Friday, April 10th, 2020

Astro Research Centre

হীরা সবচেয়ে দুস্প্রাপ্য ও মূল্যবান

হীরাকে আরবীতে অলম্পাস বলা হয়। বর্তমান পৃথিবীতে হীরা সবচেয়ে দুস্প্রাপ্য ও মূল্যবান। হীরা “আলো-ঝলমলে” ধাতু। হীরার বহুতলে আলো বার-বার একে বেকে যায় বলেই তৈরী হয় বহু রঙা আলোর ফোয়ারা ।

রত্ন বিজ্ঞানীরা হীরাকে তার ভেতরের উজ্জ্বলতা অনুযায়ী বর্ণের দিক থেকে চার ভাগে ভাগ করেছিলেন । (১) ব্রাহ্মণ-সাদা রঙ্গের হীরা। (২) ক্ষত্রিয়-লাল রঙ্গের হীরা। (৩) বৈশ্য-হলুদ রঙ্গের হীরা এবং (৪) শুদ্র-কালো রঙ্গের হীরা। বিন্দু ও রেখাবর্জিত সাদা উজ্জ্বল হীরাকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয় এবং তার নাম দেওয়া হয়েছে “কমলহীরা”। খাঁটি বা প্রাকৃতিক হীরা শীতল ও পিচ্ছিল জ্যোতি দেখা যায়। আসল হীরা আগুনে পোড়ালে কয়লা হয়ে যায়। সকলেই জানে যে হীরা দ্বারা কাঁচ কাটা যায়। উজ্জ্বল ও জ্যোতিহীন, দাগ বিন্দুযুক্ত হীরা ব্যবহার করা উচিত নয়। খনি থেকে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হীরা উজ্জ্বল ও জ্যোতির্ময় থাকে না। হীরা না কাটলে তার ভেতরকার জৌলুস প্রকাশ পায় না। একে কেটে পলিশ করে উজ্জ্বল জ্যোতির্ময় করে গড়ে তোলা হয়। আজ পৃথিবীর ভারতের বোম্বে, তেলআভিব, ব্যাংকক, এ্যান্টরুপ ও আমেরিকার নিউইয়র্কে হীরা কাটা ও ঘষামাজা করা হয়।

কার্যকারীতাঃ তেজ, সন্মান, গৌরব, বল বৃদ্ধি, দৈহিক লাবণ্য বৃদ্ধি, দাম্পত্য সুখ ও শুক্র গ্রহের অশুভ প্রভাব দূর করে।

প্রাপ্তিস্থান :  ভারতের গোলকুন্ডা হীরা খনি। কিন্তু বর্তমানে এই খনি পরিত্যক্ত। ১৭২৫ সালে আর একটি হীরার খনি আবিষ্কার হয় ব্রাজিলে। ব্রাজিলের খনি থেকেও উজ্জ্বল বড় হীরা পাওয়া যায়। অতঃপর এ যুগে দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বার্লীতে বৃহত্তম হীরা খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানকার হীরা সুন্দর ও ঝলমলে। বর্তমানে পৃথিবীর ৯০ ভাগ চাহিদা পূরণ করছে কিম্বার্লী একাই। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে লম্বা হীরার খনি দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বার্লীতে। এছাড়া হীরা পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া প্রভৃতি স্থানে। ১৯৭৯ সালে আরেকটি বড় হীরার খনি আবিষ্কৃত হয় পশ্চিম অষ্ট্রেলিয়ায়। ১৯৮৮ সালে অষ্ট্রেলিয়া ৩৪ মিলিয়ন ক্যারেট হীরার সন্ধান পায়। যা, গোটা পৃথিবীর হীরার তিন চতুর্থাংশের সমান। লন্ডনের ডিবাইর্স সেন্ট্রাল সেলিং অর্গানাইজেশনের মূল ভবনেও প্রচুর পরিমানে হীরা আবিষ্কৃত হয়।

