Monday, April 16th, 2018

Astro Research Centre

ব্লু-স্যাফায়ার নীলা

ব্লু-স্যাফায়ার
ব্লু-স্যাফায়ার
( নীলা )


নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন ।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।


কার্যকারীতাঃ শত্রু নাশে সাহায্য, দারিদ্র ও দুঃখ কষ্ট দূর, মঙ্গলের অশুভ প্রভাহ হতে মুক্তি। নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত । নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি । বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন । তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড


BLUE SAPPHIRE : নীলা বা নীলকান্তমণি
শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়, ধন ও ঐশ্বয্যের পাথর । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে।
(অরিজিনাল ন্যাচারাল ব্যাংকক নীলার প্রতি রত্তির মূল্য সাত শত টাকা। শুধুমাত্র পবিত্র রমজান মাসের জন্য।)
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.arcsm.in
নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত । নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি । বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন । তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।
মূল রাসায়নিক উপাদান হিসেবে বিচার করলে নীলা আর চুনি (Rubby) একই অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড । দুটাকেই বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় বলে কোরানডাম । কিন্তু চুনির লাল রঙ তৈরী হয় কোরানডামে সামান্য ক্রোমিক অক্সাইড মিশে থাকার জন্য আর নীলার নীল রঙের জন্য দায়ী সামান্য টাইটানিয়াম অক্সাইড । এছাড়া বহুরকম ভেজাল মিশ্রণ থাকতে পারে আর তার ফলে কোরানডামের রঙ হয়ে ওঠে সবুজ, হলুদ, বেগুনি, গোলাপী ইত্যাদি । তবে যে কোন নীলাই অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ ছাড়া ধারণ করা উচিত নহে । কারণ এটা শুভ ফল দান করলে খুবই শুভ ফল দেয় । আবার অশুভ ফল দিলে অত্যন্ত অশুভ হয় । আসল নীলা চেনার উপায় নীলাকে একটি দুগ্ধ পূর্ণ পাত্রে রাখলে সেই পাত্রের দুধকে নিজ আভায় পূর্ণ করে এবং আসল বা খাটি নীলার উপর সূর্য্যের রশ্মি পড়লে নীল রঙ্গের জ্যোতি দেখা যায় । বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এসিডের মধ্যে দিয়ে নীলাকে পরীক্ষা করা যায়। এসিডে নীলার তেমন কোন প্রতিক্রিয়া হয় না ।
উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৯
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৯৯-৪.০০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৬৬-১.৭৭৪
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০১৮
প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।
কাশ্মীর অঞ্চলেও ভাল জাতের নীলা পাওয়া যায় । সেখানের দুর্গম জানস্ক পর্বতের কোলে নীলার খনি বহুকাল ধরে মানুষকে আকর্ষণ করছে । অষ্ট্রেলিয়ার অ্যানিকি, আমেরিকার মনটানা, সিংহলের রত্নপুরাতেও বেশ উৎকৃষ্ট শ্রেণীর নীলা পাওয়া যায় । এছাড়াও নীলা পাওয়া যায় জার্মানীতে । কাশ্মীরি নীলা পৃথিবী বিখ্যাত ।
উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে । যাদের জন্ম সময় শনি মন্দ অবস্থানে ছিল তাদের জন্য নীলা বা নীলকান্তমণি অত্যন্ত ফলদায়ক।


কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

Back
নীলা )


নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন ।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।




নীলা(BLUE SAPPHIRE)

