Monday, December 30th, 2019

Astro Research Centre

ফিরোজা (Rashi Rotno Pathor Firoza) নামেই বেশী চিনে থাকে। উপাদান, আকৃতি, বৈশিষ্ট, রং, কাজ, উপকারিতা, মূল্য, দাম, price, cost, গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হলো

Benefits of Turquoise Firoza Stone (ফিরোজা পাথরের উপকারিতা)
Gemstone Turquoise এর বাংলা হচ্ছে ফিরোজা, যদিও একে সবাই রাশি রত্ন পাথর ফিরোজা (Rashi Rotno Pathor Firoza) নামেই বেশী চিনে থাকে।
উপাদান, আকৃতি, বৈশিষ্ট, রং, কাজ, উপকারিতা,
মূল্য, দাম, price, cost, গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হলো

পৃথিবীর ইতিহাসে ফিরোজা পাথরের উল্লেখ পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ বছরের আগে থেকে। এবং জুয়েলারি শিল্পে এর ব্যবহার নানাবিধ। উৎকৃষ্ট মানের ফিরোজা পাথরের রঙ হচ্ছে আকাশি নীল।
প্রাপ্তি স্হান :

ইরানের নিশাপুরি অঞ্চলের ফিরোজা পাথর পৃথিবী বিখ্যাত। যেখান থেকে “শাজারি ফিরোজা” পাওয়া যায়। এছাড়াও আমেরিকা, দক্ষিন কোরিয়ায় ফিরোজা পাথর পাওয়া যায়।

ফিরোজা পাথর দারিদ্রতা দূর করে এবং আর্থিক কষ্ট দূর করে”।তিনি সাইয়েদেনা মুফাদ্দালকে উপদেশ দেন ফিরোজা পাথরের আংটি ব্যবহার করতে এবং বলেন “এটা চোখের জ্যোতি বাড়ায়, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে এবং বুক প্রশস্ত করে”।

ফিরোজা পাথরের বিশেষ কিছু উপকারিতা

ফিরোজা পাথর জাদুটোনা, শয়তান,বিষাক্ত পোকামাকড় ও কু দৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।
যদি কেহ ঘুম থেকে উঠেই ফিরোজা পাথর দেখে থাকে তাহলে সকল প্রকার ষড়যন্ত্রকারীর ষড়যন্ত্র থেকে নিরাপদে থাকবেন। মহান আল্লাহ তাকে সকল প্রকার বিপদ থেকে রক্ষা করবেন।

ফিরোজা পাথর চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে এবং জিবনী শক্তি বৃদ্ধি করে।

হয়রানি থেকে রক্ষা করে এবং শত্রুদের মাঝে জয়ী হতে সাহায্য করে।

ফিরোজা পাথর ধারণে উন্নত চরিত্র দ্বারা সুনাম অর্জনে সাহায্য করে থাকে।
বিষণ্ণতা দূর করে ফিরোজা পাথর।

