Saturday, June 6th, 2020

Astro Research Centre

বাস্তু দোষ ও কুনজর কাটাতে উপায় ও টোটকা



বাস্তু দোষ ও কুনজর কাটাতে উপায় ও টোটকা

ফটকিরি সাধারণত জলকে পরিশোধিত করতেই ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এই ছোট্ট জিনিসটাই আপনার জীবনের নানা নেতিবাচক বা অশুভ শক্তির প্রভাব কমিয়ে, বাধা কাটিয়ে জীবনে উন্নতির পথ প্রশস্ত করতে সহায়তা করে। জ্যোতিষ ও বাস্তুশাস্ত্র মতে, ফটকিরি কাজে লাগিয়ে জীবনের অনেক বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে ওঠা যায় সহজেই। আসুন অশুভ শক্তি বা নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে জীবনে উন্নতির ক্ষেত্রে ফটকিরির ব্যবহার সম্পর্কে বাস্তুশাস্ত্রের ব্যাখ্যাগুলি জেনে নেওয়া যাক...

১) অনেক সময় কঠোর পরিশ্রম করেও ভাগ্যের সাহায্য মেলে না। এ ক্ষেত্রে একটি কালো কাপড়ের মধ্যে এক টুকরো ফটকিরি বেঁধে দরজার সামনে ঝুলিয়ে রাখুন। এর ফলে আপনার বাস্তু আর জীবনে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব কমবে, ফিরবে সৌভাগ্য।

গৃহস্থে কারোর উপর নজর লাগা
বাড়ির কোনও বাচ্চা যদি ক্রমাগতই অসুস্থতায় ভোগে , তাহলে বাস্তুশাস্ত্রবিদরা বলছেন এর নেপথ্যে কারোর 'কু-নজর' লাগতে পারে। এর জন্য় ৩ টি সবুজ পাতি লেবু বাড়ির বিভিন্ন কোণে রেখে দিতে হবে। তারপর লেবু শুকিয়ে গেলে অনেক দূরের কোথাও ফেলে দেওয়ার পরাম্রস দিচ্ছেন বাস্তুবিদরা।

২) এক বাটি ফটকিরি বাথরুমে রেখে দেখুন। এক মাস পর পর এই ফটকিরি বদলে দিন। বাস্তুশাস্ত্র মতে, ওই ফটকিরি বাড়ির নেতিবাচক শক্তি শুষে নিয়ে সৌভাগ্যের পথ প্রসস্ত করবে।

দাম্পত্য কলহ
যে বাড়িতে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকে, সেখানে ইতিবাচক ভাবনা আরও বেশি করে যোগাতে প্রয়োজন লেবুর। দাম্পত্য কলহ রুখতে , বেডরুমে একটি পাত্রে জলের মধ্যে একটি লেবুকে দুভাগ করে কেটে ফেলে রেখেদিন। এই জল প্রায়সই বদলে দিন। এইভাবে লেবু রেখে বা জল পাল্টে ৪০ টি বেডরুমে রাখুন। বাস্তুশাস্ত্রবিদরা বলছেন এতেই কাটবে দাম্পত্য সমস্যা।

৩) ফটকিরির একটা বড় টুকরো ভাল করে গুঁড়ো করে নিন। এর পরে ঘরের কোনায় কোনায় ফটকিরির গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। বাস্তুশাস্ত্র মতে, এর ফলে আপনার বাস্তু বা ঘর অশুভ বা নেতিবাচক শক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত হবে।

ঘরে সম্পত্তি বাড়াতে
গৃহস্থে ধন সম্পত্তি বাড়াতে একটি সেরামিকের পাত্রে চাল রেখে তার সঙ্গে ৯ টি লেবু রেখে দেওয়ার পরামর্শ বাস্তুশাস্ত্রবিদদের। এতে বাড়িতে যা রোজগার হয় ,তা থেকে আয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে দাবি তাঁদের।

৪) অন্যের ঈর্ষাকাতর নজর লেগে শরীর খারাপ হলে, পা থেকে মাথা পর্যন্ত ৭ বার একটি ফটকিরি ভাল করে ঘষে দিন। এর পর ওই ফটকিরির টুকরোটি আগুনে পুড়িয়ে ফেলুন। বাস্তুশাস্ত্রের এই পরামর্শ মানতে পারলে ফল পাবেন হাতেনাতে।
ক্ষতির হাত থেকে মুক্তি

বাড়িতে কোনও সদস্যের ক্রামগত ক্ষতি হতে থাকলে, সেই সমস্যা কাটানোর উপায় হল, বাড়ির চারিদিকে লেবুর জল ছেটানো। বাস্তুশাস্ত্র বিদরা বলছেন এতে গৃহশান্তি আসে। সদস্যরা যেকোনও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পান।

চাকরি পাওয়ার জন্য লেবু

যাঁরা অনেক দিন ধরে চাকরির চেষ্টা করেও কোনও ফল পাচ্ছেন না, তাঁরা একটি লেবু নিন তারপর সেই লেবুটিকে চার রাস্তার মোড়ে গিয়ে চার টুকরো করে সেই চারটি টুকরো চার দিকে যত দূর সম্ভব ছুড়ে দিন। এতে চাকরি পাওয়া সম্ভব হতে পারে।

ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখতে থাকলে

কোনও ব্যক্তি যদি রাতে ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখেন , তাহলে তার প্রতিকারেও পাতিলেবুর জুড়ি মেলা বার! এরকম সমস্যা কাটাতে হলে বালিশের তলায় রাখুন পাতিলেবু। লেহু পাল্টে পাল্টে এই কাজ করে যান। ক্রমাগত ৫বার এই কাজ করার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুশাস্ত্রকাররা।

জীবনে সফল হওয়ার জন্য লেবু

জীবনে সাফল্য পাওয়ার জন্য একটি লেবু ও চারটি লবঙ্গ নিয়ে হনুমান মন্দিরে যান। তারপর সেই লেবুর ওপর চারটি লবঙ্গ বসিয়ে দিয়ে হনুমানজির সামনে রেখে হনুমান চালিশা পাঠ করুন এবং সেই লেবু নিয়ে যে কোনও কাজ শুরু করুন। এতে সাফল্য আসবে।

নজর দোষ কাটাতে লেবু

যদি কারও নজর লাগে, বড় বা ছোট যাঁরই হোক, একটি লেবু নিয়ে নজর লাগা মানুষের মাথা থেকে পা পর্যন্ত সাত বার ঘুড়িয়ে নিয়ে যে কোনও নিরিবিলি জায়গায় লেবুটিকে চারটি টুকরো করে চার দিকে ফেলে দিন। এর ফলে নজর দোষ অনেকটা কেটে যাবে।

ব্যবসায় সাফল্য পেতে লেবু

যেখানে ব্যবসা করা হয়, সেই ঘরের চার দেওয়ালে একটি লেবু সাতবার করে ঠেকিয়ে নিন ও সেই লেবুটি চার টুকরো করে ঘরের চার কোণে রেখে দিন। এই নিয়ম পর পর সাতটা শনিবার করতে হবে। এর ফলে ব্যবসায় প্রচুর উন্নতি হবে।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here


পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200606102143

Friday, April 10th, 2020

Astro Research Centre

হীরা সবচেয়ে দুস্প্রাপ্য ও মূল্যবান

হীরাকে আরবীতে অলম্পাস বলা হয়। বর্তমান পৃথিবীতে হীরা সবচেয়ে দুস্প্রাপ্য ও মূল্যবান। হীরা “আলো-ঝলমলে” ধাতু। হীরার বহুতলে আলো বার-বার একে বেকে যায় বলেই তৈরী হয় বহু রঙা আলোর ফোয়ারা ।

রত্ন বিজ্ঞানীরা হীরাকে তার ভেতরের উজ্জ্বলতা অনুযায়ী বর্ণের দিক থেকে চার ভাগে ভাগ করেছিলেন । (১) ব্রাহ্মণ-সাদা রঙ্গের হীরা। (২) ক্ষত্রিয়-লাল রঙ্গের হীরা। (৩) বৈশ্য-হলুদ রঙ্গের হীরা এবং (৪) শুদ্র-কালো রঙ্গের হীরা। বিন্দু ও রেখাবর্জিত সাদা উজ্জ্বল হীরাকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয় এবং তার নাম দেওয়া হয়েছে “কমলহীরা”। খাঁটি বা প্রাকৃতিক হীরা শীতল ও পিচ্ছিল জ্যোতি দেখা যায়। আসল হীরা আগুনে পোড়ালে কয়লা হয়ে যায়। সকলেই জানে যে হীরা দ্বারা কাঁচ কাটা যায়। উজ্জ্বল ও জ্যোতিহীন, দাগ বিন্দুযুক্ত হীরা ব্যবহার করা উচিত নয়। খনি থেকে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হীরা উজ্জ্বল ও জ্যোতির্ময় থাকে না। হীরা না কাটলে তার ভেতরকার জৌলুস প্রকাশ পায় না। একে কেটে পলিশ করে উজ্জ্বল জ্যোতির্ময় করে গড়ে তোলা হয়। আজ পৃথিবীর ভারতের বোম্বে, তেলআভিব, ব্যাংকক, এ্যান্টরুপ ও আমেরিকার নিউইয়র্কে হীরা কাটা ও ঘষামাজা করা হয়।

কার্যকারীতাঃ তেজ, সন্মান, গৌরব, বল বৃদ্ধি, দৈহিক লাবণ্য বৃদ্ধি, দাম্পত্য সুখ ও শুক্র গ্রহের অশুভ প্রভাব দূর করে।

প্রাপ্তিস্থান :  ভারতের গোলকুন্ডা হীরা খনি। কিন্তু বর্তমানে এই খনি পরিত্যক্ত। ১৭২৫ সালে আর একটি হীরার খনি আবিষ্কার হয় ব্রাজিলে। ব্রাজিলের খনি থেকেও উজ্জ্বল বড় হীরা পাওয়া যায়। অতঃপর এ যুগে দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বার্লীতে বৃহত্তম হীরা খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানকার হীরা সুন্দর ও ঝলমলে। বর্তমানে পৃথিবীর ৯০ ভাগ চাহিদা পূরণ করছে কিম্বার্লী একাই। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে লম্বা হীরার খনি দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বার্লীতে। এছাড়া হীরা পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া প্রভৃতি স্থানে। ১৯৭৯ সালে আরেকটি বড় হীরার খনি আবিষ্কৃত হয় পশ্চিম অষ্ট্রেলিয়ায়। ১৯৮৮ সালে অষ্ট্রেলিয়া ৩৪ মিলিয়ন ক্যারেট হীরার সন্ধান পায়। যা, গোটা পৃথিবীর হীরার তিন চতুর্থাংশের সমান। লন্ডনের ডিবাইর্স সেন্ট্রাল সেলিং অর্গানাইজেশনের মূল ভবনেও প্রচুর পরিমানে হীরা আবিষ্কৃত হয়।

হীরা কৃষ্টালীন কার্বনের রাসায়নিক উপাদান। গ্রাফাইটের সমগোত্রীয় অথচ বিপরীত ধর্মী। গ্রাফাইট নরম, হীরা অতীব কঠিন। খনি থেকে তোলার পর ৮০ ভাগ হীরাই কাটিং-এ বাতিল হয়ে যায়। বাকী ২০ ভাগ সেটিং, ওজন, বর্ণ, গঠন ও শুদ্ধতা অনুযায়ী শ্রেণীভুক্ত করা হয়।

হীরা পাথরকে শুক্র গ্রহের পাথর বলা হয়ে থাকে। যাদের বৃষ রাশি (Taurus, April 21- May20) মিথুন রাশি (Gemeni, May 21- Jun 20) তুলা রাশি (Libra, Sept: 21 – Oct 20) কন্যা রাশি (Virgo, Aug 21-Sept 20) তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হীরা পাথর। শুক্র গ্রহ সৌন্দর্য ও আভিজাত্যর প্রতীক ফলে হীরা পাথর ব্যবহারে সৌভাগ্য, সৌন্দর্য ও সম্পদ বৃদ্ধি পায়।

Diamond Stone এর বাংলা হচ্ছে হীরা পাথর। হীরা পাথরকে শুক্র গ্রহের পাথর বলা হয়ে থাকে। যাদের বৃষ রাশি (Taurus, April 21- May20) মিথুন রাশি (Gemeni, May 21- Jun 20) তুলা রাশি (Libra, Sept: 21 – Oct 20) কন্যা রাশি (Virgo, Aug 21-Sept 20) তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হীরা পাথর। শুক্র গ্রহ সৌন্দর্য ও আভিজাত্যর প্রতীক ফলে হীরা পাথর ব্যবহারে সৌভাগ্য, সৌন্দর্য ও সম্পদ বৃদ্ধি পায়।
আপনি হয়তো হীরা পাথর ব্যবহার করছেন অথবা ব্যবহার করার চিন্তা করছেন, কিন্তু কিন্তু মনে মনে ভাবছেন হীরা ব্যবহারে কি কি উপকার পাওয়া যেতে পারে যদি আল্লাহ্‌ চান। এখানে পাচ্ছেন হীরা পাথর ব্যবহারের উপকারিতা (Benefits of Diamond Stone):
যে সকল মানুষ সঙ্গিত, অভিনয়, জনসংযোগ, চিত্রশিল্প অথবা লেখালেখির সাথে জড়িত তাদের জন্য হীরা খুব খুব উপকারী।
ব্যবহারকারী খুব দ্রুত উপকার পেতে পারে হীরা ব্যবহারে।
সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে পারে হীরা পাথর এবং তা দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে থাকে।
সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা, ব্যবস্থাপনা ক্ষমতা এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এর পাথর।
সামাজিক কাজে অংশ গ্রহন, অসহায়ের সাহাজ্জর ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি করে।
আইনগত বিষয়ে বিশেষ সাহায্য পাওয়া যেতে পারে হীরা ব্যবহারে, শত্রু সাথে জয়ী হবার শক্তি যোগায়।
যে সকল স্ত্রী লোক নিজেরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে চায়, অন্যদের সামনে সুন্দর ভাবে হাজির হতে চায় তাদের জন্য হীরা খুব উপকারী।
ডায়াবেটিক, অনিদ্রা ও নিরাপদ সন্তান জন্ম দেবার জন্য উপকারী হতে পারে এ পাথর।
যে সকল মেয়েদের সাংসারিক জীবনের সমস্যা রয়েছে তারা এ পাথর ব্যবহার করতে পারেন।
হীরা পাথর সম্পর্কের মধ্যে আনন্দ, ভালোবাসার জন্ম দেয়। বৈবাহিক জীবনেও এর প্রভাব রয়েছে।
হীরা পাথর শয়তানের খারাপ প্রভাব, ভয় ভিতি দূর করে আত্ম বিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
ঘুমের মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখা থেকে রক্ষা করে হীরা পাথর এবং প্রশান্তির ঘুমে সাহায্য করে।
এ পাথর হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
মধ্য যুগ থেকেই মনে করা হয় হীরা পাথর প্রশান্তির ঘুম, উন্নতি, সম্মান এবং ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি করে।


যে কোনও উজ্জ্বল-চকচকে পাথর মানেই কিন্তু হীরা নয়। কিন্তু কি করে চিনবেন আসল হীরা? এর সঠিক উত্তর দিতে পারেন কেবল মাত্র একজন রত্নবিশেষজ্ঞ বা জেমোলজিস্ট। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বিখ্যাত রত্নবিশেষজ্ঞ রেনি হির্চ জানিয়েছেন আসল হীরা চেনার কিছু কৌশল। অনেকেই হীরার গয়না কেনেন। সব সময় নামী ব্র্যান্ডের দোকান থেকে কেনা না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আসল হীরা চেনার এই কৌশলগুলি জানা থাকলে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।

১) শিরিষ কাজগ দিয়ে ঘষা: এটা খুব সহজ একটি পদ্ধতি। হীরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্ত বস্তু। কোনও কিছু দিয়েই একে ঘষে মসৃণ করা যাবে না। কিন্তু যদি কৃত্রিম হীরা হয় তাহলে এতে শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলেই তাতে দাগ পড়বে।

২) আলোর প্রতিফলন দেখা: আসল হীরা যে ভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটায় তা সত্যিই অপূর্ব! হীরাতে আলো ফেললে এর ভেতরে ধূসর ও ছাই রংয়ের আলোর ছটা দেখা যাবে যাকে বলা হয় ‘ব্রিলিয়ান্স’। আর বাইরের দিকে প্রতিফলিত হবে রামধনুর রঙের, যাকে বলা হয় ‘ফায়ার’। কিন্তু নকল হীরার ক্ষেত্রে পাথরের ভেতরেই রামধনু রং দেখতে পাওয়া যাবে। মানুষের একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, হীরা রামধনু রং প্রতিফলিত করে। কিন্তু খাঁটি হীরার প্রতিফলনে বেশির ভাগই ধূসর ভাব থাকে।

৩) এর প্রতিসরণের বৈশিষ্ট্য: হীরার এত চকচকে হওয়ার কারণ হল, এর প্রতিসরণের বৈশিষ্ট্য। এই পাথরটি যে পরিমাণ আলো ধরে রাখতে পারে, তা কাঁচ, কোয়ার্টজ বা ত্রিকোণাকৃতি জিরকোনিয়ামও করতে পারে না। একটি আসল হীরা যদি পত্রিকার ওপর রাখেন, তবে এর ভেতরে পত্রিকার কালো রংয়ের লিখার কোনো প্রতিসরণ ঘটবে না। কিন্তু হীরা যদি নকল হয়, সেক্ষেত্রে তার মধ্যে কালো লেখার কোনও অক্ষর দেখা যেতে পারে।

৪) নিঃশ্বাসের পরীক্ষা: পাথরটিতে মুখের গরম বাতাস দিন। দেখবেন সেটি কুয়াশাচ্ছন্ন (ঝাপসা) হয়ে পড়েছে (বাথরুমের আয়নায় নাক-মুখের নিঃশ্বাস ফেললে আয়নার কাঁচ যেমন ঝাপসা হয়ে যায়)। হীরাটি যদি নকল হয়, তবে খুব দ্রুত ঝাপসা ভাবটি চলে যাবে। কিন্তু আসল হীরার ঝাপসা ভাব কাটতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে। কারণ, আসল হীরা একেবারেই তাপ ধরে রাখে না, তাই বাষ্প খুব দ্রুত উবে যাবে।

৫) লোপের ভেতর দিয়ে দেখুন: লোপ হল বিশেষ এক ধরনের ম্যাগনিফায়িং গ্লাস (আতস কাঁচ)। এটি দিয়ে হীরা বা অন্যান্য পাথর পরীক্ষা করা হয়। লোপের মাধ্যমে যখন কয়েকটি হীরা দেখবেন, তখন কয়েক ধরনের চেহারা দেখতে পারেন। কিছু পাবেন যেগুলো মোটেও নিখুঁতভাবে মসৃণ করা নয়। এগুলো দেখলে মনে হবে যে, একেবারে প্রাকৃতিক অবস্থায় রাখা হয়েছে। এগুলোই আসল হীরা। কিন্তু ভুয়া হীরা একেবারে নিখুঁত ও মসৃণ হবে। দ্বিতীয়ত, সূক্ষ্মভাবে হীরার ধারগুলো দেখুন। লোপের মাধ্যমে যখন দেখবেন, তখন এর ধারগুলো বেশ ধারালো বলেই মনে হবে। কিন্তু নকল হীরার ধারগুলো গোলাকার বা মসৃণ হয়।
এই পাথরটি আসল হীরা, নাকি নকল? হীরার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্ন এটি। আর তা জানতে হলে একজন গেমোলজিস্টের কাছে যেতে হবে আপনাকে। একমাত্রা তারাই এ বিষয়ের এক্সপার্ট। এখানে টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ডেকোরেটিভ আর্টস এক্সপার্ট এবং গেমোলজিস্ট রেনি হির্চ আপনাদের শিখিয়েছেন, কিভাবে আসল হীরা চেনা যায়। চেনার উপায় : অনেকেই হীরার গয়না কেনেন। সব সময় ব্র্যান্ডের দোকান থেকে তো আর কেনা হয় না। অনেকেই বিদেশ থেকে আনিয়ে নেন বা অন্য কারো কাছ থেকে কেনেন। তখন আসল হীরা চেনাটার শিক্ষাটা না থাকলেই নয়। যদি চিনতে পারেন, তবে এত টাকা আর জলে যাবে না। ১. লোপের ভেতর দিয়ে দেখুন : বিশেষ এক ধরনের ম্যাগনিফায়িং গ্লাস হলো লোপ। এটি দিয়ে হীরা বা অন্যান্য পাথর পরীক্ষা করে নিতে হয়। লোপের মাধ্যমে যখন কয়েকটি হীরা দেখবেন, তখন কয়েক ধরনের চেহারা দেখতে পারেন। কিছু পাবেন যেগুলো মোটেও নিখুঁতভাবে মসৃণ করা নয়। এগুলো দেখলে মনে হবে যে, একেবারে প্রাকৃতিক অবস্থায় রাখা হয়েছে। এগুলোই আসল হীরা। কিন্তু ভুয়া হীরা একেবারে নিখুঁত ও মসৃণ হবে। দ্বিতীয়ত, সূক্ষ্মভাবে হীরার ধারগুলো দেখুন। লোপের মাধ্যমে যখন দেখবেন, তখন এর ধারগুলো বেশ ধারালো বলেই মনে হবে। কিন্তু ভুয়া হীরার ধারগুলো গোলাকার বা মসৃণভাবে বানানো হয়। যদি এমন হয় যে একটি গয়নায় স্বর্ণ ও রূপা দিয়ে হীরাটাকে আকটে দেওয়া হয়েছে, তবে কিছুটা সন্দেহের অবকাশ আছে। একটি হীরাকে কেন এই সস্তা মেটাল দিয়ে বাঁধা হবে, তা একটি সন্দেহের বিষয়। ২. শিরিষ কাজগ দিয়ে ঘষা : এটা খুব সহজ একটি পদ্ধতি। হীরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্ত বস্তু। কোন কিছু দিয়েই একে ঘষে মসৃণ করা যাবে না। কিন্তু যদি কৃত্রিম হীরা হয় তাহলে এতে শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলেই তাতে দাগ পড়বে। ৩. নিঃশ্বাসের পরীক্ষা : পাথরটিতে মুখের গরম বাতাস দিন। হীরাটি কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। বাথরুমের আয়নায় নাক-মুখের নিঃশ্বাস ফেললে এভাবে আয়নাটি ঝাপসা হয়ে যাবে। হীরাটি যদি ভুয়া হয়, তবে খুব দ্রুত ঝাপসা ভাবটি চলে যাবে। কিন্তু আসল হীরা খুব দ্রুত পরিষ্কার হবে না। কারণ আসল হীরা তাপ ধরে রাখে না যে বাষ্প খুব দ্রুত উবে যাবে। ৪. আলোর প্রতিফলন দেখা : আসল হীরা যেভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটায় তা সত্যিই দারুণ। হীরাতে আলো ফেললে এর ভেতরে ধূসর ও ছাই রংয়ের আলোক ছটা দেখা যাবে যাকে বলা হয় ব্রিলিয়ান্স। আর বাইরের দিকে প্রতিফলিত হবে রংধনুর রং যাকে বলা হয় ফায়ার। কিন্তু নকল হীরার ভেতরে রংধনুর রং দেখতে পাওয়া যাবে। মানুষের একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, হীরা রংধনুর রং প্রতিফলিত করে। কিন্তু হীরা প্রতিফলনে বেশিরভাগ ধূসর ভাব থাকে। ৫. এর প্রতিসরণের বৈশিষ্ট্য : হীরার এতো চকমকে হওয়ার কারণ হলো, এর প্রতিসরণের বৈশিষ্ট্য। এই পাথরটি যে পরিমাণ আলো ধরে রাখতে পারে, তা কাঁচ, কোয়ার্টজ বা ত্রিকোণাকৃতি জিরকোনিয়ামও করতে পারে না। একটি আসল হীরা যদি পত্রিকার ওপর রাখেন, তবে এর ভেতরে পত্রিকার কালো রংয়ের লিখার কোনো প্রতিসরণ ঘটবে না। কিন্তু ভুয়া হীরার মধ্যে কালো লিখার কোনো অক্ষর পর্যন্ত দেখা যেতে পারে। গেমোলজিস্ট দ্বারা পরীক্ষা করানো : ওপরের পদ্ধতিগুলো বাড়িতে প্রয়োগ করতে পারেন। তবে একজন পাথর এক্সপার্টের কাছেও নিয়ে যেতে পারেন একে। পেশাদার গেমোলজিস্ট রয়েছেন যারা হীরা পরীক্ষা করে দেন। বিশেষ উপলক্ষে বেশ দিয়ে হীরা কিনলে তা এক্সপার্ট দ্বারা পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন। এই পাথর বিশেষজ্ঞ আরো নানা বৈজ্ঞানিক উপায়ে আপনাকে নিশ্চিত করতে পারবেন। একজন গেমোলজিস্ট আসল হীরার গুণগত মানও বের করে তার মূল্যমান নিশ্চিত করতে পারবেন। আপনি যাকে হীরা ভাবছেন তা যদি নকল হয়, তবে হীরার মতোই দেখতে যে পাথরগুলো হতে পারে তা হলো- হোয়াইট টোপাজ, হোয়াইট স্যাফায়ার, কিউবিক জিরকোনিয়াম, মইসানাইট বা ল্যাব গ্রোন হতে পারে। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার


লোহিত হীরা (Red Diamonds)

রেড ডায়মন্ড

প্রকৃতপক্ষে আপনার হাতের কাছে জুয়েলারির দোকান থেকে যেটাকে আপনি হীরা ভেবে কিনে শান্তি পাচ্ছেন, সেটা কিন্তু আসলেই এত মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য হীরাদের কাছে কিছুই না। রেড ডায়মন্ড-এর দুষ্প্রাপ্যতা এতই যে পৃথিবীতে পাওয়া এর বৃহৎ খণ্ডটির ওজন ছিলো প্রায় ৫.১১ ক্যারাট (প্রায় ১ গ্রামের সমান)। কিন্তু সাধারণ হীরকের একটি বৃহৎ খণ্ডের ওজন হতে পারে প্রায় ৩১০৬.৭৬ ক্যারাট। এখান থেকেই পার্থক্যটা বোঝা যাচ্ছে ভালোভাবে।


হীরা হলো সর্বাপেক্ষা মূল্যবান একটি রত্ন, যা গহনা তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। বর্ণহীন এ রত্নটি একটি মাত্র বিশুদ্ধ উপাদান কার্বন থেকে সৃষ্ট। অন্য ভাষায় হীরক কার্বনের একটি বিশেষ রূপ মাত্র। কথিত আছে, হীরক সর্বপ্রথম ভারতবর্ষে মূল্যবান হিসেবে খনি থেকে উত্তোলন ও ব্যবহার করা শুরু হয়। ১৮০০ শতকে ভারতের হায়দরাবাদ ছিল বিশ্বের একমাত্র হীরার খনি! কিন্তু গোলকুন্ডার হীরার খনি থেকে পাওয়া হীরার দাম এত বেশি কেন?

কোহিনুরের মতো বিতর্কিত হীরাও এখন তেলেঙ্গানার গোলকুন্ডা থেকে আহরিত। দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে একমাত্র গোলকুন্ডার হীরার খনি বিখ্যাত ছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়


গোলকুন্ডা দুর্গ। ছবি: সংগৃহীত
১৬৬৩ সালে ফরাসি ভূপর্যটক তাভেরনিয়ের লিখেছিলেন, ‘গোলকুন্ডার হীরার খনি থেকে পাওয়া একেকটি হীরার মাপ একটি মুরগির ডিমের অর্ধেকের চেয়েও বেশি বড়। সুন্দর গোলাপের মতো আকৃতি ছিল গোলকুন্ডার হীরার।’

তাভেরনিয়ের আরও লিখেছেন, ‘হীরার এক দিক বেশ উঁচু। সেগুলো থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে হীরা।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ নম্বর ক্যাটাগরির হীরা এতটাই খাঁটি যে অতি-বেগুনি রশ্মি হীরার মধ্যে দিয়ে প্রতিফলিত হতে পারে। আর ২ নম্বর ক্যাটাগরির হীরা বর্ণহীন। ওই হীরাগুলোর রং বাদামি, গোলাপি, ধূসর ও নীলচে হতে পারে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, গোলকুন্ডার ৭৬ ক্যারেটের একটি হীরা ১১৮ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য ১৩৭ কোটি টাকার বেশি।
সংগৃহীত


অন্যান্য পাথরের দাম
দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200410170717

Friday, April 10th, 2020

Astro Research Centre

ALEXXANDARITE অতি দুষ্প্রাপ্য ও দুর্মূল্য রত্ন

ALEXXANDARITE অতি দুষ্প্রাপ্য ও দুর্মূল্য রত্ন

রাশিয়ার সম্রাট দ্বিতীয় আলেক্সান্ডারের নামানুসারে এই পাথরের নামকরণ করা হয় আলেক্সান্ড্রাইট। ১৮৩০ সালের দিকে রাশিয়ার উরাল পর্বতের কাছাকাছি এই খনিজের সন্ধান পাওয়া যায়। আলেক্সান্ড্রাইট ক্রিস্টালের মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর অদ্ভুত ধরণের আলোকীয় চরিত্র। কারণ আপতিত আলোর বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে এই ক্রিস্টালের রং পরিবর্তনের (লাল থেকে সবুজ) ক্ষমতা অসাধারণ এবং আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে একই আলোর জন্যও দর্শণ কোণের উপর ভিত্তি করে এর রঙ আলাদা হয়ে যেতে পারে। আপতিত আলো ও দর্শণ কোণের উপর ভিত্তি করে ক্রিস্টালের বর্ণ পরিবর্তনের এই ক্ষমতাকে বলা হয় ‘প্লেওক্রোইজম’ (Pleochroism)। আর আলেক্সান্ড্রাইট এদিক থেকে অতিমাত্রায় প্লেওক্রোইক।

Alexandrite একটি পাথর যে আলোকসজ্জা তীব্রতার উপর নির্ভর করে তার রং পরিবর্তন। এবং
pleochroika হয়, এটি লোহা, ক্রোমিয়াম এবং টাইটানিয়াম একটি খুব বিরল সংমিশ্রণ আছে। সাদা আলেকজান্ডারাইট রঙ পরিবর্তন করে দিনের স্বাভাবিক আলোতে, রত্নটি নীল-সবুজ, এবং কৃত্রিম আলো দিয়ে - রক্তবর্ণ লাল। আলেকজান্ডারাইট একই রংয়ের বিরল, মূল্যবান পাথরের পরিবারের অংশ। আমরা যদি গ্রহণ করি, তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাকারমারিনের ভাগ্য আকর্ষণীয়। তার নাম ডন পেড্রো। তিনি এখন ওয়াশিংটনের প্রাকৃতিক ইতিহাসের মিউজিয়ামে প্রবেশ করেছেন। তিনি ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে অংশগ্রহন করেছেন, যেখানে মূল্যবান এবং আধা মূল্যবান একচেটিয়া এবং বিরল রত্ন প্রদর্শন করা হয়েছে। মিউজিয়ামটি আকাশমরার এম। মিচেল এবং জেফরি এস ব্লন্ডের দ্বারা দান করা হয়েছিল। এর বিশুদ্ধ সবুজ-নীল রঙ এবং একটি বিশেষ কাটা এটি একটি বিরল মণিটি তৈরি। প্রয়োজনীয় আলো সঙ্গে, এটি ভিতরে থেকে glows যে মনে হয়।
অত্যন্ত মূল্যবান রত্ন এটি।আর্থিক সমস্যা সমাধানে এর জুরি মেলা ভার।একে সন্মোহক রত্ন ও বলা হয়।
দাম:১৫০০০-২৫০০০/ ৬০০০০ প্রতি রতি।

উপকারিতা

যে সকল মানুষ সঙ্গিত, অভিনয়, জনসংযোগ, চিত্রশিল্প অথবা লেখালেখির সাথে জড়িত তাদের জন্য খুব খুব উপকারী।
ব্যবহারকারী খুব দ্রুত উপকার পেতে পারে ব্যবহারে।
সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে পারে পাথর এবং তা দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে থাকে।
সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা, ব্যবস্থাপনা ক্ষমতা এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এর পাথর।
সামাজিক কাজে অংশ গ্রহন, অসহায়ের সাহাজ্জর ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি করে।
আইনগত বিষয়ে বিশেষ সাহায্য পাওয়া যেতে পারে হীরা ব্যবহারে, শত্রু সাথে জয়ী হবার শক্তি যোগায়।
যে সকল স্ত্রী লোক নিজেরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে চায়, অন্যদের সামনে সুন্দর ভাবে হাজির হতে চায় তাদের জন্য খুব উপকারী।
ডায়াবেটিক, অনিদ্রা ও নিরাপদ সন্তান জন্ম দেবার জন্য উপকারী হতে পারে এ পাথর।
যে সকল মেয়েদের সাংসারিক জীবনের সমস্যা রয়েছে তারা এ পাথর ব্যবহার করতে পারেন।
এই পাথর সম্পর্কের মধ্যে আনন্দ, ভালোবাসার জন্ম দেয়। বৈবাহিক জীবনেও এর প্রভাব রয়েছে।
এই পাথর শয়তানের খারাপ প্রভাব, ভয় ভিতি দূর করে আত্ম বিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
ঘুমের মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখা থেকে রক্ষা করে হীরা পাথর এবং প্রশান্তির ঘুমে সাহায্য করে।
এ পাথর হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
মধ্য যুগ থেকেই মনে করা হয় হীরা পাথর প্রশান্তির ঘুম, উন্নতি, সম্মান এবং ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি করে।

দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200410131635

Thursday, April 9th, 2020

Astro Research Centre

অম্বর (AMBAR) রত্ন, উপরত্ন, পাথর AMBBER : এ্যাম্বার

অম্বর (AMBAR) রত্ন, উপরত্ন, পাথর
AMBBER : এ্যাম্বার

তৈলস্ফটিক বা সৌগন্ধিক , বর্ণের দিক থেকে হালকা হলুদ বর্ণ হতে শুরু করে বাদামী, লাল, সাদাভ এমনকি নীল, কালো ও সবুজাভ ও ধবধবে সাদা হয়। স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ শ্রেণীর সৌগন্ধিক (Ambber) পাওয়া যায়। খাঁটি সৌগন্ধিক স্বচ্ছ উজ্জ্বল ও মধুর মতো কাটাভা হলুদ বর্ণের। এই রত্নটিতে সুগন্ধ আছে। রত্নটি দুর্লভ অতিশয় দুস্প্রাপ্য ও মূল্যবান। Ambber ভঙ্গুর সবচেয়ে হাল্কা পাথর। সূর্যালোকে এটি বড় চমৎকার দেখায় এবং শিশির বিন্দুর মত চক চক করে। এর প্রতিফলন আভা তৈলাক্ত ধরণের। যে কারণে এই রত্নকে তৈলস্ফটিকও বলে।এটি রাহুর জন‍্য ধারন করা হয়।
উপাদান (Chemical Composition): Approx C10H160 Mixture of various resins.
কাঠিন্যতা (Hardness): 2- 2.5
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Speciflc Gravity): Usually 1.05-1.09 Maximum 1.30.
প্রতিসরণাংক (Refractive Index): 1.54
বিচ্ছুরণ (Dispersion): None (নাই)
প্রাপ্তিস্থান: এ্যাম্বার পাওয়া যায় উওর ইউরোপের বাল্টিক সাগর এলাকায়। সাগরের পানির সাথে কিছু এ্যাম্বার উপকূলে এসে যায়। সাধারণত নীল মাটি নামে পরিচিত নরম কাদার থেকেই এ্যাম্বার রত্ন আরহণ করা হয়। এছাড়া আমেরিকা, রোমানিয়া, বার্মা (মায়ানমার), কানাডাতে সিসিলি দ্বীপে পাওয়া যায়।
উপকারিতা: জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়েছে এ্যাম্বার ব্যবহারে স্বাস্থ্যরক্ষা ও নানা ধরণের দৈব দুর্বিপাক ও গ্রহ দোষ থেকে রক্ষা করে। ইহা একটি জয়প্রদ রত্ন। এ্যাম্বার রত্নে কিছু ভেষজগুণ আছে বলে শোনা যায়। লোকের প্রচলিত ধারনা, এ্যাম্বার ধারণ করলে যাদু, বান, টোনা, থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সেকালে অধিকাংশ গ্রীক ও রোমানদের জনগণ বিশ্বাস করতো এবং এটি ধারন করত।
এ্যাম্বার নিয়ে কিছু কথা
এ্যাম্বার বৈদ্যুতিক হয়ে যাবার ক্ষমতা রাখে। এ্যাম্বারকে শুকনো কাপড় দিয়ে ঘর্ষণ করতে থাকলে তড়িৎ চুম্বক শক্তিতে ছোট কাগজের টুকরা ও খড়ের টুকরোকে আকর্ষণ করে নেয়। এ্যাম্বারের গ্রীক নাম ইলেকট্রন (ELEKTRON), ইলেক্ট্রিসিটি শব্দের উৎস এই শব্দটিই। এ্যাম্বার খনিজ পাথর নয়। জীবন থেকে নেয়- তবে সে জীবন আজকের নয় ঝিনুক বা পলিপস-এর মতো। প্রাচীনকালে পৃথিবীতে এক রকম পাইন বৃক্ষ বা দেবদারু জাতীয় সম্পদ, আজও শহর গ্রামে কদাচিত দু-একটি গাছ দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ একটা রজন জাতীয় দ্রব্য নি:সৃত কষ আঠার মত এই গাছের গা থেকে চুইয়ে চুইয়ে বেরুত। মাটির উপর বিপুল পরিমাণে জমা হয়েছিল এই দ্রব্য এবং ভূত্বক পরিবর্তনের সময়ে, এই দ্রব্য মাটি চাপা পড়ে যায়। হাজার হাজার বছর পরে এই দ্রব্যই জীবাশ্মে পরিণত হয়, অথবা শক্ত হয়ে গিয়ে আজকের এ্যাম্বার হয়ে যায়। আদতে এ্যাম্বার নরম, চটচটে থাকার ফলে অনেক পোকামাকর এর গায়ে আটকে থাকে। হাজার হাজার বছরে কঠিন হতে থাকে দ্রব্য, পোকা মাকড়গুলো সংরক্ষিত থাকে এ্যাম্বার রত্নের মধ্যে। দেখে কিন্তু মনে হয় যে পাইন বা দেবদারু জাতীয় গাছ থেকে মূলত: এ্যাম্বারের সৃষ্টি ঘটেছিল, সে গাছ যে অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে জন্মাতো, এখন তার নাম বাল্টিক সমুদ্র আর উত্তর সমুদ্র। এ অঞ্চল ভূপৃষ্ঠে একটু একটু করে জলের তলায় ডুবে যায়। প্রাচীনকালে প্রবল ঝড়জলে বিক্ষুব্ধ হলেই এ্যাম্বারের টুকরো তীরে এসে পড়ে। একালে-এ্যাম্বার তুলে আনা হয় ধাতু নিস্কাশনের খনি খননের মাধ্যমে। সাধারণত এ্যাম্বার পাওয়া যায় ছোট ছোট টুকরো আকারে। ১৮ পাউন্ড ওজনের বড় ডেলাও পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। প্রাচীন গ্রীক পুরানে উল্লেখ রয়েছে - “তরুণ এক গ্রীক দেবতার ভগিনীদের অশ্রুতে গড়া এ্যাম্বার। সেই তরুন গ্রীক দেবতা চেয়েছিলেন অশ্বারোহনে স্বর্গে যেতে। কিন্তূ দুর্ভাগ্য ঘোড়া নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ হারান। ভাই-এর নির্বোধ ইচ্ছেকে উৎসাহিত করার জন্য বোনদের শাস্তি দিয়ে বৃক্ষে রূপান্তরিত করা হয়। তাদের অশ্রু সূর্যালোকে ঘনীভূত হয়ে এ্যাম্বারে পরিণত হয়েছে।”
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।


তথ্য এবং জ্ঞান
গর্ভাবস্থা
স্বাস্থ্য
সৌন্দর্য
উপকারিতা
বাড়ি » সৌন্দর্য » জহরত » অ্যাম্বারের উপকারিতা কি?
জহরত
অ্যাম্বারের উপকারিতা কি?


অ্যাম্বার
অ্যাম্বারটি একটি বৃক্ষের একটি জীবাশ্ম নামে একটি রজন বা একটি গাছ যা পৃথিবীর নীচে সমাহিত করা হয়েছে এবং রাসায়নিক পদার্থ এবং অনেকগুলি উপাদানের ক্ষতি হয়েছে। অ্যাম্বার বা তথাকথিত অম্বর পাথরের পাথর অনিয়মিত বা বার বা ড্রপের আকারের আকারে হলুদ রঙের হলুদ রঙ হল কমলা এবং বাদামী রঙের এবং সাদা রংমহলের পাশাপাশি একটি বিরল লাল রঙ রয়েছে। বলা হাড় অ্যাম্বার অ্যাম্বার অস্থিরতার কারণ হলো অনেক ছোট বায়ু এবং মিনিটের উপস্থিতি, অ্যাম্বারটি শত শত পোকামাকড় ও উদ্ভিদ জীবাশ্মের উপস্থিতি দ্বারা ভিতরের অক্সিজেনের আকারে এবং তৈলাক্ত অ্যাম্বার রঙ্গিন স্বচ্ছ হিসাবে ব্যবহৃত হয় কাঁচামাল হিসাবে উত্পাদন জন্য জুয়েলারী, অ্যাম্বার এবং সারা পৃথিবীতে, এবং সাধারণত বাল্টিক সাগরের তীরে পাওয়া যায়।

প্রাচীনকালে আম্বার
প্রাচীনকাল থেকেই অ্যাম্বার একটি মূল্যবান পণ্য ছিল। এটি ইংল্যান্ডের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলিতে 11,000 বর্গ পূর্বে পাওয়া যায়। এটা বিশ্বাস করে যে আম্বরের জাদু হিলিং ক্ষমতা ছিল এবং 250 বর্গ থেকে বার্নিশ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। ধূপের গুরুত্ব এবং বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়ীদের মধ্যে অ্যাম্বারের ব্যবসার গুরুত্ব, যেখানে বৈজ্ঞানিকরা অ্যাম্ফিবিয়াসের ভৌগোলিক উৎস নির্ধারণ এবং প্রাচীন শিল্পকর্মগুলিতে ব্যবহৃত অ্যাম্বারের ধরন নির্ধারণের মাধ্যমে প্রথমবারের ট্রেডের পদ্ধতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

600 খ্রিষ্টপূর্বাব্দ আগে, গ্রিক দার্শনিক থালস সিল্কের সাথে অ্যাম্বার ছিটিয়েছিলেন, ধুলো এবং পালকগুলি আকৃষ্ট করেছিলেন। এই স্ট্যাটিক বিদ্যুৎটি অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত অ্যাম্বারের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য বলে মনে করা হয়, যখন ইংরেজ পণ্ডিত উইলিয়াম গিলবার্ট অনেক উপকরণের তাত্পর্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছিলেন যা ইলেক্ট্রিকেশন নামে পরিচিত ছিল এবং গ্রিক ইলেক্ট্রন আপেক্ষিক পরিশ্রমে ছিল। পৃথিবীর পশ্চিমাংশের অর্ধেকের মধ্যে, আজিটেক এবং মায়ান মানুষ অ্যাম্বার খোদাই করে এবং ধূপের মতো পুড়িয়ে ফেলেন, হোপপিয়োলিয়ায় দ্বীপে টাইনের ভারতীয়দের পাশাপাশি ভ্রমণকারী ক্রিস্টোফার কলম্বাসের কাছে অ্যাম্বারকে 171২ সালে টি টেকনিকালের সাথে অ্যাম্বার প্রদান করেন। প্রিসিয়া রাজ্যের ফ্রেডারিকের প্রথম রাজা অ্যাম্বারের তৈরি পেইন্টিংগুলি তৈরি করে এবং উনবিংশ শতাব্দীতে জার্মান বিজ্ঞানীরা যখন তার মধ্যে রয়েছে জীবাশ্মগুলি অধ্যয়ন শুরু করেন তখন এটি একটি নতুন তাত্ত্বিকতা অর্জন করে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরনের অ্যাম্বার
বাল্টিক অ্যাম্বার: এটি বাল্টিক অঞ্চলে নির্মিত একটি অনির্দিষ্ট শূন্যস্থান বা আকৃতির এবং উচ্চমানের গয়না তৈরির পাশাপাশি শৈল্পিক সৃষ্টির জন্য ব্যবহৃত হয়।
রিয়েল অ্যাম্বার: একটি শব্দ যা প্রাকৃতিক বাল্টিক এবং কম্প্যাক্ট অ্যাম্বার অন্তর্ভুক্ত, উভয় কোন additives থাকে এবং অ্যাম্বার শতাংশ 100% হয়।


কম্প্যাক্ট অ্যাম্বার: এটা একটি ছোট ছোট টুকরা এবং ছোট পাথর গঠিত একটি উচ্চ চাপ অধীনে একসঙ্গে গলিত, বাল্টিক থেকে পৃথক করা কঠিন, কিন্তু সাধারণত নিয়মিত।
সুধা: এটি একটি প্লাস্টিকের মধ্যে ছোট আকারের অ্যাম্বার গঠিত পণ্য, এবং প্লাস্টিকের রঙিন হয়।
Cobal: এটি ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রের কাছাকাছি এবং চারপাশের বিভিন্ন গাছের একটি পণ্য একটি ছোট ডরমিটরি। এই ধরনের অ্যাম্বারটি বাল্টিকের তুলনায় বেশিরভাগ পোকামাকড় রয়েছে, যার উচ্চ মূল্য রয়েছে কিন্তু বাল্টিকের থেকে খুব ভিন্ন, কারণ বিভিন্ন ধরনের গাছের উৎপত্তি।
অ্যাম্বার অনুকরণ: এটি একটি অ মূল এবং প্লাস্টিক এবং দাগ কাচ তৈরি অনুকরণ চেম্বার এবং তার আধুনিক রজন গাছ কারণে।
অ্যাম্বার গ্রিন: এই ধরনের অ্যাম্বার মানুষের মধ্যে খুব জনপ্রিয়, এবং তার দাম প্রায়ই তার সবুজ রং গভীরতার উপর ভিত্তি করে। উদাহরণস্বরূপ গাঢ় সবুজ, হলুদ এবং সবুজ মধ্যে অম্বর মূল্য তুলনায় বড়, এবং সবুজ amber প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় নি। আম্বার অ্যাম্বার, প্রাচীনকালে মানুষ মনে করত যে এই রঙের অ্যাম্বার সৌভাগ্য এবং অমরত্ব লাভ করে।
অ্যাম্বার লাল বা চেরি অ্যাম্বার: এটি অ্যাম্বারকে খুব বেশি তাপমাত্রায় প্রকাশের মাধ্যমে উত্পন্ন একটি শুক্রাণু। এর প্রাকৃতিক রং শুধুমাত্র 2-3% এই ধরনের অ্যাম্বারটি শুধুমাত্র ধনী ব্যক্তিদের দ্বারা পরিহিত ছিল এবং এটি খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন ছিল। আজ, এটি সহজে এবং খরচ সঙ্গে উপলব্ধ।


অ্যাম্বার ব্লু: এই ধরনের অ্যাম্বার খুব বিরল, যা এটি খুব ব্যয়বহুল করে তোলে। নীল অ্যাম্বার 0.2%। অ্যাম্বার তার রঙ দ্বারা চিহ্নিত করা হয় সঠিক আলো এবং সঠিক পথে উন্মুক্ত হচ্ছে অন্যথায় এটি দেখতে হবে যদি এটি বাদামী বা হলুদ হয়। ফ্লোরোসেন্ট উপাদান রয়েছে, যা অ্যাম্বার ফ্লোরোসেন্ট আলোকে উন্মুক্ত করে এবং ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের এই প্রকারের উপস্থিতি এবং বাল্টিক অঞ্চলে বিরল, যা খুব উজ্জ্বল নীলতে পরিণত হতে পারে, তবে প্রাচীনকালে লোকেরা এই ধরনের অ্যাম্বারকে নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে বলে বিশ্বাস করে। বায়ু এবং অগ্নি প্রফুল্লতা জল, দেবতাদের graces প্রাপ্ত হিসাবে ভাল।
ব্ল্যাক অ্যাম্বার: প্রাকৃতিক অ্যাম্বার প্রজাতির 15% মাটি, ধ্বংসাবশেষ এবং অন্যান্য অমেধ্যগুলির সাথে রজন গাছ মেশানো দ্বারা উত্পাদিত হয়। যখন কালো অ্যাম্বারটি আলোর বিরুদ্ধে স্থাপিত হয়, এটি একটি অ-কালো রং বলে মনে হবে, যেমন বাদামী বা লাল, তাই কিছু লোক দাবি করে যে কোন কালো অ্যাম্বার নেই।
আম্বর আম্বর: যা সবচেয়ে সাধারণ এবং অন্য ধরনের অ্যাম্বারের অনুপাত 70%, এবং বাল্টিক সাগরে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে, এবং এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এর উচ্চ মানের, এবং এটি মধ্যে গ্যাস বুদবুদ সংখ্যা হলুদ অম্বর রঙ ডিগ্রী নির্ভর করে, এই বুদ্বুদ সংখ্যা আরো amber হলুদ আরো খোলা হয়ে ওঠে।
আম্বারের উপকারিতা
অ্যাম্বারের উপকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়:

এটি শিশুদের মধ্যে teething এর ব্যথা কমাতে এবং teething দ্বারা সৃষ্ট ক্ষয় কমাতে ব্যবহৃত হয়, কারণ অ্যাম্বার শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক উপসর্গ, এবং শিশুদের Amber উপসর্গের জন্য বেনিফিট বেনিফিট জন্য দায়ী এর অ্যাসিড রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই, শিশুদেরকে জার্মানিতে দেওয়া হয়েছিল এবং কিছু অন্যান্য দেশে পরাধীনতার জন্য অ্যাম্বার মাকের জন্য এবং লিথুয়ানিয়াতে দেশে যেমন শিশুদের দাঁত ক্ষয় হতে পারে, তেমনি শিশুদের দাঁতও ক্ষতবিক্ষত হয়। আজ থেকে, অ্যাম্বার তৈরির নেকলেস পিতামাতার মধ্যে জনপ্রিয়, যারা শিশুর দাঁতের জন্য প্রাকৃতিক সমাধান চায়।
পশুপাখি, টিক এবং অন্যান্য প্যারাসাইট পশুটির চুল থেকে পশুর উপর একটি অ্যাম্বার কলার স্থাপন করে সরানো হয়। প্রাণীটির ত্বক অ্যাম্বার তাপমাত্রা উত্তোলন করে। প্যারাসাইট এবং fleas এর গন্ধ খুব অপ্রীতিকর হয়, এ্যাম্বার নেকলেসগুলি পোষ্যদের যেমন কুকি এবং কুকুরের মতো জনপ্রিয়।


রজন তৈরি অ্যাম্বার তেল থেরাপিউটিক বৈশিষ্ট্য আছে যখন ত্বক বা ত্বক সঙ্গে ঘষা। এটি বুড়ো আক্রান্ত, ত্বক পুনর্নবীকরণ, এবং ত্বকের পোড়া ও মশা চিকিত্সা করে।
অ্যাম্বার পাউডার ছোট রক্তনালী এবং থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় কাজ করে এবং চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
বাস্তব এবং জাল অম্বর মধ্যে পার্থক্য কিভাবে?
অনেক পরীক্ষার এবং পদ্ধতি আছে যেটি খুঁজে পাওয়া যায় যদি অ্যাম্বার পাথরটি কেনা হয় তবে তা বাস্তব বা জালের মতো, এবং এটি বাস্তব ও জাল অম্বরের মধ্যে পার্থক্য করার বেশ কিছু সাধারণ উপায়।

ভিজুয়াল পরীক্ষা
বাস্তব আম্বরের জপমালা অনন্য এবং অমেধ্য এবং অপূর্ণতা থাকে, যেমন ছোট ফাটল বা ছোট বায়ু বুদবুদ হিসাবে। উপরন্তু, ময়লা আকার এবং আকৃতি পরিবর্তন এবং সর্বদা বৃত্তাকার নয়, এবং স্পর্শ যখন, এটি একটু উষ্ণ, এবং বিপরীত হয়।

স্যালাটার ওয়াটার টেস্ট
উপকরণ: লবণের 7 টি চামচ, একটি মাঝারি আকারের কাপ জল।
পদ্ধতি: লবণ সম্পূর্ণরূপে জল সঙ্গে dissolves পর্যন্ত, তারপর সমাধান এ amber পাথর যোগ করুন, সত্য পাথর জল পৃষ্ঠতে ভাসা হবে, এবং জাল বীর্য জলের মধ্যে ডুবা হবে, এটি উল্লেখযোগ্য যে অম্বর জপমালা জন্য এই পরীক্ষা আরো কার্যকর, অ্যাম্বার ছাড়া অন্য ধাতুগুলিতে
গরম সুই পরীক্ষা
উপকরণ: সুই.
পদ্ধতি: সুচ গরম এবং অম্বর পাথর মধ্যে ঢোকানো হয়। সুচ আংশিকভাবে ঢোকানো হয় এবং চিহ্ন পিছনে বামে হয়, পাথর একটি বাস্তব পাথর হয়ে ওঠে। যদি সুচ সহজেই সন্নিবেশিত হয় এবং পাথরের মতো প্লাস্টিক বা পাইনের মত গন্ধ তৈরি করে, তবে পাথরটি জালের মতো। তার তাপ দ্বারা সৃষ্ট ট্রেস এবং ছোট চিহ্ন
স্ক্র্যাচ টেস্ট
এই পরীক্ষা সস্তা amber পাথর জন্য সুপারিশ করা হয়, কারণ scratching পাথর বা জপমালা ক্ষতি করতে পারে। এই পরীক্ষা খুবই সহজ। মোড় কোন ধাতু সঙ্গে সহজে খাড়া করা যাবে যদি, অম্বর বাস্তব। জপমালা যদি খাড়া না হতে পারে তবে এটি জালিয়াতি।

দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200409203321

Wednesday, April 8th, 2020

Astro Research Centre

ব্রহ্মমণি

উপরত্ন এর মধ্যে সবচেয়ে দূর্লভ শ্রেণীর হলো ব্রহ্মমণি ৷ এই মণির একাংশ সবুজ এবং অপরাংশ গোলাপী কিংবা রক্তবর্ণ। হিন্দুরা একে পদ্মযোনি
ব্রহ্মার প্রতীক হিসাবে পূজা করেন৷
এই উপরত্বটি সিংহল, ব্রহ্মাদেশ,চীন, আমেরিকা, সাইবেরিয়া, ব্লাজিল,অক্টেলিয়া, মাডাগাস্কার প্রভৃতি দেশে পাওয়া যায় | এর মধ্যে কৃষ্ণবর্ণযুক্ত গঙ্ধর্বমণি ব্রহ্মদেশেই পাওয়া যায়। এই কৃষ্ণবর্ণের গন্ধর্বমণি খুব উজ্জল হয় না৷ ভারতের সিংভুম জেলায় অভ্রের খনিতে গ্রানাইট পাথরের মধ্যে গন্ধর্বমনি পাওয়া যায় |
*বর্ণ অনুযায়ী পাশ্চাত্য নাম*
এই গন্ধর্বমণির বর্ণভেদে পাশ্চাত্য দেশে বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয় । যেমন-- (ক) নীলবর্ণের গন্ধর্বমণির নাম ব্রেজিলীয় নীলা বা ইণ্ডিকোলাইট ৷
(খ) সবুজ বর্ণের গন্ধর্বমনির নাম ব্রেজিল পান্না বা ব্রেজিল এমারালড ৷
(গ) গোলাপী ও রক্তবর্ণের গন্ধর্বমণির নাম রুবেলাইট বা ব্রেজিল চুনি ৷
(ঘ) বেগুনী আভাযুক্ত লালবর্ণের গন্ধর্বমণির নাম সাইবেরাইট ৷
(ঙ)হলদে বা ফিকে সবুজ বর্ণের গন্ধর্বমণির নাম সিংহলীয় পিণ্ড বা সিলােনিজ পেরিডট ।
(চ) কালোবর্ণের গন্ধর্বমণির নাম স্করল৷
এই নামানুসারে উক্ত মণিগুলির উৎপত্তি স্থানের কথাও জানা যায়।
এই মণি অত্যন্ত তাপ সহ্য করতে পারে৷ কালো রঙের ও গাঢ় সবুজ রঙের গঙ্ধর্বমণিগুলিকে উচ্চমাত্রায় তাপ প্রয়োগে শ্বেতবৰ্ণ করা হয় ।
গঙ্ধর্বমণি উপাদানের কোনও স্থিরতা না থাকায় এর আপেক্ষিক গুরুত্বের - তারতম্য ঘটায় | বিভিন্ন বর্ণের গঙ্ধর্বমণিতে বিভিন্ন প্রকারের উপাদান থাকে | সাধারণ ধাতু হিসাবে পটাসিয়াম, সোডিয়াম, ও লিথিয়াম ক্ষারজ ধাতুর সঙ্গে প্রধান ধাতু - হিসাবে ম্যাগনেসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ও লোহার সঙ্গে সোহাগা (BORAX) এবং বালির সংমিশ্রণে গন্ধর্বমণি জন্মে |
রত্নবিশেষজ্ঞগণ উপাদান হিসাবে গন্ধর্বমণিকে তিন ভাগে বিভক্ত করে।
ক) ক্ষারপ্রধান গন্ধর্বমনি---এর বর্ণ সাধারনত লাল গোলাপি ও সবুজ বর্ণের হয়।
খ) লৌহ প্রধান ----এটি সাধারনত নীল ও কালো রঙের হয়ে থাকে।


রক্ত স্বল্পতা দূর করে, রক্ত বাহিত রোগ নিরাময় করে এবং রক্ত ক্ষরণ রোধ করে।
হৃদরোগে উপকার করে।
“আমরা রুবি পাথরের উপকারে কথা হিসাব করি তাহলে সকল রত্ন পাথর থেকে এর উপকার বেশি হবে।
স্বামী-স্ত্রী এর মধ্যে একান্ত আনন্দের সময় দীর্ঘ করে।
পুরনো জ্বর ভালো করে এবং দুঃস্বপ্ন দূর করে।
আশেপাশের মানুষের মধ্যে সম্মান এবং প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করে এবং সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
“ বিরোধ ও যুদ্ধের সময় নিরাপত্তার জন্য যোদ্ধারা রুবি পাথর ব্যবহার করত। এমনকি আরব যোদ্ধারাও রুবি এমন ভাবে রুবি পাথর ব্যবহার করত যাতে তা শরীর স্পর্শ করে শক্তি ও সম্মান বৃদ্ধি করে।
পাথর কামসক্তি উদ্দিপ্ত ও দীর্ঘাইত করে।
এটা ব্যবহারে আকর্ষণ করার ক্ষমতা বারে এবং প্রেম ও বন্ধুত্ব বজায় রাখে।
ব্যবহারকারী বিপদের জন্য সতর্ক থাকে।
সাস্থ ও সুখ বজায় রাখে।
শিশুদের গলায় রুবি পাথর পরিয়ে দিলে রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং মেয়েদের কোমরে ব্যবহার করলে দুর্ঘটনা জনিত গর্ভপাতে বাধা দেয়।
উল্লেখিত সকল প্রকার উপকার নির্ভর করে মহান আল্লাহর ইচ্ছার উপর। রত্নপাথর ব্যবহার করা উপকারী। এখানে কোথাও উল্লেখ নেই যে রত্নপাথর ভাগ্য বদলে দেয়।


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000 /5000

প্রাপ্তিস্হান সিংহল

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger অনামিকা
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


জগন্নাথের ভাণ্ডার

‘রথে চ বামনং দৃষ্ট, পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে’। অর্থাৎ, রথের রশি একবার ছুঁতে পারলেই কেল্লা ফতে, পুনর্জন্ম থেকে মুক্তি। আসলে সর্বধর্মের সমন্বয়ে বিবিধের মাঝে মিলন মহানের এক মূর্ত প্রতিচ্ছবি এই রথযাত্রা। এভাবেই কোটি কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে নিজস্ব মেজাজে স্বকীয় জগন্নাথদেবের রথযাত্রা। ভাণ্ডারে ব্রহ্মমানির কথা বলা আছে

জগন্নাথের বিষয় আশয়...

