Sunday, July 12th, 2020

Astro Research Centre

সকল কাজে সফলতা, উদ্দেশ্য পুরণ , মামলায় জয়লাভ ও বিপদ থেকে মুক্তির জন্য -

সকল কাজে সফলতা, উদ্দেশ্য পুরণ , মামলায় জয়লাভ  ও বিপদ থেকে মুক্তির জন্য -


সকল কাজে সফলতা, উদ্দেশ্য পুরণ , মামলায় জয়লাভ ও বিপদ থেকে মুক্তির জন্য -

৫ম দিন- স্কন্দ মাতার বীজ মন্ত্র। রবিবার থেকে
ওম্ হ্রীং শ্রী স্কন্দমাতা দুর্গায়ৈ নমঃ।।

ওঁ বগলামূখ্যৈ চ বিদ্মহে স্তম্ভিন্যৈ চ ধীমহি, তন্নো দেবী প্রচোদয়াৎ।

মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ২৮বার।

গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ। এক বার

প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥ ১ বার

‘ওঁ হ্রীং দুর্গে দুর্গে
রক্ষণী রক্ষণী স্বাহা’।

সারাদিনে যতক্ষণ পারবেন জপ করুন। এর কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। অধিক জপে অধিক ফল।তবে স্নান করে ১০৮ বার করবেন।

দুর্গার প্রনাম মন্ত্র ঃ
ওঁ সর্বমঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে সর্বাথসাধিকে ।
শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণি ! নমোহস্তুতে।।

এর অর্থ- হে দেবী , তুমি সকল মঙ্গলের
মঙ্গলরূপিণী , কল্যাণময়ী্ সর্বাভীষ্টপূরিকা
সকলের আশ্রয় সরূপিনী ও ত্রিনয়না। হে গৌরী হে মাতঃ তোমাকে প্রনাম করি।



Astro Research Centre


ob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200712110320

Saturday, July 4th, 2020

Astro Research Centre

আজকের, কালকের, দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, রাশিফল

আজকের, কালকের, দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, রাশিফল



জকের রাশিফল বৃহস্পতিবার 9/7/20

মেষ রাশি : মেষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র । দিনের শুরুতে বাড়িতে পাওনাদারের আগমন হতে পারে। ব্যবসায়ীদের বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টায় কিছু অগ্রগতি হতে থাকবে। যাত্রা পথে সতর্ক থাকবেন। কারো অসুস্থতার সংবাদ আপনাকে মর্মাহত করতে পারে। সাংসারিক প্রয়োজনে কিছু টাকা ঋণ করতে পারেন। বিশ্ব-বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সাহায়তা পেয়ে যাবেন। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক পেশাজীবীদের আয় বৃদ্ধি পাবে। বিকালের পর চাকরীজীবীদের ভাগ্য উন্নতি হতে পারে। কর্মস্থলে নতুন দায়িত্ব লাভের যোগ।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ১


বৃষ রাশি : বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। জীবন সাথীর সাথে সাংসারিক বিষয়ে কিছু মনমালিণ্য দেখা দিতে পারে। অংশিদারী ব্যবসায় মতানৈক্য এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন। বহু দিন পর কোনো ব্যবসায়ীক বিনিয়োগে আশানুরুপ আয় রোজগার হতে পারে।শারীরিক ও মানসিক দিক ভালো হয়ে উঠবে। যদিও অস্থিরতা ও চঞ্চলতা থাকবে। আত্মীয়দের কিছু সাহায্য লাভের সম্ভাবনা।দিনটি ব্যয় বহুল হতে পারে। আজ দূরের যাত্রার যোগ রয়েছে। প্রবাসীরা দেশে আসার সুযোগ পাবেন। পারিবারিক নিত্যপ্রয়োজনিয় দ্রব্যর কেনাকাটায় ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। বিকাল থেকে সময় বলবান বলা যায়।
শুভ রং: লাল
শুভ সংখ্যা: ২


মিথুন রাশি: মিথুন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। কাজের লোক ও অধিনস্তকর্মচারীদের উপর বেশি নির্ভর করা ঠিক হবে না। বয়স্কদের শরীর স্বাস্থ্য ভালো যাবে না। ব্যবসায়ীক দুঃশ্চিন্তা করার কারনে অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। কারো উপর বেশী রাগ ও অভিমান ঠিক নয়।পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনার চাপ বৃদ্ধি পাবে। প্রিয়জনকে কিছু টাকা ধার দিতে পারেন। রোমান্টিক বিষয়ে ভালো ফল পাবেন। পরিবারের জন্য কেনাকাটার যোগপ্রবল। আজ শিল্পীদের কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। সৃজনশীল পেশাজীবীদের সামান্ন কিছু আয় রোজগারের যোগ রয়েছে।
শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ৫


কর্কট রাশি: কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের দিনটি মিশ্র। প্রেমের ক্ষেত্রে ঝামেলার। বহু দিনের প্রেম ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সন্তানের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে দুঃশ্চিন্তার কিছু নেই। সৃজনশীল পেশাজীবীদের আয় রোজগারে কিছু বাধা বিপত্তি দেখা দিতে পারে। শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজের ক্ষেত্রে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।যৌথ ব্যবসায় অগ্রগতি হবে। বিকাল থেকে সময় কিছুটা খারাপ যেতে পারে। আপনার আর্থ সামাজিক অবস্থা কিছুটা চাপে পড়বে। ঋণ যোগ প্রবল। ব্যবসায় কিছু নতুন বিনিয়োগ করতে পারেন। অংশীদারী কাজে নিরাশ হবার আশঙ্কা। দাম্পত্য কলহের আশা করা যায়।
শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ২


সিংহ রাশি : সিংহ রাশির জাতক জাতিকাদের দিনটি প্রত্যাশিত কাজে কিছু বাধা বিপত্তির। মাতার সাথে সাংসারিক বিষয়ে কিছু তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে যেতে পারেন। আবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আত্মীয়দের সাথে বিরোধে না জড়ানোই ভালো। যানবাহন নিয়ে কিছুটা বিপাকে পড়ার আশঙ্কা
বিকালের পর ব্যবসায়ীদের বেচাকেনায় অগ্রগতি হবে। দাম্পত্য সুখ শান্তি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হবে। অনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে কলহের আশঙ্কা।
বেসরকারী চাকুরেদের কর্মস্থলে কিছু বাধা বিপত্তির আশঙ্কা। অধিনস্ত কর্মচারীর কারনে বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। শরীরের প্রতি খেয়াল রাখুন। সহকর্মীর উপর অধিক নির্ভরতা ভালো ফল বয়ে আনবে না।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ৩

কন্যা রাশি: কন্যা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র। কোনো প্রকার দ্বন্দ্বে না জড়ানোই ভালো। বিদেশ থেকে কোনো ঝামেলাপূর্ণ সংবাদ আসতে পারে। সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের কাজের ক্ষেত্রে কিছু ঝামেলা হবে। পোষাক ও বস্ত্র বিক্রেতাদের সতর্কতার সাথে লেনদেন করা উচিৎ।পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠানে ব্যস্ত হতে পারেন।সাংসারিক কাজে মায়ের বুদ্ধি পরামর্শে লাভবান হবেন। বিকালের দিকে রোমান্টিক বিষয়ে অগ্রগতি হবে। সন্তানের সাথে বেড়াতে যেতে পারেন। শিল্পীদের আয় রোজগার বাড়তে থাকবে।
শুভ রং: বাদামি
শুভ সংখ্যা: ২

তুলা রাশি : তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতাদের ভালো আয় রোজগারের সুযোগ আসবে। মৌসুমী ফল মূল বিক্রেতাদের ভালো আয় রোজগার হবে। সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে আশানুরুপ ফল পাবেন না। রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে।কর্মস্থলে কিছু ঝামেলা হতে পারে। অর্থ বা মোবাইল হারিয়ে ফেলতে পারেন। রোমান্টিক বিষয়ে ভালো ফল পাবেন। সন্তানের জন্য কেনাকাটার যোগপ্রবল। সৃজনশীল পেশাজীবীদের সামান্ন কিছু আয় রোজগারের যোগ রয়েছে। প্রিয়জনকে কিছু টাকা ধার দিতে পারেন। বিকাল থেকে সময় ভালো যাবে না। শরীরিক পীড়া দেখা দেবে।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ২

বৃশ্চিক রাশি: বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে না। মানসিক অস্থিরতায় ভুগতে পারেন। শরীর স্বাস্থ্য ভালো যাবে না। সংক্রমণের ভয়ে তটস্ত হতে পারেন। জীবন সাথীর সাথে অকারনে তর্ক বিতর্কে না জড়ানোই ভালো হবে।
কর্মস্থলে বাধা বিপত্তি দেখা দেবে। আজ পাওনাদারের তাগাদা পেতে পারেন। আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়ার আশঙ্কা প্রবল। দূর্ঘটনা ও পুলিশী হয়রাণীর আশঙ্কা রয়েছে। দুপরের পর ভাগ্য আপনার সহায় হতে পারে। দূরের যাত্রার যোগ দেখা যায়। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক কাজে সুফল পাবেন।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

ধনু রাশি: ধনু রাশির জাতক জাতিকার আইনগত জটিলতা থেকে মুক্তি লাভের যোগ। ভালো কোনো সংবাদ পেতে পারেন। সাংসারিক কারনে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। গ্রাম থেকে কর্মস্থলে ফেরার সময় সতর্ক থাকতে হবে। অকারনে বহিরে যত্রতত্র ঘোড়াঘুড়ি না করাই ভালো হবে। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় ভালো আয়ের যোগ। ধনলাভের সম্ভাবনা। হোটেল রেস্টুরেন্ট ও বেকারী ব্যবসায় ভালো আয় রোজগার হবে না । বিকালের দিকে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ২

মকর রাশি: মকর রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। বড় ভাই বোনের সাথে সাংসারিক বিষয়ে কোনো প্রকার তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। প্ৰিয়জনের অসুস্থতায় কিছু অর্থ ব্যয় হবে। ব্যবসায়ীদের আয় রোজগারে প্রত্যাশা পূরণ হবে না। কারো সাথে আর্থিক লেনদেনে সতর্ক থাকুন।মানিএক্সেঞ্জ ও বিকাশ এজেন্টদের আয় রোজগার বাড়তে থাকবে। বাড়ীতে ছোট ভাই বোনের বিবাহের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। দুপরের পর বাড়ীতে কোনো কুটিল প্রকৃতির আত্মীয়র আগমন হতে পারে। যানবাহন সংক্রান্ত ঝামেলায় পড়তে পারেন। প্রত্যাশা পূরনের যোগ।
শুভ রং: আকাশি
শুভ সংখ্যা: ৩

কুম্ভ রাশি : রাশির জাতক জাতিকার ভালো যাবে তাবে কর্মস্থলে কোনো ঝামেলা হবে। বেসরকারী চাকুরেদের চাকরি সংক্রান্ত কোনো পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে। দিনের শেষ দিকে পিতার সাহায্য পেতে পারেন। অস্থিরতা ও চঞ্চলতা বাড়তে পারে। কর্মস্থলে কোনা সফল কাজের জন্য আপনার প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। রাজনৈতিক ও সাঙ্গঠনিক কাজে ব্যস্ত হতে পারেন। বিকালের পর আর্থিক অবস্থার উন্নতি হতে পারে। কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে আপ্যায়ীত হতে পারেন।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

মীন রাশি: মীন রাশির জাতক জাতিকার আয় রোজগারে কোনো গুরুজনের সুপারিশ কাজে আসতে পারে। প্রভাবশালী ব্যক্তির কাজ করলেও যোগ্য সম্মান নাও পেতে পারেন। ছুটির দিনেও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত কোনো কাজে ব্যস্ত থাকতে হবে। কর্মচারী ও কাজের লোকেদের বকেয়া বেতন বোনাস দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে পারেন। প্রবাসীদের অর্থ লাভে বাধা।
আজ বন্ধু ভাগ্য বলবান। আয় রোজগার বাড়তে পারে। ব্যবসায়ীরা কোনো অপ্রচলিত পণ্যের লেনদেন করে ভালো আয় রোজগার করতে পারেন। বিকাল থেকে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।
শুভ রং: মেরুন
শুভ সংখ্যা: ৫




9 /7/20 আষাঢ় ২৪- বিকারী
অয়ন : উত্তারায়ানা ঋতু : গ্রীষ্ম
কাল : গ্রীষ্মকাল পক্ষ : কৃষ্ণ পক্ষ
সূর্যোদয় : 6:03 amচন্দ্রোদয় : 10:18 pm
সূর্যাস্ত : 6:46 pmচন্দ্রাস্ট : 10:19 am
সূর্য রাশি : মিথুন চন্দ্র রাশি : কুম্ভ
পঞ্জিকা
বার : বৃহস্পতিবার
তিথি :চতুর্থী সমাপ্ত 10:11 am পঞ্চমী শুরু
নক্ষত্র : শতভিষা সমাপ্ত 03:09 am
যোগ : আয়ুষ্মান সমাপ্ত 07:57 pm সৌভাগ্য শুরু
করণ :বালব 10:11 am
কৌলব 10:51 pm
তৈতিল 10:51 pm
ভাল সময়অভিজিত মুহুর্ত : 11:59 am – 12:50 pm
অমৃত কালম : 07:22 pm – 09:06 pm
আনন্দদী যোগ : 03:09 am Mudgar
খারাপ সময়রাহু কালম : 1:43 pm – 3:00 pm
য়মগন্ড : 7:19 am – 8:35 am
ভর্জ্যম : 09:01 am – 10:45 am
গুলিক : 9:52 am – 11:09 am
দুর্মুহুর্ত : 1. 10:44 am – 11:25 am
2. 02:50 pm – 03:31 pm
Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre


জয় মা তারা আজকের রাশিফল 8/7/20 বুধবার কালকের রাশিফল
Ajker Rashifo Ajker Din Kemon jabe

মেষ রাশি: মেষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। গৃহে ছোট ভাই বোনের আগমন হতে পারে। অনলাইনের কোনো পণ্য পেতে পারেন। ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও প্রকাশকদের কাজের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। বস্ত্র ব্যবসায়ীরা কিছু আয় রোজগার করতে পারেন।
আজ কাজ-কর্মে অগ্রগতি হবে। মানসিক অস্থিরতা কম থাকাতে যে কাজে হাত দেবেন তাতেই সফলতা পাবেন। শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। ব্যবসায়ীক কাজে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন। জীবন সাথীর মন মেজাজ ভালো থাকাতে দাম্পত্য সুখ শান্তি বৃদ্ধি পাবে।
শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ২


বৃষ রাশি: বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভাশুভ মিশ্র। বাড়িতে আত্মীয় স্বজনের আগমন হবে। কিছু টাকা রোজগারের সুযোগ আসতে পারে। খাদ্য দ্রব্যাদি ও মুদি ব্যবসায়ীদের আশানুরুপ আয় রোজগার হবে। আজ
আয় রোজগার বৃদ্ধি না পেলেও খরচ তুলনামূলক কমাতে পারবেন। বৈদেশিক বাণিজ্য অশুভ। প্রবাসীদের কাজে কিছু বাধা-বিপত্তি ও ঝামেলা দেখা দিতে পারে। দিনের শেষ দিকে মনের জোড় বৃদ্ধি পাবে।

শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ৩

মিথুন রাশি: মিথুন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। অকারনে রাগ ও জেদ পরিহার করতে হবে। কারো উপর মান অভিমান আপনার শরীর স্বাস্থ্যর ক্ষতি করবে। জীবন সাথীর সাথে রূঢ় আচরন না করে সদয় আচরন করুন।
বন্ধু বা বড় ভাই এর সাহায্যে কোনো অসাধ্যকে সাধণ করতে পারেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো শুভাকাঙ্খীর সাহায্য পাবেন। আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। আজ বেসরকারি চাকুরেদের কোনো বকেয়া বিল আদায় হতে পারে। ঠিকাদারী ব্যবসায় কোনো প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার সাহায্য পেতে পারেন
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ২


কর্কট রাশি: কর্কট রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ কিন্তু ব্যয় বহুল যাবে। ব্যবসায়ীক কাজে দূরের যাত্রার যোগ প্রবল। দূরের যাত্রার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করুন। সাংসারিক প্রয়োজনে ব্যয় করার ক্ষেত্রে কৃচ্ছতা আপনার কাজে আসবে।
বেসরকারী চাকরিজীবীদের কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে। বেসরকারি শিক্ষক ও গবেষকদের দিনটি ভালো যাবে না । অপ্রত্যাশিত আয় রোজগারের যোগ আছে। পিতার সাহায্য পেতে পারেন। রাজনৈতিক কাজে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির সাহায্য পেতে পারেন।
শুভ রং: বাদামি
শুভ সংখ্যা: ২

সিংহ রাশি: সিংহ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। সাংসারিক বিষয়ে বড় ভাই বোনের সাহায্য সহযোগিতা পাবেন। বন্ধুদের সাথে কোনো বিষয়ে বিবাদে না জড়ানোই ভালো। প্রবাসী বন্ধু বা ভাই এর কাছ থেকে কিছু টাকা পেতে পারেন।
উচ্চ শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আশানুরুপ অগ্রগতি হবে। বৈদেশিক কাজে কোনো প্রবাসী ব্যক্তির সাহায্য পাবেন। আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। গবেষণামূলক কাজে অগ্রগতি আশা করা যায়।
শুভ রং: আকাশি
শুভ সংখ্যা: ৩


কন্যা রাশি: কন্যা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি পারিবারিক কাজে ব্যস্ততার। সমাজসেবা বা দাতব্য কাজে অংশ নিতে হতে পারে। ব্যবসায়ীক কাজে পিতার কাছ থেকে কিছু অর্থ লাভের যোগ।
কোনো ঋণ সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগতে পারেন। ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীদের আজ দুর্ঘটনা জনিত লোকসান গুণতে হতে পারে। যানবাহন চালনার সময়ে সতর্ক হতে হবে। কোনো আত্মীয়র অসুস্থতার সংবাদ পেতে পারেন
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ২

তুলা রাশি: তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। ভাগ্য উন্নতির সুযোগ আসতে পারে। প্রবাসী কোনা আত্মীয় আপনার জন্য ভিসার ব্যবস্থা করতে পারেন। শিক্ষকদের লাভের যোগ প্রবল।
কোনো ব্যবসায়ীক কাজে দূরে কোথাও যেতে পারেন। শিক্ষা সংক্রান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার হতে পারে। জীবন সাথীর সাহায্য পেতে পারেন। অংশীদারি ব্যবসা-বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার হতে পারে।

শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

বৃশ্চিক রাশি: বৃশ্চিক রাশির দিনটি অনভিপ্রেত কোনো ঝামেলার। দূরের যাত্রায় ঝুঁকি নিতে যাবেন না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরসাথে তর্কে জড়ালে বিপদে পড়তে পারেন। আজ ছোট খাটো দূর্ঘটনা এড়িয়ে চলতে হবে। কোনো বন্ধু বা আত্মীয়র অশুভ সংবাদ পেতে পারেন।
আজকে দিনটি কিছুটা ঝামেলার। কর্মস্থলে সহকর্মী ও অধিনস্ত কর্মচারীর কারণে কিছু বাধা-বিপত্তি হতে থাকবে। ব্যবসায়ীরা কোনো বন্ধুর দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন। গার্মেন্টস কর্মীরা কোনো নতুন কর্মস্থলে যোগ দিলে ভালো করবেন। গোপন কোনো সম্পর্কের কারণে কিছু অর্থ ব্যয় হবে
শুভ রং: লাল
শুভ সংখ্যা: ২


ধনু রাশি: ধনু রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ব্যবসায়ীক কাজে ও অংশিদারী ব্যবসায় কিছু ঝামেলা দেখা দেবে। জীবন সাথীর মন মেজাজ ভালো যাবে না। অবিবাহিতদের বিবাহের ক্ষেত্রে অহেতুক বাধা দেখা দেবে। নব দম্পতিরা সাবধানে চলাফেরা করবেন।
সৃজনশীল পেশাজীবিদের আয় রোজগার বাড়তে পারে। সন্তানের সাথে কোনো সমস্যা শিল্পী ও কলাকুশলীদের আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে না । অভিনয় শিল্পী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধির যোগ। রোমান্টিক বিষয়ে অগ্রগতি হবার যোগ
শুভ রং: মেরুন
শুভ সংখ্যা: ৫

মকর রাশি: মকর রাশির জাতক জাতিকাদের দিনটি সতর্কতার। আজ আপনার অন্যমনস্কতার কারনে কোনো মূল্যবাণ দ্রব্য হারিয়ে ফেলতে পারেন। পায়ে আঘাত বা মচকানোর আশঙ্কা প্রবল। অধিনস্ত কর্মচারী বা কাজের লোকের সাথে তর্ক বিতর্কে না জড়ানোই ভালো।
পারিবারিক ক্ষেত্রে কোনো প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে। স্বপ্নের যানবাহন ক্রয় করতে পারেন। পরিবারের জন্য কেনা-কাটার যোগ প্রবল। কোনো বন্ধুর সাহায্য পেয়ে যাবেন। জমি ভূমি স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত আলোচনায় অগ্রগতি হবে। মায়ের সাহায্য পেতে পারেন
শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ৫


কুম্ভ রাশি: কুম্ভের জাতক জাতিকার দিনটি প্রেমের ক্ষেত্রে মান অভিমানের। সন্তানের উপর কোনো কারনে ক্ষিপ্ত হতে পারেন। সৃজনশীল পেশাজীবীদের অর্থাভাব দেখা দেবে। প্রবাসী সন্তানের কাছ থেকে কিছু টাকা পয়সা আসতে পারে।
কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন। মূদ্রণ ব্যবসায়ী ও প্রকাশকদের কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। প্রতিবেশীর সাহায্য পেতে পারেন। ছোট ভাই-বোনের বিবাহ সংক্রান্ত আলোচনায় অগ্রগতি হবে। সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের দিনটি লাভদায়ক।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ১


মীন রাশি: মীনের জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। তবে আত্মীয়দের সাথে কোনো বিষয়ে মনমালিন্য দেখা দেবে। মায়ের শরীর স্বাস্থ্য ভালো যাবে না। পেটের পীড়ায় ভুগতে পারেন। গৃহে কোনো প্রকার অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটতে চলেছে। সতর্ক থাকতে হবে।
মীন রাশির জাতক-জাতিকার বকেয়া অর্থ আদায়ে সফলতার দিন। খুচরা ও পাইকারি বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার হবে। বাড়িতে কোনো আত্মীয়ের আগমনে খুশি হতে পারেন। খাদ্য ও পানিয়ের ব্যবসায় আশানুরুপ আয় রোজগার হতে পারে। সঞ্চয়ের সুযোগ পাবেন। কোনো বন্ধুর সাহায্য আশা করা যায়।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩


8/7/20 - আষাঢ় -২৩ /১৪২৭ বিকারী
অয়ন : উত্তারায়ানা ঋতু : গ্রীষ্ম
কাল : গ্রীষ্মকাল পক্ষ : কৃষ্ণ পক্ষ
সূর্যোদয় : 6:02 amচন্দ্রোদয় : 09:37 pm
সূর্যাস্ত : 6:46 pmচন্দ্রাস্ট : 09:30 am
সূর্য রাশি : মিথুনचচন্দ্র রাশি : কুম্ভ
পঞ্জিকা
বার : বুধবার
তিথি :তৃতীয়া সমাপ্ত 09:19 am চতুর্থী শুরু
নক্ষত্র : ধনিষ্ঠা সমাপ্ত 01:15 am
যোগ : প্রীতি সমাপ্ত 08:01 pm আয়ুষ্মান শুরু
করণ :বিস্টি 09:19 am
বব 09:40 pm
বালব 09:40 pm
ভাল সময়অভিজিত মুহুর্ত : 11:59 am – 12:50 pm
অমৃত কালম : 02:16 pm – 03:57 pm
আনন্দদী যোগ : 01:15 am Manasa
খারাপ সময়রাহু কালম : 12:26 pm – 1:42 pm
য়মগন্ড : 8:35 am – 9:52 am
ভর্জ্যম : 04:09 am – 05:50 am
গুলিক : 11:09 am – 12:26 pm
দুর্মুহুর্ত : 1. 12:05 pm – 12:46 pm



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।



আজকের রাশিফল মঙ্গলবার 6/7/20 Mangalbar Tuesday pratidiner Rashifol
Saber age, sabar pratham Rashifol

মেষ রাশি: মেষ রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। আজ কাজ-কর্মে অগ্রগতি হবে। দিনটি প্রেম ও রোমান্সে অগ্রগতির। সন্তানের সাথে ভালো আচরন করার করনে তার মানসিক বিকাশ তরাম্বিত হবে। অভিনয় শিল্পী ও সঙ্গীত শিল্পীদের কাজের যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। শিল্পীদের শিল্পকম অনলাইনে বিক্রয়ের চেষ্টা করলে সফলতা আসবে। খেলোয়াড়দের নুতন কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।জীবন সাথীর মন মেজাজ ভালো থাকাতে দাম্পত্য সুখ শান্তি বৃদ্ধি পাবে।মানসিক অস্থিরতা কম থাকাতে যে কাজে হাত দেবেন তাতেই সফলতা পাবেন। শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। ব্যবসায়ীক কাজে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন।
শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ২

বৃষ রাশি: বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি পারিবারিক কাজে অগ্রগতির। আত্মীয় ও বন্ধুদের সাহায্য পেতে পারেন। জমি ভূমি আবাসন সংক্রান্ত কাজের প্রচেষ্টায় সফলতা আসবে। ব্যবসায়ীক প্রত্যাশা পূরণ হওয়াতে আর্থিক দুশ্চিন্তার কিছু অবশান আশা করতে পারেন। কর্মস্থলে আপনার নিয়মানুবর্তিতা ও পেশাদারিত্বর জন্য সম্মানিত হবেন।দিনের শেষ দিকে মনের জোড় বৃদ্ধি পাবে।
বৃষ রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে এবং খরচ তুলনামূলক কমাতে পারবেন। বৈদেশিক বাণিজ্য অশুভ। প্রবাসীদের কাজে কিছু বাধা-বিপত্তি ও ঝামেলা দেখা দিতে পারে।

শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ৩

মিথুন রাশি: মিথুন রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। দিনটি বৈদেশিক যোগাযোগে সফলতা পাবেন না। মিডিয়াকর্মী সাংবাদিক ও প্রকাশকদের আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। ছোট ভাই বোনের জন্য কিছু অর্থ ব্যয় করতে হবে। রেডিমেট গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা ভালো বেচাকেনা আশা করতে পারেন। প্রতিবেশীর সাহায্য সহযোগিতা লাভের যোগ।ঠিকাদারী ব্যবসায় কোনো প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার সাহায্য পেতে পারেন। বন্ধু বা বড় ভাই এর সাহায্যে কোনো অসাধ্যকে সাধণ করতে পারেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে কোনো শুভাকাঙ্খীর সাহায্য পাবেন। আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। আজ বেসরকারি চাকুরেদের কোনো বকেয়া বিল আদায় হতে পারে।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ২

কর্কট রাশি: কর্কট রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। দিনটি বকেয়া টাকা আদায়ের। খুচরা পাইকারী ব্যবসায় আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। সাংসারিক বিষয়ে জীবন সাথীর সাহায্য পাবেন। খাদ্য দ্রব্য ও ফলমূল ব্যবসায় ভালো লাভ হবে। শ্যালক শ্যালিকার বিবাহের কথাবার্তায় আশানুরুপ অগ্রগতি হবে। হোটেল মোটেল ও রেস্তোরা ব্যবসায়ীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির যোগ নাই ।পিতার সাহায্য পেতে পারেন। রাজনৈতিক কাজে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির সাহায্য পেতে পারেন।বেসরকারী চাকরিজীবীদের কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে। বেসরকারি শিক্ষক ও গবেষকদের দিনটি ভালো যাবে না । অপ্রত্যাশিত আয় রোজগারের যোগ আছে।
শুভ রং: বাদামি
শুভ সংখ্যা: ২

সিংহ রাশি: সিংহ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। আপনার মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে। সাংসারিক বিষয় নিয়ে চলতে থাকা সমস্যার সমাধান হতে পারে। কর্মস্থলে যোগদানের প্রচেষ্টায় ব্যস্ত হতে পারেন। অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে। ব্যবসায়িদের কাজের যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। উচ্চ শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আশানুরুপ অগ্রগতি হবে। আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। গবেষণামূলক কাজে অগ্রগতি আশা করা যায়।
শুভ রং: আকাশি
শুভ সংখ্যা: ৩

কন্যা রাশি: কন্যা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভাশুভ মিশ্র। কর্মস্থলে যোগদানের তাড়ায় ব্যস্ত থাকতে পারেন। সীমিত আকারে যানবাহন চলাচলের কারনে যাত্রাপথে ভোগান্তি বাড়তে পারে। ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীরা অণৈতিক কাজ কর্ম থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন। কারো সাথে ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেন না করাই ভালো।কোনো আত্মীয়র অসুস্থতার সংবাদ পেতে পারেন। কোনো ঋণ সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগতে পারেন। ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীদের আজ দুর্ঘটনা জনিত লোকসান গুণতে হতে পারে। যানবাহন চালনার সময়ে সতর্ক হতে হবে।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ২

তুলা রাশি: তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। আয় রোজগারের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। দোকানদারদের বেচাকেনা ধীরে ধীরে জমতে শুরু করবে। বন্ধুদের সাহায্য পেতে পারেন। আয় রোজগারের ক্ষেত্রে বড় ভাই বোনের সহযোগিতা আশা করা যায়। চাকুরেদের বকেয়া বিল আদায় করতে চেষ্টা করতে হবে।অংশীদারি ব্যবসা-বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার হতে পারে। কোনো আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে যেতে পারেন।
শিক্ষা সংক্রান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার হতে পারে। জীবন সাথীর সাহায্য পেতে পারেন।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

বৃশ্চিক রাশি: বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার দিনটি কর্ম ক্ষেত্রে ব্যস্ত থাকার। একক ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটাররা কিছু ব্যবসায়ীক কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকতে পারেন। সাংসারিক ক্ষেত্রে পিতার পরামর্শ কাজে আসবে। মাতার শরীর স্বাস্থ্য ভোগাতে পারে। বেসরকারী চাকুরেদের কর্মস্থলে যোগদানের চেষ্টায় ফিরতে হতে পারে।
ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীদের দিনটি কিছুটা ঝামেলার। গার্মেন্টস কর্মীরা কোনো নতুন কর্মস্থলে যোগ দিলে ভালো করবেন। গোপন কোনো সম্পর্কের কারণে কিছু অর্থ ব্যয় হবে। কর্মস্থলে সহকর্মী ও অধিনস্ত কর্মচারীর কারণে কিছু বাধা-বিপত্তি হতে থাকবে। ব্যবসায়ীরা কোনো বন্ধুর দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন।

শুভ রং: লাল
শুভ সংখ্যা: ২

ধনু রাশি: ধনু রাশির জাতিকার দিনটি যোগাযোগের জন্য ভালো। ধর্মীয় ও অতিন্দ্রীয় বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির যোগ। কোনো শিক্ষকের সাহায্যে পড়াশোনায় অগ্রগতি হবে।
অভিনয় শিল্পী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধির যোগ। রোমান্টিক বিষয়ে অগ্রগতি হবার যোগ। সৃজনশীল পেশাজীবিদের আয় রোজগার বাড়তে পারে। সন্তানের সাথে কোনো ব্যবসায়িক আলোচনা করে কাজ করলে আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে।

শুভ রং: মেরুন
শুভ সংখ্যা: ৫

মকর রাশি: মকর রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ঝামেলাপূর্ণ। দূর্ঘটনা ও সংক্রামক ব্যাধি থেকে সতর্ক হতে হবে। চিকিৎসক ও ঔষধ বিক্রেতাদের আশানুরুপ আয় রোজগার হতে থাকবে।জমি ভূমি স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত আলোচনায় অগ্রগতি হবে। পাওনাদারের টাকা দেওয়ার তারিখ অতিক্রান্ত হওয়াতে পাওনাদারের সাথে কিছু বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারেন। ঝুঁকিপূর্ণ কাজে সতর্ক থাকতে হবে। পারিবারিক ক্ষেত্রে কোনো প্রত্যাশা পূরণ নাও হতে পারে। স্বপ্নের যানবাহন ক্রয় করতে পারেন। স্ত্রীর জন্য কেনা-কাটার যোগ প্রবল। কোনো বন্ধুর সাহায্য পেয়ে যাবেন।

শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ৫

কুম্ভ রাশি: কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী ও একক ব্যক্তিমালিকানা প্রতিষ্ঠানের কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। জীবন সাথীর সহায্য আপনার কাজকে উৎসাহ দেবে। ব্যবসায়ীক লেনদেনে সতর্ক থাকবেন। কারো উপর বেশী নির্ভর করা ঠিক নয়। দাম্পত্য সুখ শান্তি বজায় রাখতে সদয়পূর্ণ আচরন প্রয়োজন।ছোট ভাই-বোনের বিবাহ সংক্রান্ত আলোচনায় অগ্রগতি হবে। সাহিত্যিক ও সাংবাদিকদের দিনটি লাভদায়ক।বিদেশ থেকে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন। মূদ্রণ ব্যবসায়ী ও প্রকাশকদের কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। প্রতিবেশীর সাহায্য পেতে পারেন।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ১

মীন রাশি: মীন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা ভোগালেও মানসিক জোর অব্যাহত থাকবে। কাজের লোক বা কর্মচারীদের কাজে যোগদানের জন্য কিছু আগ্রীম অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়তে পারে। আর্থিক অনিশ্চয়তা থাকলেও ব্যবসায়ীক কাজে অগ্রগতি হবে।বকেয়া অর্থ আদায়ে সফলতার দিন। খুচরা ও পাইকারি বাণিজ্যে ভালো আয় রোজগার হবে। খাদ্য ও পানিয়ের ব্যবসায় আশানুরুপ আয় রোজগার হবে না । সঞ্চয়ের সুযোগ পাবেন। কোনো বন্ধুর সাহায্য আশা করা যায়।

শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

প্রতিদিনের শুভ নিঘন্ট

07/ 07/20- আষাঢ় ২২-
অয়ন : উত্তারায়ানা ঋতু : গ্রীষ্ম
কাল : গ্রীষ্মকাল পক্ষ : কৃষ্ণ পক্ষ
সূর্যোদয় : 6:02 amচন্দ্রোদয় : 08:52 pm
সূর্যাস্ত : 6:46 pmচন্দ্রাস্ত : 08:39 am
সূর্য রাশি : মিথুনচন্দ্র রাশি : মকর
পঞ্জিকা

বার : মঙ্গলবার
তিথি :দ্বিতীয়া সমাপ্ত 09:03 am তৃতীয়া শুরু
নক্ষত্র : শ্রবণা সমাপ্ত 11:56 pm ধনিষ্ঠা শুরু
যোগ : বিষ্কম্ভ সমাপ্ত 08:33 pm প্রীতি শুরু
করণ :গর 09:03 am
বণিজ 09:06 pm
বিস্টি 09:06 pm
ভাল সময়অভিজিত মুহুর্ত : 11:59 am – 12:49 pm
অমৃত কালম : 01:12 pm – 02:51 pm
আনন্দদী যোগ : 11:56 pm Utpata
খারাপ সময়রাহু কালম : 2:59 pm – 4:15 pm
য়মগন্ড : 9:52 am – 11:08 am
ভর্জ্যম : 03:19 am – 04:58 am
গুলিক : 12:25 pm – 1:42 pm
দুর্মুহুর্ত : 1. 09:21 am – 10:02 am
2. 11:03 pm – 11:58 pm


Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer
Founder of Astro Research Centre
ph no ফোন : 8906959633/9593165251
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com
Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224


আজকের রাশিফল সোমবার 6/7/20
Ajker Rashifol sombar Monday
Dadas Rashir suva asuvo fol

মেষ মেষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। ব্যবসায় কিছু নতুন বিনিয়োগ করতে পারেন। অংশীদারী কাজে নিরাশ হবার আশঙ্কা। দাম্পত্য কলহের অবশান আশা করা যায়। যৌথ ব্যবসায় অগ্রগতি হবে। বিকাল থেকে সময় কিছুটা খারাপ যেতে পারে। আপনার আর্থ সামাজিক অবস্থা কিছুটা চাপে পড়বে। ঋণ যোগ প্রবল।
শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ২

বৃষ বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র যাবে। বেসরকারী চাকুরেদের কর্মস্থলে কিছু বাধা বিপত্তির আশঙ্কা। অধিনস্ত কর্মচারীর কারনে বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। শরীরের প্রতি খেয়াল রাখুন। সহকর্মীর উপর অধিক নির্ভরতা ভালো ফল বয়ে আনবে না। বিকালের পর ব্যবসায়ীদের বেচাকেনায় অগ্রগতি হবে। দাম্পত্য সুখ শান্তি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হবে। অনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে কলহের আশঙ্কা।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ৩

মিথুন মিথুন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। রোমান্টিক বিষয়ে ভালো ফল পাবেন। সন্তানের জন্য কেনাকাটার যোগপ্রবল। সৃজনশীল পেশাজীবীদের সামান্ন কিছু আয় রোজগারের যোগ রয়েছে। প্রিয়জনকে কিছু টাকা ধার দিতে পারেন। বিকাল থেকে সময় ভালো যাবে না। শরীরিক পীড়া দেখা দেবে। কর্মস্থলে কিছু ঝামেলা হতে পারে। অর্থ বা মোবাইল হারিয়ে ফেলতে পারেন।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ২

কর্কট কর্কট রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠানে ব্যস্ত হতে পারেন। আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। সাংসারিক কাজে মায়ের বুদ্ধি পরামর্শে লাভবান হবেন। বিকালের দিকে রোমান্টিক বিষয়ে অগ্রগতি হবে। সন্তানের সাথে বেড়াতে যেতে পারেন। শিল্পীদের আয় রোজগার বাড়তে থাকবে।
শুভ রং: বাদামি
শুভ সংখ্যা: ২

সিংহ সিংহ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। বৈদেশিক যোগাযোগ থেকে ভালো লাভ হতে পারে। মানিএক্সেঞ্জ ও বিকাশ এজেন্টদের আয় রোজগার বাড়তে থাকবে। বাড়ীতে ছোট ভাই বোনের বিবাহের কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। দুপরের পর বাড়ীতে কোনো কুটিল প্রকৃতির আত্মীয়র আগমন হতে পারে। যানবাহন সংক্রান্ত ঝামেলায় পড়তে পারেন। প্রত্যাশা পূরনের যোগ।
শুভ রং: আকাশি
শুভ সংখ্যা: ৩

কন্যা আজ কন্যার জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় ভালো আয়ের যোগ। বৈদেশীক ধনলাভের সম্ভাবনা। হোটেল রেস্টুরেন্ট ও বেকারী ব্যবসায় ভালো আয় রোজগার হবে। বিকালের দিকে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন। প্রতিবেশীর সাথে কোরবাণীর পশু কিনতে পারেন। ছোট ভাই বোনের আগমন হতে পারে।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ২

তুলা তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। তবে অস্থিরতা ও চঞ্চলতা বাড়তে পারে। কর্মস্থলে কোনা সফল কাজের জন্য আপনার প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। রাজনৈতিক ও সাঙ্গঠনিক কাজে ব্যস্ত হতে পারেন। বিকালের পর আর্থিক অবস্থার উন্নতি হতে পারে। কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে আপ্যায়ীত হতে পারেন।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

বৃশ্চিক বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ব্যয় বহুল হতে পারে। আজ দূরের যাত্রার যোগ রয়েছে। প্রবাসীরা দেশে আসার সুযোগ পাবেন। পারিবারিক নিত্যপ্রয়োজনিয় দ্রব্যর কেনাকাটায় ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। বিকাল থেকে সময় বলবান বলা যায়। শারীরিক ও মানসিক দিক ভালো হয়ে উঠবে। যদিও অস্থিরতা ও চঞ্চলতা অব্যাহত থাকবে।
শুভ রং: লাল
শুভ সংখ্যা: ২

ধনু ধনু রাশির জাতক জাতিকার আজ বন্ধু ভাগ্য বলবান। কোনো সেনাকর্মকর্তা বন্ধুর সাহায্য পাবেন। আয় রোজগার বাড়তে পারে। ব্যবসায়ীরা কোনো অপ্রচলিত পণ্যের লেনদেন করে ভালো আয় রোজগার করতে পারেন। বিকাল থেকে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। কর্মচারী ও কাজের লোকেদের বকেয়া বেতন বোনাস দিতে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে পারেন। প্রবাসীদের অর্থ লাভে বাধা।
শুভ রং: মেরুন
শুভ সংখ্যা: ৫

মকর মকর রাশির দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। রোমান্টিক বিষয়ে ভালো ফল পাবেন। সন্তানের জন্য কেনাকাটার যোগপ্রবল। আজ শিল্পীদের কাজের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। সৃজনশীল পেশাজীবীদের সামান্ন কিছু আয় রোজগারের যোগ রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনার চাপ বৃদ্ধি পাবে। প্রিয়জনকে কিছু টাকা ধার দিতে পারেন।
শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ৫

কুম্ভ কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। জীবীকার জন্য বিদেশ সংক্রান্ত কথাবার্তায় অগ্রগতি আশা করা যায়। বিশ্ব-বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সাহায়তা পেয়ে যাবেন। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক পেশাজীবীদের আয় বৃদ্ধি পাবে। বিকালের পর চাকরীজীবীদের ভাগ্য উন্নতি হতে পারে। কর্মস্থলে নতুন দায়িত্ব লাভের যোগ।
শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ১

মীন মীন রাশির জাতক জাতিকার কর্মস্থলে বাধা বিপত্তি দেখা দেবে। আজ পাওনাদারের তাগাদা পেতে পারেন। আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়ার আশঙ্কা প্রবল। দূর্ঘটনা ও পুলিশী হয়রাণীর আশঙ্কা রয়েছে। দুপরের পর ভাগ্য আপনার সহায় হতে পারে। দূরের যাত্রার যোগ দেখা যায়। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক কাজে সুফল পাবেন।
শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

6 - আষাঢ় - বিকারী
অয়ন : উত্তারায়ানা ঋতু : গ্রীষ্ম
কাল : গ্রীষ্মকাল পক্ষ : কৃষ্ণ পক্ষ
সূর্যোদয় : 6:02 amচন্দ্রোদয় : 08:03 pm
সূর্যাস্ত : 6:46 pmচন্দ্রাস্ট : 07:45 am
সূর্য রাশি : মিথুনचচন্দ্র রাশি : মকর
পঞ্জিকা
বার : সোমবার
তিথি :প্রতিপদ সমাপ্ত 09:22 am দ্বিতীয়া শুরু
নক্ষত্র : উত্তরাষাঢ়া সমাপ্ত 11:12 pm শ্রবণা শুরু
যোগ : বৈধৃতি সমাপ্ত 09:34 pm বিষ্কম্ভ শুরু
করণ :কৌলব 09:22 am
তৈতিল 09:08 pm
গর 09:08 pm
ভাল সময়অভিজিত মুহুর্ত : 11:58 am – 12:49 pm
অমৃত কালম : 04:45 pm – 06:22 pm
আনন্দদী যোগ : 11:09 pm Kaan
খারাপ সময়রাহু কালম : 8:35 am – 9:51 am
য়মগন্ড : 11:08 am – 12:25 pm
ভর্জ্যম : 07:05 am – 08:42 am
গুলিক : 1:41 pm – 2:58 pm
দুর্মুহুর্ত : 1. 12:45 pm – 01:26 pm
2. 02:48 pm – 03:29 pm


শুভ বিষয় সকল
1)শুভ সংখ্যা : 3,
2)মিত্র সংখ্যা : 1, 2, 9
3)শুভ রং : লাল, হলুদ, ক্রীম
4)শুভ রত্ন :প্রবাল, মুক্ত, পোখরাজ
5)শুভ ধাতু : তামা /সোনা /রৌপ্য
6)শুভদিক : উত্তর পশ্চিম
7)শুভ সময় :6/9pm
8)মিত্র রাশি : কর্কট, বৃশ্চিক , মীন
9)শুভ দিন : সোম,মঙ্গল,বৃহস্পতি
10)শুভ মাস :শ্রাবন, অগ্রহায়ণ, চৈত্র
11)দেবী :তারা, বগলা
12)মূল :ক্ষিরিকা, অনন্ত, বামনহাটী

অশুভ বিষয় ঘাতক Ghatak Rashi
1)রাশি : মিথুন, কন্যা, মকর কুম্ভ
2)মাস : ভাদ্র
3)তিথি : 3, 8, 13
4)দিন : শনি, বুধ, শুক্র
5)নক্ষত্র :মূলা
6)অশুভ রং :সবুজ, নীল, সাদা
7)অশুভ সময় 7/8pm
8)অশুভ দিক :দক্ষিণ পূর্ব
9)অশুভ রত্ন :পান্না, নীলা
10)পানীয় :কারণ



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251


সুপ্রভাত কালকের রাশিফল সোমবার Monday
05/07/2020
মেষ: এই রাশির জাতক জাতিকার আজ দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। বকেয়া টাকা আদায়ের চেষ্টা জোরদার করুন। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় ভালো আয় হবে। বাড়ীতে আত্মীয় কুটম্বর আগমন হতে পারে। জাতিকাদের সঞ্চয়ের প্রচেষ্টায় অগ্রগতি আশা করা যায়। ব্যায় বৃদ্ধি যোগ।
আজ খেলাধুলায় সাফল্য আসবে। প্রেম ও রোমান্সে অগ্রগতি হবে। বিদ্যার্থীরা কোনো পরীক্ষায় সফল হতে পারেন। সৃজনশীল কাজের সাথে জড়িতদের আয় রোজগার ও ব্যায় বৃদ্ধি পাবে। লেখক সাহিত্যিক ও সম্পাদকদের দিনটি বলবান থাকবে।

শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ৩


বৃষ: আজ বৃষ রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়।এই রাশির জাতক জাতিকাদের কাজের চাহিদা থাকবে ভালোই। কাজের পরিবেশে আজ সাময়িক অপছন্দের পরিস্থিতির উদ্ভব হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবেন সেটা খুব তাড়াতাড়িই। সর্বক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন আছে।মনের কোনো স্বপ্ন পূরণ হতে পারে। ভূমি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে লাভবান হবেন না । কোনো আত্মীয় বা বন্ধুর সাহায্য লাভের যোগ বলবান। নতুন গৃহ নির্মাণের প্রচেষ্টায় অগ্রগতি আশা করা যায়।

শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ৩

মিথুন: মিথুন রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি ভালো যাবে আধ্যাত্মিক দিকে একটু মন চলে যেতে পারে। আজ আপনি কারও কাছ থেকে দীক্ষা লাভও করতে পারেন। এইদিন কোনও কিছুর অপচয়ের সম্ভাবনা একটু বেশি রয়েছে। অনেক দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক ভালো হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। বাড়ির পরিবেশ আপনার কাছে বদ্ধ মনে হবে।
আজ আপনার সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে। বিদেশ থেকে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন। বস্ত্র ও গহনা বিক্রেতা প্রসাধন ও বিলাসী দ্রব্যের বিক্রেতাদের আয় রোজগার বৃদ্ধির যোগ।

শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৫


কর্কট: জনবহুল কোনো জায়গায় বেড়াতে যেতে হতে পারে। এদিন আপনারই কোনও মহিলা আত্মীয়ের ব্যবহারে একটু কষ্ট পাবেন। সারাদিন অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে আপনার খুব ক্লান্ত লাগার সম্ভাবনা আছে। কোনও কারণে এদিন এক হতাশা আপনাকে গ্রাস করতে পারে।
কর্কট রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি ধন আদায়ের। বকেয়া অর্থ ফেরত পেতে জোড় তাগাদা দিন। বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন। জাতিকাদের সঞ্চয়ের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিক্রয় বাণিজ্যে ভালো আয়ের সুযোগ পাবেন।

শুভ রং: বাদামি
শুভ সংখ্যা: ২

সিংহ: আজ সিংহর জাতক-জাতিকাদের দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। এই রাশির জাতক জাতিকাদের সমাজের অনেকের সঙ্গে আলাপ হতে পারে। পুরনো কোনও বিনিয়োগ থেকে কিছুটা অর্থলাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হতে পারে আপনাদের।
শরীর স্বাস্থ্য ভালো হয়ে উঠবে। কোনো কাজের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠতে পারেন। জীবন সাথীর সাহায্য পাওয়ার যোগ রয়েছে। মানসিক শান্তি ফিরে পাবেন। আপনার যশ খ্যাতি বৃদ্ধি পাবে।সম্পত্তি লাভের প্রচেষ্টা সফল হবে।

শুভ রং: আকাশি
শুভ সংখ্যা: ৩

কন্যা: কন্যা রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি ভালো যাবে না। এই রাশির জাতক জাতিকাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় কষ্ট পেতে পারেন। বাড়িতে কোনও সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে আজ। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করুন। গলার সমস্যায় ভুগতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সঙ্গে মতবিরোধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আজকে ব্যয় বহুল দিন পার করতে পারেন। আয়কর ও ট্যাক্স সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু ঝামেলা দেখা দেবে। কোনো আত্মীয়ের সাথে দ্বন্দ্ব সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ২


তুলা: তুলা রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি শুভাশুভ মিশ্র। অপচয় হতে পারে। আজ সকালের দিকে কোনও খরচ আপনার বাড়তে পারে। অনেক বন্ধু আজ বাড়িতে আসতে পারে। যারা বিবাহের কথা ভাবছেন তারা কয়েক দিন অপেক্ষা করুন। পদার্থবিদ্যা নিয়ে যারা লেখাপড়া করছেন, তারা সাফল্য পাবেন। লিভারের ও পেটের সমস্যায় ভোগান্তি।আজ আপনার আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। চাকরিজীবীদের বেতন বোনাস লাভের যোগ প্রবল। ব্যবসা-বাণিজ্যে ভালো অগ্রগতি আশা করতে পারেন। বন্ধু বা কোনো ভাই বোনের দ্বারা উপকৃত হবেন। আজকে মনোবাঞ্ছা পূরণ হতে পারে।

শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

বৃশ্চিক: এই রাশির জাতক জাতিকাদের আজ স্ত্রীয়ের কর্মকুশলতায় বড় কোনও সমস্যা থেকে উদ্ধার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ ব্যবসায় নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। নিজস্ব বুদ্ধি বলে এবং পরাক্রমে এদিন অনেক কঠিন সমস্যার সমাধান করতে পারেন। পদোন্নতি হবে।
কর্মস্থলে আপনার কাজের দায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে। সরকারি চাকরিতে উন্নতির সম্ভাবনা প্রবল। কর্মস্থলে কোনো প্রতিযোগীতামূলক কাজে সফল হতে পারেন। প্রভাবশালী কোনো কর্মকর্তা বা নেতার আনুকূল্য লাভের সুযোগ পেয়ে যাবেন। গৃহ সুখের বৃদ্ধি হবে।

শুভ রং: লাল
শুভ সংখ্যা: ২

ধনু: এই রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। সকালের দিকে বেচাকেনায় ভালো আয়ের সুযোগ রয়েছে। মিষ্টান্ন ও খাদ্য দ্রব্য প্রস্তুত কারকদের ভালো আয় হবে। দুপরের পর থেকে ব্যয় বৃদ্ধির যোগ। মানসিক অস্থিরতাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন। ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। বিদেশ থেকে ভালো কিছু টাকা আসতে পারে।
আজ বেকারদের ভাগ্য উদয়ের সম্ভাবনা প্রবল। ধর্মীয় কোন কাজে অংশ নিতে পারেন। উচ্চ শিক্ষার জন্য ভালো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির যোগ রয়েছে। ব্যবসায়ীক কাজে বা চাকরির কোনো প্রয়োজনে অন্যত্র যেতে হবে।

শুভ রং: মেরুন
শুভ সংখ্যা: ৫


মকর: এই রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। সন্তানের সাথে বেড়াতে যেতে পারেন। সৃজনশীল কাজে আপনার সুনাম ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে। কোন বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন।ব্যবসায়ীক কারণে কোনো পুলিশি হয়রানির সম্মুখীন হতে পারেন। মামলা মোকদ্দমায় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল। রোমান্টিক সম্পর্কে নতুন ঘটনা ঘটতে পারে। আজ নিঃসন্তানদের সন্তান লাভের যোগ বলবান। প্রতিযোগীতামূলক কোন কাজে বিজয়ী হবার সম্ভাবনা। আজ ঋণ দান বা ঋণগ্রহণ করতে হতে পারে। কোন পরিচিত শুভাকাঙ্খীর মৃত্যু সংবাদ পেতে পারেন। ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে লাভবান হওয়ার যোগ। ইন্সুরেন্স থেকে প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রবল।

শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ৫

কুম্ভ: এই জাতক জাতিকার দিনটি প্রত্যাশা পূরণের। সাংসারিক কোন বিষয়ে মায়ের পরামর্শে উপকৃত হতে পারেন। আজ মামলা মোকদ্দমায় বিজয়ী হতে পারবেন। অবিবাহিতদের বিয়ের যোগ প্রবল। সাহায্য লাভের যোগ প্রবল। যানবাহন লাভের সুযোগ আসতে পারে। চিকিৎসক ও ঔষধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের আর্থিক উন্নতি হতে পারে। জমি ও ভূমি ক্রয় বিক্রয়ে সফল হতে পারেন। আজ আপনি সকল প্রকার অংশীদারি কাজে সফল হবেন। জীবন সাথীর সাহায্য লাভের যোগ প্রবল। ব্যবসা-বাণিজ্যে আশানুরুপ অর্থলাভের যোগ রয়েছে।

শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ১


মীন: এই রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে কর্মরতদের কাজের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে। ছোট ভাই বোনের কর্ম লাভের যোগ বলবান। আজ চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের কাজেকর্মে সাফল্য আসবে না। কোন ভালো সংবাদ পেতে পারেন। প্রবাসীদের মনবাঞ্ছা পূরণের সম্ভাবনা। মানি এক্সচেঞ্জ ও বিকাশ এজেন্সি ব্যবসায়ীরা ভালো আয় করতে পারেন৷কর্মস্থলে সহকর্মী বা কোনো অধীনস্ত কর্মচারীর কারণে বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আজ রিপুকে দমন করতে হবে। হঠাৎ করে অসৎ সঙ্গে পড়ে যেতে পারেন।

শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৮

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই


Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে।



আজকের রাশিফল শনিবার saturday 4/7/20
Ajker Rashifol :

মেষ রাশি ঃ মেষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় আয় রোজগার বৃদ্ধির সুযোগ আসবে। বকেয়া বিল আদায় হওয়াতে শ্রমজীবীরা বাড়ির পথে রওয়ানা হতে পারেন। বাড়িতে কোনো আত্মীয় কুটম্বর সাহায্য লাভের যোগ প্রবল। পিতার সাথে কোনো বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি দেখা দেবে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন। সরকারি চাকুরেদের ট্রেনিং এর জন্য অন্যত্র যাত্রার সম্ভাবনা। রাজনৈতিক কাজে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। বন্ধু বা পিতৃ স্থানীয় কারও দ্বারা উপকৃত হতে পারেন।

শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ২


বৃষ রাশি ঃ বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। সাংসারিক কাজে ব্যস্ত দিন কাটবে। উপহার সামগ্রী পেতে পারেন। অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে। মানসিক দুশ্চিন্তার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। শিল্পী ও কলাকুশলীরা শেষ মূহুর্তে কিছু কাজের সুযোগ পেতে পারেন।বৃষ রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি ভাগ্যদয়ের। বিদ্যার্থীরা পড়াশোনার জন্য বৃত্তি পেতে পারেন। ধর্মীয় কাজে সুযোগ আসতে পারে। জীবন সাথীর ভাগ্য উন্নতির যোগ প্রবল। বিশ্ববিদ্যালযয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের দিনটি বলবান। পিতার সাহায্য পেতে পারেন।

শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ৩

মিথুন রাশি ঃ মিথুন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভাশুভ মিশ্র যাবে। দূরে কোথাও যাত্রা করতে পরেন। ব্যবসায়ীক কাজের জন্য ট্রাভেল করতে হতে পারে। প্রবাসীরা দেশে কিছু অর্থ প্রেরণ করতে পারেন। প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রী ক্রয় করার জন্য ব্যয় হবে। আত্মীয় স্বজনকে কিছু অর্থ সাহায্য করতে হবে। আউটসোর্সিং এর সাথে জড়িতদের বড় ধরনের ধন লাভের যোগ। ক্যামিক্যাল ব্যবসায়ীরা কোনো পণ্য আমদানি করতে।কোনো অনৈতিক কর্মের জন্য গ্রেফতার বা পুলিশি হয়রাণির আশঙ্কা প্রবল। কেতু মঙ্গলের প্রভাবে পায়ে কোমড়ে কোনো আঘাত পেতে পারেন। যানবাহনে দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলতে হবে।

শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ২

কর্কট রাশি ঃ কর্কট রাশির জাতক জাতিকাদের দিনটি ভালো যাবে না । বন্ধুদের সাহায্য পেয়ে যাবেন। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে ভালো আয় রোজগার হবে না । বস্ত্র ও খাদ্য দ্রব্য ব্যবসায় ভালো আয় রোজগার হবে। অংশিদারী কাজে কিছু লাভের আশা করতে পারেন। চাকরিজীবীদের কাজের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে।জীবন সাথীর কোনো রহস্যপূর্ণ আচরণের কারণে দাম্পত্য কলহের শিকার হতে পারেন। বিবাহে বাধা-বিপত্তি দেখা দেবে। ব্যবসায়ীরা আশানুরুপ লাভ করতে পারবেন না।

শুভ রং: আকাশি
শুভ সংখ্যা: ৩

সিংহ রাশি ঃ সিংহ রাশির জাতক জাতিকাদের দিনটি ভালো যাবে না । সামাজিক ও দাতব্য কাজে অংশ নিতে পারেন। প্রভাবশালী কোনো রাজণৈতিক নেতার সাহায্য পেতে পারেন। পিতার কাছ থেকে কিছু উপহার সামগ্রী পেতে পারেন। সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে না ।অনৈতিক কাজের থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। কাজের লোক বা কর্মচারীর উপর বেশী নির্ভর করা ঠিক হবে না।শরীর স্বাস্থ্য ও মানসিক দিক ভালো যাবে না। কোনো বন্ধুর দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন। কর্মস্থলে গোপন শত্রুতা বৃদ্ধি পাবে। চন্দ্র কেতুর প্রভাবে এলার্জী জনিত রোগ থেকে সাবধান হতে হবে। ঋণ যোগ প্রবল।
শুভ রং: আকাশি
শুভ সংখ্যা: ৩


কন্যা রাশি ঃ কন্যা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভাগ্য উন্নতির। ভালো কোনো সংবাদ আসতে পারে। ধর্মীয় কাজে সাফল্য পেতে পারেন। বিদ্যার্থীদের কিছু উপবৃত্তি লাভের যোগ রয়েছে। আধ্যাত্মীক কোনো ব্যক্তির সাহায্য পেতে পারেন।
অনভিপ্রেত ঘটনার মোকাবেলা করতে হবে। দিনের শেষ ভাগে সৃজনশীল কাজে অগ্রগতি আশা করা যা আজ সন্তানের উচ্চ শিক্ষার্থে সুযোগ আসবে। শিল্পী ও কলাকুশলীরা দূরে কোথাও যেতে পারেন। রোমান্টিক বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। প্রেমিকাকে নিয়ে বাহিরে কোথাও না যাওয়াই ভালো।

শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ২

তুলা রাশি ঃ তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ব্যবসায়ীদের জন্য ভালো যাবে না। পাওনাদারের টাকা পরিশোধের চাপ বৃদ্ধি পাবে। ব্যাংক থেকে কিছু টাকা তুলতে হবে। রাস্তাঘাটে ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা না করাই ভালো। আজ তুলা রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি প্রত্যাশিত কাজে অগ্রগতি হবে না । সকালের দিকে মায়ের সাথে কোনো কারণে ভুল বোঝাবুঝি দেখা দেবে। আত্মীয়র সাথে কোনো বিষয়ে বিরোধ হতে পারে। জমি ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা দেখা দেবে। যানবাহন ক্রয় করতে পারেন।

শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

বৃশ্চিক রাশি ঃ বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার আয় রোজগারে অগ্রগতি হবে না । জীবন সাথীর পূর্ণ সহায়তা পেতে পারেন। বস্ত্র ও খাদ্য দ্রব্য ব্যবসায়ীরা ভালো আয়ের সুযোগ পাবেন। অংশিদারী কোনো ব্যবসায় কিছু আয় রোজগার হবে। অবিবাহিতদের বিয়ের আলোচনায় অগ্রগতি আশা করা যায়। ব্যবসা ক্ষেত্রে কোনো বিদেশি অর্ডার বাতিল হতে পারে। প্রতিবেশীর সাথে বিবাদ এড়িয়ে চলতে হবে।ছোট ভাই-বোনের সাথে কোনো কারণে মনমালিন্য হতে পারে। সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের কাজে রহস্যজনক বাধা-বিপত্তি দেখা দেবে। মানি এক্সচেঞ্জ ও হুন্ডি ব্যবসায়ীদের আইনগত জটিলতা থেকে সতর্ক হতে হবে।

শুভ রং: লাল
শুভ সংখ্যা: ২


ধনু রাশি ঃএই রাশির জাতক-জাতিকার দিনটি শুভ। জাতক জাতিকার অসুস্থতা কেটে যাবে। কর্মস্থলের ঝামেলা কেটে যাবে। কোনো সহকর্মীর সাহায্য পেতে পারেন। কাজের লোক ও অধিনস্ত কর্মচারীদের দ্বারা উপকৃত হওয়ার সুযোগ আসবে। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন। টনসিল বা গলা ব্যাথা থেকে সতর্ক হতে হবে। দিনের শেষ ভাগে বাড়িতে কোনো কুটুম্বর আগমন হতে পারে। সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে বাধা-বিপত্তি দেখা দেবে।খুচরা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ভালো আয় রোজগার হতে পারে। বিদেশী পণ্য বিক্রেতাদের দিনটি ভালো যাবে। রেস্টুরেন্ট ও বেকারী ব্যবসায় কোনো ঝামেলা হবার আশঙ্কা রয়েছে।

শুভ রং: মেরুন
শুভ সংখ্যা: ৫

মকর রাশি ঃ মকর রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। সন্তানের জন্য কিছু কেনাকাটা করতে হবে। প্রেমিক প্রেমিকাদের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়ন কমে আসতে থাকবে। সৃজনশীল পোশাক ও অলঙ্কার নির্মাতাদের আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে কোনো ভাই বোনের সাহায্য পেয়ে যাবেন। ব্যবসা ক্ষেত্রে অংশিদারের সাথে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। দাম্পত্য ক্ষেত্রে অকারন সন্দেহ ও অন্ধ বিশ্বাস ক্ষতির কারণ হয়ে যাবে। প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। কর্মস্থলে কোনো ভালো ঘটনা ঘটতে পারে। ব্যবসায় আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। মানসিক অস্থিরতা বা অতৃপ্ততায় ভুগতে পারেন।

শুভ রং: সবুজ
শুভ সংখ্যা: ৫

কুম্ভ রাশি ঃ কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি প্রত্যাশিত কাজে সাফল্যের। পারিবাকি কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা চলতে পারে। আসবাবপত্র ক্রয় করার যোগ প্রবল। আত্মীয় স্বজনদের সাহায্য পাবেন। গৃহ পালিত কোনো পশুর বিক্রয় করতে হবে। প্রবাসীরা কোনো ভালো সংবাদ পাবেন। ট্রাভেল এজেন্সি ও ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীরা ভালো আয় রোজগার করতে পারবেন না । ট্যুর অপারেটরদের আয় উন্নতি বৃদ্ধি পাবে। আইনগত কোনো জটিলতার অবশান আশা করা যায়।

শুভ রং: সাদা
শুভ সংখ্যা: ১


মীন রাশি ঃ মীন রাশির জাতক জাতিকার সকল প্রকার যোগাযোগ শুভ। অনলাইন কোনো আউটসোসির্ং থেকে কিছু অর্থ রোজগারের যোগ। অনলাইন যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। অনলাইনে বিক্রয় করলে ভালো দাম পেতে পারেন। রহস্যজনক ব্যবসায় ভালো আয় রোজগার হতে পারে।প্রবাসী বড় ভাই বা বন্ধুর কাছ থেকে আর্থ পেতে পারেন। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে বকেয়া টাকা আদায়ের যোগ প্রবল। চাকরীজীবীদের বকেয়া বেতন বোনাস আদায় হতে পারে। ব্যবসায়ীরা হঠাৎ কিছু অর্থ লাভ করতে পারেন।

শুভ রং: কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩

বাংলা পঞ্জিকা, বাংলা পাঁজি ইংরেজি 2020
বাংলা ১৪২৭ Banla panjika, panji

5 -7-20 রবিবার আষাঢ় -২০ বিকারী
অয়ন : উত্তারায়ানা ঋতু : গ্রীষ্ম
কাল : গ্রীষ্মকাল পক্ষ : শুক্ল পক্ষ
সূর্যোদয় : 6:02 amচন্দ্রোদয় : 07:09 pm
সূর্যাস্ত : 6:46 pmচন্দ্রাস্ট : 06:48 am
সূর্য রাশি : মিথুনचচন্দ্র রাশি : মকর
পঞ্জিকা
বার : রবিবার
তিথি :পূর্ণিমা সমাপ্ত 10:14 am প্রতিপদ শুরু
নক্ষত্র : পূর্বাষাঢ়া সমাপ্ত 11:02 pm উত্তরাষাঢ়া শুরু
যোগ : যৈংদ্র সমাপ্ত 11:02 pm বৈধৃতি শুরু
করণ :বব 10:14 am
বালব 09:44 pm
কৌলব 09:44 pm
ভাল সময়অভিজিত মুহুর্ত : 11:58 am – 12:49 pm
অমৃত কালম : 06:17 pm – 07:52 pm
আনন্দদী যোগ : 11:02 pm amrut
খারাপ সময়রাহু কালম : 4:14 pm – 5:31 pm
য়মগন্ড : 12:24 pm – 1:41 pm
ভর্জ্যম : 08:50 am – 10:25 am
গুলিক : 2:57 pm – 4:14 pm
দুর্মুহুর্ত : 1. 04:09 pm – 04:50 pm






Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই



Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

Ajker Rashifol, kalker Rashifol, saptahik, masik, batsarik Rasifol, Ajker din kemon jabe, kalker din kemon jabe, Bibeher din বিবাহের দিন, পূজার শুভ সময়, Pujar suvo samay, বাংলা পঞ্জিকা 1427,



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200704181137

Thursday, July 2nd, 2020

Astro Research Centre

ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।

ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।


ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।
ঈশ্বর , কর্মফল ( সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ) ।

জ্যোতিষাচার্জ বরাহমিহির সূর্য , চন্দ্র , মঙ্গল , বুধ , বৃহস্পতি , শুক্র , শনি সাত গ্রহ আর রাহু কেতু [ ছায়া গ্রহ ] নিয়ে নয় গ্রহ আমাদের জীবন কে নিয়ন্ত্রন করে । এই গ্রহের শুভতা মানুষের জীবনে বয়ে নিয়ে আসে আবার অশুভতা নিয়ে আনে দুঃখ কষ্ট এতে কোন সন্দেহ নেই ।বেদান্তসূত্রে সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, জগৎকে সৃষ্টির জন্য ব্রহ্মকেও জীবের কর্মের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। কেননা, এই সৃষ্টিজগৎ আপ্তকাম ব্রহ্মের লীলা (ব্রহ্মসূত্র-২/১/৩৩) হলেও, জগৎ-স্রষ্টা হিসেবে ব্রহ্মর পক্ষপাতিত্ব ও নিষ্ঠুরতার আপত্তি উত্থাপিত হয়। জ্যোতিষ বিষয়ে বিদগ্ধ জনেরা মনে করেন, এই শাস্ত্রের ব্যাখ্যা খুঁজতে গেলে জন্মান্তর তত্ত্বে বিশ্বাস প্রয়োজন।

জ্যোতিষ একটি সংস্কৃত শব্দ। এই শব্দের একটি অর্থ হল “জ্যোতির্বিষয়ক” এবং অস্ত্যর্থে এই শব্দের একটি অর্থ হল “জ্যোতিষশাস্ত্রবিৎ” এবং অন্য অর্থ “জ্যোতির্ব্বিৎ”। জ্যোতিষ ৬ টি বেদাঙ্গের অন্যতম।

জ্যোতিষ্ক বিষয়ক তথ্য, সূত্রাবলী ও ব্যবহারিক প্রয়োগসমূহের সামগ্রিক জ্ঞান জ্যোতিষশাস্ত্র নামে পরিচিত। এই শাস্ত্রের উৎপত্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান এক এবং অভিন্ন ছিল। পরবর্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র জ্যোতিষ্কগুলির গতি এবং অবস্থানের ভিত্তিতে, প্রাকৃতিক এবং শারীরিক লক্ষণ অথবা দুয়ের সমন্বয়ে ব্যক্তি, সমষ্টি বা দেশের ভবিষ্যত নিরুপণের প্রায়োগিক দিকটি নিয়ে অভিজ্ঞতাভিত্তিক জ্ঞানের সংগ্রহ হিসেবে বিস্তার লাভ করে।

সূর্য স্থির গ্রহ অন্য গ্রহ তার চারিদিকে গ্রহ উপগ্রহ পরিভ্রমণ করে তাদের নিয়ে আমাদের সৌর জগত । মানবীয় জীবনে সময় মত হয় । আমাদের জীবনে সুখ দুঃখ , লাভ হানি , জয় পরাজয় , জন্ম মৃত্যু , মিত্রতা শত্রুতা , অথবা আমাদের জীবনে যায় ঘটুক না কেন , এই সব নব গ্রহের প্রভাবে । বিশ্বের প্রত্যেক বস্তু , জীব জন্তু পশু পক্ষী , গাছ পালা তে এই গ্রহ এর প্রভাবে প্রভাবিত । গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাবে বিশ্বে সমস্ত কাজ সম্পাদিত হয় । মানুষ তিন গুনের মধ্যে আবদ্ধ সত্ত্ব , রজ , তমো ।

জ্যোতিষাচার্জ বরহ মিহির পরিষ্কার করে বলেছেন মানুষ জীবনের চারদিকে দ্রুত গতিতে গতিশীল আর সেইক্ষণে মানুষ যে স্থলে জন্ম নেয় সেই সময় সেই স্থলে যে গ্রহের দৃষ্টি তার প্রভাব জাতকের স্বভাব সেই মত হয় তার উপর সেই গ্রহের প্রভাব পরে । কোন জাতক তমোগুণ কোন জাতক সত্ত্ব গুণী কোন জাতক রজোগুণী এই গ্রহে ঐ স্থানের জাতকের মধ্যে তার প্রভাব পড়ে । ধরুন একজন ঘাতক কেন ঘাতক ? একজন পণ্ডিত জ্ঞানী ব্যক্তি কেন পণ্ডিত জ্ঞানী ? তার জন্ম তারিখ জন্মের সময় জন্মের স্থানে তাৎক্ষনিক গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান নির্ধারিত করে দেয় সেই জাতক কেমন হবে । গ্রহের দৃষ্টি প্রভাব সেই জাতক কেমন হবে তা নির্ধারিত করে দেয় তাকে লগ্ন ঠীকুজি কুষ্ঠী বলে ।

লগ্ন অনুসারে জাতক / জাতিকার ভাগ্য নির্ধারিত একে কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না । সারা জীবনের ভাগ্য সেই দিন নির্ধারিত ।

কোষ্ঠী ঠীকুজি জন্মপত্রিকা। এতে নবজাতকের জন্মসময়ে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ও সঞ্চরণ অনুযায়ী তার সমগ্র জীবনের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। এ জন্য জন্মসময়টি সঠিকভাবে নির্ণীত হওয়া প্রয়োজন, তা না হলে কোষ্ঠী গণনা সঠিক হয় না। খ্রিস্টীয় ছয় শতকের ভারতীয় জ্যোতিষাচার্জ বরাহমিহিরের গ্রন্থে কোষ্ঠীপদ্ধতির প্রথম পরিচয় পাওয়া যায়। তাই অনুমান করা হয়, এর দু-তিনশ বছর পূর্বে ভারতবর্ষে কোষ্ঠী গণনা শুরু হয়। কোষ্ঠী গণনা পাশ্চাত্যের অনেক দেশেও প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত আছে। ঠীকুজি কোষ্ঠী গণনার এ চক্র বা ছকের অঙ্কনপদ্ধতি সর্বত্র একরকম নয়। ভারতবর্ষেই তিন রকম এবং পাশ্চাত্যে অন্যরকম। দক্ষিণ ভারত ব্যতীত অন্য সব স্থানের চক্রের গতি বামাবর্তী। বঙ্গদেশ ও দক্ষিণ ভারতের রাশিচক্র স্থির; মেষ রাশি থাকে সর্বদা শীর্ষদেশে এবং লগ্ন পরিবর্তনশীল। কিন্তু উত্তর ভারত ও পাশ্চাত্যে রাশিচক্র স্থির নয়, যেকোনো স্থানে রাশি অবস্থান করতে পারে, তবে লগ্ন সর্বদাই একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। উত্তর ভারতের ছকে লগ্ন থাকে শীর্ষদেশে এবং পাশ্চাত্যে থাকে বাম পাশে।

সারা জীবন জাতক / জাতিকার কোন শুভ গ্রহের শুভফল পাবে আর কোন গ্রহের কুফল পাবে । এটা বুঝতে গেলে জানতে হবে কোন গ্রহ কি ফল দেয় ?

