Sunday, September 15th, 2019

Astro Research Centre

দশ মাহাবিদ্যা রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্ররিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় জ্যোতিষে মাতঙ্গী

দশ মাহাবিদ্যা  রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্ররিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় জ্যোতিষে মাতঙ্গী

দশ মাহাবিদ্যা রবি গ্রহের ইষ্ঠ দেবী মাতঙ্গী অশুভ রবি গ্রহের প্রতিকার মান যশ অর্থ প্রতিষ্ঠা লাভ হয় কালী তারা ষোড়শী ভুবনেশ্বরী ভৈরবী ছিন্নমস্তা ধূমাবতী কমলা

মাতঙ্গী দেবী শ্যাম বর্ণা, চতুর্ভুজা , ত্রিনয়না। ললাট ফলকে অর্ধ চন্দ্র থাকে। ইনি সদা হাস্যময়ী। ইনি অঙ্কুশ, খড়গ, খেটক, পাশ ধারন করে থাকেন ।ইনি নবম মহাবিদ্যা । ইনি দাবানলের ন্যায় রাক্ষস কূল ভস্ম করেন। তিনি অসুর ও আসুরিক ভাবাচ্ছন্ন দের মোহ মায়ার জালে বন্দী করে ভ্রষ্ট করে দেন। আবার তিনিই ভক্তকে অভীষ্ট ফল প্রদান করেন। গৃহস্থ জীবনে ইনি সুখ ও শান্তি প্রদান করেন। বাক সিদ্ধির জন্য এই দেবীর আরাধনা সাধকরা করে থাকেন । পূরশ্চর্যার্ণব শাস্ত্র মতে বলা হয়-

অক্ষবক্ষ্যে মহাদেবীং মাতঙ্গীং সর্বসিদ্ধিদাম্ ।
অস্যাঃ সেবনমাত্রেণ বাকসিদ্ধিং লভতে ধ্রুবম্ ।।

নারদপঞ্চরাত্র শাস্ত্র মতে দেবী ভগবতীর মাতঙ্গী রূপ ধারনের একটি ঘটনা আছে । সেখানে শিবকে চন্ডাল আর দেবীকে উচ্ছিষ্টচণ্ডালিনী বলা হয়েছে। কেন বলা হয়েছে জানা নেই। তবে এর একটি কারন হতে পারে- শ্মশানের ডোম, চণ্ডাল কে দেখে আমরা হামেশাই ঘৃনা করে থাকি। বিশেষ করে উচ্চ বর্ণের লোকেরা ছুৎ মার্গ অবলম্বন কারীরা এঁদের মুখ দর্শন করাকে ঘোর পাপ বলে মনে করে। শতাব্দীর পর শতাব্দী এই চলে এসেছে। কিন্তু শ্মশান কিন্তু কম পবিত্র জায়গা নয়, মন্দিরের মতোই পবিত্র। ব্রহ্মচর্য, সংযম, নিত্য- অনিত্যের শিক্ষা পাঠ হয় সেখানে, এই স্থান অপবিত্র হয় কি ভাবে ? আর শবদাহ কে পুন্য কর্ম ধরা হয়। স্বয়ং দেবাদিদেব এই শ্মশানে থাকেন, তিনি ছাই ভস্ম মেখে দিগম্বর । এখানে কোন পিছু টান নেই, তাই মা কালীর বিচরণ ক্ষেত্র। আর চন্ডাল এই পরম ক্ষেত্রে দিবারাত্র পুন্য কর্ম করে দেবাদিদেব ও জগত জননীর আশীর্বাদ ও সান্নিধ্য লাভ করছে। এবার ভেবে দেখুন কে বেশী পবিত্র? কবি নজরুল একটি কবিতায় লিখেছেন – ‘চন্ডাল কে দেখে চমকাও কেন? ও তো শ্মশানের শিবও হতে পারে।’ যারা দিবারাত্র শিব সান্নিধ্যে থাকে তাঁরা যে শিবত্ব লাভ করে এতে সন্দেহ কি ? যেমন যিনি গুরু আশ্রয় করে গুরু বানী মেনে জীবন যাপন করেন – তাঁদের যে মোক্ষ লাভ হবে এতে আর সন্দেহ কি ? যাই হোক মূল কাহানী বলা যাক। একদা দেবী পার্বতী পিতৃগৃহে হিমালয় ভবনে গেছেন। সেখানে যত্নে রেখেছেন মেনকা রানী। কন্যা বলে কথা। নয়নের মনি। কিন্তু শক্তি ভিন্ন শিব আর থাকেন কতক্ষণ ? তিনি একদিন এক শাঁখারীর ছদ্দবেশে হিমালয় ভবনে শাঁখা, শঙ্খ বিক্রি করতে গেলেন। সেখানে বেশ বিক্রয় হল। দেবী পার্বতীও শাঁখা কিনলেন। শঙ্খ কিনলেন । পার্বতী দেবী জানালেন –‘ওহে শাঁখারী, বল এই শাঁখা আর শঙ্খের কত মূল্য নেবে?’ ছদ্দবেশী মহাদেব প্রথমে নিতে চাইলেন না। পড়ে অনেক বলার পর মহাদেব বললেন- ‘তুমি আমায় বরন করো- এটাই মুল্য।’ এই শুনে দেবী অত্যন্ত রেগে ভাবলেন তাঁকে কুপ্রস্তাব দেয় এমন সাধ্যি কার? এখুনি ভস্ম করবেন এই লম্পট শাঁখারীকে। দেবী আরও ভাবলেন একবার যোগবলে দেখে নেওয়া যাক এই শাঁখারীর পরিচয়। মহামায়ার কাছে কোন মায়া খাটে না। দেখলেন এ যে ছদ্দবেশে মহেশ্বর। দেবী হেসে বললেন – ‘কালান্তরে তোমার মনোরথ পূর্ণ করবো।’