বিষয় আশয় থেকে রোজগার কমে যাওয়ায় নীলাচলপতির বিলাস বসনে কিঞ্চিৎ ভাটা পড়েছে। বারো মাসে তেরো পার্বণে তাঁর জমকালো নানাবিধ পোশাকের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের খরচ জোগানোও মুশকিল হয়ে পড়ছে। অনেক ‘বেশ’ কালক্রমে অপ্রচলিত হয়ে পড়ছে। হাতি-ঘোড়া-আসবাব-তৈজসপত্র বাদ দিয়েও প্রভু শ্রীজগন্নাথের রয়েছে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির বিশাল এক মালিকানা। ‘মাদলাপাঁজি’র বর্ণনায় ওড়িশার রাজা অনঙ্গভীমদেব একাই আড়াই লক্ষ সোনার মোহর দান করেছিলেন। সূর্যবংশীয় রাজারাও তাদের আরাধ্য দেবতাকে দানধ্যান করেছিলেন প্রচুর। তবে মুসলিম শাসকরা বারেবারে শ্রীজগন্নাথের রত্নভাণ্ডার লুট করেছে। ১৫৬৮ খ্রিস্টাব্দে ‘কালাপাহাড়’ শ্রীমন্দিরকে ধ্বংস করে, লুট করে রত্নভাণ্ডারের যাবতীয় ধনসম্পত্তি। রাজা পুরুষোত্তম দেবের রাজত্বকালে ‘কেসোদাস মারু’ নামে এক মুঘল সুবেদার লুটপাট চালায় মন্দিরে। যদিও উপহার হিসেবে প্রাপ্ত, ১৪৬৬ খ্রিস্টাব্দের বিভিন্ন অলঙ্কার বর্তমানেও ব্যবহৃত হচ্ছে। সোনা-হীরে-জহরত-নীলকান্তমণি-প্রবাল-মুক্তো ছাড়াও রয়েছে রুপোর নানা দুর্মূল্য অলঙ্কার ও তেজস। ‘রেকর্ড অব রাইটস’-এর চতুর্থ ভাগে দেখা যাচ্ছে রত্নভাণ্ডারের ‘বাহার ভাণ্ডারে’ তিনটে সোনার নেকলেস বা ‘হরিদা খাণ্ডি মালি’ রয়েছে, যার প্রতিটির ওজন ১২০ তোলা বা ১৩৯৯.৬৫৬ ভরির বেশি। জগন্নাথ-বলভদ্রের সোনার শ্রীভুজ আর শ্রীপায়েরার ওজন ৮১৮ (৯৫৪০ ভরি) এবং ৭১০ (৮২৮১ ভরি) তোলা। শ্রী জগন্নাথ, শ্রীবলভদ্র ও সুভদ্রার সোনার মুকুটের ওজন যথাক্রমে ৭১১৪ ভরি, ৫০৬২ ভরি ও ৩২০৭ ভরি। রয়েছে সোনার জপমালা, স্বর্ণপত্র, সোনার ফুলদানি, সোনার কৌটো, সোনার বাটি, সোনার ছাতা, উষ্ণীষ, সোনার গ্লাস, স্বর্ণকলস, সোনার রণভেড়ি, সোনার ছোরার হাতল, স্বর্ণঝাড়ি, সোনার জগ, প্লেট, বাতিদান, সোনার পিকদান-টায়রা-ছোট সোনার ছাতা। রয়েছে রুপোর কলসি-পদ্মফুল-শঙ্খ-তালাচাবি-লাঠি, সাতটা বাতির ঝাড়লণ্ঠন, শাবল, ছোট তরোয়াল, রুপোর গাছে ফুলের মতো ফুটে থাকা শাঁখের গুচ্ছ, সানাই, বাঁশি, চক্র, ঢাল, কোমরবন্ধ প্রভৃতি। রত্নভাণ্ডারের ‘বাহার’ বা ‘বাইরের ভাণ্ডার’ তিনটে তালাচাবি ও ‘ভিতর ভাণ্ডার’ দু’টো তালাচাবিতে সুরক্ষিত। একটি চাবি রাজার কাছে থাকে, অন্য দুটি যথাক্রমে ‘ভাণ্ডার মেকাপ’ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকে। রত্নভাণ্ডারের রত্নসামগ্রীকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। ভিতর ভাণ্ডারের (১ নং বিভাগ) রত্ন কখনও ব্যবহার করা হয় না। দ্বিতীয় ভাগের রত্নরাজিকে বিভিন্ন উৎসবে, পার্বণে ব্যবহার করা হয় আর সর্বশেষ ভাগের (৩নং বিভাগ) রত্ন-অলঙ্কার নিত্যদিনের সেবাকাজে ব্যবহৃত হয়। ১৯৭৬—৭৮ সালব্যাপী সরকারি তত্ত্বাবধানে রত্নভাণ্ডারের চুলচেরা হিসেবনিকাশ পর্ব চলে। তারপরে প্রস্তুত করা হয় এক সুবিস্তৃত তালিকা। সেই তালিকা অনুযায়ী ১ নং বিভাগে রয়েছে ৩৬৭ ধরনের সোনার অলঙ্কার/সামগ্রী যা কখনও ব্যবহার করা হয় না। তার ওজন ৪৩৬৪ ভরি। ২ নং বিভাগের ৭৯ ধরনের সোনার গহনা বিভিন্ন পার্বণে ব্যবহৃত হয়, তার ওজন ৮১৭৫ ভরি। আর শেষ বিভাগে ৮ ধরনের নিত্যব্যবহার্য গয়নার ওজন ২৯৯ ভরি। সবমিলিয়ে ৪৫৪ ধরনের সোনার গহনা বা সোনার সামগ্রীর ওজন ১২ হাজার ৮৩৮ ভরি। তেমনই ২৯৩ ধরনের রুপোর গহনা বা অন্যান্য বস্তুর ওজন ২২ হাজার ১৫৩ ভরি। ওড়িশার রাজ্যপালের অনুরোধে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল ৪ জন বিখ্যাত স্বর্ণকারকে ওড়িশায় পাঠান। তাঁরাই রত্নরাজির সঠিক মূল্য নির্ধারণ করেন। এছাড়াও শ্রীজগন্নাথদেবের রয়েছে প্রচুর ভূসম্পত্তি। প্রায় নিখরচায় বছরের পর বছর সেখানে বসবাস বা চাষবাস করছেন বহু-মানুষ। ১৯৭৮ সালের জুলাই মাসের হিসেব অনুযায়ী ‘সর্বরাকর’, ‘একহাজারত মহল’ ও ‘সাইতিশহাজারি মহলে’ রাজস্ব বকেয়া ৩০ লাখ টাকার বেশি। মন্দির কর্তৃপক্ষের বয়ানে মামলা চালানোর মতো অর্থনৈতিক সঙ্গতি শ্রীজগন্নাথদেবের নেই। সুতরাং গগনচুম্বী বকেয়া অনাদায়ীই থেকে যাচ্ছে। তাই সরকার এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে ভাবনাচিন্তা চলছে শ্রীজগন্নাথদেবের কিছু অলঙ্কার বন্ধক রেখে যদি মোটা অঙ্কের সুদ মেলে, তাহলে সংসারের হালও ফেরে আর মামলা মোকদ্দমার খরচটাও উঠে আসে।

ইতিহাসের আলপথ বেয়ে...
সত্যযুগে রথযাত্রার অবতারণা ভক্ত প্রহ্লাদের হাত ধরে। ভবগান বিষ্ণুকে রথে উপবেশন করিয়ে তা নিজে টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন ভক্ত প্রহ্লাদ। তাঁর হৃদয়-রথে তখন অধিষ্ঠিত স্বয়ং তাঁর ভগবান। বর্তমান যুগের রথযাত্রায় আপামর বিশ্ববাসীর ভগবান জগন্নাথদেব। শ্রীমন্দির থেকে ভাই-বোনকে নিয়ে গুণ্ডিচা মন্দিরে তাঁর আগমনই সাড়ম্বরে পালিত হয় পুরীতে। উৎকলভূমি পেরিয়ে সেই রথযাত্রার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে।
পুরাকালে অবশ্য মোট ছ’টি রথের প্রয়োজন পড়ত। বড়দাণ্ড বা শ্রীমন্দির থেকে গুণ্ডিচা বাড়িতে যেতে সারদা নদী পেরোতে হতো। বর্তমানের বলগন্ডীতে বয়ে যেত সারদা নদী। আদরের মাসি দেবী অর্ধাশনির অবস্থান সেখানেই। রথ নদী পেরোতে পারবে না বলে নদীর অপর পাড়ে রাখা থাকত আরও তিনটি রথ। অর্ধাশনির মন্দিরে চালের পিঠের ভোগ জগন্নাথের খুব প্রিয়। ভোগ খেয়ে মাসির আদর যত্নে কিছুদিন কাটিয়ে আবার সারদা নদীর অপর পাড়ে যাত্রা।
গোটা যাত্রাপথে সপার্ষদ নৃত্যরত চৈতন্য মহাপ্রভু দিনের বেলায় রথের সঙ্গেই থাকতেন। সন্ধ্যা ঘনালে বিশ্রাম নিতেন ‘জগন্নাথবল্লভ উদ্যানে’। মহাপ্রভুর সঙ্গে প্রভু নিত্যানন্দ, নরহরি সরকার, বক্রেশ্বর পণ্ডিত এমনকী শ্রী-অদ্বৈতও উন্মত্তের মতো নেচে চলতেন। ভাবাবেগে বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত সকলের। মহাপ্রভুর দু’চোখ বেয়ে অবিরাম গড়িয়ে পড়ছে অশ্রুধারা। তিনি একবার সামনে একবার পিছনে, এভাবেই সকলকে সঙ্গত করছেন। রথের সামনে করজোড়ে দাঁড়িয়ে শ্রীচৈতন্য, মেঘশ্যামল-দেবকীনন্দনের উদ্দেশ্যে গাইছেন, ‘নাহর বিপ্রো ন চ নরপতির্নাপি বৈশ্য ন শূদ্র....।’ রাজা প্রতাপরুদ্রের চোখের সামনে ঘটে চলেছে মহাজাগতিক দৈবলীলা। শ্রীজগন্নাথ তন্ময় হয়ে মহাপ্রভুর শ্লোক শুনছেন। শুনতে শুনতে বিগলিত তিনি। আরাধ্য আর আরাধ্যা কখন যেন মিলেমিশে এক হয়ে গেলেন। বিষয়ী প্রতাপরুদ্র দেখছেন রথের উপরে আসীন যিনি, রথের সামনেও সেই তিনি। এই মহাভাব প্রত্যক্ষ করে স্বরূপ গেয়ে উঠলেন সেই বিখ্যাত গান, ‘সেই তো প্রাণনাথ পাইলুঁ/ যাহা লাগি মদনদহনে ঝুরি গেলুঁ’। মহাপ্রভু তাঁর গলার গোড়ের মালাটি ছুঁড়ে দিলেন জগন্নাথের দিকে। জগন্নাথের কণ্ঠবেষ্টিত সেই মালা আবার ফিরে এল মহাপ্রভুর কাছে। একের পর এক মালা মহাপ্রভু নিচ্ছেন, তদগতচিত্তে তা ছুঁড়ে দিচ্ছেন ভক্তদের উদ্দেশ্যে। কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন এঁকে রথ চলেছে নিকুঞ্জে। ভাবলীলার আবেশে থেমে যায় পরমভক্ত নরপতি প্রতাপরুদ্রের হাতের সোনার ঝাড়ু। সম্বিত ফিরলে ফের তিনি চন্দনের জলে ধুইয়ে দিতে শুরু করেন ধূলিমলিন রথের রাস্তা। রাধাস্বরূপে গৌড়ীয় বৈষ্ণবরা রথের ‘দক্ষিণামুখী’ প্রত্যাগমন অর্থাৎ গুণ্ডিচা থেকে শ্রীমন্দিরে আগমনকেই প্রাধান্য দেন বেশি।
প্রতাপরুদ্রের রাজত্বের শেষদিকে রথ বিধিমাফিক পথে নামল। ডাহুক আর কলাবৈঠিয়ারা রথ টানতে উদ্যোগী হল। কিন্তু রথের চাকা নড়ে না। এল হস্তীযূথ। তাদের প্রবল পরাক্রমেও রথ নট নড়নচড়ন। আশঙ্কিত রাজা ভাবলেন নিশ্চয়ই নিয়ম পালনে নিষ্ঠার অভাব হয়েছে। কুপিত ও রুষ্ট হয়েছেন প্রভু। দৌড়ে গেলেন মহাপ্রভুর কাছে। রাজার মিনতিতে ধীরেসুস্থে মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য এলেন রথের কাছে। প্রথমেই হস্তি-ডাহুক-কলাবৈঠিয়া থেকে মুক্ত করলেন রথকে। তারপর রথের রজ্জু ভক্তদের হাতে তুলে দিয়ে পরম মমতায় স্পর্শ করলেন রথ। গড়গড়িয়ে এগিয়ে চলল রথ। রজ্জুর টানে নয়, ভক্তিসুধারসের প্রাবল্যে রথ যেন উড়ে চলল। রাজা প্রতাপরুদ্র মহাপ্রভুর পায়ে লুটিয়ে পড়েছেন, চোখের জলে ধুয়ে গেল দুই কোমল শ্রীচরণ। পার্থিব জগতের মায়া কাটিয়ে মহাপ্রভু যখন বিষ্ণুলোকে, প্রতাপরুদ্রের মনে হচ্ছে এই বিশ্বসংসার ফাঁকা, অর্থহীন এক প্রলাপ। সর্বহারা প্রতাপরুদ্রের অবস্থা বোধহয় সম্যক উপলব্ধি করেছিলেন রবি-বাউল। তাই তিনি গাইলেন ‘সে যে মনের মানুষ/ কেন তারে বসিয়ে রাখিস নয়নদ্বারে?/ ডাক না রে তোর বুকের ভিতর,/ নয়ন ভাসুক নয়নধারে’।
রথের পনেরো দিন আগে অনরবাহ প্রথায় ‘স্নানযাত্রা’ সমাপ্ত হয়। ১০৮ ঘড়া বদ্ধ কুয়োর জলে অবগাহনের ফলে জগন্নাথদেবের জ্বর হয়। ‘চাহনি মণ্ডপ’ থেকে গোটা স্নানযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন শ্রীলক্ষ্মী। অন্ত্যজ দয়িতাপতিরা মা লক্ষ্মীর সঙ্গে যৌথভাবে সেবা-শুশ্রূষায় সারিয়ে তোলেন জগন্নাথকে। শ্রীঅঙ্গ নতুন করে চন্দন চর্চিত হয়। এই ১৫ দিন জগতপতি থাকেন অন্তরালে।
স্নানযাত্রার সময় শ্রীজগন্নাথ ‘গণেশ বেশ’ ধারণ করেন। গণপতি বেশেরও রয়েছে ঐতিহাসিক তাৎপর্য। কর্কট দেশের ‘কানিয়ারি’ গ্রামে বাস করতেন সাত্ত্বিক ব্রাহ্মণ গণপতি ভট্ট। ‘ব্রহ্মপুরাণ’-এর একটি শ্লোকে তিনি দেখলেন, স্বয়ং বিষ্ণু স্থূল শরীরে নীলাচলে বিরাজমান। তাঁর দর্শনেই জন্মমৃত্যুর অমোঘ কালচক্র থেকে জীবকুলের মুক্তি। যাত্রা শুরু হল নীলাচল অর্থাৎ পুরী অভিমুখে। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে গণপতি পৌঁছলেন পুরীর সিংহদ্বার ‘আঠারো নালায়’। প্রতি বছর বন্যায় উৎকলে প্রচুর ফসল নষ্ট হতো। তাই প্রজাদের দুর্গতির দিকে তাকিয়ে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন ‘মুটিয়া’ নদীর উপর আঠারোটি নালার সমাহারে এক সেতুবন্ধন করলেন। আঠারো নালার স্থাপত্য আজও বিস্ময়। কথিত আছে, আঠারো নালাতে উপস্থিত হয়েই নাকি শ্রীজগন্নাথ দর্শনের আনন্দে মহাপ্রভু মহাভাবে নিমজ্জিত হন। যাই হোক, গণপতির সামনে দিয়ে কয়েকজন লোক তখন নীলাচলনাথের দর্শন সেরে হাসিঠাট্টায় মশগুল হয়ে আঠারো নালা পেরচ্ছিল। গণপতি ভাবলেন, এরা তাহলে মুক্তিলাভে অসমর্থ। কারণ, ব্রহ্মস্বরূপে পরমাত্মার সঙ্গে মিলনে তো নশ্বর দেহ থাকারই কথা নয়। দ্বিধাগ্রস্ত ব্রাহ্মণ! তবে ব্রহ্মপুরাণ কি ভুল? গণপতির সংশয়ের অবসানে সৌম্য বৃদ্ধের বেশে হাজির হলেন স্বয়ং মদনমোহন। গণপতির সংশয় নিরসন করলেন। পরমব্রহ্ম সত্যিই নীলাচলে উপস্থিত, কিন্তু তিনি যে বাঞ্ছাকল্পতরু। যে ভক্ত তাঁর কাছে যা চায় তিনি সেভাবেই তার বাসনার নিবৃত্তি ঘটান। যে পথিকদল হাসতে হাসতে সংসারে ফিরে গেল, তারা তো সংসারে ফিরতেই উন্মুখ। আর যে মুক্তি চায় মুরলীধর তাকে মুক্তি দেন। গণপতি বৃদ্ধের কথা শুনে উপস্থিত হলেন শ্রীমন্দিরে। সেদিন ছিল স্নানযাত্রা। গণপতি ভট্টের দৃষ্টি চুম্বকের মতো স্থির শ্রীবিগ্রহের বিশাল নির্লিপ্ত দুই নয়নে। পরমব্রহ্মের এরকম মানুষী চোখ কেন? এ দারুমূর্তি কখনওই সচ্চিদানন্দ নন! তার এত পথ আসাটাই বৃথা। মনোবাসনা পূর্ণ না হওয়ায় গণপতি ভট্ট আবার ফিরে যেতে উদ্যত! ভক্ত আহতচিত্তে ফিরে যাচ্ছে দেখে জগন্নাথের হৃদয় আলোড়িত হল! জগমোহনে গতকালের প্রবল খাটাখাটনিতে সেবক বিষ্ণুশর্মা মুদিরথ পান্ডা তখন তন্দ্রাচ্ছন্ন। প্রভুর স্বপ্নাদেশে ঘুম ভেঙে তড়িঘড়ি মূল ফটকের দিকে ছুটে ধরে আনলেন গণপতি ভট্টকে। স্তম্ভিত গণপতি অতিপ্রাকৃতের আশায় আবারও চললেন বিগ্রহ সমীপে। কিন্তু তাঁর আরাধ্যকে তো সেই ঠুঁটো বিগ্রহ-মূর্তিতে কোথাও খুঁজে পাচ্ছেন না! হঠাৎ কে যেন কানে কানে গণপতি ভট্টকে বলল, ‘মনকে স্থির সংযমী করে অবলোকন কর দারুমূর্তিকে।’ দু’বার চোখ কচলে গণপতি ভট্ট দেখলেন শুঁড়দোলানো একদন্ত গণেশ তাঁর দিকে চেয়ে ফিকফিক করে হাসছে। স্বয়ং শ্রীহরি হাত বাড়িয়ে গণপতিকে ডাকছেন, ‘এসো, আমার কাছে এসো, পরমভক্ত আমার, আমার হৃদয়ে লীন হয়ে যাও’। গণপতি তখন প্রাণের ঠাকুর শ্রীজগন্নাথকে অনুরোধ করলেন, ‘করুণাসাগর, তুমি যদি ভক্তবাঞ্ছায় কল্পতরু হও, তাহলে তোমার এই অধম ভক্তের ইচ্ছাপূরণে প্রত্যেক স্নানযাত্রায় গণপতি বেশ ধারণ করবে!’ তারপর সমবেত জনতা চোখের সামনে দেখল গণপতি ভট্টের দেহ থেকে এক আঙুল সমান দিব্য জ্যোতির্ময় এক পুরুষ পরমাত্মার শরীরে লীন হয়ে গেল! গণপতির নিথর শরীর ভূপতিত পাথরের পাষাণ মেঝেতে। সেই থেকে স্নানযাত্রার দিন, ‘গণেশ বেশে’ সাজিয়ে তোলা হয় জগন্নাথদেবকে। স্মরণ করা হয় পরম ভক্ত গণপতি ভট্টকে।
বৌদ্ধধর্মের আচার বিচারের কিছু ছাপ বিদ্যমান জগন্নাথ তর্পণে। শ্রীমূর্তির শরীরে ব্রহ্মমণি বা শ্রীকৃষ্ণের অস্থির সংস্থাপন হয় নবকলেবরে। হিন্দুধর্মে মৃতদেহের দাঁত-নখ-অস্থি-চুল অপবিত্র, তার সংরক্ষণ শাস্ত্রসম্মত নয়। কিন্তু বৌদ্ধরা মৃতদেহের দাঁত-নখ-চুল সংরক্ষণ করে তার উপর স্তূপ নির্মাণ করেন। শ্রীকৃষ্ণের অস্থি সংরক্ষণ, নবকলেবরে তা পুনঃস্থাপন স্পষ্টতই বৌদ্ধপ্রভাব। বহুকাল পরে দাক্ষিণাত্যের সুদূর কেরলের পাণ্ড্যপ্রদেশে থেকে পাণ্ডাবিজয় নামে এক পরাক্রমী রাজা উৎকলরাজ্যে আসেন। সঙ্গে ছিলেন বিষ্ণু অন্তপ্রাণ মন্ত্রী দেবেশ্বর। রাজা-মন্ত্রী সদলে উদ্ধার করেন দারুমূর্তিকে। গুণ্ডিচামন্দিরের মহাবেদিপিঠ, যেখানে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন সহস্র অশ্বমেধযজ্ঞ সমাধা করেন, সেখানে তিনটি দারুমূর্তির অভিষেক পর্ব সম্পন্ন করান তিনি। পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন ত্রিমূর্তিকে। রথযাত্রার সময় ত্রিমূর্তির শ্রীমন্দির থেকে গুণ্ডিচামন্দিরে আগমন ঘটে। তাই রথযাত্রা ‘পাণ্ড্যবিজয়’ বা ‘পহণ্ডিবিজয়’ নামেও পরিচিত।

রত্নভাণ্ডারের অদ্যাবধি অপ্রকাশিত, যাবতীয় গোপন সরকারি তথ্য, পুরীর শ্রীজগন্নাথ মন্দিরের ভূতপূর্ব প্রশাসক ও বর্তমান লিয়াঁজ অফিসার ডঃ ভাস্কর মিশ্রের সৌজন্যে প্রাপ্ত।



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200408133924

Tuesday, April 7th, 2020

Astro Research Centre

ইয়াকুত Gemstone

Gemstone - রত্নপাথর পরিচিতি, রত্নপাথরের রকমারি

১। প্রবাল (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ প্রবাল
ইংরেজীঃ Coral (কোরাল)
ফার্সী ও আরবীঃ মারজান
ভারত ও নেপালঃ পলা বা মুঙ্গা
২। রুবী (প্রচলিত নাম): একে সূর্যকান্তমণি ও বলা হয়।
বাংলাঃ চুনী বা পদ্মরাগমণি
সংস্কৃতঃ পদ্মরাগ
ফারসি ও আরবীঃ ইয়াকুত
ইংরেজীঃ Ruby (রুবী)
ভারত ও নেপালঃ মানিক।
৩। পান্না (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ পান্না
ইংরেজীঃ Emerald (এমারেল্ড)
ফার্সী ও আরবীঃ জমরুদ
ভারত ও নেপালঃ পান্না
৪। পোখরাজ (প্রচলিত নাম): এই পাথরকে পুস্পরাগণিও বলা হয়।
বাংলাঃ পোখরাজ
ইংরেজীঃ Yellow Sapphire (ইয়েলো সাফায়ার)
ফার্সী ও আরবীঃ আল ইয়াকুতুল আস্ফার
ভারত ও নেপালঃ পীলা নীলাম
৫। গোমেদ (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ গোমেদ
ইংরেজীঃ Hessonite Garnet (হেসোনাইট গার্নেট)
ফার্সী ও আরবীঃ আলআকিক
ভারত ও নেপালঃ গোমেদ
৬। ইন্দ্রনীলা (প্রচলিত নাম): ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত।
বাংলাঃ ইন্দ্রনীলা
ইংরেজীঃ Blue Sapphire (ব্লু সাফায়ার)
ফার্সী ও আরবীঃ আল ইয়াকুতুল আযরাক
ভারত ও নেপালঃ নীলাম
৭। মুক্তা (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ মুক্তা
ইংরেজীঃ Pearl (পার্ল)
ফার্সী ও আরবীঃ লু’লু
ভারত ও নেপালঃ ্মতি
৮। পদ্মনীলা (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ পদ্মনীলা বা রাজভক্তনীলা
ইংরেজীঃ Pearl (এমেথিষ্ট)
ফার্সী ও আরবীঃ –
ভারত ও নেপালঃ জামুনিয়া
৯। ক্যাট’স-আই (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ বৈদুর্য্যমণি
ইংরেজীঃ Cats Eye (ক্যাট’স আই)
ফার্সী ও আরবীঃ
ভারত ও নেপালঃ লহসনিয়া
১০। মুনস্টোন (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ চন্দ্রকান্তমণি
ইংরেজীঃMoon Stone (মুনস্টোন)
ফার্সী ও আরবীঃ –
ভারত ও নেপালঃ চন্দ্রকান্তমণি
১১। ফিরোজা (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ ফিরোজা
ইংরেজীঃ urquoise (টারকুইজ)
ফার্সী ও আরবীঃ ফাইরুজ
ভারত ও নেপালঃ ফিরোজা
১২। আকীক (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ আকীক
ইংরেজীঃ Agate (এগেট)
ফার্সী ও আরবীঃ আকীক
ভারত ও নেপালঃ আকীক



ধর্মের দৃষ্টিতে রত্ন পাথর ও তার ব্যবহার
রত্ন-পাথরের ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে যা উল্লেখ আছে তা পরোক্ষভাবে আমাদের নিকট এর মাহাত্মা মূর্ত করে তোলে। তাই একটি কুরানিক ব্যাখ্যার উল্লেখ এখন- প্রয়োজন। সূরা আর রহমান এর ১৯ ও ২২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-“তিনি প্রবাহিত করেন দুই দরিয়া (সমুদ্র) যারা পরস্পর মিলিত হয় ——উভয় দরিয়া (সমুদ্র) হতে উৎপন্ন হয় মুক্তা ও প্রবাল। তোমরা আমার কোন দানকে অস্বীকার করবে” এরপর কুরআনের অন্যত্র বর্ণিত রয়েছে যে, পৃথিবীতে আল্লাহ্তালা যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তা যে কোন ভাবেই হোক মানুষের কল্যাণে আসে। মহান আল্লাহ প্রদত্ত রত্ন-পাথর যেমন-জমরুদ, ইয়াকুত, মুক্তা, হীরা, প্রবাল, পোখরাজ ইত্যাদি আল্লাহ্র দান এগুলোকে কি আমরা প্রত্যাখ্যান করতে পারি? ইসলামে রত্ন-পাথরের ব্যবহার কতটুকু গ্রহণীয় তার প্রমাণ পাই নবী, রসুল এবং বিশিষ্ট সংস্কারক ও পন্ডিত ব্যক্তিবর্গের রত্ন-পাথর ব্যবহারের দ্বারা। যেমন- হজরত আলী (রাঃ) অন্যান্য রত্নের সাথে ইয়াকুত (Ruby) ব্যবহার করতেন। হজরত আলী (রাঃ) এর মতে যে ইয়াকুত ছিল তার উপর বিশেষ আয়াত লেখা ছিল। ‘মাকারিমূল আখলাক’ এর মধ্যে উল্লেখ আছে যে, হজরত ইমাম মূসা কাজিম (আঃ) এর হাতে যে ফিরোজা (Turquise) রত্ন ছিল তার উপর “আল্লাহ-মালিক” লেখা ছিল। আরও জানা যায় হজরত আলী (রাঃ) এবং হজরত ওমর (রাঃ) যখন যুদ্ধে যেতেন তখন এই ফিরোজা রত্ন হাতের বাজুতে অথবা গলায় পরিধান করতেন। কারণ ইহা বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে সক্ষম বলে কথিত আছে। রত্ন-পাথর শুধু যমীন বা পৃথিবীর ভূভাগেই নয়, আকাশমন্ডলী এবং বেহেশ্তেও রয়েছে। হযরত কা’ব আহ্বার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, আল্লাহতা’আলা বেহেশতে ইয়াকুত রত্নের মহল তৈরী করেছেন, প্রত্যেক মহলে সত্তর হাজার কামরা। ইমাম গায্যালী (রহঃ) এর মুকাশাফাতুল কুলূব গ্রন্থে জানা যায়, কথিত আছে- ষষ্ঠ আসমান জওহর তথা মহামূল্য পাথর দ্বারা গঠিত। সপ্তম আকাশ হচ্ছে মহামূল্য ইয়াকুত ও লাল বর্ণের প্রবাল পাথর দিয়ে তৈরী। আর এ আসমানেই রয়েছে বাইতুল মা’মুর যার কোন চতুষ্টয়ের একটি লাল ইয়াকুত রত্নের, দ্বিতীয়টি সবুজ পান্না রত্নের। আরো বর্ণিত আছে- বাইতুল-মা’মুর মহামূল্য আকীক পাথরের তৈরী। প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশতা এর তওয়াফ করে। এতক্ষণ ইসলামের দৃষ্টিতে রত্ন-পাথর ও তার ব্যবহার সম্পর্কে যে বিশ্লেষণ পেশ করা হয়েছে তার দৃঢ় তত্ত্ব উন্মোচনের বিষয়টি ততো সহজ নয়। কারণ এ বিষয়টি অনুধাবন করার জন্য অনুভূতির তীব্রতা আর নিরলস সাধনা প্রয়োগ প্রয়োজন। ভাসা ভাসা উপলব্ধি এবং মামুলি কিছুটা চর্চা করেই এর মৌল তত্ত্ব উদঘাটন সম্ভব নয়। কারণ আমরা জানি সাগর গর্ভে যে বিপুল রহস্যরাজি লুকিয়ে রয়েছে তা অনুধাবনে আগ্রহী ব্যক্তি যদি হিমালয় শীর্ষে বসে গবেষণা কর্ম শুরু করেন তবে তার পক্ষে এ গবেষণার ফল লাভ আশা করা যেমন হাস্যকর, তেমনি রত্ন-পাথর সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক জ্ঞান অর্জন না করেই এ সম্বন্ধে বিচার বিশ্লেষণ অসম্ভব। তাই আসুন আমরা উদ্বেগহীন শান্তিপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য ইসলাম প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুযায়ী রত্ন-পাথর ব্যবহারে প্রবৃত্ত হই। প্রকৃত পক্ষে রত্ন-পাথরের গুণাগুণ অনস্বীকার্য। যুগ যুগ ধরে মানবজাতি এর ফলাফল পেয়েছে অনন্ত কাল পাবে। অতঃপর ‘দ্রব্যগুণ অনস্বীকার্য’ এ ব্যাপারে পন্ডিত শিক্ষিত সমপ্রদায়ের মধ্যে কোন দ্বি-মতের অবকাশ নেই। সুতরাং কোরআন, পুরাণ, বিজ্ঞান, আয়ুর্বেদ, হেকিমী ও জ্যোতিষ বিজ্ঞানের আলোকে বিচার বিশ্লেষণে এবং নিজ অভিজ্ঞতায় বলা যায়- রত্ন মানব জীবনের অমূল্য ঔষধ; রত্ন মানব মনে আনন্দ দানকারী, শরীর স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য, বীর্য ও যৌবন বৃদ্ধির সহায়ক। শত্রু, হিংস্র জন’র আক্রমণ, দৈব-দুর্বিপাক, রোগশোকে রক্ষাকারী ও অর্থ সম্পদের সহায়ক এবং স্রষ্টার সৃষ্টি রহস্য অনুভব করার এক অনুপম মাধ্যম।
ধর্মীয় ও পৌরাণিক দৃষ্টিতে রত্নের ব্যবহার খৃষ্টান ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বাইবেল-হীরা, আকীক, পোখরাজ, নীলা, জ্যামোনিয়া প্রভৃতি রত্ন-পাথরের বর্ণনা আছে। বিশেষ করে ওল্ড টেষ্টামেন্টে ‘জেনেসিস’ গ্রনে’র আলোচনায় ‘ব্রিমষ্টোন’ নামক পাথরের কথাও জানা যায়। অথর্ববেদের বর্ণনা থেকে জানা যায় অশুভ বা বিরুদ্ধ গ্রহের প্রতিকারের উপায় মাত্র দুটি। প্রথম হলো ঈশ্বর আরাধনা-দ্বিতীয় হলো মহামূল্য গ্রহ রত্ন ধারণ। (অর্থাৎ রত্ন-পাথর গ্রহদের প্রভাবিত করে মানুষের কল্যাণ আনয়ন করে ও দৈবদুর্বিপাক থেকে রক্ষা করে)। মনুসংহিতায় বলা হয়েছে- সুসজ্জিত পোষাকে পবিত্র ভাবে রত্ন-পাথর যথাযথভাবে ধারন করলে জীবজন্তু অনিষ্ট থেকে ও তীব্র কামের উগ্রতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এমন কি সবার শ্রদ্ধা লাভ করা যায়। ধন, সম্পত্তি, সুখ-শান্তি বৃদ্ধি পায় এবং রমনীকুল বশীভূত হয়। রত্নচূর্ন ভক্ষণে শরীর চেহারায় শ্রীবৃদ্ধি ঘটে, বিষ ক্রিয়া নষ্ট হয়। অগ্নি পুরাণ মতে- প্রত্যেকের রত্ন ধারণ করা কর্তব্য বলে উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
শী্রকৃষ্ণের ‘স্ব্যমন্তকমণি’ ও নারায়ণের ‘কৌন্তভ মনির’ কথা হিন্দু ধর্মবম্বী মধ্যে সর্বজন বিদিত। কুবের, রাবণ,দুর্যোধন, কংস আরো অন্যান্য রাজন্যবর্গের প্রভাব প্রতিপত্তির মূলে রত্ন ধারণের ইতিহাস পাওয়া যায়। মহাশক্তি চন্ডী নানা প্রকার রত্ন মন্ডিত হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে অসুর নিধন করতেন। প্রাচীন ধর্ম গ্রন্থগুলোতে বিশেষ করে বেদ, পুরাণ, রামায়ণ ও মহাভারত প্রভৃতিতে রত্ন-পাথার ধারণ বা ব্যবহার করার কথা উল্লেখ রয়েছে। আর্য সমাজের সৈনিকরা যুদ্ধে যাওয়ার পূর্বক্ষণেই বিভিন্ন প্রকার রত্ন-পাথর ধারণ করে অস্ত্র হাতে যুদ্ধে যেতেন বলেও জানা যায়। মহাভারতে জানা যায় অশ্বমেধ যজ্ঞের পূর্বে অশ্বরক্ষক অর্জুন তাঁর অচেনা পুত্র বভ্রু বাহনের দ্বারা যুদ্ধে নিহত হলে পত্নী নাগকন্যা উলুপী পিতৃ প্রদত্ত রত্ন দ্বারা স্বামীর জীবন রক্ষা করেন।


আপনারা জানেন যে, ইরানের জলে-স্থলে, ক্ষেত-খামারে, বাগ-বাগিচায়, কল-কারখানায় উৎপাদিত হয় বিচিত্র সামগ্রী।
এর পাশাপাশি খনি থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন সামগ্রী এবং ইরানি নরনারীদের মেধা ও মনন খাটিয়ে তৈরি করা হয় বিভিন্ন শিল্পপণ্য।
গত আসরে আমরা ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ধাতু মূল্যবান সব পাথর নিয়ে কথা বলেছি।
রত্নবিদরা ইরানকে নাম দিয়েছেন ‘গুপ্ত বেহেশত’। কারণ এখানকার মাটি আর সমুদ্রের নীচে লুকিয়ে আছে এমন সব মহামূল্যবান রত্ন যার জাকজমক বেহেশতের কথাই কল্পনায় নিয়ে আসে।

মূল্যবান পাথরের শ্রেণীতে পড়েছে হীরা, লাল ইয়াকুত, নীল ইয়াকুত, পান্না ইত্যাদি পাথরগুলো।
এইসব পাথর যেহেতু দুর্লভ সেজন্য এগুলোর মূল্য স্বর্ণের মতোই মূল্যবান। হীরা হলো সর্বাপেক্ষা মূল্যবান একটি রত্ন যা গহনা তৈরিতে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়।
বর্ণহীন এই রত্নটি একটি মাত্র বিশুদ্ধ উপাদান কার্বন থেকে সৃষ্ট। অন্যভাবে বলা যেতে পারে হীরা কার্বনেরই একটি বিশেষ রূপ মাত্র। লাল ইয়াকুত বা চুনি এবং নীল ইয়াকুত বা চুনির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য অর্থাৎ এগুলোও বেশ মূল্যবান পাথর।

তবে প্রবাল তুলনামূলকভাবে হীরার মতো মূল্যবান নয়। আজকের আসরে আমরা হীরার তুলনায় কম মূল্যবান পাথর নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো।
অর্ধ-উচ্চমূল্যবান পাথরের বেশিরভাগই হলো কোয়ার্টয বা স্ফটিক শ্রেণীর।
আকিক পাথর, ফিরোজা পাথর, অ্যাম্বার পাথর, নীলা পাথর, পান্না পাথর, দিলরুবা পাথর, ইয়ামনি পাথর, পীত পাথর, ইয়াশ্‌ম বা গ্রিন জ্যাসফার স্টোন, ব্ল্যাক অ্যাম্বার স্টোন এবং পোখরাজ পাথর ইত্যাদি তুলনামূলকভাবে কম দামী পাথরের অন্তর্ভুক্ত।

অবশ্য মূল্যমান নির্ভর করে পাথরের প্রকার, তার সৌন্দর্য, স্থায়িত্ব, প্রতিরোধ শক্তি, ঔজ্জ্বল্য, সাইজ, প্রাচুর্য, কাটার সুবিধা ইত্যাদির ওপর।
নভোনীল বা স্কাই ব্লু পাথর এবং গ্রিন ম্যালাকাইট পাথরের মতো অর্ধ-উচ্চমূল্যবান পাথরের সৌন্দর্যের কারণে এগুলোর মূল্য অনেক সময় বেড়ে গিয়ে উচ্চমূল্যবান পাথরের পর্যায়ে চলে যায়।
এ কারণে ব্যবসার ক্ষেত্রে উচ্চ মূল্যবান ও অর্ধ-উচ্চমূল্যবান পাথরের পরিভাষাগুলো ব্যবহৃত হতে হতে মহামূল্যবান পাথরের জাঁকজমক অনেকটা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।
গত কয়েক দশকে অবশ্য জুয়েলারি বিদ্যার জগতে ব্যাপক উন্নয়ন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে।

সেইসঙ্গে রত্ন ভাঙা বা কাটার প্রযুক্তিসহ রত্ন উত্তোলন ও সেগুলোকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার কারিগরি উন্নয়ন ঘটেছে চোখে পড়ার মতো।
এসব বিচিত্র কারণে বিশ্বব্যাপী দামি পাথরের ব্যবসা ও ব্যবহারের প্রবণত অনেক বেড়ে গেছে।
কোনো কোনো দেশের অর্থনীতি তো সরাসরি এই রত্ন ব্যবসার উপরই নির্ভরশীল। বছরে হাজার হাজার কোটি ডলার বিশ্ব রত্ন বাজারে নগদ আদান প্রদান বা লেনদেন হয়।

মূল্যবান রত্নগুলোর বেশকিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব পাথর অলংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা ছাড়াও টেলিস্কোপ নির্মাণ, মেডিক্যাল ইকুইপমেন্টস তৈরি, পরমাণু প্রযুক্তি এবং ন্যানো টেকনোলজিসহ আরও বহু স্পর্শকাতর শিল্পে ব্যবহার করা হয়।
জেম থেরাপিতেও এগুলোর ব্যবহার রয়েছে। জেম থেরাপি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি।

ইরানে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান রয়েছে “ভূবিদ্যা ও খনিজ সম্পদ উত্তোলন সংস্থা” নামে। নাম থেকেই এই প্রতিষ্ঠানের কাজ কী-তা অনুমান করা যায়।
হাঁ, খনিজ সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং সর্বপ্রকার খনিজ সম্পদ আবিষ্কার ও উত্তোলন এই সংস্থার কর্মপরিধির মধ্যে পড়ে। অন্তত পঞ্চাশ বছর ধরে এই সংস্থা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সংস্থাটির অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত সামর্থ্য যোগ্যতা অনেক উন্নত ও উঁচু পর্যায়ের।

সেইসঙ্গে এই সংস্থায় কর্মতৎপর রয়েছে বিশেষজ্ঞ ও নিপুণ গবেষকদল। এদিক থেকে তাই বিশ্বের আটটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার একটি এখন ইরানের এই খনিজ সম্পদ উত্তোলন সংস্থা।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য তো বটেই এই সংস্থা সমগ্র বিশ্বের জন্যই সিসমো টেকটোনিক মানচিত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।পাথরের আধ্যাত্মিক মূল্য নিয়ে কথা বলছিলাম আমরা।

ধর্মীয় ব্যক্তিত্ববর্গ ও মনীষীদের বর্ণনা থেকে জানা যায় তাঁরা মুসলমানদেরকে ফিরোজা ও আকিক পাথর ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন।
যেমনটি পাওয়া হযরত ইমাম জাফর সাদেক (আ) এর বর্ণনা থেকে। তিনি বলেছেন: আকিক পাথরের আংটি পরো। কেননা এই পাথর পবিত্র।
আকিক পাথরের আংটি যে পরবে তার জন্য সৌভাগ্য ও মঙ্গল রয়েছে বলে আশা করা যায়। কোমের আকিক পাথরের খনি মূল্যবান এই পাথরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে ৫ হাজার টনের বেশি আকিক পাথরের মজুদ রয়েছে বলে মনে করা হয়। এ পর্যন্ত ৮০ রঙের আকিক পাথর পাওয়া গেছে এখানকার খনিতে।


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000/3000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200407150315

Tuesday, April 7th, 2020

Astro Research Centre

লেব্রাডোরাইট

লেব্রাডোরাইট পাথর সব সময় ব্যবহারের রাগ প্রশমিত হয় এবং মাথা ঠাণ্ডা থাকে।
লেব্রাডোরাইট .........(Good Luck STONE)
এই পাথর পারদর্শী এবং অপারদর্শী দুই প্রকারের হয়ে থাকে। এই পাথর খুব উপকারি। এই পাথর ব্যক্তিকে বেশ কয়েক প্রকার ভাগ্যশালী করে তোলার সাথে সাথে বিনম্র ও প্রসন্ন-চিত্তও করে তোলে। এটা ব্যাক্তিকে শারিরীক ফিট্ ও এনার্জীযুক্ত করে তোলে। ব্যক্তির মানসিক সিন্তলন বজায় রাখে আর শরিরের রোগ সংক্র্মন কে ঠিক করে এবং negative এনার্জী-র প্রবেশকেও বাধা প্রদান করে।
এই রত্ন সকলের ধারন করা উচিৎ না। যাদের এই রত্ন ধারন করা চলে তাদের অন্য কোন গ্রহদোষ প্রতিকার না করলেও চলে।

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

এই পাথর সব সময় ব্যবহারের রাগ প্রশমিত হয় এবং মাথা ঠাণ্ডা থাকে।

ব্যবহারে খারাপ পরিবেশে এবং প্রতিযোগিতায় জয় পেতে সাহায্য করে।

কঠিন পরিস্থিতিতে রক্ষা করে এবং দুঃখ কমাতে সাহায্য করে।

যখন কেও পাথর ধারন করে তখন তার শত্রুরা ভিত থাকে।

এই পাথর মানুষের ইচ্ছা পূরণে শক্তি যোগায় এবং দারিদ্রিতা দূর কর।

এই পাথর ধারন হার্টের জন্য উপকারী, বুক ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে এবং হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

মনে প্রসান্তি আনে এবং মানসিকতা উন্নত করে।

যে কোন যাত্রায় এই পাথর ধারন সৌভাগ্য সূচিত হয়।

এই পাথর ধারনে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

পাথর ধারন কিডনি ও লিভাবের সমস্যায় উপকারী।

পেশাগত জীবনে সফলতা বয়ে আনে।

লক্ষ্য নির্ধারণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহনে প্রভাব রাখে।

পাথর ধারণে শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, গর্ভ ধারনে সাহায্য করে এবং পুরুষত্বহীনতা দূর করতে সাহায্য করে।

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

Chemical Formula (Na,Ca)1-2Si3-2O8
Color Blue, Red, Green, Yellow, Brown, Purple, Gray, Multicolored
Hardness 6 - 6.5
Crystal System Triclinic
Refractive Index 1.560 - 1.568
বর্তমানে এই রত্ন Laboratory তে প্রস্তুত করা হয়, যা ধারন করার যোগ্য না। বর্তমানে Natural Labradorite রত্নের বাজার মূল্য 2০০ থেকে 3০০০ টাকা পর্যন্ত।