এই পাথর পাইলস রোগের নিরাময়ে সাহায্য করে।

Turquoise (Firoza) Stone Benefits জ্যোতিষশাস্ত্র মতে ফিরোজা পাথরের উপকারিতাঃ

ফিরোজা পাথর ব্যবহারে মনের শক্তি বৃদ্ধি পায়। চিন্তা শক্তি এবং অন্তর্দৃষ্টি প্রখর হয়ে থাকে। ফলে চিন্তা চেতনা আগের থেকে পরিষ্কার ও প্রখর হয়ে থাকে।
ফিরোজা পাথর কে সৌভাগ্যর পাথর বলা হয়ে থাকে। এ পাথর ব্যবহারে আল্লাহ্‌র চাইলে ব্যবহারকারীর ভাগ্য প্রসন্ন হতে পারে।
ফিরোজা কে একটি বিশুদ্ধ পাথর মনে করা হয়। মানুষিক চাপ হ্রাস করা, দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করা থেকে শুরু করে নানান উপকার পাওয়া যায়।
যে সকল মানুষ ছায়াছবি, ফ্যাশন , টেলিভিশন , জুয়েলারি , হিসাববিদ্যা , আইন , শিক্ষা ও পোশাক শিল্প্র মত ক্ষেত্র এর সাথে সম্পর্কিত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী। শিক্ষক,লেখক,পণ্ডিত এবং শিক্ষার্থী,শিক্ষা ও বিশেষ করে যারা সৃজনশীল কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য খুব উপকারী এ পাথর।
কথিত রয়েছে যে ফিরোজা পাথরের রঙ এবং উজ্জলতা বলদে যায় যখন এর ব্যবহারকারী কোন ভাবে শারীরিক ও মানুষিক ভাবে বিপদ্গ্রস্থ হয়ে পরে।
ফিরোজা পাথর ব্যবহারে মানুষের মনে দয়া, দানশীলতার অনুভূতি বৃদ্ধি পায়।
বন্ধুর সাথে সম্পর্ক, ভালোবাসার মানুষটির সাথে সম্পর্কে এবং পারিবারিক সম্পর্কে ফিরোজা পাথর আস্থার জন্ম দেয়।
হাঁপানি,বাড়তি মদ্যাশক্তি,বিষণ্নতা,উচ্চ রক্তচাপ,মাইগ্রেইনস,ভাইরাল সংক্রমণ,বা টক্সিনের মত শারীরিক অসুস্থতায় ফিরোজা পাথর উপকারী। .
যে সকল মানুষকে খুব বেশী ভ্রমন করতে হয় তাদের জন্য ফিরোজা পাথর ব্যবহার উপকারী। যে কোন প্রকার দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
বিবাহিত জীবনে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়া, আস্থা, ভালোবাসা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ফিরোজা পাথর


