Friday, October 4th, 2019

Astro Research Centre

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন  বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

দুর্গা ষষ্ঠীর তাৎপর্য বৈশিষ্ট দূর্গা পূজা সপ্তমী অষ্টমী নবমী ও দশমী দূর্গা মন্ত্র জপ ধ্যান আবাহন
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব

নবরাত্রি ও দূর্গা পূজা উৎসব আমরা পর পর পালন করে থাকি|দুর্গাপূজা নবরাত্রির ষষ্ঠ দিনে শুরু হয়|এবং এই দিনটিকে দুর্গা ষষ্ঠী বা মহাষষ্ঠী বলা হয়| এই দিনে দেবী দুর্গা কৈলাশের যাত্রা শেষ করে মর্তে আগমন করেন|ষষ্ঠী পূজার কিছু আকর্ষণীয় ধর্মীয় আচার রয়েছে|অনেক নারী দুর্গা ষষ্ঠীর দিনে একটি বিশেষ পূজা করে থাকেন|

দুর্গাপূজার ধর্মানুষ্ঠান
ষষ্ঠী হল কোনো চান্দ্র মাসের ষষ্ঠ দিন|এই দিন বংশধরদের কল্যাণে কামনায় নিবেদিত করা হয়|মায়েরা দুর্গা পূজার সময় তাদের সন্তানদের জন্য ষষ্ঠী পুজো করে থাকেন| যদিও ষষ্ঠী প্রতি মাসে একবার আসে, তবুও কোনো কোনো ষষ্ঠী বেশ গুরুত্বপূর্ণ| উদাহরণস্বরূপ, নীল ষষ্ঠীর দিনে সন্তানের কল্যাণের জন্য শিব ঠাকুর কে পুজো করা হয়ে থাকে| জামাই ষষ্ঠী জামাতার কল্যাণে নিবেদিত|

একইভাবে,দূর্গা ষষ্ঠী মায়েদের কাছে একটি বিশেষ দিন যেদিন তারা সন্তানের কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করে থাকেন| দেবী দুর্গাকে যেহেতু মহাবিশ্বের মাতা বলে ধারণা করা হয়, তাই দূর্গা ষষ্ঠী মায়েদের জন্য একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে|এই দিনে, মায়েরা উপোষ করেন বা নির্দিষ্ট সীমিত খাবার খেয়ে থাকেন| তারা 'অঞ্জলি' দিয়ে থাকেন এবং তাদের সন্তানের সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করে থাকেন|
দিন শুরু হয় দেবীর মুখ উন্মোচন করে|তারপর দুর্গাপূজার বোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়|এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে দুর্গাপূজা পূর্ণ আড়ম্বর ও জাঁকজমকের সঙ্গে শুরু হয়| মহিলারা যাদের সন্তান আছে উপোষ করে থাকেন এবং পরে নতুন শাড়ী পরে 'অঞ্জলি' দিয়ে থাকেন|এই বিশেষ দিনে আমিষ খাদ্য ও চাল খাওয়া থেকে তারা বিরত থাকেন|

দশ হাতে দশটি অস্ত্র এর অর্থ

ত্রিশূল: মহামায়ার হাতে ত্রিশূল তুলে দিয়েছিলেন মহাদেব৷ শোনা যায়, ত্রিশূলের তিনটি ফলার আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। মানুষ তিনটি গুণ, তমঃ, রজঃ ও সত্যকে ব্যাখ্যা করে এই তিন ফলা৷

গদা: যমরাজ দিয়েছিলেন দিলেন কালদণ্ড বা গদা৷ যা আনুগত্য, ভালবাসা এবং ভক্তির প্রতীক।

বজ্রাস্ত্র: দেবরাজ ইন্দ্র দিয়েছিলেন বজ্রাস্ত্র৷ মায়ের হাতের এই অস্ত্র দৃঢ়তা এবং সংহতির প্রতীক।

সাপ: শেষ নাগ দিয়েছিলেন নাগহার৷ বিশুদ্ধ চেতনার প্রতীক হল এই সাপ।

অগ্নি: অগ্নিদেব দিয়েছিলেন এই অস্ত্র৷ জ্ঞান এবং বিদ্যার প্রতীক এই অগ্নি।

শঙ্খ: বরুণ দিয়েছিলেন শঙ্খ৷ যা জীব জগতে প্রাণের সৃষ্টি করে।

চক্র: মায়ের হাতে চক্র তুলে দিয়েছিলেন বিষ্ণু৷ যার অর্থ হল সমস্ত সৃষ্টি ও জগতের কেন্দ্রে অধিষ্ঠান রয়েছেন দেবী দুর্গা।

[সিংহ নয়, পুরাণ মতে মা দুর্গার বাহন এরাই]

তির-ধনুক: বায়ু দিয়েছিলেন ধনুক ও তির৷ উভয়ই ইতিবাচক শক্তির প্রতিক৷

পদ্ম: দেবীর হাতে ব্রহ্মা তুলে দেন পদ্ম৷ পাঁকে জন্মায় পদ্ম। কিন্তু তবু সে কত সুন্দর। তেমনই মায়ের আশীর্বাদে যেন অন্ধকারের মধ্যেও আলোর আবির্ভাব হয় সেই বার্তাই দেয় পদ্ম ফুল।

দেবী দুর্গার দশ হাতের দশটি অস্ত্র
(বামদিকের পাঁচ হাতের অস্ত্র:-)
১. ত্রিশূল,
২. খড়গ,
৩. চক্র,
৪. বাণ,
৫. শক্তি নামক অস্ত্র।
(ডানদিকের পাঁচ হাতের অস্ত্র:-)
৬. শঙ্খ,
৭. খেটক (ঢাল),
৮. ঘন্টা,
৯. অঙ্কুশ,
১০. পাশ।

দুর্গা আগমনীর পথে। বছর ঘুরে আবার নিজের বাপের বাড়ি ফিরছে মা। তাই আনন্দে মাতোহারা সকলেই। কাশ ও শিউলি ফুলে সেজে উঠেছে চারিদিক। উঠবে ঢাক ও কাঁসর ধ্বনির রব। প্রান প্রতিষ্ঠা হবে মা দুর্গার দেহে, মৃন্ময়ী মা ধীরে ধীরে চিন্ময়ী রূপ ধারন করবেন। আর মায়ের দশ হাত শোভা পাবে দশটি অস্ত্র। শঙ্খ, সাপ তীর-ধনুক, ত্রিশূলে সজ্জিত মা দুর্গার হাত। শোনা যায় এই সবকটি অস্ত্রের সাহায্যেই নাকি অসুর নিধন করেছিলেন মা দুর্গা। তবে শুধু তাই নয়, মায়ের দশ হাতের দশটি অস্ত্রই আলাদা আলাদা অর্থ বহন করে। জানেন কোন অস্ত্র ঠিক কি অর্থ বহন করে? কেনই বা এই অস্ত্রগুলি থাকে মায়ের হাতে? তবে আসুন তা জেনে নেওয়া যাক।
শঙ্খ-
শঙ্খ হল সৃষ্টির প্রতীক। পুরাণ মতে শঙ্খ থেকে উৎপন্ন শব্দেই প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে আমাদের এই জীব জগতে। আর দেবী তো মা। তাই তিনিই সমস্ত পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। সেজন্যই মা দুর্গার হাতে শঙ্খ থাকে।
চক্র-
চক্র অর্থাৎ আবর্তন। দেবী দুর্গার হাতে চক্র থাকার অর্থ হল সমস্ত সৃষ্টির কেন্দ্রে রয়েছেন মা। তাই তাঁকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়ে চলেছে সমস্ত বিশ্ব।
পদ্ম-
দেবীর হাতের পদ্ম অসাধারন বার্তা দেয় সমাজকে। পাঁকের মধ্যে জন্মানো সত্ত্বেও পদ্মের রূপ মুগ্ধ করে সকলকে। তাই মায়ের হাতে পদ্ম থাকার অর্থ হল, মায়ের আশীর্বাদে যেন অসুরকূলও তাঁদের ভিতরের অন্ধকার থেকে মুক্ত হয়।
তলোয়ার বা খড়্গ -
খড়্গ বা তলোয়ারের ধার আসলে মানুষের মগজাস্ত্রের বুদ্ধির ধার। আর এই ধার দিয়েই যাতে সমাজের সমস্ত বৈষম্য ও অশুভকে মানুষ জয় করতে পারে। সেই বার্তাই বহন করেন মা দুর্গার হাতের খড়্গ বা তলোয়ার।
তীর-ধনুক-
মনুষ্য শরীরের ভিতরে যে অন্তর্নিহিত শক্তি রয়েছে তারই প্রকাশ ঘটে ধনুর টঙ্কারে। আর এই ধনু টঙ্কারের সঙ্গে জুড়ে থাকে তীর যা এই ধনুর টঙ্কারে প্রকাশিত শক্তির ভারকে বহন করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানে। মানব দেহে সেই শক্তির সঞ্চার করতেই মা দুর্গা নিজের হাতে তীর-ধনুক বহন করেন।
ত্রিশূল-
ত্রিশূলের তিনটি তীক্ষ্ণ ফলার তিনটি ফলার তিনটি আলাদা আলাদা অর্থ রয়েছে। মানুষ তিনটি গুনের সমন্বয়ে তৈরি। যেগুলি হল- তমঃ, রজঃ, এবং সত্ত্ব। এই তিনটি গুণকেই নির্দেশ করে ত্রিশূলের তিনটি ফলা।
দণ্ড বা গদা-
দণ্ড হল আনুগত্য, ভালোবাসা, এবং ভক্তির প্রতীক।
বজ্র বা অশনি-
মা দুর্গার হাতের অশনি দৃঢ়তা এবং সংহতির প্রতীক। এই দুই গুণের মাধ্যমেই জীবনে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হন মানুষ।
সাপ- চেতনার নিম্ন স্তর থেকে উচ্চ স্তরে প্রবেশ এবং বিশুদ্ধ চেতনার চিহ্ন এই সাপ।

অগ্নি- দেবীর এক হাতে থাকে অগ্নি। এই অগ্নি জ্ঞান এবং বিদ্যার প্রতীক।

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20191004135538

Sunday, September 29th, 2019

Astro Research Centre

পেটে, বুকে বা চোখে নাকে জন্মচিহ্ন থাকলে কী হয় আঁচিল, তিল, জড়ুল, কাটা চিহ্ন

পেটে, বুকে বা চোখে নাকে জন্মচিহ্ন থাকলে কী হয়       আঁচিল, তিল, জড়ুল, কাটা চিহ্ন

পেটে, বুকে বা চোখে জন্মচিহ্ন থাকলে কী হয়

জন্মচিহ্ন দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করার রেওয়াজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। আঁচিল, তিল, জড়ুল, কাটা চিহ্ন, ঝলসানো চিহ, ইত্যাদি সব কিছু থেকেই ভবিষ্যৎ বলা যায়। আঁচিল বা জড়ুল যত বড় হয়, ততই থাকে ক্যানসারের মতো রোগের চিন্তা। শরীরের গোপন অঙ্গে জন্মচিহ্ন যতই গোপন থাকে ততই ভাল, কারণ যে শুভফলগুলি ঘটে তা ভাল ভাবে ঘটে। একই ভাবে খারাপটা তত খারাপ হয় না যদি কেউ না জানে।

কিন্তু যাঁদের শরীরে সে রকম কোনও জন্মচিহ্ন থাকে না, সে সব ক্ষেত্রে? এই বিষয়ে নানা মতবাদ আছে। কেউ বলেন, তাঁরা হয় শিশু আত্মা, না হলে অতি বৃদ্ধআত্মা বা ওল্ড সোল।

ভবিষ্যৎ জানতে জন্মদাগ খুবই কার্যকর। বিভিন্ন অঙ্গে জন্মচিহ্ন থাকার পরীক্ষিত ফলগুলি নীচে আলোচনা করা হল:

(১) পায়ের পাতায় জন্মচিহ্ন: যদি কোনও পুরুষের পায়ের পাতায় জন্মচিহ্ন থাকে, তাতে বোঝায় জাতকের এক জায়গায় দীর্ঘকাল বাস কখনওই হবে না। সে হবে অভিযাত্রী প্রকৃতির। সে হবে ভ্রমণপ্রিয়। আর মেয়ের হলে সে কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।

(২) পায়ের আঙ্গুলে জন্মচিহ্ন: এরাও ভ্রমণপ্রিয় হয়। তবে বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়।

(৩) পেটে বা তলপেটে জন্মচিহ্ন: এদের মতো খেয়ে সুখ কেউ পায় না। এরা পেটুক এবং ভীষণ স্বার্থপর বা আত্মকেন্দ্রিক হয়।

(৪) থাইয়ে জন্মচিহ্ন: ডান বা বাম যে থাইয়ে জন্মচিহ্ন থাকুক না কেন, তারা জন্ম থেকেই সুখী, উন্নতিশীল, প্রচুর ধন সম্পদের মালিক হয়ে থাকে। এরা খুব আনন্দপ্রিয় হয়।

(৫) বুকে জন্মচিহ্ন: বুকের ডান বা বাম, যে দিকেই জন্মচিহ্ন থাক, এরা কোনও দিনই ভাগ্যবান নয়। পদে পদে বাধা পায়।আজীবন মানসিক অসুখী হয়। এক কথায় ‘মিজারেবল লাইফ’।

(৬) ডান চোখের নীচে জন্মচিহ্ন: যার এ রকম আছে, সে সহজেই টাকা রোজগার করে। এদের রোজগারের জন্য তেমন পরিশ্রম কোনও দিনই করতে হয় না।

(৭) বাম চোখের নীচে জন্মচিহ্ন: পুরুষের বাম চোখের নীচের জন্মচিহ্ন থাকা মানেই সে মহিলাবাজ পুরুষ। সে সহজেই যে মহিলাকে বশ করে ফেলতে পারে। সে এক জীবনে অনেক মহিলা সংসর্গে জড়িয়ে পড়ে বদনাম কেনে।

(৮) মাথায় জন্মচিহ্ন: কোনও মহিলার যদি মাথার পিছনে জন্মচিহ্ন থাকে, সে সর্বদা দুর্বলতা অনুভব করে থাকে।

(৯) মাথার ডানদিকে জন্মচিহ্ন থাকার মানে: যার আছে সে যদি রাজনীতি করতে নামে, তা হলে বিশেষ কৃতকার্য হবে।

(১০) আর মাথার বামদিকে যদি জন্মচিহ্ন থাকে: সে হবে ভীষণ গরিব, তার পক্ষে হয়তো এই জীবনে বিয়ে করা সম্ভব হবে না।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190929204256

Sunday, September 29th, 2019

Astro Research Centre

নব রাত্রি ব্রত পালন করে অশুভ গ্রহ থেকে মুক্ত কিভাবে হবেন নব রাত্রির গুরুত্ব সারমর্ম শুভত্ব নবগ্রহের কুপ্রভাব থেকে মুক্ত হবেন নব রাত্রি পালনের নিয়ম

নব রাত্রি ব্রত পালন করে অশুভ গ্রহ থেকে মুক্ত কিভাবে  হবেন  নব রাত্রির গুরুত্ব সারমর্ম শুভত্ব নবগ্রহের কুপ্রভাব থেকে মুক্ত হবেন নব রাত্রি পালনের নিয়ম

নব রাত্রি ব্রত পালন করে অশুভ গ্রহ থেকে মুক্ত কিভাবে হবেন নব রাত্রির গুরুত্ব সারমর্ম শুভত্ব

ওঁ প্রথমং শৈলপুত্রীতি দ্বিতিয়াং ব্রহ্মচারিণী , তৃতীয়ং চন্দ্রঘণ্টেতি কূষ্মাণ্ডে চতুর্থকম ।
পঞ্চমং স্কন্দমাতেতি ষষ্ঠম কাত্যায়নী তথা , সপ্তমং কালরাত্রিতি মহাগৌরি তিচাষটমাম ,
নবমং সিদ্ধিদাত্রীতি নবদুর্গা প্রকীর্তিতা ।
শৈলপুত্রী

বন্দে বাঞ্ছিতলাভায় চন্দ্রারধকৃত শেখরাম ,বৃষারুঢ়াং শলধরাং শৈলপুত্রীং যশ্বস্বিনীম ।।
ওঁ শ শৈলপুত্রয়ে নমঃ

ব্রহ্মচারিনী


দধনা করপদ্মাভ্যামক্ষালাকমনডং , দেবী প্রসীদতু ময়ি ব্রহ্মচারিন্যনুত্তমা ।
ঔং ব্রহ্মচারিন্যে নমঃ
চন্দ্রঘণ্টা

পিণ্ডজপ্রবরারুঢ়া চণ্ড কোপাস্ত্রকৈযুতা , প্রাসাদং তনুতে মহ্যং চন্দ্র ঘণ্টেতি বিশ্রুতি ।
ঔং চং চং চং চন্দ্র ঘণ্টায়ৈ দুং

কুষ্মাণ্ডা

সুরা সম্পূর্ণ কলশং রুধিরাপ্লূতমেব চ , দধনা হস্তপদ্মাভ্যাং কুস্মুনডা শুভদাস্তু মে ।
ঔং ক্রীং কূষ্মাণ্ডয়ৈ ঔং
স্কন্ধমাতা

সিংহাসনগতা নিত্যংপদমাশ্রিতকরদ্বয়া , শুভদাস্ত সদা দেবী স্কন্দমাতা যশস্বিনী ।
ঔং ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ৈ বিচ্চে ঔং স্কন্দমাতেতি নমঃ
কাত্যায়নী


চন্দ্রহাস্যোজ্জ্বলকরা শার্দূল বর বাহনা, কাত্যায়নী শুভ দধাত দেবী দানব ঘাতিনী ।
ঔং ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ৈ বিচ্চে ঐং কাত্যায়নী দেবৈ নমঃ
কালরাত্রি


করালরুপা কালাব্জা সমানাকৃতি বিগ্রহা , কালরাত্রি শুভ দধাদ দেবী চণ্ডাটহাসিনী ।
লীং ক্রীং হুং
মহাগৌরী

শ্বেত বৃষ সমারূঢ়া শ্বেতাম্বর ধরা শুচি ঃ ,মহাগৌরী শুভং দধান্মহোদৈ ব প্রমোদ্দা ।

সিদ্ধ গন্ধর্ব যক্ষাদ্যৈঃ অসুরৈরমবৈরনি ,সেবামানা সদা ভুয়াৎ সিদ্ধিদা সিদ্ধিদায়িনী ।।
ঔং ঐং হ্রীং ক্লীং চামুণ্ডায়ৈ বিচ্চে ঔং সিদ্ধিদাত্রি দেব্যৈ নমঃ

এক বেণী জপা বার্ন পুরা নগ্ন খরাস্থিতা
লম্ব শঠই কনিকা কর্নি তৈল ভ্যক্ত শারিরিনি
বাম পাদল্ল সল্লহ্লতা কণ্টক ভূষণা
বর্ধন মুরধ ধ্বজা কৃষ্ণা কাল রাত্রি ভয়ঙ্করী

দেবী দুর্গার সপ্তম রুপ কাল রাত্রি । কাল রাত্রির গায়ের রঙ অন্ধকারের মত কালো ,মাথার চুল এলোমেলো , গলায় বিদ্যুতের মালা । দেবী ত্রি নয়না । নাসিকার শ্বাস প্রশ্বাসে ভয়ংকর অগ্নি শিখা নির্গত হয় । মায়ের বাহন গদ্রভ । এক হাতে অভয় মুদ্রা অন্যহাতে লোহার কাঁটা । মা কাল রাত্রির ভয়ানক হলেও সর্বদা ইনি শুভ ফল দান করেন ।ইনি গ্রহ বাধা দূর করেন । ভক্ত রা এর কৃপায় ভয় মুক্ত হয়

নব রাত্রি কি ভাবে পালন করে, কোন গ্রহের
অশুভ দোষ কাটে এবং কেন নব রাত্রি ব্রত

হিন্দু সনাতন ধর্মে শুভ শক্তির সূচনা এবং অশুভ শক্তির বিনাশের জন্যই
নবরাত্রি পূজা করা হয়. এই ব্রতের মাধ্যমে মঙ্গলময়ী মাকে প্রসন্ন করা হয়. শাস্ত্র মতে মা দুর্গার নয়টি রূপ.এই নয় রূপের নয়টি নাম-------
শয়িলপুত্রী, ব্রমহচারিনী , চন্দ্রঘন্টা , কুষ্মান্ড ,স্কন্দমাতা , কাত্যায়নি,কালরাত্রি, মহাগৌরী , সিদ্ধিদায়িনি. নবরাত্রির দিন মায়ের
নয়টি রূপের পূজা হয়.
শইলপুত্রী রূপের পুজো করলে মূলাধার চক্র শুভ হয়.
ব্রমহচারিনী রূপের পুজো করলে সাধিস্থান চক্র শুভ হয়.
চন্দ্র ঘন্টা রূপের পুজো করলে সমস্ত পাপ ও বাধাবিঘ্ন বিনিষ্ট হয়
কুশমানডআ রূপের পূজা করলে কর্মক্ষেত্রে জটিলতা , যশ ,আয়ু , বল
বৃদ্ধি হয় . ----- কুমড়োকে সংস্কৃত ভাষায় কুশমানড বলা হয়. মায়ের
পুজোয় কুমড়ো বলি তার প্রিয় নৈবদ্য. রবি গ্রহ পীড়িত এই পুজো শুভ হয়.
স্কন্দ মাতার রূপের পুজো করলে পরম শান্তি ও সুখ অনুভব হয়.
কাত্যায়নী রূপের পুজো করলে ধর্ম সম্পদ ও জাগতিক সুখ পায়.
কালরাত্রি রূপের পূজা করলে সমস্ত কু- প্রভাব বিনাশ হয়.
মহাগৌরী রূপের পুজো করলে ভালো বিবাহ হয়.
সিদ্ধিদাত্রী রূপের পুজো করলে সকল প্রকার সিদ্ধি প্রাপ্ত হয় আমাদের পরিপূর্ণতা আসে. সব কিছু থেকে মুক্তি লাভ হয়.

নবরাত্রি তিথির পালন------১. সংযমী হওয়া , মিষ্টি , টক , ঝাল
না খাওয়া. অর্থাৎ আহারে শুচিতা রাখা
২. মাটিতে কম্বল পেতে বালিশ ছাড়া শোয়া
৩. ৩০ মিনিট মৌনতা পালন. চিত্তকে ঠিক রাখা
৪. সাজগোজ না করা--- ৫ ভুল চিন্তা না করা অর্থাৎ ব্রমূহচর্য পালন.
সব দিন পালন করতে না পারলেও তৃতীয়া , পঞ্চমী , অষ্টমী তিথি
বা পঞ্চমী ও অষ্টমী তিথি অবশ্যই পালনীয়
মন্ত্র------- রূপং দেহি , জয়ং দেহি , যশো দেহি , দ্বিষো জহি .

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190929095500

Wednesday, September 25th, 2019

Astro Research Centre

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন রাশি দায়ী লগ্ন, গণ, রাশি, নক্ষত্র, বর্ণ, যোনি, মাতপাথক্য

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন রাশি দায়ী লগ্ন, গণ, রাশি, নক্ষত্র, বর্ণ, যোনি, মাতপাথক্য

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন রাশি দায়ী
লগ্ন, গণ, রাশি, নক্ষত্র, বর্ণ, যোনি, মাতপাথক্য

সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য দায়ী হল বুধ ও রবি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শনি, মঙ্গল, রাহু ও কেতু এর জন্য দায়ী হয়। জ্যোতিষ মতে জাতক-জাতিকার ভাগ্যেই বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ থাকে। জেনে নিন রাশির অবস্থান কেমন থাকলে বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে।

১) লগ্ন ভাবে শনি ও রাহুর একত্রে অবস্থান এবং লগ্নে যদি কেতু থাকে, তা হলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা প্রবল।

২) দ্বিতীয়, সপ্তম ও একাদশ ভাবের সম্পর্ক আর্থিক কারণে বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়।

৩) দ্বিতীয়, সপ্তম বা অষ্টমে রবি ও মঙ্গল একত্রে অবস্থান করলে বিচ্ছেদ হবেই বলা যায়।

৪) দ্বিতীয়, সপ্তম ও একাদশ ভাবের সম্পর্ক পণ ও পারিবারিক কোনও কারণে বিচ্ছেদ ঘটায়।

৫) সপ্তম ভাবে দ্বাদশ পতি মঙ্গল, শনি, রাহু অবস্থিত হলে বিচ্ছেদ হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

৬) অষ্টম ভাবে মঙ্গল অবস্থিত হলে এবং ওই স্থানে শনি ও রাহু দৃষ্টি দিলে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটতে পারে।

৭) সপ্তম পতি ও দ্বিতীয় পতি যদি তৃতীয়, ষষ্ঠ, অষ্টম, একাদশ ও দ্বাদশ পতি গ্রহের নক্ষত্রে অবস্থিত হয়, তা হলে বিচ্ছেদ হয়।

৮) দ্বিতীয় ভাবে সপ্তম ভাব পতি বা রাহু ও কেতুর অবস্থানও বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।

৯) যদি দ্বিতীয় ও সপ্তম ভাব পতি ও শুক্র নীচস্থ হয়ে পাপগ্রহ দ্বারা পীড়িত হয়, তবে বিচ্ছেদ হতে দেখা যায়।

১০) সপ্তম স্থানে রবি, শনি রাহু, কেতু অবস্থিত হলে এবং ত্রিকোণ সপ্তম ভাব পতি বা দ্বাদশ ভাব পতি অবস্থান করলে বিচ্ছেদের প্রবল যোগ সৃষ্টি করে।

১১) সপ্তম স্থানে ক্ষীণ চন্দ্র, শনি, রাহু একত্রে থাকে এবং যদি কোনও শুভ গ্রহের দৃষ্টি না থাকে, তা হলে বিচ্ছেদ হতে পারে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190925073619

Wednesday, September 18th, 2019

Astro Research Centre

বিশ্বকর্মা পুজো(পূজা )মন্ত্র পুষ্পাঞ্জলি অঞ্জলি ধ্যান স্তোস্ত্র প্রণাম মন্ত্র বাহন হাস্তি দেব শিল্পী পূজা পদ্ধতি ইন্দ্র রূদ্র বরুন প্রজাপতি অগ্নি হোম

বিশ্বকর্মা পুজো(পূজা )মন্ত্র  পুষ্পাঞ্জলি অঞ্জলি ধ্যান স্তোস্ত্র প্রণাম মন্ত্র বাহন হাস্তি দেব শিল্পী পূজা পদ্ধতি ইন্দ্র রূদ্র বরুন প্রজাপতি অগ্নি হোম

বিশ্বকর্মা পুজো(পূজা )মন্ত্র পুষ্পাঞ্জলি অঞ্জলি ধ্যান স্তোস্ত্র প্রণাম মন্ত্র বাহন হাস্তি দেব শিল্পী পূজা পদ্ধতি ইন্দ্র রূদ্র বরুন প্রজাপতি অগ্নি হোম

হিন্দু ধর্ম অনুসারে বিশ্বকর্মা শিল্পী ও ভাস্কর্যের আর যন্ত্র ও যন্ত্রকৌশলের দেবতা ৷এই মহাবিশ্বের প্রধান স্থপতি হলো বিশ্বকর্মা ৷শিল্প নৈপুণ্য স্থাপত্য শিল্প এবং কারুকার্য সৃষ্টিতে অনন্য গুনশালী দেবতা তিনি ৷পুরান অনুসারে তিনি দেব শিল্পী৷ তিনি স্থাপত্য বেদ নামে একটি উপবেদ এর রচিয়তা ৷ বিশ্বকর্মা দেবের চতুর্ভূজ রুপ অত্যন্ত শৌর্য শালী ৷তার বাম দিকের এক হাতে ধনুক আর অন্য হাতে তুলাদন্ড এবং ডান দিকের এক হাতে হাতুড়ি অন্য হাতে ব্রম্য কুঠার৷ তার বাহন হস্তী৷ তার কৃপায় মানুষ শিল্পকলা ও যন্ত্র বিদ্যা পারদর্শিতা লাভ করে ৷তিনি অলংকার শিল্পের স্রষ্টা এবং দেবতাদের বিমান ও অস্ত্র নির্মাতা ৷তিনি ব্রহ্মার নির্দেশে কিশকিন্ধা নগরী ,যম ও বরুণ দেবের প্রাসাদ ,পুষ্প রথ, ইন্দ্রের বজ্র শিবের, ত্রিশূল ভগবান বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র, কুবেরের অস্ত্র ইত্যাদি নির্মাণ করেছেন ৷ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদেশে তিনি দ্বারকাপুরি ও নির্মাণ করেছেন৷
বিশ্বকর্মার পুজা পদ্ধতি--
সর্বপ্রকার কারুকার্য বিশ্বকর্মা দেবের সৃষ্টি বিশ্বকর্মা মানুষকে শৈল্পিক জ্ঞান ও মেধা দান করেন ৷বিশ্বকর্মা পূজার মূল উদ্দেশ্য তার কৃপা এবং কর্মের শিল্প নৈপুণ্য লাভ করা৷ কারুশিল্প ও শিল্প শ্রমিকেরা ভাদ্র মাসের সংক্রান্তি তিথিতে বিশ্বকর্মা দেবের পূজা করেন ৷পূজার রীতিনীতি অন্যান্য পূজার অনুরূপ হলেও পূজার সময় পারিবারিক সদস্যগণ যে সকল পেশায় নিয়োজিত সেসব পেশায় ব্যবহৃত উপকরণসমূহ বিশ্বকর্মা প্রতিমার কাছে রাখা হয় ৷বিশ্বকর্মা পূজা পঞ্চ উপাচারের 10 উপাচারের ও 16 উপাচারের করা যেতে পারে৷
পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র---
এষ সচন্দন দুর্বাপুষ্পবিল্বপত্রাঞ্জলিঃ
ওঁ শিল্পবতে শ্রীবিশ্বকর্মণে নমঃ
সরলার্থ--চন্দন ,দুর্বা,পুষ্প ও বিল্বপত্র দিয়ে শিল্প দেবতা বিশ্বকর্মাকে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করছি এবং প্রণাম জানাচ্ছি ৷
প্রণামমন্ত্র---
ওঁ দেবশিল্পিন মহাভাগ দেবানাং কার্যসাধক
বিশ্বকর্মন্নমস্তুভ্যং সর্বাভীষ্ট ফলপ্রদঃ

সরলার্থ---হে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা আপনি মহান দেবগণের কার্যসম্পাদক সর্বঅভীষ্ট পূরনকারী ৷তোমাকে প্রণাম৷
বিশ্বকর্মার কৃপায় শিল্প ও বিজ্ঞানের পারদর্শিতা লাভ করা যায়৷ তার আশীর্বাদে কারু শিল্প কর্মের দক্ষতা অর্জন করা যায় ৷পারিবারিক ও মন্দির ভিত্তিক এ পূজা করার মাধ্যমে বিশ্বকর্মা দেবের প্রতি পূজারীদের ভক্তি প্রতিষ্ঠিত হয় ৷বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে শিল্পের বিকাশ ঘটানোর প্রেরণা পাওয়া যায় এবং সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটে৷ পূজারী কোন কাজে মনোযোগী হয় এবং কার্য সম্পাদনের মনোভাব গড়ে ওঠে ৷বিশ্বকর্মার কৃপায় পূজারী গণ শিল্পকলা ও যান্ত্রিক বিদ্যায় পারদর্শী ত লাভ করতে পারে ৷বিশ্বকর্মা পূজার মধ্য দিয়ে লোক শিল্পের বিকাশ ঘটে৷

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190918084423

Sunday, September 15th, 2019

Astro Research Centre

দশ মাহাবিদ্যা রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্ররিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় জ্যোতিষে মাতঙ্গী

দশ মাহাবিদ্যা  রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্ররিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় জ্যোতিষে মাতঙ্গী

দশ মাহাবিদ্যা রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্রতিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় কালী তারা ষোড়শী ভুবনেশ্বরী ভৈরবী ছিন্নমস্তা ধূমাবতী কমলা

মাতঙ্গী দেবী শ্যাম বর্ণা, চতুর্ভুজা , ত্রিনয়না। ললাট ফলকে অর্ধ চন্দ্র থাকে। ইনি সদা হাস্যময়ী। ইনি অঙ্কুশ, খড়গ, খেটক, পাশ ধারন করে থাকেন ।ইনি নবম মহাবিদ্যা । ইনি দাবানলের ন্যায় রাক্ষস কূল ভস্ম করেন। তিনি অসুর ও আসুরিক ভাবাচ্ছন্ন দের মোহ মায়ার জালে বন্দী করে ভ্রষ্ট করে দেন। আবার তিনিই ভক্তকে অভীষ্ট ফল প্রদান করেন। গৃহস্থ জীবনে ইনি সুখ ও শান্তি প্রদান করেন। বাক সিদ্ধির জন্য এই দেবীর আরাধনা সাধকরা করে থাকেন । পূরশ্চর্যার্ণব শাস্ত্র মতে বলা হয়-

অক্ষবক্ষ্যে মহাদেবীং মাতঙ্গীং সর্বসিদ্ধিদাম্ ।
অস্যাঃ সেবনমাত্রেণ বাকসিদ্ধিং লভতে ধ্রুবম্ ।।

নারদপঞ্চরাত্র শাস্ত্র মতে দেবী ভগবতীর মাতঙ্গী রূপ ধারনের একটি ঘটনা আছে । সেখানে শিবকে চন্ডাল আর দেবীকে উচ্ছিষ্টচণ্ডালিনী বলা হয়েছে। কেন বলা হয়েছে জানা নেই। তবে এর একটি কারন হতে পারে- শ্মশানের ডোম, চণ্ডাল কে দেখে আমরা হামেশাই ঘৃনা করে থাকি। বিশেষ করে উচ্চ বর্ণের লোকেরা ছুৎ মার্গ অবলম্বন কারীরা এঁদের মুখ দর্শন করাকে ঘোর পাপ বলে মনে করে। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই চলে এসেছে। কিন্তু শ্মশান কিন্তু কম পবিত্র জায়গা নয়, মন্দিরের মতোই পবিত্র। ব্রহ্মচর্য, সংযম, নিত্য- অনিত্যের শিক্ষা পাঠ হয় সেখানে, এই স্থান অপবিত্র হয় কি ভাবে ? আর শবদাহ কে পুন্য কর্ম ধরা হয়। স্বয়ং দেবাদিদেব এই শ্মশানে থাকেন, তিনি ছাই ভস্ম মেখে দিগম্বর । এখানে কোন পিছু টান নেই, তাই মা কালীর বিচরণ ক্ষেত্র। আর চন্ডাল এই পরম ক্ষেত্রে দিবারাত্র পুন্য কর্ম করে দেবাদিদেব ও জগত জননীর আশীর্বাদ ও সান্নিধ্য লাভ করছে। এবার ভেবে দেখুন কে বেশী পবিত্র? কবি নজরুল একটি কবিতায় লিখেছেন – ‘চন্ডাল কে দেখে চমকাও কেন? ও তো শ্মশানের শিবও হতে পারে।’ যারা দিবারাত্র শিব সান্নিধ্যে থাকে তাঁরা যে শিবত্ব লাভ করে এতে সন্দেহ কি ? যেমন যিনি গুরু আশ্রয় করে গুরু বানী মেনে জীবন যাপন করেন – তাঁদের যে মোক্ষ লাভ হবে এতে আর সন্দেহ কি ? যাই হোক মূল কাহানী বলা যাক। একদা দেবী পার্বতী পিতৃগৃহে হিমালয় ভবনে গেছেন। সেখানে যত্নে রেখেছেন মেনকা রানী। কন্যা বলে কথা। নয়নের মনি। কিন্তু শক্তি ভিন্ন শিব আর থাকেন কতক্ষণ ? তিনি একদিন এক শাঁখারীর ছদ্দবেশে হিমালয় ভবনে শাঁখা, শঙ্খ বিক্রি করতে গেলেন। সেখানে বেশ বিক্রয় হল। দেবী পার্বতীও শাঁখা কিনলেন। শঙ্খ কিনলেন । পার্বতী দেবী জানালেন –‘ওহে শাঁখারী, বল এই শাঁখা আর শঙ্খের কত মূল্য নেবে?’ ছদ্দবেশী মহাদেব প্রথমে নিতে চাইলেন না। পড়ে অনেক বলার পর মহাদেব বললেন- ‘তুমি আমায় বরন করো- এটাই মুল্য।’ এই শুনে দেবী অত্যন্ত রেগে ভাবলেন তাঁকে কুপ্রস্তাব দেয় এমন সাধ্যি কার? এখুনি ভস্ম করবেন এই লম্পট শাঁখারীকে। দেবী আরও ভাবলেন একবার যোগবলে দেখে নেওয়া যাক এই শাঁখারীর পরিচয়। মহামায়ার কাছে কোন মায়া খাটে না। দেখলেন এ যে ছদ্দবেশে মহেশ্বর। দেবী হেসে বললেন – ‘কালান্তরে তোমার মনোরথ পূর্ণ করবো।’

মানস সরোবরের তীরে মহাদেব কিরাত বেশে ছিলেন। দেবী তাঁর সখী দের সাথে সেখানে চন্ডালিনীর বেশে গেলেন ও মহাদেবের সাথে লীলাকেলি করলেন। এতে তাঁরা দুজনেই আনন্দিত হলেন। মহাদেব বললেন- ‘দেবী। তুমি চন্ডালিনী বেশে আমার সাথে মিলিত হয়েছো, তোমার এই রূপ উচ্ছিষ্টচন্ডালিনী নামে প্রসিদ্ধ হবে। সমস্ত শক্তি পূজোর শেষে তোমার এই রূপ পূজা হবে, নাহলে সেই শক্তি পূজো বিফল হবে।অন্য দিকে তোমার এই রূপ মাতঙ্গী নামে খ্যাতা হবে ।’

কিছু তন্ত্র শাস্ত্রে শিবকে মতঙ্গ আর তাঁর শক্তিকে মাতঙ্গী বলা হয়েছে । আবার কিছু শাস্ত্র মতে এই দেবীকে মতঙ্গ মুনির কন্যা বলা হয়েছে। পুরাকালে মতঙ্গ নামক এক ঋষি কদম্ব বনে সমস্ত প্রানীকে বশ করার জন্য ত্রিপুরাদেবীর আরাধনা করেছিলেন। সেই দেবীর নেত্র থেকে এক জ্যোতি বের হয়, সেই জ্যোতি এক দেবী মূর্তি ধারন করে। তিনি শ্যামলা , সুমুখী, ষোড়োশী। এই দেবীর নাম রাজমাতঙ্গিনী। দেবীর চাঁর হাতকে চাঁর বেদের প্রতীক বলা হয়।

শ্রী শ্রী চন্ডীর সপ্তম অধ্যায়ে আমরা মাতঙ্গী দেবীর একটি ধ্যান মন্ত্র পাই-

ধ্যায়েয়ং রত্নপীঠে শুককলপঠিতং শৃন্বতীং শ্যামলাঙ্গীম্ ।
ন্যস্তৈকাঙঘ্রিং সরোজে শশিশকলধরাং বল্লকীং বাদয়ন্তীম্ ।
কহ্লারাবদ্ধমালাং নিয়মিতবিলসচ্চূড়িকাং রক্তবস্ত্রাম্ ।
মাতঙ্গীং শঙ্খপাত্রং মধুরমধুমদাং চিত্রকোদভাসিভালাম্ ।।

দেবী মাতঙ্গী হল দশমহাবিদ্যার অন্যতম কারো মতে নবম মহাবিদ্যা। দেবী মূলতঃ স্বরস্বতী দেবীর তাত্রিক রুপ হিসাবেই চিহ্নিত হন ।
মাতঙ্গী দেবী সংগীত, কলা বিশেষত আর্টসের উপর আধিপত্য বিস্তার কারী । তাকে একজন চন্ডালিনী হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে । ভারত তন্ত্রসার ধ্যান মন্তে দেবীকে উচিষ্ঠা মাতঙ্গী হিসাবে দেখানো হয়েছে। এখানে মাতঙ্গী দেবীকে একটি মৃতদেহ উপর উপবিষ্ট এবং লাল জামা, লাল জহরত পরেন ।
দেবীর সম্পূর্ণরূপে বিকশিত স্তন সঙ্গে একটি অল্প বয়স্ক,( ষোল বছর বয়সী) কুমারী হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি একহাতে একটি মস্তক এবং দুই হাতে একটি তরবারি বহন করেন। তার গায়ের রং নীল হিসাবে বর্ণনা করা হয় । তার কোমর পাতলা। তার কপাল ক্রিসেন্ট চাঁদ । তার তিনটি চোখ এবং হাস্যমুখে থাকেন । তিনি মণিরত্ন পরিধান করেন এবং একটি অলংকার সজ্জিত সিংহাসনে বসেন।
Shyamaladandakam মতে, মাতঙ্গী একটি রুবি-খচিত বীনা বাজান এবং মিতভাষী । ধ্যান মন্ত্রতে চার হাত বিশিষ্ট কালো পান্না গাত্রবর্ণ , পুরো স্তন লাল কুমকুম পাউডারএ উদ্বর্তিত, এবং তার কপাল উপর একটি ক্রিসেন্ট চাঁদ সঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে। তাকে দেবী ত্রিপুরা সুন্দরীর মত প্রায়ই বর্ণনা করা হয় ।তার সবুজ গাত্রবর্ণ গভীর জ্ঞান সঙ্গে যুক্ত তাই প্রায়ই বক্তৃতায় প্রতিনিধিত্বমূলক, তার হাতে একটি তোতাপাখি দেখানো হয়। মুন্ডমালা নামের একটি গ্রন্থের দশমহাবিদ্যার অস্তিত্ব পাওয়া যায় মনে করা হয় যে বিষনুর দশ অবতারের প্রাথমিক রুপ।
মাতঙ্গীকে শেষ অবতার কল্কির রুপক হিসাবেই মনে করা হয় । শক্তি ভাগবত পুরান অনুযায়ী দশমহাবিদ্যার যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতে দেবী মাতঙ্গীকে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শিবকে আক্রমণ করতে দেখান হয়েছে।(গল্পটি অন্য মহাবিদ্যার আলোচনাতেও আছে দেখে নিতে অনুরোধ করছি) শক্তিসঙ্গমা তন্ত্রে উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনীর উতপত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, একবার দেবতা বিষ্ণু ও তার স্ত্রী লক্ষ্মী শিব এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী পার্বতীকে (সতীর পুনরায় দেহধারণ) পরিদর্শন করেন। তাদের খাবার খাওয়ার সময় তাদের খাদ্য অবশিষ্ট থাকে এবং সেখানে একটি সুন্দর কুমারীকে পড়ে থাকতে দেখেন । কিছু খাবার দেবতারা মাটিতেও ফেলেছিল । ঐ কুমারি অবশিষ্ট খাদ্য গ্রহন করেন বলে সেদিন থেকেই কুমারী উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনী নামে পরিচিত হন।
এই মাতঙ্গীনীকে দূষিত রাস্ট্রের সাথেও তুলনা করা হয়ে থাকে।মাতঙ্গী হচ্ছে সেই স্তবক যারা খাদ্য গ্রহন করে হাত-মুখ ধৌত করেনা পুনরায় খাদ্য গ্রহন করে মূলধারার হিন্দুধর্মে এ ধরনের অভ্যাসকে নিষিদ্ধ করা হয়।সে কারনেই ঋতুবতী কন্যাদেরকে মুল পূজার থেকে দূরে রাখা হয় তাছাড়াও মাসিকের দাগ লাগা কোন কাপড়কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নেপালে মাতঙ্গী সম্প্রদায় রয়েছে যারা ময়লা জামা-কাপড়ই শুধু নয় তারা বলির পশুর থেকেও কাপড় সংগ্রহ করে থাকে।যা মূলধারার হিন্দুধর্মে কোনমতেই গ্রহনযোগ্য না। নেপালে এদেরকে ট্যাবু হিসাবে চিহ্নিত করা হয় ।
তবে কোথাও কোথাও রাজ-মাতঙ্গী পূজা উদযাপিত হতে পারে । উচ্ছিস্ট মাতঙ্গী পূজা ও হয়ে থাকে । বাংলাদেশেও মাতঙ্গী পূজা হতে পারে এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিশ্চিত নই। দেবী মাতঙ্গী হল দশমহাবিদ্যার অন্যতম কারো মতে নবম মহাবিদ্যা। দেবী মূলতঃ স্বরস্বতী দেবীর তাত্রিক রুপ হিসাবেই চিহ্নিত হন । মাতঙ্গী দেবী সংগীত, কলা বিশেষত আর্টসের উপর আধিপত্য বিস্তার কারী ।
তাকে একজন চন্ডালিনী হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে । ভারত তন্ত্রসার ধ্যান মন্তে দেবীকে উচিষ্ঠা মাতঙ্গী হিসাবে দেখানো হয়েছে। এখানে মাতঙ্গী দেবীকে একটি মৃতদেহ উপর উপবিষ্ট এবং লাল জামা, লাল জহরত পরেন । দেবীর সম্পূর্ণরূপে বিকশিত স্তন সঙ্গে একটি অল্প বয়স্ক,( ষোল বছর বয়সী) কুমারী হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি একহাতে একটি মস্তক এবং দুই হাতে একটি তরবারি বহন করেন। তার গায়ের রং নীল হিসাবে বর্ণনা করা হয় । তার কোমর পাতলা। তার কপাল ক্রিসেন্ট চাঁদ । তার তিনটি চোখ এবং হাস্যমুখে থাকেন । তিনি মণিরত্ন পরিধান করেন এবং একটি অলংকার সজ্জিত সিংহাসনে বসেন। Shyamaladandakam মতে, মাতঙ্গী একটি রুবি-খচিত বীনা বাজান এবং মিতভাষী ।
ধ্যান মন্ত্রতে চার হাত বিশিষ্ট কালো পান্না গাত্রবর্ণ , পুরো স্তন লাল কুমকুম পাউডারএ উদ্বর্তিত, এবং তার কপাল উপর একটি ক্রিসেন্ট চাঁদ সঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে। তাকে দেবী ত্রিপুরা সুন্দরীর মত প্রায়ই বর্ণনা করা হয় ।তার সবুজ গাত্রবর্ণ গভীর জ্ঞান সঙ্গে যুক্ত তাই প্রায়ই বক্তৃতায় প্রতিনিধিত্বমূলক, তার হাতে একটি তোতাপাখি দেখানো হয়। মুন্ডমালা নামের একটি গ্রন্থের দশমহাবিদ্যার অস্তিত্ব পাওয়া যায় মনে করা হয় যে বিষনুর দশ অবতারের প্রাথমিক রুপ। মাতঙ্গীকে শেষ অবতার কল্কির রুপক হিসাবেই মনে করা হয় । শক্তি ভাগবত পুরান অনুযায়ী দশমহাবিদ্যার যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতে দেবী মাতঙ্গীকে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শিবকে আক্রমণ করতে দেখান হয়েছে।(গল্পটি অন্য মহাবিদ্যার আলোচনাতেও আছে দেখে নিতে অনুরোধ করছি) শক্তিসঙ্গমা তন্ত্রে উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনীর উতপত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, একবার দেবতা বিষ্ণু ও তার স্ত্রী লক্ষ্মী শিব এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী পার্বতীকে (সতীর পুনরায় দেহধারণ) পরিদর্শন করেন।
তাদের খাবার খাওয়ার সময় তাদের খাদ্য অবশিষ্ট থাকে এবং সেখানে একটি সুন্দর কুমারীকে পড়ে থাকতে দেখেন । কিছু খাবার দেবতারা মাটিতেও ফেলেছিল । ঐ কুমারি অবশিষ্ট খাদ্য গ্রহন করেন বলে সেদিন থেকেই কুমারী উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনী নামে পরিচিত হন। এই মাতঙ্গীনীকে দূষিত রাস্ট্রের সাথেও তুলনা করা হয়ে থাকে।মাতঙ্গী হচ্ছে সেই স্তবক যারা খাদ্য গ্রহন করে হাত-মুখ ধৌত করেনা পুনরায় খাদ্য গ্রহন করে মূলধারার হিন্দুধর্মে এ ধরনের অভ্যাসকে নিষিদ্ধ করা হয়।সে কারনেই ঋতুবতী কন্যাদেরকে মুল পূজার থেকে দূরে রাখা হয় তাছাড়াও মাসিকের দাগ লাগা কোন কাপড়কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নেপালে মাতঙ্গী সম্প্রদায় রয়েছে যারা ময়লা জামা-কাপড়ই শুধু নয় তারা বলির পশুর থেকেও কাপড় সংগ্রহ করে থাকে।
শিবের নাম মাতঙ্গ, তার শক্তি মাতঙ্গী। মাতঙ্গীর ধ্যানে তার রূপের বর্ণনায় আছে যে তিনি শ্যমবৰ্ণা, তার শিরে অৰ্দ্ধচন্দ্ৰশোভিত। দেবী মাতঙ্গী ত্রিনয়না, রত্নসিংহাসনে আসীনা, তার কান্তি নীলকমলের মত এবং বিস্তৃত অরণ্য সদৃশ্য রাক্ষসকুলকে ভস্ম করতে দাবানলের ন্যায়। তার চার হাতে পাশ, অঙ্কুশ, খেটক ও খড়গ

শোভিত। তিনি অসুরদের মােহিত্যকারিনী আর ভক্তকে অভীষ্ট ফলদায়িনী। গৃহস্থ জীবনে সুখদায়িনী, পুরুষাৰ্থসিদ্ধি এবং বাকবিলাসে পারঙ্গম হওয়ার জন্য মাতঙ্গিনীর সাধনা শ্রেয়। দশমহাবিদ্যার মধ্যে এর স্থান

নবম | ് নারদপঞ্চরাত্রের দ্বাদশ অধ্যায়ে শিবকে চণ্ডাল এবং শিবাকে উচ্ছিষ্ট চণ্ডালী নামে বলা হয়েছে। এরই নাম মাতঙ্গ। পুরাকালে মাতঙ্গ নামে এক ঋষি নানা বৃক্ষশোভিত কদম্ববনে সমস্ত প্রাণীকে বশ করার সংকল্প নিয়ে ভগবতী ত্রিপুরাদেবীকে তুষ্ট করার জন্য কঠোর তপস্যা করেছিলেন। সেই সময় ত্রিপুরাদেবীর নেত্র থেকে উৎপন্ন তেজঃপুঞ্জ এক শ্যামলা নারীবিগ্রহের রূপ ধারণ করে। তার নাম হয় রাজমাতঙ্গিনী। ইনি দক্ষিণ ও পশ্চিম আমায়ের দেবী। রাজমাতঙ্গ, সুমুখী, বশ্যমাতঙ্গী ও কর্ণমাতঙ্গ এর অন্যান্য নাম। মাতঙ্গার ভৈরবের নাম মাতঙ্গ। ব্ৰহ্মযামল তন্ত্রে একে মাতঙ্গ মুনির কন্যা বলা হয়েছে।

দশমহাবিদ্যার মধ্যে মাতঙ্গীর উপাসনা বাকসিদ্ধির জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত। পূরশ্চর্যাের্নবে বলা হয়েছে—

অক্ষাবক্ষ্যে মহাদেবীং মাতঙ্গীং সৰ্বসিদ্ধিদাম । অস্যাঃ সেবনমাত্রেণ বাকসিদ্ধিং লভতে ধ্রুবম৷

মাতঙ্গীর স্থূলক্কপের প্রতীকনিয়মাদি পর্যালোচনা করলে ভালোভাবেই বােঝা যায় যে ইনি পূর্ণ বাগদেবতারই মূর্তি। মাতঙ্গীর শ্যামবর্ণ হল পরাবাক বিন্দু। তাঁর ত্রিনয়ন হলেন সূর্য, চন্দ্র আর অগ্নি। তার চার বাহু চারটি বেদ। পাশ হল অবিদ্যা, অঙ্কুশ হল বিদ্যা, কর্মরাশি হল দণ্ড, শব্দ স্পর্শদি গুন হল কৃপাণ অর্থাৎ পঞ্চভূতাত্মক সৃষ্টির প্রতীক। কদম্ববন হল ব্ৰহ্মাণ্ডের প্রতীক। যোগরাজোপনিষদে ব্ৰহ্মলোককে কদম্বের মত গোলাকৃতিরূপে বর্ণনা করা হয়েছে— ‘কদম্বগোলকাকারং ব্ৰহ্মলোকং ব্ৰজন্তি তে। ভগবতী মাতঙ্গীর সিংহাসন শিবাত্মক মহামঞ্চ অথবা ত্রিকোন সূক্ষরূপে তাঁর মূর্তি হল। যন্ত্র আর পররূপে বা স্কুলারুপে শুধুমাত্র ভাবনা বা চিন্তন |

শ্ৰীশ্ৰীচণ্ডীর সপ্তম অধ্যায়ে মাতঙ্গীদেবীর ধ্যানে বলা হয়েছে যে তিনি রত্নময় সিংহাসনে বসে কাকাতুয়ার মধুর শব্দ শুনছেন। তিনি শ্যামবর্ণা। তিনি তার একটি পা পদ্মের ওপর রেখেছেন। তার শিরে অৰ্দ্ধচন্দ্র এবং গলায় কলহার ফুলের মালা পরে রয়েছেন। বীনা বাদনরতা দেবী মাতঙ্গীর পরিধানে সুবদ্ধ চােলি সুশোভিত। তিনি রক্তবর্ণ শাড়ী পরিহিতা আর হাতে শঙ্খপাত্র ধরে আছেন, তার মুখমণ্ডলে মধুপানের মৃদু আভা এবং ললাটে সুন্দর টিপ শোভা পাচ্ছে। এর বল্লকী (বীণা) ধারণ নাদের প্রতীক। কাকাতুয়ার পড়া গ্ৰহীং’ বর্ণের উচ্চারণ বীজমন্ত্রের প্রতীক। পদ্মফুল হচ্ছে বর্ণাত্মক সৃষ্টির প্রতীক। শঙ্খপাত্র হল ব্ৰহ্মরন্ধ এবং মধু অমৃতের প্রতীক | রক্তবর্ণ শাড়ী অগ্নি অথবা জ্ঞানের প্রতীক। বাগদেবীর অর্থে মাতঙ্গী যদি ব্যাকরণ রূপ হন তো শুকপাখী হল শিক্ষার প্রতীক। চার হাত চার বেদের প্রতীক। এভাবে তান্ত্রিকদের ভগবতী মাতঙ্গী মহাবিদ্যা, বৈদিকদের সরস্বতীই। তন্ত্রশাস্ত্রে এর পূজার বিস্তারিত বর্ণনা আছে।
তাঁর পূজা ও ভোগ প্রদানের যে বিধান শাস্ত্রে রয়েছে, তা এই প্রকার— অপরিষ্কার হাতে এঁটো খাবার তাঁকে নিবেদন করতে হবে। অথচ ভারতীয় পরম্পরায় এমন অপরিচ্ছন্নতা কোনও দেবতার বেলাতেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190915152421

Saturday, September 14th, 2019

Astro Research Centre

মলুটি টেরাকোটা গ্রাম - মা মৌলিক্ষা এবং তারাপীঠ, মা তারার বোন ও বামদেবের ভূমিকা ,আকালিপুরের গুহ্যকালী ও লাগোয়া ভদ্রপুর

মলুটি টেরাকোটা গ্রাম - মা মৌলিক্ষা এবং তারাপীঠ, মা তারার বোন ও বামদেবের ভূমিকা ,আকালিপুরের গুহ্যকালী ও লাগোয়া ভদ্রপুর

মলুটি টেরাকোটা গ্রাম - মা মৌলিক্ষা এবং তারাপীঠ, মা তারার বোন ও বামদেবের ভূমিকা ভদ্রকালী গুহ্যকালী ভদ্রপুর ও অকালিপুর

অমাবস্যার নিশি রাতে যখন চারদিকে কালীর আরাধনা চলে, আলোকিত হয়ে ওঠে কালী মন্দিরগুলি। তখন অন্ধকারে ডুবে থাকে মহারাজ নন্দকুমার প্রতিষ্ঠিত নলহাটির আকালিপুরের গুহ্যকালী ও লাগোয়া ভদ্রপুর গ্রামের ভদ্রকালী মন্দির। নিশিরাতে হয় না কোনও পুজো। তবে নিত্য পুজোর চল রয়েছে।
কথিত আছে, পুরাকালে মগধের রাজা জরাসন্ধ পাতালে এই কালীর সাধনা করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর রাজস্থানের রানি অহল্যাবাই কিছুদিন মগধে আসেন। তিনি খনন কার্য চালিয়ে শিবলিঙ্গ ও একটি কষ্টি পাথরের বেদি সমেত কালী মূর্তি পান। পরে মহারাজ নন্দকুমার কাশীতে মূর্তিটি গঙ্গা থেকে উদ্ধার করে আকালিপুর গ্রামে ব্রহ্মাণী নদী তীরবর্তী বটগাছের নীচে মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করেন।
মা এখানে ভয়ঙ্কর দর্শনা। পদ্মাসনে অধিষ্ঠিত মায়ের অলঙ্কারও সাপের। হাতে পায়ে সাপের আকৃতির চুড়ি, নুপুর। মাথায় সহস্র নাগের ফনা যুক্ত মুকুট। মা এখানে গুহ্যকালী নামে পরিচিত।
মন্দিরের প্রধান পুরোহিত দেবাশিস মুখোপাধ্যায় বলেন, রাজ পরিবার মায়ের নিত্য সেবার ব্যবস্থা করে আসছে। প্রতিদিন মাকে আতপ চালের ভাত, ভাজা, মুগের ডাল, তরকারি ও তেঁতুল দিয়ে মাছের টক ভোগ হিসাবে নিবেদন করা হয়। তিনি বলেন, বহু যুগ ধরে কালী পুজোর নিশি রাতে এখানে মায়ের কোনও পুজোর চল নেই। কী কারণে তা সকলের অজানা। তবে চতুর্দশী তিথি ও রটন্তী কালী পুজোয় মায়ের বিশেষ পুজো হয়।
অন্যদিকে, ভদ্রপুর গ্রামের ভদ্রকালী মন্দিরের প্রবীণ সেবাইত সুপ্রিয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, মহীরাবন কালী হিসাবে খ্যাত এই ভদ্রকালী। একই মূর্তি রয়েছে অযোধ্যা পাহাড়ে। দু’টিই কষ্টিপাথরের। নিঃশব্দে ভদ্রকালী মায়ের আরাধনার প্রথা চলে আসছে। কথিত আছে, কোনও একটা সময় অমাবস্যার নিশিরাতে পুজো চলাকালীন হনুমান বাজনা বাজিয়েছিল। তারপর থেকেই মহীরাবনের ধ্বংস শুরু হয়। সেই থেকে কালী পুজোয় এখানে মায়ের কোনও পুজো হয় না। তবে নিত্য সেবা হয়।
অন্যদিকে, শুধুমাত্র আলোর দেবীর পুজোয় আলোকিত হয় কালীর গ্রাম হিসাবে পরিচিত বীরভূম সীমান্ত লাগোয়া জঙ্গলে ঘেরা ঝাড়খণ্ডের মলুটি গ্রাম। দেহহীন দেবী এখানে ত্রিনয়নী। মা মৌলিক্ষা নামে পরিচিত। কালীপুজোর নিশিরাতে দুই রাজ্যের হাজার হাজার বাসিন্দা মলুটির দেবীমস্তক নানকার রাজবাড়িতে ভিড় জমান। আগে বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের শাসনে ছিল এই অঞ্চল। রাজবাড়ির বংশধররা আজও মায়ের পুজো চালিয়ে আসছেন।
বর্তমানে ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগ মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছে। রাজবাড়ির আট শরিক পুজো করেন। মন্দির লাগোয়া মাঠে বাজি পোড়ানো হয়। পুজো দেখতে এলাকার বহু গ্রামের হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে। পরের দিন বিকালে পুকুরে নিরঞ্জন হয়।
মন্দিরের সেবাইত পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, গ্রামে বিদ্যুতের সংযোগ থাকলেও মাসে খুব কম দিনই এখানে বিদ্যুৎ থাকে। বিদ্যুৎ থাকলেও লো-ভোল্টেজে জেরবার হতে হয় বাসিন্দাদের। পুজোতেই গ্রাম আলোকিত হয়। রাতে বসে মেলা।
মন্দিরের সেবাইত কানাইলাল চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজা রাখরচন্দ্রের বাড়ির পুজোয় মোষ বলি বন্ধ হয়ে গেলেও বাকি শরিকদের পুজোয় মোষ ও মেষ বলি হয়।

রামপুরহাট থেকে ১৫ কিমি দূরে, বাংলা ঝাড়খন্ড বর্ডারে দুমকা জেলায় মৌলিক্ষা মায়ের মন্দির । সবাই হয়তো তারাপীঠেই যান, কিন্তু মলুটি গ্রাম - মৌলিক্ষা মায়ের কথা জানেন না । রামপুরহাট ১৫ কিমি দূরে রামপুরহাট দুমকার রাস্তায় গিয়ে বাংলা – ঝাড়খণ্ড সীমান্তে মলুটি মোড় থেকে বাঁদিকের রাস্তায় ৬ কিমি গেলে পৌঁছে যাবেন মলুটি গ্রাম। বর্তমানে গ্রামটি ঝাড়খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত।
মৌলিক্ষা মায়ের কাছেই বাবা বামাখ্যাপা প্রথম সিদ্ধ লাভ করেন, প্রথম পুরোহিত উনিই, তাইমলুটি মৌলিক্ষা মায়ের মন্দির হলো সিদ্ধপীঠ । বাবা বামাখ্যাপা এরপর তারাপীঠ চলে যান । মৌলীক্ষা মন্দিরে বামদেবের যে সাধনা কক্ষটি রয়েছে সেখানেতে বামদেবের ত্রিশূল ও বামদেব ব্যবহৃত বৃহৎ শঙ্খটি আজও সেই ইতিহাসের সাক্ষী বহন করে চলেছে।
গ্রামের স্থানীয় মানুষ মৌলিক্ষা মাকে ছোটোবোন এবং তাঁরা মাকে বড়োবোনও বলে ডাকেন । কালী পূজার রাতে সারারাত ধরে এখানে পূজা হয় ।
মলুটি গ্রাম হলো টেরাকোটার গ্রাম । সারা গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ১০৮ টা শিব মন্দির ছিলো । টেরাকোটা কাজের মন্দির । কিন্তু পরিচর্যা এবং যত্নের অভাবে ৩৬ টা মন্দির আর এখন নেই । বাকি ৭২ টা মন্দির মলুটি গ্রামে আছে । টেরাকোটার কাজ দেখার মতো । মন্দির গুলি সপ্তদশ থেকে শুরু করে উনিশ শতকে তৈরি, রাজা বাজ বসন্তের বংশের ভিন্ন ভিন্ন রাজাদের আমলে। মন্দির গুলি বাংলার একচালা ও চারচালা শৈলীর এক সুন্দর নিদর্শন । মন্দির গুলি প্রায় সবকটি পোড়ামাটির তৈরি অর্থাৎ টেরাকোটার । টেরাকোটার বর্গাকার প্যানেল বসিয়ে মন্দিরগুলির গায়ে বসানো হয়েছে । টেরাকোটার পানেল গুলিতে রামায়ণ, মহাভারতের ও শাক্ত পদাবলীর মহিসাসুর ও মা দুর্গার যুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
তারাপীঠে পুজো দিয়ে একবার ঘুরে আসতে পারে্ন মলুটি গ্রামতে। দেখে আসতে পারেন প্রাচীন বাংলার প্রায় ভুলে যাওয়া একচালা আর চারচালা মন্দিরের ইতিহাস ।

চতুর্দশীতে মা তারা কেন মা মৌলিক্ষা অর্থাত্ মলুটির দিকে মুখ করে বসে পুজো নেন ?

মায়ের বিদায়ে আকাশ বাতাস যখন ভারাক্রান্ত, ঠিক সেই সময় শুক্লা চতুর্দশী তিথি তে তারা মায়ের আবির্ভাব সিদ্ধপীঠ তাড়াপীঠে।
সাধারণত তারামায়ের মূর্তি উত্তরমুখী। এই দিন তারামা কে পশ্চিমমুখে বসিয়ে আরাধনা করা হয়।

কথিত আছে, পাল রাজত্বের সময় শুক্লা চতুর্দশী তিথিতে জয়দত্ত সদাগর স্বপ্নাদেশ পেয়ে শ্মশানের শ্বেতশিমুল বৃক্ষের তলায় পঞ্চমুণ্ডির আসনের নীচে থেকে মায়ের শিলামূর্তি উদ্ধার করে মন্দির প্রতিষ্ঠা করে পুজোর সূচনা করেছিলেন। তখন থেকেই এই দিনটি মায়ের আবির্ভাব তিথি হিসাবে পালিত হয়ে আসছে।জীবিতকুন্ডু থেকে জল এনে মাকে স্নান করানোর পর রাজবেশে সাজানো হয়। এই দিন তারামা পশ্চিম মুখে পূজিতা হন। কারণ পশ্চিম দিকে মায়ের ছোট বোন মলুটির মা মৌলিক্ষার মন্দির। কিন্তু কেন এদিন মাকে পশ্চিমমুখী রাখা হয়?

প্রাচীন কিছু পুঁথি ঘেঁটে জানা গিয়েছে, বাংলার ১১০৮ ও ইংরেজি ১৭০১ সালে আবির্ভাব তিথিতে বিশ্রাম মন্দিরে তারামাকে পূর্বদিকে বসিয়ে পুজো শুরু করার তোড়জোড় করছিলেন তদানীন্তন তান্ত্রিক, পুরোহিত ও পান্ডারা। এমন সময় মলুটির নানকার রাজা রাখরচন্দ্র মায়ের সামনে আরাধনায় বসেন। যা দেখে তান্ত্রিক, পুরোহিত ও পান্ডারা হৈ হৈ করে ওঠেন এবং রাজাকে আসন থেকে তুলে পুজোপাঠ বন্ধ করে দেন। রাজা মায়ের প্রতি অভিমান করে চলে এসে দ্বারকা নদের পশ্চিম পাড়ে ঘট প্রতিষ্ঠা করে মায়ের পুজো করে মলুটি গ্রামে ফিরে যান। ওই রাতেই প্রধান তান্ত্রিক প্রথম আনন্দনাথকে তারা মা স্বপ্ন দিয়ে বলেন, রাখরচন্দ্র আমার ভক্ত, সে অভিমান করে চলে গিয়েছে। এবার থেকে পুজোর সময় আমার মুখ যেন পশ্চিমমুখে মলুটির কালীবাড়ির দিকে হয়। সেই থেকে বিশেষ এই তিথিতে মাকে পশ্চিমমুখী বসিয়ে পুজো করা হয়। এই দিন সকালে মায়ের বিশেষ পুজো ও মঙ্গলারতির পর সর্বসাধারণের জন্য বিশ্রামাগার খুলে দেওয়া হয়। সকলে মাকে স্পর্শ করে পুজো দিতে পারেন।

মায়ের কোনও অন্নভোগ এই দিন হয় না। সন্ধ্যায় মায়ের আরতির পর খিচুড়ি ও পাঁচরকম ভাজা দিয়ে ভোগ নিবেদন করা হয়। এরপর মাকে গর্ভগৃহে ফিরিয়ে এনে স্নান করিয়ে ফের পুজো ও আরতি করা হয়।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190914213631

Saturday, September 14th, 2019

Astro Research Centre

কোথায় তিল থাকা শুভ অশুভ তিলতত্ব তিল কি তিলের রং জ্যোতিষে তিলের গুরুত্ব শরীরের বিভিন্ন অংশে তিল শুক্রের স্থানে তিল

কোথায় তিল থাকা শুভ  অশুভ তিলতত্ব তিল কি তিলের রং জ্যোতিষে তিলের গুরুত্ব শরীরের বিভিন্ন অংশে তিল শুক্রের স্থানে তিল

কোথায় তিল থাকা শুভ অশুভ তিলতত্ব তিল কি তিলের রং জ্যোতিষে তিলের গুরুত্ব শরীরের বিভিন্ন অংশে তিল শুক্রের স্থানে তিল তিলের বৈশিষ্ঠ নাক কান গলা বুক চোখ মুখ পা ঠোট থুতনি পেট কপাল তালু তিলের ফল


১) কোনো ব্যক্তির শরীরে ১২টির বেশি তিল হওয়া শুভ মনে করা হয় না। ১২টার কম তিল হওয়া শুভ ফলদায়ক।

২) মাথার মাঝখানে তিল থাকলে তা নির্মল ভালোবাসার প্রতীক। ডান দিকে তিল থাকা কোনো বিষয়ে নৈপুণ্য বোঝায়। আবার যাদের মাথার বাঁ দিকে তিল আছে তারা অর্থের অপচয় করেন। মাথার ডান দিকের তিল ধন ও বুদ্ধির চিহ্ন। বাঁ দিকের তিল নিরাশাপূর্ণ জীবনের সূচক।

৩)ডান চোখের মণিতে তিল থাকলে তিনি কোনো কাজের ঠিকঠাক বিচার করতে সক্ষম। বাঁ দিকের মণিতে যাদের তিল থাকে তাদের বিচার ধারা ভালো হয় না। যাদের চোখের মণিতে তিল থাকে তারা সাধারণত ভাবুক প্রকৃতির হন।

৪)যাদের ভ্রুতে তিল থাকে তারা প্রায়ই ভ্রমণ করেন। ডান ভ্রুতে তিল থাকলে ব্যক্তির দাম্পত্য জীবন সুখী হয়। আবার বাঁ ভ্রুর তিল দুঃখী দাম্পত্য জীবনে ঝগড়ার সঙ্কেত দেয়।

৫)কানে তিল থাকা ব্যক্তি দীর্ঘায়ু হন। স্ত্রী বা পুরুষের মুখমণ্ডলের আশপাশের তিল তাদের সুখী ও ভদ্র হওয়ার সঙ্কেত দেয়। মুখে তিল থাকলে ব্যক্তি ভাগ্যে ধনী হন। তার জীবনসঙ্গী খুব সুখী হয়।

৬)নাকে তিল থাকলে সে খুব প্রতিভাসম্পন্ন হন এবং সুখী থাকেন। যে মহিলার নাকে তিল রয়েছে তারা সৌভাগ্যবতী হন।

৭) যাদের ঠোঁটে তিল রয়েছে তাদের হৃদয়ে ভালোবাসায় ভরপুর। তবে তিল ঠোঁটের নীচে থাকলে সে ব্যক্তির জীবনে দারিদ্র্য বিরাজ করে।

৯) গালে লাল তিল থাকা শুভ। বাঁ গালে কালো তিল থাকলে, নির্ধন হয়। কিন্তু ডান গালে কালো তিল থাকলে তা ধনী করে।

১০)যার হাতে তিল থাকে তারা চালাক-চতুর হন। ডান হাতে তিল থাকলে, তারা শক্তিশালী হন। আবার ডান হাতের পিছনে তিল থাকলে তারা ধনী হয়ে থাকেন। বাঁ হাতে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি অনেক বেশি টাকা খরচ করেন। আবার বাঁ হাতের পিছনের দিকে তিল থাকলে সে কিপটেও হন।

১১) যার ডান বাহুতে তিল থাকে তারা প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান। বাঁ বাহুতে তিল থাকলে ঝগড়াটে স্বভাবের হন। তারঁ বুদ্ধিতে খারাপ বিচার থাকে। বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠে তিল থাকলে ব্যক্তি কর্মঠ, সদ্ব্যবহার এবং ন্যায়প্রিয় হন। মধ্যমায় তিল থাকলে ব্যক্তি সুখী হন। তার জীবন কাটে শান্তিতে। যে ব্যক্তির কনিষ্ঠায় তিল রয়েছে তারা ধনী হলেও জীবনে অনেক দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে হয়। যার অনামিকায় তিল থাকে, তারা জ্ঞানী, যশস্বী, ধনী ও পরাক্রমী হন।

১২)গলার সামনের দিকে তিল থাকলে তার বাড়িতে বন্ধু-বান্ধবের আনাগোনা লেগেই থাকে। গলার পিছনে তিল থাকলে সে কর্মঠ হয়।

১৩)যার কোমরে তিল থাকে, তার জীবনে সমস্যা লেগেই থাকে।

১৪)ডান দিকের বুকে তিল থাকা শুভ। এমন স্ত্রী খুব ভালো হয়। পুরুষ ভাগ্যশালী হয়। বা দিকের বুকে তিল থাকলে স্ত্রীপক্ষের তরফে অসহযোগিতার সম্ভাবনা থাকে। বুকের মাঝখানের তিল সুখী জীবনের সঙ্কেত দেয়।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190914091813

Wednesday, September 11th, 2019

Astro Research Centre

12টি রাশির জন্য কি করনীয় (প্রতিকার ) জানুন, মেষ বৃষ মিথুন কর্কট সিংহ কন্যা তুলা বৃশ্চিক ধনু মকর কুম্ভ মীন রাশি রত্ন, রত্ন ছাড়া প্রতিকার

12টি রাশির জন্য কি করনীয় (প্রতিকার ) জানুন, মেষ বৃষ  মিথুন কর্কট সিংহ কন্যা  তুলা বৃশ্চিক ধনু মকর কুম্ভ মীন  রাশি রত্ন, রত্ন ছাড়া প্রতিকার

12টি রাশির জন্য কি করনীয় (প্রতিকার ) জানুন

মেষ রাশি — প্রতি শনিবার শ্রীহনুমানের পূজা করা বিধেয়। পর পর সাতটি শনিবার দানকার্য করলে বাল ফল মেলে। ঘোড়ার নাল থেকে তৈরি আংটি মধ্যমায় ধারণ করলে আরও ভাল হয়।
• বৃষ রাশি — লোহা বা রূপায় অ্যামেথিস্ট বাঁধিয়ে ধারণ করা প্রয়োজন। পর পর পাঁচটি শনিবার অশ্বত্থ গাছের নীচে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে ভাল হয়।
• মিথুন রাশি — কোনও শনিবার মধ্যমায় রুপো বাঁধানো নীলার আংটি ধারণ করা বিধেয়। বড়ির সদর দরজায় স্বস্তিকা চিহ্ন টাঙানো প্রয়োজন।
• কর্কট রাশি — পর পর সাতটি শনিবার দানকার্য বিধেয়। প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ করা দরকার।
• সিংহ রাশি — প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ এবং প্রতি শনিবার কালো তিল, কালো কাপড় এবং সরষের তেল দান করা বিধেয়। কালো কুকুরকে খেতে দিলে ভাল হয়। প্রতি শনিবার ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র উচ্চারণ প্রয়োজন।
• কন্যা রাশি — ঘরে শনিযন্ত্রম স্থাপন এবং শনিস্তোত্র পাঠ প্রয়োজন। বহতা নদীতে একটি নারকেল এবং সাতটি আমন্ড প্রদান করুন।
• তূলা রাশি — প্রতি শনিবার দু’টি কালো কুকুরকে খেতে দিতে হবে। বাড়ির বাইরে তাদের খাওয়াবেন। ভিতরে কদাচ নয়। শিবলিঙ্গের উপাসনা এবং শনিযন্ত্রম বহতা জলে প্রদান করতে হবে।
• বৃশ্চিক রাশি — ঘরে শনিযন্ত্রম প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ প্রয়োজন। পোকা-মাকড়দের কালো তিল খাওয়ান। পর পর ৫টি শনিবার বহতা জলে তামার খণ্ড বিসর্জন দিন।
• ধনু রাশি — শনিবার উপবাস উপকারে আসবে। ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র উচ্চারণ প্রয়োজন। শনি পুজোয় লাগে, এমন জিনিস কখনই কিনবেন না।
• মকর রাশি — শনিবার শ্রীহনুমানের পুজা কাজে আসবে। শনি ও মঙ্গলবার মদ্যপান করবেন না। শনিযন্ত্রম প্রতিষ্ঠা করে তার সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালুন।
• কুম্ভ রাশি — নীল রঙের পোশাক পরা বিধেয়। নীলা ধারণ করলে ভাল হয়। দানকার্য বজায় রাখুন।
• মীন রাশি — শনির তান্ত্রিক মন্ত্রোচ্চারণ প্রতিদিন প্রয়োজন। কুকুরের সেবা কাজে আসবে। শিবপূজা করলে আরও ভাল ফল পাওয়া যাবে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190911141007

Saturday, September 7th, 2019

Astro Research Centre

গ্রহ বীজ মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, বৃষ (Tarash) লগ্নের ও রাশির জাতক জাতিকা প্রতিকার মন্ত্র

গ্রহ বীজ মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, বৃষ (Tarash) লগ্নের ও রাশির জাতক জাতিকা প্রতিকার মন্ত্র

গ্রহ বীজ মন্ত্র, প্রণাম মন্ত্র, বৃষ (Tarash) লগ্নের ও রাশি জাতক জাতিকা প্রতিকার মন্ত্র

সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

বুধ মন্ত্র -- ওঁ ঐং স্ত্রীং শ্রীং বুধায়ঃ । জপ সংখ্যা-১০০০০ বার । দেবতা-ত্রিপুরাসুন্দরী । ধূপ-সঘৃত দেবদারু । বার-বুধবার । প্রশস্ত-বেলা ১২টা পর্যন্ত ।

শুক্র মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং শুক্রায়ঃ । জপ সংখ্যা-২১০০০ বার । দেবতা-ইন্দ্র । ধূপ-গুগুল । বার-শুক্রবার । প্রশস্ত-সন্ধ্যাবেলা ।

শণি মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়ঃ । জপ সংখ্যা ১০০০০ বার । দেবতা-দক্ষিনাকালী । ধূপ-কৃষ্ণাগুরু ।বার শনিবার । প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

নবগ্রহ প্রণাম মন্ত্র

রবি
ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্ ।
ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নম্ প্রণতোহশ্মি দিবাকরম্ ॥

বুধ

প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যমং রূপেনাপ্রতিমং বুধম ।
সৌম্যং সৌম্যগুণপেতং নমামি শশীনংসুতম্ ॥

শুক্র
হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্ ।
সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণম্যহ্

শনি
নিলাঞ্জনংচয়প্রক্ষ্যং রবিসূতং মহাগ্রহম্ ।
ছায়ায়ং গর্ভসম্ভূতং বন্দেভক্তা শণৈশ্চরম ॥

Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190907203359

Friday, September 6th, 2019

Astro Research Centre

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কি গুরুত্ব ও ভূমিকা, জন্ম সময়, জন্ম তারিখ, জন্ম স্হান latitude longitude , বিষুবরেখা ও স্হানীয় সময়, মুলমধ্য রেখা

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কি  গুরুত্ব ও ভূমিকা, জন্ম সময়, জন্ম তারিখ, জন্ম স্হান latitude  longitude ,   বিষুবরেখা ও স্হানীয় সময়,  মুলমধ্য রেখা

(Horoscope )করতে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কি গুরুত্ব ও ভূমিকা, জন্ম সময়, জন্ম তারিখ, জন্ম স্হান ARC LMukherjee

সমুদ্রযাত্রায় কোনো জাহাজ বিপদের সম্মুখীন হলে বেতার তরঙ্গের সাহায্যে সে বিপদ সঙ্কেত পাঠায়। মুক্তিবাহিনী বা উদ্ধারকারী দল যাতে তাকে খুঁজে পায় তার জন্য সমুদ্রবক্ষে তার সঠিক অবস্থান নির্দেশ করা অবশ্যই কর্তব্য। ওই জাহাজ তার নিজস্ব অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ জানিয়ে দিয়ে তার অবস্থান নির্দেশ করে। কিন্তু এই অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কী?