মন্দিরে বা কোনো ধর্ম স্থানে যাবার প্রয়োজন নাই ঈশ্বরকে একান্ত মনে বাড়িতে বসে প্রাথর্না করুন ভিডিও গুলি দেখুন ভালো লাগলে সাবস্ক্রাইব করুন জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

https://youtu.be/TP-DvWobtrg

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200407145438

Monday, April 6th, 2020

Astro Research Centre

জেসপার, jesper, জিসপার

জেসপার

কিছু কিছু ঐতিহাসিক দলিল থেকে জানা যায় পৃথিবীর বিভিন্ন শাসনামলে জেসপার নামক পাথর ব্যবহার করা হত। এই রত্ন পাথর দেখতে অনেকটাই আকিক পাথরের মত, এবং বেশীর ভাগ সময় জেসপার পাথর আকিক নামেই বিক্রি হয়ে থাকে। বিখ্যাত ঐতিহাসিক “Muqrizi” এর আলোচনা থেকে জানা যায় বনি ফাতিমাহ তাদের অনেক ব্যবহার্য জিনিস তৈরি করতেন জেসপার দিয়ে। জলের পাত্র তৈরিতে সব থেকে বেশি ব্যবহার করা হত জেসপার পাথর। প্রথম দিকে এটা শুধু মাত্র বনি আব্বাসের রাজা-রানীরা ব্যবহার করতেন। কিন্তু ফাতেমি যখন জোর করে বাগদাত দখল করে নেয় তখন সেগুলো ফাতেমির কোষাগারে জমা হয়। এই পাথরের নিরাময় ক্ষমতার কারনে ধনীরা এর ব্যবহারের প্রতি আকৃষ্ট হন। মোঘল আমলের রাজা-বাদশাহ শুধু মাত্র নিরাময় ক্ষমতার জন্যই জেসপার ব্যবহার করতেন। মনে রাখা ভাল যে বর্তমান যুগে ইউরোপ এবং বিশেষ করে লন্ডনের মানুষ হার্টের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য জেসপার ব্যবহার করে থাকে।

জেস্পার, jeshper, জিসপার, সাধারণ মানের রত্ন, উপরত্ন, পাথর, গরিবের পাথর,
Supreme Nurturer - সর্বপ্রথম প্রতিপালন/প্রশিক্ষণ ।
জ্যাসপার লাল, হলুদ বা বাদামি রংয়ের মধ্যম মানের পাথর বিশেষ।
Metaphysical Properties বা বিমূর্ত গুণাবলী : জ্যাসপার সকল কিছু বিবেচনাপূর্ণ একটি শক্তিশালী পাথর এবং রক্ষাকারী পাথরও। জ্যাসপার কথা বলার জন্য সাহস দেয় এবং আরও দেয় নিজস্ব স্বাধীনতা বা স্বাতন্ত্র্য। এটা পৃথিবীর পাথর ও কোনো বিষয়ে মৌলিক উপাদান সম্পর্কে খুবই পরিপূর্ণ শিক্ষণ পাথর। সকল জ্যাসপার চমৎকার রক্ষাকারী শক্তিধারক, যদিও এটা অন্যান্যদের চাইতে ‘দ্রুত শক্তি উচু করে’ তুলে ধরে না। সীমাবদ্ধতার জন্য চিন্তা করা হয় ‘প্রাকৃতিক তরল বা বায়বীয় আকারে নয় এমন কঠিন’ এবং জ্যাসপার মস্তিষ্কের মধ্যে আসে। এটি এমন একটি পাথর যেটা কাজ করে ধীরে, যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে অপরিবর্তনীয়, সযত্নে বিবেচনা করে শক্তি, বিশেষভাবে ভালসময় পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন, কোনো কারণ ছাড়াই বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য আকস্মিক পরিবর্তনের জন্য। একটি ভাল পাথর কাজ করে লাজুক বা ভীরু মানুষের জন্য যাদের পরিবর্তন প্রয়োজন।
নিরাময়কারী : এটি একটি প্রশিক্ষণ পাথর, একটি ভাল পাথর নিরাময়ের জন্য প্রয়োজন যারা ব্যবহার করবে অন্যান্যর পরিবর্তে। মানুষের উপদেশ বা চিকিৎসার জন্য একটি ভাল পাথর, যাদের প্রয়োজনে আসক্তি থেকে বের হয়ে আসা অথবা বাধ্য করতে পারে এমন ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যবহার থেকে এবং জমা করে তাদের শক্তি যারা আবেগের সংগ্রামে সামনে এগিয়ে যেতে চায়।
ন্যায়বিচার : জ্যাসপার এক সময় বিবেচনা করা হতো যোদ্ধা বা সৈনিক পাথর হিসেবে, সুতরাং এটা পরিচিত আনুগত্য, আভ্যন্তরীণ শক্তি এ দাড়ানো যেটা আপনি বিশ্বাস করেন তার উপর। একটি শক্তিশালী পাথর তাদের জন্য যাদের প্রয়োজন ন্যায়বিচার এবং পক্ষপাতহীন খেলা, বিশেষ করে তাদের জন্য প্রয়োজন যাদের চাকরিটা সংশোধন করা যেটা অন্যায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। [উকিল, আইনজীবী, ন্যায়বিচারক, আমমোক্তার, গড় মাত্রার আইন সম্বন্ধীয়, শহরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ, সমর্থক, সৈনিক] ।
প্রতিরক্ষা : নিজের বল এবং অন্যান্য মানুষ হতে ইহা রক্ষা করে নিয়ে যায় অথবা অসৎ কর্মে প্ররোচিত করা এবং আপনার লক্ষ্যকে পরিবর্তিত করে।
সাহস : আপনাকে সাহায্য করে সাহসী হতে যার মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরী হয়, যদিও শারিরীক অথবা আবেগীয়।
বর্ণ : লাল
শারিরীক নিরাময়কারী উপাদান : কিডনী, লিভার, মূত্রথলি এবং পাকস্থলী। ইহা সাহায্য করে হারানো ইন্দ্রিয়ের স্বাদ ফিরিয়ে আনতে।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.০
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৬৫
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫৪০-১.৫৫০
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।

আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়কৃত রত্ন পাথর আমরা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করে দিয়ে থাকি বিনিময়ে কোন অর্থ গ্রহণ করি না । আমাদের, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করা রত্ন পাথর ধারণ করার পর দ্রুত ফল প্রদান করতে সক্ষম।


যদি কেও সবসময় গলায় জেসপার পাথর ব্যবহার করেন লকেট করে তাহলে সে মস্তিষ্কের রোগ থেকে মুক্ত থাকে। এমনকি মানুষিক ভারসাম্য ঠিক থাকে।

জেস্পার ব্যবহারে হার্টের সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এমন কি কেও পূর্বে হার্টের অসুখে ভুগে থাকলে পরবর্তী কালে সে অসুখ থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে।

এটা প্রসবকালীন সময় প্রসব বেদনা কমাতে সাহায্য করে।

জেস্পার পাথর ব্যবহারে পাইলস রোগ সহ লিভার ও পাকস্থলির রোগ নিরাময় হয়।

এটি ব্যবহারে উচ্চ রক্তচাপ কমে স্বাভাবিক হয়ে আসে।
দাম :৩০০-৫০০ টাকা রতি


রত্নের বিভিন্ন মূল্য তালিকা ( রতি বিচারে) রত্নের নাম দাম মোটামুটি ভালো

১. পান্না ১৫০০ - ৩০০০ টাকা
২. চুনি - ১৫০০ - ২৫০০ টাকা
৩. নীলা - ১৫০০- ৪৫০০ টাকা
৪. পোখরাজ - ২০০০ - ৪৫০০ টাকা
৫. সবুজ পোখরাজ - ৪৫০০ - ৭০০০ টাকা
৬. লাল পোখরাজ - ২০০০ - ৪০০০ টাকা
৭. গোলাপি পোখরাজ - ৪৫০০ - ৭০০০ টাকা মুক্তা
৮. গোমেদ - ৪০০ - ৬০০ টাকা
৯. মুক্ত - ১০০ - ৮০০ টাকা
১০. লাল প্রবাল - ৫০০ - ৮০০ টাকা
১১. ক্যাটসআই - ৬০০ - ১০০০ টাকা
১২. পেরিডট - ১৫০০ - ২৫০০ টাকা
১৩. রুবি - ১৫০০ - ৩৫০০ টাকা
১৪. হীরা (সেন্ট) - ৮০০ - ২০০০ টাকা

উপরত্ন

১. সিট্রিন স্টোন - ১০০ - ৩০০ টাকা
২. এমিথিস্ট - ১০০ - ৫০০ টাকা
৩.ব্লু টোপাজ - ৬০০ - ১০০০ টাকা
৪. জারকোন - ১৫০০ - ২৫০০ টাকা
৫. ফিরোজা - ৩০০ - ৮০০ টাকা
৬. অলিভিন - ১২০০ - ২৫০০ টাকা
৭. গার্নেট - ৮০ - ৫০০ টাকা
৮. সাদা প্রবাল - ১০০ - ২৫০ টাকা
৯. টাইগার আই - ৮০ - ১৫০ টাকা
১০. মুনস্টোন - ৮০ - ২৫০ টাকা
১১. লাপিস লাজুলি - ৮০ - ২০০ টাকা
১২. রোজ কোয়ার্টজ - ৮০ - ২০০ টাকা
১৩. জেড - ৮০ - ২০০ টাকা
১৪. ফায়ার ওপাল - ৩০০ - ৪৫০ টাকা
১৫. ব্লাড স্টোন - ৮০ - ২০০ টাকা
১৬. নীল হকিক - ৮০ - ২০০ টাকা
১৭. কার্নেলিয়ান - ৮০ - ১৫০ টাকা
১৮. ফ্লুরাইট - ৮০ - ১৫০ টাকা
১৯. সানস্টোন - ৮০ - ২০০ টাকা
২০। ম্যালাকাইট - ৮০ - ২০০ টাকা
২১. ইয়েলো জেসপার - ৮০ - ১৫০ টাকা
২২. রেড জেসপার - ৮০ - ১৫০ টাকা
২৩. সোডা lite - ৮০ - ১৫০ টাকা
আমাদের জ্যোতিষ কার্যালয় Astro Research Centre
এখানে সমস্ত রকম রত্ন ও উপরত্ন Certified ও Lab test করে সুলভ মূল্যে দেওয়া হয়ে থাকে। বিশদ জানতে যোগাযোগ করুন।
Certified ও Lab-tested গ্রহরত্নের জন্যে যোগাযোগ করুন।
গোমেদ ক্যাটসআই একসাথে পরা যায় ?


জাসপার, ক্যালসিডনি একটি ফর্ম, একটি অস্বচ্ছ, অস্বাভাবিক সিলিকা, সাধারণত লাল, হলুদ, বাদামী বা সবুজ রঙে; এবং খুব কমই নীল। সাধারণ লাল রঙ মূলত একটি চেরি যা লোহা অন্তর্ভুক্তির কারণে। খনিজ মসৃণ পৃষ্ঠ সঙ্গে বিরতি, এবং অলঙ্কার জন্য বা একটি রত্ন পাথর হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এটি অত্যন্ত পালিশ করা যায় এবং vases, সীল, এবং ধুলো বক্সের জন্য ব্যবহার করা হয়। যশোরের নির্দিষ্ট মাধ্যাকর্ষণ সাধারণত 2.5 থেকে 2.9 হয় হেলিওরপের সাথে, যশ্পার মার্চের জন্য ঐতিহ্যগত জন্মস্টোনগুলির মধ্যে একটি। Jaspilite একটি বাঁধা লোহা গঠন শিলা যে প্রায়ই ঋজু এর স্বাতন্ত্র্যসূচক ব্যান্ড আছে


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200406141831

Saturday, April 4th, 2020

Astro Research Centre

টাইগার স্টোন ‘ গরিবের মহা উপরত্ন


টাইগার স্টোন ‘ গরিবের মহা উপরত্ন

বাঘ রত্ন সবচেয়ে কার্যকর এবং কার্যকর এবং অত্যন্ত দরকারী এবং দ্রুত ফল প্রদান করা পাথর । একে টাইগার আই-ও বলা হয় । এই রত্ন পাথরকে বাঘের মতো হলুদ ও কালো ফিতে বলেই ‘ টাইগার স্টোন ‘ বলা হয় । এর প্রভাবে বাঘের (চিতাবাঘের) অনুরূপ উপসর্গও উৎপন্ন হয় । তা ধরে অবিলম্বে উপকার । টাইগার স্টোন অসাধারণ আত্মবিশ্বাস দেয় এমন এক ব্যক্তিকে, যিনি ব্যবসা ও অন্যান্য জিনিসে ব্যর্থ হন আত্মবিশ্বাসের অভাবে, দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন । এটি ধরে রাখা সম্পূর্ণ সাফল্য এনে দেয় এবং ব্যক্তি সাহসী ও প্রচেষ্টা সৃষ্টিকারী হয়ে ওঠে । সিংহবাহিনী যেমন স্ব-শক্তি ও সাহসের সঙ্গে এই গেস্টোন প্রদান করতেও সক্ষম । ভীরু, উদাসীন ব্যক্তিগণের এই পাথরটি এক অদৃশ্য সহচর বলিয়া বিবেচিত হয় । এই ধরনের ব্যক্তির মধ্যে বাঘের রত্ন পরা সচেতনতা তৈরি করে ।
এটা রুবি খুব কম গ্রেড ইউপ্রাট বলে মনে করা হয় । এটি দর্শনে উজ্জ্বল, যা কোথাও হালকা বাদামি, গাঢ় বাদামী (হলুদ ছায়া) । নাম যেমন জানান, তেমনই চিতা চোখের মতোই । এটি রত্ন নিরাময় থেরাপি ব্যবহার করা হয় এবং অলঙ্কার টোন হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।
বাঘ কেন পরেছিল:
রুবি বিদ্রোহের পরের শ্রেণিগত হওয়ার কারণে, সূর্যের বিরূপ প্রভাব এড়াতে এবং ভাল ফল পেতে বাঘ চোখ পরেন । দামে রুবি থেকে অনেক সস্তা, তাই চরম অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সূর্যের উচ্চ ফল অর্জনে এটি ব্যবহার করা হয় ।
পরিধান থেকে উপকারিতা:
আত্মসম্মান ও চেতনার বিকাশের জন্য তা পরা হয় । এর সঙ্গে যুক্ত হয় আধ্যাত্মিকতা । সহনশীলতা ও ধৈর্যের বোধ তৈরি করে । রত্ন যদি ত্বক ব্যবহার করেন, তা হলে সেই ব্যক্তি ভিতর থেকে তা পূরণ করেন । যিনি পরেন, তিনি অন্তঃশান্তির গুরুত্ব বোঝেন । সেই সঙ্গে ওয়েটারের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে ।
১. জন্মকুণ্ডলীতে যদি কোনও বাড়ির শুভ ফল না পাওয়া যায় বা কোনও গ্রহ যদি ঘুমিয়ে পড়ে, তা হলে সেই গ্রহের মালিক গ্রহ জাগ্রত করা বাধ্যতামূলক, যা বাড়ির ভাল ফল দেয় ।
২. যদি জন্ম জার্নালে যোগাসন হয়ে থাকেন, তাহলে সেই সব গঠন খারাপ প্রভাব কমাতে টাইগার রত্নও আত্মসাৎ করুন ।
৩. আপনি যদি প্রতিনিয়ত ঋণে ডুবে থাকেন তাহলে ঋণ ভাঙানোর জন্য গলায় লোকেট হিসেবে সাদা থ্রেটে শুক্রবার নিখুঁত পাথর ধারণ করে রাখুন
৪. গাড়ি বার বারই ক্র্যাশ করলে মঙ্গলবার তর্জনী আঙুলে বাঘ পাথর প্রাণ প্রতিপত্তি ধরে ।
৫. যেসব শিশু ও ব্যক্তির বাড়িতে বারবার দেখা হয় তাদের মানসিক উত্তেজনা থাকা উচিত এবং গলায় বাঘের পাথর ধরে রাখা উচিত ।
৬. শত্রুদের আক্রান্ত ব্যক্তিদের মঙ্গলবার বাঘ রত্ন আত্মসাৎ করা উচিত ।
৭. তর্জনী আঙুলে বা অনামিকা আঙুলে পার্টির অষ্টমীর অষ্টমীর অঞ্জলি গ্রহণ করুন, মান, প্রতিপত্তি, যশ ও খ্যাতি পেতে ইচ্ছুক, আর অফুরান খ্যাতি, কীর্তি, কর্মস্থানে ও অন্যত্র ।
৮. যে ব্যক্তি স্ত্রীকে ভয় পায় বা কলহ-বিবাদের ভয় দেখায় এবং যার স্ত্রী বেশি কথা বলে, সে সমাজে প্রতিপত্তি কম হওয়ায়, তর্জনী আঙুলে পূর্ণিমা দিবসে বাঘ রত্ন ধারণ করুন ।
৯. বাণিজ্য যদি লোকসানে চলে, সরকারি দুর্ভোগ বাড়ছে, বর্তমানের ক্ষতি তো আছেই, বাঘ পাথর শুক্লার পাশে সূর্যের অনামিকা আঙুল ধরে রাখা উচিত বুধবার ।
১০. বিয়ে না করা ব্যক্তি যদি এমনকি নিয়োজিত না থাকে, তাহলে জাতক-জাতিকার বাঘ রত্ন ঋষি পঞ্চমী তর্জনী আঙুলে আত্মসাৎ করা উচিত । খুব শীঘ্রই বিয়ে হবে সুযোগ্য মেয়ের ।
১১. যদি কোনো মেয়ে বিয়ে না করে, বিয়ে না করে, বিয়ে করে বা নিয়োজিত না থাকে, তাহলে মেয়ের উচিত সকালে নাগ পঞ্চমী পরিদর্শন করে এই বাঘ পাথর আত্মসাৎ করা ।
১২. যারা সেবায় কষ্ট পাচ্ছেন বা কর্মস্থলে সমস্যায় পড়েছেন, তাদের মধ্যে থাকলে রবিবার দিন ধরে বাঘ রত্ন ধারণ করে লাভবান হবেন ।
১৩. যাদের সন্তান আছে তারা যদি মারা যায়, তাহলে দুই স্বামী-স্ত্রী সমান ওজনের বাঘ পাথর প্রাণ প্রতিপত্তি দিয়ে নারীর ঋতুকালের আকারে একত্রে আত্মসাৎ করুক । বাচ্চারা সুখ পাবে, গর্ভপাত ঘটে যায় তৎক্ষণাৎ ।
১৪. বাঘের পাথর, পরিবারের প্রধান, সোমবার সকালে আম পাতার রস কনসিক্রেট করা উচিত, যেখানে বৃহত্তর লড়াই এবং শান্তি ও প্রশান্তি নেই । বাঘ পাথর সিদ্ধ ও প্রাণ আলাদা করা উচিত ।
জেনে নিন সয়া প্ল্যানেট/সয়া প্ল্যানেট হোল্ডিং যুদ্ধ/এস আঙ্গুল

সূর্য গ্রহ/গ্রহ রবিবার দিন/রবিবার অনামিকা আঙুলে ।
মুন/মুন সোমবারের দিন/দিন অনামিকা আঙুলে ।
মঙ্গল/মঙ্গল মঙ্গলবারের দিন/দিন তর্জনী আঙুলে ।
বুধ/গ্রহ বুধবার/বুধবার আঙুলে ।
গুরু গ্রহ/গ্রহ ভিবর দিবস তর্জনী আঙুলে ।
শুক্র/পাস । শুক্রবার/শুক্রবার গলা টিপে ধরে ।
শনি/গ্রহ শনিবার দিন/শনিবার মাঝের আঙুলে ।
রাহু গ্রহ/গেটি ইমেজেস বুধবার/বুধবার ডান হাতে ।
কেতু গ্রহ/গ্রহ বুধবার/বুধবার বাঁ হাতে ।

গুণমান:
অন্যান্য রত্নের মতোই টাইগার আই-এর গুণমানও থাকছে তিনটি ‘ C ‘ ‘ কাট ‘, ‘ কোয়ালিটি ‘ ও ‘ কালার ‘-এ । রঙ যত পরিষ্কার ও পরিষ্কার হয়, তত ভাল রত্ন মানা হয় ।

TIGER EYE ঃ- রক্ষা, পরিশুদ্ধ চিন্তা, ব্যক্তিগত ক্ষমতা, চারিত্রিক সরলতা ও সততা, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা, বাস্তবতা, ক্ষমতার ভারসাম্যতা, ইচ্ছাশক্তি, সাহস ও মনোবল। যদি আপনার জীবনকে পরিবর্তন করতে আগ্রহী হন তবে Tiger Eye একটি চমৎকার পাথর। বিভিন্ন প্রকার কঠিন দুঃসময় থেকে রক্ষা করতে এই পাথর অদ্বিতীয়। আপনার কর্মক্ষেত্রে ভারসাম্যতা রক্ষা করে। কঠিন মুহূর্তে উত্তরণের শক্তি যোগাবে। মনের সন্দেহ দূর করে। সিদ্ধান্তের স্পষ্টতা এবং বাস্তববাদী হতে সাহায্য করে বাঘ্রাক্ষী রত্ন পাথর। সংগ্রামী মানুষ, যারা সহজেই বিমুখ হয়ে যান তাদের জন্য Tiger Eye পাথর খুবই উপকারী। যারা খুবই লাজুক স্বভাবের তাদের জন্য পাথরটি অতীব কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আপনি যদি দূর্বল, বিষন্নতা অথবা অনেক সময় পর্যন্ত ভয়ে থাকেন তাহলে আপনার উচিত হবে ‘বাঘ্রাক্ষী’ বা ‘বাঘ্র-অক্ষি’ রত্নটি ধারণ করা। এটি ধৈর্য্য সহ যে কোন জিনিস দৃষ্টি গোচর, সংকল্প, সতর্ক সচেতনসহ ধীর ও সঠিক সময় নির্ধারণ করে। বাঘের যেমন শক্তি, সঠিক ভাবে শোধন করে এই পাথরটি ধারণ করলে তদ্রুপ শক্তিমত্তার ন্যায় ক্রীয়াশীল হয়।
টাকা/অর্থ : জাগতিক মানুষের জন্য এটি একটি যথোপযুক্ত রত্ন পাথর। পাথরটি ব্যবহৃত হয় অতি প্রাচুর্যতার জন্য, সম্পদকে ধরে রাখার দৃঢ় অবস্থান উন্নত করার জন্য, স্বাস্থ্য বা শরীরকে উত্তেজিত করার জন্য অর্থাৎ সর্বদা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য।
বর্ণ : উজ্বল সোনালী বর্ণের যা বাদামী বর্ণের মত দেখায়। কিন্তু লাল, ক্রীম, নীল ও কাল রংয়ের Tiger Eye একমাত্র পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সমূহে দেখা যায়।
দৈহিক প্রশমনকারী উপকরণ : চক্ষু, Reproductive System- রাতকানা, হাড়ভাঙ্গা, আক্রান্ত গোড়ালী, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা উপশম করে।
কাঠিন্যতা (Hardness): ৭.০
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Speciflc Gravity): ২.৬৪ – ২.৭১
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫৫৩ – ১.৫৫৪


আত্মশৃঙ্খলার/ আত্মসাহসীকতার পাথর” । প্রাশ্চাত্য বিশ্বাস মতে, মকর রাশির জাতক-জাতিকাগণ ব্যবহার করে থাকেন।
প্রধান শব্দসমূহ : রক্ষা, পরিশুদ্ধ চিন্তা, ব্যক্তিগত ক্ষমতা, চারিত্রিক সরলতা ও সততা, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা, বাস্তবতা, ক্ষমতার ভারসাম্যতা, ইচ্ছাশক্তি, সাহস ও মনোবল। যদি আপনার জীবনকে পরিবর্তন করতে আগ্রহী হন তবে Tiger Eye একটি চমৎকার পাথর। বিভিন্ন প্রকার কঠিন দুঃসময় থেকে রক্ষা করতে এই পাথর অদ্বিতীয়। আপনার কর্মক্ষেত্রে ভারসাম্যতা রক্ষা করে। কঠিন মুহূর্তে উত্তরণের শক্তি যোগাবে। মনের সন্দেহ দূর করে। সিদ্ধান্তের স্পষ্টতা এবং বাস্তববাদী হতে সাহায্য করে বাঘ্রাক্ষী রত্ন পাথর। সংগ্রামী মানুষ, যারা সহজেই বিমুখ হয়ে যান তাদের জন্য Tiger Eye পাথর খুবই উপকারী। যারা খুবই লাজুক স্বভাবের তাদের জন্য পাথরটি অতীব কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আপনি যদি দূর্বল, বিষন্নতা অথবা অনেক সময় পর্যন্ত ভয়ে থাকেন তাহলে আপনার উচিত হবে ‘বাঘ্রাক্ষী’ বা ‘বাঘ্র-অক্ষি’ রত্নটি ধারণ করা। এটি ধৈর্য্য সহ যে কোন জিনিস দৃষ্টি গোচর, সংকল্প, সতর্ক সচেতনসহ ধীর ও সঠিক সময় নির্ধারণ করে। বাঘের যেমন শক্তি, সঠিক ভাবে শোধন করে এই পাথরটি ধারণ করলে তদ্রুপ শক্তিমত্তার ন্যায় ক্রীয়াশীল হয়।
টাকা/অর্থ : জাগতিক মানুষের জন্য এটি একটি যথোপযুক্ত রত্ন পাথর। পাথরটি ব্যবহৃত হয় অতি প্রাচুর্যতার জন্য, সম্পদকে ধরে রাখার দৃঢ় অবস্থান উন্নত করার জন্য, স্বাস্থ্য বা শরীরকে উত্তেজিত করার জন্য অর্থাৎ সর্বদা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য।
বর্ণ : উজ্বল সোনালী বর্ণের যা বাদামী বর্ণের মত দেখায়। কিন্তু লাল, ক্রীম, নীল ও কাল রংয়ের Tiger Eye একমাত্র পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সমূহে দেখা যায়।
দৈহিক প্রশমনকারী উপকরণ : চক্ষু, Reproductive System- রাতকানা, হাড়ভাঙ্গা, আক্রান্ত গোড়ালী, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা উপশম করে।
কাঠিন্যতা (Hardness): ৭.০
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Speciflc Gravity): ২.৬৪ – ২.৭১
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫৫৩ – ১.৫৫৪
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200404125242

Friday, April 3rd, 2020

Astro Research Centre

(Sardonyx)সার্ডোনিক্স

সার্ডোনিক্স অসাধারণ উপরত্ন

(Sardonyx)সার্ডোনিক্স
এই পাথরটিকে হিন্দীতে দোপোস্তা এবং ইংরাজীতে সার্ডোনিক্স বলে ৷ এটি খুব সুন্দর ধারীদার পাথর ৷ এই পাথরে ধূসর এবং শ্বেতবর্ণের আভা হয়ে থাকে৷
এই দুটি বৰ্ণ কিন্তু একে অপরটির সমান্তর থাকে বা সমান লহর দেখা যায়৷ দাম্পত্য জীবনকে আনন্দময় করে তুলতে ইউরোপ, আমেরিকা এবং অন্যান্য দেশের লোক এটি নিজের কাছে রাখে৷ প্রাচীনকালে মানুষ বিশ্বাস করতো যে, বিষাক্ত জন্তুর দংশন এবং প্লেগ রোগের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য এই পাথরের অত্যম্ত বেশী শক্তি আছে৷ এই উপরত্নটি আবার লালচে-বাদামী বর্ণেরও হয় ৷এই প্রকার সুন্দর রত্ন ভারতে পাওয়া যায়। রোমানদের সময়ে এই রত্ন বীর সৈন্য বা নেতাগণ তাদের তলোয়ারে ধারণ করতেন ৷ পরবর্তী কালের ইতিহাস থেকে জানা যায়--এই রত্নটি গলায় ধারণ করলে সর্বকার্য সিদ্ধ হয়ে থাকে৷

সার্ডোনিক্সের বৈশিষ্ট্য
(ক) রোমানদের বিশ্বাস যে--এই রত্বের ওপর মঙ্গল গ্রহের প্রতিমূর্তি খোদাই করে অঙ্গে ধারণ করলে---ধারণকারী বীর হয় ৷
(খ) এই রত্ন নিয়ে চোখের পাতায় ধীরে ধীরে ঘবলে চোখের রোগ দূর হয়।
(গ) অগেটের মতোই এই রত্বটি বিষাক্ত সাপ বা জন্তর দংশনজনিত বিষক্রিয়া নষ্ট করে৷ এটি বৃশ্চিক দংশনের ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর ৷
(ঘ) এই আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
(ঙ) এটি ধারণ করলে সংক্রামক রোগের হাত থেকেও রেহাই পাওয়া যায় | এটি গলায় ধারণ করলে সকল প্রকার ব্যথা-বেদনা ও রোগযন্ত্রণার উপশম হয় । (চ)সার্ডোনিক্স ধারণে বন্ধু-সম্পর্কিত লাভ এবং বিবাহিত জীবনের সুখ সম্বন্ধে অনেকাংশে নিশ্চিন্ত হওয়া যায় ৷
(ছ) আইন সংক্রান্ত বিষয়ে এই রত্নটি ধারণে সামান্য লাভ হয়ে থাকে৷
(জ) দুর্নীতিপূর্ণ জীবনের হাতছানি থেকেও এই রত্নটি ধারণকারীকে রক্ষা করে৷
আঙ্গুল অনামিকা
মুল্য - price. costs দাম 100/200/300/500/700/1000/1500

Sardonyx is created in layers of the brown or red sard stone and the black, white or green onyx stone. This gives it a beautiful banded appearance.
The word Sardonyx is derived from the Greek, sard meaning “reddish brown,” and onyx meaning “veined gem.” The best stones are found in India. They are also found in Germany, Czechoslovakia, Brazil, and Uruguay. In the United States, sardonyx can be found in the Lake Superior region and in Oregon.

Cameos and intaglios are often carved from sardonyx. Cameos are figures carved on a stone, where the white layer appears as relief, and the coloured layer is the background. Intaglios are the reverse of cameos. They are incised figures on the stone, where the stone is carved through the dark layer to reveal the light layer.

Sardonyx was a favourite gemstone in ancient times, popular not only because it was attractive, but also because it was widely available. Unlike most rare gemstones that could only be bought with the wealth of royalty and nobility, sardonyx could be obtained by many less-wealthy people.

Roman soldiers wore sardonyx talismans (to guard from evil and bring good fortune) engraved with heroes such as Hercules or Mars, god of war. They believed that the stone would make the wearer as brave and daring as the figure carved on its face. During the Renaissance, sardonyx was believed to bring eloquence upon the wearer and was regarded with great value by public speakers and orators.

A lucky talisman for legal matters and for obtaining justice, especially over money or property. ​Sardonyx provides you the stabilisation and strength required to have the endurance, energy and fortitude to create good fortune based on good moral ethics. With this grounding stone you will be able to translate your energies into tangible results. This is a good stone for builders, athletes, physical therapists, chiropractors and massage therapists. Keep it nearby to increase business success in these occupations.

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha

মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200403151230

Friday, April 3rd, 2020

Astro Research Centre

Onyx : অনিক্স

Onyx : অনিক্স
The Stone Of Self- Mastery Or Self- Control - “ আত্ম প্রাধান্য বা আত্ম নিয়ন্ত্রণের পাথর” ।
(অরিজিনাল ন্যাচারাল অনিক্স পান্না প্রতি রত্তির মূল্য এক শত টাকা। শুধুমাত্র পবিত্র রমজান মাসের জন্য।)
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
প্রধান চক্র: ১ম ও ৫ম রুট চক্রের উপর ক্রিয়া করে।

কম্পন সৃষ্টিকারী সংখ্যা : ৬
প্রধান শব্দ সমূহ : শারীরিক বা মানসিক শক্তি, তেজ বা শক্তিমত্তা, দীর্ঘ পরিশ্রম করার ক্ষমতা, দৃঢ় চিত্ততা, দৃঢ়তা, নাছোড়বান্দা, কর্মে স্থায়ীত্ব, সাহস, আত্ম নিয়ন্ত্রণ । আত্ম প্রাধান্যতা, অবিচলতা, দৃঢ় সংকল্প বৃদ্ধি করে মনে সাহস যোগায়। এটি এমনই একটি পাথর যে যা ব্যবহারে অন্যের খারাপ দিকগুলো বুঝতে সক্ষম হবেন এবং যে কোন প্রকার অপশক্তি থেকে রক্ষা করবে। পান্নার সাথে ব্যবহারে অধিক শক্তিশালী ভাবে সুপ্রভাবের ফলাফল পেতে দেখেছি । অনিক্স পাথরটি চমৎকারভাবে আত্ম নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন।
অনিক্স আপনাকে সাহায্য করে নিজের ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রন করতে :
- জীবনের কঠিন এবং সংশয়পূর্ণ সময় অতিক্রম করতে সাহায্য করে ।
- ধ্বংস করে দেয় আমাদের আবেগের তীব্রতাকে (যা মানুষের জন্য চরম ক্ষতিকর) ।
- অনিক্স ধারণে বিনিয়োগের উদ্যোক্তা বৃদ্ধি করে এবং সকল প্রকার অপশক্তিকে দূর করে বিনিয়োগে সফলতা দান করতে সক্ষম।
- প্রাচীনকালে মিশরীয়রা বিশ্বাস করত যে, এ পাথর ভালবাসায় আবেগকে কমিয়ে দিতে সক্ষম এবং প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে বিচ্ছিন্ন হওয়ার জন্য বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি করে ।
- যারা অবৈধ প্রেম বা পরকীয়ায় লিপ্ত, তারা ধারণে অবৈধ প্রেম ও পরকীয়া থেকে রক্ষা পাবেন। যে কোন একজন ধারণ করলেই চলবে তবে ধারণ বিধান জানতে হবে।
- অনিক্স ব্যবহারে আত্মরক্ষা করতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্যহীনতা অথবা বিরক্তবোধ আবেগের বশীভূত হওয়া থেকে রক্ষা করে।
পরিবর্তন : সাহায্য করে পুরনো বিশ্বাস এবং ধ্যান ধারণাকে ভুলে যেতে যা মানব জীবনে বেশীদিন কাজে আসে না।
রত্নটির বর্ণ : সাধারণত কাল বর্ণের। কিছু কিছু পাথর বাদামী বর্ণেরও দেখা যায়, যার উপরে সাদা বর্ণের রেখাও দৃষ্টি গোচর হয়। লাল, কমলা ও মধুবর্ণেরও পাওয়া যায়।
রোগ প্রশমন : অধিক যৌন স্পৃহা প্রশমিত করে। দাঁত, হাড়, হাড়ের মজ্জা, রক্তের রোগ, পায়ের পাতা, চোখের গ্লুকোমা, স্নায়ুরোগ এবং এপিলেপসি ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা করতে সাহায্য করে।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.০
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৫৮ – ২.৬৫
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫৩১- ১.৫৩৯

মুল্য 20/30/50/80/100
Onyx : অনিক্স
The

কোন সমস্যায় কোন উপরত্ন কাজ করে জানেন?
অসীম সরকার

(১০) স্টার রুবি (Star Ruby): স্টার রুবি ধারণ করতে বলা হয় তখন, যখন দুর্বল, নীচস্থ শনি দ্বারা প্রভাবিত জন্মছকের রবি ঠিকমতো ফল দিতে পারে না। সাধারণত যাদের চুনি কেনার মতো সে রকম সামর্থ্য নেই, তাদের চুনির বদলে স্টার রুবি ধারণ করতে বলা হয়ে থাকে। এই রত্নটি ক্যাটস আইয়ের মতো এক পাশে পালিশ করা থাকে। এর বর্ণ সঠিক ভাবে বলা বা প্রকাশ করা বেশ কঠিন। তবে কিছুটা খয়েরি রঙের বা লালচে আভাযুক্ত বা কালচে লাল বা চকলেট কালারের মতো। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ/নারী ১২ রতির উপর পরতে পারেন, তাতে রবির প্রতিকারে ভালই কাজ দেয়।

(১১) অ্যাকোয়া মেরিন( Aqua Marine): নীচস্থ বা অশুভ বুধ গ্রহের প্রতিকারার্থে পান্নার বদলে অ্যাকোয়া মেরিন ধারণ করতে বলা হয়। যারা খুব অস্থির প্রকৃতির, পড়াশোনায় একদম মন বসাতে পারছে না, এমন সব ছেলেমেয়েদের যদি অ্যাকোয়া মেরিন পরিমাণ মতো ধারণ করানো যায়, তা হলে পান্নার চেয়েও এ ক্ষেত্রে তা মন্ত্রের মতো কাজ করে। এই রত্নটি দেখতে সবুজ, লালচে হলুদ, সবুজ-হলুদের মিশ্রণ। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ/নারী ৬/৭ রতির মতো ধারণ করতে পারেন।

(১২) ওপাল(Opal): এই রত্নটিকে ইউরোপ বা আমেরিকায় ব্যাপক হারে ধারণ করতে দেখা যায়। এই রত্নটি সৌভগ্য আনে।তুলনামূলক বিচারে ভারতে জ্যোতিষের রত্ন হিসেবে এর ব্যবহার খুব কম। যেটুকু ব্যবহার হয়ে তা গয়নায়। এই রত্ন মূলত বুধ ও শুক্রের প্রতিকারার্থেই বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। বিশেষত যাদের দাম্পত্য অসন্তোষ চলছে, সেখানে এই রত্নটি মন্ত্রের মতো কাজ করে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ/নারী ১০ থেকে ১২ রতির মধ্যে ধারণ করতে পারেন।

(১৩) অনিক্স(Onyx): কেউ কেউ এই রত্নটিকে অনিক্স পান্না বলে। আসলে এটি পান্নার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। দেখতে এটি সবুজ হলেও, বলা চলে সবুজ মিশ্রিত রং এর। এটি বেশি মাত্রায় ধারণ করতে হয়। দামেও বেশ সস্তা। নারী-পুরুষ উভয়ে ১৫ রতির কাছাকাছি বা তার বেশি ব্যবহার করতে পারেন।

(১৪) মুন স্টোন(Moon Stone): মুন স্টোন নাম শুনেই অনেকে ভাবেন মুন মানে চন্দ্রের প্রতিকারে এটা ব্যবহার হয়ে থাকে। তা কিন্তু মোটেই নয়। মুন স্টোনের বর্ণ বাইরের দিক থেকে যেমনই হোক না কেন, মুনস্টোন পুরোপুরি বৃহস্পতির রত্ন। মুন স্টোনের স্পেকট্রাম কালার আকাশি। শুধু মুন স্টোনের স্পেকট্রাম কালার আকাশি হয় না। এই সঙ্গে আছে টোপাজ এবং পোখরাজ। তাই মুন স্টোন, পোখরাজ এবং টোপাজের মধ্যে থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোনও একটি রত্ন বেছে নিয়ে বৃহস্পতির প্রতিকারের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ/নারী ১০ থেকে ১২ রতির মতো মুনস্টোন ব্যবহার করতে পারেন।

(১৫) অ্যাম্বার (Amber): এই রত্নটি খনিজ পদার্থ নয়। এটি বৃক্ষের আঠা থেকে তৈরি। এর থেকে ধূপ-সহ নানা ঔষধ তৈরি হয়।এটি সাধারণত মঙ্গলের কুপ্রভাব ঠেকাতে ব্যবহার হয়ে থাকে। এটা বেশি মাত্রায় ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে থাকেন পীড় ও ফকিরেরা। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ/নারী ১৬/১৭ রতি ধারণ করতে পারেন।

(১৬) লাজবর্ত (LAPIS LASULI): এটি শনির উপরত্ন, নীলার পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। দেখতে নীল বলে কেউ কেউ এই রত্নটিকে নীলম বলে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ/নারী ১০ থেকে ১৫ রতি ধারণ করতে পারেন।

(১৭) তুর্মলিন (Tourmoline): তুর্মলিন নানা বর্ণের হয়ে থাকে, যেমন সবুজ কালচে, গাঢ় নীল বা হালকা নীল। এটি মূলত রাহুর প্রতিকারে ব্যবহার হয়ে থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ/নারী ১০/১২ রতি ব্যবহার করতে পারেন।

(১৮) টাইগার আই(Tiger Eye): এই রত্নটি নানা বর্ণের হয়। দেখতে মনোরম সুন্দর বলে সব দেশেই এটি অলঙ্কার হিসেবে ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে। বাস্তবিক পক্ষে টাইগার আই ক্যাটস আই-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে। অনেক সময় শিশু ও সুন্দরীরা গলায় মালা হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন নেগেটিভ প্রভাব থেকে বাঁচতে বা অপরের কুনজর বা মানসিক যৌন ললসার হাত থেকে রক্ষা পেতে।

(১৯) বেরিল(Beryl): বেরিলকে অনেক সময় বৈক্রান্তমনি বলে চালানো হয়। এটা ভুল। বৈক্রান্ত শুক্রের প্রতিকারে ব্যবহার হয়ে থাকে। বর্তমানে বাজারে এটি নেই বললেই চলে। বেরিল বুধের উপরত্ন পান্নার বিকল্প হিসেবে এর বিশাল ব্যবহার। বাজারে এক ধরনের অশুভ জ্যোতিষী ও রত্ন ব্যবসায়ীরা ভাল জাতের বেরিলকে পান্না হিসেবে ব্যবহার করে লোক ঠকাচ্ছেন। এটি দেখতে মিশ্র সবুজ রঙের। বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন বেরিল থেকেই পান্নার উৎপত্তি। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ/নারী ১০ রতির উপর ধারণ করলে ভাল উপকার পাবেন।

দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha

মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200403131634

Friday, April 3rd, 2020

Astro Research Centre

Lapis Lazuli : রাজপট্ট

Lapis Lazuli : রাজপট্ট (জয়প্রদ ও সম্মানলাভে রাজপট্ট অন্যতম রত্ন) এই রত্নে সর্বপ্রকার রোগনাশের ক্ষমতা আছে।
(অরিজিনাল ন্যাচারাল রাজপট্ট প্রতি রত্তির মূল্য চার শত টাকা। মুল্য 50/80/100/150/200
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.arcsm.in
রাজপট্ট শীতল, ভারী ও নরম, অস্বচ্ছ শ্রেণীর রত্ন। এর অপর নাম তৈলস্ফটিক রত্ন। অস্বচ্ছ শ্রেণীর রত্ন সমূহের মধ্যে রাজপট্ট বিশেষ উল্লেখযোগ্য। ইহাকে সংস্কৃতে রাজাওয়ারত এবং ইংরেজীতে Lapis Lazuli বলে। সুশ্রী, মসৃণ, দাগ, ছিদ্রহীন রত্নই উত্তম রাজপট্ট। একে শিরীষ ফুলে ও আদ্রক রসে শোধন করা যায়। রত্নটির প্রকৃত রঙ বেগুনী নীলের উপর সোনালী বা রূপালি আভাযুক্ত। কিছু কিছু রত্নের গায়ে ছাপা ছাপা রকমারী নীলরর্ণের ছোপ দেখা যায়। আর কোন কোন পাথরের বর্ণ এত ঘোর নীল যে দেখতে কালো মনে হয়। কৃষ্ণাভ নীল এবং গায়ে রক্তবর্ণের চুমকীও থাকে। আবার উজ্জ্বল নীলাভ, সবুজ ও তামাটে রঙেরও পাওয়া যায়। এই পাথর দ্বারা প্রাচীন কালে বাসন পেয়ালা ও মহিলাদের অলংকার তৈরী করা হতো। মিশরের রাজা টুটেন খামেনের সমাধি ক্ষেত্রে এই পাথরের তৈরী নানা প্রকার আসবাবপত্র পাওয়া গেছে।
উপাদান (Chemical Composition) : সালফার সমৃদ্ধ, সোডিয়াম, এ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৫-৬
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৭০-২.৯০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫০০ – ১.৫৫০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : (None) নাই ।
প্রাপ্তিস্হান : আফগানিস্থান, মিসর, রাশিয়া ও চিলির খনি প্রভুতি স্হানে পাওয়া যায় ।
উপকারিতা : জয়প্রদ ও সম্মানলাভে রাজপট্ট অন্যতম রত্ন। প্রাচীনকালে রাজা-বাদশাগণ এটিকে বিজয়প্রদ বলে ব্যবহার করতেন। কথিত আছে মিশরের প্রধান বিচার কর্তারা গলায় চেইনের সাথে এই রত্ন পরিধান করতেন। এই রত্নে সর্বপ্রকার রোগনাশের ক্ষমতা আছে। এই রত্ন ধারণ করলে স্বাস্হ্যোন্নতি ও মনে শান্তি থাকে। নারীরা এটা ধারণ করলে স্বামীদের অকৃত্রিম পতিপ্রেম পেয়ে থাকেন। একই সাথে শনি, রবি ও মঙ্গলের অশুভত্ব থেকে রক্ষা করতে অদ্বিতীয়। এটা একটি সৌভাগ্য বর্ধন রত্ন।


♦ ( Lapis Lazuli ) রাজপট্ট বা সদ্যকমণি ♦ = রাজপট্ট বা সদ্যকমণি শীতল ! ভারী ও নরম অস্বচ্ছ শ্রেণীর রত্ন ! এর আরেকনাম তৈলস্ফটিক রত্ন ! অস্বচ্ছ শ্রেণীর রত্নসমূহের মধ্যে রাজপট্ট বিশেষ করে উল্লেখ্যযোগ্য ! একে সংস্কৃতে রাজাওয়ারত এবং ইংরেজিতে Lapis Lazuli বলে ! সুশ্রী. মসূণ. দাগ. ছিদ্রহীন রত্নই উত্তম রাজপট্ট ! একে শিরীষ ফুলে ও আদ্রক রসে শোধন করা যায় ! রত্নটির প্রকূত রঙ বেগুনি নীলের উপর সোনালী বা রুপালী আভাযুক্ত ! কিছু কিছু রত্নের গায়ে ছাপা ছাপা রকমারী নীলবর্ণের ছোপ দেখা যায় ! কোনো কোনো পাথরের বর্ণ এত ঘোর নীল যে দেখতে কালো মনে হয় ! কূষ্নাভনীল এবং গায়ে রক্তবর্ণের চুমকিও থাকে ! আবার উজ্জল নীলাভ. সবুজ ও তামাটে রঙেরও পাওয়া যায় ! এই পাথর দ্বারা প্রাচীনকালে বাসন. পেয়ালা ও রাজা-রাণীদের অলংকার তৈরি করা হতো ! মিশরের রাজা টুটেম খামেনের সমাধি ক্ষেত্রে এই পাথরের তৈরি নানা প্রকার আসবাবপত্র পাওয়া যায় ! উপাদান:--------(Chemical Composition ) : সালফার সমূদ্ব সোডিয়াম. এ্যালুমিয়ানিয়াম সিলিকেট. কাঠিন্যতা (Hardness ) :৫-৬ আপেক্ষিক গুরুত্ব(Specific gravity ) :২.৪-২.৯ প্রতিসরণাংক (Refractive Index ) : ১.৫০ বিচ্ছুরণ (Dispersion ) :০.০২০ প্রাপ্তিস্থান:---------------------আফগানিস্থান. মিশর . রাশিয়া ও চিলির খনি প্রভূতি স্থানে পাওয়া যায় ! উপকারিতা কি কি :----
জয়প্রদ ও সম্মানলাভে রাজপট্ট অন্যতম রত্ন ! প্রাচীনকালে রাজা-বাদশাগণ এটিকে বিজয়প্রদ বলে ব্যবহার করতেন ! কথিত আছে মিশরের প্রাধান বিচার কর্তারা গলায় চেইনের সাথে এই রত্ন পরিধান করতেন ! এই রত্নে সর্বপ্রকার রোগনাশের ক্ষমতা আছে ! এই রত্ন ধারণ করলে স্বাস্থ্যোন্নতি ও মনে শান্তি থাকে ! নারীরা এটা ধারণ করলে স্বামীদের অকূত্রিম পতিপ্রেম পেয়ে থাকেন ! একই সাথে শনি--রবি ও মঙ্গল গ্রহের অশুভ কারকতা থেকে রক্ষা করে ! বহু রত্নবিদগণের মতে রাজপট্ট কেতুগ্রহের অশুভত্ব থেকে রক্ষা করতে অদ্বিতীয় ! এটি একটি সৌভাগ্যবর্ধক রত্ন এই রত্নটির কথা না বললেই নয় গত কয়েকবছরে বেশ কয়েকজনকে প্রেসক্রাইব করেছিলাম ব্যবহারের জন্য ! ৯৫% ব্যবহারকারীই খুব দ্রতই সুফল পেয়েছেন ! যা আমি নিজেও প্রত্যশা করি নি ! এই রত্নটির মূল্যও বেশি পাওয়া যায়ও কম আমাদের দেশে ! যেগুলো পাওয়া যায় অধিকাংশই নকল ও আসল নামক নিম্নমানের ! গত ২৮-০২-২০১৮ তারিখে আমার এক শুভাকাঙ্ক্ষীর মাধ্যমে রাশিয়ান ৫ পিছ রাজপট্ট সংগ্রহ করেছি ! যদি কারো আসল রাজপট্ট ব্যবহার করার আগ্রহ থাকে ইনবক্সে বা ফোনে যোগাযোগ করতে পারেন www.arcsm.in



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha

মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200403122939

Friday, April 3rd, 2020

Astro Research Centre

সাদা প্রবাল: white coral

সাদা প্রবাল: white coral
প্রবাল অস্বচ্ছ রত্ন । ফার্সী ও আরবীতে মারজান বলে। ভারত ও নেপাল এই রত্নকে পলা বলে । প্রবাল গাঢ় নীল, লাল, গোলাপী বা গৈরিক, সাদা ও কালচে বর্ণের দেখা যায় । রত্নটি শুকনো ও শীতল । এটি কয়েক প্রকার । যেমন – রক্তের
মত লাল অথবা গাঢ় লাল বর্ণের প্রবালকে বলে রক্তপ্রবাল, গোলাপি বর্ণের প্রবালকে বলে গৈরিক প্রবাল ও সাদা বর্ণেরটিকে বলে শ্বেত প্রবাল ।
(অরিজিনাল ন্যাচারাল সাদা প্রবাল এর প্রতি রত্তির মূল্য 100/150/200/250/300/350 বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.arcsm.in
উপকারিতা : রাশিচক্রে মঙ্গল গ্রহের অশুভত্ব দূরীকরণার্থে প্রবাল ব্যবহার করা হয়। স্বাস্থ্যরক্ষা, লিভারের রোগ, আমাশয় ইত্যাদি ব্যাপারে খুবই ফলদায়ক। মেয়েদের জরায়ুর রোগে শ্বেত প্রবাল খুবই উপকারী । বহু রোগের উপশম হয় এই প্রবাল রত্বের দ্বারা। রোমানরা ছেলে-মেয়েদের গলায় প্রবাল রত্ন ধারণ করত বিপদ আপদ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে এবং শিশুদের দোলনায় প্রবাল দন্ড লাগিয়ে থাকেন। জানা যায় প্রবাল রত্নে পদ যুগল সুস্থ্য থাকে বলে ব্যালে নৃত্য শিল্পীরা একে সৌভাগ্যেরর পাথর বলে মনে করেন । ব্যবহারকারীর প্রবালের রঙ পরিবর্তন হতে থাকলে বুঝবেন যে শরীরের যে কোন রোগ বা অসুস্হতার লক্ষণ। সূর্যও নির্দিষ্ট গ্রহলোক থেকে তেজ শোষণ করে প্রবাল মানবদেহে তার নীরব প্রভাব ফেলে । প্রবাল প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ উপহার ।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha

মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200403115138

Thursday, April 2nd, 2020

Astro Research Centre

স্টার রুবি / স্টার চুনি:

স্টার রুবি / স্টার চুনি:
‘এটি রাগ অনুরাগের পাথর’ ।
(অরিজিনাল ন্যাচারাল স্টার রুবি/চুনির প্রতি পিস এর মূল্য ১০০০-২৫০০ টাকা। শুধুমাত্র প্রতি রতি মুল্য 40/60/80/100 /150
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
Ruby- বাংলায় চুনি, পদ্মরাগ মনি বলা হয়। অনেকেই রুবি পাথরকে রত্নরাজ বলে থাকেন।
প্রধান চক্র : মানবদেহে যে চক্রের উপর অধিকতর ক্রীয়শীল হার্ট বা
কম্পন সৃষ্টিকারী সংখ্যা : ৩
জন্মপাথর : যাদেরপ্রশান্তিপরিপূর্ণতাএবংএকত্রীকরণপ্রয়োজনতাদেরজন্য‘রুবি’একটিউৎকৃষ্টরত্নপাথর।
শব্দসমূহ
আধ্যাত্মিকতা/আত্মিকজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, সম্পদ, সুনাম, খ্যাতি, যশ, গৌরব,
অর্থ, আর্শীবাদ, ক্রান্তিকাল, পরিবর্তন, পছন্দ। চুনির রত্নের শক্তি তীব্র
মাত্রার এবং উজ্জ্বল। নেতা-নেত্রী, রাজা-বাদশা এবং ধর্ম প্রচারকদের
বুদ্ধিদীপ্ত নির্দেশনা এবং মহৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি পছন্দের
পাথর। কথিত আছে যে ‘রুবির’ শক্তি হলো আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করতে, আপনার
ইচ্ছা এবং আপনার পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। ঘোরতর অন্ধকার জীবন
কাটিয়ে আলো নিয়ে আসতে সাহায্য করে ‘রুবি’।তবে সবার জন্য নয় কেননা যাদের রবি