CERTIFICATE


ব্লু-স্যাফায়ার নীলা

নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

ইন্দ্র নীলা লাইট ব্লু

সব রত্ন-পাথরের মধ্যে নীলা বা সাফায়ার সবচেয়ে মারাত্মক এবং দুষ্প্রাপ্য। দুষ্প্রাপ্য বলে অন্যান্য রত্ন-পাথরের তুলনায় নীলার দামও বেশি। নীলা অনেক ধরনের পাওয়া যায়। এর মধ্যে ইন্দ্রনীলা, গঙ্গাজল নীলা পিতাম্বর নীলা, ষ্টার নীলা ইত্যাদি। সব রকম নীলার মধ্যে ইন্দ্রনীলার প্রতিক্রিয়া বা ক্রিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী। বর্তমানে ইন্দ্রনীলা খুব বেশি না পাওয়ার কারণে এবং দাম বেশি হওয়ায় বেশি পরিমাণে ষ্টার নীলা ব্যবহারের পরার্মশ জ্যোতিষীরা দিয়ে থাকেন। নীলার রাসায়নিক উপদান অ্যালুমিনিয়াম অর্কসাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদানে খনিতে নীলার সৃষ্টি । লাল রঙের সামান্য নীলাভ নীলাকে রক্তমুখী নীলা বলা হয় । হালকা বেগুনি আভাযুক্ত নীলাকে বলা হয় অপরাজিতা নীলা । কাশ্নিরে বেশি পাওয়া যায় বলে অনেক সময় কাশ্নিরি নীলাও বলে অবহিত করা হয়ে থাকে । অপরাজিতা নীলা বেশি পাওয়া যায় না বলে এর দাম একটু বেশি । অপরাজিতা নীলায় সামান্য হলুদ আভা থাকলে তাকে বলা হয় পীতাস্বর নীলা । নীলা পুরোপুরি স্বচ্ছ না হয়ে ঘোলাটে হলে তাকে বলা হয় গঙ্গাজল নীলা । শনির অশুভ প্রভাব কাটিয়ে ওঠার জন্য জাতক/জাতিকাকে নীলা ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয় । যে কোনো নীলাই অতি মূল্যাবান ।অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ ছাড়া কোনো নীলাই ব্যবহার করা উচিত নয় । কারণ নীলা ব্যবহারে উপকার যতোটুকু, তার থেকে বেশি ক্ষতিকর । নীলা ব্যবহারে দারিদ্র,দুঃখ-কষ্ট হ্রাস পায়, জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আসে, কাজকর্ম বাধা-বিঘ্ন দূর হয় । নীলার উপকারিতা নীলা যে সমস্ত জাতক/জাতিকার জম্ম চকে বা রাশি অশুভ স্থানে আছে তাদের বিভিন্ন রোগের উপসর্গ আসে । যেমন হার্ড ব্যথা,বাত রোগ,পায়ে আঘাত লাগা এবং কষ্টকর যন্ত্রনা জাতীয় রোগের এবং স্নায়ুর শক্তি বস্তুক । তাছাড়া চর্ম রোগ, মাথা ব্যথা, কানে কম শুনা,মাথা ও হাত পায়ের যন্ত্রনা,মৃগী রোগে আংটি করে ডান হাতের মধ্যমা আঙ্গুলে ধারন করলে প্রচুর উপকার পাওয়া যায় ।

সব থেকে সুন্দর নীলা হচ্ছে গাড় নীল রঙের এবং নীলা পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। অনেক কাল আগে উৎকৃষ্ট নীল রঙের নীলা পাথর পাওয়া যেত কাশ্মীর, শ্রিলাঙ্কা এবং বার্মাতে। নীলা পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহের ভালো প্রভাব প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। “Old Testament” এ নীলা সম্পর্কে বলা হয়েছে— “রাজ সিংহাসন নীলা পাথরের মতই”।

রাশিরত্ন পাথর নীলা পাথরের কিছু উপকারিতা নিম্নরূপ

# জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির বুকের উপর যদি নীলা পাথর রাখা যায় তাহলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বরের তিব্রতা কমে আসে।

# যদি নীলা সহ্য হয়, তাহলে যে ব্যক্তি নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল নীলা পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

# নীলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত ।

নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি ।

বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ ।
নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন।

তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড ।

উপাদান (Chemical Composition) : এ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং স্যাফায়ারের অন্যান্য উপাদান সহ নীলার সৃষ্টি।

রং, আকার, আকৃতি, ওজন, উজ্জ্বল, এর উপর দাম নির্ভর করে

উপকারিতা: জ্যোতিষ বিজ্ঞান রাশিচক্রে জাতক/জাতিকার মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন । শনির অশুভত্বের কারকতা থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় । এটি যাদের উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী ও সাহস বৃদ্বি করে ।

প্রাপ্তিস্থান : প্রাচীন রত্ন শাস্ত্রে জানা যায়, নীলা কলিঙ্গ ও কালপুরে পাওয়া যেত । তবে বর্তমানে প্রাচীন কলিঙ্গ ও কালপুরে আর নীলা পাওয়া যায় না । কাশ্মীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচু নীলার খনি সারা বছরই বরফে ঢাকা থাকে । ফলে বছরে শুধু তিন মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খনিতে কাজ-কর্ম হয় ।

কয়েকটি বিখ্যাত নীলা

ষ্টার অব ইন্ডিয়া (Star of India): ষ্টার অব ইন্ডিয়া নামে খ্যাত সুবিখ্যাত ৫৬৩ ক্যারেট ওজনের নীলা খন্ডটি বর্তমানে আমেরিকার নিউইয়র্ক প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে ।

দ্বিতীয় চার্লেসের নীলা (The Nila of 2nd Charls): রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ্যাভিষেকের সময় তাঁর মুকুটের সামনের দিকের মাঝখানে বসানো ছিল একটা উজ্জ্বল নীলা । চারকোণা এই নীলাটির দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি ও প্রস্হ এক ইঞ্চি