TURPUOISE : ফিরোজা
(অরিজিনাল ন্যাচারাল ইন্ডিয়ান ফিরোজার প্রতি রত্তির মূল্য চার শত টাকা। শুধুমাত্র মুল্য 80 /120/180/250/300/400/500
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.arcsm.in
“ফিরোজা বা তুত্থকমণি” সবুজ বর্ণের অস্বচ্ছ, সৌন্দর্যের প্রতিভূ রত্ন। বর্ণের দিক থেকে সবুজ,উজ্জ্বল আসমানী নীল। ‘পারস্য মাকড়সা জাল’ নামে বিখ্যাত এক ধরণের ফিরোজায় নীল রঙের ওপর সরু কালো রেখা জাল বিস্তৃত থাকে। উজ্জ্বল আসমানী নীল ফিরোজা রত্ন স্বাদহীন, শীতল ও শুকনো । রত্নটিকে পশ্চাৎ অংশ অমসৃণ ও কিছুটা ভাঙ্গা ভাঙ্গা হতে পারে। এই রত্ন –পাথরটিকে সংস্কৃতে পায়বজ, ফারসীতে ফিরোজা এবং ইংরেজীতে Turquoise বলে । এটি পারস্যের জাতীয় রত্ন। ইসলামী ধর্মাবলম্বীরা এই রত্নকে সর্বোৎকৃষ্ট রত্ন বলে কন্ঠ ভূষন করে রাখেন। খৃষ্টান ধর্মাবলম্বীরা এই রত্নকে শুভদায়ক মনে করেন। সুতরাং খাঁটি ফিরোজার অতি উচ্চমূল্যের রত্ন হিসেবে বাজারে বিক্রি হয়। এই রত্নটি উত্তাপ সহ্য করতে পারে না । সূর্যের প্রচন্ড তাপেও ফিরোজার সবুজ রঙ মলিন হয়ে যেতে পারে । ইরানী ফিরোজা উৎকৃষ্ট মানের। খ্রীষ্টপূর্ব চার হাজার বছর আগেও মিশরে এর ব্যবহার ছিল । ‘বুকের লকেট এর উপর উন্নতমানের খাঁটি ফিরোজা রত্ন দেখতে যতটুকু ভাল বা সুন্দর দেখায় অন্যকোন রত্ন –পাথর ততটুকু নয়’।
প্রাচীনকালের লেখকদের লেখনিতে জানা যায়, ফিরোজা রত্ন সম্ভবতঃ সর্বপ্রথম তুর্কীস্হানে পাওয়া গিয়েছিল । হয়তো এই তুর্কী স্হানের কারণেই রত্নটির নামকর‌ণ করা হয়েছে ‘টারকুইজ (Turquoise) বা তুর্কী (Turkish) রত্ন। আরো জানা যায় যে, “পারস্যের শাহ বেশ উন্নত মানের ফিরোজা মণির অধিকারী ছিলেন। কেননা খোরাসান এর নিশাপুর নামক স্হানে সবচেয়ে মূল্যবান ফিরোজা মণিগুলো বেশী পাওয়া যায় । সেই স্হানটি তাঁর শাসনাধীন। জানা যায়,মুল্যবান ও উন্নতমানের ফিরোজা রত্ন গুলি আহরণ করে তিনি নিজে রেখে দেন এবং অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের ও নিম্নমানের রত্ন গুলো বাজারে বিক্রির জন্য ছাড়া হতো।” আজকাল অস্বচ্ছ কাঁচকে রঙিন করে অথবা পোরসিলিন বা প্লাষ্টার অব প্যারিসকে রঙিন নকল ফিরোজা তৈরী করা হয় । নকল ফিরোজা ওজনে ভারী হবে বা আপেক্ষিক গুরুত্ব বেশী । তাপে নষ্ট হয়ে যায় বা চুলের মত ফাটা ফাটা হয়ে যায়।
উপাদান (Chemical Compostion) : এ্যালুমিনিয়াম ফসফেট ও কপার সংমিশ্রনে সৃষ্ট।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৫-৬
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৬৩-২.৯১
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৫৬০-১.৬০৫
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : None (নাই)
প্রাপ্তিস্থান :মিশর, সৌদিআরব, মেক্সিকো, তুর্কী, এ্যারিজোনা, কালিফোর্নিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক, ইরান প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়।
উপকারিতা: ফিরোজা রতœ ব্যবহারে প্রকৃত স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা সম্পর্ক গাঢ়তর হয়ে থাকে এবং পারিবারিক শান্তি সমৃদ্ধ রক্ষায় যথেষ্ট উপযোগী । শেখ ইব্রাহিম (আঃ) –এর মতে, যে ব্যক্তি এই রতœ ব্যবহার করে থাকেন তাকে হিংস্র জীব-জানোয়ার দংশন বা আক্রমণ করতে পারে না । জানা যায় যে, হযরত আলী (রা:) এবং হযরত ওমর (রা:) যখন ধর্মযুদ্ধে অংশগ্রহন করতে যেতেন তখন বাহুতে আংটি হিসাবে ফিরোজা রতœ ধারণ করতেন যুদ্ধে বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য। ফিরোজা রতœ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে অতিশয় ফলদায়ক সন্দেহ নেই ।