রবিঃ যশ ও প্রতিষ্ঠা

চন্দ্রঃ সৌম্য , শীতলতা ও মন

মঙ্গলঃ শৌর্য এবং পরাক্রম

বুধঃ বুদ্ধি ,বিবেক এবং বানিজ্য

বৃহস্পতিঃ ধর্ম , ন্যায় ,পরলৌকিক সুখ ও নীতি

শুক্রঃ বিষয় বাসনা , কলা , সৌন্দর্য , সাংসারিক সুখ

শনিঃ দুঃখ , ব্যাধি , কর্মফল

রাহুঃ পাপ কর্ম ,দুর্ভাগ্য ,রাজনীতি , সাহস

কেতুঃ দুঃখ ,রোগ , দুর্ঘটনা এবং শোক

এগুলি কখন ঘটবে তা জানতে দশ অন্তর দশা ও গোচর দেখতে হবে ।

স্বামী নিগমানন্দের মতে, কর্ম তিন প্রকারের যথা: ক্রীয়মান, সঞ্চিত, এবং প্রারব্ধ। যখন কেউ তার শ্রমের ফল তার জীবদ্দশাতেই উপভোগ করতে পারে, তখন তাকে বলা হয় ক্রীয়মান; তার শ্রমের ফল ভোগ করার পূর্বেই যদি সে মারা যায়, তবে তাকে বলা হয় সঞ্চিত কর্ম। পূর্ব জন্মের সঞ্চিত কর্মের উদ্বৃত্ত অংশ ভোগ করার জন্য যদি তার পুনর্জন্ম হয়, তবে তাকে বলা হয় প্রারব্ধ। সাধনার গুণে কারো পক্ষে ক্রীয়মান ও সঞ্চিতের প্রভাব নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলা যেতে পারে কিন্ত্তু প্রারব্ধ কর্মের প্রভাব মুছে ফেলা সম্ভব নয়। পার্থিব উচ্চাকাঙ্ক্ষা দ্বারা যতক্ষণ কোন ব্যক্তি আবিষ্ট থাকে ততক্ষণ তাকে নিশ্চিতভাবে জন্ম-মৃত্যুর অন্তহীন ভ্রমণ গ্রহণ করতে হবে। জীবাত্মা কখনও কখনও নাক্ষত্রিক জগতে ভ্রমণ করার জন্য স্থূল দেহ ত্যাগ করে যাকে বলা হয় প্রেত লোক। এর কর্মের প্রভাবের মধ্য দিয়ে যাবার পর এটি স্থূল দেহের সাথে স্থূল জগতে ফিরে আসে তার অতিরিক্ত বাসনাসমূহ যা তার পূর্ব জন্মে ছিল তা পূরণ করার জন্য। এ ব্যাপারে অজ্ঞ হয়ে কিভাবে এটি এক জগত থেকে অন্য জগতে চলাফেরা করে তা এক বড় রহস্যের বিষয়। যোগীরা এ রহস্য স্পষ্টভাবে হৃদয়ঙ্গম বা প্রত্যক্ষ করতে পারেন এবং জীবের পূর্ব সংস্কার সম্পর্কে বলতে পারেন।

বেদান্তদর্শন-ব্রহ্মবেদান্ত-১৭ : বাদরায়ণের দার্শনিক মত- কর্মফল ও পুনর্জন্ম |

কর্মফল ও পুনর্জন্ম

বেদান্তসূত্রে সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, জগৎকে সৃষ্টির জন্য ব্রহ্মকেও জীবের কর্মের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। কেননা, এই সৃষ্টিজগৎ আপ্তকাম ব্রহ্মের লীলা (ব্রহ্মসূত্র-২/১/৩৩) হলেও, জগৎ-স্রষ্টা হিসেবে ব্রহ্মর পক্ষপাতিত্ব ও নিষ্ঠুরতার আপত্তি উত্থাপিত হয়। বস্তুত জগতে- মানব সমাজে- যে বৈষম্য দেখা যায়, অনেকেই শ্রম করতে করতে অনাহারে মৃতপ্রায় হলেও কেউ কেউ বিনা পরিশ্রমেই অন্যের শ্রমের ফল ভোগ করে বিলাসী জীবন কাটায়। তাদের দেখেই পুরোহিতবর্গ দেবলোকের কল্পনা করেছেন। আবার মনুষ্য থেকে ক্ষুদ্রতম কীট পর্যন্ত প্রাণিজগতে যে ভীষণ সংহার দেখা যায় যায় তা জগৎ-স্রষ্টা ব্রহ্মকে বড়ই হৃদয়হীন বলে প্রমাণ করে, এবং তার থেকে আত্মরক্ষার জন্যই উপনিষদে পূর্বজন্মকৃত কর্মসিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়েছে-

‘তাদের মধ্যে যারা (পূর্বজন্মে) রমণীয় আচরণ বা পুণ্যকর্ম করে তারা দেহান্তরে শীঘ্রই ব্রাহ্মণযোনিতে বা ক্ষত্রিয়যোনিতে বা বৈশ্যযোনিতে জন্মলাভ করে। আবার যারা (পূর্বজন্মে) কপূয়াচরণ অর্থাৎ কুৎসিত বা অশুভ কর্ম করে তাদের শীঘ্রই কুকুরযোনিতে বা শূকরযোনিতে বা চণ্ডালযোনিতে পুনর্জন্ম হয়।’- (ছান্দোগ্য-৫/১০/৭)।

জ্যোতিষশাস্ত্রে অনেক পদ্ধতি প্রচলিত আছে। তবে অধিকাংশ জ্যোতিষী পরাশর বর্ণিত মতেরই অনুসরণ করেন। এ ছাড়া জৈমিনী, কৃষ্ণমূর্তি ইত্যাদি পদ্ধতিও ব্যবহৃত হয়। অনেকে বিভিন্ন পদ্ধতির সংমিশ্রণের দ্বারাও ফলাফল নির্ণয় করেন। জ্যোতিষ শাস্ত্রের দুটি অংশ। একটির দ্বারা কোন ব্যক্তির জন্মসময়ের গ্রহের অবস্থান এবং পরবর্তী সময়ে তাদের অবস্থান ও গতিপথ নির্ণয় করা হয় – এটা হল জ্যোতির্বিজ্ঞান (astronomy)। অন্যটির দ্বারা গ্রহ সংস্থান থেকে ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ করা হয় – এটা ফলিত জ্যোতিষ (applied astrology)। প্রথমটি নিছক গণিতশাস্ত্র। এটা নিয়ে কারো কোন সংশয় নেই। কিন্তু দ্বিতীয়টির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কিছু লোক দ্বিধাগ্রস্ত।

জ্যোতিষশাস্ত্র এটি একধরনের কলাশাস্ত্র বা ভবিষ্যৎকথন হিসেবে পরিচিত। আধুনিককালের জ্যোতিষীগণ প্রতীকের মাধ্যমে জ্যোতিষশাস্ত্র অধ্যয়ন করে থাকেন। জ্যোতিষ ভাগ্য পরিবর্তন করেনা তবে এই শাস্ত্রের সহায়তায় নিজের ভাগ্য নিজেই পরিবর্তন করা সম্ভব |ডান হাত দেখতে হবে না বাঁ হাত? ভারতীয় প্রাচীন সংস্কার হল, পুরুষের ডান হাত ও মেয়েদের বাঁ হাত দেখা উচিত, কারণ তাদের বলা হয় বামা। স্বামীর বাঁ দিকে অবস্থান করে সব সময়কিন্তু গভীর তত্ত্ব ও তথ্য অনুসন্ধানী পাশ্চাত্য বিজ্ঞানীরা বলেছেন এটা ভুল। হাতের রেখার সঙ্গে স্নায়ুর সম্পর্ক। যারা বাঁ হাত বেশি ব্যবহার করে, সে পুরুষ বা নারী যেই হোক তার বাঁ হাতের রেখা হবে ফলপ্রদ। আবার অধিকাংশ মেয়েই ডান হাত হাত দিয়েই কাজ কর্ম বেশি করে। তাই তাদের বক্তপ্রবাহ ডান হাতেই বেশি হয়। কিন্তু অধিকাংশ নারীর দেখা যায় বাম বাহু, ডান বাহুর থেকে পুষ্ট বাম স্তন ডান স্তনের থেকে পুষ্ট।এই বিষয়ে বাইবেলে লেখা আছে, মেয়েদের আয়ুরেখা দেখবে ডান হাতে এবং যশ দেখবে তার বাম হাতে।বিখ্যাত হস্তরেখাবিদ বেনহ্যাম বলছেন, দু’টি করতলেরই রেখা, গঠন ও চিহ্ন বা তিল থেকে ফল পাওয়া যয় আবার কিরো বলছেন, পূর্বজন্মের যা কর্মফল ভোগ হওয়ার কথা বা সংস্কার তা হল বাম হাত। কর্ম করার ফলে তার মধ্যে পরিবর্তন হয়ে যা দাঁড়াবে তা হলো ডান হাত। তাই এই ডান হাতের রেখা দ্রুত পাল্টাতে পারে বর্তমান কর্ম অনুযায়ী। কিন্তু বাম হাতের রেখা তত দ্রুত পাল্টায় না বা পাল্টাতে পারে না। সেটা স্থায়ী প্রাচীন ফলের নথি মাত্র। তাই কিরোর মত মানলে, নারী-পুরুষ সবারই দু’টি হাত দেখেই বিচার করতে হবে


মুখ্য রেখাসমূহ -- এই পদ্ধতিতে হাতের সমস্ত রেখার ব্যাপক এবং সূক্ষ্মতার সঙ্গে অধ্যয়ন করা হয়। কিছু মুখ্য রেখা নিম্নে বর্ণিত--

জীবন রেখা -- হস্তরেখা বিজ্ঞান বা সামুদ্রিক শাস্ত্রে জীবন রেখাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ রেখা মনে করা হয়। কারণ এই রেখার দ্বারাই ব্যক্তির আয়ু, সঙ্কট, দুর্ঘটনা, মৃত্যু সম্পর্কে জানা যায়। বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ এবং তর্জনির মধ্যভাগ থেকে বেরিয়ে হাতের নীচের অংশ অর্থাত্‍‌ মণিবন্ধ পর্যন্ত বিস্তৃত। সুস্থ রেখা ভালো জীবনের ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু ভাঙা, কাটা, অসম্পূর্ণ বা দ্বীপ আছে এমন রেখা ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে শুভ সঙ্কেত দেয় না।

মস্তিষ্ক রেখা -- জীবন রেখার সঙ্গেই মস্তিষ্ক রেখাও বের হয়। এটি কখনও সোজা বা কখনও নীচের দিকে যায়। কখনও কখনও এই রেখা জীবন রেখার সঙ্গে না-বেরিয়ে একটু ওপরের দিক থেকে বের হয়। এই রেখার সাহায্যে মানসিক ক্ষমতা, বুদ্ধি, যোগ্যতা, মানসিক স্তর, বৈচারিক ক্ষমতা ইত্যাদি নির্ণয় করা হয়। এই রেখা যত বেশি নির্দোষ হবে, তত শ্রেষ্ঠ মনে করা হয়। অর্ধেক বা অসম্পূর্ণ রেখা কম মানসিক ক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়। নীচের দিকে ঝুঁকে থাকা রেখা ব্যক্তির কলা, সঙ্গীত এবং সাহিত্যে রুচির দিকে ইশারা করে।

হৃদয় রেখা -- কনিষ্ঠার নীচ থেকে শুরু হয়ে তর্জনির দিকে এই রেখা অগ্রসর হয়। এই রেখা আন্তরিক ক্ষমতা, সংবেদনশীলতা, স্বভাব, গুণ, অবগুণ ইত্যাদির ইঙ্গিত দেয়। নীচে ঝুঁকে থাকা রেখা ব্যক্তিকে অন্তর্মুখী, সাহিত্য-সঙ্গীত প্রিয় বা কলা রসিক করে তোলে। আবার ওপরের দিকে এই রেখাটি গেলে তা ব্যক্তির, বহির্মুখী, যান্ত্রিক বিদ্যা এবং মস্তিষ্কের সাহায্যে কাজ করার ক্ষমতাকে প্রকাশিত করে।

ভাগ্য রেখা -- মণিবন্ধ অর্থাত্‍‌ হাতের নীচ থেকে বেরিয়ে যে রেখা মধ্যমার কাছে যায়, সেটিই ভাগ্য রেখা। যে ব্যক্তির ভাগ্য রেখা স্পষ্ট, তাঁরা ভাগ্যশালী হয়ে থাকেন। হাতের নীচ থেকে রেখা বেরলে তা পারিবারিক সমর্থনে ভাগ্যোদয়ের ইঙ্গিত দেয়।

জ্যোতিষ বা জ্যোতিষী নয় ভাগ্য বিধাতা ।
মানুষের কর্মই মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ সুকর্মের সুফল ভোগ করতে চেয়েছে আর দুষ্কর্মের কুফল এড়াতে চেয়েছে। অনভিপ্রেত বর্তমান আর ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের উপায়কেই প্রতিকার বলে। জ্যোতিষী (astrologer গণক, গণৎকার, দৈবজ্ঞ, গ্রহাচার্য, গ্রন্থিক, জ্যোতিষী, জ্যোতিষিক, জ্যোতির্বেত্তা) ভাগ্য বিধাতা নয় । আপনার কর্মই আপনার ভাগ্য বিধাতা । জ্যোতিষী পরামর্শ দিয়ে থাকেন ঠীকুজি, কোষ্ঠী জন্মপত্রিকা বিচার করে ।

ঠীকুজি , কোষ্ঠী জন্মপত্রিকা। এতে নবজাতকের জন্মসময়ে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ও সঞ্চরণ অনুযায়ী তার সমগ্র জীবনের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। এ জন্য জন্মসময়টি সঠিকভাবে নির্ণীত হওয়া প্রয়োজন, তা না হলে কোষ্ঠী গণনা সঠিক হয় না। প্রাচীনকালে বিশেষ পদ্ধতিতে এ জন্মসময় সূক্ষ্মভাবে নির্ণয় করা হতো।

ঠীকুজি , কোষ্ঠী অনুযায়ী কারও ভবিষ্যৎ গণনার সময় তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা বারোটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার নাম ‘ভাব’। বারোটি ভাব হচ্ছে তনু (শরীর), ধন, সহজ (সহোদর), বন্ধু (এবং মাতা), পুত্র (এবং বিদ্যা), রিপু (এবং রোগ), জায়া (বা স্বামী), নিধন (মৃত্যু), ধর্ম (এবং ভাগ্য), কর্ম (এবং পিতা), আয় ও ব্যয়। যে রাশিতে লগ্ন অবস্থিত সেখান থেকে তনুর বিচার শুরু হয়, তারপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ভাব গণনা করা হয়।

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যা পরস্পেরর জন্মরাশ্যাদি নিয়ে যে শুভাশুভ বিচার করা হয় তাহাকে যোটক বিচার বলা হয়। সে যোটক বিচার আট প্রকারঃ বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রীকুট, রাশি কুট, ত্রীনাড়ীকুট।

তবে সব রকমের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় না। কি ধরণের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় আর কি ধরণের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় না সেটা বলতে গেলে কী ধরণের কর্ম থেকে সেই ভবিষ্যৎ লেখা হয়েছে তা আলোচনা প্রয়োজন।

সঞ্চয়ের কালভেদে কর্ম চার প্রকার - প্রারব্ধ, সঞ্চিত, ক্রিয়মান এবং আগম কর্ম। সমস্ত পূর্ব জন্মের কর্ম হল প্রারব্ধ কর্ম। ইহজন্মের যে কর্ম এই জীবদ্দশাতেই ভোগ করা যায় তা ক্রীয়মান কর্ম। ইহজন্মের যে কর্ম ভোগের পূর্বেই মৃত্যু হয় তা হল সঞ্চিত কর্ম। প্রারব্ধ ও সঞ্চিত কর্ম ভবিষ্যৎ জন্মের যে কর্ম নির্দেশ করে তাই আগম কর্ম। প্রতিকার ক্রিয়মান কর্মের উপর প্রভাব বিস্তার করে ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের চেষ্টা করে থাকে।

কর্ম আবার ফলের নিশ্চয়তাভেদে তিন প্রকার। দৃঢ় কর্ম, অদৃঢ় কর্ম এবং দৃঢ়-অদৃঢ় কর্ম। দৃঢ় কর্মের ফল প্রায় অপরিবর্তনীয়। অদৃঢ় কর্মের ফল প্রতিকার এবং চেষ্টার দ্বারা অথবা শুধুমাত্র চেষ্টার দ্বারা সহজেই পরিবর্তনীয়। দৃঢ়-অদৃঢ় কর্মের ফল নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং প্রতিকারের দ্বারা কিছুটা পরিবর্তনীয়।

জ্যোতিষ মূলত ইঙ্গিতের শাস্ত্র। গ্রহের অবস্থান থেকে এখানে মানুষের ভবিষ্যত সম্পর্কে জানানো হয়। তেমন কোনও একটিমাত্র গ্রহ নেই যা কালান্তক হিসেবে কারোর কুণ্ডলীতে আবির্ভূত হবে। বেশ কিছু গ্রহ একত্রে এই মহাদশাকে নির্মাণ করে। বিষয়টি অত্যন্ত জটিল।

সনাতন জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, মৃত্যুর দিন ও ক্ষণ নির্ণয় করা যায়। কিন্তু এই হিসাব অত্যন্ত কঠিন। গ্রহের অবস্থান, দশা, অন্তর্দশা ইত্যাদির অতি সূক্ষ্ম বিচার থেকে এই বিশেষ ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব । তবে সবক্ষেত্রেই সম্ভব নয় । জ্যোতিষে মৃত্যুর ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষেত্রে কোনও শর্টকাট পদ্ধতি নেই। মৃত্যু এক প্রহেলিকা হিসেবে বিদ্যমান জগৎ সংসারে। বহু হিসেব-নিকেশ সত্ত্বেও তাকে সঠিক ভাবে জানা সম্ভব হয় না বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। খুবই দক্ষ জ্যোতিষীরা হয়তো এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন। আবার পারেন না ।

কানাডিয়ান দার্শনিক পল থাগার্ড Paul Thagard বলছেন যে জ্যোতিষশাস্ত্রটি এই অর্থে প্রতারণা হিসাবে বিবেচিত হবে না যতক্ষণ না এটি একটি উত্তরাধিকারী দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।

ধন্যবাদ



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200702094411

Thursday, July 2nd, 2020

Astro Research Centre

ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।

ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।


ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।
ঈশ্বর , কর্মফল ( সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ) ।

জ্যোতিষাচার্জ বরাহমিহির সূর্য , চন্দ্র , মঙ্গল , বুধ , বৃহস্পতি , শুক্র , শনি সাত গ্রহ আর রাহু কেতু [ ছায়া গ্রহ ] নিয়ে নয় গ্রহ আমাদের জীবন কে নিয়ন্ত্রন করে । এই গ্রহের শুভতা মানুষের জীবনে বয়ে নিয়ে আসে আবার অশুভতা নিয়ে আনে দুঃখ কষ্ট এতে কোন সন্দেহ নেই ।বেদান্তসূত্রে সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, জগৎকে সৃষ্টির জন্য ব্রহ্মকেও জীবের কর্মের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। কেননা, এই সৃষ্টিজগৎ আপ্তকাম ব্রহ্মের লীলা (ব্রহ্মসূত্র-২/১/৩৩) হলেও, জগৎ-স্রষ্টা হিসেবে ব্রহ্মর পক্ষপাতিত্ব ও নিষ্ঠুরতার আপত্তি উত্থাপিত হয়। জ্যোতিষ বিষয়ে বিদগ্ধ জনেরা মনে করেন, এই শাস্ত্রের ব্যাখ্যা খুঁজতে গেলে জন্মান্তর তত্ত্বে বিশ্বাস প্রয়োজন।

জ্যোতিষ একটি সংস্কৃত শব্দ। এই শব্দের একটি অর্থ হল “জ্যোতির্বিষয়ক” এবং অস্ত্যর্থে এই শব্দের একটি অর্থ হল “জ্যোতিষশাস্ত্রবিৎ” এবং অন্য অর্থ “জ্যোতির্ব্বিৎ”। জ্যোতিষ ৬ টি বেদাঙ্গের অন্যতম।

জ্যোতিষ্ক বিষয়ক তথ্য, সূত্রাবলী ও ব্যবহারিক প্রয়োগসমূহের সামগ্রিক জ্ঞান জ্যোতিষশাস্ত্র নামে পরিচিত। এই শাস্ত্রের উৎপত্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান এক এবং অভিন্ন ছিল। পরবর্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র জ্যোতিষ্কগুলির গতি এবং অবস্থানের ভিত্তিতে, প্রাকৃতিক এবং শারীরিক লক্ষণ অথবা দুয়ের সমন্বয়ে ব্যক্তি, সমষ্টি বা দেশের ভবিষ্যত নিরুপণের প্রায়োগিক দিকটি নিয়ে অভিজ্ঞতাভিত্তিক জ্ঞানের সংগ্রহ হিসেবে বিস্তার লাভ করে।

সূর্য স্থির গ্রহ অন্য গ্রহ তার চারিদিকে গ্রহ উপগ্রহ পরিভ্রমণ করে তাদের নিয়ে আমাদের সৌর জগত । মানবীয় জীবনে সময় মত হয় । আমাদের জীবনে সুখ দুঃখ , লাভ হানি , জয় পরাজয় , জন্ম মৃত্যু , মিত্রতা শত্রুতা , অথবা আমাদের জীবনে যায় ঘটুক না কেন , এই সব নব গ্রহের প্রভাবে । বিশ্বের প্রত্যেক বস্তু , জীব জন্তু পশু পক্ষী , গাছ পালা তে এই গ্রহ এর প্রভাবে প্রভাবিত । গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাবে বিশ্বে সমস্ত কাজ সম্পাদিত হয় । মানুষ তিন গুনের মধ্যে আবদ্ধ সত্ত্ব , রজ , তমো ।

জ্যোতিষাচার্জ বরহ মিহির পরিষ্কার করে বলেছেন মানুষ জীবনের চারদিকে দ্রুত গতিতে গতিশীল আর সেইক্ষণে মানুষ যে স্থলে জন্ম নেয় সেই সময় সেই স্থলে যে গ্রহের দৃষ্টি তার প্রভাব জাতকের স্বভাব সেই মত হয় তার উপর সেই গ্রহের প্রভাব পরে । কোন জাতক তমোগুণ কোন জাতক সত্ত্ব গুণী কোন জাতক রজোগুণী এই গ্রহে ঐ স্থানের জাতকের মধ্যে তার প্রভাব পড়ে । ধরুন একজন ঘাতক কেন ঘাতক ? একজন পণ্ডিত জ্ঞানী ব্যক্তি কেন পণ্ডিত জ্ঞানী ? তার জন্ম তারিখ জন্মের সময় জন্মের স্থানে তাৎক্ষনিক গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান নির্ধারিত করে দেয় সেই জাতক কেমন হবে । গ্রহের দৃষ্টি প্রভাব সেই জাতক কেমন হবে তা নির্ধারিত করে দেয় তাকে লগ্ন ঠীকুজি কুষ্ঠী বলে ।

লগ্ন অনুসারে জাতক / জাতিকার ভাগ্য নির্ধারিত একে কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না । সারা জীবনের ভাগ্য সেই দিন নির্ধারিত ।

কোষ্ঠী ঠীকুজি জন্মপত্রিকা। এতে নবজাতকের জন্মসময়ে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ও সঞ্চরণ অনুযায়ী তার সমগ্র জীবনের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। এ জন্য জন্মসময়টি সঠিকভাবে নির্ণীত হওয়া প্রয়োজন, তা না হলে কোষ্ঠী গণনা সঠিক হয় না। খ্রিস্টীয় ছয় শতকের ভারতীয় জ্যোতিষাচার্জ বরাহমিহিরের গ্রন্থে কোষ্ঠীপদ্ধতির প্রথম পরিচয় পাওয়া যায়। তাই অনুমান করা হয়, এর দু-তিনশ বছর পূর্বে ভারতবর্ষে কোষ্ঠী গণনা শুরু হয়। কোষ্ঠী গণনা পাশ্চাত্যের অনেক দেশেও প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত আছে। ঠীকুজি কোষ্ঠী গণনার এ চক্র বা ছকের অঙ্কনপদ্ধতি সর্বত্র একরকম নয়। ভারতবর্ষেই তিন রকম এবং পাশ্চাত্যে অন্যরকম। দক্ষিণ ভারত ব্যতীত অন্য সব স্থানের চক্রের গতি বামাবর্তী। বঙ্গদেশ ও দক্ষিণ ভারতের রাশিচক্র স্থির; মেষ রাশি থাকে সর্বদা শীর্ষদেশে এবং লগ্ন পরিবর্তনশীল। কিন্তু উত্তর ভারত ও পাশ্চাত্যে রাশিচক্র স্থির নয়, যেকোনো স্থানে রাশি অবস্থান করতে পারে, তবে লগ্ন সর্বদাই একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। উত্তর ভারতের ছকে লগ্ন থাকে শীর্ষদেশে এবং পাশ্চাত্যে থাকে বাম পাশে।

সারা জীবন জাতক / জাতিকার কোন শুভ গ্রহের শুভফল পাবে আর কোন গ্রহের কুফল পাবে । এটা বুঝতে গেলে জানতে হবে কোন গ্রহ কি ফল দেয় ?

রবিঃ যশ ও প্রতিষ্ঠা

চন্দ্রঃ সৌম্য , শীতলতা ও মন

মঙ্গলঃ শৌর্য এবং পরাক্রম

বুধঃ বুদ্ধি ,বিবেক এবং বানিজ্য

বৃহস্পতিঃ ধর্ম , ন্যায় ,পরলৌকিক সুখ ও নীতি

শুক্রঃ বিষয় বাসনা , কলা , সৌন্দর্য , সাংসারিক সুখ

শনিঃ দুঃখ , ব্যাধি , কর্মফল

রাহুঃ পাপ কর্ম ,দুর্ভাগ্য ,রাজনীতি , সাহস

কেতুঃ দুঃখ ,রোগ , দুর্ঘটনা এবং শোক

এগুলি কখন ঘটবে তা জানতে দশ অন্তর দশা ও গোচর দেখতে হবে ।

স্বামী নিগমানন্দের মতে, কর্ম তিন প্রকারের যথা: ক্রীয়মান, সঞ্চিত, এবং প্রারব্ধ। যখন কেউ তার শ্রমের ফল তার জীবদ্দশাতেই উপভোগ করতে পারে, তখন তাকে বলা হয় ক্রীয়মান; তার শ্রমের ফল ভোগ করার পূর্বেই যদি সে মারা যায়, তবে তাকে বলা হয় সঞ্চিত কর্ম। পূর্ব জন্মের সঞ্চিত কর্মের উদ্বৃত্ত অংশ ভোগ করার জন্য যদি তার পুনর্জন্ম হয়, তবে তাকে বলা হয় প্রারব্ধ। সাধনার গুণে কারো পক্ষে ক্রীয়মান ও সঞ্চিতের প্রভাব নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলা যেতে পারে কিন্ত্তু প্রারব্ধ কর্মের প্রভাব মুছে ফেলা সম্ভব নয়। পার্থিব উচ্চাকাঙ্ক্ষা দ্বারা যতক্ষণ কোন ব্যক্তি আবিষ্ট থাকে ততক্ষণ তাকে নিশ্চিতভাবে জন্ম-মৃত্যুর অন্তহীন ভ্রমণ গ্রহণ করতে হবে। জীবাত্মা কখনও কখনও নাক্ষত্রিক জগতে ভ্রমণ করার জন্য স্থূল দেহ ত্যাগ করে যাকে বলা হয় প্রেত লোক। এর কর্মের প্রভাবের মধ্য দিয়ে যাবার পর এটি স্থূল দেহের সাথে স্থূল জগতে ফিরে আসে তার অতিরিক্ত বাসনাসমূহ যা তার পূর্ব জন্মে ছিল তা পূরণ করার জন্য। এ ব্যাপারে অজ্ঞ হয়ে কিভাবে এটি এক জগত থেকে অন্য জগতে চলাফেরা করে তা এক বড় রহস্যের বিষয়। যোগীরা এ রহস্য স্পষ্টভাবে হৃদয়ঙ্গম বা প্রত্যক্ষ করতে পারেন এবং জীবের পূর্ব সংস্কার সম্পর্কে বলতে পারেন।

বেদান্তদর্শন-ব্রহ্মবেদান্ত-১৭ : বাদরায়ণের দার্শনিক মত- কর্মফল ও পুনর্জন্ম |

কর্মফল ও পুনর্জন্ম

বেদান্তসূত্রে সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, জগৎকে সৃষ্টির জন্য ব্রহ্মকেও জীবের কর্মের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। কেননা, এই সৃষ্টিজগৎ আপ্তকাম ব্রহ্মের লীলা (ব্রহ্মসূত্র-২/১/৩৩) হলেও, জগৎ-স্রষ্টা হিসেবে ব্রহ্মর পক্ষপাতিত্ব ও নিষ্ঠুরতার আপত্তি উত্থাপিত হয়। বস্তুত জগতে- মানব সমাজে- যে বৈষম্য দেখা যায়, অনেকেই শ্রম করতে করতে অনাহারে মৃতপ্রায় হলেও কেউ কেউ বিনা পরিশ্রমেই অন্যের শ্রমের ফল ভোগ করে বিলাসী জীবন কাটায়। তাদের দেখেই পুরোহিতবর্গ দেবলোকের কল্পনা করেছেন। আবার মনুষ্য থেকে ক্ষুদ্রতম কীট পর্যন্ত প্রাণিজগতে যে ভীষণ সংহার দেখা যায় যায় তা জগৎ-স্রষ্টা ব্রহ্মকে বড়ই হৃদয়হীন বলে প্রমাণ করে, এবং তার থেকে আত্মরক্ষার জন্যই উপনিষদে পূর্বজন্মকৃত কর্মসিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়েছে-

‘তাদের মধ্যে যারা (পূর্বজন্মে) রমণীয় আচরণ বা পুণ্যকর্ম করে তারা দেহান্তরে শীঘ্রই ব্রাহ্মণযোনিতে বা ক্ষত্রিয়যোনিতে বা বৈশ্যযোনিতে জন্মলাভ করে। আবার যারা (পূর্বজন্মে) কপূয়াচরণ অর্থাৎ কুৎসিত বা অশুভ কর্ম করে তাদের শীঘ্রই কুকুরযোনিতে বা শূকরযোনিতে বা চণ্ডালযোনিতে পুনর্জন্ম হয়।’- (ছান্দোগ্য-৫/১০/৭)।

জ্যোতিষশাস্ত্রে অনেক পদ্ধতি প্রচলিত আছে। তবে অধিকাংশ জ্যোতিষী পরাশর বর্ণিত মতেরই অনুসরণ করেন। এ ছাড়া জৈমিনী, কৃষ্ণমূর্তি ইত্যাদি পদ্ধতিও ব্যবহৃত হয়। অনেকে বিভিন্ন পদ্ধতির সংমিশ্রণের দ্বারাও ফলাফল নির্ণয় করেন। জ্যোতিষ শাস্ত্রের দুটি অংশ। একটির দ্বারা কোন ব্যক্তির জন্মসময়ের গ্রহের অবস্থান এবং পরবর্তী সময়ে তাদের অবস্থান ও গতিপথ নির্ণয় করা হয় – এটা হল জ্যোতির্বিজ্ঞান (astronomy)। অন্যটির দ্বারা গ্রহ সংস্থান থেকে ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ করা হয় – এটা ফলিত জ্যোতিষ (applied astrology)। প্রথমটি নিছক গণিতশাস্ত্র। এটা নিয়ে কারো কোন সংশয় নেই। কিন্তু দ্বিতীয়টির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কিছু লোক দ্বিধাগ্রস্ত।

জ্যোতিষশাস্ত্র এটি একধরনের কলাশাস্ত্র বা ভবিষ্যৎকথন হিসেবে পরিচিত। আধুনিককালের জ্যোতিষীগণ প্রতীকের মাধ্যমে জ্যোতিষশাস্ত্র অধ্যয়ন করে থাকেন। জ্যোতিষ ভাগ্য পরিবর্তন করেনা তবে এই শাস্ত্রের সহায়তায় নিজের ভাগ্য নিজেই পরিবর্তন করা সম্ভব |ডান হাত দেখতে হবে না বাঁ হাত? ভারতীয় প্রাচীন সংস্কার হল, পুরুষের ডান হাত ও মেয়েদের বাঁ হাত দেখা উচিত, কারণ তাদের বলা হয় বামা। স্বামীর বাঁ দিকে অবস্থান করে সব সময়কিন্তু গভীর তত্ত্ব ও তথ্য অনুসন্ধানী পাশ্চাত্য বিজ্ঞানীরা বলেছেন এটা ভুল। হাতের রেখার সঙ্গে স্নায়ুর সম্পর্ক। যারা বাঁ হাত বেশি ব্যবহার করে, সে পুরুষ বা নারী যেই হোক তার বাঁ হাতের রেখা হবে ফলপ্রদ। আবার অধিকাংশ মেয়েই ডান হাত হাত দিয়েই কাজ কর্ম বেশি করে। তাই তাদের বক্তপ্রবাহ ডান হাতেই বেশি হয়। কিন্তু অধিকাংশ নারীর দেখা যায় বাম বাহু, ডান বাহুর থেকে পুষ্ট বাম স্তন ডান স্তনের থেকে পুষ্ট।এই বিষয়ে বাইবেলে লেখা আছে, মেয়েদের আয়ুরেখা দেখবে ডান হাতে এবং যশ দেখবে তার বাম হাতে।বিখ্যাত হস্তরেখাবিদ বেনহ্যাম বলছেন, দু’টি করতলেরই রেখা, গঠন ও চিহ্ন বা তিল থেকে ফল পাওয়া যয় আবার কিরো বলছেন, পূর্বজন্মের যা কর্মফল ভোগ হওয়ার কথা বা সংস্কার তা হল বাম হাত। কর্ম করার ফলে তার মধ্যে পরিবর্তন হয়ে যা দাঁড়াবে তা হলো ডান হাত। তাই এই ডান হাতের রেখা দ্রুত পাল্টাতে পারে বর্তমান কর্ম অনুযায়ী। কিন্তু বাম হাতের রেখা তত দ্রুত পাল্টায় না বা পাল্টাতে পারে না। সেটা স্থায়ী প্রাচীন ফলের নথি মাত্র। তাই কিরোর মত মানলে, নারী-পুরুষ সবারই দু’টি হাত দেখেই বিচার করতে হবে


মুখ্য রেখাসমূহ -- এই পদ্ধতিতে হাতের সমস্ত রেখার ব্যাপক এবং সূক্ষ্মতার সঙ্গে অধ্যয়ন করা হয়। কিছু মুখ্য রেখা নিম্নে বর্ণিত--

জীবন রেখা -- হস্তরেখা বিজ্ঞান বা সামুদ্রিক শাস্ত্রে জীবন রেখাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ রেখা মনে করা হয়। কারণ এই রেখার দ্বারাই ব্যক্তির আয়ু, সঙ্কট, দুর্ঘটনা, মৃত্যু সম্পর্কে জানা যায়। বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ এবং তর্জনির মধ্যভাগ থেকে বেরিয়ে হাতের নীচের অংশ অর্থাত্‍‌ মণিবন্ধ পর্যন্ত বিস্তৃত। সুস্থ রেখা ভালো জীবনের ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু ভাঙা, কাটা, অসম্পূর্ণ বা দ্বীপ আছে এমন রেখা ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে শুভ সঙ্কেত দেয় না।

মস্তিষ্ক রেখা -- জীবন রেখার সঙ্গেই মস্তিষ্ক রেখাও বের হয়। এটি কখনও সোজা বা কখনও নীচের দিকে যায়। কখনও কখনও এই রেখা জীবন রেখার সঙ্গে না-বেরিয়ে একটু ওপরের দিক থেকে বের হয়। এই রেখার সাহায্যে মানসিক ক্ষমতা, বুদ্ধি, যোগ্যতা, মানসিক স্তর, বৈচারিক ক্ষমতা ইত্যাদি নির্ণয় করা হয়। এই রেখা যত বেশি নির্দোষ হবে, তত শ্রেষ্ঠ মনে করা হয়। অর্ধেক বা অসম্পূর্ণ রেখা কম মানসিক ক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়। নীচের দিকে ঝুঁকে থাকা রেখা ব্যক্তির কলা, সঙ্গীত এবং সাহিত্যে রুচির দিকে ইশারা করে।

হৃদয় রেখা -- কনিষ্ঠার নীচ থেকে শুরু হয়ে তর্জনির দিকে এই রেখা অগ্রসর হয়। এই রেখা আন্তরিক ক্ষমতা, সংবেদনশীলতা, স্বভাব, গুণ, অবগুণ ইত্যাদির ইঙ্গিত দেয়। নীচে ঝুঁকে থাকা রেখা ব্যক্তিকে অন্তর্মুখী, সাহিত্য-সঙ্গীত প্রিয় বা কলা রসিক করে তোলে। আবার ওপরের দিকে এই রেখাটি গেলে তা ব্যক্তির, বহির্মুখী, যান্ত্রিক বিদ্যা এবং মস্তিষ্কের সাহায্যে কাজ করার ক্ষমতাকে প্রকাশিত করে।

ভাগ্য রেখা -- মণিবন্ধ অর্থাত্‍‌ হাতের নীচ থেকে বেরিয়ে যে রেখা মধ্যমার কাছে যায়, সেটিই ভাগ্য রেখা। যে ব্যক্তির ভাগ্য রেখা স্পষ্ট, তাঁরা ভাগ্যশালী হয়ে থাকেন। হাতের নীচ থেকে রেখা বেরলে তা পারিবারিক সমর্থনে ভাগ্যোদয়ের ইঙ্গিত দেয়।

জ্যোতিষ বা জ্যোতিষী নয় ভাগ্য বিধাতা ।
মানুষের কর্মই মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ সুকর্মের সুফল ভোগ করতে চেয়েছে আর দুষ্কর্মের কুফল এড়াতে চেয়েছে। অনভিপ্রেত বর্তমান আর ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের উপায়কেই প্রতিকার বলে। জ্যোতিষী (astrologer গণক, গণৎকার, দৈবজ্ঞ, গ্রহাচার্য, গ্রন্থিক, জ্যোতিষী, জ্যোতিষিক, জ্যোতির্বেত্তা) ভাগ্য বিধাতা নয় । আপনার কর্মই আপনার ভাগ্য বিধাতা । জ্যোতিষী পরামর্শ দিয়ে থাকেন ঠীকুজি, কোষ্ঠী জন্মপত্রিকা বিচার করে ।

ঠীকুজি , কোষ্ঠী জন্মপত্রিকা। এতে নবজাতকের জন্মসময়ে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ও সঞ্চরণ অনুযায়ী তার সমগ্র জীবনের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। এ জন্য জন্মসময়টি সঠিকভাবে নির্ণীত হওয়া প্রয়োজন, তা না হলে কোষ্ঠী গণনা সঠিক হয় না। প্রাচীনকালে বিশেষ পদ্ধতিতে এ জন্মসময় সূক্ষ্মভাবে নির্ণয় করা হতো।

ঠীকুজি , কোষ্ঠী অনুযায়ী কারও ভবিষ্যৎ গণনার সময় তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা বারোটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার নাম ‘ভাব’। বারোটি ভাব হচ্ছে তনু (শরীর), ধন, সহজ (সহোদর), বন্ধু (এবং মাতা), পুত্র (এবং বিদ্যা), রিপু (এবং রোগ), জায়া (বা স্বামী), নিধন (মৃত্যু), ধর্ম (এবং ভাগ্য), কর্ম (এবং পিতা), আয় ও ব্যয়। যে রাশিতে লগ্ন অবস্থিত সেখান থেকে তনুর বিচার শুরু হয়, তারপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ভাব গণনা করা হয়।

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যা পরস্পেরর জন্মরাশ্যাদি নিয়ে যে শুভাশুভ বিচার করা হয় তাহাকে যোটক বিচার বলা হয়। সে যোটক বিচার আট প্রকারঃ বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রীকুট, রাশি কুট, ত্রীনাড়ীকুট।

তবে সব রকমের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় না। কি ধরণের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় আর কি ধরণের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় না সেটা বলতে গেলে কী ধরণের কর্ম থেকে সেই ভবিষ্যৎ লেখা হয়েছে তা আলোচনা প্রয়োজন।

সঞ্চয়ের কালভেদে কর্ম চার প্রকার - প্রারব্ধ, সঞ্চিত, ক্রিয়মান এবং আগম কর্ম। সমস্ত পূর্ব জন্মের কর্ম হল প্রারব্ধ কর্ম। ইহজন্মের যে কর্ম এই জীবদ্দশাতেই ভোগ করা যায় তা ক্রীয়মান কর্ম। ইহজন্মের যে কর্ম ভোগের পূর্বেই মৃত্যু হয় তা হল সঞ্চিত কর্ম। প্রারব্ধ ও সঞ্চিত কর্ম ভবিষ্যৎ জন্মের যে কর্ম নির্দেশ করে তাই আগম কর্ম। প্রতিকার ক্রিয়মান কর্মের উপর প্রভাব বিস্তার করে ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের চেষ্টা করে থাকে।

কর্ম আবার ফলের নিশ্চয়তাভেদে তিন প্রকার। দৃঢ় কর্ম, অদৃঢ় কর্ম এবং দৃঢ়-অদৃঢ় কর্ম। দৃঢ় কর্মের ফল প্রায় অপরিবর্তনীয়। অদৃঢ় কর্মের ফল প্রতিকার এবং চেষ্টার দ্বারা অথবা শুধুমাত্র চেষ্টার দ্বারা সহজেই পরিবর্তনীয়। দৃঢ়-অদৃঢ় কর্মের ফল নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং প্রতিকারের দ্বারা কিছুটা পরিবর্তনীয়।

জ্যোতিষ মূলত ইঙ্গিতের শাস্ত্র। গ্রহের অবস্থান থেকে এখানে মানুষের ভবিষ্যত সম্পর্কে জানানো হয়। তেমন কোনও একটিমাত্র গ্রহ নেই যা কালান্তক হিসেবে কারোর কুণ্ডলীতে আবির্ভূত হবে। বেশ কিছু গ্রহ একত্রে এই মহাদশাকে নির্মাণ করে। বিষয়টি অত্যন্ত জটিল।

সনাতন জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, মৃত্যুর দিন ও ক্ষণ নির্ণয় করা যায়। কিন্তু এই হিসাব অত্যন্ত কঠিন। গ্রহের অবস্থান, দশা, অন্তর্দশা ইত্যাদির অতি সূক্ষ্ম বিচার থেকে এই বিশেষ ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব । তবে সবক্ষেত্রেই সম্ভব নয় । জ্যোতিষে মৃত্যুর ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষেত্রে কোনও শর্টকাট পদ্ধতি নেই। মৃত্যু এক প্রহেলিকা হিসেবে বিদ্যমান জগৎ সংসারে। বহু হিসেব-নিকেশ সত্ত্বেও তাকে সঠিক ভাবে জানা সম্ভব হয় না বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। খুবই দক্ষ জ্যোতিষীরা হয়তো এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন। আবার পারেন না ।

কানাডিয়ান দার্শনিক পল থাগার্ড Paul Thagard বলছেন যে জ্যোতিষশাস্ত্রটি এই অর্থে প্রতারণা হিসাবে বিবেচিত হবে না যতক্ষণ না এটি একটি উত্তরাধিকারী দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।

ধন্যবাদ



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200702094409

Thursday, July 2nd, 2020

Astro Research Centre

ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।

ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।


ভাগ্য ও জ্যোতিষ , জ্যোতিষী ।
ঈশ্বর , কর্মফল ( সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ) ।

জ্যোতিষাচার্জ বরাহমিহির সূর্য , চন্দ্র , মঙ্গল , বুধ , বৃহস্পতি , শুক্র , শনি সাত গ্রহ আর রাহু কেতু [ ছায়া গ্রহ ] নিয়ে নয় গ্রহ আমাদের জীবন কে নিয়ন্ত্রন করে । এই গ্রহের শুভতা মানুষের জীবনে বয়ে নিয়ে আসে আবার অশুভতা নিয়ে আনে দুঃখ কষ্ট এতে কোন সন্দেহ নেই ।বেদান্তসূত্রে সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, জগৎকে সৃষ্টির জন্য ব্রহ্মকেও জীবের কর্মের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। কেননা, এই সৃষ্টিজগৎ আপ্তকাম ব্রহ্মের লীলা (ব্রহ্মসূত্র-২/১/৩৩) হলেও, জগৎ-স্রষ্টা হিসেবে ব্রহ্মর পক্ষপাতিত্ব ও নিষ্ঠুরতার আপত্তি উত্থাপিত হয়। জ্যোতিষ বিষয়ে বিদগ্ধ জনেরা মনে করেন, এই শাস্ত্রের ব্যাখ্যা খুঁজতে গেলে জন্মান্তর তত্ত্বে বিশ্বাস প্রয়োজন।

জ্যোতিষ একটি সংস্কৃত শব্দ। এই শব্দের একটি অর্থ হল “জ্যোতির্বিষয়ক” এবং অস্ত্যর্থে এই শব্দের একটি অর্থ হল “জ্যোতিষশাস্ত্রবিৎ” এবং অন্য অর্থ “জ্যোতির্ব্বিৎ”। জ্যোতিষ ৬ টি বেদাঙ্গের অন্যতম।

জ্যোতিষ্ক বিষয়ক তথ্য, সূত্রাবলী ও ব্যবহারিক প্রয়োগসমূহের সামগ্রিক জ্ঞান জ্যোতিষশাস্ত্র নামে পরিচিত। এই শাস্ত্রের উৎপত্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান এক এবং অভিন্ন ছিল। পরবর্তিকালে জ্যোতিষশাস্ত্র জ্যোতিষ্কগুলির গতি এবং অবস্থানের ভিত্তিতে, প্রাকৃতিক এবং শারীরিক লক্ষণ অথবা দুয়ের সমন্বয়ে ব্যক্তি, সমষ্টি বা দেশের ভবিষ্যত নিরুপণের প্রায়োগিক দিকটি নিয়ে অভিজ্ঞতাভিত্তিক জ্ঞানের সংগ্রহ হিসেবে বিস্তার লাভ করে।

সূর্য স্থির গ্রহ অন্য গ্রহ তার চারিদিকে গ্রহ উপগ্রহ পরিভ্রমণ করে তাদের নিয়ে আমাদের সৌর জগত । মানবীয় জীবনে সময় মত হয় । আমাদের জীবনে সুখ দুঃখ , লাভ হানি , জয় পরাজয় , জন্ম মৃত্যু , মিত্রতা শত্রুতা , অথবা আমাদের জীবনে যায় ঘটুক না কেন , এই সব নব গ্রহের প্রভাবে । বিশ্বের প্রত্যেক বস্তু , জীব জন্তু পশু পক্ষী , গাছ পালা তে এই গ্রহ এর প্রভাবে প্রভাবিত । গ্রহ নক্ষত্রের প্রভাবে বিশ্বে সমস্ত কাজ সম্পাদিত হয় । মানুষ তিন গুনের মধ্যে আবদ্ধ সত্ত্ব , রজ , তমো ।

জ্যোতিষাচার্জ বরহ মিহির পরিষ্কার করে বলেছেন মানুষ জীবনের চারদিকে দ্রুত গতিতে গতিশীল আর সেইক্ষণে মানুষ যে স্থলে জন্ম নেয় সেই সময় সেই স্থলে যে গ্রহের দৃষ্টি তার প্রভাব জাতকের স্বভাব সেই মত হয় তার উপর সেই গ্রহের প্রভাব পরে । কোন জাতক তমোগুণ কোন জাতক সত্ত্ব গুণী কোন জাতক রজোগুণী এই গ্রহে ঐ স্থানের জাতকের মধ্যে তার প্রভাব পড়ে । ধরুন একজন ঘাতক কেন ঘাতক ? একজন পণ্ডিত জ্ঞানী ব্যক্তি কেন পণ্ডিত জ্ঞানী ? তার জন্ম তারিখ জন্মের সময় জন্মের স্থানে তাৎক্ষনিক গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান নির্ধারিত করে দেয় সেই জাতক কেমন হবে । গ্রহের দৃষ্টি প্রভাব সেই জাতক কেমন হবে তা নির্ধারিত করে দেয় তাকে লগ্ন ঠীকুজি কুষ্ঠী বলে ।

লগ্ন অনুসারে জাতক / জাতিকার ভাগ্য নির্ধারিত একে কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না । সারা জীবনের ভাগ্য সেই দিন নির্ধারিত ।

কোষ্ঠী ঠীকুজি জন্মপত্রিকা। এতে নবজাতকের জন্মসময়ে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ও সঞ্চরণ অনুযায়ী তার সমগ্র জীবনের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। এ জন্য জন্মসময়টি সঠিকভাবে নির্ণীত হওয়া প্রয়োজন, তা না হলে কোষ্ঠী গণনা সঠিক হয় না। খ্রিস্টীয় ছয় শতকের ভারতীয় জ্যোতিষাচার্জ বরাহমিহিরের গ্রন্থে কোষ্ঠীপদ্ধতির প্রথম পরিচয় পাওয়া যায়। তাই অনুমান করা হয়, এর দু-তিনশ বছর পূর্বে ভারতবর্ষে কোষ্ঠী গণনা শুরু হয়। কোষ্ঠী গণনা পাশ্চাত্যের অনেক দেশেও প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত আছে। ঠীকুজি কোষ্ঠী গণনার এ চক্র বা ছকের অঙ্কনপদ্ধতি সর্বত্র একরকম নয়। ভারতবর্ষেই তিন রকম এবং পাশ্চাত্যে অন্যরকম। দক্ষিণ ভারত ব্যতীত অন্য সব স্থানের চক্রের গতি বামাবর্তী। বঙ্গদেশ ও দক্ষিণ ভারতের রাশিচক্র স্থির; মেষ রাশি থাকে সর্বদা শীর্ষদেশে এবং লগ্ন পরিবর্তনশীল। কিন্তু উত্তর ভারত ও পাশ্চাত্যে রাশিচক্র স্থির নয়, যেকোনো স্থানে রাশি অবস্থান করতে পারে, তবে লগ্ন সর্বদাই একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। উত্তর ভারতের ছকে লগ্ন থাকে শীর্ষদেশে এবং পাশ্চাত্যে থাকে বাম পাশে।

সারা জীবন জাতক / জাতিকার কোন শুভ গ্রহের শুভফল পাবে আর কোন গ্রহের কুফল পাবে । এটা বুঝতে গেলে জানতে হবে কোন গ্রহ কি ফল দেয় ?

রবিঃ যশ ও প্রতিষ্ঠা

চন্দ্রঃ সৌম্য , শীতলতা ও মন

মঙ্গলঃ শৌর্য এবং পরাক্রম

বুধঃ বুদ্ধি ,বিবেক এবং বানিজ্য

বৃহস্পতিঃ ধর্ম , ন্যায় ,পরলৌকিক সুখ ও নীতি

শুক্রঃ বিষয় বাসনা , কলা , সৌন্দর্য , সাংসারিক সুখ

শনিঃ দুঃখ , ব্যাধি , কর্মফল

রাহুঃ পাপ কর্ম ,দুর্ভাগ্য ,রাজনীতি , সাহস

কেতুঃ দুঃখ ,রোগ , দুর্ঘটনা এবং শোক

এগুলি কখন ঘটবে তা জানতে দশ অন্তর দশা ও গোচর দেখতে হবে ।

স্বামী নিগমানন্দের মতে, কর্ম তিন প্রকারের যথা: ক্রীয়মান, সঞ্চিত, এবং প্রারব্ধ। যখন কেউ তার শ্রমের ফল তার জীবদ্দশাতেই উপভোগ করতে পারে, তখন তাকে বলা হয় ক্রীয়মান; তার শ্রমের ফল ভোগ করার পূর্বেই যদি সে মারা যায়, তবে তাকে বলা হয় সঞ্চিত কর্ম। পূর্ব জন্মের সঞ্চিত কর্মের উদ্বৃত্ত অংশ ভোগ করার জন্য যদি তার পুনর্জন্ম হয়, তবে তাকে বলা হয় প্রারব্ধ। সাধনার গুণে কারো পক্ষে ক্রীয়মান ও সঞ্চিতের প্রভাব নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলা যেতে পারে কিন্ত্তু প্রারব্ধ কর্মের প্রভাব মুছে ফেলা সম্ভব নয়। পার্থিব উচ্চাকাঙ্ক্ষা দ্বারা যতক্ষণ কোন ব্যক্তি আবিষ্ট থাকে ততক্ষণ তাকে নিশ্চিতভাবে জন্ম-মৃত্যুর অন্তহীন ভ্রমণ গ্রহণ করতে হবে। জীবাত্মা কখনও কখনও নাক্ষত্রিক জগতে ভ্রমণ করার জন্য স্থূল দেহ ত্যাগ করে যাকে বলা হয় প্রেত লোক। এর কর্মের প্রভাবের মধ্য দিয়ে যাবার পর এটি স্থূল দেহের সাথে স্থূল জগতে ফিরে আসে তার অতিরিক্ত বাসনাসমূহ যা তার পূর্ব জন্মে ছিল তা পূরণ করার জন্য। এ ব্যাপারে অজ্ঞ হয়ে কিভাবে এটি এক জগত থেকে অন্য জগতে চলাফেরা করে তা এক বড় রহস্যের বিষয়। যোগীরা এ রহস্য স্পষ্টভাবে হৃদয়ঙ্গম বা প্রত্যক্ষ করতে পারেন এবং জীবের পূর্ব সংস্কার সম্পর্কে বলতে পারেন।

বেদান্তদর্শন-ব্রহ্মবেদান্ত-১৭ : বাদরায়ণের দার্শনিক মত- কর্মফল ও পুনর্জন্ম |

কর্মফল ও পুনর্জন্ম

বেদান্তসূত্রে সৃষ্টিকর্তা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, জগৎকে সৃষ্টির জন্য ব্রহ্মকেও জীবের কর্মের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়। কেননা, এই সৃষ্টিজগৎ আপ্তকাম ব্রহ্মের লীলা (ব্রহ্মসূত্র-২/১/৩৩) হলেও, জগৎ-স্রষ্টা হিসেবে ব্রহ্মর পক্ষপাতিত্ব ও নিষ্ঠুরতার আপত্তি উত্থাপিত হয়। বস্তুত জগতে- মানব সমাজে- যে বৈষম্য দেখা যায়, অনেকেই শ্রম করতে করতে অনাহারে মৃতপ্রায় হলেও কেউ কেউ বিনা পরিশ্রমেই অন্যের শ্রমের ফল ভোগ করে বিলাসী জীবন কাটায়। তাদের দেখেই পুরোহিতবর্গ দেবলোকের কল্পনা করেছেন। আবার মনুষ্য থেকে ক্ষুদ্রতম কীট পর্যন্ত প্রাণিজগতে যে ভীষণ সংহার দেখা যায় যায় তা জগৎ-স্রষ্টা ব্রহ্মকে বড়ই হৃদয়হীন বলে প্রমাণ করে, এবং তার থেকে আত্মরক্ষার জন্যই উপনিষদে পূর্বজন্মকৃত কর্মসিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়েছে-

‘তাদের মধ্যে যারা (পূর্বজন্মে) রমণীয় আচরণ বা পুণ্যকর্ম করে তারা দেহান্তরে শীঘ্রই ব্রাহ্মণযোনিতে বা ক্ষত্রিয়যোনিতে বা বৈশ্যযোনিতে জন্মলাভ করে। আবার যারা (পূর্বজন্মে) কপূয়াচরণ অর্থাৎ কুৎসিত বা অশুভ কর্ম করে তাদের শীঘ্রই কুকুরযোনিতে বা শূকরযোনিতে বা চণ্ডালযোনিতে পুনর্জন্ম হয়।’- (ছান্দোগ্য-৫/১০/৭)।

জ্যোতিষশাস্ত্রে অনেক পদ্ধতি প্রচলিত আছে। তবে অধিকাংশ জ্যোতিষী পরাশর বর্ণিত মতেরই অনুসরণ করেন। এ ছাড়া জৈমিনী, কৃষ্ণমূর্তি ইত্যাদি পদ্ধতিও ব্যবহৃত হয়। অনেকে বিভিন্ন পদ্ধতির সংমিশ্রণের দ্বারাও ফলাফল নির্ণয় করেন। জ্যোতিষ শাস্ত্রের দুটি অংশ। একটির দ্বারা কোন ব্যক্তির জন্মসময়ের গ্রহের অবস্থান এবং পরবর্তী সময়ে তাদের অবস্থান ও গতিপথ নির্ণয় করা হয় – এটা হল জ্যোতির্বিজ্ঞান (astronomy)। অন্যটির দ্বারা গ্রহ সংস্থান থেকে ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ করা হয় – এটা ফলিত জ্যোতিষ (applied astrology)। প্রথমটি নিছক গণিতশাস্ত্র। এটা নিয়ে কারো কোন সংশয় নেই। কিন্তু দ্বিতীয়টির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কিছু লোক দ্বিধাগ্রস্ত।

জ্যোতিষশাস্ত্র এটি একধরনের কলাশাস্ত্র বা ভবিষ্যৎকথন হিসেবে পরিচিত। আধুনিককালের জ্যোতিষীগণ প্রতীকের মাধ্যমে জ্যোতিষশাস্ত্র অধ্যয়ন করে থাকেন। জ্যোতিষ ভাগ্য পরিবর্তন করেনা তবে এই শাস্ত্রের সহায়তায় নিজের ভাগ্য নিজেই পরিবর্তন করা সম্ভব |ডান হাত দেখতে হবে না বাঁ হাত? ভারতীয় প্রাচীন সংস্কার হল, পুরুষের ডান হাত ও মেয়েদের বাঁ হাত দেখা উচিত, কারণ তাদের বলা হয় বামা। স্বামীর বাঁ দিকে অবস্থান করে সব সময়কিন্তু গভীর তত্ত্ব ও তথ্য অনুসন্ধানী পাশ্চাত্য বিজ্ঞানীরা বলেছেন এটা ভুল। হাতের রেখার সঙ্গে স্নায়ুর সম্পর্ক। যারা বাঁ হাত বেশি ব্যবহার করে, সে পুরুষ বা নারী যেই হোক তার বাঁ হাতের রেখা হবে ফলপ্রদ। আবার অধিকাংশ মেয়েই ডান হাত হাত দিয়েই কাজ কর্ম বেশি করে। তাই তাদের বক্তপ্রবাহ ডান হাতেই বেশি হয়। কিন্তু অধিকাংশ নারীর দেখা যায় বাম বাহু, ডান বাহুর থেকে পুষ্ট বাম স্তন ডান স্তনের থেকে পুষ্ট।এই বিষয়ে বাইবেলে লেখা আছে, মেয়েদের আয়ুরেখা দেখবে ডান হাতে এবং যশ দেখবে তার বাম হাতে।বিখ্যাত হস্তরেখাবিদ বেনহ্যাম বলছেন, দু’টি করতলেরই রেখা, গঠন ও চিহ্ন বা তিল থেকে ফল পাওয়া যয় আবার কিরো বলছেন, পূর্বজন্মের যা কর্মফল ভোগ হওয়ার কথা বা সংস্কার তা হল বাম হাত। কর্ম করার ফলে তার মধ্যে পরিবর্তন হয়ে যা দাঁড়াবে তা হলো ডান হাত। তাই এই ডান হাতের রেখা দ্রুত পাল্টাতে পারে বর্তমান কর্ম অনুযায়ী। কিন্তু বাম হাতের রেখা তত দ্রুত পাল্টায় না বা পাল্টাতে পারে না। সেটা স্থায়ী প্রাচীন ফলের নথি মাত্র। তাই কিরোর মত মানলে, নারী-পুরুষ সবারই দু’টি হাত দেখেই বিচার করতে হবে


মুখ্য রেখাসমূহ -- এই পদ্ধতিতে হাতের সমস্ত রেখার ব্যাপক এবং সূক্ষ্মতার সঙ্গে অধ্যয়ন করা হয়। কিছু মুখ্য রেখা নিম্নে বর্ণিত--

জীবন রেখা -- হস্তরেখা বিজ্ঞান বা সামুদ্রিক শাস্ত্রে জীবন রেখাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ রেখা মনে করা হয়। কারণ এই রেখার দ্বারাই ব্যক্তির আয়ু, সঙ্কট, দুর্ঘটনা, মৃত্যু সম্পর্কে জানা যায়। বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ এবং তর্জনির মধ্যভাগ থেকে বেরিয়ে হাতের নীচের অংশ অর্থাত্‍‌ মণিবন্ধ পর্যন্ত বিস্তৃত। সুস্থ রেখা ভালো জীবনের ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু ভাঙা, কাটা, অসম্পূর্ণ বা দ্বীপ আছে এমন রেখা ব্যক্তির জীবন সম্পর্কে শুভ সঙ্কেত দেয় না।

মস্তিষ্ক রেখা -- জীবন রেখার সঙ্গেই মস্তিষ্ক রেখাও বের হয়। এটি কখনও সোজা বা কখনও নীচের দিকে যায়। কখনও কখনও এই রেখা জীবন রেখার সঙ্গে না-বেরিয়ে একটু ওপরের দিক থেকে বের হয়। এই রেখার সাহায্যে মানসিক ক্ষমতা, বুদ্ধি, যোগ্যতা, মানসিক স্তর, বৈচারিক ক্ষমতা ইত্যাদি নির্ণয় করা হয়। এই রেখা যত বেশি নির্দোষ হবে, তত শ্রেষ্ঠ মনে করা হয়। অর্ধেক বা অসম্পূর্ণ রেখা কম মানসিক ক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়। নীচের দিকে ঝুঁকে থাকা রেখা ব্যক্তির কলা, সঙ্গীত এবং সাহিত্যে রুচির দিকে ইশারা করে।

হৃদয় রেখা -- কনিষ্ঠার নীচ থেকে শুরু হয়ে তর্জনির দিকে এই রেখা অগ্রসর হয়। এই রেখা আন্তরিক ক্ষমতা, সংবেদনশীলতা, স্বভাব, গুণ, অবগুণ ইত্যাদির ইঙ্গিত দেয়। নীচে ঝুঁকে থাকা রেখা ব্যক্তিকে অন্তর্মুখী, সাহিত্য-সঙ্গীত প্রিয় বা কলা রসিক করে তোলে। আবার ওপরের দিকে এই রেখাটি গেলে তা ব্যক্তির, বহির্মুখী, যান্ত্রিক বিদ্যা এবং মস্তিষ্কের সাহায্যে কাজ করার ক্ষমতাকে প্রকাশিত করে।

ভাগ্য রেখা -- মণিবন্ধ অর্থাত্‍‌ হাতের নীচ থেকে বেরিয়ে যে রেখা মধ্যমার কাছে যায়, সেটিই ভাগ্য রেখা। যে ব্যক্তির ভাগ্য রেখা স্পষ্ট, তাঁরা ভাগ্যশালী হয়ে থাকেন। হাতের নীচ থেকে রেখা বেরলে তা পারিবারিক সমর্থনে ভাগ্যোদয়ের ইঙ্গিত দেয়।

জ্যোতিষ বা জ্যোতিষী নয় ভাগ্য বিধাতা ।
মানুষের কর্মই মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ সুকর্মের সুফল ভোগ করতে চেয়েছে আর দুষ্কর্মের কুফল এড়াতে চেয়েছে। অনভিপ্রেত বর্তমান আর ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের উপায়কেই প্রতিকার বলে। জ্যোতিষী (astrologer গণক, গণৎকার, দৈবজ্ঞ, গ্রহাচার্য, গ্রন্থিক, জ্যোতিষী, জ্যোতিষিক, জ্যোতির্বেত্তা) ভাগ্য বিধাতা নয় । আপনার কর্মই আপনার ভাগ্য বিধাতা । জ্যোতিষী পরামর্শ দিয়ে থাকেন ঠীকুজি, কোষ্ঠী জন্মপত্রিকা বিচার করে ।

ঠীকুজি , কোষ্ঠী জন্মপত্রিকা। এতে নবজাতকের জন্মসময়ে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ও সঞ্চরণ অনুযায়ী তার সমগ্র জীবনের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। এ জন্য জন্মসময়টি সঠিকভাবে নির্ণীত হওয়া প্রয়োজন, তা না হলে কোষ্ঠী গণনা সঠিক হয় না। প্রাচীনকালে বিশেষ পদ্ধতিতে এ জন্মসময় সূক্ষ্মভাবে নির্ণয় করা হতো।

ঠীকুজি , কোষ্ঠী অনুযায়ী কারও ভবিষ্যৎ গণনার সময় তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা বারোটি ভাগে ভাগ করা হয়, যার নাম ‘ভাব’। বারোটি ভাব হচ্ছে তনু (শরীর), ধন, সহজ (সহোদর), বন্ধু (এবং মাতা), পুত্র (এবং বিদ্যা), রিপু (এবং রোগ), জায়া (বা স্বামী), নিধন (মৃত্যু), ধর্ম (এবং ভাগ্য), কর্ম (এবং পিতা), আয় ও ব্যয়। যে রাশিতে লগ্ন অবস্থিত সেখান থেকে তনুর বিচার শুরু হয়, তারপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ভাব গণনা করা হয়।

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যা পরস্পেরর জন্মরাশ্যাদি নিয়ে যে শুভাশুভ বিচার করা হয় তাহাকে যোটক বিচার বলা হয়। সে যোটক বিচার আট প্রকারঃ বর্ণকুট, বশ্যকুট, তারাকুট, যোনিকুট, গ্রহমৈত্রীকুট, গণমৈত্রীকুট, রাশি কুট, ত্রীনাড়ীকুট।

তবে সব রকমের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় না। কি ধরণের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় আর কি ধরণের ভবিষ্যৎ পরিবর্তন করা যায় না সেটা বলতে গেলে কী ধরণের কর্ম থেকে সেই ভবিষ্যৎ লেখা হয়েছে তা আলোচনা প্রয়োজন।

সঞ্চয়ের কালভেদে কর্ম চার প্রকার - প্রারব্ধ, সঞ্চিত, ক্রিয়মান এবং আগম কর্ম। সমস্ত পূর্ব জন্মের কর্ম হল প্রারব্ধ কর্ম। ইহজন্মের যে কর্ম এই জীবদ্দশাতেই ভোগ করা যায় তা ক্রীয়মান কর্ম। ইহজন্মের যে কর্ম ভোগের পূর্বেই মৃত্যু হয় তা হল সঞ্চিত কর্ম। প্রারব্ধ ও সঞ্চিত কর্ম ভবিষ্যৎ জন্মের যে কর্ম নির্দেশ করে তাই আগম কর্ম। প্রতিকার ক্রিয়মান কর্মের উপর প্রভাব বিস্তার করে ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের চেষ্টা করে থাকে।

কর্ম আবার ফলের নিশ্চয়তাভেদে তিন প্রকার। দৃঢ় কর্ম, অদৃঢ় কর্ম এবং দৃঢ়-অদৃঢ় কর্ম। দৃঢ় কর্মের ফল প্রায় অপরিবর্তনীয়। অদৃঢ় কর্মের ফল প্রতিকার এবং চেষ্টার দ্বারা অথবা শুধুমাত্র চেষ্টার দ্বারা সহজেই পরিবর্তনীয়। দৃঢ়-অদৃঢ় কর্মের ফল নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং প্রতিকারের দ্বারা কিছুটা পরিবর্তনীয়।

জ্যোতিষ মূলত ইঙ্গিতের শাস্ত্র। গ্রহের অবস্থান থেকে এখানে মানুষের ভবিষ্যত সম্পর্কে জানানো হয়। তেমন কোনও একটিমাত্র গ্রহ নেই যা কালান্তক হিসেবে কারোর কুণ্ডলীতে আবির্ভূত হবে। বেশ কিছু গ্রহ একত্রে এই মহাদশাকে নির্মাণ করে। বিষয়টি অত্যন্ত জটিল।

সনাতন জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, মৃত্যুর দিন ও ক্ষণ নির্ণয় করা যায়। কিন্তু এই হিসাব অত্যন্ত কঠিন। গ্রহের অবস্থান, দশা, অন্তর্দশা ইত্যাদির অতি সূক্ষ্ম বিচার থেকে এই বিশেষ ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব । তবে সবক্ষেত্রেই সম্ভব নয় । জ্যোতিষে মৃত্যুর ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষেত্রে কোনও শর্টকাট পদ্ধতি নেই। মৃত্যু এক প্রহেলিকা হিসেবে বিদ্যমান জগৎ সংসারে। বহু হিসেব-নিকেশ সত্ত্বেও তাকে সঠিক ভাবে জানা সম্ভব হয় না বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। খুবই দক্ষ জ্যোতিষীরা হয়তো এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন। আবার পারেন না ।

কানাডিয়ান দার্শনিক পল থাগার্ড Paul Thagard বলছেন যে জ্যোতিষশাস্ত্রটি এই অর্থে প্রতারণা হিসাবে বিবেচিত হবে না যতক্ষণ না এটি একটি উত্তরাধিকারী দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।

ধন্যবাদ



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200702094404

Saturday, June 27th, 2020

Astro Research Centre

তুঙ্গী ক্ষেত্র বা উচ্চ স্হান (ঘর ), স্বক্ষেত্র

তুঙ্গী ক্ষেত্র বা উচ্চ স্হান (ঘর ), স্বক্ষেত্র



গ্রহ ইংরেজি স্বক্ষেত্র

রবি Sun সিংহ
চন্দ্র Moon কর্কট
মঙ্গল Mars মেষ, বৃশ্চিক
বুধ Mercury মিথুন, কন্যা
বৃহস্পতি Jupiter ধনু, মীন
শুক্র Venus বৃষ, তুলা
শনি Saturn মকর, কুম্ভ
রাহু Rahu নাই
কেতু Ketu নাই
গ্রহ ইংরেজি তুঙ্গী ক্ষেত্র বা উচ্চ স্হান (ঘর )

রবি Sun মেষ 10ডি
চন্দ্র Moon বৃষ 3 ডি
মঙ্গল Mars মকর 28 ডি
বুধ Mercury কন্যা 15 ডি
বৃহস্পতি Jupiter কর্কট 5ডি
শুক্র Venus মীন 27ডি
শনি Saturn তুলা 20 ডি
রাহু Rahu বৃষ 20 ডি
কেতু Ketu বৃশ্চিক 20 ডি

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

***পরবর্তী কালে প্রতি প্রশ্নের জন্য 200 লাগবে

হোয়াটসআপ নাম্বার 8906959633

অল্টারনেট নাম্বার 9593165251

Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw

ফেসবুক পেজ :

https://www.facebook.com/132653840728423/posts/572511796742623/



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200627081634

Tuesday, June 23rd, 2020

Astro Research Centre

বিবাহে যোটক বিচার Bibahe Jotak Bichar

বিবাহে যোটক বিচার  Bibahe Jotak Bichar

বিবাহে যোটক বিচার Jotak Bichar ঠিক কি?