মানস সরোবরের তীরে মহাদেব কিরাত বেশে ছিলেন। দেবী তাঁর সখী দের সাথে সেখানে চন্ডালিনীর বেশে গেলেন ও মহাদেবের সাথে লীলাকেলি করলেন। এতে তাঁরা দুজনেই আনন্দিত হলেন। মহাদেব বললেন- ‘দেবী। তুমি চন্ডালিনী বেশে আমার সাথে মিলিত হয়েছো, তোমার এই রূপ উচ্ছিষ্টচন্ডালিনী নামে প্রসিদ্ধ হবে। সমস্ত শক্তি পূজোর শেষে তোমার এই রূপ পূজা হবে, নাহলে সেই শক্তি পূজো বিফল হবে।অন্য দিকে তোমার এই রূপ মাতঙ্গী নামে খ্যাতা হবে ।’

কিছু তন্ত্র শাস্ত্রে শিবকে মতঙ্গ আর তাঁর শক্তিকে মাতঙ্গী বলা হয়েছে । আবার কিছু শাস্ত্র মতে এই দেবীকে মতঙ্গ মুনির কন্যা বলা হয়েছে। পুরাকালে মতঙ্গ নামক এক ঋষি কদম্ব বনে সমস্ত প্রানীকে বশ করার জন্য ত্রিপুরাদেবীর আরাধনা করেছিলেন। সেই দেবীর নেত্র থেকে এক জ্যোতি বের হয়, সেই জ্যোতি এক দেবী মূর্তি ধারন করে। তিনি শ্যামলা , সুমুখী, ষোড়োশী। এই দেবীর নাম রাজমাতঙ্গিনী। দেবীর চাঁর হাতকে চাঁর বেদের প্রতীক বলা হয়।

শ্রী শ্রী চন্ডীর সপ্তম অধ্যায়ে আমরা মাতঙ্গী দেবীর একটি ধ্যান মন্ত্র পাই-

ধ্যায়েয়ং রত্নপীঠে শুককলপঠিতং শৃন্বতীং শ্যামলাঙ্গীম্ ।
ন্যস্তৈকাঙঘ্রিং সরোজে শশিশকলধরাং বল্লকীং বাদয়ন্তীম্ ।
কহ্লারাবদ্ধমালাং নিয়মিতবিলসচ্চূড়িকাং রক্তবস্ত্রাম্ ।
মাতঙ্গীং শঙ্খপাত্রং মধুরমধুমদাং চিত্রকোদভাসিভালাম্ ।।

