Friday, January 3rd, 2020

Astro Research Centre

পান্না, মরকত, Emerald, স্টোন পাথরের, আকৃতি, রং, উপাদান, রাসায়নিক সঙ্কেত, উপকারিতা, অপকারিতা, ব্যবহার, দিন, আঙ্গুল, বার, সময়, ধাতু, মূল্য দাম, পরীক্ষা, প্রভিতি আলোচনা করলাম

পান্না, মরকত, Emerald, স্টোন পাথরের, আকৃতি, রং, উপাদান, রাসায়নিক সঙ্কেত, উপকারিতা, অপকারিতা, ব্যবহার, দিন, আঙ্গুল, বার, সময়, ধাতু, মূল্য দাম, পরীক্ষা, প্রভিতি আলোচনা করলাম

মূল্যবান রত্ন পাথর পান্না

জন্ম তারিখ অনুযায়ী যাদের বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল থেকে ২১ মে), মিথুন রাশি (২২ মে থেকে ২১ জুন), কন্যা রাশি (২৪ আস্ট থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর) ও তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর অক্টোবর) তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী। সাধারনত যাদের রাশিচক্রে বুধ নামক গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের কে Emerald Stone (পান্না পাথর) ব্যবহার করতে বলা হয়। পান্না পাথর সাধারণত মাস্তিস্ক সংক্রান্ত বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বিশেষ করে যে সকল মানুষ ভাল চাকুরি করে অথবা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত, অথবা যাদের সিদ্ধান্ত গ্রহন সংক্রান্ত কাজ করতে হয় তাদের পান্না পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। জ্যোতিষী বা জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পান্না পাথর ব্যবহারের উপকারিতা নিম্ন রূপ (Benefits of panna Stone / Benefits of Emerald Stone):

বুধ গ্রহ যে বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে তা হল, ব্যবসায়, যোগাযোগ, প্রেম-ভালবাসা, একজনের সাথে অন্য জনের সম্পর্ক, ইচ্ছা শক্তি, কোন কিছু শেখার ইচ্ছা, আত্ম শক্তি।

যখন বুধ গ্রহ কারো রাশি চক্রে ভালো ভাবে অবস্থান করে তখন মানুষের উন্নতি খুব দ্রুত হতে থাকে। কিন্তু যদি বুধ গ্রহ রাশিচক্রে খারাপ ভাবে অবস্থা করে তাহলে ঠিক এর উল্টো হতে পারে। তাই যাদের বুধ গ্রহের খারাপ অবস্থানের জন্য খারাপ সময় যাচ্ছে তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার খুব খুব উপকারী হতে পারে।

পান্না চেনার উপায়

১। পান্নাকে জলে রেখে দিলে সবুজ বর্ণের কিরণ দেখা যায়।
২। সাদা কাপড়ের ওপর পান্না রেখে একটু উঁচুতে তুলে ধরলে সাদা কাপড় সবুজ দেখায়।
পান্নার আয়ুর্বেদিক শোধনঃ---
খাঁটি পান্না কাঁচা দুধে চব্বিশ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখতে হবে।
পান্নার প্রাপ্তিস্থানঃ

এটি মূলত কলম্বিয়া, ব্রাজিলে পাওয়া যায়। কলম্বিয়ান পান্না সর্বশ্রেষ্ঠ। তাই এর মূল্য সর্বোচ্চ। তারপরে ব্রাজিলিয়ান পান্না। এটি দেখতে কালচে সবুজ। কলম্বিয়ান পান্না স্বচ্ছ সবুজ। ব্রাজিলিয়ান পান্না অর্ধস্বচ্ছ ও ঘোলাটে সবুজ।

দেশভেদে নামান্তরঃ-

বঙ্গদেশে পান্না, হিন্দিতে পন্না, মহারাষ্ট্রে পাচুরত্ন, গুজরাটে লীলুম ও পাশু, কর্ণাটে পাচীপাচ্চ, তৈলঙ্গে লীলম্, ফরাসীতে জুমুরঙ্গীপ, আরবীতে জুমুইম্, ইংরাজীতে এমারেল্ড ও ল্যাটিনে স্যামবাগ্ ডাস বলে।
বুধের প্রতিকারে সবুজ পাণ্ণা বুধবারে ধারণ কর্তব্য।

উপরত্ন :— ওনেক্স পান্না, ফিরোজা, অ্যাকোয়ামেরিন, মারগাম ও জেড পাথর।

পান্না পাথর মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি, স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি, কোন কিছু অর্জনের ইচ্ছা শক্তিকে বৃদ্ধি এবং বিচার বুদ্ধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

পান্না পাথর ধারনে সন্তান, স্বামী-স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় থাকে এবং উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে।