(Sun)অশুভশুধুমাত্রতাদেরক্ষেত্রে।যেকোনকাজেরবাধাবিঘ্নঅতিক্রমকরেসুফলদানকরেথাকেনএইপাথর।
রুবি এ পৃথিবীতে অসীম পরিত্যাগ করণের মাধ্যমে আপনাকে সকল
প্রকার শিক্ষা দেয়, এটার প্রয়োজন নেই যে আপনি অন্যের প্রাপ্য শাস্তি ভোগ
করবেন। রুবি রত্ন পাথরের প্রজ্ঞা হচ্ছে কিভাবে আপনি মূল্যবান ও অতীব সুন্দর
জীবন গঠন করবেন। নিজের হাতে ভালবাসা তৈরী করা এবং কিভাবে সুখী হবেন তা
রুবি ধারনের পর থেকেই বুঝতে সক্ষম হবেন । মানুষের দেহ থেকে অল্প সময়ে
রাসায়নিক বিষক্রিয়া দূর করে সুস্থ্য হতে সাহায্য করে ‘রুবি’ বা ‘চুনি’।
রুবি/চুনি হার্ট চক্র বা হৃদয় চক্রের উপর কাজ করে। এটি
সাহায্য করে আপনার পরিবর্তন। আপনি আজ যে ক্রান্তিকাল সময়ে দাঁড়িয়ে আছেন তা
থেকে বেরিয়ে আসতে, যা হতে চান সেভাবে নিজেকে তৈরী করতে সাহায্য করে রুবি বা
চুনি।
তর্ক এবং বিতর্কের পরিনতি/ফলাফল সহ উন্নতি করে।চমৎকার রক্ষাকারক রত্নপাথর।বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য উৎকৃষ্ট রত্ন পাথর।যাদের সন্তান ধারণ হয় না তাদের জন্য উর্ব্বরতা দানকারী পাথর। দেহ থেকে রাসায়নিক ও বিষাক্ত দ্রব্য দূর করে দেয় ‘রুবি’ বা চুনি।দৈহিক প্রশমনকারী ক্রিয়া সমূহ :
জ্বরের চিকিৎসা, হৃদয়ের বিষন্নতা, রক্তপ্রবাহ, মাংসপেশীর
রোগ, গলার রোগ, মস্তিষ্ক এবং মানব দেহের বিভিন্ন Gland বা গ্রন্থির উপর
রুবি বা চুনি ভাল কাজ করে।
উপাদান : (Chemical composition) : Al203 অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৯ (নয়)
আপেক্ষিক গুরুত্ব : (Specific Gravity) : ৩.৯৭ – ৪.০৫

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৬৬ – ১.৭৭৪
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০১৮
প্রাপ্তিস্থান : বার্মা(মায়ানমার),
থাইল্যান্ড, কানাডা, শ্রীলংকা, দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ সমূহে, নরওয়ে,
সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়। বার্মার রুবি হচ্ছে জগৎ শ্রেষ্ঠ ও
বহু মূল্যবান এবং দুষ্প্রাপ্যও বটে।
উপকারিতা : জোতিষ শাস্ত্রমতে রাশি চক্রে
চুনি সিংহ রাশি ও রবি গ্রহের রত্ন। হস্তরেখা বিজ্ঞানে রবি রেখা ও রবি
গ্রহের অশুভ প্রভাব থেকে এবং অর্থ, যশ, বৃদ্ধি, সৌন্দর্য্য ও গৌরব বৃদ্ধির
জন্য সহায়ক। তবে অভিজ্ঞ জোতিষীর পরামর্শ ব্যতীত যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা
মোটেই ঠিক না এতে করে বিপরীত মুখী ফল দান করতে পারে । স্থান কাল পাত্র ও
দেশ কাল পাত্র ভেদে রত্ন পাথরের ওজনের তারতম্য ঘটবে। খাঁটি রুবি ২/৩ রতি
ধারণই যথেষ্ট। উৎকৃষ্ট মানের বার্মার রুবি। ১, ১.৫ রতি ধারণ সর্বোত্তম। এর
অধিক প্রয়োজন নেই।



Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha

মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200402182245

Thursday, April 2nd, 2020

Astro Research Centre

TOPAZ : টোপাজ

TOPAZ : টোপাজ
The stone of True Love and Success in all Venture – “যথার্থ ভালবাসা এবং সকল অভিযানে সফল হওয়ার পাথর”।
(অরিজিনাল ন্যাচারাল টোপাজ এর প্রতি রত্তির মূল্য 50/80/100/ 120 150বিস্তারিত জানতে
www.arcsm.in
চক্র : কন্ঠ চক্র।

কম্পনকৃত সংখ্যা : ৬
Metaphysical Properties বা বিমূর্ত গুণাবলী : টোপাজ ধারণে ব্যক্তিগত ও সৃজনশীলতায় শুভ ফল প্রদান করে। আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে সঠিক সময়ে যথোচিৎ সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনে সহায়তা প্রদান করবে। দ্বৈত মনোভাব পরিহার করে মনের সন্দেহ দূর করে আপনাকে বাস্তববাদী করে তুলতে এই পাথরের যথেষ্ট গুণ বিদ্যমান। টোপাজকে বলা হয় উৎসাহ প্রদানকারী পাথর । চিন্তার আলোকে আলোকিত করতে যথেষ্ট কার্যকরী পাথর।
টোপাজ সাহায্য করে পিনিয়াল গ্ল্যান্ড এর জড়তা পরিস্কার করে আপনাকে লোকপুজ্যনীয় করতে সঙ্গে আকর্ষণ নীতিকে স্পষ্টকরণ করে তুলতে। আপনার বিশ্বাস ও ভালবাসা ফিরে পেতে পোখরাজ ধারণ করতে পারেন। ফল অবশ্যই যোগ্যতানুযায়ী পাবেন । বৈষয়িক চাওয়া পাওয়া নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে প্রদান করে, স্বেচ্ছা প্রণোদিত হতে সাহায্য করে। রত্নটি ব্যক্তিগত কতাবার্তায় কার্যকরী সাহায্য করে। রৌপ্য ধাতুতে বাধাই এ টোপাজ এর কার্যকারীতা বৃদ্ধি পায়। টোপাজ কর্মশক্তির, চিন্তা-চেতনার শক্তি পথ প্রদর্শক হিসেবে যথেষ্ট উপযোগী। টোপাজকে যদি এ্যামেথিষ্ট পাথরের সাথে যুক্ত করা হয় বা বাধাই করা হয় তবে তাহা খুবই শক্তিশালী শুভ ফল প্রদান করে। টোপাজ আকর্ষণের নীতিকে প্রকাশ করতে সাহায্য করে, এ্যামেথিষ্ট সৃষ্টি করে আধ্যাত্মিকতা, প্রশান্তি ও পরিচ্ছন্নতা।
পরিবর্তন : অপ্রত্যাশিত শুদ্ধতা, লোক সমাজে গ্রহণযোগ্যতা।
বিষন্নতা : টোপাজ সাহায্য করে নেতিবাচক দিকটাকে পূনর্গঠন করতে, ভালবাসা ও আনন্দের সাথে।
শারীরিক নিরাময়কারী উপাদান : স্বাস্থ্যকে সংরক্ষিত করে। ব্যাথা নিরাময় ও চামড়ার ক্ষয়রোধ, যকৃতের গোলমাল, পিত্ত, অন্তক্ষরা গ্রন্থি।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৮
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ১.৬০৬ – ১.৬২৯ , ১.৬০৯ – ১.৬৩১
প্রতিসরণাংক Refractive Index): ৩.৪৯ – ৩.৫৭

বাড়িতে বসে আদ্যা স্তোত্র পাঠ ও শ্রবণ করুন
সবার মঙ্গল করো মা, এই ধরিত্রী কে রক্ষা করো মা

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha

মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200402174633

Thursday, April 2nd, 2020

Astro Research Centre

All kind of gemstones Akik Pathor : সোলেমানী আকীক পাথর।

Akik Akik Pathor : সোলেমানী আকীক পাথর।
এটি ভারসাম্যের পাথর ।
পৃথিবী জুড়ে আকীক বেশ কিছু পাথর রয়েছে সেগুলোর প্রত্যেকটির বিশেষ গুনাগুণ রয়েছে।
(প্রতি পিস আকীক পাথরের মূল্য মাত্র দুই শত পঞ্চাশ টাকা। মুল্য -100/200/300/500/600
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.arcsm.in
প্রধান চক্র :হৃদয় ।
স্পন্দন বা কম্পনকৃত সংখ্যা : ১ ।
প্রধান শব্দসমূহ : পাথর লালন করে
ভালবাসা, সত্যবাদিতা, সাহস, সাহসিকতা, শক্তি, প্রাচুর্য, ধন, সৌভাগ্য, দীর্ঘজীবিতা, গ্রহণ, রক্ষণ, ভারসাম্য, ঐক্য, উদারতা, রাপত্তা, বিশ্বাস, উৎপাদনের ক্ষমতা, সম্মত হওয়ার ক্ষমতা, উপযোগিতা, মানিয়ে চলার যোগ্যতা, সৃজনশীলতা, ধনদৌলত অর্জন ক্ষমতা ।
Metaphysical Properties বা বিমূর্ত গুণাবলী :
সোলেমানী পাথর লালন করে ভালবাসা, প্রাচুর্য, ধনদৌলত, সৌভাগ্য, দীর্ঘজীবিতা, ঐক্য, মহত্ত্ব, শক্তি, নিরাপত্তা, প্রকৃতির উপলব্ধি। এইগুলিকে শক্তির পাথর বলেই ধরা হয়। এগুলো ভিত্তিস্থাপনকারী, কঠিন ও টেকসই। সকল পাথরেরই রয়েছে চমৎকার
রক্ষা শক্তি ও আরোগ্য শক্তি এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতা উদ্দীপিত করা ও যথার্থতা।
তিক্ততা :কঠিন সময়ে এ পাথর উপকারী, যেমন-ক্ষমা, তিক্ততা ও বিরক্তি। বিশেষ করে সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
মানসিক চাপ : বিভিন্ন দায়িত্বের চাপে যখন আপনি ভারাক্রান্ত তখন আপনি পাথর ধারণ করুণ। পৃথিবীর ভালকিছু পাওয়ার জন্য আপনার পকেটে এক টুকরো পাথর রাখুন। এটা প্রকৃতিকে উপলব্ধি করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
শক্তি : প্রাচীনকালে চারটি জিনিসের শক্তিকে প্রাচীন বলে ধরা হতো। সোলেমানী পাথর হচ্ছে ভূমির পাথর। প্রাচীনকালে
লোকেরা এটাকে ঔষুধের মধ্যে সর্বোচ্চ শক্তিশালী মনে করত। তারা বিশ্বাস করত যে, যোদ্ধাদের শক্তিশালী ও জয়ী করার শক্তি এই পাথরে নিহিত।
সাহস : সাহস বৃদ্ধি করে। এ পাথর পরিধানকারীর সাহস বৃদ্ধি করবে। অন্যদিকে
সাহসের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রলুব্ধকারী কিন্তু আমাদের ঘিরে রাখে এবং
পাশাপাশি তাদের নিজেদের আত্মিক সৌন্দর্য দেয়। আপনার টিনএজারদের সোলেমানী
পাথর পেন্ডেন্ট বা ব্রেসলেট আকারে দিন। যদিও কিছু সময়ের জন্য তারা না বলবে।
এ পাথর সাহায্য করে যখন কোনো নতুন বন্ধুত্বের সূচনা হয় বিশেষ করে যদি আপনি রাগান্বিত বা চাপ দেয়া লোকেরা যারা সাধারণত তৈরী করতে পারে না ভাল মানের ’প্রথম আকর্ষণ’।
আকীক পাথর : প্রকৃতির সাথে সম্পৃক্ততার কারণে এ পাথর প্রসার স্বাধীনতা, মহাশূণ্য এর অনুভূতি লালন করে। আপনি যখন
ঢেউ, বিচ ও বনের মধ্যে হাটবেন একই রকম অনুভব করবেন। এ পাথর নতুন বন্ধু গ্রহণে সাহায্য করে ক্লান্তি দূর করে এবং গলা ও পশ্চাতের রোগ বা সমস্যা নিরাময় করে। ক্ষুধাহীনতা, খাবারের সমস্যা, লসিকার ত্রুটি দূর করে এবং আবেগের ভারসাম্য রাখে।
পিকচার পাথর : মেডিটেশনের জন্য একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে পিনিয়াল ও পিটুইটারীর কাজে ও সমন্বয়ে উপকারী।
ব্লুলেস পাথর : ধৈর্য্য ও স্থিরতার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জগতে যেতে সাহায্য করে।
মেক্সিকান লেস পাথর : মানসিক চাপ কমায়।
গোলাপী লেস পাথর : বন্ধুত্ব পূর্ণতা ও শান্তি বৃদ্ধি করে।
•সাদা লেস পাথর : উপচ্চতর মন ও সৃষ্টিকর্তার প্রতি নিমগ্ন করে।
বষ্টোয়ানা পাথর : এটা একটা ঝাকড়া পাথর। নিরাপত্তা, উর্বরতা, সংবেদনশীলতা, যৌন ক্ষমতা, ক্রোধ, শিল্পজনিত প্রকাশ ও আবেগের জন্য উপকারী।
ক্রেজিলেস পাথর : শক্তিক্ষয়, আবেগ জনিত ব্যাথা, হাসি, হৃদপিন্ড, শক্তির অবরূদ্ধতার জন্য উপকারী, এটি শরীরে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সমূহকে সতেজ করে।
ফ্লেম পাথর : সংক্রমণ প্রতিরোধ করে ও সচেতনতা জাগরিত করে। শরীর সতেজ করে পোড়া ও ব্যাথা নিরাময় করে।
বর্ণ : চ্যালসে ডোনি স্ফটিক পাথরের রং লাল, কমলা, হলুদ, বাদামী। পরিস্কারক স্ফটিক পাথর, সবুজ ও বাদামী। সবুজ রঙটি হচ্ছে আরোগ্য ও আশার রঙ । স্থায়িত্ব ও ভিত্তি স্থাপনকারী পৃথিবীর রঙ বাদামী। আবেগ আত্ম-শ্রদ্ধাবাড়ায়।
পাথরের শারীরিক নিরাময়কারী গুনাগুণ: শারীরিক গতি বৃদ্ধি করে যেমন দৌড়, রেস, ম্যারাথন, অ্যাথলেটিকস,
ব্লাডভের্সেল, লিমপ্যাথিক সিস্টেম, হজমে মন্দা ও খাবারে সমস্যা, সংক্রমন ঠান্ডা ও ফ্লু দূর করে। না-ধর্মী হৃদয়ের কলুষতা ও চাপারাগ দূর করে।
ক্যারিয়ার : কৃষক, প্রকৃতিবিদ, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, বনের রেঞ্চার, ভূ-চিত্রশিল্পী, যোদ্ধা, আইনজীবি, খবরের কাগজের রিপোর্টার, লেখক, রাজনীতিবিদ, শল্য চিকিৎসক, স্থপতি, অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ল্যাবরেটরী কর্মী, টেকনিশিয়ান।
মিশ্রণ : পাথরটি খুব শক্তি সম্পন্ন এবং ফ্যাকাশে সবুজ রঙ এর সবপাশে কার্যকরী হয় ।
কাঠিন্যতা (Hardness) : 6.5-7
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : 2.58-2.64
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : 1.530-1.540

প্রথমেই বলে নিচ্ছি যে, রত্ন পাথর মানুষের ভাগ্য বদলায় না। ভাগ্য বদলায় স্রষ্ঠার ইচ্ছায় এবং মানুষের চেষ্টায়। আর মানুষের চেষ্টাকে সফল করতে রত্ন পাথর সাহায্য করে। এটি একটি প্লাসিবো থেরাপি, যার কারনে মানুষের আত্ববিশ্বাস বাড়ে এবং ভাবমুর্তির পরিবর্তন হয়, কাজে মনযোগ, দক্ষতা ও সফলতা আসে। মানষিক অবস্থার উন্নতি হয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় মনোযোগ বাড়ে, পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে সুক আসে। এগুলো কোন অলৌকিক বিষয় নয়, সবই বৈজ্ঞানিক বিশ্লেশন। এমনকি বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররাও রত্ন পাথর ধারন করতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। বিশ্বে এখন রত্ন পাথর থেরাপীও প্রচলিত আছে যা দিয়ে রোগ নির্মূল করা হয়।
রত্ন পাথর ঠিক ঔষধের মত করে মানুষের শরীরে প্রভাব বিস্তার করে এমনকি চিন্তাধারারও পরিবর্তন ঘটায়।
আমাদের ওয়েব সাইট www.arcsm.in থেকে রত্ন পাথর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য যেনে নিন। যোগদিন আমাদের ফেসবুক Astro Research Centoপেজে।
বিভিন্ন রত্ন পাথরের রাসায়নিক গঠন, প্রতিসারনাঙ্ক, রং, তেজস্ক্রিয়তা এবং আপেক্ষিক গুরত্ব আলাদা আলাদা তাই সব রত্ন সবাই ধারন করতে পারেনা। তাই রত্ন ধারন করার আগে অবশ্যই আমাদের রত্ন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

বাড়িতে বসে আদ্যা স্তোত্র পাঠ ও শ্রবণ করুন
সবার মঙ্গল করো মা, এই ধরিত্রী কে রক্ষা করো মা

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

বাড়িতে বসে আদ্যা স্তোত্র পাঠ ও শ্রবণ করুন
সবার মঙ্গল করো মা, এই ধরিত্রী কে রক্ষা করো মা

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ :



TOPAZ : টোপাজ
The stone of True Love and Success in all Venture – “যথার্থ ভালবাসা এবং সকল অভিযানে সফল হওয়ার পাথর”।
(অরিজিনাল ন্যাচারাল টোপাজ এর প্রতি রত্তির মূল্য 50/80/100/ 120 150বিস্তারিত জানতে
www.arcsm.in
চক্র : কন্ঠ চক্র।

কম্পনকৃত সংখ্যা : ৬
Metaphysical Properties বা বিমূর্ত গুণাবলী : টোপাজ ধারণে ব্যক্তিগত ও সৃজনশীলতায় শুভ ফল প্রদান করে। আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে সঠিক সময়ে যথোচিৎ সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনে সহায়তা প্রদান করবে। দ্বৈত মনোভাব পরিহার করে মনের সন্দেহ দূর করে আপনাকে বাস্তববাদী করে তুলতে এই পাথরের যথেষ্ট গুণ বিদ্যমান। টোপাজকে বলা হয় উৎসাহ প্রদানকারী পাথর । চিন্তার আলোকে আলোকিত করতে যথেষ্ট কার্যকরী পাথর।
টোপাজ সাহায্য করে পিনিয়াল গ্ল্যান্ড এর জড়তা পরিস্কার করে আপনাকে লোকপুজ্যনীয় করতে সঙ্গে আকর্ষণ নীতিকে স্পষ্টকরণ করে তুলতে। আপনার বিশ্বাস ও ভালবাসা ফিরে পেতে পোখরাজ ধারণ করতে পারেন। ফল অবশ্যই যোগ্যতানুযায়ী পাবেন । বৈষয়িক চাওয়া পাওয়া নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে প্রদান করে, স্বেচ্ছা প্রণোদিত হতে সাহায্য করে। রত্নটি ব্যক্তিগত কতাবার্তায় কার্যকরী সাহায্য করে। রৌপ্য ধাতুতে বাধাই এ টোপাজ এর কার্যকারীতা বৃদ্ধি পায়। টোপাজ কর্মশক্তির, চিন্তা-চেতনার শক্তি পথ প্রদর্শক হিসেবে যথেষ্ট উপযোগী। টোপাজকে যদি এ্যামেথিষ্ট পাথরের সাথে যুক্ত করা হয় বা বাধাই করা হয় তবে তাহা খুবই শক্তিশালী শুভ ফল প্রদান করে। টোপাজ আকর্ষণের নীতিকে প্রকাশ করতে সাহায্য করে, এ্যামেথিষ্ট সৃষ্টি করে আধ্যাত্মিকতা, প্রশান্তি ও পরিচ্ছন্নতা।
পরিবর্তন : অপ্রত্যাশিত শুদ্ধতা, লোক সমাজে গ্রহণযোগ্যতা।
বিষন্নতা : টোপাজ সাহায্য করে নেতিবাচক দিকটাকে পূনর্গঠন করতে, ভালবাসা ও আনন্দের সাথে।
শারীরিক নিরাময়কারী উপাদান : স্বাস্থ্যকে সংরক্ষিত করে। ব্যাথা নিরাময় ও চামড়ার ক্ষয়রোধ, যকৃতের গোলমাল, পিত্ত, অন্তক্ষরা গ্রন্থি।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৮
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ১.৬০৬ – ১.৬২৯ , ১.৬০৯ – ১.৬৩১
প্রতিসরণাংক Refractive Index): ৩.৪৯ – ৩.৫৭


বাড়িতে বসে আদ্যা স্তোত্র পাঠ ও শ্রবণ করুন
সবার মঙ্গল করো মা, এই ধরিত্রী কে রক্ষা করো মা

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ



MOONSTONE: চন্দ্রকান্তমনি, “আবেগের ভারসাম্যের পাথর”
(অরিজিনাল ন্যাচারাল চন্দ্রকান্তমনি প্রতি রত্তির মূল্য চার শত টাকা। মুল্য 50/80/120 /200/300/500/700 1000
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.arcsm. in
Metaphysical healing properties বা বিমূর্ত নিরাময় গুণাবলী:
চন্দ্রকান্তমনি আবেগ প্রশমিত ও ভারসাম্য রাখতে সহায়তা করে। এ রত্ন আপনার আবেগের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আবেগকে দমিয়ে রাখা বা প্রকাশ করার পরিবর্তে আপনার ইচ্ছার অধীনে নিয়ে আসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। অভিলাষ,অন্তর্জ্ঞান ও ভারসাম্যের পাথর। আমাদের অমায়িক মেয়েলি দিকের মাধ্যমে সবাইকে আরো স্বস্তিপূর্ণ হতে সহায়তা করে। আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু আনয়ন করে। কিছু লোক মনে করে যে, চন্দ্রকান্ত সুস্পষ্টভাবে একটি মেয়েলি পাথর, কারণ এটা নারীদের মাসিক চক্রের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু প্রতিপালন, অমায়িক তত্ত্বাধীন ও স্বার্থহীন মানবিকতার সেবা সাধারণভাবে একটি মহিলাদের গুণ নয়। মুনস্টোন নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ঐসব অনুভবকে প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্ত করতে পারে, যারা সচেতনভাবে তাদের ব্যক্তিগত ও আভ্যন্তরীণ পর্যায়ের অনুভবকে স্বীকার করতে ভয় পায়। মস অ্যাজাইট, ম্যালাকাইট ও সবুজ পাথরের মতো চন্দ্রকান্তমণি উর্বরতা ও উদ্যান পালনের সাথে সম্পর্কিত। এই চারটিকেই প্রকৃতি, পানি, চক্র, প্রতিপালন ও উর্বরকরণের প্রতি আরোপ করা হয়েছে। সন্তান জন্ম, উর্বরতা, প্রবৃদ্ধি ও
* ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মীদের জন্য একটি মহৎ পাথর, যারা মাঝে মাঝে অনুভব করে যে, একাগ্রতা ও সমবেদনার ফলে উদ্ভুত নম্রতার বিনিময়ে অধিক ফলপ্রসুভাবে কাজ করার ফলে তারা যা অনুভব করে তার অধিকাংশই তাদেরকে দমিয়ে রাখতে হবে। এটা আবেগ ও অনুভবকে মানুষের ভোগান্তির ক্ষেত্রে আরো মজবুত না করেই একজনের নিয়ন্ত্রণের অধীনে নিয়ে আসে। চন্দ্রকান্তমণি নম্রতা হারানো ছাড়াই হৃদয় ও মনের মাঝে একটি ভারসাম্য অর্জন করতে সহায়তা করবে, এমনকি এটা আপনাকে ফলপ্রসু ভাবে কাজকরার জন্যও সুযোগ দিবে।চন্দ্রকান্তমণি অনেক নির্বাহীর সাহায্যে আসতে পারে, যারা আবেগবশত তাদের অনুভব ত্যাগ করেছে যা দক্ষতার সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। শুধু এটা অনুসন্ধান করার জন্য যে, তারকর্মচারীরা কাজ করার ক্ষেত্রে কঠিন এবং তার নির্লিপ্ততার কারণে তাদের আনুগত্য খুবই কম। নিজেকে ব্যবস্থাপনার আবেগপ্রবণ অবয়বের সংস্পর্শে আসার সুযোগ দেয়ার মাধ্যমে শৃঙ্খলাবজায় রাখার সময় আপনি একটি তদারকির পরিবেশ পুন:প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। যেসব অসুখী কর্মচারীরা আপনাকে দূরবর্তী ও নির্লিপ্ত মনে করে তারা ফলপ্রসু কর্মচারী নয়। সকল দিক থেকে সিদ্ধান্ত বিবেচনায় সময় নেয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য এক টুকরো চন্দ্রকান্তমণি আপনার পকেটে রাখুন। প্রাচ্য সংস্কৃতিতে চন্দ্রকান্তমণি ভালবাসার জন্য প্রাধান্য দেয়া হত। তাদের ধারণা যে, একটি চন্দ্রকান্তমণি পরিধান বা বহন আপনার জীবনে একটি নতুন ভালোবাসা আনয়ন করবে। তারা আরো বিশ্বাস করতো যে, ঝগড়ার পরে তাদের হৃদপিন্ডের উপর এক টুকরো চন্দ্রকান্তমণি রেখে একে অপরের সাথে পাথর বিনিময় করলে তা আপনাকে একত্রে আবার পূর্বের অবস্থানে নিয়ে যাবে। উদ্যান পালনের ক্ষেত্রে গাছ লাগানো, আগাছা পরিস্কার অথবা পানি ছিটানোর সময় পাথর পরিধান করুন এবং প্রত্যক্ষবৎ আপনার বাগানকে স্মরণ করুন যেতা উর্বরতার সাথে মুকুলিত হচ্ছে। যেভাবে আপনি কাজ করেন। আপনার বাগানে একটি ছোট ঘন্টা ও এপাথরগুলো মুলিয়ে দিন অথবা মাটিতে কিছু শিলাখন্ড পুতে দিন।জোডিয়াকে বা জোতিষশাস্ত্রে ব্যবহৃত অবস্থান নির্দেশক মানচিত্র এর ভ্রমণের পদ্ধতির কারণে চন্দ্রকান্তমণিকে ভ্রমণের সময় একটি সুরক্ষা মূলক পাথর বিবেচনা করা হয়, বিশেষ করে রাত্রি বেলায় অথবা পানিতে।সাতারু, নাবিক ও অবকাশ যাপনরত ক্রুদের জন্য এটি একটি উপযুক্ত পাথর। যারা ট্যারিট কার্ড, রুন, স্ফটিক বল, মেডিসিন কার্ড অথবা অন্য যে কোন ধরনের ডিজাইনিং টুল নিয়ে কাজ করেন তারা অন্তর্জ্ঞান ও উপলব্ধি উন্নত করার জন্য একটি মুনষ্টোন পাথর সাথে রাখবেন। চন্দ্রকান্তমণি সুখ, অনুগ্রহ, সৌভাগ্য, আসা, আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি, সহজ সন্তান জন্মদান, পানি পথে নিরাপদ ভ্রমণ,পরিবর্তন, প্রাচুর্যতা ও প্রাচীন প্রজ্ঞতার নতুন সূচনা ও সমন্বয়কে পোষণ করে। বিশেষ করে পানি চিহ্নের জন্য।মাতৃসুলভ ভালবাসা সমর্থন ও উৎসাহের জন্য।
• এ পাথর আমাদেরকে অনুভবের সংস্পর্শে নিয়ে আসে এবং এটা চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
• নারী ও প্রকৃতির জন্য চন্দ্রকান্তমণি সুরক্ষা মূলক এবং এটা চন্দ্রদেবীর জন্য পবিত্র।
• নতুন সূচনা, পূনর্জন্ম।
• ব্যাথা ও অসুস্থ্তাকে শোষণ করে।
বর্ণ : সাধারণত নীলাভ অথবা হলুদাভ বর্ণের ছোপের সাথে দুধালো সাদা বর্ণ। সাদা, গোলাপি, হলদে, কোমল আভার সাথে সাথে আলোকভেদ্য।
শারিরীক : স্ত্রীলোকদের হরমোন/রজ:স্রাবের ভারসাম্যহীনতা, লিম্ফ, কলা ও অঙ্গসমূহ পুনরুৎপাদন করে। প্রজনন তন্ত্রের নিরাময় করে।
ক্যারিয়ার : হেলথ কেয়ার- ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মী।
অন্যান্য – নাবিক, উপকূলরক্ষী
উপকারিতা: এই রত্নটি চন্দ্র গ্রহের উপরত্ন হিসাবে ব্যবহত হয়। মুক্তার বিকল্প হিসাবে এটির ব্যবহার। উদরাময়, জ্বর, যক্ষ্মা, মানসিক চাঞ্চল্য, মাথাব্যথাতে খুবই উপকারী। বালক-বালিকাদের দৈহিক পুষ্টি সাধনে বিশেষ ফলদায়ক।
ক) সাদা ঘোলাটে রং-এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্রের জন্য ভাল কাজ দেয়।
খ) স্বচ্ছ কাঁচের মত রং –এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্র ও শুক্রের কাজ করে।
গ) হরিদ্রাভ সাদা রং-এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্র ও বৃহস্পতির কাজ দেয়।
ঘ) রক্তাভ আভাযুক্ত চন্দ্রকান্তমণি রবির ও চন্দ্রের কাজ দেয়।
প্রাপ্তিস্হান: শ্রীলংকা ও বার্মায় পাওয়া যায় সবচেয়ে ঈষদ স্বচ্ছ নীলচে চন্দ্রিম আভাযুক্ত দামী চন্দ্রকান্তমনি এবং মাদাগাস্কায় ও তানজানিয়াতেও উন্নতমানের চন্দ্রকান্তমনি পাওয়া যায়। এছাড়া পাওয়া যায় ভারতের পশ্চিম অংশে, মেক্সিকো, আফগানিস্থান প্রভৃতি স্থানে।


Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200402170148

Saturday, January 4th, 2020

Astro Research Centre

মরিয়ম ফুল কিংবা মরিয়ম পাথর Morium

মরিয়ম ফুল কিংবা মরিয়ম পাথর Morium

মরিয়ম ফুল কেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ব্যবহার করা হচ্ছে?
এর আশ্চর্য উপকারিতা আপনি জানেন কি?

মরিয়ম ফুল সম্পর্কে আশা করি অনেকেই জানেন..?

অত্যন্ত দূর্লভ এই ফুল ও পাথরের উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রসবকালীন সময়ে এই ফুলের ব্যবহার একরকম আবশ্যক। ঐতিহ্যবাহী ধাত্রীরা শত শত বছর ধরে প্রসবকালীন সময়ে মায়ের বেদনা লাঘব করার জন্য এই ফুলের ব্যবহার করছেন।
শুধু আমাদের দেশেই নয়, পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই এর ব্যবহার হয়ে থাকে।

বিভিন্ন মনীষী এর ব্যবহারের উপর অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন এবং বাতলে দিয়েছেন এর ব্যবহারের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতিসমূহ। খ্রীষ্ট ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ বাইবেলেও এর কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

#এই ফুলকে হযরত ঈসা আঃ এর মায়ের নাম নামানুসারে ‘মরিয়ম ফুল বা মরিয়ম বুটি’, নবী সাঃ এর কন্যা ফাতিমার নামানুসারে "ফাতিমার হাত বা হ্যান্ড অব ফাতিমা" এবং এর বৈশিষ্ট্য অনুসারে ‘পুনরুত্থান উদ্ভিদ’ বলা হয়। কারণ এই ফুল দেখতে খটখটে শুকনো ও মরা মনে হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলেই তরতর করে পাপড়ি মেলতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ফুটন্ত ফুলের মতো তাজা আর পরিপূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়ে যায়। এ এক আশ্চর্য ফুল।

অধিকাংশ নারীই হজ্বে গিয়ে এই মরিয়ম ফুল নিয়ে আসেন। অথবা অন্যকে দিয়ে আনান। আমার কাছে এখন থেকে মরিয়ম ফুল ও পাথর পাবেন আশা করি । আপনাদের চাহিদা মেটাতে এবার সৌদি আরব থেকে আমি এই পবিত্র ও আশ্চর্য উপকারী ফুল ও পাথর আনাবো নিয়মিত ইনশাআল্লাহ ।

মরিয়ম ফুল /পাথর ও বিজ্ঞান-
মরিয়ম ফুল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের গর্ভাবস্থায় এবং ডেলিভারির সময় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম হল আনস্ত্যাটিকা হিয়ারোচুনিচিকা (Anastatica Hierochuntica) । এটি সাহারা-আরবীয় মরুভূমিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।

উপাদান
এই ফুলেও পাথরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, দস্তা এবং লোহা। বিশেষত, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে এর কোন নেতিবাচক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

কি কাজ করে?
প্রসবকালীন সময় এই ফুল কিংবা পাথর বিশেষ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করতে হয়। এতে প্রসূতি মায়ের প্রবস বেদনা লাঘব হয় এবং দ্রুত ও সহজে ডেলিভারী সম্পন্ন করা যায়।

আর্স রোগে খুব ভালো pails stone

মুল্য দাম price 50/60/80 100
ব্যবহারের নিয়ম:–

বাচ্চা জন্মের সময় ডেলিভারি পেইন উঠে তখন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন

দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha

মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200104202354

Saturday, January 4th, 2020

Astro Research Centre

MOON STONE (চন্দ্রকান্তমনি)কে বাংলায় মুন পাথর বলা হয়, অনেক জ্যোতিষ আবার একটু কঠিন করে “চন্দ্রকান্ত মনি” বলে থাকে।

MOON STONE (চন্দ্রকান্তমনি)কে বাংলায় মুন পাথর বলা হয়, অনেক জ্যোতিষ আবার একটু কঠিন করে “চন্দ্রকান্ত মনি” বলে থাকে।

রাশি তত্ত্ব হিসেবে যাদের চন্দ্র গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের মুন পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুন পাথর পাওয়া গেলেও ইন্ডিয়ান এবং শ্রীলঙ্কান মুন পাথর বাংলাদেশে বেশী পাওয়া যায়, এছাড়া তানজানিয়া তে বিভিন্ন রঙের মুন পাথর পাওয়া যায়। যাকে আমরা কালার মুন বলে থাকি।

সারা পৃথিবীর মধ্যে শ্রিলাঙ্কার ব্লুমুন Blue Moon stone পাথর বিখ্যাত।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে মুন পাথর উপকারিতা

আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখাতে এবং চিন্তা শক্তি বাড়াতে মুন পাথর উপকারী।

যাদের প্রচণ্ড রাগ, যারা অল্পতে খুব বেশী রেগে যান তাদের রাগ প্রশমিত হতে পারে মুন পাথর ব্যবহারের ফলে।

চৌকশতা বাড়াতে মুন পাথর ব্যবহার করা যেতে পারে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে যেদিন থেকে মনে করা হয় চাঁদ মানুষের মন কে নিয়ন্ত্রণ করে ঠিক সে দিন থেকে মুন পাথরকে ব্যবহার করা হয় মানুষের মনের শান্তির জন্য।

ধ্যান, স্থিরতা জন্য এ পাথর খুব খুব উপকারী।
যদি কেও তার দুচোখের উপর মুন পাথর ছোঁয়ায় তাহলে সাথে সাথে তিনি একটি শীতল অনুভূতি পাবেন।

মানুষিক স্থিরতা বঝায় রাখার জন্য এ পাথর বেশ উপকারী।

মেয়েদের শারীরিক হরমনের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে মুন পাথর, বিশেষ করে ঋতুচক্র ও সন্তান প্রসবের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।

ছেলেদের অতিরিক্ত রাগ কমাতে সাহায্য করে থাকে মুন পাথর।

যে মানুষ গুলো দুশ্চিন্তা গ্রস্থ, আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগে থাকেন তাদের জন্য উপকারী রত্ন পাথর মুন।

মুন পাথর নাক দিয়ে রক্ত পরা, বদ হজম ও সান স্ট্রোক থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে।

অনেকে আবার মুন পাথরকে ভালোবাসার পাথর বলে থাকেন। প্রকৃত ভালোবাসার মানুষটিকে খুঁজে পেতে নাকি মুন পাথর সাহায্য করে থাকে।

সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে মুন পাথর সাহায্য করতে পারে।

অনিদ্রা জনিত সমস্যায় মুন পাথর খুব উপকারী।

চন্দ্রকান্তমনি : Moon Stone

MOONSTONE: চন্দ্রকান্তমনি

The Stone Of Emotional Balance - “আবেগের ভারসাম্যের পাথর” ।

Metaphysical healing properties বা বিমূর্ত নিরাময় গুণাবলী: চন্দ্রকান্তমনি আবেগ প্রশমিত ও ভারসাম্য রাখতে সহায়তা করে।
এ রত্ন আপনার আবেগের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আবেগকে দমিয়ে রাখা বা প্রকাশ করার পরিবর্তে আপনার ইচ্ছার অধীনে নিয়ে আসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। চন্দ্রকান্ত মহান মাতৃদেবীকে উপস্থাপন করে। তার শক্তি রয়েছে তার ভদ্রতার মধ্যে এবং তার অভিজ্ঞতা ও প্রক্রিয়ার মধ্যে এবং এ শক্তি তার অনুভবকে নিরপেক্ষ করে। অভিলাষ,অন্তর্জ্ঞান ও ভারসাম্যের পাথর। আমাদের অমায়িক মেয়েলি দিকের মাধ্যমে সবাইকে আরো স্বস্তিপূর্ণ হতে সহায়তা করে। আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু আনয়ন করে।
কিছু লোক মনে করে যে, চন্দ্রকান্ত সুস্পষ্টভাবে একটি মেয়েলি পাথর, কারণ এটা নারীদের মাসিক চক্রের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু প্রতিপালন, অমায়িক তত্ত্বাধীন ও স্বার্থহীন মানবিকতার সেবা সাধারণভাবে একটি মহিলাদের গুণ নয়। মুনস্টোন নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ঐসব অনুভবকে প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্ত করতে পারে, যারা সচেতনভাবে তাদের ব্যক্তিগত ও আভ্যন্তরীণ পর্যায়ের অনুভবকে স্বীকার করতে ভয় পায়।

মস অ্যাজাইট, ম্যালাকাইট ও সবুজ পাথরের মতো চন্দ্রকান্তমণি উর্বরতা ও উদ্যান পালনের সাথে সম্পর্কিত।

এই চারটিকেই প্রকৃতি, পানি, চক্র, প্রতিপালন ও উর্বরকরণের প্রতি আরোপ করা হয়েছে। সন্তান জন্ম, উর্বরতা, প্রবৃদ্ধি ও রজ:স্রাবচক্রনিয়ন্ত্রণেরজন্যমুনষ্টোনপরিধানকরুন।
ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মীদের জন্য একটি মহৎ পাথর, যারা মাঝে মাঝে অনুভব করে যে, একাগ্রতা ও সমবেদনার ফলে উদ্ভুত নম্রতার বিনিময়ে অধিক ফলপ্রসুভাবে কাজ করার ফলে তারা যা অনুভব করে তার অধিকাংশই তাদেরকে দমিয়ে রাখতে হবে। এটা আবেগ ও অনুভবকে মানুষের ভোগান্তির ক্ষেত্রে আরো মজবুত না করেই একজনের নিয়ন্ত্রণের অধীনে নিয়ে আসে। চন্দ্রকান্তমণি নম্রতা হারানো ছাড়াই হৃদয় ও মনের মাঝে একটি ভারসাম্য অর্জন করতে সহায়তা করবে,এমনকিএটাআপনাকেফলপ্রসুভাবেকাজকরারজন্যওসুযোগদিবে।
চন্দ্রকান্তমণি অনেক নির্বাহীর সাহায্যে আসতে পারে, যারা আবেগবশত তাদের অনুভব ত্যাগ করেছে যা দক্ষতার সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। শুধু এটা অনুসন্ধান করার জন্য যে, তার কর্মচারীরা কাজ করার ক্ষেত্রে কঠিন এবং তার নির্লিপ্ততার কারণে তাদের আনুগত্য খুবই কম। নিজেকে ব্যবস্থাপনার আবেগপ্রবণ অবয়বের সংস্পর্শে আসার সুযোগ দেয়ার মাধ্যমে শৃঙ্খলা বজায় রাখার সময় আপনি একটি তদারকির পরিবেশ পুন:প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। যেসব অসুখী কর্মচারীরা আপনাকে দূরবর্তী ও নির্লিপ্ত মনে করে তারা ফলপ্রসু কর্মচারী নয়। সকল দিক থেকে সিদ্ধান্ত বিবেচনায় সময় নেয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য এক টুকরো চন্দ্রকান্তমণি আপনার পকেটে রাখুন।
প্রাচ্য সংস্কৃতিতে চন্দ্রকান্তমণি ভালবাসার জন্য প্রাধান্য দেয়া হত। তাদের ধারণা যে, একটি চন্দ্রকান্তমণি পরিধান বা বহন আপনার জীবনে একটি নতুন ভালোবাসা আনয়ন করবে। তারা আরো বিশ্বাস করতো যে, ঝগড়ার পরে তাদের হৃদপিন্ডের উপর এক টুকরো চন্দ্রকান্তমণি রেখে একে অপরের সাথে পাথর বিনিময় করলে তা আপনাকে একত্রে আবার পূর্বের অবস্থানে নিয়ে যাবে। উদ্যান পালনের ক্ষেত্রে গাছ লাগানো, আগাছা পরিস্কার অথবা পানি ছিটানোর সময় পাথর পরিধান করুন এবং প্রত্যক্ষবৎ আপনার বাগানকে স্মরণ করুন যেতা উর্বরতার সাথে মুকুলিত হচ্ছে। যেভাবে আপনি কাজ করেন। আপনার বাগানে একটি ছোট ঘন্টা ও এ পাথরগুলো মুলিয়ে দিন অথবা মাটিতে কিছু শিলাখন্ড পুতে দিন।
জোডিয়াকে বা জোতিষশাস্ত্রে ব্যবহৃত অবস্থান নির্দেশক মানচিত্র এর ভ্রমণের পদ্ধতির কারণে চন্দ্রকান্তমণিকে ভ্রমণের সময় একটি সুরক্ষা মূলক পাথর বিবেচনা করা হয়, বিশেষ করে রাত্রি বেলায় অথবা পানিতে। সাতারু, নাবিক ও অবকাশ যাপনরত ক্রুদের জন্য এটি একটি উপযুক্ত পাথর। যারা ট্যারিট কার্ড, রুন, স্ফটিক বল, মেডিসিন কার্ড অথবা অন্য যে কোন ধরনের ডিজাইনিং টুল নিয়ে কাজ করেন তারা অন্তর্জ্ঞান ও উপলব্ধি উন্নত করার জন্য একটি মুনষ্টোন পাথর সাথে রাখবেন। চন্দ্রকান্তমণি সুখ, অনুগ্রহ, সৌভাগ্য, আসা, আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি, সহজ সন্তান জন্মদান, পানি পথে নিরাপদ ভ্রমণ, পরিবর্তন, প্রাচুর্যতা ও প্রাচীন প্রজ্ঞতার নতুন সূচনা ও সমন্বয়কে পোষণ করে। বিশেষ করে পানি চিহ্নের জন্য। মাতৃসুলভ ভালবাসা সমর্থন ও উৎসাহের জন্য।
• এ পাথর আমাদেরকে অনুভবের সংস্পর্শে নিয়ে আসে এবং এটা চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
• নারী ও প্রকৃতির জন্য চন্দ্রকান্তমণি সুরক্ষা মূলক এবং এটা চন্দ্রদেবীর জন্য পবিত্র।
• নতুন সূচনা, পূনর্জন্ম
• ব্যাথা ও অসুস্থ্তাকে শোষণ করে।
বর্ণ : সাধারণত নীলাভ অথবা হলুদাভ বর্ণের ছোপের সাথে দুধালো সাদা বর্ণ। সাদা, গোলাপি, হলদে, কোমল আভার সাথে সাথে আলোকভেদ্য।
শারিরীক : স্ত্রীলোকদের হরমোন/রজ:স্রাবের ভারসাম্যহীনতা, লিম্ফ, কলা ও অঙ্গসমূহ পুনরুৎপাদন করে। প্রজনন তন্ত্রের নিরাময় করে।
ক্যারিয়ার : হেলথ কেয়ার- ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মী।
অন্যান্য – নাবিক, উপকূলরক্ষী
কর্মকান্ড- উদ্যানকরণ, ভ্যাকেশন, সাতার ও পানির খেলা।
চন্দ্রকান্তমনি চাঁদের মত স্নিগ্ধ। উপরিভাগ উজ্জ্বল, মসৃণ। এই রত্নটি স্বচ্ছ থেকে অস্বচ্ছ হয়ে থাকে। এর উৎপত্তি আগ্নেয় বা রূপান্তরিত শিলা থেকে। এই রত্নটিকে আরবীতে হাজরুল কামার, ইংরেজীতে Moon stone ও বাংলায় চন্দ্রকান্তমণি বলে। সাদা ঘোলাটে, স্বচ্ছকাঁচের মত হরিদ্রাভ সাদা, রক্তাভ সাদা আভাযুক্ত হয়ে থাকে।
উপাদান (Chemical Composition): পটাসিয়াম এ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬ – ৬.৫
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৫৫-২.৭৬
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫১৮-১.৫২৬
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০১২
উপকারিতা: এই রত্নটি চন্দ্র গ্রহের উপরত্ন হিসাবে ব্যবহত হয়। মুক্তার বিকল্প হিসাবে এটির ব্যবহার। উদরাময়, জ্বর, যক্ষ্মা, মানসিক চাঞ্চল্য, মাথাব্যথাতে খুবই উপকারী। বালক-বালিকাদের দৈহিক পুষ্টি সাধনে বিশেষ ফলদায়ক।
(ক) সাদা ঘোলাটে রং-এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্রের জন্য ভাল কাজ দেয়।
(খ) স্বচ্ছ কাঁচের মত রং –এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্র ও শুক্রের কাজ করে।
(গ) হরিদ্রাভ সাদা রং-এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্র ও বৃহস্পতির কাজ দেয়।
(ঘ) রক্তাভ আভাযুক্ত চন্দ্রকান্তমণি রবির ও চন্দ্রের কাজ দেয়।
প্রাপ্তিস্হান: শ্রীলংকা ও বার্মায় পাওয়া যায় সবচেয়ে ঈষদ স্বচ্ছ নীলচে চন্দ্রিম আভাযুক্ত দামী চন্দ্রকান্তমনি এবং মাদাগাস্কায় ও তানজানিয়াতেও উন্নতমানের চন্দ্রকান্তমনি পাওয়া যায়। এছাড়া পাওয়া যায় ভারতের পশ্চিম অংশে, মেক্সিকো, আফগানিস্থান প্রভৃতি স্থানে।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না ।

মূলবান রত্ন পাথর নয় কিন্ত কাজ অনেক
দাম, মূল্য, cost, price, 50, 100, 200, 400, 500
রং, আকৃতি, কাজ, উপকারিতা, অপকারিতা, উপরত্ন, গ্রহ প্রতিকার, আঙ্গুল, dhatu, ধাতু, দিন আলোচনা করলাম


MOONSTONE: চন্দ্রকান্তমনি, “আবেগের ভারসাম্যের পাথর”
(অরিজিনাল ন্যাচারাল চন্দ্রকান্তমনি প্রতি রত্তির মূল্য চার শত টাকা।মূল্য 50/80/100 200/250/300/500 /700
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.arcsm.in
Metaphysical healing properties বা বিমূর্ত নিরাময় গুণাবলী:
চন্দ্রকান্তমনি আবেগ প্রশমিত ও ভারসাম্য রাখতে সহায়তা করে। এ রত্ন আপনার আবেগের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আবেগকে দমিয়ে রাখা বা প্রকাশ করার পরিবর্তে আপনার ইচ্ছার অধীনে নিয়ে আসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। অভিলাষ,অন্তর্জ্ঞান ও ভারসাম্যের পাথর। আমাদের অমায়িক মেয়েলি দিকের মাধ্যমে সবাইকে আরো স্বস্তিপূর্ণ হতে সহায়তা করে। আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছু আনয়ন করে। কিছু লোক মনে করে যে, চন্দ্রকান্ত সুস্পষ্টভাবে একটি মেয়েলি পাথর, কারণ এটা নারীদের মাসিক চক্রের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু প্রতিপালন, অমায়িক তত্ত্বাধীন ও স্বার্থহীন মানবিকতার সেবা সাধারণভাবে একটি মহিলাদের গুণ নয়। মুনস্টোন নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ঐসব অনুভবকে প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্ত করতে পারে, যারা সচেতনভাবে তাদের ব্যক্তিগত ও আভ্যন্তরীণ পর্যায়ের অনুভবকে স্বীকার করতে ভয় পায়। মস অ্যাজাইট, ম্যালাকাইট ও সবুজ পাথরের মতো চন্দ্রকান্তমণি উর্বরতা ও উদ্যান পালনের সাথে সম্পর্কিত। এই চারটিকেই প্রকৃতি, পানি, চক্র, প্রতিপালন ও উর্বরকরণের প্রতি আরোপ করা হয়েছে। সন্তান জন্ম, উর্বরতা, প্রবৃদ্ধি ও
* ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মীদের জন্য একটি মহৎ পাথর, যারা মাঝে মাঝে অনুভব করে যে, একাগ্রতা ও সমবেদনার ফলে উদ্ভুত নম্রতার বিনিময়ে অধিক ফলপ্রসুভাবে কাজ করার ফলে তারা যা অনুভব করে তার অধিকাংশই তাদেরকে দমিয়ে রাখতে হবে। এটা আবেগ ও অনুভবকে মানুষের ভোগান্তির ক্ষেত্রে আরো মজবুত না করেই একজনের নিয়ন্ত্রণের অধীনে নিয়ে আসে। চন্দ্রকান্তমণি নম্রতা হারানো ছাড়াই হৃদয় ও মনের মাঝে একটি ভারসাম্য অর্জন করতে সহায়তা করবে, এমনকি এটা আপনাকে ফলপ্রসু ভাবে কাজকরার জন্যও সুযোগ দিবে।চন্দ্রকান্তমণি অনেক নির্বাহীর সাহায্যে আসতে পারে, যারা আবেগবশত তাদের অনুভব ত্যাগ করেছে যা দক্ষতার সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। শুধু এটা অনুসন্ধান করার জন্য যে, তারকর্মচারীরা কাজ করার ক্ষেত্রে কঠিন এবং তার নির্লিপ্ততার কারণে তাদের আনুগত্য খুবই কম। নিজেকে ব্যবস্থাপনার আবেগপ্রবণ অবয়বের সংস্পর্শে আসার সুযোগ দেয়ার মাধ্যমে শৃঙ্খলাবজায় রাখার সময় আপনি একটি তদারকির পরিবেশ পুন:প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। যেসব অসুখী কর্মচারীরা আপনাকে দূরবর্তী ও নির্লিপ্ত মনে করে তারা ফলপ্রসু কর্মচারী নয়। সকল দিক থেকে সিদ্ধান্ত বিবেচনায় সময় নেয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য এক টুকরো চন্দ্রকান্তমণি আপনার পকেটে রাখুন। প্রাচ্য সংস্কৃতিতে চন্দ্রকান্তমণি ভালবাসার জন্য প্রাধান্য দেয়া হত। তাদের ধারণা যে, একটি চন্দ্রকান্তমণি পরিধান বা বহন আপনার জীবনে একটি নতুন ভালোবাসা আনয়ন করবে। তারা আরো বিশ্বাস করতো যে, ঝগড়ার পরে তাদের হৃদপিন্ডের উপর এক টুকরো চন্দ্রকান্তমণি রেখে একে অপরের সাথে পাথর বিনিময় করলে তা আপনাকে একত্রে আবার পূর্বের অবস্থানে নিয়ে যাবে। উদ্যান পালনের ক্ষেত্রে গাছ লাগানো, আগাছা পরিস্কার অথবা পানি ছিটানোর সময় পাথর পরিধান করুন এবং প্রত্যক্ষবৎ আপনার বাগানকে স্মরণ করুন যেতা উর্বরতার সাথে মুকুলিত হচ্ছে। যেভাবে আপনি কাজ করেন। আপনার বাগানে একটি ছোট ঘন্টা ও এপাথরগুলো মুলিয়ে দিন অথবা মাটিতে কিছু শিলাখন্ড পুতে দিন।জোডিয়াকে বা জোতিষশাস্ত্রে ব্যবহৃত অবস্থান নির্দেশক মানচিত্র এর ভ্রমণের পদ্ধতির কারণে চন্দ্রকান্তমণিকে ভ্রমণের সময় একটি সুরক্ষা মূলক পাথর বিবেচনা করা হয়, বিশেষ করে রাত্রি বেলায় অথবা পানিতে।সাতারু, নাবিক ও অবকাশ যাপনরত ক্রুদের জন্য এটি একটি উপযুক্ত পাথর। যারা ট্যারিট কার্ড, রুন, স্ফটিক বল, মেডিসিন কার্ড অথবা অন্য যে কোন ধরনের ডিজাইনিং টুল নিয়ে কাজ করেন তারা অন্তর্জ্ঞান ও উপলব্ধি উন্নত করার জন্য একটি মুনষ্টোন পাথর সাথে রাখবেন। চন্দ্রকান্তমণি সুখ, অনুগ্রহ, সৌভাগ্য, আসা, আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি, সহজ সন্তান জন্মদান, পানি পথে নিরাপদ ভ্রমণ,পরিবর্তন, প্রাচুর্যতা ও প্রাচীন প্রজ্ঞতার নতুন সূচনা ও সমন্বয়কে পোষণ করে। বিশেষ করে পানি চিহ্নের জন্য।মাতৃসুলভ ভালবাসা সমর্থন ও উৎসাহের জন্য।
• এ পাথর আমাদেরকে অনুভবের সংস্পর্শে নিয়ে আসে এবং এটা চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
• নারী ও প্রকৃতির জন্য চন্দ্রকান্তমণি সুরক্ষা মূলক এবং এটা চন্দ্রদেবীর জন্য পবিত্র।
• নতুন সূচনা, পূনর্জন্ম।
• ব্যাথা ও অসুস্থ্তাকে শোষণ করে।
বর্ণ : সাধারণত নীলাভ অথবা হলুদাভ বর্ণের ছোপের সাথে দুধালো সাদা বর্ণ। সাদা, গোলাপি, হলদে, কোমল আভার সাথে সাথে আলোকভেদ্য।
শারিরীক : স্ত্রীলোকদের হরমোন/রজ:স্রাবের ভারসাম্যহীনতা, লিম্ফ, কলা ও অঙ্গসমূহ পুনরুৎপাদন করে। প্রজনন তন্ত্রের নিরাময় করে।
ক্যারিয়ার : হেলথ কেয়ার- ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা কর্মী।
অন্যান্য – নাবিক, উপকূলরক্ষী
উপকারিতা: এই রত্নটি চন্দ্র গ্রহের উপরত্ন হিসাবে ব্যবহত হয়। মুক্তার বিকল্প হিসাবে এটির ব্যবহার। উদরাময়, জ্বর, যক্ষ্মা, মানসিক চাঞ্চল্য, মাথাব্যথাতে খুবই উপকারী। বালক-বালিকাদের দৈহিক পুষ্টি সাধনে বিশেষ ফলদায়ক।
ক) সাদা ঘোলাটে রং-এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্রের জন্য ভাল কাজ দেয়।
খ) স্বচ্ছ কাঁচের মত রং –এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্র ও শুক্রের কাজ করে।
গ) হরিদ্রাভ সাদা রং-এর চন্দ্রকান্তমণি চন্দ্র ও বৃহস্পতির কাজ দেয়।
ঘ) রক্তাভ আভাযুক্ত চন্দ্রকান্তমণি রবির ও চন্দ্রের কাজ দেয়।
প্রাপ্তিস্হান: শ্রীলংকা ও বার্মায় পাওয়া যায় সবচেয়ে ঈষদ স্বচ্ছ নীলচে চন্দ্রিম আভাযুক্ত দামী চন্দ্রকান্তমনি এবং মাদাগাস্কায় ও তানজানিয়াতেও উন্নতমানের চন্দ্রকান্তমনি পাওয়া যায়। এছাড়া পাওয়া যায় ভারতের পশ্চিম অংশে, মেক্সিকো, আফগানিস্থান প্রভৃতি স্থানে।