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ- ভূপৃষ্ঠে কোনো বস্তু বা স্থানের অবস্থান নির্দেশ করে । ওই অবস্থান নির্ণয়ের জন্য পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু থেকে সমুদ্রবর্তী স্থানের ওপর দিয়ে এক কাল্পনিক রেখা বা বৃত্ত অঙ্কন করা হয়েছে। এই রেখাকে বলে বিষুবরেখা বা বিষুববৃত্ত। বিষুবরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধ নামে দুটি গোলার্ধে বিভক্ত করেছে। অক্ষরেখাগুলো উভয় গোলার্ধে চলেছে বিষুবরেখার সমান্তরাল হয়ে। বিষুবরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে অক্ষাংশ পরিমাপ করা হয়। বিষুবরেখার অক্ষাংশ ০ ডিগ্রি (শূন্য ডিগ্রি) ধরা হয়। বিষুবরেখা থেকে শুরু করে উত্তর মেরু পর্যন্ত ৯০ ডিগ্রি উত্তর-অক্ষাংশ আছে। তেমনি বিষুবরেখা থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত আছে ৯০ ডিগ্রি দক্ষিণ-অক্ষাংশ। অক্ষাংশের একেক ডিগ্রির দৈর্ঘ্য, বিষুবরেখা থেকে মেরুদ্বয় পর্যন্ত যেতে- ১১০.৫ থেকে ১১১.৯ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। পৃথিবীর নিজস্ব আকৃতির জন্যই দৈর্ঘ্যরে ওই পরিবর্তনটি ঘটে।

দ্রাঘিমারেখাগুলো অক্ষরেখার সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে উত্তর ও দক্ষিণে চলেছে। দ্রাঘিমারেখাগুলোকে মধ্যরেখাও বলে। প্রধান বা মূলমধ্যরেখার দ্রাঘিমাংশ ধরা হয় ০ ডিগ্রি (শূন্য ডিগ্রি)। এই রেখাটি ইংল্যান্ডের গ্রিনিচ শহরের ওপর দিয়ে গেছে বলে একে গ্রিনিচ মধ্যরেখা বা গ্রিনিচরেখা বলা হয়। মূল মধ্যরেখার পূর্বে ও পশ্চিমে ১৮০ ডিগ্রি করে দ্রাঘিমাংশ আছে। দ্রাঘিমাংশের একেক ডিগ্রির দৈর্ঘ্য বিষুবরেখায় ১১১ কিলোমিটার। উত্তরে বা দক্ষিণে তা কম হতে হতে মেরুদ্বয়ে গিয়ে শূন্য হয়ে যায়। অর্থাৎ দ্রাঘিমাংশের এক ডিগ্রির দৈর্ঘ্য পাল্লা হলো ১১১-০ কিলোমিটার।

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশের সাহায্যে ভূপৃষ্ঠে যে কোনো স্থানের অবস্থান প্রকাশ করা যায়। উদাহরণ স্বরূপ- লন্ডনের অক্ষাংশ ৫১০৩র্০ উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ০০র্৫ পশ্চিম। প্যারিস শহরের অবস্থান ৪৮০৫র্০ উত্তর অক্ষাংশে এবং ২০২র্০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। কাল্পনিক এই রেখাগুলো নাবিকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ :
=============
.
1. নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ কত?
উত্তর : ০ডিগ্রী
2. সুমেরুর অক্ষাংশ কত? উত্তর : ৯০ডিগ্রী উত্তর
3. কুমেরুর অক্ষাংশ কত?
উত্তর : ৯০ডিগ্রী দক্ষিণ
4. নিরক্ষরেখা থেকে প্রত্যেক মেরুর
কৌণিক দূরত্ব কত?
উত্তর : ৯০ডিগ্রী 5. কর্কটক্রান্তি কত ডিক্রি?
উত্তর : ২৩.৫ডিগ্রী উত্তর।
6. মকরক্রান্তি কত ডিগ্রি?
উত্তর : ২৩.৫ডিগ্রী দক্ষিণ।
7. সুমেরুবৃত্ত বলা হয় কত ডিগ্রিকে?
উত্তর : ৬৬.৫ডিগ্রী উত্তর। 8. কুমেরুবৃত্ত বলা হয় কত ডিগ্রিকে?
উত্তর : ৬৬.৫ডিগ্রী দক্ষিণ।
9. বিষুবরেখাকে কী বলে?
উত্তর : মহাবৃত্ত।
10. নিম্ন অক্ষাংশ কত ডিগ্রি?
উত্তর : ০০-৩০ডিগ্রী 11. মধ্য অক্ষাংশ কত ডিগ্রি?
উত্তর : ৩০ডিগ্রী-৬০ডিগ্রী
12. উচ্চ অক্ষাংশ কত ডিগ্রি?
উত্তর : ৬০ডিগ্রী-৯০ডিগ্রী
13. অক্ষাংশ নির্ণয়ের কয়টি পদ্ধতি আছে?
কী কী? উত্তর : ২টি, ১টি ধ্রুবতারা ২ সেক্সট্যান্ট ও
সূর্যের অবস্থান
থেকে।
14. যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি
পরিমাপ হয় তাকে কী বলে?
উত্তর : সেক্সট্যান্ট। 15. সূর্য কোন অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে
কিরণ দিলে তাকে কী বলে?
উত্তর : বিষ্ণুলম্ব। (২৩.৫ডিগ্রী উত্তর :
২৩.৫ডিগ্রী দক্ষিণ)
16. দ্রাঘিমা রেখার অপর নাম কী?
উত্তর : মধ্যরেখা 17. মূল মধ্যরেখা কোন শহরের উপর দিয়ে
গেছে?
উত্তর : যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের গ্রিনিচ।
18. মূল মধ্যরেখার মান কত?
উত্তর : ০ডিগ্রী
19. পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোন কত? উত্তর : ৩৬০ডিগ্রী।
20. প্রতি মিনিট দ্রাঘিমা এক ডিগ্রির কত
অংশের সমান?
উত্তর : ১/৪ডিগ্রী অংশের।
21. নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখা পরস্পর ছেদ
করলে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ কত?
উত্তর : ০ডিগ্রী।
22. কতটি পদ্ধতিতে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা
যায়?
উত্তর : ২টি, ১ স্থানীয় সময়ের পার্থক্য ২
গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য
23. ১০ দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয়
কত?
উত্তর : ৪ মিনিট।
24. গ্রিনিচের সঠিক সময় কোন ঘড়ি থেকে
জানা যায়? উত্তর : ক্রনোমিটার ঘড়ি।
25. কোন যন্ত্রের সাহায্যে স্থানীয় সময়
নির্ণয় করা যায়?
উত্তর : সেঙ্ট্যান্ট
26. আমেরিকার প্রমাণ সময় কয়টি?
উত্তর : ৪টি। 27. কানাডার প্রমাণ সময় কয়টি?
উত্তর : ৫টি
28. গ্রিনিচের স্থানীয় সময়কে সমগ্র
পৃথিবীর কী সময়
ধরা হয়?
উত্তর : প্রমাণ সময়। 29. বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচের সময়
অপেক্ষা?
উত্তর : +৬ ঘণ্টা
30.বাংলাদেশের মধ্যভাগে কোন রেখা
অবস্থিত?
উত্তর : ৯০ডিগ্রী পূর্ব। 31. কোনো স্থানের দ্রাঘিমা এবং এর
প্রতিপাদ স্থানের
দ্রাঘিমা কত?
উত্তর : ১৮০ডিগ্রী।
32. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন ভাগের
উপর দিয়ে গেছে?
উত্তর : জলভাগ।
33. কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে
আন্তর্জাতিক তারিখ
রেখা গেছে?
উত্তর : প্রশান্ত মহাসাগর। 34. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কত ডিগ্রি
পূর্ব ও পশ্চিম
দ্রাঘিমা রেখা?
উত্তর : ১৮০ডিগ্রী পূর্ব ও পশ্চিম।
35. কোন কোন স্থানের উপর দিয়ে
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা গেছে?
উত্তর : সাইবেরিয়ার উ. পূর্ব অংশ
অ্যালিউসিয়ান, ফিজি ও
চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের উপর।
36. পৃথিবীর আবর্তন গতিকে কোন গতি বলে?
উত্তর : আহ্নিক গতি 37. পরিক্রমণ গতিকে কোন গতি বলে?
উত্তর : বার্ষিক গতি
38. পৃথিবীর পূর্ণ আবর্তনের সময়কে কী বলে?
উত্তর : সৌরদিন
39. কোন গতির ফলে বায়ুপ্রবাহ ও
সমুদ্রস্রোতের পরিবর্তন হয়? উত্তর : আহ্নিক গতি।
40. জোয়ার ভাটা কেন সংঘটিত হয়?
উত্তর : আহ্নিক গতির ফলে/চাঁদের আকর্ষণে।
41. চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসে
কত দিনে?
উত্তর : ২৭ দিন। 42. কোন বিজ্ঞানী কত সালে আহ্নিক গতির
প্রমাণ দেন?
উত্তর : ফরাসি বিজ্ঞানী ফুকো, ১৮৫১ সাল।
.


আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190906083607

Thursday, September 5th, 2019

Astro Research Centre

নবগ্রহ গোচর ফল, শনি রাহু ও বৃহস্পতির গোচর রাশি নক্ষত্র ও গোচরফল (প্রতিকার ) নক্ষত্রফল

নবগ্রহ  গোচর ফল, শনি রাহু ও বৃহস্পতির গোচর  রাশি নক্ষত্র  ও গোচরফল (প্রতিকার ) নক্ষত্রফল

নবগ্রহ গোচর ফল, শনি রাহু ও বৃহস্পতির গোচর
রাশি নক্ষত্র ও গোচরফল (প্রতিকার ) নক্ষত্রফল

নবগ্রহ গোচর ফল

রবি --জন্ম রাশি তে স্থাননাশ দ্বিতিয়ে ভয় তৃতীয়ে ঐশ্বরজ চতুর্থে মান হানি পঞ্চমে দীনতা ষষ্ঠে শত্রুহানি সপ্তমে অর্থহানি অষ্টমে পীড়া নবমে কান্তিক্ষয় দশমে কর্ম উন্নতি একাদশে ধন লাভ দ্বাদশ বিত্ত নাশ বিপদ ।
চন্দ্র জন্ম রাশি তে অর্থ লাভ দ্বিতিয়ে বিত্ত নাশ তৃতীয়ে দ্রব্য নাশ চতুর্থে চক্ষু পীড়া পঞ্চমে কাজ হানি ষষ্ঠ তে বিত্ত নাশ সপ্তমে বিত্ত সহ স্ত্রী লাভ অষ্টমে মৃত্যু নবমে রাজ ভয় দশমে মহা সুখ একাদশে বিবিধ ধন বৃদ্ধি দ্বাদশে ধন নাশ ।
মঙ্গল ঃ জন্ম রাশিতে শত্রু ভয় দ্বিতীয়ে ধন নাশ তৃতীয়ে অর্থ লাভ চতুর্থে শত্রু ভয় পঞ্চমে প্রাণনাশ ষষ্ঠে বিত্ত লাভ সপ্তমে শোক অষ্টমে অস্ত্রঘাত নবমে নবমে কাজ হানি দশমে শুভ একাদশে ভুমি লাভ দ্বাদশে রোগ অনর্থ ।
বুধঃ জন্ম রাশিতে বন্ধন দ্বিতীয়ে ধন লাভ তৃতীয়ে বধ , শত্রু ভয় চতুর্থে অর্থ লাভ পঞ্চম অশান্তি ষষ্ঠে স্থান লাভ সপ্তমে শরীর পীড়া অষ্টমে ধন লাভ নবমে মহা পীড়া দশমে শুভ একাদশে অর্থ লাভ দ্বাদশে বিত্ত নাশ
বৃহস্পতি ঃ জন্ম রাশিতে ভয় দ্বিতীয়ে প্রচুর অর্থ লাভ তৃতীয়ে শারীরিক ক্লেশ চতুর্থে অর্থ সঙ্কট পঞ্চমে শুভ ষষ্ঠে অশুভ সপ্তমে রাজ পুজ্য অষ্টমে ধন নাশ নবমে ধন বৃদ্ধি দশমে প্রীতি ভঙ্গ একাদশে স্থান ও ধন লাভ দ্বাদশে শারীরিক ও মানসিক পীড়া ।
শুক্র ঃ জন্ম রাশি তে শত্রু নাশ , দ্বিতীয়ে ধন লাভ তৃতীয়ে শুভকর চতুর্থে ধন লাভ পঞ্চম পুত্র লাভ ষষ্ঠে শত্রু বৃদ্ধি সপ্তমে শোক অষ্টমে অর্থ লাভ নবমে বিবিধ বস্তু লাভ দশমে অশুভ একাদশে বহু প্রকার ধন লাভ দ্বাদশে ধনাগমন ।
শনি ঃ জন্ম রাশিতে বিত্ত নাশ দ্বিতীয়ে চিত্ত ক্লেশ তৃতীয়ে শত্রু নাশ জন্য বিত্ত লাভ চতুর্থে শত্রু বৃদ্ধি পঞ্চমে অর্থ , পুত্র , বিত্ত নাশ ষষ্ঠে অর্থ নাশ সপ্তমে অনিষ্টপাত অষ্টমে দেহ পীড়া নবমে ধন ক্ষয় দশমে মানসিক উদ্ববেগ একাদশে বিত্ত লাভ দ্বাদশে অনর্থ ।
রাহু ঃ জন্ম রাশি দ্বিতীয় চতুর্থ পঞ্চম সপ্তম অষ্টম নবম বা দ্বাদশ রাশি অর্থ ক্ষয় শত্রু ভয় কাজ হানি রোগ প্রবাস অগ্নি ভয় ও মৃত্যু ।
কেতু ঃ জন্ম রাশি তৃতীয় ষষ্ঠ দশম কিম্বা একাদশ ভাবে সন্মান রাজ পুজ্য সুখ ও অর্থ লাভ হয় । আজ্ঞা কারি পুরুষ স্ত্রী ও পুন্য সঞ্চয় ।
গোচর ফল
রবি ঃ এক রাশিতে একমাস তার মধ্যে প্রথম ৫ দিন ফল দেয় ।
চন্দ্র ঃ আড়াই দিন তার মধ্যে শেষ ৩ ঘণ্টা তে ফল দেয় ।
মঙ্গল ঃ এক রাশি তে ৪৫ দিন তার মধ্যে প্রথম ৮ দিন ফল দেয় ।
বুধ ঃ এক রাশিতে এক মাস , প্রত্যেক দিন ফল দেয় ।
বৃহস্পতি এক রাশি তে ১৩ মাস তার মধ্যে দুই মাস ফল দেয় ।
শুক্র ঃ এক রাশি তে এক মাস মধ্যে ৭ দিন ফল দেয় ।
শনি ঃ এক রাশি তে ৩০ মাস শেষ ৬ মাসে ফল দেয় ।
রাহু ঃ কেতু ঃ এক রাশিতে ১৮ মাস শেষ দুই মাসে ফল দেয় ।
রাশি ঃ
মেষ বৃষ মিথুন কর্কট সিংহ কন্যা তুলা বৃশ্চিক ধনু মকর কুম্ভ মীন
নক্ষত্র ঃ
১ অশ্বিনী ২ ভরণী ৩ কৃতিকা ৪ রোহিনি ৫ মৃগ শিরা ৬ আদ্রা ৭ পুনরবসু ৮ পুষ্যা ৯ অশ্লেষা ১০ মঘা ১১ পূর্ব ফাল্গুনী ১২ উত্তর ফাল্গুনী ১৩ হস্তা ১৪ চিত্রা ১৫ স্বাতী ১৬ বিশাখা ১৭ অনুরাধা ১৮ জ্যেষ্ঠা ১৯ মুলা ২০ পূর্বসাড়া ২১ উত্তরসাড়া ২২ শ্রবনা ২৩ ধনিষ্ঠা ২৪ শতভিসা ২৫ পূর্ব ভাদ্রপদ ২৬ উত্তর ভাদ্রপদ ২৭ রেবতী

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190905210829

Thursday, September 5th, 2019

Astro Research Centre

শনির সাড়েসাতি কি প্রতিকারও ফল, কুপ্রভাব মেষ কর্কট সিংহ ধনু মীন রাশিতে, বর্তমান প্রভাব বৃশ্চিক ধনু মকর, 12 টি রাশিতে শনির প্রভাব সাবধান 3টি রাশি

শনির সাড়েসাতি  কি প্রতিকারও ফল, কুপ্রভাব মেষ কর্কট সিংহ ধনু মীন রাশিতে, বর্তমান প্রভাব বৃশ্চিক ধনু মকর, 12 টি রাশিতে শনির প্রভাব সাবধান 3টি রাশি

শনির সাড়েসাতি কি প্রতিকারও ফল, কুপ্রভাব মেষ কর্কট সিংহ ধনু মীন রাশিতে, বর্তমান প্রভাব বৃশ্চিক ধনু মকর, 12 টি রাশিতে শনির প্রভাব সাবধান 3টি রাশি

বর্তমানে শনির সাড়েসাতি ভোগ্য তিন রাশি হল
১) বৃশ্চিক, ২) ধনু, ৩)মকর।
এই তিন রাশি ছাড়াও পরবর্তী রাশি গুলির আসন্ন শনির সারেসাতির সময় নির্দেশ করা হলো।
আপনারা এখন বলবেন শনির সাড়েসাতি কি?
=>
শনির সাড়েসাতি হলো শনি গ্রহের পরিক্রমণ গতির ওপর ভিত্তি করে ১২টি রাশির একএকটি রাশিতে প্রায় আড়াই বছর করে শনিগ্রহ অবস্থান করে। সূর্য মধ্যস্থিত হয়ে, কক্ষপথটিকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে যদি ১২ টি ভাগে বিভক্ত করা হয় তাহলেই একটি ভাগকে একএকটি রাশি ধরা হবে।
শনিগ্রহ যেই স্থানে বা যেই রাশিতে অবস্থান করে তার আগের রাশি এবং পরে রাশির শনির সাড়ে সাতি চলে।
এই তিন আড়াই বছর ধরে একটি রাশিতে শনিগ্রহের অবস্থানকে এক কথায় শনির সাড়েসাতি বলা হয়।
শনিগ্রহের সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় 29 বছর চার মাস সময় লাগে।
যে রাশিতে শনি অবস্থান করে এবং তার আগের ও পরের রাশির জাতকদের শনির সাড়ে সাতি চলাকালীন এবং যেকোন শুভকর্মে অসফলতা লক্ষ্য করা যায়।
এবং তার সময় যেন ধীরগতিতে অতিক্রান্ত হতে থাকে। মানুষিক মনোবলের অভাব দেখা দেয়।
এছাড়া তেমন কিছু শনি গ্রহ ক্ষতি করে না।
এই সময় মানুষকে পরিষ্কার বস্ত্র, শুদ্ধ খাবার গ্রহণ,
সৎ পথ এবং সত‍্য ও নিষ্ঠাকে অবলম্বন করে জীবন যাপন একান্ত জরুরী।
তানাহলে শনি গ্রহ আমাদের আরো বেশি ক্ষয়ক্ষতি করে।
এবার দেখা যাক কোন রাশিতে কবে শনির সাড়েসাতি শুরু এবং শেষ হবে।
১) বৃশ্চিক - ২৪/০১/২০২০ পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
২) ধনু - ২৯/০৪/২০২২ পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৩) মকর - ৩০/০৩/২০২২ পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৪) কুম্ভ - ২৪/০১/২০২০ থেকে ২৩/০২/২০২৮
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৫) মীন - ২৯/০৪/২০২২ থেকে ০৮/০৮/২০২৯ পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৬)মেষ -৩০/০৩/২০২৫ থেকে ৩০/০৫/২০৩২
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৭)বৃষ - ২৩/০২/২০২৮ থেকে ১২/০৭/২০৩৪
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৮) মিথুন- ১৭/০৪/২০৩০ থেকে ২৭/০৮/২০৩৬
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
৯) কর্কট - ৩১/০৫/২০৩২ থেকে ১২/০৭/২০৩৯
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
১০) সিংহ - ১৩/০৭/২০৩৪ থেকে ২৫/০৯/২০৪১
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
১১) কন্যা - ২৮/০৮/২০৩৬ থেকে ১১/১২/২০৪৩
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।
১২) তুলা - ১৩/০৭/২০৩৯ থেকে ০৮/১২/২০৪৬
পর্যন্ত শনির সাড়েসাতি চলবে।

প্রতিটি মানুষের জীবনে সময়ের পরিক্রমায় কখনো ভালো সময় আবার কখনো প্রতিকূল সময় অতিক্রম করতে হয়। এটাই স্বাভাবিক। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, প্রতিটি মানুষের জীবনে গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাব রয়েছে। শুভ গ্রহের প্রভাবে জীবনে সুখ ও সাফল্য আসে। জীবন হয় আনন্দময়। আবার অশুভ গ্রহের প্রভাবে নানারকম প্রতিকূল পরিবেশ ও পরিস্থিতি অতিক্রম করতে হয়। বৈদিক জ্যোতিষ অনুযায়ী শনি, সবচেয়ে অগ্নিময় গ্রহ। শনি সৌরজগতের ধীরতম চলন্ত গ্রহ| এই কারণে, এটি একটি ঠান্ডা, অনুর্বর, শুষ্ক গ্রহ এবং তার প্রভাব অধিক তীব্রতার সঙ্গে এবং অন্য কোন গ্রহের চেয়ে বেশি সময়সীমার জন্য অনুভূত হয়।
কথিত আছে, শুক্রের অধীনে যে সকল মানুষ জন্মায় তারা শনির অনুকূলে থাকে। অপরপক্ষে, যারা বুধের অধীনে জন্মায় তাদের পক্ষে শনি মন্দ। জ্যোতিষশাস্ত্রে শনি একটি সাপ, যার মাথাকে রাহু এবং লেজকে কেতু বলা হয়। কেতু কে অগ্রাধিকার দিলে কোন ব্যক্তির অত্যন্ত উপকার হয়। শনির সাড়ে সাতি মানেই কর্মে বাধা, পেশাগত, পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে ভুলবোঝাবুঝি কিংবা আর্থিক সমস্যাই নয়, এ সময়ে অনেকে ধাপে ধাপে সাফল্যের শিখরে ওঠেন। জীবনে নতুন মোড় নেয়। নানারকম প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলার মাধ্যমে সাফল্য ও প্রাচুর্যের পথে অগ্রসর হন। অনেকে শনির সাড়ে সাতি কথাটি শুনলে ভয় পান। কারণ আমরা জানি শনি বাধাকারক গ্রহ। কাজে বিলম্ব, সম্পর্কে অবনতি, ব্যবসায়ে ক্ষতি, অপবাদ, দুর্ঘটনা এমন আরো অনেক কিছু শনির সাড়ে সাতির সময় দেখা যায়। চলুন জেনে নিই শনির সাড়ে

মেষ -- প্রতি শনিবার শ্রীহনুমানের পূজা করা বিধেয়। পর পর সাতটি শনিবার দানকার্য করলে বাল ফল মেলে। ঘোড়ার নাল থেকে তৈরি আংটি মধ্যমায় ধারণ করলে আরও ভাল হয়।

• বৃষ— লোহা বা রূপায় অ্যামেথিস্ট বাঁধিয়ে ধারণ করা প্রয়োজন। পর পর পাঁচটি শনিবার অশ্বত্থ গাছের নীচে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে ভাল হয়।

• মিথুন— কোনও শনিবার মধ্যমায় রুপো বাঁধানো নীলার আংটি ধারণ করা বিধেয়। বড়ির সদর দরজায় স্বস্তিকা চিহ্ন টাঙানো প্রয়োজন।

• কর্কট— পর পর সাতটি শনিবার দানকার্য বিধেয়। প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ করা দরকার।

• সিংহ— প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ এবং প্রতি শনিবার কালো তিল, কালো কাপড় এবং সরষের তেল দান করা বিধেয়। কালো কুকুরকে খেতে দিলে ভাল হয়। প্রতি শনিবার ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র উচ্চারণ প্রয়োজন।

• কন্যা— ঘরে শনিযন্ত্রম স্থাপন এবং শনিস্তোত্র পাঠ প্রয়োজন। বহতা নদীতে একটি নারকেল এবং সাতটি আমন্ড প্রদান করুন।

• তূলা— প্রতি শনিবার দু’টি কালো কুকুরকে খেতে দিতে হবে। বাড়ির বাইরে তাদের খাওয়াবেন। ভিতরে কদাচ নয়। শিবলিঙ্গের উপাসনা এবং শনিযন্ত্রম বহতা জলে প্রদান করতে হবে।

• বৃশ্চিক— ঘরে শনিযন্ত্রম প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিদিন শনিস্তোত্র পাঠ প্রয়োজন। পোকা-মাকড়দের কালো তিল খাওয়ান। পর পর ৫টি শনিবার বহতা জলে তামার খণ্ড বিসর্জন দিন।

• ধনু— শনিবার উপবাস উপকারে আসবে। ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র উচ্চারণ প্রয়োজন। শনি পুজোয় লাগে, এমন জিনিস কখনই কিনবেন না।

• মকর— শনিবার শ্রীহনুমানের পুজা কাজে আসবে। শনি ও মঙ্গলবার মদ্যপান করবেন না। শনিযন্ত্রম প্রতিষ্ঠা করে তার সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালুন।

• কুম্ভ— নীল রঙের পোশাক পরা বিধেয়। নীলা ধারণ করলে ভাল হয়। দানকার্য বজায় রাখুন।

• মীন— শনির তান্ত্রিক মন্ত্রোচ্চারণ প্রতিদিন প্রয়োজন। কুকুরের সেবা কাজে আসবে। শিবপূজা করলে আরও ভাল ফল পাওয়া যাবে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190905134652

Thursday, September 5th, 2019

Astro Research Centre

বিবাহ যোগ মাঙ্গলিক ভৌমদোষ বিধব্যযোগে মঙ্গল শুক্র রাহু কেতু শনি ও রবির ভূমিকা প্রতিকার ও গুরুত্ব, ভগ্ন কালসর্প যোগ Arc LM

বিবাহ যোগ  মাঙ্গলিক ভৌমদোষ  বিধব্যযোগে মঙ্গল শুক্র রাহু কেতু শনি ও রবির ভূমিকা প্রতিকার ও গুরুত্ব, ভগ্ন কালসর্প যোগ Arc LM

বিবাহ যোগ মাঙ্গলিক ভৌমদোষ বিধব্যযোগে মঙ্গল শুক্র রাহু কেতু শনি ও রবির ভূমিকা প্রতিকার ও গুরুত্ব, ভগ্ন কালসর্প যোগ Arc LM

ASTRO RESEARCH CENTRE
সমাজে বিবাহে (যোটক বিচার ), রাজ যোটক, মাঙ্গলিক দোষ, অসবর্ন বিবাহ, নারী জ্যোতিষ, 7ম ভাবে রাহু, কেতু, শনি, মঙ্গল অশুভ যোগ, অস্তকুট
সমাজে বিবাহে (যোটক বিচার ), রাজ যোটক, মাঙ্গলিক দোষ, অসবর্ন বিবাহ, নারী জ্যোতিষ, 7ম ভাবে রাহু, কেতু, শনি, মঙ্গল অশুভ যোগ, অস্তকুট
যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

দাম্পত্য সুখের ভিত্তি হ’ল স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক প্রেম-প্রীতি ভালবাসা-বোঝাপড়া। উভয়ের মনোবৃত্তির মিল হলে দাম্পত্য জীবনে সুখের অভাব ঘটার কথা নয়। সেই কারণেই বিখ্যাত অগলাস্তোত্রের প্রার্থনা –
'ভার্য্যাং মনোরমাং দেহি মনোবৃত্ত্যানুসারিণীম্।‘

নারীদের মনেও নিশ্চয়ই অনুরূপ প্রার্থনা জাগে।
কিন্তু বাস্তবে সকলের জীবনে এই প্রার্থনা পূরণ হয় না। বিবাহের, এমন কি প্রেমজ বিবাহের অনতিকাল পরেই ব্যক্তিত্বের সংঘাত বাধে। পতি ও পত্নীর মধ্যে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় ও তা অনেক সময় উভয়ের মধ্যে দুস্তর ব্যবধানে পরিণত হয়, সুখের পরিবর্তে আসে অশান্তি, কোন কোন সময় বিচ্ছেদ।

বিবাহিত জীবনের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন উত্তম পাত্র পাত্রীর মিলন। পাত্র পাত্রীর উত্তমমিলন বিচার করতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে যোটক বিচার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ।

যোটক বিচার বলতে ঠিক কি বুঝায় ?

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যার পরস্পরের জন্মরাশি, জন্মনক্ষত্র ও রাশ্যাধিপ গ্রহদি থেকে, যে শুভাশুভ ফল বিচার করা যায়, তাকেই যোটক বিচার বলে। যোটক বিচার অষ্টপ্রকারে বিভক্ত।
যোটক বিচার আট প্রকার কুট বা গুণের সমন্বয়- যথা বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রিকুট, রাশি কুট ও নাড়ীকুট ।

প্রতিটি কূটের একটি নির্দিষ্ট গুনমানের সংখ্যা থাকে যেমন বর্ণকুট1, বশ্যকুট2, তারাকুট3, যোনিকুট4, গ্রহমৈত্রীকুট5, গণমৈত্রিকুট6, রাশি কুট7 ও নাড়ীকুট8| এভাবে সবকটি কুটের সংখ্যা যোগ করলে গিয়ে দাড়ায় 36
এই ৩৬ গুণের মধ্যে মিলনে কত গুণ পাওয়া যাচ্ছে সেটাই মূল কথা।
এই বিষয়ে একটি কথা মনে রাখতে হবে ৩৬ গুণের মধ্যে ১৮ গুণের কম হলে তা যোটক মিলনে শুভ ফলপ্রদ হবে না।

১৮ গুণের বেশি হলে বিবাহিত জীবনে সুখ ও শান্তি লাভ সম্ভব।

34 থেকে 36 টি গুণের মিলন হলে তাকে 'রাজযোটক' বলে।

পূর্বে বর্ণিত অষ্টকুট নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু তথ্য দেওয়া হল :-

1. বর্ণকুট :

বর্ণ কাকে বলে বা বর্ণ কি ?
জ্যোতিষশাস্ত্রে মেষ, বৃষ, মিথুন, ইত্যাদি যে বারোটি রাশি ব্যাবহার করা হয় তাদের বিপ্র, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা যে ব্যক্তিগনের জন্ম কর্কট, মীন, বা বৃশ্চিক রাশিতে তাঁদের বর্ণ বিপ্র। এইভাবে যাঁদের জন্ম সিংহ, তুলা বা ধনু রাশিতে তাঁদের বর্ণ ক্ষত্রিয়। যোটক বিচারের নিয়মে শুদ্র বর্ণের থেকে বৈশ্য বর্ণ শ্রেষ্ঠ, বৈশ্য বর্ণের থেকে ক্ষত্রিয় বর্ণ শ্রেষ্ঠ, আবার ক্ষত্রিয় বর্ণের থেকে বিপ্র বর্ণ শ্রেষ্ঠ।
বর্ণ ফলমে বলা হয়েছে যে-
"ক্ষাত্র-বিট্-শুদ্র-বিপ্রাঃ স্যুঃ ক্রমান্মেষাদি-রাশয়ঃ।
তত্র বর্ণাধিকা কন্যা নৈবোদ্বাহ্যা কদাচন" ।।
অর্থাৎ “বরের বর্ণাপেক্ষা কন্যার বর্ণ শ্রেষ্ঠ হলে, সেই কন্যাকে কদাচ বিবাহ করিবেনা”।

করলে কি হবে ?

" বর্ণশ্রেষ্ঠা তু যা নারী বর্ণহীনস্তু যাঃ পুমান।
বিবাহং যদি কুরব্বীত তস্য ভর্তা বিনশ্যতি "।।
উচ্চ বর্নের পাত্রীর সাথে নিম্ন বর্ণের পাত্রের বিবাহ অশুভ। এতে দাম্পত্য অসন্তোষ, অকাল বৈধব্য, শারীরিক অসুস্থতা, সন্তানের কারনে মনকষ্ট ভোগ করতে হয়।

2. বশ্যকূট্ :

“ মিথুন, কন্যা, তুলা, কুম্ভ, ও ধনুর পূর্বাদ্ধ, যদি বরের রাশি হয় এবং মেষ, বৃষ, কর্কট, ইত্যাদি যদি কন্যার রাশি হয় সেই কন্যা বরের বশীভূত হয়”।

এই ভাবে কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশিকে অন্য কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশির বশ্য ধরা হয়েছে এবং বিপরীতে বিপরীত ফল বলা হয়েছে।

"এবং বশ্যসমাযোগে দম্পত্যোঃ প্রীতিরূত্তমা।
বশ্যাভাবেহপি দম্পত্যো্রবিবাহঃ কলহ-প্রদঃ।।"

পাত্র ও পাত্রীর রাশি দ্বিপদ চতুস্পদ প্রভৃতি শক্র মিত্রের প্রভাবে দাম্পত্য জীবনে কলহ, বিবাদ, মামলা, মকদ্দমা এমনকি দাম্পত্য বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটে যেতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিবাহ ঘটায় বশ্যকুট বিচারের অশুভ প্রভাবের ফলে।

3. তারাকুট : পাত্র পাত্রীর জন্মনক্ষত্রের গরমিলের প্রভাবে বিবাহিত জীবনের সুখ, দুঃখ নির্ধারিত হয়ে থাকে। তারা কুটের শুভ প্রভাবে বিবাহের পর গৃহে ভাগ্যলক্ষ্মীর কৃপা বর্ষণ হয়, আর অশুভ প্রভাবে দাম্পত্য অসন্তোষ সহ দুঃখ, কষ্ট, শোক, জরা, ব্যাধি, দৈন্য ও দারিদ্র দশার কারণ হবেন।(বিপদ, প্রত্যরি, বধ তারা অশুভ। )

4. যোনিকুট : প্রত্যেক জাতক বা জাতিকাই নক্ষত্র অনুযায়ী কোনও না কোনও ‘যোনি’-তে অবস্থান করেন। সঠিক ‘যোনি বিচার’-ই সম্ভব করতে পারে সঠিক দাম্পত্য।
যোনি’গুলি যথাক্রমে— অশ্ব, গজ, মেষ, সর্প, শ্যেন, মার্জার, মূষিক, গো, মহিষ, ব্যাঘ্র, মৃগ, বানর, নকুল এবং সিংহ। এই পশুগুলির স্বভাব ও একে অন্যের প্রতি মনোভাবের নিরিখেই নির্ধারিত হয় ‘যোনি’-চরিত্র।
যোনি মিলন’ বিচারের আবার কিছু পন্থা রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অকাল বৈধব্যের প্রবনতা দেখা দেয়। এছাড়া স্বামী কর্তৃক স্ত্রী হত্যা ও স্ত্রী কর্তৃক স্বামী হত্যা পর্যন্ত ঘটতে পারে বিরূপ যোনিকুটের ফলে।

5. গ্রহমৈত্রীকুট : পাত্র পাত্রীর রাশি অধিপতি গ্রহের শক্র মিত্রতার উপর নির্ভরশীল। মিত্রতার প্রভাবে বিবাহিত জীবন সুখ, সমৃদ্ধি, অর্থ, সম্মানে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে আর অশুভ প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম ছাড়াও স্বামী স্ত্রীর দুর্ঘটনা জনিত অঙ্গপ্রতঙ্গ হানী সহ শেষ জীবন কোন প্রকারেই শুভকর হয় না।

6. গনকুট : জ্যোতিষ গণনায় যে সাতাশটি নক্ষত্রকে ধরা হয়েছে, তাদেরই ঐ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বর ও কন্যার জন্মনক্ষত্র থেকে গণ কূট বিচার করতে হয়।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নয়টি সত্ত্ব গুন বিশিষ্ট নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে দেবগন ও সত্ত্ব গুণী হয়।

পূর্বফল্গুনী, পূর্বাষাড়া, পূর্বভাদ্রপদ, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে নর গন হয়।

জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে রাক্ষস গণ হয়।এতো হল গণের পরিচয়।

এবারে বিচারটা কিভাবে হবে ?
“ স্বজাতৌ পরমা প্রীতিরমধ্যা দেব-মানুষে।
দেবাসুরে বৈরতা চ ম্রিত্যুরমানুষ-রাক্ষসে।।
রাক্ষসী চ যদা কন্যা মানুশ্চ বরো ভবেত।
তদা ম্রিত্যুরন দূরস্থো নির্ধনত্বমথাপি যা ” ।।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালেই তার মধ্যে সত্ত্বগুণ থাকবে এবং সে দেবতুল্য মানুষ হবে।

একই ভাবে জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালে, সেই কন্যা যতই সুশীলা হোকনা কেন, বিনা দোষে তার রাক্ষস গণ হবে এবং তার মধ্যে তমগুণ থাকায় দেবগণের পাত্রের সঙ্গে তার কোন মতেই বিবাহ করা চলবে না।

বিয়ে হলে কি হবে ?

ভাল হবেনা। কলহাদি অশান্তি হবে। আর নর- রাক্ষসের বিবাহে কি হবে ?

“ অসুর- মনুজয়োশ্চেন্মৃত্যুমেব প্রদিষটা "।।

নরগণের পাত্রের সঙ্গে রাক্ষস গণের কন্যার বিবাহ হলে পাত্রের মৃত্যু হবে। অর্থাৎ রাক্ষসী কন্যা নর পাত্রকে খেয়ে ফেলবে। বিপরীত ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা আসেনা।গনকুট এর শুভ মিলনের গুরুত্ব অপরিসীম।
গণ বিচারের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তও পাওয়া গেছে। ধরা যাক, একটি ছেলে ও মেয়ের বিয়ের আগে যোটক বিচার করানো হলো। তাতে অষ্টকূট বিচারে ৩৬ টি গুনের মধ্যে ২৮ টি গুন মিলে গেলো। দুজনের কেউই মাঙ্গলিক নন তবুও বাড়ির কূল পুরোহিত বিবাহে সম্মতি দিলো না। তার কারণ ছেলেটি রাক্ষস গণ ও মেয়েটি নরগণ। মেয়ের মা বাবার বক্তব্য রাক্ষস খেয়ে ফেলে মানুষকে। সচেতন হোন- কারন এটা সম্পূর্ণ অশাস্ত্রীয় ,

মহর্ষি গর্গ বলেছেন :

" রক্ষোগণো যদা পুংসাং কুমারী নৃগণো ভবেৎ। সদ্ভকূটম খগ-প্রীতির্যোনিশুদ্ধিঃ শুভস্তথা।।"

- অর্থাৎ পাত্র রাক্ষস গণ হোক আর পাত্রী নরগন হোক না কেন, উভয়েরই যদি নক্ষত্র, গ্রহ, রাশ্যাধিপতি, যোনীকূট ও ভকূট বিশুদ্ধ হয়, গ্রহ পরস্পর মিত্র বা একই হয় তাহলে বিবাহ জীবন সুখময় হয়।

মহর্ষি বশিষ্ঠ বলেছেন :

" গ্রহমৈত্রি রাশি বশ্যম সদ্ভকূটং ভবেৎ যদি। সদগনা ভাবজনিতো দোষ কো অপি ন বিদ্যতে।।"

7. রাশি কুট : পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকের চন্দ্রের অবস্থান জনিত রাশির শুভ অশুভ প্রভাব দাম্পত্য জীবনে সর্বাধিক গুরুত্ব বহন করে। শুভ প্রভাবে শুভ ফল আর অশুভ প্রভাবে শোক, দুঃখ, দুর্দশা সহ দাম্পত্য জীবন বিষিয়ে তোলে।

মেষরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কন্যা ও বৃশ্চিক রাশির পাত্র/পাত্রী। শুভ হল কর্কট, সিংহ, ধনু ও মকররাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
বৃষ রাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল তুলা ও ধনু রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল সিংহ, কন্যা, মকর ও কুম্ভ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
মিথুনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃশ্চিক ও মকর রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কন্যা, তুলা, কুম্ভ ও মীন রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মোটামুটি মধ্যম।

কর্কটরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল ধনু ও কুম্ভ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল তুলা, বৃশ্চিক, মীন ও মেষ রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

সিংহরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মীন রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃশ্চিক, ধনু, মেষ ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

কন্যারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মেষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল ধনু ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম তথাপিও শুভই বলা যায়। এদের মধ্যকার বিবাহে তেমন অসুবিধা প্রায়ই হয়না।
তুলারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মীন ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মকর, কুম্ভ ও কর্কট রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

বৃশ্চিকরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কুম্ভ, মীন, কর্কট ও সিংহ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

ধনুরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃষ ও কর্কট রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, সিংহ ও কন্যা রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মকররাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মিথুন ও সিংহ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, কন্যা, ও তুলারাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
কুম্ভরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কর্কট, সিংহ ও কন্যা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃষ ও তুলা রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মীনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও তুলা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, কর্কট, কন্যা, বৃশ্চিক ও ধনু রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

এছাড়া শুভ যোটক হল পাত্রের রাশির পঞ্চমে পাত্রীর রাশি হলে। বিপরীত ভাবে পাত্রীর ক্ষেত্রেও ঠিক একই ফল প্রদান করবে। যেমন মেষের সাথে সিংহ, বৃষের সাথে কন্যা, মিথুনের সাথে তুলা, কর্কটের সাথে মীন, ধনুর সাথে মেষ, মকরের সাথে বৃষ, কুম্ভের সাথে মিথুন এবং মীনের সাথে কর্কট। জ্যোতিষ শাস্ত্রে এই যোগকে নবম-পঞ্চম নামে অভিহিত করা হয়। এছাড়া পাত্র পাত্রীর উভয়ের একই রাশি হলে যোটক বিচারে শুভ ফল প্রদান করে।

রাজযোটক :

কথায় বলে- “পুরুষের ভাগ্যে জন ও নারীভাগ্যে ধন”।তাই অনেক পাত্র পক্ষ সুলক্ষণা ভাগ্যবতী পত্রীর খোঁজ করেন যাতে সেই পাত্রীর ভাগ্যযোগে তার স্বামীর আর্থিক ও বৈষয়িক উন্নতি হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে মিলনে কোনও বাধা আছে কিনা সেটা পর্যবেক্ষণ করার জন্য যোটক বিচার করার প্রয়োজন হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে যোটক বিচার করার সময় বিশেষ করে তিনটি বিষয় দেখার প্রয়োজন আছে।
প্রথমত - রাশির সঙ্গে রাশির মিলন।

দ্বিতীয়ত - অষ্ট-কূট বিচারের মাধ্যমেও গুণাগুণ সংক্রান্ত ব্যাপারে অবহিত হওয়া।
তৃতীয়ত - রাশিচক্রে বিবাহের স্থান এবং নর-নারী অর্থাৎ জাতক-জাতিকার আয়ু-স্থান এবং কোনও বিবাহ বিচ্ছেদ বা দুর্ঘটনা যোগ আছে কিনা তা জানা দরকার।

এছাড়াও অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। যেমন সন্তান কেমন হবে, বিবাহের পরে ভাগ্য উন্নতি হবে কিনা, স্বভাব চরিত্র কেমন হবে, স্বাস্থ্য ভাল যাবে কিনা, বিবাহিত জীবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিল হবে কিনা ইত্যাদি নানা প্রশ্নের মধ্য দিয়ে পাত্র বা পাত্রী নির্বাচন করা হয়। প্রয়োজন হলে শাস্ত্রীয় বিধি মতে বিবাহের পূর্বে তার প্রতিকার করা হয়।
জন্মকুণ্ডলী বিচার করা হয় লগ্ন ধরে। কিন্তু এখানে জন্ম লগ্ন অপেক্ষা চন্দ্র লগ্ন অর্থাত্ রাশি গুরুত্বপূর্ণ । কোন কোন রাশির সঙ্গে কোন কোন রাশির মিলন হতে পারে তা জানা দরকার। জাতক এবং জাতিকার যদি রাশি একই হয় তাহলে তা শুভ এবং রাজযোটক মিলন।

এছাড়াএ প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগের উল্লেখ পাওয়া যায়, যাকে বিবাহ ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ যোগ বলা হয়েছে । পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকে এই যোগ থাকলে বিবাহিত জীবন ধন-ধান্যে, সম্পদ-সম্পত্তিতে, সন্তান-সন্তুতিতে পরিপূর্ণ ও আনন্দময় হয়ে ওঠে। এই যোগ বিবাহের ক্ষেত্রে বৈধব্য দশা, ভৌম দোষ সহ রাশি, লগ্ন, নক্ষত্র যাই হোক না কেন, কোন রূপ বিচারের প্রয়োজন পড়ে না। যোটক বিচারের অন্যান্য সাধারণ নিয়ম প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগে প্রযোজ্য নয়।
অশুভ যোটক যেমন পাত্রের রাশির অষ্টমে পাত্রীর রাশি হলে সেই বিবাহ অবশ্যই সম্বন্ধ পরিত্যাগ করা উচিৎ,একে অরিষড়ষ্টক যোগ বলে ,যেমন - পাত্রের রাশি মেষ হলে তার অষ্টম রাশি বৃশ্চিক, বৃষের সাথে ধনু, মিথুনের সাথে মকর, কর্কটের সাথে কুম্ভ, সিংহের সাথে মীন, কন্যার সাথে মেষ, তুলার সাথে বৃষ, বৃশ্চিকের সাথে মিথুন, ধনুর সাথে কর্কট, মকরের সাথে সিংহ, কুম্ভের সাথে কন্যা, এবং মীনের সাথে তুলা।

বিপরীতে পাত্রীর রাশির ষষ্ঠ পাত্রের রাশি হলে সে বিবাহ অতিশয় শুভ ফল প্রদান করে , এই যোগকে মিত্রষড়ষ্টক যোগ বলে , যেমন - পাত্রীর রাশি মেষ আর পাত্রের রাশি কন্যা, বৃষের সাথে তুলা, মিথুনের সাথে বৃশ্চিক, কর্কটের সাথে ধনু, সিংহের সাথে মকর, কন্যার সাথে কুম্ভ, তুলার সাথে মীন, বৃশ্চিকের সাথে মেষ, ধনুর সাথে বৃষ, মকরের সাথে মিথুন, কুম্ভের সাথে কর্কট এবং মীনের সাথে সিংহ।

উদাহরণ স্বরূপ :

পাত্রের মেষ রাশি আর পাত্রীর কন্যা রাশি বা তুলা রাশির পাত্রের সহিত মীন রাশির পাত্রী যেন না হয়ে যায় তাহলে মহা সর্বনাশ ঘটে যাবে তাতে সন্দেহ নেই।
মনে রাখতে হবে মিত্রষড়ষ্টক যোগ উল্টো হলে বিপরীত ফল প্রদান করবেই করবে। (আবারও বলি পাত্রীর রাশির ষষ্ঠে পাত্রের রাশি হবে) এর বিপরীত যোগের বিবাহে স্বামী স্ত্রী হবে বিরুদ্ধ মতাবলম্বী, সুখের সংসারে নেমে আসবে দুঃসহ দুঃখ, বেদনা, বিচ্ছেদ ও বৈধব্যদশা। এই যোগের বিবাহ স্বয়ং দেবতাগনেরও পরিত্যাজ্য।

8. ত্রিনাড়ীকুট- ত্রিনাড়ীকুট বিচারের শুভ প্রভাবে সংসার সমাজ ও সভ্যতার শুভ যোগাযোগ তৈরী করে, দাম্পত্য জীবনে শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হয়। আর বিপরীত প্রভাবে অশান্তির তীব্র অনল জ্বলতে থাকে। বিবাহের পর সামাজিক কলহ, বিচ্ছেদ, একাকী জীবন যাপন, পিতামাতাসহ সংসারের আত্মীয় পরিজন ছেড়ে বনবাস বা বিদেশ বাস প্রভৃতি ঘটে, একমাত্র ত্রিনাড়ী কুটের অশুভ প্রভাবের ফলে।
ভৌম দোষ বা মাঙ্গলিক দোষ। পাত্রপাত্রীর জন্ম কুন্ডলীর লগ্নে, চতুর্থে, ষষ্ঠে, অষ্টমে এবং দ্বাদশে মঙ্গল অবস্থান করলে জ্যোতিষশাস্ত্রে একে ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ বলে। এই দোষ দাম্পত্য জীবনে বিদ্রোহ, ফাটল, অশান্তি, বিচ্ছেদ ছাড়াও পাত্রের ক্ষেত্রে বিপত্নীক এবং পাত্রীর ক্ষেত্রে বিবাহিত জীবনে স্বামীর অকাল জীবনাবসান এর ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া এদের বিবাহিত জীবনে কোন এক সময়ে দাম্পত্য-অশান্তির মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যা পাত্র/পাত্রীকে মৃত্যুতুল্য করে তোলে। এক কথায় উভয়েরই মনের মৃত্যু ঘটে যায়। তবে এই ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ পাত্র পাত্রীর উভয়ের জন্মকুন্ডলীতে থাকলে তাদের বিবাহিত জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উভয়েই দীর্ঘায়ু লাভ করে ছাড়াও সমাজে মানব সভ্যতার অগ্রগতি সাধন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
জন্ম কুণ্ডলীতে ১২টি করে ঘর থাকে। তার মধ্যে অন্তত ৫টি ঘরে মঙ্গলের অবস্থান একজনকে মাঙ্গলিক হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ভৌম দোষের কম-বেশি থাকে। যত কম ঘরে মঙ্গল অবস্থান করবে, তার প্রভাবও ততই কম হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশই মাঙ্গলিক। লগ্ন, চতুর্থ, সপ্তম,অষ্টম, দ্বাদশ স্থানে মঙ্গলের অবস্থানকে মাঙ্গলিক দোষ বলাহয়। পুরুষের এই দোষ স্ত্রীর জন্য অশুভ এবং স্ত্রীর পক্ষে স্বামীর, ইহা পরীক্ষীত ও প্রমাণিত।

কোন জাতক বা জাতিকার কোষ্ঠী বিচারে আগেই যদি জানতে পারা যায় যে তার দাম্পত্য সুখের যোগ নেই, তা হলে তার বিবাহের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে এবং ঐ জাতক বা জাতিকার জন্য সম্ভাব্য পাত্রী বা পাত্রের কোষ্ঠী বিচার করে দেখা যেতে পারে যে সেই কোষ্ঠীতে দাম্পত্য সুখের সম্ভাবনা কি রকম। পাত্র বা পাত্রীর সাধারণভাবে জন্ম-কুন্ডলীতে লগ্নের সপ্তমভাব থেকে জায়া বা পতির বিচার করা হয়। সপ্তমভাবে যে যে গ্রহের যোগ বা দৃষ্টি, সপ্তমভাবপতি, সপ্তমভাবপতি যে যে রাশি ও নবাংশে অবস্থিত সেই সেই রাশি ও নবাংশের অধিপতি, সপ্তমভাব ও পত্নীর কারকগ্রহ শুক্র, শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তম রাশাধিপতি – পতি-পত্নী ও বিবাহিত জীবনের উপর এই সকল গ্রহেরই প্রভাব আছে।
বিবাহিত জীবন বিষয়ে সপ্তমভাবের মত দ্বিতীয়ভাবও বিচার করতে হবে।কারণ, দ্বিতীয়ভাব কুটুম্বস্থান। বিবাহিত জীবনে সাফল্য বা অসাফল্যের পিছনে কুটুম্বদের ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ, পতি পত্নীর উভয় পক্ষেরই। সেই কারণেই বিবাহিত জীবনের জ্যোতিষিক অনুসন্ধানে ধনভাব/কুটুম্ব স্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, চতুর্থভাব (সুখ) এবং দ্বাদশ (শয্যা সুখ) ভাবেরও গুরুত্ব আছে।
রাহু ও কেতু ভিন্ন যে গ্রহের স্ফুটাংশ (রাশি ব্যতীত অংশ-কলাদি) সর্বাপেক্ষা কম, সেই গ্রহকেও জায়া কারক আখ্যা দেওয়া হয়। চর-কারকত্বে যে গ্রহ জায়া কারক হিসাবে নির্ণীত হবে, বিবাহিত জীবনে তারও প্রভাব আছে। স্থির-কারকত্বে শুক্র পত্নীকারক গ্রহ। সপ্তমভাবপতি ও সপ্তমপতির নবাংশপতি হতে পতির বিচার করতে হয়।
বিবাহোত্তর জীবনে সুখলাভের সম্ভাবনা বিষয়ে প্রাচীন জ্যোতিষ গ্রন্থাদিতে যা পত্নীসুখ বিষয়ে লিখিত, তা পতিসুখ সম্বন্ধেও প্রযোজ্য।
লগ্নের সপ্তমস্থান শুভ গ্রহের ক্ষেত্র এবং শুভগ্রহ দ্বারা যুক্ত বা দৃষ্ট হলে পত্নীসুখ ও শ্বশুর কুলোদ্ভব সুখ হয় এবং স্ত্রী রূপবতী গুণবতী হয়। বিপরীতে- বিপরীত ফল হয় অর্থাৎ সপ্তমস্থান পাপক্ষেত্র হয়ে পাপগ্রহযুক্ত বা দৃষ্ট হলে ঐ প্রকার সুখ হয় না। শুভাশুভ মিশগ্রহে মিশ্র ফল চিন্তনীয়।

লগ্নাপেক্ষা সপ্তমে বহু পাপগ্রহের অবস্থানে বহু স্ত্রী সত্ত্বেও স্বল্প সুখ এবং বহু শুভগ্রহের অবস্থানে একটি স্ত্রী হলেও বিশেষ সুখ হয়। পতির কুন্ডলীতে লগ্নপতি ও সপ্তমপতি যে গ্রহের ক্ষেত্রে ও নবাংশে অবস্থিত, সেই গ্রহের ক্ষেত্রে বা নবাংশে স্ত্রীর জন্ম হলে সেই পত্নী স্বামীর সুখদায়িনী হয়ে থাকে। পতির জন্মকুন্ডলীতে চন্দ্র যে রাশিতে অবস্থিত, সেই রাশির সপ্তমরাশিদর্শী গ্রহের বা তদরাশি স্থিত গ্রহের ক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর জন্ম হয়, তাহা হলে সেই স্ত্রী পতিপ্রিয়া হয়।
নারীর জন্মকুন্ডলীতে দ্বিতীয়, সপ্তম ও দ্বাদশপতি বৃহস্পতি দৃষ্ট এবং কেন্দ্র কোনস্থ হলে, অথবা সপ্তমপতির দ্বিতীয়ে, সপ্তমে বা একাদশ স্থানে শুভ গ্রহের অবস্থানে জাতক/ জাতিকা স্ত্রী/ পতি পুত্র সুখে সুখী হয়।

চন্দ্র ও লগ্ন হতে সপ্তমভাব যদি নবমপতি বা স্বীয় পতি বা শুভগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট হয়, তাহা হলে সপ্তমভাবের শুভ হয় এবং সেক্ষেত্রে বিবাহিত জীবন সুখের হয়।

সপ্তমভাব যদি সমরাশি হয়, সেই রাশ্যাধিপতি ও শুক্র যদি সমরাশিস্থিত হয় এবং পঞ্চম ও সপ্তমভাবের অধিপতিদ্বয় বলবান হয় ও অস্তমিত না হয়, তাহা হলে স্ত্রীপুত্র সুখ হয়।

কোন নারীর জন্মকুন্ডলীতে যদি :

ক) লগ্ন বা লগ্নপতি ও চন্দ্র সমরাশিস্থিত এবং শুভগ্রহ যুক্ত, অথবা
খ) চন্দ্র, লগ্ন ও চতুর্থভাব যদি শুভ গ্রহ যুক্ত বা দৃষ্ট, বা
গ) লগ্নাপেক্ষা ত্রিকোণে (লগ্নে, পঞ্চমে, নবমে) শুভগ্রহেরা অবস্থিত, অথবা যদি সপ্তমভাব ও ঐ ভাব নবংশের অধিপতি শুভগ্রহ হয়, তাহা হলে সেই নারী গুণবতী ও সৌভাগ্যবতী হয়। পতিসুখ না পেলে সেই নারীকে সৌভাগ্যবতী বলা যাবে না, সুতরাং এই সকল যোগে পত্নী পতিসৌখ্যলাভ করে।

পত্নীর পতিপ্রিয়া হবার আরও কয়েকটা যোগ :

ক) লগ্ন সমরাশিতে এবং মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র অতীব বলবান,
খ) লগ্নের নবাংশপতি শুভ গ্রহ
গ) লগ্নে শুক্র ও চন্দ্র বা বুধ ও চন্দ্র বা বুধ ও শুক্র অথবা শুভগ্রহ থাকলে,
ঘ) সপ্তমে একাধিক শুভগ্রহ বা পূর্ণচন্দ্র থাকলে,
ঙ) গুরু, শুক্র, বুধ ও চন্দ্র সকলেই লগ্নকে পূর্ণদৃষ্টি দিলে,
চ) লগ্ন থেকে কেন্দ্র কোণে বৃহস্পতি, বিশেষতঃ স্বগৃহে বা তুঙ্গ রাশিতে,
ছ) অষ্টমভাব থেকে নবমে এবং লগ্ন হতে নবমে শুধুমাত্র শুভ গ্রহের অবস্থান,
জ) লগ্ন ও রাশি শুধুমাত্র শুভগ্রহ দ্বারা দৃষ্ট।
দাম্পত্য সম্প্রীতি বা পতি-পত্নীর পরস্পর মিত্রতা-শত্রুতা বিষয়ে নানা যোগের উল্লেখ করার সময় অনেক সময় দাম্পত্যসুখের অভাবের যোগের কথাও বলা হয়েছে, তবে দাম্পত্য সুখের অভাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু যোগ :

১) শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তমে পাপগ্রহের অবস্থান বা শুক্র পাপযুক্ত,
২) চন্দ্র সপ্তমস্থ, সপ্তমপতি ব্যয়স্থ এবং শুক্র দুর্বল,
৩) দ্বাদশপতি লগ্নে বা সপ্তমে,
৪) ব্যয়াধিপ শত্রু নবাংশে নীচ নবাংশে, অষ্টমভাব-নবাংশে বা ষষ্ঠাষ্টমে স্থিত,
৫) শুক্রের ত্রিকোণে অর্থাৎ পঞ্চমে বা নবমে শনির অবস্থান,
৬) সপ্তমে শনির অবস্থান,
৭) সপ্তমপতি পাপ নবাংশে, বা নীচ নবাংশে,
৮) ক্রুর ষষ্ঠাংশে,
৯) শুক্র নীচ নবাংশে,
১০) সপ্তমপতি রবির রাশিতে অর্থাৎ সিংহে এবং রবি পাপগ্রহের রাশিতে বা নবাংশে এবং পাপগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট,
১১) চন্দ্রের রাশিতে সপ্তম পতি ও চন্দ্র পাপ নবাংশে,
১২) স্ত্রীজাতকের সপ্তমে বা অষ্টমে পাপগ্রহ, বিশেষতঃ সপ্তমে একাধিক দুর্বল পাপগ্রহের অবস্থান, অথবা সপ্তমে পাপগ্রহ দৃষ্ট রবি স্থিত হলে।

দাম্পত্য সুখ বিচারে পতি-পত্নীর মিত্রতা-বৈরিতা বিচার ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। বিবাহে পাত্র-পাত্রীর কোষ্ঠীর মিল দেখার জন্য প্রচলিত যে অষ্টকূট যোটক বিচার পদ্ধতি ঐ পদ্ধতির অষ্টকুটের অন্যতম কুট, বর ও কন্যার উভয়ের রাশির অধিপতির মিত্রতা, ভাবী স্বামী-স্ত্রীর মানসিক সৌখ্যের অন্যতম নির্ণায়ক হিসাবে গণ্য হতে পারে। তবে এ’ছাড়া উভয়ের চন্দ্রস্থিত নবাংশ পতিদ্বয়ের এবং উভয়ের চন্দ্রস্থিত রাশির অধিপতির দ্বয়ের যে যে নবাংশে অবস্থিত সেই নবাংশ পতিদ্বয়েরও মিত্র আছে কিনা দেখা প্রয়োজন, থাকলে ভাবী বর বধুর মানসিক সম্প্রীতি বুঝতে হবে, না থাকলে সম্প্রীতির অভাব বুঝতে হবে।

দাম্পত্য সুখ বা সুখের অভাব সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কিছু যোগের উল্লেখ এই প্রবেন্ধে করা হল, তবে কোন দম্পতির জীবনে সুখ বিষয়ে সিদ্ধান্ত করার জন্য, শুধুমাত্র এই যোগগুলি বা এই ধরণের যোগের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা যাবে না। উভয়ের কোষ্ঠীর সামুহিক মূল্যায়ন, যোগকারী গ্রহের এবং চন্দ্র ও শুক্রের বলাবল ও শুভাশুভত্ব বিবেচনা করতে হয় ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190905114726

Thursday, September 5th, 2019

Astro Research Centre

অতি অশুভ যোগ গ্রহণ যোগ ও দোষ, প্রতিকার শিব উপাসনা হনুমান চল্লিশা, মানব জীবনে রাহু কেতু যোগ,প্রতিকার ও বিধান, মাঙ্গলিক কালসর্প

অতি অশুভ যোগ গ্রহণ যোগ ও দোষ, প্রতিকার শিব উপাসনা হনুমান চল্লিশা, মানব জীবনে রাহু কেতু যোগ,প্রতিকার ও বিধান, মাঙ্গলিক কালসর্প

অতি অশুভ যোগ গ্রহণ যোগ ও দোষ, প্রতিকার শিব উপাসনা হনুমান চল্লিশা, মানব জীবনে রাহু কেতু যোগ,প্রতিকার ও বিধান, মাঙ্গলিক কালসর্প ও সাড়েসাতি থেকেঅতি অশুভ যোগ



গ্রহণ যোগ ও দোষ, প্রতিকার শিব উপাসনা হনুমান চল্লিশা, মানব জীবনে রাহু কেতু যোগ,প্রতিকার ও বিধান, মাঙ্গলিক কালসর্প ও সাড়েসাতি থেকে অশুভ যোগ

গ্রহণ দোষ ঃ রাহু ও কেতু কোনো দৃষ্টি গোচর গ্রহ নয়। চন্দ্র ও পৃথিবীর কক্ষপথের দুটি ছেদ বিন্দু। বা সরল ভাষায় চন্দ্র ও পৃথিবীর ছায়া উপছায়া হলো রাহু ও কেতু। যখনই সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে একই সরল রেখায় চন্দ্র চলে আসে তখন পৃথিবীর কিছু অংশে চন্দ্রের ছায়া পরে এবং সে স্থানে সূর্যকে কিছুক্ষনের জন্য দেখা যায়না একে আমরা সূর্য গ্রহণ বলে জানি। আবার কখোনো কখোনো সূর্য এবং চন্দ্রের মাঝে একই সরল রেখায় পৃথিবী চলে আসে, তখন চন্দ্রের ওপর পৃথিবীর ছায়া পরে এবং কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রকে পৃথিবীর কিছু অংশের মানুষ দেখতে পায়না একে আমরা চন্দ্র গ্রহন বলি।

রা,শি চক্রে রবি এবং চন্দ্র যখনি রাহু এবং কেতুর সাথে সংযোগ করে তখনই গ্রহণ দোষ সৃষ্টি হয়। আমার দৃষ্টিতে এটি একটি অশুভ যোগ। জন্ম ছকে যে ভাবে এই দোষ সৃষ্টি হয় সে ভাব ও ভাব সম্পকৃত আত্মিয়র শুভ ফলের হানি করে। সেই আত্মিয়র চরিত্রে রাহু কেতুর অশুভ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাই দেখা যায় সন্তানের গৃহে রাহু বা কেতুর অবস্থান সন্তান সম্পর্কৃত বিষয়ে অশুভ ফল নির্দেশক। চন্দ্র মানুষের মন ও মস্তিষ্ককে নির্দেশ করে । চন্দ্র আবার স্বাভাবিক মাতৃ কারক গ্রহ। রাহুর সাথে চন্দ্রের সংযোগে বা রাহুর দৃষ্টি চন্দ্রের ওপর পরলে প্রশ্নকারী এবং তার মাতার মাঝে প্রচুর উচ্চাকাংখা, লোভ, অহংকার দেখা যায়। তাদের মাঝে অতৃপ্ততা দেখতে পাওয়া যায়। রাহু চন্দ্রের সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষ হলে প্রশ্ন কর্তা মানষিক ভাবে সর্বদা দুঃখি থাকে। সে কখোনই কোনো কিছুতেই পরিতৃপ্ত হয়না। মনে রাখবেন প্রশ্ন কর্তার দুঃখ কেউ দূর করতে পারবেনা। সব কিছু পেলেও সে দুঃখি আত্মা।

একই ভাবে রবির সাথে রাহুর অবস্থান জাতককে দুঃখি আত্মা করে। রবি স্বাভাবিক পিতৃ কারক গ্রহ হওয়ায় পিতার সাথেও জাতকের সুসম্পর্ক থাকেনা। পিতার দ্বারা জাতক বৈরী আচরন পেয়ে থাকে। রবি জগতে আলো ও প্রাণের উৎসের প্রতিক। রবি রাহুর সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষের ফলে জীবন হয়ে ওঠে দুঃর্বিসহ। জাতককে বহু বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। সকল কাজে হতাশা নিরাশা দেখা দেয়। তাই হয়ত খনার বচনে দেখতে পাই ’’ সূর্য কুজে(মঙ্গল) রাহু মিলে ,গাছে দড়ি বন্ধন গলে।’’

একই ভাবে যদি চন্দ্রের সাথে কেতুর সংযোগে গ্রহন দোষ হয় তা হলে প্রশ্ন কর্তার মন মস্তিষ্ক বাধা গ্রস্থ হয়। মাতার সাথে সম্পর্ক ভালো যায় না। কেতুর রহস্যময়তা ও ইর্ষাপরায়নতা তার মাঝে প্রবল ভাবে দেখতে পাওয়া যায়। অপরের উন্নতিতে হিংসায় জ্বলে পুড়ে যায় এবং অপরের দূর্ণাম বদনাম,ও অভিশম্পাত করে। মিথ্যা বলার প্রবনতাও দেখা যায়। রবির সাথে কেতুর সংযোগে সৃষ্ট দোষে জাতকের মনের মাঝে কুটিলতা বিরাজ করে। সে সর্বদা সন্দেহ প্রবন হতে পারে। পিতার সাথে তার কোনো কালেও সু সম্পর্ক থাকেনা। সমাজে তার আচরন হয় রহস্যময়। দূর্নাম-বদনামের আশঙ্কা থাকে। জাতক শীড় পিড়ায় ভুগতে পারে।

গ্রহণযোগ থেকে মুক্তি পাবার উপায়

মানসিকভাবে দুশ্চিন্তা কম করতে হবে

ঋণ দেওয়া বা নেওয়া করা চলবেনা

অশান্তি ও ঝগড়া ঝামেলা কম করবেন

নিজেকে সঠিকভাবে চেনা বা উপলব্ধি করা। এর মাধ্যমে অনেকটাই নিজের সমস্যাগুলো থেকে বের হওয়া যেতে পারে।

গ্রহদের ডিগ্রিগত অবস্থানে এই দোষের প্রভাব কম-বেশি হয়। কেতু বিচ্ছেদ নির্দেশ করে। সুতরাং জাতকের বেশি করে কোনও দায়িত্ব থেকে দুরে থাকা উচিত।

জাতক বা জাতিকার পূর্বজন্মের কৃতকর্মের ফল বা ঋণ এই দোষের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। সুতরাং সঠিকভাবে বিবেচনা করে প্রতিটি কর্মে অগ্রসর হতে হবে। সত্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চললে প্রতিটি ভুলভ্রান্তি সামনে থেকে দুরে চলে যাবে ধীরে ধীরে।

এছাড়াও ভাবপাতি অনুসারে রবি, রাহু, চন্দ্র, কেতু
গ্রহের প্রতিকার করতে পারেন

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ গ্রহণযোগ নিবারণ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন অশুভ যোগ

গ্রহণ দোষ ঃ রাহু ও কেতু কোনো দৃষ্টি গোচর গ্রহ নয়। চন্দ্র ও পৃথিবীর কক্ষপথের দুটি ছেদ বিন্দু। বা সরল ভাষায় চন্দ্র ও পৃথিবীর ছায়া উপছায়া হলো রাহু ও কেতু। যখনই সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে একই সরল রেখায় চন্দ্র চলে আসে তখন পৃথিবীর কিছু অংশে চন্দ্রের ছায়া পরে এবং সে স্থানে সূর্যকে কিছুক্ষনের জন্য দেখা যায়না একে আমরা সূর্য গ্রহণ বলে জানি। আবার কখোনো কখোনো সূর্য এবং চন্দ্রের মাঝে একই সরল রেখায় পৃথিবী চলে আসে, তখন চন্দ্রের ওপর পৃথিবীর ছায়া পরে এবং কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রকে পৃথিবীর কিছু অংশের মানুষ দেখতে পায়না একে আমরা চন্দ্র গ্রহন বলি।

রা,শি চক্রে রবি এবং চন্দ্র যখনি রাহু এবং কেতুর সাথে সংযোগ করে তখনই গ্রহণ দোষ সৃষ্টি হয়। আমার দৃষ্টিতে এটি একটি অশুভ যোগ। জন্ম ছকে যে ভাবে এই দোষ সৃষ্টি হয় সে ভাব ও ভাব সম্পকৃত আত্মিয়র শুভ ফলের হানি করে। সেই আত্মিয়র চরিত্রে রাহু কেতুর অশুভ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাই দেখা যায় সন্তানের গৃহে রাহু বা কেতুর অবস্থান সন্তান সম্পর্কৃত বিষয়ে অশুভ ফল নির্দেশক। চন্দ্র মানুষের মন ও মস্তিষ্ককে নির্দেশ করে । চন্দ্র আবার স্বাভাবিক মাতৃ কারক গ্রহ। রাহুর সাথে চন্দ্রের সংযোগে বা রাহুর দৃষ্টি চন্দ্রের ওপর পরলে প্রশ্নকারী এবং তার মাতার মাঝে প্রচুর উচ্চাকাংখা, লোভ, অহংকার দেখা যায়। তাদের মাঝে অতৃপ্ততা দেখতে পাওয়া যায়। রাহু চন্দ্রের সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষ হলে প্রশ্ন কর্তা মানষিক ভাবে সর্বদা দুঃখি থাকে। সে কখোনই কোনো কিছুতেই পরিতৃপ্ত হয়না। মনে রাখবেন প্রশ্ন কর্তার দুঃখ কেউ দূর করতে পারবেনা। সব কিছু পেলেও সে দুঃখি আত্মা।

একই ভাবে রবির সাথে রাহুর অবস্থান জাতককে দুঃখি আত্মা করে। রবি স্বাভাবিক পিতৃ কারক গ্রহ হওয়ায় পিতার সাথেও জাতকের সুসম্পর্ক থাকেনা। পিতার দ্বারা জাতক বৈরী আচরন পেয়ে থাকে। রবি জগতে আলো ও প্রাণের উৎসের প্রতিক। রবি রাহুর সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষের ফলে জীবন হয়ে ওঠে দুঃর্বিসহ। জাতককে বহু বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। সকল কাজে হতাশা নিরাশা দেখা দেয়। তাই হয়ত খনার বচনে দেখতে পাই ’’ সূর্য কুজে(মঙ্গল) রাহু মিলে ,গাছে দড়ি বন্ধন গলে।’’

একই ভাবে যদি চন্দ্রের সাথে কেতুর সংযোগে গ্রহন দোষ হয় তা হলে প্রশ্ন কর্তার মন মস্তিষ্ক বাধা গ্রস্থ হয়। মাতার সাথে সম্পর্ক ভালো যায় না। কেতুর রহস্যময়তা ও ইর্ষাপরায়নতা তার মাঝে প্রবল ভাবে দেখতে পাওয়া যায়। অপরের উন্নতিতে হিংসায় জ্বলে পুড়ে যায় এবং অপরের দূর্ণাম বদনাম,ও অভিশম্পাত করে। মিথ্যা বলার প্রবনতাও দেখা যায়। রবির সাথে কেতুর সংযোগে সৃষ্ট দোষে জাতকের মনের মাঝে কুটিলতা বিরাজ করে। সে সর্বদা সন্দেহ প্রবন হতে পারে। পিতার সাথে তার কোনো কালেও সু সম্পর্ক থাকেনা। সমাজে তার আচরন হয় রহস্যময়। দূর্নাম-বদনামের আশঙ্কা থাকে। জাতক শীড় পিড়ায় ভুগতে পারে।

গ্রহণযোগ থেকে মুক্তি পাবার উপায়

মানসিকভাবে দুশ্চিন্তা কম করতে হবে

ঋণ দেওয়া বা নেওয়া করা চলবেনা

অশান্তি ও ঝগড়া ঝামেলা কম করবেন

নিজেকে সঠিকভাবে চেনা বা উপলব্ধি করা। এর মাধ্যমে অনেকটাই নিজের সমস্যাগুলো থেকে বের হওয়া যেতে পারে।

গ্রহদের ডিগ্রিগত অবস্থানে এই দোষের প্রভাব কম-বেশি হয়। কেতু বিচ্ছেদ নির্দেশ করে। সুতরাং জাতকের বেশি করে কোনও দায়িত্ব থেকে দুরে থাকা উচিত।

জাতক বা জাতিকার পূর্বজন্মের কৃতকর্মের ফল বা ঋণ এই দোষের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। সুতরাং সঠিকভাবে বিবেচনা করে প্রতিটি কর্মে অগ্রসর হতে হবে। সত্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চললে প্রতিটি ভুলভ্রান্তি সামনে থেকে দুরে চলে যাবে ধীরে ধীরে।

এছাড়াও ভাবপাতি অনুসারে রবি, রাহু, চন্দ্র, কেতু
গ্রহের প্রতিকার করতে পারেন

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ গ্রহণযোগ নিবারণ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190905102749

Wednesday, September 4th, 2019

Astro Research Centre

কুজ্বদোষ, মাঙ্গলিক বা ভৌম দোষ, মাঙ্গলিক কত প্রকার উগ্র মাঙ্গলিক কি, বিবাহ প্রবল অশুভ রাহু কেতু শনির ভূমিকা মাঙ্গলিক দোষ ও প্রতিকার, ভৌম দোষ ও গুরু চণ্ডাল দোষ

কুজ্বদোষ, মাঙ্গলিক বা ভৌম দোষ, মাঙ্গলিক কত প্রকার উগ্র মাঙ্গলিক কি, বিবাহ প্রবল অশুভ রাহু কেতু শনির ভূমিকা মাঙ্গলিক দোষ ও প্রতিকার,  ভৌম দোষ ও গুরু চণ্ডাল দোষ

মঙ্গল কে শারিরিক শক্তির কারক গ্রহ বলা হয় । এই রকম জাতক কোন পরিস্থিতি তে পরাজয় স্বীকার করে না , সে নিজের বিরুদ্ধে কারো কোন কথা সহ্য করতে পারে না । তার বিরুদ্ধে কোন কথা শুনলে সে ক্রোধিত হয়ে যায় আর মারপিট করতে শুরু করে দেয় । এদের স্বভাব হিংসক তাই তারা হিংসা করতে তৎপর থাকে । তার মন সর্বদা গরম থাকে । তবে বৈদিক উপায়ে কিছু প্রতিকার করে এদের শান্ত করা সম্ভব । এদের ক্রোধ নিয়ন্ত্রন সম্ভব । এরা নিজেদের সফলতার জন্য নিরলস কাজ করে যায় । এরা জীবনে এগিয়ে যাবার ভাবনা থাকে কোন অবরোধে এরা নিরাশ হয় না ,অনুকূল পরিস্থিতির সুযোগ তারা তাদের প্রয়াস চালিয়ে যায় আর সাফল্য এদের পদ স্পর্শ করে ।

2013-09-14 23.18.54



জন্মকুণ্ডলীর প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, সপ্তম, অষ্টম ও দ্বাদশ স্থানের মধ্যে যে কোনও একটিতে যদি মঙ্গল অবস্থান করে তবে সেই জাতক বা জাতিকাকে মাঙ্গলিক বলা হয়।জ্যোতিষশাস্ত্রে এটাকে বলা হয় ভৌম দোষ। আপনি কি জানেন মঙ্গলের দশা জীবন ছারখার করে দিতে পারে! এই দশা থাকলে বিবাহিত জীবনে নানা সমস্যা দেখা দেয় এবং বিবাহবিচ্ছেদের সম্ভাবনা প্রবল হয়।
মঙ্গল গ্রহের কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের কারণে জাতক-জাতিকার জীবনে ভিন্ন ভিন্ন ভয়ানক সমস্যার সৃষ্টি হয়।আপনার জন্মকুণ্ডলীতে মঙ্গল গ্রহের ভিন্ন অবস্থানের কারণে মাঙ্গলিক দোষের প্রকারভেদ গুলি দেখে নিন –

লগ্নে মঙ্গল-
জাতক বা জাতিকার মধ্যে ক্রোধের পরিমাণ বেশি থাকে। জেদি, ইচ্ছাশক্তিতে পরিপূর্ণ, কর্তৃত্ব-পরায়ণ হয়। সামান্য কারণেই মাথাগরম করার প্রবণতা দেখা যায়।

দ্বিতীয়-ভাবে মঙ্গল –
রুক্ষভাষী, স্পষ্টবক্তা হওয়ার জন্য আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে বিচ্ছেদ, বদনাম হয়। স্পষ্টবক্তা হওয়ার কারণে কথার দ্বারা অন্যকে আঘাত বা অপমান করার প্রবণতা থাকে। বিবাহিত জীবনের মাধুর্যতা নষ্ট হয়ে যায়।

চতুর্থে মঙ্গল –
শ্বশুরালয়ে কোনও মহিলা বিবাহিত জীবনের আনন্দকে চরম নিরানন্দে পরিণত করে।

সপ্তমে মঙ্গল –
এই ঘরটিকে জীবনসঙ্গীর ঘর হিসাবে দেখা হয়। এই স্থানে মঙ্গলের অবস্থান জাতক বা জাতিকাতে সহজেই প্রেম এনে দেয় এবং তীব্র কাম ভাবাপন্ন করে তোলে। এই ভাবে মঙ্গলের সঙ্গে অশুভ শনি বা কেতুর সংযোগের কারণে বিবাহে বিলম্ব বা অনুঢ়া যোগ তৈরি করে।

অষ্টমে মঙ্গল –
এই ঘরটি থেকে আমরা মৃত্যু ও দুর্ঘটনার বিচার করে থাকি। এই ঘরে মঙ্গলের অবস্থান অত্যন্ত অশুভ। হঠাত্‍ দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা আত্মহত্যার যোগ নির্দেশ করে।

দ্বাদশে মঙ্গল –
দ্বাদশভাব শয্যা সুখের ঘর। এখানে নীচস্থ বা অশুভ মঙ্গল অবস্থান করলে দাম্পত্য সুখে চরম অভাব দেখা যায়। এমনকি নিঃসঙ্গতা তৈরি করে। এই মঙ্গল কোনও ভাবে অশুভ শনি বা রাহু দ্বারা দৃষ্ট হলে সঙ্গীর মৃত্যু ঘটে থাকে।

মঙ্গলের দশা কাটানোর একাধিক উপায় রয়েছে-
১. যদি দু’জন মাঙ্গলিকের মধ্যে বিবাহ হয়, তবে দু’জনেরই এই দশা কেটে যায়।

২. কুম্ভবিবাহ নামের একটি রীতির মাধ্যমে বিয়ের আগে কাটানো হয় মঙ্গল দশা। এই রীতিতে মাঙ্গলিক জাতক বা জাতিকাকে হয় একটি কলাগাছ বা পিপুল গাছ অথবা ভগবান বিষ্ণুর একটি স্বর্ণ বা রৌপ্য মূর্তির সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।

৩. নিয়ম করে প্রতি মঙ্গলবার উপবাস রাখলে এবং শুধুমাত্র অড়হর ডাল সেবন করলে আস্তে আস্তে কেটে যায় এই দশা।

৪. প্রতি মঙ্গলবার নবগ্রহ মন্ত্র উচ্চারণ করলে এই দোষ কেটে যায়। আবার প্রতিদিন ১০৮ বার গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে বা প্রতিদিন হনুমান চালিসা পাঠ করলেও কেটে যায় মঙ্গল দশা।

৫. মঙ্গলবার দানধ্যান করলেও তুষ্ট হন মঙ্গলদেব। এছাড়া তলোয়ার, ছুরি, মুসুর ডাল, লাল সিল্ক, রক্তপ্রবাল ইত্যাদি লাল বস্তু নিবেদন করলেও সন্তুষ্ট হন


সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা 
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in 
Please visit here
For Registration check in here. 
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here 

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায় 
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন 

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat 
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190904171408

Wednesday, September 4th, 2019

Astro Research Centre

সমাজে বিবাহে (যোটক বিচার ), রাজ যোটক, মাঙ্গলিক দোষ, অসবর্ন বিবাহ, নারী জ্যোতিষ, 7ম ভাবে রাহু, কেতু, শনি, মঙ্গল অশুভ যোগ, অস্তকুট

সমাজে বিবাহে (যোটক বিচার ), রাজ যোটক, মাঙ্গলিক  দোষ, অসবর্ন বিবাহ, নারী জ্যোতিষ, 7ম ভাবে রাহু, কেতু, শনি, মঙ্গল অশুভ যোগ, অস্তকুট

যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

দাম্পত্য সুখের ভিত্তি হ’ল স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক প্রেম-প্রীতি ভালবাসা-বোঝাপড়া। উভয়ের মনোবৃত্তির মিল হলে দাম্পত্য জীবনে সুখের অভাব ঘটার কথা নয়। সেই কারণেই বিখ্যাত অগলাস্তোত্রের প্রার্থনা –
'ভার্য্যাং মনোরমাং দেহি মনোবৃত্ত্যানুসারিণীম্।‘

নারীদের মনেও নিশ্চয়ই অনুরূপ প্রার্থনা জাগে।
কিন্তু বাস্তবে সকলের জীবনে এই প্রার্থনা পূরণ হয় না। বিবাহের, এমন কি প্রেমজ বিবাহের অনতিকাল পরেই ব্যক্তিত্বের সংঘাত বাধে। পতি ও পত্নীর মধ্যে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় ও তা অনেক সময় উভয়ের মধ্যে দুস্তর ব্যবধানে পরিণত হয়, সুখের পরিবর্তে আসে অশান্তি, কোন কোন সময় বিচ্ছেদ।

বিবাহিত জীবনের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন উত্তম পাত্র পাত্রীর মিলন। পাত্র পাত্রীর উত্তমমিলন বিচার করতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে যোটক বিচার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ।

যোটক বিচার বলতে ঠিক কি বুঝায় ?