হীরা কৃষ্টালীন কার্বনের রাসায়নিক উপাদান। গ্রাফাইটের সমগোত্রীয় অথচ বিপরীত ধর্মী। গ্রাফাইট নরম, হীরা অতীব কঠিন। খনি থেকে তোলার পর ৮০ ভাগ হীরাই কাটিং-এ বাতিল হয়ে যায়। বাকী ২০ ভাগ সেটিং, ওজন, বর্ণ, গঠন ও শুদ্ধতা অনুযায়ী শ্রেণীভুক্ত করা হয়।

হীরা পাথরকে শুক্র গ্রহের পাথর বলা হয়ে থাকে। যাদের বৃষ রাশি (Taurus, April 21- May20) মিথুন রাশি (Gemeni, May 21- Jun 20) তুলা রাশি (Libra, Sept: 21 – Oct 20) কন্যা রাশি (Virgo, Aug 21-Sept 20) তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হীরা পাথর। শুক্র গ্রহ সৌন্দর্য ও আভিজাত্যর প্রতীক ফলে হীরা পাথর ব্যবহারে সৌভাগ্য, সৌন্দর্য ও সম্পদ বৃদ্ধি পায়।

Diamond Stone এর বাংলা হচ্ছে হীরা পাথর। হীরা পাথরকে শুক্র গ্রহের পাথর বলা হয়ে থাকে। যাদের বৃষ রাশি (Taurus, April 21- May20) মিথুন রাশি (Gemeni, May 21- Jun 20) তুলা রাশি (Libra, Sept: 21 – Oct 20) কন্যা রাশি (Virgo, Aug 21-Sept 20) তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হীরা পাথর। শুক্র গ্রহ সৌন্দর্য ও আভিজাত্যর প্রতীক ফলে হীরা পাথর ব্যবহারে সৌভাগ্য, সৌন্দর্য ও সম্পদ বৃদ্ধি পায়।
আপনি হয়তো হীরা পাথর ব্যবহার করছেন অথবা ব্যবহার করার চিন্তা করছেন, কিন্তু কিন্তু মনে মনে ভাবছেন হীরা ব্যবহারে কি কি উপকার পাওয়া যেতে পারে যদি আল্লাহ্‌ চান। এখানে পাচ্ছেন হীরা পাথর ব্যবহারের উপকারিতা (Benefits of Diamond Stone):
যে সকল মানুষ সঙ্গিত, অভিনয়, জনসংযোগ, চিত্রশিল্প অথবা লেখালেখির সাথে জড়িত তাদের জন্য হীরা খুব খুব উপকারী।
ব্যবহারকারী খুব দ্রুত উপকার পেতে পারে হীরা ব্যবহারে।
সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করতে পারে হীরা পাথর এবং তা দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে থাকে।
সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা, ব্যবস্থাপনা ক্ষমতা এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এর পাথর।
সামাজিক কাজে অংশ গ্রহন, অসহায়ের সাহাজ্জর ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি করে।
আইনগত বিষয়ে বিশেষ সাহায্য পাওয়া যেতে পারে হীরা ব্যবহারে, শত্রু সাথে জয়ী হবার শক্তি যোগায়।
যে সকল স্ত্রী লোক নিজেরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে চায়, অন্যদের সামনে সুন্দর ভাবে হাজির হতে চায় তাদের জন্য হীরা খুব উপকারী।
ডায়াবেটিক, অনিদ্রা ও নিরাপদ সন্তান জন্ম দেবার জন্য উপকারী হতে পারে এ পাথর।
যে সকল মেয়েদের সাংসারিক জীবনের সমস্যা রয়েছে তারা এ পাথর ব্যবহার করতে পারেন।
হীরা পাথর সম্পর্কের মধ্যে আনন্দ, ভালোবাসার জন্ম দেয়। বৈবাহিক জীবনেও এর প্রভাব রয়েছে।
হীরা পাথর শয়তানের খারাপ প্রভাব, ভয় ভিতি দূর করে আত্ম বিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
ঘুমের মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখা থেকে রক্ষা করে হীরা পাথর এবং প্রশান্তির ঘুমে সাহায্য করে।
এ পাথর হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
মধ্য যুগ থেকেই মনে করা হয় হীরা পাথর প্রশান্তির ঘুম, উন্নতি, সম্মান এবং ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি করে।