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha

মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200104124325

Friday, January 3rd, 2020

Astro Research Centre

পান্না, মরকত, Emerald, স্টোন পাথরের, আকৃতি, রং, উপাদান, রাসায়নিক সঙ্কেত, উপকারিতা, অপকারিতা, ব্যবহার, দিন, আঙ্গুল, বার, সময়, ধাতু, মূল্য দাম, পরীক্ষা, প্রভিতি আলোচনা করলাম

পান্না, মরকত, Emerald, স্টোন পাথরের, আকৃতি, রং, উপাদান, রাসায়নিক সঙ্কেত, উপকারিতা, অপকারিতা, ব্যবহার, দিন, আঙ্গুল, বার, সময়, ধাতু, মূল্য দাম, পরীক্ষা, প্রভিতি আলোচনা করলাম

মূল্যবান রত্ন পাথর পান্না

জন্ম তারিখ অনুযায়ী যাদের বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল থেকে ২১ মে), মিথুন রাশি (২২ মে থেকে ২১ জুন), কন্যা রাশি (২৪ আস্ট থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর) ও তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর অক্টোবর) তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী। সাধারনত যাদের রাশিচক্রে বুধ নামক গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের কে Emerald Stone (পান্না পাথর) ব্যবহার করতে বলা হয়। পান্না পাথর সাধারণত মাস্তিস্ক সংক্রান্ত বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বিশেষ করে যে সকল মানুষ ভাল চাকুরি করে অথবা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত, অথবা যাদের সিদ্ধান্ত গ্রহন সংক্রান্ত কাজ করতে হয় তাদের পান্না পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। জ্যোতিষী বা জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পান্না পাথর ব্যবহারের উপকারিতা নিম্ন রূপ (Benefits of panna Stone / Benefits of Emerald Stone):

বুধ গ্রহ যে বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে তা হল, ব্যবসায়, যোগাযোগ, প্রেম-ভালবাসা, একজনের সাথে অন্য জনের সম্পর্ক, ইচ্ছা শক্তি, কোন কিছু শেখার ইচ্ছা, আত্ম শক্তি।

যখন বুধ গ্রহ কারো রাশি চক্রে ভালো ভাবে অবস্থান করে তখন মানুষের উন্নতি খুব দ্রুত হতে থাকে। কিন্তু যদি বুধ গ্রহ রাশিচক্রে খারাপ ভাবে অবস্থা করে তাহলে ঠিক এর উল্টো হতে পারে। তাই যাদের বুধ গ্রহের খারাপ অবস্থানের জন্য খারাপ সময় যাচ্ছে তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার খুব খুব উপকারী হতে পারে।

পান্না চেনার উপায়

১। পান্নাকে জলে রেখে দিলে সবুজ বর্ণের কিরণ দেখা যায়।
২। সাদা কাপড়ের ওপর পান্না রেখে একটু উঁচুতে তুলে ধরলে সাদা কাপড় সবুজ দেখায়।
পান্নার আয়ুর্বেদিক শোধনঃ---
খাঁটি পান্না কাঁচা দুধে চব্বিশ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখতে হবে।
পান্নার প্রাপ্তিস্থানঃ

এটি মূলত কলম্বিয়া, ব্রাজিলে পাওয়া যায়। কলম্বিয়ান পান্না সর্বশ্রেষ্ঠ। তাই এর মূল্য সর্বোচ্চ। তারপরে ব্রাজিলিয়ান পান্না। এটি দেখতে কালচে সবুজ। কলম্বিয়ান পান্না স্বচ্ছ সবুজ। ব্রাজিলিয়ান পান্না অর্ধস্বচ্ছ ও ঘোলাটে সবুজ।

দেশভেদে নামান্তরঃ-

বঙ্গদেশে পান্না, হিন্দিতে পন্না, মহারাষ্ট্রে পাচুরত্ন, গুজরাটে লীলুম ও পাশু, কর্ণাটে পাচীপাচ্চ, তৈলঙ্গে লীলম্, ফরাসীতে জুমুরঙ্গীপ, আরবীতে জুমুইম্, ইংরাজীতে এমারেল্ড ও ল্যাটিনে স্যামবাগ্ ডাস বলে।
বুধের প্রতিকারে সবুজ পাণ্ণা বুধবারে ধারণ কর্তব্য।

উপরত্ন :— ওনেক্স পান্না, ফিরোজা, অ্যাকোয়ামেরিন, মারগাম ও জেড পাথর।

পান্না পাথর মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি, স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি, কোন কিছু অর্জনের ইচ্ছা শক্তিকে বৃদ্ধি এবং বিচার বুদ্ধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

পান্না পাথর ধারনে সন্তান, স্বামী-স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় থাকে এবং উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে।

Benefits of Emerald Stone / Benefits of Panna Stone (পান্না পাথরের উপকারিতা):
জন্ম তারিখ অনুযায়ী যাদের বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল থেকে ২১ মে), মিথুন রাশি (২২ মে থেকে ২১ জুন), কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর) ও তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ অক্টোবর) তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী। সাধারনত যাদের রাশিচক্রে বুধ নামক গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের কে Emerald Stone (পান্না পাথর) ব্যবহার করতে বলা হয়। পান্না পাথর সাধারণত মাস্তিস্ক সংক্রান্ত বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বিশেষ করে যে সকল মানুষ ভাল চাকুরি করে অথবা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত, অথবা যাদের সিদ্ধান্ত গ্রহন সংক্রান্ত কাজ করতে হয় তাদের পান্না পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। জ্যোতিষী বা জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পান্না পাথর ব্যবহারের উপকারিতা নিম্ন রূপ (Benefits of panna Stone / Benefits of Emerald Stone):
বুধ গ্রহ যে বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে তা হল, ব্যবসায়, যোগাযোগ, প্রেম-ভালবাসা, একজনের সাথে অন্য জনের সম্পর্ক, ইচ্ছা শক্তি, কোন কিছু শেখার ইচ্ছা, আত্ম শক্তি।
যখন বুধ গ্রহ কারো রাশি চক্রে ভালো ভাবে অবস্থান করে তখন মানুষের উন্নতি খুব দ্রুত হতে থাকে। কিন্তু যদি বুধ গ্রহ রাশিচক্রে খারাপ ভাবে অবস্থা করে তাহলে ঠিক এর উল্টো হতে পারে। তাই যাদের বুধ গ্রহের খারাপ অবস্থানের জন্য খারাপ সময় যাচ্ছে তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার খুব খুব উপকারী হতে পারে।
পান্না পাথর মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি, স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি, কোন কিছু অর্জনের ইচ্ছা শক্তিকে বৃদ্ধি এবং বিচার বুদ্ধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।
পান্না পাথর ধারনে সন্তান, স্বামী-স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় থাকে এবং উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে।
যে কোন ব্যবসায়িক কাজে পান্না পাথর ব্যবহারে মুনাফা বৃদ্ধি এবং সফলতা আসার সম্ভাবনা অনেক বেশী হতে পারে।
যদি দুজন মানুষ একে অপরের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এবং তারা যদি পান্না পাথর ব্যবহার করে তাহলে তাদের সুখ এবং ভালবাসা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
যদি কোন গর্ভবতী মা তার হাতে পান্না পাথর ব্যবহার করেন তাহলে তার নিরাপদ এবং স্বাভাবিক সন্তান জন্ম হবার সম্ভাবনা থাকে।
যে কোন মানুষিক সমস্যায় পান্না পাথর খুব উপকারী। এছাড়া চর্ম রোগ, কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং যে কোন প্রকারের বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী।
ইসলাম ধর্ম মতে পান্না পাথরের উপকারিতাঃ “Tradition of Ahl al Bait” পান্না পাথর সম্পর্কে উল্লেখ করেছে—“পান্না পাথর ব্যবহারে দারিদ্রতা দূর হয় এবং আর্থিক দিকে উন্নতি সাধিত হয় এবং যে পান্না পাথরের আংটি ব্যবহার করবে সে আর্থিক দুর্দশা থেকে মুক্ত থাকবে যদি মহান আলাহতালা ইচ্ছা করেন”।
, পান্না পাথরের সবুজের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
পান্না পাথর ধারনে মাথা ঠাণ্ডা থাকে যাতে করে দন্দ-বিরোধ কমে আসে।
যদি স্বামী-স্ত্রী একে অপরের ব্যবহার করা পান্না পাথরের আংটি অদল-বদল করে ব্যবহার করে তাহলে তাদের পারস্পরিক আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।
পান্না পাথর মৃগী রোগে উপকারী, এমনকি সন্তান প্রসবের সময় পান্না পাথর ধারন সন্তান প্রসব সহজ করে।
আপনি যখন রত্নপাথর পান্না পাথর (Gemstone Emerald) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি 2000/300/5000
টাকা থেকে সর্বচ্চ ১৫০০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট ব্রাজিল পান্না (Brazil Emerald), কলম্বিয়ান পান্না (Colombian Emerald) পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে।

যে কোন ব্যবসায়িক কাজে পান্না পাথর ব্যবহারে মুনাফা বৃদ্ধি এবং সফলতা আসার সম্ভাবনা অনেক বেশী হতে পারে।

যদি দুজন মানুষ একে অপরের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এবং তারা যদি পান্না পাথর ব্যবহার করে তাহলে তাদের সুখ এবং ভালবাসা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

যদি কোন গর্ভবতী মা তার হাতে পান্না পাথর ব্যবহার করেন তাহলে তার নিরাপদ এবং স্বাভাবিক সন্তান জন্ম হবার সম্ভাবনা থাকে।

যে কোন মানুষিক সমস্যায় পান্না পাথর খুব উপকারী। এছাড়া চর্ম রোগ, কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং যে কোন প্রকারের বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী

যেকোনো আসল রত্নপাথর খুচরা ও পাইকারি ক্রয় করতে চাইলে যোগাযোগ করুন !!

কড়ে আঙুল:
সাধারণ যারা রিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য কড়ে আঙুলে আংটি পরাই আদর্শ। এ আঙুলে আংটি পরার আরও কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। সাধারণত, এ আঙুলের আংটির পরার সঙ্গে বিশেষ কোনও রীতি জড়িয়ে নেই। তাই ইচ্ছে হলে পরে ফেলুন। তাছাড়া, এই আঙুলে আংটি থাকার দরুণ ভারি কাজ করার সময় বিশেষ কোনো সমস্যা হয় না। এই আঙুলে পান্না ধারণ শুভ শ্রেষ্ঠ ফল পাওয়া যায়

অনামিকা আঙুল:
সাধারণত ডান বা বা হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এমন রীতি তৈরি হয়েছে। সোনার আংটিতে পান্না ধারণ শুভ

কখন পান্না পাথর ধারণ অশুভ

মেষ রাশি, কর্কট, ধনু, মীন রাশির অশুভ



মিয়ানমারের একটি খনিতে বিশাল একটি জেড পাথরের সন্ধান পাওয়া গেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন প্রদেশের একটি খনিতে পাওয়া এই পাথরটির ১৪ ফুট উঁচু এবং ১৯ ফুট দীর্ঘ। ধারণা করা হচ্ছে এই পাথরটির ওজন আনুমানিক ১৭৫ টন। জেড পাথরের মূলত মুল্যবান রত্ন পাথর হিসেবে পরিচিত। তাই এত বিশাল আকৃতির এই পাথরটির বাজার মুল্য ধরা হচ্ছে এক কোটি ৭০ লাখ ডলার বা ১৩৬ কোটি টাকা। খবর বিবিসির।

মিয়ানমারে খুবই প্রসিদ্ধ প্রায় স্বচ্ছ সবুজ রংয়ের এই পাথর। বিশ্বের সবচেয়ে ভালো জেড পাথর সেখানেই পাওয়া যায় এই মিয়ানমারেই।

বিবিসির সূত্র মত্র, মিয়ানমারে মোট যে পরিমাণ জিডিপি আসে সেই জিডিপির অর্ধেকই আসে জেড শিল্প থেকে।

জেড পাথরের সবচেয়ে বড় বাজার পার্শ্ববর্তী দেশ চীন, যেখানে এই জেড পাথরকে ‘স্বর্গের পাথর’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

বৃহস্পতিবার পাওয়া এই জেড পাথরটি আকারের দিক থেকে সবচেয়ে বড়। এই মূল্যবান রত্ন পাথরটি যখন পরিষ্কার করা হবে, বিভিন্ন ছোট ছোট খণ্ডে ভাগ করা হবে তখন এর দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। জেড পাথরের নেকলেস ও ব্রেসলেট অনেক জনপ্রিয়। তার সাথে চায়নাতে বিভিন্ন মূর্তি বানাতে ব্যবহার করা হয় মূল্যবান এই পাথর।

জেড পাথরের দাম এখন বাড়ছে। কারণ বিভিন্ন কাজে এর ব্যবহার বাড়ছে।

মিয়ানমার সরকার ও রাজনীতিবিদরা এই জেড পাথরের আবিষ্কারের কথা অনেক আনন্দের কথা শেয়ার করছেন। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের এক স্থানীয় নেতা ইউ টিন্ট সু বলেন ‘এটা আমাদের সরকারের সময় পাওয়া গেছে। এটা আমাদের জনগণের জন্য সৌভাগ্য নিয়ে আসবে।’



সবুজ পান্না সাহসের পাথর। এটা বুদ্ধিবৃত্তিক যুক্তি প্রদর্শন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অজেয় করে-শুধু বর্তমান ও ভবিষ্যতের শিক্ষকদের মাধ্যমে অতিক্রান্ত জ্ঞানেরই নয় বরং এর নিজেরও। নীলাভ সবুজ পান্না একটি ঐশ্বরিক ও চিরস্থায়ী রঙ, কারণ এটি আকাশের রঙ। সবুজ পান্না, এর রয়েছে প্রাণদায়ক গুণাবলী। এই পাথরকে সমুদ্রের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করা হয় এবং আমাদেরকে সমুদ্রের প্রাকৃতিক চেতনার সংস্পর্শে আসতে সহায়তা করে। কিছু সময় নিন, আপনার চোখ বন্ধ করুন, গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকুন এবং স্মরণ করুন যে, আপনি গোধূলি লগ্নে সমুদ্র তীরে বসে আছেন, মৃদুমন্দ শীতল বায়ু প্রবাহিত হচ্ছে। সবুজ পান্না এটাই আপনাকে উপহার দেয়। লোক কাহিনী অনুসারে মৎস্য কন্যার বক্ষ ভান্ডার থেকে এর উৎপত্তি এবং এর বয়সের জন্য নাবিকদের সৌভাগ্য আনয়নকারী পাথর হিসেবে বিখ্যাত হয়েছে। অবকাশ যাপনে ও প্রমোদ তরীতে গ্রহণের জন্য উত্তম পাথর।
যোগাযোগ : আপনার যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ পাথর চমৎকার। যেসব দম্পতিদের মধ্যে যোগাযোগ সমস্যা রয়েছে তারা বন্ধুসুলভ উপায়ে এসব মতানৈক্য সমাধান করার ক্ষেত্রে উক্ত পাথরকে সহায়ক হিসেবে পায়। এটা গলা চক্রকে উদ্দীপিত, সক্রিয় ও পরিস্কার করে।
ভারসাম্য : সচেতনতার আধ্যাত্মিক পর্যায়ের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করে এবং কেন্দ্রীভূত থাকে।
সেবা: পৃথিবীর প্রতি মানবিক সেবার আদর্শ ও মানবিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করে হৃদ্যতা, সৃজনশীলতা।
সফলতার প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করে : সবুজ পান্না আপনাকে শক্তি প্রদান করে যা আপনার নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য দরকার। এটা আপনাকে আপনার লক্ষ্যে পৌছার পথে অনঢ় অবস্থান বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা এবং আপনার সফলতা নিশ্চিন্তে সহায়তা করার মাধ্যমে আপনাকে সঠিক পথে রাখবে।
বর্ণ: বিভিন্ন রকম বেরিলের হালকা নীল।
দৈহিক নিরাময় গুণাবলী : গলা, প্লীহা, হৃদপিন্ড, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, থাইমাস, লিম্প নোড, বিশেষ করে মুখ, কান, শ্বসন অ্যালার্জি, ভ্রমণ, সামুদ্রিক দেবী ইত্যাদি থেকে সুরক্ষিত রাখে।
গুরুত্ব : আত্মবিশ্বাস, উদ্দেশ্য, প্রশান্তি, শান্তি, প্রশান্তকরণ, বিশোধন, যোগাযোগ ও আত্ম সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে।
ক্যারিয়ার : পাবলিক স্পীকার, কলেজ ছাত্র, রেডিও ঘোষক, ডিজে, রাজনীতিবিদ, বক্তা, পৌর বা নগর নেতৃবৃন্দ। একোয়ামেরিন হালকা ঘন সবুজ বর্ণের স্বচ্ছ, দীপ্তিপূর্ণ ও সুশ্রী, এটি বেরিল গ্রুপ (Beryl Group) –এর রত্ন। কখনও কখনও হলদে নীলা ও হালকা সাদা বর্ণের পাওয়া যায়। এই রত্নটিকে উর্দুতে বৈরোজ বলে। একোয়ামেরিন-এর বর্ণ পান্না রত্ন থেকে স্বতন্ত্র্য হলেও রাসায়নিক উপাদান হিসাবে পান্না ও একোয়ামেরিন অভিন্ন। ষটকোন তল বিশিষ্ট পরমাণুযোগে একোয়ামেরিন –এর অঙ্গ গঠিত। রত্নটি কাঁচের তুলনায় শীতল। তবে এটা বহু মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য রত্ন।

উপকারিতা: জ্যোতিষ শাস্ত্রে পান্নার পরিবর্তে এটা বিকল্প রত্ন হিসাবে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন প্রকার রোগেও বুধ এবং মঙ্গল গ্রহের জন্য খুবই ফলদায়ক। ইহা নারীদের ধারণে দ্রুত ফল দেয়। রত্নটি সাহস সঞ্চার করে এবং মনকে সতেজ রাখে।

উপাদান (Chemical Composition): এ্যালুমিনিয়াম বেরিলিয়াম সিলিকেট সংযোগে সৃষ্ট।
কাঠিন্যতা (Hardness): ৭.৫ – ৮
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity): ২.৬৩-২.৯১
প্রতিসরণাংক (Refractive Index): ১.৫৬৭-১.৫৯০
বিচ্ছুরণ (Dispersion): ০.০১৪
প্রাপ্তিস্থান: অষ্ট্রেলিয়া, বার্মা (মায়ানমার), শ্রীলংকা, কেনিয়া, রোডসিয়া, দক্ষিন আফ্রিকা, তানজানিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায় ।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।




বেরিলিয়াম একটি স্বল্পপরিচিত হাল্কা ধাতব মৌল। ১৭৯৮ খৃষ্টাব্দে ফরাসী খনিজ পদার্থ বিশেষজ্ঞ “রেনী যাস্ট হাউই”(Rene Just Hauy) লক্ষ্য করেছিলেন যে মহার্ঘ রত্নপাথর পান্নার আলোক বিচ্ছুরণের ধরণ বেরিল নামক খনিজ পদার্থটির সঙ্গে সাদৃশ্য যুক্ত। হাউই তখন রসায়নবিদ Louis Nicholas Vauquelin কে অনুরোধ করেন ঘটনাটির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি খুঁজে বের করতে। Vauquelin দেখলেন পান্না এবং বেরিল, দুটো পদার্থেই রাসায়নিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য প্রায় একই এবং বেরিলে তখন পর্যন্ত একটি অজানা মৌল পদার্থ বর্তমান। ১৮২০ সালে, বিখ্যাত German রসায়নবিদ Wholer, বেরিল থেকে ঐ নতুন ধাতব মৌলটি নিষ্কাশিত করে, তার নাম দিলেন; “বেরিলিয়াম”। প্রথম অবশ্য এই ধাতুর লবণগুলোর(salt) মিষ্টি স্বাদের জন্য এর নাম দেওয়া হয়েছিল গ্লুসিনিয়াম(glucinium)। কিন্তু সেই নাম গৃহীত হয়নি। যে বেরিল খনিজ থেকে বেরিলিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা হয়, তার যখন অল্প পরিমাণে অশুদ্ধি হিসাবে ক্রোমিয়াম অক্সাইড বর্তমান থাকে তখন তার রং হয় ঘন সবুজ, যার নাম পান্না(Emerald)। অনেক সময়ে অশুদ্ধির পরিমাণের হেরফের ঘটলে পান্নার রং হয় নীলাভ সবুজ। রবীন্দ্রনাথ যতই বলুন; “আমার চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ”, বৈজ্ঞানিকরা বলবেন ক্রোমিয়াম অক্সাইডের রঙে বেরিল হল সবুজ রত্ন পাথর পান্না। নীলাভ সবুজ বেরিলকে বলা হয় “Aquamarine”। বেরিল খনিজটি গ্রানাইট পাথরের ভেতরে ঢুকে থাকে কেলাস(Crystal) আকারে। এই ষড়ভুজি(hexagonal) কেলাস এমন দৈত্যাকার রূপেও পাওয়া যায়, যার ওজন ৬০-টন পর্যন্ত হতে পারে। ব্রাজিলেই সর্বাধিক পরিমাণে বেরিল পাওয়া যায়। তাই ১০০-টন গ্রানাইট পাথর কেটে সাধারণত অর্ধ টন বেরিল বের করে আনা যায়। ১-টন বেরিল থেকে প্রায় ৩২ কিঃগ্রাঃ ধাতব বেরিলিয়াম নিষ্কাশিত করা যায়। পান্না যদিও বেরিলেরই সমগোত্রীয়, কিন্তু তা সহজ লভ্য নয়, বরঞ্চ অত্যন্ত বিরল। সেই কারণে এক টন বেরিলের দাম যদি হয় ৪০০ থেকে ৫০০ ডলার, তবে এক টন পান্নার দাম হবে ২৫-বিলিয়ন ডলার।

ব্যাবহারিক দিক থেকে বিচার করলে বেরিলিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাতু। ১৯৩২ সালে James Chadwick, তেজস্ক্রিয়(radioactive) পোলনিয়াম থেকে নির্গত আলফা কণাকে দিয়ে বেরিলিয়ামের পাতলা চাদরে আঘাত করে দেখলেন এই অভিঘাতের ফলে ওই ধাতুর চাদর থেকে নির্গত হচ্ছে প্রোটনের মতন প্রায় একই ভরযুক্ত এক ধরণের তড়িৎ আধারহীন(neutral) কণা। এই কণাকে তিনি নাম দিলেন নিউট্রন(Neutron)। এই যুগান্তকারী গবেষণার জন্য Chadwick ১৯৩৫ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। এই আবিষ্কারের পর থেকেই বেরিলিয়ামের দিকে বিজ্ঞানীদের বেশি দৃষ্টি পড়ে। এর আগে ১৯২০ সালেই জানা গিয়েছিল, তামার সাথে ২% বেরিলিয়াম মিশিয়ে যে সংকর ধাতু(Alloy) পাওয়া যায় সেটি তামার চাইতে ছয়গুণ শক্ত এবং অধিক তাপ সহনশীল। এটির ধাতুক্ষয় প্রতিরোধ শক্তি আছে, যাকে ইংরাজিতে corrosion resistant বলা হয় এবং এই সঙ্কর ধাতু চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না। অন্য কোন ধাতব বা অধাতব বস্তুর সঙ্গে ঠোকা-ঠুকি লাগলে বা হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে এর থেকে কোন আগুনের ফুলকি ছিটকে বের হয় না। এই সব গুণাবলীর অধিকারী হবার সুবাদে বেরিলিয়াম যুক্ত সংকর ধাতুটি ব্যাবহার হয় উড়োজাহাজের সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশে, নানা প্রকার নির্ভুল পরিমাপক যন্ত্রে, কম্পিউটারের বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশে, বৈদ্যুতিক রিলে(relay) ব্যবস্থায় এবং দামী ক্যামেরার শাটার(Shutter) এর মধ্যে। এই শঙ্কর ধাতুর তৈরি স্প্রিং(spring)-এর কার্যকারিতা প্রায় অবিনশ্বর বলা হয়। তামা+বেরিলিয়াম সংকর ধাতুর থেকে বানান হাতুড়ি, রেঞ্চ(spanners) এবং অন্যান্য নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত ছোট-ছোট যন্ত্রাদি পেট্রোলিয়াম শোধনাগারে, নানান সহজ দাহ্য গ্যাস উৎপাদনকারী শিল্পে বহুল ব্যবহৃত হয়, যেখানে সাধারণ ইস্পাত নির্মিত যন্ত্র ব্যাবহারে অগ্নি স্ফুলিঙ্গ তৈরি হতে পারে আর বড় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। রঞ্জন রশ্মি যন্ত্রের জানালা হিসাবে বেরিলিয়াম ধাতু ব্যবহার প্রচলিত আছে। কারণ ওই রশ্মি জানালা ভেদ করে অভিপ্ত বস্তুর ওপরে গিয়ে পড়তে পারে।

পারমানবিক গবেষণায় বেরিলিয়ামের ভূমিকা অতীব কার্যকরী। বেরিলিয়ামকে Chadwick নিউট্রনের উৎস হিসাবে আবিষ্কার করার পর, এই নিউট্রনের উৎসকে কাজে লাগিয়ে কিম্বদন্তীর পরমাণু বিজ্ঞানী এনরিকো ফারমি(Enrico Fermi) প্রথম গবেষণাগারে ইউরেনিয়াম ধাতুর বিভাজন(fission) প্রক্রিয়ার যুগান্তকারী আবিষ্কার করেছিলেন। বেরিলিয়াম যে শুধুই নিউট্রনের উৎস হিসাবে কাজ করে তাই নয়, ধাতুটির আর একটি গুন হল, এই ধাতুর ভেতর দিয়ে নিউট্রনকে প্রবেশ করালে তার গতি হ্রাস পায়। এই শ্লথ গতির নিউট্রন(slow Neutron) ইউরেনিয়ামের নিয়ন্ত্রিত বিভাজন ঘটায় এবং নির্গত পারমানবিক শক্তিকে সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এই ব্যবস্থা গঠনাত্মক কাজে সাহায্য করতে সক্ষম। বেরিলিয়ামকে তাই চমৎকার একটি নিউট্রন প্রতিফলন(reflector) হিসাবে গণ্য করা হয়। বেরিলিয়াম ধাতু পারমানবিক চুল্লীতে নিউট্রনের সহনীয় মাত্রা বজায় রাখতে(moderator) কাজ করে থাকে। যে কাজ আজকাল গ্রাফাইট(graphite) দিয়ে করা হয়। তবে ওজনে অনেক হালকা বলে, অনেক স্থানে গ্রাফাইটের চেয়ে বেরিলিয়াম কেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি এবং তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার একটি পরমাণু শক্তি চালিত ডুবোজাহাজে বেরিলিয়াম মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কঠিন অথচ হালকা এবং রুপোর মতন উজ্জ্বল এই ধাতুটি আজকাল উন্নত ধরনের উড়োজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র, মহাকাশযান তৈরির নানা কাজে ব্যাবহারের চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। বেরিলিয়ামের অক্সাইড যৌগটি অন্য অনেক সিরামিক(ceramic) বস্তুর থেকে অধিক তাপ পরিবহনে সক্ষম, তাই মহাকাশযানে এর ব্যাবহার নিয়ে জোর সওয়াল করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত বেরিলিয়ামকে আমরা নানা গুণ সম্পন্ন, প্রায় একটি অত্যাশ্চর্য ধাতু রূপে জানলাম। তবে এর অত্যন্ত বিশিষ্ট কতগুলি কাজে সীমাবদ্ধ। কেবল বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরাই এই ধাতুর সংস্পর্শে আসতেন। সাধারণ লোক যাকে বলে আম জনতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে এই ধাতুরযৌগ সমূহের সাথে পরিচয় হল যখন বিশেষ রূপে তৈরি বেরিলিয়াম যৌগ ফ্লুরেসেন্ট টিউব আলোর ভেতরে প্রলেপ রূপে ব্যবহার করা শুরু হল। এই আলোর টিউবের আলো থেকে যে সাদা আলোর স্ফুরণ হয় তার জন্য টিউবের ভেতরে প্রলেপটি দেওয়া হত বেরিলিয়াম-জিংক-সিলিকেট নামক যৌগের সাহায্যে। এই পদার্থটি স্বয়ংপ্রভ অর্থাৎ আলো পড়লেই এর থেকে শ্বেতবর্ণের জ্যোতি স্ফুরণ ঘটে থাকে, যাকে ইংরাজিতে ফসফর বলা হয়। কিন্তু বিপদ তখনই দেখা দিল; এই “বেরিলিয়াম ফসফর” থেকে মানব দেহে নতুন এক রোগের সৃষ্টি হল। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির সময়ে এক বিরাট সংখ্যক শিল্প শ্রমিক এবং কারখানার অন্যান্য সাধারণ কর্মীরা বেরিলিয়োসিস(Berylliosis) ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেন। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির সময়ে যে ক্ষুদ্র কণা বাতাসে ভেসে বেড়ায় কারখানার ভেতরে, সেই ভাসমান কণার সংস্পর্শে আসার পরেই এই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময়ে অথবা উৎপাদিত ফসফরের গুঁড়ো স্থানান্তরিত করার সময়ে এই বিষটি মানব দেহে প্রবেশের সুযোগ পায় বলে ধারনা করা হয়। বেরিলিয়োসিস্ রোগের উপসর্গ প্রথমে যক্ষ্মা রোগের মতন মনে করা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এই রোগের প্রকৃত লক্ষণগুলি বুঝতে পারলেন। এবং দেখা গেল এই রোগটি ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, চামড়ার উপরি ভাগে ক্ষতের সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে বাহু, মুখে এবং ঘাড়ের ত্বকে। ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডের ডাঃ এইচ. এস. ভেন ওরডেসস্ট্রান্ড(Dr.H.S.Van Ordstrand) ও তাঁর সহকর্মীরা ১৭০-জন বেরিলিয়োসিস রোগীর চিকিৎসা করেছেন যাদের চামড়ায় ও ফুসফুসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এদের যথাযথ চিকিৎসা করে সারিয়ে তোলা হয়েছিল, এমনকি চামড়ার ভেতরে ঢুকে যাওয়া বেরিলিয়াম ফসফরের কণাগুলিকে বিশেষ উপায়ে বের করে এনে। এদের মধ্যের বেশ কয়েকজন রোগীকে সুস্থ করা হয়ে ছিল। ক্রমশ ইউরোপের বেশ কিছু দেশে(Germany, Italy, USSR) থেকে এই ধরণের রোগের খবর আসতে থাকে। ম্যাসাচুসেটস থেকে কয়েকজন ডাক্তার জানিয়েছিলেন যে বেরিলিয়াম সিলিকেটের কারখানায় কাজ করা বন্ধ করে দেবার বেশ কয়েক বছর পরে ১৭-জন শ্রমিকের দেহে বেরিলিয়াম উপসর্গ দেখা দেয়। বেরিলিয়াম শিল্পের শ্রমিকের কারখানার পোশাক ধুয়ে পরিষ্কার করার কারণে শ্রমিকের স্ত্রীদের দেহে এই রোগের আক্রমণ দেখা দেয়। পারমানবিক বোমা তৈরির “মানহাটন” প্রজেক্টে কর্মরত একজন পদার্থবিদ ১৯৩৮ সালে বেরিলিয়ামের সংস্পর্শে আসেন কিন্তু তাঁর দেহে বেরিলিয়োসিসের উপসর্গ দেখা দেয় ১৯৪৬ খৃষ্টাব্দে। বেরিলিয়োসিস আক্রান্ত রোগীদের তালিকায় প্রথম নামটি তাঁরই। আক্রান্ত হবার ১০-বছর পরেও রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে এমন ৩৫-জনের সন্ধানও পেয়েছেন চিকিৎসকেরা। এই যে আক্রান্ত হবার বহু পরে উপসর্গ প্রকাশ পাওয়ার ঘটনাকে চিকিৎসা শাস্ত্রে Chronic symptoms বলা হয় এবং এই লক্ষণ প্রকাশ পেলে ডাক্তাররা বেশির ভাগ সময়েই বিমূঢ় হয়ে পড়েন। ভাঙ্গা ফ্লুরেসেন্ট টিউবের টুকরো জঞ্জালের সাথে ফেলে দেওয়া হয়। এই ভাঙা টুকরোতে শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হলেও বেরিলিয়োসিস দেখা দিতে পারে। এক কিশোর বয়সের ছেলের গায়ে ক্ষত সৃষ্টি হবার ২-মাস পরে এই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের আণবিক শক্তি কমিশনে কর্মরত ১৫-জন বৈজ্ঞানিক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে বেরিলিয়ামের সংস্পর্শে এসেছিলেন। যাবতীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের পরেও তাদের শরীরে বেরিলিয়োসিস রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির কারখানার চিমনির থেকে নির্গত ধোঁয়ার মধ্যে ভেসে থাকা কণা থেকেও প্রায় ১-মাইল দুরে বসবাসকারী জনসাধারণকে বেরিলিয়োসিস এর রোগী হিসাবে চিহ্নিত করা গেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বেরিলিয়ামের আর মারাত্মক কোন প্রভাব আছে কিনা তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা ৫০-দশক থেকেই করছেন। এখন পর্যন্ত বেরিলিয়োসিস রোগের নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক ওষুধ আবিষ্কার হয়নি যার প্রয়োগে acute বা chronic অবস্থায় তার প্রয়োগে রোগটি মনুষ্য শরীর থেকে নির্মূল করা সম্ভব হবে, অতি অল্প সময়ে। এ ব্যাপারে কিন্তু বৈজ্ঞানিকরা বসে নেই। গত শতাব্দীর শেষ ভাগ থেকে অবিরাম পরীক্ষা নিরীক্ষা তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন।

একোয়ামেরিন অসাধারণ রত্ন পাথর মূল্যবান উপরত্ন

পেছনের ছবিটি দৈত্যাকৃতি বেরিলের কেলাসের। সামনের চারটি ছবি যথাক্রমে বাঁদিক থেকে এমারেল্ড যুক্ত লাইমস্টোন খণ্ড, অ্যাকোয়ামেরিণের খণ্ড, এবং তৃতীয় ও চতুর্থ ছবি দুটি এমারেল্ড (পান্না) খণ্ডের। এই সবগুলোই অ্যামেরিকান মিউজিয়াম অফ ন্যাচেরাল হিস্ট্রিতে রক্ষিত আছে।

ওপরে যে ছবিটি দেওয়া হল এই প্রবন্ধের মাধ্যমে, সেই চিত্রটি গত শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকে প্রায় শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বর্তমানে, বেরিলিয়ামের বিষক্রিয়া সম্বন্ধে প্রায় সব প্রকারের তথ্য হাতে আসায়, চিকিৎসকরা এর চিকিৎসায় কোন প্রকারের অসুবিধায় পড়ছেন না। তাছাড়া, বেরিলিয়াম ঘটিত বিপর্যয় এড়াতে নানান নিয়মকানুন মেনে চলার নির্দেশ পাওয়া গেছে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে। যেমন; বেরিলিয়াম ও সেই সম্পর্কিত শিল্প কারখানায় উচ্চস্তরের গৃহস্থালির নিয়মাবলী প্রয়োগ করতে হবে যাতে বেরিলিয়াম ধাতু বা তার যৌগ দেহের সংস্পর্শে না আসতে পারে। শ্বাসক্রিয়ার মাধ্যমে যেন দেহে প্রবেশ না করে। কারখানার আবহাওয়ায় যেন বেরিলিয়াম বা তার যৌগকণার পরিমাণ প্রতি কিউবিক মিটার বাতাসে ১০০ মাইক্রোগ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কোন কোন সংস্থা এই পরিমাণ ০২ মাইক্রোগ্রামে নামানর ব্যবস্থা করতে বলেছে। কারখানার বাইরের বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ হওয়া উচিৎ এক মাইক্রোগ্রামের ১০০-ভাগের ১-ভাগ। বেরিলিয়োসিসের কোন অমোঘ প্রতিষেধক আজও আবিষ্কার না হলেও, বেরিলিয়িমের খনি, কারখানা, গবেষণাগার ইত্যাদি, প্রায় সব ক্ষেত্রে সঠিক গাত্রাবরণ, জুতো, মুখোস, দস্তানা, চশমা, মস্তকাবরণ ইত্যাদি ব্যাবহার বাধ্যতামূলক করার পর, বহুল পরিমানে এই মারণ রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

বেরিলিয়াম-জিংক-সিলিকেট, এই স্বয়ংপ্রভ পদার্থটিকে টিউব লাইটে ব্যাবহার ১৯৪৯ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফ্লুরেসেন্ট টিউব নির্মাণ কারখানায় যখন বহু সংখ্যক শ্রমিক এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হচ্ছিলেন, তখন উৎপাদক নিজেরাই U.S.Public health service-এর কর্তাব্যক্তিদের পরামর্শ মেনে বেরিলিয়াম ফসফরের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। নতুন করে গবেষণা শুরু হয় নতুন কোন ফসফর যৌগ আবিষ্কারের তাগিদে। ক্যালসিয়াম-হ্যালো-ফসফেট জাতীয় যৌগর ব্যবহার শুরু হয়। এই যৌগটি হল, ক্যালসিয়াম-ফ্লুর-ফসফেট বা ক্যালসিয়াম-ক্লোর-ফসফেট। এদের কোন রকমের বিষক্রিয়া নেই। একেবারে আধুনিক ফ্লুরসেন্ট টিউবে এই যৌগ অবশ্য ব্যবহার করা হয় (T-12, slim type, T-8, slim type & CFL)।

3-band Phosphor; এই ফসফর হল লাল, সবুজ ও নীল ফসফরের মিশ্রণ। সাধারণত, জিংক-সিলিকেট যৌগর সাথে অন্য ধাতু, যেমন; ইউরোপিয়ান, স্টংসিয়াম, অ্যান্টিমনি ইত্যাদি উজ্জিবক(activator) মিলিয়ে এদের তৈরি করা হয়। আবার, বেরিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম এলুমিনেটে ইওরোপিয়াম উজ্জীবক ব্যবহার করেও ফসফর তৈরি হয় আধুনিক যুগের টিউব লাইটের ভেতরে স্বয়ংপ্রভ প্রলেপ দিতে।
কিন্তু বেরিল থেকে বেরিলিয়াম নিষ্কাসন অথবা খনি থেকে বেরিল উত্তোলন, এই কর্মকাণ্ড ত থেমে থাকতে পারে না! তাই শ্রমিক, যারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের সব রকমের নিরাপত্তা দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই জন্য হয়ত নতুন করে কেউ বেলিয়োসিসে আক্রান্ত হচ্ছেন না কিন্তু, রোগটির উপসর্গ আক্রান্ত হবার ১০-১৫ বছর পরে দেখা যায়(chromic effect) বলে আজও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে চলেছেন এই রোগের সঠিক প্রতিষেধক আবিষ্কারের আসায়।

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয়(environment health) ব্যাপারটি নিয়ে আজকাল পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বিশেষ জোর দিচ্ছেন ধাতুর বিষক্রিয়ার ওপর। পারদ, ক্রোমিয়াম, আর্সেনিক ইত্যাদির খবর আজকাল বহুল প্রচারিত খবর। কিন্তু স্বল্প পরিচিত বেরিলিয়াম ও তার যৌগরা যে কি পরিমাণ বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পেরেছিল এবং পারে, সেই বিষয়ে পাঠকদের অবহিত করার জন্যই এই প্রবন্ধের অবতারণা। এই বিষয়ে আর একটি বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে, প্রায় ২৫০ বছর আগে Bernadino Ramazzini নামে এক চিকিৎসক শিল্প কারখানার শ্রমিকদের নানান রোগ সম্বন্ধে গবেষণা চালানর সময়ে একটি দামি কথা বলেছিলেন; তাঁর পরামর্শ ছিল, “ডাক্তাররা যখন কোন কর্মজীবী মানুষের চিকিৎসা করবেন তখন তাঁদের অবশ্যই জেনে নেওয়া উচিৎ সেই ব্যক্তি কি ধরণের কর্মে সঙ্গে যুক্ত আছেন”? তা না হলে নির্ভুল রোগ নির্ণয় করা কখনই সম্ভব হবে না। বেরিলিয়োসিস রোগের ক্ষেত্রে এই উপদেশ অতীব মূল্যবান এবং যাঁরা পরিবেশ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বৈজ্ঞানিক গবেষণা করেন তাদের ক্ষেত্রে এই পরামর্শ দিক নির্দেশক বলে বিবেচিত হতে পারে।

প্রকৃতির কি বিচিত্র লীলা! বেরিল খনিজের মধ্যে ক্রোমিয়াম অক্সাইড অশুদ্ধি রূপে থাকার ফলে সেটি রূপান্তরিত হয়েছে অত্যন্ত মহার্ঘ রত্ন প্রস্তর পান্না(Emerald) আর অ্যাকোয়া মেরিনে(Aquamarine)। বেরিল থেকে প্রাপ্ত ধাতব মৌল বেরিলিয়াম প্রমাণিত হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও জন-হিতকারী মৌল রূপে, যা পারমানবিক শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিশেষ ভাবে প্রয়োজনীয়। কিন্তু প্রকৃতির ঋণ পরিশোধ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব হয়না, প্রায় সব ক্ষেত্রেই। তবে প্রকৃতি ও তার ঋণ আদায় করে নিতে জানে এবং এই ক্ষেত্রে বেরিলিয়োসিস ব্যাধির সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক বার্তা দিয়েছে; যথেচ্ছ এবং অনিয়ন্ত্রিত ভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করার আগে ভাল এবং খারাপ দুটো দিকই বিচার করা যে একান্ত ভাবে প্রয়োজন সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে কু-দিকটার মোকাবিলা করার জন্য ঠিকঠাক ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত ভাবে জরুরি সেই কথা বারংবার মনে করিয়েছে। না হলে কি ভয়ঙ্কর বিপদ মানুষের জন্য অপেক্ষা করে আছে, তা বেরিলিয়োসিস রোগ মারফত জানিয়ে দিয়েছে।

দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬






আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200103163658

Monday, December 30th, 2019

Astro Research Centre

ফিরোজা (Rashi Rotno Pathor Firoza) নামেই বেশী চিনে থাকে। উপাদান, আকৃতি, বৈশিষ্ট, রং, কাজ, উপকারিতা, মূল্য, দাম, price, cost, গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হলো

Benefits of Turquoise Firoza Stone (ফিরোজা পাথরের উপকারিতা)
Gemstone Turquoise এর বাংলা হচ্ছে ফিরোজা, যদিও একে সবাই রাশি রত্ন পাথর ফিরোজা (Rashi Rotno Pathor Firoza) নামেই বেশী চিনে থাকে।
উপাদান, আকৃতি, বৈশিষ্ট, রং, কাজ, উপকারিতা,
মূল্য, দাম, price, cost, গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হলো

পৃথিবীর ইতিহাসে ফিরোজা পাথরের উল্লেখ পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ বছরের আগে থেকে। এবং জুয়েলারি শিল্পে এর ব্যবহার নানাবিধ। উৎকৃষ্ট মানের ফিরোজা পাথরের রঙ হচ্ছে আকাশি নীল।
প্রাপ্তি স্হান :

ইরানের নিশাপুরি অঞ্চলের ফিরোজা পাথর পৃথিবী বিখ্যাত। যেখান থেকে “শাজারি ফিরোজা” পাওয়া যায়। এছাড়াও আমেরিকা, দক্ষিন কোরিয়ায় ফিরোজা পাথর পাওয়া যায়।

ফিরোজা পাথর দারিদ্রতা দূর করে এবং আর্থিক কষ্ট দূর করে”।তিনি সাইয়েদেনা মুফাদ্দালকে উপদেশ দেন ফিরোজা পাথরের আংটি ব্যবহার করতে এবং বলেন “এটা চোখের জ্যোতি বাড়ায়, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে এবং বুক প্রশস্ত করে”।

ফিরোজা পাথরের বিশেষ কিছু উপকারিতা

ফিরোজা পাথর জাদুটোনা, শয়তান,বিষাক্ত পোকামাকড় ও কু দৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।
যদি কেহ ঘুম থেকে উঠেই ফিরোজা পাথর দেখে থাকে তাহলে সকল প্রকার ষড়যন্ত্রকারীর ষড়যন্ত্র থেকে নিরাপদে থাকবেন। মহান আল্লাহ তাকে সকল প্রকার বিপদ থেকে রক্ষা করবেন।

ফিরোজা পাথর চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে এবং জিবনী শক্তি বৃদ্ধি করে।

হয়রানি থেকে রক্ষা করে এবং শত্রুদের মাঝে জয়ী হতে সাহায্য করে।

ফিরোজা পাথর ধারণে উন্নত চরিত্র দ্বারা সুনাম অর্জনে সাহায্য করে থাকে।
বিষণ্ণতা দূর করে ফিরোজা পাথর।

এই পাথর পাইলস রোগের নিরাময়ে সাহায্য করে।

Turquoise (Firoza) Stone Benefits জ্যোতিষশাস্ত্র মতে ফিরোজা পাথরের উপকারিতাঃ

ফিরোজা পাথর ব্যবহারে মনের শক্তি বৃদ্ধি পায়। চিন্তা শক্তি এবং অন্তর্দৃষ্টি প্রখর হয়ে থাকে। ফলে চিন্তা চেতনা আগের থেকে পরিষ্কার ও প্রখর হয়ে থাকে।
ফিরোজা পাথর কে সৌভাগ্যর পাথর বলা হয়ে থাকে। এ পাথর ব্যবহারে আল্লাহ্‌র চাইলে ব্যবহারকারীর ভাগ্য প্রসন্ন হতে পারে।
ফিরোজা কে একটি বিশুদ্ধ পাথর মনে করা হয়। মানুষিক চাপ হ্রাস করা, দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করা থেকে শুরু করে নানান উপকার পাওয়া যায়।
যে সকল মানুষ ছায়াছবি, ফ্যাশন , টেলিভিশন , জুয়েলারি , হিসাববিদ্যা , আইন , শিক্ষা ও পোশাক শিল্প্র মত ক্ষেত্র এর সাথে সম্পর্কিত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী। শিক্ষক,লেখক,পণ্ডিত এবং শিক্ষার্থী,শিক্ষা ও বিশেষ করে যারা সৃজনশীল কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য খুব উপকারী এ পাথর।
কথিত রয়েছে যে ফিরোজা পাথরের রঙ এবং উজ্জলতা বলদে যায় যখন এর ব্যবহারকারী কোন ভাবে শারীরিক ও মানুষিক ভাবে বিপদ্গ্রস্থ হয়ে পরে।
ফিরোজা পাথর ব্যবহারে মানুষের মনে দয়া, দানশীলতার অনুভূতি বৃদ্ধি পায়।
বন্ধুর সাথে সম্পর্ক, ভালোবাসার মানুষটির সাথে সম্পর্কে এবং পারিবারিক সম্পর্কে ফিরোজা পাথর আস্থার জন্ম দেয়।
হাঁপানি,বাড়তি মদ্যাশক্তি,বিষণ্নতা,উচ্চ রক্তচাপ,মাইগ্রেইনস,ভাইরাল সংক্রমণ,বা টক্সিনের মত শারীরিক অসুস্থতায় ফিরোজা পাথর উপকারী। .
যে সকল মানুষকে খুব বেশী ভ্রমন করতে হয় তাদের জন্য ফিরোজা পাথর ব্যবহার উপকারী। যে কোন প্রকার দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
বিবাহিত জীবনে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়া, আস্থা, ভালোবাসা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ফিরোজা পাথর


