Saturday, January 4th, 2020

Astro Research Centre

মরিয়ম ফুল কিংবা মরিয়ম পাথর Morium

মরিয়ম ফুল কিংবা মরিয়ম পাথর Morium

মরিয়ম ফুল কেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ব্যবহার করা হচ্ছে?
এর আশ্চর্য উপকারিতা আপনি জানেন কি?

মরিয়ম ফুল সম্পর্কে আশা করি অনেকেই জানেন..?

অত্যন্ত দূর্লভ এই ফুল ও পাথরের উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রসবকালীন সময়ে এই ফুলের ব্যবহার একরকম আবশ্যক। ঐতিহ্যবাহী ধাত্রীরা শত শত বছর ধরে প্রসবকালীন সময়ে মায়ের বেদনা লাঘব করার জন্য এই ফুলের ব্যবহার করছেন।
শুধু আমাদের দেশেই নয়, পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই এর ব্যবহার হয়ে থাকে।

বিভিন্ন মনীষী এর ব্যবহারের উপর অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন এবং বাতলে দিয়েছেন এর ব্যবহারের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতিসমূহ। খ্রীষ্ট ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ বাইবেলেও এর কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

#এই ফুলকে হযরত ঈসা আঃ এর মায়ের নাম নামানুসারে ‘মরিয়ম ফুল বা মরিয়ম বুটি’, নবী সাঃ এর কন্যা ফাতিমার নামানুসারে "ফাতিমার হাত বা হ্যান্ড অব ফাতিমা" এবং এর বৈশিষ্ট্য অনুসারে ‘পুনরুত্থান উদ্ভিদ’ বলা হয়। কারণ এই ফুল দেখতে খটখটে শুকনো ও মরা মনে হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলেই তরতর করে পাপড়ি মেলতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ফুটন্ত ফুলের মতো তাজা আর পরিপূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়ে যায়। এ এক আশ্চর্য ফুল।

অধিকাংশ নারীই হজ্বে গিয়ে এই মরিয়ম ফুল নিয়ে আসেন। অথবা অন্যকে দিয়ে আনান। আমার কাছে এখন থেকে মরিয়ম ফুল ও পাথর পাবেন আশা করি । আপনাদের চাহিদা মেটাতে এবার সৌদি আরব থেকে আমি এই পবিত্র ও আশ্চর্য উপকারী ফুল ও পাথর আনাবো নিয়মিত ইনশাআল্লাহ ।

মরিয়ম ফুল /পাথর ও বিজ্ঞান-
মরিয়ম ফুল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের গর্ভাবস্থায় এবং ডেলিভারির সময় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম হল আনস্ত্যাটিকা হিয়ারোচুনিচিকা (Anastatica Hierochuntica) । এটি সাহারা-আরবীয় মরুভূমিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।

উপাদান
এই ফুলেও পাথরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, দস্তা এবং লোহা। বিশেষত, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে এর কোন নেতিবাচক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

কি কাজ করে?
প্রসবকালীন সময় এই ফুল কিংবা পাথর বিশেষ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করতে হয়। এতে প্রসূতি মায়ের প্রবস বেদনা লাঘব হয় এবং দ্রুত ও সহজে ডেলিভারী সম্পন্ন করা যায়।

আর্স রোগে খুব ভালো pails stone

মুল্য দাম price 50/60/80 100
ব্যবহারের নিয়ম:–

বাচ্চা জন্মের সময় ডেলিভারি পেইন উঠে তখন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200104202354

Saturday, January 4th, 2020

Astro Research Centre

MOON STONE (চন্দ্রকান্তমনি)কে বাংলায় মুন পাথর বলা হয়, অনেক জ্যোতিষ আবার একটু কঠিন করে “চন্দ্রকান্ত মনি” বলে থাকে।

MOON STONE (চন্দ্রকান্তমনি)কে বাংলায় মুন পাথর বলা হয়, অনেক জ্যোতিষ আবার একটু কঠিন করে “চন্দ্রকান্ত মনি” বলে থাকে।

রাশি তত্ত্ব হিসেবে যাদের চন্দ্র গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের মুন পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুন পাথর পাওয়া গেলেও ইন্ডিয়ান এবং শ্রীলঙ্কান মুন পাথর বাংলাদেশে বেশী পাওয়া যায়, এছাড়া তানজানিয়া তে বিভিন্ন রঙের মুন পাথর পাওয়া যায়। যাকে আমরা কালার মুন বলে থাকি।

সারা পৃথিবীর মধ্যে শ্রিলাঙ্কার ব্লুমুন Blue Moon stone পাথর বিখ্যাত।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে মুন পাথর উপকারিতা

আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখাতে এবং চিন্তা শক্তি বাড়াতে মুন পাথর উপকারী।

যাদের প্রচণ্ড রাগ, যারা অল্পতে খুব বেশী রেগে যান তাদের রাগ প্রশমিত হতে পারে মুন পাথর ব্যবহারের ফলে।

চৌকশতা বাড়াতে মুন পাথর ব্যবহার করা যেতে পারে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে যেদিন থেকে মনে করা হয় চাঁদ মানুষের মন কে নিয়ন্ত্রণ করে ঠিক সে দিন থেকে মুন পাথরকে ব্যবহার করা হয় মানুষের মনের শান্তির জন্য।

ধ্যান, স্থিরতা জন্য এ পাথর খুব খুব উপকারী।
যদি কেও তার দুচোখের উপর মুন পাথর ছোঁয়ায় তাহলে সাথে সাথে তিনি একটি শীতল অনুভূতি পাবেন।

মানুষিক স্থিরতা বঝায় রাখার জন্য এ পাথর বেশ উপকারী।

মেয়েদের শারীরিক হরমনের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে মুন পাথর, বিশেষ করে ঋতুচক্র ও সন্তান প্রসবের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।

ছেলেদের অতিরিক্ত রাগ কমাতে সাহায্য করে থাকে মুন পাথর।

যে মানুষ গুলো দুশ্চিন্তা গ্রস্থ, আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগে থাকেন তাদের জন্য উপকারী রত্ন পাথর মুন।

মুন পাথর নাক দিয়ে রক্ত পরা, বদ হজম ও সান স্ট্রোক থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে।

অনেকে আবার মুন পাথরকে ভালোবাসার পাথর বলে থাকেন। প্রকৃত ভালোবাসার মানুষটিকে খুঁজে পেতে নাকি মুন পাথর সাহায্য করে থাকে।

সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মুন পাথর সাহায্য করতে পারে।

অনিদ্রা জনিত সমস্যায় মুন পাথর খুব উপকারী।

চন্দ্রকান্তমনি : Moon Stone

MOONSTONE: চন্দ্রকান্তমনি

The Stone Of Emotional Balance - “আবেগের ভারসাম্যের পাথর” ।

Metaphysical healing properties বা বিমূর্ত নিরাময় গুণাবলী: চন্দ্রকান্তমনি আবেগ প্রশমিত ও ভারসাম্য রাখতে সহায়তা করে।
এ রত্ন আপনার আবেগের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আবেগকে দমিয়ে রাখা বা প্রকাশ করার পরিবর্তে আপনার ইচ্ছার অধীনে নিয়ে আসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। চন্দ্রকান্ত মহান মাতৃদেবীকে উপস্থাপন করে। তার শক্তি রয়েছে তার ভদ্রতার মধ্যে এবং তার অভিজ্ঞতা ও প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং এ শক্তি তার অনুভবকে নিরপেক্ষ করে। অভিলাষ,অন্তর্জ্ঞান ও ভারসাম্যের পাথর। আমাদের অমায়িক মেয়েলি দিকের মাধ্যমে সবাইকে আরো স্বস্তিপূর্ণ হতে সহায়তা করে। আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু আনয়ন করে।
কিছু লোক মনে করে যে, চন্দ্রকান্ত সুস্পষ্টভাবে একটি মেয়েলি পাথর, কারণ এটা নারীদের মাসিক চক্রের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু প্রতিপালন, অমায়িক তত্ত্বাধীন ও স্বার্থহীন মানবিকতার সেবা সাধারণভাবে একটি মহিলাদের গুণ নয়। মুনস্টোন নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ঐসব অনুভবকে প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্ত করতে পারে, যারা সচেতনভাবে তাদের ব্যক্তিগত ও আভ্যন্তরীণ পর্যায়ের অনুভবকে স্বীকার করতে ভয় পায়।

মস অ্যাজাইট, ম্যালাকাইট ও সবুজ পাথরের মতো চন্দ্রকান্তমণি উর্বরতা ও উদ্যান পালনের সাথে সম্পর্কিত।

এই চারটিকেই প্রকৃতি, পানি, চক্র, প্রতিপালন ও উর্বরকরণের প্রতি আরোপ করা হয়েছে। সন্তান জন্ম, উর্বরতা, প্রবৃদ্ধি ও রজ:স্রাবচক্রনিয়ন্ত্রণেরজন্যমুনষ্টোনপরিধানকরুন।
ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মীদের জন্য একটি মহৎ পাথর, যারা মাঝে মাঝে অনুভব করে যে, একাগ্রতা ও সমবেদনার ফলে উদ্ভুত নম্রতার বিনিময়ে অধিক ফলপ্রসুভাবে কাজ করার ফলে তারা যা অনুভব করে তার অধিকাংশই তাদেরকে দমিয়ে রাখতে হবে। এটা আবেগ ও অনুভবকে মানুষের ভোগান্তির ক্ষেত্রে আরো মজবুত না করেই একজনের নিয়ন্ত্রণের অধীনে নিয়ে আসে। চন্দ্রকান্তমণি নম্রতা হারানো ছাড়াই হৃদয় ও মনের মাঝে একটি ভারসাম্য অর্জন করতে সহায়তা করবে,এমনকিএটাআপনাকেফলপ্রসুভাবেকাজকরারজন্যওসুযোগদিবে।
চন্দ্রকান্তমণি অনেক নির্বাহীর সাহায্যে আসতে পারে, যারা আবেগবশত তাদের অনুভব ত্যাগ করেছে যা দক্ষতার সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। শুধু এটা অনুসন্ধান করার জন্য যে, তার কর্মচারীরা কাজ করার ক্ষেত্রে কঠিন এবং তার নির্লিপ্ততার কারণে তাদের আনুগত্য খুবই কম। নিজেকে ব্যবস্থাপনার আবেগপ্রবণ অবয়বের সংস্পর্শে আসার সুযোগ দেয়ার মাধ্যমে শৃঙ্খলা বজায় রাখার সময় আপনি একটি তদারকির পরিবেশ পুন:প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। যেসব অসুখী কর্মচারীরা আপনাকে দূরবর্তী ও নির্লিপ্ত মনে করে তারা ফলপ্রসু কর্মচারী নয়। সকল দিক থেকে সিদ্ধান্ত বিবেচনায় সময় নেয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য এক টুকরো চন্দ্রকান্তমণি আপনার পকেটে রাখুন।
প্রাচ্য সংস্কৃতিতে চন্দ্রকান্তমণি ভালবাসার জন্য প্রাধান্য দেয়া হত। তাদের ধারণা যে, একটি চন্দ্রকান্তমণি পরিধান বা বহন আপনার জীবনে একটি নতুন ভালোবাসা আনয়ন করবে। তারা আরো বিশ্বাস করতো যে, ঝগড়ার পরে তাদের হৃদপিন্ডের উপর এক টুকরো চন্দ্রকান্তমণি রেখে একে অপরের সাথে পাথর বিনিময় করলে তা আপনাকে একত্রে আবার পূর্বের অবস্থানে নিয়ে যাবে। উদ্যান পালনের ক্ষেত্রে গাছ লাগানো, আগাছা পরিস্কার অথবা পানি ছিটানোর সময় পাথর পরিধান করুন এবং প্রত্যক্ষবৎ আপনার বাগানকে স্মরণ করুন যেতা উর্বরতার সাথে মুকুলিত হচ্ছে। যেভাবে আপনি কাজ করেন। আপনার বাগানে একটি ছোট ঘন্টা ও এ পাথরগুলো মুলিয়ে দিন অথবা মাটিতে কিছু শিলাখন্ড পুতে দিন।
জোডিয়াকে বা জোতিষশাস্ত্রে ব্যবহৃত অবস্থান নির্দেশক মানচিত্র এর ভ্রমণের পদ্ধতির কারণে চন্দ্রকান্তমণিকে ভ্রমণের সময় একটি সুরক্ষা মূলক পাথর বিবেচনা করা হয়, বিশেষ করে রাত্রি বেলায় অথবা পানিতে। সাতারু, নাবিক ও অবকাশ যাপনরত ক্রুদের জন্য এটি একটি উপযুক্ত পাথর। যারা ট্যারিট কার্ড, রুন, স্ফটিক বল, মেডিসিন কার্ড অথবা অন্য যে কোন ধরনের ডিজাইনিং টুল নিয়ে কাজ করেন তারা অন্তর্জ্ঞান ও উপলব্ধি উন্নত করার জন্য একটি মুনষ্টোন পাথর সাথে রাখবেন। চন্দ্রকান্তমণি সুখ, অনুগ্রহ, সৌভাগ্য, আসা, আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি, সহজ সন্তান জন্মদান, পানি পথে নিরাপদ ভ্রমণ, পরিবর্তন, প্রাচুর্যতা ও প্রাচীন প্রজ্ঞতার নতুন সূচনা ও সমন্বয়কে পোষণ করে। বিশেষ করে পানি চিহ্নের জন্য। মাতৃসুলভ ভালবাসা সমর্থন ও উৎসাহের জন্য।
• এ পাথর আমাদেরকে অনুভবের সংস্পর্শে নিয়ে আসে এবং এটা চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
• নারী ও প্রকৃতির জন্য চন্দ্রকান্তমণি সুরক্ষা মূলক এবং এটা চন্দ্রদেবীর জন্য পবিত্র।
• নতুন সূচনা, পূনর্জন্ম
• ব্যাথা ও অসুস্থ্তাকে শোষণ করে।
বর্ণ : সাধারণত নীলাভ অথবা হলুদাভ বর্ণের ছোপের সাথে দুধালো সাদা বর্ণ। সাদা, গোলাপি, হলদে, কোমল আভার সাথে সাথে আলোকভেদ্য।
শারিরীক : স্ত্রীলোকদের হরমোন/রজ:স্রাবের ভারসাম্যহীনতা, লিম্ফ, কলা ও অঙ্গসমূহ পুনরুৎপাদন করে। প্রজনন তন্ত্রের নিরাময় করে।
ক্যারিয়ার : হেলথ কেয়ার- ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মী।
অন্যান্য – নাবিক, উপকূলরক্ষী
কর্মকান্ড- উদ্যানকরণ, ভ্যাকেশন, সাতার ও পানির খেলা।
চন্দ্রকান্তমনি চাঁদের মত স্নিগ্ধ। উপরিভাগ উজ্জ্বল, মসৃণ। এই রত্নটি স্বচ্ছ থেকে অস্বচ্ছ হয়ে থাকে। এর উৎপত্তি আগ্নেয় বা রূপান্তরিত শিলা থেকে। এই রত্নটিকে আরবীতে হাজরুল কামার, ইংরেজীতে Moon stone ও বাংলায় চন্দ্রকান্তমণি বলে। সাদা ঘোলাটে, স্বচ্ছকাঁচের মত হরিদ্রাভ সাদা, রক্তাভ সাদা আভাযুক্ত হয়ে থাকে।
উপাদান (Chemical Composition): পটাসিয়াম এ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬ – ৬.৫
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৫৫-২.৭৬
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫১৮-১.৫২৬
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০১২
উপকারিতা: এই রত্নটি চন্দ্র গ্রহের উপরত্ন হিসাবে ব্যবহত হয়। মুক্তার বিকল্প হিসাবে এটির ব্যবহার। উদরাময়, জ্বর, যক্ষ্মা, মানসিক চাঞ্চল্য, মাথাব্যথাতে খুবই উপকারী। বালক-বালিকাদের দৈহিক পুষ্টি সাধনে বিশেষ ফলদায়ক।
(ক) সাদা ঘোলাটে রং-এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্রের জন্য ভাল কাজ দেয়।
(খ) স্বচ্ছ কাঁচের মত রং –এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্র ও শুক্রের কাজ করে।
(গ) হরিদ্রাভ সাদা রং-এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্র ও বৃহস্পতির কাজ দেয়।
(ঘ) রক্তাভ আভাযুক্ত চন্দ্রকান্তমণি রবির ও চন্দ্রের কাজ দেয়।
প্রাপ্তিস্হান: শ্রীলংকা ও বার্মায় পাওয়া যায় সবচেয়ে ঈষদ স্বচ্ছ নীলচে চন্দ্রিম আভাযুক্ত দামী চন্দ্রকান্তমনি এবং মাদাগাস্কায় ও তানজানিয়াতেও উন্নতমানের চন্দ্রকান্তমনি পাওয়া যায়। এছাড়া পাওয়া যায় ভারতের পশ্চিম অংশে, মেক্সিকো, আফগানিস্থান প্রভৃতি স্থানে।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না ।

মূলবান রত্ন পাথর নয় কিন্ত কাজ অনেক
দাম, মূল্য, cost, price, 50, 100, 200, 400, 500
রং, আকৃতি, কাজ, উপকারিতা, অপকারিতা, উপরত্ন, গ্রহ প্রতিকার, আঙ্গুল, dhatu, ধাতু, দিন আলোচনা করলাম

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200104124325

Friday, January 3rd, 2020

Astro Research Centre

পান্না, মরকত, Emerald, স্টোন পাথরের, আকৃতি, রং, উপাদান, রাসায়নিক সঙ্কেত, উপকারিতা, অপকারিতা, ব্যবহার, দিন, আঙ্গুল, বার, সময়, ধাতু, মূল্য দাম, পরীক্ষা, প্রভিতি আলোচনা করলাম

পান্না, মরকত, Emerald, স্টোন পাথরের, আকৃতি, রং, উপাদান, রাসায়নিক সঙ্কেত, উপকারিতা, অপকারিতা, ব্যবহার, দিন, আঙ্গুল, বার, সময়, ধাতু, মূল্য দাম, পরীক্ষা, প্রভিতি আলোচনা করলাম

মূল্যবান রত্ন পাথর পান্না

জন্ম তারিখ অনুযায়ী যাদের বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল থেকে ২১ মে), মিথুন রাশি (২২ মে থেকে ২১ জুন), কন্যা রাশি (২৪ আস্ট থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর) ও তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর অক্টোবর) তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী। সাধারনত যাদের রাশিচক্রে বুধ নামক গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের কে Emerald Stone (পান্না পাথর) ব্যবহার করতে বলা হয়। পান্না পাথর সাধারণত মাস্তিস্ক সংক্রান্ত বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বিশেষ করে যে সকল মানুষ ভাল চাকুরি করে অথবা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত, অথবা যাদের সিদ্ধান্ত গ্রহন সংক্রান্ত কাজ করতে হয় তাদের পান্না পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। জ্যোতিষী বা জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পান্না পাথর ব্যবহারের উপকারিতা নিম্ন রূপ (Benefits of panna Stone / Benefits of Emerald Stone):

বুধ গ্রহ যে বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে তা হল, ব্যবসায়, যোগাযোগ, প্রেম-ভালবাসা, একজনের সাথে অন্য জনের সম্পর্ক, ইচ্ছা শক্তি, কোন কিছু শেখার ইচ্ছা, আত্ম শক্তি।

যখন বুধ গ্রহ কারো রাশি চক্রে ভালো ভাবে অবস্থান করে তখন মানুষের উন্নতি খুব দ্রুত হতে থাকে। কিন্তু যদি বুধ গ্রহ রাশিচক্রে খারাপ ভাবে অবস্থা করে তাহলে ঠিক এর উল্টো হতে পারে। তাই যাদের বুধ গ্রহের খারাপ অবস্থানের জন্য খারাপ সময় যাচ্ছে তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার খুব খুব উপকারী হতে পারে।