যে কোনও উজ্জ্বল-চকচকে পাথর মানেই কিন্তু হীরা নয়। কিন্তু কি করে চিনবেন আসল হীরা? এর সঠিক উত্তর দিতে পারেন কেবল মাত্র একজন রত্নবিশেষজ্ঞ বা জেমোলজিস্ট। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে বিখ্যাত রত্নবিশেষজ্ঞ রেনি হির্চ জানিয়েছেন আসল হীরা চেনার কিছু কৌশল। অনেকেই হীরার গয়না কেনেন। সব সময় নামী ব্র্যান্ডের দোকান থেকে কেনা না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আসল হীরা চেনার এই কৌশলগুলি জানা থাকলে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।

১) শিরিষ কাজগ দিয়ে ঘষা: এটা খুব সহজ একটি পদ্ধতি। হীরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্ত বস্তু। কোনও কিছু দিয়েই একে ঘষে মসৃণ করা যাবে না। কিন্তু যদি কৃত্রিম হীরা হয় তাহলে এতে শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলেই তাতে দাগ পড়বে।

২) আলোর প্রতিফলন দেখা: আসল হীরা যে ভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটায় তা সত্যিই অপূর্ব! হীরাতে আলো ফেললে এর ভেতরে ধূসর ও ছাই রংয়ের আলোর ছটা দেখা যাবে যাকে বলা হয় ‘ব্রিলিয়ান্স’। আর বাইরের দিকে প্রতিফলিত হবে রামধনুর রঙের, যাকে বলা হয় ‘ফায়ার’। কিন্তু নকল হীরার ক্ষেত্রে পাথরের ভেতরেই রামধনু রং দেখতে পাওয়া যাবে। মানুষের একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, হীরা রামধনু রং প্রতিফলিত করে। কিন্তু খাঁটি হীরার প্রতিফলনে বেশির ভাগই ধূসর ভাব থাকে।

৩) এর প্রতিসরণের বৈশিষ্ট্য: হীরার এত চকচকে হওয়ার কারণ হল, এর প্রতিসরণের বৈশিষ্ট্য। এই পাথরটি যে পরিমাণ আলো ধরে রাখতে পারে, তা কাঁচ, কোয়ার্টজ বা ত্রিকোণাকৃতি জিরকোনিয়ামও করতে পারে না। একটি আসল হীরা যদি পত্রিকার ওপর রাখেন, তবে এর ভেতরে পত্রিকার কালো রংয়ের লিখার কোনো প্রতিসরণ ঘটবে না। কিন্তু হীরা যদি নকল হয়, সেক্ষেত্রে তার মধ্যে কালো লেখার কোনও অক্ষর দেখা যেতে পারে।

৪) নিঃশ্বাসের পরীক্ষা: পাথরটিতে মুখের গরম বাতাস দিন। দেখবেন সেটি কুয়াশাচ্ছন্ন (ঝাপসা) হয়ে পড়েছে (বাথরুমের আয়নায় নাক-মুখের নিঃশ্বাস ফেললে আয়নার কাঁচ যেমন ঝাপসা হয়ে যায়)। হীরাটি যদি নকল হয়, তবে খুব দ্রুত ঝাপসা ভাবটি চলে যাবে। কিন্তু আসল হীরার ঝাপসা ভাব কাটতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে। কারণ, আসল হীরা একেবারেই তাপ ধরে রাখে না, তাই বাষ্প খুব দ্রুত উবে যাবে।