TURPUOISE : ফিরোজা
(অরিজিনাল ন্যাচারাল ইন্ডিয়ান ফিরোজার প্রতি রত্তির মূল্য চার শত টাকা। শুধুমাত্র মুল্য 80 /120/180/250/300/400/500
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.arcsm.in
“ফিরোজা বা তুত্থকমণি” সবুজ বর্ণের অস্বচ্ছ, সৌন্দর্যের প্রতিভূ রত্ন। বর্ণের দিক থেকে সবুজ,উজ্জ্বল আসমানী নীল। ‘পারস্য মাকড়সা জাল’ নামে বিখ্যাত এক ধরণের ফিরোজায় নীল রঙের ওপর সরু কালো রেখা জাল বিস্তৃত থাকে। উজ্জ্বল আসমানী নীল ফিরোজা রত্ন স্বাদহীন, শীতল ও শুকনো । রত্নটিকে পশ্চাৎ অংশ অমসৃণ ও কিছুটা ভাঙ্গা ভাঙ্গা হতে পারে। এই রত্ন –পাথরটিকে সংস্কৃতে পায়বজ, ফারসীতে ফিরোজা এবং ইংরেজীতে Turquoise বলে । এটি পারস্যের জাতীয় রত্ন। ইসলামী ধর্মাবলম্বীরা এই রত্নকে সর্বোৎকৃষ্ট রত্ন বলে কন্ঠ ভূষন করে রাখেন। খৃষ্টান ধর্মাবলম্বীরা এই রত্নকে শুভদায়ক মনে করেন। সুতরাং খাঁটি ফিরোজার অতি উচ্চমূল্যের রত্ন হিসেবে বাজারে বিক্রি হয়। এই রত্নটি উত্তাপ সহ্য করতে পারে না । সূর্যের প্রচন্ড তাপেও ফিরোজার সবুজ রঙ মলিন হয়ে যেতে পারে । ইরানী ফিরোজা উৎকৃষ্ট মানের। খ্রীষ্টপূর্ব চার হাজার বছর আগেও মিশরে এর ব্যবহার ছিল । ‘বুকের লকেট এর উপর উন্নতমানের খাঁটি ফিরোজা রত্ন দেখতে যতটুকু ভাল বা সুন্দর দেখায় অন্যকোন রত্ন –পাথর ততটুকু নয়’।
প্রাচীনকালের লেখকদের লেখনিতে জানা যায়, ফিরোজা রত্ন সম্ভবতঃ সর্বপ্রথম তুর্কীস্হানে পাওয়া গিয়েছিল । হয়তো এই তুর্কী স্হানের কারণেই রত্নটির নামকর‌ণ করা হয়েছে ‘টারকুইজ (Turquoise) বা তুর্কী (Turkish) রত্ন। আরো জানা যায় যে, “পারস্যের শাহ বেশ উন্নত মানের ফিরোজা মণির অধিকারী ছিলেন। কেননা খোরাসান এর নিশাপুর নামক স্হানে সবচেয়ে মূল্যবান ফিরোজা মণিগুলো বেশী পাওয়া যায় । সেই স্হানটি তাঁর শাসনাধীন। জানা যায়,মুল্যবান ও উন্নতমানের ফিরোজা রত্ন গুলি আহরণ করে তিনি নিজে রেখে দেন এবং অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের ও নিম্নমানের রত্ন গুলো বাজারে বিক্রির জন্য ছাড়া হতো।” আজকাল অস্বচ্ছ কাঁচকে রঙিন করে অথবা পোরসিলিন বা প্লাষ্টার অব প্যারিসকে রঙিন নকল ফিরোজা তৈরী করা হয় । নকল ফিরোজা ওজনে ভারী হবে বা আপেক্ষিক গুরুত্ব বেশী । তাপে নষ্ট হয়ে যায় বা চুলের মত ফাটা ফাটা হয়ে যায়।
উপাদান (Chemical Compostion) : এ্যালুমিনিয়াম ফসফেট ও কপার সংমিশ্রনে সৃষ্ট।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৫-৬
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৬৩-২.৯১
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫৬০-১.৬০৫
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : None (নাই)
প্রাপ্তিস্থান :মিশর, সৌদিআরব, মেক্সিকো, তুর্কী, এ্যারিজোনা, কালিফোর্নিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক, ইরান প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়।
উপকারিতা: ফিরোজা রতœ ব্যবহারে প্রকৃত স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা সম্পর্ক গাঢ়তর হয়ে থাকে এবং পারিবারিক শান্তি সমৃদ্ধ রক্ষায় যথেষ্ট উপযোগী । শেখ ইব্রাহিম (আঃ) –এর মতে, যে ব্যক্তি এই রতœ ব্যবহার করে থাকেন তাকে হিংস্র জীব-জানোয়ার দংশন বা আক্রমণ করতে পারে না । জানা যায় যে, হযরত আলী (রা:) এবং হযরত ওমর (রা:) যখন ধর্মযুদ্ধে অংশগ্রহন করতে যেতেন তখন বাহুতে আংটি হিসাবে ফিরোজা রতœ ধারণ করতেন যুদ্ধে বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য। ফিরোজা রতœ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে অতিশয় ফলদায়ক সন্দেহ নেই ।


। কৃত্রিম রত্ন তৈরির প্রচেষ্টাটি প্রচীনকালেও ছিল। প্রাচীন মিশরীয় এবং রোমানদের তৈরি বিভিন্ন রকম নমুনা জাদুঘরে দেখা যায়। তবে সেগুলি গুণগত মানে ও রূপে অক্ষম। কৃত্রিমভাবে তৈরি রত্ন-পাথরকে কয়েকটি সম্পূর্ণ আলাদা দলে বিভক্ত কর যায়। যেমন -- (১) ইমিটেশন অর্থাৎ নকল রত্ন।(২) সিনথেটিক অর্থাৎ সংশ্লেষিত রত্ন এবং(৩) কৃত্রিম ভাবে তৈরি ডাবলেট রত্ন। (১) ইমিটেশন বা নকল রত্ন প্রাকৃতিক রত্নের অনুকরণেই করা হয়। চোখে দেখার মিলটুকু ছাড়া আর কোনো অর্থেই এরা প্রাকৃতিক বা আসল রত্নের মতো সাধারণত হয় না। এতে একই রকম দেখতে অন্য জিনিসকে সুকৌশলে রত্নের মতো করে তোলা হয়। কিছুটা আসলের মতোই এই রত্ন প্রচুর তৈরি করে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। এদিক থেকে এদের উপযোগিতা আছে বৈকি।ইমিটেশন বা নকল রত্নের অধিকাংশ তৈরি হয় বিশেষ ধরনের কাঁচ থেকে। এ কাঁচ যেন খুব বিশুদ্ধ হয়, ক্ষুদ্র বাবলস বা বুদবুদ ইত্যাদি থেকে মুক্ত হয়, সে ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নেওয়া হয় প্রাকৃতিক বা খাঁটি রত্নের মতো অনুরূপ রং দেওয়ার জন্য গলিত অবস্থায় এ কাঁচের সঙ্গে বিভিন্ন রকম ধাতব অক্সাইড মেশানো হয়। যেমন নীলের জন্য -- কোবালট অক্সাইড, সবুজের জন্য -- কুৎপ্রিক অক্সাইড, বেগুনির জন্য -- ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড ইত্যাদি। কাঁচকে বিভিন্ন তলে ঘষে কাটা প্রাকৃতিক রত্নের রূপ ও ঔজ্জ্বল্য দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সব কাটা তলের নিম্ন পৃষ্ঠগুলিতে অনেক সময় আয়নার মতো প্রতিফলকের ব্যবস্থা করা হয় যাতে প্রাকৃতিক বা আসল রত্নের দীপ্তিও খানিকটা আসে। এ ধরনের নকল রত্নকে অবশ্য প্রাকৃতিক রত্ন থেকে আলাদা করা মোটেই কোনো কঠিন কাজ নয়। এরা কম শক্ত বলে অনায়াসে এদের গায়ে আঁচড় কাটা যায়। খনিজ বা প্রাকৃতিক রত্নের তুলনায় এদেরকে স্পর্শে উষ্ণ অনুভূত হয়। আলোর প্রতিসরণাঙ্কের ক্ষেত্রেও এদের সঙ্গে প্রাকৃতিক রত্নের অনেক তফাত। তা ছাড়া এক্সরে ছবি নিলেই বোঝা যায় যে নকল রত্নের সত্যিকার কোনো কেলাসিত রূপ নেই।
(২) অপরদিকে সংশ্লেষিত রত্ন সব অর্থেই প্রাকৃতিক রত্নের অনুরূপ। প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে তৈরি না-হয়ে এটি বিভিন্ন উপাদানের সংশ্লেষণে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তৈরি হয়, এই অর্থেই শুধু এটি কৃত্রিম। বস্তুগত দিক থেকে, যেমন রাসায়নিক গঠন, কেলাসন, আলোকগুণ এবং অন্যান্য সব ভৌত গুণে এরা প্রাকৃতিক রত্নের সঙ্গে অভিন্ন। সংশ্লেষিত রত্ন তৈরি অনেক বেশি ব্যয়সাপেক্ষ, তাই শুধু দামি রত্নগুলির ক্ষেত্রেই এটি করা হয়। আজকাল সংশ্লেষিত হিরে, চুনি, নীলা, পান্না সবই পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লেষিত হিরের একটি সুবিধা হল একে ইচ্ছামতো রঙিন করা সম্ভব নানা রকম বিজাতীয় পদার্থের স্বল্প অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে। প্রথমদিকে কৃত্রিম হিরের আকার এত ছোটো হত যে তা রত্ন-পাথর হিসাবে ব্যবহারের উপযুক্ত ছিল না। কিন্তু সত্তরের দশক থেকে আকারে ও সৌন্দর্যে রত্ন হওয়ার উপযুক্ত হিরে সংশ্লেষিত হচ্ছে, এদের উৎপাদন ব্যয়ও ধীরে ধীরে কমে আসছে। চুনি ও নীলা আসলে একই রত্ন-পাথর, শুধু এদের রংটুকু ছাড়া অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের প্রবাহের মাধ্যমে সৃষ্ট তীব্র উত্তাপে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাসাইডের গুঁড়োকে গলিয়ে এবং পরে তাকে কেলাসিত হতে দিয়ে চুনি ও নীলা সংশ্লেষিত করা হয়। তৈরির সময় সঙ্গে পরিমাণমতো ক্রোমিয়াম অক্সাইড মেশালে তা চুনির লাল রং হয়। আবার এর বদলে টিটানিয়াম অক্সাইড দেওয়া হলে সৃষ্টি হয় নীল রঙের নীলা। ১৯৩০ সালে প্রথম পান্না তৈরি সম্ভব হয়।(৩) কৃত্রিম ডাবলেট রত্নগুলি হল এতে উপরে সত্যিকার রত্নের পাতলা করে কাটা একটু আবরণ থাকলেও তাকে জুড়ে দেওয়া হয় নকল অথবা নিকৃষ্ট রত্নের ব অংশের সঙ্গে। ডাবলেট রত্ন তৈরি করার কৌশলটিও কিন্তু বেশ লক্ষণীয়। এতে উপরের পাতলা দামি রত্নের অংশ নীচের নকল অংশের সঙ্গে উপযুক্ত আঠা দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়। হিরের ডাবলেটের ক্ষেত্রে পাতলা আসল হিরে, জারকন অথবা রক ক্রিস্টালের মতো অপেক্ষাকৃত সস্তা। কিন্তু অনুরূপ কেলাসের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। অন্যান্য দিক থেকে একইরকম দেখতে হলেও চুনি, নীলা বা পান্নার ডাবলেটের জন্য সাধারণত উপরে এলমেডাইন নামক স্বচ্ছ কেলাসের পাতলা আবরণ এবং নীচে সঠিক রঙের কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
কৃত্রিম রত্ন আধুনিক প্রযুক্তির একটি চমৎকার সুকৌশল। ইমেটেশন বা নকল রত্ন ও কৃত্রিম ভাবে তৈরি ডাবলেট রত্ন-পাথরগুলি বিচার-বিশ্লেষণের অনুপযুক্ত।

যদিও আসল রত্ন আপনি কোনোদিন দেখতে পাবেন না দু-একটা ছাড়া (কারণ সেগুলি পাথর নয়), তবুও সুযোগ পেলে রত্ন-পাথর আসল কি নকল  কীভাবে বুঝবেন সেটা জেনে নেওয়া যেতেই পারে।বাজারে নানারকম রত্ন-পাথর পাওয়া যায়। চোখ ধাঁধিয়ে যায় তাদের রং আর উজ্জল বর্ণচ্ছটার আভা দেখলে। জ্যোতিষবাবু কিংবা জুয়েলারি থেকে যে রত্ন-পাথরটি কিনছেন হাজার হাজার টাকা গাঁটগচ্ছা দিয়ে, সেসব রত্ন-পাথরের ভিড়ে কী করে চেনা যাবে কোনটা আসল । রত্ন-পাথর আসল কি নকল বোঝার জন্য অভিজ্ঞ চোখ প্রয়োজন। প্রথমত, রত্ন-পাথরের আকৃতি, রং, স্বচ্ছতা ও এর ভিতর সুক্ষ্ণ যেসব অবাঞ্চিত পদার্থ থাকে, তার বিন্যাস দেখে প্রাথমিক ধারণা তৈরি করতে হবে।এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নিতে হবে। তবে রত্ন-পাথর যাচাই করার সব চেয়ে ভাল উপায় হল রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাংক (Refractive Index)যাচাই করা। রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাংক জানা থাকলে তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে রত্ন-পাথরের সঠিক পরিচয় পাওয়া সম্ভব। কারণ কোনো বিশেষ রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাঙ্ক নির্দিষ্ট, এর হেরফের বিশেষ দেখা যায় না। যেমন হিরের প্রতিসরণাংক ২.৪১৭। এ ছাড়া বিচ্ছুরণ (Dispersion)ধর্ম যাচাই করেও রত্ন-পাথর আসল কিংবা নকল তা যাচাই করা সম্ভব। তাছাড়া রত্ন-পাথরের কাঠিন্যতা (hardness), আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific gravity) ইত্যাদি ধর্ম যাচাই করে সহজেই নকল ও আসল রত্ন-পাথর চেনা যায়।

আসল রত্ন রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে – 

(১) চুনি বা Ruby : লাল রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোরান্ডাম (Corundum), অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনই হল এর মূল উপাদান (AI2O2)।

 (২) নীলা বা Blue Sapphire : নীল বা হলুদ রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নামও কোরান্ডাম (Corundum), অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনই হল এর মূল উপাদান (AI2O2)।


(৩) পান্না বা Emerald : সবুজ বা স্বচ্ছ রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম বেরিল (Beryl)।বেরিলিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন এবং অ্যালুমিনিয়াম হল মূল উপাদান (3BeO.AI2O3,6SiO2)। 

(৪) বৈদুর্যমণি বা Cats Eye : হলুদ বা সবুজ বা খয়েরি রঙের রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম ক্রাইসোবেরিল (Chrysoberyl)। বেরিলিয়াম, অক্সিজেন, অ্যালুমিনিয়াম এই রত্নটির মূল উপাদান (BeO.AI2O2)।

(৫) গোমেদ বা Garnet : লাল বা বাদামি বা কমলা রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম গারনেট (Garnet)।লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন এবং অক্সিজেনই মূল উপাদান [(Ca,Mg,Fe)3AI2(SiO4)3]।

(৬) চন্দ্রকান্ত বা Moon Stone : ধূসর রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম ফেলসপার (Feldspar)।পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন এবং অক্সিজেন এই রত্নটির মূল উপাদান (KAISi3O8NaAISi3O8CaAI2SiO8)। 

(৭) সূর্যকান্তমণি বা Sun Stone : স্বচ্ছ এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোয়ার্টজ (Quartz)।মূল উপাদান সিলিকন, অক্সিজেন (SiO2)।

(৮) সন্ধ্যামণি বা Amethyst : স্বচ্ছ এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোয়ার্টজ (Quartz)।মূল উপাদান সিলিকন, অক্সিজেন (SiO2)

 (৯) পোখরাজ বা Sapphire : স্বচ্ছ বা হালকা হলুদ বা হালকা নীল রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম টোপাজ (Topaz)।মূল উপাদান অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন এবং ফ্লোরিন [AI2SiO4(OH/F)2]।


 (১০) নীলকান্তমণি বা Tarquous : অস্বচ্ছ নীল বা নীলাভ সবুজ  রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম টারকোয়েস (Tarquous)। কপার, ফসফরাস, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ফ্লোরিন হল মূল উপাদান [CuO(AI2O3(P2O3)2, 9H2O]।

(১১) বৈক্রান্তমণি বা Zircon :  অস্বচ্ছ এই রত্নের বৈজ্ঞানিক নাম জারকন (Zircon)।মূল উপাদান জার্কনিয়াম, সিলিকন ও অক্সিজেন (ZrSiO4)।

(১২) মুক্তা বা Pearl : এটি খনিজ পদার্থ নয়, প্রাণীজ পদার্থ। স্বাভাবিক মুক্তা ঝিনুকের মাংসল শরীরের ভিতর পাওয়া যায়। সাদা রঙের এই জৈব রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম Organic Gems। মূল উপাদান হল ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন (CaCO3)


(১৩) প্রবাল বা Corel : এটি খনিজ পদার্থ নয়, প্রাণীজ পদার্থ। এক ধরনের ক্ষুদ্র জীবের মৃতদেহ।শুধুমাত্র সমুদ্রের নীচেই পাওয়া যায়।গাঢ় রক্তবর্ণ বা হলুদাভ রক্তবর্ণ, গেরুয়া সাদা রঙের রত্নটির বৈজ্ঞানিক নামও Organic Gems। মূল উপাদান হল ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন (CaCO3)।

রত্নগুলি কীরকম ভাটের জিনিস দেখুন : (১) চুনি এবং নীলার মূল উপাদান একই। অথচ গ্রহ আলাদা।অথচ গ্রহরোষও আলাদা। অথচ রবি খারাপ হলে চুনি দেওয়া হয় এবং শনি খারাপ হলে নীলা ধারণ করতে বলা হয়। 



দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20191230160412

Saturday, August 31st, 2019

Astro Research Centre

চুনী মানিক (Ruby), কাজ, অপকারিতা, রাসায়নিক যৌগ, সিংহ, বৃশ্চিক, মেষ রাশি জন্য চুনী , মূল্য দাম price

চুনী মানিক (Ruby), কাজ, অপকারিতা, রাসায়নিক যৌগ, সিংহ, বৃশ্চিক, মেষ রাশি রত্ন চুনির মূল্য দাম price, মূল্যবান রত্ন, কোথায় পাওয়া যায়, চুনী ধরনের নিয়ম, চুনীর উপরত্ন স্টাররুবি



রক্ত স্বল্পতা দূর করে, রক্ত বাহিত রোগ নিরাময় করে এবং রক্ত ক্ষরণ রোধ করে।হৃদরোগে উপকার করে।

আমরা রুবি পাথরের উপকারে কথা হিসাব করি তাহলে সকল রত্ন পাথর থেকে এর উপকার বেশি হবে।
স্বামী-স্ত্রী এর মধ্যে একান্ত আনন্দের সময় দীর্ঘ করে।
পুরনো জ্বর ভালো করে এবং দুঃস্বপ্ন দূর করে।আশেপাশের মানুষের মধ্যে সম্মান এবং প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করে এবং সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।“

আরব যোদ্ধারাও রুবি এমন ভাবে রুবি পাথর ব্যবহার করত যাতে তা শরীর স্পর্শ করে শক্তি ও সম্মান বৃদ্ধি করে।

রুবি পাথর কামসক্তি উদ্দিপ্ত ও দীর্ঘাইত করে।এটা ব্যবহারে আকর্ষণ করার ক্ষমতা বারে এবং প্রেম ও বন্ধুত্ব বজায় রাখে।

রুবি ব্যবহারে ব্যবহারকারী বিপদের জন্য সতর্ক থাকে।সাস্থ ও সুখ বজায় রাখে।শিশুদের গলায় রুবি পাথর পরিয়ে দিলে রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং মেয়েদের কোমরে রুবি ব্যবহার করলে দুর্ঘটনা জনিত গর্ভপাতে বাধা দেয়।

।জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে যাদের সিংহ রাশি ( Leo) July 21- August 20 তাদের রাশির পাথর হচ্ছে রুবি পাথর (Ratno Pathor Ruby)। সাধারণত যে সকল মানুষের কোন কাজ শুরু করার সময় ভালো থাকে কিন্তু শেষে এসে কাজটি নষ্ট হয়ে যায় বা কাজটি থেকে কাংখিত ফলা পাওয়া যায় না তাদের জন্য প্রথম পাথর হচ্ছে রুবি। সূর্যের প্রতিনিধিত্ব করে থাকে রুবি। আর সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। তাই জীবনে শক্তির প্রভাবে কাজে লাগাতে রুবি পাথরের গুরুত্ব অনেক।(Benefits of Ruby Stone) রুবি পাথর ব্যবহারে জ্যোতিষশাস্ত্র মতে পাওয়া উপকার গুলো নিম্নরূপঃযে সকল মানুষ কাজের শুরুতে খুব আগ্রহ বোধ করে কিন্তু একটু এগিয়ে যাবার পরেই সেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, ফলে কাজটি হাত ছাড়া হয়ে যায়, সে সকল মানুষের জন্য রুবি পাথর উপকারী।রুবি পাথর আভিজাত্যর প্রতীক। তাই এ পাথর আভিজাত্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি পেশা গত জীবনে, স্থায়ী সম্পদ বৃদ্ধিতে ও সম্মান বৃদ্ধিতে রুবি পাথর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।সাধারণত যে মানুষের আত্মবিশ্বাস কম তাদের মনের জোর বাড়াতে রুবি পাথরের তুলনা নেই।রুবি পাথর ব্যবহারে প্রশাসনিক, আঞ্চলিক ও অফিশিয়াল কাজে সাহায্য পাওয়া যায়।প্রাকৃতিক রুবি পাথর দেখতে লাল বর্ণের যা শখ ও ভালোবাসার প্রতীক। রুবি পাথরকে ভালোবাসার উপহার বলা হয়।রুবি পাথর ব্যবহারে মানুষের দ্বিধা কমে আসে, দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং যে কোন কাজে লক্ষ্য স্থির করতে সাহায্য করে।আপনি যখন রত্ন পাথর রুবি পাথর (Gemstone Ruby Stone) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি ১০০০ টাকা থেকে সর্বচ্চ ১৫০০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট রুবি পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে।



দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20190831201844

Saturday, August 17th, 2019

Astro Research Centre

আকিক পাথরের মূল্য /উপকারিতা কাজ গুরুত্ব /আকিক সস্তায় মূল্যবান পাথর

Akik Pathor : সোলেমানী আকীক পাথর।
এটি ভারসাম্যের পাথর ।
পৃথিবী জুড়ে আকীক বেশ কিছু পাথর রয়েছে সেগুলোর প্রত্যেকটির বিশেষ গুনাগুণ রয়েছে।
(প্রতি পিস আকীক পাথরের মূল্য মাত্র দুই শত পঞ্চাশ টাকা। মুল্য -100/200/300/500/600
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.arcsm.in
প্রধান চক্র :হৃদয় ।
স্পন্দন বা কম্পনকৃত সংখ্যা : ১ ।
প্রধান শব্দসমূহ : পাথর লালন করে
ভালবাসা, সত্যবাদিতা, সাহস, সাহসিকতা, শক্তি, প্রাচুর্য, ধন, সৌভাগ্য, দীর্ঘজীবিতা, গ্রহণ, রক্ষণ, ভারসাম্য, ঐক্য, উদারতা, রাপত্তা, বিশ্বাস, উৎপাদনের ক্ষমতা, সম্মত হওয়ার ক্ষমতা, উপযোগিতা, মানিয়ে চলার যোগ্যতা, সৃজনশীলতা, ধনদৌলত অর্জন ক্ষমতা ।
Metaphysical Properties বা বিমূর্ত গুণাবলী :
সোলেমানী পাথর লালন করে ভালবাসা, প্রাচুর্য, ধনদৌলত, সৌভাগ্য, দীর্ঘজীবিতা, ঐক্য, মহত্ত্ব, শক্তি, নিরাপত্তা, প্রকৃতির উপলব্ধি। এইগুলিকে শক্তির পাথর বলেই ধরা হয়। এগুলো ভিত্তিস্থাপনকারী, কঠিন ও টেকসই। সকল পাথরেরই রয়েছে চমৎকার
রক্ষা শক্তি ও আরোগ্য শক্তি এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতা উদ্দীপিত করা ও যথার্থতা।
তিক্ততা :কঠিন সময়ে এ পাথর উপকারী, যেমন-ক্ষমা, তিক্ততা ও বিরক্তি। বিশেষ করে সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
মানসিক চাপ : বিভিন্ন দায়িত্বের চাপে যখন আপনি ভারাক্রান্ত তখন আপনি পাথর ধারণ করুণ। পৃথিবীর ভালকিছু পাওয়ার জন্য আপনার পকেটে এক টুকরো পাথর রাখুন। এটা প্রকৃতিকে উপলব্ধি করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
শক্তি : প্রাচীনকালে চারটি জিনিসের শক্তিকে প্রাচীন বলে ধরা হতো। সোলেমানী পাথর হচ্ছে ভূমির পাথর। প্রাচীনকালে
লোকেরা এটাকে ঔষুধের মধ্যে সর্বোচ্চ শক্তিশালী মনে করত। তারা বিশ্বাস করত যে, যোদ্ধাদের শক্তিশালী ও জয়ী করার শক্তি এই পাথরে নিহিত।
সাহস : সাহস বৃদ্ধি করে। এ পাথর পরিধানকারীর সাহস বৃদ্ধি করবে। অন্যদিকে
সাহসের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রলুব্ধকারী কিন্তু আমাদের ঘিরে রাখে এবং
পাশাপাশি তাদের নিজেদের আত্মিক সৌন্দর্য দেয়। আপনার টিনএজারদের সোলেমানী
পাথর পেন্ডেন্ট বা ব্রেসলেট আকারে দিন। যদিও কিছু সময়ের জন্য তারা না বলবে।
এ পাথর সাহায্য করে যখন কোনো নতুন বন্ধুত্বের সূচনা হয় বিশেষ করে যদি আপনি রাগান্বিত বা চাপ দেয়া লোকেরা যারা সাধারণত তৈরী করতে পারে না ভাল মানের ’প্রথম আকর্ষণ’।
আকীক পাথর : প্রকৃতির সাথে সম্পৃক্ততার কারণে এ পাথর প্রসার স্বাধীনতা, মহাশূণ্য এর অনুভূতি লালন করে। আপনি যখন
ঢেউ, বিচ ও বনের মধ্যে হাটবেন একই রকম অনুভব করবেন। এ পাথর নতুন বন্ধু গ্রহণে সাহায্য করে ক্লান্তি দূর করে এবং গলা ও পশ্চাতের রোগ বা সমস্যা নিরাময় করে। ক্ষুধাহীনতা, খাবারের সমস্যা, লসিকার ত্রুটি দূর করে এবং আবেগের ভারসাম্য রাখে।
পিকচার পাথর : মেডিটেশনের জন্য একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে পিনিয়াল ও পিটুইটারীর কাজে ও সমন্বয়ে উপকারী।
ব্লুলেস পাথর : ধৈর্য্য ও স্থিরতার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক জগতে যেতে সাহায্য করে।
মেক্সিকান লেস পাথর : মানসিক চাপ কমায়।
গোলাপী লেস পাথর : বন্ধুত্ব পূর্ণতা ও শান্তি বৃদ্ধি করে।
•সাদা লেস পাথর : উপচ্চতর মন ও সৃষ্টিকর্তার প্রতি নিমগ্ন করে।
বষ্টোয়ানা পাথর : এটা একটা ঝাকড়া পাথর। নিরাপত্তা, উর্বরতা, সংবেদনশীলতা, যৌন ক্ষমতা, ক্রোধ, শিল্পজনিত প্রকাশ ও আবেগের জন্য উপকারী।
ক্রেজিলেস পাথর : শক্তিক্ষয়, আবেগ জনিত ব্যাথা, হাসি, হৃদপিন্ড, শক্তির অবরূদ্ধতার জন্য উপকারী, এটি শরীরে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সমূহকে সতেজ করে।
ফ্লেম পাথর : সংক্রমণ প্রতিরোধ করে ও সচেতনতা জাগরিত করে। শরীর সতেজ করে পোড়া ও ব্যাথা নিরাময় করে।
বর্ণ : চ্যালসে ডোনি স্ফটিক পাথরের রং লাল, কমলা, হলুদ, বাদামী। পরিস্কারক স্ফটিক পাথর, সবুজ ও বাদামী। সবুজ রঙটি হচ্ছে আরোগ্য ও আশার রঙ । স্থায়িত্ব ও ভিত্তি স্থাপনকারী পৃথিবীর রঙ বাদামী। আবেগ আত্ম-শ্রদ্ধাবাড়ায়।
পাথরের শারীরিক নিরাময়কারী গুনাগুণ: শারীরিক গতি বৃদ্ধি করে যেমন দৌড়, রেস, ম্যারাথন, অ্যাথলেটিকস,
ব্লাডভের্সেল, লিমপ্যাথিক সিস্টেম, হজমে মন্দা ও খাবারে সমস্যা, সংক্রমন ঠান্ডা ও ফ্লু দূর করে। না-ধর্মী হৃদয়ের কলুষতা ও চাপারাগ দূর করে।
ক্যারিয়ার : কৃষক, প্রকৃতিবিদ, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, বনের রেঞ্চার, ভূ-চিত্রশিল্পী, যোদ্ধা, আইনজীবি, খবরের কাগজের রিপোর্টার, লেখক, রাজনীতিবিদ, শল্য চিকিৎসক, স্থপতি, অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ল্যাবরেটরী কর্মী, টেকনিশিয়ান।
মিশ্রণ : পাথরটি খুব শক্তি সম্পন্ন এবং ফ্যাকাশে সবুজ রঙ এর সবপাশে কার্যকরী হয় ।
কাঠিন্যতা (Hardness) : 6.5-7
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : 2.58-2.64
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : 1.530-1.540

প্রথমেই বলে নিচ্ছি যে, রত্ন পাথর মানুষের ভাগ্য বদলায় না। ভাগ্য বদলায় স্রষ্ঠার ইচ্ছায় এবং মানুষের চেষ্টায়। আর মানুষের চেষ্টাকে সফল করতে রত্ন পাথর সাহায্য করে। এটি একটি প্লাসিবো থেরাপি, যার কারনে মানুষের আত্ববিশ্বাস বাড়ে এবং ভাবমুর্তির পরিবর্তন হয়, কাজে মনযোগ, দক্ষতা ও সফলতা আসে। মানষিক অবস্থার উন্নতি হয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় মনোযোগ বাড়ে, পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে সুক আসে। এগুলো কোন অলৌকিক বিষয় নয়, সবই বৈজ্ঞানিক বিশ্লেশন। এমনকি বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররাও রত্ন পাথর ধারন করতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। বিশ্বে এখন রত্ন পাথর থেরাপীও প্রচলিত আছে যা দিয়ে রোগ নির্মূল করা হয়।
রত্ন পাথর ঠিক ঔষধের মত করে মানুষের শরীরে প্রভাব বিস্তার করে এমনকি চিন্তাধারারও পরিবর্তন ঘটায়।
আমাদের ওয়েব সাইট www.arcsm.in থেকে রত্ন পাথর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য যেনে নিন। যোগদিন আমাদের ফেসবুক Astro Research Centoপেজে।
বিভিন্ন রত্ন পাথরের রাসায়নিক গঠন, প্রতিসারনাঙ্ক, রং, তেজস্ক্রিয়তা এবং আপেক্ষিক গুরত্ব আলাদা আলাদা তাই সব রত্ন সবাই ধারন করতে পারেনা। তাই রত্ন ধারন করার আগে অবশ্যই আমাদের রত্ন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

বাড়িতে বসে আদ্যা স্তোত্র পাঠ ও শ্রবণ করুন
সবার মঙ্গল করো মা, এই ধরিত্রী কে রক্ষা করো মা

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

বাড়িতে বসে আদ্যা স্তোত্র পাঠ ও শ্রবণ করুন
সবার মঙ্গল করো মা, এই ধরিত্রী কে রক্ষা করো মা

https://youtu.be/ZObQ8HjqVdQ

আকিক পাথরের মূল্য ও উপকারিতা

আকিক পাথর অন্যান্য মূল্যবান রত্ম পাথরের চেয়ে অনেক বেশী কাজের

আকিক পাথর অন্যান্য রত্ম পাথরের চেয়ে দামে সস্তা। তবে আসল আকিক পাথর হলে তার কাজ হয় অসাধারণ। দু:খজনক হলেও সত্যি বাজারে বিভিন্ন ধরনের নকল আকিক পাথর পাওয়া যায়। আমরা আপনার জন্য নিয়ে এসেছি প্রাকৃতিক ইয়েমেনি ও সোলেমানি আকিক।

লাল, সাদা, সবুজ, হলুদ, কালোসহ বিভিন্ন রংয়ের আকিক পাথর পাওয়া যায়। একেকটি একেক নামের। যেমন কোনোটি সোলেমানি আকিক আবার কোনোটি ইয়েমেনি আকিক। লাল রংয়ের ইয়েমেনি আকিককে বেশি উপকারী মনে করা হয়।

ইসলাম ধর্মালম্বীরা একে পবিত্র পাথর হিসেবে মনে করে থাকেন। অন্য ধর্মের মানুষেরাও আকিক পাথর ব্যবহারকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখে।

আকিক পাথর ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে:

আকিক পাথর ব্যবহারে মাথা ঠাণ্ডা থাকে।

মানসিক প্রশান্তি আনে, কাজ কর্মে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়।

আকীক পাথর ব্যবহারে ধর্মীয় সচেতনতা তৈরি হয়। মনে বিশুদ্ধ চিন্তার উদয় হয়। ভালো কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।

আকিক পাথর ধারণে স্বামী স্ত্রীর মনের অমিল, পরকীয়া ইত্যাদি প্রবণতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।

হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী।

মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হয়।

রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে।

অনেকে মনে করেন আকিক পাথর ব্যবহারে ব্ল্যাক ম্যাজিক, দুর্ঘটনা ও নানারকম বিপদআপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ইসলাম ধর্মালম্বীদের মধ্যে আকিক পাথবের তসবিহ ব্যবহার করার প্রবণতা দেখা যায়।

প্রতিটি ইয়েমেনি অকিকের মূল্য ১১০০ টাকা।
প্রতিটি পাথর ৭-৯ রতি।



দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20190817200223

Saturday, August 17th, 2019

Astro Research Centre

স্ফটিক পাথর Quartz Crystal Quartz Crystal

স্ফটিক পাথর

Energizer and Amplifier.

শক্তিকারক এবং সম্প্রসারক ।

পৃথিবীর খুবই পরিচিত খনিজ দ্রব্য। প্রাকৃতিক স্ফটিক বা স্ফটিক পাথর নামেও পরিচিত।

প্রধান শব্দ : যোগাযোগ, প্রজ্ঞা, চিন্তার স্বচ্ছতা, সাধারণ নিরাময়কারী, স্মৃতিশক্তি, ধ্যান, স্থানান্তর, জাগ্রততা, পরিচ্ছন্নতা, হৃদয়ের পবিত্রতা, খাটিত্ব, উদ্দেশ্য/সংকল্প, উন্নত সচেতনতা, ইতিবাচক চিন্তাশক্তি, ছন্দময় হৃদয় এবং ভালবাসা।

বিমূর্ত গুণাবলী : সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন, বহু উদ্দেশ্য নিরাময়ক পাথর, অন্যদের থেকে স্বতন্ত্র কোন বিষয়ে নিজের উচ্চ ধারণা পোষণ করা এবং অবহেলাপূর্ণ অথবা অপমানজনক শৈশবের ব্যাথা নিরাময়কারী।

Quartz Crystal পাথরটি আপনাকে আত্মগ্লানিতে ভোগতে দিবে না এমনকি আত্মকরুনায়ও নয়। পাথরটি অন্যান্য পাথরের শক্তিকে বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। কোয়ার্জ পাথর আবেগীয় শক্তি সর্বদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম।

Quartz Crystal পাথরকে বলা হয় ‘গরীবের হীরক’ কেননা শরীরের সবগুলো গ্রন্থি ও চক্র ১২টি রাশি, ২৭টি নক্ষত্র, সকল সংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করে একমাত্র Quartz Crystal পাথর। হীরকের বস্তুগত উপাদান ব্যতীত সব কিছুই পাওয়া যায় Quartz Crystal এ।

পাথরটি প্রত্যেক মানুষকে শেখায় তাদের নিজস্ব স্তর এবং ভদ্রতা। সঠিক ভাবে ধারণে প্রার্থনার স্তরকে উন্নত করে সঙ্গে সদিচ্ছা এবং ইতিবাচক দৃষ্টি ভংঙ্গিকে। কোয়ার্জ পাথর মানবীয় গুণকে উন্নত করে আধ্যাত্মিক শক্তি তীব্র মাত্রায় উন্নত করে এবং ইহা ‘ঈশ্বর ভক্তি’ বৃদ্ধির জন্য খুবই সহায়ক পাথর।

পাথরটির এমনই শক্তি যে ইহা সকল প্রকার সাধনাকে উন্নতর করে, কারণ একমাত্র Quartz Crystal পাথরই সকল গ্ল্যান্ড ও সকল চক্রের উপর ক্রিয়াশীল। ফলে যে কোন প্রকার এনার্জি বা শক্তিকে পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে।

বিশেষ করে পিনিয়াল গ্ল্যান্ড, পিটুইটারী গ্ল্যান্ড, ব্রেইন গ্ল্যান্ড, থাইরয়েড ও প্যারাথাইরয়েড গ্ল্যান্ড এর মাধ্যমে যে সকল ‘শক্তি’ আদান প্রদান করতে হয় Quartz Crystal ধারণে উক্ত গ্ল্যান্ড সমূহের অশুভত্ব হ্রাস করে ‘শক্তিকে’ অধিক উন্নত করে।

নিরাময়কারী হিসাবে : দেহের সকল প্রকার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যেহেতু সকল গ্ল্যান্ড এর উপর ক্রিয়াশীল সেহেতু সকল প্রকার রোগ নাশ করতে সক্ষম তবে কিছুটা হলেও সময় লাগবে।

পক্ষান্তরে যে কোন প্রকার রোগের আক্রমনের পূর্বে আপনাকে রক্ষা করবে। নীল বা বেগুনী বর্ণের স্ফটিক পাথর ভেতরের আধ্যাত্মিকতা, শিক্ষা ও প্রশান্তি আনয়ন করে। হলুদ বর্ণ বা লাল বর্ণের Quartz সুনাম ঠিক তদ্রুপ বর্ণভেদে গ্রহের কারকতা হিসেবে ফলাফল ভিন্ন ভিন্ন।

কাঠিন্যতা (Hardness) : 7 – lower in impure varieties (defining mineral)

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : 2.65, variable 2.59–2.63 in impure varieties.

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : 1.543–1.545--- 1.552–1.554


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


I am Lob Mukherjee Govt. Enrolled & Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre
Mob. 8906959633 / 9593165251
My website - www.arcsm.in v
All Kind of Certified Gems and Stone available here

ভিডিওটা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/LCoU4HRRYdo

সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা
Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in

All kind of Gems Stone are Testing here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20190817152817

Friday, May 4th, 2018

Astro Research Centre

জ্যোতিষ বিজ্ঞানে রত্নের ভুমিকা


জ্যোতিষ বিজ্ঞানে রত্নের ভুমিকা


রত্ন-পাথরের ইতিহাস থেকে জানা যায় ভূত্বকে, ভূগর্ভে ও সমুদ্রগর্ভে সুনীল জলরাশির তলে বিভিন্ন প্রকার রত্ন-পাথর পাওয়া যায়।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে গ্রহ-নক্ষত্রের শুভাশুভ ক্রিয়া মানুয়ের জীবনে বিদ্যমান থাকলেও রত্ন দ্বারা কি তার প্রতিকার সম্ভব? বা রত্ন ধারণে কি উপকৃত হওয়া যায়?

এর উত্তরে বলা যেতে পারে যে, মানব দেহের প্রতিটি অঙ্গ পরমাণুর সমন্বয়ে সৃষ্ট। সৌরমন্ডলের গ্রহগুলোও পরমাণুর সমষ্টি। আর বিভিন্ন প্রকার রত্নগুলো এমন সব পদার্থের সমন্বয়ে সৃষ্ট যার উপস্থিতি মানব দেহেও বিদ্যমান। বিভিন্ন প্রকার রত্ন সরাসরি মানব দেহের ত্বককে স্পর্শ করে শরীরের উপর ইলেকটোম্যাগনেটিক (Electro Magnetic) প্রভাব বিস্তার করে, মানব দেহের বিদ্যমান যে কোন পদার্থের অসামঞ্জস্যপূর্ণ উপসি’তির সামঞ্জস্য আনয়ন করে।

বিভিন্ন প্রকার রত্ন বিভিন্ন গ্রহের রশ্মি অতিমাত্রায় আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করতে পারে। তাই রত্ন ধারণ করে স্নায়ুর উপর বিশেষ বিশেষ গ্রহের রশ্মি যোগ বা বিয়োগ করে শক্তিশালী করা সম্ভব। ফলে স্নায়ুগুলি শক্তিশালী হবে ও নতুন চিন্তা চেতনায় জীবন প্রবাহের ক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল ভাবে এগিয়ে নিবে। আলোক রশ্মি, বায়ুমন্ডল (Atmosphere) ভেদ করে পৃথিরীর ভূ’ভাগের উপর পতিত হয়। গ্রহদের যেমন নিজস্ব তেজ বিকিরণের ক্ষমতা আছে, প্রতিটি রত্মেরও তেমনি পৃথক পৃথক তেজ আহরণের ক্ষমতা আছে। সূর্য এবং গ্রহমন্ডল থেকে বেরিয়ে আসা এই আলোক রশ্মিই আমাদের উপর নানাভাবে কাজ করে। ভু’গর্ভে বা সমুদ্র গর্ভে যে সকল রত্ন-পাথর সৃষ্টি হয় তাহাও ঐ সৌর রশ্মিরই রাসায়ণিক ক্রিয়ারফল। মানব দেহের উপর Cosmic Ray জধু এর প্রভাব বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত । সূর্যের আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি (Ultra-Violet Ray) ও অপরাপর রঙ বিভিন্ন প্রকার রত্ম-পাথর এবং এর আভ্যন্তরীণ প্রচ্ছন্ন শক্তির উপর পরোক্ষ ও প্রত্যেক্ষভাবে ক্রিয়াশীল হয়ে মানবদেহে সংক্রামিত বিভিন্ন প্রকার ব্যাধির প্রতিকার করতে পারে। উল্লেখ্য রত্ম গুলোতেও বিভিন্ন রঙ বিদ্যমান। রত্নগুলো হচ্ছে-হীরা, রুবী, পান্না, মুক্তা, গোমেদ, ক্যাটসআই, পোখরাজ, প্রবাল ইত্যাদি।

আরো জানা যায়, বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ সৌরজগৎ (Solar System) -কে স্পেকট্রোস্কোপ (Spactroscope) দিয়ে বিশ্লেষণ, পরিশীলন এবং অধুনা আবিষকৃত “কিরলিয়ান ফটো পদ্ধতি” দ্বারা যে ব্যাখ্যা পেয়েছেন, তার সাথে প্রাচীন জ্যোতিষশাস্ত্রবিদগণ(Astrologer) কর্তৃক বিশ্লেষিত জ্যোতিষ শাস্ত্রের বিভিন্ন তত্ত্বীয় ও ফলিত মতবাদ গুলোর মধ্যে সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন। জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy) আজ প্রমাণ করছে যে, গ্রহ নক্ষত্র ও নক্ষত্র পুঞ্জগুলোর প্রতিটির উজ্জ্বলতা (Lumination) অনুযায়ী পৃথক পৃথক রঙ বিদ্যমান যেমন আমাদের সূর্যের রঙ হচ্ছে হালকা কমলা, শুক্রের রঙ হচ্ছে ধবধবে সাদা আর উত্তর আকাশের অন্যতম উজ্জ্বলতম তারকা প্রক্সিমা সেন্টরাই (Proxima Centauri) এর রং হচ্ছে উজ্জ্বল নীল।
প্রাচীন জ্যোতিষবিগদগণ হাতের বিভিন্ন স্থানে বিবিধ গ্রহের অবস্থান ধরে সে স্থান গুলোকে বিবিধ রং এর প্রতিবিম্ব (Reflection) উল্লেখ করেছেন। আর বিভিন্ন প্রকার রত্ন-পাথরের রঙ যে ভিন্ন ভিন্ন তার সাথে গ্রহ ও নক্ষত্রের রঙ এর সাদৃশ্যও তাঁরা এভাবে পেয়েছেন। সুতরাং জ্যোতিষ বিজ্ঞানে রত্নের ব্যবহার অভ্রান্ত নয় বলেই মনে হয়।

প্রখ্যাত জেমোলজিষ্ট (Gemmologist) জেমোলজিক্যাল ইনষ্টিটিউট অব আমেরিকার সদস্য, জেমোলজিক্যাল এসোসিয়েশন অব গ্রেট বৃটেন-এর ফেলো এবং ইংরেজী নওরতন(Nowratan) পুস-কের লেখক এম, এফ, ইসলাম রত্ন-পাথর প্রসঙ্গে তাঁর গ্রনে’ মানবজীবনে রত্ন-পাথরের প্রভাব ও গুণাগুণ সম্পর্কে বলেন- “An International Currency; a cheerer of soul; a healer of diseases; a charm against enchantment, magic, evil spirits and jealousy; a guide and indicator of the wearer’s health; a protector of hunter against wild beasts, insects, and snakes; to enhance charm and beauty, strength and stability in the fairsex as well as man; to increase concentration in meditation and prayer.”

তবে রত্ন-পাথরের যথাযথ প্রয়োগ কৌশল সম্পর্কে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ অবহিত। একথা মনে রাখতে হবে যে, ভুল ঔষধ সেবনের কারণে বা প্রয়োজন ব্যতিত ঔষধ ব্যবহারে যেমন জীবননাশ বা ক্ষতি হতে পারে: তেমনি প্রয়োজন ছাড়া রত্ন ব্যবহার বা যথার্থ রত্নের ভুল ব্যবহারের কারণেও মারাত্বক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও প্রচুর। তাই রত্ন-পাথর ব্যবহারে বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ জ্যোতিষের পরামর্শ একান্ত কর্তব্য। ভুললে চলবেনা যে অণুর সমম্বয়েই রত্নের উৎপত্তি আর দ্রব্য গুণ অনস্বীকার্য।

কোন আঙুলে কি কি রত্ন পাথর ধারণ করবেন

তর্জনী- তর্জনীতে ধারণ করা উচিত ইয়োলো স্যাফায়ার, টোপাজ, সাদা টোপাজ, সাদা জারকোন, মুনস্টোন, পীত মুক্তা, হোয়াইট পার্ল ইত্যাদি।

মধ্যমা- মধ্যমায় ধারণ করা উচিত নীলা,ব্লু জারকোন, হীরা, গোমেদ, আলেকজান্ডার, আকিক, ব্যাঘ্র আই, এমিথিস্ট ইত্যাদি।

অনামিকা- অনামিকায় ধারণ করা উচিত চুনী, লাল পলা, ক্যাটস আই, , একোয়ামেরিন ইত্যাদি।

কনিষ্ঠা- কনিষ্ঠায় ধারণ করা উচিত ক্যাটস আই, পাণ্ণা, হীরা, মুক্তা ইত্যাদি।

বিঃ দ্রঃ- সকল ক্ষেত্রে হাত পরিবর্তন করা যায়। আবার বিশেষ কিছু রত্ন ডান হাতের আঙুলে আবার বিশেষ কিছু রত্ন বাঁ হাতের আঙুলে ধারণ করতে হয়।

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র বা জন্ম কুণ্ডলী নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে আমার হোয়াটস্যাপ no 8906959633
নিজের নাম, ঠিকানা ও জন্ম তারিখ, সময়, স্হান লিখে পাঠাবেন

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180504124234

Saturday, April 28th, 2018

Astro Research Centre

পোখরাজ yellow sapphire economic বৃহস্পতি মাহারত্ন padparadscher পদ্মরাগ মণি

পোখরাজ


পোখরাজ পাথরকে পুস্পরাগণিও বলা হয়। পোখরাজ – এর বৈজ্ঞানিক নাম টোপাজ । এর রাসায়নিক সংকেত Al2(SiO4)F4OH)2 নীলা ও পোখরাজ উভয়ই স্যাফায়ার জাতের রত্ন ।

কিন্তু রাসায়নিক গঠনে তাদের মধ্যে তফাৎ আছে । পোখরাজ পাথরকে ইংরেজীতে Yellow Sapphire বলা হয় ।

হলুদ আভাযুক্ত, উজ্জ্বল এক ধরণের রত্নকে ‘টোপাজ’ বলে। এটি দেখতে যদিও পোখরাজের মতো, আসলে তা নয় । পোখরাজের তুলনায় এর আপেক্ষিক গুরুত্ব কম এবং ওজন হাল্কা ।

কিন্তূ প্রকৃত পোখরাজ বেশী ভারী । অনেক ভেজাল বা নকল পোখরাজ বাজারে চালু আছে ।

অসাধু ব্যবসায়ীরা পাথরের উপর রঙ করে সেগুলিকে আসল রত্ন পাথর বলে চালিয়ে দেয় । এমন অসংখ্য ভেজাল পোখরাজ হচ্ছে - দস্তার খনি থেকে পাওয়া ব্লেন্ডী টাইটানিয়াম ও সিলিকন দিয়ে তৈরী টিটানাইট স্ফেনী, ভ্যানবুরাইট, স্কেপোলাইট, টার্মালিন, কেমিটেরাইট ইত্যাদি।

একশ বছর আগেও যে কোন উজ্জ্বল হলুদ পাথরকেই ধরা হতো পোখরাজ বা yellow Sapphire বলে। কিন্তু আসল পোখরাজ হচ্ছে অ্যালুমিনিয়ামের জটিল ফ্লুয়োসিলিকেট ।

একমাত্র এই পাথরেই দুর্লভ ফ্লোরিন গ্যাসের অণু আটকে আছে । পোখরাজের একটা গুণ হচ্ছে যে এটার ওপর হাত বোলালেই একটা পিচ্ছিল অনুভূতি আসে, যা অন্য পাথরে হাজার পালিশ করলেও আসে না । তাছাড়া, এর ভেতরে কিছু বৈদ্যুতিক গুণও বেশী পরিমাণে আছে।

যেমন, পোখরাজ একটু ঘষলেই ছোট কাগজের টুকরো আকর্ষণ করে । তাছাড়া একে গরম করে আস্তে আস্তে ঠান্ডা করলে এর ভিতর দিয়ে বৈদ্যুতিক প্রবাহ উৎপন্ন হয় ।পোখরাজ পাথরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট মসৃণ, উজ্জ্বলতা, শীতল স্পর্শী । বর্ণের দিক থেকে হলুদাভ, গোলাপী পোখরাজ কষ্টি পাথরে ঘষলে উজ্জ্বলতা কমে না ।



বৃহষ্পতি গ্রহের রত্ন পোখরাজ (Yellow sapphire)

সংৃস্কৃত নাম পুস্পরাগ মনি, বাংলায় পোখরাজ, ইংরেজীতে Yellow sapphire এর বর্ন হরিদ্রাভাব যুক্ত, সাদা ও সামান্য বাদামী বর্ণের হয়ে থাকে। এটি সিংহল, জাপান, ব্রাজিল, আমেরিকা, আফ্রিকা, বার্মা ও ব্যাংককে পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মোতাবেক বৃহষ্পতি গ্রহের রত্ন আর বৃহষ্পতি গ্রহ প্রতিনিধিত্ব করে রাশি চক্রের ধনু ও মিন রাশিকে। হরস্কপে বা জন্ম কোষ্ঠিতে লগ্নে বৃহষ্পতি গ্রহরে অশুভ ও পাপ গ্রহদারা যুক্ত ছাড়া ও হাতে বৃহষ্পতির ক্ষেত্র দুর্বল, তিল, বিন্দু, জালচিহ্ন ছাড়াও এক কথায় বৃহষ্পতির সকল কুপ্রভাব থেকে মুক্তি পাবার জন্য পোখরাজ ধারন করা উচিৎ। যাদের প্রচুর অর্থ উপার্জন হয় কিন্তু অর্থের উপর কোন নিয়ন্ত্রন বা অর্থকে ধরে রাখতে পারেন না। প্রতিপত্তি ও সম্মানের অভাব, বেকারদের কর্মপ্রাপ্তি, রাজনৈতিক সফলতা হচ্ছে না দাম্পত্য জীবনের অসন্তোষ, পরনিন্দা কুড়াতে হচ্ছে, চরিত্র ভ্রষ্ট হচ্ছে প্রভৃতি রোধে পোখরাজ ধারনে উপকার হয়। এছাড়া চিকিৎসা বিদ্যায় ফুসফুসের প্রদাহ, জন্ডিস, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়ার ব্যাথা ঘটালে প্রভৃতি রোগে বিশেষভাবে উপকার করে। মেধা শক্তি তী দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে, ব্যবসা বাণিজ্যে সফলতা, উচ্চ পরিবারে বিয়ের খেত্রে পোখরাজের ভুমিকা অপরিসীম তবে মনে রাখবেন পোখরাজ ভাল করে বিচার বিশ্লেষন ও পরীক্ষা নিরীক্ষা ও শোধন করে ধারন করলে অবশ্যই ধারনকারী উপকৃত হবেন।

"গ্রহ রত্ন" এর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে জানাই সুস্বাগতম ও শুভেচ্ছা। প্রকিতপক্ষে মানবদেহ ও রত্ন পাথর উভয়ই রাসায়নিক উপাদানের সমষ্টি মাত্র। মানবদেহে রত্ন পাথর ঔষধের মত ক্রিয়াশীল। অসুস্থ অবস্থায় মানবদেহের রাসায়নিক ভারসাম্যের পরিবর্তন ঘটে এবং ঔষধ সেই ভারমসাম্য পুনরুদ্ধার করে সুস্থতা ফিরিয়ে আনে। তেমনি ভাবে রত্ন পাথরের রাসায়নিক প্রভাব তথা শোষিত সৌরশক্তির প্রভাব মানুষের শারিরীক ও মানষিক সুস্থতা বৃদ্ধি বা পুনঃরুদ্ধার করে। সঠিক রত্ন পাথর ব্যবহারের প্রভাবে একজন মানুষ শারীরিক ভাবে সুস্থ ও মানষিকভাবে আস্থাবান হয়ে ওঠে। ফলস্রুতিতে সে পরিমিত আচরন করতে সমর্থ হয় এভং জীবন চলার পথে সময়চিত সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনে সক্ষম হয়। সকল সম্ভাবনা মানুষেরই মাঝে নিহিত রত্ন পাথর মানুষের ভেতরের সুপ্ত থাকা সম্ভাবনা কে সক্রিয় করে তোলে। রত্ন পাথর কে এক কথায় বলা যেতে পারে রশ্মি চিকিৎসা বা রে থেরাপি। সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ যেমন চাঁদ, সূর্য, শনি, মঙ্গল, রাহু বিভিন্ন গহদের আছে আকর্ষন যাকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় বলা হয় মহাকষ র্যা অধিকাংশেই মানব দেহ ও মন ও মস্তিস্ক এর জন্য ক্ষতিকর । সঠিক ও আসল রত্ন পাথর সৌররশ্মি শোষিত করে মানবদেহ, মন ও মস্তিস্ককে নিরাপদ রাখে।

