Tuesday, April 7th, 2020

Astro Research Centre

ইয়াকুত Gemstone

Gemstone - রত্নপাথর পরিচিতি, রত্নপাথরের রকমারি

১। প্রবাল (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ প্রবাল
ইংরেজীঃ Coral (কোরাল)
ফার্সী ও আরবীঃ মারজান
ভারত ও নেপালঃ পলা বা মুঙ্গা
২। রুবী (প্রচলিত নাম): একে সূর্যকান্তমণি ও বলা হয়।
বাংলাঃ চুনী বা পদ্মরাগমণি
সংস্কৃতঃ পদ্মরাগ
ফারসি ও আরবীঃ ইয়াকুত
ইংরেজীঃ Ruby (রুবী)
ভারত ও নেপালঃ মানিক।
৩। পান্না (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ পান্না
ইংরেজীঃ Emerald (এমারেল্ড)
ফার্সী ও আরবীঃ জমরুদ
ভারত ও নেপালঃ পান্না
৪। পোখরাজ (প্রচলিত নাম): এই পাথরকে পুস্পরাগণিও বলা হয়।
বাংলাঃ পোখরাজ
ইংরেজীঃ Yellow Sapphire (ইয়েলো সাফায়ার)
ফার্সী ও আরবীঃ আল ইয়াকুতুল আস্ফার
ভারত ও নেপালঃ পীলা নীলাম
৫। গোমেদ (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ গোমেদ
ইংরেজীঃ Hessonite Garnet (হেসোনাইট গার্নেট)
ফার্সী ও আরবীঃ আলআকিক
ভারত ও নেপালঃ গোমেদ
৬। ইন্দ্রনীলা (প্রচলিত নাম): ইহা নীলকান্তমণি নামেও পরিচিত।
বাংলাঃ ইন্দ্রনীলা
ইংরেজীঃ Blue Sapphire (ব্লু সাফায়ার)
ফার্সী ও আরবীঃ আল ইয়াকুতুল আযরাক
ভারত ও নেপালঃ নীলাম
৭। মুক্তা (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ মুক্তা
ইংরেজীঃ Pearl (পার্ল)
ফার্সী ও আরবীঃ লু’লু
ভারত ও নেপালঃ ্মতি
৮। পদ্মনীলা (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ পদ্মনীলা বা রাজভক্তনীলা
ইংরেজীঃ Pearl (এমেথিষ্ট)
ফার্সী ও আরবীঃ –
ভারত ও নেপালঃ জামুনিয়া
৯। ক্যাট’স-আই (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ বৈদুর্য্যমণি
ইংরেজীঃ Cats Eye (ক্যাট’স আই)
ফার্সী ও আরবীঃ
ভারত ও নেপালঃ লহসনিয়া
১০। মুনস্টোন (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ চন্দ্রকান্তমণি
ইংরেজীঃMoon Stone (মুনস্টোন)
ফার্সী ও আরবীঃ –
ভারত ও নেপালঃ চন্দ্রকান্তমণি
১১। ফিরোজা (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ ফিরোজা
ইংরেজীঃ urquoise (টারকুইজ)
ফার্সী ও আরবীঃ ফাইরুজ
ভারত ও নেপালঃ ফিরোজা
১২। আকীক (প্রচলিত নাম):
বাংলাঃ আকীক
ইংরেজীঃ Agate (এগেট)
ফার্সী ও আরবীঃ আকীক
ভারত ও নেপালঃ আকীক



