Tuesday, August 27th, 2019

Astro Research Centre

তিথি, অমাবস্যা, পূর্ণিমা, নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিকি কি ক্তা ও পূর্ণা 30টি তিথি

তিথি, অমাবস্যা, পূর্ণিমা, নন্দা,  ভদ্রা, জয়া, রিকি কি ক্তা ও পূর্ণা  30টি তিথি

জ্যোতিষশাস্ত্রে 30টি তিথি কি কি , যথা- নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা ও পূর্ণা একাদশী কি ও কয়টি

তিথি পরিচয় জ্যোতিষ বিজ্ঞান মতে চন্দ্র পৃথিবীর চতুর্দিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ত্রিশ দিন লাগে। চন্দ্র ও পৃথিবী ঘুর্ণনের ফলে চন্দ্র ক্রমশ দৃশ্যমান হতে হতে পনের দিনে সম্পূর্ণ দৃশ্যমান হয় যাকে পূর্ণিমা বলে এবং পরবর্তী পনের দিন পর সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয় যাকে অমাবস্যা বলে। যে একক সময়ে চন্দ্রের এরকম হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে তাকে প্রতিপদ, দ্বিতীয়া আদি তিথি বলে। অমাবস্যার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত পনের দিন শুক্ল পক্ষ এবং পূর্ণিমার পরের দিন অর্থাৎ প্রতিপদ থেকে অমাবশ্যা পর্যমত্ম পনের দিন কৃষ্ণ পক্ষ নামে পরিচিত। শুক্ল পক্ষের তিথির নাম- ১) প্রতিপদ, ২) দ্বিতীয়া, ৩) তৃতীয়া, ৪) চতুর্থী, ৫) পঞ্চমী, ৬) ষষ্ঠী, ৭) সপ্তমী, ৮) অষ্টমী, ৯) নবমী, ১০) দশমী, ১১) একাদশী, ১২) দ্বাদশী, ১৩) ত্রয়োদশী, ১৪) চতুর্দশী ও ১৫) পূর্ণিমা। কৃষ্ণ পক্ষের তিথির নাম- ১৬) প্রতিপদ, ১৭) দ্বিতীয়া, ১৮) তৃতীয়া, ১৯) চতুর্থী, ২০) পঞ্চমী, ২১) ষষ্ঠী, ২২) সপ্তমী, ২৩) অষ্টমী, ২৪) নবমী, ২৫) দশমী, ২৬) একাদশী, ২৭) দ্বাদশী, ২৮) ত্রয়োদশী, ২৯) চতুর্দশী ও ৩০) অমাবস্যা। তিথিসমূহ পাঁচ ভাগে বিভক্ত, যথা- নন্দা, ভদ্রা, জয়া, রিক্তা ও পূর্ণা। প্রতিপদ, ষষ্ঠী ও একাদশীকে নন্দা; দ্বিতীয়া, সপ্তমী ও দ্বাদশীকে ভদ্রা; তৃতীয়া, অষ্টমী ও ত্রয়োদশীকে জয়া; চতুর্থী, নবমী ও চতুর্দশীকে রিক্তা এবং পঞ্চমী, দশমী, অমাবস্যা ও পূর্ণিমাকে পূর্ণা বলে।