পান্না চেনার উপায়

১। পান্নাকে জলে রেখে দিলে সবুজ বর্ণের কিরণ দেখা যায়।
২। সাদা কাপড়ের ওপর পান্না রেখে একটু উঁচুতে তুলে ধরলে সাদা কাপড় সবুজ দেখায়।
পান্নার আয়ুর্বেদিক শোধনঃ---
খাঁটি পান্না কাঁচা দুধে চব্বিশ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখতে হবে।
পান্নার প্রাপ্তিস্থানঃ

এটি মূলত কলম্বিয়া, ব্রাজিলে পাওয়া যায়। কলম্বিয়ান পান্না সর্বশ্রেষ্ঠ। তাই এর মূল্য সর্বোচ্চ। তারপরে ব্রাজিলিয়ান পান্না। এটি দেখতে কালচে সবুজ। কলম্বিয়ান পান্না স্বচ্ছ সবুজ। ব্রাজিলিয়ান পান্না অর্ধস্বচ্ছ ও ঘোলাটে সবুজ।

দেশভেদে নামান্তরঃ-

বঙ্গদেশে পান্না, হিন্দিতে পন্না, মহারাষ্ট্রে পাচুরত্ন, গুজরাটে লীলুম ও পাশু, কর্ণাটে পাচীপাচ্চ, তৈলঙ্গে লীলম্, ফরাসীতে জুমুরঙ্গীপ, আরবীতে জুমুইম্, ইংরাজীতে এমারেল্ড ও ল্যাটিনে স্যামবাগ্ ডাস বলে।
বুধের প্রতিকারে সবুজ পাণ্ণা বুধবারে ধারণ কর্তব্য।

উপরত্ন :— ওনেক্স পান্না, ফিরোজা, অ্যাকোয়ামেরিন, মারগাম ও জেড পাথর।

পান্না পাথর মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি, স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি, কোন কিছু অর্জনের ইচ্ছা শক্তিকে বৃদ্ধি এবং বিচার বুদ্ধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

পান্না পাথর ধারনে সন্তান, স্বামী-স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় থাকে এবং উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে।

Benefits of Emerald Stone / Benefits of Panna Stone (পান্না পাথরের উপকারিতা):
জন্ম তারিখ অনুযায়ী যাদের বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল থেকে ২১ মে), মিথুন রাশি (২২ মে থেকে ২১ জুন), কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর) ও তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ অক্টোবর) তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী। সাধারনত যাদের রাশিচক্রে বুধ নামক গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের কে Emerald Stone (পান্না পাথর) ব্যবহার করতে বলা হয়। পান্না পাথর সাধারণত মাস্তিস্ক সংক্রান্ত বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বিশেষ করে যে সকল মানুষ ভাল চাকুরি করে অথবা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত, অথবা যাদের সিদ্ধান্ত গ্রহন সংক্রান্ত কাজ করতে হয় তাদের পান্না পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। জ্যোতিষী বা জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পান্না পাথর ব্যবহারের উপকারিতা নিম্ন রূপ (Benefits of panna Stone / Benefits of Emerald Stone):
বুধ গ্রহ যে বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে তা হল, ব্যবসায়, যোগাযোগ, প্রেম-ভালবাসা, একজনের সাথে অন্য জনের সম্পর্ক, ইচ্ছা শক্তি, কোন কিছু শেখার ইচ্ছা, আত্ম শক্তি।
যখন বুধ গ্রহ কারো রাশি চক্রে ভালো ভাবে অবস্থান করে তখন মানুষের উন্নতি খুব দ্রুত হতে থাকে। কিন্তু যদি বুধ গ্রহ রাশিচক্রে খারাপ ভাবে অবস্থা করে তাহলে ঠিক এর উল্টো হতে পারে। তাই যাদের বুধ গ্রহের খারাপ অবস্থানের জন্য খারাপ সময় যাচ্ছে তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার খুব খুব উপকারী হতে পারে।
পান্না পাথর মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি, স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি, কোন কিছু অর্জনের ইচ্ছা শক্তিকে বৃদ্ধি এবং বিচার বুদ্ধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।
পান্না পাথর ধারনে সন্তান, স্বামী-স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় থাকে এবং উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে।
যে কোন ব্যবসায়িক কাজে পান্না পাথর ব্যবহারে মুনাফা বৃদ্ধি এবং সফলতা আসার সম্ভাবনা অনেক বেশী হতে পারে।
যদি দুজন মানুষ একে অপরের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এবং তারা যদি পান্না পাথর ব্যবহার করে তাহলে তাদের সুখ এবং ভালবাসা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
যদি কোন গর্ভবতী মা তার হাতে পান্না পাথর ব্যবহার করেন তাহলে তার নিরাপদ এবং স্বাভাবিক সন্তান জন্ম হবার সম্ভাবনা থাকে।
যে কোন মানুষিক সমস্যায় পান্না পাথর খুব উপকারী। এছাড়া চর্ম রোগ, কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং যে কোন প্রকারের বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী।
ইসলাম ধর্ম মতে পান্না পাথরের উপকারিতাঃ “Tradition of Ahl al Bait” পান্না পাথর সম্পর্কে উল্লেখ করেছে—“পান্না পাথর ব্যবহারে দারিদ্রতা দূর হয় এবং আর্থিক দিকে উন্নতি সাধিত হয় এবং যে পান্না পাথরের আংটি ব্যবহার করবে সে আর্থিক দুর্দশা থেকে মুক্ত থাকবে যদি মহান আলাহতালা ইচ্ছা করেন”।
, পান্না পাথরের সবুজের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
পান্না পাথর ধারনে মাথা ঠাণ্ডা থাকে যাতে করে দন্দ-বিরোধ কমে আসে।
যদি স্বামী-স্ত্রী একে অপরের ব্যবহার করা পান্না পাথরের আংটি অদল-বদল করে ব্যবহার করে তাহলে তাদের পারস্পরিক আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।
পান্না পাথর মৃগী রোগে উপকারী, এমনকি সন্তান প্রসবের সময় পান্না পাথর ধারন সন্তান প্রসব সহজ করে।
আপনি যখন রত্নপাথর পান্না পাথর (Gemstone Emerald) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি 2000/300/5000
টাকা থেকে সর্বচ্চ ১৫০০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট ব্রাজিল পান্না (Brazil Emerald), কলম্বিয়ান পান্না (Colombian Emerald) পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে।

যে কোন ব্যবসায়িক কাজে পান্না পাথর ব্যবহারে মুনাফা বৃদ্ধি এবং সফলতা আসার সম্ভাবনা অনেক বেশী হতে পারে।

যদি দুজন মানুষ একে অপরের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এবং তারা যদি পান্না পাথর ব্যবহার করে তাহলে তাদের সুখ এবং ভালবাসা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

যদি কোন গর্ভবতী মা তার হাতে পান্না পাথর ব্যবহার করেন তাহলে তার নিরাপদ এবং স্বাভাবিক সন্তান জন্ম হবার সম্ভাবনা থাকে।

যে কোন মানুষিক সমস্যায় পান্না পাথর খুব উপকারী। এছাড়া চর্ম রোগ, কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং যে কোন প্রকারের বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী

যেকোনো আসল রত্নপাথর খুচরা ও পাইকারি ক্রয় করতে চাইলে যোগাযোগ করুন !!

কড়ে আঙুল:
সাধারণ যারা রিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য কড়ে আঙুলে আংটি পরাই আদর্শ। এ আঙুলে আংটি পরার আরও কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। সাধারণত, এ আঙুলের আংটির পরার সঙ্গে বিশেষ কোনও রীতি জড়িয়ে নেই। তাই ইচ্ছে হলে পরে ফেলুন। তাছাড়া, এই আঙুলে আংটি থাকার দরুণ ভারি কাজ করার সময় বিশেষ কোনো সমস্যা হয় না। এই আঙুলে পান্না ধারণ শুভ শ্রেষ্ঠ ফল পাওয়া যায়

অনামিকা আঙুল:
সাধারণত ডান বা বা হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এমন রীতি তৈরি হয়েছে। সোনার আংটিতে পান্না ধারণ শুভ

কখন পান্না পাথর ধারণ অশুভ

মেষ রাশি, কর্কট, ধনু, মীন রাশির অশুভ



মিয়ানমারের একটি খনিতে বিশাল একটি জেড পাথরের সন্ধান পাওয়া গেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন প্রদেশের একটি খনিতে পাওয়া এই পাথরটির ১৪ ফুট উঁচু এবং ১৯ ফুট দীর্ঘ। ধারণা করা হচ্ছে এই পাথরটির ওজন আনুমানিক ১৭৫ টন। জেড পাথরের মূলত মুল্যবান রত্ন পাথর হিসেবে পরিচিত। তাই এত বিশাল আকৃতির এই পাথরটির বাজার মুল্য ধরা হচ্ছে এক কোটি ৭০ লাখ ডলার বা ১৩৬ কোটি টাকা। খবর বিবিসির।

মিয়ানমারে খুবই প্রসিদ্ধ প্রায় স্বচ্ছ সবুজ রংয়ের এই পাথর। বিশ্বের সবচেয়ে ভালো জেড পাথর সেখানেই পাওয়া যায় এই মিয়ানমারেই।

বিবিসির সূত্র মত্র, মিয়ানমারে মোট যে পরিমাণ জিডিপি আসে সেই জিডিপির অর্ধেকই আসে জেড শিল্প থেকে।

জেড পাথরের সবচেয়ে বড় বাজার পার্শ্ববর্তী দেশ চীন, যেখানে এই জেড পাথরকে ‘স্বর্গের পাথর’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

বৃহস্পতিবার পাওয়া এই জেড পাথরটি আকারের দিক থেকে সবচেয়ে বড়। এই মূল্যবান রত্ন পাথরটি যখন পরিষ্কার করা হবে, বিভিন্ন ছোট ছোট খণ্ডে ভাগ করা হবে তখন এর দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। জেড পাথরের নেকলেস ও ব্রেসলেট অনেক জনপ্রিয়। তার সাথে চায়নাতে বিভিন্ন মূর্তি বানাতে ব্যবহার করা হয় মূল্যবান এই পাথর।

জেড পাথরের দাম এখন বাড়ছে। কারণ বিভিন্ন কাজে এর ব্যবহার বাড়ছে।

মিয়ানমার সরকার ও রাজনীতিবিদরা এই জেড পাথরের আবিষ্কারের কথা অনেক আনন্দের কথা শেয়ার করছেন। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের এক স্থানীয় নেতা ইউ টিন্ট সু বলেন ‘এটা আমাদের সরকারের সময় পাওয়া গেছে। এটা আমাদের জনগণের জন্য সৌভাগ্য নিয়ে আসবে।’



সবুজ পান্না সাহসের পাথর। এটা বুদ্ধিবৃত্তিক যুক্তি প্রদর্শন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অজেয় করে-শুধু বর্তমান ও ভবিষ্যতের শিক্ষকদের মাধ্যমে অতিক্রান্ত জ্ঞানেরই নয় বরং এর নিজেরও। নীলাভ সবুজ পান্না একটি ঐশ্বরিক ও চিরস্থায়ী রঙ, কারণ এটি আকাশের রঙ। সবুজ পান্না, এর রয়েছে প্রাণদায়ক গুণাবলী। এই পাথরকে সমুদ্রের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করা হয় এবং আমাদেরকে সমুদ্রের প্রাকৃতিক চেতনার সংস্পর্শে আসতে সহায়তা করে। কিছু সময় নিন, আপনার চোখ বন্ধ করুন, গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকুন এবং স্মরণ করুন যে, আপনি গোধূলি লগ্নে সমুদ্র তীরে বসে আছেন, মৃদুমন্দ শীতল বায়ু প্রবাহিত হচ্ছে। সবুজ পান্না এটাই আপনাকে উপহার দেয়। লোক কাহিনী অনুসারে মৎস্য কন্যার বক্ষ ভান্ডার থেকে এর উৎপত্তি এবং এর বয়সের জন্য নাবিকদের সৌভাগ্য আনয়নকারী পাথর হিসেবে বিখ্যাত হয়েছে। অবকাশ যাপনে ও প্রমোদ তরীতে গ্রহণের জন্য উত্তম পাথর।
যোগাযোগ : আপনার যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ পাথর চমৎকার। যেসব দম্পতিদের মধ্যে যোগাযোগ সমস্যা রয়েছে তারা বন্ধুসুলভ উপায়ে এসব মতানৈক্য সমাধান করার ক্ষেত্রে উক্ত পাথরকে সহায়ক হিসেবে পায়। এটা গলা চক্রকে উদ্দীপিত, সক্রিয় ও পরিস্কার করে।
ভারসাম্য : সচেতনতার আধ্যাত্মিক পর্যায়ের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করে এবং কেন্দ্রীভূত থাকে।
সেবা: পৃথিবীর প্রতি মানবিক সেবার আদর্শ ও মানবিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করে হৃদ্যতা, সৃজনশীলতা।
সফলতার প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করে : সবুজ পান্না আপনাকে শক্তি প্রদান করে যা আপনার নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য দরকার। এটা আপনাকে আপনার লক্ষ্যে পৌছার পথে অনঢ় অবস্থান বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা এবং আপনার সফলতা নিশ্চিন্তে সহায়তা করার মাধ্যমে আপনাকে সঠিক পথে রাখবে।
বর্ণ: বিভিন্ন রকম বেরিলের হালকা নীল।
দৈহিক নিরাময় গুণাবলী : গলা, প্লীহা, হৃদপিন্ড, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, থাইমাস, লিম্প নোড, বিশেষ করে মুখ, কান, শ্বসন অ্যালার্জি, ভ্রমণ, সামুদ্রিক দেবী ইত্যাদি থেকে সুরক্ষিত রাখে।
গুরুত্ব : আত্মবিশ্বাস, উদ্দেশ্য, প্রশান্তি, শান্তি, প্রশান্তকরণ, বিশোধন, যোগাযোগ ও আত্ম সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে।
ক্যারিয়ার : পাবলিক স্পীকার, কলেজ ছাত্র, রেডিও ঘোষক, ডিজে, রাজনীতিবিদ, বক্তা, পৌর বা নগর নেতৃবৃন্দ। একোয়ামেরিন হালকা ঘন সবুজ বর্ণের স্বচ্ছ, দীপ্তিপূর্ণ ও সুশ্রী, এটি বেরিল গ্রুপ (Beryl Group) –এর রত্ন। কখনও কখনও হলদে নীলা ও হালকা সাদা বর্ণের পাওয়া যায়। এই রত্নটিকে উর্দুতে বৈরোজ বলে। একোয়ামেরিন-এর বর্ণ পান্না রত্ন থেকে স্বতন্ত্র্য হলেও রাসায়নিক উপাদান হিসাবে পান্না ও একোয়ামেরিন অভিন্ন। ষটকোন তল বিশিষ্ট পরমাণুযোগে একোয়ামেরিন –এর অঙ্গ গঠিত। রত্নটি কাঁচের তুলনায় শীতল। তবে এটা বহু মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য রত্ন।

উপকারিতা: জ্যোতিষ শাস্ত্রে পান্নার পরিবর্তে এটা বিকল্প রত্ন হিসাবে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন প্রকার রোগেও বুধ এবং মঙ্গল গ্রহের জন্য খুবই ফলদায়ক। ইহা নারীদের ধারণে দ্রুত ফল দেয়। রত্নটি সাহস সঞ্চার করে এবং মনকে সতেজ রাখে।

উপাদান (Chemical Composition): এ্যালুমিনিয়াম বেরিলিয়াম সিলিকেট সংযোগে সৃষ্ট।
কাঠিন্যতা (Hardness): ৭.৫ – ৮
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity): ২.৬৩-২.৯১
প্রতিসরণাংক (Refractive Index): ১.৫৬৭-১.৫৯০
বিচ্ছুরণ (Dispersion): ০.০১৪
প্রাপ্তিস্থান: অষ্ট্রেলিয়া, বার্মা (মায়ানমার), শ্রীলংকা, কেনিয়া, রোডসিয়া, দক্ষিন আফ্রিকা, তানজানিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায় ।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।




বেরিলিয়াম একটি স্বল্পপরিচিত হাল্কা ধাতব মৌল। ১৭৯৮ খৃষ্টাব্দে ফরাসী খনিজ পদার্থ বিশেষজ্ঞ “রেনী যাস্ট হাউই”(Rene Just Hauy) লক্ষ্য করেছিলেন যে মহার্ঘ রত্নপাথর পান্নার আলোক বিচ্ছুরণের ধরণ বেরিল নামক খনিজ পদার্থটির সঙ্গে সাদৃশ্য যুক্ত। হাউই তখন রসায়নবিদ Louis Nicholas Vauquelin কে অনুরোধ করেন ঘটনাটির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি খুঁজে বের করতে। Vauquelin দেখলেন পান্না এবং বেরিল, দুটো পদার্থেই রাসায়নিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য প্রায় একই এবং বেরিলে তখন পর্যন্ত একটি অজানা মৌল পদার্থ বর্তমান। ১৮২০ সালে, বিখ্যাত German রসায়নবিদ Wholer, বেরিল থেকে ঐ নতুন ধাতব মৌলটি নিষ্কাশিত করে, তার নাম দিলেন; “বেরিলিয়াম”। প্রথম অবশ্য এই ধাতুর লবণগুলোর(salt) মিষ্টি স্বাদের জন্য এর নাম দেওয়া হয়েছিল গ্লুসিনিয়াম(glucinium)। কিন্তু সেই নাম গৃহীত হয়নি। যে বেরিল খনিজ থেকে বেরিলিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা হয়, তার যখন অল্প পরিমাণে অশুদ্ধি হিসাবে ক্রোমিয়াম অক্সাইড বর্তমান থাকে তখন তার রং হয় ঘন সবুজ, যার নাম পান্না(Emerald)। অনেক সময়ে অশুদ্ধির পরিমাণের হেরফের ঘটলে পান্নার রং হয় নীলাভ সবুজ। রবীন্দ্রনাথ যতই বলুন; “আমার চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ”, বৈজ্ঞানিকরা বলবেন ক্রোমিয়াম অক্সাইডের রঙে বেরিল হল সবুজ রত্ন পাথর পান্না। নীলাভ সবুজ বেরিলকে বলা হয় “Aquamarine”। বেরিল খনিজটি গ্রানাইট পাথরের ভেতরে ঢুকে থাকে কেলাস(Crystal) আকারে। এই ষড়ভুজি(hexagonal) কেলাস এমন দৈত্যাকার রূপেও পাওয়া যায়, যার ওজন ৬০-টন পর্যন্ত হতে পারে। ব্রাজিলেই সর্বাধিক পরিমাণে বেরিল পাওয়া যায়। তাই ১০০-টন গ্রানাইট পাথর কেটে সাধারণত অর্ধ টন বেরিল বের করে আনা যায়। ১-টন বেরিল থেকে প্রায় ৩২ কিঃগ্রাঃ ধাতব বেরিলিয়াম নিষ্কাশিত করা যায়। পান্না যদিও বেরিলেরই সমগোত্রীয়, কিন্তু তা সহজ লভ্য নয়, বরঞ্চ অত্যন্ত বিরল। সেই কারণে এক টন বেরিলের দাম যদি হয় ৪০০ থেকে ৫০০ ডলার, তবে এক টন পান্নার দাম হবে ২৫-বিলিয়ন ডলার।

