহু দৃষ্টি দিলে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটতে পারে।

৭) সপ্তম পতি ও দ্বিতীয় পতি যদি তৃতীয়, ষষ্ঠ, অষ্টম, একাদশ ও দ্বাদশ পতি গ্রহের নক্ষত্রে অবস্থিত হয়, তা হলে বিচ্ছেদ হয়।

৮) দ্বিতীয় ভাবে সপ্তম ভাব পতি বা রাহু ও কেতুর অবস্থানও বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।

৯) যদি দ্বিতীয় ও সপ্তম ভাব পতি ও শুক্র নীচস্থ হয়ে পাপগ্রহ দ্বারা পীড়িত হয়, তবে বিচ্ছেদ হতে দেখা যায়।

১০) সপ্তম স্থানে রবি, শনি রাহু, কেতু অবস্থিত হলে এবং ত্রিকোণ সপ্তম ভাব পতি বা দ্বাদশ ভাব পতি অবস্থান করলে বিচ্ছেদের প্রবল যোগ সৃষ্টি করে।

১১) সপ্তম স্থানে ক্ষীণ চন্দ্র, শনি, রাহু একত্রে থাকে এবং যদি কোনও শুভ গ্রহের দৃষ্টি না থাকে, তা হলে বিচ্ছেদ হতে পারে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে 9টি গ্রহ,27টি নক্ষত্র ও 12 টি রাশিকে কল্পনা করে -- তাদের শুভাশুভ অবস্থানের ভিত্তিতে,বিংশত্তরীয় দশা( বর্তমানে ফলপ্রদ),ও গ্রহনক্ষত্রের বর্তমান স্থিতি(গোচর)অনুযায়ী দেশ, রাজ্য,মানব ও মানবীর জীবনের শুভাশুভ ফলাদেশ করা হয়।27টি নক্ষত্র ছারাও আরো একটি নক্ষত্র যার নাম " অভিজিৎ"ও আরো তিনটি গ্রহ ইন্দ্র,বরুন ও রুদ্র এদের কে নিয়ে ও আলোচনা করা হয়,এই তিনটি গ্রহের প্রভাব আমার মতে মনুষ্য জীবনের প্রভাবের ক্ষেত্রে বিবেচ্য নয় কারন এদের গতি খুব ধীর ও পৃথিবী থেকে অনেক দূরে আছে,তবে রাষ্ট্রীয় ফলের ক্ষেত্রে এদের প্রভাব অবশ্যই আছে।9টি গ্রহের নাম-- সূর্য্য বা রবি,সোম বা চন্দ্র,ভৌম বা মঙ্গল,বুধ,বৃহস্পতি,শুক্র,শনি,রাহু ও কেতু।27 টি নক্ষত্র হলো--অশ্বিনী,ভরনী,কৃত্তিকা,রোহিনী,মৃগশিরা,আদ্রা,পুনর্বসু,পুষ্যা,অশ্লেষা,মগা,
পূর্বফল্গুনী,উত্তরফল্গুনী,হস্তা,চিত্রা,
স্বাতী,বিশাখা,অনুরাধা,জৈষ্ঠা,মূলা,
পূর্বাষাঢ়া,উত্তরাষাঢ়া,শ্রবনা,ধনিষ্ঠা,শতভিষা,পূর্বভাদ্রপাদ,উত্তরভাদ্রপাদ ও রেবতী।12 টি রাশি হলো-- মেষ,বৃষ,মিথুন,কর্কট,সিংহ,কন্যা,তুলা,বৃশ্চিক,ধনু,মকর,কুম্ভ ও মীন।


কেবলমাত্র রাশির মিল হলেই যে সেই বিবাহ আদর্শ বা রাজযোটক, তা নয়। বিবাহ বিচারে প্রথম প্রাধান্য দেওয়া হয় দু’জনের মানসিক মিলনের। বিশেষত সার্বিক সুখকর গ্রহের অবস্থান আদর্শ মিলনে জরুরী।
জ্যোতিষ বিচারে সব থেকে শুভ যোগ, যদি পাত্রের রাশির পঞ্চম স্থানে পাত্রীর রাশি হয়। বিপরীত দিকে পাত্রীর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। উদাহরণ স্বরূপ, পাত্রের যদি কন্যা রাশি হয়, তা হলে পাত্রীর মকর রাশি কিংবা পাত্রীর মীন রাশি হলে পাত্রের কর্কট রাশি।
যোটক বিচারে বিবাহের ক্ষেত্রে আদর্শ যদি পাত্র-পাত্রীর জন্মকুণ্ডলীতে প্রজাপতি নির্বন্ধ যোগ হয়। এই যোগে বিবাহিত জীবন ভীষণ আনন্দময় হয়ে ওঠে। জীবন হয় সুখ ও শান্তিতে পরিপূর্ণ।

আরও পড়ুন:পদ্মিনী, চিত্রিণী, শঙ্খিনী, হস্তিনী— এই চার প্রকার নারী চেনার উপায় জেনে নিন

এই যোগ থাকলে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ্মীলাভ হতে দেখা যায়। পাত্র-পাত্রীর এই যোগ থাকলে কোনও বিচারের প্রয়োজন পড়ে না। এক কথায় যোটক বিচার করার দরকার পরে না।


কোন রাশির সঙ্গে কোন রাশি যোটক বিচারে ভীষণ শুভপ্রদ: রাজযোটক ও রাশি মিল

• মেষ– কর্কট, সিংহ, ধনু, মকর।
• বৃষ– সিংহ, কন্যা, কুম্ভ ও মকর।
• মিথুন– কন্যা, তুলা, কুম্ভ ও মীন।
• কর্কট– তুলা, বৃশ্চিক, মেষ ও মীন।
• সিংহ– মেষ, বৃষ, বৃশ্চিক ও ধনু।
• কন্যা– ধনু ও বৃষের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভাল। তবে মকর ও মেষ বাদ দিয়ে অন্যান্য রাশিতে মধ্যম।
• তুলা– মকর, কুম্ভ ও কর্কট।
• বৃশ্চিক– কর্কট, মীন, কুম্ভ ও সিংহ।
• ধনু– সিংহ, কন্যা, মেষ ও মীন।
• মকর– কন্যা, তুলা, মেষ ও মীন।
• কুম্ভ– বৃষ ও তুলা রাশি।
• মীন– কন্যা, বৃশ্চিক, ধনু, কর্কট ও মীন।

নক্ষত্র দেবতা অধিদেবতা
ইংরেজি বর্ণানুক্রমে নক্ষত্রের নাম

বাংলা বর্ণানুক্রমে নক্ষত্রের নাম

61 মূল্য
α Delphinus বসুদেব
β Crux বিশ্বামিত্র
β Cassiopeia জমদগ্নি
β Corvas মণিবন্ধ
β Hydra শেষ
β Venatici কনিষ্ঠ কালকব্জ
γ Corvas তর্জনী
γ Sagitarius ধনু
δ Auriga প্রজাপতি
δ Cancer সুমিত্রা
ε Cassiopeia কশ্যপ
ε Andromedi মুখ
η Leo কেশর
η Ophiuchi সুরসা
ζ Hydra বাসুকি
ζ Taurus স্বাহা
θ Virgo আপাংবৎস
λ Aquarii দুর্যোধন
λ Gemini অনল
ν Virgo ধ্রুপদ
ν Scorpius সারণ
ρ Perseus রেণুকা
σ Scorpius দ্রোণ
σ Sagittaeius উত্তরাষাঢ়া
τ Scorpius সুগ্রীব
χ Cassiopeia ভরদ্বাজ
Alcore অরুন্ধতী
Alioth অঙ্গিরা
Alkaid মরীচি
Alnath অগ্নি
Alpha Columbae আলফা কলাম্বি
Barnard's Star বার্নারড্ তারা
Beid বাইদ
Baten Kaitos বাতেন তিমি
Bellatrix কার্তিকেয়
Betelgeuse আর্দ্রা
Canopus অগস্ত্য
Castor বিষ্ণুতারা
Capella ব্রহ্মহৃদয়
Celaeno সন্নতি
Chelil, Celbalrahi চেলিল
Centaurus মহিষাসুর
Cor-Corolli জ্যেষ্ঠ্য কালকব্জ
Cursa কুরসা
Delta Columbae ডেল্টা কলাম্বি
Deneb পুচ্ছ
Deneb-al-giedi মকরপুচ্ছ
Denebola উত্তর ফাল্গুনি
Diphda দিফদা
Dschubba অনুরাধা
Dubhe ক্রতু
El Asich আশীবিষ
Electra লজ্জা
Eta carinae ইটা কারিনা
Etamin সর্পমণি
Formalhaut মৎস্যমুখ
Gamma Columbae গামা কলাম্বি
Gemma কোহিনুর
Giedi গিয়েদি
Gomeisa প্রত্যুষ
Grumiun গ্রুমিউন
Hamal, Hamul অমল
Hydum Primus শকটমুখ
Kaitan কৈতান
Kafil-Jedina কাফিল-জেদিনা
Kaus Australis কাউস অস্ট্রালিস
Kochab প্লবঙ্গ
Markab মার্কাব
Maya সম্ভূতি
Mebsuta মেবসুতা
Megrez অত্রি
Menkab মীনকেতন
Menkalinan ঊর
Merak পুলহ
Merope প্রীতি
Mesarthim মুখরশ্মি
Middle Kaus পূর্বাষাঢ়া
Mintaka চিত্রলেখা
Mira মার
Mirach মচ্ছ
Mirfak কুঠারপৃষ্ঠ
Mirzam মির্জাম
Mizar বশিষ্ঠ
Mu Columbae মিউ কলাম্বি
Nashirah নাশিরাহ
Nelkar নেলকার
Nihal নিহাল
North Aselus উত্তর অসেলুস
Phacd ফদ
Phecda পুলস্ত্য
Phurud ফুরুদ
Pleione বিনতা
Polaris ধ্রুবতারা
Pollux সোমতারা
Porrima নাভিতারা
Procyon প্রভাস
proxima-centauri প্রোক্সিমা সেন্টাউরি
R-Dorado লোপামুদ্রা
Rana রানা
Rasalas মণি
Rasalghethi রাসালঘেথি
Rasal-Hague রাসাল-হাওয়া
Regulus মঘা
Rigel বাণরাজা
Rotaner রত্নপুরী
Saak সাক
Sabik সাবিক
Sadalchbia বিদুর
Sadalmelik ধৃতরাষ্ট্র
Sadalsuud গান্ধারী
Saif কার্তবীর্য
Scheat পূর্ব-ভাদ্রপাদ
Schedir গৌতম
Scutum Sobiesci ঢাল
Seginus সেগিনাস
Shaulah শুক
Sheliak শেলক
Sheratan শিরস্থান
Sirius লুব্ধক
South Aselus গর্দভ
Spica চিত্রা
Subra অর্জুন
Sulaphat সুলাফাৎ
Syrma শ্রীমাতা
Tais তাইস
Tarazed কর্ণ
Taygeta অনুসূয়া
Tejat হলবলা
Themin থেমিন
Thuban কংস
Unuk ভীষ্ম
Urka উরকাব
Vega অভিজিৎ
Vindemiatrix দ্রাক্ষাহরণী
Wasat অনিল
Wazn, Wezn ওজন
Wezen ওয়েজেন
Zaurak জাউরাক
Zavijava জপজপা
Zewia জানু
Zibal জিবাল
Zubenel Chameli সৌম্যকীলক
Zubenel Genubi বিশাখা

অগস্ত্য Canopus
অগ্নি Alnath
অঙ্গিরা Alioth
অত্রি Megrez
অনল λ Gemini
অনিল Wasat
অনুরাধা Dschubba
অনুসূয়া Taygeta
অভিজিৎ Vega
অমল Hamal, Hamul
অরুন্ধতী Alcor
অর্জুন Subra
আর্দ্রা Betelgeuse
আপাংবৎস θ Virgo
আলফা কলাম্বি Alpha Columbae
আশীবিষ El Asich
ইটা কারিনা eta carinae
উত্তর অসেলুস North Aselus
উত্তর ফাল্গুনি Denebola
উত্তরাষাঢ়া σ Sagittaeius
উরকাব Urka
ঊর Menkalinan
ওজন Wezn, Wazn
ওয়েজেন Wezen
কংস Thuban
কনিষ্ঠ কালকব্জ β Venatici
কর্ণ Tarazed
কশ্যপ ε Cassiopeia
কাউস অস্ট্রালিস Kaus Australis
কাফিল-জেদিনা Kafil-Jedina
কার্তিকেয় Bellatrix
কার্তবীর্য Saif
কুঠারপৃষ্ঠ Mirfak
কুরসা Cursa
কেশর η Leo
কৈতান Kaitan
কোহিনুর Gemma
ক্রতু Dubhe
গর্দভ South Aselus
গান্ধারী Sadalsuud
গামা কলাম্বি Gamma Columbae
গামা ধনু γ Sagitarius
গিয়েদি Giedi
গৌতম Schedir
গ্রুমিউন Grumiun
চিত্রলেখা Mintaka
চিত্রা Spica
চেলিল Chelil, Celbalrahi
জপজপা Zavijava
জমদগ্নি β Cassiopeia
জাউরাক Zaurak
জানু Zewia
জিবাল Zibal
জ্যেষ্ঠ্য কালকব্জ Cor-Corolli
ডেল্টা কলাম্বি Delta Columbae
ঢাল Scutum Sobiesci
তর্জনী γ Corvas
তাইস Tais
থেমিন Themin
দিফদা Diphda
দুর্যোধন λ Aquarii
দ্রাক্ষাহরণী Vindemiatrix
দ্রোণ σ Scorpius
ধৃতরাষ্ট্র Sadalmelik
ধ্রুপদ ν Virgo
ধ্রুবতারা Polaris
নাভিতারা Porrima
নাশিরাহ Nashirah
নিহাল Nihal
নেলকার Nelkar
পুচ্ছ Deneb
পুলস্ত্য Phecda
পুলহ Merak
পূর্ব-ভাদ্রপাদ Scheat
পূর্বাষাঢ়া Middle Kaus
প্রজাপতি δ Auriga
প্রত্যুষ Gomeisa
প্রভাস Procyon
প্রীতি Merope
প্রোক্সিমা সেন্টাউরি proxima-centauri
প্লবঙ্গ Kochab
ফদ Phacd
ফুরুদ Phurud
বশিষ্ঠ Mizar
বসুদেব α Delphinus
বাইদ Beid
বাণরাজা Rigel
বাতেন তিমি Baten Kaitos
বাসুকি ζ Hydra
বিদুর Sadalchbia
বিনতা Pleione
বিশাখা Zubenel Genubi
বিশ্বামিত্র β Crux
বিষ্ণুতারা Castor
ব্রহ্মহৃদয় Capella
ভরদ্বাজ χ Cassiopeia
ভীষ্ম Unuk
মকরপুচ্ছ Deneb-al-giedi
মঘা Regulus
মচ্ছ Mirach
মণি Rasalas
মণিবন্ধ β Corvas
মরীচি Alkaid
মৎস্যমুখ Formalhaut
মহিষাসুর Centaurus
মার Mira
মার্কাব Markab
মির্জাম Mirzam
মিউ কলাম্বি Mu Columbae
মেবসুতা Mebsuta
মীনকেতন Menkab
মুখ ε Andromedi
মুখরশ্মি Mesarthim
মূল্য 61
রত্নপুরী Rotaner
রানা Rana
রাসালঘেথি Rasalghethi
রাসাল-হাওয়া Rasal-Hague
রেণুকা ρ Perseus
লজ্জা Electra
লুব্ধক Sirius
লোপামুদ্রা R-Dorado
শকটমুখ Hydum Primus
শিরস্থান Sheratan
শেষ β Hydra
শুক Shaulah
শেলক Sheliak
শ্রীমাতা Syrma
সন্নতি Celaeno
সম্ভূতি Maya
সর্পমণি Etamin
সাক Saak
সাবিক Sabik
সারণ ν Scorpius
সুগ্রীব τ Scorpius
সুমিত্রা δ Cancer
সুরসা η Ophiuchi
সুলাফাৎ Sulaphat
সেগিনাস Seginus
সোমতারা Pollux
সৌম্যকীলক Zubenel Chameli
স্বাহা ζ Taurus
হলবলা Tejat


সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190925073619

Wednesday, September 18th, 2019

Astro Research Centre

বিশ্বকর্মা পুজো(পূজা )মন্ত্র পুষ্পাঞ্জলি অঞ্জলি ধ্যান স্তোস্ত্র প্রণাম মন্ত্র বাহন হাস্তি দেব শিল্পী পূজা পদ্ধতি ইন্দ্র রূদ্র বরুন প্রজাপতি অগ্নি হোম

বিশ্বকর্মা পুজো(পূজা )মন্ত্র  পুষ্পাঞ্জলি অঞ্জলি ধ্যান স্তোস্ত্র প্রণাম মন্ত্র বাহন হাস্তি দেব শিল্পী পূজা পদ্ধতি ইন্দ্র রূদ্র বরুন প্রজাপতি অগ্নি হোম

বিশ্বকর্মা পুজো(পূজা )মন্ত্র পুষ্পাঞ্জলি অঞ্জলি ধ্যান স্তোস্ত্র প্রণাম মন্ত্র বাহন হাস্তি দেব শিল্পী পূজা পদ্ধতি ইন্দ্র রূদ্র বরুন প্রজাপতি অগ্নি হোম

হিন্দু ধর্ম অনুসারে বিশ্বকর্মা শিল্পী ও ভাস্কর্যের আর যন্ত্র ও যন্ত্রকৌশলের দেবতা ৷এই মহাবিশ্বের প্রধান স্থপতি হলো বিশ্বকর্মা ৷শিল্প নৈপুণ্য স্থাপত্য শিল্প এবং কারুকার্য সৃষ্টিতে অনন্য গুনশালী দেবতা তিনি ৷পুরান অনুসারে তিনি দেব শিল্পী৷ তিনি স্থাপত্য বেদ নামে একটি উপবেদ এর রচিয়তা ৷ বিশ্বকর্মা দেবের চতুর্ভূজ রুপ অত্যন্ত শৌর্য শালী ৷তার বাম দিকের এক হাতে ধনুক আর অন্য হাতে তুলাদন্ড এবং ডান দিকের এক হাতে হাতুড়ি অন্য হাতে ব্রম্য কুঠার৷ তার বাহন হস্তী৷ তার কৃপায় মানুষ শিল্পকলা ও যন্ত্র বিদ্যা পারদর্শিতা লাভ করে ৷তিনি অলংকার শিল্পের স্রষ্টা এবং দেবতাদের বিমান ও অস্ত্র নির্মাতা ৷তিনি ব্রহ্মার নির্দেশে কিশকিন্ধা নগরী ,যম ও বরুণ দেবের প্রাসাদ ,পুষ্প রথ, ইন্দ্রের বজ্র শিবের, ত্রিশূল ভগবান বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র, কুবেরের অস্ত্র ইত্যাদি নির্মাণ করেছেন ৷ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদেশে তিনি দ্বারকাপুরি ও নির্মাণ করেছেন৷
বিশ্বকর্মার পুজা পদ্ধতি--
সর্বপ্রকার কারুকার্য বিশ্বকর্মা দেবের সৃষ্টি বিশ্বকর্মা মানুষকে শৈল্পিক জ্ঞান ও মেধা দান করেন ৷বিশ্বকর্মা পূজার মূল উদ্দেশ্য তার কৃপা এবং কর্মের শিল্প নৈপুণ্য লাভ করা৷ কারুশিল্প ও শিল্প শ্রমিকেরা ভাদ্র মাসের সংক্রান্তি তিথিতে বিশ্বকর্মা দেবের পূজা করেন ৷পূজার রীতিনীতি অন্যান্য পূজার অনুরূপ হলেও পূজার সময় পারিবারিক সদস্যগণ যে সকল পেশায় নিয়োজিত সেসব পেশায় ব্যবহৃত উপকরণসমূহ বিশ্বকর্মা প্রতিমার কাছে রাখা হয় ৷বিশ্বকর্মা পূজা পঞ্চ উপাচারের 10 উপাচারের ও 16 উপাচারের করা যেতে পারে৷
পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র---
এষ সচন্দন দুর্বাপুষ্পবিল্বপত্রাঞ্জলিঃ
ওঁ শিল্পবতে শ্রীবিশ্বকর্মণে নমঃ
সরলার্থ--চন্দন ,দুর্বা,পুষ্প ও বিল্বপত্র দিয়ে শিল্প দেবতা বিশ্বকর্মাকে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করছি এবং প্রণাম জানাচ্ছি ৷
প্রণামমন্ত্র---
ওঁ দেবশিল্পিন মহাভাগ দেবানাং কার্যসাধক
বিশ্বকর্মন্নমস্তুভ্যং সর্বাভীষ্ট ফলপ্রদঃ

সরলার্থ---হে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা আপনি মহান দেবগণের কার্যসম্পাদক সর্বঅভীষ্ট পূরনকারী ৷তোমাকে প্রণাম৷
বিশ্বকর্মার কৃপায় শিল্প ও বিজ্ঞানের পারদর্শিতা লাভ করা যায়৷ তার আশীর্বাদে কারু শিল্প কর্মের দক্ষতা অর্জন করা যায় ৷পারিবারিক ও মন্দির ভিত্তিক এ পূজা করার মাধ্যমে বিশ্বকর্মা দেবের প্রতি পূজারীদের ভক্তি প্রতিষ্ঠিত হয় ৷বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে শিল্পের বিকাশ ঘটানোর প্রেরণা পাওয়া যায় এবং সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটে৷ পূজারী কোন কাজে মনোযোগী হয় এবং কার্য সম্পাদনের মনোভাব গড়ে ওঠে ৷বিশ্বকর্মার কৃপায় পূজারী গণ শিল্পকলা ও যান্ত্রিক বিদ্যায় পারদর্শী ত লাভ করতে পারে ৷বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে লোক শিল্পের বিকাশ ঘটে৷

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190918084423

Sunday, September 15th, 2019

Astro Research Centre

দশ মাহাবিদ্যা রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্ররিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় জ্যোতিষে মাতঙ্গী

দশ মাহাবিদ্যা  রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্ররিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় জ্যোতিষে মাতঙ্গী

দশ মাহাবিদ্যা রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্রতিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় কালী তারা ষোড়শী ভুবনেশ্বরী ভৈরবী ছিন্নমস্তা ধূমাবতী কমলা

মাতঙ্গী দেবী শ্যাম বর্ণা, চতুর্ভুজা , ত্রিনয়না। ললাট ফলকে অর্ধ চন্দ্র থাকে। ইনি সদা হাস্যময়ী। ইনি অঙ্কুশ, খড়গ, খেটক, পাশ ধারন করে থাকেন ।ইনি নবম মহাবিদ্যা । ইনি দাবানলের ন্যায় রাক্ষস কূল ভস্ম করেন। তিনি অসুর ও আসুরিক ভাবাচ্ছন্ন দের মোহ মায়ার জালে বন্দী করে ভ্রষ্ট করে দেন। আবার তিনিই ভক্তকে অভীষ্ট ফল প্রদান করেন। গৃহস্থ জীবনে ইনি সুখ ও শান্তি প্রদান করেন। বাক সিদ্ধির জন্য এই দেবীর আরাধনা সাধকরা করে থাকেন । পূরশ্চর্যার্ণব শাস্ত্র মতে বলা হয়-

অক্ষবক্ষ্যে মহাদেবীং মাতঙ্গীং সর্বসিদ্ধিদাম্ ।
অস্যাঃ সেবনমাত্রেণ বাকসিদ্ধিং লভতে ধ্রুবম্ ।।

নারদপঞ্চরাত্র শাস্ত্র মতে দেবী ভগবতীর মাতঙ্গী রূপ ধারনের একটি ঘটনা আছে । সেখানে শিবকে চন্ডাল আর দেবীকে উচ্ছিষ্টচণ্ডালিনী বলা হয়েছে। কেন বলা হয়েছে জানা নেই। তবে এর একটি কারন হতে পারে- শ্মশানের ডোম, চণ্ডাল কে দেখে আমরা হামেশাই ঘৃনা করে থাকি। বিশেষ করে উচ্চ বর্ণের লোকেরা ছুৎ মার্গ অবলম্বন কারীরা এঁদের মুখ দর্শন করাকে ঘোর পাপ বলে মনে করে। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই চলে এসেছে। কিন্তু শ্মশান কিন্তু কম পবিত্র জায়গা নয়, মন্দিরের মতোই পবিত্র। ব্রহ্মচর্য, সংযম, নিত্য- অনিত্যের শিক্ষা পাঠ হয় সেখানে, এই স্থান অপবিত্র হয় কি ভাবে ? আর শবদাহ কে পুন্য কর্ম ধরা হয়। স্বয়ং দেবাদিদেব এই শ্মশানে থাকেন, তিনি ছাই ভস্ম মেখে দিগম্বর । এখানে কোন পিছু টান নেই, তাই মা কালীর বিচরণ ক্ষেত্র। আর চন্ডাল এই পরম ক্ষেত্রে দিবারাত্র পুন্য কর্ম করে দেবাদিদেব ও জগত জননীর আশীর্বাদ ও সান্নিধ্য লাভ করছে। এবার ভেবে দেখুন কে বেশী পবিত্র? কবি নজরুল একটি কবিতায় লিখেছেন – ‘চন্ডাল কে দেখে চমকাও কেন? ও তো শ্মশানের শিবও হতে পারে।’ যারা দিবারাত্র শিব সান্নিধ্যে থাকে তাঁরা যে শিবত্ব লাভ করে এতে সন্দেহ কি ? যেমন যিনি গুরু আশ্রয় করে গুরু বানী মেনে জীবন যাপন করেন – তাঁদের যে মোক্ষ লাভ হবে এতে আর সন্দেহ কি ? যাই হোক মূল কাহানী বলা যাক। একদা দেবী পার্বতী পিতৃগৃহে হিমালয় ভবনে গেছেন। সেখানে যত্নে রেখেছেন মেনকা রানী। কন্যা বলে কথা। নয়নের মনি। কিন্তু শক্তি ভিন্ন শিব আর থাকেন কতক্ষণ ? তিনি একদিন এক শাঁখারীর ছদ্দবেশে হিমালয় ভবনে শাঁখা, শঙ্খ বিক্রি করতে গেলেন। সেখানে বেশ বিক্রয় হল। দেবী পার্বতীও শাঁখা কিনলেন। শঙ্খ কিনলেন । পার্বতী দেবী জানালেন –‘ওহে শাঁখারী, বল এই শাঁখা আর শঙ্খের কত মূল্য নেবে?’ ছদ্দবেশী মহাদেব প্রথমে নিতে চাইলেন না। পড়ে অনেক বলার পর মহাদেব বললেন- ‘তুমি আমায় বরন করো- এটাই মুল্য।’ এই শুনে দেবী অত্যন্ত রেগে ভাবলেন তাঁকে কুপ্রস্তাব দেয় এমন সাধ্যি কার? এখুনি ভস্ম করবেন এই লম্পট শাঁখারীকে। দেবী আরও ভাবলেন একবার যোগবলে দেখে নেওয়া যাক এই শাঁখারীর পরিচয়। মহামায়ার কাছে কোন মায়া খাটে না। দেখলেন এ যে ছদ্দবেশে মহেশ্বর। দেবী হেসে বললেন – ‘কালান্তরে তোমার মনোরথ পূর্ণ করবো।’

মানস সরোবরের তীরে মহাদেব কিরাত বেশে ছিলেন। দেবী তাঁর সখী দের সাথে সেখানে চন্ডালিনীর বেশে গেলেন ও মহাদেবের সাথে লীলাকেলি করলেন। এতে তাঁরা দুজনেই আনন্দিত হলেন। মহাদেব বললেন- ‘দেবী। তুমি চন্ডালিনী বেশে আমার সাথে মিলিত হয়েছো, তোমার এই রূপ উচ্ছিষ্টচন্ডালিনী নামে প্রসিদ্ধ হবে। সমস্ত শক্তি পূজোর শেষে তোমার এই রূপ পূজা হবে, নাহলে সেই শক্তি পূজো বিফল হবে।অন্য দিকে তোমার এই রূপ মাতঙ্গী নামে খ্যাতা হবে ।’

কিছু তন্ত্র শাস্ত্রে শিবকে মতঙ্গ আর তাঁর শক্তিকে মাতঙ্গী বলা হয়েছে । আবার কিছু শাস্ত্র মতে এই দেবীকে মতঙ্গ মুনির কন্যা বলা হয়েছে। পুরাকালে মতঙ্গ নামক এক ঋষি কদম্ব বনে সমস্ত প্রানীকে বশ করার জন্য ত্রিপুরাদেবীর আরাধনা করেছিলেন। সেই দেবীর নেত্র থেকে এক জ্যোতি বের হয়, সেই জ্যোতি এক দেবী মূর্তি ধারন করে। তিনি শ্যামলা , সুমুখী, ষোড়োশী। এই দেবীর নাম রাজমাতঙ্গিনী। দেবীর চাঁর হাতকে চাঁর বেদের প্রতীক বলা হয়।

শ্রী শ্রী চন্ডীর সপ্তম অধ্যায়ে আমরা মাতঙ্গী দেবীর একটি ধ্যান মন্ত্র পাই-

ধ্যায়েয়ং রত্নপীঠে শুককলপঠিতং শৃন্বতীং শ্যামলাঙ্গীম্ ।
ন্যস্তৈকাঙঘ্রিং সরোজে শশিশকলধরাং বল্লকীং বাদয়ন্তীম্ ।
কহ্লারাবদ্ধমালাং নিয়মিতবিলসচ্চূড়িকাং রক্তবস্ত্রাম্ ।
মাতঙ্গীং শঙ্খপাত্রং মধুরমধুমদাং চিত্রকোদভাসিভালাম্ ।।

দেবী মাতঙ্গী হল দশমহাবিদ্যার অন্যতম কারো মতে নবম মহাবিদ্যা। দেবী মূলতঃ স্বরস্বতী দেবীর তাত্রিক রুপ হিসাবেই চিহ্নিত হন ।
মাতঙ্গী দেবী সংগীত, কলা বিশেষত আর্টসের উপর আধিপত্য বিস্তার কারী । তাকে একজন চন্ডালিনী হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে । ভারত তন্ত্রসার ধ্যান মন্তে দেবীকে উচিষ্ঠা মাতঙ্গী হিসাবে দেখানো হয়েছে। এখানে মাতঙ্গী দেবীকে একটি মৃতদেহ উপর উপবিষ্ট এবং লাল জামা, লাল জহরত পরেন ।
দেবীর সম্পূর্ণরূপে বিকশিত স্তন সঙ্গে একটি অল্প বয়স্ক,( ষোল বছর বয়সী) কুমারী হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি একহাতে একটি মস্তক এবং দুই হাতে একটি তরবারি বহন করেন। তার গায়ের রং নীল হিসাবে বর্ণনা করা হয় । তার কোমর পাতলা। তার কপাল ক্রিসেন্ট চাঁদ । তার তিনটি চোখ এবং হাস্যমুখে থাকেন । তিনি মণিরত্ন পরিধান করেন এবং একটি অলংকার সজ্জিত সিংহাসনে বসেন।
Shyamaladandakam মতে, মাতঙ্গী একটি রুবি-খচিত বীনা বাজান এবং মিতভাষী । ধ্যান মন্ত্রতে চার হাত বিশিষ্ট কালো পান্না গাত্রবর্ণ , পুরো স্তন লাল কুমকুম পাউডারএ উদ্বর্তিত, এবং তার কপাল উপর একটি ক্রিসেন্ট চাঁদ সঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে। তাকে দেবী ত্রিপুরা সুন্দরীর মত প্রায়ই বর্ণনা করা হয় ।তার সবুজ গাত্রবর্ণ গভীর জ্ঞান সঙ্গে যুক্ত তাই প্রায়ই বক্তৃতায় প্রতিনিধিত্বমূলক, তার হাতে একটি তোতাপাখি দেখানো হয়। মুন্ডমালা নামের একটি গ্রন্থের দশমহাবিদ্যার অস্তিত্ব পাওয়া যায় মনে করা হয় যে বিষনুর দশ অবতারের প্রাথমিক রুপ।
মাতঙ্গীকে শেষ অবতার কল্কির রুপক হিসাবেই মনে করা হয় । শক্তি ভাগবত পুরান অনুযায়ী দশমহাবিদ্যার যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতে দেবী মাতঙ্গীকে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শিবকে আক্রমণ করতে দেখান হয়েছে।(গল্পটি অন্য মহাবিদ্যার আলোচনাতেও আছে দেখে নিতে অনুরোধ করছি) শক্তিসঙ্গমা তন্ত্রে উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনীর উতপত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, একবার দেবতা বিষ্ণু ও তার স্ত্রী লক্ষ্মী শিব এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী পার্বতীকে (সতীর পুনরায় দেহধারণ) পরিদর্শন করেন। তাদের খাবার খাওয়ার সময় তাদের খাদ্য অবশিষ্ট থাকে এবং সেখানে একটি সুন্দর কুমারীকে পড়ে থাকতে দেখেন । কিছু খাবার দেবতারা মাটিতেও ফেলেছিল । ঐ কুমারি অবশিষ্ট খাদ্য গ্রহন করেন বলে সেদিন থেকেই কুমারী উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনী নামে পরিচিত হন।
এই মাতঙ্গীনীকে দূষিত রাস্ট্রের সাথেও তুলনা করা হয়ে থাকে।মাতঙ্গী হচ্ছে সেই স্তবক যারা খাদ্য গ্রহন করে হাত-মুখ ধৌত করেনা পুনরায় খাদ্য গ্রহন করে মূলধারার হিন্দুধর্মে এ ধরনের অভ্যাসকে নিষিদ্ধ করা হয়।সে কারনেই ঋতুবতী কন্যাদেরকে মুল পূজার থেকে দূরে রাখা হয় তাছাড়াও মাসিকের দাগ লাগা কোন কাপড়কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নেপালে মাতঙ্গী সম্প্রদায় রয়েছে যারা ময়লা জামা-কাপড়ই শুধু নয় তারা বলির পশুর থেকেও কাপড় সংগ্রহ করে থাকে।যা মূলধারার হিন্দুধর্মে কোনমতেই গ্রহনযোগ্য না। নেপালে এদেরকে ট্যাবু হিসাবে চিহ্নিত করা হয় ।
তবে কোথাও কোথাও রাজ-মাতঙ্গী পূজা উদযাপিত হতে পারে । উচ্ছিস্ট মাতঙ্গী পূজা ও হয়ে থাকে । বাংলাদেশেও মাতঙ্গী পূজা হতে পারে এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিশ্চিত নই। দেবী মাতঙ্গী হল দশমহাবিদ্যার অন্যতম কারো মতে নবম মহাবিদ্যা। দেবী মূলতঃ স্বরস্বতী দেবীর তাত্রিক রুপ হিসাবেই চিহ্নিত হন । মাতঙ্গী দেবী সংগীত, কলা বিশেষত আর্টসের উপর আধিপত্য বিস্তার কারী ।
তাকে একজন চন্ডালিনী হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে । ভারত তন্ত্রসার ধ্যান মন্তে দেবীকে উচিষ্ঠা মাতঙ্গী হিসাবে দেখানো হয়েছে। এখানে মাতঙ্গী দেবীকে একটি মৃতদেহ উপর উপবিষ্ট এবং লাল জামা, লাল জহরত পরেন । দেবীর সম্পূর্ণরূপে বিকশিত স্তন সঙ্গে একটি অল্প বয়স্ক,( ষোল বছর বয়সী) কুমারী হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি একহাতে একটি মস্তক এবং দুই হাতে একটি তরবারি বহন করেন। তার গায়ের রং নীল হিসাবে বর্ণনা করা হয় । তার কোমর পাতলা। তার কপাল ক্রিসেন্ট চাঁদ । তার তিনটি চোখ এবং হাস্যমুখে থাকেন । তিনি মণিরত্ন পরিধান করেন এবং একটি অলংকার সজ্জিত সিংহাসনে বসেন। Shyamaladandakam মতে, মাতঙ্গী একটি রুবি-খচিত বীনা বাজান এবং মিতভাষী ।
ধ্যান মন্ত্রতে চার হাত বিশিষ্ট কালো পান্না গাত্রবর্ণ , পুরো স্তন লাল কুমকুম পাউডারএ উদ্বর্তিত, এবং তার কপাল উপর একটি ক্রিসেন্ট চাঁদ সঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে। তাকে দেবী ত্রিপুরা সুন্দরীর মত প্রায়ই বর্ণনা করা হয় ।তার সবুজ গাত্রবর্ণ গভীর জ্ঞান সঙ্গে যুক্ত তাই প্রায়ই বক্তৃতায় প্রতিনিধিত্বমূলক, তার হাতে একটি তোতাপাখি দেখানো হয়। মুন্ডমালা নামের একটি গ্রন্থের দশমহাবিদ্যার অস্তিত্ব পাওয়া যায় মনে করা হয় যে বিষনুর দশ অবতারের প্রাথমিক রুপ। মাতঙ্গীকে শেষ অবতার কল্কির রুপক হিসাবেই মনে করা হয় । শক্তি ভাগবত পুরান অনুযায়ী দশমহাবিদ্যার যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতে দেবী মাতঙ্গীকে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শিবকে আক্রমণ করতে দেখান হয়েছে।(গল্পটি অন্য মহাবিদ্যার আলোচনাতেও আছে দেখে নিতে অনুরোধ করছি) শক্তিসঙ্গমা তন্ত্রে উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনীর উতপত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, একবার দেবতা বিষ্ণু ও তার স্ত্রী লক্ষ্মী শিব এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী পার্বতীকে (সতীর পুনরায় দেহধারণ) পরিদর্শন করেন।
তাদের খাবার খাওয়ার সময় তাদের খাদ্য অবশিষ্ট থাকে এবং সেখানে একটি সুন্দর কুমারীকে পড়ে থাকতে দেখেন । কিছু খাবার দেবতারা মাটিতেও ফেলেছিল । ঐ কুমারি অবশিষ্ট খাদ্য গ্রহন করেন বলে সেদিন থেকেই কুমারী উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনী নামে পরিচিত হন। এই মাতঙ্গীনীকে দূষিত রাস্ট্রের সাথেও তুলনা করা হয়ে থাকে।মাতঙ্গী হচ্ছে সেই স্তবক যারা খাদ্য গ্রহন করে হাত-মুখ ধৌত করেনা পুনরায় খাদ্য গ্রহন করে মূলধারার হিন্দুধর্মে এ ধরনের অভ্যাসকে নিষিদ্ধ করা হয়।সে কারনেই ঋতুবতী কন্যাদেরকে মুল পূজার থেকে দূরে রাখা হয় তাছাড়াও মাসিকের দাগ লাগা কোন কাপড়কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নেপালে মাতঙ্গী সম্প্রদায় রয়েছে যারা ময়লা জামা-কাপড়ই শুধু নয় তারা বলির পশুর থেকেও কাপড় সংগ্রহ করে থাকে।
শিবের নাম মাতঙ্গ, তার শক্তি মাতঙ্গী। মাতঙ্গীর ধ্যানে তার রূপের বর্ণনায় আছে যে তিনি শ্যমবৰ্ণা, তার শিরে অৰ্দ্ধচন্দ্ৰশোভিত। দেবী মাতঙ্গী ত্রিনয়না, রত্নসিংহাসনে আসীনা, তার কান্তি নীলকমলের মত এবং বিস্তৃত অরণ্য সদৃশ্য রাক্ষসকুলকে ভস্ম করতে দাবানলের ন্যায়। তার চার হাতে পাশ, অঙ্কুশ, খেটক ও খড়গ

শোভিত। তিনি অসুরদের মােহিত্যকারিনী আর ভক্তকে অভীষ্ট ফলদায়িনী। গৃহস্থ জীবনে সুখদায়িনী, পুরুষাৰ্থসিদ্ধি এবং বাকবিলাসে পারঙ্গম হওয়ার জন্য মাতঙ্গিনীর সাধনা শ্রেয়। দশমহাবিদ্যার মধ্যে এর স্থান

নবম | ് নারদপঞ্চরাত্রের দ্বাদশ অধ্যায়ে শিবকে চণ্ডাল এবং শিবাকে উচ্ছিষ্ট চণ্ডালী নামে বলা হয়েছে। এরই নাম মাতঙ্গ। পুরাকালে মাতঙ্গ নামে এক ঋষি নানা বৃক্ষশোভিত কদম্ববনে সমস্ত প্রাণীকে বশ করার সংকল্প নিয়ে ভগবতী ত্রিপুরাদেবীকে তুষ্ট করার জন্য কঠোর তপস্যা করেছিলেন। সেই সময় ত্রিপুরাদেবীর নেত্র থেকে উৎপন্ন তেজঃপুঞ্জ এক শ্যামলা নারীবিগ্রহের রূপ ধারণ করে। তার নাম হয় রাজমাতঙ্গিনী। ইনি দক্ষিণ ও পশ্চিম আমায়ের দেবী। রাজমাতঙ্গ, সুমুখী, বশ্যমাতঙ্গী ও কর্ণমাতঙ্গ এর অন্যান্য নাম। মাতঙ্গার ভৈরবের নাম মাতঙ্গ। ব্ৰহ্মযামল তন্ত্রে একে মাতঙ্গ মুনির কন্যা বলা হয়েছে।

দশমহাবিদ্যার মধ্যে মাতঙ্গীর উপাসনা বাকসিদ্ধির জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত। পূরশ্চর্যাের্নবে বলা হয়েছে—

অক্ষাবক্ষ্যে মহাদেবীং মাতঙ্গীং সৰ্বসিদ্ধিদাম । অস্যাঃ সেবনমাত্রেণ বাকসিদ্ধিং লভতে ধ্রুবম৷

মাতঙ্গীর স্থূলক্কপের প্রতীকনিয়মাদি পর্যালোচনা করলে ভালোভাবেই বােঝা যায় যে ইনি পূর্ণ বাগদেবতারই মূর্তি। মাতঙ্গীর শ্যামবর্ণ হল পরাবাক বিন্দু। তাঁর ত্রিনয়ন হলেন সূর্য, চন্দ্র আর অগ্নি। তার চার বাহু চারটি বেদ। পাশ হল অবিদ্যা, অঙ্কুশ হল বিদ্যা, কর্মরাশি হল দণ্ড, শব্দ স্পর্শদি গুন হল কৃপাণ অর্থাৎ পঞ্চভূতাত্মক সৃষ্টির প্রতীক। কদম্ববন হল ব্ৰহ্মাণ্ডের প্রতীক। যোগরাজোপনিষদে ব্ৰহ্মলোককে কদম্বের মত গোলাকৃতিরূপে বর্ণনা করা হয়েছে— ‘কদম্বগোলকাকারং ব্ৰহ্মলোকং ব্ৰজন্তি তে। ভগবতী মাতঙ্গীর সিংহাসন শিবাত্মক মহামঞ্চ অথবা ত্রিকোন সূক্ষরূপে তাঁর মূর্তি হল। যন্ত্র আর পররূপে বা স্কুলারুপে শুধুমাত্র ভাবনা বা চিন্তন |

শ্ৰীশ্ৰীচণ্ডীর সপ্তম অধ্যায়ে মাতঙ্গীদেবীর ধ্যানে বলা হয়েছে যে তিনি রত্নময় সিংহাসনে বসে কাকাতুয়ার মধুর শব্দ শুনছেন। তিনি শ্যামবর্ণা। তিনি তার একটি পা পদ্মের ওপর রেখেছেন। তার শিরে অৰ্দ্ধচন্দ্র এবং গলায় কলহার ফুলের মালা পরে রয়েছেন। বীনা বাদনরতা দেবী মাতঙ্গীর পরিধানে সুবদ্ধ চােলি সুশোভিত। তিনি রক্তবর্ণ শাড়ী পরিহিতা আর হাতে শঙ্খপাত্র ধরে আছেন, তার মুখমণ্ডলে মধুপানের মৃদু আভা এবং ললাটে সুন্দর টিপ শোভা পাচ্ছে। এর বল্লকী (বীণা) ধারণ নাদের প্রতীক। কাকাতুয়ার পড়া গ্ৰহীং’ বর্ণের উচ্চারণ বীজমন্ত্রের প্রতীক। পদ্মফুল হচ্ছে বর্ণাত্মক সৃষ্টির প্রতীক। শঙ্খপাত্র হল ব্ৰহ্মরন্ধ এবং মধু অমৃতের প্রতীক | রক্তবর্ণ শাড়ী অগ্নি অথবা জ্ঞানের প্রতীক। বাগদেবীর অর্থে মাতঙ্গী যদি ব্যাকরণ রূপ হন তো শুকপাখী হল শিক্ষার প্রতীক। চার হাত চার বেদের প্রতীক। এভাবে তান্ত্রিকদের ভগবতী মাতঙ্গী মহাবিদ্যা, বৈদিকদের সরস্বতীই। তন্ত্রশাস্ত্রে এর পূজার বিস্তারিত বর্ণনা আছে।
তাঁর পূজা ও ভোগ প্রদানের যে বিধান শাস্ত্রে রয়েছে, তা এই প্রকার— অপরিষ্কার হাতে এঁটো খাবার তাঁকে নিবেদন করতে হবে। অথচ ভারতীয় পরম্পরায় এমন অপরিচ্ছন্নতা কোনও দেবতার বেলাতেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190915152421

Saturday, September 14th, 2019

Astro Research Centre

মলুটি টেরাকোটা গ্রাম - মা মৌলিক্ষা এবং তারাপীঠ, মা তারার বোন ও বামদেবের ভূমিকা ,আকালিপুরের গুহ্যকালী ও লাগোয়া ভদ্রপুর, malutir কালী পূজা, বীরভূম লালমাটির দেশ, আটলাগ্রাম,

মলুটি টেরাকোটা গ্রাম - মা মৌলিক্ষা এবং তারাপীঠ, মা তারার বোন ও বামদেবের ভূমিকা ,আকালিপুরের গুহ্যকালী ও লাগোয়া ভদ্রপুর, malutir কালী পূজা, বীরভূম লালমাটির দেশ, আটলাগ্রাম,

মহুলটি। মহুল গাছের জঙ্গল। কথ্য ভাষায় মলুটি। শুনলেই চোখ চকচক করে উঠবে মন্দির-গবেষকদের। একটা পাহাড়ি টিলা। চন্দননালা নদী। একটু দূরে চুমড়ে নাম্নী আরেক ক্ষীণস্রোতা। রামপুরহাট বা মল্লারপুর থেকে দুমকা যাওয়ার রাস্তা। আগের বীভৎসতার থেকে অনেকটা ভাল। বাস যোগাযোগ প্রায় না থাকা থেকে কিছুটা বেশি। বীরভূমের প্রাচীনতম শিবমন্দিরের জন্য খ্যাত মাসরা গ্রামকে একদিকে রেখে মলুটির যে রাস্তা ডানদিকে বেঁকে যায়, একটা সময় পর তার পরিষ্কার তফাৎ চোখে পড়ে। প্রাচীন ময়ূরেশ্বরের অধীনে বীরভূমির এই অঞ্চল আজ ঝাড়খণ্ডে। পড়শি রাজ্য ঢুকতেই রাস্তা চকচকে। চন্দননালা নদীর পাড় বরাবর লোভনীয় জার্নি।




মলুটি গ্রামে ঢোকার পথনির্দেশ

কথন। সপ্তদশ শতকে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ্‌র প্রিয় বাজপাখি উদ্ধার করে দিয়ে বসন্ত রায় রাজতালুক পান। হয়ে যান বাজ বসন্ত। বীরভূমের কাতিগ্রামের এই মানুষটির বংশধরেরা প্রথমে দামড়া থেকে পরে মলুটিতে আসেন। নানকার বা করমুক্ত রাজ্য মলুটিতে বাজ বসন্তর পরিবারটি চার তরফে ভাগ হয়ে যায়। আর চার তরফের নিজেদের মধ্যে এক ধরনের বিরল প্রতিযোগিতা থেকে নির্মিত হয় ১০৮টি মন্দির। অষ্টাদশ শতক থেকে উনবিংশ শতকের শেষভাগ পর্যন্ত সময়কালে মাত্র চারশ বাই চারশ মিটার জায়গায়। এই ১০৮টির মধ্যে ৭২টি আজও অক্ষত।

মলুটি টেরাকোটা গ্রাম - মা মৌলিক্ষা এবং তারাপীঠ, মা তারার বোন ও বামদেবের ভূমিকা ভদ্রকালী গুহ্যকালী ভদ্রপুর ও অকালিপুর

অমাবস্যার নিশি রাতে যখন চারদিকে কালীর আরাধনা চলে, আলোকিত হয়ে ওঠে কালী মন্দিরগুলি। তখন অন্ধকারে ডুবে থাকে মহারাজ নন্দকুমার প্রতিষ্ঠিত নলহাটির আকালিপুরের গুহ্যকালী ও লাগোয়া ভদ্রপুর গ্রামের ভদ্রকালী মন্দির। নিশিরাতে হয় না কোনও পুজো। তবে নিত্য পুজোর চল রয়েছে।
কথিত আছে, পুরাকালে মগধের রাজা জরাসন্ধ পাতালে এই কালীর সাধনা করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর রাজস্থানের রানি অহল্যাবাই কিছুদিন মগধে আসেন। তিনি খনন কার্য চালিয়ে শিবলিঙ্গ ও একটি কষ্টি পাথরের বেদি সমেত কালী মূর্তি পান। পরে মহারাজ নন্দকুমার কাশীতে মূর্তিটি গঙ্গা থেকে উদ্ধার করে আকালিপুর গ্রামে ব্রহ্মাণী নদী তীরবর্তী বটগাছের নীচে মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করেন।
মা এখানে ভয়ঙ্কর দর্শনা। পদ্মাসনে অধিষ্ঠিত মায়ের অলঙ্কারও সাপের। হাতে পায়ে সাপের আকৃতির চুড়ি, নুপুর। মাথায় সহস্র নাগের ফনা যুক্ত মুকুট। মা এখানে গুহ্যকালী নামে পরিচিত।
মন্দিরের প্রধান পুরোহিত দেবাশিস মুখোপাধ্যায় বলেন, রাজ পরিবার মায়ের নিত্য সেবার ব্যবস্থা করে আসছে। প্রতিদিন মাকে আতপ চালের ভাত, ভাজা, মুগের ডাল, তরকারি ও তেঁতুল দিয়ে মাছের টক ভোগ হিসাবে নিবেদন করা হয়। তিনি বলেন, বহু যুগ ধরে কালী পুজোর নিশি রাতে এখানে মায়ের কোনও পুজোর চল নেই। কী কারণে তা সকলের অজানা। তবে চতুর্দশী তিথি ও রটন্তী কালী পুজোয় মায়ের বিশেষ পুজো হয়।
অন্যদিকে, ভদ্রপুর গ্রামের ভদ্রকালী মন্দিরের প্রবীণ সেবাইত সুপ্রিয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, মহীরাবন কালী হিসাবে খ্যাত এই ভদ্রকালী। একই মূর্তি রয়েছে অযোধ্যা পাহাড়ে। দু’টিই কষ্টিপাথরের। নিঃশব্দে ভদ্রকালী মায়ের আরাধনার প্রথা চলে আসছে। কথিত আছে, কোনও একটা সময় অমাবস্যার নিশিরাতে পুজো চলাকালীন হনুমান বাজনা বাজিয়েছিল। তারপর থেকেই মহীরাবনের ধ্বংস শুরু হয়। সেই থেকে কালী পুজোয় এখানে মায়ের কোনও পুজো হয় না। তবে নিত্য সেবা হয়।
অন্যদিকে, শুধুমাত্র আলোর দেবীর পুজোয় আলোকিত হয় কালীর গ্রাম হিসাবে পরিচিত বীরভূম সীমান্ত লাগোয়া জঙ্গলে ঘেরা ঝাড়খণ্ডের মলুটি গ্রাম। দেহহীন দেবী এখানে ত্রিনয়নী। মা মৌলিক্ষা নামে পরিচিত। কালীপুজোর নিশিরাতে দুই রাজ্যের হাজার হাজার বাসিন্দা মলুটির দেবীমস্তক নানকার রাজবাড়িতে ভিড় জমান। আগে বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের শাসনে ছিল এই অঞ্চল। রাজবাড়ির বংশধররা আজও মায়ের পুজো চালিয়ে আসছেন।
বর্তমানে ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগ মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছে। রাজবাড়ির আট শরিক পুজো করেন। মন্দির লাগোয়া মাঠে বাজি পোড়ানো হয়। পুজো দেখতে এলাকার বহু গ্রামের হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে। পরের দিন বিকালে পুকুরে নিরঞ্জন হয়।
মন্দিরের সেবাইত পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, গ্রামে বিদ্যুতের সংযোগ থাকলেও মাসে খুব কম দিনই এখানে বিদ্যুৎ থাকে। বিদ্যুৎ থাকলেও লো-ভোল্টেজে জেরবার হতে হয় বাসিন্দাদের। পুজোতেই গ্রাম আলোকিত হয়। রাতে বসে মেলা।
মন্দিরের সেবাইত কানাইলাল চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজা রাখরচন্দ্রের বাড়ির পুজোয় মোষ বলি বন্ধ হয়ে গেলেও বাকি শরিকদের পুজোয় মোষ ও মেষ বলি হয়।

রামপুরহাট থেকে ১৫ কিমি দূরে, বাংলা ঝাড়খন্ড বর্ডারে দুমকা জেলায় মৌলিক্ষা মায়ের মন্দির । সবাই হয়তো তারাপীঠেই যান, কিন্তু মলুটি গ্রাম - মৌলিক্ষা মায়ের কথা জানেন না । রামপুরহাট ১৫ কিমি দূরে রামপুরহাট দুমকার রাস্তায় গিয়ে বাংলা – ঝাড়খণ্ড সীমান্তে মলুটি মোড় থেকে বাঁদিকের রাস্তায় ৬ কিমি গেলে পৌঁছে যাবেন মলুটি গ্রাম। বর্তমানে গ্রামটি ঝাড়খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত।
মৌলিক্ষা মায়ের কাছেই বাবা বামাখ্যাপা প্রথম সিদ্ধ লাভ করেন, প্রথম পুরোহিত উনিই, তাইমলুটি মৌলিক্ষা মায়ের মন্দির হলো সিদ্ধপীঠ । বাবা বামাখ্যাপা এরপর তারাপীঠ চলে যান । মৌলীক্ষা মন্দিরে বামদেবের যে সাধনা কক্ষটি রয়েছে সেখানেতে বামদেবের ত্রিশূল ও বামদেব ব্যবহৃত বৃহৎ শঙ্খটি আজও সেই ইতিহাসের সাক্ষী বহন করে চলেছে।
গ্রামের স্থানীয় মানুষ মৌলিক্ষা মাকে ছোটোবোন এবং তাঁরা মাকে বড়োবোনও বলে ডাকেন । কালী পূজার রাতে সারারাত ধরে এখানে পূজা হয় ।
মলুটি গ্রাম হলো টেরাকোটার গ্রাম । সারা গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ১০৮ টা শিব মন্দির ছিলো । টেরাকোটা কাজের মন্দির । কিন্তু পরিচর্যা এবং যত্নের অভাবে ৩৬ টা মন্দির আর এখন নেই । বাকি ৭২ টা মন্দির মলুটি গ্রামে আছে । টেরাকোটার কাজ দেখার মতো । মন্দির গুলি সপ্তদশ থেকে শুরু করে উনিশ শতকে তৈরি, রাজা বাজ বসন্তের বংশের ভিন্ন ভিন্ন রাজাদের আমলে। মন্দির গুলি বাংলার একচালা ও চারচালা শৈলীর এক সুন্দর নিদর্শন । মন্দির গুলি প্রায় সবকটি পোড়ামাটির তৈরি অর্থাৎ টেরাকোটার । টেরাকোটার বর্গাকার প্যানেল বসিয়ে মন্দিরগুলির গায়ে বসানো হয়েছে । টেরাকোটার পানেল গুলিতে রামায়ণ, মহাভারতের ও শাক্ত পদাবলীর মহিসাসুর ও মা দুর্গার যুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
তারাপীঠে পুজো দিয়ে একবার ঘুরে আসতে পারে্ন মলুটি গ্রামতে। দেখে আসতে পারেন প্রাচীন বাংলার প্রায় ভুলে যাওয়া একচালা আর চারচালা মন্দিরের ইতিহাস ।

চতুর্দশীতে মা তারা কেন মা মৌলিক্ষা অর্থাত্ মলুটির দিকে মুখ করে বসে পুজো নেন ?

