Friday, May 8th, 2020

Astro Research Centre

বেল পাতা ও বেল গাছের গুরুত্ব

বেল পাতা ও বেল গাছের গুরুত্ব

বেল পাতা ও বেল গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে
জেনে নিন...............
বেল পাতার স্বাস্থ্যগুণ: বেল ফল, পাতা এবং তার শিকড় সবগুলিই বেশ কাজে আসে এখানে আজ জেনে নিন বেল পাতার রসের স্বাস্থ্যগুণ।

বেল পাতার আর্শ্চযজনক স্বাস্থ্য উপকারতিা

বেলে এ্যান্টিফাঙ্গাল, এ্যান্টিপ্যারাসাইট গুণ রয়েছে যা হজমের জন্য লাভজনক।

বেলের শরবৎ শরীর ঠাণ্ডা করে প্রচণ্ড গরমে নাক থেকে রক্তপাত হলে এই ফলের শরবত ওষুধ হিসেবে খাওয়ানো হয়।

বেল পেট ব্যাথা, গ্যাস, ডায়রিয়া এবং পেট খারাপের সমস্যা থেকেও বেশ উপকারি দাওয়াই। যদি আপনার এই ধরনরে সমস্যা হয় তাহলে সপ্তাহে ২ থেেক ৩ বলে পাতা অবশ্যই খাবেন।

বেলে ল্যাকসটেভি বৈশিষ্ট্যি রয়েছে যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা বা হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বেলে বিটা-ক্যারোটনি থাকে যা যকৃতকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

বেল ভিটামিন সি-এর ভাল উৎস। ভিটামিন সি-এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, বেল পাতার রস সেত রোগেও উপকারী।

বেলে থাইমনি এবং রাইবোফ্লভেনিরে মতো ভিটামনি পাওয়া যায়। এই ভটিামনিও যকৃতের জন্য উপকারী।

ভটিামনি সি-এর পরিপূরক হওয়ায় এটি শরীরের অনাক্রম্যতাও বাড়ায়। কিডনির স্বাস্থ্যের জন্যও বেল বেশ র্কাযকরী ফল।


হিন্দুধর্মে বেলগাছ হল একটি পবিত্র গাছ।
বেলপাতা বা বেল গাছকে আমরা ভগবান
শিবের সঙ্গে তুলনা করি। শিব বেলপাতাতেই তুষ্ট।

ভারতবর্ষের প্রায় বিভিন্ন জায়গাতেই বেলগাছ দেখতে পাওয়া যায়। দুর্গাপুজোর সময় ১০৮ টি বেলপাতা দিয়ে মা দুর্গার হোম যজ্ঞ হয় এছাড়াও পূজা ও অঞ্জলিতে ব্যাবহৃত হয়।

এক মহাত্মা বলেছিলেন মা দুর্গার কপালের ঘাম মাটিতে পড়ে একটি বেল গাছ জন্ম নেয় যা বিল্ব গাছ।
বেলগাছ ত্রিগুণের অধিকারী যথা— স্বতঃ , রজ , তম।

জ্যোতিষ মতে বাড়ির দিক অনুসারে বেলগাছ
থাকলে কি উপকার জেনে নিন ---------

• বাড়ির উত্তর পূর্ব দিকে বেলগাছ - সম্পদ প্রাপ্তি ও অশুভত্ব থেকে মুক্তি।
• বাড়ির পূর্ব দিকে বেলগাছ – বিভিন্ন সম্পদ ও শান্তি লাভের নির্দেশ করে।
• বাড়ির পশ্চিম দিকে বেলগাছ - সুসন্তান লাভের পথ প্রশস্ত করে।
• বাড়ির দক্ষিণ দিকে বেলগাছ - দুর্ঘটনা‌থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বৈদিক শাস্ত্র মতে বেলপাতাকে অনেক রকম
ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে -------

• বেলপাতার তিনটি পাতা একত্রে থাকলে হবে তখন তাকে একটি বেলপাতা বলা হয়।
এইতিনটি বেলপাতা হল ব্রহ্মা , বিষ্ণু , মহেশ্বর।
• এই তিনটি পাতাকে যথাক্রমে তিনটি চোখ বলা হয়।
• তিনটি পাতা যথাক্রমে – পূজা , স্তোত্র ও জ্ঞান।
• বেলডাল যথাক্রমে সৃষ্টি , স্থিতি ও লয়কে উপস্থাপনা করে।
• বেলপাতার সামনের অংশকে অমুর্যাম বলা হয়।
• যে কোনও পূজার ক্ষেত্রে যদি অসম্পূর্ণ বা ছেড়া বিল্ব পত্র অর্পণ করা হয় তাহলে পাপ করার সঙ্গে তুলনা করা হয়।
• বেল ফলকে শ্রীফল বলেও জানা যায়। শিব পূজার একটি উত্তম উপাদান বেল পাতা।

শারীরিক প্রয়োজনে বেলগাছ ------

• বেল ফলের গুঁড়ো দুধের সাঙ্গে পান করলে রক্তাল্পতার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
• হাই ব্লাড সুগার রোগে নিয়মিত বেল ফল খেলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
• বেলফল ঠাণ্ডা জলে ভিজিয়ে মিছরি সহকারে পান করলে লিভারের সমস্যা দূর হয়।
• বেলফল সরষের তেলের মিশ্রণে যদি কোন ব্যথায় মালিশ করা হয় তবে খুব উপকার পাওয়া যায়।
• বেলের গুঁড়ো যদি ক্ষত স্থানে লাগানো হয় তাহলে খুব তাড়াতাড়ি উপশম হয়।
• বেলফল চিনির সঙ্গে সেবন করলে‌স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