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যার পরস্পরের জন্মরাশি, জন্মনক্ষত্র ও রাশ্যাধিপ গ্রহদি থেকে, যে শুভাশুভ ফল বিচার করা যায়, তাকেই যোটক বিচার বলে। যোটক বিচার অষ্টপ্রকারে বিভক্ত।
যোটক বিচার আট প্রকার কুট বা গুণের সমন্বয়- যথা বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রিকুট, রাশি কুট ও নাড়ীকুট ।

প্রতিটি কূটের একটি নির্দিষ্ট গুনমানের সংখ্যা থাকে যেমন বর্ণকুট1, বশ্যকুট2, তারাকুট3, যোনিকুট4, গ্রহমৈত্রীকুট5, গণমৈত্রিকুট6, রাশি কুট7 ও নাড়ীকুট8| এভাবে সবকটি কুটের সংখ্যা যোগ করলে গিয়ে দাড়ায় 36
এই ৩৬ গুণের মধ্যে মিলনে কত গুণ পাওয়া যাচ্ছে সেটাই মূল কথা।
এই বিষয়ে একটি কথা মনে রাখতে হবে ৩৬ গুণের মধ্যে ১৮ গুণের কম হলে তা যোটক মিলনে শুভ ফলপ্রদ হবে না।

১৮ গুণের বেশি হলে বিবাহিত জীবনে সুখ ও শান্তি লাভ সম্ভব।

34 থেকে 36 টি গুণের মিলন হলে তাকে 'রাজযোটক' বলে।

পূর্বে বর্ণিত অষ্টকুট নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু তথ্য দেওয়া হল :-

1. বর্ণকুট :

বর্ণ কাকে বলে বা বর্ণ কি ?
জ্যোতিষশাস্ত্রে মেষ, বৃষ, মিথুন, ইত্যাদি যে বারোটি রাশি ব্যাবহার করা হয় তাদের বিপ্র, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা যে ব্যক্তিগনের জন্ম কর্কট, মীন, বা বৃশ্চিক রাশিতে তাঁদের বর্ণ বিপ্র। এইভাবে যাঁদের জন্ম সিংহ, তুলা বা ধনু রাশিতে তাঁদের বর্ণ ক্ষত্রিয়। যোটক বিচারের নিয়মে শুদ্র বর্ণের থেকে বৈশ্য বর্ণ শ্রেষ্ঠ, বৈশ্য বর্ণের থেকে ক্ষত্রিয় বর্ণ শ্রেষ্ঠ, আবার ক্ষত্রিয় বর্ণের থেকে বিপ্র বর্ণ শ্রেষ্ঠ।
বর্ণ ফলমে বলা হয়েছে যে-
"ক্ষাত্র-বিট্-শুদ্র-বিপ্রাঃ স্যুঃ ক্রমান্মেষাদি-রাশয়ঃ।
তত্র বর্ণাধিকা কন্যা নৈবোদ্বাহ্যা কদাচন" ।।
অর্থাৎ “বরের বর্ণাপেক্ষা কন্যার বর্ণ শ্রেষ্ঠ হলে, সেই কন্যাকে কদাচ বিবাহ করিবেনা”।

করলে কি হবে ?

" বর্ণশ্রেষ্ঠা তু যা নারী বর্ণহীনস্তু যাঃ পুমান।
বিবাহং যদি কুরব্বীত তস্য ভর্তা বিনশ্যতি "।।
উচ্চ বর্নের পাত্রীর সাথে নিম্ন বর্ণের পাত্রের বিবাহ অশুভ। এতে দাম্পত্য অসন্তোষ, অকাল বৈধব্য, শারীরিক অসুস্থতা, সন্তানের কারনে মনকষ্ট ভোগ করতে হয়।

2. বশ্যকূট্ :

“ মিথুন, কন্যা, তুলা, কুম্ভ, ও ধনুর পূর্বাদ্ধ, যদি বরের রাশি হয় এবং মেষ, বৃষ, কর্কট, ইত্যাদি যদি কন্যার রাশি হয় সেই কন্যা বরের বশীভূত হয়”।

এই ভাবে কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশিকে অন্য কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশির বশ্য ধরা হয়েছে এবং বিপরীতে বিপরীত ফল বলা হয়েছে।

"এবং বশ্যসমাযোগে দম্পত্যোঃ প্রীতিরূত্তমা।
বশ্যাভাবেহপি দম্পত্যো্রবিবাহঃ কলহ-প্রদঃ।।"

পাত্র ও পাত্রীর রাশি দ্বিপদ চতুস্পদ প্রভৃতি শক্র মিত্রের প্রভাবে দাম্পত্য জীবনে কলহ, বিবাদ, মামলা, মকদ্দমা এমনকি দাম্পত্য বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটে যেতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিবাহ ঘটায় বশ্যকুট বিচারের অশুভ প্রভাবের ফলে।

3. তারাকুট : পাত্র পাত্রীর জন্মনক্ষত্রের গরমিলের প্রভাবে বিবাহিত জীবনের সুখ, দুঃখ নির্ধারিত হয়ে থাকে। তারা কুটের শুভ প্রভাবে বিবাহের পর গৃহে ভাগ্যলক্ষ্মীর কৃপা বর্ষণ হয়, আর অশুভ প্রভাবে দাম্পত্য অসন্তোষ সহ দুঃখ, কষ্ট, শোক, জরা, ব্যাধি, দৈন্য ও দারিদ্র দশার কারণ হবেন।(বিপদ, প্রত্যরি, বধ তারা অশুভ। )

4. যোনিকুট : প্রত্যেক জাতক বা জাতিকাই নক্ষত্র অনুযায়ী কোনও না কোনও ‘যোনি’-তে অবস্থান করেন। সঠিক ‘যোনি বিচার’-ই সম্ভব করতে পারে সঠিক দাম্পত্য।
যোনি’গুলি যথাক্রমে— অশ্ব, গজ, মেষ, সর্প, শ্যেন, মার্জার, মূষিক, গো, মহিষ, ব্যাঘ্র, মৃগ, বানর, নকুল এবং সিংহ। এই পশুগুলির স্বভাব ও একে অন্যের প্রতি মনোভাবের নিরিখেই নির্ধারিত হয় ‘যোনি’-চরিত্র।
যোনি মিলন’ বিচারের আবার কিছু পন্থা রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অকাল বৈধব্যের প্রবনতা দেখা দেয়। এছাড়া স্বামী কর্তৃক স্ত্রী হত্যা ও স্ত্রী কর্তৃক স্বামী হত্যা পর্যন্ত ঘটতে পারে বিরূপ যোনিকুটের ফলে।

5. গ্রহমৈত্রীকুট : পাত্র পাত্রীর রাশি অধিপতি গ্রহের শক্র মিত্রতার উপর নির্ভরশীল। মিত্রতার প্রভাবে বিবাহিত জীবন সুখ, সমৃদ্ধি, অর্থ, সম্মানে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে আর অশুভ প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম ছাড়াও স্বামী স্ত্রীর দুর্ঘটনা জনিত অঙ্গপ্রতঙ্গ হানী সহ শেষ জীবন কোন প্রকারেই শুভকর হয় না।

6. গনকুট : জ্যোতিষ গণনায় যে সাতাশটি নক্ষত্রকে ধরা হয়েছে, তাদেরই ঐ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বর ও কন্যার জন্মনক্ষত্র থেকে গণ কূট বিচার করতে হয়।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নয়টি সত্ত্ব গুন বিশিষ্ট নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে দেবগন ও সত্ত্ব গুণী হয়।

পূর্বফল্গুনী, পূর্বাষাড়া, পূর্বভাদ্রপদ, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে নর গন হয়।

জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে রাক্ষস গণ হয়।এতো হল গণের পরিচয়।

এবারে বিচারটা কিভাবে হবে ?
“ স্বজাতৌ পরমা প্রীতিরমধ্যা দেব-মানুষে।
দেবাসুরে বৈরতা চ ম্রিত্যুরমানুষ-রাক্ষসে।।
রাক্ষসী চ যদা কন্যা মানুশ্চ বরো ভবেত।
তদা ম্রিত্যুরন দূরস্থো নির্ধনত্বমথাপি যা ” ।।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালেই তার মধ্যে সত্ত্বগুণ থাকবে এবং সে দেবতুল্য মানুষ হবে।

একই ভাবে জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালে, সেই কন্যা যতই সুশীলা হোকনা কেন, বিনা দোষে তার রাক্ষস গণ হবে এবং তার মধ্যে তমগুণ থাকায় দেবগণের পাত্রের সঙ্গে তার কোন মতেই বিবাহ করা চলবে না।

বিয়ে হলে কি হবে ?

ভাল হবেনা। কলহাদি অশান্তি হবে। আর নর- রাক্ষসের বিবাহে কি হবে ?

“ অসুর- মনুজয়োশ্চেন্মৃত্যুমেব প্রদিষটা "।।

নরগণের পাত্রের সঙ্গে রাক্ষস গণের কন্যার বিবাহ হলে পাত্রের মৃত্যু হবে। অর্থাৎ রাক্ষসী কন্যা নর পাত্রকে খেয়ে ফেলবে। বিপরীত ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা আসেনা।গনকুট এর শুভ মিলনের গুরুত্ব অপরিসীম।
গণ বিচারের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তও পাওয়া গেছে। ধরা যাক, একটি ছেলে ও মেয়ের বিয়ের আগে যোটক বিচার করানো হলো। তাতে অষ্টকূট বিচারে ৩৬ টি গুনের মধ্যে ২৮ টি গুন মিলে গেলো। দুজনের কেউই মাঙ্গলিক নন তবুও বাড়ির কূল পুরোহিত বিবাহে সম্মতি দিলো না। তার কারণ ছেলেটি রাক্ষস গণ ও মেয়েটি নরগণ। মেয়ের মা বাবার বক্তব্য রাক্ষস খেয়ে ফেলে মানুষকে। সচেতন হোন- কারন এটা সম্পূর্ণ অশাস্ত্রীয় ,

মহর্ষি গর্গ বলেছেন :

" রক্ষোগণো যদা পুংসাং কুমারী নৃগণো ভবেৎ। সদ্ভকূটম খগ-প্রীতির্যোনিশুদ্ধিঃ শুভস্তথা।।"

- অর্থাৎ পাত্র রাক্ষস গণ হোক আর পাত্রী নরগন হোক না কেন, উভয়েরই যদি নক্ষত্র, গ্রহ, রাশ্যাধিপতি, যোনীকূট ও ভকূট বিশুদ্ধ হয়, গ্রহ পরস্পর মিত্র বা একই হয় তাহলে বিবাহ জীবন সুখময় হয়।

মহর্ষি বশিষ্ঠ বলেছেন :

" গ্রহমৈত্রি রাশি বশ্যম সদ্ভকূটং ভবেৎ যদি। সদগনা ভাবজনিতো দোষ কো অপি ন বিদ্যতে।।"

7. রাশি কুট : পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকের চন্দ্রের অবস্থান জনিত রাশির শুভ অশুভ প্রভাব দাম্পত্য জীবনে সর্বাধিক গুরুত্ব বহন করে। শুভ প্রভাবে শুভ ফল আর অশুভ প্রভাবে শোক, দুঃখ, দুর্দশা সহ দাম্পত্য জীবন বিষিয়ে তোলে।

মেষরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কন্যা ও বৃশ্চিক রাশির পাত্র/পাত্রী। শুভ হল কর্কট, সিংহ, ধনু ও মকররাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
বৃষ রাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল তুলা ও ধনু রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল সিংহ, কন্যা, মকর ও কুম্ভ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
মিথুনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃশ্চিক ও মকর রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কন্যা, তুলা, কুম্ভ ও মীন রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মোটামুটি মধ্যম।

কর্কটরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল ধনু ও কুম্ভ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল তুলা, বৃশ্চিক, মীন ও মেষ রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

সিংহরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মীন রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃশ্চিক, ধনু, মেষ ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

কন্যারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মেষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল ধনু ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম তথাপিও শুভই বলা যায়। এদের মধ্যকার বিবাহে তেমন অসুবিধা প্রায়ই হয়না।
তুলারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মীন ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মকর, কুম্ভ ও কর্কট রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

বৃশ্চিকরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কুম্ভ, মীন, কর্কট ও সিংহ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

ধনুরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃষ ও কর্কট রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, সিংহ ও কন্যা রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মকররাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মিথুন ও সিংহ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, কন্যা, ও তুলারাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
কুম্ভরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কর্কট, সিংহ ও কন্যা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃষ ও তুলা রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মীনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও তুলা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, কর্কট, কন্যা, বৃশ্চিক ও ধনু রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

এছাড়া শুভ যোটক হল পাত্রের রাশির পঞ্চমে পাত্রীর রাশি হলে। বিপরীত ভাবে পাত্রীর ক্ষেত্রেও ঠিক একই ফল প্রদান করবে। যেমন মেষের সাথে সিংহ, বৃষের সাথে কন্যা, মিথুনের সাথে তুলা, কর্কটের সাথে মীন, ধনুর সাথে মেষ, মকরের সাথে বৃষ, কুম্ভের সাথে মিথুন এবং মীনের সাথে কর্কট। জ্যোতিষ শাস্ত্রে এই যোগকে নবম-পঞ্চম নামে অভিহিত করা হয়। এছাড়া পাত্র পাত্রীর উভয়ের একই রাশি হলে যোটক বিচারে শুভ ফল প্রদান করে।

রাজযোটক :

কথায় বলে- “পুরুষের ভাগ্যে জন ও নারীভাগ্যে ধন”।তাই অনেক পাত্র পক্ষ সুলক্ষণা ভাগ্যবতী পত্রীর খোঁজ করেন যাতে সেই পাত্রীর ভাগ্যযোগে তার স্বামীর আর্থিক ও বৈষয়িক উন্নতি হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে মিলনে কোনও বাধা আছে কিনা সেটা পর্যবেক্ষণ করার জন্য যোটক বিচার করার প্রয়োজন হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে যোটক বিচার করার সময় বিশেষ করে তিনটি বিষয় দেখার প্রয়োজন আছে।
প্রথমত - রাশির সঙ্গে রাশির মিলন।

দ্বিতীয়ত - অষ্ট-কূট বিচারের মাধ্যমেও গুণাগুণ সংক্রান্ত ব্যাপারে অবহিত হওয়া।
তৃতীয়ত - রাশিচক্রে বিবাহের স্থান এবং নর-নারী অর্থাৎ জাতক-জাতিকার আয়ু-স্থান এবং কোনও বিবাহ বিচ্ছেদ বা দুর্ঘটনা যোগ আছে কিনা তা জানা দরকার।

এছাড়াও অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। যেমন সন্তান কেমন হবে, বিবাহের পরে ভাগ্য উন্নতি হবে কিনা, স্বভাব চরিত্র কেমন হবে, স্বাস্থ্য ভাল যাবে কিনা, বিবাহিত জীবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিল হবে কিনা ইত্যাদি নানা প্রশ্নের মধ্য দিয়ে পাত্র বা পাত্রী নির্বাচন করা হয়। প্রয়োজন হলে শাস্ত্রীয় বিধি মতে বিবাহের পূর্বে তার প্রতিকার করা হয়।
জন্মকুণ্ডলী বিচার করা হয় লগ্ন ধরে। কিন্তু এখানে জন্ম লগ্ন অপেক্ষা চন্দ্র লগ্ন অর্থাত্ রাশি গুরুত্বপূর্ণ । কোন কোন রাশির সঙ্গে কোন কোন রাশির মিলন হতে পারে তা জানা দরকার। জাতক এবং জাতিকার যদি রাশি একই হয় তাহলে তা শুভ এবং রাজযোটক মিলন।

এছাড়াএ প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগের উল্লেখ পাওয়া যায়, যাকে বিবাহ ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ যোগ বলা হয়েছে । পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকে এই যোগ থাকলে বিবাহিত জীবন ধন-ধান্যে, সম্পদ-সম্পত্তিতে, সন্তান-সন্তুতিতে পরিপূর্ণ ও আনন্দময় হয়ে ওঠে। এই যোগ বিবাহের ক্ষেত্রে বৈধব্য দশা, ভৌম দোষ সহ রাশি, লগ্ন, নক্ষত্র যাই হোক না কেন, কোন রূপ বিচারের প্রয়োজন পড়ে না। যোটক বিচারের অন্যান্য সাধারণ নিয়ম প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগে প্রযোজ্য নয়।
অশুভ যোটক যেমন পাত্রের রাশির অষ্টমে পাত্রীর রাশি হলে সেই বিবাহ অবশ্যই সম্বন্ধ পরিত্যাগ করা উচিৎ,একে অরিষড়ষ্টক যোগ বলে ,যেমন - পাত্রের রাশি মেষ হলে তার অষ্টম রাশি বৃশ্চিক, বৃষের সাথে ধনু, মিথুনের সাথে মকর, কর্কটের সাথে কুম্ভ, সিংহের সাথে মীন, কন্যার সাথে মেষ, তুলার সাথে বৃষ, বৃশ্চিকের সাথে মিথুন, ধনুর সাথে কর্কট, মকরের সাথে সিংহ, কুম্ভের সাথে কন্যা, এবং মীনের সাথে তুলা।

বিপরীতে পাত্রীর রাশির ষষ্ঠ পাত্রের রাশি হলে সে বিবাহ অতিশয় শুভ ফল প্রদান করে , এই যোগকে মিত্রষড়ষ্টক যোগ বলে , যেমন - পাত্রীর রাশি মেষ আর পাত্রের রাশি কন্যা, বৃষের সাথে তুলা, মিথুনের সাথে বৃশ্চিক, কর্কটের সাথে ধনু, সিংহের সাথে মকর, কন্যার সাথে কুম্ভ, তুলার সাথে মীন, বৃশ্চিকের সাথে মেষ, ধনুর সাথে বৃষ, মকরের সাথে মিথুন, কুম্ভের সাথে কর্কট এবং মীনের সাথে সিংহ।

উদাহরণ স্বরূপ :

পাত্রের মেষ রাশি আর পাত্রীর কন্যা রাশি বা তুলা রাশির পাত্রের সহিত মীন রাশির পাত্রী যেন না হয়ে যায় তাহলে মহা সর্বনাশ ঘটে যাবে তাতে সন্দেহ নেই।
মনে রাখতে হবে মিত্রষড়ষ্টক যোগ উল্টো হলে বিপরীত ফল প্রদান করবেই করবে। (আবারও বলি পাত্রীর রাশির ষষ্ঠে পাত্রের রাশি হবে) এর বিপরীত যোগের বিবাহে স্বামী স্ত্রী হবে বিরুদ্ধ মতাবলম্বী, সুখের সংসারে নেমে আসবে দুঃসহ দুঃখ, বেদনা, বিচ্ছেদ ও বৈধব্যদশা। এই যোগের বিবাহ স্বয়ং দেবতাগনেরও পরিত্যাজ্য।

8. ত্রিনাড়ীকুট- ত্রিনাড়ীকুট বিচারের শুভ প্রভাবে সংসার সমাজ ও সভ্যতার শুভ যোগাযোগ তৈরী করে, দাম্পত্য জীবনে শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হয়। আর বিপরীত প্রভাবে অশান্তির তীব্র অনল জ্বলতে থাকে। বিবাহের পর সামাজিক কলহ, বিচ্ছেদ, একাকী জীবন যাপন, পিতামাতাসহ সংসারের আত্মীয় পরিজন ছেড়ে বনবাস বা বিদেশ বাস প্রভৃতি ঘটে, একমাত্র ত্রিনাড়ী কুটের অশুভ প্রভাবের ফলে।
ভৌম দোষ বা মাঙ্গলিক দোষ। পাত্রপাত্রীর জন্ম কুন্ডলীর লগ্নে, চতুর্থে, ষষ্ঠে, অষ্টমে এবং দ্বাদশে মঙ্গল অবস্থান করলে জ্যোতিষশাস্ত্রে একে ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ বলে। এই দোষ দাম্পত্য জীবনে বিদ্রোহ, ফাটল, অশান্তি, বিচ্ছেদ ছাড়াও পাত্রের ক্ষেত্রে বিপত্নীক এবং পাত্রীর ক্ষেত্রে বিবাহিত জীবনে স্বামীর অকাল জীবনাবসান এর ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া এদের বিবাহিত জীবনে কোন এক সময়ে দাম্পত্য-অশান্তির মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যা পাত্র/পাত্রীকে মৃত্যুতুল্য করে তোলে। এক কথায় উভয়েরই মনের মৃত্যু ঘটে যায়। তবে এই ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ পাত্র পাত্রীর উভয়ের জন্মকুন্ডলীতে থাকলে তাদের বিবাহিত জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উভয়েই দীর্ঘায়ু লাভ করে ছাড়াও সমাজে মানব সভ্যতার অগ্রগতি সাধন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
জন্ম কুণ্ডলীতে ১২টি করে ঘর থাকে। তার মধ্যে অন্তত ৫টি ঘরে মঙ্গলের অবস্থান একজনকে মাঙ্গলিক হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ভৌম দোষের কম-বেশি থাকে। যত কম ঘরে মঙ্গল অবস্থান করবে, তার প্রভাবও ততই কম হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশই মাঙ্গলিক। লগ্ন, চতুর্থ, সপ্তম,অষ্টম, দ্বাদশ স্থানে মঙ্গলের অবস্থানকে মাঙ্গলিক দোষ বলাহয়। পুরুষের এই দোষ স্ত্রীর জন্য অশুভ এবং স্ত্রীর পক্ষে স্বামীর, ইহা পরীক্ষীত ও প্রমাণিত।

কোন জাতক বা জাতিকার কোষ্ঠী বিচারে আগেই যদি জানতে পারা যায় যে তার দাম্পত্য সুখের যোগ নেই, তা হলে তার বিবাহের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে এবং ঐ জাতক বা জাতিকার জন্য সম্ভাব্য পাত্রী বা পাত্রের কোষ্ঠী বিচার করে দেখা যেতে পারে যে সেই কোষ্ঠীতে দাম্পত্য সুখের সম্ভাবনা কি রকম। পাত্র বা পাত্রীর সাধারণভাবে জন্ম-কুন্ডলীতে লগ্নের সপ্তমভাব থেকে জায়া বা পতির বিচার করা হয়। সপ্তমভাবে যে যে গ্রহের যোগ বা দৃষ্টি, সপ্তমভাবপতি, সপ্তমভাবপতি যে যে রাশি ও নবাংশে অবস্থিত সেই সেই রাশি ও নবাংশের অধিপতি, সপ্তমভাব ও পত্নীর কারকগ্রহ শুক্র, শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তম রাশাধিপতি – পতি-পত্নী ও বিবাহিত জীবনের উপর এই সকল গ্রহেরই প্রভাব আছে।
বিবাহিত জীবন বিষয়ে সপ্তমভাবের মত দ্বিতীয়ভাবও বিচার করতে হবে।কারণ, দ্বিতীয়ভাব কুটুম্বস্থান। বিবাহিত জীবনে সাফল্য বা অসাফল্যের পিছনে কুটুম্বদের ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ, পতি পত্নীর উভয় পক্ষেরই। সেই কারণেই বিবাহিত জীবনের জ্যোতিষিক অনুসন্ধানে ধনভাব/কুটুম্ব স্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, চতুর্থভাব (সুখ) এবং দ্বাদশ (শয্যা সুখ) ভাবেরও গুরুত্ব আছে।
রাহু ও কেতু ভিন্ন যে গ্রহের স্ফুটাংশ (রাশি ব্যতীত অংশ-কলাদি) সর্বাপেক্ষা কম, সেই গ্রহকেও জায়া কারক আখ্যা দেওয়া হয়। চর-কারকত্বে যে গ্রহ জায়া কারক হিসাবে নির্ণীত হবে, বিবাহিত জীবনে তারও প্রভাব আছে। স্থির-কারকত্বে শুক্র পত্নীকারক গ্রহ। সপ্তমভাবপতি ও সপ্তমপতির নবাংশপতি হতে পতির বিচার করতে হয়।
বিবাহোত্তর জীবনে সুখলাভের সম্ভাবনা বিষয়ে প্রাচীন জ্যোতিষ গ্রন্থাদিতে যা পত্নীসুখ বিষয়ে লিখিত, তা পতিসুখ সম্বন্ধেও প্রযোজ্য।
লগ্নের সপ্তমস্থান শুভ গ্রহের ক্ষেত্র এবং শুভগ্রহ দ্বারা যুক্ত বা দৃষ্ট হলে পত্নীসুখ ও শ্বশুর কুলোদ্ভব সুখ হয় এবং স্ত্রী রূপবতী গুণবতী হয়। বিপরীতে- বিপরীত ফল হয় অর্থাৎ সপ্তমস্থান পাপক্ষেত্র হয়ে পাপগ্রহযুক্ত বা দৃষ্ট হলে ঐ প্রকার সুখ হয় না। শুভাশুভ মিশগ্রহে মিশ্র ফল চিন্তনীয়।

লগ্নাপেক্ষা সপ্তমে বহু পাপগ্রহের অবস্থানে বহু স্ত্রী সত্ত্বেও স্বল্প সুখ এবং বহু শুভগ্রহের অবস্থানে একটি স্ত্রী হলেও বিশেষ সুখ হয়। পতির কুন্ডলীতে লগ্নপতি ও সপ্তমপতি যে গ্রহের ক্ষেত্রে ও নবাংশে অবস্থিত, সেই গ্রহের ক্ষেত্রে বা নবাংশে স্ত্রীর জন্ম হলে সেই পত্নী স্বামীর সুখদায়িনী হয়ে থাকে। পতির জন্মকুন্ডলীতে চন্দ্র যে রাশিতে অবস্থিত, সেই রাশির সপ্তমরাশিদর্শী গ্রহের বা তদরাশি স্থিত গ্রহের ক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর জন্ম হয়, তাহা হলে সেই স্ত্রী পতিপ্রিয়া হয়।
নারীর জন্মকুন্ডলীতে দ্বিতীয়, সপ্তম ও দ্বাদশপতি বৃহস্পতি দৃষ্ট এবং কেন্দ্র কোনস্থ হলে, অথবা সপ্তমপতির দ্বিতীয়ে, সপ্তমে বা একাদশ স্থানে শুভ গ্রহের অবস্থানে জাতক/ জাতিকা স্ত্রী/ পতি পুত্র সুখে সুখী হয়।

চন্দ্র ও লগ্ন হতে সপ্তমভাব যদি নবমপতি বা স্বীয় পতি বা শুভগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট হয়, তাহা হলে সপ্তমভাবের শুভ হয় এবং সেক্ষেত্রে বিবাহিত জীবন সুখের হয়।

সপ্তমভাব যদি সমরাশি হয়, সেই রাশ্যাধিপতি ও শুক্র যদি সমরাশিস্থিত হয় এবং পঞ্চম ও সপ্তমভাবের অধিপতিদ্বয় বলবান হয় ও অস্তমিত না হয়, তাহা হলে স্ত্রীপুত্র সুখ হয়।

কোন নারীর জন্মকুন্ডলীতে যদি :

ক) লগ্ন বা লগ্নপতি ও চন্দ্র সমরাশিস্থিত এবং শুভগ্রহ যুক্ত, অথবা
খ) চন্দ্র, লগ্ন ও চতুর্থভাব যদি শুভ গ্রহ যুক্ত বা দৃষ্ট, বা
গ) লগ্নাপেক্ষা ত্রিকোণে (লগ্নে, পঞ্চমে, নবমে) শুভগ্রহেরা অবস্থিত, অথবা যদি সপ্তমভাব ও ঐ ভাব নবংশের অধিপতি শুভগ্রহ হয়, তাহা হলে সেই নারী গুণবতী ও সৌভাগ্যবতী হয়। পতিসুখ না পেলে সেই নারীকে সৌভাগ্যবতী বলা যাবে না, সুতরাং এই সকল যোগে পত্নী পতিসৌখ্যলাভ করে।

পত্নীর পতিপ্রিয়া হবার আরও কয়েকটা যোগ :

ক) লগ্ন সমরাশিতে এবং মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র অতীব বলবান,
খ) লগ্নের নবাংশপতি শুভ গ্রহ
গ) লগ্নে শুক্র ও চন্দ্র বা বুধ ও চন্দ্র বা বুধ ও শুক্র অথবা শুভগ্রহ থাকলে,
ঘ) সপ্তমে একাধিক শুভগ্রহ বা পূর্ণচন্দ্র থাকলে,
ঙ) গুরু, শুক্র, বুধ ও চন্দ্র সকলেই লগ্নকে পূর্ণদৃষ্টি দিলে,
চ) লগ্ন থেকে কেন্দ্র কোণে বৃহস্পতি, বিশেষতঃ স্বগৃহে বা তুঙ্গ রাশিতে,
ছ) অষ্টমভাব থেকে নবমে এবং লগ্ন হতে নবমে শুধুমাত্র শুভ গ্রহের অবস্থান,
জ) লগ্ন ও রাশি শুধুমাত্র শুভগ্রহ দ্বারা দৃষ্ট।
দাম্পত্য সম্প্রীতি বা পতি-পত্নীর পরস্পর মিত্রতা-শত্রুতা বিষয়ে নানা যোগের উল্লেখ করার সময় অনেক সময় দাম্পত্যসুখের অভাবের যোগের কথাও বলা হয়েছে, তবে দাম্পত্য সুখের অভাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু যোগ :

১) শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তমে পাপগ্রহের অবস্থান বা শুক্র পাপযুক্ত,
২) চন্দ্র সপ্তমস্থ, সপ্তমপতি ব্যয়স্থ এবং শুক্র দুর্বল,
৩) দ্বাদশপতি লগ্নে বা সপ্তমে,
৪) ব্যয়াধিপ শত্রু নবাংশে নীচ নবাংশে, অষ্টমভাব-নবাংশে বা ষষ্ঠাষ্টমে স্থিত,
৫) শুক্রের ত্রিকোণে অর্থাৎ পঞ্চমে বা নবমে শনির অবস্থান,
৬) সপ্তমে শনির অবস্থান,
৭) সপ্তমপতি পাপ নবাংশে, বা নীচ নবাংশে,
৮) ক্রুর ষষ্ঠাংশে,
৯) শুক্র নীচ নবাংশে,
১০) সপ্তমপতি রবির রাশিতে অর্থাৎ সিংহে এবং রবি পাপগ্রহের রাশিতে বা নবাংশে এবং পাপগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট,
১১) চন্দ্রের রাশিতে সপ্তম পতি ও চন্দ্র পাপ নবাংশে,
১২) স্ত্রীজাতকের সপ্তমে বা অষ্টমে পাপগ্রহ, বিশেষতঃ সপ্তমে একাধিক দুর্বল পাপগ্রহের অবস্থান, অথবা সপ্তমে পাপগ্রহ দৃষ্ট রবি স্থিত হলে।

দাম্পত্য সুখ বিচারে পতি-পত্নীর মিত্রতা-বৈরিতা বিচার ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। বিবাহে পাত্র-পাত্রীর কোষ্ঠীর মিল দেখার জন্য প্রচলিত যে অষ্টকূট যোটক বিচার পদ্ধতি ঐ পদ্ধতির অষ্টকুটের অন্যতম কুট, বর ও কন্যার উভয়ের রাশির অধিপতির মিত্রতা, ভাবী স্বামী-স্ত্রীর মানসিক সৌখ্যের অন্যতম নির্ণায়ক হিসাবে গণ্য হতে পারে। তবে এ’ছাড়া উভয়ের চন্দ্রস্থিত নবাংশ পতিদ্বয়ের এবং উভয়ের চন্দ্রস্থিত রাশির অধিপতির দ্বয়ের যে যে নবাংশে অবস্থিত সেই নবাংশ পতিদ্বয়েরও মিত্র আছে কিনা দেখা প্রয়োজন, থাকলে ভাবী বর বধুর মানসিক সম্প্রীতি বুঝতে হবে, না থাকলে সম্প্রীতির অভাব বুঝতে হবে।

দাম্পত্য সুখ বা সুখের অভাব সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কিছু যোগের উল্লেখ এই প্রবেন্ধে করা হল, তবে কোন দম্পতির জীবনে সুখ বিষয়ে সিদ্ধান্ত করার জন্য, শুধুমাত্র এই যোগগুলি বা এই ধরণের যোগের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা যাবে না। উভয়ের কোষ্ঠীর সামুহিক মূল্যায়ন, যোগকারী গ্রহের এবং চন্দ্র ও শুক্রের বলাবল ও শুভাশুভত্ব বিবেচনা করতে হয় ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190904144247

Wednesday, September 4th, 2019

Astro Research Centre

জন্মপত্রিকা বা জন্ম কুণ্ডলী বা কোষ্ঠীতে (Horoscope )কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুভ যোগ (good Planet combination )

জন্মপত্রিকা বা জন্ম কুণ্ডলী বা কোষ্ঠীতে  (Horoscope )কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুভ যোগ (good Planet combination )

জন্মপত্রিকা বা জন্ম কুণ্ডলী বা কোষ্ঠীতে (Horoscope )কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুভ যোগ (good Planet combination )

(১) অধিযোগ - যদি বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র-এই তিন নৈসর্গিক শুভ গ্রহ চন্দ্র থেকে ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮মে থাকে তবে এই যোগ হয়। এই তিন গ্রহের সব কটি বা যে কোন একটি বা দু'টি এই তিন ঘরের সব কটিতে বা একটি দুটিতে অবস্থান করতে হবে। অনেক জ্যোতিষীর মতে চন্দ্র থেকে শুভ গ্রহ থাকলে যেমন এই যোগ হয় তেমনি লগ্ন থেকেও ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮মে উক্ত তিন শুভ গ্রহের অবস্থিতিও এই যোগ তৈরী করতে পারে। এখানে বলে রাখা ভাল, যদি লগ্ন বা চন্দ্র থেকে ৬ষ্ঠে, ৭মে অথবা ৮মে পাপ গ্রহ থাকে তা হলে ফল কিন্তু হবে ঠিক বিপরীত।
ফল - সুখী, ভদ্র, প্রাচুর্য, শত্রুজয়ী, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু। ফল কতটা ফলবে তা নির্ভর করে গ্রহের বল ও সঠিক দশা-অন্তর্দ্দশার উপর।

(২) পারিজাত যোগ - লগ্নাধিপতি যে রাশিতে থাকবে সেই রাশির অধিপতি যে রাশিতে অবস্থান করবে তার অধিপতি যদি লগ্ন থেকে কোণে, কেন্দ্রে অথবা স্বক্ষেত্রে বা তুঙ্গী ক্ষেত্রে থাকে তবে এই যোগ হয়।
ফল - মধ্য ও শেষ জীবনে সুখী। সম্মানিত, বিখ্যাত ও ঐশ্বর্যশালী।
উদাহরণ হিসাবে ১৪(৩) চিত্রে দেখান ছকটি ধরা যাক। মেষরাশিতে লগ্ন, শনি ও বৃহস্পতি; কন্যায় রাহু; মকরে মঙ্গল ও চন্দ্র; কুম্ভে বুধ; মীনে কেতু, শুক্র ও রবি। এখানে লগ্নাধিপতি মঙ্গল মকরে তুঙ্গী। মকরের অধিপতি শনি মেষলগ্নে অবস্থিত। সেই মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল লগ্নের ১০ম ঘরে তুঙ্গী। অতএব পারিজাত যোগ হয়েছে। আবার চন্দ্র থেকে বৃহস্পতি ৪র্থ কেন্দ্রে থাকায় গজকেশরী যোগও হয়েছে। ১০ম পতি ( ও ১১শ পতি ) শনির সঙ্গে লগ্নপতি ( ও ৮ম পতি ) মঙ্গলের স্থান বিনিময়ও হয়েছে। জাতক বিদ্বান ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি। সুনাম ও সম্মানের অধিকারী এবং অর্থবান। তবে শনি নীচস্থ হওয়াতে এবং জন্মকুণ্ডলীতে মঙ্গল মকর রাশির একেবারে গোড়াতে রাশিসন্ধিতে অবস্থান করাতে মঙ্গল বর্গোত্তম হওয়া সত্বেও শনি ও মঙ্গল উভয়েই কিছুটা দুর্বল। কর্মে উন্নতি ও অর্থাগম হয়েছে তবে খুব ধীরে ধীরে।

(৩) ভেরী যোগ - লগ্নাধিপতি, শুক্র ও বৃহস্পতি পরস্পরের কেন্দ্রে অবস্থিত হলে এবং ৯ম পতি শক্তিশালী হলে এই যোগ হয়।
ফল - রোগহীন, দীর্ঘায়ু, স্ত্রী ও সন্তান সুখে সুখী, উদার ও সম্মানিত।
একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। তুলারাশিতে লগ্ন ও শনি; মকরে মঙ্গল, বুধ ও শুক্র; কুম্ভে রবি, রাহু; মিথুনে চন্দ্র; কর্কটে বৃহস্পতি ও সিংহে কেতু। ছকটা এঁকে নিন। এখানে শুক্র নিজেই লগ্নাধিপতি। বৃহস্পতি (কর্কটে তুঙ্গী) ও শুক্র পরস্পরের কেন্দ্রে। ৯ম পতি বুধ ৪র্থ কেন্দ্রে লগ্নপতির সঙ্গে যুক্ত ও তুঙ্গী বৃহস্পতির দ্বারা দৃষ্ট। নবাংশে ( এখানে দেখান হয় নি ) বুধ স্বক্ষেত্রে অবস্থিত। অতএব ৯ম পতি বুধ বলশালী। জাতকের ভেরী যোগ হয়েছে এবং যথেষ্ট সুফল ভোগ করেছে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে বৃহস্পতি শনির ১০ম দৃষ্টির দ্বারা এবং মঙ্গলের ৭ম দৃষ্টির দ্বারা দৃষ্ট হওয়ায় অশুভ। তবে শনি তুলা লগ্নে রাজযোগকারী গ্রহ (৪র্থ ও ৫ম পতি) হওয়ায় অশুভত্ব অনেক কম। আবার বৃহস্পতি ৩য় ও ৬ষ্ঠ পতিও বটে। এদের অশুভ ফল ত ফলবেই। নিরবচ্ছিন্ন ভাল হয় না কিছু খারাপও সঙ্গে থাকে।

(৪) শঙ্খ যোগ - ৫ম ও ৬ষ্ঠ পতি পরস্পরের কেন্দ্রে এবং লগ্নাধিপতি বলশালী হলে এই যোগ হয়।
ফল - আমোদপ্রিয়, সুখী, বিদ্বান ও দীর্ঘজীবী।
উদাহরণ : লগ্ন কুম্ভ; মীনে রাহু; বৃষে শনি ও চন্দ্র; কর্কটে রবি; সিংহে মঙ্গল, বুধ ও শুক্র; কন্যায় কেতু; বৃশ্চিকে বৃহস্পতি। ছকটা এঁকে নিন। এখানে ৫ম ও ৬ষ্ঠ পতি যথাক্রমে বুধ ও চন্দ্র পরস্পরের কেন্দ্রে অবস্থিত। দুটি গ্রহই মিত্র ক্ষেত্রে ( চন্দ্র বৃষে শুক্রের ঘরে এবং বুধ সিংহে রবির ঘরে ) অবস্থিত। লগ্নপতি শনি ৪র্থ কেন্দ্রে বৃষ রাশিতে বন্ধুর ঘরে অবস্থান করে ১০ম দৃষ্টিতে লগ্নকে দেখছে, অতএব লগ্ন বলযুক্ত হয়েছে। এটি একটি শঙ্খ যোগের উদাহরণ। তবে লগ্নপতি শনি ৬ষ্ঠ পতি চন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত। ৭ম পতি রবি ৬ষ্ঠে রয়েছে এবং শনির দ্বারা দৃষ্ট। কিছু খারাপ ফল ত ফলবেই।

(৫) সরস্বতী যোগ - বৃহস্পতি, শুক্র ও বুধ কোন কুণ্ডলীতে এক সঙ্গে বা পৃথক ভাবে যদি ২য়, ৪র্থ, ৫ম, ৭ম, ৯ম, ১০ম ঘরে অবস্থান করে তবে এই যোগ হয়।
ফল - কবি, লেখক, বহু বিষয়ে জ্ঞান, প্রশংসিত ও সম্মানিত, স্ত্রী ও সন্তান বিষয়ে শুভ।
বৃহস্পতি, শুক্র ও বুধ এই তিনটি নৈসর্গিক শুভ গ্রহের উল্লিখিত ঘর গুলিতে অবস্থানের সম্ভাবনা মোটেই বিরল নয় এবং অনেক জন্মকুণ্ডলীতেই হয় ত এই যোগ পাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছকে এই যোগ ছিল। কিন্তু যাদেরই এই যোগ রয়েছে তারা ত সবাই রবীন্দ্রনাথের মত বিরল প্রতিভা ও সম্মানের অধিকারী ন঑ন। সেই জন্যই বলা হয়েছে যে কোন যোগের ফল সঠিক ভাবে পেতে হলে গ্রহকে শক্তিশালী হতে হবে এবং তাদের অবস্থান কোন অশুভ গ্রহের সংযোগ বিহীন হওয়াও প্রয়োজন। এই যোগের ফলে বলা হয়েছে স্ত্রী ও সন্তান বিষয়ে শুভ; কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এই বিষয়ে শোক পেয়েছেন যথেষ্ট। কারণ এই যোগ জনিত গ্রহসংস্থান এবং অন্যান্য গ্রহের অবস্থান রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি হিসাবে পরিচিতি দিলেও তাঁর জায়া ও সন্তান স্থান অন্যভাবে ক্লীষ্ট ছিল। এই ভাবে সামগ্রিক দৃষ্টিতে কোন কুণ্ডলী বিচার করতে না পারলে, শুধু আক্ষরিক অর্থে বিশ্লেষণ করলে সঠিক ফল বের করে আনা কঠিন। রবীন্দ্রনাথের জন্মকুণ্ডলী পরে বিশদ ভাবে বিশ্লেষণ করা হবে।

(৬) গৌরী যোগ - রাশিচক্রের ১০ম পতি নবাংশে যে রাশিতে থাকবে, তার অধিপতি যদি রাশিচক্রে তুঙ্গী হয়ে লগ্ন থেকে ১০মে থাকে তবে এই যোগ হয়। অনেক জ্যোতিষী মনে করেন, যদি ৯ম পতি এবং চন্দ্র রাশিচক্রে তুঙ্গী বা স্বক্ষেত্রগত হয়ে লগ্ন থেকে কেন্দ্র বা কোণে অবস্থান করে, তা হলেও এই যোগ হয়।
ফল - সম্ভ্রান্ত, উচ্চ পদাধিকারী, সবার দ্বারা প্রশংসিত।
উদাহরণ স্বরূপ এই ছকটি এঁকে নিন। রাশিচক্র - মিথুনে বুধ, রাহু, শুক্র; কর্কটে বৃহস্পতি, রবি, মঙ্গল; কন্যায় চন্দ্র; লগ্ন তুলা; ধনুতে কেতু এবং মীনে শনি। নবাংশচক্র - মিথুনে বুধ; কর্কটে কেতু; ধনুতে রবি ও শনি; মকরে রাহু; কুম্ভে মঙ্গল, শুক্র এবং মীনে লগ্ন, বৃহস্পতি ও চন্দ্র। এখানে ১০ম পতি চন্দ্র নবাংশে মীনে রয়েছে এবং মীনের অধিপতি বৃহস্পতি রাশিচক্রে ১০মে ( কর্কটে ) তুঙ্গী। অতএব গৌরী যোগ হয়েছে। জাতক উচ্চ পদে আসীন সরকারী অফিসার এবং প্রশংসনীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন।

মন্ত্রেশ্বর রচিত ফলদীপিকায় গৌরী যোগের একটা অন্য রকম গ্রহ বিন্যাসের কথা বলা হয়েছে। তার মতে চন্দ্র যদি স্বক্ষেত্র বা তুঙ্গী ক্ষেত্রগত হয়ে লগ্ন থেকে কেন্দ্র বা কোণে অবস্থান করে এবং বৃহস্পতির দ্বারা দৃষ্ট হয়, তা হলেও গৌরী যোগ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্মকুণ্ডলীতে এই যোগ রয়েছে।

(৭) লক্ষ্মী যোগ - বিভিন্ন জ্যোতিষীর এই যোগের বিভিন্ন সংজ্ঞা দিয়েছেন। সেগুলি হল - (ক) লগ্নপতি এবং ৯ম পতি যদি শক্তিশালী হয়ে যুক্ত থাকে; (খ) ৯ম পতি যদি কেন্দ্র, ত্রিকোণ বা তুঙ্গ স্থানে অবস্থিত হয়; (গ) ৯ম পতি এবং শুক্র যদি কেন্দ্রে বা কোণে স্বক্ষেত্রে বা তুঙ্গক্ষেত্রে অবস্থিত হয়।
ফল - জাতক বিত্তবান, বিদ্বান ও সুনামের অধিকারী হয় এবং জীবনে সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য ভোগ হয়।

(৮) জয় যোগ - ৬ষ্ঠ পতি যদি নীচস্থ হয় এবং ১০ম পতি যদি তুঙ্গী হয়ে কোন কুণ্ডলীতে অবস্থান করে, তা হলে জয় যোগ হয়।
ফল - সুখী, শত্রুজয়ী, প্রায় সব কাজে সফল এবং দীর্ঘজীবী।

৬ষ্ঠ স্থান এবং ৬ষ্ঠপতি বাধা বিপত্তির কারণ। এই স্থান শত্রুতা, রোগ, মামলা মোকদ্দমা ইত্যাদির সূচনা করে। ৬ষ্ঠ পতি দুর্বল হলে এগুলি জাতকের খুব ক্ষতি করতে পারে না। পক্ষান্তরে ১০ম স্থান এবং ১০ম পতির অবস্থা থেকে কর্মক্ষেত্র, জীবিকা, সম্মান ইত্যাদির বিচার হয়। ১০ম পতি তুঙ্গী হলে ( অবশ্যই কোন অশুভ প্রভাব থাকা চলবে না ) এ সব থেকে সফলতা আশা করা যায়; অতএব এই যোগের ফল ফলবার সম্ভাবনা সমধিক। তবে সঠিক ফল পেতে হলে যোগকারক গ্রহের বল বিচার অবশ্যই করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ ১৪(৭) কুণ্ডলীটি দেখান হল।

(৯) ভেসি যোগ ( vesi yog ) - রবির ২য়ে চন্দ্র, রাহু ও কেতু ছাড়া অন্য গ্রহ থাকলে এই যোগ হয়।
ফল - ভাগ্যবান, সুখী, ধার্মিক, বিখ্যাত ও সম্ভ্রান্ত
যদি ২য়ে শুভ গ্রহ থাকে তবে শুভ ভেসি যোগ ও পাপগ্রহ থাকলে পাপ ভেসি যোগ হয়। পাপ ভেসি যোগ হলে ফল অবশ্যই উপরে লিখিত ফলের সঙ্গে মিলবে না, ফল হবে বীপরিত। ফল কতটা ফলবে সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে রবি ও ২য়ে অবস্থিত গ্রহের বলের উপর। ধরা যাক একটি ছকে লগ্ন কর্কট। ২য় পতি রবি ১০মে মেষ রাশিতে তুঙ্গী এবং রবির ২য়ে বৃষ রাশিতে শুক্র ( ৪র্থ ও ১১শ পতি ) স্বক্ষেত্রে অবস্থিত। এখানে রবি ও শুক্র অত্যন্ত বলশালী হওয়ায় ভেসি যোগের ফল অত্যন্ত জোরাল হবে। তবে ফল হবে কিন্তু রবি ও শুক্রের দশা অন্তর্দশায়। এই বার কর্কট লগ্নের ছকটিতে যদি রবি তুলা রাশিতে নীচস্থ থাকে এবং ২য়ে বৃশ্চিক রাশিতে শুক্র থাকে তা হলে ফল নিশ্চয়ই এক রকম হবে না।

(১০). ভাসি যোগ ( vasi yog ) - রবির ১২শে চন্দ্র, রাহু ও কেতু ছাড়া অন্য গ্রহ থাকলে এই যোগ হয়।
ফল - সুখী, প্রতিষ্ঠিত, শাসক শ্রেণীর প্রিয়।
ভেসি যোগের মত এখানেও শুভ ভাসি ও পাপ ভাসি যোগ হবে। বিচারও একই ভাবে করতে হবে।

(১১). অমলা যোগ - লগ্ন বা চন্দ্র থেকে ১০মে শুভ গ্রহ অবস্থিত হলে এই যোগ হয়।
ফল - স্থায়ী নাম, যশ, খ্যাতি, নিষ্কলঙ্ক চরিত্রের অধিকারী।
অন্যান্য যোগের মত এখানেও ফলের গভীরতা নির্ভর করবে ১০মে স্থিত গ্রহের বলের উপর।
যে কোন কুণ্ডলীতে ১০ম হল সব চেয়ে শক্তিশালী কেন্দ্র; সেখানে জোরাল শুভ গ্রহের অবস্থান যে কোন জাতকের পক্ষে অত্যন্ত শুভ দায়ক হবে সেটা বলাই বাহুল

(১২) দেহসৌখ‍্যযোগ
লঙ্গপতি,বৃহস্পতি বা শুক্র যদি লঙ্গের কেন্দ্র স্হানে অবস্হিত হয় তবে দেহসৌখ‍্যযোগ সূচিত হয়।
ফলাফল:
এইরুপ জাতক দীর্ঘায়ু, ধনবান, সুসাস্থের অধিকারী ও রাজনৈতিক দিক থেকে সুবিধা লাভে সক্ষম হয়।
মন্তব্য:
জন্মকুন্ডলীতে লগ্নপতি,বৃহস্পতি ও শুক্র কেন্দ্রে অবস্থিত হলে এই যোগটি অত‍্যন্ত শুভ ও প্রবল বলে বলে বিবেচিত হবে।
যোগটি অত‍্যন্ত শুভযোগ যা খুব কম জন্মকুন্ডলীতে দৃষ্ট হয় ।

(১৩) বুধাদিত্য যোগ - রবির সঙ্গে বুধের যোগ হলেই এই যোগ হয়। যে কোন গ্রহ রবির ১৫ ডিগ্রির মধ্যে এলে অস্তগত (combust) হয় এবং গ্রহটি দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু বুধের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম রয়েছে। রবির থেকে বুধের দূরত্ব ১০ ডিগ্রির কম হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। যেহেতু বুধ রবির খুব কাছে থেকেই আবর্তিত হয় তাই এই যোগ খুবই সহজ লভ্য।
ফল - অত্যন্ত বুদ্ধিমান, সম্মানিত ও সুনামের অধিকারী। বুধ এবং রবি একই সঙ্গে অবস্থিত হলেই যে ফল ভাল হবে তা নয়। এই যোগ যথাযথ ফল দেবে যদি রবি ও বুধের বল যথেষ্ট হয়। মনে রাখতে হবে বুধ অগ্নি ও বায়ু রাশিতে সব চেয়ে বেশী নিজেকে প্রকাশ করে। অনেকের মতে এই যোগ বেশী ফলদায়ক হবে যদি বুধ ও রবি মেষ, মিথুন, সিংহ বা কন্যা রাশিতে সংযুক্ত হয়। মেষ রবির তুঙ্গী ক্ষেত্র, মিথুন বুধের স্ব্ক্ষেত্র, সিংহ রবির স্বক্ষেত্র এবং কন্যা বুধের স্বক্ষেত্র ও তুঙ্গীক্ষেত্র। কন্যা যদিও পৃথ্বীরাশি, তবুও বুধের স্বক্ষেত্র ও মূলত্রিকোন বলে এই রাশিতে ভাল ফল দিতে পারে। তবে অধিকাংশই নির্ভর করবে বুধের শক্তির উপর। সেই জন্যই গ্রহের বল নির্ণয় খুব প্রয়োজন। নির্দ্দিষ্ট জন্মকুণ্ডলী বিশ্লেষণের সময় এ সম্বন্ধে আরও আলোকপাত করা যাবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই যোগ মেষ রাশিতে, বঙ্কিমচন্দ্র ও শরৎচন্দ্রের ক্ষেত্রে এই যোগ যথাক্রমে মিথুন ও কন্যা রাশিতে ছিল।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190904134822

Wednesday, September 4th, 2019

Astro Research Centre

মানব জীবনে শ্রী যোগ, চন্দ্র মঙ্গল যোগ , কালসর্প যোগ, সম্পদবৃদ্ধি যোগ, শুভ যোগ,অশুভ যোগ, গুরু সৌরি যোগ, শ্রী যোগ বা মহালক্ষী যোগ, বৃহস্পতি মঙ্গল যোগ

মানব জীবনে শ্রী যোগ, চন্দ্র মঙ্গল  যোগ , কালসর্প  যোগ,  সম্পদবৃদ্ধি যোগ, শুভ যোগ,অশুভ যোগ,  গুরু সৌরি যোগ, শ্রী যোগ বা মহালক্ষী যোগ, বৃহস্পতি মঙ্গল যোগ

মানব জীবনে কমলা যোগ, চন্দ্র অঙ্গার যোগ সম্পদবৃদ্ধি যোগ, অতিশুভ যোগ, গুরু সৌরি যোগ, শ্রী যোগ
মহালক্ষী যোগ, বৃহস্পতি মঙ্গল যোগ

১)ধন ঐশ্বর্যের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সমাজে প্রতিষ্ঠা, সম্মান, ক্ষমতা, সুখ, শান্তি এবং জীবনে সমস্ত প্রকারের সুখ বিলাসিতা ভোগ করতে পারেন।
রাশিচক্রে ত্রিকোণ ভাবগুলি লক্ষ্মী দেবীর বাসস্থান এবং পঞ্চম ও নবম-পতির বিত্ত প্রদান করার বিশেষ ক্ষমতা আছে। লগ্নপতি অর্থাৎ আপনার লগ্ন রাশির অধিপতি ত্রিকোণে অর্থাৎ লগ্ন ভাবে বা পঞ্চম ভাবে বা নবম ভাবে যদি অবস্থান করে এবং তার সঙ্গে একাদশপতি অর্থাৎ আয়পতির দৃষ্টি যদি ধন স্থানে থাকে এবং দ্বিতীয়ে কোনও শুভ গ্রহের দৃষ্টি থাকলে লক্ষ্মী যোগ বা ধন যোগ যোগের সৃষ্টি হয়। তবে মনে রাখতে হবে উক্ত গ্রহগুলির বলাবলের ওপর শুভ ফলের তারতম্য হয়ে থাকে।

২)জ্যোতিষ-মতে, লক্ষ্মী যোগ খুব সাধারণ ব্যাপার নয়। মঙ্গল ও চন্দ্রের সহাবস্থানও এই যোগকে সূচিত করতে পারে।• জাতকের কোষ্ঠীতে যদি দ্বিতীয় ঘরের অধিপতি গ্রহ একাদশে এবং একাদশের অধিপতি গ্রহ দ্বিতীয়ে অবস্থান করে, তা হলে লক্ষ্মী যোগ সূচিত হয়।• যদি দ্বিতীয়ের অধিপতি গ্রহ এবং একাদশের অধিপতি নবম ঘরের অধিপতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে, তবে লক্ষ্মী যোগের সম্ভাবনা প্রবল।• কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থানও এই প্রসঙ্গে যথেষ্ট গ্ৰহনযোগ‍্য।দ্ধিতীয় ঘরে শুক্রের অবস্থান কোন পাপগ্ৰহ ছাড়া ,জাতকের ধনভাগ‍্য তুমূল করে তোলে।

এ বার দেখে যাক এই যোগ থাকলে জাতকের জীবনে ঠিক কী কী হয়—

১) এই শুভ লক্ষ্মী যোগ বা ধন যোগ থাকলে জাতক জীবনে অত্যন্ত ভাগ্যবান ও প্রতিভাবান হন। তা ছাড়া প্রচুর অর্থ ও সম্পদের অধিকারী হন।

২) যে কোনও কাজে এঁরা নিজের প্রতিভা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হন এবং সব কাজে দক্ষ হন।

৩) এঁরা এতটাই ভাগ্যবান হন যে, যে কোনও ভাবে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হতে পারেন।

৪) শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও এঁদের নাম যশ ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। নানা রকম কাজে পারদর্শী হন।

৫) এঁরা খুব বাকপটু। এর ফলে অন্যরা এঁদের কথায় খুব তাড়াতাড়ি মুগ্ধ হয়ে যান। কথার দ্বারা সকলের মন জয় করতে পারেন এঁরা। তা ছাড়া কথার মাধ্যমে যে কোনও কঠিন কাজ সরল ভাবে করে ফেলতে সক্ষম এঁরা।

৬)এরা অনেক বাঞ্ছিত গুনের অধিকরী,সৎচরিত্রের হয় ও খুব পরকারী হয়।

৭)এরা অত্যন্ত ক্রোধী ও জেদী হয়,অন‍্যায়ের সঙ্গে আপস না করে চলা এদের পছন্দ।

বিভিন্ন রাশির জাতকের ধনভাগ্য কেমন ?