মায়ের বিদায়ে আকাশ বাতাস যখন ভারাক্রান্ত, ঠিক সেই সময় শুক্লা চতুর্দশী তিথি তে তারা মায়ের আবির্ভাব সিদ্ধপীঠ তাড়াপীঠে।
সাধারণত তারামায়ের মূর্তি উত্তরমুখী। এই দিন তারামা কে পশ্চিমমুখে বসিয়ে আরাধনা করা হয়।

কথিত আছে, পাল রাজত্বের সময় শুক্লা চতুর্দশী তিথিতে জয়দত্ত সদাগর স্বপ্নাদেশ পেয়ে শ্মশানের শ্বেতশিমুল বৃক্ষের তলায় পঞ্চমুণ্ডির আসনের নীচে থেকে মায়ের শিলামূর্তি উদ্ধার করে মন্দির প্রতিষ্ঠা করে পুজোর সূচনা করেছিলেন। তখন থেকেই এই দিনটি মায়ের আবির্ভাব তিথি হিসাবে পালিত হয়ে আসছে।জীবিতকুন্ডু থেকে জল এনে মাকে স্নান করানোর পর রাজবেশে সাজানো হয়। এই দিন তারামা পশ্চিম মুখে পূজিতা হন। কারণ পশ্চিম দিকে মায়ের ছোট বোন মলুটির মা মৌলিক্ষার মন্দির। কিন্তু কেন এদিন মাকে পশ্চিমমুখী রাখা হয়?

প্রাচীন কিছু পুঁথি ঘেঁটে জানা গিয়েছে, বাংলার ১১০৮ ও ইংরেজি ১৭০১ সালে আবির্ভাব তিথিতে বিশ্রাম মন্দিরে তারামাকে পূর্বদিকে বসিয়ে পুজো শুরু করার তোড়জোড় করছিলেন তদানীন্তন তান্ত্রিক, পুরোহিত ও পান্ডারা। এমন সময় মলুটির নানকার রাজা রাখরচন্দ্র মায়ের সামনে আরাধনায় বসেন। যা দেখে তান্ত্রিক, পুরোহিত ও পান্ডারা হৈ হৈ করে ওঠেন এবং রাজাকে আসন থেকে তুলে পুজোপাঠ বন্ধ করে দেন। রাজা মায়ের প্রতি অভিমান করে চলে এসে দ্বারকা নদের পশ্চিম পাড়ে ঘট প্রতিষ্ঠা করে মায়ের পুজো করে মলুটি গ্রামে ফিরে যান। ওই রাতেই প্রধান তান্ত্রিক প্রথম আনন্দনাথকে তারা মা স্বপ্ন দিয়ে বলেন, রাখরচন্দ্র আমার ভক্ত, সে অভিমান করে চলে গিয়েছে। এবার থেকে পুজোর সময় আমার মুখ যেন পশ্চিমমুখে মলুটির কালীবাড়ির দিকে হয়। সেই থেকে বিশেষ এই তিথিতে মাকে পশ্চিমমুখী বসিয়ে পুজো করা হয়। এই দিন সকালে মায়ের বিশেষ পুজো ও মঙ্গলারতির পর সর্বসাধারণের জন্য বিশ্রামাগার খুলে দেওয়া হয়। সকলে মাকে স্পর্শ করে পুজো দিতে পারেন।

মায়ের কোনও অন্নভোগ এই দিন হয় না। সন্ধ্যায় মায়ের আরতির পর খিচুড়ি ও পাঁচরকম ভাজা দিয়ে ভোগ নিবেদন করা হয়। এরপর মাকে গর্ভগৃহে ফিরিয়ে এনে স্নান করিয়ে ফের পুজো ও আরতি করা হয়।


তারাপীঠের মহাশ্মশানের রহস্য লুকিয়ে আছে শ্মশান-সংলগ্ন দ্বারকা নদীর জলে। এই নদী উত্তরবাহিনী। অর্থাৎ এর স্রোত বইছে উত্তর দিকে। হিন্দু ধর্মে উত্তরবাহিনী নদী বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কেন না, ভারতের প্রায় সব নদীই নেমেছে উত্তর দিকে স্থিত হিমালয় থেকে। অতএব, তাদের ধারা কখনই উত্তর অভিমুখী হবে না। হলে তা বইবে উল্টো খাতে। একমাত্র কাশীতে গঙ্গা উত্তরবাহিনী। আর বীরভূমে দ্বারকা। তাই দ্বারকা নদী মহাশক্তির উৎস। এই নদীজলে স্নান করলেই সিদ্ধিলাভের যোগ্যতা অর্জন করেন মানুষ। দূর হয় সব পাপ।


tarapith
পঞ্চমুণ্ডের আসনে ভক্তদের প্রণাম
তৃতীয় রহস্য মহাশ্মশানস্থিত বামাখ্যাপার পঞ্চমুণ্ডের আসন। এই জায়গায় এসে একটু তাকাতে হবে দেবীর রূপবর্ণনায়। তাঁর মাথাতেও আমরা দেখছি পঞ্চমুণ্ডের সমাহার। কিন্তু, এই পঞ্চমুণ্ডের আসন আলাদা। এখানে পাঁচটি মুণ্ড সাপের, ব্যাঙের, খরগোশের, শিয়ালের এবং মানুষের। এই আসনে বসেই বহু যুগ পূর্বে দেবীকে তুষ্ট করে তারাপীঠকে সিদ্ধপীঠে পরিণত করেছিলেন ঋষি বশিষ্ঠ। সেই আসন আজও বিদ্যমান। সাধক বামাখ্যাপাও এই আসনে বসে তন্ত্রসাধনায় সিদ্ধি লাভ করেন। অর্থাৎ, এই আসন আজও জাগ্রত। খুব শুদ্ধচিত্তের মানুষ না হলে এই আসনে বসা মাত্র সারা শরীরে তীব্র জ্বালা শুরু হয়। সেই জ্বালায় উন্মাদ হয়ে যায় মানুষ। অশুচি চিত্তে আসনে বসেছিল বসে শাস্তি পায়!

১২৪৪ সালে এই শিব চতুদর্শীর দিনে সাধক বামদেব অটলা গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।



বাংলা ১৩৬২ সাল থেকে আটলা গ্রামে শিবচতুর্দশী তিথিতে বামাক্ষেপার আবির্ভাব তিথি পালন শুরু হয়। তিনদিন ধরে চলে উৎসব।


About Atla
According to Census 2011 information the location code or village code of Atla village is 316349. Atla village is located in Rampurhat I Tehsil of Birbhum district in West Bengal, India. It is situated 6.7km away from sub-district headquarter Rampurhat. Suri is the district headquarter of Atla village. As per 2009 stats, Kharun is the gram panchayat of Atla village.

The total geographical area of village is 452.63 hectares. Atla has a total population of 3,398 peoples. There are about 781 houses in Atla village. Rampurhat is nearest town to Atla which is approximately 9km away.




|| পশ্চিম বাংলার সতীপীঠ (শক্তিপীঠ) ||

১) কালীঘাট, কলকাতা
২) কঙ্কালীতলা, বোলপুর, বীরভূম
৩) মা ফুল্লরা, লাভপুর, বীরভূম,
৪) নন্দীকেশ্বরী, সাইথিয়া, বীরভূম
৫) নলহাটি, বীরভূম
৬) বক্রেশ্বর, বীরভূম
৭) অট্টহাস, (ইনিও মা ফুল্লরা নামে পরিচিত) কেতুগ্রাম, পূর্ব বর্ধমান
৮) বহুলা মা, কেতুগ্রাম, পূর্ব বর্ধমান
৯) উজানি, মঙ্গলকোট, পূর্ব বর্ধমান
১০) যোগ্যদা মা ,ক্ষীরগ্রাম, পূর্ব বর্ধমান
১১) মা বর্গভীমা, তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর
১২) ভ্রমরী মা, বোদাগঞ্জ, জলপাইগুড়ি
১৩) কিরীটেশ্বরী মায়ের মন্দির, লালবাগ, মুর্শিদাবাদ ।
১৪) মা রত্নাবলী, কৃষ্ণনগর, খানাকুল, হুগলী জেলা

(তারাপীঠ কোন সতীপীঠ নয়, সিদ্ধপীঠ)

(বীরভূমের লাভপুরের মা ফুল্লরা অট্টহাস এবং পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের মা অট্টহাস দুজনেই অট্টহাস শক্তিপীঠ নামে পরিচিত এবং দুটোয় ৫১ পীঠের একপীঠ বলে পরিগণিত হয় । তাই এক্ষেত্রে বাংলার মোট শক্তিপীঠ ১৪ টা দাঁড়ায় । সবই পুরান মতে এবং বিভিন্ন মুনির বিভিন্ন মত ।)

৫১ পীঠের মধ্যে পুরান মতে ১৩ (১৪) টা পীঠ আমাদের পশ্চিমবঙ্গতে ।

★★ কালীঘাট:

এখানে সতীমায়ের ডান পায়ের চার আঙুল পড়েছে । দেবী হলেন কালিকা, ভৈরব হলেন নকুলেশ্বর ।

★★ কঙ্কালীতলা:

এখানে কোপাই নদীর তীরে সতী মায়ের কঙ্কাল পড়েছে । দেবী হলেন দেবগর্ভা, ভৈরব হলেন রুরু ।

★★ বীরভূমের লাভপুর এবং পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের অট্টহাস মা ফুল্লরা:

বিভিন্ন মতে এই দুইস্থান নিয়ে বিতর্ক আছে। দুটো স্থানই শক্তিপীঠ হিসাবে পুঁজিত হয় । এখানে সতীমায়ের ওষ্ঠ (ঠোঁট) পড়েছে । দেবী হলেন ফুল্লরা, ভৈরব হলেন বিশ্বেশ ।

★★ নন্দীকেশ্বরী :

এখানে সতী মায়ের গলার হার পড়েছে । দেবী হলেন নন্দিনী, ভৈরব হলেন নন্দীকেশ্বর ।

★★ নলহাটি:

এখানে সতী মায়ের কণ্ঠনালী পড়েছিল । দেবী হলেন কালী, ভৈরব হলেন যোগীশ।

★★ বক্রেশ্বর:

এখানে সতী মায়ের মন (ভ্রু যুগলের মধ্যবর্তী স্থান) পড়েছে ।দেবী হলেন মহিষমর্দিনী, ভৈরব হলেন বক্রনাথ ।

★★ বহুলা মা:

সতীমায়ের বাম বাহু পড়েছে । দেবী হলেন বহুলা, ভৈরব হলেন ভীরুক ।

★★ উজানি:

এখানে সতীমায়ের কনুই পড়েছে । দেবী হলেন মঙ্গলচন্ডিকা, ভৈরব হলেন কপিলেশ্বর ।

★★ যোগ্যদা মা:

এখানে সতীমায়ের ডান পায়ের বুড়োআঙুল (বৃদ্ধাঙ্গুল) পড়েছিলো । দেবী হলেন যোগ্যদা, ভৈরব হলেন ক্ষীরখন্ডক ।

★★ মা বর্গভীমা:

এখানে সতীমায়ের বামপায়ের গুলফ (গোড়ালী) পড়েছে । দেবী হলেন ভীমরুপা বা কপালিনী, ভৈরব হলেন সর্বানন্দ বা কপালী ।

★★ ভ্রমরী মা:

এখানে সতীমায়ের বাম পা পড়েছিল । দেবী হলেন ভ্রামরী, ভৈরব হলেন ঈশ্বর ।

★★ কিরীটেশ্বরী মা:

এখানে সতীমায়ের মাথার কিরীট বা মুকুট পড়েছিলো । দেবী হলেন কিরীটেশ্বরী এবং ভৈরব হলেন সংবর্ত ।

★★ মা রত্নাবলী:

এখানে সতীমায়ের ডান স্কন্ধ (ডানকাঁধ) পড়েছে । দেবী হলেন কুমারী এবং ভৈরব হলেন শিব।








সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190914213631

Saturday, September 14th, 2019

Astro Research Centre

কোথায় তিল থাকা শুভ অশুভ তিলতত্ব তিল কি তিলের রং জ্যোতিষে তিলের গুরুত্ব শরীরের বিভিন্ন অংশে তিল শুক্রের স্থানে তিল

কোথায় তিল থাকা শুভ  অশুভ তিলতত্ব তিল কি তিলের রং জ্যোতিষে তিলের গুরুত্ব শরীরের বিভিন্ন অংশে তিল শুক্রের স্থানে তিল

কোথায় তিল থাকা শুভ অশুভ তিলতত্ব তিল কি তিলের রং জ্যোতিষে তিলের গুরুত্ব শরীরের বিভিন্ন অংশে তিল শুক্রের স্থানে তিল তিলের বৈশিষ্ঠ নাক কান গলা বুক চোখ মুখ পা ঠোট থুতনি পেট কপাল তালু তিলের ফল


১) কোনো ব্যক্তির শরীরে ১২টির বেশি তিল হওয়া শুভ মনে করা হয় না। ১২টার কম তিল হওয়া শুভ ফলদায়ক।

২) মাথার মাঝখানে তিল থাকলে তা নির্মল ভালোবাসার প্রতীক। ডান দিকে তিল থাকা কোনো বিষয়ে নৈপুণ্য বোঝায়। আবার যাদের মাথার বাঁ দিকে তিল আছে তারা অর্থের অপচয় করেন। মাথার ডান দিকের তিল ধন ও বুদ্ধির চিহ্ন। বাঁ দিকের তিল নিরাশাপূর্ণ জীবনের সূচক।

৩)ডান চোখের মণিতে তিল থাকলে তিনি কোনো কাজের ঠিকঠাক বিচার করতে সক্ষম। বাঁ দিকের মণিতে যাদের তিল থাকে তাদের বিচার ধারা ভালো হয় না। যাদের চোখের মণিতে তিল থাকে তারা সাধারণত ভাবুক প্রকৃতির হন।

৪)যাদের ভ্রুতে তিল থাকে তারা প্রায়ই ভ্রমণ করেন। ডান ভ্রুতে তিল থাকলে ব্যক্তির দাম্পত্য জীবন সুখী হয়। আবার বাঁ ভ্রুর তিল দুঃখী দাম্পত্য জীবনে ঝগড়ার সঙ্কেত দেয়।

৫)কানে তিল থাকা ব্যক্তি দীর্ঘায়ু হন। স্ত্রী বা পুরুষের মুখমণ্ডলের আশপাশের তিল তাদের সুখী ও ভদ্র হওয়ার সঙ্কেত দেয়। মুখে তিল থাকলে ব্যক্তি ভাগ্যে ধনী হন। তার জীবনসঙ্গী খুব সুখী হয়।

৬)নাকে তিল থাকলে সে খুব প্রতিভাসম্পন্ন হন এবং সুখী থাকেন। যে মহিলার নাকে তিল রয়েছে তারা সৌভাগ্যবতী হন।

৭) যাদের ঠোঁটে তিল রয়েছে তাদের হৃদয়ে ভালোবাসায় ভরপুর। তবে তিল ঠোঁটের নীচে থাকলে সে ব্যক্তির জীবনে দারিদ্র্য বিরাজ করে।

৯) গালে লাল তিল থাকা শুভ। বাঁ গালে কালো তিল থাকলে, নির্ধন হয়। কিন্তু ডান গালে কালো তিল থাকলে তা ধনী করে।

১০)যার হাতে তিল থাকে তারা চালাক-চতুর হন। ডান হাতে তিল থাকলে, তারা শক্তিশালী হন। আবার ডান হাতের পিছনে তিল থাকলে তারা ধনী হয়ে থাকেন। বাঁ হাতে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি অনেক বেশি টাকা খরচ করেন। আবার বাঁ হাতের পিছনের দিকে তিল থাকলে সে কিপটেও হন।

১১) যার ডান বাহুতে তিল থাকে তারা প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান। বাঁ বাহুতে তিল থাকলে ঝগড়াটে স্বভাবের হন। তারঁ বুদ্ধিতে খারাপ বিচার থাকে। বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠে তিল থাকলে ব্যক্তি কর্মঠ, সদ্ব্যবহার এবং ন্যায়প্রিয় হন। মধ্যমায় তিল থাকলে ব্যক্তি সুখী হন। তার জীবন কাটে শান্তিতে। যে ব্যক্তির কনিষ্ঠায় তিল রয়েছে তারা ধনী হলেও জীবনে অনেক দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে হয়। যার অনামিকায় তিল থাকে, তারা জ্ঞানী, যশস্বী, ধনী ও পরাক্রমী হন।

১২)গলার সামনের দিকে তিল থাকলে তার বাড়িতে বন্ধু-বান্ধবের আনাগোনা লেগেই থাকে। গলার পিছনে তিল থাকলে সে কর্মঠ হয়।

১৩)যার কোমরে তিল থাকে, তার জীবনে সমস্যা লেগেই থাকে।

১৪)ডান দিকের বুকে তিল থাকা শুভ। এমন স্ত্রী খুব ভালো হয়। পুরুষ ভাগ্যশালী হয়। বা দিকের বুকে তিল থাকলে স্ত্রীপক্ষের তরফে অসহযোগিতার সম্ভাবনা থাকে। বুকের মাঝখানের তিল সুখী জীবনের সঙ্কেত দেয়।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190914091813

Wednesday, September 11th, 2019

Astro Research Centre

12টি রাশির জন্য কি করনীয় (প্রতিকার ) জানুন, মেষ বৃষ মিথুন কর্কট সিংহ কন্যা তুলা বৃশ্চিক ধনু মকর কুম্ভ মীন রাশি রত্ন, রত্ন ছাড়া প্রতিকার

12টি রাশির জন্য কি করনীয় (প্রতিকার ) জানুন, মেষ বৃষ  মিথুন কর্কট সিংহ কন্যা  তুলা বৃশ্চিক ধনু মকর কুম্ভ মীন  রাশি রত্ন, রত্ন ছাড়া প্রতিকার


রাশি Rashi sing কি , রাশি নির্ণয়, রাশির প্রকার, রাশিচক্র, কোষ্ঠী,
নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে রাশি নির্ধারন

(1) মেষ রাশি :- অ. ল.
(2) বৃষ রাশি :- ই. উ. ব. এ. ও
(3) মিথুন রাশি :- ক. ঘ. ছ
(4) কর্কট রাশি :- ড. হ
(5) সিংহ রাশি :- ম. ট
(6) কন্যা রাশি :- প. ঠ
(7) তুলা রাশি :- র. ত
(8) বৃশ্চিক রাশি :- ন. য
(9) ধনু রাশি :- ধ. ভ. ফ
(10) মকর রাশি :- খ. জ
(11) কুম্ভ রাশি :- গ. শ. স
(12) মিন রাশি :- দ. চ
যদি জন্ম তারিখ জানা না থাকে তবেই মিলিয়ে নিন।

মেষ Aries ২১ মার্চ—২০ এপ্রিল।

বৃষ Taurus ২১ এপ্রিল—২১ মে।

মিথুন Gemini ২২ মে—২১ জুন।

কর্কট Cancer ২২ জুন—২২ জুলাই।

সিংহ Leo ২৩ জুলাই

কন্যা Virgo ২৪ আগস্ট—২৩ সেপ্টেম্বর।

তুলা Libra ২৪ সেপ্টেম্বর—২৩ অক্টোবর।

বৃশ্চিক Scorpio ২৪ অক্টোবর—২২ নভেম্বর।

ধনু Sagittarius ২৩ নভেম্বর—২১ ডিসেম্বর।

মকর Capricorn
২২ ডিসেম্বর—২০ জানুয়ারি।

কুম্ভ Aquarius
২১ জানুয়ারি—১৮ ফেব্রুয়ারি।

মীন Pisces ১৯ ফেব্রুয়ারি—২০ মার্চ।


12টি রাশির জন্য কি করনীয় (প্রতিকার ) জানুন

মেষ রাশি — প্রতি শনিবার শ্রীহনুমানের পূজা করা বিধেয়। পর পর সাতটি শনিবার দানকার্য করলে বাল ফল মেলে। ঘোড়ার নাল থেকে তৈরি আংটি মধ্যমায় ধারণ করলে আরও ভাল হয়।
• বৃষ রাশি — লোহা বা রূপায় অ্যামেথিস্ট বাঁধিয়ে ধারণ করা প্রয়োজন। পর পর পাঁচটি শনিবার অশ্বত্থ গাছের নীচে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে ভাল হয়।
• মিথুন রাশি — কোনও শনিবার মধ্যমায় রুপো বাঁধানো নীলার আংটি ধারণ করা বিধেয়। বড়ির সদর দরজায় স্বস্তিকা চিহ্ন টাঙানো প্রয়োজন।
• কর্কট রাশি — পর পর সাতটি শনিবার দানকার্য বিধেয়। প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ করা দরকার।
• সিংহ রাশি — প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ এবং প্রতি শনিবার কালো তিল, কালো কাপড় এবং সরষের তেল দান করা বিধেয়। কালো কুকুরকে খেতে দিলে ভাল হয়। প্রতি শনিবার ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র উচ্চারণ প্রয়োজন।
• কন্যা রাশি — ঘরে শনিযন্ত্রম স্থাপন এবং শনিস্তোত্র পাঠ প্রয়োজন। বহতা নদীতে একটি নারকেল এবং সাতটি আমন্ড প্রদান করুন।
• তূলা রাশি — প্রতি শনিবার দু’টি কালো কুকুরকে খেতে দিতে হবে। বাড়ির বাইরে তাদের খাওয়াবেন। ভিতরে কদাচ নয়। শিবলিঙ্গের উপাসনা এবং শনিযন্ত্রম বহতা জলে প্রদান করতে হবে।
• বৃশ্চিক রাশি — ঘরে শনিযন্ত্রম প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ প্রয়োজন। পোকা-মাকড়দের কালো তিল খাওয়ান। পর পর ৫টি শনিবার বহতা জলে তামার খণ্ড বিসর্জন দিন।
• ধনু রাশি — শনিবার উপবাস উপকারে আসবে। ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র উচ্চারণ প্রয়োজন। শনি পুজোয় লাগে, এমন জিনিস কখনই কিনবেন না।
• মকর রাশি — শনিবার শ্রীহনুমানের পুজা কাজে আসবে। শনি ও মঙ্গলবার মদ্যপান করবেন না। শনিযন্ত্রম প্রতিষ্ঠা করে তার সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালুন।
• কুম্ভ রাশি — নীল রঙের পোশাক পরা বিধেয়। নীলা ধারণ করলে ভাল হয়। দানকার্য বজায় রাখুন।
• মীন রাশি — শনির তান্ত্রিক মন্ত্রোচ্চারণ প্রতিদিন প্রয়োজন। কুকুরের সেবা কাজে আসবে। শিবপূজা করলে আরও ভাল ফল পাওয়া যাবে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190911141007

Saturday, September 7th, 2019

Astro Research Centre

গ্রহ বীজ মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, বৃষ (Tarash) লগ্নের ও রাশির জাতক জাতিকা প্রতিকার মন্ত্র

গ্রহ বীজ মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, বৃষ (Tarash) লগ্নের ও রাশির জাতক জাতিকা প্রতিকার মন্ত্র

গ্রহ বীজ মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, বৃষ (Tarash) লগ্নের ও রাশি জাতক জাতিকা প্রতিকার মন্ত্র

সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

বুধ মন্ত্র -- ওঁ ঐং স্ত্রীং শ্রীং বুধায়ঃ । জপ সংখ্যা-১০০০০ বার । দেবতা-ত্রিপুরাসুন্দরী । ধূপ-সঘৃত দেবদারু । বার-বুধবার । প্রশস্ত-বেলা ১২টা পর্যন্ত ।

শুক্র মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং শুক্রায়ঃ । জপ সংখ্যা-২১০০০ বার । দেবতা-ইন্দ্র । ধূপ-গুগুল । বার-শুক্রবার । প্রশস্ত-সন্ধ্যাবেলা ।

শণি মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়ঃ । জপ সংখ্যা ১০০০০ বার । দেবতা-দক্ষিনাকালী । ধূপ-কৃষ্ণাগুরু ।বার শনিবার । প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

নবগ্রহ প্রণাম মন্ত্র

রবি
ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্ ।
ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নম্ প্রণতোহশ্মি দিবাকরম্ ॥

বুধ

প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যমং রূপেনাপ্রতিমং বুধম ।
সৌম্যং সৌম্যগুণপেতং নমামি শশীনংসুতম্ ॥

শুক্র
হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্ ।
সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণম্যহ্

শনি
নিলাঞ্জনংচয়প্রক্ষ্যং রবিসূতং মহাগ্রহম্ ।
ছায়ায়ং গর্ভসম্ভূতং বন্দেভক্তা শণৈশ্চরম ॥

Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190907203359

Friday, September 6th, 2019

Astro Research Centre

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কি গুরুত্ব ও ভূমিকা, জন্ম সময়, জন্ম তারিখ, জন্ম স্হান latitude longitude , বিষুবরেখা ও স্হানীয় সময়, মুলমধ্য রেখা

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কি  গুরুত্ব ও ভূমিকা, জন্ম সময়, জন্ম তারিখ, জন্ম স্হান latitude  longitude ,   বিষুবরেখা ও স্হানীয় সময়,  মুলমধ্য রেখা

(Horoscope )করতে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কি গুরুত্ব ও ভূমিকা, জন্ম সময়, জন্ম তারিখ, জন্ম স্হান ARC LMukherjee

সমুদ্রযাত্রায় কোনো জাহাজ বিপদের সম্মুখীন হলে বেতার তরঙ্গের সাহায্যে সে বিপদ সঙ্কেত পাঠায়। মুক্তিবাহিনী বা উদ্ধারকারী দল যাতে তাকে খুঁজে পায় তার জন্য সমুদ্রবক্ষে তার সঠিক অবস্থান নির্দেশ করা অবশ্যই কর্তব্য। ওই জাহাজ তার নিজস্ব অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ জানিয়ে দিয়ে তার অবস্থান নির্দেশ করে। কিন্তু এই অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কী?

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ- ভূপৃষ্ঠে কোনো বস্তু বা স্থানের অবস্থান নির্দেশ করে । ওই অবস্থান নির্ণয়ের জন্য পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু থেকে সমুদ্রবর্তী স্থানের ওপর দিয়ে এক কাল্পনিক রেখা বা বৃত্ত অঙ্কন করা হয়েছে। এই রেখাকে বলে বিষুবরেখা বা বিষুববৃত্ত। বিষুবরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধ নামে দুটি গোলার্ধে বিভক্ত করেছে। অক্ষরেখাগুলো উভয় গোলার্ধে চলেছে বিষুবরেখার সমান্তরাল হয়ে। বিষুবরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে অক্ষাংশ পরিমাপ করা হয়। বিষুবরেখার অক্ষাংশ ০ ডিগ্রি (শূন্য ডিগ্রি) ধরা হয়। বিষুবরেখা থেকে শুরু করে উত্তর মেরু পর্যন্ত ৯০ ডিগ্রি উত্তর-অক্ষাংশ আছে। তেমনি বিষুবরেখা থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত আছে ৯০ ডিগ্রি দক্ষিণ-অক্ষাংশ। অক্ষাংশের একেক ডিগ্রির দৈর্ঘ্য, বিষুবরেখা থেকে মেরুদ্বয় পর্যন্ত যেতে- ১১০.৫ থেকে ১১১.৯ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। পৃথিবীর নিজস্ব আকৃতির জন্যই দৈর্ঘ্যরে ওই পরিবর্তনটি ঘটে।

দ্রাঘিমারেখাগুলো অক্ষরেখার সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে উত্তর ও দক্ষিণে চলেছে। দ্রাঘিমারেখাগুলোকে মধ্যরেখাও বলে। প্রধান বা মূলমধ্যরেখার দ্রাঘিমাংশ ধরা হয় ০ ডিগ্রি (শূন্য ডিগ্রি)। এই রেখাটি ইংল্যান্ডের গ্রিনিচ শহরের ওপর দিয়ে গেছে বলে একে গ্রিনিচ মধ্যরেখা বা গ্রিনিচরেখা বলা হয়। মূল মধ্যরেখার পূর্বে ও পশ্চিমে ১৮০ ডিগ্রি করে দ্রাঘিমাংশ আছে। দ্রাঘিমাংশের একেক ডিগ্রির দৈর্ঘ্য বিষুবরেখায় ১১১ কিলোমিটার। উত্তরে বা দক্ষিণে তা কম হতে হতে মেরুদ্বয়ে গিয়ে শূন্য হয়ে যায়। অর্থাৎ দ্রাঘিমাংশের এক ডিগ্রির দৈর্ঘ্য পাল্লা হলো ১১১-০ কিলোমিটার।

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের সাহায্যে ভূপৃষ্ঠে যে কোনো স্থানের অবস্থান প্রকাশ করা যায়। উদাহরণ স্বরূপ- লন্ডনের অক্ষাংশ ৫১০৩র্০ উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ০০র্৫ পশ্চিম। প্যারিস শহরের অবস্থান ৪৮০৫র্০ উত্তর অক্ষাংশে এবং ২০২র্০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। কাল্পনিক এই রেখাগুলো নাবিকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ :
=============
.
1. নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ কত?
উত্তর : ০ডিগ্রী
2. সুমেরুর অক্ষাংশ কত? উত্তর : ৯০ডিগ্রী উত্তর
3. কুমেরুর অক্ষাংশ কত?
উত্তর : ৯০ডিগ্রী দক্ষিণ
4. নিরক্ষরেখা থেকে প্রত্যেক মেরুর
কৌণিক দূরত্ব কত?
উত্তর : ৯০ডিগ্রী 5. কর্কটক্রান্তি কত ডিক্রি?
উত্তর : ২৩.৫ডিগ্রী উত্তর।
6. মকরক্রান্তি কত ডিগ্রি?
উত্তর : ২৩.৫ডিগ্রী দক্ষিণ।
7. সুমেরুবৃত্ত বলা হয় কত ডিগ্রিকে?
উত্তর : ৬৬.৫ডিগ্রী উত্তর। 8. কুমেরুবৃত্ত বলা হয় কত ডিগ্রিকে?
উত্তর : ৬৬.৫ডিগ্রী দক্ষিণ।
9. বিষুবরেখাকে কী বলে?
উত্তর : মহাবৃত্ত।
10. নিম্ন অক্ষাংশ কত ডিগ্রি?
উত্তর : ০০-৩০ডিগ্রী 11. মধ্য অক্ষাংশ কত ডিগ্রি?
উত্তর : ৩০ডিগ্রী-৬০ডিগ্রী
12. উচ্চ অক্ষাংশ কত ডিগ্রি?
উত্তর : ৬০ডিগ্রী-৯০ডিগ্রী
13. অক্ষাংশ নির্ণয়ের কয়টি পদ্ধতি আছে?
কী কী? উত্তর : ২টি, ১টি ধ্রুবতারা ২ সেক্সট্যান্ট ও
সূর্যের অবস্থান
থেকে।
14. যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি
পরিমাপ হয় তাকে কী বলে?
উত্তর : সেক্সট্যান্ট। 15. সূর্য কোন অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে
কিরণ দিলে তাকে কী বলে?
উত্তর : বিষ্ণুলম্ব। (২৩.৫ডিগ্রী উত্তর :
২৩.৫ডিগ্রী দক্ষিণ)
16. দ্রাঘিমা রেখার অপর নাম কী?
উত্তর : মধ্যরেখা 17. মূল মধ্যরেখা কোন শহরের উপর দিয়ে
গেছে?
উত্তর : যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের গ্রিনিচ।
18. মূল মধ্যরেখার মান কত?
উত্তর : ০ডিগ্রী
19. পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোন কত? উত্তর : ৩৬০ডিগ্রী।
20. প্রতি মিনিট দ্রাঘিমা এক ডিগ্রির কত
অংশের সমান?
উত্তর : ১/৪ডিগ্রী অংশের।
21. নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখা পরস্পর ছেদ
করলে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কত?
উত্তর : ০ডিগ্রী।
22. কতটি পদ্ধতিতে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা
যায়?
উত্তর : ২টি, ১ স্থানীয় সময়ের পার্থক্য ২
গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য
23. ১০ দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয়
কত?
উত্তর : ৪ মিনিট।
24. গ্রিনিচের সঠিক সময় কোন ঘড়ি থেকে
জানা যায়? উত্তর : ক্রনোমিটার ঘড়ি।
25. কোন যন্ত্রের সাহায্যে স্থানীয় সময়
নির্ণয় করা যায়?
উত্তর : সেঙ্ট্যান্ট
26. আমেরিকার প্রমাণ সময় কয়টি?
উত্তর : ৪টি। 27. কানাডার প্রমাণ সময় কয়টি?
উত্তর : ৫টি
28. গ্রিনিচের স্থানীয় সময়কে সমগ্র
পৃথিবীর কী সময়
ধরা হয়?
উত্তর : প্রমাণ সময়। 29. বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচের সময়
অপেক্ষা?
উত্তর : +৬ ঘণ্টা
30.বাংলাদেশের মধ্যভাগে কোন রেখা
অবস্থিত?
উত্তর : ৯০ডিগ্রী পূর্ব। 31. কোনো স্থানের দ্রাঘিমা এবং এর
প্রতিপাদ স্থানের
দ্রাঘিমা কত?
উত্তর : ১৮০ডিগ্রী।
32. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন ভাগের
উপর দিয়ে গেছে?
উত্তর : জলভাগ।
33. কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে
আন্তর্জাতিক তারিখ
রেখা গেছে?
উত্তর : প্রশান্ত মহাসাগর। 34. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কত ডিগ্রি
পূর্ব ও পশ্চিম
দ্রাঘিমা রেখা?
উত্তর : ১৮০ডিগ্রী পূর্ব ও পশ্চিম।
35. কোন কোন স্থানের উপর দিয়ে
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা গেছে?
উত্তর : সাইবেরিয়ার উ. পূর্ব অংশ
অ্যালিউসিয়ান, ফিজি ও
চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের উপর।
36. পৃথিবীর আবর্তন গতিকে কোন গতি বলে?
উত্তর : আহ্নিক গতি 37. পরিক্রমণ গতিকে কোন গতি বলে?
উত্তর : বার্ষিক গতি
38. পৃথিবীর পূর্ণ আবর্তনের সময়কে কী বলে?
উত্তর : সৌরদিন
39. কোন গতির ফলে বায়ুপ্রবাহ ও
সমুদ্রস্রোতের পরিবর্তন হয়? উত্তর : আহ্নিক গতি।
40. জোয়ার ভাটা কেন সংঘটিত হয়?
উত্তর : আহ্নিক গতির ফলে/চাঁদের আকর্ষণে।
41. চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসে
কত দিনে?
উত্তর : ২৭ দিন। 42. কোন বিজ্ঞানী কত সালে আহ্নিক গতির
প্রমাণ দেন?
উত্তর : ফরাসি বিজ্ঞানী ফুকো, ১৮৫১ সাল।
.


আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190906083607

Thursday, September 5th, 2019

Astro Research Centre

নবগ্রহ গোচর ফল, শনি রাহু ও বৃহস্পতির গোচর রাশি নক্ষত্র ও গোচরফল (প্রতিকার ) নক্ষত্রফল

নবগ্রহ  গোচর ফল, শনি রাহু ও বৃহস্পতির গোচর  রাশি নক্ষত্র  ও গোচরফল (প্রতিকার ) নক্ষত্রফল

নবগ্রহ গোচর ফল, শনি রাহু ও বৃহস্পতির গোচর
রাশি নক্ষত্র ও গোচরফল (প্রতিকার ) নক্ষত্রফল

নবগ্রহ গোচর ফল

রবি --জন্ম রাশি তে স্থাননাশ দ্বিতিয়ে ভয় তৃতীয়ে ঐশ্বরজ চতুর্থে মান হানি পঞ্চমে দীনতা ষষ্ঠে শত্রুহানি সপ্তমে অর্থহানি অষ্টমে পীড়া নবমে কান্তিক্ষয় দশমে কর্ম উন্নতি একাদশে ধন লাভ দ্বাদশ বিত্ত নাশ বিপদ ।
চন্দ্র জন্ম রাশি তে অর্থ লাভ দ্বিতিয়ে বিত্ত নাশ তৃতীয়ে দ্রব্য নাশ চতুর্থে চক্ষু পীড়া পঞ্চমে কাজ হানি ষষ্ঠ তে বিত্ত নাশ সপ্তমে বিত্ত সহ স্ত্রী লাভ অষ্টমে মৃত্যু নবমে রাজ ভয় দশমে মহা সুখ একাদশে বিবিধ ধন বৃদ্ধি দ্বাদশে ধন নাশ ।
মঙ্গল ঃ জন্ম রাশিতে শত্রু ভয় দ্বিতীয়ে ধন নাশ তৃতীয়ে অর্থ লাভ চতুর্থে শত্রু ভয় পঞ্চমে প্রাণনাশ ষষ্ঠে বিত্ত লাভ সপ্তমে শোক অষ্টমে অস্ত্রঘাত নবমে নবমে কাজ হানি দশমে শুভ একাদশে ভুমি লাভ দ্বাদশে রোগ অনর্থ ।
বুধঃ জন্ম রাশিতে বন্ধন দ্বিতীয়ে ধন লাভ তৃতীয়ে বধ , শত্রু ভয় চতুর্থে অর্থ লাভ পঞ্চম অশান্তি ষষ্ঠে স্থান লাভ সপ্তমে শরীর পীড়া অষ্টমে ধন লাভ নবমে মহা পীড়া দশমে শুভ একাদশে অর্থ লাভ দ্বাদশে বিত্ত নাশ
বৃহস্পতি ঃ জন্ম রাশিতে ভয় দ্বিতীয়ে প্রচুর অর্থ লাভ তৃতীয়ে শারীরিক ক্লেশ চতুর্থে অর্থ সঙ্কট পঞ্চমে শুভ ষষ্ঠে অশুভ সপ্তমে রাজ পুজ্য অষ্টমে ধন নাশ নবমে ধন বৃদ্ধি দশমে প্রীতি ভঙ্গ একাদশে স্থান ও ধন লাভ দ্বাদশে শারীরিক ও মানসিক পীড়া ।
শুক্র ঃ জন্ম রাশি তে শত্রু নাশ , দ্বিতীয়ে ধন লাভ তৃতীয়ে শুভকর চতুর্থে ধন লাভ পঞ্চম পুত্র লাভ ষষ্ঠে শত্রু বৃদ্ধি সপ্তমে শোক অষ্টমে অর্থ লাভ নবমে বিবিধ বস্তু লাভ দশমে অশুভ একাদশে বহু প্রকার ধন লাভ দ্বাদশে ধনাগমন ।
শনি ঃ জন্ম রাশিতে বিত্ত নাশ দ্বিতীয়ে চিত্ত ক্লেশ তৃতীয়ে শত্রু নাশ জন্য বিত্ত লাভ চতুর্থে শত্রু বৃদ্ধি পঞ্চমে অর্থ , পুত্র , বিত্ত নাশ ষষ্ঠে অর্থ নাশ সপ্তমে অনিষ্টপাত অষ্টমে দেহ পীড়া নবমে ধন ক্ষয় দশমে মানসিক উদ্ববেগ একাদশে বিত্ত লাভ দ্বাদশে অনর্থ ।
রাহু ঃ জন্ম রাশি দ্বিতীয় চতুর্থ পঞ্চম সপ্তম অষ্টম নবম বা দ্বাদশ রাশি অর্থ ক্ষয় শত্রু ভয় কাজ হানি রোগ প্রবাস অগ্নি ভয় ও মৃত্যু ।
কেতু ঃ জন্ম রাশি তৃতীয় ষষ্ঠ দশম কিম্বা একাদশ ভাবে সন্মান রাজ পুজ্য সুখ ও অর্থ লাভ হয় । আজ্ঞা কারি পুরুষ স্ত্রী ও পুন্য সঞ্চয় ।
গোচর ফল
রবি ঃ এক রাশিতে একমাস তার মধ্যে প্রথম ৫ দিন ফল দেয় ।
চন্দ্র ঃ আড়াই দিন তার মধ্যে শেষ ৩ ঘণ্টা তে ফল দেয় ।
মঙ্গল ঃ এক রাশি তে ৪৫ দিন তার মধ্যে প্রথম ৮ দিন ফল দেয় ।
বুধ ঃ এক রাশিতে এক মাস , প্রত্যেক দিন ফল দেয় ।
বৃহস্পতি এক রাশি তে ১৩ মাস তার মধ্যে দুই মাস ফল দেয় ।
শুক্র ঃ এক রাশি তে এক মাস মধ্যে ৭ দিন ফল দেয় ।
শনি ঃ এক রাশি তে ৩০ মাস শেষ ৬ মাসে ফল দেয় ।
রাহু ঃ কেতু ঃ এক রাশিতে ১৮ মাস শেষ দুই মাসে ফল দেয় ।
রাশি ঃ
মেষ বৃষ মিথুন কর্কট সিংহ কন্যা তুলা বৃশ্চিক ধনু মকর কুম্ভ মীন
নক্ষত্র ঃ
১ অশ্বিনী ২ ভরণী ৩ কৃতিকা ৪ রোহিনি ৫ মৃগ শিরা ৬ আদ্রা ৭ পুনরবসু ৮ পুষ্যা ৯ অশ্লেষা ১০ মঘা ১১ পূর্ব ফাল্গুনী ১২ উত্তর ফাল্গুনী ১৩ হস্তা ১৪ চিত্রা ১৫ স্বাতী ১৬ বিশাখা ১৭ অনুরাধা ১৮ জ্যেষ্ঠা ১৯ মুলা ২০ পূর্বসাড়া ২১ উত্তরসাড়া ২২ শ্রবনা ২৩ ধনিষ্ঠা ২৪ শতভিসা ২৫ পূর্ব ভাদ্রপদ ২৬ উত্তর ভাদ্রপদ ২৭ রেবতী

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190905210829

Thursday, September 5th, 2019

Astro Research Centre

শনির সাড়েসাতি কি প্রতিকারও ফল, কুপ্রভাব মেষ কর্কট সিংহ ধনু মীন রাশিতে, বর্তমান প্রভাব বৃশ্চিক ধনু মকর, 12 টি রাশিতে শনির প্রভাব সাবধান 3টি রাশি

শনির সাড়েসাতি  কি প্রতিকারও ফল, কুপ্রভাব মেষ কর্কট সিংহ ধনু মীন রাশিতে, বর্তমান প্রভাব বৃশ্চিক ধনু মকর, 12 টি রাশিতে শনির প্রভাব সাবধান 3টি রাশি

শনির সাড়েসাতি কি প্রতিকারও ফল, কুপ্রভাব মেষ কর্কট সিংহ ধনু মীন রাশিতে, বর্তমান প্রভাব বৃশ্চিক ধনু মকর, 12 টি রাশিতে শনির প্রভাব সাবধান 3টি রাশি

বর্তমানে শনির সাড়েসাতি ভোগ্য তিন রাশি হল
১) বৃশ্চিক, ২) ধনু, ৩)মকর।
এই তিন রাশি ছাড়াও পরবর্তী রাশি গুলির আসন্ন শনির সারেসাতির সময় নির্দেশ করা হলো।
আপনারা এখন বলবেন শনির সাড়েসাতি কি?
=>
শনির সাড়েসাতি হলো শনি গ্রহের পরিক্রমণ গতির ওপর ভিত্তি করে ১২টি রাশির একএকটি রাশিতে প্রায় আড়াই বছর করে শনিগ্রহ অবস্থান করে। সূর্য মধ্যস্থিত হয়ে, কক্ষপথটিকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে যদি ১২ টি ভাগে বিভক্ত করা হয় তাহলেই একটি ভাগকে একএকটি রাশি ধরা হবে।
শনিগ্রহ যেই স্থানে বা যেই রাশিতে অবস্থান করে তার আগের রাশি এবং পরে রাশির শনির সাড়ে সাতি চলে।
এই তিন আড়াই বছর ধরে একটি রাশিতে শনিগ্রহের অবস্থানকে এক কথায় শনির সাড়েসাতি বলা হয়।
শনিগ্রহের সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় 29 বছর চার মাস সময় লাগে।
যে রাশিতে শনি অবস্থান করে এবং তার আগের ও পরের রাশির জাতকদের শনির সাড়ে সাতি চলাকালীন এবং যেকোন শুভকর্মে অসফলতা লক্ষ্য করা যায়।
এবং তার সময় যেন ধীরগতিতে অতিক্রান্ত হতে থাকে। মানুষিক মনোবলের অভাব দেখা দেয়।
এছাড়া তেমন কিছু শনি গ্রহ ক্ষতি করে না।
এই সময় মানুষকে পরিষ্কার বস্ত্র, শুদ্ধ খাবার গ্রহণ,
সৎ পথ এবং সত‍্য ও নিষ্ঠাকে অবলম্বন করে জীবন যাপন একান্ত জরুরী।
তানাহলে শনি গ্রহ আমাদের আরো বেশি ক্ষয়ক্ষতি করে।
এবার দেখা যাক কোন রাশিতে কবে শনির সাড়েসাতি শুরু এবং শেষ হবে।
১) বৃশ্চিক - ২৪/০১/২০২০ পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
২) ধনু - ২৯/০৪/২০২২ পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৩) মকর - ৩০/০৩/২০২২ পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৪) কুম্ভ - ২৪/০১/২০২০ থেকে ২৩/০২/২০২৮
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৫) মীন - ২৯/০৪/২০২২ থেকে ০৮/০৮/২০২৯ পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৬)মেষ -৩০/০৩/২০২৫ থেকে ৩০/০৫/২০৩২
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৭)বৃষ - ২৩/০২/২০২৮ থেকে ১২/০৭/২০৩৪
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৮) মিথুন- ১৭/০৪/২০৩০ থেকে ২৭/০৮/২০৩৬
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৯) কর্কট - ৩১/০৫/২০৩২ থেকে ১২/০৭/২০৩৯
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
১০) সিংহ - ১৩/০৭/২০৩৪ থেকে ২৫/০৯/২০৪১
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
১১) কন্যা - ২৮/০৮/২০৩৬ থেকে ১১/১২/২০৪৩
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
১২) তুলা - ১৩/০৭/২০৩৯ থেকে ০৮/১২/২০৪৬
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।

প্রতিটি মানুষের জীবনে সময়ের পরিক্রমায় কখনো ভালো সময় আবার কখনো প্রতিকূল সময় অতিক্রম করতে হয়। এটাই স্বাভাবিক। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, প্রতিটি মানুষের জীবনে গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাব রয়েছে। শুভ গ্রহের প্রভাবে জীবনে সুখ ও সাফল্য আসে। জীবন হয় আনন্দময়। আবার অশুভ গ্রহের প্রভাবে নানারকম প্রতিকূল পরিবেশ ও পরিস্থিতি অতিক্রম করতে হয়। বৈদিক জ্যোতিষ অনুযায়ী শনি, সবচেয়ে অগ্নিময় গ্রহ। শনি সৌরজগতের ধীরতম চলন্ত গ্রহ| এই কারণে, এটি একটি ঠান্ডা, অনুর্বর, শুষ্ক গ্রহ এবং তার প্রভাব অধিক তীব্রতার সঙ্গে এবং অন্য কোন গ্রহের চেয়ে বেশি সময়সীমার জন্য অনুভূত হয়।
কথিত আছে, শুক্রের অধীনে যে সকল মানুষ জন্মায় তারা শনির অনুকূলে থাকে। অপরপক্ষে, যারা বুধের অধীনে জন্মায় তাদের পক্ষে শনি মন্দ। জ্যোতিষশাস্ত্রে শনি একটি সাপ, যার মাথাকে রাহু এবং লেজকে কেতু বলা হয়। কেতু কে অগ্রাধিকার দিলে কোন ব্যক্তির অত্যন্ত উপকার হয়। শনির সাড়ে সাতি মানেই কর্মে বাধা, পেশাগত, পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে ভুলবোঝাবুঝি কিংবা আর্থিক সমস্যাই নয়, এ সময়ে অনেকে ধাপে ধাপে সাফল্যের শিখরে ওঠেন। জীবনে নতুন মোড় নেয়। নানারকম প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলার মাধ্যমে সাফল্য ও প্রাচুর্যের পথে অগ্রসর হন। অনেকে শনির সাড়ে সাতি কথাটি শুনলে ভয় পান। কারণ আমরা জানি শনি বাধাকারক গ্রহ। কাজে বিলম্ব, সম্পর্কে অবনতি, ব্যবসায়ে ক্ষতি, অপবাদ, দুর্ঘটনা এমন আরো অনেক কিছু শনির সাড়ে সাতির সময় দেখা যায়। চলুন জেনে নিই শনির সাড়ে

মেষ -- প্রতি শনিবার শ্রীহনুমানের পূজা করা বিধেয়। পর পর সাতটি শনিবার দানকার্য করলে বাল ফল মেলে। ঘোড়ার নাল থেকে তৈরি আংটি মধ্যমায় ধারণ করলে আরও ভাল হয়।

• বৃষ— লোহা বা রূপায় অ্যামেথিস্ট বাঁধিয়ে ধারণ করা প্রয়োজন। পর পর পাঁচটি শনিবার অশ্বত্থ গাছের নীচে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে ভাল হয়।

• মিথুন— কোনও শনিবার মধ্যমায় রুপো বাঁধানো নীলার আংটি ধারণ করা বিধেয়। বড়ির সদর দরজায় স্বস্তিকা চিহ্ন টাঙানো প্রয়োজন।

• কর্কট— পর পর সাতটি শনিবার দানকার্য বিধেয়। প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ করা দরকার।

• সিংহ— প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ এবং প্রতি শনিবার কালো তিল, কালো কাপড় এবং সরষের তেল দান করা বিধেয়। কালো কুকুরকে খেতে দিলে ভাল হয়। প্রতি শনিবার ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র উচ্চারণ প্রয়োজন।

• কন্যা— ঘরে শনিযন্ত্রম স্থাপন এবং শনিস্তোত্র পাঠ প্রয়োজন। বহতা নদীতে একটি নারকেল এবং সাতটি আমন্ড প্রদান করুন।

• তূলা— প্রতি শনিবার দু’টি কালো কুকুরকে খেতে দিতে হবে। বাড়ির বাইরে তাদের খাওয়াবেন। ভিতরে কদাচ নয়। শিবলিঙ্গের উপাসনা এবং শনিযন্ত্রম বহতা জলে প্রদান করতে হবে।

• বৃশ্চিক— ঘরে শনিযন্ত্রম প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ প্রয়োজন। পোকা-মাকড়দের কালো তিল খাওয়ান। পর পর ৫টি শনিবার বহতা জলে তামার খণ্ড বিসর্জন দিন।

• ধনু— শনিবার উপবাস উপকারে আসবে। ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র উচ্চারণ প্রয়োজন। শনি পুজোয় লাগে, এমন জিনিস কখনই কিনবেন না।

• মকর— শনিবার শ্রীহনুমানের পুজা কাজে আসবে। শনি ও মঙ্গলবার মদ্যপান করবেন না। শনিযন্ত্রম প্রতিষ্ঠা করে তার সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালুন।

• কুম্ভ— নীল রঙের পোশাক পরা বিধেয়। নীলা ধারণ করলে ভাল হয়। দানকার্য বজায় রাখুন।

• মীন— শনির তান্ত্রিক মন্ত্রোচ্চারণ প্রতিদিন প্রয়োজন। কুকুরের সেবা কাজে আসবে। শিবপূজা করলে আরও ভাল ফল পাওয়া যাবে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190905134652

Thursday, September 5th, 2019

Astro Research Centre

বিবাহ যোগ মাঙ্গলিক ভৌমদোষ বিধব্যযোগে মঙ্গল শুক্র রাহু কেতু শনি ও রবির ভূমিকা প্রতিকার ও গুরুত্ব, ভগ্ন কালসর্প যোগ Arc LM

বিবাহ যোগ  মাঙ্গলিক ভৌমদোষ  বিধব্যযোগে মঙ্গল শুক্র রাহু কেতু শনি ও রবির ভূমিকা প্রতিকার ও গুরুত্ব, ভগ্ন কালসর্প যোগ Arc LM

বিবাহ যোগ মাঙ্গলিক ভৌমদোষ বিধব্যযোগে মঙ্গল শুক্র রাহু কেতু শনি ও রবির ভূমিকা প্রতিকার ও গুরুত্ব, ভগ্ন কালসর্প যোগ Arc LM

ASTRO RESEARCH CENTRE
সমাজে বিবাহে (যোটক বিচার ), রাজ যোটক, মাঙ্গলিক দোষ, অসবর্ন বিবাহ, নারী জ্যোতিষ, 7ম ভাবে রাহু, কেতু, শনি, মঙ্গল অশুভ যোগ, অস্তকুট
সমাজে বিবাহে (যোটক বিচার ), রাজ যোটক, মাঙ্গলিক দোষ, অসবর্ন বিবাহ, নারী জ্যোতিষ, 7ম ভাবে রাহু, কেতু, শনি, মঙ্গল অশুভ যোগ, অস্তকুট
যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

দাম্পত্য সুখের ভিত্তি হ’ল স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক প্রেম-প্রীতি ভালবাসা-বোঝাপড়া। উভয়ের মনোবৃত্তির মিল হলে দাম্পত্য জীবনে সুখের অভাব ঘটার কথা নয়। সেই কারণেই বিখ্যাত অগলাস্তোত্রের প্রার্থনা –
'ভার্য্যাং মনোরমাং দেহি মনোবৃত্ত্যানুসারিণীম্।‘

নারীদের মনেও নিশ্চয়ই অনুরূপ প্রার্থনা জাগে।
কিন্তু বাস্তবে সকলের জীবনে এই প্রার্থনা পূরণ হয় না। বিবাহের, এমন কি প্রেমজ বিবাহের অনতিকাল পরেই ব্যক্তিত্বের সংঘাত বাধে। পতি ও পত্নীর মধ্যে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় ও তা অনেক সময় উভয়ের মধ্যে দুস্তর ব্যবধানে পরিণত হয়, সুখের পরিবর্তে আসে অশান্তি, কোন কোন সময় বিচ্ছেদ।

বিবাহিত জীবনের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন উত্তম পাত্র পাত্রীর মিলন। পাত্র পাত্রীর উত্তমমিলন বিচার করতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে যোটক বিচার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ।

যোটক বিচার বলতে ঠিক কি বুঝায় ?