দেবী মাতঙ্গী হল দশমহাবিদ্যার অন্যতম কারো মতে নবম মহাবিদ্যা। দেবী মূলতঃ স্বরস্বতী দেবীর তাত্রিক রুপ হিসাবেই চিহ্নিত হন ।
মাতঙ্গী দেবী সংগীত, কলা বিশেষত আর্টসের উপর আধিপত্য বিস্তার কারী । তাকে একজন চন্ডালিনী হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে । ভারত তন্ত্রসার ধ্যান মন্তে দেবীকে উচিষ্ঠা মাতঙ্গী হিসাবে দেখানো হয়েছে। এখানে মাতঙ্গী দেবীকে একটি মৃতদেহ উপর উপবিষ্ট এবং লাল জামা, লাল জহরত পরেন ।
দেবীর সম্পূর্ণরূপে বিকশিত স্তন সঙ্গে একটি অল্প বয়স্ক,( ষোল বছর বয়সী) কুমারী হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি একহাতে একটি মস্তক এবং দুই হাতে একটি তরবারি বহন করেন। তার গায়ের রং নীল হিসাবে বর্ণনা করা হয় । তার কোমর পাতলা। তার কপাল ক্রিসেন্ট চাঁদ । তার তিনটি চোখ এবং হাস্যমুখে থাকেন । তিনি মণিরত্ন পরিধান করেন এবং একটি অলংকার সজ্জিত সিংহাসনে বসেন।
Shyamaladandakam মতে, মাতঙ্গী একটি রুবি-খচিত বীনা বাজান এবং মিতভাষী । ধ্যান মন্ত্রতে চার হাত বিশিষ্ট কালো পান্না গাত্রবর্ণ , পুরো স্তন লাল কুমকুম পাউডারএ উদ্বর্তিত, এবং তার কপাল উপর একটি ক্রিসেন্ট চাঁদ সঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে। তাকে দেবী ত্রিপুরা সুন্দরীর মত প্রায়ই বর্ণনা করা হয় ।তার সবুজ গাত্রবর্ণ গভীর জ্ঞান সঙ্গে যুক্ত তাই প্রায়ই বক্তৃতায় প্রতিনিধিত্বমূলক, তার হাতে একটি তোতাপাখি দেখানো হয়। মুন্ডমালা নামের একটি গ্রন্থের দশমহাবিদ্যার অস্তিত্ব পাওয়া যায় মনে করা হয় যে বিষনুর দশ অবতারের প্রাথমিক রুপ।
মাতঙ্গীকে শেষ অবতার কল্কির রুপক হিসাবেই মনে করা হয় । শক্তি ভাগবত পুরান অনুযায়ী দশমহাবিদ্যার যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতে দেবী মাতঙ্গীকে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শিবকে আক্রমণ করতে দেখান হয়েছে।(গল্পটি অন্য মহাবিদ্যার আলোচনাতেও আছে দেখে নিতে অনুরোধ করছি) শক্তিসঙ্গমা তন্ত্রে উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনীর উতপত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, একবার দেবতা বিষ্ণু ও তার স্ত্রী লক্ষ্মী শিব এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী পার্বতীকে (সতীর পুনরায় দেহধারণ) পরিদর্শন করেন। তাদের খাবার খাওয়ার সময় তাদের খাদ্য অবশিষ্ট থাকে এবং সেখানে একটি সুন্দর কুমারীকে পড়ে থাকতে দেখেন । কিছু খাবার দেবতারা মাটিতেও ফেলেছিল । ঐ কুমারি অবশিষ্ট খাদ্য গ্রহন করেন বলে সেদিন থেকেই কুমারী উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনী নামে পরিচিত হন।
এই মাতঙ্গীনীকে দূষিত রাস্ট্রের সাথেও তুলনা করা হয়ে থাকে।মাতঙ্গী হচ্ছে সেই স্তবক যারা খাদ্য গ্রহন করে হাত-মুখ ধৌত করেনা পুনরায় খাদ্য গ্রহন করে মূলধারার হিন্দুধর্মে এ ধরনের অভ্যাসকে নিষিদ্ধ করা হয়।সে কারনেই ঋতুবতী কন্যাদেরকে মুল পূজার থেকে দূরে রাখা হয় তাছাড়াও মাসিকের দাগ লাগা কোন কাপড়কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নেপালে মাতঙ্গী সম্প্রদায় রয়েছে যারা ময়লা জামা-কাপড়ই শুধু নয় তারা বলির পশুর থেকেও কাপড় সংগ্রহ করে থাকে।যা মূলধারার হিন্দুধর্মে কোনমতেই গ্রহনযোগ্য না। নেপালে এদেরকে ট্যাবু হিসাবে চিহ্নিত করা হয় ।