১। একাদশী কী?
২। একাদশী কয়টি ও কি কি?
৩। একাদশীকে মাধব তিথি বা হরিবাসর তিথি বলা হয় কেন?
অালোচনা ঃ-----
একাদশী একটি সংস্কৃত শব্দ। জ্যোতিষশাস্ত্র বা বৈদিক দিনপঞ্জি অনুযায়ী মাসের দুইটি পক্ষের (এক পক্ষ =১৫ দিন) ১১ তম দিবসে তা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ প্রতি মাসে দুটি একাদশী তিথি হয়ে থাকে। অামাবস্যার পর থেকে পূর্ণিমা পষন্ত কালকে বলা হয় শুক্লপক্ষ এবং পূর্ণিমার পর থেকে অমাবস্যা পযন্ত কালকে বলা হয় কৃষ্ণপক্ষ। এভাবে (১২) মাসে চব্বিশটি (২৪) একাদশী।
১। বরুথিনী ২। মোহিনী ৩। অপরা ৪। পান্ডবা
৫। যোগিনী ৬। শয়ন ৭। কামিকা ৮। পবিত্রারোপিণী
৯। অন্নদা ১০। পার্শ্বৈ ১১। ইন্দিরা ১২। পাশাঙ্কুশা
১৩। রমা ১৪। উত্থান ১৫। উৎপন্না ১৬। মোক্ষদা
১৭। সফলা ১৮। পুত্রদা ১৯। ষটতিলা ২০। ভৈমী, জয়া
২১।বিজয়া ২২। অামলকী ২৩। পাপমোচনী ২৪। কামদা
এছাড়া কোনো বছরে অধিমাস বা পুরুষোত্তম মাস (মলমাস) থাকলে, তখন অতিরিক্ত দুটি একাদশী হয়।
শুক্লপক্ষের পদ্মিনী একাদশী এবং কৃষ্ণপক্ষের পরমা একাদশী।
একাদশীকে মাধব তিথি বা হরিবাসর তিথি বলা হয়। মাধব হলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং তিথি মানে বিশেষ সময়। অর্থাৎ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা তার প্রিয় তিথিকে বলাহয় মাধব তিথি। জগজ্জীবের কল্যাণের নিমিত্তে ভগবান এই তিথিতে একাদশী দেবীরূপে প্রকাশিত হন। তাই ভগবদ্ভক্তগণ ভগবানের সন্তুুষ্টি বিধানার্থে একাদশী তিথি বিশেষ ভাবে উদযাপন করে থাকেন। কেননা, তা সমস্ত ব্রতের মধ্যে উত্তম ব্রত। হরে কৃষ্ণ


চাঁদ ঘুরছে পৃথিবীর চারদিকে, আর সূর্যের চারদিকে ঘুরে চলেছে পৃথিবী। একইরকম ঘুরে চলার পথে যখন পৃথিবীর একদিকে থাকে চাঁদ, আর একদিকে সূর্য অর্থাৎ পৃথিবী থাকে চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে, সেদিন সূর্যের আলো পাওয়া চাঁদের অর্ধেকটাই পৃথিবী থেকে দেখা যায়। এ দিনটাই পূর্ণিমা। এ সময়টা চাঁদের আলোয় চারপাশ ভেসে যায়। অর্ধেক চাঁদ যদি পুরোটাই আলো পায়, তাহলে সেই চাঁদকে গোল চাঁদ বলে মনে হয়। আবার অমাবস্যা হয়, পৃথিবী ঘুরছে সূর্যের চারদিকে, পৃথিবীর চারপাশে আবার ঘুরছে চাঁদ। এভাবে ঘোরার পথে চাঁদ যখন পৃথিবী আর সূর্যের মাঝখানে আসে, তখন চাঁদের যে পিঠে সূর্যের আলো পড়ে, সে পিঠটা দেখা যায় না। চাঁদের যে দিকে সূর্য আছে, পৃথিবী আছে তার উল্টো দিকে ফলে পৃথিবী থেকে চাঁদের উল্টো দিকটা অর্থাৎ অন্ধকার দিকটা আমাদের চোখে পড়ে। চাঁদের অন্ধকার পিঠ পৃথিবীর দিকে যখন পড়ে, তখনই আসে অমাবস্যা। প্রতি চন্দ্রমাসেই অমাবশ্যা ও পূর্নিমা হয়ে থাকে।