বিবাহের পূর্বে বর ও কন্যার পরস্পরের জন্মরাশি, জন্মনক্ষত্র ও রাশ্যাধিপ গ্রহদি থেকে, যে শুভাশুভ ফল বিচার করা যায়, তাকেই যোটক বিচার বলে। যোটক বিচার অষ্টপ্রকারে বিভক্ত।
যোটক বিচার আট প্রকার কুট বা গুণের সমন্বয়- যথা বর্ণকুট Barnakut , বশ্যকুট Baishya kut, তারাকুট Tarakut, যোনিকুট Jonikut, গ্রহমৈত্রীকুট Grahamaitri kut, গণমৈত্রিকুট Ganamaitri kut , রাশি কুট Rashikut, ও নাড়ীকুট Narikut ।

প্রতিটি কূটের একটি নির্দিষ্ট গুনমানের সংখ্যা থাকে যেমন বর্ণকুট1, বশ্যকুট2, তারাকুট3, যোনিকুট4, গ্রহমৈত্রীকুট5, গণমৈত্রিকুট6, রাশি কুট7 ও নাড়ীকুট8| এভাবে সবকটি কুটের সংখ্যা যোগ করলে গিয়ে দাড়ায় 36

এই ৩৬ গুণের মধ্যে মিলনে কত গুণ পাওয়া যাচ্ছে সেটাই মূল কথা।
এই বিষয়ে একটি কথা মনে রাখতে হবে ৩৬ গুণের মধ্যে ১৮ গুণের কম হলে তা যোটক মিলনে শুভ ফলপ্রদ হবে না।

১৮ গুণের বেশি হলে বিবাহিত জীবনে সুখ ও শান্তি লাভ সম্ভব।
২৫ থেকে ৩০ গুন হলে অতি উত্তম মিল
34 থেকে 36 টি গুণের মিলন হলে তাকে 'রাজযোটক' বলে।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200623085234

Sunday, June 21st, 2020

Astro Research Centre

১৬ টি বর্গকে ষোড়শ বর্গ বলা হয়।

১৬ টি বর্গকে ষোড়শ বর্গ বলা হয়।

১৬ টি বর্গকে ষোড়শ বর্গ বলা হয়।

আমরা এখন জানি যে মোট ১২ টি রাশির প্রতিটির বিস্তৃতি ৩০ ডিগ্রি করে। এই ৩০ ডিগ্রিকে কয়েকটি বিশেষ ভাগে ভাগ করে, রাশিচক্রে অব্স্থিত গ্রহদের বিভিন্ন ভাগে বসিয়ে নানা বর্গচক্র (divisional chart) তৈরী করা হয়। ৩০ ডিগ্রিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে ( সমান ভাগে ) যে বিভিন্ন বর্গগুলি পাওয়া যায় সেই নামগুলি এই রকম। নামের পাশে বন্ধনীর মধ্যে প্রত্যেক রাশিকে যে কয়টি সমান ভাগে ভাগ করা হয় তা দেখানো হল।
রাশিচক্র (১); ৩০ ডি
হোরা (২); ১৫ডি
দ্রেক্কোণ (৩); ১০ ডি
চতুর্থাংশ (৪); ৭ডি ৩০মিঃ
সপ্তাংশ (৭);
নবাংশ (৯); ৩ডি ২০মিঃ
দশাংশ (১০); ৩ডি ০মিঃ
দ্বাদশাংশ (১২);
ষোড়শাংশ (১৬);
বিংশাংশ (২০);
চতুর্বিংশাংশ (২৪);
সপ্তবিংশাংশ (২৭);
ত্রিংশাংশ (৩০);
চত্বারিংশাংশ (৪০);
অক্ষবেদাংশ (৪৫);
ষষ্ঠ্যংশ (৬০)।
এই মোট ১৬ টি বর্গকে ষোড়শ বর্গ বলা হয়। উপরের ১৬ টি বর্গের মধ্যে কয়েকটিকে নিয়ে বিভিন্ন বর্গ সমষ্টি তৈরী করা হয়। যেমন : রাশি, হোরা, দ্রেক্কোণ, নবাংশ, দ্বাদশাংশ ও ত্রিংশাংশ নিয়ে ষড়বর্গ। রাশি, হোরাচক্র Hora Chakra /কুণ্ডলী দ্রেক্কোণ বিচার, Bichar সপ্তাংশ, নবাংশ চক্র Nabansha, Navansha kundali /কুণ্ডলী , দ্বাদশাংশ ও ত্রিংশাংশ নিয়ে সপ্তবর্গ এবং রাশি, হোরা, দ্রেক্কোণDrekan kundali সপ্তাংশ, নবাংশ, দশাংশ, দ্বাদশাংশ, ষোড়শাংশ, ত্রিংশাংশ ও ষষ্ঠ্যংশ নিয়ে দশবর্গ।
***সুদর্শন চক্র Sudarsan chakra বিচার করা প্রয়োজন

প্রত্যেকটি বর্গই রাশিচক্রের মত ১২টি অংশে বিভক্ত। রাশিচক্রের একটি গ্রহ কোন বর্গ বিভাগে কোন ঘরে অবস্থিত হবে সেটা নির্ণয় করার পদ্ধতি আছে। রাশিচক্রের একটি গ্রহ কোন বর্গে যদি বন্ধুর ঘরে বা স্বক্ষেত্রে থাকে তবে তার শুভত্ব বৃদ্ধি পায়। কোন গ্রহ যদি কোন বর্গ বিভাগে (division) তার নিজের বর্গেই অবস্থিত থাকে তবে বুঝতে হবে গ্রহটি স্ববর্গে রয়েছে। শত্রুর বর্গে থাকলে ধরতে হবে শত্রুবর্গে অবস্থিত। এই ভাবে অধিমিত্র বা অধিশত্রুর ঘরেও থাকতে পারে। বর্গের মাধ্যমে গ্রহটির স্থানবল বিচার করা হয়।

উপরে বর্ণিত বর্গ গুলি থেকে জাতকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও চারিত্রিক গঠন বিচার করা হয়। যেমন:
রাশি - শরীর ও সামগ্রিক বিচার।
হোরা - সম্পদ, আয়ের উপায়।
দ্রেক্কোণ - ভাই বোন, মৃত্যুর কারণ।
চতুর্থাংশ - শিক্ষা, সামগ্রিক সুখ।
সপ্তাংশ - সন্তান, সন্তান থেকে সুখ।
নবাংশ - স্বামী বা স্ত্রী।
দশাংশ - কর্মক্ষেত্র
দ্বাদশাংশ - পিতামাতা, পিতা মাতার আয়ু।
ষোড়শাংশ - ইচ্ছা, আকাঙ্খা, বাহন সুখ।
বিংশাংশ - আধ্যাত্মিক অগ্রগতি।
চতুর্বিংশাংশ - শিক্ষা বিষয়ে বা শিক্ষাক্ষেত্রে প্রাপ্তি বা অভীষ্ট সাধন।
সপ্তবিংশাংশ - দুর্ভাগ্য।
ত্রিংশাংশ - মৃত্যু বিচার, রোগ বা অরিষ্টফল। স্ত্রীলোকের স্বভাব।
চতুর্বিংশাংশ - ভাল মন্দ বিচার।
অক্ষবেদাংশ - ব্যক্তির চরিত্র ও ভাল মন্দ।
ষষ্ঠ্যংশ - সামগ্রিক গণনার বিচার।



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200621205124

Sunday, June 21st, 2020

Astro Research Centre

নক্ষত্র, রাশি ও অধিপতি গ্রহ

নক্ষত্র, রাশি ও অধিপতি গ্রহ

নক্ষত্র, রাশি ও অধিপতি গ্রহ

১ অশ্বিনী ২ ভরণী ৩ কৃতিকা ৪ রোহিনি ৫ মৃগ শিরা ৬ আদ্রা ৭ পুনরবসু ৮ পুষ্যা ৯ অশ্লেষা ১০ মঘা ১১ পূর্ব ফাল্গুনী ১২ উত্তর ফাল্গুনী ১৩ হস্তা ১৪ চিত্রা ১৫ স্বাতী ১৬ বিশাখা ১৭ অনুরাধা ১৮ জ্যেষ্ঠা ১৯ মুলা ২০ পূর্বসাড়া ২১ উত্তরসাড়া ২২ শ্রবনা ২৩ ধনিষ্ঠা ২৪ শতভিসা ২৫ পূর্ব ভাদ্রপদ ২৬ উত্তর ভাদ্রপদ ২৭ রেবতী

রাশি চক্র -

মেষ রাশি -
রাশি স্বামী মঙ্গল ,
অশ্বিনী [কেতু]৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ
ভরণী [শুক্র] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ
কৃতিকা [ সূর্য ] ১পাদ ৩ডি ২০মিঃ

বৃষ রাশি -
রাশি স্বামী শুক্র ,
কৃতিকা [সূর্য] ৩পাদ ১০ ডি ০ মিঃ
রোহিণী [চন্দ্র] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ
মৃগ শিরা [ মঙ্গল ] ২পাদ ৬ডি ৪০মিঃ

মিথুন -
রাশি স্বামী বুধ ,
মৃগ শিরা [ মঙ্গল ] ২পাদ ৬ডি ৪০মিঃ
আদ্রা [ রাহু] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ
পুনর্বসু [ বৃহস্পতি ] ৩পাদ ১০ডি ০মিঃ

কর্কট -
রাশি স্বামী চন্দ্র
পুনর্বসু [ বৃহস্পতি ] ১পাদ ৩ডি ২০মিঃ
পুষ্যা [ শনি ] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ
অশ্লেষা [ বুধ ] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ

সিংহ -
রাশি স্বামী রবি
মঘা [ রাহু]
পুবাফাল্গুনি [শুক্র]
উত্তর ফাল্গুনি্র[ সূর্য ]

কন্যা -
রাশি স্বামী বুধ
উত্তর ফাল্গুনি [ সূর্য ]
হস্তা [চন্দ্র ]
চিত্রা [ মঙ্গল ]

তুলা -
রাশি স্বামী শুক্র
চিত্রা [ মঙ্গল ]
স্বাতী [ রাহু ]
বিশাখা [ বৃহস্পতি ]

বৃশ্চিক -
রাশি স্বামী মঙ্গল
বিশাখা [ বৃহস্পতি ] ১পাদ ৩ডি ২০মিঃ
অনুরাধা [ শনি ] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ
জ্যেষ্ঠা [ বুধ ] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ

ধনু -
রাশি স্বামী বৃহস্পতি
মু লা [কেতু] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ পূর্বসারা [শুক্র ] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ
উত্তরসাড়া [ সূর্য ] ১পাদ ৩ডি ২০মিঃ


কুম্ভ -
রাশি স্বামী শনি
মুলা [ কেতু]
পূর্ব সাড়া [ শুক্র]
উত্তর সাড়া [সূর্য ]

মকর -
রাশি স্বামী শনি
উত্তরশারা [ সূর্য ]
শ্রবন [চন্দ্র ]
ধনিষ্ঠা [মঙ্গল

কুম্ভ -
রাশি স্বামী শনি
ধনিষ্ঠা[ মঙ্গল ]
শত ভিশা [ রাহু]
পূর্ব ভাদ্রপদ [বৃহস্পতি ]

মীন -
রাশি স্বামী বৃহস্পতি ,
পূর্ব ভাদ্রপদ [ বৃহস্পতি ] ১পাদ ৩ডি ২০মিঃ
উত্তর ভাদ্রপদ [ শনি ] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ
রেবতী [ বুধ ] ৪পাদ ১৩ডি ২০মিঃ

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200621123801

Sunday, June 21st, 2020

Astro Research Centre

অম্বুবাচী(আমতি )ও কামাখ্যা মন্দির

অম্বুবাচী(আমতি )ও কামাখ্যা মন্দির

অম্বুবাচী(আমতি )ও কামাখ্যা মন্দির

অম্বুবাচীর সময়ে কামাখ্যা মন্দিরে দেবী দর্শন থাকে নিষিদ্ধ। কারণ এই সময়ে ধরিত্রী মাকে ঋতুমতী হিসাবে কল্পনা করা হয়। আষাঢ় মাসের ৭ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত এই রীতি পালন করা হয়। অম্বুবাচী ব্রতটি বিভিন্ন প্রদেশের মানুষ পালন করে থাকলেও অসমের কামাখ্যা মন্দিরে অম্বুবাচীকে কেন্দ্র করে বিশাল উৎসব অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে থাকে। সেখানকার স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস প্রতি বছর এই সময়ে দেবী ঋতুমতী হন। তাই অম্বুবাচীর সময়ে তিন দিন মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকে।

সন্ন্যাসী এবং বিধবারা এই তিন দিন বিশেষ ভাবে পালন করে থাকেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই তিন দিন কোনও মাঙ্গলিক কাজ করা হয় না। এই তিন দিন কেটে গেলে মাঙ্গলিক কাজ বা চাষের কাজে কোনও বাধা থাকে না। এই তিন দিন বন্ধ রাখা হয় মন্দিরের দ্বার। এই তিনদিন জমি চাষ ও বৃক্ষ রোপন বন্ধ থাকে

যাঁরা আদি শক্তির বিভিন্ন রূপ পুজো করেন, যেমন মা কালী, দেবী দুর্গা, দেবী জগদ্ধাত্রী, মা বিপত্তারিণী,মা শীতলা, দেবী চণ্ডীর মূর্তি বা পট পূজা করেন, তাঁরা এই সময়ে মূর্তি বা পট লাল কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখবেন।

শুরু আষাঢ় মাসে মৃগশিরার চতুর্থ পাদ
সমাপ্তি আষাঢ় মাসে আদ্যা নক্ষত্রের প্রথম পাদ

২২ জুন (৭ আষাঢ়) সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে অম্বুবাচী আরম্ভ।

২৫ জুন (১০ আষাঢ়) রাত ৮টা ১৮ মিনিটে অম্বুবাচী সমাপ্ত

22 /06/20 আষাঢ় ৭-
অয়ন : উত্তারায়ানা ঋতু : গ্রীষ্ম
কাল : গ্রীষ্মকাল পক্ষ : শুক্ল পক্ষ
সূর্যোদয় : 5:58 amচন্দ্রোদয় : 06:39 am
সূর্যাস্ত : 6:44 pmচন্দ্রাস্ট : 07:55 pm
সূর্য রাশি : মিথুন চন্দ্র রাশি : মিথুন
পঞ্জিকা
বার : সোমবার
তিথি :প্রতিপদ সমাপ্ত 11:59 am দ্বিতীয়া শুরু
নক্ষত্র : আর্দ্রা সমাপ্ত 01:31 pm পুনর্বসু শুরু
যোগ : বৃদ্ধি সমাপ্ত 12:34 pm ধ্রুব শুরু
করণ :বব 11:59 am
বালব 11:42 pm
কৌলব 11:43 pm
ভাল সময়অভিজিত মুহুর্ত : 11:56 am – 12:47 pm
অমৃত কালম : 03:18 am – 04:56 am
আনন্দদী যোগ : 01:31 pm Dhumra
খারাপ সময়রাহু কালম : 8:35 am – 9:51 am
য়মগন্ড : 11:08 am – 12:25 pm
ভর্জ্যম :None
গুলিক : 1:41 pm – 2:58 pm
দুর্মুহুর্ত : 1. 12:45 pm – 01:26 pm
2. 02:48 pm – 03:29 pm

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200621102512

Saturday, June 20th, 2020

Astro Research Centre

Surya grhan, chandra grhan চন্দ্র গ্রহণ

Surya grhan, chandra grhan  চন্দ্র গ্রহণ

কখন হবে সূর্যগ্রহণ
ভারতে এই বছর ২১ জুন সকাল ৯টা ১৫ মিনিট থেকে বিকেল ৩ বেজে ৩ মিনিট পর্যন্ত সূর্যগ্রহণ চলবে। সূর্যকে অনেকটা রিং অফ ফায়ার এর মতো দেখতে লাগবে। এই আংশিক সূর্যগ্রহণ শুরু হবে সকাল নটা বেজে পনেরো মিনিটে। এবং তা শিখরে পৌঁছবে দুপুর বারোটা বেজে দশ মিনিটে। সবমিলিয়ে গ্রহণ শেষ হতে হতে বিকেল তিনটে বেজে যাবে।

গ্রহণ শুরু হওয়ার সময়- ২১ জুন সকাল ৯.১২ মিনিটে

প্রথম পূর্ণ গ্রহণ যখন থেকে শুরু হবে- ১০.১৭ মিনিট

পুরোপুরি সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে- দুপুর ১২.১০ মিনিট

যতক্ষণ দেখা যাবে সূর্যগ্রহণ- দুপুর ২.০২ মিনিট

কোথা থেকে দেখা যাবে
বার্ষিক এই সূর্যগ্রহণ অন্তত এক মিনিটের জন্য হলেও দেখা যাবে সিরসা, রাটিয়া, কুরুক্ষেত্র, সুরাতগড়, অনুপগড়, দেরাদুন, চম্বা, চামোলি, যোশীমঠ ইত্যাদি জায়গা থেকে। এছাড়াও দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, ইয়েমেন, ওমান, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তিব্বত, চিন, তাইওয়ান এবং প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যবর্তী এলাকা থেকে এবং ভারত মহাসাগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে।

আগামী রবিবার বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ হতে চলেছে, দেখা যাবে কলকাতা থেকেও
তবে সূর্যগ্রহণের সময় কোনওভাবেই খালি চোখে আকাশের দিকে তাকাবেন না
২০২০ সালের শেষ সূর্যগ্রহণটি হবে ১৪ ডিসেম্বর, সেটি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ

কি কি করবেন না এইসময়
গ্রহনকালে কোন নতুন কাজ শুরু করা উচিত নয়। গ্রহনের সময় নতুন কাজের সূচনা করলে তা শুভ হয় না বলে প্রাচীনকাল থেকে মনে করা হয়। তা মেনে চলাই উচিত।

রান্না করা খাবার খাওয়া উচিত নয় এইসময়। এমনকি চন্দ্রগ্রহণের কিচ্ছুক্ষণ আগেও না। কারন আগেই বললাম যে, বাতাসে ক্ষতিকর পদার্থের বিকিরন হবার কারনে, খাবারেও ব্যাকটেরিয়া আসতে পারে। তাই এই গ্রহণের সময়টা না খাওয়াই ভালো।

প্রেগন্যান্ট মহিলাদের ওই সময় ঘরে থাকাই ভালো, তাদের বাচ্ছার ভালোর জন্য। আসলে বৈজ্ঞানিক মত অনুযায়ী, গ্রহণের সময় নানান ক্ষতিকর তরঙ্গের বিকিরন হয়। এই বিকিরন যেন আপনার শরীরে না লাগে। যেটা আপনার বাচ্ছার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই ঘরে থেকেই চন্দ্রগ্রহন দেখুন।

কি করতে পারেন এই সময়
বাড়িতে যদি রান্না করা খাবার থাকে। তাহলে সেগুলি ফেলে দেবেন না। ফেলে না দিয়ে তাতে কয়েকটা তুলশি পাতা রাখুন। বৈজ্ঞানিক ভিত্তি অনুযায়ী, তুলশি অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল রূপে কাজ করে। তাই খাবারকে রাখবে ব্যাকটেরিয়া মুক্ত।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200620090904

Thursday, June 18th, 2020

Astro Research Centre

জন্ম রাশি ও জন্ম মাস

জন্ম রাশি ও জন্ম মাস

প্রাচ্যমতে বৈশাখ মাসে রবি মেষ রাশিতে অবস্থান করে। জৈষ্ঠ্য মাসে অবস্থান করে বৃষ রাশিতে এভাবে ১২ মাসে ১২ রাশি অতিক্রম করে। বাংলা জন্মমাস অনুসারে জেনে নিন আপনার কোন রাশি

রাশিচক্রের প্রথম রাশি “মেষ রাশি (Zodiac Aries)”
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস মার্চ ২১ থেকে এপ্রিল ২০ (March 21- April 20 ) অথবা বাংলা মাস চৈত্র ৮ থেকে বৈশাখ ৭ তারিখের মধ্যে তাদের সকলের মেষ রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ মঙ্গল
শুভ রাশি রত্ন পাথরঃ Red Coral Stone
বৃষ রাশি (Zodiac Taurus)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস এপ্রিল ২১ থেকে মে ২১ (April 21 – May 21) অথবা বাংলা মাস বৈশাখ ৮ থেকে জ্যৈষ্ঠ ৭ তারিখের মধ্যে তাদের বৃষ রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ শুক্র
শুভ রাশি রত্ন পাথরঃ Diamond Stone , Zircon Stone , Firoza Stone , Panna Stone
মিথুন রাশি (Zodiac Gemini)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস মে ২২ থেকে জুন ২১ (May 22 – Jun 21) অথবা বাংলা মাস জ্যৈষ্ঠ ৮ থেকে আষাঢ় ৭ এর মধ্যে তাদের সকলের মিথুন রাশি।
অধিপতি গ্রহ বুধ
শুভ রাশি রত্ন পাথরঃ Yellow Sapphire Stone , Panna Stone
কর্কট রাশি (Zodiac Cancer)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস জুন ২২ থেকে জুলাই ২২ (Jun 22 – July 22) অথবা বাংলা মাস আষাঢ় ৮ থেকে শ্রাবণ ৭ এর মধ্যে যাদের জন্ম তাদের সকলের কর্কট রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ চন্দ্র
উপকারী রত্নঃ Red Coral Stone , Pearl Stone
সিংহরাশি (Zodiac Leo)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস জুলাই ২৩ থেকে অগাস্ট ২৩ (July 23 – August 23) অথবা বাংলা মাস শ্রাবন ৮ থেকে ভাদ্র ৮ এর মধ্যে জন্ম তাদের সকলের সিংহ রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ রবি
শুভ রাশি রত্নঃ Ruby Stone
কন্যা রাশি (Zodiac Virgo)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস আগস্ট ২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২৩ (August 24 – Sept 23) অথবা বাংলা মাস ভাদ্র ৯ থেকে আশ্বিন ৮ তারিখের মধ্যে তাদের সকলের কন্যা রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ বুধ
উপকারী রত্ন পাথরঃ Panna Stone
তুলারাশি (Zodiac Libra)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস সেপ্টেম্বর ২৪ থেকে অক্টোবর ২৩ (Sept 24 – Oct 23) অথবা বাংলা মাস আশ্বিন ৯ থেকে কার্তিক ৮ তারিখের মধ্যে তাদের সকলের তুলা রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ বুধ ও শুক্র
উপকারী রত্নঃ Panna Stone , Diamond Stone , Zircon Stone
বৃশ্চিক রাশি (Zodiac Scorpio)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস অক্টোবর ২৪ থেকে নভেম্বর ২২ (Oct 24 – November 22) অথবা বাংলা মাস কার্তিক ৯ থেকে অগ্রহায়ন ৮ এর মধ্যে জন্ম তাদের সকলের বৃশ্চিক রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ মঙ্গল
উপকারী রত্ন পাথরঃ Red Coral Stone
ধনু রাশি (Zodiac Sagittarius)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস নভেম্বরের ২৩ থেকে ডিসেম্বরের ২১ (November 23 – December 21) অথবা বাংলা মাস অগ্রহায়ণ ৯ থেকে পৌষ মাসের ৭ তারিখ এর মধ্যে যাদের জন্ম তাদের ধনু রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ বৃহস্পতি
শুভ রত্ন পাথরঃ Yellow Sapphire Stone
মকর রাশি (Zodiac Capricon)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস ডিসেম্বর ২২ থেকে জানুয়ারি ২০ (December 22 – January 20) অথবা বাংলা মাস পৌষ ৮ থেকে মাঘ ৭ তারিখের মধ্যে জন্ম তাদের সকলের মকর রাশি (Capricon)।
অধিপতি গ্রহঃ শনি
শুভ রত্ন পাথরঃ Blue Sapphire Stone
কুম্ভ রাশি (Zodiac Aquarius)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস জানুয়ারি ২১ থেকে ফেব্রুয়ারি ১৮ (January 21 – February 18) অথবা বাংলা মাস মাঘ ৮ থেকে ফাল্গুন ৬ তারিখে মধ্যে জন্ম তাদের সকলের কুম্ভ রাশি (Aquarius)।
অধিপতি গ্রহঃ শনি
উপকারী রত্নঃ Blue Sapphire Stone , Gomed Stone
মীনরাশি (Zodiac Pisces)
যাদের জন্ম ইংরেজি মাস ফেব্রুয়ারি ১৯ থেকে মার্চ ২০ (February 19 – March 20) অথবা বাংলা মাস ফাল্গুন ৭ থেকে চৈত্র ৭ তারিখের মধ্যে তাদের সকলের মীন রাশি।
অধিপতি গ্রহঃ বৃহস্পতি
উপকারী রত্ন পাথরঃ Yellow Sapphire Stone

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200618132043

Tuesday, June 16th, 2020

Astro Research Centre

রাশি ও তার অধিপতি গ্রহ

রাশি ও তার অধিপতি গ্রহ

রাশি ও তার অধিপতি গ্রহ

১২ টি রাশি ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে আসছে; অর্থাৎ একটি রাশি সরে গিয়ে পরের রশিটি উদয় হতে সময় লাগে ২ ঘণ্টা। এই রাশিগুলি মেষ থেকে শুরু হয় এবং এক একটি রাশির ব্যাপ্তি ৩০ ডিগ্রি করে। সাধারণতঃ পূর্ব ভারতে যে পদ্ধতি অনুসরণ করে এই রাশিগুলিকে সাজানো হয় মেষ থেকে শুরু করে বামাবর্তে (anticlockwise) পরপর এগিয়ে যেতে হবে। রাশিগুলি হলো : - মেষ (Aries); বৃষ (Taurus); মিথুন (Gemini); কর্কট (Cancer); সিংহ (Leo); কন্যা (Virgo); তুলা (Libra); বৃশ্চিক (Scorpio); ধনু (Sagittarius); মকর (Capricorn); কুম্ভ (Aquarius) ও মীন (Pisces)।
এই রাশিগুলির প্রত্যেকটির একটি করে অধিপতি গ্রহ (lord) আছে। মেষ ও বৃশ্চিকের অধিপতি মঙ্গল; বৃষ ও তুলার অধিপতি শুক্র; মিথুন ও কন্যার অধিপতি বুধ; কর্কট ও সিংহের অধিপতি যথাক্রমে চন্দ্র ও রবি; ধনু ও মীনের অধিপতি বৃহস্পতি এবং মকর ও কুম্ভের অধিপতি শনি। অতএব দেখা যাচ্ছে, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনি - এদের প্রত্যেকটির দু'টি রাশির উপর আধিপত্য রয়েছে কিন্তু চন্দ্র ও রবি কেবল একটি করে রাশিরই অধিপতি।
রাহু ও কেতুকে যেহেতু গ্রহ হিসাবে গণ্য করা হয় না, সেজন্য তারা কোনো রাশির অধিপতি নয়। তবে তাদের বলাবল নির্ণয়ের জন্য কয়েকটি রাশিকে তাদের স্বক্ষেত্র, মূলত্রিকোণ ও তুঙ্গস্থান হিসাবে ধরা হয়। এটা ৭ম অনুচ্ছেদে আলোচিত হবে।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200616210741

Monday, June 15th, 2020

Astro Research Centre

ত্রিপুস্কর যোগ

ত্রিপুস্কর যোগ

ত্রিপুস্কর যোগ

রবি ,মঙ্গল বা শনি বারে , দ্বিতীয়া , সপ্তমী বা দ্বাদশী তিথি এবং কৃত্তিকা , পূনৰ্ব্বসু , উত্তরফলগুনী , বিশাখা , বা উত্তরাসারা নক্ষত্র এই বার , তিথি ও নক্ষত্রের একই সময়ের সম্মিলন কে পুস্কর যোগ বলে। এই যোগ বিশেষ অশুভ ফল দায়ক হয় । কোন শুভ কর্ম সেই মুহূর্তে করা উচিত নয়। সে মুহূর্তে মৃত ব্যক্তির পরিবার বর্গের উপর ও পরবর্তীতে অশুভ প্রভাব পড়ে । আবার রাশিচক্রে এই যোগ থাকলে তা জাতকের জীবনে এক বিশেষ অশুভ প্রভাব ফেলে । এই যোগে কারো মৃত্যু হলে বার দোষে এক পাদ , তিথি দোষে এক পাদ আর নক্ষত্র দোষে দুই পাদ দোষ হয়। বার দোষে শস্য ও পুত্র নাশ , তিথি দোষে গো সম্পদাদি নাশ ও নক্ষত্র দোষে গোত্র নাশ হয়।

তাই শুভ কর্মদিতে ওই অশুভ যোগ কে পরিবর্জন করাই শ্রেয়। সে সময়ে জাত বা মৃত হলে শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুযায়ী বিধান একান্ত প্রয়োজন।

মনে রাখা প্রয়োজন যে , উল্লেখিত যোগ টি শুভ বা বা অশুভ দুইই হতে পারে । শুভ হলে ত্রিগুন লাভ আর ক্ষয়ে তিন গুণ ক্ষয় হয়। তা শুভাশুভ পরিজ্ঞাতার্থে , অভিজ্ঞ জ্যোতিষী র সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

বুদ্ধভ্রষ্ট যোগ

আবার চন্দ্র,বধ একত্রে থেকে রাহূ দৃষ্ট হলে কিংবা চন্দ্র বধ ও রাহূ একত্রে যে কোনো রাশিতে সহাবস্থান করলে জাতক উন্মাদ হবেই।আবার বুধ রাহূ বুদ্ধি ভ্রষ্ট যোগ তৈয়ারী করে।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200615132928

Friday, June 12th, 2020

Astro Research Centre

সৌরবৎসর ৩৬৫দিনে ও চন্দ্রবৎসর ৩৫৫দিনে

সৌরবৎসর ৩৬৫দিনে  ও চন্দ্রবৎসর ৩৫৫দিনে

আমাদের দেশে সৌরবৎসর ৩৬৫দিনে ও চন্দ্রবৎসর ৩৫৫দিনে পদ্ধতির আলাদা সন গোনার পদ্ধতি থাকলেও মিশ্র রীতিতেও তার হিসেব রাখা হত। যেমন চন্দ্র পদ্ধতিতে মাসের গণনা হলেও সন গণনা হত সৌর পদ্ধতিতে। হিন্দুদের পূজা পার্বন-সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান চাঁদের পরিবর্তনের হিসেব অনুযায়ী হয়। চন্দ্র পদ্ধতির হিসেবে প্রতিটি মাসই ৩০ দিনের। পূর্ণিমা থেকে পূর্ণিমা। প্রতি সৌর বছরের হিসেব থেকে কয়েকটি দিনের পার্থক্য ঘটে। তাই প্রতি তিন সৌর বছর পরে পরে দেখা যায় একটি চান্দ্রমাস বেশি হচ্ছে। তখন ওই মাসটিকে অতিরিক্ত ধরে মূল হিসেব থেকে বাদ দেওয়ার রীতি প্রচলিত রয়েছে। এই অতিরিক্ত মাসকে বলা হয় অতিরিক্ত মাস বা মলমাস।
ব্রজ ধামে মল মাসকে পুরুষোত্তম মাস বলে
একই মাসে দু’টি অমবাস্যা তিথি পরলেও সেটিকে মলমাস বলা হয়। ‘মল’ শব্দের অর্থ অশুভ। তাই এই মাসকে বর্জিত হিসেবে হিন্দু ধর্মের কোনও পূজা বা শুভ অনুষ্ঠান যেমন বিবাহ, অন্নপ্রাশন ইত্যাদি হয় না। তবে শ্রাদ্ধ বা সপিণ্ডকরণ করা যায়। আরও একটি বিষয় হল অগ্রহায়ণ, পৌষ ও মাঘ মাস কখনও মলমাস হয় না।

এই বছর 2020 মহালয়ার ৩৫ দিন বাদে পুজো। সাধারণত মহালয়ার ৭ ‌দিনের মাথায় সপ্তমীতে দুর্গাপুজো শুরু হয়। মহালয়ার দিন পিতৃপক্ষের শেষ এবং দেবীপক্ষের শুরু। কিন্তু এই বছর ‘‌মলমাসের’‌ কারণে পুজো এক মাসেরও বেশি পিছিয়ে যাচ্ছে। এই বছর মহালয়া হবে ১৭ সেপ্টেম্বর। সপ্তমী পুজো হবে ২৩ অক্টোবর। অর্থাৎ, আশ্বিনের বদলে পুজো হবে কার্তিক মাসে

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200612175716

Thursday, June 11th, 2020

Astro Research Centre

বিবাহ যোগ, মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ, মীন রাশি ও লগ্নের

বিবাহ যোগ, মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ, মীন রাশি ও লগ্নের

২০২০ -২০২১সালে মেষ রাশি ও লগ্নের জাতক/জাতিকার বিয়ের সম্ভাবনা কেমন, তা জেনে নিন

মেষ (২১ মার্চ - ২০ এপ্রিল) রবি রাশি

মেষ রাশি/লগ্নের জাতক/জাতিকার রয়েছে লম্বা বিবাহ যোগ। ২০২০ এপ্রিল মাস থেকে 2021 ডিসেম্বর পর্যন্ত। সপ্তম ভাবে রাহু থাকলে প্রবল বাঁধা হবে

মেষ রাশি- এই রাশির জাতক মেষ, সিংহ ও ধনু রাশির পাত্রীকে বিবাহ করলে ভাল হবে। অর্থাৎ বিবাহিত জীবন সুখের হবে। এ ছাড়া যাদের জন্ম মাস ভাদ্র, কার্তিক, বৈশাখ, পৌষ, তাদের সঙ্গে বিবাহ হওয়া উচিত। এই রাশি যদি কোনও নারীর হয়, তা হলে পুরুষের রাশি হতে হবে মিথুন, কর্কট, মকর বা কুম্ভ।

বিবাহ ক্ষেত্রে -- ২, ৭, ১১ পতির অবস্হান ও দশা বিবেচনা করতে হবে

লগ্নের /রবির /চন্দ্র থেকে মঙ্গল ১, ৪, ৭, ৮, ১২ অবস্হান করলে মাঙ্গলিক দোষ বিবেচিত হবে
বিবাহের ক্ষেত্রে বাধা থাকলে রক্ত প্রবল এবং হীরা
বা সাদা জারকন ধারণ করুন

বিবাহের সেরা সময়- বৈশাখ, শ্রাবণ ও মাঘ মাস

কোন বয়সে বিয়ে করা উচিত
মেষ রাশি 22 থেকে 27 বৎসর
Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।


বিবাহ /বাণিজ্য বা ব্যবসা /সপ্তম ভাব

বৃষ রাশি- এই রাশির জাতকের বিবাহ করা উচিত এমন পাত্রীকে যার জন্ম মাস অগ্রহায়ণ, আশ্বিন ও মাঘ এবং পাত্রী হবেন বৃষ, কন্যা, মকর, বৃশ্চিক ও মীন রাশির।

এই রাশির জাতিকার জন্য পুরুষের রাশি হতে হবে কর্কট, সিংহ, কুম্ভ বা মীন।

প্রেম করে বিবাহ করলে অসবর্ণ বিবাহ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যা পরবর্তী কালে সুখকর নাও হতে পারে।
বৃষ (২১ এপ্রিল - ২১ মে)
বৃষ রাশি/লগ্নের জাতক/জাতিকার বিবাহের সম্ভাবনা এই বছর প্রবল। বৃষর সপ্তম স্থানে বৃশ্চিক অর্থাৎ শুক্র/মঙ্গল একে অপরের শত্রু। বিবাহ যোগ ১১/১১/২০ থেকে ২৫/০৯/২০২২ পর্যন্ত। এই সময়ে এই রাশির বিবাহের সম্ভাবনা প্রবল।
বিবাহ : বিবাহের সময় জাতকের যোটক বিচার করে বিবাহ দেবেন

বিবাহ যোগ :2020 november থেকে 2022 september পর্যন্ত

৭ম ভাবে পাপ গ্রহের দৃষ্টি থাকালে বা পাপ গ্রহ থাকলে বিবাহ ও বাণিজ্যে সমস্যা থাকবে

বিবাহিত জীবনে সুখের জন্য ভুবনেশ্বরী কবচ ধারণ করা ব্যঞ্ছনীয়
জাতকের মাঙ্গলিক দোষ যদি লক্ষ্য করা যায়
বিবাহিত জীবনের প্রথম দিকে কিছু সমস্যা থাকবে

বিয়ে প্রেম করে বা সম্বন্ধ করে, উভয় ভাবেই হতে পারে। নভেম্বর ২০২০ এর পর থেকে এই যোগ হবে আরও প্রবল!

বিবাহের ক্ষেত্রে বাধা থাকলে পাঁচমুখী ও ছ’মুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন।

রত্ন - নীলা /হীরা শুভ
বিবাহের সেরা সময়- জ্যৈষ্ঠ, মাঘ, ফাল্গুন মাস।

বিঃ দ্রঃ বিবাহ কবে, কোথায়, কখন, কিভাবে, সময়, মাস, সাল, দিন বলা অসম্ভব

শুভ বিষয় সকল
1)শুভ সংখ্যা : 1, 5
2)মিত্র সংখ্যা :6, 4, 5, 8
3)শুভ রং : সবুজ, সাদা , নীল
4)শুভ রত্ন :পান্না, হীরা , নীলা
5)শুভ ধাতু : ব্রোঞ্চ , সোনা
6)শুভদিক : উত্তর
7)শুভ সময় :8/11am
8)মিত্র রাশি : বৃষ, মকর, কন্যা
9)শুভ বর্ষ :10, 19, 28, 37, 46, 55, 64, 73
10)শুভ গ্রহ :বুধ, শুক্র , শনি
11)শুভ দিন : বুধ, শুক্র , শনি
12)শুভ মাস :আশ্বিন, মাঘ, জৈষ্ঠ্য

অশুভ বিষয়
1)রাশি : ধনু , মেষ, বৃশ্চিক
2)মাস : মাঘ
3)তিথি : 4, 9, 14
4)দিন : মঙ্গল, বৃহস্পতি
5)নক্ষত্র : শতভিষা
6)অশুভ রং :লাল, হলুদ
7)অশুভ সময় : 18pm পরে
8)অশুভ সংখ্যা :3, 9
Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


কোন রাশির সঙ্গে কোন রাশির বিয়ে করা হানিকর

১) মেষ রাশির সঙ্গে বৃষ রাশির বিয়ে করা একদমই উচিত নয়। ২/৬/৮/১২/৪/১০

২) বৃষ রাশির জন্য ধনু রাশি নিশ্চিত মত পাথর্ক্য হবে ৮/৬

৩) মিথুন রাশির জন্য খুব খারাপ মিল মকর রাশি। কারণ ৬/৮

৪) কর্কট রাশির ব্যক্তিদেরসঙ্গে কুম্ভ রাশির ব্যক্তির বিয়ে অশুভ । কারণ ৬/৮

৫) সিংহ রাশির সঙ্গে বৃশ্চিক রাশির বিয়ে করা উচিত নয় ৪/১০

৬) কন্যা রাশির সঙ্গে ধনু রাশির মিল হওয়া প্রায় অসম্ভব। কারণ ৪/১০

৭) তুলা রাশি জাত ব্যক্তির সঙ্গে কন্যা রাশির মেলবন্ধন হয় না। কারণ ২/১২

৮) বৃশ্চিক রাশির সঙ্গে মেষ রাশির মিল হবে না
কারণ ৬/৮
৯) ধনু রাশির সঙ্গে বৃষ রাশির বিয়ে করা উচিত নয়। কারণ ৬/৮

১০) মকর রাশির জন্য মিথুন রাশি সব থেকে খারাপ ম্যাচ।কারণ ৬/৮

১১) কুম্ভ রাশির ব্যক্তিদের কখনও কর্কট রাশির সঙ্গে বিয়ে করা উচিত নয়। কারণ ৬/৮

১২) মীন রাশির সঙ্গে সিংহ রাশির বিয়ে দেওয়া একদমই উচিত নয়।কারণ ৬/৮

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200611184349

Tuesday, June 9th, 2020

Astro Research Centre

দক্ষিণ - দক্ষিণ দিক সবসময়ই বাস্তুমতে খারাপ

দক্ষিণ - দক্ষিণ দিক সবসময়ই বাস্তুমতে খারাপ

দক্ষিণ - দক্ষিণ দিক সবসময়ই বাস্তুমতে খারাপ
https://youtu.be/JrU0SUjCofs
দিক হিসেবে চিহ্নিত। তবে তা সবসময় সত্যি নয়। বলা যেতে পারে উত্তর দিকের সব ভালো শক্তির ব্যাঙ্ক হল দক্ষিণ দিক। দক্ষিণ দিক খুব একটা খোলামেলা না হওয়াই ভালো। বাস্তুমতে এই দিকের অধিপতি হলেন হিন্দু দেবতা যম। তাই ঘরের দক্ষিণ দিক বেশি খোলামেলা হলে বাড়ির সদস্যদের বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ এমনকি মৃত্যুভয় লেগে থাকবে। দক্ষিণ দিক খোলামেলা বাড়ির সদস্যরা মামলা-মোকদ্দমাতেও জড়িয়ে পড়তে পারেন। দক্ষিণ দিকে বন্ধ দেওয়াল থাকলে অর্থ ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। এই দিকের প্রতিনিধি গ্রহ হল মঙ্গল।

https://youtu.be/JrU0SUjCofs

দক্ষিণ দিকটি সাধারণত বাড়ির জন্য অশুভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে বাস্তুমতে, এই দিকটি সবার পক্ষে অশুভ নয়। কিছু ব্যক্তির পক্ষে এই দিক অত্যন্ত সুবিধাজনকও হতে পারে। যারা জন্য দক্ষিণের দিক অশুভ, তাদের উচিত বাস্তু দোষ কাটিয়ে সেই বাড়িতে বসবাস করা। জেনে নেওয়া যাক দক্ষিণ দিকের ঘর ১২টি রাশিচক্রের উপর কেমন ফল দেয়। আর কোন কোন রাশির জন্য এই দিক শুভ ও অশুভ ফল দেয় জেনে নেওয়া যাক।

https://youtu.be/JrU0SUjCofs

যে রাশিগুলির জন্য দক্ষিণ দিক শুভ

মেষরাশি শুভ
বৃষ রাশি অশুভ
মিথুন রাশি অশুভ
কর্কট রাশি শুভ
সিংহ রাশি অশুভ
কন্যা রাশি শুভ
তুলা রাশি অশুভ
বৃশ্চিক রাশি শুভ শুভ মিশ্র
ধনু রাশি মধ্যম
মকররাশি শুভ
কুম্ভ রাশি অশুভ
মীন রাশি শুভ

https://youtu.be/JrU0SUjCofs

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200609214634

Tuesday, June 9th, 2020

Astro Research Centre

রাশি, রং, সংখ্যা Rashi, Rong, Sankhya, শত্রু, মিত্র

রাশি, রং, সংখ্যা Rashi, Rong, Sankhya, শত্রু, মিত্র


মেষ রাশি
শুভ রং: লাল, বেগুনি ও সাদা, সবুজ
শুভ সংখ্যা:২, ৩, ৯, ১৭, ২২, ৩৭, ৪৫
পাথর: প্রবাল
শুভ তারিখ : ৯, ১৮, ২৭
শুভ দিক:- পূর্ব দিক

শুভ রাশি:- মিথু্‌ন, কন্যা, মীন।

শত্রু রাশি:- কর্কট, বৃশ্চিক।


বৃষ
শুভ রং: আকাশি, কমলা, সাদা
শুভ সংখ্যা: ৩, ৬, ১৭, ১৯, ২৭, ৩২, ৪৪
পাথর: পান্না, হীরা
শুভ তারিখ:- ৬, ১৫, ২৪।

শুভ দিক:- উত্তর দিক

শুভ রাশি:- কন্যা, মকর।

শত্রু রাশি:- সিংহ, ধনু, মেষ।


মিথুন
শুভ রং: হালকা সবুজ, ক্রিম, কমলা
শুভ সংখ্যা: ২, ৫, ১৮, ১৯, ২৫, ৩৪, ৪৭
পাথর: পান্না, হীরা
শুভ বার:- বুধবার।

শুভ তারিখ:- ৫, ১৪, ২৩।

শুভ দিক:- উত্তর দিক।

শুভ রাশি:- তুলা, কুম্ভ।

শত্রু রাশি:- কন্যা, মকর।



কর্কট
শুভ রং: হালকা সবুজ, সাদা ও কমলা, বাদামি
শুভ সংখ্যা: ২, ১১, ১৮, ২৩, ৩৩, ৪৫
পাথর: মুক্তা, পোখরাজ
শুভ বার:- সোমবার মঙ্গল

শুভ তারিখ:- ২,১০, ২০, ২৯।

শুভ দিক:- ঈশান কোন।

শুভ রাশি:- বৃশ্চিক, মীন।

শত্রু রাশি:- তুলা, কুম্ভ, ধনু।


সিংহ
শুভ রং: হলুদ, সোনালি, আকাশি
শুভ সংখ্যা: ১, ৩, ১২, ৩৭, ৩৯, ৪১, ৪৬
পাথর: চুন্নি ও প্রবাল
শুভ বার:- রবিবার। মঙ্গলবার

শুভ তারিখ:- ১, ১০, ১৯, ২৮।

শুভ দিক:- পূর্ব দিক।

শুভ রাশি:- বৃশ্চিক, মীন, মকর।

শত্রু রাশি:- মেষ, বৃষ, কর্কট, কন্যা, তুলা,


কন্যা
শুভ রং: ফিরোজা, চকলেট, সাদা
শুভ সংখ্যা:২, ৫, ৯, ১৭, ২২, ৩৫, ৪৮
পাথর: পান্না, হীরা
শুভ বার:- বুধবার। রবিবার

শুভ তারিখ:- ৫, ১৪, ২৩।

শুভ দিক:- দক্ষিণ দিক।

শুভ রাশি:- মকর বৃষ

শত্রু রাশি:- ধনু, কম্ভ, মেষ।



তুলা
শুভ রং: ফিরোজা, আকাশি, সাদা, কমলা
শুভ সংখ্যা:৩, ৫, ৬, ১৮, ২১, ৩৬, ৪২
পাথর: হীরা-পান্না
শুভ বার:- শুক্রবার। শনিবার

শুভ তারিখ:- ৬, ১৫, ২৪।

শুভ দিক:- পশ্চিম দিক।

শুভ রাশি:- বৃশ্চিক, কুম্ভ, মিথুন।

শত্রু রাশি:- মকর, মীন, বৃষ।



বৃশ্চিক
শুভ রং: নীল, ঘিয়ে, চকলেট, লাল
শুভ সংখ্যা: ১, ২, ৩, ৯, ২২, ৩৪
পাথর: প্রবাল ও চুন্নি
শুভ বার:- মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার

শুভ তারিখ:- ৯, ১৮, ২৭।

শুভ দিক:- উত্তর দিক।

শুভ রাশি:- মিথুন, কর্কট।

শত্রু রাশি:- কুম্ভ, মেষ।



ধনু
শুভ রং: আকাশি ও বেগুনি, মেরুন
শুভ সংখ্যা: ৩,৫ ৯, ১৭, ৩৮, ৪০, ৪৮
পাথর: পোখারাজ, চুনী
শুভ বার:- বৃহস্পতিবার, মঙ্গলবার

শুভ তারিখ:- ৩, ১২, ২১, ৩০।

শুভ দিক:- পূর্বদিক।

শুভ রাশি:- মেষ, সিংহ।

শত্রু রাশি:- মীন, বৃষ, কর্কট।



মকর
শুভ রং: নীল, চকোলেট, ক্রিম, সবুজ
শুভ সংখ্যা:৫, ৮, ৯, ১৬, ৩২, ৩৭, ৪৯
পাথর: নীলা, ক্যাটস আই
শুভ বার:- শনিবার, শুক্রবার

শুভ দিক:- দক্ষিণ দিক।

শুভ তারিখ:- ৮,১৭, ২৬।

শুভ রাশি:- বৃষ, কন্যা।

শত্রু রাশি:- মেষ, মিথুন, সিংহ।



কুম্ভ
শুভ রং: নীল, গাঢ় সবুজ, বেগুনি, সাদা
শুভ সংখ্যা: ১, ৩, ৯, ১৫, ২২, ৪৭
পাথর: নীলা
শুভ বার:- শনিবার, বুধবার

শুভ তারিখ:- ৮, ১৭, ২৬।

শুভ দিক:- পশ্চিম দিক।

শুভ রাশি:- মিথুন , তুলা।

শত্রু রাশি:- বৃর্ষ, কর্কট।


মীন
শুভ রং: বেগুনি, কমলা
শুভ সংখ্যা: ৩, ৪, ৭, ২৩, ৩৭, ৪০, ৪৫
পাথর: পোখরাজ
শুভ বার:- বৃহস্পতিবার, মঙ্গলবার

শুভ তারিখ:- ৩,১২,২১,৩০।

শুভ দিক:- উত্তর দিক।

শুভ রাশি:- কর্কট, বৃশ্চিক।

শত্রু রাশি:- মিথুন, সিংহ, তুলা।




Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200609125959

Monday, June 8th, 2020

Astro Research Centre

বর্তমানে শনির সাড়ে সাতি ভোগ্য তিন রাশি হল sanir Saresati :

বর্তমানে শনির সাড়ে সাতি ভোগ্য তিন রাশি হল sanir Saresati :

বর্তমানে শনির সাড়ে সাতি ভোগ্য তিন রাশি হল:


১) ধনু Dhanu ২) মকর Makar ৩)কুম্ভ Kumva

এই তিন রাশি ছাড়াও পরবর্তী রাশিগুলির শনির সাড়ে সাতির সময় নির্দেশ করা হল।

দেখে নেওয়া যাক কোন রাশিতে কবে শনির সাড়ে সাতি শুরু এবং শেষ হবে।
১)শনিদেব মকর রাশিতে ২৪/০১/২০২০ তে প্রবেশ করেছে
মকর: ৩০/০৩/২০২২ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।
ফল --শুভ
২) ধনু: ২৯/০৪/২০২২ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।
ফল --অশুভ

৪) কুম্ভ: ২৪/০১/২০২০ থেকে ২৩/০২/২০২৮ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।
ফল ---শুভ

৫) মীন: ২৯/০৪/২০২২ থেকে ০৮/০৮/২০২৯ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।

৬) মেষ: ৩০/০৩/২০২৫ থেকে ৩০/০৫/২০৩২ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।

৭) বৃষ: ২৩/০২/২০২৮ থেকে ১২/০৭/২০৩৪ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।

৮) মিথুন: ১৭/০৪/২০৩০ থেকে ২৭/০৮/২০৩৬ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।

৯) কর্কট: ৩১/০৫/২০৩২ থেকে ১২/০৭/২০৩৯ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।

১০) সিংহ: ১৩/০৭/২০৩৪ থেকে ২৫/০৯/২০৪১ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।

১১) কন্যা: ২৮/০৮/২০৩৬ থেকে ১১/১২/২০৪৩ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।

১২) তুলা: ১৩/০৭/২০৩৯ থেকে ০৮/১২/২০৪৬ পর্যন্ত শনির সাড়ে সাতি চলবে।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হব।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200608133455

Monday, June 8th, 2020

Astro Research Centre

বাস্তু শাস্ত্র ও দশ দিক

বাস্তু শাস্ত্র ও দশ দিক

১)শৌচাগার ভিতরেই হোক অথবা বাইরে, সেপটিক ট্যাঙ্ক অথবা সোক পিটের কাছাকাছি তৈরি করতে হবে।এর জন্য দক্ষিন অথবা পশ্চিম দিক বেছে নেওয়া যেতে পারে।
২।শৌচাগারের আর্দশ স্থান হল পশ্চিম দিক ও উত্তর –পশ্চিম কোনে।বিকল্পে দক্ষিন-পূর্বেও শৌচাগার করা যেতে পারে।
৩।কোন মতেই উত্তর- পূর্বে, দক্ষিন –পশ্চিমে ও ব্রহ্মস্থলে যেন শৌচাগার না করা হয়।
৪।পায়খানার প্যান উত্তর-দক্ষিন মূখী বসাতে হবে।
৫।মেঝের তল থেকে প্যান নিদেন পক্ষে এক থেকে দেড় ফুট উচুতে বসাতে হবে।
৬।শৌচাগারের জলের কল যেন উত্তর –পূর্ব, পূর্ব ও উত্তর দিকে থাকে। দক্ষিন-পূর্ব, উত্তর ও পশ্চিমে জলের কল না থাকাই শ্রেয়।



বাতিল করুন দক্ষিণদিকে মুখ করে রান্না করা
রান্না , দক্ষিণ দিকে মুখ করে করা উচিত নয় বলে মনে করছেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা। তার ফলে গৃহিনীর শরীর স্বাস্থ্য ঠিক থাকে না। যে বাড়ির মহিলারা দক্ষিণমুখী হয়ে রান্না করেন তাঁরা প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন।





১)প্রত্যেকটি বাড়িতেই রান্নাঘরে (kitchen) নানা বাসন ব্যবহার করা হয়। রান্না করতে তো বটেই এবং খেতেও আমরা নানা বাসন ব্যবহার করি। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, যখনই আপনি রাতে রান্না করবেন, রান্না করা হয়ে গেলে বাসনগুলো ধুয়ে রাখুন। এঁটো বাসন যত বেশি জমা হয়, বাড়িতে তত বেশি নেগেটিভ এনার্জি ছড়ায়। এছাড়াও অনেকেই রান্নাঘরে বাসন ছড়িয়ে রাখেন। এতেও কিন্তু নেগেটিভ এনার্জি ছড়ায় এবং বাড়িতে সুখ ও সমৃদ্ধির চূড়ান্ত অভাব হয়। (vastu tips)

২। আপনি যদি বাড়িতে কোনও রেনোভেশন করেন বা নতুন বাড়ি তৈরি করেন, তাহলে এই বাস্তু টিপসটি (vastu tips) আপনার খুবই কাজে লাগবে। রান্নাঘর তৈরি করার সময়ে তা দক্ষিণপূর্বে তৈরি করুন। দক্ষিণ-পূর্ব কোন হল অগ্নিকোণ এবং রান্নাঘরেও যেহেতু অগ্নির কাজই বেশি হয় কাজেই রান্নাঘরের (kitchen) পজিশন বাড়ির সাউথ-ইস্ট বা দক্ষিণপূর্বে হওয়াই ভাল। তবে যাঁদের রান্নাঘর এদিকে নয়, তাঁরা অন্তত চেষ্টা করুন রান্নাঘরের দক্ষিণপূর্ব দিকে রান্নার আয়োজন করার।

৩। গ্যাস বা স্টোভ বা মাইক্রোওয়েভ – অর্থাৎ যাতে আপনি রান্না করবেন, সেই বস্তুটি কোথায় রাখবেন তা-ও কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার রান্নাঘর বাড়ির যেখানেই হোক, অগ্নিকোণেই গ্যাস বা স্টোভ রাখুন এবং বাড়ির মহিলারা সেদিকে মুখ করে রান্না করলে ভাল।

৪। আপনি যদি চান আপনার বাড়ি সুখ সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠুক, সেক্ষেত্রে রান্নাঘরে (kitchen) যতটা সম্ভব সবুজের সমারোহ রাখার চেষ্টা করুন (vastu tips)। রান্নাঘরের দেওয়ালে বা জানালায় কিচেন গার্ডেন করতে পারেন। যদি জায়গা না থাকে সেক্ষেত্রে রান্নাঘরের মেঝে বা স্ল্যাব সবুজ গ্রানাইট বা মার্বেল দিয়ে করতে পারেন। কোনও কিছুই সম্ভব না হলে রান্নাঘরে সবুজ কোনও ছবি টাঙাতে পারেন। এতে বাড়িতে শান্তিও বজায় থাকে।

প্রথম: আমাদের প্রত্যেকেই বাড়ি নিয়ে অনেক স্বপ্ন থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ি বা জমি কেনার সময়ে স্বপ্নে বাঁচবেন না, একেবারে বাস্তবের মাটিতে পা রেখে চলুন। যেটি আপনাকে করতে হবে, আপনার বাজেট অর্থাত্ সামর্থ্য অনুযায়ী জমি বা বাড়ি কিনতে হবে। না হলে বিশাল ঋণের বোঝা চাপতে পারে। ফলে, কিছুদিনের মধ্যে আপনার দাম্পত্য জীবনে প্রভাব পড়তে পারে। হাতে টান পড়লেই আপনি আপনার সঙ্গী বা সন্তানের চাহিদা পূরণ করতে অসমর্থ হবেন, তখনই একটু একটু করে অশান্তি দানা বাধবে। তাই আপনি প্রথমেই আপনার পারকতা বুঝে হিসাব নিকেশ করে জমি বা বাড়ি কিনুন।



দ্বিতীয়: যদি আপনারা দুজনেই চটজলদি রেগে যান, তাহলে কখনই দক্ষিণপূর্ব দিকে মাথা করে ঘুমোবেন না। তার চেয়ে বেডরুমের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে মাথা রেখে ঘুমোন। এতে সুফল পেতে পারেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



তৃতীয়: বাড়িতে শোওয়ার ঘরটি কোথায়, তার উপর নির্ভর করছে আপনার দাম্পত্য জীবন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কখনই বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে শোওয়ার ঘর করবেন না।



চতুর্থ: বিছানা দরজার দিকে মুখ করে রাখবেন না। শোওয়ার সময়ে আপনার পা যেন দরজা দিকে না থাকে। কিন্তু একান্তই যদি এই পরিস্থিতি না এড়াতে পারেন, তাহলে দরজায় একটি গাঢ় রঙের পর্দা এবং উইন্ড চাইম লাগায়ে রাখুন।



পঞ্চম: শোওয়ার সময়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ দিকে মাথা করে ঘুমোন।



ষষ্ঠ: ঘরের রং কখনই গাঢ় যেন না হয়। যেমন, নীল বা ধূসর রঙের করবেন না। তাতে মানসিক অবসাদ বাড়তে পারে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার লাকি রং বেছে নিতে পারেন।



সপ্তম: শোওয়ার ঘরে কখনও আয়না রাখবেন না।



অষ্টম: যে জায়গা দক্ষিণ -পশ্চিম উঁচু কিন্তু উত্তর পশ্চিম, উত্তর পূর্ব এবং দক্ষিণ পূর্ব নিচু। এই ভুমি সবসময় শুভ ফলদায়ী।



নবম: যে জায়গা উত্তর -পশ্চিম, উত্তর ও উত্তর -পূর্ব ভাগ উঁচু এব‌ং দক্ষিণ নিচু হয়। এই জমি ব্যবসায়ীদের পক্ষে শুভ।


সবশেষে বিশেষজ্ঞের মত, বাড়ির পাশে তুলসি, অ্যালোভেরা, সাদা ফুলের গাছ লাগাতে পারেন, যদি জায়গা থাকে তো!



যে সব জিনিসগুলি এড়িয়ে চলবেন:




১. দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিম, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাড়ির প্রধান ফটক করবেন না।
২. উত্তর-পূর্ব দিকে রান্নাঘর করবেন না
৩. বাড়ির উত্তর-পূর্ব কিংবা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে টয়লেট বানাবেন না।





দশ দিক Dosh, Dos. Dik



১। East=পূর্ব।

২। West=পশ্চিম।

৩। North=উওর।

৪। South=দক্ষিন।

৫। Center=মধ্যস্থান।

৬। South-east=অগ্নি।

৭। North-west=বায়ু।

৮। North-east=ঈশান।

৯। South-west=নৈঋত।

১০। Upward=উর্ধ্ব।

১১। Downward=অধঃ।

১৩। Froe And Aft= আগে পিছে।

১৪। Front=সম্মুখ।

১৫। Back=পিছন।

১৬। All Round=চার দিক।

১৭। Horizon=দিগন্ত।







পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ। বাস্তুতে এই চারটি দিকের বিশেষ প্রভাব রয়েছে। ইমারত গঠনের সময় এই বিষয়ে জ্ঞান থাকা জরুরি। আগেকার দিনে সূর্যের ছায়া দেখে দিকের হিসেব করা হত। এখন ম্যাগনেটিক কম্পাসের মতো উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে নিখুঁত ভাবে দিক নির্ণয় করা হয়। সাধারণ ভাবে চারটি প্রধান দিক নিয়ে হিসেব হলেও বাস্তুমতে মোট দশটি দিক রয়েছে। তবে কম্পাসে আটটি দিকের হদিশ পাওয়া যায়। কম্পাস মোট ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরতে পারে। প্রতিটি দিকের জন্য ৪৫ ডিগ্রি করে নির্দিষ্ট রয়েছে। প্রতিটি দিকের জন্য ডিগ্রির স্তর পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজনীয়।


উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম - এই মূল চারটি দিক ছাড়াও আরও চারটি উপদিক রয়েছে। এগুলি সবসময় কোণাকুনি ভাবে অবস্থান করে। এগুলি হল -

উত্তরপূর্ব কোণ বা ঈশাণ কোণ

দক্ষিণপূর্ব কোণ বা অগ্নি কোণ
দক্ষিণপশ্চিম কোণ বা নৈঋত কোণ
উত্তরপশ্চিম কোণ বা বায়ু কোণ


বাস্তুমতে নবম দিক হল আকাশ ও দশম দিক হল পাতাল।

উত্তর - বাস্তুমতে উত্তর দিক অত্যন্ত শুভ হিসেবে বিবেচিত। এই দিকের অধিপতি হলেন হিন্দু মতে ধন-সম্পত্তির দেবতা কুবের। সেই কারণে উত্তর দিককে অর্থ ও পেশাগত উন্নতির দিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বুধ হল উত্তর দিকের গ্রহ। বাস্তুপুরুষের বুক ও পেট উত্তর দিকে থাকে। তাই ঘরের উত্তর দিক সব সময় খোলামেলা, আলোকজ্জ্বল ও সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা জরুরি।

আধুনিক বাস্তুবিশেষজ্ঞদের মতে উত্তর মেরুর কারণে উত্তর দিক থেকে প্রচুর পরিমাণে ভালো শক্তি নির্গত হয়। এই শক্তি বাড়ির সকল সদস্যের জন্যই প্রয়োজনীয়। তাই উত্তর মেরুর পজিটিভ শক্তি বাড়ির মধ্যে যাতে ভালোভাবে প্রবেশ করতে পারে, সে জন্য উত্তর দিক খোলামেলা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা।

দক্ষিণ - দক্ষিণ দিক সবসময়ই বাস্তুমতে খারাপ দিক হিসেবে চিহ্নিত। তবে তা সবসময় সত্যি নয়। বলা যেতে পারে উত্তর দিকের সব ভালো শক্তির ব্যাঙ্ক হল দক্ষিণ দিক। দক্ষিণ দিক খুব একটা খোলামেলা না হওয়াই ভালো। বাস্তুমতে এই দিকের অধিপতি হলেন হিন্দু দেবতা যম। তাই ঘরের দক্ষিণ দিক বেশি খোলামেলা হলে বাড়ির সদস্যদের বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ এমনকি মৃত্যুভয় লেগে থাকবে। দক্ষিণ দিক খোলামেলা বাড়ির সদস্যরা মামলা-মোকদ্দমাতেও জড়িয়ে পড়তে পারেন। দক্ষিণ দিকে বন্ধ দেওয়াল থাকলে অর্থ ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। এই দিকের প্রতিনিধি গ্রহ হল মঙ্গল।

পূর্ব - অত্যন্ত শক্তিশালী দিক। এই গ্রহের অধিপতি হলেন দেবরাজ ইন্দ্র। ইন্দ্র বৃষ্টি, প্রতিপত্তি, উত্‍সব ও শক্তির দেবতা। পাশাপাশি পূর্ব দিকে প্রতিনিধি গ্রহ হল সূর্য, যা নিজেই শক্তির বিশাল উত্‍স। সূর্যের প্রভাবে জীবনে উন্নতি হয়। তাই পূর্ব দিককে আমরা উন্নতির দিক হিসেবে চিহ্নিত করি। বাড়ির পূর্ব দিকও খোলামেলা, আলোকজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। এই দিকে দরজা, জানালার পরিবর্তে শুধুই বন্ধ দেওয়াল থাকলে জীবনে উন্নতি বাধাপ্রাপ্ত হবে। বাড়ির পূর্ব দিকে বাথরুম থাকা বাস্তুমতে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত। মনে রাখবেন, পূর্ব দিকে বাধা মানে আপনার জীবনেও বাধা।

পশ্চিম - এই দিক জীবনে প্রতিষ্ঠা ও সমৃদ্ধির দিক। এই দিকের অধিপতি হলেন বৃষ্টি, খ্যাতি ও ভাগ্যের দেবতা বিষ্ণু। এই দিকের প্রতিনিধি গ্রহ হল শনি। বাড়ির পশ্চিম দিক খুব একটা খোলামেলা রাখা বাঞ্ছনীয় নয়। পূর্ব দিকের শক্তি অর্থাত্‍ সূর্য থেকে নির্গত শক্তি পশ্চিম দিকে সঞ্চিত হয়। সূর্য বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেভাবে পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঢলে পড়ে সেভাবেই শক্তির উত্‍স্যও পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে সরে যায়। পশ্চিম দিকে বাড়ির মূল দরজা না হওয়াই ভালো। এতে অর্থলাভের সম্ভাবনা নষ্ট হয়।

উত্তরপূর্ব - বাস্তুমতে খুবই ভালো দিক। এই দিকের অধিপতি হলেন হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ দেবতা শিব। এর প্রতিনিধি গ্রহ হল বৃহস্পতি। ধনসম্পত্তি, প্রতিপত্তি ও সুস্বাস্থ্য দান করে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উত্তরপূর্ব অত্যন্ত শুভ দিক। এই দিক থেকে শক্তিশালী চৌম্বকীয় শক্তি নির্গত হয়। বাড়ির উত্তরপূর্ব দিকে শৌচাগার নির্মাণ গোটা পরিবারকে শেষ করে দিতে পারে। এই দিকে দাহ্যশীল পদার্থ রাখা উচিত নয়। বড় নির্মাণও না করাই ভালো।

দক্ষিণপূর্ব - আপনার যদি কোনও বদরাগী, সংবদেনশীল সুভাকাঙ্খী থাকেন, তাঁর মতোই অনেকটা হল এই দক্ষিণপূর্ব দিক। দক্ষিণপূর্ব দিকের অধিপতি হল অগ্নিদেব। এর প্রতিনিধি গ্রহ শুক্র। সূর্য যখন দক্ষিণপূর্ব দিকে আসে, তখন এর মেজাজ অত্যন্ত উগ্র থাকে। সবথেকে উগ্র অবস্থায় এই সময়ই থাকে সূর্য। এই উগ্র রূপকে আগুনের সঙ্গে তুলনা করা হয়। আগুন সংক্রান্ত কাজকর্ম এই দিকে করলে ভালো হয়। এই দিকে জিনিসপত্র রাখা ও নির্মাণ করার সময় সতর্ক থাকা জরুরি।

দক্ষিণপশ্চিম - এই দিকের অধিপতি হল নিরিতি নামের এক রাক্ষস। এর প্রতিনিধি গ্রহ রাহু। উত্তরপূর্ব দিক থেকে নির্গত চৌম্বকীয় শক্তি এই দিকে সঞ্চিত হওয়ায় এটাই বাড়ির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক। এই দিকের সঠিক ব্যবহার খুবই শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যকর জীবন দিতে পারে। এই দিক সম্পদ, স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাসের দিক হিসেবে চিহ্নিত। বাস্তু মেনে ব্যবহৃত হলে দক্ষিণ পশ্চিম দিক খ্যাতি এনে দেবে। কিন্তু ভুল ব্যবহার নানা সমস্যা ডেকে আনবে। অর্থ বেরিয়ে যাবে। হতাশা, উদ্বেগ এমনকি আত্মহত্যাপ্রবণতাও দেখা দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে দক্ষিণ পশ্চিম দিকের ভুল ব্যবহার কর্মীদের কাজে
অমনোযোগের কারণ।

উত্তরপশ্চিম - এই দিকের অধিপতি হল বায়ু। এর প্রতিনিধি গ্রহ হল চন্দ্র। বাতাস এর মূল উপাদান হওয়ায় এই দিকটি খুবই অস্থির দিক। এই দিকের সঠিক ব্যবহারে জীবনে নানা সুযোগ আসে। পেশাগত জীবনে উন্নতি হতে পারে। তবে বাস্তুমতে এর ভুল ব্যবহার বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। এর ফলে অসুখবিসুখও হতে পারে।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।




হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/wIQ_xyy90c4

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ


https://youtu.be/XCd4SN2k0bo


https://youtu.be/LCoU4HRRYdo


https://youtu.be/8PaF7qS3Smk



Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে


আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200608124433

Thursday, June 4th, 2020

Astro Research Centre

জ্যোতিষ, বক্রী গ্রহ

জ্যোতিষ, বক্রী গ্রহ

বক্রী গ্রহ বা retrograde planets-------------


বক্রী গ্রহের ফল ****
আমি পূর্বেই আলোচনা করেছিলাম যে Astronomy অনুযায়ী গ্রহরা কখনোই বক্রী হয় না ,কিন্তু আমরা পৃথিবী থেকে মনে হয় যেন গ্রহটি বোধ হয় বক্রী হয়েছে !জ্যোতিষ শাস্ত্র চলে পৃথিবী থেকে আমরা যা দেখি ,সেই অনুযায়ী ,যেমন সূর্য কোন দিনই উদয় বা অস্ত হয় না ,কিন্তু যেহেতু আমরা পৃথিবী থেকে সূর্যের উদয় বা অস্ত অনুভব করি , এটা সূর্যের আপাত গতি ,আসল কথা হল যে গ্রহ অর্থাৎ বুধ,মঙ্গল ,বৃহস্পতি ,শুক্র ,শনি ,পাঁচ গ্রহ যখন বক্রী হয় ,তখন উক্ত গ্রহরা পৃথিবীর খুব কাছে আসে ,ফলে পৃথিবী থেকে ঐ গ্রহগুলির আকার খুব বড়ো দেখি,অথাৎ উক্ত গ্রহরা খুব বলবান হয় !
"জাতক পারিজাত গ্রন্থ অনুযায়ী :—গ্রহ বক্রী হলে সেই গ্রহের বল ৩গুন হয় ! ""জাতকতত্বে আছে :—বক্রী গ্রহ তুঙ্গীফল দেয় ,কিন্তু বক্রী গ্রহের দশা অশুভপ্রদ ৷"" ""ভাবার্থ রত্নকর"" অনুযায়ী :—বক্রী পাপ গ্রহ শুভপ্রদ ! ""সারাবলী"অনুযায়ী:—বক্রী শুভ গ্রহ শুভ ফল দাতা ত্রবং বক্রী পাপগ্রহ অশুভফলদাতা !আর বক্রী উচ্চস্থ গ্রহ নীচ গ্রহের মতো ফল দান করে "" উত্তরাকালামৃতে আছে :—বক্রী গ্রহ তুঙ্গীসম ত্রবং উচ্চ বক্রী গ্রহ নীচ গ্রহের মতো ,ত্রবং নীচ বক্রী গ্রহ উচ্চস্থ গ্রহের মতো ফল দেয় !
#ফলদীপিকা গ্রন্থ অনুসারে :—""বক্রাং গতো রুচিররশ্মিসমূহ পূর্ণো নীচারিভংশসহিতোহপি ভবেৎস খেটঃ"" ৷৷বক্রী গ্রহ যদি নীচ রাশিতে বা নীচ নবাংশে ও থাকে ,তাহলে ও উক্ত গ্রহ মহান বলবান ৷
#হোরা সার গ্রন্থ অনুযায়ী :—বক্রী বৃহস্পতি যদি মকর রাশি ছাড়া ধনু ,মীন ,কর্কট ,বৃশ্চিক রাশিতে থাকে তাহলে ঐ বৃহস্পতির বল ৩ গুন বৃদ্ধি পায় ৷
#প্রশ্ন প্রকাশ গ্রন্থ অনুসারে :—মঙ্গল,বুধ ,শুক্র ,বক্রী হলে পিছনের রাশির ফল দান করে ,বৃহস্পতি ও শনি যে ঘরে বক্রী হয় সেই ঘরের ফল দান করে ৷
#জাতক বিজ্ঞান ,কোষ্ঠী দর্পন গ্রন্থ অনুযায়ী :— ""ক্রূরা বক্রা মহাক্রূরাঃ সৌম্যা বক্রা মহাশুভাঃ ৷
স্যুঃ সহজ স্বভাবস্থাঃ সৌম্যাঃ ক্রূরাশ্চ শীঘ্রগাঃ ৷৷""
অর্থাৎ শনি ,মঙ্গল ,ক্রূর গ্রহ বক্রগামী হলে মহাক্রূর হয় ,বুধ বৃহস্পতি ও শুক্র শূভগ্রহ বক্রগামী হলে মহাশুভ হয় !
""বক্রাগে দক্ষিণা দৃষ্টিব্বমি দৃষ্টিশ্চ শীঘ্রগে ৷
মধ্যচারে তথা মধ্যে জ্ঞেয়া ভৌমাদিপঞ্চকে ""৷৷
মঙ্গল ,বুধ ,বৃহস্পতি শুক্র ও শনি ত্রই পাঁচটি গ্রহ বক্রগামী হলে ,বক্রগ্রহ যে রাশিতে থাকবে সেই রাশির দক্ষিণদিকে সেই গ্রহের দৃষ্টি থাকবে !

বক্রী গ্রহেরা জ্যোতিষ শাস্ত্রে এক আশ্চর্য ব্যাপার।আমরা জানি প্রতিটি গ্রহের সূর্যের চারপাশে এক নির্দিষ্ট দূরত্বে ও গতিতে প্রদখ্খিন করে থাকে।যদি কোন গ্রহ সূর্য থেকে যতটা দূরত্বে যাওয়ার কথা,তার থেকে বেশি দূরে গেলে আবার তখন পিছু হটে চলতে থাকে যতক্ষণ না সেই বেশি চলা শেষ হয়।এই প্রথমে বেশি চলে পরে সেটাকে আগের অবস্থায় ফেরৎ আসার পর্য্যায়কে বক্রী অবস্থা বলে।

এখানে রবি ও চন্দ্র কোন সময়ই ব্ক্রী হয়ে না,তাই বাদ।রাহু ত কেতু সবসময়ই বক্রী,তাই এই নিয়ম খাটে না।বাকি রইলো মংগল,বৃহস্পতি,শনি,বুধ,শুক্র।
আগেই বলে রাখা ভাল এই বক্রী গ্রহের ধারণা কিন্তু জ্যোতির্বিদ্যার অন্তর্ভুক্ত নয়।এই visualization বা দেখা টা জ্যোতিষবিদ্যার অন্তর্গত।

সাধারণ গ্রহের স্বভাবের সাথে বক্রী গ্রহের স্বভাবের অনেক তফাৎ আছে।

তার আগে গ্রহের ধরন জানা দরকার।
মংগল পরাক্রমের কারক।সে তেজস্বী,নির্ভীক।সে অংকে ভাল ,দেশের প্রতিরক্ষার কাজ সে করে।সে ব্যাক্তিত্বময়।সে চট করে মাথা গরম করে না কিন্তু সে কাউকে ভয় পায় না।

কিন্তু সে যখন বক্রী হয়,তখন সে ভীতু কাপুরুষ অথবা অতিরিক্ত বদমেজাজি।সামান্য কিছুতেই রেগে যায় ও তার রাগ কোন বাধা মানে না।সে যা কিছু করে দিতে পারে।সে দাম্ভিক ও নিজেকে সবজান্তা মনে করে।নেশা করা,কাম বিকৃতি অপরাধী মন কাজ করে।

বৃহস্পতি জ্ঞান ও বিদ্যার কারক।বাকপটু,ধীর স্থির
বিনীত,শান্ত,যে কোন বিবাদ মেটাতে সক্ষম।বিবেচক,মানুষের পাশে থাকে,ঈশ্বরভক্ত,সামাজিক।
সৎ পরিণত মানুষ,সুখী প্রশাসনের সাথে যুক্ত,শিক্ষা আইনবিদ চিকিত্সক ইত্যাদি কাজের
সংগে যুক্ত থাকেন।

ব্ক্রী থাকলে বৃহস্পতি হয়ে অত্যাধিক কথা বলেন ,স্থান কাল পাত্র না বুঝেই ।অথবা বোকার মতো কথা বলেন অথবা নির্বাক থাকেন।ঈশ্বর ভক্ত
ভাব দেখালেও মূলত প্রতারক ঠকবাজ ,ভন্ড সন্যাসী যারা টাকা মেরে দেয়।নিজের সম্পর্কে বড় বড় কথা বলে।সংযমের আড়ালে লোভী কামূক মদ মাংসে আসক্ত করে।সম্পদ জমাতে থাকে।

শনি
শনি সাধারনত কম কথা বলে।শনি প্রবল পরিশ্রমী ও শনি শীর্ষে উঠতে অনেক বছর লাগে।তিল তিল করে ধৈর্যহারাতে না হয়ে কাজ করে যায়।শনিবার বাস্তববাদী । তাই সব কিছু চিন্তা ভাবনা করে এগোয়।শনিবার নিয়মতান্ত্রিক।কাজ ই তার জীবনের একমাত্র সাধনা।টেকনিক্যাল কাজ,কৃষি বিদ্যা,স্থাপত্য বিদ্যা,খনিজ বিদ্যা,চিকিত্সা বিদ্যা কালো দেখতে জিনিস থেখে সাফল্য লোহা চামড়া সংক্রান্ত বিষয় থেকে লাভ।

বক্রী শনি
অলস প্রকৃতির,নিয়মতান্ত্রিক একেবারেই নয়।কোন কিছুতেই আগ্রহ নেই।বাজে সংগ ও বাজে কাজের দিকে ঝোঁক,অল্প টাকার জন্যে যে কোন কাজে আপত্তি নেই।জীবনে প্রচূর ঝড় ঝাপটা চলে,নিঃসংগী তেমন হলে যাবতীয় সম্পদ শেষ হয়ে যাওয়া ওখারাপ অবস্থায় চলে যাওয়া।কথা বার্তা খোঁচা দিয়ে বলা ইত্যাদি।

বুধ

বুধ কে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বালক গ্রহে বলা হয়।অর্থাত্ বুধ হাসি খুশী চন্চল প্রাণবন্ত স্বভাবের।তীব্র বুদ্ধিমান,বাকপটু,কাব্যে,আঁকা লেখায় পারদর্শী।
জাতক অংক, বিজ্ঞানে কমার্সের ভাল ফল করতে পারে।জন সংযোগ বিশেষ শুভ।সাদাসিধে সৎ জনপ্রিয়।যে কোন স্থানে কথা বলতে পারে।

ব্ক্রী
জাতক অত্যধিক বাচাল,অপরিণত,বুদ্ধির দৌড়াও নেই।দায়িত্ব নিতে পারে না।মতিস্থির নেই,বারবার সিদ্ধান্ত বদব।
কথা বলতে পারে নাবেশী কৌতুহলী।অগোছালো
এমনকি হাত সাফাই করা,মিথ্যে বলার ইত্যাদি চলে।

শুক্র

সৌন্দর্য সচেতন,সবমিলিয়ে আকর্ষণীয়,নানা গুণে গুণী।সংগীত নৃত্যে শিল্পী সূলভ গুণ যুক্ত।ভদ্র নরম কথাবার্তা শান্তিপ্রিয়।রসায়ন বিদ্যা,জীব বিদ্যা,জেনটিক্স,মাইক্রোবায়লজি,যে কোন ক্রিয়েটিভ ব্যাপারে পারদর্শী।জাতকের প্রতি নারীরা আকৃষ্ট থাকবে।জাতক বিলাসী হবে।

বক্রী

জাতকের মধ্যে নানা গুণ সত্তেও চূড়ান্ত ভোগবাদী হবে।সেটা যে কোন ধরণের
নারী জীবনে একটি বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে।জাতকের যাবতীয় অধঃপতন এই পথ ধরে আসতে পারে।বিশেষ করে অপদার্থ নারীদের জন্যে তলিয়ে যাওয়া সম্ভব।

তবে আরো সব দিক দেখে বিচার করাই ভাল।বিক্রী গ্রহের সম্পর্কে নানা মত আছে।বক্রী গ্রহের


বর্তমান যুগে 'নাড়ি জ্যোতিষ' পদ্ধতিতেই একমাত্র Prediction সম্ভব। পরাশরী, জৈমিনী বা অন্যকোন পদ্ধতিতে Prediction করা অসম্ভব ব্যপার। কারণ- কয়েক লক্ষ সূত্র ধরে কি করে বিচার হবে? সূত্র গুলির পারস্পরিক বিরোধিতাই সমাধানের পথকে অবরুদ্ধ করবে। গ্রহ ও ভাব আসলে কি ফল দেবে, সেটা অজানাই থেকে যাবে, গ্রহদশা বিচার করা তো অনেক দূরঅস্ত ||
বলাবল বিচার •••••

দিকবল, কালবল, চেস্টাবল, স্থানবল, নৈসর্গিক বল, দৃকবল, উচ্চবল, সপ্তবর্গীয় বল, ওজাযুগ্ম বল, কেন্দ্রবল, দ্রেকান বল


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

. গ্রহের অবস্থা বিচার •••••

দীপ্ত, সুস্থ, মুদিত, শক্ত, দীন, বিকল, পীড়িত, খল, ভীত, শিশু, বাল্য, যৌবন, বৃদ্ধ, মৃত ইত্যাদি অবস্থা বিচার করতে গিয়ে জ্যোতিষীর নিজের অবস্থাই আশঙ্কাজনক হয়ে পরে ||

গ্রহের শত্রুতা-মিত্রতা বিচার •••••

চন্দ্রের বন্ধু বুধ অথচ বুধের শত্রু চন্দ্র

চন্দ্রের কোন শত্রু নেই, কিন্তু বুধ, শুক্র ও শনির শত্রু চন্দ্র

মঙ্গলের ও বৃহস্পতির শত্রু বুধ, আবার বুধ এদের ব্যপারে নিরপেক্ষ।



মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ, মীন--- এই ১২ টি রাশিতে রবির ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানগত ফলাফল হবে= ১২ প্রকার।




জ্যোতিষ পুস্তক গুলিতে বিবাহের সংজ্ঞাই ঠিক নেই। ব্রহ্মা বিবাহ, দৈব বিবাহ, অর্ষ বিবাহ, গন্ধর্ব বিবাহ, প্রজাপতয়ে বিবাহ, অসুর বিবাহ, রাক্ষস বিবাহ, পিশাচ বিবাহের ব্যাখ্যা রয়েছে। পিশাচ বিবাহ

বিবাহের ১টাই ব্যাখ্যা-- নারী ও পুরুষ উভয়ের স্বইচ্ছায় এবং সমাজের স্বীকৃতি পূর্বক পরিবার গঠনের উদ্দেশ্যে সম্মিলিত উপযুক্ত পদক্ষেপ।

উক্ত জ্যোতিষ পদ্ধতিতে বিবাহ বিচারের ক্ষেত্রে বলা হয়-- ১'ম লগ্ন দেখো, তারপর লগ্নপতিকে দেখো, next সপ্তম স্থান দেখো, next সপ্তম পতিকে দেখো, next সপ্তমপতির সপ্তমে যে আছে তাকে দেখো, next শুক্রকে দেখো, next শুক্রের সপ্তমে যে আছে তাকে দেখো, next মঙ্গলকে দেখো, next.... তুমি আমায় দেখো আর আমি তোমায় দেখি।

একজন ডাক্তার রুগীর রোগ নির্ণয়ের জন্য বা ভালো করার জন্য বহু প্রকার টেস্ট করেও
সমস্ত প্রকার ভালো ভালো মেডিসিন প্রয়োগ করেও অনেক ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় ও নিরাময় করতে পারে না, তাতে ডাক্তার না ডাক্তারি ভুল?

মানে এতো কিছু দেখার পরেও বলা সম্ভব নয় যে, বিবাহ কবে হবে
ঠিক আবহবিদরা বিজ্ঞন ভিত্তিক উপায়ে আবহের রিপোট দেন কালকে ভারী বৃষ্টি হবে কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত বৃষ্টির চিহ্ন মেলে না

'রাজ জটোক' কথাটা শুনতে খুব ভালো লাগে কিন্তু প্রশ্ন হল, রাজ জটোক হওয়ার পরও বিবাহ বিচ্ছেদ কি করে হয়? 36 সে 36 point হলেও কেন বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে?