জ্যোতিষ শাস্ত্র—মেষ— পঞ্চম ঘরে মঙ্গল, শনি এবং বৃহস্পতি থাকায় ভনাগম মন্দ নয়।বৃষ— দ্বিতীয় ঘরে শনি-মঙ্গলের অবস্থানহেতু এঁদের ধনাগম আকস্মিক।মিথুন— বুধ ও শনি নবম ঘরে তাদের স্থান পরিবর্তন করে, ফলে ধনাগম যথেষ্ট। এতে চন্দ্র যোগ দিলে সোনায় সোহাগা। পিতৃধন লাভ নিশ্চিত।কর্কট— দ্বিতীয় বা দ্বাদশ ঘরে শুক্র অবস্থান করায় এবং বৃহস্পতি কেতুর সঙ্গে স্থান বিনিময় করায় ধন ও খ্যাতি— দুই-ই লাভ হয়।সিংহ— চতুর্থ ঘরে মঙ্গল থাকলে এবং শুক্র সহেয় হলে ধনাগম রীতিমতো ভাল। ব্যাবসায় শুভ।কন্যা— দ্বিতীয়ে কেতু এবং শুক্র অবস্থান করলে আকস্মিক ধনলাভ। সম্পত্তি ক্রয়ের যোগও থাকে।তুলা— শুক্র ও কেতুর দশায় অর্থাগম হয়। কিন্তু খরচও মন্দ নয়।বৃশ্চিক— বুধ ও বৃহস্পতির প্রবাবে কোটিপতি হওয়ার যোগ থাকে এঁদের।চন্দ্র যোগ দিলে সেই সঙ্গে উদিত হয় অন্য ভাগ্যও।ধনু— অষ্টমে চন্দ্র থাকলে শুভ। রবি-কেতু-বৃহস্পতির প্রভাবেও অর্থাগম হয়।মকর— চন্দ্র সহায় থাকলে বিপুল ধনলাভ। লগ্নে তুলা থাকলে কোটিপতি হওয়ার সম্ভাবনা।কুম্ভ— দশমে চন্দ্র ও শনির স্থান বিনিময়ে লাভের সম্ভাবনা। ষষ্ঠে বুধ অবস্থান করলেও শুভ। অর্থের সঙ্গে খ্যাতি উপরি পাওনা।মীন— দ্বিতীয়ে চন্দ্র এবং পঞ্চমে বুধ থাকলে অর্থাগম নিয়মিত। ষষ্ঠে বৃহস্পতি থাকলে বিপুল ধনাগম।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190904114652

Monday, September 2nd, 2019

Astro Research Centre

পুরাণে গণেশ উপাখ্যান ,গণেশ দিব্ব্য মন্ত্র ,গজানন, লম্বোদর, সিদ্ধিদাতা, দ্বৈমাতুর,grha pratikar, বাহন ইঁদুর ,শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী. রামায়ণমহাভারত এ গণেশ মহাভারত

পুরাণে গণেশ উপাখ্যান ,গণেশ দিব্ব্য মন্ত্র ,গজানন, লম্বোদর,  সিদ্ধিদাতা, দ্বৈমাতুর,grha pratikar, বাহন ইঁদুর ,শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী.  রামায়ণমহাভারত এ গণেশ  মহাভারত

পুরাণে গণেশ উপাখ্যান ,গণেশ দিব্ব্য মন্ত্র ,গজানন, লম্বোদর, সিদ্ধিদাতা, দ্বৈমাতুর,grha pratikar, বাহন ইঁদুর ,শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী. ARC

সিদ্ধিদাতা গণেশ
গণেশ হলেন দেবতাদের মধ্যে অন্যতম দেবতা। শিব ও পার্বতীর পুত্র গণেশ সিদ্ধিদাতা হিসেবে বিশেষভাবে পূজিত হন। তিনি খর্বাকৃতি, ত্রিনয়ন, চতুর্ভুজ এবং হস্তিমস্তক। শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী গণেশের বাহন হচ্ছে ইঁদুর। গণেশ মঙ্গল ও সিদ্ধির জনক বলে সব দেবতার আগে পূজিত হন। হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে তিনি গণপতি, বিনায়ক, গজানন, লম্বোদর, সিদ্ধিদাতা, দ্বৈমাতুর, পিল্লাইয়ার, বিঘ্নেশ্বর, গণাধিপ, একদন্ত ইত্যাদি নামে পরিচিত। গণেশ তাঁর বিভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের জন্য প্রসিদ্ধ। তাঁর হাতির মাথাটিই তাঁকে সর্বাধিক পরিচিতি দান করেছে। অক্ষর ও জ্ঞানের দেবতা রূপে লেখার শুরুতে গণেশকে আবাহন করা হয়। বিভিন্ন শুভকার্য, উৎসব ও অনুষ্ঠানের শুরুতে তাঁর পূজা করা হয়। সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে গণেশ পূজার প্রচলন রয়েছে। জৈন ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যেও গণেশ ভক্তিবাদ মিশে গিয়ে গণেশ পূজার প্রথা বিস্তার লাভ করেছে। ভারত, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে গণেশের মন্দির ও মূর্তি রয়েছে । বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে গণেশ-সংক্রান্ত একাধিক পৌরাণিক উপাখ্যান পাওয়া যায়। এই উপাখ্যানগুলি থেকে গণেশের জন্মবৃত্তান্ত, লীলাকথা ও তাঁর স্বতন্ত্র মূর্তিতত্ত্বের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। গণেশ-সংক্রান্ত প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলি হল গণেশপুরাণ, মুদ্গলপুরাণ ও গণপতি অথর্বশীর্ষ।

গণেশ পূজা মন্ত্র :

একদন্তং মহাকায়ং লম্বোদর গজাননম।
বিঘ্নবিনাশকং দেবং হেরম্বং পনমাম্যহম।।.
অর্থাৎ, “যিনি একদন্ত, মহাকায়, লম্বোদর, গজানন এবং বিঘ্ননাশকারী সেই হেরম্বদেবকে আমি প্রণাম করি।

ধ্যান মন্ত্র –

ওঁ খর্বং স্থূলতনুং গজেন্দ্রবদনং লম্বোদরং সুন্দরং
প্রস্যন্দম্মদগন্ধলুব্ধ মধুপব্যালোলগন্ডস্থলম্ ।
দন্তাঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরং ,
বন্দেশৈল সুতাসুতং গণপতিং সিদ্ধিপ্রদং কামদম্ ।।
.
মন্ত্রঃ – ওঁ গাং গণেশায় নমঃ ।
.
অর্থাৎ, “যিনি খর্বাকৃতি, স্থূলশরীর, লম্বোদর, গজেন্দ্রবদন অথচ সুন্দর; বদন হইতে নিঃসৃত মদগন্ধে প্রলুব্ধ ভ্রমরসমূহের দ্বারা যাঁহার গণ্ডস্থল ব্যাকুলিত; যিনি দন্তাঘাতে শত্রুর দেহ বিদারিত করিয়া তাহার দন্ত দ্বারা নিজ দেহে সিন্দূরের শোভা ধারণ করিয়াছেন; সেই পার্বতীপুত্র সিদ্ধিদাতা গণপতিকে বন্দনা করি।

পৌরাণিক উপাখ্যান : জন্মকথা

সিদ্ধিদাতা গনেশ

শিবপুরাণ – শিবপুরাণ উপাখ্যান অনুসারে, পার্বতী একদিন নন্দীকে দ্বারী নিযুক্ত করে স্নান করতে যান। এমন সময় শিব সেখানে উপস্থিত হন, তিনি নন্দীকে তিরষ্কার করে পার্বতীর স্নানাগারে প্রবেশ করেন। এতে পার্বতী অপমানিত ও ক্ষুব্ধ হন। অবশেষে সখী জয়া ও বিজয়ার সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি জল থেকে পাঁক তুলে একটি সুন্দর পুত্রের মূর্তি নির্মাণ করেন এবং সেই মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর একদিন এই কুমারকে বিশ্বস্ত অনুচর দ্বারী নিয়োগ করে পার্বতী স্নানে গমন করলে তখন শিব তথায় উপস্থিত হন। কুমার শিবকে যেতে বাধা দেন। এতে প্রথমে প্রমথগণের সঙ্গে তার বিবাদ ও পরে পার্বতীর ইঙ্গিতে যুদ্ধ হয়। প্রমথগণ, শিব ও সকল দেবতা এই যুদ্ধে পরাজিত হন। তখন নারদের পরামর্শে বিষ্ণু কুমারকে মোহাচ্ছন্ন করেন ও শিব শূলের দ্বারা তাঁর মস্তক ছিন্ন করেন। এই সংবাদ শুনে পার্বতী ক্রুদ্ধ হয়ে বিশ্বসৃষ্টি বিনষ্ট করতে উদ্যোগী হন। নারদ ও দেবগণ তাঁকে শান্ত করেন। পার্বতী তাঁর পুত্রের পুনর্জীবন দাবি করেন এবং ইচ্ছা প্রকাশ করেন যেন এই পুত্র সকলের পূজ্য হয়। কিন্তু কুমারের ছিন্ন মুণ্ডটি তখন আর পাওয়া গেল না। শিব তখন প্রমথগণকে উত্তরমুখে প্রেরণ করেন এবং যাকে প্রথমে দেখা যাবে তারই মস্তক নিয়ে আসতে বলেন। তারা একটি একদন্ত হস্তিমুণ্ড নিয়ে উপস্থিত হন এবং দেবগণ এই হস্তিমুণ্ডের সাহায্যেই তাঁকে জীবিত করেন। অনন্তর শিব তাঁকে নিজপুত্র রূপে স্বীকার করেন। দেবগণের আশীর্বাদে এই কুমার সকলের পূজ্য হন ও গণেশ নামে আখ্যাত হন।

স্কন্দপুরাণ – স্কন্দপুরাণ মতে গণেশের জন্ম বিষয়ে একাধিক উপাখ্যান বর্ণিত হয়েছে। এই পুরাণের গণেশ খণ্ডে আছে, সিন্দূর নামে এক দৈত্য পার্বতীর গর্ভে প্রবেশ করেন এবং গণেশের মস্তক ছিন্ন করেন। কিন্তু এতে শিশুটির মৃত্যু ঘটে না, বরং সে মুণ্ডহীন অবস্থাতেই ভূমিষ্ট হয়। জন্মের পরে, নারদ এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে গণেশ তাঁকে ঘটনাটি জানান। নারদ এরপর তাকে এর একটি বিহিত করতে বললে, সে নিজের তেজে গজাসুরের মস্তক ছিন্ন করে নিজের দেহে যুক্ত করেন। স্কন্দপুরাণ এর ব্রহ্মখণ্ডে আছে, পার্বতী নিজের গাত্রমল থেকে একটি সুন্দর ও পূর্ণাঙ্গ পুতুল নির্মাণ করে তাতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর পার্বতী তাঁকে নিজের স্নানাগারের দ্বাররক্ষকের দায়িত্ব অর্পণ করেন। শিব স্নানাগারে প্রবেশ করতে গেলে বালক কুমার তাঁকে বাধা দেন। শিবের সঙ্গে তাঁর যুদ্ধ হয় এবং শিব ত্রিশূলে তাঁর মস্তক ছিন্ন করেন।এরপর গজাসুরকে সামনে পেয়ে শিব তার মস্তক ছিন্ন করেন তার মস্তক কুমারের স্কন্ধে যুক্ত করেন।
স্কন্দপুরাণ এর অর্বুদ খণ্ডে বলা হয়েছে, পার্বতী গাত্রমল দিয়ে একটি মুণ্ডহীন পুতুল তৈরি করেন। তারপর স্কন্দকে বলেন, পুতুলটির মাথা তৈরির জন্য একতাল কাদা আনতে, এই পুতুল হবে তাঁর ভাই। স্কন্দ কাদা না পেয়ে একটি হাতির মাথা কেটে আনেন। পার্বতী আপত্তি করলেও দৈবযোগে এই মুণ্ডটিই পুতুলের স্কন্ধে যুক্ত হয়ে যায়। এরপর শক্তিরূপিনী পার্বতী পুতুলটির জীবনদান করেন। গজমুণ্ডযুক্ত পুতুলের দেহে এক বিশেষ নায়কের ভাব ফুটে ওঠে। এই কারণে শিবের বরে ইনি ‘মহাবিনায়ক’ নামে পরিচিত হন। শিব বলেন, এই কুমার গণাধিপতি হবে এবং সকল কাজের আগে এঁর পূজা না করলে কার্যসিদ্ধি হবে না। স্কন্দ এঁকে অস্ত্র কুঠার দান করেন, পার্বতী দেন মোদকপূর্ণ সুগন্ধযুক্ত ভোজনপাত্র। মোদকের গন্ধে ইঁদুর এঁর বাহন হয়।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ – ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে, শঙ্খ চক্র গদ পদ্মধারী কৃষ্ণকে দেখে মুগ্ধ হয়ে পার্বতী অনুরূপ একটি পুত্রকামনা করেন। কৃষ্ণও তাঁকে ইচ্ছাপূরণের বর দেন। এরপর একদিন যখন শিব-পার্বতী স্বগৃহে ক্রীড়ারত ছিলেন, সেই সময় কৃষ্ণ বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের বেশে ভিক্ষা চাইতে আসেন। পার্বতী তাঁকে ভিক্ষা দিতে গেলে শিবের বীর্য পতিত হয় এবং বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ অন্তর্হিত হয়ে কৃষ্ণ শিশুর বেশে পালঙ্কে আবির্ভূত হন। পার্বতী তখন পালঙ্কে ‘শতচন্দ্রসমপ্রভম্’ এক শিশুকে শয্যায় দেখতে পেয়ে আনন্দিত হন। এরপর দেবতা এবং ঋষিগণ কুমারকে দেখতে শিবের ভবনে আসেন। শনি দেবও সেখানে উপস্থিত হন। পার্বতী শনিকে কুমার এর কাছে নিয়ে যেতে চাইলেন। শনি নিজের কুদৃষ্টির কথা পার্বতীকে অনেকবার জানালেন। পার্বতী তবু তাঁকে পীড়াপীড়ি করলে তিনি কুমারকে দেখতে সম্মত হন। কিন্তু শনি সভয়ে বাঁ চোখের কোণ দিয়ে কুমারকে দেখামাত্র তার মস্তক ছিন্ন হয়ে বৈকুণ্ঠে কৃষ্ণের দেহে গিয়ে মেশে যায়। পার্বতী শোকে মুর্ছিত হয়ে পড়েন। তখন বিষ্ণু গরুড়ে আরোহণ করে পুষ্পভদ্রা নদীর তীরে এসে উত্তরদিকে মাথা করে শুয়ে থাকা এক হাতিকে দেখেন। তার মস্তক ছিন্ন করলে হস্তিনী ও তার শাবকেরা কাঁদতে কাঁদতে বিষ্ণুর স্তব করতে থাকেন। তখন বিষ্ণু ঐ মুণ্ডটি থেকে দুটি মুণ্ড তৈরি করে একটি হাতির স্কন্ধে এবং অপরটি গণেশের স্কন্ধে স্থাপন করে উভয়কেই জীবিত করেন। শিবের অনুগ্রহে গণেশ সকল দেবতার অগ্রে পূজিত হবার অধিকার প্রাপ্ত হন। পার্বতী ও শিবের বরে গণেশ গণাধিপতি, বিঘ্নেশ্বর ও সর্বসিদ্ধিদাতা হন।
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উল্লিখিত আরেকটি মতে, মালী ও সুমালী নামে দুই শিবভক্ত সূর্যকে ত্রিশূল দ্বারা আঘাত করেন। এতে সূর্য অচৈতন্য হয়ে পড়লে বিশ্ব অন্ধকার হয়ে যায়। সূর্যের পিতা কশ্যপ শিবকে অভিশাপ দেন যে একদিন শিবের পুত্রের মাথাও খসে যাবে। এই জন্য গণেশ মুণ্ডহীন হন ও ইন্দ্রে ঐরাবতের মাথা এনে তাঁর মস্তকে জুড়ে দেওয়া হয়।

বৃহদ্ধর্মপুরাণ – বৃহদ্ধর্মপুরাণ মতে, পার্বতী পুত্রলাভে ইচ্ছুক হলে শিব অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। অগত্যা পার্বতীর পীড়াপীড়িতে শিব পার্বতীর বস্ত্র টেনে সেটিকেই পুত্রজ্ঞানে চুম্বন করতে বলেন। পার্বতী সেই বস্ত্রকে পুত্রের আকার দিয়ে কোলে নিতেই সেটি জীবিত হয়ে ওঠে। তখন শিব পুত্রকে কোলে নিয়ে বলেন, এই পুত্র স্বল্পায়ু। উত্তরদিকে মাথা করে শায়িত এই শিশুর মস্তকও তৎক্ষণাৎ ছিন্ন হয়ে যায়। পার্বতী শোকাকুল হন। এমন সময় দৈববাণী হয় যে উত্তরদিকে মাথা করে শুয়ে আছে এমন কারোর মাথা এনে জুড়ে দিলে তবেই এই পুত্র বাঁচবে। পার্বতী তখন নন্দীকে মস্তকের সন্ধানে পাঠান। নন্দী ইন্দ্রের বাহন ঐরাবতের মাথা কেটে আনেন। দেবতারা বাধা দিয়েও ব্যর্থ হন। এই মাথাটি জুড়ে শিব পুত্রকে জীবিত করেন। শিবের বরে, ইন্দ্র ঐরাবতকে সমুদ্রে ফেলে দিলে সে আবার মস্তক প্রাপ্ত হয়।

বরাহপুরাণ – বরাহপুরাণ মতে, দেব ও ঋষিগণ রুদ্রের নিকটে বিঘ্নোপসারণকারী এক নতুন দেবতা চাইলে হাস্যময় শিবের সম্মুখস্থ আকাশে শিবের গণ যুক্ত একটি কুমারের জন্ম হয়। এই শিশুর রূপে দেবগণ, এমনকি স্বয়ং পার্বতী মুগ্ধ হয়ে গেলেন। কিন্তু শিব ক্রুদ্ধ হলেন ও অভিশাপ দিলেন যে এই কুমারের গজমুখ, লম্বোদর ও নাগ উপবীত হবে। এই ক্রুদ্ধ হবার সময় শিবের পদনিঃসৃত ঘাম থেকে অসংখ্য গজমুখ বিনায়ক গণ জন্ম নিলেন। কুমার গণেশ হলেন এঁদের অধিপতি। এখানে কুমার গণেশ ও গণেরা বিঘ্নকর ও গজাস্য বলে উল্লিখিত।

মৎসপুরাণ – মৎস্যপুরাণ মতে, পার্বতী চূর্ণক বা বেসম দিয়ে নিজের গাত্রমার্জনা করছিলেন। সেই সময় এই চূর্ণক দিয়ে একটি গজানন মূর্তি নির্মাণ করে তা গঙ্গাজলে ফেলে দেন। গজানন মূর্তিটি বিরাট হয়ে পৃথিবী পূর্ণ করতে উদ্যত হলে পার্বতী ও গঙ্গা একে পুত্র সম্বোধন করেন এবং ব্রহ্মা একে গণাধিপতি করে দেন।

বামনপুরাণ – বামনপুরাণ মতে, পার্বতী স্নানের সময় নিজের গাত্রমল দিয়ে চতুর্ভূজ গজানন মূর্তি নির্মাণ করলে মহাদেব তাকে পুত্ররূপে গ্রহণ করেন। বলেন, যেহেতু “ময়া নায়কেন বিনা জাতঃ পুত্রকঃ” (আমাকে ছাড়াই পুত্রের জন্ম হয়েছে) সেহেতু এ বিনায়ক নামে প্রসিদ্ধ হবে এবং বিঘ্ননাশকারী হবে।

পদ্মপুরাণ – পদ্মপুরাণ মতে, হরপার্বতী ঐরাবতের বেশে বনে বিহার করছিলেন, তাঁদের সেই মিলনের ফলে গজমুণ্ড গণেশের জন্ম হয়।

লিঙ্গপুরাণ – লিঙ্গপুরাণ মতে, দেবগণ শিবের নিকট উপস্থিত হন ও ব্রহ্মা অসুরদের হাত থেকে নিরাপত্তা চান। দেবগণকে রক্ষার জন্য শিব তখন নিজ দেহ থেকে গণেশের জন্ম দেন।

দেবীপুরাণ – দেবীপুরাণ মতে, শিবের রাজসিক ভাব দেখা দিলে তাঁর দুই হাত ঘামতে থাকে এবং সেই ঘাম থেকে গজাননের জন্ম হয়।

অন্যান্য উপাখ্যান
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ – ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুযায়ী, পরশুরাম একুশবার পৃথিবী নিঃক্ষত্রিয় করে কৈলাসে শিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে, দ্বাররক্ষক গণেশ তাঁকে বাধা দেন। ফলে উভয়ের মধ্যে ভয়ানক যুদ্ধ হয়। পরশুরাম কুঠারের আঘাতে গণেশের একটি দাঁত সমূলে উৎপাটিত করেন।

শিবপুরাণ – শিবপুরাণ অনুসারে, গণেশ ও কার্তিকেয় বিবাহের জন্য পীড়াপীড়ি করছিলেন। তখন স্থির হয়, উভয়ের মধ্যে যে আগে বিশ্বপরিক্রমা করে আসতে পারবে তার বিবাহ আগে হবে। কার্তিক ময়ূরে আরোহণ করে বিশ্বপরিক্রমায় বের হন কিন্তু গণেশ শিব ও পার্বতীকে সাতবার প্রদক্ষিণ করে বলেন, শাস্ত্রমতে তিনি শতবার বিশ্বপরিক্রমা করলেন। এরপর বিশ্বরূপের দুই কন্যা সিদ্ধি ও বুদ্ধির সঙ্গে গণেশের বিবাহ হয়। সিদ্ধির পুত্র হয় লক্ষ্য ও বুদ্ধির পুত্র লাভ। কার্তিক নারদের কাছ থেকে বিবাহের সংবাদ পেয়ে ফিরে আসেন এবং মনের দুঃখে ক্রৌঞ্চ পর্বতে গিয়ে বাস করতে থাকেন। অন্য একটি মতে, তুলসী নামে এক নারী গণেশকে বিবাহ করতে চাইলে ব্রহ্মচর্যব্রতী গণেশ অসম্মত হন। তিনি তুলসীর চিত্ত বৈকল্যের জন্য তাকে শাপ দেন দানবপত্নী হওয়ার। তুলসীও তাকে শাপ দেন। ফলে পুষ্টি নামে এক নারীকে গণেশ বিবাহ করতে বাধ্য হন।

ব্যাসদেব ও গণেশ

মহাভারত – মহাভারত মতে, কৌরব ও পাণ্ডবদের মৃত্যু হলে ব্যাস ধ্যানে বসেন। মহাভারতের সমস্ত ঘটনা তাঁর মনের মধ্যে ফুটে ওঠে। তখন এই সুবিশাল গ্রন্থ লিপিবদ্ধ করার জন্য উপযুক্ত লিপিকারের খোঁজে তিনি ব্রহ্মার নিকট যান। ব্রহ্মা তাঁকে গণেশের কাছে যেতে বলেন। গণেশ মহাভারত লিখতে সম্মত হন বটে, কিন্তু শর্তারোপ করেন, লিখতে লিখতে তাঁর কলম থামতে দেওয়া চলবে না। ব্যাসও পাল্টা শর্তারোপ করেন, কোনও শ্লোকের অর্থ না বুঝে তিনি লিখতে পারবেন না। এইজন্য ব্যাস মহাভারতে ৮৮০০ কূটশ্লোক অন্তর্ভুক্ত করেন, যেন এই শ্লোকগুলির অর্থ অনুধাবন করতে গণেশের বেশকিছুটা সময় লাগে এবং সেই অবসরে তিনি আরও কতকগুলি শ্লোক রচনা করে ফেলেন।

তন্ত্র – তন্ত্রমতে লক্ষ্মী ও সরস্বতী গণেশের স্ত্রী। এছাড়াও তীব্রা, জ্বালিনী, নন্দা, সুভোগদা, কামরূপিনী, উগ্রা, তেজোবতী, সত্যা ও বিঘ্ননাশিনী নামে তাঁর নয়জন শক্তির কথাও জানা যায়।

গণেশ চতুর্থী
ভাদ্র ও মাঘমাসের শুক্লাচতুর্থীকে গণেশ চতুর্থী বলা হয়। হিন্দু বিশ্বাসে এই দিনটি গণেশের জন্মদিন। গণেশ চতুর্থী সংক্রান্ত একটি কিংবদন্তী হিন্দুসমাজে প্রচলিত, একবার গণেশ চতুর্থীতে প্রতি বাড়িতে মোদক ভক্ষণ করে ভরা পেটে ইঁদুরে চেপে ফিরছিলেন গণেশ। পথে ইঁদুরের সামনে একটি সাপ এসে পড়লে সে ভয়ে কাঁপতে শুরু করে। এতে গণেশ পড়ে যান এবং তাঁর পেট ফেটে সব মোদক রাস্তায় পড়ে যায়। গণেশ উঠে সেগুলি কুড়িয়ে পেটের মধ্যে পুরে পেটের ফাটা জায়গাটি ঐ সাপ দিয়ে বেঁধে দেন। আকাশ থেকে চন্দ্র তা দেখে হেসে ফেলেন। তাই গণেশ শাপ দেন যে চতুর্থীর দিন চাঁদ কেউ দেখবে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গণেশ অত্যন্ত মোদকপ্রিয় দেবতা। অন্যমতে, এই দিনে শিব গণেশকে লুকিয়ে কার্তিককে একটি ফল দিয়েছিলেন। চন্দ্র তা দেখে হেসে ফেলেন তখন শিব চন্দ্রকে অভিশাপ দেন।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190902132103

Sunday, September 1st, 2019

Astro Research Centre

পাশ্চাত্যে মতে রাহু কেতু গ্ৰহ নয়, গোচর, বৈদিক, Evil effect of Rahu ketu, Malefic planet, ARC

পাশ্চাত্যে মতে রাহু কেতু গ্ৰহ নয়, গোচর, বৈদিক,  Evil effect of Rahu ketu, Malefic planet, ARC

পাশ্চাত্যে মতে রাহু কেতু গ্ৰহ নয়, গোচর, বৈদিক,
Evil effect of Rahu ketu, Malefic planet, ARC

গোচরের সপ্তমে রাহু ও কেতুর অবস্থানের ফল দেখে নেওয়া যাক -

রাহু ও কেতু উভয়েই ক্রুর স্বভাবযুক্ত। সাধারণত এদেরকে অশুভ ও পাপগ্রহ বলে মনে করা হয়। কিন্তু ব্যবহারিক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ভাব রাশিতে নিজ নিজ স্থিত অনুসারে এই দুই গ্রহই শুভ বা অশুভ ফল প্রদান করে থাকে। রাহু বুধের রাশি মিথুন বা কন্যা, শুক্রের রাশি বৃষ ও তুলা এবং শনির রাশি মকর কুম্ভতে অবস্থান করলে এবং ভাব স্থিতি অনুকূল হলে, এরা নিজ দশা-অন্তর্দশা অনুসারে স্বাভাবিক গ্রহগুলির থেকেও বেশি শুভফল প্রদান করে। তবে বাস্তবে রাহু-কেতুর নিজস্ব কোনও ঘর নেই। এরা যে যে রাশিতে অবস্থান করে, সেই রাশির অধিপতি গ্রহের মতো আচরণ করে। যে গ্রহের নক্ষত্রে এরা জন্মের সময় সঞ্চরণ করেছে সেই নক্ষত্রের প্রকৃতি ও স্বভাব এরা আত্মস্থ করে।

দশম ভাবে রাহু ও কেতুর গোচর ফল দেখে নেওয়া যাক -

জাতকের জন্ম কোষ্ঠীতে রাহু লগ্ন, চন্দ্রলগ্ন থেকে এই ভাবে অবস্থান করে জাতক কৃপণ ও বিলাসী স্বভাবের হয়। কিন্তু এরা নিজের সন্তান, বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে ঝগড়া, অশান্তি করে থাকে। এই ভাবে রাহু স্থিত হলে শনির থেকেও বেশি প্রভাব বিস্তার করে। জাতক প্রচুর সম্পত্তির মালিক, বিখ্যাত ব্যক্তি ও ব্যবসায়ে সফলতা অর্জন করে থাকে।
রাহু গোচরে দশম ভাবে এলে জাতককে মানহানি, ধনহানি, কেলেঙ্কারিতে জড়ালেও একই সঙ্গে নতুন চাকরী, ব্যবসায়ে সাফল্য প্রদান করে। তবে গোচরকালীন সময়ে জাতককে একটি কথা অতি অবশ্যই মনে রাখা উচিত যে অধৈর্য হয়ে খারাপ পথের দিকে এগোলে চলবে না। কারণ তাহলে সঞ্চিত অর্থ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কেতু যদি জাতকের জন্ম সময়ে এই ভাবে অবস্থান করে, তবে জাতক পিতার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। পিতার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে গিয়ে মূর্খের মতো আচরণ করে। এরা চিন্তা ভাবনা করে কাজ করলে সুখ-সমৃদ্ধি-সম্পত্তির সুখ দেখে এবং চাকুরীতে উচ্চপদ লাভ করে এবং সম্মানের সঙ্গে কাজ করে।
দশম ভাবে কেতু গোচরে আসলে প্রথম দিকে জাতককে কার্যে অসফলতার মুখ দেখায়। এই সময় জাতক অসুস্থ হয়ে পড়ে, খিটখিটে মেজাজের হয় এবং এদের সম্পত্তি নষ্ট অথবা চুরি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শত্রু সংখ্যাও হঠাৎ করে বেড়ে যায়। তবে রাশির ১৫ ডিগ্রীতে সঞ্চরণকারী কেতু জাতককে শুভ ফল প্রদান করে। জাতকের যশ, সম্মান, প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়। এছাড়া অন্যান্য দিকেও সাফল্য অর্জন করে থাকে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190901133829

Sunday, September 1st, 2019

Astro Research Centre

নবগ্ৰহ (সূর্য্য আদি )বীজ মন্ত্র, গায়ত্রী, গ্ৰহশান্তি, দশমহাবিদ্যা, নবগ্রহ হোম, ARC LM নবগ্রহ স্তোত্র

নবগ্ৰহ (সূর্য্য আদি )বীজ মন্ত্র, গায়ত্রী, গ্ৰহশান্তি, দশমহাবিদ্যা, নবগ্রহ হোম, ARC LM নবগ্রহ  স্তোত্র

নবগ্ৰহ (সূর্য্য আদি )বীজ মন্ত্র, গায়ত্রী, গ্ৰহশান্তি, দশমহাবিদ্যা, নবগ্রহ হোম, ARC LM

ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্ ।
ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নম্ প্রণতোহশ্মি দিবাকরম্ ॥
দিব্যশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্নভসম্ভবম্ ।
নমামি শশীনং ভক্তা শম্ভোর্মুকুটভূষণম্ ॥
ধরণীগর্ভোসম্ভূতং বিদ্যূতপুঞ্জসমপ্রভম্ ।
কুমারং শক্তিহন্তস্চ লোহিতাঙ্গং প্রণম্যহং ॥
প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যমং রূপেনাপ্রতিমং বুধম ।
সৌম্যং সৌম্যগুণপেতং নমামি শশীনংসুতম্ ॥
দেবতানাংম্রিশিনান্চং গুরুং কনকসন্নিভং ।
বন্দে ভক্তা ত্রিলোকেশং ত্বং নমামি বৃহস্পতিম্ ॥
হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্ ।
সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণম্যহ্ ॥
নিলাঞ্জনংচয়প্রক্ষ্যং রবিসূতং মহাগ্রহম্ ।
ছায়ায়ং গর্ভসম্ভূতং বন্দেভক্তা শণৈশ্চরম ॥
অর্দ্ধকায়াং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম
সিংহিকায়া মহারৌদ্রং ত্বং রাহুং প্রণম্যহম্ ॥
পলাশধূমসংকাশং তারাগ্রহবির্মদকম ।
রৌদ্রং রৌদ্রত্বকং ঘোরং ত্বং কেতুং প্রণম্যহম্ ॥

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

মঙ্গল মন্ত্র -- ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ । জপ সংখ্যা-৮০০০ বার । দেবতা-বগলামুখী । ধূপ-দেবদারু । বার-মঙ্গলবার । প্রশস্ত-সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

বুধ মন্ত্র -- ওঁ ঐং স্ত্রীং শ্রীং বুধায়ঃ । জপ সংখ্যা-১০০০০ বার । দেবতা-ত্রিপুরাসুন্দরী । ধূপ-সঘৃত দেবদারু । বার-বুধবার । প্রশস্ত-বেলা ১২টা পর্যন্ত ।

বৃহস্পতি মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে । জপ সংখ্যা-১৯০০০ বার । দেবতা-তারা । ধূপ-দশাঙ্গ । বার-বৃহস্পতিবার । প্রশস্ত-বেলা ১২ পর্যন্ত ।

শুক্র মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং শুক্রায়ঃ । জপ সংখ্যা-২১০০০ বার । দেবতা-ইন্দ্র । ধূপ-গুগুল । বার-শুক্রবার । প্রশস্ত-সন্ধ্যাবেলা ।

শণি মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়ঃ । জপ সংখ্যা ১০০০০ বার । দেবতা-দক্ষিনাকালী । ধূপ-কৃষ্ণাগুরু ।বার শনিবার । প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

মহাশক্তির মন্ত্র ও ফল

মহাকালী মন্ত্র

মায়ের গায়ত্রী মন্ত্র

ওঁ কালিকায়ৈ বিদ্মহে শশ্মানবাসিন্যৈ ধীমহি তন্নো ঘোরে প্রচোদয়াৎ ……… (১০ বার জপ করুন)

জপের মন্ত্র

ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হ্রীং হ্রীং দক্ষিণ কালিকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হুং স্বাহা

বিধি
এটি মহাকালীর উগ্র মন্ত্র। বিন্ধ্যাচলের অষ্টভুজা পর্বতে ত্রিকোণে স্থিত কালী খোহে এই সাধনা করলে শীঘ্র ফল পাওয়া যাবে। শ্মশানেও এই সাধনা করা যেতে পারে। কিন্তু বাড়িতে করা উচিত নয়। জপ সংখ্যা ১১০০, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবশ্যই করা উচিত।

ফল
এর সাধনা করলে সুমঙ্গল, মোহন, মারণ উচ্চাটনাদি তন্ত্রোক ষড্কর্মের সিদ্ধি হয়।

তারা

ঊং হ্লীং আধারশক্তি তারায়ৈ পৃথ্বীয়াং নমঃ পূজয়ীতো অসি নমঃ।
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ ৩২ লক্ষ জপ। জপ শেষে যজ্ঞ করতে হয়।

ফল
সিদ্ধি প্রাপ্তির পর সাধক তর্কশক্তি, শাস্ত্র জ্ঞান, বুদ্ধি কৌশল ইত্যাদি লাভ করেন।

ভুবনেশ্বরী

হ্লীং

ফল
অমাবস্যায় একটি কাঠের ওপর এই মন্ত্র লিখে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে দেখালে প্রসবে কোনও সমস্যা হবে না। গলা পর্যন্ত জলে দাঁড়িয়ে জলে সূর্যমণ্ডলে দেখতে দেখতে তিন হাজার বার এই মন্ত্র জপ করলে সেই ব্যক্তি ইচ্ছানুসার কন্যা বরণ করতে পারে। অভিমন্ত্রিত অন্নের সেবন করলে লক্ষ্মীর বৃদ্ধি হয়। কমল ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে রাজার বশীকরণ হয়।

ত্রিপুর সুন্দরী

শ্রীং হ্লীং ক্লীং এং সৌঃ ঊং হ্লীং শ্রীং কএইলহ্লীং হসকহলহ্লীং সংকলহ্লীং সৌঃ এং ক্লীং হ্লীং শ্রীং

বিধি
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এক লক্ষ জপ আছে। জপ পশ্চাত্‍‌ ত্রিমধুর (ঘি, মধু, চিনি) মিশ্রিত কনেরের ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত।

ফল
কমল ফুলের যজ্ঞে ধন-সম্পত্তি প্রাপ্তি, দইয়ের যজ্ঞে উপদ্বর নাশ, লাজার যজ্ঞে রাজ্য প্রাপ্তি, কর্পুর, কুমকুম এবং কস্তুরির যজ্ঞে কামদেবের চেয়েও বেশি সৌন্দর্যের প্রাপ্তি হয়। আঙুরের যজ্ঞে বাঞ্চিত সিদ্ধি এবং তিল দিয়ে যজ্ঞ করলে সমস্ত ইচ্ছার পূর্তি হয়। আবার গুগুলের যজ্ঞে সমস্ত দুঃখের নাশ হয়।

ছিন্নমস্তা

ঊং শ্রীং হ্লীং হ্লীং বজ্র বৈরোচনীয়ে হ্লীং হ্লীং ফট্ স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ চার লক্ষ জপ। জপের ১০ শতাংশ যজ্ঞ পলাশ বা বিল্ব ফল দিয়ে করা উচিত। তিল এবং অক্ষতের যজ্ঞে সর্বজন বশীকরণ, সাদা কনেরের ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে রোগ মুক্তি, মালতী ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে বাচাসিদ্ধি এবং চম্পার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে সুখ-সমৃদ্ধির প্রাপ্তি হয়।

ধূমাবতী

ঊং ধূং ধূং ধূমাবতী স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এক লক্ষ জপ। এই জপের ১০ শতাংশ যজ্ঞ তিল মিশ্রিত ঘি দিয়ে করা উচিত। নিম পাতা এবং কাকের পালকে উক্ত মন্ত্র ১০৮ বার পড়ে দেবতার নাম নিয়ে ধুনো দেখালে শত্রুদের মধ্যে পরস্পর বিবাদ বাধে।

বগলামুখী

ঊং হ্লীং বগলামুখী সর্বদুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তংভয় জিহ্বাং কীলয় বুদ্ধিং বিনাশায় হ্লীং ঊং স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এর লক্ষ জপ। জপের পর চম্পা ফুল দিয়ে ১০ শতাংশ যজ্ঞ করা উচিত। এই সাধনায় হলুদ বর্ণের গুরুত্ব আছে। সমস্ত ইচ্ছার পূর্তির জন্য একা এক লক্ষ বার জপ করুন। মধু এবং চিনি যুক্ত তিল দিয়ে যজ্ঞ করলে বশীকরণ করা যায়।

মাতঙ্গী

ঊং হ্লীং এং শ্রীং নমো ভগবতি উচ্ছিষ্ট চান্ডালি শ্রীমাতঙ্গেশ্বরি সর্বজন বংশকরি স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ জপ ১০ হাজার। জপের ১০ শতাংশ মধু এবং মহুয়ার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত। কাম্য প্রয়োগের আগে এক হাজার বার মূল মন্ত্র জপ করে পুনরায় মধুযুক্ত মহুয়া ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত। পলাশ পাতা বা ফুল দিয়ে হোম করলে বশীকরণ, মল্লিকার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে লাভ, বিল্ব ফুলে রাজ্য প্রাপ্তি এবং নুন দিয়ে যজ্ঞ করলে আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।

কমলা

ঊং নমোঃ কমলবাসিন্যৈ স্বাহা

বিধি ও ফল
দশ লক্ষ জপ করুন। দশ শতাংশ মধু, ঘি এবং শর্করাযুক্ত লাল পদ্ম দিয়ে যজ্ঞ করুন। সমস্ত কামনা পুরো হবে।

মহালক্ষ্মী

ঊং শ্রীং হ্লীং শ্রীং কমলে কমলালৈ প্রসীদ প্রসীদ ঊং শ্রীং হ্লীং শ্রীং মহালক্ষ্মৈ নমোঃ

বিধি ও ফল
এক লক্ষ বার জপ করুন। মধু, ঘি এবং শর্কতাযুক্ত বিল্ব ফল দিয়ে দশ শতাংশ যজ্ঞ করলে সাধকের গৃহে লক্ষ্মী বাস করেন। যদি কেউ বেশি ধনের কামনা করে থাকেন, তা হলে সত্য বাচন করুন, লক্ষ্মী মন্ত্র এবং শ্রীসুক্ত পাঠ করুন। পূর্ব দিকে মুখ করে ভোজন তথা কথাবার্তা বলুন। নগ্ন হয়ে জলে স্নান করবেন না। তেল লাগিয়ে ভোজন করুন।

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190113152610

© 2019 Astro Research Centre

Developed By SOFTECH

To Top



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190901125140

Saturday, August 31st, 2019

Astro Research Centre

অশুভ যোগে শনি মঙ্গল রাহু কেতু রবি শুক্র চন্দ্র বৃহস্পতির ভূমিকা evil effect of planet, ARC

 অশুভ যোগে শনি মঙ্গল রাহু কেতু রবি শুক্র চন্দ্র বৃহস্পতির ভূমিকা  evil effect of planet, ARC

-
অশুভ যোগে শনি মঙ্গল রাহু কেতু রবি শুক্র চন্দ্র বৃহস্পতির ভূমিকা evil effect of planet, ARC

বিদ্যালাভে বাধা যোগ

বুধ, বৃহস্পতি ও চতুর্থ-পতি যদি অশুভ ভাব অর্থাৎ ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ-ভাবে থাকে বা কোনোভাবে এই সমস্ত ভাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত থাকে তাহলে বিদ্যালাভে বাধা আসে।

মাতৃবিয়োগ যোগ
চন্দ্র পাপগ্রহ যুক্ত হয়ে যদি ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ ভাবের সঙ্গে যুক্ত তাহলে মাতার শরীরের অসুস্থতা বাড়বে, এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে মাতৃ বিয়োগ হবে।

সন্তান-বিয়োগ যোগ
পঞ্চম-ভাবে অশুভ গ্রহ থাকলে এবং পঞ্চম-পতি ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ ভাবে থাকলে এবং নিচস্থ হলে সন্তান হানি হতে পারে। যদি পঞ্চম স্থানে শনি ও মঙ্গল একই সঙ্গে অবস্থান করে তাহলে সন্তান-হানি হয়।

আর্থিক দুরবস্থা যোগ

দ্বিতীয়-পতি দুঃস্থানগত হলে বা দ্বিতীয়ে অশুভ গ্রহ থাকলে বা দৃষ্টি দিলে এবং এর সঙ্গে বুধ এবং চন্দ্র পীড়িত হলে জাতক দেউলিয়া হতে পারে।

চিরকুমার যোগ

যদি সপ্তম-পতি দুঃস্থানগত হয় বা শত্রু-গৃহে বসে থাকে বা শনি ও মঙ্গল সপ্তমে দৃষ্টি দেয় বা সপ্তম-পতি কোনও ভাবে লগ্ন, ষষ্ঠ ও দশম ভাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাহলে চিরকুমার যোগ হয়।
বিষ যোগ

শনি এবং রবি রাশিচক্রে এক সঙ্গে থাকলে এই যোগের সৃষ্টি হয়। যেহেতু দুটি গ্রহ একে অপরের শত্রু, এই দুটি গ্রহ একত্রে থাকলে বিষ যোগের সৃষ্টি হয়।

গ্রহণ যোগ

যখন রাশি চক্রে এক জায়গায় রবি ও রাহু বা চন্দ্র ও রাহু অবস্থান করে তখন গ্রহণ দোষ বলা হয়। অর্থাৎ রাহু, রবি এবং চন্দ্রকে গ্রাস করার ফলে গ্রহণ যোগ সৃষ্টি হয়।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190831163822

Friday, August 30th, 2019

Astro Research Centre

জন্ম তারা, (নক্ষত্রফল ), অশ্বিনী কেতু অধিদেবতা, গ্ৰহ ও নক্ষত্র সম্পর্ক, জন্মনারী, কর্মনাড়ী

জন্ম তারা, (নক্ষত্রফল ), অশ্বিনী কেতু অধিদেবতা,  গ্ৰহ ও নক্ষত্র সম্পর্ক, জন্মনারী, কর্মনাড়ী

জন্ম তারা, (নক্ষত্রফল ), অশ্বিনী কেতু অধিদেবতা,
গ্ৰহ ও নক্ষত্র সম্পর্ক, জন্মনারী, কর্মনাড়ী

১। অশ্বিনী- অশ্বিনী নক্ষত্রের অধকর্তা কেতু। এই নক্ষত্রে জন্ম জাতকহয় বুদ্ধিমান, মেধাবী,তীক্ষ্ম বুদ্ধিসম্পন্ন এবং নিজের চেষ্টায় জীবনে উন্নতি করে। প্রথম জীবনে বিদ্যা লাভ হয়। মধ্যবর্তী জীবনে কিছু কষ্টে ও ব্যায়ের মধ্যে দিয়ে ভাল বসতি করে। কর্ম ক্ষেত্র শুভ হয়। অনেকে তাকে মান্যকরে নেতৃত্ব করতে পারে। আত্মীয় স্বজনদের জন্য চিন্তা থাকে। সন্তান প্রায়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। দাম্পত্যক্ষেত্র মধ্যম। জীবনে মাঝে মাঝে হঠাৎ উন্নতি আসে। মাঝ বয়েসে বা শেষ বয়েসে কয়েক বছর ব্যায়বাহূল্যে কিছুটা কষ্টপেতেও পারে।
২। ভরণী– ভরনী নক্ষত্রের অধিকর্তা শুক্র। এদের জীবনে শুভাশুভ মিশ্র ভাব এ কাটে। এরা পরিশমী কমহয়, তবে মেধা খাটিয়ে কর্ম পরিচালনা দ্বারা জীবনে উন্নতি করিতে পারে। জীবনে সুযোগ মন্দ পায়না। জীবনের প্রথম দিকে অশুভভাবে কাটে। মধ্য বয়েস থেকে শুভ ভাব চলে। তখন অর্থ সঞ্চয় করলে শেষ জীবন সুখে কাটে। অর্থ বেশী অপচয় করলে বেশী বয়েসে আর্থিক দূশ্চিন্তায় ভোগে। দাম্পত্য জীবন বেশী সুখের নয়।
৩। কৃত্তিকা- কৃত্তিকা নক্ষত্রের অধিকর্তা রবি। এরা যথেষ্ঠ পরিশ্রমী হয়। স্পষ্ট সত্যকথা বলতে ভালো বাসে।এদের জীবনে মাঝে মাঝেই বাধাবিঘ্ন আসে। অনেকেই এদের ভুল বোঝে। জীবনে অনেক বাধা বিঘ্ন আসলেও শ্রম দ্বারা এরা উন্নতি করতে সফল হয়। মাঝে মাঝে পাড়া প্রতিবেশী বা আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে অন্যের প্রতি ভাল কাজ করলেও যশ বা প্রতিদান কম পায়। দাম্পত্যক্ষেত্র মোটামুটি শুভ।
৪। রোহিনী- রোহিনী নক্ষত্রের অধিকর্তা চন্দ্র। চন্দ্রের প্রকৃতি কিছুটা এদের মধ্যে থাকে। এরা শান্তিপ্রিয় এবং সবকিছু সমস্যার সমাধান ধীরে ধীরে করতে চায়। লোকের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চায়। অনেক সময় এরা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রিয় হয়। এরা সরল লোক ভালবাসে। নানা কাজে পার্গত হয়।
৫। মৃগশিরা-মৃগশিরা নক্ষত্রর অধিকর্তা মঙ্গল। এরা ধীর স্থির কিন্তু কোন অন্যায় দেখলে এদের মাথা গরম হতে পারে। এদের মধ্যে মাঝে মাজে একটু দ্বিমনা ভাব দেখা যায়। অনেকে এদের শ্রদ্ধা করে। এবং এরা মিশুকে হয়। এদের জীবনে মাঝে মাঝে কর্মোন্নতির শুভ যোগ আসে। কিন্তু আত্মীয় ও পরিবেশ থেকে মনে আঘাত পায়।
৬। আদ্রা- আদ্রা নক্ষত্রের অধিকর্তা রাহু। এদের নিজ শ্রমদ্বারা উন্নতি করার চেষ্টা থাকে। তবে কাজে সফল হয়না। আকস্মিক প্রাপ্তিযোগথাকে। মানসিক চাঞ্চল্য ও দূশ্চিন্তার ভাব থাকে। দাম্পত্যক্ষেত্র শুভনয়। মাঝে মাঝে নানা রোগ ভয়।
৭। পুনর্বসু- পুনর্নবসু নক্ষত্রর অধিকর্তা বৃহস্পতি। এরা মেধাবী হয় ও জীবনে উন্নতি করিতে পারে। প্রচুর সন্মান ও অর্থ লাভ করে থাকে। প্রায়ই মানসিক শান্তি ও আনন্দে থাকে। ভাই বোনদের জন্য কিছু চিন্তা হতে পারে। অনেকের বন্ধুত্ব ও সাহায্য লাভ করে। ব্যাবসা ও চাকরি দুটোই শুভ।
৮। পুষ্যা- পুষ্যা নক্ষত্রর অধিকর্তা শনি। এরা খুব ধার্মিক হয়। সংসারে আসক্তি কম থাকে। আধ্যাত্মিকভাব প্রবল হয়। মনুষ্যের মঙ্গল করতে ভালো বাসে। এদের মধ্যে যোগ জ্যোতিষ আধিভৌতিক প্রভৃতির দিকে আকর্ষণ থাকে। ভাগ্য শুভ, কর্মলাভ অর্থলাভ ও নানা দিকে উন্নতি হয়। গুরুজন ব্যাক্তিদের জন্যে চিন্তা থাকে।
৯। অশ্লেষা- অশ্লেষা নক্ষত্রর অধিপতি বুধ। এদের জীবনে সব সময় দ্বিধাও দ্বন্দ্ব ভাব থাকে দ্বিমনা ভাবের থাকে। অনেক কাজ শুরু করে শেষ করতে পারেনা। তাই জীবনে অতৃপ্তি আসে। তবে শ্রম করলে উন্নতি হবেই। দাম্পত্য শুভ হয়। মাঝে মাঝে বাধা বিপত্তি ও চিন্তা হতাশায় জীবন উত্থান, পতন, হতেই থাকবে
১০। মঘা- মঘা নক্ষত্রর অধিকর্তা কেতু। এরা খুব তেজী হয় এবং আত্ম অভিমান প্রবল হয়। এরা স্পষ্ট কথা বলতে ভাল বাসে। তাই অনেকের অপ্রিয় হয়। এদের মেধাশক্তি খুব উচ্চ নাও হতে পারে। মধ্যম ভাবে জীবন কাটে। নানা বাধার মধ্যদিয়ে উন্নতি হয়। কিন্তু সময়ে হতাশা দেখাদেবে। মনে আবেগ প্রবনতা থাকে।
১১। পুর্বফল্গুনী- পুর্ব্বফাল্গুনী নক্ষত্রর অধিকর্তা শুক্র এরা মিষ্টিভাষী ও ধীর স্থির এবং একটুগম্ভীর প্রকৃতির হয়। যা করবে মন স্থির করে নেয় সময় বিশেষ কখন প্রকাশ করেনা। অন্যের সমালোচনা করে নির্ভীক ভাবে। ভয় কম থাকে। মাঝেসময়ে কিছু স্বার্থ ভাবদেখা যায়। নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকে। এদের জীবনে শুভযোগ অর্থ, আনন্দলাভ,ও সাংসারিক দিকে উন্নতি হয়।
১২। উত্তরফল্গুনী- উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্রর অধিকর্তা রবি। এরা খুব ভক্তিমান হয়। এবং ঈশ্বরের কৃপালাভ করে। এরা স্ত্রীর বশীভূত হতে পারে। সত্য ও সৎ পথে থেকেই এরা উন্নতিসাধন করে। জাতক সুহৃদয়শীল হয় অনেককে সাহার্য্যও করতে ভাল বাসে। এরা সৎবুদ্ধিযুক্ত এবং সদ্ভাবনার হয়।
১৩। হস্তা- হস্তা নক্ষত্রর অধিকর্তা চন্দ্র, এরা চোখের রোগ,বাত, পিত্তরোগ, সর্দিকাশি, প্রভৃতিতে কষ্ট পেতে পারে। এরা জ্ঞানী, বিচক্ষণ, বুদ্ধীমান, চতুর ও মেধাবী হয়। জাতক দীর্ঘায়ূহয়। পারিপার্শিক বাধা না এলে এরা বিরাট শিক্ষিত হয়। নিজ বুদ্ধির দ্বারা প্রচুরঅর্থ উপার্জন করে।
১৪। চিত্রা-চিত্রা নক্ষত্রর অধিকর্তা মঙ্গল। এরা সত্যবাদী, বিচক্ষণ ও অল্পাহারী হয়। ছোটখাট রোগ ব্যাধি অনেক হয়। অর্থ উপার্জন করে মধ্যম। বহূ কুটুম্ব থাকে। ক্ষমতাশালী হলেও একটু অলস হয়। স্থূলকপাল লোম যুক্তদেহ। দাতের রোগের ভয়।এরা মাঝে মাঝে জণসাধারনের প্রিয় হয়। কখন আবার অপ্রিয় হয়। উত্থান পতনের মধ্যদিয়ে জীবন। তবে এদের তেজ ও সাহস থাকে মনের জোর প্রচুর।
১৫। স্বাতী- স্বাতী নক্ষত্রর অধিকর্তা রাহু। এদের মধ্যে শান্তভাব থাকবে। তবে কখন বা হঠাৎ করে রেগে ওঠে। এদের কপালস্থূল, দ্বাতা,সুবুদ্ধিমান, সৎপরামর্শ দাতা, বিদ্বানহয়। এরাধনবান হলেও মনে বৈরাগ্য ভাব থাকে। এরা হয় শুরেশ, দেবদ্বিজে ভক্তিপরায়ণ। সন্তানদের জন্য বিশেষ চিন্তাথাকে।
১৬। বিশাখা- বিষাখা নক্ষত্রর অধিকর্তা বৃহস্পতি। এদের মাথাভার মাথাব্যাথা, পিত্তরোগ হতে পারে। এরা হয় দেবভক্ত, সত্যবাদী, এবং জিতেন্দ্রিয়। ধার্মিক ভাব থাকে প্রায়ই জ্ঞাণী হয়। অজীর্ণরোগ হয়। মোটামুটি সন্দেহ যুক্ত, কামী হয়। তবে এরা নিজ চেষ্টাদ্বারা ধনীহয়। এদের হৃদয়ে সদ্ভাবনা প্রচুর থাকে। কারো সঙ্গে ঝমেলা পছন্দ করে না। তবে রেগে গলে মাথা খুব গরম হয়।
১৭। অনুরাধা- অনুরাধা নক্ষত্রর অধিকর্তা শনিদেব। এদের দেহ শ্যামবর্ণ হয়, এরা খুবগভীর ও দয়ালু প্রকৃতির হয়। ধর্মে মতি থাকে। চেষ্টাকরলে যথেষ্ঠ জ্ঞাণলাভ করতে পারে। এদের পেটের বা লিভারের রোগ হয়। এরা সুদেহী, কামভাব বেশি। শ্রমদ্বারা ভাল অর্থ উপার্জন করতে পারে। মনন শীলতা থাকে, তবেঅব্যয় খরচ দেখলে মাথাগরম হয়।
১৮। জেষ্ঠা- জেষ্ঠা নক্ষত্রর অধিকর্তা বুধ, এরা খুব দয়ালু হৃদয়বান থাকে।‌ চেষ্টাকরলে এরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারে। বাতরোগ পিত্তরোগ মাথার রোগ হতে পারে। এদের মধ্যে অল্প বয়েসে বেশী বুদ্ধির বিকাশ হয় এরা খুব বাস্তববাদী ও শ্রমশীল। তবে প্রচুর আয় করে গরীব দঃখীদের সাহার্য্য করে থাকে।
১৯। মূলা- মূলা নক্ষত্রর অধিকর্তা কেতু। এদের কপালহয় গজের মতো। শীতলদেহ বিপরীত লিঙ্গের বশীভূত হয়। এরা গান বাজনা ভাল শিখতে পারে। এরা খুব আড়াম্বরপ্রিয় হয়। এদের বহূ আত্মীয় কুটুম্ব থাকে। এরা প্রায়ই একটু কৃপণ হয়। সন্তানের জন্য বিশেষ চিন্তাথাকে। দাম্পত্য মধ্যম, এরা নিজ মনের কথা প্রায় লুকিয়ে রাখে।
২০। পূর্বাষাঢ়া-পূর্ব্বাষাঢ়া নক্ষত্রর অধিকর্তা শুক্র,এদের কপালস্থূল মতো। এরা লেখাপড়া ভাল শিখতে পারে। একটু আড়ম্বরপ্রিয় চোখ একটু রক্তাভ। এদের বহূত আত্মীয় কুটুম্ব থাকে। একটু খরচী হয়। এরা গৌরবর্ণর শুচিবদন জাতক দীর্ঘায়ূ এবং বাবা মার প্রিয় হয়। বহূ লোকের ও আপন আত্মীয়র আশ্রয়দাতা হয়। তবে প্রশংসা কম পায়।
২১। উত্তরষাঢ়া- উত্তরষাঢ়া নক্ষত্রর অধিকর্তা রবি। এদের দেহ একটু স্থূল মতো মনে গর্বিত ভাব থাকে। জাতকের যশ লাভহয়। গান বাজনা ও শিল্পে পার্গত হয়। এদের অজীর্ণ উদারময় বাতরোগ লিভার রোগঅম্লরোগ দেখা দেয়। পিঠ একটু কুঁজো ভাব, এরা অনেকের শ্রদ্ধালাভকরে এবং সন্মানিত হয়। এদের কাছেথেকে সবাই সমান সাহায্য পায়না।
২২। শ্রবনা- শ্রবনা নক্ষত্রের অধিকর্তা চন্দ্র। এদের দেহ একটু কঠিন হয়। চাপা গজ কপাল, শ্যামবর্ণ হয়। এদের বাতরোগ, লিভাররোগ, অম্ল, অজীর্ণ, রোগ হয়। চোখ একটু রক্তাভ হয়। এরা বেশ সু-রসিকহয়। পরিশ্রমী ও বুদ্ধিমান শ্রমদ্বারা জীবনে উন্নতি করে। খরচা বেশী করতে চায় না।
২৩। ধনিষ্ঠা- ধনিষ্ঠা নক্ষত্রর অধিকর্তা মঙ্গল। এরা গৌরবর্ণ ধার্মিক ও দেবভক্ত হয়। পেটেররোজ ও অজীর্ণ রোগ হয়। উপার্জন মধ্যমহয়। মন খুব চঞ্চল, খেতে ভাল বাসে। মাঝে সময়ে ভ্রমনে খুশী হয়। অনেক সময় ধনী ও দাতাহয়। মাঝ বয়েস থেকে সুখী হয় প্রথম জীবনে সংগ্রাম।
২৪। শতভিষা- শতভিষা নক্ষত্রর অধিকর্তা রাহু। এদের মন বেশ পবিত্র এবং সত্যনিষ্ঠ হয়। জীবনে অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারে। শ্যামবর্ণ হয়। এদের আমবাত এলার্জি স্নায়বিক ও চোখেররোগ হয়। এরা বিবেকি এবং বৈরাগ্য ভাবের হয়। শেষ জীবনে সন্ন্যাস ধর্ম লাভ করিতে পারে। ব্যাবহার মধুর তবে স্বভাব চাপা।
২৫।- পূর্বভাদ্রপদ- নক্ষত্র অধিকর্তা বৃহস্পতি। এদের কপাল প্রশস্ত নাসা উন্নত হয়। দেহ তাম্রবর্ণ। বিপরীত লিঙ্গের বশীভূত হয়। এরা পরোপকারী এবং দয়ালু প্রকৃতির হয়। রূপ সুন্দর হয়, রাজভক্ত রাজসেবক হতে পারে। জীবনে প্রচুর অর্থ উপার্জন যেমন করে তেমন খরচও অত্যাধিক করে। গৃহ নির্মাণ যোগ আছে। জাতক বিদ্বানও হয়।
২৬। উত্তরভাদ্রপদ- উত্তর ভাদ্রপদ নক্ষত্র অধিকর্তা শনিদেব। এরা গৌরবর্ণ ও রূপবান হয়। গম্ভীর ভাব থাকে,সরকারী কাজ করলে প্রচুর উন্নতি করে। এরা নির্জনতা পছন্দ করে যাদুবিদ্যা, জ্যোতিষ, গভীর জ্ঞাণের পুস্তকপাঠ প্রভৃতি ভাল বাসে। হালকা ভাব সদায় পছন্দ করে। এদের মন বাইরে বোঝা কঠিন।
২৭। রেবতী নক্ষত্র অধিকর্তা বুধ। এরা সুন্দর চেহেরা বিশিষ্ট, এরা সুন্দর চেহেরা বিশিষ্ট, গৌর বর্ণ জ্ঞাণী মানী এবং বিরাট যশস্বী হতে পারে। এদের কেশ দীর্ঘ ও কাম ভাব বেশী থাকে এবং একাধিক নারীতে আকৃষ্ট হতে পারে। এরা বাইরে হালকা স্বভাব কিন্তু ভিতরে ভীষণ চতুর। মাঝে মাঝে দ্বিমনা ভাব দেখা যায়। অনেক সময় খেয়ালের বশে অনেক কাজ করে । বৃদ্ধি ও শিল্পী কাজে এরা প্রচুর উপার্জন করে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

মহামন্ত্র প্রতি দিন পাঠ করবেন সুস্থ ও ভালো থাকবেন :

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম

রাম রাম হরে হরে

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190830221539

Friday, August 30th, 2019

Astro Research Centre

ধনযোগ লক্ষী যোগ চন্দ্র ও মঙ্গল যোগ শনি শুভ যোগ economic prosperity mercury moon yaga

ধনযোগ লক্ষী যোগ চন্দ্র ও মঙ্গল যোগ শনি শুভ যোগ economic prosperity mercury moon yaga

ধনযোগ লক্ষী যোগ চন্দ্র ও মঙ্গল যোগ শনি শুভ যোগ economic prosperity mercury moon yaga

ভারতীয় জ্যোতিষ জাতকের ধনভাগ্য নির্ণয়ে যে লক্ষণগুলির উপরে জোর দেয়, তার মধ্যে লক্ষ্মীযোগ অন্যতম। কোষ্ঠী বা কুণ্ডলীতে থাকা লক্ষ্মীযোগ-ই নির্ধারণ করতে পারে জাতকের জীবনে ধনাগম, সঞ্চয় ইত্যাদিকে।

• জ্যোতিষ-মতে, লক্ষ্মী যোগ খুব সাধারণ ব্যাপার নয়। মঙ্গল ও চন্দ্রের সহাবস্থানই একমাত্র এই যোগকে সূচিত করতে পারে।

• জাতকের কোষ্ঠীতে যদি দ্বিতীয় ঘরের অধিপতি গ্রহ একাদশে এবং একাদশের অধিপতি গ্রহ দ্বিতীয়ে অবস্থান করে, তা হলে লক্ষ্মী যোগ সূচিত হয়।

• যদি দ্বিতীয়ের অধিপতি গ্রহ এবং একাদশের অধিপতি নবম ঘরের অধিপতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে, তবে লক্ষ্মী যোগের সম্ভাবনা প্রবল।

• কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থানও এই প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় ঘরে শুক্রের অবস্থান হলে জাতকের ধনভাগ্য তুমুল।

• প্রাচীন জ্যোতিষ অনুসারে ভগবান বুদ্ধের জন্মপত্রিকায় কোনও লক্ষ্মী যোগ ছিল না। থাকার কথাই নয়। তবে বুদ্ধদেব যে সম্পদ পেয়েছিলেন, তার কাছে পার্থিব ধনভাগ্য লাগে কি?

• বিভিন্ন রাশির জাতকের ধনভাগ্য কেমন, তা-ও বর্ণনা করে জ্যোতিষ শাস্ত্র—

মেষ— পঞ্চম ঘরে মঙ্গল, শনি এবং বৃহস্পতি থাকায় ভনাগম মন্দ নয়।

বৃষ— দ্বিতীয় ঘরে শনি-মঙ্গলের অবস্থানহেতু এঁদের ধনাগম আকস্মিক।

মিথুন— বুধ ও শনি নবম ঘরে তাদের স্থান পরিবর্তন করে, ফলে ধনাগম যথেষ্ট। এতে চন্দ্র যোগ দিলে সোনায় সোহাগা। পিতৃধন লাভ নিশ্চিত।

কর্কট— দ্বিতীয় বা দ্বাদশ ঘরে শুক্র অবস্থান করায় এবং বৃহস্পতি কেতুর সঙ্গে স্থান বিনিময় করায় ধন ও খ্যাতি— দুই-ই লাভ হয়।

সিংহ— চতুর্থ ঘরে মঙ্গল থাকলে এবং শুক্র সহেয় হলে ধনাগম রীতিমতো ভাল। ব্যাবসায় শুভ।

কন্যা— দ্বিতীয়ে কেতু এবং শুক্র অবস্থান করলে আকস্মিক ধনলাভ। সম্পত্তি ক্রয়ের যোগও থাকে।

তুলা— শুক্র ও কেতুর দশায় অর্থাগম হয়। কিন্তু খরচও মন্দ নয়।

বৃশ্চিক— বুধ ও বৃহস্পতির প্রবাবে কোটিপতি হওয়ার যোগ থাকে এঁদের। চন্দ্র যোগ দিলে সেই সঙ্গে উদিত হয় অন্য ভাগ্যও।

ধনু— অষ্টমে চন্দ্র থাকলে শুভ। রবি-কেতু-বৃহস্পতির প্রভাবেও অর্থাগম হয়।

মকর— চন্দ্র সহায় থাকলে বিপুল ধনলাভ। লগ্নে তুলা থাকলে কোটিপতি হওয়ার সম্ভাবনা।

কুম্ভ— দশমে চন্দ্র ও শনির স্থান বিনিময়ে লাভের সম্ভাবনা। ষষ্ঠে বুধ অবস্থান করলেও শুভ। অর্থের সঙ্গে খ্যাতি উপরি পাওনা।

মীন— দ্বিতীয়ে চন্দ্র এবং পঞ্চমে বুধ থাকলে অর্থাগম নিয়মিত। ষষ্ঠে বৃহস্পতি থাকলে বিপুল ধনাগম।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190830182858

Thursday, August 29th, 2019

Astro Research Centre

ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যায় বাম দেব সিদ্ধিলাভ করেন জয় মা তারা

ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যায় বাম দেব সিদ্ধিলাভ করেন  জয় মা তারা

ভাদ্র মাসের কৌশিকী অমাবস্যায় বাম দেব সিদ্ধিলাভ করেন জয় মা তারা

Kaushiki Amavashya: আজ কৌশিকী অমাবস্যা৷ এই বিশেষ দিন উপলক্ষ্যে গতকাল থেকে তুমুল ভিড় তারাপীঠে ৷ এ বছর ২৯ অগস্ট অর্থাৎ আজ সন্ধে ৭টা ৫৬ মিনিট থেকে লাগছে অমাবস্যা ৷ থাকবে ৩০ অগাস্ট অর্থাৎ, আগামীকাল বিকেল ৪টে ৭ মিনিট পর্যন্ত।

কৌশিকী অমাবস্যায় পূজিতা তারা মা

আজ কৌশিকী অমাবস্যা (kaushiki Amavasya)৷ এই বিশেষ দিন উপলক্ষ্যে গতকাল থেকে তুমুল ভিড় তারাপীঠে ৷ এ বছর ২৯ অগস্ট অর্থাৎ আজ সন্ধে ৭টা ৫৬ মিনিট থেকে লাগছে অমাবস্যা ৷ থাকবে ৩০ অগাস্ট অর্থাৎ, আগামীকাল বিকেল ৪টে ৭ মিনিট পর্যন্ত। কথিত আছে, এই তিথিতেই নাকি তারাপীঠের (Tarapith) মহাশ্মশানের শ্বেতশিমূল গাছের তলায় সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপা। সেই বিশ্বাসেই কৌশিকী অমাবস্যাতে লক্ষাধিক পুণ্যার্থীদের ভিড় হয় তারাপীঠে।

এই অমাবস্যার আরেক নাম তারা রাত্রিও৷ শাস্ত্র মতে, তন্ত্র সাধনার জন্য কৌশিকী অমাবস্যাকে খুবই গুরুত্বপুর্ণ বলে মনে করা হয় ৷ তবে শুধু হিন্দু শাস্ত্রে নয়, বৌদ্ধ শাস্ত্রেও এই অমাবস্যার গুরুত্ব রয়েছে৷ কী এই কৌশিকী অমাবস্যা? জেনে নিন কীভাবে কালী পুজো করলে মনষ্কামনা ( Benefits) পূর্ণ হবে আপনার---

কৌশিকী অমাবস্যা, অন্য অমাবস্যার থেকে একটু আলাদা। কারণ তন্ত্র মতে ও শাস্ত্র মতে, ভাদ্র মাসের এই তিথিতে তন্ত্র ও গুপ্ত সাধনা করলে আশাতীত ফল মেলে। সমস্ত দোষ নাকি কেটে যায়। প্রচুর অর্থ লাভ হয় মায়ের আশীর্বাদে। এই দিনের এক বিশেষ মুহুর্তে নাকি স্বর্গ ও নরক দুই এর দুয়ার মুহূর্তের জন্য উম্মুক্ত হয়। এবং সাধক নিজের ইচ্ছা মতো ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক শক্তি নিজের সাধনার মধ্যে আত্মস্থ করে ও সিদ্ধি লাভ করে ৷

চন্ডিতে বর্ণিত মহা সরস্বতী দেবীর কাহিনিতে বলা আছে, পুরাকালে শুম্ভ-নিশুম্ভ কঠিন তপস্যা করে ব্রহ্মাকে তুষ্ট করলে তিনি তুষ্ট হয়ে তাদের বর দেন, কোনও যোনি সম্ভূত নারী তাঁদের বধ করতে পারবে না। ৷ শুধু কোনও অ-যোনি সম্ভূত নারী তাদের বধ করতে পারবে অর্থাৎ এমন এক নারী যে কোনো মাতৃ গর্ভ থেকে উৎপন্ন হয়নি তার হাতেই এই দুই অসুরের মৃত্যু হবে। কিন্তু পৃথিবীতে এমন নারী কই?

পুরাণ বলছে, পূর্ব জন্মে পার্বতী পতিনিন্দা সইতে না পেরে সতী দক্ষ-যজ্ঞে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। ফলে, তার পর জন্মে দেবীর গায়ের রং কালো হয়। তাই তিনি আমাদের কাছে মা কালী রূপে পূজিত। একসময় শুম্ভ-নিশুম্ভদের অত্যাচারে দেবতারা যখন ক্লান্ত হয়ে কৈলাশে আশ্রয় নেন, দেবাদিদেব শিব তখন দেবী পার্বতীকে নির্দেশ দেন, কালিকা রূপে অসুর সংহার করার। কিন্তু সবার সামনে 'কালী' বলে ডাকায় পার্বতী অত্যন্ত ক্ষুব্ধ,অপমানিত ও ক্রোধিত মনে মানস সরোবর এর ধারে কঠিন তপস্যায় বসেন। এবং তপস্যান্তে মানস সরোবরের জলে স্নান করে নিজের দেহের সব কালো কোশিকা ত্যাগ করে পূর্ণিমার চাঁদের মতো গাত্র বর্ণ ধারণ করেন। দেবীর দেহের ওই কালো কোশিকা থেকে এরপর এক অপূর্ব সুন্দর কৃষ্ণবর্ণ দেবী জন্মান। ইনি অ-যৌনি সম্ভূত দেবী কৌশিকী। আজকের এই বিশেষ তিথিতে দেবী দুই অসুরকে বধ করে দেবতাদের উদ্ধার করেন।, তাই এই অমাবস্যার নাম কৌশিকী অমাবস্যা। আবার আজকের এই দিনে দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী তারা মর্ত্যে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190829165439

Thursday, August 29th, 2019

Astro Research Centre

যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

'যোটক বিচার' নাড়ীবেধ বর্ণকুট রাজযোটক মাঙ্গলিক ও অসবর্নবিবাহ

দাম্পত্য সুখের ভিত্তি হ’ল স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক প্রেম-প্রীতি ভালবাসা-বোঝাপড়া। উভয়ের মনোবৃত্তির মিল হলে দাম্পত্য জীবনে সুখের অভাব ঘটার কথা নয়। সেই কারণেই বিখ্যাত অগলাস্তোত্রের প্রার্থনা –
'ভার্য্যাং মনোরমাং দেহি মনোবৃত্ত্যানুসারিণীম্।‘

নারীদের মনেও নিশ্চয়ই অনুরূপ প্রার্থনা জাগে।
কিন্তু বাস্তবে সকলের জীবনে এই প্রার্থনা পূরণ হয় না। বিবাহের, এমন কি প্রেমজ বিবাহের অনতিকাল পরেই ব্যক্তিত্বের সংঘাত বাধে। পতি ও পত্নীর মধ্যে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় ও তা অনেক সময় উভয়ের মধ্যে দুস্তর ব্যবধানে পরিণত হয়, সুখের পরিবর্তে আসে অশান্তি, কোন কোন সময় বিচ্ছেদ।

বিবাহিত জীবনের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন উত্তম পাত্র পাত্রীর মিলন। পাত্র পাত্রীর উত্তমমিলন বিচার করতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে যোটক বিচার এক গুরুত্বপূর্ণ পথ।

যোটক বিচার বলতে ঠিক কি বুঝায় ?

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যার পরস্পরের জন্মরাশি, জন্মনক্ষত্র ও রাশ্যাধিপ গ্রহদি থেকে, যে শুভাশুভ ফল বিচার করা যায়, তাকেই যোটক বিচার বলে। যোটক বিচার অষ্টপ্রকারে বিভক্ত।
যোটক বিচার আট প্রকার কুট বা গুণের সমন্বয়- যথা বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রিকুট, রাশি কুট ও নাড়ীকুট ।

প্রতিটি কূটের একটি নির্দিষ্ট গুনমানের সংখ্যা থাকে যেমন বর্ণকুট1, বশ্যকুট2, তারাকুট3, যোনিকুট4, গ্রহমৈত্রীকুট5, গণমৈত্রিকুট6, রাশি কুট7 ও নাড়ীকুট8| এভাবে সবকটি কুটের সংখ্যা যোগ করলে গিয়ে দাড়ায় 36
এই ৩৬ গুণের মধ্যে মিলনে কত গুণ পাওয়া যাচ্ছে সেটাই মূল কথা।
এই বিষয়ে একটি কথা মনে রাখতে হবে ৩৬ গুণের মধ্যে ১৮ গুণের কম হলে তা যোটক মিলনে শুভ ফলপ্রদ হবে না।

১৮ গুণের বেশি হলে বিবাহিত জীবনে সুখ ও শান্তি লাভ সম্ভব।

34 থেকে 36 টি গুণের মিলন হলে তাকে 'রাজযোটক' বলে।

পূর্বে বর্ণিত অষ্টকুট নিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু তথ্য দেওয়া হল :-

1. বর্ণকুট :

বর্ণ কাকে বলে বা বর্ণ কি ?
জ্যোতিষশাস্ত্রে মেষ, বৃষ, মিথুন, ইত্যাদি যে বারোটি রাশি ব্যাবহার করা হয় তাদের বিপ্র, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র বর্ণে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা যে ব্যক্তিগনের জন্ম কর্কট, মীন, বা বৃশ্চিক রাশিতে তাঁদের বর্ণ বিপ্র। এইভাবে যাঁদের জন্ম সিংহ, তুলা বা ধনু রাশিতে তাঁদের বর্ণ ক্ষত্রিয়। যোটক বিচারের নিয়মে শুদ্র বর্ণের থেকে বৈশ্য বর্ণ শ্রেষ্ঠ, বৈশ্য বর্ণের থেকে ক্ষত্রিয় বর্ণ শ্রেষ্ঠ, আবার ক্ষত্রিয় বর্ণের থেকে বিপ্র বর্ণ শ্রেষ্ঠ।
বর্ণ ফলমে বলা হয়েছে যে-
"ক্ষাত্র-বিট্-শুদ্র-বিপ্রাঃ স্যুঃ ক্রমান্মেষাদি-রাশয়ঃ।
তত্র বর্ণাধিকা কন্যা নৈবোদ্বাহ্যা কদাচন" ।।
অর্থাৎ “বরের বর্ণাপেক্ষা কন্যার বর্ণ শ্রেষ্ঠ হলে, সেই কন্যাকে কদাচ বিবাহ করিবেনা”।

করলে কি হবে ?

" বর্ণশ্রেষ্ঠা তু যা নারী বর্ণহীনস্তু যাঃ পুমান।
বিবাহং যদি কুরব্বীত তস্য ভর্তা বিনশ্যতি "।।
উচ্চ বর্নের পাত্রীর সাথে নিম্ন বর্ণের পাত্রের বিবাহ অশুভ। এতে দাম্পত্য অসন্তোষ, অকাল বৈধব্য, শারীরিক অসুস্থতা, সন্তানের কারনে মনকষ্ট ভোগ করতে হয়।

2. বশ্যকূট্ :

“ মিথুন, কন্যা, তুলা, কুম্ভ, ও ধনুর পূর্বাদ্ধ, যদি বরের রাশি হয় এবং মেষ, বৃষ, কর্কট, ইত্যাদি যদি কন্যার রাশি হয় সেই কন্যা বরের বশীভূত হয়”।

এই ভাবে কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশিকে অন্য কয়েকটি জন্ম চান্দ্র রাশির বশ্য ধরা হয়েছে এবং বিপরীতে বিপরীত ফল বলা হয়েছে।

"এবং বশ্যসমাযোগে দম্পত্যোঃ প্রীতিরূত্তমা।
বশ্যাভাবেহপি দম্পত্যো্রবিবাহঃ কলহ-প্রদঃ।।"

পাত্র ও পাত্রীর রাশি দ্বিপদ চতুস্পদ প্রভৃতি শক্র মিত্রের প্রভাবে দাম্পত্য জীবনে কলহ, বিবাদ, মামলা, মকদ্দমা এমনকি দাম্পত্য বিচ্ছেদ পর্যন্ত ঘটে যেতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিবাহ ঘটায় বশ্যকুট বিচারের অশুভ প্রভাবের ফলে।

3. তারাকুট : পাত্র পাত্রীর জন্মনক্ষত্রের গরমিলের প্রভাবে বিবাহিত জীবনের সুখ, দুঃখ নির্ধারিত হয়ে থাকে। তারা কুটের শুভ প্রভাবে বিবাহের পর গৃহে ভাগ্যলক্ষ্মীর কৃপা বর্ষণ হয়, আর অশুভ প্রভাবে দাম্পত্য অসন্তোষ সহ দুঃখ, কষ্ট, শোক, জরা, ব্যাধি, দৈন্য ও দারিদ্র দশার কারণ হবেন।(বিপদ, প্রত্যরি, বধ তারা অশুভ। )

4. যোনিকুট : প্রত্যেক জাতক বা জাতিকাই নক্ষত্র অনুযায়ী কোনও না কোনও ‘যোনি’-তে অবস্থান করেন। সঠিক ‘যোনি বিচার’-ই সম্ভব করতে পারে সঠিক দাম্পত্য।
যোনি’গুলি যথাক্রমে— অশ্ব, গজ, মেষ, সর্প, শ্যেন, মার্জার, মূষিক, গো, মহিষ, ব্যাঘ্র, মৃগ, বানর, নকুল এবং সিংহ। এই পশুগুলির স্বভাব ও একে অন্যের প্রতি মনোভাবের নিরিখেই নির্ধারিত হয় ‘যোনি’-চরিত্র।
যোনি মিলন’ বিচারের আবার কিছু পন্থা রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অকাল বৈধব্যের প্রবনতা দেখা দেয়। এছাড়া স্বামী কর্তৃক স্ত্রী হত্যা ও স্ত্রী কর্তৃক স্বামী হত্যা পর্যন্ত ঘটতে পারে বিরূপ যোনিকুটের ফলে।

5. গ্রহমৈত্রীকুট : পাত্র পাত্রীর রাশি অধিপতি গ্রহের শক্র মিত্রতার উপর নির্ভরশীল। মিত্রতার প্রভাবে বিবাহিত জীবন সুখ, সমৃদ্ধি, অর্থ, সম্মানে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে আর অশুভ প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম ছাড়াও স্বামী স্ত্রীর দুর্ঘটনা জনিত অঙ্গপ্রতঙ্গ হানী সহ শেষ জীবন কোন প্রকারেই শুভকর হয় না।

6. গনকুট : জ্যোতিষ গণনায় যে সাতাশটি নক্ষত্রকে ধরা হয়েছে, তাদেরই ঐ তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বর ও কন্যার জন্মনক্ষত্র থেকে গণ কূট বিচার করতে হয়।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নয়টি সত্ত্ব গুন বিশিষ্ট নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে দেবগন ও সত্ত্ব গুণী হয়।

পূর্বফল্গুনী, পূর্বাষাড়া, পূর্বভাদ্রপদ, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে নর গন হয়।

জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নয়টি নক্ষত্রে বা জন্মকালীন চন্দ্রাশ্রিত নক্ষত্রে জন্মিলে রাক্ষস গণ হয়।এতো হল গণের পরিচয়।

এবারে বিচারটা কিভাবে হবে ?
“ স্বজাতৌ পরমা প্রীতিরমধ্যা দেব-মানুষে।
দেবাসুরে বৈরতা চ ম্রিত্যুরমানুষ-রাক্ষসে।।
রাক্ষসী চ যদা কন্যা মানুশ্চ বরো ভবেত।
তদা ম্রিত্যুরন দূরস্থো নির্ধনত্বমথাপি যা ” ।।

স্বাতী, হস্তা, অনুরাধা, অশ্বিনী, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালেই তার মধ্যে সত্ত্বগুণ থাকবে এবং সে দেবতুল্য মানুষ হবে।

একই ভাবে জ্যেষ্ঠা, মূলা, মঘা, ইত্যাদি নক্ষত্রে জন্মালে, সেই কন্যা যতই সুশীলা হোকনা কেন, বিনা দোষে তার রাক্ষস গণ হবে এবং তার মধ্যে তমগুণ থাকায় দেবগণের পাত্রের সঙ্গে তার কোন মতেই বিবাহ করা চলবে না।

বিয়ে হলে কি হবে ?

ভাল হবেনা। কলহাদি অশান্তি হবে। আর নর- রাক্ষসের বিবাহে কি হবে ?

