Monday, June 8th, 2020

Astro Research Centre

বাস্তু শাস্ত্র ও দশ দিক

বাস্তু শাস্ত্র ও দশ দিক

১)শৌচাগার ভিতরেই হোক অথবা বাইরে, সেপটিক ট্যাঙ্ক অথবা সোক পিটের কাছাকাছি তৈরি করতে হবে।এর জন্য দক্ষিন অথবা পশ্চিম দিক বেছে নেওয়া যেতে পারে।
২।শৌচাগারের আর্দশ স্থান হল পশ্চিম দিক ও উত্তর –পশ্চিম কোনে।বিকল্পে দক্ষিন-পূর্বেও শৌচাগার করা যেতে পারে।
৩।কোন মতেই উত্তর- পূর্বে, দক্ষিন –পশ্চিমে ও ব্রহ্মস্থলে যেন শৌচাগার না করা হয়।
৪।পায়খানার প্যান উত্তর-দক্ষিন মূখী বসাতে হবে।
৫।মেঝের তল থেকে প্যান নিদেন পক্ষে এক থেকে দেড় ফুট উচুতে বসাতে হবে।
৬।শৌচাগারের জলের কল যেন উত্তর –পূর্ব, পূর্ব ও উত্তর দিকে থাকে। দক্ষিন-পূর্ব, উত্তর ও পশ্চিমে জলের কল না থাকাই শ্রেয়।



বাতিল করুন দক্ষিণদিকে মুখ করে রান্না করা
রান্না , দক্ষিণ দিকে মুখ করে করা উচিত নয় বলে মনে করছেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা। তার ফলে গৃহিনীর শরীর স্বাস্থ্য ঠিক থাকে না। যে বাড়ির মহিলারা দক্ষিণমুখী হয়ে রান্না করেন তাঁরা প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন।





১)প্রত্যেকটি বাড়িতেই রান্নাঘরে (kitchen) নানা বাসন ব্যবহার করা হয়। রান্না করতে তো বটেই এবং খেতেও আমরা নানা বাসন ব্যবহার করি। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, যখনই আপনি রাতে রান্না করবেন, রান্না করা হয়ে গেলে বাসনগুলো ধুয়ে রাখুন। এঁটো বাসন যত বেশি জমা হয়, বাড়িতে তত বেশি নেগেটিভ এনার্জি ছড়ায়। এছাড়াও অনেকেই রান্নাঘরে বাসন ছড়িয়ে রাখেন। এতেও কিন্তু নেগেটিভ এনার্জি ছড়ায় এবং বাড়িতে সুখ ও সমৃদ্ধির চূড়ান্ত অভাব হয়। (vastu tips)

২। আপনি যদি বাড়িতে কোনও রেনোভেশন করেন বা নতুন বাড়ি তৈরি করেন, তাহলে এই বাস্তু টিপসটি (vastu tips) আপনার খুবই কাজে লাগবে। রান্নাঘর তৈরি করার সময়ে তা দক্ষিণপূর্বে তৈরি করুন। দক্ষিণ-পূর্ব কোন হল অগ্নিকোণ এবং রান্নাঘরেও যেহেতু অগ্নির কাজই বেশি হয় কাজেই রান্নাঘরের (kitchen) পজিশন বাড়ির সাউথ-ইস্ট বা দক্ষিণপূর্বে হওয়াই ভাল। তবে যাঁদের রান্নাঘর এদিকে নয়, তাঁরা অন্তত চেষ্টা করুন রান্নাঘরের দক্ষিণপূর্ব দিকে রান্নার আয়োজন করার।

৩। গ্যাস বা স্টোভ বা মাইক্রোওয়েভ – অর্থাৎ যাতে আপনি রান্না করবেন, সেই বস্তুটি কোথায় রাখবেন তা-ও কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনার রান্নাঘর বাড়ির যেখানেই হোক, অগ্নিকোণেই গ্যাস বা স্টোভ রাখুন এবং বাড়ির মহিলারা সেদিকে মুখ করে রান্না করলে ভাল।

৪। আপনি যদি চান আপনার বাড়ি সুখ সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠুক, সেক্ষেত্রে রান্নাঘরে (kitchen) যতটা সম্ভব সবুজের সমারোহ রাখার চেষ্টা করুন (vastu tips)। রান্নাঘরের দেওয়ালে বা জানালায় কিচেন গার্ডেন করতে পারেন। যদি জায়গা না থাকে সেক্ষেত্রে রান্নাঘরের মেঝে বা স্ল্যাব সবুজ গ্রানাইট বা মার্বেল দিয়ে করতে পারেন। কোনও কিছুই সম্ভব না হলে রান্নাঘরে সবুজ কোনও ছবি টাঙাতে পারেন। এতে বাড়িতে শান্তিও বজায় থাকে।