ধর্মের দৃষ্টিতে রত্ন পাথর ও তার ব্যবহার
রত্ন-পাথরের ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে যা উল্লেখ আছে তা পরোক্ষভাবে আমাদের নিকট এর মাহাত্মা মূর্ত করে তোলে। তাই একটি কুরানিক ব্যাখ্যার উল্লেখ এখন- প্রয়োজন। সূরা আর রহমান এর ১৯ ও ২২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-“তিনি প্রবাহিত করেন দুই দরিয়া (সমুদ্র) যারা পরস্পর মিলিত হয় ——উভয় দরিয়া (সমুদ্র) হতে উৎপন্ন হয় মুক্তা ও প্রবাল। তোমরা আমার কোন দানকে অস্বীকার করবে” এরপর কুরআনের অন্যত্র বর্ণিত রয়েছে যে, পৃথিবীতে আল্লাহ্তালা যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তা যে কোন ভাবেই হোক মানুষের কল্যাণে আসে। মহান আল্লাহ প্রদত্ত রত্ন-পাথর যেমন-জমরুদ, ইয়াকুত, মুক্তা, হীরা, প্রবাল, পোখরাজ ইত্যাদি আল্লাহ্র দান এগুলোকে কি আমরা প্রত্যাখ্যান করতে পারি? ইসলামে রত্ন-পাথরের ব্যবহার কতটুকু গ্রহণীয় তার প্রমাণ পাই নবী, রসুল এবং বিশিষ্ট সংস্কারক ও পন্ডিত ব্যক্তিবর্গের রত্ন-পাথর ব্যবহারের দ্বারা। যেমন- হজরত আলী (রাঃ) অন্যান্য রত্নের সাথে ইয়াকুত (Ruby) ব্যবহার করতেন। হজরত আলী (রাঃ) এর মতে যে ইয়াকুত ছিল তার উপর বিশেষ আয়াত লেখা ছিল। ‘মাকারিমূল আখলাক’ এর মধ্যে উল্লেখ আছে যে, হজরত ইমাম মূসা কাজিম (আঃ) এর হাতে যে ফিরোজা (Turquise) রত্ন ছিল তার উপর “আল্লাহ-মালিক” লেখা ছিল। আরও জানা যায় হজরত আলী (রাঃ) এবং হজরত ওমর (রাঃ) যখন যুদ্ধে যেতেন তখন এই ফিরোজা রত্ন হাতের বাজুতে অথবা গলায় পরিধান করতেন। কারণ ইহা বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে সক্ষম বলে কথিত আছে। রত্ন-পাথর শুধু যমীন বা পৃথিবীর ভূভাগেই নয়, আকাশমন্ডলী এবং বেহেশ্তেও রয়েছে। হযরত কা’ব আহ্বার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, আল্লাহতা’আলা বেহেশতে ইয়াকুত রত্নের মহল তৈরী করেছেন, প্রত্যেক মহলে সত্তর হাজার কামরা। ইমাম গায্যালী (রহঃ) এর মুকাশাফাতুল কুলূব গ্রন্থে জানা যায়, কথিত আছে- ষষ্ঠ আসমান জওহর তথা মহামূল্য পাথর দ্বারা গঠিত। সপ্তম আকাশ হচ্ছে মহামূল্য ইয়াকুত ও লাল বর্ণের প্রবাল পাথর দিয়ে তৈরী। আর এ আসমানেই রয়েছে বাইতুল মা’মুর যার কোন চতুষ্টয়ের একটি লাল ইয়াকুত রত্নের, দ্বিতীয়টি সবুজ পান্না রত্নের। আরো বর্ণিত আছে- বাইতুল-মা’মুর মহামূল্য আকীক পাথরের তৈরী। প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশতা এর তওয়াফ করে। এতক্ষণ ইসলামের দৃষ্টিতে রত্ন-পাথর ও তার ব্যবহার সম্পর্কে যে বিশ্লেষণ পেশ করা হয়েছে তার দৃঢ় তত্ত্ব উন্মোচনের বিষয়টি ততো সহজ নয়। কারণ এ বিষয়টি অনুধাবন করার জন্য অনুভূতির তীব্রতা আর নিরলস সাধনা প্রয়োগ প্রয়োজন। ভাসা ভাসা উপলব্ধি এবং মামুলি কিছুটা চর্চা করেই এর মৌল তত্ত্ব উদঘাটন সম্ভব নয়। কারণ আমরা জানি সাগর গর্ভে যে বিপুল রহস্যরাজি লুকিয়ে রয়েছে তা অনুধাবনে আগ্রহী ব্যক্তি যদি হিমালয় শীর্ষে বসে গবেষণা কর্ম শুরু করেন তবে তার পক্ষে এ গবেষণার ফল লাভ আশা করা যেমন হাস্যকর, তেমনি রত্ন-পাথর সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক জ্ঞান অর্জন না করেই এ সম্বন্ধে বিচার বিশ্লেষণ অসম্ভব। তাই আসুন আমরা উদ্বেগহীন শান্তিপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য ইসলাম প্রদর্শিত নির্দেশনা অনুযায়ী রত্ন-পাথর ব্যবহারে প্রবৃত্ত হই। প্রকৃত পক্ষে রত্ন-পাথরের গুণাগুণ অনস্বীকার্য। যুগ যুগ ধরে মানবজাতি এর ফলাফল পেয়েছে অনন্ত কাল পাবে। অতঃপর ‘দ্রব্যগুণ অনস্বীকার্য’ এ ব্যাপারে পন্ডিত শিক্ষিত সমপ্রদায়ের মধ্যে কোন দ্বি-মতের অবকাশ নেই। সুতরাং কোরআন, পুরাণ, বিজ্ঞান, আয়ুর্বেদ, হেকিমী ও জ্যোতিষ বিজ্ঞানের আলোকে বিচার বিশ্লেষণে এবং নিজ অভিজ্ঞতায় বলা যায়- রত্ন মানব জীবনের অমূল্য ঔষধ; রত্ন মানব মনে আনন্দ দানকারী, শরীর স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য, বীর্য ও যৌবন বৃদ্ধির সহায়ক। শত্রু, হিংস্র জন’র আক্রমণ, দৈব-দুর্বিপাক, রোগশোকে রক্ষাকারী ও অর্থ সম্পদের সহায়ক এবং স্রষ্টার সৃষ্টি রহস্য অনুভব করার এক অনুপম মাধ্যম।
ধর্মীয় ও পৌরাণিক দৃষ্টিতে রত্নের ব্যবহার খৃষ্টান ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বাইবেল-হীরা, আকীক, পোখরাজ, নীলা, জ্যামোনিয়া প্রভৃতি রত্ন-পাথরের বর্ণনা আছে। বিশেষ করে ওল্ড টেষ্টামেন্টে ‘জেনেসিস’ গ্রনে’র আলোচনায় ‘ব্রিমষ্টোন’ নামক পাথরের কথাও জানা যায়। অথর্ববেদের বর্ণনা থেকে জানা যায় অশুভ বা বিরুদ্ধ গ্রহের প্রতিকারের উপায় মাত্র দুটি। প্রথম হলো ঈশ্বর আরাধনা-দ্বিতীয় হলো মহামূল্য গ্রহ রত্ন ধারণ। (অর্থাৎ রত্ন-পাথর গ্রহদের প্রভাবিত করে মানুষের কল্যাণ আনয়ন করে ও দৈবদুর্বিপাক থেকে রক্ষা করে)। মনুসংহিতায় বলা হয়েছে- সুসজ্জিত পোষাকে পবিত্র ভাবে রত্ন-পাথর যথাযথভাবে ধারন করলে জীবজন্তু অনিষ্ট থেকে ও তীব্র কামের উগ্রতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এমন কি সবার শ্রদ্ধা লাভ করা যায়। ধন, সম্পত্তি, সুখ-শান্তি বৃদ্ধি পায় এবং রমনীকুল বশীভূত হয়। রত্নচূর্ন ভক্ষণে শরীর চেহারায় শ্রীবৃদ্ধি ঘটে, বিষ ক্রিয়া নষ্ট হয়। অগ্নি পুরাণ মতে- প্রত্যেকের রত্ন ধারণ করা কর্তব্য বলে উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
শী্রকৃষ্ণের ‘স্ব্যমন্তকমণি’ ও নারায়ণের ‘কৌন্তভ মনির’ কথা হিন্দু ধর্মবম্বী মধ্যে সর্বজন বিদিত। কুবের, রাবণ,দুর্যোধন, কংস আরো অন্যান্য রাজন্যবর্গের প্রভাব প্রতিপত্তির মূলে রত্ন ধারণের ইতিহাস পাওয়া যায়। মহাশক্তি চন্ডী নানা প্রকার রত্ন মন্ডিত হয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে অসুর নিধন করতেন। প্রাচীন ধর্ম গ্রন্থগুলোতে বিশেষ করে বেদ, পুরাণ, রামায়ণ ও মহাভারত প্রভৃতিতে রত্ন-পাথার ধারণ বা ব্যবহার করার কথা উল্লেখ রয়েছে। আর্য সমাজের সৈনিকরা যুদ্ধে যাওয়ার পূর্বক্ষণেই বিভিন্ন প্রকার রত্ন-পাথর ধারণ করে অস্ত্র হাতে যুদ্ধে যেতেন বলেও জানা যায়। মহাভারতে জানা যায় অশ্বমেধ যজ্ঞের পূর্বে অশ্বরক্ষক অর্জুন তাঁর অচেনা পুত্র বভ্রু বাহনের দ্বারা যুদ্ধে নিহত হলে পত্নী নাগকন্যা উলুপী পিতৃ প্রদত্ত রত্ন দ্বারা স্বামীর জীবন রক্ষা করেন।