“ অসুর- মনুজয়োশ্চেন্মৃত্যুমেব প্রদিষটা "।।

নরগণের পাত্রের সঙ্গে রাক্ষস গণের কন্যার বিবাহ হলে পাত্রের মৃত্যু হবে। অর্থাৎ রাক্ষসী কন্যা নর পাত্রকে খেয়ে ফেলবে। বিপরীত ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা আসেনা।গনকুট এর শুভ মিলনের গুরুত্ব অপরিসীম।
গণ বিচারের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তও পাওয়া গেছে। ধরা যাক, একটি ছেলে ও মেয়ের বিয়ের আগে যোটক বিচার করানো হলো। তাতে অষ্টকূট বিচারে ৩৬ টি গুনের মধ্যে ২৮ টি গুন মিলে গেলো। দুজনের কেউই মাঙ্গলিক নন তবুও বাড়ির কূল পুরোহিত বিবাহে সম্মতি দিলো না। তার কারণ ছেলেটি রাক্ষস গণ ও মেয়েটি নরগণ। মেয়ের মা বাবার বক্তব্য রাক্ষস খেয়ে ফেলে মানুষকে। সচেতন হোন- কারন এটা সম্পূর্ণ অশাস্ত্রীয় ,

মহর্ষি গর্গ বলেছেন :

" রক্ষোগণো যদা পুংসাং কুমারী নৃগণো ভবেৎ। সদ্ভকূটম খগ-প্রীতির্যোনিশুদ্ধিঃ শুভস্তথা।।"

- অর্থাৎ পাত্র রাক্ষস গণ হোক আর পাত্রী নরগন হোক না কেন, উভয়েরই যদি নক্ষত্র, গ্রহ, রাশ্যাধিপতি, যোনীকূট ও ভকূট বিশুদ্ধ হয়, গ্রহ পরস্পর মিত্র বা একই হয় তাহলে বিবাহ জীবন সুখময় হয়।

মহর্ষি বশিষ্ঠ বলেছেন :

" গ্রহমৈত্রি রাশি বশ্যম সদ্ভকূটং ভবেৎ যদি। সদগনা ভাবজনিতো দোষ কো অপি ন বিদ্যতে।।"

7. রাশি কুট : পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকের চন্দ্রের অবস্থান জনিত রাশির শুভ অশুভ প্রভাব দাম্পত্য জীবনে সর্বাধিক গুরুত্ব বহন করে। শুভ প্রভাবে শুভ ফল আর অশুভ প্রভাবে শোক, দুঃখ, দুর্দশা সহ দাম্পত্য জীবন বিষিয়ে তোলে।

মেষরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কন্যা ও বৃশ্চিক রাশির পাত্র/পাত্রী। শুভ হল কর্কট, সিংহ, ধনু ও মকররাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
বৃষ রাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল তুলা ও ধনু রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল সিংহ, কন্যা, মকর ও কুম্ভ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
মিথুনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃশ্চিক ও মকর রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কন্যা, তুলা, কুম্ভ ও মীন রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মোটামুটি মধ্যম।

কর্কটরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল ধনু ও কুম্ভ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল তুলা, বৃশ্চিক, মীন ও মেষ রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

সিংহরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মীন রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃশ্চিক, ধনু, মেষ ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

কন্যারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মকর ও মেষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল ধনু ও বৃষ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম তথাপিও শুভই বলা যায়। এদের মধ্যকার বিবাহে তেমন অসুবিধা প্রায়ই হয়না।
তুলারাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মীন ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মকর, কুম্ভ ও কর্কট রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

বৃশ্চিকরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও বৃষ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল কুম্ভ, মীন, কর্কট ও সিংহ রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

ধনুরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল বৃষ ও কর্কট রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, সিংহ ও কন্যা রাশির। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মকররাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মিথুন ও সিংহ রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, মেষ, কন্যা, ও তুলারাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।
কুম্ভরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল কর্কট, সিংহ ও কন্যা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল বৃষ ও তুলা রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

মীনরাশির পাত্র/পাত্রীর ক্ষেত্রে অশুভ হল মেষ ও তুলা রাশির পাত্র পাত্রী। শুভ হল মীন, কর্কট, কন্যা, বৃশ্চিক ও ধনু রাশি। অন্যান্য রাশির মিলন মধ্যম ফলদায়ক।

এছাড়া শুভ যোটক হল পাত্রের রাশির পঞ্চমে পাত্রীর রাশি হলে। বিপরীত ভাবে পাত্রীর ক্ষেত্রেও ঠিক একই ফল প্রদান করবে। যেমন মেষের সাথে সিংহ, বৃষের সাথে কন্যা, মিথুনের সাথে তুলা, কর্কটের সাথে মীন, ধনুর সাথে মেষ, মকরের সাথে বৃষ, কুম্ভের সাথে মিথুন এবং মীনের সাথে কর্কট। জ্যোতিষ শাস্ত্রে এই যোগকে নবম-পঞ্চম নামে অভিহিত করা হয়। এছাড়া পাত্র পাত্রীর উভয়ের একই রাশি হলে যোটক বিচারে শুভ ফল প্রদান করে।

রাজযোটক :

কথায় বলে- “পুরুষের ভাগ্যে জন ও নারীভাগ্যে ধন”।তাই অনেক পাত্র পক্ষ সুলক্ষণা ভাগ্যবতী পত্রীর খোঁজ করেন যাতে সেই পাত্রীর ভাগ্যযোগে তার স্বামীর আর্থিক ও বৈষয়িক উন্নতি হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে মিলনে কোনও বাধা আছে কিনা সেটা পর্যবেক্ষণ করার জন্য যোটক বিচার করার প্রয়োজন হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নর-নারীর মধ্যে যোটক বিচার করার সময় বিশেষ করে তিনটি বিষয় দেখার প্রয়োজন আছে।
প্রথমত - রাশির সঙ্গে রাশির মিলন।

দ্বিতীয়ত - অষ্ট-কূট বিচারের মাধ্যমেও গুণাগুণ সংক্রান্ত ব্যাপারে অবহিত হওয়া।
তৃতীয়ত - রাশিচক্রে বিবাহের স্থান এবং নর-নারী অর্থাৎ জাতক-জাতিকার আয়ু-স্থান এবং কোনও বিবাহ বিচ্ছেদ বা দুর্ঘটনা যোগ আছে কিনা তা জানা দরকার।

এছাড়াও অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। যেমন সন্তান কেমন হবে, বিবাহের পরে ভাগ্য উন্নতি হবে কিনা, স্বভাব চরিত্র কেমন হবে, স্বাস্থ্য ভাল যাবে কিনা, বিবাহিত জীবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিল হবে কিনা ইত্যাদি নানা প্রশ্নের মধ্য দিয়ে পাত্র বা পাত্রী নির্বাচন করা হয়। প্রয়োজন হলে শাস্ত্রীয় বিধি মতে বিবাহের পূর্বে তার প্রতিকার করা হয়।
জন্মকুণ্ডলী বিচার করা হয় লগ্ন ধরে। কিন্তু এখানে জন্ম লগ্ন অপেক্ষা চন্দ্র লগ্ন অর্থাত্ রাশি গুরুত্বপূর্ণ । কোন কোন রাশির সঙ্গে কোন কোন রাশির মিলন হতে পারে তা জানা দরকার। জাতক এবং জাতিকার যদি রাশি একই হয় তাহলে তা শুভ এবং রাজযোটক মিলন।

এছাড়াএ প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগের উল্লেখ পাওয়া যায়, যাকে বিবাহ ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ যোগ বলা হয়েছে । পাত্র পাত্রীর জন্ম ছকে এই যোগ থাকলে বিবাহিত জীবন ধন-ধান্যে, সম্পদ-সম্পত্তিতে, সন্তান-সন্তুতিতে পরিপূর্ণ ও আনন্দময় হয়ে ওঠে। এই যোগ বিবাহের ক্ষেত্রে বৈধব্য দশা, ভৌম দোষ সহ রাশি, লগ্ন, নক্ষত্র যাই হোক না কেন, কোন রূপ বিচারের প্রয়োজন পড়ে না। যোটক বিচারের অন্যান্য সাধারণ নিয়ম প্রজাপতির নির্বন্ধ যোগে প্রযোজ্য নয়।
অশুভ যোটক যেমন পাত্রের রাশির অষ্টমে পাত্রীর রাশি হলে সেই বিবাহ অবশ্যই সম্বন্ধ পরিত্যাগ করা উচিৎ,একে অরিষড়ষ্টক যোগ বলে ,যেমন - পাত্রের রাশি মেষ হলে তার অষ্টম রাশি বৃশ্চিক, বৃষের সাথে ধনু, মিথুনের সাথে মকর, কর্কটের সাথে কুম্ভ, সিংহের সাথে মীন, কন্যার সাথে মেষ, তুলার সাথে বৃষ, বৃশ্চিকের সাথে মিথুন, ধনুর সাথে কর্কট, মকরের সাথে সিংহ, কুম্ভের সাথে কন্যা, এবং মীনের সাথে তুলা।

বিপরীতে পাত্রীর রাশির ষষ্ঠ পাত্রের রাশি হলে সে বিবাহ অতিশয় শুভ ফল প্রদান করে , এই যোগকে মিত্রষড়ষ্টক যোগ বলে , যেমন - পাত্রীর রাশি মেষ আর পাত্রের রাশি কন্যা, বৃষের সাথে তুলা, মিথুনের সাথে বৃশ্চিক, কর্কটের সাথে ধনু, সিংহের সাথে মকর, কন্যার সাথে কুম্ভ, তুলার সাথে মীন, বৃশ্চিকের সাথে মেষ, ধনুর সাথে বৃষ, মকরের সাথে মিথুন, কুম্ভের সাথে কর্কট এবং মীনের সাথে সিংহ।

উদাহরণ স্বরূপ :

পাত্রের মেষ রাশি আর পাত্রীর কন্যা রাশি বা তুলা রাশির পাত্রের সহিত মীন রাশির পাত্রী যেন না হয়ে যায় তাহলে মহা সর্বনাশ ঘটে যাবে তাতে সন্দেহ নেই।
মনে রাখতে হবে মিত্রষড়ষ্টক যোগ উল্টো হলে বিপরীত ফল প্রদান করবেই করবে। (আবারও বলি পাত্রীর রাশির ষষ্ঠে পাত্রের রাশি হবে) এর বিপরীত যোগের বিবাহে স্বামী স্ত্রী হবে বিরুদ্ধ মতাবলম্বী, সুখের সংসারে নেমে আসবে দুঃসহ দুঃখ, বেদনা, বিচ্ছেদ ও বৈধব্যদশা। এই যোগের বিবাহ স্বয়ং দেবতাগনেরও পরিত্যাজ্য।

8. ত্রিনাড়ীকুট- ত্রিনাড়ীকুট বিচারের শুভ প্রভাবে সংসার সমাজ ও সভ্যতার শুভ যোগাযোগ তৈরী করে, দাম্পত্য জীবনে শান্তির সুবাতাস প্রবাহিত হয়। আর বিপরীত প্রভাবে অশান্তির তীব্র অনল জ্বলতে থাকে। বিবাহের পর সামাজিক কলহ, বিচ্ছেদ, একাকী জীবন যাপন, পিতামাতাসহ সংসারের আত্মীয় পরিজন ছেড়ে বনবাস বা বিদেশ বাস প্রভৃতি ঘটে, একমাত্র ত্রিনাড়ী কুটের অশুভ প্রভাবের ফলে।
ভৌম দোষ বা মাঙ্গলিক দোষ। পাত্রপাত্রীর জন্ম কুন্ডলীর লগ্নে, চতুর্থে, ষষ্ঠে, অষ্টমে এবং দ্বাদশে মঙ্গল অবস্থান করলে জ্যোতিষশাস্ত্রে একে ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ বলে। এই দোষ দাম্পত্য জীবনে বিদ্রোহ, ফাটল, অশান্তি, বিচ্ছেদ ছাড়াও পাত্রের ক্ষেত্রে বিপত্নীক এবং পাত্রীর ক্ষেত্রে বিবাহিত জীবনে স্বামীর অকাল জীবনাবসান এর ইঙ্গিত প্রদান করে। তাছাড়া এদের বিবাহিত জীবনে কোন এক সময়ে দাম্পত্য-অশান্তির মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পায় যা পাত্র/পাত্রীকে মৃত্যুতুল্য করে তোলে। এক কথায় উভয়েরই মনের মৃত্যু ঘটে যায়। তবে এই ভৌম বা মাঙ্গলিক দোষ পাত্র পাত্রীর উভয়ের জন্মকুন্ডলীতে থাকলে তাদের বিবাহিত জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উভয়েই দীর্ঘায়ু লাভ করে ছাড়াও সমাজে মানব সভ্যতার অগ্রগতি সাধন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
জন্ম কুণ্ডলীতে ১২টি করে ঘর থাকে। তার মধ্যে অন্তত ৫টি ঘরে মঙ্গলের অবস্থান একজনকে মাঙ্গলিক হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে ভৌম দোষের কম-বেশি থাকে। যত কম ঘরে মঙ্গল অবস্থান করবে, তার প্রভাবও ততই কম হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে মোট জনসংখ্যার ৪২ শতাংশই মাঙ্গলিক। লগ্ন, চতুর্থ, সপ্তম,অষ্টম, দ্বাদশ স্থানে মঙ্গলের অবস্থানকে মাঙ্গলিক দোষ বলাহয়। পুরুষের এই দোষ স্ত্রীর জন্য অশুভ এবং স্ত্রীর পক্ষে স্বামীর, ইহা পরীক্ষীত ও প্রমাণিত।

কোন জাতক বা জাতিকার কোষ্ঠী বিচারে আগেই যদি জানতে পারা যায় যে তার দাম্পত্য সুখের যোগ নেই, তা হলে তার বিবাহের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে এবং ঐ জাতক বা জাতিকার জন্য সম্ভাব্য পাত্রী বা পাত্রের কোষ্ঠী বিচার করে দেখা যেতে পারে যে সেই কোষ্ঠীতে দাম্পত্য সুখের সম্ভাবনা কি রকম। পাত্র বা পাত্রীর সাধারণভাবে জন্ম-কুন্ডলীতে লগ্নের সপ্তমভাব থেকে জায়া বা পতির বিচার করা হয়। সপ্তমভাবে যে যে গ্রহের যোগ বা দৃষ্টি, সপ্তমভাবপতি, সপ্তমভাবপতি যে যে রাশি ও নবাংশে অবস্থিত সেই সেই রাশি ও নবাংশের অধিপতি, সপ্তমভাব ও পত্নীর কারকগ্রহ শুক্র, শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তম রাশাধিপতি – পতি-পত্নী ও বিবাহিত জীবনের উপর এই সকল গ্রহেরই প্রভাব আছে।
বিবাহিত জীবন বিষয়ে সপ্তমভাবের মত দ্বিতীয়ভাবও বিচার করতে হবে।কারণ, দ্বিতীয়ভাব কুটুম্বস্থান। বিবাহিত জীবনে সাফল্য বা অসাফল্যের পিছনে কুটুম্বদের ভূমিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ, পতি পত্নীর উভয় পক্ষেরই। সেই কারণেই বিবাহিত জীবনের জ্যোতিষিক অনুসন্ধানে ধনভাব/কুটুম্ব স্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, চতুর্থভাব (সুখ) এবং দ্বাদশ (শয্যা সুখ) ভাবেরও গুরুত্ব আছে।
রাহু ও কেতু ভিন্ন যে গ্রহের স্ফুটাংশ (রাশি ব্যতীত অংশ-কলাদি) সর্বাপেক্ষা কম, সেই গ্রহকেও জায়া কারক আখ্যা দেওয়া হয়। চর-কারকত্বে যে গ্রহ জায়া কারক হিসাবে নির্ণীত হবে, বিবাহিত জীবনে তারও প্রভাব আছে। স্থির-কারকত্বে শুক্র পত্নীকারক গ্রহ। সপ্তমভাবপতি ও সপ্তমপতির নবাংশপতি হতে পতির বিচার করতে হয়।
বিবাহোত্তর জীবনে সুখলাভের সম্ভাবনা বিষয়ে প্রাচীন জ্যোতিষ গ্রন্থাদিতে যা পত্নীসুখ বিষয়ে লিখিত, তা পতিসুখ সম্বন্ধেও প্রযোজ্য।
লগ্নের সপ্তমস্থান শুভ গ্রহের ক্ষেত্র এবং শুভগ্রহ দ্বারা যুক্ত বা দৃষ্ট হলে পত্নীসুখ ও শ্বশুর কুলোদ্ভব সুখ হয় এবং স্ত্রী রূপবতী গুণবতী হয়। বিপরীতে- বিপরীত ফল হয় অর্থাৎ সপ্তমস্থান পাপক্ষেত্র হয়ে পাপগ্রহযুক্ত বা দৃষ্ট হলে ঐ প্রকার সুখ হয় না। শুভাশুভ মিশগ্রহে মিশ্র ফল চিন্তনীয়।

লগ্নাপেক্ষা সপ্তমে বহু পাপগ্রহের অবস্থানে বহু স্ত্রী সত্ত্বেও স্বল্প সুখ এবং বহু শুভগ্রহের অবস্থানে একটি স্ত্রী হলেও বিশেষ সুখ হয়। পতির কুন্ডলীতে লগ্নপতি ও সপ্তমপতি যে গ্রহের ক্ষেত্রে ও নবাংশে অবস্থিত, সেই গ্রহের ক্ষেত্রে বা নবাংশে স্ত্রীর জন্ম হলে সেই পত্নী স্বামীর সুখদায়িনী হয়ে থাকে। পতির জন্মকুন্ডলীতে চন্দ্র যে রাশিতে অবস্থিত, সেই রাশির সপ্তমরাশিদর্শী গ্রহের বা তদরাশি স্থিত গ্রহের ক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর জন্ম হয়, তাহা হলে সেই স্ত্রী পতিপ্রিয়া হয়।
নারীর জন্মকুন্ডলীতে দ্বিতীয়, সপ্তম ও দ্বাদশপতি বৃহস্পতি দৃষ্ট এবং কেন্দ্র কোনস্থ হলে, অথবা সপ্তমপতির দ্বিতীয়ে, সপ্তমে বা একাদশ স্থানে শুভ গ্রহের অবস্থানে জাতক/ জাতিকা স্ত্রী/ পতি পুত্র সুখে সুখী হয়।

চন্দ্র ও লগ্ন হতে সপ্তমভাব যদি নবমপতি বা স্বীয় পতি বা শুভগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট হয়, তাহা হলে সপ্তমভাবের শুভ হয় এবং সেক্ষেত্রে বিবাহিত জীবন সুখের হয়।

সপ্তমভাব যদি সমরাশি হয়, সেই রাশ্যাধিপতি ও শুক্র যদি সমরাশিস্থিত হয় এবং পঞ্চম ও সপ্তমভাবের অধিপতিদ্বয় বলবান হয় ও অস্তমিত না হয়, তাহা হলে স্ত্রীপুত্র সুখ হয়।

কোন নারীর জন্মকুন্ডলীতে যদি :

ক) লগ্ন বা লগ্নপতি ও চন্দ্র সমরাশিস্থিত এবং শুভগ্রহ যুক্ত, অথবা
খ) চন্দ্র, লগ্ন ও চতুর্থভাব যদি শুভ গ্রহ যুক্ত বা দৃষ্ট, বা
গ) লগ্নাপেক্ষা ত্রিকোণে (লগ্নে, পঞ্চমে, নবমে) শুভগ্রহেরা অবস্থিত, অথবা যদি সপ্তমভাব ও ঐ ভাব নবংশের অধিপতি শুভগ্রহ হয়, তাহা হলে সেই নারী গুণবতী ও সৌভাগ্যবতী হয়। পতিসুখ না পেলে সেই নারীকে সৌভাগ্যবতী বলা যাবে না, সুতরাং এই সকল যোগে পত্নী পতিসৌখ্যলাভ করে।

পত্নীর পতিপ্রিয়া হবার আরও কয়েকটা যোগ :

ক) লগ্ন সমরাশিতে এবং মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র অতীব বলবান,
খ) লগ্নের নবাংশপতি শুভ গ্রহ
গ) লগ্নে শুক্র ও চন্দ্র বা বুধ ও চন্দ্র বা বুধ ও শুক্র অথবা শুভগ্রহ থাকলে,
ঘ) সপ্তমে একাধিক শুভগ্রহ বা পূর্ণচন্দ্র থাকলে,
ঙ) গুরু, শুক্র, বুধ ও চন্দ্র সকলেই লগ্নকে পূর্ণদৃষ্টি দিলে,
চ) লগ্ন থেকে কেন্দ্র কোণে বৃহস্পতি, বিশেষতঃ স্বগৃহে বা তুঙ্গ রাশিতে,
ছ) অষ্টমভাব থেকে নবমে এবং লগ্ন হতে নবমে শুধুমাত্র শুভ গ্রহের অবস্থান,
জ) লগ্ন ও রাশি শুধুমাত্র শুভগ্রহ দ্বারা দৃষ্ট।
দাম্পত্য সম্প্রীতি বা পতি-পত্নীর পরস্পর মিত্রতা-শত্রুতা বিষয়ে নানা যোগের উল্লেখ করার সময় অনেক সময় দাম্পত্যসুখের অভাবের যোগের কথাও বলা হয়েছে, তবে দাম্পত্য সুখের অভাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু যোগ :

১) শুক্র অবস্থিত রাশি হতে সপ্তমে পাপগ্রহের অবস্থান বা শুক্র পাপযুক্ত,
২) চন্দ্র সপ্তমস্থ, সপ্তমপতি ব্যয়স্থ এবং শুক্র দুর্বল,
৩) দ্বাদশপতি লগ্নে বা সপ্তমে,
৪) ব্যয়াধিপ শত্রু নবাংশে নীচ নবাংশে, অষ্টমভাব-নবাংশে বা ষষ্ঠাষ্টমে স্থিত,
৫) শুক্রের ত্রিকোণে অর্থাৎ পঞ্চমে বা নবমে শনির অবস্থান,
৬) সপ্তমে শনির অবস্থান,
৭) সপ্তমপতি পাপ নবাংশে, বা নীচ নবাংশে,
৮) ক্রুর ষষ্ঠাংশে,
৯) শুক্র নীচ নবাংশে,
১০) সপ্তমপতি রবির রাশিতে অর্থাৎ সিংহে এবং রবি পাপগ্রহের রাশিতে বা নবাংশে এবং পাপগ্রহ যুক্ত/দৃষ্ট,
১১) চন্দ্রের রাশিতে সপ্তম পতি ও চন্দ্র পাপ নবাংশে,
১২) স্ত্রীজাতকের সপ্তমে বা অষ্টমে পাপগ্রহ, বিশেষতঃ সপ্তমে একাধিক দুর্বল পাপগ্রহের অবস্থান, অথবা সপ্তমে পাপগ্রহ দৃষ্ট রবি স্থিত হলে।

দাম্পত্য সুখ বিচারে পতি-পত্নীর মিত্রতা-বৈরিতা বিচার ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। বিবাহে পাত্র-পাত্রীর কোষ্ঠীর মিল দেখার জন্য প্রচলিত যে অষ্টকূট যোটক বিচার পদ্ধতি ঐ পদ্ধতির অষ্টকুটের অন্যতম কুট, বর ও কন্যার উভয়ের রাশির অধিপতির মিত্রতা, ভাবী স্বামী-স্ত্রীর মানসিক সৌখ্যের অন্যতম নির্ণায়ক হিসাবে গণ্য হতে পারে। তবে এ’ছাড়া উভয়ের চন্দ্রস্থিত নবাংশ পতিদ্বয়ের এবং উভয়ের চন্দ্রস্থিত রাশির অধিপতির দ্বয়ের যে যে নবাংশে অবস্থিত সেই নবাংশ পতিদ্বয়েরও মিত্র আছে কিনা দেখা প্রয়োজন, থাকলে ভাবী বর বধুর মানসিক সম্প্রীতি বুঝতে হবে, না থাকলে সম্প্রীতির অভাব বুঝতে হবে।

দাম্পত্য সুখ বা সুখের অভাব সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কিছু যোগের উল্লেখ এই প্রবেন্ধে করা হল, তবে কোন দম্পতির জীবনে সুখ বিষয়ে সিদ্ধান্ত করার জন্য, শুধুমাত্র এই যোগগুলি বা এই ধরণের যোগের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করা যাবে না। উভয়ের কোষ্ঠীর সামুহিক মূল্যায়ন, যোগকারী গ্রহের এবং চন্দ্র ও শুক্রের বলাবল ও শুভাশুভত্ব বিবেচনা করতে হয় ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190829151022

Thursday, August 29th, 2019

Astro Research Centre

বিবাহ গ্রহ জ্যোতিষ হস্তরেখা সপ্তম ভাব ও মঙ্গল

বিবাহ গ্রহ জ্যোতিষ  হস্তরেখা  সপ্তম ভাব ও মঙ্গল

বিবাহ গ্রহ জ্যোতিষ ও হস্তরেখা

আমার মতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ বর্তমান সময়ে আলোচনার জন্য খুবই প্রাসঙ্গিক একটি বিষয়। বর্তমানে আমাদের সমাজে বিচ্ছেদের সংখ্যা উল্লেখ যোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রচুর মানুষ বৈবাহিক বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছেন। আমার কর্ম জীবনে বহু মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন যে তাদের কুণ্ডলীতে বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ আছে কিনা। এখানে আমি চেষ্টা করব কিছু অধিকাংশ করা প্রশ্নের উত্তর দেবার, যেমন জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ, বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্রে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য কোন গ্রহ গুলি সবথেকে বেশি দায়ী ,জন্মপত্রিকায় বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ প্রভৃতি।

ক্ষতিকর গ্রহ, বিশেষত মঙ্গল, রাহু, শনি এবং সূর্য বিচ্ছেদ মূলক চরিত্রের হয়। তাই এই গ্রহ গুলি কুন্ডলীতে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুঘটকের ন্যায় কাজ করে। এগুলো ছাড়া আরও দুটি গ্রহও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিকর প্রভাব থাকা সত্বেও বিবাহ বিচ্ছেদ এড়ানোর ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী। প্রেম, ভালোবাসা, বিবাহ ও যৌন জীবনের ক্ষেত্রে প্রধান গ্রহ হল শুক্র। পুরুষদের কুষ্টির ক্ষেত্রে এটি স্ত্রীকেও সূচিত করে, সুতরাং শুক্র যদি পীড়িত, দুর্বল বা অবনতিশীল হয় তবে তা বৈবাহিক অস্থিরতার লক্ষণ। মহিলাদের কুষ্টির ক্ষেত্রে বৃহস্পতি স্বামীকে সূচিত করে। সুতরাং বৃহস্পতি যদি দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে তা স্বামীর দিক থেকে দুঃখের লক্ষণ।

জন্মপত্রিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ যা বিবাহ বিচ্ছেদের লক্ষণ

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বৈবাহিক স্থিরতা ও অস্থিরতা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের বিচারের জন্য প্রধান স্থান হল ৪র্থ,৭ম, ৮ম এবং ১২তম স্থান। এছাড়াও আমাদের উপপদলগ্ন ও তার ২য় স্থান পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

৪র্থ স্থান হল পরিবারের থেকে আনন্দ। যখন ৪র্থ স্থান বা তার মালিক পীড়িত হয় তখন পরিবারে সুখের অভাব দেখা দেয়। যদি ৪র্থ স্থান শক্তিশালী হয় ও তার মালিক সঠিক স্থানে থাকেন তবে জ্যোতিষশাশ্ত্রে অন্যান্য বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ থাকা সত্বেও তা কখনোই চূড়ান্ত পরিণাম হবে না।

৭ম স্থান হল বিবাহের প্রধান স্থান। এটা শুধু বিবাহের ক্ষেত্রে না হয়ে সবধরণের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কার্যকরী। সুতরাং যখন ৭ম স্থান পীড়িত হয় ও তার মালিক দুর্বল হয় তাহলে এটা বোঝায় যে সেই ব্যক্তির ভাগ্যে সুখী বৈবাহিক জীবন থাকেনা। যদি সেখানে কোনো প্রতিরোধক না থাকে তবে সে বিবাহ নিয়ে ভুক্তভোগী হবে।

৮ম স্থান ব্যক্তির যৌন জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে। সমস্ত স্থানের মধ্যে ৮ম স্থান হল সবচেয়ে অশুভ/ দুষ্ট স্থান। এটা জীবনের গোপন বিষয় নিয়ে বাধা বিপত্তির উদ্রেক করে। মোটের ওপর ৭ম স্থানের দিক থেকে দ্বিতীয় হয়ে এটা বিবাহের সমৃদ্ধির জন্য দায়ী হয়। যদি ৮ম স্থান পীড়িত হয় তখন ৮ম স্থানের মালিক ৭ম স্থান বা তার মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটা বিবাহের পক্ষে সবদিক থেকে নেতিবাচক হয়। এটা জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রধান স্থান।

১২তম স্থান যৌনকামনা তৃপ্তির স্থান বলে পরিচিত। ১২তম স্থান পীড়িত হলে যৌন জীবন দুঃখের হয় এবং যৌনজীবনের প্রতি আগ্রহের অভাব দেখা যায়।

অবশেষে আমাদের উপপদলগ্নের পরিস্থিতি দেখতে হবে। এটা হল ১২তম স্থানের অরুধা পদ। যেমন আপনি যদি বৃষলগ্ন নিয়ে জন্মান তাহলে আপনার ১২তম স্থানের মালিক হবেন মঙ্গল। যদি মঙ্গলকে কর্কটে স্থানান্তরিত করা হয় তবে তা ১২তম স্থান থেকে ৪ চিহ্ন দূরে হবে। আমরা আবার উপপদলগ্ন পাবার জন্য কর্কট থেকে ৪টে চিহ্ন গণনা করব। কর্কট থেকে ৪টে চিহ্ন যেমন তুলা হবে উপপদলগ্ন।

উপপদলগ্ন একজন ব্যক্তির সঙ্গে তার বৈবাহিক সঙ্গীর সম্পর্ক কেমন হবে তা প্রদর্শন করে। যদি শুভ ফল প্রদানকারী গ্রহগুলি উপপদলগ্নের সঙ্গে থাকে তবে তা সুখী দাম্পত্যকে সূচিত করে। জীবন সঙ্গীর চরিত্র, ধরন ও পূর্ব পরিচয় বিচারের ক্ষেত্রে উপপদলগ্নের মালিক ও তার সঙ্গে থাকা গ্রহগুলির গুরুত্ব অপরিসীম। উপপদলগ্নের থেকে দ্বিতীয় স্থান বিবাহের স্থিরতা বা স্থিতিশীলতা কে প্রদর্শন করে। যদি উপপদলগ্ন থেকে দ্বিতীয় স্থানে ক্ষতিকর গ্রহ যেমন রাহু, মঙ্গল অথবা তাদের ক্ষতিকর প্রভাব থাকে তবে তা জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনাকে সূচিত করে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ গণনার প্রাথমিক নীতি

জ্যোতিষশাশ্ত্রে অসংখ্য বিবাহবিচ্ছেদের যোগ আছে এবং তাদের সকলকে মনে রাখা খুবই কঠিন। সুতরাং আমি জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ নিয়ে আলোচনা করছি।

যদি লগ্নে ৭ম স্থানের মালিক ১২তম স্থানের মালিক ও রাহুর সঙ্গে যুক্ত থাকে তবে তা জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। যদি ১২তম স্থানের মালিক ৭ম স্থানে রাহুর সঙ্গে থাকে অথবা যদি ৭ম ও ১২তম স্থানের মালিক পারস্পরিক বিনিময়ের সম্পর্কে থাকে এবং রাহু গ্রহগুলির মধ্যে কোনো একটির সাথে যুক্ত থাকে তবে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা প্রবল।যখন মঙ্গল ও শনির রাশিতে জন্ম হয় তখন যদি শুক্র লগ্নে অধিষ্ঠান করে এবং ৭ম স্থান পীড়িত হয়, স্ত্রী সঙ্গীকে ত্যাগ করে। চন্দ্র ও শুক্রের উপস্থিতি কে বিবাহ জীবনের পক্ষে অশুভ ধরা হয়। যদি এই বিন্যাস ক্ষতিকর প্রভাব দ্বারা পীড়িত হয় তখন কোষ্ঠী তে বিচ্ছেদের প্রবল লক্ষণ দেখা যায়। জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিচ্ছেদের অন্যতম শক্তিশালী বিন্যাস হল ৭ম স্থানে পীড়িত সূর্যের উপস্থিতি অথবা ৭ম স্থানের দুর্বল মালিকের সঙ্গে উপস্থিতি। এটা বিচ্ছেদের আরও বেশি প্রবল লক্ষণ হয় যখন শুক্র ও রাহু অথবা শনি ও রাহুও লগ্নে অবস্থান করে। ৬ষ্ঠ স্থান কোর্টে মামলা মোকদ্দমা প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা কোর্টের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করতে পারি না। যখন ৬ষ্ঠ স্থানের মালিক ৭ম স্থানে থাকে বা তার বিপরীত হয় বা ৬ষ্ঠ এবং ৭ম স্থান একসঙ্গে থাকে তখন দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর বিচ্ছেদ ঘটে। ৬ষ্ঠ স্থান হল ৭ম স্থান থেকে দ্বাদশতম, সুতরাং এটি বিবাহের হানি ঘটায়। যখনই ৬ষ্ঠ স্থান বা তার মালিক বিবাহের সূচক শুক্রের সাথে যুক্ত হয়, তখন বিবাহ বিচ্ছেদ ডেকে আনতে পারে। ৭ম স্থানেও বিভিন্ন গ্রহ যেমন মঙ্গল, রাহু, শনি, সূর্য প্রভৃতির প্রভাব থাকে। এটা লক্ষ্য করা যায় যে ৪র্থ স্থান যখন ৬ষ্ঠ বা ৪র্থ স্থানের মালিকের দ্বারা পীড়িত হয় এবং ৬ষ্ঠ স্থান সঙ্গে থাকে তখন বৈদিক জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্ভাবনা খুবই প্রবল।যদি ৭ম স্থানের মালিক পীড়িত হয় এবং মঙ্গল, রাহু, সূর্য প্রভৃতি গ্রহেরা ৮ম স্থানে থাকে তাহলে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ গণনা করা যায়। যদি ৭ম স্থান পাপকর্তারী যোগের মধ্যে পড়ে তাহলেও বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।যদি ৭ম পতি বক্রী হয় এবং ৮ম স্থান রাহু, মঙ্গল, সূর্য বা শনির পীড়িত হয় তখন বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা থাকে। এই বিন্যাস সঙ্গে নিয়ে শুক্রও যদি বক্রী হয় তাহলে পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হয়। যদি ১২তম স্থানের মালিক ৪র্থ স্থানে থাকে অথবা ৪র্থ স্থানের মালিক যদি ৬ষ্ঠ, ৮ম বা ১২তম স্থানে থাকে, ৭ম স্থান যদি রাহু, সূর্য, শনি অথবা মঙ্গলের দ্বারা পীড়িত হয় এবং বিবাহের সূচক শুক্রও যদি দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে কুষ্টিতে বিচ্ছেদের যোগ প্রবল। নভমসা লগ্ন থেকে ৭ম স্থানে ক্ষতিকর প্রভাব থাকলে এবং কুষ্টিতেও বিচ্ছেদের যোগ দেখালে তখন বিচ্ছেদ অবশ্যম্ভাবী বলা যায়।যদি রাহু–কেতু নভমসা লগ্নের ১ম–৭ম অক্ষে অবস্থান করে তাহলে এটা জ্যোতিষ শাস্ত্রে অসুখী বিবাহজীবনের প্রবল যোগ থাকে। যদি নভমসায় বিবাহের সূচক দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে আরও অশুভ ফল দেবে।নভমসা কুষ্টিতে আমাদের নভমসা লগ্ন লক্ষ্য করতে হবে, ৭ম এবং ৮ম স্থান। যদি এইস্থান এবং তার মালিকেরা পীড়িত হয় তখন বিচ্ছেদের সম্ভাবনা বাড়ে। আমাদের নভমসা কুষ্টিতে রাশি ঘরের ৭ম স্থানের মালিকের পরিস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে। নভমসায় শুক্র–কেতুর সংযোগ হল বিচ্ছেদের প্রবল লক্ষণ।উপপদ লগ্ন থেকে দ্বিতীয় স্থান যদি শনি, মঙ্গল, রাহু বা কেতু প্রভৃতি ক্ষতিকর গ্রহের দ্বারা পীড়িত হয় তাহলে তা বিবাহ ভেঙে দিতে পারে। যখন উপপদলগ্ন কেতুর দ্বারা সংযুক্ত হয় এবং শুক্র ১২তম স্থানে থাকে তখন তা বিচ্ছেদ এবং দুঃখজনক বৈবাহিক জীবনকে সূচিত করে।

এই গুলি হল বৈদিক জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ প্রধান মৌলিক নীতি। আমাদের লগ্ন, চন্দ্র এবং নভমসা থেকেও এই পরিস্থিতি গুলি লক্ষ্য করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে গুরুতর পীড়ন থাকা সত্বেও বৃহস্পতির প্রভাব বিবাহজীবন কে রক্ষা করতে পারে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সময়

এখন জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বোঝার চেষ্টা করি। ৭ম স্থানের মালিকের নিজের দশাতেই বিচ্ছেদ ঘটতে পারে, যদি এটি ৬ষ্ঠ অথবা ৮ম স্থানের সাথে যুক্ত থাকে। ৪র্থ স্থানকে পীড়িত করা গ্রহগুলির সময় কালেও বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটতে পারে, বিশেষত যখন তারা ৬ষ্ঠ, ৮ম এবং ১২তম স্থানেরও মালিক হন। জন্মপত্রিতে বিচ্ছেদ রাহু, মঙ্গল অথবা শনির সময়কালেও ঘটতে পারে, যদি তারা ৪র্থ, ৭ম অথবা ১২তম স্থানের সাথে যুক্ত থাকে এবং বিচ্ছেদ যোগের বিন্যাস তৈরী করে।

বিবাহ বিচ্ছেদের পরে অনেক মানুষ পুনরায় বিবাহ করেন। কিন্তু সবাই দ্বিতীয় বার হলেও সুখীদাম্পত্য জীবন পাবার মতো ভাগ্যবান হননা ।পরীক্ষা করুন আপনার কুষ্টিতে ২য় বিবাহের যোগ আছে কিনা

জ্যোতিষ শাস্ত্রে কুষ্টিতে বিবাহ বিচ্ছেদের প্রতিকার

গৌরী-শঙ্কর রুদ্রাক্ষ সঠিকপদ্ধতিতে রাখুন।এটা খুব কার্যকরী।প্রতিদিন ভগবান শিব এবংমাতা পার্বতীর পূজা করুন।বিবাহের পূর্বে কুষ্টির মিলন করানো উচিৎপ্রতিদিন ললিতা সহস্রনামা পাঠ করা উচিৎ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190829113219

Wednesday, August 28th, 2019

Astro Research Centre

রাশি (জন্ম )অনুসারে চারিত্রিক বৈশিষ্ট (Arish to pises)

রাশি (জন্ম )অনুসারে চারিত্রিক বৈশিষ্ট (Arish to pises)

রাশি (জন্ম )অনুসারে চারিত্রিক বৈশিষ্ট (Arish to pises)

সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার চন্দ্র যে রাশিতে থাকে ঐ
রাশিকে জন্ম-রাশি বলে।

মেষ রাশির জাতক ভাবপ্রবণ, চঞ্চল, জেদী, ক্রোধী, সামান্য কারণে আনন্দিত বা বিষাদগ্রস্ত, মিষ্টান্নপ্রিয়, ত্যাগী, ধনী, নিজ কর্মে বিশ্বাসী, প্রবল আত্মবোধ ও ইন্দ্রিয়ানুভূতির অধিকারী।

বৃষ রাশির জাতক স্থুল নেত্রযুক্ত, স্বল্পভাষী, ধীর-স্থীর, ধার্মিক, কুলজনের হিতকারী, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, অধ্যবসায়ী, পরিশ্রমী, স্থির-প্রতিজ্ঞ, বাস্তববাদী, আধিপত্য বিস্তারকারী ও হিসাবী।

মিথুন রাশির জাতক ধীর-গতিসম্পন্ন, স্পষ্টবাক, পরহিতৈষী, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, পণ্ডিত, হাস্যযুক্ত, কৌতুকপ্রিয়, আত্ম-প্রশংসাকামী, সমালোচক, গীতবাদ্য অনুরাগী।

কর্কট রাশির জাতকচিন্তাশীল, ভাবুক, কল্পনাপ্রবন, উদার, সত্যবাদী, দয়ালু, দেবদ্বিজে ভক্তিপরায়ণ, পণ্ডিত, প্রগতিশীল হলেও পুরাতনপন্থী, দৃঢ়-প্রতীজ্ঞ, ভ্রমণপ্রিয়, আশ্চর্যজনক বিষয়ে আগ্রহশীল, মাতা-পিতার প্রতি ভক্তিপরায়ণ এবং সাহিত্য ও গীতবাদ্যে অনুরাগী।

সিংহ রাশির জাতক বিশ্বাসী, ক্রোধী, বন্ধুহীন, উন্নত-বক্ষবিশিষ্ট, খেয়ালী, কর্তৃত্বপ্রিয়, স্বাধীনচেতা, বিলাসী, স্পষ্টবক্তা, অন্যায়ের বিরুদ্ধাচারী, আত্ম-সচেতন ও অমিতব্যয়ী।

কন্যা রাশির জাতক ধার্মিক, বালক-স্বভাবযুক্ত, ক্ষমাপরায়ণ, একমনা, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, সমালোচক, সৎ হলেও ক্ষেত্র বিশেষে কুটিল-স্বভাবযুক্ত, মাতৃভক্ত, সাহিত্য-রসিক এবং রমণীগণের প্রিয়।

তুলা রাশির জাতক কোমল শরীর-বিশিষ্ট, দাতা, বন্ধুবৎসল, সদালাপী, অতিভাষী, দৈব-প্রভাবযুক্ত, বুদ্ধিমান, সামাজিক, ভোগী, বিলাসী, শাস্ত্রজ্ঞ, সঙ্গীতজ্ঞ ও রমণীগণের প্রিয়।

বৃশ্চিক রাশির জাতক পণ্ডিত, দৃঢ়মতি, বলশালী, আত্মনির্ভরশীল, কর্মদক্ষ, গম্ভীর, জেদী, ক্রোধী, পরমত অসহিষ্ণু, সর্বদা উদ্বেগযুক্ত ও খলবুদ্ধিসম্পন্ন।

ধনু রাশির জাতক নানা কীর্তিপরায়ণ, কুলগৌরবযুক্ত, বন্ধুলোকের হিতকামী, সূক্ষ্মদৃষ্টিসম্পন্ন, প্রভূত ধন-সম্পদযুক্ত, ধীর গতিসম্পন্ন, ধার্মিক, স্বাধীনচেতা, উচ্চাভিলাসী, কর্তৃত্বপ্রিয়, অহংকারী, ক্ষণক্রোধী, পিতৃধন ত্যাগী, গীতপ্রিয়, মীতব্যয়ী, কখনও ধীর আবার কখনও স্থীর, দ্বিধাভাবগ্রস্ত ও সন্দিগ্ধমনা।

মকর রাশির জাতক তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, ধীর, আত্মাভিমানী, পরাক্রমযুক্ত, বন্ধুবৎসল, দ্বায়িত্বসম্পন্ন, ভোগবিলাসী, মন্ত্রণা ও বাদানুবাদে দক্ষ, সুনামপ্রিয়, পরদারাসক্ত এবং বাইরে থেকে সহজ-সরল মনে হলেও অমত্মরে কুটিল।

কুম্ভ রাশির জাতক উদ্যমী, একাগ্র চিত্তের অধিকারী, ভাবুক, ধার্মিক, নির্জনতাপ্রিয়, সংস্কারপ্রিয়, জ্ঞাতিবর্গসহ আমোদকারী, পরদারাসক্ত, ধনশালী, গম্ভীর, কুটিল স্বভাবযুক্ত ও নিদ্রাপ্রিয়।

মীন রাশির জাতক ধৈর্যশালী, শামিত্মপ্রিয়, একাগ্র, জ্ঞানী, মানী, আশাবাদী, উদ্ভাবনী শক্তিসম্পন্ন, উদার, ধার্মিক, দ্বিধাভাবগ্রস্ত, স্ত্রী-জয়ী, রমণীপ্রিয়, সাহিত্যরসিক ও ধনেজনে সুখভোগী।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190828134031

Tuesday, August 27th, 2019

Astro Research Centre

তিথি, অমাবস্যা, পূর্ণিমা, নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিকি কি ক্তা ও পূর্ণা 30টি তিথি

তিথি, অমাবস্যা, পূর্ণিমা, নন্দা,  ভদ্রা, জয়া, রিকি কি ক্তা ও পূর্ণা  30টি তিথি

জ্যোতিষশাস্ত্রে 30টি তিথি কি কি , যথা- নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা ও পূর্ণা একাদশী কি ও কয়টি

তিথি পরিচয় জ্যোতিষ বিজ্ঞান মতে চন্দ্র পৃথিবীর চতুর্দিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ত্রিশ দিন লাগে। চন্দ্র ও পৃথিবী ঘুর্ণনের ফলে চন্দ্র ক্রমশ দৃশ্যমান হতে হতে পনের দিনে সম্পূর্ণ দৃশ্যমান হয় যাকে পূর্ণিমা বলে এবং পরবর্তী পনের দিন পর সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয় যাকে অমাবস্যা বলে। যে একক সময়ে চন্দ্রের এরকম হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে তাকে প্রতিপদ, দ্বিতীয়া আদি তিথি বলে। অমাবস্যার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত পনের দিন শুক্ল পক্ষ এবং পূর্ণিমার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে অমাবশ্যা পর্যমত্ম পনের দিন কৃষ্ণ পক্ষ নামে পরিচিত। শুক্ল পক্ষের তিথির নাম- ১) প্রতিপদ, ২) দ্বিতীয়া, ৩) তৃতীয়া, ৪) চতুর্থী, ৫) পঞ্চমী, ৬) ষষ্ঠী, ৭) সপ্তমী, ৮) অষ্টমী, ৯) নবমী, ১০) দশমী, ১১) একাদশী, ১২) দ্বাদশী, ১৩) ত্রয়োদশী, ১৪) চতুর্দশী ও ১৫) পূর্ণিমা। কৃষ্ণ পক্ষের তিথির নাম- ১৬) প্রতিপদ, ১৭) দ্বিতীয়া, ১৮) তৃতীয়া, ১৯) চতুর্থী, ২০) পঞ্চমী, ২১) ষষ্ঠী, ২২) সপ্তমী, ২৩) অষ্টমী, ২৪) নবমী, ২৫) দশমী, ২৬) একাদশী, ২৭) দ্বাদশী, ২৮) ত্রয়োদশী, ২৯) চতুর্দশী ও ৩০) অমাবস্যা। তিথিসমূহ পাঁচ ভাগে বিভক্ত, যথা- নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা ও পূর্ণা। প্রতিপদ, ষষ্ঠী ও একাদশীকে নন্দা; দ্বিতীয়া, সপ্তমী ও দ্বাদশীকে ভদ্রা; তৃতীয়া, অষ্টমী ও ত্রয়োদশীকে জয়া; চতুর্থী, নবমী ও চতুর্দশীকে রিক্তা এবং পঞ্চমী, দশমী, অমাবস্যা ও পূর্ণিমাকে পূর্ণা বলে।


১। একাদশী কী?
২। একাদশী কয়টি ও কি কি?
৩। একাদশীকে মাধব তিথি বা হরিবাসর তিথি বলা হয় কেন?
অালোচনা ঃ-----
একাদশী একটি সংস্কৃত শব্দ। জ্যোতিষশাস্ত্র বা বৈদিক দিনপঞ্জি অনুযায়ী মাসের দুইটি পক্ষের (এক পক্ষ =১৫ দিন) ১১ তম দিবসে তা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ প্রতি মাসে দুটি একাদশী তিথি হয়ে থাকে। অামাবস্যার পর থেকে পূর্ণিমা পষন্ত কালকে বলা হয় শুক্লপক্ষ এবং পূর্ণিমার পর থেকে অমাবস্যা পযন্ত কালকে বলা হয় কৃষ্ণপক্ষ। এভাবে (১২) মাসে চব্বিশটি (২৪) একাদশী।
১। বরুথিনী ২। মোহিনী ৩। অপরা ৪। পান্ডবা
৫। যোগিনী ৬। শয়ন ৭। কামিকা ৮। পবিত্রারোপিণী
৯। অন্নদা ১০। পার্শ্বৈ ১১। ইন্দিরা ১২। পাশাঙ্কুশা
১৩। রমা ১৪। উত্থান ১৫। উৎপন্না ১৬। মোক্ষদা
১৭। সফলা ১৮। পুত্রদা ১৯। ষটতিলা ২০। ভৈমী, জয়া
২১।বিজয়া ২২। অামলকী ২৩। পাপমোচনী ২৪। কামদা
এছাড়া কোনো বছরে অধিমাস বা পুরুষোত্তম মাস (মলমাস) থাকলে, তখন অতিরিক্ত দুটি একাদশী হয়।
শুক্লপক্ষের পদ্মিনী একাদশী এবং কৃষ্ণপক্ষের পরমা একাদশী।
একাদশীকে মাধব তিথি বা হরিবাসর তিথি বলা হয়। মাধব হলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তিথি মানে বিশেষ সময়। অর্থাৎ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা তার প্রিয় তিথিকে বলাহয় মাধব তিথি। জগজ্জীবের কল্যাণের নিমিত্তে ভগবান এই তিথিতে একাদশী দেবীরূপে প্রকাশিত হন। তাই ভগবদ্ভক্তগণ ভগবানের সন্তুুষ্টি বিধানার্থে একাদশী তিথি বিশেষ ভাবে উদযাপন করে থাকেন। কেননা, তা সমস্ত ব্রতের মধ্যে উত্তম ব্রত। হরে কৃষ্ণ




সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190827141440

Monday, August 26th, 2019

Astro Research Centre

জ্যোতিষ শাস্ত্রের কিছু অশুভযোগের অন্যতম গ্রহণ যোগ

জ্যোতিষ শাস্ত্রের কিছু অশুভযোগের অন্যতম গ্রহণ যোগ

জ্যোতিষ শাস্ত্রের কিছু অশুভযোগের অন্যতম গ্রহণ যোগ

গ্রহন দোষ ঃ রাহু ও কেতু কোনো দৃষ্টি গোচর গ্রহ নয়। চন্দ্র ও পৃথিবীর কক্ষপথের দুটি ছেদ বিন্দু। বা সরল ভাষায় চন্দ্র ও পৃথিবীর ছায়া উপছায়া হলো রাহু ও কেতু। যখনই সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে একই সরল রেখায় চন্দ্র চলে আসে তখন পৃথিবীর কিছু অংশে চন্দ্রের ছায়া পরে এবং সে স্থানে সূর্যকে কিছুক্ষনের জন্য দেখা যায়না একে আমরা সূর্য গ্রহণ বলে জানি। আবার কখোনো কখোনো সূর্য এবং চন্দ্রের মাঝে একই সরল রেখায় পৃথিবী চলে আসে, তখন চন্দ্রের ওপর পৃথিবীর ছায়া পরে এবং কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রকে পৃথিবীর কিছু অংশের মানুষ দেখতে পায়না একে আমরা চন্দ্র গ্রহন বলি।

রা,শি চক্রে রবি এবং চন্দ্র যখনি রাহু এবং কেতুর সাথে সংযোগ করে তখনই গ্রহণ দোষ সৃষ্টি হয়। আমার দৃষ্টিতে এটি একটি অশুভ যোগ। জন্ম ছকে যে ভাবে এই দোষ সৃষ্টি হয় সে ভাব ও ভাব সম্পকৃত আত্মিয়র শুভ ফলের হানি করে। সেই আত্মিয়র চরিত্রে রাহু কেতুর অশুভ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাই দেখা যায় সন্তানের গৃহে রাহু বা কেতুর অবস্থান সন্তান সম্পর্কৃত বিষয়ে অশুভ ফল নির্দেশক। চন্দ্র মানুষের মন ও মস্তিষ্ককে নির্দেশ করে । চন্দ্র আবার স্বাভাবিক মাতৃ কারক গ্রহ। রাহুর সাথে চন্দ্রের সংযোগে বা রাহুর দৃষ্টি চন্দ্রের ওপর পরলে প্রশ্নকারী এবং তার মাতার মাঝে প্রচুর উচ্চাকাংখা, লোভ, অহংকার দেখা যায়। তাদের মাঝে অতৃপ্ততা দেখতে পাওয়া যায়। রাহু চন্দ্রের সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষ হলে প্রশ্ন কর্তা মানষিক ভাবে সর্বদা দুঃখি থাকে। সে কখোনই কোনো কিছুতেই পরিতৃপ্ত হয়না। মনে রাখবেন প্রশ্ন কর্তার দুঃখ কেউ দূর করতে পারবেনা। সব কিছু পেলেও সে দুঃখি আত্মা।

একই ভাবে রবির সাথে রাহুর অবস্থান জাতককে দুঃখি আত্মা করে। রবি স্বাভাবিক পিতৃ কারক গ্রহ হওয়ায় পিতার সাথেও জাতকের সুসম্পর্ক থাকেনা। পিতার দ্বারা জাতক বৈরী আচরন পেয়ে থাকে। রবি জগতে আলো ও প্রাণের উৎসের প্রতিক। রবি রাহুর সংযোগে সৃষ্ট গ্রহন দোষের ফলে জীবন হয়ে ওঠে দুঃর্বিসহ। জাতককে বহু বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। সকল কাজে হতাশা নিরাশা দেখা দেয়। তাই হয়ত খনার বচনে দেখতে পাই ’’ সূর্য কুজে(মঙ্গল) রাহু মিলে ,গাছে দড়ি বন্ধন গলে।’’

একই ভাবে যদি চন্দ্রের সাথে কেতুর সংযোগে গ্রহন দোষ হয় তা হলে প্রশ্ন কর্তার মন মস্তিষ্ক বাধা গ্রস্থ হয়। মাতার সাথে সম্পর্ক ভালো যায় না। কেতুর রহস্যময়তা ও ইর্ষাপরায়নতা তার মাঝে প্রবল ভাবে দেখতে পাওয়া যায়। অপরের উন্নতিতে হিংসায় জ্বলে পুড়ে যায় এবং অপরের দূর্ণাম বদনাম,ও অভিশম্পাত করে। মিথ্যা বলার প্রবনতাও দেখা যায়। রবির সাথে কেতুর সংযোগে সৃষ্ট দোষে জাতকের মনের মাঝে কুটিলতা বিরাজ করে। সে সর্বদা সন্দেহ প্রবন হতে পারে। পিতার সাথে তার কোনো কালেও সু সম্পর্ক থাকেনা। সমাজে তার আচরন হয় রহস্যময়। দূর্নাম-বদনামের আশঙ্কা থাকে। জাতক শীড় পিড়ায় ভুগতে পারে।

গ্রহণযোগ থেকে মুক্তি পাবার উপায়

মানসিকভাবে দুশ্চিন্তা কম করতে হবে

ঋণ দেওয়া বা নেওয়া করা চলবেনা

অশান্তি ও ঝগড়া ঝামেলা কম করবেন

নিজেকে সঠিকভাবে চেনা বা উপলব্ধি করা। এর মাধ্যমে অনেকটাই নিজের সমস্যাগুলো থেকে বের হওয়া যেতে পারে।

গ্রহদের ডিগ্রিগত অবস্থানে এই দোষের প্রভাব কম-বেশি হয়। কেতু বিচ্ছেদ নির্দেশ করে। সুতরাং জাতকের বেশি করে কোনও দায়িত্ব থেকে দুরে থাকা উচিত।

জাতক বা জাতিকার পূর্বজন্মের কৃতকর্মের ফল বা ঋণ এই দোষের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। সুতরাং সঠিকভাবে বিবেচনা করে প্রতিটি কর্মে অগ্রসর হতে হবে। সত্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চললে প্রতিটি ভুলভ্রান্তি সামনে থেকে দুরে চলে যাবে ধীরে ধীরে।

এছাড়াও ভাবপাতি অনুসারে রবি, রাহু, চন্দ্র, কেতু
গ্রহের প্রতিকার করতে পারেন

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ গ্রহণযোগ নিবারণ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190826122910

Monday, August 19th, 2019

Astro Research Centre

সুখী জীবনের প্ৰতিদিনের দরকারী কিছু মন্ত্র নিয়ম করে করুন সূর্য মন্ত্র গুরু প্রণাম গুরু, নিত্য কর্ম পূজা পদ্ধতি, সকল দেব দেবীর মন্ত্র কৃষ্ণ পূজা মন্ত্র

   সুখী জীবনের  প্ৰতিদিনের দরকারী কিছু মন্ত্র নিয়ম করে করুন সূর্য মন্ত্র গুরু প্রণাম  গুরু, নিত্য কর্ম পূজা পদ্ধতি, সকল দেব দেবীর মন্ত্র কৃষ্ণ পূজা মন্ত্র

প্রতিদিনের দরকারী কিছু মন্ত্র

১. ঘুমাবার আগে বলুন - ওঁ শয়নে শ্রী পদ্মনাভায় নম:।
২. জন্ম সংবাদ শুনলে বলুন -আয়ুষ্মান ভব।
৩. মৃত্যু সংবাদ শুনলে বলুন -দিব্যান লোকান্ স গচ্ছতু।
৪. খাবার আগে বলুন - ওঁ শ্রী জনার্দ্দনায় নম:।
৫. বিপদে বলুন - ওঁ শ্রী মধুসূদনায় নম:।
৬. হিন্দু ধর্মীয় সকলকাজ শুরুর আগে বলুন - ওঁ তৎ সৎ।
৭. গৃহ প্রবেশ মন্ত্র - ওঁ শ্রী বাস্তুপুরুষায় নম:।
৮. মাতৃ প্রনাম মন্ত্র -
ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বগাদগি গরিয়সী। গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে।সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাএ নমঃ নমঃ।।
৯. পিতৃ প্রনাম মন্ত্র -
পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহিপরমংতপঃ। । পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা নমঃ পিতৃ চরনেভ্য নমঃ।।
১০. শ্রীকৃষ্ণ প্রনাম মন্ত্র -
হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে। গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত নমহস্তুতে।।
নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ। জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় বাসুদেবায় নমো নমঃ।।
১১. শ্রীরাধারানী প্রণাম মন্ত্র -
তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী। বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।
১২. দেহ শুচীর মন্ত্র -
ওঁ অপবিত্র পবিত্রোবাং সর্বাবস্থান গতহ্বপিবা। যৎ সরেত পুন্ডরিকাক্ষং স বাহ্য অভ্যান্তরে শুচি।।
পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্। ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি।।
১৩. গুরু প্রণাম মন্ত্র -
অখন্ড মন্ডলা কারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম। তদপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া। চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বর। গুরু রেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
১৪. শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রণাম মন্ত্র -
পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্। ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্।।
১৫. সূর্য প্রণাম মন্ত্র -
ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্। ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহষ্মি দিবাকরম্।।
১৬. গোবিন্দ প্রণাম মন্ত্র -
ঔঁ ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ। জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ।।
১৭. তুলসী প্রণাম মন্ত্র -
ঔঁ বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়াঐ কেশবস্য চঃ। কৃষ্ণভক্তিপদে দেবী সত্যবত্যৈ নমঃ নমঃ।।
১৮. দুর্গা প্রণাম মন্ত্র -
সর্বমঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সবার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোহস্তুতে।।
১৯. শ্রীবিষ্ণু প্রণাম মন্ত্র - অশ্বথ বৃক্ষমূলে জল দিয়ে
ওঁ অশ্বত্থ বৃক্ষরূপোহসি মহাদেবেতি বিশ্রুতঃ। বিষ্ণুরপধরোহসি ত্বং পুণ্যবৃক্ষ নমোহস্ত্ত তে।।
২০. বিশ্বকর্মা প্রণাম মন্ত্র -
দেবশিল্পিন মহাভাগ দেবানাং কার্যসাধক। বিশ্বকর্মন্নমস্তুভ্যং সর্বাভীষ্টফলপ্রদ।।
২১. গায়ত্রী প্রণাম মন্ত্র -
ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ তৎ সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ


পনি যে কোনও দেব দেবী র পুজা করুন তার একটা পদ্ধতি আছে । পর পর পদ্ধতি গুলি মেনে এবং অর্থ বুঝে পুজা করলে পুজা সারথক । ক্রম অনুসারে পদ্ধতি গুলি সরল অর্থ , মন্ত্রের ব্যাখ্যা , উদেশ্য জানতে হবে ।

অধিকাংশ মন্ত্র , প্রান প্রতিষ্ঠা ,ঘট স্থাপ্‌ন, চক্ষু দান , হোম , বিসর্জন , ক্রিয়া এক । তবে দেব দেবী ভেদে বীজ মন্ত্র ,প্রনাম মন্ত্র , ধ্যান মন্ত্র , গায়ত্রী মন্ত্র ও পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র আলাদা ।

ভাব ও শুচিতা ঃ

পূজারী যিনি পুজা করবেন তিনি অন্ততঃ এক পক্ষ কাল অক্ষম হলে একদিন অথবা এক ঘণ্টা যে দেব দেবীর পুজা করবেন তার ভাবে ভাবান্বিত হবার চেষ্টা করবেন । এটাই হল মানসিক পুজা । পুজার দিন পরিমিত আহার এবং পার্লে দুধ , চা , ফলমুল মিষ্টি খেয়ে থাকতে পারলে ভাল । এতে দেহে বিকার হয় না । মন শান্ত থাকে । স্নান এবং পরিষ্কার বস্ত্র পরা আবশ্যক । কারন অন্তরের শুচিতার সাথে বাইরের শুচিতার সম্পর্ক আছে । যত পরিষ্কার থাকবেন , মনে ,দেহে ততই আপনার মন সংযোগ করতে সুবিধা হবে । তবে মনে রাখতে হবে এতে যেন শুচি বাই গ্রস্ত হয়ে না পড়েন ।

মনে রাখতে হবে পুজার কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা আপনি আপনাকে দেবত্বে উন্নত করার প্রয়াস পাচ্ছেন , কেননা যে দেব দেবীর পুজা করতে চলেছেন , কিছুক্ষণের জন্য হলেও আপনার প্রান ও মন সেই দেব দেবীর ভাবে ভাবান্বিত করতে হবে । কারন পুজক আর পুজ্য পুজার সময় এক ও অভিন্ন ।এই সময় জীবত্বে থেকে শিবত্বে উন্নীত করতে পারেন নিজেকে ।

পুজার আসন ঃ

যে আসনে স্বচ্ছন্দে বসে মন সংযম করতে পারবেন অথচ আরাম প্রিয় হবে না । নিজের আসনে অন্য কাউকে বসে পুজা করতে দেবেন না ।

আসন শুদ্ধি ঃ বিষ্ণু স্মরণ ,গুরু বন্দনা , স্বস্তিবাচন , সঙ্কল্প ,জল শুদ্ধি ,পুস্প শুদ্ধি , ঘট স্থাপন , ন্যাস ,ধ্যান ,আবাহন , পুজা , আরতি ।

এই ক্রমে পুজা করতে হবে ।


IamLob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190819082418

Monday, August 19th, 2019

Astro Research Centre

শুভ বিবাহিত জীবনের জন্য কতকগুলি নিয়ম মানা প্রয়োজন

শুভ বিবাহিত জীবনের জন্য কতকগুলি নিয়ম মানা প্রয়োজন

শুভ বিবাহিত জীবনের জন্য কতকগুলি নিয়ম

বিবাহের আগে শাস্ত্র মতে ঠিক কী কী জানা প্রয়োজন, যাতে দাম্পত্যজীবন সুন্দর হয়? এ ক্ষেত্রে যোটক বিচার প্রথমেই দেখা প্রয়োজন। এর পর যেগুলো আমাদের দেখা প্রয়োজন, যেমন কোন কোন মাসে বিবাহ দেওয়া যেতে পারে, কোন বারে বা নক্ষত্র যোগ, তারিখ ইত্যাদি।

আসুন দেখে নেওয়া যাক বিবাহের খুঁটিনাটি বিষয়গুলি:

১। বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, অগ্রহায়ণ, মাঘ ও ফাল্গুন মাসে বিবাহ হলে স্ত্রী পতিব্রতা ও ঐশ্বর্যযুক্ত হয়।

২। অগ্রহায়ণ ও মাঘ মাসে গোধূলিতে বিবাহ হলে দাম্পত্য জীবনে বড় সমস্যা হয়। শনিবারে ও বৃহস্পতিবারে গোধূলি বিবাহ নিষিদ্ধ।

৩। জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রথমা কন্যা বা পুত্রের বিবাহ নিষিদ্ধ।

৪। সোম, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবারে বিবাহ হলে কন্যা সৌভাগ্যবতী হন। গর্গ মুনির মতে বিশেষত রবি, মঙ্গল ও শনিবার রাত্রিতে বারদোষ হয় না।

৫। অমাবস্যা, বিষ্টিভদ্রা ও রিক্তা তিথিতে বিবাহ নিষিদ্ধ। আবার শনিবার রিক্তা হলে কন্যা পতি-পুত্রবতী হয়।

৬। রোহিনী, মৃগশিরা, মঘা, উত্তরফাল্গুনী, হস্তা, স্বাতী, অনুরাধা, মূলা, উত্তরাষাঢ়া, উত্তর ভাদ্রপদ ও রেবতী নক্ষত্রে এবং মিথুন, কন্যা, তুলা লগ্নে বিবাহ সুপ্রশস্ত। অশ্বিনী চিত্রা, শ্রবণা, ধনিষ্ঠা নক্ষত্রে যজুর্বেদী বিবাহ প্রশস্ত।

৭। বিষ্টি, শকুনি, নাগ ও কিন্তুঘ্নকরণে বিবাহ নিষিদ্ধ।

৮। ব্যতীপাত, পরিখ, বৈধৃতি, অতিগণ্ড, ব্যাঘাত, হষণ, শূল, বিষকুম্ভ, বজ্রযোগে বিবাহ নিষিদ্ধ। এই সকল যোগ বাদে অন্যান্য যোগে বিবাহ প্রশস্ত।

৯। বিবাহের সময় লগ্ন, চতুর্থ, পঞ্চম, নবম, দশমে বৃহস্পতি অথবা শুক্র গ্রহ অবস্থান করলে, লগ্নের সমস্ত দোষ নাশ হয় ও সুখ বৃদ্ধি হয়।

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre
Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in v
All Kind of Certified Gems and Stone available here

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190819080001

Sunday, August 18th, 2019

Astro Research Centre

শরীরের কোথায় কি রঙের তিল থাকলে কী হয়। Teel Tatwa

শরীরের কোথায় কি রঙের তিল থাকলে কী হয়। Teel Tatwa

শরীরের কোথায় তিল থাকলে কী হয়।

মাথার তালুতে তিল নির্মল ভালোবাসার প্রতীক। এরা রসিকও হন বটে। মাথার ডান দিকে তিল থাকলে তারা হন খ্যাতিমান, ডান দিকে তিল ধন ও বুদ্ধির চিহ্ন। আবার যাদের মাথার বাঁ দিকে তিল রয়েছে তারা অর্থের অপচয় করেন এবং বাঁ দিকের তিল হতাশাপূর্ণ জীবনের সূচক।

* যাদের ভ্রুতে তিল রয়েছে তারা প্রায়ই ভ্রমণ করেন। ডান ভ্রুতে তিল থাকলে দাম্পত্য জীবন সুখের হয়। বাঁ ভ্রুতে তিল অসুখী দাম্পত্য জীবনের লক্ষণ।

* চোখের পাতায় যাদের তিল রয়েছে তারা সাধারণত সংবেদনশীল হন। যাদের ডান চোখের পাতায় তিল রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন।

* যাদের কানে তিল রয়েছে তারা দীর্ঘজীবী হন।

* নারী বা পুরুষের মুখমণ্ডলের আশপাশে তিল থাকা সুখী দাম্পত্য জীবনের লক্ষণ।

* নাকে তিল থাকলে ব্যক্তি প্রতিভাসম্পন্ন ও সুখী হন। যে নারীর নাকে তিল রয়েছে তারা সৌভাগ্যবতী হন।

* যাদের ঠোঁটে তিল রয়েছে তাদের হৃদয়ে ভালোবাসা ভরপুর। এরা কামুকও হতে পারেন।

* ঠোঁটের নিচে তিল থাকলে সে ব্যক্তির জীবনে দারিদ্র্য বিরাজ করে।

* গালে লাল তিল থাকা শুভ। ডান গালে তিল থাকলে প্রাচুর্যপূর্ণ জীবনের সম্ভাবনা।

* যে নারীর থুতনিতে তিল রয়েছে তারা সহজে লোকের সঙ্গে মেলামেশা করতে পারেন না। তারা সাধারণত একটু রুক্ষ স্বভাবের হয়ে থাকেন।

* ডান কাঁধে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি দৃঢ়চেতা হন। যাদের বাঁ কাঁধে তিল রয়েছে তারা অল্পতেই রেগে যান।

* যাদের হাতে তিল রয়েছে তারা চালাক চতুর হন। ডান হাতে তিল থাকলে তারা সাহসী, প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান হন। বাঁ হাতে তিল থাকলে তারা অনেক বেশি টাকা খরচ করেন। তারা সহজে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

* ডান হাতের পেছনে তিল থাকলে তারা ধনী হয়ে থাকেন। বাঁ হাতের পেছনের দিকে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি কৃপণ প্রকৃতির হয়ে থাকেন।

* যাদের তর্জনীতে তিল রয়েছে তারা বিদ্বান, ধনী ও গুণী হয়ে থাকেন। তারা বেশির ভাগ সময়ই শত্রু দ্বারা সমস্যায় জর্জরিত থাকেন।

* বৃদ্ধাঙ্গুলে যাদের তিল থাকে তারা কর্মঠ, সদ্ব্যবহার ও ন্যায়প্রিয় হন।

* মধ্যমায় তিল থাকলে ব্যক্তি সুখী হন। তাদের জীবন শান্তিতে কাটে।

* কনিষ্ঠ আঙুলে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি জ্ঞানী, যশস্বী, ধনী ও অপরাজেয় হন।

* বুকের ডান পাশে তিল থাকা শুভ। বুকের বাঁ পাশে তিল থাকলে দুরন্ত ও চঞ্চল হয়ে থাকে।

* যাদের বুকের মাঝখানে তিল থাকে তারা সাহসী হয়, এ ছাড়া বুকের মাঝখানের তিল সুখী জীবনের ইঙ্গিত দেয়।

* যাদের পায়ে তিল আছে তারা প্রচুর ভ্রমণ করেন।

* ডান হাঁটুতে তিল থাকলে গৃহস্থজীবন সুখের হয়। বাঁ হাঁটুর তিল সংসারে অশান্তি ডেকে আনে।

* যে ব্যক্তির পেটে তিল রয়েছে তারা খেতে ও খাওয়াতে পছন্দ করে। মিষ্টি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার এদের খুবই পছন্দ।

* হাতের তালুতে তিল থাকা শুভ নয়।

মা সন্তোষীর ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র দিলাম সকলের মঙ্গল হোক জয় মা শুভ ফল অবশ্যই পাবেন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190818091457

Sunday, August 18th, 2019

Astro Research Centre

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন নক্ষত্র গ্ৰহ রাশি দায়ী

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন  নক্ষত্র গ্ৰহ রাশি দায়ী

বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোন কোন গ্ৰহ রাশি দায়ী

সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য দায়ী গ্ৰহ গুলো হল বুধ ও রবি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শনি, মঙ্গল, রাহু ও কেতু এর জন্য দায়ী হয়। জ্যোতিষ মতে জাতক-জাতিকার ভাগ্যেই বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ থাকে। জেনে নিন রাশির অবস্থান কেমন থাকলে বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে।

১) লগ্ন ভাবে শনি ও রাহুর একত্রে অবস্থান এবং লগ্নে যদি কেতু থাকে, তা হলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা প্রবল।

২) দ্বিতীয়, সপ্তম ও একাদশ ভাবের সম্পর্ক আর্থিক কারণে বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়।

৩) দ্বিতীয়, সপ্তম বা অষ্টমে রবি ও মঙ্গল একত্রে অবস্থান করলে বিচ্ছেদ হবেই বলা যায়।

৪) দ্বিতীয়, সপ্তম ও একাদশ ভাবের সম্পর্ক পণ ও পারিবারিক কোনও কারণে বিচ্ছেদ ঘটায়।

৫) সপ্তম ভাবে দ্বাদশ পতি মঙ্গল, শনি, রাহু অবস্থিত হলে বিচ্ছেদ হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

৬) অষ্টম ভাবে মঙ্গল অবস্থিত হলে এবং ওই স্থানে শনি ও রাহু দৃষ্টি দিলে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটতে পারে।

৭) সপ্তম পতি ও দ্বিতীয় পতি যদি তৃতীয়, ষষ্ঠ, অষ্টম, একাদশ ও দ্বাদশ পতি গ্রহের নক্ষত্রে অবস্থিত হয়, তা হলে বিচ্ছেদ হয়।

৮) দ্বিতীয় ভাবে সপ্তম ভাব পতি বা রাহু ও কেতুর অবস্থানও বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।

৯) যদি দ্বিতীয় ও সপ্তম ভাব পতি ও শুক্র নীচস্থ হয়ে পাপগ্রহ দ্বারা পীড়িত হয়, তবে বিচ্ছেদ হতে দেখা যায়।

১০) সপ্তম স্থানে রবি, শনি রাহু, কেতু অবস্থিত হলে এবং ত্রিকোণ সপ্তম ভাব পতি বা দ্বাদশ ভাব পতি অবস্থান করলে বিচ্ছেদের প্রবল যোগ সৃষ্টি করে।

১১) সপ্তম স্থানে ক্ষীণ চন্দ্র, শনি, রাহু একত্রে থাকে এবং যদি কোনও শুভ গ্রহের দৃষ্টি না থাকে, তা হলে বিচ্ছেদ হতে পারে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190818084052

Saturday, August 17th, 2019

Astro Research Centre

গ্রহরত্ন ধরণের পূর্বে রত্ন গুলি শোধনের নিয়ম। কোন রত্ন কোন আঙুলে ও কি কি বারে ধারণ করতে হবে, কোন আঙুলে কোন রত্ন কি বারে ধারণ হবে

গ্রহরত্ন ধরণের পূর্বে রত্ন গুলি শোধনের নিয়ম।   কোন রত্ন কোন আঙুলে ও কি কি বারে ধারণ করতে হবে, কোন আঙুলে কোন রত্ন কি বারে ধারণ হবে

গ্রহরত্ন ধরণের পূর্বে রত্ন গুলি শোধনের নিয়ম।

কোন রত্ন কোন আঙুলে ও কি কি বারে ধারণ করতে হবে।

১) মানিক্য বা চুনি - জলের সাথে লেবু রসে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

২) মুক্তা - জলের সাথে জয়ন্তী পাতার রোষে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৩) প্রবাল - পরিষ্কার জলে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৪) পান্না - কাঁচা গরুর দুধে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৫) পোখরাজ - পরিষ্কার জলে সামান্য দুধ দিয়ে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন।পরে ধারণ করুন।

৬) হীরা - পরিষ্কার জলে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৭) নীলা - কাঁচা দুধে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। প
রে ধারণ করুন।

৮) গোমেদ - দুধ , গঙ্গাজল ও গোচনা ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

৯) ক্যাটস আই - ত্রিফলা সহ পরিষ্কার ভেজানো জলে ৩ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখুন। পরে ধারণ করুন।

প্রতিটি গ্রহরত্ন উপরোক্ত নিয়ম গুলি মানতে অসুবিধা হলে , যে কোনো মন্দিরে গিয়ে ব্রাহ্মণ কে দিয়ে কাঁচা দুধ ও গঙ্গাজলে শোধন করে ধারণ ও করা যেতে পারে।

কোন রত্ন কোন আঙুলে ও কি কি বারে ধারণ করতে হবে।
১) চুনি - বরিবার অনামিকাতে ধারণ করতে হবে।

২) মুক্ত - সোমবার কনিষ্ঠা বা তর্জনীতে ধারণ করতে হবে।

৩) প্রবাল - মঙ্গলবার অনামিকাতে ধারণ করতে হবে।

৪) পান্না - বুধবার অনামিকা বা কনিষ্ঠাতে ধারণ করতে হবে।

৫) পোখরাজ - বৃহস্পতিবার তর্জনীতে ধারণ করতে হবে।

৬) হীরক - শুক্রবার মধ্যমাতে ধারণ করতে হবে।

৭) নীলা - শনিবার মাধ্যমাতে ধারণ করতে হবে।

৮) গোমেদ - শনিবার মাধ্যমাতে ধারণ করতে হবে।

৯) ক্যাটসসাই - রবিবার অনামিকা বা কনিষ্ঠাতে ধারণ করতে হবে।

সকল রত্নাই বাজুতে বা গলায় ধারণ করা যেতে পারে।

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre
Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in v
All Kind of Certified Gems and Stone available here

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190817161117

Saturday, August 17th, 2019

Astro Research Centre

গৌলোচন, গায়রোচন, গোরোচন (Gall Stone of the Cow)

গৌলোচন, গায়রোচন, গোরোচন  (Gall Stone of the Cow)

গৌলোচন, গায়রোচন, গোরোচন (GALL STONE OF THE COW)
গৌলোচন, গায়রোচন, গোরোচন
(Gall Stone of the Cow)

এটিকে সংস্কৃতে ও বাংলায় গোরোচন, হিন্দীতে গোলোচন ও গায়রোচন বলে৷ ইংরাজীতে বলা হয় গল্ স্টোন অব দি কাউ (Gall Stone of the Cow) |
বলদ বা গাভীর পিত্তের মধ্যে একটি পাথর ডিমের আকারে জন্মে থাকে৷ খোলার ন্যায় এতেও কতকগুলি পরত থাকে । এটি ত্রিকোণাকার, বর্গাকার বা গোল হয়ে থাকে ৷
গরুর পিত্তাশয় থেকে বার করার সময় মাংসের মতোই কোমল হয়ে থাকে| কিন্তু বাইরের বাতাস লাগলে পাথরের ন্যায় শত্ত হয়ে যায় ৷ বুড়ো বলদ বা যাঁড়ের পিত্ত থেকে বার করা গোরোচন সর্বশ্রেষ্ঠ হয়ে থাকে| বড়, ভারী এবং টাটকা পাথরী যেটি গাভীর উৎপন্ন হয়, সেটি গুণ ও উপকারিতার দৃষ্টিকোণ থেকে নিকৃষ্ট হয়ে থাকে ৷ এর স্বাদ কটু এবং ফিকে ৷ এর স্বভাব গরম, শুষ্ক ৷
*উপকারিতা--*~(১) এর দ্বারা শোথ ও বায়ুরোগ দূর হয় | এটি মানুষকে মোটা করে৷
(২) মূত্রবৃদ্ধি করে ও প্রদর দূর করে৷
(৩) শিশুরা অত্যন্ত ঘামলে এটি এক চাউল পরিমাণ নিয়ে মায়ের দুধের সঙ্গে ঘষে খাওয়ালে অত্যন্ত উপকার হয়।
(৪) দেহে কোনও দাগ হলে এটি ঘষে প্রলেপ দিলে দাগ দূর হয় ।
(৫) কোনও স্থান কেটে গিয়ে রক্তপাত হলে একে চূর্ণ করে ক্ষতস্থানে ছড়িয়ে দিলে রক্তপাত বন্ধ হয় এবং ক্ষত আরোগ্য হয় ।
*সাবধানতা*----- অধিকমাত্রায় অর্থাৎ ৩-৪ মাত্রায় সেবন করলে মানুষের মৃত্যূ হয়ে যেতে পারে৷ অতএব অধিকমাত্রায় সেবন নিষিদ্ধ আয়ুর্বেদ শাস্ত্র এর স্বভাব শীতল বলা হয়েছে৷ এটি অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করার শক্তি রাখে, এর দ্বারা শরীর ও স্বাস্থ্য সুন্দর হয় | বিষ, গ্রহদোষ, পাগলামি, গর্ভপাত, রক্তদুষ্টি প্রভৃতি রোগসমূহ ও তজ্জনিত কষ্টকে দূর করে৷
হিন্দুদের তন্ত্র শাস্ত্রে (অপরকে প্রিয় করা এবং নিজের বশে আনা) প্রভৃতিতে, অপরকে নিজের প্রিয় করে তোলা ও বশীকরণকারী যন্ত্র, যাদুতে এটির অনেক বেশী প্রয়োগ করা হয় ৷ নিউমোনিয়া রোগেরও উপকার হয় । বর্তমানে কত্রিম গোলোচনও তৈরী হচ্ছে, কিস্তু এতে কোনও উপকার হয় না।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190817131843

Friday, August 16th, 2019

Astro Research Centre

সকল কাজে সিদ্ধি লাভের জন্য মা দুর্গার ১০৮ নাম।

সকল কাজে সিদ্ধি লাভের জন্য মা দুর্গার ১০৮ নাম।

সকল কাজে সিদ্ধি লাভের জন্য মা দুর্গার ১০৮ নাম।

(১) সতী,
(২) সাধ্বী,
(৩) ভবপ্রীতা,
(৪) ভবানী,
(৫)ভবমোচনী,
(৬) আর্য্যা,
(৭) দুর্গা,
(৮) জয়া,
(৯)আদ্যা
(১০) ত্রিনেত্রা,
(১১) শূলধারিণী,
(১২)পিনাকধারিণী,
(১৩) চিত্রা,
(১৪) চন্দ্রঘণ্টা,
(১৫) মহাতপা,
(১৬) মনঃ,
(১৭) বুদ্ধি,
(১৮) অহঙ্কারা,
(১৯) চিত্তরূপা,
(২০) চিতা,
(২১) চিতি,
(২২) সর্বমন্ত্রময়ী,
(২৩) নিত্যা,
(২৪) সত্যানন্দস্বরূপিণী,
(২৫) অনন্তা,
(২৬) ভাবিনী,
(২৭) ভাব্যা,
(২৮) ভব্যা,
(২৯) অভব্যা,
(৩০) সদাগতি,
(৩১) শাম্ভবী,
(৩২) দেবমাতা,
(৩৩) চিন্তা,
(৩৪) রত্নপ্রিয়া,
(৩৫) সর্ববিদ্যা,
(৩৬) দক্ষকন্যা,
(৩৭) দক্ষযজ্ঞবিনাশিনী,
(৩৮) অপর্ণা,
(৩৯) অনেকবর্ণা,
(৪০) পাটলা,
(৪১) পাটলাবতী,
(৪২) পট্টাম্বরপরিধানা,
(৪৩) কলমঞ্জীররঞ্জিনী,
(৪৪) অমেয়বিক্রমা,
(৪৫) ক্রূরা,
(৪৬) সুন্দরী,
(৪৭) সুরসুন্দরী,
(৪৮) বনদুর্গা,
(৪৯) মাতঙ্গী,
(৫০) মতঙ্গমুনিপূজিতা,
(৫১) ব্রাহ্মী,
(৫২) মাহেশ্বরী,
(৫৩) ঐন্দ্রী,
(৫৪) কৌমারী,
(৫৫) বৈষ্ণবী,
(৫৬) চামুণ্ডা,
(৫৭) বারাহী,
(৫৮) লক্ষ্মী,
(৫৯) পুরুষাকৃতি,
(৬০) বিমলা,
(৬১)উৎকর্ষিণী,
(৬২) জ্ঞানা,
(৬৩) ক্রিয়া,
(৬৪) সত্যা,
(৬৫) বুদ্ধিদা,
(৬৬) বহুলা,
(৬৭) বহুলপ্রেমা,
(৬৮) সর্ববাহনবাহনা,
(৬৯) নিশুম্ভনিশুম্ভহননী,
(৭০)মহিষাসুরমর্দিনী,
(৭১) মধুকৈটভহন্ত্রী,
(৭২) চণ্ডমুণ্ডবিনাশিনী,
(৭৩) সর্বাসুরবিনাশা,
(৭৪) সর্বদানবঘাতিনী,
(৭৫) সর্বশাস্ত্রময়ী,
(৭৬) সত্যা,
(৭৭) সর্বাস্ত্রধারিণী,
(৭৮) অনেকশস্ত্রহস্তা,
(৭৯) অনেকাস্ত্রধারিণী,
(৮০) কুমারী,
(৮১) কন্যা,
(৮২) কৈশোরী,
(৮৩) যুবতী,
(৮৪) যতি,
(৮৫) অপ্রৌঢ়া,
(৮৬) প্রৌঢ়া,
(৮৭) বৃদ্ধমাতা,
(৮৮) বলপ্রদা,
(৮৯) মহোদরী,
(৯০) মুক্তকেশী,
(৯১) ঘোররূপা,
(৯২) মহাবলা,
(৯৩) অগ্নিজ্বালা,
(৯৪) রৌদ্রমুখী,
(৯৫) কালরাত্রি,
(৯৬) তপস্বিনী,
(৯৭) নারায়ণী,
(৯৮) ভদ্রকালী,
(৯৯) বিষ্ণুমায়া,
(১০০) জলোদরী,
(১০১) শিবদূতী,
(১০২) করালী,
(১০৩) অনন্তা,
(১০৪) পরমেশ্বরী,
(১০৫) কাত্যায়নী,
(১০৬) সাবিত্রী,
(১০৭) প্রত্যক্ষা এবং
(১০৮) ব্রহ্মবাদিনী

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

মহামন্ত্র প্রতি দিন পাঠ করবেন সুস্থ ও ভালো থাকবেন :

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম

রাম রাম হরে হরে

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190816183834

Friday, August 16th, 2019

Astro Research Centre

মন্ত্র তন্ত্র যন্ত্র, Divine Mantras, গ্রহ শান্তি মন্ত্র,দূর্গা কালী শিব গনেশ তারা বিষ্ণু গায়ত্রী হনূমান কৃষ্ণ সকল দেব দেবীর মন্ত্র

 মন্ত্র  তন্ত্র  যন্ত্র, Divine Mantras,  গ্রহ শান্তি মন্ত্র,দূর্গা কালী  শিব গনেশ তারা বিষ্ণু গায়ত্রী হনূমান কৃষ্ণ সকল দেব দেবীর মন্ত্র

প্রতিদিনের দরকারী কিছু মন্ত্র(Darkari Mantra)

১. ঘুমাবার আগে বলুন - ওঁ শয়নে শ্রী পদ্মনাভায় নম:।
২. জন্ম সংবাদ শুনলে বলুন -আয়ুষ্মান ভব।
৩. মৃত্যু সংবাদ শুনলে বলুন -দিব্যান লোকান্ স গচ্ছতু।
৪. খাবার আগে বলুন - ওঁ শ্রী জনার্দ্দনায় নম:।
৫. বিপদে বলুন - ওঁ শ্রী মধুসূদনায় নম:।
৬. হিন্দু ধর্মীয় সকলকাজ শুরুর আগে বলুন - ওঁ তৎ সৎ।
৭. গৃহ প্রবেশ মন্ত্র - ওঁ শ্রী বাস্তুপুরুষায় নম:।
৮. মাতৃ প্রনাম মন্ত্র -
ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বগাদগি গরিয়সী। গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে।সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাএ নমঃ নমঃ।।
৯. পিতৃ প্রনাম মন্ত্র -
পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহিপরমংতপঃ। । পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা নমঃ পিতৃ চরনেভ্য নমঃ।।
১০. শ্রীকৃষ্ণ প্রনাম মন্ত্র -
হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে। গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত নমহস্তুতে।।
নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ। জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় বাসুদেবায় নমো নমঃ।।
১১. শ্রীরাধারানী প্রণাম মন্ত্র -
তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী। বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।
১২. দেহ শুচীর মন্ত্র -
ওঁ অপবিত্র পবিত্রোবাং সর্বাবস্থান গতহ্বপিবা। যৎ সরেত পুন্ডরিকাক্ষং স বাহ্য অভ্যান্তরে শুচি।।
পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্। ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি।।
১৩. গুরু প্রণাম মন্ত্র -
অখন্ড মন্ডলা কারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম। তদপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া। চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বর। গুরু রেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
১৪. শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রণাম মন্ত্র -
পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্। ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্।।
১৫. সূর্য প্রণাম মন্ত্র -
ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্। ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহষ্মি দিবাকরম্।।
১৬. গোবিন্দ প্রণাম মন্ত্র -
ঔঁ ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ। জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ।।
১৭. তুলসী প্রণাম মন্ত্র -
ঔঁ বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়াঐ কেশবস্য চঃ। কৃষ্ণভক্তিপদে দেবী সত্যবত্যৈ নমঃ নমঃ।।
১৮. দুর্গা প্রণাম মন্ত্র -
সর্বমঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সবার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোহস্তুতে।।
১৯. শ্রীবিষ্ণু প্রণাম মন্ত্র - অশ্বথ বৃক্ষমূলে জল দিয়ে
ওঁ অশ্বত্থ বৃক্ষরূপোহসি মহাদেবেতি বিশ্রুতঃ। বিষ্ণুরপধরোহসি ত্বং পুণ্যবৃক্ষ নমোহস্ত্ত তে।।
২০. বিশ্বকর্মা প্রণাম মন্ত্র -
দেবশিল্পিন মহাভাগ দেবানাং কার্যসাধক। বিশ্বকর্মন্নমস্তুভ্যং সর্বাভীষ্টফলপ্রদ।।
২১. গায়ত্রী প্রণাম মন্ত্র -
ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ তৎ সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ



IamLob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190816164915

Friday, August 16th, 2019

Astro Research Centre

Maha Mantra of Goddess Maa Santoshi

 Maha Mantra of Goddess Maa Santoshi

মন্ত্র গুলি প্রতিদিন পাঠ করবেন আপনার মনস্কামনা পূর্ণ হবে

Maha Mantra Of Santoshi Maa

Maha Mantra of Goddess Maa Santoshi

Friday is considered most auspicious day to worship goddess santoshi . you have to do Friday fast and chants her following mantra to please her.