প্রথম: আমাদের প্রত্যেকেই বাড়ি নিয়ে অনেক স্বপ্ন থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ি বা জমি কেনার সময়ে স্বপ্নে বাঁচবেন না, একেবারে বাস্তবের মাটিতে পা রেখে চলুন। যেটি আপনাকে করতে হবে, আপনার বাজেট অর্থাত্ সামর্থ্য অনুযায়ী জমি বা বাড়ি কিনতে হবে। না হলে বিশাল ঋণের বোঝা চাপতে পারে। ফলে, কিছুদিনের মধ্যে আপনার দাম্পত্য জীবনে প্রভাব পড়তে পারে। হাতে টান পড়লেই আপনি আপনার সঙ্গী বা সন্তানের চাহিদা পূরণ করতে অসমর্থ হবেন, তখনই একটু একটু করে অশান্তি দানা বাধবে। তাই আপনি প্রথমেই আপনার পারকতা বুঝে হিসাব নিকেশ করে জমি বা বাড়ি কিনুন।



দ্বিতীয়: যদি আপনারা দুজনেই চটজলদি রেগে যান, তাহলে কখনই দক্ষিণপূর্ব দিকে মাথা করে ঘুমোবেন না। তার চেয়ে বেডরুমের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে মাথা রেখে ঘুমোন। এতে সুফল পেতে পারেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



তৃতীয়: বাড়িতে শোওয়ার ঘরটি কোথায়, তার উপর নির্ভর করছে আপনার দাম্পত্য জীবন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কখনই বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে শোওয়ার ঘর করবেন না।



চতুর্থ: বিছানা দরজার দিকে মুখ করে রাখবেন না। শোওয়ার সময়ে আপনার পা যেন দরজা দিকে না থাকে। কিন্তু একান্তই যদি এই পরিস্থিতি না এড়াতে পারেন, তাহলে দরজায় একটি গাঢ় রঙের পর্দা এবং উইন্ড চাইম লাগায়ে রাখুন।



পঞ্চম: শোওয়ার সময়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ দিকে মাথা করে ঘুমোন।



ষষ্ঠ: ঘরের রং কখনই গাঢ় যেন না হয়। যেমন, নীল বা ধূসর রঙের করবেন না। তাতে মানসিক অবসাদ বাড়তে পারে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার লাকি রং বেছে নিতে পারেন।



সপ্তম: শোওয়ার ঘরে কখনও আয়না রাখবেন না।



অষ্টম: যে জায়গা দক্ষিণ -পশ্চিম উঁচু কিন্তু উত্তর পশ্চিম, উত্তর পূর্ব এবং দক্ষিণ পূর্ব নিচু। এই ভুমি সবসময় শুভ ফলদায়ী।



নবম: যে জায়গা উত্তর -পশ্চিম, উত্তর ও উত্তর -পূর্ব ভাগ উঁচু এব‌ং দক্ষিণ নিচু হয়। এই জমি ব্যবসায়ীদের পক্ষে শুভ।


সবশেষে বিশেষজ্ঞের মত, বাড়ির পাশে তুলসি, অ্যালোভেরা, সাদা ফুলের গাছ লাগাতে পারেন, যদি জায়গা থাকে তো!



যে সব জিনিসগুলি এড়িয়ে চলবেন:




১. দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিম, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাড়ির প্রধান ফটক করবেন না।
২. উত্তর-পূর্ব দিকে রান্নাঘর করবেন না
৩. বাড়ির উত্তর-পূর্ব কিংবা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে টয়লেট বানাবেন না।





দশ দিক Dosh, Dos. Dik



১। East=পূর্ব।

২। West=পশ্চিম।

৩। North=উওর।

৪। South=দক্ষিন।

৫। Center=মধ্যস্থান।

৬। South-east=অগ্নি।

৭। North-west=বায়ু।

৮। North-east=ঈশান।

৯। South-west=নৈঋত।

১০। Upward=উর্ধ্ব।

১১। Downward=অধঃ।

১৩। Froe And Aft= আগে পিছে।

১৪। Front=সম্মুখ।

১৫। Back=পিছন।

১৬। All Round=চার দিক।

১৭। Horizon=দিগন্ত।







পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ। বাস্তুতে এই চারটি দিকের বিশেষ প্রভাব রয়েছে। ইমারত গঠনের সময় এই বিষয়ে জ্ঞান থাকা জরুরি। আগেকার দিনে সূর্যের ছায়া দেখে দিকের হিসেব করা হত। এখন ম্যাগনেটিক কম্পাসের মতো উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে নিখুঁত ভাবে দিক নির্ণয় করা হয়। সাধারণ ভাবে চারটি প্রধান দিক নিয়ে হিসেব হলেও বাস্তুমতে মোট দশটি দিক রয়েছে। তবে কম্পাসে আটটি দিকের হদিশ পাওয়া যায়। কম্পাস মোট ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরতে পারে। প্রতিটি দিকের জন্য ৪৫ ডিগ্রি করে নির্দিষ্ট রয়েছে। প্রতিটি দিকের জন্য ডিগ্রির স্তর পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজনীয়।


উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম - এই মূল চারটি দিক ছাড়াও আরও চারটি উপদিক রয়েছে। এগুলি সবসময় কোণাকুনি ভাবে অবস্থান করে। এগুলি হল -

উত্তরপূর্ব কোণ বা ঈশাণ কোণ

দক্ষিণপূর্ব কোণ বা অগ্নি কোণ
দক্ষিণপশ্চিম কোণ বা নৈঋত কোণ
উত্তরপশ্চিম কোণ বা বায়ু কোণ


বাস্তুমতে নবম দিক হল আকাশ ও দশম দিক হল পাতাল।

উত্তর - বাস্তুমতে উত্তর দিক অত্যন্ত শুভ হিসেবে বিবেচিত। এই দিকের অধিপতি হলেন হিন্দু মতে ধন-সম্পত্তির দেবতা কুবের। সেই কারণে উত্তর দিককে অর্থ ও পেশাগত উন্নতির দিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বুধ হল উত্তর দিকের গ্রহ। বাস্তুপুরুষের বুক ও পেট উত্তর দিকে থাকে। তাই ঘরের উত্তর দিক সব সময় খোলামেলা, আলোকজ্জ্বল ও সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা জরুরি।

আধুনিক বাস্তুবিশেষজ্ঞদের মতে উত্তর মেরুর কারণে উত্তর দিক থেকে প্রচুর পরিমাণে ভালো শক্তি নির্গত হয়। এই শক্তি বাড়ির সকল সদস্যের জন্যই প্রয়োজনীয়। তাই উত্তর মেরুর পজিটিভ শক্তি বাড়ির মধ্যে যাতে ভালোভাবে প্রবেশ করতে পারে, সে জন্য উত্তর দিক খোলামেলা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা।

দক্ষিণ - দক্ষিণ দিক সবসময়ই বাস্তুমতে খারাপ দিক হিসেবে চিহ্নিত। তবে তা সবসময় সত্যি নয়। বলা যেতে পারে উত্তর দিকের সব ভালো শক্তির ব্যাঙ্ক হল দক্ষিণ দিক। দক্ষিণ দিক খুব একটা খোলামেলা না হওয়াই ভালো। বাস্তুমতে এই দিকের অধিপতি হলেন হিন্দু দেবতা যম। তাই ঘরের দক্ষিণ দিক বেশি খোলামেলা হলে বাড়ির সদস্যদের বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ এমনকি মৃত্যুভয় লেগে থাকবে। দক্ষিণ দিক খোলামেলা বাড়ির সদস্যরা মামলা-মোকদ্দমাতেও জড়িয়ে পড়তে পারেন। দক্ষিণ দিকে বন্ধ দেওয়াল থাকলে অর্থ ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। এই দিকের প্রতিনিধি গ্রহ হল মঙ্গল।

পূর্ব - অত্যন্ত শক্তিশালী দিক। এই গ্রহের অধিপতি হলেন দেবরাজ ইন্দ্র। ইন্দ্র বৃষ্টি, প্রতিপত্তি, উত্‍সব ও শক্তির দেবতা। পাশাপাশি পূর্ব দিকে প্রতিনিধি গ্রহ হল সূর্য, যা নিজেই শক্তির বিশাল উত্‍স। সূর্যের প্রভাবে জীবনে উন্নতি হয়। তাই পূর্ব দিককে আমরা উন্নতির দিক হিসেবে চিহ্নিত করি। বাড়ির পূর্ব দিকও খোলামেলা, আলোকজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। এই দিকে দরজা, জানালার পরিবর্তে শুধুই বন্ধ দেওয়াল থাকলে জীবনে উন্নতি বাধাপ্রাপ্ত হবে। বাড়ির পূর্ব দিকে বাথরুম থাকা বাস্তুমতে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত। মনে রাখবেন, পূর্ব দিকে বাধা মানে আপনার জীবনেও বাধা।

পশ্চিম - এই দিক জীবনে প্রতিষ্ঠা ও সমৃদ্ধির দিক। এই দিকের অধিপতি হলেন বৃষ্টি, খ্যাতি ও ভাগ্যের দেবতা বিষ্ণু। এই দিকের প্রতিনিধি গ্রহ হল শনি। বাড়ির পশ্চিম দিক খুব একটা খোলামেলা রাখা বাঞ্ছনীয় নয়। পূর্ব দিকের শক্তি অর্থাত্‍ সূর্য থেকে নির্গত শক্তি পশ্চিম দিকে সঞ্চিত হয়। সূর্য বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেভাবে পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঢলে পড়ে সেভাবেই শক্তির উত্‍স্যও পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে সরে যায়। পশ্চিম দিকে বাড়ির মূল দরজা না হওয়াই ভালো। এতে অর্থলাভের সম্ভাবনা নষ্ট হয়।