Benefits of Emerald Stone / Benefits of Panna Stone (পান্না পাথরের উপকারিতা):
জন্ম তারিখ অনুযায়ী যাদের বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল থেকে ২১ মে), মিথুন রাশি (২২ মে থেকে ২১ জুন), কন্যা রাশি (২৪ আগস্ট থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর) ও তুলা রাশি (২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ অক্টোবর) তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী। সাধারনত যাদের রাশিচক্রে বুধ নামক গ্রহের খারাপ প্রভাব রয়েছে তাদের কে Emerald Stone (পান্না পাথর) ব্যবহার করতে বলা হয়। পান্না পাথর সাধারণত মাস্তিস্ক সংক্রান্ত বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বিশেষ করে যে সকল মানুষ ভাল চাকুরি করে অথবা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত, অথবা যাদের সিদ্ধান্ত গ্রহন সংক্রান্ত কাজ করতে হয় তাদের পান্না পাথর ব্যবহার করতে বলা হয়ে থাকে। জ্যোতিষী বা জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে পান্না পাথর ব্যবহারের উপকারিতা নিম্ন রূপ (Benefits of panna Stone / Benefits of Emerald Stone):
বুধ গ্রহ যে বিষয় গুলোতে প্রভাব বিস্তার করে থাকে তা হল, ব্যবসায়, যোগাযোগ, প্রেম-ভালবাসা, একজনের সাথে অন্য জনের সম্পর্ক, ইচ্ছা শক্তি, কোন কিছু শেখার ইচ্ছা, আত্ম শক্তি।
যখন বুধ গ্রহ কারো রাশি চক্রে ভালো ভাবে অবস্থান করে তখন মানুষের উন্নতি খুব দ্রুত হতে থাকে। কিন্তু যদি বুধ গ্রহ রাশিচক্রে খারাপ ভাবে অবস্থা করে তাহলে ঠিক এর উল্টো হতে পারে। তাই যাদের বুধ গ্রহের খারাপ অবস্থানের জন্য খারাপ সময় যাচ্ছে তাদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার খুব খুব উপকারী হতে পারে।
পান্না পাথর মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি, স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি, কোন কিছু অর্জনের ইচ্ছা শক্তিকে বৃদ্ধি এবং বিচার বুদ্ধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।
পান্না পাথর ধারনে সন্তান, স্বামী-স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক বজায় থাকে এবং উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে পারে।
যে কোন ব্যবসায়িক কাজে পান্না পাথর ব্যবহারে মুনাফা বৃদ্ধি এবং সফলতা আসার সম্ভাবনা অনেক বেশী হতে পারে।
যদি দুজন মানুষ একে অপরের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এবং তারা যদি পান্না পাথর ব্যবহার করে তাহলে তাদের সুখ এবং ভালবাসা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
যদি কোন গর্ভবতী মা তার হাতে পান্না পাথর ব্যবহার করেন তাহলে তার নিরাপদ এবং স্বাভাবিক সন্তান জন্ম হবার সম্ভাবনা থাকে।
যে কোন মানুষিক সমস্যায় পান্না পাথর খুব উপকারী। এছাড়া চর্ম রোগ, কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং যে কোন প্রকারের বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী।
ইসলাম ধর্ম মতে পান্না পাথরের উপকারিতাঃ “Tradition of Ahl al Bait” পান্না পাথর সম্পর্কে উল্লেখ করেছে—“পান্না পাথর ব্যবহারে দারিদ্রতা দূর হয় এবং আর্থিক দিকে উন্নতি সাধিত হয় এবং যে পান্না পাথরের আংটি ব্যবহার করবে সে আর্থিক দুর্দশা থেকে মুক্ত থাকবে যদি মহান আলাহতালা ইচ্ছা করেন”।
, পান্না পাথরের সবুজের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
পান্না পাথর ধারনে মাথা ঠাণ্ডা থাকে যাতে করে দন্দ-বিরোধ কমে আসে।
যদি স্বামী-স্ত্রী একে অপরের ব্যবহার করা পান্না পাথরের আংটি অদল-বদল করে ব্যবহার করে তাহলে তাদের পারস্পরিক আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।
পান্না পাথর মৃগী রোগে উপকারী, এমনকি সন্তান প্রসবের সময় পান্না পাথর ধারন সন্তান প্রসব সহজ করে।
আপনি যখন রত্নপাথর পান্না পাথর (Gemstone Emerald) সহ অন্য কোন প্রকারের রত্ন পাথর কেনার চিন্তা করবেন তখন মনে রাখা ভালো যে পাথরের কোন নির্দিষ্ট কোয়ালিটির হিসেব নেই। খনি থেকে পাওয়া বর্তমান মজুদ পাথরের মধ্যে থেকেই ভালো খারাপ কোয়ালিটির হিসেব করা হয়। তাই রত্ন পাথরের ক্ষেত্রে কেওই ঘোষণা দিতে পারবেনা এটাই সব থেকে ভালো বা খারাপ পাথর। তারপরেও সাধারনত আপনি 2000/300/5000
টাকা থেকে সর্বচ্চ ১৫০০০ টাকা মূল্যে প্রতি ক্যারেট ব্রাজিল পান্না (Brazil Emerald), কলম্বিয়ান পান্না (Colombian Emerald) পাথর পাবেন আমাদের কাছে। আকিক পাথর ছাড়া বাকি সব পাথর ক্যারেট হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে।

যে কোন ব্যবসায়িক কাজে পান্না পাথর ব্যবহারে মুনাফা বৃদ্ধি এবং সফলতা আসার সম্ভাবনা অনেক বেশী হতে পারে।

যদি দুজন মানুষ একে অপরের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ হয় এবং তারা যদি পান্না পাথর ব্যবহার করে তাহলে তাদের সুখ এবং ভালবাসা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

যদি কোন গর্ভবতী মা তার হাতে পান্না পাথর ব্যবহার করেন তাহলে তার নিরাপদ এবং স্বাভাবিক সন্তান জন্ম হবার সম্ভাবনা থাকে।

যে কোন মানুষিক সমস্যায় পান্না পাথর খুব উপকারী। এছাড়া চর্ম রোগ, কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং যে কোন প্রকারের বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জন্য পান্না পাথর ব্যবহার করা উপকারী

যেকোনো আসল রত্নপাথর খুচরা ও পাইকারি ক্রয় করতে চাইলে যোগাযোগ করুন !!

