Tuesday, April 17th, 2018

Astro Research Centre

গোমেদ gomed, উপকারিতা, কাজ দাম মূল্য price চেনার উপায় ব্যবহার রং

গোমেদ gomed hassonite garnet গার্নেট


গোমেদ (Jacinth) স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালচে বর্ণের পাথর। পাথরটিকে উর্দুতে গোমেদ বলা হয় । খাঁটি গোমেদ রত্নে জির্কোনিয়াম নামে এক প্রকার মহামূল্যবান ধাতু থাকে বলেই এর নাম হয়েছে ‘জ্যাসিন্থ’।

বর্ণের দিক থেকে লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর মত হয়ে থাকে। এর ভেতরের দিক সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী।

খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না।সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত।

আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।

মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে।

গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় ।

হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়।

আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।

উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।

উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়।

রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।



গোমেদ (HASSONITE GARNET)

গোমেদ (Jacinth) স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালচে বর্ণের পাথর। পাথরটিকে উর্দুতে গোমেদ বলা হয় । খাঁটি গোমেদ রত্নে জির্কোনিয়াম নামে এক প্রকার মহামূল্যবান ধাতু থাকে বলেই এর নাম হয়েছে ‘জ্যাসিন্থ’।

বর্ণের দিক থেকে লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর মত হয়ে থাকে। এর ভেতরের দিক সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী।

খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না।সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত।

আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।

মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে।

গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় ।

হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়।

আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।

উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।

উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়।

রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।

গোমেদ পাথর, ইংরেজিতে যাকে “Garnet Stone” বলা হয়। গোমেদ মধু রঙের খনিজ পাথর। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এটি ক্যালসিয়াম এলোমিনিয়াম সিলিকেট এর জমাট বাধা টুকরা ছাড়া আর কিছুই না। বিশ্বাস করা হয় যে গোমেদ পাথর “রাহু” নামক গ্রহের জন্য জন্য উপকারী। যাদের জন্ম জানুয়ারি মাসে বিশেষ করে তাদের জন্য বার্থ স্টোন হচ্ছে গোমেদ পাথর। এছাড়া যাদের মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি) কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি) তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর (Gomed Stone / Garnet Stone)। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গোমেদ পাথর যায়। যেমন, ইন্ডিয়া, আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা। তবে পৃথিবীর সব থেকে ভালো মানের গোমেদ হচ্ছে শ্রিলাঙ্কান গোমেদ পাথর (Siloni Gomed Stone)। যাকে সিলনি গোমেদ পাথর বলা হয়ে থাকে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গোমেদ পাথরের উপকারিতা (Benefits of Gomed Stone / Benefits of Garnet Stone) সমূহ নিন্ম রুপঃ

মধু রঙা অথবা সরিষা তলের রঙা গোমেদ পাথর রাহু নাকম গ্রহের খারাপ প্রভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যে কোন নেগেটিভ মানুষিক চিন্তা এবং খারাপ শক্তি থেকে থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।

যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মানুষের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানুষিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, বিশেষ করে যে সকল শিক্ষার্থী বা চাকুরীজীবীরা গবেষণা মূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য গোমেদ পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

এটা ব্যবহারে মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

কিছু কিছু সময় এটা ক্যান্সার, রক্ত রোগ, ফোঁড়া, কুষ্ঠ, অন্ত্রের সমস্যা, অবসাদ ও উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় উপকার করতে পারে।

গোমেদ পাথর ধারনে এর ব্যবহারকারী ৫টি প্রধান উপকার পেতে পারেন, যেমনঃ ধ্যান করা, আর্থিক উন্নতি, ধর্মীয় বিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং মানুষিক শান্তি।

পারিবারিক জীবনে সুখ বৃদ্ধি জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই গোমেদ পাথর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। গোমেদ পাথর ধারনে ভালোবাসা, মিল এবং শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন কালো জাদু থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে, ফলে শত্রু থেকে আগিয়ে থাকা যায় এবং প্রতিযোগটায় সফলা পাওয়া যেতে পারে।

যে সকল মানুষ অনেকের মাঝে বক্তব্য দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে শক্তির জোগাড় করতে পারে।

যে সকল মানুষ কম্পিউটার সম্পর্কিত চাকুরী, সরকারী চাকুরী, আইন পেশায় জড়িত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাথে জড়িত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে গোমেদ পাথর।

আমাদের সংগ্রহে থাকা বিভিন্ন কোয়ালিটির আসল রত্ন পাথরের picture ও সম্বলপুর
Sambalpur garnet, দাম৭৫০-২০০০টাকা।

গয়া গোমেদ goya gomed, Rs 40/80/100

সিলোনী সিলোনি সিলোনি গোমেদ siloni gomed, Hassanite garnet, দাম
Rs 150/200/500/800/1000/1500