ব্যাবহারিক দিক থেকে বিচার করলে বেরিলিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাতু। ১৯৩২ সালে James Chadwick, তেজস্ক্রিয়(radioactive) পোলনিয়াম থেকে নির্গত আলফা কণাকে দিয়ে বেরিলিয়ামের পাতলা চাদরে আঘাত করে দেখলেন এই অভিঘাতের ফলে ওই ধাতুর চাদর থেকে নির্গত হচ্ছে প্রোটনের মতন প্রায় একই ভরযুক্ত এক ধরণের তড়িৎ আধারহীন(neutral) কণা। এই কণাকে তিনি নাম দিলেন নিউট্রন(Neutron)। এই যুগান্তকারী গবেষণার জন্য Chadwick ১৯৩৫ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। এই আবিষ্কারের পর থেকেই বেরিলিয়ামের দিকে বিজ্ঞানীদের বেশি দৃষ্টি পড়ে। এর আগে ১৯২০ সালেই জানা গিয়েছিল, তামার সাথে ২% বেরিলিয়াম মিশিয়ে যে সংকর ধাতু(Alloy) পাওয়া যায় সেটি তামার চাইতে ছয়গুণ শক্ত এবং অধিক তাপ সহনশীল। এটির ধাতুক্ষয় প্রতিরোধ শক্তি আছে, যাকে ইংরাজিতে corrosion resistant বলা হয় এবং এই সঙ্কর ধাতু চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না। অন্য কোন ধাতব বা অধাতব বস্তুর সঙ্গে ঠোকা-ঠুকি লাগলে বা হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে এর থেকে কোন আগুনের ফুলকি ছিটকে বের হয় না। এই সব গুণাবলীর অধিকারী হবার সুবাদে বেরিলিয়াম যুক্ত সংকর ধাতুটি ব্যাবহার হয় উড়োজাহাজের সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশে, নানা প্রকার নির্ভুল পরিমাপক যন্ত্রে, কম্পিউটারের বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশে, বৈদ্যুতিক রিলে(relay) ব্যবস্থায় এবং দামী ক্যামেরার শাটার(Shutter) এর মধ্যে। এই শঙ্কর ধাতুর তৈরি স্প্রিং(spring)-এর কার্যকারিতা প্রায় অবিনশ্বর বলা হয়। তামা+বেরিলিয়াম সংকর ধাতুর থেকে বানান হাতুড়ি, রেঞ্চ(spanners) এবং অন্যান্য নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত ছোট-ছোট যন্ত্রাদি পেট্রোলিয়াম শোধনাগারে, নানান সহজ দাহ্য গ্যাস উৎপাদনকারী শিল্পে বহুল ব্যবহৃত হয়, যেখানে সাধারণ ইস্পাত নির্মিত যন্ত্র ব্যাবহারে অগ্নি স্ফুলিঙ্গ তৈরি হতে পারে আর বড় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। রঞ্জন রশ্মি যন্ত্রের জানালা হিসাবে বেরিলিয়াম ধাতু ব্যবহার প্রচলিত আছে। কারণ ওই রশ্মি জানালা ভেদ করে অভিপ্ত বস্তুর ওপরে গিয়ে পড়তে পারে।

পারমানবিক গবেষণায় বেরিলিয়ামের ভূমিকা অতীব কার্যকরী। বেরিলিয়ামকে Chadwick নিউট্রনের উৎস হিসাবে আবিষ্কার করার পর, এই নিউট্রনের উৎসকে কাজে লাগিয়ে কিম্বদন্তীর পরমাণু বিজ্ঞানী এনরিকো ফারমি(Enrico Fermi) প্রথম গবেষণাগারে ইউরেনিয়াম ধাতুর বিভাজন(fission) প্রক্রিয়ার যুগান্তকারী আবিষ্কার করেছিলেন। বেরিলিয়াম যে শুধুই নিউট্রনের উৎস হিসাবে কাজ করে তাই নয়, ধাতুটির আর একটি গুন হল, এই ধাতুর ভেতর দিয়ে নিউট্রনকে প্রবেশ করালে তার গতি হ্রাস পায়। এই শ্লথ গতির নিউট্রন(slow Neutron) ইউরেনিয়ামের নিয়ন্ত্রিত বিভাজন ঘটায় এবং নির্গত পারমানবিক শক্তিকে সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এই ব্যবস্থা গঠনাত্মক কাজে সাহায্য করতে সক্ষম। বেরিলিয়ামকে তাই চমৎকার একটি নিউট্রন প্রতিফলন(reflector) হিসাবে গণ্য করা হয়। বেরিলিয়াম ধাতু পারমানবিক চুল্লীতে নিউট্রনের সহনীয় মাত্রা বজায় রাখতে(moderator) কাজ করে থাকে। যে কাজ আজকাল গ্রাফাইট(graphite) দিয়ে করা হয়। তবে ওজনে অনেক হালকা বলে, অনেক স্থানে গ্রাফাইটের চেয়ে বেরিলিয়াম কেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি এবং তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার একটি পরমাণু শক্তি চালিত ডুবোজাহাজে বেরিলিয়াম মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কঠিন অথচ হালকা এবং রুপোর মতন উজ্জ্বল এই ধাতুটি আজকাল উন্নত ধরনের উড়োজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র, মহাকাশযান তৈরির নানা কাজে ব্যাবহারের চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। বেরিলিয়ামের অক্সাইড যৌগটি অন্য অনেক সিরামিক(ceramic) বস্তুর থেকে অধিক তাপ পরিবহনে সক্ষম, তাই মহাকাশযানে এর ব্যাবহার নিয়ে জোর সওয়াল করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত বেরিলিয়ামকে আমরা নানা গুণ সম্পন্ন, প্রায় একটি অত্যাশ্চর্য ধাতু রূপে জানলাম। তবে এর অত্যন্ত বিশিষ্ট কতগুলি কাজে সীমাবদ্ধ। কেবল বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরাই এই ধাতুর সংস্পর্শে আসতেন। সাধারণ লোক যাকে বলে আম জনতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে এই ধাতুরযৌগ সমূহের সাথে পরিচয় হল যখন বিশেষ রূপে তৈরি বেরিলিয়াম যৌগ ফ্লুরেসেন্ট টিউব আলোর ভেতরে প্রলেপ রূপে ব্যবহার করা শুরু হল। এই আলোর টিউবের আলো থেকে যে সাদা আলোর স্ফুরণ হয় তার জন্য টিউবের ভেতরে প্রলেপটি দেওয়া হত বেরিলিয়াম-জিংক-সিলিকেট নামক যৌগের সাহায্যে। এই পদার্থটি স্বয়ংপ্রভ অর্থাৎ আলো পড়লেই এর থেকে শ্বেতবর্ণের জ্যোতি স্ফুরণ ঘটে থাকে, যাকে ইংরাজিতে ফসফর বলা হয়। কিন্তু বিপদ তখনই দেখা দিল; এই “বেরিলিয়াম ফসফর” থেকে মানব দেহে নতুন এক রোগের সৃষ্টি হল। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির সময়ে এক বিরাট সংখ্যক শিল্প শ্রমিক এবং কারখানার অন্যান্য সাধারণ কর্মীরা বেরিলিয়োসিস(Berylliosis) ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেন। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির সময়ে যে ক্ষুদ্র কণা বাতাসে ভেসে বেড়ায় কারখানার ভেতরে, সেই ভাসমান কণার সংস্পর্শে আসার পরেই এই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময়ে অথবা উৎপাদিত ফসফরের গুঁড়ো স্থানান্তরিত করার সময়ে এই বিষটি মানব দেহে প্রবেশের সুযোগ পায় বলে ধারনা করা হয়। বেরিলিয়োসিস্ রোগের উপসর্গ প্রথমে যক্ষ্মা রোগের মতন মনে করা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এই রোগের প্রকৃত লক্ষণগুলি বুঝতে পারলেন। এবং দেখা গেল এই রোগটি ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, চামড়ার উপরি ভাগে ক্ষতের সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে বাহু, মুখে এবং ঘাড়ের ত্বকে। ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডের ডাঃ এইচ. এস. ভেন ওরডেসস্ট্রান্ড(Dr.H.S.Van Ordstrand) ও তাঁর সহকর্মীরা ১৭০-জন বেরিলিয়োসিস রোগীর চিকিৎসা করেছেন যাদের চামড়ায় ও ফুসফুসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এদের যথাযথ চিকিৎসা করে সারিয়ে তোলা হয়েছিল, এমনকি চামড়ার ভেতরে ঢুকে যাওয়া বেরিলিয়াম ফসফরের কণাগুলিকে বিশেষ উপায়ে বের করে এনে। এদের মধ্যের বেশ কয়েকজন রোগীকে সুস্থ করা হয়ে ছিল। ক্রমশ ইউরোপের বেশ কিছু দেশে(Germany, Italy, USSR) থেকে এই ধরণের রোগের খবর আসতে থাকে। ম্যাসাচুসেটস থেকে কয়েকজন ডাক্তার জানিয়েছিলেন যে বেরিলিয়াম সিলিকেটের কারখানায় কাজ করা বন্ধ করে দেবার বেশ কয়েক বছর পরে ১৭-জন শ্রমিকের দেহে বেরিলিয়াম উপসর্গ দেখা দেয়। বেরিলিয়াম শিল্পের শ্রমিকের কারখানার পোশাক ধুয়ে পরিষ্কার করার কারণে শ্রমিকের স্ত্রীদের দেহে এই রোগের আক্রমণ দেখা দেয়। পারমানবিক বোমা তৈরির “মানহাটন” প্রজেক্টে কর্মরত একজন পদার্থবিদ ১৯৩৮ সালে বেরিলিয়ামের সংস্পর্শে আসেন কিন্তু তাঁর দেহে বেরিলিয়োসিসের উপসর্গ দেখা দেয় ১৯৪৬ খৃষ্টাব্দে। বেরিলিয়োসিস আক্রান্ত রোগীদের তালিকায় প্রথম নামটি তাঁরই। আক্রান্ত হবার ১০-বছর পরেও রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে এমন ৩৫-জনের সন্ধানও পেয়েছেন চিকিৎসকেরা। এই যে আক্রান্ত হবার বহু পরে উপসর্গ প্রকাশ পাওয়ার ঘটনাকে চিকিৎসা শাস্ত্রে Chronic symptoms বলা হয় এবং এই লক্ষণ প্রকাশ পেলে ডাক্তাররা বেশির ভাগ সময়েই বিমূঢ় হয়ে পড়েন। ভাঙ্গা ফ্লুরেসেন্ট টিউবের টুকরো জঞ্জালের সাথে ফেলে দেওয়া হয়। এই ভাঙা টুকরোতে শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হলেও বেরিলিয়োসিস দেখা দিতে পারে। এক কিশোর বয়সের ছেলের গায়ে ক্ষত সৃষ্টি হবার ২-মাস পরে এই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের আণবিক শক্তি কমিশনে কর্মরত ১৫-জন বৈজ্ঞানিক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে বেরিলিয়ামের সংস্পর্শে এসেছিলেন। যাবতীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের পরেও তাদের শরীরে বেরিলিয়োসিস রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির কারখানার চিমনির থেকে নির্গত ধোঁয়ার মধ্যে ভেসে থাকা কণা থেকেও প্রায় ১-মাইল দুরে বসবাসকারী জনসাধারণকে বেরিলিয়োসিস এর রোগী হিসাবে চিহ্নিত করা গেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বেরিলিয়ামের আর মারাত্মক কোন প্রভাব আছে কিনা তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা ৫০-দশক থেকেই করছেন। এখন পর্যন্ত বেরিলিয়োসিস রোগের নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক ওষুধ আবিষ্কার হয়নি যার প্রয়োগে acute বা chronic অবস্থায় তার প্রয়োগে রোগটি মনুষ্য শরীর থেকে নির্মূল করা সম্ভব হবে, অতি অল্প সময়ে। এ ব্যাপারে কিন্তু বৈজ্ঞানিকরা বসে নেই। গত শতাব্দীর শেষ ভাগ থেকে অবিরাম পরীক্ষা নিরীক্ষা তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন।

একোয়ামেরিন অসাধারণ রত্ন পাথর মূল্যবান উপরত্ন

পেছনের ছবিটি দৈত্যাকৃতি বেরিলের কেলাসের। সামনের চারটি ছবি যথাক্রমে বাঁদিক থেকে এমারেল্ড যুক্ত লাইমস্টোন খণ্ড, অ্যাকোয়ামেরিণের খণ্ড, এবং তৃতীয় ও চতুর্থ ছবি দুটি এমারেল্ড (পান্না) খণ্ডের। এই সবগুলোই অ্যামেরিকান মিউজিয়াম অফ ন্যাচেরাল হিস্ট্রিতে রক্ষিত আছে।

ওপরে যে ছবিটি দেওয়া হল এই প্রবন্ধের মাধ্যমে, সেই চিত্রটি গত শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকে প্রায় শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বর্তমানে, বেরিলিয়ামের বিষক্রিয়া সম্বন্ধে প্রায় সব প্রকারের তথ্য হাতে আসায়, চিকিৎসকরা এর চিকিৎসায় কোন প্রকারের অসুবিধায় পড়ছেন না। তাছাড়া, বেরিলিয়াম ঘটিত বিপর্যয় এড়াতে নানান নিয়মকানুন মেনে চলার নির্দেশ পাওয়া গেছে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে। যেমন; বেরিলিয়াম ও সেই সম্পর্কিত শিল্প কারখানায় উচ্চস্তরের গৃহস্থালির নিয়মাবলী প্রয়োগ করতে হবে যাতে বেরিলিয়াম ধাতু বা তার যৌগ দেহের সংস্পর্শে না আসতে পারে। শ্বাসক্রিয়ার মাধ্যমে যেন দেহে প্রবেশ না করে। কারখানার আবহাওয়ায় যেন বেরিলিয়াম বা তার যৌগকণার পরিমাণ প্রতি কিউবিক মিটার বাতাসে ১০০ মাইক্রোগ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কোন কোন সংস্থা এই পরিমাণ ০২ মাইক্রোগ্রামে নামানর ব্যবস্থা করতে বলেছে। কারখানার বাইরের বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ হওয়া উচিৎ এক মাইক্রোগ্রামের ১০০-ভাগের ১-ভাগ। বেরিলিয়োসিসের কোন অমোঘ প্রতিষেধক আজও আবিষ্কার না হলেও, বেরিলিয়িমের খনি, কারখানা, গবেষণাগার ইত্যাদি, প্রায় সব ক্ষেত্রে সঠিক গাত্রাবরণ, জুতো, মুখোস, দস্তানা, চশমা, মস্তকাবরণ ইত্যাদি ব্যাবহার বাধ্যতামূলক করার পর, বহুল পরিমানে এই মারণ রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

বেরিলিয়াম-জিংক-সিলিকেট, এই স্বয়ংপ্রভ পদার্থটিকে টিউব লাইটে ব্যাবহার ১৯৪৯ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফ্লুরেসেন্ট টিউব নির্মাণ কারখানায় যখন বহু সংখ্যক শ্রমিক এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হচ্ছিলেন, তখন উৎপাদক নিজেরাই U.S.Public health service-এর কর্তাব্যক্তিদের পরামর্শ মেনে বেরিলিয়াম ফসফরের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। নতুন করে গবেষণা শুরু হয় নতুন কোন ফসফর যৌগ আবিষ্কারের তাগিদে। ক্যালসিয়াম-হ্যালো-ফসফেট জাতীয় যৌগর ব্যবহার শুরু হয়। এই যৌগটি হল, ক্যালসিয়াম-ফ্লুর-ফসফেট বা ক্যালসিয়াম-ক্লোর-ফসফেট। এদের কোন রকমের বিষক্রিয়া নেই। একেবারে আধুনিক ফ্লুরসেন্ট টিউবে এই যৌগ অবশ্য ব্যবহার করা হয় (T-12, slim type, T-8, slim type & CFL)।

3-band Phosphor; এই ফসফর হল লাল, সবুজ ও নীল ফসফরের মিশ্রণ। সাধারণত, জিংক-সিলিকেট যৌগর সাথে অন্য ধাতু, যেমন; ইউরোপিয়ান, স্টংসিয়াম, অ্যান্টিমনি ইত্যাদি উজ্জিবক(activator) মিলিয়ে এদের তৈরি করা হয়। আবার, বেরিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম এলুমিনেটে ইওরোপিয়াম উজ্জীবক ব্যবহার করেও ফসফর তৈরি হয় আধুনিক যুগের টিউব লাইটের ভেতরে স্বয়ংপ্রভ প্রলেপ দিতে।
কিন্তু বেরিল থেকে বেরিলিয়াম নিষ্কাসন অথবা খনি থেকে বেরিল উত্তোলন, এই কর্মকাণ্ড ত থেমে থাকতে পারে না! তাই শ্রমিক, যারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের সব রকমের নিরাপত্তা দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই জন্য হয়ত নতুন করে কেউ বেলিয়োসিসে আক্রান্ত হচ্ছেন না কিন্তু, রোগটির উপসর্গ আক্রান্ত হবার ১০-১৫ বছর পরে দেখা যায়(chromic effect) বলে আজও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে চলেছেন এই রোগের সঠিক প্রতিষেধক আবিষ্কারের আসায়।

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয়(environment health) ব্যাপারটি নিয়ে আজকাল পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বিশেষ জোর দিচ্ছেন ধাতুর বিষক্রিয়ার ওপর। পারদ, ক্রোমিয়াম, আর্সেনিক ইত্যাদির খবর আজকাল বহুল প্রচারিত খবর। কিন্তু স্বল্প পরিচিত বেরিলিয়াম ও তার যৌগরা যে কি পরিমাণ বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পেরেছিল এবং পারে, সেই বিষয়ে পাঠকদের অবহিত করার জন্যই এই প্রবন্ধের অবতারণা। এই বিষয়ে আর একটি বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে, প্রায় ২৫০ বছর আগে Bernadino Ramazzini নামে এক চিকিৎসক শিল্প কারখানার শ্রমিকদের নানান রোগ সম্বন্ধে গবেষণা চালানর সময়ে একটি দামি কথা বলেছিলেন; তাঁর পরামর্শ ছিল, “ডাক্তাররা যখন কোন কর্মজীবী মানুষের চিকিৎসা করবেন তখন তাঁদের অবশ্যই জেনে নেওয়া উচিৎ সেই ব্যক্তি কি ধরণের কর্মে সঙ্গে যুক্ত আছেন”? তা না হলে নির্ভুল রোগ নির্ণয় করা কখনই সম্ভব হবে না। বেরিলিয়োসিস রোগের ক্ষেত্রে এই উপদেশ অতীব মূল্যবান এবং যাঁরা পরিবেশ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বৈজ্ঞানিক গবেষণা করেন তাদের ক্ষেত্রে এই পরামর্শ দিক নির্দেশক বলে বিবেচিত হতে পারে।

প্রকৃতির কি বিচিত্র লীলা! বেরিল খনিজের মধ্যে ক্রোমিয়াম অক্সাইড অশুদ্ধি রূপে থাকার ফলে সেটি রূপান্তরিত হয়েছে অত্যন্ত মহার্ঘ রত্ন প্রস্তর পান্না(Emerald) আর অ্যাকোয়া মেরিনে(Aquamarine)। বেরিল থেকে প্রাপ্ত ধাতব মৌল বেরিলিয়াম প্রমাণিত হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও জন-হিতকারী মৌল রূপে, যা পারমানবিক শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিশেষ ভাবে প্রয়োজনীয়। কিন্তু প্রকৃতির ঋণ পরিশোধ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব হয়না, প্রায় সব ক্ষেত্রেই। তবে প্রকৃতি ও তার ঋণ আদায় করে নিতে জানে এবং এই ক্ষেত্রে বেরিলিয়োসিস ব্যাধির সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক বার্তা দিয়েছে; যথেচ্ছ এবং অনিয়ন্ত্রিত ভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করার আগে ভাল এবং খারাপ দুটো দিকই বিচার করা যে একান্ত ভাবে প্রয়োজন সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে কু-দিকটার মোকাবিলা করার জন্য ঠিকঠাক ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত ভাবে জরুরি সেই কথা বারংবার মনে করিয়েছে। না হলে কি ভয়ঙ্কর বিপদ মানুষের জন্য অপেক্ষা করে আছে, তা বেরিলিয়োসিস রোগ মারফত জানিয়ে দিয়েছে।



হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬






আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200103163658

Monday, December 30th, 2019

Astro Research Centre

ফিরোজা (Rashi Rotno Pathor Firoza) নামেই বেশী চিনে থাকে। উপাদান, আকৃতি, বৈশিষ্ট, রং, কাজ, উপকারিতা, মূল্য, দাম, price, cost, গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হলো