৫) লোপের ভেতর দিয়ে দেখুন: লোপ হল বিশেষ এক ধরনের ম্যাগনিফায়িং গ্লাস (আতস কাঁচ)। এটি দিয়ে হীরা বা অন্যান্য পাথর পরীক্ষা করা হয়। লোপের মাধ্যমে যখন কয়েকটি হীরা দেখবেন, তখন কয়েক ধরনের চেহারা দেখতে পারেন। কিছু পাবেন যেগুলো মোটেও নিখুঁতভাবে মসৃণ করা নয়। এগুলো দেখলে মনে হবে যে, একেবারে প্রাকৃতিক অবস্থায় রাখা হয়েছে। এগুলোই আসল হীরা। কিন্তু ভুয়া হীরা একেবারে নিখুঁত ও মসৃণ হবে। দ্বিতীয়ত, সূক্ষ্মভাবে হীরার ধারগুলো দেখুন। লোপের মাধ্যমে যখন দেখবেন, তখন এর ধারগুলো বেশ ধারালো বলেই মনে হবে। কিন্তু নকল হীরার ধারগুলো গোলাকার বা মসৃণ হয়।
এই পাথরটি আসল হীরা, নাকি নকল? হীরার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্ন এটি। আর তা জানতে হলে একজন গেমোলজিস্টের কাছে যেতে হবে আপনাকে। একমাত্রা তারাই এ বিষয়ের এক্সপার্ট। এখানে টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ডেকোরেটিভ আর্টস এক্সপার্ট এবং গেমোলজিস্ট রেনি হির্চ আপনাদের শিখিয়েছেন, কিভাবে আসল হীরা চেনা যায়। চেনার উপায় : অনেকেই হীরার গয়না কেনেন। সব সময় ব্র্যান্ডের দোকান থেকে তো আর কেনা হয় না। অনেকেই বিদেশ থেকে আনিয়ে নেন বা অন্য কারো কাছ থেকে কেনেন। তখন আসল হীরা চেনাটার শিক্ষাটা না থাকলেই নয়। যদি চিনতে পারেন, তবে এত টাকা আর জলে যাবে না। ১. লোপের ভেতর দিয়ে দেখুন : বিশেষ এক ধরনের ম্যাগনিফায়িং গ্লাস হলো লোপ। এটি দিয়ে হীরা বা অন্যান্য পাথর পরীক্ষা করে নিতে হয়। লোপের মাধ্যমে যখন কয়েকটি হীরা দেখবেন, তখন কয়েক ধরনের চেহারা দেখতে পারেন। কিছু পাবেন যেগুলো মোটেও নিখুঁতভাবে মসৃণ করা নয়। এগুলো দেখলে মনে হবে যে, একেবারে প্রাকৃতিক অবস্থায় রাখা হয়েছে। এগুলোই আসল হীরা। কিন্তু ভুয়া হীরা একেবারে নিখুঁত ও মসৃণ হবে। দ্বিতীয়ত, সূক্ষ্মভাবে হীরার ধারগুলো দেখুন। লোপের মাধ্যমে যখন দেখবেন, তখন এর ধারগুলো বেশ ধারালো বলেই মনে হবে। কিন্তু ভুয়া হীরার ধারগুলো গোলাকার বা মসৃণভাবে বানানো হয়। যদি এমন হয় যে একটি গয়নায় স্বর্ণ ও রূপা দিয়ে হীরাটাকে আকটে দেওয়া হয়েছে, তবে কিছুটা সন্দেহের অবকাশ আছে। একটি হীরাকে কেন এই সস্তা মেটাল দিয়ে বাঁধা হবে, তা একটি সন্দেহের বিষয়। ২. শিরিষ কাজগ দিয়ে ঘষা : এটা খুব সহজ একটি পদ্ধতি। হীরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্ত বস্তু। কোন