তবে কোথাও কোথাও রাজ-মাতঙ্গী পূজা উদযাপিত হতে পারে । উচ্ছিস্ট মাতঙ্গী পূজা ও হয়ে থাকে । বাংলাদেশেও মাতঙ্গী পূজা হতে পারে এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিশ্চিত নই। দেবী মাতঙ্গী হল দশমহাবিদ্যার অন্যতম কারো মতে নবম মহাবিদ্যা। দেবী মূলতঃ স্বরস্বতী দেবীর তাত্রিক রুপ হিসাবেই চিহ্নিত হন । মাতঙ্গী দেবী সংগীত, কলা বিশেষত আর্টসের উপর আধিপত্য বিস্তার কারী ।
তাকে একজন চন্ডালিনী হিসাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে । ভারত তন্ত্রসার ধ্যান মন্তে দেবীকে উচিষ্ঠা মাতঙ্গী হিসাবে দেখানো হয়েছে। এখানে মাতঙ্গী দেবীকে একটি মৃতদেহ উপর উপবিষ্ট এবং লাল জামা, লাল জহরত পরেন । দেবীর সম্পূর্ণরূপে বিকশিত স্তন সঙ্গে একটি অল্প বয়স্ক,( ষোল বছর বয়সী) কুমারী হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি একহাতে একটি মস্তক এবং দুই হাতে একটি তরবারি বহন করেন। তার গায়ের রং নীল হিসাবে বর্ণনা করা হয় । তার কোমর পাতলা। তার কপাল ক্রিসেন্ট চাঁদ । তার তিনটি চোখ এবং হাস্যমুখে থাকেন । তিনি মণিরত্ন পরিধান করেন এবং একটি অলংকার সজ্জিত সিংহাসনে বসেন। Shyamaladandakam মতে, মাতঙ্গী একটি রুবি-খচিত বীনা বাজান এবং মিতভাষী ।
ধ্যান মন্ত্রতে চার হাত বিশিষ্ট কালো পান্না গাত্রবর্ণ , পুরো স্তন লাল কুমকুম পাউডারএ উদ্বর্তিত, এবং তার কপাল উপর একটি ক্রিসেন্ট চাঁদ সঙ্গে বর্ণনা করা হয়েছে। তাকে দেবী ত্রিপুরা সুন্দরীর মত প্রায়ই বর্ণনা করা হয় ।তার সবুজ গাত্রবর্ণ গভীর জ্ঞান সঙ্গে যুক্ত তাই প্রায়ই বক্তৃতায় প্রতিনিধিত্বমূলক, তার হাতে একটি তোতাপাখি দেখানো হয়। মুন্ডমালা নামের একটি গ্রন্থের দশমহাবিদ্যার অস্তিত্ব পাওয়া যায় মনে করা হয় যে বিষনুর দশ অবতারের প্রাথমিক রুপ। মাতঙ্গীকে শেষ অবতার কল্কির রুপক হিসাবেই মনে করা হয় । শক্তি ভাগবত পুরান অনুযায়ী দশমহাবিদ্যার যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতে দেবী মাতঙ্গীকে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শিবকে আক্রমণ করতে দেখান হয়েছে।(গল্পটি অন্য মহাবিদ্যার আলোচনাতেও আছে দেখে নিতে অনুরোধ করছি) শক্তিসঙ্গমা তন্ত্রে উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনীর উতপত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, একবার দেবতা বিষ্ণু ও তার স্ত্রী লক্ষ্মী শিব এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী পার্বতীকে (সতীর পুনরায় দেহধারণ) পরিদর্শন করেন।
তাদের খাবার খাওয়ার সময় তাদের খাদ্য অবশিষ্ট থাকে এবং সেখানে একটি সুন্দর কুমারীকে পড়ে থাকতে দেখেন । কিছু খাবার দেবতারা মাটিতেও ফেলেছিল । ঐ কুমারি অবশিষ্ট খাদ্য গ্রহন করেন বলে সেদিন থেকেই কুমারী উচ্ছিষ্টা মাতঙ্গীনী নামে পরিচিত হন। এই মাতঙ্গীনীকে দূষিত রাস্ট্রের সাথেও তুলনা করা হয়ে থাকে।মাতঙ্গী হচ্ছে সেই স্তবক যারা খাদ্য গ্রহন করে হাত-মুখ ধৌত করেনা পুনরায় খাদ্য গ্রহন করে মূলধারার হিন্দুধর্মে এ ধরনের অভ্যাসকে নিষিদ্ধ করা হয়।সে কারনেই ঋতুবতী কন্যাদেরকে মুল পূজার থেকে দূরে রাখা হয় তাছাড়াও মাসিকের দাগ লাগা কোন কাপড়কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নেপালে মাতঙ্গী সম্প্রদায় রয়েছে যারা ময়লা জামা-কাপড়ই শুধু নয় তারা বলির পশুর থেকেও কাপড় সংগ্রহ করে থাকে।
শিবের নাম মাতঙ্গ, তার শক্তি মাতঙ্গী। মাতঙ্গীর ধ্যানে তার রূপের বর্ণনায় আছে যে তিনি শ্যমবৰ্ণা, তার শিরে অৰ্দ্ধচন্দ্ৰশোভিত। দেবী মাতঙ্গী ত্রিনয়না, রত্নসিংহাসনে আসীনা, তার কান্তি নীলকমলের মত এবং বিস্তৃত অরণ্য সদৃশ্য রাক্ষসকুলকে ভস্ম করতে দাবানলের ন্যায়। তার চার হাতে পাশ, অঙ্কুশ, খেটক ও খড়গ