Benefits of Turquoise Firoza Stone (ফিরোজা পাথরের উপকারিতা)
Gemstone Turquoise এর বাংলা হচ্ছে ফিরোজা, যদিও একে সবাই রাশি রত্ন পাথর ফিরোজা (Rashi Rotno Pathor Firoza) নামেই বেশী চিনে থাকে।
উপাদান, আকৃতি, বৈশিষ্ট, রং, কাজ, উপকারিতা,
মূল্য, দাম, price, cost, গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হলো

পৃথিবীর ইতিহাসে ফিরোজা পাথরের উল্লেখ পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ বছরের আগে থেকে। এবং জুয়েলারি শিল্পে এর ব্যবহার নানাবিধ। উৎকৃষ্ট মানের ফিরোজা পাথরের রঙ হচ্ছে আকাশি নীল।
প্রাপ্তি স্হান :

ইরানের নিশাপুরি অঞ্চলের ফিরোজা পাথর পৃথিবী বিখ্যাত। যেখান থেকে “শাজারি ফিরোজা” পাওয়া যায়। এছাড়াও আমেরিকা, দক্ষিন কোরিয়ায় ফিরোজা পাথর পাওয়া যায়।

ফিরোজা পাথর দারিদ্রতা দূর করে এবং আর্থিক কষ্ট দূর করে”।তিনি সাইয়েদেনা মুফাদ্দালকে উপদেশ দেন ফিরোজা পাথরের আংটি ব্যবহার করতে এবং বলেন “এটা চোখের জ্যোতি বাড়ায়, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে এবং বুক প্রশস্ত করে”।

ফিরোজা পাথরের বিশেষ কিছু উপকারিতা

ফিরোজা পাথর জাদুটোনা, শয়তান,বিষাক্ত পোকামাকড় ও কু দৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।
যদি কেহ ঘুম থেকে উঠেই ফিরোজা পাথর দেখে থাকে তাহলে সকল প্রকার ষড়যন্ত্রকারীর ষড়যন্ত্র থেকে নিরাপদে থাকবেন। মহান আল্লাহ তাকে সকল প্রকার বিপদ থেকে রক্ষা করবেন।

ফিরোজা পাথর চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে এবং জিবনী শক্তি বৃদ্ধি করে।

হয়রানি থেকে রক্ষা করে এবং শত্রুদের মাঝে জয়ী হতে সাহায্য করে।

ফিরোজা পাথর ধারণে উন্নত চরিত্র দ্বারা সুনাম অর্জনে সাহায্য করে থাকে।
বিষণ্ণতা দূর করে ফিরোজা পাথর।

এই পাথর পাইলস রোগের নিরাময়ে সাহায্য করে।

Turquoise (Firoza) Stone Benefits জ্যোতিষশাস্ত্র মতে ফিরোজা পাথরের উপকারিতাঃ

ফিরোজা পাথর ব্যবহারে মনের শক্তি বৃদ্ধি পায়। চিন্তা শক্তি এবং অন্তর্দৃষ্টি প্রখর হয়ে থাকে। ফলে চিন্তা চেতনা আগের থেকে পরিষ্কার ও প্রখর হয়ে থাকে।
ফিরোজা পাথর কে সৌভাগ্যর পাথর বলা হয়ে থাকে। এ পাথর ব্যবহারে আল্লাহ্‌র চাইলে ব্যবহারকারীর ভাগ্য প্রসন্ন হতে পারে।
ফিরোজা কে একটি বিশুদ্ধ পাথর মনে করা হয়। মানুষিক চাপ হ্রাস করা, দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করা থেকে শুরু করে নানান উপকার পাওয়া যায়।
যে সকল মানুষ ছায়াছবি, ফ্যাশন , টেলিভিশন , জুয়েলারি , হিসাববিদ্যা , আইন , শিক্ষা ও পোশাক শিল্প্র মত ক্ষেত্র এর সাথে সম্পর্কিত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী। শিক্ষক,লেখক,পণ্ডিত এবং শিক্ষার্থী,শিক্ষা ও বিশেষ করে যারা সৃজনশীল কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য খুব উপকারী এ পাথর।
কথিত রয়েছে যে ফিরোজা পাথরের রঙ এবং উজ্জলতা বলদে যায় যখন এর ব্যবহারকারী কোন ভাবে শারীরিক ও মানুষিক ভাবে বিপদ্গ্রস্থ হয়ে পরে।
ফিরোজা পাথর ব্যবহারে মানুষের মনে দয়া, দানশীলতার অনুভূতি বৃদ্ধি পায়।
বন্ধুর সাথে সম্পর্ক, ভালোবাসার মানুষটির সাথে সম্পর্কে এবং পারিবারিক সম্পর্কে ফিরোজা পাথর আস্থার জন্ম দেয়।
হাঁপানি,বাড়তি মদ্যাশক্তি,বিষণ্নতা,উচ্চ রক্তচাপ,মাইগ্রেইনস,ভাইরাল সংক্রমণ,বা টক্সিনের মত শারীরিক অসুস্থতায় ফিরোজা পাথর উপকারী। .
যে সকল মানুষকে খুব বেশী ভ্রমন করতে হয় তাদের জন্য ফিরোজা পাথর ব্যবহার উপকারী। যে কোন প্রকার দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
বিবাহিত জীবনে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়া, আস্থা, ভালোবাসা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ফিরোজা পাথর



। কৃত্রিম রত্ন তৈরির প্রচেষ্টাটি প্রচীনকালেও ছিল। প্রাচীন মিশরীয় এবং রোমানদের তৈরি বিভিন্ন রকম নমুনা জাদুঘরে দেখা যায়। তবে সেগুলি গুণগত মানে ও রূপে অক্ষম। কৃত্রিমভাবে তৈরি রত্ন-পাথরকে কয়েকটি সম্পূর্ণ আলাদা দলে বিভক্ত কর যায়। যেমন -- (১) ইমিটেশন অর্থাৎ নকল রত্ন।(২) সিনথেটিক অর্থাৎ সংশ্লেষিত রত্ন এবং(৩) কৃত্রিম ভাবে তৈরি ডাবলেট রত্ন। (১) ইমিটেশন বা নকল রত্ন প্রাকৃতিক রত্নের অনুকরণেই করা হয়। চোখে দেখার মিলটুকু ছাড়া আর কোনো অর্থেই এরা প্রাকৃতিক বা আসল রত্নের মতো সাধারণত হয় না। এতে একই রকম দেখতে অন্য জিনিসকে সুকৌশলে রত্নের মতো করে তোলা হয়। কিছুটা আসলের মতোই এই রত্ন প্রচুর তৈরি করে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। এদিক থেকে এদের উপযোগিতা আছে বৈকি।ইমিটেশন বা নকল রত্নের অধিকাংশ তৈরি হয় বিশেষ ধরনের কাঁচ থেকে। এ কাঁচ যেন খুব বিশুদ্ধ হয়, ক্ষুদ্র বাবলস বা বুদবুদ ইত্যাদি থেকে মুক্ত হয়, সে ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নেওয়া হয় প্রাকৃতিক বা খাঁটি রত্নের মতো অনুরূপ রং দেওয়ার জন্য গলিত অবস্থায় এ কাঁচের সঙ্গে বিভিন্ন রকম ধাতব অক্সাইড মেশানো হয়। যেমন নীলের জন্য -- কোবালট অক্সাইড, সবুজের জন্য -- কুৎপ্রিক অক্সাইড, বেগুনির জন্য -- ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড ইত্যাদি। কাঁচকে বিভিন্ন তলে ঘষে কাটা প্রাকৃতিক রত্নের রূপ ও ঔজ্জ্বল্য দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সব কাটা তলের নিম্ন পৃষ্ঠগুলিতে অনেক সময় আয়নার মতো প্রতিফলকের ব্যবস্থা করা হয় যাতে প্রাকৃতিক বা আসল রত্নের দীপ্তিও খানিকটা আসে। এ ধরনের নকল রত্নকে অবশ্য প্রাকৃতিক রত্ন থেকে আলাদা করা মোটেই কোনো কঠিন কাজ নয়। এরা কম শক্ত বলে অনায়াসে এদের গায়ে আঁচড় কাটা যায়। খনিজ বা প্রাকৃতিক রত্নের তুলনায় এদেরকে স্পর্শে উষ্ণ অনুভূত হয়। আলোর প্রতিসরণাঙ্কের ক্ষেত্রেও এদের সঙ্গে প্রাকৃতিক রত্নের অনেক তফাত। তা ছাড়া এক্সরে ছবি নিলেই বোঝা যায় যে নকল রত্নের সত্যিকার কোনো কেলাসিত রূপ নেই।
(২) অপরদিকে সংশ্লেষিত রত্ন সব অর্থেই প্রাকৃতিক রত্নের অনুরূপ। প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে তৈরি না-হয়ে এটি বিভিন্ন উপাদানের সংশ্লেষণে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তৈরি হয়, এই অর্থেই শুধু এটি কৃত্রিম। বস্তুগত দিক থেকে, যেমন রাসায়নিক গঠন, কেলাসন, আলোকগুণ এবং অন্যান্য সব ভৌত গুণে এরা প্রাকৃতিক রত্নের সঙ্গে অভিন্ন। সংশ্লেষিত রত্ন তৈরি অনেক বেশি ব্যয়সাপেক্ষ, তাই শুধু দামি রত্নগুলির ক্ষেত্রেই এটি করা হয়। আজকাল সংশ্লেষিত হিরে, চুনি, নীলা, পান্না সবই পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লেষিত হিরের একটি সুবিধা হল একে ইচ্ছামতো রঙিন করা সম্ভব নানা রকম বিজাতীয় পদার্থের স্বল্প অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে। প্রথমদিকে কৃত্রিম হিরের আকার এত ছোটো হত যে তা রত্ন-পাথর হিসাবে ব্যবহারের উপযুক্ত ছিল না। কিন্তু সত্তরের দশক থেকে আকারে ও সৌন্দর্যে রত্ন হওয়ার উপযুক্ত হিরে সংশ্লেষিত হচ্ছে, এদের উৎপাদন ব্যয়ও ধীরে ধীরে কমে আসছে। চুনি ও নীলা আসলে একই রত্ন-পাথর, শুধু এদের রংটুকু ছাড়া অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের প্রবাহের মাধ্যমে সৃষ্ট তীব্র উত্তাপে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাসাইডের গুঁড়োকে গলিয়ে এবং পরে তাকে কেলাসিত হতে দিয়ে চুনি ও নীলা সংশ্লেষিত করা হয়। তৈরির সময় সঙ্গে পরিমাণমতো ক্রোমিয়াম অক্সাইড মেশালে তা চুনির লাল রং হয়। আবার এর বদলে টিটানিয়াম অক্সাইড দেওয়া হলে সৃষ্টি হয় নীল রঙের নীলা। ১৯৩০ সালে প্রথম পান্না তৈরি সম্ভব হয়।(৩) কৃত্রিম ডাবলেট রত্নগুলি হল এতে উপরে সত্যিকার রত্নের পাতলা করে কাটা একটু আবরণ থাকলেও তাকে জুড়ে দেওয়া হয় নকল অথবা নিকৃষ্ট রত্নের ব অংশের সঙ্গে। ডাবলেট রত্ন তৈরি করার কৌশলটিও কিন্তু বেশ লক্ষণীয়। এতে উপরের পাতলা দামি রত্নের অংশ নীচের নকল অংশের সঙ্গে উপযুক্ত আঠা দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়। হিরের ডাবলেটের ক্ষেত্রে পাতলা আসল হিরে, জারকন অথবা রক ক্রিস্টালের মতো অপেক্ষাকৃত সস্তা। কিন্তু অনুরূপ কেলাসের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। অন্যান্য দিক থেকে একইরকম দেখতে হলেও চুনি, নীলা বা পান্নার ডাবলেটের জন্য সাধারণত উপরে এলমেডাইন নামক স্বচ্ছ কেলাসের পাতলা আবরণ এবং নীচে সঠিক রঙের কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
কৃত্রিম রত্ন আধুনিক প্রযুক্তির একটি চমৎকার সুকৌশল। ইমেটেশন বা নকল রত্ন ও কৃত্রিম ভাবে তৈরি ডাবলেট রত্ন-পাথরগুলি বিচার-বিশ্লেষণের অনুপযুক্ত।

যদিও আসল রত্ন আপনি কোনোদিন দেখতে পাবেন না দু-একটা ছাড়া (কারণ সেগুলি পাথর নয়), তবুও সুযোগ পেলে রত্ন-পাথর আসল কি নকল  কীভাবে বুঝবেন সেটা জেনে নেওয়া যেতেই পারে।বাজারে নানারকম রত্ন-পাথর পাওয়া যায়। চোখ ধাঁধিয়ে যায় তাদের রং আর উজ্জল বর্ণচ্ছটার আভা দেখলে। জ্যোতিষবাবু কিংবা জুয়েলারি থেকে যে রত্ন-পাথরটি কিনছেন হাজার হাজার টাকা গাঁটগচ্ছা দিয়ে, সেসব রত্ন-পাথরের ভিড়ে কী করে চেনা যাবে কোনটা আসল । রত্ন-পাথর আসল কি নকল বোঝার জন্য অভিজ্ঞ চোখ প্রয়োজন। প্রথমত, রত্ন-পাথরের আকৃতি, রং, স্বচ্ছতা ও এর ভিতর সুক্ষ্ণ যেসব অবাঞ্চিত পদার্থ থাকে, তার বিন্যাস দেখে প্রাথমিক ধারণা তৈরি করতে হবে।এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নিতে হবে। তবে রত্ন-পাথর যাচাই করার সব চেয়ে ভাল উপায় হল রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাংক (Refractive Index)যাচাই করা। রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাংক জানা থাকলে তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে রত্ন-পাথরের সঠিক পরিচয় পাওয়া সম্ভব। কারণ কোনো বিশেষ রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাঙ্ক নির্দিষ্ট, এর হেরফের বিশেষ দেখা যায় না। যেমন হিরের প্রতিসরণাংক ২.৪১৭। এ ছাড়া বিচ্ছুরণ (Dispersion)ধর্ম যাচাই করেও রত্ন-পাথর আসল কিংবা নকল তা যাচাই করা সম্ভব। তাছাড়া রত্ন-পাথরের কাঠিন্যতা (hardness), আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific gravity) ইত্যাদি ধর্ম যাচাই করে সহজেই নকল ও আসল রত্ন-পাথর চেনা যায়।

আসল রত্ন রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে – 

(১) চুনি বা Ruby : লাল রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোরান্ডাম (Corundum), অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনই হল এর মূল উপাদান (AI2O2)।

 (২) নীলা বা Blue Sapphire : নীল বা হলুদ রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নামও কোরান্ডাম (Corundum), অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনই হল এর মূল উপাদান (AI2O2)।


(৩) পান্না বা Emerald : সবুজ বা স্বচ্ছ রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম বেরিল (Beryl)।বেরিলিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন এবং অ্যালুমিনিয়াম হল মূল উপাদান (3BeO.AI2O3,6SiO2)। 

(৪) বৈদুর্যমণি বা Cats Eye : হলুদ বা সবুজ বা খয়েরি রঙের রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম ক্রাইসোবেরিল (Chrysoberyl)। বেরিলিয়াম, অক্সিজেন, অ্যালুমিনিয়াম এই রত্নটির মূল উপাদান (BeO.AI2O2)।

(৫) গোমেদ বা Garnet : লাল বা বাদামি বা কমলা রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম গারনেট (Garnet)।লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন এবং অক্সিজেনই মূল উপাদান [(Ca,Mg,Fe)3AI2(SiO4)3]।

(৬) চন্দ্রকান্ত বা Moon Stone : ধূসর রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম ফেলসপার (Feldspar)।পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন এবং অক্সিজেন এই রত্নটির মূল উপাদান (KAISi3O8NaAISi3O8CaAI2SiO8)। 

(৭) সূর্যকান্তমণি বা Sun Stone : স্বচ্ছ এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোয়ার্টজ (Quartz)।মূল উপাদান সিলিকন, অক্সিজেন (SiO2)।

(৮) সন্ধ্যামণি বা Amethyst : স্বচ্ছ এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোয়ার্টজ (Quartz)।মূল উপাদান সিলিকন, অক্সিজেন (SiO2)

 (৯) পোখরাজ বা Sapphire : স্বচ্ছ বা হালকা হলুদ বা হালকা নীল রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম টোপাজ (Topaz)।মূল উপাদান অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন এবং ফ্লোরিন [AI2SiO4(OH/F)2]।


 (১০) নীলকান্তমণি বা Tarquous : অস্বচ্ছ নীল বা নীলাভ সবুজ  রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম টারকোয়েস (Tarquous)। কপার, ফসফরাস, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ফ্লোরিন হল মূল উপাদান [CuO(AI2O3(P2O3)2, 9H2O]।

(১১) বৈক্রান্তমণি বা Zircon :  অস্বচ্ছ এই রত্নের বৈজ্ঞানিক নাম জারকন (Zircon)।মূল উপাদান জার্কনিয়াম, সিলিকন ও অক্সিজেন (ZrSiO4)।

(১২) মুক্তা বা Pearl : এটি খনিজ পদার্থ নয়, প্রাণীজ পদার্থ। স্বাভাবিক মুক্তা ঝিনুকের মাংসল শরীরের ভিতর পাওয়া যায়। সাদা রঙের এই জৈব রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম Organic Gems। মূল উপাদান হল ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন (CaCO3)


(১৩) প্রবাল বা Corel : এটি খনিজ পদার্থ নয়, প্রাণীজ পদার্থ। এক ধরনের ক্ষুদ্র জীবের মৃতদেহ।শুধুমাত্র সমুদ্রের নীচেই পাওয়া যায়।গাঢ় রক্তবর্ণ বা হলুদাভ রক্তবর্ণ, গেরুয়া সাদা রঙের রত্নটির বৈজ্ঞানিক নামও Organic Gems। মূল উপাদান হল ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন (CaCO3)।

রত্নগুলি কীরকম ভাটের জিনিস দেখুন : (১) চুনি এবং নীলার মূল উপাদান একই। অথচ গ্রহ আলাদা।অথচ গ্রহরোষও আলাদা। অথচ রবি খারাপ হলে চুনি দেওয়া হয় এবং শনি খারাপ হলে নীলা ধারণ করতে বলা হয়। 



হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20191230160412

Saturday, August 31st, 2019

Astro Research Centre

চুনী মানিক (Ruby), কাজ, অপকারিতা, রাসায়নিক যৌগ, সিংহ, বৃশ্চিক, মেষ রাশি জন্য চুনী , মূল্য দাম price

চুনী মানিক (Ruby), কাজ, অপকারিতা, রাসায়নিক যৌগ, সিংহ, বৃশ্চিক, মেষ রাশি রত্ন চুনির মূল্য দাম price, মূল্যবান রত্ন, কোথায় পাওয়া যায়, চুনী ধরনের নিয়ম, চুনীর উপরত্ন স্টাররুবি



রক্ত স্বল্পতা দূর করে, রক্ত বাহিত রোগ নিরাময় করে এবং রক্ত ক্ষরণ রোধ করে।হৃদরোগে উপকার করে।

আমরা রুবি পাথরের উপকারে কথা হিসাব করি তাহলে সকল রত্ন পাথর থেকে এর উপকার বেশি হবে।
স্বামী-স্ত্রী এর মধ্যে একান্ত আনন্দের সময় দীর্ঘ করে।
পুরনো জ্বর ভালো করে এবং দুঃস্বপ্ন দূর করে।আশেপাশের মানুষের মধ্যে সম্মান এবং প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করে এবং সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।“

আরব যোদ্ধারাও রুবি এমন ভাবে রুবি পাথর ব্যবহার করত যাতে তা শরীর স্পর্শ করে শক্তি ও সম্মান বৃদ্ধি করে।

রুবি পাথর কামসক্তি উদ্দিপ্ত ও দীর্ঘাইত করে।এটা ব্যবহারে আকর্ষণ করার ক্ষমতা বারে এবং প্রেম ও বন্ধুত্ব বজায় রাখে।