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যার পরস্পরের জন্মরাশি, জন্মনক্ষত্র ও রাশ্যাধিপ গ্রহদি থেকে, যে শুভাশুভ ফল বিচার করা যায়, তাকেই যোটক বিচার বলে। যোটক বিচার অষ্টপ্রকারে বিভক্ত।
যোটক বিচার আট প্রকার কুট বা গুণের সমন্বয়- যথা বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রিকুট, রাশি কুট ও নাড়ীকুট ।

প্রতিটি কূটের একটি নির্দিষ্ট গুনমানের সংখ্যা থাকে যেমন বর্ণকুট1, বশ্যকুট2, তারাকুট3, যোনিকুট4, গ্রহমৈত্রীকুট5, গণমৈত্রিকুট6, রাশি কুট7 ও নাড়ীকুট8| এভাবে সবকটি কুটের সংখ্যা যোগ করলে গিয়ে দাড়ায় 36
এই ৩৬ গুণের মধ্যে মিলনে কত গুণ পাওয়া যাচ্ছে সেটাই মূল কথা।
এই বিষয়ে একটি কথা মনে রাখতে হবে ৩৬ গুণের মধ্যে ১৮ গুণের কম হলে তা যোটক মিলনে শুভ ফলপ্রদ হবে না।

১৮ গুণের বেশি হলে বিবাহিত জীবনে সুখ ও শান্তি লাভ সম্ভব।

34 থেকে 36 টি গুণের মিলন হলে তাকে 'রাজযোটক' বলে।

পূর্বে বর্ণিত অষ্টকুট নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু তথ্য দেওয়া হল :-

1. বর্ণকুট :

বর্ণ কাকে বলে বা বর্ণ কি ?
জ্যোতিষশাস্ত্রে মেষ, বৃষ, মিথুন, ইত্যাদি যে বারোটি রাশি ব্যাবহার করা হয় তাদের বিপ্র, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা যে ব্যক্তিগনের জন্ম কর্কট, মীন, বা বৃশ্চিক রাশিতে তাঁদের বর্ণ বিপ্র। এইভাবে যাঁদের জন্ম সিংহ, তুলা বা ধনু রাশিতে তাঁদের বর্ণ ক্ষত্রিয়। যোটক বিচারের নিয়মে শুদ্র বর্ণের থেকে বৈশ্য বর্ণ শ্রেষ্ঠ, বৈশ্য বর্ণের থেকে ক্ষত্রিয় বর্ণ শ্রেষ্ঠ, আবার ক্ষত্রিয় বর্ণের থেকে বিপ্র বর্ণ শ্রেষ্ঠ।
বর্ণ ফলমে বলা হয়েছে যে-
"ক্ষাত্র-বিট্-শুদ্র-বিপ্রাঃ স্যুঃ ক্রমান্মেষাদি-রাশয়ঃ।
তত্র বর্ণাধিকা কন্যা নৈবোদ্বাহ্যা কদাচন" ।।
অর্থাৎ “বরের বর্ণাপেক্ষা কন্যার বর্ণ শ্রেষ্ঠ হলে, সেই কন্যাকে কদাচ বিবাহ করিবেনা”।

করলে কি হবে ?

" বর্ণশ্রেষ্ঠা তু যা নারী বর্ণহীনস্তু যাঃ পুমান।
বিবাহং যদি কুরব্বীত তস্য ভর্তা বিনশ্যতি "।।
উচ্চ বর্নের পাত্রীর সাথে নিম্ন বর্ণের পাত্রের বিবাহ অশুভ। এতে দাম্পত্য অসন্তোষ, অকাল বৈধব্য, শারীরিক অসুস্থতা, সন্তানের কারনে মনকষ্ট ভোগ করতে হয়।

2. বশ্যকূট্ :

“ মিথুন, কন্যা, তুলা, কুম্ভ, ও ধনুর পূর্বাদ্ধ, যদি বরের রাশি হয় এবং মেষ, বৃষ, কর্কট, ইত্যাদি যদি কন্যার রাশি হয় সেই কন্যা বরের বশীভূত হয়”।

এই ভাবে কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশিকে অন্য কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশির বশ্য ধরা হয়েছে এবং বিপরীতে বিপরীত ফল বলা হয়েছে।

"এবং বশ্যসমাযোগে দম্পত্যোঃ প্রীতিরূত্তমা।
বশ্যাভাবেহপি দম্পত্যো্রবিবাহঃ কলহ-প্রদঃ।।"

পাত্র ও পাত্রীর রাশি দ্বিপদ চতুস্পদ প্রভৃতি শক্র মিত্রের প্রভাবে দাম্পত্য জীবনে কলহ, বিবাদ, মামলা, মকদ্দমা এমনকি দাম্পত্য বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটে যেতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিবাহ ঘটায় বশ্যকুট বিচারের অশুভ প্রভাবের ফলে।

3. তারাকুট : পাত্র পাত্রীর জন্মনক্ষত্রের গরমিলের প্রভাবে বিবাহিত জীবনের সুখ, দুঃখ নির্ধারিত হয়ে থাকে। তারা কুটের শুভ প্রভাবে বিবাহের পর গৃহে ভাগ্যলক্ষ্মীর কৃপা বর্ষণ হয়, আর অশুভ প্রভাবে দাম্পত্য অসন্তোষ সহ দুঃখ, কষ্ট, শোক, জরা, ব্যাধি, দৈন্য ও দারিদ্র দশার কারণ হবেন।(বিপদ, প্রত্যরি, বধ তারা অশুভ। )

4. যোনিকুট : প্রত্যেক জাতক বা জাতিকাই নক্ষত্র অনুযায়ী কোনও না কোনও ‘যোনি’-তে অবস্থান করেন। সঠিক ‘যোনি বিচার’-ই সম্ভব করতে পারে সঠিক দাম্পত্য।
যোনি’গুলি যথাক্রমে— অশ্ব, গজ, মেষ, সর্প, শ্যেন, মার্জার, মূষিক, গো, মহিষ, ব্যাঘ্র, মৃগ, বানর, নকুল এবং সিংহ। এই পশুগুলির স্বভাব ও একে অন্যের প্রতি মনোভাবের নিরিখেই নির্ধারিত হয় ‘যোনি’-চরিত্র।
যোনি মিলন’ বিচারের আবার কিছু পন্থা রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অকাল বৈধব্যের প্রবনতা দেখা দেয়। এছাড়া স্বামী কর্তৃক স্ত্রী হত্যা ও স্ত্রী কর্তৃক স্বামী হত্যা পর্যন্ত ঘটতে পারে বিরূপ যোনিকুটের ফলে।

5. গ্রহমৈত্রীকুট : পাত্র পাত্রীর রাশি অধিপতি গ্রহের শক্র মিত্রতার উপর নির্ভরশীল। মিত্রতার প্রভাবে বিবাহিত জীবন সুখ, সমৃদ্ধি, অর্থ, সম্মানে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে আর অশুভ প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম ছাড়াও স্বামী স্ত্রীর দুর্ঘটনা জনিত অঙ্গপ্রতঙ্গ হানী সহ শেষ জীবন কোন প্রকারেই শুভকর হয় না।

6. গনকুট : জ্যোতিষ গণনায় যে সাতাশটি নক্ষত্রকে ধরা হয়েছে, তাদেরই ঐ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বর ও কন্যার জন্মনক্ষত্র থেকে গণ কূট বিচার করতে হয়।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নয়টি সত্ত্ব গুন বিশিষ্ট নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে দেবগন ও সত্ত্ব গুণী হয়।

পূর্বফল্গুনী, পূর্বাষাড়া, পূর্বভাদ্রপদ, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে নর গন হয়।

জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে রাক্ষস গণ হয়।এতো হল গণের পরিচয়।

এবারে বিচারটা কিভাবে হবে ?
“ স্বজাতৌ পরমা প্রীতিরমধ্যা দেব-মানুষে।
দেবাসুরে বৈরতা চ ম্রিত্যুরমানুষ-রাক্ষসে।।
রাক্ষসী চ যদা কন্যা মানুশ্চ বরো ভবেত।
তদা ম্রিত্যুরন দূরস্থো নির্ধনত্বমথাপি যা ” ।।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালেই তার মধ্যে সত্ত্বগুণ থাকবে এবং সে দেবতুল্য মানুষ হবে।

একই ভাবে জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালে, সেই কন্যা যতই সুশীলা হোকনা কেন, বিনা দোষে তার রাক্ষস গণ হবে এবং তার মধ্যে তমগুণ থাকায় দেবগণের পাত্রের সঙ্গে তার কোন মতেই বিবাহ করা চলবে না।

বিয়ে হলে কি হবে ?

ভাল হবেনা। কলহাদি অশান্তি হবে। আর নর- রাক্ষসের বিবাহে কি হবে ?

“ অসুর- মনুজয়োশ্চেন্মৃত্যুমেব প্রদিষটা "।।

নরগণের পাত্রের সঙ্গে রাক্ষস গণের কন্যার বিবাহ হলে পাত্রের মৃত্যু হবে। অর্থাৎ রাক্ষসী কন্যা নর পাত্রকে খেয়ে ফেলবে। বিপরীত ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা আসেনা।গনকুট এর শুভ মিলনের গুরুত্ব অপরিসীম।
গণ বিচারের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তও পাওয়া গেছে। ধরা যাক, একটি ছেলে ও মেয়ের বিয়ের আগে যোটক বিচার করানো হলো। তাতে অষ্টকূট বিচারে ৩৬ টি গুনের মধ্যে ২৮ টি গুন মিলে গেলো। দুজনের কেউই মাঙ্গলিক নন তবুও বাড়ির কূল পুরোহিত বিবাহে সম্মতি দিলো না। তার কারণ ছেলেটি রাক্ষস গণ ও মেয়েটি নরগণ। মেয়ের মা বাবার বক্তব্য রাক্ষস খেয়ে ফেলে মানুষকে। সচেতন হোন- কারন এটা সম্পূর্ণ অশাস্ত্রীয় ,

মহর্ষি গর্গ বলেছেন :

" রক্ষোগণো যদা পুংসাং কুমারী নৃগণো ভবেৎ। সদ্ভকূটম খগ-প্রীতির্যোনিশুদ্ধিঃ শুভস্তথা।।"

- অর্থাৎ পাত্র রাক্ষস গণ হোক আর পাত্রী নরগন হোক না কেন, উভয়েরই যদি নক্ষত্র, গ্রহ, রাশ্যাধিপতি, যোনীকূট ও ভকূট বিশুদ্ধ হয়, গ্রহ পরস্পর মিত্র বা একই হয় তাহলে বিবাহ জীবন সুখময় হয়।

মহর্ষি বশিষ্ঠ বলেছেন :

" গ্রহমৈত্রি রাশি বশ্যম সদ্ভকূটং ভবেৎ যদি। সদগনা ভাবজনিতো দোষ কো অপি ন বিদ্যতে।।"

7. রাশি কুট : পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকের চন্দ্রের অবস্থান জনিত রাশির শুভ অশুভ প্রভাব দাম্পত্য জীবনে সর্বাধিক গুরুত্ব বহন করে। শুভ প্রভাবে শুভ ফল আর অশুভ প্রভাবে শোক, দুঃখ, দুর্দশা সহ দাম্পত্য জীবন বিষিয়ে তোলে।

মেষরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কন্যা ও বৃশ্চিক রাশির পাত্র/পাত্রী। শুভ হল কর্কট, সিংহ, ধনু ও মকররাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
বৃষ রাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল তুলা ও ধনু রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল সিংহ, কন্যা, মকর ও কুম্ভ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
মিথুনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃশ্চিক ও মকর রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কন্যা, তুলা, কুম্ভ ও মীন রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মোটামুটি মধ্যম।

কর্কটরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল ধনু ও কুম্ভ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল তুলা, বৃশ্চিক, মীন ও মেষ রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

সিংহরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মীন রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃশ্চিক, ধনু, মেষ ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

কন্যারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মেষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল ধনু ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম তথাপিও শুভই বলা যায়। এদের মধ্যকার বিবাহে তেমন অসুবিধা প্রায়ই হয়না।
তুলারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মীন ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মকর, কুম্ভ ও কর্কট রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

বৃশ্চিকরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কুম্ভ, মীন, কর্কট ও সিংহ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

ধনুরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃষ ও কর্কট রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, সিংহ ও কন্যা রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মকররাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মিথুন ও সিংহ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, কন্যা, ও তুলারাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
কুম্ভরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কর্কট, সিংহ ও কন্যা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃষ ও তুলা রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মীনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও তুলা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, কর্কট, কন্যা, বৃশ্চিক ও ধনু রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

এছাড়া শুভ যোটক হল পাত্রের রাশির পঞ্চমে পাত্রীর রাশি হলে। বিপরীত ভাবে পাত্রীর ক্ষেত্রেও ঠিক একই ফল প্রদান করবে। যেমন মেষের সাথে সিংহ, বৃষের সাথে কন্যা, মিথুনের সাথে তুলা, কর্কটের সাথে মীন, ধনুর সাথে মেষ, মকরের সাথে বৃষ, কুম্ভের সাথে মিথুন এবং মীনের সাথে কর্কট। জ্যোতিষ শাস্ত্রে এই যোগকে নবম-পঞ্চম নামে অভিহিত করা হয়। এছাড়া পাত্র পাত্রীর উভয়ের একই রাশি হলে যোটক বিচারে শুভ ফল প্রদান করে।

রাজযোটক :

কথায় বলে- “পুরুষের ভাগ্যে জন ও নারীভাগ্যে ধন”।তাই অনেক পাত্র পক্ষ সুলক্ষণা ভাগ্যবতী পত্রীর খোঁজ করেন যাতে সেই পাত্রীর ভাগ্যযোগে তার স্বামীর আর্থিক ও বৈষয়িক উন্নতি হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে মিলনে কোনও বাধা আছে কিনা সেটা পর্যবেক্ষণ করার জন্য যোটক বিচার করার প্রয়োজন হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে যোটক বিচার করার সময় বিশেষ করে তিনটি বিষয় দেখার প্রয়োজন আছে।
প্রথমত - রাশির সঙ্গে রাশির মিলন।

দ্বিতীয়ত - অষ্ট-কূট বিচারের মাধ্যমেও গুণাগুণ সংক্রান্ত ব্যাপারে অবহিত হওয়া।
তৃতীয়ত - রাশিচক্রে বিবাহের স্থান এবং নর-নারী অর্থাৎ জাতক-জাতিকার আয়ু-স্থান এবং কোনও বিবাহ বিচ্ছেদ বা দুর্ঘটনা যোগ আছে কিনা তা জানা দরকার।

এছাড়াও অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। যেমন সন্তান কেমন হবে, বিবাহের পরে ভাগ্য উন্নতি হবে কিনা, স্বভাব চরিত্র কেমন হবে, স্বাস্থ্য ভাল যাবে কিনা, বিবাহিত জীবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিল হবে কিনা ইত্যাদি নানা প্রশ্নের মধ্য দিয়ে পাত্র বা পাত্রী নির্বাচন করা হয়। প্রয়োজন হলে শাস্ত্রীয় বিধি মতে বিবাহের পূর্বে তার প্রতিকার করা হয়।
জন্মকুণ্ডলী বিচার করা হয় লগ্ন ধরে। কিন্তু এখানে জন্ম লগ্ন অপেক্ষা চন্দ্র লগ্ন অর্থাত্ রাশি গুরুত্বপূর্ণ । কোন কোন রাশির সঙ্গে কোন কোন রাশির মিলন হতে পারে তা জানা দরকার। জাতক এবং জাতিকার যদি রাশি একই হয় তাহলে তা শুভ এবং রাজযোটক মিলন।

এছাড়াএ প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগের উল্লেখ পাওয়া যায়, যাকে বিবাহ ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ যোগ বলা হয়েছে । পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকে এই যোগ থাকলে বিবাহিত জীবন ধন-ধান্যে, সম্পদ-সম্পত্তিতে, সন্তান-সন্তুতিতে পরিপূর্ণ ও আনন্দময় হয়ে ওঠে। এই যোগ বিবাহের ক্ষেত্রে বৈধব্য দশা, ভৌম দোষ সহ রাশি, লগ্ন, নক্ষত্র যাই হোক না কেন, কোন রূপ বিচারের প্রয়োজন পড়ে না। যোটক বিচারের অন্যান্য সাধারণ নিয়ম প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগে প্রযোজ্য নয়।
অশুভ যোটক যেমন পাত্রের রাশির অষ্টমে পাত্রীর রাশি হলে সেই বিবাহ অবশ্যই সম্বন্ধ পরিত্যাগ করা উচিৎ,একে অরিষড়ষ্টক যোগ বলে ,যেমন - পাত্রের রাশি মেষ হলে তার অষ্টম রাশি বৃশ্চিক, বৃষের সাথে ধনু, মিথুনের সাথে মকর, কর্কটের সাথে কুম্ভ, সিংহের সাথে মীন, কন্যার সাথে মেষ, তুলার সাথে বৃষ, বৃশ্চিকের সাথে মিথুন, ধনুর সাথে কর্কট, মকরের সাথে সিংহ, কুম্ভের সাথে কন্যা, এবং মীনের সাথে তুলা।

বিপরীতে পাত্রীর রাশির ষষ্ঠ পাত্রের রাশি হলে সে বিবাহ অতিশয় শুভ ফল প্রদান করে , এই যোগকে মিত্রষড়ষ্টক যোগ বলে , যেমন - পাত্রীর রাশি মেষ আর পাত্রের রাশি কন্যা, বৃষের সাথে তুলা, মিথুনের সাথে বৃশ্চিক, কর্কটের সাথে ধনু, সিংহের সাথে মকর, কন্যার সাথে কুম্ভ, তুলার সাথে মীন, বৃশ্চিকের সাথে মেষ, ধনুর সাথে বৃষ, মকরের সাথে মিথুন, কুম্ভের সাথে কর্কট এবং মীনের সাথে সিংহ।

উদাহরণ স্বরূপ :

পাত্রের মেষ রাশি আর পাত্রীর কন্যা রাশি বা তুলা রাশির পাত্রের সহিত মীন রাশির পাত্রী যেন না হয়ে যায় তাহলে মহা সর্বনাশ ঘটে যাবে তাতে সন্দেহ নেই।
মনে রাখতে হবে মিত্রষড়ষ্টক যোগ উল্টো হলে বিপরীত ফল প্রদান করবেই করবে। (আবারও বলি পাত্রীর রাশির ষষ্ঠে পাত্রের রাশি হবে) এর বিপরীত যোগের বিবাহে স্বামী স্ত্রী হবে বিরুদ্ধ মতাবলম্বী, সুখের সংসারে নেমে আসবে দুঃসহ দুঃখ, বেদনা, বিচ্ছেদ ও বৈধব্যদশা। এই যোগের বিবাহ স্বয়ং দেবতাগনেরও পরিত্যাজ্য।

8. ত্রিনাড়ীকুট- ত্রিনাড়ীকুট বিচারের শুভ প্রভাবে সংসার সমাজ ও সভ্যতার শুভ যোগাযোগ তৈরী করে, দাম্পত্য জীবনে শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হয়। আর বিপরীত প্রভাবে অশান্তির তীব্র অনল জ্বলতে থাকে। বিবাহের পর সামাজিক কলহ, বিচ্ছেদ, একাকী জীবন যাপন, পিতামাতাসহ সংসারের আত্মীয় পরিজন ছেড়ে বনবাস বা বিদেশ বাস প্রভৃতি ঘটে, একমাত্র ত্রিনাড়ী কুটের অশুভ প্রভাবের ফলে।
ভৌম দোষ বা মাঙ্গলিক দোষ। পাত্রপাত্রীর জন্ম কুন্ডলীর লগ্নে, চতুর্থে, ষষ্ঠে, অষ্টমে এবং দ্বাদশে মঙ্গল অবস্থান করলে জ্যোতিষশাস্ত্রে একে ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ বলে। এই দোষ দাম্পত্য জীবনে বিদ্রোহ, ফাটল, অশান্তি, বিচ্ছেদ ছাড়াও পাত্রের ক্ষেত্রে বিপত্নীক এবং পাত্রীর ক্ষেত্রে বিবাহিত জীবনে স্বামীর অকাল জীবনাবসান এর ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া এদের বিবাহিত জীবনে কোন এক সময়ে দাম্পত্য-অশান্তির মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যা পাত্র/পাত্রীকে মৃত্যুতুল্য করে তোলে। এক কথায় উভয়েরই মনের মৃত্যু ঘটে যায়। তবে এই ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ পাত্র পাত্রীর উভয়ের জন্মকুন্ডলীতে থাকলে তাদের বিবাহিত জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উভয়েই দীর্ঘায়ু লাভ করে ছাড়াও সমাজে মানব সভ্যতার অগ্রগতি সাধন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
জন্ম কুণ্ডলীতে ১২টি করে ঘর থাকে। তার মধ্যে অন্তত ৫টি ঘরে মঙ্গলের অবস্থান একজনকে মাঙ্গলিক হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ভৌম দোষের কম-বেশি থাকে। যত কম ঘরে মঙ্গল অবস্থান করবে, তার প্রভাবও ততই কম হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশই মাঙ্গলিক। লগ্ন, চতুর্থ, সপ্তম,অষ্টম, দ্বাদশ স্থানে মঙ্গলের অবস্থানকে মাঙ্গলিক দোষ বলাহয়। পুরুষের এই দোষ স্ত্রীর জন্য অশুভ এবং স্ত্রীর পক্ষে স্বামীর, ইহা পরীক্ষীত ও প্রমাণিত।

কোন জাতক বা জাতিকার কোষ্ঠী বিচারে আগেই যদি জানতে পারা যায় যে তার দাম্পত্য সুখের যোগ নেই, তা হলে তার বিবাহের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে এবং ঐ জাতক বা জাতিকার জন্য সম্ভাব্য পাত্রী বা পাত্রের কোষ্ঠী বিচার করে দেখা যেতে পারে যে সেই কোষ্ঠীতে দাম্পত্য সুখের সম্ভাবনা কি রকম। পাত্র বা পাত্রীর সাধারণভাবে জন্ম-কুন্ডলীতে লগ্নের সপ্তমভাব থেকে জায়া বা পতির বিচার করা হয়। সপ্তমভাবে যে যে গ্রহের যোগ বা দৃষ্টি, সপ্তমভাবপতি, সপ্তমভাবপতি যে যে রাশি ও নবাংশে অবস্থিত সেই সেই রাশি ও নবাংশের অধিপতি, সপ্তমভাব ও পত্নীর কারকগ্রহ শুক্র, শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তম রাশাধিপতি – পতি-পত্নী ও বিবাহিত জীবনের উপর এই সকল গ্রহেরই প্রভাব আছে।
বিবাহিত জীবন বিষয়ে সপ্তমভাবের মত দ্বিতীয়ভাবও বিচার করতে হবে।কারণ, দ্বিতীয়ভাব কুটুম্বস্থান। বিবাহিত জীবনে সাফল্য বা অসাফল্যের পিছনে কুটুম্বদের ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ, পতি পত্নীর উভয় পক্ষেরই। সেই কারণেই বিবাহিত জীবনের জ্যোতিষিক অনুসন্ধানে ধনভাব/কুটুম্ব স্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, চতুর্থভাব (সুখ) এবং দ্বাদশ (শয্যা সুখ) ভাবেরও গুরুত্ব আছে।
রাহু ও কেতু ভিন্ন যে গ্রহের স্ফুটাংশ (রাশি ব্যতীত অংশ-কলাদি) সর্বাপেক্ষা কম, সেই গ্রহকেও জায়া কারক আখ্যা দেওয়া হয়। চর-কারকত্বে যে গ্রহ জায়া কারক হিসাবে নির্ণীত হবে, বিবাহিত জীবনে তারও প্রভাব আছে। স্থির-কারকত্বে শুক্র পত্নীকারক গ্রহ। সপ্তমভাবপতি ও সপ্তমপতির নবাংশপতি হতে পতির বিচার করতে হয়।
বিবাহোত্তর জীবনে সুখলাভের সম্ভাবনা বিষয়ে প্রাচীন জ্যোতিষ গ্রন্থাদিতে যা পত্নীসুখ বিষয়ে লিখিত, তা পতিসুখ সম্বন্ধেও প্রযোজ্য।
লগ্নের সপ্তমস্থান শুভ গ্রহের ক্ষেত্র এবং শুভগ্রহ দ্বারা যুক্ত বা দৃষ্ট হলে পত্নীসুখ ও শ্বশুর কুলোদ্ভব সুখ হয় এবং স্ত্রী রূপবতী গুণবতী হয়। বিপরীতে- বিপরীত ফল হয় অর্থাৎ সপ্তমস্থান পাপক্ষেত্র হয়ে পাপগ্রহযুক্ত বা দৃষ্ট হলে ঐ প্রকার সুখ হয় না। শুভাশুভ মিশগ্রহে মিশ্র ফল চিন্তনীয়।

লগ্নাপেক্ষা সপ্তমে বহু পাপগ্রহের অবস্থানে বহু স্ত্রী সত্ত্বেও স্বল্প সুখ এবং বহু শুভগ্রহের অবস্থানে একটি স্ত্রী হলেও বিশেষ সুখ হয়। পতির কুন্ডলীতে লগ্নপতি ও সপ্তমপতি যে গ্রহের ক্ষেত্রে ও নবাংশে অবস্থিত, সেই গ্রহের ক্ষেত্রে বা নবাংশে স্ত্রীর জন্ম হলে সেই পত্নী স্বামীর সুখদায়িনী হয়ে থাকে। পতির জন্মকুন্ডলীতে চন্দ্র যে রাশিতে অবস্থিত, সেই রাশির সপ্তমরাশিদর্শী গ্রহের বা তদরাশি স্থিত গ্রহের ক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর জন্ম হয়, তাহা হলে সেই স্ত্রী পতিপ্রিয়া হয়।
নারীর জন্মকুন্ডলীতে দ্বিতীয়, সপ্তম ও দ্বাদশপতি বৃহস্পতি দৃষ্ট এবং কেন্দ্র কোনস্থ হলে, অথবা সপ্তমপতির দ্বিতীয়ে, সপ্তমে বা একাদশ স্থানে শুভ গ্রহের অবস্থানে জাতক/ জাতিকা স্ত্রী/ পতি পুত্র সুখে সুখী হয়।

চন্দ্র ও লগ্ন হতে সপ্তমভাব যদি নবমপতি বা স্বীয় পতি বা শুভগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট হয়, তাহা হলে সপ্তমভাবের শুভ হয় এবং সেক্ষেত্রে বিবাহিত জীবন সুখের হয়।

সপ্তমভাব যদি সমরাশি হয়, সেই রাশ্যাধিপতি ও শুক্র যদি সমরাশিস্থিত হয় এবং পঞ্চম ও সপ্তমভাবের অধিপতিদ্বয় বলবান হয় ও অস্তমিত না হয়, তাহা হলে স্ত্রীপুত্র সুখ হয়।

কোন নারীর জন্মকুন্ডলীতে যদি :

ক) লগ্ন বা লগ্নপতি ও চন্দ্র সমরাশিস্থিত এবং শুভগ্রহ যুক্ত, অথবা
খ) চন্দ্র, লগ্ন ও চতুর্থভাব যদি শুভ গ্রহ যুক্ত বা দৃষ্ট, বা
গ) লগ্নাপেক্ষা ত্রিকোণে (লগ্নে, পঞ্চমে, নবমে) শুভগ্রহেরা অবস্থিত, অথবা যদি সপ্তমভাব ও ঐ ভাব নবংশের অধিপতি শুভগ্রহ হয়, তাহা হলে সেই নারী গুণবতী ও সৌভাগ্যবতী হয়। পতিসুখ না পেলে সেই নারীকে সৌভাগ্যবতী বলা যাবে না, সুতরাং এই সকল যোগে পত্নী পতিসৌখ্যলাভ করে।

পত্নীর পতিপ্রিয়া হবার আরও কয়েকটা যোগ :

ক) লগ্ন সমরাশিতে এবং মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র অতীব বলবান,
খ) লগ্নের নবাংশপতি শুভ গ্রহ
গ) লগ্নে শুক্র ও চন্দ্র বা বুধ ও চন্দ্র বা বুধ ও শুক্র অথবা শুভগ্রহ থাকলে,
ঘ) সপ্তমে একাধিক শুভগ্রহ বা পূর্ণচন্দ্র থাকলে,
ঙ) গুরু, শুক্র, বুধ ও চন্দ্র সকলেই লগ্নকে পূর্ণদৃষ্টি দিলে,
চ) লগ্ন থেকে কেন্দ্র কোণে বৃহস্পতি, বিশেষতঃ স্বগৃহে বা তুঙ্গ রাশিতে,
ছ) অষ্টমভাব থেকে নবমে এবং লগ্ন হতে নবমে শুধুমাত্র শুভ গ্রহের অবস্থান,
জ) লগ্ন ও রাশি শুধুমাত্র শুভগ্রহ দ্বারা দৃষ্ট।
দাম্পত্য সম্প্রীতি বা পতি-পত্নীর পরস্পর মিত্রতা-শত্রুতা বিষয়ে নানা যোগের উল্লেখ করার সময় অনেক সময় দাম্পত্যসুখের অভাবের যোগের কথাও বলা হয়েছে, তবে দাম্পত্য সুখের অভাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু যোগ :

১) শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তমে পাপগ্রহের অবস্থান বা শুক্র পাপযুক্ত,
২) চন্দ্র সপ্তমস্থ, সপ্তমপতি ব্যয়স্থ এবং শুক্র দুর্বল,
৩) দ্বাদশপতি লগ্নে বা সপ্তমে,
৪) ব্যয়াধিপ শত্রু নবাংশে নীচ নবাংশে, অষ্টমভাব-নবাংশে বা ষষ্ঠাষ্টমে স্থিত,
৫) শুক্রের ত্রিকোণে অর্থাৎ পঞ্চমে বা নবমে শনির অবস্থান,
৬) সপ্তমে শনির অবস্থান,
৭) সপ্তমপতি পাপ নবাংশে, বা নীচ নবাংশে,
৮) ক্রুর ষষ্ঠাংশে,
৯) শুক্র নীচ নবাংশে,
১০) সপ্তমপতি রবির রাশিতে অর্থাৎ সিংহে এবং রবি পাপগ্রহের রাশিতে বা নবাংশে এবং পাপগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট,
১১) চন্দ্রের রাশিতে সপ্তম পতি ও চন্দ্র পাপ নবাংশে,
১২) স্ত্রীজাতকের সপ্তমে বা অষ্টমে পাপগ্রহ, বিশেষতঃ সপ্তমে একাধিক দুর্বল পাপগ্রহের অবস্থান, অথবা সপ্তমে পাপগ্রহ দৃষ্ট রবি স্থিত হলে।

দাম্পত্য সুখ বিচারে পতি-পত্নীর মিত্রতা-বৈরিতা বিচার ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। বিবাহে পাত্র-পাত্রীর কোষ্ঠীর মিল দেখার জন্য প্রচলিত যে অষ্টকূট যোটক বিচার পদ্ধতি ঐ পদ্ধতির অষ্টকুটের অন্যতম কুট, বর ও কন্যার উভয়ের রাশির অধিপতির মিত্রতা, ভাবী স্বামী-স্ত্রীর মানসিক সৌখ্যের অন্যতম নির্ণায়ক হিসাবে গণ্য হতে পারে। তবে এ’ছাড়া উভয়ের চন্দ্রস্থিত নবাংশ পতিদ্বয়ের এবং উভয়ের চন্দ্রস্থিত রাশির অধিপতির দ্বয়ের যে যে নবাংশে অবস্থিত সেই নবাংশ পতিদ্বয়েরও মিত্র আছে কিনা দেখা প্রয়োজন, থাকলে ভাবী বর বধুর মানসিক সম্প্রীতি বুঝতে হবে, না থাকলে সম্প্রীতির অভাব বুঝতে হবে।

দাম্পত্য সুখ বা সুখের অভাব সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কিছু যোগের উল্লেখ এই প্রবেন্ধে করা হল, তবে কোন দম্পতির জীবনে সুখ বিষয়ে সিদ্ধান্ত করার জন্য, শুধুমাত্র এই যোগগুলি বা এই ধরণের যোগের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা যাবে না। উভয়ের কোষ্ঠীর সামুহিক মূল্যায়ন, যোগকারী গ্রহের এবং চন্দ্র ও শুক্রের বলাবল ও শুভাশুভত্ব বিবেচনা করতে হয় ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190905114726

Thursday, September 5th, 2019

Astro Research Centre

অতি অশুভ যোগ গ্রহণ যোগ ও দোষ, প্রতিকার শিব উপাসনা হনুমান চল্লিশা, মানব জীবনে রাহু কেতু যোগ,প্রতিকার ও বিধান, মাঙ্গলিক কালসর্প

অতি অশুভ যোগ গ্রহণ যোগ ও দোষ, প্রতিকার শিব উপাসনা হনুমান চল্লিশা, মানব জীবনে রাহু কেতু যোগ,প্রতিকার ও বিধান, মাঙ্গলিক কালসর্প

অতি অশুভ যোগ গ্রহণ যোগ ও দোষ, প্রতিকার শিব উপাসনা হনুমান চল্লিশা, মানব জীবনে রাহু কেতু যোগ,প্রতিকার ও বিধান, মাঙ্গলিক কালসর্প ও সাড়েসাতি থেকেঅতি অশুভ যোগ



গ্রহণ যোগ ও দোষ, প্রতিকার শিব উপাসনা হনুমান চল্লিশা, মানব জীবনে রাহু কেতু যোগ,প্রতিকার ও বিধান, মাঙ্গলিক কালসর্প ও সাড়েসাতি থেকে অশুভ যোগ

গ্রহণ দোষ ঃ রাহু ও কেতু কোনো দৃষ্টি গোচর গ্রহ নয়। চন্দ্র ও পৃথিবীর কক্ষপথের দুটি ছেদ বিন্দু। বা সরল ভাষায় চন্দ্র ও পৃথিবীর ছায়া উপছায়া হলো রাহু ও কেতু। যখনই সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে একই সরল রেখায় চন্দ্র চলে আসে তখন পৃথিবীর কিছু অংশে চন্দ্রের ছায়া পরে এবং সে স্থানে সূর্যকে কিছুক্ষনের জন্য দেখা যায়না একে আমরা সূর্য গ্রহণ বলে জানি। আবার কখোনো কখোনো সূর্য এবং চন্দ্রের মাঝে একই সরল রেখায় পৃথিবী চলে আসে, তখন চন্দ্রের ওপর পৃথিবীর ছায়া পরে এবং কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রকে পৃথিবীর কিছু অংশের মানুষ দেখতে পায়না একে আমরা চন্দ্র গ্রহন বলি।

রা,শি চক্রে রবি এবং চন্দ্র যখনি রাহু এবং কেতুর সাথে সংযোগ করে তখনই গ্রহণ দোষ সৃষ্টি হয়। আমার দৃষ্টিতে এটি একটি অশুভ যোগ। জন্ম ছকে যে ভাবে এই দোষ সৃষ্টি হয় সে ভাব ও ভাব সম্পকৃত আত্মিয়র শুভ ফলের হানি করে। সেই আত্মিয়র চরিত্রে রাহু কেতুর অশুভ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাই দেখা যায় সন্তানের গৃহে রাহু বা কেতুর অবস্থান সন্তান সম্পর্কৃত বিষয়ে অশুভ ফল নির্দেশক। চন্দ্র মানুষের মন ও মস্তিষ্ককে নির্দেশ করে । চন্দ্র আবার স্বাভাবিক মাতৃ কারক গ্রহ। রাহুর সাথে চন্দ্রের সংযোগে বা রাহুর দৃষ্টি চন্দ্রের ওপর পরলে প্রশ্নকারী এবং তার মাতার মাঝে প্রচুর উচ্চাকাংখা, লোভ, অহংকার দেখা যায়। তাদের মাঝে অতৃপ্ততা দেখতে পাওয়া যায়। রাহু চন্দ্রের সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষ হলে প্রশ্ন কর্তা মানষিক ভাবে সর্বদা দুঃখি থাকে। সে কখোনই কোনো কিছুতেই পরিতৃপ্ত হয়না। মনে রাখবেন প্রশ্ন কর্তার দুঃখ কেউ দূর করতে পারবেনা। সব কিছু পেলেও সে দুঃখি আত্মা।

একই ভাবে রবির সাথে রাহুর অবস্থান জাতককে দুঃখি আত্মা করে। রবি স্বাভাবিক পিতৃ কারক গ্রহ হওয়ায় পিতার সাথেও জাতকের সুসম্পর্ক থাকেনা। পিতার দ্বারা জাতক বৈরী আচরন পেয়ে থাকে। রবি জগতে আলো ও প্রাণের উৎসের প্রতিক। রবি রাহুর সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষের ফলে জীবন হয়ে ওঠে দুঃর্বিসহ। জাতককে বহু বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। সকল কাজে হতাশা নিরাশা দেখা দেয়। তাই হয়ত খনার বচনে দেখতে পাই ’’ সূর্য কুজে(মঙ্গল) রাহু মিলে ,গাছে দড়ি বন্ধন গলে।’’

একই ভাবে যদি চন্দ্রের সাথে কেতুর সংযোগে গ্রহন দোষ হয় তা হলে প্রশ্ন কর্তার মন মস্তিষ্ক বাধা গ্রস্থ হয়। মাতার সাথে সম্পর্ক ভালো যায় না। কেতুর রহস্যময়তা ও ইর্ষাপরায়নতা তার মাঝে প্রবল ভাবে দেখতে পাওয়া যায়। অপরের উন্নতিতে হিংসায় জ্বলে পুড়ে যায় এবং অপরের দূর্ণাম বদনাম,ও অভিশম্পাত করে। মিথ্যা বলার প্রবনতাও দেখা যায়। রবির সাথে কেতুর সংযোগে সৃষ্ট দোষে জাতকের মনের মাঝে কুটিলতা বিরাজ করে। সে সর্বদা সন্দেহ প্রবন হতে পারে। পিতার সাথে তার কোনো কালেও সু সম্পর্ক থাকেনা। সমাজে তার আচরন হয় রহস্যময়। দূর্নাম-বদনামের আশঙ্কা থাকে। জাতক শীড় পিড়ায় ভুগতে পারে।

গ্রহণযোগ থেকে মুক্তি পাবার উপায়

মানসিকভাবে দুশ্চিন্তা কম করতে হবে

ঋণ দেওয়া বা নেওয়া করা চলবেনা

অশান্তি ও ঝগড়া ঝামেলা কম করবেন

নিজেকে সঠিকভাবে চেনা বা উপলব্ধি করা। এর মাধ্যমে অনেকটাই নিজের সমস্যাগুলো থেকে বের হওয়া যেতে পারে।

গ্রহদের ডিগ্রিগত অবস্থানে এই দোষের প্রভাব কম-বেশি হয়। কেতু বিচ্ছেদ নির্দেশ করে। সুতরাং জাতকের বেশি করে কোনও দায়িত্ব থেকে দুরে থাকা উচিত।

জাতক বা জাতিকার পূর্বজন্মের কৃতকর্মের ফল বা ঋণ এই দোষের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। সুতরাং সঠিকভাবে বিবেচনা করে প্রতিটি কর্মে অগ্রসর হতে হবে। সত্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চললে প্রতিটি ভুলভ্রান্তি সামনে থেকে দুরে চলে যাবে ধীরে ধীরে।

এছাড়াও ভাবপাতি অনুসারে রবি, রাহু, চন্দ্র, কেতু
গ্রহের প্রতিকার করতে পারেন

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ গ্রহণযোগ নিবারণ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন অশুভ যোগ

গ্রহণ দোষ ঃ রাহু ও কেতু কোনো দৃষ্টি গোচর গ্রহ নয়। চন্দ্র ও পৃথিবীর কক্ষপথের দুটি ছেদ বিন্দু। বা সরল ভাষায় চন্দ্র ও পৃথিবীর ছায়া উপছায়া হলো রাহু ও কেতু। যখনই সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে একই সরল রেখায় চন্দ্র চলে আসে তখন পৃথিবীর কিছু অংশে চন্দ্রের ছায়া পরে এবং সে স্থানে সূর্যকে কিছুক্ষনের জন্য দেখা যায়না একে আমরা সূর্য গ্রহণ বলে জানি। আবার কখোনো কখোনো সূর্য এবং চন্দ্রের মাঝে একই সরল রেখায় পৃথিবী চলে আসে, তখন চন্দ্রের ওপর পৃথিবীর ছায়া পরে এবং কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রকে পৃথিবীর কিছু অংশের মানুষ দেখতে পায়না একে আমরা চন্দ্র গ্রহন বলি।

রা,শি চক্রে রবি এবং চন্দ্র যখনি রাহু এবং কেতুর সাথে সংযোগ করে তখনই গ্রহণ দোষ সৃষ্টি হয়। আমার দৃষ্টিতে এটি একটি অশুভ যোগ। জন্ম ছকে যে ভাবে এই দোষ সৃষ্টি হয় সে ভাব ও ভাব সম্পকৃত আত্মিয়র শুভ ফলের হানি করে। সেই আত্মিয়র চরিত্রে রাহু কেতুর অশুভ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাই দেখা যায় সন্তানের গৃহে রাহু বা কেতুর অবস্থান সন্তান সম্পর্কৃত বিষয়ে অশুভ ফল নির্দেশক। চন্দ্র মানুষের মন ও মস্তিষ্ককে নির্দেশ করে । চন্দ্র আবার স্বাভাবিক মাতৃ কারক গ্রহ। রাহুর সাথে চন্দ্রের সংযোগে বা রাহুর দৃষ্টি চন্দ্রের ওপর পরলে প্রশ্নকারী এবং তার মাতার মাঝে প্রচুর উচ্চাকাংখা, লোভ, অহংকার দেখা যায়। তাদের মাঝে অতৃপ্ততা দেখতে পাওয়া যায়। রাহু চন্দ্রের সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষ হলে প্রশ্ন কর্তা মানষিক ভাবে সর্বদা দুঃখি থাকে। সে কখোনই কোনো কিছুতেই পরিতৃপ্ত হয়না। মনে রাখবেন প্রশ্ন কর্তার দুঃখ কেউ দূর করতে পারবেনা। সব কিছু পেলেও সে দুঃখি আত্মা।

একই ভাবে রবির সাথে রাহুর অবস্থান জাতককে দুঃখি আত্মা করে। রবি স্বাভাবিক পিতৃ কারক গ্রহ হওয়ায় পিতার সাথেও জাতকের সুসম্পর্ক থাকেনা। পিতার দ্বারা জাতক বৈরী আচরন পেয়ে থাকে। রবি জগতে আলো ও প্রাণের উৎসের প্রতিক। রবি রাহুর সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষের ফলে জীবন হয়ে ওঠে দুঃর্বিসহ। জাতককে বহু বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। সকল কাজে হতাশা নিরাশা দেখা দেয়। তাই হয়ত খনার বচনে দেখতে পাই ’’ সূর্য কুজে(মঙ্গল) রাহু মিলে ,গাছে দড়ি বন্ধন গলে।’’

একই ভাবে যদি চন্দ্রের সাথে কেতুর সংযোগে গ্রহন দোষ হয় তা হলে প্রশ্ন কর্তার মন মস্তিষ্ক বাধা গ্রস্থ হয়। মাতার সাথে সম্পর্ক ভালো যায় না। কেতুর রহস্যময়তা ও ইর্ষাপরায়নতা তার মাঝে প্রবল ভাবে দেখতে পাওয়া যায়। অপরের উন্নতিতে হিংসায় জ্বলে পুড়ে যায় এবং অপরের দূর্ণাম বদনাম,ও অভিশম্পাত করে। মিথ্যা বলার প্রবনতাও দেখা যায়। রবির সাথে কেতুর সংযোগে সৃষ্ট দোষে জাতকের মনের মাঝে কুটিলতা বিরাজ করে। সে সর্বদা সন্দেহ প্রবন হতে পারে। পিতার সাথে তার কোনো কালেও সু সম্পর্ক থাকেনা। সমাজে তার আচরন হয় রহস্যময়। দূর্নাম-বদনামের আশঙ্কা থাকে। জাতক শীড় পিড়ায় ভুগতে পারে।

গ্রহণযোগ থেকে মুক্তি পাবার উপায়

মানসিকভাবে দুশ্চিন্তা কম করতে হবে

ঋণ দেওয়া বা নেওয়া করা চলবেনা

অশান্তি ও ঝগড়া ঝামেলা কম করবেন

নিজেকে সঠিকভাবে চেনা বা উপলব্ধি করা। এর মাধ্যমে অনেকটাই নিজের সমস্যাগুলো থেকে বের হওয়া যেতে পারে।

গ্রহদের ডিগ্রিগত অবস্থানে এই দোষের প্রভাব কম-বেশি হয়। কেতু বিচ্ছেদ নির্দেশ করে। সুতরাং জাতকের বেশি করে কোনও দায়িত্ব থেকে দুরে থাকা উচিত।

জাতক বা জাতিকার পূর্বজন্মের কৃতকর্মের ফল বা ঋণ এই দোষের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। সুতরাং সঠিকভাবে বিবেচনা করে প্রতিটি কর্মে অগ্রসর হতে হবে। সত্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চললে প্রতিটি ভুলভ্রান্তি সামনে থেকে দুরে চলে যাবে ধীরে ধীরে।

এছাড়াও ভাবপাতি অনুসারে রবি, রাহু, চন্দ্র, কেতু
গ্রহের প্রতিকার করতে পারেন

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ গ্রহণযোগ নিবারণ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190905102749

Wednesday, September 4th, 2019

Astro Research Centre

কুজ্বদোষ, মাঙ্গলিক বা ভৌম দোষ, মাঙ্গলিক কত প্রকার উগ্র মাঙ্গলিক কি, বিবাহ প্রবল অশুভ রাহু কেতু শনির ভূমিকা মাঙ্গলিক দোষ ও প্রতিকার, ভৌম দোষ ও গুরু চণ্ডাল দোষ

কুজ্বদোষ, মাঙ্গলিক বা ভৌম দোষ, মাঙ্গলিক কত প্রকার উগ্র মাঙ্গলিক কি, বিবাহ প্রবল অশুভ রাহু কেতু শনির ভূমিকা মাঙ্গলিক দোষ ও প্রতিকার,  ভৌম দোষ ও গুরু চণ্ডাল দোষ

মঙ্গল কে শারিরিক শক্তির কারক গ্রহ বলা হয় । এই রকম জাতক কোন পরিস্থিতি তে পরাজয় স্বীকার করে না , সে নিজের বিরুদ্ধে কারো কোন কথা সহ্য করতে পারে না । তার বিরুদ্ধে কোন কথা শুনলে সে ক্রোধিত হয়ে যায় আর মারপিট করতে শুরু করে দেয় । এদের স্বভাব হিংসক তাই তারা হিংসা করতে তৎপর থাকে । তার মন সর্বদা গরম থাকে । তবে বৈদিক উপায়ে কিছু প্রতিকার করে এদের শান্ত করা সম্ভব । এদের ক্রোধ নিয়ন্ত্রন সম্ভব । এরা নিজেদের সফলতার জন্য নিরলস কাজ করে যায় । এরা জীবনে এগিয়ে যাবার ভাবনা থাকে কোন অবরোধে এরা নিরাশ হয় না ,অনুকূল পরিস্থিতির সুযোগ তারা তাদের প্রয়াস চালিয়ে যায় আর সাফল্য এদের পদ স্পর্শ করে ।

2013-09-14 23.18.54



জন্মকুণ্ডলীর প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, সপ্তম, অষ্টম ও দ্বাদশ স্থানের মধ্যে যে কোনও একটিতে যদি মঙ্গল অবস্থান করে তবে সেই জাতক বা জাতিকাকে মাঙ্গলিক বলা হয়।জ্যোতিষশাস্ত্রে এটাকে বলা হয় ভৌম দোষ। আপনি কি জানেন মঙ্গলের দশা জীবন ছারখার করে দিতে পারে! এই দশা থাকলে বিবাহিত জীবনে নানা সমস্যা দেখা দেয় এবং বিবাহবিচ্ছেদের সম্ভাবনা প্রবল হয়।
মঙ্গল গ্রহের কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের কারণে জাতক-জাতিকার জীবনে ভিন্ন ভিন্ন ভয়ানক সমস্যার সৃষ্টি হয়।আপনার জন্মকুণ্ডলীতে মঙ্গল গ্রহের ভিন্ন অবস্থানের কারণে মাঙ্গলিক দোষের প্রকারভেদ গুলি দেখে নিন –

লগ্নে মঙ্গল-
জাতক বা জাতিকার মধ্যে ক্রোধের পরিমাণ বেশি থাকে। জেদি, ইচ্ছাশক্তিতে পরিপূর্ণ, কর্তৃত্ব-পরায়ণ হয়। সামান্য কারণেই মাথাগরম করার প্রবণতা দেখা যায়।

দ্বিতীয়-ভাবে মঙ্গল –
রুক্ষভাষী, স্পষ্টবক্তা হওয়ার জন্য আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে বিচ্ছেদ, বদনাম হয়। স্পষ্টবক্তা হওয়ার কারণে কথার দ্বারা অন্যকে আঘাত বা অপমান করার প্রবণতা থাকে। বিবাহিত জীবনের মাধুর্যতা নষ্ট হয়ে যায়।

চতুর্থে মঙ্গল –
শ্বশুরালয়ে কোনও মহিলা বিবাহিত জীবনের আনন্দকে চরম নিরানন্দে পরিণত করে।

সপ্তমে মঙ্গল –
এই ঘরটিকে জীবনসঙ্গীর ঘর হিসাবে দেখা হয়। এই স্থানে মঙ্গলের অবস্থান জাতক বা জাতিকাতে সহজেই প্রেম এনে দেয় এবং তীব্র কাম ভাবাপন্ন করে তোলে। এই ভাবে মঙ্গলের সঙ্গে অশুভ শনি বা কেতুর সংযোগের কারণে বিবাহে বিলম্ব বা অনুঢ়া যোগ তৈরি করে।

অষ্টমে মঙ্গল –
এই ঘরটি থেকে আমরা মৃত্যু ও দুর্ঘটনার বিচার করে থাকি। এই ঘরে মঙ্গলের অবস্থান অত্যন্ত অশুভ। হঠাত্‍ দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা আত্মহত্যার যোগ নির্দেশ করে।

দ্বাদশে মঙ্গল –
দ্বাদশভাব শয্যা সুখের ঘর। এখানে নীচস্থ বা অশুভ মঙ্গল অবস্থান করলে দাম্পত্য সুখে চরম অভাব দেখা যায়। এমনকি নিঃসঙ্গতা তৈরি করে। এই মঙ্গল কোনও ভাবে অশুভ শনি বা রাহু দ্বারা দৃষ্ট হলে সঙ্গীর মৃত্যু ঘটে থাকে।

মঙ্গলের দশা কাটানোর একাধিক উপায় রয়েছে-
১. যদি দু’জন মাঙ্গলিকের মধ্যে বিবাহ হয়, তবে দু’জনেরই এই দশা কেটে যায়।

২. কুম্ভবিবাহ নামের একটি রীতির মাধ্যমে বিয়ের আগে কাটানো হয় মঙ্গল দশা। এই রীতিতে মাঙ্গলিক জাতক বা জাতিকাকে হয় একটি কলাগাছ বা পিপুল গাছ অথবা ভগবান বিষ্ণুর একটি স্বর্ণ বা রৌপ্য মূর্তির সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।

৩. নিয়ম করে প্রতি মঙ্গলবার উপবাস রাখলে এবং শুধুমাত্র অড়হর ডাল সেবন করলে আস্তে আস্তে কেটে যায় এই দশা।

৪. প্রতি মঙ্গলবার নবগ্রহ মন্ত্র উচ্চারণ করলে এই দোষ কেটে যায়। আবার প্রতিদিন ১০৮ বার গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে বা প্রতিদিন হনুমান চালিসা পাঠ করলেও কেটে যায় মঙ্গল দশা।

৫. মঙ্গলবার দানধ্যান করলেও তুষ্ট হন মঙ্গলদেব। এছাড়া তলোয়ার, ছুরি, মুসুর ডাল, লাল সিল্ক, রক্তপ্রবাল ইত্যাদি লাল বস্তু নিবেদন করলেও সন্তুষ্ট হন


সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা 
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in 
Please visit here
For Registration check in here. 
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here 

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায় 
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন 

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat 
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190904171408

Wednesday, September 4th, 2019

Astro Research Centre

সমাজে বিবাহে (যোটক বিচার ), রাজ যোটক, মাঙ্গলিক দোষ, অসবর্ন বিবাহ, নারী জ্যোতিষ, 7ম ভাবে রাহু, কেতু, শনি, মঙ্গল অশুভ যোগ, অস্তকুট

সমাজে বিবাহে (যোটক বিচার ), রাজ যোটক, মাঙ্গলিক  দোষ, অসবর্ন বিবাহ, নারী জ্যোতিষ, 7ম ভাবে রাহু, কেতু, শনি, মঙ্গল অশুভ যোগ, অস্তকুট

যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

দ্বাদশ রাশির বিবাহ যোগ, মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ, রাশির মিল কেমন হবে

বিবাহে পাপগ্রহের প্রভাব কি

দাম্পত্য সুখের ভিত্তি হ’ল স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক প্রেম-প্রীতি ভালবাসা-বোঝাপড়া। উভয়ের মনোবৃত্তির মিল হলে দাম্পত্য জীবনে সুখের অভাব ঘটার কথা নয়। সেই কারণেই বিখ্যাত অগলাস্তোত্রের প্রার্থনা –
'ভার্য্যাং মনোরমাং দেহি মনোবৃত্ত্যানুসারিণীম্।‘

নারীদের মনেও নিশ্চয়ই অনুরূপ প্রার্থনা জাগে।
কিন্তু বাস্তবে সকলের জীবনে এই প্রার্থনা পূরণ হয় না। বিবাহের, এমন কি প্রেমজ বিবাহের অনতিকাল পরেই ব্যক্তিত্বের সংঘাত বাধে। পতি ও পত্নীর মধ্যে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় ও তা অনেক সময় উভয়ের মধ্যে দুস্তর ব্যবধানে পরিণত হয়, সুখের পরিবর্তে আসে অশান্তি, কোন কোন সময় বিচ্ছেদ।

বিবাহিত জীবনের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন উত্তম পাত্র পাত্রীর মিলন। পাত্র পাত্রীর উত্তমমিলন বিচার করতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে যোটক বিচার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ।

যোটক বিচার বলতে ঠিক কি বুঝায় ?