তারপর রাজা পঞ্চম জর্জ ঐ মুকুটের নীলার জায়গায় বসিয়েছিল একটা হীরা । আর নীলার প্রথম মালিক নাকি দ্বিতীয় চার্লস, যাঁর কাছ থেকে চুরি করে ফ্রান্সে পালিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতিয় জেম্স এডওয়ার্ড, ১৬৮৮ সালে । তাই এই নীলাটার নাম “দ্বিতিয় চার্লসের নীলা”।

এডওয়ার্ড নীলা (The Nila of Edward): সবচেয় পুরনো নীলার নাম ‘এডওয়ার্ড নীলা’ । কারণ ১৪০২ সালে এডওয়ার্ডের অভিষেকের সময় তাঁর হাতের আংটিতে এই নীলা রত্নটিকে প্রথম দেখা গিয়াছেল ।

কার্যকারীতাঃ শত্রু নাশে সাহায্য, দারিদ্র ও দুঃখ কষ্ট দূর, মঙ্গলের অশুভ প্রভাহ হতে মুক্তি। নীলা স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । এটির বৈশিষ্ট স্বাদহীন, শুকনো এবং শীতল । নীলাকে আরবী/উর্দু/ফার্সীতে কবুদ বা ইয়াকুত বলে । ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত । নীলা কয়েক প্রকারের যেমন-ইন্দ্রনীলা, ষ্টারনীলা, অপরাজিতা নীলা, পীতাম্বরনীলা, গঙ্গাজলনীলা, রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি । বর্ণের দিক থেকে উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত রঙ-এর সাথে রক্তের মত আভাযুক্ত, হরিদ্রাভ, শ্বেত কিঞ্চিৎ নীল আভাযুক্ত প্রভৃতি বর্ণের হয়ে থাকে । উজ্জ্বল নীল আভাযুক্ত নীলাই শ্রেষ্ঠ । নীলা বা স্যাফায়ার কোরানডাম (Corundum) গ্রুপ এর রত্ন । তামিল শব্দ কুরুবিন্দম বলতে বোঝায় ইংরেজি কোরানডাম নামের একটি খনিজ পদার্থ । তেলুগু ভাষায় এরই নাম কুরুন্দীম। কোরানডামের রাসায়নিক উপাদান অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড


Sapphire Stone (নীলা পাথরের উপকারিতা):

Gemstone Blue Saphire Stone এর বাংলা হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর, রত্ন পাথর ইন্দ্র নীলা। কেও কেও একে শুধু রাশিরত্ন নীলা পাথর ও বলে থাকে। শ্রীলঙ্কায় সব থেকে ভালো মানের ইন্দ্র নীলা পাথর পাওয়া যায় বলে অনেকে Srilankan Blue Sapphire Stone কে সিলনি ইন্দ্র নীলা, সিংহলি ইন্দ্র নীলা ও বলে থাকে। সব থেকে সুন্দর নীলা হচ্ছে ডিপ নীল রঙের এবং নীলা পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। অনেককাল আগে উৎকৃষ্ট নীল রঙের নীলা পাথর পাওয়া যেত কাশ্মীর, শ্রিলাঙ্কা এবং বার্মাতে। নীলা পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহ প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। “Old Testament” এ নীলা সম্পর্কে বলা হয়েছে— “রাজ সিংহাসন নীলা পাথরের মতই”।

ইন্দ্র নীলা পাথরের কিছু উপকারিতা (Benefits of Blue Sapphire Stone) নিম্নরূপঃ

জ্বরে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির বুকের উপর যদি নীলা পাথর রাখা যায় তাহলে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জ্বরের তিব্রতা কমে আসে।

যদি নীলা সহ্য হয়, তাহলে যে ব্যক্তি নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আল্লাহর ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল নীলা পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

নীলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে নীলাম পাথর সাহায্য করে থাকে। মানুষের জীবনে সমস্যা দুই ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনের সমস্যা মানুষের জীবনে সব সময়ই লেগে থাকে, একটা শেষ হবার আগেই আরেকটা এসে জুড়ে যায়। যদি এ সমস্যা গুলো ছোট খাট হয়ে থাকে তাহলে এটা রাহুর সমস্যার কারনে হয়ে থাকে, যার জন্য গোমেদ পাথর যথেষ্ট। কিন্তু যাদের এ সমস্যা গুলোর প্রভাব বেশী এবং যে কাজেই হাত দেওয়া হোক না কেন সে কাজই যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এটা শনি গ্রহের খারাপ প্রভাবের কারনে। ফলে জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। এমন অবস্থায় উপকারী পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর। বিশেষ করে যাদের কুম্ভ রাশি (Aquarius) Jan 21- Feb 20 ও মকর রাশি (Capricon) Dec 21-Jan 20 তাদের রাশির প্রধান পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর। এখানে ইন্দ্র নীলা পাথরের আরো কিছু উপকারের (Benefits of Indro Nila Stone) কথা উল্লেখ করা হলঃ