আমাদের দেশে সৌর ও চন্দ্র পদ্ধতির আলাদা সন গোনার পদ্ধতি থাকলেও মিশ্র রীতিতেও তার হিসেব রাখা হত। যেমন চন্দ্র পদ্ধতিতে মাসের গণনা হলেও সন গণনা হত সৌর পদ্ধতিতে। হিন্দুদের পূজা পার্বন-সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান চাঁদের পরিবর্তনের হিসেব অনুযায়ী হয়। চন্দ্র পদ্ধতির হিসেবে প্রতিটি মাসই ৩০ দিনের। পূর্ণিমা থেকে পূর্ণিমা। ফেল প্রতি সৌর বছরের হিসেব থেকে কয়েকটি দিনের পার্থক্য ঘটে। তাই প্রতি তিন সৌর বছর পরে পরে দেখা যায় একটি চান্দ্রমাস বেশি হচ্ছে। তখন ওই মাসটিকে অতিরিক্ত ধরে মূল হিসেব থেকে বাদ দেওয়ার রীতি প্রচলিত রয়েছে। এই অতিরিক্ত মাসকে বলা হয় অতিরিক্ত মাস বা মলমাস।


একই মাসে দু’টি অমবাস্যা তিথি পরলেও সেটিকে মলমাস বলা হয়। ‘মল’ শব্দের অর্থ অশুভ। তাই এই মাসকে বর্জিত হিসেবে হিন্দু ধর্মের কোনও পূজা বা শুভ অনুষ্ঠান যেমন বিবাহ, অন্নপ্রাশন ইত্যাদি হয় না। তবে শ্রাদ্ধ বা সপিণ্ডকরণ করা যায়। আরও একটি বিষয় হল অগ্রহায়ণ, পৌষ ও মাঘ মাস কখনও মলমাস হয় না।


মাসে । আগামী বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর অমাবস্যা ,মহালয়া ও বিশ্বকর্মা পূজা একই দিনে ।


আগামী বছর মহালয়া থেকে পুজোর ফরাক ৩৫দিনের । ১৭ সেপ্টেম্বর মহালয়া এবং সপ্তমী ২৩ সে অক্টোবর। অর্থাৎ, মহালয়া থেকে পুজোর শুরুর ফারাক ৩৫ দিনের।


শাস্ত্র মতে রবি একই রাশিতে থাকলে এক মাসে দুটি অমাবস্যা হয় এবং সেই মাসকে মল মাস বলে ।


ভারতীয় সময়ানুসারে। ৩০মিনিট যোগ করলে বাংলাদেশর সময় পাওয়া যাবে।
আজ: ৩ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, শনিবার, কলি: ৫১২০, সৌর: ৪ মাঘ, চান্দ্র: ২৩ মাধব মাস, ৫৩৩ চৈতনাব্দ, ১৯৪১ শকাব্দ /২০৭৬ বিক্রম সাম্বৎ, ইংরেজী: ১৮ জানুয়ারী ২০২০, বাংলাদেশ: ৫ মাঘ ১৪২৬, ভারতীয় সিভিল:২৮ পৌষ ১৯৪১, মৈতৈ: ২৩ ৱাকচিং, আসাম: ৩ মাঘ, মুসলিম: ২২--১৪৪১ হিজরী





সূর্য উদয়: সকাল ০৬:২১:২৩ এবং অস্ত: বিকাল ০৫:১১:৫৩।
চন্দ্র উদয়: শেষ রাত্রি ০১:০০:১৫(১৮) এবং অস্ত: সকাল ১২:৩৮:১১(১৯)।
অমৃতযোগ: দিন ০৯:৫৮:১৩ থেকে - ১২:৫১:৪১ পর্যন্ত এবং রাতি ০৭:৪৯:৪৭ থেকে - ১০:২৭:৪১ পর্যন্ত, তারপর ১২:১২:৫৭ থেকে - ০১:৫৮:১৩ পর্যন্ত, তারপর ০২:৫০:৫১ থেকে - ০৪:৩৬:০৭ পর্যন্ত।
কুলিকবেলা: দিন ০৭:০৪:৪৫ থেকে - ০৭:৪৮:০৭ পর্যন্ত।
কুলিকরাতি: ০৫:১১:৫৩ থেকে - ০৬:০৪:৩১ পর্যন্ত।
বারবেলা: দিন ০১:০৭:৫৭ থেকে - ০২:২৯:১৬ পর্যন্ত।
কালবেলা: দিন ০৬:২১:২৩ থেকে - ০৭:৪২:৪২ পর্যন্ত, তারপর ০৩:৫০:৩৫ থেকে - ০৫:১১:৫৩ পর্যন্ত।
কালরাতি: ০৫:১১:৫৩ থেকে - ০৬:৫০:৩৫ পর্যন্ত, তারপর ০৪:৪২:৪২ থেকে - ০৬:২১:২৩ পর্যন্ত।