ঘন কাল মেঘ করলে প্রবল বৃষ্টি হবে এমন নয়, বৃষ্টি নাও হতে পারে

মঙ্গল, শনির গৃহে (মকরে) যদি উচ্চস্থ হয়, তাহলে শনি, মঙ্গলের গৃহে (মেষে) কি করে নীচস্ত হয়?
প্রতিটি গ্রহ যেখানে তুঙ্গস্থ সেই গ্রহ টি তার সপ্তম স্থানে নীচস্থ

জ্যোতিষে ব্যতিক্রম

কোন গ্রহ উচ্চ কিন্তু বক্রী হলে কি হবে? একাধিক গ্রহ কোন গৃহে অবস্থান করলে কি ফলাফল হবে? সূর্যের সঙ্গে যেকোন গ্রহ থাকলে দগ্ধ হয়ে যায়, অথচ বুধ+রবির যুতি হলে তবেই বুধাদিত্য যোগ সৃষ্টি হয় কেন?

নিখুঁত বিচার করতে হলে

নক্ষত্র ফল, জোটক বিচার, রাশিফল, বিন্দুফল, ষন্যাড়ি চক্র, নবতারা চক্র, সুদর্শন চক্র, কেন্দ্র, ত্রিকোণ, পনফর, অপক্লিম, উপচয়, শত্রু গৃহ, মিত্র গৃহ, দৃষ্টি, বক্রী, অস্তমিত, দগ্ধ, উচ্চস্থ, নীচস্ত প্রতিকার ব্যবস্থা ইত্যাদি ইত্যাদি।

গ্রহ দের স্বক্ষেত্র, মূল ত্রিকোণ, উচ্চ, নীচ, মাগ্রী গতি



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200604182935

Thursday, June 4th, 2020

Astro Research Centre

আজকে বুধবার বুধ গ্রহের শুভাশুভ বিষয় ও প্রতিকার সম্মন্ধে জানালাম সকলে উপকৃত হবেন

আজকে বুধবার বুধ গ্রহের শুভাশুভ বিষয় ও প্রতিকার সম্মন্ধে জানালাম সকলে উপকৃত হবেন

মিথুন
শুভ রং: হালকা সবুজ, ক্রিম, কমলা
শুভ সংখ্যা: ২, ৫, ১৮, ১৯, ২৫, ৩৪, ৪৭
পাথর: পান্না, হীরা
শুভ বার:- বুধবার।
শুভ তারিখ:- ৫, ১৪, ২৩।
শুভ দিক:- উত্তর দিক।
শুভ রাশি:- তুলা, কুম্ভ।
শত্রু রাশি:- কন্যা, মকর।


কন্যা
শুভ রং: ফিরোজা, চকলেট, সাদা
শুভ সংখ্যা:২, ৫, ৯, ১৭, ২২, ৩৫, ৪৮
পাথর: পান্না, হীরা
শুভ বার:- বুধবার। রবিবার
শুভ তারিখ:- ৫, ১৪, ২৩।
শুভ দিক:- দক্ষিণ দিক।
শুভ রাশি:- মকর বৃষ
শত্রু রাশি:- ধনু, কম্ভ, মেষ।

বুধের প্রতিকার

বুধের উপায় -
১ দুর্গা মাতার উপাসনা করতে হবে ।
২ বুধবারের ব্রত রাখতে হবে ।

৩ সবুজ বস্ত্র পরিধান করতে হবে

৪ পান্না সোনার আংটিতে লাগিয়ে কনিষ্ঠ আঙ্গুলে পরতে হবে ।

৫)বুধ -:-
•মূল - বৃদ্ধদ্দারককের মূল।
•ধাতু - রূপা।
•রত্ন - ***পান্না।৭/৮রতি


বুধ
-------
মন্ত্র - ওঁ ঐং শ্রীং শ্রীং বুধায়ঃ নমঃ । জপ সংখ্যা - ১০৮বার।
গায়ত্রী-- ওঁ সৌম্যরূপায় বিদ্মহে বাণেশায় ধীমহিঃ তন্নঃ বুধঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যামং রূপেণাপ্রতিমং বুধম। সৌম্যং সর্বগুণোপেতং তং বুধং প্রণাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - ত্রিপুরাসুন্দরী
ধারণরত্ন - পান্না, ধূপ - সঘৃত দেবদারু, বার - বুধবার, প্রশস্ত সময় - বেলা৭-১১ টা পর্যন্ত।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।




হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200604165259

Tuesday, June 2nd, 2020

Astro Research Centre

মঙ্গলগ্রহের শুভাশুভ বিষয় ও প্রতিকার

মঙ্গলগ্রহের শুভাশুভ বিষয় ও প্রতিকার

আজকে মঙ্গলবার, মঙ্গলগ্রহের শুভাশুভ বিষয় ও প্রতিকার সম্মন্ধে জানালাম সকলে উপকৃত হবেন

মেষরাশি মঙ্গলের জাতক।
শুভ বার : মঙ্গল, রবিবার বৃহস্পতিবার
শুভ রং: লাল, বেগুনি ও সাদা, সবুজ
শুভ সংখ্যা:২, ৩, ৯, ১৭, ২২, ৩৭, ৪৫
পাথর: প্রবাল
শুভ তারিখ : ৯, ১৮, ২৭
শুভ দিক:- পূর্ব দিক
শুভ রাশি:- মিথু্‌ন, কন্যা, মীন।
শত্রু রাশি:- কর্কট, বৃশ্চিক।

বৃশ্চিকরাশি মঙ্গলের জাতক।
শুভ বার : মঙ্গল, রবিবার বৃহস্পতিবার
শুভ রং: নীল, ঘিয়ে, চকলেট, লাল
শুভ সংখ্যা: ১, ২, ৩, ৯, ২২, ৩৪
পাথর: প্রবাল ও চুন্নি
শুভ বার:- মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার
শুভ তারিখ:- ৯, ১৮, ২৭।
শুভ দিক:- উত্তর দিক।
শুভ রাশি:- মিথুন, কর্কট।
শত্রু রাশি:- কুম্ভ, মেষ।

মঙ্গলের প্রতিকার ঃ

১ হনুমান জী র উপাসনা করতে হবে ।
২ গায়ত্রী মন্ত্র রোজ যতবার সম্ভব জপ করতে হবে
৩ মঙ্গলবার ব্রত রাখতে হবে ।
৪ মঙ্গল বার তামার আংটি অনামিকায় ধারন করতে হবে

২)মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - প্রবাল

মঙ্গল
মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ২৮বার।
গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - বগলামুখী।
ধারণরত্ন - প্রবাল, ধূপ - দেবদারু, বার - মঙ্গলবার, প্রশস্ত সময় - সকাল ৯-১২ টা পর্যন্ত।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200602095837

Monday, June 1st, 2020

Astro Research Centre

মাঙ্গলিক দোষ কাটাতে কি করবেন

মাঙ্গলিক দোষ কাটাতে কি করবেন

মাঙ্গলিক দোষ কাটাতে কি করবেন

সাধারনত মঙ্গলের লগ্ন, ২য়,৪র্থ, ৭ম,৮ম ও ১২শ ঘরে মঙ্গলের অবস্থানে মাঙ্গলিক হয়, আবার ঠিক এই সব ঘরে যদি শনি বা রাহু থাকে তাহলে মাঙ্গলিক কেটে যায় । তাছাড়া উচ্চস্থ/ নিচস্থ মঙ্গল এই সব স্থানে থাকলেও নাকি মাঙ্গলিক কেটে যায় । মঙ্গলের উপরে বৃহস্পতির দৃষ্টি থাকলে নাকি মাঙ্গলিক কেটে যায় ।

যাই হোক মাঙ্গলির দোষের ফলাফল হিসাবে যেসব কথা জ্যোতিষিরা বলে থাকেন তা হল ডিভোর্স, স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যু, উন্নতিতে বাধা, সাংসারিক অশান্তি ইত্যাদি ইত্যাদি ।

কিন্তু জ্যোতিষে শুধুমাত্র একটি গ্রহের অবস্থানের ভিত্তিতে এই সব ফলাদেশ দেওয়া উচিৎ না । যদি শুধুমাত্র একা মঙ্গলের এই সব স্থানে এই রকম ফলাফল হয় তাহলে প্রতিটি মাঙ্গলিক ছকে এই ফলাফল হত । কিন্তু সব ছকে এই ফলাফল দেখতে পাওয়া যায় না ।

আসলে জন্মছকে প্রিয়ামৃতম বা বৈধব্য যোগ না থাকলে ,শুধুমাত্র মঙ্গলের একটি ঘরে অবস্থান হেতু মাঙ্গলিক যোগের কারনে কারও স্বামী বা স্ত্রী মারা যাবে না, আর ডিভোর্সের ক্ষেত্রও জন্মছকে আইনত সমস্যা এর যোগ অর্থাৎ ১+৩+৬+৭ এর কানেক্সন দেখে বলতে হবে বিয়ে টিকবে না ডিভোর্স হবে ।

এই দশা কাটানোর একাধিক উপায় রয়েছে—

যদি দু’জন মাঙ্গলিকের মধ্যে বিবাহ হয়, তবে দু’জনেরই এই দশা কেটে যায়।

কুম্ভবিবাহ নামের একটি রীতির মাধ্যমে বিয়ের আগে কাটানো হয় মঙ্গল দশা। এই রীতিতে মাঙ্গলিক জাতক বা জাতিকাকে হয় একটি কলাগাছ বা পিপুল গাছ অথবা ভগবান বিষ্ণুর একটি স্বর্ণ বা রৌপ্য মূর্তির সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।

প্রতি মঙ্গলবার নবগ্রহ মন্ত্র উচ্চারণ করলে এই দোষ কেটে যায়। আবার প্রতিদিন ১০৮ বার গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে বা প্রতিদিন হনুমান চালিসা পাঠ করলেও কেটে যায় মঙ্গল দশা।

হনুমানজির প্রসাদ সকলকে দান করুন।

হনূমান মন্দিরে লাল বস্ত্র বা সিঁদুর দেন করুন উপকার পাবেন।

প্রত্যহ গায়েত্রী মন্ত্র পাঠ করুন।

দূর্গা মাতার একটি ছবি বাড়িতে রাখুন।

একটি লাল রুমাল সবসময় সাথে রাখুন।

সোনার আংটিতে একটি রক্তপ্রবাল অনামিকাতে ধারণ করুন।

হনূমান বা বাঁদর কে যেকোনো মঙ্গলবার খাওয়ালে এই দোষ কেটে যায়।

কালো কুকুরকে খাওয়ান।

বিবাহের পূর্বে কোনো ভালো জোতিষী দ্বারা পূজা পাঠ করিয়ে নিন।

নবগ্রহ মন্দিরে ভক্তিভরে পুজো দিলে কেটে যায় মঙ্গল দশা।

মঙ্গলবার দানধ্যান করলেও তুষ্ট হন মঙ্গলদেব। এছাড়া তলোয়ার, ছুরি, মুসুর ডাল, লাল সিল্ক, রক্তপ্রবাল ইত্যাদি লাল বস্তু নিবেদন করলেও সন্তুষ্ট হন তিনি।

যাদের মঙ্গল দশা থাকে তাদের সাধারণত জ্যোতিষমতে রক্তপ্রবাল ধারণ করতে বলা হয়। তবে কোনও জ্যোতিষশাস্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ না করে কোনও কিছু ধারণ করা উচিত নয়।

প্রতি মঙ্গলবার হনুমানজীর পূজা ও সাথে হনূমান চালিসা পাঠ করুন বা শুনুন।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200601152024

Monday, June 1st, 2020

Astro Research Centre

সহজভাব/ ভাতৃভাব/ তৃতীয়ভাব ও বুধের অবস্হান

সহজভাব/ ভাতৃভাব/ তৃতীয়ভাব ও বুধের অবস্হান

সহজভাব/ ভাতৃভাব/ তৃতীয়ভাব ও বুধের অবস্হান

জাতকেরঃ- সাহস পরাক্রম, প্রচেষ্টা, বল বীর্য,দাসদাসী,কর্মচারী, ধৈর্য্য,যোগাযোগ,উপদেশ,ভ্রমন,প্রভূর কাজ।স্ত্রীর ভাগ্য,কর্মচারী, উত্তম পোষাক পরিচ্ছদ, বস্ত্র,পিতার রোগ ব্যাধি,মনের বহিঃ প্রকাশ,আত্বপ্রচার, স্থানচ্যুতি,আর্কস্মিক ঘটনা,দুর্নাম,ধর্মীয় অনুষ্ঠান,নাটক- নভেল,কাব্যগ্রন্থ রচনা বা প্রকাশ প্রকাশনা (ছবিতোলা ) পথের কুশল।

কালপুরুষের অঙ্গ বিভাগঃ- ফুস ফুস, কন্ঠস্বর,ডান পাশের কান,ডানহাত স্কন্ধ, অন্ননালী।

দিক বিচারঃ- ঈশান কোন।

আত্নীয় বিচারঃ- অনুজ ভ্রাতা,ভগ্নী, পোষ্যবর্গ, প্রতিবেশী,

জ্ঞাতিগুস্টি,শ্যালকের স্ত্রী,শালিকার স্বামী,নাতী,নাতনর,গুরুপত্নী, স্ত্রীর ৪র্থ ভাই বোন

অন্যান্যঃ- পিতার মৃত্য,পিতার শত্রু, পিতার রোগব্যাধি।

দ্বাদশ ভাবে বুধের অবস্হান

বুধ লগ্নে থাকলে ---- বন্ধন ভয় , মামলা মোকদ্দমার সম্ভাবনা।
বুধ লগ্নের দ্বিতীয় থাকলে --- নানাপথে অর্থলাভ।
বুধ লগ্নের তৃতীয় থাকলে ----মৃতবৎ অবস্থা ও শত্রু ভয়।
বুধ লগ্নের চতুর্থে থাকলে ----- নানাপথে অর্থলাভ।
বুধ লগ্নের পঞ্চমে থাকলে -----দৈহিক পীড়াদি ভয়।
বুধ লগ্নের ষষ্ঠে থাকলে ------সম্পদ ও স্থান লাভ।
বুধ লগ্নের সপ্তমে থাকলে ------ নানা শারীরিক রোগ।
বুধ লগ্নের অষ্টমে থাকলে ----- নানাপথে অর্থলাভ।
বুধ লগ্নের নবম থাকলে ------ কঠিন রোগের সম্ভাবনা।
বুধ লগ্নের দশম থাকলে ------ অত্যন্ত শুভফল।
বুধ লগ্নের একাদশ এ থাকলে --- প্রচুর অর্থলাভের যোগ।
বুধ লগ্নের দ্বাদশ এ থাকলে ---- নানাপথে ধননাশ।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200601141234

Sunday, May 31st, 2020

Astro Research Centre

অর্থ ভাব / ধনভাব/ দ্বিতীয়ভাব ও মঙ্গলের অবস্হান

অর্থ ভাব / ধনভাব/ দ্বিতীয়ভাব ও মঙ্গলের অবস্হান

অর্থ ভাব / ধনভাব/ দ্বিতীয়ভাব ও মঙ্গলের অবস্হান

জাতকেরঃ- ধন, ধনসঞ্চয়,ব্যাবসা বানিজ্য,বিক্রয় বানিজ্য,বাক্য,খাদ্যদ্রব্য, ধন রত্ন, বস্র,গচ্ছিত ধন, ভোজন,

স্ত্রীর মৃত্য,মূল্যবান ধাতু,কয়েন,হঠাৎ ধন লাভ,যাবতীয় অস্থাবর সম্পত্তি, বাক্যের মাধুর্য, বক্তৃতা, কপটতা।

কালপুরুষের অঙ্গ বিভাগঃ- ডান চোখ,মূখমন্ডল,গলা,কান,জঙ্ঘা।

দিক বিচারঃ-ঈশান কোণ

সম্পর্ক/ আত্নীয় বিচারেঃ-মা এর বড় ভাই বোন পোষ্যবর্গ বাড়ীর আত্বীয় স্বজন,গোপন শত্রু, অমিত্র,কুটুম্ব।

উপরোক্ত বিষয়গুলোর শুভাশুভ দ্বিতীয় ভাব ভাবপতি,ভাবস্থিত বা ভাবদর্শী গ্রহ থেকে বিচার করতে হয়

মঙ্গলের অবস্হান জনিত ফলাফল

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নে থাকলে ---- শত্রু ভয়,বিপদের সম্ভাবনা ও রক্তপাতের সম্ভাবনা।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নে দ্বিতীয় থাকলে --- নানাদিকে অর্থনাশ

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের তৃতীয় থাকলে ---- নানাদিকে অর্থলাভ।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের চতুর্থে থাকলে ----- শত্রু ভয়,বিপদের সম্ভাবনা ও রক্তপাতের সম্ভাবনা।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের পঞ্চমে থাকলে ----- সন্তানদের অশুভ ও মৃতবৎ অবস্থা।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের ষষ্ঠে থাকলে ------নানাপথে অর্থ উপার্জন।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের সপ্তমে থাকলে ------শোকের সম্ভাবনা।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের অষ্টমে থাকলে -----অস্ত্রাঘাতের সম্ভাবনা।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের নবম থাকলে ------বিভিন্ন কাজে বাধা ও অর্থনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের দশম থাকলে ------অত্যন্ত শুভ ফল।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের একাদশ এ থাকলে ---ভূমি ও সম্পত্তি লাভ।

মঙ্গল জন্মরাশি বা লগ্নের দ্বাদশ এ থাকলে ----রোগ , শোক , অর্থনাশ , ও সম্মানহানি , অমর্যাদা।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/wIQ_xyy90c4

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200531175147

Sunday, May 31st, 2020

Astro Research Centre

শনির অবস্থান অনুসারে ভাগ্য কেমন হতে পারে

শনির অবস্থান অনুসারে ভাগ্য  কেমন হতে পারে

শনির অবস্থান অনুসারে ভাগ্য কেমন হতে পারে—

শনি+রবি: বেসরকারী কর্মচারী। অথবা তিনি পিতার পেশাকেই অনুসরণ করবেন। ব্যবসায়ে সফলতা

শনি+চন্দ্র:কর্ম ভাবে অশান্তি হয়, জাতক বা জাতিকা এমন কোনও কর্মে নিযুক্ত হবেন যে কাজে প্রচুর ভ্রমণ করতে হয়, অথবা এই যোগ নির্দেশ করে খাদ্য দ্রব্য বা তরল পদার্থ সংক্রান্ত কাজ, মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টিভ, ট্রাভেল এজেন্ট ইত্যাদি।

শনি+মঙ্গল: যন্ত্র সংক্রান্ত বিভাগ, পুলিশ বিভাগ। প্রতিরক্ষা বা দমকল বিভাগ, জমি জায়গা কেনা বেচা ইত্যাদি।

শনি+বুধ:আয় কর বিভাগ, শিক্ষক, লেখক অথবা ব্যবসা, কেরানি।

শনি+বৃহস্পতি: গুরু শৌরি বেশ শুভ যোগ।উচ্চ পদে কর্ম লাভ আরামদায়ক কর্ম। যে কাজই করুন না কেন, সম্মান পাবেনই।

শনি+শুক্র: সোনা অলংকার রত্নের ব্যবসা নির্দেশ করে। অর্থ বা বিলাসবহুল দ্রব্য বা বিলাসিতার কাজ বা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হওয়া।

শনি+রাহু: অন্যের অধীন কর্ম একে বলা হয় গোলামি যোগ। এর অর্থ জাতক বা জাতিকা কারও অধীনস্থ হয়ে কর্ম করবেন। চাকরি লাভে এ যোগ দারুন সাহায্য করে। কু পথে অর্থ লাভ এ ছাড়া এ যোগে চুরি, স্মাগলার বা গোপন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত হতেও দেখা যায়।

শনি+কেতু: সাধুসর্প যোগ। একে কর্মহীন যোগও বলা হয়। বৃহস্পতির দৃষ্টি থাকলে সন্ন্যাস যোগ।
কেতু মানেই বাধা। কেতু পার্থিব সকল কিছু শেষ করে দিয়ে জাতক বা জাতিকাকে আধ্যাত্মিক পথে টেনে আনতে চায়। তার জন্য যে কোনও রকম পথ অনুসরণ করতে তিনি তৈরি থাকেন। এই যোগে অনেককে দেখা যায় চাকরি পেয়েও পরে বসের খারাপ ব্যবহারে বা সহকর্মীদের চক্রান্ত অথবা দুর্নীতির সঙ্গে আপস করতে না পেরে কাজ ছেড়ে দেন। তবে এই যোগে জাতক বা জাতিকা ধর্ম সংক্রান্ত কর্মে যুক্ত হতে পারেন। তাতে বরং কেতু তাঁকে সাহায্যই করে!
শনি +কেতু +শুক্র =ম্লেচ্ছ যোগ, বদনাম, চরিত্র হীন বা লম্পট যোগ

একের বেশি গ্রহ শনির সঙ্গে যুক্ত হলে বুঝতে হবে, জাতক জাতিকার জীবনে একাধিক পথে উপার্জন করার সুযোগ আসবে অথবা একটা কর্ম ছেড়ে আর এক ধরনের কর্মে যোগ দেবেন


জন্মকুণ্ডলীতে কোনও ভাবে যেমন একক ভাবে গ্রহ অবস্থান করে সেইরূপ দ্বিগ্রহ, ত্রিগ্রহ, চতুর্গ্রহ বা পঞ্চম গ্রহ যোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে। তবে এক ঘরে বা এক ভাবে একের বেশি গ্রহ থাকা মানেই আন্তর্গ্রহযুদ্ধ হয়ে থাকে। তাতে কোনও গ্রহই ভাল ভাবে ফল প্রকাশ করতে পারে না। এখানে আমরা ত্রিগ্রহ যোগ অর্থাৎ কোনও ভাবে তিনটি গ্রহ যদি এক ভাবে থাকে,

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/wIQ_xyy90c4

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200531133229

Saturday, May 30th, 2020

Astro Research Centre

লগ্ন ভাব/ প্রথম ভাব / তনু ভাব

লগ্ন ভাব/ প্রথম ভাব / তনু ভাব

লগ্ন ভাব থেকে বিচার্য বিষয় ও দ্বাদশ ভাবে চন্দ্রের অবস্হান জনিত ফল

১) লগ্ন ভাব/ প্রথম ভাব / তনু ভাব

জাতকের শরীর, গায়ের রং আকৃতি,স্বভাব,ব্যাক্তিত্ব,যোগ্যতা,যশ,গুন,আসক্তি, সুখ-দুঃখ,প্রতিষ্ঠা, আয়ু,সবলতা,দূর্বলতা,দেশ বা বিদেশে বসবাস, সাফল্য, রোগমুক্তি, প্রশংসা,মান-মর্যাদা, স্বদেশ-বিদেশ ভাগ্য।

কাল পুরুষের অঙ্গ বিভাগেঃ- জাতকের মাথা।

স্থান বিচারেঃ- জন্ম স্থান আতুর ঘর

দিক বিচারেঃ- পূর্ব দিক

কাল বিচারেঃ- বর্তমান কাল।

সম্পর্ক / আত্মীয় বিচারেঃ- নানা,দাদি, ভাগিনার বৌ, ৬ষ্ট ভাই বোন,জাতকের৫ম সন্তান গুরু বা পীরের পুত্র/কন্যা। অন্নান্যঃ- দাদার সম্পত্তি, সন্তানের ভাগ্য।

উপরোক্ত বিষয়গুলির শুভাশুভ লগ্ন,লগ্নপতি,লগনস্ত গ্রহন লগ্ন দৃষ্ট গ্রহ থেকে বিচার করতে হয়।

চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নে থাকলে ---- নানাদিকে অর্থলাভ হতে দেখা যায়।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নে দ্বিতীয় থাকলে --- নানাদিকে অর্থ নষ্ট হতে দেখা যায়।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের তৃতীয় থাকলে ---- নানাদিকে অর্থ ও দ্রব্বাদি লাভ হয়।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের চতুর্থে থাকলে ----- চোখ ও মুখমন্ডলের রোগের সম্ভাবনা দেখা যায়।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের পঞ্চমে থাকলে ----- কর্মে বাধা ও নানাকষ্ট দেখা যায়।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের ষষ্ঠে থাকলে ------ অর্থলাভ হয়।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের সপ্তমে থাকলে ------ অর্থলাভ ও নারী সঙ্গে প্রণয় হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায়।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের অষ্টমে থাকলে ----- রোগ ও মৃতবৎ অবস্থা সূচিত করে।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের নবম থাকলে ------ রাজভয় ও মামলাদির ভয় সূচিত করে।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের দশম থাকলে ------ মহাসুখ ও শান্তি প্রদান করে।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের একাদশ এ থাকলে --- ধর্ম ও সম্পদ বৃদ্ধি হয়।
চন্দ্র জন্মরাশি বা লগ্নের দ্বাদশ এ থাকলে ---- দৈহিক রোগ ও অর্থনাশ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/wIQ_xyy90c4

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200530174329

Saturday, May 30th, 2020

Astro Research Centre

শনি দেবের অবস্হান অনুসারে শুভাশুভ ফল

শনি দেবের অবস্হান অনুসারে শুভাশুভ ফল

শনি দেবের অবস্হান অনুসারে শুভাশুভ ফল

- জোতিষ শাস্ত্রে শনি গ্রহটিকে অষ্টম গ্রহ ধরা হয়েথাকে এবং শনি গ্রহটিকে দুঃখদায়ক গ্রহও বলা হয়ে থাকে। শনি দূরদৃষ্টি ও পূর্বাভাস পাওয়ার ক্ষমতা আছে।
শুভত্ব
জন্ম কুণ্ডলীতে শনি শুভ (3, 6, 10, 11)হলে ইহা জাতক বা জাতিকাকে সংযম শীল করে তোলে , তেমনি দৃঢ় মানসিকতা , অতিরিক্ত সাবধানী , সম্পদশালী , সংসারের দিকে ঝোক ও নজর থাকবে , সংযম , সন্ন্যাস ,ধার্মিক, ত্যাগী, সন্ন্যাস যোগ, তীক্ষ্ন বুদ্ধি সম্পন্ন , পূজাপার্বনে মন থাকবে , ভূমি ও খনির মালিক হয়েথাকে।

অশুভত্ব
শনি অশুভ( 8, 12, 4, 7) হলে দুঃখ-দুর্দশায় জীবন ভোরে যায় , পারিবারিক , সামাজিক ও মানসিক অশান্তিতে জীবন ভোরে যায় , শরীরে আলস্যতা দেখাদেবে , উৎসাহ হীন হয়েথাকে , বিদ্যাশিক্ষার অসফলতা বা মূর্খতা , অসহিষ্ণুতা , লোকের নাম নিন্দা করা , দুশ্চিন্তা করা , বন্ধু-বান্ধব কমথাকা , নিঃশাব্দ জায়গা পছন্দ করা ইত্যাদি দেখা যেতে পারে।

প্রতিকার, প্রতিবিধান, উপায়, মুক্তি, মুক্ত, কুদৃষ্টি, কুপ্রভাব থেকে পরিত্রান পাবার উপায়
শনিদেব -:-
•মূল - শ্বেতবেড়ালার মূল।
•ধাতু - লোহা।
•রত্ন ও পাথর - I) নীলা, ii) এমিথিস্ট, iii)*** নীল টোপাজ,৭/৮ rati IV) তানজানাইট।

শনি

মন্ত্র - ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায় নমঃ
জপ সংখ্যা -১০৮বার।
গায়ত্রী-- ওঁ সূর্যপুত্রায় বিদ্মহে মৃত্যুরূপায় ধীমহিঃ তন্নঃ সৌরিঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ নীলাঞ্জনসমাভাসং রবিপুত্রং যমাগ্রজম্। ছায়ায়া গর্ভসম্ভূতং তং নমামি শনৈশ্চরম্॥
ইষ্টদেবতা - দক্ষিণকালিকা।
ধারণরত্ন - নীলা, ধূপ - কৃষ্ণাগুরু, বার - শনিবার, প্রশস্ত সময় - সন্ধ্যাবেলা।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200530104408

Friday, May 29th, 2020

Astro Research Centre

নীচভঙ্গ রাজযোগ ও বৃহস্পতির গোচর ফল,

নীচভঙ্গ রাজযোগ ও বৃহস্পতির গোচর ফল

নীচভঙ্গ রাজযোগ নিয়ে আলোচনা করার আগে আমাদের নীচভঙ্গ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকা আবশ্যক।
নীচস্থ গ্রহ ভঙ্গ হয় বিভিন্ন প্রকারে।তন্মধ্যে কিছু যোগ খুবই বলবান আর কিছু মধ্যম।
নিম্নে নীচভঙ্গ-এর বলবান যোগ বিবৃত হল―

যে রাশিতে যে গ্রহ নীচস্থ হয় তার অধিপতি গ্রহ যদি নীচস্থ গ্রহের সঙ্গে যুতি বা ক্ষেত্র বিনিময় বা দৃষ্টি বিনিময় সম্পর্কে আবদ্ধ হয় বা নীচ গ্রহ থেকে কেন্দ্রে অবস্থান করে তবে সেই গ্রহের নীচ ভঙ্গ হয়।

উদা:― আমরা জানি মকরে বৃহস্পতি নীচস্থ। যদি মকরের অধিপতি শনি বৃহস্পতির সঙ্গে যুতি বা ক্ষেত্র বিনিময় করে বা শনির দৃষ্টি বৃহস্পতির উপর পড়ে বা শনি মকর থেকে কেন্দ্রে অবস্থান করে তাহলেও বৃহস্পতির নীচভঙ্গ হয়।

অনুরূপভাবে নীচস্থ গ্রহ যে রাশিতে অবস্থিত তার অধিপতি যদি লগ্ন থেকে কেন্দ্রে অবস্থান করে তাহলেও নীচভঙ্গ হয়।

যদি নীচস্থ গ্রহ সেই ঘরের উচ্চস্থ গ্রহের সঙ্গে যুতি করে বা দৃষ্টি দেয় বা চন্দ্র বা লগ্ন থেকে কেন্দ্রে অবস্থান করে তবে নীচভঙ্গ হয়। যেমন– মকরে নীচস্থ বৃহস্পতির সাথে যদি উচ্চস্থ মঙ্গল অবস্থান করে তবে বৃহস্পতির নীচভঙ্গ হয়।

তুলা রাশিতে সূর্য ও শনির সংযোগ সম্পর্কে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে তুলা রাশিতে সূর্য ও শনির সংযোগ নীচ ভঙ্গ রাজযোগ সৃষ্টি করে যা সূর্যের নীচস্থ হওয়াকে বাতিল করে।

যদি সূর্য এবং শনি, মেষ অথবা মকর রাশিতে মিলিত হয় তখন ব্যক্তি আরও বেশি ভুক্তভোগী হয়।যখন এই মিলন মিথুন রাশিতে ঘটে তখন এটি ততটা অশুভ নয়। মিথুন রাশি বুধ গ্রহের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এবং সূর্য ও শনি উভয়েই বুধের প্রতি নিরপেক্ষ থাকে। উপরন্তু মিথুন মেধা, বুদ্ধি ও যোগাযোগের প্রতীক। সুতরাং এটি ততটা বিপরীত ফল প্রদান করে না। একই ভাবে কুম্ভ হল বায়বীয় রাশি এবং শনির দ্বারা অধিকৃত।সুতরাং কুম্ভ রাশিতে সূর্য ও শনির সংযোগ ততটা অশুভ নয়।

নিচভঙ্গ রাজ যোগের কতক গুলি উদাহরণ

নীচভঙ্গের মধ্যম যোগ―
নীচস্থ গ্রহ যদি নবাংশে উচ্চস্থ হয়।
নীচস্থ গ্রহ যদি বক্রী হয়।
নীচস্থ গ্রহ যদি বর্গোত্তম হয় তবে নীচভঙ্গ হয়।
গ্রহ যে ঘরে নীচস্থ সেই ঘরে যে গ্রহ উচ্চস্থ হয়, সেই উচ্চস্থ গ্রহ যদি লগ্ন বা চন্দ্র থেকে কেন্দ্রে অবস্থান করে বা যুতি বা দৃষ্টি বিনিময় সম্পর্কে আবদ্ধ হয় তবে নীচভঙ্গ হয়।

উপরোক্ত নিয়মাবলী যদি যথাযথ পূরণ হয় তবে নীচভঙ্গ রাজযোগ ফলপ্রসূ হতে পারে।তবে যে গ্রহের নীচভঙ্গ হল তা যদি 3,6,8,12 পতি দ্বারা দৃষ্ট বা যুক্ত না হয় এবং নীচস্থ গ্রহের রাশিপতি যদি দুস্থানে অবস্থান না করে বা দুস্থানাধিপতি কর্তৃক দৃষ্ট না হয় তবে নীচভঙ্গ রাজযোগ সৃষ্টি হয়।একই সঙ্গে কোন রাজযোগ তখনই ফলপ্রসূ হবে যদি লগ্নপতি বলবান হয় বা দুস্থানে না থাকে। তাই লগ্নপতির বলবত্তাও এক্ষেত্রে বিচার্য।


উন্নতির কারক বৃহস্পতি ।

গোচর ফল ঃ

জন্ম রাশি মানসিক ভয়

দ্বিতীয় আর্থিক লাভ

তৃতীয় ক্লেশ

চতুর্থ আর্থিক হানি

পঞ্চম সুখ , আর্থিক লাভ , বিদ্যা , সন্তান

ষষ্ঠ শোক ,রোগ , শত্রু

সপ্তম রাজ সন্মান

অষ্টম মৃত্যু , মৃত্যু তুল্য , কষ্ট , আর্থিক হানি

নবম সুখ , আর্থিক লাভ ,

দশম দারিদ্রতা , বচন ভঙ্গ , বানী হানি

একাদশ আর্থিক লাভ

দ্বাদশ রোগ , কষ্ট


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।




Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200529171407

Thursday, May 28th, 2020

Astro Research Centre

হৃদয় রেখা ও বুধ, শনি, মঙ্গল এর স্হান অবস্হান

হৃদয় রেখা ও বুধ, শনি, মঙ্গল এর স্হান অবস্হান

হৃদয় রেখা ও বুধ, শনি, মঙ্গল এর স্হান অবস্হান

বুধের ক্ষেত্রে নিচে হাতের প্রান্ত থেকে যে রেখাটি বুধের ক্ষেত্র, রবির ক্ষেত্র, শনির ক্ষেত্র, ছাড়িয়ে কারো কারো হাতে বৃহস্পতির ক্ষেত্র পর্যন্ত চলে যায়, এই রেখাটিকে হৃদয় রেখা বলে |
হাতের হৃদয় রেখায় মানুষের মানসিকতার পরিচয় দেয়, হৃদয় রেখা থেকে বোঝা যায় প্রেম-প্রীতি, ভালোবাসা, স্বভাব, আবেগ-অনুভূতি, স্নেহ, মায়া-মমতা ইত্যাদি |

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

* যদি হৃদয় রেখা বুধের ক্ষেত্রে নিচ থেকে আড়াআড়িভাবে সোজা শনির ক্ষেত্র ছাড়িয়ে চলে যায়, তাহলে নির্দেশ করে সে ব্যক্তি বিশ্বস্ত এবং স্নেহপ্রবণ ও ধার্মিক | এরা কোন বিষয়ে খুব বেশি বাড়াবাড়ি করে না | শনি ও বুধের অবস্হান ভালো হলে হঠাৎ প্রাপ্তি যোগ তৈরি হয়

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

হৃদয় রেখা যদি মঙ্গলের ক্ষেত্র থেকে শুরু হয়, তবে তা দুর্ভাগ্যজনক | কারণ মঙ্গল বল, বীর্য, শক্তি-সাহস ও যুক্তির কারক, তাই সে ব্যক্তি একটু ক্রোধী, জেদি, ঝগড়াটে, খিটখিটে ও উগ্র স্বভাবের হয়ে থাকে, এরা নিজের স্বার্থ অনুযায়ী স্নেহ প্রবণতা দেখিয়ে থাকে |অন্যের কথা কম ভাবে
এই রূপ ব্যক্তি শঠতা, কপটতার আশ্রয় নেয়
মঙ্গল স্থানে কালো তিল থাকলে আকস্মিক মৃত্য যোগ বা দুর্ঘটনা যোগ তৈরী হয়

রোগ -- উচ্চ রক্তচাপ, দৃষ্টিহীনতা

প্রতিবিধান, প্রতিকার, উপাচার --মঙ্গলের প্রতিকার
১ হনুমান জীর উপাসনা করতে হবে ।
২ গায়ত্রী মন্ত্র রোজ যতবার সম্ভব জপ করতে হবে
৩ মঙ্গল বার তামার আংটি অনামিকায় ধারন করতে হবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

মঙ্গল -:-
•মূল - অনন্ত মূল।
• ধাতু - তামা।
•রত্ন - ***প্রবাল।10/12 rati

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

মঙ্গল
----------
মন্ত্র - ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ। জপ সংখ্যা - ১০৮বার।
গায়ত্রী-- ওঁ অঙ্গারকায় বিদ্মহে শক্তিহস্তায় ধীমহিঃ তন্নঃ ভৌমঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম-- ওঁ ধরণীগর্ভসম্ভূতং বিদ্যুৎপুঞ্জসমপ্রভম্। কুমারং শক্তিহস্তঞ্চ লোহিতাঙ্গং নমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা - বগলামুখী।
ধারণরত্ন - প্রবাল, ধূপ - দেবদারু, বার - মঙ্গলবার, প্রশস্ত সময় - সকাল ৯-১২ টা পর্যন্ত।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/wIQ_xyy90c4

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200528172435

Tuesday, May 26th, 2020

Astro Research Centre

যে সকল চিহ্নগুলি চতুষ্কোণ চিহ্ন, তারা চিহ্ন, যব বা দ্বীপ চিহ্ন, ক্রশ চিহ্ন মানুষের ভাগ্য নির্ণয় করে ।

 যে সকল চিহ্নগুলি  চতুষ্কোণ চিহ্ন, তারা চিহ্ন, যব বা দ্বীপ চিহ্ন, ক্রশ চিহ্ন মানুষের ভাগ্য নির্ণয়  করে ।

হাতে যে সকল চিহ্নগুলি চতুষ্কোণ চিহ্ন, তারা চিহ্ন, যব বা দ্বীপ চিহ্ন, ক্রশ চিহ্ন মানুষের ভাগ্য নির্ণয় করে ।

ত্রিভুজ চিহ্ন Trivuj chinha

এই চিহ্নটি ত্রিভুজের মতো দেখতে বলে একে ত্রিভুজ চিহ্ন বলা হয়ে থাকে।

১। এই চিহ্নটি শনির ক্ষেত্রে থাকলে জাতকরা ধার্মিক ও গুপ্তবিদ্যায় বিশেষ পারদর্শিতা লাভ করে থাকে।

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

২। ত্রিকোণ বা ত্রিভুজ চিহ্নটি চন্দ্র স্থানে থাকলে জাতক-নীতিবান আদর্শবান কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক অথবা ধার্মিক প্রকৃতির হয়।

৩। এটি শুক্র স্থানে থাকলে ভালবাসার পরীক্ষা করে তবেই প্রেমে লিপ্ত হয়, প্রেমে সফলতা, সুখী বিবাহিত জীবন ।

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

৪। ত্রিকোণ চিহ্ন বুধের ক্ষেত্রে থাকলে জাতক জীবনের পেশাগত দিকে নানা রকম সমস্যার সন্মুখীন কম হয়। তবে এরা বিদ্বান ও রাজনীতিজ্ঞ হয়ে থাকে।

৫। রবির ক্ষেত্রে এটি থাকলে জাতক-জাতিকা নাটক, ধনবান মান ও যশ লাভ হয় কলাবিদ্যা বা বিজ্ঞানে বিশেষ পারদর্শী হয় এবং এর দ্বারা ধন ও খ্যাতি অর্জন করে থাকে।

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

৬। যদি চন্দ্র ক্ষেত্রের নীচের দিকে ত্রিভুজ চিহ্ন থাকে, জাতক কোমল হৃদয়ের হয় তবে জাতক বিশেষ সন্মান লাভ করে।

৭। ত্রিভুজ চিহ্ন মঙ্গলের ক্ষেত্রে থাকলে জাতক-জাতিকারা পুলিশ ও দক্ষ প্রশাসক অস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী ও রণনীতি বিশারদ হয়।

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

৮। বৃদ্ধাঙ্গুলির প্রথম পর্বে যদি ত্রিভুজ চিহ্ন থাকে, তবে জাতক নিজের ইচ্ছাশক্তিকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কাজে লাগায়। এরা যুক্তিবাদী হয় কিন্তু বৃদ্ধাঙ্গুলির একেবারে গোড়াতে এই চিহ্ন থাকলে জাতকের জীবনে দুর্ভাগ্যের উন্মেষ ঘটে না ।

৯। অনামিকার প্রথম পর্বে এই চিহ্ন থাকলে জাতক প্রসাধন ও সৌন্দর্য সংক্রান্ত বিষয়ে পারদর্শী হয় এবং অনামিকার তৃতীয় পর্বে ত্রিভুজ চিহ্ন থাকলে জাতক অত্যাধিক কথা বলে না অর্থাৎ মিতভাষী ।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200526210300

Tuesday, May 26th, 2020

Astro Research Centre

পুত্র সন্তান লাভের সম্ভাবনা কখন প্রবল - আপনার ধন ভাগ্য কেমন? লটারী যোগ আছে কি?

পুত্র সন্তান লাভের সম্ভাবনা কখন প্রবল - আপনার ধন ভাগ্য কেমন? লটারী যোগ আছে কি?

আপনার ধন ভাগ্য কেমন? লটারী যোগ আছে কি?

জ্যোতিষ-মতে, লক্ষ্মী যোগ খুব সাধারণ ব্যাপার নয়। মঙ্গল ও চন্দ্রের সহাবস্থানই একমাত্র এই যোগকে সূচিত করতে পারে।

• জাতকের কোষ্ঠীতে যদি দ্বিতীয় ঘরের অধিপতি গ্রহ একাদশে এবং একাদশের অধিপতি গ্রহ দ্বিতীয়ে অবস্থান করে, তা হলে লক্ষ্মী যোগ সূচিত হয়।
• যদি দ্বিতীয়ের অধিপতি গ্রহ এবং একাদশের অধিপতি নবম ঘরের অধিপতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে থাকে, তবে লক্ষ্মী যোগের সম্ভাবনা প্রবল।
• কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থানও এই প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় ঘরে শুক্রের অবস্থান হলে জাতকের ধনভাগ্য ভালো

• প্রত্যেক রাশির জাতকের ধনভাগ্য কেমন, তা-ও বর্ণনা করে জ্যোতিষ শাস্ত্র—

মেষ— পঞ্চম ঘরে মঙ্গল, শনি এবং বৃহস্পতি থাকায় ধনাগম শুভ পঞ্চম পতির অবস্হান ভালো হতে হবে

বৃষ— দ্বিতীয় ঘরে শনি-মঙ্গলের অবস্থানহেতু এঁদের ধনাগম আকস্মিক।হঠাৎ অর্থ প্রাপ্তি বা লটারী যোগ

মিথুন— বুধ ও শনি নবম ঘরে তাদের স্থান পরিবর্তন বা ক্ষেত্র বিনিময় করে, ফলে ধনাগম যথেষ্ট। এতে চন্দ্র যোগ দিলে সোনায় সোহাগা। পিতৃধন বা পৈতৃক সম্পত্তি লাভ নিশ্চিত।

কর্কট— দ্বিতীয় বা দ্বাদশ ঘরে শুক্র অবস্থান করায় এবং বৃহস্পতি কেতুর সঙ্গে স্থান বিনিময় করায় ধন ও খ্যাতি— দুই-ই লাভ হয়। এক্ষেত্রে নব্যাংশের বিচার করতে হবে

সিংহ— চতুর্থ ঘরে মঙ্গল থাকলে কর্কট বাদ দিয়ে এবং শুক্র সহ অবস্হান
হলে ধনাগম রীতিমতো ভাল। ব্যাবসায় শুভ।

কন্যা— দ্বিতীয়ে কেতু এবং শুক্র অবস্থান করলে আকস্মিক ধনলাভ, হঠাৎ ধন প্রাপ্তি যোগ । সম্পত্তি ক্রয়ের যোগও থাকে।

তুলা— শুক্র ও কেতুর দশায় অর্থাগম হয়। তবে কুপথে অর্থ লাভ হবে কিন্তু খরচও মন্দ নয় মোক্ষ লাভ হয়

বৃশ্চিক— বুধ ও বৃহস্পতির প্রবাবে কোটিপতি হওয়ার যোগ থাকে এঁদের। চন্দ্র যোগ দিলে সেই সঙ্গে উদিত হয় অন্য ভাগ্যও।
ধনু— অষ্টমে চন্দ্র থাকলে শুভ কর্কট এ থাকলে অতি শুভ । রবি-কেতু-বৃহস্পতির প্রভাবেও অর্থাগম হয়।

মকর— চন্দ্র সহায় থাকলে বিপুল ধনলাভ। লগ্নে তুলা থাকলে কোটিপতি হওয়ার সম্ভাবনা।

কুম্ভ— দশমে চন্দ্র ও শনির স্থান বিনিময়ে লাভের সম্ভাবনা। ষষ্ঠে বুধ অবস্থান করলেও শুভ। অর্থের সঙ্গে খ্যাতি উপরি পাওনা।

মীন— দ্বিতীয়ে চন্দ্র এবং পঞ্চমে বুধ থাকলে অর্থাগম নিয়মিত। ষষ্ঠে বৃহস্পতি থাকলে বিপুল ধনাগম।

লক্ষ্মী যোগ বা ধন যোগ

ধন ঐশ্বর্যের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সমাজে প্রতিষ্ঠা, সম্মান, ক্ষমতা, সুখ, শান্তি এবং জীবনে সমস্ত প্রকারের সুখ বিলাসিতা ভোগ করতে পারেন।
রাশিচক্রে ত্রিকোণ ভাবগুলি লক্ষ্মী দেবীর বাসস্থান এবং পঞ্চম নবম-পতির বিত্ত প্রদান করার বিশেষ ক্ষমতা আছে। লগ্নপতি অর্থাৎ আপনার লগ্ন রাশির অধিপতি ত্রিকোণে অর্থাৎ লগ্ন ভাবে বা পঞ্চম ভাবে বা নবম ভাবে যদি অবস্থান করে এবং তার সঙ্গে একাদশপতি অর্থাৎ আয়পতির দৃষ্টি যদি ধন স্থানে থাকে এবং দ্বিতীয়ে কোনও শুভ গ্রহের দৃষ্টি থাকলে লক্ষ্মী যোগ বা ধন যোগ যোগের সৃষ্টি হয়। তবে মনে রাখতে হবে উক্ত গ্রহগুলির বলাবলের ওপর শুভ ফলের তারতম্য হয়ে থাকে।

কোন কোন রাশিতে কোন কোন গ্রহের প্রভাব পড়লে তা রীতিমতো আর্থিক উন্নতিকে তুঙ্গে রাখে তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক। মীন রাশিতে মঙ্গল, মকরে বৃহস্পতি, কুম্ভে শনি, ধনুতে শনি, বৃশ্চিকে বৃহস্পতি, তুলায় মঙ্গল, কন্যায় শুক্র, সিংহে বুধ, কর্কটে রবি, মিথুনে চন্দ্র, বৃষতে বুধ ও মেষে বৃহস্পতি।

যদি কারোর কোষ্ঠীতে চন্দ্র পঞ্চম স্থানে থাকে তাহলে লটারিতে টাকা আসবার সম্ভাবনা প্রবল। এই অবস্থানে সেই ব্যক্তির অর্থ বিষয়ে সমস্ত সমস্যা দূর করে থাকে। যদি দ্বাদশ স্থানে বৃহস্পতি থাকে, তাহলে আর্থিক রোজগার চরমে রাখা থেকে কাউকে রোখা যায় না। যদি চন্দ্র কোষ্ঠীর বিচারে সপ্তম স্থানে থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তিকে কিছুতেই আটকানো যায় না আর্থিক উন্নতি থেকে।

১) এই শুভ লক্ষ্মী যোগ বা ধন যোগ থাকলে জাতক জীবনে অত্যন্ত ভাগ্যবান ও প্রতিভাবান হন। তা ছাড়া প্রচুর অর্থ ও সম্পদের অধিকারী হন।

২) যে কোনও কাজে এঁরা নিজের প্রতিভা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হন এবং সব কাজে দক্ষ হন।

৩) এঁরা এতটাই ভাগ্যবান হন যে, যে কোনও ভাবে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হতে পারেন।

৪) শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও এঁদের নাম যশ ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। নানা রকম কাজে পারদর্শী হন।

৫) এঁরা খুব বাকপটু। এর ফলে অন্যরা এঁদের কথায় খুব তাড়াতাড়ি মুগ্ধ হয়ে যান। কথার দ্বারা সকলের মন জয় করতে পারেন এঁরা। তা ছাড়া কথার মাধ্যমে যে কোনও কঠিন কাজ সরল ভাবে করে ফেলতে সক্ষম এঁরা।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200526112825

Tuesday, May 26th, 2020

Astro Research Centre

পুত্র সন্তান লাভের সম্ভাবনা কখন প্রবল -

পুত্র সন্তান লাভের সম্ভাবনা কখন প্রবল -

পুত্র সন্তান লাভের সম্ভাবনা কখন প্রবল -

১। যদি পুত্র স্থান অর্থাৎ পঞ্চম ভাব, পঞ্চম অধিপতি অথবা বৃহস্পতি শুভ গ্রহ দ্বারা দৃষ্ট বা যুক্ত হয় তাহলে পুত্র প্রাপ্তি হয়। রবি বলবান হতে হবে
২। যদি লগ্নের অধিপতি পঞ্চম ভাবগত হয় ও বৃহস্পতি বলবান হয় তাহলে পুত্র সন্তান হবেই।

৩। বলবান বৃহস্পতি লগ্নের অধিপতি দ্বারা দৃষ্ট হয়ে পঞ্চম স্থানে থাকলে অথবা পঞ্চম ভাবে পাপ গ্রহের দৃষ্টি না থাকলে অথবা বৃহস্পতি পঞ্চম এ থাকলে পুত্র সন্তান লাভ হয়।

৪। যদি কেন্দ্র ত্রিকোণের অধিপতি শুভ গ্রহ হয়, পঞ্চমস্থ হয় এবং পঞ্চম অধিপতি দুর্বল না হয় অথবা ষষ্ঠ, অষ্টম বা দ্বাদশে স্থিত হয়, পাপযুক্ত না হয়, অস্তমান না হয়, নীচস্থ না হয় ও শত্রু রাশিগত না হয় তাহলে পুত্র সন্তান লাভ করা যায়।

৫। যদি লগ্ন থেকে পঞ্চম স্থান বৃষ, কর্কট অথবা তুলা রাশিস্থ হয় ও সেই স্থানে শুক্র বা চন্দ্রের অবস্থান থাকে কিংবা শুক্র বা চন্দ্রের দৃষ্টি থাকে এবং পাপী গ্রহের দৃষ্টির যোগ না হয় তাহলে একাধিক পুত্র সন্তান জন্মায়। কিন্তু পঞ্চম স্থানে শনি এবং মঙ্গলের দৃষ্টি থাকলে অনিষ্ট হয়।

৬। যদি কোনও পুরুষের কোষ্ঠীতে রবি-শুক্র নিজ স্থানে ও অংশে বলবান হয়ে উপচয় স্থানে গমন করে এবং মঙ্গল ও চন্দ্র নিজ ঘরে ও অংশে বলবান হয়ে উপায় স্থানে গমন করে তাহলেও পুত্র সন্তান জন্মায়।

কোন কোন রাশির পুত্র সন্তান যোগ প্রবল
মেষ, সিংহ, ধনু ও কর্কট রাশির পুত্র সন্তান যোগ প্রবল থাকবে

কন্যা লগ্ন কন্যা রাশি- আগামী বছরে কন্যা লগ্ন ও রাশির স্বক্ষেত্রী থাকবে শনি। একইসঙ্গে মার্চ মাস থেকে বৃহস্পতির সাময়িক প্রবেশ ঘটবে। যা সন্তান লাভের অতি প্রবল যোগ সৃষ্টি করবে। এই গুরুসৌরি প্রভাব সন্তানলাভের সম্ভাবনা বাস্তবায়িত রূপ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

মেষ লগ্ন মেষ রাশি- কন্যা রাশি ও লগ্নের পর আগামী বছরে যাদের সন্তান লাভের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে তা হল মেষ লগ্ন ও মেষ রাশির। এই রাশি ও লগ্নের ঘরে বৃহস্পতি সন্তানের ঘরে দৃষ্টি দেবে। শনি এই রাশি ও লগ্নের একাদশপতি সে দশম ঘরে সক্ষেত্রী হয়ে থাকবে। এই কারণেই সন্তান লাভ শক্তিশালী যোগ নেবে। বিশেষ করে এই বছরের শেষের দিক থেকেই সন্তানধারনের যোগ প্রবল।

কোন কোন রাশির কন্যা সন্তান যোগ প্রবল
তুলা, কুম্ভ, মিথুন রাশির কন্যা সন্তান যোগ থাকবে

তুলা লগ্ন তুলা রাশি- কন্যা ও মেষের পাশাপাশি তুলা লগ্ন ও তুলা রাশিরও সন্তানধারনের যোগ প্রবল রয়েছে ২০২০ সালে। রাশি সন্তানের অধিপতি শনি চতুর্থ ঘরে সক্ষেত্রী হচ্ছে একইসঙ্গে শনি কেতু যোগ মুখ্ত হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া আগামী বছরে মার্চ মাস থেকে বৃহস্পতি ও শনির গুরুসৌরি যোগও দেখা দেবে। শক্তিশালী এই যোগ সন্তান লাভের জন্য অত্যন্ত শুভ।

যমজ সন্তান যোগ ও জ্যোতিষশাস্ত্র

ছেলে হোক বা মেয়ে, প্রত্যেক সন্তানকে সমান দৃষ্টিতেই দেখা উচিত৷ তাও যমজ সন্তানদের ক্ষেত্রে যেন ভালবাসার একটু বেশি কম থেকেই যায়। কিন্তু কেন হয় যমজ সন্তান? চিকিত্সা শাস্ত্রের নিজস্ব মত আছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে জ্যোতিষের মত কী? জেনে নেওয়া যাক জ্যোতিষশাস্ত্র মতে কখন কোনও দম্পতির যমজ সন্তান হতে পারে:

১। মানুষের জীবনে প্রথম সন্তান বিচার করা হয় পঞ্চম ভাব থেকে। যদি কোনও দম্পতির প্রথমে এক সন্তানের পর যমজ সন্তান হয়, সেই ক্ষেত্রে দেখতে হবে স্ত্রী জাতিকার সপ্তম ভাব ও তার অধিপতি গ্রহকে। সেই গ্রহের উপর অন্যান্য গ্রহের দৃষ্টিকেও দেখতে হবে।

২। মহিলাদের ক্ষেত্রে চন্দ্র এবং মঙ্গল ও পুরুষদের ক্ষেত্রে রবি ও শুক্র যদি নবাংশ ছকে একই স্থানে অবস্থান করে এবং বৃহস্পতি কেন্দ্রে অবস্থান করে তখন একজন জাতক জাতিকার যমজ সন্তান হয়।

৩। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে যমজ সন্তানের ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে একজন অপরাধী ও অপরজন বিচারক হয়। সেই ক্ষেত্রে আমাদের দেখতে হবে সেই যমজ সন্তানদের গ্রহগত নক্ষত্র।

৪। একজন জাতিকা যখন সহবাস করেন, তখন যদি তার জন্মলগ্ন অনুসারে গোচরে তৃতীয়, ষষ্ঠ, দশম বা একাদশ স্থানে চন্দ্র ও বুধ অবস্থান করে তখন সেই জাতিকার যমজ সন্তান হতে পারে।

৫। যখন বৃহস্পতি ও রবি গ্রহ নবাংশ ছকে একই সঙ্গে মিথুন রাশিতে অবস্থান করে এবং বুধ কোনও ভাবে সংযোগ স্থাপন করে তখন এক জনের যমজ পুত্র সন্তান হতে পারে।

৬। যখন বুধ গোচরে মিথুন রাশিতে অবস্থান করে তখন বুধ ধনু রাশিতে দৃষ্টি দেয়। সেই সময় যদি পঞ্চম ভাব বা ভাবাধিপতির সঙ্গে সেই বুধের সংযোগ স্থাপন হয় তখন যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৭। যমজ সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে বুধ গ্রহের প্রভাব খুব বেশি।

জমজ বাচ্চার ক্ষেত্রে:

কেড়ে আঙুলের নিচে থাকা রেখাগুলি যদি শেষে গিয়ে কাঁটার মতো হয়ে যায়, চাহলে বুঝতে হবে আপনার জমজ বাচ্চা হতে চলেছে।
রবি +শুক্র+বুধ অবস্হান বিচার করতে হবে

ছেলে বা পুত্র সন্তানের ক্ষেত্রে

আপনার তালুতে থাকা রেখাগুলি খুব গাড় কিনা। যদি এমনটা হয়, তাহলে আপনার ছেলেই হবে একথা একেবারে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব।
মেষ, বৃশ্চিক, ধনু জাতকদের পুত্র সন্তান লাভের যোগ প্রবল

মেয়ে বা কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে

বুধস্থানে রেখা যদি সরু এবং হালকা হয়, তাহলে মেয়ে সন্তন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
বুধ যদি মীন রাশিতে থাকে

বাচ্চা দুর্বল হবার যোগ

যদি এমনটা হয় আপনার কুন্ডলীর পঞ্চম ভাবে রাহু, শনি ও মঙ্গল থাকে তাহলে দুঃশ্চিন্তার বিষয়। বাচ্চার শারীরিক অবস্থা একেবারেই ভাল হয় না।


বাচ্চাটি শারীরিকভাবে বেশ দুর্বল হবে এবং বারে বারে অসুস্থ হয়ে পরার আশঙ্কা থাকবে যদি পঞ্চম ভাবে রবি, শুক্রও বুধ থাকে


পুরুষদের ক্ষেত্রে:
সাধারণত, চন্দ্র, বুধ, শুক্র ও রবির অবস্হান বিচার করবেন


মহিলাদের ক্ষেত্রে:
রবি, বৃহস্পতি ও শুক্রের অবস্হান বিচার করে সন্তান ভাগ্য বিচার করবেন



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200526104825

Friday, May 22nd, 2020

Astro Research Centre

যে সকল গ্রহদের কথা জ্যোতিষ শাস্ত্রে উল্লেখ নাই

যে সকল গ্রহদের কথা জ্যোতিষ শাস্ত্রে উল্লেখ নাই

যে সকল গ্রহদের কথা জ্যোতিষ শাস্ত্রে উল্লেখ নাই

নীল গ্রহ নেপচুন
সৌরজগতের সবচেয়ে দূরের গ্রহটির নাম নেপচুন। সূর্য থেকে দূরত্বের হিসাবে এ গ্রহটির অবস্থান অষ্টম। আয়তনের দিক থেকে নেপচুন সৌরজগতের চতুর্থ বৃহত্তম গ্রহ। ভরের হিসাবে গ্রহটির অবস্থান তৃতীয়। এ গ্রহটির ভর পৃথিবীর ভরের প্রায় ১৭ গুণ বেশি। রোমান সমুদ্র দেবতা নেপচুনের নামানুসারে এ গ্রহটির নাম রাখা হয়েছে নেপচুন। নেপচুনের বায়ুমণ্ডলের বেশির ভাগই দখলে রেখেছে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম। মিথেনের উপস্থিতিও রয়েছে এ গ্রহের বায়ুমণ্ডলে। আর এ কারণেই গ্রহটি দেখতে নীল। তবে একই পরিমাণ মিথেনের উপস্থিতি ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলে থাকলেও নেপচুন দেখতে বেশি নীল। এ কারণে ধারণা করা হয়, এ গ্রহটির নীল হওয়ার পেছনে আসলে অন্য কোনো কারণ রয়েছে। জন কউচ অ্যাডামস ও আরবেইন লি ভেরিয়ার নমের দুইজন জ্যোতির্বিদ নেপচুন গ্রহটি প্রথম আবিষ্কার করেন। দূরবীক্ষণযন্ত্রের বদৌলতে গাণিতিক হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে আবিষ্কৃত হওয়া গ্রহের তালিকায় এ গ্রহটি প্রথম। নেপচুনের ওপর দিয়ে একসময় একটা শক্তিশালী ঝড় বয়ে যায়। সূর্য থেকে নেপচুনের গড় দূরত্ব প্রায় সাড়ে চার বিলিয়ন কিলোমিটার। সূর্যের চারপাশ একবার ঘুরে আসতে এ গ্রহটির সময় লাগে পৃথিবীর ১৬৪ বছরের কিছু বেশি। আবিষ্কারের পর নেপচুন মাত্র একবারই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করেছে। এ পর্যন্ত নেপচুনের ১৩টি উপগ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নেপচুনের সবচেয়ে বড় উপগ্রহটির নাম ট্রাইটন। নেপচুন ও ইউরেনাসের গঠনে নানা মিল রয়েছে। এ গ্রহ দুটির গঠন সৌরজগতের বাকি দুটি গ্যাস দানবখ্যাত গ্রহ বৃহস্পতি ও শনির চেয়ে আলাদা। নেপচুন ও ইউরেনাসকেও বিজ্ঞানীরা অনেক সময়ই গ্যাস দানব বলে থাকেন। সূর্য থেকে দূরত্বের কারণে নেপচুনের বাইরের বায়ুমণ্ডল সৌরজগতের শীতলতম স্থানগুলোর একটি। তবে কেন্দ্রে নেপচুনের তাপমাত্রা প্রায় পাঁচ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস।


প্লুটোর কারণেই নেপচুন সর্বশেষ গ্রহ

১৯৩০ সালে আবিষ্কারের পর থেকে প্লুটোকেই সৌরজগতের সর্বশেষ গ্রহ হিসেবে ধরা হতো। কিন্তু ২০০৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের সাধারণ সভায় প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। কারণ একটি পূর্ণ গ্রহ হতে যে ভরের সঙ্গে সঙ্গে যে সুস্থিতি অর্জন করার প্রয়োজন সেটি প্লুটোর নেই। যে কারণে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে বামন গ্রহ নাম দেওয়া হয়। এরপর থেকে নেপচুনকেই ধরা হয় সৌরজগতের সর্বশেষ ও পৃথিবীর থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ হিসেবে।

ইউরেনাস গ্রহ
সপ্তম গ্রহ

সূর্য থেকে দূরত্ব ২৯০ কোটি কিমি

১ ইউরেনাস দিবস = ১৭ ঘণ্টা ১৪ মিনিট

১ ইউরেনাস বছর = ৮৪ বছর (পৃথিবীর)

ইউরেনাসকে বলা হয় বরফ দানব , গ্রহের উপাদান পানি, মিথেন , অ্যামোনিয়া । গ্রহের ছোট কঠিন কেন্দ্র রয়েছে।

বায়ুমণ্ডলের উপাদান - হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও সামান্য মিথেন ।

উপগ্রহ - ২৭ টি

বলয়- অনুজ্বল বলয় আছে, আভ্যন্তরীণ বলয় সরু, বহির্ভাগের বলয় উজ্জল রঙের।

গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে আবর্তন করে।

প্রাণ নেই এবং প্রাণ ধারণের মত অনুকূল পরিবেশ নেই।



ইউরেনাসের নিরক্ষরেখা তার অক্ষের ( যে পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে ) সাথে প্রায় ৯০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে। ধারনা করা হয়, অতীতে অন্য কোন গ্রহের সাথে সংঘর্ষের ফল এই অস্বাভাবিক কোণ ।

ইউরেনাস সৌরজগতের ২ টি বরফ দানবের একটি ( আরেকটি নেপচুন ) । বায়ুমণ্ডল প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়ান দ্বারা গঠিত, সামান্য পরিমাণে মিথেন , পানি ও অ্যামোনিয়া রয়েছে। মিথেন গ্যাসের জন্য ইউরেনাসের রঙ নীল দেখায়। মিথেন গ্যাস সূর্যের আলো থেকে লাল তরঙ্গ অংশ শোষণ করে। ইউরেনাস বছরের প্রায় এক-চতুরতাংশ সময় সূর্য সরাসরি মেরু অঞ্চলে আলোকিত করে, এই সময় অন্য অংশে দীর্ঘ অন্ধকার শীতকাল থাকে।



বলয়

ইউরেনাস গ্রহে ২ সেট বলয় আছে। ১৯৭৭ সালে আবিষ্কৃত হয়েছে, আভ্যন্তরীণ অংশে ৯ টি বলয় আছে, এই অংশটি সরু ও কৃষ্ণকায় । Voyager 2 নতুন ২ টি বলয়ের সন্ধান পেয়েছে। বহির্ভাগের বলয় উজ্জল রঙের।

বুধের কাল্পনিক প্রতিবেশী 'ভলকান' -

১৯ শতকের লম্বা একটা সময় জুড়ে একদল বিজ্ঞানী পৃথিবীবাসীকে ধারনা দেন যে ,বুধ সুর্যের নিকটবর্তী গ্রহ নয় বরং বুধ ও সুর্যের মাঝামাঝি আরো একটি গ্রহ রয়েছে। বিজ্ঞানীগন বেশ কয়েক বছর যাবত হিসেব করে দেখলেন যে বুধ সূর্যকে যে কক্ষপথে প্রদক্ষিন করার কথা সেভাবে করছে না। প্রতিবার সূর্যের নিকটবর্তী হবার সময় তা একটু করে পরিবর্তিত হচ্ছে। এই অস্বাভাবিকতা বুধের উপর শুক্রের প্রভাব পর্যবেক্ষন করেও অনুমান করা যাচ্ছিল না। এর ফলে কৌতুহল দেখা দেয় সূর্য আর বুধের মাঝামাঝি অন্য কোন গ্রহের অস্তিত্ব নিয়ে।

বিজ্ঞানীদের এই দলের মাঝে ছিলেন প্রখ্যাত ফরাসী বিজ্ঞানী আরবাইন জোসেফ লে ভেরিয়ার। ১৮৫৯ সালে তিনি তাঁর প্রদান করা তত্ত্বে অনুমান করেন যে সূর্য আর বুধের মাঝে অবশ্যই আরো একটি গ্রহ রয়েছে যার অভিকর্ষ বলের প্রভাবে বুধের কক্ষপথ প্রভাবিত হচ্ছে। এই অনুমিত গ্রহটিই ভলকান হিসেবে পরিচিতি পায় সর্বত্র। উল্লেখ্য, ১৩ বছর পূর্বে লে ভেরিয়ার প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আইজাক নিউটনের 'থিওরি অফ গ্র্যাভিটি'র সুত্র দ্বারা নেপচুন এর অস্তিত্ব ও এর কক্ষপথের উপর ইউরেনাসের প্রভাব নির্নয় করেন যার ফলে তাঁর 'ভলকান' তত্ত্ব ও সর্বত্র গ্রহনযোগ্যতা পায়। তিনি আরো বলেন , সূর্যের অতি নিকটবর্তী হওয়ায় আলোর উজ্জ্বলতার কারনে ভলকান পর্যবেক্ষন অসম্ভব ছিল।

লে ভেরিয়ারের এমন যুক্তি উপস্থাপনের পর তন্ন তন্ন করে খোঁজা সত্ত্বেও পরবর্তী কয়েক দশকে খোজ মিলেনি এই ভলকানের। ১৯১৫ সালে প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' এর দ্বারা ভলকান এর অস্তিত্ব নিখুঁত ভাবে নাকচ করে দেন। তাঁর মতে সূর্যের মত অতিকায় ভরসম্পন্ন বস্ত স্পেস টাইম, আলোর গতিপথের মত বুধের কক্ষপথকেও অনায়াসেই প্রভাবিত করতে পারে। তিনি আরো বলেন বুধ ও সূর্যের মধ্যে কোন গ্রহ থাকার মত পরিবেশ নেই।



জন্ম-লগ্নের ১ম, ৪র্থ, ৭ম ও ১০ম স্থানকে 'কেন্দ্র' বলে। যেমন মেষ লগ্নের নক্ষত্রে ১ম স্থানে মেষ, ৪র্থ স্থান কর্কট, ৭ম স্থানে তুলা এবং ১০ম স্থানে মকর রয়েছে। সুতরাং ১ম স্থানে, কর্কটের স্থানে, তুলার স্থানে এবং মকরের স্থানে কোন গ্রহ থাকলে তা কেন্দ্রে আছে ধরা হয়। ৯ম ও ৫ম স্থানকে কোণ বলে এবং ৬ষ্ঠ, ৮ম ও ৯ম স্থানকে দুঃস্থান বলে। গ্রহগণ জন্ম-লগ্নের কেন্দ্র ও কোণে বলশালী হয় এবং শুভ ফল প্রদান করে কিন্তু দুঃস্থানে অশুভ ফল প্রদান করে। জন্ম-রাশি বা জন্ম-লগ্নকে ১ম স্থান ধরে অবশিষ্ট রাশিগুলোকে ২য়, ৩য়, ৪র্থ এই ক্রমে গণনা করে শেষ পর্যমত্ম যে ১২টি স্থান পাওয়া যায় ঐ ১২টি স্থান দ্বারা ১২ প্রকার ভাব ফল নির্ণয় করা হয়। ১ম অর্থাৎ জন্ম-লগ্ন ও জন্ম-রাশি থেকে দেহভাব, ৩য় স্থান থেকে ভ্রাতৃভাব, ৪র্থ স্থান থেকে বন্ধুভাব, ৫ম স্থান থেকে পুত্রভাব, ৬ষ্ঠ স্থান থেকে শত্রুভাব, ৭ম স্থান থেকে পতি বা পত্নীভাব, ৮ম স্থান থেকে আয়ু বা নিধনভাব, ৯ম স্থান থেকে ভাগ্য বা ধর্মভাব, ১০ম স্থান থেকে কর্মভাব, ১১শ স্থান থেকে আয়ভাব এবং ১২শ স্থান থেকে ব্যয়ভাব বিচার করা হয়। যেমন- মেষ রাশি বা মেষ লগ্নের ৭ম স্থানে তুলা রাশি অবস্থিত। ৭ম স্থান দ্বারা পতি বা পত্নীযোগ, বিবাহ ও দাম্পত্য-জীবন বিচার করা হয়। এখন মেষ রাশির ৭ম স্থানে অর্থাৎ তুলা রাশিতে যদি শুভ, উচ্চস্থ ও মিত্র গ্রহ অবস্থান করে এবং শুভ গ্রহের দৃষ্টি থাকে তবে ঐ জাতকের পতি বা পত্নী, বিবাহ ও দাম্পত্য-জীবন সুন্দর হবে। এর বিপরীত হলে বিপরীত ফল প্রসব করবে। এভাবে দ্বাদশ স্থানে গ্রহ-নক্ষত্রে অবস্থান অনুসারে দ্বাদশ প্রকার ভাব বিচার করা হয়। দ্বাদশ স্থানের অধিপতি গ্রহের অবস্থান অনুসারেও দ্বাদশ ভাব নির্ণয় করা হয়। যেমন- মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল তাই মঙ্গল হবে লগ্নপতি। মেষ রাশির ২য় স্থানে বৃষ রাশি রয়েছে। বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র তাই শুক্র হবে তনুপতি। এই শুক্রের শুভ বা অশুভ দ্বারা তনু বা দেহভাবের শুভাশুভ বিচার করা হয়।

জ্যোতিষে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সূত্র : (আপনাদের জন্মকুণ্ডলী মিলিয়ে দেখে নিন)

১. অষ্টমে রবি+রাহু - বদনাম যোগ।

২. দ্বিতীয় বা দ্বা্দশে ( শনি+কেতু) থাকলে ঋন হবেই।

৩.শুক্র খারাপ থাকলে অভিনেতা বা অভিনেত্রি হওয়ার স্বপ্ন না দেখাই ভাল।

৪.রবি + শুক্র +ভলকান জন্মছকে এক সঙ্গে থাকলে জীবনে কোন না কোন সময় দারিদ্র আসবেই।

৫. রবি+কেতু +নেপচুন , রবি+রাহু, রবি+শনি, মঙ্গল+শুক্র, শুক্র+কেতু, শুক্র+রাহু+উরেনাস , বৃৃহস্পতি+রাহু, বৃৃহস্পতি+কেতু, বুধ+কেতু+ভলকান , বুধ+রাহু, শনি+মঙ্গল+শুক্র+রাহু, রবি+বুধ+কেতু, শনি+মঙ্গল+রাহু, এই অশুভ যোগ গুলির সার্থক প্রতিকার না করলে জীবনে একটির পর একটি সমস্যা লেগেই থাকবে।

৬. জন্মছকে সব গ্রহগুলি নীচস্থ হলে অধিক মন্দ হেতু রাজ যোগের সৃষ্টি হয়, এই যোগে নিজস্ব ফ্যক্টট্রি হয়।

৭. জন্মছকে সব গ্রহগুলি উচ্চস্থ হলে সন্ন্যাস হয়।

৮. জন্মছকে কোন কিছু হওয়ার connection না থাকলে, প্রতিকারের মাধ্যমে সেই যোগ এনে দেওয়া যায় না। বিবাহ, চাকরি, প্রেম ইত্যাদি সব জন্মের সময় নিজের ভাগ্যে নিয়েই জন্মায়। গ্রহের অশুভ যোগ, অশুভ অবস্থানে যখন সময় খারাপ চলে তার থেকে মুক্তি পেতেই প্রতিকার প্রয়োজন হয়।

৯.জ্যোতিষের সব থেকে বড় বিভাগ হল সার্থক প্রতিকার নির্বাচন করা।

১০. রাহু+মঙ্গল +নেপচুন জাতক/জাতিকার এনর্জি নষ্ট করে। সুগার হয়। উচ্চ রক্তচাপ

১১. রবি+রাহু+উরেনাস জাতক জাতিকাকে আত্মবিশ্বাসের অভাব আনে। চোখ এর রোগ হয়।
উগ্র মেজাজ, প্রচন্ড ক্রোধী
১২. ৭ম ভাবে কেতু+মঙ্গল +প্লুটো যোগ - বিবাহিত জীবনকে নষ্ট করবেই।প্রবল সাংসারিক অশান্তি

১৩. দ্বিতীয়ে শনি+কেতু +প্লুটো - দাঁত নিয়ে ভোগান্তি, মুখে দুর্গন্ধ

১৪. ষষ্ঠে কেতু + শুক্র +নেপচুন - যৌন অক্ষমতা। বিকৃত রুচি, কামুক

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।




হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/wIQ_xyy90c4

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ


https://youtu.be/XCd4SN2k0bo


https://youtu.be/LCoU4HRRYdo


https://youtu.be/8PaF7qS3Smk



Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে


আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200522135921

Wednesday, May 13th, 2020

Astro Research Centre

গৃহ নির্মাণের শুভ দিনক্ষন তিথি ও নক্ষত্র অনুসারে

গৃহ নির্মাণের শুভ দিনক্ষন তিথি ও নক্ষত্র অনুসারে

গৃহ নির্মাণের শুভ দিনক্ষন তিথি ও নক্ষত্র অনুসারে

গৃহ নির্মাণের পূর্বে সঠিক দিনক্ষণ বা বাস্তু বা তিথি অনুসারে গৃহ নির্মাণ করতে হয়, তা নাহলে স্বপ্নের বাড়ি নানা কারণে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
এবার দেখে নেওয়া যাক জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গৃহারম্ভের শুভ তিথি বা সময় গুলি কী কী -
সোম, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্র বারেই নতুন গৃহ আরম্ভ করা শুভ ফলপ্রদ হয়ে থাকে।
১) অশ্বিনী, রোহিণী, মৃগশিরা, পুষ্যা, উত্তরফল্গুনী, হস্তা, চিত্রা, স্বাতী, অনুরাধা, উত্তরাষাঢ়া, ধনিষ্ঠা, শতভিষা, শ্রবণা, রেবতী, উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্রে তারা শুদ্ধি থাকলে, শুভ গ্রহের বারে এবং শুভ যোগে গৃহ আরম্ভ করা খুব ফলপ্রদ হয়ে থাকে।
২) তিথি অনুসারে প্রতিপদে গৃহ আরম্ভ করলে প্রবল দুঃখ, পঞ্চমীতে চৌর-ভীতি, ষষ্ঠীতে অর্থনাশ, দশমীতে আইনগত ঝামেলা, একাদশীতে পারিপার্শ্বিক নানা বিভ্রাট ও বাধা, পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় অর্থহানি ও পত্নী বিয়োগের সম্ভাবনা থাকে।
৩) দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দ্বাদশী, এয়োদশী ও চতুর্দশী তিথিতেই নতুন গৃহ আরম্ভ করা উচিত। তবে এই সকল তিথি যেন শুক্লপক্ষের হয়, তবেই সেই ক্ষেত্রে শুভ ভাব সূচিত হবে। কৃষ্ণপক্ষে গৃহ আরম্ভ না করাই ভাল।
বৈশাখ, আষাঢ়, শ্রাবণ, কার্তিক, অগ্রহায়ণ ও ফাল্গুন মাসে গৃহ আরম্ভ করলে পুত্র, পত্নী ও ধনাদি দ্বারা সুখ লাভ হয়।
৪) মাস অনুযায়ী জ্যৈষ্ঠ মাসে গৃহ আরম্ভ করলে গৃহকর্তার প্রবল স্বাস্থ্যহানি, ভাদ্রমাসে ধনহানি ও পশু হানি, আশ্বিন মাসে পত্নীর রোগ ব্যাধি, পৌষ মাসে চৌরভীতি, মাঘ মাসে গৃহে অগ্নিময়, চৈত্রমাসে পরিবারের সদস্যদের জ্বর-জ্বালা বৃদ্ধি ও নানা রকম শোক-সন্তাপ লেগেই থাকে। উপরোক্ত মাস গুলি গৃহ আরম্ভ করার পক্ষে উপযুক্ত।