। কৃত্রিম রত্ন তৈরির প্রচেষ্টাটি প্রচীনকালেও ছিল। প্রাচীন মিশরীয় এবং রোমানদের তৈরি বিভিন্ন রকম নমুনা জাদুঘরে দেখা যায়। তবে সেগুলি গুণগত মানে ও রূপে অক্ষম। কৃত্রিমভাবে তৈরি রত্ন-পাথরকে কয়েকটি সম্পূর্ণ আলাদা দলে বিভক্ত কর যায়। যেমন -- (১) ইমিটেশন অর্থাৎ নকল রত্ন।(২) সিনথেটিক অর্থাৎ সংশ্লেষিত রত্ন এবং(৩) কৃত্রিম ভাবে তৈরি ডাবলেট রত্ন। (১) ইমিটেশন বা নকল রত্ন প্রাকৃতিক রত্নের অনুকরণেই করা হয়। চোখে দেখার মিলটুকু ছাড়া আর কোনো অর্থেই এরা প্রাকৃতিক বা আসল রত্নের মতো সাধারণত হয় না। এতে একই রকম দেখতে অন্য জিনিসকে সুকৌশলে রত্নের মতো করে তোলা হয়। কিছুটা আসলের মতোই এই রত্ন প্রচুর তৈরি করে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। এদিক থেকে এদের উপযোগিতা আছে বৈকি।ইমিটেশন বা নকল রত্নের অধিকাংশ তৈরি হয় বিশেষ ধরনের কাঁচ থেকে। এ কাঁচ যেন খুব বিশুদ্ধ হয়, ক্ষুদ্র বাবলস বা বুদবুদ ইত্যাদি থেকে মুক্ত হয়, সে ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নেওয়া হয় প্রাকৃতিক বা খাঁটি রত্নের মতো অনুরূপ রং দেওয়ার জন্য গলিত অবস্থায় এ কাঁচের সঙ্গে বিভিন্ন রকম ধাতব অক্সাইড মেশানো হয়। যেমন নীলের জন্য -- কোবালট অক্সাইড, সবুজের জন্য -- কুৎপ্রিক অক্সাইড, বেগুনির জন্য -- ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড ইত্যাদি। কাঁচকে বিভিন্ন তলে ঘষে কাটা প্রাকৃতিক রত্নের রূপ ও ঔজ্জ্বল্য দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সব কাটা তলের নিম্ন পৃষ্ঠগুলিতে অনেক সময় আয়নার মতো প্রতিফলকের ব্যবস্থা করা হয় যাতে প্রাকৃতিক বা আসল রত্নের দীপ্তিও খানিকটা আসে। এ ধরনের নকল রত্নকে অবশ্য প্রাকৃতিক রত্ন থেকে আলাদা করা মোটেই কোনো কঠিন কাজ নয়। এরা কম শক্ত বলে অনায়াসে এদের গায়ে আঁচড় কাটা যায়। খনিজ বা প্রাকৃতিক রত্নের তুলনায় এদেরকে স্পর্শে উষ্ণ অনুভূত হয়। আলোর প্রতিসরণাঙ্কের ক্ষেত্রেও এদের সঙ্গে প্রাকৃতিক রত্নের অনেক তফাত। তা ছাড়া এক্সরে ছবি নিলেই বোঝা যায় যে নকল রত্নের সত্যিকার কোনো কেলাসিত রূপ নেই।
(২) অপরদিকে সংশ্লেষিত রত্ন সব অর্থেই প্রাকৃতিক রত্নের অনুরূপ। প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে তৈরি না-হয়ে এটি বিভিন্ন উপাদানের সংশ্লেষণে যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তৈরি হয়, এই অর্থেই শুধু এটি কৃত্রিম। বস্তুগত দিক থেকে, যেমন রাসায়নিক গঠন, কেলাসন, আলোকগুণ এবং অন্যান্য সব ভৌত গুণে এরা প্রাকৃতিক রত্নের সঙ্গে অভিন্ন। সংশ্লেষিত রত্ন তৈরি অনেক বেশি ব্যয়সাপেক্ষ, তাই শুধু দামি রত্নগুলির ক্ষেত্রেই এটি করা হয়। আজকাল সংশ্লেষিত হিরে, চুনি, নীলা, পান্না সবই পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লেষিত হিরের একটি সুবিধা হল একে ইচ্ছামতো রঙিন করা সম্ভব নানা রকম বিজাতীয় পদার্থের স্বল্প অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে। প্রথমদিকে কৃত্রিম হিরের আকার এত ছোটো হত যে তা রত্ন-পাথর হিসাবে ব্যবহারের উপযুক্ত ছিল না। কিন্তু সত্তরের দশক থেকে আকারে ও সৌন্দর্যে রত্ন হওয়ার উপযুক্ত হিরে সংশ্লেষিত হচ্ছে, এদের উৎপাদন ব্যয়ও ধীরে ধীরে কমে আসছে। চুনি ও নীলা আসলে একই রত্ন-পাথর, শুধু এদের রংটুকু ছাড়া অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের প্রবাহের মাধ্যমে সৃষ্ট তীব্র উত্তাপে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাসাইডের গুঁড়োকে গলিয়ে এবং পরে তাকে কেলাসিত হতে দিয়ে চুনি ও নীলা সংশ্লেষিত করা হয়। তৈরির সময় সঙ্গে পরিমাণমতো ক্রোমিয়াম অক্সাইড মেশালে তা চুনির লাল রং হয়। আবার এর বদলে টিটানিয়াম অক্সাইড দেওয়া হলে সৃষ্টি হয় নীল রঙের নীলা। ১৯৩০ সালে প্রথম পান্না তৈরি সম্ভব হয়।(৩) কৃত্রিম ডাবলেট রত্নগুলি হল এতে উপরে সত্যিকার রত্নের পাতলা করে কাটা একটু আবরণ থাকলেও তাকে জুড়ে দেওয়া হয় নকল অথবা নিকৃষ্ট রত্নের ব অংশের সঙ্গে। ডাবলেট রত্ন তৈরি করার কৌশলটিও কিন্তু বেশ লক্ষণীয়। এতে উপরের পাতলা দামি রত্নের অংশ নীচের নকল অংশের সঙ্গে উপযুক্ত আঠা দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয়। হিরের ডাবলেটের ক্ষেত্রে পাতলা আসল হিরে, জারকন অথবা রক ক্রিস্টালের মতো অপেক্ষাকৃত সস্তা। কিন্তু অনুরূপ কেলাসের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। অন্যান্য দিক থেকে একইরকম দেখতে হলেও চুনি, নীলা বা পান্নার ডাবলেটের জন্য সাধারণত উপরে এলমেডাইন নামক স্বচ্ছ কেলাসের পাতলা আবরণ এবং নীচে সঠিক রঙের কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
কৃত্রিম রত্ন আধুনিক প্রযুক্তির একটি চমৎকার সুকৌশল। ইমেটেশন বা নকল রত্ন ও কৃত্রিম ভাবে তৈরি ডাবলেট রত্ন-পাথরগুলি বিচার-বিশ্লেষণের অনুপযুক্ত।