Cost of garnet, hassonite, price, Dam

দাম, মুল্য
রাহুর রত্ন গোমেদ (Jacinth): এটি বর্ণ গোমুত্রের মতহ আভাযুক্ত, মৃদু শীতল স্পর্শ, মনোরম, ছিদ্র, রেখা বর্জিত, বিন্দুরহিত উজ্জ্বল গোমেদ ধারণ করলে ধারণকারীর রাহুর কুপ্রভাব বিনষ্ট হয়। রাহুর কুপ্রভাবে উন্মত্ততা, চোর ভয়, অগ্নিভয়, অস্ত্রভয়, শক্রভয়, মামলা মকদ্দমা ভয়, সম্মান ভয়, পরস্ত্রীতে আসক্তি, গনিকালয়ে গমন, বিনা কারণে দুর্নাম, ঋণ গ্রস্থতা, আকস্মিক দুর্ঘটনা সহ সকল বিপদ আপদের কারক একমাত্র রাহু। এছাড়া চিকিৎসা বিদ্যায় পক্ষাঘাতিক বাত, কলেরা বসন্ত, কুৎসীৎ যৌণরোগ প্রভৃতিতে গোমেদ ব্যবহারে এক আশ্চার্য্য রকমের ফল পাওয়া যায়। এর প্রধান উপাদান সিলিকন, জির্কেনিয়াম নামক এক প্রকার দুষ্প্রাপ্য ধাতুর সংমিশ্রনে আসল গোমেদ সৃষ্টি হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র ও হস্তরেখা বিদ্যায় রাহুর কৃপ্রভাব বা কৃদৃষ্টি থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য রাহুরত্ন বা গোমেদ ব্যবহার করা হয়। গোমেদ সিংহলী, গয়া, উড়িষ্যা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, রাশিয়া ও পাকিস্তানে প্রচুর জন্মায় তম্মধ্যে সিংহলী গোমেদ সর্বশ্রেষ্ঠ। খাঁটি গোমেদ জলপূর্ণ পাত্রে রাখলে সেই জলে গোমেদের আভা দেখা যায়। এটি কষ্টি পাথরে ঘসলেও ক্ষয় হয় না। এটি ঠিকমত শোধন করে না পরলে ধারণকারীর বিপদের ভয় থাকে।

ওজন: গোমেদ ৮ অথবা ১০ ক্যারেট ব্যবহার করতে হয়।

ব্যবহারের বস্তু: গোমেদ রূপার সাথে ব্যবহার করতে হয়।

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, কন্যা রাশিতে অথবা বৃশ্চিক লগ্নে জন্ম হলে এই রত্ন ধারণ করতে হয়। আবার রাশিচক্রে রাহুর দৃষ্টি হতে রক্ষার জন্য এবং রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ ধারণ করা হয়। এই রত্ন সাধারনত লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর ও হয়ে থাকে। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী। সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত।
রত্নবিশেষজ্ঞদের মতে, খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না। উন্নতমানের গোমেদের ভিতরে সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী। বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া যায়, সিংহলের রত্নপুরায়। এছাড়া থাইল্যান্ড সহ নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারতে গোমেদ পাওয়া যায়।
যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।
জ্য়োতিষশাস্ত্রের মতে, গোমেদ ব্যবহারের ফলে দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানসিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া খাঁটি গোমেদ ব্যবহার করলে যে কোনও পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
খাঁটি গোমেদ কোনও বইয়ের উপর রাখলে যদি ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে বুঝতে হবে রত্নটি খাঁটি গোমেদ।


গোমেদ পাথর, ইংরেজিতে যাকে “Garnet Stone” বলা হয়। গোমেদ মধু রঙের খনিজ পাথর। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এটি ক্যালসিয়াম এলোমিনিয়াম সিলিকেট এর জমাট বাধা টুকরা ছাড়া আর কিছুই না। বিশ্বাস করা হয় যে গোমেদ পাথর “রাহু” নামক গ্রহের জন্য জন্য উপকারী। যাদের জন্ম জানুয়ারি মাসে বিশেষ করে তাদের জন্য বার্থ স্টোন হচ্ছে গোমেদ পাথর। এছাড়া যাদের মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি) কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি) তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর (Gomed Stone / Garnet Stone)। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গোমেদ পাথর যায়। যেমন, ইন্ডিয়া, আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা। তবে পৃথিবীর সব থেকে ভালো মানের গোমেদ হচ্ছে শ্রিলাঙ্কান গোমেদ পাথর (Siloni Gomed Stone)। যাকে সিলনি গোমেদ পাথর বলা হয়ে থাকে।
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গোমেদ পাথরের উপকারিতা (Benefits of Gomed Stone / Benefits of Garnet Stone) সমূহ নিন্ম রুপঃ
মধু রঙা অথবা সরিষা তলের রঙা গোমেদ পাথর রাহু নাকম গ্রহের খারাপ প্রভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যে কোন নেগেটিভ মানুষিক চিন্তা এবং খারাপ শক্তি থেকে থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।
যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে মানুষের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানুষিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, বিশেষ করে যে সকল শিক্ষার্থী বা চাকুরীজীবীরা গবেষণা মূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য গোমেদ পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
এটা ব্যবহারে মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
কিছু কিছু সময় এটা ক্যান্সার, রক্ত রোগ, ফোঁড়া, কুষ্ঠ, অন্ত্রের সমস্যা, অবসাদ ও উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় উপকার করতে পারে।
গোমেদ পাথর ধারনে এর ব্যবহারকারী ৫টি প্রধান উপকার পেতে পারেন, যেমনঃ ধ্যান করা, আর্থিক উন্নতি, ধর্মীয় বিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং মানুষিক শান্তি।
পারিবারিক জীবনে সুখ বৃদ্ধি জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই গোমেদ পাথর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। গোমেদ পাথর ধারনে ভালোবাসা, মিল এবং শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন কালো জাদু থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে, ফলে শত্রু থেকে আগিয়ে থাকা যায় এবং প্রতিযোগটায় সফলা পাওয়া যেতে পারে।
যে সকল মানুষ অনেকের মাঝে বক্তব্য দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে শক্তির জোগাড় করতে পারে।
যে সকল মানুষ কম্পিউটার সম্পর্কিত চাকুরী, সরকারী চাকুরী, আইন পেশায় জড়িত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাথে জড়িত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে গোমেদ পাথর।
আমাদের সংগ্রহের থাকা বিভিন্ন কোয়ালিটির প্রাকৃতিক আসল গোমেদ পাথরের (Garnet Stone / Gomed Stone) আসল ছবি সহ মূল্য পেতে ভিজিট করুন এই লিংকেঃ Gomed Stone (গোমেদ পাথর)



আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।

মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে।

গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় ।

হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়।

আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।

Website www.arcsm.in

উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।

কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫

আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯

প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।

উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়।

রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।

গোমেদ পাথর, ইংরেজিতে যাকে “Garnet Stone” বলা হয়। গোমেদ মধু রঙের খনিজ পাথর। বৈজ্ঞানিক ভাষায় এটি ক্যালসিয়াম এলোমিনিয়াম সিলিকেট এর জমাট বাধা টুকরা ছাড়া আর কিছুই না। বিশ্বাস করা হয় যে গোমেদ পাথর “রাহু” নামক গ্রহের জন্য জন্য উপকারী। যাদের জন্ম জানুয়ারি মাসে বিশেষ করে তাদের জন্য বার্থ স্টোন হচ্ছে গোমেদ পাথর। এছাড়া যাদের মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর থেকে ২০ জানুয়ারি) কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি) তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর (Gomed Stone / Garnet Stone)। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গোমেদ পাথর যায়। যেমন, ইন্ডিয়া, আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা। তবে পৃথিবীর সব থেকে ভালো মানের গোমেদ হচ্ছে শ্রিলাঙ্কান গোমেদ পাথর (Siloni Gomed Stone)। যাকে সিলনি গোমেদ পাথর বলা হয়ে থাকে।

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে গোমেদ পাথরের উপকারিতা (Benefits of Gomed Stone / Benefits of Garnet Stone) সমূহ নিন্ম রুপঃ

মধু রঙা অথবা সরিষা তলের রঙা গোমেদ পাথর রাহু নাকম গ্রহের খারাপ প্রভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যে কোন নেগেটিভ মানুষিক চিন্তা এবং খারাপ শক্তি থেকে থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।

Website www.arcsm.in

যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে গোমেদ পাথর।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মানুষের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানুষিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, বিশেষ করে যে সকল শিক্ষার্থী বা চাকুরীজীবীরা গবেষণা মূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য গোমেদ পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

এটা ব্যবহারে মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

কিছু কিছু সময় এটা ক্যান্সার, রক্ত রোগ, ফোঁড়া, কুষ্ঠ, অন্ত্রের সমস্যা, অবসাদ ও উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় উপকার করতে পারে।

গোমেদ পাথর ধারনে এর ব্যবহারকারী ৫টি প্রধান উপকার পেতে পারেন, যেমনঃ ধ্যান করা, আর্থিক উন্নতি, ধর্মীয় বিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং মানুষিক শান্তি।

পারিবারিক জীবনে সুখ বৃদ্ধি জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই গোমেদ পাথর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। গোমেদ পাথর ধারনে ভালোবাসা, মিল এবং শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন কালো জাদু থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে, ফলে শত্রু থেকে আগিয়ে থাকা যায় এবং প্রতিযোগটায় সফলা পাওয়া যেতে পারে।
Website www.arcsm.in

যে সকল মানুষ অনেকের মাঝে বক্তব্য দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে শক্তির জোগাড় করতে পারে।

যে সকল মানুষ কম্পিউটার সম্পর্কিত চাকুরী, সরকারী চাকুরী, আইন পেশায় জড়িত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাথে জড়িত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে গোমেদ পাথর।

রাহু রত্ন rahu Ratna, ধাতু, Dhatu
প্রাপ্তিস্হান
কাজ, উপকারিতা, ব্যবহার
Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633/9593165251 Email --lobmukherjee@gmail .com Website www.arcsm.in Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20180417100331