গ্রহস্ফুট (সূর্য উদয় কালীন):
রবি: ৯/২/৫৯/৫৩ (২১) ২ পদ
চন্দ্র: ৬/৭/৩৩/৫৭ (১৫) ১ পদ
মঙ্গল: ৭/১৩/৫৩/১৭ (১৭) ৪ পদ
বুধ: ৯/১২/২২/৫৯ (২২) ১ পদ
বৃহস্পতি: ৮/১৭/৪৬/৩০ (২০) ২ পদ
শুক্র: ১০/১১/৫৪/৩৪ (২৪) ২ পদ
শনি: ৮/২৬/৩৯/৩ (২০) ৪ পদ
রাহু: ২/১৫/২৬/৩ (৬) ৩ পদ
কেতু: ৮/১৫/২৬/৩ (২০) ১ পদ

কৃষ্ণ পক্ষ |তিথি: অষ্টমী ( জয়া) সকাল ঘ ০৮:৫৭:৪৪ দং ৬/৩০/৫২.৫ পর্যন্ত পরে নবমী শেষ রাত্রি ঘ ০৬:৫২:৫০ দং ১/১৮/৪৭.৫ পর্যন্ত পরে দশমী
নক্ষত্র: চিত্রা সকাল ঘ ০৪:৫০:৪৬ দং ৫৬/১৩/২৭.৫ পর্যন্ত পরে স্বাতী শেষ রাত্রি ঘ ০৩:২৪:২২ দং ৫২/৩৭/৩৭.৫ পর্যন্ত পরে বিশাখা
করণ: কৌলব সকাল ঘ ০৮:৫৭:৪৪ দং ৬/৩০/৫২.৫ পর্যন্ত পরে তৈতিল বিকাল ঘ ০৭:৫৩:৪০ দং ৩৩/৫০/৪২.৫ পর্যন্ত পরে গর শেষ রাত্রি ঘ ০৬:৫২:৫০ দং ১/১৮/৪৭.৫ পর্যন্ত পরে বণিজ
যোগ: ধৃতি দুপুর ঘ ০৩:৫৮:৩৫ দং ২৪/৩/ পর্যন্ত পরে শূল


গুরু পূর্ণিমা কি ও কেন..

গুরুপুর্নিমা একটি বৈদিক প্রথা যার মধ্য দিয়ে শিষ্য তার গুরুকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।

প্রাচীন আর্য সমাজে শিক্ষক বা গুরুর স্থান কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল‚ বোঝা যায় যখন ছাত্র-শিক্ষক বা গুরু-শিষ্য পরম্পরাকে সম্মানিত করতে একটি পুর্ন দিন উৎসর্গ করা হয় | তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় অন্য কোনও সম্পর্ক এত গুরুত্ব পেত না। গুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে বৈদিক যুগ থেকেই আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিকে বিশেষ ভাবে নির্ধারণ করে ‘গুরুপূর্ণিমা‘ উদযাপন করা হচ্ছে।