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যার পরস্পরের জন্মরাশি, জন্মনক্ষত্র ও রাশ্যাধিপ গ্রহদি থেকে, যে শুভাশুভ ফল বিচার করা যায়, তাকেই যোটক বিচার বলে। যোটক বিচার অষ্টপ্রকারে বিভক্ত।
যোটক বিচার আট প্রকার কুট বা গুণের সমন্বয়- যথা বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রিকুট, রাশি কুট ও নাড়ীকুট ।

প্রতিটি কূটের একটি নির্দিষ্ট গুনমানের সংখ্যা থাকে যেমন বর্ণকুট1, বশ্যকুট2, তারাকুট3, যোনিকুট4, গ্রহমৈত্রীকুট5, গণমৈত্রিকুট6, রাশি কুট7 ও নাড়ীকুট8| এভাবে সবকটি কুটের সংখ্যা যোগ করলে গিয়ে দাড়ায় 36
এই ৩৬ গুণের মধ্যে মিলনে কত গুণ পাওয়া যাচ্ছে সেটাই মূল কথা।
এই বিষয়ে একটি কথা মনে রাখতে হবে ৩৬ গুণের মধ্যে ১৮ গুণের কম হলে তা যোটক মিলনে শুভ ফলপ্রদ হবে না।

১৮ গুণের বেশি হলে বিবাহিত জীবনে সুখ ও শান্তি লাভ সম্ভব।

34 থেকে 36 টি গুণের মিলন হলে তাকে 'রাজযোটক' বলে।

পূর্বে বর্ণিত অষ্টকুট নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু তথ্য দেওয়া হল :-

1. বর্ণকুট :

বর্ণ কাকে বলে বা বর্ণ কি ?
জ্যোতিষশাস্ত্রে মেষ, বৃষ, মিথুন, ইত্যাদি যে বারোটি রাশি ব্যাবহার করা হয় তাদের বিপ্র, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা যে ব্যক্তিগনের জন্ম কর্কট, মীন, বা বৃশ্চিক রাশিতে তাঁদের বর্ণ বিপ্র। এইভাবে যাঁদের জন্ম সিংহ, তুলা বা ধনু রাশিতে তাঁদের বর্ণ ক্ষত্রিয়। যোটক বিচারের নিয়মে শুদ্র বর্ণের থেকে বৈশ্য বর্ণ শ্রেষ্ঠ, বৈশ্য বর্ণের থেকে ক্ষত্রিয় বর্ণ শ্রেষ্ঠ, আবার ক্ষত্রিয় বর্ণের থেকে বিপ্র বর্ণ শ্রেষ্ঠ।
বর্ণ ফলমে বলা হয়েছে যে-
"ক্ষাত্র-বিট্-শুদ্র-বিপ্রাঃ স্যুঃ ক্রমান্মেষাদি-রাশয়ঃ।
তত্র বর্ণাধিকা কন্যা নৈবোদ্বাহ্যা কদাচন" ।।
অর্থাৎ “বরের বর্ণাপেক্ষা কন্যার বর্ণ শ্রেষ্ঠ হলে, সেই কন্যাকে কদাচ বিবাহ করিবেনা”।

করলে কি হবে ?

" বর্ণশ্রেষ্ঠা তু যা নারী বর্ণহীনস্তু যাঃ পুমান।
বিবাহং যদি কুরব্বীত তস্য ভর্তা বিনশ্যতি "।।
উচ্চ বর্নের পাত্রীর সাথে নিম্ন বর্ণের পাত্রের বিবাহ অশুভ। এতে দাম্পত্য অসন্তোষ, অকাল বৈধব্য, শারীরিক অসুস্থতা, সন্তানের কারনে মনকষ্ট ভোগ করতে হয়।

2. বশ্যকূট্ :

“ মিথুন, কন্যা, তুলা, কুম্ভ, ও ধনুর পূর্বাদ্ধ, যদি বরের রাশি হয় এবং মেষ, বৃষ, কর্কট, ইত্যাদি যদি কন্যার রাশি হয় সেই কন্যা বরের বশীভূত হয়”।

এই ভাবে কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশিকে অন্য কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশির বশ্য ধরা হয়েছে এবং বিপরীতে বিপরীত ফল বলা হয়েছে।

"এবং বশ্যসমাযোগে দম্পত্যোঃ প্রীতিরূত্তমা।
বশ্যাভাবেহপি দম্পত্যো্রবিবাহঃ কলহ-প্রদঃ।।"

পাত্র ও পাত্রীর রাশি দ্বিপদ চতুস্পদ প্রভৃতি শক্র মিত্রের প্রভাবে দাম্পত্য জীবনে কলহ, বিবাদ, মামলা, মকদ্দমা এমনকি দাম্পত্য বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটে যেতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিবাহ ঘটায় বশ্যকুট বিচারের অশুভ প্রভাবের ফলে।

3. তারাকুট : পাত্র পাত্রীর জন্মনক্ষত্রের গরমিলের প্রভাবে বিবাহিত জীবনের সুখ, দুঃখ নির্ধারিত হয়ে থাকে। তারা কুটের শুভ প্রভাবে বিবাহের পর গৃহে ভাগ্যলক্ষ্মীর কৃপা বর্ষণ হয়, আর অশুভ প্রভাবে দাম্পত্য অসন্তোষ সহ দুঃখ, কষ্ট, শোক, জরা, ব্যাধি, দৈন্য ও দারিদ্র দশার কারণ হবেন।(বিপদ, প্রত্যরি, বধ তারা অশুভ। )

4. যোনিকুট : প্রত্যেক জাতক বা জাতিকাই নক্ষত্র অনুযায়ী কোনও না কোনও ‘যোনি’-তে অবস্থান করেন। সঠিক ‘যোনি বিচার’-ই সম্ভব করতে পারে সঠিক দাম্পত্য।
যোনি’গুলি যথাক্রমে— অশ্ব, গজ, মেষ, সর্প, শ্যেন, মার্জার, মূষিক, গো, মহিষ, ব্যাঘ্র, মৃগ, বানর, নকুল এবং সিংহ। এই পশুগুলির স্বভাব ও একে অন্যের প্রতি মনোভাবের নিরিখেই নির্ধারিত হয় ‘যোনি’-চরিত্র।
যোনি মিলন’ বিচারের আবার কিছু পন্থা রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অকাল বৈধব্যের প্রবনতা দেখা দেয়। এছাড়া স্বামী কর্তৃক স্ত্রী হত্যা ও স্ত্রী কর্তৃক স্বামী হত্যা পর্যন্ত ঘটতে পারে বিরূপ যোনিকুটের ফলে।

5. গ্রহমৈত্রীকুট : পাত্র পাত্রীর রাশি অধিপতি গ্রহের শক্র মিত্রতার উপর নির্ভরশীল। মিত্রতার প্রভাবে বিবাহিত জীবন সুখ, সমৃদ্ধি, অর্থ, সম্মানে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে আর অশুভ প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম ছাড়াও স্বামী স্ত্রীর দুর্ঘটনা জনিত অঙ্গপ্রতঙ্গ হানী সহ শেষ জীবন কোন প্রকারেই শুভকর হয় না।

6. গনকুট : জ্যোতিষ গণনায় যে সাতাশটি নক্ষত্রকে ধরা হয়েছে, তাদেরই ঐ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বর ও কন্যার জন্মনক্ষত্র থেকে গণ কূট বিচার করতে হয়।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নয়টি সত্ত্ব গুন বিশিষ্ট নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে দেবগন ও সত্ত্ব গুণী হয়।

পূর্বফল্গুনী, পূর্বাষাড়া, পূর্বভাদ্রপদ, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে নর গন হয়।

জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে রাক্ষস গণ হয়।এতো হল গণের পরিচয়।

এবারে বিচারটা কিভাবে হবে ?
“ স্বজাতৌ পরমা প্রীতিরমধ্যা দেব-মানুষে।
দেবাসুরে বৈরতা চ ম্রিত্যুরমানুষ-রাক্ষসে।।
রাক্ষসী চ যদা কন্যা মানুশ্চ বরো ভবেত।
তদা ম্রিত্যুরন দূরস্থো নির্ধনত্বমথাপি যা ” ।।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালেই তার মধ্যে সত্ত্বগুণ থাকবে এবং সে দেবতুল্য মানুষ হবে।

একই ভাবে জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালে, সেই কন্যা যতই সুশীলা হোকনা কেন, বিনা দোষে তার রাক্ষস গণ হবে এবং তার মধ্যে তমগুণ থাকায় দেবগণের পাত্রের সঙ্গে তার কোন মতেই বিবাহ করা চলবে না।

বিয়ে হলে কি হবে ?

ভাল হবেনা। কলহাদি অশান্তি হবে। আর নর- রাক্ষসের বিবাহে কি হবে ?

“ অসুর- মনুজয়োশ্চেন্মৃত্যুমেব প্রদিষটা "।।

নরগণের পাত্রের সঙ্গে রাক্ষস গণের কন্যার বিবাহ হলে পাত্রের মৃত্যু হবে। অর্থাৎ রাক্ষসী কন্যা নর পাত্রকে খেয়ে ফেলবে। বিপরীত ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা আসেনা।গনকুট এর শুভ মিলনের গুরুত্ব অপরিসীম।
গণ বিচারের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তও পাওয়া গেছে। ধরা যাক, একটি ছেলে ও মেয়ের বিয়ের আগে যোটক বিচার করানো হলো। তাতে অষ্টকূট বিচারে ৩৬ টি গুনের মধ্যে ২৮ টি গুন মিলে গেলো। দুজনের কেউই মাঙ্গলিক নন তবুও বাড়ির কূল পুরোহিত বিবাহে সম্মতি দিলো না। তার কারণ ছেলেটি রাক্ষস গণ ও মেয়েটি নরগণ। মেয়ের মা বাবার বক্তব্য রাক্ষস খেয়ে ফেলে মানুষকে। সচেতন হোন- কারন এটা সম্পূর্ণ অশাস্ত্রীয় ,

মহর্ষি গর্গ বলেছেন :

" রক্ষোগণো যদা পুংসাং কুমারী নৃগণো ভবেৎ। সদ্ভকূটম খগ-প্রীতির্যোনিশুদ্ধিঃ শুভস্তথা।।"

- অর্থাৎ পাত্র রাক্ষস গণ হোক আর পাত্রী নরগন হোক না কেন, উভয়েরই যদি নক্ষত্র, গ্রহ, রাশ্যাধিপতি, যোনীকূট ও ভকূট বিশুদ্ধ হয়, গ্রহ পরস্পর মিত্র বা একই হয় তাহলে বিবাহ জীবন সুখময় হয়।

মহর্ষি বশিষ্ঠ বলেছেন :

" গ্রহমৈত্রি রাশি বশ্যম সদ্ভকূটং ভবেৎ যদি। সদগনা ভাবজনিতো দোষ কো অপি ন বিদ্যতে।।"

7. রাশি কুট : পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকের চন্দ্রের অবস্থান জনিত রাশির শুভ অশুভ প্রভাব দাম্পত্য জীবনে সর্বাধিক গুরুত্ব বহন করে। শুভ প্রভাবে শুভ ফল আর অশুভ প্রভাবে শোক, দুঃখ, দুর্দশা সহ দাম্পত্য জীবন বিষিয়ে তোলে।

মেষরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কন্যা ও বৃশ্চিক রাশির পাত্র/পাত্রী। শুভ হল কর্কট, সিংহ, ধনু ও মকররাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
বৃষ রাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল তুলা ও ধনু রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল সিংহ, কন্যা, মকর ও কুম্ভ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
মিথুনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃশ্চিক ও মকর রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কন্যা, তুলা, কুম্ভ ও মীন রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মোটামুটি মধ্যম।

কর্কটরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল ধনু ও কুম্ভ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল তুলা, বৃশ্চিক, মীন ও মেষ রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

সিংহরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মীন রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃশ্চিক, ধনু, মেষ ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

কন্যারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মেষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল ধনু ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম তথাপিও শুভই বলা যায়। এদের মধ্যকার বিবাহে তেমন অসুবিধা প্রায়ই হয়না।
তুলারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মীন ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মকর, কুম্ভ ও কর্কট রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

বৃশ্চিকরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কুম্ভ, মীন, কর্কট ও সিংহ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

ধনুরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃষ ও কর্কট রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, সিংহ ও কন্যা রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মকররাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মিথুন ও সিংহ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, কন্যা, ও তুলারাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
কুম্ভরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কর্কট, সিংহ ও কন্যা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃষ ও তুলা রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মীনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও তুলা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, কর্কট, কন্যা, বৃশ্চিক ও ধনু রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

এছাড়া শুভ যোটক হল পাত্রের রাশির পঞ্চমে পাত্রীর রাশি হলে। বিপরীত ভাবে পাত্রীর ক্ষেত্রেও ঠিক একই ফল প্রদান করবে। যেমন মেষের সাথে সিংহ, বৃষের সাথে কন্যা, মিথুনের সাথে তুলা, কর্কটের সাথে মীন, ধনুর সাথে মেষ, মকরের সাথে বৃষ, কুম্ভের সাথে মিথুন এবং মীনের সাথে কর্কট। জ্যোতিষ শাস্ত্রে এই যোগকে নবম-পঞ্চম নামে অভিহিত করা হয়। এছাড়া পাত্র পাত্রীর উভয়ের একই রাশি হলে যোটক বিচারে শুভ ফল প্রদান করে।

রাজযোটক :

কথায় বলে- “পুরুষের ভাগ্যে জন ও নারীভাগ্যে ধন”।তাই অনেক পাত্র পক্ষ সুলক্ষণা ভাগ্যবতী পত্রীর খোঁজ করেন যাতে সেই পাত্রীর ভাগ্যযোগে তার স্বামীর আর্থিক ও বৈষয়িক উন্নতি হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে মিলনে কোনও বাধা আছে কিনা সেটা পর্যবেক্ষণ করার জন্য যোটক বিচার করার প্রয়োজন হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে যোটক বিচার করার সময় বিশেষ করে তিনটি বিষয় দেখার প্রয়োজন আছে।
প্রথমত - রাশির সঙ্গে রাশির মিলন।

দ্বিতীয়ত - অষ্ট-কূট বিচারের মাধ্যমেও গুণাগুণ সংক্রান্ত ব্যাপারে অবহিত হওয়া।
তৃতীয়ত - রাশিচক্রে বিবাহের স্থান এবং নর-নারী অর্থাৎ জাতক-জাতিকার আয়ু-স্থান এবং কোনও বিবাহ বিচ্ছেদ বা দুর্ঘটনা যোগ আছে কিনা তা জানা দরকার।

এছাড়াও অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। যেমন সন্তান কেমন হবে, বিবাহের পরে ভাগ্য উন্নতি হবে কিনা, স্বভাব চরিত্র কেমন হবে, স্বাস্থ্য ভাল যাবে কিনা, বিবাহিত জীবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিল হবে কিনা ইত্যাদি নানা প্রশ্নের মধ্য দিয়ে পাত্র বা পাত্রী নির্বাচন করা হয়। প্রয়োজন হলে শাস্ত্রীয় বিধি মতে বিবাহের পূর্বে তার প্রতিকার করা হয়।
জন্মকুণ্ডলী বিচার করা হয় লগ্ন ধরে। কিন্তু এখানে জন্ম লগ্ন অপেক্ষা চন্দ্র লগ্ন অর্থাত্ রাশি গুরুত্বপূর্ণ । কোন কোন রাশির সঙ্গে কোন কোন রাশির মিলন হতে পারে তা জানা দরকার। জাতক এবং জাতিকার যদি রাশি একই হয় তাহলে তা শুভ এবং রাজযোটক মিলন।

এছাড়াএ প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগের উল্লেখ পাওয়া যায়, যাকে বিবাহ ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ যোগ বলা হয়েছে । পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকে এই যোগ থাকলে বিবাহিত জীবন ধন-ধান্যে, সম্পদ-সম্পত্তিতে, সন্তান-সন্তুতিতে পরিপূর্ণ ও আনন্দময় হয়ে ওঠে। এই যোগ বিবাহের ক্ষেত্রে বৈধব্য দশা, ভৌম দোষ সহ রাশি, লগ্ন, নক্ষত্র যাই হোক না কেন, কোন রূপ বিচারের প্রয়োজন পড়ে না। যোটক বিচারের অন্যান্য সাধারণ নিয়ম প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগে প্রযোজ্য নয়।
অশুভ যোটক যেমন পাত্রের রাশির অষ্টমে পাত্রীর রাশি হলে সেই বিবাহ অবশ্যই সম্বন্ধ পরিত্যাগ করা উচিৎ,একে অরিষড়ষ্টক যোগ বলে ,যেমন - পাত্রের রাশি মেষ হলে তার অষ্টম রাশি বৃশ্চিক, বৃষের সাথে ধনু, মিথুনের সাথে মকর, কর্কটের সাথে কুম্ভ, সিংহের সাথে মীন, কন্যার সাথে মেষ, তুলার সাথে বৃষ, বৃশ্চিকের সাথে মিথুন, ধনুর সাথে কর্কট, মকরের সাথে সিংহ, কুম্ভের সাথে কন্যা, এবং মীনের সাথে তুলা।

বিপরীতে পাত্রীর রাশির ষষ্ঠ পাত্রের রাশি হলে সে বিবাহ অতিশয় শুভ ফল প্রদান করে , এই যোগকে মিত্রষড়ষ্টক যোগ বলে , যেমন - পাত্রীর রাশি মেষ আর পাত্রের রাশি কন্যা, বৃষের সাথে তুলা, মিথুনের সাথে বৃশ্চিক, কর্কটের সাথে ধনু, সিংহের সাথে মকর, কন্যার সাথে কুম্ভ, তুলার সাথে মীন, বৃশ্চিকের সাথে মেষ, ধনুর সাথে বৃষ, মকরের সাথে মিথুন, কুম্ভের সাথে কর্কট এবং মীনের সাথে সিংহ।

উদাহরণ স্বরূপ :

পাত্রের মেষ রাশি আর পাত্রীর কন্যা রাশি বা তুলা রাশির পাত্রের সহিত মীন রাশির পাত্রী যেন না হয়ে যায় তাহলে মহা সর্বনাশ ঘটে যাবে তাতে সন্দেহ নেই।
মনে রাখতে হবে মিত্রষড়ষ্টক যোগ উল্টো হলে বিপরীত ফল প্রদান করবেই করবে। (আবারও বলি পাত্রীর রাশির ষষ্ঠে পাত্রের রাশি হবে) এর বিপরীত যোগের বিবাহে স্বামী স্ত্রী হবে বিরুদ্ধ মতাবলম্বী, সুখের সংসারে নেমে আসবে দুঃসহ দুঃখ, বেদনা, বিচ্ছেদ ও বৈধব্যদশা। এই যোগের বিবাহ স্বয়ং দেবতাগনেরও পরিত্যাজ্য।

8. ত্রিনাড়ীকুট- ত্রিনাড়ীকুট বিচারের শুভ প্রভাবে সংসার সমাজ ও সভ্যতার শুভ যোগাযোগ তৈরী করে, দাম্পত্য জীবনে শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হয়। আর বিপরীত প্রভাবে অশান্তির তীব্র অনল জ্বলতে থাকে। বিবাহের পর সামাজিক কলহ, বিচ্ছেদ, একাকী জীবন যাপন, পিতামাতাসহ সংসারের আত্মীয় পরিজন ছেড়ে বনবাস বা বিদেশ বাস প্রভৃতি ঘটে, একমাত্র ত্রিনাড়ী কুটের অশুভ প্রভাবের ফলে।
ভৌম দোষ বা মাঙ্গলিক দোষ। পাত্রপাত্রীর জন্ম কুন্ডলীর লগ্নে, চতুর্থে, ষষ্ঠে, অষ্টমে এবং দ্বাদশে মঙ্গল অবস্থান করলে জ্যোতিষশাস্ত্রে একে ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ বলে। এই দোষ দাম্পত্য জীবনে বিদ্রোহ, ফাটল, অশান্তি, বিচ্ছেদ ছাড়াও পাত্রের ক্ষেত্রে বিপত্নীক এবং পাত্রীর ক্ষেত্রে বিবাহিত জীবনে স্বামীর অকাল জীবনাবসান এর ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া এদের বিবাহিত জীবনে কোন এক সময়ে দাম্পত্য-অশান্তির মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যা পাত্র/পাত্রীকে মৃত্যুতুল্য করে তোলে। এক কথায় উভয়েরই মনের মৃত্যু ঘটে যায়। তবে এই ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ পাত্র পাত্রীর উভয়ের জন্মকুন্ডলীতে থাকলে তাদের বিবাহিত জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উভয়েই দীর্ঘায়ু লাভ করে ছাড়াও সমাজে মানব সভ্যতার অগ্রগতি সাধন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
জন্ম কুণ্ডলীতে ১২টি করে ঘর থাকে। তার মধ্যে অন্তত ৫টি ঘরে মঙ্গলের অবস্থান একজনকে মাঙ্গলিক হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ভৌম দোষের কম-বেশি থাকে। যত কম ঘরে মঙ্গল অবস্থান করবে, তার প্রভাবও ততই কম হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশই মাঙ্গলিক। লগ্ন, চতুর্থ, সপ্তম,অষ্টম, দ্বাদশ স্থানে মঙ্গলের অবস্থানকে মাঙ্গলিক দোষ বলাহয়। পুরুষের এই দোষ স্ত্রীর জন্য অশুভ এবং স্ত্রীর পক্ষে স্বামীর, ইহা পরীক্ষীত ও প্রমাণিত।

কোন জাতক বা জাতিকার কোষ্ঠী বিচারে আগেই যদি জানতে পারা যায় যে তার দাম্পত্য সুখের যোগ নেই, তা হলে তার বিবাহের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে এবং ঐ জাতক বা জাতিকার জন্য সম্ভাব্য পাত্রী বা পাত্রের কোষ্ঠী বিচার করে দেখা যেতে পারে যে সেই কোষ্ঠীতে দাম্পত্য সুখের সম্ভাবনা কি রকম। পাত্র বা পাত্রীর সাধারণভাবে জন্ম-কুন্ডলীতে লগ্নের সপ্তমভাব থেকে জায়া বা পতির বিচার করা হয়। সপ্তমভাবে যে যে গ্রহের যোগ বা দৃষ্টি, সপ্তমভাবপতি, সপ্তমভাবপতি যে যে রাশি ও নবাংশে অবস্থিত সেই সেই রাশি ও নবাংশের অধিপতি, সপ্তমভাব ও পত্নীর কারকগ্রহ শুক্র, শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তম রাশাধিপতি – পতি-পত্নী ও বিবাহিত জীবনের উপর এই সকল গ্রহেরই প্রভাব আছে।
বিবাহিত জীবন বিষয়ে সপ্তমভাবের মত দ্বিতীয়ভাবও বিচার করতে হবে।কারণ, দ্বিতীয়ভাব কুটুম্বস্থান। বিবাহিত জীবনে সাফল্য বা অসাফল্যের পিছনে কুটুম্বদের ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ, পতি পত্নীর উভয় পক্ষেরই। সেই কারণেই বিবাহিত জীবনের জ্যোতিষিক অনুসন্ধানে ধনভাব/কুটুম্ব স্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, চতুর্থভাব (সুখ) এবং দ্বাদশ (শয্যা সুখ) ভাবেরও গুরুত্ব আছে।
রাহু ও কেতু ভিন্ন যে গ্রহের স্ফুটাংশ (রাশি ব্যতীত অংশ-কলাদি) সর্বাপেক্ষা কম, সেই গ্রহকেও জায়া কারক আখ্যা দেওয়া হয়। চর-কারকত্বে যে গ্রহ জায়া কারক হিসাবে নির্ণীত হবে, বিবাহিত জীবনে তারও প্রভাব আছে। স্থির-কারকত্বে শুক্র পত্নীকারক গ্রহ। সপ্তমভাবপতি ও সপ্তমপতির নবাংশপতি হতে পতির বিচার করতে হয়।
বিবাহোত্তর জীবনে সুখলাভের সম্ভাবনা বিষয়ে প্রাচীন জ্যোতিষ গ্রন্থাদিতে যা পত্নীসুখ বিষয়ে লিখিত, তা পতিসুখ সম্বন্ধেও প্রযোজ্য।
লগ্নের সপ্তমস্থান শুভ গ্রহের ক্ষেত্র এবং শুভগ্রহ দ্বারা যুক্ত বা দৃষ্ট হলে পত্নীসুখ ও শ্বশুর কুলোদ্ভব সুখ হয় এবং স্ত্রী রূপবতী গুণবতী হয়। বিপরীতে- বিপরীত ফল হয় অর্থাৎ সপ্তমস্থান পাপক্ষেত্র হয়ে পাপগ্রহযুক্ত বা দৃষ্ট হলে ঐ প্রকার সুখ হয় না। শুভাশুভ মিশগ্রহে মিশ্র ফল চিন্তনীয়।

লগ্নাপেক্ষা সপ্তমে বহু পাপগ্রহের অবস্থানে বহু স্ত্রী সত্ত্বেও স্বল্প সুখ এবং বহু শুভগ্রহের অবস্থানে একটি স্ত্রী হলেও বিশেষ সুখ হয়। পতির কুন্ডলীতে লগ্নপতি ও সপ্তমপতি যে গ্রহের ক্ষেত্রে ও নবাংশে অবস্থিত, সেই গ্রহের ক্ষেত্রে বা নবাংশে স্ত্রীর জন্ম হলে সেই পত্নী স্বামীর সুখদায়িনী হয়ে থাকে। পতির জন্মকুন্ডলীতে চন্দ্র যে রাশিতে অবস্থিত, সেই রাশির সপ্তমরাশিদর্শী গ্রহের বা তদরাশি স্থিত গ্রহের ক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর জন্ম হয়, তাহা হলে সেই স্ত্রী পতিপ্রিয়া হয়।
নারীর জন্মকুন্ডলীতে দ্বিতীয়, সপ্তম ও দ্বাদশপতি বৃহস্পতি দৃষ্ট এবং কেন্দ্র কোনস্থ হলে, অথবা সপ্তমপতির দ্বিতীয়ে, সপ্তমে বা একাদশ স্থানে শুভ গ্রহের অবস্থানে জাতক/ জাতিকা স্ত্রী/ পতি পুত্র সুখে সুখী হয়।

চন্দ্র ও লগ্ন হতে সপ্তমভাব যদি নবমপতি বা স্বীয় পতি বা শুভগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট হয়, তাহা হলে সপ্তমভাবের শুভ হয় এবং সেক্ষেত্রে বিবাহিত জীবন সুখের হয়।

সপ্তমভাব যদি সমরাশি হয়, সেই রাশ্যাধিপতি ও শুক্র যদি সমরাশিস্থিত হয় এবং পঞ্চম ও সপ্তমভাবের অধিপতিদ্বয় বলবান হয় ও অস্তমিত না হয়, তাহা হলে স্ত্রীপুত্র সুখ হয়।

কোন নারীর জন্মকুন্ডলীতে যদি :

ক) লগ্ন বা লগ্নপতি ও চন্দ্র সমরাশিস্থিত এবং শুভগ্রহ যুক্ত, অথবা
খ) চন্দ্র, লগ্ন ও চতুর্থভাব যদি শুভ গ্রহ যুক্ত বা দৃষ্ট, বা
গ) লগ্নাপেক্ষা ত্রিকোণে (লগ্নে, পঞ্চমে, নবমে) শুভগ্রহেরা অবস্থিত, অথবা যদি সপ্তমভাব ও ঐ ভাব নবংশের অধিপতি শুভগ্রহ হয়, তাহা হলে সেই নারী গুণবতী ও সৌভাগ্যবতী হয়। পতিসুখ না পেলে সেই নারীকে সৌভাগ্যবতী বলা যাবে না, সুতরাং এই সকল যোগে পত্নী পতিসৌখ্যলাভ করে।

পত্নীর পতিপ্রিয়া হবার আরও কয়েকটা যোগ :

ক) লগ্ন সমরাশিতে এবং মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র অতীব বলবান,
খ) লগ্নের নবাংশপতি শুভ গ্রহ
গ) লগ্নে শুক্র ও চন্দ্র বা বুধ ও চন্দ্র বা বুধ ও শুক্র অথবা শুভগ্রহ থাকলে,
ঘ) সপ্তমে একাধিক শুভগ্রহ বা পূর্ণচন্দ্র থাকলে,
ঙ) গুরু, শুক্র, বুধ ও চন্দ্র সকলেই লগ্নকে পূর্ণদৃষ্টি দিলে,
চ) লগ্ন থেকে কেন্দ্র কোণে বৃহস্পতি, বিশেষতঃ স্বগৃহে বা তুঙ্গ রাশিতে,
ছ) অষ্টমভাব থেকে নবমে এবং লগ্ন হতে নবমে শুধুমাত্র শুভ গ্রহের অবস্থান,
জ) লগ্ন ও রাশি শুধুমাত্র শুভগ্রহ দ্বারা দৃষ্ট।
দাম্পত্য সম্প্রীতি বা পতি-পত্নীর পরস্পর মিত্রতা-শত্রুতা বিষয়ে নানা যোগের উল্লেখ করার সময় অনেক সময় দাম্পত্যসুখের অভাবের যোগের কথাও বলা হয়েছে, তবে দাম্পত্য সুখের অভাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু যোগ :

১) শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তমে পাপগ্রহের অবস্থান বা শুক্র পাপযুক্ত,
২) চন্দ্র সপ্তমস্থ, সপ্তমপতি ব্যয়স্থ এবং শুক্র দুর্বল,
৩) দ্বাদশপতি লগ্নে বা সপ্তমে,
৪) ব্যয়াধিপ শত্রু নবাংশে নীচ নবাংশে, অষ্টমভাব-নবাংশে বা ষষ্ঠাষ্টমে স্থিত,
৫) শুক্রের ত্রিকোণে অর্থাৎ পঞ্চমে বা নবমে শনির অবস্থান,
৬) সপ্তমে শনির অবস্থান,
৭) সপ্তমপতি পাপ নবাংশে, বা নীচ নবাংশে,
৮) ক্রুর ষষ্ঠাংশে,
৯) শুক্র নীচ নবাংশে,
১০) সপ্তমপতি রবির রাশিতে অর্থাৎ সিংহে এবং রবি পাপগ্রহের রাশিতে বা নবাংশে এবং পাপগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট,
১১) চন্দ্রের রাশিতে সপ্তম পতি ও চন্দ্র পাপ নবাংশে,
১২) স্ত্রীজাতকের সপ্তমে বা অষ্টমে পাপগ্রহ, বিশেষতঃ সপ্তমে একাধিক দুর্বল পাপগ্রহের অবস্থান, অথবা সপ্তমে পাপগ্রহ দৃষ্ট রবি স্থিত হলে।

দাম্পত্য সুখ বিচারে পতি-পত্নীর মিত্রতা-বৈরিতা বিচার ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। বিবাহে পাত্র-পাত্রীর কোষ্ঠীর মিল দেখার জন্য প্রচলিত যে অষ্টকূট যোটক বিচার পদ্ধতি ঐ পদ্ধতির অষ্টকুটের অন্যতম কুট, বর ও কন্যার উভয়ের রাশির অধিপতির মিত্রতা, ভাবী স্বামী-স্ত্রীর মানসিক সৌখ্যের অন্যতম নির্ণায়ক হিসাবে গণ্য হতে পারে। তবে এ’ছাড়া উভয়ের চন্দ্রস্থিত নবাংশ পতিদ্বয়ের এবং উভয়ের চন্দ্রস্থিত রাশির অধিপতির দ্বয়ের যে যে নবাংশে অবস্থিত সেই নবাংশ পতিদ্বয়েরও মিত্র আছে কিনা দেখা প্রয়োজন, থাকলে ভাবী বর বধুর মানসিক সম্প্রীতি বুঝতে হবে, না থাকলে সম্প্রীতির অভাব বুঝতে হবে।

দাম্পত্য সুখ বা সুখের অভাব সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কিছু যোগের উল্লেখ এই প্রবেন্ধে করা হল, তবে কোন দম্পতির জীবনে সুখ বিষয়ে সিদ্ধান্ত করার জন্য, শুধুমাত্র এই যোগগুলি বা এই ধরণের যোগের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা যাবে না। উভয়ের কোষ্ঠীর সামুহিক মূল্যায়ন, যোগকারী গ্রহের এবং চন্দ্র ও শুক্রের বলাবল ও শুভাশুভত্ব বিবেচনা করতে হয় ।


কোন কোন রাশির সঙ্গে কোন কোন রাশির প্রেম বিবাহ শুভ অশুভ


মেষ রাশি (২১ মার্চ- ২০ এপ্রিল) : মেষ রাশির জাতক জাতিকাদের সাথে মেষ সিংহ ও ধনু রাশির জাতক জাতিকাদের মনের মিল খুব বেশি হয় বলে এদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক হয় চিরস্থায়ী। তবে এই বন্ধুত্ব থেকে যদি ভালোলাগা বা ভালোবাসা হয়ে যায় তা চিরস্থায়ী হয় না। কারন ভালোবাসার পরিনতি অর্থাৎ বিয়ের জন্য মেষের জাতক জাতিকাকে অবশ্যই তুলা কুম্ভ বা মিথুন রাশির জাতক জাতিকাকে বেছে নেওয়া উচিৎ। তাহলেই প্রেম হবে সার্থক ও পরিনতি হবে সুখি দাম্পত্য জীবন। মেষ রাশির জাতক জাতিকার কখনোই কর্কট, বৃশ্চিক বা মীন রাশির জাতক জাতিকাকে প্রেমিক প্রেমিকা হিসেবে গ্রহন করা শুভ নয়। তাতে প্রেমে বিচ্ছেদ হবার সম্ভাবনা প্রবল।

বৃষ রাশি ( ২১ এপ্রিল- ২০ মে) : বৃষ রাশির জাতক জাতিকার সাথে বৃষ কন্যা ও মকর রাশির জাতক জাতিকাদের মনের মিল অনেক বেশি বলে এদের বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। তবে ভালোবাসা ও বিয়ের জন্য তা শুভ নয়। ভালোবেসে বিয়ের জন্য কর্কট বৃশ্চিক ও মীন রাশির জাতক জাতিকা উত্তম। তাহলে আপনার জীবন হবে সুখী ও সুন্দর। আর যদি আপনি মেষ ,সিংহ বা ধনু রাশির জাতক জাতিকাকে ভালোবেসে বিয়ের স্বপ্ন দেখেন তা হলে বলতে হবে আপনি ঠকতে যাচ্ছেন। আপনার প্রেমের পরিনতি শুভ নয়।

মিথুন রাশি (২১ মে - ২০ জুন) : মিথুন অস্থির চঞ্চল রাশি। ফলে মিথুন রাশির জাতক জাতিকারা সহজেই মিথুন তুলা ও কুম্ভ রাশির সাথে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। তবে প্রেম ও প্রেমের সফল পরিনতির জন্য তা শুভ নয়। মিথুন রাশির জাতক জাতিকা যদি প্রেমে সফলতা পেতে চান ও পছন্দের মানুষটির সাথে ঘর বাঁধতে চান। তাহলে অবশ্যই ধনু, মেষ ও সিংহ রাশির জাতক জাতিকাকে বেছে নিন। বৃষ, কন্যা ও মকর রাশির জাতক জাতিকার সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ালে দেখবেন তিনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যার্থ হচ্ছেন ও তার অকল্পনিয় অজুহাতের কারনে সম্পর্কের ছেদ হয়ে যাবে।

কর্কট রাশি (২১ জুন- ২০ জুলাই) : কর্কট রাশির জাতক জাতিকার সাথে সব সময়ই কর্কট বৃশ্চিক ও মীন রাশির জাতক জাতিকার মনের মিল হয়ে থাকে। ফলে তাদের মধ্যে সহজেই বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কিন্তু প্রেম ও প্রেমের শুভ পরিনতির জন্য তা ঠিক হবে না। কর্কট রাশির জাতক জাতিকাকে প্রেম করে বিয়ে করার জন্য অবশ্যই বৃষ কন্যা ও মকর রাশির জাতক জাতিকাকে বেছে নিতে হবে। তাহলেই জীবনে প্রেমের সঠিক পরিনতি ও ভালোবাসা উপলব্ধি করতে পারবেন। আর যদি ভালোবেসে কাঁদতে চান তাহলে মেষ সিংহ ও ধনুর জাতক জাতিকাকে প্রেমিক প্রেমিকা হিসেবে বেছে নিয়ে সারা জীবন ধরে কাঁদুন, কে বারন করেছে।

সিংহ রাশি (২১জুলাই- ২১ আগষ্ট) : সিংহ রাশির জাতক জাতিকার সাথে সর্বদা সিংহ ধনু ও মেষ রাশির জাতক জাতিকার মনের মিল হয় সবচেয়ে বেশী। ফলে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের বন্ধনে জড়াতে চাইলে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিন। কিন্তু এই বন্ধুত্ব থেকে যদি ভালোবাসার জন্ম হয় তাহলে তা আপনাকে ভোগাবে নিশ্চিত। যদি প্রেম করে বিয়ে করতে চান, ও সুখী জীবন গড়তে চান তাহলে অবশ্যই মিথুন ,তুলা ও কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকা আপনার উপযুক্ত। মনে রাখবেন আপনার প্রেমিক প্রেমিকার রাশি যদি হয় কর্কট, বৃশ্চিক বা মীন তাহলে প্রেমে সফলতাতো আসবেই না, বরং প্রেমের বিয়ে হলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা প্রবল। তারপরে আপনার ইচ্ছা। অনন্ত কাল কান্নার ইচ্ছা থাকলে কে বারন করবে বলুন।

কন্যা রাশি (২২ আগষ্ট- ২২ সেপ্টেম্বর) : কন্যা রাশির জাতক জাতিকার জন্য সবসময় কন্যা মকর ও বৃষ রাশির জাতক জাতিকা উত্তম। এদের মনের মিল খুব বেশী হয়। একে অন্যকে সহজেই বুঝতে পারে বলে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তারাতারি। তবে সেই বন্ধুত্ব ও প্রেম এক নয়। কারন প্রেমের ক্ষেত্রে উভয়ই কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনা বলে প্রেমে ব্যর্থতা চলে আসে। কন্যা রাশির জাতক জাতিকার প্রেমের বিয়েতে সফলতা ও সুখি সুন্দর দাম্পত্য জীবন পেতে হলে অবশ্যই কর্কট , বশ্চিক বা মীন রাশির জাতক জাতিকাকে নির্বাচন করা উচিৎ। কন্যা রাশির জাতক জাতিকা যদি মেষ, সিংহ ও ধনু রাশির জাতক জাতিকাকে ভালোবেসে জীবন সাথী করতে চান ,তাহলে থামুন। কারন আপনার জীবনে বিচ্ছেদ হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী । দুজনের ব্যক্তিত্বের সংঘাত বিচ্ছেদের প্রধান কারন হয়ে দাড়াবে।

তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর- ২১ অক্টোবর) : তুলা রাশির জাতক জাতিকাদের সাথে তুলা মিথুন ও কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার মনের মিল খুব বেশী হয় বলে বন্ধুত্ব হয় দীর্ঘস্থায়ী ও নি:স্বার্র্থ। কিন্তু প্রেমের জন্য তা উত্তম নয়।তুলা রাশির জাতক জাতিকার প্রেম ও প্রেম করে বিয়ে করে সুখী জীবনের জন্য অবশ্যই মেষ সিংহ ও ধনু রাশির জাতক জাতিকাকে গ্রহণ করা উচিৎ। বৃষ, কন্যা ও মকর রাশির জাতক জাতিকার সাথে প্রেম বিয়ে ও বন্ধুত্ব যদি হয়েই যায় তাহলে আপনাকে কিছু দিন পরে অবশ্যই অনুশোচনা করতে বশতে হবে। বিচ্ছেদ হবে না তবে যন্ত্রনা থেকে মুক্তিও মিলবে না।

বৃশ্চিক রাশি (২২ অক্টোবর- ২০ নভেম্বর ) : বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার সাথে বৃশ্চিক কর্কট ও মীন রাশির জাতক জাতিকার বন্ধুত্ব হয় গাঢ়। কিন্তু সেই বন্ধুত্ব থেকে প্রেম খুব একটা ভালো হয় না। প্রেম করে বিয়ে করে সুখি সুন্দর জীবন গড়তে হলে অবশ্যই বৃষ কন্যা বা মকর রাশির জাতক জাতিকাকে বেছে নিতে হবে। আর যদি ভুল করে মেষ সিংহ বা ধনু রাশির জাতক জাতিকাকে বেছে নেন, তাহলে প্রেমে অনিশ্চয়তাতো আছেই সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের যন্ত্রনাও ভোগ করতে হতে পারে। তাই আপনার প্রিয়জনের রাশি যদি মেষ সিংহ বা ধনু হয়ে থাকে তাহলে এখনই সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার। জীবন আপনার, হাসবেন না কাঁদবেন তা আপানাকেই ঠিক করতে হবে।

ধনু রাশি (২১ নভেম্বর - ২০ ডিসেম্বর) : ধনু রাশির জাতক জাতিকার সাথে ধনু, সিংহ ও মেষ রাশির জাতক জাতিকার হৃদয়ের মিল খুব বেশী হয়। এদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠলে তা সহজে ভাঙ্গে না। কিন্তু প্রনয় ও বিয়ের জন্য তা মোটেও সুখকর নয়। কারন ব্যক্তিত্বের সংঘাত লেগেই থাকে। প্রেমে সফলতা লাভ করে সুখি সুন্দর আগামীর জন্য আপনার উচিৎ মিথুন তুলা বা কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকাকে বেছে নেওয়া। এতে আপনার জীবন আনন্দে ভরে উঠবে। আর যদি আপনি প্রেমিক প্রেমিকা হিসেবে কর্কট, বৃশ্চিক বা মীন রাশির জাতক জাতিকাকে বেছে নেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রতারিত হতে হবে বা বিবাহের পরে বিচ্ছেদের যন্ত্রনা ভোগ করতে হবে।

মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর- ২০ জানুয়ারি ) : মকর রাশির জাতক জাতিকার সাথে মকর বৃষ ও কন্যা রাশির জাতক জাতিকাদের বন্ধুত্ব শুভ বলেই মানা হয়। এই বন্ধুত্ব প্রেমের দিকে গড়ালে তা খুব একটা ভালোও হয়না আবার খারাপও হয় না। তবে প্রেমে সফল হতে হলে ও প্রিয় জনকে নিয়ে ঘর বাঁধতে হলে অবশ্যই কর্কট, বৃশ্চিক ও মীন রাশির জাতক জাতিকার থেকে উত্তম আর হয় না। গৃহে সর্বদা আনন্দঘন পরিবেশ বজায় থাকবে। কিন্তু আপনার প্রিয়জন যদি হয়ে থাকেন মেষ সিংহ বা ধনুর জাতক জাতিকা তাহলে আপনাকে অবশ্যই ব্যার্থতার গ্লাণি মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি - ১৮ ফেব্রুয়ারি ) : কুম্ভ রাশির সাথে কুম্ভ, মিথুন ও তুলা রাশির জাতক জাতিকার বন্ধুত্ব খুবই উত্তম বলা যায়। তবে প্রেমের বিয়ের জন্য তা মোটেও শুভ নয়। কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার জীবনে প্রেমে সফলতা ও সাংসারিক জীবনে প্রশান্তি বয়ে আনতে পারে সিংহ ধনু ও মেষ রাশির জাতক জাতিকা। বৃষ, কন্যা ও মকর রাশির জাতক জাতিকার সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ালে তা সফল হবার সম্ভাবনা কম। যদি সফল হয়ও দেখা যায় মনের প্রশান্তি হারিয়ে যায়। কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার জীবনে এমনিতেই অপ্রত্যাশিত ঘটনা বারবার ঘটে। তাই অবশ্যই প্রেমিক প্রেমিকা নির্বচনে আপনাকে আরো সতর্ক থাকতে হবে।

মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি - ২০ মার্চ) : মীন রাশির জাতক জাতিকা সর্বদাই রহস্যময় আচরন করে থাকেন। সর্বদা মনের মাঝে অস্থিরতা বিরাজ করে। মীন রাশির জাতক জাতিকার সাথে মীন কর্কট ও বৃশ্চিক রাশির বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। কিন্তু জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে এদের মধ্যে বিবাহোত্তর সম্পর্ক ভালো যায় না। মীন রাশির জাতক জাতিকার প্রেমে সফলতা পেতে হলে ও সুখি সুন্দর সংসার জীবন কামনা করলে অবশ্যই বৃষ,কন্যা মকর রাশির জাতক জাতিকার চেয়ে উত্তম আর কোনো রাশি নয়। আর আপনি যদি প্রেমে প্রতারিত না হতে চান ও সংসারে বিচ্ছেদ নামক যন্ত্রনা না ভোগ করতে চান তা হলে অবশ্যই মেষ সিংহ ও ধনু রাশির জাতক জাতিকাকে এড়িয়ে চলুন। তাহলেই জীবন সফল ও সার্থক হয়ে উঠবে।



জ্যোতিষশাস্ত্রালোচনায় দেখা যায় যে খ্রীষ্টীয় দশম শতাব্দী পর্যন্ত বিবাহে নাড়ীনক্ষত্র কূট বিচার বা অষ্টকূট যোটক বিচার ছিলনা। (এই বিষয়ে শ্রদ্ধেয় স্বর্গীয় শ্রী হরিচরণ স্মৃতিতীর্থ বিদ্যারত্ন মহাশয় তাঁর বিবাহ-মিলন- বিষয়ক “ সুখের সন্ধান” পুস্তকে কিছু আলোচনা করেছেন)।খ্রীষ্টীয় নবম শতাব্দী থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত বিভিন্ন অবস্থায় ভারতীয় জনচিত্ত কর্ম বিমুখ ও ক্রিয়াশূন্য হয়ে পড়েছিল।সম্ভবতঃ ওই সময়ে অন্যান্য নানান রকম প্রবাদবাক্য ও কুসংস্কারের সঙ্গে এই তথাকথিত বিবাহ মিলন বা যোটক বিচার পদ্ধতিটা জন মানসে অবস্য কর্তব্য হিসাবে প্রবেশ লাভ করে এবং কতিপয় সুচতুর ব্রাহ্মণ পণ্ডিত এ যুগের ন্যায় সে যুগেও লোক ঠকান জ্যোতিষ ব্যবসা ফেঁদে বসেন ও সকল প্রকার সামাজিক ক্রিয়া কর্ম কে নিয়ন্ত্রন করার জন্য নানান রকম ফন্দী ফিকির, তাবিজ কবজ ও কুসংস্কারের আশ্রয় নেন।
জন্ম সময়ের গ্রহসংস্থান থেকে মানুষের ভাগ্যফলের বিচারের তুলনায় নাড়ীনক্ষত্র ঘটিত অষ্টকূট বিবাহ মিলন বিচারের কোন যুক্তিসঙ্গত গুরুত্ব থাকে না।গণ-মিলনে-নর-রাক্ষস থেকে দম্পতির অকালমৃত্যুর কোন ন্যায়সঙ্গত যুক্তি পাওয়া যায়না। কারন জন্মনক্ষত্রের উগ্র-চরাদি গণ থেকে নর-রাক্ষসাদির প্রকৃতি বিচার করা হয়।এই গণনা ভাগ্যফলের বিচারের তুলনায় স্থুল। কিন্তু লৌকিক বিচারে একটা আতঙ্কের কারন সৃষ্ট হয়ে বহুদিন ধরে চলে আসছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে পাত্রপাত্রীর পরস্পরের রাশির মিলের অভাবে বড় জোর মনের বা মতের অনৈক্য ঘটতে পারে, কিন্তু দোষযুক্ত চন্দ্রে দম্পতির অমঙ্গলের কারন যুক্তিসঙ্গত ভাবে পাওয়া যায় না।কারন জ্যোতিষশাস্ত্র মতে চন্দ্র যুক্ত রাশি থেকে আয়ু এবং ভাগ্য বিচার করলে লগ্ন ভিত্তিক বিচারের কোন গুরুত্ব থাকে না।অথচ ভারতীয় জ্যোতিষশাস্ত্র প্রধানত লগ্ন ভিত্তিক গণনার উপরই নির্ভরশীল।
চন্দ্র সওয়া দুই দিন প্রত্যেক রাশিতে থাকে;পক্ষান্তরে লগ্ন প্রত্যেক দুই ঘণ্টা অন্তর পরিবর্তিত হয়।এই অবস্থায় চন্দ্র থেকে ভাগ্য গণনা এবং অকালমৃত্যু প্রভৃতি অমঙ্গল বিচার করলে, সওয়া দুই দিন পর্যন্ত যত পুরুষ বা স্ত্রীলোক জন্মাবে, তাদের একটা কুষ্ঠী দিয়ে যাবতীয় ভাগ্যফল ও স্ত্রী বা স্বামী হানির বিচার করা যাবে। তা কিন্তু কোনভাবেই সম্ভবপর নয়।
১০০২ খ্রীষ্টাব্দে মালবের ধারা নগরীতে ভোজরাজের সভায় স্মৃতির পণ্ডিতগণ প্রথমে অষ্টকূট বিচারের গণনা ‘রাজমার্তণ্ড’ নামক জ্যোতিষসংহিতায় প্রবর্তন করেন।তারপর আচার্যগণ ক্রমশঃ নক্ষত্রঘটিত যাবতীয় ফল বিবাহ-মিলনের বিচারে প্রবর্তন করেন।শ্রীনিবাস শাস্ত্রীর ‘শুদ্ধিদীপিকা’, রামদৈবজ্ঞের ‘দৈবজ্ঞ- মনোহর ও ‘মুহূর্তচিন্তামণি’ প্রভৃতি পুস্তকে এবং খ্রীষ্টীয় ১৫শ শতাব্দীতে বঙ্গদেশের রঘুনন্দনের ‘জ্যোতিষতত্বে’ এই অষ্টকূট-বিচার স্থান পায়।এইভাবে ক্রমশঃ প্রসারলাভ করে পঞ্জিকার জ্যোতিষ বচনারথে স্থান পেয়ে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
মানব জীবনের উপর জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রভাব সম্পর্কিত শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র নামে পরিচিত। জ্যোতিষশাস্ত্রে মেষ, বৃষ, মিথুন, ইত্যাদি বারোটি রাশি, নয়টি গ্রহ, ও সাতাশটি নক্ষত্র এবং লগ্ন ভিত্তিক অসংখ্য যোগের ও সূত্রের সাহায্যে মানুষের ভূত ভবিষ্যৎ বলার চেষ্টা করা হয়ে থাকে।
আশুন এবারে দেখা যাক যোটক বিচার বলতে ঠিক কি বুঝায়?
বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যার পরস্পরের জন্মরাশি, জন্মনক্ষত্র ও রাশ্যাধিপ গ্রহদি থেকে, যে শুভাশুভ ফল বিচার করা যায়, তাকেই যোটক বিচার বলে। যোটক বিচার অষ্টপ্রকারে বিভক্ত।
বর্ণকূট, বশ্যকূট, তারাকূট, যোনিকূট, গ্রহমৈত্রীকূট, গণমৈত্রীকূট, ও ত্রিনাড়ীকূট। বর ও কন্যার পরস্পরের বর্ণের একতা বা মিত্রতা হলে এক গুন ফল, তার সঙ্গে বশ্যতা যোগ হলে দ্বিগুণ ফল, তারাশুদ্ধি যোগে ত্রিগুন ফল, এইভাবে অষ্টপ্রকারে শুভ হলে দম্পতীর পূর্ণ শুভ ফল ভাবা হয়।
এবার দেখা যাক বর্ণ কাকে বলে বা বর্ণ বলতে ঠিক কি বুঝায়-। জ্যোতিষশাস্ত্রে মেষ, বৃষ, মিথুন, ইত্যাদি যে বারোটি রাশি ব্যাবহার করা হয় তাদের বিপ্র, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা যে ব্যক্তিগনের জন্ম কর্কট, মীন, বা বৃশ্চিক রাশিতে তাঁদের বর্ণ বিপ্র। এইভাবে যাঁদের জন্ম সিংহ, তুলা বা ধনু রাশিতে তাঁদের বর্ণ ক্ষত্রিয়। যোটক বিচারের নিয়মে শুদ্র বর্ণের থেকে বৈশ্য বর্ণ শ্রেষ্ঠ, বৈশ্য বর্ণের থেকে ক্ষত্রিয় বর্ণ শ্রেষ্ঠ, আবার ক্ষত্রিয় বর্ণের থেকে বিপ্র বর্ণ শ্রেষ্ঠ।
বর্ণ ফলমে বলা হয়েছে যে-
"ক্ষাত্র-বিট্-শুদ্র-বিপ্রাঃ স্যুঃ ক্রমান্মেষাদি-রাশয়ঃ।
তত্র বর্ণাধিকা কন্যা নৈবোদ্বাহ্যা কদাচন" ।।
অর্থাৎ “বরের বর্ণাপেক্ষা কন্যার বর্ণ শ্রেষ্ঠ হলে, সেই কন্যাকে কদাচ বিবাহ করিবেনা”। করলে কি হবে?
"বর্ণশ্রেষ্ঠা তু যা নারী বর্ণহীনস্তু যাঃ পুমান।
বিবাহং যদি কুরব্বীত তস্য ভর্তা বিনশ্যতি"।।
অর্থাৎ “বর্ণশ্রেষ্ঠা কন্যাকে বিবাহ করিলে ভর্তার নিধনাশঙ্কা।
সেই কন্যা অতি মহৎকুল সম্ভূতা হইলেও পতিপরায়ণা হয় না”।
একে তো জন্ম চান্দ্র রাশিকে উপরিউক্ত চারটি গণে বিভাজন বিজ্ঞান না হোক প্রাচীন জ্যোতিষশাস্ত্র সম্মতও নয়, তার উপর শুধু মাত্র গণে না মিলিয়ে বিয়ে দিলে, পুরুষের নিধনাশঙ্কা। এমন কথা কেবল মাত্র অবৈজ্ঞানিক এবং অবাস্তবই নয় হাস্যসকর ও বটে।
বশ্যকূট্। “মিথুন, কন্যা, তুলা, কুম্ভ, ও ধনুর পূর্বা্রদ্ধ, যদি বরের রাশি হয় এবং মেষ, বৃষ, কর্কট, ইত্যাদি যদি কন্যার রাশি হয় সেই কন্যা বরের বশীভূত হয়”।
এই ভাবে কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশিকে অন্য কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশির বশ্য ধরা হয়ে্ছে। এবং বিপরীতে বিপরীত ফল বলা হয়েছে।
"এবং বশ্যসমাযোগে দম্পত্যোঃ প্রীতিরূত্তমা।
বশ্যাভাবেহপি দম্পত্যো্রবিবাহঃ কলহ-প্রদঃ"।।
অর্থাৎ “ কথিত নিয়মে বর ও কন্যার রাশির বশ্যাবশ্য বিচারে যদি কন্যা বরের বশ্যা হয়, তবে শুভ ও পরস্পর প্রীতিলাভ হইয়া থাকে ; অন্যথায় কলহাদি হইয়া থাকে”।।
পৃথিবীকে ঘিরে চন্দ্র তার পরিক্রমায়, বারটি রাশির এক একটিতে সোয়া দু দিন অবস্থান করে। ঐ সময়ে যত লক্ষ্য মানুষ জন্মায় তাদের সকলেরই ঐ একই জন্মরাশি হয়। অথচ কোন এক রাশিতে জন্মান মানুষ অন্য আরেক দিনে জন্মান মানুষের বশ্য হবে। এবং বিবাহের পরও সেই হিসাবে বশ্যতা চলতে থাকবে ধরে নিয়ে বিবাহের ব্যবস্থা করতে হবে।আবার কন্যা দিগকে বরের বশ্য হতেই হবে। অন্যথায় অনর্থ হবে।
মধ্যযুগীয় পুরুষ শাসিত সমাজের সমাজপতি গণের নিকট এর থেকে ভাল বিধান আর কীই বা আশা করা যায়?
কিন্তু পরম আশ্চর্যের ও পরিতাপের বিষয়, বর্তমান বিজ্ঞানের যুগেও বহু শিক্ষিত মানুষ এসব কুসংস্কারে বিশ্বাস করেন এবং এই সব তথাকথিত জ্যোতিষিক বচনের উপর নির্ভর করে নিজেদের সন্তান সন্ততি গণের বিবাহ স্থির করেন।
এবারে আসা যাক গণ কূটের কথায়। গন কূট কি? অমুকের অমুক গণ, দেব, নর না রাক্ষস? কি ভাবে জানা যাবে?
জ্যোতিষ গণনায় যে সাতাশটি নক্ষত্রকে ধরা হয়েছে, তাদেরই ঐ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বর ও কন্যার জন্মনক্ষত্র থেকে গণ কূট বিচার করতে হয়।
স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নয়টি সত্ত্ব গুন বিশিষ্ট নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে দেবগন ও সত্ত্ব গুণী হয়। পূর্বফল্গুনী, পূর্বাষাড়া, পূর্বভাদ্রপদ, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে নর গন হয়।
জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে রাক্ষস গণ হয়।এতো হল গণের পরিচয়। এবারে বিচারটা কিভাবে হবে?
“স্বজাতৌ পরমা প্রীতিরমধ্যা দেব-মানুষে।
দেবাসুরে বৈরতা চ ম্রিত্যুরমানুষ-রাক্ষসে।।
রাক্ষসী চ যদা কন্যা মানুশ্চ বরো ভবেত।
তদা ম্রিত্যুরন দূরস্থো নির্ধনত্বমথাপি যা” ।।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে মানুষের শিক্ষা দীক্ষা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, জাতিগত বা বংশগত ভাবধারার কোন মূল্য নেই। স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালেই তার মধ্যে সত্ত্বগুণ থাকবে এবং সে দেবতুল্য মানুষ হবে। একই ভাবে জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালে, সেই কন্যা যতই সুশীলা হোকনা কেন, বিনা দোষে তার রাক্ষস গণ হবে।এবং তার মধ্যে তমমগুণ থাকায় দেবগণের পাত্রের সঙ্গে তার কোন মতেই বিবাহ করা চলবে না। বিয়ে হলে কি হবে? ভাল হবেনা। কলহাদি অশান্তি হবে। আর নর- রাক্ষসের বিবাহে কি হবে?
“অসুর- মনুজয়োশ্চেন্মৃত্যুমেব প্রদিষটা"।।
নরগণের পাত্রের সঙ্গে রাক্ষস গণের কন্যার বিবাহ হলে পাত্রের মৃত্যু হবে। অরথাৎ রাক্ষসী কন্যা নর পাত্রকে খেয়ে ফেলবে।
শিক্ষিত মানুষ সুস্থ মস্তিষ্কে এটা কিভাবে ভাবতে পারে?
কুসংস্কারেরও কথাও একটা সীমা থাকা উচিৎ। বিনা কারনে শুধু মাত্র কুসংস্কারের বশে প্রতিদিন কতো ভাল ভাল বিবাহের যোগ নষ্ট হচ্ছে। কথায় বলে- “পুরুষের ভাগ্যে জন ও নারীভাগ্যে ধন”।তাই অনেক পাত্র পক্ষ আবার সুলক্ষণা ভাগ্যবতী পত্রীর খোঁজ করেন যাতে সেই পত্রীর ভাগ্যযোগে তার স্বামীর আর্থিক ও বৈষয়িক উন্নতি হয়। কিন্তু জ্যোতিষের দৃষ্টিতে এই সকল চিন্তা, এমনকি তাবিজ কবজ, গ্রহরত্নাদি ধারন করে ভাগ্য ফেরানর চেষ্টা ও অধিকাংশই অন্তঃসারশুন্য। পণ্ডিত বরাহ বলেছেন যে “ মানব স্ব স্ব কর্মানুসারে সুখদুঃখ ফল ভোগ করিয়া থাকে। হিন্দু ষড়দর্শন ও বলে যে, ভাগ্য অর্থে মানবের কর্মফলভোগ বুঝায়।মানুষ যে সকল ভালোমন্দ কর্ম করিয়া থাকে তাহার ফলভোগ, এই জন্মে বা পরজন্মেই হউক, তাহাকে ভোগ করিতেই হইবে”। এই দুই শাস্ত্রের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চিন্তা করলে বোঝা যায় যে, কারো ভালমন্দ কর্মফল ভোগের জন্যে অন্য কেউ দায়ী হতে পারে না।ফলে যে যার কর্মফল ভোগ করে।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে একই শাস্ত্রের দু দল পণ্ডিতের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই ধরনের মতবাদ প্রচলিত ছিল।এ বিষয়ে নিরপেক্ষ ভাবে কিছু বলতে গেলে, বলা যায় যে ভাগ্য বলে সত্যই যদি কিছু থেকে থাকে তা অমোঘ। তাকে কেবল মাত্র বিবাহের দ্বারা বদলান যায় না।এবং এই ধরনের চেষ্টা শুধু মাত্র অবৈজ্ঞানিক ও কুসংস্কার পূরণই নয় সমাজের পক্ষে ক্ষতিকরও বটে।






সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190904144247

Wednesday, September 4th, 2019

Astro Research Centre

জন্মপত্রিকা বা জন্ম কুণ্ডলী বা কোষ্ঠীতে (Horoscope )কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুভ যোগ (good Planet combination )

জন্মপত্রিকা বা জন্ম কুণ্ডলী বা কোষ্ঠীতে  (Horoscope )কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুভ যোগ (good Planet combination )

জন্মপত্রিকা বা জন্ম কুণ্ডলী বা কোষ্ঠীতে (Horoscope )কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুভ যোগ (good Planet combination )

(১) অধিযোগ - যদি বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র-এই তিন নৈসর্গিক শুভ গ্রহ চন্দ্র থেকে ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮মে থাকে তবে এই যোগ হয়। এই তিন গ্রহের সব কটি বা যে কোন একটি বা দু'টি এই তিন ঘরের সব কটিতে বা একটি দুটিতে অবস্থান করতে হবে। অনেক জ্যোতিষীর মতে চন্দ্র থেকে শুভ গ্রহ থাকলে যেমন এই যোগ হয় তেমনি লগ্ন থেকেও ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮মে উক্ত তিন শুভ গ্রহের অবস্থিতিও এই যোগ তৈরী করতে পারে। এখানে বলে রাখা ভাল, যদি লগ্ন বা চন্দ্র থেকে ৬ষ্ঠে, ৭মে অথবা ৮মে পাপ গ্রহ থাকে তা হলে ফল কিন্তু হবে ঠিক বিপরীত।
ফল - সুখী, ভদ্র, প্রাচুর্য, শত্রুজয়ী, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু। ফল কতটা ফলবে তা নির্ভর করে গ্রহের বল ও সঠিক দশা-অন্তর্দ্দশার উপর।

(২) পারিজাত যোগ - লগ্নাধিপতি যে রাশিতে থাকবে সেই রাশির অধিপতি যে রাশিতে অবস্থান করবে তার অধিপতি যদি লগ্ন থেকে কোণে, কেন্দ্রে অথবা স্বক্ষেত্রে বা তুঙ্গী ক্ষেত্রে থাকে তবে এই যোগ হয়।
ফল - মধ্য ও শেষ জীবনে সুখী। সম্মানিত, বিখ্যাত ও ঐশ্বর্যশালী।
উদাহরণ হিসাবে ১৪(৩) চিত্রে দেখান ছকটি ধরা যাক। মেষরাশিতে লগ্ন, শনি ও বৃহস্পতি; কন্যায় রাহু; মকরে মঙ্গল ও চন্দ্র; কুম্ভে বুধ; মীনে কেতু, শুক্র ও রবি। এখানে লগ্নাধিপতি মঙ্গল মকরে তুঙ্গী। মকরের অধিপতি শনি মেষলগ্নে অবস্থিত। সেই মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল লগ্নের ১০ম ঘরে তুঙ্গী। অতএব পারিজাত যোগ হয়েছে। আবার চন্দ্র থেকে বৃহস্পতি ৪র্থ কেন্দ্রে থাকায় গজকেশরী যোগও হয়েছে। ১০ম পতি ( ও ১১শ পতি ) শনির সঙ্গে লগ্নপতি ( ও ৮ম পতি ) মঙ্গলের স্থান বিনিময়ও হয়েছে। জাতক বিদ্বান ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি। সুনাম ও সম্মানের অধিকারী এবং অর্থবান। তবে শনি নীচস্থ হওয়াতে এবং জন্মকুণ্ডলীতে মঙ্গল মকর রাশির একেবারে গোড়াতে রাশিসন্ধিতে অবস্থান করাতে মঙ্গল বর্গোত্তম হওয়া সত্বেও শনি ও মঙ্গল উভয়েই কিছুটা দুর্বল। কর্মে উন্নতি ও অর্থাগম হয়েছে তবে খুব ধীরে ধীরে।

(৩) ভেরী যোগ - লগ্নাধিপতি, শুক্র ও বৃহস্পতি পরস্পরের কেন্দ্রে অবস্থিত হলে এবং ৯ম পতি শক্তিশালী হলে এই যোগ হয়।
ফল - রোগহীন, দীর্ঘায়ু, স্ত্রী ও সন্তান সুখে সুখী, উদার ও সম্মানিত।
একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। তুলারাশিতে লগ্ন ও শনি; মকরে মঙ্গল, বুধ ও শুক্র; কুম্ভে রবি, রাহু; মিথুনে চন্দ্র; কর্কটে বৃহস্পতি ও সিংহে কেতু। ছকটা এঁকে নিন। এখানে শুক্র নিজেই লগ্নাধিপতি। বৃহস্পতি (কর্কটে তুঙ্গী) ও শুক্র পরস্পরের কেন্দ্রে। ৯ম পতি বুধ ৪র্থ কেন্দ্রে লগ্নপতির সঙ্গে যুক্ত ও তুঙ্গী বৃহস্পতির দ্বারা দৃষ্ট। নবাংশে ( এখানে দেখান হয় নি ) বুধ স্বক্ষেত্রে অবস্থিত। অতএব ৯ম পতি বুধ বলশালী। জাতকের ভেরী যোগ হয়েছে এবং যথেষ্ট সুফল ভোগ করেছে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে বৃহস্পতি শনির ১০ম দৃষ্টির দ্বারা এবং মঙ্গলের ৭ম দৃষ্টির দ্বারা দৃষ্ট হওয়ায় অশুভ। তবে শনি তুলা লগ্নে রাজযোগকারী গ্রহ (৪র্থ ও ৫ম পতি) হওয়ায় অশুভত্ব অনেক কম। আবার বৃহস্পতি ৩য় ও ৬ষ্ঠ পতিও বটে। এদের অশুভ ফল ত ফলবেই। নিরবচ্ছিন্ন ভাল হয় না কিছু খারাপও সঙ্গে থাকে।

(৪) শঙ্খ যোগ - ৫ম ও ৬ষ্ঠ পতি পরস্পরের কেন্দ্রে এবং লগ্নাধিপতি বলশালী হলে এই যোগ হয়।
ফল - আমোদপ্রিয়, সুখী, বিদ্বান ও দীর্ঘজীবী।
উদাহরণ : লগ্ন কুম্ভ; মীনে রাহু; বৃষে শনি ও চন্দ্র; কর্কটে রবি; সিংহে মঙ্গল, বুধ ও শুক্র; কন্যায় কেতু; বৃশ্চিকে বৃহস্পতি। ছকটা এঁকে নিন। এখানে ৫ম ও ৬ষ্ঠ পতি যথাক্রমে বুধ ও চন্দ্র পরস্পরের কেন্দ্রে অবস্থিত। দুটি গ্রহই মিত্র ক্ষেত্রে ( চন্দ্র বৃষে শুক্রের ঘরে এবং বুধ সিংহে রবির ঘরে ) অবস্থিত। লগ্নপতি শনি ৪র্থ কেন্দ্রে বৃষ রাশিতে বন্ধুর ঘরে অবস্থান করে ১০ম দৃষ্টিতে লগ্নকে দেখছে, অতএব লগ্ন বলযুক্ত হয়েছে। এটি একটি শঙ্খ যোগের উদাহরণ। তবে লগ্নপতি শনি ৬ষ্ঠ পতি চন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত। ৭ম পতি রবি ৬ষ্ঠে রয়েছে এবং শনির দ্বারা দৃষ্ট। কিছু খারাপ ফল ত ফলবেই।

(৫) সরস্বতী যোগ - বৃহস্পতি, শুক্র ও বুধ কোন কুণ্ডলীতে এক সঙ্গে বা পৃথক ভাবে যদি ২য়, ৪র্থ, ৫ম, ৭ম, ৯ম, ১০ম ঘরে অবস্থান করে তবে এই যোগ হয়।
ফল - কবি, লেখক, বহু বিষয়ে জ্ঞান, প্রশংসিত ও সম্মানিত, স্ত্রী ও সন্তান বিষয়ে শুভ।
বৃহস্পতি, শুক্র ও বুধ এই তিনটি নৈসর্গিক শুভ গ্রহের উল্লিখিত ঘর গুলিতে অবস্থানের সম্ভাবনা মোটেই বিরল নয় এবং অনেক জন্মকুণ্ডলীতেই হয় ত এই যোগ পাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছকে এই যোগ ছিল। কিন্তু যাদেরই এই যোগ রয়েছে তারা ত সবাই রবীন্দ্রনাথের মত বিরল প্রতিভা ও সম্মানের অধিকারী ন঑ন। সেই জন্যই বলা হয়েছে যে কোন যোগের ফল সঠিক ভাবে পেতে হলে গ্রহকে শক্তিশালী হতে হবে এবং তাদের অবস্থান কোন অশুভ গ্রহের সংযোগ বিহীন হওয়াও প্রয়োজন। এই যোগের ফলে বলা হয়েছে স্ত্রী ও সন্তান বিষয়ে শুভ; কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এই বিষয়ে শোক পেয়েছেন যথেষ্ট। কারণ এই যোগ জনিত গ্রহসংস্থান এবং অন্যান্য গ্রহের অবস্থান রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি হিসাবে পরিচিতি দিলেও তাঁর জায়া ও সন্তান স্থান অন্যভাবে ক্লীষ্ট ছিল। এই ভাবে সামগ্রিক দৃষ্টিতে কোন কুণ্ডলী বিচার করতে না পারলে, শুধু আক্ষরিক অর্থে বিশ্লেষণ করলে সঠিক ফল বের করে আনা কঠিন। রবীন্দ্রনাথের জন্মকুণ্ডলী পরে বিশদ ভাবে বিশ্লেষণ করা হবে।

(৬) গৌরী যোগ - রাশিচক্রের ১০ম পতি নবাংশে যে রাশিতে থাকবে, তার অধিপতি যদি রাশিচক্রে তুঙ্গী হয়ে লগ্ন থেকে ১০মে থাকে তবে এই যোগ হয়। অনেক জ্যোতিষী মনে করেন, যদি ৯ম পতি এবং চন্দ্র রাশিচক্রে তুঙ্গী বা স্বক্ষেত্রগত হয়ে লগ্ন থেকে কেন্দ্র বা কোণে অবস্থান করে, তা হলেও এই যোগ হয়।
ফল - সম্ভ্রান্ত, উচ্চ পদাধিকারী, সবার দ্বারা প্রশংসিত।
উদাহরণ স্বরূপ এই ছকটি এঁকে নিন। রাশিচক্র - মিথুনে বুধ, রাহু, শুক্র; কর্কটে বৃহস্পতি, রবি, মঙ্গল; কন্যায় চন্দ্র; লগ্ন তুলা; ধনুতে কেতু এবং মীনে শনি। নবাংশচক্র - মিথুনে বুধ; কর্কটে কেতু; ধনুতে রবি ও শনি; মকরে রাহু; কুম্ভে মঙ্গল, শুক্র এবং মীনে লগ্ন, বৃহস্পতি ও চন্দ্র। এখানে ১০ম পতি চন্দ্র নবাংশে মীনে রয়েছে এবং মীনের অধিপতি বৃহস্পতি রাশিচক্রে ১০মে ( কর্কটে ) তুঙ্গী। অতএব গৌরী যোগ হয়েছে। জাতক উচ্চ পদে আসীন সরকারী অফিসার এবং প্রশংসনীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন।

মন্ত্রেশ্বর রচিত ফলদীপিকায় গৌরী যোগের একটা অন্য রকম গ্রহ বিন্যাসের কথা বলা হয়েছে। তার মতে চন্দ্র যদি স্বক্ষেত্র বা তুঙ্গী ক্ষেত্রগত হয়ে লগ্ন থেকে কেন্দ্র বা কোণে অবস্থান করে এবং বৃহস্পতির দ্বারা দৃষ্ট হয়, তা হলেও গৌরী যোগ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্মকুণ্ডলীতে এই যোগ রয়েছে।

(৭) লক্ষ্মী যোগ - বিভিন্ন জ্যোতিষীর এই যোগের বিভিন্ন সংজ্ঞা দিয়েছেন। সেগুলি হল - (ক) লগ্নপতি এবং ৯ম পতি যদি শক্তিশালী হয়ে যুক্ত থাকে; (খ) ৯ম পতি যদি কেন্দ্র, ত্রিকোণ বা তুঙ্গ স্থানে অবস্থিত হয়; (গ) ৯ম পতি এবং শুক্র যদি কেন্দ্রে বা কোণে স্বক্ষেত্রে বা তুঙ্গক্ষেত্রে অবস্থিত হয়।
ফল - জাতক বিত্তবান, বিদ্বান ও সুনামের অধিকারী হয় এবং জীবনে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য ভোগ হয়।

(৮) জয় যোগ - ৬ষ্ঠ পতি যদি নীচস্থ হয় এবং ১০ম পতি যদি তুঙ্গী হয়ে কোন কুণ্ডলীতে অবস্থান করে, তা হলে জয় যোগ হয়।
ফল - সুখী, শত্রুজয়ী, প্রায় সব কাজে সফল এবং দীর্ঘজীবী।

৬ষ্ঠ স্থান এবং ৬ষ্ঠপতি বাধা বিপত্তির কারণ। এই স্থান শত্রুতা, রোগ, মামলা মোকদ্দমা ইত্যাদির সূচনা করে। ৬ষ্ঠ পতি দুর্বল হলে এগুলি জাতকের খুব ক্ষতি করতে পারে না। পক্ষান্তরে ১০ম স্থান এবং ১০ম পতির অবস্থা থেকে কর্মক্ষেত্র, জীবিকা, সম্মান ইত্যাদির বিচার হয়। ১০ম পতি তুঙ্গী হলে ( অবশ্যই কোন অশুভ প্রভাব থাকা চলবে না ) এ সব থেকে সফলতা আশা করা যায়; অতএব এই যোগের ফল ফলবার সম্ভাবনা সমধিক। তবে সঠিক ফল পেতে হলে যোগকারক গ্রহের বল বিচার অবশ্যই করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ ১৪(৭) কুণ্ডলীটি দেখান হল।

(৯) ভেসি যোগ ( vesi yog ) - রবির ২য়ে চন্দ্র, রাহু ও কেতু ছাড়া অন্য গ্রহ থাকলে এই যোগ হয়।
ফল - ভাগ্যবান, সুখী, ধার্মিক, বিখ্যাত ও সম্ভ্রান্ত
যদি ২য়ে শুভ গ্রহ থাকে তবে শুভ ভেসি যোগ ও পাপগ্রহ থাকলে পাপ ভেসি যোগ হয়। পাপ ভেসি যোগ হলে ফল অবশ্যই উপরে লিখিত ফলের সঙ্গে মিলবে না, ফল হবে বীপরিত। ফল কতটা ফলবে সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে রবি ও ২য়ে অবস্থিত গ্রহের বলের উপর। ধরা যাক একটি ছকে লগ্ন কর্কট। ২য় পতি রবি ১০মে মেষ রাশিতে তুঙ্গী এবং রবির ২য়ে বৃষ রাশিতে শুক্র ( ৪র্থ ও ১১শ পতি ) স্বক্ষেত্রে অবস্থিত। এখানে রবি ও শুক্র অত্যন্ত বলশালী হওয়ায় ভেসি যোগের ফল অত্যন্ত জোরাল হবে। তবে ফল হবে কিন্তু রবি ও শুক্রের দশা অন্তর্দশায়। এই বার কর্কট লগ্নের ছকটিতে যদি রবি তুলা রাশিতে নীচস্থ থাকে এবং ২য়ে বৃশ্চিক রাশিতে শুক্র থাকে তা হলে ফল নিশ্চয়ই এক রকম হবে না।

(১০). ভাসি যোগ ( vasi yog ) - রবির ১২শে চন্দ্র, রাহু ও কেতু ছাড়া অন্য গ্রহ থাকলে এই যোগ হয়।
ফল - সুখী, প্রতিষ্ঠিত, শাসক শ্রেণীর প্রিয়।
ভেসি যোগের মত এখানেও শুভ ভাসি ও পাপ ভাসি যোগ হবে। বিচারও একই ভাবে করতে হবে।

(১১). অমলা যোগ - লগ্ন বা চন্দ্র থেকে ১০মে শুভ গ্রহ অবস্থিত হলে এই যোগ হয়।
ফল - স্থায়ী নাম, যশ, খ্যাতি, নিষ্কলঙ্ক চরিত্রের অধিকারী।
অন্যান্য যোগের মত এখানেও ফলের গভীরতা নির্ভর করবে ১০মে স্থিত গ্রহের বলের উপর।
যে কোন কুণ্ডলীতে ১০ম হল সব চেয়ে শক্তিশালী কেন্দ্র; সেখানে জোরাল শুভ গ্রহের অবস্থান যে কোন জাতকের পক্ষে অত্যন্ত শুভ দায়ক হবে সেটা বলাই বাহুল

(১২) দেহসৌখ‍্যযোগ
লঙ্গপতি,বৃহস্পতি বা শুক্র যদি লঙ্গের কেন্দ্র স্হানে অবস্হিত হয় তবে দেহসৌখ‍্যযোগ সূচিত হয়।
ফলাফল:
এইরুপ জাতক দীর্ঘায়ু, ধনবান, সুসাস্থের অধিকারী ও রাজনৈতিক দিক থেকে সুবিধা লাভে সক্ষম হয়।
মন্তব্য:
জন্মকুন্ডলীতে লগ্নপতি,বৃহস্পতি ও শুক্র কেন্দ্রে অবস্থিত হলে এই যোগটি অত‍্যন্ত শুভ ও প্রবল বলে বলে বিবেচিত হবে।
যোগটি অত‍্যন্ত শুভযোগ যা খুব কম জন্মকুন্ডলীতে দৃষ্ট হয় ।

(১৩) বুধাদিত্য যোগ - রবির সঙ্গে বুধের যোগ হলেই এই যোগ হয়। যে কোন গ্রহ রবির ১৫ ডিগ্রির মধ্যে এলে অস্তগত (combust) হয় এবং গ্রহটি দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু বুধের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম রয়েছে। রবির থেকে বুধের দূরত্ব ১০ ডিগ্রির কম হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। যেহেতু বুধ রবির খুব কাছে থেকেই আবর্তিত হয় তাই এই যোগ খুবই সহজ লভ্য।
ফল - অত্যন্ত বুদ্ধিমান, সম্মানিত ও সুনামের অধিকারী। বুধ এবং রবি একই সঙ্গে অবস্থিত হলেই যে ফল ভাল হবে তা নয়। এই যোগ যথাযথ ফল দেবে যদি রবি ও বুধের বল যথেষ্ট হয়। মনে রাখতে হবে বুধ অগ্নি ও বায়ু রাশিতে সব চেয়ে বেশী নিজেকে প্রকাশ করে। অনেকের মতে এই যোগ বেশী ফলদায়ক হবে যদি বুধ ও রবি মেষ, মিথুন, সিংহ বা কন্যা রাশিতে সংযুক্ত হয়। মেষ রবির তুঙ্গী ক্ষেত্র, মিথুন বুধের স্ব্ক্ষেত্র, সিংহ রবির স্বক্ষেত্র এবং কন্যা বুধের স্বক্ষেত্র ও তুঙ্গীক্ষেত্র। কন্যা যদিও পৃথ্বীরাশি, তবুও বুধের স্বক্ষেত্র ও মূলত্রিকোন বলে এই রাশিতে ভাল ফল দিতে পারে। তবে অধিকাংশই নির্ভর করবে বুধের শক্তির উপর। সেই জন্যই গ্রহের বল নির্ণয় খুব প্রয়োজন। নির্দ্দিষ্ট জন্মকুণ্ডলী বিশ্লেষণের সময় এ সম্বন্ধে আরও আলোকপাত করা যাবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই যোগ মেষ রাশিতে, বঙ্কিমচন্দ্র ও শরৎচন্দ্রের ক্ষেত্রে এই যোগ যথাক্রমে মিথুন ও কন্যা রাশিতে ছিল।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190904134822

Wednesday, September 4th, 2019

Astro Research Centre

মানব জীবনে শ্রী যোগ, চন্দ্র মঙ্গল যোগ , কালসর্প যোগ, সম্পদবৃদ্ধি যোগ, শুভ যোগ,অশুভ যোগ, গুরু সৌরি যোগ, শ্রী যোগ বা মহালক্ষী যোগ, বৃহস্পতি মঙ্গল যোগ

মানব জীবনে শ্রী যোগ, চন্দ্র মঙ্গল  যোগ , কালসর্প  যোগ,  সম্পদবৃদ্ধি যোগ, শুভ যোগ,অশুভ যোগ,  গুরু সৌরি যোগ, শ্রী যোগ বা মহালক্ষী যোগ, বৃহস্পতি মঙ্গল যোগ

মানব জীবনে কমলা যোগ, চন্দ্র অঙ্গার যোগ সম্পদবৃদ্ধি যোগ, অতিশুভ যোগ, গুরু সৌরি যোগ, শ্রী যোগ
মহালক্ষী যোগ, বৃহস্পতি মঙ্গল যোগ

১)ধন ঐশ্বর্যের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সমাজে প্রতিষ্ঠা, সম্মান, ক্ষমতা, সুখ, শান্তি এবং জীবনে সমস্ত প্রকারের সুখ বিলাসিতা ভোগ করতে পারেন।
রাশিচক্রে ত্রিকোণ ভাবগুলি লক্ষ্মী দেবীর বাসস্থান এবং পঞ্চম ও নবম-পতির বিত্ত প্রদান করার বিশেষ ক্ষমতা আছে। লগ্নপতি অর্থাৎ আপনার লগ্ন রাশির অধিপতি ত্রিকোণে অর্থাৎ লগ্ন ভাবে বা পঞ্চম ভাবে বা নবম ভাবে যদি অবস্থান করে এবং তার সঙ্গে একাদশপতি অর্থাৎ আয়পতির দৃষ্টি যদি ধন স্থানে থাকে এবং দ্বিতীয়ে কোনও শুভ গ্রহের দৃষ্টি থাকলে লক্ষ্মী যোগ বা ধন যোগ যোগের সৃষ্টি হয়। তবে মনে রাখতে হবে উক্ত গ্রহগুলির বলাবলের ওপর শুভ ফলের তারতম্য হয়ে থাকে।

২)জ্যোতিষ-মতে, লক্ষ্মী যোগ খুব সাধারণ ব্যাপার নয়। মঙ্গল ও চন্দ্রের সহাবস্থানও এই যোগকে সূচিত করতে পারে।• জাতকের কোষ্ঠীতে যদি দ্বিতীয় ঘরের অধিপতি গ্রহ একাদশে এবং একাদশের অধিপতি গ্রহ দ্বিতীয়ে অবস্থান করে, তা হলে লক্ষ্মী যোগ সূচিত হয়।• যদি দ্বিতীয়ের অধিপতি গ্রহ এবং একাদশের অধিপতি নবম ঘরের অধিপতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে, তবে লক্ষ্মী যোগের সম্ভাবনা প্রবল।• কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থানও এই প্রসঙ্গে যথেষ্ট গ্ৰহনযোগ‍্য।দ্ধিতীয় ঘরে শুক্রের অবস্থান কোন পাপগ্ৰহ ছাড়া ,জাতকের ধনভাগ‍্য তুমূল করে তোলে।

এ বার দেখে যাক এই যোগ থাকলে জাতকের জীবনে ঠিক কী কী হয়—

১) এই শুভ লক্ষ্মী যোগ বা ধন যোগ থাকলে জাতক জীবনে অত্যন্ত ভাগ্যবান ও প্রতিভাবান হন। তা ছাড়া প্রচুর অর্থ ও সম্পদের অধিকারী হন।

২) যে কোনও কাজে এঁরা নিজের প্রতিভা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হন এবং সব কাজে দক্ষ হন।

৩) এঁরা এতটাই ভাগ্যবান হন যে, যে কোনও ভাবে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হতে পারেন।

৪) শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও এঁদের নাম যশ ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। নানা রকম কাজে পারদর্শী হন।

৫) এঁরা খুব বাকপটু। এর ফলে অন্যরা এঁদের কথায় খুব তাড়াতাড়ি মুগ্ধ হয়ে যান। কথার দ্বারা সকলের মন জয় করতে পারেন এঁরা। তা ছাড়া কথার মাধ্যমে যে কোনও কঠিন কাজ সরল ভাবে করে ফেলতে সক্ষম এঁরা।

৬)এরা অনেক বাঞ্ছিত গুনের অধিকরী,সৎচরিত্রের হয় ও খুব পরকারী হয়।

৭)এরা অত্যন্ত ক্রোধী ও জেদী হয়,অন‍্যায়ের সঙ্গে আপস না করে চলা এদের পছন্দ।

বিভিন্ন রাশির জাতকের ধনভাগ্য কেমন ?

জ্যোতিষ শাস্ত্র—মেষ— পঞ্চম ঘরে মঙ্গল, শনি এবং বৃহস্পতি থাকায় ভনাগম মন্দ নয়।বৃষ— দ্বিতীয় ঘরে শনি-মঙ্গলের অবস্থানহেতু এঁদের ধনাগম আকস্মিক।মিথুন— বুধ ও শনি নবম ঘরে তাদের স্থান পরিবর্তন করে, ফলে ধনাগম যথেষ্ট। এতে চন্দ্র যোগ দিলে সোনায় সোহাগা। পিতৃধন লাভ নিশ্চিত।কর্কট— দ্বিতীয় বা দ্বাদশ ঘরে শুক্র অবস্থান করায় এবং বৃহস্পতি কেতুর সঙ্গে স্থান বিনিময় করায় ধন ও খ্যাতি— দুই-ই লাভ হয়।সিংহ— চতুর্থ ঘরে মঙ্গল থাকলে এবং শুক্র সহেয় হলে ধনাগম রীতিমতো ভাল। ব্যাবসায় শুভ।কন্যা— দ্বিতীয়ে কেতু এবং শুক্র অবস্থান করলে আকস্মিক ধনলাভ। সম্পত্তি ক্রয়ের যোগও থাকে।তুলা— শুক্র ও কেতুর দশায় অর্থাগম হয়। কিন্তু খরচও মন্দ নয়।বৃশ্চিক— বুধ ও বৃহস্পতির প্রবাবে কোটিপতি হওয়ার যোগ থাকে এঁদের।চন্দ্র যোগ দিলে সেই সঙ্গে উদিত হয় অন্য ভাগ্যও।ধনু— অষ্টমে চন্দ্র থাকলে শুভ। রবি-কেতু-বৃহস্পতির প্রভাবেও অর্থাগম হয়।মকর— চন্দ্র সহায় থাকলে বিপুল ধনলাভ। লগ্নে তুলা থাকলে কোটিপতি হওয়ার সম্ভাবনা।কুম্ভ— দশমে চন্দ্র ও শনির স্থান বিনিময়ে লাভের সম্ভাবনা। ষষ্ঠে বুধ অবস্থান করলেও শুভ। অর্থের সঙ্গে খ্যাতি উপরি পাওনা।মীন— দ্বিতীয়ে চন্দ্র এবং পঞ্চমে বুধ থাকলে অর্থাগম নিয়মিত। ষষ্ঠে বৃহস্পতি থাকলে বিপুল ধনাগম।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190904114652

Monday, September 2nd, 2019

Astro Research Centre

পুরাণে গণেশ উপাখ্যান ,গণেশ দিব্ব্য মন্ত্র ,গজানন, লম্বোদর, সিদ্ধিদাতা, দ্বৈমাতুর,grha pratikar, বাহন ইঁদুর ,শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী. রামায়ণমহাভারত এ গণেশ মহাভারত

পুরাণে গণেশ উপাখ্যান ,গণেশ দিব্ব্য মন্ত্র ,গজানন, লম্বোদর,  সিদ্ধিদাতা, দ্বৈমাতুর,grha pratikar, বাহন ইঁদুর ,শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী.  রামায়ণমহাভারত এ গণেশ  মহাভারত

পুরাণে গণেশ উপাখ্যান ,গণেশ দিব্ব্য মন্ত্র ,গজানন, লম্বোদর, সিদ্ধিদাতা, দ্বৈমাতুর,grha pratikar, বাহন ইঁদুর ,শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী. ARC

সিদ্ধিদাতা গণেশ
গণেশ হলেন দেবতাদের মধ্যে অন্যতম দেবতা। শিব ও পার্বতীর পুত্র গণেশ সিদ্ধিদাতা হিসেবে বিশেষভাবে পূজিত হন। তিনি খর্বাকৃতি, ত্রিনয়ন, চতুর্ভুজ এবং হস্তিমস্তক। শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী গণেশের বাহন হচ্ছে ইঁদুর। গণেশ মঙ্গল ও সিদ্ধির জনক বলে সব দেবতার আগে পূজিত হন। হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে তিনি গণপতি, বিনায়ক, গজানন, লম্বোদর, সিদ্ধিদাতা, দ্বৈমাতুর, পিল্লাইয়ার, বিঘ্নেশ্বর, গণাধিপ, একদন্ত ইত্যাদি নামে পরিচিত। গণেশ তাঁর বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের জন্য প্রসিদ্ধ। তাঁর হাতির মাথাটিই তাঁকে সর্বাধিক পরিচিতি দান করেছে। অক্ষর ও জ্ঞানের দেবতা রূপে লেখার শুরুতে গণেশকে আবাহন করা হয়। বিভিন্ন শুভকার্য, উৎসব ও অনুষ্ঠানের শুরুতে তাঁর পূজা করা হয়। সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে গণেশ পূজার প্রচলন রয়েছে। জৈন ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যেও গণেশ ভক্তিবাদ মিশে গিয়ে গণেশ পূজার প্রথা বিস্তার লাভ করেছে। ভারত, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে গণেশের মন্দির ও মূর্তি রয়েছে । বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে গণেশ-সংক্রান্ত একাধিক পৌরাণিক উপাখ্যান পাওয়া যায়। এই উপাখ্যানগুলি থেকে গণেশের জন্মবৃত্তান্ত, লীলাকথা ও তাঁর স্বতন্ত্র মূর্তিতত্ত্বের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। গণেশ-সংক্রান্ত প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলি হল গণেশপুরাণ, মুদ্গলপুরাণ ও গণপতি অথর্বশীর্ষ।

গণেশ পূজা মন্ত্র :

একদন্তং মহাকায়ং লম্বোদর গজাননম।
বিঘ্নবিনাশকং দেবং হেরম্বং পনমাম্যহম।।.
অর্থাৎ, “যিনি একদন্ত, মহাকায়, লম্বোদর, গজানন এবং বিঘ্ননাশকারী সেই হেরম্বদেবকে আমি প্রণাম করি।

ধ্যান মন্ত্র –

ওঁ খর্বং স্থূলতনুং গজেন্দ্রবদনং লম্বোদরং সুন্দরং
প্রস্যন্দম্মদগন্ধলুব্ধ মধুপব্যালোলগন্ডস্থলম্ ।
দন্তাঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরং ,
বন্দেশৈল সুতাসুতং গণপতিং সিদ্ধিপ্রদং কামদম্ ।।
.
মন্ত্রঃ – ওঁ গাং গণেশায় নমঃ ।
.
অর্থাৎ, “যিনি খর্বাকৃতি, স্থূলশরীর, লম্বোদর, গজেন্দ্রবদন অথচ সুন্দর; বদন হইতে নিঃসৃত মদগন্ধে প্রলুব্ধ ভ্রমরসমূহের দ্বারা যাঁহার গণ্ডস্থল ব্যাকুলিত; যিনি দন্তাঘাতে শত্রুর দেহ বিদারিত করিয়া তাহার দন্ত দ্বারা নিজ দেহে সিন্দূরের শোভা ধারণ করিয়াছেন; সেই পার্বতীপুত্র সিদ্ধিদাতা গণপতিকে বন্দনা করি।

পৌরাণিক উপাখ্যান : জন্মকথা

সিদ্ধিদাতা গনেশ

শিবপুরাণ – শিবপুরাণ উপাখ্যান অনুসারে, পার্বতী একদিন নন্দীকে দ্বারী নিযুক্ত করে স্নান করতে যান। এমন সময় শিব সেখানে উপস্থিত হন, তিনি নন্দীকে তিরষ্কার করে পার্বতীর স্নানাগারে প্রবেশ করেন। এতে পার্বতী অপমানিত ও ক্ষুব্ধ হন। অবশেষে সখী জয়া ও বিজয়ার সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি জল থেকে পাঁক তুলে একটি সুন্দর পুত্রের মূর্তি নির্মাণ করেন এবং সেই মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর একদিন এই কুমারকে বিশ্বস্ত অনুচর দ্বারী নিয়োগ করে পার্বতী স্নানে গমন করলে তখন শিব তথায় উপস্থিত হন। কুমার শিবকে যেতে বাধা দেন। এতে প্রথমে প্রমথগণের সঙ্গে তার বিবাদ ও পরে পার্বতীর ইঙ্গিতে যুদ্ধ হয়। প্রমথগণ, শিব ও সকল দেবতা এই যুদ্ধে পরাজিত হন। তখন নারদের পরামর্শে বিষ্ণু কুমারকে মোহাচ্ছন্ন করেন ও শিব শূলের দ্বারা তাঁর মস্তক ছিন্ন করেন। এই সংবাদ শুনে পার্বতী ক্রুদ্ধ হয়ে বিশ্বসৃষ্টি বিনষ্ট করতে উদ্যোগী হন। নারদ ও দেবগণ তাঁকে শান্ত করেন। পার্বতী তাঁর পুত্রের পুনর্জীবন দাবি করেন এবং ইচ্ছা প্রকাশ করেন যেন এই পুত্র সকলের পূজ্য হয়। কিন্তু কুমারের ছিন্ন মুণ্ডটি তখন আর পাওয়া গেল না। শিব তখন প্রমথগণকে উত্তরমুখে প্রেরণ করেন এবং যাকে প্রথমে দেখা যাবে তারই মস্তক নিয়ে আসতে বলেন। তারা একটি একদন্ত হস্তিমুণ্ড নিয়ে উপস্থিত হন এবং দেবগণ এই হস্তিমুণ্ডের সাহায্যেই তাঁকে জীবিত করেন। অনন্তর শিব তাঁকে নিজপুত্র রূপে স্বীকার করেন। দেবগণের আশীর্বাদে এই কুমার সকলের পূজ্য হন ও গণেশ নামে আখ্যাত হন।

স্কন্দপুরাণ – স্কন্দপুরাণ মতে গণেশের জন্ম বিষয়ে একাধিক উপাখ্যান বর্ণিত হয়েছে। এই পুরাণের গণেশ খণ্ডে আছে, সিন্দূর নামে এক দৈত্য পার্বতীর গর্ভে প্রবেশ করেন এবং গণেশের মস্তক ছিন্ন করেন। কিন্তু এতে শিশুটির মৃত্যু ঘটে না, বরং সে মুণ্ডহীন অবস্থাতেই ভূমিষ্ট হয়। জন্মের পরে, নারদ এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে গণেশ তাঁকে ঘটনাটি জানান। নারদ এরপর তাকে এর একটি বিহিত করতে বললে, সে নিজের তেজে গজাসুরের মস্তক ছিন্ন করে নিজের দেহে যুক্ত করেন। স্কন্দপুরাণ এর ব্রহ্মখণ্ডে আছে, পার্বতী নিজের গাত্রমল থেকে একটি সুন্দর ও পূর্ণাঙ্গ পুতুল নির্মাণ করে তাতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর পার্বতী তাঁকে নিজের স্নানাগারের দ্বাররক্ষকের দায়িত্ব অর্পণ করেন। শিব স্নানাগারে প্রবেশ করতে গেলে বালক কুমার তাঁকে বাধা দেন। শিবের সঙ্গে তাঁর যুদ্ধ হয় এবং শিব ত্রিশূলে তাঁর মস্তক ছিন্ন করেন।এরপর গজাসুরকে সামনে পেয়ে শিব তার মস্তক ছিন্ন করেন তার মস্তক কুমারের স্কন্ধে যুক্ত করেন।
স্কন্দপুরাণ এর অর্বুদ খণ্ডে বলা হয়েছে, পার্বতী গাত্রমল দিয়ে একটি মুণ্ডহীন পুতুল তৈরি করেন। তারপর স্কন্দকে বলেন, পুতুলটির মাথা তৈরির জন্য একতাল কাদা আনতে, এই পুতুল হবে তাঁর ভাই। স্কন্দ কাদা না পেয়ে একটি হাতির মাথা কেটে আনেন। পার্বতী আপত্তি করলেও দৈবযোগে এই মুণ্ডটিই পুতুলের স্কন্ধে যুক্ত হয়ে যায়। এরপর শক্তিরূপিনী পার্বতী পুতুলটির জীবনদান করেন। গজমুণ্ডযুক্ত পুতুলের দেহে এক বিশেষ নায়কের ভাব ফুটে ওঠে। এই কারণে শিবের বরে ইনি ‘মহাবিনায়ক’ নামে পরিচিত হন। শিব বলেন, এই কুমার গণাধিপতি হবে এবং সকল কাজের আগে এঁর পূজা না করলে কার্যসিদ্ধি হবে না। স্কন্দ এঁকে অস্ত্র কুঠার দান করেন, পার্বতী দেন মোদকপূর্ণ সুগন্ধযুক্ত ভোজনপাত্র। মোদকের গন্ধে ইঁদুর এঁর বাহন হয়।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ – ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে, শঙ্খ চক্র গদ পদ্মধারী কৃষ্ণকে দেখে মুগ্ধ হয়ে পার্বতী অনুরূপ একটি পুত্রকামনা করেন। কৃষ্ণও তাঁকে ইচ্ছাপূরণের বর দেন। এরপর একদিন যখন শিব-পার্বতী স্বগৃহে ক্রীড়ারত ছিলেন, সেই সময় কৃষ্ণ বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের বেশে ভিক্ষা চাইতে আসেন। পার্বতী তাঁকে ভিক্ষা দিতে গেলে শিবের বীর্য পতিত হয় এবং বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ অন্তর্হিত হয়ে কৃষ্ণ শিশুর বেশে পালঙ্কে আবির্ভূত হন। পার্বতী তখন পালঙ্কে ‘শতচন্দ্রসমপ্রভম্’ এক শিশুকে শয্যায় দেখতে পেয়ে আনন্দিত হন। এরপর দেবতা এবং ঋষিগণ কুমারকে দেখতে শিবের ভবনে আসেন। শনি দেবও সেখানে উপস্থিত হন। পার্বতী শনিকে কুমার এর কাছে নিয়ে যেতে চাইলেন। শনি নিজের কুদৃষ্টির কথা পার্বতীকে অনেকবার জানালেন। পার্বতী তবু তাঁকে পীড়াপীড়ি করলে তিনি কুমারকে দেখতে সম্মত হন। কিন্তু শনি সভয়ে বাঁ চোখের কোণ দিয়ে কুমারকে দেখামাত্র তার মস্তক ছিন্ন হয়ে বৈকুণ্ঠে কৃষ্ণের দেহে গিয়ে মেশে যায়। পার্বতী শোকে মুর্ছিত হয়ে পড়েন। তখন বিষ্ণু গরুড়ে আরোহণ করে পুষ্পভদ্রা নদীর তীরে এসে উত্তরদিকে মাথা করে শুয়ে থাকা এক হাতিকে দেখেন। তার মস্তক ছিন্ন করলে হস্তিনী ও তার শাবকেরা কাঁদতে কাঁদতে বিষ্ণুর স্তব করতে থাকেন। তখন বিষ্ণু ঐ মুণ্ডটি থেকে দুটি মুণ্ড তৈরি করে একটি হাতির স্কন্ধে এবং অপরটি গণেশের স্কন্ধে স্থাপন করে উভয়কেই জীবিত করেন। শিবের অনুগ্রহে গণেশ সকল দেবতার অগ্রে পূজিত হবার অধিকার প্রাপ্ত হন। পার্বতী ও শিবের বরে গণেশ গণাধিপতি, বিঘ্নেশ্বর ও সর্বসিদ্ধিদাতা হন।
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উল্লিখিত আরেকটি মতে, মালী ও সুমালী নামে দুই শিবভক্ত সূর্যকে ত্রিশূল দ্বারা আঘাত করেন। এতে সূর্য অচৈতন্য হয়ে পড়লে বিশ্ব অন্ধকার হয়ে যায়। সূর্যের পিতা কশ্যপ শিবকে অভিশাপ দেন যে একদিন শিবের পুত্রের মাথাও খসে যাবে। এই জন্য গণেশ মুণ্ডহীন হন ও ইন্দ্রে ঐরাবতের মাথা এনে তাঁর মস্তকে জুড়ে দেওয়া হয়।

বৃহদ্ধর্মপুরাণ – বৃহদ্ধর্মপুরাণ মতে, পার্বতী পুত্রলাভে ইচ্ছুক হলে শিব অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। অগত্যা পার্বতীর পীড়াপীড়িতে শিব পার্বতীর বস্ত্র টেনে সেটিকেই পুত্রজ্ঞানে চুম্বন করতে বলেন। পার্বতী সেই বস্ত্রকে পুত্রের আকার দিয়ে কোলে নিতেই সেটি জীবিত হয়ে ওঠে। তখন শিব পুত্রকে কোলে নিয়ে বলেন, এই পুত্র স্বল্পায়ু। উত্তরদিকে মাথা করে শায়িত এই শিশুর মস্তকও তৎক্ষণাৎ ছিন্ন হয়ে যায়। পার্বতী শোকাকুল হন। এমন সময় দৈববাণী হয় যে উত্তরদিকে মাথা করে শুয়ে আছে এমন কারোর মাথা এনে জুড়ে দিলে তবেই এই পুত্র বাঁচবে। পার্বতী তখন নন্দীকে মস্তকের সন্ধানে পাঠান। নন্দী ইন্দ্রের বাহন ঐরাবতের মাথা কেটে আনেন। দেবতারা বাধা দিয়েও ব্যর্থ হন। এই মাথাটি জুড়ে শিব পুত্রকে জীবিত করেন। শিবের বরে, ইন্দ্র ঐরাবতকে সমুদ্রে ফেলে দিলে সে আবার মস্তক প্রাপ্ত হয়।

বরাহপুরাণ – বরাহপুরাণ মতে, দেব ও ঋষিগণ রুদ্রের নিকটে বিঘ্নোপসারণকারী এক নতুন দেবতা চাইলে হাস্যময় শিবের সম্মুখস্থ আকাশে শিবের গণ যুক্ত একটি কুমারের জন্ম হয়। এই শিশুর রূপে দেবগণ, এমনকি স্বয়ং পার্বতী মুগ্ধ হয়ে গেলেন। কিন্তু শিব ক্রুদ্ধ হলেন ও অভিশাপ দিলেন যে এই কুমারের গজমুখ, লম্বোদর ও নাগ উপবীত হবে। এই ক্রুদ্ধ হবার সময় শিবের পদনিঃসৃত ঘাম থেকে অসংখ্য গজমুখ বিনায়ক গণ জন্ম নিলেন। কুমার গণেশ হলেন এঁদের অধিপতি। এখানে কুমার গণেশ ও গণেরা বিঘ্নকর ও গজাস্য বলে উল্লিখিত।

মৎসপুরাণ – মৎস্যপুরাণ মতে, পার্বতী চূর্ণক বা বেসম দিয়ে নিজের গাত্রমার্জনা করছিলেন। সেই সময় এই চূর্ণক দিয়ে একটি গজানন মূর্তি নির্মাণ করে তা গঙ্গাজলে ফেলে দেন। গজানন মূর্তিটি বিরাট হয়ে পৃথিবী পূর্ণ করতে উদ্যত হলে পার্বতী ও গঙ্গা একে পুত্র সম্বোধন করেন এবং ব্রহ্মা একে গণাধিপতি করে দেন।

বামনপুরাণ – বামনপুরাণ মতে, পার্বতী স্নানের সময় নিজের গাত্রমল দিয়ে চতুর্ভূজ গজানন মূর্তি নির্মাণ করলে মহাদেব তাকে পুত্ররূপে গ্রহণ করেন। বলেন, যেহেতু “ময়া নায়কেন বিনা জাতঃ পুত্রকঃ” (আমাকে ছাড়াই পুত্রের জন্ম হয়েছে) সেহেতু এ বিনায়ক নামে প্রসিদ্ধ হবে এবং বিঘ্ননাশকারী হবে।

পদ্মপুরাণ – পদ্মপুরাণ মতে, হরপার্বতী ঐরাবতের বেশে বনে বিহার করছিলেন, তাঁদের সেই মিলনের ফলে গজমুণ্ড গণেশের জন্ম হয়।

লিঙ্গপুরাণ – লিঙ্গপুরাণ মতে, দেবগণ শিবের নিকট উপস্থিত হন ও ব্রহ্মা অসুরদের হাত থেকে নিরাপত্তা চান। দেবগণকে রক্ষার জন্য শিব তখন নিজ দেহ থেকে গণেশের জন্ম দেন।

দেবীপুরাণ – দেবীপুরাণ মতে, শিবের রাজসিক ভাব দেখা দিলে তাঁর দুই হাত ঘামতে থাকে এবং সেই ঘাম থেকে গজাননের জন্ম হয়।

অন্যান্য উপাখ্যান
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ – ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুযায়ী, পরশুরাম একুশবার পৃথিবী নিঃক্ষত্রিয় করে কৈলাসে শিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে, দ্বাররক্ষক গণেশ তাঁকে বাধা দেন। ফলে উভয়ের মধ্যে ভয়ানক যুদ্ধ হয়। পরশুরাম কুঠারের আঘাতে গণেশের একটি দাঁত সমূলে উৎপাটিত করেন।

শিবপুরাণ – শিবপুরাণ অনুসারে, গণেশ ও কার্তিকেয় বিবাহের জন্য পীড়াপীড়ি করছিলেন। তখন স্থির হয়, উভয়ের মধ্যে যে আগে বিশ্বপরিক্রমা করে আসতে পারবে তার বিবাহ আগে হবে। কার্তিক ময়ূরে আরোহণ করে বিশ্বপরিক্রমায় বের হন কিন্তু গণেশ শিব ও পার্বতীকে সাতবার প্রদক্ষিণ করে বলেন, শাস্ত্রমতে তিনি শতবার বিশ্বপরিক্রমা করলেন। এরপর বিশ্বরূপের দুই কন্যা সিদ্ধি ও বুদ্ধির সঙ্গে গণেশের বিবাহ হয়। সিদ্ধির পুত্র হয় লক্ষ্য ও বুদ্ধির পুত্র লাভ। কার্তিক নারদের কাছ থেকে বিবাহের সংবাদ পেয়ে ফিরে আসেন এবং মনের দুঃখে ক্রৌঞ্চ পর্বতে গিয়ে বাস করতে থাকেন। অন্য একটি মতে, তুলসী নামে এক নারী গণেশকে বিবাহ করতে চাইলে ব্রহ্মচর্যব্রতী গণেশ অসম্মত হন। তিনি তুলসীর চিত্ত বৈকল্যের জন্য তাকে শাপ দেন দানবপত্নী হওয়ার। তুলসীও তাকে শাপ দেন। ফলে পুষ্টি নামে এক নারীকে গণেশ বিবাহ করতে বাধ্য হন।