যদিও আসল রত্ন আপনি কোনোদিন দেখতে পাবেন না দু-একটা ছাড়া (কারণ সেগুলি পাথর নয়), তবুও সুযোগ পেলে রত্ন-পাথর আসল কি নকল  কীভাবে বুঝবেন সেটা জেনে নেওয়া যেতেই পারে।বাজারে নানারকম রত্ন-পাথর পাওয়া যায়। চোখ ধাঁধিয়ে যায় তাদের রং আর উজ্জল বর্ণচ্ছটার আভা দেখলে। জ্যোতিষবাবু কিংবা জুয়েলারি থেকে যে রত্ন-পাথরটি কিনছেন হাজার হাজার টাকা গাঁটগচ্ছা দিয়ে, সেসব রত্ন-পাথরের ভিড়ে কী করে চেনা যাবে কোনটা আসল । রত্ন-পাথর আসল কি নকল বোঝার জন্য অভিজ্ঞ চোখ প্রয়োজন। প্রথমত, রত্ন-পাথরের আকৃতি, রং, স্বচ্ছতা ও এর ভিতর সুক্ষ্ণ যেসব অবাঞ্চিত পদার্থ থাকে, তার বিন্যাস দেখে প্রাথমিক ধারণা তৈরি করতে হবে।এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নিতে হবে। তবে রত্ন-পাথর যাচাই করার সব চেয়ে ভাল উপায় হল রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাংক (Refractive Index)যাচাই করা। রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাংক জানা থাকলে তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে রত্ন-পাথরের সঠিক পরিচয় পাওয়া সম্ভব। কারণ কোনো বিশেষ রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাঙ্ক নির্দিষ্ট, এর হেরফের বিশেষ দেখা যায় না। যেমন হিরের প্রতিসরণাংক ২.৪১৭। এ ছাড়া বিচ্ছুরণ (Dispersion)ধর্ম যাচাই করেও রত্ন-পাথর আসল কিংবা নকল তা যাচাই করা সম্ভব। তাছাড়া রত্ন-পাথরের কাঠিন্যতা (hardness), আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific gravity) ইত্যাদি ধর্ম যাচাই করে সহজেই নকল ও আসল রত্ন-পাথর চেনা যায়।