সংস্কৃতে ‘গূ‘ শব্দের অর্থ হল অন্ধকার | গুরু শব্দের মানে হল যিনি অন্ধকার দূর করেন | গুরু আমাদের মনের সব সংশয়‚ সন্দেহ‚ অন্ধকার‚ জিজ্ঞাসা দূর করেন | নতুন পথের দিশা দেখান | তমসা থেকে জ্যোতির্ময়ের পথে চালিত করেন গুরু | হিন্দিতে একটা প্রবচন আছে‚

‘ গুরু গোবিন্দ দুয়ো খাড়ে‚ কাকে লাগু পায় / বালিহারি গুরু আপনে যিন গোবিন্দ দিয়ো বতায়ে ‘

অর্থাৎ‚ এমন একটা পরিস্থিতি‚ যখন গুরু এবং গোবিন্দ বা ঈশ্বর দুজনেই সামনে দাঁড়িয়ে আছেন‚ আমি কাকে প্রথম পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করব ? তার পরের লাইনেই আছে সমাধান | যদি ঈশ্বর এবং গুরু দুজনে সামনে থাকেন‚ আগে গুরুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করবে | কৃতজ্ঞতা জানাবে | কারণ তিনিই আমাদের ঈশ্বরকে চেনান |

বৌদ্ধ ধর্মেও গুরুপূর্ণিমার গুরুত্ব অসীম | বলা হয়‚ বোধিজ্ঞান লাভের পরে আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় প্রথম উপদেশ দেন গৌতম বুদ্ধ, আজকের উত্তরপ্রদেশের সারনাথে | আবার হিন্দু পুরাণে আছে শিবের মাহাত্ম্য | মহাদেব হলেন আদি গুরু | তাঁর প্রথম শিষ্য হলেন সপ্তর্ষির সাতজন ঋষি - অত্রি‚ বশিষ্ঠ‚ পুলহ‚ অঙ্গীরা‚ পুলস্থ্য‚
মরীচি এবং ক্রতু ( নাম নিয়ে মতভেদ আছে) | আদিযোগী শিব এই তিথিতে আদিগুরুতে রূপান্তরিত হন | তিনি এদিন ওই সাত ঋষিকে মহাজ্ঞান প্রদান করেন | তাই‚ এই তিথি হল গুরুপূর্ণিমা |

ভারতের অনেক জায়গায় গুরু পূর্ণিমাকে মহাঋষি বেদব্যাসের জন্মতিথি হিসেবেও মানা হয় | যদিও তিনি ছিলেন ঋষি পরাশর এবং মৎস্যগন্ধা সত্যবতীর সন্তান। জন্মের পরে তাঁকে পরিত্যাগ করেন জন্মদাত্রী সত্যবতী | এই সন্তানই মহাঋষিতে পরিণত হন | সম্পাদনা ও পরিমার্জনা করেন চতুর্বেদের | ১৮ টি পুরাণ ছাড়াও রচনা করেন মহাভারত এবং শ্রীমদ্ভগবৎ | বলা হয়‚ আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতেই জন্ম হয়েছিল ব্যাসের |

প্রাচীন সভ্যতার মূলে থাকত চন্দ্র সূর্যের অবস্থান | তাই‚ পূর্ণিমা অমাবস্যাকে ঘিরে আবর্তিত হত বিভিন্ন পালা পার্বণ | গুরু পূর্ণিমার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি | তবে প্রবর্তনের পিছনে যে কারণই থাক না কেন‚ এর উদ্দেশ্য আচার্যকে সম্মান প্রদান করা | একটি শ্লোকের মাধ্যমে গুরু পুর্নিমাতে শ্রী গুরু কে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা যায় -

"গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু‚ গুরুর্দেবো মহেশ্বরঃ
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ"

অর্থাৎ জীবনে গুরুই হলেন ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর | তিনিই আমাদের সৃষ্টি-স্থিতি-লয়ের জ্ঞান বা পরম ব্রহ্মজ্ঞান দান করেন | সেই গুরুর উদ্দেশে প্রণাম জানাই |




সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190827141440