গৃহ নির্মাণের উপযুক্ত মাস-বিধি-

বৈশাখ মাস: গৃহনির্মাণ কাজ শুভ৷ সম্পদ বৃদ্ধি হয়৷
জ্যৈষ্ঠ মাস: গৃহনির্মাণের পক্ষে অশুভ৷
আষার মাস: এই মাসে গৃহনির্মাণ করলে ধনহানি, পশুহানি হতে পারে৷
শ্রাবণ মাস: শ্রাবণ মাসে গৃহ নির্মাণের পক্ষে অশুভ৷
ভাদ্র মাস: অত্যন্ত অশুভ৷
আশ্বিন মাস: গৃহস্বামীর পত্নীর শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে৷
কার্তিক মাস: গৃহস্বামীর ধন সম্পদ বৃদ্ধির যোগ থাকে৷
অগ্রহায়ণ মাস: এই মাসে গৃহ নির্মাণ করলে ধন ও মিত্র লাভ হয়৷
পৌষ মাস: পৌষমাসে গৃহনির্মাণ করলে চৌর্য ভয় নির্দেশ করে৷
মাঘ মাস: এই মাসে গৃহারম্ভে অগ্নি ভয় থাকে৷
ফাল্গুন মাস: এই মাসে গৃহারম্ভ পুত্র ও বন্ধু লাভের পক্ষে শুভ৷
চৈত্র মাস: গৃহ নির্মাণের পক্ষে অশুভ৷

• গৃহ নির্মাণের ক্ষেত্রে নক্ষত্র বিচার-

গৃহারম্ভের কাজে মাস, বার বিচারের সঙ্গে নক্ষত্র বিচারও করা প্রয়োজন৷
নক্ষত্র মোট ২৭টি৷ তার মধ্যে অশ্বিণী, মূলা, হস্তা ও শ্রবণা নক্ষত্রে গৃহারম্ভ করা যেতে পারে৷
এছাড়া রোহিনী, মৃগশিরা, চিত্রা, স্বাতী, হস্তা, পুষ্যা, উত্তর ফাল্গুণী, অনুরাধা, উত্তরষাঢ়া, ধনিষ্ঠা, শতভিষা, উত্তরভাদ্র পদ এবং রেবতী নক্ষত্রে গৃহারম্ভ বিশেষ শুভ ফল প্রদান করে৷
গৃহারম্ভকালের নক্ষত্রটি যদি পাপ গ্রহ যুক্ত হয় কিংবা রিষ্টি যুক্ত বা রিক্ত তিথি যুক্ত হয় তবে তা বর্জন করতে হবে৷
সেই সঙ্গে চন্দ্র বলবান কিনা এবং লগ্নে শুভ যোগ রয়েছে কিনা তাও নির্ণয় করা প্রয়োজন৷
এইভাবে গৃহ নির্মাণের প্রাক্কালে বার, মাস ও নক্ষত্র বিচার করে নিলে সেই গৃহে বসবাস করা অত্যন্ত শুভ বিবেচিত হয়৷

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200513171003

Friday, May 8th, 2020

Astro Research Centre

বেল পাতা ও বেল গাছের গুরুত্ব

বেল পাতা ও বেল গাছের গুরুত্ব

বেল পাতা ও বেল গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে
জেনে নিন...............
বেল পাতার স্বাস্থ্যগুণ: বেল ফল, পাতা এবং তার শিকড় সবগুলিই বেশ কাজে আসে এখানে আজ জেনে নিন বেল পাতার রসের স্বাস্থ্যগুণ।

বেল পাতার আর্শ্চযজনক স্বাস্থ্য উপকারতিা

বেলে এ্যান্টিফাঙ্গাল, এ্যান্টিপ্যারাসাইট গুণ রয়েছে যা হজমের জন্য লাভজনক।

বেলের শরবৎ শরীর ঠাণ্ডা করে প্রচণ্ড গরমে নাক থেকে রক্তপাত হলে এই ফলের শরবত ওষুধ হিসেবে খাওয়ানো হয়।

বেল পেট ব্যাথা, গ্যাস, ডায়রিয়া এবং পেট খারাপের সমস্যা থেকেও বেশ উপকারি দাওয়াই। যদি আপনার এই ধরনরে সমস্যা হয় তাহলে সপ্তাহে ২ থেেক ৩ বলে পাতা অবশ্যই খাবেন।

বেলে ল্যাকসটেভি বৈশিষ্ট্যি রয়েছে যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা বা হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বেলে বিটা-ক্যারোটনি থাকে যা যকৃতকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

বেল ভিটামিন সি-এর ভাল উৎস। ভিটামিন সি-এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, বেল পাতার রস সেত রোগেও উপকারী।

বেলে থাইমনি এবং রাইবোফ্লভেনিরে মতো ভিটামনি পাওয়া যায়। এই ভটিামনিও যকৃতের জন্য উপকারী।

ভটিামনি সি-এর পরিপূরক হওয়ায় এটি শরীরের অনাক্রম্যতাও বাড়ায়। কিডনির স্বাস্থ্যের জন্যও বেল বেশ র্কাযকরী ফল।


হিন্দুধর্মে বেলগাছ হল একটি পবিত্র গাছ।
বেলপাতা বা বেল গাছকে আমরা ভগবান
শিবের সঙ্গে তুলনা করি। শিব বেলপাতাতেই তুষ্ট।

ভারতবর্ষের প্রায় বিভিন্ন জায়গাতেই বেলগাছ দেখতে পাওয়া যায়। দুর্গাপুজোর সময় ১০৮ টি বেলপাতা দিয়ে মা দুর্গার হোম যজ্ঞ হয় এছাড়াও পূজা ও অঞ্জলিতে ব্যাবহৃত হয়।

এক মহাত্মা বলেছিলেন মা দুর্গার কপালের ঘাম মাটিতে পড়ে একটি বেল গাছ জন্ম নেয় যা বিল্ব গাছ।
বেলগাছ ত্রিগুণের অধিকারী যথা— স্বতঃ , রজ , তম।

জ্যোতিষ মতে বাড়ির দিক অনুসারে বেলগাছ
থাকলে কি উপকার জেনে নিন ---------

• বাড়ির উত্তর পূর্ব দিকে বেলগাছ - সম্পদ প্রাপ্তি ও অশুভত্ব থেকে মুক্তি।
• বাড়ির পূর্ব দিকে বেলগাছ – বিভিন্ন সম্পদ ও শান্তি লাভের নির্দেশ করে।
• বাড়ির পশ্চিম দিকে বেলগাছ - সুসন্তান লাভের পথ প্রশস্ত করে।
• বাড়ির দক্ষিণ দিকে বেলগাছ - দুর্ঘটনা‌থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বৈদিক শাস্ত্র মতে বেলপাতাকে অনেক রকম
ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে -------

• বেলপাতার তিনটি পাতা একত্রে থাকলে হবে তখন তাকে একটি বেলপাতা বলা হয়।
এইতিনটি বেলপাতা হল ব্রহ্মা , বিষ্ণু , মহেশ্বর।
• এই তিনটি পাতাকে যথাক্রমে তিনটি চোখ বলা হয়।
• তিনটি পাতা যথাক্রমে – পূজা , স্তোত্র ও জ্ঞান।
• বেলডাল যথাক্রমে সৃষ্টি , স্থিতি ও লয়কে উপস্থাপনা করে।
• বেলপাতার সামনের অংশকে অমুর্যাম বলা হয়।
• যে কোনও পূজার ক্ষেত্রে যদি অসম্পূর্ণ বা ছেড়া বিল্ব পত্র অর্পণ করা হয় তাহলে পাপ করার সঙ্গে তুলনা করা হয়।
• বেল ফলকে শ্রীফল বলেও জানা যায়। শিব পূজার একটি উত্তম উপাদান বেল পাতা।

শারীরিক প্রয়োজনে বেলগাছ ------

• বেল ফলের গুঁড়ো দুধের সাঙ্গে পান করলে রক্তাল্পতার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
• হাই ব্লাড সুগার রোগে নিয়মিত বেল ফল খেলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
• বেলফল ঠাণ্ডা জলে ভিজিয়ে মিছরি সহকারে পান করলে লিভারের সমস্যা দূর হয়।
• বেলফল সরষের তেলের মিশ্রণে যদি কোন ব্যথায় মালিশ করা হয় তবে খুব উপকার পাওয়া যায়।
• বেলের গুঁড়ো যদি ক্ষত স্থানে লাগানো হয় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি উপশম হয়।
• বেলফল চিনির সঙ্গে সেবন করলে‌স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

বেলপাতার অপকারিতা
আপনি যদি টানা কয়েক সপ্তাহ বেল পাতার রস খান তাহলে আপনার যৌবন শক্তি কমে যাবে, উত্তেজিত হতে সময় লাগবে। *তবে ভুলে ১দিন খেলে এর তেমন কোন প্রভাব পড়বে না।


বেল একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে শ্বেতসার, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে। আমাদের দেশে ছোট বড় বিভিন্ন আকারের বেল দেখা যায়। তবে অনুমোদিত কোনো জাত নেই। বাংলাদেশ ও ভারতের পল্লী অঞ্চলে সর্বত্র বেল পাওয়া যায়। বেলগাছের ছাল, পাতা, ফুল সবই ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বেল সম্বন্ধে আমাদের সবারই একটি ভূল ধারণা আছে। চরক তার গ্রন্থে বলেছেন, আমরা সবাই জানি পাকা বেল সবচেয়ে উপকারী। তাই বেল কেনা বা খাওয়ার সময় পাকা বেল খুঁজি। সবাই ভাবে, পাকা বেল পেট পরিস্কার করে। অন্ত্র ও মলভাদোষ নিরসন হয়। কিন্তু তার মতে, পাকা বেল অপকারী। পাকা বেল হজম কষ্ঠসাধ্য। দীর্ঘ দিন পাকা বেল খেলে অন্ত্রে ছিদ্র তৈরি হতে পারে। কিন্তু কাঁচা বেল ঠিক বিপরীত কাজ করে। অর্থাৎ অন্ত্রে ছিদ্র হতে দেয় না এবং ছিদ্র হলে তা বন্ধ করায় সহায়ক হয়। তাই নিয়মিত দীর্ঘ দিন পাকা বেল খাওয়া ঠিক নয়, বরং কাঁচা বেল পোড়া বা কাঁচা বেল শুটকি উপকারী

জেনে নেই বেলের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা ঃ
পুষ্টি উপাদান: প্রতি ১০০ গ্রাম বেলে রয়েছে ক্যারোটিন ৫৫ মিলিগ্রাম, থায়ামিন ০.১৩ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লোভিন ১.১৯ মিলিগ্রাম, এসকরবিক এসিড ৮.৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৩.২৫ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ১.১ মিলিগ্রাম, টারটানিক এসিড ২.১১ মিলিগ্রাম, প্রোটিন ১.৮-২.২৬ গ্রাম, জলীয় অংশ ৫৪.৯৬-৬১.৫ গ্রাম, ¯স্নেহ পদার্থ ০.২-০.৩৯ গ্রাম, শর্করা ২৮.১১-৩১.৮ গ্রাম, এছাড়াও শ্বেতসার, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে। বেলের উপকারিতা:-
*পেটের অসুখে : অনেকের পেট ব্যথা ও পেটখারাপ থাকে প্রায় সারা বছর। হজমের গোলযোগ পেটের ভেতর গড়গড় করা, ভুটভাট করা ও ফেট ফাঁপা হয়। যাদের এই সমস্যা রয়েছে, তারা কাঁচা বেলের গায়ে আধা ইঞ্চি পুরু করে কাদা মাখিয়ে চুলার কাঠের আগুনে পুড়িয়ে সকাল-বিকালে তিন-চার চামচ বেল সামান্য গুড় বা চিনি দিয়ে তিন-চার দিন খেলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া কাঁচা বেলের শাঁস শুঁটকি পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি খেলেও উপকৃত হবেন। এতে পুরনো আমাশয়ও ভালো হয়।
* স্মৃতিশক্তি বাড়াতে : ছাত্রছাত্রীদের স্মৃতিশক্তি বর্ধনে দুই বা তিনটি বেলপাতা ঘিয়ে ভেজে মচমচে করে মিছরির গুঁড়োর সাথে এক সপ্তাহ প্রতিদিন সকাল খাওয়ালে স্মৃতিশক্তি বেড়ে যায়।
* সর্দি ও জ্বরজ্বর ভাব হলে: সর্দি হলে বা গায়ে ব্যথা এবং জ্বরজ্বর ভাব হলে বেলপাতা বেটে রস বের করে এক ফোঁটা মধুসহ তিন-চার দিন খেলে ভালো হয়।
* শুক্র তারল্যে : বেলগাছের শিকড় ভালো করে ধুয়ে সামান্য জিরার সাথে বেটে ঘিয়ের সাথে খেলে শুক্র গাঢ় হয়।
* গায়ের দুর্গন্ধে : অনেকের শরীর থেকে দুর্গন্ধ নির্গত হয়। এ জন্য দাম্পত্য কলহ এমনকি বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। তাদের পাশে কেউ বসতে পারে না। তারা বেলপাতা দিয়ে পানি সেদ্ধ করে সেই পানিতে শরীর মুছলে বা ওই পানি দিয়ে গোসল করলে শরীরের দুর্গন্ধ দূরীভূত হয়।
ঔষধিগুণ ঃ- বেল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও আমাশয়ে উপকার করে। আধাপাকা সিদ্ধফল আমাশয়ে অধিক কার্যকরী । বেলের শরবত হজম শক্তি বাড়ায় এবং বলবর্ধক । বেলের পাতার রস মধুর সাথে মিশিয়ে পান করলে চোখের ছানি ও জ্বালা উপশম হয়। পাতার রস, মধু ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে জন্ডিস রোগ নিরাময় হয়।
ব্যবহার : কাঁচা ও পাকা বেল সুস্বাদু খাবার । পাকা বেলের জুস তৈরি করে খাওয়া যায়।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200508123519

Tuesday, May 5th, 2020

Astro Research Centre

গ্রহ ও সংখ্যা ও রাশি

গ্রহ ও সংখ্যা ও রাশি

গ্রহ ও সংখ্যা

সূর্য --- ১
চন্দ্র ---- ২
বৃহস্পতি--- ৩
ইউরেনাস---- ৪
বুধ--- ৫
শুক্র---- ৬
নেপচুন---- ৭
শনি---- ৮
মঙ্গল--- ৯

সাপ্তাহিক দিন ও সংখ্যা

রবিবার -- ১-৪
সোমবার-- ২-৭
মঙ্গলবার-- ৯
বুধবার--- ৫
বৃহস্পতিবার-- ৩
শুক্রবার--- ৬
শনিবার--- ৮

গ্রহ ও সংখ্যার সম্পর্ক

সৌর মন্ডলে যেমন ৯টি গ্রহ আছে তেমনই এক থেকে নয় পর্যন্ত ৯টি সংখ্যাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে সব রকম গণনা। ১২টি রাশিকে এক একটি গ্রহ নিয়ন্ত্রণ করে। আর তাই তো এক এক রাশির চরিত্র এক এক রকম। ফলে প্রতিটি মানুষও একেঅপরের থেকে আলাদা। প্রতিটি গ্রহকেও আলাদা আলাদা সংখ্যা দ্বারাই চিহ্নিত করা হয়।
মঙ্গল= ৯ + মেষ আগুন মঙ্গলবার
শুক্র= ৬ + বৃষ মাটি শুক্রবার
বুধ= ৫ + মিথুন হাওয়া বুধবার
চন্দ্র= ২ -,৭ + কর্কট জল সোমবার
সূর্য= ১ +, ৪ - সিংহ আগুন রবিবার
বুধ= ৫ - কন্যা মাটি বুধবার
শুক্র= ৬ - তুলা হাওয়া শুক্রবার
মঙ্গল= ৯ - বৃশ্চিক জল মঙ্গলবার
বৃহস্পতি= ৩ + ধনু আগুন বৃহস্পতিবার
শনি= ৮ + মকর হাওয়া শনিবার
শনি= বাহক ৮ - কুম্ভ মাটি শনিবার
বৃহস্পতি= ৩ - মীন জল বৃহস্পতিবার

রাশিচক্রের ১২টি রাশিকে আবার তিন ভাগে বিভক্ত করা যায়--- প্রধান, স্থায়ী এবং পরিবর্তনশীল। মেষ থেকে শুরু করে প্রতি তিন নম্বর রাশিটি প্রধান রাশি হিসেবে বিবেচ্য। তেমনই বৃষ রাশি থেকে শুরু করে প্রতি তিন নম্বর রাশিটি স্থায়ী। অন্যদিকে মিথুন থেকে শুরু করে তিন নম্বর রাশিটি পরিবর্তনশীল। কার্ডিনাল রাশিগুলি চালনীয় বা নমনীয়ও বলা যেতে পারে। ফলে এই রাশির ব্যক্তিদের সঙ্গে সহজেই মেশা সম্ভব হয় এবং তাঁরা সবার সঙ্গেই মিলেমিশে থাকতে পারেন। ফিক্সড রাশিগুলি সাধারণত চরিত্রের দিক থেকে খুবই একগুঁয়ে, কট্টর ও অনমনীয় হয়। যাঁদের এই রাশি, খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের মধ্যেও এই সব চারিত্রেক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। মিউটেবল রাশির ব্যক্তিরা নমনীয় ও পরিবর্তনশীল হন। প্রয়োজনে কমপ্রোমাইজ করতেও পিছপা হন না এঁরা।
প্রধান রাশি ------- মেষ, কর্কট, তুলা, মকর।
স্থায়ী রাশি -------- বৃষ, সিংহ, বৃশ্চিক, কুম্ভ।
পরিবর্তনশীল ---- রাশি: মিথুন, কন্যা, ধনু, মীন
.
মেষ থেকে শুরু করে প্রতি অন্তর রাশি ধনাত্মক অথবা ঋনাত্মক --
ধনাত্মক রাশি --- মেষ, মিথুন, সিংহ, তুলা, ধনু, কুম্ভ
ঋনাত্মক রাশি --- বৃষ, কর্কট, কন্যা, বৃশ্চিক, মকর, মীন
.
প্রতিটি রাশি হয় ফলপ্রদ কিংবা নিষ্ফলা অথবা দ্বন্দ্ব
নিষ্ফলা রাশি --- মেষ, কর্কট, তুলা, মকর।
ফলপ্রদ রাশি --- বৃষ, সিংহ, বৃশ্চিক, কুম্ভ।
দ্বন্দ্ব রাশি -------- মিথুন, কন্যা, ধনু, মীন।
সূর্য যেহেতু এক রাশি থেকে আর এক রাশিতে যায়, তাই প্রত্যেক রাশির শুরু এবং শেষের সাত দিনকে 'কাস্প' বলা হয়। এই দুটি ক্ষেত্রে আগের রাশি এবং পরের রাশির অনেক প্রভাব থাকে। ফলে এক ধরনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং চরিত্র তৈরি হয়। এমনি রাশি অধিপতি গ্রহদের মধ্যেও পজিটিভ এবং নেগেটিভ প্রভাব থাকে।

গ্রহ ও সংখ্যা
সূর্য --- ১
চন্দ্র ---- ২
বৃহস্পতি --- ৩
রাহু ---- ৪
বুধ --- ৫
শুক্র ---- ৬
কেতু ---- ৭
শনি ---- ৮
মঙ্গল --- ৯
.
বর্তমানে সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা আটটিঃ
পৃথিবী
বুধ
শুক্র
মঙ্গল
বৃহস্পতি
শনি
ইউরেনাস
নেপচুন।
১.পৃথিবী:
পৃথিবী সূর্য থেকে তৃতীয় গ্রহ এবং সর্বাধিক ঘনত্ব সহ সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ। এটি বর্তমানে একমাত্র প্লানেট যেখানে জীবনের উপস্থিত রয়েছে।



২. বুধ:
বুধ সৌরজগতের নিকটতম গ্রহ। বুদ আকারে সবচেয়ে ছোট গ্রহ। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হল বুধ সূর্যের নিকটতম গ্রহ হলেও এর তাপমাত্রা কম।

৩. শুক্র:
শুক্রও পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। এটিকে কখনও কখনও পৃথিবীর বোন গ্রহ হিসাবে উল্লেখ করা হয়, কারণ তাদের আকার এবং ভর এতই সমান।

৪. মঙ্গল:
মঙ্গল গ্রহটি সূর্য থেকে চতুর্থ গ্রহ এবং সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ। মঙ্গল গ্রহ একটি পার্থিব গ্রহ যা মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড দ্বারা গঠিত পাতলা বায়ুমণ্ডল।

৫. বৃহস্পতি:
বৃহস্পতি সূর্য থেকে পঞ্চম গ্রহ এবং সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। এটি সৌরজগতের প্রাচীনতম গ্রহ।

৬. শনি:
শনিটি সৌরজগতে গ্রহের মধ্যে ষষ্ঠ গ্রহ। এটি বৃহস্পতির পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।

৭. ইউরেনাস:
ইউরেনাস হল সূর্য থেকে সপ্তম গ্রহ। এটি খালি চোখে দৃশ্যমান নয় এবং দূরবীন ব্যবহার করে প্রথম আবিষ্কার করা গ্রহ ইউরেনাস।

৮. নেপচুন:
নেপচুন হল সূর্য থেকে অষ্টম গ্রহ এবং গ্রেহের শেষতম। যদিও এটি ভর সম্পর্কিত তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ, এটি ব্যাসের দিক থেকে চতুর্থ বৃহত্তম। সমস্ত গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী বাতাসের গতি নেপচুনের।

রাশি ও সংখ্যা

* মেষ রাশি --- এ রাশির অধিপতি গ্রহ হল মঙ্গল। সংখ্যাতত্বে এ গ্রহের অবস্থান ৯।গ্রহরাশিতে মঙ্গল তেজস্ক্রিয়। এ গ্রহ যুদ্ধবিগ্রহের প্রতীক। এ রাশির জাতকেরা সাধারণত তেজস্বী হয়ে থাকে ও মেজাজ হয় মিলিটারী ধাচের। কিন্তু এরা হয় সৎ।
শুভ রং: লাল, বেগুনি ও সাদা
শুভ সংখ্যা: ৩, ৯, ১৭, ২২, ৩৭, ৪৫
পাথর: প্রবাল
* বৃষ রাশি --- রাশিচক্রে বৃষ রাশির অবস্থান দ্বিতীয়। এর অধিপতি গ্রহ শুক্র। সংখ্যাতত্বে এ গ্রহের অবস্থান ৬। শুক্র গ্রহের জাতকেরা সাধারনত ভোগ বিলাসী হয়ে থাকে। এরা সারাক্ষণ আনন্দ বিনোদনের মধ্যে থাকতে ভালবাসে।এরা আদর্শবাদী হওয়ায় এদের জীবনে নানা ঘাত প্রতিঘাত আসতে পারে।
শুভ রং: আকাশি, কমলা
শুভ সংখ্যা: ৬, ১৭, ১৯, ২৭, ৩২, ৪৪
পাথর: পান্না
মিথুন রাশি -- রাশিচক্রে এ রাশির অবস্থান ৩য়। মিথুন রাশির জাতকেরা সাধারনত বুদ্ধিমান শ্রেণির। এ রাশির অধিপতি গ্রহ হচ্ছে বুধ গ্রহ। সংখ্যাতত্বে এ গ্রহের অবস্থান ৫। তাই এ রাশির জাতকেরা বালক স্বভাবের হয়। এ রাশির জাতকদের মতি গতি বোঝা কঠিন। এরা সাধারণত উকিল, চিকিৎসক, নাবিক হয়ে থাকে। ৫ সংখ্যাকে অনেক জ্যোতিষ জাদুর মত সংখ্যা বলে থাকে।
শুভ রং: হালকা সবুজ, ক্রিম
শুভ সংখ্যা: ৫, ১৮, ১৯, ২৫, ৩৪, ৪৭
পাথর: পোখরাজ
* কর্কট রাশি --- রাশিচক্রে এ রাশির অবস্থান ৪র্থ। কর্কটরাশির অধিপতি গ্রহ চন্দ্র। সংখ্যাতত্বে এ গ্রহের অবস্থান ৭। চন্দ্র সাধারনত স্নিগ্ধ ও কোমল। এ কারণে রাশির জাতকেরা কোমল স্বভাবের হয়। এ সংখ্যার জাতকেরা হয় কল্পনাবিলাসী এবং ভ্রমণ পিপাসু। এদের কাজের শুরুটা ভাল হয় শেষটা ভাল হয় না। এরা জীবন নিয়ে ভাবে বেশি বাস্তবে রূপ দেয় কম।
শুভ রং: হালকা সবুজ, সাদা ও কমলা
শুভ সংখ্যা: ২, ১১, ১৮, ২৩, ৩৩, ৪৫
পাথর: মুক্তা
* সিংহ রাশি --- রাশিচক্রে এ রাশির অবস্থান ৫ম। সিংহরাশির অধিপতি গ্রহ রবি। এ রাশির জাতকেরা সাধারনত বড় রাজনৈতিবীদ, সাহিত্যিক ও বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হয়ে থাকে। এরা জীবনে কখনও হার মানে না । জীবনের শেষ পর্যায়ে হলেও সফলতা এরা পায়। এ রাশির জাতকেরা কাউকে একবার ঘুণা করলে তার দিকে আর মুখ ফিরে তাকায় না। তবে এদের অন্তর থাকে ভালবাসায় ভরা।
শুভ রং: হলুদ, সোনালি
শুভ সংখ্যা: ১, ১২, ৩৭, ৩৯, ৪১, ৪৬
পাথর: চুন্নি ও প্রবাল
* কন্যা রাশি --- রাশিচক্রে কন্যা রাশির অবস্থান ৬ষ্ঠ। এ রাশির অধিপতি গ্রহ বুধ। সংখ্যাতত্বে এর অবস্থান ৫। এ রাশির জাতকেরা সাধারনত বুদ্ধিমত্তা হয়। উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে এরা জীবনে অগ্রসর হয়। এদের বন্ধু থাকে অনেক। এদের জীবনে বার বার প্রেম আসে। সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারলে জীবন হয় ট্রাজেডীমুলক। এরা বিকল্পপথ সহজেই বেছে নেয়।
শুভ রং: ফিরোজা, চকলেট
শুভ সংখ্যা: ৫, ৯, ১৭, ২২, ৩৫, ৪৮
পাথর: পান্না
* তুলারাশি --- রাশিচক্রে তুলা রাশির অবস্থান ৭ম। এ রাশির অধিপতি গ্রহ শুক্র। এ রাশির জাতক জাতিকারা সাধারনত রোমান্টিক ধরনের হয়ে থাকে। ফুল ফল পাখি গান এদের প্রিয় হয়। এরা বৈরাগ্য ভালবাসে না। অন্যের মনকে সহজেই বুঝতে পারা এদের স্বভাব।
শুভ রং: ফিরোজা, আকাশি ও সাদা
শুভ সংখ্যা: ৫, ৬, ১৮, ২১, ৩৬, ৪২
পাথর: হীরা-পান্না
* বৃশ্চিক রাশি --- রাশিচক্রে বৃশ্চিক রাশির অবস্থান ৮ম। বৃশ্চিক রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। সংখ্যাতত্বে এর অবস্থান ৯ম। এ রাশির প্রিয় রং লাল। এরা জটিল প্রকৃতির লোক বলে এদের অনেকের সাথে মতভেদ সৃষ্টি হয়। এরা কারো ক্ষতির চিন্তা করলে তা হয় চুড়ান্ত। কঠোর মনোভাপাপন্ন এ রাশির জাতকেরা সাফল্যের চুড়ায় পৌছাতে পারে। এরা অন্যের সমালোচনা সইতে পারে না।
শুভ রং: নীল, ঘিয়ে, চকলেট
শুভ সংখ্যা: ১, ২, ৩, ৯, ২২, ৩৪
পাথর: প্রবাল ও চুন্নি
ধনু রাশি --- রাশিচক্রে এ রাশির অবস্থান ৯ম। এ রাশির অধিকর্তা গ্রহ বৃহস্পতি। সংখ্যাতত্বে এ গ্রহের অবস্থান ৩। নীতির প্রশ্নে এরা হয় অটল। আদর্শের জন্য এরা প্রাণ দিতে প্রস্তুত। ধর্মকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে। এরা পরিশ্রমী। বিধায় জীবনে অর্থকষ্টে ভোগেন না।
শুভ রং: আকাশি ও বেগুনি
শুভ সংখ্যা: ৩, ৯, ১৭, ৩৮, ৪০, ৪৮
পাথর: পোখারাজ
* মকর রাশি --- রাশিচক্রে এ রাশির অবস্থান ১০। এ রাশির অধিপতি গ্রহ শনি। এ গ্রহকে অনেকেই শানিরাজও বলে থাকেন। সংখ্যাতত্বে এ গ্রহরে অবস্থান ৮। শনি মানুষকে কষ্ট দিলেও পূর্ণতায় ফিরিয়ে আনে। এ রাশির জাতকেরা সাধারনত একাকিত্ব জীবন ভালবাসে। শুভ শনির প্রভাব জাতক জাতিকা ধন সম্পদে পরিপূর্ণ হয়।
শুভ রং: নীল, চকোলেট, ক্রিম, সবুজ
শুভ সংখ্যা: ৮, ৯, ১৬, ৩২, ৩৭, ৪৯
পাথর: ক্যাটস আই
* কুম্ভু রাশি --- রাশিচক্রে এ রাশির অবস্থান ১১। এ রাশির অধিপতি গ্রহ শনি। সংখ্যা তত্বে এ রাশির অবস্থান ৮। কোন বন্ধুদ্বারা এরা উপকৃত হয়। এ রাশির লোকেরা সাধারনত ভুল লোককে বিশ্বাস করে। এরা ধর্মকে প্রবল বিশ্বাস করে নতুবা এরা হয় নাস্তিক। এরা নিঃস্বার্থ ভালবাসা পেলে তাদের জন্য জীবনও দিতে পারে।
শুভ রং: নীল, গাঢ় সবুজ ও বেগুনি
শুভ সংখ্যা: ১, ৩, ৯, ১৫, ২২, ৪৭
পাথর: নীলা
* মীন রাশি --- রাশিচক্রে সর্বশেষ রাশি মীন রাশি।এ রাশির অধিপতি গ্রহ বৃহস্পতি। গ্রহমতে এদের উচ্চ ঘরে বিবাহ হয়। সংখ্যাতত্বে বৃহস্পতির অবস্থান ৩। ধর্ম বিশ্বাস এগিয়ে চললে আর্থিক বিষয়ে এরা সফলতা পায়। লোক এদের যা দেয় তার চেয়ে বেশি কেড়ে নেয়।
শুভ রং: বেগুনি
শুভ সংখ্যা: ৪, ৭, ২৩, ৩৭, ৪০, ৪৫
পাথর: রক্তমুখী নীলা

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।




হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ


https://youtu.be/XCd4SN2k0bo


https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo


https://youtu.be/8PaF7qS3Smk



Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে


আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200505091211

Saturday, May 2nd, 2020

Astro Research Centre

মা কালীর প্রনাম মন্ত্র শনির ইষ্ঠ দেবী ১ম মহাবিদ্যা

মা কালীর প্রনাম মন্ত্র শনির ইষ্ঠ দেবী ১ম মহাবিদ্যা

মা কালীর প্রনাম মন্ত্র শনির ইষ্ঠ দেবী ১ম মহাবিদ্যা

জয়ন্তী মঙ্গলা কালী ভদ্র কালী কপালিনী দূর্গা শিবা সমাধ্যার্তী সাহা সুধা নমস্তুতে

ধ্যান মন্ত্র

ওঁ শবারুঢ়াং মহাভীমাং ঘোরদংস্ট্রাং বরপ্রদাম্।
হাস্যযুক্তাং ত্রিনেত্রাঞ্চ কপালকর্ত্তৃকাকরাম্।।
মুক্তকেশীং লোলজিহ্বাং পিবন্তীং রুধিরং মুহু।
চতুর্ব্বাহু যুতাং দেবীং বরাভয়করাং স্মরেৎ।।

মায়ের কবচ পাঠ করুন

কালীকবচম্

ভৈরব উবাচ কালিকা যা মহাবিদ্যা কথিতা ভুবি দুর্ল্লভা।
তথাপি হৃদয়ে শল্যমস্তি দেবি কৃপাং কুরু।।
কবচন্ত মহাদেবী কথয়সানুকম্পা।
যদি নো কথ্যতে মাতব্বিমুঞ্চামি তদা তনুম।।
দেব্যুবাচ: শংকাপি জায়তে বৎস তব স্নেহাৎ প্রকাশিতম।
ন বক্তব্যং ন দ্রষ্টব্যমতি গুহ্যতমং মহৎ।।

কালিকা জগতাং মাতা শোকদুঃখাদি বিনাশিনী।
বিশেষত কলি যুগে, মহাপাতকহারিণী।।
কালী মে পুরুত: পাঠু পৃষ্ঠতশ্চ কপালিনী।
কুল্বা মে দক্ষিনে পাতু করণৌ চগ্রোপ্রভামতা।।

বদনং পাতু মে দীপ্তা নীলা চ চিবুকং সদা।
ঘনা গ্রীবাং সদা পাতু বলাকা বাহুযুগ্মকম।।
মাত্রা পাতু করদ্বন্দং বক্ষো মুদ্রা সদাবতু।
মিতা পাতু স্তনদ্বন্দং যোনিং মন্ডল দেবতা।
ব্রাম্মী মে জঠরং পাতু, নাভিং নারায়ণীং তথা।
ঊরু মাহেশ্মরী নিত্যং চামুন্ডা পাতু লিঙ্গকম।
কৌমারী চ কটিং পাতু তথৈব জানুযুগ্মকম।
অপরাজিতা পাদৌ মে বারাহী পাতু চাঙ্গুলীঃ।
সন্ধিস্থানং নারসিংহী পত্রস্থা দেবতাবতু ।।

রক্ষাহীনঞ্চ যৎ স্থানং বর্জ্জিতং কবচেন তু।
তৎ সর্ব্বং রক্ষ মে দেবী কালিকে ঘোর দক্ষিণে।।
ঊর্দ্ধং-মধ্যস্তথা দিক্ষু পাতু দেবী স্বয়ং বপুঃ।।

হিংস্রেভ্যঃ সর্ব্বদা পাতু সাধকঞ্চ জলাধিকাৎ।
দক্ষিণা কালিকে দেবী ব্যাপকত্তে সদাবতু।
ইদং কবচমজ্ঞাতা যো জপেদ্দেবদক্ষিনাম
ন পুজাফলমাপ্নোতি বিঘ্নস্তস্য পদে পদে।
কবচেনাবৃতো নিত্যং যত্র তত্রৈব গচ্ছতি
তত্র তত্রভয়ং তস্য ন ক্ষোভং বিদ্যতে ক্কচিৎ।
———– দক্ষিনকালিকা কবচং সম্পূর্ণম্ —–

৪) এর পর আবার জপ, নিচে জপ মন্ত্র দেয়া —– জপ করু
এর পর নিচের মন্ত্রে হাতে একটু জল নিয়ে জপ বিসর্জন করুন
ওঁ গুহ্যাতিগুহ্য গোপ্তৃীং ত্বং গৃহানস্মতং কৃতং জপো, সিদ্ধির্ভবতু মে দেবি তৎ প্রসাদৎ সুরেশ্বরী ৷৷

৫) এবার বন্দনা করুন
ওঁ মহামায়ে জগন্মাত কালিকে ঘোর দক্ষিণে ৷
গৃহাণ্ বন্দনে দেবী নমস্তে শংকর প্রিয়ে ৷৷
ওঁ প্রচন্ডে পুত্রদে নিত্যং সুপ্রীতে সুর নায়িকে ৷
কুলদ্যোতকরে চোগ্রে জয়ং দেহী নমোহস্তুতে ৷৷

এর পর অপরাধ ক্ষমা প্রার্থনা করে নিচের মন্ত্র পরে কাজ শেষ করে আপনার সমস্যা বা মনোবাসনা মায়ের চরণে নিবেদন করুন ….

ওঁ যদক্ষরং পরিভ্রষ্টং মাত্রাহীনঞ্চ য়দ্ ভবেৎ ৷
পুরনং ভবতু যৎ সর্ব, তৎ প্রসাদৎ সুরেশ্বরী জ্যোতিষকথা

মা কালীর প্রার্থনা করার কিছু মন্ত্র
ঈশ্বরের প্রার্থনা করার বা ডাকার কোনও বাঁধাধরা নিয়ম হয় না। ভক্তিই হল মূল মন্ত্র। তবে বৈদিক মতে পুজো-অর্চনার তো বিধিবদ্ধ নিয়ম আছেই। তা ছাড়া কালীপুজোর দিন পুজোর জন্য উপবাস থেকে জপতপ ইত্যাদির সুফল পাওয়া যায়। মা কালী সময়ের প্রতীক। অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার জন্য।
এখন দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে মা কালীর প্রার্থনা করলে সুফল পাওয়া যাবে। এ ছাড়া গৃহে মা কালীর চিত্র বা মূর্তির সামনে বিভিন্ন পুজোর দ্রব্যাদি-সহ সহজ প্রার্থনার কিছু মন্ত্র-
প্রদীপ বা মোমবাতি প্রদানের মন্ত্র-
‘এষ দীপ ওম ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।’
ধূপকাঠি প্রদানের মন্ত্র-
‘এষ ধুপঃ ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নম

কপূর প্রদানের মন্ত্র-
‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ আরাত্রিকম্ সমর্পয়ামি।’
দুধ-স্নানাদি প্রদানের মন্ত্র-
‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পয়স্নানাম্ সমর্পয়ামি।’
দই-স্নানাদি প্রদানের মন্ত্র-
‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃদধিস্নানাম্ সমর্পয়ামি।’
পঞ্চামৃত-সহ স্নানের দ্রব্যাদি প্রদানের মন্ত্র-
‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পঞ্চামমৃত স্নানম্ সমর্পয়ামি।’
গঙ্গাজল স্নানের প্রদানের মন্ত্র-
‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ গঙ্গাস্নানম্ সমর্পয়ামি।’
পঞ্চফল প্রদানের মন্ত্র-
‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ পঞ্চফলম্ সমর্পয়ামি।’
পুষ্প প্রদানের মন্ত্র-
‘এষ গন্ধপুস্পে ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।’
প্রণাম মন্ত্র-
‘ওঁ ক্রীং ক্রীং হৃং হৃং হিং হিং দক্ষিণে কালীকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হৃং হৃং হ্রীং হ্রীং হ্রীং স্বহা।
ওঁ কালী কালী মহাকালী কালীকে পাপহারিণী
ধর্মার্থমোক্ষদে দেবী নারায়ণী নমোস্তুতে।’
এরপর জপ একশো আটবার করা যায় এই মন্ত্রে-
‘ওঁ ক্রীং কাল্ল্যৈ নমঃ।’

মা কালীর ধ্যান মন্ত্র :-

সংস্কৃত_ধ্যান মন্ত্রঃ-

ওঁ করালবদনাং ঘোরাং মুক্তকেশীং চতুর্ভুজাম্ ।
কালিকাং দক্ষিণাং দিব্যাং মুন্ডমালাবিভূষি তাম্।।
সদ্যশ্চিন্নশিরঃ খড়গবামাধোর্দ্ধক রাম্বুজাম্ ।
অভয়ং বরদঞ্চৈব দক্ষিণোদ্ধার্ধপাণিকাম্।।
মহামেঘপ্রভাং শ্যামাং তথা চৈব দিগম্বরীম্ ।
কন্ঠাবসক্তমুন্ডালী-গলদ্রুধিরচর্চিতাম্ ।
কর্নাবতংসতানীতশ বযুগ্মভয়ানকাম্ ।।
ঘোরদ্রংষ্টাং করালস্যাং পীণোন্নতপয়োধরাং

শবনাং করসংঘাতৈঃ কৃতকাঞ্চীং হসন্মখীম্ ।।
সৃক্কদ্বয়গলদ্রক্ত-ধারাবিস্ফুরিতাননাম্ ।।
ঘোররাবাং মহারৌদ্রীং শ্মশ্মানালয় বাসিনীম্ ।
বালার্কমণ্ডলাকা রলোচনত্রিয়ান্মি তাম্ ।।
দস্তুরাং দক্ষিণব্যপিমুক্ তালম্বিকচোচ্চয়া ম্ ।
শবরূপমহাদেবহৃদয় োপরি সংস্থিতাম্ ।।
শিবাভির্ঘোররাবা ভিশ্চতুর্দিক্ষু সমন্বিতাম্ ।
মহাকালেন চ সমং বিপরীতরতাতুরাম ।।
সুখপ্রসন্নবদনাং স্মেরানন সরোরুহাম্ ।
এবং সঞ্চিন্তেয়ৎ কালীং সর্বকাম- সমৃদ্ধিদাম্ ।।

‪মন্ত্রের অনুবাদঃ-

দক্ষিণা কালী করালবদনা ঘোরা, মুক্তকেশী ও চতুর্ভুজা, দিব্য জ্যোতি সম্পূর্ণা দেবী মুন্ডমালা ধারিণী । মায়ের বামদিকের নিচের হাতে সদ্যচ্ছিন্ন মুন্ড, উপরের বাম হাতে খড়গ । ডানদিকের উপরের হাতে অভয় এবং নিচের হাতে বরমুদ্রা ধারণ করে আছেন । মায়ের গায়ের রং কাল মেঘের প্রভার মত শ্যামা । তিনি দিগম্বরী মানে বস্ত্রহীণা । উনার গালার মুন্ডমালা গুলো থেকে বের হওয়া রক্ত উনার দেহ কে রন্জিত করছে, দুটি শবশিশু তার কর্ণভূষণ হওয়াতে দেবীকে ভয়ঙ্করী দেখাচ্ছে । তিনি তার করাল দন্ত দিয়ে নিজের জিহ্বা তে কামড় দিয়ে আছেন, হাতের মালা তিনি কোমড়ে বেঁধে রেখেছেন । তিনি মৃদুহাসি দিয়ে থাকেন এবং উনার মুখ থেকে রক্তের ধারা বের হচ্ছে আর উনার মুখে অনন্ত কোটি সূর্যের তেজ বিদ্যমান । তিনি অতিশয় ক্রোদ্ধা, ভয়ংকর নাদকারিণী, উনার তিনটি চোখ আর সেই সকালের সূর্যের মত লালপ্রভাময় । দেবী শবরুপ মহাদেবের হৃদয়ের মধ্যে দাড়িয়ে আছেন । উনার চারদিকে চিতকারী শিয়ালের দল । তিনি মহাকালের সাথে বিপরিতরাতুরা, তিনি সুখ প্রসন্ন মুখ তার । তিনি মোক্ষদায়িনী এবং সকল ইচ্ছাপূরণকারিণী ।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/XCd4SN2k0bo

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

https://youtu.be/8PaF7qS3Smk

Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200502124754

Thursday, April 30th, 2020

Astro Research Centre

সপ্তমভাব থেকে স্বামী বা স্ত্রীর চরিত্র জেনে নিন -

সপ্তমভাব থেকে স্বামী বা স্ত্রীর চরিত্র জেনে নিন -

সপ্তমভাব থেকে স্বামী বা স্ত্রীর চরিত্র জেনে নিন -

জ্যোতিষ নিয়মে সপ্তমভাবকে নিয়ে অনেক আলোচনা করা যায়। আমরা এখানে বিবাহ, স্বামী-স্ত্রী বা পতি-পত্নী নিয়ে আলোচনা করব। সপ্তম ভাব পার্থিব মিলনের ভাব এবং বৈধ সম্বন্ধের নিদের্শেক। এখান থেকে বিবাহিত জীবন দাম্পত্যসুখ, বিরহ, স্বামী বা স্ত্রীর চরিত্র প্রসঙ্গে জানা যায়। আমরা এখানে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন গ্রহ অবস্থান করার জন্য স্বামী বা স্ত্রী কেমন হবে সেই বিষয়ে দিক নির্দেশ করব—

(১) সপ্তমে রবি শুভ ভাবে থাকলে একটু উচু ঘরে বিয়ে হয়। অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রী চাকুরীরতা হন। তবে সপ্তমে রবি থাকলে দাম্পত্য সুখের কিছু হানি হয়ে থাকে। তবে রবির সঙ্গে বুধ সংযুক্ত থাকলে অবস্থা অনেকটা সামাল দেওয়া যায়। না হলে জাতকের স্ত্রীর সন্তাপ হেতু বা অন্য কোনও কারণে ব্যাকুল থাকতে হয়ই। জাতক/জাতিকার সব সময় মনে কী ভাবে স্ত্রী বা স্বামীকে সুখী রাখব আর এই চিন্তা থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও এক সময় বিচ্ছেদ আসে বা আলাদা থাকে।


(২) সপ্তমে চন্দ্র শুভ ভাবে থাকলে ভাল শোভনযুক্ত নরম মনের স্ত্রী পেয়ে থাকে, দাম্পত্য সুখশান্তি লাভ হয়। ক্ষীণচন্দ্র পাপযুক্ত বা দৃষ্ট হলে জাতক/জাতিকা অসুস্থ স্ত্রী/স্বামী লাভ হয়। ফলে দাম্পত্য সুখে অনেকটা হানী হয়। দুর্বল চন্দ্রে মায়ের সঙ্গে বউয়ের মন কষাকষি থাকেই।

(৩) সপ্তমে মঙ্গল থাকলে জাতক/জাতিকা বলিষ্ঠ স্বভাবের স্ত্রী বা স্বামী লাভ হয়। এখানে মঙ্গল কুজ দোষ বা ভৌম দোষ সৃষ্টি করে, এতে বউ বা স্বামী মারা যায় অথবা বিচ্ছেদ হয়। বিবাহিত জীবন যদি টিকে যায় তবে চনমনে স্বভাবের স্বভাবের বউ বা স্বামী লাভ হয়। এখানে স্বামি স্ত্রী পরস্পর পরস্পরকে প্রবলভাবে চায়। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিত্য খুনসুটি হয়। এই ভাবেই দাম্পত্য জীবন চলে। অনেক সময় সপ্তমস্থ মঙ্গল (বৃশ্চিক রাশিতে) কিছুটা পুরুষ স্বভাবযুক্ত স্ত্রী লাভ হয়।

(৪) সপ্তমে বুধ থাকলে জাতক আজীবন বালিকা স্বভাবের বউ পেয়ে থাকে। একই ভাবে জাতিকারা বালক স্বভাবের স্বামী পেয়ে থাকে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে অল্প বয়সেই বিয়ে হয়। এরা দাম্পত্য সুখে সুখী হয়। যত দিন সপ্তম ভাব অশুভ গ্রহ দ্বারা আক্রান্ত না হয়। এদের মধ্যে আজীবন কচি কচি ভাব থাকে, যা অনেক সময় লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পুরুষ জাতকের পক্ষে স্ত্রী সম্ভোগের সময় তার শুক্রের ধারণা শক্তির স্থায়িত্বকাল বেশী সময় থাকে না।

যেহেতু মঙ্গল শক্তি ও সাহসের সূচক, ৭ম স্তানে অধিষ্ঠান করে এটি আপনার মধ্যে প্রচুর ক্ষমতা ও আক্রমণাত্মক মনভাবের সৃষ্টি করবে। ৭ম স্থানে মঙ্গলের উপস্থিতির কারণে আপনি সর্বদা সব বিষয়ে নিজের কর্তৃত্ব প্রকাশে সচেষ্ট থাকবেন। মঙ্গল এমন একটি গ্রহ, যার সম্বন্ধে আগে থেকে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এই গ্রহ আপনাকে জীবনে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবার সাহস জোগাবে। আপনি সকল্প্রকার বিরুদ্ধ শক্তির সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম হবেন। যদি মঙ্গল উচ্চস্থ থাকে, তবে তা আপনার মধ্যে প্রচুর আত্মবিশ্বাসের সৃষ্টি করবে। যদি অন্য কোনো অশুভ যোগ না থাকে, তাহলে আপনি একজন সৎ ও রক্ষণশীল মানুষ হিসাবে পরিচিত হবেন। আপনি রিয়েল এস্টেট, ভূমি, কারিগরি প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি করবেন।


(৫) সপ্তমে বৃহস্পতির জাতক/জাতিকা ভাল চরিত্রের স্ত্রী বা স্বামী লাভ করে থাকে। শাস্ত্রে বলা আছে সপ্তমস্থ বৃহস্পতি জাতকের ক্ষেত্রে নিবিড় নিতম্বিনী, পঙ্কজ নয়না মনোরমা স্থির যৌবন ভাবাপন্না পতিপ্রাণা ধর্মকর্মে নিপুণ গুণবতী বউ লাভ হবে। এইখানে বৃহস্পতি থাকা মানেই জ্ঞানী বা বোধসম্পন্ন স্বামী বা স্ত্রী লাভ হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই বৃহস্পতি একবারই বিয়ে করায়।

৭ম স্থানে মঙ্গলের অবস্থান মাঙ্গলিক যোগের সৃষ্টি করে। মঙ্গল বিবাহে বাধা ও দীর্ঘতা সৃষ্টি করে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে আপনার বিবাহিত জীবন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এর পিছনে নানা কারণের মধ্যে অহংকারবোধ কেই অন্যতম প্রধান হিসেবে ধরা হয়।
নীচস্থ বা পীড়িত মঙ্গল আপনার ব্যবসায়ী অংশীদার দের সঙ্গে সম্পর্কে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। যদিও আপনার অবিশ্রান্ত কঠোর পরিশ্রম আপনাকে মার্কেটিং, সেলসম্যানশিপ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ভাল ফল দেবে।
বিবাহের স্থানে মঙ্গলের প্রভাবকে শুভ বলে গণ্য করা হয় না। এটি বিবাহিত জীবনে হতাশা এনে দিতে পারে। আপনি হয়তো অহঙ্কারবোধের কারণে সবসময় বোঝাপড়ায় রাজি নাও হতে পারেন।



(৬) শুক্র জায়া ভাবে অবস্থান করলে শাস্ত্রে বলা আছে জাতক পরমাসুন্দরী চিরযৌবনা, পঙ্কজাক্ষী বিচিত্রবেশভূষণাঢ্যা স্ত্রী লাভ হবে। অনেক ক্ষেত্রে নৃত্য জানা, গান বাজনায় পটু, কলাবিদ্যায় পারদর্শী বউ লাভ হয়। জাতিকারা এই রকম বিপরীত ভাবনাযুক্ত হ্যান্ডসাম স্বামী লাভ করবে। সামাজিক ভাবে জাতক/জাতিকা এক স্ত্রী বা স্বামী নিয়ে ঘর সংসার করলেও সপ্তমে শুক্র থাকলে তারা কখনওই এক স্বামী বা এক স্ত্রীতে সন্তুষ্ট নয়। বহুচারিতা বা বহুগামিতা সপ্তমস্থ শুক্রের বৈশিষ্ট।

(৭) সপ্তমে স্ত্রী শনি থাকলে জাতক সুন্দরী বলতে যা বোঝায় তা লাভ হয় না। কিন্তু বিশ্বস্ত, নিষ্ঠাবতী, কর্মঠ স্ত্রী লাভ হয়। তার চেহারা ও জৌলুশে গ্ল্যামার থাকে না এবং চেহারায় কমবেশি শুষ্কতা থাকে। জীবন সংগ্রাম করতে করতে সে একটু কাঠখোট্টা গোছের হয়। সপ্তমে শনি থাকলে জাতক/জাতিকার দেরিতে বিয়ে হয়। এখানে স্ত্রী কিছুটা মায়ের মতো হয়। সে স্বামীর সব খুঁটিনাটি বিষয়ে নজর দিয়ে থাকে। এখানে শনি থাকলে জাতক/জাতিকা যে স্ত্রী বা স্বামী পাবেন সে বিপদের দিনে পরস্পর পরস্পরকে ছেড়ে পালিয়ে যায় না যেটা সপ্তম ভাবে আর কোনও গ্রহ দেয় না। এখানে শুভ শনির দৃষ্টি থাকলেও এই একই ফল পাওয়া যায়।

৭ম স্থানে মঙ্গলের অবস্থান পুরুষের চাইতে মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি ক্ষতিকর বলে গণ্য করা হয়। অদম্য অহঙ্কারবোধের কারণে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে মাঝেমধ্যেই ঝামেলার আশঙ্কা থাকে। সুতরাং ৭ম স্থানে মঙ্গলের অবস্থান বিশেষত মহিলাদের পক্ষে একেবারেই শুভ নয়।
তবে উচ্চস্থ মঙ্গলের কারণে তিনি একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্তাকে স্বামী হিসেবে লাভ করতে পারেন। এর সাথে যদি ১ম স্থানে উচ্চস্থ বৃহস্পতি অবস্থান করে, তাহলে সেই সংযোগের ফলে বিবাহের পরে সেই মহিলার সামাজিক মর্যাদার উন্নতি ঘটে।






(৮) সপ্তমে রাহু থাকলে এবং এই রাহুকে কোনও শুভ গ্রহ দৃষ্টি না দেয় বা যুক্ত না হয়, তা হলে ধরেই নিতে হবে জাতক হলে অশুভ ও অসৎ চরিত্রের স্ত্রী পাচ্ছেন, তাকে বাইরের দিক থেকে দেখতে যতই সুন্দরী বা করিত্কর্মা বা পড়াশোনা জানা হোক না কেন, আমি ব্যক্তিগত ভাবে এটাকে কর্মফল বলেই মনে করি।

সপ্তমে রাহু মানেই অতৃপ্ত স্বভাবের স্বামী বা স্ত্রী লাভ হয়। এরা আজন্ম অতৃপ্ত, কোনও ভাবেই এদের সন্তুষ্ট করা যায় না।

(৯) সপ্তমে কেতু রাহুর মতোই অতৃপ্ত, এদের মধ্যে ভয়ঙ্কর মাত্রায় গোপনচারিতা থাকে যা বাইরে থেকে কিছুতেই বুঝতে পারা যায় না। এরা স্বামী বা স্ত্রী কম বেশী অসুস্থ মনের হয়। স্বভাবে বেশ খিটখিটে। শুভ গ্রহ দৃষ্টি পেলে ফলের মাত্রার তারতম্য ঘটবে।



৭ম স্থান আমাদের জীবনে বিবাহ, ব্যবসা, অংশীদারি, জীবনসঙ্গী, বিদেশযাত্রা, পেশা প্রভৃতিকে সূচিত করে। ৭ম ভাবে অবস্থিত গ্রহ সাধারণত আমাদের ইচ্ছা ও আশা-আকাঙ্খার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৭ম ভাবে অবস্থিত যেকোনো গ্রহ লগ্নে সরাসরি দৃষ্টি প্রদান করে কোhষ্ঠীর ভিতকে পোক্ত করতে সাহায্য করে।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200430204334

Thursday, April 30th, 2020

Astro Research Centre

বিবাহ গণনা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ

বিবাহ গণনা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ

একমাত্র প্রথম বিবাহের সমাপ্তির পরেই দ্বিতীয় বিবাহের প্রসঙ্গ আসে। সুতরাং দ্বিতীয় বিবাহ নিয়ে আলোচনার পূর্বে কুষ্টিতে গ্রহের বিন্যাস দেখে নেওয়া যাক যা প্রথম বিবাহকে নষ্ট করে দিতে পারে।

আপনি আগ্রহী হতেপারেন :ভবিষ্যৎ সঙ্গীর চেহারা, চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কিভাবে জানবেন

বিবাহ গণনা করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ

লগ্নে ৭ম স্থান হল বিবাহের প্রধান স্থান।এটি যে শুধুমাত্র বিবাহের স্থান তাই নয়, এটি আমাদের জীবনের সমস্ত সম্পর্কের জন্য দায়ী। যেমন ৭ম স্থান বা পতি যদি ৮ম অথবা ১২তম স্থান বা পতির সঙ্গে যুক্ত থাকে তবে তা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কও ঘটাতে পারে। ৭ম স্থানে শুভ গ্রহের উপস্থিতি স্বামী স্ত্রীর মধ্যে স্বাস্থ্যকর সম্পর্কের সূচনা করে। কিন্তু ৭ম স্থান বা তার পতি যদি পীড়িত হন তবে তা বৈবাহিক জীবনে দুর্ভোগের লক্ষণ। ৭ম স্থানে মঙ্গল, সূর্য, রাহুর মতো ক্ষতিকর গ্রহের উপস্থিতি সুখী দাম্পত্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর।

এরপর আমাদের ৮ম স্থানে নজর দেওয়া প্রয়োজন। ৭ম স্থানের থেকে দ্বিতীয় হয়ে ৮ম স্থান স্বাস্থ্যকর বিবাহকে সূচিত করে এবং বিবাহের পক্ষে মারক হয়। যদি ৮ম স্থান বা তার পতি পীড়িত হন তবে বিয়ে ভেঙে যেতে পারে। ৮ম স্থানে মঙ্গল,রাহু,শনির মতো গ্রহের উপস্থিতি একটি বিবাহ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

২য় স্থান পরিবারের স্থান এবং সেইজন্য এটি লক্ষ্য করাও প্রয়োজন।

এই স্থান গুলি ছাড়াও আমাদের আরেকটি জিনিস লক্ষ্য করতে হবে এবং তাহল উপপদলগ্ন। উপপদলগ্ন হল ১২তম স্থানের অরুধাপদ।

কিভাবে উপপদ গণনা করবেন: ধরা যাক একজন ব্যক্তি মেষ লগ্নে জন্ম গ্রহণ করেছেন এবং তার ১২তম পতি বৃহস্পতি কর্কটে অবস্থান করছে। ১২তম স্থান মীন থেকে কর্কট ৫রাশি দূরত্বে অবস্থান করে। সুতরাং আমরা কর্কট থেকে ৫রাশি যোগ করব এবং তাহলে আমরা বৃশ্চিক রাশিতে পৌঁছব। বৃশ্চিক ঐ ব্যক্তির উপপদলগ্ন হবে।

উপপদ লগ্ন থেকে ২য় স্থান হল দীর্ঘ বৈবাহিক জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি উপপদলগ্নে ২য় স্থানে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব থাকে তখন জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহবিচ্ছেদ ও দ্বিতীয় বিবাহের সম্ভাবনা থাকে।

বিবাহের সম্ভাবনা/প্রত্যাশাকে বিবেচনা করার সময় আমাদের নভমসাকেও লক্ষ্য করে দেখতে হবে। নভমসা লগ্ন ও তার পতি এবং ৭ম স্থান ও তার পতিকেও লক্ষ্য করতে হবে। যদি নভমসায় ৭ম স্থান পীড়িত হয় তবে প্রথম বিবাহের ভেঙে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। যেমন যদি রাহু–কেতু নভমসার ১ম–৭ম স্থানে অবস্থান করে তবে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে।

জ্যোতিষশাশ্ত্র অনুযায়ী বিচ্ছেদের জন্য দায়ী গ্রহ সমূহ

জ্যোতিষশাশ্ত্রে ,প্রথম বিবাহে বিচ্ছেদ না ঘটলে আমরা দ্বিতীয় বিবাহের জন্য এগোতে পারি না। জ্যোতিষশাশ্ত্রে মঙ্গল, রাহু,সূর্য এবং শনি হল বিচ্ছেদের প্রধান ও সক্রিয় কারণ। শনি বিচ্ছেদের পক্ষে সবচেয়ে কম ক্ষতিকর। শনি ব্যথা–বেদনা দেয় কিন্তু কখনোই ব্যক্তিকে সম্পর্ক ভাঙতে বা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে দেয় না। যদি মঙ্গল,রাহু বা সূর্য ৮ম স্থানে অবস্থান করে তখন তা বিচ্ছেদের প্রবল লক্ষণ। কিন্তু আমি আপনাদের সাথে আমার অভিমত শেয়ার করতে চাই যে কুন্ডলীর যথার্থ মিলন বিচ্ছেদের সম্ভাবনা হ্রাস করতে পারে। কিন্তু আমি আমার প্রত্যেক লেখায় বারং বার উল্লেখ করেছি যে অষ্টকূট গুণের মিলন যথার্থ কুষ্টির মিলন নয়। আমি বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছি যে কিভাবে বিবাহের জন্য কুষ্টির যথার্থ মিলন ঘটানো যায়। একটা ধারণা পাওয়ার জন্য আপনার এটা পড়া উচিৎ।

বিবাহের সূচক শুক্রকে পীড়িত হতেই হবে নয়তো শক্তিশালী শুক্র একটি বিবাহকে রক্ষা করতে পারে।

বিচ্ছেদের জন্য দায়ী গ্রহের বিন্যাস সমূহ

এখন বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কিছু নীতি সম্বন্ধে বুঝে নেওয়া যাক।

৬ষ্ঠ স্থান হল শত্রু, সংগ্রাম এবং বাধা–বিপত্তির স্থান। এটি ১২তম স্থান অথবা বিবাহের হানিও বটে। ৮ম স্থান বাধা ও প্রতিবন্ধকতার স্থান এবং ৭ম স্থানের জন্য মারক স্থান। সুতরাং যখন ৬ষ্ঠ ও ৮ম পতি ৭ম স্থানে উপস্থিত থাকে তখন তা বৈবাহিক সুখের পক্ষে অশুভ যোগ হয়।
৭ম স্থানে রাহু, মঙ্গল,সূর্যের মতো ক্ষতিকারক উপস্থিতি বিচ্ছেদকে ইঙ্গিত করে। ৭ম স্থানে মঙ্গল কুন্ডলীতে মাঙ্গলিক দোষ সৃষ্টি করে। যদি সূর্য ৭ম স্থানে থাকে তাহলে সঙ্গী বা অংশীদারের মধ্যে দম্ভের লড়াই হতেপারে।
যদি ৭ম পতি নীচস্থ বা পীড়িত হন তবে তাও অসুখী বিবাহের ইঙ্গিত দেয়।
ক্ষতিকর গ্রহের দ্বারা পীড়িত উপপদলগ্নের ২য় স্থান অথবা নীচস্থ গ্রহগুলি বৈবাহিক জীবনের ক্ষতি করে এবং বিবাহের পরিসমাপ্তি ঘটায়।
যখন নভমসায় ৭ম স্থান শনি, রাহু/কেতু, মঙ্গল প্রভৃতি ক্ষতিকর গ্রহের দ্বারা পীড়িত হয় তখন বিচ্ছেদের সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল।
যখন বিবাহের সূচক শুক্র , রাশি ও নভমসা উভয় কুষ্টিতেই পীড়িত হয় তখন জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিচ্ছেদের ইঙ্গিত বলে ধরা হয়।
জ্যোতিষশাস্ত্রে দ্বিতীয় বিবাহ


বিবাহ বা জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে কোন কোন দিক গুলিতে বিশেষ দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন দেখে নেওয়া যাক -
• জাতকের লগ্ন পতি যে ঘরে অবস্থান করবে তার পঞ্চম অথবা নবম স্থান হবে জাতিকার লগ্ন। অথবা জাতকের লগ্ন পতি বা ভাবটি হবে তুঙ্গ স্থান বা জন্মছকে জাতকের সপ্তম স্থান।
• জাতিকার বিবাহ হবে সেই দিকে যা তার সপ্তম ভাব নির্দেশ করবে। এটা জাতক বা জাতিকার উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
• লগ্ন পতি যদি সপ্তম স্থানে অবস্থান করে এবং তার সঙ্গে যদি অশুভ কোনও গ্রহ যুক্ত হয় তা হলে জাতক বা জাতিকার পরিবার কোনও ভাল বংশের দিকেই নির্দেশ করে।
• সপ্তম পতির দ্রাঘিমা এবং ক্ষেত্রের ডিগ্রির যোগফল থেকেও জাতক বা জাতিকার বিবাহের দিক নির্ণয় করা যায়।
• যদি লগ্ন পতি সপ্তম স্থানে অবস্থান করে এবং জন্মছকে যদি কোনও শুভ গ্রহ তার সঙ্গে একই অবস্থানে থাকে, তাহলে জাতিকার বিবাহ ভাল পরিবারে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
• জাতিকার চালচলন, সৌন্দর্য, বিভিন্ন গুণের উপস্থিতি সবই নির্দেশ করে সপ্তম ভাবের ওপর। অর্থাৎ সপ্তম পতির ওপর অথবা সপ্তম ভাবে কী প্রকার শুভ বা অশুভ দৃষ্টি পড়ছে তার ওপর।
• যদি সপ্তম পতি ও সপ্তম ভাব খুবই শক্তিশালী হয় তাহলে জাতক বা জাতিকার উচ্চ বংশে বিবাহ হয়। কিন্তু যদি সপ্তম ভাব খুবই দুর্বল হয় তা হলে তার স্বামী বা স্ত্রী আপাত দৃষ্টিতে কোনও কুলীন বংশজাত না হওয়ার যোগ নির্দেশ করে।
• যদি চন্দ্র সপ্তম স্থানে অবস্থান করে এবং ওই স্থানে যদি মঙ্গলের দৃষ্টি থাকে বা কোনও গ্রহের শুভ দৃষ্টি পড়ে তা হলে জাতক-জাতিকার দূরে বিবাহ হয়।
• যদি সপ্তম স্থানে চন্দ্র অবস্থান করে এবং ওই স্থানে মঙ্গলের দৃষ্টি পড়ে, তা হলে জাতক-জাতিকার বিবাহের যোগাযোগ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।



এখন আমরা জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য বিন্যাস বুঝতে পেরেছি। আমরা কুষ্টিতে দ্বিতীয় বিবাহ পরীক্ষা করে দেখতে পারি।দ্বিতীয় বিবাহকে কুষ্টির দ্বিতীয় স্থান থেকে দেখা হয়। ৮ম স্থান দীর্ঘ জীবন কে প্রদর্শন করে।সুতরাং ৭ম স্থান থেকে অষ্টম স্থান যেমন ২য় স্থান জ্যোতিষশাশ্ত্রে দ্বিতীয় বিবাহকে সূচিত করে। তৃতীয় বিবাহের জন্য আমাদের ২য় স্থান থেকে অষ্টম স্থান যথা লগ্ন থেকে ৯ম স্থান কে বিবেচনা করতে হবে।সুতরাং আমাদের রাশি ও নভমসা উভয় কুষ্টিতেই ২য় স্থান ও তার পতির পরিস্থিতি লক্ষ্য করা প্রয়োজন।কিছু মানুষ ৯ম স্থানকে জ্যোতিষশাশ্ত্রে দ্বিতীয় বিবাহের স্থান বলে গণ্য করেন কারণ ৯ম স্থান হল ৭ম স্থান থেকে তৃতীয়।

রাহু” এই নামটির সাথে অনেক ধন্দ এবং ভয় জড়িয়ে আছে। এটি সম্ভবত শনির পরে সব থেকে সাংঘাতিক এবং দুর্বোধ্য গ্রহ। যেকোনো কুষ্টিতে ৭ম স্থানে রাহুর প্রভাব নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সূত্র আমি আপনাদের দেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু আমরা অবশ্যই মনে রাখব যে ফল এবং তার প্রসার অন্য অনেক বিষয় যেমন দৃষ্টি ভঙ্গি, সংযোগ এবং নক্ষত্র প্রভৃতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। এখানে আমি লগ্নে ৭ম স্থান রাহুর ফল সম্বন্ধে এক সার্বিক ও সাধারণ তথ্য দেব।

৭মস্থানের তাৎপর্য

আরও অগ্রসর হবার পূর্বে আমাদের ৭ম স্থানের তাৎপর্য গুলি জানতে হবে। এটি লগ্নের একদম বিপরীত। সুতরাং লগ্নের দ্বারা যেভাবে একদিকে আমাদের নিজেদেরকে বোঝায় সেইভাবে অপর দিকে ৭ম স্থান আমাদের সঙ্গীকে সূচিত করে। সুতরাং এটি বিবাহ ও সঙ্গীর স্থান হয়। এটি আমাদের কে বিবাহের গুণাগুণ এবং আমাদের বৈবাহিক সঙ্গীর চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তথ্য দেয়। আইনি বিষয়ের ক্ষেত্রে ৭ম স্থান অপরপক্ষকে সূচিত করে। দশমপতি থেকে দশমস্থান হয়ে এটি পেশা/জীবিকার গৌণস্থান হয়। এটি ব্যবসা, ব্যবসার অংশীদার, বিদেশযাত্রা প্রভৃতিকে সূচিত করে। এটি কুষ্টির অন্যতম কেন্দ্র স্থান। কেন্দ্র স্থান গুলি যেকোনো কুষ্টির স্তম্ভ বলে পরিচিত। কুষ্টিতে ৪টি কেন্দ্র স্থান থাকে – ১ম স্থান অথবা লগ্ন, ৪র্থ স্থান, ৭ম স্থান এবং ১০ম স্থান।৭ম স্থানে থাকা যেকোনো গ্রহ ই লগ্নকে সরাসরি প্রভাবিত করবে কারণ প্রত্যেক গ্রহেরই ৭ম রাশি দৃষ্টি থাকে। তাই যখন আমরা ৭ম স্থানে রাহুর মতো ক্ষতিকর গ্রহকে দেখি তখন তা অনেক উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি করে। কিন্তু এতে কি সত্যিই চিন্তার কিছু আছে ? আমরা এখন এটা নিয়ে আলোচনা করব।

৭মস্থানে রাহুর প্রভাব কি?

প্রাচীন এবং আধুনিক উভয় যুগেরই অনেক জ্যোতিষী ৭ম স্থানে রাহুর উপস্থিতি কে পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্যই অশুভ বলে গণ্য করেন । অনেক জ্যোতিষীই ওই স্থানে রাহুর উপস্থিতিকে খুবই অপছন্দ করেন এবং গ্রহের এই বিশেষ অবস্থানের জন্য উদ্ভুত/তৈরী হওয়া বাধা –বিপত্তি কে দমন করার জন্য নানা প্রতিকারের নিদান দেন। কিন্তু আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে কোনো গ্রহই ভালো অথবা মন্দ হয়না। এটা সবটাই সেই প্রতীক যেখানে এটি অবস্থান করে, এটির স্থান, অন্যান্য বিভাগীয় কুষ্টিতে এর পরিস্থিতি প্রভৃতির ওপর নির্ভর করে। এমনকি এটি আরও বেশি প্রযোজ্য কারণ রাহু হল একটি ছায়া গ্রহ। এর নিজস্ব কোনো স্থান নেই। কেউ কেউ মনে করেন যে রাহু ও শনি একসাথে কুম্ভরাশিকে নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং যেই রাশিতেই রাহু অবস্থান করে সেই রাশির অধিকারী রাহুর কাজের ধরণ কে নিশ্চিত করে। রাহু হল হঠাৎ প্রাপ্তি, বিদেশ, ব্যতিক্রমী চিন্তা ভাবনা, নতুন উদ্ভাবনা, যোগাযোগ, তারকার ন্যায় গৌরব প্রভৃতির সূচক। রাহু নিজের সঙ্গে যুক্ত স্থান অথবা গ্রহের প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করে। বর্তমানে কলি যুগে রাহু পার্থিব বিষয় নিয়ে যেভাবে কাজ করে, আর কোনো গ্রহই কখনোই তা করতে পারেনা। অধিকাংশ রাজনীতিবিদ এবং চলচ্চিত্র অভিনেতাদেরই রাহু এবং শনির অত্যন্ত প্রবল প্রভাব থাকে। রাহু একজন ব্যক্তিকে হঠাৎ করে প্রচুর নাম-যশ ও খ্যাতি এনে দিতে পারে।

রাহুর চরিত্র, লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বৈদিক দর্শন অনুসারে রাহু একটি রহস্যময় গ্রহ এবং এটিকে নিষ্ঠুর,বাধা-বিপত্তির প্রভাবক, ব্যক্তির অহংকারী ও আত্মকেন্দ্রিক স্বভাবের কারণ বলে ধরা হয়। এটি মন্দ বা অশুভ চিন্তা ভাবনাকে ও প্রভাবিত করে। রাহু আকাশের উপাদান গুলির প্রতীক এবং পুরুষ ও মহিলার মধ্যে ভয় ও রাগের সঞ্চারের ক্ষেত্রে এর কুখ্যাতি রয়েছে। রাহু একটি রহস্যময় গ্রহ যা সাধারণত একজন ব্যক্তির অপ্রকাশিত কার্যকলাপ এবং তার মানসিক দৃষ্টিকোণ নিয়ে কাজ করে।

ধর্মগ্রন্থ অনুসারে রাহুকে সর্পের/সাপের মাথাবিশিষ্ট এক সত্তা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে যার কোনো শরীর নেই। এর চরিত্রে আরও কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা যায় যেমন গোপন বিষয়, কৌতুহল ও অসহিষ্ণুতা। যেসব ব্যক্তির রাহু শক্তিশালী তারা রহস্যময়তাকে বোঝার ও দ্রুত সাফল্য পাবার প্রশস্ত পথ খুঁজে পাবার ক্ষমতা অর্জন করে। যারা গোয়েন্দা বা তদন্তকারী,গবেষক, কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, সাইক্রিয়াটিষ্ট, রাজনীতিবিদ, সেল্সম্যান প্রভৃতি হিসেবে তাদের কর্মজীবন শুরু করতে চান তাদের পক্ষে রাহু শুভ। যে ব্যক্তির রাহু শক্তিশালী তিনি বেতার মাধ্যম, জ্যোতিষশাশ্ত্র, ঔষধসংক্রান্ত বিষয় নিয়েও ভালো কর্মজীবনের সূচনা করতে পারেন।

এটা খুব আকর্ষণীয় বিষয় যে যেসব ব্যক্তি নৌকা, চিত্রাঙ্কন, একাধিক যৌন সঙ্গী বা বহুগামিতা, গুহাজীবন ও আরও অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে জড়িত তাদের ওপর প্রভাবের জন্য রাহুই দায়ী। আকাশের উপাদান গুলির সূচক হওয়ার জন্য রাহু উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টারে আকাশ পথে যাত্রার জন্যেও দায়ী। শনির মতো রাহুরও বিচ্ছেদের প্রবণতা থাকে, তাই অনেক সংসার এমনকি ব্যবসার অংশীদারিত্বও ভেঙেযায়। এটা বৈবাহিক ও সাংসারিক কলহ এবং আরও অন্যান্য বিবাদের জন্য দায়ী হয় যা একটা সংসারকে ভেঙে দিতে পারে।

রাহুর ফল সবসময় আকস্মিক ভাবেই ঘটে এবং কেউই সঠিক ভাবে কোনো নির্দিষ্ট সময় সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারেনা। মনুষ্য সমাজে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি শ্বশুরবাড়ি এবংমাতৃকুলের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব ফেলে। মানব শরীরে চর্মরোগ, অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ এবং স্নায়ুরোগ যেমন তোতলামি, পক্ষাঘাত, কর্কটরোগ, খাদ্যে বিষক্রিয়া, বিষাক্ত সর্পাঘাত, উচ্চতা ও শব্দের থেকে আতঙ্ক এবং আরওঅনেক কিছু রাহুর কারণে হয়।

লগ্নের ৭ম স্থানে রাহুর প্রভাব গুলি কি কি?