কড়ে আঙুল:
সাধারণ যারা রিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য কড়ে আঙুলে আংটি পরাই আদর্শ। এ আঙুলে আংটি পরার আরও কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। সাধারণত, এ আঙুলের আংটির পরার সঙ্গে বিশেষ কোনও রীতি জড়িয়ে নেই। তাই ইচ্ছে হলে পরে ফেলুন। তাছাড়া, এই আঙুলে আংটি থাকার দরুণ ভারি কাজ করার সময় বিশেষ কোনো সমস্যা হয় না। এই আঙুলে পান্না ধারণ শুভ শ্রেষ্ঠ ফল পাওয়া যায়

অনামিকা আঙুল:
সাধারণত ডান বা বা হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এমন রীতি তৈরি হয়েছে। সোনার আংটিতে পান্না ধারণ শুভ

কখন পান্না পাথর ধারণ অশুভ

মেষ রাশি, কর্কট, ধনু, মীন রাশির অশুভ



মিয়ানমারের একটি খনিতে বিশাল একটি জেড পাথরের সন্ধান পাওয়া গেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন প্রদেশের একটি খনিতে পাওয়া এই পাথরটির ১৪ ফুট উঁচু এবং ১৯ ফুট দীর্ঘ। ধারণা করা হচ্ছে এই পাথরটির ওজন আনুমানিক ১৭৫ টন। জেড পাথরের মূলত মুল্যবান রত্ন পাথর হিসেবে পরিচিত। তাই এত বিশাল আকৃতির এই পাথরটির বাজার মুল্য ধরা হচ্ছে এক কোটি ৭০ লাখ ডলার বা ১৩৬ কোটি টাকা। খবর বিবিসির।

মিয়ানমারে খুবই প্রসিদ্ধ প্রায় স্বচ্ছ সবুজ রংয়ের এই পাথর। বিশ্বের সবচেয়ে ভালো জেড পাথর সেখানেই পাওয়া যায় এই মিয়ানমারেই।

বিবিসির সূত্র মত্র, মিয়ানমারে মোট যে পরিমাণ জিডিপি আসে সেই জিডিপির অর্ধেকই আসে জেড শিল্প থেকে।

জেড পাথরের সবচেয়ে বড় বাজার পার্শ্ববর্তী দেশ চীন, যেখানে এই জেড পাথরকে ‘স্বর্গের পাথর’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

বৃহস্পতিবার পাওয়া এই জেড পাথরটি আকারের দিক থেকে সবচেয়ে বড়। এই মূল্যবান রত্ন পাথরটি যখন পরিষ্কার করা হবে, বিভিন্ন ছোট ছোট খণ্ডে ভাগ করা হবে তখন এর দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। জেড পাথরের নেকলেস ও ব্রেসলেট অনেক জনপ্রিয়। তার সাথে চায়নাতে বিভিন্ন মূর্তি বানাতে ব্যবহার করা হয় মূল্যবান এই পাথর।

জেড পাথরের দাম এখন বাড়ছে। কারণ বিভিন্ন কাজে এর ব্যবহার বাড়ছে।

মিয়ানমার সরকার ও রাজনীতিবিদরা এই জেড পাথরের আবিষ্কারের কথা অনেক আনন্দের কথা শেয়ার করছেন। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের এক স্থানীয় নেতা ইউ টিন্ট সু বলেন ‘এটা আমাদের সরকারের সময় পাওয়া গেছে। এটা আমাদের জনগণের জন্য সৌভাগ্য নিয়ে আসবে।’



সবুজ পান্না সাহসের পাথর। এটা বুদ্ধিবৃত্তিক যুক্তি প্রদর্শন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অজেয় করে-শুধু বর্তমান ও ভবিষ্যতের শিক্ষকদের মাধ্যমে অতিক্রান্ত জ্ঞানেরই নয় বরং এর নিজেরও। নীলাভ সবুজ পান্না একটি ঐশ্বরিক ও চিরস্থায়ী রঙ, কারণ এটি আকাশের রঙ। সবুজ পান্না, এর রয়েছে প্রাণদায়ক গুণাবলী। এই পাথরকে সমুদ্রের সাথে সামঞ্জস্য বিধান করা হয় এবং আমাদেরকে সমুদ্রের প্রাকৃতিক চেতনার সংস্পর্শে আসতে সহায়তা করে। কিছু সময় নিন, আপনার চোখ বন্ধ করুন, গভীরভাবে শ্বাস নিতে থাকুন এবং স্মরণ করুন যে, আপনি গোধূলি লগ্নে সমুদ্র তীরে বসে আছেন, মৃদুমন্দ শীতল বায়ু প্রবাহিত হচ্ছে। সবুজ পান্না এটাই আপনাকে উপহার দেয়। লোক কাহিনী অনুসারে মৎস্য কন্যার বক্ষ ভান্ডার থেকে এর উৎপত্তি এবং এর বয়সের জন্য নাবিকদের সৌভাগ্য আনয়নকারী পাথর হিসেবে বিখ্যাত হয়েছে। অবকাশ যাপনে ও প্রমোদ তরীতে গ্রহণের জন্য উত্তম পাথর।
যোগাযোগ : আপনার যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ পাথর চমৎকার। যেসব দম্পতিদের মধ্যে যোগাযোগ সমস্যা রয়েছে তারা বন্ধুসুলভ উপায়ে এসব মতানৈক্য সমাধান করার ক্ষেত্রে উক্ত পাথরকে সহায়ক হিসেবে পায়। এটা গলা চক্রকে উদ্দীপিত, সক্রিয় ও পরিস্কার করে।
ভারসাম্য : সচেতনতার আধ্যাত্মিক পর্যায়ের সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করে এবং কেন্দ্রীভূত থাকে।
সেবা: পৃথিবীর প্রতি মানবিক সেবার আদর্শ ও মানবিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করে হৃদ্যতা, সৃজনশীলতা।
সফলতার প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করে : সবুজ পান্না আপনাকে শক্তি প্রদান করে যা আপনার নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য দরকার। এটা আপনাকে আপনার লক্ষ্যে পৌছার পথে অনঢ় অবস্থান বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা এবং আপনার সফলতা নিশ্চিন্তে সহায়তা করার মাধ্যমে আপনাকে সঠিক পথে রাখবে।
বর্ণ: বিভিন্ন রকম বেরিলের হালকা নীল।
দৈহিক নিরাময় গুণাবলী : গলা, প্লীহা, হৃদপিন্ড, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, থাইমাস, লিম্প নোড, বিশেষ করে মুখ, কান, শ্বসন অ্যালার্জি, ভ্রমণ, সামুদ্রিক দেবী ইত্যাদি থেকে সুরক্ষিত রাখে।
গুরুত্ব : আত্মবিশ্বাস, উদ্দেশ্য, প্রশান্তি, শান্তি, প্রশান্তকরণ, বিশোধন, যোগাযোগ ও আত্ম সচেতনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করে।
ক্যারিয়ার : পাবলিক স্পীকার, কলেজ ছাত্র, রেডিও ঘোষক, ডিজে, রাজনীতিবিদ, বক্তা, পৌর বা নগর নেতৃবৃন্দ। একোয়ামেরিন হালকা ঘন সবুজ বর্ণের স্বচ্ছ, দীপ্তিপূর্ণ ও সুশ্রী, এটি বেরিল গ্রুপ (Beryl Group) –এর রত্ন। কখনও কখনও হলদে নীলা ও হালকা সাদা বর্ণের পাওয়া যায়। এই রত্নটিকে উর্দুতে বৈরোজ বলে। একোয়ামেরিন-এর বর্ণ পান্না রত্ন থেকে স্বতন্ত্র্য হলেও রাসায়নিক উপাদান হিসাবে পান্না ও একোয়ামেরিন অভিন্ন। ষটকোন তল বিশিষ্ট পরমাণুযোগে একোয়ামেরিন –এর অঙ্গ গঠিত। রত্নটি কাঁচের তুলনায় শীতল। তবে এটা বহু মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য রত্ন।