1) Om shri santoshi mahamaye gajanandam dayini shukravar priye devi narayani namostute

ॐ श्री संतोषी महामाया गजानंदम दायिनी शुक्रवार प्रिये देवी नारायणी नमोस्तुते ||

2) Jai maa santoshye devi namo narayani

जय माँ संतोषिये देवी नमो नमः

3) Shri santoshye devyye namah

श्री संतोषी देव्व्ये नमः

4) Om shri gajodevoputriyay namah

ॐ श्री गजोदेवोपुत्रिया नमः

5) Om sarvnivarnaay devibhuta namah

ॐ सर्वनिवार्नाये देविभुता नमः

6) Om santoshi mahadevvye namah

ॐ संतोषी महादेव्व्ये नमः

7) Om sarvkaam falpradaaye namah

ॐ सर्वकाम फलप्रदाय नमः

8) Om laliltaaye namah

ॐ ललिताये नमः

মা সন্তোষীর ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র দিলাম সকলের মঙ্গল হোক জয় মা শুভ ফল অবশ্যই পাবেন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190816160201

Thursday, August 15th, 2019

Astro Research Centre

Types of Kalsarpa Yoga in Astrology

Types of Kalsarpa Yoga in Astrology

12 Types of Kalsarpa Yoga in Astrology

The person who has Kala Sarpa Yoga in his horoscope will suffer from various problems in life. Hence Kala Sarpa Yogam or Kalsarpa Yoga is regarded as a deadly yoga in Hindu astrology. Kala Sarpa Yoga is formed when all the planets are hemmed between the Navagraha PlanetsLord Rahu and Lord Ketu in one’s horoscope. There are mainly 12 types of Kala Sarpa Yoga. Below are the details of the twelve Kaal Sarpa Yogas and the positives and negatives of the yogas.

Anant Kalsarpa Yoga

This yoga is created when Rahu is in the 1st house and Ketu is in the 7th house and rest of the planets is left to the axis. The person undergoes physical and mental problems and gets in to the problems relating to legal and government matters. The positive part of this yoga is that the person influenced by this will be brave, courageous, confident and broad minded. It is very bad for marital life and natives with this yoga have a late marriage.

Kulik Kalsarpa Yoga

This yog is formed when Rahu is in the 2nd house and Ketu in the 8th house. The native bears huge financial loss. He does not have a good understanding with the society and his family life also is full of struggle and conflicts.

Vasuki Kalsarpa Yoga

When 3rd house is occupied by Rahu and 9th by Ketu and the rest of the planets are situated to the left of the rahu-ketu axis then this yog is born. The individual having this yog is more inclined to spirituality but this brings problems in job and business. The impact of the planets can cause blood pressure, sudden death and loss of relatives.

Sankhapal Kalasarpa Yog

Shankapal Kalasarpa yog takes place when Rahu and Ketu are placed in the 4th and 10th position. People having this yog will lack good friends and enjoyments. Problems arise in job. It can cause bad impact on mother and the individual is deprived of father’s affection and in worst condition death can be caused in a foreign location.

Padma Kalasarpa Yog

If Rahu stands in the 5th Ketu in the 11th house then this yog is formed. Hindrance in education, failure in love affair, illness for wife and children and delay in cure of illness are some of the impacts of this yog.

Maha Padma Kalasarpa Yoga

The native person will have Rahu in the 6th house and Ketu in 12th house in his birth chart. The person faces difficulties because of his maternal uncle and also suffers from decrease in monetary possession and also face disappointments in his life. The positive influence of this yoga is that it makes the native a spiritual person and has the power to confer power and political success.

Takshak Kalsarpa Yoga

This yoga is formed when Rahu is in the 7th house and Ketu is in the 1st house. This position is opposite to Anant Kalsarpa Yoga. The person faces difficulties in married life and also faces health problems. Partnership is not advisable for these persons and can lose wealth by way of women and gambling.

Karkotak Kalsarpa Yoga

When Rahu is in the 8th house and Ketu is in the 2nd house this yoga is formed. Good academic performance and an influential speech that is loved by all is a positive part of this yoga. The negative impact of this yoga is that the person will be short tempered and creates friendship with anti social elements. The person will also face financial difficulty as he does not get paternal wealth.

Shankachood Kalsarpa Yoga

When 9th house is occupied by Rahu and 3rd house is occupied by Ketu this yoga is formed. He native of this yoga will be a problem creator and has the habit of speaking lies. He will never receive happiness in his life and is also kept away from father’s love and affection. Completing the task provided and being courageous are the positive aspects of this yoga.

Ghatak Kalsarpa Yoga

This yoga is created when Rahu is in the 10th house and Ketu in the 4th house. This yoga raises conflicts in the family and makes the individual wicked and dissatisfied with this job. If the yoga works in a positive way then it provides with the highest form of political power.

Vishdhar Kalsarpa Yoga

This yoga is formed when Rahu is in the 11th house and Ketu is in the 5th house. The native faces difficulties related to children and his respect and honour in society may decline. The native has to travel frequently and is never fixed at a place. As a positive part he will gain through different means and he lives life like a king if other planets are positioned in good houses.

Sheshnag Kalsarpa Yoga

In this yoga Rahu occupies the 12th house and Ketu occupies 6th house. They suffer health related problems and sleepless nights. They have enemies who don’t show it straightly but conspire behind his back. The native faces problems related to litigation and suffers defeat and misfortune. The only positive side of this yoga is that the person becomes famous after his death.

The other yogas include Kala Amrita Yoga where all seven planets in between Ketu-Rahu axis is said to give progress in spiritual enlightenment and they have a peaceful mind and are not affected by family bondages or materialistic comforts and Partial Kalasarpa Yoga where only one planet comes out of Rahu-Ketu axis and does not harm the person too much. But there is a lot of suffering during the dasha of this planet lying outside Rahu-Ketu axis.

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

এই মন্ত্রটিতে অবশ্যই শুভ ফল পাবেন জয় মা সন্তোষী জয় মা তারা

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190815133121

Thursday, August 15th, 2019

Astro Research Centre

The Gaja-Kesari Yoga চন্দ্র বৃহস্পতি যোগ auspicious yogas

The Gaja-Kesari Yoga  চন্দ্র বৃহস্পতি যোগ  auspicious yogas

The Gaja-Kesari Yoga

he Gaja-Kesari Yoga of Vedic astrology is one of the auspicious Yogas.The article describes important issues about this Yoga…..

The Gaja-Kesari Yoga is formed if the planet Jupiter (Ju*) occupies a square house viz. the 1st, 4th, 7th or 10th house with respect to the natal Moon.

Since the position of Jupiter is to be seen with respect to the natal Moon it is best to observe this Yoga in the Moon Chart which is also called the Rashi Chart.

Gaja-Kesari Yoga is formed with Respect to Moon only

Authentic Gaja-Kesari Yoga is formed only when Jupiter is in 1st, 4th, 7th or 10 houses with respect to the natal Moon. Look for this Yoga with respect to the Rashi or Moon ascendant and not the usual ascendant (Lagan) in a birth chart.

General Results of Gaja-Kesari Yoga

The astrological treatises state that as a result of this Yoga one may build villages and towns. As life conditions and life style changes with time we need to interpret the results as per present times. The native may occupy a position of authority in municipality or a government body responsible for building cities and villages. In a broad sense one may be an engineer in a civic body, magistrate, collector, mayor etc.

Presence of this Yoga has been observed in many rich and influential persons in private sector also. Jupiter in general signifies wealth, fame, children and righteous living whereas Moon signifies mind, mobility, happiness and prosperity etc.

Strength of the Yoga

In general one can expect auspicious results, but only presence of this Yoga is not sufficient, the Yoga must carry strength also.

If this yoga is formed with Jupiter in the Capricorn sign then because of Jupiter’s debilitation the yoga loses strength and full auspicious results cannot be expected.

Also if Jupiter occupies Taurus, Gemini, Virgo or Libra signs then this yoga becomes weak since then Jupiter is in its enemy’s sign.

Similarly if the natal Moon is weak due to its debilitation (placed in Scorpio sign) or placement in its enemy’s sign viz. Taurus, Gemini, Virgo, Libra, Capricorn or Aquarius then also this yoga loses strength.

When Can the Results be expected?

Presence of a strong Gaja-Kesari Yoga in a birth chart is very auspicious and gives good luck and prosperity, but its prominent results may fructify during the combined sub and main periods of Jupiter and Moon.

মা সন্তোষীর ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র দিলাম সকলের মঙ্গল হোক জয় মা শুভ ফল অবশ্যই পাবেন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer
মোবাইল -8906959633/9593165251

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190815115255

Wednesday, August 14th, 2019

Astro Research Centre

বাংলায় কোন মাসের নামকরণ হয়েছে কী ভাবে? জেনে নিন

বাংলায় কোন মাসের নামকরণ হয়েছে কী ভাবে? জেনে নিন

বাংলায় কোন মাসের নামকরণ হয়েছে কী ভাবে? জেনে নিন

চাঁদের পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার উপর নির্ভর করেই তৈরি হয়েছে বাংলা বছরের সব মাসের নাম। পৃথিবীকে এক বার প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের সময় লাগে ২৭.৫ দিন। মোটামুটি ২৯.৫ দিন পর চাঁদ আবার একই জায়গায় ফিরে আসে। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত হয় বাংলা মাস।

চাঁদের আশাপাশে রয়েছে ২৭টি নক্ষত্র। প্রতি মাসে যে নক্ষত্রের কক্ষপথে প্রবেশ করার পর চাঁদ পূর্ণদশা প্রাপ্ত হয় অর্থাত্ পূর্ণিমা হয় সেই নক্ষত্রের নাম অনুসারে হয় মাসের নামের নামকরণ। জেনে নিন কী ভাবে।

১) বৈশাখ: বিশাখা নক্ষত্র থেকে নামকরণ হয়েছে এই মাসের।

২) জৈষ্ঠ: জেষ্ঠা নক্ষত্র থেকে এই মাসের নাম হয়েছে জৈষ্ঠ।

৩) আষাঢ়: অষধা নক্ষত্র থেকে নাম হয়েছে আষাঢ় মাসের।

৪) শ্রাবণ: এই সময়ের পূর্ণিমায় চাঁদ শ্রবণা নক্ষত্রের কক্ষপথে অবস্থান করে।

৫) ভাদ্র: ভদ্রা নক্ষত্রের নাম থেকে এই মাসের নামকরণ করা হয়েছে ভাদ্র।

৬) আশ্বিন: অশ্বিনী নক্ষত্রের কক্ষপথে এই সময় চাঁদ অবস্থান করে। তাই মাসের নাম আশ্বিন।

৭) কার্তিক: কৃত্তিকা নক্ষত্রের নাম থেকে এই মাসের নাম হয়েছে কার্তিক।

৮) অগ্রহায়ণ: এই সময় চাঁদ মৃগশিরা নক্ষত্রের কক্ষপথে অবস্থান করে। এই নক্ষত্রের অপর নাম অগ্রহায়ণী।এই সময় পাকা ধানের আঘ্রাণের জন্য এই মাসকে অঘ্রাণও বলা হয়।

৯) পৌষ: পুষ্যা নক্ষত্রের নাম থেকে এই মাসের নাম হয়েছে পৌষ।

১০) মাঘ: মঘা নক্ষত্রের নাম থেকে এই মাসের নাম রাখা হয়েছে মাঘ।

১১) ফাল্গুন: এই মাসের নামকরণ করা হয়েছে ফাল্গুনী নক্ষত্রের নামানুসারে।

১২) চৈত্র: বছরের শেষ মাসের নাম এসেছে চিত্রা নক্ষত্র থেকে।

মা সন্তোষীর ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র দিলাম সকলের মঙ্গল হোক জয় মা শুভ ফল অবশ্যই পাবেন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190814212252

Wednesday, August 14th, 2019

Astro Research Centre

কোথায় তিল থাকা শুভ ও অশুভ জেনে নিন

কোথায় তিল থাকা শুভ ও অশুভ জেনে নিন

কোথায় তিল থাকা শুভ ও অশুভ জেনে নিন

১) কোনো ব্যক্তির শরীরে ১২টির বেশি তিল হওয়া শুভ মনে করা হয় না। ১২টার কম তিল হওয়া শুভ ফলদায়ক।

২) মাথার মাঝখানে তিল থাকলে তা নির্মল ভালোবাসার প্রতীক। ডান দিকে তিল থাকা কোনো বিষয়ে নৈপুণ্য বোঝায়। আবার যাদের মাথার বাঁ দিকে তিল আছে তারা অর্থের অপচয় করেন। মাথার ডান দিকের তিল ধন ও বুদ্ধির চিহ্ন। বাঁ দিকের তিল নিরাশাপূর্ণ জীবনের সূচক।

৩)ডান চোখের মণিতে তিল থাকলে তিনি কোনো কাজের ঠিকঠাক বিচার করতে সক্ষম। বাঁ দিকের মণিতে যাদের তিল থাকে তাদের বিচার ধারা ভালো হয় না। যাদের চোখের মণিতে তিল থাকে তারা সাধারণত ভাবুক প্রকৃতির হন।

৪)যাদের ভ্রুতে তিল থাকে তারা প্রায়ই ভ্রমণ করেন। ডান ভ্রুতে তিল থাকলে ব্যক্তির দাম্পত্য জীবন সুখী হয়। আবার বাঁ ভ্রুর তিল দুঃখী দাম্পত্য জীবনে ঝগড়ার সঙ্কেত দেয়।

৫)কানে তিল থাকা ব্যক্তি দীর্ঘায়ু হন। স্ত্রী বা পুরুষের মুখমণ্ডলের আশপাশের তিল তাদের সুখী ও ভদ্র হওয়ার সঙ্কেত দেয়। মুখে তিল থাকলে ব্যক্তি ভাগ্যে ধনী হন। তার জীবনসঙ্গী খুব সুখী হয়।

৬)নাকে তিল থাকলে সে খুব প্রতিভাসম্পন্ন হন এবং সুখী থাকেন। যে মহিলার নাকে তিল রয়েছে তারা সৌভাগ্যবতী হন।

৭) যাদের ঠোঁটে তিল রয়েছে তাদের হৃদয়ে ভালোবাসায় ভরপুর। তবে তিল ঠোঁটের নীচে থাকলে সে ব্যক্তির জীবনে দারিদ্র্য বিরাজ করে।

৯) গালে লাল তিল থাকা শুভ। বাঁ গালে কালো তিল থাকলে, নির্ধন হয়। কিন্তু ডান গালে কালো তিল থাকলে তা ধনী করে।

১০)যার হাতে তিল থাকে তারা চালাক-চতুর হন। ডান হাতে তিল থাকলে, তারা শক্তিশালী হন। আবার ডান হাতের পিছনে তিল থাকলে তারা ধনী হয়ে থাকেন। বাঁ হাতে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি অনেক বেশি টাকা খরচ করেন। আবার বাঁ হাতের পিছনের দিকে তিল থাকলে সে কিপটেও হন।

১১) যার ডান বাহুতে তিল থাকে তারা প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান। বাঁ বাহুতে তিল থাকলে ঝগড়াটে স্বভাবের হন। তারঁ বুদ্ধিতে খারাপ বিচার থাকে। বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠে তিল থাকলে ব্যক্তি কর্মঠ, সদ্ব্যবহার এবং ন্যায়প্রিয় হন। মধ্যমায় তিল থাকলে ব্যক্তি সুখী হন। তার জীবন কাটে শান্তিতে। যে ব্যক্তির কনিষ্ঠায় তিল রয়েছে তারা ধনী হলেও জীবনে অনেক দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে হয়। যার অনামিকায় তিল থাকে, তারা জ্ঞানী, যশস্বী, ধনী ও পরাক্রমী হন।

১২)গলার সামনের দিকে তিল থাকলে তার বাড়িতে বন্ধু-বান্ধবের আনাগোনা লেগেই থাকে। গলার পিছনে তিল থাকলে সে কর্মঠ হয়।

১৩)যার কোমরে তিল থাকে, তার জীবনে সমস্যা লেগেই থাকে।

১৪)ডান দিকের বুকে তিল থাকা শুভ। এমন স্ত্রী খুব ভালো হয়। পুরুষ ভাগ্যশালী হয়। বা দিকের বুকে তিল থাকলে স্ত্রীপক্ষের তরফে অসহযোগিতার সম্ভাবনা থাকে। বুকের মাঝখানের তিল সুখী জীবনের সঙ্কেত দেয়।

মা সন্তোষীর ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র দিলাম সকলের মঙ্গল হোক জয় মা শুভ ফল অবশ্যই পাবেন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190814144136

Tuesday, August 13th, 2019

Astro Research Centre

সন্তান রেখা থেকে জানুন ভাগ্যে কয়টি সন্তান

সন্তান রেখা থেকে জানুন ভাগ্যে কয়টি সন্তান

সন্তান রেখা থেকে জানুন ভাগ্যে কয়টি সন্তান

আপনি কী জানতে চান আপনার কয়টি সন্তান হবে, সন্তানের হাত ধরে আপনার জীবনে সুখ আসবে কি না? এ সবই জানতে পারবেন আপনি, শুধু একবার নিজের হাতের রেখার দিকে তাকিয়ে দেখুন।

সমুদ্রশাস্ত্রে বলা হয়েছে, হাতের সবচেয়ে ছোট আঙুলের নিচের এবং বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠের নিচে শুক্র পর্বতের পাশের ছোট রেখা সন্তান রেখা হিসেবে চিহ্নিত।

১. মনে করা হয়, স্পষ্ট এবং পরিষ্কার রেখা থাকলে, পুত্রসন্তান প্রাপ্তি হয়। আবার পাতলা এবং হাল্কা রেখা কন্যাসন্তানের দিকে ইশারা করে।

২. আবার হস্তরেখা বিজ্ঞানের বেশ কয়েকটি গ্রন্থ অনুযায়ী, হাল্কা রেখা থাকলে, সন্তান শারীরিক দিক থেকে দুর্বল হতে পারে।

৩. হস্তরেখা বিজ্ঞান অনুযায়ী যাঁদের হাতে বুধ পর্বত খুব উঁচু এবং সন্তান রেখা স্পষ্ট, তাঁদের চার পুত্র এবং তিন কন্যাসন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন ব্যক্তির সন্তান গুণী হয়।

৪. যে ব্যক্তির শুক্র পর্বতের নিচে অর্থাৎ বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠের নিচের অংশ খুব উঁচু, তাঁদের একটি সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৫. বেশ কয়েকজনের হাতে কোনো একটি সন্তান রেখা অধিক স্পষ্ট থাকে। সে ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি নিজের অন্য সন্তানের তুলনায় একটি সন্তানকে অধিক ভালোবাসেন। সেই সন্তান তাঁদের সুখী রাখে।

৬. কোনো পুরুষের হাতের সন্তান রেখা স্পষ্ট না হলে, ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সে ক্ষেত্রে নিজের স্ত্রীর হাতের সন্তান রেখা দেখা উচিত। মনে করা হয়, পুরুষদের তুলনায় মহিলার হাতে সন্তানরেখা অনেক বেশি স্পষ্ট।

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre
Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in v
All Kind of Certified Gems and Stone available here

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগলে শেয়ার করুন

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190813132147

Sunday, August 11th, 2019

Astro Research Centre

হাতের রেখায় প্রেম বিবাহ ও তার পরিনতি

হাতের রেখায় প্রেম বিবাহ ও তার পরিনতি

হাতের রেখায় প্রেম বিবাহ ও তার পরিনতি

জন্মছকের চেয়ে প্রেম বিবাহের পরিণতি অনেক সময় হাতের করতলে বেশী প্রকট থাকে। এখানে পরিণতি বলতে যে প্রেমে আমরা পড়েছি সে প্রেম বিবাহ অবধি গড়াবে কিনা। যদি প্রেমটি বিবাহ অবধি গড়ায় তবে বিবাহের পর যে দাম্পত্য জীবন আসে সেখানে প্রেমিক প্রেমিকা সুখী হবে কিনা! এসব প্রশ্নের উত্তর খুজব করতলের রেখায়ঃ

১) রোমান্টিক প্রেমঃ ভাগ্য রেখা হৃদয়রেখা অতিক্রম করে শেষ মাথায় ত্রিশুল গঠন করে, আর আরম্ভের দিকে হৃদয় রেখার একটি শাখা বৃহস্পতির দিকে যায়।

২) গভীর, উষ্ণ, স্থায়ী ও নির্ভরশীল প্রেমঃ হৃদয়রেখা একটু গভীর এবং পিঙ্ক কালার হতে হবে,

৩) গভীর আবেগপূর্ন প্রেম ও স্নেহপূর্ন ভালবাসাঃ লাল রঙের গভীর হৃদয়রেখা।

৪) প্রেমিক হওয়ার লক্ষণঃ হৃদয়রেখা অতিক্ষুদ্র ভাঙা ভাঙা এমন লাইন এবং বুড়ো আঙুল বেশ নমনীয়। অথবা বেশ ভালভাবে গড়ে ওঠা হৃদয়রেখা, শুক্রের এবং চন্দ্রের ক্ষেত্র অতি প্রসারিত।

৫) সিম্প্যাথেটিক ও মায়া মমতাপূর্ন প্রেমঃ রবিরেখা থেকে একটি শাখা হৃদয়রেখায় মিলিত হওয়া।

৬) আদর্শ প্রেমঃ হৃদয় রেখাকে সব সময় বৃহস্পতির স্থান থেকে (মাঝ থেকে) আরম্ভ হতে হবে।

৭) বিশুদ্ধ,গভীর ও নিটল প্রেমঃ

(ক) হৃদয়রেখাকে সব সময় বৃস্পতির মাঝখান থেকে আরম্ভ হতে হবে।

(খ) হৃদয়রেখা এমন ভাবে আরম্ভ হবে, মনে হবে যেন বৃহস্পতির মাউন্ট কে ঘিরে রেখেছে।

(গ) হৃদয় রেখা বুধের ক্ষেত্রে শেষ না হয়ে রবির ক্ষেত্রের নীচে শেষ হতে হবে।

৮)প্রেম থেকে ভাগ্য যোগঃ বুধ রেখাকে শুক্রের স্থান থেকে উঠে আস্তে হবে।

৯)অশুভ প্রেম বা গিল্টি লাভ অ্যাফেয়ারঃ

(ক) ভাগ্যরেখায় যব চিহ্ন।

(খ) হৃদয় রেখাটি যেন অনেকগুলি যব চিহ্ন দিয়ে তৈরী।

(গ) হৃদয়রেখা ও শিরোরেখা শিকলের মত এবং শুক্রের ক্ষেত্র বেশ প্রসারিত।

১০) ব্যর্থ প্রেমঃ

(ক) আয়ুরেখা, শিরোরেখ ও হৃদয়রেখা এই তিনটি রেখা একটা বিন্দু হতে আরম্ভ।

(খ) যদি ভাগ্যরেখা প্রথম ব্রেসলেট উঠে হৃদয় রেখায় বিলিন হয়ে যায়।

(গ) বুধের ক্ষেত্রে হৃদয়রেখা কালো ডট চিহ্ন।

(ঘ) শুক্রের ক্ষেত্র থেকে আড়াআড়ি দুটি রেখা ভাগ্যরেখায় একবিন্দুতে মিলিত হওয়া।

(ঙ) হৃদয়রেখার কোনও শাখা রেখা এসে ভাগ্যরেখা ছেদ করে।

(চ) হৃদয়েখার কোনও একটি স্থানে ভগ্ন

(ছ) ভাগ্যরেখাটি শিকলের মতো যখন সেটি হৃদয় রেখা অতিক্রম করছে।

(জ) চন্দ্রের দিক থেকে আসা প্রভাব সৃস্টিকারী রেখাটি যদি ভাগ্য রেখটিকে কেটে দেয়।

(১১) অবৈধ প্রেমঃ উভয় হাতে করতলে ভাগ্যরেখার মধ্যখানে যব চিহ্ন থাকলে।

(১২) নিকট আত্মীয়কূলে অবৈধ প্রেমঃ বুধের ক্ষেত্রের নীচে হৃদয়রেখায় যব বা দ্বীপ চিহ্ন থাকলে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

লিঙ্কে ক্লিক করে ভিডিও টা দেখুন অবশ্যই শুভ ফল পাবেন জয় মা সন্তোষী জয় মা তারা

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190811153300

Saturday, August 10th, 2019

Astro Research Centre

দামি রত্ন নয়, গ্রহদোষ থেকে মুক্তি পান নিখরচায়

দামি রত্ন নয়, গ্রহদোষ থেকে মুক্তি পান নিখরচায়



দামি রত্ন নয়, গ্রহদোষ থেকে মুক্তি পান নিখরচায়

জ্যোতিষ শাস্ত্রে গ্রহ প্রতিকারের জন্য সর্বদা রত্নধারণের কথা বলা হয়নি। বরং বেশ কিছু উপায় বিভিন্ন শাস্ত্র জানায়, যার উপকরণগুলি একান্তভাবেই ঘরোয়া।

অনেকেরই এমন ধারণা রয়েছে যে, কুপিত গ্রহের প্রতিকারে বিপুল খরচ। যজ্ঞ, পূজা ইত্যাদি সত্যিই খরচসাপেক্ষ। তার উপরে যদি রত্নধারণ করতে হয়, সেটাও কম খরচের ব্যাপার নয়। রত্নের পরিবর্ত হিসেবে শিকড় বা অন্য দ্রব্য ধারণ করা যায় বটে, কিন্তু তাদের সঠিক সময়ে পাওয়ার বিষয়টাকে মনে রাখতে হবে। অথচ, জ্যোতিষ শাস্ত্রে গ্রহ প্রতিকারের জন্য সর্বদা রত্নধারণের কথা বলা হয়নি। যজ্ঞ বা পূজার বিষয়টিকেও একমাত্র সমাধান বলে জানানো হয়নি। বরং বেশ কিছু উপায় বিভিন্ন শাস্ত্র জানায়, যার উপকরণগুলি একান্তভাবেই ঘরোয়া।

দেখা যেতে পারে সেই উপায়গুলি ঠিক কি কি?

রবি বা সূর্যের কুপ্রভাব থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রতিদিন সকালে কয়েক মিনিট সূর্যর আলোয় দাঁড়াতে হবে। রোদ আসে এমন ঘরে আহার করা বাঞ্ছনীয়। সূর্যাস্তের পরে যতটা কম পরিমাণ আহার করা যায়, ততই মঙ্গল। তামার পাত্রে জল পান বিধেয়। ধাতুর ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে।

চন্দ্রদোষ কাটাতে প্রথমেই শীতল খাবারকে পরিহার করতে হবে। বেশি পরিমাণে ফল ও স্যালাড খাওয়া প্রয়োজন। জলকে সমীহ করতে হবে। কোনও নদীতে নামার আগে তার জল মাথায় ছিটিয়ে নামতে হবে।

মঙ্গলের কোপ এড়াতে বেশ কিছুদিন মাটিতে শোওয়া অভ্যাস করতে হবে। সপ্তাহখানেক নুন না খেলে ভাল ফল পাওয়া যায় । 'হনুমান চল্লিশা' পাঠ করলে ভাল ফল পাওয়া যায়।

বুধ কুপিত হলে খাবারে যতটা সম্ভব সবুজ আমদানি করুন। রাসায়নিক-সমৃদ্ধ রূপটান এড়িয়ে চলুন। ধীর ও উদাত্ত সঙ্গীত শ্রবণ উপকারে আসবে। রোজ স্নান করা বাঞ্ছনীয়।

বৃহস্পতির উষ্মা থেকে রেহাই পেতে ম‌াংস খাওয়া ছাড়তে হবে। খাবারে হলুদের পরিমাণ বাড়ালে ভাল হয়। লম্বা চুল পরিহার করতে হবে।

শুক্রের বিরূপ দশা কাটাতে সুগন্ধীযুক্ত জলে স্নান করা বিধেয়। পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে সব সময়ে। নিয়েমিত দই খেলে শুভ। লম্বা চুল ও গোঁফ রাখা বিপজ্জনক।

শনির দশা কাটাতে হনুমানের পূজা জরুরি। তা ছাড়া, শনি মন্দিরে প্রতি শনিবার যাওয়া দরকার।

রাহু ও কেতুর কোপ রুখতে আর্তের সেবা বিশেষ জরুরি। দরিদ্র মানুষের চিকিত্‍সায় ব্যয় করলে ফল পাওয়া যায়। তুলসী-সেবাও কাজে দেয়। বাইরের খাবার খাওয়া ছাড়তে হবে।

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

লিঙ্কে ক্লিক করে ভিডিও টা দেখুন অবশ্যই শুভ ফল পাবেন জয় মা সন্তোষী জয় মা তারা

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190810190425

Saturday, August 10th, 2019

Astro Research Centre

গোচরে নবগ্রহ কিরূপ ফল প্রদান করে

গোচরে নবগ্রহ কিরূপ ফল প্রদান করে

গোচরে নবগ্রহ কিরূপ ফল প্রদান করে জানুন

রবি ঃ জন্ম রাশি তে স্থাননাশ দ্বিতিয়ে ভয় তৃতীয়ে ঐশ্বরজ চতুর্থে মান হানি পঞ্চমে দীনতা ষষ্ঠে শত্রুহানি সপ্তমে অর্থহানি অষ্টমে পীড়া নবমে কান্তিক্ষয় দশমে কর্ম উন্নতি একাদশে ধন লাভ দ্বাদশ বিত্ত নাশ বিপদ ।

চন্দ্র জন্ম রাশি তে অর্থ লাভ দ্বিতিয়ে বিত্ত নাশ তৃতীয়ে দ্রব্য নাশ চতুর্থে চক্ষু পীড়া পঞ্চমে কাজ হানি ষষ্ঠ তে বিত্ত নাশ সপ্তমে বিত্ত সহ স্ত্রী লাভ অষ্টমে মৃত্যু নবমে রাজ ভয় দশমে মহা সুখ একাদশে বিবিধ ধন বৃদ্ধি দ্বাদশে ধন নাশ ।

মঙ্গল ঃ জন্ম রাশিতে শত্রু ভয় দ্বিতীয়ে ধন নাশ তৃতীয়ে অর্থ লাভ চতুর্থে শত্রু ভয় পঞ্চমে প্রাণনাশ ষষ্ঠে বিত্ত লাভ সপ্তমে শোক অষ্টমে অস্ত্রঘাত নবমে নবমে কাজ হানি দশমে শুভ একাদশে ভুমি লাভ দ্বাদশে রোগ অনর্থ ।

বুধঃ জন্ম রাশিতে বন্ধন দ্বিতীয়ে ধন লাভ তৃতীয়ে বধ , শত্রু ভয় চতুর্থে অর্থ লাভ পঞ্চম অশান্তি ষষ্ঠে স্থান লাভ সপ্তমে শরীর পীড়া অষ্টমে ধন লাভ নবমে মহা পীড়া দশমে শুভ একাদশে অর্থ লাভ দ্বাদশে বিত্ত নাশ

বৃহস্পতি ঃ জন্ম রাশিতে ভয় দ্বিতীয়ে প্রচুর অর্থ লাভ তৃতীয়ে শারীরিক ক্লেশ চতুর্থে অর্থ সঙ্কট পঞ্চমে শুভ ষষ্ঠে অশুভ সপ্তমে রাজ পুজ্য অষ্টমে ধন নাশ নবমে ধন বৃদ্ধি দশমে প্রীতি ভঙ্গ একাদশে স্থান ও ধন লাভ দ্বাদশে শারীরিক ও মানসিক পীড়া ।

শুক্র ঃ জন্ম রাশি তে শত্রু নাশ , দ্বিতীয়ে ধন লাভ তৃতীয়ে শুভকর চতুর্থে ধন লাভ পঞ্চম পুত্র লাভ ষষ্ঠে শত্রু বৃদ্ধি সপ্তমে শোক অষ্টমে অর্থ লাভ নবমে বিবিধ বস্তু লাভ দশমে অশুভ একাদশে বহু প্রকার ধন লাভ দ্বাদশে ধনাগমন ।

শনি ঃ জন্ম রাশিতে বিত্ত নাশ দ্বিতীয়ে চিত্ত ক্লেশ তৃতীয়ে শত্রু নাশ জন্য বিত্ত লাভ চতুর্থে শত্রু বৃদ্ধি পঞ্চমে অর্থ , পুত্র , বিত্ত নাশ ষষ্ঠে অর্থ নাশ সপ্তমে অনিষ্টপাত অষ্টমে দেহ পীড়া নবমে ধন ক্ষয় দশমে মানসিক উদ্ববেগ একাদশে বিত্ত লাভ দ্বাদশে অনর্থ ।

রাহু ঃ জন্ম রাশি দ্বিতীয় চতুর্থ পঞ্চম সপ্তম অষ্টম নবম বা দ্বাদশ রাশি অর্থ ক্ষয় শত্রু ভয় কাজ হানি রোগ প্রবাস অগ্নি ভয় ও মৃত্যু ।

কেতু ঃ জন্ম রাশি তৃতীয় ষষ্ঠ দশম কিম্বা একাদশ ভাবে সন্মান রাজ পুজ্য সুখ ও অর্থ লাভ হয় । আজ্ঞা কারি পুরুষ স্ত্রী ও পুন্য সঞ্চয় ।

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

লিঙ্কে ক্লিক করে ভিডিও টা দেখুন অবশ্যই শুভ ফল পাবেন জয় মা সন্তোষী জয় মা তারা

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190810131835

Sunday, August 4th, 2019

Astro Research Centre

কতক গুলি অশুভ যোগ

কতক গুলি অশুভ যোগ

বৃহস্পতি তুঙ্গে থাকলেও জন্মকুণ্ডলীতে যদি কোনও অশুভ যোগ থাকে তবে তা জাতক-জাতিকার উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাড়ায়। অশুভ যোগ জন্ম ছকে তৈরি হওয়ার প্রধান কারণ একাধিক শুভ-অশুভ গ্রহের সহ অবস্থান, দৃষ্টি বিনিময়, ক্ষেত্র বিনিময় এবং নক্ষত্র বিনিময়। এই অশুভ যোগের জন্য জীবনে নানা রকম বাধা আসতে পারে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে কী কী যোগ অশুভ দেখে নেওয়া যাক -
বিদ্যালাভে বাধা যোগ
বুধ, বৃহস্পতি ও চতুর্থ-পতি যদি অশুভ ভাব অর্থাৎ ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ-ভাবে থাকে বা কোনোভাবে এই সমস্ত ভাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত থাকে তাহলে বিদ্যালাভে বাধা আসে।
মাতৃবিয়োগ যোগ
চন্দ্র পাপগ্রহ যুক্ত হয়ে যদি ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ ভাবের সঙ্গে যুক্ত তাহলে মাতার শরীরের অসুস্থতা বাড়বে, এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে মাতৃ বিয়োগ হবে।

সন্তান-বিয়োগ যোগ
পঞ্চম-ভাবে অশুভ গ্রহ থাকলে এবং পঞ্চম-পতি ষষ্ঠ, অষ্টম ও দ্বাদশ ভাবে থাকলে এবং নিচস্থ হলে সন্তান হানি হতে পারে। যদি পঞ্চম স্থানে শনি ও মঙ্গল একই সঙ্গে অবস্থান করে তাহলে সন্তান-হানি হয়।
আর্থিক দুরবস্থা যোগ
দ্বিতীয়-পতি দুঃস্থানগত হলে বা দ্বিতীয়ে অশুভ গ্রহ থাকলে বা দৃষ্টি দিলে এবং এর সঙ্গে বুধ এবং চন্দ্র পীড়িত হলে জাতক দেউলিয়া হতে পারে।
চিরকুমার যোগ
যদি সপ্তম-পতি দুঃস্থানগত হয় বা শত্রু-গৃহে বসে থাকে বা শনি ও মঙ্গল সপ্তমে দৃষ্টি দেয় বা সপ্তম-পতি কোনও ভাবে লগ্ন, ষষ্ঠ ও দশম ভাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাহলে চিরকুমার যোগ হয়।
বিষ যোগ
শনি এবং রবি রাশিচক্রে এক সঙ্গে থাকলে এই যোগের সৃষ্টি হয়। যেহেতু দুটি গ্রহ একে অপরের শত্রু, এই দুটি গ্রহ একত্রে থাকলে বিষ যোগের সৃষ্টি হয়।
গ্রহণ যোগ
যখন রাশি চক্রে এক জায়গায় রবি ও রাহু বা চন্দ্র ও রাহু অবস্থান করে তখন গ্রহণ দোষ বলা হয়। অর্থাৎ রাহু, রবি এবং চন্দ্রকে গ্রাস করার ফলে গ্রহণ যোগ সৃষ্টি হয়।


I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre

Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190804190843

Sunday, August 4th, 2019

Astro Research Centre

বিভিন্ন লগ্ন ও গ্রহের শুভাশুভত্ব

বিভিন্ন লগ্ন ও গ্রহের শুভাশুভত্ব

বিভিন্ন লগ্ন ও গ্রহের শুভাশুভত্ব

এক একটি লগ্নের পক্ষে এক একটি গ্রহ শুভ বা অশুভ। এখানে কিন্তু আধিপত্য হিসাবে শুভ বা অশুভ বুঝতে হবে। যেমন বৃহস্পতি একটি নৈসর্গিক শুভ গ্রহ। যে কোন লগ্নের পক্ষেই তার শুভত্ব কিছুটা থাকবে। কিন্তু তুলা লগ্নের পক্ষে বৃহস্পতি ৬ষ্ঠ পতি হওয়ায় এবং একই সঙ্গে ৩য় স্থানের অধিপতি হওয়ায় এই লগ্নের ক্ষেত্রে বৃহস্পতিকে কার্যতঃ অশুভ (functional malefic ) বলে ধরা হবে। এক্ষেত্রে বৃহস্পতি অধিপতি অনুযায়ী শুভ ফল দেবে না, তবে নৈসর্গিক শুভ গ্রহ হিসাবে তার শুভত্ব ত থাকবেই। এখানে বৃহস্পতির অবস্থান দেখে সামগ্রিকভাবে তার ভালমন্দ বিচার করতে হবে। এইভাবে প্রতিটি লগ্নের ক্ষেত্রে গ্রহদের শুভাশুভত্ব বর্ণনা করা হচ্ছে। এগুলি মনে রাখলে কোষ্ঠি বিচারে সুবিধা হবে। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ৬ষ্ঠ , ৮ম ও ১২শ স্থানকেই মুলতঃ দুঃস্থান হিসাবে ধরা হয়। কিন্তু "ত্রিষড়ায়" অর্থাত্ ৩য়, ৬ষ্ঠ ও ১১শ স্থানের অধিপতিকেও জ্যোতিষীরা পাপ বলে চিহ্নিত করেছেন। ৬ষ্ঠ যে দুঃস্থান এ কথা আগেই বলা হয়েছে। ৩য়, ৬ষ্ঠ ও ১১শ তিনটিই উপচয় স্থান এবং এদের অধিপতি কিছু না কিছু শুভ ফল দেয় বলেই মনে করা হয়। বহু প্রচলিত “একাদশে বৃহস্পতি” কথাটার অর্থ বোঝার জন্য জ্যোতিষশাস্ত্র জানার প্রয়োজন নেই। ১০ম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোণ এবং কেন্দ্রপতির সম্বন্ধ রাজযোগ সৃষ্টি করে। কিন্তু কোনও কোণ বা কেন্দ্রপতি যদি একই সঙ্গে ৩য়, ৬ষ্ঠ ও ১১শ-এর কোন একটির অধিপতি হয় তবে রাজযোগ ভঙ্গ হয় বলে বলা হয়েছে। নীচে মেষ লগ্ন আলোচনার সময়ে (ছ) নং ধারায় এর উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। যদিও ১১শ আয়স্থান এবং ১১শে অবস্থিত সব গ্রহই কিছু শুভ ফল দেয় তবুও ১১শের অধিপতিকে কেন পাপ বলা হয় তা বোঝা কঠিন। পরাশরের এটাই মত। হয় ত একাদশের অধিপতি শুধুই আয় বা বৈষয়িক চিন্তা মনে জাগায় বলে অহংকার ও অধঃপতন ডেকে আনার সম্ভাবনা থাকে এবং এর পরিণাম অশুভ, এটাও হতে পারে। ফল বিচারে ২য় ও ১২শ পতিকে 'পরতন্ত্রী' হিসাবে ধরা হয়। অর্থাত্ যেখানে সে অবস্থান করবে বা যার সঙ্গে সে যুক্ত থাকবে সেই অনুযায়ী ফল দান করবে।

নীচে প্রতিটি লগ্নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অধিপতি গ্রহ শুভ না অশুভ সেটা বলা হল। এটা থেকে অত্যন্ত সাধারণভাবে একটা ফলাফলের আভাস পাওয়া যাবে মাত্র। একটি গ্রহ কোন লগ্নে কোন ভাবের অধিপতি শুধু তার উপরই ফল নির্ভর করে না। গ্রহটির অবস্থান কি, কি গ্রহের দ্বারা দৃষ্ট, গ্রহটির বল কি রকম ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে সামগ্রিক ভাবে ফল বিচার করতে হবে।

১। মেষলগ্ন

(ক) এই লগ্নের রবি ৫ম পতি। কোণপতি হিসাবে অবশ্যই শুভ। রবি বলবান হলে এর দশায় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফলতা আসতে পারে। সম্মান ও সুনাম বৃদ্ধি হতে পারে ইত্যাদি।

(খ) মেষলগ্নে চন্দ্র ৪র্থ কেন্দ্রের অধিপতি; অতএব ক্ষীণচন্দ্র হলে পরাশরের মতে শুভ ফলদায়ক। কিন্তু শুক্লপক্ষের চন্দ্র হলে শুভ নয়। তবে কেন্দ্রাধিপত্য দোষ চন্দ্রের ক্ষেত্রে অতটা প্রযোজ্য নয়। চন্দ্র শুভ হলে গৃহলাভ, গৃহসুখ, আত্মীয়-বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল ইত্যাদি হতে পারে। কিন্তু চন্দ্র দুর্বল হলে অন্যান্য অশুভ ফল ছাড়াও পিতার শারীরিক সমস্যা হওয়া অসম্ভব নয়; কারণ, ৪র্থ স্থান হ'ল ৯ম ( পিতৃস্থান ) স্থানের ৮ম ( নিধন ) স্থান।

(গ) মঙ্গল লগ্নপতি ও ৮ম পতি। লগ্নপতি হিসাবে শুভ, আবার মূলত্রিকোণ লগ্ন হওয়ায় মঙ্গল মুলতঃ লগ্নপতি হিসাবেই ফল দেবে। মঙ্গল সবল হ'লে মঙ্গলের দশায় সুস্বাস্থ্য লাভ, সম্মান বৃদ্ধি, জমি ও অর্থাগম ইত্যাদি হতে পারে। কিন্তু মঙ্গল দুর্বল হ'লে অর্শ, মূত্রাশয় ইত্যাদি সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

(ঘ) বুধ এই লগ্নে ৩য় ও ৬ষ্ঠ পতি। দুটি অশুভ স্থানের অধিপতি হিসাবে শুভ নয়। তবে ৩য় ও ৬ষ্ঠ দুই-ই উপচয় স্থান। কাজেই কিছু শুভ ফল দিতেই পারে। তবে বুধ যেহেতু বালক গ্রহ এবং যে গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয় সেই গ্রহেরই ফল দেয় বলে বলা হয়েছে, অতএব শুভ গ্রহের সঙ্গে যুক্ত বা শুভ দৃষ্ট হলে শুভ ফল দিতে পারে। তবে একটা কথা আগেও উল্লেখ করা হয়েছে। ৩য়, ৬ষ্ঠ, ৮ম বা ১২শ পতি হলে সেই সমস্ত গ্রহদের অন্য কোন গ্রহের সঙ্গে সম্পর্ক শূন্য হয়ে আলাদা ভাবে বসে থাকাই ভাল। উদাহরণ স্বরূপ, মেষ লগ্নের একটি ছকে বুধ ( ৩য় ও ৬ষ্ঠ পতি ) ১১শে কুম্ভ রাশিতে অবস্থিত এবং কোন গ্রহের দ্বারা দৃষ্ট নয় বা কোন গ্রহকে দৃষ্টিও দিচ্ছে না। জাতকের এই বুধের দশা সামগ্রিক ভাবে খুব খারাপ কাটে নি।

(ঙ) বৃহ্রপতি ৯ম ও ১২শ পতি। যেহেতু বৃহস্পতির মূলত্রিকোণ লগ্ন থেকে ৯ম স্থান ধনুরাশি; অতএব বৃহস্পতি শুভ। বৃহস্পতি বলবান হলে এর দশায় নানা ভাবে ভাগ্যোন্নতি সম্ভব। কিন্তু বৃহস্পতি দুর্বল বা পাপগ্রহ যুক্ত হলে পিতার দুর্ভাগ্য বা পিতার শারীরিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে।

(চ) এই লগ্নের শুক্র ২য় ও ৭ম পতি। দুটি-ই মারকস্থান। আবার শুক্র নৈসর্গিক শুভ গ্রহ হয়ে ৭ম কেন্দ্রের অধিপতি হওয়ায় অশুভ। অতএব শুক্র সম্পূর্ণই অশুভ ফলদায়ক। তবে সব সময় তত্ব অনুযায়ী ফল হয় না। এটা দেখা গেছে, যদি শুক্র অত্যন্ত বলশালী হয় ও অন্যান্য অশুভ সম্পর্ক থেকে মুক্ত থাকে, তবে শুক্রের দশা জাগতিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের পক্ষে শুভই হয়। কিন্তু দুর্বল হলে, চক্ষুরোগ বা শারীরিক সমস্যা হতে পারে। অনেক জ্যোতিষী বলেন, শুক্র মারক হলেও মেষ লগ্নের জাতকের সাধারণতঃ মৃত্যু ডেকে আনে না। সেটা অনেক সময়েই করে শনি।

(ছ) শনি ১০ম ও ১১শ ভাবের অধিপতি। নৈসর্গিক পাপগ্রহ হয়ে ১০ম পতি হওয়ায় শুভ কিন্তু ১১শ পতি হিসাবে অশুভ। এ কারণেই মেষলগ্ন জাতকের বৃহস্পতি ও শনির ( ৯ম কোণ ও ১০ম কেন্দ্রের অধিপতি হওয়া সত্বেও ) রাজযোগকারক নয় বলা হয়েছে। বৃহস্পতি ও শনি যদি সংযুক্ত থাকে, তবে বৃহস্পতির সংযোগে শনির শুভত্ব বৃদ্ধি হবে ঠিকই কিন্তু শনির সংস্পর্শে বৃহস্পতি অশুভ হয়ে পড়বে এবং এই বৃহস্পতি ভাল ফল দেবে না। তবে বৃহস্পতি ও শনি যদি অন্য শুভ গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয় তবে শুভ ফল দিতেও পারে।

২। বৃষলগ্ন

(ক) এই লগ্নে রবি নৈসর্গিক পাপগ্রহ হয়ে ৪র্থ পতি হওয়ায় শুভ। রবি বলবান হলে এই গ্রহের দশায় চাকরীতে উন্নতি ইত্যাদি হতে পারে। কিন্তু রবি দুর্বল বা অশুভত্ব প্রাপ্ত হলে, বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে মন মালিন্য, শারীরিক সমস্যা ইত্যাদি হওয়া অসম্ভব নয়।

(খ) চন্দ্র ৩য়পতি হিসাবে শুভ নয়। তবে শক্তিশালী হলে শুভ ফল দিতে পারে।

(গ) মঙ্গল ৭ম ও ১২শ পতি। কেন্দ্রপতি হওয়ায় শুভ কিন্তু মূলত্রিকোণ ১২শ রাশিতে পড়ায় অশুভত্বই বেশী। তবে ১২শ স্থান যেহেতু পরতন্ত্রী, সেই হেতু মঙ্গল ৭ম-এর ফলই দেবে। তবে মঙ্গল যেহেতু ৭ম পতি, তাই এর শুভত্ব অশুভত্বের উপর বিবাহিত জীবন বা স্বামী / স্ত্রী সম্পর্কিত বিষয় অনেকটাই নির্ভরশীল। মঙ্গলের জোর থাকলে ব্যবসার উন্নতিও হতে পারে।

(ঘ) বুধ ২য় ও ৫ম পতি হওয়ায় শুভ। মূলত্রিকোণ ৫ম স্থানে হওয়ায় বুধের বল থাকলে এর দশায় জাতকের পরীক্ষা, পুত্র-কন্যা ইত্যাদি সম্পর্কে ভাল ফল দিতে পারে। তবে বুধ যেহেতু অন্য গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হয় বেশী, তাই শুভ গ্রহের সঙ্গে যুক্ত হলে অর্থাগম বা সঞ্চয় বিষয়ে শুভ ফল দিতে পারে। রবি ও বুধের যোগ অন্য ভাবে অশুভত্ব প্রাপ্ত না হলে কিছুটা রাজযোগের ফল দিতে পারে। ভাবার্থ রত্নাকরের মতে বৃষ লগ্নে বুধ ও শুক্র এবং ৭মে অর্থাৎ বৃশ্চিক রাশিতে বৃহস্পতি থাকলে, বুধের দশায় প্রবল রাজযোগের ফল হবে।

(ঙ) বৃহস্পতির মূলত্রিকোণ ধনু রাশি ৮ম স্থানে হওয়ায় বৃহস্পতি এই লগ্নের পক্ষে অশুভ। ১১শ পতি হিসাবে স্থান বিশেষে কিছু ভাল ফল দিলেও অশুভত্বই বেশী। তবে শক্তিশালী বৃহস্পতি অর্থ প্রাপ্তিতে সাহায্য করতে পারে এবং এই দশায় বড় ভাইএর ( ১১শ স্থান থেকে বড় ভাই / বোনের বিচার হয় ) ভাগ্য বৃদ্ধিও হতে পারে।

(চ) শুক্র লগ্নপতি হিসাবে শুভ হলেও যেহেতু মূলত্রিকোণ তুলা রাশিতে অর্থাৎ ৬ষ্ঠে পড়েছে তাই শুক্র এই লগ্নের পক্ষে লগ্ন পতি হওয়া সত্বেও সমভাবাপন্ন বলা হয়েছে। তবে খুব জোরালো হলে অবশ্যই ভাল ফল দেবে।

(ছ) শনি ৯ম ও ১০ম পতি হওয়ায় কেন্দ্র ও কোণ পতি হিসাবে একাই রাজযোগের ফল দেবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় অনেক জ্যোতিষীর লব্ধ অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে শনি কুম্ভে অর্থাৎ ১০মে না থাকলে খুব ভাল ফল দেয় না। ভাবার্থ রত্নাকর গ্রন্থেও শনিকে রাজযোগকারী বলা হয় নি। জ্যোতিষশাস্ত্রের অনেক তত্বই বাস্তবে অন্য রকম ফল দেয়। সব সময়েই অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞানের দ্বারা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

৩। মিথুন লগ্ন

(ক) রবি ৩য় পতি হিসাবে শুভ ফলদায়ক নয়। তবে জোড়ালো হলে কর্মক্ষমতা বাড়াতে পারে, তবে একগুঁয়ে ভাবও বৃদ্ধি পেতে পারে।

(খ) চন্দ্র ২য় পতি। যদি চন্দ্র বলবান হয়, তবে অর্থাগম, বিবাহ, পড়াশুনা ইত্যাদি বিষয়ে শুভ ফল হতে পারে। কিন্তু চন্দ্র দুর্বল হলে বিপরীত ফল হবে। চন্দ্র ২য় পতি হলেও মারকত্ব দোষ খুব একটা থাকবেনা যদি না অন্য কোন মারক লক্ষণাক্রান্ত গ্রহের সঙ্গে সংযুক্ত হয়।

(গ) মঙ্গল এই লগ্নে ৬ষ্ঠ ও ১১শ পতি। দুটো স্থানই অশুভ। তবে ভাবার্থ রত্নাকর গ্রন্থে বলা হয়েছে, মিথুন লগ্নের মঙ্গল ও চন্দ্র ১১শ স্থানে অর্থাত্ মেষ রাশিতে অবস্থিত হলে আয় বৃদ্ধি হবে। আবার শনি ৯মে অর্থাৎ কুম্ভে থাকলে বিশেষ ধনযোগ হবে। ১১শ পতি ( ১১শ থেকে আয় বিচার হয় ) ২য় পতি ( ২য় স্থান সঞ্চয় নির্দেশ করে ) সহ ১১শে থাকলে এবং ৯ম পতি ( ৯ম থেকে ভাগ্য বিচার হয় ) শনি ৯মে বসে ১১শে দৃষ্টি দিলে যে ধন লাভ হবে এতে আর আশ্চর্য কি ! তবে মঙ্গল যদি লগ্নকে বা লগ্নপতিকে দৃষ্টি দেয় বা অন্য পাপ গ্রহের সঙ্গে সংযুক্ত হয় তবে জাতকের শরীরের ক্ষতি করতে পারে; কঠিন পীড়া হওয়াও অসম্ভব নয়।

(ঘ) বুধ লগ্ন ও ৪র্থ পতি। বুধ শক্তিশালী হলে, জাতকের স্বাস্থ্য ভল হবে, আত্মীয় বন্ধুদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকবে। কিন্তু বুধ দুর্বল বা অশুভ গ্রহ দ্বারা যুক্ত হয়ে অশুভ স্থানে থাকলে, শরীর খারাপ ছাড়াও নানা অশান্তি ডেকে আনতে পারে।

(ঙ) বৃহস্পতি ৭ম ও ১০ম কেন্দ্রের অধিপতি হিসাবে কেন্দ্রাধিপত্য দোষে দুষ্ট। তবে বৃহস্পতি উপচয় স্থানে অথবা কোণে ( ৫ম বা ৯ম ) থাকলে সাধারণতঃ খারাপ ফল দেয় না। তা না হলে বিবাহ বা পারিবারিক ক্ষেত্রে নানা বিপর্যয় ঘটতে পারে।

(চ) এই লগ্নের ক্ষেত্রে শুক্রকেই ( ২য় ও ১২শ পতি ) একমাত্র শুভ গ্রহ হিসাবে ধরা হয়। ১২শ পতি হিসাবে শুক্র 'পরতন্ত্রী'; কাজেই ৫ম পতি হিসাবে ফল দেবে। শুক্র শক্তিশালী হলে পরীক্ষায় সাফল্য, সন্তানের শুভ ইত্যাদি ঘটতে পারে। তবে শুক্র অশুভ গ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হলে মহিলা সংক্রান্ত ব্যাপারে জড়িয়ে পড়া অসম্ভব নয়।

(ছ) এখানে শনি ৮ম ও ৯ম পতি হওয়ায় শুভ না অশুভ তা নিয়ে মতভেদ আছে। তবে মূলত্রিকোণ ৯মে পড়ায়, শনি বলশালী হলে শনির দশায় ভাগ্যোন্নতি হতে পারে। বৃহ্রপতির কেন্দ্রাধিপত্য দোষ এবং শনির ৮ম পতিত্ব হেতু শনি ও বৃহস্পতির যোগ রাজযোগকারী হবে না বলে বলা হয়েছে।

৪। কর্কট লগ্ন

(ক) রবি এই লগ্নে ২য় পতি। শক্তিশালী হলে রবি অর্থযোগ, পারিবারিক শুভত্ব, ক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি ঘটাতে পারে। আবার রবি দুর্বল হলে ঠিক বিপরীত ফলও ফলতে পারে। চক্ষুরোগও হতে পারে।

(খ) চন্দ্র লগ্ন পতি। চন্দ্র পক্ষবলে বলী এবং অবস্থানগত ভাবে শুভ হলে চন্দ্রের দশায় শরীর ও মন সুস্থ থাকবে। সম্মান বৃদ্ধি পাবে। মাতার ক্ষেত্রেও শুভ। কিন্তু দুর্বল চন্দ্র এর ঠিক উল্টো ফলও দিতে পারে।

(গ) মঙ্গল কর্কট লগ্নে কোণ ও কেন্দ্রপতি বলে ( ৫ম ও ১০ম পতি ) একাই রাজযোগকারী। মঙ্গল শক্তিশালী হলে মঙ্গলের দশা খুব ভাল যাবার কথা। সাধারণতঃ লগ্নপতি লগ্নে অবস্থিত হলে ভাল হবার কথা; কিন্তু এখানে চন্দ্র কর্কট রাশিতে নীচস্থ হওয়ায় ফল কি হবে ? লগ্নপতি নীচস্থ হয়ে লগ্নে থাকলে ফল ভাল না হবারই কথা। কিন্তু অনেকের বক্তব্য হল মঙ্গল কর্কট রাশিতে থাকলে, তার স্বক্ষেত্র বৃশ্চিক থেকে ৯মে এবং মেষ থেকে ৪র্থ কেন্দ্রে থাকার জন্য ভাল ফলই দেবে।

(ঘ) বুধ এই লগ্নে ৩য় ও ১২শ পতি হওয়ায় অশুভ। তবে অনেকে মনে করেন যদি বুধ এমন কোন ঘরে থাকে যাতে ৩য় ও ১২শ এই দুই অশুভ ঘরের অশুভত্ব কেটে যায় তবে বুধ ভাল ফল দেবে। যেমন, বুধ যদি লগ্নের ৫মে অর্থাত্ বৃশ্চিকে থাকে তবে বুধ ৩য় ঘরের থেকে ৩য়ে এবং ১২শ ঘরের ৬ষ্ঠে থাকবে। অতএব ৩য় ও ১২শ ঘরের থেকে দুঃস্থানে থাকায় ঐ দুই ঘরের অধিপতি হিসাবে বুধের অশুভত্ব কেটে যাবে এবং বুধ ভাল ফল দেব। এটা পরীক্ষা সাপেক্ষ।

(ঙ) বৃহস্পতি এখানে ৬ষ্ঠ ও ৯ম পতি; যেহেতু মূলত্রিকোণ ৬ষ্ঠ স্থান ধনুতে পড়েছে, অতএব বৃহস্পতি খুব ভাল ফল দেবে না। তবে অনেকে বলেন যেহেতু বৃহস্পতি লগ্নপতি চন্দ্রের মিত্র অতএব অবস্থান বিশেষে কিছু ভাল ফল দিতে পারে।

(চ) শুক্র ৪র্থ ও ১১শ পতি। কেন্দ্রাধিপত্য দোষ এবং ১১শের অধিপতি হওয়ায় দু দিক থেকেই অশুভ। তবে এটা দেখা গেছে শুক্র শক্তিশালী হলে অর্থভাগ্য খারাপ হয় না; যান বাহনেরও মালিক হতে পারে। তবে দুর্বল শুক্র শরীর এবং অর্থ দুই এর পক্ষেই খারাপ।

(ছ) শনি ৭ম ও ৮ম পতি। মূলত্রিকোণ ৮ম স্থানে হওয়ায় শনি অশুভ কিন্তু ৭ম কেন্দ্রের অধিপতিত্ব হেতু শুভ ( কেন্দ্রপতি অশুভ গ্রহ হওয়ায় )। দুই-এ মিলে শনিকে সম বলা যেতে পারে। তবে শনির ৮ম পতিত্ব হেতু, অশুভ গ্রহের সংযোগ না থাকলে পরমায়ু বৃদ্ধি হওয়া সম্ভব।

৫। সিংহ লগ্ন

(ক) রবি লগ্নপতি। রবি শক্তিশালী হলে জাতক সুনাম, সম্মান, সুস্বাস্থ্য ইত্যাদি ভোগ করবে; কিন্তু রবি যদি দুর্বল হয় এবং অশুভ গ্রহের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত হয় তবে এর বিপরীত ফলও হতে পারে। দুর্নামও রটতে পারে।

(খ) চন্দ্র এখানে ১২শ পতি। জোরালো হলে চন্দ্র কিছুটা শুভ ফল দিতে পারে। তবে খুব একটা শুভ ফল আশা না করাই ভাল। চন্দ্র ও মঙ্গলের সম্বন্ধ ঘটলে বিদেশে বসবাসের সম্ভাবনা থাকে।

(গ) মঙ্গল ৪র্থ ও ৯ম পতি হওয়ায় একাই রাজযোগকারী গ্রহ। বলশালী মঙ্গল জাতককে সৌভাগ্য, মান-সম্মান, পড়াশুনা বিষয়ে ভাল ফল দিতে পারে। দুর্বল হলে খুব ভাল ফল হবে না।

(ঘ) বুধ ২য় ও ১১শ পতি। বুধের জোর থাকলে এবং অশুভ সংস্পর্শ থেকে মুক্ত থাকলে অর্থলাভ হতে পারে। তবে অশুভ গ্রহের সংযোগে এলে বা শক্তিহীন হলে শরীরের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

(ঙ) বৃহস্পতি ৫ম ও ৮ম পতি। মূলত্রিকোণ ৫ম স্থান ধনু হওয়ায় বৃহ্রপতি ৫ম স্থানের ফলই বেশী দেবে। অতএব শক্তিশালী বৃহস্পতি জাতককে সন্তান, পিতা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে শুভ ফল দিতে পারে। তবে ৮ম পতিত্ব দোষও থাকায় বৃহস্পতি দুর্বল হলে ভাল ফল হয় ত হবে না।

(চ) শুক্র ৩য় ও ১০ম পতি; ১০ম পতি শুভ গ্রহ হওয়ায় পরাশরের মতে কেন্দ্রাধিপত্য দোষ থাকবে। এখানে শুক্র শুভ গ্রহ নয়। অবস্থান খারাপ হলে বা শুক্র দুর্বল হলে শুক্রের দশায় ভাল ফল কিছু আশা না করাই ভাল।

(ছ) শনি ৬ষ্ঠ ও ৭ম পতি। কেন্দ্রপতি হওয়ায় শুভ কিন্তু ৬ষ্ঠ পতি হওয়ায় শনিকে সম বলে গণ্য করা ভাল। অশুভ শনি নানা ভাবে দুঃখের কারণ হতে পারে।

৬। কন্যা লগ্ন

(ক) রবি এই লগ্নে ১২শ পতি। খুব ভাল ফল আশা করা যায় না। তবে খুব জোরালো হলে কিছু ভাল ফল হতে পারে। দুর্বল রবি চক্ষু পীড়ার কারণ হতে পারে।

(খ) চন্দ্র ১১শ পতি। শক্তিশালী চন্দ্র অর্থাগমের পক্ষে শুভ। তবে দুর্বল হলে শরীরের পীড়া হতে পারে।
(গ) মঙ্গল ৩য় ও ৮ম পতি। অত্যন্ত অশুভ। তবে মঙ্গল শক্তিশালী হলে জাতক দীর্ঘায়ু হতে পারে; কিন্তু দুর্ভোগ থাকবে।

(ঘ) বুধ লগ্ন ও ১০ম পতি। লগ্নপতি বলে ১০ম কেন্দ্রের আধিপত্য দোষ থাকবে না। বুধের জোর থাকলে এবং অশুভ গ্রহের সংযোগ হীন হলে ফল ভালই দেবে।

(ঙ) বৃহস্পতি ৪র্থ ও ৭ম পতি হিসাবে কেন্দ্রাধিপত্য দোষ থাকবে। বৃহস্পতি দুর্বল হলে বা অশুভ গ্রহযুক্ত হলে বৃহস্পতির দশায় পারিবারিক সমস্যা হতে পারে। এই লগ্নে বৃহস্পতির ২য়, ৬ষ্ঠ, ৭ম বা ৮ম স্থানে না থাকাই ভাল।

(চ) শুক্র ২য় ও ৯ম পতি। ২য় 'পরতন্ত্রী' হওয়ায় মুলতঃ শুক্র এখানে ৯ম স্থানের ফলই দেবে। অতএব শক্তিশালী হলে শুভ। অশুভ শুক্র অর্থক্ষয় ও ভাগ্য বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।

(ছ) শনি ৫ম ও ৬ষ্ঠ স্থানের অধিপতি। মূলত্রিকোণ ৬ষ্ঠ হওয়ায় শনি শুভ নয়। অশুভ শনি শত্রুভয়, ভবিষ্যত্ সম্ভন্ধে দুঃশ্চিন্তা, কর্মে বাধা ইত্যাদি বয়ে আনতে পারে।

৭। তুলা লগ্ন

(ক) রবি ১১শ পতি হিসাবে শরীরের দিক থেকে কিছুটা অশুভ কিন্তু যদি বল থাকে তবে রবির দশায় অর্থাগম হতে পারে ও অন্যান্য বাসনাও পূর্ণ হতে পারে।

(খ) চন্দ্র ১০ম পতি হওয়ায় পরাশরের মতে ক্ষীণ চন্দ্র হলে শুভ। ৯ম পতি বুধের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত হলে রাজযোগের ফল দিতে পারে; যদিও বুধের ১২শ পতিত্বের জন্য কিছু অশুভ ফলও দিতে পারে।

(গ) মঙ্গল ২য় ও ৭ম পতি। কেন্দ্রপতি বলে কিছুট শুভ হতে পারে; তবে দুই মারক স্থানের অধিপতি হিসাবে যদি দুঃস্থানে ( ৬ষ্ঠ, ৮ম বা ১২শ ) অবস্থিত হয় তবে যথেষ্ট শারীরিক সমস্যা তৈরী করতে পারে।

(ঘ) বুধ ৯ম ও ১২শ পতি। মূলত্রিকোণ ১২শে হওয়ায় ৯ম স্থানের ফল কমই দেবে। তবে ১২শ স্থান 'পরতন্ত্রী'; তাই ৯ম স্থানের ফল বেশ কিছু ফলবে বলে অনেকে মনে করেন। চন্দ্রের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত হলে ৯ম ও ১০ম পতির যোগ হিসাবে কিছু শুভ ফল আশা করা যায়।

(ঙ) বৃহস্পতি ৩য় ও ৬ষ্ঠ স্থানের অধিপতি হিসাবে অশুভ। তবে দুই উপচয়ের অধিপতি হিসাবে কিছু ভাল ফল দেবে। ভাবার্থ রত্নাকর গ্রন্থেও বৃহস্পতিকে সম্পূর্ণ অশুভ বলা হয় নি।

(চ) শুক্র লগ্নপতি ও ৮ম পতি। লগ্নপতি হওয়ায় অবশই শুভ; তবে শুক্র যদি ১২শে অর্থাত্ কন্যা রাশিতে নীচস্থ হয়ে অবস্থান করে তবে কতটা ভাল হবে সন্দেহ।

(ছ) শনি ৪র্থ ও ৫ম পতি; অতএব রাজযোগকারী গ্রহ। শনি বলশালী হলে এবং শুভ দৃষ্ট হলে শনির দশা খুব ভাল ফল দেবে আশা করা যায়।

৮। বৃশ্চিক লগ্ন

(ক) রবি ১০ম পতি হিসাবে শুভ। বলযুক্ত হলে রবি কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, সম্মান ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি ইতাদি ফল দিতে পারে।

(খ) চন্দ্র ৯ম পতি হিসাবে শুভ ফল দেবে যদি শক্তিশালী হয়। দুর্বল হলে দুর্ভাগ্য ডেকে আনতে পারে।

(গ) মঙ্গল লগ্ন ও ৬ষ্ঠ পতি। মূলত্রিকোণ ৬ষ্ঠে হওয়ায় মঙ্গলের জোর এবং অবস্থান শুভ না হলে শারীরিক বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

(ঘ) বুধ এই লগ্নে ৮ম ও ১১শ পতি। শরীরের দিক থেকে শুভ নয় তবে বল ও অবস্থান বিশেষে অর্থপ্রাপ্তির পথ সুগম করতে পারে। বলহীন হয়ে অশুভ গ্রহের সঙ্গে যুক্ত হলে, মঙ্গলের বা যে অশুভ গ্রহের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তাদের দশা অন্তর্দশায় শারীরিক সমস্যা ত হতেই পারে, মৃত্যু হওযাও অসম্ভব নয়।

(ঙ) বৃহস্পতি ২য় ও ৫ম পতি। শুভগ্রহ। বৃহস্পতির জোর থাকলে যথেষ্ট শুভ ফল আশা করা যায়।

(চ) শুক্র ৭ম ও ১২শ পতি। কেন্দ্রপতি হেয়ে নৈসর্গিক শুভ গ্রহ হওয়ায় ভাল ফল দেবার কথা নয়। তবে ২য় ও ৭ম দুই ঘর থেকেই পরিবার, বিবাহ, স্ত্রী ( বা স্বামী ) ইত্যাদি বোঝায়। শুক্রের বল থাকলে এবং অবস্থানগত ভাবে শুভ হলে উক্ত বিষয়ে শুভ ফল দিতে পারে; কিন্তু পাপগ্রহ যুক্ত হলে অবৈধ সংসর্গ ঘটাতে পারে।

(ছ) শনি ৩য় ও ৪র্থ পতি। ৪র্থ কেন্দ্রের অধিপতি হিসাবে শুভ হলেও ৩য় পতি বলে অশুভ। শুভ গ্রহের প্রভাব না থাকলে এখানে শনি খুব ভাল ফল দেবে না।