শোভিত। তিনি অসুরদের মােহিত্যকারিনী আর ভক্তকে অভীষ্ট ফলদায়িনী। গৃহস্থ জীবনে সুখদায়িনী, পুরুষাৰ্থসিদ্ধি এবং বাকবিলাসে পারঙ্গম হওয়ার জন্য মাতঙ্গিনীর সাধনা শ্রেয়। দশমহাবিদ্যার মধ্যে এর স্থান

নবম | ് নারদপঞ্চরাত্রের দ্বাদশ অধ্যায়ে শিবকে চণ্ডাল এবং শিবাকে উচ্ছিষ্ট চণ্ডালী নামে বলা হয়েছে। এরই নাম মাতঙ্গ। পুরাকালে মাতঙ্গ নামে এক ঋষি নানা বৃক্ষশোভিত কদম্ববনে সমস্ত প্রাণীকে বশ করার সংকল্প নিয়ে ভগবতী ত্রিপুরাদেবীকে তুষ্ট করার জন্য কঠোর তপস্যা করেছিলেন। সেই সময় ত্রিপুরাদেবীর নেত্র থেকে উৎপন্ন তেজঃপুঞ্জ এক শ্যামলা নারীবিগ্রহের রূপ ধারণ করে। তার নাম হয় রাজমাতঙ্গিনী। ইনি দক্ষিণ ও পশ্চিম আমায়ের দেবী। রাজমাতঙ্গ, সুমুখী, বশ্যমাতঙ্গী ও কর্ণমাতঙ্গ এর অন্যান্য নাম। মাতঙ্গার ভৈরবের নাম মাতঙ্গ। ব্ৰহ্মযামল তন্ত্রে একে মাতঙ্গ মুনির কন্যা বলা হয়েছে।