উপকারিতা: জ্যোতিষ শাস্ত্রে পান্নার পরিবর্তে এটা বিকল্প রত্ন হিসাবে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন প্রকার রোগেও বুধ এবং মঙ্গল গ্রহের জন্য খুবই ফলদায়ক। ইহা নারীদের ধারণে দ্রুত ফল দেয়। রত্নটি সাহস সঞ্চার করে এবং মনকে সতেজ রাখে।

উপাদান (Chemical Composition): এ্যালুমিনিয়াম বেরিলিয়াম সিলিকেট সংযোগে সৃষ্ট।
কাঠিন্যতা (Hardness): ৭.৫ – ৮
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity): ২.৬৩-২.৯১
প্রতিসরণাংক (Refractive Index): ১.৫৬৭-১.৫৯০
বিচ্ছুরণ (Dispersion): ০.০১৪
প্রাপ্তিস্থান: অষ্ট্রেলিয়া, বার্মা (মায়ানমার), শ্রীলংকা, কেনিয়া, রোডসিয়া, দক্ষিন আফ্রিকা, তানজানিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায় ।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।




বেরিলিয়াম একটি স্বল্পপরিচিত হাল্কা ধাতব মৌল। ১৭৯৮ খৃষ্টাব্দে ফরাসী খনিজ পদার্থ বিশেষজ্ঞ “রেনী যাস্ট হাউই”(Rene Just Hauy) লক্ষ্য করেছিলেন যে মহার্ঘ রত্নপাথর পান্নার আলোক বিচ্ছুরণের ধরণ বেরিল নামক খনিজ পদার্থটির সঙ্গে সাদৃশ্য যুক্ত। হাউই তখন রসায়নবিদ Louis Nicholas Vauquelin কে অনুরোধ করেন ঘটনাটির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি খুঁজে বের করতে। Vauquelin দেখলেন পান্না এবং বেরিল, দুটো পদার্থেই রাসায়নিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য প্রায় একই এবং বেরিলে তখন পর্যন্ত একটি অজানা মৌল পদার্থ বর্তমান। ১৮২০ সালে, বিখ্যাত German রসায়নবিদ Wholer, বেরিল থেকে ঐ নতুন ধাতব মৌলটি নিষ্কাশিত করে, তার নাম দিলেন; “বেরিলিয়াম”। প্রথম অবশ্য এই ধাতুর লবণগুলোর(salt) মিষ্টি স্বাদের জন্য এর নাম দেওয়া হয়েছিল গ্লুসিনিয়াম(glucinium)। কিন্তু সেই নাম গৃহীত হয়নি। যে বেরিল খনিজ থেকে বেরিলিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা হয়, তার যখন অল্প পরিমাণে অশুদ্ধি হিসাবে ক্রোমিয়াম অক্সাইড বর্তমান থাকে তখন তার রং হয় ঘন সবুজ, যার নাম পান্না(Emerald)। অনেক সময়ে অশুদ্ধির পরিমাণের হেরফের ঘটলে পান্নার রং হয় নীলাভ সবুজ। রবীন্দ্রনাথ যতই বলুন; “আমার চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ”, বৈজ্ঞানিকরা বলবেন ক্রোমিয়াম অক্সাইডের রঙে বেরিল হল সবুজ রত্ন পাথর পান্না। নীলাভ সবুজ বেরিলকে বলা হয় “Aquamarine”। বেরিল খনিজটি গ্রানাইট পাথরের ভেতরে ঢুকে থাকে কেলাস(Crystal) আকারে। এই ষড়ভুজি(hexagonal) কেলাস এমন দৈত্যাকার রূপেও পাওয়া যায়, যার ওজন ৬০-টন পর্যন্ত হতে পারে। ব্রাজিলেই সর্বাধিক পরিমাণে বেরিল পাওয়া যায়। তাই ১০০-টন গ্রানাইট পাথর কেটে সাধারণত অর্ধ টন বেরিল বের করে আনা যায়। ১-টন বেরিল থেকে প্রায় ৩২ কিঃগ্রাঃ ধাতব বেরিলিয়াম নিষ্কাশিত করা যায়। পান্না যদিও বেরিলেরই সমগোত্রীয়, কিন্তু তা সহজ লভ্য নয়, বরঞ্চ অত্যন্ত বিরল। সেই কারণে এক টন বেরিলের দাম যদি হয় ৪০০ থেকে ৫০০ ডলার, তবে এক টন পান্নার দাম হবে ২৫-বিলিয়ন ডলার।