রুবি ব্যবহারে ব্যবহারকারী বিপদের জন্য সতর্ক থাকে।সাস্থ ও সুখ বজায় রাখে।শিশুদের গলায় রুবি পাথর পরিয়ে দিলে রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং মেয়েদের কোমরে রুবি ব্যবহার করলে দুর্ঘটনা জনিত গর্ভপাতে বাধা দেয়।

।জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে যাদের সিংহ রাশি ( Leo) July 21- August 20 তাদের রাশির পাথর হচ্ছে রুবি পাথর (Ratno Pathor Ruby)। সাধারণত যে সকল মানুষের কোন কাজ শুরু করার সময় ভালো থাকে কিন্তু শেষে এসে কাজটি নষ্ট হয়ে যায় বা কাজটি থেকে কাংখিত ফলা পাওয়া যায় না তাদের জন্য প্রথম পাথর হচ্ছে রুবি। সূর্যের প্রতিনিধিত্ব করে থাকে রুবি। আর সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। তাই জীবনে শক্তির প্রভাবে কাজে লাগাতে রুবি পাথরের গুরুত্ব অনেক।(Benefits of Ruby Stone) রুবি পাথর ব্যবহারে জ্যোতিষশাস্ত্র মতে পাওয়া উপকার গুলো নিম্নরূপঃযে সকল মানুষ কাজের শুরুতে খুব আগ্রহ বোধ করে কিন্তু একটু এগিয়ে যাবার পরেই সেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, ফলে কাজটি হাত ছাড়া হয়ে যায়, সে সকল মানুষের জন্য রুবি পাথর উপকারী।রুবি পাথর আভিজাত্যর প্রতীক। তাই এ পাথর আভিজাত্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি পেশা গত জীবনে, স্থায়ী সম্পদ বৃদ্ধিতে ও সম্মান বৃদ্ধিতে রুবি পাথর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।সাধারণত যে মানুষের আত্মবিশ্বাস কম তাদের মনের জোর বাড়াতে রুবি পাথরের তুলনা নেই।রুবি পাথর ব্যবহারে প্রশাসনিক, আঞ্চলিক ও অফিশিয়াল কাজে সাহায্য পাওয়া যায়।প্রাকৃতিক রুবি পাথর দেখতে লাল বর্ণের যা শখ ও ভালোবাসার প্রতীক। রুবি পাথরকে ভালোবাসার উপহার বলা হয়।রুবি পাথর ব্যবহারে মানুষের দ্বিধা কমে আসে, দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং যে কোন কাজে লক্ষ্য স্থির করতে সাহায্য করে।আপনি যখন রত্ন পাথর রুবি পাথর (Gemstone Ruby Stone) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি ১০০০ টাকা থেকে সর্বচ্চ ১৫০০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট রুবি পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20190831201844

Saturday, August 17th, 2019

Astro Research Centre

আকিক পাথরের মূল্য /উপকারিতা কাজ গুরুত্ব /আকিক সস্তায় মূল্যবান পাথর

আকিক পাথরের মূল্য ও উপকারিতা

আকিক পাথর অন্যান্য মূল্যবান রত্ম পাথরের চেয়ে অনেক বেশী কাজের

আকিক পাথর অন্যান্য রত্ম পাথরের চেয়ে দামে সস্তা। তবে আসল আকিক পাথর হলে তার কাজ হয় অসাধারণ। দু:খজনক হলেও সত্যি বাজারে বিভিন্ন ধরনের নকল আকিক পাথর পাওয়া যায়। আমরা আপনার জন্য নিয়ে এসেছি প্রাকৃতিক ইয়েমেনি ও সোলেমানি আকিক।

লাল, সাদা, সবুজ, হলুদ, কালোসহ বিভিন্ন রংয়ের আকিক পাথর পাওয়া যায়। একেকটি একেক নামের। যেমন কোনোটি সোলেমানি আকিক আবার কোনোটি ইয়েমেনি আকিক। লাল রংয়ের ইয়েমেনি আকিককে বেশি উপকারী মনে করা হয়।

ইসলাম ধর্মালম্বীরা একে পবিত্র পাথর হিসেবে মনে করে থাকেন। অন্য ধর্মের মানুষেরাও আকিক পাথর ব্যবহারকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখে।

আকিক পাথর ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে:

আকিক পাথর ব্যবহারে মাথা ঠাণ্ডা থাকে।

মানসিক প্রশান্তি আনে, কাজ কর্মে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়।

আকীক পাথর ব্যবহারে ধর্মীয় সচেতনতা তৈরি হয়। মনে বিশুদ্ধ চিন্তার উদয় হয়। ভালো কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।

আকিক পাথর ধারণে স্বামী স্ত্রীর মনের অমিল, পরকীয়া ইত্যাদি প্রবণতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।

হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী।

মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হয়।

রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে।

অনেকে মনে করেন আকিক পাথর ব্যবহারে ব্ল্যাক ম্যাজিক, দুর্ঘটনা ও নানারকম বিপদআপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ইসলাম ধর্মালম্বীদের মধ্যে আকিক পাথবের তসবিহ ব্যবহার করার প্রবণতা দেখা যায়।

প্রতিটি ইয়েমেনি অকিকের মূল্য ১১০০ টাকা।
প্রতিটি পাথর ৭-৯ রতি।

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20190817200223

Saturday, August 17th, 2019

Astro Research Centre

স্ফটিক পাথর Quartz Crystal Quartz Crystal

স্ফটিক পাথর

Energizer and Amplifier.

শক্তিকারক এবং সম্প্রসারক ।

পৃথিবীর খুবই পরিচিত খনিজ দ্রব্য। প্রাকৃতিক স্ফটিক বা স্ফটিক পাথর নামেও পরিচিত।

প্রধান শব্দ : যোগাযোগ, প্রজ্ঞা, চিন্তার স্বচ্ছতা, সাধারণ নিরাময়কারী, স্মৃতিশক্তি, ধ্যান, স্থানান্তর, জাগ্রততা, পরিচ্ছন্নতা, হৃদয়ের পবিত্রতা, খাটিত্ব, উদ্দেশ্য/সংকল্প, উন্নত সচেতনতা, ইতিবাচক চিন্তাশক্তি, ছন্দময় হৃদয় এবং ভালবাসা।

বিমূর্ত গুণাবলী : সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন, বহু উদ্দেশ্য নিরাময়ক পাথর, অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র কোন বিষয়ে নিজের উচ্চ ধারণা পোষণ করা এবং অবহেলাপূর্ণ অথবা অপমানজনক শৈশবের ব্যাথা নিরাময়কারী।

Quartz Crystal পাথরটি আপনাকে আত্মগ্লানিতে ভোগতে দিবে না এমনকি আত্মকরুনায়ও নয়। পাথরটি অন্যান্য পাথরের শক্তিকে বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। কোয়ার্জ পাথর আবেগীয় শক্তি সর্বদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম।

Quartz Crystal পাথরকে বলা হয় ‘গরীবের হীরক’ কেননা শরীরের সবগুলো গ্রন্থি ও চক্র ১২টি রাশি, ২৭টি নক্ষত্র, সকল সংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করে একমাত্র Quartz Crystal পাথর। হীরকের বস্তুগত উপাদান ব্যতীত সব কিছুই পাওয়া যায় Quartz Crystal এ।

পাথরটি প্রত্যেক মানুষকে শেখায় তাদের নিজস্ব স্তর এবং ভদ্রতা। সঠিক ভাবে ধারণে প্রার্থনার স্তরকে উন্নত করে সঙ্গে সদিচ্ছা এবং ইতিবাচক দৃষ্টি ভংঙ্গিকে। কোয়ার্জ পাথর মানবীয় গুণকে উন্নত করে আধ্যাত্মিক শক্তি তীব্র মাত্রায় উন্নত করে এবং ইহা ‘ঈশ্বর ভক্তি’ বৃদ্ধির জন্য খুবই সহায়ক পাথর।

পাথরটির এমনই শক্তি যে ইহা সকল প্রকার সাধনাকে উন্নতর করে, কারণ একমাত্র Quartz Crystal পাথরই সকল গ্ল্যান্ড ও সকল চক্রের উপর ক্রিয়াশীল। ফলে যে কোন প্রকার এনার্জি বা শক্তিকে পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে।

বিশেষ করে পিনিয়াল গ্ল্যান্ড, পিটুইটারী গ্ল্যান্ড, ব্রেইন গ্ল্যান্ড, থাইরয়েড ও প্যারাথাইরয়েড গ্ল্যান্ড এর মাধ্যমে যে সকল ‘শক্তি’ আদান প্রদান করতে হয় Quartz Crystal ধারণে উক্ত গ্ল্যান্ড সমূহের অশুভত্ব হ্রাস করে ‘শক্তিকে’ অধিক উন্নত করে।

নিরাময়কারী হিসাবে : দেহের সকল প্রকার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যেহেতু সকল গ্ল্যান্ড এর উপর ক্রিয়াশীল সেহেতু সকল প্রকার রোগ নাশ করতে সক্ষম তবে কিছুটা হলেও সময় লাগবে।

পক্ষান্তরে যে কোন প্রকার রোগের আক্রমনের পূর্বে আপনাকে রক্ষা করবে। নীল বা বেগুনী বর্ণের স্ফটিক পাথর ভেতরের আধ্যাত্মিকতা, শিক্ষা ও প্রশান্তি আনয়ন করে। হলুদ বর্ণ বা লাল বর্ণের Quartz সুনাম ঠিক তদ্রুপ বর্ণভেদে গ্রহের কারকতা হিসেবে ফলাফল ভিন্ন ভিন্ন।

কাঠিন্যতা (Hardness) : 7 – lower in impure varieties (defining mineral)

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : 2.65, variable 2.59–2.63 in impure varieties.

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : 1.543–1.545--- 1.552–1.554

I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre
Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in v
All Kind of Certified Gems and Stone available here

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20190817152817

Wednesday, May 23rd, 2018

Astro Research Centre

MALACHITE: ম্যালাকাইট সবুজ green ratna বুধ শুক্র নেপচুন কাজ করে বুধ

MALACHITE: ম্যালাকাইট

The Stone of transformation- ‘‌রূপান্তরের পাথর’চক্র: মুকুট বা মাথার চাদি।
প্রধান শব্দ: অ্যাথলেট, অপরাধ, অসন্তুষ্টি, আধ্যাত্মিক অভিব্যক্তি, আবেগপ্রবণ নিরাময়, সম্পর্ক, বন্ধুত্ব।Metaphysical Properties বা বিমূর্ত গুণাবলী : ম্যালাকাইটের উপহার হল পরিস্থিতি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একজনকে চিন্তামুক্ত বা স্বস্তিপূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করা। এছাড়াও এটি তথ্য ব্যাখ্যাকরণ ও রূপান্তরের ক্ষেত্রে সহায়তায় খুবই শক্তিশালী যা আধ্যাত্মিক অভিব্যক্তির দিকে নিয়ে যায়। নেতিবাচক অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে এমন একটি বিষয় যা আপনি স্মরণ করতে পারছেন না, তা সনাক্ত করা ও দূর করার জন্য চমৎকার পাথর। এটা নির্দিষ্টভাবে ঐসব লোকের জন্য সহায়ক যারা আধ্যাত্মিকতার পথে রয়েছেন অথবা অপরাধ থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছে।কীভাবে একজন ক্ষতিপূরণ প্রদান করে, যার জন্য আপনার কোন অনুস্মরণ বা জ্ঞান নেই? ম্যালাকাইট আপনার অতীত স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে সহায়তা করবে, যার জন্য আপনার কোন সচেতনতা না থাকতে পারে, বরং একটি বোঝা হিসেবে থেকে যায়, যা আপনি বহন করছেন। আপনি যদি নিজেকে অপরাধী মনে করেন, কিন্তু কি কারণে তা জানেন না, তাহলে সেক্ষেত্রে এটি আপনার সংগ্রহশালায় যোগ করার জন্য উপযুক্ত পাথর।এটা বিশেষ কিছু অবস্থা বা পরিস্থিতি, যেমন-সম্পর্ক, অসন্তুষ্টি ও বিরক্তির কারণের ক্ষেত্রে অন্তর্দৃষ্টি অর্জনে সহায়ক হতে পারে যাতে করে আপনি এগুলো থেকে মুক্ত হতে পারেন। বিমান চালনার ক্ষেত্রে একটি প্রতিরক্ষামূলক পাথর, বলা হয়ে থাকে এটা মাথা ঝিম ঝিম করা ও এর প্রতিরোধের ব্যাপারে সচেতন করে।উপযুক্ত : ম্যালাকাইট ভালোবাসা ও বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততা উপস্থাপন করে এবং এটা জেড পাথরের ক্ষেত্রে উত্তম সাহচর্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততার পাথর-রোমাঞ্চকর ও বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে, যাতে কিছু গোলমাল ছিল এবং পুনরায় আস্থা তৈরী করা দরকার ছিল, কারণ এটা আনুগত্যকেও উন্নত করে। কপারের সাথে ম্যালাকাইট সেট করলে এর ক্ষমতা বৃদ্ধি ও বিবর্ধিত হয়।বর্ণ : সবুজদৈহিক নিরাময় গুণাবলী: অ্যাজমা, আর্থাইটিস, ফোলা গ্রন্থি, টিউমার প্রবৃদ্ধি, ভাঙ্গা হাড় ও ছিন্ন পেশী।সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর জল কিংবা গঙ্গা জলইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।

আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়কৃত রত্ন পাথর আমরা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করে দিয়ে থাকি বিনিময়ে কোন অর্থ গ্রহণ করি না । আমাদের, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করা রত্ন পাথর ধারণ করার পর দ্রুত ফল প্রদান করতে সক্ষম।
দাম:৩০০-৪০০প্রতি রতি।




Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180523183145

Friday, May 4th, 2018

Astro Research Centre

জ্যোতিষ বিজ্ঞানে রত্নের ভুমিকা



জ্যোতিষ বিজ্ঞানে রত্নের ভুমিকা


রত্ন-পাথরের ইতিহাস থেকে জানা যায় ভূত্বকে, ভূগর্ভে ও সমুদ্রগর্ভে সুনীল জলরাশির তলে বিভিন্ন প্রকার রত্ন-পাথর পাওয়া যায়।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে গ্রহ-নক্ষত্রের শুভাশুভ ক্রিয়া মানুয়ের জীবনে বিদ্যমান থাকলেও রত্ন দ্বারা কি তার প্রতিকার সম্ভব? বা রত্ন ধারণে কি উপকৃত হওয়া যায়?

এর উত্তরে বলা যেতে পারে যে, মানব দেহের প্রতিটি অঙ্গ পরমাণুর সমন্বয়ে সৃষ্ট। সৌরমন্ডলের গ্রহগুলোও পরমাণুর সমষ্টি। আর বিভিন্ন প্রকার রত্নগুলো এমন সব পদার্থের সমন্বয়ে সৃষ্ট যার উপস্থিতি মানব দেহেও বিদ্যমান। বিভিন্ন প্রকার রত্ন সরাসরি মানব দেহের ত্বককে স্পর্শ করে শরীরের উপর ইলেকটোম্যাগনেটিক (Electro Magnetic) প্রভাব বিস্তার করে, মানব দেহের বিদ্যমান যে কোন পদার্থের অসামঞ্জস্যপূর্ণ উপসি’তির সামঞ্জস্য আনয়ন করে।

বিভিন্ন প্রকার রত্ন বিভিন্ন গ্রহের রশ্মি অতিমাত্রায় আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করতে পারে। তাই রত্ন ধারণ করে স্নায়ুর উপর বিশেষ বিশেষ গ্রহের রশ্মি যোগ বা বিয়োগ করে শক্তিশালী করা সম্ভব। ফলে স্নায়ুগুলি শক্তিশালী হবে ও নতুন চিন্তা চেতনায় জীবন প্রবাহের ক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল ভাবে এগিয়ে নিবে। আলোক রশ্মি, বায়ুমন্ডল (Atmosphere) ভেদ করে পৃথিরীর ভূ’ভাগের উপর পতিত হয়। গ্রহদের যেমন নিজস্ব তেজ বিকিরণের ক্ষমতা আছে, প্রতিটি রত্মেরও তেমনি পৃথক পৃথক তেজ আহরণের ক্ষমতা আছে। সূর্য এবং গ্রহমন্ডল থেকে বেরিয়ে আসা এই আলোক রশ্মিই আমাদের উপর নানাভাবে কাজ করে। ভু’গর্ভে বা সমুদ্র গর্ভে যে সকল রত্ন-পাথর সৃষ্টি হয় তাহাও ঐ সৌর রশ্মিরই রাসায়ণিক ক্রিয়ারফল। মানব দেহের উপর Cosmic Ray জধু এর প্রভাব বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত । সূর্যের আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি (Ultra-Violet Ray) ও অপরাপর রঙ বিভিন্ন প্রকার রত্ম-পাথর এবং এর আভ্যন্তরীণ প্রচ্ছন্ন শক্তির উপর পরোক্ষ ও প্রত্যেক্ষভাবে ক্রিয়াশীল হয়ে মানবদেহে সংক্রামিত বিভিন্ন প্রকার ব্যাধির প্রতিকার করতে পারে। উল্লেখ্য রত্ম গুলোতেও বিভিন্ন রঙ বিদ্যমান। রত্নগুলো হচ্ছে-হীরা, রুবী, পান্না, মুক্তা, গোমেদ, ক্যাটসআই, পোখরাজ, প্রবাল ইত্যাদি।

আরো জানা যায়, বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ সৌরজগৎ (Solar System) -কে স্পেকট্রোস্কোপ (Spactroscope) দিয়ে বিশ্লেষণ, পরিশীলন এবং অধুনা আবিষকৃত “কিরলিয়ান ফটো পদ্ধতি” দ্বারা যে ব্যাখ্যা পেয়েছেন, তার সাথে প্রাচীন জ্যোতিষশাস্ত্রবিদগণ(Astrologer) কর্তৃক বিশ্লেষিত জ্যোতিষ শাস্ত্রের বিভিন্ন তত্ত্বীয় ও ফলিত মতবাদ গুলোর মধ্যে সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন। জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy) আজ প্রমাণ করছে যে, গ্রহ নক্ষত্র ও নক্ষত্র পুঞ্জগুলোর প্রতিটির উজ্জ্বলতা (Lumination) অনুযায়ী পৃথক পৃথক রঙ বিদ্যমান যেমন আমাদের সূর্যের রঙ হচ্ছে হালকা কমলা, শুক্রের রঙ হচ্ছে ধবধবে সাদা আর উত্তর আকাশের অন্যতম উজ্জ্বলতম তারকা প্রক্সিমা সেন্টরাই (Proxima Centauri) এর রং হচ্ছে উজ্জ্বল নীল।
প্রাচীন জ্যোতিষবিগদগণ হাতের বিভিন্ন স্থানে বিবিধ গ্রহের অবস্থান ধরে সে স্থান গুলোকে বিবিধ রং এর প্রতিবিম্ব (Reflection) উল্লেখ করেছেন। আর বিভিন্ন প্রকার রত্ন-পাথরের রঙ যে ভিন্ন ভিন্ন তার সাথে গ্রহ ও নক্ষত্রের রঙ এর সাদৃশ্যও তাঁরা এভাবে পেয়েছেন। সুতরাং জ্যোতিষ বিজ্ঞানে রত্নের ব্যবহার অভ্রান্ত নয় বলেই মনে হয়।

প্রখ্যাত জেমোলজিষ্ট (Gemmologist) জেমোলজিক্যাল ইনষ্টিটিউট অব আমেরিকার সদস্য, জেমোলজিক্যাল এসোসিয়েশন অব গ্রেট বৃটেন-এর ফেলো এবং ইংরেজী নওরতন(Nowratan) পুস-কের লেখক এম, এফ, ইসলাম রত্ন-পাথর প্রসঙ্গে তাঁর গ্রনে’ মানবজীবনে রত্ন-পাথরের প্রভাব ও গুণাগুণ সম্পর্কে বলেন- “An International Currency; a cheerer of soul; a healer of diseases; a charm against enchantment, magic, evil spirits and jealousy; a guide and indicator of the wearer’s health; a protector of hunter against wild beasts, insects, and snakes; to enhance charm and beauty, strength and stability in the fairsex as well as man; to increase concentration in meditation and prayer.”