দশমহাবিদ্যার মধ্যে মাতঙ্গীর উপাসনা বাকসিদ্ধির জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত। পূরশ্চর্যাের্নবে বলা হয়েছে—

অক্ষাবক্ষ্যে মহাদেবীং মাতঙ্গীং সৰ্বসিদ্ধিদাম । অস্যাঃ সেবনমাত্রেণ বাকসিদ্ধিং লভতে ধ্রুবম৷

মাতঙ্গীর স্থূলক্কপের প্রতীকনিয়মাদি পর্যালোচনা করলে ভালোভাবেই বােঝা যায় যে ইনি পূর্ণ বাগদেবতারই মূর্তি। মাতঙ্গীর শ্যামবর্ণ হল পরাবাক বিন্দু। তাঁর ত্রিনয়ন হলেন সূর্য, চন্দ্র আর অগ্নি। তার চার বাহু চারটি বেদ। পাশ হল অবিদ্যা, অঙ্কুশ হল বিদ্যা, কর্মরাশি হল দণ্ড, শব্দ স্পর্শদি গুন হল কৃপাণ অর্থাৎ পঞ্চভূতাত্মক সৃষ্টির প্রতীক। কদম্ববন হল ব্ৰহ্মাণ্ডের প্রতীক। যোগরাজোপনিষদে ব্ৰহ্মলোককে কদম্বের মত গোলাকৃতিরূপে বর্ণনা করা হয়েছে— ‘কদম্বগোলকাকারং ব্ৰহ্মলোকং ব্ৰজন্তি তে। ভগবতী মাতঙ্গীর সিংহাসন শিবাত্মক মহামঞ্চ অথবা ত্রিকোন সূক্ষরূপে তাঁর মূর্তি হল। যন্ত্র আর পররূপে বা স্কুলারুপে শুধুমাত্র ভাবনা বা চিন্তন |

শ্ৰীশ্ৰীচণ্ডীর সপ্তম অধ্যায়ে মাতঙ্গীদেবীর ধ্যানে বলা হয়েছে যে তিনি রত্নময় সিংহাসনে বসে কাকাতুয়ার মধুর শব্দ শুনছেন। তিনি শ্যামবর্ণা। তিনি তার একটি পা পদ্মের ওপর রেখেছেন। তার শিরে অৰ্দ্ধচন্দ্র এবং গলায় কলহার ফুলের মালা পরে রয়েছেন। বীনা বাদনরতা দেবী মাতঙ্গীর পরিধানে সুবদ্ধ চােলি সুশোভিত। তিনি রক্তবর্ণ শাড়ী পরিহিতা আর হাতে শঙ্খপাত্র ধরে আছেন, তার মুখমণ্ডলে মধুপানের মৃদু আভা এবং ললাটে সুন্দর টিপ শোভা পাচ্ছে। এর বল্লকী (বীণা) ধারণ নাদের প্রতীক। কাকাতুয়ার পড়া গ্ৰহীং’ বর্ণের উচ্চারণ বীজমন্ত্রের প্রতীক। পদ্মফুল হচ্ছে বর্ণাত্মক সৃষ্টির প্রতীক। শঙ্খপাত্র হল ব্ৰহ্মরন্ধ এবং মধু অমৃতের প্রতীক | রক্তবর্ণ শাড়ী অগ্নি অথবা জ্ঞানের প্রতীক। বাগদেবীর অর্থে মাতঙ্গী যদি ব্যাকরণ রূপ হন তো শুকপাখী হল শিক্ষার প্রতীক। চার হাত চার বেদের প্রতীক। এভাবে তান্ত্রিকদের ভগবতী মাতঙ্গী মহাবিদ্যা, বৈদিকদের সরস্বতীই। তন্ত্রশাস্ত্রে এর পূজার বিস্তারিত বর্ণনা আছে।
তাঁর পূজা ও ভোগ প্রদানের যে বিধান শাস্ত্রে রয়েছে, তা এই প্রকার— অপরিষ্কার হাতে এঁটো খাবার তাঁকে নিবেদন করতে হবে। অথচ ভারতীয় পরম্পরায় এমন অপরিচ্ছন্নতা কোনও দেবতার বেলাতেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20190915152421