ব্যাসদেব ও গণেশ

মহাভারত – মহাভারত মতে, কৌরব ও পাণ্ডবদের মৃত্যু হলে ব্যাস ধ্যানে বসেন। মহাভারতের সমস্ত ঘটনা তাঁর মনের মধ্যে ফুটে ওঠে। তখন এই সুবিশাল গ্রন্থ লিপিবদ্ধ করার জন্য উপযুক্ত লিপিকারের খোঁজে তিনি ব্রহ্মার নিকট যান। ব্রহ্মা তাঁকে গণেশের কাছে যেতে বলেন। গণেশ মহাভারত লিখতে সম্মত হন বটে, কিন্তু শর্তারোপ করেন, লিখতে লিখতে তাঁর কলম থামতে দেওয়া চলবে না। ব্যাসও পাল্টা শর্তারোপ করেন, কোনও শ্লোকের অর্থ না বুঝে তিনি লিখতে পারবেন না। এইজন্য ব্যাস মহাভারতে ৮৮০০ কূটশ্লোক অন্তর্ভুক্ত করেন, যেন এই শ্লোকগুলির অর্থ অনুধাবন করতে গণেশের বেশকিছুটা সময় লাগে এবং সেই অবসরে তিনি আরও কতকগুলি শ্লোক রচনা করে ফেলেন।

তন্ত্র – তন্ত্রমতে লক্ষ্মী ও সরস্বতী গণেশের স্ত্রী। এছাড়াও তীব্রা, জ্বালিনী, নন্দা, সুভোগদা, কামরূপিনী, উগ্রা, তেজোবতী, সত্যা ও বিঘ্ননাশিনী নামে তাঁর নয়জন শক্তির কথাও জানা যায়।

গণেশ চতুর্থী
ভাদ্র ও মাঘমাসের শুক্লাচতুর্থীকে গণেশ চতুর্থী বলা হয়। হিন্দু বিশ্বাসে এই দিনটি গণেশের জন্মদিন। গণেশ চতুর্থী সংক্রান্ত একটি কিংবদন্তী হিন্দুসমাজে প্রচলিত, একবার গণেশ চতুর্থীতে প্রতি বাড়িতে মোদক ভক্ষণ করে ভরা পেটে ইঁদুরে চেপে ফিরছিলেন গণেশ। পথে ইঁদুরের সামনে একটি সাপ এসে পড়লে সে ভয়ে কাঁপতে শুরু করে। এতে গণেশ পড়ে যান এবং তাঁর পেট ফেটে সব মোদক রাস্তায় পড়ে যায়। গণেশ উঠে সেগুলি কুড়িয়ে পেটের মধ্যে পুরে পেটের ফাটা জায়গাটি ঐ সাপ দিয়ে বেঁধে দেন। আকাশ থেকে চন্দ্র তা দেখে হেসে ফেলেন। তাই গণেশ শাপ দেন যে চতুর্থীর দিন চাঁদ কেউ দেখবে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গণেশ অত্যন্ত মোদকপ্রিয় দেবতা। অন্যমতে, এই দিনে শিব গণেশকে লুকিয়ে কার্তিককে একটি ফল দিয়েছিলেন। চন্দ্র তা দেখে হেসে ফেলেন তখন শিব চন্দ্রকে অভিশাপ দেন।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190902132103

Sunday, September 1st, 2019

Astro Research Centre

পাশ্চাত্যে মতে রাহু কেতু গ্ৰহ নয়, গোচর, বৈদিক, Evil effect of Rahu ketu, Malefic planet, ARC

পাশ্চাত্যে মতে রাহু কেতু গ্ৰহ নয়, গোচর, বৈদিক,  Evil effect of Rahu ketu, Malefic planet, ARC

পাশ্চাত্যে মতে রাহু কেতু গ্ৰহ নয়, গোচর, বৈদিক,
Evil effect of Rahu ketu, Malefic planet, ARC

গোচরের সপ্তমে রাহু ও কেতুর অবস্থানের ফল দেখে নেওয়া যাক -

রাহু ও কেতু উভয়েই ক্রুর স্বভাবযুক্ত। সাধারণত এদেরকে অশুভ ও পাপগ্রহ বলে মনে করা হয়। কিন্তু ব্যবহারিক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ভাব রাশিতে নিজ নিজ স্থিত অনুসারে এই দুই গ্রহই শুভ বা অশুভ ফল প্রদান করে থাকে। রাহু বুধের রাশি মিথুন বা কন্যা, শুক্রের রাশি বৃষ ও তুলা এবং শনির রাশি মকর কুম্ভতে অবস্থান করলে এবং ভাব স্থিতি অনুকূল হলে, এরা নিজ দশা-অন্তর্দশা অনুসারে স্বাভাবিক গ্রহগুলির থেকেও বেশি শুভফল প্রদান করে। তবে বাস্তবে রাহু-কেতুর নিজস্ব কোনও ঘর নেই। এরা যে যে রাশিতে অবস্থান করে, সেই রাশির অধিপতি গ্রহের মতো আচরণ করে। যে গ্রহের নক্ষত্রে এরা জন্মের সময় সঞ্চরণ করেছে সেই নক্ষত্রের প্রকৃতি ও স্বভাব এরা আত্মস্থ করে।

দশম ভাবে রাহু ও কেতুর গোচর ফল দেখে নেওয়া যাক -

জাতকের জন্ম কোষ্ঠীতে রাহু লগ্ন, চন্দ্রলগ্ন থেকে এই ভাবে অবস্থান করে জাতক কৃপণ ও বিলাসী স্বভাবের হয়। কিন্তু এরা নিজের সন্তান, বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে ঝগড়া, অশান্তি করে থাকে। এই ভাবে রাহু স্থিত হলে শনির থেকেও বেশি প্রভাব বিস্তার করে। জাতক প্রচুর সম্পত্তির মালিক, বিখ্যাত ব্যক্তি ও ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করে থাকে।
রাহু গোচরে দশম ভাবে এলে জাতককে মানহানি, ধনহানি, কেলেঙ্কারিতে জড়ালেও একই সঙ্গে নতুন চাকরী, ব্যবসায়ে সাফল্য প্রদান করে। তবে গোচরকালীন সময়ে জাতককে একটি কথা অতি অবশ্যই মনে রাখা উচিত যে অধৈর্য হয়ে খারাপ পথের দিকে এগোলে চলবে না। কারণ তাহলে সঞ্চিত অর্থ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কেতু যদি জাতকের জন্ম সময়ে এই ভাবে অবস্থান করে, তবে জাতক পিতার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। পিতার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে গিয়ে মূর্খের মতো আচরণ করে। এরা চিন্তা ভাবনা করে কাজ করলে সুখ-সমৃদ্ধি-সম্পত্তির সুখ দেখে এবং চাকুরীতে উচ্চপদ লাভ করে এবং সম্মানের সঙ্গে কাজ করে।
দশম ভাবে কেতু গোচরে আসলে প্রথম দিকে জাতককে কার্যে অসফলতার মুখ দেখায়। এই সময় জাতক অসুস্থ হয়ে পড়ে, খিটখিটে মেজাজের হয় এবং এদের সম্পত্তি নষ্ট অথবা চুরি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শত্রু সংখ্যাও হঠাৎ করে বেড়ে যায়। তবে রাশির ১৫ ডিগ্রীতে সঞ্চরণকারী কেতু জাতককে শুভ ফল প্রদান করে। জাতকের যশ, সম্মান, প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়। এছাড়া অন্যান্য দিকেও সাফল্য অর্জন করে থাকে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190901133829

Sunday, September 1st, 2019

Astro Research Centre

নবগ্ৰহ (সূর্য্য আদি )বীজ মন্ত্র, গায়ত্রী, গ্ৰহশান্তি, দশমহাবিদ্যা, নবগ্রহ হোম, ARC LM নবগ্রহ স্তোত্র

নবগ্ৰহ (সূর্য্য আদি )বীজ মন্ত্র, গায়ত্রী, গ্ৰহশান্তি, দশমহাবিদ্যা, নবগ্রহ হোম, ARC LM নবগ্রহ  স্তোত্র

নবগ্ৰহ (সূর্য্য আদি )বীজ মন্ত্র, গায়ত্রী, গ্ৰহশান্তি, দশমহাবিদ্যা, নবগ্রহ হোম, ARC LM

ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্ ।
ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নম্ প্রণতোহশ্মি দিবাকরম্ ॥
দিব্যশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্নভসম্ভবম্ ।
নমামি শশীনং ভক্তা শম্ভোর্মুকুটভূষণম্ ॥
ধরণীগর্ভোসম্ভূতং বিদ্যূতপুঞ্জসমপ্রভম্ ।
কুমারং শক্তিহন্তস্চ লোহিতাঙ্গং প্রণম্যহং ॥
প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যমং রূপেনাপ্রতিমং বুধম ।
সৌম্যং সৌম্যগুণপেতং নমামি শশীনংসুতম্ ॥
দেবতানাংম্রিশিনান্চং গুরুং কনকসন্নিভং ।
বন্দে ভক্তা ত্রিলোকেশং ত্বং নমামি বৃহস্পতিম্ ॥
হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্ ।
সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণম্যহ্ ॥
নিলাঞ্জনংচয়প্রক্ষ্যং রবিসূতং মহাগ্রহম্ ।
ছায়ায়ং গর্ভসম্ভূতং বন্দেভক্তা শণৈশ্চরম ॥
অর্দ্ধকায়াং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম
সিংহিকায়া মহারৌদ্রং ত্বং রাহুং প্রণম্যহম্ ॥
পলাশধূমসংকাশং তারাগ্রহবির্মদকম ।
রৌদ্রং রৌদ্রত্বকং ঘোরং ত্বং কেতুং প্রণম্যহম্ ॥

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

মঙ্গল মন্ত্র -- ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ । জপ সংখ্যা-৮০০০ বার । দেবতা-বগলামুখী । ধূপ-দেবদারু । বার-মঙ্গলবার । প্রশস্ত-সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

বুধ মন্ত্র -- ওঁ ঐং স্ত্রীং শ্রীং বুধায়ঃ । জপ সংখ্যা-১০০০০ বার । দেবতা-ত্রিপুরাসুন্দরী । ধূপ-সঘৃত দেবদারু । বার-বুধবার । প্রশস্ত-বেলা ১২টা পর্যন্ত ।

বৃহস্পতি মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে । জপ সংখ্যা-১৯০০০ বার । দেবতা-তারা । ধূপ-দশাঙ্গ । বার-বৃহস্পতিবার । প্রশস্ত-বেলা ১২ পর্যন্ত ।

শুক্র মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং শুক্রায়ঃ । জপ সংখ্যা-২১০০০ বার । দেবতা-ইন্দ্র । ধূপ-গুগুল । বার-শুক্রবার । প্রশস্ত-সন্ধ্যাবেলা ।

শণি মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়ঃ । জপ সংখ্যা ১০০০০ বার । দেবতা-দক্ষিনাকালী । ধূপ-কৃষ্ণাগুরু ।বার শনিবার । প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

মহাশক্তির মন্ত্র ও ফল

মহাকালী মন্ত্র

মায়ের গায়ত্রী মন্ত্র

ওঁ কালিকায়ৈ বিদ্মহে শশ্মানবাসিন্যৈ ধীমহি তন্নো ঘোরে প্রচোদয়াৎ ……… (১০ বার জপ করুন)

জপের মন্ত্র

ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হ্রীং হ্রীং দক্ষিণ কালিকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হুং স্বাহা

বিধি
এটি মহাকালীর উগ্র মন্ত্র। বিন্ধ্যাচলের অষ্টভুজা পর্বতে ত্রিকোণে স্থিত কালী খোহে এই সাধনা করলে শীঘ্র ফল পাওয়া যাবে। শ্মশানেও এই সাধনা করা যেতে পারে। কিন্তু বাড়িতে করা উচিত নয়। জপ সংখ্যা ১১০০, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবশ্যই করা উচিত।

ফল
এর সাধনা করলে সুমঙ্গল, মোহন, মারণ উচ্চাটনাদি তন্ত্রোক ষড্কর্মের সিদ্ধি হয়।

তারা

ঊং হ্লীং আধারশক্তি তারায়ৈ পৃথ্বীয়াং নমঃ পূজয়ীতো অসি নমঃ।
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ ৩২ লক্ষ জপ। জপ শেষে যজ্ঞ করতে হয়।

ফল
সিদ্ধি প্রাপ্তির পর সাধক তর্কশক্তি, শাস্ত্র জ্ঞান, বুদ্ধি কৌশল ইত্যাদি লাভ করেন।

ভুবনেশ্বরী

হ্লীং

ফল
অমাবস্যায় একটি কাঠের ওপর এই মন্ত্র লিখে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে দেখালে প্রসবে কোনও সমস্যা হবে না। গলা পর্যন্ত জলে দাঁড়িয়ে জলে সূর্যমণ্ডলে দেখতে দেখতে তিন হাজার বার এই মন্ত্র জপ করলে সেই ব্যক্তি ইচ্ছানুসার কন্যা বরণ করতে পারে। অভিমন্ত্রিত অন্নের সেবন করলে লক্ষ্মীর বৃদ্ধি হয়। কমল ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে রাজার বশীকরণ হয়।

ত্রিপুর সুন্দরী

শ্রীং হ্লীং ক্লীং এং সৌঃ ঊং হ্লীং শ্রীং কএইলহ্লীং হসকহলহ্লীং সংকলহ্লীং সৌঃ এং ক্লীং হ্লীং শ্রীং

বিধি
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এক লক্ষ জপ আছে। জপ পশ্চাত্‍‌ ত্রিমধুর (ঘি, মধু, চিনি) মিশ্রিত কনেরের ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত।

ফল
কমল ফুলের যজ্ঞে ধন-সম্পত্তি প্রাপ্তি, দইয়ের যজ্ঞে উপদ্বর নাশ, লাজার যজ্ঞে রাজ্য প্রাপ্তি, কর্পুর, কুমকুম এবং কস্তুরির যজ্ঞে কামদেবের চেয়েও বেশি সৌন্দর্যের প্রাপ্তি হয়। আঙুরের যজ্ঞে বাঞ্চিত সিদ্ধি এবং তিল দিয়ে যজ্ঞ করলে সমস্ত ইচ্ছার পূর্তি হয়। আবার গুগুলের যজ্ঞে সমস্ত দুঃখের নাশ হয়।

ছিন্নমস্তা

ঊং শ্রীং হ্লীং হ্লীং বজ্র বৈরোচনীয়ে হ্লীং হ্লীং ফট্ স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ চার লক্ষ জপ। জপের ১০ শতাংশ যজ্ঞ পলাশ বা বিল্ব ফল দিয়ে করা উচিত। তিল এবং অক্ষতের যজ্ঞে সর্বজন বশীকরণ, সাদা কনেরের ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে রোগ মুক্তি, মালতী ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে বাচাসিদ্ধি এবং চম্পার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে সুখ-সমৃদ্ধির প্রাপ্তি হয়।

ধূমাবতী

ঊং ধূং ধূং ধূমাবতী স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এক লক্ষ জপ। এই জপের ১০ শতাংশ যজ্ঞ তিল মিশ্রিত ঘি দিয়ে করা উচিত। নিম পাতা এবং কাকের পালকে উক্ত মন্ত্র ১০৮ বার পড়ে দেবতার নাম নিয়ে ধুনো দেখালে শত্রুদের মধ্যে পরস্পর বিবাদ বাধে।

বগলামুখী

ঊং হ্লীং বগলামুখী সর্বদুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তংভয় জিহ্বাং কীলয় বুদ্ধিং বিনাশায় হ্লীং ঊং স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এর লক্ষ জপ। জপের পর চম্পা ফুল দিয়ে ১০ শতাংশ যজ্ঞ করা উচিত। এই সাধনায় হলুদ বর্ণের গুরুত্ব আছে। সমস্ত ইচ্ছার পূর্তির জন্য একা এক লক্ষ বার জপ করুন। মধু এবং চিনি যুক্ত তিল দিয়ে যজ্ঞ করলে বশীকরণ করা যায়।

মাতঙ্গী

ঊং হ্লীং এং শ্রীং নমো ভগবতি উচ্ছিষ্ট চান্ডালি শ্রীমাতঙ্গেশ্বরি সর্বজন বংশকরি স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ জপ ১০ হাজার। জপের ১০ শতাংশ মধু এবং মহুয়ার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত। কাম্য প্রয়োগের আগে এক হাজার বার মূল মন্ত্র জপ করে পুনরায় মধুযুক্ত মহুয়া ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত। পলাশ পাতা বা ফুল দিয়ে হোম করলে বশীকরণ, মল্লিকার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে লাভ, বিল্ব ফুলে রাজ্য প্রাপ্তি এবং নুন দিয়ে যজ্ঞ করলে আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।

কমলা

ঊং নমোঃ কমলবাসিন্যৈ স্বাহা

বিধি ও ফল
দশ লক্ষ জপ করুন। দশ শতাংশ মধু, ঘি এবং শর্করাযুক্ত লাল পদ্ম দিয়ে যজ্ঞ করুন। সমস্ত কামনা পুরো হবে।

মহালক্ষ্মী

ঊং শ্রীং হ্লীং শ্রীং কমলে কমলালৈ প্রসীদ প্রসীদ ঊং শ্রীং হ্লীং শ্রীং মহালক্ষ্মৈ নমোঃ

বিধি ও ফল
এক লক্ষ বার জপ করুন। মধু, ঘি এবং শর্কতাযুক্ত বিল্ব ফল দিয়ে দশ শতাংশ যজ্ঞ করলে সাধকের গৃহে লক্ষ্মী বাস করেন। যদি কেউ বেশি ধনের কামনা করে থাকেন, তা হলে সত্য বাচন করুন, লক্ষ্মী মন্ত্র এবং শ্রীসুক্ত পাঠ করুন। পূর্ব দিকে মুখ করে ভোজন তথা কথাবার্তা বলুন। নগ্ন হয়ে জলে স্নান করবেন না। তেল লাগিয়ে ভোজন করুন।

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190113152610

© 2019 Astro Research Centre

Developed By SOFTECH

To Top



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190901125140

Saturday, August 31st, 2019

Astro Research Centre

অশুভ যোগে শনি মঙ্গল রাহু কেতু রবি শুক্র চন্দ্র বৃহস্পতির ভূমিকা evil effect of planet, ARC

 অশুভ যোগে শনি মঙ্গল রাহু কেতু রবি শুক্র চন্দ্র বৃহস্পতির ভূমিকা  evil effect of planet, ARC

-
অশুভ যোগে শনি মঙ্গল রাহু কেতু রবি শুক্র চন্দ্র বৃহস্পতির ভূমিকা evil effect of planet, ARC

বিদ্যালাভে বাধা যোগ

বুধ, বৃহস্পতি ও চতুর্থ-পতি যদি অশুভ ভাব অর্থাৎ ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ-ভাবে থাকে বা কোনোভাবে এই সমস্ত ভাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত থাকে তাহলে বিদ্যালাভে বাধা আসে।

মাতৃবিয়োগ যোগ
চন্দ্র পাপগ্রহ যুক্ত হয়ে যদি ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ ভাবের সঙ্গে যুক্ত তাহলে মাতার শরীরের অসুস্থতা বাড়বে, এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে মাতৃ বিয়োগ হবে।

সন্তান-বিয়োগ যোগ
পঞ্চম-ভাবে অশুভ গ্রহ থাকলে এবং পঞ্চম-পতি ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ ভাবে থাকলে এবং নিচস্থ হলে সন্তান হানি হতে পারে। যদি পঞ্চম স্থানে শনি ও মঙ্গল একই সঙ্গে অবস্থান করে তাহলে সন্তান-হানি হয়।

আর্থিক দুরবস্থা যোগ

দ্বিতীয়-পতি দুঃস্থানগত হলে বা দ্বিতীয়ে অশুভ গ্রহ থাকলে বা দৃষ্টি দিলে এবং এর সঙ্গে বুধ এবং চন্দ্র পীড়িত হলে জাতক দেউলিয়া হতে পারে।

চিরকুমার যোগ

যদি সপ্তম-পতি দুঃস্থানগত হয় বা শত্রু-গৃহে বসে থাকে বা শনি ও মঙ্গল সপ্তমে দৃষ্টি দেয় বা সপ্তম-পতি কোনও ভাবে লগ্ন, ষষ্ঠ ও দশম ভাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাহলে চিরকুমার যোগ হয়।
বিষ যোগ

শনি এবং রবি রাশিচক্রে এক সঙ্গে থাকলে এই যোগের সৃষ্টি হয়। যেহেতু দুটি গ্রহ একে অপরের শত্রু, এই দুটি গ্রহ একত্রে থাকলে বিষ যোগের সৃষ্টি হয়।

গ্রহণ যোগ
ছন্নছাড়া, ছন্নছারা যোগ

যখন রাশি চক্রে এক জায়গায় রবি ও রাহু বা চন্দ্র ও রাহু অবস্থান করে তখন গ্রহণ দোষ বলা হয়। অর্থাৎ রাহু, রবি এবং চন্দ্রকে গ্রাস করার ফলে গ্রহণ যোগ সৃষ্টি হয়।
রাহু মঙ্গল শনি যোগে জীবন ছন্নছাড়া হয়
সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190831163822

Friday, August 30th, 2019

Astro Research Centre

জন্ম তারা, (নক্ষত্রফল ), অশ্বিনী কেতু অধিদেবতা, গ্ৰহ ও নক্ষত্র সম্পর্ক, জন্মনারী, কর্মনাড়ী, নক্ষত্র রোগ

জন্ম তারা, (নক্ষত্রফল ), অশ্বিনী কেতু অধিদেবতা,  গ্ৰহ ও নক্ষত্র সম্পর্ক, জন্মনারী, কর্মনাড়ী, নক্ষত্র  রোগ

জন্ম তারা, (নক্ষত্রফল ), অশ্বিনী কেতু অধিদেবতা,
গ্ৰহ ও নক্ষত্র সম্পর্ক, জন্মনারী, কর্মনাড়ী

১। অশ্বিনী- অশ্বিনী নক্ষত্রের অধকর্তা কেতু। এই নক্ষত্রে জন্ম জাতকহয় বুদ্ধিমান, মেধাবী,তীক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন এবং নিজের চেষ্টায় জীবনে উন্নতি করে। প্রথম জীবনে বিদ্যা লাভ হয়। মধ্যবর্তী জীবনে কিছু কষ্টে ও ব্যায়ের মধ্যে দিয়ে ভাল বসতি করে। কর্ম ক্ষেত্র শুভ হয়। অনেকে তাকে মান্যকরে নেতৃত্ব করতে পারে। আত্মীয় স্বজনদের জন্য চিন্তা থাকে। সন্তান প্রায়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। দাম্পত্যক্ষেত্র মধ্যম। জীবনে মাঝে মাঝে হঠাৎ উন্নতি আসে। মাঝ বয়েসে বা শেষ বয়েসে কয়েক বছর ব্যায়বাহূল্যে কিছুটা কষ্টপেতেও পারে।
২। ভরণী– ভরনী নক্ষত্রের অধিকর্তা শুক্র। এদের জীবনে শুভাশুভ মিশ্র ভাব এ কাটে। এরা পরিশমী কমহয়, তবে মেধা খাটিয়ে কর্ম পরিচালনা দ্বারা জীবনে উন্নতি করিতে পারে। জীবনে সুযোগ মন্দ পায়না। জীবনের প্রথম দিকে অশুভভাবে কাটে। মধ্য বয়েস থেকে শুভ ভাব চলে। তখন অর্থ সঞ্চয় করলে শেষ জীবন সুখে কাটে। অর্থ বেশী অপচয় করলে বেশী বয়েসে আর্থিক দূশ্চিন্তায় ভোগে। দাম্পত্য জীবন বেশী সুখের নয়।
৩। কৃত্তিকা- কৃত্তিকা নক্ষত্রের অধিকর্তা রবি। এরা যথেষ্ঠ পরিশ্রমী হয়। স্পষ্ট সত্যকথা বলতে ভালো বাসে।এদের জীবনে মাঝে মাঝেই বাধাবিঘ্ন আসে। অনেকেই এদের ভুল বোঝে। জীবনে অনেক বাধা বিঘ্ন আসলেও শ্রম দ্বারা এরা উন্নতি করতে সফল হয়। মাঝে মাঝে পাড়া প্রতিবেশী বা আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে অন্যের প্রতি ভাল কাজ করলেও যশ বা প্রতিদান কম পায়। দাম্পত্যক্ষেত্র মোটামুটি শুভ।
৪। রোহিনী- রোহিনী নক্ষত্রের অধিকর্তা চন্দ্র। চন্দ্রের প্রকৃতি কিছুটা এদের মধ্যে থাকে। এরা শান্তিপ্রিয় এবং সবকিছু সমস্যার সমাধান ধীরে ধীরে করতে চায়। লোকের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চায়। অনেক সময় এরা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রিয় হয়। এরা সরল লোক ভালবাসে। নানা কাজে পার্গত হয়।
৫। মৃগশিরা-মৃগশিরা নক্ষত্রর অধিকর্তা মঙ্গল। এরা ধীর স্থির কিন্তু কোন অন্যায় দেখলে এদের মাথা গরম হতে পারে। এদের মধ্যে মাঝে মাজে একটু দ্বিমনা ভাব দেখা যায়। অনেকে এদের শ্রদ্ধা করে। এবং এরা মিশুকে হয়। এদের জীবনে মাঝে মাঝে কর্মোন্নতির শুভ যোগ আসে। কিন্তু আত্মীয় ও পরিবেশ থেকে মনে আঘাত পায়।
৬। আদ্রা- আদ্রা নক্ষত্রের অধিকর্তা রাহু। এদের নিজ শ্রমদ্বারা উন্নতি করার চেষ্টা থাকে। তবে কাজে সফল হয়না। আকস্মিক প্রাপ্তিযোগথাকে। মানসিক চাঞ্চল্য ও দূশ্চিন্তার ভাব থাকে। দাম্পত্যক্ষেত্র শুভনয়। মাঝে মাঝে নানা রোগ ভয়।
৭। পুনর্বসু- পুনর্নবসু নক্ষত্রর অধিকর্তা বৃহস্পতি। এরা মেধাবী হয় ও জীবনে উন্নতি করিতে পারে। প্রচুর সন্মান ও অর্থ লাভ করে থাকে। প্রায়ই মানসিক শান্তি ও আনন্দে থাকে। ভাই বোনদের জন্য কিছু চিন্তা হতে পারে। অনেকের বন্ধুত্ব ও সাহায্য লাভ করে। ব্যাবসা ও চাকরি দুটোই শুভ।
৮। পুষ্যা- পুষ্যা নক্ষত্রর অধিকর্তা শনি। এরা খুব ধার্মিক হয়। সংসারে আসক্তি কম থাকে। আধ্যাত্মিকভাব প্রবল হয়। মনুষ্যের মঙ্গল করতে ভালো বাসে। এদের মধ্যে যোগ জ্যোতিষ আধিভৌতিক প্রভৃতির দিকে আকর্ষণ থাকে। ভাগ্য শুভ, কর্মলাভ অর্থলাভ ও নানা দিকে উন্নতি হয়। গুরুজন ব্যাক্তিদের জন্যে চিন্তা থাকে।
৯। অশ্লেষা- অশ্লেষা নক্ষত্রর অধিপতি বুধ। এদের জীবনে সব সময় দ্বিধাও দ্বন্দ্ব ভাব থাকে দ্বিমনা ভাবের থাকে। অনেক কাজ শুরু করে শেষ করতে পারেনা। তাই জীবনে অতৃপ্তি আসে। তবে শ্রম করলে উন্নতি হবেই। দাম্পত্য শুভ হয়। মাঝে মাঝে বাধা বিপত্তি ও চিন্তা হতাশায় জীবন উত্থান, পতন, হতেই থাকবে
১০। মঘা- মঘা নক্ষত্রর অধিকর্তা কেতু। এরা খুব তেজী হয় এবং আত্ম অভিমান প্রবল হয়। এরা স্পষ্ট কথা বলতে ভাল বাসে। তাই অনেকের অপ্রিয় হয়। এদের মেধাশক্তি খুব উচ্চ নাও হতে পারে। মধ্যম ভাবে জীবন কাটে। নানা বাধার মধ্যদিয়ে উন্নতি হয়। কিন্তু সময়ে হতাশা দেখাদেবে। মনে আবেগ প্রবনতা থাকে।
১১। পুর্বফল্গুনী- পুর্ব্বফাল্গুনী নক্ষত্রর অধিকর্তা শুক্র এরা মিষ্টিভাষী ও ধীর স্থির এবং একটুগম্ভীর প্রকৃতির হয়। যা করবে মন স্থির করে নেয় সময় বিশেষ কখন প্রকাশ করেনা। অন্যের সমালোচনা করে নির্ভীক ভাবে। ভয় কম থাকে। মাঝেসময়ে কিছু স্বার্থ ভাবদেখা যায়। নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকে। এদের জীবনে শুভযোগ অর্থ, আনন্দলাভ,ও সাংসারিক দিকে উন্নতি হয়।
১২। উত্তরফল্গুনী- উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্রর অধিকর্তা রবি। এরা খুব ভক্তিমান হয়। এবং ঈশ্বরের কৃপালাভ করে। এরা স্ত্রীর বশীভূত হতে পারে। সত্য ও সৎ পথে থেকেই এরা উন্নতিসাধন করে। জাতক সুহৃদয়শীল হয় অনেককে সাহার্য্যও করতে ভাল বাসে। এরা সৎবুদ্ধিযুক্ত এবং সদ্ভাবনার হয়।
১৩। হস্তা- হস্তা নক্ষত্রর অধিকর্তা চন্দ্র, এরা চোখের রোগ,বাত, পিত্তরোগ, সর্দিকাশি, প্রভৃতিতে কষ্ট পেতে পারে। এরা জ্ঞানী, বিচক্ষণ, বুদ্ধীমান, চতুর ও মেধাবী হয়। জাতক দীর্ঘায়ূহয়। পারিপার্শিক বাধা না এলে এরা বিরাট শিক্ষিত হয়। নিজ বুদ্ধির দ্বারা প্রচুরঅর্থ উপার্জন করে।
১৪। চিত্রা-চিত্রা নক্ষত্রর অধিকর্তা মঙ্গল। এরা সত্যবাদী, বিচক্ষণ ও অল্পাহারী হয়। ছোটখাট রোগ ব্যাধি অনেক হয়। অর্থ উপার্জন করে মধ্যম। বহূ কুটুম্ব থাকে। ক্ষমতাশালী হলেও একটু অলস হয়। স্থূলকপাল লোম যুক্তদেহ। দাতের রোগের ভয়।এরা মাঝে মাঝে জণসাধারনের প্রিয় হয়। কখন আবার অপ্রিয় হয়। উত্থান পতনের মধ্যদিয়ে জীবন। তবে এদের তেজ ও সাহস থাকে মনের জোর প্রচুর।
১৫। স্বাতী- স্বাতী নক্ষত্রর অধিকর্তা রাহু। এদের মধ্যে শান্তভাব থাকবে। তবে কখন বা হঠাৎ করে রেগে ওঠে। এদের কপালস্থূল, দ্বাতা,সুবুদ্ধিমান, সৎপরামর্শ দাতা, বিদ্বানহয়। এরাধনবান হলেও মনে বৈরাগ্য ভাব থাকে। এরা হয় শুরেশ, দেবদ্বিজে ভক্তিপরায়ণ। সন্তানদের জন্য বিশেষ চিন্তাথাকে।
১৬। বিশাখা- বিষাখা নক্ষত্রর অধিকর্তা বৃহস্পতি। এদের মাথাভার মাথাব্যাথা, পিত্তরোগ হতে পারে। এরা হয় দেবভক্ত, সত্যবাদী, এবং জিতেন্দ্রিয়। ধার্মিক ভাব থাকে প্রায়ই জ্ঞাণী হয়। অজীর্ণরোগ হয়। মোটামুটি সন্দেহ যুক্ত, কামী হয়। তবে এরা নিজ চেষ্টাদ্বারা ধনীহয়। এদের হৃদয়ে সদ্ভাবনা প্রচুর থাকে। কারো সঙ্গে ঝমেলা পছন্দ করে না। তবে রেগে গলে মাথা খুব গরম হয়।
১৭। অনুরাধা- অনুরাধা নক্ষত্রর অধিকর্তা শনিদেব। এদের দেহ শ্যামবর্ণ হয়, এরা খুবগভীর ও দয়ালু প্রকৃতির হয়। ধর্মে মতি থাকে। চেষ্টাকরলে যথেষ্ঠ জ্ঞাণলাভ করতে পারে। এদের পেটের বা লিভারের রোগ হয়। এরা সুদেহী, কামভাব বেশি। শ্রমদ্বারা ভাল অর্থ উপার্জন করতে পারে। মনন শীলতা থাকে, তবেঅব্যয় খরচ দেখলে মাথাগরম হয়।
১৮। জেষ্ঠা- জেষ্ঠা নক্ষত্রর অধিকর্তা বুধ, এরা খুব দয়ালু হৃদয়বান থাকে।‌ চেষ্টাকরলে এরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারে। বাতরোগ পিত্তরোগ মাথার রোগ হতে পারে। এদের মধ্যে অল্প বয়েসে বেশী বুদ্ধির বিকাশ হয় এরা খুব বাস্তববাদী ও শ্রমশীল। তবে প্রচুর আয় করে গরীব দঃখীদের সাহার্য্য করে থাকে।
১৯। মূলা- মূলা নক্ষত্রর অধিকর্তা কেতু। এদের কপালহয় গজের মতো। শীতলদেহ বিপরীত লিঙ্গের বশীভূত হয়। এরা গান বাজনা ভাল শিখতে পারে। এরা খুব আড়াম্বরপ্রিয় হয়। এদের বহূ আত্মীয় কুটুম্ব থাকে। এরা প্রায়ই একটু কৃপণ হয়। সন্তানের জন্য বিশেষ চিন্তাথাকে। দাম্পত্য মধ্যম, এরা নিজ মনের কথা প্রায় লুকিয়ে রাখে।
২০। পূর্বাষাঢ়া-পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্রর অধিকর্তা শুক্র,এদের কপালস্থূল মতো। এরা লেখাপড়া ভাল শিখতে পারে। একটু আড়ম্বরপ্রিয় চোখ একটু রক্তাভ। এদের বহূত আত্মীয় কুটুম্ব থাকে। একটু খরচী হয়। এরা গৌরবর্ণর শুচিবদন জাতক দীর্ঘায়ূ এবং বাবা মার প্রিয় হয়। বহূ লোকের ও আপন আত্মীয়র আশ্রয়দাতা হয়। তবে প্রশংসা কম পায়।
২১। উত্তরষাঢ়া- উত্তরষাঢ়া নক্ষত্রর অধিকর্তা রবি। এদের দেহ একটু স্থূল মতো মনে গর্বিত ভাব থাকে। জাতকের যশ লাভহয়। গান বাজনা ও শিল্পে পার্গত হয়। এদের অজীর্ণ উদারময় বাতরোগ লিভার রোগঅম্লরোগ দেখা দেয়। পিঠ একটু কুঁজো ভাব, এরা অনেকের শ্রদ্ধালাভকরে এবং সন্মানিত হয়। এদের কাছেথেকে সবাই সমান সাহায্য পায়না।
২২। শ্রবনা- শ্রবনা নক্ষত্রের অধিকর্তা চন্দ্র। এদের দেহ একটু কঠিন হয়। চাপা গজ কপাল, শ্যামবর্ণ হয়। এদের বাতরোগ, লিভাররোগ, অম্ল, অজীর্ণ, রোগ হয়। চোখ একটু রক্তাভ হয়। এরা বেশ সু-রসিকহয়। পরিশ্রমী ও বুদ্ধিমান শ্রমদ্বারা জীবনে উন্নতি করে। খরচা বেশী করতে চায় না।
২৩। ধনিষ্ঠা- ধনিষ্ঠা নক্ষত্রর অধিকর্তা মঙ্গল। এরা গৌরবর্ণ ধার্মিক ও দেবভক্ত হয়। পেটেররোজ ও অজীর্ণ রোগ হয়। উপার্জন মধ্যমহয়। মন খুব চঞ্চল, খেতে ভাল বাসে। মাঝে সময়ে ভ্রমনে খুশী হয়। অনেক সময় ধনী ও দাতাহয়। মাঝ বয়েস থেকে সুখী হয় প্রথম জীবনে সংগ্রাম।
২৪। শতভিষা- শতভিষা নক্ষত্রর অধিকর্তা রাহু। এদের মন বেশ পবিত্র এবং সত্যনিষ্ঠ হয়। জীবনে অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারে। শ্যামবর্ণ হয়। এদের আমবাত এলার্জি স্নায়বিক ও চোখেররোগ হয়। এরা বিবেকি এবং বৈরাগ্য ভাবের হয়। শেষ জীবনে সন্ন্যাস ধর্ম লাভ করিতে পারে। ব্যাবহার মধুর তবে স্বভাব চাপা।
২৫।- পূর্বভাদ্রপদ- নক্ষত্র অধিকর্তা বৃহস্পতি। এদের কপাল প্রশস্ত নাসা উন্নত হয়। দেহ তাম্রবর্ণ। বিপরীত লিঙ্গের বশীভূত হয়। এরা পরোপকারী এবং দয়ালু প্রকৃতির হয়। রূপ সুন্দর হয়, রাজভক্ত রাজসেবক হতে পারে। জীবনে প্রচুর অর্থ উপার্জন যেমন করে তেমন খরচও অত্যাধিক করে। গৃহ নির্মাণ যোগ আছে। জাতক বিদ্বানও হয়।
২৬। উত্তরভাদ্রপদ- উত্তর ভাদ্রপদ নক্ষত্র অধিকর্তা শনিদেব। এরা গৌরবর্ণ ও রূপবান হয়। গম্ভীর ভাব থাকে,সরকারী কাজ করলে প্রচুর উন্নতি করে। এরা নির্জনতা পছন্দ করে যাদুবিদ্যা, জ্যোতিষ, গভীর জ্ঞাণের পুস্তকপাঠ প্রভৃতি ভাল বাসে। হালকা ভাব সদায় পছন্দ করে। এদের মন বাইরে বোঝা কঠিন।
২৭। রেবতী নক্ষত্র অধিকর্তা বুধ। এরা সুন্দর চেহেরা বিশিষ্ট, এরা সুন্দর চেহেরা বিশিষ্ট, গৌর বর্ণ জ্ঞাণী মানী এবং বিরাট যশস্বী হতে পারে। এদের কেশ দীর্ঘ ও কাম ভাব বেশী থাকে এবং একাধিক নারীতে আকৃষ্ট হতে পারে। এরা বাইরে হালকা স্বভাব কিন্তু ভিতরে ভীষণ চতুর। মাঝে মাঝে দ্বিমনা ভাব দেখা যায়। অনেক সময় খেয়ালের বশে অনেক কাজ করে । বৃদ্ধি ও শিল্পী কাজে এরা প্রচুর উপার্জন করে।


নক্ষত্র নির্দিষ্ট রোগ

গ্রহগন এবং রাশিগনের কাতরতায় মানবদেহে যেমন কিছু কিছু রোগের প্রভাব রয়েছে তেমনি নক্ষত্র কাতরতায় কিছু কিছু রোগের প্রভাব বর্তমান। এখানে নক্ষত্র প্রভাবিত সম্ভাব্য রোগ সম্বন্ধে কিছু আলোচনা করা হলো:
অশ্বিনী নক্ষত্র: বাতবেদনা, অনিদ্রা, মতিভ্রম, শিরঃপীড়া।
ভরণী নক্ষত্র: স্নায়ুবিক দুর্বলতা, অলসতা এবং প্রবল জ্বর।
কৃত্তিকা নক্ষত্র: কলিক ব্যথা, প্রদাহ, অনিদ্রা।
রোহিণী নক্ষত্র: জ্বর, মাথারযন্ত্রণা, মাথাধরা, প্রলাপ এবং কুক্ষিগতউদর বেদনা।
মৃগশিরা নক্ষত্র: বাতব্যাধি, চর্মরোগ।
আদ্রা নক্ষত্র: বাতবেদনা, জ্বর, অনিদ্রা এবং শ্লেষ্মাঘটিত পীড়া।
পুনর্বসু নক্ষত্র: জ্বর, শিরোরোগ, কোমরের ব্যথা।
পুষ্যা নক্ষত্র: জ্বর, শরীর বেদনা এবং পিত্ত প্রদাহ।
অশ্লেষা নক্ষত্র: পায়ের ব্যথা, সর্বাঙ্গে কষ্টদায়ক অস্থিরতা।
মঘা নক্ষত্র: বাত বেদনা, শিররোগ।
পূর্বফাল্গুনী নক্ষত্র: জ্বর, শিরোপীড়া, সর্বাঙ্গে কষ্টদায়ক অস্থিরতা।
উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র: জ্বর, বাত বেদনা।
হস্তা নক্ষত্র: উদর বেদনা, কোষ্ঠবদ্ধতা।
চিত্রা নক্ষত্র: কষ্টদায়ক অস্থিরতা।
স্বাতী নক্ষত্র: কষ্টদায়ক জ্বর, অস্থিরতা।
বিশাখা নক্ষত্র: উদরবেদনা, সর্বাঙ্গে তাপ বৃদ্ধি।
অনুরাধা নক্ষত্র: তীব্র জ্বর,শিরোরোগ, সর্বাঙ্গে অস্থিরতা।
জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র: শরীর কম্পন, পিত্তরোগ।
মূলা নক্ষত্র: উদররোগ, মুখের রোগ।
পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র: কম্পোজ্বর, সর্বাঙ্গে প্রদাহ,শিরোরোগ।
উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র: কোমরে বাত, শূলবেদনা, বিকার জ্বর।
শ্রবণা নক্ষত্র: মুত্রকৃচ্ছ, জ্বর, অতিসার।
ধনিষ্ঠা নক্ষত্র: আমাশয়, কম্পন, জ্বর।
শতভিষা নক্ষত্র: জ্বর, বাত, সন্নিপাত।
পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র: বমন, শিরোপীড়া, অস্থিরতা।
উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র: বাতবেদনা, দন্তশূল।
রেবতী নক্ষত্র: পিত্তঘটিত রোগ, জ্বর, বাত।
নক্ষত্র প্রভাবিত রোগ সকল অধিকাংংশই অল্পস্থায়ী রোগ। মানব শরীরে দ্বাদশ রাশি ও গ্রহ সকল প্রভাবিত যে সকল বিশেষ কষ্টদায়়়ক ও মারাত্মক রোগ রোগ হয়, এগুলো তার'সহকারি রোগ মাত্র'। যেমন জ্বর, শিরোরোগ, ব্যথাাবেদনা, সর্বাঙ্গেে কষ্ট ও অস্থিরতা প্রায় সকল বড়় রকমের রোগের উপসর্গগ মাত্র। সুতরাং এগুলো রাশি ও গ্রহ নির্দিষ্ট রোগকেই প্রভাবিত করে।

গ্রহগণ সর্বদা গতিশীল হওয়ায় জন্মকলীন গ্রহাদির অবস্থানের বিবরণের নাম রাশিচক্র এবং জন্মের পরে বিভিন্ন সময়ে গ্রহদির পরিবর্তিত অবস্থানগত বিচারের নাম গোচর। গ্রহগনের এক রাশি ভোগকাল হল- রবির 1 মাস, চন্দ্রের সওয়া দুই দিন। মঙ্গলের 45 দিন, বুধের 18 দিন, বৃহস্পতির 1 বৎসর, শুক্রের 28 দিন, শনির আড়াই বৎসর, রাহু ও কেতুর দেড় বৎসর।
গোচরে অশুভ গ্রহগণ জন্ম, মানস ও বিনাশ নাড়ীতে এবং বিপদ, প্রত্যরি, বধ তারায় সঞ্চারিত হইলে জাতকের কিছুনা কিছু রোগভোগের সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাই গোচর বিচারের মাধ্যমে রোগভোগের সময় পূর্বেই নির্ণয় করে রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা মঙ্গল জনক।
জন্ম ছকে গ্রহসন্নিবেশ অনুযায়ী রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অশুভ গ্রহ কোনভাব পতি হয়ে কোনভাবে স্থিত হয়েছেন তা যেমন দেখতে হবে তেমনি গ্রহের দশা-অন্তর্দশা বিচারও আবশ্যক।
ষষ্ঠ, অষ্টম, দ্বাদশ স্থান হল দুঃস্থান। ষষ্ঠ ভাবের অপর নাম রিপুভাব বা শত্রুভাব, রোগই হলো মানুষের প্রধান শত্রু। সেজন্য রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে রিপুভাব এবং রিপুভাবপতির গুরুত্ব অনেকখানি।
অষ্টমস্থান হল মারকস্থান, এই স্থান মৃত্যু সূচনা করে। তাছাড়া এটি আবার আয়ুস্থান। মৃত্যু এবং আয়ু পরস্পরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। কারণ মৃত্যু হওয়ায় আয়ু শেষ হওয়া, তাই মৃত্যুও একটি রোগ।
দ্বাদশস্থান হল ব্যয়স্থান। ব্যয় অর্থাৎ হানি। রোগ ভোগ হওয়া মানে শরীরের শক্তি সামর্থ্য জীবনীশক্তি সব কিছুরই হানি বা ব্যয় হওয়া। তাই ষষ্ঠ, অষ্টম, দ্বাদশস্থান দুঃস্থান।


সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

মহামন্ত্র প্রতি দিন পাঠ করবেন সুস্থ ও ভালো থাকবেন :

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম

রাম রাম হরে হরে

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190830221539

Friday, August 30th, 2019

Astro Research Centre

ধনযোগ লক্ষী যোগ চন্দ্র ও মঙ্গল যোগ শনি শুভ যোগ economic prosperity mercury moon yaga

ধনযোগ লক্ষী যোগ চন্দ্র ও মঙ্গল যোগ শনি শুভ যোগ economic prosperity mercury moon yaga

ধনযোগ লক্ষী যোগ চন্দ্র ও মঙ্গল যোগ শনি শুভ যোগ economic prosperity mercury moon yaga

ভারতীয় জ্যোতিষ জাতকের ধনভাগ্য নির্ণয়ে যে লক্ষণগুলির উপরে জোর দেয়, তার মধ্যে লক্ষ্মীযোগ অন্যতম। কোষ্ঠী বা কুণ্ডলীতে থাকা লক্ষ্মীযোগ-ই নির্ধারণ করতে পারে জাতকের জীবনে ধনাগম, সঞ্চয় ইত্যাদিকে।

• জ্যোতিষ-মতে, লক্ষ্মী যোগ খুব সাধারণ ব্যাপার নয়। মঙ্গল ও চন্দ্রের সহাবস্থানই একমাত্র এই যোগকে সূচিত করতে পারে।

• জাতকের কোষ্ঠীতে যদি দ্বিতীয় ঘরের অধিপতি গ্রহ একাদশে এবং একাদশের অধিপতি গ্রহ দ্বিতীয়ে অবস্থান করে, তা হলে লক্ষ্মী যোগ সূচিত হয়।

• যদি দ্বিতীয়ের অধিপতি গ্রহ এবং একাদশের অধিপতি নবম ঘরের অধিপতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে, তবে লক্ষ্মী যোগের সম্ভাবনা প্রবল।

• কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থানও এই প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় ঘরে শুক্রের অবস্থান হলে জাতকের ধনভাগ্য তুমুল।

• প্রাচীন জ্যোতিষ অনুসারে ভগবান বুদ্ধের জন্মপত্রিকায় কোনও লক্ষ্মী যোগ ছিল না। থাকার কথাই নয়। তবে বুদ্ধদেব যে সম্পদ পেয়েছিলেন, তার কাছে পার্থিব ধনভাগ্য লাগে কি?

• বিভিন্ন রাশির জাতকের ধনভাগ্য কেমন, তা-ও বর্ণনা করে জ্যোতিষ শাস্ত্র—

মেষ— পঞ্চম ঘরে মঙ্গল, শনি এবং বৃহস্পতি থাকায় ভনাগম মন্দ নয়।

বৃষ— দ্বিতীয় ঘরে শনি-মঙ্গলের অবস্থানহেতু এঁদের ধনাগম আকস্মিক।

মিথুন— বুধ ও শনি নবম ঘরে তাদের স্থান পরিবর্তন করে, ফলে ধনাগম যথেষ্ট। এতে চন্দ্র যোগ দিলে সোনায় সোহাগা। পিতৃধন লাভ নিশ্চিত।

কর্কট— দ্বিতীয় বা দ্বাদশ ঘরে শুক্র অবস্থান করায় এবং বৃহস্পতি কেতুর সঙ্গে স্থান বিনিময় করায় ধন ও খ্যাতি— দুই-ই লাভ হয়।

সিংহ— চতুর্থ ঘরে মঙ্গল থাকলে এবং শুক্র সহেয় হলে ধনাগম রীতিমতো ভাল। ব্যাবসায় শুভ।

কন্যা— দ্বিতীয়ে কেতু এবং শুক্র অবস্থান করলে আকস্মিক ধনলাভ। সম্পত্তি ক্রয়ের যোগও থাকে।

তুলা— শুক্র ও কেতুর দশায় অর্থাগম হয়। কিন্তু খরচও মন্দ নয়।

বৃশ্চিক— বুধ ও বৃহস্পতির প্রবাবে কোটিপতি হওয়ার যোগ থাকে এঁদের। চন্দ্র যোগ দিলে সেই সঙ্গে উদিত হয় অন্য ভাগ্যও।

ধনু— অষ্টমে চন্দ্র থাকলে শুভ। রবি-কেতু-বৃহস্পতির প্রভাবেও অর্থাগম হয়।

মকর— চন্দ্র সহায় থাকলে বিপুল ধনলাভ। লগ্নে তুলা থাকলে কোটিপতি হওয়ার সম্ভাবনা।

কুম্ভ— দশমে চন্দ্র ও শনির স্থান বিনিময়ে লাভের সম্ভাবনা। ষষ্ঠে বুধ অবস্থান করলেও শুভ। অর্থের সঙ্গে খ্যাতি উপরি পাওনা।

মীন— দ্বিতীয়ে চন্দ্র এবং পঞ্চমে বুধ থাকলে অর্থাগম নিয়মিত। ষষ্ঠে বৃহস্পতি থাকলে বিপুল ধনাগম।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190830182858

Thursday, August 29th, 2019

Astro Research Centre

ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যায় বাম দেব সিদ্ধিলাভ করেন জয় মা তারা

ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যায় বাম দেব সিদ্ধিলাভ করেন  জয় মা তারা

ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যায় বাম দেব সিদ্ধিলাভ করেন জয় মা তারা

Kaushiki Amavashya: আজ কৌশিকী অমাবস্যা৷ এই বিশেষ দিন উপলক্ষ্যে গতকাল থেকে তুমুল ভিড় তারাপীঠে ৷ এ বছর ২৯ অগস্ট অর্থাৎ আজ সন্ধে ৭টা ৫৬ মিনিট থেকে লাগছে অমাবস্যা ৷ থাকবে ৩০ অগাস্ট অর্থাৎ, আগামীকাল বিকেল ৪টে ৭ মিনিট পর্যন্ত।

কৌশিকী অমাবস্যায় পূজিতা তারা মা

আজ কৌশিকী অমাবস্যা (kaushiki Amavasya)৷ এই বিশেষ দিন উপলক্ষ্যে গতকাল থেকে তুমুল ভিড় তারাপীঠে ৷ এ বছর ২৯ অগস্ট অর্থাৎ আজ সন্ধে ৭টা ৫৬ মিনিট থেকে লাগছে অমাবস্যা ৷ থাকবে ৩০ অগাস্ট অর্থাৎ, আগামীকাল বিকেল ৪টে ৭ মিনিট পর্যন্ত। কথিত আছে, এই তিথিতেই নাকি তারাপীঠের (Tarapith) মহাশ্মশানের শ্বেতশিমূল গাছের তলায় সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপা। সেই বিশ্বাসেই কৌশিকী অমাবস্যাতে লক্ষাধিক পুণ্যার্থীদের ভিড় হয় তারাপীঠে।

এই অমাবস্যার আরেক নাম তারা রাত্রিও৷ শাস্ত্র মতে, তন্ত্র সাধনার জন্য কৌশিকী অমাবস্যাকে খুবই গুরুত্বপুর্ণ বলে মনে করা হয় ৷ তবে শুধু হিন্দু শাস্ত্রে নয়, বৌদ্ধ শাস্ত্রেও এই অমাবস্যার গুরুত্ব রয়েছে৷ কী এই কৌশিকী অমাবস্যা? জেনে নিন কীভাবে কালী পুজো করলে মনষ্কামনা ( Benefits) পূর্ণ হবে আপনার---

কৌশিকী অমাবস্যা, অন্য অমাবস্যার থেকে একটু আলাদা। কারণ তন্ত্র মতে ও শাস্ত্র মতে, ভাদ্র মাসের এই তিথিতে তন্ত্র ও গুপ্ত সাধনা করলে আশাতীত ফল মেলে। সমস্ত দোষ নাকি কেটে যায়। প্রচুর অর্থ লাভ হয় মায়ের আশীর্বাদে। এই দিনের এক বিশেষ মুহুর্তে নাকি স্বর্গ ও নরক দুই এর দুয়ার মুহূর্তের জন্য উম্মুক্ত হয়। এবং সাধক নিজের ইচ্ছা মতো ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক শক্তি নিজের সাধনার মধ্যে আত্মস্থ করে ও সিদ্ধি লাভ করে ৷

চন্ডিতে বর্ণিত মহা সরস্বতী দেবীর কাহিনিতে বলা আছে, পুরাকালে শুম্ভ-নিশুম্ভ কঠিন তপস্যা করে ব্রহ্মাকে তুষ্ট করলে তিনি তুষ্ট হয়ে তাদের বর দেন, কোনও যোনি সম্ভূত নারী তাঁদের বধ করতে পারবে না। ৷ শুধু কোনও অ-যোনি সম্ভূত নারী তাদের বধ করতে পারবে অর্থাৎ এমন এক নারী যে কোনো মাতৃ গর্ভ থেকে উৎপন্ন হয়নি তার হাতেই এই দুই অসুরের মৃত্যু হবে। কিন্তু পৃথিবীতে এমন নারী কই?