ব্যাবহারিক দিক থেকে বিচার করলে বেরিলিয়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাতু। ১৯৩২ সালে James Chadwick, তেজস্ক্রিয়(radioactive) পোলনিয়াম থেকে নির্গত আলফা কণাকে দিয়ে বেরিলিয়ামের পাতলা চাদরে আঘাত করে দেখলেন এই অভিঘাতের ফলে ওই ধাতুর চাদর থেকে নির্গত হচ্ছে প্রোটনের মতন প্রায় একই ভরযুক্ত এক ধরণের তড়িৎ আধারহীন(neutral) কণা। এই কণাকে তিনি নাম দিলেন নিউট্রন(Neutron)। এই যুগান্তকারী গবেষণার জন্য Chadwick ১৯৩৫ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। এই আবিষ্কারের পর থেকেই বেরিলিয়ামের দিকে বিজ্ঞানীদের বেশি দৃষ্টি পড়ে। এর আগে ১৯২০ সালেই জানা গিয়েছিল, তামার সাথে ২% বেরিলিয়াম মিশিয়ে যে সংকর ধাতু(Alloy) পাওয়া যায় সেটি তামার চাইতে ছয়গুণ শক্ত এবং অধিক তাপ সহনশীল। এটির ধাতুক্ষয় প্রতিরোধ শক্তি আছে, যাকে ইংরাজিতে corrosion resistant বলা হয় এবং এই সঙ্কর ধাতু চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না। অন্য কোন ধাতব বা অধাতব বস্তুর সঙ্গে ঠোকা-ঠুকি লাগলে বা হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে এর থেকে কোন আগুনের ফুলকি ছিটকে বের হয় না। এই সব গুণাবলীর অধিকারী হবার সুবাদে বেরিলিয়াম যুক্ত সংকর ধাতুটি ব্যাবহার হয় উড়োজাহাজের সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশে, নানা প্রকার নির্ভুল পরিমাপক যন্ত্রে, কম্পিউটারের বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশে, বৈদ্যুতিক রিলে(relay) ব্যবস্থায় এবং দামী ক্যামেরার শাটার(Shutter) এর মধ্যে। এই শঙ্কর ধাতুর তৈরি স্প্রিং(spring)-এর কার্যকারিতা প্রায় অবিনশ্বর বলা হয়। তামা+বেরিলিয়াম সংকর ধাতুর থেকে বানান হাতুড়ি, রেঞ্চ(spanners) এবং অন্যান্য নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত ছোট-ছোট যন্ত্রাদি পেট্রোলিয়াম শোধনাগারে, নানান সহজ দাহ্য গ্যাস উৎপাদনকারী শিল্পে বহুল ব্যবহৃত হয়, যেখানে সাধারণ ইস্পাত নির্মিত যন্ত্র ব্যাবহারে অগ্নি স্ফুলিঙ্গ তৈরি হতে পারে আর বড় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। রঞ্জন রশ্মি যন্ত্রের জানালা হিসাবে বেরিলিয়াম ধাতু ব্যবহার প্রচলিত আছে। কারণ ওই রশ্মি জানালা ভেদ করে অভিপ্ত বস্তুর ওপরে গিয়ে পড়তে পারে।