৭মস্থানে রাহুর প্রভাব গুলি বিস্তারিত ভাবে নীচে আলোচনা করা হল।

যেহেতু ৭মস্থান ব্যবসা বা অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে কাজ করে সেইজন্য সেই ব্যবসায়ী যার ৭ম স্থানে রাহু থাকে তিনি লোভ-লালসার দ্বারা চালিত হন এবং অনৈতিক পথে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে অংশ নেন। ফলে কর্পোরেট জগতে তার মর্যাদা কালিমালিপ্ত হয়এবং নিঃস্ব/দেউলিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
৭মস্থান যুদ্ধ, সংঘর্ষ ওআধিপত্যের প্রতীক, রাহু এই স্থানে অধিষ্ঠান করার জন্যে সেইব্যক্তি পেছন থেকে আঘাত করে কিন্তু সাহসিকতার সাথে তার প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে পারেনা। ৭ম স্থানে রাহু থাকা ব্যক্তির সাহসিকতার অভাব দেখাযায় এবং শত্রুকে পরাস্ত করার জন্য মাঝেমধ্যে অনৈতিক পন্থাও অবলম্বন করে এবং এটা কথা বা কাজ যেকোনো ভাবেই হতে পারে।
যদিও ৭ম স্থানে রাহুর উপস্থিতির অশুভ প্রভাব আছে, তবুও এর কিছু শুভ প্রভাব আছে যেমন বারংবার বাধা-বিপত্তির সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য হৃদয় শক্ত হয় এবং উন্নত জীবনের আশা জোগায়।
যেহেতু ৭ম স্থান মারক স্থান তাই ঐ স্থানে রাহুর উপস্থিতি স্বাস্থ্যের পক্ষে ও শুভ নয়। যেহেতু গোপন বা গুপ্ত বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত তাই মাঝেমধ্যে যৌন জীবন ও দক্ষতার সাথে সম্পর্কিত রোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এটাও দেখা গেছে যে রাহুর এই অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি রোগ ভোগ করে এবং অবস্থা শোচনীয় না হওয়া পর্যন্ত তা প্রকাশ পায়না।
৭ম স্থানে রাহু থাকা ব্যক্তিরা ডায়াবেটিস/বহুমূত্র রোগ এবং হৃদরোগের শিকার হন। এমনকি ব্যক্তিরা প্রজনন অঙ্গ ও স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কিত রোগেরও শিকার হন।
৭ম স্থানে রাহুর অশুভ প্রভাব গুলি ভিন্ন ভিন্ন মানুষের ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়। এটি ব্যক্তির কুষ্টির অন্যান্য বিষয় গুলোর ওপরেও নির্ভর করে। যে প্রভাব গুলি গোপন অঙ্গের রোগ ভোগের ক্ষেত্রে কাজ করে তা শক্তিশালী মঙ্গল থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রে নাও ঘটতে পারে। সিংহ ও বৃষ রাশির জাতকেরা সাধারণত রাহুর দ্বারা উৎপন্ন বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে উঠতে পারেন।
৭ম স্থানে রাহুর কিছু গোলমেলে ও বিরক্তিকর প্রভাব হল যে এতে প্রভাবিত ব্যক্তি তার যে কোনো পেশাগত কাজে সাফল্যের জন্য বা কোনো প্রকার উপহার ও অর্থ উপার্জনের জন্য সুবিধা লাভের জন্য তার বৈবাহিক সঙ্গী বা ঘনিষ্ঠজন কে ব্যবহার করে। যখন ৭ম স্থানে রাহুর সঙ্গে মঙ্গল অবস্থান করে তখন স্ত্রী এমন কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন যা তার স্বামী ও পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে গোপন রাখা হয়। যাইহোক ,যদি এই স্থানে রাহুর সঙ্গে শনি অবস্থান করে তখন সেই ব্যক্তি তার নিজের ভালো অথবা মন্দ যেকোনো ইচ্ছা পূরণের জন্য নিজের সঙ্গীকে চাপ দিতে বিন্দুমাত্র কুন্ঠা বোধ করে না।
যে ব্যক্তির ৭ম স্থানে রাহু থাকে তিনি কখনো কখনো অলস , বদমেজাজি হন , এরা কোনো উদ্বেগ জনক পরিস্থিতি তে চাপ নিতে অনিচ্ছুক হন এবং কর্ম জীবনে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা জীবনেও বাধা-বিপত্তি থাকে।
যখন ৭ম স্থানে রাহু অবস্থান করে তখন সেই ব্যক্তি সম্পত্তি ও আরও অন্যান্য বিষয় নিয়ে আইনি সমস্যার সম্মুখীন হন।এই সমস্যা গুলির সমাধান আশানুরূপ ভাবে দ্রুত হয় না , তাতে বিলম্ব হয়।
যখন রাহু ৭ম স্থানে অবস্থান করে তখন সে ৩য় স্থানের ওপর দৃষ্টি দেয়, এই ৩য় স্থান প্রতিবেশীকে বোঝায়। সুতরাং প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্ক নিয়ে চূড়ান্ত ভাবে কষ্ট ভোগ করতে হতে পারে।
আমরা সবাই জানি যে ১০ম স্থান হল জীবিকা, পেশা বৃত্তির স্থান। সুতরাং ভবৎভব ম্নীতি অনুসারে, ৭ম স্থানের অবস্থান হল ১০ম স্থান থেকে ১০ ঘর দূরে। সুতরাং এটি পেশার গৌণ স্থান হয়।যখন রাহু এই স্থানে অবস্থান করে তখন একজন ব্যক্তি নানা প্রকার মানসিক চাপ ও সমস্যার সম্মুখীন হন এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এটা তার পেশা বা কর্ম জীবনের ক্ষতি করতে পারে।
৭ম স্থান বিবাহে রাহুর প্রভাব

জ্যোতিষীদের অধিকাংশই ৭ম স্থানে রাহুর উপস্থিতিকে অপছন্দ করেন কারণ এটি বৈবাহিক সঙ্গীর সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিবাদ ঘটায়। যেহেতু রাহু তার সঙ্গে যুক্ত থাকা স্থান বা গ্রহের শক্তি বৃদ্ধি করে, তাই এটা মানুষকে তার সঙ্গীর প্রতি আবিষ্ট করে তোলে।যেহেতু এটা ভিন্ন জাত বা সংস্কৃতিকে সূচিত করে,তাই আন্তঃবর্ণ বিবাহ ঘটাতে পারে।আপনি ৭ম স্থানের গ্রহগুলি থেকে আপনার সঙ্গীর চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারেন। যেহেতু রাহু একটি বিচ্ছেদ মূলক গ্রহ, এটি বৈবাহিক জীবনে সংঘর্ষ, বিবাদ সৃষ্টির চেষ্টা করে। যখন রাহু ৭ম স্থানে অবস্থান করে তখন বৈবাহিক জীবন স্বার্থের সংঘাতে বিষাক্ত হয়ে ওঠে। যে ব্যক্তির রাহু এই স্থানে থাকে তারা সর্বদা তাদের সঙ্গীর সম্বন্ধে সন্দেহপ্রবণ হয়।নভমসায় ৭ম স্থানে রাহুর উপস্থিতি আরও বিপজ্জনক। যেহেতু নভমসা বিবাহের প্রধান বিভাগীয় কুষ্টি, তাই আপনার জানা উচিৎ কিভাবে নভমসা থেকে বিবাহ ও বিবাহ জীবনের গুণা গুণ পরীক্ষা করবেন। নভমসায় ৭ম স্থানে রাহুর উপস্থিতি সুখী দাম্পত্য জীবনের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর।এই স্থানে পীড়িত রাহু থাকলে সেই ব্যক্তির বিবাহ পরবর্তী সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা থাকে এবং তিনি ভিন্ন জাতে/সম্প্রদায়ে বিবাহ করেন বলে জানা যায়।যদি রাহু পীড়িত হয় তখন এই গ্রহ জনিত স্থানের ব্যক্তির ব্যভিচার ও নাস্তিকতার প্রতি প্রবল ঝোঁক লক্ষ্য করা যায়।পুরুষদের কুষ্টির চেয়ে মহিলাদের কুষ্টির ক্ষেত্রে এইস্থান বেশি ক্ষতিকর।

যদি কোনো ব্যক্তির কুষ্টিতে ৭ম স্থানে রাহুর সন্ধান পাওয়া যায় তবে তা অবশ্যই স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্যে সমস্যা সৃষ্টি করবে। একজন সর্বদাই তার সঙ্গীর ত্রুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করে থাকেন এবং দীর্ঘ সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন।৭ম স্থান মহিলাকে প্রভাবিত করে যার ফলে সেই মহিলার কৃত কর্মের জন্য তার পরিবারের ভাবমূর্তি কালিমা লিপ্তহয়।এছাড়াও মহিলা তার প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যে সংঘাত খুঁজে পান এবং বৈবাহিক জীবন ও সুখের হয় না যতক্ষণ পর্যন্ত না সেই প্রভাবকে প্রশমিত করা হয়। একমাত্র একজন প্রকৃত ও অভিজ্ঞ জ্যোতিষীরই রাহুর প্রভাব প্রশমিত করার দক্ষতা থাকে। ৭ম স্থানে রাহুর প্রভাব বিবাহের জন্য আরও ক্ষতিকর হয় যখন কুষ্টির ৮ম স্থানকে শনি অধিকার করে থাকে ।

৭ম স্থানের রাহু কম বয়সী মানুষদের মধ্যে বিনাশ কারী বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে।এরফলে প্রেম জীবনে ক্ষণস্থায়ী সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ এবং স্থায়ী সম্পর্কের প্রতি অনীহা দেখা যায়

আমার মতে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ বর্তমান সময়ে আলোচনার জন্য খুবই প্রাসঙ্গিক একটি বিষয়। বর্তমানে আমাদের সমাজে বিচ্ছেদের সংখ্যা উল্লেখ যোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রচুর মানুষ বৈবাহিক বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছেন। আমার কর্ম জীবনে বহু মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন যে তাদের কুণ্ডলীতে বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ আছে কিনা। এখানে আমি চেষ্টা করব কিছু অধিকাংশ করা প্রশ্নের উত্তর দেবার, যেমন জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ, বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্রে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য কোন গ্রহ গুলি সবথেকে বেশি দায়ী ,জন্মপত্রিকায় বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ প্রভৃতি।

বিবাহ স্থির হয় স্বর্গ থেকে কিন্তু বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত এই পৃথিবীতেই নেওয়া হয়। একটি সুখী দাম্পত্য জীবন আমাদের জীবনে সার্বিক বৃদ্ধি, সুখ ও সমৃদ্ধি আনে। কিন্তু সবাই খুব ভাগ্যবান হয় না। বিবাহ বিচ্ছেদের অনেক কারণ থাকতে পারে কিন্তু এখানে আমরা শুধুমাত্র জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সূচকগুলি নিয়ে আলোচনা করব। কিন্তু আমি আপনাদের পরামর্শ দিতে চাই যে জন্মপত্রির যথার্থ মিলন বৈবাহিক বিরোধের সম্ভাবনা হ্রাস করতে পারে। কিন্তু কুন্ডলীর মিলনের ক্ষেত্রে অষ্টকূট গুণের মিলন যথার্থ পন্থা নয়। বিবাহের জন্য যথার্থ কুন্ডলীর নির্ধারণ হল কুষ্টিতে

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্যে দায়ী গ্রহ এবং স্থান সমূহ

ক্ষতিকর গ্রহ, বিশেষত মঙ্গল, রাহু, শনি এবং সূর্য বিচ্ছেদ মূলক চরিত্রের হয়। তাই এই গ্রহ গুলি কুন্ডলীতে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুঘটকের ন্যায় কাজ করে। এগুলো ছাড়া আরও দুটি গ্রহও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিকর প্রভাব থাকা সত্বেও বিবাহ বিচ্ছেদ এড়ানোর ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী। প্রেম, ভালোবাসা, বিবাহ ও যৌন জীবনের ক্ষেত্রে প্রধান গ্রহ হল শুক্র। পুরুষদের কুষ্টির ক্ষেত্রে এটি স্ত্রীকেও সূচিত করে, সুতরাং শুক্র যদি পীড়িত, দুর্বল বা অবনতিশীল হয় তবে তা বৈবাহিক অস্থিরতার লক্ষণ। মহিলাদের কুষ্টির ক্ষেত্রে বৃহস্পতি স্বামীকে সূচিত করে। সুতরাং বৃহস্পতি যদি দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে তা স্বামীর দিক থেকে দুঃখের লক্ষণ।

জন্মপত্রিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহ যা বিবাহ বিচ্ছেদের লক্ষণ

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বৈবাহিক স্থিরতা ও অস্থিরতা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের বিচারের জন্য প্রধান স্থান হল ৪র্থ,৭ম, ৮ম এবং ১২তম স্থান। এছাড়াও আমাদের উপপদলগ্ন ও তার ২য় স্থান পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

৪র্থ স্থান হল পরিবারের থেকে আনন্দ। যখন ৪র্থ স্থান বা তার মালিক পীড়িত হয় তখন পরিবারে সুখের অভাব দেখা দেয়। যদি ৪র্থ স্থান শক্তিশালী হয় ও তার মালিক সঠিক স্থানে থাকেন তবে জ্যোতিষশাশ্ত্রে অন্যান্য বিবাহ বিচ্ছেদের যোগ থাকা সত্বেও তা কখনোই চূড়ান্ত পরিণাম হবে না।

৭ম স্থান হল বিবাহের প্রধান স্থান। এটা শুধু বিবাহের ক্ষেত্রে না হয়ে সবধরণের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কার্যকরী। সুতরাং যখন ৭ম স্থান পীড়িত হয় ও তার মালিক দুর্বল হয় তাহলে এটা বোঝায় যে সেই ব্যক্তির ভাগ্যে সুখী বৈবাহিক জীবন থাকেনা। যদি সেখানে কোনো প্রতিরোধক না থাকে তবে সে বিবাহ নিয়ে ভুক্তভোগী হবে।

৮ম স্থান ব্যক্তির যৌন জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে। সমস্ত স্থানের মধ্যে ৮ম স্থান হল সবচেয়ে অশুভ/ দুষ্ট স্থান। এটা জীবনের গোপন বিষয় নিয়ে বাধা বিপত্তির উদ্রেক করে। মোটের ওপর ৭ম স্থানের দিক থেকে দ্বিতীয় হয়ে এটা বিবাহের সমৃদ্ধির জন্য দায়ী হয়। যদি ৮ম স্থান পীড়িত হয় তখন ৮ম স্থানের মালিক ৭ম স্থান বা তার মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটা বিবাহের পক্ষে সবদিক থেকে নেতিবাচক হয়। এটা জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রধান স্থান।

১২তম স্থান যৌনকামনা তৃপ্তির স্থান বলে পরিচিত। ১২তম স্থান পীড়িত হলে যৌন জীবন দুঃখের হয় এবং যৌনজীবনের প্রতি আগ্রহের অভাব দেখা যায়।

অবশেষে আমাদের উপপদলগ্নের পরিস্থিতি দেখতে হবে। এটা হল ১২তম স্থানের অরুধা পদ। যেমন আপনি যদি বৃষলগ্ন নিয়ে জন্মান তাহলে আপনার ১২তম স্থানের মালিক হবেন মঙ্গল। যদি মঙ্গলকে কর্কটে স্থানান্তরিত করা হয় তবে তা ১২তম স্থান থেকে ৪ চিহ্ন দূরে হবে। আমরা আবার উপপদলগ্ন পাবার জন্য কর্কট থেকে ৪টে চিহ্ন গণনা করব। কর্কট থেকে ৪টে চিহ্ন যেমন তুলা হবে উপপদলগ্ন।

উপপদলগ্ন একজন ব্যক্তির সঙ্গে তার বৈবাহিক সঙ্গীর সম্পর্ক কেমন হবে তা প্রদর্শন করে। যদি শুভ ফল প্রদানকারী গ্রহগুলি উপপদলগ্নের সঙ্গে থাকে তবে তা সুখী দাম্পত্যকে সূচিত করে। জীবন সঙ্গীর চরিত্র, ধরন ও পূর্ব পরিচয় বিচারের ক্ষেত্রে উপপদলগ্নের মালিক ও তার সঙ্গে থাকা গ্রহগুলির গুরুত্ব অপরিসীম। উপপদলগ্নের থেকে দ্বিতীয় স্থান বিবাহের স্থিরতা বা স্থিতিশীলতা কে প্রদর্শন করে। যদি উপপদলগ্ন থেকে দ্বিতীয় স্থানে ক্ষতিকর গ্রহ যেমন রাহু, মঙ্গল অথবা তাদের ক্ষতিকর প্রভাব থাকে তবে তা জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনাকে সূচিত করে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ গণনার প্রাথমিক নীতি

জ্যোতিষশাশ্ত্রে অসংখ্য বিবাহবিচ্ছেদের যোগ আছে এবং তাদের সকলকে মনে রাখা খুবই কঠিন। সুতরাং আমি জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ নিয়ে আলোচনা করছি।

যদি লগ্নে ৭ম স্থানের মালিক ১২তম স্থানের মালিক ও রাহুর সঙ্গে যুক্ত থাকে তবে তা জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। যদি ১২তম স্থানের মালিক ৭ম স্থানে রাহুর সঙ্গে থাকে অথবা যদি ৭ম ও ১২তম স্থানের মালিক পারস্পরিক বিনিময়ের সম্পর্কে থাকে এবং রাহু গ্রহগুলির মধ্যে কোনো একটির সাথে যুক্ত থাকে তবে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা প্রবল।
যখন মঙ্গল ও শনির রাশিতে জন্ম হয় তখন যদি শুক্র লগ্নে অধিষ্ঠান করে এবং ৭ম স্থান পীড়িত হয়, স্ত্রী সঙ্গীকে ত্যাগ করে। চন্দ্র ও শুক্রের উপস্থিতি কে বিবাহ জীবনের পক্ষে অশুভ ধরা হয়। যদি এই বিন্যাস ক্ষতিকর প্রভাব দ্বারা পীড়িত হয় তখন কোষ্ঠী তে বিচ্ছেদের প্রবল লক্ষণ দেখা যায়।
জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিচ্ছেদের অন্যতম শক্তিশালী বিন্যাস হল ৭ম স্থানে পীড়িত সূর্যের উপস্থিতি অথবা ৭ম স্থানের দুর্বল মালিকের সঙ্গে উপস্থিতি। এটা বিচ্ছেদের আরও বেশি প্রবল লক্ষণ হয় যখন শুক্র ও রাহু অথবা শনি ও রাহুও লগ্নে অবস্থান করে।
৬ষ্ঠ স্থান কোর্টে মামলা মোকদ্দমা প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা কোর্টের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করতে পারি না। যখন ৬ষ্ঠ স্থানের মালিক ৭ম স্থানে থাকে বা তার বিপরীত হয় বা ৬ষ্ঠ এবং ৭ম স্থান একসঙ্গে থাকে তখন দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর বিচ্ছেদ ঘটে। ৬ষ্ঠ স্থান হল ৭ম স্থান থেকে দ্বাদশতম, সুতরাং এটি বিবাহের হানি ঘটায়। যখনই ৬ষ্ঠ স্থান বা তার মালিক বিবাহের সূচক শুক্রের সাথে যুক্ত হয়, তখন বিবাহ বিচ্ছেদ ডেকে আনতে পারে। ৭ম স্থানেও বিভিন্ন গ্রহ যেমন মঙ্গল, রাহু, শনি, সূর্য প্রভৃতির প্রভাব থাকে। এটা লক্ষ্য করা যায় যে ৪র্থ স্থান যখন ৬ষ্ঠ বা ৪র্থ স্থানের মালিকের দ্বারা পীড়িত হয় এবং ৬ষ্ঠ স্থান সঙ্গে থাকে তখন বৈদিক জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্ভাবনা খুবই প্রবল।
যদি ৭ম স্থানের মালিক পীড়িত হয় এবং মঙ্গল, রাহু, সূর্য প্রভৃতি গ্রহেরা ৮ম স্থানে থাকে তাহলে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ গণনা করা যায়। যদি ৭ম স্থান পাপকর্তারী যোগের মধ্যে পড়ে তাহলেও বৈদিক জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
যদি ৭ম পতি বক্রী হয় এবং ৮ম স্থান রাহু, মঙ্গল, সূর্য বা শনির পীড়িত হয় তখন বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনা থাকে। এই বিন্যাস সঙ্গে নিয়ে শুক্রও যদি বক্রী হয় তাহলে পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হয়।
যদি ১২তম স্থানের মালিক ৪র্থ স্থানে থাকে অথবা ৪র্থ স্থানের মালিক যদি ৬ষ্ঠ, ৮ম বা ১২তম স্থানে থাকে, ৭ম স্থান যদি রাহু, সূর্য, শনি অথবা মঙ্গলের দ্বারা পীড়িত হয় এবং বিবাহের সূচক শুক্রও যদি দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে কুষ্টিতে বিচ্ছেদের যোগ প্রবল।
নভমসা লগ্ন থেকে ৭ম স্থানে ক্ষতিকর প্রভাব থাকলে এবং কুষ্টিতেও বিচ্ছেদের যোগ দেখালে তখন বিচ্ছেদ অবশ্যম্ভাবী বলা যায়।
যদি রাহু–কেতু নভমসা লগ্নের ১ম–৭ম অক্ষে অবস্থান করে তাহলে এটা জ্যোতিষ শাস্ত্রে অসুখী বিবাহজীবনের প্রবল যোগ থাকে। যদি নভমসায় বিবাহের সূচক দুর্বল বা পীড়িত হয় তবে আরও অশুভ ফল দেবে।
নভমসা কুষ্টিতে আমাদের নভমসা লগ্ন লক্ষ্য করতে হবে, ৭ম এবং ৮ম স্থান। যদি এইস্থান এবং তার মালিকেরা পীড়িত হয় তখন বিচ্ছেদের সম্ভাবনা বাড়ে। আমাদের নভমসা কুষ্টিতে রাশি ঘরের ৭ম স্থানের মালিকের পরিস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে। নভমসায় শুক্র–কেতুর সংযোগ হল বিচ্ছেদের প্রবল লক্ষণ।
উপপদ লগ্ন থেকে দ্বিতীয় স্থান যদি শনি, মঙ্গল, রাহু বা কেতু প্রভৃতি ক্ষতিকর গ্রহের দ্বারা পীড়িত হয় তাহলে তা বিবাহ ভেঙে দিতে পারে। যখন উপপদলগ্ন কেতুর দ্বারা সংযুক্ত হয় এবং শুক্র ১২তম স্থানে থাকে তখন তা বিচ্ছেদ এবং দুঃখজনক বৈবাহিক জীবনকে সূচিত করে।
এই গুলি হল বৈদিক জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ প্রধান মৌলিক নীতি। আমাদের লগ্ন, চন্দ্র এবং নভমসা থেকেও এই পরিস্থিতি গুলি লক্ষ্য করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে গুরুতর পীড়ন থাকা সত্বেও বৃহস্পতির প্রভাব বিবাহজীবন কে রক্ষা করতে পারে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সময়

এখন জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বোঝার চেষ্টা করি। ৭ম স্থানের মালিকের নিজের দশাতেই বিচ্ছেদ ঘটতে পারে, যদি এটি ৬ষ্ঠ অথবা ৮ম স্থানের সাথে যুক্ত থাকে। ৪র্থ স্থানকে পীড়িত করা গ্রহগুলির সময় কালেও বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটতে পারে, বিশেষত যখন তারা ৬ষ্ঠ, ৮ম এবং ১২তম স্থানেরও মালিক হন। জন্মপত্রিতে বিচ্ছেদ রাহু, মঙ্গল অথবা শনির সময়কালেও ঘটতে পারে, যদি তারা ৪র্থ, ৭ম অথবা ১২তম স্থানের সাথে যুক্ত থাকে এবং বিচ্ছেদ যোগের বিন্যাস তৈরী করে।

বিবাহ বিচ্ছেদের পরে অনেক মানুষ পুনরায় বিবাহ করেন। কিন্তু সবাই দ্বিতীয় বার হলেও সুখীদাম্পত্য জীবন পাবার মতো ভাগ্যবান হননা ।পরীক্ষা করুন আপনার কুষ্টিতে ২য় বিবাহের যোগ আছে কিনা

জ্যোতিষ শাস্ত্রে কুষ্টিতে বিবাহ বিচ্ছেদের প্রতিকার

গৌরী-শঙ্কর রুদ্রাক্ষ সঠিকপদ্ধতিতে রাখুন।এটা খুব কার্যকরী।
প্রতিদিন ভগবান শিব এবংমাতা পার্বতীর পূজা করুন।
বিবাহের পূর্বে কুষ্টির মিলন করানো উচিৎ
প্রতিদিন ললিতা সহস্রনামা পাঠ করা উচিৎ।
বৈদিক জ্যোতিষশাশ্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ কে কিভাবে দেখতে হবে তার প্রচেষ্টা করলাম। আপনি আমার কাছে জ্যোতিষশাশ্ত্রের পরামর্শ নিতে পারেন।

যদি আপনি মনে করেন যে আমি কিছু বাদ দিয়েছি ,তাহলে মন্তব্য করতে ভুলবেন না। যদি আপনার এটা পছন্দ হয় তবে শেয়ার করুন।


কিছু মানুষ ১১তম স্থানকে জ্যোতিষশাশ্ত্রে দ্বিতীয় বিবাহের স্থান হিসেবে ব্যবহার করার উপদেশও দেন।কিন্তু প্রখ্যাত জ্যোতিষী শ্রী সঞ্জয় রথের মতে ২য় স্থানকে দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিৎ এবং আমিও বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে এর সত্যতা খুঁজে পেয়েছি। পাঠকেরা ২য়,৯ম অথবা ১১ তম স্থানকে দ্বিতীয় বিবাহ গণনার জন্য ব্যবহার করে তার পরিণাম দেখতে পারেন।

উপপদ লগ্ন থেকে ৮ম স্থান জ্যোতিষশাশ্ত্রে দ্বিতীয় বিবাহকে সূচিত করে। সুতরাং উপপদলগ্ন থেকে ৮ম স্থান দ্বিতীয় সঙ্গী ও তার সঙ্গে সম্পর্কের সাথে যুক্ত মায়াকে প্রদর্শন করে।

কিন্তু আমাদের একটা জিনিস অবশ্যই মনে রাখতে হবে, প্রথম বিবাহের সমাপ্তির পরেও আমরা ৭ম স্থানকে অবজ্ঞা/অবহেলা করতে পারিনা।এটি শরীরের যৌন অঙ্গগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি বিবাহের খুব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

কুষ্টিতে একাধিক বিবাহের বিন্যাস

৭ম স্থানে একাধিক গ্রহের অবস্থান, বিশেষত রাহুর মতো গ্রহ এর সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।
যদি ২য় ও ৭ম স্থানের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব থাকে তখন একাধিক বিবাহ ঘটতে পারে।
৭ম পতি ৪র্থ স্থানে অবস্থান করলে বা ৯ম পতি ৭ম স্থানে অবস্থান করলে তা দ্বিতীয় বিবাহের ইঙ্গিত।
মঙ্গল+শুক্র যখন ৭ম স্থানে থাকে ও ৭ম পতি ৮ম স্থানে থাকে এবং শনির অবস্থান ১২তম স্থান হয়, তখন তা জ্যোতিষশাশ্ত্রে একের বেশি বিবাহের ইঙ্গিত বলে ধরা হয়।
দশা-অন্তর্দশা অবশ্যই পুনর্বিবাহকে সমর্থন দেয়।
যখন ৭ম পতি উচ্চস্থ হয় এবং ভার্গোত্তম হয় তখন দ্বিতীয় বিবাহের সম্ভাবনা থাকে।
যদি ৭ম স্থান দ্বৈত রাশি হয় অথবা ৭ম পতি দ্বৈত রাশিতে অবস্থান করে তখন একের বেশি বিবাহ ঘটতে পারে। মিথুন,ধনু এবংমীন দ্বৈত রাশি বলে পরিচিত।
সুখী পুনর্বিবাহের শর্তাবলি

যদি লগ্নের ২য় স্থান শক্তিশালী হয় এবং ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত হয়, তখন তা দ্বিতীয় বিবাহে খুশি আনতে পারে।

যখন নভমসায় ২য় স্থান ও তার পতি শক্তিশালী হন এবং তার উপস্থিতি লাভজনক হয় তখন সেটি শুভ দ্বিতীয় বিবাহের ইঙ্গিত।

উপপদ লগ্নে ৮ম স্থানকে দ্বিতীয় বিবাহের জন্যগণ্য করতে হবে।যখন এই স্থানে শুভ দৃষ্টি থাকে এবং এর পতির অবস্থান শুভ হয় তখন সুখী দ্বিতীয় বিবাহের ইঙ্গিত প্রদর্শন করে। আমাদের এই নতুন উপপদের ২য় স্থান যেমন উপপদলগ্নের ৯ম স্থানকে লক্ষ্য করতে হবে।জ্যোতিষশাশ্ত্রে একটি শুভ দ্বিতীয় বিবাহের জন্য উপপদলগ্নের ৯ম স্থানে কোনো ক্ষতিকর গ্রহের উপস্থিতি থাকা উচিৎ নয়।

আমরা কিভাবে বৈদিক জ্যোতিষশাশ্ত্রে দ্বিতীয় বিবাহ কে বিবেচনা করব সেই সম্বন্ধে আমি কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করলাম।কিন্তু এদের আক্ষরিক ভাবে ব্যবহার করবেন না। জ্যোতিষশাশ্ত্রের নীতি গুলি বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে না। আমাদের কে দৃষ্টিকোণ, সংযুক্তি, বিভাগীয় কুষ্টি, নক্ষত্র, প্রভৃতি দিক থেকে একে বিবেচনা করতে হবে।

যদি আপনার প্রয়োজন হয় তবে আমার কাছে জ্যোতিষশাশ্ত্রের পরামর্শ নিতে পারেন এবং বিবাহ গণনা করাতে পারেন।

যদি আপনি মনে করেন যে আমি কিছু বাদ দিয়েছি, তাহলে মন্তব্য করতে ভুলবেন না। যদি আপনার এটা পছন্দ হয় তবে শেয়ার করুন।


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড় 500টাকা
সাধারণ ক্ষেত্রে 1500

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব ও শেয়ার করুন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum. please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে



আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200430150922

Thursday, April 30th, 2020

Astro Research Centre

৭ম স্থানে মঙ্গল উগ্র মাঙ্গলিক যোগের সৃষ্টি করে

৭ম স্থানে মঙ্গল উগ্র মাঙ্গলিক যোগের সৃষ্টি করে

৭ম স্থানে মঙ্গল মাঙ্গলিক যোগের সৃষ্টি করে

রবির মত মঙ্গলও অত্যন্ত শুষ্ক ও উষ্ণ একটি গ্রহ। এটি অগ্নিকে সূচিত করে। এটি আপনাকে মানসিক ও শারীরিক উভয় শক্তিই প্রদান করে। রাশিচক্রে এটি পুরুষত্ব, শক্তি ও আক্রমণাত্মক চরিত্র বিশিষ্ট একটি গ্রহ। এছাড়াও মঙ্গল গ্রহ ইঞ্জিনিয়ার, রিয়েল এস্টেট, সেনাবাহিনী, ঠিকাদার, শল্যচিকিৎসা প্রভৃতি পেশার মানুষকেও ইঙ্গিত করে।

মঙ্গল আপনার মধ্যে যুক্তিবোধ সৃষ্টি করে। আপনি সর্বদা যুক্তিসঙ্গত দৃষ্টিকোণ দিয়ে আলোচনা করতে সক্ষম হবেন। এটি আপনাকে প্রশাসনিক দক্ষতা, দৃঢ়তা, সাহস ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রদান করবে। কোনো কোনো সময় এটি যোগকারক হওয়ার ফলে আপনার ধন ও সমৃদ্ধি প্রাপ্তি ঘটবে।

৭ম স্থান আমাদের জীবনে বিবাহ, ব্যবসা, অংশীদারি, জীবনসঙ্গী, বিদেশযাত্রা, পেশা প্রভৃতিকে সূচিত করে। ৭ম ভাবে অবস্থিত গ্রহ সাধারণত আমাদের ইচ্ছা ও আশা-আকাঙ্খার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৭ম ভাবে অবস্থিত যেকোনো গ্রহ লগ্নে সরাসরি দৃষ্টি প্রদান করে কোষ্ঠীর ভিতকে পোক্ত করতে সাহায্য করে।

যেহেতু মঙ্গল শক্তি ও সাহসের সূচক, ৭ম স্তানে অধিষ্ঠান করে এটি আপনার মধ্যে প্রচুর ক্ষমতা ও আক্রমণাত্মক মনভাবের সৃষ্টি করবে। ৭ম স্থানে মঙ্গলের উপস্থিতির কারণে আপনি সর্বদা সব বিষয়ে নিজের কর্তৃত্ব প্রকাশে সচেষ্ট থাকবেন। মঙ্গল এমন একটি গ্রহ, যার সম্বন্ধে আগে থেকে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এই গ্রহ আপনাকে জীবনে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবার সাহস জোগাবে। আপনি সকল্প্রকার বিরুদ্ধ শক্তির সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম হবেন। যদি মঙ্গল উচ্চস্থ থাকে, তবে তা আপনার মধ্যে প্রচুর আত্মবিশ্বাসের সৃষ্টি করবে। যদি অন্য কোনো অশুভ যোগ না থাকে, তাহলে আপনি একজন সৎ ও রক্ষণশীল মানুষ হিসাবে পরিচিত হবেন। আপনি রিয়েল এস্টেট, ভূমি, কারিগরি প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি করবেন।

৭ম স্থানে মঙ্গলের অবস্থান মাঙ্গলিক যোগের সৃষ্টি করে। মঙ্গল বিবাহে বাধা ও দীর্ঘতা সৃষ্টি করে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে আপনার বিবাহিত জীবন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এর পিছনে নানা কারণের মধ্যে অহংকারবোধ কেই অন্যতম প্রধান হিসেবে ধরা হয়।

নীচস্থ বা পীড়িত মঙ্গল আপনার ব্যবসায়ী অংশীদার দের সঙ্গে সম্পর্কে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। যদিও আপনার অবিশ্রান্ত কঠোর পরিশ্রম আপনাকে মার্কেটিং, সেলসম্যানশিপ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ভাল ফল দেবে।

বিবাহের স্থানে মঙ্গলের প্রভাবকে শুভ বলে গণ্য করা হয় না। এটি বিবাহিত জীবনে হতাশা এনে দিতে পারে। আপনি হয়তো অহঙ্কারবোধের কারণে সবসময় বোঝাপড়ায় রাজি নাও হতে পারেন।

৭ম স্থানে মঙ্গলের অবস্থান পুরুষের চাইতে মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি ক্ষতিকর বলে গণ্য করা হয়। অদম্য অহঙ্কারবোধের কারণে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে মাঝেমধ্যেই ঝামেলার আশঙ্কা থাকে। সুতরাং ৭ম স্থানে মঙ্গলের অবস্থান বিশেষত মহিলাদের পক্ষে একেবারেই শুভ নয়।

তবে উচ্চস্থ মঙ্গলের কারণে তিনি একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্তাকে স্বামী হিসেবে লাভ করতে পারেন। এর সাথে যদি ১ম স্থানে উচ্চস্থ বৃহস্পতি অবস্থান করে, তাহলে সেই সংযোগের ফলে বিবাহের পরে সেই মহিলার সামাজিক মর্যাদার উন্নতি ঘটে।

জন্ম-লগ্নের ১ম, ৪র্থ, ৭ম ও ১০ম স্থানকে 'কেন্দ্র' বলে। যেমন মেষ লগ্নের নক্ষত্রে ১ম স্থানে মেষ, ৪র্থ স্থান কর্কট, ৭ম স্থানে তুলা এবং ১০ম স্থানে মকর রয়েছে। সুতরাং ১ম স্থানে, কর্কটের স্থানে, তুলার স্থানে এবং মকরের স্থানে কোন গ্রহ থাকলে তা কেন্দ্রে আছে ধরা হয়। ৯ম ও ৫ম স্থানকে কোণ বলে এবং ৬ষ্ঠ, ৮ম ও ৯ম স্থানকে দুঃস্থান বলে। গ্রহগণ জন্ম-লগ্নের কেন্দ্র ও কোণে বলশালী হয় এবং শুভ ফল প্রদান করে কিন্তু দুঃস্থানে অশুভ ফল প্রদান করে। জন্ম-রাশি বা জন্ম-লগ্নকে ১ম স্থান ধরে অবশিষ্ট রাশিগুলোকে ২য়, ৩য়, ৪র্থ এই ক্রমে গণনা করে শেষ পর্যমত্ম যে ১২টি স্থান পাওয়া যায় ঐ ১২টি স্থান দ্বারা ১২ প্রকার ভাব ফল নির্ণয় করা হয়। ১ম অর্থাৎ জন্ম-লগ্ন ও জন্ম-রাশি থেকে দেহভাব, ৩য় স্থান থেকে ভ্রাতৃভাব, ৪র্থ স্থান থেকে বন্ধুভাব, ৫ম স্থান থেকে পুত্রভাব, ৬ষ্ঠ স্থান থেকে শত্রুভাব, ৭ম স্থান থেকে পতি বা পত্নীভাব, ৮ম স্থান থেকে আয়ু বা নিধনভাব, ৯ম স্থান থেকে ভাগ্য বা ধর্মভাব, ১০ম স্থান থেকে কর্মভাব, ১১শ স্থান থেকে আয়ভাব এবং ১২শ স্থান থেকে ব্যয়ভাব বিচার করা হয়। যেমন- মেষ রাশি বা মেষ লগ্নের ৭ম স্থানে তুলা রাশি অবস্থিত। ৭ম স্থান দ্বারা পতি বা পত্নীযোগ, বিবাহ ও দাম্পত্য-জীবন বিচার করা হয়। এখন মেষ রাশির ৭ম স্থানে অর্থাৎ তুলা রাশিতে যদি শুভ, উচ্চস্থ ও মিত্র গ্রহ অবস্থান করে এবং শুভ গ্রহের দৃষ্টি থাকে তবে ঐ জাতকের পতি বা পত্নী, বিবাহ ও দাম্পত্য-জীবন সুন্দর হবে। এর বিপরীত হলে বিপরীত ফল প্রসব করবে। এভাবে দ্বাদশ স্থানে গ্রহ-নক্ষত্রে অবস্থান অনুসারে দ্বাদশ প্রকার ভাব বিচার করা হয়। দ্বাদশ স্থানের অধিপতি গ্রহের অবস্থান অনুসারেও দ্বাদশ ভাব নির্ণয় করা হয়। যেমন- মেষ রাশির অধিপতি মঙ্গল তাই মঙ্গল হবে লগ্নপতি। মেষ রাশির ২য় স্থানে বৃষ রাশি রয়েছে। বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র তাই শুক্র হবে তনুপতি। এই শুক্রের শুভ বা অশুভ দ্বারা তনু বা দেহভাবের শুভাশুভ বিচার করা হয়।

জ্যোতিষে কয়েকটি প্রয়োজনীয় সূত্র : (আপনাদের জন্মকুণ্ডলী মিলিয়ে দেখে নিন)

১. অষ্টমে রবি+রাহু - বদনাম যোগ।

২. দ্বিতীয় বা দ্বা্দশে ( শনি+কেতু) থাকলে ঋন হবেই।

৩.শুক্র খারাপ থাকলে অভিনেতা বা অভিনেত্রি হওয়ার স্বপ্ন না দেখাই ভাল।

৪.রবি + শুক্র জন্মছকে এক সঙ্গে থাকলে জীবনে কোন না কোন সময় দারিদ্র আসবেই।

৫. রবি+কেতু, রবি+রাহু, রবি+শনি, মঙ্গল+শুক্র, শুক্র+কেতু, শুক্র+রাহু, বৃৃহস্পতি+রাহু, বৃৃহস্পতি+কেতু, বুধ+কেতু, বুধ+রাহু, শনি+মঙ্গল+শুক্র+রাহু, রবি+বুধ+কেতু, শনি+মঙ্গল+রাহু, এই অশুভ যোগ গুলির সার্থক প্রতিকার না করলে জীবনে একটির পর একটি সমস্যা লেগেই থাকবে।

৬. জন্মছকে সব গ্রহগুলি নীচস্থ হলে অধিক মন্দ হেতু রাজ যোগের সৃষ্টি হয়, এই যোগে নিজস্ব ফ্যক্টট্রি হয়।

৭. জন্মছকে সব গ্রহগুলি উচ্চস্থ হলে সন্ন্যাস হয়।

৮. জন্মছকে কোন কিছু হওয়ার connection না থাকলে, প্রতিকারের মাধ্যমে সেই যোগ এনে দেওয়া যায় না। বিবাহ, চাকরি, প্রেম ইত্যাদি সব জন্মের সময় নিজের ভাগ্যে নিয়েই জন্মায়। গ্রহের অশুভ যোগ, অশুভ অবস্থানে যখন সময় খারাপ চলে তার থেকে মুক্তি পেতেই প্রতিকার প্রয়োজন হয়।

৯.জ্যোতিষের সব থেকে বড় বিভাগ হল সার্থক প্রতিকার নির্বাচন করা।

১০. রাহু+মঙ্গল জাতক/জাতিকার এনর্জি নষ্ট করে। সুগার হয়।

১১. রবি+রাহু জাতক জাতিকাকে আত্মবিশ্বাসের অভাব আনে। চোখ এর রোগ হয়।

১২. ৭ম ভাবে কেতু+মঙ্গল যোগ - বিবাহিত জীবনকে নষ্ট করবেই।

১৩. দ্বিতীয়ে শনি+কেতু - দাঁত নিয়ে ভোগান্তি

১৪. ষষ্ঠে কেতু + শুক্র - যৌন অক্ষমতা। বিকৃত রুচি।

(প্রয়োজনে অবশ্যই যোগাযোগ করুন )

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড় 500টাকা
সাধারণ ক্ষেত্রে 1500

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব ও শেয়ার করুন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum. please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে

আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200430123047

Wednesday, April 22nd, 2020

Astro Research Centre

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী রয়েছে আটটি দিক যেমন, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, ঈশান, নৈর্ঋত, অগ্নি এবং বায়ু

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী রয়েছে আটটি দিক যেমন, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, ঈশান, নৈর্ঋত, অগ্নি এবং বায়ু

বাড়ি, গৃহ বা ফ্ল্যাট থেকে শুরু করে ঘরের আসবাব, বাগান তৈরি প্রতিটা ক্ষেত্রই হতে পারে বাস্তু মেনে। কারণ এর রয়েছে অনেক সুফল, মত বিশেষজ্ঞদের। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী রয়েছে আটটি দিক যেমন, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, ঈশান, নৈর্ঋত, অগ্নি এবং বায়ু। আর আপনার বাস্তুতে এই প্রত্যেকটি দিকের রয়েছে আলাদা আলাদা গুরুত্ব।

পূর্বদিক- পড়ার ঘর, পুজোর ঘর, কাজের ঘর এগুলি এই দিকে মুখ করে করা যেতে পারে। এমনকি বাড়ির আলমারী বা সিন্দুকও এই দিকে মুখ করে খোলা বাস্তুমতে ভালো। বাড়িতে এইদিকে খোলা জায়গা থাকা বেশ ভালো কারণ বাস্তুমতে এটি দেবরাজ ইন্দ্র দিক।

পশ্চিমদিক- বাড়ির এই দিকে স্টোর রুম, সিঁড়ি বা জলের ট্যাংক করতে পারেন। বাস্তুমতে এই দিক বরুণ দেবতার দিক।

উত্তরদিক- বাড়ির এই দিকে কখনই শৌচালয় বানাবেন না। কারণ এই দিক বাস্তুমতে কুবেরের দিক। তাই এই দিকে সিন্দুক বা টাকা রাখার জায়গা রাখতে পারেন।

দক্ষিণদিক- বাড়ির এই দিকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রাখবেন না। বাস্তুমতে এই দিক যমের দিক। বিশেষ করে খাবার টেবিল বা রান্নাঘর এই দিকে কখনই করবেন না।

ঈশানদিক- এই দিক বাড়ির জন্য খুব শুভ। এই দিক দেবাদিদেব মহাদেবের দিক। তাই বাড়ির এই দিকে কিছুটা ফাঁকা জায়গা রাখুন। বাড়ির এই দিকে কোনও সমস্যা হলে বংশবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও সমস্যা হয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
নৈর্ঋতদিক- বাস্তুমতে এইদিক আপনার জীবন থেকে দানবদের রক্ষা করে। এই শব্দের অর্থ হল দানব। বাড়ির এই দিকে জলের ট্যাংক কখনই করবেন না।

অগ্নি- বাড়ির এই দিকে স্নানাগার, শৌচালয়ের মতো কিছু রাখবেন না। বাড়ির এই দিক অগ্নিদেবের দিক।

বায়ু- উন্নত স্বাস্থ্য বা দীর্ঘজীবন দিতে পারে এই দিক। এই দিক পবন দেবের দিক। পরিবারের পারস্পরিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য এইদিক খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দিক তাই ব্যবহার করুন বৈঠকখানা হিসেবে। যেখান ঘরের সকল সদস্য একসঙ্গে বসতে পারবে। তবে এইদিকে খাবার ঘর করা যাবে না বা শোওযার ঘর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে না।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


হাউজিং এর দ্বারা পরিচালিত দেশের 8 টি প্রধান শহরের উপর গবেষণায়, আমরা দেখেছি যে 90% এর বেশি বাড়ির ক্রেতারা এমন একটি বাড়ি পছন্দ করে যা বাস্তু -অনুবর্তী। বাস্তুর নিয়মের সাথে মানানসই হতে এমনকি ঘরের আকার এবং নকশার সঙ্গে আপোষ করতে ইচ্ছুক লোকের সংখ্যাও আশ্চর্যজনক । আমরা এই ব্লগের পোস্টে একটু গভীরভাবে এই গুলি আলোচনা করবো ।

পূর্বে, বাস্তু শাস্ত্রের নীতিগুলি রক্ষণশীলদের জন্য ছিল, এবং ফেংশুই আরও আধুনিক মানসিকতার জন্য ছিল; কিন্তু এখন আপনি এমন জ্যোতিষী এবং পন্ডিত পাবেন যারা উভয় এর সমন্বয়ের প্রস্তাব করেন । আপনি এমনও বাড়ি দেখতে পাবেন যাদের বিছানা এবং সোফা বাস্তু অনুযায়ী স্থাপন করা থাকে এবং ঘরের সাজসজ্জা ফেংশুই মতে থাকে, যেমন বাড়িতে একটি বুদ্ধ দরজার দিকে মুখ করে রাখা আর জানালার উপরে উইন্ড-চাইম ঝোলানো I এই দুটি প্রাচীন বিজ্ঞানে প্রায় সবকিছুর সমাধান আছে এবং ইন্টারনেটের টিপস, গাইড এবং কিভাবে করনীয় ব্লগের সাথে, আপনি যখন শুরু করেছেন তখন আপনি আসলে কি অর্জন করতে চাইছেন তা দৃষ্টিতে আনা খুব সহজ । এখানে বাড়ির জন্য মূল বাস্তু এবং আসবাবপত্রের দিকনির্দেশনা, ডেকর নির্বাচন, মন্দির বসানো এবং কাজের জন্য ফেংশুই পরামর্শ সহ, একটি ভাস্তু-ফেংশুই 101 রয়েছে।



উপাসনার স্থান



পূজার স্থান ভারতীয় বাড়ির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিছু লোক হয়তো বাস্তু বা ফেংশুই এর ধারনাতে বিশ্বাস করেন না, কিন্তু, সেটি যখন মন্দিরের মত একটি পবিত্র স্থানের ব্যাপারে হয়, শক্তি প্রবাহ কে অবশ্যই মূল্যায়ন এবং সমন্বিত করা প্রয়োজন। এখানে বেশি ব্যতিব্যস্ত হবার কিছু নেই ; আপনার বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি প্রবাহিত করার জন্য এখানে কিছু সহজ ধাপ রয়েছে। বাড়ির জন্য বাস্তু শাস্ত্রের উপর ভিত্তি করে, পূজা, প্রার্থনা এবং ধ্যানের কক্ষ বাড়ির উত্তর-পূর্ব এলাকায় রাখা উচিত। বিকল্পভাবে, সেটি উত্তর বা পূর্ব অঞ্চলেও থাকতে পারে। পূজা করার সময়, লোকের পূর্ব দিকে মুখ করে বসা উচিত এবং মূর্তি যেন উচ্চতায় 6 ইঞ্চি অতিক্রম না করে । যেই ঘরে পুজো করা হয়,ওই ঘরে ঘুমানো উচিত নয়। প্রার্থনা করার আদর্শ দিক হলো সেসময় পূর্ব বা পশ্চিমে মুখ করে থাকা। বাড়িতে উপাসনার স্থান এর জন্য নির্দেশিকা ফেং শুই এবং বাস্তু শাস্ত্রে প্রায় একই।



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


শয়নকক্ষ এবং সম্পদ

প্রধান শোয়ারঘর বাড়ির দক্ষিণ অংশে অবস্থিত হওয়া উচিত, এবং যদি শোয়ারঘর টি উত্তরে অবস্থিত থাকে তবে এটি বিশ্বাস করা হয় যে পরিবারে অস্বস্তির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিছানা এমনভাবে স্থাপন করা উচিত যে বিছানার মাথার দিকের বোর্ডটি ঘুমানোর সময় দক্ষিণ বা পশ্চিমে থাকে, উত্তর দিকে মাথা করে ঘুমানো সবসময় এড়ানো উচিত। পারিবারিক সদস্যদের শোয়ারঘর খাবার গ্রহণ করা উচিত নয় এবং তা করলে অসুস্থতার সৃষ্টি হয় , বিশেষত যদি তারা বিছানা উপর বসে খায় I শোয়ার ঘরে ঠাকুরের মূর্তি রাখা উচিত নয় । যদি বাড়ির একাধিক তলা থাকে, তাহলে প্রধান শোয়ারঘরটি সবচেয়ে উপরের তলায় থাকা উচিত এবং সিলিংটি সমতল হওয়া উচিত ও তা ভাঙা হওয়া উচিত নয় । এটি ঘরের মধ্যে একটি অভিন্ন শক্তি বজায় রাখে, যা মস্তিষ্কের একটি স্থির অবস্থা দেয়। মূল বাস্তু প্রতিকারগুলি এই পরামর্শ দেয় যে, শিশুদের ঘর উত্তর পশ্চিম বা পশ্চিম থাকা উচিত, এবং মনোযোগ বাড়ানোর জন্য , তাদের নিজের শোয়ার ঘরের কাছাকাছি পৃথক পড়ার স্থান থাকা উচিত । সম্পদ এবং অর্থ উত্তর দিকে সংরক্ষণ করা উচিত , যার মানে আপনি অর্থ রাখা এবং পুনরায় নেবার সময় উত্তর দিক মুখ করে থাকবেন, এবং দক্ষিণে মুখ করে গহনাকে রাখা উচিত কারণ এটি সম্পদ বৃদ্ধি করে বলে মনে করা হয়।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

বাড়ির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল বাথরুম। শৌচালয় ছাড়া যে কোনও বাড়িই অসম্পূর্ণ। কিন্তু বাড়িতে শৌচাগার বানানোর সময় বাস্তুর খেয়াল রাখতে হবে বৈকি। বাস্তু বিশেষেজ্ঞদের মতে বাড়িতে বাথরুমের অবস্থান ঠিকমতো না হলে তা অশুভ শক্তি ডেকে আনতে পারে। কারণ বাড়ির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলেও শৌচাগারের মধ্যে নেগেটিভ এনার্জির উত্‍স হয়ে ওঠার বিপুল সম্ভাবনা থাকে।


এই কারণেই আগেকার দিনে মূল বাসভবন থেকে দূরে বিচ্ছিন্ন ভাবে শৌচালয় নির্মাণের প্রথা ছিল। আজকের দিন অধিকাংশ ফ্ল্যাট বাড়িতে তা সম্ভব নয়। কিন্তু বাড়িতে শৌচালয় বানানোর আগে জেনে নিন কয়েকটি ছোট্ট টিপস।

* টয়লেটের পশ্চিম, দক্ষিণ অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক করে কমোড বসান।


* যদি বেডরুমের সঙ্গে সংযুক্ত বাথরুম হয়, তাহলে ঘরের পশ্চিম দিকে শৌচাগার বানান।

* টয়লেটের মধ্যে কমোড এমন ভাবে বসাতে হবে যাতে কমোড ব্যবহারের সময় সেই ব্যক্তিকে পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে মুখ করে না বসতে হয়।


* মেঝে থেকে ১-২ ফুট উঁচুতে শৌচাগার বানান।

* টয়লেটের মেঝের ঢাল থাকবে পূর্ব অথবা উত্তর দিকে। যাতে শৌচাগারের ব্যবহৃত জল এই দুই দিক দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে।

* বাথরুমের জলের কল, শাওয়ার থাকবে পূর্ব, উত্তর অথবা উত্তর-পূর্ব দিকে।

* বাথরুমের দেওয়ালের রং যা খুশি লাগাতেই পারেন, তবে হালকা রং পছন্দ করাই ভালো।

* বাথরুমে একটা ছোট্ট জানালা থাকবে পূর্ব, পশ্চিম অথবা উত্তর দিকের দেওয়ালে।

* শৌচাগারের ঠিক নিচে বা ওপরে যেন ঠাকুর ঘর বা রান্নাঘর না থাকে, সেটা খেয়াল রাখবেন।



বাড়ির অন্যান্য অংশ
খাওয়ার ঘর পশ্চিমে মুখ করা হওয়া উচিত, কারণ এটি শনি দ্বারা পরিচালিত হয় যা বকাসুর এর পথকে প্রতীকী করে, যা ক্ষুধার প্রতিনিধিত্ব করে।
যদি আপনি বাড়িতে গাছপালা রাখার পরিকল্পনা করেন তবে এটি পরামর্শ দেয়া হয় যে আপনি ক্যাকটি এর মত কাঁটাগাছ এড়িয়ে যান এবং উত্তর ও পূর্ব দেয়ালের পাশে গাছগুলি বসানোর থেকে বিরত থাকুন ।

Vastu Remedies Tips for Your New Home

উত্তর-পূর্ব, উত্তর-পশ্চিমে, উত্তর, পশ্চিম এবং পূর্ব কোণগুলি একটি অধ্যয়ন কক্ষের জন্য সর্বোত্তম। এই দিকগুলি বুধের ইতিবাচক প্রভাবকে আকর্ষণ করে,যাতে মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধি হয়, বৃহস্পতির জ্ঞান বৃদ্ধি করে, সূর্য উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়ায় এবং শুক্র নতুন চিন্তাধারা ও ধারণায় সৃজনশীলতাকে আনয়নে সহায়তা করে। বিকল্পভাবে,পড়ার ঘর এবং শোয়ার ঘর একই দিকে অবস্থিত হতে পারে। একটি আদর্শ ব্যবস্থায় অধ্যয়ন কক্ষ এবং পূজা স্থান একে অপরের সাথে বা একই ঘরে অবস্থিত হওয়া উচিৎ।
বাড়ির প্রধান গেট দুটি তে প্যানেল থাকা উচিত। বাইরের দিকের দরজাটি বাড়ির ভিতর দিকে খোলা উচিত নয়, এবং বাড়ির দরজাতে চিড় থাকা উচিত নয় ।
স্নানেরঘর অবশ্যই পূর্ব বা উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত থাকা উচিত , তবে উত্তর-পূর্ব দিকে কখনোই হওয়া উচিত নয় । ধোয়ার বেসিন স্নানঘরের পূর্ব দিকের দেয়ালে লাগানো উচিত এবং দক্ষিণ-পূর্ব কোণে গিজার স্থাপন করা উচিত।

সময় খারাপ যাচ্ছে, পদে পদে বাধা? কিছু কিছু জিনিস আপনার জীবনের নানা নেতিবাচক বা অশুভ শক্তির প্রভাব খাটায়। যার ফলে জীবনে উন্নতির পথ প্রশস্ত করতে সহায়তা করে। জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্র মতে, কিছু জিনিস বাড়ির মধ্যে রাখলে জীবনের অনেক বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে ওঠা যায় সহজেই।

১) অনেক সময় কঠোর পরিশ্রম করেও ভাগ্যের সাহায্য মেলে না। সে ক্ষেত্রে কিছু কিছু জিনিস এড়িয়ে চলা ভালো। যেমন এক সঙ্গে অনেক জিনস সংগ্রহ করবেন না।

২) বাড়িতে ফুলের গাছ রেখে রেখে দেখুন। বাস্তুশাস্ত্র মতে, ওই ফুলের টব বাড়ির নেতিবাচক শক্তি শুষে নিয়ে সৌভাগ্যের পথ প্রসস্ত করবে।


৩) ঘরের মধ্যে একটি পাত্রে নুন রেখে দিন। বাস্তু মতে নুন অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভশক্তির প্রকাশ করে।
ঘরের কোনায় কোনায় একটি পাত্রে নুন রেখে দিন। এর ফলে আপনার বাস্তু বা ঘর অশুভ বা নেতিবাচক শক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত হবে।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


উত্তর-পূর্ব কোণে বসে ধ্যান প্রাণায়াম করুন

সন্তানের পড়ার টেবিলটা ঘরের পূর্বদিকে রাখুন

অর্থের যোগান বজায় রাখতে দেওয়ালে লাল রঙের ঘোড়ার ছবি লাগান 

ভবিষ্যত জীবনকে সুখকর করতে খাটের নীচ ফাঁকা রাখুন

জীবনে সফল কে না হতে চায়, তবে এই সাফল্য ধরে রাখাই সবথেকে বড় কথা। আর সেজন্য পরিশ্রমের পাশাপাশি বাস্তুশাস্ত্রবিদরা বলেন কয়েকটি টোটকা মেনে চলতে। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত পরিশ্রম করা হলেও ঠিক সময়ে সাফল্য আসে না। তাই জীবনে যদি সাফল্য পেতে চান এবং সাফল্যকে ধরে রাখতে চান তাহলে এই টোটটকাগুলি মেনে চলুন।
১) আপনার মন যদি হয় চঞ্চল হয় বা কোনও কাজে যদি মন স্থির করতে না পারেন তাহলে ঘরের উত্তর-পূর্ব কোণে বসে থাকুন এবং পারলে সেখানে বসেই ধ্যান বা মনোসংযোগ করুন। 
২) পড়ার টেবিলটা ঘরের পূর্বদিকে রাখুন। এবং পূর্বদিকে মুখ করেই সন্তানকে পড়তে বসান। ভাল ফল পাবেন। 
৩)  ঘরের যেকোনও দেওয়ালে লাল রঙের ঘোড়ার ছবি লাগান, এতে অর্থের আগমণ খুব দ্রুত হবে।
৪) অনেকেরই প্রবণতা রয়েছে বাড়িতে খাটের নীচে জিনিসপত্র বোঝাই করে রেখে দেন। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্রবিদরা বলেন, এইভাবে খাটের নীচে জিনিসপত্র বোঝাই করে রাখা উচিত নয়। বরং খাটের নীচ ফাঁকা রাখলে ভবিষ্যত জীবন সুখকর হবে, জীবনে আসবে সাফল্য।
৫)  ঘরের উত্তর-পূর্ব দিকে রাখুন অ্যাকোয়ারিয়াম। এতে জীবনের উন্নতি তরান্বিত হবে। 
৬) বাথরুম কখনওই বাড়ির সদর দরজার দিকে তৈরি করবেন না। এতে আপনার পরিবারের ওপর বিপদের আশঙ্কা বাড়বে। 
৭) সংসারে উন্নতি ঘটাতে এবং সংসারের শ্রী-বৃদ্ধি করতে রান্নাঘরে গ্যাস এবং জলের কলের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখুন।  


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200422212429

Thursday, April 16th, 2020

Astro Research Centre

মা লক্ষী দেবীর আহবান , পূজা, আরতি, পুষ্পাঞ্জলি

মা লক্ষী দেবীর আহবান , পূজা, আরতি, পুষ্পাঞ্জলি

মা লক্ষী দেবীর আহবান , পূজা, আরতি, পুষ্পাঞ্জলি

ঘট স্থাপনের পর মাকে প্রণাম করার পালা। ধ্যান মন্ত্রে মা কে প্রণাম করুন। লক্ষ্মী পাঁচালীর বইয়ে এই মন্ত্র পাবেন। এই বই যেকোনো দশকর্মার দোকানে পেয়ে যাবেন। তবে এই মন্ত্র উচ্চারন একটু শক্ত। তাই যদি সঠিক উচ্চারন করতে না পারেন তাহলে মাকে মনে মনে স্মরণ করে প্রণাম জানাবেন। মাকে প্রণাম করে এবার আহবান জানান। আহবান মন্ত্রও বইয়ে দেওয়া থাকে। না জানলে মাকে মনে মনে আহবান জানান। হাত নমস্কার করে চোখ বন্ধ করে, বলুন এসো মা আমার গৃহে প্রবেশ কর। আমার গৃহে অধিষ্ঠান কর। আমার এই সামান্য আয়োজন, নৈবিদ্য গ্রহণ কর মা। এইভাবে মাকে আহবান জানাবেন। মা আপনার ঘরে প্রবেশ করছেন তাই মায়ের পা ধুয়ে দিন। মায়ের আঁকা পায়ে জলের ছিটা দিন। তারপর ঘটে আতপচাল, দুব্বো, ফুল ও চন্দন দিন। এরপর একে একে দেবীকে সব অর্পণ করুন। ফল,মিষ্টি যা কিছু আয়োজন করেছেন। তারপর ধূপ ধুনো দিন। অর্পণ করার পর এবার পুষ্পাঞ্জলি। হাতে ফুল নিয়ে পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র তিনবার উচ্চারন করুন। তারপর দেবীর বাহনকে ফুল দিন। এবং নারায়নকে স্মরণ করে ঘটে ফুল দিন। ও দেবতা ইন্দ্র ও কুবেরকে স্মরণ করে ঘটে ফুল দিন। তারপর দেবীকে প্রণাম করুন। এরপর সবশেষে লক্ষ্মীদেবীর পাঁচালী পড়ে পূজা শেষ করুন। তবে কয়েকটি কথা মাথায় রাখবেন। লক্ষ্মীদেবীর পূজায় কাঁসর ঘণ্টা এসব বাজাবেন না। এগুলিতে দেবী অসন্তুষ্ট হন। শুধু শাঁখ বাজান আর দেবীর ঘটে তুলসীপাতা দেবেন না। আর দেবেন না লোহার বাসন। ব্যাস এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে শুদ্ধ মনে শুরু করে দিন পূজা। হোকনা আয়োজন সামান্য শুধু মন শুদ্ধ থাকলেই দেবী আসবেন ঘরে। 

মা লক্ষী দেবীর প্রচলিত কিছু আচার অনুষ্ঠানের ধরণ ও পন্থা 

প্রতিদিন স্নান করে শুদ্ধ হয়ে লক্ষ্মী গায়ত্রী মন্ত্র ১০৮ বার জপ করলে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন মা লক্ষ্মী। এই মন্ত্র জপ করার সময় পদ্মবীজের মালা ব্যবহার করলে ভাল।

দক্ষিণাবর্ত শঙ্খকে বলা হয় মা লক্ষ্মীর শঙ্খ। লাল, সাদা বা হলুদ রংয়ের একটি পরিষ্কার কাপড়, একটি রুপোর পাত্র অথবা মাটির পাত্রের উপর রাখতে হয় এই শঙ্খ। এই শঙ্খের মধ্য দিয়েই মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ প্রবাহিত হয় বাসস্থানে।

বলা হয় সমস্ত দেবতা বাস করেন তুলসি বৃক্ষে আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী দেবী তুলসি হলেন মা লক্ষ্মীরই এক রূপ। তাই বাড়িতে তুলসি বৃক্ষ থাকলে এবং সেখানে প্রতিদিন প্রদীপ জ্বাললে তুষ্ট হন মা লক্ষ্মী।

ধারাবাহিকভাবে ১২ দিন ধরে সম্পূর্ণ ভক্তিভরে লক্ষ্মী দ্বাদশ স্তোত্র ১২ বার উচ্চারণ করলে ঋণমুক্তি ঘটে।

একটি বাঁশের বাঁশিকে সিল্কের কাপড়ে মুড়ে ঠাকুরের সিংহাসনে রাখলে মা লক্ষ্মী প্রসন্ন হন কারণ বাঁশি হল বিষ্ণুর অবতার শ্রীকৃষ্ণের প্রিয়। তাই মা লক্ষ্মীরও অতি প্রিয়।

শুধুমাত্র পুজোর দিনে নয়, প্রতিদিনই যদি দেবীর পায়ের চিহ্ন আঁকা হয় তবে ভাল। প্রতিদিন না পারলে বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার এবং মা লক্ষ্মীর পুজোর তিথি থাকলে তো অবশ্যই।

যিনি প্রতি শুক্রবার পরমান্ন বা মিষ্ট অন্ন দিয়ে গোসেবা করেন তাঁর প্রতি বিশেষ প্রসন্ন হন দেবী।

প্রতি শুক্রবার পদ্মমূল থেকে তৈরি নয়টি সলতে দিয়ে একটি মাটির প্রদীপ মা লক্ষ্মীর পট বা প্রতিমার সামনে জ্বাললে তা গৃহে প্রাচুর্যের সমাহার ঘটায়।  

এছাড়া টানা ৩০ দিন ধরে মা লক্ষ্মীর প্রতিমা বা পটের সামনে নিষ্ঠাভরে শ্রী সুক্ত পাঠ করলে বিশেষ প্রসন্ন হন দেবী। শ্রী সুক্ত হল ১৫টি ভার্সের একটি সম্মেলন।

প্রতিদিন মা লক্ষ্মীর প্রতিমা বা পটের সামনে দু’টি ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালে তা মঙ্গল। এর সঙ্গে পদ্ম, নারকেল ও ক্ষীরের নৈবেদ্য দিলে প্রসন্ন হন দেবী।

ঠাকুরঘরে বা ঠাকুরের সিংহাসনে কড়ি এবং শঙ্খ রাখা খুবই শুভ গৃহের কল্যাণের জন্য।

লক্ষী পুজোর যা কিছু করা নিষিদ্ধ 

লক্ষ্মীপূজায় লোহা বা স্টিলের বাসনকোসন ব্যবহার করবেন না। লোহা দিয়ে অলক্ষ্মী পূজা হয়। তাই লোহা দেখলে লক্ষ্মী ত্যাগ করে যান।লক্ষ্মীপূজায় ঘণ্টা বাজাতে নেই। লক্ষ্মীকে তুলসীপাতা দিতে নেই। কিন্তু লক্ষ্মীপূজার পর একটি ফুল ও দুটি তুলসীপাতা দিয়ে নারায়ণকে পূজা করতে হয়। লক্ষ্মীপূজা সাধারণত সন্ধ্যাবেলা করে, তবে অনেকে সকালেও করে থাকেন। সকালে করলে সকাল ন-টার মধ্যেকরে নেওয়াই ভাল। পূজার পর ব্রতকথা পাঠ করতে হয়।

শ্রী শ্রী মা লক্ষ্মীর স্তোত্র

লক্ষ্মীস্তং সর্বদেবানাং যথাসম্ভব নিত্যশঃ।
স্থিরাভাব তথা দেবী মম জন্মনি জন্মনি।।
বন্দে বিষ্ণু প্রিয়াং দেবী দারিদ্র্য দুঃখনাশিনী।
ক্ষীরোদ সম্ভবাং দেবীং বিষ্ণুবক্ষ বিলাসিনীঃ।।

শ্রী শ্রী লক্ষ্মীর ধ্যান মন্ত্র

ওঁ পাশাক্ষমালিকাম্ভোজ সৃণিভির্যাম্য সৌম্যয়োঃ।
পদ্মাসনাস্থাং ধায়েচ্চ শ্রীয়ং ত্রৈলোক্য মাতরং।।
গৌরবর্ণাং স্বরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কারভূষি তাম্।
রৌক্নোপদ্মব্যগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু।।

শ্রী শ্রী লক্ষ্মীর স্তোত্রম্

ত্রৈলোক্য পূজিতে দেবী কমলে বিষ্ণুবল্লভে।
যথাস্তং সুস্থিরা কৃষ্ণে তথা ভবময়ি স্থিরা।।
ঈশ্বরী কমলা লক্ষ্মীশ্চলা ভূতি হরিপ্রিয়া।
পদ্মা পদ্মালয়া সম্পদ সৃষ্টি শ্রীপদ্মধারিণী।।
দ্বাদশৈতানি নামানি লক্ষ্মীং সম্পূজ্য যঃ পঠেত।
স্থিরা লক্ষ্মীর্ভবেৎ তস্য পুত্রদারারদিভিংসহ।।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:- অবশ্যই তিন বার পাঠ করতে হবে

শ্রী শ্রী লক্ষ্মীর পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র

নমস্তে সর্বদেবানাং বরদাসি হরিপ্রিয়ে।
যা গতিস্তং প্রপন্নানাং সা মে ভূয়াত্বদর্চবাৎ।।

শ্রী শ্রী লক্ষ্মীর প্রণাম মন্ত্র

ওঁ বিশ্বরূপস্য ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে।
সর্বতঃ পাহি মাং দেবী মহালক্ষ্মী..