আপনারা জানেন যে, ইরানের জলে-স্থলে, ক্ষেত-খামারে, বাগ-বাগিচায়, কল-কারখানায় উৎপাদিত হয় বিচিত্র সামগ্রী।
এর পাশাপাশি খনি থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন সামগ্রী এবং ইরানি নরনারীদের মেধা ও মনন খাটিয়ে তৈরি করা হয় বিভিন্ন শিল্পপণ্য।
গত আসরে আমরা ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ধাতু মূল্যবান সব পাথর নিয়ে কথা বলেছি।
রত্নবিদরা ইরানকে নাম দিয়েছেন ‘গুপ্ত বেহেশত’। কারণ এখানকার মাটি আর সমুদ্রের নীচে লুকিয়ে আছে এমন সব মহামূল্যবান রত্ন যার জাকজমক বেহেশতের কথাই কল্পনায় নিয়ে আসে।

মূল্যবান পাথরের শ্রেণীতে পড়েছে হীরা, লাল ইয়াকুত, নীল ইয়াকুত, পান্না ইত্যাদি পাথরগুলো।
এইসব পাথর যেহেতু দুর্লভ সেজন্য এগুলোর মূল্য স্বর্ণের মতোই মূল্যবান। হীরা হলো সর্বাপেক্ষা মূল্যবান একটি রত্ন যা গহনা তৈরিতে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়।
বর্ণহীন এই রত্নটি একটি মাত্র বিশুদ্ধ উপাদান কার্বন থেকে সৃষ্ট। অন্যভাবে বলা যেতে পারে হীরা কার্বনেরই একটি বিশেষ রূপ মাত্র। লাল ইয়াকুত বা চুনি এবং নীল ইয়াকুত বা চুনির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য অর্থাৎ এগুলোও বেশ মূল্যবান পাথর।

তবে প্রবাল তুলনামূলকভাবে হীরার মতো মূল্যবান নয়। আজকের আসরে আমরা হীরার তুলনায় কম মূল্যবান পাথর নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করবো।
অর্ধ-উচ্চমূল্যবান পাথরের বেশিরভাগই হলো কোয়ার্টয বা স্ফটিক শ্রেণীর।
আকিক পাথর, ফিরোজা পাথর, অ্যাম্বার পাথর, নীলা পাথর, পান্না পাথর, দিলরুবা পাথর, ইয়ামনি পাথর, পীত পাথর, ইয়াশ্‌ম বা গ্রিন জ্যাসফার স্টোন, ব্ল্যাক অ্যাম্বার স্টোন এবং পোখরাজ পাথর ইত্যাদি তুলনামূলকভাবে কম দামী পাথরের অন্তর্ভুক্ত।