নীলা পাথর ব্যবহারে অনেক সময় খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নীলা পাথর সম্পদ বৃদ্ধি, সৌভাগ্য, সুযোগ এবং প্রসারের সাথে সম্পৃক্ত।

যাদের শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব চলছে তাদের রাশি চক্রের শক্তি যোগায় ইন্দ্র নীলা পাথর।

খুব ভালো রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে ইন্দ্র নীলা পাথর। এ পাথর ব্যবহারে শত্রু থেকে রক্ষা, খারাপ দৃষ্টি ও হিংসে থেকে বেঁচে থাকে যায়।

নীলা পাথর ব্যবহারের ফলে মানুষিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, দ্বিধা দণ্ড কেটে যায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য পাওয়া যায়।

ইন্দ্র নীলা পাথর সরাসরি সম্পদ বৃদ্ধির সাথে জড়িত। এ পাথর ব্যবহারের ফলে অর্থনৈতিক দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় এবং বহুবিধ আয়ের পথ পাওয়া যায়। ফলে সম্মান, প্রতিপ্রত্তি ও সুনাম বেড়ে যায়।

আপনি যখন রত্নপাথর ইন্দ্র নীলা পাথর (Blue Sapphire Stone / Ratno Pathor Indro Nila Stone) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি ৮০০ টাকা থেকে সর্বচ্চ ১৫০০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট শ্রিলাঙ্কান ইন্দ্র নীলা পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে।

ব্যাংকক নীলা দাম অনেক কম
200/300 500/1000/2000/5000

নীলা গ্রহন করার কি কি পদ্ধতি রয়েছে?
অপকারিতা, ক্ষতি
ধারণীয় দিন শনিবার
ধাতু সীসা, রুপা, সোনা

নীলা গ্রহন করতে চাইলে যে যে কাজ আগে করবেন তা আজকের লেখা থেকে জেনে নিন। নীলা সঠিক পদ্ধতিতে গ্রহন না করলে আপনার জীবনে নেমে আসতে পারে বড় বিপদ। তাই সাবধান

নীলা গ্রহরত্নটি শনি গ্রহের রত্ন। শনি খুবই শক্তিশালি গ্রহ এবং তার প্রকোপ এবং বক্র দৃষ্টি থেকে বাঁচতে আমরা নীলা রত্ন ব্যবহার করে থাকি। শনি ঠাকুর কিন্তু আমাদের জীবনে ভালো এবং খারাপ দুই রকমেরই ফল এনে দেয়।তাই সঠিক ভাবে জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে তারপর নীলা গ্রহণ করা উচিত। নীলা গ্রহ রত্নটি শনিঠাকুরের শক্তি বহন করে পৃথিবীতে। আগেও যেমন লিখেছি যে শনি আমাদের জন্য সুফল এবং কুফল দুটোই আনে তাই ভেবে চিন্তে নীলা পড়া অত্যন্ত জরুরী। নীলা গ্রহ রত্নটি ঠিক পদ্ধতিতে গ্রহণ করা খুবই জরুরী নাহলে কিন্তু নীলা আমাদের পক্ষে খারাপ ফলও নিয়ে আসতে পারে। আবার নীলা আমাদের জন্য খুবই ভালো ভাগ্য নিয়ে আসতে পারে। তাই আজ নীলা গ্রহণ করার কিছু পদ্ধতিগুলির উপর আলোকপাত করবো আমরা।

সর্বপ্রথমে সঠিক নীলা কেনা দরকার যা আমাদের উপকারে আসবে। একটি প্রসিদ্ধ দোকান থেকে উচ্চমানের নীলা কেনা অত্যন্ত দরকারী। নীলার প্রকৃতি বা শ্রেণীর উপর নির্ভর করছে যে নীলাটি আমাদের জন্য কতটা কার্যকরী হবে। তাই আমাদের সঠিক নীলা নির্বাচন করা খুবই প্রয়োজনী।

প্রথমেই বলা দরকার যে নীলা গ্রহণ করার আগে বেশ কয়েক দিন নীলাটি আপনাদের রাতের ঘুমানোর বালিশের তলায় রেখে দিতে হবে। যদি সেই কয়েকদিন আপনাদের কোনো অসুবিধা অনুভব না হয় তাহলে নীলাটি গ্রহণ করা যেতে পারে। কিন্তু নীলাটি রাতের বালিশের তলায় রাখার পর যদি রাতে বাজে ,ভয়ানক স্বপ্ন দেখেন বা কোনো অঘটন ঘটে বা হঠাৎ অপ্রীতিকর কোনো সমস্যাতে পরে যান তাহলে সেই নীলাটি আপনার গ্রহণ করার উপযোগী হবে না।