পারমানবিক গবেষণায় বেরিলিয়ামের ভূমিকা অতীব কার্যকরী। বেরিলিয়ামকে Chadwick নিউট্রনের উৎস হিসাবে আবিষ্কার করার পর, এই নিউট্রনের উৎসকে কাজে লাগিয়ে কিম্বদন্তীর পরমাণু বিজ্ঞানী এনরিকো ফারমি(Enrico Fermi) প্রথম গবেষণাগারে ইউরেনিয়াম ধাতুর বিভাজন(fission) প্রক্রিয়ার যুগান্তকারী আবিষ্কার করেছিলেন। বেরিলিয়াম যে শুধুই নিউট্রনের উৎস হিসাবে কাজ করে তাই নয়, ধাতুটির আর একটি গুন হল, এই ধাতুর ভেতর দিয়ে নিউট্রনকে প্রবেশ করালে তার গতি হ্রাস পায়। এই শ্লথ গতির নিউট্রন(slow Neutron) ইউরেনিয়ামের নিয়ন্ত্রিত বিভাজন ঘটায় এবং নির্গত পারমানবিক শক্তিকে সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এই ব্যবস্থা গঠনাত্মক কাজে সাহায্য করতে সক্ষম। বেরিলিয়ামকে তাই চমৎকার একটি নিউট্রন প্রতিফলন(reflector) হিসাবে গণ্য করা হয়। বেরিলিয়াম ধাতু পারমানবিক চুল্লীতে নিউট্রনের সহনীয় মাত্রা বজায় রাখতে(moderator) কাজ করে থাকে। যে কাজ আজকাল গ্রাফাইট(graphite) দিয়ে করা হয়। তবে ওজনে অনেক হালকা বলে, অনেক স্থানে গ্রাফাইটের চেয়ে বেরিলিয়াম কেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি এবং তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার একটি পরমাণু শক্তি চালিত ডুবোজাহাজে বেরিলিয়াম মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কঠিন অথচ হালকা এবং রুপোর মতন উজ্জ্বল এই ধাতুটি আজকাল উন্নত ধরনের উড়োজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র, মহাকাশযান তৈরির নানা কাজে ব্যাবহারের চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে। বেরিলিয়ামের অক্সাইড যৌগটি অন্য অনেক সিরামিক(ceramic) বস্তুর থেকে অধিক তাপ পরিবহনে সক্ষম, তাই মহাকাশযানে এর ব্যাবহার নিয়ে জোর সওয়াল করা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত বেরিলিয়ামকে আমরা নানা গুণ সম্পন্ন, প্রায় একটি অত্যাশ্চর্য ধাতু রূপে জানলাম। তবে এর অত্যন্ত বিশিষ্ট কতগুলি কাজে সীমাবদ্ধ। কেবল বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরাই এই ধাতুর সংস্পর্শে আসতেন। সাধারণ লোক যাকে বলে আম জনতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে এই ধাতুরযৌগ সমূহের সাথে পরিচয় হল যখন বিশেষ রূপে তৈরি বেরিলিয়াম যৌগ ফ্লুরেসেন্ট টিউব আলোর ভেতরে প্রলেপ রূপে ব্যবহার করা শুরু হল। এই আলোর টিউবের আলো থেকে যে সাদা আলোর স্ফুরণ হয় তার জন্য টিউবের ভেতরে প্রলেপটি দেওয়া হত বেরিলিয়াম-জিংক-সিলিকেট নামক যৌগের সাহায্যে। এই পদার্থটি স্বয়ংপ্রভ অর্থাৎ আলো পড়লেই এর থেকে শ্বেতবর্ণের জ্যোতি স্ফুরণ ঘটে থাকে, যাকে ইংরাজিতে ফসফর বলা হয়। কিন্তু বিপদ তখনই দেখা দিল; এই “বেরিলিয়াম ফসফর” থেকে মানব দেহে নতুন এক রোগের সৃষ্টি হল। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির সময়ে এক বিরাট সংখ্যক শিল্প শ্রমিক এবং কারখানার অন্যান্য সাধারণ কর্মীরা বেরিলিয়োসিস(Berylliosis) ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেন। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির সময়ে যে ক্ষুদ্র কণা বাতাসে ভেসে বেড়ায় কারখানার ভেতরে, সেই ভাসমান কণার সংস্পর্শে আসার পরেই এই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। উৎপাদন প্রক্রিয়ার সময়ে অথবা উৎপাদিত ফসফরের গুঁড়ো স্থানান্তরিত করার সময়ে এই বিষটি মানব দেহে প্রবেশের সুযোগ পায় বলে ধারনা করা হয়। বেরিলিয়োসিস্ রোগের উপসর্গ প্রথমে যক্ষ্মা রোগের মতন মনে করা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা এই রোগের প্রকৃত লক্ষণগুলি বুঝতে পারলেন। এবং দেখা গেল এই রোগটি ফুসফুসকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, চামড়ার উপরি ভাগে ক্ষতের সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে বাহু, মুখে এবং ঘাড়ের ত্বকে। ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডের ডাঃ এইচ. এস. ভেন ওরডেসস্ট্রান্ড(Dr.H.S.Van Ordstrand) ও তাঁর সহকর্মীরা ১৭০-জন বেরিলিয়োসিস রোগীর চিকিৎসা করেছেন যাদের চামড়ায় ও ফুসফুসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এদের যথাযথ চিকিৎসা করে সারিয়ে তোলা হয়েছিল, এমনকি চামড়ার ভেতরে ঢুকে যাওয়া বেরিলিয়াম ফসফরের কণাগুলিকে বিশেষ উপায়ে বের করে এনে। এদের মধ্যের বেশ কয়েকজন রোগীকে সুস্থ করা হয়ে ছিল। ক্রমশ ইউরোপের বেশ কিছু দেশে(Germany, Italy, USSR) থেকে এই ধরণের রোগের খবর আসতে থাকে। ম্যাসাচুসেটস থেকে কয়েকজন ডাক্তার জানিয়েছিলেন যে বেরিলিয়াম সিলিকেটের কারখানায় কাজ করা বন্ধ করে দেবার বেশ কয়েক বছর পরে ১৭-জন শ্রমিকের দেহে বেরিলিয়াম উপসর্গ দেখা দেয়। বেরিলিয়াম শিল্পের শ্রমিকের কারখানার পোশাক ধুয়ে পরিষ্কার করার কারণে শ্রমিকের স্ত্রীদের দেহে এই রোগের আক্রমণ দেখা দেয়। পারমানবিক বোমা তৈরির “মানহাটন” প্রজেক্টে কর্মরত একজন পদার্থবিদ ১৯৩৮ সালে বেরিলিয়ামের সংস্পর্শে আসেন কিন্তু তাঁর দেহে বেরিলিয়োসিসের উপসর্গ দেখা দেয় ১৯৪৬ খৃষ্টাব্দে। বেরিলিয়োসিস আক্রান্ত রোগীদের তালিকায় প্রথম নামটি তাঁরই। আক্রান্ত হবার ১০-বছর পরেও রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে এমন ৩৫-জনের সন্ধানও পেয়েছেন চিকিৎসকেরা। এই যে আক্রান্ত হবার বহু পরে উপসর্গ প্রকাশ পাওয়ার ঘটনাকে চিকিৎসা শাস্ত্রে Chronic symptoms বলা হয় এবং এই লক্ষণ প্রকাশ পেলে ডাক্তাররা বেশির ভাগ সময়েই বিমূঢ় হয়ে পড়েন। ভাঙ্গা ফ্লুরেসেন্ট টিউবের টুকরো জঞ্জালের সাথে ফেলে দেওয়া হয়। এই ভাঙা টুকরোতে শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হলেও বেরিলিয়োসিস দেখা দিতে পারে। এক কিশোর বয়সের ছেলের গায়ে ক্ষত সৃষ্টি হবার ২-মাস পরে এই রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের আণবিক শক্তি কমিশনে কর্মরত ১৫-জন বৈজ্ঞানিক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে বেরিলিয়ামের সংস্পর্শে এসেছিলেন। যাবতীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের পরেও তাদের শরীরে বেরিলিয়োসিস রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। বেরিলিয়াম ফসফর তৈরির কারখানার চিমনির থেকে নির্গত ধোঁয়ার মধ্যে ভেসে থাকা কণা থেকেও প্রায় ১-মাইল দুরে বসবাসকারী জনসাধারণকে বেরিলিয়োসিস এর রোগী হিসাবে চিহ্নিত করা গেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বেরিলিয়ামের আর মারাত্মক কোন প্রভাব আছে কিনা তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা ৫০-দশক থেকেই করছেন। এখন পর্যন্ত বেরিলিয়োসিস রোগের নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক ওষুধ আবিষ্কার হয়নি যার প্রয়োগে acute বা chronic অবস্থায় তার প্রয়োগে রোগটি মনুষ্য শরীর থেকে নির্মূল করা সম্ভব হবে, অতি অল্প সময়ে। এ ব্যাপারে কিন্তু বৈজ্ঞানিকরা বসে নেই। গত শতাব্দীর শেষ ভাগ থেকে অবিরাম পরীক্ষা নিরীক্ষা তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন।