অবশ্য মূল্যমান নির্ভর করে পাথরের প্রকার, তার সৌন্দর্য, স্থায়িত্ব, প্রতিরোধ শক্তি, ঔজ্জ্বল্য, সাইজ, প্রাচুর্য, কাটার সুবিধা ইত্যাদির ওপর।
নভোনীল বা স্কাই ব্লু পাথর এবং গ্রিন ম্যালাকাইট পাথরের মতো অর্ধ-উচ্চমূল্যবান পাথরের সৌন্দর্যের কারণে এগুলোর মূল্য অনেক সময় বেড়ে গিয়ে উচ্চমূল্যবান পাথরের পর্যায়ে চলে যায়।
এ কারণে ব্যবসার ক্ষেত্রে উচ্চ মূল্যবান ও অর্ধ-উচ্চমূল্যবান পাথরের পরিভাষাগুলো ব্যবহৃত হতে হতে মহামূল্যবান পাথরের জাঁকজমক অনেকটা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।
গত কয়েক দশকে অবশ্য জুয়েলারি বিদ্যার জগতে ব্যাপক উন্নয়ন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে।

সেইসঙ্গে রত্ন ভাঙা বা কাটার প্রযুক্তিসহ রত্ন উত্তোলন ও সেগুলোকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার কারিগরি উন্নয়ন ঘটেছে চোখে পড়ার মতো।
এসব বিচিত্র কারণে বিশ্বব্যাপী দামি পাথরের ব্যবসা ও ব্যবহারের প্রবণত অনেক বেড়ে গেছে।
কোনো কোনো দেশের অর্থনীতি তো সরাসরি এই রত্ন ব্যবসার উপরই নির্ভরশীল। বছরে হাজার হাজার কোটি ডলার বিশ্ব রত্ন বাজারে নগদ আদান প্রদান বা লেনদেন হয়।

মূল্যবান রত্নগুলোর বেশকিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব পাথর অলংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা ছাড়াও টেলিস্কোপ নির্মাণ, মেডিক্যাল ইকুইপমেন্টস তৈরি, পরমাণু প্রযুক্তি এবং ন্যানো টেকনোলজিসহ আরও বহু স্পর্শকাতর শিল্পে ব্যবহার করা হয়।
জেম থেরাপিতেও এগুলোর ব্যবহার রয়েছে। জেম থেরাপি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি।

ইরানে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান রয়েছে “ভূবিদ্যা ও খনিজ সম্পদ উত্তোলন সংস্থা” নামে। নাম থেকেই এই প্রতিষ্ঠানের কাজ কী-তা অনুমান করা যায়।
হাঁ, খনিজ সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং সর্বপ্রকার খনিজ সম্পদ আবিষ্কার ও উত্তোলন এই সংস্থার কর্মপরিধির মধ্যে পড়ে। অন্তত পঞ্চাশ বছর ধরে এই সংস্থা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সংস্থাটির অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত সামর্থ্য যোগ্যতা অনেক উন্নত ও উঁচু পর্যায়ের।

সেইসঙ্গে এই সংস্থায় কর্মতৎপর রয়েছে বিশেষজ্ঞ ও নিপুণ গবেষকদল। এদিক থেকে তাই বিশ্বের আটটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার একটি এখন ইরানের এই খনিজ সম্পদ উত্তোলন সংস্থা।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য তো বটেই এই সংস্থা সমগ্র বিশ্বের জন্যই সিসমো টেকটোনিক মানচিত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।পাথরের আধ্যাত্মিক মূল্য নিয়ে কথা বলছিলাম আমরা।

ধর্মীয় ব্যক্তিত্ববর্গ ও মনীষীদের বর্ণনা থেকে জানা যায় তাঁরা মুসলমানদেরকে ফিরোজা ও আকিক পাথর ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন।
যেমনটি পাওয়া হযরত ইমাম জাফর সাদেক (আ) এর বর্ণনা থেকে। তিনি বলেছেন: আকিক পাথরের আংটি পরো। কেননা এই পাথর পবিত্র।
আকিক পাথরের আংটি যে পরবে তার জন্য সৌভাগ্য ও মঙ্গল রয়েছে বলে আশা করা যায়। কোমের আকিক পাথরের খনি মূল্যবান এই পাথরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে ৫ হাজার টনের বেশি আকিক পাথরের মজুদ রয়েছে বলে মনে করা হয়। এ পর্যন্ত ৮০ রঙের আকিক পাথর পাওয়া গেছে এখানকার খনিতে।


দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000/3000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200407150315