কিছু দিয়েই একে ঘষে মসৃণ করা যাবে না। কিন্তু যদি কৃত্রিম হীরা হয় তাহলে এতে শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলেই তাতে দাগ পড়বে। ৩. নিঃশ্বাসের পরীক্ষা : পাথরটিতে মুখের গরম বাতাস দিন। হীরাটি কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। বাথরুমের আয়নায় নাক-মুখের নিঃশ্বাস ফেললে এভাবে আয়নাটি ঝাপসা হয়ে যাবে। হীরাটি যদি ভুয়া হয়, তবে খুব দ্রুত ঝাপসা ভাবটি চলে যাবে। কিন্তু আসল হীরা খুব দ্রুত পরিষ্কার হবে না। কারণ আসল হীরা তাপ ধরে রাখে না যে বাষ্প খুব দ্রুত উবে যাবে। ৪. আলোর প্রতিফলন দেখা : আসল হীরা যেভাবে আলোর প্রতিফলন ঘটায় তা সত্যিই দারুণ। হীরাতে আলো ফেললে এর ভেতরে ধূসর ও ছাই রংয়ের আলোক ছটা দেখা যাবে যাকে বলা হয় ব্রিলিয়ান্স। আর বাইরের দিকে প্রতিফলিত হবে রংধনুর রং যাকে বলা হয় ফায়ার। কিন্তু নকল হীরার ভেতরে রংধনুর রং দেখতে পাওয়া যাবে। মানুষের একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, হীরা রংধনুর রং প্রতিফলিত করে। কিন্তু হীরা প্রতিফলনে বেশিরভাগ ধূসর ভাব থাকে। ৫. এর প্রতিসরণের বৈশিষ্ট্য : হীরার এতো চকমকে হওয়ার কারণ হলো, এর প্রতিসরণের বৈশিষ্ট্য। এই পাথরটি যে পরিমাণ আলো ধরে রাখতে পারে, তা কাঁচ, কোয়ার্টজ বা ত্রিকোণাকৃতি জিরকোনিয়ামও করতে পারে না। একটি আসল হীরা যদি পত্রিকার ওপর রাখেন, তবে এর ভেতরে পত্রিকার কালো রংয়ের লিখার কোনো প্রতিসরণ ঘটবে না। কিন্তু ভুয়া হীরার মধ্যে কালো লিখার কোনো অক্ষর পর্যন্ত দেখা যেতে পারে। গেমোলজিস্ট দ্বারা পরীক্ষা করানো : ওপরের পদ্ধতিগুলো বাড়িতে প্রয়োগ করতে পারেন। তবে একজন পাথর এক্সপার্টের কাছেও নিয়ে যেতে পারেন একে। পেশাদার গেমোলজিস্ট রয়েছেন যারা হীরা পরীক্ষা করে দেন। বিশেষ উপলক্ষে বেশ দিয়ে হীরা কিনলে তা এক্সপার্ট দ্বারা পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন। এই পাথর বিশেষজ্ঞ আরো নানা বৈজ্ঞানিক উপায়ে আপনাকে নিশ্চিত করতে পারবেন। একজন গেমোলজিস্ট আসল হীরার গুণগত মানও বের করে তার মূল্যমান নিশ্চিত করতে পারবেন। আপনি যাকে হীরা ভাবছেন তা যদি নকল হয়, তবে হীরার মতোই দেখতে যে পাথরগুলো হতে পারে তা হলো- হোয়াইট টোপাজ, হোয়াইট স্যাফায়ার, কিউবিক জিরকোনিয়াম, মইসানাইট বা ল্যাব গ্রোন হতে পারে। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার


লোহিত হীরা (Red Diamonds)

রেড ডায়মন্ড

প্রকৃতপক্ষে আপনার হাতের কাছে জুয়েলারির দোকান থেকে যেটাকে আপনি হীরা ভেবে কিনে শান্তি পাচ্ছেন, সেটা কিন্তু আসলেই এত মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য হীরাদের কাছে কিছুই না। রেড ডায়মন্ড-এর দুষ্প্রাপ্যতা এতই যে পৃথিবীতে পাওয়া এর বৃহৎ খণ্ডটির ওজন ছিলো প্রায় ৫.১১ ক্যারাট (প্রায় ১ গ্রামের সমান)। কিন্তু সাধারণ হীরকের একটি বৃহৎ খণ্ডের ওজন হতে পারে প্রায় ৩১০৬.৭৬ ক্যারাট। এখান থেকেই পার্থক্যটা বোঝা যাচ্ছে ভালোভাবে।


হীরা হলো সর্বাপেক্ষা মূল্যবান একটি রত্ন, যা গহনা তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয়। বর্ণহীন এ রত্নটি একটি মাত্র বিশুদ্ধ উপাদান কার্বন থেকে সৃষ্ট। অন্য ভাষায় হীরক কার্বনের একটি বিশেষ রূপ মাত্র। কথিত আছে, হীরক সর্বপ্রথম ভারতবর্ষে মূল্যবান হিসেবে খনি থেকে উত্তোলন ও ব্যবহার করা শুরু হয়। ১৮০০ শতকে ভারতের হায়দরাবাদ ছিল বিশ্বের একমাত্র হীরার খনি! কিন্তু গোলকুন্ডার হীরার খনি থেকে পাওয়া হীরার দাম এত বেশি কেন?

কোহিনুরের মতো বিতর্কিত হীরাও এখন তেলেঙ্গানার গোলকুন্ডা থেকে আহরিত। দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে একমাত্র গোলকুন্ডার হীরার খনি বিখ্যাত ছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়


গোলকুন্ডা দুর্গ। ছবি: সংগৃহীত
১৬৬৩ সালে ফরাসি ভূপর্যটক তাভেরনিয়ের লিখেছিলেন, ‘গোলকুন্ডার হীরার খনি থেকে পাওয়া একেকটি হীরার মাপ একটি মুরগির ডিমের অর্ধেকের চেয়েও বেশি বড়। সুন্দর গোলাপের মতো আকৃতি ছিল গোলকুন্ডার হীরার।’

তাভেরনিয়ের আরও লিখেছেন, ‘হীরার এক দিক বেশ উঁচু। সেগুলো থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে হীরা।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ নম্বর ক্যাটাগরির হীরা এতটাই খাঁটি যে অতি-বেগুনি রশ্মি হীরার মধ্যে দিয়ে প্রতিফলিত হতে পারে। আর ২ নম্বর ক্যাটাগরির হীরা বর্ণহীন। ওই হীরাগুলোর রং বাদামি, গোলাপি, ধূসর ও নীলচে হতে পারে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, গোলকুন্ডার ৭৬ ক্যারেটের একটি হীরা ১১৮ কোটি রুপিতে বিক্রি হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য ১৩৭ কোটি টাকার বেশি।
সংগৃহীত


অন্যান্য পাথরের দাম
দাম, Dam, প্রাইস, price, cost rate দর আকৃতি, ওজন, রং weight, gram, rati
Mulya মুল্য, প্রতিরতি, per carrat -50/80 /100/150/200/300/500/800 1000/1500/ 2000

Kaj কাজ, upkarita উপকারিতা ব্যবহার, byaboher উপকারিতা apkarita অপকারীতা ক্ষতি হানি
Dhatu ধাতু metal মেটাল সোনা sona, gold আঙ্গুল, finger
দিন din day স্যাটারডে saturday শনিবার
গ্রহ graha
শোধন,
গুণাগুণ, gunagun
মূল

Astro Research Centre

Lob Mukherjee Govt.Enrolled &Enlisted Astrologer Founder of Astro Research Centre ph 8906959633 /9593165251 Email --lobmukherjeejsmarc@gmail .com Add--Rampurhat .Harisava para.Birbhum please like and share my page --Astro Research Centre contact www.arcsm.in
My website- arcsm.in
Please visit here
For Registration check in here.
All kind of Gems Stone are Testing here
All Kind of Certified Gems and Stone available here

পাইকারী ও খুচরা মূল্যে সকল প্রকার রত্ন পাওয়া যায়
রত্ন ব্যবসায়ীরা ও জ্যোতিষ বন্ধুরা যোগাযোগ করুন



Share Url:
https://arcsm.in/graha-ratna.php?sl=20200410170717