নীলা ধারণ করার পদ্ধতিগুলো ও শোধন নিয়ম

এইবার তাহলে আমরা শরীরে নীলা ধারণ করার পদ্ধতিগুলো জেনে নিই।নীলা কেনার পর উচিত আমাদের জ্যোতিষীর থেকে পরামর্শ নেওয়া যে সঠিক নীলা নেওয়া হয়েছে কিনা ,আমাদের জীবনে এই নীলা কতটা উপকার করতে পারে এবং কিভাবে ধারণ করতে হবে নীলাটি ইত্যাদি।

তারপর নীলার শুদ্ধিকরণের জন্য নীলাটি কাঁচা দুধ,মধু এবং শুদ্ধ জলের একটি মিশ্রনের সাথে মেশাতে হবে। এই ভাবে নীলাটি প্রায় ২০ মিনিট থেকে আধ ঘন্টা রেখে দিতে হবে সেই মিশ্রনে। তারপর সময় হয় গেলে নীলাটি তুলে নিতে হবে।

আগের পদ্ধতির পরে একটা দিন নির্ধারণ করতে হবে যেইদিন নীলাটি গ্রহণ করতে পারি। শনিবার শনি ঠাকুরের দিন তাই শনিবার আপনারা নীলা প্রথম শরীরে গ্রহণ করতে পারেন। এছাড়াও আরো কয়েকটি দিন আছে যে দিনগুলিতে আপনি নীলা গ্রহণ করতে পারেন। যেমন শুক্ল পক্ষের রাত ইত্যাদি। এইসব ব্যাপারে আপনাদের জ্যোতিষির সাথে আলোচনা করে নেওয়ার দরকার।

দিন নির্ণয় হয়ে গেলে সেই নির্ধারিত দিনে ৫টি ধুপকাঠি জ্বালিয়ে শনি দেবতাকে উৎসর্গ করতে হবে। যে তাঁরই কারনে আমরা সেই নীলাটি গ্রহণ করতে চলেছি আর তিঁনি যেন আমাদের উপর কৃপার দৃষ্টি বজায় রাখেন।

তারপর নীলা পাথর দিয়ে তৈরি আংটি মিশ্রণ থেকে তুলে তা ওই ধুপাঠির চারদিকে ৫ বার বা ১১ বার ঘোরাতে হবে এবং “ওম শান শনি শারানায় নমঃ” বলে যেতে হবে।এরপর আমরা নীলাটি শনি ঠাকুরের মন্ত্র বলতে বলতে আমাদের ডান হাতের মধ্য আঙুলে পড়তে পারি।নীলাটি গ্রহণ করার পর যদি সম্ভব হয় তাহলে গরিবদের মধ্যে মুসুর ডাল ,নুন, সর্ষের তেল,চা ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে। আরো ভালো পরিণাম পেতে চান তাহলে শিব লিঙ্গের মাথার উপর দুধ ,বেল পাতা দেওয়া যেতে পারে।

নীলা গ্রহণ করার পর পরই নীলার গুণের অনুভব করতে পারি। কারন নীলা অত্যন্ত কার্যকরী এবং শক্তিশালী একটি গ্রহরত্ন। ৪ বছরের কম বেশি সময় নীলা কাজ দিয়ে থাকে তাই জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে তার কিছুদিন আগে বা পরে নীলাটি পাল্টে ফেলা অতন্ত জরুরি।

যদি নীলাটি আপনার জন্য যথার্থ হয় তাহলে খেয়াল রাখতে হবে যে নীলাটি যেন আমাদের শরীরের সঙ্গে লেগে থাকে। যদি নীলাটি আলগা ভাবে পরা হয় তাহলে কিন্তু কোনো লাভই হবে না। কোনোভাবেই উপকৃত হবেন না। তাই সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যে নীলাটি যেন আমাদের গায়ের সঙ্গে লেগে থাকে না হলে নীলার সুফল থেকে আমরা কিন্তু বঞ্চিত হব এবং নীলা পড়ার কোনো লাভই হবে না।

বলা হয় নীলা আমাদের ভাগ্যে রাজযোগ নিয়ে আসে। আমাদের জীবনে রাজযোগ এলে আমরা আমাদের ভবিষ্যত বুঝে উঠতে পারবো এবং ভবিষ্যতের কিছু সঠিক নির্ণয়ও নিতে পারবো। জ্যোতিষীর থেকে পরামর্শ নিয়ে তারপরই নীলা পড়া উচিত না হলে নীলা কিন্তু খুবই সাংঘাতিক একটি গ্রহরত্ন। যদি ভুল লোক বা ভুল পদ্ধতিতে নীলা গ্রহণ করেন, তাহলে নীলা কিন্তু সাংঘাতিক ভাবে ক্ষতি এনে দিতে পারে আপনার জীবনে।