পুরাণ বলছে, পূর্ব জন্মে পার্বতী পতিনিন্দা সইতে না পেরে সতী দক্ষ-যজ্ঞে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। ফলে, তার পর জন্মে দেবীর গায়ের রং কালো হয়। তাই তিনি আমাদের কাছে মা কালী রূপে পূজিত। একসময় শুম্ভ-নিশুম্ভদের অত্যাচারে দেবতারা যখন ক্লান্ত হয়ে কৈলাশে আশ্রয় নেন, দেবাদিদেব শিব তখন দেবী পার্বতীকে নির্দেশ দেন, কালিকা রূপে অসুর সংহার করার। কিন্তু সবার সামনে 'কালী' বলে ডাকায় পার্বতী অত্যন্ত ক্ষুব্ধ,অপমানিত ও ক্রোধিত মনে মানস সরোবর এর ধারে কঠিন তপস্যায় বসেন। এবং তপস্যান্তে মানস সরোবরের জলে স্নান করে নিজের দেহের সব কালো কোশিকা ত্যাগ করে পূর্ণিমার চাঁদের মতো গাত্র বর্ণ ধারণ করেন। দেবীর দেহের ওই কালো কোশিকা থেকে এরপর এক অপূর্ব সুন্দর কৃষ্ণবর্ণ দেবী জন্মান। ইনি অ-যৌনি সম্ভূত দেবী কৌশিকী। আজকের এই বিশেষ তিথিতে দেবী দুই অসুরকে বধ করে দেবতাদের উদ্ধার করেন।, তাই এই অমাবস্যার নাম কৌশিকী অমাবস্যা। আবার আজকের এই দিনে দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী তারা মর্ত্যে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190829165439

Thursday, August 29th, 2019

Astro Research Centre

যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

'যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

দাম্পত্য সুখের ভিত্তি হ’ল স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক প্রেম-প্রীতি ভালবাসা-বোঝাপড়া। উভয়ের মনোবৃত্তির মিল হলে দাম্পত্য জীবনে সুখের অভাব ঘটার কথা নয়। সেই কারণেই বিখ্যাত অগলাস্তোত্রের প্রার্থনা –
'ভার্য্যাং মনোরমাং দেহি মনোবৃত্ত্যানুসারিণীম্।‘

নারীদের মনেও নিশ্চয়ই অনুরূপ প্রার্থনা জাগে।
কিন্তু বাস্তবে সকলের জীবনে এই প্রার্থনা পূরণ হয় না। বিবাহের, এমন কি প্রেমজ বিবাহের অনতিকাল পরেই ব্যক্তিত্বের সংঘাত বাধে। পতি ও পত্নীর মধ্যে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় ও তা অনেক সময় উভয়ের মধ্যে দুস্তর ব্যবধানে পরিণত হয়, সুখের পরিবর্তে আসে অশান্তি, কোন কোন সময় বিচ্ছেদ।

বিবাহিত জীবনের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন উত্তম পাত্র পাত্রীর মিলন। পাত্র পাত্রীর উত্তমমিলন বিচার করতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে যোটক বিচার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ।

যোটক বিচার বলতে ঠিক কি বুঝায় ?

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যার পরস্পরের জন্মরাশি, জন্মনক্ষত্র ও রাশ্যাধিপ গ্রহদি থেকে, যে শুভাশুভ ফল বিচার করা যায়, তাকেই যোটক বিচার বলে। যোটক বিচার অষ্টপ্রকারে বিভক্ত।
যোটক বিচার আট প্রকার কুট বা গুণের সমন্বয়- যথা বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রিকুট, রাশি কুট ও নাড়ীকুট ।

প্রতিটি কূটের একটি নির্দিষ্ট গুনমানের সংখ্যা থাকে যেমন বর্ণকুট1, বশ্যকুট2, তারাকুট3, যোনিকুট4, গ্রহমৈত্রীকুট5, গণমৈত্রিকুট6, রাশি কুট7 ও নাড়ীকুট8| এভাবে সবকটি কুটের সংখ্যা যোগ করলে গিয়ে দাড়ায় 36
এই ৩৬ গুণের মধ্যে মিলনে কত গুণ পাওয়া যাচ্ছে সেটাই মূল কথা।
এই বিষয়ে একটি কথা মনে রাখতে হবে ৩৬ গুণের মধ্যে ১৮ গুণের কম হলে তা যোটক মিলনে শুভ ফলপ্রদ হবে না।

১৮ গুণের বেশি হলে বিবাহিত জীবনে সুখ ও শান্তি লাভ সম্ভব।

34 থেকে 36 টি গুণের মিলন হলে তাকে 'রাজযোটক' বলে।

পূর্বে বর্ণিত অষ্টকুট নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু তথ্য দেওয়া হল :-

1. বর্ণকুট :

বর্ণ কাকে বলে বা বর্ণ কি ?
জ্যোতিষশাস্ত্রে মেষ, বৃষ, মিথুন, ইত্যাদি যে বারোটি রাশি ব্যাবহার করা হয় তাদের বিপ্র, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা যে ব্যক্তিগনের জন্ম কর্কট, মীন, বা বৃশ্চিক রাশিতে তাঁদের বর্ণ বিপ্র। এইভাবে যাঁদের জন্ম সিংহ, তুলা বা ধনু রাশিতে তাঁদের বর্ণ ক্ষত্রিয়। যোটক বিচারের নিয়মে শুদ্র বর্ণের থেকে বৈশ্য বর্ণ শ্রেষ্ঠ, বৈশ্য বর্ণের থেকে ক্ষত্রিয় বর্ণ শ্রেষ্ঠ, আবার ক্ষত্রিয় বর্ণের থেকে বিপ্র বর্ণ শ্রেষ্ঠ।
বর্ণ ফলমে বলা হয়েছে যে-
"ক্ষাত্র-বিট্-শুদ্র-বিপ্রাঃ স্যুঃ ক্রমান্মেষাদি-রাশয়ঃ।
তত্র বর্ণাধিকা কন্যা নৈবোদ্বাহ্যা কদাচন" ।।
অর্থাৎ “বরের বর্ণাপেক্ষা কন্যার বর্ণ শ্রেষ্ঠ হলে, সেই কন্যাকে কদাচ বিবাহ করিবেনা”।

করলে কি হবে ?

" বর্ণশ্রেষ্ঠা তু যা নারী বর্ণহীনস্তু যাঃ পুমান।
বিবাহং যদি কুরব্বীত তস্য ভর্তা বিনশ্যতি "।।
উচ্চ বর্নের পাত্রীর সাথে নিম্ন বর্ণের পাত্রের বিবাহ অশুভ। এতে দাম্পত্য অসন্তোষ, অকাল বৈধব্য, শারীরিক অসুস্থতা, সন্তানের কারনে মনকষ্ট ভোগ করতে হয়।

2. বশ্যকূট্ :

“ মিথুন, কন্যা, তুলা, কুম্ভ, ও ধনুর পূর্বাদ্ধ, যদি বরের রাশি হয় এবং মেষ, বৃষ, কর্কট, ইত্যাদি যদি কন্যার রাশি হয় সেই কন্যা বরের বশীভূত হয়”।

এই ভাবে কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশিকে অন্য কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশির বশ্য ধরা হয়েছে এবং বিপরীতে বিপরীত ফল বলা হয়েছে।

"এবং বশ্যসমাযোগে দম্পত্যোঃ প্রীতিরূত্তমা।
বশ্যাভাবেহপি দম্পত্যো্রবিবাহঃ কলহ-প্রদঃ।।"

পাত্র ও পাত্রীর রাশি দ্বিপদ চতুস্পদ প্রভৃতি শক্র মিত্রের প্রভাবে দাম্পত্য জীবনে কলহ, বিবাদ, মামলা, মকদ্দমা এমনকি দাম্পত্য বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটে যেতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিবাহ ঘটায় বশ্যকুট বিচারের অশুভ প্রভাবের ফলে।

3. তারাকুট : পাত্র পাত্রীর জন্মনক্ষত্রের গরমিলের প্রভাবে বিবাহিত জীবনের সুখ, দুঃখ নির্ধারিত হয়ে থাকে। তারা কুটের শুভ প্রভাবে বিবাহের পর গৃহে ভাগ্যলক্ষ্মীর কৃপা বর্ষণ হয়, আর অশুভ প্রভাবে দাম্পত্য অসন্তোষ সহ দুঃখ, কষ্ট, শোক, জরা, ব্যাধি, দৈন্য ও দারিদ্র দশার কারণ হবেন।(বিপদ, প্রত্যরি, বধ তারা অশুভ। )

4. যোনিকুট : প্রত্যেক জাতক বা জাতিকাই নক্ষত্র অনুযায়ী কোনও না কোনও ‘যোনি’-তে অবস্থান করেন। সঠিক ‘যোনি বিচার’-ই সম্ভব করতে পারে সঠিক দাম্পত্য।
যোনি’গুলি যথাক্রমে— অশ্ব, গজ, মেষ, সর্প, শ্যেন, মার্জার, মূষিক, গো, মহিষ, ব্যাঘ্র, মৃগ, বানর, নকুল এবং সিংহ। এই পশুগুলির স্বভাব ও একে অন্যের প্রতি মনোভাবের নিরিখেই নির্ধারিত হয় ‘যোনি’-চরিত্র।
যোনি মিলন’ বিচারের আবার কিছু পন্থা রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অকাল বৈধব্যের প্রবনতা দেখা দেয়। এছাড়া স্বামী কর্তৃক স্ত্রী হত্যা ও স্ত্রী কর্তৃক স্বামী হত্যা পর্যন্ত ঘটতে পারে বিরূপ যোনিকুটের ফলে।

5. গ্রহমৈত্রীকুট : পাত্র পাত্রীর রাশি অধিপতি গ্রহের শক্র মিত্রতার উপর নির্ভরশীল। মিত্রতার প্রভাবে বিবাহিত জীবন সুখ, সমৃদ্ধি, অর্থ, সম্মানে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে আর অশুভ প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম ছাড়াও স্বামী স্ত্রীর দুর্ঘটনা জনিত অঙ্গপ্রতঙ্গ হানী সহ শেষ জীবন কোন প্রকারেই শুভকর হয় না।

6. গনকুট : জ্যোতিষ গণনায় যে সাতাশটি নক্ষত্রকে ধরা হয়েছে, তাদেরই ঐ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বর ও কন্যার জন্মনক্ষত্র থেকে গণ কূট বিচার করতে হয়।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নয়টি সত্ত্ব গুন বিশিষ্ট নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে দেবগন ও সত্ত্ব গুণী হয়।

পূর্বফল্গুনী, পূর্বাষাড়া, পূর্বভাদ্রপদ, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে নর গন হয়।

জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে রাক্ষস গণ হয়।এতো হল গণের পরিচয়।

এবারে বিচারটা কিভাবে হবে ?
“ স্বজাতৌ পরমা প্রীতিরমধ্যা দেব-মানুষে।
দেবাসুরে বৈরতা চ ম্রিত্যুরমানুষ-রাক্ষসে।।
রাক্ষসী চ যদা কন্যা মানুশ্চ বরো ভবেত।
তদা ম্রিত্যুরন দূরস্থো নির্ধনত্বমথাপি যা ” ।।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালেই তার মধ্যে সত্ত্বগুণ থাকবে এবং সে দেবতুল্য মানুষ হবে।

একই ভাবে জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালে, সেই কন্যা যতই সুশীলা হোকনা কেন, বিনা দোষে তার রাক্ষস গণ হবে এবং তার মধ্যে তমগুণ থাকায় দেবগণের পাত্রের সঙ্গে তার কোন মতেই বিবাহ করা চলবে না।

বিয়ে হলে কি হবে ?

ভাল হবেনা। কলহাদি অশান্তি হবে। আর নর- রাক্ষসের বিবাহে কি হবে ?

“ অসুর- মনুজয়োশ্চেন্মৃত্যুমেব প্রদিষটা "।।

নরগণের পাত্রের সঙ্গে রাক্ষস গণের কন্যার বিবাহ হলে পাত্রের মৃত্যু হবে। অর্থাৎ রাক্ষসী কন্যা নর পাত্রকে খেয়ে ফেলবে। বিপরীত ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা আসেনা।গনকুট এর শুভ মিলনের গুরুত্ব অপরিসীম।
গণ বিচারের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তও পাওয়া গেছে। ধরা যাক, একটি ছেলে ও মেয়ের বিয়ের আগে যোটক বিচার করানো হলো। তাতে অষ্টকূট বিচারে ৩৬ টি গুনের মধ্যে ২৮ টি গুন মিলে গেলো। দুজনের কেউই মাঙ্গলিক নন তবুও বাড়ির কূল পুরোহিত বিবাহে সম্মতি দিলো না। তার কারণ ছেলেটি রাক্ষস গণ ও মেয়েটি নরগণ। মেয়ের মা বাবার বক্তব্য রাক্ষস খেয়ে ফেলে মানুষকে। সচেতন হোন- কারন এটা সম্পূর্ণ অশাস্ত্রীয় ,

মহর্ষি গর্গ বলেছেন :

" রক্ষোগণো যদা পুংসাং কুমারী নৃগণো ভবেৎ। সদ্ভকূটম খগ-প্রীতির্যোনিশুদ্ধিঃ শুভস্তথা।।"

- অর্থাৎ পাত্র রাক্ষস গণ হোক আর পাত্রী নরগন হোক না কেন, উভয়েরই যদি নক্ষত্র, গ্রহ, রাশ্যাধিপতি, যোনীকূট ও ভকূট বিশুদ্ধ হয়, গ্রহ পরস্পর মিত্র বা একই হয় তাহলে বিবাহ জীবন সুখময় হয়।

মহর্ষি বশিষ্ঠ বলেছেন :

" গ্রহমৈত্রি রাশি বশ্যম সদ্ভকূটং ভবেৎ যদি। সদগনা ভাবজনিতো দোষ কো অপি ন বিদ্যতে।।"

7. রাশি কুট : পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকের চন্দ্রের অবস্থান জনিত রাশির শুভ অশুভ প্রভাব দাম্পত্য জীবনে সর্বাধিক গুরুত্ব বহন করে। শুভ প্রভাবে শুভ ফল আর অশুভ প্রভাবে শোক, দুঃখ, দুর্দশা সহ দাম্পত্য জীবন বিষিয়ে তোলে।

মেষরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কন্যা ও বৃশ্চিক রাশির পাত্র/পাত্রী। শুভ হল কর্কট, সিংহ, ধনু ও মকররাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
বৃষ রাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল তুলা ও ধনু রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল সিংহ, কন্যা, মকর ও কুম্ভ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
মিথুনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃশ্চিক ও মকর রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কন্যা, তুলা, কুম্ভ ও মীন রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মোটামুটি মধ্যম।

কর্কটরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল ধনু ও কুম্ভ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল তুলা, বৃশ্চিক, মীন ও মেষ রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

সিংহরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মীন রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃশ্চিক, ধনু, মেষ ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

কন্যারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মেষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল ধনু ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম তথাপিও শুভই বলা যায়। এদের মধ্যকার বিবাহে তেমন অসুবিধা প্রায়ই হয়না।
তুলারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মীন ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মকর, কুম্ভ ও কর্কট রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

বৃশ্চিকরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কুম্ভ, মীন, কর্কট ও সিংহ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

ধনুরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃষ ও কর্কট রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, সিংহ ও কন্যা রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মকররাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মিথুন ও সিংহ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, কন্যা, ও তুলারাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
কুম্ভরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কর্কট, সিংহ ও কন্যা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃষ ও তুলা রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মীনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও তুলা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, কর্কট, কন্যা, বৃশ্চিক ও ধনু রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

এছাড়া শুভ যোটক হল পাত্রের রাশির পঞ্চমে পাত্রীর রাশি হলে। বিপরীত ভাবে পাত্রীর ক্ষেত্রেও ঠিক একই ফল প্রদান করবে। যেমন মেষের সাথে সিংহ, বৃষের সাথে কন্যা, মিথুনের সাথে তুলা, কর্কটের সাথে মীন, ধনুর সাথে মেষ, মকরের সাথে বৃষ, কুম্ভের সাথে মিথুন এবং মীনের সাথে কর্কট। জ্যোতিষ শাস্ত্রে এই যোগকে নবম-পঞ্চম নামে অভিহিত করা হয়। এছাড়া পাত্র পাত্রীর উভয়ের একই রাশি হলে যোটক বিচারে শুভ ফল প্রদান করে।

রাজযোটক :

কথায় বলে- “পুরুষের ভাগ্যে জন ও নারীভাগ্যে ধন”।তাই অনেক পাত্র পক্ষ সুলক্ষণা ভাগ্যবতী পত্রীর খোঁজ করেন যাতে সেই পাত্রীর ভাগ্যযোগে তার স্বামীর আর্থিক ও বৈষয়িক উন্নতি হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে মিলনে কোনও বাধা আছে কিনা সেটা পর্যবেক্ষণ করার জন্য যোটক বিচার করার প্রয়োজন হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে যোটক বিচার করার সময় বিশেষ করে তিনটি বিষয় দেখার প্রয়োজন আছে।
প্রথমত - রাশির সঙ্গে রাশির মিলন।

দ্বিতীয়ত - অষ্ট-কূট বিচারের মাধ্যমেও গুণাগুণ সংক্রান্ত ব্যাপারে অবহিত হওয়া।
তৃতীয়ত - রাশিচক্রে বিবাহের স্থান এবং নর-নারী অর্থাৎ জাতক-জাতিকার আয়ু-স্থান এবং কোনও বিবাহ বিচ্ছেদ বা দুর্ঘটনা যোগ আছে কিনা তা জানা দরকার।

এছাড়াও অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। যেমন সন্তান কেমন হবে, বিবাহের পরে ভাগ্য উন্নতি হবে কিনা, স্বভাব চরিত্র কেমন হবে, স্বাস্থ্য ভাল যাবে কিনা, বিবাহিত জীবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিল হবে কিনা ইত্যাদি নানা প্রশ্নের মধ্য দিয়ে পাত্র বা পাত্রী নির্বাচন করা হয়। প্রয়োজন হলে শাস্ত্রীয় বিধি মতে বিবাহের পূর্বে তার প্রতিকার করা হয়।
জন্মকুণ্ডলী বিচার করা হয় লগ্ন ধরে। কিন্তু এখানে জন্ম লগ্ন অপেক্ষা চন্দ্র লগ্ন অর্থাত্ রাশি গুরুত্বপূর্ণ । কোন কোন রাশির সঙ্গে কোন কোন রাশির মিলন হতে পারে তা জানা দরকার। জাতক এবং জাতিকার যদি রাশি একই হয় তাহলে তা শুভ এবং রাজযোটক মিলন।

এছাড়াএ প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগের উল্লেখ পাওয়া যায়, যাকে বিবাহ ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ যোগ বলা হয়েছে । পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকে এই যোগ থাকলে বিবাহিত জীবন ধন-ধান্যে, সম্পদ-সম্পত্তিতে, সন্তান-সন্তুতিতে পরিপূর্ণ ও আনন্দময় হয়ে ওঠে। এই যোগ বিবাহের ক্ষেত্রে বৈধব্য দশা, ভৌম দোষ সহ রাশি, লগ্ন, নক্ষত্র যাই হোক না কেন, কোন রূপ বিচারের প্রয়োজন পড়ে না। যোটক বিচারের অন্যান্য সাধারণ নিয়ম প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগে প্রযোজ্য নয়।
অশুভ যোটক যেমন পাত্রের রাশির অষ্টমে পাত্রীর রাশি হলে সেই বিবাহ অবশ্যই সম্বন্ধ পরিত্যাগ করা উচিৎ,একে অরিষড়ষ্টক যোগ বলে ,যেমন - পাত্রের রাশি মেষ হলে তার অষ্টম রাশি বৃশ্চিক, বৃষের সাথে ধনু, মিথুনের সাথে মকর, কর্কটের সাথে কুম্ভ, সিংহের সাথে মীন, কন্যার সাথে মেষ, তুলার সাথে বৃষ, বৃশ্চিকের সাথে মিথুন, ধনুর সাথে কর্কট, মকরের সাথে সিংহ, কুম্ভের সাথে কন্যা, এবং মীনের সাথে তুলা।

বিপরীতে পাত্রীর রাশির ষষ্ঠ পাত্রের রাশি হলে সে বিবাহ অতিশয় শুভ ফল প্রদান করে , এই যোগকে মিত্রষড়ষ্টক যোগ বলে , যেমন - পাত্রীর রাশি মেষ আর পাত্রের রাশি কন্যা, বৃষের সাথে তুলা, মিথুনের সাথে বৃশ্চিক, কর্কটের সাথে ধনু, সিংহের সাথে মকর, কন্যার সাথে কুম্ভ, তুলার সাথে মীন, বৃশ্চিকের সাথে মেষ, ধনুর সাথে বৃষ, মকরের সাথে মিথুন, কুম্ভের সাথে কর্কট এবং মীনের সাথে সিংহ।

উদাহরণ স্বরূপ :

পাত্রের মেষ রাশি আর পাত্রীর কন্যা রাশি বা তুলা রাশির পাত্রের সহিত মীন রাশির পাত্রী যেন না হয়ে যায় তাহলে মহা সর্বনাশ ঘটে যাবে তাতে সন্দেহ নেই।
মনে রাখতে হবে মিত্রষড়ষ্টক যোগ উল্টো হলে বিপরীত ফল প্রদান করবেই করবে। (আবারও বলি পাত্রীর রাশির ষষ্ঠে পাত্রের রাশি হবে) এর বিপরীত যোগের বিবাহে স্বামী স্ত্রী হবে বিরুদ্ধ মতাবলম্বী, সুখের সংসারে নেমে আসবে দুঃসহ দুঃখ, বেদনা, বিচ্ছেদ ও বৈধব্যদশা। এই যোগের বিবাহ স্বয়ং দেবতাগনেরও পরিত্যাজ্য।

8. ত্রিনাড়ীকুট- ত্রিনাড়ীকুট বিচারের শুভ প্রভাবে সংসার সমাজ ও সভ্যতার শুভ যোগাযোগ তৈরী করে, দাম্পত্য জীবনে শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হয়। আর বিপরীত প্রভাবে অশান্তির তীব্র অনল জ্বলতে থাকে। বিবাহের পর সামাজিক কলহ, বিচ্ছেদ, একাকী জীবন যাপন, পিতামাতাসহ সংসারের আত্মীয় পরিজন ছেড়ে বনবাস বা বিদেশ বাস প্রভৃতি ঘটে, একমাত্র ত্রিনাড়ী কুটের অশুভ প্রভাবের ফলে।
ভৌম দোষ বা মাঙ্গলিক দোষ। পাত্রপাত্রীর জন্ম কুন্ডলীর লগ্নে, চতুর্থে, ষষ্ঠে, অষ্টমে এবং দ্বাদশে মঙ্গল অবস্থান করলে জ্যোতিষশাস্ত্রে একে ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ বলে। এই দোষ দাম্পত্য জীবনে বিদ্রোহ, ফাটল, অশান্তি, বিচ্ছেদ ছাড়াও পাত্রের ক্ষেত্রে বিপত্নীক এবং পাত্রীর ক্ষেত্রে বিবাহিত জীবনে স্বামীর অকাল জীবনাবসান এর ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া এদের বিবাহিত জীবনে কোন এক সময়ে দাম্পত্য-অশান্তির মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যা পাত্র/পাত্রীকে মৃত্যুতুল্য করে তোলে। এক কথায় উভয়েরই মনের মৃত্যু ঘটে যায়। তবে এই ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ পাত্র পাত্রীর উভয়ের জন্মকুন্ডলীতে থাকলে তাদের বিবাহিত জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উভয়েই দীর্ঘায়ু লাভ করে ছাড়াও সমাজে মানব সভ্যতার অগ্রগতি সাধন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
জন্ম কুণ্ডলীতে ১২টি করে ঘর থাকে। তার মধ্যে অন্তত ৫টি ঘরে মঙ্গলের অবস্থান একজনকে মাঙ্গলিক হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ভৌম দোষের কম-বেশি থাকে। যত কম ঘরে মঙ্গল অবস্থান করবে, তার প্রভাবও ততই কম হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশই মাঙ্গলিক। লগ্ন, চতুর্থ, সপ্তম,অষ্টম, দ্বাদশ স্থানে মঙ্গলের অবস্থানকে মাঙ্গলিক দোষ বলাহয়। পুরুষের এই দোষ স্ত্রীর জন্য অশুভ এবং স্ত্রীর পক্ষে স্বামীর, ইহা পরীক্ষীত ও প্রমাণিত।

কোন জাতক বা জাতিকার কোষ্ঠী বিচারে আগেই যদি জানতে পারা যায় যে তার দাম্পত্য সুখের যোগ নেই, তা হলে তার বিবাহের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে এবং ঐ জাতক বা জাতিকার জন্য সম্ভাব্য পাত্রী বা পাত্রের কোষ্ঠী বিচার করে দেখা যেতে পারে যে সেই কোষ্ঠীতে দাম্পত্য সুখের সম্ভাবনা কি রকম। পাত্র বা পাত্রীর সাধারণভাবে জন্ম-কুন্ডলীতে লগ্নের সপ্তমভাব থেকে জায়া বা পতির বিচার করা হয়। সপ্তমভাবে যে যে গ্রহের যোগ বা দৃষ্টি, সপ্তমভাবপতি, সপ্তমভাবপতি যে যে রাশি ও নবাংশে অবস্থিত সেই সেই রাশি ও নবাংশের অধিপতি, সপ্তমভাব ও পত্নীর কারকগ্রহ শুক্র, শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তম রাশাধিপতি – পতি-পত্নী ও বিবাহিত জীবনের উপর এই সকল গ্রহেরই প্রভাব আছে।
বিবাহিত জীবন বিষয়ে সপ্তমভাবের মত দ্বিতীয়ভাবও বিচার করতে হবে।কারণ, দ্বিতীয়ভাব কুটুম্বস্থান। বিবাহিত জীবনে সাফল্য বা অসাফল্যের পিছনে কুটুম্বদের ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ, পতি পত্নীর উভয় পক্ষেরই। সেই কারণেই বিবাহিত জীবনের জ্যোতিষিক অনুসন্ধানে ধনভাব/কুটুম্ব স্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, চতুর্থভাব (সুখ) এবং দ্বাদশ (শয্যা সুখ) ভাবেরও গুরুত্ব আছে।
রাহু ও কেতু ভিন্ন যে গ্রহের স্ফুটাংশ (রাশি ব্যতীত অংশ-কলাদি) সর্বাপেক্ষা কম, সেই গ্রহকেও জায়া কারক আখ্যা দেওয়া হয়। চর-কারকত্বে যে গ্রহ জায়া কারক হিসাবে নির্ণীত হবে, বিবাহিত জীবনে তারও প্রভাব আছে। স্থির-কারকত্বে শুক্র পত্নীকারক গ্রহ। সপ্তমভাবপতি ও সপ্তমপতির নবাংশপতি হতে পতির বিচার করতে হয়।
বিবাহোত্তর জীবনে সুখলাভের সম্ভাবনা বিষয়ে প্রাচীন জ্যোতিষ গ্রন্থাদিতে যা পত্নীসুখ বিষয়ে লিখিত, তা পতিসুখ সম্বন্ধেও প্রযোজ্য।
লগ্নের সপ্তমস্থান শুভ গ্রহের ক্ষেত্র এবং শুভগ্রহ দ্বারা যুক্ত বা দৃষ্ট হলে পত্নীসুখ ও শ্বশুর কুলোদ্ভব সুখ হয় এবং স্ত্রী রূপবতী গুণবতী হয়। বিপরীতে- বিপরীত ফল হয় অর্থাৎ সপ্তমস্থান পাপক্ষেত্র হয়ে পাপগ্রহযুক্ত বা দৃষ্ট হলে ঐ প্রকার সুখ হয় না। শুভাশুভ মিশগ্রহে মিশ্র ফল চিন্তনীয়।

লগ্নাপেক্ষা সপ্তমে বহু পাপগ্রহের অবস্থানে বহু স্ত্রী সত্ত্বেও স্বল্প সুখ এবং বহু শুভগ্রহের অবস্থানে একটি স্ত্রী হলেও বিশেষ সুখ হয়। পতির কুন্ডলীতে লগ্নপতি ও সপ্তমপতি যে গ্রহের ক্ষেত্রে ও নবাংশে অবস্থিত, সেই গ্রহের ক্ষেত্রে বা নবাংশে স্ত্রীর জন্ম হলে সেই পত্নী স্বামীর সুখদায়িনী হয়ে থাকে। পতির জন্মকুন্ডলীতে চন্দ্র যে রাশিতে অবস্থিত, সেই রাশির সপ্তমরাশিদর্শী গ্রহের বা তদরাশি স্থিত গ্রহের ক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর জন্ম হয়, তাহা হলে সেই স্ত্রী পতিপ্রিয়া হয়।
নারীর জন্মকুন্ডলীতে দ্বিতীয়, সপ্তম ও দ্বাদশপতি বৃহস্পতি দৃষ্ট এবং কেন্দ্র কোনস্থ হলে, অথবা সপ্তমপতির দ্বিতীয়ে, সপ্তমে বা একাদশ স্থানে শুভ গ্রহের অবস্থানে জাতক/ জাতিকা স্ত্রী/ পতি পুত্র সুখে সুখী হয়।

চন্দ্র ও লগ্ন হতে সপ্তমভাব যদি নবমপতি বা স্বীয় পতি বা শুভগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট হয়, তাহা হলে সপ্তমভাবের শুভ হয় এবং সেক্ষেত্রে বিবাহিত জীবন সুখের হয়।

সপ্তমভাব যদি সমরাশি হয়, সেই রাশ্যাধিপতি ও শুক্র যদি সমরাশিস্থিত হয় এবং পঞ্চম ও সপ্তমভাবের অধিপতিদ্বয় বলবান হয় ও অস্তমিত না হয়, তাহা হলে স্ত্রীপুত্র সুখ হয়।

কোন নারীর জন্মকুন্ডলীতে যদি :

ক) লগ্ন বা লগ্নপতি ও চন্দ্র সমরাশিস্থিত এবং শুভগ্রহ যুক্ত, অথবা
খ) চন্দ্র, লগ্ন ও চতুর্থভাব যদি শুভ গ্রহ যুক্ত বা দৃষ্ট, বা
গ) লগ্নাপেক্ষা ত্রিকোণে (লগ্নে, পঞ্চমে, নবমে) শুভগ্রহেরা অবস্থিত, অথবা যদি সপ্তমভাব ও ঐ ভাব নবংশের অধিপতি শুভগ্রহ হয়, তাহা হলে সেই নারী গুণবতী ও সৌভাগ্যবতী হয়। পতিসুখ না পেলে সেই নারীকে সৌভাগ্যবতী বলা যাবে না, সুতরাং এই সকল যোগে পত্নী পতিসৌখ্যলাভ করে।

পত্নীর পতিপ্রিয়া হবার আরও কয়েকটা যোগ :

ক) লগ্ন সমরাশিতে এবং মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র অতীব বলবান,
খ) লগ্নের নবাংশপতি শুভ গ্রহ
গ) লগ্নে শুক্র ও চন্দ্র বা বুধ ও চন্দ্র বা বুধ ও শুক্র অথবা শুভগ্রহ থাকলে,
ঘ) সপ্তমে একাধিক শুভগ্রহ বা পূর্ণচন্দ্র থাকলে,
ঙ) গুরু, শুক্র, বুধ ও চন্দ্র সকলেই লগ্নকে পূর্ণদৃষ্টি দিলে,
চ) লগ্ন থেকে কেন্দ্র কোণে বৃহস্পতি, বিশেষতঃ স্বগৃহে বা তুঙ্গ রাশিতে,
ছ) অষ্টমভাব থেকে নবমে এবং লগ্ন হতে নবমে শুধুমাত্র শুভ গ্রহের অবস্থান,
জ) লগ্ন ও রাশি শুধুমাত্র শুভগ্রহ দ্বারা দৃষ্ট।
দাম্পত্য সম্প্রীতি বা পতি-পত্নীর পরস্পর মিত্রতা-শত্রুতা বিষয়ে নানা যোগের উল্লেখ করার সময় অনেক সময় দাম্পত্যসুখের অভাবের যোগের কথাও বলা হয়েছে, তবে দাম্পত্য সুখের অভাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু যোগ :

১) শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তমে পাপগ্রহের অবস্থান বা শুক্র পাপযুক্ত,
২) চন্দ্র সপ্তমস্থ, সপ্তমপতি ব্যয়স্থ এবং শুক্র দুর্বল,
৩) দ্বাদশপতি লগ্নে বা সপ্তমে,
৪) ব্যয়াধিপ শত্রু নবাংশে নীচ নবাংশে, অষ্টমভাব-নবাংশে বা ষষ্ঠাষ্টমে স্থিত,
৫) শুক্রের ত্রিকোণে অর্থাৎ পঞ্চমে বা নবমে শনির অবস্থান,
৬) সপ্তমে শনির অবস্থান,
৭) সপ্তমপতি পাপ নবাংশে, বা নীচ নবাংশে,
৮) ক্রুর ষষ্ঠাংশে,
৯) শুক্র নীচ নবাংশে,
১০) সপ্তমপতি রবির রাশিতে অর্থাৎ সিংহে এবং রবি পাপগ্রহের রাশিতে বা নবাংশে এবং পাপগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট,
১১) চন্দ্রের রাশিতে সপ্তম পতি ও চন্দ্র পাপ নবাংশে,
১২) স্ত্রীজাতকের সপ্তমে বা অষ্টমে পাপগ্রহ, বিশেষতঃ সপ্তমে একাধিক দুর্বল পাপগ্রহের অবস্থান, অথবা সপ্তমে পাপগ্রহ দৃষ্ট রবি স্থিত হলে।

দাম্পত্য সুখ বিচারে পতি-পত্নীর মিত্রতা-বৈরিতা বিচার ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। বিবাহে পাত্র-পাত্রীর কোষ্ঠীর মিল দেখার জন্য প্রচলিত যে অষ্টকূট যোটক বিচার পদ্ধতি ঐ পদ্ধতির অষ্টকুটের অন্যতম কুট, বর ও কন্যার উভয়ের রাশির অধিপতির মিত্রতা, ভাবী স্বামী-স্ত্রীর মানসিক সৌখ্যের অন্যতম নির্ণায়ক হিসাবে গণ্য হতে পারে। তবে এ’ছাড়া উভয়ের চন্দ্রস্থিত নবাংশ পতিদ্বয়ের এবং উভয়ের চন্দ্রস্থিত রাশির অধিপতির দ্বয়ের যে যে নবাংশে অবস্থিত সেই নবাংশ পতিদ্বয়েরও মিত্র আছে কিনা দেখা প্রয়োজন, থাকলে ভাবী বর বধুর মানসিক সম্প্রীতি বুঝতে হবে, না থাকলে সম্প্রীতির অভাব বুঝতে হবে।

দাম্পত্য সুখ বা সুখের অভাব সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কিছু যোগের উল্লেখ এই প্রবেন্ধে করা হল, তবে কোন দম্পতির জীবনে সুখ বিষয়ে সিদ্ধান্ত করার জন্য, শুধুমাত্র এই যোগগুলি বা এই ধরণের যোগের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা যাবে না। উভয়ের কোষ্ঠীর সামুহিক মূল্যায়ন, যোগকারী গ্রহের এবং চন্দ্র ও শুক্রের বলাবল ও শুভাশুভত্ব বিবেচনা করতে হয় ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190829151022

Thursday, August 29th, 2019

Astro Research Centre

বিবাহ গ্রহ জ্যোতিষ হস্তরেখা সপ্তম ভাব ও মঙ্গল

বিবাহ গ্রহ জ্যোতিষ  হস্তরেখা  সপ্তম ভাব ও মঙ্গল

বিবাহ গ্রহ জ্যোতিষ ও হস্তরেখা

আমার মতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ বর্তমান সময়ে আলোচনার জন্য খুবই প্রাসঙ্গিক একটি বিষয়। বর্তমানে আমাদের সমাজে বিচ্ছেদের সংখ্যা উল্লেখ যোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রচুর মানুষ বৈবাহিক বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছেন। আমার কর্ম জীবনে বহু মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন যে তাদের কুণ্ডলীতে বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ আছে কিনা। এখানে আমি চেষ্টা করব কিছু অধিকাংশ করা প্রশ্নের উত্তর দেবার, যেমন জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ, বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্রে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য কোন গ্রহ গুলি সবথেকে বেশি দায়ী ,জন্মপত্রিকায় বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ প্রভৃতি।

ক্ষতিকর গ্রহ, বিশেষত মঙ্গল, রাহু, শনি এবং সূর্য বিচ্ছেদ মূলক চরিত্রের হয়। তাই এই গ্রহ গুলি কুন্ডলীতে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুঘটকের ন্যায় কাজ করে। এগুলো ছাড়া আরও দুটি গ্রহও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিকর প্রভাব থাকা সত্বেও বিবাহ বিচ্ছেদ এড়ানোর ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী। প্রেম, ভালোবাসা, বিবাহ ও যৌন জীবনের ক্ষেত্রে প্রধান গ্রহ হল শুক্র। পুরুষদের কুষ্টির ক্ষেত্রে এটি স্ত্রীকেও সূচিত করে, সুতরাং শুক্র যদি পীড়িত, দুর্বল বা অবনতিশীল হয় তবে তা বৈবাহিক অস্থিরতার লক্ষণ। মহিলাদের কুষ্টির ক্ষেত্রে বৃহস্পতি স্বামীকে সূচিত করে। সুতরাং বৃহস্পতি যদি দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে তা স্বামীর দিক থেকে দুঃখের লক্ষণ।

জন্মপত্রিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ যা বিবাহ বিচ্ছেদের লক্ষণ

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বৈবাহিক স্থিরতা ও অস্থিরতা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের বিচারের জন্য প্রধান স্থান হল ৪র্থ,৭ম, ৮ম এবং ১২তম স্থান। এছাড়াও আমাদের উপপদলগ্ন ও তার ২য় স্থান পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

৪র্থ স্থান হল পরিবারের থেকে আনন্দ। যখন ৪র্থ স্থান বা তার মালিক পীড়িত হয় তখন পরিবারে সুখের অভাব দেখা দেয়। যদি ৪র্থ স্থান শক্তিশালী হয় ও তার মালিক সঠিক স্থানে থাকেন তবে জ্যোতিষশাশ্ত্রে অন্যান্য বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ থাকা সত্বেও তা কখনোই চূড়ান্ত পরিণাম হবে না।

৭ম স্থান হল বিবাহের প্রধান স্থান। এটা শুধু বিবাহের ক্ষেত্রে না হয়ে সবধরণের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কার্যকরী। সুতরাং যখন ৭ম স্থান পীড়িত হয় ও তার মালিক দুর্বল হয় তাহলে এটা বোঝায় যে সেই ব্যক্তির ভাগ্যে সুখী বৈবাহিক জীবন থাকেনা। যদি সেখানে কোনো প্রতিরোধক না থাকে তবে সে বিবাহ নিয়ে ভুক্তভোগী হবে।

৮ম স্থান ব্যক্তির যৌন জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে। সমস্ত স্থানের মধ্যে ৮ম স্থান হল সবচেয়ে অশুভ/ দুষ্ট স্থান। এটা জীবনের গোপন বিষয় নিয়ে বাধা বিপত্তির উদ্রেক করে। মোটের ওপর ৭ম স্থানের দিক থেকে দ্বিতীয় হয়ে এটা বিবাহের সমৃদ্ধির জন্য দায়ী হয়। যদি ৮ম স্থান পীড়িত হয় তখন ৮ম স্থানের মালিক ৭ম স্থান বা তার মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটা বিবাহের পক্ষে সবদিক থেকে নেতিবাচক হয়। এটা জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রধান স্থান।

১২তম স্থান যৌনকামনা তৃপ্তির স্থান বলে পরিচিত। ১২তম স্থান পীড়িত হলে যৌন জীবন দুঃখের হয় এবং যৌনজীবনের প্রতি আগ্রহের অভাব দেখা যায়।

অবশেষে আমাদের উপপদলগ্নের পরিস্থিতি দেখতে হবে। এটা হল ১২তম স্থানের অরুধা পদ। যেমন আপনি যদি বৃষলগ্ন নিয়ে জন্মান তাহলে আপনার ১২তম স্থানের মালিক হবেন মঙ্গল। যদি মঙ্গলকে কর্কটে স্থানান্তরিত করা হয় তবে তা ১২তম স্থান থেকে ৪ চিহ্ন দূরে হবে। আমরা আবার উপপদলগ্ন পাবার জন্য কর্কট থেকে ৪টে চিহ্ন গণনা করব। কর্কট থেকে ৪টে চিহ্ন যেমন তুলা হবে উপপদলগ্ন।

উপপদলগ্ন একজন ব্যক্তির সঙ্গে তার বৈবাহিক সঙ্গীর সম্পর্ক কেমন হবে তা প্রদর্শন করে। যদি শুভ ফল প্রদানকারী গ্রহগুলি উপপদলগ্নের সঙ্গে থাকে তবে তা সুখী দাম্পত্যকে সূচিত করে। জীবন সঙ্গীর চরিত্র, ধরন ও পূর্ব পরিচয় বিচারের ক্ষেত্রে উপপদলগ্নের মালিক ও তার সঙ্গে থাকা গ্রহগুলির গুরুত্ব অপরিসীম। উপপদলগ্নের থেকে দ্বিতীয় স্থান বিবাহের স্থিরতা বা স্থিতিশীলতা কে প্রদর্শন করে। যদি উপপদলগ্ন থেকে দ্বিতীয় স্থানে ক্ষতিকর গ্রহ যেমন রাহু, মঙ্গল অথবা তাদের ক্ষতিকর প্রভাব থাকে তবে তা জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনাকে সূচিত করে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ গণনার প্রাথমিক নীতি

জ্যোতিষশাশ্ত্রে অসংখ্য বিবাহবিচ্ছেদের যোগ আছে এবং তাদের সকলকে মনে রাখা খুবই কঠিন। সুতরাং আমি জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ নিয়ে আলোচনা করছি।

যদি লগ্নে ৭ম স্থানের মালিক ১২তম স্থানের মালিক ও রাহুর সঙ্গে যুক্ত থাকে তবে তা জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। যদি ১২তম স্থানের মালিক ৭ম স্থানে রাহুর সঙ্গে থাকে অথবা যদি ৭ম ও ১২তম স্থানের মালিক পারস্পরিক বিনিময়ের সম্পর্কে থাকে এবং রাহু গ্রহগুলির মধ্যে কোনো একটির সাথে যুক্ত থাকে তবে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা প্রবল।যখন মঙ্গল ও শনির রাশিতে জন্ম হয় তখন যদি শুক্র লগ্নে অধিষ্ঠান করে এবং ৭ম স্থান পীড়িত হয়, স্ত্রী সঙ্গীকে ত্যাগ করে। চন্দ্র ও শুক্রের উপস্থিতি কে বিবাহ জীবনের পক্ষে অশুভ ধরা হয়। যদি এই বিন্যাস ক্ষতিকর প্রভাব দ্বারা পীড়িত হয় তখন কোষ্ঠী তে বিচ্ছেদের প্রবল লক্ষণ দেখা যায়। জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিচ্ছেদের অন্যতম শক্তিশালী বিন্যাস হল ৭ম স্থানে পীড়িত সূর্যের উপস্থিতি অথবা ৭ম স্থানের দুর্বল মালিকের সঙ্গে উপস্থিতি। এটা বিচ্ছেদের আরও বেশি প্রবল লক্ষণ হয় যখন শুক্র ও রাহু অথবা শনি ও রাহুও লগ্নে অবস্থান করে। ৬ষ্ঠ স্থান কোর্টে মামলা মোকদ্দমা প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা কোর্টের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করতে পারি না। যখন ৬ষ্ঠ স্থানের মালিক ৭ম স্থানে থাকে বা তার বিপরীত হয় বা ৬ষ্ঠ এবং ৭ম স্থান একসঙ্গে থাকে তখন দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর বিচ্ছেদ ঘটে। ৬ষ্ঠ স্থান হল ৭ম স্থান থেকে দ্বাদশতম, সুতরাং এটি বিবাহের হানি ঘটায়। যখনই ৬ষ্ঠ স্থান বা তার মালিক বিবাহের সূচক শুক্রের সাথে যুক্ত হয়, তখন বিবাহ বিচ্ছেদ ডেকে আনতে পারে। ৭ম স্থানেও বিভিন্ন গ্রহ যেমন মঙ্গল, রাহু, শনি, সূর্য প্রভৃতির প্রভাব থাকে। এটা লক্ষ্য করা যায় যে ৪র্থ স্থান যখন ৬ষ্ঠ বা ৪র্থ স্থানের মালিকের দ্বারা পীড়িত হয় এবং ৬ষ্ঠ স্থান সঙ্গে থাকে তখন বৈদিক জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্ভাবনা খুবই প্রবল।যদি ৭ম স্থানের মালিক পীড়িত হয় এবং মঙ্গল, রাহু, সূর্য প্রভৃতি গ্রহেরা ৮ম স্থানে থাকে তাহলে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ গণনা করা যায়। যদি ৭ম স্থান পাপকর্তারী যোগের মধ্যে পড়ে তাহলেও বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।যদি ৭ম পতি বক্রী হয় এবং ৮ম স্থান রাহু, মঙ্গল, সূর্য বা শনির পীড়িত হয় তখন বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা থাকে। এই বিন্যাস সঙ্গে নিয়ে শুক্রও যদি বক্রী হয় তাহলে পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হয়। যদি ১২তম স্থানের মালিক ৪র্থ স্থানে থাকে অথবা ৪র্থ স্থানের মালিক যদি ৬ষ্ঠ, ৮ম বা ১২তম স্থানে থাকে, ৭ম স্থান যদি রাহু, সূর্য, শনি অথবা মঙ্গলের দ্বারা পীড়িত হয় এবং বিবাহের সূচক শুক্রও যদি দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে কুষ্টিতে বিচ্ছেদের যোগ প্রবল। নভমসা লগ্ন থেকে ৭ম স্থানে ক্ষতিকর প্রভাব থাকলে এবং কুষ্টিতেও বিচ্ছেদের যোগ দেখালে তখন বিচ্ছেদ অবশ্যম্ভাবী বলা যায়।যদি রাহু–কেতু নভমসা লগ্নের ১ম–৭ম অক্ষে অবস্থান করে তাহলে এটা জ্যোতিষ শাস্ত্রে অসুখী বিবাহজীবনের প্রবল যোগ থাকে। যদি নভমসায় বিবাহের সূচক দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে আরও অশুভ ফল দেবে।নভমসা কুষ্টিতে আমাদের নভমসা লগ্ন লক্ষ্য করতে হবে, ৭ম এবং ৮ম স্থান। যদি এইস্থান এবং তার মালিকেরা পীড়িত হয় তখন বিচ্ছেদের সম্ভাবনা বাড়ে। আমাদের নভমসা কুষ্টিতে রাশি ঘরের ৭ম স্থানের মালিকের পরিস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে। নভমসায় শুক্র–কেতুর সংযোগ হল বিচ্ছেদের প্রবল লক্ষণ।উপপদ লগ্ন থেকে দ্বিতীয় স্থান যদি শনি, মঙ্গল, রাহু বা কেতু প্রভৃতি ক্ষতিকর গ্রহের দ্বারা পীড়িত হয় তাহলে তা বিবাহ ভেঙে দিতে পারে। যখন উপপদলগ্ন কেতুর দ্বারা সংযুক্ত হয় এবং শুক্র ১২তম স্থানে থাকে তখন তা বিচ্ছেদ এবং দুঃখজনক বৈবাহিক জীবনকে সূচিত করে।

এই গুলি হল বৈদিক জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ প্রধান মৌলিক নীতি। আমাদের লগ্ন, চন্দ্র এবং নভমসা থেকেও এই পরিস্থিতি গুলি লক্ষ্য করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে গুরুতর পীড়ন থাকা সত্বেও বৃহস্পতির প্রভাব বিবাহজীবন কে রক্ষা করতে পারে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সময়

এখন জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বোঝার চেষ্টা করি। ৭ম স্থানের মালিকের নিজের দশাতেই বিচ্ছেদ ঘটতে পারে, যদি এটি ৬ষ্ঠ অথবা ৮ম স্থানের সাথে যুক্ত থাকে। ৪র্থ স্থানকে পীড়িত করা গ্রহগুলির সময় কালেও বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটতে পারে, বিশেষত যখন তারা ৬ষ্ঠ, ৮ম এবং ১২তম স্থানেরও মালিক হন। জন্মপত্রিতে বিচ্ছেদ রাহু, মঙ্গল অথবা শনির সময়কালেও ঘটতে পারে, যদি তারা ৪র্থ, ৭ম অথবা ১২তম স্থানের সাথে যুক্ত থাকে এবং বিচ্ছেদ যোগের বিন্যাস তৈরী করে।

বিবাহ বিচ্ছেদের পরে অনেক মানুষ পুনরায় বিবাহ করেন। কিন্তু সবাই দ্বিতীয় বার হলেও সুখীদাম্পত্য জীবন পাবার মতো ভাগ্যবান হননা ।পরীক্ষা করুন আপনার কুষ্টিতে ২য় বিবাহের যোগ আছে কিনা

জ্যোতিষ শাস্ত্রে কুষ্টিতে বিবাহ বিচ্ছেদের প্রতিকার

গৌরী-শঙ্কর রুদ্রাক্ষ সঠিকপদ্ধতিতে রাখুন।এটা খুব কার্যকরী।প্রতিদিন ভগবান শিব এবংমাতা পার্বতীর পূজা করুন।বিবাহের পূর্বে কুষ্টির মিলন করানো উচিৎপ্রতিদিন ললিতা সহস্রনামা পাঠ করা উচিৎ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190829113219

Wednesday, August 28th, 2019

Astro Research Centre

রাশি (জন্ম )অনুসারে চারিত্রিক বৈশিষ্ট (Arish to pises)

রাশি (জন্ম )অনুসারে চারিত্রিক বৈশিষ্ট (Arish to pises)

রাশি (জন্ম )অনুসারে চারিত্রিক বৈশিষ্ট (Arish to pises)

সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার চন্দ্র যে রাশিতে থাকে ঐ
রাশিকে জন্ম-রাশি বলে।

মেষ রাশির জাতক ভাবপ্রবণ, চঞ্চল, জেদী, ক্রোধী, সামান্য কারণে আনন্দিত বা বিষাদগ্রস্ত, মিষ্টান্নপ্রিয়, ত্যাগী, ধনী, নিজ কর্মে বিশ্বাসী, প্রবল আত্মবোধ ও ইন্দ্রিয়ানুভূতির অধিকারী।

বৃষ রাশির জাতক স্থুল নেত্রযুক্ত, স্বল্পভাষী, ধীর-স্থীর, ধার্মিক, কুলজনের হিতকারী, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, অধ্যবসায়ী, পরিশ্রমী, স্থির-প্রতিজ্ঞ, বাস্তববাদী, আধিপত্য বিস্তারকারী ও হিসাবী।

মিথুন রাশির জাতক ধীর-গতিসম্পন্ন, স্পষ্টবাক, পরহিতৈষী, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, পণ্ডিত, হাস্যযুক্ত, কৌতুকপ্রিয়, আত্ম-প্রশংসাকামী, সমালোচক, গীতবাদ্য অনুরাগী।

কর্কট রাশির জাতকচিন্তাশীল, ভাবুক, কল্পনাপ্রবন, উদার, সত্যবাদী, দয়ালু, দেবদ্বিজে ভক্তিপরায়ণ, পণ্ডিত, প্রগতিশীল হলেও পুরাতনপন্থী, দৃঢ়-প্রতীজ্ঞ, ভ্রমণপ্রিয়, আশ্চর্যজনক বিষয়ে আগ্রহশীল, মাতা-পিতার প্রতি ভক্তিপরায়ণ এবং সাহিত্য ও গীতবাদ্যে অনুরাগী।

সিংহ রাশির জাতক বিশ্বাসী, ক্রোধী, বন্ধুহীন, উন্নত-বক্ষবিশিষ্ট, খেয়ালী, কর্তৃত্বপ্রিয়, স্বাধীনচেতা, বিলাসী, স্পষ্টবক্তা, অন্যায়ের বিরুদ্ধাচারী, আত্ম-সচেতন ও অমিতব্যয়ী।

কন্যা রাশির জাতক ধার্মিক, বালক-স্বভাবযুক্ত, ক্ষমাপরায়ণ, একমনা, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, সমালোচক, সৎ হলেও ক্ষেত্র বিশেষে কুটিল-স্বভাবযুক্ত, মাতৃভক্ত, সাহিত্য-রসিক এবং রমণীগণের প্রিয়।

তুলা রাশির জাতক কোমল শরীর-বিশিষ্ট, দাতা, বন্ধুবৎসল, সদালাপী, অতিভাষী, দৈব-প্রভাবযুক্ত, বুদ্ধিমান, সামাজিক, ভোগী, বিলাসী, শাস্ত্রজ্ঞ, সঙ্গীতজ্ঞ ও রমণীগণের প্রিয়।

বৃশ্চিক রাশির জাতক পণ্ডিত, দৃঢ়মতি, বলশালী, আত্মনির্ভরশীল, কর্মদক্ষ, গম্ভীর, জেদী, ক্রোধী, পরমত অসহিষ্ণু, সর্বদা উদ্বেগযুক্ত ও খলবুদ্ধিসম্পন্ন।

ধনু রাশির জাতক নানা কীর্তিপরায়ণ, কুলগৌরবযুক্ত, বন্ধুলোকের হিতকামী, সূক্ষ্মদৃষ্টিসম্পন্ন, প্রভূত ধন-সম্পদযুক্ত, ধীর গতিসম্পন্ন, ধার্মিক, স্বাধীনচেতা, উচ্চাভিলাসী, কর্তৃত্বপ্রিয়, অহংকারী, ক্ষণক্রোধী, পিতৃধন ত্যাগী, গীতপ্রিয়, মীতব্যয়ী, কখনও ধীর আবার কখনও স্থীর, দ্বিধাভাবগ্রস্ত ও সন্দিগ্ধমনা।

মকর রাশির জাতক তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, ধীর, আত্মাভিমানী, পরাক্রমযুক্ত, বন্ধুবৎসল, দ্বায়িত্বসম্পন্ন, ভোগবিলাসী, মন্ত্রণা ও বাদানুবাদে দক্ষ, সুনামপ্রিয়, পরদারাসক্ত এবং বাইরে থেকে সহজ-সরল মনে হলেও অমত্মরে কুটিল।

কুম্ভ রাশির জাতক উদ্যমী, একাগ্র চিত্তের অধিকারী, ভাবুক, ধার্মিক, নির্জনতাপ্রিয়, সংস্কারপ্রিয়, জ্ঞাতিবর্গসহ আমোদকারী, পরদারাসক্ত, ধনশালী, গম্ভীর, কুটিল স্বভাবযুক্ত ও নিদ্রাপ্রিয়।

মীন রাশির জাতক ধৈর্যশালী, শামিত্মপ্রিয়, একাগ্র, জ্ঞানী, মানী, আশাবাদী, উদ্ভাবনী শক্তিসম্পন্ন, উদার, ধার্মিক, দ্বিধাভাবগ্রস্ত, স্ত্রী-জয়ী, রমণীপ্রিয়, সাহিত্যরসিক ও ধনেজনে সুখভোগী।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190828134031

Tuesday, August 27th, 2019

Astro Research Centre

তিথি, অমাবস্যা, পূর্ণিমা, নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিকি কি ক্তা ও পূর্ণা 30টি তিথি