তবে রত্ন-পাথরের যথাযথ প্রয়োগ কৌশল সম্পর্কে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ অবহিত। একথা মনে রাখতে হবে যে, ভুল ঔষধ সেবনের কারণে বা প্রয়োজন ব্যতিত ঔষধ ব্যবহারে যেমন জীবননাশ বা ক্ষতি হতে পারে: তেমনি প্রয়োজন ছাড়া রত্ন ব্যবহার বা যথার্থ রত্নের ভুল ব্যবহারের কারণেও মারাত্বক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও প্রচুর। তাই রত্ন-পাথর ব্যবহারে বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ জ্যোতিষের পরামর্শ একান্ত কর্তব্য। ভুললে চলবেনা যে অণুর সমম্বয়েই রত্নের উৎপত্তি আর দ্রব্য গুণ অনস্বীকার্য।



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180504124234

Saturday, April 28th, 2018

Astro Research Centre

পোখরাজ yellow sapphire economic বৃহস্পতি মাহারত্ন padparadscher পদ্মরাগ মণি

পোখরাজ


পোখরাজ পাথরকে পুস্পরাগণিও বলা হয়। পোখরাজ – এর বৈজ্ঞানিক নাম টোপাজ । এর রাসায়নিক সংকেত Al2(SiO4)F4OH)2 নীলা ও পোখরাজ উভয়ই স্যাফায়ার জাতের রত্ন ।

কিন্তু রাসায়নিক গঠনে তাদের মধ্যে তফাৎ আছে । পোখরাজ পাথরকে ইংরেজীতে Yellow Sapphire বলা হয় ।

হলুদ আভাযুক্ত, উজ্জ্বল এক ধরণের রত্নকে ‘টোপাজ’ বলে। এটি দেখতে যদিও পোখরাজের মতো, আসলে তা নয় । পোখরাজের তুলনায় এর আপেক্ষিক গুরুত্ব কম এবং ওজন হাল্কা ।

কিন্তূ প্রকৃত পোখরাজ বেশী ভারী । অনেক ভেজাল বা নকল পোখরাজ বাজারে চালু আছে ।

অসাধু ব্যবসায়ীরা পাথরের উপর রঙ করে সেগুলিকে আসল রত্ন পাথর বলে চালিয়ে দেয় । এমন অসংখ্য ভেজাল পোখরাজ হচ্ছে - দস্তার খনি থেকে পাওয়া ব্লেন্ডী টাইটানিয়াম ও সিলিকন দিয়ে তৈরী টিটানাইট স্ফেনী, ভ্যানবুরাইট, স্কেপোলাইট, টার্মালিন, কেমিটেরাইট ইত্যাদি।

একশ বছর আগেও যে কোন উজ্জ্বল হলুদ পাথরকেই ধরা হতো পোখরাজ বা yellow Sapphire বলে। কিন্তু আসল পোখরাজ হচ্ছে অ্যালুমিনিয়ামের জটিল ফ্লুয়োসিলিকেট ।

একমাত্র এই পাথরেই দুর্লভ ফ্লোরিন গ্যাসের অণু আটকে আছে । পোখরাজের একটা গুণ হচ্ছে যে এটার ওপর হাত বোলালেই একটা পিচ্ছিল অনুভূতি আসে, যা অন্য পাথরে হাজার পালিশ করলেও আসে না । তাছাড়া, এর ভেতরে কিছু বৈদ্যুতিক গুণও বেশী পরিমাণে আছে।

যেমন, পোখরাজ একটু ঘষলেই ছোট কাগজের টুকরো আকর্ষণ করে । তাছাড়া একে গরম করে আস্তে আস্তে ঠান্ডা করলে এর ভিতর দিয়ে বৈদ্যুতিক প্রবাহ উৎপন্ন হয় ।পোখরাজ পাথরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট মসৃণ, উজ্জ্বলতা, শীতল স্পর্শী । বর্ণের দিক থেকে হলুদাভ, গোলাপী পোখরাজ কষ্টি পাথরে ঘষলে উজ্জ্বলতা কমে না ।

উপাদান (Chemical Composition) : Fluor Containing Aluminium silicate

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৯


আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৯৬ - ৪.০৫

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৫৭ – ১.৭৭৯

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.১১৪

প্রাপ্তিস্থান : এই রত্ন- পাথরটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়। যেমন-ইয়ামেন পর্বত, ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, স্কটল্যান্ড, আয়ারর্ল্যান্ড, শ্রীলংকা, জাপান, দক্ষিন আফ্রিকা, বার্মা (মায়ানমার), সাইবেরিয়া প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়।

উপকারিতা : জ্যোতিষশাস্ত্রে ও হস্তরেখা বিজ্ঞানে পোখরাজ বৃহস্পতি গ্রহের রত্ন ।বৃহস্পতি গ্রহের বিভিন্ন প্রকার অশুভত্ব দূরীকরণার্থে ধারণ করা হয় ।

এ রত্ন হাঁপানী রোগ, কফ, রক্তদোষ, অনিদ্রা, সম্মান, ন্যায়পরায়ণতা, খ্যাতি-উন্নতিতে ফলদায়ক । এটি ব্যবহারে কাজে দক্ষতা বাড়ে এবং সাহসের যোগান দেয় ।

আয়ূর্বেদ মতে অম্লরস, বায়ুদোষ, পান্ডু বা জন্ডিস রোগে পোখরাজ অত্যন্ত ফলপ্রদ। গ্রীকদের কাছে পোখরাজ রত্ন শক্তির উৎস।

পোখরাজ রত্নের ব্যবহার ছিল ব্যাপকভাবে । তাঁরা এই রত্ন-পাথরের সোনালী আভাকে তাঁদের ঈশ্বরের প্রতীক মনে করতেন




Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180428145350

Thursday, April 26th, 2018

Astro Research Centre

গ্রহ রত্নের মূল্য তালিকা, রত্নের পাথরের মূল্য দাম price

গ্রহ রত্নের মূল্য তালিকা, প্রতি রতির দাম, সকল প্রকার রত্ন পাথরের মূল্য দাম, চুনী প্রবাল মুক্ত গোমেদ নীলা পোখরাজ হীরা জারকোন ওপাল মালাকাইট পান্না এমিথিস্ট

প্রবাল :450/500/700/800/1200+
মুক্তো : 80/150/250/350/500/800/1200+
গোমেদ :150/250/350/500/600/800
চুনী :500/800/1200/1500/2000/5000+
নীলা :500/800/1200/2500/5000 /7000+
পোখরাজ: 500/1200/2500/5000/7000+
পান্না :800/1200/2000/3000/5000/7000
ক্যাটসআই :500/800/1200/2000/5000+
হীরা Cent:400/500/700/800/1200/1500
এমিথিস্ট :50/80/120/150/200
টোপাজ :50/80/120/150/200
সাদা টোপাজ :200/350/450/600
নীল টোপাজ: 200/350/450/600
সাদা জারকন :500/600/700/800
নীল জারকন:500/600/700/800
পেরিডট : 350/450/600/700/800
তুরমলিন :450/600/700/800/1000
মুনস্টোন :60/80/100/120/300/450/500+
কালো মুক্তো -50/80/120/150/250/300/45
হীরা -400/500/600/800/1000/1200


সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা 
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in 
Please visit here
For Registration check in here. 
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here 

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায় 
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন 

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat 
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180426171542

Tuesday, April 24th, 2018

Astro Research Centre

জিরকন

জিরকন


‌‌‌এটি ভারী, উজ্জ্বল, মসৃণ ও সুদর্শন। প্রতিসরণাংকের কারণে আর বর্ণচ্ছটার দিক থেকে জিরকন হীরার পরের স্থান দাবি করতে পারে।

জিরকন-এর আকার অষ্টকোন, যষ্টফলক, ষষ্টকোণ ও ষষ্ঠফলক হয়। এটি কৃষ্ণনীল, পীতশ্বেত, রক্তাভ, মরকত দ্যুতি, সাদাটে কপোতবর্ণ, ময়ূরকন্ঠের ন্যায় বিচিত্র বর্ণের হয়ে থাকে।

প্রাপ্তিস্থান : ফ্রান্স, নরওয়ে, কলম্বিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, ব্রাজিল, অষ্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, তানজেনিয়া প্রভৃতি স্থানে উৎপন্ন হয়। দক্ষিণ ভারতেও পাওয়া যায়।

ল্যাবরেটরীতে কাঠ কয়লা বা ভাল গ্রাফাইট কার্বনকে প্রচন্ড তাপে ও চাপে ফেলে জিরকন প্রস্তূত করা হয়। এগুলোকে বলা হয় কেমিক্যাল হীরা।

উপাদান: (Chemical Composition) : Zir Conium Silicate (জিরকোনিয়াম সিলিকেট)

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৯০ - ৪.৭১

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৭৭-১.৯৮৭

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

উপাদান : জিরকন রাসায়নিক কাজে ও ঔষধ পত্র তৈরী করতে ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে এটি খুব প্রয়োজনীয় মূল্যবান। রত্ন। এটির হীরার সমতুল্য ক্ষমতা আছে বলে হীরার বিকল্প রত্ন হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

এটি শুক্র গ্রহের ফল দায়ক। বর্ণভেদে শনি গ্রহেরও সুফল দায়ক। জিরকন নারী পুরুষের বিভিন্ন প্রকার যৌন রোগে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180424145040

Tuesday, April 24th, 2018

Astro Research Centre

ওপ্যাল

ওপ্যাল


উপাদান (Chemical Composition) : হাইড্রাস সিলিকন ডাই-অক্সাইড।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৫.৫ – ৬.৫

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ১.৯৮-২.২৫

প্রতিসরণাংক Refractive Index): ১.৪৪ -১.৪৬

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : (None) নাই

প্রাপ্তিস্থান : মেক্সিকো, ব্রাজিল, জাপান, লিবিয়া, বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়া হচ্ছে মূল্যবান ওপ্যালের প্রধান উৎস। অষ্ট্রেলিয়ার নিউসাউথ ওয়েলস আর কুইসল্যান্ডের ওপ্যাল খনি পর্যটকদের কাছে এক চিত্রাকর্ষক স্হান।

হন্ডুরাস ও মেক্সিকো অন্য দুটি স্থান ও প্রধান ওপ্যাল রত্ন প্রাপ্তিস্হান। এছাড়া প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়। এই রত্নটি সবচেয়ে উন্নতমানের সর্বোৎকৃষ্ট মানের উজ্জ্বলতর হয়ে থাকে অষ্ট্রেলিয়ার ওপ্যাল রত্নগুলো।

উপকারিতা : এই রত্ন ব্যবহারে সব বিষয়ে জয়ী হওয়া যায় বলে প্রাচীনকালে রাজা-বাদশাগণ এটি অতি যত্নের সাথে ব্যবহার করতেন । ইংল্যান্ডের মহারাণী ভিক্টোরিয়ার কাছে এই রত্ন খুবই প্রিয় ছিল। সুন্দরী নারীদের খুবই প্রিয় রত্ন।

ওপ্যাল (Opal) তীব্র কামনা থেকে রক্ষা করতে অদ্বিতীয়। রাশিচক্রে চন্দ্র ও শুক্র গ্রহের উপরত্ন হিসাবে খুবই ফলদায়ক । শত্রুদমন, কাজে কর্মে সফলতা, মানসিক শান্তি, শরীর ও স্বাস্থ্যের বিশেষ সহায়ক। মধ্যযুগের লেখকরা ওপ্যাল রত্নকে ঐন্দ্রজালিক পাথর বলে উল্লেখ করেছেন ।

দৃষ্টিশক্তির ওপর ওপ্যাল রত্নের শুভ প্রভাব রয়েছে বলে জানা যায়।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre




Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180424144720

Monday, April 23rd, 2018

Astro Research Centre

পেরিডট Peridote

পেরিডট


The Stone Of Emotional Healing.

আবেগ নিরাময়ের রত্ন পাথর ।

গুণাবলী : পেরিউট শক্তিশালী পাথর হিসেবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

রত্নপাথরটি আবেগীয় –ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পূর্বে প্রাপ্ত মানবিক আঘাত কিংবা মর্মান্তিক হৃদয় ঘটিত আঘাতের নিরাময় করতে সাহায্য করে। এমনকি মানসিক আঘাত – ভুলতেও সাহায্য করে।

আবার ক্ষেত্র বিশেষে পেরিউট হৃদয়কে অতীতে ফিরে যেতে সাহায্য করে তৎসংঙ্গে আপনাকে আপনার সম্পর্কে বুঝতেও সাহায্য করে। ক্রোধ, ঈর্ষাপরায়নতা, তিক্ততা ও ক্লেশ থেকে মুক্তি দানে পেরিউট এক অদ্বিতীয় রত্ন পাথর।

সঠিক-ভাবে ধারণে আপনার রোমান্টিক অবস্থানকে বুদ্বিতীপ্ত করে তোলে এবং হৃদয়ের কার্যকলাপে সাধারণ চেতনা দান করে তৎসংঙ্গে অপ্রয়োজনীয় মানসিক আঘাত থেকে সুরক্ষিত করে।

Peridot বিশেষত নিরাময়কারীদের নিরাময় করার জন্য উৎকৃষ্ট অর্থাৎ ‘Peridot is particularly good for healing the healers’ । পেরিডট দৈব শক্তিগুণ সম্পন্ন রত্ন পাথর যা-ভাগ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে সঠিক ধারনা দিতে সক্ষম।

নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত করে এবং স্বচ্ছতা ও সৌভাগ্য আনয়ন করে। আবার পেরিডট আপনার ঐশ্বর্য্যের রত্ন পাথরও বটে। যোগ্যতানুযায়ী নিজস্ব উপায়ে অর্থ প্রযুক্তির বা Gain করার জন্য পেরিডট যথেষ্ট কার্যকরী পাথর। ব্যাংক বা এ জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলনের পূর্বে পেরিডট রত্ন ধারণে উক্ত টাকা যথার্থ কাজেই ব্যয় হবে। উত্তোলনের পর প্রয়োজনে পাথরটি খুলে ঘরে রাখুন।

শুভ তিথি যুক্ত দিনে সাইট্রিন রত্ন পাথরের সাথে পেরিডটকে আপনার ক্যাশ বক্সে রাখুন বা স্থাপন করুন। পেরিডট আপনাকে টাকা আনয়নে সহায়তা করবে এবং সাইট্রিন টাকা গুলোকে ধরে রাখতে সহায়তা করবে/ টাকা গুলিকে যথার্থ- কাজে ব্যয় করতে সহায়তা করবে।

ঈর্ষাপরায়নতা : ঈর্ষাপরায়ন, ধ্বংসাত্নক আবেগের ক্ষেত্রে আবেগকে অবদমিত করার জন্য পেরিডট একটি উৎকৃষ্ট রত্নপাথর। প্রাচীন মিশরীর পুরোহিতরা ফারহর ক্ষমতার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার জন্য এ পাথর পরিধান করতেন।

সুখ : পেরিডটের হলুদ সবুজ বর্ণের জন্য সূর্যশক্তি সম্পন্ন পাথর। উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং জীবনের সুখ সৌভাগ্য অর্জনের জন্য ও প্রতিষ্ঠালাভের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী । যারা খাঁটি চুনি বা রুবি ধারন করতে অসমর্থ্য তাদের জন্য রুবি বা চুনির বিকল্প রত্ন পাথর হিসেবে পেরিডট ব্যবহার করতে বলা হয়।

মানসিক চাপ নিবারক : পীত স্বর্ণে বাধাই করে ধারন করলে অধিক শুভফল পাওয়া যায়। গোলাকার দানারমত মালা করে গলায় ধারণে সবোর্চ্চ মাত্রার শুভ ফলাফল পাওয়া যায় (৫৪ টি বা ১০৮ টি দানার মালা কমপক্ষে)

বিষাদ : প্রাচীনকালে রোমানরা বিষাদ দূর করার জন্য পেরিডট ব্যবহার করতো।

বিশোধন : সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলোকে শক্তিশালী করে ও পুনরুজ্জীবিত করে। শারীরীক স্বাস্থ্য বৃদ্ধির সহায়ক পাথর। পেরিডট এমনভাবে কাজ করে যেন মনে হবে ধারনকারী টনিক বা ঔষধ-গ্রহণ করছেন।

হারানো আইটেম : হারানো বস্তু খোজার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং আধ্যাত্মিক ভাবে হারানো অথবা আবেগপ্রবণভাবে পৃথকীকৃত হতাশা অনুভবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সন্তানের জন্ম : পেরিডট জন্মপ্রক্রিয়া সহজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে শতাব্দী ধরে। জরায়ুর মুখ খোলা ও সংকোচনে উদ্দীপ্ত করে প্রসব ঘরে কিংবা হাসাপাতালে যাওয়ার সময় দেহে ধারণ করলে কিংবা উক্ত ঘরে রাখলে প্রসব বেদনা লাঘব হয় এবং প্রসব-সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180423151214

Tuesday, April 17th, 2018

Astro Research Centre

গোমেদ gomed, উপকারিতা, কাজ দাম মূল্য price চেনার উপায় ব্যবহার রং

গোমেদ gomed


গোমেদ (Jacinth) স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালচে বর্ণের পাথর। পাথরটিকে উর্দুতে গোমেদ বলা হয় । খাঁটি গোমেদ রত্নে জির্কোনিয়াম নামে এক প্রকার মহামূল্যবান ধাতু থাকে বলেই এর নাম হয়েছে ‘জ্যাসিন্থ’।

বর্ণের দিক থেকে লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর মত হয়ে থাকে। এর ভেতরের দিক সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী।

খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না।সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত।

আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।

মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে।

গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় ।

হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়।

আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।

উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।

উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়।

রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।



গোমেদ (HASSONITE GARNET)

গোমেদ (Jacinth) স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালচে বর্ণের পাথর। পাথরটিকে উর্দুতে গোমেদ বলা হয় । খাঁটি গোমেদ রত্নে জির্কোনিয়াম নামে এক প্রকার মহামূল্যবান ধাতু থাকে বলেই এর নাম হয়েছে ‘জ্যাসিন্থ’।

বর্ণের দিক থেকে লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর মত হয়ে থাকে। এর ভেতরের দিক সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী।

খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না।সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত।

আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।

মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে।

গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় ।

হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়।

আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।

উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।

উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়।

রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।

গোমেদ পাথর, ইংরেজিতে যাকে “Garnet Stone” বলা হয়। গোমেদ মধু রঙের খনিজ পাথর। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এটি ক্যালসিয়াম এলোমিনিয়াম সিলিকেট এর জমাট বাধা টুকরা ছাড়া আর কিছুই না। বিশ্বাস করা হয় যে গোমেদ পাথর “রাহু” নামক গ্রহের জন্য জন্য উপকারী। যাদের জন্ম জানুয়ারি মাসে বিশেষ করে তাদের জন্য বার্থ স্টোন হচ্ছে গোমেদ পাথর। এছাড়া যাদের মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি) কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি) তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর (Gomed Stone / Garnet Stone)। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গোমেদ পাথর যায়। যেমন, ইন্ডিয়া, আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা। তবে পৃথিবীর সব থেকে ভালো মানের গোমেদ হচ্ছে শ্রিলাঙ্কান গোমেদ পাথর (Siloni Gomed Stone)। যাকে সিলনি গোমেদ পাথর বলা হয়ে থাকে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গোমেদ পাথরের উপকারিতা (Benefits of Gomed Stone / Benefits of Garnet Stone) সমূহ নিন্ম রুপঃ

মধু রঙা অথবা সরিষা তলের রঙা গোমেদ পাথর রাহু নাকম গ্রহের খারাপ প্রভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যে কোন নেগেটিভ মানুষিক চিন্তা এবং খারাপ শক্তি থেকে থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।

যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মানুষের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানুষিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, বিশেষ করে যে সকল শিক্ষার্থী বা চাকুরীজীবীরা গবেষণা মূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য গোমেদ পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

এটা ব্যবহারে মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

কিছু কিছু সময় এটা ক্যান্সার, রক্ত রোগ, ফোঁড়া, কুষ্ঠ, অন্ত্রের সমস্যা, অবসাদ ও উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় উপকার করতে পারে।

গোমেদ পাথর ধারনে এর ব্যবহারকারী ৫টি প্রধান উপকার পেতে পারেন, যেমনঃ ধ্যান করা, আর্থিক উন্নতি, ধর্মীয় বিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং মানুষিক শান্তি।

পারিবারিক জীবনে সুখ বৃদ্ধি জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই গোমেদ পাথর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। গোমেদ পাথর ধারনে ভালোবাসা, মিল এবং শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন কালো জাদু থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে, ফলে শত্রু থেকে আগিয়ে থাকা যায় এবং প্রতিযোগটায় সফলা পাওয়া যেতে পারে।

যে সকল মানুষ অনেকের মাঝে বক্তব্য দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে শক্তির জোগাড় করতে পারে।

যে সকল মানুষ কম্পিউটার সম্পর্কিত চাকুরী, সরকারী চাকুরী, আইন পেশায় জড়িত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাথে জড়িত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে গোমেদ পাথর।

আমাদের সংগ্রহে থাকা বিভিন্ন কোয়ালিটির আসল রত্ন পাথরের picture ও সম্বলপুর
Sambalpur garnet, দাম৭৫০-২০০০টাকা।

গয়া গোমেদ goya gomed, Rs 40/80/100

সিলোনী সিলোনি সিলোনি গোমেদ siloni gomed, Hassanite garnet, দাম
Rs 150/200/500/800/1000/1500

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180417100331

Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

ক্যাট’স-আই

ক্যাট’স-আই


উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম, বেরিলিয়াম সংমিশ্রণে সৃষ্ট।

উপকারিতা: জ্যোতিষশাস্ত্রে এই পাথরটি অশুভ কেতু গ্রহের প্রতিকারের রত্ন। ইহা ব্যবহারে রহস্যপূর্ণ জটিলতা, গোপন শত্রুতা, কোন প্রকার দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কথিত আছে এই পাথরটি সঙ্গে থাকলে সর্প দংশন করে না। ভারতে একে অশুভ নাশকারী রত্ন হিসেবে গণ্য করা হয়। উচ্চস্থান থেকে পতিত হবার থেকে রক্ষা করে।

ক্যাট’স আই বা বৈদুর্য্যমণি - চকচকে উজ্জ্বল রত্ন । উপরের ভাগ পালিশ করা এবং নীচের পিট পালিশহীন হয়ে থাকে । এই রত্নটির উপরের স্থল থেকে উজ্জ্বল আলোর সুতোর মত দাগ থাকে। রত্নটিকে নাড়ালে দাগগুলি নড়তে দেখা যায়। এটাকে “বিড়াল অক্ষি” ও বলা হয় । কারণ রত্নটি দেখতে অনেকটা বিড়ালের চক্ষুর মত ।

এটিকে আরবীতে লহসনিয়া বলে । বর্ণের দিক থেকে সবুজ, সাদা আভাযুক্ত ও ছাই রঙ- এর মত হয় । প্রকার ভেদে বৈদুর্য্যমনি কয়েক প্রকার যেমন – কনকক্ষেত্রী, ঘিক্ষেত্রী, ধূম্রক্ষেত্রী । আসল বৈদুর্যমণি কষ্টি পাথরে ঘর্ষণ করলে বর্ণ ও উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় না বরং লাবণ্য আরো প্রকাশ পায় । বৈদুর্য্যমণি ক্রাইসোবেরিল গোত্রের রত্ন । বৈদুর্য্যমণি পাথরটি এদিক - ওদিক ঘুরালে বেড়ালের চোখের মতে চকচক করে ওঠে । এই ধর্মটির পারিভাষিক নাম Chatoyancy। কিন্তু এই ধরণের সব পাথরকেই বৈদ্যুর্য়মণি বলা যাবে না।

যে পাথরের কাঠিন্য খুব বেশী, বহু বছর পরেও ক্ষয়ে যাবে না । সেই পাথরে যদি আলোর খেলা দেখা যায় তবে তা হবে বৈদুর্য্যমণি । এই রকম পাথর হচ্ছে ক্রাইসোবেরিল । রাসায়নিক নাম বেরিলিয়াম অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড । আবার যে ক্রাইসোবেরিলে সামান্য লোহার অনুর মিশ্রণ আছে তাদের রং মধুর মতো হালকা সোনালি ।

এর পারিভাষিক নাম ‘সাইমোফেন’ উৎকৃষ্টতম বৈদুর্য্যমণি এগুলোই । ‘ক্যাবোকন’ আকৃতিতে রত্নটিকে কাটলে একটা উজ্জ্বল নীল আলোর বিন্দু ফুটে উঠে বেড়ালের চোখের মণির মত দেখায় । প্রাচীন শ্রীলংকায় কান্তির রাজার একটি বৈদুর্য্যমণি এমনভাবে কাটা হয়েছিল যে, তাতে এ রত্নের স্বাভাবিক দাগগুলোর মাধ্যমেই মশালে আলোকিত একটি দেবীর ছবি ফুটে উঠতো। আগ্নেয়গিরি লাভা ঠান্ডা হলে তার মধ্যে মাঝে মাঝে এক ধরণের গিরি কাচ পাওয়া যায়।

সেগুলি লাল, ধূসর কিংবা কালো-বিভিন্ন রঙের হতে পারে। সেগুলিতে থাকে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রণ ও অ্যালুমিনিয়াম। সেগুলির ফাকে ফাকে আরেক ধরণের সুতোর মতো পাথর দেখা যায়। পরিস্কার ও পালিশ করে সেগুলিকে বৈদুর্য্যমনি হিসেবে বাজারে চালিয়ে দেয়া হয়। এটা এক ধরণের নকল মণি। গলিত কাচের সাথে লেড অক্সাইড, ফ্লোরিন ও বেরিল যোগ করে তৈরি করা হয় আরেক জাতের নকল বৈদুর্য্যমনি। আজকাল বাজারে বৈদুর্য্যমনি বা ক্যাটসআই পাওয়া যায় সিংহল ও ব্রাজিলে।

প্রাপ্তিস্থান: ব্রাজিল, চীন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে বৈদুর্য্যমনি পাওয়া যায়

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416112242

Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

ব্লু-স্যাফায়ার নীলা

ব্লু-স্যাফায়ার
ব্লু-স্যাফায়ার
( নীলা )


নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন ।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

Back
নীলা )


নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন ।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।




নীলা(BLUE SAPPHIRE)

CERTIFICATE


ব্লু-স্যাফায়ার নীলা

নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

ইন্দ্র নীলা লাইট ব্লু

সব রত্ন-পাথরের মধ্যে নীলা বা সাফায়ার সবচেয়ে মারাত্মক এবং দুষ্প্রাপ্য। দুষ্প্রাপ্য বলে অন্যান্য রত্ন-পাথরের তুলনায় নীলার দামও বেশি। নীলা অনেক ধরনের পাওয়া যায়। এর মধ্যে ইন্দ্রনীলা, গঙ্গাজল নীলা পিতাম্বর নীলা, ষ্টার নীলা ইত্যাদি। সব রকম নীলার মধ্যে ইন্দ্রনীলার প্রতিক্রিয়া বা ক্রিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী। বর্তমানে ইন্দ্রনীলা খুব বেশি না পাওয়ার কারণে এবং দাম বেশি হওয়ায় বেশি পরিমাণে ষ্টার নীলা ব্যবহারের পরার্মশ জ্যোতিষীরা দিয়ে থাকেন। নীলার রাসায়নিক উপদান অ্যালুমিনিয়াম অর্কসাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদানে খনিতে নীলার সৃষ্টি । লাল রঙের সামান্য নীলাভ নীলাকে রক্তমুখী নীলা বলা হয় । হালকা বেগুনি আভাযুক্ত নীলাকে বলা হয় অপরাজিতা নীলা । কাশ্নিরে বেশি পাওয়া যায় বলে অনেক সময় কাশ্নিরি নীলাও বলে অবহিত করা হয়ে থাকে । অপরাজিতা নীলা বেশি পাওয়া যায় না বলে এর দাম একটু বেশি । অপরাজিতা নীলায় সামান্য হলুদ আভা থাকলে তাকে বলা হয় পীতাস্বর নীলা । নীলা পুরোপুরি স্বচ্ছ না হয়ে ঘোলাটে হলে তাকে বলা হয় গঙ্গাজল নীলা । শনির অশুভ প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য জাতক/জাতিকাকে নীলা ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয় । যে কোনো নীলাই অতি মূল্যাবান ।অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ ছাড়া কোনো নীলাই ব্যবহার করা উচিত নয় । কারণ নীলা ব্যবহারে উপকার যতোটুকু, তার থেকে বেশি ক্ষতিকর । নীলা ব্যবহারে দারিদ্র,দুঃখ-কষ্ট হ্রাস পায়, জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আসে, কাজকর্ম বাধা-বিঘ্ন দূর হয় । নীলার উপকারিতা নীলা যে সমস্ত জাতক/জাতিকার জম্ম চকে বা রাশি অশুভ স্থানে আছে তাদের বিভিন্ন রোগের উপসর্গ আসে । যেমন হার্ড ব্যথা,বাত রোগ,পায়ে আঘাত লাগা এবং কষ্টকর যন্ত্রনা জাতীয় রোগের এবং স্নায়ুর শক্তি বস্তুক । তাছাড়া চর্ম রোগ, মাথা ব্যথা, কানে কম শুনা,মাথা ও হাত পায়ের যন্ত্রনা,মৃগী রোগে আংটি করে ডান হাতের মধ্যমা আঙ্গুলে ধারন করলে প্রচুর উপকার পাওয়া যায় ।

সব থেকে সুন্দর নীলা হচ্ছে গাড় নীল রঙের এবং নীলা পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। অনেক কাল আগে উৎকৃষ্ট নীল রঙের নীলা পাথর পাওয়া যেত কাশ্মীর, শ্রিলাঙ্কা এবং বার্মাতে। নীলা পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহের ভালো প্রভাব প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। “Old Testament” এ নীলা সম্পর্কে বলা হয়েছে— “রাজ সিংহাসন নীলা পাথরের মতই”।

রাশিরত্ন পাথর নীলা পাথরের কিছু উপকারিতা নিম্নরূপ

# জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির বুকের উপর যদি নীলা পাথর রাখা যায় তাহলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বরের তিব্রতা কমে আসে।

# যদি নীলা সহ্য হয়, তাহলে যে ব্যক্তি নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল নীলা পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

# নীলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ ।
নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

রং, আকার, আকৃতি, ওজন, উজ্জ্বল, এর উপর দাম নির্ভর করে

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

Sapphire Stone (নীলা পাথরের উপকারিতা):

Gemstone Blue Saphire Stone এর বাংলা হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর, রত্ন পাথর ইন্দ্র নীলা। কেও কেও একে শুধু রাশিরত্ন নীলা পাথর ও বলে থাকে। শ্রীলঙ্কায় সব থেকে ভালো মানের ইন্দ্র নীলা পাথর পাওয়া যায় বলে অনেকে Srilankan Blue Sapphire Stone কে সিলনি ইন্দ্র নীলা, সিংহলি ইন্দ্র নীলা ও বলে থাকে। সব থেকে সুন্দর নীলা হচ্ছে ডিপ নীল রঙের এবং নীলা পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। অনেককাল আগে উৎকৃষ্ট নীল রঙের নীলা পাথর পাওয়া যেত কাশ্মীর, শ্রিলাঙ্কা এবং বার্মাতে। নীলা পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহ প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। “Old Testament” এ নীলা সম্পর্কে বলা হয়েছে— “রাজ সিংহাসন নীলা পাথরের মতই”।

ইন্দ্র নীলা পাথরের কিছু উপকারিতা (Benefits of Blue Sapphire Stone) নিম্নরূপঃ

জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির বুকের উপর যদি নীলা পাথর রাখা যায় তাহলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বরের তিব্রতা কমে আসে।

যদি নীলা সহ্য হয়, তাহলে যে ব্যক্তি নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল নীলা পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

নীলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে নীলাম পাথর সাহায্য করে থাকে। মানুষের জীবনে সমস্যা দুই ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনের সমস্যা মানুষের জীবনে সব সময়ই লেগে থাকে, একটা শেষ হবার আগেই আরেকটা এসে জুড়ে যায়। যদি এ সমস্যা গুলো ছোট খাট হয়ে থাকে তাহলে এটা রাহুর সমস্যার কারনে হয়ে থাকে, যার জন্য গোমেদ পাথর যথেষ্ট। কিন্তু যাদের এ সমস্যা গুলোর প্রভাব বেশী এবং যে কাজেই হাত দেওয়া হোক না কেন সে কাজই যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এটা শনি গ্রহের খারাপ প্রভাবের কারনে। ফলে জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। এমন অবস্থায় উপকারী পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর। বিশেষ করে যাদের কুম্ভ রাশি (Aquarius) Jan 21- Feb 20 ও মকর রাশি (Capricon) Dec 21-Jan 20 তাদের রাশির প্রধান পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর। এখানে ইন্দ্র নীলা পাথরের আরো কিছু উপকারের (Benefits of Indro Nila Stone) কথা উল্লেখ করা হলঃ

নীলা পাথর ব্যবহারে অনেক সময় খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নীলা পাথর সম্পদ বৃদ্ধি, সৌভাগ্য, সুযোগ এবং প্রসারের সাথে সম্পৃক্ত।

যাদের শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব চলছে তাদের রাশি চক্রের শক্তি যোগায় ইন্দ্র নীলা পাথর।

খুব ভালো রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে ইন্দ্র নীলা পাথর। এ পাথর ব্যবহারে শত্রু থেকে রক্ষা, খারাপ দৃষ্টি ও হিংসে থেকে বেঁচে থাকে যায়।

নীলা পাথর ব্যবহারের ফলে মানুষিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, দ্বিধা দণ্ড কেটে যায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য পাওয়া যায়।

ইন্দ্র নীলা পাথর সরাসরি সম্পদ বৃদ্ধির সাথে জড়িত। এ পাথর ব্যবহারের ফলে অর্থনৈতিক দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় এবং বহুবিধ আয়ের পথ পাওয়া যায়। ফলে সম্মান, প্রতিপ্রত্তি ও সুনাম বেড়ে যায়।

আপনি যখন রত্নপাথর ইন্দ্র নীলা পাথর (Blue Sapphire Stone / Ratno Pathor Indro Nila Stone) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি ৮০০ টাকা থেকে সর্বচ্চ ১৫০০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট শ্রিলাঙ্কান ইন্দ্র নীলা পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে।

ব্যাংকক নীলা দাম অনেক কম
200/300 500/1000/2000/5000

নীলা গ্রহন করার কি কি পদ্ধতি রয়েছে?
অপকারিতা, ক্ষতি
ধারণীয় দিন শনিবার
ধাতু সীসা, রুপা, সোনা

নীলা গ্রহন করতে চাইলে যে যে কাজ আগে করবেন তা আজকের লেখা থেকে জেনে নিন। নীলা সঠিক পদ্ধতিতে গ্রহন না করলে আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে বড় বিপদ। তাই সাবধান

নীলা গ্রহরত্নটি শনি গ্রহের রত্ন। শনি খুবই শক্তিশালি গ্রহ এবং তার প্রকোপ এবং বক্র দৃষ্টি থেকে বাঁচতে আমরা নীলা রত্ন ব্যবহার করে থাকি। শনি ঠাকুর কিন্তু আমাদের জীবনে ভালো এবং খারাপ দুই রকমেরই ফল এনে দেয়।তাই সঠিক ভাবে জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে তারপর নীলা গ্রহণ করা উচিত। নীলা গ্রহ রত্নটি শনিঠাকুরের শক্তি বহন করে পৃথিবীতে। আগেও যেমন লিখেছি যে শনি আমাদের জন্য সুফল এবং কুফল দুটোই আনে তাই ভেবে চিন্তে নীলা পড়া অত্যন্ত জরুরী। নীলা গ্রহ রত্নটি ঠিক পদ্ধতিতে গ্রহণ করা খুবই জরুরী নাহলে কিন্তু নীলা আমাদের পক্ষে খারাপ ফলও নিয়ে আসতে পারে। আবার নীলা আমাদের জন্য খুবই ভালো ভাগ্য নিয়ে আসতে পারে। তাই আজ নীলা গ্রহণ করার কিছু পদ্ধতিগুলির উপর আলোকপাত করবো আমরা।

সর্বপ্রথমে সঠিক নীলা কেনা দরকার যা আমাদের উপকারে আসবে। একটি প্রসিদ্ধ দোকান থেকে উচ্চমানের নীলা কেনা অত্যন্ত দরকারী। নীলার প্রকৃতি বা শ্রেণীর উপর নির্ভর করছে যে নীলাটি আমাদের জন্য কতটা কার্যকরী হবে। তাই আমাদের সঠিক নীলা নির্বাচন করা খুবই প্রয়োজনী।

প্রথমেই বলা দরকার যে নীলা গ্রহণ করার আগে বেশ কয়েক দিন নীলাটি আপনাদের রাতের ঘুমানোর বালিশের তলায় রেখে দিতে হবে। যদি সেই কয়েকদিন আপনাদের কোনো অসুবিধা অনুভব না হয় তাহলে নীলাটি গ্রহণ করা যেতে পারে। কিন্তু নীলাটি রাতের বালিশের তলায় রাখার পর যদি রাতে বাজে ,ভয়ানক স্বপ্ন দেখেন বা কোনো অঘটন ঘটে বা হঠাৎ অপ্রীতিকর কোনো সমস্যাতে পরে যান তাহলে সেই নীলাটি আপনার গ্রহণ করার উপযোগী হবে না।

নীলা ধারণ করার পদ্ধতিগুলো ও শোধন নিয়ম

এইবার তাহলে আমরা শরীরে নীলা ধারণ করার পদ্ধতিগুলো জেনে নিই।নীলা কেনার পর উচিত আমাদের জ্যোতিষীর থেকে পরামর্শ নেওয়া যে সঠিক নীলা নেওয়া হয়েছে কিনা ,আমাদের জীবনে এই নীলা কতটা উপকার করতে পারে এবং কিভাবে ধারণ করতে হবে নীলাটি ইত্যাদি।

তারপর নীলার শুদ্ধিকরণের জন্য নীলাটি কাঁচা দুধ,মধু এবং শুদ্ধ জলের একটি মিশ্রনের সাথে মেশাতে হবে। এই ভাবে নীলাটি প্রায় ২০ মিনিট থেকে আধ ঘন্টা রেখে দিতে হবে সেই মিশ্রনে। তারপর সময় হয় গেলে নীলাটি তুলে নিতে হবে।

আগের পদ্ধতির পরে একটা দিন নির্ধারণ করতে হবে যেইদিন নীলাটি গ্রহণ করতে পারি। শনিবার শনি ঠাকুরের দিন তাই শনিবার আপনারা নীলা প্রথম শরীরে গ্রহণ করতে পারেন। এছাড়াও আরো কয়েকটি দিন আছে যে দিনগুলিতে আপনি নীলা গ্রহণ করতে পারেন। যেমন শুক্ল পক্ষের রাত ইত্যাদি। এইসব ব্যাপারে আপনাদের জ্যোতিষির সাথে আলোচনা করে নেওয়ার দরকার।

দিন নির্ণয় হয়ে গেলে সেই নির্ধারিত দিনে ৫টি ধুপকাঠি জ্বালিয়ে শনি দেবতাকে উৎসর্গ করতে হবে। যে তাঁরই কারনে আমরা সেই নীলাটি গ্রহণ করতে চলেছি আর তিঁনি যেন আমাদের উপর কৃপার দৃষ্টি বজায় রাখেন।