বেলপাতার অপকারিতা
আপনি যদি টানা কয়েক সপ্তাহ বেল পাতার রস খান তাহলে আপনার যৌবন শক্তি কমে যাবে, উত্তেজিত হতে সময় লাগবে। *তবে ভুলে ১দিন খেলে এর তেমন কোন প্রভাব পড়বে না।


বেল একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে শ্বেতসার, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে। আমাদের দেশে ছোট বড় বিভিন্ন আকারের বেল দেখা যায়। তবে অনুমোদিত কোনো জাত নেই। বাংলাদেশ ও ভারতের পল্লী অঞ্চলে সর্বত্র বেল পাওয়া যায়। বেলগাছের ছাল, পাতা, ফুল সবই ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বেল সম্বন্ধে আমাদের সবারই একটি ভূল ধারণা আছে। চরক তার গ্রন্থে বলেছেন, আমরা সবাই জানি পাকা বেল সবচেয়ে উপকারী। তাই বেল কেনা বা খাওয়ার সময় পাকা বেল খুঁজি। সবাই ভাবে, পাকা বেল পেট পরিস্কার করে। অন্ত্র ও মলভাদোষ নিরসন হয়। কিন্তু তার মতে, পাকা বেল অপকারী। পাকা বেল হজম কষ্ঠসাধ্য। দীর্ঘ দিন পাকা বেল খেলে অন্ত্রে ছিদ্র তৈরি হতে পারে। কিন্তু কাঁচা বেল ঠিক বিপরীত কাজ করে। অর্থাৎ অন্ত্রে ছিদ্র হতে দেয় না এবং ছিদ্র হলে তা বন্ধ করায় সহায়ক হয়। তাই নিয়মিত দীর্ঘ দিন পাকা বেল খাওয়া ঠিক নয়, বরং কাঁচা বেল পোড়া বা কাঁচা বেল শুটকি উপকারী

জেনে নেই বেলের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা ঃ
পুষ্টি উপাদান: প্রতি ১০০ গ্রাম বেলে রয়েছে ক্যারোটিন ৫৫ মিলিগ্রাম, থায়ামিন ০.১৩ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লোভিন ১.১৯ মিলিগ্রাম, এসকরবিক এসিড ৮.৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৩.২৫ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ১.১ মিলিগ্রাম, টারটানিক এসিড ২.১১ মিলিগ্রাম, প্রোটিন ১.৮-২.২৬ গ্রাম, জলীয় অংশ ৫৪.৯৬-৬১.৫ গ্রাম, ¯স্নেহ পদার্থ ০.২-০.৩৯ গ্রাম, শর্করা ২৮.১১-৩১.৮ গ্রাম, এছাড়াও শ্বেতসার, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে। বেলের উপকারিতা:-
*পেটের অসুখে : অনেকের পেট ব্যথা ও পেটখারাপ থাকে প্রায় সারা বছর। হজমের গোলযোগ পেটের ভেতর গড়গড় করা, ভুটভাট করা ও ফেট ফাঁপা হয়। যাদের এই সমস্যা রয়েছে, তারা কাঁচা বেলের গায়ে আধা ইঞ্চি পুরু করে কাদা মাখিয়ে চুলার কাঠের আগুনে পুড়িয়ে সকাল-বিকালে তিন-চার চামচ বেল সামান্য গুড় বা চিনি দিয়ে তিন-চার দিন খেলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া কাঁচা বেলের শাঁস শুঁটকি পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি খেলেও উপকৃত হবেন। এতে পুরনো আমাশয়ও ভালো হয়।
* স্মৃতিশক্তি বাড়াতে : ছাত্রছাত্রীদের স্মৃতিশক্তি বর্ধনে দুই বা তিনটি বেলপাতা ঘিয়ে ভেজে মচমচে করে মিছরির গুঁড়োর সাথে এক সপ্তাহ প্রতিদিন সকাল খাওয়ালে স্মৃতিশক্তি বেড়ে যায়।
* সর্দি ও জ্বরজ্বর ভাব হলে: সর্দি হলে বা গায়ে ব্যথা এবং জ্বরজ্বর ভাব হলে বেলপাতা বেটে রস বের করে এক ফোঁটা মধুসহ তিন-চার দিন খেলে ভালো হয়।
* শুক্র তারল্যে : বেলগাছের শিকড় ভালো করে ধুয়ে সামান্য জিরার সাথে বেটে ঘিয়ের সাথে খেলে শুক্র গাঢ় হয়।
* গায়ের দুর্গন্ধে : অনেকের শরীর থেকে দুর্গন্ধ নির্গত হয়। এ জন্য দাম্পত্য কলহ এমনকি বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত হয়। তাদের পাশে কেউ বসতে পারে না। তারা বেলপাতা দিয়ে পানি সেদ্ধ করে সেই পানিতে শরীর মুছলে বা ওই পানি দিয়ে গোসল করলে শরীরের দুর্গন্ধ দূরীভূত হয়।
ঔষধিগুণ ঃ- বেল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও আমাশয়ে উপকার করে। আধাপাকা সিদ্ধফল আমাশয়ে অধিক কার্যকরী । বেলের শরবত হজম শক্তি বাড়ায় এবং বলবর্ধক । বেলের পাতার রস মধুর সাথে মিশিয়ে পান করলে চোখের ছানি ও জ্বালা উপশম হয়। পাতার রস, মধু ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে জন্ডিস রোগ নিরাময় হয়।
ব্যবহার : কাঁচা ও পাকা বেল সুস্বাদু খাবার । পাকা বেলের জুস তৈরি করে খাওয়া যায়।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200508123519