একোয়ামেরিন অসাধারণ রত্ন পাথর মূল্যবান উপরত্ন

পেছনের ছবিটি দৈত্যাকৃতি বেরিলের কেলাসের। সামনের চারটি ছবি যথাক্রমে বাঁদিক থেকে এমারেল্ড যুক্ত লাইমস্টোন খণ্ড, অ্যাকোয়ামেরিণের খণ্ড, এবং তৃতীয় ও চতুর্থ ছবি দুটি এমারেল্ড (পান্না) খণ্ডের। এই সবগুলোই অ্যামেরিকান মিউজিয়াম অফ ন্যাচেরাল হিস্ট্রিতে রক্ষিত আছে।

ওপরে যে ছবিটি দেওয়া হল এই প্রবন্ধের মাধ্যমে, সেই চিত্রটি গত শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকে প্রায় শেষ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বর্তমানে, বেরিলিয়ামের বিষক্রিয়া সম্বন্ধে প্রায় সব প্রকারের তথ্য হাতে আসায়, চিকিৎসকরা এর চিকিৎসায় কোন প্রকারের অসুবিধায় পড়ছেন না। তাছাড়া, বেরিলিয়াম ঘটিত বিপর্যয় এড়াতে নানান নিয়মকানুন মেনে চলার নির্দেশ পাওয়া গেছে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে। যেমন; বেরিলিয়াম ও সেই সম্পর্কিত শিল্প কারখানায় উচ্চস্তরের গৃহস্থালির নিয়মাবলী প্রয়োগ করতে হবে যাতে বেরিলিয়াম ধাতু বা তার যৌগ দেহের সংস্পর্শে না আসতে পারে। শ্বাসক্রিয়ার মাধ্যমে যেন দেহে প্রবেশ না করে। কারখানার আবহাওয়ায় যেন বেরিলিয়াম বা তার যৌগকণার পরিমাণ প্রতি কিউবিক মিটার বাতাসে ১০০ মাইক্রোগ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কোন কোন সংস্থা এই পরিমাণ ০২ মাইক্রোগ্রামে নামানর ব্যবস্থা করতে বলেছে। কারখানার বাইরের বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ হওয়া উচিৎ এক মাইক্রোগ্রামের ১০০-ভাগের ১-ভাগ। বেরিলিয়োসিসের কোন অমোঘ প্রতিষেধক আজও আবিষ্কার না হলেও, বেরিলিয়িমের খনি, কারখানা, গবেষণাগার ইত্যাদি, প্রায় সব ক্ষেত্রে সঠিক গাত্রাবরণ, জুতো, মুখোস, দস্তানা, চশমা, মস্তকাবরণ ইত্যাদি ব্যাবহার বাধ্যতামূলক করার পর, বহুল পরিমানে এই মারণ রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

বেরিলিয়াম-জিংক-সিলিকেট, এই স্বয়ংপ্রভ পদার্থটিকে টিউব লাইটে ব্যাবহার ১৯৪৯ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফ্লুরেসেন্ট টিউব নির্মাণ কারখানায় যখন বহু সংখ্যক শ্রমিক এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হচ্ছিলেন, তখন উৎপাদক নিজেরাই U.S.Public health service-এর কর্তাব্যক্তিদের পরামর্শ মেনে বেরিলিয়াম ফসফরের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। নতুন করে গবেষণা শুরু হয় নতুন কোন ফসফর যৌগ আবিষ্কারের তাগিদে। ক্যালসিয়াম-হ্যালো-ফসফেট জাতীয় যৌগর ব্যবহার শুরু হয়। এই যৌগটি হল, ক্যালসিয়াম-ফ্লুর-ফসফেট বা ক্যালসিয়াম-ক্লোর-ফসফেট। এদের কোন রকমের বিষক্রিয়া নেই। একেবারে আধুনিক ফ্লুরসেন্ট টিউবে এই যৌগ অবশ্য ব্যবহার করা হয় (T-12, slim type, T-8, slim type & CFL)।