আরেকটি জিনিস মাথায় রাখা উচিত যে নীলা কিন্তু শনি ঠাকুরের গ্রহ রত্ন এবং শনি ঠাকুর কিন্তু যারা কঠোর পরিশ্রম করে তাদেরই সুফল দেন। তাই যদি আমরা কঠোর পরিশ্রম করে ফলে পেতে আগ্রহী হই তাহলেই কিন্তু নীলা আমাদের জন্য কার্যকর হবে। তাই সবসময় জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে নীলা গ্রহণ করা উচিত।




নীলম হচ্ছে সবচেয়ে বিপদময়।এটা এত ভয়াবহযে মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।
এটা দেখতে লাল বা গোলাপী আভাযুক্ত নীলা পাথর।বিশ্বাস করা হয়যে, রক্তমুখী নীলা যার হাতে থাকবে তার খুব তাড়াতাড়ি ভাগ্য পরিবর্তন হয় আর এটি নাম, যশ,খ্যাতি এনে দেয়।

রক্তমুখী নীলা

হতাশাগ্রস্ত মানুষদের কাছে এটি বরাবরই খুবই আকর্ষনীয়। এটাকে খুনী নীলম বলে কারন এটি মৃত্যু ডেকে আনে। এটি সাময়িক উন্নতি আনে কিন্তু ফলাফল মৃত্যু । অনেকের কাছ থেকে এর সত্যতা পাওয়া যায়।এরকম ঘটনা জানা গেছে যে, এটা ব্যবহারের একদিনের মধ্যে একজন মরেছে আরেকজন মারা গেছে ৫বছর পর।কারন যাই হউক, অনেকে বলে শনি গ্রহের সংযোগে বা শনি রাহুর সংযোগে এটা ঘটে। তাই কখনোই এই রত্ন পাথর ব্যবহার করা উচিত না কারন এটা আপনার কিংবা আপনার প্রিয়জনের জন্য বিপর্যয় নিয়ে আসতে পারে। আর তাই জীবনে সফলতা আসুক আর নাই আসুক , সবাইর উচিত নিজের চেষ্টায় ভাগ্য পরিবর্তন করা, কারন সর্বশক্তিমান আল্লাহ মানুষকে শক্তি, বুদ্ধি আর মেধা দিয়েছেন যা সে কাজে লাগাতে পারে।দিল্লী বেগুনী নীলা নামে বিখ্যাত এক অভিশপ্ত নীলা আছে যা ১৮৫৫ সালে লুট হয়ে বৃটিশদের কাছে যায়। এটা অনেকের জন্য বিপদ


রক্তমুখী নিলা

ভারতীয় জ্যেতিষ গ্রহ-প্রতিকারের জন্য রত্ন ধারণের নির্দেশ অতি প্রাচীন কাল থেকেই দিয়ে আসছে। জ্যোতিষের যুক্তি অনুযায়ী, আমাদের দেহে কোনও কিছুর অভাব ঘটলে আমরা যেমন ওযুধ খাই। তেমনই গ্রহবৈগুণ্য ঘটলে আমাদের রত্ন ধারণ করা উচিত। এখানে রত্ন ওযুধের মতোই কাজ করবে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, এক একটি গ্রহের বৈগুণ্য প্রতিকারের জন্য এক একটি রত্ন নির্ধারিত রয়েছে। এই তালিকায় সব থেকে বিতর্কিত রত্নটি হল নীলা, বিশেষ করে রক্তমুখী নীলা। শনিগ্রহের কুপিত দশা থেকে মুক্তি পেতে এই রত্নই ধারণ করতে হয় বলে জানায় জ্যোতিষ শাস্ত্র।

ভারতীয় পরম্পরায় নীলা ও রক্তমুখী নীলাকে নিয়ে প্রভূত কিংবদন্তি বিদ্যমান। যাদের প্রধান বক্তব্য হল— এই পাথর সকলের সহ্য হয় না। অনেক সময়ে এই রত্ন ধারণকারীর মহাবিপদ ডেকে আনে। এহেন ধারণার পিছনে প্রাথমিক ভাবে এই তথ্যটি কাজ করে যে, নীলা শনির প্রতিষেধক। আর শনি সব থেকে গোলমেলে গ্রহ।