লক্ষ্মীর চারটি হাত। ধর্ম, কর্ম, অর্থ ও মোক্ষ— হিন্দুশাস্ত্রে এই চার হাতের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করাহয়েছে এভাবেই। যাঁরা মনে করেন মা লক্ষ্মী শুধুমাত্র ধনের দেবী, তাঁরা সম্ভবত দেবীর এই ব্যাখ্যা সম্পর্কেঅবহিত নন। সমুদ্রমন্থন থেকে উদ্ভব মা লক্ষ্মীর। কিন্তু সবার আগে জানা প্রয়োজন তিনি কে? কীভাবে আবির্ভূতহলেন তিনি। এই নিয়ে নানা মত রয়েছে। কখনও বলা হয় তিনি ছিলেন ঋষি ভৃগুর সন্তান এবং সমুদ্রমন্থনে তাঁর পুনর্জন্ম হয়। আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী, তিনি সমুদ্রদেব বরুণের কন্যা। মা লক্ষ্মীরও আগে আবির্ভূত হয়েছিলেন দেবী সরস্বতী। একটি পৌরাণিক গল্পে বলা হয়েছে, ব্রহ্মার সাত সন্তান, সপ্তঋষির মধ্যে ৬জনই দেবী সরস্বতীর আরাধনা করে দৈবজ্ঞান লাভ করেন। কিন্তু প্রশ্ন তোলেন মহর্ষি ভৃগু। মানবশরীরের ক্ষুধা নিবারণ কীভাবে ঘটে, সেই খোঁজে তিনি বেরিয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত উত্তরটি পান সমু্দ্রদেববরুণের কাছে। মহর্ষি ভৃগু তার পরেই উপলব্ধি করেন যে মগজের বা মননের পুষ্টিলাভ যেমন হয় দেবী সরস্বতীর আরাধনায় তেমনই নশ্বর শরীরের পুষ্টির জন্য মা লক্ষ্মীর আবাহন ও পূজা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই মা লক্ষ্মীকে শুধুমাত্র ধনদেবী হিসেবে দেখলে তাঁর মহিমার সম্পূর্ণটা দেখা হয় না। তাঁর আশীর্বাদ মানুষের ক্ষুধা নিবারণের জন্য, গৃহস্থের সার্বিক কল্যাণের জন্য। আর এই দুয়ের জন্যই প্রয়োজন অর্থের। কিন্তু সেই অর্থ পাওয়ার পরে মানুষ তার প্রয়োগ কীভাবে করছে, সেদিকে তাঁর কড়া নজর। অপচয় বা অন্যায় প্রয়োগ তিনি সইতে পারেন না, তাই তিনি চঞ্চলা।

যেকোনো পুজোয় হোক না কেন সব পুজোতে পুজোর একটা রীতি নীতি বা আচার অনুষ্ঠান থাকে ভিন্ন ভিন্ন। আর থাকে ভিবিন্ন রকমের মন্ত্র ও নিয়ম। আমাদের সেই মন্ত্র সঠিকভাবে ও সঠিক সময়ে পালন অর্থাৎ উচ্চারণ করে বলাটাই হল একটু জটিল কাজ। প্রত্যেক দেবদেবীর একটা নিজস্ব কিছু রীতি নীতি মন্ত্র ইত্যাদি থাকে। পুজোর সময় সঠিক ভাবে পুজো করাটাও একটা মহৎ কাজ। মা লক্ষীর পুজোতে পুজোর মন্ত্র পরে সুষ্ঠ ভাবে করতে হয় বা করা উচিত। তেমনি সকল প্রকার দেবদেবীর পুজোও আমাদের বিধাতার রীতি নীতি মেনে চলাই হল একমাত্র প্রধান কাজ। আমাদের হিন্দু সাশ্র মতে অনেক দেবদেবীর পুজো আমরা করে থাকি। আমরা প্রত্যেক দেবদেবীর পুজো করে থাকি ভগবানের আশীর্বাদ পাবার জন্য। প্রত্যেক ভগবানের অর্থাৎ প্রত্যেক দেবদেবীর আলাদা আলাদা আশীর্বাদের জন্যই আমরা পুজো করে থাকি। তাদের মধ্যে মা লক্ষী হল আমাদের ধন, সম্পদ, ঐশর্য, সুখ, শান্তি, ইত্যাদি আশীর্বাদের আশায়। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। রীতি নীতি মেনে পুজো করবেন। না জানলে এখানে দেখেনিন পুরোটা পরে।  পুজো আর্চা জেনে নিয়ে করা ভালো না জেনে ভুল ভাবে পুজো করলে অমঙ্গল হয়। পোস্টটি শেয়ার করবেন সবার উদ্দেশে। ধন্যবাদ।

দেবী লক্ষী সম্পদ বৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবী৷ তিনি সুন্দরী ও মাধুর্য্যময় দেবী৷ তিনি পূজারীদের ধন সম্পদ দান করে থাকেন৷ দেবী লক্ষী শ্রী হিসেবে পরিচিত ৷কেননা তিনি সৌন্দর্য ও স্নিগ্ধতার প্রতীক ৷তিনি ভগবান বিষ্ণুর সহধর্মিনী৷ অত্যন্ত সুন্দর এবং দুই হাত বিশিষ্ট ৷তিনি পদ্ম ফুলের উপর উপবিষ৷্ট গায়ের রঙ ধূসর সাদা উজ্জ্বল হলুদ ও নীলাভ হয়ে থাকে ৷দেবী লক্ষী সৌন্দর্যের দেবী ,সম্পদের দেবী ৷আমাদের পরিবারের উন্নতি নির্ভর করে সম্পদের উপর আর এই সম্পদ গুলোর মধ্যে রয়েছে ভূমি পশু জ্ঞান ধৈর্য সততা ইত্যাদি৷ লক্ষী পূজার পদ্ধতি---- যেকোনো পূজা করতে পূজা বিধি অনুসরণ করতে হয় ৷লক্ষ্মী পূজার পদ্ধতি হিসেবে শুদ্ধ আসনে বসে আচ মন থেকে শুরু করে পঞ্চ দেবতার পূজা করতে হয৷অতঃপর লক্ষী ধ্যান করে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে দেবী লক্ষী পূজা করা হয৷লক্ষ্মীপূজো পঞ্চ উপাচার দশ উপাচার আলাদা 16 উপাচার এ করা হয়ে থাকে৷ পূজার মৌলিক নীতি হিসেবে লক্ষীর ধ্যান পূজা ,মন্ত্র পাঠ ,পুষ্পাঞ্জলি প্রদান ও প্রণাম মন্ত্র পাঠ করতে হয় ৷অবশেষে বিসর্জন দিতে হয় ৷সাধারণত প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মী পূজা করা হয় ৷লক্ষী পুজা ই লক্ষীর পাঁচালী পড়া হয৷ আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে বিশেষভাবে লক্ষী পূজা করা হয৷এই লক্ষ্মী পূজা কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা নামে পরিচিত৷ প্রতিটি হিন্দু পরিবারের লক্ষী পূজা করা হয় ৷প্রতি সপ্তাহের বৃহষ্পতিবারে এবং আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে বিশেষ আয়োজন এর মাধ্যমে লক্ষী পূজা করা হয় ৷হিন্দু সমাজের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একাত্মবোধ এর সৃষ্টি করে ৷লক্ষীদেবী ধন সম্পদ দান করেন৷ পূজার মধ্য দিয়ে লক্ষ্মী দেবীর উপর বিশ্বাস স্থাপিত হয় ৷লক্ষ্মী দেবীর শান্ত স্বভাব পূজারী কেও শান্ত করে তোলে৷ লক্ষীদেবীর পুষ্পাঞ্জলী---- ওঁ নমস্তে সর্বভূতানাং বরদাসি হরিপ্রিয়ে যা গতিস্তৎ প্রপন্নানাং সা মে ভূয়াত্তদর্চনাৎ বাংলা অর্থ---হে হরিপ্রিয়া ,তুমি সকলকে বর দিয়ে থাক৷ তোমার আশ্রিতদের যে গতি হয়,তোমার অর্চনার দ্বারা আমরাও যেন তা হয়৷তোমাকে নমষ্কার৷ লক্ষীদেবীর প্রনাম মন্ত্র -- ওঁ বিশ্বরূপস্য ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে সর্বতঃ পাহি মাং দেবী মহালক্ষী নমোহস্তুতে৷৷ সরলার্থ--- হে দেবী কল্যাণী বিশ্বরূপ শ্রী বিষ্ণুর স্ত্রী তুমি পদ্মা ও পদ্মার আলোয় সকলকে শুভ ফল দাও তুমি আমাকে সকল ক্ষেত্রে রক্ষা করো আমি তোমাকে প্রণাম করি

আজ বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক লক্ষ্মী আরাধনার দিন। পাঠ করুন মা লক্ষ্মীর ১০৮ নাম। এই নাম উচ্চারনে দারিদ্রতা নিবারণ হয়।
.................................
১) প্রকৃতি ,২) বিক্রুতি , ৩) বিদ্যা , ৪) সর্বভূতহিতপ্রদা, ৫) শ্রদ্ধা , ৬) বিভূতি, ৭) সুরভি, ৮) পরমাত্মিকা , ৯) জয়প্রদা , ১০) পদ্মালয়া , ১১) পদ্মা , ১২) শুচী, ১৩) স্বাহা, ১৪) স্বাধা, ১৫) সুধা , ১৬) ধন্যা , ১৭) হিরন্ময়ী, ১৮) লক্ষ্মী , ১৯) নিত্যাপুষ্টা, ২০) বিভা, ২১) অদিত্যা, ২২) দিত্যা, ২৩) দীপা, ২৪) বসুধা, ২৫) ক্ষীরোদা, ২৬) কমলাসম্ভবা, ২৭) কান্তা, ২৮) কামাক্ষী, ২৯) ক্ষীরোদসম্ভবা , ৩০) অনুগ্রহাপ্রদা, ৩১) ঐশ্বর্য্যা , ৩২) অনঘা, ৩৩) হরিবল্লভী, ৩৪) অশোকা , ৩৫) অমৃতা, ৩৬) দীপ্তা, ৩৭) লোকাশোকবিনাশিনী, ৩৮) ধর্মনিলয়া, ৩৯) করুণা, ৪০) লোকমাতা, ৪১) পদ্মপ্রিয়া, ৪২) পদ্মহস্তা, ৪৩) পদ্মাক্ষী , ৪৪) পদ্মসুন্দরী, ৪৫) পদ্মভবা, ৪৬) পদ্মমুখী, ৪৭) পদ্মনাভপ্রিয়া, ৪৮) রমা, ৪৯) পদ্মমালাধরা , ৫০) দেবী,

৫১) পদ্মিনী, ৫২) পদ্মগন্ধিণী , ৫৩) পুণ্যগন্ধা, ৫৪) সুপ্রসন্না, ৫৫) শশীমুখী , ৫৬) প্রভা, ৫৭) চন্দ্রবদনা, ৫৮) চন্দ্রা , ৫৯) চন্দ্রাসহোদরী , ৬০) চতুর্ভুজা , ৬১) চন্দ্ররূপা , ৬২) ইন্দিরা, ৬৩) ইন্দুশীতলা, ৬৪) আহ্লাদিণী, ৬৫) নারায়নী , ৬৬) বৈকুন্ঠেশ্বরি ৬৭) হরিদ্রা ৬৮) সত্যা , ৬৯) বিমলা, ৭০) বিশ্বজননী, ৭১) তুষ্টি, ৭২) দারিদ্রনাশিণী, ৭৩) ধনদা , ৭৪) শান্তা, ৭৫) শুক্লামাল্যাম্বরা , ৭৬) শ্রী, ৭৭) ভাস্করী , ৭৮) বিল্বনিলয়া , ৭৯) হরিপ্রিয়া , ৮০) যশস্বীনি , ৮১) বসুন্ধরা , ৮২) উদারঙ্গা, ৮৩) হরিণী , ৮৪) মালিনী, ৮৫) গজগামিনী , ৮৬) সিদ্ধি , ৮৭) স্ত্রৈন্যাসৌম্যা , ৮৮) শুভপ্রদা, ৮৯) বিষ্ণুপ্রিয়া , ৯০) বরদা , ৯১) বসুপ্রদা, ৯২) শুভা , ৯৩)চঞ্চলা , ৯৪) সমুদ্রতনয়া , ৯৫) জয়া , ৯৬) মঙ্গলাদেবী, ৯৭) বিষ্ণুবক্ষাস্থলাসিক্তা , ৯৮) বিষ্ণুপত্নী, ৯৯) প্রসন্নাক্ষী , ১০০) নারায়নসমাশ্রিতা ,

১০১) দারিদ্রধ্বংসিণী, ১০২) কমলা, ১০৩) সর্বপ্রদায়িনী, ১০৪) পেঁচকবাহিণী, ১০৫) মহালক্ষ্মী, ১০৬) ব্রহ্মাবিষ্ণুশিবাত্মিকা , ১০৭) ত্রিকালজ্ঞানসম্পূর্ণা, ১০৮) ভুবনমোহিনী।

প্রাতঃকালে মা লক্ষ্মীর নিম্নলিখিত নাম উচ্চারনে দারিদ্রতা নিবারণ হয়ঃ-

লক্ষ্মীঃ শ্রীঃ কমলা বিদ্যা মাতা বিষ্ণুপ্রিয়া সতী ।
পদ্মালয়া পদ্মহস্তা পদ্মাক্ষী পদ্মসুন্দরী ।।
ভূতানামীশ্বরী নিত্যা মতা সত্যাগতা শুভা ।।
বিষ্ণুপত্নী মহাদেবী ক্ষীরোদতনয়া ক্ষমা ।।
অনন্তলোকলাভা চ ভূলীলা চ সুখপ্রদা ।
রুক্মিনী চ তথা সীতা মা বৈ বেদবতী শুভা ।
এতানি পুণ্যনামানি প্রাতরুত্থায় যঃ পঠেৎ ।
মহাশ্রিয়মবাপ্নোতি ধনধান্যমকল্মষম্ ।।

বঙ্গানুবাদ- শ্রী, কমলা বিদ্যা, মাতা, বিষ্ণুপ্রিয়া , সতী, পদ্মালয়া, পদ্মহস্তা, পদ্মাক্ষী , পদ্মসুন্দরী, ভূতগণের ঈশ্বরী, নিত্যা, সত্যাগতা , শুভা, বিষ্ণুপত্নী, ক্ষীরোদতনয়া, ক্ষমাস্বরূপা, অনন্তলোকলাভা , ভূলীলা, সুখপ্রদা, রুক্মিনী, সীতা, বেদবতী- দেবী লক্ষ্মীর এসকল নাম। প্রাতে উত্থান কালে যিনি দেবীর এই পুন্য নামাবলী পাঠ করেন, তিনি বিপুল ঐশ্বর্য ও নিস্পাপ ধনধান্য প্রাপ্ত হন ।


রোগ-ব্যাধি দূরে পালায়:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই মন্ত্রটি পাঠ করা শুরু করলে গৃহস্থের প্রতিটি কোণায় পজেটিভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে শরীর এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে ছোট-বড় সব রোগই দূরে পালায়। শুধু তাই নয় শরীরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। তাই তো মহিলাদের এই মন্ত্রটি নিয়ম করে প্রতি শুক্রবার পাঠ করার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।



৩. ব্যবসায় চরম উন্নতির স্বাদ মেলে:

আপনি কি কোনও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত? তাহলে বন্ধু প্রতি শুক্রবার লক্ষ্মী মহা মন্ত্রটি পাঠ করতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই মন্ত্রচি পাঠ করা শুরু করলে গৃহস্থে মায়ের প্রবেশ ঘটে। ফলে ব্যবসায় একের পর এক সফলতা লাভের সম্ভাবনা যায় বেড়ে। সেই সঙ্গে ব্যবসা সংক্রান্ত নানাবিধ সমস্যা মিটে যেতেও সময় লাগে না।

হে মাতালক্ষ্মী তুমি সকলের ঘরে অচলা হয়ে থেকো...

জয় মা লক্ষ্মী
জয় লক্ষ্মী নারায়ণের জয়



সবাইকে জানার জন্য শেয়ার করুন।



শাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক প্রাচীন বইয়ে এমন অনেক মন্ত্রের সন্ধান পাওয়া যাদেরকে কাজে লাগিয়ে বাস্তবিকই জীবনের ছবিটা বদলে ফেলা সম্ভব। কারণ এই সব মন্ত্রের শরীরে এত মাত্রায় পজেটিভ শক্তি মজুত থাকে যে সেগুলি পাঠ করা মাত্র সেই শক্তি আমাদের গৃহস্থের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যায়। ফলে একাধিক উপকার মিলতে শুরু করে। যেমন লক্ষ্মী মহা মন্ত্রের কথাই ধরুন না। সিংহভাগেরই আজানা এই মন্ত্রটি পাঠ করলে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ লাভের পথ প্রশস্ত হয়। ফলে অর্থনৈতিক উন্নতির স্বাদ পেতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি আরও নানা সব উপকার পাওয়া যায়, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তবে সে বিষয়ে যাওয়ার আগে একটা কথা বলতে চাই বন্ধু, লক্ষ জন্ম পেরিয়ে পাওয়া এই মানব জীবনকে যদি বাস্তবিকই সার্থক বানাতে হয়, তাহলে এই লেখায় চোখ রাখতে ভুলবেন না যেন। কারণ লেখাটি পড়া মাত্র আপনার জীবনের ছবিটা যে বদলে যাবে সে বিষয়ে কিন্তু কোনও সন্দেহ নেই!

"ওম হ্রিম শ্রিম লক্ষ্মী ভায়ো নমহঃ", এই মন্ত্রটিকেই লক্ষ্মী মহা মন্ত্র বলা হয়ে থাকে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতি শুক্রবার মায়ের পুজো করার পর এক মনে যদি এই মন্ত্রটি ১০৮ বার পাঠ করা যায়, তাহলে মায়ের নেক দৃষ্টি পরে তার ভক্তের উপর। ফলে একাধিক উপকার পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, যেমন ধরুন...

কর্মক্ষেত্রে পদন্নতি ঘটে:

একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! এই মন্ত্রটি এতটাই শক্তিশালী যে নিয়মিত পাঠ করা শুরু করলে কর্মক্ষেত্রে চটজলদি প্রমোশন পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, সেই সঙ্গে প্রতিপক্ষদের নিকেশ ঘটতেও সময় লাগে না। তাই তো বলি বন্ধু ৩০ পেরতে না পেরতেই যদি বাড়ি,গাড়ি এবং মোটা মাইনের মালিক হয়ে উঠতে চান, তাহলে শুধু শুক্রবার নয়, প্রতিদিন লক্ষ্মী মহা মন্ত্রটি জপ করতে ভুলবেন না যেন!



খারাপ শক্তির প্রকোপ কমে যায়:


১.অনেক অনেক টাকার মলিক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হয়:

মা লক্ষ্মী হলেন অর্থ এবং সমৃদ্ধির দেবী। তাই তো মাকে একবার প্রসন্ন করতে পারলে বড়লোক হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, এমনটাও বিশ্বাস করা হয় যে এই মন্ত্রটি পাঠ করা শুরু করলে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যা মিটে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে সঞ্চয়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। তাই তো বলি বন্ধু, জীবনের ক্যানভাসটিকে যদি নানা রঙে রঙিয়ে তোলার ইচ্ছা থাকে, তাহলে এই মন্ত্রটি জপ করতে ভুলবেন না যেন!








বিশ্বাস করুন বা না করুন একথা মানতেই হবে যে আমাদের আশেপাশে পজেটিভ শক্তি যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নেগেটিভ বা খারাপ শক্তিও। আর কোনওভাবে যদি এই খারাপ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করে, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ। কারণ সেক্ষেত্রে নানাবিধ খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন বাড়ে, তেমনি হঠাৎ করে কোনও দুর্ঘটনার কবলে পরার সম্ভাবনাও থাকে। তাই তো বলি বন্ধু নিজেকে এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের নানাবিধ বিপদ থেকে বাঁচাতে শুক্রবার করে এই মন্ত্রটি জপ করতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই মন্ত্রটি জপ করা মাত্র বাড়ির প্রতিটি অংশে পজেটিভ শক্তির মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে খারাপ শক্তি ঘর ছাড়া হতে সময় লাগে না।



মনের যে কোনও ইচ্ছা পূরণ হয়:

গৃহস্থে যখন পজেটিভ শক্তির মাত্রা বাড়তে শুরু করলে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। আর এমনটা যখন হয়, তখন মনের ছোট থেকে ছোটতর ইচ্ছা পূরণ হতে যে সময় লাগে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে।



পড়াশোনায় উন্নতি ঘটে:

শাস্ত্র মতে প্রতিদিন মায়ের পুজো করার পাশাপাশি লক্ষ্মী মহা মন্ত্র পাঠ করলে বাচ্চাদের মনোযোগ ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে পড়াশোনায় উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে পরিবারের বাকি সদস্যদের কর্মক্ষেত্রে উন্নতি লাভের পথও প্রশস্ত হয়। প্রসঙ্গত, যারা ব্যবসা করেন, তারা যদি তাদের অফিসে মায়ের মূর্তি রাখতে পারেন, তাহলে ব্যবসায় উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।





হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড় 500টাকা
সাধারণ ক্ষেত্রে 1500

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব ও শেয়ার করুন

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200416124619

Tuesday, April 14th, 2020

Astro Research Centre

বগলামুখী দেবীরও সন্তোষী মায়ের ধ্যান মন্ত্র

বগলামুখী দেবীরও সন্তোষী মায়ের  ধ্যান মন্ত্র

বগলামুখী দেবী হলেন হিন্দু দশমহাবিদ্যা দেবমণ্ডলীর অন্তর্গত অন্যতম দেবী। তিনি ভক্তের মানসিক ভ্রান্তি নাশের (অথবা শত্রু নাশের) দেবী। বগলামুখী দেবীর ধ্যান মন্ত্র অনুসারে ইনি সুখ সাগরের মধ্যে মণিময় মণ্ডপে আচ্ছাদিত রত্ন নির্মিত বেদীর ওপর সিংহাসনে উপবিষ্টা, ইনি পীতবর্ণা, পীত বস্ত্র পরিহিতা, সুবর্ণের মালাতে দেবীর সর্ব শরীর বিভূষিত। হস্তে মুদ্গর ও আর এক হস্ত দ্বারা তিনি শত্রুর জিহ্বা ধারন করে আছেন। ব-বারুনী দেবী (অসুর দলনে উন্মত্তা), গ-সিদ্ধি দায়িনী (সর্ব প্রকার সিদ্ধি দেন), ল-পৃথিবী (পৃথিবী যেমন সব সহ্য করেন, মা যেমন ছেলের সব দুষ্টামী সহ্য করে তাকে লালন পালন করে তেমনি মা বগলা তেমন সহ্য করেন)। ইঁহাই এঁনার অসীমা শক্তির কথা জানায়। এই দেবী এক হস্তে মুদ্গর ও অপর হস্তে ইনি অসুরের বা শত্রুর জিহ্বা টানিয়া থাকেন। বগলামুখীর মন্ত্র ব্রহ্মাস্ত্রের ন্যায়। সাধকদের কাছে তা পরম সিদ্ধি, হিতকর। শত্রুকে দমনকারী রূপে ব্যবহৃত হয়। এই বগলা মন্ত্রের প্রভাব এত যে বায়ু কেও রুদ্ধ করা যায়। অগ্নিও শীতল হয়। গর্বিতের গর্ব চূর্ণ হয়। ক্ষিতিপতিও শঙ্কিত হন। মা বগলার ধ্যান মন্ত্রে শত্রু দলনী দেবী দুর্গার স্মরণ করা হয়। মা দুর্গা, দেব শত্রু মহিষ ও তার সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করেছিলেন।
স্নানের পর প্রতিদিন সকালে দুইটি জ্বলন্ত ধূপকাঠি, এক প্রদীপ বাতি, দেবী বগলামুখীর একটি ভাল ছবি, এবং কিছু ফুল নিয়ে একটি গদির বা আসনের উপর বসুন, উত্তর বা পূর্ব অভিমুখে, আপনি আপনার ইচ্ছা, যা আপনি চাইছেন সেইধরনের কামনা জানিয়ে ও সেই সঙ্গে দেবীর কাছে বিশেষ কামনাটির জন্য আবেদন করে সাধনা শুরু করুন। আপনি যদি দেবী বগলামুখীর ছবি সংগ্রহ না করতে পারেন, তাহলে আপনি দেবী দুর্গার কোন ছবি নিতে পারেন। 

মন্ত্রটি হল: “ওঁ হ্লীং বগলামুখী সর্ব দুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তম্ভন, জিহ্বাং কীলয় কীলয় বুদ্ধি বিনাশায় হ্লীং ওঁ স্বাহা”।।
তবে এই ধ্যান সাধারনদের না করাই শ্রেয়, অনেক ভুল ভ্রান্তি হতে পারে। তবে একান্তই আপনি যদি করতে চান সেক্ষেত্রে কোনও ভালো জ্যোতিষবিদের কাছে নিজের সমস্যার কথা বলে যদি তিনি করতে বলেন বা আপনার করা উচিত বলে তিনি মনে করেন তবেই করবেন। অন্যথা এই মন্ত্র জপ করে হিতে বিপরীত হতে পারে। সাধারণত শত্রু দমনের জন্য এই বিদ্যা প্রয়োগ করা হয়। কেন কি দেবী শত্রু দমন করেন। কিন্তু দেখা গেছে দুর্মতি তান্ত্রিক রা অর্থের লোভে অনেক সময় অপরের সর্বনাশ করে ফেলেন। মারন, উচাটণ, বশীকরণ, স্তম্ভন এগুলি করে থাকেন। জাগতিক সুখের জন্য মায়ের বিদ্যা প্রয়োগ করেন। মায়ের বিদ্যা কেবল শুভ কাজের জন্যই প্রয়োগ করা উচিৎ। যেমন ভগবান বিষ্ণু বিশ্ব রক্ষার জন্য করেছিলেন। অপরের সর্বনাশ করা ঘোর পাপ।


.......অষ্টম মহাবিদ্যা মা বগলামুখী......

জয় ধ্বনিঃ জয় জয়কারিনী শত্রুনাশিনী বগলা।

এক হস্তে এক ভরতচন্দ্র রায় তাঁর "অন্নদামঙ্গল" কাব্যে সরল বাংলায় খুব সুন্দর করে দেবী বগলামুখীর ধ্যানমন্ত্রটি তুলে ধরেছেন------

" ধূমাবতী দেখে ভীম সভয় হৈলা।
হইয়া বগলামুখী সতী দেখা দিলা।।
রত্নগৃহে রত্নসিংহাসনমধ্যস্থিতা।
পীতবর্ণা পীতবস্ত্রাভরণ ভূষিতা।।
এক হস্তে এক অসুরের জিহ্বা ধরি।
আর হস্তে মুদ্গর ধরিয়া উর্দ্ধ করি।।
চন্দ্র সূর্য অনল উজ্জ্বল ত্রিনয়ন।
ললাটমণ্ডলে চন্দ্রখণ্ড সুশোভন।।
দেখি ভয়ে ভোলানাথ যান পলাইয়া। "

সংস্কৃত ধ্যানটিতেও শেষাংশে আছে------

" জিহ্ববাগ্রমাদায় করেণ দেবীং, বামেন শত্রুন পরিপীড়য়ন্তীম্।
গদাভিঘাতেন চ দক্ষিণে ন পীতাম্বরাঢ্যাং দ্বিভুজাং নমামি।। "

অর্থাৎ , বাম হস্তে জিহ্বাগ্র টেনে ধরে শত্রুকে পীড়ন করতে করতে যিনি ডান হস্তদ্বারা গদার
আঘাত করছেন , সেই পীতবসনা দ্বিভুজা দেবীকে প্রণাম করি। দেবী বগলামুখী উগ্রস্বভাবা , তাঁর
সংহারমূর্তি। মহিষমর্দিনী দুর্গার সঙ্গে তাঁর সবদিক দিয়ে সৌসাদৃশ্য- অঙ্গবরণ , অসুরদলনী ভূমিকা , ত্রিনয়ন, প্রায়ে সবটাই এক। পরমাত্মার সংহারশক্তিই হলে দেবী বগলা। সুতরাং , সর্বাভীষ্টদাত্রী এই দেবীকে সাধক আরাধনা করেন বাকসিদ্ধি ও শত্রুভয়মুক্তির জন্য। মহাবিদ্যাগণের মধ্যে এঁর ভূমিকা অন্যন্যসাধারণ।

মা বগলা হলেন দশ মহাবিদ্যার মধ্যে এক অভিনব দেবীমূর্তি।ইনিই দেবী বগলামুখী। মা বগলা তন্ত্রের বিখ্যাত শক্তি মূর্তি। ইনি পৃথিবীতে অসাধ্য-সাধনের অধিকারী। বগলামুখীর মন্ত্র জপ ও পুরশ্চরণে অসম্ভবও সম্ভব হয়। ঠিক ঠিক ক্রিয়াদি সম্পন্ন হলে মায়ের ভক্ত সর্বদিকে বিজয় লাভ করেন। মা বগলা সন্তানকে সকলরকম জাগতিক শত্রুতা থেকে রক্ষা করেন এবং সেইসাথে সন্তানের ভিতরের পরম শত্রু ষড় থেকেও রক্ষা করেন। সেইসাথে ব্যাধি ও গ্রহের প্রকোপ থেকেও রক্ষা মায়ের এই রূপের শরণ নিলে। ঠিকমত মায়ের শরণ নিলে মা সন্তানকে তার প্রারব্ধ অনুসারে সব দুর্যোগ কাটিয়ে সুখ শান্তি ও সৌভাগ্য দেন।

তাঁর মন্ত্রেই আছে তাঁর রূপের বিবরণ ------

“মধ্যে সুধাব্ধিমণিমণ্ডপ রত্নবেদী
সিংহাসনোপরিগতাং পরিপীতবর্ণাং।
পীতাম্বরাভরণ মাল্য বিভূষিতাঙ্গীং
দেবীং স্মরামি ধৃতমুদ্গর বৈরি জিহ্বাম্ ।।
জিহ্ববাগ্রমাদায় করেণ দেবীং
বামেন শত্রুন পরিপীড়য়ন্তীম্।
গদাভিঘাতেন চ দক্ষিণে ন পীতাম্বরাঢ্যাং দ্বিভুজাং নমামি।”

অর্থাৎ , বলা হচ্ছে যে সুধাসাগরের মধ্যে মণিমণ্ডপ, তার উপর রত্নবেদী , সেই বেদীতে রাখা সিংহাসনে দেবী বগলা আসীন রয়েছেন। তাঁর গায়ের রং হলদে। হলদে রং-এর কাপড়‌ , সেই রং-এর অলঙ্কার ও মালায় তিনি বিভূষিতা। তিনি বাম হাতে শ্যামল বর্ণবিশিষ্ট শত্রু অসুরের জিভ টেনে রেখেছেন ও অন্য হাতে গদা নিয়ে তাকে প্রহার করছেন। ইনিও তমোগুণ প্রধানা। ইনি জীবের দারিদ্র দুঃখরূপ অসুরের হাত থেকে ও শত্রুর হাত থেকে জীবকে রক্ষা করেন। এই তন্ত্রোক্ত দেবীর কৃপায় জীবের জীবনের নানা অশুভ অশান্তি দূর হয়।এঁর উৎপত্তি সম্পর্কে স্বতন্ত্র তন্ত্রে সংক্ষেপে বলা হয়েছে-সত্যযুগে পৃথিবীর বিনাশের জন্য একবার প্রচণ্ড প্রলয়ঝড়ের উদ্ভব হয়েছিল , তাতে পালনকর্তা বিষ্ণু খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তিনি আদ্যাশক্তি মহামায়ার শরণ নেন এই বিপদ থেকে ধরিত্রীকে রক্ষা করবার জন্য। ত্রিপুরাম্বিকা দেবী সেই তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে একটি হলুদ রং-এর হ্রদ সৃষ্টি করে তার মধ্যে এক মঙ্গলবারে চতুর্দশী তিথিতে বীর রাত্রির মধ্যভাগে জলক্রীড়ায় নিজের রূপ সৃষ্টি করেন - ইনি বিষ্ণুতেজোময়ী দেবী বগলামুখী। দেবী বগলামুখী ভগবান বিষ্ণুকে দর্শন দিলেন। ভগবান বিষ্ণু মা বগলার কাছে স্তম্ভন বিদ্যা পেয়ে ঐ বিশ্ব ঝড় কে স্তম্ভন করে জগত ও জগতের জীব কূলকে রক্ষা করলেন । এই দেবীর পূজা সাধারণত দৈবী প্রকোপ শান্ত হয়। ইনি ভোগ ও মুক্তি দুটি প্রদান করেন।

বগলামুখী বা বগলা (দেবনাগরী: बगलामुखी) হলেন হিন্দু দশমহাবিদ্যা দেবমণ্ডলীর অন্তর্গত অন্যতম দেবী। তিনি ভক্তের মানসিক ভ্রান্তি নাশের (অথবা শত্রু নাশের) দেবী। তাঁর অস্ত্র মুগুর। উত্তর ভারতে তিনি পীতাম্বরী নামেও পরিচিত। "বগলামুখী" শব্দটি "বগলা" (অর্থাৎ , ধরা) এবং "মুখ" শব্দদুটি থেকে উৎপন্ন। এই শব্দটির অর্থ যিনি যাঁর মুখ কোনো কিছুর নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিতে সমর্থ। অন্য একটি অর্থে , যিনি মুখ তুলে ধরেছেন।

বগলামুখীর গায়ের রং সোনালি এবং তাঁর কাপড়ের রং হলুদ। তিনি হলুদ পদ্মের ভরা অমৃতের সমুদ্রের মাঝে একটি হলুদ সিংহাসনে বসে থাকেন। তাঁর মাথায় অর্ধচন্দ্র শোভা পায়। দুটি পৃথক বর্ণনার একটিতে তাঁকে দ্বিভূজা ও অপরটিতে তাঁকে চতুর্ভূজা বলা হয়েছে।

বগলামুখীর দ্বিভূজা মূর্তি পূজার প্রচলনই বেশি। এই মূর্তিটিকে সৌম্য মূর্তি ধরা হয়। এই মূর্তিতে তাঁর ডান হাতে থাকে গদা। এই গদা দিয়ে তিনি শত্রুকে প্রহার করেন। অন্যদিকে বাঁহাতে শত্রুর জিভটি টেনে ধরে থাকেন। এই মূর্তিটিকে অনেক সময় "সম্ভন" (শত্রুকে নিস্তব্ধ করে দিয়ে তাকে শক্তিহীন করা) প্রদর্শন হিসেবে ধরা হয়। এই বর লাভের জন্য ভক্তেরা তাঁর পূজা করে থাকে। অন্যান্য মহাবিদ্যাদেরও এই শক্তি আছে বলে ধরা হয়।

বগলামুখীকে" "পীতাম্বরা দেবী" বা "ব্রহ্মাস্ত্র-রূপিণী"ও বলা হয়। তিনি একটি গুণকে বিপরীত গুণে পরিবর্তন করতে পারেন বলে হিন্দুরা বিশ্বাস করেন। যেমন , তিনি বাক্যকে নিঃস্তব্ধতায় , জ্ঞানকে অজ্ঞানে , শক্তিকে শক্তিহীনতায় , পরাজয়কে জয়ে পরিবর্তন করেন।

বগলামুখী দেবী সম্পর্কে একটি গল্প প্রচলিত
আছে :------

এঁর উৎপত্তি সম্পর্কে স্বতন্ত্র তন্ত্রে সংক্ষেপে বলা হয়েছে-সত্যযুগে পৃথিবীর বিনাশের জন্য একবার প্রচণ্ড প্রলয়ঝড়ের উদ্ভব হয়েছিল , এই ঝড়ে যখন সকল সৃষ্টি ধ্বংসের সম্মুখীন হয় , তখন সকল দেবতা সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে একত্রিত হন। বিষ্ণু খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তিনি আদ্যাশক্তি মহামায়ার শরণ নেন এই বিপদ থেকে ধরিত্রীকে রক্ষা করবার জন্য। ত্রিপুরাম্বিকা দেবী সেই তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে একটি হলুদ রং-এর হ্রদ সৃষ্টি করে তার মধ্যে এক মঙ্গলবারে চতুর্দশী তিথিতে বীর রাত্রির মধ্যযামে জলক্রীড়ায় নিজের রূপ সৃষ্টি করেন , সেই ঝড় থামিয়ে দেন ও ধরিত্রীকে রক্ষা করেন-
ইনি বিষ্ণুতেজোময়ী দেবী-বগলামুখী। ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের দাতিয়া অঞ্চলের পীতাম্বরা পীঠমে হরিদ্রা সরোবরের অনুরূপ একটি হ্রদ রয়েছে।

বগলামুখী তন্ত্রের বিখ্যাত শক্তি মূর্তি-এঁর নামের অর্থ ব-কারে বারুণী দেবী, গ-কারে সিদ্ধিদায়িনী, ল-কারে পৃথিবী। ইনি পৃথিবীতে অসাধ্য-সাধনে অধিকারী। বগলামুখীর মন্ত্র জপ ও পুরশ্চরণে অসম্ভবও সম্ভব হয়। ঠিক ঠিক ক্রিয়াদি সম্পন্ন হলে পবনের গতি স্তব্ধ হয় , অগ্নি শীতল হয় , গর্বিতের গর্ব যায় , ক্ষিতিপতিও শংকিত হয়।

এই দেবীর প্রকাশ আমরা মা সারদার জীবনে
দেখি । মা সকলকে দীক্ষা দিতেন । ভক্তদের কৃপা করতেন । শ্রীমা সকলকে চেতনা দান করতেন । মানুষের মনে কাম , ক্রোধ , লোভ , মদ , মাৎসর্য আছে এগুলিকে ষড়রিপু বা ছয় শত্রু বলা হয় । শ্রীমা এই শত্রুদের দলিত করেছেন । যেমন মা বগলা শত্রু দলন করেন । শ্রীমায়ের ভক্ত সন্তান দের মনের মধ্যে অবস্থান কারী এই শত্রুদের তিনি তাঁর শক্তি দ্বারা দলিত করেছেন । ভক্তেরা মায়ের সান্নিধ্যে এসে পেয়েছেন অমৃত । মায়ের এখানেই বগলামুখী রূপ প্রস্ফুটিত ।

জৈনেক এক ভক্তের মুখে তাঁর স্বপ্ন বৃতান্ত শুনে স্বামীজী ইঙ্গিতে তাঁকে বলেছিলেন ,
“... ঐ মন্ত্র জপ করতে থাক , পরে সশরীরে সেই মন্ত্রদাত্রী মূর্তি দেখতে পাবি । তিনি বগলার অবতার , সরস্বতী মূর্তিতে বর্তমানে আবির্ভূতা । ... সময়ে বুঝতে পারবি । যখন দেখতে পাবি , দেখবি উপরে মহা শান্তভাব কিন্তু ভিতরে সংহারমূর্তি ; সরস্বতী অতি শান্ত কিনা।”

ঠাকুর মায়ের শান্ত সরস্বতী রুপের কথা জানিয়েছিলেন । কিন্তু তিনি যে সংহার মূর্তি বগলা এবং ‘জ্যান্ত দুর্গা’ - , যিনি দানব দলনী মহাশক্তি – একথা স্বামী বিবেকানন্দ গুরুভাই ও শিষ্যদের বলেন । তাঁর আর্ষদৃষ্টিতে শ্রী শ্রীমায়ের এই আশ্চর্য স্বরূপ উদ্ঘাটিত হয়েছিল ।

মায়ের এক সময় আমরা বগলা রূপ দেখি । ঘটনাটি মা স্বয়ং বলেছেন এই ভাবে ------
“ হরিশ এইসময় ( শ্রী রামকৃষ্ণের তিরোভাবের পর শ্রীমা যখন কামারপুকুরে আছেন ) কামারপুকুরে এসে কিছুদিন ছিল । একদিন আমি পাশের বাড়ি থেকে আসছি । এসে বাড়ির ভেতর যেই ঢুকেছি , অমনি হরিশ আমার পিছু পিছু ছুটছে । হরিশ তখন ক্ষেপা । পরিবার পাগল করে দিয়েছিল । তখন বাড়িতে আর কেউ নেই । আমি কোথায় যাই । তাড়াতাড়ি ধানের হামারের ( তখন ঠাকুরের জন্মস্থানের উপর ধানের গোলা ছিল ) চারদিকে ঘুরতে লাগলুম । ও আর কিছুতেই ছাড়ে না । সাতবার ঘুরে আমি আর পারলুম না । তখন... আমি নিজ মূর্তি ধরে দাঁড়ালুম । তারপর ওর বুকে হাঁটু দিয়ে জিভ টেনে ধরে গালে এমন চড় মারতে লাগলুম যে , ও হেঁ হেঁ করে হাঁপাতে লাগল । আমার হাতের আঙ্গুল লাল হয়ে গিছল ।” মা বগলার এক রূপ তিনি। মা বগলা স্বয়ং মায়ের মধ্যে তখন আবির্ভূতা । তিনি বগলা আবার তিনিই ষোড়শী ।

বিষ্ণুযামল তন্ত্রে বগলামুখীর অষ্টোত্তর শতনামে দেবীকে বন্দনা করে পীতবসনা , পীতভূষনভূষিতা , পীতপুস্পপ্রীতা , পীতহরা , পীতস্বরূপিনী । জয়রামবাটিতে একদা জৈনেক ভক্ত সন্তানকে শ্রী শ্রী মা নিজে মুখে বলেন – “ সাদা ফুল ঠাকুর ভালোবাসেন , হলুদ ফুল আমি ভালোবাসি ।” হলুদ ফুলের প্রতি তাঁর প্রীতি বগলামুখী সত্ত্বার পরিচায়ক ।

বগলামুখী মহাবিদ্যা , ব- বারুনী দেবী( অসুর দলনে উন্মত্তা), গ- সিদ্ধি দায়িনী( সর্ব প্রকার সিদ্ধি দেন) , ল- পৃথিবী( পৃথিবী যেমন সব সহ্য করেন, মা যেমন ছেলের সব দুষ্টামী সহ্য করে তাকে লালন পালন করে তেমনি মা বগলা তেমন সহ্য করেন) । ইঁহাই এঁনার অসীমা শক্তির কথা জানায়। এই দেবী এক হস্তে মুদ্গর ও অপর হস্তে ইনি অসুরের বা শত্রুর জিহ্বা টানিয়া থাকেন। দশমহাবিদ্যার মধ্যে অষ্টম মহাবিদ্যা হলেন বগলা । এই দেবী সিদ্ধ বিদ্যা ও পীতাম্বরবিদ্যা নামে প্রসিদ্ধা। এই দেবী শব বাহনা, শবের ওপর থাকেন। এই দেবীর পূজো বাংলাতে কম দেখা যায়। এই দেবীর সাথে দুর্গা , জগদ্ধাত্রী অল্প কিছুটা সাদৃশ্য আছে। এই দেবী ভয়ানক রূপ ধারিনী নন। দেবী উগ্র স্বভাবা । মানে অসুর নিধন কালে ইনি ভয়নাক মূর্তিতে আসেন। পরমাত্মার সংহার শক্তি হলেন মা বগলা। সাধক গণ নানা প্রকার সিদ্ধি, বাক সিদ্ধি , শত্রু দমনের জন্য এই দেবীর সাধনা করেন ।

তন্ত্রসার শাস্ত্রে এই দেবীর মাহাত্ম্য বলা হয়-----

" ব্রহ্মাস্ত্রং সংপ্রবক্ষ্যামি সদ্যঃ প্রত্যয়কারম্ ।
সাধকানাং হিতার্থায় স্তম্ভনায় চ বৈরিনাম্ ।।
যস্যাঃ স্মরণমাত্রেণ পবনোহপি স্থিরায়তে । "

ভারতের অসম রাজ্যের গুয়াহাটিতে অবস্থিত কামাখ্যা মন্দির তন্ত্রবিদ্যার কেন্দ্রস্থল। এখানে দশমহাবিদ্যার মন্দির আছে। এই মন্দিরের কয়েক মেইল দূরেই বগলামুখী মন্দিরের অবস্থান। উত্তর ভারতের হিমাচল প্রদেশ রাজ্যের বাণখণ্ডীতে , মধ্যভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের আগর মালব জেলার নলখেদা ও দাতিয়ার পীতাম্বরা পীঠে এবং দক্ষিণ ভারতের তামিল নাড়ু রাজ্যের তিরুনেলভেলি জেলার পাপানকুলাম জেলার কল্লাইদাইকুরিচিতে বগলামুখীর মন্দির আছে।

এই বগলামুখীর মন্ত্র ব্রহ্মাস্ত্র স্বরূপ। সাধক দের কাছে তা পরম সিদ্ধি , হিতকর। শত্রুকে স্তম্ভন কারী ব্রহ্মাস্ত্র রূপেও ব্যবহৃত হয় । এই বগলা মন্ত্রের প্রভাব এত যে বায়ু কেও রুদ্ধ করা যায়। অগ্নিও শীতল হয়। গর্বিতের গর্ব চূর্ণ হয়। ক্ষিতিপতিও শঙ্কিত হন । মা বগলার ধ্যান মন্ত্রে শত্রু দলনী দেবী দুর্গার স্মরণ করা হয়। মা দুর্গা , দেব শত্রু মহিষ ও তার সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করেছিলেন।

সাধারণত শত্রু দমনের জন্য এই বিদ্যা প্রয়োগ করা হয়। কেন কি দেবী শত্রু দমন করেন । কিন্তু দেখা গেছে দুর্মতি তান্ত্রিক রা অর্থের লোভে অনেক সময় অপরের সর্বনাশ করে ফেলেন। মারন , উচাটণ , বশীকরণ , স্তম্ভন এগুলি করে থাকেন। জাগতিক সুখের জন্য মায়ের বিদ্যা প্রয়োগ করেন। মায়ের বিদ্যা কেবল শুভ কাজের জন্যই প্রয়োগ করা উচিৎ। যেমন ভগবান বিষ্ণু বিশ্ব রক্ষার জন্য করেছিলেন। অপরের সর্বনাশ করা ঘোর পাপ। যেসব তান্ত্রিক নিরীহ লোকের সর্বনাশ করেন এই সব মন্ত্র বিদ্যা দিয়ে- তাদের যে মা কি ভয়ানক শাস্তি দেন, তা কল্পনার বাইরে । আর যে সব লোক টাকা পয়সা দিয়ে এই সব তান্ত্রিক দের উৎসাহিত করেন ব্যাক্তিগত আক্রোশ মেটানোর জন্য – জন্ম জন্মান্তরেও তারা মায়ের কোপ থেকে নিস্কৃতি পান না । শত্রু বাইরে থাকেনা , শত্রু আছে নিজের মধ্যেই । মা সারদা বলতেন- দোষ দেখবে নিজের । আমাদের মধ্যে যে ষড় রিপু আছে, যাদের নিষ্পেষণে আমরা নানান পাপাচার করে থাকি এগুলো কিন্তু কোন অসুর বা শত্রুর থেকে কম নয়। এরা আধ্যাত্মিক পথ বন্ধ করে নরকের রাস্তা পরিষ্কার করে।


বগলা:
দশমহাবিদ্যার অষ্টম রূপ বগলা। রুরু নামক দৈত্যের পুত্র দুর্গম দেবতাদের চেয়ে বলশালী হওয়ার জন্য ব্রহ্মার তপস্যা করে বরপ্রাপ্ত হন। দেবতারা তখন দেবী ভগবতীর আরধনা করেন। দেবী আর্বির্ভূত হয়ে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। দেবীর গায়ের বর্ণ পীত। বসন পীত বর্ণ। সুধা সমুদ্রের মাঝে সিংহাসনে উপবিষ্টা। এঁর বাহন শব। দ্বিভূজ দেবী বাম হাতে দুর্গম অসুরের জিহবা ধরে ডান হাতে গদা দিয়ে শত্র দমন করেন। এই যুদ্ধে দেবীর দেহ হাতে কালী, তারা, ভৈরবী, রমা, মাতঙ্গী, বগলা,কামাক্ষী, জম্ভিনী, মোহিনী, ছিন্নমুণ্ডা, গুহ্যকালী প্রভৃতি মহাশক্তি বের হয়ে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন।

॥ শ্রীবগলামুখীস্তোত্রম্ ॥

ॐ শ্রীগণেশায় নমঃ ।

চলত্কনককুণ্ডলোল্লসিতচারুগণ্ডস্থলীং
লসত্কনকচম্পকদ্যুতিমদিন্দুবিম্বাননাম্ ।
গদাহতবিপক্ষকাং কলিতলোলজিহ্বাঞ্চলাং
স্মরামি বগলামুখীং বিমুখবাঙ্মনস্স্তম্ভিনীম্ ॥ ১॥

পীয়ূষোদধিমধ্যচারুবিলদ্রক্তোত্পলে মণ্ডপে
সত্সিংহাসনমৌলিপাতিতরিপুং প্রেতাসনাধ্যাসিনীম্ ।
স্বর্ণাভাং করপীডিতারিরসনাং ভ্রাম্যদ্গদাং বিভ্রতীমিত্থং
ধ্যায়তি য়ান্তি তস্য সহসা সদ্যোঽথ সর্বাপদঃ ॥ ২॥

দেবি ত্বচ্চরণাম্বুজার্চনকৃতে য়ঃ পীতপুষ্পাঞ্জলীন্ভক্ত্যা
বামকরে নিধায় চ মনুং মন্ত্রী মনোজ্ঞাক্ষরম্ ।
পীঠধ্যানপরোঽথ কুম্ভকবশাদ্বীজং স্মরেত্পার্থিবং
তস্যামিত্রমুখস্য বাচি হৃদয়ে জাড্যং ভবেত্তত্ক্ষণাত্ ॥ ৩॥

বাদী মূকতি রঙ্কতি ক্ষিতিপতির্বৈশ্বানরঃ শীততি ক্রোধী
শাম্যতি দুর্জনঃ সুজনতি ক্ষিপ্রানুগঃ খঞ্জতি ।
গর্বী খর্বতি সর্ববিচ্চ জডতি ত্বন্মন্ত্রিণা য়ন্ত্রিতঃ
শ্রীর্নিত্যে বগলামুখি প্রতিদিনং কল্যাণি তুভ্যং নমঃ ॥ ৪॥

মন্ত্রস্তাবদলং বিপক্ষদলনে স্তোত্রং পবিত্রং চ তে
য়ন্ত্রং বাদিনিয়ন্ত্রণং ত্রিজগতাং জৈত্রং চ চিত্রং চ তে ।
মাতঃ শ্রীবগলেতি নাম ললিতং য়স্যাস্তি জন্তোর্মুখে
ত্বন্নামগ্রহণেন সংসদি মুখে স্তম্ভো ভবেদ্বাদিনাম্ ॥ ৫॥

দুষ্টস্তম্ভনমুগ্রবিঘ্নশমনং দারিদ্র্যবিদ্রাবণং
ভূভৃত্সন্দমনং চলন্মৃগদৃশাং চেতঃসমাকর্ষণম্ ।
সৌভাগ্যৈকনিকেতনং সমদৃশঃ কারুণ্যপূর্ণেক্ষণম্
মৃত্যোর্মারণমাবিরস্তু পুরতো মাতস্ত্বদীয়ং বপুঃ ॥ ৬॥

মাতর্ভঞ্জয় মদ্বিপক্ষবদনং জিহ্বাং চ সঙ্কীলয়
ব্রাহ্মীং মুদ্রয় দৈত্যদেবধিষণামুগ্রাং গতিং স্তম্ভয় ।
শত্রূংশ্চূর্ণয় দেবি তীক্ষ্ণগদয়া গৌরাঙ্গি পীতাম্বরে
বিঘ্নৌঘং বগলে হর প্রণমতাং কারুণ্যপূর্ণেক্ষণে ॥ ৭॥

মাতর্ভৈরবি ভদ্রকালি বিজয়ে বারাহি বিশ্বাশ্রয়ে
শ্রীবিদ্যে সময়ে মহেশি বগলে কামেশি বামে রমে ।
মাতঙ্গি ত্রিপুরে পরাত্পরতরে স্বর্গাপবর্গপ্রদে
দাসোঽহং শরণাগতঃ করুণয়া বিশ্বেশ্বরি ত্রাহি মাম্ ॥ ৮॥

সংরম্ভে চৌরসঙ্ঘে প্রহরণসময়ে বন্ধনে ব্যাধিমধ্যে
বিদ্যাবাদে বিবাদে প্রকুপিতনৃপতৌ দিব্যকালে নিশায়াম্ ।
বশ্যে বা স্তম্ভনে বা রিপুবধসময়ে নির্জনে বা বনে বা
গচ্ছংস্তিষ্ঠংস্ত্রিকালং য়দি পঠতি শিবং প্রাপ্নুয়াদাশু ধীরঃ ॥ ৯॥

ত্বং বিদ্যা পরমা ত্রিলোকজননী বিঘ্নৌঘসঞ্ছেদিনী
য়োষিত্কর্ষণকারিণী জনমনঃসম্মোহসন্দায়িনী ।
স্তম্ভোত্সারণকারিণী পশুমনঃসম্মোহসন্দায়িনী
জিহ্বাকীলনভৈরবী বিজয়তে ব্রহ্মাদিমন্ত্রো য়থা ॥ ১০॥

বিদ্যা লক্ষ্মীর্নিত্যসৌভাগ্যমায়ুঃ পুত্রৈঃ পৌত্রৈঃ সর্বসাম্রাজ্যসিদ্ধিঃ ।
মানো ভোগো বশ্যমারোগ্যসৌখ্যং প্রাপ্তং তত্তদ্ভূতলেঽস্মিন্নরেণ ॥ ১১॥

ত্বত্কৃতে জপসন্নাহং গদিতং পরমেশ্বরি ।
দুষ্টানাং নিগ্রহার্থায় তদ্গৃহাণ নমোঽস্তু তে ॥ ১২॥

পীতাম্বরাং চ দ্বিভুজাং ত্রিনেত্রাং গাত্রকোমলাম্ ।
শিলামুদ্গরহস্তাং চ স্মরে তাং বগলামুখীম্ ॥ ১৩॥

ব্রহ্মাস্ত্রমিতি বিখ্যাতং ত্রিষু লোকেষু বিশ্রুতম্ ।
গুরুভক্তায় দাতব্যং ন দেয়ং য়স্য কস্যচিত্ ॥ ১৪॥

নিত্যং স্তোত্রমিদং পবিত্রমিহ য়ো দেব্যাঃ পঠত্যাদরাদ্ধৃত্বা
য়ন্ত্রমিদং তথৈব সমরে বাহৌ করে বা গলে ।
রাজানোঽপ্যরয়ো মদান্ধকরিণঃ সর্পা মৃগেন্দ্রাদিকাস্তে
বৈ য়ান্তি বিমোহিতা রিপুগণা লক্ষ্মীঃ স্থিরা সিদ্ধয়ঃ ॥ ১৫॥

॥ ইতি শ্রীরুদ্রয়ামলে তন্ত্রে শ্রীবগলামুখীস্তোত্রং সমাপ্তম্ ॥

॥ অপরাধক্ষমাপণস্তোত্রম্ ॥

ওঁ অপরাধশতং কৃত্বা জগদম্বেতি চোচ্চরেত্ ।
য়াং গতিং সমবাপ্নোতি ন তাং ব্রহ্মাদয়ঃ সুরাঃ ॥ ১॥

সাপরাধোঽস্মি শরণং প্রাপ্তস্ত্বাং জগদম্বিকে ।
ইদানীমনুকম্প্যোঽহং য়থেচ্ছসি তথা কুরু ॥ ২॥

অজ্ঞানাদ্বিস্মৃতের্ভ্রোন্ত্যা য়ন্ন্যূনমধিকং কৃতম্ ।
তত্সর্বং ক্ষম্যতাং দেবি প্রসীদ পরমেশ্বরি ॥ ৩॥

কামেশ্বরি জগন্মাতঃ সচ্চিদানন্দবিগ্রহে ।
গৃহাণার্চামিমাং প্রীত্যা প্রসীদ পরমেশ্বরি ॥ ৪॥

সর্বরূপময়ী দেবী সর্বং দেবীময়ং জগত্ ।
অতোঽহং বিশ্বরূপাং ত্বাং নমামি পরমেশ্বরীম্ ॥ ৫॥

য়দক্ষরং পরিভ্রষ্টং মাত্রাহীনঞ্চ য়দ্ভবেত্ ।
পূর্ণং ভবতু তত্ সর্বং ত্বত্প্রসাদান্মহেশ্বরি ॥ ৬॥

য়দত্র পাঠে জগদম্বিকে ময়া
বিসর্গবিন্দ্বক্ষরহীনমীরিতম্ ।
তদস্তু সম্পূর্ণতমং প্রসাদতঃ
সঙ্কল্পসিদ্ধিশ্ব সদৈব জায়তাম্ ॥ ৭॥

য়ন্মাত্রাবিন্দুবিন্দুদ্বিতয়পদপদদ্বন্দ্ববর্ণাদিহীনং
ভক্ত্যাভক্ত্যানুপূর্বং প্রসভকৃতিবশাত্ ব্যক্ত্তমব্যক্ত্তমম্ব ।
মোহাদজ্ঞানতো বা পঠিতমপঠিতং সাম্প্রতং তে স্তবেঽস্মিন্
তত্ সর্বং সাঙ্গমাস্তাং ভগবতি বরদে ত্বত্প্রসাদাত্ প্রসীদ ॥ ৮॥

প্রসীদ ভগবত্যম্ব প্রসীদ ভক্তবত্সলে ।
প্রসাদং কুরু মে দেবি দুর্গে দেবি নমোঽস্তু তে ॥ ৯॥

॥ ইতি অপরাধক্ষমাপণস্তোত্রং সমাপ্তম্॥


তান্ত্রিক নিরীহ লোকের সর্বনাশ করেন এই সব মন্ত্র বিদ্যা দিয়ে- তাদের যে মা কি ভয়ানক শাস্তি দেন, তা কল্পনার বাইরে। আর যে সব লোক টাকা পয়সা দিয়ে এই সব তান্ত্রিক দের উৎসাহিত করেন ব্যাক্তিগত আক্রোশ মেটানোর জন্য – জন্ম জন্মান্তরেও তারা মায়ের কোপ থেকে নিস্কৃতি পান না। শত্রু বাইরে থাকেনা, শত্রু আছে নিজের মধ্যেই। মা সারদা বলতেন- দোষ দেখবে নিজের। আমাদের মধ্যে যে ষড় রিপু আছে, যাদের নিষ্পেষণে আমরা নানান পাপাচার করে থাকি এগুলো কিন্তু কোন অসুর বা শত্রুর থেকে কম নয়। এরা আধ্যাত্মিক পথ বন্ধ করে নরকের রাস্তা পরিষ্কার করে।

উত্তর ভারতে তিনি পীতাম্বরী নামেও ভারতের অসম রাজ্যের গুয়াহাটিতে অবস্থিত কামাখ্যা মন্দির তন্ত্রবিদ্যার কেন্দ্রস্থল। এখানে দশমহাবিদ্যার মন্দির আছে। এই মন্দিরের কয়েক মাইল দূরেই বগলামুখী মন্দিরের অবস্থান। উত্তর ভারতের হিমাচল প্রদেশ রাজ্যের বাণখণ্ডীতে, মধ্যভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের আগর মালব জেলার নলখেদা ও দাতিয়ারপীতাম্বরা পীঠে এবং দক্ষিণ ভারতের তামিল নাড়ুরাজ্যের তিরুনেলভেলি জেলার পাপানকুলাম জেলার কল্লাইদাইকুরিচিতে এবং পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাতেও বগলামুখীর মন্দির আছে।


মা বগলামুখী ধ্যান ও শোস্ত্রমঃ
=============
মধ্যে সুধাব্ধিমণিমণ্ডপরত্নবেদী সিংহাসনোপরিগতাং পরিপীতবর্ণাম্।
পীতাম্বরং কণকমাল্যবিভূষিতাঙ্গীং দেবীং স্মরামি ধৃতমুদ্গর বৈরিজিহ্বাম্।।
জিহ্ববাগ্রমাদায় করেণ দেবীং,বামেন শত্রুন্ পরিপীড়য়ন্তীম্।
গদাভিঘাতেন চ দক্ষিণে ন পীতাম্বরাঢ্যাং দ্বিভুজাং নমামি।

--- মুণ্ডমালা তন্ত্র অনুসারে দশমহাবিদ্যা হলেন কালী, তারা, ষোড়শী, ভৈরবী, ভুবনেশ্বরী, ছিন্নমস্তা, ধূমাবতী, বগলা, মাতঙ্গী ও কমলাকামিনী। মা বগলামুখী। ইনি অষ্টম মহাবিদ্যা। ইনি হলুদ পুস্প খুব ভালোবাসেন। এঁনার পূজোয় হলুদ পুস্প, হলুদ সিঁদুর দেওয়া হয়। মা বগলা কে শত্রু নাশের জন্য পূজো করা হয়। আমাদের অন্তরে যে রিপু, স্বার্থপরতা, হিংসা, অহংকার রুপী যে শত্রু আছে – আমরা তার বিনাশের জন্য মায়ের চরণে প্রার্থনা জানাবো। মা যেন সেই শত্রু গুলিকে নিপাত করেন।

মা বগলামুখী জপমন্ত্র ----
ওঁ হ্লীং বগলামুখি
সর্বদুষ্টানাং বাচং মুখং পদং স্তম্ভয়
জিহ্বাং কীলয়
বুদ্ধিং বিনাশয় হ্লীং ওঁ স্বাহা

॥ শ্রীবগলামুখীস্তোত্রম্ ॥

শ্রীগণেশায় নমঃ ।

চলত্কনককুণ্ডলোল্লসিতচারুগণ্ডস্থলীং
লসত্কনকচম্পকদ্যুতিমদিন্দুবিম্বাননাম্ ।
গদাহতবিপক্ষকাং কলিতলোলজিহ্বাংচলাং
স্মরামি বগলামুখীং বিমুখবাঙ্মনস্স্তম্ভিনীম্ ॥ ১॥

পীয়ূষোদধিমধ্যচারুবিলদ্রক্তোত্পলে মণ্ডপে
সত্সিংহাসনমৌলিপাতিতরিপুং প্রেতাসনাধ্যাসিনীম্ ।
স্বর্ণাভাং করপীডিতারিরসনাং ভ্রাম্যদ্গদাং বিভ্রতীমিত্থং
ধ্যায়তি য়ান্তি তস্য সহসা সদ্যোঽথ সর্বাপদঃ ॥ ২॥

দেবি ত্বচ্চরণাম্বুজার্চনকৃতে য়ঃ পীতপুষ্পাঞ্জলীন্ভক্ত্যা
বামকরে নিধায় চ মনুং মন্ত্রী মনোজ্ঞাক্ষরম্ ।
পীঠধ্যানপরোঽথ কুম্ভকবশাদ্বীজং স্মরেত্পার্থিবং
তস্যামিত্রমুখস্য বাচি হৃদয়ে জাড্যং ভবেত্তত্ক্ষণাত্ ॥ ৩॥

বাদী মূকতি রঙ্কতি ক্ষিতিপতির্বৈশ্বানরঃ শীততি ক্রোধী
শাম্যতি দুর্জনঃ সুজনতি ক্ষিপ্রানুগঃ খঞ্জতি ।
গর্বী খর্বতি সর্ববিচ্চ জডতি ত্বন্মন্ত্রিণা য়ন্ত্রিতঃ
শ্রীর্নিত্যে বগলামুখি প্রতিদিনং কল্যাণি তুভ্যং নমঃ ॥ ৪॥

মন্ত্রস্তাবদলং বিপক্ষদলনে স্তোত্রং পবিত্রং চ তে
য়ন্ত্রং বাদিনিয়ন্ত্রণং ত্রিজগতাং জৈত্রং চ চিত্রং চ তে ।
মাতঃ শ্রীবগলেতি নাম ললিতং য়স্যাস্তি জন্তোর্মুখে
ত্বন্নামগ্রহণেন সংসদি মুখে স্তম্ভো ভবেদ্বাদিনাম্ ॥ ৫॥

দুষ্টস্তম্ভনমুগ্রবিঘ্নশমনং দারিদ্র্যবিদ্রাবণং
ভূভৃত্সন্দমনং চলন্মৃগদৃশাং চেতঃসমাকর্ষণম্ ।
সৌভাগ্যৈকনিকেতনং সমদৃশঃ কারুণ্যপূর্ণেক্ষণম্
মৃত্যোর্মারণমাবিরস্তু পুরতো মাতস্ত্বদীয়ং বপুঃ ॥ ৬॥

মাতর্ভঞ্জয় মদ্বিপক্ষবদনং জিহ্বাং চ সঙ্কীলয়
ব্রাহ্মীং মুদ্রয় দৈত্যদেবধিষণামুগ্রাং গতিং স্তংভয় ।
শত্রূংশ্চূর্ণয় দেবি তীক্ষ্ণগদয়া গৌরাঙ্গি পীতাম্বরে
বিঘ্নৌঘং বগলে হর প্রণমতাং কারুণ্যপূর্ণেক্ষণে ॥ ৭॥

মাতর্ভৈরবি ভদ্রকালি বিজয়ে বারাহি বিশ্বাশ্রয়ে
শ্রীবিদ্যে সময়ে মহেশি বগলে কামেশি বামে রমে ।
মাতঙ্গি ত্রিপুরে পরাত্পরতরে স্বর্গাপবর্গপ্রদে
দাসোঽহং শরণাগতঃ করুণয়া বিশ্বেশ্বরি ত্রাহি মাম্ ॥ ৮॥

সংরম্ভে চৌরসঙ্ঘে প্রহরণসময়ে বন্ধনে ব্যাধিমধ্যে
বিদ্যাবাদে বিবাদে প্রকুপিতনৃপতৌ দিব্যকালে নিশায়াম্ ।
বশ্যে বা স্তম্ভনে বা রিপুবধসময়ে নির্জনে বা বনে বা
গচ্ছংস্তিষ্ঠংস্ত্রিকালং য়দি পঠতি শিবং প্রাপ্নুয়াদাশু ধীরঃ ॥ ৯॥

ত্বং বিদ্যা পরমা ত্রিলোকজননী বিঘ্নৌঘসংছেদিনী
য়োষিত্কর্ষণকারিণী জনমনঃসম্মোহসন্দায়িনী ।
স্তম্ভোত্সারণকারিণী পশুমনঃসম্মোহসন্দায়িনী
জিহ্বাকীলনভৈরবী বিজয়তে ব্রহ্মাদিমন্ত্রো য়থা ॥ ১০॥

বিদ্যা লক্ষ্মীর্নিত্যসৌভাগ্যমায়ুঃ পুত্রৈঃ পৌত্রৈঃ সর্বসাম্রাজ্যসিদ্ধিঃ ।
মানো ভোগো বশ্যমারোগ্যসৌখ্যং প্রাপ্তং তত্তদ্ভূতলেঽস্মিন্নরেণ ॥ ১১॥

ত্বত্কৃতে জপসন্নাহং গদিতং পরমেশ্বরি ।
দুষ্টানাং নিগ্রহার্থায় তদ্গৃহাণ নমোঽস্তু তে ॥ ১২॥

পীতাম্বরাং চ দ্বিভুজাং ত্রিনেত্রাং গাত্রকোমলাম্ ।
শিলামুদ্গরহস্তাং চ স্মরে তাং বগলামুখীম্ ॥ ১৩॥

ব্রহ্মাস্ত্রমিতি বিখ্যাতং ত্রিষু লোকেষু বিশ্রুতম্ ।
গুরুভক্তায় দাতব্যং ন দেয়ং য়স্য কস্যচিত্ ॥ ১৪॥

নিত্যং স্তোত্রমিদং পবিত্রমিহ য়ো দেব্যাঃ পঠত্যাদরাদ্ধৃত্বা
য়ন্ত্রমিদং তথৈব সমরে বাহৌ করে বা গলে ।
রাজানোঽপ্যরয়ো মদান্ধকরিণঃ সর্পা মৃগেন্দ্রাদিকাস্তে
বৈ য়ান্তি বিমোহিতা রিপুগণা লক্ষ্মীঃ স্থিরা সিদ্ধয়ঃ ॥ ১৫॥

॥ ইতি শ্রীরুদ্রয়ামলে তন্ত্রে শ্রীবগলামুখীস্তোত্রং সমাপ্তম্ ॥


মুণ্ডমালা তন্ত্র মতে দশমহাবিদ্যার রূপঃ-

"কালী তারা মহাবিদ্যা ষোড়শী ভুবনেশ্বরী ।
ভৈরবী ছিন্নমস্তা চ বিদ্যা ধূমাবতী তথা ।।
বগলা সিদ্ধিবিদ্যা চ মাতঙ্গী কমলাত্মিকা ।
এতা দশ মহাবিদ্যাঃ সিদ্ধবিদ্যা প্রকীর্ত্তিতাঃ "।।

দশমহাবিদ্যা হলেন- কালী, তারা , ষোড়শী,
ভুবনেশ্বরী, ভৈরবী, ছিন্নমুন্ডা, ধূমাবতী, বগলা,
মাতঙ্গী, কমলা ।

ব্যুৎপত্তি
মহাবিদ্যা কথাটি মূলত সংস্কৃত শব্দ। সংস্কৃত মহা (অর্থাৎ মহৎ) ও বিদ্যা (অর্থাৎ প্রকাশ, রূপ, জ্ঞান বা বুদ্ধি) শব্দদুটি থেকে মহাবিদ্যা কথাটির উৎপত্তি। এর সঙ্গে কখনও কখনও সংখ্যাবাচক দশ কথাটি যুক্ত হয়ে থাকে।
তবে মহাবিদ্যার সংখ্যা নিয়ে মতান্তর রয়েছে। এমনকি একটি মতে মহাবিদ্যার সংখ্যা ২৭ বলা হয়েছে। দুর্গা, কামাখ্যা ও অন্নপূর্ণাও মহাবিদ্যা। মালিনী বিজয় গ্রন্থের মতে, মহাবিদ্যা হলেন কালী, নীলা, মহাদুর্গা, ত্বরিতা, ছিন্নমস্তিকা, বাগ্বাদিনী, অন্নপূর্ণা, প্রত্যঙ্গিরা, কামাখ্যাবাসিনী, বালা, মাতঙ্গী ও শৈলবাসিনী।

শাক্তরা বিশ্বাস করেন , "একই সত্য দশটি ভিন্ন রূপে প্রকাশিত ; দিব্য জননী দশটি বিশ্বরূপে দৃষ্ট ও পূজিত হয়ে থাকেন ।” এই দশটি রূপই হল দশমহাবিদ্যা ।মহাবিদ্যাগণ প্রকৃতিগতভাবে তান্ত্রিক। তাঁদের সাধারণ নামগুলি হল:

কালী : সর্বসংহারকারিনী, জন্ম ও শক্তির দেবী। কালীকুল সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ দেবী।
তারা : পথপ্রদর্শক ও রক্ষাকারিনী (তারিনী) দেবী। বিশ্বের উৎস হিরণ্যগর্ভের শক্তি এবং মহাশূন্যের প্রতীক।
ত্রিপুরসুন্দরী বা ললিতা-ত্রিপুরসুন্দরী (ষোড়শী) : পূর্ণতা ও পূর্ণাঙ্গতার স্বরূপ। শ্রীকুল সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ দেবী। তান্ত্রিক পার্বতী নামে পরিচিতা।
ভুবনেশ্বরী : বিশ্বজননী। পার্থিব জগতের শক্তিসমূহের প্রতীক।
ভৈরবী : ভয়ংকরী দেবী। সেই কামনা ও প্রলোভনের স্বরূপ যা মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যায়।
ছিন্নমস্তা : উলঙ্গিনী দেবীমূর্তি। তিনি স্বহস্তে নিজ মস্তক ছিন্ন করে নিজ রক্ত নিজেই পান করেন। চক্রপথে আত্মধ্বংস ও আত্মপুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে সৃষ্ট জগতের অবিরাম বিদ্যমানতার শক্তির প্রতীক।
ধূমাবতী : বিধবা দেবীমূর্তি। অগ্নির দ্বারা জগৎ ধ্বংসের পর ভষ্মরাশির মধ্য থেকে যে ধূম নির্গত হয়, তার স্বরূপ। তিনি কখনও কখনও অলক্ষ্মী বা জ্যেষ্ঠাদেবী নামেও অভিহিতা হন।
বগলামুখী : শত্রুনিষ্ক্রিয়কারিনী দেবী। ঈর্ষা, ঘৃণা ও নিষ্ঠুরতার মতো মানবচরিত্রের অন্ধকার দিক নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁকে সারস-মুণ্ড রূপেও কল্পনা করা হয়।
মাতঙ্গী : কর্তৃত্ব শক্তির দেবী। জাতিহীন দেবী (কালীকুল সম্প্রদায়ে), ললিতার প্রধানমন্ত্রী (শ্রীকুল সম্প্রদায়ে); তান্ত্রিক সরস্বতী।
কমলাকামিনী : বরাভয় প্রদায়িনী শুদ্ধ চৈতন্যের দেবী। ভাগ্যদেবী লক্ষ্মীর অন্যরূপ। তান্ত্রিক লক্ষ্মী নামেও অভিহিতা।

দশমহাবিদ্যা ও নবগ্রহের সম্পর্ক :
১ .শনিগ্রহের ইষ্টদেবী কালীকা
২. গুরুগ্রহ বা বৃহস্পতির ইষ্টদেবী তারা
৩.বুধগ্রহের ইষ্টদেবী ষোড়শী
৪.চন্দ্রের ইষ্টদেবী কমলা বা কমলাকামিনী
৫.ভৈরবী সময় ও লগ্নের নিয়ন্ত্রণ করে
৬.রাহুগ্রহের ইষ্টদেবী প্রচণ্ড চন্ডিকা ছিন্নমস্তা
৭.কেতুগ্রহের ইষ্টদেবী ধূমাবতী
৮.মঙ্গলগ্রহের ইষ্টদেবী বগলামুখী
৯.সূর্যগ্রহের ইষ্টদেবী মাতঙ্গী
১০. শুক্রগ্রহের ইষ্টদেবী ভুবনেশ্বরী

মহাভাগবত পুরাণ ও বৃহদ্ধর্ম পুরাণ–এ ত্রিপুরসুন্দরীকে দেবীরই অপর নাম ষোড়শী নামে অভিহিত করা হয়েছে। গুহ্যাতিগুহ্য তন্ত্রে বলা হয়েছে মহাবিদ্যাগণই হলেন বিষ্ণু দশ অবতারের উৎস। দেবীর এই দশ রূপ, তা ভয়ংকরই হোক বা কোমল, বিশ্বজননী রূপে পূজিত হয়।

পৌরাণিক উপাখ্যান
বৃহদ্ধর্ম পুরাণ–এ বর্ণিত কাহিনি অনুসারে, শিব ও তাঁর স্ত্রী তথা পার্বতীর পূর্বাবতার দাক্ষায়ণী সতীর মধ্যে একটি দাম্পত্য কলহ দশমহাবিদ্যার উৎস। সতীর পিতা দক্ষ শিব ও সতীর বিবাহে মত দেননি। তাই তিনি যখন যজ্ঞের আয়োজন করেন তখন নববিবাহিত শিব-সতীকে আমন্ত্রণ জানান না। সতী বিনা আমন্ত্রণেই পিতৃগৃহে যেতে চাইলে শিব বারণ করেন। ক্রুদ্ধ সতী স্বামীর অনুমতি আদায়ের জন্য তৃতীয় নয়ন থেকে আগুন বের করতে থাকেন এবং কালী বা শ্যামায় রূপান্তরিত হন। এই মূর্তি দেখে ভীত শিব পলায়ন করতে গেলে সতী দশ মহাবিদ্যার রূপ ধারণ করে শিবকে দশ দিক দিয়ে ঘিরে ফেলেন। এরপর শিব তাঁকে দক্ষযজ্ঞে উপস্থিত থাকার অনুমতি দান করেন।



পূজা পদ্ধতি
মা সন্তোষীর পূজাতে টক বস্তু, আমিষ দ্রব্য প্রদান নিষেধ । সাধারণত আমিষ দ্রব্যকে তমঃ গুন সম্পন্ন আহার বলা হয় । টক পদার্থ হল রজগুনী আহার । মিষ্ট দ্রব্য হল সত্ত্ব গুনী আহার । মায়ের ভক্তদের ঐ তম, রজ গুনের ওপরে সত্ত্ব গুনে অধিষ্ঠিত হতে হয় । তাই ভক্ত গন মাকে কেবল মিষ্ট দ্রব্য ভোগে অর্পণ করেন। মায়ের প্রসাদ গো জাতীয় প্রানীকে অল্প প্রদান করার নিয়ম। কারন গো মাতা হিন্দু দিগের আরাধ্য। গো জাতিকে রক্ষা ও ভরন পোষণের জন্য এই নিয়ম । প্রতি শুক্রবারে মায়ের ব্রত করার নিয়ম। মায়ের পূজোতে সরিষার তৈল নিষেধ। ঘিয়ের প্রদীপ দিতে হয়। সরষের তেল রজ গুনী। তাই একাদশী তিথিতে সরিষার তৈল বর্জনীয় । শুক্রবারে স্নান সেড়ে শুদ্ধ বস্ত্রে মায়ের পূজো করতে হবে। তিথি নক্ষত্র দোষ নেই এই পূজাতে।
সাধারণত উদযাপন ছাড়া এই পূজোতে পুরোহিত লাগে না। সবাই করতে পারবেন । খেয়াল রাখবেন এই দিন গৃহে কোন সদস্য বা যিনি ব্রত পূজা করবেন- ভুলেও যেনো টক পদার্থ না গ্রহণ করেন। অনান্য সদস্য গন হোটেলে বা রেষ্টুডেন্ট, বিয়ে , অন্নপ্রাশনে খাবেন না। ঘট স্থাপন করবেন বট, কাঠাল, পাকুড় পল্লব দ্বারা। আম পল্লব দেবেন না । পূজোতে সব পুষ্পই চলবে। বিল্বপত্র আবশ্যক । ঘটে পুত্তলিকা অঙ্কন করবেন সিঁদুরে ঘি মিশিয়ে। ঘি প্রদীপ পূজাতে ব্যবহার করবেন । ঘটে গোটা ফল হিসাবে কলা দেবেন । এরপর আচমন , বিষ্ণু স্মরণ, আসন শুদ্ধি, সূর্য অর্ঘ, সঙ্কল্প করে গুরুদেব ও পঞ্চ দেবতার পূজা করে মায়ের পূজা করবেন । ধ্যান মন্ত্র প্রনাম মন্ত্র বলবেন । মনের প্রার্থনা মায়ের চরণে জানাবেন। পূজা শেষে মায়ের প্রসাদ গোমাতা কে অল্প দিয়ে নিজে গ্রহণ করবেন ।
এই ভাবে ১৬ শুক্রবার ব্রত করবেন । ভোগে দেবেন ভেজানো ছোলা ও আঁখের গুড়। ইচ্ছা হলে মিষ্ট ফল নিবেদন করতে পারেন । শুক্রবার যিনি ব্রত করবেন সারা দিন উপবাস থাকবেন । দুধ, ছোলা ঘিতে আলু সহিত ভেজে, মিষ্ট ফল, জল গ্রহণ করবেন । অসমর্থ হলে একবেলা উপবাস রেখে অপর বেলা আলু সেদ্ধ, ঘি, আতপ অন্ন গ্রহণ করতে পারেন । ১৬ শুক্রবার ব্রত হলে উদযাপন করবেন । উদযাপনের দিন ৭ টি বালককে ভোজোন করাবেন । খেয়াল রাখবেন সাত বালক যেনো সেই দিন টক বস্তু না খায় । উদযাপনের দিন ১৬ টি নিমকী চিনির রসে ডুবিয়ে মায়ের কাছে উৎসর্গ করবেন। ছানা থেকে তৈরী কোন মিষ্টি মাকে দেবেন না। উদযাপনের দিন মায়ের কাছে একটি নারকেল ফাটিয়ে নারকেলের জল মায়ের চরণে দেবেন । নারকেল মায়ের সামনে ফাটাবেন এক আঘাতে। ফাটানোর সময় মায়ের নামে জয়ধ্বনি দেবেন । এই ভাবে মা সন্তোষীর ব্রত করুন। দেখবেন মায়ের কৃপায় আপনার জীবন সুখে শান্তিতে ভরে যাবে । মায়ের কৃপায় সব অমঙ্গল, দুঃখ, অশান্তি নষ্ট হবে ।

শ্রী শ্রী সন্তোষী মায়ের ৩৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
সর্বসিদ্ধিদাতা গনেশ নন্দিনী শ্রী শ্রী সন্তোষী মাতা পরম কল্যানময়ী। শ্রী শ্রী সন্তোষী মাতা দেবী মহামায়ার অন্য একটি রুপ। ভক্তদের জীবনের সুখ-শান্তি, ধন, যশ সহ সার্বিক মঙ্গল কামনায় ভক্তরা ছুটে আসে শ্রী শ্রী সন্তোষী মায়ের চরণে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রতি শুক্রবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় শ্রী শ্রী সন্তোষী মায়ের পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মায়ের পূজার ৩৮ বছর পূর্ণ হয়েছে।
৩৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজার আয়োজন করা হয়। উক্ত পূজা পরিচালনায় নিয়জিত ছিলেন পঙ্কজ কুমার দেবনাথ, এম পি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ স্বেচ্ছা সেবকলীগ; লিটন কৃষ্ণ দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বাংলাদেশ; গোপাল রাম গৌড়, সুচিন্ত কুমার সাহা, তাপস বিশ্বাস, প্রদীপ আচার্য, বিশ্বজিত নাহা।
সন্তোষী মার পূজা উপলক্ষে ভক্তদের জন্য ব্রতের যাবতীয় সকল আয়োজন করা হয়। ভক্তরা বৃহস্পতিবার আমিষ জাতীয় খাবার গ্রহন থেকে বিরত থাকে এবং পরদিন শুক্রবার উপবাস থেকে স্নান করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে মন্দিরে আসে। এখানে এসে তারা প্রস্তুত করে রাখা ছোলা, গুড়, ফুল, বেলপাতা ও দূর্বা দিয়ে সাজানো প্রাত্র নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে বসে মায়ের ব্রতকথা শ্রবন করে।
ব্রত কথা শেষ হওয়ার পর সকলে মায়ের চরণে অঞ্জলী প্রদান করে। অঞ্জলী প্রদানের পর মায়ের আরতি হয় এবং প্রত্যেক ব্রতী ভক্তরা সারিবদ্ধভাবে মায়ের ঘিয়ের ও কর্পূরের আভা, চরণমৃত এবং ছোলা-গুড় নিয়ে উপবাস ভঙ্গ করে। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট স্থানে বসে প্রসাদ গ্রহন করে। যাদের ১৬ টি ব্রত পূর্ণ হয় তারা ব্রতের উদযাপন করে।
উদযাপনের দিন সেই ভক্ত মায়ের উদ্দেশ্যে একটি নারিকেল ভাঙ্গে। এবং তার সাধ্য অনুযায়ী মায়ের কাছে আড়াই সের খাজা ও অন্যান্য ভোগ নিবেদেন করে। ঐ দিন সেই ভক্ত বালক ভোজন আর ব্রাহ্মণ ভোজনের আয়োজনও করে। আর সকলের প্রসাদ গ্রহনের পর সে নিজে প্রসাদ গ্রহণ করে। শুক্রবার দিন সকল ভক্ত ও প্রসাদ গ্রহণ কারীর টক জাতীয় কোন খাদ্য গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
প্রতি শুক্রবার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ৪০০-৫০০ ভক্তের সমাগম হয়। ভক্তদের দেয়া আর্থিক সহযোগিতায় উক্ত পূজার সকল ব্যয়ভার বহন করা হয়। এখানে শ্রী শ্রী সন্তোষী মায়ের আলাদা কোন মন্দির নেই। তাই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শ্রী শ্রী দুর্গা দেবীর পাশাপাশি শ্রী শ্রী সন্তোষী মায়ের নিত্য পূজা-অর্চনা হয়।


সন্তোষী মায়ের অষ্টোত্তর শত নাম ১০৮ নাম:

(১)সতী(২)সাধ্বী,(৩)ভবপ্রীতা(৪)ভবানী(৫)ভবমোচনী(৬)আর্য্যা(৭)দুর্গা(৮)জয়া(৯)আদ্যা (১০)ত্রিনেত্রা(১১)শূলধারিণী(১২)পিনাকধারিণী(১৩)চিত্রা(১৪)চন্দ্রঘণ্টা(১৫)মহাতপা(১৬)মনঃ(১৭)বুদ্ধি(১৮)অহঙ্কারা(১৯)চিত্তরূপা(২০)চিতা (২১)চিতি(২২)সর্বমন্ত্রময়ী(২৩)নিত্যা (২৪)সত্যানন্দস্বরূপিণী(২৫)অনন্তা(২৬)ভাবিনী (২৭)ভাব্যা(২৮)ভব্যা(২৯)অভব্যা(৩০)সদাগতি(৩১)শাম্ভবী(৩২)দেবমাতা(৩৩)চিন্তা(৩৪)রত্নপ্রিয়া(৩৫)সর্ববিদ্যা(৩৬)দক্ষকন্যা(৩৭)দক্ষযজ্ঞবিনাশিনী(৩৮)অপর্ণা(৩৯)অনেকবর্ণা(৪০)পাটলা(৪১)পাটলাবতী(৪২)পট্টাম্বরপরিধানা (৪৩)কলমঞ্জীররঞ্জিনী(৪৪)অমেয়বিক্রমা(৪৫) ক্রূরা(৪৬)সুন্দরী(৪৭)সুরসুন্দরী(৪৮)বনদুর্গা(৪৯)মাতঙ্গী(৫০)মতঙ্গমুনিপূজিতা(৫১) ব্রাহ্মী(৫২)মাহেশ্বরী(৫৩)ঐন্দ্রী(৫৪)কৌমারী (৫৫)বৈষ্ণবী(৫৬)চামুণ্ডা(৫৭)বারাহী(৫৮)লক্ষ্মী (৫৯)পুরুষাকৃতি(৬০)বিমলা(৬১)উৎকর্ষিণী (৬২)জ্ঞানা(৬৩)ক্রিয়া(৬৪)সত্যা(৬৫)বুদ্ধিদা (৬৬)বহুলা(৬৭)বহুলপ্রেমা(৬৮)সর্ববাহনবাহনা (৬৯)নিশুম্ভনিশুম্ভহননী(৭০)মহিষাসুরমর্দিনী (৭১)মধুকৈটভহন্ত্রী(৭২)চণ্ডমুণ্ডবিনাশিনী (৭৩)সর্বাসুরবিনাশা(৭৪)সর্বদানবঘাতিনী (৭৫)সর্বশাস্ত্রময়ী(৭৬)সত্যা(৭৭)সর্বাস্ত্রধারিণী (৭৮)অনেকশস্ত্রহস্তা(৭৯)নেকাস্ত্রধারিণী (৮০)কুমারী(৮১)কন্যা(৮২)কৈশোরী(৮৩)যুবতী (৮৪)যতি(৮৫)অপ্রৌঢ়া(৮৬)প্রৌঢ়া(৮৭)বৃদ্ধমাতা (৮৮)বলপ্রদা(৮৯)মহোদরী(৯০)মুক্তকেশী (৯১)ঘোররূপা(৯২)মহাবলা(৯৩)অগ্নিজ্বালা (৯৪)রৌদ্রমুখী(৯৫)কালরাত্রি(৯৬)তপস্বিনী (৯৭)নারায়ণী(৯৮)ভদ্রকালী(৯৯)বিষ্ণুমায়া (১০০)জলোদরী(১০১)শিবদূতী(১০২)করালী (১০৩)অনন্তা(১০৪)পরমেশ্বরী(১০৫)শ্বশান কালী(১০৬)সাবিত্রী(১০৭)প্রত্যক্ষা
এবং(১০৮)ব্রহ্মবাদিনী।



মা সন্তোষীর ধ্যান।।
ওঁ রত্নসিংহসনারূঢ়াং রত্নালঙ্কারভূষিতাম্।
চতুর্ভুজাং ত্রিনয়নাং সকলাভীষ্ট দায়িকাম্।।
বরদাভয়হস্তাঞ্চ শঙ্খপদ্মকরস্থিতাম্।
রক্তবস্ত্রপরিধানাং স্মেরাননাং শুচিস্মিতাম্।।
পূজিতা সিদ্ধগন্ধর্বৈঃ দেবতাভিশ্চ সেবিতা।
এবং রূপাং সদা ধ্যেয়ং সন্তোষী মাতরঃ ভূবি।।
এর অর্থ ----- মা সন্তোষী রত্ন সিংহাসনে নানা
অলংকার ধারন করে থাকেন। তিনি চতুর্ভুজা, তাঁর
ত্রিনয়ন, তিনি সর্ব মনস্কামনা পূর্ণ করেন, মোক্ষ
প্রদান করেন। তিনি বরা মুদ্রা ধারন করে থাকেন,
শঙ্খ পদ্ম করে ধারন করেন, তিনি রক্ত বস্ত্র
পরিধান করেন। তিনি সিদ্ধ, গন্ধর্ব, দেবতাদের
দ্বারা পূজিতা। এই ভাবে মা সন্তোষীকে ধ্যান
করি।
মা সন্তোষীর প্রনাম মন্ত্র ঃ
ওঁ সর্বমঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে সর্বাথসাধিকে ।
শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণি ! নমোহস্তুতে।।
এর অর্থ- হে দেবী , তুমি সকল মঙ্গলের
মঙ্গলরূপিণী , কল্যাণময়ী্ সর্বাভীষ্টপূরিকা
সকলের আশ্রয় সরূপিনী ও ত্রিনয়না। হে গৌরী হে মাতঃ তোমাকে প্রনাম করি।
১. শুক্র গ্রহের সুপ্রভাব পরে:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে শুক্রবার উপোস করে দেবীর পুজো করলে শুক্র গ্রহের সুপ্রভাবে পরতে শুরু করে। সেই সঙ্গে জন্মকুষ্টিতে শুক্রের খারাপ প্রভাব কাটতে শুরু করে। ফলে রোগ-ব্যাধির প্রকোপ যেমন কেটে যায়, তেমনি পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগতেও সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, শুক্রের প্রভাবে বৈবাহিক জীবনও অনন্দে ভরে ওঠে। সেই সঙ্গে পরিবারের কারও সঙ্গে কোনও খারাপ কোনও ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও যায় কমে। তাই তো বলি বন্ধু, সুখে-শান্তিতে থাকতে প্রতি শুক্রবার উপোস করতে ভুলবেন না যেন!