3-band Phosphor; এই ফসফর হল লাল, সবুজ ও নীল ফসফরের মিশ্রণ। সাধারণত, জিংক-সিলিকেট যৌগর সাথে অন্য ধাতু, যেমন; ইউরোপিয়ান, স্টংসিয়াম, অ্যান্টিমনি ইত্যাদি উজ্জিবক(activator) মিলিয়ে এদের তৈরি করা হয়। আবার, বেরিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম এলুমিনেটে ইওরোপিয়াম উজ্জীবক ব্যবহার করেও ফসফর তৈরি হয় আধুনিক যুগের টিউব লাইটের ভেতরে স্বয়ংপ্রভ প্রলেপ দিতে।
কিন্তু বেরিল থেকে বেরিলিয়াম নিষ্কাসন অথবা খনি থেকে বেরিল উত্তোলন, এই কর্মকাণ্ড ত থেমে থাকতে পারে না! তাই শ্রমিক, যারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের সব রকমের নিরাপত্তা দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই জন্য হয়ত নতুন করে কেউ বেলিয়োসিসে আক্রান্ত হচ্ছেন না কিন্তু, রোগটির উপসর্গ আক্রান্ত হবার ১০-১৫ বছর পরে দেখা যায়(chromic effect) বলে আজও চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে চলেছেন এই রোগের সঠিক প্রতিষেধক আবিষ্কারের আসায়।

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয়(environment health) ব্যাপারটি নিয়ে আজকাল পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বিশেষ জোর দিচ্ছেন ধাতুর বিষক্রিয়ার ওপর। পারদ, ক্রোমিয়াম, আর্সেনিক ইত্যাদির খবর আজকাল বহুল প্রচারিত খবর। কিন্তু স্বল্প পরিচিত বেরিলিয়াম ও তার যৌগরা যে কি পরিমাণ বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পেরেছিল এবং পারে, সেই বিষয়ে পাঠকদের অবহিত করার জন্যই এই প্রবন্ধের অবতারণা। এই বিষয়ে আর একটি বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে, প্রায় ২৫০ বছর আগে Bernadino Ramazzini নামে এক চিকিৎসক শিল্প কারখানার শ্রমিকদের নানান রোগ সম্বন্ধে গবেষণা চালানর সময়ে একটি দামি কথা বলেছিলেন; তাঁর পরামর্শ ছিল, “ডাক্তাররা যখন কোন কর্মজীবী মানুষের চিকিৎসা করবেন তখন তাঁদের অবশ্যই জেনে নেওয়া উচিৎ সেই ব্যক্তি কি ধরণের কর্মে সঙ্গে যুক্ত আছেন”? তা না হলে নির্ভুল রোগ নির্ণয় করা কখনই সম্ভব হবে না। বেরিলিয়োসিস রোগের ক্ষেত্রে এই উপদেশ অতীব মূল্যবান এবং যাঁরা পরিবেশ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বৈজ্ঞানিক গবেষণা করেন তাদের ক্ষেত্রে এই পরামর্শ দিক নির্দেশক বলে বিবেচিত হতে পারে।

প্রকৃতির কি বিচিত্র লীলা! বেরিল খনিজের মধ্যে ক্রোমিয়াম অক্সাইড অশুদ্ধি রূপে থাকার ফলে সেটি রূপান্তরিত হয়েছে অত্যন্ত মহার্ঘ রত্ন প্রস্তর পান্না(Emerald) আর অ্যাকোয়া মেরিনে(Aquamarine)। বেরিল থেকে প্রাপ্ত ধাতব মৌল বেরিলিয়াম প্রমাণিত হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও জন-হিতকারী মৌল রূপে, যা পারমানবিক শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিশেষ ভাবে প্রয়োজনীয়। কিন্তু প্রকৃতির ঋণ পরিশোধ করা মানুষের পক্ষে সম্ভব হয়না, প্রায় সব ক্ষেত্রেই। তবে প্রকৃতি ও তার ঋণ আদায় করে নিতে জানে এবং এই ক্ষেত্রে বেরিলিয়োসিস ব্যাধির সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক বার্তা দিয়েছে; যথেচ্ছ এবং অনিয়ন্ত্রিত ভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করার আগে ভাল এবং খারাপ দুটো দিকই বিচার করা যে একান্ত ভাবে প্রয়োজন সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে কু-দিকটার মোকাবিলা করার জন্য ঠিকঠাক ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত ভাবে জরুরি সেই কথা বারংবার মনে করিয়েছে। না হলে কি ভয়ঙ্কর বিপদ মানুষের জন্য অপেক্ষা করে আছে, তা বেরিলিয়োসিস রোগ মারফত জানিয়ে দিয়েছে।

দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র‬






আপনি কি জানতে চান আপনার ভাগ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল পরিস্থিতি গুলি কি কি??

তাহলে এখুনি আপনার জন্ম তারিখ , জন্ম সময় , জন্ম স্থান এই website www.arcsm.in গিয়ে ১০০০টাকা দিয়ে registration করুন আপনা কে সমস্ত বিষয় সম্পর্কে জানানো হবে ..ও কুন্ডলী ও প্রতিকার প ঠানো হবে।
অনলাইন ছাড়া 500টাকা

সকল শাস্ত্রের মূল কথা হল কেবল ভক্তিভরে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্ত্তণ করা ৷

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ৷ গ্রহ রত্নের প্রয়োজন নাই

জয় শ্রী কৃষ্ণ জয় মা তারা জয় মা সন্তোষী ঈশ্বর এক অনন্ত
ভিডিও টা দেখুন ভালো লাগবে

https://youtu.be/0FC2NeuQb1I

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন

Lob Mukherjee
SBI
A/c no.30677336540
IFS Code:SBIN0000165
Branch:Rampurhat
SBI

Axis Bank
A/C No 917010026448091
Branch - Rampurhat
Branch Code --1131
IFSC Code -UTIB0001131

এছাড়া Google pay BHIM এবং phone pe তে টাকা পাঠাতে পারেন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200103163658