কিংবদন্তি আরও জানায়, নীলা বা রক্তমুখী নীলা ফকিরকে রাজা করতে পারে। আবার রাজাকে ফকির করতেও এর লহমা মাত্র সময় লাগে। এমনও বলা হয়, রক্তমুখী নীলা কলি যুগে দ্রুততম কার্যকর রত্ন। কিন্তু নীলা ধারণ করার আগে আমরা সাত-পাঁচ ভেবে পিছিয়ে আসি। অথচ ভারতীয় জ্যোতিষেই সেই পদ্ধতি বলা রয়েছে, যা থেকে সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব, নীলা ও রক্তমুখী নীলা আপনার সহ্য হবে কি না।

এখানে রইল সেই পদ্ধতিটি সম্পর্কে আলোচনা।

• প্রথমেই নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন, আপনাকে যে বিক্রেতা নীলা বা রক্তমুখী নীলা বিক্রি করছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য কি না। অতি অভিজ্ঞ জোতিষীর পরামর্শ ও g s i দ্বারা প্রমাণিত রত্ন ছাড়া এই রত্ন ক্রয় একেবারেই উচিত নয়।

• আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে, আপনি যে নীলাটি কিনছেন, তাতে ‘দুধিয়া’ নামের দোষ রয়েছে কি না। নীলাটি কেনার আগে ভাল করে লক্ষ করুন, রত্নটিতে সাদা রংয়ের সর্পিল কিছু রয়েছে কি না। যদি থাকে, সেই রত্ন পরিহার করুন। এমন রত্ন আপনাকে মুহূর্তের মধ্যে বিপদে ফেলতে পারে। ঋণজালে জড়িয়ে পড়া থেকে বিবাহবিচ্ছেদ— যা খুশি বিপদ ঘটতে পারে দুধিয়া-দোষ যুক্ত নীলা ধারণ করলে।

• নীলা বা রক্তমুখী নীলা ধারণ করার আগে সেটিকে একটি কাপড়ে মুড়ে সেলাই করে ফেলুন। সেই কাপড়ে মোড়া রত্নটিকে আপনি তাগার মতো করে ধারণ করুন। কাপড়টিতে একটি অতি ক্ষুদ্র ছিদ্র রাখবেন, যাতে নীলার সামান্য স্পর্শ আপনার শরীরে থাকে। এবার পূর্ব দিকে মুখ করে বাহুতে তাগাটি পরুন। এর রপে ৭২ ঘণ্টা খেয়াল রাখুন, কোনও ছোটখাটো বিপর্যয় আপনাকে ঘিরে ঘটছে কি না।

• সদ্য কেনা নীলাটি ধারণ না করে আপনার মাথার বালিশের নীচে রেখেও দেখতে পারেন। যদি তিন রাত্রি ক্রমাগত আপনি দুঃস্বপ্ন দেখেন, তাহলে ওই রত্ন পরিহার করাই শ্রেয়।

*নীলা ব রক্তমুখী নীলা ,দক্ষীনা কালী ও শনি যন্ত্রম দ্বারা অভিজ্ঞ গ্ৰহাচার্য, রত্নের প্রান প্রতিষ্ঠা করে শোধন করে দিলে তবেই পরিধান করা উচিৎ।ংঅন‍্যথ‍্যায় ক্ষতির সম্বাবনা বেশী।


Amethyst / পদ্মনীলা / রাজভক্তনীলা
..............................................................................

রত্ন পাথর পদ্ম নীলা (Ratno Pathor Amethyst Stone) কে বাংলায় এমেথিস্ট পাথর (Amethyst Pathor), রাজভত্ত নীলা পাথর (Rajvotto Nila Pathor), রাজ ভক্ত নীলা পাথর (Rajvokto Nila Pathor), অপরাজিতা নীলা পাথর (Oporajita Nila Pathor) বলা হয়ে থাকে। সব থেকে সুন্দর এমেথিস্ট পাথরের রঙ হচ্ছে ডীপ বেগুনী (Violet) রঙের। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমেথিস্ট পাথর পাওয়া যায় যেমন, আমারিকা, উরুগুয়ে, জাম্বিয়া এবং ব্রাজিলে। এ পাথর শনিগ্রহ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে এবং পাথর ব্যবহারে ব্যক্তির জ্ঞান গাম্ভীর্য ধারাবাহিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। আসল পদ্ম নীলা পাথর হার্ট এবং পাকিস্থলির সমস্যায় উপকারী। শনিগ্রহ প্রাচুর্যতা আনয়ন করে কিন্তু পাশাপাশি অতিরিক্ত ভোগপ্রবণতা কমাতে সাহায্য করে।

