Saturday, April 14th, 2018

Astro Research Centre

Red Coral রক্ত প্রবাল রোগ নিবারক উচ্চ রক্তচাপ

প্রবাল


প্রবাল অস্বচ্ছ রত্ন । ফার্সী ও আরবীতে মারজান বলে। ভারত ও নেপাল এই রত্নকে পলা বলে । প্রবাল গাঢ় নীল, লাল, গোলাপী বা গৈরিক, সাদা ও কালচে বর্ণের দেখা যায় । রত্নটি শুকনো ও শীতল । এটি কয়েক প্রকার ।

যেমন – রক্তের মত লাল অথবা গাঢ় লাল বর্ণের প্রবালকে বলে রক্তপ্রবাল, গোলাপি বর্ণের প্রবালকে বলে গৈরিক প্রবাল ও সাদা বর্ণেরটিকে বলে শ্বেত প্রবাল । বর্ণের মধ্যে শাস্ত্রমতে রক্ত প্রবাল দ্রুত ফলদায়ক। কষ্টি পাথরের ঘর্ষণে খাটি প্রবাল নিজ বর্ণ হারায় না ।

খাঁটি প্রবালে পোকায় কাটা দাগ আথবা ছোট ছোট গর্ত থাকার সম্ভাবনা থাকে । বিশুদ্ধ প্রবাল এসিডের সংম্পর্শে বুদ বুদ- এর সৃষ্টি করে এবং নিজ বর্ণ হারিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।

উপাদান (Chemical Composition) : ক্যালসিয়াম কার্বনেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং কপার সল্ট।

কাঠিন্যতা (Hardness): ৩-৪

আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৬-২.৭

প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৪৮৬-১.৬৫৮

বিচ্ছুরণ (Dispersion) : (None) নাই।

প্রাপ্তিস্থান : ভুমধ্যসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ফ্রান্স আলজেরিয়া, মরক্কো, বাংলাদেশ সেন্ট মার্টিন দ্বীপ প্রভৃতি দেশের দ্বীপে ও সমুদ্র প্রবাল পাওয়া যায় । গোটা বিশ্বে ইতালীয় প্রবালের কদর খুব বেশী ।

উপকারিতা : রাশিচক্রে মঙ্গল গ্রহের অশুভত্ব দূরীকরণার্থে প্রবাল ব্যবহার করা হয়। স্বাস্থ্যরক্ষা, লিভারের রোগ, আমাশয় ইত্যাদি ব্যাপারে খুবই ফলদায়ক। মেয়েদের জরায়ুর রোগে শ্বেত প্রবাল খুবই উপকারী ।

বহু রোগের উপশম হয় এই প্রবাল রত্বের দ্বারা। রোমানরা ছেলে-মেয়েদের গলায় প্রবাল রত্ন ধারণ করত বিপদ আপদ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে এবং শিশুদের দোলনায় প্রবাল দন্ড লাগিয়ে থাকেন। ইতালীতে প্রবালের মালা ধারন করা হয় কু’নজর এড়ানোর জন্য।

জানা যায় প্রবাল রত্নে পদ যুগল সুস্থ্য থাকে বলে ব্যালে নৃত্য শিল্পীরা একে সৌভাগ্যেরর পাথর বলে মনে করেন । ব্যবহারকারীর প্রবালের রঙ পরিবর্তন হতে থাকলে বুঝবেন যে শরীরের যে কোন রোগ বা অসুস্হতার লক্ষণ।

সূর্যও নির্দিষ্ট গ্রহলোক থেকে তেজ শোষণ করে প্রবাল মানবদেহে তার নীরব প্রভাব ফেলে । প্রবাল প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ উপহার ।






আনন্দবাজার জ্যোতিষকথা
জ্যোতিষকথা
মঙ্গল গ্রহের শান্তির জন্য প্রবাল
পার্থপ্রতিম আচার্য
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ০০:৫৩:৫২ | শেষ আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ০০:৫২:১৪
Coral
প্রবাল হল সমুদ্রগর্ভ জাত এক প্রকার উদ্ভিদ। উষ্ণ সমুদ্রে বসবাসকারী প্রায় উদ্ভিদ জাতীয় প্রবাল নামক প্রাণীর কঙ্কাল থেকে রত্নটির উৎপত্তি। এর থেকে উৎপত্তি হওয়া রস প্রবালকে হিন্দিতে মুংগা, ফারসী ও আরবীতে মারজান, সংস্কৃতে বিদ্রুম ভৌমরত্ন, অঙ্গারক মণি, রক্তাংগ, রক্তকন্দ, অম্বুধিবল্লভ ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়।

প্রবালের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য - রত্নটি অস্বচ্ছ কঠিন ও বিভিন্ন রং হয়। প্রবাল রত্নটি বেশ টকটকে লাল বর্ণের হলে শুভ। তাছাড়াও ছিদ্র ও দাগশূন্য শিরা বা ফাটল ছাড়া, শক্ত অর্থাৎ কঠিন পুরু মসৃণ হলে শুভ।

প্রবালের প্রকার ভেদ- প্রবাল রত্নটি লাল রক্তবর্ণ, ষাঁড়ের রক্তের মতো, কমলা গৈরিক এবং সাদা বর্ণের হতে পারে। গাঢ় লালবর্ণ যুক্ত প্রবাল বিশেষ ফলপ্রদান করে থাকে।

প্রবালের প্রাপ্তি স্থান- রত্নটি ভূমধ্যসাগরে, লোহিত সাগরে, স্পেন, মরিশাস, মালায়েশিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ইটালির নেপলস অঞ্চলে পাওয়া যায়।

প্রবাল চেনার উপায়- রত্নটি ছিদ্র ও দাগশূন্য, শিরা বা ফাটল বিনা, শক্ত অর্থাৎ কঠিন পুরু ও মসৃণ হলে শুভ।

প্রবাল ধারণের ব্যবহার বিধি- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য ১০-১২ রতি ধারণ করা উচিত।

প্রবাল শোধনের বিধি- রক্ত প্রবালকে শোধন করার জন্য ক্ষার জল ব্যবহার করা হয়। কাঁচা দুধে রক্তচন্দনে রেখে শোধন করা হয়। এছাড়া শাস্ত্রীয় মতে গ্রহ পূজা করে শোধন করা যায়।

প্রবাল ধারণের কাল- মঙ্গলবার প্রাতঃকালে স্নানের পর ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করে ধারণ করা উচিত।

প্রবাল ধারণের অঙ্গ- যে কোনও রত্ন ধারণের অঙ্গ মানেই হল দেহের ঊর্দ্ধ অঙ্গ অর্থাৎ করতলে পরতে হলে অনামিকায় পরা কর্তব্য।

প্রবাল ধারণের ধাতু- রত্নটি ধারণ করার জন্য তামা, রূপো বা সোনা ব্যবহার করা হয়।

প্রবাল ব্যবহারের উপকারিতা- সম্পদ বৃদ্ধিতে, ভূসম্পত্তি লাভে, চর্মরোগ নিবারণে এবং বিরুদ্ধ মঙ্গল গ্রহের প্রতিকারার্থে সাহায্যকারী রত্ন হিসাবে ব্যবহার করা হয়।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre




Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180414133542