৯। ধনু লগ্ন

(ক) রবি ৯ম পতি হিসাবে অত্যন্ত শুভ। রবি বলশালী হলে ও অশুভ সংযোগ থেকে মুক্ত থাকলে রবির দশায় জাতকের ভাগ্যোন্নতি, সম্মান ও সৌভাগ্য লাভ ইত্যাদি সম্ভব। রবি দুর্বল হলে ভাগ্য বিপর্যয় ছাড়াও পিতার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে ( রবি পিতৃকারক গ্রহ )।

(খ) চন্দ্র ৮ম পতি হলেও ৮ম পতিত্বের দোষ চন্দ্রকে স্পর্শ করে না বলে শাস্ত্রে বলা হয়েছে। তবে ক্ষীণ চন্দ্র হলে বা অন্য কারণে চন্দ্র দুর্বল হলে জাতকের ক্ষতি হতে পারে; পরমায়ু হ্রাস হতে পারে।

(গ) মঙ্গল ৫ম ও ১২শ পতি এবং মূলত্রিকোণ ৫ম স্থানে হওয়ায় মঙ্গল শক্তিশালী হলে শুভ ফলই দেবে।

(ঘ) বুধ ৭ম ও ১০ম পতি বলে কেন্দ্রাধিপত্য দোষ রয়েছে। তবে রবি ও বুধের সম্বন্ধ ( ৯ম ও ১০ম পতির যোগ ) রাজযোগের ফল দেয় বলে কোন কোন জ্যোতিষী মনে করেন। বুধ দুঃস্থানস্থ হলে শারীরিক অসুস্থতার কারণ হতে পারে, পারিবারিক ক্ষেত্রেও অশান্তি ডেকে আনতে পারে।

(ঙ) বৃহস্পতি লগ্ন ও ৪র্থ পতি। লগ্নপতি হওয়ায় ৪র্থ পতিত্বের দোষ থাকবে না। বৃহ্রপতির জোর থাকলে এবং শুভ ভাবে থাকলে বৃহস্পতির দশায় জাতকের সুখ শান্তি বৃদ্ধি পাবে।

(চ) শুক্র ৬ষ্ঠ ও ১১শ পতি। অশুভ গ্রহের সঙ্গে সংযুক্ত হলে শরীরের সমস্যা তৈরী করতে পারে। তবে শুক্র বলশালী হলে আয়বৃদ্ধি হতে পারে এবং কর্মক্ষেত্রে উন্নতিও হতে পারে।

(ছ) শনি ২য় ও ৩য় পতি। মারক স্থান ও ৩য় স্থানের অধিপতি হিসাবে অশুভ।

১০। মকর লগ্ন

(ক) রবি যদিও ৮ম পতি তবে রবি ৮ম পতিত্বের দোষ থেকে মুক্ত বলে বলা হয়। তবে রবি দুর্বল হলে বা দুঃস্থানস্থ হলে পরমায়ু হ্রাস হতে পারে।

(খ) চন্দ্র ৭ম পতি বলে ক্ষীণ চন্দ্র হলে শুভ। তবে চন্দ্রের মারকত্ব দোষ থাকতে পারে। চন্দ্র যদি ৫ম বা ৭মে থাকে তবে ভাল ফল হবে বলে মনে হয়।

(গ) মঙ্গল ৪র্থ ও ১১শ পতি। কেন্দ্র পতি হিসসবে শুভ হলেও ১১শ পতি হিসবে অশুভ। তবে জোর থাকলে মঙ্গলের দশায় গৃহসুখ ও ধন লাভ হতে পারে। স্বাস্থ্যের ব্যাপারে তত ভাল নয়।

(ঘ) বুধ ৬ষ্ঠ ও ৯ম পতি। মূলত্রিকোণ ৯ম স্থান কন্যা রাশিতে হওয়ায় ৯ম স্থানের ফল দেবে বলে শুভ গ্রহ হিসাবেই ধরা যায়। তবে বুধ অন্য গ্রহের দ্বারা সহজেই প্রভাবিত হয় বলে, পাপগ্রহের সঙ্গে সংযুক্ত থাকলে তত ভাল ফল দেবে না।

(ঙ) বৃহস্পতি ৩য় ও ১২শ পতি হিসাবে অশুভ।

(চ) শুক্র কোণ ও কেন্দ্রপতি ( ৫ম ও ১০ম পতি ) হওয়ায় রাজযোগকারী গ্রহ। তবে ভাল ফল দিতে হলে শুক্রকে অবশ্যই জোরাল হতে হবে।

(ছ) শনি লগ্ন ও ২য় পতি। শনি বলশালী হলে শনির দশায় জাতকের স্বাস্থ্য, সম্মান ও ধন লাভ হতে পারে। আবার শনি আয়ুষ্কারক হিসাবে আয়ুবৃদ্ধি হওয়াও সম্ভব।

১১। কুম্ভ লগ্ন

(ক) রবি ৭ম পতি; অতএব কেন্দ্রপতি হিসাবে শুভ। রবির বল থাকলে এই দশায় জাতকের ব্যবসায় লাভ, উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ ইত্যাদি ফল লাভ হতে পারে।

(খ) চন্দ্র ৬ষ্ঠ পতি বলে অশুভ।

(গ) মঙ্গল ৩য় ও ১০ম পতি। ১০ম পতি হিসাবে হয় ত কিছুটা শুভ কিন্তু ৩য় পতিত্ব হেতু অশুভ। অনেকে বলেন মঙ্গল শুধু ১০ম পতি হলে ভাল ফল দেয় না; সেই সঙ্গে কোণের অধিপতি হলে তবেই শুভ ফলদায়ক।

(ঘ) বুধ ৫ম ও ৮ম পতি; কিন্তু মূলত্রিকোণ ৮ম স্থানে হওয়ায় খুব শুভ নয়। এমন কি অশুভ সংস্পর্শে থাকলে মারক দোষেও দুষ্ট হতে পারে।

(ঙ) বৃহস্পতি ২য় ও ১১শ পতি। বৃহস্পতির বল থাকলে এর দশায় আয়বৃদ্ধি হতে পারে; যদিও শরীরের দিক থেকে শুভ নয়।

(চ) শুক্র এই লগ্নে ৪র্থ ও ৯ম পতি হওয়ায় একাই রাজযোগকারী। শুক্র বলশালী হলে শুক্রের দশায় জাতকের গৃহসুখ, বাহন লাভ, বন্ধু ও আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নানা ভাবে ভাগ্যোন্নতি হতে পারে।

(ছ) শনি লগ্ন ও ১২শ পতি। পরাশরের মতে ১২শ ভাব 'পরতন্ত্রী' বলে, শনি লগ্ন পতি হিসাবেই ফল দেবে। অতএব শনি শক্তিশালী হলে জাতকের শরীর ভাল যাবে, আধ্যাত্মিক যোগাযোগও হতে পারে, অবশ্য যদি অন্যান্য শুভ যোগ থাকে।

১২। মীন লগ্ন

(ক) রবি ৬ষ্ঠ পতি। দুঃস্থানের অধিপতি হিসাবে শুভ নয়। তবে ৬ষ্ঠ উপচয় স্থান বলে, অবস্থান বিশেষে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভাল ফল দিতে পারে। রবি যেহেতু পিতৃকারক গ্রহ এবং জীবনী শক্তিরও কারক অতএব রবির অবস্থান এই লগ্নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলের সূচক হতে পারে।

(খ) চন্দ্র ৫ম পতি। চন্দ্রের জোর থাকলে এর দশায় জাতকের শুভ ফল লাভ হবে।

(গ) মঙ্গল ২য় ও ৯ম পতি। ২য় ভাব 'পরতন্ত্রী' বলে মঙ্গল ৯ম স্থানের ফলই মুলতঃ দেবে, অতএব শুভ। তবে দুর্বল বা পাপযুক্ত হলে যথেষ্ট দুর্ভাগ্যের কারণ হতে পারে।

(ঘ) বুধ ৪র্থ ও ৭ম পতি; অতএব কেন্দ্রাধিপতির দোষ রয়েছে; দুঃস্থানস্থ ( ৬ষ্ঠ, ৮ম ) হলে বা ২য় স্থানে অবস্থান করলে সুখ-শান্তি ও চাকরীর ক্ষেত্রে অশুভ ফল দিতে পারে।

(ঙ) বৃহস্পতি লগ্ন ও ১০ম পতি। যেহেতু লগ্নপতি অতএব ১০ম কেন্দ্রের অধিপতি হিসাবে অশুভ ফল দেবে না বলেই বলা হয়েছে। বৃহস্পতি শক্তিশালী হলে জাতকের চাকরীর উন্নতি, সম্মান বৃদ্ধি, শুভ যোগাযোগ ইত্যাদি ঘটতে পারে। জাতকের যথেষ্ট নৈতিকতা ও মূল্যবোধ থাকবে।

(চ) শুক্র ৩য় ও ৮ম পতি। যেহেতু ৩য় ও ৮ম স্থান থেকে আয়ু বিচার হয়, অতএব শুক্র শক্তিশালী হলে ও অশুভ গ্রহের সংস্পর্শে না এলে পরমায়ু বৃদ্ধি পাবে।

(ছ) শনি ১১শ ও ১২শ পতি। ১২শ ঘর 'পরতন্ত্রী' বলে ১১শ স্থানের ফল দেবার কথা। এই কারণে শনি শুভ হলে আয়বৃদ্ধি হতে পারে; কিন্তু শরীরের পক্ষে শুভ নাও হতে পারে। দুর্বল শনি ক্ষতিবৃদ্ধি করবে।

তবে এগুলি সাধারণ নিয়ম বলে অনেক জ্যোতিষী মনে করেন। যদিও কোন লগ্নের জন্য কোন গ্রহ শুভ বা অশুভ এটা অবশ্যই জানা দরকার, তবে আক্ষরিক অর্থে এগুলি মেনে চললে অনেক সময়েই ভুল হবার সম্ভাবনা। জ্যোতিষশাস্ত্রে কোন কুণ্ডলীর বিচার সামগ্রিক ভাবে করতে হবে, শুধু কোনো একটি নিয়মকে গুরুত্ব দিয়ে নয়। এই প্রসঙ্গে সুশ্লোকশতকে উক্ত আছে -

গ্রহাঃ খলাঃ খলা নাত্র, সৌম্যাঃ সৌম্যাঃ কদাচন।
তত্তত্স্থানানুসারেণ ভবন্তীহ খলাঃ শুভাঃ ।।

এর অর্থ হল, গ্রহদের মধ্যে শুভ বা অশুভ বলে কিছু নেই, অর্থাত্ শুভ গ্রহ হলেই শুভ ফল দেবে বা অশুভ গ্রহ মাত্রেই অশুভ ফল দেবে এমন কিছু নয়। কোন গ্রহ কোথায় অবস্থিত তার উপরেই শুভাশুভ ফলাফল নির্ভর করে।



সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা 
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in 
Please visit here
For Registration check in here. 
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here 

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায় 
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন 

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat 
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190804133224

Saturday, August 3rd, 2019

Astro Research Centre

বুধাদিত্য যোrগ -

বুধাদিত্য যোrগ -

বুধাদিত্য যোrগ -

রবির সঙ্গে বুধের যোগ হলেই এই যোগ হয়। কোন গ্রহ রবির ১৫ ডিগ্রির মধ্যে এলে অস্তগত (combust) হয় এবং গ্রহটি দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু বুধের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম রয়েছে। রবির থেকে বুধের দূরত্ব ১০ ডিগ্রির কম হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। যেহেতু বুধ রবির খুব কাছে থেকেই আবর্তিত হয় তাই এই যোগ খুবই সহজ লভ্য।

ফল - অত্যন্ত বুদ্ধিমান, সম্মানিত ও সুনামের অধিকারী। বুধ এবং রবি একই সঙ্গে অবস্থিত হলেই যে ফল ভাল হবে তা নয়। এই যোগ যথাযথ ফল দেবে যদি রবি ও বুধের বল যথেষ্ট হয়। মনে রাখতে হবে বুধ অগ্নি ও বায়ু রাশিতে সব চেয়ে বেশী নিজেকে প্রকাশ করে। অনেকের মতে এই যোগ বেশী ফলদায়ক হবে যদি বুধ ও রবি মেষ, মিথুন, সিংহ বা কন্যা রাশিতে সংযুক্ত হয়। মেষ রবির তুঙ্গী ক্ষেত্র, মিথুন বুধের স্ব্ক্ষেত্র, সিংহ রবির স্বক্ষেত্র এবং কন্যা বুধের স্বক্ষেত্র ও তুঙ্গীক্ষেত্র। কন্যা যদিও পৃথ্বীরাশি, তবুও বুধের স্বক্ষেত্র ও মূলত্রিকোন বলে এই রাশিতে ভাল ফল দিতে পারে। তবে অধিকাংশই নির্ভর করবে বুধের শক্তির উপর। সেই জন্যই গ্রহের বল নির্ণয় খুব প্রয়োজন। নির্দ্দিষ্ট জন্মকুণ্ডলী বিশ্লেষণের সময় এ সম্বন্ধে আরও আলোকপাত করা যাবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই যোগ মেষ রাশিতে, বঙ্কিমচন্দ্র ও শরৎচন্দ্রের ক্ষেত্রে এই যোগ যথাক্রমে মিথুন ও কন্যা রাশিতে ছিল।

Astro Research Centre
IamLob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190803132026

Saturday, August 3rd, 2019

Astro Research Centre

মাঙ্গলিক দোষ কি ও তার প্রতিকার

মাঙ্গলিক দোষ কি ও তার প্রতিকার

মাঙ্গলিক দোষ কি ও তার প্রতিকার

জন্মকুণ্ডলীর প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, সপ্তম, অষ্টম ও দ্বাদশ স্থানের মধ্যে যে কোনও একটিতে যদি মঙ্গল অবস্থান করে তবে সেই জাতক বা জাতিকাকে মাঙ্গলিক বলা হয়।জ্যোতিষশাস্ত্রে এটাকে বলা হয় ভৌম দোষ। আপনি কি জানেন মঙ্গলের দশা জীবন ছারখার করে দিতে পারে! এই দশা থাকলে বিবাহিত জীবনে নানা সমস্যা দেখা দেয় এবং বিবাহবিচ্ছেদের সম্ভাবনা প্রবল হয়।
মঙ্গল গ্রহের কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের কারণে জাতক-জাতিকার জীবনে ভিন্ন ভিন্ন ভয়ানক সমস্যার সৃষ্টি হয়।আপনার জন্মকুণ্ডলীতে মঙ্গল গ্রহের ভিন্ন অবস্থানের কারণে মাঙ্গলিক দোষের প্রকারভেদ গুলি দেখে নিন –

লগ্নে মঙ্গল-
জাতক বা জাতিকার মধ্যে ক্রোধের পরিমাণ বেশি থাকে। জেদি, ইচ্ছাশক্তিতে পরিপূর্ণ, কর্তৃত্ব-পরায়ণ হয়। সামান্য কারণেই মাথাগরম করার প্রবণতা দেখা যায়।

দ্বিতীয়-ভাবে মঙ্গল –
রুক্ষভাষী, স্পষ্টবক্তা হওয়ার জন্য আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে বিচ্ছেদ, বদনাম হয়। স্পষ্টবক্তা হওয়ার কারণে কথার দ্বারা অন্যকে আঘাত বা অপমান করার প্রবণতা থাকে। বিবাহিত জীবনের মাধুর্যতা নষ্ট হয়ে যায়।

চতুর্থে মঙ্গল –
শ্বশুরালয়ে কোনও মহিলা বিবাহিত জীবনের আনন্দকে চরম নিরানন্দে পরিণত করে।

সপ্তমে মঙ্গল –
এই ঘরটিকে জীবনসঙ্গীর ঘর হিসাবে দেখা হয়। এই স্থানে মঙ্গলের অবস্থান জাতক বা জাতিকাতে সহজেই প্রেম এনে দেয় এবং তীব্র কাম ভাবাপন্ন করে তোলে। এই ভাবে মঙ্গলের সঙ্গে অশুভ শনি বা কেতুর সংযোগের কারণে বিবাহে বিলম্ব বা অনুঢ়া যোগ তৈরি করে।

অষ্টমে মঙ্গল –
এই ঘরটি থেকে আমরা মৃত্যু ও দুর্ঘটনার বিচার করে থাকি। এই ঘরে মঙ্গলের অবস্থান অত্যন্ত অশুভ। হঠাত্‍ দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা আত্মহত্যার যোগ নির্দেশ করে।

দ্বাদশে মঙ্গল –
দ্বাদশভাব শয্যা সুখের ঘর। এখানে নীচস্থ বা অশুভ মঙ্গল অবস্থান করলে দাম্পত্য সুখে চরম অভাব দেখা যায়। এমনকি নিঃসঙ্গতা তৈরি করে। এই মঙ্গল কোনও ভাবে অশুভ শনি বা রাহু দ্বারা দৃষ্ট হলে সঙ্গীর মৃত্যু ঘটে থাকে।

মঙ্গলের দশা কাটানোর একাধিক উপায় রয়েছে-
১. যদি দু’জন মাঙ্গলিকের মধ্যে বিবাহ হয়, তবে দু’জনেরই এই দশা কেটে যায়।

২. কুম্ভবিবাহ নামের একটি রীতির মাধ্যমে বিয়ের আগে কাটানো হয় মঙ্গল দশা। এই রীতিতে মাঙ্গলিক জাতক বা জাতিকাকে হয় একটি কলাগাছ বা পিপুল গাছ অথবা ভগবান বিষ্ণুর একটি স্বর্ণ বা রৌপ্য মূর্তির সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।

৩. নিয়ম করে প্রতি মঙ্গলবার উপবাস রাখলে এবং শুধুমাত্র অড়হর ডাল সেবন করলে আস্তে আস্তে কেটে যায় এই দশা।

৪. প্রতি মঙ্গলবার নবগ্রহ মন্ত্র উচ্চারণ করলে এই দোষ কেটে যায়। আবার প্রতিদিন ১০৮ বার গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে বা প্রতিদিন হনুমান চালিসা পাঠ করলেও কেটে যায় মঙ্গল দশা।

৫. মঙ্গলবার দানধ্যান করলেও তুষ্ট হন মঙ্গলদেব। এছাড়া তলোয়ার, ছুরি, মুসুর ডাল, লাল সিল্ক, রক্তপ্রবাল ইত্যাদি লাল বস্তু নিবেদন করলেও সন্তুষ্ট হন

Astro Research Centre
IamLob Mukherjeea
Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer. Founder of Astro Research Centre. ph 8906959633 /9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190803130244

Saturday, August 3rd, 2019

Astro Research Centre

সরস্বতী ও নীল সরস্বতী পূজার মন্ত্র ও জপ

সরস্বতী ও নীল সরস্বতী পূজার মন্ত্র ও জপ

সরস্বতী ও নীল সরস্বতী পূজার মন্ত্র ও জপ

মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথি। এই শুভ দিনে আমরা বিদ্যার অধিষ্টাত্রী দেবী সরস্বতীর বন্দনা করি। তিনি আমাদের বিদ্যা ও জ্ঞাণ প্রদান করেন।
যাদের বিদ্যায় বার বার বাধা আসছে অথবা যারা বিশেষ স্থানাধীকার করতে আগ্রহী তারা এই শুভ দিনে সরস্বতীপূজার সাথে সাথে "নীল সরস্বতী"র আরাধনা করতে পারেন। "নীল সরস্বতীর কবচ" এবং চারমুখী রুদ্রাক্ষ ও ধারণ করতে পারেন। অথবা "সরস্বতী যন্ত্র" বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।
সকালে স্নান সেরে সাদা বস্ত্র পরে এইভাবে ক্রম অনুযায়ী আরাধনা করতে হবে।



সরস্বতীর বন্দনাঃ
যা কুন্দেনু তুষার হার ধবলা যা শুভ্রবস্ত্রাবৃতা
যা বীণা বরদণ্ডমণ্ডিত করা যা শ্বেত পদ্মাসনা।
যা ব্রহ্মাচ্যুতশংকর প্রভৃতির্দেবৈঃ সদাবন্দিতা
সা মাং পাতুসরস্বতী ভগবতী নিঃশেষ জাড্যাপহাম্॥১॥

শুক্লাং ব্রহ্ম বিচার সার পরমাদ্যাং জগদ্ব্যাপিনীম্
বীণা পুষ্পক ধারিণীমভয়দাম্ জাড্যান্ধকারাপহাম।
হস্তে স্ফটিক মালিকাম্ বিদধতীম্ পদ্মাসনে সংস্থিতাম্
বন্দে ত্বাং পরমেশ্বরীম্ ভগবতীম্ বুদ্ধিপ্রদাম্ সারদাম্॥২॥

সরস্বতীর ধ্যানঃ
ওঁ সরস্বতী ময়া দৃষ্টবা, বীণা পুস্তক ধারণীম্।
হংস বাহিনী সমাযুক্তা মা বিদ্যা দান করেতু মে ওঁ।।

সরস্বতীর জপ মন্ত্রঃ
ওঁ বদ্ বদ্ বাগ্বাদিনি স্বাহা।

সরস্বতীর প্রণাম মন্ত্রঃ
ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষি বিদ্যাং দেহি নমোহস্তু তে।।

সরস্বতীর প্রণাম মন্ত্রঃ (বিদ্যারম্ভে প্রণাম মন্ত্র)
ওঁ সরস্বতী নমস্তুভ্যং বরদে কামরূপিণি।
বিদ্যারম্ভং করিষ্যামি সিদ্ধির্ভবন্তু মে সদা।।

অঞ্জলিঃ
ওঁ ভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈ নমো নমঃ।
বেদ-বেদাঙ্গ-বেদান্ত-বিদ্যাস্থানেভ্যঃ এব চ।।

সরস্বতী যন্ত্র ঃ
এই যন্ত্র স্থাপন করলে বিদ্যায় অত্যন্ত শুভ ফল লাভ সম্ভব। নিদানপক্ষে যন্ত্রটি লাল কালিতে কাগজে লিখে বা প্রিন্ট করে পড়ার টেবিলে রাখলে বা বই-এর উপরে লাগিয়ে রাখলেও খানিক শুভ ফল পাওয়া যায়।


সরস্বতী কবচ ঃ ধারণেও অত্যন্ত শুভ ফল লাভ হয়। তবে এক্ষেত্রে সাধকের সাহায্য নেওয়া উচিৎ।

এর পর নীল সরস্বতীর মন্ত্র জপ করতে হবে। দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী তাঁরা কে নীল সরস্বতী রূপে বন্দনা করা হয়।


নীল সরস্বতীর মূল মন্ত্রঃ
ঐং ওং হ্রীং স্ত্রীং হূং ফট্।

নীল সরস্বতীর মহামন্ত্রঃ
ওং হ্রীং শ্রীং হ্রীং ঐং হূং নীল সরস্বতী ফট্ স্বাহা।



এছাড়া আর কিছু উপায় বিদ্যার উন্নতি সাধন সম্ভব। যেমন চারমুখী রুদ্রাক্ষ ও জপ করে ধারণ করা যেতে পারে।
ত্রিপুরা সুন্দরীর পূজাও এই বিশেষ দিনে করা যেতে পারে। ত্রিপুরা সুন্দরী বুধের দেবতা। বুদ্ধির কারক। তাই জড়বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিগণও ত্রিপুরা সুন্দরীর মন্ত্র জপ করে সুফল পেতে পারেন। যারা নিজে জপ করতে অসামর্থ তাদের পরিবারের যে কোন সদস্য বিশেষতঃ মা, বাবা, ভাই অথবা বোন তাদের হয়ে জপ করতে পারেন।



ত্রিপুরা সুন্দরীর মূলমন্ত্রঃ
"ওঁ এং হ্রীং শ্রীং ত্রিপুরা সুন্দরীয়ৈ নমঃ।"
অথবা "হুম শ্রীং হ্রীং বজ্র ভারচান্যে হুম হুম ফট্ এং।"

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre
Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in v
All Kind of Certified Gems and Stone available here

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190803125823

Wednesday, July 31st, 2019

Astro Research Centre

৯টি গ্রহ শরীরের বিশেষ বিশেষ অংশে কি কি প্রভাব ফেলে৷

৯টি গ্রহ শরীরের বিশেষ বিশেষ অংশে কি কি  প্রভাব ফেলে৷

জ্যোতিষশাস্ত্রের মতে, পারিবারিক ও আর্থিক বিষয় ছাড়াও শারীরিক ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে ৯টি গ্রহ৷ রবি থেকে কেতু, এই ৯টি গ্রহ শরীরের বিশেষ বিশেষ অংশে প্রভাব ফেলে৷

আসুন জেনে নেওয়া যাক শরীরের কোন অঙ্গে কোন গ্রহ প্রভাব ফেলে৷১. রবি: এই গ্রহের স্থান মাথা ও মুখ৷ রবি বিরুদ্ধ হলে মাথা ও মুখের কোনও অংশে অসুখ হতে পারে৷ মুখে বা মাথায় আঘাত লাগতে পারে৷ যদি রবি অনুকূলে থাকে তাহলে মাথা বা মুখের কোনও অংশে অসুখ হলে বা আঘাত লাগলে, তা তাড়াতাড়ি সেড়ে যায়৷

২. চন্দ্র: এই গ্রহের স্থান গলা ও বুক৷ চন্দ্র বিরুদ্ধ হলে সবসময় সর্দিকাশি, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের কোনও অসুখ,হৃদরোগ এমনকি যক্ষাও হতে পারে৷ চন্দ্র অনুকূলে থাকলে শ্লেষ্মাজাতীয় অসুখ বা হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই৷

৩. মঙ্গল: এই গ্রহের স্থান পেট ও পিঠ৷তাই মঙ্গল বিরুদ্ধ থাকলে পেটের ও পিঠের কোনও স্থানে অসুখ হতে পারে৷শিরদাঁড়ায় আঘাত লাগা, হাড় ভাঙা, শিরা ছিঁড়ে যাওয়া, অযথা অতিরিক্ত রক্তপাত, রক্তদূষন, রক্তশূন্যতা, আগুনে পুড়ে যাওয়া, যে কোনও ধরনের অস্ত্রপ্রচার হতে পারে৷মঙ্গল শুভ ফলদায়ক হলে এই ধরনের আঘাত লাগা বা দুর্ঘটনা থেকে দূরে থাকা যায়৷

৪. শনি: এই গ্রহের স্থান পা৷তাই শনি বিরুদ্ধ থাকলে পায়ে আঘাত লাগা, ব্যাথা বেদনা, রক্তপাত, দুর্ঘটনায় পা পর্যন্ত বাদ যেতে পারে৷এছাড়া শিরা-উপশিরা সংক্রান্ত সমস্যাও দেখা দিতে পারে৷

৫. রাহু : রাহুর বিরুদ্ধতায় রবি, চন্দ্র, মঙ্গল, শনি প্রভৃতির মতো সবরকম কষ্টভোগ করতে মানুষ বাধ্য হন৷

৬. কেতু: এই গ্রহের স্থান ত্বক৷তাই কেতু বিরুদ্ধ থাকলে নানারকম চর্মরোগ হতে পারে৷

৭. বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র মানুষের মন, কানন, চিত্ত, বুদ্ধিতে আধিপত্য করে থাকে৷তাই এইসব গ্রহ বিরুদ্ধ হলে মনের অস্থিরতা, চিত্ত চাঞ্চল্য, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে৷এইসব গ্রহ শুভ ফলদায়ক হলে মানসিক শক্তি, বুদ্ধি, ধৈর্য্য,সহ্য বৃদ্ধি পায়৷

৮. অশুভ কেতু ও মঙ্গলের যোগ হলে দুরারোগ্য ব্যাধি, দুষ্টক্ষত এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে৷

৯. অশুভ কেতু ও মঙ্গল যোগে পিত্তঘটিত রোগের আশঙ্কা থাকে৷

শুভ রাত্রি জয় মা তারা

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

লিঙ্কটা ক্লিক করে ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগলে
Subscribe করুন জয় মা তারা

IamLob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190731102558

Monday, July 29th, 2019

Astro Research Centre

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাস্তু টিপস



কিছু বাস্তু টিপস্

অামরা কথা দিয়েছিলাম।এ বছর থাকছে অাপনাদের জন্য অনেক নতুন অায়োজন।
তাই এ বছরের কিছু বাস্তু টিপস্ অাপনাদের সাথে শেয়ার করছি

মাত্র কয়েকটি বাস্তু টিপসে বদলে যেতে পারে জীবন। অনেকেই প্রশ্ন করেন, বাস্তুমতে ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব

মাত্র কয়েকটি বাস্তু টিপসে বদলে যেতে পারে জীবন। অনেকেই প্রশ্ন করেন, বাস্তুমতে ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব? এর উত্তর অবশ্যই সম্ভব। তবে তার জন্য মানতে হবে কিছু নিয়ম।

নিয়ম-১: বাড়িতে ঢোকার মুখে কোনো খালি দেওয়াল থাকলে সেটিকে খালি না রেখে ছবি লাগান।।

নিয়ম-২: মন চঞ্চল? তাহলে উত্তর –পূর্ব দিকে একটু বসে থাকুন। মনঃসংযোগ করতে পারলে আরও ভালো।

নিয়ম-৩: উত্তর-পূর্ব দেয়ালে এমন ছবি লাগান যেখানে লম্বা পথ দেখা যাচ্ছে, সূর্যমুখী ফুলের ছবিও লাগাতে পারেন।

নিয়ম-৪: পারিবারিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য একটি পারিবারিক ছবি লাগাতে পারেন। তবে অবশ্যই দক্ষিণ পশ্চিম দিকে। ছবিটি সোনালি ফ্রেমে বাঁধানো হলে ভালো হয়।

নিয়ম-৫: পূর্ব দিকে পড়ার টেবিল রাখুন।

নিয়ম-৬: পূর্ব দিকের দেয়ালে সূর্যোদয়ের ছবি লাগাতে পারেন। সামাজিক সম্পর্ক ভালো হবে।

নিয়ম-৭: চেষ্টা করুন বাড়ির দরজা জানলার যোগফল যেন জোড় সংখ্যার হয়।

নিয়ম-৮: অর্থের জোগান সবসময় ভালো রাখতে লাল রঙের ঘোড়ার ছবি লাগান।

নিয়ম-৯: রাতে শোয়ার সময় স্ত্রী স্বামীর বাঁদিকে শুলে দাম্পত্য শান্তি বজায় থাকে।

নিয়ম-১০: খাটের নীচটি পরিষ্কার ও ফাঁকা রাখুন। ভবিষ্যতের পক্ষে শুভ।

নিয়ম-১১: রান্নাঘরে গ্যাস ও জলের কল যতটা সম্ভব দূরে রাখুন।

নিয়ম-১২: শোয়ার ঘর বানান বাড়ির দক্ষিণ পশ্চিমের ঘরগুলি।

নিয়ম-১৩: উত্তর পূর্ব দিকে মাছের অ্যাকুরিয়াম রাখুন, জীবনে উন্নতি হবে।

নিয়ম-১৪: ঘরের পূর্বদিকে সবুজ গাছ রাখুন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো হবে।

নিয়ম-১৫: উপরের ১৪টি নিয়ম মেনে চলার অভ্যাস করুন।

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

আমার নতুন youtube চ্যানেল
ভালো লাগলে Subscribe করুন জয় মা তারা

IamLob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190729201601

Monday, July 29th, 2019

Astro Research Centre

শনি দেবের সাড়ে সাতি থেকে বাঁচার সহজ উপায় ও প্রতিকার

শনি দেবের সাড়ে সাতি থেকে বাঁচার সহজ উপায় ও প্রতিকার

শনিদেবের সাড়ে সাতি থেকে বাঁচার সহজ প্রতিকার গুলি জেনে নিন

শনির সাড়ে সাতি মানুষের জীবনকে তছনছ করে দেয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে। শনি দ্বাদশ, প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অতিক্রম করলে তবেই কোনও জন্ম কুণ্ডলিতে সাড়ে সাতির প্রভাব দেখা যায়। শনির সাড়ে সাতির প্রভাব বিদ্যমান হয় সাড়ে সাত বছর। সাধারণত এটি শারীরিক, মানসিক তথা অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি ঘটায়। গুরুজনদের স্বাস্থ্য সঙ্কট সহ হঠাৎ ঝামেলা এনে দেয়। সাধারণত সাড়ে সাতি জন্ম কুণ্ডলিতে তিনবার পরিক্রম করে। যথাক্রমে বাল্যকালে, যৌবনকালে ও বৃদ্ধ বয়সে। প্রথম সাড়ে সাতি শিক্ষায় সঙ্কট এবং পিতামাতাকে কষ্ট দেয়। দ্বিতীয় সাড়ে সাতি জীবিকা ও অর্থ সংকট এনে দেয়, পরিবারে শান্তি বিঘ্নিত করে। প্রেম, ভালবাসা ও দাম্পত্য জীবনকেও প্রভাবিত করে। তৃতীয় অর্থাৎ শেষ সাড়ে সাতি শরীর-স্বাস্থ্য, গুরুজনদের মৃত্যু পর্যন্ত এনে দেয়।

সাড়ে সাতি প্রকোপ থেকে বাঁচার উপায় -

• বাড়িতে অবশ্যই নীল অপরাজিতা ফুলের গাছ লাগানো উচিত।

• নদী ও গঙ্গায় যেখানে নৌকা চলে, সেই নৌকার পেরেক যদি আংটি করে মধ্যমায় শনিবার বেলা ১২টার আগে ধারণ করা যায়, তাহলে সাড়ে সাতির প্রভাব অনেকটা কাটে এবং শনিগ্রহ শান্ত থাকে।

• সকালে গুড় ও রুটি কালো কুকুরকে খাওয়ালে সাড়ে সাতির অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

• ভাত রান্না হওয়ার পরে, খাওয়ার আগে যদি কাককে খাওয়ানো হয় তাহলে কিছু শুভ ফল হবেই।

• অন্তত আড়াই বছর নীল পেন, নীল রুমাল, নীল জামা, এমনকি বাড়ির পর্দাও নীল ব্যবহার করা দরকার।

• প্রতি শনিবার দুপুরের খাদ্য অবশ্যই কালো পাথরের থালাতে বিউলির ডালের সঙ্গে গ্রহণ করলে সাড়ে সাতির দোষ কাটে।

• প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে মুখ হাত ধুয়ে খালি পেটে পাঁচটা কালো তিল ভক্ষণ করলে খুব উপকার পাওয়া যায়।।

শুভ সকাল সারাদিন ভালো কাটুক

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

লিঙ্কটা ক্লিক করে ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগলে
Subscribe করুন জয় মা তারা

IamLob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251
My website - www.arcsm.in
All Kind of Certified Gems and Stone available here



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190729195514

Saturday, April 27th, 2019

Astro Research Centre

কোষ্ঠীর মাঙ্গলিক দশা কাটানোর ৭টি উপায়


কোষ্ঠীর মাঙ্গলিক দশা কাটানোর ৭টি উপায়

মাঙ্গলিক দশা অর্থাৎ জন্মকুণ্ডলীতে মঙ্গল গ্রহের একটি বিশেষ অবস্থান থাকলে জীবনে নানা বাধা ও প্রতিকূলতা আসে। জেনে নিন এই দশা কাটানোর উপায়।

মঙ্গল দশা বা মাঙ্গলিক দশার কথা অল্প-বিস্তর জানেন সবাই। একে কুজ দশা, ভোম দশা বা অঙ্গরাখা দশাও বলা হয়। জন্মকুণ্ডলীর প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, সপ্তম, অষ্টম ও দ্বাদশ স্থানের মধ্যে যে কোনও একটিতে যদি মঙ্গল অবস্থান করে তবে সেই জাতক বা জাতিকাকে মাঙ্গলিক বলা হয়। এই দশা থাকলে বিবাহিত জীবনে নানা সমস্যা দেখা দেয় এবং বিবাহবিচ্ছেদের সম্ভাবনা প্রবল হয়।

এছাড়া বলা হয় স্ত্রী যদি মাঙ্গলিক হন তবে স্বামীর পেশাগত জীবনে অবনতির হবে

এই দশা কাটানোর একাধিক উপায় রয়েছে—

১. যদি দু’জন মাঙ্গলিকের মধ্যে বিবাহ হয়, তবে দু’জনেরই এই দশা কেটে যায়।

২. কুম্ভবিবাহ নামের একটি রীতির মাধ্যমে বিয়ের আগে কাটানো হয় মঙ্গল দশা। এই রীতিতে মাঙ্গলিক জাতক বা জাতিকাকে হয় একটি কলাগাছ বা পিপুল গাছ অথবা ভগবান বিষ্ণুর একটি স্বর্ণ বা রৌপ্য মূর্তির সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।

৩. নিয়ম করে প্রতি মঙ্গলবার উপবাস রাখলে এবং শুধুমাত্র অড়হর ডাল সেবন করলে আস্তে আস্তে কেটে যায় এই দশা।

৪. প্রতি মঙ্গলবার নবগ্রহ মন্ত্র উচ্চারণ করলে এই দোষ কেটে যায়। আবার প্রতিদিন ১০৮ বার গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে বা প্রতিদিন হনুমান চালিসা পাঠ করলেও কেটে যায় মঙ্গল দশা।

৫. নবগ্রহ মন্দিরে ভক্তিভরে পুজো দিলে কেটে যায় মঙ্গল দশা। কিন্তু নবগ্রহ মন্দিরের সংখ্যা একেবারেই হাতে-গোনা। মঙ্গলদেবের জন্য নির্দিষ্ট মন্দির রয়েছে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জায়গায় এবং গুয়াহাটিতে। তাই পরিবর্তে প্রতি মঙ্গলবার শ্রীহনুমান মন্দিরে সিঁদুর ও মিষ্টি সহকারে পুজো দেওয়া ভাল। সঙ্গে জ্বালতে হবে একটি ঘিয়ের প্রদীপ।

৬. মঙ্গলবার দানধ্যান করলেও তুষ্ট হন মঙ্গলদেব। এছাড়া তলোয়ার, ছুরি, মুসুর ডাল, লাল সিল্ক, রক্তপ্রবাল ইত্যাদি লাল বস্তু নিবেদন করলেও সন্তুষ্ট হন তিনি।

৭. যাদের মঙ্গল দশা থাকে তাদের সাধারণত জ্যোতিষমতে রক্তপ্রবাল ধারণ করতে বলা হয়। তবে কোনও জ্যোতিষশাস্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ না করে কোনও কিছু ধারণ করা উচিত নয়।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

মহামন্ত্র প্রতি দিন পাঠ করবেন সুস্থ ও ভালো থাকবেন :

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম

রাম রাম হরে হরে

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch -
Branch CodeRampurhat --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190427170508

Thursday, April 25th, 2019

Astro Research Centre

কাল সর্প যোগ ও তার প্রতিকার শুভ ফল বাসুকী কালসর্প যোগ—অনন্তনাগ কালসর্প যোগ—কুলিক কালসর্প যোগ—12 প্রকার কালসর্প যোগ প্রকার

কাল সর্প যোগ ও তার প্রতিকার শুভ ফল  বাসুকী কালসর্প যোগ—অনন্তনাগ কালসর্প যোগ—কুলিক কালসর্প যোগ—12 প্রকার কালসর্প  যোগ প্রকার

কালসর্পযোগ

.কালসর্প যোগ ও
কোন কালসর্প যোগে কী ক্ষতি হতে পারে জেনে নিন

কালসর্প যোগ তখনই হয় যখন রবি, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র এবং শনি এই সাতটি গ্রহ কোনও জন্মছকে রাহু ও কেতুর মাঝখানে থাকে। মোট ১২টি কালসর্প যোগ আছে। কোন কালসর্প যোগে কী কী ক্ষেত্রে কুপ্রভাব বিস্তার করে দেখে নেওয়া যাক—
#এক:
১। অনন্তনাগ কালসর্প যোগ—
যখন লগ্নে রাহু ও সপ্তমে কেতু অবস্থান করে, বাকি গ্রহগণ তাদের মধ্যে অবস্থান করে। এই যোগে জাতক সারা জীবন কষ্ট করেও সাফল্য পায় না এবং সাংসারিক জীবন বিঘ্নিত হয়।

২। কুলিক কালসর্প যোগ—
যখন রাহুর অবস্থান দ্বিতীয়ে এবং কেতু অষ্টমে অবস্থান করে। এর ফলে জাতক সারা জীবনে অর্থ সঞ্চয় করতে পারে না এবং দাম্পত্য জীবনও সুখকর হয় না।
৩। বাসুকী কালসর্প যোগ—

এখানে রাহুর অবস্থান তৃতীয়ে এবং কেতু নবমে অবস্থান করে। বাকি গ্রহগণ তাদের মধ্যে অবস্থান করে। এর ফলে জাতক/জাতিকার নিজ পায়ে দাঁড়াতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। ভ্রাতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সংঘাত ও ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে থাকে।

৪। শঙ্খকাল কালসর্প যোগ—
এ ক্ষেত্রে রাহুর অবস্থান চতুর্থে ও কেতু দশমে অবস্থান করে। এর ফলে পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত হয় এবং হঠাৎ করে ভাগ্য বা কর্ম জীবনে অন্ধকার নেমে আসতে পারে।

৫। পদ্মনাভ কালসর্প যোগ—
এখানে রাহুর অবস্থান পঞ্চমে ও কেতু একাদশ স্থানে অবস্থিত থাকে। এর ফলে ভাগ্য বিপর্যয়, শিক্ষা, সন্তানের সমস্যা, প্রেম-প্রীতি বিঘ্নিত এবং সর্বোপরি সাফল্য একদম আসতে চায় না।

৬। মহাপদ্মনাভ কালসর্প যোগ—
রাহুর অবস্থান ষষ্ঠে এবং কেতু দ্বাদশে অবস্থান করলে এ যোগ সৃষ্টি হয়। এর ফলে শত্রু বৃদ্ধি, রোগ ভোগ, অদ্ভুত চরিত্রের অধিকারী, শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং কর্মজীবনে সংঘাত লেগে থাকে। হাজতবাসও হতে পারে এই যোগে।

৭। তক্ষক কালসর্প যোগ—
রাহুর অবস্থান সপ্তমে ও কেতু লগ্নে অবস্থান করলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। শারীরিক সমস্যা, দাম্পত্য কলহ, ভালবাসা বিঘ্নিত, ব্যবসায়িক সঙ্গীর সঙ্গে সংঘাত ইত্যাদি দেখা দেয় এই যোগে।

৮। কারকোত্বক কালসর্প যোগ—
এই যোগে রাহু অষ্টমে এবং কেতু দ্বিতীয়ে অবস্থান করে। বাকি গ্রহগুলি এদের মধ্যে অবস্থান করে। অযথা নেশা করা, অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলা, সাংসারিক শান্তি বিঘ্নিত, অর্থের কষ্ট এবং দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা এই যোগে ঘটে থাকে।

৯। শঙ্খচূড় কালসর্প যোগ—
রাহু নবমে ও কেতুর অবস্থান তৃতীয়ে হলে জন্ম ছকে এই যোগ সৃষ্টি হয়। এই যোগে ভাগ্য বিপর্যয়, ভ্রাতৃ-ভগিনীদের সঙ্গে বিরোধ, নিজের নামে কলঙ্ক লাগা ও পিতার সঙ্গে বিরোধ ঘটে থাকে।



১০। ঘটক কালসর্প যোগ—
রাহু জন্মছকে দশমে ও কেতু চতুর্থে অবস্থান এবং বাকি গ্রহ সকল এদের মধ্যে অবস্থান করলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। কর্মজীবন বিঘ্নিত, রাজনীতিতে পতন, কিছু বাজে স্বভাব, কর্মস্থলে ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে সংঘাত এই যোগে ঘটে থাকে।


১১। বিষধর কালসর্প যোগ—
এই যোগে রাহু একাদশে এবং কেতু পঞ্চমে এবং বাকি গ্রহ এদের মধ্যে অবস্থান করলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। এই যোগে শিক্ষায় বিঘ্ন, সঙ্গীর সঙ্গে বিরোধ, ফাটকায় ক্ষতি এবং দাম্ভিকতা প্রকাশ পায়। এই যোগে কর্মস্থানে শান্তি বিঘ্নিত ঘটতে পারে।


১২। শেষনাগ কালসর্প যোগ—
রাহুর অবস্থান দ্বাদশে ও কেতু ষষ্ঠে এবং বাকি গ্রহ এদের মধ্যে অবস্থান করলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। এই যোগে স্বার্থপরতা, চোখের সমস্যা, নিচু মানসিকতা, বিদেশ যাওয়ার যোগ, হিসাব ছাড়া খরচ হয়।

#দুই জীবনে এর প্রভাব

জ্যোতিষশাস্ত্রে এটা কে খুব খারাপ যোগ হিসাবেই দেখা হয় । এই যোগ / দোষ থাকলে জীবন এ অনেক ঝামেলা ঝঞ্ঝাট পেতে হয় । কাল’ শব্দের অর্থ ‘মৃত্যু’ আর ‘সর্প’ বলতে সর্পিলাকৃতি । কাল ও সর্প যদি একত্র হয়, তা হলে সেই ব্যক্তির জীবন দুঃসময়ের মধ্য দীয়ে ই যায় ।

#তিন পৌরাণিক কাহিনি

কালসর্পযোগের পিছনে রাহু ও কেতুর ভূমিকা রয়েছে। পুরাণ মতে, স্বরভানু নামে এক অসুর সমুদ্র মন্থনের কালে অমৃত আস্বাদন করেছিল। তার মুণ্ড ছিন্ন করেন মোহিনীরূপী বিষ্ণু। কিন্তু তার ছিন্নমুণ্ড ও ধড় অমৃতপানের ফলে অমরত্ব লাভ করে। মুণ্ডটি রাহু এবং দেহটি কেতু নামে পরিচিত হয়ে মহাবিশ্বে ঘুরে বেড়াতে থাকে।

চার বিশেষ ব্যাক্তির জন্ম ছকে কাল সর্প যোগ ও তার শুভ ফল

বেনিটো মুসলিনি, পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সর্দার বল্লভ ভাই পাটেল, George W Bush, মাওসেতুং, শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধি ,শচীন তেন্ডুলকারের বাসুকি কালসর্প রয়েছে । এরা প্রত্যেকে একাধিক শুভফল প্রাপ্ত হয়েছেন

#পাঁচ কালসর্প ভঙ্গ কাদের হয়

১। রাহু ও কেতু যদি কেন্দ্র, ত্রিকোনে বলশালী অবস্থায় থাকে।
২। রাহু ও কেতু তুঙ্গস্থ হলে ।
২। রাহু ও কেতু যদি কোন শুভ যোগ সৃষ্টি করে।
৩। লগ্ন পতি, নবম পতি, ও একাদশ পতি যদি বলশালী হয়।
৪। অন্যান্য গ্রহের অবস্থান শুভ হলে ।

#ছয় প্রতিকার

জন্মকুণ্ডলীতে কালসর্প যোগ থাকলে জাতককে নাগ পঞ্চমী ব্রত পালন করতে হবে | সন্তুষ্ট রাখতে হবে নাগদেবতাকে | বাড়িতে রাখতে হবে কালসর্প যন্ত্র | এবং একলক্ষ জপদ্বারা ওছয়জন পু্রোহিত ও একজন গ্ৰোহাচায‍্য চতুরমুখী হোম করে নাগদেবতা,শিব,রাহু ও কেতুর পূজা থেকে সুশক্তি বেরিয়ে প্রভাবিত করবে কালসর্প যোগে জর্জরিত জাতককে |



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190425164222

Thursday, April 25th, 2019

Astro Research Centre

কাল সর্প যোগ ও তার প্রতিকার

কাল সর্প যোগ ও তার প্রতিকার

কালসর্পযোগ

.কালসর্প যোগ ও
কোন কালসর্প যোগে কী ক্ষতি হতে পারে জেনে নিন

কালসর্প যোগ তখনই হয় যখন রবি, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র এবং শনি এই সাতটি গ্রহ কোনও জন্মছকে রাহু ও কেতুর মাঝখানে থাকে। মোট ১২টি কালসর্প যোগ আছে। কোন কালসর্প যোগে কী কী ক্ষেত্রে কুপ্রভাব বিস্তার করে দেখে নেওয়া যাক—
#এক:
১। অনন্তনাগ কালসর্প যোগ—
যখন লগ্নে রাহু ও সপ্তমে কেতু অবস্থান করে, বাকি গ্রহগণ তাদের মধ্যে অবস্থান করে। এই যোগে জাতক সারা জীবন কষ্ট করেও সাফল্য পায় না এবং সাংসারিক জীবন বিঘ্নিত হয়।

২। কুলিক কালসর্প যোগ—
যখন রাহুর অবস্থান দ্বিতীয়ে এবং কেতু অষ্টমে অবস্থান করে। এর ফলে জাতক সারা জীবনে অর্থ সঞ্চয় করতে পারে না এবং দাম্পত্য জীবনও সুখকর হয় না।
৩। বাসুকী কালসর্প যোগ—

এখানে রাহুর অবস্থান তৃতীয়ে এবং কেতু নবমে অবস্থান করে। বাকি গ্রহগণ তাদের মধ্যে অবস্থান করে। এর ফলে জাতক/জাতিকার নিজ পায়ে দাঁড়াতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। ভ্রাতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সংঘাত ও ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে থাকে।

৪। শঙ্খকাল কালসর্প যোগ—
এ ক্ষেত্রে রাহুর অবস্থান চতুর্থে ও কেতু দশমে অবস্থান করে। এর ফলে পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত হয় এবং হঠাৎ করে ভাগ্য বা কর্ম জীবনে অন্ধকার নেমে আসতে পারে।

৫। পদ্মনাভ কালসর্প যোগ—
এখানে রাহুর অবস্থান পঞ্চমে ও কেতু একাদশ স্থানে অবস্থিত থাকে। এর ফলে ভাগ্য বিপর্যয়, শিক্ষা, সন্তানের সমস্যা, প্রেম-প্রীতি বিঘ্নিত এবং সর্বোপরি সাফল্য একদম আসতে চায় না।

৬। মহাপদ্মনাভ কালসর্প যোগ—
রাহুর অবস্থান ষষ্ঠে এবং কেতু দ্বাদশে অবস্থান করলে এ যোগ সৃষ্টি হয়। এর ফলে শত্রু বৃদ্ধি, রোগ ভোগ, অদ্ভুত চরিত্রের অধিকারী, শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং কর্মজীবনে সংঘাত লেগে থাকে। হাজতবাসও হতে পারে এই যোগে।

৭। তক্ষক কালসর্প যোগ—
রাহুর অবস্থান সপ্তমে ও কেতু লগ্নে অবস্থান করলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। শারীরিক সমস্যা, দাম্পত্য কলহ, ভালবাসা বিঘ্নিত, ব্যবসায়িক সঙ্গীর সঙ্গে সংঘাত ইত্যাদি দেখা দেয় এই যোগে।

৮। কারকোত্বক কালসর্প যোগ—
এই যোগে রাহু অষ্টমে এবং কেতু দ্বিতীয়ে অবস্থান করে। বাকি গ্রহগুলি এদের মধ্যে অবস্থান করে। অযথা নেশা করা, অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলা, সাংসারিক শান্তি বিঘ্নিত, অর্থের কষ্ট এবং দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা এই যোগে ঘটে থাকে।

৯। শঙ্খচূড় কালসর্প যোগ—
রাহু নবমে ও কেতুর অবস্থান তৃতীয়ে হলে জন্ম ছকে এই যোগ সৃষ্টি হয়। এই যোগে ভাগ্য বিপর্যয়, ভ্রাতৃ-ভগিনীদের সঙ্গে বিরোধ, নিজের নামে কলঙ্ক লাগা ও পিতার সঙ্গে বিরোধ ঘটে থাকে।



১০। ঘটক কালসর্প যোগ—
রাহু জন্মছকে দশমে ও কেতু চতুর্থে অবস্থান এবং বাকি গ্রহ সকল এদের মধ্যে অবস্থান করলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। কর্মজীবন বিঘ্নিত, রাজনীতিতে পতন, কিছু বাজে স্বভাব, কর্মস্থলে ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে সংঘাত এই যোগে ঘটে থাকে।


১১। বিষধর কালসর্প যোগ—
এই যোগে রাহু একাদশে এবং কেতু পঞ্চমে এবং বাকি গ্রহ এদের মধ্যে অবস্থান করলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। এই যোগে শিক্ষায় বিঘ্ন, সঙ্গীর সঙ্গে বিরোধ, ফাটকায় ক্ষতি এবং দাম্ভিকতা প্রকাশ পায়। এই যোগে কর্মস্থানে শান্তি বিঘ্নিত ঘটতে পারে।


১২। শেষনাগ কালসর্প যোগ—
রাহুর অবস্থান দ্বাদশে ও কেতু ষষ্ঠে এবং বাকি গ্রহ এদের মধ্যে অবস্থান করলে এই যোগ সৃষ্টি হয়। এই যোগে স্বার্থপরতা, চোখের সমস্যা, নিচু মানসিকতা, বিদেশ যাওয়ার যোগ, হিসাব ছাড়া খরচ হয়।

#দুই জীবনে এর প্রভাব

জ্যোতিষশাস্ত্রে এটা কে খুব খারাপ যোগ হিসাবেই দেখা হয় । এই যোগ / দোষ থাকলে জীবন এ অনেক ঝামেলা ঝঞ্ঝাট পেতে হয় । কাল’ শব্দের অর্থ ‘মৃত্যু’ আর ‘সর্প’ বলতে সর্পিলাকৃতি । কাল ও সর্প যদি একত্র হয়, তা হলে সেই ব্যক্তির জীবন দুঃসময়ের মধ্য দীয়ে ই যায় ।

#তিন পৌরাণিক কাহিনি

কালসর্পযোগের পিছনে রাহু ও কেতুর ভূমিকা রয়েছে। পুরাণ মতে, স্বরভানু নামে এক অসুর সমুদ্র মন্থনের কালে অমৃত আস্বাদন করেছিল। তার মুণ্ড ছিন্ন করেন মোহিনীরূপী বিষ্ণু। কিন্তু তার ছিন্নমুণ্ড ও ধড় অমৃতপানের ফলে অমরত্ব লাভ করে। মুণ্ডটি রাহু এবং দেহটি কেতু নামে পরিচিত হয়ে মহাবিশ্বে ঘুরে বেড়াতে থাকে।

#চার বিশেষ ব্যাক্তির জন্ম ছকে কাল সর্প যোগ

বেনিটো মুসলিনি, পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সর্দার বল্লভ ভাই পাটেল, George W Bush, মাওসেতুং, শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধি ,শচীন তেন্ডুলকারের বাসুকি কালসর্প রয়েছে ।

#পাঁচ কালসর্প ভঙ্গ কাদের হয়

১। রাহু ও কেতু যদি কেন্দ্র, ত্রিকোনে বলশালী অবস্থায় থাকে।
২। রাহু ও কেতু তুঙ্গস্থ হলে ।
২। রাহু ও কেতু যদি কোন শুভ যোগ সৃষ্টি করে।
৩। লগ্ন পতি, নবম পতি, ও একাদশ পতি যদি বলশালী হয়।
৪। অন্যান্য গ্রহের অবস্থান শুভ হলে ।

#ছয় প্রতিকার

জন্মকুণ্ডলীতে কালসর্প যোগ থাকলে জাতককে নাগ পঞ্চমী ব্রত পালন করতে হবে | সন্তুষ্ট রাখতে হবে নাগদেবতাকে | বাড়িতে রাখতে হবে কালসর্প যন্ত্র | এবং একলক্ষ জপদ্বারা ওছয়জন পু্রোহিত ও একজন গ্ৰোহাচায‍্য চতুরমুখী হোম করে নাগদেবতা,শিব,রাহু ও কেতুর পূজা থেকে সুশক্তি বেরিয়ে প্রভাবিত করবে কালসর্প যোগে জর্জরিত জাতককে |



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190425164212

Tuesday, April 9th, 2019

Astro Research Centre

গুরুত্বপূর্ণ কতকগুলি মন্ত্র

গুরুত্বপূর্ণ কতকগুলি মন্ত্র

কিছু মন্ত্র

১. ঘুমাবার আগে বলুন - ওঁ শয়নে শ্রী পদ্মনাভায় নম:।
২. জন্ম সংবাদ শুনলে বলুন -আয়ুষ্মান ভব।
৩. মৃত্যু সংবাদ শুনলে বলুন -দিব্যান লোকান্ স গচ্ছতু।
৪. খাবার আগে বলুন - ওঁ শ্রী জনার্দ্দনায় নম:।
৫. বিপদে বলুন - ওঁ শ্রী মধুসূদনায় নম:।
৬. হিন্দু ধর্মীয় সকলকাজ শুরুর আগে বলুন - ওঁ তৎ সৎ।
৭. গৃহ প্রবেশ মন্ত্র - ওঁ শ্রী বাস্তুপুরুষায় নম:।
৮. মাতৃ প্রনাম মন্ত্র -
ভূমেগরীয়সী মাতা স্বাগাৎ উচ্চতর পিতা জননী জন্মভূমিশ্চ স্বগাদগি গরিয়সী। গর্ভ ধারণ্যং পোষ্যভাং পিতুমাতা বিশ্বস্তে।সর্বদেব সরুপায় স্তন্মৈমাএ নমঃ নমঃ।।
৯. পিতৃ প্রনাম মন্ত্র -
পিতাস্বর্গঃ পিতা ধর্মঃ পিতাহিপরমংতপঃ। । পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা নমঃ পিতৃ চরনেভ্য নমঃ।।
১০. শ্রীকৃষ্ণ প্রনাম মন্ত্র -
হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে। গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত নমহস্তুতে।।
নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ। জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় বাসুদেবায় নমো নমঃ।।
১১. শ্রীরাধারানী প্রণাম মন্ত্র -
তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে বৃন্দাবনেশ্বরী। বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি প্রিয়ে।।
১২. দেহ শুচীর মন্ত্র -
ওঁ অপবিত্র পবিত্রোবাং সর্বাবস্থান গতহ্বপিবা। যৎ সরেত পুন্ডরিকাক্ষং স বাহ্য অভ্যান্তরে শুচি।।
পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ সম্ভাবান্। ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো হরি।।
১৩. গুরু প্রণাম মন্ত্র -
অখন্ড মন্ডলা কারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম। তদপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন শলাকয়া। চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বর। গুরু রেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
১৪. শ্রী পঞ্চতত্ত্ব প্রণাম মন্ত্র -
পঞ্চতত্ত্ব আত্মকং কৃষ্ণং ভক্তরূপ স্বরূপকম্। ভক্ত অবতারং ভক্তাখ্যাং নমামি ভক্ত শক্তিকম্।।
১৫. সূর্য প্রণাম মন্ত্র -
ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্। ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহষ্মি দিবাকরম্।।
১৬. গোবিন্দ প্রণাম মন্ত্র -
ঔঁ ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ। জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ।।
১৭. তুলসী প্রণাম মন্ত্র -
ঔঁ বৃন্দায়ৈ তুলসী দৈব্যে প্রিয়াঐ কেশবস্য চঃ। কৃষ্ণভক্তিপদে দেবী সত্যবত্যৈ নমঃ নমঃ।।
১৮. দুর্গা প্রণাম মন্ত্র -
সর্বমঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সবার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোহস্তুতে।।
১৯. শ্রীবিষ্ণু প্রণাম মন্ত্র - অশ্বথ বৃক্ষমূলে জল দিয়ে
ওঁ অশ্বত্থ বৃক্ষরূপোহসি মহাদেবেতি বিশ্রুতঃ। বিষ্ণুরপধরোহসি ত্বং পুণ্যবৃক্ষ নমোহস্ত্ত তে।।
২০. বিশ্বকর্মা প্রণাম মন্ত্র -
দেবশিল্পিন মহাভাগ দেবানাং কার্যসাধক। বিশ্বকর্মন্নমস্তুভ্যং সর্বাভীষ্টফলপ্রদ।।
২১. গায়ত্রী প্রণাম মন্ত্র -
ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ তৎ সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ
#like দিয়ে active থাকুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190409145720

Saturday, January 19th, 2019

Astro Research Centre

গ্রহগত রোগ

গ্রহগত রোগ

গ্রহগত রোগ

রবি-রবি যদি শনির সঙ্গে অথবা রাহু সঙ্গে সম্পর্ক করেন তবে জাতকের বুকেররোগ,চোখেররোগ, মস্তিষ্ক রোগ হাইব্লাড প্রেশার ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হবেন। এছাড়া শুক্র গ্রহ থেকেও চোখের রোগ বিচার করা হয়। অর্থাত্ বৃষ রাশি পাপপীড়িত হলে এবং তার সাথে শুক্র পীড়িত হলে জাতকের ট্যারা চোখ বা চক্ষু রোগে আক্রান্ত হবেন। রবির সঙ্গে রাহুর সম্পর্ক হলে ব্রেন টিউমারের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

চন্দ্র-চন্দ্র জলজ গ্রহ এবং কর্কট,বৃশ্চিক ও মীন জলজ রাশি এ ছাড়া মকর শলীল রাশি (মতান্তরে)। তাই যদি কোনও জাতকের কর্কট,বৃশ্চিক মীন অথবা মকর রাশিতে লগ্ন বা রাশি পড়ে তবে জাতকের শ্লেষা রোগের প্রবণতা থাকে। চন্দ্র যদি নীচস্থ হয় বা দুস্থ স্থানগত হয় বা শনি রাহু কেতু দ্বারা আক্রান্ত হয় তবে জাতকের শ্লেষা সংক্রান্ত রোগে আক্রান্ত হবে। এবং বিশেষ ভাবে চন্দ্র যদি অষ্টমে অবস্থান করে জাতকের শ্লেষা,টনসিল,সাইনাস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত সহ জলে ফারা থাকে। চন্দ্র যদি শনি রাহু কেতুর দ্বারা পীড়িত হয় তবে জাতকের মানসিক ভারসাম্য হারাতে পা। বিশেষ করে কেতুর দ্বারা আক্রান্ত হলে চন্দ্র বা কেতুর দশায় মস্তিষ্ক বিকৃতির লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তবে চন্দ্রের সঙ্গে বৃহস্পতির সম্পর্ক করলে অশুভ ফলের হানি হ। চন্দ্রের সঙ্গে বৃহস্পতি সম্পর্ক করলে জাতকের মধ্যে কফরোগের প্রবণতা শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি অথবা বুকে জল জমে ফ্লুরশিস বা যক্ষা রোগের সম্ভাবনা থাকে।

মঙ্গল-মঙ্গলের সঙ্গে যদি শনি রাহু বা কেতুর সম্পর্ক হয়,বিশেষ করে রাহু ও মঙ্গল সম্পর্ক করলে জাতক অ্যাপেন্ডিই,হাইব্লাড প্রেশার,অম্বল,গ্যাস্টিক,আমাশা,অশ্ব,হার্নিয়া,বসন্ত,এবং কোনও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হয় এ ছাড়া শনি মঙ্গল সম্পর্কে দুর্ঘটনায় হাড়ে আঘাত পেতে পারেন।

বুধ-বুধ যেকোনও লগ্নের ক্ষেত্রেই বুধের দশা অন্তরদশাইয় রোগে আক্রান্ত হবে। এ ছাড়া ষষ্ঠে মঙ্গল অবস্থান করে যদি শনি অথবা রাহু অবস্থান করে মঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক করে তবে কোমরে স্পণ্ডিলাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা ষষ্ঠ ভাব কোমর।

বৃহস্পতি-বৃহস্পতি যদি রাহুর সঙ্গে সম্পর্ক করে তবে লিভার,গলস্টোন,মেদ বৃদ্ধি। রাহু বৃহস্পতির সম্পর্কে বিশেষ করে জন্ডিস বা ডায়াবেটিস হতে পারে। রাশি অথবা লগ্নের পঞ্চমে বৃহস্পতির প্রভাব থাকলে সেক্ষেত্রেও লিভার সংক্রান্ত পীড়ায় আক্রান্ত হতে পারেন,এ ছাড়াও মঙ্গল রাহু অথবা মঙ্গল শনি সম্পর্ক রাশি চক্রের যেখানেই হোক না কেন এবং ওই সঙ্গে রাশি বা লগ্নের পঞ্চমে বৃহস্পতির জাতক গলস্টোন রোগ হতে পারে। লগ্ন ও ষষ্ঠ ভাব সম্পর্কে জাতকের অস্ত্র চিকিত্সা ও হতে পারে।

শুক্র-শুক্র প্রস্তাব সংক্রান্ত রোগ,কিডনি ও যৌন সংক্রান্ত রোগ,ইত্যাদি শুক্রের করকতার মধ্যে পড়ে চন্দ্র ও শুক্র এই দুই গ্রহ কিডনি সংক্রান্ত রোগের কারক।

শনি-শনি বাতেররোগ, প্যারালাইসিস,নখ,চুল,দাঁত ও হার্ট সংক্রান্ত রোগ,হাড়ে আঘাত,মৃগী,মস্তিষ্ক বিকৃতি এ ছাড়া যেসব রোগ মানসিক ডাক্তার প্রয়োজন।

রাহু-রাহু বাতরোগ,টিউমার এবং বায়ু ঘটিত রোগের কারক গ্রহ।

কেতু-কেতু পক্স দাঁত ব্যথা দাঁতের ক্ষয় বিষক্রিয়া কুষ্ঠ চর্মরোগ।

(মন্তব্য গোচরে যখন রাশিতে বা লগ্ন শনি অথবা রাহুর প্রভাব কী পরবে তখনই রোগ আক্রান্ত হবে বা যে কোনও ধরনের টেনশনে সময় কাটবে)



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190119093729

Friday, January 18th, 2019

Astro Research Centre

কোন গ্রহকে কী ভাবে শান্ত করবেন—

 কোন গ্রহকে কী ভাবে শান্ত করবেন—

এখন দেখে নেওয়া যাক কোন গ্রহকে কী ভাবে শান্ত করবেন—

রত্ন ব্যবহার ব্যতীত জপ, পূজা, হোম, দান, মূল ও ধাতু ব্যবহার করলেও মানব জীবনে কল্যাণকর পরিবেশ তৈরি হয়। জপ, পূজা, হোম করার ক্ষেত্রে মন্ত্রের ভূমিকাই শ্রেষ্ঠ। ‘মন ত্রায়তে যাহা’ অর্থাৎ মনের মুক্তি ঘটে যার মাধ্যমে তাই মন্ত্র। মন্ত্র একটা বিজ্ঞান। এটা সাইকো সায়েন্স। বৈদিক যুগ থেকে ক্রমবর্দ্ধমান ভাবে মন্ত্রের ধারা চলে আসছে।

এখন দেখে নেওয়া যাক কোন গ্রহকে কী ভাবে শান্ত করবেন—

রবি-

দেবী- মাতঙ্গী।

বীজ মন্ত্র- ওঁ হ্রাং হ্রীং সঃ।

জপ সংখ্যা- ৭,০০০ বার।

পূজ্য উপকরণ- রক্তপুস্প, তাম্র, রক্তচন্দ্র, সুগন্ধিকুসুম, বৃষ।

ভোগ্রদ্রব্য- গুড়পক্ক অন্ন।

দানদ্রব্য- গুড়, স্বর্ণ, তাম্র, রক্তপদ্ম, মাণিক্য।

চন্দ্র—

দেবী- কমলা।

বীজমন্ত্র- ওঁ ঘৌং স্রৌং সঃ।

জপসংখ্যা- ১১,০০০ বার।

পূজ্য উপকরণ- ধেনু, শ্বেতপুস্প, মিষ্টদ্রব্য, সুগন্ধিদ্রব্য।

ভোগ্যদ্রব্য- ঘৃত পরমান্ন।

দানদ্রব্য- বস্ত্র, রৌপ্য, ঘৃতপূর্ণ কুম্ভ, যুগোপযুক্ত বৃষ।

মঙ্গল—

দেবী- বগলা।

বীজমন্ত্র- ওঁ হ্রাং হ্রীং হ্রাং সঃ।

জপসংখ্যা- ১০,০০০ বার।

পূজ্য উপকরণ- রক্তপুস্প, তাম্র, রক্তচন্দ্র, সুগন্ধিকুসুম, বৃষ।

ভোগ্যদ্রব্য- হবিষ্যান্ন।

দানদ্রব্য- গুড়, স্বর্ণ, রক্তপুস্প, তাম্র।

বুধ—

দেবী- ত্রিপুরা।

বীজ মন্ত্র- ওঁ হ্রৌং হ্রৌং হ্রাং সঃ।

জপ মন্ত্র- ৪,০০০ বার।

পূজ্য উপকরণ- মণি, রজত, বকুল পুস্প।

ভোগ্য দ্রব্য- দুগ্ধপক্ক অন্ন।

দান দ্রব্য- ঘৃত, হাতির দাঁত, ঝাঁটি পুস্প।

বৃহস্পতি-

দেবী- তারা।

বীজ মন্ত্র- ওঁ ঞৌং ঞৌং ঞৌং সঃ।

জপ সংখ্যা- ১৯,০০০ বার।

পূজ্য দ্রব্য- পীত বর্ণ দ্রব্য।

ভোগ্য দ্রব্য- দধিযুক্ত অন্ন।

দান দ্রব্য- চিনি, মিষ্টি, লবণ, স্বর্ণ।

শুক্র—

দেবী- ভুবনেশ্বরী।

বীজ মন্ত্র- ওঁ হ্রৌং হ্রীং সঃ।

জপ সংখ্যা- ১৬,০০০ বার।

পূজ্য উপকরণ- মাদক দ্রব্য, সুগন্ধি দ্রব্য।

ভোগ্য দ্রব্য- ঘৃতযুক্ত অন্ন।

দান দ্রব্য-হীরক, আতপ, রৌপ্য, ঘৃত, চন্দন।

শনি—

দেবী- দক্ষিণা কালী।

বীজ মন্ত্র- ওঁ শৌং শৌং সঃ।

জপ সংখ্য- ২৩,০০০ বার।

পূজ্য উপকরণ- কৃষ্ণ বর্ণ দ্রব্য।

ভোগ্য দ্রব্য- তিল পিষ্টক।

দান দ্রব্য- কুলত্থ, মহিষ, লৌহ।

রাহু—

দেবী- ছিন্নমস্তা।

বীজ মন্ত্র- ওঁ ছৌং ছাং ছৌং সঃ।

জপ সংখ্যা- ১৮,০০০ বার।

পূজ্য উপকরণ- কৃষ্ণ বর্ণ দ্রব্য।

ভোগ্য দ্রব্য- আম, মাংস।

দান দ্রব্য- গোমেদ, ঘোড়া, কম্বল, কৃষ্ণ বস্ত্র, কৃষ্ণ তিল, লৌহ পাত্রে তেল।

কেতু—

দেবী- ধূমাবতী।

বীজ মন্ত্র- ওঁ ফৌং ফাং ফৌং সঃ।

জপ সংখ্যা- ১৭,০০০ বার।

পূজ্য উপকরণ- ধূম্ব্র বর্ণ দ্রব্য।

ভোগ্য দ্রব্য- টিত্রোদন।

দান দ্রব্য- বৈদুর্যমণি, কৃষ্ণ তিল, খড়্গ, তৈল, মৃগনাভি।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190118200249

Friday, January 18th, 2019

Astro Research Centre

কিছু বাস্তু টিপস্

কিছু বাস্তু টিপস্

অামরা কথা দিয়েছিলাম।এ বছর থাকছে অাপনাদের জন্য অনেক নতুন অায়োজন।
তাই এ বছরের কিছু বাস্তু টিপস্ অাপনাদের সাথে শেয়ার করছি

মাত্র কয়েকটি বাস্তু টিপসে বদলে যেতে পারে জীবন। অনেকেই প্রশ্ন করেন, বাস্তুমতে ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব

মাত্র কয়েকটি বাস্তু টিপসে বদলে যেতে পারে জীবন। অনেকেই প্রশ্ন করেন, বাস্তুমতে ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব? এর উত্তর অবশ্যই সম্ভব। তবে তার জন্য মানতে হবে কিছু নিয়ম।

নিয়ম-১: বাড়িতে ঢোকার মুখে কোনো খালি দেওয়াল থাকলে সেটিকে খালি না রেখে ছবি লাগান।।

নিয়ম-২: মন চঞ্চল? তাহলে উত্তর –পূর্ব দিকে একটু বসে থাকুন। মনঃসংযোগ করতে পারলে আরও ভালো।

নিয়ম-৩: উত্তর-পূর্ব দেয়ালে এমন ছবি লাগান যেখানে লম্বা পথ দেখা যাচ্ছে, সূর্যমুখী ফুলের ছবিও লাগাতে পারেন।

নিয়ম-৪: পারিবারিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য একটি পারিবারিক ছবি লাগাতে পারেন। তবে অবশ্যই দক্ষিণ পশ্চিম দিকে। ছবিটি সোনালি ফ্রেমে বাঁধানো হলে ভালো হয়।

নিয়ম-৫: পূর্ব দিকে পড়ার টেবিল রাখুন।

নিয়ম-৬: পূর্ব দিকের দেয়ালে সূর্যোদয়ের ছবি লাগাতে পারেন। সামাজিক সম্পর্ক ভালো হবে।

নিয়ম-৭: চেষ্টা করুন বাড়ির দরজা জানলার যোগফল যেন জোড় সংখ্যার হয়।

নিয়ম-৮: অর্থের জোগান সবসময় ভালো রাখতে লাল রঙের ঘোড়ার ছবি লাগান।

নিয়ম-৯: রাতে শোয়ার সময় স্ত্রী স্বামীর বাঁদিকে শুলে দাম্পত্য শান্তি বজায় থাকে।

নিয়ম-১০: খাটের নীচটি পরিষ্কার ও ফাঁকা রাখুন। ভবিষ্যতের পক্ষে শুভ।

নিয়ম-১১: রান্নাঘরে গ্যাস ও পানির কল যতটা সম্ভব দূরে রাখুন।

নিয়ম-১২: শোয়ার ঘর বানান বাড়ির দক্ষিণ পশ্চিমের ঘরগুলি।

নিয়ম-১৩: উত্তর পূর্ব দিকে মাছের অ্যাকুরিয়াম রাখুন, জীবনে উন্নতি হবে।

নিয়ম-১৪: ঘরের পূর্বদিকে সবুজ গাছ রাখুন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো হবে।

নিয়ম-১৫: উপরের ১৪টি নিয়ম মেনে চলার অভ্যাস করুন।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190118195801