উপাদান (Chemical Composition) : Fluor Containing Aluminium silicate

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৯


আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৯৬ - ৪.০৫

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৫৭ – ১.৭৭৯

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.১১৪

প্রাপ্তিস্থান : এই রত্ন- পাথরটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়। যেমন-ইয়ামেন পর্বত, ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, স্কটল্যান্ড, আয়ারর্ল্যান্ড, শ্রীলংকা, জাপান, দক্ষিন আফ্রিকা, বার্মা (মায়ানমার), সাইবেরিয়া প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়।

উপকারিতা : জ্যোতিষশাস্ত্রে ও হস্তরেখা বিজ্ঞানে পোখরাজ বৃহস্পতি গ্রহের রত্ন ।বৃহস্পতি গ্রহের বিভিন্ন প্রকার অশুভত্ব দূরীকরণার্থে ধারণ করা হয় ।

এ রত্ন হাঁপানী রোগ, কফ, রক্তদোষ, অনিদ্রা, সম্মান, ন্যায়পরায়ণতা, খ্যাতি-উন্নতিতে ফলদায়ক । এটি ব্যবহারে কাজে দক্ষতা বাড়ে এবং সাহসের যোগান দেয় ।

আয়ূর্বেদ মতে অম্লরস, বায়ুদোষ, পান্ডু বা জন্ডিস রোগে পোখরাজ অত্যন্ত ফলপ্রদ। গ্রীকদের কাছে পোখরাজ রত্ন শক্তির উৎস।

পোখরাজ রত্নের ব্যবহার ছিল ব্যাপকভাবে । তাঁরা এই রত্ন-পাথরের সোনালী আভাকে তাঁদের ঈশ্বরের প্রতীক মনে করতেন


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180428145350

Thursday, April 26th, 2018

Astro Research Centre

গ্রহ রত্নের মূল্য তালিকা, রত্নের পাথরের মূল্য দাম price

গ্রহ রত্নের মূল্য তালিকা, প্রতি রতির দাম, সকল প্রকার রত্ন পাথরের মূল্য দাম, চুনী প্রবাল মুক্ত গোমেদ নীলা পোখরাজ হীরা জারকোন ওপাল মালাকাইট পান্না এমিথিস্ট

প্রবাল :450/500/700/800/1200+
মুক্তো : 80/150/250/350/500/800/1200+
গোমেদ :150/250/350/500/600/800
চুনী :500/800/1200/1500/2000/5000+
নীলা :500/800/1200/2500/5000 /7000+
পোখরাজ: 500/1200/2500/5000/7000+
পান্না :800/1200/2000/3000/5000/7000
ক্যাটসআই :500/800/1200/2000/5000+
হীরা Cent:400/500/700/800/1200/1500
এমিথিস্ট :50/80/120/150/200
টোপাজ :50/80/120/150/200
সাদা টোপাজ :200/350/450/600
নীল টোপাজ: 200/350/450/600
সাদা জারকন :500/600/700/800
নীল জারকন:500/600/700/800
পেরিডট : 350/450/600/700/800
তুরমলিন :450/600/700/800/1000
মুনস্টোন :60/80/100/120/300/450/500+
কালো মুক্তো -50/80/120/150/250/300/45
হীরা -400/500/600/800/1000/1200
ম্যাসনাইট -2000/3000/4000/6000/8000
স্পানিয়াল -500/700/800 1200/1500/2000
গার্নেট -50/80 100/150 200/300/500/1000
একোয়ামারিন 200/500/600 800/1000
Sardonix 100/150/200/300/400/500


রত্নের বিভিন্ন মূল্য তালিকা ( রতি বিচারে) রত্নের নাম দাম মোটামুটি ভালো

১. পান্না ১৫০০ - ৩০০০ টাকা
২. চুনি - ১৫০০ - ২৫০০ টাকা
৩. নীলা - ১৫০০- ৪৫০০ টাকা
৪. পোখরাজ - ২০০০ - ৪৫০০ টাকা
৫. সবুজ পোখরাজ - ৪৫০০ - ৭০০০ টাকা
৬. লাল পোখরাজ - ২০০০ - ৪০০০ টাকা
৭. গোলাপি পোখরাজ - ৪৫০০ - ৭০০০ টাকা মুক্তা
৮. গোমেদ - ৪০০ - ৬০০ টাকা
৯. মুক্ত - ১০০ - ৮০০ টাকা
১০. লাল প্রবাল - ৫০০ - ৮০০ টাকা
১১. ক্যাটসআই - ৬০০ - ১০০০ টাকা
১২. পেরিডট - ১৫০০ - ২৫০০ টাকা
১৩. রুবি - ১৫০০ - ৩৫০০ টাকা
১৪. হীরা (সেন্ট) - ৮০০ - ২০০০ টাকা

উপরত্ন

১. সিট্রিন স্টোন - ১০০ - ৩০০ টাকা
২. এমিথিস্ট - ১০০ - ৫০০ টাকা
৩.ব্লু টোপাজ - ৬০০ - ১০০০ টাকা
৪. জারকোন - ১৫০০ - ২৫০০ টাকা
৫. ফিরোজা - ৩০০ - ৮০০ টাকা
৬. অলিভিন - ১২০০ - ২৫০০ টাকা
৭. গার্নেট - ৮০ - ৫০০ টাকা
৮. সাদা প্রবাল - ১০০ - ২৫০ টাকা
৯. টাইগার আই - ৮০ - ১৫০ টাকা
১০. মুনস্টোন - ৮০ - ২৫০ টাকা
১১. লাপিস লাজুলি - ৮০ - ২০০ টাকা
১২. রোজ কোয়ার্টজ - ৮০ - ২০০ টাকা
১৩. জেড - ৮০ - ২০০ টাকা
১৪. ফায়ার ওপাল - ৩০০ - ৪৫০ টাকা
১৫. ব্লাড স্টোন - ৮০ - ২০০ টাকা
১৬. নীল হকিক - ৮০ - ২০০ টাকা
১৭. কার্নেলিয়ান - ৮০ - ১৫০ টাকা
১৮. ফ্লুরাইট - ৮০ - ১৫০ টাকা
১৯. সানস্টোন - ৮০ - ২০০ টাকা
২০। ম্যালাকাইট - ৮০ - ২০০ টাকা
২১. ইয়েলো জেসপার - ৮০ - ১৫০ টাকা
২২. রেড জেসপার - ৮০ - ১৫০ টাকা
২৩. সোডা lite - ৮০ - ১৫০ টাকা
আমাদের জ্যোতিষ কার্যালয় Astro Research Centre
এখানে সমস্ত রকম রত্ন ও উপরত্ন Certified ও Lab test করে সুলভ মূল্যে দেওয়া হয়ে থাকে। বিশদ জানতে যোগাযোগ করুন।

রত্ন শোধন
পারিজাত নামক গ্রন্থে রবির জন্য মাণিক্য, চন্দ্রের জন্য মুক্তা, মঙ্গলের জন প্রবাল, বুধের জন্য পান্না(মরকত), বৃহস্পতির জন্য পোখরাজ( পুষ্পরাগ), শুক্রের জন্য হীরক, শনির জন্য নীলা, রাহুর জন্য গোমেদ ও কেতুর জন্য বৈদূর্যমণির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পারিজাত গ্রন্থের মত অবশ্যই গ্রহণযোগ্য। কারণ গ্রহগুলির বর্ণ বিশ্লেষণের সঙ্গে এই রত্ন প্রয়োগের যথেষ্ট মিল খুঁজে পাওয়া যায়। অর্থাৎ যে যে গ্রহের অশুভ ফল হবে, সেই সেই গ্রহের নির্দিষ্ট রত্ন সেই সেই রত্নের উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি বিদ্বান ব্রাহ্মণকে দান করার পর নিজে ধারণ করে থাকেন তার প্রতি সেই সেই গ্রহই অনুকূল ফলদান করে। আয়ুর্বেদাচার্য বাগভট্ট রত্নের স্বভাবজ ও অস্বভাবজ দোষ বার করে অস্বভাবজ দোষগুলো নষ্ট করার জন্য বিশেষ বিশেষ দ্রব্যের মাধ্যমে রত্ন শোধনের উল্লেখ করেছেন। এখন প্রশ্ন হল সঠিকভাবে রত্ন শোধন কী ভাবে করা যায় ?
জেনে নিন রত্ন নির্বাচনের ক্ষেত্রে জ্যোতিষশাস্ত্র ঠিক কী কথা বলছে -
১। চুনি বা মাণিক্য শোধন করা হয় অম্লদ্রব্য বা লেবুর রসে।
২। মুক্তা শোধন করা হয় জয়ন্তী পাতার রসে।
৩। প্রবাল শোধন করা হয় ক্ষার জলে।
৪। পান্না শোধিত হয় গরুর দুধে(খাঁটি কাঁচা দুধ)।
৫। পুষ্পরাগ বা পোখরাজ শোধিত হয় কুলত্থকলাই সিদ্ধ জলে কাঁজি মিশিয়ে।
৬। হীরক শোধন করা হয় কাঁটা নটের রসে।
৭। নীলা শোধিত হয় নীলকণ্ঠ ফুল গাছের রসে।
৮। গোমেদ শোধন করা হয় গোরোচনা মিশ্রিত জলে।
৯। ক্যাটসআই শোধিত হয় ত্রিফলা থেঁতো করে ভিজিয়ে রেখে সেই জলে। ত্রিফলা হল হরিতকী, আমলকী ও বহেড়া।
সাধারণত তিন ঘন্টা থেকে চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে


ALEXXANDARITE অতি দুষ্প্রাপ্য ও দুর্মূল্য রত্ন

ALEXXANDARITE অতি দুষ্প্রাপ্য ও দুর্মূল্য রত্ন

রাশিয়ার সম্রাট দ্বিতীয় আলেক্সান্ডারের নামানুসারে এই পাথরের নামকরণ করা হয় আলেক্সান্ড্রাইট। ১৮৩০ সালের দিকে রাশিয়ার উরাল পর্বতের কাছাকাছি এই খনিজের সন্ধান পাওয়া যায়। আলেক্সান্ড্রাইট ক্রিস্টালের মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর অদ্ভুত ধরণের আলোকীয় চরিত্র। কারণ আপতিত আলোর বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে এই ক্রিস্টালের রং পরিবর্তনের (লাল থেকে সবুজ) ক্ষমতা অসাধারণ এবং আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে একই আলোর জন্যও দর্শণ কোণের উপর ভিত্তি করে এর রঙ আলাদা হয়ে যেতে পারে। আপতিত আলো ও দর্শণ কোণের উপর ভিত্তি করে ক্রিস্টালের বর্ণ পরিবর্তনের এই ক্ষমতাকে বলা হয় ‘প্লেওক্রোইজম’ (Pleochroism)। আর আলেক্সান্ড্রাইট এদিক থেকে অতিমাত্রায় প্লেওক্রোইক।

Alexandrite একটি পাথর যে আলোকসজ্জা তীব্রতার উপর নির্ভর করে তার রং পরিবর্তন। এবং
pleochroika হয়, এটি লোহা, ক্রোমিয়াম এবং টাইটানিয়াম একটি খুব বিরল সংমিশ্রণ আছে। সাদা আলেকজান্ডারাইট রঙ পরিবর্তন করে দিনের স্বাভাবিক আলোতে, রত্নটি নীল-সবুজ, এবং কৃত্রিম আলো দিয়ে - রক্তবর্ণ লাল। আলেকজান্ডারাইট একই রংয়ের বিরল, মূল্যবান পাথরের পরিবারের অংশ। আমরা যদি গ্রহণ করি, তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাকারমারিনের ভাগ্য আকর্ষণীয়। তার নাম ডন পেড্রো। তিনি এখন ওয়াশিংটনের প্রাকৃতিক ইতিহাসের মিউজিয়ামে প্রবেশ করেছেন। তিনি ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রদর্শনীতে অংশগ্রহন করেছেন, যেখানে মূল্যবান এবং আধা মূল্যবান একচেটিয়া এবং বিরল রত্ন প্রদর্শন করা হয়েছে। মিউজিয়ামটি আকাশমরার এম। মিচেল এবং জেফরি এস ব্লন্ডের দ্বারা দান করা হয়েছিল। এর বিশুদ্ধ সবুজ-নীল রঙ এবং একটি বিশেষ কাটা এটি একটি বিরল মণিটি তৈরি। প্রয়োজনীয় আলো সঙ্গে, এটি ভিতরে থেকে glows যে মনে হয়।
অত্যন্ত মূল্যবান রত্ন এটি।আর্থিক সমস্যা সমাধানে এর জুরি মেলা ভার।একে সন্মোহক রত্ন ও বলা হয়।
দাম:১৫০০০-২৫০০০/ ৬০০০০ /৮০০০০প্রতি রতি।

বাজারে যা পাওয়া যায় সব কৃত্রিম
সিন্থেটিক নকল

উপকারিতা

যে সকল মানুষ সঙ্গিত, অভিনয়, জনসংযোগ, চিত্রশিল্প অথবা লেখালেখির সাথে জড়িত তাদের জন্য খুব খুব উপকারী।
ব্যবহারকারী খুব দ্রুত উপকার পেতে পারে ব্যবহারে।
সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে পারে পাথর এবং তা দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে থাকে।
সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা, ব্যবস্থাপনা ক্ষমতা এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এর পাথর।
সামাজিক কাজে অংশ গ্রহন, অসহায়ের সাহাজ্জর ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি করে।
আইনগত বিষয়ে বিশেষ সাহায্য পাওয়া যেতে পারে হীরা ব্যবহারে, শত্রু সাথে জয়ী হবার শক্তি যোগায়।
যে সকল স্ত্রী লোক নিজেরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে চায়, অন্যদের সামনে সুন্দর ভাবে হাজির হতে চায় তাদের জন্য খুব উপকারী।
ডায়াবেটিক, অনিদ্রা ও নিরাপদ সন্তান জন্ম দেবার জন্য উপকারী হতে পারে এ পাথর।
যে সকল মেয়েদের সাংসারিক জীবনের সমস্যা রয়েছে তারা এ পাথর ব্যবহার করতে পারেন।
এই পাথর সম্পর্কের মধ্যে আনন্দ, ভালোবাসার জন্ম দেয়। বৈবাহিক জীবনেও এর প্রভাব রয়েছে।
এই পাথর শয়তানের খারাপ প্রভাব, ভয় ভিতি দূর করে আত্ম বিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
ঘুমের মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখা থেকে রক্ষা করে হীরা পাথর এবং প্রশান্তির ঘুমে সাহায্য করে।
এ পাথর হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
মধ্য যুগ থেকেই মনে করা হয় হীরা পাথর প্রশান্তির ঘুম, উন্নতি, সম্মান এবং ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি করে।

দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন


সুপ্রভাত

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা 
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in 
Please visit here
For Registration check in here. 
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here 

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায় 
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন 

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat 
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180426171542

Tuesday, April 24th, 2018

Astro Research Centre

জিরকন

জিরকন


‌‌‌এটি ভারী, উজ্জ্বল, মসৃণ ও সুদর্শন। প্রতিসরণাংকের কারণে আর বর্ণচ্ছটার দিক থেকে জিরকন হীরার পরের স্থান দাবি করতে পারে।

জিরকন-এর আকার অষ্টকোন, যষ্টফলক, ষষ্টকোণ ও ষষ্ঠফলক হয়। এটি কৃষ্ণনীল, পীতশ্বেত, রক্তাভ, মরকত দ্যুতি, সাদাটে কপোতবর্ণ, ময়ূরকন্ঠের ন্যায় বিচিত্র বর্ণের হয়ে থাকে।

প্রাপ্তিস্থান : ফ্রান্স, নরওয়ে, কলম্বিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, ব্রাজিল, অষ্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, তানজেনিয়া প্রভৃতি স্থানে উৎপন্ন হয়। দক্ষিণ ভারতেও পাওয়া যায়।

ল্যাবরেটরীতে কাঠ কয়লা বা ভাল গ্রাফাইট কার্বনকে প্রচন্ড তাপে ও চাপে ফেলে জিরকন প্রস্তূত করা হয়। এগুলোকে বলা হয় কেমিক্যাল হীরা।

উপাদান: (Chemical Composition) : Zir Conium Silicate (জিরকোনিয়াম সিলিকেট)

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৯০ - ৪.৭১

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৭৭-১.৯৮৭

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

উপাদান : জিরকন রাসায়নিক কাজে ও ঔষধ পত্র তৈরী করতে ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে এটি খুব প্রয়োজনীয় মূল্যবান। রত্ন। এটির হীরার সমতুল্য ক্ষমতা আছে বলে হীরার বিকল্প রত্ন হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

এটি শুক্র গ্রহের ফল দায়ক। বর্ণভেদে শনি গ্রহেরও সুফল দায়ক। জিরকন নারী পুরুষের বিভিন্ন প্রকার যৌন রোগে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

জারকন(ZARCONE)
জারকন
এটি ভারী, উজ্জ্বল, মসৃণ ও সুদর্শন। প্রতিসরণাংকের কারণে আর বর্ণচ্ছটার দিক থেকে জিরকন হীরার পরের স্থান দাবি করতে পারে। জিরকন-এর আকার অষ্টকোন, যষ্টফলক, ষষ্টকোণ ও ষষ্ঠফলক হয়। এটি কৃষ্ণনীল, পীতশ্বেত, রক্তাভ, মরকত দ্যুতি, সাদাটে কপোতবর্ণ, ময়ূরকন্ঠের ন্যায় বিচিত্র বর্ণের হয়ে থাকে।
প্রাপ্তিস্থান : ফ্রান্স, নরওয়ে, কলম্বিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, ব্রাজিল, অষ্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, তানজেনিয়া প্রভৃতি স্থানে উৎপন্ন হয়। দক্ষিণ ভারতেও পাওয়া যায়। ল্যাবরেটরীতে কাঠ কয়লা বা ভাল গ্রাফাইট কার্বনকে প্রচন্ড তাপে ও চাপে ফেলে জিরকন প্রস্তূত করা হয়। এগুলোকে বলা হয় কেমিক্যাল হীরা।
উপাদান: (Chemical Composition) : Zir Conium Silicate (জিরকোনিয়াম সিলিকেট)
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৯০ - ৪.৭১
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৭৭-১.৯৮৭
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯
বর্ণ তিন প্রকার :সাদা/নীল/হলুদ
উপাদান : জিরকন রাসায়নিক কাজে ও ঔষধ পত্র তৈরী করতে ব্যবহৃত হয়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে এটি খুব প্রয়োজনীয় মূল্যবান। রত্ন। এটির হীরার সমতুল্য ক্ষমতা আছে বলে হীরার বিকল্প রত্ন হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এটি শুক্র গ্রহের ফল দায়ক। বর্ণভেদে শনি গ্রহেরও সুফল দায়ক। জিরকন নারী পুরুষের বিভিন্ন প্রকার যৌন রোগে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।

আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়কৃত রত্ন পাথর আমি বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করে দিয়ে থাকি বিনিময়ে ২৫১ টাকা গ্ৰহন করি । আমাদের, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করা রত্ন পাথর ধারণ করার পর দ্রুত ফল প্রদান করতে সক্ষম।


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180424145040

Tuesday, April 24th, 2018

Astro Research Centre

ওপ্যাল

ওপ্যাল


উপাদান (Chemical Composition) : হাইড্রাস সিলিকন ডাই-অক্সাইড।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৫.৫ – ৬.৫

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ১.৯৮-২.২৫

প্রতিসরণাংক Refractive Index): ১.৪৪ -১.৪৬

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : (None) নাই

প্রাপ্তিস্থান : মেক্সিকো, ব্রাজিল, জাপান, লিবিয়া, বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়া হচ্ছে মূল্যবান ওপ্যালের প্রধান উৎস। অষ্ট্রেলিয়ার নিউসাউথ ওয়েলস আর কুইসল্যান্ডের ওপ্যাল খনি পর্যটকদের কাছে এক চিত্রাকর্ষক স্হান।

হন্ডুরাস ও মেক্সিকো অন্য দুটি স্থান ও প্রধান ওপ্যাল রত্ন প্রাপ্তিস্হান। এছাড়া প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়। এই রত্নটি সবচেয়ে উন্নতমানের সর্বোৎকৃষ্ট মানের উজ্জ্বলতর হয়ে থাকে অষ্ট্রেলিয়ার ওপ্যাল রত্নগুলো।

উপকারিতা : এই রত্ন ব্যবহারে সব বিষয়ে জয়ী হওয়া যায় বলে প্রাচীনকালে রাজা-বাদশাগণ এটি অতি যত্নের সাথে ব্যবহার করতেন । ইংল্যান্ডের মহারাণী ভিক্টোরিয়ার কাছে এই রত্ন খুবই প্রিয় ছিল। সুন্দরী নারীদের খুবই প্রিয় রত্ন।

ওপ্যাল (Opal) তীব্র কামনা থেকে রক্ষা করতে অদ্বিতীয়। রাশিচক্রে চন্দ্র ও শুক্র গ্রহের উপরত্ন হিসাবে খুবই ফলদায়ক । শত্রুদমন, কাজে কর্মে সফলতা, মানসিক শান্তি, শরীর ও স্বাস্থ্যের বিশেষ সহায়ক। মধ্যযুগের লেখকরা ওপ্যাল রত্নকে ঐন্দ্রজালিক পাথর বলে উল্লেখ করেছেন ।

দৃষ্টিশক্তির ওপর ওপ্যাল রত্নের শুভ প্রভাব রয়েছে বলে জানা যায়।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre




Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180424144720

Monday, April 23rd, 2018

Astro Research Centre

পেরিডট Peridote

পেরিডট


The Stone Of Emotional Healing.

আবেগ নিরাময়ের রত্ন পাথর ।

গুণাবলী : পেরিউট শক্তিশালী পাথর হিসেবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

রত্নপাথরটি আবেগীয় –ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পূর্বে প্রাপ্ত মানবিক আঘাত কিংবা মর্মান্তিক হৃদয় ঘটিত আঘাতের নিরাময় করতে সাহায্য করে। এমনকি মানসিক আঘাত – ভুলতেও সাহায্য করে।

আবার ক্ষেত্র বিশেষে পেরিউট হৃদয়কে অতীতে ফিরে যেতে সাহায্য করে তৎসংঙ্গে আপনাকে আপনার সম্পর্কে বুঝতেও সাহায্য করে। ক্রোধ, ঈর্ষাপরায়নতা, তিক্ততা ও ক্লেশ থেকে মুক্তি দানে পেরিউট এক অদ্বিতীয় রত্ন পাথর।

সঠিক-ভাবে ধারণে আপনার রোমান্টিক অবস্থানকে বুদ্বিতীপ্ত করে তোলে এবং হৃদয়ের কার্যকলাপে সাধারণ চেতনা দান করে তৎসংঙ্গে অপ্রয়োজনীয় মানসিক আঘাত থেকে সুরক্ষিত করে।

Peridot বিশেষত নিরাময়কারীদের নিরাময় করার জন্য উৎকৃষ্ট অর্থাৎ ‘Peridot is particularly good for healing the healers’ । পেরিডট দৈব শক্তিগুণ সম্পন্ন রত্ন পাথর যা-ভাগ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে সঠিক ধারনা দিতে সক্ষম।

নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত করে এবং স্বচ্ছতা ও সৌভাগ্য আনয়ন করে। আবার পেরিডট আপনার ঐশ্বর্য্যের রত্ন পাথরও বটে। যোগ্যতানুযায়ী নিজস্ব উপায়ে অর্থ প্রযুক্তির বা Gain করার জন্য পেরিডট যথেষ্ট কার্যকরী পাথর। ব্যাংক বা এ জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলনের পূর্বে পেরিডট রত্ন ধারণে উক্ত টাকা যথার্থ কাজেই ব্যয় হবে। উত্তোলনের পর প্রয়োজনে পাথরটি খুলে ঘরে রাখুন।

শুভ তিথি যুক্ত দিনে সাইট্রিন রত্ন পাথরের সাথে পেরিডটকে আপনার ক্যাশ বক্সে রাখুন বা স্থাপন করুন। পেরিডট আপনাকে টাকা আনয়নে সহায়তা করবে এবং সাইট্রিন টাকা গুলোকে ধরে রাখতে সহায়তা করবে/ টাকা গুলিকে যথার্থ- কাজে ব্যয় করতে সহায়তা করবে।

ঈর্ষাপরায়নতা : ঈর্ষাপরায়ন, ধ্বংসাত্নক আবেগের ক্ষেত্রে আবেগকে অবদমিত করার জন্য পেরিডট একটি উৎকৃষ্ট রত্নপাথর। প্রাচীন মিশরীর পুরোহিতরা ফারহর ক্ষমতার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার জন্য এ পাথর পরিধান করতেন।

সুখ : পেরিডটের হলুদ সবুজ বর্ণের জন্য সূর্যশক্তি সম্পন্ন পাথর। উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং জীবনের সুখ সৌভাগ্য অর্জনের জন্য ও প্রতিষ্ঠালাভের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী । যারা খাঁটি চুনি বা রুবি ধারন করতে অসমর্থ্য তাদের জন্য রুবি বা চুনির বিকল্প রত্ন পাথর হিসেবে পেরিডট ব্যবহার করতে বলা হয়।

মানসিক চাপ নিবারক : পীত স্বর্ণে বাধাই করে ধারন করলে অধিক শুভফল পাওয়া যায়। গোলাকার দানারমত মালা করে গলায় ধারণে সবোর্চ্চ মাত্রার শুভ ফলাফল পাওয়া যায় (৫৪ টি বা ১০৮ টি দানার মালা কমপক্ষে)

বিষাদ : প্রাচীনকালে রোমানরা বিষাদ দূর করার জন্য পেরিডট ব্যবহার করতো।

বিশোধন : সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলোকে শক্তিশালী করে ও পুনরুজ্জীবিত করে। শারীরীক স্বাস্থ্য বৃদ্ধির সহায়ক পাথর। পেরিডট এমনভাবে কাজ করে যেন মনে হবে ধারনকারী টনিক বা ঔষধ-গ্রহণ করছেন।

হারানো আইটেম : হারানো বস্তু খোজার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং আধ্যাত্মিক ভাবে হারানো অথবা আবেগপ্রবণভাবে পৃথকীকৃত হতাশা অনুভবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সন্তানের জন্ম : পেরিডট জন্মপ্রক্রিয়া সহজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে শতাব্দী ধরে। জরায়ুর মুখ খোলা ও সংকোচনে উদ্দীপ্ত করে প্রসব ঘরে কিংবা হাসাপাতালে যাওয়ার সময় দেহে ধারণ করলে কিংবা উক্ত ঘরে রাখলে প্রসব বেদনা লাঘব হয় এবং প্রসব-সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180423151214

Tuesday, April 17th, 2018

Astro Research Centre

গোমেদ gomed, উপকারিতা, কাজ দাম মূল্য price চেনার উপায় ব্যবহার রং

গোমেদ gomed hassonite garnet গার্নেট


গোমেদ (Jacinth) স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালচে বর্ণের পাথর। পাথরটিকে উর্দুতে গোমেদ বলা হয় । খাঁটি গোমেদ রত্নে জির্কোনিয়াম নামে এক প্রকার মহামূল্যবান ধাতু থাকে বলেই এর নাম হয়েছে ‘জ্যাসিন্থ’।

বর্ণের দিক থেকে লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর মত হয়ে থাকে। এর ভেতরের দিক সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী।

খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না।সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত।

আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।

মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে।

গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় ।

হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়।

আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।

উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।

উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়।

রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।



গোমেদ (HASSONITE GARNET)

গোমেদ (Jacinth) স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালচে বর্ণের পাথর। পাথরটিকে উর্দুতে গোমেদ বলা হয় । খাঁটি গোমেদ রত্নে জির্কোনিয়াম নামে এক প্রকার মহামূল্যবান ধাতু থাকে বলেই এর নাম হয়েছে ‘জ্যাসিন্থ’।

বর্ণের দিক থেকে লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর মত হয়ে থাকে। এর ভেতরের দিক সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী।

খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না।সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত।

আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।

মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে।

গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় ।

হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়।

আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।

উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।

উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়।

রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।

গোমেদ পাথর, ইংরেজিতে যাকে “Garnet Stone” বলা হয়। গোমেদ মধু রঙের খনিজ পাথর। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এটি ক্যালসিয়াম এলোমিনিয়াম সিলিকেট এর জমাট বাধা টুকরা ছাড়া আর কিছুই না। বিশ্বাস করা হয় যে গোমেদ পাথর “রাহু” নামক গ্রহের জন্য জন্য উপকারী। যাদের জন্ম জানুয়ারি মাসে বিশেষ করে তাদের জন্য বার্থ স্টোন হচ্ছে গোমেদ পাথর। এছাড়া যাদের মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি) কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি) তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর (Gomed Stone / Garnet Stone)। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গোমেদ পাথর যায়। যেমন, ইন্ডিয়া, আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা। তবে পৃথিবীর সব থেকে ভালো মানের গোমেদ হচ্ছে শ্রিলাঙ্কান গোমেদ পাথর (Siloni Gomed Stone)। যাকে সিলনি গোমেদ পাথর বলা হয়ে থাকে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গোমেদ পাথরের উপকারিতা (Benefits of Gomed Stone / Benefits of Garnet Stone) সমূহ নিন্ম রুপঃ

মধু রঙা অথবা সরিষা তলের রঙা গোমেদ পাথর রাহু নাকম গ্রহের খারাপ প্রভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যে কোন নেগেটিভ মানুষিক চিন্তা এবং খারাপ শক্তি থেকে থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।

যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মানুষের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানুষিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, বিশেষ করে যে সকল শিক্ষার্থী বা চাকুরীজীবীরা গবেষণা মূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য গোমেদ পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

এটা ব্যবহারে মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

কিছু কিছু সময় এটা ক্যান্সার, রক্ত রোগ, ফোঁড়া, কুষ্ঠ, অন্ত্রের সমস্যা, অবসাদ ও উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় উপকার করতে পারে।

গোমেদ পাথর ধারনে এর ব্যবহারকারী ৫টি প্রধান উপকার পেতে পারেন, যেমনঃ ধ্যান করা, আর্থিক উন্নতি, ধর্মীয় বিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং মানুষিক শান্তি।

পারিবারিক জীবনে সুখ বৃদ্ধি জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই গোমেদ পাথর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। গোমেদ পাথর ধারনে ভালোবাসা, মিল এবং শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন কালো জাদু থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে, ফলে শত্রু থেকে আগিয়ে থাকা যায় এবং প্রতিযোগটায় সফলা পাওয়া যেতে পারে।

যে সকল মানুষ অনেকের মাঝে বক্তব্য দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে শক্তির জোগাড় করতে পারে।

যে সকল মানুষ কম্পিউটার সম্পর্কিত চাকুরী, সরকারী চাকুরী, আইন পেশায় জড়িত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাথে জড়িত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে গোমেদ পাথর।

আমাদের সংগ্রহে থাকা বিভিন্ন কোয়ালিটির আসল রত্ন পাথরের picture ও সম্বলপুর
Sambalpur garnet, দাম৭৫০-২০০০টাকা।

গয়া গোমেদ goya gomed, Rs 40/80/100

সিলোনী সিলোনি সিলোনি গোমেদ siloni gomed, Hassanite garnet, দাম
Rs 150/200/500/800/1000/1500


Cost of garnet, hassonite, price, Dam

দাম, মুল্য
রাহুর রত্ন গোমেদ (Jacinth): এটি বর্ণ গোমুত্রের মতহ আভাযুক্ত, মৃদু শীতল স্পর্শ, মনোরম, ছিদ্র, রেখা বর্জিত, বিন্দুরহিত উজ্জ্বল গোমেদ ধারণ করলে ধারণকারীর রাহুর কুপ্রভাব বিনষ্ট হয়। রাহুর কুপ্রভাবে উন্মত্ততা, চোর ভয়, অগ্নিভয়, অস্ত্রভয়, শক্রভয়, মামলা মকদ্দমা ভয়, সম্মান ভয়, পরস্ত্রীতে আসক্তি, গনিকালয়ে গমন, বিনা কারণে দুর্নাম, ঋণ গ্রস্থতা, আকস্মিক দুর্ঘটনা সহ সকল বিপদ আপদের কারক একমাত্র রাহু। এছাড়া চিকিৎসা বিদ্যায় পক্ষাঘাতিক বাত, কলেরা বসন্ত, কুৎসীৎ যৌণরোগ প্রভৃতিতে গোমেদ ব্যবহারে এক আশ্চার্য্য রকমের ফল পাওয়া যায়। এর প্রধান উপাদান সিলিকন, জির্কেনিয়াম নামক এক প্রকার দুষ্প্রাপ্য ধাতুর সংমিশ্রনে আসল গোমেদ সৃষ্টি হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র ও হস্তরেখা বিদ্যায় রাহুর কৃপ্রভাব বা কৃদৃষ্টি থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য রাহুরত্ন বা গোমেদ ব্যবহার করা হয়। গোমেদ সিংহলী, গয়া, উড়িষ্যা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, রাশিয়া ও পাকিস্তানে প্রচুর জন্মায় তম্মধ্যে সিংহলী গোমেদ সর্বশ্রেষ্ঠ। খাঁটি গোমেদ জলপূর্ণ পাত্রে রাখলে সেই জলে গোমেদের আভা দেখা যায়। এটি কষ্টি পাথরে ঘসলেও ক্ষয় হয় না। এটি ঠিকমত শোধন করে না পরলে ধারণকারীর বিপদের ভয় থাকে।

ওজন: গোমেদ ৮ অথবা ১০ ক্যারেট ব্যবহার করতে হয়।

ব্যবহারের বস্তু: গোমেদ রূপার সাথে ব্যবহার করতে হয়।

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, কন্যা রাশিতে অথবা বৃশ্চিক লগ্নে জন্ম হলে এই রত্ন ধারণ করতে হয়। আবার রাশিচক্রে রাহুর দৃষ্টি হতে রক্ষার জন্য এবং রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ ধারণ করা হয়। এই রত্ন সাধারনত লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর ও হয়ে থাকে। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী। সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত।
রত্নবিশেষজ্ঞদের মতে, খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না। উন্নতমানের গোমেদের ভিতরে সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী। বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া যায়, সিংহলের রত্নপুরায়। এছাড়া থাইল্যান্ড সহ নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারতে গোমেদ পাওয়া যায়।
যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।
জ্য়োতিষশাস্ত্রের মতে, গোমেদ ব্যবহারের ফলে দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানসিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া খাঁটি গোমেদ ব্যবহার করলে যে কোনও পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
খাঁটি গোমেদ কোনও বইয়ের উপর রাখলে যদি ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে বুঝতে হবে রত্নটি খাঁটি গোমেদ।


গোমেদ পাথর, ইংরেজিতে যাকে “Garnet Stone” বলা হয়। গোমেদ মধু রঙের খনিজ পাথর। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এটি ক্যালসিয়াম এলোমিনিয়াম সিলিকেট এর জমাট বাধা টুকরা ছাড়া আর কিছুই না। বিশ্বাস করা হয় যে গোমেদ পাথর “রাহু” নামক গ্রহের জন্য জন্য উপকারী। যাদের জন্ম জানুয়ারি মাসে বিশেষ করে তাদের জন্য বার্থ স্টোন হচ্ছে গোমেদ পাথর। এছাড়া যাদের মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি) কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি) তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর (Gomed Stone / Garnet Stone)। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গোমেদ পাথর যায়। যেমন, ইন্ডিয়া, আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা। তবে পৃথিবীর সব থেকে ভালো মানের গোমেদ হচ্ছে শ্রিলাঙ্কান গোমেদ পাথর (Siloni Gomed Stone)। যাকে সিলনি গোমেদ পাথর বলা হয়ে থাকে।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গোমেদ পাথরের উপকারিতা (Benefits of Gomed Stone / Benefits of Garnet Stone) সমূহ নিন্ম রুপঃ
মধু রঙা অথবা সরিষা তলের রঙা গোমেদ পাথর রাহু নাকম গ্রহের খারাপ প্রভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যে কোন নেগেটিভ মানুষিক চিন্তা এবং খারাপ শক্তি থেকে থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।
যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে মানুষের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানুষিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, বিশেষ করে যে সকল শিক্ষার্থী বা চাকুরীজীবীরা গবেষণা মূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য গোমেদ পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
এটা ব্যবহারে মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
কিছু কিছু সময় এটা ক্যান্সার, রক্ত রোগ, ফোঁড়া, কুষ্ঠ, অন্ত্রের সমস্যা, অবসাদ ও উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় উপকার করতে পারে।
গোমেদ পাথর ধারনে এর ব্যবহারকারী ৫টি প্রধান উপকার পেতে পারেন, যেমনঃ ধ্যান করা, আর্থিক উন্নতি, ধর্মীয় বিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং মানুষিক শান্তি।
পারিবারিক জীবনে সুখ বৃদ্ধি জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই গোমেদ পাথর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। গোমেদ পাথর ধারনে ভালোবাসা, মিল এবং শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন কালো জাদু থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে, ফলে শত্রু থেকে আগিয়ে থাকা যায় এবং প্রতিযোগটায় সফলা পাওয়া যেতে পারে।
যে সকল মানুষ অনেকের মাঝে বক্তব্য দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে শক্তির জোগাড় করতে পারে।
যে সকল মানুষ কম্পিউটার সম্পর্কিত চাকুরী, সরকারী চাকুরী, আইন পেশায় জড়িত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাথে জড়িত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে গোমেদ পাথর।
আমাদের সংগ্রহের থাকা বিভিন্ন কোয়ালিটির প্রাকৃতিক আসল গোমেদ পাথরের (Garnet Stone / Gomed Stone) আসল ছবি সহ মূল্য পেতে ভিজিট করুন এই লিংকেঃ Gomed Stone (গোমেদ পাথর)



আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।

মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে।

গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় ।

হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়।

আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।

Website www.arcsm.in

উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।

উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়।

রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।

গোমেদ পাথর, ইংরেজিতে যাকে “Garnet Stone” বলা হয়। গোমেদ মধু রঙের খনিজ পাথর। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এটি ক্যালসিয়াম এলোমিনিয়াম সিলিকেট এর জমাট বাধা টুকরা ছাড়া আর কিছুই না। বিশ্বাস করা হয় যে গোমেদ পাথর “রাহু” নামক গ্রহের জন্য জন্য উপকারী। যাদের জন্ম জানুয়ারি মাসে বিশেষ করে তাদের জন্য বার্থ স্টোন হচ্ছে গোমেদ পাথর। এছাড়া যাদের মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি) কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি) তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর (Gomed Stone / Garnet Stone)। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গোমেদ পাথর যায়। যেমন, ইন্ডিয়া, আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা। তবে পৃথিবীর সব থেকে ভালো মানের গোমেদ হচ্ছে শ্রিলাঙ্কান গোমেদ পাথর (Siloni Gomed Stone)। যাকে সিলনি গোমেদ পাথর বলা হয়ে থাকে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গোমেদ পাথরের উপকারিতা (Benefits of Gomed Stone / Benefits of Garnet Stone) সমূহ নিন্ম রুপঃ

মধু রঙা অথবা সরিষা তলের রঙা গোমেদ পাথর রাহু নাকম গ্রহের খারাপ প্রভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যে কোন নেগেটিভ মানুষিক চিন্তা এবং খারাপ শক্তি থেকে থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।

Website www.arcsm.in

যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মানুষের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানুষিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, বিশেষ করে যে সকল শিক্ষার্থী বা চাকুরীজীবীরা গবেষণা মূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য গোমেদ পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

এটা ব্যবহারে মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

কিছু কিছু সময় এটা ক্যান্সার, রক্ত রোগ, ফোঁড়া, কুষ্ঠ, অন্ত্রের সমস্যা, অবসাদ ও উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় উপকার করতে পারে।

গোমেদ পাথর ধারনে এর ব্যবহারকারী ৫টি প্রধান উপকার পেতে পারেন, যেমনঃ ধ্যান করা, আর্থিক উন্নতি, ধর্মীয় বিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং মানুষিক শান্তি।

পারিবারিক জীবনে সুখ বৃদ্ধি জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই গোমেদ পাথর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। গোমেদ পাথর ধারনে ভালোবাসা, মিল এবং শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন কালো জাদু থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে, ফলে শত্রু থেকে আগিয়ে থাকা যায় এবং প্রতিযোগটায় সফলা পাওয়া যেতে পারে।
Website www.arcsm.in

যে সকল মানুষ অনেকের মাঝে বক্তব্য দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে শক্তির জোগাড় করতে পারে।

যে সকল মানুষ কম্পিউটার সম্পর্কিত চাকুরী, সরকারী চাকুরী, আইন পেশায় জড়িত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাথে জড়িত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে গোমেদ পাথর।

রাহু রত্ন rahu Ratna, ধাতু, Dhatu
প্রাপ্তিস্হান
কাজ, উপকারিতা, ব্যবহার
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180417100331

Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

ক্যাট’স-আই

ক্যাট’স-আই


উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম, বেরিলিয়াম সংমিশ্রণে সৃষ্ট।

উপকারিতা: জ্যোতিষশাস্ত্রে এই পাথরটি অশুভ কেতু গ্রহের প্রতিকারের রত্ন। ইহা ব্যবহারে রহস্যপূর্ণ জটিলতা, গোপন শত্রুতা, কোন প্রকার দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কথিত আছে এই পাথরটি সঙ্গে থাকলে সর্প দংশন করে না। ভারতে একে অশুভ নাশকারী রত্ন হিসেবে গণ্য করা হয়। উচ্চস্থান থেকে পতিত হবার থেকে রক্ষা করে।

ক্যাট’স আই বা বৈদুর্য্যমণি - চকচকে উজ্জ্বল রত্ন । উপরের ভাগ পালিশ করা এবং নীচের পিট পালিশহীন হয়ে থাকে । এই রত্নটির উপরের স্থল থেকে উজ্জ্বল আলোর সুতোর মত দাগ থাকে। রত্নটিকে নাড়ালে দাগগুলি নড়তে দেখা যায়। এটাকে “বিড়াল অক্ষি” ও বলা হয় । কারণ রত্নটি দেখতে অনেকটা বিড়ালের চক্ষুর মত ।

এটিকে আরবীতে লহসনিয়া বলে । বর্ণের দিক থেকে সবুজ, সাদা আভাযুক্ত ও ছাই রঙ- এর মত হয় । প্রকার ভেদে বৈদুর্য্যমনি কয়েক প্রকার যেমন – কনকক্ষেত্রী, ঘিক্ষেত্রী, ধূম্রক্ষেত্রী । আসল বৈদুর্যমণি কষ্টি পাথরে ঘর্ষণ করলে বর্ণ ও উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় না বরং লাবণ্য আরো প্রকাশ পায় । বৈদুর্য্যমণি ক্রাইসোবেরিল গোত্রের রত্ন । বৈদুর্য্যমণি পাথরটি এদিক - ওদিক ঘুরালে বেড়ালের চোখের মতে চকচক করে ওঠে । এই ধর্মটির পারিভাষিক নাম Chatoyancy। কিন্তু এই ধরণের সব পাথরকেই বৈদ্যুর্য়মণি বলা যাবে না।

যে পাথরের কাঠিন্য খুব বেশী, বহু বছর পরেও ক্ষয়ে যাবে না । সেই পাথরে যদি আলোর খেলা দেখা যায় তবে তা হবে বৈদুর্য্যমণি । এই রকম পাথর হচ্ছে ক্রাইসোবেরিল । রাসায়নিক নাম বেরিলিয়াম অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড । আবার যে ক্রাইসোবেরিলে সামান্য লোহার অনুর মিশ্রণ আছে তাদের রং মধুর মতো হালকা সোনালি ।

এর পারিভাষিক নাম ‘সাইমোফেন’ উৎকৃষ্টতম বৈদুর্য্যমণি এগুলোই । ‘ক্যাবোকন’ আকৃতিতে রত্নটিকে কাটলে একটা উজ্জ্বল নীল আলোর বিন্দু ফুটে উঠে বেড়ালের চোখের মণির মত দেখায় । প্রাচীন শ্রীলংকায় কান্তির রাজার একটি বৈদুর্য্যমণি এমনভাবে কাটা হয়েছিল যে, তাতে এ রত্নের স্বাভাবিক দাগগুলোর মাধ্যমেই মশালে আলোকিত একটি দেবীর ছবি ফুটে উঠতো। আগ্নেয়গিরি লাভা ঠান্ডা হলে তার মধ্যে মাঝে মাঝে এক ধরণের গিরি কাচ পাওয়া যায়।

সেগুলি লাল, ধূসর কিংবা কালো-বিভিন্ন রঙের হতে পারে। সেগুলিতে থাকে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রণ ও অ্যালুমিনিয়াম। সেগুলির ফাকে ফাকে আরেক ধরণের সুতোর মতো পাথর দেখা যায়। পরিস্কার ও পালিশ করে সেগুলিকে বৈদুর্য্যমনি হিসেবে বাজারে চালিয়ে দেয়া হয়। এটা এক ধরণের নকল মণি। গলিত কাচের সাথে লেড অক্সাইড, ফ্লোরিন ও বেরিল যোগ করে তৈরি করা হয় আরেক জাতের নকল বৈদুর্য্যমনি। আজকাল বাজারে বৈদুর্য্যমনি বা ক্যাটসআই পাওয়া যায় সিংহল ও ব্রাজিলে।

প্রাপ্তিস্থান: ব্রাজিল, চীন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে বৈদুর্য্যমনি পাওয়া যায়

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416112242

Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

ব্লু-স্যাফায়ার নীলা

ব্লু-স্যাফায়ার
ব্লু-স্যাফায়ার
( নীলা )


নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন ।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।


কার্যকারীতাঃ শত্রু নাশে সাহায্য, দারিদ্র ও দুঃখ কষ্ট দূর, মঙ্গলের অশুভ প্রভাহ হতে মুক্তি। নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত । নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি । বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন । তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড


BLUE SAPPHIRE : নীলা বা নীলকান্তমণি
শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়, ধন ও ঐশ্বয্যের পাথর । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে।
(অরিজিনাল ন্যাচারাল ব্যাংকক নীলার প্রতি রত্তির মূল্য সাত শত টাকা। শুধুমাত্র পবিত্র রমজান মাসের জন্য।)
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.arcsm.in
নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত । নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি । বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন । তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।
মূল রাসায়নিক উপাদান হিসেবে বিচার করলে নীলা আর চুনি (Rubby) একই অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড । দুটাকেই বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় বলে কোরানডাম । কিন্তু চুনির লাল রঙ তৈরী হয় কোরানডামে সামান্য ক্রোমিক অক্সাইড মিশে থাকার জন্য আর নীলার নীল রঙের জন্য দায়ী সামান্য টাইটানিয়াম অক্সাইড । এছাড়া বহুরকম ভেজাল মিশ্রণ থাকতে পারে আর তার ফলে কোরানডামের রঙ হয়ে ওঠে সবুজ, হলুদ, বেগুনি, গোলাপী ইত্যাদি । তবে যে কোন নীলাই অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ ছাড়া ধারণ করা উচিত নহে । কারণ এটা শুভ ফল দান করলে খুবই শুভ ফল দেয় । আবার অশুভ ফল দিলে অত্যন্ত অশুভ হয় । আসল নীলা চেনার উপায় নীলাকে একটি দুগ্ধ পূর্ণ পাত্রে রাখলে সেই পাত্রের দুধকে নিজ আভায় পূর্ণ করে এবং আসল বা খাটি নীলার উপর সূর্য্যের রশ্মি পড়লে নীল রঙ্গের জ্যোতি দেখা যায় । বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এসিডের মধ্যে দিয়ে নীলাকে পরীক্ষা করা যায়। এসিডে নীলার তেমন কোন প্রতিক্রিয়া হয় না ।
উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৯
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৯৯-৪.০০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৬৬-১.৭৭৪
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০১৮
প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।
কাশ্মীর অঞ্চলেও ভাল জাতের নীলা পাওয়া যায় । সেখানের দুর্গম জানস্ক পর্বতের কোলে নীলার খনি বহুকাল ধরে মানুষকে আকর্ষণ করছে । অষ্ট্রেলিয়ার অ্যানিকি, আমেরিকার মনটানা, সিংহলের রত্নপুরাতেও বেশ উৎকৃষ্ট শ্রেণীর নীলা পাওয়া যায় । এছাড়াও নীলা পাওয়া যায় জার্মানীতে । কাশ্মীরি নীলা পৃথিবী বিখ্যাত ।
উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে । যাদের জন্ম সময় শনি মন্দ অবস্থানে ছিল তাদের জন্য নীলা বা নীলকান্তমণি অত্যন্ত ফলদায়ক।


কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

Back
নীলা )


নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন ।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।




নীলা(BLUE SAPPHIRE)

CERTIFICATE


ব্লু-স্যাফায়ার নীলা

নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

ইন্দ্র নীলা লাইট ব্লু

সব রত্ন-পাথরের মধ্যে নীলা বা সাফায়ার সবচেয়ে মারাত্মক এবং দুষ্প্রাপ্য। দুষ্প্রাপ্য বলে অন্যান্য রত্ন-পাথরের তুলনায় নীলার দামও বেশি। নীলা অনেক ধরনের পাওয়া যায়। এর মধ্যে ইন্দ্রনীলা, গঙ্গাজল নীলা পিতাম্বর নীলা, ষ্টার নীলা ইত্যাদি। সব রকম নীলার মধ্যে ইন্দ্রনীলার প্রতিক্রিয়া বা ক্রিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী। বর্তমানে ইন্দ্রনীলা খুব বেশি না পাওয়ার কারণে এবং দাম বেশি হওয়ায় বেশি পরিমাণে ষ্টার নীলা ব্যবহারের পরার্মশ জ্যোতিষীরা দিয়ে থাকেন। নীলার রাসায়নিক উপদান অ্যালুমিনিয়াম অর্কসাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদানে খনিতে নীলার সৃষ্টি । লাল রঙের সামান্য নীলাভ নীলাকে রক্তমুখী নীলা বলা হয় । হালকা বেগুনি আভাযুক্ত নীলাকে বলা হয় অপরাজিতা নীলা । কাশ্নিরে বেশি পাওয়া যায় বলে অনেক সময় কাশ্নিরি নীলাও বলে অবহিত করা হয়ে থাকে । অপরাজিতা নীলা বেশি পাওয়া যায় না বলে এর দাম একটু বেশি । অপরাজিতা নীলায় সামান্য হলুদ আভা থাকলে তাকে বলা হয় পীতাস্বর নীলা । নীলা পুরোপুরি স্বচ্ছ না হয়ে ঘোলাটে হলে তাকে বলা হয় গঙ্গাজল নীলা । শনির অশুভ প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য জাতক/জাতিকাকে নীলা ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয় । যে কোনো নীলাই অতি মূল্যাবান ।অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ ছাড়া কোনো নীলাই ব্যবহার করা উচিত নয় । কারণ নীলা ব্যবহারে উপকার যতোটুকু, তার থেকে বেশি ক্ষতিকর । নীলা ব্যবহারে দারিদ্র,দুঃখ-কষ্ট হ্রাস পায়, জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আসে, কাজকর্ম বাধা-বিঘ্ন দূর হয় । নীলার উপকারিতা নীলা যে সমস্ত জাতক/জাতিকার জম্ম চকে বা রাশি অশুভ স্থানে আছে তাদের বিভিন্ন রোগের উপসর্গ আসে । যেমন হার্ড ব্যথা,বাত রোগ,পায়ে আঘাত লাগা এবং কষ্টকর যন্ত্রনা জাতীয় রোগের এবং স্নায়ুর শক্তি বস্তুক । তাছাড়া চর্ম রোগ, মাথা ব্যথা, কানে কম শুনা,মাথা ও হাত পায়ের যন্ত্রনা,মৃগী রোগে আংটি করে ডান হাতের মধ্যমা আঙ্গুলে ধারন করলে প্রচুর উপকার পাওয়া যায় ।

সব থেকে সুন্দর নীলা হচ্ছে গাড় নীল রঙের এবং নীলা পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। অনেক কাল আগে উৎকৃষ্ট নীল রঙের নীলা পাথর পাওয়া যেত কাশ্মীর, শ্রিলাঙ্কা এবং বার্মাতে। নীলা পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহের ভালো প্রভাব প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। “Old Testament” এ নীলা সম্পর্কে বলা হয়েছে— “রাজ সিংহাসন নীলা পাথরের মতই”।