আসল রত্ন রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে – 

(১) চুনি বা Ruby : লাল রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোরান্ডাম (Corundum), অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনই হল এর মূল উপাদান (AI2O2)।

 (২) নীলা বা Blue Sapphire : নীল বা হলুদ রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নামও কোরান্ডাম (Corundum), অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনই হল এর মূল উপাদান (AI2O2)।


(৩) পান্না বা Emerald : সবুজ বা স্বচ্ছ রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম বেরিল (Beryl)।বেরিলিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন এবং অ্যালুমিনিয়াম হল মূল উপাদান (3BeO.AI2O3,6SiO2)। 

(৪) বৈদুর্যমণি বা Cats Eye : হলুদ বা সবুজ বা খয়েরি রঙের রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম ক্রাইসোবেরিল (Chrysoberyl)। বেরিলিয়াম, অক্সিজেন, অ্যালুমিনিয়াম এই রত্নটির মূল উপাদান (BeO.AI2O2)।

(৫) গোমেদ বা Garnet : লাল বা বাদামি বা কমলা রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম গারনেট (Garnet)।লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন এবং অক্সিজেনই মূল উপাদান [(Ca,Mg,Fe)3AI2(SiO4)3]।

(৬) চন্দ্রকান্ত বা Moon Stone : ধূসর রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম ফেলসপার (Feldspar)।পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন এবং অক্সিজেন এই রত্নটির মূল উপাদান (KAISi3O8NaAISi3O8CaAI2SiO8)। 

(৭) সূর্যকান্তমণি বা Sun Stone : স্বচ্ছ এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোয়ার্টজ (Quartz)।মূল উপাদান সিলিকন, অক্সিজেন (SiO2)।

(৮) সন্ধ্যামণি বা Amethyst : স্বচ্ছ এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোয়ার্টজ (Quartz)।মূল উপাদান সিলিকন, অক্সিজেন (SiO2)

 (৯) পোখরাজ বা Sapphire : স্বচ্ছ বা হালকা হলুদ বা হালকা নীল রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম টোপাজ (Topaz)।মূল উপাদান অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন এবং ফ্লোরিন [AI2SiO4(OH/F)2]।


 (১০) নীলকান্তমণি বা Tarquous : অস্বচ্ছ নীল বা নীলাভ সবুজ  রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম টারকোয়েস (Tarquous)। কপার, ফসফরাস, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ফ্লোরিন হল মূল উপাদান [CuO(AI2O3(P2O3)2, 9H2O]।

(১১) বৈক্রান্তমণি বা Zircon :  অস্বচ্ছ এই রত্নের বৈজ্ঞানিক নাম জারকন (Zircon)।মূল উপাদান জার্কনিয়াম, সিলিকন ও অক্সিজেন (ZrSiO4)।

(১২) মুক্তা বা Pearl : এটি খনিজ পদার্থ নয়, প্রাণীজ পদার্থ। স্বাভাবিক মুক্তা ঝিনুকের মাংসল শরীরের ভিতর পাওয়া যায়। সাদা রঙের এই জৈব রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম Organic Gems। মূল উপাদান হল ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন (CaCO3)


(১৩) প্রবাল বা Corel : এটি খনিজ পদার্থ নয়, প্রাণীজ পদার্থ। এক ধরনের ক্ষুদ্র জীবের মৃতদেহ।শুধুমাত্র সমুদ্রের নীচেই পাওয়া যায়।গাঢ় রক্তবর্ণ বা হলুদাভ রক্তবর্ণ, গেরুয়া সাদা রঙের রত্নটির বৈজ্ঞানিক নামও Organic Gems। মূল উপাদান হল ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন (CaCO3)।

রত্নগুলি কীরকম ভাটের জিনিস দেখুন : (১) চুনি এবং নীলার মূল উপাদান একই। অথচ গ্রহ আলাদা।অথচ গ্রহরোষও আলাদা। অথচ রবি খারাপ হলে চুনি দেওয়া হয় এবং শনি খারাপ হলে নীলা ধারণ করতে বলা হয়। 



দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬

আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20191230160412