Wednesday, January 16th, 2019

Astro Research Centre

জয় শ্রী হনুমান

জয় শ্রী হনুমান

১।ঔঁ অঞ্জনী যযা বিদ্মহে পবন পুত্রায় ধীমহি তন্ন হনুমান প্রচোদয়াৎ।।
২।ঔঁ বায়ু পুত্রায় বিদ্মহে পতী রাজায় ধীমহি অঞ্জনী পুত্রায় চিরঞ্জীবে তন্ন হনুমান প্রচোদয়াৎ।।ওঁ হং হনূমতে রুদ্রাত্মকায় হুং ফট।
হনুমানের ধ্যান:
ওঁ মহাশৈলং সমুৎপাট্য ধাবন্তং রাবণং প্রতি। তিষ্ঠ তিষ্ঠ রণে দুষ্ট ঘোররাবং সমুৎসৃজন্‌। লাক্ষারসারুণং রৌদ্রং কালান্তকযমোপমম্‌।। জলদগ্নিলসন্নেত্রং সূর্য্যকোটিসমপ্রভম্‌।। অঙ্গদাদ্যৈর্মহাবীরৈর্বেষ্টিতং রুদ্ররূপিণম্‌।।
প্রনাম মন্ত্র :
অতুলিতবলধামং হেমশৈলাভদেহং
দনুজবনকৃশানুং জ্ঞানিনামগ্রগণ্যম্।
সকলগুননিধানং বানরাণামধীশং
রঘুপতিপ্রিয়ভক্তং বাতজাতং নমামি।।
অতুলিত শক্তির ভান্ডার, স্বর্ণ গিরি সুমেরু পর্বতের মত কাঞ্চন কান্তিযুক্ত দেহধারী, রাক্ষসরূপী অরণ্যকে ভস্মীভূত করতে অগ্নির মত তেজস্বী, জ্ঞানীগণের মধ্যে অগ্রগণ্য, সকল গুণের আধার, বানর কুলের অধীশ্বর, শ্রীরামের প্রিয় ভক্ত পবনপুত্রকে আমি প্রণাম করি।;
হনুমানজির ভক্তের সংখ্যা অগণিত৷ অনেকেই দিন শুরু করেন তাঁর মন্ত্র দিয়েই৷ তাঁর দর্শনের জন্য কত পথই না পাড়ি দেয় ভক্তেরা৷ কিন্তু জানেন কি হনুমানজির ১২টি নাম স্মরণ করলে ভালো কিছু সন্ধান পেতে পারেন আপনি? মনে করা হয় বজরঙ্গবলীর ১২টি নাম স্মরণ করলে সাংসারিক শান্তি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে পারে সেই ব্যক্তি৷ নিচে রইল সেই ১২টি নাম-
১।ওম হনুমান নমঃ।
২।ওম অঞ্জনী সূত নমঃ।
৩।ওম বায়ু পুত্র নমঃ।৬.রামদূত
৪।ওম মহাবল নমঃ।
৫।ওম রামেষ্ঠ নমঃ।
৬।ওম ফাল্গুণ সখা নমঃ।
৭।ওম পিঙ্গাক্ষ নমঃ।
৮।ওম অমিত বিক্রম নমঃ।
৯।ওম উদধিক্রমণ নমঃ।
১০।ওম সীতা শোক বিনাশন নমঃ।
১১।ওম লক্ষ্মণ প্রাণ দাতা নমঃ।
১২।ওম দশগ্রীব দর্পহা নমঃ।
সকালে উঠেই এই ১২টি স্মরণ করলে নাকি দীর্ঘায়ু হওয়া যায়৷ দুপুরে স্মরণ করলে ধন সম্পত্তি লাভ হতে পারে৷ সন্ধেবেলা এই ১২টি নাম জপ করলে সংসার সুখের হতে পারে৷ রাতে যদি স্মরণ করা যায় তাহলে শত্রুকে পরাজিত করা যায় বলে মনে করা হয়৷
চাল্লিশাঃ-
জয় হনূমান জ্ঞান গুণ সাগর।
জয় কপিশ ত্রিলোক উজাগর।
রাম দূত তুমি অতি বলশালী।
অঞ্জনী পুত্র পবন সূত মহাবলী।
মহাবীর যে নাম তব তুমি বজরঙ্গী।
কুমতি নিবার প্রভু, সুমতির সঙ্গী।
কাঞ্চন বরণ তব, বেশ সুবেশা।
কানেতে কুন্তল, কুঞ্চিত কেশা।
হাতে তে বজ্র আর ধ্বজা বিরাজে।
কাঁধেতে মুঞ্জ, উপবীত সাজে।
শঙ্করাংশে জন্ম তব, হে কেশরী নন্দন।
তেজ প্রতাপ তব মহা জগ বন্দন।
বিদ্যাবান তুমি, তুমি অতি চতুর।
রাম কাজ করিবারে, আতুর।
প্রভু চরিত্র শুনিবার রাখ অভিলাষা।
রাম-লখন আর সীতায় দাও ভালবাসা।
সুক্ষ্মরূপ ধরি, অসুর সংহার।
শ্রী রঘুনাথ সকল কাজ সার।
আনি সঞ্জীবনী, সৌমিত্রে বাচাইলে।
রাঘবের মনে তুমি, হরষ আনিলে।
তব কাজে রঘুনাথ মুগ্ধ হইলো।
ভরত ভ্রাতা সম, আলিঙ্গন দিল।
স্বনকাদি ব্রহ্মাদি, ঋষি মুনি যত।
তব গুন গাহে, নারদ সহিত।
যম কুবের, দিকপাল যেখানে।
কবি কৌবিদ তারে, কহিনা কেমনে।
সুগ্রীব উপকার, ততুমি যে করিলে।
রামে মিলায়ে তারে, রাজপদ দিলে।
তোমারি মন্ত্র যবে, বিভীষন মানিল।
লঙ্কেশ হইল সে, সারা বিশ্ব জানিল।
সহস্র যোজন দূরে, থাকে যে ভানু।
ধাইলে লইতে তাহা, তুমি বীর হনু।
প্রভুমুদ্রিকা, রাখি মুখ মাঝে।
জলধি লঙ্ঘিলে, রঘুনাথ কাজে।
দুর্গম কাজ যত, জগতে আছে।
সুগম যে হয় তাহা তোমারি কাছে।
তুমি যে দ্বারী, রাম দুয়ারে।
আজ্ঞা বিনা কেহ, প্রবেশিতে নারে।
তোমারি স্মরণে যে, সব সুখ পা-ই।
রক্ষক হ'লে তুমি, কোন ভয় না-হি।
মহাতেজ তেজবনিকর জবে আপনারে।
ত্রিলোক যে কাঁপে, তব বিকট হুঙ্কারে।
ভূত পিশাচ, নিকট নাহি আসে।
তব নাম লয় যে, থাক তার পাশে।
নাশ করহ সব রোগ, হরহ সব পীড়া।
যে জন নিরত জপে, হনুমান বলবীরা।
সব সঙ্কট কর মোচন, তুমি বীর হনুমান।
মন ক্রম বচনে, ধরে যে ধ্যান।
সর্বোপরি রাম রাজার যে তপস্বী রূপ।
তাহার সকল কাজ কর তুমি অনুপ।
যে কোন মনোরথ, যে জন করিবে।
তোমারি কৃপায় সে, অমিত ফল পাবে।
চারি যুগ তব, প্রতাপ-বাখানি।
জগতে খ্যাত তুমি, তাহা যে জানি।
সাধু সন্তের, তুমি রক্ষা কারি।
অসুর নিকন্দন, তুমি দুঃখ হারি।
অষ্ট-সিদ্ধি আর, নয়-নিধির দাতা।
আশীষ-করিলা তোমা, জানকী মাতা।
রাম রসায়ন, তোমারি পাশে।
রুঘুপতি সম মনে, রেখো এ দাসে।
তোমারি ভজন গাহি, রাম পদ লভি।
জনম জনম ভুলি, দুঃখ যে সবই।
অন্তিম কালে স্থান, দিও রঘুবর পুরে।
রাম নাম সেথা যেন, পাই জপিবারে।
রাম নাম জপে যে, সে বড় চতুর
সঙ্কট মোচন হয়, হয় শোক সব দূর।
শোক তাপ মোচন করে, হরে সব পীড়া।
যে জন স্মরণ করে, হনুমান বল বীরা।
জয়-জয়-জয়, হনুমান জ্ঞান গোঁসাঈ ।
কৃপা করহ দেব, ভাঁতি গুরু ভাই।
যে জন নিত্য পাঠ করে, হনুমান চালিশা।
মহাসুখ পায় হে, নাম রটে চহু দিশা।
জয় হনুমান, জয়-জয় মহাবীর।
"তারায়" তারাও প্রভু, এ ভব সাগর।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190116172300

Sunday, January 13th, 2019

Astro Research Centre

নবগ্রহ প্রণাম মন্ত্র এবং গ্রহ বীজ মন্ত্র

নবগ্রহ প্রণাম মন্ত্র এবং গ্রহ বীজ মন্ত্র

নবগ্রহ প্রণাম মন্ত্র
=============
ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্ ।
ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নম্ প্রণতোহশ্মি দিবাকরম্ ॥
দিব্যশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্নভসম্ভবম্ ।
নমামি শশীনং ভক্তা শম্ভোর্মুকুটভূষণম্ ॥
ধরণীগর্ভোসম্ভূতং বিদ্যূতপুঞ্জসমপ্রভম্ ।
কুমারং শক্তিহন্তস্চ লোহিতাঙ্গং প্রণম্যহং ॥
প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যমং রূপেনাপ্রতিমং বুধম ।
সৌম্যং সৌম্যগুণপেতং নমামি শশীনংসুতম্ ॥
দেবতানাংম্রিশিনান্চং গুরুং কনকসন্নিভং ।
বন্দে ভক্তা ত্রিলোকেশং ত্বং নমামি বৃহস্পতিম্ ॥
হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্ ।
সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণম্যহ্ ॥
নিলাঞ্জনংচয়প্রক্ষ্যং রবিসূতং মহাগ্রহম্ ।
ছায়ায়ং গর্ভসম্ভূতং বন্দেভক্তা শণৈশ্চরম ॥
অর্দ্ধকায়াং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম
সিংহিকায়া মহারৌদ্রং ত্বং রাহুং প্রণম্যহম্ ॥
পলাশধূমসংকাশং তারাগ্রহবির্মদকম ।
রৌদ্রং রৌদ্রত্বকং ঘোরং ত্বং কেতুং প্রণম্যহম্ ॥

গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ । জপ সংখ্যা ৬০০০ বার । দেবতা-মাতঙ্গী । ধূপ-গুগুল । বার-রবিবার । প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

চন্দ্র মন্ত্র -- ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ । জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার । দেবতা-কমলা । ধূপ- সরলকাষ্ঠ । বার-সোমবার । প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত ।

মঙ্গল মন্ত্র -- ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ । জপ সংখ্যা-৮০০০ বার । দেবতা-বগলামুখী । ধূপ-দেবদারু । বার-মঙ্গলবার । প্রশস্ত-সকাল ১২ টা পর্যন্ত ।

বুধ মন্ত্র -- ওঁ ঐং স্ত্রীং শ্রীং বুধায়ঃ । জপ সংখ্যা-১০০০০ বার । দেবতা-ত্রিপুরাসুন্দরী । ধূপ-সঘৃত দেবদারু । বার-বুধবার । প্রশস্ত-বেলা ১২টা পর্যন্ত ।

বৃহস্পতি মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে । জপ সংখ্যা-১৯০০০ বার । দেবতা-তারা । ধূপ-দশাঙ্গ । বার-বৃহস্পতিবার । প্রশস্ত-বেলা ১২ পর্যন্ত ।

শুক্র মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং শুক্রায়ঃ । জপ সংখ্যা-২১০০০ বার । দেবতা-ইন্দ্র । ধূপ-গুগুল । বার-শুক্রবার । প্রশস্ত-সন্ধ্যাবেলা ।

শণি মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়ঃ । জপ সংখ্যা ১০০০০ বার । দেবতা-দক্ষিনাকালী । ধূপ-কৃষ্ণাগুরু ।বার শনিবার । প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

রাহু মন্ত্র -- ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে । জপ সংখ্যা-১২০০০ বার । দেবতা-ছিন্নমস্তা । ধূপ-দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

কেতু মন্ত্র -- ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে । জপ সংখ্যা-২২০০০ বার । দেবতা-ধূমাবতী। ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি । বার-শনি/মঙ্গল বার ।
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা ।

মহাশক্তির মন্ত্র ও ফল

মহাকালী মন্ত্র

মায়ের গায়ত্রী মন্ত্র

ওঁ কালিকায়ৈ বিদ্মহে শশ্মানবাসিন্যৈ ধীমহি তন্নো ঘোরে প্রচোদয়াৎ ……… (১০ বার জপ করুন)

জপের মন্ত্র

ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হ্রীং হ্রীং দক্ষিণ কালিকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হুং স্বাহা

বিধি
এটি মহাকালীর উগ্র মন্ত্র। বিন্ধ্যাচলের অষ্টভুজা পর্বতে ত্রিকোণে স্থিত কালী খোহে এই সাধনা করলে শীঘ্র ফল পাওয়া যাবে। শ্মশানেও এই সাধনা করা যেতে পারে। কিন্তু বাড়িতে করা উচিত নয়। জপ সংখ্যা ১১০০, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবশ্যই করা উচিত।

ফল
এর সাধনা করলে সুমঙ্গল, মোহন, মারণ উচ্চাটনাদি তন্ত্রোক ষড্কর্মের সিদ্ধি হয়।

তারা

ঊং হ্লীং আধারশক্তি তারায়ৈ পৃথ্বীয়াং নমঃ পূজয়ীতো অসি নমঃ।
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ ৩২ লক্ষ জপ। জপ শেষে যজ্ঞ করতে হয়।

ফল
সিদ্ধি প্রাপ্তির পর সাধক তর্কশক্তি, শাস্ত্র জ্ঞান, বুদ্ধি কৌশল ইত্যাদি লাভ করেন।

ভুবনেশ্বরী

হ্লীং

ফল
অমাবস্যায় একটি কাঠের ওপর এই মন্ত্র লিখে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে দেখালে প্রসবে কোনও সমস্যা হবে না। গলা পর্যন্ত জলে দাঁড়িয়ে জলে সূর্যমণ্ডলে দেখতে দেখতে তিন হাজার বার এই মন্ত্র জপ করলে সেই ব্যক্তি ইচ্ছানুসার কন্যা বরণ করতে পারে। অভিমন্ত্রিত অন্নের সেবন করলে লক্ষ্মীর বৃদ্ধি হয়। কমল ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে রাজার বশীকরণ হয়।

ত্রিপুর সুন্দরী

শ্রীং হ্লীং ক্লীং এং সৌঃ ঊং হ্লীং শ্রীং কএইলহ্লীং হসকহলহ্লীং সংকলহ্লীং সৌঃ এং ক্লীং হ্লীং শ্রীং

বিধি
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এক লক্ষ জপ আছে। জপ পশ্চাত্‍‌ ত্রিমধুর (ঘি, মধু, চিনি) মিশ্রিত কনেরের ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত।

ফল
কমল ফুলের যজ্ঞে ধন-সম্পত্তি প্রাপ্তি, দইয়ের যজ্ঞে উপদ্বর নাশ, লাজার যজ্ঞে রাজ্য প্রাপ্তি, কর্পুর, কুমকুম এবং কস্তুরির যজ্ঞে কামদেবের চেয়েও বেশি সৌন্দর্যের প্রাপ্তি হয়। আঙুরের যজ্ঞে বাঞ্চিত সিদ্ধি এবং তিল দিয়ে যজ্ঞ করলে সমস্ত ইচ্ছার পূর্তি হয়। আবার গুগুলের যজ্ঞে সমস্ত দুঃখের নাশ হয়।

ছিন্নমস্তা

ঊং শ্রীং হ্লীং হ্লীং বজ্র বৈরোচনীয়ে হ্লীং হ্লীং ফট্ স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ চার লক্ষ জপ। জপের ১০ শতাংশ যজ্ঞ পলাশ বা বিল্ব ফল দিয়ে করা উচিত। তিল এবং অক্ষতের যজ্ঞে সর্বজন বশীকরণ, সাদা কনেরের ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে রোগ মুক্তি, মালতী ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে বাচাসিদ্ধি এবং চম্পার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে সুখ-সমৃদ্ধির প্রাপ্তি হয়।

ধূমাবতী

ঊং ধূং ধূং ধূমাবতী স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এক লক্ষ জপ। এই জপের ১০ শতাংশ যজ্ঞ তিল মিশ্রিত ঘি দিয়ে করা উচিত। নিম পাতা এবং কাকের পালকে উক্ত মন্ত্র ১০৮ বার পড়ে দেবতার নাম নিয়ে ধুনো দেখালে শত্রুদের মধ্যে পরস্পর বিবাদ বাধে।

বগলামুখী

ঊং হ্লীং বগলামুখী সর্বদুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তংভয় জিহ্বাং কীলয় বুদ্ধিং বিনাশায় হ্লীং ঊং স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ এর লক্ষ জপ। জপের পর চম্পা ফুল দিয়ে ১০ শতাংশ যজ্ঞ করা উচিত। এই সাধনায় হলুদ বর্ণের গুরুত্ব আছে। সমস্ত ইচ্ছার পূর্তির জন্য একা এক লক্ষ বার জপ করুন। মধু এবং চিনি যুক্ত তিল দিয়ে যজ্ঞ করলে বশীকরণ করা যায়।

মাতঙ্গী

ঊং হ্লীং এং শ্রীং নমো ভগবতি উচ্ছিষ্ট চান্ডালি শ্রীমাতঙ্গেশ্বরি সর্বজন বংশকরি স্বাহা

বিধি ও ফল
এই মন্ত্রের পুরশ্র্বরণ জপ ১০ হাজার। জপের ১০ শতাংশ মধু এবং মহুয়ার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত। কাম্য প্রয়োগের আগে এক হাজার বার মূল মন্ত্র জপ করে পুনরায় মধুযুক্ত মহুয়া ফুল দিয়ে যজ্ঞ করা উচিত। পলাশ পাতা বা ফুল দিয়ে হোম করলে বশীকরণ, মল্লিকার ফুল দিয়ে যজ্ঞ করলে লাভ, বিল্ব ফুলে রাজ্য প্রাপ্তি এবং নুন দিয়ে যজ্ঞ করলে আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।

কমলা

ঊং নমোঃ কমলবাসিন্যৈ স্বাহা

বিধি ও ফল
দশ লক্ষ জপ করুন। দশ শতাংশ মধু, ঘি এবং শর্করাযুক্ত লাল পদ্ম দিয়ে যজ্ঞ করুন। সমস্ত কামনা পুরো হবে।

মহালক্ষ্মী

ঊং শ্রীং হ্লীং শ্রীং কমলে কমলালৈ প্রসীদ প্রসীদ ঊং শ্রীং হ্লীং শ্রীং মহালক্ষ্মৈ নমোঃ

বিধি ও ফল
এক লক্ষ বার জপ করুন। মধু, ঘি এবং শর্কতাযুক্ত বিল্ব ফল দিয়ে দশ শতাংশ যজ্ঞ করলে সাধকের গৃহে লক্ষ্মী বাস করেন। যদি কেউ বেশি ধনের কামনা করে থাকেন, তা হলে সত্য বাচন করুন, লক্ষ্মী মন্ত্র এবং শ্রীসুক্ত পাঠ করুন। পূর্ব দিকে মুখ করে ভোজন তথা কথাবার্তা বলুন। নগ্ন হয়ে জলে স্নান করবেন না। তেল লাগিয়ে ভোজন করুন।

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact wwwarcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190113152610

Friday, November 30th, 2018

Astro Research Centre

জ্যোতিষে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সূত্র---

 জ্যোতিষে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সূত্র---

জ্যোতিষে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সূত্র---(আপনাদের জন্মকুণ্ডলী মিলিয়ে দেখে নিন)

১. ৮মে রবি+রাহু - বদনাম যোগ।
২. দ্বিতীয় বা দ্বা্দশে ( শনি+কেতু) থাকলে ঋন হবেই।
৩.শুক্র খারাপ থাকলে অভিনেতা বা অভিনেত্রি হওয়ার স্বপ্ন না দেখাই ভাল।
৪.রবি + শুক্র জন্মছকে এক সঙ্গে থাকলে জীবনে কোন না কোন সময় দারিদ্র আসবেই।
৫. রবি+কেতু, রবি+রাহু, রবি+শনি, মঙ্গল+শুক্র, শুক্র+কেতু, শুক্র+রাহু, বৃৃহস্পতি+রাহু, বৃৃহস্পতি+কেতু, বুধ+কেতু, বুধ+রাহু, শনি+মঙ্গল+শুক্র+রাহু, রবি+বুধ+কেতু, শনি+মঙ্গল+রাহু, এই অশুভ যোগ গুলির সার্থক প্রতিকার না করলে জীবনে একটির পর একটি সমস্যা লেগেই থাকবে।
৬. জন্মছকে সব গ্রহগুলি নীচস্থ হলে অধিক মন্দ হেতু রাজ যোগের সৃষ্টি হয়, এই যোগে নিজস্ব ফ্যক্টট্রি হয়।
৭. জন্মছকে সব গ্রহগুলি উচ্চস্থ হলে সন্ন্যাস হয়।
৮. জন্মছকে কোন কিছু হওয়ার connection না থাকলে, প্রতিকারের মাধ্যমে সেই যোগ এনে দেওয়া যায় না। বিবাহ, চাকরি, প্রেম ইত্যাদি সব জন্মের সময় নিজের ভাগ্যে নিয়েই জন্মায়। গ্রহের অশুভ যোগ, অশুভ অবস্থানে যখন সময় খারাপ চলে তার থেকে মুক্তি পেতেই প্রতিকার প্রয়োজন হয়।
৯.জ্যোতিষের সব থেকে বড় বিভাগ হল সার্থক প্রতিকার নির্বাচন করা।
১০. রাহু+মঙ্গল জাতক/জাতিকার এনর্জি নষ্ট করে। সুগার হয়।
১১. রবি+রাহু জাতক জাতিকাকে আত্মবিশ্বাসের অভাব আনে। চোখ এর রোগ হয়।
১২. ৭ম ভাবে কেতু+মঙ্গল যোগ - বিবাহিত জীবনকে নষ্ট করবেই।
১৩. ২য়ে শনি+কেতু - দাঁত নিয়ে ভোগান্তি
১৪. ৬ষ্ঠে কেতু + শুক্র - যৌন অক্ষমতা। বিকৃত রুচি।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20181130085242

Thursday, August 30th, 2018

Astro Research Centre

জ্যোতিষ শাস্ত্রের পরিচয়

জ্যোতিষ শাস্ত্রের পরিচয়


জ্যোতিষ বিজ্ঞান
জ্যোতিষ শাস্ত্রের পরিচয়
ছয়টি বেদাঙ্গের একটি জ্যোতিষ। প্রাচীনকালে জ্যোতিষ অনুসারে শুভ তিথি- যজ্ঞ করা হত। জ্যোতি অর্থ আলো। বিভিন্ন গ্রহ-নক্ষত্র দীপ্তিমান অর্থাৎ এদের জ্যোতি বা আলো রয়েছে। মানব-জীবনে বিভিন্ন গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব সংক্রান্ত জ্ঞান বা বিদ্যাই জ্যোতিষ বিজ্ঞান। ভৃগু, পরাশর, জৈমিনি আদি প্রাচীন ঋষিগণকে জ্যোতিষ বিজ্ঞানের প্রবর্তক বলা চলে। তাঁরা জ্যোতিষবিদ্যা বিভিন্ন অঙ্গ বা শাখা-প্রশাখা সৃষ্টি করে গেছেন। তাঁরা উপলব্ধি করেছেন যে, পৃথিবীর নিকটবর্তী নয়টি গ্রহ, বারটি রাশি ও সাতাশটি নক্ষত্র মানুষের জীবনের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং এই প্রভাবই জ্যোতিষ বিজ্ঞানের মুখ্য আলোচ্য বিষয়। জাতক ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় এসব গ্রহ, রাশি ও নক্ষত্রের অবস্থান অনুসারে জাতকের ভাগ্য নিয়ন্ত্রিত হয়। নিচে জ্যোতিষ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেয়া হল।
গ্রহ পরিচয়
জ্যোতিষ বিজ্ঞান বলে গ্রহগণ নিছক জড় বস্ত্ত নয়। জ্যোতিষ শান্ত্রে গ্রহগণকে দেবতা জ্ঞান করা করেছে। গ্রহগণ সর্বদা ঘুর্ণায়মান। প্রত্যেক মানুষ কোন না কোন গ্রহ দ্বারা প্রভাবিত। গ্রহগণ ঘুরতে ঘুরতে যখন শুভ অবস্থানে থাকে তখন জাতকের শুভ হয় এবং গ্রহগণ যখন অশুভ অবস্থানে থাকে তখন জাতকের অশুভ হয়। নবগ্রহের নাম- ১) রবি, ২) সোম, ৩) মঙ্গল, ৪) বুধ, ৫) বৃহস্পতি, ৬) শুক্র, ৭) শনি, ৮) রাহু ও ৯) কেতু। এই নবগ্রহের মধ্যে সোম, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র এই চারটি গ্রহ অধিকাংশ সময় শুভফল প্রদান করে বলে এদেরকে শুভ গ্রহ এবং রবি, মঙ্গল, শনি, রাহু ও কেতু এই পাঁচটি গ্রহ অধিকাংশ সময় অশুভফল প্রদান করে বলে এদেরকে অশুভ গ্রহ বা পাপ গ্রহ বলে। নবগ্রহের রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতি পুরুষ, চন্দ্র ও শুক্র স্ত্রী এবং বুধ ও শনি ক্লীব বা নপুংসক। রবি একটি রাশিতে ত্রিশ দিন, চন্দ্র সোয়া দুই দিন, মঙ্গল পয়তাল্লিশ দিন, বুধ আঠার দিন, বৃহস্পতি এক বছর, শুক্র আটাশ দিন, শনি আড়াই বছর এবং রাহু-কেতু দেড় বছর অবস্থান করে।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গ্রহদের কারকতা
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে রবি আত্মা, পিতা, রক্ত বর্ণ, কটু (ঝাল) রস, পিত্ত ধাতু, স্বভাব, যশ-খ্যাতি, প্রতিষ্ঠা প্রভৃতির কারক। চন্দ্র মন, মাতা, জল, শুভ্রবর্ণ, লবণ রস, শ্লেষ্মা ধাতু, চঞ্চলতা, চিন্তাশক্তি, সাহিত্য প্রভৃতির কারক। মঙ্গল শক্তি, ভ্রাতৃ, ভূমি, সম্পত্তি, সাহস, পরাক্রম, অগ্নি, লাল বর্ণ, তিক্ত রস, পিত্ত ধাতু প্রভৃতির কারক। বুধ বুদ্ধি, মাতুল, বাণিজ্য, বাক্-শক্তি, মিশ্র রস, সম ধাতু, হাস্য, শিল্প, সাহিত্য, সবুজ বর্ণ প্রভৃতির কারক। বৃহস্পতি ধর্ম, পুত্র, ধন, জ্ঞান, মিষ্টি রস, কফ ধাতু, হলুদ বর্ণ প্রভৃতির কারক। শুক্র প্রেম, কাম, স্ত্রী, সুখ, অম্ল রস, কফ ধাতু, গীত, কাব্য, শুভ্র বর্ণ প্রভৃতির কারক। শনি দুঃখ, মৃত্যু, বিপদ, কষায় রস, বায়ু ধাতু, অস্ত্র, আধ্যাত্মিকতা, গুপ্তবিদ্যা প্রভৃতির কারক নীল বর্ণ প্রভৃতির কারক। রাহু শত্রু, নিদ্রা, চৌর্য, বিষক্রিয়া, পিতামহ, দ্যুত-ক্রিড়া, বায়ু ধাতু, কাল বর্ণ প্রভৃতির কারক। কেতু মাতামহ, সর্প, দংশন, ক্ষুধা, ধুম্র বর্ণ, ব্রণ ও চর্ম রোগ প্রভৃতির কারক।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গ্রহদের শত্রু-মিত্র ও গ্রহ-দৃষ্টি কথন

জ্যোতিষ বিজ্ঞান বলে গ্রহদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা-মিত্রতা রয়েছে। রবির মিত্র- চন্দ্র, মঙ্গল ও বৃহস্পতি, শত্রু- শুক্র ও শনি এবং সম- বুধ। চন্দ্রের মিত্র- রবি ও বুধ, শত্রু- নেই এবং সম- মঙ্গল, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনি। মঙ্গলের মিত্র- রবি, চন্দ্র ও বৃহস্পতি, শত্রু- বুধ এবং সম- শুক্র ও শনি। বুধের মিত্র- রবি ও শুক্র, শত্রু- চন্দ্র এবং সম- শনি, মঙ্গল ও বৃহস্পতি। বৃহস্পতির মিত্র- রবি, চন্দ্র ও মঙ্গল, শত্রু- বুধ ও শুক্র এবং সম- শনি। শুক্রের মিত্র- বুধ ও শনি, শত্রু- রবি ও চন্দ্র এবং সম- মঙ্গল ও বৃহস্পতি। শনির মিত্র- বুধ ও শুক্র, শত্রু- রবি, চন্দ্র ও মঙ্গল এবং সম- বৃহস্পতি। রাহুর মিত্র- শুক্র ও শনি, শত্রু- রবি, চন্দ্র ও মঙ্গল এবং সম- বুধ ও বৃহস্পতি। কেতুর মিত্র- রবি ও চন্দ্র, শত্রু- শুক্র ও শনি এবং সম- বুধ ও বৃহস্পতি।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গ্রহশুদ্ধি
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে বারটি নক্ষপুঞ্জ বা রাশি মহাকাশে বৃত্তাকারে অবস্থান করছে। একটি বৃত্তের মোট ৩৬০ অংশ ধরা হয়। তাহলে বারটি রাশির জন্য ৩৬০ অংশ থাকলে প্রত্যেকটি রাশির জন্য ৩৬০/১২ = ৩০ অংশ থাকে। বারটি রাশির জন্য ৩০ অংশ করে ১২টি স্থান রয়েছে। নয়টি গ্রহ তাদের নিজ নিজ গতিতে নির্দিষ্ট সময়ে একটি রাশির ৩০ অংশ স্থান অতিক্রম করে পরের রাশির স্থানে গমন করে এবং এভাবে পর্যায়ক্রমে বারটি রাশির স্থান ভ্রমণ করে। অংশেরও ক্ষুদ্র ভাগ আছে যথা- ৬০ বিকলায় ১ কলা, ৬০ কলায় ১ অংশ এবং ৩০ অংশে এক রাশি। গ্রহগণ ১২টি রাশির ১২টি স্থানেই শুভফল দেয় না। যেমন চন্দ্র ১ম, ৩য়, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ১০ম ও ১১শ স্থানে থাকলে শুদ্ধ হয় এবং শুভ ফল প্রদান করে। যেমন কর্কট রাশির ক্ষেত্রে কর্কট (১ম), কন্যা (৩য়), ধনু (৬ষ্ঠ), মকর (৭ম), মেষ (১০ম) ও বৃষে (১১শ) চন্দ্র অবস্থানের সময় চন্দ্র-শুদ্ধি হয়। তবে শুক্লপক্ষে চন্দ্র ২য়, ৫ম ও ৯ম স্থানেও শুভ ফল প্রদান করে। রবি জন্মরাশি হতে ৩য়, ৬ষ্ঠ, ১০ম ও ১১শ স্থানে থাকলে শুদ্ধ হয়। চন্দ্রশুদ্ধি ও রবিশুদ্ধি থাকলে অন্যান্য গ্রহের অশুভ ফল হ্রাস পায়। শনি, মঙ্গল, রাহু ও কেতু প্রত্যেকে জন্ম রাশি হতে ৩য়, ৬ষ্ঠ, ১০ম ও ১১শ স্থানে থাকলে শুদ্ধ হয়। বৃহস্পতি জন্ম রাশি হতে ২য়, ৫ম, ৭ম, ৯ম ও ১১শ স্থানে থাকলে শুদ্ধ হয়। বুধ জন্ম রাশি হতে ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ, ৮ম, ১০ম, ১১শ ও ১২শ স্থানে থাকলে শুদ্ধ হয়। একাদশ স্থান একটি বিশেষ স্থান যেখানে সব গ্রহই শুভ ফল প্রদান করে। মেষ রাশির প্রথমে, বৃষ রাশির পঞ্চমে, মিথুন রাশির নবমে, কর্কট রাশির দ্বিতীয়ে, সিংহ রাশির ষষ্ঠে, কন্যা রাশির দশমে, তুলা রাশির তৃতীয়ে, বৃশ্চিক রাশির সপ্তমে, ধনু রাশির চতুর্থে, মকর রাশির অষ্টমে, কুম্ভ রাশির একাদশে এবং মীন রাশির দ্বাদশে চন্দ্র অবস্থান করলে ঘাত-চন্দ্র হয়। ঘাত-চন্দ্রে যাত্রা ও বিবাহ অশুভ।
জ্যোতিষ শাস্ত্র

রাশি পরিচয়

পৃথিবীর চতুর্দিকে যে দ্বাদশ সংখ্যক নক্ষত্রপুঞ্জ বা নক্ষত্ররাশি রয়েছে তা সংক্ষেপে রাশি নামে পরিচিত। পৃথিবী থেকে যে নক্ষত্র-রাশিকে যেমন দেখা যায় ঐ নক্ষত্ররাশিকে তেমন নাম দেয়া হয়েছে। যেমন- পৃথিবী থেকে যে নক্ষত্ররাশিকে মেষ বা ভেড়ার মত মনে হয় সে নক্ষত্ররাশির নাম ‘মেষ’ রাখা হয়েছে। একইভাবে অন্যান্য রাশিগুলোরও নামকরণ করা হয়েছে। জ্যোতিষ শাস্ত্রে উল্লিখিত বারটি রাশির নাম- ১) মেষ, ২) বৃষ, ৩) মিথুন, ৪) কর্কট, ৫) সিংহ, ৬) কন্যা, ৭) তুলা, ৮) বৃশ্চিক, ৯) ধনু, ১০) মকর, ১১) কুম্ভ ক্রূর ও ১২) মীন। মেষ- ক্রূর, বিষম, চর (গতিশীল) ও হ্রস, বৃষ- সৌম্য, সম, স্থির ও হ্রস, মিথুন- ক্রূর, বিষম ও দ্ব্যাত্মক, কর্কট- সৌম্য, সম ও চর, সিংহ- ক্রূর, বিষম, স্থির ও দীর্ঘ, কন্যা- সৌম্য, সম, দ্ব্যাত্মক ও দীর্ঘ, তুলা- ক্রূর, বিষম, চর ও দীর্ঘ, বৃশ্চিক- সৌম্য, সম, স্থির ও দীর্ঘ, ধনু- ক্রূর, বিষম ও দ্ব্যাত্মক, মকর- সৌম্য, সম ও চর, কুম্ভ- ক্রূর, বিষম, স্থির ও হ্রস এবং মীন- সৌম্য, সম, দ্ব্যাত্মক ও হ্রস। বারটি রাশির মধ্যে মেষ, সিংহ ও ধনুকে অগ্নি রাশি, বৃষ, কন্যা ও মকরকে পৃথ্বী রাশি, মিথুন, তুলা ও কুম্ভকে বায়ু রাশি এবং কর্কট, বৃশ্চিক ও মীনকে জল রাশি বলে। মেষ রাশির নামের আদ্যার- অ এবং ল, বৃষ রাশির নামের আদ্যাক্ষর-ই, উ এবং ব, মিথুন রাশির নামের আদ্যাক্ষর- ক, ছ, ঘ এবং ঙ, কর্কট রাশির নামের আদ্যাক্ষর- ড এবং হ, সিংহ রাশির নামের আদ্যাক্ষর- ম এবং ট, কন্যা রাশির নামের আদ্যাক্ষর- প, থ, ষ এবং ণ, তুলা রাশির নামের আদ্যাক্ষর- র এবং ত, বৃশ্চিক রাশির নামের আদ্যাক্ষর- ন এবং য, ধনু রাশির নামের আদ্যাক্ষর- ধ এবং ভ, মকর রাশির নামের আদ্যাক্ষর- খ এবং জ, কুম্ভ রাশির নামের আদ্যাক্ষর- গ এবং শ এবং মীন রাশির নামের আদ্যাক্ষর- দ এবং চ। রবি, চন্দ্র আদি নয়টি গ্রহ এই বারটি রাশিতে পর্যায়ক্রমে ভ্রমণ করে। নয়টি গ্রহের মধ্যে সাতটি গ্রহ আবার বারটি রাশির অধিপতি। রবি সিংহ রাশির, চন্দ্র কর্কট রাশির, মঙ্গল মেষ ও বৃশ্চিক রাশির, বুধ মিথুন ও কন্যা রাশির, বৃহস্পতি ধনু ও মীন রাশির, শুক্র বৃষ ও তুলা রাশির এবং শনি মকর ও কুম্ভ রাশির অধিপতি।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে জন্ম রাশি ফল
সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার চন্দ্র যে রাশিতে থাকে ঐ রাশিকে জন্ম-রাশি বলে। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বর্ণিত আছে, মেষ রাশির জাতক ভাবপ্রবণ, চঞ্চল, জেদী, ক্রোধী, সামান্য কারণে আনন্দিত বা বিষাদগ্রস্ত, মিষ্টান্নপ্রিয়, ত্যাগী, ধনী, নিজ কর্মে বিশ্বাসী, প্রবল আত্মবোধ ও ইন্দ্রিয়ানুভূতির অধিকারী। বৃষ রাশির জাতক স্থুল নেত্রযুক্ত, স্বল্পভাষী, ধীর-স্থীর, ধার্মিক, কুলজনের হিতকারী, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, অধ্যবসায়ী, পরিশ্রমী, স্থির-প্রতিজ্ঞ, বাস্তববাদী, আধিপত্য বিস্তারকারী ও হিসাবী। মিথুন রাশির জাতক ধীর-গতিসম্পন্ন, স্পষ্টবাক, পরহিতৈষী, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, পণ্ডিত, হাস্যযুক্ত, কৌতুকপ্রিয়, আত্ম-প্রশংসাকামী, সমালোচক, গীতবাদ্য অনুরাগী। কর্কট রাশির জাতক চিন্তাশীল, ভাবুক, কল্পনাপ্রবন, উদার, সত্যবাদী, দয়ালু, দেবদ্বিজে ভক্তিপরায়ণ, পণ্ডিত, প্রগতিশীল হলেও পুরাতনপন্থী, দৃঢ়-প্রতীজ্ঞ, ভ্রমণপ্রিয়, আশ্চর্যজনক বিষয়ে আগ্রহশীল, মাতা-পিতার প্রতি ভক্তিপরায়ণ এবং সাহিত্য ও গীতবাদ্যে অনুরাগী। সিংহ রাশির জাতক বিশ্বাসী, ক্রোধী, বন্ধুহীন, উন্নত-বক্ষবিশিষ্ট, খেয়ালী, কর্তৃত্বপ্রিয়, স্বাধীনচেতা, বিলাসী, স্পষ্টবক্তা, অন্যায়ের বিরুদ্ধাচারী, আত্ম-সচেতন ও অমিতব্যয়ী। কন্যা রাশির জাতক ধার্মিক, বালক-স্বভাবযুক্ত, ক্ষমাপরায়ণ, একমনা, তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, সমালোচক, সৎ হলেও ক্ষেত্র বিশেষে কুটিল-স্বভাবযুক্ত, মাতৃভক্ত, সাহিত্য-রসিক এবং রমণীগণের প্রিয়। তুলা রাশির জাতক কোমল শরীর-বিশিষ্ট, দাতা, বন্ধুবৎসল, সদালাপী, অতিভাষী, দৈব-প্রভাবযুক্ত, বুদ্ধিমান, সামাজিক, ভোগী, বিলাসী, শাস্ত্রজ্ঞ, সঙ্গীতজ্ঞ ও রমণীগণের প্রিয়। বৃশ্চিক রাশির জাতক পণ্ডিত, দৃঢ়মতি, বলশালী, আত্মনির্ভরশীল, কর্মদক্ষ, গম্ভীর, জেদী, ক্রোধী, পরমত অসহিষ্ণু, সর্বদা উদ্বেগযুক্ত ও খলবুদ্ধিসম্পন্ন। ধনু রাশির জাতক নানা কীর্তিপরায়ণ, কুলগৌরবযুক্ত, বন্ধুলোকের হিতকামী, সূক্ষ্মদৃষ্টিসম্পন্ন, প্রভূত ধন-সম্পদযুক্ত, ধীর গতিসম্পন্ন, ধার্মিক, স্বাধীনচেতা, উচ্চাভিলাসী, কর্তৃত্বপ্রিয়, অহংকারী, ক্ষণক্রোধী, পিতৃধন ত্যাগী, গীতপ্রিয়, মীতব্যয়ী, কখনও ধীর আবার কখনও স্থীর, দ্বিধাভাবগ্রস্ত ও সন্দিগ্ধমনা। মকর রাশির জাতক তীক্ষ্ণ-বুদ্ধিযুক্ত, ধীর, আত্মাভিমানী, পরাক্রমযুক্ত, বন্ধুবৎসল, দ্বায়িত্বসম্পন্ন, ভোগবিলাসী, মন্ত্রণা ও বাদানুবাদে দক্ষ, সুনামপ্রিয়, পরদারাসক্ত এবং বাইরে থেকে সহজ-সরল মনে হলেও অমত্মরে কুটিল। কুম্ভ রাশির জাতক উদ্যমী, একাগ্র চিত্তের অধিকারী, ভাবুক, ধার্মিক, নির্জনতাপ্রিয়, সংস্কারপ্রিয়, জ্ঞাতিবর্গসহ আমোদকারী, পরদারাসক্ত, ধনশালী, গম্ভীর, কুটিল স্বভাবযুক্ত ও নিদ্রাপ্রিয়। মীন রাশির জাতক ধৈর্যশালী, শামিত্মপ্রিয়, একাগ্র, জ্ঞানী, মানী, আশাবাদী, উদ্ভাবনী শক্তিসম্পন্ন, উদার, ধার্মিক, দ্বিধাভাবগ্রস্ত, স্ত্রী-জয়ী, রমণীপ্রিয়, সাহিত্যরসিক ও ধনেজনে সুখভোগী।
লগ্ন পরিচয়
এক দিবারাত্রের মধ্যে বারটি রাশি পর্যায়ক্রমে পূর্বদিকে উদিত হয়। রাশিসমূহের এই উদয়কালকে লগ্ন বলে। লগ্নকে অন্যভাবেও সংজ্ঞায়িত করা যায়। পৃথিবী নিজ কক্ষপথে ভ্রমণের সময় এক দিনে এর চতুর্দিকে অবস্থিত ১২টি রাশির প্রত্যেকটিকে নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে অতিক্রম করে ঐ নির্দিষ্ট সময়কে লগ্ন বলে। পৃথিবী যে সময় ব্যাপী যে রাশি অতিক্রম করে ঐ রাশির নাম অনুসারে ঐ লগ্নের নাম হয়। যেমন সূর্যোদয়ের পর দুই ঘণ্টা পর্যমত্ম যদি পৃথিবী মেষ রাশিকে অতিক্রম করতে থাকে তাহলে ঐ সময়কে বলা হবে মেষ লগ্ন এবং সূর্যোদয়ের দুই ঘণ্টা পর বৃষ লগ্ন শুরম্ন হবে। এভাবে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পর পর বারটি লগ্ন আবর্তিত হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্রে উল্লিখিত বারটি লগ্নের নাম- ১) মেষ, ২) বৃষ, ৩) মিথুন, ৪) কর্কট, ৫) সিংহ, ৬) কন্যা, ৭) তুলা, ৮) ধনু, ৯) বৃশ্চিক, ১০) মকর, ১১) কুম্ভ ও ১২) মীন।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে জন্ম-লগ্ন ফল
জন্মের সময় পৃথিবীর নিকটস্থ রাশিকে অর্থাৎ পৃথিবী যে রাশিকে অতিক্রম করছিল সে রাশিকে জন্ম-লগ্ন বলে। এখন সংক্ষিপ্তাকারে দ্বাদশ প্রকার জন্ম-লগ্নের ফল দেয়া যাক। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বর্ণিত আছে, মেষ লগ্নের জাতক যশস্বী, মানী, পরবৎসল, জ্ঞানী, পরাক্রমশালী, সাহসী, ক্রোধী, কুটচিন্তাশীল, ভোগী ও স্ত্রীপুত্র সুখে সুখী হয়ে থাকে। বৃষ লগ্নের জাতক গুরুভক্ত, প্রিয়ভাষী, গুণবান, কৃতী, তেজস্বী, সর্বজনপ্রিয়, সুরতক্রিয়া নিপুন, লোভী ও পরস্ত্রীতে অনুরক্ত হয়ে থাকে। মিথুন লগ্নের জাতক মান্যগণ্য, যশস্বী, শিক্ষিত, আত্মীয়বৎসল, ত্যাগী, ভোগী, ধনী, কামী, দীর্ঘসূত্রী, সাহিত্যরসিক, সঙ্গীতজ্ঞ, সুবক্তা হয়ে থাকে। কর্কট লগ্নের জাতক সর্বজনপ্রিয়, স্বজনপ্রিয়, ধার্মিক, ধনী, ভোগী, পণ্ডিত, ভাষাবিদ, জনসেবক এবং মিষ্টান্ন ও পানীয় দ্রব্যপ্রিয় হয়ে থাকে। সিংহ লগ্নের জাতক শত্রুজয়ী, বুদ্ধিমান, উৎসাহী, বলশালী, পরদ্রব্যভোগী, ক্রোধী, স্বল্পপুত্রবিশিষ্ট, জনপ্রিয় ও স্বার্থহীন হয়ে থাকে। কন্যা লগ্নের জাতক ধার্মিক, জ্ঞানী, শাস্ত্রজ্ঞ, বিচক্ষণ, অহংকারী, পর্যটক, বক্তা, কামকলাপ্রিয়, সৌভাগ্যশালী ও স্বল্পাহারী হয়ে থাকে। তুলা লগ্নের জাতক ধীর-স্থির, বহুজনের হিতকারী, বিদ্বান, সৎকর্মে অনুরক্ত, ধনী, মানী, শিল্পকলায় পরিদর্শী ও অল্পভোগী হয়ে থাকে। বৃশ্চিক লগ্নের জাতক শৌর্যশালী, বুদ্ধিমান, সৌভাগ্যযুক্ত, ক্রোধী, কামুক, সাহসী, ক্ষুধাতুর, বিবাদকারী ও দুষ্টবুদ্ধিযুক্ত হয়ে থাকে। ধনু লগ্নের জাতক নীতিপরায়ণ, ধার্মিক, শাণিতবাক, বিদ্বান, ধনী, সুখী, জ্ঞানী, বহুলোকের হিতকারী, চাপা-স্বভাব, অহংকারী ও উচ্চাভিলাসী হয়ে থাকে। মকর লগ্নের জাতক যশস্বী, ধনী, বহুসন্তানযুক্ত, কপট, কর্মঠ, কষ্টসহিষ্ণু, লোভী, হীনকর্মযুক্ত ও স্বকার্যে তৎপর হয়ে থাকে। কুম্ভ লগ্নের জাতক বলশালী, সুখী, বন্ধুযুক্ত, বেদজ্ঞ, সূক্ষ্ম অনুভূতিশীল, তপস্বী, ক্রোধী, চঞ্চল, পরস্ত্রীতে আসক্ত ও নিদ্রালু হয়ে থাকে। মীন লগ্নের জাতক অতিশয় জ্ঞানী, দেবতা ও গুরু-পূজক, মানী, ধনী, স্পর্শকাতর, নিঃসঙ্গ জীবনীশক্তিযুক্ত, স্বল্প রোমবিশিষ্ট ও বহুকাল পরীক্ষাকারী হয়ে থাকে।
তিথি পরিচয়
জ্যোতিষ বিজ্ঞান মতে চন্দ্র পৃথিবীর চতুর্দিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ত্রিশ দিন লাগে। চন্দ্র ও পৃথিবী ঘুর্ণনের ফলে চন্দ্র ক্রমশ দৃশ্যমান হতে হতে পনের দিনে সম্পূর্ণ দৃশ্যমান হয় যাকে পূর্ণিমা বলে এবং পরবর্তী পনের দিন পর সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয় যাকে অমাবস্যা বলে। যে একক সময়ে চন্দ্রের এরকম হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে তাকে প্রতিপদ, দ্বিতীয়া আদি তিথি বলে। অমাবস্যার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত পনের দিন শুক্ল পক্ষ এবং পূর্ণিমার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে অমাবশ্যা পর্যমত্ম পনের দিন কৃষ্ণ পক্ষ নামে পরিচিত। শুক্ল পক্ষের তিথির নাম- ১) প্রতিপদ, ২) দ্বিতীয়া, ৩) তৃতীয়া, ৪) চতুর্থী, ৫) পঞ্চমী, ৬) ষষ্ঠী, ৭) সপ্তমী, ৮) অষ্টমী, ৯) নবমী, ১০) দশমী, ১১) একাদশী, ১২) দ্বাদশী, ১৩) ত্রয়োদশী, ১৪) চতুর্দশী ও ১৫) পূর্ণিমা। কৃষ্ণ পক্ষের তিথির নাম- ১৬) প্রতিপদ, ১৭) দ্বিতীয়া, ১৮) তৃতীয়া, ১৯) চতুর্থী, ২০) পঞ্চমী, ২১) ষষ্ঠী, ২২) সপ্তমী, ২৩) অষ্টমী, ২৪) নবমী, ২৫) দশমী, ২৬) একাদশী, ২৭) দ্বাদশী, ২৮) ত্রয়োদশী, ২৯) চতুর্দশী ও ৩০) অমাবস্যা। তিথিসমূহ পাঁচ ভাগে বিভক্ত, যথা- নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা ও পূর্ণা। প্রতিপদ, ষষ্ঠী ও একাদশীকে নন্দা; দ্বিতীয়া, সপ্তমী ও দ্বাদশীকে ভদ্রা; তৃতীয়া, অষ্টমী ও ত্রয়োদশীকে জয়া; চতুর্থী, নবমী ও চতুর্দশীকে রিক্তা এবং পঞ্চমী, দশমী, অমাবস্যা ও পূর্ণিমাকে পূর্ণা বলে।
নক্ষত্র পরিচয়
মহাকাশে অগণিত নক্ষত্র রয়েছে। তার মধ্যে পৃথিবীর উপর সাতাশটি নক্ষত্রের প্রভাব বিদ্যমান। জ্যোতিষ শাস্ত্রে উল্লিখিত সাতাশটি নক্ষত্রের নাম- ১) অশ্বিনী, ২) ভরণী, ৩) কৃত্তিকা, ৪) রোহিণী, ৫) মৃগশিরা, ৬) আর্দ্রা, ৭) পুনর্বসু, ৮) পুষ্যা, ৯) অশ্লেষা, ১০) মঘা, ১১) পূর্ব-ফাল্গুনী, ১২) উত্তর-ফাল্গুনী, ১৩) হস্তা, ১৪) চিত্রা, ১৫) স্বাতী, ১৬) বিশাখা, ১৭) অনুরাধা, ১৮) জ্যেষ্ঠা, ১৯) মূলা, ২০) পূর্বাষাঢ়া, ২১) উত্তরাষাঢ়া, ২২) শ্রবণা, ২৩) ধনিষ্ঠা, ২৪) শতভিষা, ২৫) পূর্ব-ভাদ্রপদ, ২৬) উত্তর-ভাদ্রপদ ও ২৭) রেবতী। হিন্দু-পুরাণ মতে এই সাতাশটি নক্ষত্র কোন দীপ্তিমান জড় বস্ত্ত নয়। প্রকৃতক্ষে এই সাতাশটি নক্ষত্র মূলত দক্ষের সাতাশ কন্যা। চন্দ্র এই সাতাশ কন্যাকে বিবাহ করেছেন। যা হোক, চন্দ্র পর্যায়ক্রমে একটি ন্ত্রে একদিন অবস্থান করেন। চন্দ্র ব্যতীত অন্যান্য গ্রহগণও সাতাশটি নক্ষত্রকে পর্যায়ক্রমে নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে অতিক্রম করেন। নক্ষ ত্রসমূহকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করা হয়েছে। যেমন, উগ্রগণ- পূর্ব-ফাল্গুনী, পূর্বাষাঢ়া, পূর্ব-ভাদ্রপদ, মঘা ও ভরণী নক্ষত্র। ধ্রুবগণ- উত্তর-ফাল্গুনী, উত্তরাষাঢ়া, উত্তর-ভাদ্রপদ ও রোহিণী নক্ষত্র। চরগণ- স্বাতী, পুনর্বসু, শ্রবণা, ধনিষ্ঠা ও শতভিষা নক্ষত্র। ক্ষিপ্রগণ- পুষ্যা, অশ্বিনী ও হস্তা নক্ষত্র। মৃদুগণ- চিত্রা, অনুরাধা, মৃগশিরা ও রেবতী নক্ষত্র। তীক্ষ্ণগণ- আর্দ্রা, অশ্লেষা, জ্যেষ্ঠা ও মূলা নক্ষত্র। মিশ্রগণ- কৃত্তিকা ও বিশাখা।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে তারাশুদ্ধি
জাতকের জন্ম-নক্ষত্র থেকে নয়টি করে তারা বা নক্ষত্রকে যথাক্রমে জন্ম, সম্পদ, বিপদ, ক্ষেম, প্রত্যারি, সাধক, বধ, মিত্র ও পরমমিত্র নাড়ি বলা হয়। জ্যোতিষ বিজ্ঞান মতে যদি জাতকের অশ্বিনী অর্থাৎ ১ নং নক্ষত্রে জন্ম হয়, তবে ১ নং জন্ম, ২ নং সম্পদ, ৩ নং বিপদ এই ক্রমে ৯ নং পরমমিত্র নাড়ি হবে এবং ১০ নং আবার জন্ম নাড়ি হবে; এভাবে ২৭টি তারা নয় প্রকার নাড়িতে অবস্থান করবে। এই নিয়মে যদি ১০ নং নক্ষত্রে জন্ম হয় তবে ১০, ১৯ ও ১ নং তারাকে জন্ম নাড়ি, ১১, ২০ ও ২ নং তারাকে সম্পদ নাড়ি, ১২, ২১ ও ৩ নং তারাকে বিপদ নাড়ি, ১৩, ২২ ও ৪ নং তারাকে ক্ষেম নাড়ি, ১৪, ২৩ ও ৫ নং তারাকে প্রত্যারি নাড়ি, ১৫, ২৪ ও ৬ নং তারাকে সাধক নাড়ি, ১৬, ২৫ ও ৭ নং তারাকে বধ নাড়ি, ১৭, ২৬ ও ৮ নং তারাকে মিত্র নাড়ি এবং ১৮, ২৭ ও ৯ নং তারাকে পরমমিত্র নাড়ি বলা হয়। ৯টি নাড়ির মধ্যে বিপদ, প্রত্যারি ও বধ এই ৩টি নাড়ি অশুভ এবং অবশিষ্ট ৬টি নাড়ি শুভ। অশুভ নাড়ি যে দিন থাকবে ঐদিন বিবাহ আদি মাঙ্গলিক কর্ম বর্জনীয়। জন্ম নাড়ি ভিন্ন অন্যান্য শুভ নাড়িতে বিবাহ, শ্রাদ্ধ, যাত্রা ও ক্ষৌরী কর্ম প্রশস্ত।
করণ পরিচয়
প্রত্যেক তিথির পূর্বার্ধে ও শেষার্ধে একটি করে মোট দুইটি করণ থাকে। সাতটি চর-করণ (গতিশীল বা অস্থির করণ) ও চারটি ধ্রুব-করণ (স্থির করণ) সহ মোট এগারটি করণ রয়েছে, যথা- (ক) চর-করণ- ১) বব করণ, ২) বালব করণ, ৩) কৌলব করণ, ৪) তৈতিল করণ, ৫) গর করণ, ৬) বণিজ করণ, ৭) বিষ্টি করণ। (খ) ধ্রব-করণ- ৮) শকুনি করণ, ৯) চতুষ্পাদ করণ, ১০) নাগ করণ, ১১) কিন্তুঘ্ন করণ। শুক্লপক্ষে প্রতিপদের শেষার্ধ হতে পর পর তিথির পূর্বার্ধ ও শেষার্ধ অনুসারে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী পর্যন্ত ২৯টি তিথির মোট ৫৬টি অর্ধাংশে ৭টি চর-করণ নির্দিষ্ট ক্রমে ৪ বার আবর্তিত হয়। অর্থাৎ শুক্লপক্ষের প্রতিপদের শেষার্ধে বব, দ্বিতীয়ার পূর্বার্ধে বালব ও শেষার্ধে কৌলব, তৃতীয়ার পূর্বার্ধে তৈতিল ও শেষার্ধে গর, চতুর্থীর পূর্বার্ধে বণিজ ও শেষার্ধে বিষ্টি করণ হয় আবার পঞ্চমীর পূর্বার্ধ থেকে বব করণ শুরু হয় এবং এই ক্রমে আবর্তিত হতে হতে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে বিষ্ট করণ হয়। একই নিয়মে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীর শেষার্ধ হতে তিথির পূর্বার্ধ ও শেষার্ধ অনুসারে শুক্লপক্ষের প্রতিপদের পূর্বার্ধ পর্যন্ত ধ্রুব-করণ গণনা করা হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে বিষ্টিভদ্রা করণ পরিচয়
শুক্লপক্ষের একাদশী ও চতুর্থীর শেষার্ধ, অষ্টমী ও পূর্ণিমার পূর্বার্ধ এবং কৃষ্ণপক্ষের তৃতীয় ও দশমীর শেষার্ধ, সপ্তমী ও চতুর্দশীর পূর্বার্ধকে বিষ্টিভদ্রা বলে। কর্কট, সিংহ, কুম্ভ ও মীন রাশিতে বিষ্টিভদ্রা হলে বিষ্টি পৃথিবীতে বাস করে। মেষ, বৃষ, মিথুন ও বৃশ্চিক রাশিতে বিষ্টিভদ্রা হলে বিষ্টি স্বর্গে বাস করে। কন্যা, তুলা, ধনু ও মকর রাশিতে বিষ্টিভদ্রা হলে বিষ্টি পাতালে বাস করে। বিষ্টিভদ্রায় বিষ্টি পৃথিবীতে বাস করলে সকল কার্য নাশ, বিষ্টি স্বর্গে বাস করলে সকল কার্য সিদ্ধি এবং বিষ্টি পাতালে বাস করলে ধনবৃদ্ধি ঘটে। বিষ্টিভদ্রা মোট ১২ ঘণ্টা বা ৩০ দণ্ড অবস্থান করে। বিষ্টিভদ্রার ৩০ দণ্ডের প্রথম ৫ দণ্ডকে মুখ, পরের ১ দণ্ডকে কণ্ঠ, পরের ১১ দণ্ডকে বক্ষ, পরের ৪ দণ্ডকে নাভি, পরের ৬ দণ্ডকে কটি এবং শেষ ৩ দণ্ডকে পুচ্ছ বলে। বিষ্টিভদ্রার মুখে কর্ম করলে কার্যহানি, কণ্ঠে মৃত্যু, বক্ষ ধনহানি, নাভিতে কলহ, কটিতে বুদ্ধিনাশ এবং পুচ্ছে কর্ম করলে বিজয় বা সিদ্ধিলাভ হয়।
যোগ পরিচয়
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে মোট সাতাশটি যোগ রয়েছে। প্রতিদিন একটি করে যোগ থাকে এবং এই যোগসমূহ পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। সাতাশটি যোগের নাম- ১) বিকুম্ভ, ২) প্রীতি, ৩) আয়ুষ্মান, ৪) সৌভাগ্য, ৫) শোভন, ৬) অতিগ-, ৭) সুকর্মা, ৮) ধৃতি, ৯) শূল, ১০) গ-, ১১) বৃদ্ধি, ১২) ধ্রুব, ১৩) ব্যাঘাত, ১৪) হর্ষণ, ১৫) বজ্র, ১৬) অসৃক, ১৭) ব্যতীপাত, ১৮) বরীয়ান্, ১৯) পরিঘ, ২০) শিব, ২১) সাধ্য, ২২) সিদ্ধ, ২৩) শুভ, ২৪) শুক্র, ২৫) ব্রহ্ম, ২৬) ইন্দ্র ও ২৭) বৈধৃতি। পরিঘ যোগের প্রথমার্ধ, বিকুম্ভ যোগের ১ম ৫ দ-, শূল যোগের ১ম ৭ দ-, গ- ও ব্যাঘাত যোগের ১ম ৬ দ-, হর্ষণ ও বজ্র যোগের ১ম ৯ দণ্ড এবং বৈধৃতি ও ব্যতীপাত যোগের সমসত্ম কাল পরিত্যাগ করে শুভকর্ম করলে তা সফল হয়। অন্য যোগসমূহ তাদের নাম অনুসারে ফল প্রদান করে। যেমন- সৌভাগ্য যোগে সৌভাগ্য বৃদ্ধি ঘটে, সিদ্ধ যোগে কার্যসিদ্ধি ঘটে প্রভৃতি।
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী সময়ের হিসাব
চোখের পাতা পড়তে যে সময় লাগে তাকে নিমেষ বলে। ১৫ নিমেষে ১ কাষ্ঠা, ৩০ কাষ্ঠায় ১ কলা এবং ৩০ কলায় এক মুহূর্ত, ৩০ মুহূর্তে ১ দিবা-রাত্র হয়। ৭ দিবা-রাত্রে ১ সপ্তাহ, ১৫ দিবা-রাত্রে ১ পক্ষ এবং ৩০ দিবা-রাত্রে এক মাস হয়। ৩৬৫ দিবা-রাত্রে বা ১২ মাসে ১ বৎসর হয়। আবার ৬০ বিপলে ১ পল, ৬০ পলে ১ দণ্ড, ২ দণ্ডে ১ মুহূর্ত এবং ৬০ দণ্ডে ১ দিবা-রাত্র। আধুনিক নিয়মে ৬০ সেকেণ্ডে ১ মিনিট, ৬০ মিনিটে ১ ঘণ্টা এবং ২৪ ঘণ্টায় এক দিবা-রাত্র। তাই ঘণ্টার হিসাবে সোয়া মুহূর্তে ১ ঘণ্টা বা ৪৮ মিনিটে ১ মুহূর্ত এবং আড়াই দণ্ডে ১ ঘণ্টা বা ২৪ মিনিটে ১ দ-। এক দিবা-রাত্রের আট ভাগের এক ভাগ সময়কে প্রহর বলে। ঘণ্টার হিসাবে ৩ ঘণ্টায় ১ প্রহর এবং ৮ প্রহরে এক দিন। যামার্ধ দুটি, যথা- দিবা ও রাত্রি যামার্ধ। দিনমানের আট ভাগের এক ভাগ সময়কে দিবা-যামার্ধ এবং রাত্রিমানের আট ভাগের এক ভাগ সময়কে রাত্রি-যামার্ধ বলে অর্থাৎ ৮ দিবা-যামার্ধে ১ দিন এবং ৮ রাত্রি-যামার্ধে ১ রাত হয়। দিনমান বা রাত্রিমান বার ঘণ্টা হলে দেড় ঘণ্টায় এক যামার্ধ হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে বার, পক্ষও মাস পরিচয়
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে একটি সপ্তাহে সাতটি বার রয়েছে, যথা- রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনি বার। সোম, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র এই চারটি বার সর্বকার্যে শুভ এবং শনি, রবি ও মঙ্গল এই তিনটি বার অশুভ। পক্ষ দুটি, যথা- শুক্ল ও কৃষ্ণ পক্ষ। বার মাসে এক বছর হয়। বারটি মাসের নাম- ১) বৈশাখ, ২) জ্যৈষ্ঠ, ৩) আষাঢ়, ৪) শ্রাবণ, ৫) ভাদ্র, ৬) আশ্বিন, ৭) কার্তিক, ৮) অগ্রহায়ণ, ৯) পৌষ, ১০) মাঘ, ১১) ফাল্গুন এবং ১২) চৈত্র।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে বারবেলা, কালবেলা ও কালরাত্রি
রবি বারে দিনের ৪র্থ ও ৫ম, সোম বারে ২য় ও ৭ম, মঙ্গল বারে ৬ষ্ঠ ও ২য়, বুধ বারে ৫ম ও ৩য়, বৃহস্পতি বারে ৭ম ও ৮ম, শুক্র বারে ৩য় ও ৪র্থ এবং শনি বারে ১ম, ৬ষ্ঠ ও ৮ম যামার্ধকে বারবেলা ও কালবেলা বলে। রবি বারে রাত্রির ৬ষ্ঠ, সোম বারে ৪র্থ, মঙ্গল বারে ২য়, বুধ বারে ৭ম, বৃহস্পতি বারে ৫ম, শুক্র বারে ৩য় এবং শনি বারে ১ম ও ৮ম যামার্ধকে কালরাত্রি বলে। কালবেলা ও কালরাত্রিতে যাত্রা এবং বিবাহ, উপনয়ন আদি শুভকর্ম পরিত্যাগ করা উচিত।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে মাসদগ্ধা, চন্দ্রদগ্ধা, ত্র্যস্পর্শ ও মল-মাস কথন
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে বৈশাখ মাসের শুক্লা ৬ষ্ঠী, জ্যৈষ্ঠ মাসের কৃষ্ণা ৪র্থী, আষাঢ় মাসের শুক্লা ৮মী, শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণা ৬ষ্ঠী, ভাদ্র মাসের শুক্লা ১০মী, আশ্বিন মাসের কৃষ্ণা ৮মী, কার্তিক মাসের শুক্লা দ্বাদশী, অগ্রহায়ণ মাসের কৃষ্ণা ১০মী, পৌষ মাসের শুক্লা ২য়া, মাঘ মাসের কৃষ্ণা ১২শী, ফাল্গুন মাসের শুক্লা ৪র্থী এবং চৈত্র মাসের কৃষ্ণা ২য়া তিথিকে মাসদগ্ধা বলে। চন্দ্র শুক্লপক্ষের ২য়া তিথিতে ধনু রাশিতে, ৪র্থী তিথিতে কুম্ভ রাশিতে, ৬ষ্ঠী তিথিতে মেষ রাশিতে, ৮মী তিথিতে মিথুন রাশিতে, দশমী তিথিতে সিংহ রাশিতে ও ১২শী তিথিতে তুলা রাশিতে এবং চন্দ্র কৃষ্ণ পক্ষের ২য়া তিথিতে মীন রাশিতে, ৪র্থী তিথিতে বৃষ রাশিতে, ৬ষ্ঠী তিথিতে কর্কট রাশিতে, ৮মী তিথিতে কন্যা রাশিতে, ১০মী তিথিতে বৃশ্চিক রাশিতে ও ১২শী তিথিতে মকর রাশিতে অবস্থান করলে চন্দ্রদগ্ধা হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্রে অধম, ত্র্যস্পর্শ ও মল-মাস বিশেষ প্রণিধানযোগ্য। একদিনে অর্থাৎ এক দিবা-রাত্রে দুই তিথির অমত্ম হলে ঐ দিনকে অবম বলে। একদিনে তিন তিথি অবস্থান করলে ঐ দিনকে ত্র্যস্পর্শ বলে। যে মাসে দুইটি অমাবশ্যা হয় ঐ মাসকে মল-মাস বলে। অধম ও ত্র্যস্পর্শে যাত্রা ও বিবাহ আদি শুভকর্ম নিষিদ্ধ। মল মাসেও বিবাহ আদি শুভকর্ম করা অনুচিত।
তিথি সংশ্লিষ্ট যোগ
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে শুক্র বারে নন্দা, বুধ বারে ভদ্রা, মঙ্গল বারে জয়া, শনি বারে রিক্তা এবং বৃহস্পতি বারে পূর্ণা তিথি হলে সিদ্ধি-যোগ হয়। রবি ও সোম বারে পূর্ণা, মঙ্গল বারে ভদ্রা, বৃহস্পতি বারে জয়া, বুধ ও শনি বারে নন্দা এবং শুক্র বারে রিক্তা তিথি হলে তিথ্যামৃত-যোগ হয়। রবি ও মঙ্গল বারে নন্দা, সোম ও শুক্র বারে ভদ্রা, বুধ বারে জয়া, বৃহস্পতি বারে রিক্তা এবং শনি বারে পূর্ণা তিথি হলে পাপযোগ হয়। রবি বারে দ্বাদশী, সোম বারে একাদশী, মঙ্গল বারে দশমী, বুধ বারে তৃতীয়া, বৃহস্পতি বারে ষষ্ঠী, শুক্র বারে দ্বিতীয়া এবং শনি বারে তৃতীয়া হলে দিনদগ্ধা বা তিথিদগ্ধা-যোগ হয়। রবি বারে দ্বাদশী ও মঘা, সোম বারে একাদশী ও কৃত্তিকা, মঙ্গল বারে দশমী ও আদ্রা, বুধ বারে তৃতীয়া ও মূলা, বৃহস্পতি বারে ষষ্ঠী ও ভরণী, শুক্র বারে দ্বিতীয়া ও অশ্বিনী এবং শনি বারে সপ্তমী ও অশেস্নষা হলে মহাদগ্ধা হয়। সোম বারে ষষ্ঠী, শুক্র বারে সপ্তমী, বৃহস্পতি বারে অষ্টমী, বুধ বারে নবমী, শনি বারে দশমী, মঙ্গল বারে একাদশী এবং রবি বারে দ্বাদশী তিথি হলে কালঘণ্টা-যোগ হয়। রবি বারে দ্বাদশী, সোম বারে একাদশী, মঙ্গল বারে দশমী, বুধ বারে নবমী, বৃহস্পতি বারে অষ্টমী, শুক্র বারে সপ্তমী এবং শনি বারে ষষ্ঠী তিথি হলে ক্রকচ-যোগ হয়। সোম বারে প্রতিপদ ও ষষ্ঠী, বৃহস্পতি বারে ভদ্রা, রবি ও শনি বারে জয়া, মঙ্গল বারে রিক্তা এবং বুধ ও শুক্র বারে পূর্ণা তিথি হলে রত্নাঙ্কুর-যোগ হয়।
নক্ষত্র সংশ্লিষ্ট যোগ
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে রবি বারে উত্তর-ফাল্গুনী, উত্তরাষাঢ়া, উত্তর-ভাদ্রপদ, রোহিণী, পুষ্যা, হস্তা, মূলা ও রেবতী; সোম বারে শ্রবণা, ধনিষ্ঠা, রোহিণী, মৃগশিরা, পূর্ব-ফাল্গুনী, উত্তর-ফাল্গুনী, পূর্ব-ভাদ্রপদ, উত্তর-ভাদ্রপদ, হসত্মা ও অশ্বিনী; মঙ্গল বারে পুষ্যা, অশ্লেষা, কৃত্তিকা, স্বাতী, উত্তর-ভাদ্রপদ ও রেবতী; বুধ বারে কৃত্তিকা, রোহিণী, অনুরাধা, শতভিষা; বৃহস্পতি বারে স্বাতী, পুনর্বসু, পুষ্যা ও অনুরাধা; শুক্র বারে পূর্ব-ফাল্গুনী, উত্তর-ফাল্গুনী, পূর্ব-ভাদ্রপদ, উত্তর-ভাদ্রপদ, অশ্বিনী, শ্রবণা ও অনুরাধা এবং শনি বারে স্বাতী ও রোহিণী নক্ষত্র হলে নক্ষত্রামৃত-যোগ হয়। সিদ্ধি ও নক্ষত্রামৃত যোগ যদি একইদিনের যে কোন সময় মিলিত হয়, তবে তাকে বিষযোগ বলে। রবি ও মঙ্গল বারে নন্দা তিথি ও স্বাতী, শতভিষা, আর্দ্রা, রেবতী, চিত্রা, অশ্লেষা, মূলা ও কৃত্তিকা নক্ষত্র, শুক্র ও সোম বারে ভদ্রা তিথি ও পূর্ব-ফাল্গুনী, উত্তর-ফাল্গুনী, পূর্ব-ভাদ্রপদ ও উত্তর-ভাদ্রপদ নক্ষত্র, বুধ বারে জয়া তিথি ও মৃগশিরা, শ্রবণা, পুষ্যা, জ্যেষ্ঠা, অশ্বিনী, ভরণী ও অভিজিৎ নক্ষত্র, বৃহস্পতি বারে রিক্তা তিথি ও পূর্বাষাঢ়া, উত্তরাষাঢ়া, বিশাখা, অনুরাধা, পুনর্বসু, মঘা, নক্ষত্র এবং শনি বারে পূর্ণা তিথি ও রোহিণী, হস্তা ও ধনিষ্ঠা নক্ষত্র হলে ত্র্যমৃতযোগ হয়। রবি বারে অশ্বিনী, সোম বারে চিত্রা, মঙ্গল বারে উত্তরাষাঢ়া, বুধ বারে মূলা, বৃহস্পতি বারে শতভিষা, শুক্র বারে পুষ্যা এবং শনি বারে ভরণী নক্ষত্র হলে ক্রকচ-যোগ হয়।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে বর্ণ ও গণ
রাশি অনুসারে বর্ণ এবং নক্ষত্র অনুসারে গণ নির্ণয় করা হয়। কর্কট, বৃশ্চিক ও মীন রাশির জাতক বিপ্র-বর্ণ, সিংহ, তুলা ও ধনু রাশির জাতক ক্ষত্রিয়-বর্ণ, মেষ, মিথুন ও কুম্ভ রাশির জাতক বৈশ্য-বর্ণ এবং বৃষ, কন্যা ও মকর রাশির জাতক শূদ্র-বর্ণ লাভ করে। হসত্মা, স্বাতী, মৃগশিরা, অশ্বিনী, শ্রবণা, পুষ্যা, রেবতী, অনুরাধা ও পুনর্বসু নক্ষত্রে জন্মগ্রহণ করলে দেবগণ হয়। রোহিণী, আর্দ্রা, উত্তর-ফাল্গুনী, উত্তরাষাঢ়া, উত্তর-ভাদ্রপদ, ভরণী, পূর্ব-ফাল্গুনী, পূর্বাষাঢ়া ও পূর্ব-ভাদ্রপদ নক্ষত্রে জন্মগ্রহণ করলে নরগণ হয়। কৃত্তিকা, অশ্লেষা, মঘা, চিত্রা, বিশাখা, জ্যেষ্ঠা, মূলা, ধনিষ্ঠা শতভিষা নক্ষত্রে জন্মগ্রহণ করলে দেবারি বা রাক্ষসগণ হয়।
অষ্টোত্তরী ও বিংশোত্তরী জন্ম-দশা
জন্ম-নক্ষত্র অনুসারে জাতককে বিভিন্ন গ্রহের দশা ভোগ করতে হয়। জ্যোতিষ-শাস্ত্রে দুই প্রকার দশা প্রচলিত, যথা- অষ্টোত্তরী ও বিংশোত্তরী দশা। জাতক কৃষ্ণপক্ষে দিনে ও শুক্লপক্ষে রাতে জন্মগ্রহণ করলে বিংশোত্তরী দশা এবং কৃষ্ণপক্ষে রাতে ও শুক্লপক্ষে দিনে জন্মগ্রহণ করলে অষ্টোত্তরী দশা প্রযোজ্য হবে। অষ্টোত্তরী নিয়মে জাতক রবি (৬ বছর), চন্দ্র (১৫ বছর), মঙ্গল (৮ বছর), বুধ (১৭ বছর), শনি (১০ বছর), বৃহস্পতি (১৯ বছর), রাহু (১২ বছর) ও শুক্র (২১ বছর) এই আটটি গ্রহের দশা নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে উক্ত ক্রমে ভোগ করবে। যেমন- কেউ রবির দশায় জন্মগ্রহণ করলে তাকে রবির দশার ভোগ্যকাল শেষে ১৫ বছর চন্দ্রের দশা ভোগ করতে হবে এবং এরপর তাকে ৮ বছর মঙ্গলের দশা ভোগ করতে হবে, এভাবে মৃত্যর পূর্ব পর্যমত্ম তাকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন গ্রহের দশা ভোগ করে যেতে হবে।

অষ্টোত্তরী মতে জন্ম-নক্ষত্র কৃত্তিকা, রোহিণী ও মৃগশিরা হলে প্রথমে রবির দশা হবে, আর্দ্রা, পুনর্বসু, পুষ্যা ও অশেস্নষা হলে প্রথমে চন্দ্রের দশা হবে, মঘা, পূর্ব-ফাল্গুনী ও উত্তর-ফাল্গুনী হলে প্রথমে মঙ্গলের দশা হবে, হসত্মা, চিত্রা, স্বাতী ও বিশাখা হলে প্রথমে বুধের দশা হবে, অনুরাধা, জ্যেষ্ঠা ও মূলা হলে প্রথমে শনির দশা হবে, পূর্বাষাঢ়া, উত্তরাষাঢ়া, শ্রবণা হলে প্রথমে বৃহস্পতির দশা হবে, ধনিষ্ঠা, শতভিষা ও পূর্ব-ভাদ্রপদ হলে প্রথমে রাহুর দশা হবে এবং উত্তর-ভাদ্রপদ, রেবতী, অশ্বিনী ও ভরণী হলে প্রথমে শুক্রের দশা হবে।

বিংশোত্তরী মতে, জাতক রবি (৬ বছর), চন্দ্র (১০ বছর), মঙ্গল (৭ বছর), রাহু (১৮ বছর), বৃহস্পতি (১৬ বছর), শনি (১৯ বছর), বুধ (১৭ বছর), কেতু (৭ বছর) ও শুক্র (২০ বছর) এই নয়টি গ্রহের দশা নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে উক্ত ক্রমে ভোগ করবে। কৃত্তিকা, উত্তর-ফাল্গুনী ও উত্তরাষাঢ়া জন্ম-নক্ষত্র হলে প্রথমে রবির দশা হবে, রোহিণী, হসত্মা ও শ্রবণা হলে প্রথমে চন্দ্রের দশা হবে, মৃগশিরা, চিত্রা ও ধনিষ্ঠা হলে প্রথমে মঙ্গলের দশা হবে, আর্দ্রা, স্বাতী ও শতভিষা হলে প্রথমে রাহুর দশা হবে, পুনর্বসু, বিশাখা ও পূর্ব-ভাদ্রপদ হলে প্রথমে বৃহস্পতির দশা হবে, পুষ্যা, অনুরাধা ও উত্তর-ভাদ্রপদ হলে প্রথমে শনির দশা হবে, অশেস্নষা, জ্যেষ্ঠা ও রেবতী হলে প্রথমে বুধের দশা হবে, মঘা, মূলা ও অশ্বিনী হলে প্রথমে কেতুর দশা হবে এবং পূর্ব-ফাল্গুনী, পূর্বাষাঢ়া ও ভরণী হলে প্রথমে শুক্রের দশা হবে।

এখন অষ্টোত্তরী মতে প্রথম দশার ভোগ্যকাল নির্ণয় প্রসঙ্গে আসা যাক। ধরা যাক, কোন জাতক রোহিণী নক্ষত্রের ৩০ দণ্ডে (১২ ঘণ্টা) জন্মগ্রহণ করেছেন। যেহেতু কৃত্তিকা, রোহিণী ও মৃগশিরা নক্ষত্রে জন্মগ্রহণ করলে জা