রাশিরত্ন পাথর নীলা পাথরের কিছু উপকারিতা নিম্নরূপ

# জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির বুকের উপর যদি নীলা পাথর রাখা যায় তাহলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বরের তিব্রতা কমে আসে।

# যদি নীলা সহ্য হয়, তাহলে যে ব্যক্তি নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল নীলা পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

# নীলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ ।
নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

রং, আকার, আকৃতি, ওজন, উজ্জ্বল, এর উপর দাম নির্ভর করে

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

কার্যকারীতাঃ শত্রু নাশে সাহায্য, দারিদ্র ও দুঃখ কষ্ট দূর, মঙ্গলের অশুভ প্রভাহ হতে মুক্তি। নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত । নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি । বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন । তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড


Sapphire Stone (নীলা পাথরের উপকারিতা):

Gemstone Blue Saphire Stone এর বাংলা হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর, রত্ন পাথর ইন্দ্র নীলা। কেও কেও একে শুধু রাশিরত্ন নীলা পাথর ও বলে থাকে। শ্রীলঙ্কায় সব থেকে ভালো মানের ইন্দ্র নীলা পাথর পাওয়া যায় বলে অনেকে Srilankan Blue Sapphire Stone কে সিলনি ইন্দ্র নীলা, সিংহলি ইন্দ্র নীলা ও বলে থাকে। সব থেকে সুন্দর নীলা হচ্ছে ডিপ নীল রঙের এবং নীলা পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। অনেককাল আগে উৎকৃষ্ট নীল রঙের নীলা পাথর পাওয়া যেত কাশ্মীর, শ্রিলাঙ্কা এবং বার্মাতে। নীলা পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহ প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। “Old Testament” এ নীলা সম্পর্কে বলা হয়েছে— “রাজ সিংহাসন নীলা পাথরের মতই”।

ইন্দ্র নীলা পাথরের কিছু উপকারিতা (Benefits of Blue Sapphire Stone) নিম্নরূপঃ

জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির বুকের উপর যদি নীলা পাথর রাখা যায় তাহলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বরের তিব্রতা কমে আসে।

যদি নীলা সহ্য হয়, তাহলে যে ব্যক্তি নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল নীলা পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

নীলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে নীলাম পাথর সাহায্য করে থাকে। মানুষের জীবনে সমস্যা দুই ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনের সমস্যা মানুষের জীবনে সব সময়ই লেগে থাকে, একটা শেষ হবার আগেই আরেকটা এসে জুড়ে যায়। যদি এ সমস্যা গুলো ছোট খাট হয়ে থাকে তাহলে এটা রাহুর সমস্যার কারনে হয়ে থাকে, যার জন্য গোমেদ পাথর যথেষ্ট। কিন্তু যাদের এ সমস্যা গুলোর প্রভাব বেশী এবং যে কাজেই হাত দেওয়া হোক না কেন সে কাজই যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এটা শনি গ্রহের খারাপ প্রভাবের কারনে। ফলে জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। এমন অবস্থায় উপকারী পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর। বিশেষ করে যাদের কুম্ভ রাশি (Aquarius) Jan 21- Feb 20 ও মকর রাশি (Capricon) Dec 21-Jan 20 তাদের রাশির প্রধান পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর। এখানে ইন্দ্র নীলা পাথরের আরো কিছু উপকারের (Benefits of Indro Nila Stone) কথা উল্লেখ করা হলঃ

নীলা পাথর ব্যবহারে অনেক সময় খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নীলা পাথর সম্পদ বৃদ্ধি, সৌভাগ্য, সুযোগ এবং প্রসারের সাথে সম্পৃক্ত।

যাদের শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব চলছে তাদের রাশি চক্রের শক্তি যোগায় ইন্দ্র নীলা পাথর।

খুব ভালো রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে ইন্দ্র নীলা পাথর। এ পাথর ব্যবহারে শত্রু থেকে রক্ষা, খারাপ দৃষ্টি ও হিংসে থেকে বেঁচে থাকে যায়।

নীলা পাথর ব্যবহারের ফলে মানুষিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, দ্বিধা দণ্ড কেটে যায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য পাওয়া যায়।

ইন্দ্র নীলা পাথর সরাসরি সম্পদ বৃদ্ধির সাথে জড়িত। এ পাথর ব্যবহারের ফলে অর্থনৈতিক দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় এবং বহুবিধ আয়ের পথ পাওয়া যায়। ফলে সম্মান, প্রতিপ্রত্তি ও সুনাম বেড়ে যায়।

আপনি যখন রত্নপাথর ইন্দ্র নীলা পাথর (Blue Sapphire Stone / Ratno Pathor Indro Nila Stone) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি ৮০০ টাকা থেকে সর্বচ্চ ১৫০০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট শ্রিলাঙ্কান ইন্দ্র নীলা পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে।

ব্যাংকক নীলা দাম অনেক কম
200/300 500/1000/2000/5000

নীলা গ্রহন করার কি কি পদ্ধতি রয়েছে?
অপকারিতা, ক্ষতি
ধারণীয় দিন শনিবার
ধাতু সীসা, রুপা, সোনা

নীলা গ্রহন করতে চাইলে যে যে কাজ আগে করবেন তা আজকের লেখা থেকে জেনে নিন। নীলা সঠিক পদ্ধতিতে গ্রহন না করলে আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে বড় বিপদ। তাই সাবধান

নীলা গ্রহরত্নটি শনি গ্রহের রত্ন। শনি খুবই শক্তিশালি গ্রহ এবং তার প্রকোপ এবং বক্র দৃষ্টি থেকে বাঁচতে আমরা নীলা রত্ন ব্যবহার করে থাকি। শনি ঠাকুর কিন্তু আমাদের জীবনে ভালো এবং খারাপ দুই রকমেরই ফল এনে দেয়।তাই সঠিক ভাবে জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে তারপর নীলা গ্রহণ করা উচিত। নীলা গ্রহ রত্নটি শনিঠাকুরের শক্তি বহন করে পৃথিবীতে। আগেও যেমন লিখেছি যে শনি আমাদের জন্য সুফল এবং কুফল দুটোই আনে তাই ভেবে চিন্তে নীলা পড়া অত্যন্ত জরুরী। নীলা গ্রহ রত্নটি ঠিক পদ্ধতিতে গ্রহণ করা খুবই জরুরী নাহলে কিন্তু নীলা আমাদের পক্ষে খারাপ ফলও নিয়ে আসতে পারে। আবার নীলা আমাদের জন্য খুবই ভালো ভাগ্য নিয়ে আসতে পারে। তাই আজ নীলা গ্রহণ করার কিছু পদ্ধতিগুলির উপর আলোকপাত করবো আমরা।

সর্বপ্রথমে সঠিক নীলা কেনা দরকার যা আমাদের উপকারে আসবে। একটি প্রসিদ্ধ দোকান থেকে উচ্চমানের নীলা কেনা অত্যন্ত দরকারী। নীলার প্রকৃতি বা শ্রেণীর উপর নির্ভর করছে যে নীলাটি আমাদের জন্য কতটা কার্যকরী হবে। তাই আমাদের সঠিক নীলা নির্বাচন করা খুবই প্রয়োজনী।

প্রথমেই বলা দরকার যে নীলা গ্রহণ করার আগে বেশ কয়েক দিন নীলাটি আপনাদের রাতের ঘুমানোর বালিশের তলায় রেখে দিতে হবে। যদি সেই কয়েকদিন আপনাদের কোনো অসুবিধা অনুভব না হয় তাহলে নীলাটি গ্রহণ করা যেতে পারে। কিন্তু নীলাটি রাতের বালিশের তলায় রাখার পর যদি রাতে বাজে ,ভয়ানক স্বপ্ন দেখেন বা কোনো অঘটন ঘটে বা হঠাৎ অপ্রীতিকর কোনো সমস্যাতে পরে যান তাহলে সেই নীলাটি আপনার গ্রহণ করার উপযোগী হবে না।

নীলা ধারণ করার পদ্ধতিগুলো ও শোধন নিয়ম

এইবার তাহলে আমরা শরীরে নীলা ধারণ করার পদ্ধতিগুলো জেনে নিই।নীলা কেনার পর উচিত আমাদের জ্যোতিষীর থেকে পরামর্শ নেওয়া যে সঠিক নীলা নেওয়া হয়েছে কিনা ,আমাদের জীবনে এই নীলা কতটা উপকার করতে পারে এবং কিভাবে ধারণ করতে হবে নীলাটি ইত্যাদি।

তারপর নীলার শুদ্ধিকরণের জন্য নীলাটি কাঁচা দুধ,মধু এবং শুদ্ধ জলের একটি মিশ্রনের সাথে মেশাতে হবে। এই ভাবে নীলাটি প্রায় ২০ মিনিট থেকে আধ ঘন্টা রেখে দিতে হবে সেই মিশ্রনে। তারপর সময় হয় গেলে নীলাটি তুলে নিতে হবে।

আগের পদ্ধতির পরে একটা দিন নির্ধারণ করতে হবে যেইদিন নীলাটি গ্রহণ করতে পারি। শনিবার শনি ঠাকুরের দিন তাই শনিবার আপনারা নীলা প্রথম শরীরে গ্রহণ করতে পারেন। এছাড়াও আরো কয়েকটি দিন আছে যে দিনগুলিতে আপনি নীলা গ্রহণ করতে পারেন। যেমন শুক্ল পক্ষের রাত ইত্যাদি। এইসব ব্যাপারে আপনাদের জ্যোতিষির সাথে আলোচনা করে নেওয়ার দরকার।

দিন নির্ণয় হয়ে গেলে সেই নির্ধারিত দিনে ৫টি ধুপকাঠি জ্বালিয়ে শনি দেবতাকে উৎসর্গ করতে হবে। যে তাঁরই কারনে আমরা সেই নীলাটি গ্রহণ করতে চলেছি আর তিঁনি যেন আমাদের উপর কৃপার দৃষ্টি বজায় রাখেন।

তারপর নীলা পাথর দিয়ে তৈরি আংটি মিশ্রণ থেকে তুলে তা ওই ধুপাঠির চারদিকে ৫ বার বা ১১ বার ঘোরাতে হবে এবং “ওম শান শনি শারানায় নমঃ” বলে যেতে হবে।এরপর আমরা নীলাটি শনি ঠাকুরের মন্ত্র বলতে বলতে আমাদের ডান হাতের মধ্য আঙুলে পড়তে পারি।নীলাটি গ্রহণ করার পর যদি সম্ভব হয় তাহলে গরিবদের মধ্যে মুসুর ডাল ,নুন, সর্ষের তেল,চা ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে। আরো ভালো পরিণাম পেতে চান তাহলে শিব লিঙ্গের মাথার উপর দুধ ,বেল পাতা দেওয়া যেতে পারে।

নীলা গ্রহণ করার পর পরই নীলার গুণের অনুভব করতে পারি। কারন নীলা অত্যন্ত কার্যকরী এবং শক্তিশালী একটি গ্রহরত্ন। ৪ বছরের কম বেশি সময় নীলা কাজ দিয়ে থাকে তাই জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে তার কিছুদিন আগে বা পরে নীলাটি পাল্টে ফেলা অতন্ত জরুরি।

যদি নীলাটি আপনার জন্য যথার্থ হয় তাহলে খেয়াল রাখতে হবে যে নীলাটি যেন আমাদের শরীরের সঙ্গে লেগে থাকে। যদি নীলাটি আলগা ভাবে পরা হয় তাহলে কিন্তু কোনো লাভই হবে না। কোনোভাবেই উপকৃত হবেন না। তাই সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যে নীলাটি যেন আমাদের গায়ের সঙ্গে লেগে থাকে না হলে নীলার সুফল থেকে আমরা কিন্তু বঞ্চিত হব এবং নীলা পড়ার কোনো লাভই হবে না।

বলা হয় নীলা আমাদের ভাগ্যে রাজযোগ নিয়ে আসে। আমাদের জীবনে রাজযোগ এলে আমরা আমাদের ভবিষ্যত বুঝে উঠতে পারবো এবং ভবিষ্যতের কিছু সঠিক নির্ণয়ও নিতে পারবো। জ্যোতিষীর থেকে পরামর্শ নিয়ে তারপরই নীলা পড়া উচিত না হলে নীলা কিন্তু খুবই সাংঘাতিক একটি গ্রহরত্ন। যদি ভুল লোক বা ভুল পদ্ধতিতে নীলা গ্রহণ করেন, তাহলে নীলা কিন্তু সাংঘাতিক ভাবে ক্ষতি এনে দিতে পারে আপনার জীবনে।

আরেকটি জিনিস মাথায় রাখা উচিত যে নীলা কিন্তু শনি ঠাকুরের গ্রহ রত্ন এবং শনি ঠাকুর কিন্তু যারা কঠোর পরিশ্রম করে তাদেরই সুফল দেন। তাই যদি আমরা কঠোর পরিশ্রম করে ফলে পেতে আগ্রহী হই তাহলেই কিন্তু নীলা আমাদের জন্য কার্যকর হবে। তাই সবসময় জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে নীলা গ্রহণ করা উচিত।




নীলম হচ্ছে সবচেয়ে বিপদময়।এটা এত ভয়াবহযে মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।
এটা দেখতে লাল বা গোলাপী আভাযুক্ত নীলা পাথর।বিশ্বাস করা হয়যে, রক্তমুখী নীলা যার হাতে থাকবে তার খুব তাড়াতাড়ি ভাগ্য পরিবর্তন হয় আর এটি নাম, যশ,খ্যাতি এনে দেয়।

রক্তমুখী নীলা

হতাশাগ্রস্ত মানুষদের কাছে এটি বরাবরই খুবই আকর্ষনীয়। এটাকে খুনী নীলম বলে কারন এটি মৃত্যু ডেকে আনে। এটি সাময়িক উন্নতি আনে কিন্তু ফলাফল মৃত্যু । অনেকের কাছ থেকে এর সত্যতা পাওয়া যায়।এরকম ঘটনা জানা গেছে যে, এটা ব্যবহারের একদিনের মধ্যে একজন মরেছে আরেকজন মারা গেছে ৫বছর পর।কারন যাই হউক, অনেকে বলে শনি গ্রহের সংযোগে বা শনি রাহুর সংযোগে এটা ঘটে। তাই কখনোই এই রত্ন পাথর ব্যবহার করা উচিত না কারন এটা আপনার কিংবা আপনার প্রিয়জনের জন্য বিপর্যয় নিয়ে আসতে পারে। আর তাই জীবনে সফলতা আসুক আর নাই আসুক , সবাইর উচিত নিজের চেষ্টায় ভাগ্য পরিবর্তন করা, কারন সর্বশক্তিমান আল্লাহ মানুষকে শক্তি, বুদ্ধি আর মেধা দিয়েছেন যা সে কাজে লাগাতে পারে।দিল্লী বেগুনী নীলা নামে বিখ্যাত এক অভিশপ্ত নীলা আছে যা ১৮৫৫ সালে লুট হয়ে বৃটিশদের কাছে যায়। এটা অনেকের জন্য বিপদ


রক্তমুখী নিলা

ভারতীয় জ্যেতিষ গ্রহ-প্রতিকারের জন্য রত্ন ধারণের নির্দেশ অতি প্রাচীন কাল থেকেই দিয়ে আসছে। জ্যোতিষের যুক্তি অনুযায়ী, আমাদের দেহে কোনও কিছুর অভাব ঘটলে আমরা যেমন ওযুধ খাই। তেমনই গ্রহবৈগুণ্য ঘটলে আমাদের রত্ন ধারণ করা উচিত। এখানে রত্ন ওযুধের মতোই কাজ করবে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, এক একটি গ্রহের বৈগুণ্য প্রতিকারের জন্য এক একটি রত্ন নির্ধারিত রয়েছে। এই তালিকায় সব থেকে বিতর্কিত রত্নটি হল নীলা, বিশেষ করে রক্তমুখী নীলা। শনিগ্রহের কুপিত দশা থেকে মুক্তি পেতে এই রত্নই ধারণ করতে হয় বলে জানায় জ্যোতিষ শাস্ত্র।

ভারতীয় পরম্পরায় নীলা ও রক্তমুখী নীলাকে নিয়ে প্রভূত কিংবদন্তি বিদ্যমান। যাদের প্রধান বক্তব্য হল— এই পাথর সকলের সহ্য হয় না। অনেক সময়ে এই রত্ন ধারণকারীর মহাবিপদ ডেকে আনে। এহেন ধারণার পিছনে প্রাথমিক ভাবে এই তথ্যটি কাজ করে যে, নীলা শনির প্রতিষেধক। আর শনি সব থেকে গোলমেলে গ্রহ।

কিংবদন্তি আরও জানায়, নীলা বা রক্তমুখী নীলা ফকিরকে রাজা করতে পারে। আবার রাজাকে ফকির করতেও এর লহমা মাত্র সময় লাগে। এমনও বলা হয়, রক্তমুখী নীলা কলি যুগে দ্রুততম কার্যকর রত্ন। কিন্তু নীলা ধারণ করার আগে আমরা সাত-পাঁচ ভেবে পিছিয়ে আসি। অথচ ভারতীয় জ্যোতিষেই সেই পদ্ধতি বলা রয়েছে, যা থেকে সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব, নীলা ও রক্তমুখী নীলা আপনার সহ্য হবে কি না।

এখানে রইল সেই পদ্ধতিটি সম্পর্কে আলোচনা।

• প্রথমেই নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন, আপনাকে যে বিক্রেতা নীলা বা রক্তমুখী নীলা বিক্রি করছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য কি না। অতি অভিজ্ঞ জোতিষীর পরামর্শ ও g s i দ্বারা প্রমাণিত রত্ন ছাড়া এই রত্ন ক্রয় একেবারেই উচিত নয়।

• আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে, আপনি যে নীলাটি কিনছেন, তাতে ‘দুধিয়া’ নামের দোষ রয়েছে কি না। নীলাটি কেনার আগে ভাল করে লক্ষ করুন, রত্নটিতে সাদা রংয়ের সর্পিল কিছু রয়েছে কি না। যদি থাকে, সেই রত্ন পরিহার করুন। এমন রত্ন আপনাকে মুহূর্তের মধ্যে বিপদে ফেলতে পারে। ঋণজালে জড়িয়ে পড়া থেকে বিবাহবিচ্ছেদ— যা খুশি বিপদ ঘটতে পারে দুধিয়া-দোষ যুক্ত নীলা ধারণ করলে।

• নীলা বা রক্তমুখী নীলা ধারণ করার আগে সেটিকে একটি কাপড়ে মুড়ে সেলাই করে ফেলুন। সেই কাপড়ে মোড়া রত্নটিকে আপনি তাগার মতো করে ধারণ করুন। কাপড়টিতে একটি অতি ক্ষুদ্র ছিদ্র রাখবেন, যাতে নীলার সামান্য স্পর্শ আপনার শরীরে থাকে। এবার পূর্ব দিকে মুখ করে বাহুতে তাগাটি পরুন। এর রপে ৭২ ঘণ্টা খেয়াল রাখুন, কোনও ছোটখাটো বিপর্যয় আপনাকে ঘিরে ঘটছে কি না।

• সদ্য কেনা নীলাটি ধারণ না করে আপনার মাথার বালিশের নীচে রেখেও দেখতে পারেন। যদি তিন রাত্রি ক্রমাগত আপনি দুঃস্বপ্ন দেখেন, তাহলে ওই রত্ন পরিহার করাই শ্রেয়।

*নীলা ব রক্তমুখী নীলা ,দক্ষীনা কালী ও শনি যন্ত্রম দ্বারা অভিজ্ঞ গ্ৰহাচার্য, রত্নের প্রান প্রতিষ্ঠা করে শোধন করে দিলে তবেই পরিধান করা উচিৎ।ংঅন‍্যথ‍্যায় ক্ষতির সম্বাবনা বেশী।


Amethyst / পদ্মনীলা / রাজভক্তনীলা
..............................................................................

রত্ন পাথর পদ্ম নীলা (Ratno Pathor Amethyst Stone) কে বাংলায় এমেথিস্ট পাথর (Amethyst Pathor), রাজভত্ত নীলা পাথর (Rajvotto Nila Pathor), রাজ ভক্ত নীলা পাথর (Rajvokto Nila Pathor), অপরাজিতা নীলা পাথর (Oporajita Nila Pathor) বলা হয়ে থাকে। সব থেকে সুন্দর এমেথিস্ট পাথরের রঙ হচ্ছে ডীপ বেগুনী (Violet) রঙের। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমেথিস্ট পাথর পাওয়া যায় যেমন, আমারিকা, উরুগুয়ে, জাম্বিয়া এবং ব্রাজিলে। এ পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে এবং পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল পদ্ম নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহ প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে।

পিতাম্বরী নীলা pitambari nila

জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে এমেথিস্ট বা পদ্ম নীলা পাথর সাহায্য করে থাকে। মানুষের জীবনে সমস্যা দুই ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনের সমস্যা মানুষের জীবনে সব সময়ই লেগে থাকে, একটা শেষ হবার আগেই আরেকটা এসে জুড়ে যায়। যদি এ সমস্যা গুলো ছোট খাট হয়ে থাকে তাহলে এটা রাহুর সমস্যার কারনে হয়ে থাকে, যার জন্য গোমেদ পাথর যথেষ্ট। কিন্তু যাদের সমস্যা গুলোর প্রভাব বেশী এবং যে কাজেই হাত দেওয়া হোক না কেন সে কাজই যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এটা শনি গ্রহের খারাপ প্রভাবের কারনে। ফলে জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। এমন অবস্থায় উপকারী পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর অথবা পদ্ম নীলা পাথর। বিশেষ করে যাদের কুম্ভ রাশি (Aquarius) Jan 21- Feb 20 ও মকর রাশি (Capricon) Dec 21-Jan 20 তাদের রাশির প্রধান পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর অথবা পদ্ম নীলা পাথর। তবে মনে রাখা ভালো যে শনি গ্রহের উপকারের জন্য প্রথমে ইন্দ্র নীলা পাথর ব্যবহার করা উচিৎ। যদি ইন্দ্র নীলা পাথর ব্যবহার সম্ভব না হয় তাহলে এমেথিস্ট পাথর।

#এমেথিস্ট / পদ্মনীলা/ রাজভক্তনীলা পাথরের উপকারিতা,

রত্ন পাথর পদ্মনীলা পাথর (এমেথিস্ট পাথর) ব্যবহারে অনেক সময় খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পদ্মনীলা পাথর সম্পদ বৃদ্ধি, সৌভাগ্য, সুযোগ এবং প্রসারের সাথে সম্পৃক্ত।

যে সকল মানুষের নেশা জাতীয় কোন সমস্যা থাকে তাদের নেশা থেকে ফেরার জন্য পদ্মনিলা বা এমেথিস্ট পাথর খুব খুব উপকারী।

যাদের শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব চলছে তাদের রাশি চক্রের শক্তি যোগায় পদ্মনিলা পাথর (Amethyst Stone) অথবা ইন্দ্র নীলা পাথর (Blue Sapphire Stone)।

খুব ভালো রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে পদ্ম নীলা পাথর, এমেথিস্ট পাথর। এ পাথর ব্যবহারে শত্রু থেকে রক্ষা, খারাপ দৃষ্টি ও হিংসে থেকে বেঁচে থাকে যায়।

জেমস্টোন পদ্মনীলা পাথর (Gemstone Podmo Nila Pathor) ব্যবহারের ফলে মানুষিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, দ্বিধা দণ্ড কেটে যায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য পাওয়া যায়।

পদ্ম নীলা পাথর সরাসরি সম্পদ বৃদ্ধির সাথে জড়িত। এ পাথর ব্যবহারের ফলে অর্থনৈতিক দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় এবং বহুবিধ আয়ের পথ পাওয়া যায়। ফলে সম্মান, প্রতিপ্রত্তি ও সুনাম বেড়ে যায়।

যে ব্যক্তি পদ্ম নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে সৃষ্টকর্তার ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল এমেথিস্ট পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

পদ্মনিলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

আপনি যখন রত্ন পাথর পদ্মনিলা, এমেথিস্ট পাথর (Gemstone Amethyst Stone) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর।

#ব্রিঃদ্রঃ মনে রাখবেন যেকোনো রত্নপাথর পরিধান করার পূর্বে অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর সাথে সলাপরামর্শ করে রত্নপাথর পরিধান করা উত্তম, অনেকক্ষেত্রে না বুঝে পরিধান করে হিতে বিপরীত ঘটে থাকে অনেকের,
লগ্ন-নক্ষত্র-অমূতযোগ এবং নিদিষ্ট বার রত্নপাথরে ওজন ও কোয়ালিটি অনুযায়ী পরিধান করলে ক্ষতির সম্ভাবনা কম থাকে,
#যেকোনো আসল রত্নপাথর খুচরা ও পাইকারি ক্রয় করতে চাইলে যোগাযোগ করুন রত্নপাথর বিক্রয়ের সময় গ্যারান্টি কার্ড দেওয়া হয়।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416111413

Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

অ্যামেথিষ্ট



অ্যামেথিষ্ট


The Stone of Spirituality

আধ্যাত্মিক পাথর ।

বর্ণ : হালকা বেগুনী থেকে গাঢ় রক্তবর্ণ। বেগুনী হচ্ছে আধ্যাত্মিকতার রঙ।

বিমূর্ত নিরাময় গুণাবলী : অ্যামেথিষ্ট মনের পাথর। বিরক্তিবোধ ও সংশয়ের ক্ষেত্রে প্রশান্তি ও স্পষ্টতা আনয়নে সহায়তা করে। আপনি যদি আপনার অন্তর্জ্ঞান, অনুভব অথবা ফিলিংস বা আপনার গুরুত্বের সংস্পর্শে আসতে চান তাহলে অ্যামেথিষ্ট পরিধান করুন।

এটা একজনকে সকল আধ্যাত্মিক বিষয়, মরমি ও অতি প্রাকৃত বিষয় শিখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে এটা আত্ম-সংযম, অ্যালকোহল, খাদ্য, যৌনতা ও অন্যান্য আসক্তির ক্ষেত্রে সহায়তা করে।

উপকারিতা: অ্যামেথিষ্ট একটি উপরত্ন। শনির বিকল্প রত্ন হিসাবে ব্যবহার হয়। জন্ম রাশি ও হস্তরেখা বিচার শনির অশুভত্ব দূরীকরণার্থে ধারণ করা হয়। পাশ্চত্যের মেয়েরা বিশ্বাস করতেন যে অ্যামেথিষ্ট ব্যবহারে স্বামী-স্ত্রী প্রেম চিরস্থায়ী হয় ও অবিবাহিত মেয়েদের শীঘ্র বিবাহ হয়।

দৈহিক নিরাময় গুণাবলী : হরমোন উৎপাদন উন্নত করতে সহায়তা করে, স্নায়ুতন্ত্র, অনিদ্রা, শ্রবণশক্তি, পরিপাকনালী, হৃদপিন্ডকে উপশম প্রদান করে। অনিদ্রা, মাথাব্যাথা, শ্রবণে বিশৃঙ্খলা, অঙ্গস্থিতি ও কঙ্কালতন্ত্র, পাকস্থলী, ত্বক ও দাত, আর্থাইটিসের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটা মহৌষধ।

আধ্যাত্মিকতা : অ্যামেথিষ্ট নিরাময় ও স্বার্থপরহীনতা লালন করে এবং এটা বর্ধিত মহত্ত্ব, আধ্যাত্মিক সচেতনতা, ধ্যান, ভারসাম্য, আধ্যাত্মিক ক্ষমতা, আত্মার শান্তি ও ইতিবাচক রূপান্তরের সাথে সম্পর্কিত। অনেকে বলেন একে রূপান্তরের পাথর বলা উচিত। ‘মেটামরফোসিস’ নামেও পরিচিত।

আসক্তি: অ্যামেথিষ্ট শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ অ্যামিথিউমাস থেকে, যার অর্থ - পান করা হয়েছে। গ্রীকদের সুরাদেবতা বাক্কুসের তরুণী থেকে পাথরে রূপান্তরিত হওয়া বিষয়ে একটি প্রাচীন পুরাণ রয়েছে যে, তিনি মূর্তির উপর ঢেলেছিলেন, একে রক্তবর্ণ হিসেবে বর্ণনা করে এবং অ্যামেথিষ্ট সৃষ্টি করে।

অ্যামেথিষ্ট পান পাত্রের ক্ষেত্রে বলা হত যে, এটা পানকারীকে পানীয়ের চেতনার দ্বারা অতিরিক্তভারাবনত হওয়া থেকে রক্ষা করে।বর্তমানে ঐসব আসক্তি কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টা, বিশেষ করে অ্যালকোহলের আসক্তি থেকে, সহায়তা হিসেবে অ্যামেথিষ্ট শক্তি ব্যবহার করুন।

সুরক্ষা : অ্যামেথিষ্ট সুরক্ষার স্ফটিক, কারণ এটা আকর্ষণের চেয়ে বিকর্ষণ বেশী করে।

নেতিবাচক বা যা যা বর্জন করে: অতিরিক্ত অসংযমতা, মর্মপীড়া, ক্রোধ, অপরাধবোধ, রাগ, সংশয়, অধৈর্য্য, অসন্তুষ্টি, অনিদ্রা ও দু:স্বপ্ন।

যেসবে গুরুত্ব প্রদান করে : পরিস্কার, পরিচ্ছন্নতা, শুদ্ধতা, নবকাঠামো ও নবায়ন। আধ্যাত্মিক সক্ষমতা, আধ্যাত্মিক সচেতনতা, পরিতৃপ্তি, শান্তি, স্থিতিশীলতা, প্রশান্তি, ক্ষমা ও সহনশীলতা প্রদান করে ।


ওয়েবসাইট www.arcsm.in

প্রাপ্তিস্থান: উরাল পর্বত জ্যামোনিয়ার প্রধান প্রাপ্তিস্থান। অন্যান্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, উরুগুয়ে, দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ‘কারিনা ক্যাথরিদ দি গ্রেট’-এর জ্যামোনিয়া রত্ন সংগ্রহ জগৎবিখ্যাত।

মুল্য -40/50 60/80/100 150?/200

পদ্মনীলা পাথরের উপকারিতা

রত্ন পাথর পদ্মনীলা পাথর (এমেথিস্ট পাথর) ব্যবহারে অনেক সময় খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পদ্মনীলা পাথর সম্পদ বৃদ্ধি, সৌভাগ্য, সুযোগ এবং প্রসারের সাথে সম্পৃক্ত।

যে সকল মানুষের নেশা জাতীয় কোন সমস্যা থাকে তাদের নেশা থেকে ফেরার জন্য পদ্মনিলা বা এমেথিস্ট পাথর খুব উপকারী।

যাদের শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব চলছে তাদের রাশি চক্রের শক্তি যোগায় পদ্মনিলা পাথর (Amethyst Stone) অথবা ইন্দ্র নীলা পাথর (Blue Sapphire Stone)।

খুব ভালো রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে পদ্ম নীলা পাথর, এমেথিস্ট পাথর। এ পাথর ব্যবহারে শত্রু থেকে রক্ষা, খারাপ দৃষ্টি ও হিংসে থেকে বেঁচে থাকে যায়।

জেমস্টোন পদ্মনীলা পাথর (Gemstone Podmo Nila Pathor) ব্যবহারের ফলে মানুষিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, দ্বিধা দণ্ড কেটে যায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য পাওয়া যায়।

পদ্ম নীলা পাথর সরাসরি সম্পদ বৃদ্ধির সাথে জড়িত। এ পাথর ব্যবহারের ফলে অর্থনৈতিক দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় এবং বহুবিধ আয়ের পথ পাওয়া যায়। ফলে সম্মান, প্রতিপ্রত্তি ও সুনাম বেড়ে যায়।

জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির বুকের উপর যদি পদ্মনীলা পাথর (এমেথিস্ট স্টোন) রাখা যায় তাহলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বরের তিব্রতা কমে আসে।

যে ব্যক্তি পদ্ম নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল এমেথিস্ট পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

পদ্মনিলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

Gemstone - রত্নপাথর থেকে ১০০% আসল রত্নপাথর ক্রয় করুন, সারা জিবনে নকল প্রমানে লিখিত মূল্য ফেরত গ্যারান্টি সহ।

** দেখতে একই রকম চায়না রত্নপাথর ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। সতর্কতা সহিত আসল রত্নপাথর ক্রয় করুন।।
** আমাদের থেকে কেনা প্রতিটা আসল রত্নপাথরের সাথে পাচ্ছেন সারা জীবনের নকল প্রমানে লিখিত মূল্য ফেরত গ্যারান্টি। ফলে আপনার কাছে বিক্রয় করা প্রতিটা রত্নপাথরের সারা জীবনের দ্বায়িত্ব আমাদের।

উল্লেখিত সকল প্রকার উপকার নির্ভর করে মহান আল্লাহর ইচ্ছার উপর । মানুষের ভাগ্য বদলায় আল্লাহ্‌র ইচ্ছায়। আল্লাহর নিয়ামত ভেবে রত্নপাথর ব্যবহার করা উপকারী। তিনিই ভাল জানেন কিসের মাধ্যমে কি উপকার হয়ে থাকে।



Description
রাশি রত্ন পাথর পদ্ম নীলা (Rashi Ratno Pathor Amethyst Stone) কে বাংলায় এমেথিস্ট পাথর (Amethyst Pathor), রাজভত্ত নীলা পাথর (Rajvotto Nila Pathor), রাজ ভক্ত নীলা পাথর (Rajvokto Nila Pathor), অপরাজিতা নীলা পাথর (Oporajita Nila Pathor) বলা হয়ে থাকে। সব থেকে সুন্দর এমেথিস্ট পাথরের রঙ হচ্ছে ডীপ বেগুনী (Violet) রঙের। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমেথিস্ট পাথর পাওয়া যায় যেমন, আমারিকা, উরুগুয়ে, জাম্বিয়া এবং ব্রাজিলে। এ পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে এবং পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল পদ্ম নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহ প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে এমেথিস্ট বা পদ্ম নীলা পাথর সাহায্য করে থাকে। মানুষের জীবনে সমস্যা দুই ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনের সমস্যা মানুষের জীবনে সব সময়ই লেগে থাকে, একটা শেষ হবার আগেই আরেকটা এসে জুড়ে যায়। যদি এ সমস্যা গুলো ছোট খাট হয়ে থাকে তাহলে এটা রাহুর সমস্যার কারনে হয়ে থাকে, যার জন্য গোমেদ পাথর যথেষ্ট। কিন্তু যাদের সমস্যা গুলোর প্রভাব বেশী এবং যে কাজেই হাত দেওয়া হোক না কেন সে কাজই যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এটা শনি গ্রহের খারাপ প্রভাবের কারনে। ফলে জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। এমন অবস্থায় উপকারী পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর অথবা পদ্ম নীলা পাথর। বিশেষ করে যাদের কুম্ভ রাশি (Aquarius) Jan 21- Feb 20 ও মকর রাশি (Capricon) Dec 21-Jan 20 তাদের রাশির প্রধান পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর অথবা পদ্ম নীলা পাথর। তবে মনে রাখা ভালো যে শনি গ্রহের উপকারের জন্য প্রথমে ইন্দ্র নীলা পাথর ব্যবহার করা উচিৎ। যদি ইন্দ্র নীলা পাথর ব্যবহার সম্ভব না হয় তাহলে এমেথিস্ট পাথর।

Benefits of Rashi Ratno Pathor Amethyst Stone (রাশি রত্ন পাথর এমেথিস্ট স্টোনের উপকারিতা)–

রত্ন পাথর পদ্মনীলা পাথর (এমেথিস্ট পাথর) ব্যবহারে অনেক সময় খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পদ্মনীলা পাথর সম্পদ বৃদ্ধি, সৌভাগ্য, সুযোগ এবং প্রসারের সাথে সম্পৃক্ত।
যে সকল মানুষের নেশা জাতীয় কোন সমস্যা থাকে তাদের নেশা থেকে ফেরার জন্য পদ্মনিলা বা এমেথিস্ট পাথর খুব খুব উপকারী।
যাদের শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব চলছে তাদের রাশি চক্রের শক্তি যোগায় পদ্মনিলা পাথর (Amethyst Stone) অথবা ইন্দ্র নীলা পাথর (Blue Sapphire Stone)।
খুব ভালো রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে পদ্ম নীলা পাথর, এমেথিস্ট পাথর। এ পাথর ব্যবহারে শত্রু থেকে রক্ষা, খারাপ দৃষ্টি ও হিংসে থেকে বেঁচে থাকে যায়।
জেমস্টোন পদ্মনীলা পাথর (Gemstone Podmo Nila Pathor) ব্যবহারের ফলে মানুষিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, দ্বিধা দণ্ড কেটে যায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য পাওয়া যায়।
পদ্ম নীলা পাথর সরাসরি সম্পদ বৃদ্ধির সাথে জড়িত। এ পাথর ব্যবহারের ফলে অর্থনৈতিক দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় এবং বহুবিধ আয়ের পথ পাওয়া যায়। ফলে সম্মান, প্রতিপ্রত্তি ও সুনাম বেড়ে যায়।
জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির বুকের উপর যদি পদ্মনীলা পাথর (এমেথিস্ট স্টোন) রাখা যায় তাহলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বরের তিব্রতা কমে আসে।
যে ব্যক্তি পদ্ম নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।
আসল এমেথিস্ট পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
নীলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।
আপনি যখন Gemstone Amethyst Pathor (রত্ন পাথর পদ্মনিলা, এমেথিস্ট পাথর) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি ২০০ টাকা থেকে সর্বচ্চ ৫০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট এমেথিস্ট পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে। এমেথিস্ট পাথরের বিভিন্ন মূল্যর উপর নির্ভর করে বিভিন্ন কোয়ালিটির এমেথিস্ট পাথর পাবেন আমাদের এই ওয়েব পেজ এর Our Gemstone সাইটের Amethyst Stone (এমেথিস্ট পাথর) এর অংশে।

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416110813

Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

মুক্ত Perl

মুক্তা


উপাদান (Chemical Composition) : মুক্তার ৯২ ভাগই ক্যালসিয়াম, ২ ভাগ পানি এবং ৬ ভাগ অজৈব খনিজ পদার্থ।

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity): ২.২৬ - ২.৭৮ ।

কাঠিন্যতা (Hardness): ৩ - ৪।

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫২ – ১.৬৬ (কালো মুক্তা গুলো ১.৫৩-১.৬৯) ।

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : None (নাই)।

প্রাপ্তিস্হান : বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, ভারত,চীন,জাপান,আমেরিকা,সিংহলদ্বীপ,পারস্য উপসাগর প্রভৃতিস্হানে মুক্তা পাওয়া যায়।

উপকারিতা : রাশিচক্রে কর্কট রাশি ও চন্দ্র গ্রহের রত্ন। এই রত্ন সততা, বিশ্বাস, আনন্দের ধারক। সৌন্দর্য, দেহ ও মনের শান্তি রক্ষার্থে শুভ ফলদায়ক। আয়ুর্বেদ মতে মুক্তা ভস্ম মহা উপকারী ঔষধ।

কথিত আছে-মুক্তা রতি শক্তি বৃদ্ধির সহায়ক বলে মিসর সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রা মদের টেবিলে কয়েক লক্ষ টাকার মুক্তা গ্লাসে গুলিয়ে এক মুহূর্তে খেয়ে ফেলতো। জানা যায়, সম্রাজ্ঞী একাধারে বহু যুব পুরুষের সংঙ্গে রতি ক্রিয়ায় লিপ্ত হতে পারতো।

জ্যোতিষ মতে চন্দ্র হল মনকারক গ্রহ। মানব মনে তার প্রভাবের ফলে মানুষের মনও হয়ে উঠে দ্রুতগামী।

তাই বলা হয়ে থাকে যারা অকাররণ দুশ্চিন্তা করেন অথবা আকাশ কুসুম রচনা করা যাদের নেশা, তাঁরা মুক্তা ধারণ করে সুফল পেতে পারেন। যক্ষ্ণারোগেও মুক্তা যথেষ্ট উপকারী। হদরোগ, বৃদ্ধদের শক্তিহীনতা, ক্রোধ প্রবণতা দূর করার জন্য দুধের সাথে মুক্তার গুড়ো মহৌষধ হিসেবে গণ্য।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre




Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416102647

Saturday, April 14th, 2018

Astro Research Centre

Red Coral রক্ত প্রবাল রোগ নিবারক উচ্চ রক্তচাপ

প্রবাল


প্রবাল অস্বচ্ছ রত্ন । ফার্সী ও আরবীতে মারজান বলে। ভারত ও নেপাল এই রত্নকে পলা বলে । প্রবাল গাঢ় নীল, লাল, গোলাপী বা গৈরিক, সাদা ও কালচে বর্ণের দেখা যায় । রত্নটি শুকনো ও শীতল । এটি কয়েক প্রকার ।

যেমন – রক্তের মত লাল অথবা গাঢ় লাল বর্ণের প্রবালকে বলে রক্তপ্রবাল, গোলাপি বর্ণের প্রবালকে বলে গৈরিক প্রবাল ও সাদা বর্ণেরটিকে বলে শ্বেত প্রবাল । বর্ণের মধ্যে শাস্ত্রমতে রক্ত প্রবাল দ্রুত ফলদায়ক। কষ্টি পাথরের ঘর্ষণে খাটি প্রবাল নিজ বর্ণ হারায় না ।

খাঁটি প্রবালে পোকায় কাটা দাগ আথবা ছোট ছোট গর্ত থাকার সম্ভাবনা থাকে । বিশুদ্ধ প্রবাল এসিডের সংম্পর্শে বুদ বুদ- এর সৃষ্টি করে এবং নিজ বর্ণ হারিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।

উপাদান (Chemical Composition) : ক্যালসিয়াম কার্বনেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং কপার সল্ট।

কাঠিন্যতা (Hardness): ৩-৪

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৬-২.৭

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৪৮৬-১.৬৫৮

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : (None) নাই।

প্রাপ্তিস্থান : ভুমধ্যসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ফ্রান্স আলজেরিয়া, মরক্কো, বাংলাদেশ সেন্ট মার্টিন দ্বীপ প্রভৃতি দেশের দ্বীপে ও সমুদ্র প্রবাল পাওয়া যায় । গোটা বিশ্বে ইতালীয় প্রবালের কদর খুব বেশী ।

উপকারিতা : রাশিচক্রে মঙ্গল গ্রহের অশুভত্ব দূরীকরণার্থে প্রবাল ব্যবহার করা হয়। স্বাস্থ্যরক্ষা, লিভারের রোগ, আমাশয় ইত্যাদি ব্যাপারে খুবই ফলদায়ক। মেয়েদের জরায়ুর রোগে শ্বেত প্রবাল খুবই উপকারী ।

বহু রোগের উপশম হয় এই প্রবাল রত্বের দ্বারা। রোমানরা ছেলে-মেয়েদের গলায় প্রবাল রত্ন ধারণ করত বিপদ আপদ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে এবং শিশুদের দোলনায় প্রবাল দন্ড লাগিয়ে থাকেন। ইতালীতে প্রবালের মালা ধারন করা হয় কু’নজর এড়ানোর জন্য।

জানা যায় প্রবাল রত্নে পদ যুগল সুস্থ্য থাকে বলে ব্যালে নৃত্য শিল্পীরা একে সৌভাগ্যেরর পাথর বলে মনে করেন । ব্যবহারকারীর প্রবালের রঙ পরিবর্তন হতে থাকলে বুঝবেন যে শরীরের যে কোন রোগ বা অসুস্হতার লক্ষণ।

সূর্যও নির্দিষ্ট গ্রহলোক থেকে তেজ শোষণ করে প্রবাল মানবদেহে তার নীরব প্রভাব ফেলে । প্রবাল প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ উপহার ।






আনন্দবাজার জ্যোতিষকথা
জ্যোতিষকথা
মঙ্গল গ্রহের শান্তির জন্য প্রবাল
পার্থপ্রতিম আচার্য
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ০০:৫৩:৫২ | শেষ আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ০০:৫২:১৪
Coral
প্রবাল হল সমুদ্রগর্ভ জাত এক প্রকার উদ্ভিদ। উষ্ণ সমুদ্রে বসবাসকারী প্রায় উদ্ভিদ জাতীয় প্রবাল নামক প্রাণীর কঙ্কাল থেকে রত্নটির উৎপত্তি। এর থেকে উৎপত্তি হওয়া রস প্রবালকে হিন্দিতে মুংগা, ফারসী ও আরবীতে মারজান, সংস্কৃতে বিদ্রুম ভৌমরত্ন, অঙ্গারক মণি, রক্তাংগ, রক্তকন্দ, অম্বুধিবল্লভ ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়।

প্রবালের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য - রত্নটি অস্বচ্ছ কঠিন ও বিভিন্ন রং হয়। প্রবাল রত্নটি বেশ টকটকে লাল বর্ণের হলে শুভ। তাছাড়াও ছিদ্র ও দাগশূন্য শিরা বা ফাটল ছাড়া, শক্ত অর্থাৎ কঠিন পুরু মসৃণ হলে শুভ।

প্রবালের প্রকার ভেদ- প্রবাল রত্নটি লাল রক্তবর্ণ, ষাঁড়ের রক্তের মতো, কমলা গৈরিক এবং সাদা বর্ণের হতে পারে। গাঢ় লালবর্ণ যুক্ত প্রবাল বিশেষ ফলপ্রদান করে থাকে।

প্রবালের প্রাপ্তি স্থান- রত্নটি ভূমধ্যসাগরে, লোহিত সাগরে, স্পেন, মরিশাস, মালায়েশিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ইটালির নেপলস অঞ্চলে পাওয়া যায়।

প্রবাল চেনার উপায়- রত্নটি ছিদ্র ও দাগশূন্য, শিরা বা ফাটল বিনা, শক্ত অর্থাৎ কঠিন পুরু ও মসৃণ হলে শুভ।

প্রবাল ধারণের ব্যবহার বিধি- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য ১০-১২ রতি ধারণ করা উচিত।

প্রবাল শোধনের বিধি- রক্ত প্রবালকে শোধন করার জন্য ক্ষার জল ব্যবহার করা হয়। কাঁচা দুধে রক্তচন্দনে রেখে শোধন করা হয়। এছাড়া শাস্ত্রীয় মতে গ্রহ পূজা করে শোধন করা যায়।

প্রবাল ধারণের কাল- মঙ্গলবার প্রাতঃকালে স্নানের পর ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করে ধারণ করা উচিত।

প্রবাল ধারণের অঙ্গ- যে কোনও রত্ন ধারণের অঙ্গ মানেই হল দেহের ঊর্দ্ধ অঙ্গ অর্থাৎ করতলে পরতে হলে অনামিকায় পরা কর্তব্য।

প্রবাল ধারণের ধাতু- রত্নটি ধারণ করার জন্য তামা, রূপো বা সোনা ব্যবহার করা হয়।

প্রবাল ব্যবহারের উপকারিতা- সম্পদ বৃদ্ধিতে, ভূসম্পত্তি লাভে, চর্মরোগ নিবারণে এবং বিরুদ্ধ মঙ্গল গ্রহের প্রতিকারার্থে সাহায্যকারী রত্ন হিসাবে ব্যবহার করা হয়।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre




Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180414133542

Saturday, April 14th, 2018

Astro Research Centre

চুনী - Ruby, মানিক, কোরামডাম, utility (উপকারিতা )মাদাগাস্কার

রুবি


The Stone of Fire and Passion.

এটি রাগ অনুরাগের পাথর ।

Ruby- বাংলায় চুনি, পদ্মরাগ মনি বলা হয়। অনেকেই রুবি পাথরকে রত্নরাজ বলে থাকেন।

প্রধান চক্র : মানবদেহে যে চক্রের উপর অধিকতর ক্রীয়শীল হার্ট বা হৃদয়।

কম্পন সৃষ্টিকারী সংখ্যা : ৩


জন্মপাথর : যাদেরপ্রশান্তিপরিপূর্ণতাএবংএকত্রীকরণপ্রয়োজনতাদেরজন্য‘রুবি’একটিউৎকৃষ্টরত্নপাথর।

প্রধান শব্দসমূহ : আধ্যাত্মিকতা/আত্মিকজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান, সম্পদ, সুনাম, খ্যাতি, যশ, গৌরব, অর্থ, আর্শীবাদ, ক্রান্তিকাল, পরিবর্তন, পছন্দ। চুনির রত্নের শক্তি তীব্র মাত্রার এবং উজ্জ্বল।

নেতা-নেত্রী, রাজা-বাদশা এবং ধর্ম প্রচারকদের বুদ্ধিদীপ্ত নির্দেশনা এবং মহৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি পছন্দের পাথর। কথিত আছে যে ‘রুবির’ শক্তি হলো আপনার স্বপ্নকে অনুসরণ করতে, আপনার ইচ্ছা এবং আপনার পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে সাহায্য করে।

ঘোরতর অন্ধকার জীবন কাটিয়ে আলো নিয়ে আসতে সাহায্য করে ‘রুবি’।তবে সবার জন্য নয় কেননা যাদের রবি (Sun)অশুভশুধুমাত্রতাদেরক্ষেত্রে।যেকোনকাজেরবাধাবিঘ্নঅতিক্রমকরেসুফলদানকরেথাকেনএইপাথর।

রুবি এ পৃথিবীতে অসীম পরিত্যাগ করণের মাধ্যমে আপনাকে সকল প্রকার শিক্ষা দেয়, এটার প্রয়োজন নেই যে আপনি অন্যের প্রাপ্য শাস্তি ভোগ করবেন। রুবি রত্ন পাথরের প্রজ্ঞা হচ্ছে কিভাবে আপনি মূল্যবান ও অতীব সুন্দর জীবন গঠন করবেন।

নিজের হাতে ভালবাসা তৈরী করা এবং কিভাবে সুখী হবেন তা রুবি ধারনের পর থেকেই বুঝতে সক্ষম হবেন । মানুষের দেহ থেকে অল্প সময়ে রাসায়নিক বিষক্রিয়া দূর করে সুস্থ্য হতে সাহায্য করে ‘রুবি’ বা ‘চুনি’।

রুবি/চুনি হার্ট চক্র বা হৃদয় চক্রের উপর কাজ করে। এটি সাহায্য করে আপনার পরিবর্তন। আপনি আজ যে ক্রান্তিকাল সময়ে দাঁড়িয়ে আছেন তা থেকে বেরিয়ে আসতে, যা হতে চান সেভাবে নিজেকে তৈরী করতে সাহায্য করে রুবি বা চুনি।

- তর্ক এবং বিতর্কের পরিনতি/ফলাফল সহ উন্নতি করে।
- চমৎকার রক্ষাকারক রত্নপাথর।
- বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য উৎকৃষ্ট রত্ন পাথর।
- যাদের সন্তান ধারণ হয় না তাদের জন্য উর্ব্বরতা দানকারী পাথর।
- দেহ থেকে রাসায়নিক ও বিষাক্ত দ্রব্য দূর করে দেয় ‘রুবি’ বা চুনি।

দৈহিক প্রশমনকারী ক্রিয়া সমূহ :

জ্বরের চিকিৎসা, হৃদয়ের বিষন্নতা, রক্তপ্রবাহ, মাংসপেশীর রোগ, গলার রোগ, মস্তিষ্ক এবং মানব দেহের বিভিন্ন Gland বা গ্রন্থির উপর রুবি বা চুনি ভাল কাজ করে।

উপাদান : (Chemical composition) : Al203 অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৯ (নয়)

আপেক্ষিক গুরুত্ব : (Specific Gravity) : ৩.৯৭ – ৪.০৫

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৬৬ – ১.৭৭৪

বিচ্ছুরণ : (Dispersion) : ০.০১৮

প্রাপ্তিস্থান : বার্মা(মায়ানমার), থাইল্যান্ড, কানাডা, শ্রীলংকা, দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ সমূহে, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়। বার্মার রুবি হচ্ছে জগৎ শ্রেষ্ঠ ও বহু মূল্যবান এবং দুষ্প্রাপ্যও বটে।

উপকারিতা : জোতিষ শাস্ত্রমতে রাশি চক্রে চুনি সিংহ রাশি ও রবি গ্রহের রত্ন। হস্তরেখা বিজ্ঞানে রবি রেখা ও রবি গ্রহের অশুভ প্রভাব থেকে এবং অর্থ, যশ, বৃদ্ধি, সৌন্দর্য্য ও গৌরব বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।

তবে অভিজ্ঞ জোতিষীর পরামর্শ ব্যতীত যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা মোটেই ঠিক না এতে করে বিপরীত মুখী ফল দান করতে পারে ।

স্থান কাল পাত্র ও দেশ কাল পাত্র ভেদে রত্ন পাথরের ওজনের তারতম্য ঘটবে। খাঁটি রুবি ২/৩ রতি ধারণই যথেষ্ট। উৎকৃষ্ট মানের বার্মার রুবি। ১, ১.৫ রতি ধারণ সর্বোত্তম। এর অধিক প্রয়োজন নেই।



Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180414132739