তারপর নীলা পাথর দিয়ে তৈরি আংটি মিশ্রণ থেকে তুলে তা ওই ধুপাঠির চারদিকে ৫ বার বা ১১ বার ঘোরাতে হবে এবং “ওম শান শনি শারানায় নমঃ” বলে যেতে হবে।এরপর আমরা নীলাটি শনি ঠাকুরের মন্ত্র বলতে বলতে আমাদের ডান হাতের মধ্য আঙুলে পড়তে পারি।নীলাটি গ্রহণ করার পর যদি সম্ভব হয় তাহলে গরিবদের মধ্যে মুসুর ডাল ,নুন, সর্ষের তেল,চা ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে। আরো ভালো পরিণাম পেতে চান তাহলে শিব লিঙ্গের মাথার উপর দুধ ,বেল পাতা দেওয়া যেতে পারে।

নীলা গ্রহণ করার পর পরই নীলার গুণের অনুভব করতে পারি। কারন নীলা অত্যন্ত কার্যকরী এবং শক্তিশালী একটি গ্রহরত্ন। ৪ বছরের কম বেশি সময় নীলা কাজ দিয়ে থাকে তাই জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে তার কিছুদিন আগে বা পরে নীলাটি পাল্টে ফেলা অতন্ত জরুরি।

যদি নীলাটি আপনার জন্য যথার্থ হয় তাহলে খেয়াল রাখতে হবে যে নীলাটি যেন আমাদের শরীরের সঙ্গে লেগে থাকে। যদি নীলাটি আলগা ভাবে পরা হয় তাহলে কিন্তু কোনো লাভই হবে না। কোনোভাবেই উপকৃত হবেন না। তাই সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যে নীলাটি যেন আমাদের গায়ের সঙ্গে লেগে থাকে না হলে নীলার সুফল থেকে আমরা কিন্তু বঞ্চিত হব এবং নীলা পড়ার কোনো লাভই হবে না।

বলা হয় নীলা আমাদের ভাগ্যে রাজযোগ নিয়ে আসে। আমাদের জীবনে রাজযোগ এলে আমরা আমাদের ভবিষ্যত বুঝে উঠতে পারবো এবং ভবিষ্যতের কিছু সঠিক নির্ণয়ও নিতে পারবো। জ্যোতিষীর থেকে পরামর্শ নিয়ে তারপরই নীলা পড়া উচিত না হলে নীলা কিন্তু খুবই সাংঘাতিক একটি গ্রহরত্ন। যদি ভুল লোক বা ভুল পদ্ধতিতে নীলা গ্রহণ করেন, তাহলে নীলা কিন্তু সাংঘাতিক ভাবে ক্ষতি এনে দিতে পারে আপনার জীবনে।

আরেকটি জিনিস মাথায় রাখা উচিত যে নীলা কিন্তু শনি ঠাকুরের গ্রহ রত্ন এবং শনি ঠাকুর কিন্তু যারা কঠোর পরিশ্রম করে তাদেরই সুফল দেন। তাই যদি আমরা কঠোর পরিশ্রম করে ফলে পেতে আগ্রহী হই তাহলেই কিন্তু নীলা আমাদের জন্য কার্যকর হবে। তাই সবসময় জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে নীলা গ্রহণ করা উচিত।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416111413

Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

অ্যামেথিষ্ট




অ্যামেথিষ্ট


The Stone of Spirituality

আধ্যাত্মিক পাথর ।

বর্ণ : হালকা বেগুনী থেকে গাঢ় রক্তবর্ণ। বেগুনী হচ্ছে আধ্যাত্মিকতার রঙ।

বিমূর্ত নিরাময় গুণাবলী : অ্যামেথিষ্ট মনের পাথর। বিরক্তিবোধ ও সংশয়ের ক্ষেত্রে প্রশান্তি ও স্পষ্টতা আনয়নে সহায়তা করে। আপনি যদি আপনার অন্তর্জ্ঞান, অনুভব অথবা ফিলিংস বা আপনার গুরুত্বের সংস্পর্শে আসতে চান তাহলে অ্যামেথিষ্ট পরিধান করুন।

এটা একজনকে সকল আধ্যাত্মিক বিষয়, মরমি ও অতি প্রাকৃত বিষয় শিখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে এটা আত্ম-সংযম, অ্যালকোহল, খাদ্য, যৌনতা ও অন্যান্য আসক্তির ক্ষেত্রে সহায়তা করে।

উপকারিতা: অ্যামেথিষ্ট একটি উপরত্ন। শনির বিকল্প রত্ন হিসাবে ব্যবহার হয়। জন্ম রাশি ও হস্তরেখা বিচার শনির অশুভত্ব দূরীকরণার্থে ধারণ করা হয়। পাশ্চত্যের মেয়েরা বিশ্বাস করতেন যে অ্যামেথিষ্ট ব্যবহারে স্বামী-স্ত্রী প্রেম চিরস্থায়ী হয় ও অবিবাহিত মেয়েদের শীঘ্র বিবাহ হয়।

দৈহিক নিরাময় গুণাবলী : হরমোন উৎপাদন উন্নত করতে সহায়তা করে, স্নায়ুতন্ত্র, অনিদ্রা, শ্রবণশক্তি, পরিপাকনালী, হৃদপিন্ডকে উপশম প্রদান করে। অনিদ্রা, মাথাব্যাথা, শ্রবণে বিশৃঙ্খলা, অঙ্গস্থিতি ও কঙ্কালতন্ত্র, পাকস্থলী, ত্বক ও দাত, আর্থাইটিসের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটা মহৌষধ।

আধ্যাত্মিকতা : অ্যামেথিষ্ট নিরাময় ও স্বার্থপরহীনতা লালন করে এবং এটা বর্ধিত মহত্ত্ব, আধ্যাত্মিক সচেতনতা, ধ্যান, ভারসাম্য, আধ্যাত্মিক ক্ষমতা, আত্মার শান্তি ও ইতিবাচক রূপান্তরের সাথে সম্পর্কিত। অনেকে বলেন একে রূপান্তরের পাথর বলা উচিত। ‘মেটামরফোসিস’ নামেও পরিচিত।

আসক্তি: অ্যামেথিষ্ট শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ অ্যামিথিউমাস থেকে, যার অর্থ - পান করা হয়েছে। গ্রীকদের সুরাদেবতা বাক্কুসের তরুণী থেকে পাথরে রূপান্তরিত হওয়া বিষয়ে একটি প্রাচীন পুরাণ রয়েছে যে, তিনি মূর্তির উপর ঢেলেছিলেন, একে রক্তবর্ণ হিসেবে বর্ণনা করে এবং অ্যামেথিষ্ট সৃষ্টি করে।

অ্যামেথিষ্ট পান পাত্রের ক্ষেত্রে বলা হত যে, এটা পানকারীকে পানীয়ের চেতনার দ্বারা অতিরিক্তভারাবনত হওয়া থেকে রক্ষা করে।বর্তমানে ঐসব আসক্তি কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টা, বিশেষ করে অ্যালকোহলের আসক্তি থেকে, সহায়তা হিসেবে অ্যামেথিষ্ট শক্তি ব্যবহার করুন।

সুরক্ষা : অ্যামেথিষ্ট সুরক্ষার স্ফটিক, কারণ এটা আকর্ষণের চেয়ে বিকর্ষণ বেশী করে।

নেতিবাচক বা যা যা বর্জন করে: অতিরিক্ত অসংযমতা, মর্মপীড়া, ক্রোধ, অপরাধবোধ, রাগ, সংশয়, অধৈর্য্য, অসন্তুষ্টি, অনিদ্রা ও দু:স্বপ্ন।

যেসবে গুরুত্ব প্রদান করে : পরিস্কার, পরিচ্ছন্নতা, শুদ্ধতা, নবকাঠামো ও নবায়ন। আধ্যাত্মিক সক্ষমতা, আধ্যাত্মিক সচেতনতা, পরিতৃপ্তি, শান্তি, স্থিতিশীলতা, প্রশান্তি, ক্ষমা ও সহনশীলতা প্রদান করে ।

প্রাপ্তিস্থান: উরাল পর্বত জ্যামোনিয়ার প্রধান প্রাপ্তিস্থান। অন্যান্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, উরুগুয়ে, দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ‘কারিনা ক্যাথরিদ দি গ্রেট’-এর জ্যামোনিয়া রত্ন সংগ্রহ জগৎবিখ্যাত।



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416110813

Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

মুক্ত Perl

মুক্তা


উপাদান (Chemical Composition) : মুক্তার ৯২ ভাগই ক্যালসিয়াম, ২ ভাগ পানি এবং ৬ ভাগ অজৈব খনিজ পদার্থ।

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity): ২.২৬ - ২.৭৮ ।

কাঠিন্যতা (Hardness): ৩ - ৪।

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫২ – ১.৬৬ (কালো মুক্তা গুলো ১.৫৩-১.৬৯) ।

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : None (নাই)।

প্রাপ্তিস্হান : বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, ভারত,চীন,জাপান,আমেরিকা,সিংহলদ্বীপ,পারস্য উপসাগর প্রভৃতিস্হানে মুক্তা পাওয়া যায়।

উপকারিতা : রাশিচক্রে কর্কট রাশি ও চন্দ্র গ্রহের রত্ন। এই রত্ন সততা, বিশ্বাস, আনন্দের ধারক। সৌন্দর্য, দেহ ও মনের শান্তি রক্ষার্থে শুভ ফলদায়ক। আয়ুর্বেদ মতে মুক্তা ভস্ম মহা উপকারী ঔষধ।

কথিত আছে-মুক্তা রতি শক্তি বৃদ্ধির সহায়ক বলে মিসর সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা মদের টেবিলে কয়েক লক্ষ টাকার মুক্তা গ্লাসে গুলিয়ে এক মুহূর্তে খেয়ে ফেলতো। জানা যায়, সম্রাজ্ঞী একাধারে বহু যুব পুরুষের সংঙ্গে রতি ক্রিয়ায় লিপ্ত হতে পারতো।

জ্যোতিষ মতে চন্দ্র হল মনকারক গ্রহ। মানব মনে তার প্রভাবের ফলে মানুষের মনও হয়ে উঠে দ্রুতগামী।

তাই বলা হয়ে থাকে যারা অকাররণ দুশ্চিন্তা করেন অথবা আকাশ কুসুম রচনা করা যাদের নেশা, তাঁরা মুক্তা ধারণ করে সুফল পেতে পারেন। যক্ষ্ণারোগেও মুক্তা যথেষ্ট উপকারী। হদরোগ, বৃদ্ধদের শক্তিহীনতা, ক্রোধ প্রবণতা দূর করার জন্য দুধের সাথে মুক্তার গুড়ো মহৌষধ হিসেবে গণ্য।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre




Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416102647

Saturday, April 14th, 2018

Astro Research Centre

Red Coral রক্ত প্রবাল রোগ নিবারক উচ্চ রক্তচাপ

প্রবাল


প্রবাল অস্বচ্ছ রত্ন । ফার্সী ও আরবীতে মারজান বলে। ভারত ও নেপাল এই রত্নকে পলা বলে । প্রবাল গাঢ় নীল, লাল, গোলাপী বা গৈরিক, সাদা ও কালচে বর্ণের দেখা যায় । রত্নটি শুকনো ও শীতল । এটি কয়েক প্রকার ।

যেমন – রক্তের মত লাল অথবা গাঢ় লাল বর্ণের প্রবালকে বলে রক্তপ্রবাল, গোলাপি বর্ণের প্রবালকে বলে গৈরিক প্রবাল ও সাদা বর্ণেরটিকে বলে শ্বেত প্রবাল । বর্ণের মধ্যে শাস্ত্রমতে রক্ত প্রবাল দ্রুত ফলদায়ক। কষ্টি পাথরের ঘর্ষণে খাটি প্রবাল নিজ বর্ণ হারায় না ।

খাঁটি প্রবালে পোকায় কাটা দাগ আথবা ছোট ছোট গর্ত থাকার সম্ভাবনা থাকে । বিশুদ্ধ প্রবাল এসিডের সংম্পর্শে বুদ বুদ- এর সৃষ্টি করে এবং নিজ বর্ণ হারিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।

উপাদান (Chemical Composition) : ক্যালসিয়াম কার্বনেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং কপার সল্ট।

কাঠিন্যতা (Hardness): ৩-৪

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৬-২.৭

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৪৮৬-১.৬৫৮

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : (None) নাই।

প্রাপ্তিস্থান : ভুমধ্যসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ফ্রান্স আলজেরিয়া, মরক্কো, বাংলাদেশ সেন্ট মার্টিন দ্বীপ প্রভৃতি দেশের দ্বীপে ও সমুদ্র প্রবাল পাওয়া যায় । গোটা বিশ্বে ইতালীয় প্রবালের কদর খুব বেশী ।

উপকারিতা : রাশিচক্রে মঙ্গল গ্রহের অশুভত্ব দূরীকরণার্থে প্রবাল ব্যবহার করা হয়। স্বাস্থ্যরক্ষা, লিভারের রোগ, আমাশয় ইত্যাদি ব্যাপারে খুবই ফলদায়ক। মেয়েদের জরায়ুর রোগে শ্বেত প্রবাল খুবই উপকারী ।

বহু রোগের উপশম হয় এই প্রবাল রত্বের দ্বারা। রোমানরা ছেলে-মেয়েদের গলায় প্রবাল রত্ন ধারণ করত বিপদ আপদ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে এবং শিশুদের দোলনায় প্রবাল দন্ড লাগিয়ে থাকেন। ইতালীতে প্রবালের মালা ধারন করা হয় কু’নজর এড়ানোর জন্য।

জানা যায় প্রবাল রত্নে পদ যুগল সুস্থ্য থাকে বলে ব্যালে নৃত্য শিল্পীরা একে সৌভাগ্যেরর পাথর বলে মনে করেন । ব্যবহারকারীর প্রবালের রঙ পরিবর্তন হতে থাকলে বুঝবেন যে শরীরের যে কোন রোগ বা অসুস্হতার লক্ষণ।

সূর্যও নির্দিষ্ট গ্রহলোক থেকে তেজ শোষণ করে প্রবাল মানবদেহে তার নীরব প্রভাব ফেলে । প্রবাল প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ উপহার ।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre




Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180414133542

Saturday, April 14th, 2018

Astro Research Centre

চুনী - Ruby, মানিক, কোরামডাম, utility (উপকারিতা )মাদাগাস্কার

রুবি


The Stone of Fire and Passion.

এটি রাগ অনুরাগের পাথর ।

Ruby- বাংলায় চুনি, পদ্মরাগ মনি বলা হয়। অনেকেই রুবি পাথরকে রত্নরাজ বলে থাকেন।

প্রধান চক্র : মানবদেহে যে চক্রের উপর অধিকতর ক্রীয়শীল হার্ট বা হৃদয়।

কম্পন সৃষ্টিকারী সংখ্যা : ৩


জন্মপাথর : যাদেরপ্রশান্তিপরিপূর্ণতাএবংএকত্রীকরণপ্রয়োজনতাদেরজন্য‘রুবি’একটিউৎকৃষ্টরত্নপাথর।

প্রধান শব্দসমূহ : আধ্যাত্মিকতা/আত্মিকজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, সম্পদ, সুনাম, খ্যাতি, যশ, গৌরব, অর্থ, আর্শীবাদ, ক্রান্তিকাল, পরিবর্তন, পছন্দ। চুনির রত্নের শক্তি তীব্র মাত্রার এবং উজ্জ্বল।

নেতা-নেত্রী, রাজা-বাদশা এবং ধর্ম প্রচারকদের বুদ্ধিদীপ্ত নির্দেশনা এবং মহৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি পছন্দের পাথর। কথিত আছে যে ‘রুবির’ শক্তি হলো আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করতে, আপনার ইচ্ছা এবং আপনার পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে সাহায্য করে।

ঘোরতর অন্ধকার জীবন কাটিয়ে আলো নিয়ে আসতে সাহায্য করে ‘রুবি’।তবে সবার জন্য নয় কেননা যাদের রবি (Sun)অশুভশুধুমাত্রতাদেরক্ষেত্রে।যেকোনকাজেরবাধাবিঘ্নঅতিক্রমকরেসুফলদানকরেথাকেনএইপাথর।

রুবি এ পৃথিবীতে অসীম পরিত্যাগ করণের মাধ্যমে আপনাকে সকল প্রকার শিক্ষা দেয়, এটার প্রয়োজন নেই যে আপনি অন্যের প্রাপ্য শাস্তি ভোগ করবেন। রুবি রত্ন পাথরের প্রজ্ঞা হচ্ছে কিভাবে আপনি মূল্যবান ও অতীব সুন্দর জীবন গঠন করবেন।

নিজের হাতে ভালবাসা তৈরী করা এবং কিভাবে সুখী হবেন তা রুবি ধারনের পর থেকেই বুঝতে সক্ষম হবেন । মানুষের দেহ থেকে অল্প সময়ে রাসায়নিক বিষক্রিয়া দূর করে সুস্থ্য হতে সাহায্য করে ‘রুবি’ বা ‘চুনি’।

রুবি/চুনি হার্ট চক্র বা হৃদয় চক্রের উপর কাজ করে। এটি সাহায্য করে আপনার পরিবর্তন। আপনি আজ যে ক্রান্তিকাল সময়ে দাঁড়িয়ে আছেন তা থেকে বেরিয়ে আসতে, যা হতে চান সেভাবে নিজেকে তৈরী করতে সাহায্য করে রুবি বা চুনি।

- তর্ক এবং বিতর্কের পরিনতি/ফলাফল সহ উন্নতি করে।
- চমৎকার রক্ষাকারক রত্নপাথর।
- বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য উৎকৃষ্ট রত্ন পাথর।
- যাদের সন্তান ধারণ হয় না তাদের জন্য উর্ব্বরতা দানকারী পাথর।
- দেহ থেকে রাসায়নিক ও বিষাক্ত দ্রব্য দূর করে দেয় ‘রুবি’ বা চুনি।

দৈহিক প্রশমনকারী ক্রিয়া সমূহ :

জ্বরের চিকিৎসা, হৃদয়ের বিষন্নতা, রক্তপ্রবাহ, মাংসপেশীর রোগ, গলার রোগ, মস্তিষ্ক এবং মানব দেহের বিভিন্ন Gland বা গ্রন্থির উপর রুবি বা চুনি ভাল কাজ করে।

উপাদান : (Chemical composition) : Al203 অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৯ (নয়)

আপেক্ষিক গুরুত্ব : (Specific Gravity) : ৩.৯৭ – ৪.০৫

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৬৬ – ১.৭৭৪

বিচ্ছুরণ : (Dispersion) : ০.০১৮

প্রাপ্তিস্থান : বার্মা(মায়ানমার), থাইল্যান্ড, কানাডা, শ্রীলংকা, দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ সমূহে, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়। বার্মার রুবি হচ্ছে জগৎ শ্রেষ্ঠ ও বহু মূল্যবান এবং দুষ্প্রাপ্যও বটে।

উপকারিতা : জোতিষ শাস্ত্রমতে রাশি চক্রে চুনি সিংহ রাশি ও রবি গ্রহের রত্ন। হস্তরেখা বিজ্ঞানে রবি রেখা ও রবি গ্রহের অশুভ প্রভাব থেকে এবং অর্থ, যশ, বৃদ্ধি, সৌন্দর্য্য ও গৌরব বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।

তবে অভিজ্ঞ জোতিষীর পরামর্শ ব্যতীত যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা মোটেই ঠিক না এতে করে বিপরীত মুখী ফল দান করতে পারে ।

স্থান কাল পাত্র ও দেশ কাল পাত্র ভেদে রত্ন পাথরের ওজনের তারতম্য ঘটবে। খাঁটি রুবি ২/৩ রতি ধারণই যথেষ্ট। উৎকৃষ্ট মানের বার্মার রুবি। ১, ১.৫ রতি ধারণ সর্বোত্তম। এর অধিক প্রয়োজন নেই।



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180414132739