পিতাম্বরী নীলা pitambari nila

জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে এমেথিস্ট বা পদ্ম নীলা পাথর সাহায্য করে থাকে। মানুষের জীবনে সমস্যা দুই ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনের সমস্যা মানুষের জীবনে সব সময়ই লেগে থাকে, একটা শেষ হবার আগেই আরেকটা এসে জুড়ে যায়। যদি এ সমস্যা গুলো ছোট খাট হয়ে থাকে তাহলে এটা রাহুর সমস্যার কারনে হয়ে থাকে, যার জন্য গোমেদ পাথর যথেষ্ট। কিন্তু যাদের সমস্যা গুলোর প্রভাব বেশী এবং যে কাজেই হাত দেওয়া হোক না কেন সে কাজই যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এটা শনি গ্রহের খারাপ প্রভাবের কারনে। ফলে জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। এমন অবস্থায় উপকারী পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর অথবা পদ্ম নীলা পাথর। বিশেষ করে যাদের কুম্ভ রাশি (Aquarius) Jan 21- Feb 20 ও মকর রাশি (Capricon) Dec 21-Jan 20 তাদের রাশির প্রধান পাথর হচ্ছে ইন্দ্র নীলা পাথর অথবা পদ্ম নীলা পাথর। তবে মনে রাখা ভালো যে শনি গ্রহের উপকারের জন্য প্রথমে ইন্দ্র নীলা পাথর ব্যবহার করা উচিৎ। যদি ইন্দ্র নীলা পাথর ব্যবহার সম্ভব না হয় তাহলে এমেথিস্ট পাথর।

#এমেথিস্ট / পদ্মনীলা/ রাজভক্তনীলা পাথরের উপকারিতা,

রত্ন পাথর পদ্মনীলা পাথর (এমেথিস্ট পাথর) ব্যবহারে অনেক সময় খুব দ্রুত ফল পাওয়া যায়। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পদ্মনীলা পাথর সম্পদ বৃদ্ধি, সৌভাগ্য, সুযোগ এবং প্রসারের সাথে সম্পৃক্ত।

যে সকল মানুষের নেশা জাতীয় কোন সমস্যা থাকে তাদের নেশা থেকে ফেরার জন্য পদ্মনিলা বা এমেথিস্ট পাথর খুব খুব উপকারী।

যাদের শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব চলছে তাদের রাশি চক্রের শক্তি যোগায় পদ্মনিলা পাথর (Amethyst Stone) অথবা ইন্দ্র নীলা পাথর (Blue Sapphire Stone)।

খুব ভালো রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করে পদ্ম নীলা পাথর, এমেথিস্ট পাথর। এ পাথর ব্যবহারে শত্রু থেকে রক্ষা, খারাপ দৃষ্টি ও হিংসে থেকে বেঁচে থাকে যায়।

জেমস্টোন পদ্মনীলা পাথর (Gemstone Podmo Nila Pathor) ব্যবহারের ফলে মানুষিক শক্তি বৃদ্ধি পায়, দ্বিধা দণ্ড কেটে যায় এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য পাওয়া যায়।

পদ্ম নীলা পাথর সরাসরি সম্পদ বৃদ্ধির সাথে জড়িত। এ পাথর ব্যবহারের ফলে অর্থনৈতিক দিকে এগিয়ে যাওয়া যায় এবং বহুবিধ আয়ের পথ পাওয়া যায়। ফলে সম্মান, প্রতিপ্রত্তি ও সুনাম বেড়ে যায়।

যে ব্যক্তি পদ্ম নীলা ধারন করবে তার দারিদ্রতা খুব অল্প সময়ের মধ্যে সৃষ্টকর্তার ইচ্ছায় বদলে সম্ভাবনায় রুপ নিবে।

আসল এমেথিস্ট পাথর শয়তানের খারপ ইচ্ছা থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

পদ্মনিলা পাথর ধারনে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়।

আপনি যখন রত্ন পাথর পদ্মনিলা, এমেথিস্ট পাথর (Gemstone Amethyst Stone) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর।

#ব্রিঃদ্রঃ মনে রাখবেন যেকোনো রত্নপাথর পরিধান করার পূর্বে অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর সাথে সলাপরামর্শ করে রত্নপাথর পরিধান করা উত্তম, অনেকক্ষেত্রে না বুঝে পরিধান করে হিতে বিপরীত ঘটে থাকে অনেকের,
লগ্ন-নক্ষত্র-অমূতযোগ এবং নিদিষ্ট বার রত্নপাথরে ওজন ও কোয়ালিটি অনুযায়ী পরিধান করলে ক্ষতির সম্ভাবনা কম থাকে,
#যেকোনো আসল রত্নপাথর খুচরা ও পাইকারি ক্রয় করতে চাইলে যোগাযোগ করুন রত্নপাথর বিক্রয়ের সময় গ্যারান্টি কার্ড দেওয়া হয়।


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre


হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I


Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180416111413