উত্তরপূর্ব - বাস্তুমতে খুবই ভালো দিক। এই দিকের অধিপতি হলেন হিন্দুদের শ্রেষ্ঠ দেবতা শিব। এর প্রতিনিধি গ্রহ হল বৃহস্পতি। ধনসম্পত্তি, প্রতিপত্তি ও সুস্বাস্থ্য দান করে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উত্তরপূর্ব অত্যন্ত শুভ দিক। এই দিক থেকে শক্তিশালী চৌম্বকীয় শক্তি নির্গত হয়। বাড়ির উত্তরপূর্ব দিকে শৌচাগার নির্মাণ গোটা পরিবারকে শেষ করে দিতে পারে। এই দিকে দাহ্যশীল পদার্থ রাখা উচিত নয়। বড় নির্মাণও না করাই ভালো।

দক্ষিণপূর্ব - আপনার যদি কোনও বদরাগী, সংবদেনশীল সুভাকাঙ্খী থাকেন, তাঁর মতোই অনেকটা হল এই দক্ষিণপূর্ব দিক। দক্ষিণপূর্ব দিকের অধিপতি হল অগ্নিদেব। এর প্রতিনিধি গ্রহ শুক্র। সূর্য যখন দক্ষিণপূর্ব দিকে আসে, তখন এর মেজাজ অত্যন্ত উগ্র থাকে। সবথেকে উগ্র অবস্থায় এই সময়ই থাকে সূর্য। এই উগ্র রূপকে আগুনের সঙ্গে তুলনা করা হয়। আগুন সংক্রান্ত কাজকর্ম এই দিকে করলে ভালো হয়। এই দিকে জিনিসপত্র রাখা ও নির্মাণ করার সময় সতর্ক থাকা জরুরি।

দক্ষিণপশ্চিম - এই দিকের অধিপতি হল নিরিতি নামের এক রাক্ষস। এর প্রতিনিধি গ্রহ রাহু। উত্তরপূর্ব দিক থেকে নির্গত চৌম্বকীয় শক্তি এই দিকে সঞ্চিত হওয়ায় এটাই বাড়ির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক। এই দিকের সঠিক ব্যবহার খুবই শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যকর জীবন দিতে পারে। এই দিক সম্পদ, স্বাস্থ্য ও আত্মবিশ্বাসের দিক হিসেবে চিহ্নিত। বাস্তু মেনে ব্যবহৃত হলে দক্ষিণ পশ্চিম দিক খ্যাতি এনে দেবে। কিন্তু ভুল ব্যবহার নানা সমস্যা ডেকে আনবে। অর্থ বেরিয়ে যাবে। হতাশা, উদ্বেগ এমনকি আত্মহত্যাপ্রবণতাও দেখা দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে দক্ষিণ পশ্চিম দিকের ভুল ব্যবহার কর্মীদের কাজে
অমনোযোগের কারণ।

উত্তরপশ্চিম - এই দিকের অধিপতি হল বায়ু। এর প্রতিনিধি গ্রহ হল চন্দ্র। বাতাস এর মূল উপাদান হওয়ায় এই দিকটি খুবই অস্থির দিক। এই দিকের সঠিক ব্যবহারে জীবনে নানা সুযোগ আসে। পেশাগত জীবনে উন্নতি হতে পারে। তবে বাস্তুমতে এর ভুল ব্যবহার বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। এর ফলে অসুখবিসুখও হতে পারে।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer

Founder of Astro Research Centre

ph no ফোন : 8906959633/9593165251

Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com

Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum pin no 731224

please like and share my page --Astro Research Centre

contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.

All kind of Gems Stone are Testing here

All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬ রোজ পাঠ করুন রত্ন ধরনের প্রয়োজন নাই

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি?? এবং অনলাইন poriseva পরিষেবা পেতে চান

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ৫০০/১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী (pdf )ও প্রতিকার লিখে প ঠানো হবে।




হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/sizQ22QSnyQ

https://youtu.be/wIQ_xyy90c4

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ


https://youtu.be/XCd4SN2k0bo


https://youtu.be/LCoU4HRRYdo


https://youtu.be/8PaF7qS3Smk



Axis Bank

A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

বিঃ দ্রঃ স্হায়ী সদস্যপদ Membership rs 2400 সমস্ত প্রকার রত্নের উপর 20%ছাড় দেওয়া হবে


আমার নতুন youtube channel

https://www.youtube.com/channel/UCFgC3ww0Soj5GOrXjKuFJtw



Blog Url:
https://arcsm.in/blog.php?blog=20200608124433