২. ছোট থেকে ছোটতর ইচ্ছা পূর হয়:
শাস্ত্রে এমনটা বলা হয়েছে যে প্রতি শুক্রবার সন্তোষী মায়ের অরাধনা করলে দেবী এতটাই প্রসন্ন হন যে গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। ফলে মনের অন্দরে জমতে থাকা ছোট থেকে ছোটতর ইচ্ছা পূরণ হতে সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয় তখন জীবনের সামগ্রিক ছবিটাই যে বদলে যায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা র

ব্রত পালনের নিয়ম
প্রতি শুক্রবারে উপবাস করে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র, ধূপ-দীপ জ্বালিয়ে সন্তোষী মাতার ব্রত পাঠ করতে হবে। অপর কোন তিথি বা নক্ষত্রজনিত নিষেধ নেই।

ব্রতের ফল
ভক্তিভরে যে নারী এই ব্রত উদ্‍যাপন করবে- তার সব কামনা সিদ্ধ হবে। গৃহে অর্থাভাব থাকবে না।
পুজোর জন্য লাগবে
সন্তোষী মায়ের ছবি
ব্রতকথার বই, ঘট, পানপাতা, ফুল, কর্পূর, ধূপকাঠি, প্রদীপ, ঘি বা তেলে পূর্ণ, হলুদ, সিঁদুর

ঘটে রাখার জন্য ফল, মূলত নারকোল বা কলাহলুদ মেশানো আতপ চাল, ছোলা, গুড় আর কলা হল প্রসাদ
পুজো পদ্ধতি
ঘরের এক কোণ পরিষ্কার করে কাঠের আসন পাতুন | প্রতিষ্ঠা করুন দেবী ছবি | নইলে রোজ যেখানে পুজো করেন, সেখানেও করা যায়।শুক্রবার সকালে স্নান সেরে পরিষ্কার বসনে দেবীর সামনে ঘট প্রতিষ্ঠা করুন | ঘটে গঙ্গাজল , বা গঙ্গাজল না পেলে এমনি পরিষ্কার জল দিয়ে পূর্ণ করুন | ঘটের উপর ফল রাখুন | প্রসাদ হিসেবে দিন ধান, দুর্বা, ফুল, ছোলা, গুড় বা বাতাসা |
প্রথমে সন্তোষী মায়ের বাবা গণেশ এবং দুই মা ঋদ্ধি ও সিদ্ধির পুজো করুন | তারপর সন্তোষী দেবীর ব্রতকথা পাঠ করুন |

পাঠ শেষে শঙ্খ ও উলুধ্বনি দিন | প্রণাম করে বলুন, ' জয় সন্তোষী মা !' এরপর আরতি করুন | শান্তির জল ছিটিয়ে দিন বাড়ির সর্বত্র |

প্রসাদ বিতরণ করে ওই প্রসাদ দিয়েই ভঙ্গ করতে পারেন উপবাস | বা সারাদিনও রাখতে পারেন উপবাস | শুক্রবার সন্তোষী মায়ের আবির্ভাবের দিন বলে ওইদিন এই পুজো পালিত হয় | কোনও তিথি নক্ষত্রের বিধিনিষেধ নেই | যেকোনও বয়সী নারীপুরুষ এই ব্রত পালন করতে পারেন |

ব্রতপালনের একটাই মূল শর্ত হল, যিনি পালন করবেন, সেই ব্রতী এদিন টকজাতীয় কিচ্ছু খেতে পারবেন না | প্রসাদেও টক খাবার যেন কিছু না থাকে |

ষোল সপ্তাহ বা চারমাস পরে উদযাপন করতে হয় ব্রত | ওইদিন একইভাবে পুজো করার পরে আটজন বালককে ডেকে ভোজন করাতে হয় | নিজের পরিবারে না থাকলে পরিচিতদের থেকে নিমন্ত্রণ জানানো




সন্তোষী রূপে দূর্গা নামে বিপদ মুক্তি
বীজ মন্ত্র -ওঁ সাং মাতা সন্তোষী

-দারিদ্র্যে জর্জরিত? বা পারিবারিক কলহে রাতের ঘুম কেড়েছে?চলার পথে বাধা, তা হলে এই দুর্গা মন্ত্রীগুলি জপ করলে সমস্ত বিপত্তি দূর হবে। পরিবারে সুখের বাস হবে।

১)দারিদ্রতা এবং দুঃখ ইত্যাদি দূর করতে
দুর্গে স্মৃতা হরসি ভীতিমশেষজন্তোঃ স্বস্থৈঃ স্মৃতা মতিমতীব শুভাং দদাসি। দারিদ্র্যদুঃখভয়হারিণি কা ত্বদন্যা সর্বোপকারকরণায় সদার্দ্রচিত্তা।।

২)কলহ, অশান্তি দূর করে ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য
ঘাং ঘীং ঘূং ঘূর্জটে। পত্নী বাং বীং বূং বাগধীশ্বরী।। ক্রাং ক্রীং ক্রূং কালিকা দেবী। শাং শীং শূং মেং শুভং কুরু।।

৩)সুশীল এবং বিচার-বুদ্ধি সম্পন্ন স্ত্রীর প্রাপ্তির জন্য
পত্নীং মনোরমাং দেহি মনোবৃত্তানুসাপিণীম্। তারিণীং দুর্গসংসারসাগরস্। কুলোদ্ধবাম্।।

৪)কোনও বিপত্তির হাত থেকে বাঁচতে
শূলেন পাহি নো দেবী পাহি খড়গেন চাম্বিকো। ঘণ্টাস্বনেন নঃ পাহি চাপজ্যানিঃস্বনেন চ।।

৫)প্রসন্নতা প্রাপ্তির জন্য
প্রণতানাং প্রসীদ ত্বং দেবী বিশ্ববার্তিহারিণি। ত্রৈলোক্যবাসিনামীড্যে লোকানাং বরদা ভবা।

৬)বাধা বিপত্তি দূর করতে
‘শরণাগত দীনার্ত
পরিত্রাণ-পরায়ণে।
সর্বস্যার্তিহরে দেবী
নারায়ণী নমোহস্তুত

‘৭)আইনের সমস্যা বা সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা হলে
সর্ব বাধা প্রশমনং
ত্রৈলোক্যস্যাখিলেশ্বরী।
এবমেব ত্বয়া কার্যমন্মদ
বৈরী বিনাশনম’।

৮)সৌভাগ্য লাভ ও সুস্থ থাকার জন্য-
‘দেহি সৌভাগ্যমারোগ্যং দেহি
দেবী পরং সুখম।
রুপং দেহি জয়ং দেহি
যশো দেহি দ্বিষো জহি’।

৯)বিদ্যালাভ ও কর্ম লাভের জন্য-

‘বিদ্যাবন্তং যশস্বন্তং
লক্ষীবন্তঞ্চ মাং কুরু।
রূপং দেহি জয়ং দেহি
যশো দেহি দ্বিষো জহি’।

১০)বিবাহের জন্য-

‘ভার্যাং মনোরমাং দেহি
মনোবৃত্ত্যনুসারিণীম্।
রূপং দেহি জয়ং দেহি
যশো দেহি দ্বিষো জহি’।

১১)জীবনে স্থিতিশীলতা আনার জন্য-

‘সৈব কালে মহামারী
সৈব সৃষ্টির্ভবত্যজা।
স্থিতিং করোতি ভূতানাং
সৈব কালে সনাতনী’।

১২)কর্মে উন্নতি ও কর্ম পাওয়ার জন্য

- জয়ন্তী মঙ্গলা কালী ভদ্রকালী কপালিনী | দুর্গা শিবা ক্ষমা ধাত্রী স্বাহা স্বধা নমোস্তু তে ||
বীজ মন্ত্র : ঔঁ দূং দূর্গে দূর্গে রক্ষীনী স্বাহা হ্রীং দূর্গায় নমঃ

১৩)সব কাজে সাফল্য ও বিপদ থেকে মুক্তির জন্য -
‘ওঁ হ্রীং দুর্গে দুর্গে
রক্ষণী রক্ষণী স্বাহা’।
সারাদিনে যতক্ষণ পারবেন জপ করুন। এর কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। অধিক জপে অধিক ফল।তবে স্নান করে ১০৮ বার করবেন।






হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড় 1500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Astro Research Centre
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে


সংগৃহীত।
ধন্যবাদ আচার্য শ্রী শঙ্খ শিবানান্দ।



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200414102740

Monday, April 13th, 2020

Astro Research Centre

পরমেশ্বর ভগবান শিব

পরমেশ্বর ভগবান শিব

পরমেশ্বর ভগবান শিব

ভগবান শিব সচ্চিদানন্দঘন লীলাময় পরম প্রভু। তিনি সত্য, সনাতন, অনাদি ও অনন্ত ব্রম্মহের স্বরূপ। তিনি সর্বশক্তিমান, শাশ্বত , নিরঞ্জন। সাকারে তিনি মহাদেব, লীলাময় প্রভু শিব, বিষ্ণু, ব্রম্মা ইত্যাদি নামে জানা গেলেও তিনি আদতে নিরাকার। এরজন্য উনার কোন মুর্তি পূজা হয় না। লিঙ্গম বা লিঙ্গ পূজা করা হয়। কিছু বিকৃত মস্তিষ্ক উনার এই পূজা কে পুরুষের লিঙ্গের সাথে তুলনা করে ধর্মকে হেয় বা নীচু দেখানর চেষ্টা করে। কিন্তু আদতে অজ্ঞ্যান ও মুর্খতার দরুন তাঁরা এর গুঢ তত্ত্ব অনুধাবন করতে ব্যার্থ হয়। সংস্কৃত লিঙ্গাম শব্দ থেকে লিঙ্গ শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ হল চিহ্ন। অর্থ্যাত পরম পুরুষ নিরাকার পরম ব্রহ্মের একটি চিহ্নকে আমরা উপাসনা করি। যা অনেকটাই নিরাকার ঈশ্বর উপাসনার মতন। পবিত্র বেদের মাঝে যে রুদ্রকে আমরা দেখি তা আসলে নিরাকার সেই পরম তত্ত্বের রূপ। এরজন্যই শৈবদের মাঝে অতিমার্গ ও মন্ত্রমার্গ শৈবরা পরম তত্ত্বের বৈদিক রুদ্রকে উপাসনা করেন। বলাবাহুল্য আমি নিজেও অতিমার্গ শৈবইসম অনুসরন করি। তাই যে বৈদিক রুদ্র ও পরম তত্ত্ব রূপ শিব এর মাঝে অভেদ করেন তিনি অল্প বিদ্যায় পারদর্শি এই কথা বোঝাই যায়। পরম নয়ন্তা,পরম প্রভু, পরম শক্তিমান। তিনি চির সুন্দর , চির নিরুপম। রহস্যময় মনরম তাঁর অপ্রাকৃত লীলা। তিনিই একমাত্র পরম সত্য ও অদ্বিতীয় পরমেশ্বর। শান্তম শিবম অদ্বৈতম। তাই শিব তত্ত্বই একমাত্র পরম তত্ত্ব। কিন্তু কিছু অজ্ঞ লোক এই বিষয়ে একেবারেই না জেনে বিজ্ঞ সাজতে গিয়ে অযথাই অপকথা বলে বেড়াচ্ছেন।
বাংলাদেশী হিন্দুদের কাছে শিব বা মহাদেব হলেন তম গুন সম্পন্ন এক শ্মশানবাসী। যিনি মদ গাঁজা আর ভুত প্রেত নিয়ে পরে থাকেন। তাঁকে এই দেশের মানুষরা এতো মুল্য দেয় না বর্তমানে। কারন ইনি নাকি মুক্তি দিতে পারেন না। অবশ্য এইসব অবান্তর কথা এই অঞ্চলে বেশীদিন হয় নাই। আগে এই অঞ্চলের মানুষদের প্রধান উপাস্য ছিলেন মা কালী। যিনি দক্ষিণা কালী হিসাবে খুব জনপ্রিয় ছিলেন। চৈতন্য মহাপ্রভু আসার পর এই অঞ্চলে গৌড়ীয় মতবাদ বিস্তৃতি লাভ করে। এইখানে শাক্তবাদ এর কল্যানে মানুষ শিব সম্পর্কে এতটা জ্ঞ্যানি ছিলেন না। কিন্তু শিব এর পূজা ঠিকই করতেন। পূজা বলতে শিব লিঙ্গে একটু দুধ ঢেলে একটা কলা মাথায় দিয়ে বোম বোম বা ভলে বাবা  ঠান্ডা হউ এই ধরনের আচরণ যা এখনও চলে আসছে। ব্যাপারটা অনেকটা যেন শিবকে ঠাণ্ডা রাখ নাহলে উনি পাগলামি করে সব নষ্ট করে দিবেন। কিন্তু আসলে কি তাই? এরজন্য আমার কিছু বক্তব্য  শাস্ত্রের আলোকে ব্যাখ্যা করবো।যেহেতু এইদেশের সবাই পুরান তথা সংহিতায় বিশ্বাসী তাই আমি এর আলোকেই সমস্ত কিছু ব্যাখ্যা করবো। যারা বেদ বা উপনিষদ এর রেফারেন্স চান তাঁরা আমাকে ইনবক্স করতে পারেন।
ভগবান শিব সাক্ষ্যাৎ সত্য সনাতন পরমেশ্বর। তিনি কালের উর্ধে বিরাজিত মহাকালেশ্বর। কাল বা সময় উনার অধীন। তাই সর্বযুগে সবার আরাধ্য ভগবান শিব। কিন্তু ঐ যে, অসাধু ও মুর্খ্যরা অপকথা বলে আর মানতে চায় না। তাই শাস্ত্র থেকে কিছু কথা বলবো।
অজ্ঞরা বলে থাকে যে , কলি কালে নাকি এক কৃষ্ণ নামে মুক্তি বাকীরা নাকি মুক্তি দিতে পারেন না। এরজন্যই যারা শিব উপাসনা করেন এদেরকে এরা হেয় বা হীন চোখে দেখে। কথাটা একটু যদি ঘুরিয়ে বলি তাহলে বলা যায় শাস্ত্রে শিব নামে মুক্তি নেই এই কথা নেই। বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় এরা শিব, দুর্গা, কালী ভক্তদের ইনিয়ে বিনিয়ে বা সরাসরি বলতে শুরু করে কলি যুগে নাকি এক কৃষ্ণ নাম ছাড়া মুক্তি নেই। এসব ক্ষেত্রে এরা কয়েকটি শ্লোক আওড়ায়। যথা-
হরিনাম্ হরিনাম্ হরিনামব্য কেবলম্
কলৌও নাস্তব্য নাস্তব্য নাস্তব্য গতিরন্যথা
সারমর্ম হল ‘হরি( এদের ভাষায় কৃষ্ণ) নাম ছাড়া কলি যুগে মুক্তি নাই।‘
আর একটি শ্লোক হল ভাগবত গীতার
সর্ব ধর্ম পরিত্যাজ্যং মামেকং শরনং ব্রজ
মানে সব ধর্ম ত্যাগ করে আমার স্মরণ নাও।
একটু বিশ্লেষনে যাই এবার। প্রথমে আসি হরি নাম নিয়ে। অবশ্যই, হরি মানে বিষ্ণু নামে মুক্তি আছে। কারন উনি পরম পুরুষের একটি পালন রূপ। উনার নাম নিয়ে ভক্ত প্রহ্লাদ বা ধ্রুব মুক্তি পেয়েছিলেন। এর হাজার প্রমান আছে। মহাবিষ্ণুর শ্রী চরনে আমার হাজার হাজার প্রনাম। কিন্তু অজ্ঞ্যানীরা এইখানে কৃষ্ণকে কোথায় পেলেন? যদি কেউ বলেন কৃষ্ণ উনার অবতার তাহলে উনার সাথে কৃষ্ণকে জড়ালে দোষ কথায়? আমি বলবো নৃসিংহ, রাম, পরশুরাম, বরাহ উনাদের সাথেও জড়ান না কেন? বা কেনই উনাদের নিয়ে আপনারা কোন পুরান আবিস্কার করেন না?জানি করবেন না কারন এতে আপনাদের রমরমা ব্যাবসা নষ্ট হবে আর সত্য উন্মচিত হবে।
এবার আসি ভাগবত গীতার শ্লোকে।গীতা নিয়ে আমার অনেক কিছু বলার আছে। আসলে মুর্খ ও অল্প শিক্ষিত লোকজন বলে ভাগবত গীতা নাকি বেদসার সংক্ষেপ। শুনে হাসি পায় এরকম মুর্খ কথা শুনলে। আমাদের ধর্মে মোট ২০০ ধরনের গীতা আছে এর মাঝে ৪২টি গীতা অন্যতম।গীতা বলতে ৯৮% মানুষ ঐ ভাগবত গীতাকেই বোঝেন। বাস্তবে এর বাইরেও আরও অনেক কিছু যে আছে তা এই মুর্খ্য কুয়োর ব্যাঙেরা জানেন না। হিন্দু ধর্ম বলতে এরা শুধু বোঝে গৌড়ীয় তিলক দেয়া, মালা জপা আর একাদশী রেখে মনের সুখে লাফানো। হিন্দু ধর্মের খুব নগন্য ও তুচ্ছ একটি বিষয়কে আঁকড়ে ধরে এরা মনে করেন বিশ্ব জগতের সমস্ত জ্ঞ্যান আমার মাথায় গিজ গিজ করছে। আসলে যে ভগবত গীতা আপনারা দেখেন তা হিন্দু ধর্মের ইতিহাস নামে খ্যাত মহাভারতের খুব ছোট একটি অংশ মাত্র।শুধু এক মহাভারত থেকে প্রায় ২০+ গীতা বের হয়েছে। 




রাম কৃষ্ণ উভয়েই শিব আরাধনা করতেন


এবার আসি সেই ভগবত গীতা প্রসঙ্গে। ভগবত গীতাতে কৃষ্ণ আমি বলতে নিজেকে যে বোঝান নি তা অনুগীতার উৎপত্তিই আমাদের বলে দেয়। মহাভারতের ১৪ তম অধ্যায়ের অশ্বমেধ পর্বে অর্জুন যখন কৃষ্ণকে বলেন “হে কৃষ্ণ আমি ভগবত গীতার সৃতিভ্রষ্ট হইয়াছি আমাকে আবার আপনার বিশ্ব রূপ দর্শন দিন।‘ কৃষ্ণ তখন উত্তরে বলেন “ হে পার্থ, আমি যোগী শ্রেষ্ঠ। যোগ দ্বারা আবিষ্ট হইয়া আমি পরম পুরুষের বানী আমি মানব জাতিকে দিয়েছি। সেই পরম যোগ আমার পক্ষে এই জন্মে আর ধারন করা সম্ভব নহে। তাই এর সারমর্ম আমি তোমাকে বলিতেছি, শ্রবন করো।“এতে পরিষ্কার বোঝা যায় যে আমি বলতে উনি কোন আমিকে নির্দেশ করেছিলেন। কিন্তু বোকারা এই আমি বলতে কৃষ্ণকে ধরে নিয়েছেন। কৃষ্ণ বোধ হয় ওপরে গিয়ে নিজেই নিজের মাথা চাপড়াচ্ছেন।যাইহোক যদি আমি ভগবত গীতাকে কৃষ্ণের বানী সত্যি ধরেও নেই তারপরও বলবো সেই পরম সত্ত্বা আর কেউ নন শিব নিজে। কেন বলছি??!! অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? একটু পেছনে যাই। ভগবান বিষ্ণু কৃষ্ণের জন্মের আগে উনি ত্রেতা যুগে যে শরীর ধারন করেছিলেন তাঁর নামটা নিশ্চয়ই আপনারা জানেন। মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রাম। উনিও কৃষ্ণের মতনই ভীষণ শিব ভক্ত ছিলেন। রাম যখন সীতা হরনের পর বিলাপ করতে থাকেন তখন মহামুনি অগস্ত্য রামকে শিব আরাধনার জন্য বলেন। আর সেই পরমাত্তার স্বরূপের জ্ঞ্যান ও বর রামকে প্রার্থনা করতে বলেন। এরি পরিপ্রেক্ষিতে রাম শিব আরাধনা করেন আর পরম পুরুষ শিবের দর্শন লাভ করেন। প্রভু শিব শ্রী রামকে পরম জ্ঞ্যান ও মানব আত্মার প্রকৃত স্বরূপের কথা ব্যাক্ত করেন যা উনারি পরবর্তী জন্ম শ্রী কৃষ্ণ অর্জুনকে বলেন। বিশ্বাস হয় না?! শিব গীতার সাথে ভাগবত গীতার শ্লোকগুলো একটু মিলিয়ে দেখতে পারেন। বরং শিব গীতায় মানব ভ্রুনের অনেক বিস্তারিত বর্ণণা পাবেন যা আধুনিক বিজ্ঞ্যান বলে।
কলি যুগে শিব মানেই মুক্তি। শুধু কলিযুগে কেন, সর্ব যুগে, সর্ব সময়ে শিব নামে অথবা শিব ভক্তিতেই মুক্তি হয়। শাস্ত্র থেকে এই বিষয়ে অসংখ্য উদ্বৃতি দেয়া যায়। তবে এতে লেখার আকার বড় হবে অন্য কিছুই না। তবে অল্প কিছু দিলাম। বুঝতে পারলেই হল। যারা খুঁতখুঁতে মনের মানুষ তাঁদের বিচার বিশ্লেষণ করতে অনুরোধ করবো। আর যারা বিনীত ও অহংমুক্ত হয়ে জিজ্ঞ্যাসু, তাদেরকে মনোযোগ দিয়ে অনুধাবন করতে প্রার্থনা করবো।
আমি বলে রাখি শুদ্ধ বৈষ্ণব, শাক্ত , শৈব সকলেই মহান। প্রত্যেকেই মুক্তি লাভ করবেন যদি নিজ নিজ স্থান থেকে প্রভুকে স্মরণ মনন করেন।উত্তম ভক্তের লক্ষন বিষয়ে বৃহন্নারদীয় পুরানে বলা হয়েছে,
শিবপ্রিয়াঃ শিবসক্তাঃ শিবপাদার্চ্চনে রতাঃ।
ত্রিপুন্ড্রধারিণো যে চ তে বৈ ভাগবতত্তমাঃ।
ব্যাহরন্তিচ নামনি হরেঃ শম্ভোর্মহাত্ন্নঃ।
রুদ্রাক্ষালংকৃতা যে চ তে বৈ ভাগবতোত্তমাঃ।।
যে যজন্তি মহাদেবং ক্রতুর্ভিবহুদক্ষিনৈঃ।
হরিং বা পরয়া ভক্ত্যা তে বৈ ভাগবতত্তমাঃ।
বিদিতানি চ শাস্ত্রানিপরার্থং প্রবদন্তি যে।
সর্ব্বত্র গুনভাজো যে তে বৈ ভাগবতোত্তমাঃ।।
- শিবে প্রীতি, শিবে ভক্তি, শিবের অর্চ্চনায় রত, ত্রিপুন্ড্রধারী। বিষ্ণুনাম ও শিবনাম কীর্তন, রুদ্রাক্ষ ধারন যারা এসব করে এরাই ভাগবতত্তম।বহুদক্ষিণা দানে দৃঢ়ভক্তির সাথে মহাদেবের অথবা বিষ্ণুর যজ্ঞ্যানুষ্ঠান করেন এবং পরমার্থ বষোয়ে বিদিত শাস্ত্রের উপদেশ যারা প্রদান করেন এবং যারাগুনধর, তাঁরাই উত্তম ভাগবত।

বিনা শম্ভু সেবাং সংসার তরনং ন হি।। - সৌরপুরান
- ভগবান শিবকে আশ্রয় করেই মুক্তি হয়। শিবসেবা ব্যাতিত সংসার পার হওয়া যায় না।

নার্চ্চ্যন্তীহ যে রুদ্রং শিবং ত্রিদশবন্দিতম
তেষাং দানং তপো যজ্ঞ্য বৃথা জীবিতমেব চ।।
--কুর্ম্ম পুরান
যারা ইহলোক ত্রিদশ বন্দিত মহাদেবের আরাধনা না করে তাঁদের দান, তপস্যা, যজ্ঞ্য ও জীবন সমস্তই বৃথা।
বায়বীয় সংহিতায় মাতা পার্বতি (দুর্গা) প্রভু শিবকে জিজ্ঞ্যাসা করেন – হে ভগবান! কলিযুগে আপনার ভক্তগন কিভাবে মুক্ত হবেন? তখন পরমেশ্বর বলেন
আশ্রিত্য পরমাং বিদ্যাং হ্রিদ্যাং পঞ্চাক্ষরীয়ং মম।
ভক্ত্যা চ ভাবিতাত্মানো মুচ্যন্তে কলিজা নরাঃ।।
-প্রিতমে! কলিকালের মানুষ আমার প্রতি ভক্তি ভাবিত হয়ে আমার পঞ্চাক্ষরি বিদ্যা অবলম্বন করলেই মুক্তি লাভ করবে।

ময়ৈবমস্কৃদ্দেবি প্রতিজ্ঞ্যাতং ধরাতলে।
পতিতোহপি বিমুচ্যেত মদ্ভক্তো বিদ্যায়ানয়া।
-হে দেবী! আমি বার বার ধরাতলে প্রতিজ্ঞ্যা করেছি যে , আমার ভক্ত পতিত হলেও শুধু আমার পঞ্চাক্ষরী নামের প্রভাবে মুক্তি পেয়ে থাকে।
সুতরাং পরমেশ্বর শিবের পঞ্চাক্ষরী মহামন্ত্র (ওম নমঃ শিবায়ঃ) জপ করলে মানুষ অনায়াসে মুক্তি পায়।
শ্রী ব্রম্মা বলেছেন
‘তন্নাম জাপিন দেব ন ভবন্তি ভবাশ্রয়াঃ।।‘
-বামন পুরান।
হে শিব তোমার নাম যারা জপ করেন তাঁদের আর পুনউৎপত্তি হয় না।
ওঙ্কারং রুথমারুহ্য বিষ্ণুং কৃত্তা তু সারথিম।
ব্রম্মলক পদান্বেষী রুদ্রারাধন তৎপরঃ।।
-অমৃতনাদ উপনিষদ
-ব্রম্মলক তথা ব্রম্মজ্ঞ্যান পথের যারা সন্ধানী, তাঁরা ওমকার রূপ রথকে বাহন করে তার ওপর চেপে বসবেন। বিষ্ণুকে করবেন সেই রথের সারথি। আর রুদ্রের আরাধনায় নিমগ্ন হবেন।

পরমেশ্বর সদা শিব বলেছেন-
জগত প্রলয়ে প্রাপ্তে নষ্টে চ কমলোদ্ভবে।
মদ্ভক্তা নৈব নশ্যন্তি স্বেচ্ছা বিগ্রহ ধারিনঃ।
যোগিনাং কর্ম্মিনাঞ্চৈব তাপসানাং যতাত্মানাম।
অহমেব গতিস্তেষাং নান্যদস্তিতী নিশ্চয়ঃ।।- সৌর পুরান
-জগতের প্রলয় হলে , এমনকি ব্রম্মার প্রলয়হলেও আমার ভক্ত বিনষ্ট হয় না, কেননা তারা আমার কৃপাধারী। যোগী, কর্মী এবং সংযত চিত্ত তপসশী-সকলেরই গতি আমি। অন্য গতি নাই এটা নিশ্চিত।
শিব ভক্তগন অনায়াসে মুক্তিলাভ করেন। তাঁদের সুবিধা এটাই যে, তারা পরমেশ্বর সদা শিবের কৃপায় ব্রম্মলক, বিষ্ণুলোক , গলক ইত্যাদি ধামে ইচ্ছামত বিচরন করতে পারেন। 


বিষ্ণুর সুদর্শন লাভ থেকে শুরু করে রামের মুক্তিদাতা হিসাবে প্রভু শঙ্কর সব সময় প্রকট হয়েছিলেন।

পরম পুরুষ , নিরাকার নির্গুন শিব শঙ্কর সম্পর্কে কিছ
----------------------------------------------------------------------------------
কথিত আছে, পরম পুরুষ একটি বেলপাতাতেই তুষ্ট। কিন্তু অতি প্রাচীন কাল থেকেই শিবলিঙ্গের উপাসনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বেলপাতা কয়েকটি বিশেষ বস্তু অর্ঘ্য দিয়ে এসেছে। বিশ্বাস এই যে, এই বস্তুগুলি শিবলিঙ্গে প্রদান করলে বিশেষ বিশেষ মনস্কামনা পূর্ণ হয়।
কী সেইগুলি দেখা যাক—
• বেল পাতার পেছনের অংশে মা লক্ষ্মীর বাস। বেল পাতা ৩ গুন ও ত্রিদেব এর প্রতীক। তাই বিল্ব পত্র পরমপুরুষের অনেক প্রিয়। এতে সার্বিক মঙ্গল হয় ও দাতা প্রভুর প্রিয় পাত্র হন।
• শিবলিঙ্গে ধুতুরা নিবেদন করলে জীবনে সমৃদ্ধি আসে, জীবন অনেক সহজ হয় বলে জানায় বিবিধ পুরাণ।
• শিবলিঙ্গে দুধ-গঙ্গাজল প্রদানের সময়ে তা লিঙ্গগাত্রে ঘষে দেওয়ার বিধি অতি প্রাচীন কাল থেকেই প্রচলিত। বিশ্বাস এই, এর ফলে জীবন সুখের হয়।
• বিবাহিত জীবন সুখপ্রদ করতে শিবলিঙ্গে জাফরান প্রাদন বিধেয়। এর দ্বারা বিবাহে বাধাও দূর হয়।
• শনির সাড়ে সাতি দশা কাটাতে শিবলিঙ্গে তিল প্রদানের রীতিও বহু প্রাচীন।
• ১১টি বিল্বপত্র দ্বারা নির্মিত মালা শিবলিঙ্গে প্রদান করলে অশুভ প্রভাব জীবন থেকে দূর হঠে বলে বিশ্বাস রয়েছে।
• শিবলিঙ্গে দুর্বাঘাস প্রদান করলে নীরোগ জীবন লাভ হয় বলে বিশ্বাস।
• শিবলিঙ্গে দুগ্ধ প্রদানের জন্য তাম্রপাত্রই প্রশস্ত।
• আর্থিক সমৃদ্ধিকে অব্যাহত রাখতে শিবলিঙ্গে চাল প্রদান করাও প্রাচীন রীতি।

আরও ব্যাপার হল মহাদেব এর গনেশ -কার্তিক ছাড়াও ৪ পুত্র আছে। এই পুত্রেরা কেউই কিন্তু পার্বতীর সন্তান নন। শিবের বিভিন্ন লীলার সময়ে তাঁদের জন্ম হয়েছিল। কার্তিক-গণেশ ছাড়াও বাকি চার পুত্রের সন্ধান রইল এখানে।
• অয়প্প— অসুরদের হাত থেকে অমৃতকে বাঁচানোর জন্য বিষ্ণু মোহিনীরূপ ধারণ করেন। সেই সময়ে শিব শক্তি তাঁর সঙ্গে যোগে মিলিত হন এবং এই মিলনের ফলেই অয়প্পর জন্ম হয়। দক্ষিণ ভারেত অয়প্পকে গুরুত্বপূর্ণ দেবতা বলেই মনে করা হয়। তাঁকে হরি ও হরের সম্মিলিত রূপ বলে মনে করা হয়।
• অন্ধক— দানবরাজ হিরণ্যাক্ষ পুত্রহীন ছিলেন। তিনি পুত্রলাভের আশায় মহাদেবের তপস্যা করেন। শিব তাঁকে এক পুত্রসন্তান প্রদান করেন। জন্মান্ধ সেই পুত্রের নাম ছিল অন্ধক।
• ভৌম— শিবের অংশ ভূমিতে পড়েই ভৌমের জন্ম হয়েছিল। শিব তখন গভীর ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। ভূমিদেবীই ভৌমকে পালন করেন। পরে শিব ভৌমের কথা জানতে পারেন এবং তাঁকে পুত্র হিসেবে স্বীকার করে নেন।
• খুজ— একবার গভীর ধ্যানে মগ্ন অবস্থায় শিবের দেহ থেকে তীব্র জ্যোতি বিকীর্ণ হতে থাকে। সেই জ্যোতি ভূমিতে প্রবিষ্ট হলে খুজের জন্ম হয়। তাঁকে লৌহের দেবতা বলে মনে করা হয়।

আশ্চর্য সুন্দর কৈলাস পর্বত।
কৈলাস পর্বতকে দেবাদিদেব মহাদেবের আবাস বলে বর্ণনা করেছে হিন্দু পুরাণ। ২২০০০ ফিট উচ্চতাবিশিষ্ট এই পর্বত তার চেহারার দিক থেকেও স্বাতন্ত্রপূর্ণ। তার উপরে এই পর্বতের সন্নিহিত মানস সরোবরের অবস্থান একে অন্য মহিমা দান করেছে। সবমিলিয়ে কৈলাস এক দুর্লভ তীর্থ। কিন্তু কৈলাসের রহস্যময়তাও কিছু কম নয়। কৈলাস সংক্রান্ত আলোচনায় বার বার উঠে এসেছে এমন কিছু রহস্য, যার সমাধান সম্ভব হয়নি কোনও কালেই।
দেখা যাক কৈলাস-রহস্যের কয়েকটিকে।
• পশ্চিম তিব্বতের এই পর্বত কেবল হিন্দুদের কাছেই নয়, জৈন, বৌদ্ধ, তিব্বতের প্রাচীন ‘বন’ ধর্ম— সব ক’টিই কৈলাসকে পবিত্র বলে মনে করে।
• এক সময়ে রাশিযান বিশেষজ্ঞরা কৈলাস কে একটি বিশালাকৃতি পিরামিড বলে বর্ণনে করেছিলেন। তাঁরা এই পর্বতকে মানুষের তৈরি বলেও জানান। কোনও গোপন কাল্টের উপাসনাস্থল হিসেবে তাঁরা কৈলাসকে ব্যক্ত করেন। খুঁটিয়ে দেখলে কৈলাসের পিরামিডাকৃতি বোঝা যায়।
• ইউরোপের অকাল্টবাদীরা কৈলাসকে বিশেষ গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, এখানে অতিপ্রাকৃত শক্তির অবস্থান। অনেকের মতে আবার এই স্থান যাবতীয় অতিপ্রাকৃতের কেন্দ্র।
• পুরাণ অনুযায়ী কৈলাস পর্বতের চারটি পাশ স্ফটিক, চুনি, সোনা এবং লাপিস লাজুলি দ্বারা গঠিত। এই তথ্য সত্য নয়। কিন্তু, দিনের বিভিন্ন সময়ে আলোর পড়ে এই সব পাথর বা ধাতুর বিভ্রম কৈলাস অবশ্যই তৈরি করে।
• কৈলাস অঞ্চলে অবস্থিত হ্রদগুলির আকৃতি রহস্যময়। মানস সরোবর পূর্ণ গোলাকার এক জলাশয়। রাক্ষস তালের আকৃতি অর্ধচন্দ্রাকার। এরা নাকি সূর্য ও চন্দ্রের শক্তিকে প্রকাশ করে।
• তিব্বতী তান্ত্রিক ঐতিহ্য অনুযায়ী কৈলাস তাঁদের দেবতা ডেমচমংয়ের আবাস। হিন্দুদের মতে এখানে বাস করেন শিব। জৈন-ধারণায় কৈলাসের বাসিন্দা তাঁদের প্রথম তীর্থঙ্কর। এই তিন ধর্ম অনুসারে কৈলাসে আরোহণ নিষিদ্ধ।
• কেবল এটুকুই জানা যায়, ১১ শতকের তিব্বতী মহাযোগী মিলারেপাই একমাত্র কৈলাসে আরোহণ করেছিলেন।


শিব পূজার পদ্ধতি
------------------------
যোগীবর শিব
দেবের দেব মহাদেব। এমন মহাশক্তিধর, অথচ অল্পে-তুষ্ট দেবতা হিন্দু দেবমণ্ডলীতে বিরল। রামপ্রসাদের গানে আছে, ‘শিব আশুতোষ মহান দাতা’। সামান্য ফুল-বেলপাতা তাঁর মাথায় দিলে তিনি যা প্রতিদান দেন, তার তুলনা ত্রিজগতে নেই। এমন যে শিব, তাঁকে পূজা করতে কে না চায়? তাছাড়া তাঁর পূজা যে কেউ করতে পারে।
শিবরাত্রিব্রত বা বিশেষ ফলকামনায় যে ১৬টি সোমবারব্রত করা হয়, তার নিয়ম আলাদা এবং একটু জটিল। যাঁরা দৈনিক কর্মব্যস্ততার মধ্যেও তাঁদের প্রিয় দেবতা শিবকে নিত্যপূজা করতে চান, কিন্তু শিবপূজার বিধান সম্পর্কে সম্যক অবগত নন, এমন আপামর জনসাধারণের জন্য সরলভাবে এই পূজাপদ্ধতি প্রণীত হল। বাচ্চা ছেলেমেয়েরা শিবের পূজা করে থাকে। কারণ, ছেলেবেলায় শিবের পূজা করা বিশেষভাবে উপকারী। আপনার বাড়িতে এমন ছেলে বা মেয়ে থাকলে, তাদের এই পদ্ধতিতে শিবপূজা করা শিখিয়ে দিতে পারেন। প্রবাসী ধর্মপ্রাণ হিন্দুরাও এই পদ্ধতি মেনে সহজেই নিত্য শিবপূজা করতে পারেন। মন্ত্রপাঠ কেউ করতে পারেন, কেউ পারেন না। তাই মন্ত্রপাঠের সমর্থরা কেমনভাবে পূজা করবেন, অসমর্থরাই বা কেমনভাবে করবেন, তাও আলাদা আলাদাভাবে বলে দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রপাঠ প্রসঙ্গে
**************
শিবলিঙ্গ; উপরের ঊ-আকৃতির অংশটি হল শিবপীঠ, নিচের হাতের মতো অংশটিকে বলে গৌরীপীঠ বা গৌরীপট্ট। গৌরীপট্টের মুখ উত্তর দিকে রাখতে হয়।
মন্ত্রপাঠ প্রসঙ্গে প্রথমেই মনে রাখতে হবে যে, শিব মন্ত্র বা উপচারের বশ নন। আর যাই হোক, যিনি দেবের দেব, তাঁকে আপনি মন্ত্রে ভুলিয়ে উপচার ঘুষ দিয়ে কার্যসিদ্ধি করতে পারবেন, এমন চিন্তা মনেও স্থান দেবেন না। শিব ভক্তির বশ। ভক্তের হৃদয় তাঁর আড্ডাঘর। শুধুমাত্র ভক্তিদ্বারা পূজা করলে পূজা তাতেই সিদ্ধ হয়। একথাও শাস্ত্রেও স্বীকার করা হয়েছে। কিন্তু আপনার অন্তরের ভক্তি আপনাকে মন্ত্রপাঠে উদ্বুদ্ধ করলে, অবশ্যই মন্ত্র পড়ে পূজা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে মন্ত্রপাঠ শুদ্ধ উচ্চারণে হওয়া উচিৎ এবং আপনারও মন্ত্রের অর্থ জেনে তা পাঠ করা উচিত। তা না করলে মন্ত্রপাঠ বৃথা। তাই নিচে পূজাপদ্ধতি বলার আগে ক্রিয়াকর্ম ও মন্ত্রের অর্থ বা ভাবার্থও দিয়ে দেওয়া হল। মন্ত্র পড়তে না পারলে মন খারাপ করার কোনো প্রয়োজন নেই। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছেন, মন্ত্রপাঠে অসমর্থ ব্যক্তিরাও ঈশ্বরের কৃপা পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাঁদের যথাযথ ভক্তিসহকারে পূজার মূল অর্থটি হৃদয়ঙ্গম করে পূজা করতে হবে। তাঁরা কিভাবে সেই পূজা করবেন, তাও পরে বলে দেওয়া হয়েছে। তবে মনে রাখবেন, দুই পদ্ধতির মূল কথা একই।
পূজাসামগ্রী ও সাধারণ নিয়মকানুন
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
""""""""""""""""
দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় চিত্রকলায় স্ত্রী গৌরী ও দুই পুত্র গণেশ ও কার্তিক সহ শিব।
এই জিনিসগুলি সাজিয়ে নিয়ে পূজা করতে বসবেন।—
১। একটি শিবলিঙ্গ।
২। একটি ছোটো ঘটিতে স্নান করানোর জল।
৩। একটি থালা, একটি গ্লাস ও কোশাকুশি। কোশাকুশি না থাকলে তামা বা পিতলের সাধারণ ছোটো পাত্র ব্যবহার করবেন।
৪। একটু সাদা চন্দন।
৫। একটুখানি আতপ চাল।
৬। কয়েকটি ফুল ও দুটি বেলপাতা (বেলপাতা না থাকলে দুটি তুলসীপাতা দিতে পারেন)।
৭। ধূপ, দীপ।
৮। নৈবেদ্য ও পানীয় জল (আপনার সাধ্য ও ইচ্ছামতো দেবেন। একটা বাতাসা হলেও চলবে।)
৯। প্রণামী (অন্তত একটি টাকা দেবেন। ইচ্ছা করলে বেশিও দিতে পারেন।)
১০। একটি ঘণ্টা।
উপচার সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞাতব্য হল এই যে, চন্দন, ফুল-বেলপাতা, ধূপ, দীপ ও নৈবেদ্য এই পঞ্চোপচার পূজার ক্ষেত্রে অপরিহার্য্য। কোনো একটি উপচারের অভাব ঘটলে, সেই উপচারের নাম করে একটু জল দিলেও চলবে। আপনার প্রকৃত ভক্তিই সেই অভাব পূর্ণ করবে, এই কথা জানবেন।
শিবপূজা সর্বদা উত্তরমুখে বসে করবেন এবং শিবলিঙ্গকেও উত্তরমুখী করে রাখবেন। উত্তরদিক ব্রহ্মলোকপথ। তাই পরমব্রহ্মময় শিবের পূজা সর্বদা উত্তরমুখে বসে করাই নিয়ম। শিবলিঙ্গকে তামা বা পাথরের পাত্রে বসানো হয়ে থাকে।
পূজার সাধারণ ক্রম ও সেই সব ক্রিয়াকাণ্ডের অর্থ
শিশু গণেশ খেলাচ্ছলে নিজের বাবাকে পূজা করছেন।
মন্ত্রপাঠ ও ক্রিয়াকাণ্ড অর্থ জেনে করাই উচিত। তাই পূজাপদ্ধতি-বলার আগে তার ক্রম ও ক্রিয়াকাণ্ডের ভাবার্থ বলে দেওয়া ভাল। প্রথমেই আচমন করতে হয়। দেহ ও মন শুদ্ধ না হলে ঈশ্বরপূজার অধিকার জন্মায় না। তাই পূজার সময় প্রথমেই দেহ ও মন শুদ্ধ করতে হয়। দেহ ও মন শুদ্ধ করব কিভাবে? এর উপায় বিষ্ণুস্মরণ। আচমনের মন্ত্রের অর্থটি তাই—‘ আকাশে সূর্যের মতো বিদ্যমান ঈশ্বরকে ব্রহ্মজ্ঞরা সর্বদা দর্শন করেন, আমরাও যেন তাঁর স্বরূপ উপলব্ধি করতে পারি। যে বিষ্ণু সকল অপবিত্রতা দূর করেন, সেই বিষ্ণুকে স্মরণ করে আমরাও যেন দেহে ও মনে শুদ্ধ হতে পারি।’ তারপর স্বস্তিবাচন। স্বস্তিবাচন হল পূজার সাফল্য ও অপরের কল্যাণ কামনা। অপরের কল্যাণ কামনা না করলে কোনো পূজা ফলপ্রসূ হয় না। অপরের অকল্যাণ কামনা করে পূজা করলে, নিজেরই অকল্যাণ হয়। তাই পূজার আগে বিশ্বের সকলের কল্যাণ কামনা করতে হয়।
শিবপূজা করছেন পার্বতী
তারপর জলশুদ্ধি করতে হয়। জলশুদ্ধি আর কিছুই না, যে জলে দেবতার পূজা হয়, সেই জলে তীর্থের আবাহন। জলশুদ্ধির মন্ত্রে সূর্যমণ্ডল থেকে গঙ্গা, যমুনা, গোদাবরী, সরস্বতী, নর্মদা, সিন্ধু, কাবেরী—এই সপ্ত পবিত্র নদীদেবীকে জলে আহ্বান করে জলকে শুদ্ধ করে নেওয়া হয়। সেই জল নিজের মাথায় দিলে তীর্থস্নানের ফল হয় আর পূজাদ্রব্যের উপর দিলে সেই সব দ্রব্য শুদ্ধ হয়ে যায়। তারপর সূর্যার্ঘ্য দিতে হয়। সূর্য আমাদের প্রাণের উৎস, সে কথা আধুনিক বিজ্ঞানও মানে। তাই হিন্দুদের পূজার আগে সূর্যকে অর্ঘ্য দিয়ে প্রণাম করার নিয়ম। প্রত্যক্ষ দেবতার প্রতি এ আমাদের বিশেষ শ্রদ্ধাপ্রদর্শন। এরপর গুরুদেব, পঞ্চদেবতা, নবগ্রহ, ইন্দ্রাদি দশদিকপাল, দশমহাবিদ্যা, দশাবতার ও ইষ্টদেবতা এবং সর্বদেবদেবীর পূজা। এর মাধ্যমে অন্যান্য দেবদেবীদেরও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়। আপনার ঠাকুরের আসনে অন্যান্য ঠাকুরদেবতার ছবি বা বিগ্রহ থাকলে, তাঁদেরও এই সময় পূজা করে নেবেন।
শ্রীরামচন্দ্রের শিবপূজা। কথিত আছে, তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম্ মন্দিরের শিবকে স্বয়ং পূজা করে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রাম।
তারপর শিবকে স্নান করানো হয়। এখান থেকেই প্রধান পূজা শুরু। স্নানের পর শিবের ধ্যান করে প্রথমে মনে মনে ও পরে উপচারগুলি নিবেদন করে পূজা করবেন। এই সব উপচারই তো ঈশ্বরের সৃষ্ট। তবে এগুলি দিয়ে কেন ঈশ্বরের পূজা করা হয় কেন? কেনই বা এই সব উপচার দেওয়ার নিয়ম। ঈশ্বর আমাদের মালিক, আমরা তাঁর দাস। আমাদের বাড়ির কাজের লোক, নিজের বাড়ি থেকে জিনিসপত্র এনে আমাদের ঘরের কাজ করে দেয়? আমাদেরই তাকে সামগ্রী জোগাতে হয়। সেই সামগ্রী দিয়ে সে আমাদেরই সেবা করে। ঈশ্বর তেমনই জগতের সব কিছু সৃষ্টি করেছেন, সেই সৃষ্টি দিয়ে যেন আমরা তাঁর সেবা করতে পারি। যে পঞ্চোপচার পূজার কথা বলা হয়েছে, সেই পঞ্চোপচার—অর্থাৎ, গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ ও নৈবেদ্য হল আমাদের প্রাণধারণের প্রধান অবলম্বন পৃথিবী, আকাশ, বায়ু, আগুন ও জলের প্রতীক। এই সব উপচার দেওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা মনে করি, ঈশ্বরের সৃষ্টি এই সব জিনিস আমরা ঈশ্বরের প্রসাদ রূপে গ্রহণ করছি, স্বার্থপরভাবে আপনার সুখের জন্য ভোগ করছি না। উপরন্তু স্বয়ং আমাদের এইভাবেই তাঁর পূজা করতে শিখিয়েছেন। একথাও আমাদের স্মরণে রাখতে হবে। পূজার পর জপ করা হয়। জপমাহাত্ম্য দীক্ষিত ব্যক্তিমাত্রেই জানেন, তাই তা আর বলা হল না। জপের পর প্রণাম। প্রণাম করার আগে প্রণামী দেওয়া হয়। এটিও প্রতীকী। আমাদের অর্থাগম হয় ঈশ্বরের কৃপায়, তাই অর্থের অহংকারে আমরা যেন ঈশ্বরকে না বিস্মৃত হই এবং ঈশ্বরের দেওয়া অর্থে ঈশ্বরের সেবায় কোনো কার্পণ্য না দেখাই। অন্য মতে, ঈশ্বরকে আমরা যা দিই, তাই ঈশ্বর সহস্রগুণে আমাদের ফিরিয়ে দেন। প্রণামীর টাকা নিজের কোনো কাজে ব্যবহার করবেন না। বরং গরিবদুঃখীকে দেবেন। তাতে ‘শিবজ্ঞানে জীবসেবা’ হবে। কিন্তু এটি সকাম ভক্তদের মত। পূজার পর স্তবপাঠাদি করা হয়। এতে ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি বাড়ে। ঈশ্বরও স্তবপাঠ শুনে প্রসন্ন হন।
পূজাপদ্ধতি
===================
প্রথমে স্নান ও গুরুনির্দেশিত উপাসনাদি সেরে আসনে বসে শিব ও দুর্গাকে প্রণাম করবেন। তারপর শ্রীগুরু ও ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করে ইষ্টমন্ত্র যথাশক্তি জপ করবেন। অদীক্ষিত ও বালকবালিকারা শুধু স্নান সেরে শিবদুর্গাকে প্রণাম করে বসবেন। পূজাস্থান আগেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ধূপদীপ জ্বালিয়ে নেবেন। তারপর নারায়ণকে মনে মনে নমস্কার করে পূজা শুরু করবেন।
(মন্ত্রপাঠ সহ পূজা)
হাতের তালুতে দু-এক ফোঁটা জল নিয়ে ‘ওঁ বিষ্ণু’ মন্ত্রে পান করবেন। মোট তিন বার এইভাবে জল পান করতে হবে। তারপর করজোড়ে বলবেন—
ওঁ তদ্বিষ্ণোঃ পরমং পদং সদা পশ্যন্তি সূরয়ঃ দিবীব চক্ষুরাততম্।
ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্বাবস্থাং গতোঽপি বা।
যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।
তারপর পবিত্র বাদ্য ঘণ্টা বাজাতে বাজাতে স্বস্তিবাচন করবেন—
ওঁ কর্তব্যেঽস্মিন্ শ্রীশিবপূজাকর্ম
ণি ওঁ পূণ্যাহং ভবন্তো ব্রুবন্তু।
ওঁ পূণ্যাহং ওঁ পূণ্যাহং ওঁ পূণ্যাহং।
ওঁ কর্তব্যেঽস্মিন্ শ্রীশিবপূজাকর্ম
ণি ওঁ স্বস্তি ভবন্তো ব্রুবন্তু।
ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি।
ওঁ কর্তব্যেঽস্মিন্ শ্রীশিবপূজাকর্ম
ণি ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তো ব্রুবন্তু।
ওঁ ঋদ্ধতাম্ ওঁ ঋদ্ধতাম্ ওঁ ঋদ্ধতাম্।
ওঁ স্বস্তি ন ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ স্বস্তি নঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ।
স্বস্তি নস্তার্ক্ষ্যো অরিষ্টনেমিঃ স্বস্তি নো বৃহস্পতির্দধাতু।
ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি।
এরপর হাত জোড় করে বলবেন—
ওঁ সূর্যঃ সোমো যমঃ কালঃ সন্ধ্যে ভূতান্যহঃ ক্ষপা।
পবনো দিক্পতির্ভূমিরাকাশং খচরামরাঃ।
ব্রাহ্মং শাসনমাস্থায় কল্পধ্বমিহ সন্নিধিম্।।
এরপর জলশুদ্ধি করে নেবেন। জলশুদ্ধির মাধ্যমে সূর্যমণ্ডল থেকে সকল তীর্থকে জলে আহ্বান করে জলকে পবিত্র করা হয়। তারপর সেই পবিত্র জলে পূজার কাজ হয়। ঠাকুরের সামনে নিজের বাঁ হাতের কাছে কোশা রেখে তাতে জল দেবেন। সেই জলে আলতো করে ডান হাতের মধ্যমা আঙুল ঠেকিয়ে (নখ যেন না ঠেকে) বলবেন— ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি। নর্মদে সিন্ধু-কাবেরি জলেঽস্মিন সন্নিধিং কুরু। তারপর সেই জলে একটা সচন্দনফুল দিয়ে মনে মনে তীর্থদেবতাদের পূজা করবেন। এতে সকল তীর্থের পূজা করা হয়ে যায়। তীর্থপূজা সেরে নিয়ে সেই জল নিজের মাথায় একটু দেবেন। তারপর পূজার সকল দ্রব্যে ছিটিয়ে সব কিছু শুদ্ধ করে নেবেন। তারপর সূর্যের উদ্দ্যেশ্যে একটু জল শিবলিঙ্গে দেবেন। সূর্যকে জল দিয়ে সূর্যপ্রণাম করবেন—
ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্।
ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোঽস্মি দিবাকরম্।।
তারপর একে একে গণেশ, শ্রীগুরু, শিব, সূর্য, নারায়ণ, দুর্গা, নবগ্রহ, দশমহাবিদ্যা, দশাবতার, সর্বদেবদেবী ও আপনার ঠাকুরের আসনে অন্যান্য ঠাকুরদেবতা থাকলে তাঁদেরকে এবং আপনার ইষ্টদেবতাকে প্রত্যেককে একটি করে সচন্দন ফুল দিয়ে পূজা করবেন। অত ফুল না থাকলে প্রত্যেকে নামে জলশুদ্ধির জল একটু করে শিবলিঙ্গে দেবেন। শিবলিঙ্গে সব দেবদেবীর পূজা হয়, তাই কোনো দেবতার ছবি বা মূর্তি আপনার কাছে না থাকলে তাঁর বা তাঁদের পূজা শিবলিঙ্গেই করতে পারেন।
তারপর শিবঠাকুরকে স্নান করাবেন। একঘটি জল নেবেন। তাতে জলশুদ্ধির জল একটু মিশিয়ে নিতে পারেন বা জলশুদ্ধির পদ্ধতিতে সেই জলটিকেও শুদ্ধ করে নিতে পারেন। তারপর স্নানের মন্ত্রটি পড়ে বাঁ হাতে ঘণ্টা বাজাতে বাজাতে স্নান করাবেন। স্নানের মন্ত্রটি হল—
ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্।
উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃত্যোর্মুক্ষীয় মাঽমৃতাৎ।।
ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহি তন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ।
পঞ্চানন শিব। শিবের এই মূর্তিটি ধ্যান করবেন।
স্নান করিয়ে শিবের ধ্যান করবেন (ধ্যানের মন্ত্রটি বঙ্গানুবাদ সহ শেষে দেওয়া আছে) চোখ বন্ধ করে শিবের রূপটি চিন্তা করতে করতে ধ্যানমন্ত্রটি স্মরণ করে ধ্যান করতে পারেন। মন্ত্রটি মুখস্ত না থাকলে, প্রথমে একবার পাঠ করে নিয়ে চোখ বুজে শিবের রূপ ধ্যান করবেন। এইভাবে কয়েক বার করলেই মন্ত্র মুখস্ত হয়ে যাবে, তখন আর মন্ত্রপাঠ না করলেও চলবে। ধ্যানের সময় ভাববেন, আপনি চন্দন, ফুল, বেলপাতা, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য দিয়ে সাক্ষাৎ শিবের পূজা করছেন। শিবঠাকুরও প্রসন্ন হয়ে আপনার পূজা নিচ্ছেন। এইভাবে কিছুক্ষণ ধ্যান করে পঞ্চোপচারে পূজা করবেন। প্রথমে একটি ফুলে চন্দন মাখিয়ে গন্ধদ্রব্য দেবেন। মন্ত্র—ওঁ নমো শিবায় এষ গন্ধঃ শিবায় নমঃ। তারপর আবার একটি সচন্দন ফুল দিয়ে বলবেন— ওঁ নমো শিবায় ইদং সচন্দনপুষ্পং শিবায় নমঃ। তারপর চন্দনমাখানো বেলপাতা নেবেন— ওঁ নমো শিবায় ইদং সচন্দনবিল্বপত্র
ং শিবায় নমঃ।—মন্ত্রে বেলপাতাটি শিবের মাথায় দেবেন। তারপর ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য ও জল দেবেন—ওঁ নমো শিবায় এষ ধূপঃ শিবায় নমঃ। ওঁ নমো শিবায় এষ দীপঃ শিবায় নমঃ।ওঁ নমো শিবায় ইদং সোপকরণনৈবেদ্যং শিবায় নিবেদয়ামি। ওঁ নমো শিবায় ইদং পানার্থোদকং শিবায় নমঃ। মালা থাকলে ‘ওঁ নমো শিবায় ইদং পুষ্পমাল্যং শিবায় নমঃ’ মন্ত্রে পরাবেন। তারপর সচন্দন ফুল ও বেলপাতা নিয়ে ১, ৩ বা ৫ বার নিম্নোক্ত মন্ত্রে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন—ওঁ নমো শিবায় এষ সচন্দনপুষ্পবিল্বপত্রাঞ্জলি নমো শিবায় নমঃ। এরপর অঙ্গপূজা করতে হয়। অঙ্গপূজা হল শিবের পরিবার ও সাঙ্গোপাঙ্গোদের পূজা।—
ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ওঁ গৌর্যৈ নমঃ। ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ওঁ অষ্টমূর্তিভ্যো নমঃ। ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ওঁ ব্রাহ্ম্যাদ্যাষ্টমাতৃকাভ্যো নমঃ। ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ওঁ গণেভ্যো নমঃ। ওঁ এতে গন্ধপুষ্পে ওঁ বৃষভায় নমঃ।
এই পাঁচটি মন্ত্র পড়ে প্রত্যেকের নামে একটি করে ফুল বা একটু করে জলশুদ্ধির জল দেবেন।
তারপর আপনার গুরুমন্ত্র ১০৮ বার জপ করবেন। জপ করে হাতে একটু জল নিয়ে শিবকে দিয়ে বলবেন, এই নাও আমার জপের ফল, আমি তোমাকেই সমর্পণ করলাম।
তারপর ঠাকুরকে একটি টাকা (ইচ্ছা করলে বেশিও দিতে পারেন)
প্রণাম করবেন—
নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং গতিস্তং পরমেশ্বরম্।।
পূজার পর সময় পেলে শিবের স্তবস্তোত্রাদিও পাঠ করতে পারেন।
(মন্ত্রপাঠে অসমর্থ ব্যক্তিদের জন্য)
প্রথমে মনে মনে বিষ্ণুকে স্মরণ করে বলবেন—‘হে ঈশ্বর, তোমাকে আকাশের সূর্যের মতো যেন দেখতে পাই। তুমি পতিতপাবন, আমার সব পাপ মার্জনা করে, আমাকে দেহ ও মনে শুদ্ধ করে তোমার পূজার উপযোগী করে নাও।’ তারপর সর্বান্তকরণে বিশ্বের সকলের কল্যাণ কামনা করবেন। তারপর গঙ্গা, যমুনা, গোদাবরী, সরস্বতী, নর্মদা, সিন্ধু ও কাবেরী—এই সাত নদীমাতাকে পাত্রের জলে আহ্বান করবেন। মনে করবেন, তাঁরা যেন সূর্যমণ্ডল থেকে নেমে এসে সেই জলে অবস্থান করলেন। তারপর একটি চন্দন-মাখানো ফুল দিতে তাঁদের পূজা করবেন। সেই জল মাথায় নেবেন, সকল পূজাদ্রব্যের উপর ছিটিয়ে দেবেন। পানের জল ছাড়া পূজার সব কাজে যেখানে জল দেওয়ার কথা আছে, সেখানে এই জলই দেবেন। তারপর কুশীতে করে একটু জল নিয়ে সূর্যের উদ্দেশ্যে দেখিয়ে শিবলিঙ্গের উপর দেবেন। সূর্যকে প্রণাম করবেন। তারপর একে একে গণেশ, শ্রীগুরু, শিব, সূর্য, নারায়ণ, দুর্গা, নবগ্রহ, দশমহাবিদ্যা, দশাবতার, সর্বদেবদেবী ও আপনার ঠাকুরের আসনে অন্যান্য ঠাকুরদেবতা থাকলে তাঁদেরকে এবং আপনার ইষ্টদেবতাকে প্রত্যেককে একটি করে সচন্দন ফুল দিয়ে পূজা করবেন। অত ফুল না থাকলে প্রত্যেকে নামে জলশুদ্ধির জল একটু করে শিবলিঙ্গে দেবেন। এবার ঘণ্টা বাজিয়ে এক ঘটি জলে শিবঠাকুরকে স্নান করাবেন। স্নানের জলে ওই সাত নদীমাতাকে আহ্বানকরা তীর্থজল একটু মিশিয়ে নেবেন। তারপর শিবের ধ্যানমন্ত্রটির বাংলা অর্থ ধরে মনে মনে তাঁর মূর্তিচিন্তা করবেন, ভাববেন তিনি আপনার হাত থেকে চন্দন, ফুল-বেলপাতা, ধূপ, দীপ ও নৈবেদ্য গ্রহণ করছেন। তারপর একে একে ‘ওঁ নমো শিবায়’ বলে বলে ওই সকল উপচার শিবলিঙ্গে দেবেন বা শিবকে দেখাবেন। মালা থাকলে পরাবেন। তারপর পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কোনো উপচার না থাকলে, সেই উপচারের নাম করে জল দেবেন। তারপর মা গৌরী ও শিবের সাঙ্গোপাঙ্গোদের নামে দুটি ফুল বা একটু জল দেবেন শিবলিঙ্গে। তারপর জপ করে হাতে একটু জল নিয়ে সেই জল শিবকে দিয়ে বলবেন, এই নাও আমার জপের ফল আমি তোমাকে দিলাম। তারপর ‘ওঁ নমো শিবায়’ মন্ত্রেই প্রণামী দিয়ে প্রণাম করবেন। সকল কাজই ভক্তিসহকারে করবেন। ঈশ্বর আপনার পূজা অবশ্যই গ্রহণ করবেন, এই দৃঢ় বিশ্বাস রাখবেন।
ধ্যানমন্ত্র
ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরিনিভং চারুচন্দ্রাবতংস
ং রত্নাকল্পোজ্জ্বলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্রসন্নম্।
পদ্মাসীনং সমন্তাৎ স্তুতমমরগণৈর্ব্
যাঘ্রকৃত্তিং বসানং বিশ্বাদ্যং বিশ্ববীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চবক্ত্রং ত্রিনেত্রম্।।
ওঁ তৎপুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহি তন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ।
বাংলা অর্থ— রজতগিরির ন্যায় তাঁহার আভা, যিনি সুন্দর চন্দ্রকে ভূষণরূপে ধারণ করিয়াছেন, যাঁহার দেহ রত্নময় বেশভূষায় উজ্জ্বল, যিনি পদ্মাসনে উপবিষ্ট, আনন্দময় মূর্তি, চতুর্দিকে দেবতারা তাঁহার স্তব করিতেছেন, যিনি ব্যাঘ্রচর্ম- পরিহিত, যিনি জগতের আদি, জগতের কারণ, সকল প্রকার ভয় নাশক, পঞ্চবদন এবং প্রতিটি বদনে তিনটি চক্ষু, সেই মহেশকে নিত্য এইরূপ ধ্যান করিবে।
কৃতজ্ঞতা স্বীকার
আমার পূজ্যপাদ শ্রীশ্রীগুরুদেব।
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত।
তন্ত্রসার, ১ম-২য় খণ্ড, কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ, বসুমতী সাহিত্য মন্দির, কলকাতা।
পূজাবিজ্ঞান, স্বামী প্রমেয়ানন্দ, উদ্বোধন কার্যালয়, কলকাতা।
বিশুদ্ধ নিত্যকর্ম পদ্ধতি, হেমচন্দ্র ভট্টাচার্য, অক্ষয় লাইব্রেরি, কলকাতা।
স্বামী দুর্গানাথানন্দজী মহারাজ, বেলুড় মঠ।
।।অথ সরল শিবপূজাপদ্ধতি সমাপ্তম্।



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200413074744

Sunday, April 12th, 2020

Astro Research Centre

সিংহ রাশিফল ২০২০ বিস্তারিত ফল

সিংহ রাশিফল ২০২০ বিস্তারিত ফল

সিংহ রাশিফল ২০২০ বিস্তারিত ফল

আপনি আর্থিকভাবে কিছুটা অমসৃণ পথে চলতে পারেন এই বছর। আপনার সম্পদ লাভের জন্য বা বৃদ্ধির জন্য আপনাকে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে। পেশাগত দিকে সাফল্য লাভের জন্য এই বছরটি ভালো হবে।

https://youtu.be/72UxsyrUelk

২০২০ সালে বৃহস্পতি গোচরে শুভ ক্ষেত্রে থাকবে । আপনি কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষায় অনেক উন্নতি করবেন যার ফলে অনেক অর্থ লাভ করতে পারবেন। সাথে অনেক সম্মানও লাভ করবেন। আপনি যে কাজেই হাত দেবেন সেই কাজই সফল হবে। এই বছর যেন শুধু আপনাকে উপহার দিতেই আসছে। আপনি এই বছর সুখে স্বচ্ছন্দ্যে কাটবেন।

Saturn Transit From Sagittarius to Capricorn on 24th January 2020. Get Details about How will be the effect of Saturn Transit on Leo Zodiac Sign or Singh Rashi in terms of Love, Career, Health & Finance.

২০২০ সালে এই রাশির জাতকরা সামগ্রিকভাবে ভাগ্যবান হবে। অর্থনীতি ও ব্যবসায়ের মতো ক্ষেত্রে আরও ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে। এই বছরটি আপনার অর্থনৈতিক অবস্থার বিষয়ে খুবই ভালো কাটবে। আপনার সামর্থ্যের কারণে আপনার বেতন বৃদ্ধি পেতে পারে বা অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এই বছরটি আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল তবে আপনার পরিবারের সদস্যদের জন্য নয়। শনি আপনার ষষ্ঠ ঘরে থাকবে যা শত্রুদের বিরুদ্ধে বিজয়ের লক্ষণ দেখায়।

https://youtu.be/72UxsyrUelk

আপনার কর্মক্ষেত্রে আপনাকে ভালবাসা এবং প্রশংসা করা হবে। আপনার সহকর্মীরা আপনাকে সহায়তা করবে এবং ভাল পরামর্শ দেবে। আপনার আয় সারা বছর স্থিতিশীল থাকবে। সাফল্য, স্থিতিশীলতা এবং আর্থিক লাভ পাওয়ার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। আপনার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ইচ্ছাটি এই বছর আপনার শিক্ষা সম্পর্কিত বিষয়ে পূরণ হতে পারে। আপনি যদি ইলেকট্রনিক বা হার্ডওয়্যার ক্ষেত্রে নিযুক্ত থাকেন তবে আপনি সাফল্য অর্জন করবেন।

https://youtu.be/72UxsyrUelk

রাশিফল ২০২০ অনুসারে এই বছর, আপনার পারিবারিক জীবন ভাল না যেতে পারে। বছরের প্রাথমিক মাসগুলিতে আপনি জমি বা সম্পত্তি ক্রয় করতে পারেন। নতুন বিবাহিত দম্পতিরা প্রথম কয়েক মাস এবং তারপরে জুনের পরে সন্তানের আশা করতে পারে। ২০২০ রাশিফল অনুযায়ী আপনার প্রেমের জীবন অস্থির হবে. আপনি যদি কাউকে ভালবাসেন তবে বছরের শেষার্ধে সেটি সফল হতে পারে।

সিংহ রাশি (২৩ জুলাই-২৩ অগস্ট) :

এটা নতুন কিছু করার ও নতুন উচ্চতায় ওঠার বছর। কয়েকটি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাবা-মা'র উপদেশ কার্যকরী হবে। টাকা সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য নতুন বছর গুরুত্বপূর্ণ হবে। কমিশন ও রয়্যালটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা মুনাফা করতে পারেন। মার্চ, এপ্রিল, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। কোনও সম্পত্তি কেনাবেচার ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর খুব ভালো হবে।

https://youtu.be/72UxsyrUelk

স্বাস্থ্য : যাঁরা ফিটনেস টিপসের সন্ধানে আছেন, তাঁরা ফিট ও এনার্জিটিক থাকলে ভালো হবে। বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নিয়মিত ফিটনেস ট্রেনিং সাহায্য করবে। যাঁরা ডায়াবেটিস ও রক্তচাপে ভুগছেন তাঁরা বছরের মাঝামাঝি নতুন দিশা পাবেন।

কেরিয়ার : নতুন বছর আপনার জন্য প্রচুর এনার্জি ও উদ্যম নিয়ে আসবে। সহকর্মীদের থেকে সমর্থন পাওয়ার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রম আপনার পরিচিতি বাড়াতে সাহায্য করবে। মার্চ ও সেপ্টেম্বরে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে।

https://youtu.be/72UxsyrUelk

প্রেম : সবমিলিয়ে প্রেমের জন্য দারুণ বছর। আপনার উদ্বেগে সামিল হবেন সঙ্গী । নৈসর্গিক জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। শ্বশুরবাড়ির থেকে কেউ কেউ ভালো খবর পেতে পারেন। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় সিঙ্গেলদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে।

আপনি যদি অন্যান্য গ্রহের অশুভ কৌ