তিথি, অমাবস্যা, পূর্ণিমা, নন্দা,  ভদ্রা, জয়া, রিকি কি ক্তা ও পূর্ণা  30টি তিথি

জ্যোতিষশাস্ত্রে 30টি তিথি কি কি , যথা- নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা ও পূর্ণা একাদশী কি ও কয়টি

তিথি পরিচয় জ্যোতিষ বিজ্ঞান মতে চন্দ্র পৃথিবীর চতুর্দিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ত্রিশ দিন লাগে। চন্দ্র ও পৃথিবী ঘুর্ণনের ফলে চন্দ্র ক্রমশ দৃশ্যমান হতে হতে পনের দিনে সম্পূর্ণ দৃশ্যমান হয় যাকে পূর্ণিমা বলে এবং পরবর্তী পনের দিন পর সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয় যাকে অমাবস্যা বলে। যে একক সময়ে চন্দ্রের এরকম হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে তাকে প্রতিপদ, দ্বিতীয়া আদি তিথি বলে। অমাবস্যার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত পনের দিন শুক্ল পক্ষ এবং পূর্ণিমার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে অমাবশ্যা পর্যমত্ম পনের দিন কৃষ্ণ পক্ষ নামে পরিচিত। শুক্ল পক্ষের তিথির নাম- ১) প্রতিপদ, ২) দ্বিতীয়া, ৩) তৃতীয়া, ৪) চতুর্থী, ৫) পঞ্চমী, ৬) ষষ্ঠী, ৭) সপ্তমী, ৮) অষ্টমী, ৯) নবমী, ১০) দশমী, ১১) একাদশী, ১২) দ্বাদশী, ১৩) ত্রয়োদশী, ১৪) চতুর্দশী ও ১৫) পূর্ণিমা। কৃষ্ণ পক্ষের তিথির নাম- ১৬) প্রতিপদ, ১৭) দ্বিতীয়া, ১৮) তৃতীয়া, ১৯) চতুর্থী, ২০) পঞ্চমী, ২১) ষষ্ঠী, ২২) সপ্তমী, ২৩) অষ্টমী, ২৪) নবমী, ২৫) দশমী, ২৬) একাদশী, ২৭) দ্বাদশী, ২৮) ত্রয়োদশী, ২৯) চতুর্দশী ও ৩০) অমাবস্যা। তিথিসমূহ পাঁচ ভাগে বিভক্ত, যথা- নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা ও পূর্ণা। প্রতিপদ, ষষ্ঠী ও একাদশীকে নন্দা; দ্বিতীয়া, সপ্তমী ও দ্বাদশীকে ভদ্রা; তৃতীয়া, অষ্টমী ও ত্রয়োদশীকে জয়া; চতুর্থী, নবমী ও চতুর্দশীকে রিক্তা এবং পঞ্চমী, দশমী, অমাবস্যা ও পূর্ণিমাকে পূর্ণা বলে।


১। একাদশী কী?
২। একাদশী কয়টি ও কি কি?
৩। একাদশীকে মাধব তিথি বা হরিবাসর তিথি বলা হয় কেন?
অালোচনা ঃ-----
একাদশী একটি সংস্কৃত শব্দ। জ্যোতিষশাস্ত্র বা বৈদিক দিনপঞ্জি অনুযায়ী মাসের দুইটি পক্ষের (এক পক্ষ =১৫ দিন) ১১ তম দিবসে তা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ প্রতি মাসে দুটি একাদশী তিথি হয়ে থাকে। অামাবস্যার পর থেকে পূর্ণিমা পষন্ত কালকে বলা হয় শুক্লপক্ষ এবং পূর্ণিমার পর থেকে অমাবস্যা পযন্ত কালকে বলা হয় কৃষ্ণপক্ষ। এভাবে (১২) মাসে চব্বিশটি (২৪) একাদশী।
১। বরুথিনী ২। মোহিনী ৩। অপরা ৪। পান্ডবা
৫। যোগিনী ৬। শয়ন ৭। কামিকা ৮। পবিত্রারোপিণী
৯। অন্নদা ১০। পার্শ্বৈ ১১। ইন্দিরা ১২। পাশাঙ্কুশা
১৩। রমা ১৪। উত্থান ১৫। উৎপন্না ১৬। মোক্ষদা
১৭। সফলা ১৮। পুত্রদা ১৯। ষটতিলা ২০। ভৈমী, জয়া
২১।বিজয়া ২২। অামলকী ২৩। পাপমোচনী ২৪। কামদা
এছাড়া কোনো বছরে অধিমাস বা পুরুষোত্তম মাস (মলমাস) থাকলে, তখন অতিরিক্ত দুটি একাদশী হয়।
শুক্লপক্ষের পদ্মিনী একাদশী এবং কৃষ্ণপক্ষের পরমা একাদশী।
একাদশীকে মাধব তিথি বা হরিবাসর তিথি বলা হয়। মাধব হলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তিথি মানে বিশেষ সময়। অর্থাৎ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা তার প্রিয় তিথিকে বলাহয় মাধব তিথি। জগজ্জীবের কল্যাণের নিমিত্তে ভগবান এই তিথিতে একাদশী দেবীরূপে প্রকাশিত হন। তাই ভগবদ্ভক্তগণ ভগবানের সন্তুুষ্টি বিধানার্থে একাদশী তিথি বিশেষ ভাবে উদযাপন করে থাকেন। কেননা, তা সমস্ত ব্রতের মধ্যে উত্তম ব্রত। হরে কৃষ্ণ


চাঁদ ঘুরছে পৃথিবীর চারদিকে, আর সূর্যের চারদিকে ঘুরে চলেছে পৃথিবী। একইরকম ঘুরে চলার পথে যখন পৃথিবীর একদিকে থাকে চাঁদ, আর একদিকে সূর্য অর্থাৎ পৃথিবী থাকে চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে, সেদিন সূর্যের আলো পাওয়া চাঁদের অর্ধেকটাই পৃথিবী থেকে দেখা যায়। এ দিনটাই পূর্ণিমা। এ সময়টা চাঁদের আলোয় চারপাশ ভেসে যায়। অর্ধেক চাঁদ যদি পুরোটাই আলো পায়, তাহলে সেই চাঁদকে গোল চাঁদ বলে মনে হয়। আবার অমাবস্যা হয়, পৃথিবী ঘুরছে সূর্যের চারদিকে, পৃথিবীর চারপাশে আবার ঘুরছে চাঁদ। এভাবে ঘোরার পথে চাঁদ যখন পৃথিবী আর সূর্যের মাঝখানে আসে, তখন চাঁদের যে পিঠে সূর্যের আলো পড়ে, সে পিঠটা দেখা যায় না। চাঁদের যে দিকে সূর্য আছে, পৃথিবী আছে তার উল্টো দিকে ফলে পৃথিবী থেকে চাঁদের উল্টো দিকটা অর্থাৎ অন্ধকার দিকটা আমাদের চোখে পড়ে। চাঁদের অন্ধকার পিঠ পৃথিবীর দিকে যখন পড়ে, তখনই আসে অমাবস্যা। প্রতি চন্দ্রমাসেই অমাবশ্যা ও পূর্নিমা হয়ে থাকে।


আমাদের দেশে সৌর ও চন্দ্র পদ্ধতির আলাদা সন গোনার পদ্ধতি থাকলেও মিশ্র রীতিতেও তার হিসেব রাখা হত। যেমন চন্দ্র পদ্ধতিতে মাসের গণনা হলেও সন গণনা হত সৌর পদ্ধতিতে। হিন্দুদের পূজা পার্বন-সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান চাঁদের পরিবর্তনের হিসেব অনুযায়ী হয়। চন্দ্র পদ্ধতির হিসেবে প্রতিটি মাসই ৩০ দিনের। পূর্ণিমা থেকে পূর্ণিমা। ফেল প্রতি সৌর বছরের হিসেব থেকে কয়েকটি দিনের পার্থক্য ঘটে। তাই প্রতি তিন সৌর বছর পরে পরে দেখা যায় একটি চান্দ্রমাস বেশি হচ্ছে। তখন ওই মাসটিকে অতিরিক্ত ধরে মূল হিসেব থেকে বাদ দেওয়ার রীতি প্রচলিত রয়েছে। এই অতিরিক্ত মাসকে বলা হয় অতিরিক্ত মাস বা মলমাস।


একই মাসে দু’টি অমবাস্যা তিথি পরলেও সেটিকে মলমাস বলা হয়। ‘মল’ শব্দের অর্থ অশুভ। তাই এই মাসকে বর্জিত হিসেবে হিন্দু ধর্মের কোনও পূজা বা শুভ অনুষ্ঠান যেমন বিবাহ, অন্নপ্রাশন ইত্যাদি হয় না। তবে শ্রাদ্ধ বা সপিণ্ডকরণ করা যায়। আরও একটি বিষয় হল অগ্রহায়ণ, পৌষ ও মাঘ মাস কখনও মলমাস হয় না।


মাসে । আগামী বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর অমাবস্যা ,মহালয়া ও বিশ্বকর্মা পূজা একই দিনে ।


আগামী বছর মহালয়া থেকে পুজোর ফরাক ৩৫দিনের । ১৭ সেপ্টেম্বর মহালয়া এবং সপ্তমী ২৩ সে অক্টোবর। অর্থাৎ, মহালয়া থেকে পুজোর শুরুর ফারাক ৩৫ দিনের।


শাস্ত্র মতে রবি একই রাশিতে থাকলে এক মাসে দুটি অমাবস্যা হয় এবং সেই মাসকে মল মাস বলে ।


ভারতীয় সময়ানুসারে। ৩০মিনিট যোগ করলে বাংলাদেশর সময় পাওয়া যাবে।
আজ: ৩ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, শনিবার, কলি: ৫১২০, সৌর: ৪ মাঘ, চান্দ্র: ২৩ মাধব মাস, ৫৩৩ চৈতনাব্দ, ১৯৪১ শকাব্দ /২০৭৬ বিক্রম সাম্বৎ, ইংরেজী: ১৮ জানুয়ারী ২০২০, বাংলাদেশ: ৫ মাঘ ১৪২৬, ভারতীয় সিভিল:২৮ পৌষ ১৯৪১, মৈতৈ: ২৩ ৱাকচিং, আসাম: ৩ মাঘ, মুসলিম: ২২--১৪৪১ হিজরী





সূর্য উদয়: সকাল ০৬:২১:২৩ এবং অস্ত: বিকাল ০৫:১১:৫৩।
চন্দ্র উদয়: শেষ রাত্রি ০১:০০:১৫(১৮) এবং অস্ত: সকাল ১২:৩৮:১১(১৯)।
অমৃতযোগ: দিন ০৯:৫৮:১৩ থেকে - ১২:৫১:৪১ পর্যন্ত এবং রাতি ০৭:৪৯:৪৭ থেকে - ১০:২৭:৪১ পর্যন্ত, তারপর ১২:১২:৫৭ থেকে - ০১:৫৮:১৩ পর্যন্ত, তারপর ০২:৫০:৫১ থেকে - ০৪:৩৬:০৭ পর্যন্ত।
কুলিকবেলা: দিন ০৭:০৪:৪৫ থেকে - ০৭:৪৮:০৭ পর্যন্ত।
কুলিকরাতি: ০৫:১১:৫৩ থেকে - ০৬:০৪:৩১ পর্যন্ত।
বারবেলা: দিন ০১:০৭:৫৭ থেকে - ০২:২৯:১৬ পর্যন্ত।
কালবেলা: দিন ০৬:২১:২৩ থেকে - ০৭:৪২:৪২ পর্যন্ত, তারপর ০৩:৫০:৩৫ থেকে - ০৫:১১:৫৩ পর্যন্ত।
কালরাতি: ০৫:১১:৫৩ থেকে - ০৬:৫০:৩৫ পর্যন্ত, তারপর ০৪:৪২:৪২ থেকে - ০৬:২১:২৩ পর্যন্ত।

গ্রহস্ফুট (সূর্য উদয় কালীন):
রবি: ৯/২/৫৯/৫৩ (২১) ২ পদ
চন্দ্র: ৬/৭/৩৩/৫৭ (১৫) ১ পদ
মঙ্গল: ৭/১৩/৫৩/১৭ (১৭) ৪ পদ
বুধ: ৯/১২/২২/৫৯ (২২) ১ পদ
বৃহস্পতি: ৮/১৭/৪৬/৩০ (২০) ২ পদ
শুক্র: ১০/১১/৫৪/৩৪ (২৪) ২ পদ
শনি: ৮/২৬/৩৯/৩ (২০) ৪ পদ
রাহু: ২/১৫/২৬/৩ (৬) ৩ পদ
কেতু: ৮/১৫/২৬/৩ (২০) ১ পদ

কৃষ্ণ পক্ষ |তিথি: অষ্টমী ( জয়া) সকাল ঘ ০৮:৫৭:৪৪ দং ৬/৩০/৫২.৫ পর্যন্ত পরে নবমী শেষ রাত্রি ঘ ০৬:৫২:৫০ দং ১/১৮/৪৭.৫ পর্যন্ত পরে দশমী
নক্ষত্র: চিত্রা সকাল ঘ ০৪:৫০:৪৬ দং ৫৬/১৩/২৭.৫ পর্যন্ত পরে স্বাতী শেষ রাত্রি ঘ ০৩:২৪:২২ দং ৫২/৩৭/৩৭.৫ পর্যন্ত পরে বিশাখা
করণ: কৌলব সকাল ঘ ০৮:৫৭:৪৪ দং ৬/৩০/৫২.৫ পর্যন্ত পরে তৈতিল বিকাল ঘ ০৭:৫৩:৪০ দং ৩৩/৫০/৪২.৫ পর্যন্ত পরে গর শেষ রাত্রি ঘ ০৬:৫২:৫০ দং ১/১৮/৪৭.৫ পর্যন্ত পরে বণিজ
যোগ: ধৃতি দুপুর ঘ ০৩:৫৮:৩৫ দং ২৪/৩/ পর্যন্ত পরে শূল


গুরু পূর্ণিমা কি ও কেন..

গুরুপুর্নিমা একটি বৈদিক প্রথা যার মধ্য দিয়ে শিষ্য তার গুরুকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।

প্রাচীন আর্য সমাজে শিক্ষক বা গুরুর স্থান কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল‚ বোঝা যায় যখন ছাত্র-শিক্ষক বা গুরু-শিষ্য পরম্পরাকে সম্মানিত করতে একটি পুর্ন দিন উৎসর্গ করা হয় | তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় অন্য কোনও সম্পর্ক এত গুরুত্ব পেত না। গুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে বৈদিক যুগ থেকেই আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিকে বিশেষ ভাবে নির্ধারণ করে ‘গুরুপূর্ণিমা‘ উদযাপন করা হচ্ছে।

সংস্কৃতে ‘গূ‘ শব্দের অর্থ হল অন্ধকার | গুরু শব্দের মানে হল যিনি অন্ধকার দূর করেন | গুরু আমাদের মনের সব সংশয়‚ সন্দেহ‚ অন্ধকার‚ জিজ্ঞাসা দূর করেন | নতুন পথের দিশা দেখান | তমসা থেকে জ্যোতির্ময়ের পথে চালিত করেন গুরু | হিন্দিতে একটা প্রবচন আছে‚

‘ গুরু গোবিন্দ দুয়ো খাড়ে‚ কাকে লাগু পায় / বালিহারি গুরু আপনে যিন গোবিন্দ দিয়ো বতায়ে ‘

অর্থাৎ‚ এমন একটা পরিস্থিতি‚ যখন গুরু এবং গোবিন্দ বা ঈশ্বর দুজনেই সামনে দাঁড়িয়ে আছেন‚ আমি কাকে প্রথম পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করব ? তার পরের লাইনেই আছে সমাধান | যদি ঈশ্বর এবং গুরু দুজনে সামনে থাকেন‚ আগে গুরুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করবে | কৃতজ্ঞতা জানাবে | কারণ তিনিই আমাদের ঈশ্বরকে চেনান |

বৌদ্ধ ধর্মেও গুরুপূর্ণিমার গুরুত্ব অসীম | বলা হয়‚ বোধিজ্ঞান লাভের পরে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় প্রথম উপদেশ দেন গৌতম বুদ্ধ, আজকের উত্তরপ্রদেশের সারনাথে | আবার হিন্দু পুরাণে আছে শিবের মাহাত্ম্য | মহাদেব হলেন আদি গুরু | তাঁর প্রথম শিষ্য হলেন সপ্তর্ষির সাতজন ঋষি - অত্রি‚ বশিষ্ঠ‚ পুলহ‚ অঙ্গীরা‚ পুলস্থ্য‚
মরীচি এবং ক্রতু ( নাম নিয়ে মতভেদ আছে) | আদিযোগী শিব এই তিথিতে আদিগুরুতে রূপান্তরিত হন | তিনি এদিন ওই সাত ঋষিকে মহাজ্ঞান প্রদান করেন | তাই‚ এই তিথি হল গুরুপূর্ণিমা |

ভারতের অনেক জায়গায় গুরু পূর্ণিমাকে মহাঋষি বেদব্যাসের জন্মতিথি হিসেবেও মানা হয় | যদিও তিনি ছিলেন ঋষি পরাশর এবং মৎস্যগন্ধা সত্যবতীর সন্তান। জন্মের পরে তাঁকে পরিত্যাগ করেন জন্মদাত্রী সত্যবতী | এই সন্তানই মহাঋষিতে পরিণত হন | সম্পাদনা ও পরিমার্জনা করেন চতুর্বেদের | ১৮ টি পুরাণ ছাড়াও রচনা করেন মহাভারত এবং শ্রীমদ্ভগবৎ | বলা হয়‚ আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতেই জন্ম হয়েছিল ব্যাসের |

প্রাচীন সভ্যতার মূলে থাকত চন্দ্র সূর্যের অবস্থান | তাই‚ পূর্ণিমা অমাবস্যাকে ঘিরে আবর্তিত হত বিভিন্ন পালা পার্বণ | গুরু পূর্ণিমার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি | তবে প্রবর্তনের পিছনে যে কারণই থাক না কেন‚ এর উদ্দেশ্য আচার্যকে সম্মান প্রদান করা | একটি শ্লোকের মাধ্যমে গুরু পুর্নিমাতে শ্রী গুরু কে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা যায় -

"গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু‚ গুরুর্দেবো মহেশ্বরঃ
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ"

অর্থাৎ জীবনে গুরুই হলেন ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর | তিনিই আমাদের সৃষ্টি-স্থিতি-লয়ের জ্ঞান বা পরম ব্রহ্মজ্ঞান দান করেন | সেই গুরুর উদ্দেশে প্রণাম জানাই |




সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190827141440

Monday, August 26th, 2019

Astro Research Centre

জ্যোতিষ শাস্ত্রের কিছু অশুভযোগের অন্যতম গ্রহণ যোগ

জ্যোতিষ শাস্ত্রের কিছু অশুভযোগের অন্যতম গ্রহণ যোগ

জ্যোতিষ শাস্ত্রের কিছু অশুভযোগের অন্যতম গ্রহণ যোগ

গ্রহন দোষ ঃ রাহু ও কেতু কোনো দৃষ্টি গোচর গ্রহ নয়। চন্দ্র ও পৃথিবীর কক্ষপথের দুটি ছেদ বিন্দু। বা সরল ভাষায় চন্দ্র ও পৃথিবীর ছায়া উপছায়া হলো রাহু ও কেতু। যখনই সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে একই সরল রেখায় চন্দ্র চলে আসে তখন পৃথিবীর কিছু অংশে চন্দ্রের ছায়া পরে এবং সে স্থানে সূর্যকে কিছুক্ষনের জন্য দেখা যায়না একে আমরা সূর্য গ্রহণ বলে জানি। আবার কখোনো কখোনো সূর্য এবং চন্দ্রের মাঝে একই সরল রেখায় পৃথিবী চলে আসে, তখন চন্দ্রের ওপর পৃথিবীর ছায়া পরে এবং কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রকে পৃথিবীর কিছু অংশের মানুষ দেখতে পায়না একে আমরা চন্দ্র গ্রহন বলি।

রা,শি চক্রে রবি এবং চন্দ্র যখনি রাহু এবং কেতুর সাথে সংযোগ করে তখনই গ্রহণ দোষ সৃষ্টি হয়। আমার দৃষ্টিতে এটি একটি অশুভ যোগ। জন্ম ছকে যে ভাবে এই দোষ সৃষ্টি হয় সে ভাব ও ভাব সম্পকৃত আত্মিয়র শুভ ফলের হানি করে। সেই আত্মিয়র চরিত্রে রাহু কেতুর অশুভ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাই দেখা যায় সন্তানের গৃহে রাহু বা কেতুর অবস্থান সন্তান সম্পর্কৃত বিষয়ে অশুভ ফল নির্দেশক। চন্দ্র মানুষের মন ও মস্তিষ্ককে নির্দেশ করে । চন্দ্র আবার স্বাভাবিক মাতৃ কারক গ্রহ। রাহুর সাথে চন্দ্রের সংযোগে বা রাহুর দৃষ্টি চন্দ্রের ওপর পরলে প্রশ্নকারী এবং তার মাতার মাঝে প্রচুর উচ্চাকাংখা, লোভ, অহংকার দেখা যায়। তাদের মাঝে অতৃপ্ততা দেখতে পাওয়া যায়। রাহু চন্দ্রের সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষ হলে প্রশ্ন কর্তা মানষিক ভাবে সর্বদা দুঃখি থাকে। সে কখোনই কোনো কিছুতেই পরিতৃপ্ত হয়না। মনে রাখবেন প্রশ্ন কর্তার দুঃখ কেউ দূর করতে পারবেনা। সব কিছু পেলেও সে দুঃখি আত্মা।

একই ভাবে রবির সাথে রাহুর অবস্থান জাতককে দুঃখি আত্মা করে। রবি স্বাভাবিক পিতৃ কারক গ্রহ হওয়ায় পিতার সাথেও জাতকের সুসম্পর্ক থাকেনা। পিতার দ্বারা জাতক বৈরী আচরন পেয়ে থাকে। রবি জগতে আলো ও প্রাণের উৎসের প্রতিক। রবি রাহুর সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষের ফলে জীবন হয়ে ওঠে দুঃর্বিসহ। জাতককে বহু বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। সকল কাজে হতাশা নিরাশা দেখা দেয়। তাই হয়ত খনার বচনে দেখতে পাই ’’ সূর্য কুজে(মঙ্গল) রাহু মিলে ,গাছে দড়ি বন্ধন গলে।’’

একই ভাবে যদি চন্দ্রের সাথে কেতুর সংযোগে গ্রহন দোষ হয় তা হলে প্রশ্ন কর্তার মন মস্তিষ্ক বাধা গ্রস্থ হয়। মাতার সাথে সম্পর্ক ভালো যায় না। কেতুর রহস্যময়তা ও ইর্ষাপরায়নতা তার মাঝে প্রবল ভাবে দেখতে পাওয়া যায়। অপরের উন্নতিতে হিংসায় জ্বলে পুড়ে যায় এবং অপরের দূর্ণাম বদনাম,ও অভিশম্পাত করে। মিথ্যা বলার প্রবনতাও দেখা যায়। রবির সাথে কেতুর সংযোগে সৃষ্ট দোষে জাতকের মনের মাঝে কুটিলতা বিরাজ করে। সে সর্বদা সন্দেহ প্রবন হতে পারে। পিতার সাথে তার কোনো কালেও সু সম্পর্ক থাকেনা। সমাজে তার আচরন হয় রহস্যময়। দূর্নাম-বদনামের আশঙ্কা থাকে। জাতক শীড় পিড়ায় ভুগতে পারে।

গ্রহণযোগ থেকে মুক্তি পাবার উপায়

মানসিকভাবে দুশ্চিন্তা কম করতে হবে

ঋণ দেওয়া বা নেওয়া করা চলবেনা

অশান্তি ও ঝগড়া ঝামেলা কম করবেন

নিজেকে সঠিকভাবে চেনা বা উপলব্ধি করা। এর মাধ্যমে অনেকটাই নিজের সমস্যাগুলো থেকে বের হওয়া যেতে পারে।

গ্রহদের ডিগ্রিগত অবস্থানে এই দোষের প্রভাব কম-বেশি হয়। কেতু বিচ্ছেদ নির্দেশ করে। সুতরাং জাতকের বেশি করে কোনও দায়িত্ব থেকে দুরে থাকা উচিত।

জাতক বা জাতিকার পূর্বজন্মের কৃতকর্মের ফল বা ঋণ এই দোষের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। সুতরাং সঠিকভাবে বিবেচনা করে প্রতিটি কর্মে অগ্রসর হতে হবে। সত্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চললে প্রতিটি ভুলভ্রান্তি সামনে থেকে দুরে চলে যাবে ধীরে ধীরে।

এছাড়াও ভাবপাতি অনুসারে রবি, রাহু, চন্দ্র, কেতু
গ্রহের প্রতিকার করতে পারেন

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ গ্রহণযোগ নিবারণ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190826122910

Monday, August 19th, 2019

Astro Research Centre

সুখী জীবনের প্ৰতিদিনের দরকারী কিছু মন্ত্র নিয়ম করে করুন সূর্য মন্ত্র গুরু প্রণাম গুরু, নিত্য কর্ম পূজা পদ্ধতি, সকল দেব দেবীর মন্ত্র কৃষ্ণ পূজা মন্ত্র

   সুখী জীবনের  প্ৰতিদিনের দরকারী কিছু মন্ত্র নিয়ম করে করুন সূর্য মন্ত্র গুরু প্রণাম  গুরু, নিত্য কর্ম পূজা পদ্ধতি, সকল দেব দেবীর মন্ত্র কৃষ্ণ পূজা মন্ত্র

প্রতিদিনের দরকারী কিছু মন্ত্র

১. ঘুমাবার আগে বলুন - ওঁ শয়নে শ্রী পদ্মনাভায় নম:।
২. জন্ম সংবাদ শুনলে বলুন -আয়ুষ্মান ভব।
৩. মৃত্যু সংবাদ শুনলে বলুন -দিব্যান লোকান্ স গচ্ছতু।
৪. খাবার আগে বলুন - ওঁ শ্রী জনার্দ্দনায় নম:।
৫. বিপদে বলুন - ওঁ শ্রী মধুসূদনায় নম:।
৬. হিন্দু ধর্মীয় সকলকাজ শুরুর আগে বলুন - ওঁ তৎ সৎ।
৭. গৃহ প্রবেশ মন্ত্র - ওঁ শ্রী বাস্তুপুরুষায় নম:।
৮. মাতৃ প্রনাম মন্ত্র -
ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বগাদগি গরিয়সী। গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে।সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাএ নমঃ নমঃ।।
৯. পিতৃ প্রনাম মন্ত্র -
পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহিপরমংতপঃ। । পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা নমঃ পিতৃ চরনেভ্য নমঃ।।
১০. শ্রীকৃষ্ণ প্রনাম মন্ত্র -
হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে। গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত নমহস্তুতে।।
নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ। জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় বাসুদেবায় নমো নমঃ।।
১১. শ্রীরাধারানী প্রণাম মন্ত্র -
তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী। বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।
১২. দেহ শুচীর মন্ত্র -
ওঁ অপবিত্র পবিত্রোবাং সর্বাবস্থান গতহ্বপিবা। যৎ সরেত পুন্ডরিকাক্ষং স বাহ্য অভ্যান্তরে শুচি।।
পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্। ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি।।
১৩. গুরু প্রণাম মন্ত্র -
অখন্ড মন্ডলা কারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম। তদপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া। চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বর। গুরু রেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
১৪. শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রণাম মন্ত্র -
পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্। ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্।।
১৫. সূর্য প্রণাম মন্ত্র -
ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্। ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহষ্মি দিবাকরম্।।
১৬. গোবিন্দ প্রণাম মন্ত্র -
ঔঁ ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ। জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ।।
১৭. তুলসী প্রণাম মন্ত্র -
ঔঁ বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়াঐ কেশবস্য চঃ। কৃষ্ণভক্তিপদে দেবী সত্যবত্যৈ নমঃ নমঃ।।
১৮. দুর্গা প্রণাম মন্ত্র -
সর্বমঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সবার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোহস্তুতে।।
১৯. শ্রীবিষ্ণু প্রণাম মন্ত্র - অশ্বথ বৃক্ষমূলে জল দিয়ে
ওঁ অশ্বত্থ বৃক্ষরূপোহসি মহাদেবেতি বিশ্রুতঃ। বিষ্ণুরপধরোহসি ত্বং পুণ্যবৃক্ষ নমোহস্ত্ত তে।।
২০. বিশ্বকর্মা প্রণাম মন্ত্র -
দেবশিল্পিন মহাভাগ দেবানাং কার্যসাধক। বিশ্বকর্মন্নমস্তুভ্যং সর্বাভীষ্টফলপ্রদ।।
২১. গায়ত্রী প্রণাম মন্ত্র -
ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ তৎ সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ


পনি যে কোনও দেব দেবী র পুজা করুন তার একটা পদ্ধতি আছে । পর পর পদ্ধতি গুলি মেনে এবং অর্থ বুঝে পুজা করলে পুজা সারথক । ক্রম অনুসারে পদ্ধতি গুলি সরল অর্থ , মন্ত্রের ব্যাখ্যা , উদেশ্য জানতে হবে ।

অধিকাংশ মন্ত্র , প্রান প্রতিষ্ঠা ,ঘট স্থাপ্‌ন, চক্ষু দান , হোম , বিসর্জন , ক্রিয়া এক । তবে দেব দেবী ভেদে বীজ মন্ত্র ,প্রনাম মন্ত্র , ধ্যান মন্ত্র , গায়ত্রী মন্ত্র ও পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র আলাদা ।

ভাব ও শুচিতা ঃ

পূজারী যিনি পুজা করবেন তিনি অন্ততঃ এক পক্ষ কাল অক্ষম হলে একদিন অথবা এক ঘণ্টা যে দেব দেবীর পুজা করবেন তার ভাবে ভাবান্বিত হবার চেষ্টা করবেন । এটাই হল মানসিক পুজা । পুজার দিন পরিমিত আহার এবং পার্লে দুধ , চা , ফলমুল মিষ্টি খেয়ে থাকতে পারলে ভাল । এতে দেহে বিকার হয় না । মন শান্ত থাকে । স্নান এবং পরিষ্কার বস্ত্র পরা আবশ্যক । কারন অন্তরের শুচিতার সাথে বাইরের শুচিতার সম্পর্ক আছে । যত পরিষ্কার থাকবেন , মনে ,দেহে ততই আপনার মন সংযোগ করতে সুবিধা হবে । তবে মনে রাখতে হবে এতে যেন শুচি বাই গ্রস্ত হয়ে না পড়েন ।

মনে রাখতে হবে পুজার কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা আপনি আপনাকে দেবত্বে উন্নত করার প্রয়াস পাচ্ছেন , কেননা যে দেব দেবীর পুজা করতে চলেছেন , কিছুক্ষণের জন্য হলেও আপনার প্রান ও মন সেই দেব দেবীর ভাবে ভাবান্বিত করতে হবে । কারন পুজক আর পুজ্য পুজার সময় এক ও অভিন্ন ।এই সময় জীবত্বে থেকে শিবত্বে উন্নীত করতে পারেন নিজেকে ।

পুজার আসন ঃ

যে আসনে স্বচ্ছন্দে বসে মন সংযম করতে পারবেন অথচ আরাম প্রিয় হবে না । নিজের আসনে অন্য কাউকে বসে পুজা করতে দেবেন না ।

আসন শুদ্ধি ঃ বিষ্ণু স্মরণ ,গুরু বন্দনা , স্বস্তিবাচন , সঙ্কল্প ,জল শুদ্ধি ,পুস্প শুদ্ধি , ঘট স্থাপন , ন্যাস ,ধ্যান ,আবাহন , পুজা , আরতি ।

এই ক্রমে পুজা করতে হবে ।


IamLob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190819082418

Monday, August 19th, 2019

Astro Research Centre

শুভ বিবাহিত জীবনের জন্য কতকগুলি নিয়ম মানা প্রয়োজন

শুভ বিবাহিত জীবনের জন্য কতকগুলি নিয়ম মানা প্রয়োজন

শুভ বিবাহিত জীবনের জন্য কতকগুলি নিয়ম

বিবাহের আগে শাস্ত্র মতে ঠিক কী কী জানা প্রয়োজন, যাতে দাম্পত্যজীবন সুন্দর হয়? এ ক্ষেত্রে যোটক বিচার প্রথমেই দেখা প্রয়োজন। এর পর যেগুলো আমাদের দেখা প্রয়োজন, যেমন কোন কোন মাসে বিবাহ দেওয়া যেতে পারে, কোন বারে বা নক্ষত্র যোগ, তারিখ ইত্যাদি।

আসুন দেখে নেওয়া যাক বিবাহের খুঁটিনাটি বিষয়গুলি:

১। বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, অগ্রহায়ণ, মাঘ ও ফাল্গুন মাসে বিবাহ হলে স্ত্রী পতিব্রতা ও ঐশ্বর্যযুক্ত হয়।

২। অগ্রহায়ণ ও মাঘ মাসে গোধূলিতে বিবাহ হলে দাম্পত্য জীবনে বড় সমস্যা হয়। শনিবারে ও বৃহস্পতিবারে গোধূলি বিবাহ নিষিদ্ধ।

৩। জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রথমা কন্যা বা পুত্রের বিবাহ নিষিদ্ধ।

৪। সোম, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবারে বিবাহ হলে কন্যা সৌভাগ্যবতী হন। গর্গ মুনির মতে বিশেষত রবি, মঙ্গল ও শনিবার রাত্রিতে বারদোষ হয় না।

৫। অমাবস্যা, বিষ্টিভদ্রা ও রিক্তা তিথিতে বিবাহ নিষিদ্ধ। আবার শনিবার রিক্তা হলে কন্যা পতি-পুত্রবতী হয়।

৬। রোহিনী, মৃগশিরা, মঘা, উত্তরফাল্গুনী, হস্তা, স্বাতী, অনুরাধা, মূলা, উত্তরাষাঢ়া, উত্তর ভাদ্রপদ ও রেবতী নক্ষত্রে এবং মিথুন, কন্যা, তুলা লগ্নে বিবাহ সুপ্রশস্ত। অশ্বিনী চিত্রা, শ্রবণা, ধনিষ্ঠা নক্ষত্রে যজুর্বেদী বিবাহ প্রশস্ত।

৭। বিষ্টি, শকুনি, নাগ ও কিন্তুঘ্নকরণে বিবাহ নিষিদ্ধ।

৮। ব্যতীপাত, পরিখ, বৈধৃতি, অতিগণ্ড, ব্যাঘাত, হষণ, শূল, বিষকুম্ভ, বজ্রযোগে বিবাহ নিষিদ্ধ। এই সকল যোগ বাদে অন্যান্য যোগে বিবাহ প্রশস্ত।

৯। বিবাহের সময় লগ্ন, চতুর্থ, পঞ্চম, নবম, দশমে বৃহস্পতি অথবা শুক্র গ্রহ অবস্থান করলে, লগ্নের সমস্ত দোষ নাশ হয় ও সুখ বৃদ্ধি হয়।

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre
Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in v
All Kind of Certified Gems and Stone available here

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190819080001

Sunday, August 18th, 2019

Astro Research Centre

শরীরের কোথায় কি রঙের তিল থাকলে কী হয়। Teel Tatwa

শরীরের কোথায় কি রঙের তিল থাকলে কী হয়। Teel Tatwa

শরীরের কোথায় তিল থাকলে কী হয়।

মাথার তালুতে তিল নির্মল ভালোবাসার প্রতীক। এরা রসিকও হন বটে। মাথার ডান দিকে তিল থাকলে তারা হন খ্যাতিমান, ডান দিকে তিল ধন ও বুদ্ধির চিহ্ন। আবার যাদের মাথার বাঁ দিকে তিল রয়েছে তারা অর্থের অপচয় করেন এবং বাঁ দিকের তিল হতাশাপূর্ণ জীবনের সূচক।

* যাদের ভ্রুতে তিল রয়েছে তারা প্রায়ই ভ্রমণ করেন। ডান ভ্রুতে তিল থাকলে দাম্পত্য জীবন সুখের হয়। বাঁ ভ্রুতে তিল অসুখী দাম্পত্য জীবনের লক্ষণ।

* চোখের পাতায় যাদের তিল রয়েছে তারা সাধারণত সংবেদনশীল হন। যাদের ডান চোখের পাতায় তিল রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন।

* যাদের কানে তিল রয়েছে তারা দীর্ঘজীবী হন।

* নারী বা পুরুষের মুখমণ্ডলের আশপাশে তিল থাকা সুখী দাম্পত্য জীবনের লক্ষণ।

* নাকে তিল থাকলে ব্যক্তি প্রতিভাসম্পন্ন ও সুখী হন। যে নারীর নাকে তিল রয়েছে তারা সৌভাগ্যবতী হন।

* যাদের ঠোঁটে তিল রয়েছে তাদের হৃদয়ে ভালোবাসা ভরপুর। এরা কামুকও হতে পারেন।

* ঠোঁটের নিচে তিল থাকলে সে ব্যক্তির জীবনে দারিদ্র্য বিরাজ করে।

* গালে লাল তিল থাকা শুভ। ডান গালে তিল থাকলে প্রাচুর্যপূর্ণ জীবনের সম্ভাবনা।

* যে নারীর থুতনিতে তিল রয়েছে তারা সহজে লোকের সঙ্গে মেলামেশা করতে পারেন না। তারা সাধারণত একটু রুক্ষ স্বভাবের হয়ে থাকেন।

* ডান কাঁধে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি দৃঢ়চেতা হন। যাদের বাঁ কাঁধে তিল রয়েছে তারা অল্পতেই রেগে যান।

* যাদের হাতে তিল রয়েছে তারা চালাক চতুর হন। ডান হাতে তিল থাকলে তারা সাহসী, প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান হন। বাঁ হাতে তিল থাকলে তারা অনেক বেশি টাকা খরচ করেন। তারা সহজে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

* ডান হাতের পেছনে তিল থাকলে তারা ধনী হয়ে থাকেন। বাঁ হাতের পেছনের দিকে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি কৃপণ প্রকৃতির হয়ে থাকেন।

* যাদের তর্জনীতে তিল রয়েছে তারা বিদ্বান, ধনী ও গুণী হয়ে থাকেন। তারা বেশির ভাগ সময়ই শত্রু দ্বারা সমস্যায় জর্জরিত থাকেন।

* বৃদ্ধাঙ্গুলে যাদের তিল থাকে তারা কর্মঠ, সদ্ব্যবহার ও ন্যায়প্রিয় হন।

* মধ্যমায় তিল থাকলে ব্যক্তি সুখী হন। তাদের জীবন শান্তিতে কাটে।

* কনিষ্ঠ আঙুলে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি জ্ঞানী, যশস্বী, ধনী ও অপরাজেয় হন।

* বুকের ডান পাশে তিল থাকা শুভ। বুকের বাঁ পাশে তিল থাকলে দুরন্ত ও চঞ্চল হয়ে থাকে।

* যাদের বুকের মাঝখানে তিল থাকে তারা সাহসী হয়, এ ছাড়া বুকের মাঝখানের তিল সুখী জীবনের ইঙ্গিত দেয়।

* যাদের পায়ে তিল আছে তারা প্রচুর ভ্রমণ করেন।

* ডান হাঁটুতে তিল থাকলে গৃহস্থজীবন সুখের হয়। বাঁ হাঁটুর তিল সংসারে অশান্তি ডেকে আনে।

* যে ব্যক্তির পেটে তিল রয়েছে তারা খেতে ও খাওয়াতে পছন্দ করে। মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার এদের খুবই পছন্দ।

* হাতের তালুতে তিল থাকা শুভ নয়।

মা সন্তোষীর ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র দিলাম সকলের মঙ্গল হোক জয় মা শুভ ফল অবশ্যই পাবেন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190818091457

Sunday, August 18th, 2019

Astro Research Centre

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন নক্ষত্র গ্ৰহ রাশি দায়ী

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন  নক্ষত্র গ্ৰহ রাশি দায়ী

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন গ্ৰহ রাশি দায়ী

সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য দায়ী গ্ৰহ গুলো হল বুধ ও রবি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শনি, মঙ্গল, রাহু ও কেতু এর জন্য দায়ী হয়। জ্যোতিষ মতে জাতক-জাতিকার ভাগ্যেই বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ থাকে। জেনে নিন রাশির অবস্থান কেমন থাকলে বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে।

১) লগ্ন ভাবে শনি ও রাহুর একত্রে অবস্থান এবং লগ্নে যদি কেতু থাকে, তা হলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা প্রবল।

২) দ্বিতীয়, সপ্তম ও একাদশ ভাবের সম্পর্ক আর্থিক কারণে বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়।

৩) দ্বিতীয়, সপ্তম বা অষ্টমে রবি ও মঙ্গল একত্রে অবস্থান করলে বিচ্ছেদ হবেই বলা যায়।

৪) দ্বিতীয়, সপ্তম ও একাদশ ভাবের সম্পর্ক পণ ও পারিবারিক কোনও কারণে বিচ্ছেদ ঘটায়।

৫) সপ্তম ভাবে দ্বাদশ পতি মঙ্গল, শনি, রাহু অবস্থিত হলে বিচ্ছেদ হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

৬) অষ্টম ভাবে মঙ্গল অবস্থিত হলে এবং ওই স্থানে শনি ও রাহু দৃষ্টি দিলে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটতে পারে।

৭) সপ্তম পতি ও দ্বিতীয় পতি যদি তৃতীয়, ষষ্ঠ, অষ্টম, একাদশ ও দ্বাদশ পতি গ্রহের নক্ষত্রে অবস্থিত হয়, তা হলে বিচ্ছেদ হয়।

৮) দ্বিতীয় ভাবে সপ্তম ভাব পতি বা রাহু ও কেতুর অবস্থানও বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।

৯) যদি দ্বিতীয় ও সপ্তম ভাব পতি ও শুক্র নীচস্থ হয়ে পাপগ্রহ দ্বারা পীড়িত হয়, তবে বিচ্ছেদ হতে দেখা যায়।

১০) সপ্তম স্থানে রবি, শনি রাহু, কেতু অবস্থিত হলে এবং ত্রিকোণ সপ্তম ভাব পতি বা দ্বাদশ ভাব পতি অবস্থান করলে বিচ্ছেদের প্রবল যোগ সৃষ্টি করে।

১১) সপ্তম স্থানে ক্ষীণ চন্দ্র, শনি, রাহু একত্রে থাকে এবং যদি কোনও শুভ গ্রহের দৃষ্টি না থাকে, তা হলে বিচ্ছেদ হতে পারে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190818084052

Saturday, August 17th, 2019

Astro Research Centre

গ্রহরত্ন ধরণের পূর্বে রত্ন গুলি শোধনের নিয়ম। কোন রত্ন কোন আঙুলে ও কি কি বারে ধারণ করতে হবে, কোন আঙুলে কোন রত্ন কি বারে ধারণ হবে

গ্রহরত্ন ধরণের পূর্বে রত্ন গুলি শোধনের নিয়ম।   কোন রত্ন কোন আঙুলে ও কি কি বারে ধারণ করতে হবে, কোন আঙুলে কোন রত্ন কি বারে ধারণ হবে

গ্রহরত্ন ধরণের পূর্বে রত্ন গুলি শোধনের নিয়ম।

কোন রত্ন কোন আঙুলে ও কি কি বারে ধারণ করতে হবে।

১) মানিক্য বা চুনি - জলের সাথে লেবু রসে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

২) মুক্তা - জলের সাথে জয়ন্তী পাতার রোষে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৩) প্রবাল - পরিষ্কার জলে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৪) পান্না - কাঁচা গরুর দুধে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৫) পোখরাজ - পরিষ্কার জলে সামান্য দুধ দিয়ে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন।পরে ধারণ করুন।

৬) হীরা - পরিষ্কার জলে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৭) নীলা - কাঁচা দুধে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। প
রে ধারণ করুন।

৮) গোমেদ - দুধ , গঙ্গাজল ও গোচনা ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৯) ক্যাটস আই - ত্রিফলা সহ পরিষ্কার ভেজানো জলে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

প্রতিটি গ্রহরত্ন উপরোক্ত নিয়ম গুলি মানতে অসুবিধা হলে , যে কোনো মন্দিরে গিয়ে ব্রাহ্মণ কে দিয়ে কাঁচা দুধ ও গঙ্গাজলে শোধন করে ধারণ ও করা যেতে পারে।

কোন রত্ন কোন আঙুলে ও কি কি বারে ধারণ করতে হবে।
১) চুনি - বরিবার অনামিকাতে ধারণ করতে হবে।

২) মুক্ত - সোমবার কনিষ্ঠা বা তর্জনীতে ধারণ করতে হবে।

৩) প্রবাল - মঙ্গলবার অনামিকাতে ধারণ করতে হবে।

৪) পান্না - বুধবার অনামিকা বা কনিষ্ঠাতে ধারণ করতে হবে।

৫) পোখরাজ - বৃহস্পতিবার তর্জনীতে ধারণ করতে হবে।

৬) হীরক - শুক্রবার মধ্যমাতে ধারণ করতে হবে।

৭) নীলা - শনিবার মাধ্যমাতে ধারণ করতে হবে।

৮) গোমেদ - শনিবার মাধ্যমাতে ধারণ করতে হবে।

৯) ক্যাটসসাই - রবিবার অনামিকা বা কনিষ্ঠাতে ধারণ করতে হবে।

সকল রত্নাই বাজুতে বা গলায় ধারণ করা যেতে পারে।

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre
Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in v
All Kind of Certified Gems and Stone available here

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190817161117

Saturday, August 17th, 2019

Astro Research Centre

গৌলোচন, গায়রোচন, গোরোচন (Gall Stone of the Cow)

গৌলোচন, গায়রোচন, গোরোচন  (Gall Stone of the Cow)

গৌলোচন, গায়রোচন, গোরোচন (GALL STONE OF THE COW)
গৌলোচন, গায়রোচন, গোরোচন
(Gall Stone of the Cow)

এটিকে সংস্কৃতে ও বাংলায় গোরোচন, হিন্দীতে গোলোচন ও গায়রোচন বলে৷ ইংরাজীতে বলা হয় গল্ স্টোন অব দি কাউ (Gall Stone of the Cow) |
বলদ বা গাভীর পিত্তের মধ্যে একটি পাথর ডিমের আকারে জন্মে থাকে৷ খোলার ন্যায় এতেও কতকগুলি পরত থাকে । এটি ত্রিকোণাকার, বর্গাকার বা গোল হয়ে থাকে ৷
গরুর পিত্তাশয় থেকে বার করার সময় মাংসের মতোই কোমল হয়ে থাকে| কিন্তু বাইরের বাতাস লাগলে পাথরের ন্যায় শত্ত হয়ে যায় ৷ বুড়ো বলদ বা যাঁড়ের পিত্ত থেকে বার করা গোরোচন সর্বশ্রেষ্ঠ হয়ে থাকে| বড়, ভারী এবং টাটকা পাথরী যেটি গাভীর উৎপন্ন হয়, সেটি গুণ ও উপকারিতার দৃষ্টিকোণ থেকে নিকৃষ্ট হয়ে থাকে ৷ এর স্বাদ কটু এবং ফিকে ৷ এর স্বভাব গরম, শুষ্ক ৷
*উপকারিতা--*~(১) এর দ্বারা শোথ ও বায়ুরোগ দূর হয় | এটি মানুষকে মোটা করে৷
(২) মূত্রবৃদ্ধি করে ও প্রদর দূর করে৷
(৩) শিশুরা অত্যন্ত ঘামলে এটি এক চাউল পরিমাণ নিয়ে মায়ের দুধের সঙ্গে ঘষে খাওয়ালে অত্যন্ত উপকার হয়।
(৪) দেহে কোনও দাগ হলে এটি ঘষে প্রলেপ দিলে দাগ দূর হয় ।
(৫) কোনও স্থান কেটে গিয়ে রক্তপাত হলে একে চূর্ণ করে ক্ষতস্থানে ছড়িয়ে দিলে রক্তপাত বন্ধ হয় এবং ক্ষত আরোগ্য হয় ।
*সাবধানতা*----- অধিকমাত্রায় অর্থাৎ ৩-৪ মাত্রায় সেবন করলে মানুষের মৃত্যূ হয়ে যেতে পারে৷ অতএব অধিকমাত্রায় সেবন নিষিদ্ধ আয়ুর্বেদ শাস্ত্র এর স্বভাব শীতল বলা হয়েছে৷ এটি অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করার শক্তি রাখে, এর দ্বারা শরীর ও স্বাস্থ্য সুন্দর হয় | বিষ, গ্রহদোষ, পাগলামি, গর্ভপাত, রক্তদুষ্টি প্রভৃতি রোগসমূহ ও তজ্জনিত কষ্টকে দূর করে৷
হিন্দুদের তন্ত্র শাস্ত্রে (অপরকে প্রিয় করা এবং নিজের বশে আনা) প্রভৃতিতে, অপরকে নিজের প্রিয় করে তোলা ও বশীকরণকারী যন্ত্র, যাদুতে এটির অনেক বেশী প্রয়োগ করা হয় ৷ নিউমোনিয়া রোগেরও উপকার হয় । বর্তমানে কত্রিম গোলোচনও তৈরী হচ্ছে, কিস্তু এতে কোনও উপকার হয় না।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190817131843

Friday, August 16th, 2019

Astro Research Centre

সকল কাজে সিদ্ধি লাভের জন্য মা দুর্গার ১০৮ নাম।

সকল কাজে সিদ্ধি লাভের জন্য মা দুর্গার ১০৮ নাম।

সকল কাজে সিদ্ধি লাভের জন্য মা দুর্গার ১০৮ নাম।

(১) সতী,
(২) সাধ্বী,
(৩) ভবপ্রীতা,
(৪) ভবানী,
(৫)ভবমোচনী,
(৬) আর্য্যা,
(৭) দুর্গা,
(৮) জয়া,
(৯)আদ্যা
(১০) ত্রিনেত্রা,
(১১) শূলধারিণী,
(১২)পিনাকধারিণী,
(১৩) চিত্রা,
(১৪) চন্দ্রঘণ্টা,
(১৫) মহাতপা,
(১৬) মনঃ,
(১৭) বুদ্ধি,
(১৮) অহঙ্কারা,
(১৯) চিত্তরূপা,
(২০) চিতা,
(২১) চিতি,
(২২) সর্বমন্ত্রময়ী,
(২৩) নিত্যা,
(২৪) সত্যানন্দস্বরূপিণী,
(২৫) অনন্তা,
(২৬) ভাবিনী,
(২৭) ভাব্যা,
(২৮) ভব্যা,
(২৯) অভব্যা,
(৩০) সদাগতি,
(৩১) শাম্ভবী,
(৩২) দেবমাতা,
(৩৩) চিন্তা,
(৩৪) রত্নপ্রিয়া,
(৩৫) সর্ববিদ্যা,
(৩৬) দক্ষকন্যা,
(৩৭) দক্ষযজ্ঞবিনাশিনী,
(৩৮) অপর্ণা,
(৩৯) অনেকবর্ণা,
(৪০) পাটলা,
(৪১) পাটলাবতী,
(৪২) পট্টাম্বরপরিধানা,
(৪৩) কলমঞ্জীররঞ্জিনী,
(৪৪) অমেয়বিক্রমা,
(৪৫) ক্রূরা,
(৪৬) সুন্দরী,
(৪৭) সুরসুন্দরী,
(৪৮) বনদুর্গা,
(৪৯) মাতঙ্গী,
(৫০) মতঙ্গমুনিপূজিতা,
(৫১) ব্রাহ্মী,
(৫২) মাহেশ্বরী,
(৫৩) ঐন্দ্রী,
(৫৪) কৌমারী,
(৫৫) বৈষ্ণবী,
(৫৬) চামুণ্ডা,
(৫৭) বারাহী,
(৫৮) লক্ষ্মী,
(৫৯) পুরুষাকৃতি,
(৬০) বিমলা,
(৬১)উৎকর্ষিণী,
(৬২) জ্ঞানা,
(৬৩) ক্রিয়া,
(৬৪) সত্যা,
(৬৫) বুদ্ধিদা,
(৬৬) বহুলা,
(৬৭) বহুলপ্রেমা,
(৬৮) সর্ববাহনবাহনা,
(৬৯) নিশুম্ভনিশুম্ভহননী,
(৭০)মহিষাসুরমর্দিনী,
(৭১) মধুকৈটভহন্ত্রী,
(৭২) চণ্ডমুণ্ডবিনাশিনী,
(৭৩) সর্বাসুরবিনাশা,
(৭৪) সর্বদানবঘাতিনী,
(৭৫) সর্বশাস্ত্রময়ী,
(৭৬) সত্যা,
(৭৭) সর্বাস্ত্রধারিণী,
(৭৮) অনেকশস্ত্রহস্তা,
(৭৯) অনেকাস্ত্রধারিণী,
(৮০) কুমারী,
(৮১) কন্যা,
(৮২) কৈশোরী,
(৮৩) যুবতী,
(৮৪) যতি,
(৮৫) অপ্রৌঢ়া,
(৮৬) প্রৌঢ়া,
(৮৭) বৃদ্ধমাতা,
(৮৮) বলপ্রদা,
(৮৯) মহোদরী,
(৯০) মুক্তকেশী,
(৯১) ঘোররূপা,
(৯২) মহাবলা,
(৯৩) অগ্নিজ্বালা,
(৯৪) রৌদ্রমুখী,
(৯৫) কালরাত্রি,
(৯৬) তপস্বিনী,
(৯৭) নারায়ণী,
(৯৮) ভদ্রকালী,
(৯৯) বিষ্ণুমায়া,
(১০০) জলোদরী,
(১০১) শিবদূতী,
(১০২) করালী,
(১০৩) অনন্তা,
(১০৪) পরমেশ্বরী,
(১০৫) কাত্যায়নী,
(১০৬) সাবিত্রী,
(১০৭) প্রত্যক্ষা এবং
(১০৮) ব্রহ্মবাদিনী

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

মহামন্ত্র প্রতি দিন পাঠ করবেন সুস্থ ও ভালো থাকবেন :

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম

রাম রাম হরে হরে

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190816183834

Friday, August 16th, 2019

Astro Research Centre

মন্ত্র তন্ত্র যন্ত্র, Divine Mantras, গ্রহ শান্তি মন্ত্র,দূর্গা কালী শিব গনেশ তারা বিষ্ণু গায়ত্রী হনূমান কৃষ্ণ সকল দেব দেবীর মন্ত্র

 মন্ত্র  তন্ত্র  যন্ত্র, Divine Mantras,  গ্রহ শান্তি মন্ত্র,দূর্গা কালী  শিব গনেশ তারা বিষ্ণু গায়ত্রী হনূমান কৃষ্ণ সকল দেব দেবীর মন্ত্র